• ২৬ মাঘ ১৪৩২, শুক্রবার ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Tmc,

রাজনীতি

হেভিওয়েট পরিবারে তৃণমূল-বিজেপি, তৃণমূলের দ্বিচারিতায় সন্দিহান কর্মীরা

শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিতেই তৃণমূল নেতাদের কাছ থেকে উড়ে আসছে একের পর এক বিশেষণ! এটা স্বাভাবিকভাবে হয়েও থাকে। এমনকী দলবদলের বিশ্বরেকর্ডধারীর কাছ থেকেও উড়ে এসেছে এমন বিশেষণ! সেটাতেও দোষের কিছু নেই। মেদিনীপুরের মঞ্চ থেকে শুভেন্দুবাবুর কথামতো এটা অবশ্যই দলের প্রতি নিষ্ঠা দেখানো! যদিও নীতির প্রশ্নে তৃণমূলের দ্বিচারিতায় সন্দিহান বুথস্তরের কর্মীরা। অন্তত হুগলি ও পূর্ব বর্ধমান জেলায় এমন প্রশ্ন উঠছে। পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথিতেই শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ির কাছ থেকে আগামী বুধবার তৃণমূলের মিছিল হবে। সভাও হবে। যেখানে ডাকা হয়নি দলের জেলা সভাপতি তথা প্রবীণ সাংসদ শিশির অধিকারী ও সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। শুভেন্দুবাবু বিজেপিতে যাওয়ার আগে ও পর থেকে লাগাতার অধিকারী পরিবার নিয়ে আপত্তিজনক কথা বলে চলেছেন কলকাতার শীর্ষ নেতা থেকে শুরু করে জেলায় অধিকারীদের বিরোধী গোষ্ঠী। শিশিরবাবু একবার বলেছিলেন, দলই তো শুভেন্দু অধিকারীকে বিজেপির দিকে ঠেলে দিচ্ছে! এবার কি তৃণমূলের একই কৌশল শিশির ও দিব্যেন্দু অধিকারীর ক্ষেত্রেও? প্রশ্ন উঠছে। এই দুই সাংসদ দলত্যাগ করলে তৃণমূলের সাংসদ সংখ্যা ১৯-এ নেমে আসবে‌। দলকে কোনও বিবৃতির মাধ্যমে অস্বস্তিতে না ফেললেও অধিকারী সাংসদদের নিয়ে যা চলছে তাতে কোনও বড় পদক্ষেপ অসম্ভব নয়। প্রচারে বলা হচ্ছে, কাঁথির সভায় থাকবেন ফিরহাদ হাকিম, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌগত রায়। এর আগেও নন্দীগ্রামে ববির সভায় ডাক পাননি দিব্যেন্দু। এবারেও তাই। অথচ বিজেপি নেতা তথাগত রায়ের ভাই সৌগত রায় তৃণমূলের সাংসদ, তিনি দলীয় মুখপাত্র, তাতে কোনও সমস্যা নেই দলের! তবে অধিকারীদের বিরুদ্ধে আলাদা নীতি কেন? তালিকা আরও আছে। প্রাক্তন বিধায়ক পারভেজ রহমান তৃণমূল ছেড়ে মেদিনীপুরের শাহী সভা থেকে গেরুয়া পতাকার তলায় এলেন। তাঁর ভাই মেহবুব রহমান অবশ্য তৃণমূলেই আছেন, এমনকী আছেন বহাল তবিয়তে হুগলির জেলা সভাধিপতি পদে। হুগলিতে তৃণমূলের জেলা সভাপতি দিলীপ যাদবের দাদা কানাইপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান আচ্ছেলাল যাদব‌। সম্প্রতি তাঁর বাড়িতে নৈশভোজ সেরে গেলেন অর্জুন সিং, শঙ্কুদেব পাণ্ডা। আচ্ছেলাল বললেন, পুরনো সম্পর্ক, সৌজন্য সাক্ষাত! দিলীপ বললেন, জবাব চেয়েছি। দল ব্যবস্থা নেবে। প্রশ্ন হলো, কবে? এখনও তো কিছু হলো না। বাঁশবেড়িয়ার প্রশাসক অরিজিতা শীল। তাঁর স্বামী সোনা শীলকে বিজেপি-যোগ-সহ দলবিরোধী কাজের ছুতোয় নাকি দল সাসপেন্ড করেছে। এরপরেও তাঁকে মন্ত্রী তপন দাশগুপ্তর সভামঞ্চে দেখা গিয়েছে। তপনবাবু সোনা শীলকে কিছু কাজের ভার দিয়েছেন। দক্ষিণ কলকাতার এক প্রভাবশালী মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে তৃণমূলেই বহাল তবিয়তেই রয়েছেন শীল দম্পতি। তাতেও দোষ নেই? কংগ্রেস-তৃণমূল-বিজেপি-তৃণমূল হয়ে আবার সম্প্রতি বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন পূর্ব বর্ধমানের কালনার দাপটে নেতা শঙ্কর হালদার। তিনি বিধানসভা ভোটে বিজেপি প্রার্থীও হয়েছেন আগে‌। তাঁর স্ত্রী, জেলা পরিষদ সদস্য আরতি হালদার তৃণমূলেই‌ আছেন। এখনও। কর্মীদের মনে তাই প্রশ্ন, আমরা লড়াই করছি মাঠে, রাস্তায় নেমে আর জেলা নেতারা সুন্দরভাবে সেটিং সেরে রাখছেন, দুই নৌকায় পা কেন? তাতে দল দোষ দেখছে না! তৃণমূলের নীতির দ্বিচারিতা কি শুধু অধিকারী পরিবারের জন্যই?

ডিসেম্বর ২১, ২০২০
রাজ্য

‘বিজেপি বহিরাগতদের এনে ব়্যালি করছে’, দাবি অনুব্রতর

ডাকবাংলো মোড় থেকে চৌরাস্তা গোটা রাস্তাতেই ব্যান্ড বাজছে। বাড়ির উপর থেকে ফুল পড়ছে। জনজোয়ারে ভেসে এগিয়ে চলেছেন অমিত শাহ। পরে শাহের জয় শ্রীরাম ধ্বনিতে যেন জনতার বাঁধ ভাঙল। বোলপুরে এ দিন অমিত শাহের মেগা ব়্যালিতে ভিড় ছিল উপচে পড়া। তবে, একে আমল দিতে নারাজ খোদ বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। উল্টে এখানেও বহিরাগত তত্ত্ব হাজির করলেন নেত্রীর আস্থাভাজন কেষ্ট। দলীয় বঙ্গধ্বনী কর্মসূচির মাঝেই নিজস্ব কায়দায় বললেন, বিজেপি বহিরাগতদের এনে এই ব়্যালি করছে। আমি জেলার লোক নিয়ে মিছিল করি। কয়েকটা ব্লক নিয়ে মিছিল করলেই এর থেকে বেশি ভিড় জমিয়ে দিতে পারি। আরও পড়ুন ঃ রোড শোতে উপচে পড়া ভিড়, হুডখোলা গাড়ি থেকে পরিবর্তনের ডাক শাহের এখানেই থেমে থাকেননি অনুব্রত। উল্টে কিছুটা চ্যালেঞ্জের সুরেই তাঁর দাবি, আগামী ৪ জানুয়ারি থেকে জেলার বিভিন্ন এলাকায় সভা শুরু হবে। প্রতিটা ব্লকে ৮০ হাজার করে লোক থাকবে। এরপরই তৃণমূল নেত্রীর পদযাত্রার প্রসঙ্গ উত্থাপ করে তিনি বলেন, মমতাদির সবা-মিছিল হলে পাঁচ-ছয়টা ব্লক থেকে মিছিল তাতেই চার-পাঁচ লাখ লোক হয়ে যায়। এসব আমাদের কাছে কোনও ব্যাপার নয়। বিজেপির এ দিনের কর্মসূচিতে যে ভিড় হয়েছে তাতে কি তিনি ভীত? অনুব্রত মণ্ডল বলেন, আমিত শাহ রোজ আসুন। এতে তৃণমূলের কোন ক্ষতি হবে না। উৎসাহিত হবে দলের কর্মীরা। একই সঙ্গে বলেন, শুভেন্দু হোক বা অন্য কেউ- তৃণমূল ছাড়লে ক্ষতি দলত্যাগীদের। ফের বাংলার ক্ষমতায় আসবে তৃণমূল।

ডিসেম্বর ২০, ২০২০
কলকাতা

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনওদিন দলবদল করেনি, দাবি সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনওদিন দলবদল করেনি। ১৯৯৮ সালে কংগ্রেস ছেড়ে নিজের দল প্রতিষ্ঠা করেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেটাকে দলবদল বলে না। এভাবেই রবিবার মেদিনীপুর কলেজ মাঠের জনসভায় করা অমিত শাহের বক্তব্যের জবাব দিলেন পঞ্চায়েতমন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, অমিত শাহর মতো একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সেটা জানা উচিত ছিল। বারবার বাংলায় এসে একটা দল যদি তৃণমূলকে অপমানজনকভাবে উপেক্ষা করার চেষ্টা করে তা হলে আমরা অবশ্যই প্রতিবাদ করব। রাজ্য সরকারের নামে একের পর এক মিথ্যে কথা বললে আমরা চুপ করে বসে থাকব না। বাংলার মানুষ এই বঞ্চনার জবাব বিজেপিকে দেবে। আরও পড়ুন ঃ অনুব্রত বিজেপিতে যোগ দিতে চাইলে ভেবে দেখবেনঃ দিলীপ ঘোষ সুব্রত মুখোপাধ্যায় এদিন আরও বলেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী বারবার দাবি করেছেন, তাঁর সরকার নাকি বাংলাকে ধান, শস্য দিয়েছে। কিন্তু তৃণমূলের কর্মীরা সেই ধান, শস্য রাজ্যবাসীকে দেয়নি। নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিয়েছে। কিন্তু আসল সত্যি অন্য। মমতার সরকার রাজ্যের দশ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে রেশন দেওয়ার ব্যবস্থা করেছিল। মহামারীর সময় দেশের কোনও রাজ্য সরকার মানুষের জন্য এমন ব্যবস্থা করতে পারেনি। মমতার সরকার যেটা করেছে তা ভারতের ইতিহাসে লেখা থাকবে। কেন্দ্র দাবি করেছে, আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের সুবিধা তারা বাংলার জনগণকে দিতে চেয়েছে। কিন্তু তৃণমূল নাকি রাজ্যে তা চালু করতে দেয়নি। এই রাজ্যে দেড় কোটির বেশি মানুষ বার্ষিক ৫ লাখ টাকা করে স্বাস্থ্যসাথীর সুবিধা পেয়েছেন। তৃণমূল সরকার কেন্দ্রের উপর নির্ভর করে ছিল না। অমিত শাহ হোম মিনিস্টার। এত বড় পদে থেকে ভুল তথ্য দিলে আমরা প্রতিবাদ করব। বাংলার মানুষও প্রতিবাদ করবে। তিনি এদিন আরও বলেন, যাঁরা বাংলার সংস্কৃতি বোঝেন না, বাংলার গর্ব বিদ্যাসাগর-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে সম্মান দেয় না, তাঁরা আবার বাংলা দখলের স্বপ দেখেন। এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে বিদ্যাসাগরের মূর্তিভাঙা প্রসঙ্গও টেনে আনেন তিনি। আক্রমণ শানান শুভেন্দু-সহ দলত্যাগী সকল নেতাদের উদ্দেশেও। বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতার অভিযোগ, যাঁরা এভাবে দল ছাড়েন তাঁরা বিশ্বাসঘাতক। তাঁরা মীরজাফর, জগৎ শেঠ। মানুষ এঁদের ক্ষমা করে না। বিজেপিকে খোঁচা দিয়ে সুব্রতবাবুর শ্লেষ, একা শুভেন্দুকে নিয়েই ২৫০ আসনের স্বপ্ন দেখছে। এরপর কোনদিন তো বলে বসবেন ৩০০-এর বেশি আসন পাবে! এখনই সামলে নেওয়া উচিৎ। এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে পূর্ব মেদিনীপুরের দাপুটে তৃণমূল নেতা মামুদ হোসেন তার ৫০০ অনুগামীকে নিয়ে তৃণমূলে যোগ দেন। সুব্রত মুখোপাধ্যায় তার হাতে পতাকা তুলে দিয়ে দলে স্বাগত জানান।

ডিসেম্বর ২০, ২০২০
কলকাতা

‘বুকের পাটা থাকলে অভিষেকের নাম নিয়ে দেখান’, শুভেন্দুকে তোপ কল্যাণের

মেদিনীপুরের কলেজ মাঠে অমিত শাহের সভা শেষেই জবাব দিতে সাংবাদিক বৈঠক করলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি কটাক্ষ করে বলেন, বিজেপির মুখে শুধু মিথ্যের ফুলঝুরি। শুভেন্দুকে নিশানা করে তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কংগ্রেস থেকে তাড়ানো হয়েছিল। কিন্তু মমতা অন্য দলে যোগ দেননি, নিজে দল করেছেন। ১০ বছরে যারা শুধু ভোগ করেছে, বলেছেন মোদি হঠাও তাদেরকে যোগদান করানোর জন্য মিথ্যে বলতে হচ্ছে। এছাড়াও অমিত শাহকে জবাব দিয়ে তিনি বলেন, উনি বলছেন পরিবারতন্ত্র, অধিকারী পরিবারে সেটা নেই! অমিত শাহের তোলা পরিবারতন্ত্রের অভিযোগের উত্তরে তাঁর ছেলে জয় শাহের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, আপনার ছেলের কী যোগ্যতা ছিল? যোগ্যতা ছাড়াই বিসিসিআইয়ের সচিব অমিতের ছেলে। তিনি আরও বলেন, ২০২১-এর নির্বাচনে ঝড় উঠবে, আর সবাই বলবেন মমতা, মমতা। তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হবেন। এদিন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় শুভেন্দু অধিকারীকে নন্দীগ্রাম থেকে ফের নির্বাচনে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ জানান। তিনি বলেন, ৩০ টি সিআইএসএফ জওয়ান আর বুলেটপ্রুফ গাড়ি নিয়ে তিনি নন্দীগ্রামেই দাঁড়াবেন তো, নাকি অন্য কোনও কেন্দ্রে সরে যাবেন। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন তিনি (শুভেন্দু) যেন আসন পরিবর্তন না করেন। আরও পড়ুন ঃ সুকিয়া স্ট্রিটে ছেঁড়া হল মমতা-অভিষেকের ছবি কল্যাণ আরও বলেন, বিজেপি হচ্ছে লুঠেরাদের পার্টি। বিরোধী নেতাদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে, লোভ দেখাচ্ছে। বিজেপি কৃষক বিরোধী একটা রাজনৈতিক দল। কৃষকের বাড়িতে খেলেই কৃষকবন্ধু হওয়া যায় না। বড় শিল্পপতিদের কাছে দেশটাকে বিক্রি করে দিয়েছে বিজেপি। আজকের কৃষক আন্দোলন দেখে নীল বিদ্রোহের কথা মনে পড়ছে। বিজেপি দাঙ্গাবাজ, গুন্ডাবাজের দল। যাদের নাম নিলেন সেই মণীষীদের পথ নিলে গুজরাতে দাঙ্গা হত না। হুগলীর সাংসদ তোপ দাগেন, আজ যে প্রণাম শুভেন্দু অমিত শাহকে করলেন, একই রকমভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও একদিন করেছিলেন! আপনাকে ৩-৩টে মন্ত্রিত্ব, ৪-৫টা জেলার পর্যবেক্ষক করা হয়েছিল। আর কী সম্মান দেবেন? মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারটা দিয়ে দিতেন? যে কোনও মিটিংয়েই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুকে খুঁজতেন, শুভেন্দু না এলে মিটিংই শুরু করতেন না। আদর্শের কথা আপনি কী বলবেন? মেদিনীপুরের মাটিতে, বিদ্যাসাগর ও ক্ষুদিরামের দেশে এরকম আদর্শহীন, বিশ্বাসঘাতক! মানুষ ভাবতে পারে না। একইসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর উদ্দেশে চ্যালেঞ্জও ছুঁড়ে দিয়েছেন কল্যাণ ব্যানার্জি। বলেন, এত বড় নেতা হলে, ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৪ সালে হারলেন কেন? লক্ষ্মণ শেঠের বিরুদ্ধে? আসন্ন নির্বাচনে আবার নন্দীগ্রামেই দাঁড়ান, দয়া করে আসন বদলাবেন না। কিন্তু আসনটা আমরাই জিতবই। ২০২১-এ যে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের নামে ঝড় উঠবে। পাশাপাশি এদিন মেদিনীপুরের যোগ দান মঞ্চ থেকে শুভেন্দু অভিষেককে ব্যক্তি আক্রমণ করাতেই পাল্টা তাঁকে আক্রমণ করেছেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন, কেন ব্যক্তি আক্রমণ করছেন, বুকের পাটা থাকলে অভিষেকের নাম নিয়ে দেখান। ভাইপো বলে ব্যক্তি আক্রমণ কেন করছেন? বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারের কেউ মুখ্যমন্ত্রী হতে চাননি। বাংলার মানুষ মমতাকে মুখ্যমন্ত্রী করেছিলেন। এদিন মেদিনীপুর কলেজ মাঠের সভায় স্থানীয় মানুষ তেমন ছিলেন না বলে দাবি করেন তৃণমূল সাংসদ। তিনি দাবি করেন, এদিন মেদিনীপুরের মাঠ ভরেনি। মাঠ ভরাতে পারেননি শুভেন্দু অধিকারী। যাঁরা যোগদান করেছেন, তাঁরা প্রচুর লোক নিয়ে গিয়েও মাঠ ভরাতে পারেননি। মাঠে যাঁরা ছিলেন, তাঁরা বেশিরভাগই সব বাইরের লোক। মেদিনীপুরের কেউ নন।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২০
রাজ্য

বিজেপিতে শুভেন্দু সহ একঝাঁক তৃণমূল নেতার যোগদান

সমস্তরকম জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার অমিত শাহের হাত থেকে তিনি দলীয় পতাকা গ্রহণ করেন। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর অমিত শাহের পায়ে হাত দিয়ে প্রণামও করেন তিনি। এদিন শুভেন্দুর পাশাপাশি তৃণমূলের একঝাঁক বিধায়ক, কয়েকজন সংখ্যালঘু নেতাও বিজেপিতে যোগ দেন। শনিবার পশ্চিম মেদিনীপুরের কলেজ মাঠের সভায় শুভেন্দু অধিকারী ছাড়াও বিজেপিতে যোগ দিলেন ৯ বর্তমান বিধায়ক , এক সাংসদ, এক প্রাক্তন সাংসদ ও রাজ্যের এক প্রাক্তন মন্ত্রী। তারা হলেন, তাঁর সঙ্গেই বিজেপিতে যোগ দিলেন ব্যারাকপুরের বিধায়ক শীলভদ্র দত্ত, পুরুলিয়ার বিধায়ক সুদীপ মুখোপাধ্যায়, হলদিয়ার বিধায়ক তাপসী মণ্ডল, তমলুকের বিধায়ক অশোক দিন্দা, কাঁথি উত্তরের বিধায়ক বনশ্রী মাইতি, কালনার বিধায়ক বিশ্বজিত্ কুণ্ডু , মন্তেশ্বরের বিধায়ক সৈকত পাঁজা, নাগরাকাটার বিধায়ক শুক্রা মুন্ডা, গাজোলের বিধায়ক দীপালি বিশ্বাস সহ পূর্ব বর্ধমানের সাংসদ সুনীল মণ্ডল প্রমুখ। সেইসঙ্গে যোগ দিলেন কর্নেল দীপ্তাংশু চৌধুরী, শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি, কার্তিক পাল, বাণী সিং রায়, ফিরোজ খান প্রমুখ। তবে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ছয় সংখ্যালঘু নেতার দলবদল বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল। আরও পড়ুন ঃ মা-মাটি-মানুষের স্লোগান তোলাবাজি-ভাইপোরাজে বদলে গিয়েছে, তোপ অমিত শাহর ছয় নেতার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নামটাই হল কবিরুল ইসলাম। তিনি তৃণমূলের রাজ্য সংখ্যালঘু সেলের সম্পাদক ছিলেন। শুক্রবারই দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন তিনি। এরপর শনিবার অমিত শাহের সভা থেকে বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নিলেন। এছাড়া রয়েছেন রাজ্যস্তরের তৃণমূল নেতা অধ্যাপক ওইদুল হক, হুগলির প্রাক্তন বিধায়ক পারভেজ রহমান, বীরভূমের দাপুটে নেতা করম হুসেন খান, হুগলির নেতা আলমগীর মোল্লা।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২০
কলকাতা

গৃহীত হয়নি শুভেন্দুর পদত্যাগপত্র, সোমবার ডাকা হল বিধানসভায়

এখনও গৃহীত হল না শুভেন্দু অধিকারীর পদত্যাগ পত্র। সম্প্রতি তিনি নিজে গিয়ে বিধানসভায় পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে আসেন। সেই সময় বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় না থাকায় তিনি তাঁর সচিবের কাছে গিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন। পরে ইমেল মারফৎ তিনি বিধানসভার অধ্যক্ষকেও পদত্যাগপত্র পাঠান। পদত্যাগ পত্র গৃহীত হবে কিনা তা নিয়ে প্রথম থেকেই ধোঁয়াশা ছিল। কারণ, তার মধ্যে কিছু ত্রুটি ছিল বলে জানিয়েছিলেন বিশেষজ্ঞরা। ঠিক সেটাই দেখা গেল। তাই শুভেন্দু অধিকারীকে আগামী সোমবার বিধানসভায় ডাকাও হয়েছে বলে সূত্রের খবর। আরও পড়ুন ঃ নাড্ডার কনভয়ে হামলার ইস্যুতে ফের মুখ্যসচিব, ডিজিপিকে তলব কেন্দ্রের বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, সাংবিধানিক সংস্থান ও বিধানসভার নিয়ম বিধির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ না হওয়ায় শুভেন্দু অধিকারীর পদত্যাগপত্র এখনই গ্রহণ করা সম্ভব নয়। আজ, শুক্রবার বিধানসভা ভবনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি জানান, বিধানসভায় এসে শুভেন্দু যে ইস্তফাপত্র দিয়েছেন, তাতে কোনও তারিখ ছিল না। কিন্তু ইমেলে পাঠানো চিঠিতে ছিল। কোনটা আসল, সেটা তাঁকে আগে বুঝতে হবে। সোমবার শুভেন্দু অধিকারীকে অধ্যক্ষ বিধানসভায় ডেকেছেন। সবদিক থেকে সন্তুষ্ট হবার পর সিদ্ধান্ত নেবেন তিনি। তবে, যতদিন তাঁর পদত্যাগ পত্র গৃহীত না হচ্ছে, ততদিন শুভেন্দু বিধানসভার নির্বাচিত সদস্য থাকছেন বলে বিমানবাবু জানান।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২০
রাজনীতি

তৃণমূল ছাড়লেন শীলভদ্র দত্ত

তৃণমূল ছাড়লেন ব্যারাকপুরের বিধায়ক শীলভদ্র দত্ত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়ে তিনি দলত্যাগের কথা জানিয়েছেন। শুভেন্দু প্রসঙ্গে শীলভদ্রের বক্তব্য, তিনি সিনিয়র নেতা, যা করেছেন নিশ্চয় ভেবেই করেছেন। আমি আর তৃণমূলের কেউ নই, এ বিষয়ে আর কিছু বলতে চাই না। জানা গিয়েছে, সরকারের দেওয়া গাড়ি ইতিমধ্যেই ছেড়ে দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি জানিয়েছেন, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ছাড়েননি এখনও। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দু অধিকারীর সহায়তা কেন্দ্র দখল করল তৃণমূল, মোছা হল গেরুয়া রং জানিয়েছেন, সরকার চাইলে নিয়ে নিতে পারে। গতকাল রাতেই ব্যারাকপুরের বিধায়ক জানান, ঋণ কারও শোধ করা যায় না। তাঁর লিভার ট্রানসফারের সময় যাঁরা টাকা দিয়ে সাহায্য করেছিলেন তাঁদের টাকা তিনি ফেরৎ দিয়ে দেবেন।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২০
কলকাতা

তৃণমূলের ক্ষতি হবে না, শুভেন্দুর দলত্যাগ প্রসঙ্গে সুব্রত

শুভেন্দু দল ছাড়ায় দলের কোনও ক্ষতি হবে না। সাংবাদিক বৈঠকে পরিস্কারভাবে জানিয়ে দিলেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়। শুভেন্দুর ইস্তফা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সুব্রত মুখোপাধ্যায় বলেন, এত বড় দল, কয়েক লাখ মেম্বার। এতবড় দলে আমি বা কেউ যদি না থাকি তার ওপর দলের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে। এরকম একজন, দুজন গেলে কোনও ক্ষতি হবে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক একটা জনসভা করছেন, সেখানে কত মানুষ ভিড় করছেন। অসুবিধা সত্বেও ছেলে কোলে নিয়েও মায়েরা সভায় হাজির থাকছেন। তিনি আরও বলেন, শুভেন্দু ইস্তফা দিয়েছে, তবে বিধানসভার অধ্যক্ষ এখনও সিদ্ধান্ত নেননি। এক প্রশ্নের জবাবে সুব্রত বলেন, সারা পৃথিবীতে যত গণতান্ত্রিক দল আছে সেখানে একজন কেউ পদত্যাগ করে দল উঠে গেছে এমন নজির কি আছে? আমি যদি দল ছেড়েদি তাহলে কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল উঠে যাবে? আরও পড়ুন ঃ নিয়ম মেনে করা হয়নি, অধ্যক্ষের দাবি গৃহীত হয়নি শুভেন্দুর পদত্যাগ তৃণমূল দলটা উঠে যাবে, অধীর চৌধুরির এই মন্তব্য প্রসঙ্গে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের কটাক্ষ, একটা কাক একটি বাটি নোংরা করেছে, তাতে পুরো বাড়িতে আগুন ধরে যাবে ! একজন পদত্যাগ করলে সেই পার্টি উঠে যাবে ? হয় নাকি ! এটা দলের জন্য খুব বড় কিছু না। আসানসোল পৌরনগমের প্রশাসক পদ থেকে জিতেন্দ্র তিওয়ারির পদত্যাগ প্রসঙ্গে কিছু বলতে চাননি সুব্রত মুখোপাধ্যায় ৷ তিনি বলেন, আমার কাছে এরকম কোনও খবর নেই। আমি তো জানি জিতেন্দ্র বলেছে, সে মুখ্যমন্ত্রীর ফোনের জন্য অপেক্ষা করছে।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২০
রাজ্য

তৃণমূল ছাড়লেন শুভেন্দু অধিকারী

সমস্ত জল্পনাকে সত্যি করে তৃণমূলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার তিনি দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে তাঁর ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দেন। তিনি দলনেত্রীকে পাঠানো চিঠিতে লিখেছেন, আমি এই মুহূর্তে দল এবং দলের দেওয়া সমস্ত পদ ও দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিচ্ছি। দল আমাকে যেসব সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ দিয়েছিল তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। একজন সদস্য হিসাবে দলে আমি যে মূল্যবান সময় অতিবাহিত করেছি, আজীবন তা স্মরণে রাখব।ইস্তফাপত্র দ্রুত গ্রহণ করার আবেদন জানান তিনি। তৃণমূলের সঙ্গে প্রায় আড়াই দশকের সম্পর্ক ছিন্ন করলেন শুভেন্দু। গতকালই বিধানসভায় গিয়ে বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন। দু সপ্তাহ আগে মন্ত্রীত্বও ছেড়েছিলেন। আরও পড়ুন ঃ ডিসেম্বরের মাঝেও দেখা নেই শীতের, তবে আশার বাণী শোনাচ্ছে হাওয়া অফিস এভাবেই তিনি দলের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ত্যাগ করলেন। সম্ভবত শনিবারই অমিত শাহের সভায় বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, দলের সঙ্গে গত কয়েক মাস তাঁর দূরত্ব তৈরি হচ্ছিল। এরপর তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়কে দলের তরফ থেকে দায়িত্ব দেওয়া হয়, শুভেন্দুর সঙ্গে আলোচনা করে সমস্ত বিষয়টি মিটিয়ে নিতে। কিন্তু তাতেও বরফ গলল না। দলের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করলেন তিনি।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২০
রাজ্য

শুভেন্দুর পর দল ছাড়তে তৈরি আরও দুই মন্ত্রী?

শুভেন্দু অধিকারীর পর এবার দল ছাড়তে চলেছেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী। তৃণমূল সূত্রে খবর, দুই মন্ত্রী বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন। গুসকরার এক প্রবীণ তৃণমূল নেতার এমনটাই দাবি। আরও পড়ুন ঃ এবার বেসুরো তৃণমূল সাংসদ সুনীল মণ্ডল অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে দুই মন্ত্রী বর্ধমান পূর্বের সাংসদ সুনীল মণ্ডলের বাড়িতে শুভেন্দুবাবুর জন্য অপেক্ষা করছেন বলে খবর। অসমর্থিত সূত্রের খবর, দুজনেই দক্ষিণবঙ্গের।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২০
রাজ্য

এবার 'বেসুরো' তৃণমূল সাংসদ সুনীল মণ্ডল

এবার বেসুরো বর্ধমান পূর্বের তৃণমূল সাংসদ সুনীল মণ্ডল। তিনি বলেন, দল এই বিপদের মুহূর্তে একজোট হচ্ছে না। খোকন দাস, জিতেন্দ্র তিওয়ারি বোমা ফাটিয়েছেন। এরা সবাই এক নম্বর সৈনিক। দলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে বাধ্য হয়ে সবাই বোমা ফাটাচ্ছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন,দলের মধ্যে যারা তোলাবাজ, যারা বিভ্রান্তির সৃষ্টি করছে তারাই দলে ভাল পদ পাচ্ছে। এটা নিয়েই তৃণমূলের যাঁরা প্রকৃত কর্মী তাঁদের ক্ষোভ বাড়ছে। আরও পড়ুন ঃ জোয়ারে আসে, ভাটায় চলে যায়, নাম না করে বেসুরোদের তোপ মমতার প্রশান্ত কিশোর সম্পর্কে সুনীল মণ্ডল বলেন, ও বাংলার রাজনীতি নিয়ে কি বোঝে? সাংগঠনিক শক্তি যদি কোনও দলে মজবুত না হয় তাহলে সে দল বেশিদিন টিকে থাকতে পারে না। যে পয়সা নিয়ে রাজনীতি করে সে কি বোঝে। ভাড়াটে সৈন্য দিয়ে কখনও যুদ্ধ জয় করা যায় না। ওই স্তাবকেরা কথা বলবে, আদেশ দেবে সেটা মেনে নেব না। ওর থেকে আমাদের লেখাপড়া ও রাজনৈতিক শিক্ষা বেশি। এইভাবে দল চলতে পারে না। প্রয়োজনে দল ছাড়ারও হুমকি দেন তিনি। যদিও ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি বলেছেন, শুভেন্দুর সঙ্গে দীর্ঘদিনের পরিচয়। এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নিইনি। সুনীল মণ্ডল দলের বিরুদ্ধে মুখ খোলার পরেই বুধবার সকালে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তাঁর ছবি দিয়ে পোস্টার পড়েছে কাঁকসা থানার সামনে এবং তাঁর বাড়ির আশেপাশে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২০
রাজনীতি

কোচবিহারকে রক্ষা করুন, নইলে বাংলা রক্ষা পাবে না, বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে কোচবিহার আসনে হারতে হয়েছিল দলকে। জিতেছিলেন তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া নিশীথ প্রামাণিক। বুধবার কোচবিহারে দলীয় জনসভার মঞ্চ থেকে নাম করে সেই প্রসঙ্গের উল্লেখ করে বিজেপিকে বিঁধলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তিনি বলেন, লোকসভা নির্বাচনে ভোটে জিতে অশান্তি করছে বিজেপি। শান্ত কোচবিহারকে অশান্ত করার চেষ্টা চলছে। নিশীথ প্রামাণিকের নাম না করে এদিন মমতা বলেন, আমরা যাকে তাড়িয়ে দিয়েছিলাম বিজেপি তাঁকে নিয়ে এসেছে। যেন পুরনো বোতলে নতুন মদ। যে জিতেছে সে এখন গুণ্ডামি করছে। আরও পড়ুন ঃ নাম না করে দলের বিদ্রোহীদের আক্রমণ মমতার এখানেই থামেননি মুখ্যমন্ত্রী। বলেছেন বিজেপি, ভেদাভেদ, ভাগাভাগির রাজনীতি করছে। রাজবংশী- বাঙ্গালিদের মধ্যে ঝামেলা বাঁধাতে চাইছে। রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষকেও এদিন আক্রমণ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেছেন, নাম নিতেও লজ্জা করে। বলছে ডিসেম্বরের পর মারবে। ওদের মুখে খালি ভাংচুর-মারামারির কথা, খাদ্য-বস্ত্রের কথা নেই। বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতাদের এদিন ফের বহিরাগত বলেছেন তিনি। বলেছেন, বিজেপি বহিরাগতদের রাজ্যে আনছে। আরএসএস গুণ্ডারা রাজ্যে আসছে। চম্বলের ডাকাত আসছে। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে সমর্থনের আবেদন এদিন কোচবিহারবাসীকে জানিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। বলেছেন, লোকসভা ভোটে আমাদের ভোট দেন নি। তাতে আমার কোনও অভিমান নেই। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনে কোচবিহারকে ওদের হাত থেকে রক্ষা করুন। কোচবিহার থেকেই শুরু হয় বাংলা। কোচবিহার রক্ষা না পেলে বাংলাও রক্ষা পাবে না।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২০
রাজ্য

সুব্রত বক্সি-কেষ্টকে ফোন করছে বিজেপি, বিস্ফোরক মমতা

কোচবিহারে দলীয় জনসভার মঞ্চ থেকে দাঁড়িয়ে বিজেপি নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, দলের রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ সুব্রত বক্সি ও বীরভূমে দলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে ফোন করেছেন বিজেপি নেতারা। তাঁর কথায়, বিজেপি কোথায় গেছে বুঝুন। ওদের এতটুকু সৌজন্যতা বোধ নেই। আমার দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সিকে ফোন করেছিল বিজেপির এক নেতা। বলছে, আপনার সঙ্গে কথা আছে, বসতে চাই। কেষ্টকেও ফোন করেছিল দিল্লি থেকে। কেষ্ট আমাকে কাল ফোন করে বলল, দিদি আমাকে বলছে আপনার সঙ্গে বসতে চাই। কেষ্ট বলে দিয়েছে আমি তৃণমূল করি, আপনাদের সঙ্গে বসব কেন? আরও পড়ুন ঃ সিদ্ধান্ত নিয়েছি, বললে চলে যাব , ফের বেসুরো জিতেন্দ্র এদিন জাতীয় সঙ্গীত বদল বিতর্ক নিয়েও মুখ খুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেছেন, বিজেপি বলছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জনগনমণ বদলে দেবে। জাতীয় সঙ্গীত বদলে দেবে। যেন হাতের মোয়া। ক্ষমতা থাকলে বদলে দেখাক। ওরা রবীন্দ্রনাথকেও জানে না। কবে কোথায় রবিঠাকুরের জন্ম জানে না। বলছে বিশ্বভারতী নাকি রবি ঠাকুরের জন্মস্থান! বুধবার কোচবিহারের রাসমেলা ময়দানের জনসভা থেকে বিজেপির উদ্দেশ্যে হুঙ্কার ছেড়ে তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, চলে আসুন যুদ্ধ হয়ে যাক, রাজনৈতিক যুদ্ধ। আপনাদের সঙ্গে থাকবে গুণ্ডা, আমাদের সঙ্গে মানুষ। দেখি কারা যেতে। মমতা এদিন দাবি করেন, তিনি রাজবংশী, অলচিকি ভাষা জানেন। এই দুই ভাষায় তিনি কবিতা লিখেছেন।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২০
কলকাতা

তৃণমূল বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী

১৮ দিন আগেই মন্ত্রীত্ব ছেড়েছিলেন। তখন থেকেই বিধায়ক পদ ও দল থেকে তাঁর ইস্তফা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়। এবার তৃণমূল বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার বিধানসভায় গিয়ে তিনি ইস্তফাপত্র জমা দেন। সেখানে অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় না থাকায় বিধানসভার সচিবের হাতে ইস্তফাপত্র দিয়ে তিনি বেরিয়ে যান। কিন্তু অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, শুভেন্দুর ইস্তফাপত্র গৃহীত হচ্ছে না। কারণ, বিধানসভার সচিবের ইস্তফাপত্র গ্রহণের এক্তিয়ার নেই।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২০
রাজ্য

আমাকে যারা আক্রমণ করছেন ভোটের বোতামে তাঁরা টের পাবেন, বিস্ফোরক শুভেন্দু

মঙ্গলবার হলদিয়ায় সতীশ সামন্তের জন্মদিন উপলক্ষ্যে হেলিপ্যাড গ্রাউন্ডে অরাজনৈতিক সভায় যোগ দেন শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি এদিন ছিল মেদিনীপুরের ভূমিপুত্র শুভেন্দুরও জন্মদিন। সভার শুরুতে সতীশ সামন্তের আত্মবলিদানের কথা বলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। তারপরই তাঁর গলায় শোনা যায়, কটাক্ষের সুর। কারোর নাম না করে একের পর এক আক্রমণ শানান তিনি। শুভেন্দু বলেন, হলদিয়া ভবনে আমি যেতাম না। প্রাসাদে ওঠার অভ্যাস আমার নেই। নন্দীগ্রাম আন্দোলন কোনও দল বা ব্যক্তির আন্দোলন ছিল না। ছিল মানুষের আন্দোলন। আরও পড়ুন ঃ দ্বন্দ্ব মেটাতে জিতেন্দ্র তিওয়ারির সঙ্গে বৈঠকে বসছেন ফিরহাদ, থাকতে পারেন পিকেও তিনি এদিনও বলেন, অনেকে বলছেন, আমি পদের লোভে এগোচ্ছি। আমার পদের লোভ নেই। আমি অনেক লড়াইয়ের সাক্ষী। তাঁর কথায়, সতীশ সামন্তকে বহিরাগত বলে ভাবতেন না নেহেরু। আমরা আগে ভারতীয়, তারপর বাঙালি। এমনকি ব্যক্তি আক্রমণ নিয়েও মুখ খোলেন শুভেন্দু। বলেন, কেউ কেউ আমাকে ব্যক্তি আক্রমণ করেছেন। কয়েক দিন পরে মানুষ গিয়ে যখন ভোটের বোতাম টিপবে, আপনাদের অবস্থাও অনিল বসু, লক্ষ্মণ শেঠদের মতো হবে। তবে সরাসরি তৃণমূলকে নাম না করলেও পরোক্ষভাবে বলেন, গণতন্ত্রের মানে ফর দ্য পিপল, অফ দ্য পিপল, বাই দ্য পিপল। কেন ফর দ্য পার্টি, অফ দ্য পার্টি, বাই দ্য পার্টি হবে। এদিনের মঞ্চ থেকে সুর চড়িয়ে বলেন, এখানে তিন ধরণের লোক এসেছে। প্রথমত, যারা আমাকে ভালোবাসেন, দ্বিতীয়ত, সতীশ সামন্তের আত্মবলিদানের কথা শুনতে, তৃতীয়ত, আমার রাজনৈতিক অবস্থান শুনতে। তবে আমি পদ ছাড়ার পরও আমার সভায় লোক এসেছে। আমার সভায় লোক আনতে কোনও দলের দরকার পরে না। এই লোককে তৃণমূল বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিএম-এর পদাধিকারীরা আনেনি। এই জনগণের সঙ্গে আমার আত্মিক সম্পর্ক। শুভেন্দুর পরিবার সমগ্র বাংলার পরিবার। শুভেন্দুর দাবি, ভাষণ নয়, রেশন দিতে হবে। এছাড়াও তিনি বলেন, অনেকেই প্রশ্ন করেন আমি অকৃতদ্বার কেন? তাদের বলি এখনকার রাজনীতিবিদদের দেখে আমি অকৃতদ্বার নই। আমি সতীশ সামন্তদের দেখে অকৃতদ্বার। সবশেষে শুভেন্দুর গলায় শোনা যায়, তাম্রলিপ্ত সরকার জিন্দাবাদ। সতীশ সামন্ত জিন্দাবাদ। বন্দেমাতারম। ফলে এদিনের অরাজনৈতিক সভা থেকে শুভেন্দু আবারও নিজের রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করলেন না। ফের জিইয়ে রাখলেন জল্পনা।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২০
কলকাতা

বিজেপির অভিযোগ নস্যাৎ করে টুইট ডেরেকের

তৃণমূলের রিপোর্ট কার্ডের পাল্টা ফেল কার্ড প্রকাশ করেছিল বিজেপি। তাঁদের সমস্ত অভিযোগ নস্যাৎ করে মঙ্গলবার টুইট করেছেন তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন। বিগত বছরগুলির কাজের খতিয়ান দিয়ে তিনটি কার্ড টুইট করেছে তৃণমূল সাংসদ। তিনি লিখেছেন, নিচের ৩টে গ্রাফিক্সে দেখুন কতটা এগিয়ে বাংলা, ভাঁওতাবাজি নয়, কথা দিয়ে কথা রাখা। এই কারণেই সবাই আবার দিদিকে চায়। গতকাল ফেল কার্ড প্রকাশ করে বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য দাবি করেছেন, শুধুমাত্র অর্থনৈতিকভাবে না, সবদিক থেকেই ১০টা বছরের অপচয়। আরও পড়ুন ঃ পরিসংখ্যান তুলে ধরে রাজ্যে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির দাবি বিদ্যুৎমন্ত্রীর বলেন, তৃণমূলের ১০ বছরের ব্যর্থতা একটা বুকলেটের মাধ্যমে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চাই। শমীক ভট্টাচার্য বলেন, বিভিন্ন সময়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কিছু রুটিন ইনভেস্টমেন্ট আর কিছু মউকে সামনে এনে দেখাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু প্রকৃত অর্থে যা দেখানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী বা শিল্পমন্ত্রীর তরফ থেকে আসলে তার ১ শতাংশ হয়েছে। গত ৫০ বছর ধরে বামফ্রন্টের আমলে এবং তারপর তৃণমূলের ১০ বছর যদি ধরা হয়, তাহলে সবটা পরিষ্কার বোঝা যাবে। তৃণমূল যে গত ১০ বছরের কাজের খতিয়ান মানুষের সামনে পেশ করেছে, তা সত্যের থেকে বহুদূরে।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২০
কলকাতা

পরিসংখ্যান তুলে ধরে রাজ্যে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির দাবি বিদ্যুৎমন্ত্রীর

বঙ্গধ্বনির হাত ধরে প্রত্যেক ওয়ার্ডে পৌঁছে যাচ্ছে রাজ্য সরকারের ১০ বছরের উন্নয়নের রিপোর্ট কার্ড। অন্যদিকে, বিজেপির যুব মোর্চার তরফেও ব্লকে ব্লকে শুরু হয়েছে চাকরির প্রতিশ্রুতি কার্ডে রেজিস্ট্রেশনের প্রক্রিয়াও। ৭৫ লক্ষ যুবকের কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে তাদের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে বিজেপির যুব মোর্চা। আর এবার তৃণমূল ভবন থেকে রাজ্যে কর্মসংস্থানের ছবি তুলে ধরলেন বিদুত্মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এক কোটি মানুষের বেশি কর্মসংস্থান হয়েছে এই রাজ্যে। বাম আমলের তুলনায় রাজ্য এখন বিদ্যুৎ উৎপাদনে যে অনেক স্বাবলম্বী ও স্বয়ংসম্পূর্ণ, সে কথা বললেন বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চ্যাটার্জী। তথ্য পরিসংখ্যান দিয়ে জানালেন, ১০০ শতাংশ গ্রামে বিদ্যুতের কথা। আগে যেখানে রাজ্যে ৩০০-র বেশি লো ভোল্টেজ পকেট ছিল, এখন সেখানে সেই সংখ্যাটা ২০-তে এসে ঠেকেছে। সৌরবিদ্যুতেও বাংলা অনেক এগিয়ে বলে দাবি করেন মন্ত্রী। রাজ্যে অচিরেই যে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প শুরু হতে চলেছে, তার সৌজন্যে গোটা পূর্বাঞ্চলে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে বেশ ভাল জায়গায় থাকবে বাংলা, এ কথাও মনে করিয়ে দেন। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূলের ফেল কার্ড প্রকাশ বিজেপির দেশে যেখানে বেকারত্ব বাড়ছে সেখানে রাজ্যে ৪০ শতাংশ বেকারত্ব কমেছে বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি রাজ্যে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে তিনি আরও বলেন, সিলিকন ভ্যালিতে যা কর্মসংস্থান হবে তা হায়দরাবাদ, ব্যাঙ্গালুরুকেও ছাড়িয়ে যাবে বলে তার ধারনা। পাশাপাশি বিভিন্ন আইটি হাবের কর্মসংস্থানের হিসেবও এই সাংবাদিক বৈঠকে তুলে ধরেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। এছাড়া, গতিধারা প্রকল্পে ২৮ হাজারেরও বেশি যুবক যুবতীদের গাড়ি দেওয়া হয়েছে স্ব উপার্জনের জন্য বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি, ৬ লক্ষ যুবকযুবতীদের স্বনির্ভর হওয়ার ট্রেনিং দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান বিদুত্মন্ত্রী। এছাড়া, ক্ষুদ্র অতিক্ষুদ্র মাঝারি শিল্পে রাজ্য এগিয়ে রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ভারতবর্ষে রাজ্য একনম্বরে রয়েছে। বলেও জানান তিনি। অন্যদিকে, তাজপুরে সমুদ্র বন্দরে ২৫ হাজার কর্মসংস্থানের কথা জানান মন্ত্রী।পাশাপাশি, কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বিদুত্মন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ব সংস্থাগুলিকে বিক্রি করে দিচ্ছে বিজেপি। ভারতবর্ষকে বিক্রি করে দিচ্ছে বিজেপি।পাশাপাশি এয়ার ইন্ডিয়া, বিএসএনএল, সহ লাভজনক সংস্থা বিক্রি করছে বিজেপি। বলেও তোপ দাগেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। পাশাপাশি, রেলের ৪০০ স্টেশনকে বেসরকারিকরন করারও অভিযোগ আনেন তিনি। এছাড়া এদিন সাংবাদিক বৈঠক থেকে সোলার সিস্টেমে ১৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ উত্পাদন করেছে রাজ্য বলেও জানান বিদ্যুত্মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। পাশাপাশি, ২৩ জেলার ১০০ শতাংশ বিদ্যুত্ দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি। তৃণমূলের আমলে বেড়েছে সাব স্টেশন বলেও জানান বিদ্যুত্মন্ত্রী। এছাড়া, বিভিন্ন স্কুল কলেজে ১৫০০ বেশি সোলার বিদ্যুত্ দেওয়ার কথাও জানান তিনি। পাশাপাশি পুরুলিয়া ১০০০ মেগাওয়াটের নতুন প্রকল্পের কথাও জানান বিদ্যুত্মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২০
রাজ্য

২০২১-এ মুক্তির স্বাদ দেবে ঈশ্বর, ফের বিস্ফোরক শুভেন্দু

মানুষের সঙ্গে কোনওদিন বিশ্বাসঘাতকতা করিনি, করবও না৷ রবিবার পূর্ব মেদিনীপুরের একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের গিয়ে করা বেশ কয়েকটি মন্তব্যে তাঁকে ঘিরে জল্পনা আরও উস্কে দিলেন শুভেন্দু অধিকারী৷ ইঙ্গিতপূর্ণ ভাবে আরও বললেন, আশা করব ঈশ্বর আমাদের ২০২১ সালটা খুব ভাল দেবে, মুক্তির সাল দেবে, আনন্দের স্বাদ দেবে৷ আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে এখন থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি কৈলাসের, পাল্টা সরব তৃণমূল রবিবারই শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত পূর্ব মেদিনীপুরে দলের সাধারণ সম্পাদক কণিষ্ক পণ্ডাকে বহিষ্কার করেছে তৃণমূল৷ আর সেদিন বিকেলেই কারও নাম না করেই ফের অরাজনৈতিক মঞ্চ থেকে একের পর এক ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন শুভেন্দু অধিকারী৷ তিনি বলেন, আমি মানুষের সঙ্গে কোনওদিন বিশ্বাসঘাতকতা করব না৷ মানুষের উপরে যদি অন্যায়, অত্যাচার হয়, বেকার যুবকরা যদি কর্মসংস্থান না পেয়ে যন্ত্রণায় কাতরায়, কৃষকরা যদি যন্ত্রণায় কাতরায়, যদি মানুষের মধ্যে উন্নয়নের জন্য আরও প্রত্যাশা থাকে, তাহলে শুভেন্দু অধিকারী সেটা করবে৷

ডিসেম্বর ১৪, ২০২০
রাজ্য

বিজেপি কার্যালয়ে আগুন, দেওয়াল লিখন নিয়ে অশান্তি, দিনভর উত্তপ্ত বর্ধমান

বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে আগুন, দেওয়াল লিখন নিয়ে অশান্তি, তৃণমূল অফিস ভাঙচুরের ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠল বর্ধমান শহর। বিজেপি ও তৃণমূল একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ শানিয়েছে। রবিবার দিনভর উত্তেজনা ছড়িয়েছে শহরে। বর্ধমান শহরের শালবাগান এলাকায় বিজেপির মন্ডল কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে। এই ঘটনার প্রতিবাদে বিজেপি কর্মীরা বিক্ষোভ দেখায়, পথ-অবরোধ করে। যদিও তৃণমূল এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। সম্প্রতি শালবাগান থেকে নীলপুর বাজারের পথে রাস্তার পাশে বিজেপির ১২ নম্বর ওয়ার্ডের মণ্ডল কার্যালয়ের উদ্বোধন হয়। বিজেপির অভিযোগ, শনিবার গভীর রাতে তৃণমূল আশ্রিত দুস্কৃতীরা তাঁদের দলীয় কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। আগুনে পুড়ে যায় চেয়ার, টেবিল, ফ্লেক্স ও কিছু আসবাবপত্র। এর প্রতিবাদে দলীয় কর্মীরা রাস্তা অবরোধ করেছেন। বিজেপি কর্মী পিঙ্কি সাহা বলেন, এর বিহিত চাই। দোষীদের শাস্তি দিতে হবে। অন্যদিকে তৃণমূল নেতা অনন্ত পাল বলেন, তৃণমূল এই রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। এদিকে রবিবার দুপুরে শহরের ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভাতছালা পীরতলা এলাকায় দেওয়াল লিখন নিয়ে অশান্তি হয়। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, এদিন কয়েকজন বিজেপি কর্মী তাদের দেওয়াল লেখা কালি দিয়ে মুছে দেয়। ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর সনৎ বক্সী জানান, এদিন বিজেপি কর্মীরা জোর করে দেওয়াল লেখা শুরু করে। তাঁদের দলীয় প্রতীক ঘাসফুলের উপর কালি লেপে দেওয়া হয়। এলাকার দলীয় কর্মী সমর্থকরা খবর পেয়ে তাঁদের তাড়া করলে সবাই পালিয়ে যায়। বিজেপি তৃণমূলের অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা দাবি করেছে। বিজেপির বক্তব্য, তাঁদের দেওয়াল লেখার উপর তৃণমূল গায়ের জোর খাটিয়ে লিখেছে। স্থানীয় বিজেপি নেত্রী শুক্লা মণ্ডলের অভিযোগ, রবিবার ভাতছালায় দলীয় কর্মীরা দেওয়াল লিখতে গেলে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা তাঁদের আক্রমণ করে। বাইক ভাঙচুর করে। মহিলাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।বিজেপির লেখা দেওয়ালে কালি দিয়ে দেয়। এই ঘটনায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বর্ধমান থানার পুলিশ। অন্যদিকে বর্ধমান শহরের জাতীয় সড়কের ধারে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। তৃণমূলের অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি ফ্লেক্স ছিড়ে দেওয়া হয়, দরজা-জানালার কাঁচ ভাঙা হয়। বাইরে থেকে লোক এনে ঝামেলা করছে বিজেপি। বিজেপির জেলা যুব সভাপতি শুভম নিয়োগী এই অভিযোগ উড়িয়ে বলেন, তৃণমূলের অনেক গোষ্ঠী আছে। এছাড়া দাদার অনুগামীরাও আছেন। তাদেরই কারও কাজ হতে পারে। বিজেপি কোনওভাবেই এই ঘটনায় য়ুক্ত নয়।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২০
কলকাতা

অভিমান মেটাতে রাজীবকে দলে বাড়তি দায়িত্ব দিতে চায় তৃণমূল নেতৃত্ব

অভিমান মেটাতে এবার বেসুরোমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলে বাড়তি দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। তৃণমূল সূত্রে রবিবার এই তথ্য জানা গিয়েছে। রাজীবকে দলের নতুন প্রজন্মের মুখ করা হবে বলে জানা গিয়েছে। তৃণমূলের দাবি, রবিবার দুপুরে দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাকতলা বাড়িতে পার্থ-রাজীব-পিকের যে বৈঠক হয়েছে তা সফল। এই বৈঠকে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের যাবতীয় অভিমানের কথা অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে শোনেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর। এর পরেই আলোচনার সমস্ত বিষয় বস্তু জানানো হয় দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সমস্ত কিছু আলোচনার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, অভিমান মেটাতে রাজীবকে বাড়তি দায়িত্ব দেওয়া হবে। দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় খুবই ভালো সংগঠক, কাজের মানুষ। সেক্ষেত্রে তাঁর দাবি মেনে তাঁকে দলে বাড়তি দায়িত্ব দেওয়া হবে। সূত্রের খবর, দলের ভিতরের দুর্নীতি এবং স্তাবকতা নিয়ে এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করেন রাজীব। আরও পড়ুন ঃ নাড্ডার কনভয়ে হামলার ঘটনায় তিন আইপিএস আধিকারিককে কেন্দ্রীয় ডেপুটেশনের জন্য তলব যদিও বৈঠকের পর রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এই বিষয়ে পরিষ্কার করে কিছু জানাননি। তিনি শুধু বলেছিলেন, আলোচনা হয়েছে। প্রয়োজন হলে আরও আলোচনা হবে। অন্যদিকে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে ডোমজুড় এবং বালি হল্টে রবিবারও প্রচুর পোস্টার লক্ষ্য করা গিয়েছে। তাতে লেখা ছিল,আমরা সবাই রাজীব পরিবার,আমরা রাজীব দার অনুগামী। এ বিষয়ে মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানান,আমি আমার ব্যক্তিগত প্রচারে বিশ্বাসী নই। কারা এসব পোস্টার লাগাচ্ছে তা আমার জানা নেই। এইসব কাজকে আমি ব্যক্তিগতভাবে সমর্থন করিনা।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 30
  • 31
  • 32
  • 33
  • 34
  • 35
  • 36
  • 37
  • 38
  • 39
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

নির্মলাকে ‘ঈর্ষাকাতর’ বলেই ক্ষান্ত নন কল্যাণ! কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন

পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সংসদে মন্তব্য করেছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। তার জবাব দিতে গিয়ে তাঁকে তীব্র আক্রমণ করলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্মলা সীতারমণ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঈর্ষা করেন বলে দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শ্রীরামপুরের সাংসদ।কল্যাণ বলেন, গত কয়েক বছর ধরেই তিনি দেখছেন নির্মলা সীতারমণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঈর্ষা করেন। তাঁর বক্তব্য, নির্মলা কোনওদিন প্রধানমন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রী হতে পারবেন না। এমনকি কোনও প্রদেশের নেত্রী হিসেবেও নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন না বলে মন্তব্য করেন তিনি। রাজ্যসভা থেকে তাঁকে এনে মন্ত্রী করা হয়েছে বলেও কটাক্ষ করেন কল্যাণ। অর্থ বিষয়ক দায়িত্ব সামলানোর মতো অভিজ্ঞতা তাঁর নেই বলেও দাবি করেন তৃণমূল সাংসদ। নির্মলাকে ঝগড়ুটে গোছের বলেও মন্তব্য করেন তিনি।কল্যাণের এই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিয়েছে বিজেপি। দলের নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় কটাক্ষ করে বলেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের আগে জানতে হবে তাঁর হাতে বোতল ছিল কি না। তিনি বলেন, নেত্রীর মনোযোগ আকর্ষণ করতেই কল্যাণ এ ধরনের মন্তব্য করছেন। তৃণমূলের মধ্যে নিজের পুরনো পদ ফিরে পেতেই তিনি আরও আক্রমণাত্মক হচ্ছেন বলেও দাবি বিজেপি নেতার।প্রসঙ্গত, সংসদে নির্মলা সীতারমণ পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। দুর্গাপুরের একটি মেডিক্যাল কলেজে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ এবং নদিয়ার কালীগঞ্জে বোমাবাজিতে তামান্না খাতুনের মৃত্যুর প্রসঙ্গ তোলেন তিনি। সেই সময় তিনি মন্তব্য করেন, বাংলায় বোমা চলে, আইন চলে না। সেই মন্তব্যের জবাব দিতেই তৃণমূলের তরফে তীব্র আক্রমণ শানালেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।এই ঘটনাকে ঘিরে কেন্দ্র ও রাজ্যের রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

পুণেতে খুন বাংলার পরিযায়ী শ্রমিক! বজরং দলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ, বিজেপিকে বয়কট পরিবারের

বিজেপি শাসিত মহারাষ্ট্রের পুণেতে বাংলার এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, বজরং দলের সদস্যরা তাঁদের ছেলেকে খুন করেছে। সেই কারণে বিজেপির কোনও নেতা বা মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করবেন না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। শুক্রবার নিহতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার কথা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের।পুরুলিয়ার জঙ্গলমহলের বরাবাজারের তুমড়াশোলের বাঁধডি গ্রামের বাসিন্দা সুখেন মাহাতো পুণেতে কাজ করতেন। বুধবার রাতে তাঁর খুনের ঘটনা সামনে আসে। খবর ছড়িয়ে পড়তেই পুরুলিয়া জেলা তৃণমূলের প্রতিনিধি দল নিহতের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের পাশে দাঁড়ায়। সমবেদনা জানানো হয় পরিবারের সদস্যদের।বৃহস্পতিবার বিজেপির পক্ষ থেকেও পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। গেরুয়া শিবিরের নেতা-কর্মীরা নিহতের বাড়িতে যাওয়ার উদ্যোগ নেন। কিন্তু সেই খবর পেতেই পরিবার বিজেপিকে কার্যত বয়কট করার ঘোষণা করে। কুড়মি জনজাতির ওই পরিবার জানিয়ে দেয়, তারা বিজেপির কোনও নেতা-মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করবে না।এই ঘটনায় জঙ্গলমহলের বিভিন্ন কুড়মি সংগঠন তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। নিহতের কাকা দীনেশচন্দ্র মাহাতো অভিযোগ করেন, বিজেপি শাসিত মহারাষ্ট্রে বজরং দলের সদস্যরা তাঁদের ছেলেকে নির্মমভাবে খুন করেছে। তাঁর দাবি, বাংলা ভাষায় কথা বলার কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে। তিনি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সুবিচার চান।নিহতের বাবা ধীরেন মাহাতো বলেন, পেটের দায়ে ছেলে মহারাষ্ট্রে কাজ করতে গিয়েছিল। অর্থের অভাবে ছেলেদের বেশি পড়াশোনা শেখাতে পারেননি। মারাঠি ভাষা জানত না। হয়তো বাংলা ভাষায় কথা বলেছিল, সেটাই কারও অপছন্দ হয়েছিল। সেই কারণেই ছেলেকে খুন করা হয়েছে বলে তাঁর সন্দেহ।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে জানিয়েছেন, তিনি ওই পরিবারের পাশে রয়েছেন। অন্যদিকে পুরুলিয়ার বিজেপি সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো বলেন, যে কোনও মৃত্যু দুঃখজনক। তিনি স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি প্রশ্ন তোলেন, জঙ্গলমহল থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষ কাজের জন্য ভিনরাজ্যে যাচ্ছেন, তাহলে উন্নয়ন কোথায় হয়েছে?পুরুলিয়া জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান শান্তিরাম মাহাতো অভিযোগ করেন, বাংলা ভাষায় কথা বলায় বাংলাদেশি সন্দেহে প্রান্তিক কুড়মি সম্প্রদায়ের ওই যুবককে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে। এই ঘটনা জঙ্গলমহল মেনে নেবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।পুণে হত্যাকাণ্ড ঘিরে রাজ্য ও জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে সংঘাতের আবহ তৈরি হয়েছে। বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিয়েও উঠছে একাধিক প্রশ্ন।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬
বিদেশ

‘সুপরিকল্পিত প্রহসন’! বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ শেখ হাসিনার

বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সুপরিকল্পিত প্রহসন বলে কটাক্ষ করলেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর আওয়ামী লিগের সমাজমাধ্যমের মাধ্যমে একটি বার্তা দেন তিনি। সেখানে তাঁর দাবি, দেশের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ছিল খুবই কম। মানুষ এই নির্বাচন বর্জন ও প্রত্যাখ্যান করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সেই জন্য দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানান প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।এদিকে, নির্বাচনের দিন দেশের বিভিন্ন জায়গায় ককটেল বোমা বিস্ফোরণ এবং ব্যালট বাক্স দখলের অভিযোগ উঠলেও প্রশাসনের তরফে ভোটকে মোটের উপর শান্তিপূর্ণ বলা হয়েছে। ভোটের পর প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস দাবি করেন, এই নির্বাচন দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ এবং উৎসবমুখর। তবে তাঁর এই দাবির সঙ্গে একমত নন শেখ হাসিনা।হাসিনার অভিযোগ, ১১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যার পর থেকেই বিভিন্ন জায়গায় ভোটকেন্দ্র দখল, গোলাগুলি, টাকার বিনিময়ে ভোট কেনাবেচা, ব্যালটে জোর করে সিল মারা এবং ফলাফল শিটে এজেন্টদের সই নেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। তাঁর মতে, সেখান থেকেই এই প্রহসনের শুরু। ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে দেশের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রেই ভোটার উপস্থিতি ছিল নগণ্য বলেও দাবি করেন তিনি। রাজধানী ঢাকাসহ বহু জায়গায় ভোটকেন্দ্র কার্যত ফাঁকা ছিল বলে তাঁর অভিযোগ।নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, বেলা দুটো পর্যন্ত দেশের ৩৬ হাজারের বেশি কেন্দ্রে গড়ে ভোট পড়েছে ৪৭ শতাংশ। সকাল ১১টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণের হার ছিল প্রায় ১৪.৯৬ শতাংশ।শেখ হাসিনার দাবি, আওয়ামী লিগ ছাড়া এই নির্বাচনকে দেশের মানুষ মেনে নেয়নি। গত কয়েক দিন ধরে আওয়ামী লিগের সমর্থক, ভোটার এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর হামলা, গ্রেফতার ও ভয় দেখানোর অভিযোগও তোলেন তিনি। তাঁর কথায়, ভয়ভীতি উপেক্ষা করেই মানুষ এই নির্বাচন বর্জন করেছে। তাই দেশের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রেই ভোটার উপস্থিতি ছিল না বলেই দাবি করেন তিনি।বাংলাদেশের এই নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও গভীর হল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬
রাজ্য

জ্বর-শ্বাসকষ্ট থেকে নিপা, তারপর মৃত্যু! আতঙ্ক বাড়িয়ে রাজ্যের প্রথম বলি

পশ্চিমবঙ্গে চলতি মরশুমে প্রথম নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত এক নার্সের মৃত্যু হয়েছে। দীর্ঘ ৩৯ দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর বৃহস্পতিবার তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনাটি ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। যদিও হাসপাতাল সূত্রে দাবি করা হয়েছে, নিপা নয়, হার্ট অ্যাটাকেই মৃত্যু হয়েছে ওই নার্সের।মৃতার নাম সৌমি রায় চৌধুরী। বেশ কিছুদিন ধরে তিনি জ্বর, শ্বাসকষ্ট এবং শারীরিক দুর্বলতায় ভুগছিলেন। পরে পরীক্ষা করে জানা যায়, তিনি নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত। গত ৪ জানুয়ারি তাঁকে বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে ক্রিটিকাল কেয়ার ইউনিটে রেখে চিকিৎসা শুরু হয়। টানা ৩৯ দিন চিকিৎসার পর তাঁর মৃত্যু হয়। হাসপাতাল সূত্রে আরও জানানো হয়েছে, শেষ দিকে তিনি নাকি নিপামুক্ত হয়েছিলেন।স্বাস্থ্য দপ্তর আগেই নিপা আক্রান্ত ও তাঁদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ নির্দেশিকা জারি করেছে। বলা হয়েছে, যাঁরা দীর্ঘ সময় আক্রান্তের খুব কাছাকাছি ছিলেন, তাঁরাই বেশি ঝুঁকিতে। উপসর্গ না থাকলেও ২১ দিন আলাদা থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সেই সময় স্বাস্থ্যকর্মীরা দিনে দুবার করে খোঁজ নেবেন বলেও জানানো হয়েছে।চিকিৎসকদের মতে, নিপা ভাইরাস রুখতে সচেতনতা খুব জরুরি। বিশেষ করে ফল খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। বাদুড় বা অন্য কোনও পশুর কামড় দেওয়া ফল খাওয়া যাবে না। এই সময়ে খেজুর রস না খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। পেয়ারা, লিচু বা অন্য ফল খাওয়ার আগে ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। রাস্তায় কাটা ফল খাওয়া এড়ানোই ভালো। নইলে সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।রাজ্যে নিপা আক্রান্তের এই প্রথম মৃত্যুর ঘটনায় স্বাস্থ্য মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে প্রশাসন।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

চক্ষুদান নাকি চোখ বিক্রি? নদিয়ায় গ্রেফতারি ঘিরে তুমুল বিতর্ক, জামিন পেলেন আমির

মায়ের মৃত্যুর পর চক্ষুদান করেছিলেন। কিন্তু সেই ঘটনাকেই কেন্দ্র করে চোখ বিক্রির অভিযোগে গ্রেফতার হতে হয়েছিল সমাজকর্মী ও স্কুল শিক্ষক আমিরচাঁদ আলিকে। নদিয়ার কোতোয়ালি থানা এলাকার বাসিন্দা আমিরচাঁদকে তড়িঘড়ি গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁকে জেলেও যেতে হয়। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র বিতর্ক শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত বৃহস্পতিবার আদালত থেকে জামিন পেলেন তিনি।সম্প্রতি আমিরচাঁদের মায়ের মৃত্যু হয়। তাঁর দাবি, মায়ের ইচ্ছা অনুযায়ী তিনি একটি স্বীকৃত সংস্থার মাধ্যমে চক্ষুদান করেন। পরে সেই সংস্থা চক্ষু সংগ্রহ করে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে পাঠায়। চক্ষুদানের সমস্ত কাগজপত্রও তাঁর কাছে ছিল। তা সত্ত্বেও গ্রামের এক ব্যক্তি থানায় অভিযোগ করেন, আমির নাকি মায়ের চোখ বিক্রি করেছেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ আমির ও তাঁর পরিবারের চার সদস্যকে থানায় নিয়ে যায়। পরে আদালতে তোলা হলে আমিরকে জেলে পাঠানো হয়।এই ঘটনায় আরও বিতর্ক তৈরি হয় যখন আমিরের ভাইও প্রথমে চোখ বিক্রির অভিযোগ তোলেন। তবে বৃহস্পতিবার আদালতে আমিরকে তোলা হলে তাঁর জামিনের আবেদনে কেউ আপত্তি জানাননি। এমনকি তাঁর ভাইও জানান, তাঁর কোনও আপত্তি নেই। তিনি বলেন, ভুল বোঝাবুঝির কারণে অভিযোগ করেছিলেন। দাদা ভাল কাজই করেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।মানবাধিকার কর্মী রঞ্জিত শূর এই ঘটনার কড়া সমালোচনা করেছিলেন। তাঁর বক্তব্য, পুলিশের এই পদক্ষেপ অঙ্গদান ও চক্ষুদান আন্দোলনের উপর খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে। মানুষ ভয় পেতে পারেন। ভবিষ্যতে কেউ চক্ষুদান করতে চাইলে আগে পুলিশের অনুমতি নিতে হবে কি না, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। চক্ষুদানের কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও কেন এমন তড়িঘড়ি গ্রেফতার করা হল, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। আদালতে জামিন মেলার পর আপাতত স্বস্তিতে আমিরচাঁদ আলি ও তাঁর পরিবার। তবে ঘটনাটি রাজ্যে অঙ্গদান নিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনা কি নাশকতা? পাইলট ইচ্ছাকৃতভাবে জ্বালানি সুইচ বন্ধ করেছিলেন?

আহমেদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়ার যে বোয়িং ৭৮৭-৮ বিমানটি ভেঙে পড়েছিল, তা নিছক দুর্ঘটনা নাও হতে পারে। ইতালির দৈনিক কোরিয়ের ডেলা সেরা এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে, পাইলট ইচ্ছাকৃতভাবে বিমানের জ্বালানি সুইচ বন্ধ করে দিয়েছিলেন। যদিও ভারতের উড়ান নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিজিসিএ এখনও চূড়ান্ত তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করেনি। তাই বিশেষজ্ঞদের মতে, এখনই নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো ঠিক হবে না।ইতালির ওই সংবাদপত্র দুটি সূত্রের বক্তব্য তুলে ধরে জানিয়েছে, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে নয়, পাইলটের পদক্ষেপের ফলেই বিমানটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, পাইলট ইচ্ছা করে জ্বালানি সুইচ কাটঅফ মোডে নিয়ে যান। এর ফলে দুটি ইঞ্জিনেই জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায় এবং বিমান দ্রুত উচ্চতা হারাতে শুরু করে। শেষ পর্যন্ত সেটি ভেঙে পড়ে। ভারতীয় তদন্তকারীদের একটি অংশও এমনটাই মনে করছেন বলে দাবি করা হয়েছে প্রতিবেদনে। সেখানে পাইলট-ইন-কমান্ড ক্যাপ্টেন সুমিত সাভারওয়ালকে প্রাথমিকভাবে দায়ী করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, খুব শিগগিরই এই নিয়ে আরও বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করবে কোরিয়ের ডেলা সেরা। বিমান দুর্ঘটনা রুখতে পাইলটদের মানসিক স্বাস্থ্যের নিয়মিত মূল্যায়ন ও পর্যবেক্ষণের সুপারিশও করা হতে পারে।গত বছরের ১২ জুন আহমেদাবাদ থেকে লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটি উড়ানের কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই মেঘানিনগরের বিজে মেডিক্যাল কলেজের ক্যান্টিনের উপর ভেঙে পড়ে। এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় ২০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। ঘটনাটি গোটা দেশকে নাড়িয়ে দেয়।এয়ারক্রাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরোর প্রাথমিক রিপোর্টেও বলা হয়েছে, বিমানটি যখন গতি নিয়ে উপরে উঠছিল, তখনই দুটি ইঞ্জিনের জ্বালানি কাটঅফ মোডে চলে যায়। ফলে ইঞ্জিনে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। রিপোর্টে আরও উল্লেখ রয়েছে, ইঞ্জিন বন্ধ হওয়ার ঠিক আগে একজন পাইলট অন্যজনকে প্রশ্ন করেন, ইঞ্জিন বন্ধ করলে কেন? উত্তরে অপর পাইলট বলেন, আমি কিছু বন্ধ করিনি। এই কথোপকথন ঘিরেও তৈরি হয়েছে নতুন রহস্য।তবে পাইলটদের সংগঠনের দাবি, প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্টে সব তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তাদের অভিযোগ, জ্বালানি সুইচের সম্ভাব্য ত্রুটি ও অন্যান্য যান্ত্রিক সমস্যার দিকগুলি যথাযথভাবে খতিয়ে দেখা হয়নি। তারা আদালতের তত্ত্বাবধানে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুলেছে।চূড়ান্ত রিপোর্ট প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত এই ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা থেকেই যাচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

সংসদে দেশবিরোধী মন্তব্য? রাহুলের পদ বাতিল চেয়ে বড় পদক্ষেপ বিজেপির

অপরাধমূলক মানহানির মামলায় আগে একবার রাহুল গান্ধীর সাংসদ পদ বাতিল হয়েছিল। পরে আদালতের নির্দেশে তিনি সেই পদ ফিরে পান। এবার ফের তাঁর সাংসদ পদ বাতিলের দাবি তুলল বিজেপি। বৃহস্পতিবার বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে জানিয়েছেন, তিনি লোকসভায় রাহুলের বিরুদ্ধে একটি সাবস্ট্যান্টিভ মোশন জমা দিয়েছেন।নিশিকান্ত দুবের অভিযোগ, রাহুল গান্ধী সংসদে দাঁড়িয়ে ধারাবাহিকভাবে দেশবিরোধী ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করছেন। তাঁর বক্তব্যে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলেও দাবি বিজেপি সাংসদের। দুবে বলেন, আমি লোকসভায় রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে প্রস্তাব জমা দিয়েছি। জর্জ সোরসের মতো দেশবিরোধী শক্তির মদতে এই সদন থেকে গোটা দেশকে বিভ্রান্ত করেছেন তিনি। সবটাই দেশের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশে। আমার দাবি, রাহুলের সাংসদ পদ বাতিল করা হোক এবং তাঁকে আজীবন নির্বাচনে লড়তে না দেওয়া হোক। তাঁর দাবি, এই প্রস্তাব নিয়ে লোকসভায় আলোচনা হওয়া উচিত।বাজেট অধিবেশন শুরু হওয়ার পর থেকেই কেন্দ্রীয় সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করছেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। প্রথমে প্রাক্তন সেনাপ্রধানের অপ্রকাশিত আত্মজীবনী নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন। পরে ভারত-মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি নিয়েও সরকারের সমালোচনা করেন। লোকসভায় দাঁড়িয়ে রাহুল বলেন, আপনারা ভারতকে বিক্রি করে দিয়েছেন, আপনাদের লজ্জা হয় না? আপনারা ভারত মাতাকে বিক্রি করেছেন। আপনারা আমেরিকার কাছে সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ করেছেন। ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা আমেরিকার হাতে তুলে দিয়েছেন। কৃষকদের স্বার্থের সঙ্গে আপস করেছেন।রাহুল আরও দাবি করেন, যদি ইন্ডিয়া জোট সরকার আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা করত, তাহলে তারা ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বলত ভারতকে সমান মর্যাদা দিতে হবে। পাশাপাশি প্রাক্তন সেনাপ্রধান নারাভানের বইয়ের প্রসঙ্গ তুলেও তিনি সরকারকে আক্রমণ করে চলেছেন।রাহুলের এই বক্তব্যের পর থেকেই বিজেপির একাংশ ক্ষুব্ধ। তাদের অভিযোগ, সংসদে দাঁড়িয়ে ভিত্তিহীন মন্তব্য করছেন বিরোধী দলনেতা। কেউ কেউ তাঁর বিরুদ্ধে প্রিভিলেজ মোশন আনার কথাও বলেন। তবে নিশিকান্ত দুবে সরাসরি রাহুলের সাংসদ পদ বাতিলের দাবি তুলে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছেন।এখন দেখার, লোকসভায় এই প্রস্তাব নিয়ে আদৌ আলোচনা হয় কি না এবং এই বিতর্ক কোন দিকে গড়ায়।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

‘ভাষার জন্য অত্যাচার, তারপর খুন’— পুণে কাণ্ডে ক্ষুব্ধ মমতা, গ্রেপ্তারের দাবি

মহারাষ্ট্রের পুণেতে পুরুলিয়ার এক পরিযায়ী শ্রমিককে খুনের ঘটনায় শোক প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, এই ঘটনায় তিনি গভীরভাবে মর্মাহত এবং একই সঙ্গে ক্ষুব্ধ। মৃত শ্রমিকের পরিবারের পাশে পুরো বাংলা রয়েছে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।বৃহস্পতিবার সকালে সোশাল মিডিয়ায় প্রতিবাদ জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, এক যুবককে তাঁর ভাষা, পরিচয় এবং শিকড়ের কারণে অত্যাচার করা হয়েছে। শেষে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, আমি অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। সুখেনের পরিবারকে বলছি, এই অকল্পনীয় শোকের মুহূর্তে বাংলা আপনাদের পাশে আছে।নিহত পরিযায়ী শ্রমিকের নাম সুখেন মাহাতো, বয়স ৩১ বছর। তাঁর বাড়ি পুরুলিয়ার জঙ্গলমহলের বরাবাজারের তুমড়াশোলের বাঁধডি গ্রামে। তিনি পুরুলিয়ার ৭৮ নম্বর বুথের ভোটার ছিলেন। পুণের কোরেগাঁও ভিমা এলাকার সনৎ বাড়ি অঞ্চলে একটি গাড়ির যন্ত্রাংশ তৈরির কারখানায় কাজ করতেন সুখেন। তাঁর দাদা তুলসিরাম মাহাতোর সঙ্গেই একই সংস্থায় কর্মরত ছিলেন তিনি।অভিযোগ, শুধুমাত্র বাংলা ভাষায় কথা বলার কারণেই রাজ্যের পিছিয়ে পড়া কুড়মি জনজাতির এই পরিযায়ী শ্রমিককে মারধর করা হয় এবং পরে তাঁর মৃত্যু হয়। মঙ্গলবার বিকেল ৩টার শিফটে কাজে যোগ দিতে গিয়েছিলেন সুখেন। কর্মস্থল থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।বুধবার রাত পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি মহারাষ্ট্র পুলিশ। পুণের শিকারপুর থানার পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে। দোষীদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে।এই ঘটনা ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে তীব্র প্রতিক্রিয়া। বাংলার এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠছে নিরাপত্তা এবং ভিনরাজ্যে কর্মরত শ্রমিকদের সুরক্ষা নিয়ে।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal