• ৩০ চৈত্র ১৪৩৩, বুধবার ১৫ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Tmc,

রাজনীতি

বড় দায়িত্বে অভিষেক, ব্যাপক রদবদল তৃণমূলে

বড়সড় সাংগঠনিক পরিবর্তন হল তৃণমূল কংগ্রেসে। শনিবার তৃণমূল ভবনে দলের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ তথা মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হলেন। যুব তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি করা হয়েছে অভিনেত্রী তথা আসানসোল দক্ষিণ কেন্দ্রের প্রার্থী সায়ণী বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এছাড়াও একাধিক পরিবর্তন হয়েছে এদিনের কর্মসমিতির বৈঠকে। তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্য়ায় সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, এক ব্যাক্তি এক পদের নীতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। সায়ণী বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য যুব তৃণমূলের সভানেত্রী। কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে মহিলা তৃণমূলের সভানেত্রী, ঋতব্রত বন্দ্য়োপাধ্যায়কে রাজ্য আইএনটিটিইউসির সভাপতি ও সর্বভারতীয় স্তরে শ্রমিক সংগঠনরে দায়িত্বে থাাকছেন সাংসদ দোলা সেন। কৃষক সংগঠনের দায়িত্ব পেয়েছেন পূর্ণেন্দু বসু। বঙ্গজননী বাহিনীর সভানেত্রী করা হয়েছে মালা রায়কে। দলের সাংস্কৃতিক সেলের সভাপতি বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী। এছাড়া কুনাল ঘোষ দলের রাজ্য় সাধারন সম্পাদক হলেন। সিঙ্গুরের বিধায়ক বেচারাম মান্না, সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ আরও দুজনকে দলের রাজ্য সম্পাদক করা হয়েছে।

জুন ০৫, ২০২১
রাজনীতি

দলত্যাগী পুরনো সৈনিকরা ফিরতে চাইলে স্বাগত, জানালেন মমতা

ভোটের মুখে অনেকেই মুখ ফিরিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে। দল থেকে বেরিয়েই প্রাক্তন নেত্রীকে অভিযোগে বিদ্ধ করতে ছাড়েননি কেউই। ব্যাপক সাফল্য পাওয়ার পরও দলত্যাগীদের প্রতি এতটুকুও ক্ষোভ দেখা গেল না তৃণমূল সুপ্রিমোর চোখে-মুখে। উলটে কেউ ফিরতে চাইলে স্বাগত, এমনটাই বললেন তিনি।তৃণমূল ত্যাগীদের তালিকায় প্রথম নাম ছিল শুভেন্দু অধিকারীর। বিজেপিতে গিয়ে তিনি সাফল্য পেলেও, বাকি দলত্যগীদের অধিকাংশই ফিরেছেন শূন্যহাতে। যেমন নিজের কেন্দ্র ডোমজুর থেকে বিজেপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেও সফল হননি প্রাক্তন বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। ওয়াকিবহল মহলের মতে, তাঁর দলত্যাগকে ভালভাবে নেয়নি আমজনতা। একইভাবে জয়ের মুকুট পাওয়া তো দূর-অস্ত দ্বিতীয় স্থানও পাননি বৈশালী ডালমিয়া। একইভাবে পরাজিত হয়েছেন প্রবীর ঘোষাল, জিতেন্দ্র তিওয়ারি, শীলভদ্র দত্ত, মিহির গোস্বামী, বিশ্বজিৎ কুণ্ডু, রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য, সব্যসাচী দত্ত-সহ একাধিক দলবদলু নেতা। স্বাভাবিকভাবেই দল বদলেও দাঁত ফোটাতে পারেননি যাঁরা তাঁদের রাজনৈতিক কেরিয়ার নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠতে শুরু করছে। তবে কি ফের দল পালটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছত্রছায়ায় ফিরবেন তাঁরা? এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে সকলের মনে। সেই সঙ্গে আরও একটি প্রশ্ন মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে, বিপদ আশঙ্কা করে যে নেতারা দল ছেড়েছিলেন আর তাঁদের ফিরিয়ে নেবেন মমতা? সোমবার কালীঘাট থেকেই সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাফ বললেন, যাঁরা ফিরতে চান, ফিরুন না, কে বারণ করেছে, ওয়েলকাম। অর্থাৎ মান-অভিমান ভুলে পুরনো সৈনিকদের কাছে টেনে নিতে যে কোনও সমস্যা নেই, তা জানিয়ে দিলেন মমতা। উল্লেখ্য, রাজ্যে পরিবর্তন হতে চলেছে, এই আশঙ্কা করে গত কয়েকমাসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনেক বিশ্বস্ত সৈনিক দল ছেড়েছিলেন। তবে লক্ষ্যে অবিচল ছিলেন নেত্রী। বিপুল আসন নিয়ে ফের বাংলা জয় করেছেন তিনি।

মে ০৩, ২০২১
রাজনীতি

গেরুয়া ঝড়ের অপেক্ষায় কী বাংলা? কত আসন পেতে পারে বিজেপি, তৃণমূলের সম্ভাবনা কতটা? আর সংযুক্ত মোর্চা!

টানটান উত্তেজনায় রাজ্যের ২৯২টি কেন্দ্রে নির্বাচন শেষ হল। শেষ দিনেও উত্তজনার পারদ ছিল চরমে। রক্তও ঝড়েছে। রাজ্যে মোট ৮ দফার ভোটে কোচবিহারের শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল এরা ভোট বানচাল করার চেষ্টা করছিল। বাহিনীর ওপর আক্রমণ শানিয়েছিল। যদিও নিরীহ ভোটারদের হত্যা করা হয়েছে বলে তৃণমূল অভিযোগ করেছে।ভোট শেষ হতেই এক্সিট৷ পোল নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়বে বাংলা, হিন্দি ও ইংরেজি চ্যানেলগুলো। কে এগিয়ে, কে পিছিয়ে তা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ হবে। শুরু হয়েও গিয়েছে। সংস্থার সঙ্গে অন্য বিশেষজ্ঞ টিমও রয়েছে। যদিও এক্সিট পোল বা কোন সমীক্ষাই শেষকথা বলে না।জনতার কথা নির্বাচনের একমাস আগে থেকেই গ্রাম-বাংলা, শহরের মানুষের সঙ্গে কথা বলেছে। তাঁদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেছে। সেক্ষত্রে জঙ্গলমহলের আদিবাসী সম্প্রদায় এবারও ক্ষোভপ্রকাশ করেছে রাজ্য সরকারের ওপর। স্বাভাবিক ভাবে পদ্মশিবিরেই ঝুঁকে তাঁরা। সেখানে গত লোকসভার মতো এবারও ফের আসন বাড়তে পারে বিজেপির। এদিকে উত্তরবঙ্গের রাজবংশীদের একটা বড় অংশ গেরুয়া শিবিরে ভিড়ে আছে। সেক্ষেত্রে রাজবংশীদের ভোটের সামান্য অংশ তৃণমূল পেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছ। আবার মতুয়ারা এবারও বেশিরভাগ বিজেপির দিক থেকে মুখ ফেরায়নি। অভিজ্ঞ মহলের মতে দলিত, আদিবাসীদের ভোটে বাজিমাত করবে বিজেপি। তারওপর ব্যাপক অ্যান্টিএস্টাব্লিসমেন্ট ভোট। তাছাড়া মেরুকরণের ভোট আছে। উন্নয়নের নিরিখে ভোটে লড়েছে তৃণমূল। জাতপাতের বিরুদ্ধে লড়েছে। গ্যাস, পেট্রলের দাম বৃদ্ধির বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। এসব ক্ষেত্রে শহরে ভোটাররা প্রভাবিত হবে। গ্রামে কোনও কাজ আসবে না বলে অভিজ্ঞ মহলের মত। বরং গ্রামের পর গ্রাম হিসেব হয়েছে কী কী পায়নি। কেন আবাস যোজনার বাড়ি পায়নি। কেন এখনও কু্ঁয়ো বা পুকুরের জল পান করতে হয়। কাটমানি, আমফানের হিসেবও আছে। ভোট দেওয়ার পর এসব অনেক জায়গায় চোখেমুখে ফুটে উটেছে।এসব ছাড়া ভোটে হাজার ইস্যু কাজ করে। তার কোনও ইয়াত্তা নেই। এমন কোন ভোট পন্ডিত নেই যিনি ভোটের হারজিতের নির্দিষ্ট কারণ বলতে পারবেন। প্রচুর স্থানীয় কারণ থাকে। বোফর্স মামলায় দেশ হিলেছিল। কিন্তু এবার রাজ্য যে ৮ দফার ভোট হল তার নির্দিষ্ট কোনও ইস্যু ছিল না তা স্পষ্ট। তবে দক্ষিণবঙ্গের গড়ে অনেকটাই ভোটে লড়াই দিয়েছে তৃণমূল। এটাই ঘাসফুল শিবিরের এখন বড় ভরসা।২৯১ কেন্দ্রের যা পরিস্থিতি ওপরের বিশ্লেষন অনুযায়ী রাজ্যে শাসন ক্ষমতায় পরিবর্তনের সম্ভাবনা প্রবল। রাজ্যের জনতা মনে করছে বিজেপি ১৬০-১৮০টি আসন পেতে পারে। তৃণমূল পেতে পারে ১০০-১১০টি আসন। সংযুক্ত মোর্চার জুটতে পারে ২০-২৫টি। এটা জনতার কথা, তাঁদের মতামত। এবার অনেক রথী-মহারথীর আসন টলে যাবে তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। এইসব পরিসংখ্যান নির্ভুল হবে তার গ্যারান্টি কেউ দিতে পারে না। তবে আগাম রাজনৈতিক বিশ্লেষণ তো থাকবেই। নেতা-নেত্রীরা ভোট ঘোষণার পর থেকে রোজ বলছে কোন দফায় কত আসন পাবে। তাহলে মোট আসন সংখ্যা ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যাবে।হুইল চেয়ারে মমতা ম্যাজিক দেখার জন্য বসে আছে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা। অভিজ্ঞমহলের মতেএটাও এবার খুব গুরুত্বপূর্ণ। অনেক অঙ্ক ঘুরে বেড়াচ্ছে।

এপ্রিল ২৯, ২০২১
রাজ্য

রাজনৈতিক সংঘর্ষে রণক্ষেত্র মুর্শিদাবাদ, জখম ৫

রাত পোহালেই ভোট। তার আগে রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল মুর্শিদাবাদ। তৃণমূল-সিপিএম সংঘর্ষে জখম ২ পক্ষের বেশ কয়েকজন। হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে তাঁদের। গত কয়েকদিনে বারবার রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন এলাকা। জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে ডোমকলের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে ভোটপ্রচারে বেরিয়েছিল সিপিএমের কর্মী সমর্থকরা। অভিযোগ, সেখানেই তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়ে তাঁরা। ক্রমেই তা হাতাহাতিতে পৌঁছে যায়। পরবর্তীতে বাঁশ, লাঠি নিয়ে একে অপরকে আক্রমণ করে। কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা। গুরুতর জখম হন মোট ৫ জন। অশান্তির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। তাঁদের সামনেও চলে মারধর। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় পরিস্থিতি আয়ত্তে আনে পুলিশ। আগামিকাল অর্থাৎ সপ্তম দফায় ওই এলাকায় ভোট, তার আগে এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে। নতুন করে যাতে এলাকায় উত্তেজনা না ছড়ায় সেই কারণে মোতায়েন করা হয়েছে বাহিনী। জানা যাচ্ছে, আহতদের মধ্যে ২ সিপিএম কর্মীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদের ভরতি করা হয়েছে বহরমপুর হাসপাতালে। উল্লেখ্য, ভোটের মরশুমে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অশান্তির খবর প্রকাশ্যে এসেছে। কোথাও আক্রান্ত হয়েছেন তৃণমূল, কোথাও বিজেপি কোথাও আবার সিপিএম। ঝড়ছে রক্ত। প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। লাগাতার এহেন ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্নের মুখে কমিশনের ভূমিকা।

এপ্রিল ২৫, ২০২১
রাজ্য

নির্বাচন কমিশনকে চিঠি তৃণমূলের

করোনা আবহে একসঙ্গে করা হোক শেষ দুদফার ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া। এমন আর্জি জানিয়েই এবার নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিল তৃণমূল। এদিকে, নির্বাচনী প্রচারে লাগাম টানতে হাইকোর্টে করা জনস্বার্থ মামলা নিয়ে মঙ্গলবার কড়া মনোভাব দেখালেন কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি।চতুর্থ দফার ভোটের পরই বর্তমান করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে বাকি চার দফার ভোট একসঙ্গে করার আর্পি জানিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, বাকি চার দফার ভোট একসঙ্গে হয়ে গেলে আর প্রচারের কোনও ব্যাপার থাকবে না। ফলে সাধারণ মানুষের জমায়েত এড়ানো যাবে। কিন্তু কমিশনের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী বাকি ভোট আরও চার দফাতেই হবে। কিন্তু সংক্রমণের চোখ রাঙানির মধ্যে ফের একই আরজি শোনা গেল তৃণমূলের তরফে। ২২ এপ্রিল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার বঙ্গে ষষ্ঠ দফার ভোট। ফলে এই দফায় আর কোনও বদল আনা সম্ভব নয়। কিন্তু এবার তৃণমূলের তরফে চিঠি দিয়ে আবেদন করা হল, ২৬ এবং ২৯ এপ্রিলের ভোট প্রক্রিয়া একসঙ্গে করা হোক। তৃণমূলের এই দাবিতে কমিশনের প্রতিক্রিয়া কী হয়, এখন তারই অপেক্ষা।এদিকে, নির্বাচনী প্রচারে রাশ টানতে হাই কোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছিল। এদিন তারই প্রেক্ষিতে নয়া নির্দেশ দিলেন হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি টিবিএন রাধাকৃষ্ণণ। ডিভিশন বেঞ্চের তরফে জানানো হয়, করোনা পরিস্থিতিতে সমস্ত বিধি মেনেই যাতে প্রচার ও ভোট প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়, তার দায়িত্ব কমিশনকেই নিতে হবে। প্রয়োজনে পুলিশ, প্রশাসনের সাহায্য নিয়ে গোটা প্রক্রিয়া বলবৎ করতে হবে। এ ব্যাপারে কমিশনকে সাহায্য করার এক্তিয়ার রাজ্যের রয়েছে কি না, তা আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যেই পরিষ্কার করে জানাতে হবে হাইকোর্টকে।

এপ্রিল ২০, ২০২১
রাজ্য

পাপিয়া অধিকারীকে মারধর, তৃণমূলের বিরুদ্ধে কমিশনে যাচ্ছে বিজেপি

তৃতীয় দফার ভোটে একের পর এক অশান্তির খবর সামনে এসেছে। তৃণমূল প্রার্থী সুজাতা মণ্ডল খাঁর পর এবার উলুবেড়িয়া দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী পাপিয়া অধিকারীর উপর হামলার অভিযোগ উঠল। উলুবেড়িয়া হাসপাতালে এক বিজেপি কর্মীকে দেখতে যান পাপিয়া। সেখানেই তাঁর উপর হামলা হয়, চড় মারা হয় বলেও অভিযোগ। এর জেরে হাসপাতাল চত্বর রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে।উলুবেড়িয়া দক্ষিণ বিধানসভা এলাকায় এক বিজেপি কর্মী আহত হন। তাঁকে উদ্ধার করে উলুবেড়িয়া হাসপাতালে ভরতি করা হয়। খবর পেয়ে সেখানে তাঁকে দেখতে যান উলুবেড়িয়া দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী পাপিয়া অধিকারী। তাঁর সঙ্গে বেশ কয়েকজন কর্মী সমর্থকও ছিলেন। হাসপাতালে পৌঁছলে সেখানে পাপিয়া অধিকারীকে ধাক্কা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বাধা দিতে যান বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। এরপরই দুপক্ষের মধ্যে বচসা থেকে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়। পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের আকার নেয়। শেষে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি কোনওরকমে নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে বার করে নিয়ে যাওয়া হয় পাপিয়া অধিকারীকে।পরে পাপিয়াও সংবাদমাধ্যমের কাছে জানান, তাঁকে হাসপাতাল চত্বরে মারধর করা হয়েছে। আর এই ঘটনার পিছনে সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেসের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, তৃণমূল কংগ্রেস যে হারছে সেটা তারা বুঝতে পেরেছে। তাই এমন হামলা করছে। যদিও তৃণমূলের তরফে পাপিয়ার উপর হামলার অভিযোগ অস্বীকার করা হয়।পাপিয়া অধিকারীর উপর হামলার খবর পেয়ে তাঁকে ফোন করেন বিজেপি নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয়। খোঁজ নেন কী ঘটেছিল। বিজেপির তরফে এই হামলার প্রতিবাদ করে কমিশনে অভিযোগ জানানো হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। হামলার ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে ইতিমধ্যে ২ জনকে পাকড়াও করা হয়েছে।

এপ্রিল ০৬, ২০২১
রাজ্য

প্রচারে বেরিয়ে আক্রান্ত ডায়মন্ডহারবারের বিজেপি প্রার্থী, ভর্তি হাসপাতালে

তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েই প্রার্থী হয়েছেন। এবার প্রচারে বেরিয়ে তৃণমূল কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে পড়লেন ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি প্রার্থী দীপক হালদার। শুক্রবার সকালে তিনি প্রচার করতে বেরিয়েছিলেন ডায়মন্ড হারবার ১ নং ব্লকের হরিদেবপুর এলাকায়। সেখানেই মহিলা-সহ স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে এবং তাঁর সঙ্গে থাকা দলবলকে তাড়া করে বলে অভিযোগ। এঁরা সকলে তৃণমূল সমর্থক বলে পরিচিত। আচমকা আক্রমণের মুখে পড়ে দীপক হালদার আহত হন। বুকে চোট নিয়ে তাঁকে ডায়মন্ডহারবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহত হয়ে হাসপাতালে ভরতি আরও ১৫ জন। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক উত্তেজনা এলাকায়। ১১৭ নং জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভে নেমেছেন বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা। অভিযোগ, তৃণমূল কর্মীরাই বিজেপি প্রার্থীর উপর হামলা চালিয়েছে।ফেব্রুয়ারি মাসেই তৃণমূল ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে যোগ দিয়েছেন ডায়মন্ডহারবারের দুবারের বিধায়ক দীপক হালদার। একুশের নির্বাচনে তিনি ফের নিজের কেন্দ্র থেকে লড়বেন। তবে ঘাসফুলের বদলে পদ্মশিবিরের সৈনিক তিনি। আগামী ৬ তারিখ, তৃতীয় দফায় ভোট ডায়মন্ডহারবারে। তার আগে প্রচার চলছে জোরকদমে। শুক্রবার সেই প্রচারে বেরিয়েই আক্রান্ত হলেন দীপকবাবু। তাঁর সঙ্গে থাকা ৩৫ জনের উপরও হামলা চলে বলে অভিযোগ। এঁদের মধ্যে ১৫ জনের আঘাত গুরুতর। সকলেই ভর্তি হাসপাতালে। বিজেপি জেলা সভাপতি দেবাংশু পণ্ডার অভিযোগ, তৃণমূল এখানে হেরে যাবে, তা বুঝেই প্রার্থীর উপর হামলা চালিয়েছে।মনোবল ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করেছে। অভিযোগ উড়িয়ে তৃণমূল ব্লক সভাপতি গৌতম অধিকারীর পাল্টা দাবি, ওঁর বিরুদ্ধে ওই এলাকায় জনরোষ ছিলই। আজ তার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। এদিকে, প্রার্থীর উপর হামলার ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা। তাঁরা হাসপাতালের সামনে ১১৭ নং জাতীয় সড়কের উপর টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করেন, বিক্ষোভ দেখান। পরিস্থিতির জেরে হাসপাতালে রোগী, অ্যাম্বুল্যান্সের প্রবেশ বাধাপ্রাপ্ত হয়। খবর পেয়ে পারুলিয়া উপকূল থানা ও ডায়মন্ডহারবার থানার পুলিশ পৌঁছয় ঘটনাস্থলে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ব়্যাফ নামানো হয়। বিক্ষোভ হঠাতে গেলে বিজেপি কর্মীদের দ্বারা আক্রান্ত হন ডায়মন্ডহারবারের আইসি সুজন রায়। এরপরই বিক্ষোভকারীদের উপর লাঠিচার্জ করে তাঁদের হটিয়ে হাসপাতালের সামনের রাস্তা পরিষ্কার করে দেয় পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশের উপর হামলার অভিযোগে ২ জনকে আটক করা হয়েছে।

এপ্রিল ০২, ২০২১
রাজনীতি

বর্ধমান দক্ষিণে নির্দল ও জনংসঘের প্রার্থী, লড়াই কঠিন হতে পারে বিজেপির

বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রে ইতিমধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপি ও সংযুক্ত মোর্চার প্রার্থীরা প্রচার শুরু করে দিয়েছে। এই কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছেন খোকন দাস, বিজেপি প্রার্থী সন্দীপ নন্দী, সিপিএমের প্রার্থী পৃথা তা। ২০১৬ বিধানসভা ভোটে এই কেন্দ্রে তৃণমূল ব্যাপক ভোটে জয়লাভ করলেও ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে নামমাত্র ভোটের ব্যাবধানে এগিয়ে ছিল ঘাসফুল শিবির।তৃণমূল প্রার্থী ঘোষণার পর থেকে প্রচারও শুরু করে দিয়েছেন খোকন দাস। কিন্তু বর্ধমান দক্ষিণ কেন্দ্রে প্রার্থী ঘোষণার আগে পর্যন্ত তৃণমূলের গোষ্ঠীকলহ প্রকাশ্যে দেখেছে বর্ধমানবাসী। বর্ধমান লোকো আমবাগানে দুয়ারে সরকার কর্মসূচিতে খোকন ঘনিষ্ঠ শিবু ঘোষকে বেধরক মারধর করা হয়েছিল। অভিযোগ উঠেছিল ওই ওয়ার্ডের প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর মহম্মদ সেলিমের বিরুদ্ধে। যদিও সেলিম ওই অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন। ওই ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিতে দলবল নিয়ে বর্ধমান থানা ঘেরাও করেছিলেন তৃণমূলের জেলা সাধারণ সম্পাদক খোকন দাস।তাছাড়া বর্ধমানের প্রাক্তন পুর চেয়ারম্যান আইনুল হক তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর তাঁর সম্পর্কে প্রকাশ্যে ক্ষোভ জানিয়েছিলেন খোকন দাস। একসঙ্গে দল না করার ঘোষণাও করেছেন তিনি। তখন জেলা যুব তৃণমূলের সভাপতিকে নিয়ে একাধিক দলীয় কর্মসূচি করেছেন আইনুল হক। এমনকী কার্জনগেটের সামনে দলের এক অনুষ্ঠানে খোকন দাসকে বিজেপির দালাল বলে স্লোগান দেন দলের একাংশ। তৃণমূল প্রার্থী ঘোষণার পর দলের একাংশকে প্রচারে দেখা যাচ্ছে না।এদিকে বিজেপি প্রার্থী নিয়েও দলের অভ্যন্তরে ক্ষোভ রয়েছে। এখনও বিজেপির একাংশ সন্দীপ নন্দীর হয়ে প্রচারে নামেননি। যদিও তাঁকে নিয়ে কারও ক্ষোভ থাকতে পারে বলে মনে করেন না বিজেপি প্রার্থী। সূত্রের খবর, বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য সুজিত ঘোষ ঘনিষ্ঠ মহলে নির্দল প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। সুজিত ঘোষের নির্দল প্রার্থী হওয়ার খবরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বর্ধমানে। পাশাপাশি বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থী দিতে পারে সর্বভারতীয় জনসংঘ।অভিজ্ঞমহলের মতে, এই প্রার্থীরা তৃণমূল বা বাম-কংগ্রেসের ভোট পাবে না। গেরুয়া শিবিরের ভোট কাটার সম্ভাবনাই বেশি। গোঁজ প্রার্থী হলে বিজেপি বর্ধমান দক্ষিণ কেন্দ্রে সমস্যায় পড়তে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তবে এই কেন্দ্রে লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যেই।

মার্চ ২২, ২০২১
রাজনীতি

তৃণমূলের নির্বাচনী ইস্তাহারে একগুচ্ছ চমক

তৃণমূল ভবন থেকে বিধানসভা নির্বাচনের ইস্তেহার প্রকাশ করলেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । কী কী প্রতিশ্রুতি রইল তৃণমূলের ইস্তেহারে, দেখে নেওয়া যাক এক নজরে: বছরে চার বার দুয়ারে সরকার। ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে জাত-ধর্ম নির্বিশেষে বিধবা ভাতা। দুয়ারে দুয়ারে রেশন পৌঁছে দেওয়া হবে। দেড় কোটি পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে রেশন। বাংলার প্রতিটি পরিবারকে স্বাবলম্বী করতে ১.৬ কোটি পরিবারের কর্ত্রীকে মাসিক ৫০০ টাকা। তপসিলি পরিবারকে বছরে ১২ হাজার টাকা দেওয়া হবে। কৃষক বন্ধু প্রকল্পে ৬৮ লক্ষ কৃষককে প্রতি বছর দশ হাজার টাকা দেওয়া হবে। ছাত্রছাত্রীদের জন্য স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড। কোনও জামিনদার লাগবে না। সরকার-ই জামিনদার। ১০ লক্ষ টাকা ঋণ মিলবে মাত্র ৪ শতাংশ সুদে। মণ্ডল কমিশনের রিপোর্ট কার্যকর করতে বিশেষ টাস্ক ফোর্স। মাহিষ্য, তিলি, তামুলি, সাহা, কিষানদের ওবিসি ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ১০ লক্ষ এমএসএমই ইউনিট গড়ে তোলা হবে। বড় শিল্পে ৫ লক্ষ কোটি বিনিয়োগ করা হবে। ৫ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান হবে। বেকারত্বের হার কমিয়ে অর্ধেক করা হবে। দারিদ্রসীমার নিচে থাকা মানুষের সংখ্যা ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হবে। ২৫ লক্ষ বাড়ি তৈরির অঙ্গীকার। ইতিমধ্যে দুয়ারে রেশন অর্থাৎ বাড়ি বাড়ি রেশন পৌঁছে দেওয়ার মতো পরিকল্পনার কথা প্রচারে গিয়ে বলেছেন মমতা। তার পাশাপাশিই রইল পিছিয়ে পড়া নানা সম্প্রদায়ের মানুষের উন্নয়নের কথা। রইল পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়কে বিশেষ স্বীকৃতি দেওয়ার অঙ্গীকারও।ইতিমধ্যে জাতিগত শংসাপত্র দেওয়া নিয়ে কড়াকড়ি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। যে কোনও মূল্যে নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে যে, জাতিগত শংসাপত্র পেতে যেন কোনও সমস্যা না হয়। তার পর থেকেই কয়েক লক্ষ শংসাপত্র দেওয়ার কাজ হয়েছে দুয়ারে সরকারের শিবিরে। এ কথা মুখ্যমন্ত্রী নিজেই জানিয়েছেন। ইস্তেহারেও এ বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও বাজেটে যে প্রকল্পগুলোর কথা ঘোষণা করা হয়েছে সেগুলোও চলবে।

মার্চ ১৭, ২০২১
রাজ্য

প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল, বিধানসভা ভোটে বড় ধাক্কা তৃণমূলের

বিধানসভা নির্বাচনে বড়সড় ধাক্কা খেল তৃণমূল কংগ্রেস। পুরুলিয়ার জয়পুরের তৃণমূল প্রার্থী উজ্জ্বল কুমারের মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রাখল হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। এর আগে সিঙ্গল বেঞ্চ পুনর্বিবেচনার কথা বলেছিল। সেই নির্দেশও বাতিল করেছে ডিভিশন বেঞ্চ। এর ফলে ভোট শুরু হতেই পিছিয়ে গেল তৃণমূল।জানা গিয়েছে, উজ্জ্বল কুমারের মনোনয়নে আবেদনপত্রের তারিখ ভুল ছিল। মনোনয়নে ভুল থাকায় তা বাতিল করে নির্বাচন কমিশন। এর ফলে যে পরিস্থিতি দাঁড়িয়েছে তাতে একটি আসন বাদ দিয়েই লড়াই করতে হবে তৃণমূল কংগ্রেসকে। একেই জঙ্গলমহল এলাকায় লোকসভা নির্বাচনে সব আসনেই পরাজিত হয়েছে তৃণমূল। এই অবস্থায় প্রার্থী না থাকলে বিজেপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়াই হবে বাম-কংগ্রেস-আইএসএফ প্রার্থীর সঙ্গে।

মার্চ ১২, ২০২১
রাজনীতি

নন্দীগ্রামে আক্রান্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর চক্রান্ত করে আক্রমণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নন্দীগ্রামে রেয়াপাড়ায় তিনি ঘরভাড়াও নিয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অবিযোগ করেছেন,গাড়ি দাঁড় করিয়ে মন্দিরে প্রণাম করছিলাম তখন চার-পাঁচ জন আমাকে ঠেলে দেয়। তখনই আমার মুখে ও পায়ে আগাত লাগে। আপাতত কলকাতায় যাচ্ছি।এদিন হলদিয়ায় মনোনয়নপত্র জমা দেন। রাণীচকে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। সেখানেই ঘটনাটি ঘটে। এদিন নন্দীগ্রামে থাকার কথা ছিল। বিজেপি পুরো বিষয়টা নাটক হিসাবে দেখছেন। বিজেপির রাজ্য সহসভাপতি তথা সাংসদ অর্জুন সিং বলেন, এই ঘটায় দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্তাদের সাসপেন্ড করা উচিত। সূত্রের খবর,, ভিড়ের মধ্যে নন্দীগ্রামের বিরুলিয়ায় ধাক্কা-ধাক্কিতে মুখ থুবড়ে পড়ে যান মমতা। তাঁর পায়ে প্রচণ্ড চোট লেগেছে। মুখ্যমন্ত্রীকে তড়িঘড়ি কলকাতায় আনা হচ্ছে। জানা গিয়েছে এসএসকেএম-এ তাঁর চিকিৎসা হবে। ঘটনার সময় পুলিশ সুপার বা কোনও রাজ্য পুলিশ ছিল না। বলেই অভিযোগ মমতার। জানা গগিয়েছে, খবর জানাজানি হতেই নির্বাচন কমিশন জেলা প্রশাসনের থেকে রিপোর্ট তলব করেছে।ভোটের বাংলায় এই ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠে গেল। জেড প্লাস নিরাপত্তা রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তার মধ্যেই নিরাপত্তার বেড়াজাল ভেঙে কীভাবে এত মুখ্যমন্ত্রীকে ধাক্কা দিলেন? সব মহলেই এই প্রায় উঠেছে।

মার্চ ১০, ২০২১
রাজনীতি

নন্দীগ্রামে বাড়ি ভাড়া নিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী, বানাবেন কুঁরে ঘর

সবার প্রথম তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীর নাম ঘোষণা হয়েছে নন্দীগ্রামে। ওই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী হিসাবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণা করেছে। সম্মুখ সমরে মমতা-শুভেন্দু। জমি আন্দোলনের পর এবার রাজনীতির উত্তাপে দগ্ধ নন্দীগ্রাম। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে সব থেকে নজরকাড়া কেন্দ্র নন্দীগ্রাম। মঙ্গলবার নন্দীগ্রামের বটতলার সভা থেকে প্রচারে ঝড় তুললেন তৃণমূল প্রার্থী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজে সেখানে দুই কামরার বাড়ি ভাড়া নেওয়ার কথাও ঘোষণা করলেন। স্মৃতি আওড়ালেন নন্দীগ্রাম আন্দোলনের।একসময় বামপন্থীরা স্লোগান তুলছিল ভুলতে পারি বাপের নাম, ভুলবো নাকো ভিয়েতনাম। এদিন মমতা বলেন, ভুলতে পারি সবার নাম, ভুলবো নাকো নন্দীগ্রাম। এভাবেই নন্দীগ্রামকে সম্মান জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সিঙ্গুরে আন্দোলন শুরু হয় নন্দীগ্রামের আগে। সিঙ্গুর আন্দোলন না হলে নন্দীগ্রামের আন্দোলনে তুফান হত না। আমি নিজেও গ্রামের মেয়ে। শহরে মানুষ হয়েছি। সেটাও ভালবাসার জায়গা। ছোটবেলা গ্রামেই কেটেছে। আলে আলে ঘুরে বেড়াতাম। ধান কাটতাম। সর্ষে ক্ষেতে যেতাম। গ্রামের প্রতি আমার টান আছে। সিঙ্গুর বা নন্দীগ্রামে যে কোনও এক জায়গায় আমি প্রার্থী হতাম। রাজনৈতিক মহলের মতে, এভাবেই গ্রামের আবেগ ছুঁতে চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী।আন্দোলনের স্মৃতি উসকে মমতা বলেন, গন্ডগোলের সময় একবার তাহের(আবু তাহের) ফোন করছে, একবার সুফিয়ান(সেখ সুফিয়ান) ফোন করছে। গুলির শব্দ শোনাচ্ছেন ফোনে। যাঁদের থাকার কথা ছিল তাঁরা একটা গুরুত্বপূর্ণ মিটিংয়েও ছিলেন না। ১০ নভেম্বর সূর্য উদয়। ১০ জনকে টানতে টানতে নিয়ে গিয়ে কেটে ভাসিয়ে দিয়েছে না কী করেছে কেউ জানে না। তেখালিতে গুলি চালাচ্ছে, আমার গাড়িতে গুলি লেগেছে। গোকুলনগর, তেখালি, সোনাচূড়া বিভিন্ন গ্রামের নাম বলতে থাকেন মমতা। মমতার বক্তব্য, তাঁকেও বাইরের লোক বলে অভিহিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।বেশ কয়েকটি জনসভায় বামেদের বিজেপিকে ভোট দেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। বাম দলেও অনেক ভাল মানুষ আছেন বলেও মন্তব্য করেছিলেন। এদিন নন্দীগ্রামে মমতা বলেন, পুরনো অত্যাচারী সিপিএম চলে এসেছে। বিজেপি এদের নিয়ে এসেছে। নন্দীগ্রামে লক্ষ্মণ শেঠের সঙ্গে কাজ করছে। সিপিএম, কংগ্রেস ও বিজেপি এক। হুমকি দিচ্ছে তোমার বিরুদ্ধে কেস আছে! এসব দুমাস করে নাও। সাতদিন পরে তোমরা কোথায় যাবে?এদিনের সভায় নন্দীগ্রামের উন্নয়নের ফিরিস্তি দিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী। একইসঙ্গে বেশ কিছু প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, নন্দীগ্রাম ও হলদিয়াকে জুড়তে সেতু তৈরি করা হবে। মডেল নন্দীগ্রাম করব। বেকারদের চাকরি হবে। নন্দীগ্রামে বিশ্ববিদ্যালয় করব। আমি চাই এখানকার ছেলেমেয়েরা পড়াশুনা করুক। মমতা জানিয়ে দেন, নন্দীগ্রামে রুইয়া পাড়ায় দুটি রুমের একটা বাড়ি ভাড়া নিয়েছি। পরে একটা কুঁড়ে ঘর বানিয়ে নেব। এখানে ভোট পয়লা এপ্রিল। ওদের এপ্রিল ফুল করে দেবেন। পয়লা এপ্রিল নন্দীগ্রামে খেলা হবে। তিন মাস অন্তর তিনি নন্দীগ্রামে আসবেন বলেও জানিয়ে দেন।

মার্চ ০৯, ২০২১
রাজনীতি

"খেলা হবে, দেখা হবে, জেতা হবে", প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে বললেন মমতা

প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল তৃণমূল কংগ্রেস। কালিঘাটে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিক বৈঠকের শুরুতেই জানিয়ে দেন পাহাড়ের তিনটে সিট গোর্খা জনমুক্তি মোর্চাকে ছাড়া হয়েছে। বাকি ২৯১ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন তিনি। এদিন তৃণমূল নেত্রীর সঙ্গে সাংবাদিক বৈঠকে হাজির ছিলেন সুব্রত বক্সী, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সৌগত রায়, ফিরহাদ হাকিম, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুব্রত মুখোপাধ্যায়। ৫০ জন মহিলা প্রার্থী দেবে তৃণমূল। ৪২ জন সংখ্যালঘু প্রার্থী হচ্ছেন। তপসিলি ৭৯ জন। মমতা বললেন, খেলা হবে, দেখা হবে, জেতা হবে। মমতা এদিন বলেন, আমি কথা দিয়ে কথা রাখি। আমি নন্দীগ্রামেই দাঁড়াব। ভবানীপুর কেন্দ্রে প্রার্থী হচ্ছেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। রাসবিহারী কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী হবেন দেবাশিস কুমার। অতীন ঘোষ কাশীপুর-বেলগাছিয়া, রাজ চক্রবর্তী ব্যারাকপুর, কাঞ্চন মল্লিক উত্তরপাড়া, ইদ্রিস আলি ভগবানগোলা, রত্না চট্টোপাধ্যায় বেহালা পূর্ব, সিঙ্গুর বেচারাম মান্না, মদন মিত্র কামারহাটি, বিধাননগর সিজিত বসু, সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী মন্তেশ্বর। বীরবাহা হাঁসদা ঝাড়গ্রা, কৃষ্ণেন্দু নারায়ন চৌধুরী ইংরেজবাজার, উদয়ন গুহ দিনহাটা, পার্থ চট্টোপাধ্যায় বেহালা পশ্চিম, হুমায়ুন কবির ডেবরা, সায়নী ঘোষ আসানসোল দক্ষি, জ্যোতিপ্রয় মল্লিক হাবড়া, অদিতি মুন্সী রাজারহাট-গোপালপুর, চিরঞ্জিত চট্টোপাধ্যায় বারাসাত, সায়ন্তিকা ব্যানার্জী বাঁকড়া, সোহম চক্রবর্তী চন্ডীপুর, মনোজ তিওয়ারি শিবপুর, লাভলি মিত্র সেনারপুর দক্ষিন, অরূপ বিশ্বাস টালিগঞ্জ, অরূপ চক্রবর্তী তালডাংরা, চন্দ্রনাথ সিনহা বোলপুর, ব্রাত্য বসু দমদম, কোশানূ মুখোপাধ্যায় কৃষ্ণনগর উত্তর।

মার্চ ০৫, ২০২১
কলকাতা

তৃণমূলে বাংলার কীর্তন-কন্যা

ভোটের আগে সক্রিয় রাজনীতিতে তারকা এবং বিশিষ্টদের যোগদানের পালা অব্যাহত। এবার সেই তালিকায় নাম লেখালেন সংগীতশিল্পী অদিতি মুন্সি। বৃহস্পতিবারই তৃণমূল ভবনে সৌগত রায়ের হাত থেকে শাসকদলের পতাকা হাতে তুলে নিলেন তিনি। টেলিভিশনের পর্দা থেকে অনুষ্ঠানের মঞ্চ, সর্বত্র কীর্তনের সুরে দর্শকদের মন জয় করেছেন অদিতি। এর আগে রাজ্য সরকারের একাধিক অনুষ্ঠানে গান গেয়েছেন। তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ দেন গায়িকা। যোগদান মঞ্চে গানও গাইলেন তিনি। বৃহস্পতিবারই শশী পাঁজার নেতৃত্বে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন টেলিভিশন অভিনেত্রী সুভদ্রা মুখোপাধ্যায়। বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন ঊষা চৌধুরী।শাসক শিবিরে যোগ দেন ভোজপুরী অভিনেতা-পরিচালক ধীরজ পণ্ডিতও।এর আগে সায়ন্তিকা ছাড়াও আসন্ন ভোটের আগে তৃণমূল শিবিরে যোগ দিয়েছেন দীপঙ্কর দে, রাজ চক্রবর্তী, মানালি দে, জুন মালিয়া, কাঞ্চন মল্লিক, সৌরভ দাস, সায়নী ঘোষের মত হেভিওয়েট তারকারা। রণিতা দাস, সৌপ্তিক চক্রবর্তী, শ্রীতমা ভট্টাচার্যের মতো টেলিভিশন তারকারাও শাসকদলে নাম লিখেছেন। অন্যদিকে পদ্ম শিবেরে যোগ দিয়েছেন রুদ্রনীল ঘোষ , যশ দাশগুপ্ত , পাপিয়া অধিকারী, সৌমিলী বিশ্বাস, হিরণ চট্টোপাধ্যায়, পায়েল সরকারের মতো তারকারা। ওদিকে আবার শোনা যাচ্ছে বামেদের হয়ে ভোটে লড়তে পারেন বাদশা মৈত্র। কার্যত প্রায় গোটা টলিউড এবারের বিধানসভা নির্বাচনে রাজনীতির ময়দানে নেমে পড়েছে।এবার অদিতিও নেমে পড়লেন সক্রিয় রাজনীতিতে।সূত্রের খবর, প্রার্থীও করা হতে পারে কীর্তন শিল্পীকে।

মার্চ ০৪, ২০২১
রাজ্য

প্রার্থী ঘোষণার আগেই প্রার্থীপদ বাতিলের আশঙ্কা হুগলির আরামবাগে

বিধানসভা নির্বাচনের জন্য আগামীকাল প্রার্থী ঘোষণা করবে তৃণমূল কংগ্রেস। আজ দলের শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতিতে প্রার্থীতালিকা চূড়ান্ত হওয়ার কথা। এর আগেই তৃণমূলের মধ্যে জল্পনা যেমন চলছে, তেমনই চলছে আশঙ্কাও। হুগলি জেলায় লোকসভা ভোটে দলের ফল ভালো হয়নি। গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছে। তা যাতে জয়ের পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায় সেজন্য অনেক আসনে তারকা প্রার্থী দেওয়া হতে পারে, বিশেষ করে টলিউডের। ফলে পুরানো অনেক নেতা, কর্মীর আজ রাত কাটবে উৎকণ্ঠায়।আরামবাগ লোকসভা আসনে তৃণমূল কংগ্রেস খুব স্বল্প ব্যবধানে জয় পায়। বেশিরভাগ বিধানসভা অংশেই তৃণমূল পিছিয়ে ছিল বিজেপির চেয়ে। তবে হুগলির খানাকুলে এক নেতা নিজেকে প্রার্থী হচ্ছেন ধরে নিয়ে আবির কিনে প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন বলে খবর। উল্লেখ্য, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে তাঁর প্রার্থীপদ বাতিলের দাবি জানিয়ে সরকারি দফতরে চিঠি দিয়েছিল বিজেপি। তাতে তাঁর কর্মাধ্যক্ষ হওয়া আটকে গেলেও জেলা পরিষদ সদস্য হওয়া আটকায়নি। রেশন ডিলার কীভাবে নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছিল বিজেপি।সেই নেতাই প্রার্থী হচ্ছেন ধরে নিয়ে আগাম উৎসবের তোড়জোড় শুরু করেছেন। যদিও রেশন ডিলারের ডিলারশিপ ছেড়ে প্রার্থী হওয়ার অবকাশ আর নেই বলেই দাবি তৃণমূলের একাংশের। সেটাও দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তৃণমূলের এক প্রবীণ নেতার কথায়, দল কাকে প্রার্থী করবে সেটা দলের ব্যাপার। আমাদের নেত্রীর নির্দেশ মেনেই আমরা ভোটযুদ্ধে ঝাঁপাব। কিন্তু যাঁর কথা শোনা যাচ্ছে, তিনি প্রার্থী হলে বিজেপি আবার আপত্তি জানাবে এটা বলাই যায়। স্ক্রুটিনিতে যদি প্রার্থীপদ বাতিল হয়ে যায় তাতে দলের মুখ পুড়বে। তাই চূড়ান্ত ঘোষণার আগে জেনেবুঝে পা ফেলাই শ্রেয়। কোনওভাবে প্রার্থীপদ বাতিল হলে তো এই এলাকা থেকে লড়াইয়ে আমরা ছিটকে যাব। দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে জানানোও হয়েছে। আশা করছি, সঠিক পদক্ষেপই করবে দল।

মার্চ ০৪, ২০২১
রাজনীতি

শুক্রবারই পূর্ণাঙ্গ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবে তৃণমূল

ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশিত হয়ে গিয়েছে গত সপ্তাহে। এখনও পর্যন্ত শাসক-বিরোধী কোনও শিবিরই কোনও প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেনি। সকলেরই চূডা়ন্ত প্রস্তুতি পর্ব চলছে। তবে সূত্রের খবর, শাসকদল তৃণমূল নিজেদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতে চলেছে আগামী শুক্রবারই। ২৯৪ আসনের জন্য পূর্ণাঙ্গ প্রার্থীতালিকা ঘোষণা করবেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোট ঘোষণার এক সপ্তাহের মধ্যে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশিত হতে চলেছে, যা দলের ইতিহাসে কিছুটা ব্যতিক্রম। পরিকল্পনা ছিল, ধাপে ধাপে নিজেদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হবে তৃণমূলের তরফে। সেভাবেই প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল। বুধবারই একদফা তালিকা প্রকাশের কথা ছিল। ভোটের বাকি দফাগুলোতে কে কে লড়বেন, সেই তালিকা ঘোষণা হবে শুক্রবার, এমনই শোনা গিয়েছিল দলীয় সূত্রে। কিন্তু বুধবার সন্ধে নাগাদ পরিকল্পনায় বদল গিয়েছে। জানা যায়, শুক্রবারই একদফায় চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হবে ২৯৪ আসনের জন্য। আর ৯ তারিখ প্রকাশিত হবে ইস্তেহার।

মার্চ ০৩, ২০২১
রাজনীতি

'ছোট থেকে জয় শ্রী রাম বলতাম', ফাঁস করলেন প্রাক্তন তৃণমূল নেতা

শেষমেশ তৃণমূল ছাড়লেন, যোগ দিলেন বিজেপিতে। টানা তিন মাস টালবাহানার পর আসানসোলের প্রাক্তন মেয়র, পান্ডবেশ্বরের বিধায়ক তৃণমূল নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি গেরুয়া শিবিরে ভিড়লেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, বিজেপি নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে বৈদ্যবাটিতে এক সভায় পদ্মপতাকা হাতে তুলে নেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি।শুভেন্দু অধিকারী বিধায়ক পদ ছাড়ার পরই কাঁকসায় তৃণমূল সাংসদ সুনীল মন্ডলের বাড়িতে গিয়েছিলেন। সেখানে হাজির ছিলেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি। তারপর বেসুরো বক্তব্যও রাখছিলেন তিনি। রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে আলোচনার পর দলেই থেকে যান। তবে তৃণমূল তাঁকে দলে কোনও পদে রাখেনি। অন্যদিকে আসানসোলের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় জিতেন্দ্রর বিজেপি যোগের তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন। জিতেন্দ্রর ঘটনায় মন্তব্য করায় শোকজের ঘটনাও ঘটে।বিজেপিতে যোগদানের পর জিতেন্দ্র তিওয়ারির মুখে জয় শ্রী রাম ধ্বনি শোনা যায়। তিনি বলেন, ছোট থেকে জয় শ্রী রাম বলতাম। মনে এক বাইরে অনেক কথা বলতে হত। সব কথা বলতে দেওয়া হত না। সেই সুযোগ করে দেওয়ার জন্য বিজেপিকে ধন্যবাদ।জিতেন্দ্র তিওয়ারির সঙ্গে পুরনো বিরোধের কথা বললেও তাঁকে দলে স্বাগত জানিয়েছেন বাবুল সুপ্রিয়। মোদিজির সঙ্গে তিনি কাজ করতে চান, জানান বাবুল।

মার্চ ০২, ২০২১
রাজনীতি

‘হোঁদল কুতকুত-কিম্ভূতকিমাকার’, কড়া প্রতিক্রিয়া বিজেপি নেতৃত্বের

হোঁদল কুতকুত-কিম্ভূতকিমাকার, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মন্তব্যে রেরে করে উঠেছে বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁরা প্রশ্ন তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রীর ভাষা প্রয়োগ নিয়ে। বিজেপির কোনও নেতা টুইট করেছেন তো কেউ বক্তব্য রাখতে গিয়ে ওই কটাক্ষের কড়া জবাব দিয়েছেন।বুধবার হুগলির সাহাগঞ্জে জনসভায় তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাম না করে কটাক্ষ করেছেন নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহকে। মমতা বলেন, হোঁদল কুতকুত-কিম্ভূতকিমাকার। মমতার সভার ৪৮ ঘণ্টা আগে এখানেই সভা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রাবণ ও দানব মিলে দেশ চালাচ্ছে বলেও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন মমতা। এই নিয়ে বিজেপি নেতৃত্ব কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন।তৃণমূলনেত্রীর হোঁদল কুতকুত-কিম্ভূত কিমাকার বক্তব্যের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়ো ফেসবুকে লেখেন, ছিঃ !!! এই একজন মূখ্যমন্ত্রীর ভাষা !! এই ভাষা বলতে আপনার যে লজ্জা করে না তা আমরা বহুদিন আগেই দেখেছিজেনেছি কিন্তু আমাদের তো লজ্জা আছে, বাঙালির তো আত্মভিমান আছে, লজ্জাও আছে !! সারা পৃথিবীর বাঙালির মাথা আপনি হেঁট করে দিচ্ছেন !! আপনি আবার নিজেকে বাংলা গর্ব বলেন???বিজেপির এই রাজ্যের কোইনচার্জ অমিত মালব্য এদিন মমতার মন্তব্যের বিরোধিতা করে টুইটে লেখেন, নিশ্চিতভাবে পশ্চিমবঙ্গে গেরুয়া হাওয়া অনুভূত হচ্ছে।পিসির তা অসহ্য লাগছে। তাই এই ধরনের ভাষা ব্যবহার করছেন। যা বাংলার সংস্কৃতি নয়। শারীরিক গঠন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীস্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আক্রমণ করছেন। আসলে পিসি হেরে গিয়েছেন। এদিন মধ্য কলকাতার লেবুতলা পার্কে দলীয় সভায় বিজেপি নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ও মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করে তোপ দেগেছেন। রাজীব বলেন, কখনও তুইতোকারি করছেন, কখনও বিরোধী দলের নেতার শারীরিক গঠন নিয়ে কটাক্ষ করছেন। এগুলো কী মুখ্যমন্ত্রীর ভাষা হওয়া উচিত?রাজনৈতিক মহলের মতে, সব কিছুকে ছাপিয়ে এবার বাঙালি, বাংলার মনীষী, বহিরাগত নিয়েই ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে ময়দানে নেমেছে তৃণমূল কংগ্রেস ও ভারতীয় জনতা পার্টি। একই বিষয় নিয়ে একদল আক্রমণ করছে প্রতিপক্ষ পাল্টা মন্তব্য করছে।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২১
রাজনীতি

‘হোঁদল কুতকুত’-‘কিম্ভূতকিমাকার’, নাম না করে শাহ-মোদিকে কটাক্ষ মমতার

এখানেই দুদিন আগে সভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার আগেই রাজ্যে এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বুধবার হুগলির সাহাগঞ্জের জনসভা থেকে নাম না করে শাহ-মোদিকে তীব্র কটাক্ষ করলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মন্তব্য করলেন, হোঁদল কুতকুত-কিম্ভূতকিমাকার । গত সোমবার এই মাঠেই সভা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। রাবণ ও দানব মিলে দেশ চালাচ্ছে বলেও কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন মমতা।এই সভাতেই বাংলা চলচ্চিত্রের এক ঝাঁক তারকা তৃণমূলে যোগ দেন। এদিন ঘাসফুল শিবিরে ভিড়েছেন কাঞ্চন মল্লিক, সায়নী ঘোষ, জুন মালিয়া, সুদেষ্ণা রায়, মানালী দে। এছাড়াও তৃণমূলে যোগ দেন ক্রিকেটার মনোজ তিওয়ারি ও শিক্ষাবিদ অনন্যা চট্টোপাধ্যায়। এদিনও তৃণমূলনেত্রী জানিয়ে দিয়েছেন গোলপোস্টের নীচে তিনিই দাঁড়াবেন। একদিকে থাকবে তৃণমূল, অন্যদিকে সিপিএম-কংগ্রেস-বিজেপি। মমতার দাবি, সব ওপর দিয়ে চলে যাবে। একটা বলও গোলপোস্টে ঢুকবে না।তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, ভাবা যায় দেশের প্রধানমন্ত্রী মিথ্যা কথা বলছেন। এদেশে এখন দুটো নেতা, একটা হোঁদল কুতকুত। আরেকটা কিম্ভূতকিমাকার। আমি এর ইংরেজি, হিন্দি জানি না। এদিকে মঙ্গলবারই অভিষেকের বাড়িতে কয়লাকাণ্ডের তদন্ত করতে গিয়েছিল সিবিআই। জিজ্ঞাসাবাদ করে সাংসদপত্নী রুজিরাকে। সিবিআই আসার আগে মমতা পৌঁছান তাঁর ভাইপোর বাড়িতে। এদিন মমতা বলেন, ঘরে ঢুকে বাইশ-তেইশ বছরের এক বউকে কয়লা চোর বলছে। আর কয়লা চোরেদের নিজেরা কোলে করে ঘুরছেন। আমার বাড়ির মা-বোনেরা কয়লা চোর? তোমার সারা গায়ে ময়লা। নোটবন্দির ময়লা।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২১
কলকাতা

বামেদের ব্রিগেডে হাজির থাকতে পারেন ভাইজান

চলতি মাসের ২৮-এ বামেদের ব্রিগেড সমাবেশের আগেই ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রণ্টের সঙ্গে আসন সমঝোতা হয়ে যেতে পারে। সেই সম্ভাবনার কথা জানিয়ে দিলেন আইএসএফের কান্ডারী পিরজাদা আব্বাস সিদ্দিকি ওরফে ভাইজান। মঙ্গলবার ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে দলীয় সভায় ভাইজান বলেন, আমার আশা ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আসন সমঝোতা সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে ব্রিগেড সমাবেশে ভিড় উপচে পড়বে বলেও তিনি জানিয়ে দেন।আটচল্লিশ ঘণ্টার নোটিসে মঙ্গলবার ধর্মতলায় সভা ডেকেছিল ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রণ্ট। আব্বাস সিদ্দিকি শিয়ালদা থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত একটি মিছিলের নেতৃত্ব দেন। অপর মিছিলটি আসে হাওড়া স্টেশন থেকে। ছোট জায়গায় সভার অনুমতি মেলায় উষ্মাপ্রকাশ করেছেন ভাইজান। তাঁর খেদোক্তি, ভোট নেওয়ার সময় আমরা। এদিকে একটা বড় জায়গা পাওয়া যায় না সভা করার জন্য। একটা দুর্গন্ধযুক্ত জায়গায় সভা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।এদিনের সভায় ভাইজান জানিয়ে দিয়েছেন টাকা রোজগারের জন্য তিনি রাজনীতি করতে আসেননি। তাছাড়া কলকাতায় সম্পত্তি করতেও তিনি রাজনীতি করছেন না। কটাক্ষ করে তিনি বলেছেন, ভাইপোকে প্রতিষ্ঠা করতেও রাজনীতিতে আসিনি।কেন্দ্রীয় কৃষি বিল, পেট্রল-ডিজেল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি, কেন্দ্রীয় সরকারের জনবিরোধী নীতির প্রতিবাদে এদিন সভা করে আইএসএফ। ওয়াই চ্যানেলের সভা থেকে কেন্দ্র ও রাজ্য দুই সরকারকেই তোপ দেগেছেন আব্বাস সিদ্দিকি। ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রণ্টের সঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে আসন সমঝোতা করা নিয়ে আলাপ-আলোচনা চলছে বাম-কংগ্রেসের। সেই জোট হলে বাংলার ভোট ত্রিমুখী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই আসন সমঝোতা এখনও স্পষ্ট নয়।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 27
  • 28
  • 29
  • 30
  • 31
  • 32
  • 33
  • ...
  • 39
  • 40
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত! উচ্চমাধ্যমিকের ফল কবে প্রকাশ পাবে জানলে চমকে যাবেন

নির্বাচনের আগে উচ্চমাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ হচ্ছে না বলে জানা যাচ্ছে। সংসদ সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে, ফল প্রকাশ কিছুটা পিছিয়ে যেতে পারে। সেই অনুযায়ী, মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের শুরুর দিকে ফলপ্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে।এবার থেকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। সেমিস্টার পদ্ধতি চালু হওয়ায় বছরে দুবার পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। এই নতুন ব্যবস্থায় একবারে বার্ষিক পরীক্ষার চাপ কমবে বলে মনে করা হচ্ছে।সংসদের নিয়ম অনুযায়ী, প্রথমে মাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ করা হবে। তারপর তার কয়েক দিনের মধ্যেই উচ্চমাধ্যমিকের ফল প্রকাশিত হবে। বর্তমানে উত্তরপত্র মূল্যায়নের কাজ দ্রুত গতিতে চলছে।তবে নির্বাচনের কারণে অনেক শিক্ষক ও সরকারি কর্মী ভোটের কাজে ব্যস্ত থাকায় ফলপ্রকাশের দিন কিছুটা পিছিয়ে যেতে পারে। জানা যাচ্ছে, মে মাসের সাত বা আট তারিখের মধ্যে মাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ হতে পারে। তার দুএক দিনের মধ্যেই উচ্চমাধ্যমিকের ফল প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে।এই নতুন সেমিস্টার পদ্ধতি শিক্ষাব্যবস্থায় একটি বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর ফলে ছাত্রছাত্রীদের উপর চাপ কমবে এবং তারা আরও ভালোভাবে নিজেদের প্রস্তুত করতে পারবে বলে মনে করা হচ্ছে। এখন সকলেই অপেক্ষা করছে কবে প্রকাশ পাবে তাদের পরিশ্রমের ফল।

এপ্রিল ১৪, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় ধাক্কা! আইপ্যাক মামলায় এবার প্রতীক জৈনের পরিবারকে তলব, চাঞ্চল্য ছড়াল

আইপ্যাক সংক্রান্ত মামলায় নতুন মোড় এল। ভিনেশ চান্ডেল গ্রেফতার হওয়ার পর এবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের নজরে এসেছে প্রতীক জৈনের পরিবার। এর আগে প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং আইপ্যাকের দপ্তরে তল্লাশি চালিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেই মামলাতেই সোমবার আইপ্যাকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ভিনেশ চান্ডেলকে গ্রেফতার করা হয়।এই ঘটনার পর এবার প্রতীক জৈনের স্ত্রী বার্বি জৈন এবং তাঁর ভাই পুলকিত জৈনকে তলব করা হয়েছে। তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিয়ে বুধবার হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।জানা গিয়েছে, গত দুই এপ্রিল প্রতীক জৈনকে দিল্লিতে হাজিরার জন্য ডাকা হয়েছিল। কিন্তু তিনি দিল্লি উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়ে জানান, তিনি নির্বাচনী কাজে ব্যস্ত। তাই তিনি দিল্লির বদলে কলকাতায় হাজিরা দিতে চান। সেই মামলা এখনও বিচারাধীন রয়েছে। আদালত জানিয়েছে, তদন্ত চালিয়ে যেতে কোনও বাধা নেই। এই পরিস্থিতিতে প্রতীকের বদলে তাঁর স্ত্রী ও ভাইকে তলব করা হয়েছে।তদন্তকারী সংস্থা মনে করছে, অবৈধ লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়ে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। তবে প্রতীকের পরিবারের সদস্যদের এভাবে তলব করা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস।উল্লেখ্য, কয়লা পাচার ও বেআইনি লেনদেনের মামলায় সোমবার ভিনেশ চান্ডেলকে গ্রেফতার করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। তাঁকে দিল্লি থেকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে দুই এপ্রিল তাঁর বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। ভোটের আগে এই গ্রেফতারি এবং তলব ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। তদন্তে হাওয়ালা যোগের অভিযোগও সামনে এসেছে বলে জানা যাচ্ছে।

এপ্রিল ১৪, ২০২৬
রাজ্য

এক মঞ্চে দুই দলকে নিশানা! তৃণমূলই বিজেপির রাস্তা খুলছে—রাহুলের তীব্র আক্রমণ

রায়গঞ্জে নির্বাচনী প্রচারে এসে কড়া ভাষায় বিজেপি এবং তৃণমূল কংগ্রেসদুই দলকেই আক্রমণ করলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যদি দুর্নীতিগ্রস্ত হন, তাহলে তৃণমূলও কোনও অংশে কম নয়। সারদা চিটফান্ড থেকে শুরু করে আরজি কর কাণ্ডএকাধিক ইস্যু তুলে ধরে তিনি তৃণমূলকে নিশানা করেন।রায়গঞ্জ কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী মোহিত সেনগুপ্তর সমর্থনে সভা করতে এসে রাহুল বলেন, তৃণমূলই আসলে বাংলায় বিজেপির প্রবেশের পথ তৈরি করে দিচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, তৃণমূল যদি সঠিকভাবে কাজ করত, তাহলে বিজেপি এই রাজ্যে শক্তি বাড়াতে পারত না।সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রথমেই তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আক্রমণ করেন। রাহুলের দাবি, মোদী তাঁর চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারেন না। একই সঙ্গে তিনি বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসও বাংলার মানুষের জন্য কাজ করছে না। তাঁর অভিযোগ, মোদী যেমন দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত, তেমনই তৃণমূলও নানা দুর্নীতিতে জড়িত। সারদা চিটফান্ডের প্রসঙ্গও তিনি তুলে ধরেন।শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি, কয়লা কেলেঙ্কারি-সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে আক্রমণ করে রাহুল বলেন, রাজ্যে হিংসার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তৃণমূল পাঁচ লক্ষ চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, কিন্তু বাস্তবে তা পূরণ হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, প্রায় চুরাশি লক্ষ মানুষ বেকার ভাতার জন্য আবেদন করেছেন।রাহুল আরও বলেন, এক সময় বাংলা শিল্পের জন্য পরিচিত ছিল। কিন্তু সিপিএমের পর তৃণমূল ক্ষমতায় এসে শিল্প পুরোপুরি নষ্ট করে দিয়েছে। আরজি কর ধর্ষণ ও খুনের ঘটনাও তিনি উল্লেখ করেন তাঁর বক্তব্যে। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল যা খুশি তাই করছে এবং বিরোধীদের উপর হামলা চালাচ্ছে। কংগ্রেস কর্মী তপন কুণ্ডুকে খুন করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।শেষে রাহুল বলেন, কংগ্রেস হিংসার বিরুদ্ধে এবং সত্য ও অহিংসার পথেই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়।

এপ্রিল ১৪, ২০২৬
রাজ্য

বৈশাখেই আগুন ঝরাবে আকাশ! বাংলায় ৪০ ছুঁতে চলেছে পারদ, বড় সতর্কবার্তা মৌসম ভবনের

চৈত্র মাসে তেমন গরম অনুভূত হয়নি বাংলায়। মাঝে কয়েকদিন তাপমাত্রা বাড়লেও বৃষ্টির কারণে আবহাওয়া বেশ আরামদায়কই ছিল। কিন্তু বৈশাখ মাস শুরু হতেই পরিস্থিতি বদলাতে চলেছে। মৌসম ভবনের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এবার থেকে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা অনেকটাই বাড়বে।শুধু গরমই নয়, এবার বর্ষাতেও স্বস্তির বৃষ্টি কম হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। এর প্রধান কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে এল নিনো পরিস্থিতি। জুন মাসের মধ্যে এই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, যার ফলে গোটা দেশে প্রায় ৮ শতাংশ কম বৃষ্টি হতে পারে। যদিও কিছু কিছু রাজ্যে স্বাভাবিকের থেকে বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, তবে সার্বিকভাবে বৃষ্টির পরিমাণ কমই থাকবে। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রেও একই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।মৌসম ভবন জানিয়েছে, বৈশাখের শুরুতেই গরমের দাপট বাড়বে বাংলায়। পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যেতে পারে। পুরুলিয়ায় তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি পর্যন্ত উঠতে পারে। কলকাতাতেও তাপমাত্রা বেড়ে ৩৭ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছতে পারে।তবে চলতি সপ্তাহে কিছু জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। বিশেষ করে পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে। পয়লা বৈশাখের দিন পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বর্ধমানসহ কয়েকটি এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে। পরের দিনও দক্ষিণবঙ্গের কিছু জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।তবে কলকাতার ক্ষেত্রে এখনই বৃষ্টির তেমন সম্ভাবনা নেই। বরং নববর্ষের দিন থেকেই তাপমাত্রা দ্রুত বাড়তে পারে। বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হলেও গরম থেকে খুব একটা স্বস্তি মিলবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১৪, ২০২৬
রাজ্য

উত্তপ্ত বরাহনগর! হামলার অভিযোগে রাস্তায় বিজেপি, ফোন করলেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক

সোমবার রাতে বরাহনগরে তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষের অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়। বিজেপির অভিযোগ, তাদের কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে তৃণমূলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনার প্রতিবাদে থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান বরাহনগরের বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষ। তিনি অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান।জানা গিয়েছে, বরাহনগরের সাত নম্বর ওয়ার্ডের আমতলায় বিজেপির একটি সভা ছিল। সেই সভা শেষ হওয়ার পর হঠাৎই কয়েকজন দুষ্কৃতী সেখানে এসে বিজেপি কর্মীদের হুমকি ও গালিগালাজ করে বলে অভিযোগ। এরপর আচমকাই তাদের উপর হামলা চালানো হয়। বিজেপির দাবি, বন্দুকের বাট দিয়ে মারধর করা হয়েছে এবং এই ঘটনায় তিন থেকে চারজন কর্মী আহত হয়েছেন।সজল ঘোষের অভিযোগ, তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত অজয় গুপ্তার নেতৃত্বে এই হামলা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, এর আগেও ওই ব্যক্তি এবং তার সহযোগীরা বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে। সে সময় পুলিশকে জানানো হলেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।পুলিশের ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে তুলেছেন সজল ঘোষ। তাঁর দাবি, ঘটনার সময় পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী উপস্থিত থাকলেও তারা কোনও পদক্ষেপ করেনি। এরপর তিনি বিজেপি কর্মীদের নিয়ে বরাহনগর থানার সামনে পৌঁছে বিক্ষোভ শুরু করেন এবং একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান।বিক্ষোভ চলাকালীন সজল ঘোষকে ফোন করেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগারওয়াল। ফোনে তিনি পুরো ঘটনা জানান এবং বাংলার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। মনোজ আগারওয়াল তাঁকে আশ্বাস দেন যে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে এবং সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সজল ঘোষ পরে জানান, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক বলেছেন, ভোট শান্তিপূর্ণভাবেই হবে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ বা কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ থাকলে সেটিও খতিয়ে দেখা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভের পর পুলিশ জানায়, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেই জন্য বিজেপিকে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়ার কথা বলা হয়। তবে রাত পর্যন্ত লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি বলেই জানা গিয়েছে।

এপ্রিল ১৪, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে নাগরিকত্ব! উত্তরবঙ্গে ৪০ জনকে শংসাপত্র ঘিরে তোলপাড়

উত্তরবঙ্গে ভোটের আগে নাগরিকত্ব দেওয়া নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে, বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসে বসবাস করা অন্তত ৪০ জন মানুষকে নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনা জলপাইগুড়ি জেলার মালবাজার মহকুমা এলাকায় ঘটেছে। নাগরিকত্বের শংসাপত্র হাতে পেয়ে স্বস্তি ও খুশি প্রকাশ করেছেন ওই পরিবারগুলি।প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় সংস্থার মাধ্যমে তথ্য যাচাই করার পর এই নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছে। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন অনুযায়ী দীর্ঘদিন ধরে ভারতে বসবাস করলেও যাঁরা আইনি স্বীকৃতি পাননি, তাঁদের এই শংসাপত্র দেওয়া হয়েছে। ফলে তাঁদের কাছে এটি একটি বড় স্বস্তির বিষয়।গত কয়েক মাস ধরে আবেদন যাচাই, শুনানি এবং নথিপত্র খতিয়ে দেখার পর এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ক্রান্তি ব্লক থেকে সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়েছিল। ভোজারি পাড়া-সহ বিভিন্ন এলাকায় একাধিক পরিবার ইতিমধ্যেই এই সুবিধা পেয়েছে। এছাড়াও ময়নাগুড়ি, রাজগঞ্জ এবং জলপাইগুড়ির অন্যান্য এলাকা থেকেও বেশ কিছু মানুষ নাগরিকত্ব পেয়েছেন।এই নাগরিকত্ব দেওয়ার ঘটনা সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। কারণ, আগামী ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোটের আগে এই পদক্ষেপকে ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠছে। একই সময়ে ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে নাম বাদ পড়ার অভিযোগও সামনে এসেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।সব মিলিয়ে নাগরিকত্ব প্রদান এবং ভোটার তালিকা সংশোধনের এই দুই ইস্যু উত্তরবঙ্গের নির্বাচনী পরিস্থিতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এপ্রিল ১৩, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগেই ফল ঘোষণা? আসনসংখ্যা নিয়ে বিস্ফোরক দাবি মুখ্যমন্ত্রীর

সিউড়ির জনসভা থেকে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে বড় দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এ বার তৃণমূল অন্তত ২২৬টির বেশি আসন পাবে। এর আগে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ২০২১ সালের থেকে অন্তত একটি আসন বেশি জিতবে তৃণমূল। তবে এ দিন প্রথমবার নিজেই নির্দিষ্ট আসনসংখ্যা উল্লেখ করে দাবি করেন তৃণমূল নেত্রী। উল্লেখ্য, ২০২১ সালের নির্বাচনে তৃণমূল ২১৩টি আসনে জয় পেয়েছিল।সভা থেকে ভোট প্রক্রিয়া নিয়েও সরব হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, কোথাও ভোটযন্ত্রে সমস্যা হলে সেই যন্ত্রে ভোট না দিতে। গণনার সময় ধীরে ধীরে ফল প্রকাশ করা হতে পারে এবং আগে থেকেই কোনও পক্ষ জয়ের দাবি ছড়াতে পারে, সেইসব কথায় গুরুত্ব না দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। মানুষের উদ্দেশে তিনি বলেন, আর একদিন ধৈর্য ধরলেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, তাঁর বিশ্বাস, আগামী নির্বাচনে তৃণমূল ২২৬টির বেশি আসন পাবে। তিনি অভিযোগ করেন, বাইরে থেকে বাহিনী এনে বা নানা প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাকে দখল করা সম্ভব নয়। তাঁর কথায়, হামলার জবাব মানুষই দেবে ভোটের মাধ্যমে।এ দিন তিনি সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও চ্যালেঞ্জ জানান। মমতা বলেন, বাংলায় তৃণমূল সরকার চাইলে তিনি নিজেকে সবকটি আসনের প্রার্থী হিসেবেই মনে করেন। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী যদি সব আসনের প্রার্থী হওয়ার কথা বলেন, তবে তাঁকে ঠিক করতে হবে তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী থাকবেন নাকি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হতে চান। সেই সিদ্ধান্ত স্পষ্টভাবে জানাতেও তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন।এই মন্তব্য ঘিরে নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১৩, ২০২৬
দেশ

‘স্যান্ডউইচ’ হয়ে যাচ্ছে ভোটার! আদালতে কমিশনকে কড়া প্রশ্ন

ভোটার তালিকা ফ্রিজ করার সময়সীমা বাড়ানোর আর্জি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে শুনানি হলেও তাতে সাড়া দিল না শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই বিষয়ে ট্রাইবুনালের কাছেই যেতে হবে। একইসঙ্গে তারা জানায়, ট্রাইবুনালের কাজে হস্তক্ষেপ করবে না আদালত।তবে শুনানির সময় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সামনে আসে। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী মন্তব্য করেন, বিহারে যে পদ্ধতিতে বিশেষ পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়া হয়েছে, বাংলায় সেই পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়নি। তাঁর কথায়, একজন সাধারণ ভোটার দুই সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের মাঝে পড়ে কার্যত সমস্যায় পড়ছেন।তিনি আরও বলেন, বাংলার ক্ষেত্রে যে ধরনের যুক্তিগত অসঙ্গতি দেখা যাচ্ছে, তা অন্য কোনও রাজ্যে হয়নি। এদিন নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী ডি এস নাইডুকে এই বিষয়ে একাধিক প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। তিনি কমিশনের অবস্থান ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেন এবং জানান, বিভিন্ন কারণে নিয়মের কিছু পরিবর্তন করা হয়েছে।এই প্রসঙ্গে বিচারপতি বাগচী বলেন, এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যেখানে যাঁরা ইতিমধ্যেই ফর্ম জমা দিয়েছেন, তাঁদের আবার নতুন করে ফর্ম পূরণের জন্য বলা হচ্ছে। এর ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।২০০২ সালের ভোটার তালিকার প্রসঙ্গও উঠে আসে শুনানিতে। বিচারপতির প্রশ্ন ছিল, আগে যদি বলা হয়ে থাকে যে ওই তালিকায় নাম থাকলেই চলবে, তাহলে এখন নতুন করে নথি চাওয়ার প্রয়োজন কেন। এর উত্তরে কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, নাম পরিবর্তন বা পরিচয় যাচাইয়ের জন্যই এই নথি প্রয়োজন।বিচারপতি বাগচী তখন মন্তব্য করেন, এতে মনে হচ্ছে কমিশন তাদের আগের অবস্থান থেকে সরে এসেছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ন্যায্য প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোটারদের অধিকার রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি।অন্যদিকে কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে আপত্তি জানানোর সুযোগ ছিল। তাঁদের দাবি, প্রায় অর্ধেক আবেদন বাতিল হয়েছে নিয়ম মেনে।তবে বিচারপতি আবারও স্পষ্ট করেন, এটি দোষারোপের বিষয় নয়, বরং একজন সাধারণ ভোটার যেন সমস্যার মধ্যে না পড়েন, সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সবশেষে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দেয়, এই পর্যায়ে তারা ট্রাইবুনালের কাজে কোনও হস্তক্ষেপ করবে না।

এপ্রিল ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal