• ৪ আশ্বিন ১৪৩৩, বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Mamata

রাজ্য

হালিশহরে মমতার গাড়িতে হামলা? ‘টার্গেট ছিল মমতাকে শেষ করা’, বিস্ফোরক দাবি কল্যাণের

হালিশহরে পুলিশ হেফাজতে মৃত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে যাওয়ার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়েন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে জুতো, ইট ও পাথর ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়।মমতার সঙ্গে এদিন ছিলেন তৃণমূলের সাংসদ দোলা সেন এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, হালিশহরে যাওয়ার সময় মমতার গাড়িকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। তাঁকে লক্ষ্য করে ওঠে চোর স্লোগানও। পরিস্থিতির জেরে কিছু সময় গাড়ি আটকে থাকে বলে তৃণমূলের দাবি।হালিশহর থেকে ফিরে ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, মমতার গাড়ি লক্ষ্য করে বড় বড় পাথর ছোড়া হয়েছে এবং গাড়ির সামনে বাধা তৈরি করা হয়েছিল। একইসঙ্গে তাঁর অভিযোগ, বাইরে থেকে লোক এনে জমায়েত করা হয়েছিল এবং প্রায় এক ঘণ্টা তাঁদের আটকে রাখা হয়।কল্যাণের আরও দাবি, মমতার গাড়িতে যেভাবে পাথর ছোড়া হয়েছে, তাতে আরও বড় বিপদ ঘটতে পারত। তাঁর কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়েছিল এবং তাঁকে শেষ করে দেওয়াই উদ্দেশ্য ছিল। তবে এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।ঘটনার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সরব হন। তাঁর দাবি, গাড়ি লক্ষ্য করে প্রচুর ইট ছোড়া হয়েছে এবং দীর্ঘ সময় তাঁকে আটকে রাখা হয়েছিল। এই ঘটনার পিছনে বিজেপির কর্মীদের ভূমিকা রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে বিজেপির বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।মমতার বক্তব্য, তাঁকে এভাবে থামানো যাবে না। তিনি আরও বলেন, তিনি মানুষের কাছে যাবেন এবং কোনও বাধাতেই পিছিয়ে আসবেন না।হালিশহর থানার হেফাজতে এক ব্যক্তির মৃত্যুর অভিযোগকে কেন্দ্র করেই এই ঘটনা। মৃত ব্যক্তিকে তৃণমূল কর্মী বলে দাবি করেছেন মমতা। তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতেই হালিশহরে গিয়েছিলেন তিনি। সেই সফর ঘিরে বিক্ষোভ, গাড়িতে ইট-পাথর ছোড়ার অভিযোগ এবং পাল্টা রাজনৈতিক আক্রমণে নতুন করে উত্তপ্ত হয়েছে রাজ্য রাজনীতি।ঘটনায় কারা জড়িত ছিলেন, বিক্ষোভ কীভাবে তৈরি হয়েছিল এবং গাড়ি লক্ষ্য করে সত্যিই ইট-পাথর ছোড়া হয়েছিল কি না, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে। পুলিশি তদন্তে ঘটনার প্রকৃত ছবি সামনে আসে কি না, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
কলকাতা

হালিশহরে মমতার গাড়িতে কাদা-জুতো! ‘চোর’ স্লোগানের পর পানিহাটি থেকে বিস্ফোরক বার্তা শুভেন্দুর

হালিশহরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভের ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। অভিযোগ, রবিবার তাঁর গাড়ি যাওয়ার সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ বিক্ষোভ দেখান। সেই সময় গাড়ি লক্ষ্য করে কাদা ও জুতো ছোড়া হয় বলেও অভিযোগ ওঠে। মমতাকে লক্ষ্য করে চোর স্লোগানও দেওয়া হয় বলে দাবি।পানিহাটিতে তিলোত্তমার মৃত্যুবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে গিয়ে এই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ যথেষ্ট ব্যবস্থা করেছিল। টেলিভিশনের ছবিতে তিনি এক জন সিনিয়র পুলিশ আধিকারিকের নেতৃত্বে পুলিশকর্মীদের নিরাপত্তা দিতে দেখেছেন বলেও জানান শুভেন্দু।শুভেন্দুর আরও দাবি, ঘটনাস্থলে বিজেপির কোনও পরিচিত মুখ বা দলীয় পতাকা তিনি দেখতে পাননি। একই সঙ্গে তিনি মমতার হালিশহর সফর নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, ছুটির দিনে এক জন আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে মমতা সেখানে গিয়েছিলেন এবং পুলিশকে আগে থেকে জানানো হয়নি।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতাকে যথাসম্ভব নিরাপত্তা ও সম্মান দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে বলেও জানান শুভেন্দু। তবে তাঁর পরামর্শ, কেউ সাহায্য চাইলে অবশ্যই সাহায্য করা উচিত। কিন্তু এমন কোনও জায়গায় গিয়ে পরিস্থিতি তৈরি করা উচিত নয়, যাতে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হয়।হালিশহরের ঘটনার সূত্রপাত থানার হেফাজতে এক ব্যক্তির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, মৃত ব্যক্তি তৃণমূলের কর্মী ছিলেন। রবিবার তাঁর বাড়িতে যাওয়ার পথেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ বিক্ষোভ দেখান বলে অভিযোগ। কাদা ও জুতো ছোড়ার ঘটনাও ঘটে বলে দাবি করা হয়েছে।এই প্রসঙ্গেই মমতাকে তিলোত্তমার বাড়িতে যাওয়ার পরামর্শ দেন শুভেন্দু। একই সঙ্গে হাত জোড় করে ক্ষমা চাওয়ার কথাও বলেন তিনি। তিলোত্তমাকাণ্ডের সময়কার একাধিক অভিযোগ তুলে মমতার বিরুদ্ধে তীব্র রাজনৈতিক আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী।শুভেন্দুর বক্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। এক দিকে হালিশহরে মমতার গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ ও কাদা-জুতো ছোড়ার অভিযোগ, অন্য দিকে সেই ঘটনার নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে শুভেন্দুর মন্তব্যসব মিলিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে ফের উত্তাপ ছড়িয়েছে।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
কলকাতা

প্রতীক নিয়েই সবচেয়ে বড় ধাক্কা? উপনির্বাচনের আগে মমতার পরিকল্পনা ঘিরে তুমুল চর্চা

প্রতীক নিয়ে টানাপোড়েনের মধ্যেই উপনির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু। তৃণমূলের দুই শিবিরই নিজেদের দাবি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত কমিশনের তরফে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। এরই মধ্যে তিনটি বিধানসভা এবং একটি লোকসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনের দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে প্রতীক নিয়ে জল্পনা।সাম্প্রতিক সময়ে একাধিকবার প্রতীক নিয়ে আশঙ্কার কথা উল্লেখ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও তাঁর দাবি, প্রতীক হারানোর সম্ভাবনা খুবই কম। তবু যদি সেই পরিস্থিতি তৈরি হয়, তাহলে নতুন প্রতীক নিয়েই নির্বাচনে লড়বেন। এমনকি মানুষের কাছে নতুন প্রতীক পরিচিত করাতে প্রয়োজন হলে তা গলায় ঝুলিয়ে প্রচারেও নামবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, দল গঠনের পর প্রথম দিকেও নতুন প্রতীক নিয়েই ভোটে লড়েছিল তৃণমূল। তাই নতুন প্রতীক মানুষকে চিনিয়ে দিতে কোনও সমস্যা হবে না।রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা, যদি ঘাসফুল প্রতীক না থাকে, তাহলে বিকল্প কী হতে পারে। সূত্রের দাবি, সেই পরিস্থিতির জন্য একটি বিকল্প পরিকল্পনা তৈরি রাখা হয়েছে। জানা যাচ্ছে, সূর্যমুখী ফুলকে সম্ভাব্য নতুন প্রতীক হিসেবে ভাবা হচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের তরফে কোনও ঘোষণা হয়নি এবং তৃণমূলের পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।এদিকে রেজিনগর, নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্র এবং বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হওয়ার কথা। ফলে প্রতীক সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত দ্রুত হওয়া জরুরি বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।অন্যদিকে, প্রতীক বিতর্ক নিয়ে ঋতব্রত শিবির এখনও প্রকাশ্যে কোনও বিকল্প পরিকল্পনার কথা জানায়নি। ওই শিবিরের অন্যতম বিধায়ক প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, নির্বাচন কমিশনের উপর তাঁদের সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে। কমিশন সমস্ত নথি এবং আইনি দিক খতিয়ে দেখে যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটাই তাঁরা মেনে নেবেন। প্রতীক নিয়ে অন্য কোনও ভাবনা এই মুহূর্তে নেই বলেও তিনি জানান।এই প্রসঙ্গে রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ কটাক্ষ করে বলেন, অফিস নেই, অ্যাকাউন্ট নেই, ফুল নিয়ে কী করবেন। স্টেটমেন্ট নিয়ে যা করার করবেন। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরেও রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
কলকাতা

নিট আন্দোলনে বড় চমক! দিল্লির যন্তর মন্তরে যোগ দিচ্ছেন মমতা, তুঙ্গে রাজনৈতিক জল্পনা

নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ঘিরে দেশজুড়ে চলা ছাত্র আন্দোলনের আবহে এবার দিল্লির যন্তর মন্তরের বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার ঘোষণা করলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী সোমবার তিনি আন্দোলনস্থলে উপস্থিত থাকবেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। এর আগে একুশে জুলাইয়ের সভা থেকেই আন্দোলনকারীদের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছিলেন তিনি। প্রয়োজনে দিল্লিতে গিয়ে আন্দোলনে যোগ দেওয়ার কথাও জানিয়েছিলেন। সেই ঘোষণার পরই তাঁর এই সফর ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে দিল্লিতে আন্দোলন চলছে। এই আন্দোলনে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের পাশাপাশি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিও সমর্থন জানিয়েছে। এর আগে কংগ্রেসের নেতৃত্বে বিরোধী জোটের প্রতিনিধিরাও আন্দোলনকারীদের সঙ্গে দেখা করেছেন। এবার সেই আন্দোলনে সরাসরি যোগ দিতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এতদিন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধিরা আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানালেও এবার দলনেত্রীর সরাসরি উপস্থিতি জাতীয় রাজনীতিতে নতুন বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বিজেপি বিরোধী ইস্যুগুলিতে আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের দাবি, দিল্লি সফরে তিনি বিরোধী শিবিরের কয়েকজন শীর্ষ নেতার সঙ্গেও বৈঠক করতে পারেন। যদিও এ বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।অন্যদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে বিজেপির তরফে কড়া প্রতিক্রিয়া এসেছে। দলের মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার এই পদক্ষেপের সমালোচনা করেছেন। আবার বিরোধী রাজনৈতিক মহলের অন্য অংশ থেকেও মমতার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। ফলে নিট ইস্যুকে কেন্দ্র করে দিল্লির আন্দোলন এখন আরও বেশি রাজনৈতিক গুরুত্ব পেতে শুরু করেছে।

জুলাই ২৪, ২০২৬
কলকাতা

ভুয়ো জন্ম শংসাপত্রে বিস্ফোরক অভিযোগ, মমতা ও আইপ্যাককে নিশানা শুভেন্দুর

ভুয়ো জন্ম শংসাপত্র নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হল। হুগলির গুপ্তিপাড়ায় রথের অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের ভোটকৌশলী সংস্থা আইপ্যাকের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করেন।শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, অনুপ্রবেশকারীদের নাগরিক প্রমাণ দেওয়ার জন্য অবৈধভাবে জন্ম শংসাপত্র ইস্যু করা হয়েছিল। তিনি বলেন, এসআইআরের সময় আইপ্যাকের কর্মীদের বসিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর দলের নির্দেশে এই কাজ হয়েছে। এতে রাজ্যের ও দেশের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী জানান, সংশ্লিষ্ট সমস্ত রেকর্ড বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সেগুলি স্ক্যান করে সিলমোহর দিয়ে ফেরত দেওয়া হবে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যাঁরা অবৈধভাবে শংসাপত্র দিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত হবে, সাসপেন্ড করা হবে এবং প্রয়োজন হলে জেলেও যেতে হবে।তিনি আরও বলেন, শরণার্থীদের নামে যাঁদের শংসাপত্র ইস্যু হয়েছে এবং যারা সিএএ-তে অনুমোদিত, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। তবে যাঁরা অনুপ্রবেশকারী, তাঁদের চিহ্নিত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এদিকে জন্ম ও মৃত্যু শংসাপত্র কেলেঙ্কারি সামনে আসতেই বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাজ্যজুড়ে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। কলকাতা, দুর্গাপুর, নদিয়া, বীরভূম, রামপুরহাট, দুবরাজপুর এবং কোচবিহারের বিভিন্ন পঞ্চায়েত ও পুরসভায় হানা দিয়ে রেজিস্টার ও গুরুত্বপূর্ণ নথি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তল্লাশির মাঝেই নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যসচিব মনোজকুমার আগরওয়াল জানান, এবার থেকে পঞ্চায়েত প্রধান ও পুরপ্রধানরা আর জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র দিতে পারবেন না। শুধুমাত্র সরকারি আধিকারিকরাই এই শংসাপত্র ইস্যু করবেন। স্বাস্থ্যদপ্তরের তরফে গোটা রাজ্যে আধিকারিকদের দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

জুলাই ২৩, ২০২৬
কলকাতা

‘দিদিকে বুঝতে হবে, না হলে দল শেষ’— কল্যাণের বিস্ফোরক বার্তায় তোলপাড় তৃণমূল

কালীঘাট তৃণমূলের অন্দরে অস্বস্তি আরও বাড়ালেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। একুশে জুলাইয়ের মঞ্চের ঘটনার পর তিনি প্রকাশ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করলেন। যদিও তিনি জানিয়েছেন, তিনি এখনও মমতার পাশেই আছেন। তবে তাঁর বক্তব্য, দিদিকে বুঝতে হবে, না হলে দল শেষ হয়ে যাবে।বিতর্কের সূত্রপাত একুশে জুলাইয়ের সভামঞ্চে কল্যাণের বক্তব্যকে ঘিরে। অভিযোগ, তিনি নির্ধারিত সময়ের বেশি বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিরক্তি প্রকাশ করেন। পরে কল্যাণ মঞ্চ থেকে নেমে যান। প্রথমে তিনি বিষয়টিকে গুরুত্ব না দিলেও পরদিন দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে বিস্তারিতভাবে ঘটনার কথা জানান।কল্যাণ বলেন, আমি যখন মঞ্চে পৌঁছই, তখন কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ছিল। আমি গিয়ে পরিস্থিতি সামলাই এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণ করি। পরে বক্তাদের তালিকা নিয়ে আলোচনা হয়। মহুয়া মৈত্রর নাম তালিকায় ছিল না। তখন আমি নিজে বক্তব্য রাখার অনুমতি চাই এবং দিদিকে বার্তা পাঠাই।তিনি আরও বলেন, আমি বক্তৃতা শুরু করার পর অভিষেক মঞ্চে ঘুরতে থাকেন। নিজের জনপ্রিয়তা দেখানোর জন্য এভাবে করা উচিত নয়। আমি ৫-৭ মিনিট বক্তৃতা বন্ধ রাখি। দিদি আসার পরও কিছুক্ষণ থেমে ছিলাম। তারপর তাঁর অনুমতি নিয়েই আবার বলি। কিন্তু শেষে দিদি প্রকাশ্যে বলেন, আমি এক ঘণ্টা ধরে বক্তৃতা করছি। এভাবে সবার সামনে অপমান করা ভালো লাগে না।অভিষেককে আক্রমণ করে কল্যাণ বলেন, অভিষেক এত বড় নেতা হলে গত আড়াই মাস মাঠে ঘুরলেন না কেন? আমি ঝুঁকি নিয়ে ঘুরেছি, কর্মীদের সাহস দিয়েছি। দিদির যদি মনে হয় অভিষেককে নিয়েই দল চলবে, তাহলে আমাদের ছেড়ে দিন।তিনি আরও বলেন, আমি দিদিকে ভালোবাসি বলেই রাজনীতি করেছি। আমার জীবন, যৌবন, পেশা, সংসার সব দিদির জন্য উৎসর্গ করেছি। কিন্তু দিদিকে যুক্তিসঙ্গত হতে হবে। শুধু অভিষেক, ডেরেক যা বলবে তাই হলে চলবে না।আরজি কর কাণ্ডের সময় মমতাকে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরানোর চেষ্টা হয়েছিল বলেও বিস্ফোরক অভিযোগ করেন কল্যাণ। যদিও তিনি কারও নাম উল্লেখ করেননি। তাঁর দাবি, সেই কঠিন সময়ে আমি ও কুণাল দিদির পাশে ছিলাম।এদিন কাকলি ঘোষ দস্তিদারের প্রশংসাও করেন কল্যাণ। তিনি বলেন, ২০২২ সালে আমি অভিষেকের বিরুদ্ধে কথা বলেছিলাম। তখন অনেকেই পাশে ছিল না। একমাত্র কাকলি আমার পাশে দাঁড়িয়েছিল। কল্যাণের এই মন্তব্যের পর কালীঘাট তৃণমূলের নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় বলেন, তৃণমূল মানেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আমরা তাঁর কথাতেই তৃণমূল করি। এর বেশি কিছু বলব না।কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই প্রকাশ্য ক্ষোভ তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বকে আরও স্পষ্ট করে দিল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

জুলাই ২২, ২০২৬
কলকাতা

‘পুরো বকেয়া ডিএ পেয়ে যাবেন’— মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাসে চাঞ্চল্য

সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ্য ভাতা বা ডিএ নিয়ে দীর্ঘদিনের জল্পনার মধ্যে বড় আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, আগামী দিনে রাজ্যের সরকারি কর্মীরা পুরো বকেয়া ডিএ পেয়ে যাবেন।একুশে জুলাইয়ের সভা থেকে এই ইস্যুতে প্রশ্ন তুলেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, কেন ১ এপ্রিল থেকে ডিএ পেলেন না সরকারি কর্মীরা? আমি তো সব পরিষ্কার করে দিয়ে এসেছিলাম।এই বক্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী তাঁর মন্ত্রীত্বের সময়কার একটি অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ২০১৫ সালে অভিরূপ সরকারের কমিটি গঠিত হয়েছিল। আমি ২০১৬ সালে মন্ত্রী হই। ২০১৯ সালে আমি তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীকে পে কমিশনের টাকা নিয়ে প্রশ্ন করেছিলাম। তিনি বলেছিলেন, অর্থমন্ত্রী জানাচ্ছেন কমিশনের রিপোর্ট তৈরি হয়নি। আমি বলি, সেটা ভুল কথা। কমিশনের চেয়ারম্যানকে জিজ্ঞাসা করুন।শুভেন্দুর দাবি, তখন কমিশনের চেয়ারম্যান জানিয়েছিলেন যে অর্থমন্ত্রী তাঁকে রিপোর্ট জমা দিতে বারণ করেছিলেন, কারণ সরকারের কাছে টাকা ছিল না। তিনি বলেন, আমি তখনই বলেছিলাম, রিপোর্টটি দিয়ে দিন।পশ্চিমবঙ্গে ডিএ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চলছে। বকেয়া ডিএর দাবিতে রাজ্য সরকারি কর্মীরা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। বহুদিন পেন-ডাউন আন্দোলনও চলেছে।এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, ২০২০ সালে ষষ্ঠ পে কমিশনের সুবিধা দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু ডিএ তুলে দেওয়া হয়। পরে সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়। সেই লড়াইয়ে আমারও ছোটখাটো ভূমিকা ছিল। যারা থার্ড পার্টির মাধ্যমে টাকা পান, তাঁদের বিষয়টিও আমরা দেখছি।মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, রাজ্যের সঙ্গে কেন্দ্রের ডিএ-র ব্যবধান ধীরে ধীরে কমানো হবে। অনেকে ভেবেছিলেন ৪২ শতাংশ ডিএ দেওয়া হবে, আবার কেউ কেউ ১০ শতাংশের কথা বলছিলেন। আমরা কোনওটাই করিনি। হিসাব করে যা দেওয়া হয়েছে, তা দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে বাকি অংশও পূরণ করা হবে।তাঁর এই আশ্বাসে সরকারি কর্মীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।

জুলাই ২২, ২০২৬
কলকাতা

মমতার কড়া আক্রমণের পর প্রথম মুখ খুললেন জ্ঞানেশ! এক মন্তব্যেই তোলপাড় রাজনীতি

বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশন এবং তৎকালীন তৃণমূল সরকারের মধ্যে টানা সংঘাত তৈরি হয়েছিল। সেই সময় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিকবার নির্বাচন কমিশন এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কড়া সমালোচনা করেছিলেন। জনসভা থেকে শুরু করে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি।তবে সেই সময় জ্ঞানেশ কুমার প্রকাশ্যে কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি। সম্প্রতি দিল্লিতে সাংবাদিকদের এক অনুষ্ঠানে এই প্রসঙ্গ উঠতেই তিনি মন্তব্য করেন, তিনি ভেবেছিলেন জবাব দেবেন, কিন্তু বাংলার মানুষই সেই জবাব দিয়ে দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর কাছে দিদির মতো। তিনি যা বলার বলেছেন, তাই নিয়ে তাঁর আলাদা করে কিছু বলার নেই। এই মন্তব্যের সময় তাঁকে হাসতেও দেখা যায়।নির্বাচনের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিকবার নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে চিঠি পাঠিয়েছিলেন। পরে তিনি নিজে কমিশনের দপ্তরে গিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকও করেন। বৈঠক শেষে সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, কমিশনের আচরণ পক্ষপাতদুষ্ট এবং অহঙ্কারী। সেই সময় কমিশনের ভূমিকা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।এবার ভোট শেষ হওয়ার পর জ্ঞানেশ কুমারের এই মন্তব্য নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। তাঁর সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া ঘিরে আবারও শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।

জুলাই ১৮, ২০২৬
কলকাতা

মমতার বাড়ি থেকে ঢিলছোড়া দূরত্বে কী চলছিল? বাসিন্দাদের অভিযোগে শোরগোল

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির কাছেই কালীঘাট মিলন সংঘ ক্লাব এবং তার পাশের বস্তি এলাকা ঘিরে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। ওই এলাকায় বসবাসকারী বহু পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের কাছ থেকে নিয়মিত ভাড়ার নামে টাকা নেওয়া হতো। অভিযোগ অনুযায়ী, কেউ মাসে তিনশো টাকা, কেউ পাঁচশো টাকা, আবার কোনও কোনও পরিবারের কাছ থেকে আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। টাকার বিনিময়ে তাঁদের হাতে কালীঘাট মিলন সংঘের নামে একটি স্লিপ দেওয়া হতো বলেও দাবি করেছেন বাসিন্দারা।স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, এই টাকা নেওয়ার সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাই ষষ্ঠী চট্টোপাধ্যায়ের নাম জড়িয়ে রয়েছে। তাঁদের দাবি, কখনও তিনি নিজে এসে টাকা নিতেন, আবার কখনও তাঁর হয়ে অন্য কেউ এসে ভাড়া সংগ্রহ করতেন। যদিও এই অভিযোগের স্বাধীনভাবে কোনও সরকারি বা বিচারিক সত্যতা এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি।এই বস্তি এলাকা আদি গঙ্গার ধারে এবং কলকাতা বন্দরের জমির উপর অবস্থিত বলে জানা গিয়েছে। বাসিন্দাদের দাবি, বছরের পর বছর টাকা দেওয়া হলেও তাঁরা কোনও ধরনের উন্নয়ন বা পরিষেবা পাননি। এই অভিযোগ নিয়ে স্থানীয় বিধায়কের দপ্তরে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়েছে। পরে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃত্বও এলাকা পরিদর্শন করে বাসিন্দাদের বক্তব্য শোনেন।এক বাসিন্দার দাবি, তাঁরা শুনেছেন পুরো বিষয়টি একটি ক্লাবের মাধ্যমে পরিচালিত হতো। কিন্তু নিয়মিত টাকা দেওয়ার পরও কোনও সুযোগ-সুবিধা বা পরিষেবা মেলেনি। আরেক বাসিন্দার অভিযোগ, তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই এই ভাড়া দেওয়ার প্রথা শুরু হয় এবং বহু বছর ধরে তা চলেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখার দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ।

জুলাই ১৮, ২০২৬
দেশ

‘প্রভু অহংকার সয় না, তাই সরকারও টেকেনি’! মমতাকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য পুরীর জগন্নাথদেবের মুখ্য পানিগ্রাহীর

দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের নামের সঙ্গে ধাম শব্দ ব্যবহার নিয়ে শুরু থেকেই বিতর্ক ছিল। বিভিন্ন মহল আপত্তি তুললেও সেই নামেই মন্দিরের উদ্বোধন হয়েছিল। তবে সরকার পরিবর্তনের পর সেই ধাম শব্দ সরিয়ে দেওয়া হয়। এবার এই বিতর্কে নতুন করে মুখ খুললেন পুরীর জগন্নাথদেবের মুখ্য পানিগ্রাহী জগন্নাথ দয়িতাপতি। তাঁর দাবি, তিনি আগেই এই বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু তাঁর কথা শোনা হয়নি। তাঁর মন্তব্য, প্রভু কারও অহংকার সহ্য করেন না। সেই কারণেই সরকারও টেকেনি।এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জগন্নাথ দয়িতাপতি বলেন, তিনি কোনও রাজনীতি করেন না, শুধু ধর্মীয় বিধি ও শাস্ত্র অনুযায়ী মত প্রকাশ করেন। তাঁর বক্তব্য, চার ধামের অন্যতম হল পুরীর জগন্নাথ ধাম। তাই অন্য কোনও মন্দিরের নামের সঙ্গে ধাম শব্দ ব্যবহার করা উচিত নয়। তিনি জানান, দিঘার মন্দিরের নাম নিয়ে আগেই আপত্তি জানিয়েছিলেন। কিন্তু সেই পরামর্শ মানা হয়নি।তিনি আরও বলেন, দেশে বহু জগন্নাথ মন্দির রয়েছে। কিন্তু ধাম হিসেবে স্বীকৃতি একমাত্র পুরীরই। তাই দিঘার মন্দিরের নামের সঙ্গে ধাম শব্দ যোগ করা ধর্মীয় দৃষ্টিতে সঠিক ছিল না। তাঁর দাবি, এই বিষয়েই তিনি বারবার সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু সেই কথা গুরুত্ব পায়নি।জগন্নাথ দয়িতাপতি এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসাও করেন। তাঁর বক্তব্য, সরকার পরিবর্তনের পর দিঘার মন্দিরের নাম থেকে ধাম শব্দ সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে তিনি সঠিক বলে উল্লেখ করেন।এর আগে পুরীর প্রধান পুরোহিত রাজেশ দয়িতাপতিও একই ধরনের বক্তব্য রেখেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, দিঘার জগন্নাথ মন্দির প্রতিষ্ঠার সময়ই তিনি কয়েকটি বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। বিশেষ করে পাথরের মূর্তিতে প্রাণপ্রতিষ্ঠা এবং ধাম শব্দ ব্যবহারের বিরোধিতা করেছিলেন। পরে নিমকাঠের মূর্তি তৈরি হলেও ধাম শব্দটি সরানো হয়নি বলে তাঁর আক্ষেপ ছিল।দিঘার জগন্নাথ মন্দির ঘিরে এই বিতর্ক ফের নতুন করে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। বিশেষ করে মুখ্য পানিগ্রাহীর মন্তব্য ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

জুলাই ১৬, ২০২৬
কলকাতা

‘বেইমানদের জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী’! বিস্ফোরক বার্তায় নতুন লড়াইয়ের ডাক মমতার

তৃণমূলের অন্দরে একের পর এক নেতা বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে দলের ভিতরে অস্বস্তি বাড়লেও লড়াই থেকে এক ইঞ্চিও পিছিয়ে যেতে রাজি নন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, প্রয়োজন হলে আবারও শূন্য থেকে দল গড়ে তুলতে প্রস্তুত তিনি।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মানুষ দলের প্রতীক দেখে ভোট দিয়েছেন। তাই যাঁরা দল ছেড়ে চলে যাচ্ছেন, তাঁদের জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে তাঁদের বেইমান বলেও কড়া আক্রমণ করেছেন। তাঁর দাবি, দুই হাজার সাতানব্বই সালে একা লড়াই শুরু করেছিলেন। তখনও সফল হয়েছিলেন। তাই দুই হাজার ছাব্বিশ সালেও নতুন করে লড়াই শুরু করার ক্ষমতা তাঁর রয়েছে।সাম্প্রতিক সময়ে মদন মিত্র-সহ একাধিক নেতা বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিয়েছেন। তাঁদের অনেকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এই প্রসঙ্গে মমতা বলেন, অভিষেককে অকারণে নিশানা করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, অভিষেক নিজের দায়িত্ব পালন করছেন এবং আগামী বহু বছর রাজনীতিতে সক্রিয় থাকবেন।মদন মিত্রের দলত্যাগ প্রসঙ্গেও পরোক্ষে প্রতিক্রিয়া দেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার চাপ দেখিয়ে অনেককে দল ছাড়তে বাধ্য করা হচ্ছে। পরিবারের সদস্যদের নোটিস পাঠিয়ে ভয় দেখানোর অভিযোগও করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, যাঁরা দল ছেড়ে গিয়েছেন, তাঁদের অনেকের পরিস্থিতি আগেই তিনি বুঝতে পেরেছিলেন।এরপর তৃণমূলের শুরুর দিনের কথা মনে করিয়ে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, খুব অল্প সময়ের মধ্যে দল গড়ে নির্বাচন লড়ে সংসদে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়েছিল। পরে কঠিন সময় এলেও লড়াই থামেনি। তাই বর্তমান পরিস্থিতিকেও তিনি নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবেই দেখছেন।একুশে জুলাইয়ের শহিদ সমাবেশ নিয়েও বার্তা দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। তিনি জানান, আদালতের নির্দেশ মেনে বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভা হবে। প্রতি বছরের মতো সমাবেশের আগের দিন তিনি নিজে গিয়ে প্রস্তুতি খতিয়ে দেখবেন। পাশাপাশি প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছেন, যাতে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।মমতা আরও বলেন, কোনও বাধা এলেও সভা বন্ধ হবে না। প্রয়োজন হলে মাইক্রোফোন ছাড়াই কর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখবেন। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, একুশে জুলাইয়ের সমাবেশ নির্ধারিত সময়েই হবে এবং দল লড়াই চালিয়ে যাবে।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

একুশের পোস্টার থেকে হঠাৎ উধাও অভিষেক! তৃণমূলে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত?

একুশে জুলাইয়ের সমাবেশের নতুন পোস্টার প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। পোস্টারে রয়েছেন শুধু তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি নেই। এই নিয়েই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে বিস্তর আলোচনা।কলকাতা হাইকোর্ট একুশে জুলাইয়ের সমাবেশের জন্য বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভার অনুমতি দেওয়ার পর নতুন পোস্টার প্রকাশ করেন কুণাল ঘোষ। পরে সেই একই পোস্টার নিজের সামাজিক মাধ্যমেও ভাগ করে নেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু পোস্টারে তাঁর ছবি না থাকায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে নানা মহলে।এর আগে প্রকাশিত প্রথম পোস্টারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ছিল। তখন সমাবেশের নির্দিষ্ট স্থান ঠিক না হওয়ায় শুধু কলকাতায় আসার আহ্বান জানানো হয়েছিল। কিন্তু নতুন পোস্টারে শুধুমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি রাখা হয়েছে।এই ঘটনা এমন সময়ে সামনে এল, যখন দলের অন্দরে একের পর এক রাজনৈতিক পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা চলছে। সাম্প্রতিক সময়ে কয়েক জন নেতা ও বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দিয়েছেন। তাঁদের অনেকেই প্রকাশ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সর্বশেষ সেই তালিকায় যোগ হয়েছে মদন মিত্রের নাম। ফলে পোস্টারে অভিষেকের ছবি না থাকাকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা আরও বেড়েছে।তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের দাবি, এই ঘটনাকে নতুন করে দেখার প্রয়োজন নেই। কারণ গত বছরও একুশে জুলাইয়ের প্রচারের পোস্টারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ছিল না। সেই সময় দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, এই সমাবেশের পোস্টারে শুধুমাত্র দলের সর্বোচ্চ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবিই রাখা হবে। একই ধরনের ঘটনা দুই হাজার তেইশ সালেও দেখা গিয়েছিল।ফলে নতুন পোস্টার ঘিরে রাজনৈতিক চর্চা যতই বাড়ুক, এটি কৌশলগত সিদ্ধান্ত নাকি তার পিছনে অন্য কোনও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে, সেই উত্তর এখনও স্পষ্ট নয়। তবে একুশে জুলাইয়ের আগে এই পোস্টার যে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

জুলাই ১৫, ২০২৬
রাজ্য

শিবির বদলেই বড় পদক্ষেপ! অফিস থেকে উধাও অভিষেকের ছবি, কিন্তু মমতার ছবি কেন রইল?

শিবির বদলের পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে অনুব্রত মণ্ডলকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির ছেড়ে তিনি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরে যোগ দিয়েছেন। শনিবার তাঁকে বীরভূম জেলার দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে। আর তার পরের দিনই বোলপুরে তাঁর দলীয় কার্যালয়ে দেখা গেল বড় পরিবর্তন।রবিবার বোলপুরের নিচুপট্টিতে অনুব্রত মণ্ডলের বাড়ি সংলগ্ন দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি আর নেই। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একাধিক ছবি আগের মতোই রাখা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। অনেকের প্রশ্ন, ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিলেও কি অনুব্রত এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই নিজের নেত্রী হিসেবে মানছেন? আবার অভিষেকের ছবি সরিয়ে দেওয়ার মধ্য দিয়ে কি বিশেষ কোনও রাজনৈতিক বার্তা দিতে চাইলেন তিনি? সেই প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে।শিবির বদলের পর অনুব্রত মণ্ডল প্রকাশ্যেই দলের ভরাডুবির জন্য নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণকারী সংস্থাকে দায়ী করেছিলেন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সেই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি পরোক্ষভাবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেই নিশানা করেছিলেন। কারণ ওই সংস্থার সঙ্গে অভিষেকের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক মহলে আলোচিত।এ প্রসঙ্গে অনুব্রত মণ্ডল বলেন, বিধানসভা ও লোকসভা নির্বাচনে তিনি বহু প্রার্থীকে জয়ী করেছেন, তখন ওই সংস্থার কোনও ভূমিকা ছিল না। তাঁর প্রশ্ন, হঠাৎ এমন কী ঘটল যে তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল? একই সঙ্গে তিনি জানান, তিনি তৃণমূলকে ভালোবাসেন এবং কংগ্রেস থেকে তৃণমূলে এসেছিলেন। বীরভূমে সকলকে নিয়ে দলের নির্দেশ মেনেই কাজ করবেন বলেও দাবি করেছেন তিনি।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি সরিয়ে দেওয়া হলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি আগের জায়গাতেই থাকায় এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা আরও বেড়েছে। আগামী দিনে এই পরিবর্তনের আরও কোনও রাজনৈতিক তাৎপর্য সামনে আসে কি না, এখন সেটাই দেখার।

জুলাই ১২, ২০২৬
কলকাতা

‘ওরা প্রতিবাদী, না দাঙ্গাকারী?’ মমতাকে কড়া আক্রমণ শুভেন্দুর, উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি

বারুইপুর কাণ্ডকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে শুরু হয়েছে তীব্র তরজা। গণপিটুনিতে নিহত ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলকে নির্দোষ বলে উল্লেখ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একই সঙ্গে তাঁর উপর হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন। এই ঘটনার মধ্যেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে।নিজের সামাজিক মাধ্যমে শুভেন্দু অধিকারী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি লেখেন, নির্বাচনে পরাজয়ের পরও মমতার রাজনীতিতে কোনও পরিবর্তন আসেনি। তাঁর অভিযোগ, তোষণ, মিথ্যাচার এবং উসকানিমূলক রাজনীতি এখনও অব্যাহত রয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারুইপুরের ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া কিছু মানুষকে প্রতিবাদী বলে উল্লেখ করেছিলেন। সেই মন্তব্যেরই কড়া সমালোচনা করেছেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, এক নির্দোষ যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে এনে পরিচয় দেখে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। পাশাপাশি যাঁরা পুলিশকে আক্রমণ করেছেন, পুলিশের গাড়িতে আগুন লাগিয়েছেন, রেললাইন ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন এবং এলাকায় অশান্তি ছড়িয়েছেন, তাঁদের কীভাবে প্রতিবাদী বলা যায়, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।প্রসঙ্গত, গত রবিবার বারুইপুরে এক নাবালিকার দেহ উদ্ধার হওয়ার পর গোটা রাজ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। বুধবার সকালে ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্তের মৃত্যু হয় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায়। একই দিনে বারুইপুর কাণ্ডের প্রতিবাদে কালীঘাটে একটি মিছিলের আয়োজন করা হয়। সেই মিছিল ঘিরে উত্তেজনা, স্লোগান, পাল্টা স্লোগান এবং সংঘর্ষের অভিযোগ ওঠে। পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তাঁর মন্তব্য ঘিরেই নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের সূত্রপাত হয়।

জুলাই ০৯, ২০২৬
কলকাতা

বালিগঞ্জে হঠাৎ তুমুল অশান্তি! পুলিশের সামনেই বিস্ফোরক অভিযোগ মমতার, সরগরম রাজনীতি

বালিগঞ্জ ফাঁড়ি এলাকায় বুধবার কালীঘাট তৃণমূলের মিছিল ঘিরে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কলকাতা হাই কোর্টের অনুমতি নিয়ে মিছিল শুরু হলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বিজেপি কর্মীরা তৃণমূলের মিছিল লক্ষ্য করে স্লোগান দেন। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে ধস্তাধস্তি ও হাতাহাতির পরিস্থিতি তৈরি হয়। ঘটনাস্থলে কটাক্ষ করে গানও বাজানো হয় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হস্তক্ষেপ করে পুলিশ।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁর অভিযোগ, আদালতের অনুমতি থাকা সত্ত্বেও মিছিলে বাধা দেওয়া হয়েছে এবং মাইক্রোফোন ব্যবহার করতে দেওয়া হয়নি। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, তাঁর দলের কর্মীদের উপর হামলা হয়েছে এবং পুলিশ সেই পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও অভিযোগ করেন, তাঁর দলের এক নেতাকে ঘিরে রেখে মারধর করা হয়েছে। তিনি নিজে সেখানে গিয়ে ওই নেতাকে উদ্ধার করেন বলেও দাবি করেন। তাঁর বক্তব্য, প্রশাসনের দায়িত্ব ছিল শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল সম্পন্ন করা, কিন্তু তা না করে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে দেওয়া হয়েছে।পুলিশি নজরদারি নিয়েও সরব হন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, তাঁকে অন্যায়ভাবে নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছে এবং তাঁর বাড়িতে কে আসছেন বা কে যাচ্ছেন, তা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তিনি এটিকে গণতান্ত্রিক অধিকারের পরিপন্থী বলে দাবি করেন। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, তাঁকে কার্যত গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে।বারুইপুরের ঘটনায় প্রতিবাদকারীদের গ্রেপ্তার এবং রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় নারী নির্যাতনের ঘটনাও এদিন তুলে ধরেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন, গত কয়েক মাসে একাধিক নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। সব ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দ্রুত বিচার হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।শেষে তিনি জানান, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তাঁদের গুরুতর আপত্তি রয়েছে এবং এই বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও ভাবা হচ্ছে। বালিগঞ্জের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়ে গেল।

জুলাই ০৮, ২০২৬
কলকাতা

মিছিলে হঠাৎ মেজাজ হারালেন মমতা! নিজের দলের কর্মীকেই সপাটে চড়, তোলপাড় রাজনীতি

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার কালীঘাট তৃণমূলের ডাকা মিছিল ঘিরে হাজরায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কলকাতা হাই কোর্টের অনুমতি নিয়ে বালিগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে মিছিল শুরু হলেও কিছু দূর এগোতেই বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। স্লোগান, পাল্টা স্লোগান এবং দুই পক্ষের বাগ্বিতণ্ডাকে ঘিরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।এই অবস্থায় কালীঘাটের বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাড়ির সামনে তখন বিপুল ভিড় জমে যায়। ভিড় নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করতে গিয়ে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সামনে থাকা নিজের দলের এক কর্মীকে সপাটে চড় মারেন তিনি। শুধু তাই নয়, বিশৃঙ্খলা থামাতে আরও কয়েকজন কর্মীকেও ধাক্কা ও চড় মারতে দেখা যায় তাঁকে। ঘটনাটি ঘিরে মুহূর্তের মধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়।মিছিল চলাকালীন এলাকায় উত্তেজনা আরও বাড়ে। অভিযোগ, একদিকে চোর চোর স্লোগান ওঠে, অন্যদিকে রাস্তার পাশ থেকে কটাক্ষ করে গান বাজানো হয়। বিজেপি ও তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ। তৃণমূলের দাবি, তাদের একাধিক কর্মী মারধরের শিকার হয়েছেন।ঘটনার পর বিজেপি নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার তীব্র কটাক্ষ করেন। তাঁর দাবি, ক্ষমতা হারানোর পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানসিকভাবে অস্থির হয়ে পড়েছেন এবং সেই কারণেই এমন আচরণ করছেন। যদিও এই মন্তব্যের কোনও প্রতিক্রিয়া তৃণমূলের পক্ষ থেকে সঙ্গে সঙ্গে জানানো হয়নি।পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পুলিশের ভূমিকারও সমালোচনা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আদালতের অনুমতি নিয়েই ছাত্র ও যুবরা মিছিল করেছে এবং গণতান্ত্রিকভাবে প্রতিবাদ করার অধিকার সকলের রয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর অভিযোগ, বিজেপি কর্মীরা তাঁর বাড়ির সামনে এসে অশান্তির পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করেছে। তিনি প্রশাসনের কাছে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখারও দাবি জানান।বারুইপুর কাণ্ডকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। একদিকে তদন্ত এগোচ্ছে, অন্যদিকে ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক সংঘাতও নতুন মাত্রা পাচ্ছে।

জুলাই ০৮, ২০২৬
কলকাতা

মোমবাতি হাতে পথে মমতা, ব্যারিকেড ভেঙে এগোল মিছিল! বারুইপুর কাণ্ডে তপ্ত কালীঘাট

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার কালীঘাটে মোমবাতি হাতে পথে নামলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজের বাড়ির সামনে থেকে শুরু হওয়া এই প্রতিবাদ মিছিল ঘিরে কিছুক্ষণের মধ্যেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বাড়ির গলির মুখে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যারিকেড দিয়ে মিছিল আটকানোর চেষ্টা করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে ব্যারিকেড সরিয়ে মিছিল এগিয়ে যায়।মিছিলে মূল স্লোগান ছিল, বারুইপুরের বিচার চাই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে এদিন দেখা যায় দলের একাধিক মহিলা নেত্রীকে। দোলা সেন, প্রতিমা মণ্ডল, অপরূপা পোদ্দার-সহ তৃণমূলের বহু নেতা-কর্মী মোমবাতি ও প্রতিবাদী প্ল্যাকার্ড হাতে মিছিলে অংশ নেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে কালীঘাট এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত নিজের বাড়ির সামনেই প্রতিবাদ কর্মসূচি শেষ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।রবিবার বারুইপুরে এক নাবালিকার ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ সামনে আসতেই রাজ্যজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পর পুলিশ দ্রুত তদন্ত শুরু করে। ইতিমধ্যেই মূল অভিযুক্ত-সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরও তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।ঘটনার পর নাবালিকার পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অন্যদিকে রবিবার রাতেই পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার দুপুরে তৃণমূলের একটি প্রতিনিধি দল বারুইপুরে গিয়ে মৃত নাবালিকার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে। পরে তারা কালীঘাটে ফিরে গোটা ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানায়।এরপরই কালীঘাটে প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নেন তৃণমূল নেত্রী। রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর বিভিন্ন ইস্যুতে একাধিকবার পথে নেমেছেন তিনি। এবার বারুইপুরের নাবালিকার মৃত্যুর ঘটনার বিচার দাবি করে সরাসরি প্রতিবাদে শামিল হওয়ায় বিষয়টি নতুন রাজনৈতিক গুরুত্ব পেয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
কলকাতা

পুলিশ অনুমতি না দিলেও একুশে জুলাই হবেই! রিকশায় দাঁড়িয়ে সভার হুঁশিয়ারি মমতার

একুশে জুলাইয়ের শহিদ দিবস পালনকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়ে গেল। ধর্মতলায় ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সভার অনুমতি না দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, কোনও বাধাই তাঁদের শহিদ দিবস পালন আটকাতে পারবে না। প্রয়োজন হলে রিকশায় দাঁড়িয়েও শহিদ দিবস পালন করা হবে।শনিবার সামাজিক মাধ্যমে সরাসরি বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, পুলিশ অনুমতি না দিলেও একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি বাতিল হবে না। তাঁর অভিযোগ, মধ্য কলকাতায় জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে তাঁদের রাজনৈতিক কর্মসূচি আটকে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে কোনও বাধাই তাঁদের থামাতে পারবে না। কোথায় অনুষ্ঠান হবে, সেই সিদ্ধান্ত পুলিশের অনুমতির পর জানিয়ে দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে মমতা বলেন, কোনও উদ্বেগের কারণ নেই। দল আগেও ছিল, এখনও আছে এবং ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে থাকবে। মানুষের ভালোবাসাই তাঁদের সবচেয়ে বড় শক্তি বলেও দাবি করেন তিনি।এদিন তৃণমূলের মেট্রোপলিটন পার্টি অফিসে তালা পড়ার ঘটনাও তুলে ধরেন মমতা। তিনি বলেন, ওই দফতরটি দল নিয়ম মেনে ভাড়ায় নিয়েছিল এবং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ভাড়ার চুক্তিও রয়েছে। প্রতি মাসে নিয়মিত ভাড়া ও বিদ্যুতের বিল পরিশোধ করা হয়েছে। সমস্ত নথিও দলের কাছে রয়েছে। তাঁর দাবি, একটি অফিসে তালা ঝোলানো যেতে পারে, কিন্তু মানুষের হৃদয়ে তালা লাগানো সম্ভব নয়। এই ঘটনায় অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে বলে জানান তিনি।অন্যদিকে, মমতার বক্তব্যের পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন ঋতব্রত শিবিরের বিধায়ক সন্দীপন সাহা। তাঁর দাবি, কালীঘাটে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যেখানে বহু নেতা স্বস্তি পাচ্ছেন না। সেই কারণেই একের পর এক বর্ষীয়ান নেতা অন্য শিবিরে চলে আসছেন। তাঁর আরও দাবি, তাঁদের শিবিরে যে সাংগঠনিক কাঠামো ঠিক করা হয়েছে, সেটাই এখনও বহাল রয়েছে। অন্যদিকে কালীঘাট শিবিরে বারবার সাংগঠনিক দায়িত্বে পরিবর্তন হচ্ছে বলেও কটাক্ষ করেন তিনি।একুশে জুলাইয়ের সভা কোথায় এবং কীভাবে হবে, তা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হলেও রাজনৈতিক সংঘাত যে আরও বাড়তে চলেছে, তা স্পষ্ট।

জুলাই ০৪, ২০২৬
কলকাতা

বড় ধাক্কা মমতার শিবিরে! পদ ছাড়তেই বিস্ফোরক দাবি চন্দ্রিমার, পাল্টা কড়া বার্তা দলনেত্রীর

তৃণমূলের অন্দরে রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও প্রকাশ্যে এল চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের পদত্যাগকে কেন্দ্র করে। কালীঘাট শিবিরের রাজ্য সভানেত্রীর পদ ছেড়ে দেওয়ার পর একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন তিনি। অন্যদিকে, তাঁর ইস্তফার পরই সরাসরি প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চন্দ্রিমার ছেলে সৌরভ বসুর অন্য শিবিরে যাওয়ার প্রসঙ্গ টেনে মমতা জানিয়েছেন, এই পদত্যাগের ইঙ্গিত তিনি অনেকদিন ধরেই পাচ্ছিলেন।ফেসবুকে সরাসরি বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, চন্দ্রিমা অনেকদিন ধরেই পদ ছাড়ার কথা জানাচ্ছিলেন। তাঁর দাবি, চন্দ্রিমার ছেলে ইতিমধ্যেই অন্য শিবিরে যোগ দিয়েছেন। সেই সিদ্ধান্ত তাঁদের ব্যক্তিগত বিষয়। তবে তিনি নিজে কোনও সমঝোতার পথে হাঁটবেন না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন। মমতার কথায়, নেতা নয়, তিনি কর্মীকেই বেশি গুরুত্ব দেন। একজন চলে গেলে দলের কোনও ক্ষতি হবে না বলেও তিনি দাবি করেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, সংগ্রামই তাঁর জীবনের শক্তি এবং শেষ পর্যন্ত মানুষের জন্যই তিনি লড়াই চালিয়ে যাবেন।বিদ্রোহীদেরও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘদিন দল থেকে সব সুযোগ-সুবিধা নেওয়ার পর এখন অনেকেই অন্য পথে হাঁটছেন। মানুষের ভোটে নির্বাচিত হয়ে পরে সেই মানুষের সঙ্গেই বিশ্বাসঘাতকতা করা উচিত নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।সুব্রত বক্সির অসুস্থতার কারণেই চন্দ্রিমাকে অস্থায়ীভাবে রাজ্য সভানেত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল বলেও জানান মমতা। তিনি ঘোষণা করেন, এবার থেকে রাজ্যের সাংগঠনিক দায়িত্ব নিজেই সামলাবেন। পাশাপাশি দলের কাজ আরও শক্তিশালী করতে মদন মিত্র এবং কুণাল ঘোষকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়ার কথাও জানান।অন্যদিকে, পদত্যাগের পর নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তাঁর দাবি, তিনি সবসময় দলের প্রতি অনুগত ছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি তৃণমূল ভবন নিয়ে ঘটে যাওয়া ঘটনায় তাঁর আনুগত্য নিয়েই প্রশ্ন তোলা হয়। চন্দ্রিমার অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে প্রশ্ন করেন, তিনি কি ভবন অন্য শিবিরের হাতে তুলে দিয়েছেন? এই অভিযোগে তিনি অত্যন্ত আঘাত পান। তাঁর কথায়, তিনি কোনওভাবেই এমন কিছু করেননি। সেই কারণেই আত্মসম্মানের জায়গা থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।চন্দ্রিমার ছেলে সৌরভ বসুর অন্য শিবিরে যোগ দেওয়া নিয়েও তিনি মুখ খোলেন। তাঁর বক্তব্য, তাঁর ছেলে প্রাপ্তবয়স্ক এবং নিজের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিজেই নিয়েছে। সেই সিদ্ধান্তের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত মতের কোনও সম্পর্ক নেই বলেও জানান তিনি।এদিকে চন্দ্রিমাকে স্বাগত জানিয়েছে ঋতব্রত শিবির। ওই শিবিরের নেতা সন্দীপন সাহার দাবি, কালীঘাটে এখন এমন পরিবেশ তৈরি হয়েছে যেখানে অনেকেই স্বস্তি পাচ্ছেন না। তাঁর বক্তব্য, সেই কারণেই চন্দ্রিমার মতো অভিজ্ঞ নেত্রীও শেষ পর্যন্ত সরে আসতে বাধ্য হয়েছেন। এই ঘটনাকে ঘিরে তৃণমূলের অন্দরের রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র হবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

জুলাই ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মমতার এক প্রশ্নেই ইস্তফা! চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের বিস্ফোরক দাবি ঘিরে তোলপাড় তৃণমূল

তৃণমূলে নতুন করে জল্পনার জন্ম দিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। দলের সব পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন তিনি। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজের পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন চন্দ্রিমা। এত দিন ধরে দলের পাশে থাকা এবং নিয়মিত দলীয় কার্যালয়ে উপস্থিত থাকা এই নেত্রীর আচমকা ইস্তফার সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা।চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য জানান, তাঁর আনুগত্য নিয়েই প্রশ্ন তোলা হয়েছে। সেই কারণেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর দাবি, শুক্রবারও তিনি দলীয় কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন। সেই সময় ঋতব্রত শিবিরের নেতারা ভবনে ঢুকলেও তাঁদের সঙ্গে তাঁর কোনও কথা হয়নি। এমনকি তাঁদের তিনি দেখতেও পাননি বলে দাবি করেন।চন্দ্রিমার কথায়, তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলতে গেলে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, তিনি কি দলীয় ভবন অন্য পক্ষের হাতে তুলে দিয়েছেন? এই মন্তব্যে তিনি গভীরভাবে আঘাত পান। তাঁর দাবি, তিনি কোনওভাবেই এমন কিছু করেননি। প্রতিদিনের মতোই নিজের দায়িত্ব পালন করে নির্দিষ্ট সময়ে সেখান থেকে বেরিয়ে যান। তাঁর ঘরে কেউ আসেননি, কারও সঙ্গে তাঁর বৈঠকও হয়নি। অথচ তাঁর আনুগত্য নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে বলে তিনি মনে করেন।তিনি আরও বলেন, নিজের দায়িত্ব পালনে কোথাও কোনও খামতি রাখেননি। তাই তাঁর প্রতি এই ধরনের সন্দেহ প্রকাশ তাঁকে মানসিকভাবে কষ্ট দিয়েছে। সেই কারণেই তিনি দলের সব পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যদিও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে তিনি কোনও মন্তব্য করেননি।এদিকে চন্দ্রিমার ছেলে সৌরভ বসুর নামও সম্প্রতি রাজনৈতিক মহলে আলোচনায় আসে। গত বাইশ জুন ঋতব্রত শিবিরের একটি বৈঠকে তাঁকে দেখা গিয়েছিল। এই প্রসঙ্গে চন্দ্রিমা জানান, তাঁর ছেলে প্রাপ্তবয়স্ক এবং নিজের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিজেই নেয়। ছেলের সেই বৈঠকে যাওয়ার পর তিনি বাড়িতেও রাজনৈতিক বিষয়ে কোনও আলোচনা করেননি। এমনকি ছেলের কর্মস্থলেও যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিলেন বলে দাবি করেন তিনি।চন্দ্রিমার এই পদত্যাগ তৃণমূলের অন্দরের টানাপোড়েনকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত। তাঁর ইস্তফার পর দলের অন্দরে নতুন সমীকরণ তৈরি হয় কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

জুলাই ০৪, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 45
  • 46
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

দক্ষিণেশ্বর থেকে দিল্লি, পথে বর্ধমান—পথ নিরাপত্তার বার্তা নিয়ে ফিজিওথেরাপিস্টদের বিশেষ র‍্যালি

বর্ধমান: চিকিৎসা পরিষেবার গণ্ডি পেরিয়ে এবার পথ নিরাপত্তার সচেতনতা ছড়ানোর বার্তা নিয়ে রাস্তায় নামলেন ফিজিওথেরাপিস্টরা। দক্ষিণেশ্বর থেকে দিল্লি পর্যন্ত দীর্ঘপথে বিশেষ র্যালির আয়োজন করা হয়েছে। গোটা দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ফিজিওথেরাপিস্ট, চিকিৎসক এবং পড়ুয়ারা এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। মঙ্গলবার সেই র্যালিরই একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্বের সাক্ষী থাকল বর্ধমান শহর।দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দিয়ে পূর্ব ভারতের এই র্যালির সূচনা হয়। এরপর বর্ধমানের বিজয় তোরণ তথা কার্জন গেট হয়ে র্যালিটি এগিয়ে যাবে দুর্গাপুর, আসানসোল, ধানবাদ-সহ একাধিক শহরের দিকে। শেষপর্যন্ত দিল্লিতে গিয়ে এই যাত্রার সমাপ্তি হবে।র্যালিতে অংশ নেওয়া ফিজিওথেরাপিস্টদের বক্তব্যে উঠে আসে পথ নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। হেলমেট পরে বাইক চালানো, গাড়িতে সিটবেল্ট ব্যবহার এবং ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলার মতো বিষয়গুলিতে সাধারণ মানুষকে সচেতন করাই এই কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।দক্ষিণবঙ্গ তথা বাংলার বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্ট ডঃ সত্যেন ভট্টাচার্য জনতার কথা-কে জানান, ফিজিওথেরাপিস্টরা প্রতিদিনই দুর্ঘটনার পর গুরুতর শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা করেন। সড়ক দুর্ঘটনার পরে অনেক রোগী পক্ষাঘাত, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের অক্ষমতা কিংবা দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত হন। দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো গেলে এই ধরনের বহু বিপর্যয় প্রতিরোধ করা সম্ভব।ডঃ ভট্টাচার্যের কথায়, আমরা ফিজিওথেরাপিস্ট হিসেবে এমন বহু রোগীকে দেখি, যারা সড়ক দুর্ঘটনার পরে পক্ষাঘাতগ্রস্ত বা পঙ্গুত্বের মতো গুরুতর সমস্যায় আমাদের কাছে আসেন। তাঁদের জীবন একেবারে অন্য জায়গায় চলে যায়। তাই দুর্ঘটনার পরে চিকিৎসার পাশাপাশি দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে, সেই সচেতনতা তৈরি করাও আমাদের দায়িত্ব।এই কর্মসূচি শুধুমাত্র পূর্ব ভারতেই সীমাবদ্ধ নয়। দেশের পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর ও দক্ষিণচার প্রান্ত থেকেই একই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান আয়োজকরা। তাঁদের দাবি, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ফিজিওথেরাপিস্টরা এই সচেতনতা কর্মসূচিতে যুক্ত হয়েছেন।র্যালির সঙ্গে ছিলেন West Bengal IFP-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট কৌশিক মল্লিক এবং EC মেম্বার তথা জয়েন্ট সেক্রেটারি শুভেন্দু জানা। বর্ধমানের পক্ষ থেকেও একাধিক বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্ট এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন IFP-এর কনভেনর শুভেন্দু দ্বিবেদী, বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্ট আদিত্য পাল, সুখদেব, অতনু, অনিন্দ্য-সহ আরও অনেকে।দিল্লিতে বড় সম্মেলন, বিশ্ব রেকর্ডের লক্ষ্যর্যালির পাশাপাশি আগামী ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে একটি বৃহৎ ফিজিওথেরাপি সম্মেলনের আয়োজন করা হচ্ছে বলেও জানান আয়োজকরা। সেখানে প্রায় ১২ হাজার প্রতিনিধি অংশ নেবেন বলে দাবি করা হয়েছে। এত বিপুল সংখ্যক ফিজিওথেরাপিস্টের একসঙ্গে সম্মেলনে যোগ দেওয়ার ঘটনাটি বিশ্ব রেকর্ডের জন্য মনোনীত হয়েছে বলেও জানান তাঁরা।দক্ষিণেশ্বর থেকে শুরু হওয়া র্যালির মূল সুর তাই শুধু চিকিৎসা পেশার প্রচার নয়দুর্ঘটনার পরে চিকিৎসার চেয়ে দুর্ঘটনা প্রতিরোধ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণএই বার্তাই সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া।বর্ধমান শহরের বুক দিয়ে ফিজিওথেরাপিস্টদের এই বিশেষ র্যালি অতিক্রম করার সময় সেই বার্তাই হয়ে উঠল দিনের অন্যতম আলোচ্য বিষয়। চিকিৎসক ও ছাত্রছাত্রীদের এই উদ্যোগে পথ নিরাপত্তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কতটা সচেতনতা তৈরি হয়, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
দেশ

‘বন্দে মাতরম’ না গাইলেই কি জেল? সুপ্রিম কোর্টের বড় পর্যবেক্ষণে নড়েচড়ে বসল কেন্দ্র

বন্দে মাতরম-এর সবকটি স্তবক না গাওয়া বা গান গাইতে অস্বীকার করার ক্ষেত্রে ফৌজদারি শাস্তি দেওয়া যায় কি না, সেই প্রশ্ন এবার খতিয়ে দেখবে সুপ্রিম কোর্ট। কর্নাটকের শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী টিএম কৃষ্ণের দায়ের করা মামলায় মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জবাব চেয়েছে শীর্ষ আদালত। দুই সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রকে জবাব দিতে বলা হয়েছে।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হয়। কৃষ্ণ কেন্দ্রের নির্দেশিকা এবং জাতীয় সম্মানের অবমাননা প্রতিরোধ আইনে ২০২৬ সালে আনা সংশোধনীর সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। তাঁর মূল আপত্তি, সরকারি অনুষ্ঠানে বন্দে মাতরম-এর ছয়টি স্তবক গাওয়ার নির্দেশ এবং তার সঙ্গে যুক্ত শাস্তির বিধান নিয়ে।তবে শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করেছে, জাতীয় গান হিসেবে কোন গান বা তার কোন সংস্করণ নির্ধারণ করা হবে, সেই প্রশ্নে আদালত আপাতত ঢুকছে না। দুই স্তবক না ছয় স্তবকএই বিতর্কের পরিবর্তে আদালতের নজর মূলত অন্য একটি বিষয়ে। ধর্মীয় বিশ্বাস বা বিবেকগত আপত্তির কারণে কেউ গান না গাইলে তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি শাস্তি দেওয়া যাবে কি না, সেটিই খতিয়ে দেখতে চায় বেঞ্চ।এই প্রসঙ্গে ১৯৮৬ সালের বিজয় ইমানুয়েল মামলার নজিরের কথা উল্লেখ করে আদালত। ওই মামলায় সুপ্রিম কোর্ট ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে জাতীয় সঙ্গীত না গাওয়া কয়েক জন পড়ুয়ার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপের বিষয়টি খতিয়ে দেখেছিল। মঙ্গলবারের শুনানিতে বেঞ্চ জানায়, সেই মামলায় আদালত যে আইনি অবস্থান জানিয়েছিল, সেটি বন্দে মাতরম সংক্রান্ত বিষয়েও প্রাসঙ্গিক হতে পারে।আবেদনকারীর পক্ষে প্রবীণ আইনজীবী এস মুরলীধর যুক্তি দেন, ২০২৬ সালের সংশোধনীতে জাতীয় গান-এর স্পষ্ট সংজ্ঞা নেই। তাঁর বক্তব্য, এই অস্পষ্টতার সুযোগ নিয়ে ভবিষ্যতে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সংশ্লিষ্ট নির্দেশিকা সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হয়নি বলেও তিনি আদালতের সামনে দাবি করেন।মুরলীধরের আরও বক্তব্য, বন্দে মাতরম-এর শেষের কয়েকটি স্তবকে দুর্গা, লক্ষ্মী ও সরস্বতীর মতো হিন্দু দেবদেবীর উল্লেখ রয়েছে। সেই কারণে সব নাগরিককে ওই স্তবক গাইতে বাধ্য করা হলে ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতার নীতির প্রশ্ন উঠতে পারে বলে তাঁর দাবি। এই বক্তব্য অবশ্য মামলাকারীর যুক্তি; এ বিষয়ে এখনও আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।শুনানিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীও বিভিন্ন প্রশ্ন তোলেন। তিনি ইঙ্গিত করেন, অন্য দেশে জাতীয় প্রতীকের সঙ্গে ধর্মীয় শব্দের উপস্থিতি থাকলেও তা একা ধর্মনিরপেক্ষতার প্রশ্নের উত্তর নয়। মামলাটি নিয়ে আদালতে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা এবং মুরলীধরের মধ্যে তীব্র বাক্যবিনিময়ও হয়। মেহতা মামলাকারীর যুক্তির সমালোচনা করতে গিয়ে নকশাল শব্দ ব্যবহার করেন। সেই মন্তব্যের বিরোধিতা করেন মুরলীধর।এদিন আদালত অবশ্য এই পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক নোটিস জারি করেনি। তবে কেন্দ্রের কাছ থেকে জবাব চাওয়া হয়েছে। বেঞ্চের মৌখিক পর্যবেক্ষণ, ধর্মীয় কারণে কেউ বন্দে মাতরম না গাইলে তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি শাস্তি হওয়া উচিত নয়বিজয় ইমানুয়েল মামলার আইনি অবস্থানই এই বিষয়ে প্রাসঙ্গিক থাকবে বলে আদালত আশা করছে।ফলে বন্দে মাতরম-এর ছয়টি স্তবক গাওয়া নিয়ে বিতর্কের পাশাপাশি এখন সামনে এসেছে আরও গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্নকেউ ধর্মীয় বিশ্বাস বা বিবেকগত কারণে গানটি না গাইলে তাঁকে অপরাধী করা যাবে কি না। কেন্দ্রের জবাব পাওয়ার পর এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট কী অবস্থান নেয়, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
কলকাতা

পুরনো মামলায় জেল, আরও পাঁচ মামলায় রক্ষাকবচ চেয়েছিলেন মিলন! হাই কোর্টে কী হল?

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের গ্রেফতারি ঘিরে তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক ও আইনি টানাপোড়েন। ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময়ের একটি পুরনো মামলায় গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে জেল হেফাজতে রয়েছেন তিনি। এর মধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে থাকা আরও পাঁচটি মামলা নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে শুনানি হয় মঙ্গলবার। শুনানিতে রাজ্য জানায়, মিলনের বিরুদ্ধে নতুন করে যে পাঁচটি মামলা নিয়ে তিনি রক্ষাকবচ চেয়েছিলেন, সেগুলি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।মিলন প্রধানের আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য অবশ্য জানান, তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে নন্দীগ্রাম ছাড়াও আরও কয়েকটি মামলা রয়েছে। সেই মামলাগুলিতেও গ্রেফতারি থেকে সুরক্ষা দেওয়ার আবেদন করেন তিনি। আইনজীবীর বক্তব্য ছিল, ১৯ বছর আগের মামলায় গ্রেফতারির পর ভোটের প্রচারেও মিলন অংশ নিতে পারছেন না। ৪ অক্টোবর প্রচারের শেষ দিন হওয়ায় বিষয়টি দ্রুত বিবেচনা করার আবেদন জানানো হয়।তবে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের আদালতে শুনানির সময় জানানো হয়, নন্দীগ্রাম থানার মামলাটি ছাড়া বাকি পাঁচটি মামলায় মিলন প্রধান অভিযুক্ত নন। সেই কারণে ওই মামলাগুলির ক্ষেত্রে এই মুহূর্তে আলাদা করে রক্ষাকবচ দেওয়ার প্রয়োজন নেই বলে আদালত মন্তব্য করে। মামলাটির পরবর্তী শুনানি আগামী ১০ অক্টোবর।এর আগে পুরনো একটি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর আরও কয়েকটি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন মিলন। সেই আশঙ্কা থেকেই কলকাতা হাই কোর্টে রক্ষাকবচ চেয়ে আবেদন করা হয়। তাঁর আইনজীবী আদালতের কাছে ভবিষ্যতে যাতে একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সেই বিষয়ে সুরক্ষা চেয়েছিলেন।মিলন প্রধানের গ্রেফতারির সময় নিয়েও রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। শুক্রবার নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা জানান। সেই দিনই পুরনো মামলায় গ্রেফতার করা হয় মিলনকে। এই ঘটনাকে ঘিরে তৃণমূল ও কংগ্রেসের নেতারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের অভিযোগ তুলেছেন। সেই অভিযোগ অবশ্য সংশ্লিষ্ট মামলার বিচারিক সিদ্ধান্ত নয়।তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ও মিলনের গ্রেফতারি নিয়ে রাজনৈতিক অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, বিরোধীদের হেনস্থা করার জন্য মামলা ব্যবহার করা হচ্ছে। আদালতের নির্দেশ নিয়ে অবশ্য তিনি মন্তব্য করতে চাননি বলে জানিয়েছেন।অন্য দিকে, মিলনের বিরুদ্ধে যে পুরনো মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে, সেটি ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম জমি অধিগ্রহণবিরোধী আন্দোলনের সময়ের মামলা। বিভিন্ন প্রতিবেদনে ওই মামলায় গুরুতর অভিযোগ এবং দীর্ঘদিনের গ্রেফতারি পরোয়ানার কথা উঠে এসেছে। মিলন বর্তমানে ওই মামলাগুলির কারণে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন।নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন হওয়ার কথা ৬ অক্টোবর। তার আগে কংগ্রেস প্রার্থীর জেলবন্দি থাকা এবং তাঁর বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলির আইনি অবস্থান স্বাভাবিক ভাবেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মঙ্গলবারের শুনানিতে পাঁচটি মামলা প্রত্যাহারের কথা রাজ্য জানালেও, মিলনের রক্ষাকবচের আবেদন নিয়ে আদালতের তরফে বড় কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি। আগামী ১০ অক্টোবর ফের মামলাটি আদালতে উঠবে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
দেশ

আবারও ডেডলাইন শেষ! স্পিকারের নোটিসের জবাব দিতে আরও ৪ সপ্তাহ চাইলেন সুদীপ-কাকলিরা

আবারও সময়সীমা শেষ। কিন্তু লোকসভার স্পিকারের নোটিসের জবাব এখনও দেননি তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া ২০ জন সাংসদ। ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জবাব দেওয়ার কথা থাকলেও, তার আগেই আরও চার সপ্তাহ সময় চেয়ে স্পিকার ওম বিড়লার কাছে আবেদন জানাতে চলেছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ ওই সাংসদেরা। ফলে সাংসদ পদ খারিজের আবেদনকে ঘিরে ফের তৈরি হয়েছে নতুন টানাপোড়েন।লোকসভা সচিবালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্পিকারকে চিঠি দিয়ে নোটিসের জবাব দেওয়ার জন্য আরও চার সপ্তাহ সময় চাওয়া হবে। অর্থাৎ আরও প্রায় এক মাস সময় চেয়েছেন তৃণমূলত্যাগী সাংসদেরা। এর আগে প্রথমে তাঁদের এক সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল। পরে অতিরিক্ত সময়ের আবেদনের ভিত্তিতে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়। এবার সেই সময়সীমাও শেষ হওয়ার মুখে।বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দেন ২০ জন সাংসদ। তাঁদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইনে সাংসদ পদ খারিজের আবেদন করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। লোকসভার স্পিকারের কাছে পৃথক ভাবে ওই সাংসদদের বিরুদ্ধে আবেদন জানানো হয়।স্পিকার দীর্ঘ সময় কোনও সিদ্ধান্ত না নেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। তাঁর আবেদনের ভিত্তিতে গত ২৫ অগস্ট ২০ জন সাংসদের কাছে নোটিস পাঠানোর নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত। তাঁদের বক্তব্য জানতে চাওয়া হয়। একই সঙ্গে স্পিকারের কাছেও এই বিষয়ে বক্তব্য জানতে চেয়েছিল আদালত।এর পর লোকসভার স্পিকারের সচিবালয়ও ২০ জন সাংসদকে নোটিস পাঠায়। প্রথমে সাত দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার পর সাংসদদের তরফে আরও সময় চাওয়া হয়। তাঁদের আবেদনের ভিত্তিতে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দিয়েছিলেন স্পিকার ওম বিড়লা।কিন্তু ২২ সেপ্টেম্বরও জবাব জমা না দিয়ে ফের সময় চাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ ২০ সাংসদ। এবার তাঁদের আবেদনে চার সপ্তাহ সময় দেওয়ার অনুরোধ জানানো হবে। স্পিকার সেই আবেদন মঞ্জুর করবেন কি না, এখন সেটাই দেখার।এই ২০ সাংসদের দলবদল এবং তাঁদের সাংসদ পদ নিয়ে শুরু থেকেই রাজনৈতিক ও আইনি টানাপোড়েন চলছে। তৃণমূলের অভিযোগ, তাঁরা দল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দিলেও লোকসভার নথিতে এখনও তাঁদের তৃণমূল সাংসদ হিসাবেই দেখা হচ্ছে। সেই কারণেই দলত্যাগ বিরোধী আইনে তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে।অন্য দিকে, সাংসদদের বক্তব্য এখনও স্পিকারের কাছে সম্পূর্ণ ভাবে জমা পড়েনি। ফলে অভিযোগের জবাব এবং তাঁদের বক্তব্যের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। স্পিকার নতুন করে চার সপ্তাহ সময় দেন কি না, নাকি দ্রুত পরবর্তী প্রক্রিয়া শুরু করেন, এখন সেই সিদ্ধান্তের দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।অর্থাৎ, একবার নয়পরপর সময়সীমা পেরিয়ে ফের সময় চাওয়ার পথে হাঁটছেন সুদীপ-কাকলিরা। এবার স্পিকার ওম বিড়লা তাঁদের আরও এক মাস সময় দেন কি না, নাকি নোটিসের জবাব না পাওয়ার পর অন্য কোনও পদক্ষেপ করেন, সেটাই পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
রাজ্য

ফোন নিজে থেকেই নিল ‘আপডেট’, খুলতেই দেখলেন অ্যাকাউন্ট ফাঁকা! উধাও ৯৯ হাজার

ডিজিটাল লেনদেনের সময়ে সাইবার প্রতারণার অভিযোগ নতুন নয়। তবে পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে এক যুবকের অভিযোগ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তাঁর দাবি, স্মার্টফোন নিজে থেকেই আপডেট হওয়ার পর ফোন কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। ফোন চালু হওয়ার পর ব্যাঙ্কের বার্তায় তিনি জানতে পারেন, তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে ৯৯ হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।ভাতার থানার ভুমশোর গ্রামের বাসিন্দা শেখ রাজেশের একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট রয়েছে। তাঁর দাবি, গত শনিবার তিনি লক্ষ্য করেন, তাঁর স্মার্টফোন নিজে থেকেই আপডেট নিতে শুরু করেছে। পরে রবিবার ব্যক্তিগত কাজে কলকাতায় গিয়েছিলেন তিনি।রাজেশ জানিয়েছেন, রবিবার কলকাতা থেকে ফেরার পথে বিকেল চারটে নাগাদ তাঁর ফোনে ফের আপডেট শুরু হয়। প্রায় ২০ মিনিট ফোনটি বন্ধ ছিল। আপডেট শেষ হওয়ার পর ফোন চালু করতেই তাঁর কাছে ব্যাঙ্কের বার্তা আসে। সেই বার্তায় তিনি জানতে পারেন, তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে ৯৯ হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।বিষয়টি প্রথমে বিশ্বাস করতে পারেননি রাজেশ। বাড়ি ফেরার পর তিনি ব্যাঙ্কে গিয়ে অ্যাকাউন্ট পরীক্ষা করেন। সেখানে টাকা কেটে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয় বলে তাঁর দাবি।রাজেশের আরও দাবি, তিনি কাউকে কোনও ওটিপি দেননি। এমনকি টাকা তোলার জন্য কোনও অনুমতিও দেননি বলে জানিয়েছেন তিনি। তাহলে কী ভাবে তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে নেওয়া হল, তা নিয়ে ধন্দে রয়েছেন ওই যুবক।ঘটনার পর প্রথমে ভাতার থানায় অভিযোগ জানান রাজেশ। পরে জেলা পুলিশের সাইবার অপরাধ শাখায় বিস্তারিত জানিয়ে লিখিত অভিযোগ করেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।তদন্তকারীরা ঘটনাটিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। কী ভাবে অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলা হল, লেনদেনটি কোন পথে হয়েছে এবং ফোন আপডেট হওয়ার সময়ের সঙ্গে ঘটনার কোনও সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।তবে ফোনের আপডেটের কারণেই টাকা খোয়া গিয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। গোটা বিষয়টি তদন্তের পরেই পরিষ্কার হবে। অভিযোগের সত্যতা এবং টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পদ্ধতি জানতে সাইবার অপরাধ শাখা বিভিন্ন তথ্য খতিয়ে দেখছে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
রাজ্য

তোলাবাজির মামলায় ভবানী ভবনে কীর্তি আজাদ! সিআইডির জেরায় কী বললেন তৃণমূল সাংসদ?

তোলাবাজির অভিযোগের মামলায় সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হলেন বর্ধমান-দুর্গাপুরের তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ। কলকাতা হাই কোর্ট তাঁকে আপাতত কড়া পদক্ষেপ থেকে রক্ষাকবচ দিলেও তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশ মেনেই মঙ্গলবার ভবানী ভবনে সিআইডির দফতরে হাজির হন তিনি।মামলাটি এক ব্যবসায়ীর অভিযোগকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ, ২০২৫ সালের মে মাসে ওই ব্যবসায়ীকে দুর্গাপুরের একটি বাংলোয় ডাকা হয়েছিল। সেখানে কীর্তি আজাদের এক সহযোগী তাঁর কাছে ১৫ লক্ষ টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ। টাকা না দিলে তাঁর ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি অভিযোগকারীর। ওই কথোপকথনের একটি অডিয়ো রেকর্ড তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ বলে উঠে এসেছে।ঘটনার পর ব্যবসায়ী পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের হয়। পরে তদন্তভার নেয় সিআইডি। কীর্তি আজাদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যও তলব করা হয়। গ্রেফতারির আশঙ্কায় এরপর কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন সাংসদ।আদালতে কীর্তি আজাদের আইনজীবী অভিযোগের সময় এবং মামলা দায়েরের মধ্যে দীর্ঘ ব্যবধানের বিষয়টি তুলে ধরেন। তাঁদের দাবি ছিল, ঘটনার প্রায় ১৫ মাস পরে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। কীর্তির বিরুদ্ধে সরাসরি টাকা নেওয়ার প্রমাণ নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। কীর্তি আজাদ নিজেও অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, তাঁকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে।এর পর কলকাতা হাই কোর্ট কীর্তি আজাদকে অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দেয়। আদালত তাঁকে তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ দেয় এবং ভবানী ভবনে হাজির হয়ে সিআইডির প্রশ্নের উত্তর দিতে বলে। ভবিষ্যতে ফের জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন হলে তাঁকে আগাম নোটিস দেওয়ার কথাও আদালত জানিয়েছে।কীর্তি আজাদ মঙ্গলবার নির্দিষ্ট সময়ে ভবানী ভবনে পৌঁছন। সেখানে তাঁকে মামলার অভিযোগ নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সাংসদের দাবি, তোলাবাজির কোনও ঘটনার সঙ্গে তিনি যুক্ত নন। যে দিনের ঘটনা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে, সেই দিন তিনি দুর্গাপুরে ছিলেন না বলেও দাবি করেছেন তিনি। নিজের বক্তব্যের সমর্থনে তাঁর কাছে একাধিক নথি রয়েছে বলেও জানিয়েছেন কীর্তি।অন্য দিকে, ব্যবসায়ীর অভিযোগ এবং অডিয়ো রেকর্ডের ভিত্তিতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে সিআইডি। আদালত আপাতত কীর্তি আজাদকে রক্ষাকবচ দিলেও তদন্ত বন্ধ করেনি। ফলে জিজ্ঞাসাবাদ এবং তদন্তের পরবর্তী ধাপে মামলায় আরও কী তথ্য সামনে আসে, সে দিকেই নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
টুকিটাকি

আপনি কি ডায়াবেটিক? করলার জুস কি সত্যিই কমায় সুগার?

সকালে খালি পেটে করলার জুসডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের সহজ সমাধান, নাকি শুধুই প্রচলিত ধারণা? বিজ্ঞান কী বলছে?সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস করলার জুস। অনেকের কাছেই এটি যেন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের ঘরোয়া ফর্মুলা। কারও দাবি, নিয়মিত করলার জুস খেলেই কমে যায় রক্তে শর্করা। কেউ আবার বলেন, ওষুধের পাশাপাশি করলা নাকি প্রাকৃতিক ইনসুলিন হিসেবে কাজ করে। সামাজিক মাধ্যমেও এমন নানা পরামর্শের ছড়াছড়ি।কিন্তু সত্যিই কি করলার জুস ডায়াবেটিস কমাতে পারে? কতটা উপকারী এই তেতো পানীয়? প্রতিদিন খাওয়া কি নিরাপদ? আর সবচেয়ে বড় প্রশ্নকরলার জুস খেলে কি ডায়াবেটিসের ওষুধ বন্ধ করা যায়?বিজ্ঞানের উত্তর একেবারে সরল নয়।গবেষণায় করলার কিছু উপাদানের রক্তে গ্লুকোজ কমানোর সম্ভাবনা দেখা গিয়েছে। কিছু clinical trial ও meta-analysis-এ fasting blood glucose এবং HbA1c কমার ইঙ্গিতও পাওয়া গেছে। কিন্তু অন্য গবেষণায় আবার উল্লেখযোগ্য উপকার মেলেনি। ফলে করলাকে ডায়াবেটিসের চিকিৎসা হিসেবে নিশ্চিতভাবে প্রতিষ্ঠা করার মতো শক্তিশালী প্রমাণ এখনও নেই। অর্থাৎ, করলা উপকারী হতে পারে, কিন্তু করলা ডায়াবেটিসের ওষুধ নয়।কেন করলাকে ঘিরে এত আলোচনা?করলায় রয়েছে একাধিক bioactive compound। এর মধ্যে charantin, polypeptide-p-সহ কয়েকটি উপাদান নিয়ে বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করছেন।ল্যাবরেটরি ও প্রাণী-গবেষণায় করলার কিছু উপাদান insulin-এর মতো প্রভাব ফেলতে পারে, glucose metabolism-এ প্রভাব ফেলতে পারে এবং insulin sensitivity বাড়াতে পারেএমন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।কিন্তু এখানেই গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে।ল্যাবরেটরিতে কোনও উপাদান কার্যকর প্রমাণিত হওয়া আর মানুষের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সেটি কার্যকর প্রমাণিত হওয়া এক বিষয় নয়। মানুষের উপর clinical trial-ই শেষ পর্যন্ত বেশি গুরুত্বপূর্ণ।গবেষণা কী বলছে?২০১৯ সালের একটি systematic review ও meta-analysis-এ টাইপ-২ ডায়াবেটিস নিয়ে করা ১০টি গবেষণা এবং ১,০৪৫ জন অংশগ্রহণকারীর তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। সেখানে করলার বিভিন্ন preparation ব্যবহারে fasting glucose, post-meal glucose এবং HbA1c কমার কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তবে গবেষণার প্রমাণের মান ছিল কম থেকে খুব কম।অন্যদিকে, ২০২৪ সালের একটি systematic review-তে ৯টি randomised trial এবং ৪১৪ জন অংশগ্রহণকারীর তথ্য বিশ্লেষণ করে placebo-র তুলনায় fasting glucose বা HbA1c-তে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ, গবেষণার ফলাফল এখনও একমুখী নয়।আরও সাম্প্রতিক গবেষণাতেও করলার সম্ভাব্য উপকারের কথা উঠে এসেছে, কিন্তু একই সঙ্গে গবেষণার সীমাবদ্ধতার কথাও বলা হয়েছে।তাই বিজ্ঞানীদের বর্তমান অবস্থানকে সংক্ষেপে বলা যায়করলা রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে, কিন্তু এটিকে diabetes treatment-এর বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করার মতো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ এখনও নেই।তাহলে করলার জুস খাবেন কীভাবে?এখানেই রয়েছে আর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।সামাজিক মাধ্যমে প্রায়ই বলা হয়, সকালে খালি পেটে এক গ্লাস করলার জুস ডায়াবেটিসের জন্য সবচেয়ে কার্যকর। কিন্তু করলার জুস খালি পেটে খেতেই হবেএমন কোনও শক্তিশালী বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।আর প্রতিদিন কত মিলিলিটার করলার জুস খেতে হবে, তারও কোনও সর্বজনস্বীকৃত therapeutic dose নেই।তাই তাজা করলা ভালোভাবে ধুয়ে নিন। অতিরিক্ত ঘন করে জুস বানাবেন না। জুসে চিনি, মধু বা অন্য কোনও মিষ্টি উপাদান মেশাবেন না। প্রথম থেকেই বেশি পরিমাণে খাওয়া শুরু করবেন না। খালি পেটে খাওয়াকে অবশ্যই করণীয় মনে করবেন না।অনেক ক্ষেত্রে করলাকে জুস না করে সাধারণ সবজি হিসেবে খাবারের সঙ্গে খাওয়াই বেশি বাস্তবসম্মত। এতে খাদ্যতালিকায় সবজি ও fibre যোগ হয় এবং অতিরিক্ত concentrated preparation নেওয়ার ঝুঁকিও কম থাকে।ডায়াবেটিসের ওষুধের সঙ্গে করলার জুস?এখানে কিন্তু যথেষ্ট সতর্ক হতে হবে।যাঁরা insulin অথবা রক্তে glucose কমানোর ওষুধ খান, তাঁদের ক্ষেত্রে করলার সম্ভাব্য glucose-lowering effect ওষুধের সঙ্গে যোগ হয়ে রক্তে শর্করা অতিরিক্ত কমিয়ে দিতে পারে।ফলে নিজের মতো করে প্রতিদিন করলার জুস শুরু করা ঠিক নয়।হঠাৎ ঘাম হওয়া হাত-পা কাঁপা মাথা ঘোরা দুর্বল লাগা অতিরিক্ত ক্ষুধা বিভ্রান্তিইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিলে hypoglycaemia-এর সম্ভাবনা বিবেচনা করতে হবে।কারা সাবধান?গর্ভবতী মহিলা: concentrated বা medicinal preparation এড়ানো উচিত।Insulin বা diabetes medicine গ্রহণকারী: চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিয়মিত করলার জুস শুরু করা উচিত নয়।কিডনি বা লিভারের সমস্যা রয়েছে যাঁদের: বিশেষ করে concentrated extract বা supplement নেওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।শিশুদের ক্ষেত্রে: নিজের মতো করে করলার জুস বা extract দেওয়া উচিত নয়।সবচেয়ে বড় ভুলটা কী?ডায়াবেটিস ধরা পড়ার পর অনেকে ওষুধের পাশাপাশি বিভিন্ন ঘরোয়া উপায় শুরু করেন। সমস্যা তখনই হয়, যখন সেই ঘরোয়া উপায়কে ওষুধের বিকল্প ভাবা শুরু হয়।করলার ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।করলার জুস খেয়ে যদি কারও blood sugar কিছুটা কমেও, তার অর্থ এই নয় যে তাঁর diabetes সেরে গেছে।ডায়াবেটিস একটি দীর্ঘমেয়াদি metabolic condition। এর নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ, সুষম খাদ্য, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়মিত blood glucose ও HbA1c পরীক্ষা।তাহলে করলা খাবেন কি খাবেন না?উত্তরটা সহজ।খাবার হিসেবে করলাহ্যাঁ।ডায়াবেটিসের ওষুধ হিসেবে করলানা।করলা একটি পুষ্টিকর, কম-ক্যালোরির সবজি হিসেবে সুষম খাদ্যের অংশ হতে পারে। রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে এর সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে গবেষণা চলছে। কিন্তু শুধুমাত্র করলার জুসের উপর নির্ভর করে diabetes management করা বৈজ্ঞানিকভাবে যুক্তিযুক্ত নয়।শেষ কথাতেতো স্বাদ মানেই বেশি ওষুধি শক্তিএমন ধারণার কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।করলা নিয়ে গবেষণা আশাব্যঞ্জক হলেও এখনও চূড়ান্ত নয়। তাই করলার জুস খেলেই সুগার নিয়ন্ত্রণএমন সরল দাবি থেকে দূরে থাকাই ভালো।ডায়াবেটিস থাকলে করলাকে সহায়ক খাদ্য হিসেবে ভাবুন, চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে নয়।আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণওষুধ বন্ধ করার আগে নয়, করলার জুস শুরু করার আগেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
রাজ্য

সমুদ্রে নামার আগে সতর্কবার্তা, তারপরেই তলিয়ে গেল তিনজন! মন্দারমণিতে চাঞ্চল্য

মন্দারমণিতে ফের সমুদ্রস্নানে নেমে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। জোয়ারের টানে সমুদ্রে তলিয়ে গিয়ে মৃত্যু হল দুজনের। মৃতদের মধ্যে রয়েছে এক নাবালক। এখনও নিখোঁজ আরও এক জন। তাঁর খোঁজে সমুদ্রজুড়ে তল্লাশি চালাচ্ছে উদ্ধারকারী দল। গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে সমুদ্র উত্তাল থাকায় উদ্ধারকাজেও সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার বিকেলে মন্দারমণির তিন নম্বর ঘাটের কাছে ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রে খবর, দিঘা থেকে টোটো ভাড়া করে মোট আট জন মন্দারমণিতে এসেছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন সুমন শীল, বৃষ্টি শীল এবং প্রায় দশ বছরের নাবালক সোমনাথ হালদার।একটি রিসর্টের সামনে তাঁরা সমুদ্রে স্নান করছিলেন বলে জানা গিয়েছে। সেই সময় আচমকা জোয়ারের টানে তিন জন গভীর জলে চলে যান। কিছুক্ষণ পর স্থানীয় বাসিন্দারা সোমনাথকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করেন। তাঁকে দ্রুত বালিসাই বড় রাঙ্গুয়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।সোমনাথের বাবা সন্তু হালদারের কথায়, ছেলে পাড়ের কাছেই স্নান করছিল। তিনি কিছুটা দূরে গিয়েছিলেন। ফিরে এসে দেখেন, ছেলে সেখানে নেই। পরে খোঁজাখুঁজির পর তাঁকে উদ্ধার করা হয়। ছেলেকে হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েছেন তিনি।অন্য দিকে, সোমবার রাতে বৃষ্টি শীলের দেহও উদ্ধার করা হয়। তবে এখনও খোঁজ মেলেনি সুমন শীলের। তাঁর সন্ধানে স্পিড বোট নামিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। উত্তাল সমুদ্রের কারণে উদ্ধারকাজে সমস্যা তৈরি হলেও নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধানে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে উদ্ধারকারী দল।ঘটনার পর মন্দারমণির উপকূল এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। পর্যটকদের সমুদ্রের কাছাকাছি যেতে দেওয়া হচ্ছে না। পুলিশ-প্রশাসনের তরফে মাইকিং করে পর্যটকদের সতর্ক করা হচ্ছে।পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার অংশুমান সাহা জানিয়েছেন, ওই আট জন নদিয়ার বাসিন্দা এবং তাঁরা দিঘা মোহনায় কাজ করেন। তাঁরা মন্দারমণিতে বেড়াতে এসেছিলেন। তাঁর দাবি, পর্যটকদের সতর্ক করতে নিয়মিত মাইকিং করা হয় এবং নজরদারির জন্য নুলিয়ার সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে।পুলিশের দাবি, সমুদ্র উত্তাল থাকলে পর্যটকদের আরও সতর্ক থাকা প্রয়োজন। প্রশাসনের তরফে নজরদারি চললেও পর্যটকদের অসতর্কতার কারণে এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।গভীর নিম্নচাপের কারণে আপাতত মন্দারমণি-সহ উপকূলের সমুদ্র উত্তাল রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সমুদ্রের ধারে পর্যটকদের নামার ক্ষেত্রে কড়া নজরদারি রাখা হচ্ছে। নিখোঁজ সুমন শীলের খোঁজে এখনও তল্লাশি চলছে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal