• ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩, বুধবার ২২ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

কলকাতা

কলকাতা

একুশের পোস্টার থেকে হঠাৎ উধাও অভিষেক! তৃণমূলে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত?

একুশে জুলাইয়ের সমাবেশের নতুন পোস্টার প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। পোস্টারে রয়েছেন শুধু তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি নেই। এই নিয়েই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে বিস্তর আলোচনা।কলকাতা হাইকোর্ট একুশে জুলাইয়ের সমাবেশের জন্য বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভার অনুমতি দেওয়ার পর নতুন পোস্টার প্রকাশ করেন কুণাল ঘোষ। পরে সেই একই পোস্টার নিজের সামাজিক মাধ্যমেও ভাগ করে নেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু পোস্টারে তাঁর ছবি না থাকায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে নানা মহলে।এর আগে প্রকাশিত প্রথম পোস্টারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ছিল। তখন সমাবেশের নির্দিষ্ট স্থান ঠিক না হওয়ায় শুধু কলকাতায় আসার আহ্বান জানানো হয়েছিল। কিন্তু নতুন পোস্টারে শুধুমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি রাখা হয়েছে।এই ঘটনা এমন সময়ে সামনে এল, যখন দলের অন্দরে একের পর এক রাজনৈতিক পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা চলছে। সাম্প্রতিক সময়ে কয়েক জন নেতা ও বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দিয়েছেন। তাঁদের অনেকেই প্রকাশ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সর্বশেষ সেই তালিকায় যোগ হয়েছে মদন মিত্রের নাম। ফলে পোস্টারে অভিষেকের ছবি না থাকাকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা আরও বেড়েছে।তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের দাবি, এই ঘটনাকে নতুন করে দেখার প্রয়োজন নেই। কারণ গত বছরও একুশে জুলাইয়ের প্রচারের পোস্টারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ছিল না। সেই সময় দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, এই সমাবেশের পোস্টারে শুধুমাত্র দলের সর্বোচ্চ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবিই রাখা হবে। একই ধরনের ঘটনা দুই হাজার তেইশ সালেও দেখা গিয়েছিল।ফলে নতুন পোস্টার ঘিরে রাজনৈতিক চর্চা যতই বাড়ুক, এটি কৌশলগত সিদ্ধান্ত নাকি তার পিছনে অন্য কোনও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে, সেই উত্তর এখনও স্পষ্ট নয়। তবে একুশে জুলাইয়ের আগে এই পোস্টার যে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

মদনের পদত্যাগেই জোর জল্পনা! এবার কি বড় ঝড়ের মুখে তৃণমূল?

তৃণমূলের অন্দরে রাজনৈতিক সমীকরণ কি দ্রুত বদলে যাচ্ছে? সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনাকে ঘিরে সেই প্রশ্নই এখন জোরালো হচ্ছে। একের পর এক নেতার অবস্থান বদল এবং নতুন শিবিরে যোগ দেওয়া নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। সব মিলিয়ে তৃণমূলের অন্দরের পরিস্থিতি নিয়ে বাড়ছে জল্পনা।ভাই স্বরূপ বিশ্বাস জেলে রয়েছেন। অরূপ বিশ্বাসকে নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে নানা জল্পনা চলছিল। সেই পরিস্থিতিতে অনেকেই ভেবেছিলেন দলের ভিতরে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অরূপ বিশ্বাসকে দেখা যায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে। এরপরই শুরু হয় নতুন রাজনৈতিক চর্চা।এর মধ্যেই আরও বড় চমক দেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। তৃণমূলের দীর্ঘদিনের গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে পরিচিত মদন দলীয় সব পদ ছেড়ে ঋতব্রতের শিবিরে যোগ দেন। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের প্রশ্ন, এটি কি শুধুই ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, নাকি দলের অন্দরে জমে থাকা অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ?ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, এটি কোনও ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে নয়। তাঁর কথায়, ব্যক্তিপূজার পরিবর্তে সম্মিলিত নেতৃত্বের পক্ষে যারা বিশ্বাস করেন, তাঁদের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো হচ্ছে। তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলির নেপথ্যে আরও বড় রাজনৈতিক সমীকরণ কাজ করছে।এদিকে পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মদন মিত্রের স্ত্রী এবং দুই ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে। আগামী বাইশ ও তেইশ জুলাই তাঁদের হাজির হতে বলা হয়েছে। এই ঘটনার পরই মদনের নতুন রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে আরও জোরালো হয়েছে জল্পনা।অন্যদিকে অনুব্রত মণ্ডলও নতুন আইনি সমস্যায় পড়েছেন। দুই হাজার একুশ সালের ভোট-পরবর্তী হিংসার ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, হামলা চালিয়ে বিপুল সংখ্যক ইট লুট করা হয়েছিল এবং ভয় দেখানো হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলকে আক্রমণ করতে ছাড়েনি বিজেপি। বিজেপি নেতা তাপস রায় দাবি করেছেন, তৃণমূলের অন্দরে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, দলের ভিতরে এখন অস্থিরতা স্পষ্ট।সব মিলিয়ে একের পর এক রাজনৈতিক ঘটনা ঘিরে তৃণমূলের অন্দরের পরিস্থিতি নিয়ে জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। আগামী দিনে এই ঘটনাগুলি রাজ্যের রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

হোটেলের ঘরে লুকিয়ে ছিল কোটি কোটি টাকা! দেবরাজ যোগে চাঞ্চল্য, নিউটাউনে পুলিশের হানায় বড় রহস্য ফাঁস

নিউটাউনের একটি হোটেলে পুলিশের অভিযানে উদ্ধার হল কয়েক কোটি টাকা। ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের গোয়েন্দা বিভাগ, সাইবার অপরাধ দমন শাখা এবং নিউটাউন টেকনো সিটি থানার আধিকারিকেরা সোমবার কুড়ি নম্বর ট্যাঙ্ক এলাকার ওই হোটেলে তল্লাশি চালান। অভিযান থেকে বিপুল পরিমাণ নগদের পাশাপাশি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিও উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রের দাবি। এই ঘটনায় ভিনরাজ্যের দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। পাশাপাশি ধৃত তৃণমূল নেতা দেবরাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে এই টাকার কোনও যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দেবরাজ চক্রবর্তীকে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে আসে। সেই সূত্র ধরেই হোটেলে তল্লাশি চালানো হয়। তদন্তকারীদের দাবি, বিভিন্ন ভুয়ো কল সেন্টারের মাধ্যমে আর্থিক প্রতারণা করে বিপুল টাকা সংগ্রহ করা হত। পরে সেই নগদ টাকা একটি বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থার গাড়িতে করে হোটেলে আনা হতো। সেখান থেকে হাওলার মাধ্যমে বিদেশে টাকা পাচারের অভিযোগও উঠে এসেছে।অভিযানের সময় হোটেলের বিভিন্ন ঘর থেকে নগদ টাকা, নথি এবং একাধিক সামগ্রী উদ্ধার করেন তদন্তকারীরা। সূত্রের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা টাকার একটি অংশ নষ্ট হয়ে গিয়েছে এবং কিছু নোটে উইপোকার ক্ষতির চিহ্নও মিলেছে। যদিও এই বিষয়ে পুলিশ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও মন্তব্য করেনি। তদন্তকারীরা উদ্ধার হওয়া নথি খতিয়ে দেখে পুরো চক্রের হদিস পাওয়ার চেষ্টা করছেন।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে। রাজারহাট-নিউটাউনের বিজেপি বিধায়ক পীযূষ কানোরিয়ার দাবি, সাধারণ মানুষের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে লুট হওয়া টাকা ঘুরিয়ে বিদেশে পাঠানোর চেষ্টা চলছিল। তাঁর মতে, উদ্ধার হওয়া টাকা কোথা থেকে এসেছে এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা তদন্তে স্পষ্ট হয়ে যাবে। পুলিশ এখন সিসিটিভি ফুটেজ, উদ্ধার হওয়া নথি এবং আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে গোটা ঘটনার তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

জুলাই ১৪, ২০২৬
কলকাতা

ফের বড় ধাক্কা সুপ্রতিম সরকারের! রাতারাতি সরিয়ে দিল রাজ্য, পুলিশে ব্যাপক রদবদল

রাজ্য পুলিশে ফের বড় রদবদল করল সরকার। মঙ্গলবার জারি হওয়া নির্দেশে একাধিক আইপিএস এবং রাজ্য পুলিশ পরিষেবার আধিকারিকের দায়িত্ব বদল করা হয়েছে। এই রদবদলের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্ত হল প্রাক্তন কলকাতা পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকারকে অপরাধ তদন্ত দফতরের অতিরিক্ত মহানির্দেশকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া। তাঁকে এবার টেলিকম শাখার অতিরিক্ত মহানির্দেশকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অপরাধ তদন্ত দফতরের নতুন প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পেলেন নটরাজন রমেশবাবু।একইসঙ্গে আর্থিক দুর্নীতির তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ পদে আনা হয়েছে সৎ ও দক্ষ আধিকারিক হিসেবে পরিচিত কে জয়রামনকে। তাঁকে অর্থনৈতিক অপরাধ দমন শাখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার পদ থেকেও সরানো হয়েছে ত্রিপুরারি অথর্ভকে। তাঁর জায়গায় নতুন পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নিলেন অমিত রাঠোর।বারুইপুরের সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করেও প্রশাসন কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে। সেখানে কর্মরত দুই অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের মধ্যে পিনাকি দত্তকে সরিয়ে তাঁর জায়গায় অতীশ বিশ্বাসকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছাতে দেরি হওয়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পরই এই বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, বিধানসভা নির্বাচন ঘোষণার পর নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে সুপ্রতিম সরকারকে কলকাতা পুলিশ কমিশনারের পদ থেকে সরানো হয়েছিল। পরে তাঁকে অপরাধ তদন্ত দফতরের অতিরিক্ত মহানির্দেশক করা হয়। এছাড়া ভিনরাজ্যে নির্বাচন পর্যবেক্ষকের দায়িত্বও পালন করেছিলেন তিনি।এবার তাঁকে টেলিকম শাখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই শাখা রাজ্য পুলিশের যোগাযোগ ব্যবস্থা ও ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক পরিচালনা করলেও প্রশাসনিক গুরুত্বের বিচারে এটি তুলনামূলকভাবে কম গুরুত্বপূর্ণ পদ বলে পুলিশ মহলের একাংশের মত।

জুলাই ১৪, ২০২৬
কলকাতা

সেক্টর ফাইভে বড় ধাক্কা! একদিনেই উধাও হাজার খাবারের দোকান, বিপাকে অফিসপাড়া

সেক্টর ফাইভে ফুটপাতের ধারে থাকা শত শত খাবারের দোকান নিয়ে বড় পরিবর্তনের ছবি সামনে এল। চা, ঝালমুড়ি, ফাস্ট ফুড থেকে ভাতের হোটেলঅফিসপাড়ার কর্মীদের প্রতিদিনের ভরসা ছিল এই দোকানগুলো। সম্প্রতি প্রায় এক হাজার থেকে বারোশো দোকানদারকে নোটিস দিয়েছে নবদিগন্ত ইন্ডাস্ট্রিয়াল টাউনশিপ অথরিটি। সোমবারের মধ্যে দোকানের ছাউনি ও অস্থায়ী কাঠামো সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই নির্দেশের পর থেকেই অনেক ব্যবসায়ী নিজেরাই দোকান খুলে সরিয়ে নিতে শুরু করেন।সেক্টর ফাইভে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ কাজের জন্য আসেন। তাঁদের বড় অংশের সকালের চা, দুপুরের খাবার এবং সন্ধ্যার জলখাবারের ভরসা ছিল এই ফুটপাতের দোকানগুলি। রবিবার থেকেই কলেজ মোড়, ইলেকট্রনিক্স কমপ্লেক্স থানার সামনে, গোদরেজ সংলগ্ন এলাকা এবং টেকনো ইন্ডিয়া মোড় থেকে স্বাস্থ্য ভবনের রাস্তা পর্যন্ত একের পর এক দোকান খুলে নেওয়ার ছবি দেখা যায়। সোমবার অফিসপাড়ার বহু জায়গা কার্যত ফাঁকা হয়ে যায়। কোথাও চোখে পড়েনি খাবারের অস্থায়ী স্টল।ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, দোকানে আগুন জ্বালিয়ে রান্না করতে নিষেধ করা হয়েছে। ফলে খাবারের দোকান চালানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এক ভাতের হোটেলের মালিক বলেন, এতদিন যাঁরা তাঁদের দোকানের উপর নির্ভর করতেন, তাঁদের কী হবে তা নিয়েই এখন সবচেয়ে বেশি চিন্তা। সবাই পরবর্তী সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন।অন্যদিকে নবদিগন্ত ইন্ডাস্ট্রিয়াল টাউনশিপ অথরিটির দাবি, কোনও হকারকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে না। আইন অনুযায়ী নির্ধারিত নিয়ম মেনেই ব্যবসা চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ থাকলেও প্রশাসনের বক্তব্য, নিয়ম মেনেই পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে।

জুলাই ১৩, ২০২৬
কলকাতা

দলবল নিয়েই বেরিয়েছিলেন, ফিরলেন নিথর দেহ হয়ে! দমদমে কুখ্যাত দুষ্কৃতীর খুনে তোলপাড়

দমদমে খুন হল কুখ্যাত দুষ্কৃতী রাজা দত্ত। সোমবার ভোরে বেলঘড়িয়া এক্সপ্রেসওয়ের ধারে তাঁর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, গ্যাং দ্বন্দ্বের জেরেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। ইতিমধ্যে পাঁচজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে দমদম থানার পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তর দমদম পৌরসভার খলিসাকোটা এলাকায় ভোরের দিকে রাজা দত্ত তাঁর দুই সঙ্গীকে নিয়ে বাইকে করে পৌঁছেছিলেন। সেখানে কয়েকজনের সঙ্গে বচসা ও সংঘর্ষ শুরু হয়। তদন্তকারীদের অনুমান, সেই সময় রাজা দত্তের আগ্নেয়াস্ত্র কেড়ে নিয়ে তাঁকেই গুলি করে খুন করা হয়। তবে ঠিক কী কারণে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।রাজা দত্তকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর সঙ্গে থাকা দুই সহযোগী গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাঁদের চিকিৎসা চলছে। এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা না হলেও পাঁচজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।স্থানীয় সূত্রের দাবি, ঘটনার আগের দিন এলাকায় একটি রাজনৈতিক কার্যালয়ে বচসা ও ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছিল। সেই ঘটনার সঙ্গে এই খুনের কোনও যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।পুলিশ সূত্রে দাবি, রাজা দত্তের বিরুদ্ধে একাধিক খুন-সহ নানা অপরাধমূলক মামলার অভিযোগ ছিল। এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই তিনি কুখ্যাত দুষ্কৃতী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাঁর খুনের ঘটনায় নতুন করে অপরাধচক্রের যোগ রয়েছে কি না, তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

জুলাই ১৩, ২০২৬
কলকাতা

বাবার পর এবার ছেলে! গভীর রাতে হোটেল থেকে গ্রেফতার প্রাক্তন বিধায়কের পুত্র, বাড়ল চাপ

দীর্ঘদিন গা ঢাকা দেওয়ার পর সম্প্রতি প্রকাশ্যে দেখা গিয়েছিল পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষকে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের বৈঠকে তাঁর উপস্থিতি ঘিরে জোর বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই বড় পদক্ষেপ করল পুলিশ। রবিবার গভীর রাতে দক্ষিণেশ্বরের একটি হোটেল থেকে গ্রেফতার করা হল নির্মল ঘোষের ছেলে তীর্থঙ্কর ঘোষকে । চলতি বিধানসভা নির্বাচনে তিনি পানিহাটি কেন্দ্রের প্রার্থী ছিলেন, যদিও ভোটে পরাজিত হন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এক ড্রাইভারের লটারির টাকা বন্দুক দেখিয়ে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তীর্থঙ্করের বিরুদ্ধে । অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর থেকেই তিনি গা ঢাকা দিয়েছিলেন। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ দক্ষিণেশ্বরের একটি হোটেলে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করে। বর্তমানে তাঁকে খড়দহ থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, লটারির টাকা কীভাবে আত্মসাৎ করা হয়েছিল, এই ঘটনায় আর কারা জড়িত ছিল এবং ওই টাকা কোথায় গিয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ভোট-পরবর্তী হিংসার একাধিক অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে । আজ তাঁকে ব্যারাকপুর আদালতে তোলা হবে। দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানানো হতে পারে।এদিকে প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষের বিরুদ্ধেও একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। তোলাবাজি, জমি দখল, ভয় দেখানো এবং অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর থেকেই তিনি কার্যত লোকচক্ষুর আড়ালে ছিলেন। যদিও সম্প্রতি তিনি দাবি করেন, তিনি আত্মগোপনে ছিলেন না এবং তাঁকে আমন্ত্রণ জানিয়েই বৈঠকে ডাকা হয়েছিল। তবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, পানিহাটির নির্মল ঘোষকে তারা আমন্ত্রণ জানায়নি। পশ্চিম মেদিনীপুরের আর এক নির্মল ঘোষকে ডাকা হয়েছিল।এই নামের বিভ্রান্তি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে যখন জোর চর্চা চলছে, তখনই প্রাক্তন বিধায়কের ছেলের গ্রেফতার নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি করেছে। এখন নজর নির্মল ঘোষের দিকে। তদন্তে নতুন তথ্য মিললে তাঁর বিরুদ্ধেও আরও বড় পদক্ষেপ হতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

জুলাই ১৩, ২০২৬
কলকাতা

একুশের আগে বড় ধাক্কা! ‘ধর্মতলা চলো’ উধাও, হঠাৎ কেন ‘কলকাতা চলো’ পোস্টার কালীঘাট তৃণমূলের?

একুশে জুলাইকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন মোড়। দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর গান্ধীমূর্তির পাদদেশে শহিদ স্মরণ কর্মসূচির অনুমতি পেয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির। অন্যদিকে ধর্মতলায় সমাবেশের অনুমতি না পাওয়ায় নতুন কৌশল নিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন কালীঘাট তৃণমূল। বহু বছরের পরিচিত ধর্মতলা চলো স্লোগানের বদলে এবার প্রকাশ করা হয়েছে কলকাতা চলো পোস্টার।প্রতি বছর একুশে জুলাইয়ের আগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ধর্মতলা চলো পোস্টার দেখা যেত। কিন্তু এ বছর পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। ধর্মতলা এলাকায় বিধিনিষেধ জারি থাকায় সেখানে সমাবেশের অনুমতি মেলেনি। সেই কারণেই স্থান উল্লেখ না করে নতুন পোস্টার প্রকাশ করেছে কালীঘাট শিবির। পোস্টারে রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি এবং কলকাতা চলো বার্তা।দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শেষ পর্যন্ত যদি বড় সমাবেশের অনুমতি না মেলে, তা হলে কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় ছোট ছোট জনসভার আয়োজন করা হতে পারে। সেই সভাগুলিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত থাকতে পারেন বলেও জল্পনা রয়েছে। তবে সেক্ষেত্রেও পুলিশের অনুমতি প্রয়োজন।অন্যদিকে শনিবার গান্ধীমূর্তির পাদদেশে শহিদ স্মরণ কর্মসূচির অনুমতি পেয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির। জানা গিয়েছে, কর্মসূচির আগে নির্ধারিত স্থান পরিদর্শনও করবেন তাঁরা।ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূল দুই শিবিরে বিভক্ত হওয়ার পর থেকেই একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েন চলছে। দুই পক্ষই প্রথমে ধর্মতলায় সমাবেশ করতে চাইলেও পুলিশ অনুমতি দেয়নি। পরে বিকল্প জায়গার আবেদন করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা এবং শেষ পর্যন্ত গান্ধীমূর্তির পাদদেশে অনুমতি পান। এখন কালীঘাট শিবিরের কর্মসূচি কীভাবে বাস্তবায়িত হয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১২, ২০২৬
কলকাতা

বড় রায়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি! ‘আসল তৃণমূল’ কার, আদালতের পর্যবেক্ষণে বাড়ল চাপ

তৃণমূলের আসল সংগঠন কোনটি, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক মহলে জোর বিতর্ক চলছিল। সেই বিতর্কের মধ্যেই আলিপুর আদালতের একটি রায়কে সামনে এনে বড় দাবি করলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী অরূপ রায়ের নেতৃত্বাধীন কমিটিই আইনগতভাবে স্বীকৃত তৃণমূলের সংগঠন। আদালতের রায়ের কপি হাতে পেলেই তা নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূলের অন্দরে ভাঙন আরও স্পষ্ট হয়েছে। একের পর এক নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দেওয়ায় সাধারণ কর্মীদের মধ্যেও বিভ্রান্তি তৈরি হয়। কোন সংগঠনকে অনুসরণ করা হবে, সেই প্রশ্নেই কয়েকজন কর্মী আলিপুর আদালতের দ্বারস্থ হন।রবিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে যে কমিটি গঠন করা হয়েছিল, আদালত সেই কমিটিকেই আইনগতভাবে স্বীকৃত বলে উল্লেখ করেছে। তাঁর দাবি, এই কমিটির বাইরে অন্য কোনও সংগঠন নিজেদের তৃণমূল বলে দাবি করলে তা আইনসম্মত নয়।ঋতব্রত আরও জানান, আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায় হাতে পাওয়ার পর তা নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠানো হবে। তাঁর মতে, এই রায় ভবিষ্যতে দলীয় পরিচয় সংক্রান্ত আইনি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

জুলাই ১২, ২০২৬
কলকাতা

ঋতব্রতর বৈঠকে হঠাৎ নির্মল! তারপরই মন্ত্রীর বিস্ফোরক বার্তা, ‘যেখানেই থাকুন, গ্রেফতার হবেন’

তোলাবাজির মামলায় অভিযুক্ত পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষকে ঘিরে ফের তীব্র রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে। তপসিয়ায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের বৈঠকে আচমকাই দেখা যায় তাঁকে। এরপরই শুরু হয় জল্পনা। তবে ঋতব্রত শিবিরের দাবি, ওই বৈঠকে নির্মল ঘোষকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এই বিতর্কের মধ্যেই রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রী অর্জুন সিং স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আইন আইনের পথেই চলবে। তাঁর বক্তব্য, নির্মল ঘোষ যেখানেই থাকুন বা যে শিবিরেই থাকুন না কেন, প্রয়োজন হলে তাঁকে গ্রেফতার করা হবে। পুলিশ তাদের কাজ করবে।রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর দুর্নীতি ও তোলাবাজির অভিযোগে একের পর এক প্রাক্তন তৃণমূল নেতা ও বিধায়কের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে পুলিশ। সেই তালিকায় উঠে আসে নির্মল ঘোষের নামও। তোলাবাজির মামলায় এক বার-কাম-হোটেলের মালিক গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই নির্মল ঘোষের খোঁজ শুরু হয়। দীর্ঘদিন তাঁর কোনও সন্ধান মেলেনি। পুলিশ তাঁর মোবাইলের অবস্থানও খতিয়ে দেখছিল বলে সূত্রের খবর।এই পরিস্থিতির মধ্যেই হঠাৎ তপসিয়ার বৈঠকে নির্মল ঘোষকে দেখে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়। যদিও ঋতব্রত শিবিরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাঁকে কেউ ডাকেনি। অন্যদিকে নির্মল ঘোষ দাবি করেন, তিনি আমন্ত্রণ পেয়েই সেখানে গিয়েছিলেন।পরে জানা যায়, ঋতব্রত শিবিরের তালিকায় থাকা নির্মল ঘোষ আসলে পশ্চিম মেদিনীপুরের এক শ্রমিক নেতা। নামের মিল থেকেই বিভ্রান্তি তৈরি হয়। তবে এই ঘটনায় পানিহাটির নির্মল ঘোষকে ঘিরে রাজনৈতিক আলোচনা আরও জোরদার হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে চলা মামলার তদন্ত কোন দিকে এগোয় এবং পুলিশ পরবর্তী সময়ে কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১২, ২০২৬
কলকাতা

সিঙ্গুরের ক্ষত ভুলিয়ে বড় চমক! বাংলায় ছয়শো কোটি টাকার নতুন শিল্প, হাজারো চাকরির আশা

ডানকুনিতে নতুন শিল্প প্রকল্প ঘিরে আশার আলো দেখছেন হুগলি এবং সিঙ্গুর সংলগ্ন এলাকার মানুষ। দীর্ঘদিন বড় শিল্পের অপেক্ষায় থাকা এই অঞ্চলে এবার ছয়শো কোটি টাকার বিনিয়োগে নতুন কারখানা গড়ে উঠছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে নতুন প্রকল্পের শিলান্যাস হওয়ায় শিল্পায়ন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।নতুন প্রকল্পের মাধ্যমে লাক্স কোজ়ির কারখানার পরিসর আরও অনেকটাই বাড়ছে। পুরনো এবং নতুন ইউনিট মিলিয়ে প্রায় কুড়ি লক্ষ বর্গফুট এলাকা জুড়ে গড়ে উঠবে আধুনিক উৎপাদন কেন্দ্র। এর ফলে শুধু উৎপাদনই বাড়বে না, স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।ডানকুনি আগে থেকেই গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য পরিচিত। জাতীয় সড়ক, রেলপথ এবং বড় বড় গুদাম ও পরিবহণ কেন্দ্র থাকার কারণে এই এলাকা শিল্পের জন্য অত্যন্ত উপযুক্ত। নতুন কারখানা চালু হলে হুগলি জেলার শিল্প মানচিত্রে আরও গতি আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই এই প্রকল্পকে নতুন সম্ভাবনার দরজা হিসেবে দেখছেন। কারখানার বর্তমান কর্মী মানসী ঘোষের আশা, নতুন ইউনিট চালু হলে আরও বহু মানুষের কাজের সুযোগ তৈরি হবে এবং এলাকার অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।জনাই থেকে প্রতিদিন কাজে আসা পীযূষ কান্তি ঢালিও এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, রাজ্যে আরও নতুন শিল্প গড়ে উঠুক এবং বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য স্থায়ী কর্মসংস্থান তৈরি হোক। পাশাপাশি শ্রমিকদের জন্য ন্যূনতম একুশ হাজার টাকা বেতনেরও দাবি জানিয়েছেন তিনি।দীর্ঘদিন শিল্পহীনতার অভিযোগে সমালোচনার মুখে থাকা এই অঞ্চলে নতুন বিনিয়োগকে ঘিরে আশাবাদ তৈরি হয়েছে। শিল্পের সম্প্রসারণের পাশাপাশি ছোট ব্যবসা, পরিবহণ, গুদাম এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক ক্ষেত্রেও নতুন কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা তৈরি হবে বলেই মনে করছেন স্থানীয়রা।

জুলাই ১১, ২০২৬
কলকাতা

বিস্ফোরক অভিযোগের পর বড় পাল্টা চাল! তাপস মণ্ডলকে পাঁচ কোটি টাকার আইনি নোটিস পাঠালেন সায়নী ঘোষ

নিয়োগ দুর্নীতি মামলাকে ঘিরে আবারও নতুন বিতর্ক সামনে এল। এবার নিজের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগ তুলে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার অন্যতম অভিযুক্ত তাপস মণ্ডলকে পাঁচ কোটি টাকার মানহানির আইনি নোটিস পাঠালেন যাদবপুরের সাংসদ সায়নী ঘোষ। তাঁর দাবি, কোনও প্রমাণ ছাড়াই তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর অভিযোগ প্রকাশ্যে করা হয়েছে, যার ফলে তাঁর ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তাপস মণ্ডল দাবি করেছিলেন, নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত কুন্তল ঘোষের কাছ থেকে সায়নী ঘোষ বিভিন্ন সুবিধা পেয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, কুন্তল ঘোষ সায়নী ঘোষের জন্য ফ্ল্যাট ও গাড়ির ব্যবস্থা করেছিলেন এবং বিভিন্ন খরচও বহন করতেন। এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়।এই অভিযোগের জবাবেই আইনি পদক্ষেপ করেন সায়নী ঘোষ। পাঠানো নোটিসে তিনি উল্লেখ করেছেন, দুই হাজার কুড়ি সালে তিনি প্রায় আশি লক্ষ টাকা মূল্যের একটি ফ্ল্যাট কিনেছিলেন। সেই ফ্ল্যাট কেনার জন্য ব্যাঙ্ক থেকে ষাট লক্ষ টাকার ঋণ নেওয়া হয়েছিল বলেও নথিতে উল্লেখ রয়েছে। পাশাপাশি দুই হাজার চব্বিশ সালে কেনা একটি গাড়ি এবং তার আগের কেনা আর একটি গাড়ির সমস্ত আর্থিক তথ্যও নোটিসে তুলে ধরা হয়েছে। কীভাবে আয় করেন এবং কোন অর্থে সম্পত্তি ও গাড়ি কেনা হয়েছে, তারও বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।নোটিসে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, তাপস মণ্ডলের মন্তব্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং তা সাংসদ হিসেবে সায়নী ঘোষের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে। তাই তাঁকে অবিলম্বে প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে এবং পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। অন্যথায় তাঁর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এই প্রসঙ্গে সায়নী ঘোষ বলেন, তাঁর ফ্ল্যাট ও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নিয়ে প্রকাশ্যে বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করা হয়েছে। অতীতে তদন্তকারী সংস্থা তাঁকে এই বিষয়ে ডেকেছিল এবং তিনি প্রায় পাঁচশো পাতার নথি জমা দিয়েছিলেন। এরপর আর কখনও তাঁকে ডাকা হয়নি। তিনি জানান, এতদিন বিষয়টি গুরুত্ব না দিলেও একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে মানুষের কাছে তাঁর জবাবদিহি রয়েছে। তাই কোনও প্রমাণ ছাড়া ব্যক্তিগত সম্মান নষ্ট করার চেষ্টা তিনি আর মেনে নেবেন না। তাঁর আশা, তাপস মণ্ডল আইনি নোটিসের জবাব দেবেন। তা না হলে আদালতেই পরবর্তী লড়াই হবে।

জুলাই ১১, ২০২৬
কলকাতা

‘টাটা আসবে, আদানিও আসবে’! বাংলার শিল্প নিয়ে বড় ঘোষণা, চর্চায় শমীকের মন্তব্য

ডানকুনিতে নতুন শিল্প প্রকল্পের উদ্বোধনের মাধ্যমে রাজ্যে ছয়শো কোটি টাকার বিনিয়োগের ঘোষণা করল লাক্স-কোজ়ি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এবং শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়। এই অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকেই বাংলার শিল্প, বিনিয়োগ এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন শমীক ভট্টাচার্য।তিনি জানান, লাক্স পরিবারের কর্ণধার নিজে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে শিল্প সম্প্রসারণের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। তাঁর দাবি, এখন বহু শিল্পপতি নতুন করে পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী। কারণ, বর্তমান পরিস্থিতিতে শিল্পের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে।শমীক ভট্টাচার্য বলেন, পশ্চিমবঙ্গে পাহাড়, নদী এবং বিপুল প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে। এই সম্পদকে কাজে লাগিয়ে শিল্পের আরও বড় বিস্তার সম্ভব। সেই লক্ষ্যেই সরকার এগোচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে তিনি মুখ্যমন্ত্রী এবং শিল্পমন্ত্রীর উদ্দেশে সিঙ্গুরের বিষয়েও নজর দেওয়ার আবেদন জানান। তাঁর মতে, শিল্পোন্নয়নের ক্ষেত্রে সিঙ্গুরের গুরুত্ব এখনও অপরিসীম।বাংলার পরিচয় প্রসঙ্গেও গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, শুধুমাত্র বাংলা ভাষায় কথা বললেই বাঙালি হওয়া যায় না। যাঁরা প্রজন্মের পর প্রজন্ম পশ্চিমবঙ্গে থেকে ব্যবসা-বাণিজ্য করেছেন এবং রাজ্যের উন্নয়নে অবদান রেখেছেন, তাঁরাও বাংলারই মানুষ।তিনি আরও দাবি করেন, আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গে বড় বড় শিল্পগোষ্ঠীর বিনিয়োগ বাড়বে। দেশ-বিদেশের একাধিক সংস্থা নতুন প্রকল্প নিয়ে এগিয়ে আসবে বলেও আশাবাদ প্রকাশ করেন। তাঁর বক্তব্য, শিল্পের জন্য পশ্চিমবঙ্গের মতো অনুকূল পরিবেশ খুব কম রাজ্যেই রয়েছে।একই সঙ্গে তিনি বলেন, এখন আর শিল্প করতে কোনও ধরনের রাজনৈতিক চাপ বা অতিরিক্ত অর্থ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কারও জমি দখল করে দলীয় কার্যালয় তৈরি হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর দাবি, বর্তমান সরকার শিল্পবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং সেই লক্ষ্যেই ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে।

জুলাই ১১, ২০২৬
কলকাতা

একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ নিয়ে চরম টানাপোড়েন! এবার আদালতের দ্বারস্থ কালীঘাট তৃণমূল

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও বাড়ল। ধর্মতলায় সভার অনুমতি না মেলায় এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। পুলিশের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছে তারা। ফলে একুশে জুলাইয়ের সভা কোথায় হবে, তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এর আগে কালীঘাট তৃণমূল এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরের আবেদন খারিজ করে দেয় কলকাতা পুলিশ। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, ধর্মতলার মতো ব্যস্ত এলাকায় সভার অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়। এরপর বিকল্প জায়গার অনুমতি চেয়ে রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালকের সঙ্গে দেখা করেন ঋতব্রতপন্থীরা। গান্ধীমূর্তির পাদদেশে সভা করার অনুমতিও চাওয়া হয়। তবে সেই আবেদনেও ইতিবাচক সাড়া মেলেনি।এই পরিস্থিতিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। তাদের দাবি, একুশে জুলাই তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। তাই সভা আয়োজনের জন্য উপযুক্ত জায়গার অনুমতি প্রয়োজন।একুশে জুলাই দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি। উনিশশো তিরানব্বই সালে মহাকরণ অভিযানের সময় গুলিতে নিহত তেরো জনের স্মৃতিতে প্রতি বছর এই কর্মসূচি পালন করা হয়। সেই ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণেই ধর্মতলায় শহিদ দিবসের সভার আয়োজন করা হয়ে থাকে।তবে এবার পরিস্থিতি অনেকটাই ভিন্ন। দলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং নেতৃত্ব নিয়ে মতবিরোধের আবহে একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি নতুন মাত্রা পেয়েছে। দলের সাংগঠনিক শক্তি ধরে রাখা এবং কর্মীদের একজোট করার লক্ষ্যেই এবারের সমাবেশকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে কালীঘাট তৃণমূল।ইতিমধ্যেই ধর্মতলায় সভার প্রস্তুতির জন্য কয়েকজন নেতা জায়গা পরিদর্শনে গেলে সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। এরপর কলকাতা পুলিশ জানিয়ে দেয়, ওই এলাকায় সভার অনুমতি দেওয়া হবে না। সেই সিদ্ধান্তের পরই আইনি পথ বেছে নিয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। এখন আদালতের সিদ্ধান্তের দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

বেআইনি দখল মামলায় বড় মোড়! উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলাশাসকের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান হাইকোর্টের

ভিআইপি থেকে উল্টোডাঙা পর্যন্ত বেআইনি নির্মাণ এবং রাস্তা দখল সংক্রান্ত মামলায় উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলাশাসকের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিল কলকাতা হাইকোর্ট । আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী সন্তোষজনক রিপোর্ট জমা না দেওয়ায় জেলাশাসককে সশরীরে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী তেইশে জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানিতে তাঁকে হলফনামা এবং পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা দিতে হবে।শুক্রবার মামলার শুনানিতে হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ জেলাশাসকের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, একাধিকবার রিপোর্ট চাওয়া হলেও স্পষ্ট এবং পূর্ণাঙ্গ তথ্য জমা দেওয়া হয়নি। এমনকি আদালতের নির্দেশের পরও দায়সারা রিপোর্ট জমা পড়েছে বলে মন্তব্য করা হয়।শুনানির সময় বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, একজন নিম্নপদস্থ কর্মীর মাধ্যমে কেন এই রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, জেলাশাসক কি নিজেকে ডিভিশন বেঞ্চের চেয়েও বড় মনে করছেন। আদালতের মতে, এই ধরনের আচরণ আদালতের নির্দেশকে গুরুত্ব না দেওয়ারই ইঙ্গিত বহন করছে।আদালত জানায়, এর আগেই সতর্ক করে বলা হয়েছিল, পরবর্তী রিপোর্ট সন্তোষজনক না হলে জেলাশাসককে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হতে হবে। সেই নির্দেশও মানা হয়নি। তাই এবার তাঁকে আদালতে উপস্থিত থেকে রিপোর্টের ব্যাখ্যা দিতে হবে।বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী আরও বলেন, আদালতের ধৈর্যের পরীক্ষা নেওয়া উচিত নয়। পাশাপাশি বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ও প্রশ্ন তোলেন, জেলাশাসক কি এতটাই ব্যস্ত যে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী রিপোর্ট জমা দেওয়ার সময় পাচ্ছেন না।মামলাকারীর অভিযোগ, ভিআইপি থেকে উল্টোডাঙা পর্যন্ত রাস্তার ধারে বেআইনিভাবে দখল করে পার্কিং এলাকা এবং বিয়েবাড়ি তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি নয়ানজুলি ভরাট করে একাধিক বেআইনি নির্মাণও হয়েছে। এই অভিযোগ নিয়ে দুই হাজার বাইশ সালে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়।মামলার আগের শুনানিতে জেলা প্রশাসন স্বীকার করেছিল যে ওই এলাকায় জবরদখলের ঘটনা ঘটেছে। এরপর আদালত জানতে চেয়েছিল, সেই বেআইনি দখল সরাতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু একাধিকবার জেলাশাসক বদল হলেও এখনও পর্যন্ত আদালতে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা পড়েনি। সেই কারণেই এবার কড়া অবস্থান নিল কলকাতা হাইকোর্ট।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে কড়া বার্তা হাইকোর্টের! আর এড়ানো যাবে না, দিতেই হবে কণ্ঠস্বরের নমুনা

কলকাতা হাইকোর্টে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংক্রান্ত মামলায় নতুন মোড় এল। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিল, ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্ধারিত দিনেই কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতে হবে। তদন্তকারী সংস্থাকে সহযোগিতা করা তাঁর আইনি দায়িত্ব বলেও আদালত জানিয়েছে।ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলায় তদন্তের স্বার্থে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠস্বরের নমুনা চেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। এর আগে একাধিকবার দিন নির্ধারণ করা হলেও তিনি নমুনা দিতে যাননি। তাঁর দাবি ছিল, সংশ্লিষ্ট মন্তব্য যে তাঁরই, তা তিনি অস্বীকার করেননি। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।শুক্রবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য এই যুক্তি মানতে রাজি হননি। তিনি স্পষ্ট বলেন, আদালতের নির্দেশ মেনে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। তদন্তের স্বার্থে তদন্তকারী সংস্থাকে পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশও দেন তিনি।শুনানির সময় বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও গত আট জুলাই কেন হাজির হননি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতের নির্দেশ থাকা অবস্থায় ফের নতুন মামলা করারও সমালোচনা করেন তিনি। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, আদালতের নির্দেশকে এভাবে উপেক্ষা করা ঠিক নয়।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী আদালতে জানান, কণ্ঠস্বর দিতে আপত্তি নেই। শুধু কেন এই নমুনা প্রয়োজন, সেই বিষয়েই প্রশ্ন তোলা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর আর্জি ছিল, এই কণ্ঠস্বরের নমুনা যেন অন্য কোনও মামলায় ব্যবহার করা না হয়।তবে সেই আবেদনেও সায় দেয়নি আদালত। বিচারপতি জানিয়ে দেন, আগামী পনেরো জুলাই দুপুর বারোটায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছে, নমুনা দিতে যাওয়ার সময় তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং কোনও ধরনের হেনস্থার ঘটনা যাতে না ঘটে, তা প্রশাসনকে দেখতে হবে।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতায় রাতভর তাণ্ডব বৃষ্টি! সোমবার পর্যন্ত আরও ভয়ংকর পরিস্থিতির সতর্কতা

রাতভর প্রবল বৃষ্টিতে কার্যত নাজেহাল কলকাতা। শুক্রবার সকাল হতেই শহরের একাধিক এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ে। বহু রাস্তায় জল জমে যাওয়ায় অফিসযাত্রী থেকে সাধারণ মানুষ, সকলেরই ভোগান্তি বেড়েছে। কোথাও যান চলাচল ধীর হয়ে পড়েছে, কোথাও আবার জল জমে তৈরি হয়েছে দীর্ঘ যানজট। স্ট্র্যান্ড রোডে রাতের বৃষ্টিতে একটি বড় গাছ উপড়ে পড়ার ঘটনাও ঘটেছে।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, পূর্ব বাংলাদেশের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে মৌসুমি অক্ষরেখা গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত থাকায় দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে বৃষ্টির পরিমাণ অনেকটাই বেড়েছে। বৃহস্পতিবার দিনভর আকাশ মেঘলা ছিল। সন্ধ্যার পর থেকেই শুরু হয় বৃষ্টি, যা রাতভর চলেছে এবং শুক্রবারও তার প্রভাব অব্যাহত রয়েছে।হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শুক্রবার কলকাতায় বৃষ্টির সম্ভাবনা প্রায় নব্বই শতাংশ। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় একত্রিশ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ছাব্বিশ ডিগ্রি থাকতে পারে।দক্ষিণবঙ্গের জন্য সোমবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি রয়েছে। উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, হুগলি এবং হাওড়ায় তুলনামূলক বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অন্য জেলাগুলিতেও আগামী কয়েক দিন দফায় দফায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।উত্তরবঙ্গেও দুর্যোগের পরিস্থিতি বজায় থাকবে। আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতা জারি হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুরে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে। সোমবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির দাপট অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।এদিকে শুক্রবার ও শনিবার উপকূলবর্তী এলাকায় সমুদ্র উত্তাল থাকার আশঙ্কা রয়েছে। এই দুই দিন মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। সমুদ্রে ঘণ্টায় পঞ্চাশ থেকে ষাট কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া দপ্তর। তাই অপ্রয়োজনীয় বাইরে যাওয়া এড়িয়ে চলার পাশাপাশি আবহাওয়ার সর্বশেষ সতর্কবার্তার দিকে নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

চারশো চল্লিশ কোটি টাকার তহবিল ঘিরে বড় লড়াই! এবার কি সুপ্রিম কোর্টে মুখোমুখি দুই তৃণমূল?

তৃণমূলের দলীয় তহবিল নিয়ে আইনি লড়াই এবার দেশের সর্বোচ্চ আদালত পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। সূত্রের খবর, দল পরিচালনায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার দাবি তুলে দলীয় তহবিলের উপর অধিকার চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে বিশেষ অনুমতি প্রার্থনা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির। আসল-নকল তৃণমূল বিতর্কের মাঝেই এই সম্ভাব্য আইনি পদক্ষেপ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।এরই মধ্যে তদন্তে বড় পদক্ষেপ করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। তদন্তকারী সংস্থা কালীঘাট তৃণমূলের তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে থাকা চারশো চল্লিশ কোটি টাকা ফ্রিজ করেছে। তদন্তকারীদের দাবি, দলীয় তহবিল থেকে প্রায় একশো ষাট কোটি টাকার সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনের তথ্য সামনে এসেছে। সেই লেনদেনের উৎস এবং প্রকৃতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই ঘটনায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, দলীয় অর্থ দিয়ে বিমান ও হেলিকপ্টার কেনার পর সেই যানই আবার ভাড়ায় ব্যবহার করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, গোটা বিষয়টি আর্থিক অনিয়মের সঙ্গে জড়িত হতে পারে এবং এর পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তিনি আরও দাবি করেন, তদন্ত এগোলে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে।তবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই অভিযোগের বিষয়ে কালীঘাট তৃণমূলের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলির সত্যতা এখনও তদন্তাধীন।এদিকে ঋতব্রত শিবিরের জাতীয় কর্মসমিতির প্রথম বৈঠক শুরু হচ্ছে। দুই দিন ধরে চলা এই বৈঠকে সাংগঠনিক বিষয়, বিভিন্ন রাজ্যের সংগঠনের ভবিষ্যৎ রূপরেখা এবং একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। সূত্রের খবর, বৈঠকের শেষে সংগঠন নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করা হতে পারে।

জুলাই ০৯, ২০২৬
কলকাতা

হাসপাতালের ভিতরে কে দালাল, কে আসল কর্মী! এবার এক নজরেই ধরা পড়বে, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর

হাসপাতাল থেকে দালালচক্র নির্মূল করতে বড় পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্যভবনের কন্ট্রোল রুম পরিদর্শনে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এবার থেকে হাসপাতালগুলির উপর সরাসরি নজরদারি চলবে স্বাস্থ্যভবন থেকেই। দালালদের চিহ্নিত করতে নতুন পরিচয় ব্যবস্থাও চালু করা হচ্ছে।স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, সাফাই কর্মী এবং অন্যান্য কর্মীদের জন্য আলাদা রঙের পরিচয়পত্র থাকবে। রোগীদের হাতে থাকবে এক ধরনের রঙিন ব্যান্ড এবং রোগীর পরিজনদের জন্য থাকবে অন্য রঙের ব্যান্ড। এই পরিচয়চিহ্নের বাইরে হাসপাতালের ভিতরে যাঁদের দেখা যাবে, তাঁদের পরিচয় যাচাই করা হবে। এর মাধ্যমে দালালচক্রের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হবে বলে মনে করছে স্বাস্থ্য দফতর।স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, হাসপাতালের প্রত্যেক শ্রেণির মানুষের জন্য আলাদা রঙের পরিচয় ব্যবস্থা চালু করা হবে। এতে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও রোগীর পরিজনদের সহজেই চিহ্নিত করা যাবে। হাসপাতালের নিরাপত্তা এবং পরিষেবা আরও স্বচ্ছ করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী ত্রিশ জুলাইয়ের মধ্যে এই নতুন ব্যবস্থা চালু করার কাজ শেষ করতে হবে। স্বাস্থ্যভবনের কন্ট্রোল রুম থেকে রাজ্যের হাসপাতালগুলির পরিস্থিতির উপর নিয়মিত নজর রাখা হবে। হাসপাতালের ভিতরে অনিয়ম, ভুয়ো পরিচয়ে ঘোরাফেরা এবং দালালচক্রের দৌরাত্ম্য রুখতেই এই উদ্যোগ বলে জানিয়েছে সরকার।মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বিভিন্ন স্তরের কর্মীদের জন্য ল্যামিনেশন করা আলাদা পরিচয়পত্র তৈরি করা হবে। অতীতে হাসপাতালের ভিতরে ভুয়ো পরিচয়ে বিভিন্ন কাজ করার অভিযোগ সামনে এসেছে। সেই ধরনের ঘটনা বন্ধ করতেই এই নতুন পরিচয় ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

জুলাই ০৯, ২০২৬
কলকাতা

‘ওরা প্রতিবাদী, না দাঙ্গাকারী?’ মমতাকে কড়া আক্রমণ শুভেন্দুর, উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি

বারুইপুর কাণ্ডকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে শুরু হয়েছে তীব্র তরজা। গণপিটুনিতে নিহত ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলকে নির্দোষ বলে উল্লেখ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একই সঙ্গে তাঁর উপর হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন। এই ঘটনার মধ্যেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে।নিজের সামাজিক মাধ্যমে শুভেন্দু অধিকারী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি লেখেন, নির্বাচনে পরাজয়ের পরও মমতার রাজনীতিতে কোনও পরিবর্তন আসেনি। তাঁর অভিযোগ, তোষণ, মিথ্যাচার এবং উসকানিমূলক রাজনীতি এখনও অব্যাহত রয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারুইপুরের ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া কিছু মানুষকে প্রতিবাদী বলে উল্লেখ করেছিলেন। সেই মন্তব্যেরই কড়া সমালোচনা করেছেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, এক নির্দোষ যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে এনে পরিচয় দেখে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। পাশাপাশি যাঁরা পুলিশকে আক্রমণ করেছেন, পুলিশের গাড়িতে আগুন লাগিয়েছেন, রেললাইন ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন এবং এলাকায় অশান্তি ছড়িয়েছেন, তাঁদের কীভাবে প্রতিবাদী বলা যায়, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।প্রসঙ্গত, গত রবিবার বারুইপুরে এক নাবালিকার দেহ উদ্ধার হওয়ার পর গোটা রাজ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। বুধবার সকালে ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্তের মৃত্যু হয় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায়। একই দিনে বারুইপুর কাণ্ডের প্রতিবাদে কালীঘাটে একটি মিছিলের আয়োজন করা হয়। সেই মিছিল ঘিরে উত্তেজনা, স্লোগান, পাল্টা স্লোগান এবং সংঘর্ষের অভিযোগ ওঠে। পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তাঁর মন্তব্য ঘিরেই নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের সূত্রপাত হয়।

জুলাই ০৯, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ...
  • 90
  • 91
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

সেক্টর ফাইভ থেকে ফিল্মি কায়দায় অপহরণ! ৭৮ লক্ষ টাকার রহস্যে চাঞ্চল্য

সল্টলেক সেক্টর ফাইভের অফিসপাড়ায় ভর সন্ধেবেলায় দুঃসাহসিক অপহরণের ঘটনা ঘটল। অপহৃত যুবকের নাম অঙ্কন সাহা। পুলিশ সূত্রে খবর, ৭৮ লক্ষ টাকার লেনদেনকে কেন্দ্র করেই তাঁকে অপহরণ করা হয়েছিল।ঘটনাটি ঘটেছে আরডিবি ভবনের সামনে। মঙ্গলবার বিকেল প্রায় পাঁচটা নাগাদ একটি সাদা স্করপিও গাড়িতে করে কয়েকজন এসে অঙ্কনকে জোর করে তুলে নিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে হইচই পড়ে যায়। খবর পেয়ে ইলেকট্রনিক কমপ্লেক্স থানার পুলিশ সেখানে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে।পুলিশ প্রথমে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে। সেই ফুটেজ থেকেই সাদা স্করপিও গাড়ির নম্বর শনাক্ত করা হয়। এরপর গাড়ির মালিকের খোঁজ শুরু করেন তদন্তকারীরা। মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে ড্রাইভারের ফোন নম্বর পাওয়া যায়।পরে পুলিশ ফোন ট্র্যাক করে জানতে পারে, গাড়িটি বড়জাগুলিয়া এলাকায় জাতীয় সড়ক ১২-র কাছে রয়েছে। হরিণঘাটা থানার সহযোগিতায় সেখানে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে গাড়িটি আটক করা হয় এবং তার ভিতর থেকে অঙ্কন সাহাকে উদ্ধার করা হয়।পুলিশ পাঁচজনকে আটক করেছে। জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে, অঙ্কন সাহার কাছে অভিযুক্তদের ৭৮ লক্ষ টাকা পাওনা ছিল বলে দাবি। সেই টাকা আদায় করতেই তাঁকে মারধর করে সেক্টর ফাইভ থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।ঘটনার তদন্ত চলছে। পুলিশ খতিয়ে দেখছে, এই অপহরণের পেছনে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না।

জুলাই ২১, ২০২৬
কলকাতা

একুশের মঞ্চে ঋতব্রতের বড় প্রতিশ্রুতি! শহিদ পরিবার পাবে মাসে ১০ হাজার টাকা?

২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকে বড় ঘোষণা করলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, নির্বাচন কমিশন যদি তাঁদের আসল তৃণমূল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়, তবে ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাইয়ের শহিদদের পরিবারগুলিকে প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে।ঋতব্রতের দাবি, এই টাকা তৃণমূল কংগ্রেসের অ্যাকাউন্ট থেকেই দেওয়া হবে। তিনি বলেন, আমরা অঙ্ক কষে দেখেছি, এটা সম্ভব। বর্তমানে কালীঘাট তৃণমূল ও ঋতব্রত শিবিরের মধ্যে আসল তৃণমূল নিয়ে বিরোধ নির্বাচন কমিশন পর্যন্ত পৌঁছেছে। মঙ্গলবার দুই শিবিরই আলাদাভাবে শহিদ দিবস পালন করেছে। বিড়লা তারামণ্ডলের সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, তাঁরাই আসল তৃণমূল। অন্যদিকে, গান্ধী মূর্তির সামনে সভা থেকে একই দাবি করেন ঋতব্রত।তিনি বলেন, আমরা মুখ্য নির্বাচন কমিশনারসহ পূর্ণ বেঞ্চের সঙ্গে দেখা করেছি। কেন আমরাই আসল তৃণমূল, তার সমস্ত তথ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দিয়েছি। আমরা নির্বাচন কমিশনের উপর ভরসা রাখি।ঋতব্রত আরও বলেন, যদি নির্বাচন কমিশন আমাদের পক্ষে সিদ্ধান্ত দেয়, তাহলে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রথম জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকেই আমরা শহিদ পরিবারগুলিকে প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেব। এই টাকা তাদের জন্যই খরচ হওয়ার কথা।উল্লেখ্য, আগের দিন বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ২১ জুলাই নিয়ে সুশান্ত চট্টোপাধ্যায় কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করেন। সেখানে তিনি জানান, কমিশন শহিদ পরিবারগুলিকে ২৫ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ৫ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্যের সুপারিশ করেছিল।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, পূর্বতন তৃণমূল সরকার শহিদ পরিবারগুলিকে মাত্র ২ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ১৫ হাজার টাকা করে দিয়েছিল। তিনি আরও জানান, শহিদদের পরিবার আবেদন করলে রাজ্য সরকার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী আর্থিক সাহায্য দেবে।এই ঘোষণার পরদিনই ঋতব্রত শহিদ পরিবারগুলিকে মাসিক আর্থিক সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিলেন।

জুলাই ২১, ২০২৬
দেশ

দু’মাস পর অবশেষে মুখ খুললেন মোদী! নিট প্রশ্নফাঁস নিয়ে কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

নিট প্রশ্নফাঁস নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রশ্নফাঁসের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার দুমাসেরও বেশি সময় পরে তিনি বলেন, এই ঘটনা ঘোর অন্যায় এবং এক ধরনের পাপ।গত ৩ মে ডাক্তারির সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষা নিট অনুষ্ঠিত হয়। লক্ষ লক্ষ পড়ুয়া এই পরীক্ষায় অংশ নেয়। কিন্তু পরীক্ষার কয়েক দিনের মধ্যেই প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ সামনে আসে। পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠায় পরীক্ষা বাতিল করতে বাধ্য হয় ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি।এই ঘটনার পর দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বহু ছাত্রছাত্রী রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিও ওঠে। লাদাখের শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক দীর্ঘদিন ধরে অনশন করছেন এই দাবিতে। সোমবার সংসদ অভিযানে ককরোচ জনতা পার্টির লক্ষাধিক সদস্য অংশ নেয়। তবে এতদিন নিট কাণ্ড নিয়ে প্রধানমন্ত্রী প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি।মঙ্গলবার এনডিএর সংসদীয় বৈঠকে প্রথমবার এই বিষয়ে সরাসরি প্রতিক্রিয়া দেন মোদী। তিনি বলেন, প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘোর পাপ হয়েছে। তবে ঘটনা প্রকাশ্যে আসার সঙ্গে সঙ্গেই সরকার পদক্ষেপ করেছে। প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, এই ঘটনায় জড়িত ১৩ জন অভিযুক্তকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠানো হয়েছে।সংসদীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু বলেন, নিট পরীক্ষার্থীদের স্বার্থের কথা ভেবেই নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন এবং সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ করা হচ্ছে। নিট প্রশ্নফাঁস নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

জুলাই ২১, ২০২৬
দেশ

বিরোধী ঝড়ের মাঝেই মোদীর বড় বৈঠক! এনডিএ সাংসদদের কী বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী?

আজ এনডিএ সাংসদদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নিট প্রশ্নফাঁস, রামমন্দির, ইথানলসহ একাধিক ইস্যুতে সংসদের ভিতরে ও বাইরে বিরোধীদের প্রতিবাদ চলছে। এর মধ্যেই সংসদ অভিযানের ডাক দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। তাই বিরোধী আন্দোলনের মোকাবিলায় এনডিএর রণকৌশল কী হবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।সোমবার থেকেই সংসদের বাদল অধিবেশন শুরু হয়েছে। অধিবেশনের প্রথম দিনেই নিট প্রশ্নফাঁস, রামমন্দিরে প্রণামী চুরি এবং অন্যান্য ইস্যুতে বিরোধীদের বিক্ষোভে সংসদের দুই কক্ষ বারবার মুলতুবি হয়। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংবিধান সংশোধনী বিল পেশ করতে পারে বলে সূত্রের খবর।সরকারের লক্ষ্য, গুরুত্বপূর্ণ বিলগুলিতে এনডিএ শরিক সাংসদদের শতভাগ সমর্থন নিশ্চিত করা। বৈঠকে এই বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাবে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি বিরোধীদের প্রচারের পাল্টা জবাবে এনডিএ সাংসদদের একই সুরে কথা বলার পরামর্শ দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী।তবে এই বৈঠকে এনসিপিআইকে ডাকা হয়নি। এনডিএর শরিক হলেও স্পিকারের কাছ থেকে এখনও এনসিপিআই দলের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি মেলেনি। যদিও সর্বদলীয় বৈঠকে দলটি উপস্থিত ছিল। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই জটিলতার বাইরে প্রধানমন্ত্রীকে রাখতেই আপাতত সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও কাকলি ঘোষ দস্তিদারদের ডাকা হয়নি।উল্লেখ্য, গত রবিবারও স্পিকার অফিস থেকে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের কাছে নতুন করে একাধিক নথি চাওয়া হয়েছে।অন্যদিকে আজ ইন্ডিয়া জোটের সাংসদরাও বৈঠকে বসবেন। সেই বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন মল্লিকার্জুন খার্গে। উপস্থিত থাকবেন রাহুল গান্ধীও।রাজনৈতিক মহলে আরও একটি জল্পনা ঘুরছে। শোনা যাচ্ছে, শরদ পওয়ারের এনসিপি ডিলিমিটেশন বা আসন পুনর্বিন্যাস বিল নিয়ে অবস্থান বদল করতে পারে। যদি কেন্দ্র এই বিল সংসদে পেশ করে, তবে সেই বিলে শরদ পওয়ারের এনসিপি সমর্থন জানাতে পারে বলে আলোচনা চলছে।

জুলাই ২১, ২০২৬
রাজ্য

একুশের মঞ্চ থেকে ফিরতেই মদন মিত্রের কাছে ইডির সমন! নতুন মোড় পুরনিয়োগ মামলায়

কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র কে পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আগামী ২৯ জুলাই তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হতে বলা হয়েছে। তার আগে ২৩ জুলাই মদন মিত্রের স্ত্রীকেও তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।সূত্রের খবর, মদন মিত্র তদন্তে সহযোগিতা করবেন। এর আগে কামারহাটি পুরসভার অবৈধ নিয়োগ মামলায় তাঁর নাম জড়ায়। জুন মাসে ইডি ভবানীপুর, দক্ষিণেশ্বর-সহ তাঁর একাধিক বাড়িতে তল্লাশি চালায়। সেই তল্লাশিতে বেশ কিছু নথিপত্র উদ্ধার হয় বলে জানা গিয়েছে।গত ১৪ জুলাই ইডি মদন মিত্রের পরিবারকে নোটিস পাঠায়। সেই দিন সন্ধ্যায় তিনি এন্টালির তৃণমূল বিধায়ক তথা ঋতব্রত শিবিরের সদস্য সন্দীপন সাহার বাবা, প্রাক্তন বিধায়ক স্বর্ণকমল সাহার বাড়িতে যান। সেখানে দীর্ঘক্ষণ বৈঠকের পরের দিন তিনি বিধানসভায় ঋত শিবিরে যোগ দেন।শিবির বদলের পর থেকেই মদন মিত্র প্রকাশ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করতে শুরু করেন। একুশে জুলাইয়ের সভায় তিনি বলেন, আমি মমতাকে বলছি, অভিষেক এক ঘণ্টা সময় দিয়েছে, আমি আপনাকে এক মাস সময় দিচ্ছি। অভিষেকের হাত ছেড়ে এই ছেলেদের হাত ধরুন। আপনার পার্টি এটা, অভিষেকের পার্টি নয়।শুধু তাই নয়, ১৯ জুলাইয়ের একটি লাইভ অনুষ্ঠানেও মদন মিত্র অভিষেককে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। পাল্টা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর বিরুদ্ধে ১০ কোটির নোটিস পাঠান।এই রাজনৈতিক সংঘাতের আবহেই একুশে জুলাইয়ের সভা থেকে ফেরার পর মদন মিত্রের কাছে ইডির সমন পৌঁছেছে। ফলে পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্ত কোন দিকে এগোয়, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ২১, ২০২৬
রাজ্য

২১ জুলাইয়েও কি নামবে বৃষ্টি? মমতার সভা ঘিরে বড় পূর্বাভাস

গত ১৫ বছর ধরে ২১ জুলাইয়ের সভায় রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে হাজির হতেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা। বৃষ্টির মধ্যেই বহুবার মঞ্চে বক্তৃতা দিতে দেখা গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বৃষ্টি নামলে মমতা একে বলতেন ঈশ্বরের আশীর্বাদ। এবার ২১ জুলাইয়ের আয়োজন বদলেছে, মঞ্চ বদলেছে, সমর্থকদের জমায়েতের ধরনও বদলেছে। কিন্তু আবহাওয়া কি আগের মতোই থাকবে? হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস বলছে, মঙ্গলবার সারাদিনই বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।সোমবার দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টি হয়েছে। শুধুমাত্র দমদমে ১৬৩ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড হয়েছে, যার ফলে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। বৃষ্টি হয়েছে বীরভূম,মুর্শিদাবাদ এবং পূর্ব বর্ধমান জেলাতেও। বিকেলের পর উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও বৃষ্টির দাপট দেখা যায়।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, মৌসুমি অক্ষরেখা এখনও সক্রিয় রয়েছে। তাই মঙ্গলবার দক্ষিণবঙ্গে কয়েক দফা বৃষ্টি হতে পারে। কলকাতা, লাগোয়া জেলা, উপকূল ও পশ্চিমাঞ্চলে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।সোমবারের প্রবল বৃষ্টির পর কলকাতার বহু এলাকা এখনও জলমগ্ন। দমদম ও আশপাশের এলাকায় জল নামেনি কৈখালি ও হলদিরামের রাস্তা এখনও জলের তলায়। এর ফলে কৈখালি থেকে হলদিরাম ও চিনার পার্ক পর্যন্ত তীব্র যানজট তৈরি হয়েছে। সাধারণত ৩-৪ মিনিটের রাস্তা পেরোতে এখন আধ ঘণ্টারও বেশি সময় লাগছে।আবহাওয়া দফতর আরও জানিয়েছে, বুধবার দুই ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি থাকবে। বৃহস্পতিবার উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান ও বাঁকুড়া জেলাতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা কিছুটা কম থাকবে বলেও জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকতে পারে।

জুলাই ২১, ২০২৬
দেশ

সিকিমের টানেলে ভয়াবহ বিস্ফোরণ! ৭ শ্রমিকের মৃত্যু, এখনও ভিতরে আটকে ১৮ জন

সিকিমের নামচি জেলায় একটি নির্মীয়মাণ টানেলে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। মিথেন গ্যাস বিস্ফোরণের জেরে টানেলের ভিতরে ধস নামে এবং প্রবেশপথের একটি অংশ বন্ধ হয়ে যায়। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৭ জন শ্রমিকের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হয়েছে। আরও অন্তত ১৮ জন শ্রমিক টানেলের ভিতরে আটকে রয়েছেন বলে প্রশাসন জানিয়েছে।আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী বা এনডিআরএফ জোরকদমে কাজ চালাচ্ছে। ঘটনাস্থলে এসডিআরএফ, সিকিম পুলিশ, দমকল এবং অন্যান্য উদ্ধারকারী দলও মোতায়েন রয়েছে।জানা গিয়েছে, নির্মীয়মাণ এই টানেলটি ন্যাশনাল হাইড্রোইলেকট্রিক পাওয়ার কর্পোরেশনের তিস্তা স্টেজ-৬ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের আওতায় তৈরি হচ্ছে। প্রশাসনের দাবি, টানেলের প্রায় দেড় কিলোমিটার ভিতরে প্রাকৃতিকভাবে নির্গত মিথেন গ্যাস জমে ছিল। সেই গ্যাস বের করে দেওয়ার চেষ্টা চলার সময় আচমকা বিস্ফোরণ ঘটে।বিস্ফোরণের পর টানেলের একটি অংশ ধসে পড়ে এবং প্রবেশপথ বন্ধ হয়ে যায়। কয়েকজন শ্রমিক কোনওরকমে বাইরে বেরিয়ে আসতে পারলেও বহু শ্রমিক ভিতরেই আটকে পড়েন।সোমবার বিস্ফোরণের সময় টানেলের ভিতরে মোট ২৫ জন শ্রমিক ছিলেন। তাঁদের মধ্যে এনএইচপিসির কর্মীরাও ছিলেন। জেলা প্রশাসন ৭ জনের মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করেছে। বাকি ১৮ জনকে এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।উদ্ধারকাজে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে মিথেন গ্যাস, অক্সিজেনের ঘাটতি, কম দৃশ্যমানতা এবং টানেলের সংকীর্ণ পথ। ফলে উদ্ধারকারী দল সহজে ভিতরে পৌঁছতে পারছে না।সোমবার বিকেল প্রায় ৩টা ৪০ মিনিটে জেলা প্রশাসন দুর্ঘটনার খবর পায়। এরপরই এনডিআরএফ, এসডিআরএফ, জেলা পুলিশ এবং দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।প্রথমে দমকল কর্মীরা উদ্ধারকাজ শুরু করলেও মিথেন গ্যাস ও অক্সিজেনের অভাবে শ্বাসকষ্ট হওয়ায় অভিযান মাঝপথে বন্ধ করতে হয়। উদ্ধারকারী দলের কয়েকজন সদস্যও অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে এনডিআরএফ উদ্ধার অভিযান শুরু করলেও একই কারণে কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।সিকিম রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে নামচি জেলা প্রশাসন, এনএইচপিসি, এনডিআরএফ, এসডিআরএফ, সিকিম পুলিশ, দমকল এবং স্বাস্থ্য দফতর রাতভর উদ্ধার অভিযান চালিয়েছে। তবে এখনও আটকে থাকা শ্রমিকদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

জুলাই ২১, ২০২৬
কলকাতা

২১ জুলাইয়ের আগের রাতে চাঞ্চল্য! মঞ্চ ভাঙচুরের অভিযোগে রাতভর পাহারায় মমতা-অভিষেক

২১ জুলাইয়ের সভাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে উঠেছে। একদিকে মেয়ো রোডে শহিদ তর্পণের কর্মসূচি নিয়েছে ঋতব্রত শিবির, অন্যদিকে বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভার অনুমতি পেয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। এর মধ্যেই সভামঞ্চে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ তুলে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, ২১ জুলাইয়ের সভামঞ্চে বিজেপির কর্মীরা হামলা চালিয়েছে। শুধু অভিযোগ করেই থেমে থাকেননি তিনি। রাতভর বিড়লা তারামণ্ডল চত্বরে থেকে মঞ্চ পাহারা দেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, মহুয়া মৈত্র, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সহ একাধিক তৃণমূল নেতা।সোমবার সন্ধ্যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সভাস্থল পরিদর্শনে যান। সেখানে প্রস্তুতির কাজ খতিয়ে দেখেন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে হঠাৎ তারামণ্ডল এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। খবর পেয়ে ফের সভাস্থলে পৌঁছন মমতা ও অভিষেক।সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করে মমতা অভিযোগ করেন, রাতের অন্ধকারে বিজেপির লোকজন এসে সভামঞ্চ ভাঙচুর করেছে। তিনি লেখেন, এটি শুধু একটি মঞ্চ ভাঙার ঘটনা নয়, এটি সাধারণ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ও আমাদের কর্মী-সমর্থকদের অনুভূতির ওপর পরিকল্পিত আক্রমণ।সভাস্থলে দাঁড়িয়ে মমতা আরও বলেন, চারিদিকে আমাদের মঞ্চ ভাঙা হচ্ছে। বিদ্যুতের লাইন কেটে দেওয়া হয়েছিল। পোস্টার-ব্যানার সব ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। বিজেপির ৬০-৬৫ জন বাইক নিয়ে এসেছে। তাঁদের নেতৃত্ব দিয়েছেন এক অপরাধী, যিনি আদালতের নির্দেশে বাইরে আছেন।তাঁর অভিযোগ, কর্মী-সমর্থকদের সভাস্থলে আসতেও বাধা দেওয়া হচ্ছে। কালীঘাট তৃণমূল ইতিমধ্যেই এই ঘটনার অভিযোগ পুলিশের কাছে জানিয়েছে।সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিভিন্ন জায়গায় বিজেপির গুণ্ডারা জড়ো হয়ে আছে। সকালের আগে মঞ্চ ভেঙে ফেলার পরিকল্পনা রয়েছে। কিন্তু দিদি এখানে থাকবেন, আমরাও এখানে থাকব। মঞ্চ পাহারা দেব।তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষও অভিযোগ করেন, আদালতের অনুমতি নিয়ে কর্মসূচি করা হলেও নানা ভাবে বাধা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণামতো রাত থেকেই মমতা ও অভিষেক সভাস্থলের সামনে ছিলেন। ডেরেক, মহুয়া, কল্যাণসহ একাধিক নেতা দফায় দফায় মঞ্চ পাহারা দেন। মঙ্গলবার সকালে মমতা দলের নেতাদের নিয়ে বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে একটি অভ্যন্তরীণ বৈঠক করেন। পরে তিনি বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। এদিকে ২১ জুলাইয়ের কর্মসূচির শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি জোরকদমে চলছে, সকাল থেকেই কর্মীরা সভাস্থলে আসতে শুরু করেছেন।

জুলাই ২১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal