• ২১ আশ্বিন ১৪৩৩, শনিবার ১০ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Mohun Bagan

খেলার দুনিয়া

নবরূপে সজ্জিত তাঁবুর উদ্বোধনে এসে মোহনবাগানকে ৫০ লাখ মুখ্যমন্ত্রীর

মোহনবাগান ক্লাবের মূল প্রবেশদ্বারে বড় বড় করে লেখা চুনী গোস্বামী। নতুনভাবে সেজে উঠেছে মোহনবাগান তাঁবু। আর সেই নবরূপে সজ্জিত তাঁবুর বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির হাত দিয়ে। আর এই উপলক্ষ্যে এদিন চাঁদের হাট বসেছিল মোহনবাগান ক্লাবে।মুখ্যমন্ত্রী তাঁবুর উদ্বোধনে আসবেন। তাই এদিন সকাল থেকেই কড়া নিরাপত্তার বেষ্টনিতে ঘিরে ফেলা হয়েছিল ক্লাব সংলগ্ন এলাকা ও গোষ্ঠ পাল সরণি। মোহনবাগান ক্লাবের চারপাশও ছিল নিরাপত্তার ঘেরাটোপে বাঁধা। নবরূপে সজ্জিত তাঁবুর উদ্বোধন উপলক্ষ্যে এদিন ক্লাবের প্রাক্তন অধিনায়কদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। বেশকিছু খুদে শিক্ষার্থীও হাজির ছিল। ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে সঙ্গে নিয়ে বিকেলে ক্লাবে ঢুকেই খুদে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে হাত মেলান মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। তাদের সঙ্গে ছবিও তোলেন। খুদে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছবি তোলার পর ক্লাব তাঁবু ঘুরে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। তারপর নতুন ভাবে সেজে ওঠা তাঁবুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এরপর তিনি মঞ্চে ওঠেন। ক্লাবের প্রাক্তন অধিনায়ক তথা মোহনবাগানের ঘরের ছেলে হিসেবে পরিচিত সুব্রত ভট্টাচার্য উত্তরীয় পরিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে বরণ করে নেন। ক্লাবের সহসচিব সত্যজিৎ চ্যাটার্জি মুখ্যমন্ত্রীর হাতে ক্লাবের আজীবন সদস্যপদ তুলে দেন। স্মারক তুলে দেন মোহনবাগান ক্লাব সচিব দেবাশিস দত্ত। পুস্পস্তবক তুলে দেন প্রদীপ চৌধুরি। ফুটবল উপহার দেন মানস ভট্টাচার্য। এরপর মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মোহনবাগান স্পোর্টস লাইব্রেরি তৈরি করছে। ওদের এই উদ্যোগ দারুণ প্রশংসনীয়। মুখ্যমন্ত্রী এদিন একটি বলে অটোগ্রাফ দেন। সেই বলটি সংগ্রহশালায় রাখা হয়েছে।এদিন অনুষ্ঠানমঞ্চে হাজির ছিলেন রাজ্যের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মনোজ তেওয়ারি, ক্লাবের সহসভাপতি অরূপ রায়, ফুটবল সচিব স্বপন ব্যানার্জি, মলয় ঘটক, কুণাল ঘোষ, অসিত চট্টোপাধ্যায়, শৌমিক বসু প্রমুখ। মুখ্যমন্ত্রী এদিন মোহনবাগানকে ক্লাবের উন্নতির জন্য ৫০ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। কমনওয়েলথ গেমসে ভারোত্তলকে সোনা জয়ী অচিন্ত্য শিউলিকে ১৬ অগস্ট খেলা দিবসে সংবর্ধিত করা হবে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। স্কোয়াশে ব্রোঞ্জজয়ী সৌরভ ঘোষালকেও সংবর্ধনা দেওয়া হবে জানিয়েছেন।

আগস্ট ১০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মোহনবাগান দিবসে ডার্বি নিয়ে ইস্টবেঙ্গলকে খোঁচা দিলেন দেবাশিস দত্ত!

ইমামির সঙ্গে এখনও চুক্তিপত্রে সরকারিভাবে সই হয়নি ইস্টবেঙ্গলের। সামনের মরশুমের জন্য দলগঠন প্রক্রিয়াও মাঝপথে। সামনের সপ্তাহে অনুশীলন শুরু হওয়ার কথা। ডুরান্ড কাপের আগে দল কতটা গুছিয়ে নিতে পারবেন, সন্দিহান ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। তাই আবেদন জানিয়েছিলেন ডুরান্ড কাপের ডার্বি পিছিয়ে দেওয়ার জন্য। লালহলুদের আর্জি মেনে ডার্বির দিনও পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। ১৬ আগস্টের পরিবর্তে ২৮ আগস্ট ইস্টবেঙ্গলমোহনবাগান ম্যাচ আয়োজিত হতে পারে। ডার্বি পিছিয়ে যাওয়ায় ইস্টবেঙ্গলকে খোঁচা দিলেন মোহনবাগান সচিব দেবাশিস দত্ত।শুক্রবার ছিল মোহনবাগান দিবস। ২ বছর পর সবুজমেরুণ তাঁবুতে ফিরল সেই চেনা পরিবেশ। ক্লাব কর্তা, সদস্যসমর্থকদের ভিড়ে দুপুর থেকেই তাঁবু রীতিমতো সরগরম। এর মাঝেই ইস্টবেঙ্গলকে খোঁচা দিলেন মোহনবাগান সচিব। এদিন দেবাশিস দত্ত বলেন, দেড় মাস আগে ডুরান্ড কাপ নিয়ে ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের উপস্থিতিতে বৈঠক হয়েছিল। সেই বৈঠকে ক্রীড়ামন্ত্রী বলেছিলেন ১৬ আগস্ট খেলা হবে দিবস। ওই দিন ডুরান্ড কাপের উদ্বোধনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি হাজির থাকবেন। ইস্টবেঙ্গলমোহনবাগান ম্যাচ দিয়ে ডুরান্ড কাপের উদ্বোধন হলে ভাল হয়। আমাদের সমস্যা থাকলেও সেদিন আপত্তি জানাইনি। ইস্টবেঙ্গলও আপত্তি জানায়নি। ডুরান্ডের আয়োজক সেনাবাহিনীর কর্তারাও রাজি ছিলেন। এখন শুনছি ইস্টবেঙ্গল নাকি ডার্বি ম্যাচ দিয়ে ডুরান্ড কাপ শুরু করতে চাইছে না। ওদের এখনও দল গঠন হয়নি বলে দেরি করে ডুরান্ডে নামতে চাইছে। আমরা প্রস্তাব দিয়েছিলাম ডুরান্ড কাপ পিছিয়ে দেওয়া হলেও ডার্বি ম্যাচ দিয়ে উদ্বোধন হোক। কিন্তু ইস্টবেঙ্গল প্রথম ম্যাচে আমাদের বিরুদ্ধে খেলতে চাইছে না। এ তো পালিয়ে যাওয়ার সামিল।২২ আগস্ট ইস্টবেঙ্গল ডুরান্ড কাপে মাঠে নামতে চাইছে। মোহনবাগানের প্রথম ম্যাচ ২০ আগস্ট। মোটামুটিভাবে ঠিক হয়েছে ২৮ আগস্ট ডার্বি ম্যাচ হবে। ডুরান্ড কাপ পিছিয়ে দেওয়াটা ভালভাবে নিচ্ছেন না সবুজমেরুণ কর্তারা। মোহনবাগান সচিব বলেন, ডার্বি ম্যাচ দিয়ে ডুরান্ড অভিযানে নামব বলে আমরা অনুশীলন শুরু করে দিয়েছি। কোচ এসে গেছেন। বিদেশি ফুটবলাররাও কয়েকদিনের মধ্যে এসে যাবে। আর এখন কিনা ইস্টবেঙ্গল বলছে ডুরান্ড কাপ পিছিয়ে দিতে। একটা ক্লাবে বছর বছর লগ্নিকারী সংস্থা বদলাবে। সেইজন্য প্রতিযোগিতার সূচি বদলাবে। এটা হতে পারে না।

জুলাই ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ইস্টবেঙ্গলে আসছেন অভিজ্ঞ গোলকিপার, মোহনবাগান ছেড়ে দিল সন্দেশকে

গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্যকে এই মরশুমে রাখছে না ইস্টবেঙ্গল। এই ব্যাপারে আগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন লালহলুদ কর্তারা। নিজের ভবিষ্যত বুঝে আগেই নর্থইস্ট ইউনাইটেডে যোগ দিয়েছেন এই বঙ্গ গোলকিপার। তাংর পরিবর্তে বাংলার আর এক অভিজ্ঞ গোলকিপারকে নিতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল। শুভাশিষ রায়চৌধুরির সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত লালহলুদের। শুধুমাত্র চুক্তিপত্রে সই করা বাকি।লালহলুদে চূড়ান্ত হয়ে গেছেন বাঙালী মিডফিল্ডার সৌভিক চক্রবর্তী। হায়দরাবাদ এফসিকে ট্রান্সফার ফি দিয়েই তাঁকে নিচ্ছে লালহলুদ। সৌভিক চক্রবর্তীর সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী চুক্তি করছে ইস্টবেঙ্গল। একসময় খেলে যাওয়া ব্রেন্ডন ভানলালরেমডিকাকেও সই করানোর পথে অনেকটাই এগিয়েছে ইমামি ইস্টবেঙ্গল। নিজের ফেসবুক প্রোফাইলের কভার ছবি পালটে ইস্টবেঙ্গল দলের ছবি রেখেছেন ব্রেন্ডন। ইস্টবেঙ্গলের তালিকায় রয়েছেন আরও তিন ভারতীয় ফুটবলার। এরা হলেন হলেন ভি পি সুহের, ঋত্বিক দাস ও অনিকেত যাদব।এদিকে, সন্দেশ ঝিংঘানকে রিলিজ দিল এটিকে মোহনবাগান। বৃহস্পতিবারই তাঁকে রিলিজ দেওয়ার কথা সরকারিভাবে ঘোষণা করল সবুজমেরুণ। ২০২০ সালে কেরালা ব্লাস্টার্স থেকে ৫ বছরের চুক্তিতে এটিকে মোহনবাগানে যোগ দেন সন্দেশ। পরের বছর তিনি ক্রোয়েশিয়ার সিবেনিকে যোগ দেন। চোটআঘাতের জন্য সিবেনিকের জার্সি গায়ে তিনি মাঠে নামতে পারেননি। সিবনিক থেকে ফিরে এসে তিনি আবার এটিকে মোহনবাগানে যোগ দেন।এবার কি লালহলুদ জার্সি গায়ে খেলতে দেখা যাবে সন্দেশকে? তেমন সম্ভাবনা জোরালো হল। ইস্টবেঙ্গল এই ডিফেন্ডারকে দলে পেতে আগ্রহী। এটিকে মোহনবাগান রিলিজ দেওয়ায় লালহলুদ সুযোগ নেওয়ার জন্য তৈরি। যদিও সন্দেশের ইচ্ছে বিদেশের কোনও ক্লাবে খেলা। বিদেশের ক্লাবে সুযোগ না পেলে লালহলুদ জার্সি গায়ে দেখা যেতে পারে সন্দেশকে।

জুলাই ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌এটিকে মোহনবাগানের ঘর ভাঙবে ইস্টবেঙ্গল?‌ এই ফুটবলারের দিকে নজর লালহলুদের

কোচ নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ। আইএসএলের জন্য দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে ব্রিটিশ কোচ স্টিফেন কনস্টানটাইনের হাতে। আর কলকাতা লিগ ও ডুরান্ড কাপের দায়িত্ব সামলাবেন বিনু জর্জ। পরে তিনি আইএসএলে কনস্টানটাইনের সহকারী হিসেবে কাজ করবেন। কয়েকদিনের মধ্যেই বিনু জর্জ কলকাতায় চলে আসবেন। তারপরই শুরু হবে ইস্টবেঙ্গলের অনুশীলন।এর মধ্যেই দলগঠনে তৎপরতা শুরু করেছেন লালহলুদ ও ইমামির কর্তারা। বেশ কয়েকজন জুনিয়র ফুটবলারের সঙ্গে ইতিমধ্যেই চুক্তি চূড়ান্ত হয়ে গেছে। এবার এটিকে মোহনবাগানের ঘর ভাঙার দিকে নজর ইস্টবেঙ্গলের। সবুজমেরুণের প্রীতম কোটালের দিকে হাত বাড়াচ্ছেন লালহলুদ রিক্রূটাররা। বর্তমানে ফ্রি এজেন্ট হিসেবে রয়েছেন এটিকে মোহনবাগানের এই ডিফেন্ডার। মাসখানেক আগে শোনা গিয়েছিল সবুজমেরুণের সঙ্গে চুক্তি বাড়াতে চলেছেন প্রীতম। প্রাথমিক কথাবার্তা হলেও সরকারিভাবে এখনও চুক্তি হয়নি। এটিকে মোহনবাগানের থেকে বড় প্রস্তাব পেলে সবুজমেরুণ ছাড়তেই পারেন প্রীতম। সেই ইঙ্গিতও তিনি নাকি ঘনিষ্ঠমহলে জানিয়েছেন। লালহলুদ কর্তারা এই সুযোগ নিতে আগ্রহী। এখন দেখার সবুজমেরুণের জাল থেকে প্রীতমকে তাঁরা ছিনিয়ে নিয়ে আসতে পারেন কিনা।আরও পড়ুনঃ পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতার বেলঘরিয়ার ফ্ল্যাটে কোটি কোটি টাকা উদ্ধারপ্রীতম ছাড়াও আরও এক হাই প্রোফাইল বাঙালী ফুটবলারকে টার্গেট করেছেন লালহলুদ কর্তারা। ময়দানে গুঞ্জন, হায়দরাবাদ এফসির মিডফিল্ডার শৌভিক চক্রবর্তীকে দলে নেওয়ার জন্য ঝাঁপাচ্ছে ইস্টবেঙ্গল। যদিও প্রীতমের মতো শৌভিককে নেওয়া সহজ হবে না লালহলুদের। হায়দরাবাদ এফসির সঙ্গে ২০২৩ সাল পর্যন্ত চুক্তি রয়েছে শৌভিকের। তাঁকে নিতে গেলে হায়দরাবাদ এফসিকে ট্রান্সফার ফি দিতে হবে ইস্টবেঙ্গলকে। শৌভিক অবশ্য কলকাতায় খেলতে আগ্রহী। কারণ তাঁর পরিবার কলকাতায় থাকেন। পরিবারের সঙ্গে থাকার জন্যই কলকাতায় খেলার ইচ্ছে শৌভিকের।এদিকে, কোচ বিনু জর্জের হাত ধরে সন্তোষ ট্রফিতে নজরকাড়া দুই ফুটবলার জেসিন টিকে ও জিজো জোশেফকে দলে নিতে চায় ইস্টবেঙ্গল। এই দুই ফুটবলারের সঙ্গে বিনু জর্জের সম্পর্ক খুব ভাল। এই দুই ফুটবলারের কাছে অন্য ক্লাবেরও প্রস্তাব আছে।

জুলাই ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

এটিকে মোহনবাগানের ঘর ভাঙতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল, লালহলুদের কোচের পদে বড় চমক

ইমামির সঙ্গে এখনও সরকারিভাবে চুক্তি সম্পন্ন হয়নি। কিন্তু লগ্নিকারী সংস্থার সম্মতিতেই দল গঠনের কাজে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছেন লালহলুদ কর্তারা। ফুটবলারদের সঙ্গে পাকা কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে কোচ নিয়োগের দিকেও এক পা বাড়িয়েছে ইস্টবেঙ্গল। প্রস্তাব দেওয়া হয়েছেন কেরলকে সন্তোষ ট্রফিতে চ্যাম্পিয়ন করা বিনু জর্জকে।সঞ্জয় সেন, শঙ্করলাল চক্রবর্তী, রঞ্জন ভট্টাচার্যদের কোচ করার কথাও মাথায় ছিল লালহলুদ কর্তাদের। কিন্তু সন্তোষ ট্রফিতে সাফল্যের কথা মাথায় রেখে কেরলের বিনু জর্জকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সঞ্জয় সেনদেরও একেবারে তালিকা থেকে ঝেড়ে ফেলছেন না লালহলুদ কর্তারা। একান্তই যদি বিনু জর্জের সঙ্গে চুক্তিতে না পোষায় তাহলে সঞ্জয় সেন কিংবা শঙ্করলাল চক্রবর্তীদের কথা ভাবা হবে। বিনু জর্জ ইস্টবেঙ্গলের প্রস্তাবের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন। আগেও কলকাতা ময়দানে কোচিং করিয়েছেন বিনু জর্জ। একসময় তিনি ইউনাইটেড স্পোর্টসের কোচের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ আপনি কি আধার কার্ডের আপনার ছবি নি খুশি নন? জেনে নিন আপনার আধার কার্ডের ছবি কীভাবে পরিবর্তন করবেন২০১৯ থেকে ২০২১ পর্যন্ত গোকুলাম কেরলের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর ছিলেন বিনু জর্জ। মূলত কলকাতা লিগের কথা মাথায় রেখেই বিনু জর্জকে প্রস্তাব দিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। ডুরান্ড ও আইএসএলের জন্য বিদেশি কোচ নিয়োগ করবে ইস্টবেঙ্গল। তখন তিনি বিদেশি কোচের সঙ্গে ডুরান্ড এবং আইএসএলে সহকারি হিসেবে কাজ করবেন। এখন দেখার বিনু জর্জ লালহলুদের দায়িত্ব গ্রহন করেন কিনা।এদিকে, এটিকে মোহনবাগানের ঘর ভাঙার উদ্যোগ ইস্টবেঙ্গলের। দীপক টাংরিকে প্রস্তাব দিয়েছেন লালহলুদ কর্তারা। গত মরসুমে এটিকে মোহনবাগানের রক্ষণভাগের ফুটবলার দীপক টাংরি নজর কেড়েছিলেন। ডিফেন্সের পাশাপাশি প্রয়োজনে মাঝমাঠে ব্লকারের কাজটাও করতে পারেন তিনি। সন্দেশ ঝিংঘানে মতো দীপককেও বড় অঙ্কের প্রস্তাব দিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। যা যথেষ্ট ভাবাচ্ছে তাঁকে। গত মরসুমে দীপক টাংরির সঙ্গে দুই বছরের চুক্তি করে এটিকে মোহনবাগান। যার ফলে ২০২৩ সালের ৩১ মে দীপকের সঙ্গে চুক্তি শেষ হবে সবুজমেরুনের। তার আগে এই তরুণ ফুটবলারটিকে লালহলুদ জার্সিতে খেলাতে হলে ট্রান্সফার ফি দিতে হবে ইস্টবেঙ্গলকে।

জুলাই ২১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

কৃষ্ণার পরিবর্ত হিসেবে রাশিয়া বিশ্বকাপ খেলা ফুটবলারকে নিল এটিকে মোহনবাগান

রবিবারই রয় কৃষ্ণার বেঙ্গালুরু এফসির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার কথা প্রকাশ্যে এসেছে। তার ২৮ ঘন্টার মধ্যেই রয় কৃষ্ণার বিকল্প খঁুজে নিল এটিকে মোহনবাগান। রাশিয়া বিশ্বকাপে খেলা ফুটবলারকে সই করিয়ে চমক বাগান কর্তাদের। সামনের মরশুমে সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে খেলতে দেখা যাবে ২০১৮ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলা স্ট্রাইকার দিমিত্রি পেত্রাতোসকে সই করাল এটিকে মোহনবাগান।রয় কৃষ্ণ ও ডেভিড উইলিয়ামস এই মরসুমে দল ছেড়েছেন। এই দুজন দল ছাড়ায় একজন ভালমানের স্ট্রাইকারের খোঁজে ছিলেন বাগান কর্তারা। যিনি আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার হিসেবেও খেলতে পারেন। দিমিত্রি পেত্রাতোসকে দিয়ে কাজ সিদ্ধ করতে পারবেন এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। এই অস্ট্রেলিয়ার আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার ছাড়া ফরোয়ার্ডেও খেলতে পারদর্শী। সৌদি আরবের ক্লাব আল ওয়েদা থেকে দিমিত্রি পেত্রাতোসকে সই করাল এটিকে মোহনবাগান। যদিও গত মরসুমে তিনি আল ওয়েদার জার্সিতে খেলেননি। আল ওয়েদা থেকে তিনি লোনে এ লিগের ক্লাব ওয়েস্টার্ন সিডনি ওয়ান্ডারার্সে খেলেছিলেন।২০১০-১১ মরসুমে সিডনি ফুটবল ক্লাবের হয়ে পেশাদার ফুটবলজীবন শুরু করেন দিমিত্রি। এরপর যোগ দেন মালয়েশিয়ার ক্লাব কেলান্তানে। ২০১২১৩ মরশুম কেলান্তানের হয়ে খেলার পর এ লিগের দল ব্রিসবেন রোয়ার তাঁকে সই করায়। ২০১৩ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত ব্রিসবেনের হয়েই খেলেন দিমিত্রি। ২০১৭ সালে কোরিয়া লিগের দল উলসান হুন্ডাই সই করায় তাঁকে। ৬ মাস খেলে ওই বছরই দিমিত্রি যোগ দেন নিউক্যাসেল জেটসে। ২০১৭ থেকে ২০২০ পর্যন্ত নিউক্যাসেল জেটসে খেলার পর তিনি সৌদি আরবের ক্লাব আল ওয়েদায় সই করেন। সেখান থেকেই গত বছর লোনে খেলেন ওয়েস্টার্ন সিডনি ওয়ান্ডারার্সে। সিডনি থেকে এবার তিনি এটিকে মোহনবাগানে।He comes from Australia, hes played in Korea and Saudi Arabia! 🤩Mariners, give a warm welcome to Dimitrios Petratos, our new number 9! 💚️#ATKMohunBagan #JoyMohunBagan #AmraSobujMaroon pic.twitter.com/WBuLoc00Rh ATK Mohun Bagan FC (@atkmohunbaganfc) July 18, 2022অস্ট্রেলিয়ার জার্সিতে সিনিয়র দলে তাঁর অভিষেক হয় ২০১৮ সালে। এখনও পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার হয়ে তিনটি ম্যাচ তিনি খেলেছেন। রাশিয়া বিশ্বকাপে ২৩ জনের দলে থাকলেও প্রথম একাদশে সুযোগ পাননি। তাঁর বাবা অ্যাঞ্জেলো খেলেছেন সিডনি অলিম্পিক্স এফসির হয়ে। ইতিমধ্যেই নতুন মরসুমের জন্য পাঁচ বিদেশি নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে এটিকে মোহনবাগানে। ষষ্ঠ বিদেশি হিসেবে এলেন দিমিত্রি। নিজের দীর্ঘ ফুটবল কেরিয়ারে ক্লাবের জার্সিতে হোক কিংবা দেশের হয়ে স্ট্রাইকার, অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার বা উইঙ্গার বিভিন্ন পজিশনে খেলেছেন তিনি।

জুলাই ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

কলকাতা ছেড়ে এবার বেঙ্গালুরু পাড়ি দিচ্ছেন বাগানের এই তারকা স্ট্রাইকার

মরশুম শেষেই এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছিলেন। মাঝে শোনা গিয়েছিল ইস্টবেঙ্গলে যোগ দিতে পারেন। অনেকেই মনে করেছিলেন হয়তো অস্ট্রেলিয়ার পুরনো ক্লাবেই ফিরে যাবেন রয় কৃষ্ণা। সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে এদেশেই থেকে যাচ্ছেন ফিজির এই তারকা ফুটবলার। তবে কলকাতায় নয়, রয় কৃষ্ণাকে সামনের মরশুমে দেখা যেতে পারে বেঙ্গালুরু এফসির জার্সি গায়ে।২০১৯ সালে অস্ট্রেলিয়ার এ লিগের দল ওয়েলিংটন ফিনিক্স থেকে ভারতীয় ফুটবলে আগমন ঘটেছিল রয় কৃষ্ণার। তিনি যোগ দিয়েছিলেন এটিকেতে। সেই মরশুমে দলকে আইএসএলে চ্যাম্পিয়ন করতে তিনি মুখ্য ভুমিকা নেন। এরপর মোহনবাগানের সঙ্গে এটিকের সংযুক্তি ঘটে। সবুজমেরুণেই থেকে যান রয় কৃষ্ণা। গত দুই মরশুম এটিকে মোহনবাগানে কাটানোর পর তিনি সবুজমেরুণের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন।আন্তোনীয় লোপেজ হাবাসের সঙ্গে দারুণ সম্পর্ক ছিল রয় কৃষ্ণার। জুয়ান ফেরান্দো এটিকে মোহনবাগানের দায়িত্ব নেওয়ার পর চিত্রনাট্যে বদল ঘটে। রয় কৃষ্ণার সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হতে থাকে কোচের। আইএসএলের একাধিক ম্যাচে রিজার্ভ বেঞ্চে বসতে হয়েছিল ফিজির এই তারকা ফুটবলারকে। দলের কর্তারাও ওই বিষয়ে রয় কৃষ্ণার পাশে দাঁড়াননি। তাই একরাশ অভিমান নিয়েই এটিকে মোহনবাগানেরস সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন রয় কৃষ্ণা।গত মরশুমে রয় কৃষ্ণর পারফরম্যান্স আহামরি কিছু ছিল না। যদিও বারবার রয় নিজের সেরা পারফরম্যান্স তুলে ধরে দলকে টেনে গিয়েছেন। তিনি মানেই ছিল বাগানের তারকার তারকা, গোলের জন্য সমর্থকরা তাঁর দিকে চেয়ে থাকতেন।আইএসএল কেরিয়ারে ৬০ ম্যাচে ৩৬ গোল করেছেন রয়। ১৮টি গোলের পাসও দিয়েছেন তিনি। গত কয়েক মরশুম ধরে খুব একটা ভাল ছন্দে নেই বেঙ্গালুরু এফসি। এ বার ট্রফি জয়ের লক্ষ্যে অভিজ্ঞ প্লেয়ারদের দলে নিয়ে বাজিমাত করতে চাইছে তারা। সেই লক্ষ্যেই টিম গড়ছে বেঙ্গালুরু।সুনীল ছেত্রি তো রয়েছেনই, প্রবীর দাস যোগ দিয়েছেন। এছাড়া জাভি হার্নান্ডেজকে সই করিয়েছে বেঙ্গালুরু এফসি।

জুলাই ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

লালহলুদ অন্তঃপ্রান শ্যাম থাপাকে মোহনবাগানরত্ন!‌

লালহলুদের ঘরের ছেলে বলে পরিচিত ছিলেন শ্যাম থাপা। খেলা ছাড়ার পরও মোহনবাগানের থেকে ইস্টবেঙ্গলের প্রতি তাঁর আবেগ বেশি। সেই লালহলুদপ্রেমী শ্যাম থাপাকে কিনা এবছর মোহনবাগানরত্ন দেওয়া হচ্ছে! হ্যাঁ, এটাই বাস্তব। এবছর মোহনবাগান রত্ন পেতে চলেছেন শ্যাম থাপা। ২৯ জুলাই মোহনবাগান দিবসে তাঁর হাসে এই সম্মান তুলে দেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার মোহনবাগানের কার্যকরী কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।১৯৬৬ সালে কলকাতা ময়দানে পেশাদার ফুটবলে আবির্ভাব ঘটে শ্যাম থাপার। সুব্রত কাপে দুর্দান্ত ফুটবল খেলা শ্যামের প্রতিভায় মুগ্ধ হয়ে ১৯৬৬ সালে তাঁকে সই করায় ইস্টবেঙ্গল। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ পর্যন্ত গোর্খা ব্রিগেডের জার্সি গায়ে খেলেন। এরপর তিনি যোগ দেন মফতলাল মিলসে। ১৯৭৫ সালে আবার লালহলুদে ফিরে আসেন। ইস্টবেঙ্গলের টানা ষষ্ঠ বার কলকাতা লিগ জয়ের দলের সদস্য ছিলেন। ১৯৭৭ সালে শ্যাম থাপাকে তুলে নেয় মোহনবাগান। ১৯৮২ পর্যন্ত সবুজমেরুন জার্সি গায়েই খেলেন তিনি।এবছর জীবনকৃতি পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে প্রাক্তন গোলকিপার বলাই দেকে। কয়েকমাস আগে মোহনবাগান ক্লাবের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছিল, সুভাষ ভৌমিকের নামে একটা পুরস্কার দেওয়া হবে। এবছর সেই পুরস্কার পাচ্ছেন কিয়ান নাসিরি। শিবদাস ভাদুড়ি নামাঙ্কিত বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার পাচ্ছেন লিস্টন কোলাসো। রণব ব্যানার্জির নামাঙ্কিত সেরা ক্রীড়াবিদের পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে বাপি শেখকে। অরুণলালের নামাঙ্কিত সেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার পাচ্ছেন প্রিনান দত্ত। এবছর থেকেই চালু হচ্ছে ক্রীড়া সাংবাদিক পুরস্কার। প্রয়াত মতি নন্দীর নামাঙ্কিত এই পুরস্কার পাচ্ছেন অশোক দাশগুপ্ত। সেরা ক্রীড়া সংগঠকের পুরস্কার পাচ্ছেন গোকুলম কেরলের সভাপতি ভিসি প্রবীণ।করোনা মহামারীর কারণে বিগত দুই বছর ধরে ভার্চুয়ালভাবে মোহনবাগান দিবস পালন করা হয়েছিল। এখন পরিস্থিতি বদলেছে। কোভিডের প্রকোপ কিছুটা কমেছে তাই এবারের মোহনবাগান দিবসকে চিরাচরিত উজ্জ্বল্য ফিরিয়ে আনতে চায় সবুজমেরুনের নতুন কার্যকরী কমিটি। প্রাক্তনদের একটি ম্যাচ আয়োজিত হবে মোহনবাগান দিবসের অনুষ্ঠান শুরুর আগে। অনুষ্ঠান শুরু হবে পৌষালি বন্দ্যোপাধ্যায়ের গান দিয়ে। সবশেষে অনুষ্ঠান করবে চন্দ্রবিন্দু।

জুলাই ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

কার্ল ম্যাকহিউকে ছেড়ে দেবে এটিকে মোহনবাগান?‌ তেমন সম্ভাবনাই তৈরি হয়েছে

আইএসএলে তিরির অবর্তমানে এটিকে মোহনবাগানের ডিফেন্সকে দারুণ নির্ভরতা দিয়েছিলেন কার্ল ম্যাকহিউ। ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবে খেলেও দারুণ নজর কেড়েছিলেন। সামনের মরশুমে কোপ পড়তে চলেছে এই বিদেশি ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারের ওপর। তাঁকে না রাখার পথে হাঁটছে সবুজমেরুণ কর্তারা।সামনের মরশুমের জন্য দারুণভাবে দল গুছিয়ে নিচ্ছে এটিকে মোহনবাগান। দল অনেকটাই ঢেলে সাজাচ্ছে। শূন্যস্থান ভরাট করার জন্য স্বদেশি ফুটবলারের পাশাপাশি নতুন বিদেশি ফুটবলার নেওয়ার দিকেও নজর দিয়েছে। তিরির বিকল্প হিসেবে কয়েকদিন আগে চুক্তি করেছে অস্ট্রেলিয়ান ডিফেন্ডার ব্রেন্ডন হামিলের সঙ্গে। এরপরই সই করিয়েছে পল পোগবার দাদা ফ্লোরেন্টিন পোগবাকে। এই দুই ফুটবলারই সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার। চোট পেয়ে ৮ মাস মাঠের বাইরে ছিটকে যাওয়া তিরিকে আবার দারুণ পছন্দ এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দোর। চোট সারিয়ে ফিট হয়ে গেলে তাঁকেও দলে রাখতে চান ফেরান্দো।ইতিমধ্যেই ব্রেন্ডন হামিল, ফ্লোরেন্টিন পোগবার সঙ্গে চুক্তি করেছে এটিকে মোহনবাগান। সঙ্গে তিরি যোগ হলে তিনজন সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার। অন্যদিকে জনি কাউকো এবং হুগো বোমাসকে ছাড়বে না এটিকে মোহনবাগান। সময় যত গড়িয়েছে ভারতীয় ফুটবলের সঙ্গে দারুণভাবে মানিয়ে নিয়েছেন জনি কাউকো। রয় কৃষ্ণা ও ডেভিড উইলিয়ামস দল ছাড়ায় নতুন বিদেশি স্ট্রাইকার নিতে হবে এটিকে মোহনবাগানকে। ফলে কার্ল ম্যাকহিউয়ের জায়গা নেই। ম্যাকহিউকে দলে রাখতে গেলে বিদেশি স্ট্রাইকার নিতে পারবেন না সবুজমেরুণ কর্তারা। ফলে তাঁকেই ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন।শুধু কার্ল ম্যাকহিউ নন, সন্দেশ ঝিংঘানকেও ছেড়ে দিতে পারে এটিকে মোহনবাগান। কারণ জুয়ান ফেরান্দো ৩৫২ ছকে দল সাজাতে পছন্দ করেন। তাঁর সেই সিস্টেমে সন্দেশ খাপ খাওয়াতে পারবেন না। জুয়ান ফেরান্দো রক্ষণে যে ব্রেন্ডন হামিল ও ফ্লোরেন্টিন পোগবার ভরসা করবেন, এই দুই ফুটবলারকে দলে নেওয়াতেই তার প্রমাণ। এটিকে মোহনবাগানের এক কর্তা বলছিলেন, কোচের পরিকল্পনা অনুসারেই আমরা দল সাজাচ্ছি। ওর পরামর্শ অনুসারেই নতুন ফুটবলার নেওয়া হচ্ছে।

জুন ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌দলবদলে বড় চমক, পল পোগবার দাদা এটিকে মোহনবাগানে

দীর্ঘদিন ধরেই স্প্যানিশ তারকা তিরির বিকল্প খুঁজছিলেন এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। দিন কয়েক আগে এশিয়ান কোটায় অস্ট্রেলিয়ান ডিফেন্ডার ব্রেন্ডন হামিলের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত করেছেন বাগান কর্তারা। এবার আরও বড় চমক দিলেন তাঁরা। ডিফেন্স আরও মজবুত করতে চুক্তি চূড়ান্ত করলেন ফ্রান্সের মিডফিল্ডার পল পোগবার দাদা ফ্লোরেন্টিন পোগবাকে। দলবদলের বাজারে আপাতত সবচেয়ে বড় চমক দিলেন এটিকে মোহনবাগান কর্তারা। যদিও পল পোগবার মতো নামী ফুটবলার নন ফ্লোরেন্টিন পোগবা। নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি তিনি। এখন তিনি খেলেন ফ্রান্সের লিগা ২এর দ্বিতীয় সারির দল এফসি সোচাউক্স মন্টবিলিয়ার্ডে। ২০২০ সালে এই ক্লাবে যোগ দিয়েছিলেন ফ্লোরেন্টিন পোগবা। তিন বছরের চুক্তিতে ফ্রান্সের দ্বিতীয় সারির এই দলে সই করেছিলেন। দুবছর কাটানোর পর ফ্লোরেন্টিন পোগবা নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে চান। তাই আইএসএলে খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।বিগত দুই মরশুমে লিগা ২তে এফসি সোচাউক্স মন্টবিলিয়ার্ডের জার্সিতে ৬২টি ম্যাচ খেলেছেন ফ্লোরেন্টিন পোগবা। তার আগে তিনি ৬ বছর লিগা ১এ ল সেন্ট এটিনের হয়ে খেলেছেন। ফ্রান্সের দ্বিতীয় ডিভিশনে দাপিয়ে খেলার পাশাপাশি তিনি মেজর লিগ সকার লিগে আটলান্টা ইউনাইটেডে এক মরশুম কাটিয়েছেন। একসময় ফ্লোরেন্টিন পোগবাকে দলে নেওয়ার জন্য আগ্রহী ছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, এভারটন। তাঁর জন্ম গিনিতে। তবে ফুটবলজীবন শুরু করেছিলেন ফ্রান্সে। যদিও পল পোগমার মতো তিনি ফ্রান্সের হয়ে খেলেননি। গিনির হয়েই খেলেন। ২০১০ সালে জাতীয় দলে অভিষেক হয় মাত্র ১৯ বছর বয়সে। এটিকে মোহনবাগানের হয়ে ফ্লোরেন্টিনো পোগবাকে সরকারিভাবে সই করানোর কোনও ঘোষণা এখনও করা হয়নি। তবে তাঁর পুরনো ক্লাবের পক্ষ থেকে এটিকে মোহনবাগানে আসার কথা জানানো হয়েছে।

জুন ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

তিরির বিকল্প খুঁজে নিল এটিকে মোহনবাগান, আসছেন এ–লিগ কাঁপানো ডিফেন্ডার

চুক্তি নিয়ে এখনও ডামাডোল চলছে ইস্টবেঙ্গলে। ইমামির সঙ্গে জটিলতা ক্রমশ বাড়ছে। সামনের মরশুমের জন্য দলগঠন প্রক্রিয়া অথৈ জলে। এই অবস্থায় নিজেদের আরও গুছিয়ে নিচ্ছে এটিকে মোহনবাগান। রয় কৃষ্ণা, ডেভিড উইলিয়ামসদের বিকল্পর সন্ধান চললেও তিরির পরিবর্ত খুঁজে নিল। সামনের মরশুমে সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে খেলতে দেখা যাবে অস্ট্রেলিয়ান ডিফেন্ডার ব্রেন্ডন মাইকেল হামিলকে। এশিয়ান কোটার বিদেশি হিসেবে তাঁকে দলে নেওয়া হচ্ছে। হামিলের সঙ্গে সবুজমেরুণ কর্তাদের কথাবার্তা চূড়ান্ত শুধুমাত্র চূক্তিপত্রে সই হওয়া বাকি।এটিকে মোহনবাগানের হয়ে এএফসি কাপে গোকুলাম এফসির বিরুদ্ধে খেলতে গিয়ে হাঁটুতে মারাত্মক চোট পান স্প্যানিশ ডিফেন্ডার তিরি। ২০২৩এর জানুয়ারির আগে তাঁকে আর পাওয়া যাবে না। এই মরশুমে আইএসএলে তাঁকে আর পাওয়া যাবে না ধরে নিয়েই তিরির বিকল্প ফুটবলারের সন্ধানে ছিলেন বাগান কর্তারা। বেশ কয়েকজন ডিফেন্ডারের বায়োডাটা দেখে তাঁরা যোগাযোগ করেন ব্রেন্ডন হামিলের এজেন্টের সঙ্গে। এটিকে মোহনবাগানের প্রস্তাবে রাজি হয়ে যান হামিল।২৯ বছর বয়সী ব্রেন্ডন হামিলের জন্ম সিডনিতে। ২০১০ সালে মেলবোর্ন হার্ট এফসিতে পেশাদার ফুটবলজীবন শুরু করেন। এই ক্লাবের জার্সি গায়ে ২ বছর কাটান। তারপর যোগ দেন কোরিয়ার কেলিগের ক্লাব সিগনাম এফসিতে। ২০১৩ সালে সই করেন কেলিগেরই গাংওয়ান এফসিতে। পরের বছর আবার নিজের দেশে ফিরে আসেন ব্রেন্ডন হামিল। যোগ দেন ওয়েস্টার্ন সিডনি ওয়ান্ডারার্সে। টানা ৫ বছর এই ক্লাবের জার্সি গায়ে খেলেন। ২০১৯এ আবার ক্লাব বদল। এবার ওয়েস্টার্ন সিডনি ওয়ান্ডারার্স ছেড়ে সই করেন ওয়েস্টার্ন ইউনাইটেড এফসিতে। গতবছর জুলাইতে যোগ দেন মেলবোর্ন ভিকট্রিতে। সেখান থেকেই এটিকে মোহনবাগানে আসছেন ব্রেন্ডন মাইকেল হামিল।

জুন ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুই তরুণ ফুটবলারের সঙ্গে ৫ বছরের চুক্তি করল এটিকে মোহনবাগান

কথাবার্তা আগেই চূড়ান্ত হয়েছিল। সোমবার সরকারিভাবে এটিকে মোহনবাগানের চুক্তিপত্রে সই করলেন আশিক কুরুনিয়ান ও আশিস রাই। এই দুই ফুটবলারের সঙ্গে ৫ বছরের চুক্তি করেছে এটিকে মোহনবাগান। বেঙ্গালুরু এফসি থেকে সবুজমেরুণে এলেন আশিক কুরুনিয়ান। অন্যদিকে গতবারের আইএসএল চ্যাম্পিয়ন হায়দরাবাদ এফসি থেকে যোগ দিনেল আশিস রাই।দীর্ঘদিন ধরেই এটিকে মোহনবাগানে খেলার স্বপ্ন ছিল আশিক কুরুনিয়ানের। অবশেষে সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে তোলার সুযোগ পেয়ে তিনি খুশি। এটিকে মোহনবাগানের চুক্তিপত্রে সই করার পর আশিক বলেন, কলকাতা ফুটবলের মক্কা। সব ফুটবলারেরই স্বপ্ন থাকে কলকাতায় খেলা। ফুটবলের প্রতি কলকাতার দর্শকদের অন্যরকম আবেগ রয়েছে। যুবভারতীতে এশিয়ান কাপে খেলতে এসে ফুটবলপ্রেমীদের আবেগ মন ছুঁয়ে গেছে। দেশের খেলা দেখতে এসেও সমর্থকরা নিজেদের ক্লাবের পতাকাও নিয়ে এসেছিল। এটিকে মোহনবাগান দেশের অন্যতম সেরা ক্লাব। এই ক্লাবের পরিকাঠামোও দুর্দান্ত। সমর্থকরাও আবেগপ্রবন। বেঙ্গালুরু এফসির হয়ে যখন খেলতে এসেছিলাম, তখন মোহনবাগান সমর্থকদের আবেগ দেখে ভাল লেগেছিল। তখনই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম সুযোগ পেলেই এই ক্লাবে খেলব। এটিকে মোহনবাগান কর্তারা সেই সুযোগ দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞ। চেষ্টা করব নিজের সেরা খেলা উপহার দিয়ে ক্লাবকে সাফল্য এনে দেওয়া।হায়দরাবাদের হয়ে আইএসএল জেতা আশিস রাইও সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে মাঠে নামার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন। তিনি বলেন, সিকিমে জন্ম হলেও কলকাতায় খেলার আমার বহুদিনের স্বপ্ন ছিল। বাইচুংকে দেখে উদ্বুদ্ধ হয়েছি। এটিকে মোহনবাগানের প্রস্তাব পেয়ে দ্বিতীয়বার ভাবিনি। মোহনবাগান নামের সঙ্গে অনেক ঐতিহ্য জড়িয়ে আছে। সেই ক্লাবের জার্সি গায়এ তোলার সুযোগ পেয়ে আমি দারুণ উত্তেজিত।এটিকে মোহনবাগান থেকে প্রবীর দাস বেঙ্গালুরু এফসিতে যোগ দিয়েছেন। তাঁর পরিবর্ত হিসেবেই আশিস রাইকে দলে নিয়েছে এটিকে মোহনবাগান। এদিন বেঙ্গালুরু এফসিও সরকারিভাবে প্রবীর দাসের চুক্তির কথা জানিয়েছে। এদিকে, মিলন সিংকে আরও এক মরসুমের জন্য ধরে রাখল মহমেডান স্পোর্টিং।

জুন ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আইএসএল জয়ী ফুটবলারকে তুলে চমক এটিকে মোহনবাগানের

ইস্টবেঙ্গলের দল গঠন প্রক্রিয়া যখন চুক্তিজটে আটকে, তখন নিজেদের দলের ফাঁকা জায়গা ভরাট করে চলেছে এটিকে মোহনবাগান। রয় কৃষ্ণা, ডেভিড উইলিয়ামসদের বিকল্প খুঁজে বার করার পাশাপাশি নতুন ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তি সেরে ফেলছে। আগেই সই করিয়েছিল আশিক কুরুনিয়ানকে। এবার তুলে নিল হায়দরাবাদ এফসির তরুণ সাইড ব্যাক আশিষ রাইকে।এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে অন্য ক্লাবে সই করেছেন প্রবীর দাস। অনেকদিন ধরেই প্রবীর দাসের পরিবর্ত খুঁজছিলেন এটিকে মোহনবাগান কর্তারা। বেশ কয়েকজন ফুটবলারদের দিকে নজর ছিল। তবে বাগান কর্তারা বেশি আগ্রহ ছিল আইএসএল চ্যাম্পিয়ন হায়দরাবাদ এফ সির রাইট ব্যাক আশিষ রাইয়ের দিকে। গত মরশুমে হায়দরাবাদের জার্সি গায়ে দারুণ খেলেছিলেন আশিষ। তাঁকে প্রস্তাব দিয়েছিলেন সবুজমেরুণ কর্তারা। কর্তাদের প্রস্তাবে রাজি হয়ে এটিকে মোহনবাগানের চুক্তিপত্রে সই করেছেন আশিষ। পুণে সিটির ফুটবল অ্যাকাডেমি থেকে উঠে এসেছিলেন আশিষ। ২০১৭ সালের নভেম্বরে তিনি লোনে যোগ দেন ইন্ডিয়ান অ্যারোজে। সেখান থেকে আবার ফিরে আসেন পুনে সিটিতে। ২০১৯ পর্যন্ত পুনে সিটির বি দলের হয়ে খেলেন। ইন্ডিয়ান অ্যারোজের হয়ে খেলার সময়ই ভাল পারফরমেন্সের সুবাদে নজরে আসেন তিনি। তাঁর সামনে খুলে যায় আইএসএলের দরজা। ২০১৯২০ মরসুমে হায়দরাবাদ এফসিতে যোগ দেন সিকিমের এই লেফট ব্যাক। হায়দরাবাদ এফসির জার্সি গায়ে নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরেন। এখনও সিনিয়র দলের জার্সিতে গায়ে তোলার সুযোগ না পেলেও আইএসএল জয়ী এই ফুটবলার অনূর্ধ্ব-২০ ভারতীয় দল এবং অনূর্ধ্ব-২৩ ভারতীয় দলের হয়ে খেলেছেন।

জুন ১৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ চুক্তিজটে আটকে থাকা ইস্টবেঙ্গলের থেকে এগিয়ে কলকাতার অন্য দুই বড় ক্লাব

এই মরশুমে আইএসএলে খেলার সুযোগ না পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তবে দল গঠনের কাজে পিছিয়ে নেই মহমেডান স্পোর্টিং। বরং কলকাতার আর এক প্রধান ইস্টবেঙ্গলকে এই ব্যাপারে টেক্কা দিয়েই চলেছে। ইমামির সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত না হওয়ায় লালহলুদের দলগঠন প্রক্রিয়া যখন পিছিয়ে রয়েছে, সেখানে একের পর এক ফুটবলারকে সই করিয়ে বাজিমাত করছে মহমেডান। মার্কাস জোশেফের সঙ্গে আগেই চুক্তি চূড়ান্ত করে ফেলেছেন সাদাকালো কর্তারা। এবার ঝাঁপাল নাইজেরিয়ার জাতীয় দলের হয়ে খেলা স্ট্রাইকার ভিক্টর চুকুয়ামা এম্বাওমার জন্য। আইএসএলে খেলা এই স্ট্রাইকারের এজেন্টের সঙ্গে একপ্রস্থ কথা হয়েছে মহমেডান কর্তাদের। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে কয়েকদিনের মধ্যেই তাঁর সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত হবে। এছাড়া নর্থইস্ট ইউনাইটেডের হয়ে খেলা দেশর্ন ব্রাউনকে পেতে মরিয়া মহমেডান। জামাইকার এই ফুটবলারের সঙ্গে কথাবার্তা অনেকদূর এগিয়েছে। এছাড়াও ক্যামেরুনের জাতীয় দলের ফুটবলার বৌবা আমিনু এবং তাজাকিস্তানের জাতীয় দলের ফুটবলার কমরোন তরুসুনভের এজেন্টের সঙ্গেও কথা বলেছেন সাদাকালো কর্তারা। যদি চুকুয়ামা কিংবা ব্রাউনকে শেষ পর্যন্ত পাওয়া না যায়, সেক্ষেত্রে এই দুই ফুটবলারের জন্য ঝাঁপাবেন তাঁরা। এদিকে, চুক্তি আটকে থাকায় দল গঠনের কাজে হাত দিতে পারছেন না ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। ইমামি ও ইস্টবেঙ্গলের আইনজীবীরা চুক্তির খসড়া তৈরি করেছেন। তবে সেই চুক্তি নিয়ে দুই পক্ষ এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। এর মাঝেই বিশাল কাইথ হাতছাড়া হয়েছে। ঘরের ছেলে বলে পরিচিত মহম্মদ রফিকও লালহলুদ ছেড়ে চেন্নাইন সিটি এফসিতে যোগ দিয়েছেন। জেরির সঙ্গে পাকা কথা হয়ে গিয়েও সই করাতে পারছে না। হয়তো তিনিও হাতছাড়া হয়ে যাবে লালহলুদের। ইস্টবেঙ্গলের এইরকম টালমাটাল পরিস্থিতিতে আগামী মরসুমের জন্য দলকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছেন এটিকে মোহনবাগান কর্তারা। নজর দিয়ে সিনিয়র দলের জন্য সাপ্লাই লাইন তৈরি করতে। একসময় যুব দল থেকে উঠে এসে নজর কেড়েছেন কিয়ান নাসিরির মতো ফুটবলাররা। সেই রকম ফুটবলার তুলে নিয়ে আসার জন্য এবার বাড়তি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সিনিয়র দলের কোচ জুয়ান ফেরান্দোকে। ২০ জন থেকে যুবভারতীতে শুরু হবে এটিকে মোহনবাগানের বিভিন্ন বয়সভিত্তিক দল গঠনের জন্য ট্রায়াল। ফেরান্দোর সহকারীরা এই প্রাথমিক দল নির্বাচন করলেও চূড়ান্ত দল নির্বাচন করবেন ফেরান্দোই।

জুন ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মোহনবাগানের প্রাক্তন কোচকে তুলে নিতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল

মাসখানেক আগে শোনা যাচ্ছিল কলকাতা লিগ ও ডুরান্ড কাপের জন্য ইস্টবেঙ্গলের কোচ হতে পারেন রঞ্জন ভট্টাচার্য। তাঁর সঙ্গে একপ্রস্থ কথাও বলেছিলেন লালহলুদ কর্তারা। রঞ্জন ভট্টাচার্যর সঙ্গে এবার ইস্টবেঙ্গল কোচের লড়াইয়ে ঢুকে পড়লেন মোহনবাগানের প্রাক্তন কোচ শঙ্করলাল চক্রবর্তীও। তাঁর কাছে পৌঁছে গেলে লালহলুদ কর্তাদের প্রস্তাব। তবে এখনও পর্যন্ত চূড়ান্ত কিছু হয়নি। ইস্টবেঙ্গলে প্রস্তাব ভেবে দেখছেন সবুজমেরুণকে লিগ জেতানো এই কোচ।কলকাতা লিগ, ডুরান্ড কাপের জন্য স্বদেশি কোচ নিয়োগ করতে চান লালহলুদ কর্তারা। আইএসএলের জন্য পরে বিদেশি কোচ নিয়ে আসবেন। সেই মতো সন্তোষ ট্রফির বাংলা দলের কোচ রঞ্জন ভট্টাচার্যর কথা একসময় ভেবেছিলেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। পরে তাঁরা মত বদলেছেন। ক্লাব ফুটবলে শঙ্করলাল চক্রবর্তীর সাফল্যের কথা মাথায় রেখে তাঁকে কোচ করার ভাবনা মাথায় আসে। যদিও রঞ্জন ভট্টাচার্য এখনও লালহলুদ কর্তাদের মাথা থেকে সরে যাননি। এখন দেখার শেষ পর্যন্ত লালহলুদের কোচের হটসিটে কাকে দেখা যায়।এদিকে, ইমামির সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত না হওয়ায় দল গঠনে সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে ইস্টবেঙ্গলের। ফুটবলারদের সঙ্গে প্রাথমিক কথা হলেও চুক্তি চূড়ান্ত করতে পারছে না। ফলে ফুটবলাররা হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে। থমকে যাচ্ছে দলগঠন প্রক্রিয়া। যেমন জেরি লালরিনজুয়ার সঙ্গে চূড়ান্ত কথা হলেও তাঁকে সই করাতে পারছেন না লালহলুদ কর্তারা। ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে কথা অনেকদুর এগিয়েও এটিকে মোহনবাগানে সই করেছেন বিশাল কাইথ। লালহলুদ কর্তারা তাকিয়ে ইমামির সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তির দিকে।এদিকে, সামনের মরশুমে সাদাকালো জার্সিতে খেলতে দেখা যাবে ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন ডিফেন্ডার সামাদ আলি মল্লিককে। বুধবার তিনি মহমেডানের চুক্তিপত্রে সই করেছেন। দীর্ঘ সময়ে ইস্টবেঙ্গলের ডিফেন্সের দায়িত্ব সামলানো সামাদ আলি লালহলুদের প্রথম দলে সুযোগ পান ২০১৫ সালে। ২০২০ পর্যন্ত ইস্টবেঙ্গলের হয়েই খেলেছেন সামাদ। পরবর্তীতে ইস্টবেঙ্গল ছেড়ে দিলে সই করেন পাঞ্জাবের রাউন্ড গ্লাস ক্লাবে। ২০২০-২১ আই লিগে পাঞ্জাবের দলটির হয়ে ৮টি ম্যাচ খেলেন তিনি। ২০২১ সালে সমাদের নতুন ঠিকানা হয় শ্রীনিধি ডেকান। গত আই লিগে নতুন এই দলটির হয়ে তিন ম্যাচ খেলে ফের শহরের দলে ফিরলেন সামাদ।

জুন ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

লালহলুদে আসছেন মেসির দেশের ফুটবলার?‌ বাগানের চোখ ব্রাজিলে

সামনের মরশুমে লিওনেল মেসির দেশের মিডফিল্ডারকে খেলতে দেখা যাবে লালহলুদ জার্সিতে? তেমন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ইস্টবেঙ্গল রিক্রূটারদের নজরে পড়ছে আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার ইভান রোসির দিকে। তাঁর এজেন্টের সঙ্গে ইতিমধ্যেই কথা বলেছেন লালহলুদ কর্তারা। তবে চূড়ান্ত কিছু হয়নি। এই আর্জেন্টিনার তারকার আর্থিক প্রস্তাব মেনে নিলে সামনের মরশুমে লালহলুদ জার্সিতে খেলতে দেখা যেতেই পারে। ২৮ বছর বয়সী ইভান রোসি আদপে ডিফেন্সিভ মিডিও। বর্তমানে তিনি আর্জেন্টিনার শীর্ষস্থানীয় লিগ প্রাইমেইরা লিগার দল মার্টিমোর হয়ে খেলেন। মার্টিমোতে যোগ দেওয়ার আগে তিনি বেনফিল্ড, রিভার প্লেটের মতো নামী ক্লাবেও খেলেছেন। ২০১৫১৬ এবং ২০১৬১৭ মরশুমে পরপর দুবার রিভার প্লেটের কোপা আর্জেন্টিনা জয়ী দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন ইভান রোসি। এখন দেখার তাঁর আর্থিক প্রস্তাব মেনে সি করাতে পারেন কিনা লালহলুদ কর্তারা।এদিকে ডেভিড উইলিয়ামস, রয় কৃষ্ণারা দল ছাড়ার পর আক্রমণভাগ নিয়ে নতুন করে ভাবনাচিন্তা করতে হচ্ছে এটিকে মোহনবাগানকে। ইতিমধ্যেই সবুজমেরুণ কর্তারা হাত বাড়িয়েছেন এক ব্রাজিলিয়ান তারকার দিকে। ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড হেনরিকে লুভানরের এজেন্টের সঙ্গে কথা বলেছেন এটিকে মোহনবাগান কর্তারা। ব্রাজিলে জন্ম হলেও মলডোভার হয়ে খেলেন লুভানর। সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রো লিগ, সৌদি আরবের প্রোফেশনাল লিগে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। বর্তমানে তিনি খেলছেন ক্রুজেইরার হয়ে।এবছর ইস্টবেঙ্গল, এটিকে মোহনবাগান, দুটি দলই লিগ, শিল্ড, ডুরান্ড কাপে খেলবে। সেইমতো দল গঠনের কাজ শুরু করে দিয়েছে। এটিকে মোহনবাগানের দল প্রায় তৈরিই রয়েছে। গত মরশুমে খেলা অনেক ফুটবলার অন্য ক্লাবে যোগ দেওয়ায় নতুন করে ইস্টবেঙ্গলকে দল সাজাতে হচ্ছে। কলকাতা লিগের জন্য ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজন ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তি সেরে ফেলেছে। আপাতত ভাল মানের বিদেশির খোঁজে রয়েছেন লালহলুদ কর্তারা।

জুন ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সম্পর্ক ছিন্ন করে এটিকে মোহনবাগান সমর্থকদের উদ্দেশ্যে কী বললেন রয় কৃষ্ণা?‌

শুক্রবারই টুইট করে রয় কৃষ্ণার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা ঘোষণা করেছে এটিকে মোহনবাগান। রয় কৃষ্ণাকে শুভেচ্ছাও জানানো হয়। টুইটারে লেখা হয়েছে, সমস্ত স্মৃতির জন্য ধন্যবাদ রয়! বিদায় এবং শুভকামনা রইল! পুরনো ক্লাবের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে ভোলেননি ফিজির এই তারকা। সবুজমেরুণ সমর্থক, টিম ম্যানেজমেন্ট ও কর্তাদের কাছ থেকে মাঠে এবং মাঠের বাইরে যে ভালবাসা পেয়েছেন, তার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে ৩১ মে চুক্তি শেষ হয় রয় কৃষ্ণার। ফলে ১ জুন থেকেই ফ্রি এজেন্ট তিনি। অবশেষে ৩ জুন সরকারি ভাবে রয় কৃষ্ণার দল ছাড়ার কথা ঘোষণা করে এটিকে মোহনবাগান। এটিকে মোহনবাগানের টুইটের পরই এক আবেগঘন টুইট করেন রয় কৃষ্ণা। সেই টুইটে তিনি লিখেছেন, এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে সম্পর্ক শেষ হওয়ার পর আমি কেমন অনুভব করছি, তা কোনও শব্দই ব্যাখ্যা করতে পারবে না। ক্লাব, অনুগামী এবং শুভাকাঙ্ক্ষীরা মাঠে এবং মাঠের বাইরে যেভাবে আমাকে ভালবাসা উপহার দিয়েছেন, তারজন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। সবাই আমাদের জন্য যা করেছেন, তা আমার পরিবার এবং আমি সত্যিই প্রশংসা করি। সমর্থকদের যে ভালবাসা পেয়েছি, তা মিস করব। তবে এই স্মৃতিগুলিকে সারাজীবন লালন করব।সবুজমেরুণ ছেড়ে ফিজির এই তারকা ফুটবলার কোন ক্লাবে যোগ দিচ্ছেন, তা নিয়ে অবশ্য এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। রয় কৃষ্ণর কাছে এই মুহূর্তে ইস্টবেঙ্গল, মুম্বই সিটি এফসিসহ আইএসএলের একাধিক ক্লাবের প্রস্তাব রয়েছে। বেঙ্গালুরু এফসিও এই তারকা স্ট্রাইকারকে নিতে আগ্রহ দেখিয়েছে। এছাড়া তাঁর পুরনো ক্লাব অস্ট্রেলিয়ার এ লিগের ক্লাব ওয়েলিংটন ফনিক্সেরও প্রস্তাব রয়েছে। সেখান থেকেই ভারতে খেলতে এসেছিলেন তিনি। তবে কোথায় খেলবেন তাএখনও ঠিক করেননি রয় কৃষ্ণা।এটিকে এবং মোহনবাগানের হয়ে তিন মরশুমে ৬০ টি ম্যাচ খেলেছেন রয় কৃষ্ণা। গোল করেছেন ৩৬টি। তাঁর পাস থেকে ১৮টি গোল এসেছে। যা তাঁর ক্লাবের হয়ে সবচেয়ে বেশি। সামগ্রিকভাবে ৩৪ বছর বয়সী বার্থলোমিউ ওগবেচে (৩৬), সুনীল ছেত্রী (৫১) এবং ফেরান করোমিনাসের (৪৮) পরে আইএসএলের সর্বকালের ইতিহাসে চতুর্থ সর্বোচ্চ গোলদাতা রয় কৃষ্ণা। ২০১৯২০ মরশুমে ১৫টি গোল করে এটিকেকে চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন। ২০২০২১ মরশুমে এটিকে মোহনবাগানকে ফাইনালে তোলার পেছনে তাঁর অবদান ছিল যথেষ্ট। ১৪ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার সম্মান ছিনিয়ে নিয়েছিলেন রয় কৃষ্ণা।

জুন ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আমাদের খবরই সত্যি হল, এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে সম্পর্ক শেষ রয় কৃষ্ণার

ইঙ্গিতটা আগেই ছিল। জনতার কথা নিউজ পোর্টালেও খবরটা প্রকাশিত হয়েছিল, এটিকে মোহনবাগান ছাড়বেন রয় কৃষ্ণা। আমাদের খবর মান্যতা পেল। এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করলেন রয় কৃষ্ণা। এদিনই তিনি সরকারি ভাবে সবুজমেরুনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা ঘোষণা করলেন। এবছর আইএসএল চলাকালীন শেষদিকে চোট পেয়েছিলেন রয় কৃষ্ণা। ফিট হয়ে উঠলেও কোচ জুয়ান ফেরান্দো ভরসা রাখেননি রয় কৃষ্ণার ওপর। তখন থেকেই কোচের সঙ্গে দূরত্ব বাড়তে থাকে ফিজির এই তারকার। ৩১ মে এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে চুক্তি শেষ হয় রয় কৃষ্ণার। ফলে ১ জুন থেকেই ফ্রি এজেন্ট তিনি। অবশেষে ৩ জুন সরকারী ভাবে রয় কৃষ্ণার দল ছাড়ার কথা ঘোষণা করল এটিকে মোহনবাগান।এক নিকট আত্মীয় মারা যাওয়ায় এএফসি কাপের যোগ্যতা অর্জনকারী পর্বের ঠিক আগে দেশে ফিরে গিয়েছিলেন রয় কৃষ্ণা। সূত্রের খবর, কোচ জুয়ান ফেরান্দোর সঙ্গে মনোমালিন্যর জন্যই নাকি ফিজি চলে গিয়েছিলেন রয় কৃষ্ণা। তাঁর সম্পর্কে কোনও প্রশ্ন করলে এড়িয়ে যেতেন ফেরান্দো। কোচের সঙ্গে রয় কৃষ্ণার সম্পর্কে অবনতি যে হয়েছে তা স্বষ্ট ছিল। গ্রুপ পর্বের ম্যাচে যদিও পেশাদারিত্ব দেখিয়ে রয় কৃষ্ণা জ্বলে ওঠেন।শুক্রবার এটিকে মোহনবাগানের মিডিয়া টিমের পক্ষ থেকে সরকারি ভাবে রয় কৃষ্ণার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা জানানো হয়। এটিকে মোহনবাগানের পক্ষ থেকে টুইট করে রয় কৃষ্ণাকে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। টুইটারে লেখা হয়েছে, সমস্ত স্মৃতির জন্য ধন্যবাদ রয়! বিদায় এবং শুভকামনা রইল! রয় কৃষ্ণর কাছে এই মুহূর্তে ইস্টবেঙ্গল, মুম্বই সিটি এফসিসহ আইএসএল-এর একাধিক ক্লাবের প্রস্তাব রয়েছে। এছাড়া তাঁর পুরনো ক্লাব অস্ট্রেলিয়ার এ লিগের ক্লাব ওয়েলিংটন ফনিক্সেরও প্রস্তাব রয়েছে। সেখান থেকেই ভারতে খেলতে এসেছিলেন তিনি। তবে কোথায় খেলবেন তাএখনও ঠিক করেননি রয় কৃষ্ণা।

জুন ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

স্পেনের হয়ে দুটি বিশ্বকাপ খেলা স্ট্রাইকার আসছে এটিকে মোহনবাগানে!‌

সামনের মরশুমে দিয়েগো কোস্তাকে কি খেলতে দেখা যাবে সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে? শোনা যাচ্ছে স্পেনের এই বিশ্বকাপারকে দলে নেওয়ার জন্য আসরে নেমেছে এটিকে মোহনবাগান কর্তারা। বেশ কিছুধিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল দিয়েগো কোস্তাকে দলে নেওয়া হতে পারে। তাঁর এজেন্টের সঙ্গে কথা বলেছেন কর্তারা। তবে এখনও চূড়ান্ত কিছু হয়নি। কোস্তাকে দলে নিতে গেলে বিশাল অঙ্কের বেতন দিতে হবে এটিকে মোহনবাগানকে। স্পেনের এই বিশ্বকাপার মার্কি ফুটবলার হওয়ায় আইএসএলের নিয়ম তা আটকাবে না। স্পেনের জার্সি গায়ে ২০১৪ ও ২০১৮ বিশ্বকাপে খেলেছিলেন দিয়েগো কোস্তা।বর্তমানে ফ্রি ফুটবলার হিসেবে রয়েছেন দিয়েগো কোস্তা। এই মুহূর্তে তিনি কোনও ক্লাবের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ নন। গতবছর ব্রাজিলের অ্যাটলেটিকো মিনেইরোতে ছিলেন। এই ক্লাবের হয়ে ব্রাজিলীয় সিরি এ লিগ, কোপা ডো ব্রাজিল জিতেছিলেন। গত মরশুমে মিনেইরোর হয়ে ৭টি গোল করেছিলেন দিয়েগো কোস্তা। ব্রাজিলের প্রথম ডিভিশন থেকে ভারতে তিনি আইএসএল খেলতে আসবেন কিনা, সে নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। তাছাড়া কোস্তার বিপুল বেতন এটিকে মোহনবাগান মেটাতে পারবে কিনা, তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে। তবে এটিকে মোহনবাগান কর্তারা হাল ছাড়ছেন না।আসলে ডেভিড উইলিয়ামস ও রয় কৃষ্ণার এটিকে মোহনবাগান ছাড়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়ে গেছে। নতুন মরশুমে মুম্বই সিটি এফসিতে যোগ দিচ্ছেন তিনি। শনিবার সবুজমেরুণের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে উইলিয়ামসকে বিদায়ী শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। রয় কৃষ্ণার কাছেও মুম্বই সিটি এফসির প্রস্তাব আছে। এখন দেখার তিনি মুম্বইয়ের প্রস্তাব গ্রহন করেন কিনা।দিয়েগো কাস্তা ছাড়াও আরও দুজন বিদেশি ফুটবলারের দিকে নজর রয়েছে এটিকে মোহনবাগান কর্তাদের। সার্বিয়ার জাতীয় দলের স্ট্রাইকার আলেকজান্ডার প্রিয়োভিচ ও জাপানের ইউমা সুজুকির এজেন্টের সঙ্গে কথা বলেছেন তাঁরা। কাশিমা অ্যান্টলার্সের হয়ে খেলা ২৬ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড সুজুকির প্রতি বেশি আগ্রহী এটিকে মোহনবাগান। তবে জাপানি সুজুকিকে আনতে বড় সমস্যা হবে ট্রান্সফার ফি। ২০২৩ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত কাশিমা অ্যান্টলার্সের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ সুজুকি। তাঁকে দলে নিতে গেলে ১০ কোটি টাকার বেশি ট্রান্সফার ফি দিতে হতে পারে। জানা গিয়েছে, সবুজমেরুন কর্তারা নাকি সেই টাকা দিতে রাজি।

মে ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌মাজিয়াকে উড়িয়ে এএফসি কাপের আঞ্চলিক পর্বের সেমিফাইনালে এটিকে মোহনবাগান

এএফসি কাপের প্রথম ম্যাচে গোকুলাম এফসির কাছে হারটা যে দুর্ঘটনা ছিল, প্রমাণ হয়ে গেল। প্রথম ম্যাচে হারের পর দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন। বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে ৪২ ব্যবধানে জয়। গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে মালদ্বীপের মাজিয়া স্পোর্টস অ্যান্ড রিক্রিয়েশন ক্লাবকে ৫২ ব্যবধানে উড়িয়ে এএফসি কাপের আঞ্চলিক পর্বের সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল এটিকে মোহনবাগান। জোড়া গোল করে জয়ের নায়ক জনি কাউকো। ১টি করে গোল করেন রয় কৃষ্ণা, শুভাশিস বোস ও কার্ল ম্যাকহিউ।এটিকে মোহনবাগান সেমিফাইনালে জায়গা করে নিতে পারবে কিনা নির্ভর করছিল এদিন গোকুলাম এফসি ও বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংসের ম্যাচের ওপর। গোকুলাম জিতলে এটিকে মোহনবাগান ও মাজিয়া ম্যাচ নিয়মরক্ষার ম্যাচে পরিণত হত। কিন্তু প্রথম ম্যাচে বসুন্ধরা কিংস ২১ ব্যবধানে জিতে যাওয়ায় ড্র করলেও চলত এটিকে মোহনবাগানের। কিন্তু মাজিয়াকে উড়িয়েই সেমিফাইনালে জায়গা করে নিল।এদিন ম্যাচে ২৬ মিনিটে এটিকে মোহনবাগানের হয়ে প্রথম গোলটি করেন জনি কাউকো। এই গোলের ১১ মিনিটের মধ্যে দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি। ২০ গোলে এগিয়ে যাওয়া এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে মাজিয়ার হয়ে ব্যবধান কমান টানা। দ্বিতীয়ার্ধে ৫৬ মিনিটে রয় কৃষ্ণ গোল করে এটিকে মোহনবাগানের পক্ষে লিড ডবল করেন। দুমিনিটের মধ্যে চতুর্থ গোলটি করেন শুভাশিস বসু ৫৮ মিনিটে। ৭১ মিনিটে কার্ল ম্যাকহিউ পঞ্চম গোলটি করেন এটিকে মোহনবাগানের হয়ে। ৭৩ মিনিটে টানা আরও একটি গোল মাজিয়ার হয়ে করলেও কোনও লাভ হয়নি মলদ্বীপের দলটির। শেষ পর্যন্ত এটিকে মোহনবাগানের পক্ষে ৫২ গোলেই শেষ হয় ম্যাচ।

মে ২৪, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মহালয়ায় কখন করবেন পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পণ? জেনে নিন শুভ সময় ও বিশেষ নিয়ম

শিউলি ফুলের গন্ধ আর শরতের ভোরের বাতাসে ঢাকের মিঠে বোল এই তো আমাদের দুর্গোৎসবের প্রথম বার্তা! বছর ঘুরে আবারও সেই কাঙ্ক্ষিত দিনটি দোরগোড়ায়। ২০২৬ সালের ১০ই অক্টোবর, শনিবার (২২শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ) শুভ মহালয়া। ভোরে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের জলদগম্ভীর কণ্ঠে মহিষাসুরমর্দিনীর সুর ভেসে আসার সঙ্গেই যেন বাঙালিয়া এক অদ্ভুত আবেগ আর নস্টালজিয়ায় ভেসে যায়। পিতৃপক্ষের সমাপনী আর দেবীপক্ষের এই নতুন সকালে চরাচর যেন এক স্বর্গীয় সুরের আহ্বানে জেগে ওঠে।মহালয়া শুধু একটি দিন নয়, এটি একটি অনুভূতির নাম। পুরাণ মতে, এদিনই দেবী দুর্গা মর্ত্যে তাঁর পিতৃগৃহে পা রাখেন, শুরু হয় দেবীপক্ষ। এর পাশাপাশি এটি আমাদের শিকড়কে স্মরণ করার শ্রেষ্ঠ সময়। এদিন ভোরে গঙ্গার ঘাটে ঘাটে পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পণ করার জন্য হাজারো মানুষের মিলনমেলা বসে। শাস্ত্রানুসারে অমাবস্যা তিথিটি শুরু হচ্ছে ৯ই অক্টোবর রাত ৯:৩৫ মিনিটে এবং থাকবে ১০ই অক্টোবর রাত ৯:১৯ মিনিট পর্যন্ত। পিতৃপুরুষকে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য ১০ই অক্টোবর সকাল ১১:২৪ মিনিট থেকে দুপুর ১:৫৬ মিনিট পর্যন্ত সময়টিকে সবচেয়ে শুভ বলে মনে করা হচ্ছে।তবে মহালয়া কিন্তু কেবল অতীতের স্মৃতি তর্পণ বা শাস্ত্রমতে তর্পণের আচারটুকুতেই সীমাবদ্ধ নয়, এর পেছনে লুকিয়ে আছে আগমনীর গভীর আনন্দ। এই বিশেষ দিনে প্রতিমার চোখে তুলি ছোঁয়ানো অর্থাৎ চক্ষুদান রীতির মধ্য দিয়েই মৃন্ময়ী রূপ যেন চিন্ময়ীতে পরিণত হতে শুরু করে। ১০ই অক্টোবরের এই অলৌকিক ভোরে মহালয়া শেষ হতেই, পরের দিন ১১ই অক্টোবর থেকে পূর্ণাঙ্গভাবে সূচনা হবে দেবীপক্ষের। চারপাশের কাশবনের দোল আর নীল আকাশের শুভ্র মেঘেরা তখন যেন চুপিচুপি জানান দেবে মা আসছেন। উৎসবের এই পবিত্র সূচনাকে সুন্দর ও মঙ্গলাময় রাখতে কিছু চিরন্তন রীতির প্রতি শ্রদ্ধা রাখা জরুরি। সনাতন বিশ্বাস অনুযায়ী, এই পুণ্যলগ্নে নিরামিষ আহার গ্রহণ করা ও যেকোনো প্রকার নতুন কেনাকাটা বা চুল-নখ কাটা থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়। পিতৃপুরুষের প্রতি শ্রদ্ধা আর মাতৃরূপী মহাশক্তির আবাহনের এই মাহেন্দ্রক্ষণে আসুন আমরাও হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে নিজেদের মনকে নির্মল করে তুলি। অপেক্ষা শুধু আর কটা দিনের শরতের এই আলো-আঁধারির খেলায় মহালয়ার ভোর যেন প্রতিটা বাঙালির অন্তরে পৌঁছে দেয় এক অনাবিল আনন্দের পরশ।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
রাজ্য

বিকাশরঞ্জনের বাড়িতে হামলার নিন্দায় মমতা, তদন্তের মাঝেই ‘হিন্দুত্ববাদী’ মন্তব্যে অ্যাকশনের হুঙ্কার শুভেন্দুর

বর্ষীয়ান আইনজীবী তথা সিপিএমের প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলার ঘটনায় এক যুবককে গ্রেফতার করল পুলিশ। শুক্রবার ভোর প্রায় ৪টে ৫ মিনিট নাগাদ দক্ষিণ কলকাতার গড়িয়া সাহা কালীবাড়ি এলাকার বাসিন্দা বাপ্পা গুছাইতকে গ্রেফতার করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখেই অভিযুক্তকে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তাঁর বাইকটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ধৃতকে এদিন আদালতে পেশ করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হবে বলে জানা গিয়েছে।কীভাবে ঘটেছিল হামলা?অভিযোগ, বৃহস্পতিবার ভোরে পূর্ব যাদবপুরে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়ি লক্ষ্য করে কাচের মদের বোতল ছোড়ে একদল অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতী। বোতলের আঘাতে বাড়ির জানলার কাচ ভেঙে যায়। সেই সঙ্গে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। হামলার সময় অল্পের জন্য রক্ষা পান বাড়ির এক গৃহসহায়িকা।বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের দাবি, ভোর প্রায় পাঁচটা নাগাদ মুখ কাপড়ে ঢাকা এক ব্যক্তি বাইকে চেপে এসে ব্যাগ থেকে কাচের বোতল বের করে তাঁর বাড়ির জানলার দিকে ছুড়তে থাকে। পিছনে আরও কয়েকজন ছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজে বাইকে আসা এক ব্যক্তিকে বোতল ছুড়তে দেখা গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ফুটেজের অডিয়োয় আমাদের সঙ্গে লাগতে এসো না, আমরা দেশভক্ত এই ধরনের হুমকির কথাও শোনা যায় বলে দাবি।ঘটনার পর পুলিশ বিকাশরঞ্জনের বাড়িতে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে এবং তাঁর কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে। সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে গিয়ে বাপ্পা গুছাইতকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে কলকাতা পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে হামলার কারণ, ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না এবং এর পিছনে কোনও বৃহত্তর ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।হিন্দুত্ববাদীরা হামলা করেছে, অভিযোগ বিকাশরঞ্জনেরহামলার ঘটনার পর বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য অভিযোগ করেন, এই ঘটনার পিছনে রয়েছে হিন্দুত্ববাদী গুন্ডারা। তাঁর বক্তব্য, গরিব মানুষের অধিকারের পক্ষে যাঁরা লড়াই করছেন, তাঁদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। হামলাকারীরা এভাবে তাঁকে শিক্ষা দিতে চেয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।বিকাশরঞ্জনের এই মন্তব্যকে ঘিরে পাল্টা সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, হামলার ঘটনায় পুলিশ তদন্ত করছে এবং তাঁর নির্দেশেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে এই ঘটনার দায় সরাসরি হিন্দুত্ববাদীদের উপর চাপানোর বিরোধিতা করেছেন তিনি।শুভেন্দু অধিকারীর হুঁশিয়ারি, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে হিন্দুত্ববাদী শব্দটি প্রত্যাহার না করা হলে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা অনুযায়ী আইনি পদক্ষেপ করা হবে। ওই পোস্ট মুছে ফেলার উদ্যোগও পুলিশের তরফে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, এ ধরনের মন্তব্যের মাধ্যমে গোটা হিন্দু সমাজকে অপমান করা হয়েছে। গেরুয়া, সনাতন, হিন্দুত্ব ও রাষ্ট্রবাদকে নিশানা করা হলে তার জবাব দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়াবিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলার ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সামাজিক মাধ্যমে ঘটনার নিন্দা করেছেন। তাঁর বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গ ভয় দেখানো বা জঙ্গলরাজের সংস্কৃতি মেনে নেবে না। রাজনৈতিক মতাদর্শ নির্বিশেষে আইনজীবীদের নির্ভয়ে তাঁদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে দেওয়ার পক্ষেও সওয়াল করেছেন তিনি।অন্যদিকে, যাদবপুরের বিধায়িকা শর্বরী মুখোপাধ্যায় এই ঘটনায় বিজেপির যোগ থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। আইনজীবী ফিরদৌস শামিম জানিয়েছেন, বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগের নজরে আনা হবে।একদিকে বাড়িতে হামলার ঘটনায় গ্রেফতারি, অন্যদিকে হিন্দুত্ববাদী মন্তব্য ঘিরে মুখ্যমন্ত্রীর পাল্টা আইনি হুঁশিয়ারি সব মিলিয়ে ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে। তবে হামলার প্রকৃত কারণ এবং এর পিছনে আর কেউ জড়িত কি না, তা পুলিশের তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
রাজ্য

১৯৭৬ সালে মহিষাসুরমর্দিনীতে উত্তমকুমার, ক্ষোভে ফেটে পড়েছিলেন বাঙালিরা! কেন ফিরিয়ে আনতে হয়েছিল বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রকে?

প্রবাসে থাকা ছেলে মেয়েরা যেভাবে বছরের ৪ দিন তাদের ভিটেমাটির টানে ফিরে আসে, সেভাবে নস্টালজিক বাঙালিকে যিনি বেতারের সামনে শিকড়ের টানে টেনে আনেন তিনি আর কেউ নন বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র। মহালয়া (Mahalaya 2026) ,মহিষাসুরমর্দিণী (Mahisashurmardini) আর বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র (Birendra Krishna Bhadra) তিনটে নামই উচ্চারিত হয় এক স্বরে। মহালয়ার ভোরে এই চণ্ডীপাঠের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যিনি গোটা বিশ্বে নিজের কণ্ঠকে অমর করে রেখে গিয়েছেন, সেই বাঙালি মধ্যবিত্ত সাদামাটা ধুতি পাঞ্জাবি পরা কণ্ঠশিল্পীই বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র। যাঁর হাত ধরে বাঙালির পুজোর (Durga Puja) ঢাকে কাঠি পড়ে। আজ ২০২৬ সালের মহালয়ার অপেক্ষায় রাত জাগছে বাঙালি, সেই পরিচিত কণ্ঠে মহিষাসুর মর্দিণী শুনবে বলেই। ১৯০৫ সালের এই দিনটিতেই উত্তর কলকাতার আহিরীটোলায় জন্মগ্রহণ করেন প্রবাদপ্রতিম বেতার ব্যক্তিত্ব বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র। বাবা রায়বাহাদুর কালীকৃষ্ণ ভদ্র ছিলেন একজন ভাষাতত্ত্ববিদ, মা ছিলেন সরলা দেবী। ছোটবেলায় ঠাকুরমা যোগমায়া দেবীর কাছে সংস্কৃত শিক্ষার হাতেখড়ি হওয়া বীরেন্দ্রকৃষ্ণ মাত্র আট বছর বয়সে প্রখর স্মৃতিশক্তির জোরে নির্ভুল চণ্ডীপাঠ করে সবাইকে চমকে দিতেন। ১৯২৮ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া রেলওয়েতে কর্মজীবন শুরু করলেও তাঁর মন পড়ে থাকত ১ নম্বর গার্স্টিন প্লেসের অল ইন্ডিয়া রেডিওর দফতরে। অফিস শেষের আড্ডা থেকেই ধীরে ধীরে বেতারে নাটকের সুযোগ পান। পরবর্তীতে চাকরি ছেড়ে পাকাপাকিভাবে আকাশবাণীতে যোগ দেন।আকাশবাণীতে যোগ দেওয়ার পর বাণীকুমার ভট্টাচার্যের রচনা এবং রাইচাঁদ বড়াল ও পঙ্কজকুমার মল্লিকের সুর পরিচালনায় শুরু হয় মহালয়ার কালজয়ী অনুষ্ঠান মহিষাসুরমর্দিনী। লাইভ সম্প্রচারের সেই যুগে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ আগের রাত থেকেই স্টেশনে থেকে ভোরবেলায় স্নান সেরে, গরদের ধুতি-পাঞ্জাবি পরে চণ্ডীপাঠে বসতেন। একদিন স্টুডিওতে রসিকতা করে বাংলা ভাষ্যটিও স্তোত্রের ঢঙে সুর করে পড়তে গিয়ে জন্ম নেয় তাঁর সেই অবিস্মরণীয় অবদান, যা ১৯৬৬ সালে বাণীকুমারের পরামর্শে রেকর্ড করা হয়। আজও প্রতি মহালয়ার ভোরে প্রতিটি বাঙালির ঘরে ঘরে শোনা যায় এই স্মরণীয় কন্ঠস্বরে চণ্ডীপাঠ, যেন মা দুর্গা প্রথম অঞ্জলি বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের থেকেই নেন।কেবল রেডিওর জাদুকরী কণ্ঠই নয়, বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ছিলেন একজন চমৎকার নাট্যকার, সমৃদ্ধ লেখক এবং পরিচালক। তিনি পেশাদারি মঞ্চে সাহেব বিবি গোলাম-এর মতো সফল নাটক পরিচালনা করার পাশাপাশি নিষিদ্ধ ফল-এর মতো চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্যও লিখেছিলেন। অনেক গুণী ব্যক্তি রেডিওর জন্যই একসময় নিজেকে উৎসর্গ করে দেন। গোটা বিশ্বে যখন তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ছে তখন হঠাৎই ১৯৭৬ সালে আকাশবাণী কর্তৃপক্ষ প্রথা ভেঙে তাঁর জায়গায় মহানায়ক উত্তমকুমারকে দিয়ে চণ্ডীপাঠ করানোর সিদ্ধান্ত নেয়। বাঙালির আবেগে ঘা পড়তেই, বহু বাঙালি ভক্ত রেডিও অফিসের ওপর চড়াও হয়। কেউই ভালোভাবে গ্রহণ করেনি সেই দিনের চণ্ডীপাঠ। স্বাভাবিক ভাবেই সে বছর পুণরায় ষষ্ঠীর দিন বীরেন্দ্রকৃষ্ণের মহিষাসুরমর্দিনী সম্প্রচার করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু গোটা ঘটনাতে তিনি ছিলেন নির্বিকার স্থির, বোধহয় তিনি মন থেকে জানতেন কিছু স্থান অপরিবর্তনশীল। ১৯৯১ সালের ৩ নভেম্বর মহাপ্রয়াণ ঘটলেও বাঙালি সংস্কৃতির আকাশে তিনি অমর হয়ে রয়েছেন। শরতের ভোরে শিউলি ঝরা হাওয়ায় তাঁর সেই বজ্রনির্ঘোষ অথচ সুরময় কণ্ঠে আশ্বিনের শারদপ্রাতে শুনলেই আজও মনে হয় পুজোর বাদ্যি বেজেছে। এভাবেই কিংবদন্তি বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র মহালয়ায় মহিষাসুরমর্দিণীর মাধ্যমে চিরকাল বেঁচে থাকবেন কোটি কোটি বাঙালির মনে।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

জেলকোভিচের গোলেই বধ ইস্টবেঙ্গল, আইএফএ শিল্ড মোহনবাগানের

সেমিফাইনালে বিপক্ষকে ৭ গোল দিয়ে আত্মবিশ্বাসের চূড়ায় পৌঁছেছিল ইস্টবেঙ্গল। বৃহস্পতিবার প্রথমার্ধের ৪৫ মিনিটে জেলকোভিচের গোলেই বধ ইস্টবেঙ্গল। ২২ তম আইএফএ শিল্ড চ্যাম্পিয়ন হল মোহনবাগান। এদিন বেশ গুছিয়ে ফুটবল খেলেছে মেরিনার্সরা। ইন্ডিয়ান সুপার লিগ শুরু হওয়ার আগে ইস্টবেঙ্গলের এই হার দলের মনোবলে কতটা আঘাত করবে সেটাও দেখার। গত সিজনের আইএসএল কাপ ইস্টবেঙ্গলের ঘরে ছিল। শুরুতেই ইস্টবেঙ্গল একটি সুযোগ পেয়েও কাডে লাগাতে পারেনি। বিরতির শেষ মুহূর্তে লীড নিয়ে নেয় মোহনবাগান। তখন বেশ চাপে ছিল ইস্টবেঙ্গল। মোহনবাগানের একের পর আক্রমণে তখন দিশেহাপা ইস্টবেঙ্গল। জেলকোভিচের গোলে এগিয়ে যায় মোহনবাগান। বৃহস্পতিবার আইএফএ শিল্ডের (IFA Shield 2026) ফাইনালে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট (Mohun Bagan Super Giant) ও ইস্টবেঙ্গল (East Bengal FC) মুখোমুখি হওয়ায় ফের ফুলবল জ্বরে ভুগতে শুরু করে কলকাতা। সল্টলেকের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে দুই দলের সমর্থকরা তখন নিজের দলের সমর্থনে চিৎকারে গলা ফাটাচ্ছে। অনেক চেষ্টা করেও আর গোল পায়নি ইস্টবেঙ্গল জেলকোভিচের গোলই ম্যাচের পার্থক্য় গড়ে দেয়। ম্যাচের শেষের দিকে দুটো কর্ণার কিক পেলেও কাজে লাগাতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
রাজনীতি

পূর্ব বর্ধমানে তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা উদ্ধার, আরও সম্পদের সন্ধানে তদন্তে পুলিশ

সরকার বদলের পর থেকে নানা অভিযোগে একের পর এক হেভিওয়েট নেতা, মন্ত্রী গ্রেফতার হয়েছেন। এখনও তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতারি অব্যাহত। এবার কাটোয়ায় গ্রেফতার হওয়া নেতার বাড়ি থেকে রাশি রাশি টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, সম্পত্তির হদিশও মিলেছে। পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার দুই তৃণমূল নেতা সুপ্রিয় মুখোপাধ্যায় ও সুদীপ্ত চক্রবর্তী কিভাবে বিপুল অর্থ ও সম্পদের মালিক হলেন, তা নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। এদের সঙ্গে জড়িত দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।জানা গিয়েছে, সামন্য বেতনে বেসরকারী একটি মোবাইল সংস্থায় কর্মরত ছিলেন ওই দুই নেতা। পরবর্তীতে তৃণমূলে যোগ দিয়েই কাটোয়ার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁর সর্বসময়ের সঙ্গী দীগন্ত পালের সঙ্গে বিশেষ সখ্য়তা স্থাপন করে ফেলেন। এরপর সুপ্রিয় মুখোপাধ্যায় ও সুদীপ্ত চক্রবর্তীর ধনসম্পত্তি বাড়তে বিদ্যুৎ গতিতে। ইতিমধ্যে সরকার পরিবর্তন হতেই আর্থিক দুর্নীতির মামলায় রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ দীগন্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সূত্রের খবর, এরপরই গ্রেফতার এড়াতে পালিয়ে বেরাচ্ছিল সুপ্রিয় মুখোপাধ্যায় ও সুদীপ্ত চক্রবর্তী। তবে শেষমেশ পুলিশের জালে ধরা পড়ে দুজনই। এখন তাঁদের বেআইনি ধনসম্পদ নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে সুপ্রিয়র বাড়ি থেকে ৯ লক্ষ টাকা নগদ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একটি বেসরকারি ব্যাংক থেকে তাঁরা সোনা রেখে লক্ষ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই সোনা কোথা থেকে এসেছে তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এদের কাছে দামি চারচাকাও রয়েছে।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬
কলকাতা

বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলা, সিপিএম নেতার অভিযোগ ওড়ালেন শর্বরী মুখোপাধ্যায়

সিপিএম নেতা বিকাশ ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলা করা অভিযোগ উঠেছে। পূর্ব যাদবপুরে তাঁর বাড়ির জানালার কাঁচ ভাঙা হয়েছে। তিনি স্থানীয় থানায় এই বিষয়ে অভিযোগ করেছে। এই হামলায় বিজেপির মদত আছে বলে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য অভিযোগ করেছেন। তবে যাবদপুরের বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায় ওই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, জয়শ্রীরাম বলে অন্যায় করলেই কি সে বিজেপি হয়ে যায়। তা হতে পারে না। আজ ভোরে তার বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়ি লক্ষ্য করে কাচের বোতল ছোড়া হয়। বিকাশরঞ্জন বলেন, মদের বোতন ছড়িয়ে আছে। শক্ত কাচ ভেঙে ফেলা হয়েছে। সিসিটিভিতে দেখা যাচ্ছে বাইকে এল, ছবি তুললো। তারপর বলতে থাকল, আমরা মায়ের সন্তান। আমাদের পিছনে লেগেছিস। ওই ব্যক্তির মুখ ঢাকা ছিল। মোটর বাইকের নম্বরও ঢাকা ছিল। একেবারে পরিকল্পনা করে এসেছিল। আমি অনবরত হিন্দু মৌলবাদের বিরুদ্ধে বলছি তাই এই হামলা। এর পিছনে সর্বরীদেবীর পার্টিদের মদত আছে। বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায় বলেছেন, কোনও রাজনৈতিক দলের এটা কাজ নয়। কোনও দুষ্কৃতীকারীর কাজ। মুখে স্লোগান দিয়ে এই কাজ করে সরকার ও বিজেপির বদনাম করছে। জয়শ্রীরাম ধ্বনি দিয়ে, কোনও অন্যায় কাজ করল তাঁকে বিজেপি বলা যায় না।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

পাঁচ দশকের অভিনয়জীবনে ইতি, প্রয়াত বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকর

প্রয়াত হলেন প্রবীণ অভিনেতা নানা পাটেকর। হিন্দি ও মারাঠি সিনেমার অন্যতম স্বতন্ত্র অভিনেতা হিসেবে পরিচিত নানা পাটেকর বৃহস্পতিবার ভোরে গোয়ায় নিজের বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়েই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।নানা পাটেকরের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তাঁর ছেলে মালহার পাটেকর। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-কে তিনি জানান, খবরটি সত্যি। তিনি সেই সময় পুনেতে ছিলেন এবং গোয়ার উদ্দেশে রওনা দেন। পরিবারের তরফে পরে বিস্তারিত বিবৃতি দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।প্রায় পাঁচ দশকের অভিনয়জীবনে ভারতীয় সিনেমায় নিজের স্বতন্ত্র জায়গা তৈরি করেছিলেন নানা পাটেকর। থিয়েটার দিয়ে অভিনয়জীবন শুরু করার পর ১৯৭৮ সালে গমন ছবির মাধ্যমে বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। এরপর পরিন্দা, ক্রান্তিবীর, অগ্নিসাক্ষী, খামোশি: দ্য মিউজিক্যাল, আব তক ছাপ্পান, অপরাধ, রাজনীতি থেকে ওয়েলকামএকাধিক ছবিতে তাঁর অভিনয় দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা পেয়েছে।পরিন্দা ছবির জন্য জাতীয় পুরস্কার পান নানা পাটেকর। ক্রান্তিবীর-এর জন্য সেরা অভিনেতা হিসেবে জাতীয় পুরস্কারও অর্জন করেন তিনি। অন্যদিকে, ২০০৭ সালের জনপ্রিয় ছবি ওয়েলকাম-এ গ্যাংস্টার উদয় শেঠির চরিত্রে তাঁর অভিনয় সম্পূর্ণ ভিন্ন এক পরিচয় তৈরি করে। চরিত্রটি এতটাই জনপ্রিয় হয় যে পরবর্তী সময়ে ওয়েলকাম ব্যাক ছবিতেও সেই ভূমিকায় দেখা যায় তাঁকে।মারাঠি সিনেমাতেও তাঁর অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। ২০১৬ সালের নটসম্রাট ছবিতে অবসরপ্রাপ্ত এক মঞ্চ অভিনেতার চরিত্রে তাঁর অভিনয় ব্যাপক প্রশংসিত হয়। ড. প্রকাশ বাবা আমটেদ্য রিয়েল হিরো ছবির জন্য তিনি ফিল্মফেয়ার পুরস্কারও পান।শুধু অভিনেতা হিসেবেই নয়, পরিচালক ও লেখক হিসেবেও কাজ করেছেন নানা পাটেকর। ১৯৯১ সালে প্রহার: দ্য ফাইনাল অ্যাটাক ছবিটি পরিচালনা করার পাশাপাশি ছবিতে অভিনয় ও লেখার কাজও করেন তিনি। অভিনয় ও চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য ২০১৩ সালে তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করা হয়। তাঁর ঝুলিতে রয়েছে মোট তিনটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।অভিনয়ের পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কাজের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন নানা পাটেকর। নাম ফাউন্ডেশন-এর মাধ্যমে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য বিভিন্ন কাজ করেছেন তিনি।নানা পাটেকরের প্রয়াণে ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের এক বর্ণময় অধ্যায়ের অবসান হল। প্রায় পাঁচ দশকের দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তাঁর অভিনীত একাধিক চরিত্র দর্শকের মনে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপুজোর মুখে শিয়ালদহ ডিভিশনে বাড়ল ট্রেন ও এসি লোকালের স্টপেজ, যাত্রীস্বার্থে একাধিক উদ্যোগ রেলের

দুর্গাপুজোর প্রাক্কালে যাত্রী পরিষেবাকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে শিয়ালদহ ডিভিশন একাধিক যাত্রীকেন্দ্রিক পরিচালনামূলক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। দৈনন্দিন শহরতলির যাতায়াতকে আরও দ্রুত, সুবিধাজনক ও আরামদায়ক করে তুলতে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছে অতিরিক্ত পরিষেবা এবং নতুন স্টপেজ। এর ফলে শহরতলির বিভিন্ন রুটের যাত্রীদের দীর্ঘদিনের চাহিদা পূরণ হবে।শান্তিপুরকৃষ্ণনগর সিটি জংশন সেকশনে পরিষেবার সংখ্যা বৃদ্ধি:দীর্ঘদিনের আঞ্চলিক যাতায়াতের চাহিদার কথা বিবেচনা করে দিগনগর হল্ট হয়ে শান্তিপুর (STB) ও কৃষ্ণনগর সিটি জংশনের মধ্যে দৈনিক ট্রেন পরিষেবা ১ জোড়া থেকে বাড়িয়ে ২ জোড়া করা হয়েছে। সকালের UP ট্রেনটি শান্তিপুর থেকে ০৯:৩৪ ঘণ্টায় ছেড়ে ১০:০৭ ঘণ্টায় কৃষ্ণনগর সিটি জংশনে পৌঁছাবে। ফেরার DN ট্রেনটি কৃষ্ণনগর থেকে ১০:১৭ ঘণ্টায় ছেড়ে ১০:৪৩ ঘণ্টায় শান্তিপুরে পৌঁছাবে। এর ফলে অফিসযাত্রী, পড়ুয়া এবং স্থানীয় যাত্রীরা বিশেষভাবে উপকৃত হবেন।শিয়ালদহবজবজের মধ্যে গভীর রাতে ইএমইউ পরিষেবা:দেরিতে কর্মস্থল থেকে ফেরা কর্মীদের সুবিধার্থে শিয়ালদহ ডিভিশন পরীক্ষামূলকভাবে শিয়ালদহ (SEALDAH) ও কমাগাটা মারু বজবজ (KBGB)-এর মধ্যে গভীর রাতে একটি শহরতলির পরিষেবা চালু করেছে। DN ট্রেনটি শিয়ালদহ থেকে ২২:৫৫ ঘণ্টায় ছেড়ে ২৩:৪৩ ঘণ্টায় বজবজ পৌঁছাবে। ফেরার UP ট্রেনটি বজবজ থেকে ২৩:৫৪ ঘণ্টায় ছেড়ে ০০:৪৮ ঘণ্টায় শিয়ালদহে পৌঁছাবে। এর ফলে রাতের শেষভাগেও যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য শহরতলির রেল যোগাযোগ নিশ্চিত হবে।বদকুল্লায় নতুন এসি ইএমইউ স্টপেজ:শহরতলির যাত্রীদের আরও আরামদায়ক যাত্রার সুযোগ করে দিতে শিয়ালদহকৃষ্ণনগর সিটি জংশন সেকশনের বদকুল্লা স্টেশনে চারটি এসি ইএমইউ লোকালের পরীক্ষামূলক স্টপেজ দেওয়া হয়েছে।দৈনিক পরিষেবা (রবিবার ব্যতীত): ট্রেন নং ৩১৮৪৫ UP (শিয়ালদহকৃষ্ণনগর সিটি জংশন) বদকুল্লায় ১১:৫৩/১১:৫৪ ঘণ্টায় এবং ট্রেন নং ৩১৮৪৬ DN (কৃষ্ণনগর সিটি জংশনশিয়ালদহ) ১৩:৪০/১৩:৪১ ঘণ্টায় থামবে।রবিবারের বিশেষ সময়সূচি: ট্রেন নং ৩১৮৪৭ UP (শিয়ালদহকৃষ্ণনগর সিটি জংশন) বদকুল্লায় ১৩:৫৯/১৪:০০ ঘণ্টায় এবং ট্রেন নং ৩১৮৪৮ DN (কৃষ্ণনগর সিটি জংশনশিয়ালদহ) ১৬:১৫/১৬:১৬ ঘণ্টায় থামবে।এই প্রসঙ্গে শিয়ালদহের DRM শ্রী রাজীব সাক্সেনা বলেন, পরিষেবার এই সংযোজনগুলি শহরতলির ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধি, বজবজ সেকশনে নির্দিষ্ট গভীর রাতের যোগাযোগ এবং বদকুল্লায় নতুন এসি ইএমইউ স্টপেজ, দৈনন্দিন যাত্রীদের পরিবর্তিত চাহিদার কথা মাথায় রেখেই পরিকল্পনা করা হয়েছে। সকলের জন্য রেলযাত্রাকে আরও সহজলভ্য, নির্ভরযোগ্য ও আরামদায়ক করে তুলতে শিয়ালদহ ডিভিশন দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal