• ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রবিবার ২৪ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Up

কলকাতা

ছাত্র পরিষদের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত ধর্মতলা

টেট উত্তীর্ণদের বলপূর্বক অবস্থান থেকে তুলে দেওয়ার প্রতিবাদে বিধানভবন থেকে ডোরিনা ক্রসিং পর্যন্ত মিছিল করল ছাত্র পরিষদ। সেই সময়ই ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষ। গার্ড রেল দিয়ে মিছিল আটকে দেওয়া হয়। ধর্মতলা চত্বরে পুলিশ মিছিল আটকালে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। আরও পড়ুন ঃ নিয়োগপত্র সত্ত্বেও কাজে যোগ দিতে বাধা, আলিপুর চিড়িয়াখানায় বিক্ষোভ প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার আপার প্রাইমারির ১৪৩৩৯ পদে নিয়োগের দাবিতে পথে নামে টেট উর্ত্তীর্ণরা। বিকাশভবন অভিযানে গেলে তাদের বাধা দেওয়া হয়। ফলে স্কুল শিক্ষা কমিশনের দপ্তরের সামনে অবস্থানে বসেন তাঁরা। আন্দোলনকারীদের একটি প্রতিনিধিদল বিকাশ ভবনে গিয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখাও করেন। কিন্তু বৈঠকে জট কাটেনি। এই পরিস্থিতিতে বুধবার রাতে আচমকা হানা দেয় পুলিশ। তারা অবস্থানরত চাকরিপ্রার্থীদের তুলে দেন। তাদের শিয়ালদহ স্টেশনে পৌছে দেওয়া হয়। সেই ঘটনার প্রতিবাদে এদিন ছাত্র পরিষদ এই কর্মসূচি গ্রহণ করে।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
রাজনীতি

দুয়ারে সরকার কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তপ্ত বর্ধমান, পথ অবরোধ 

রাজ্যজুড়ে চলছে দুয়ারে সরকার কর্মসূচি। এবার সেই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শাসকদলের দুটি গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটল। এই ঘটনায় দুই গোষ্ঠীরই বেশ কয়েকজন জখম হয়। ঘটনাটি ঘটেছে বর্ধমানের লোকো কলোনীতে। জানা গিয়েছে, বর্ধমানের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের রেলওয়ে বিদ্যাপীঠ স্কুলে দুয়ারে সরকার ক্যাম্প বসেছে। সেখানেই ক্যাম্পের দখলদারি নিয়ে জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক খোকন দাস ও মহম্মদ সেলিমের অনুগামীদের মধ্যে বিবাদ বেধে যায়। ঘটনার প্রতিবাদে পথ অবরোধ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আরও পড়ুন ঃ যারা বিজেপির ঝান্ডা খুলেছে, তাদের ঘাড় ধরে দলে নিয়ে আসবঃ দিলীপ তৃণমূল নেতা খোকন দাসের অভিযোগ, এলাকার প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর মহম্মদ সেলিমের নেতৃত্বে তার অনুগামীরা শিবু ঘোষকে মারধর করে। শিবু ঘোষ বৌদি ও স্ত্রীকে নিয়ে বিদ্যাপীঠ স্কুলে স্বাস্থ্যসাথীর কার্ডের জন্য দাঁড়িয়ে ছিল। ওই সময়ে মহম্মদ সেলিম তার দলবল নিয়ে তাকে আক্রমণ করে। মার খাওয়ার এলাকার একটি বাড়িতে শিবু ঘোষ আশ্রয় নেয়। সেখানে ঢুকে মারধর করা হয়। তাদের দলীয় কার্যালয়ে হামলা চালায় ও ভাঙচুর করে। তিনি পুলিশকে হুঁশিয়ারি দেন, যদি বিকেলের মধ্যে অভিযুক্তরা গ্রেফতার না হলে তারা থানা ঘেরাও করবেন। পুলিশ প্রশাসন ঠিকমত কাজ করছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি। অন্যদিকে প্রাক্তন কাউন্সিলর মহম্মদ সেলিম বলেন, দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে হাজির হয়ে শিবু ঘোষের নেতৃত্বে কয়েকজন দাদাগিরি করছিল। এলাকার বাসিন্দারা প্রতিবাদ করেন। এই নিয়ে প্রথমে বাদানুবাদ হয়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের তাড়া করলে ছুটে পালাতে গিয়ে কেউ আহত হতে পারে। কেউ তাদের মারধর করেনি। আর ওখানে কোনও তৃণমূলের পার্টি অফিস নাই।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
রাজ্য

রাজ্যের আবেদন খারিজ, আমফানের দুর্নীতির ঘটনায় তদন্তে ক্যাগই, নির্দেশ হাইকোর্টের

আমফান দুর্নীতি মামলার অডিট করবে ক্যাগ। প্রসঙ্গত , দুদিন আগেই কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল আমফানের ত্রাণে কোনও দুর্নীতি হয়েছে কিনা, তার তদন্ত করবে ক্যাগ। সেই নির্দেশের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকার প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন জানিয়েছিল। শুক্রবার রাজ্যের সেই আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। সেখানে রাজ্য সরকারের আইনজীবী কিশোর দত্ত বলেন, আমফান ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত মামলায় রাজ্যের আরও কিছু বক্তব্য রয়েছে। সেগুলো শোনা হোক। আদালত জানিয়ে দিয়েছে, এই ব্যাপারে রাজ্য সরকারকে আর সময় দেওয়া যাবে না। রাজ্যের যদি এরপরেও কিছু বলার থাকে, তাহলে তারা সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে। আরও পড়ুন ঃ আদর্শের জন্য লড়াই চলবে, সভায় জানালেন শুভেন্দু গত ১ ডিসেম্বর কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ এক নির্দেশে জানায়, এখনও পর্যন্ত আমফান ঝড়ে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দুর্নীতির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে ক্যাগকে তিন মাসের মধ্যে রিপোর্ট দিতে হবে। পাশাপাশি ক্যাগেকে সমস্ত রকমের সহযোগিতা করার জন্য রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ৷ প্রসঙ্গত, ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণবণ্টন নিয়ে দুর্নীতি হয়েছে, এই মর্মে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কৃষক সংগঠন। মামলা করেন বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংও। গত মঙ্গলবার সবকটি মামলার একত্রে শুনানি হয় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
কলকাতা

আমফানের ত্রাণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ, ক্যাগ তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

আমফানের দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ক্যাগকে তদন্ত করার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালত বলেছে, কাদের ত্রাণ পাওয়ার কথা অথচ পাননি, কেন পাননি, কোন প্রক্রিয়ায় ত্রাণ বিধ্বস্ত এলাকায় ত্রাণ বন্টন হয়েছিল , প্রকৃ্ত ক্ষতিগ্রস্তরা যদি ত্রাণ না পেয়ে থাকেন , তাহলে তারা কেন পাননি - এই সমস্ত বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ রিপোর্ট আগামী তিন মাসের মধ্যে আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ক্যাগকে। বিচারপতি টিবিএন রাধাকৃষ্ণণ ও অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দেয়। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূল নেতৃ্ত্বকে কদর্য ভাষায় আক্রমণ বিজেপি সাংসদের এই ব্যাপারে মঙ্গলবার চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, দুর্নীতি বলছেন কেন? বলুন হাইকোর্ট রিপোর্ট চেয়েছে। প্রসঙ্গত, ঘূর্ণিঝড় আমফানে ক্ষতিগ্রস্তদের ২০ হাজার টাকা করে সাহায্যের কথা ঘোষণা করেছিল রাজ্য সরকার। তবে অভিযোগ উঠেছিল ক্ষতিপূরণের সেই টাকা আসল ক্ষতিগ্রস্তদের বদলে শাসক দলের নেতা-কর্মীদের পকেটে ঢুকেছে। সেই অভিযোগেই কলকাতা হাইকোর্টে একটি মামলা দায়ের হয় । সেই মামলায় রাজ্য সরকারের কাছে বারবার আমফানে ক্ষতিগ্রস্তদের কীভাবে টাকা বণ্টন করা হচ্ছে, তা জানতে চেয়ে হলফনামা জমা দিতে বলে আদালত। তবে, রাজ্য সরকারের তরফে এনিয়ে কোনও উচ্চবাচ্চ্য করা হয়নি ৷ তারপরেই আজ আদালতের তরফে ক্যাগকে তদন্তভার দেওয়া হয়েছে।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
রাজনীতি

কল্যাণের মন্তব্যে বিজেপিকে সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে , মত তৃণমূল সাংসদের

শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় কয়েকদিন আগেই বলেছিলেন, সিবিআই-এর হাত থেকে বাঁচতে যাঁরা নারদ-সারদায় অভিযুক্ত, তাঁরা বিজেপিতে যাবেন। যাঁরা সারদা-নারদাতে অভিযুক্ত, তাঁরা বিজেপিতে গেলে কি গঙ্গাজলে পবিত্র হয়ে যাবে? এই প্রশ্নও তোলেন তিনি। এবার তাঁর এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে মুখ খুললেন আরামবাগের সাংসদ অপরূপা পোদ্দার। তিনি বলেন, দলের সিনিয়র নেতা কেউ যদি বলেন, যাঁরা নারদ-সারদায় আছেন তাঁরা বিজেপিতে চলে যাবেন , এধরনের মন্তব্য ঠিক নয়। সারদা - নারদ মামলা এখনও আদালতের বিচারাধীন। কেউ এখনও দোষী সাব্যস্ত হয়নি। আমি মনে করি, এটা বিজেপিকে সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। ব্যক্তিগত আক্রমণ করাও ঠিক না। অপরূপা বলেন, পুরো বিষয়টি শীর্ষ নেতৃত্ব শুনেছেন। তাঁদের জানানো হয়েছে। নিশ্চয় কোন পদক্ষেপ করবেন। আরও পড়ুনঃ ভাইপোকে খোকাবাবু বলে কটাক্ষ দিলীপের প্রসঙ্গত, সারদা ও নারদ কাণ্ডে তৃণমূলের একাধিক নেতা, মন্ত্রী , বিধায়ক ও সাংসদ অভিযুক্ত। চিটফাণ্ডে যুক্ত থাকার অভিযোগে ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন জেলও খেটেছেন। অন্যদিকে, অভিযুক্তদের মধ্যে কয়েকজন তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। কল্যাণের এই মন্তব্য নিয়ে এখনও পর্যন্ত দলের তরফ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি।

নভেম্বর ৩০, ২০২০
রাজ্য

খেজুরিতে তৃণমূলের পার্টি অফিস দখলের অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে

তৃণমূলের পার্টি অফিস দখল নেওয়ার অভিযোগ উঠল বিজেপির বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে খেজুরিতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিবাদে দফায় দফায় পথ অবরোধ করে তৃণমূল কর্মীরা বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। তৃণমূলের অভিযোগ, খেজুরির বীরবন্দরের পাটনা, কন্ঠীবাড়ি, আলিচক-সহ মোট ছয়টি পার্টি অফিস দখল করে নেওয়া হয়েছে। সেখানে লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে বিজেপির পতাকা। অনেক দলীয় দফতরে ভাঙচুর চালানো হয়। এছাড়াও আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে বিজেপির তরফ থেকে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে অভিযোগ তুলছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বই। আরও পড়ুন ঃ অশালীন মন্তব্যের জের, অভিযোগ দায়ের অগ্নিমিত্রা পলের বিরুদ্ধে তৃণমূলের অভিযোগ, শুক্রবার সন্ধে থেকেই খেজুরির বিভিন্ন জায়গায় দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্য শুরু হয়েছে। জনকা, বীরবন্দ-সহ একাধিক এলাকায় মোটর সাইকেল বাহিনী রাতে তৃণমূলের ছটি পার্টি অফিসে হামলা চালিয়েছে। সেখানে লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে বিজেপির দলীয় পতাকা। এভাবে দখলের খেলা শুরু করেছে বিজেপি, অভিযোগ তৃণমূলের। আরও অভিযোগ, রাতে স্থানীয় কয়েকজন তৃণমূল কর্মীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে বিজেপিতে যোগদানের জন্য চাপ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী সময়ে অবশ্য তাঁদের নিরাপদে বাড়ি ফেরানো হয়।

নভেম্বর ২৮, ২০২০
কলকাতা

রবীন্দ্র সরোবরে ছটপুজো করতে দেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ

আদালতের নির্দেশের জেরে রবীন্দ্র ও সুভাষ সরোবরে নিষিদ্ধ ছটপুজো। রবীন্দ্র সরোবরের ৩ নম্বর গেটের সামনে শুক্রবার সকালে একদল পুণ্যার্থী জমা হলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুজো করতে দেওয়ার দাবিতে সেখানে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে স্থানীয়রা। যদিও আদালতের নির্দেশের কথা উঠলে তারা জানান, পুণ্যার্থীদের দাবি, মাত্র ছঘণ্টার মধ্যে ছটপুজো সেরে নেওয়া সম্ভব। আর সামান্য সময়ে ছটপুজো করলে কোনও সমস্যা হবে না। রবীন্দ্র সরোবরে ঢোকার অনুমতি না মিললে মূল দরজার সামনেই ছটপুজো করা হবে বলে জানিয়ে দেন তারা। এছাড়াও তারা বলেছেন, প্রতি বছর এখানেই পুজো করেছেন তারা। তাদের পূর্বপুরুষরাও এখানে পুজো করেছেন। এভাবে তাদের অধিকার কেড়ে নেওয়া যাবে না। স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কর্মীরা বোঝাতে গেলে তর্কাতর্কি শুরু হয়ে যায়। যাতে কেউ আদালতের নির্দেশ অমান্য করতে না পারেন তাই বিশাল পুলিশবাহিনীও মোতায়েন করা হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে মুকুল রায়ের প্রসঙ্গত , গ্রিন ট্রাইব্যুনালের নির্দেশে গতবারই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল রবীন্দ্র সরোবরের ছটপুজো। তারপর এই বছর সেপ্টেম্বর মাসে পরিবেশ আদালতের কাছে কেএমডিএ আবেদন করেছিল , শর্তসাপেক্ষে লেকে ছটপুজো করতে দেওয়া হোক। সেই আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়। জানিয়ে দেওয়া হয় , কোনও শর্তেই লেকে ছটপুজোর অনুমতি দেওয়া যাবে না। গত ১০ তারিখ কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়েছে, রবীন্দ্র সরোবরে ছট পুজোর ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টে যে মামলা চলছে, তা নিয়ে সর্বোচ্চ আদালতই শেষ কথা বলবে। সেই মামলায় চূড়ান্ত নির্দেশ না দেওয়া হলে রবীন্দ্র সরোবরে এবং সুভাষ সরোবরে ছট পুজো নিষিদ্ধ। বিধিনিষেধ মেনে কেএমডিএ ছটপুজোর আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল। কিন্তু আবেদন খারিজ হয় সেখানেও। এরপর এই দুই আদালতের রায়ের বিরোধিতায় সুপ্রিম কোর্টে আপিল করে কেএমডিএ। এই আবেদনের শুনানি ২৩ তারিখ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আজ ছট পুজো হওয়ায় জরুরী ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার তিন বিচারপতির বেঞ্চে শুনানি হয়। কিন্তু একই রায় বহাল রাখে শীর্ষ আদালত।

নভেম্বর ২০, ২০২০
রাজনীতি

খুনের রাজনীতি বন্ধে প্রয়োজনে ব্যবস্থা নেওয়া হবেঃ বাবুল

ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কড়া আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। শুক্রবার বাবুল সুপ্রিয় রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেছেন , হিংস্র সরকারকে থামানোর পথ কিন্তু সংবিধানে রয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি ভাবেন, ভয় দেখিয়ে মানুষকে ভোট দিতে যেতে দেবেন না, বিরোধীদের ওপর আক্রমণ করবেন, তা হলে সংবিধানে এসব থামানোর ব্যবস্থা আছে। আগামী ছমাসে নিজেকে শুধরে নিন মমতা। এভাবে হিংসার রাজনীতি কিন্তু চলবে না। আমরা এই নিয়ে বারবার রাস্ট্রপতির কাছে আবেদন করেছি। হিংসার রাজনীতি, খুনের রাজনীতি কিন্তু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। প্রয়োজনমতা ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাংলার মানুষ আমাদের পাশে রয়েছে। যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবারও ক্ষমতায় আসেন তবে ধরে নিতে হবে তা পুলিশ, প্রশাসনের উপর প্রভাব খাটিয়েই হয়েছে। আমরা আশাবাদী কমপক্ষে ২০০ আসন পেয়ে বাংলায় ক্ষমতায় আসব। বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় আসলে রাজ্যবাসী সবকিছুই পাবে। আরও পড়ুন ঃ বিজেপি বিস্ফো্রণের ঘটনা নিয়ে রাজনীতি করছেঃ ফিরহাদ যদিও সাংসদ সৌগত রায় পালটা প্রতিক্রিয়া দিয়ে বলেন, বাবুল গানবাজনা নিয়ে থাকতেন। তাই তিনি রাজনীতির কিছুই বোঝেন না। এসব কথা বলে তৃণমূলকে ভয় দেখিয়ে লাভ হবে না।

নভেম্বর ২০, ২০২০
দেশ

রাজ্যের সম্মতি ছাড়া কোনও তদন্তে হস্তক্ষেপ করতে পারবে না সিবিআই , নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

রাজ্যের সম্মতি ছাড়া কোনও তদন্তে হস্তক্ষেপ করতে পারবে না সিবিআই৷ দেশের সর্বোচ্চ আদালত স্পষ্ট করে দিল বৃহস্পতিবার। ২০১৯ সালের অগাস্ট মাসে উত্তর প্রদেশের সরকারি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ সংক্রান্ত একটি মামলায় ইলাহাবাদ হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টে মামলাটি দায়ের হয়েছিল৷ আরও পড়ুন ঃ কাশ্মীরে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে জঙ্গিদের গুলির লড়াইয়ে খতম চার জঙ্গি এই মামলায় রায় দিতে গিয়ে দেশের শীর্ষ আদালত জানায়, আইন অনুযায়ী, রাজ্যের সম্মতি ছাড়া সিবিআইকে কোনও মামলায় নিয়োগ করতে পারে না কেন্দ্র৷ এ বিষয়ে রাজ্যের সম্মতি বাধ্যতামূলক৷ সংবিধানে উল্লেখিত যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামোর সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই এই আইন তৈরি করা হয়েছে৷ এই আইনটি সংবিধানের যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলেও জানিয়েছে বিচারপতি এ এম খানউইলকর এবং বিচারপতি বি আর গভাইয়ের বেঞ্চ।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
কলকাতা

রবীন্দ্র-সুভাষ সরোবরে ছট পুজো নয়, নির্দেশ সুপ্রিম কো্র্টের

রবীন্দ্র ও সুভাষ সরোবরে ছটপুজো করা নিয়ে মামলা হয়েছিল গ্রিন ট্রাইব্যুনালে। অনুমতি না মেলায় কেএমডিএ আবেদন করেছিল সুপ্রিম কোর্টে। শেষ পর্যন্ত গ্রিন ট্রাইব্যুনালের রায়কে বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট। ফলে শুক্রবার রবীন্দ্র সরোবর বা সুভাষ সরোবরে ছটপুজো হবে না। গ্রিন ট্রাইব্যুনালের নির্দেশে গতবারই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল রবীন্দ্র সরোবরের ছটপুজো। তারপর এই বছর সেপ্টেম্বর মাসে পরিবেশ আদালতের কাছে কেএমডিএ আবেদন করেছিল , শর্তসাপেক্ষে লেকে ছটপুজো করতে দেওয়া হোক। সেই আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়। জানিয়ে দেওয়া হয় , কোনও শর্তেই লেকে ছটপুজোর অনুমতি দেওয়া যাবে না। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দুর সঙ্গে মান-অভিমান চলছে তৃণমূলেরঃ দিলীপ গত ১০ তারিখ কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়েছে, রবীন্দ্র সরোবরে ছট পুজোর ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টে যে মামলা চলছে, তা নিয়ে সর্বোচ্চ আদালতই শেষ কথা বলবে। সেই মামলায় চূড়ান্ত নির্দেশ না দেওয়া হলে রবীন্দ্র সরোবরে এবং সুভাষ সরোবরে ছট পুজো নিষিদ্ধ। বিধিনিষেধ মেনে কেএমডিএ ছটপুজোর আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল। কিন্তু আবেদন খারিজ হয় সেখানেও। এরপর এই দুই আদালতের রায়ের বিরোধিতায় সুপ্রিম কোর্টে আপিল করে কেএমডিএ। এই আবেদনের শুনানি ২৩ তারিখ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আগামীকাল ছট পুজো হওয়ায় জরুরী ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার তিন বিচারপতির বেঞ্চে শুনানি হয়। কিন্তু একই রায় বহাল রাখে শীর্ষ আদালত। হাই কোর্ট এবং জাতীয় পরিবেশ আদালতের রায়ে কোনও সংশোধন হবে না বলে জানিয়ে দেন তিন বিচারপতি।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
রাজ্য

বৃদ্ধ দম্পতির দেহ উদ্ধার, গ্রেফতার ছেলে

বন্ধ বহুতলে আবাসনের ভেতর থেকে উদ্ধার হল এক বৃদ্ধ দম্পতির পচাগলা দেহ। বাবা- মায়ের দেহের পাশেই রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় ছেলেকে। ঘটনাটি ঘটেছে , হাওড়ার শিবপুরের ১৭, কৈপুকুর লেনের আবাসনে। মৃতের পরিবার ওই আবাসনের চারতলার বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। বুধবার দুপুরে শিবপুর থানার পুলিশ দরজা ভেঙে দম্পতির মৃতদেহ উদ্ধার করে। মৃতদের নাম প্রদ্যুৎ বোস(৭৫), গোপা বোস( ৭০)। বাবা - মাকে হত্যার অভিযোগে ছেলে শুভজিৎ বোসকে (৪২) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃত শুভজিৎ খুনের কথা স্বীকার করেছে। অসুস্থ রক্তাক্ত অবস্থায় ছেলেকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আনা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের দাবি , মানসিক অবসাদ থেকে ছেলে তার বাবাকে খুন করে নিজেও আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে। আরও পড়ুনঃ স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করছে সমবায়ঃ শুভেন্দু জানা গিয়েছে , মৃত প্রদ্যুৎবাবুর দেহ পড়েছিল খাটে এবং শোফায় পড়েছিল গোপাদেবীর দেহ। পুলিশ আরও জানিয়েছে, মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণজনিত কারণে বেশ কয়েক বছর শয্যাশায়ী ছিলেন তিনি। তাঁর চিকিৎসার জন্য খরচ অনেক বেড়ে গিয়েছিল। একমাত্র ছেলে শুভজিৎ উচ্চশিক্ষিত। তিনি একটি বেসরকারি কলেজ থেকে এমসিএ পাশ করেন। কিন্ত্য তিনি চাকরি করতেন না। এর পাশাপাশি পাড়ায় কারও সঙ্গে কথা বলতেন না তিনি। তার বাড়ির লোক জানিয়েছেন, শুভজিৎ উচ্চশিক্ষিত ছিল। চাকরি না পেয়ে অবসাদে ভুগছিলেন। পরিবার দীর্ঘদিন আর্থিক অনটনে ভুগছিল। এই মানসিক অবসাদ থেকেই খুন বলে মনে করা হচ্ছে। পুলিশ ওই ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ছেলে স্বীকার করেছে যে বাবা-মাকে খুন করে সে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। পুলিশ জানিয়েছে, মা, বাবাকে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে ছেলে শুভজিৎকে। সে খুনের কথা স্বীকার করেছে। শনিবার রাতে এই ঘটনাটি ঘটায়। এরপর সে আত্মহত্যার চেষ্টাও করে।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
রাজ্য

বিজেপির বুথ কমিটির সম্পাদক খুন , অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

বিজেপির বুথ কমিটির সম্পাদককে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। মৃতের নাম কালাচাঁদ কর্মকার। তিনি বিজেপির বুথ সম্পাদক পদে ছিলেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। ঘটনার জেরে বুধবার সকাল থেকে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে তুফানগঞ্জের নাককাটি গাছ গ্রাম পঞ্চায়েতের চামটা গ্রামের কর্মকারপাড়ায়। খবর পেয়ে তুফানগঞ্জ থানার বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে যায়। মৃতের পরিবারের তরফ থেকে লক্ষ্মী বর্মন বলেন, বুধবার সকালে কালাচাঁদবাবুকে রাস্তায় ফেলে মারছিল কয়েকজন। সেই সময় বাড়ির লোকরা বাঁচাতে যায়। ওই সময়ই কালাছাঁদের পেটে লাথি মারা হয়েছে। তখই জ্ঞান হারান তিনি। এরপর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কালাচাঁদকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। পরিবারের তরফ থেকে স্থানীয় তৃণমূল নেতা রঞ্জিত বর্মন, কমল বর্মন, সঞ্জিত বর্মন, নারায়ণ বর্মন ও দিলীপ বর্মনকে এই মারধরের জন্য দায়ী করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার সকালে দুই ক্লাবের সদস্যদের মধ্যে ফের বচসা বাধে। শুরু হয় হাতাহাতি। ঘরের সামনে অশান্তি দেখে তা মেটাতে বের হন কালাচাঁদবাবু। অভিযোগ, তখনই তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয়। তড়িঘড়ি রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে ডাক্তাররা মৃত বলে ঘোষণা করে। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, দুই ক্লাবের বচসার জেরেই এই ঘটনা। মৃত ব্যক্তি অশান্তি মেটাতে গিয়েছিলেন। আপাতদৃষ্টিতে এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ কমল বর্মন নামে একজন ব্যক্তিকে আটক করেছে। ইতিমধ্যেই তার মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। আরও পড়ুন ঃ প্রয়াত জেলা কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি আভাস ভট্টাচার্য্য বিজেপির তরফে টুইটে বলা হয়েছে, কোচবিহারে বিজেপির বুথ সম্পাদক কালাচাঁদ কর্মকারকে তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনী নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যা করেছে। রক্তের রাজনীতি করে বাংলার মানুষের সমর্থন পাওয়া যায় না মমতা ব্যানার্জী। আপনার দিন গোনার পালা শুরু! অন্যদিকে বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয় ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, কোচবিহারে বিজেপির বুথ সম্পাদক কালাচাঁদ কর্মকারকে তৃণমূলের গুন্ডা বাহিনী পিটিয়ে হত্যা করেছে, কিন্তু প্রশাসন চোখে কাপড় বেঁধে রেখেছে কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে। খুব শীঘ্রই মানুষ এর জবাব দেবে এই অহংকারী সরকারকে।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
কলকাতা

প্র্য়াত কবি অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত

প্র্য়াত কবি অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত। বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। দীর্ঘদিন ধরে বয়সজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন তিনি। মঙ্গলবার জার্মানিতে নিজস্ব বাসভবনে প্রয়াত হন তিনি।তাঁর স্ত্রী এলিজাবেথ এই মৃত্যু সংবাদ জানিয়েছেন। আমৃত্যু ছাড়েননি কবিতা লেখা। যেসব কবিতা উস্কে দিয়েছিল বহু বাঙালির কবিতা লেখার আবেগ। একটা সময় ঝড় তুলেছিল তাঁর কবিতা বুধুয়ার পাখি। বাংলা কবিতার রূপান্তরের দীর্ঘ পর্বে ঝাঁকুনি দিয়ে গিয়েছিল সেই ভাবনা। শান্তিনিকেতন, বিশ্বভারতীর ছাত্র ছিলেন অলোকরঞ্জন। পরে ভর্তি হন সেন্ট জেভিয়ার্সে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করে চোদ্দো বছর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে তুলনামূলক সাহিত্য বিভাগে অধ্যাপনা। তার পরে হাম্বোলড ফেলোশিপ নিয়ে বিদেশে পাড়ি। আরও পড়ুন ঃ ট্রেনে ও স্টেশনে প্রবেশের দাবিতে বিক্ষোভ হকারদের তাঁর কবিতার ভাষা পাঠকসমাজে সাড়া ফেলেছিল। বাংলায় ছিল কুড়িটি কাব্যগ্রন্থ। ফরাসি এবং জার্মান ভাষায় একাধিক উল্লেখযোগ্য অনুবাদের কাজ। পেয়েছেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুধা বসু সম্মান, আনন্দ পুরস্কার, প্রবাসী ভারতীয় সম্মান, রবীন্দ্র পুরস্কার। ১৯৯২ সালে কাব্যগ্রন্থ মরমী করাত-এর জন্য সম্মানিত হন সাহিত্য অ্যাকাডেমি পুরস্কারে। তাঁর মৃত্যুতে বাংলার কবিতামহলে তৈরি হল বিশাল শূন্যতা।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
রাজ্য

সিপিএম নেতা সুশান্ত ঘোষকে গড়বেতায় ফেরার অনুমতি দিল সুপ্রিম কোর্ট

সাসপেন্ডেড সিপিএম নেতা সুশান্ত ঘোষকে গড়বেতায় ফেরার অনুমতি দিল সুপ্রিম কোর্ট। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ৮ বছর পর নিজের জেলায় যেতে পারেন সিপিএম - এর এই প্রাক্তন বিধায়ক। তিনি এলাকায় ফিরলে ফের অশান্তি হতে পারে বলে অভিযোগ করেছিল রাজ্য সরকার। সেই অভিযোগের বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতে আবেদন করেন তিনি। সেই আবেদনের ভিত্তিতে সোমবার সুপ্রিম কোর্ট সুশান্ত ঘোষকে জেলায় ঢোকার অনুমতি দিল। তিনি জেলায় ফিরতে পারবেন শুনে উচ্ছাসে ফেটে পড়েন সিপিএমের নিচুতলার কর্মীরা। আরও পড়ুন ঃ বিধানসভা নির্বাচনে জোটবদ্ধ হয়েই লড়বে বাম- কংগ্রেস উল্লেখ্য , ২০১১ সালে বেনাচাপড়া কঙ্কাল কাণ্ডে গ্রেফতার হন তিনি। পরের বছর জামিন পেলেও এতদিন জেলায় ঢোকার অনুমতি দেয়নি রাজ্য সরকার। সোমবার সেই অনুমতি দিল সুপ্রিম কোর্ট। প্রসঙ্গত, গত সেপ্টেম্বর মাসে দলবিরোধী কাজের জন্য সিপিএম সুশান্ত ঘোষকে তিন মাসের জন্য সাসপেন্ড করেছে। ডিসেম্বর মাসে তার শাস্তির মেয়াদ শেষ হবে।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
বিনোদুনিয়া

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রয়াণে শোকজ্ঞাপন টলিউড শিল্পী- পরিচালকদের

প্রয়াত অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। তাঁর মৃত্যু্তে শোকের ছায়া নেমে এসেছে চলচ্চিত্র জগতে। অভিনেত্রী সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায় জানান, বহুদিনের সম্পর্ক ছিল। একসঙ্গে কাজ করেছি প্রচুর। তাঁর কথায়, ওনার মৃত্যু কখনই হবে না। ও বেঁচে থাকবে। সৌমিত্রের প্রয়াণে ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায় জানান, আমার কাছে মানুষ সৌমিত্র অত্যন্ত সহজ সরল একজন মানুষ। ওঁর মৃত্যুটা মেনে নিয়ে পারছি না।বর্ষীয়ান অভিনেত্রী লিলি চক্রবর্তী বলেন, আমরা প্রায় একই সঙ্গে কাজ শুরু করেছি। এত সুন্দর ওঁর ব্যবহার। একসঙ্গে থিয়েটার করেছি। শুধুই সুখস্মৃতির ভিড়। আরও পড়ুন ঃ সৌ্মিত্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রয়াণে শোকপ্রকাশ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতানেত্রীদের সত্যজিতের ফেলুদার স্মৃতিচারণায় সন্দীপ রায় জানান, ষাট বছরের বেশি সময় ধরে চিনি। পরিবারের একজনকে হারালাম আজ। শর্মিলা ঠাকুর জানান, উনি শুধু অভিনয়ে নন, একাধারে আরও অন্যান্য ক্ষেত্রেও ছাপ রেখে গেছেন তিনি। আক্ষেপ থেকে গেল, কেন যে ওঁর আবৃত্তিগুলো রেকর্ড করলাম না। অপর্ণা সেন বলেন , উনি আমার প্রথম ছবির প্রথম নায়ক। প্রথমে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে কাকা বলে ডাকতাম। পরে নাম ধরে ডাকলেও সেই শ্রদ্ধাটা ছিল। জুটি হিসেবে আমরা কখনও সফল ছিলাম কি না জানি না। তবে উনি একবার ঠাট্টা করে বলেছিলেন, তুই পরিচালক হলি আমাদের জুটিটা ভেঙে গেল। সৌমিত্রের মৃত্যুতে মুহ্যমান হয়ে পড়েছেন প্রসেনজিৎ। হয়ে পড়েছেন আবেগপ্রবণ। বাড়ি থেকে বেরোতে চাইছেন না। কথাও বলতে চাইছেন না। তবু তারই মধ্যে সৌমিত্রের মৃত্যুতে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তিনি বলেছেন, ব্যক্তিগত ভাবে আমার কাছে তিনি পিতৃপ্রতিম এক ব্যক্তিত্ব। বাংলা তথা ভারতীয় ছবি ও নাটকে তাঁর অবদান স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।বিসিসিআই-র সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় টুইটারে লিখেছেন, আপনি প্রচুর কাজ করেছেন। শান্তিতে থাকুন।

নভেম্বর ১৫, ২০২০
বিনোদুনিয়া

লাইফ সাপোর্ট সিস্টেমে অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়

এখনও শারীরিক অবস্থার কোনও পরিবর্তন হয়নি অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের। এই অবস্থা থেকে কিংবদন্তি অভিনেতার ফেরার আশা প্রায় নেই বললেই চলে। শনিবার রাত নটার মেডিক্যাল বুলেটিনে বেলভিউ হাসপাতালের পক্ষ থেকে চিকিৎসক অরিন্দম কর জানান , গত প্রায় ৪০ দিন ধরে তাঁরা চেষ্টা চালিয়েছেন। বিভিন্ন রকম চিকিৎসা পদ্ধতিতে তাঁর চিকিৎসা করা হয়েছে। স্টেরয়েড, প্লাজমা থেরাপি, করা হয়েছে। চিকিৎসকদের বড় দল তাঁকে সুস্থ করে তোলার জন্য কাজ করেছে। নিউরোলজি, নেফ্রোলজি থেকে কার্ডিয়াক, অ্যান্টি-ভাইরাল সমস্ত বিভাগের বিশেষজ্ঞরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু কোনও চিকিৎসাতেই সাড়া দিচ্ছেন না তিনি। এই অবস্থা থেকে একমাত্র অলৌকিক কিছু ঘটলেই তাঁকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব। আরও পড়ুন ঃ চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন না সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় এর আগে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের চেতনাস্তর ৯ থেকে ১০-এর মধ্যে ছিল। তা পাঁচ পর্যন্ত নেমে গিয়েছিল। এই স্তর তিনে পৌঁছে গেলে ব্রেন ডেথ হিসেবে ধরে নেওয়া হয়। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের পরিবারকে পুরো বিষয়টি জানানো হয়েছে। তাঁরা বিষয়টি বুঝেছেন অবং পরিস্থিতির দাবি মেনে নিয়েছেন। আশা প্রায় না থাকলেও শেষ সময় পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে , বর্ষীয়ান অভিনেতার একাধিক অঙ্গ-প্রতঙ্গই আর কাজ করেছে না । শনিবার রাতের পরও তাঁর অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে। আপাতত শেষ চেষ্টা করছেন চিকিৎসকরা। পূর্ণ মাত্রায় অক্সিজেন দেওয়া সত্ত্বেও তাঁর শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কমছে। রক্তচাপ কমছে শরীরেও। কিডনি, লিভার, ফুসফুস, হার্ট কাজ করছে না। ডায়ালিসিস ও প্লাজমাফেরাসিসেও ফল মিলছে না। অভিনেতার মস্তিষ্কের স্নায়ুর সচেতনতা অর্থাৎ গ্লাসগো কোমা স্কেল প্রায় ৫-এর নীচে। ফলে পরিস্থিতি জটিলের থেকে ভয়ঙ্কর।

নভেম্বর ১৫, ২০২০
দেশ

অবশেষে জামিন পেলেন অর্ণব গোস্বামী

অবশেষে জামিন পেলেন এক সর্বভারতীয় বৈদ্যুতিন সংবাদমাধ্যমের সম্পাদক অর্ণব গোস্বামী। তাঁর সঙ্গে আরও দুই অভিযুক্তকে বুধবার জামিন দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এর পাশাপাশি জেল প্রশাসন ও কমিশনারকে শীর্ষ আদালতের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে , তারা যেন দু দিনের মধ্যে অর্ণবের মুক্তির ব্যবস্থা করে। প্রসঙ্গত , দুদিন আগে বম্বে হাইকোর্ট অর্ণব গোস্বামীর অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের আবেদন নাকচ করেছিল। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ওই সাংবাদিকের আইনজীবীরা। এদিন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় ও বিচারপতি ইন্দিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বেঞ্চে সেই আরজির শুনানি হয়। শুনানি শেষে ধৃত তিনজনের আরজি মঞ্জুর করে আদালত। ৫০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন পেয়েছেন তিন অভিযুক্ত। এদিন অর্ণবের আইনজীবী হরিশ সালভে সওয়াল করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জন্য অর্ণবকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুনানিতে মহারাষ্ট্র সরকারকে কার্যত ভর্ৎসনা করেন বিচারপতিরা। তাঁদের কথায়, সরকারের ভিন্ন মত থাকতেই পারে। তা বলে কাউকে ব্যক্তিগতভাবে নিশানা করা যায় না। রাজ্য সরকার যদি ব্যক্তিগতভাবে কাউকে নিশানা করে তাহলে তাদের মনে রাখা উচিৎ, ব্যক্তি স্বাধীনতা রক্ষা করতে শীর্ষ আদালত রয়েছে। একই সঙ্গে হাই কোর্টের উদ্দেশ্যে তাঁদের কড়া বার্তা, ব্যক্তি স্বাধীনতা রক্ষার্থে নিজেদের ক্ষমতা প্রয়োগ করুন। এদিন বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় বলেন, ভিন্ন মত থাকতেই পারে। কিন্তু তা বলে সাংবিধানিক আদালত যদি হস্তক্ষেপ না করে, তা হলে আমাদের ধ্বংস অবশ্যম্ভাবী। আরও পড়ুন ঃ বাজি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের রায় বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট মহারাষ্ট্র সরকারের হয়ে এদিন আইনজীবী কপিল সিব্বলের সওয়াল চলাকালীন বিচারপতি চন্দ্রচুড় বলেন , ৩০৬ ধারার অন্তর্গত প্ররোচনার জন্য আত্মহত্যার ক্ষেত্রে প্রকৃ্ত প্ররোচনা থাকতে হয়। কেউ অন্যজনের থেকে টাকা পাবেন , আর তিনি আত্মহত্যা করলেন। সেটা কিভাবে আত্মহত্যায় প্ররোচনা হবে। তারা আরও বলেন , আমরা ধরে নিচ্ছি , এফআইআরে যা অভিযোগ করা হয়েছে , তা ধ্রুবসত্য , তারপরেও কি এক্ষেত্রে ৩০৬ ধারায় মামলা করা যায় ? এখানে দেখা যাচ্ছে , অভিযুক্ত অর্থ মেটাননি আত্মঘাতীকে। ওই কারণেই আত্মহত্যা করেছেন। এর মানে প্ররোচনা দেওয়া হতে পারে কি ? আর সেই কারণে যদি কাউকে জামিন না দেওয়া হয় , তাহলে সেটা কি প্রহসন নয় , প্রশ্ন তোলেন বিচারপতিরা।

নভেম্বর ১১, ২০২০
দেশ

বাজি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের রায় বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট

বাজি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের রায় বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট। কলকাতা হাইকোর্ট কালীপুজোয় রাজ্যজুড়ে আতসবাজির বিক্রি ও ব্যবহার বন্ধের নির্দেশ দেয়। কালীপুজোয় রাজ্যজুড়ে আতসবাজির বিক্রি ও ব্যবহার বন্ধের নির্দেশ দেয়। বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের বেঞ্চ এই নির্দেশ দেন। বাজি কেনাবেচার উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। সেটিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে যান বাজি ব্যবসায়ীরা। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় ও বিচারপতি ইন্দিরা ব্যানার্জির ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, উৎসব গুরুত্বপূর্ণ, তা আমরা বুঝতে পারছি। কিন্তু, এমন এক পরিস্থিতিতে আমরা আছি যখন জীবন এমনিতেই চরম বিপদে। জীবনের থেকে মূল্যবান কিছুই নয়। তাই জীবন রক্ষাই এখন একমাত্র অগ্রাধিকার। আরও পড়ুন ঃ বিহারে মহাগটবন্ধনকে হারিয়ে ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন এনডিএর প্রসঙ্গত , গত সপ্তাহেই কলকাতা হাইকোর্ট কালীপুজোয় বাজি পোড়ানোর উপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। কোভিড পরিস্থিতির কারণেই এই নিষেধাজ্ঞা। আতস বাজি সংগঠনের তরফে বাংলায় দুদিন মোট চার ঘন্টার জন্য বাজি পোড়ানোর উপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার আবেদন করেছিল। কলকাতা হাইকোর্ট সেই আবেদন খারিজ করে দেয়।

নভেম্বর ১১, ২০২০
দেশ

বিহারে মহাগটবন্ধনকে হারিয়ে ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন এনডিএ'র

সমস্ত এক্সিট পোলের হিসেবকে উলটে দিয়ে বিহারে ক্ষমতা ধরে রাখল বিজেপি - জেডিইউ জোট। এনডিএ জোট পেল ১২৫ টি আসন , মহাগটবন্ধন পেল ১১০ টি আসন। এছাড়াও মিম জিতেছে পাঁচটি আসন। অন্যান্যরা তিনটে আসনে জয়লাভ করেছে। বিজেপি জেডিইউয়ের থেকে বেশি আসনে জয়লাভ করেছে। বিজেপি পেয়েছে ৭২ টি আসন। জেডিইউ ৪২ টি আসনে জয়লাভ করেছে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী হবেন নীতিশ কুমারই। এমনই জানানো হয়েছে বিজেপির পক্ষ থেকে। বুধবার ভোর তিনটে নাগাদ বিহার নির্বাচনের পুরো ফল প্রকাশিত হয়। তারপর থেকে বিজেপি ও জেডিইউ কর্মীরা উৎসবে মেতে ওঠেন। এনডিএ সূত্রে জানা গিয়েছে , এই সপ্তাহেই শপথ অনুষ্ঠান হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টুইটে লেখেন , বিহারের প্রতিটি ভোটার স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, তাঁদের কাছে সবার আগে উন্নয়ন। বিহারে ১৫ বছর পরে আবারও এনডিএ-র সুশাসনের আশীর্বাদ মিলছে। স্পষ্ট হচ্ছে বিহারের স্বপ্ন আর প্রত্যাশাগুলি ৷ বিহার গোটা বিশ্বকে গণতন্ত্রের প্রথম পাঠ শিখিয়েছে । আজ বিহার বিশ্বকে আবার বলেছে কীভাবে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা যায় । বিহারের রেকর্ড সংখ্যক দরিদ্র, বঞ্চিত এবং মহিলারা ভোটও দিয়েছেন এবং উন্নয়নের জন্য তাঁদের মত দিয়েছেন। অন্যদিকে , কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এদিন টুইটে লেখেন, বিহারের প্রতিটি প্রান্ত জাতপাতের রাজনীতিকে প্রত্যাখ্যান করেছে ৷ গ্রহণ করেছে এনডিএ-র উন্নয়নের রাজনীতিকে। এটি বিহারের প্রত্যেক মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার জয়। এটি প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং নীতীশ কুমারের নেতৃত্বে জোড়া উন্নয়নের জয় । আমি এই জয়ের জন্য প্রত্যেক বিজেপি কর্মীকে অভিনন্দন জানাতে চাই। আরও পড়ুন ঃ বিহার বিধানসভা নির্বাচনে মহাগটবন্ধনকে হারিয়ে জয়ের পথে এনডিএ অন্যদিকে , বিহার বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস ৭০ টি আসনে মাত্র ২০ টি আসনে জয়লাভ করেছে। ৭৫ টি আসনে জয় ছিনিয়ে নিয়ে একক বৃহত্তম দল হয়েছে আরজেডি। বামেরআ ২৯ টি আসনে প্রার্থী দিয়ে ১৬ টি আসনে জয়লাভ করেছে। কিন্তু কংগ্রেসের খারাপ ফলের জেরে বিজেপিকে হারিয়ে মহাজোটের জয় অধরাই থেকে গেল। অনেক আশা জাগিয়েও ট্র্যাজিক হিরো হিসেবে রয়ে গেলেন তেজস্বী যাদব। অন্যদিকে এলজেপি নেতা চিরাগ পাসোয়ান লেখেন , বিহারের মানুষ প্রধানমন্ত্রীর উপর ফের ভরসা রেখেছে। প্রত্যেক প্রার্থী নিজেদের মতো করে নির্বাচনে দারুণ লড়াই করেছেন । দলের ভোট বেড়েছে । প্রত্যেক জেলায় দল শক্তি বাড়িয়েছে যা ভবিষ্যতে কাজে আসবে।

নভেম্বর ১১, ২০২০
টুকিটাকি

কাশির সিরাপ খেয়ে শরীরের ক্ষতি করছেন না তো !

শীত এসে গিয়েছে। সকাল ও রাতে বেশ ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে সকলের। আবার বেলার দিকে গরম লাগছে। এই তাপমাত্রার তারতম্যের কারণেই সর্দি-কাশি খুব সহজেই ধরে যাচ্ছে ৮ থেকে ৮০ বয়সী প্রায় সকল মানুষের। এদিকে, কাশি হলেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই অনেকে ওষুধের দোকান থেকে কফ-সিরাপ কিনে খাওয়া শুরু করে দেন। কিন্তু কাফ সিরাপ কতটা মারাত্মক হতে পারে আপনার শরীরের জন্য , তা কি জানেন ? চিকিৎসকদের অনেকেই জানিয়েছেন, কাফ সিরাপ খেলে অনেক সময় খিঁচুনি, ঝিমুনি, অস্বাভাবিক হৃৎস্পন্দন, কিডনি, যকৃতের সমস্যাসহ নানা ক্ষতি হতে পারে। তাই কাশি হলে চিকিৎসকদের পরামর্শ ছাড়া কাফ সিরাপ খাওয়া বন্ধ করুন। আরও পড়ুন ঃ থানকুনি পাতার জাদুকরী উপকারিতার কথা জানলে চমকে যাবেন আপনিও ! জানা গিয়েছে , কাশির সিরাপে হাইড্রোকার্বন থাকে। মূলত বুকব্যথা ও কাশি কমাতে এটা ব্যবহৃত হয়। হাইড্রোকার্বন একধরনের মাদক, যা ক্ষতিকর। এটা ছাড়াও কাশির সিরাপে অনেক উপাদান থাকে, যেগুলোর কারণে রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে, ঝিমুনি আসে, ঘুম ঘুম ভাব হয়। সিরাপের মরফিন স্নায়ু ও পেশিকে শিথিল করে দেয়। এফিড্রিনের কারণে শ্লেষ্মা শুকিয়ে যায়।

নভেম্বর ১০, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 36
  • 37
  • 38
  • 39
  • 40
  • 41
  • 42
  • 43
  • 44
  • 45
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ক্ষমতা হারিয়ে রক্তক্ষরণে তৃণমূল, ‘একলা চলার’ কঠিন পরীক্ষায় মমতা

রাজনীতিতে পালাবদল ঘটেই থাকে। কেন্দ্রে বা রাজ্যে যে রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় থাকে কোনো কোনো সময় অপ্রতিরোধ্য দেখায়। মনে হয় শাসন ক্ষমতায় থাকাটাই সেই রাজনৈতিক দলের কুক্ষিগত। কিন্তু, সময় বদলায়। ঐতিহাসিক নিয়মেই অতি ক্ষমতাধর শক্তিকেও ক্ষমতা থেকে সরতে হয়। দেশ, কাল ভেদের এই পরিবর্তনের বহু নিদর্শন ইতিহাসে রয়েছে। যেমন, পশ্চিমবঙ্গ। স্বাধীনতার পর থেকে এই রাজ্যে দীর্ঘকাল ক্ষমতায় থেকেছিল কংগ্রেস। তারপর কংগ্রেস কে সরিয়ে ক্ষমতায় বসে বামফ্রন্ট। দীর্ঘ ৩৪ বছর শাসন ক্ষমতায় ছিল সিপিআইএম নেতৃত্বাধীন সরকার। অনেকেই ভাবতেন বাম শাসনের বোধহয় অবসান হবেনা। তা হয়নি। দীর্ঘ বাম শাসনকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে মসনদে বসে তৃণমূল কংগ্রেস। শাসন ক্ষমতায় থাকাকালীন যে দলকে অপ্রতিরোধ্য মনে হয় ক্ষমতা থেকে যাওয়ার পরে তাদের রক্তক্ষরণ শুরু হয়।এই পরিস্থিতি থেকেই শুরু হয় দল বদলের পালা। দেশ জুড়ে নেতা নেত্রীর ক্ষমতা হারানো দল থেকে ক্ষমতাসীন দলে যাওয়া অতি সাধারণ ঘটনা। মানুষ ও এই প্রবণতাকে স্বাভাবিক বলেই ধরে নিয়েছে। তবে, এখান থেকে বিজয়ী দলের ও সমস্যা শুরু হয়। নেতা নেত্রীদের দল বদলের থেকে অতি দ্রুত এই যাওয়ার পালা শুরু হয় পরাজিত দলের নিচু স্তরের কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে। বাম আমলেও এই ঘটনা শুরু হয়েছিল। তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পরেই রাজ্য জুড়ে সিপিএম এর ওপর আক্রমণ শুরু হয়েছিল। ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে থাকার লোভ, অর্থের লোভ ও সন্ত্রাস মূলত এই তিনটি কারণে সিপিএম থেকে তৃণমূলে আসার পালা শুরু হয়। এর ফলে যারা দীর্ঘদিন তৃণমূলে ছিলেন তাদের সঙ্গে দল বদলের দ্বন্দ্ব শুরু হয়।সেই সময় তৃণমূলের মধ্যে সেই দ্বন্দ্ব এক নতুন সমীকরণ তৈরি করেছিল। যার প্রতিফলন হয়েছিল Red TMC বনাম Green TMC দ্বন্দ্বে। তৃণমূলের ১৫ বছর পরে ক্ষমতা থেকে সরায় নিচের তলার এই চলন শুরু হয়েছে। রাতারাতি, রাজ্যের আনাচে কানাচে বিজেপির পতাকা হাতে বহু জনকে দেখা যাচ্ছে যাদের এতদিন ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গেই দেখা যেত। রাজ্যে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব এই পরিস্থিতিতে বার বার দলীয় কর্মীদের সতর্ক করেছেন। তৃণমূল কংগ্রেস ও জানে দলের কোনো মজবুত সাংগঠনিক কাঠামো ছিল না। ক্ষমতায় থাকার কারণে বিভিন্ন আর্থিক ও সামাজিক সুবিধা ছিল। এই সুযোগে, সুবিধা পাওয়ার বন্দোবস্ত তৃণমূলকে একটা সাংগঠনিক কাঠামো তৈরির সুবিধা দিয়েছিল।এখন ক্ষমতার বৃত্তে না থাকার কারণে দলের চেহারা ক্রমশ শীর্ণকায় হবে। এই কারণেই খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে তৃণমূল কর্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক লড়াইতে নামার জন্য বাম, কংগ্রেস ও আই এস এফ কে সঙ্গে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। যদিও, তিনি ভালোই জানেন যে ক্ষমতাসীন তৃণমূল এই তিন রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে কী ব্যবহার করেছে। গণতান্ত্রিক পরিবেশে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরিবেশ রাজ্যে ছিল না। সবটাই ছিল পেশীশক্তির ভিত্তিতে। কংগ্রেস ও বামেরা পাঁচ বছর বিধানসভার বাইরে ছিল। এই নির্বাচনে তাদের যেটুকু সাফল্য এসেছে তা তৃণমূলের সঙ্গে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেই এসেছে। এখন তারা যদি তৃণমূলের পাশে এসে দাঁড়ায় তাহলে তাদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব নিয়ে আবার প্রশ্ন উঠবে।INDIA ব্লক টিঁকিয়ে রাখার জন্য কংগ্রেস এই রাজ্যে তৃণমূলের সুরে বিজেপি বিরোধীতা করলেও সরাসরি তৃণমূলের সঙ্গে আন্দোলনে নামবে না বলেই মনে হয়। অন্যদিকে, আই এস এফ বা বাম দলগুলি তো প্রকাশ্যেই তৃণমূল নেত্রী কে এই আহ্বানের জন্য রাজনৈতিক ভাবে বিঁধতে শুরু করেছে। এই পরিস্থিতিতে মনে হয় ভালো, মন্দ যাই হোক তৃণমূল কে তা মেনে নিয়ে একলাই চলতে হবে। একলা পথ চলার কথাই নির্বাচনের আগে বিভিন্ন জনসভায় বলেছেন মমতা। এখন অন্যদের দিকে হাত বাড়ালেও তাঁকে একলাই চলতে হবে।

মে ২৩, ২০২৬
কলকাতা

হিলারির পর এবার মার্কো রুবিও! হঠাৎ কলকাতায় মার্কিন বিদেশসচিব, বাড়ছে জল্পনা

প্রায় ১৪ বছর পর আবার কলকাতায় এলেন মার্কিন বিদেশসচিব। হিলারি ক্লিনটনের পর এবার শহরে পা রাখলেন মার্কো রুবিও। শনিবার সকালে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছন তিনি। তারপর সোজা যান তালতলার মাদার হাউজে। সেখানে প্রায় দুঘণ্টা কাটানোর পর চিলড্রেনস হোমেও যান তাঁরা। এরপর তাঁর ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল ঘুরে দেখার কথাও রয়েছে। কলকাতা সফর শেষ করে দুপুরেই দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেবেন মার্কো রুবিও। সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে তাঁর।ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিয়ো গোর সমাজমাধ্যমে রুবিওর কলকাতা সফরের কথা জানান। তিনি লেখেন, মার্কিন বিদেশসচিবের এটি প্রথম ভারত সফর। দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তাঁর বৈঠকে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা এবং কোয়াড নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হবে। সূত্রের খবর, শুধু কলকাতা ও দিল্লি নয়, আগ্রা এবং জয়পুরেও যাওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।এই সফরকে ঘিরে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনে সরকার বদলের পর নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বিজেপি প্রথমবার বাংলার ক্ষমতায় এসেছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের উন্নয়ন এবং শিল্পায়ন নিয়ে একাধিক বার্তা দিয়েছেন। দুর্গাপুরে প্রশাসনিক বৈঠক সেরে শিল্প বিনিয়োগ টানার কথাও বলেছেন তিনি।অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও বারবার বিদেশি বিনিয়োগের উপর জোর দিচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন বিদেশসচিবের কলকাতা সফরকে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। অনেকের মতে, শিল্পক্ষেত্রে নতুন বিদেশি বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়েই আলোচনা হতে পারে।এছাড়াও সম্প্রতি লালমনিরহাট বিমান ঘাঁটিতে চিনের বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা ও বিতর্ক শুরু হয়েছে। সেই আবহে মার্কিন বিদেশসচিবের ভারত সফরকে ঘিরে আন্তর্জাতিক কূটনীতির দিকেও নজর রয়েছে। অনেকের মতে, চিনকে কড়া বার্তা দিতেই এই সফর গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।সব মিলিয়ে মার্কো রুবিওর কলকাতা সফর যে শুধুই সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, তার পিছনে বড় রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

মে ২৩, ২০২৬
দেশ

সীমান্তে বড় বদল! ড্রোন-ক্যামেরায় নজরদারি, ‘স্মার্ট বর্ডার’ নিয়ে বড় ঘোষণা অমিত শাহের

অনুপ্রবেশ রুখতে এবার আরও কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে কেন্দ্র সরকার। পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সীমান্তে নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে স্মার্ট বর্ডার তৈরির পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুক্রবার নয়াদিল্লিতে বিএসএফের বার্ষিক রুস্তমজি মেমোরিয়াল অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি জানান, আগামী এক বছরের মধ্যেই এই প্রকল্পের কাজ শুরু হবে।অমিত শাহ বলেন, প্রায় ৬ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সীমান্তে শুধুমাত্র জওয়ান মোতায়েন করে নজরদারি চালানো অত্যন্ত কঠিন। তাই এবার সীমান্ত পাহারায় ব্যবহার করা হবে আধুনিক প্রযুক্তি। সীমান্ত এলাকায় থাকবে ড্রোন, হাই রেজলিউশন ক্যামেরা এবং একাধিক আধুনিক নজরদারি যন্ত্র। পাশাপাশি বিএসএফ, পুলিশ এবং স্থানীয় প্রশাসনের মধ্যে তথ্য আদানপ্রদান আরও শক্তিশালী করতে গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক বাড়ানোর নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, স্মার্ট বর্ডার তৈরি হলে সীমান্ত আরও দুর্ভেদ্য হয়ে উঠবে। অনুপ্রবেশ এবং জনবিন্যাস বদলের যে চেষ্টা চলছে, তাতেও অনেকটাই লাগাম টানা সম্ভব হবে। তিনি আরও জানান, পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা এবং অসম সরকার অনুপ্রবেশ রুখতে কেন্দ্রের নীতিকে সমর্থন করেছে। প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে চিহ্নিত করে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলেও দাবি করেন শাহ।বাংলায় সরকার বদলের পর সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন কাঁটাতার বসানো নিয়ে জমি সমস্যার কারণে কাজ আটকে ছিল। তবে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দায়িত্ব নেওয়ার পর বিএসএফকে জমি হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এরপর সম্প্রতি বাংলায় পুশব্যাক আইন কার্যকর করার ঘোষণাও করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, এবার থেকে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিদের সরাসরি বিএসএফের হাতে তুলে দেবে পুলিশ। পরে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে তাঁদের বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হবে।এই ঘোষণার পর মতুয়া সমাজের একাংশের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। যদিও মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, সিএএ-র আওতায় থাকা কোনও হিন্দু ধর্মাবলম্বী বা বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে আসা নির্যাতিত সংখ্যালঘুদের দেশছাড়া করা হবে না। বরং নিয়ম মেনে তাঁদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।এর মধ্যেই দিল্লিতে গিয়ে অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকও করেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই বৈঠকের পরই শাহের স্মার্ট বর্ডার ঘোষণা রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

মে ২৩, ২০২৬
কলকাতা

অবশেষে ভাঙা হল যুবভারতীর বিতর্কিত মূর্তি! নিশীথের নির্দেশে সকালেই বড় পদক্ষেপ

অবশেষে যুবভারতী স্টেডিয়ামের সামনে থাকা বিতর্কিত মূর্তিটি ভেঙে ফেলা হল। শনিবার সকালে ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের নির্দেশ মেনে সেই কাজ শুরু হয়। দীর্ঘদিন ধরেই এই মূর্তি নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে বিতর্ক চলছিল। রাজ্যে সরকার বদলের পর সেই বিতর্কিত মূর্তি সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় নতুন সরকার।২০১৭ সালে সল্টলেকে যুবভারতী স্টেডিয়ামের সংস্কারের সময় এই মূর্তি তৈরি করা হয়েছিল। মূর্তিটিতে কোমর পর্যন্ত একটি শরীরের অংশ ছিল, তার উপরে বসানো হয়েছিল বিশ্ববাংলার প্রতীক। নীচে ফুটবলের উপর লেখা ছিল জয়ী। সেই সময়ের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই এই মূর্তির নকশা তৈরি করেছিলেন বলে জানা যায়। তবে শুরু থেকেই এই মূর্তির অর্থ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন বহু ফুটবলপ্রেমী। অনেকেই এটিকে অদ্ভুত ও অর্থহীন বলে সমালোচনা করেছিলেন।গত ১৭ মে মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গলের ডার্বি ম্যাচ দেখতে যুবভারতীতে গিয়েছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। ম্যাচের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এই মূর্তি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন। নিশীথ বলেন, এরকম বিদঘুটে মূর্তি কেন বানানো হয়েছিল বুঝতে পারি না। আমার মনে হয় এই মূর্তি বসানোর পর থেকেই আগের সরকারের খারাপ সময় শুরু হয়েছিল। তখনই তিনি জানিয়েছিলেন, পূর্ত দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত মূর্তিটি সরিয়ে ফেলা হবে।ঘোষণার কয়েকদিনের মধ্যেই সেই কাজ শুরু হয়ে গেল। শনিবার সকালে মূর্তিটি ভেঙে ফেলার পর এখন সেখানে শুধু দুটি বুট এবং একটি ফুটবল দেখা যাচ্ছে। সূত্রের খবর, ভবিষ্যতে ওই জায়গায় কোনও বিখ্যাত ফুটবলারের মূর্তি বসানো হতে পারে। তা নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা।ডার্বির রাতেই নিশীথ জানিয়েছিলেন, এমন একটি মূর্তি বসানো হবে যা ফুটবলপ্রেমীদের কাছে অর্থপূর্ণ এবং অনুপ্রেরণাদায়ক হবে। সেই কারণেই নতুন পরিকল্পনা নিয়ে ভাবনা শুরু করেছে ক্রীড়া দপ্তর।

মে ২৩, ২০২৬
কলকাতা

দেবরাজ ঘনিষ্ট তৃণমূল কাউন্সিলরের রহস্যমৃত্যু! ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য, সামনে এল ভয়ংকর অভিযোগ

দক্ষিণ দমদম পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলর তথা চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল স্বাস্থ্য সঞ্জয় দাসের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শনিবার তাঁর বাড়ি থেকে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়। দ্রুত তাঁকে নাগেরবাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যার ঘটনা বলেই মনে করা হচ্ছে।সঞ্জয় দাস রাজ্যের প্রাক্তন বিধায়ক অদিতি মুন্সির স্বামী দেবরাজ চক্রবর্তীর ঘনিষ্ঠ বলেও রাজনৈতিক মহলে পরিচিত ছিলেন। মৃত্যুর খবর পেয়ে দ্রুত সেখানে পৌঁছে যান অদিতি মুন্সিও। ঘটনার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।এর মধ্যেই বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি কিরণ ভট্টাচার্য। তাঁর দাবি, সঞ্জয় দাসকে কিছু লোক দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিচ্ছিল। এমনকি তাঁর কাছে ১০ লক্ষ টাকা চাওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ। কিরণের দাবি, যারা এই চাপ দিচ্ছিল তারা আগে তৃণমূল করলেও এখন বিজেপির সঙ্গে যুক্ত।তিনি বলেন, সঞ্জয় দাস নাকি ওই ব্যক্তিদের বলেছিলেন, এখন ১০ হাজার টাকা নিতে, পরে বাকি টাকা দেবেন। সেই ঘটনার পর থেকেই তিনি প্রচণ্ড মানসিক চাপে ছিলেন। কিরণ ভট্টাচার্যের অভিযোগ, সেই চাপই শেষ পর্যন্ত সঞ্জয়কে ভয়ংকর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে। যদিও বিজেপির বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ করতে চাননি তিনি। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব এ ধরনের ঘটনা কোনওভাবেই সমর্থন করবে না। তবে যারা হুমকি দিয়েছিল, তাদের দ্রুত খুঁজে বের করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।রাজ্যে সরকার বদলের পর থেকেই দুর্নীতির অভিযোগে একের পর এক তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই বিধাননগর পুরনিগমের একাধিক কাউন্সিলর পুলিশের জালে ধরা পড়েছেন। গ্রেফতার হয়েছেন ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সমরেশ চক্রবর্তী, ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুশোভন মণ্ডল এবং ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রঞ্জন পোদ্দার। একদিন আগেই গ্রেফতার হয়েছেন দক্ষিণ দমদম পুরসভার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল পার্থ বর্মাও।এই পরিস্থিতির মধ্যেই সঞ্জয় দাসের মৃত্যু ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও তীব্র হয়েছে। ঘটনাটি আত্মহত্যা, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

মে ২৩, ২০২৬
কলকাতা

চাকরিতে বড় বদল! পরীক্ষার্থীদের হাতে থাকবে ওএমআর কপি, দুর্নীতিতে কড়া বার্তা শুভেন্দুর

রাজ্যে সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অতীতে শিক্ষা ও পুর নিয়োগে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। সেই সমস্ত মামলার তদন্ত এখনও চলছে। এই পরিস্থিতিতে ক্ষমতায় এসেই স্বচ্ছ নিয়োগ ব্যবস্থার উপর জোর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। শনিবার শিয়ালদহে রোজগার মেলায় যোগ দিয়ে নিয়োগ পদ্ধতিতে একাধিক বদলের কথা ঘোষণা করেন তিনি।বক্তব্যের শুরুতেই পূর্বতন সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান শুভেন্দু। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে নিয়োগ নিয়ে বহু বদনাম হয়েছে। শিক্ষা থেকে পুর নিয়োগ একাধিক ক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত হস্তক্ষেপ করতে হয়েছে। এমনকি ২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরিও বাতিল হয়েছে। এই পরিস্থিতি বদলাতেই নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার উপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।শুভেন্দু জানান, এতদিন ওএমআর শিটে পরীক্ষা হলেও পরীক্ষার্থীদের সেই কার্বন কপি জমা দিয়ে দিতে হত। ফলে পরে নিজেদের উত্তর যাচাই করার সুযোগ থাকত না। এবার থেকে পরীক্ষার্থীরা নিজেদের ওএমআর কপির কার্বন বাড়ি নিয়ে যেতে পারবেন বলে ঘোষণা করেন তিনি। এতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।এছাড়াও ভাইভা বা মৌখিক পরীক্ষায় নম্বর কমানোর কথাও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, মৌখিক পরীক্ষায় দুর্নীতির সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই সেই অংশে নম্বর কম রাখা হবে। শুধু তাই নয়, পরীক্ষার্থীদের প্রাপ্ত নম্বর ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হবে বলে জানান তিনি।শুভেন্দু স্পষ্ট ভাষায় বলেন, হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজে আর নিয়োগ হবে না। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে জোর চর্চা। এদিনের রোজগার মেলায় ৫০ হাজারেরও বেশি চাকরিপ্রার্থী অংশ নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী আরও অভিযোগ করেন, এতদিন রাজ্যে কেন্দ্রীয় স্তরের বহু পরীক্ষাও ঠিকমতো হতে দেওয়া হত না। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর আদর্শকে সামনে রেখেই এবার কেন্দ্রীয় সরকারের ধাঁচে রাজ্যের নিয়োগ প্রক্রিয়া গড়ে তোলা হবে। নিয়োগে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিই এখন সরকারের প্রধান লক্ষ্য বলেও জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।

মে ২৩, ২০২৬
রাজ্য

উত্তরবঙ্গে লাল সতর্কতা, দক্ষিণবঙ্গে পচা গরমে হাঁসফাঁস! কবে মিলবে স্বস্তি জানাল হাওয়া অফিস

উত্তরবঙ্গে টানা ভারী বৃষ্টিতে পরিস্থিতি ক্রমশ উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় আজ অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুরেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে। পাহাড় ও ডুয়ার্সে আগামী কয়েকদিন আরও বৃষ্টির আশঙ্কা থাকায় প্রশাসনকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রবিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের উপরের পাঁচ জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টি চলবে। সোমবার ও মঙ্গলবারও জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বুধবারের পর থেকে ধীরে ধীরে বৃষ্টির পরিমাণ কমতে পারে বলে পূর্বাভাস।অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গের পরিস্থিতি একেবারেই আলাদা। উত্তরবঙ্গে যখন মুষলধারে বৃষ্টি চলছে, তখন কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল মানুষ। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকায় তাপমাত্রার তুলনায় অনেক বেশি গরম অনুভূত হচ্ছে। বিশেষ করে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পশ্চিম বর্ধমানে অস্বস্তি সবচেয়ে বেশি থাকবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী চার থেকে পাঁচ দিন দক্ষিণবঙ্গে গরম থেকে তেমন স্বস্তি মিলবে না। তবে এরপর দুই থেকে তিন ডিগ্রি পর্যন্ত তাপমাত্রা কমতে পারে। আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি থেকে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ঝড়-বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই কারণেই ধীরে ধীরে কমতে পারে গরমের দাপট।কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকাতেও আগামী বৃহস্পতি ও শুক্রবার বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি থাকবে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম ও পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া জেলায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।বর্তমানে ওড়িশার উপরে একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে। উত্তর প্রদেশ থেকে ওই ঘূর্ণাবর্ত পর্যন্ত একটি অক্ষরেখাও বিস্তৃত রয়েছে। এই আবহাওয়াগত পরিস্থিতির জেরেই উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়ায় এমন বড় ফারাক দেখা যাচ্ছে বলে মনে করছেন আবহবিদরা।

মে ২৩, ২০২৬
কলকাতা

খাস কলকাতায় পাক গুপ্তচর চক্রের হদিস! জুতোর ব্যবসার আড়ালে চলত ভয়ঙ্কর খেলা

খাস কলকাতায় পাক গুপ্তচর চক্রের বড় পর্দাফাঁস করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। আইএসআই-এর হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে এন্টালির বাসিন্দা জাফর রিয়াজকে। তদন্তে উঠে এসেছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।জানা গিয়েছে, কলকাতায় জুতোর ব্যবসা করত জাফর। তার দুটি কারখানাও ছিল। কিন্তু সেই ব্যবসার আড়ালেই চলত গুপ্তচরবৃত্তির কাজ। নিজের নামে সিম কার্ড তুলে তা পাকিস্তানের গোয়েন্দা অফিসারদের হাতে পৌঁছে দিত সে।তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, জাফরের বিয়ে হয়েছিল পাকিস্তানের লাহোরের বাসিন্দা রাবিয়া জাফফার নামে এক মহিলার সঙ্গে। বিয়ের পর ২০১২ সাল পর্যন্ত তারা কলকাতাতেই থাকত। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। বর্তমানে তারা লাহোরেই পড়াশোনা করছে।২০১২ সালে একটি পথ দুর্ঘটনার পর জাফরের ব্যবসায় বড় ক্ষতি হয়। আর্থিক সমস্যার কারণে স্ত্রীকে লাহোরে বাপের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় সে। এরপর থেকেই পাকিস্তানে তার যাতায়াত বাড়তে থাকে। এমনকি পাকিস্তানের নাগরিকত্ব নেওয়ার চেষ্টাও করছিল বলে জানা গিয়েছে।তদন্তে দাবি, এই সুযোগকেই কাজে লাগায় পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। টাকার লোভ দেখিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির কাজে নামানো হয় জাফরকে।পরবর্তীতে কলকাতার বাড়ি বিক্রি করে প্রথমে দিল্লি এবং পরে পঞ্জাবে ঘাঁটি গাড়ে সে। তবে শেষ পর্যন্ত গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ২০২২ সালে পঞ্জাব পুলিশের বিশেষ অভিযানকারী দল জাফর ও তার সহযোগী মহম্মদ শামশেদকে গ্রেফতার করে। ধৃত শামশেদ বিহারের মধুবনির বাসিন্দা।তদন্তকারীদের দাবি, জাফর ভারতের বিভিন্ন সেনা ছাউনি, সামরিক দফতর এবং জওয়ানদের গতিবিধির ছবি ও ভিডিও তুলে সরাসরি আইএসআই-এর কাছে পাঠাত। শুধু তাই নয়, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভুয়ো পরিচয়ে ভারতীয় সিম কার্ড সংগ্রহ করে তার ওটিপি পাকিস্তানের হ্যান্ডলারদের কাছে পাঠানো হত।সেই নম্বর ব্যবহার করে পাকিস্তানের গুপ্তচররা সুন্দরী মহিলাদের ছবি দিয়ে ভুয়ো হোয়াটসঅ্যাপ প্রোফাইল তৈরি করত। এরপর ভারতীয় সেনার জওয়ানদের প্রেমের ফাঁদে ফেলার চেষ্টা চলত। তদন্তকারীদের দাবি, এই গোটা হানি ট্র্যাপ চক্রের মূল মাথাদের অন্যতম ছিল জাফর।বর্তমানে ধৃতদের জেরা করে এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং গোটা নেটওয়ার্ক কতটা বড়, তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছেন গোয়েন্দারা।

মে ২১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal