• ১ চৈত্র ১৪৩২, সোমবার ১৬ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IPL

খেলার দুনিয়া

শেষ ম্যাচেও লজ্জাও চেন্নাইয়ের, দ্বিতীয় স্থানে শেষ করল রাজস্থান

গুজরাট টাইটান্স ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের ম্যাচের ফলই প্লে অফ খেলা নিশ্চিত করে দিয়েছিল রাজস্থান রয়্যালসের । তবে লিগ টেবিলে কোন পজিশনে শেষ করে প্লে অফ খেলবে, সেটা নির্ভর করছিল চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ম্যাচের ওপর। চেন্নাইকে হারালেই ভাল নেট রান রেটের সুবাদে লখনউ সুপার জায়ান্টসকে সরিয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসার সুযোগ ছিল। সুযোগ দারুণভাবে কাজে লাগালেন সঞ্জু স্যামসনরা। চেন্নাইকে ৫ উইকেটে হারিয়ে লিগ টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল রাজস্থান রয়্যালস। চলতি আইপিএলে নিজেদের শেষ ম্যাচে সম্মান বাঁচাতে পারল না ধোনির চেন্নাই সুপার কিংস।প্রথমে ব্যাট করে রাজস্থান রয়্যালসের সামনে বড় রানের টার্গেট খাড়া করতে পারেনি চেন্নাই সুপার কিংস। জয়ের জন্য লক্ষ্য রেখেছিল ১৫১। চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে জস বাটলারের রানের দিকে তাকিয়ে ছিল রাজস্থান। কিন্তু চলতি আইপিএলে প্রথম পর্বের মতো দ্বিতীয় পর্বে সেভাবে জ্বলে উঠতে পারেননি ইংল্যান্ডের এই ওপেনার। দ্বিতীয় ওভারে এদিন মাত্র ২ রান করে সিমরনজিৎ সিংয়ের বলে মইন আলির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসনের ব্যাটেও সেই ধারাবাহিকতার অভাব। সিমরনজিত সিং, মিচেল স্যান্টনারদের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠতে পারলেন না। ২০ বলে মাত্র ১৫ রান করে তিনি স্যান্টনারের বলে তাঁর হাতেই ক্যাচ দিয়ে আউট হন। দেবদত্ত পাড়িক্কলও (৩) রান পাননি। তিনি মইন আলির শিকার। রাজস্থানকে টেনে নিয়ে যান যশশ্বী জয়সোয়াল ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন। ৪৪ বলে ৫৯ করে প্রশান্ত সোলাঙ্কির বলে আউট হন জয়সোয়াল। দেশ থেকে ফিরে এসে সদ্য বাবা হওয়া হেটমায়ারও (৬) ব্যর্থ। তিনিও সোলাঙ্কির শিকার। ১৬.২ ওভারে ১১২ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় রাজস্থান রয়্যালস। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান অশ্বিন ও রিয়ান পরাগ। শেষ ওভারে জয়ের জন্য রাজস্থানের দরকার ছিল ৭ রান। ২ বল বাকি থাকতে রাজস্থানকে (১৫১/৫) জয় এনে দেন অশ্বিন (২৩ বলে অপরাজিত ৪০) ও রিয়ান পরাগ (১০ বলে অপরাজিত ১০)।এদিন প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি চেন্নাইয়ের। প্রথম ওভারেই ফিরে যান ঋতুরাজ গায়কোয়াড় (২)। দলকে টেনে নিয়ে যান মইন আলি। এদিন দারুণভাবে জ্বলে উঠেন। মাত্র ১৯ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। ডেভন কনওয়ে (১৪ বলে ১৬), এন জগদীশন (১), অম্বাতি রায়ুডু (৩) রান পাননি। ২৮ বলে ২৬ রান করেন ধোনি। ৫৭ বলে ৯৩ রান করে চেন্নাইকে ১৫০/৬ রানে পৌঁছে দিয়েছিলেন মইন।

মে ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌সামনের বছরও চেন্নাইকে নেতৃত্ব দেবেন?‌‌ কী বললেন ধোনি!‌

গত বছর থেকেই জল্পনাটা তুঙ্গে উঠেছিল। এবছরই কি শেষ আইপিএল মহেন্দ্র সিং ধোনির? অনেকেই ভেবেছিলেন, দুবাইতে চেন্নাই সুপার কিংসকে চতুর্থবার আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন করে ক্রিকেটের ময়দান থেকে সরে দাঁড়াবেন মাহি। কিন্তু সে রাস্তায় তিনি হাঁটেননি। পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছিলেন, এই মরশুমেও খেলবেন। এবছর দলকে সাফল্য এনে দিতে পারেননি। আবার জল্পনা শুরু হয়েছিল। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে লিগ পর্যায়ের শেষ ম্যাচ খেলেই হয়তো আইপিএলকে বিদায় জানাবেন। কিন্তু এখনই ক্রিকেটের ময়দান থেকে সরে যাচ্ছেন না। ভক্তদের স্বস্তি দিয়ে তিনি জানিয়ে দিলেন, আগামী মরশুমেও চেন্নাইয়ের জার্সি গায়ে মাঠে নামতে চান।আগামী মরশুমেও কেন খেলা চালিয়ে যাওয়ার কথা ভাবছেন ধোনি? আসলে নিজেকে এখনও দারুণ ফিট মনে করেন তিনি। চেন্নাই সুপার কিংস ম্যানেজমেন্টও ধোনি ব্র্যান্ডকে ছাড়তে চাইছে না। তার থেকেও বড় কারণ, চেন্নাইয়ের প্রিয় দর্শকদের সামনেই শেষ ম্যাচ খেলে ব্যাটপ্যাড তুলে রাখবেন। সেই সুযোগ থাকলে হয়তো এই বছরই আইপিএল থেকে সরে দাঁড়াতেন ধোনি। আসলে প্রিয় চেন্নাইয়ের দর্শকদের বিদায় জানানোর সুযোগ দিতে চান চেন্নাই সুপার কিংসসের থালা। শুক্রবার রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে টসের সময় ধোনির কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, পরের বছরও আইপিএলে তিনি খেলবেন কিনা। উত্তরে ধোনি জানান, অবশ্যই খেলব। চেন্নাইয়ে না খেলে আইপিএলকে বিদায় জানানোটা খুবই খারাপ হবে। মুম্বইয়ে দলকে যেমন সাফল্য এনে দিতে পেরেছি, তেমনই ব্যক্তিগতভাবেও সাফল্য পেয়েছি। কিন্তু চেন্নাইয়ের সমর্থকদের সামনে বিদায় না নিলে ব্যাপারটা ভাল হবে না। আশা করছি পরের বছর সব জায়গাতেই আইপিএলের খেলা হবে। শুধু খেলা নয়, পরের বছর চেন্নাইকে নেতৃত্বও দেবেন ধোনি। এবছর আইপিএল শুরুর আগে রবীন্দ্র জাদেজার হাতে নেতৃত্ব তুলে দেয় চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু তিনি চূড়ান্ত ব্যর্থ। মাঝপথে জাদেজাকে সরিয়ে আবার ধোনিকে নেতৃত্ব ফেরানো হয়। তাতেও খুব একটা হাল ফেরেনি চেন্নাইয়ের। ভবিষ্যতের নেতা তুলে নিয়ে আসার জন্যই আরও একবছর ধোনিকে নেতৃত্বে রেখে দিতে চায় চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট।

মে ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

শেষ ম্যাচে জ্বলে উঠলেন মইন, তবু বড় রান করতে ব্যর্থ চেন্নাই

চলতি আইপিএলে নিজেদের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি চেন্নাই সুপার কিংস ও রাজস্থান রয়্যালস। চেন্নাইয়ের কাছে এই ম্যাচের গুরুত্ব না থাকলেও, রাজস্থানের কাছে গুরুত্ব অপরিসীম। লিগ টেবিলে কোন পজিশনে শেষ করে প্লে অফ খেলবে, সেটা নির্ভর করছে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ম্যাচের ওপর। চেন্নাইকে হারালেই ভাল নেট রান রেটের সুবাদে লখনউ সুপার জায়ান্টসকে সরিয়ে উঠে আসবে দ্বিতীয় স্থানে। ধোনি ব্রিগেডের কাছে ম্যাচটা অবশ্য সম্মান বাঁচানোর লড়াই। দলের সম্মানের লড়াইয়ে দারুণভাবে জ্বলে উঠলেন মইন আলি। ইংল্যান্ডের এই অলরাউন্ডারের ব্যাটে ঝড় সত্ত্বেও রাজস্থানের সামনে বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে ব্যর্থ চেন্নাই সুপার কিংস। ২০ ওভারে তুলল ১৫০/৬।এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন চেন্নাই সুপার কিংস অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। শুরুটা ভাল হয়নি চেন্নাইয়ের। প্রথম ওভারেই ফিরে যান ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। মাত্র ২ রান করে তিনি ট্রেন্ট বোল্টের বলে উইকেটের পেছনে সঞ্জু স্যামসনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। এরপর ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন মইন আলি। এবারের আইপিএলে এই অলরাউন্ডারের ওপর অনেকটাই ভরসা করেছিল চেন্নাই। কিন্তু নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি। এদিন দারুণভাবে জ্বলে উঠেন। মাত্র ১৯ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। ম্যাচে ষষ্ঠ ও ট্রেন্ট বোল্টের তৃতীয় ওভারে একটা ৬ ও পাঁচটা চারের সাহায্যে তোলেন ২৬। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ৭৫/১ রানে পৌঁছে যায় চেন্নাই। অষ্টম ওভারে আবার ধাক্কা খায় চেন্নাই। ডেভন কনওয়েকে (১৪ বলে ১৬) তুলে নেন অশ্বিন। পরের ওভারেই এন জগদীশনকে (১) ফেরান ওবেদ ম্যাকয়। প্রথম একাদশে ফিরে অম্বাতি রায়ুডুও (৩) রান পাননি। তাঁকে তুলে নেন চাহাল। চাহাল ও ওবেদ ম্যাকয় আসতেই রান তোলার গতি কমে যায় চেন্নাইয়ের। চলতি আইপিএলের শেষ ম্যাচে নিজেকে মেলে ধরতে পারলেন না ধোনি। ২৮ বলে ২৬ রান করে তিনি চাহালের বলে বাটলারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ৭ রান দুরে থেমে যান মইন। ৫৭ বলে ৯৩ রান করে তিনি ওবেদ ম্যাকয়ের বলে রিয়ান পরাগের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ২টি করে উইকেট নেন ম্যাকয় ও চাহাল

মে ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

অবশেষে ছন্দ খুঁজে পেলেন কোহলি, বাঁচিয়ে রাখলেন দলের স্বপ্নও

মরণবাঁচন ম্যাচে জ্বলে উঠলেন বিরাট কোহলি। দুরন্ত ব্যাট করে দলকে জেতালেন। কোহলির দাপটেই লিগ টেবিলের শীর্ষে থাকা গুজরাট টাইটান্সকে ৮ উইকেটে উড়িয়ে প্লে অফের আশা বাঁচিয়ে রাখল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। যদিও ফাফ ডুপ্লেসির দলকে তাকিয়ে থাকতে হবে শনিবার মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ও দিল্লি ক্যাপিটালস ম্যাচের দিকে। টস জিতে এদিন প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন গুজরাট টাইটান্স অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের সামনে বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে পারেনি তাঁর দল। নির্ধারিত ২০ ওভারে তোলে ১৬৮/৫। জয়ের জন্য ১৬৯ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন ছিল না রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের সামনে। তার ওপর বিরাট কোহলি ছন্দে ফেরায় কাজটা আরও সহজ হয়ে যায়। মহম্মদ সামি, হার্দিক পান্ডিয়া, যশ দয়ালদের এদিন কোনও সুযোগই দেননি কোহলি ও ফাফ ডুপ্লেসি। ওপেনিং জুটিতে এদিন সেঞ্চুরির পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন দুজনে।পঞ্চদশ ওভারে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে প্রথম ধাক্কা দেন লেগ স্পিনার রশিদ খান। তুলে নেন ফাফ ডুপ্লেসিকে। ৩৮ বলে ৪৪ রান করে আউট হন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স অধিনায়ক। দলের রান তখন ১১৫। কোহলিডুপ্লেসি জুটিই দলের জয়ের ভিত গড়ে দেয়। ডুপ্লেসি আউট হওয়ার ২ ওভার পরেই বিরাট কোহলিকেও তুলে নেন রশিদ খান। তাঁর বলে স্টাম্পড হন কোহলি। ৫৪ বলে ৭৩ রান করেন তিনি। চলতি আইপিএলে এটাই সর্বোচ্চ রান কোহলির। তিনি যখন আউট হন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের রান তখন ১৪৬। এরপর দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন ম্যাক্সওয়েল। ১৮ বলে ৪০ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ১৮.৪ ওভারে ১৭০/২ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স। গুজরাটের হয়ে দুটি উইকেটই নেন রশিদ খান। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে এদিন শুরুটা ভাল হয়নি গুজরাট টাইটান্সের। তৃতীয় ওভারে শুভমান গি (১) তুলে নিয়ে প্রথম ধাক্কা দেন জস হ্যাজেলউড। ১৩ বলে ১৬ রান করে আউট হন ওয়েড। এদিনও ভাল শুরু করেছিলেন ঋদ্ধিমান সাহা (২২ বলে ৩১)। কিন্তু বড় রানে পৌঁছতে পারেননি। হার্দিক পান্ডিয়া ও ডেভিড মিলার গুজরাটকে টেনে নিয়ে যান। ২৫ বলে ৩৪ রান করে ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার বলে আউট হন ডেভিড মিলার। ৪৭ বলে ৬২ রান করে অপরাজিত থাকেন হার্দিক পান্ডিয়া। ৬ বলে ১৯ রান করে অপরাজিত থাকেন রশিদ খান। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে ৩৯ রানে ২ উইকেট নেন জস হ্যাজেলউড।

মে ১৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

লিগ টেবিলের শীর্ষে থাকা দলের মান বাঁচালেন হার্দিক পান্ডিয়া

আগেই প্লে অফের ছাড়পত্র পেয়ে গেছে গুজরাট টাইটান্স। অন্যদিকে, প্লে অফের দৌড়ে থাকতে গেলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে জিততেই হবে। এই অবস্থায় বৃহস্পতিবার মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের সামনে বড় রানের টার্গেট ছুঁড়ে দিতে ব্যর্থ গুজরাট টাইটান্স। নির্ধারিত ২০ ওভারে তুলল ১৬৮/৫। হাফ সেঞ্চুরি করলেন গুজরাট অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া।দুই দলই এদিন প্রথম একাদশে একটা করে পরিবর্তন করে মাঠে নামে। গুজরাট টাইটান্সে আলজেরি জোশেফের জায়গায় প্রথম একাদশে ফেরানো হয়েছে লকি ফার্গুসনকে। অন্যদিকে, অফ ফর্মে থাকা মহম্মদ সিরাজের জায়গায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর প্রথম একাদশে সুযোগ দিয়েছে সিদ্ধার্থ কৌলকে। যদিও প্রথম একাদশে সুযোগ পেয়ে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি কৌল। দলকে এনে দিতে পারেননি ব্রেক থ্রু।টস জিতে এদিন প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় গুজরাট টাইটান্স। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে প্রথম ব্রেক থ্রু এনে দেন জস হ্যাজেলউড। তৃতীয় ওভারের তৃতীয় বলে তিনি তুলে নেন শুভমান গিলকে। মাত্র ১ রান করে তিনি আউট হন। ম্যাথু ওয়েডও দলকে নির্ভরতা দিকে পারেননি। তিনি স্বদেশীয় গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের শিকার। ১৩ বলে ১৬ রান করে আউট হন ওয়েড। এদিনও ভাল শুরু করেছিলেন ঋদ্ধিমান সাহা। কিন্তু বড় রানে পৌঁছতে পারেননি। ফাফ ডুপ্লেসির দুরন্ত থ্রোতে তিনি রান আউট হন। ২২ বলে ৩১ রান করেন ঋদ্ধি। একসময় ৬২ রানে ৩ উইকেট হারায় গুজরাট টাইটান্স। সেখান থেকে দলের হাল ধরেন অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া ও ডেভিড মিলার। এই দুজনই গুজরাটকে টেনে নিয়ে যান। ২৫ বলে ৩৪ রান করে ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার বলে আউট হন ডেভিড মিলার। রাহুল তেওয়াটিয়া (২) এদিন রান পাননি। তবে বেশ কয়েকটা ম্যাচ পর বড় রান পেলেন হার্দিক পান্ডিয়া। ৪৭ বলে ৬২ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ৬ বলে ১৯ রান করে অপরাজিত থাকেন রশিদ খান। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে ৩৯ রানে ২ উইকেট নেন জস হ্যাজেলউড। ১টি করে উইকেট নেন ম্যাক্সওয়েল ও হাসারাঙ্গা।

মে ১৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুর্দান্ত লড়াই করেও স্বপ্ন শেষ নাইটদের, প্লে অফে লখনউ

নাটকীয় ম্যাচে ফয়সালা হল শেষ ওভারে। দুর্দান্ত লড়াই করেও শেষরক্ষা করতে পারল না নাইট রাইডার্স। শ্রেয়স আয়ারের দলকে ২ রানে হারিয়ে প্লে অফে পৌঁছে গেল লখনউ সুপার জাযান্টস। কুইন্টন ডিকক ও লোকেশ রাহুলের দাপটে প্রথমে ব্যাট করে ২১০ রানের বিশাল স্কোর খাড়া করে লখনউ সুপার জায়ান্টস। সামনে বড় রানের টার্গেট দেখে চাপে পড়ে যান নাইট রাইডার্সের ব্যাটাররা। তার প্রতিফলন শুরুতেই দেখা যায়। প্রথম ওভারেই ধাক্কা। স্কোর বোর্ডে কোনও রান ওঠার আগেই চতুর্থ বলেই ভেঙ্কটেশ আয়ারকে (০) তুলে নেন মহসীন খান। তৃতীয় ওভারে আবার ধাক্কা। এবার মহসীন ফেরান আইপিএলে অভিষেককারী নাইটদের ওপর ওপেনার অভিজিৎ টোমারকে। ৮ বলে মাত্র ৪ রান করে আউট হন অভিজিৎ। ৯ রানে ২ উইকেট হারানোর পর ঝড় তোলেন নীতীশ রানা ও শ্রেয়স আয়ার। দুজনে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। অষ্টম ওভারে আবার ধাক্কা। এবার নীতীশকে তুলে নেন কৃষ্ণাপ্পা গৌতম। ২২ বলে ৪২ রান করে আউট হন নীতীশ। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান শ্রেয়স ও স্যাম বিলিংস। শ্রেয়সকে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন মার্কাস স্টইনিস। ২৯ বলে ৫০ রান করেন শ্রেয়স। ২৪ বলে ৩৬ রান করে বিলিংস আউট হন। রাসেল করেন ৫।এরপর ম্যাচ জমিয়ে দেন রিঙ্কু সিং। ঝড় তুলে ১৫ বলে ৪০ রান করে তিনি দলকে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে দেন। স্টইনিসের বলে তিনি যখন আউট হন জয় থেকে ৩ রান দূরে নাইটরা। শেষ বলে দরকার ছিল ৩। কিন্তু উমেশ যাদাবকে (০) বোল্ড করে লখনউকে নাটকীয় জয় এনে দেন স্টইনিস। ২৩ রানে ৩ উইকেট নেন স্টইনিস।টস জিতে এদিন প্রথমে ব্যাট করতে নেমে সতর্কভাবে শুরু করেছিলেন লখনউর দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও কুইন্টন ডিকক। প্রথম দিকে খুব বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠার চেষ্টা করেননি। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ওঠে ৪৪। এরপর ক্রমশ নাইট বোলারদের ওপর জাঁকিয়ে বসেন ডিকক ও লোকেশ রাহুল। ৩৬ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ডিকক। অন্যদিকে, ৪১ বলে ৫০ রান পূর্ণ করেন লোকেশ রাহুল।লখনউ সুপার জায়ান্টসের এই দুই ওপেনারের ওপর কোনও প্রভাব ফেলতে পারেননি নাইট উমেশ যাদবরা। আন্দ্রে রাসেলকে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে আইপিএলে জীবনের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন ডিকক। এদিন ৫৯ বলে তিনি সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন।৬ বছর আগে ২০১৬ সালে দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে করেছিলেন ১০৮। এদিন ডিককের ব্যাটে রেকর্ডের ছড়াছড়ি। চলতি আইপিএলে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেললেন ডিকক। ৭০ বলে ১৪০ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। মারেন ১০টি চার ও ১০টি ছয়। চলতি আইপিএলে এক ম্যাচে সবথেকে বেশি ৬ মারার রেকর্ডেরও অধিকারী হলেন। ৫১ বলে ৬৮ রান করে অপরাজিত থাকেন লোকেশ রাহুল।

মে ১৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুরন্ত ডিককের ব্যাটে রেকর্ড, বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল লখনউ

কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে লখনউ সুপার জায়ান্টসের ম্যাচটা একদিকে যেমন ছিল প্লে অফের ছাড়পত্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, অন্যদিকে প্রথম দুইয়ে থাকারও লড়াই। এইরকম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দারুণভাবে জ্বলে উঠল লখনউ। ২০ ওভারে তুলল ২১০/০। দুরন্ত সেঞ্চুরি করে দলকে বড় রানে পৌঁছে দেন কুইন্টন ডিকক। তাঁর ব্যাটে এদিন রেকর্ডের ছড়াছড়ি। চলতি আইপিএলে সর্বোচ্চ রান।নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নামার আগে প্রথম একাদশে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন করে মাঠে নামে লখনউ সুপার জায়ান্ট। চোটের জন্য প্রথম একাদশের বাইরে ছন্দে থাকা অলরাউন্ডার ক্রূণাল পান্ডিয়া। পরিবর্তে দলে কৃষ্ণাপ্পা গৌতম। এছাড়া প্রথম একাদশ থেকে বাদ পড়েন আয়ূষ বাদোনি ও দুষ্মন্ত চামিরা। এই দুজনের জায়গায় প্রথম একাদশে সুযোগ পান মনন ভোরা এবং এভিন লুইস।এদিন সতর্কভাবে শুরু করেছিলেন লখনউর দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও কুইন্টন ডিকক। প্রথম দিকে খুব বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠার চেষ্টা করেননি। তার মাঝেই একবার জীবন পান ডিকক। তৃতীয় ওভারে উমেশ যাদবের বলে ব্যক্তিগত ১২ রানের মাথায় তাঁর ক্যাচ ফেলেন নাইটদের হয়ে আইপিএলে অভিষেককারী অভিজিৎ টোমার। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে লখনউ তোলে ৪৪।শুরুতে জীবন পেয়ে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি ডিকককে। ক্রমশ নাইট বোলারদের ওপর জাঁকিয়ে বসেন। লোকেশ রাহুলও শুরুর জড়তা কাটিয়ে নিজেকে মেলে ধরেন। ৩৬ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ডিকক। নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে জ্বলে ওঠা অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছেন এই প্রোটিয়া ওপেনার। শেষ ৫ ম্যাচে চারটি হাফ সেঞ্চুরির ইনিংস। অন্যদিকে, ৪১ বলে ৫০ রান পূর্ণ করেন লোকেশ রাহুল।লখনউ সুপার জায়ান্টসের এই দুই ওপেনারের ওপর কোনও প্রভাব ফেলতে পারেননি নাইট উমেশ যাদবরা। ১৭.১ ওভারে ১৫০ রানে পৌঁছে যায় লখনউ সুপার জায়ান্টস। আন্দ্রে রাসেলকে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে আইপিএলে জীবনের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন ডিকক। এদিন ৫৯ বলে তিনি সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন।৬ বছর আগে ২০১৬ সালে দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে করেছিলেন ১০৮। এদিন ডিককের ব্যাটে রেকর্ডের ছড়াছড়ি। চলতি আইপিএলে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেললেন ডিকক। ৭০ বলে ১৪০ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। মারেন ১০টি চার ও ১০টি ছয়। চলতি আইপিএলে এক ম্যাচে সবথেকে বেশি ৬ মারার রেকর্ডেরও অধিকারী হলেন। ৫১ বলে ৬৮ রান করে অপরাজিত থাকেন লোকেশ রাহুল।

মে ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুরন্ত বোলিং উমরান–ভুবির, প্লে অফের ক্ষীণ আশা বেঁচে রইল হায়দরাবাদের

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাছে হারলেই প্লে অফের ক্ষীণ আশাও শেষ হয়ে যেত। মরণবাঁচন ম্যাচে জ্বলে উঠল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ব্যাট হাতে দাপট রাহুল ত্রিপাঠির। বল হাতে উমরান মালিক ও ভুবনেশ্বর কুমারের। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ৩ রানে হারিয়ে আইপিএলের প্লে অফের দৌড়ে টিকে রইল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। প্রথমে ব্যাট করে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্য রেখেছিল ১৯৪। অধিনায়ক রোহিত শর্মা ও ঈশান কিশানের দাপটে পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে তুলে ফেলে ৫১/০। ১০.৩ ওভারের মধ্যেই ৯৫ রানে পৌঁছে যায় মুম্বই। এরপরই ধাক্কা খায় মুম্বই। ওয়াশিংটন সুন্দরের বল পুল শটে গ্যালারিতে পাঠাতে গিয়ে ডিপ স্কোয়ার লেগ বাউন্ডারির ধারে পরিবর্ত ফিল্ডার সুচিথের হাতে ধরা পড়েন রোহিত। ৩৬ বলে ৪৮ রান করে তিনি আউট হন।পরের ওভারেই ঈশান কিশানকে তুলে নেন উমরান মালিক। ৩৪ বলে ৪৩ রান করে তিনি প্রিয়ম গর্গের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ৫টি চার ও একটি ছয়ের সাহায্যে তিনি ওই রান করেন। দলের ১০১ রানের মাথায় ফেরেন কিশান। ১৫তম ওভারের প্রথম ও শেষ বলে তিলক ভার্মা ও ড্যানিয়েস স্যামসকে আউট করেন উমরাম মালিক। ৮ রান করেন তিলক, অন্যদিকে ১১ বলে ১৫ রান করেন ড্যানিয়েল স্যামস। ১৫ ওভারের শেষে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের স্কোর দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ১২৭। ১৮তম ওভারে ম্যাচ জমিয়ে দেন টিম ডেভিড। টি নটরাজনের প্রথম পাঁচটি বলে চারটি ছক্কা হাঁকিয়ে ২৬ রান তুলে ফেলেন। যদিও শেষ বলে তিনি রান আউট হয়ে যান। এই অবস্থায় মুম্বইয়ের দরকার ছিল ১২ বলে ১৯ রান। ১৯তম ওভারে প্রথম বলে কোনও রান দেননি ভুবনেশ্বর কুমার। দ্বিতীয় বলেই শূন্য রানে আউট হন সঞ্জয় যাদব। ভুবনেশ্বরের একের পর এক বিষাক্ত ইয়র্কারের দাপটে বাকি চার বলে কোনও রান করতে পারেননি যশপ্রীত বুমরা। ভুবনেশ্বরের এই উইকেট মেডেন ওভারই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৯০ রান তোলে মুম্বই।এদিন টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৯৩ রান তুলেছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ৯টি চার ও তিনটি ছের সাহায্যে ৪৪ বলে সর্বাধিক ৭৬ রান করেন রাহুল ত্রিপাঠী। প্রিয়ম গর্গ ওপেন করতে নেমে ২৬ বলে ৪২ রান করেন। ২২ বলে ৩৮ রান করেন নিকোলাস পুরান।

মে ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুরন্ত ত্রিপাঠি, মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে হায়দরাবাদের বড় রানের পেছনে রহস্য কী?‌

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাজে হারলেই আশা শেষ হয়ে যাবে। এইরকম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দারুণভাবেই জ্বলে উঠল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সামনে। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে তুলল ১৯৩। দুরন্ত ব্যাটিং করে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে বড় রানে পৌঁছে দিলেন রাহুল ত্রিপাঠি। ৪৪ বলে ৭৬ রান করেন তিনি। ব্যাটিং অর্ডারে বদল করেই এদিন সাফল্য পেল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। একসময় প্লে অফের লড়াইয়ে দারুণভাবেই ছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। টানা ৫ ম্যাচ হেরে প্লে অফের লড়াই থেকে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে। প্লে অফের স্বপ্ন মরীচিকা হয়ে দাঁড়িয়েছে কেন উইলিয়ামসনদের সামনে। ১২ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে এদিন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিল। বাকি দুটি ম্যাচে জিতলেই যে প্লে অফের টিকিট পাবে, এমন কোনও নিশ্চয়তা নেই। অন্য দলগুলির ফলাফলের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে। যদিও প্লে অফের সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। এইরকম ম্যাচে স্ট্র্যাটেজি বদলই সাফল্য এনে দিল। ব্যাটিং অর্ডারে এদিন দুই দলই দুটি করে পরিবর্তন করে মাঠে নামে। টস জিতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা ব্যাট করতে পাঠান সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে। তৃতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় হায়দরাবাদ। ফর্মে থাকা অভিষেক শর্মাকে (১০ বলে ৯) তুলে নেন ড্যানিয়েল স্যামস। শুরুর ধাক্কা দারুণভাবে সামলে দেন প্রিয়ম গর্গ ও রাহুল ত্রিপাঠি। চলতি আইপিএলে এই প্রথম মাঠে নামার সুযোগ পেলেন প্রিয়ম। অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন সরে গিয়ে প্রিয়মকে ওপেনিংয়ে জায়গা করে দেন। সুযোগ পেয়ে নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরলেন প্রিয়ম। ২৬ বলে ৪২ রান করে দলের বড় রানের ভিত গড়ে দেন। আগের ম্যাচের ব্যর্থতা কাটিয়ে ছন্দে ফেরেন রাহুল ত্রিপাঠিও। এই দুজনের জুটিতে ওঠে ৭৮।প্রিয়ম ফিরে যাওয়ার পরপর নিকোলাস পুরানকে সঙ্গে নিয়ে দলকে টেনে নিয়ে যান রাহুল ত্রিপাঠি। এই জুটিতেও ওঠে ৭৮। সপ্তদশ ওভারে ২২ বলে ৩৮ রান করে রিলে মেরেডিথের বলে আউট হন পুরান। পরের ওভারেই আউট হন রাহুল ত্রিপাঠি। ৪৪ বলে তিনি করেন ৭৬। মার্করাম এদিন রান পাননি। ৪ বলে তিনি করেন ২। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে ২০ রানে ৩ উইকেট নেন রমণদীপ সিং।

মে ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

পাঞ্জাবকে হারিয়ে প্লে অফের লড়াই জমিয়ে দিল দিল্লি

পাঞ্জাব কিংসকে হারিয়ে প্লে অফের লড়াই জমিয়ে দিল দিল্লি ক্যাপিটালস। ১৭ রানে জিতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে টপকে উঠে এল লিগ টেবিলের চার নম্বরে। একই সঙ্গে জমিয়ে দিল প্লে অফের লড়াই। একমাত্র দল হিসেবে গুজরাট টাইটান্স প্লে অফে খেলা নিশ্চিত করেছে। বাকি কোন তিনটি দল শেষ চারে যাবে, এখনও চূড়ান্ত নয়। প্লে অফের ছাড়পত্রের জন্য দিল্লি ক্যাপিটালস ও পাঞ্জাব কিংসের কাছে ম্যাচটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সামনে কম রানের লক্ষ্য নিয়েও ব্যাটারদের ব্যর্থতায় হেরে প্লে অফের লড়াই থেকে কার্যত ছিটকে গেল পাঞ্জাব কিংস। জিতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের ওপর চাপ বাড়াল দিল্লি ক্যাপিটালস। দুরন্ত বোলিং করে দলকে জয় এনে দিলেন কুলদীপ যাদবরা। ব্যাটারদের ব্যর্থতায় এদিন পাঞ্জাব কিংসের সামনে বড় রানের লক্ষ্য দিতে পারেনি ঋষভ পন্থের দল। নির্ধারিত ২০ ওভারে তুলেছিল ১৫৯/৭। ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করেছিল পাঞ্জাব কিংস। ৩.৪ ওভারে তুলে ফেলে ৩৮। এরপরই ধাক্কা। জনি বেয়ারস্টকে তুলে নেন এনরিখ নরটিয়ে। ১৫ বলে ২৮ রান করেন বেয়ারস্ট। ২ ওভার পরেই ভানুকা রাজাপক্ষেকে (৪) শার্দুল ঠাকুর। একই ওভারে তুলে নেন শিখর ধাওয়ানকে (১৬ বলে ১৯)। এরপরই ধস নামে পাঞ্জাব ইনিংসে। একে একে ফিরে যান মায়াঙ্ক আগরওয়াল (০), লিয়াম লিভিংস্টোন (৩), হরপ্রীত ব্রার (১), ঋষি ধাওয়ান (৪)। ৮২ রানের মধ্যে ৭ উইকেট হারায় পাঞ্জাব কিংস। সেখান থেকে আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে তোলে ১৪২/৯। জিতেশ শর্মা করেন ৪৪, রাহুল চাহার ২৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। ৩৬ রানে ৪ উইকেট নেন শার্দূল ঠাকুর। এদিন টস জিতে দিল্লি ক্যাপিটালসকে ব্যাট করতে পাঠান পাঞ্জাব কিংস অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল। ব্যাট করতে নেমে প্রথম বলেই ধাক্কা খায় দিল্লি ক্যাপিটালস। আউট হন ডেভিড ওয়ার্নার (০)। চলতি আইপিএলে তিনি প্রথমবার গোল্ডেন ডাকের শিকার। সরফরাজ খান (১৬ বলে ৩২) ওপেন করতে নেমে ঝড় তোলেন। ২১ বলে ২৪ রান করেন ললিত। ১১২ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় দিল্লি। মিচেল মার্শের লড়াকু ব্যাটিং দিল্লিকে ১৫৯/৭ রানে পৌঁছে দেয়। ৪৮ বলে ৬৩ রান করেন মার্শ। ২৭ রানে ৩ উইকেট নেন লিয়াম লিভিংস্টোন।

মে ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

পাঞ্জাব কিংসের সামনে বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়তে ব্যর্থ দিল্লি ক্যাপিটালস

চলতি আইপিএলে একমাত্র দল হিসেবে গুজরাট টাইটান্স প্লে অফে খেলা নিশ্চিত করেছে। বাকি কোন তিনটি দল শেষ চারে যাবে, এখনও চূড়ান্ত নয়। লড়াইয়ে রয়েছে রাজস্থান রয়্যালস, লখনউ সুপার জায়ান্টস, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর, দিল্লি ক্যাপিটালস ও পাঞ্জাব কিংস। সোমবার গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মাঠে নেমেছে পাঞ্জাব ও দিল্লি। যে দল জিতবে, তারা রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে সরিয়ে চতুর্থ স্থানে উঠে আসবে। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বড় রান তুলে পাঞ্জাব কিংসকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে পারল না দিল্লি ক্যাপিটালস।টস জিতে দিল্লি ক্যাপিটালসকে ব্যাট করতে পাঠান পাঞ্জাব কিংস অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল। প্রথম একাদশে এদিন দুটি পরিবর্তন করে মাঠে নেমেছে দিল্লি। চেতন সাকারিয়ার জায়গায় দলে ফেরানো হয়েছে খলিল আমেদকে। আর শ্রীকার ভরতের জায়গায় সরফরাজ খান। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও পৃথ্বী শ এখনও খেলার মতো জায়গায় আসেননি। তাই তাঁকে নিয়ে ঝুঁকি নেয়নি দিল্লি টিম ম্যানেজমেন্ট। আগের দুটি ম্যাচে শ্রীকার ভরত। তাই তাঁর পরিবর্তে সরফরাজ খানকে খেলানোর সিদ্ধান্ত নেয় দিল্লি টিম ম্যানেজমেন্ট।ব্যাট করতে নেমে প্রথম বলেই ধাক্কা খায় দিল্লি ক্যাপিটালস। লিয়াম লিভিংস্টোনের বলে রাহুল চাহারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ডেভিড ওয়ার্নার (০)। চলতি আইপিএলে তিনি প্রথমবার গোল্ডেন ডাকের শিকার। এদিন অনভ্যস্ত জায়গায় ব্যাট করতে নেমে সফল সরফরাজ খান। আদতে তিনি মিডল অর্ডারে ব্যাট করেন। এদিন ওপেন করতে পাঠানো হয়েছিল। শুরু থেকেই তিনি ঝড় তোলেন। ১৬ বলে ৩২ রান করে অর্শদীপের বলে রাহুল চাহারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন।৫১ রানে ২ উইকেট হারানোর পর দিল্লিকে টেনে নিয়ে যান মিচেল মার্শ ও ললিত যাদব। ২১ বলে ২৪ রান করে ফিরে যান ললিত। ১১ ওভারে ৯৮ রান তুলে ফেলে দিল্লি। মনে হচ্ছিল পাঞ্জাবের সামনে বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেবে। কিন্তু হঠাৎই ছন্দপতন। পরপর ফিরে যান ঋষভ পন্থ (৭) ও রভম্যান পাওয়েল। ১১২ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় দিল্লি। মিচেল মার্শের লড়াকু ব্যাটিং চাপ কাটায় দিল্লির। ৪৮ বলে ৬৩ রান করে কাগিসো রাবাডার বলে আউট হন মার্শ। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫৯ রানে পৌঁছয় দিল্লি। ২৭ রানে ৩ উইকেট নেন লিয়াম লিভিংস্টোন। ৩১ রানে ২ উইকেট অর্শদীপ সিংয়ের।

মে ১৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ব্যর্থতার দিক দিয়ে কোহলিকে টেক্কা রোহিতের, চিন্তিত নন সৌরভ

চলতি আইপিএল বেশ কয়েকজন নতুন তারকার জন্ম দিয়েছে। উঠে এসেছেন উমরান মালিক, মহসীন খান, কুলদীপ সেনের মতো জোরে বোলাররা। তবে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কাছে সবথেকে চিন্তার বিষয় দুই মহাতারকার ফর্ম। এবছর একেবারেই ফর্মে নেই বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মা। এই দুই মহাতারকার অফফর্ম চিন্তা বাড়াচ্ছে ভারতীয় দলকে।অনেকেই কোহলির ব্যর্থতা বড় করে দেখছেন। কিন্তু চলতি আইপিএলে তাঁকেও ছাপিয়ে গেছেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। ১৩ ম্যাচে ২৩৬ রান করেছেন বিরাট কোহলি। গড় ১৯.৬৭, স্ট্রাইক রেট ১১৩.৪৬। একটা মাত্র হাফ সেঞ্চুরির ইনিংস খেলেছেন। সর্বোচ্চ রান গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে ৫৮। তিনতিনবার গোল্ডেন ডাকের শিকার হয়েছেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের প্রাক্তন অধিনায়ক বিরাট কোহলি। এর আগে তাঁর সবথেকে খারাপ পারফরমেন্স ছিল প্রথম আইপিএলে। ২০০৮ আইপিএলে ১৩ ম্যাচে ১৬৫ রান করেছিলেন কোহলি। গড় ছিল ১৫, স্ট্রাইক রেট ১০৫.০৯। ১৪ বছর পর আবার খারাপ পারফরমেন্স কোহলির। তাঁর থেকে খারাপ অবস্থা রোহিত শর্মার। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের অধিনায়ক ১২ ম্যাচে করেছেন ২১৮ রান। গড় ১৮.৪৩। স্ট্রাইক রেট ১২৫.২৮। সর্বোচ্চ রান ৪৩।আইপিএলের পরই দেশের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ৫ ম্যাচের টি২০ সিরিজ খেলবে ভারতীয় দল। এই সিরিজে ফর্মে ফেরার সুযোগ ছিল কোহলি ও রোহিতের কাছে। কিন্তু জুলাই মাসে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি২০ সিরিজের কথা মাথায় রেখে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজে দলের এই দুই অভিজ্ঞ ক্রিকেটারকে বিশ্রাম দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। কারণ ইংল্যান্ড সিরিজ থেকে ঠাসা ক্রীড়াসূচি ভারতের।দুই মহাতারকার সাম্প্রতিক ফর্ম নিয়ে অবশ্য চিন্তিত নন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, রোহিত বা বিরাটের ফর্ম নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন নই। দুজনেই বড় ক্রিকেটার। টি২০ বিশ্বকাপ অনেক দুরে রয়েছে। আশা করছি বিশ্বকাপের আগেই দুজনে ফর্মে ফিরবে। চলতি আইপিএলে যে কজন তারকার জন্ম হয়েছে, তাদের মধ্যে উমরান মালিক, কুলদীপ সেনকে যথেষ্ট মনে ধরেছে সৌরভের। তিনি বলেন, চলতি আইপিএলে জোরে বোলাররা যেভাবে আধিপত্য দেখাচ্ছে, দেখে ভাল লাগছে। মুম্বই ও পুনের উইকেট খুবই ভাল। জোরে বোলাররা উইকেট থেকে ভাল বাউন্স আদায় করে নিচ্ছে। উমরানকে জাতীয় দলে নেওয়া হলে অবাক হব না। ওকে সাবধানে ব্যবহার করতে হবে। কুলদীপের কথাও বলব। ডেথ ওভারে যথেষ্ট বৈচিত্র নিয়ে বল করছে।

মে ১৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

লখনউকে হারিয়ে প্লে অফের দিকে আরও এগিয়ে গেল রাজস্থান রয়্যালস

প্লে অফের স্বপ্ন এখনও পূরণ হল না লোকেশ রাহুলদের। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে রাজস্থান রয়্যালসের কাছে হেরে অপেক্ষার প্রহর এখনও বেড়ে গেল লখনউ সুপার জায়ান্টসের। এদিন লখনউকে ২৪ রানে হারিয়ে লিগ টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসার পাশাপাশি প্লে অফের দিকে আরও এগিয়ে গেল রাজস্থান রয়্যাল। রাজস্থানের জয়ের নায়ক ট্রেন্ট বোল্ট। দুরন্ত বোলিং করে দলের জয়ের পথ প্রশস্ত করেন। প্রথমে ব্যাট করে লখনউর সামনে জয়ের জন্য ১৭৯ রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিল রাজস্থান। শুরুতে ধাক্কা খেলেও দীপক হুডা ও ক্রূণাল পান্ডিয়া জুটির হাত ধরে জয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল লখনউ সুপার জায়ান্টস। তখনই ধাক্কা রবিচন্দ্রন অশ্বিনের। অশ্বিনের বল তুলে মেরেছিলেন ক্রূণাল। লং অফ বাউন্ডারি থেকে অনেকটা দৌড়ে বল তালুবন্দী করেন জস বাটলার। শরীরের ভারসাম্য রাখতে না পেরে যখন বাউন্ডারি লাইন অতিক্রম করছিলেন, বল ছুঁড়ে দেন রিয়ান পরাগের উদ্দেশ্যে। সেই বল তালুবন্দী করেন রিয়ান। সাজঘরের পথে ক্রূণাল। এই উইকেটটাই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। জয়ের রাস্তা থেকে দুরে সরে যায় লখনউ সুপার জায়ান্টস।লখনউর শুরুটাও ভাল হয়নি। তৃতীয় ওভারের প্রথম ও দ্বিতীয় বলে কুইন্টন ডিকক (৭) ও আয়ুষ বাদোনিকে (০) তুলে নিয়ে লখনউকে চাপে ফেলে দেন ট্রেন্ট বোল্ট। ষষ্ঠ ওভারে অধিনায়ক লোকেশ রাহুলকে (১৯ বলে ১০) ফেরান প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। এরপর বিপর্যয় সামলে দলকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন দীপক হুডা ও ক্রূণাল পান্ডিয়া। তখনই ধাক্কা অশ্বিনের। ২৫ রান করে আউট হন ক্রূণাল। ২ ওভার পরেই দীপক হুডাকে তুলে নিয়ে লখনউর আশা একেবারে শেষ করে দেন যুজবেন্দ্র চাহাল। ৩৯ বলে ৫৯ রান করেন হুডা। ১৭ তম ওভারে ২ বলের ব্যবধানে জেসন হোল্ডার (১) ও দুষ্মন্ত চামিরাকে (০) ফেরান ওবেদ ম্যাককয়। ১৭ বলে ২৭ রান করেন মার্কাস স্টয়নিস। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৫৪ তোলে লখনউ। দুরন্ত বোলিং করে ৪ ওভারে ১৮ রানে ২ উইকেট নেন ট্রেন্ট বোল্ট। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ ও ওবেদ ম্যাককয়ও নেন ২টি করে উইকেট।জস বাটলারের ব্যর্থতা সত্ত্বেও এদিন লখনউর সামনে বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিল রাজস্থান। তৃতীয় ওভারে আবেশ খানের বলে বোল্ড হন বাটলার (২)। ধাক্কা সামলে দলকে টেনে নিয়ে যান যশস্বী জয়সোয়াল ও অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। ২৪ বলে ৩২ রান করে আউট হন সঞ্জু। তাঁকে তুলে নেন জেসন হোল্ডার। ২ ওভার পরেই ফেরেন যশস্বী জয়সোয়াল। ২৯ বলে তিনি করেন ৪১। ১৮ বলে ৩৯ রান করে তিনি রবি বিষ্ণোইয়ের বলে আউট হন দেবদত্ত পাড়িক্কল। প্রথম একাদশে সুযোগ পেয়ে জিমি নিশামও (১২ বলে ১৪) দলকে ভরসা দিতে পারেননি। রিয়ান পরাগ ১৬ বলে করেন ১৭। ৭ বলে ১০ রান করে অপরাজিত থাকেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। ট্রেন্ট বোল্ট ৯ বলে ১৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। লখনউর হয়ে ২টি উইকেট নেন রবি বিষ্ণোই।

মে ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আবার ব্যর্থ বাটলার, তবু লখনউ–র সামনে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল রাজস্থান

একদলের পয়েন্ট ১২ ম্যাচে ১৬, অন্য দলের ১৪। দুই দলের সামনেই প্লে অফে যাওয়ার সুযোগ। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে জিতলেই এদিনই প্লে অফ নিশ্চিত লখনউ সুপার জায়ান্টসের, যারা ১৬ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে। অন্যদিকে, লখনউর বিরুদ্ধে জিতলে রাজস্থানের সামনেও প্লে অফের টিকিট নিশ্চিত হওয়ার হাতছানি। এইরকম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বড় রান তুলে লখনউর সামনে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল রাজস্থান রয়্যালস। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে তুলল ১৭৮। এদিনও রান পেলেন না জস বাটলার। তাসত্ত্বেও বড় রান রাজস্থান রয়্যালসের। এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন রাজস্থান রয়্যালস অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। আগের ম্যাচে শিমরন হেটমায়ারের পরিবর্তে রাসি ভ্যান ডার ডুসেনকে প্রথম একাদশে সুযোগ দিয়েছিল রাজস্থান। নিজেকে একেবারেই মেলে ধরতে পারেননি ডুসেন। এদিন তাঁর পরিবর্তে জিমি নিশামকে প্রথম একাদশে সুযোগ দেয় রাজস্থান টিম ম্যানেজমেন্ট। ডুসেনের ব্যর্থতা ছাড়াও বাইশ গজে ঘাসের কথা মাথায় রেখেছিল। এছাড়া কুলদীপ সেনের জায়গায় ওবেদ ম্যাককয়কে প্রথম একাদশে নেওয়া হয়।ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় রাজস্থান। যার ওপর বেশি ভরসা, সেই জস বাটলার লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধেও রান পেলেন না। তৃতীয় ওভারে আবেশ খানের বলে বোল্ড হন বাটলার। ৬ বলে করেন মাত্র ২ রান। প্রাথমিক ধাক্কা সামলে দলকে টেনে নিয়ে যান যশস্বী জয়সোয়াল ও অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। জুটিতে ওঠে ৬৪। ২৪ বলে ৩২ রান করে আউট হন সঞ্জু। তাঁকে তুলে নেন জেসন হোল্ডার। ২ ওভার পরেই ফেরেন যশস্বী জয়সোয়াল। ২৯ বলে তিনি করেন ৪১। ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন দেবদত্ত পাড়িক্কল। শেষ পর্যন্ত ১৮ বলে ৩৯ রান করে তিনি রবি বিষ্ণোইয়ের বল ক্রূণাল পান্ডিয়ার হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। শিমরন হেটমায়ারের অভাব আবার ফুটে উঠল। ভ্যান ডার ডুসেনের পরিবর্তে এদিন সুযোগ পেয়ে জিমি নিশামও ব্যাট হাতে দলকে ভরসা দিতে পারেননি। ১২ বলে মাত্র ১৪ রান করে তিনি রান আউট হন। নিশাম আউট হওয়ার ৩ বল আগেই ফিরে যান রিয়ান পরাগ (১৬ বলে ১৭)। ৭ বলে ১০ রান করে অপরাজিত থাকেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। ট্রেন্ট বোল্ট ৯ বলে ১৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। লখনউর হয়ে ২টি উইকেট নেন রবি বিষ্ণোই।

মে ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুরন্ত ঋদ্ধিমান, চেন্নাইকে আরও লজ্জার মুখে ঠেলে দিল গুজরাট

প্লে অফের আশা আগেই শেষ। সম্মানের লড়াইয়েও জিততে ব্যর্থ চেন্নাই সুপার কিংস। আগের ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাছে হারের পর এবার গুজরাট টাইটান্সে কাছে। চেন্নাই সুপার কিংসকে ৭ উইকেটে হারিয়ে লিগ টেবিলে প্রথম দুইয়ে থাকা নিশ্চিত করে ফেলল গুজরাট টাইটান্স। দুরন্ত ব্যাট করে ৬৭ রানে অপরাজিত থাকেন ঋদ্ধিমান সাহা।চলতি আইপিএলে প্রথম দল হিসেবে ১২ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে আগেই প্লে অফের ছাড়পত্র জোগাড় করে ফেলেছিল গুজরাট টাইটান্স। লিগের বাকি দুটি ম্যাচ শীর্ষে ওঠার লড়াই। প্লে অফ নিশ্চিত হয়ে গেলেও বাকি দুটি ম্যাচ যে হালকাভাবে নিতে রাজি নয়, প্রমাণ করে দিল গুজরাট শিবির। চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে দারুণভাবে জ্বলে উঠলেন মহম্মদ সামিরা। সামিদের দাপটেই প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৩৩ রানের বেশি তুলতে পারেনি চেন্নাই সুপার কিংস। টস জিতে এদিন প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন চেন্নাই অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে রবিন উথাপ্পা ও অম্বাতি রায়ুডুকে প্রথম একাদশের বাইরে রেখে মাঠে নামে চেন্নাই। এই দুই অভিজ্ঞ ব্যাটারের অভাব ফুটে উঠল। আগের ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে দুর্ভাগ্যের শিকার হওয়া ডেভন কনওয়ে এদিনও ব্যর্থ। মাত্র ৫ রান করে তিনি মহম্মদ সামির বলে আউট হন। তিন নম্বরে নেমে মইন আলি করেন ১৭ বলে ২১। তিনি সাই কিশোরের শিকার। চেন্নাইকে টেনে নিয়ে যান ঋতুরাজ গায়কোয়াড় এবং এন জগদীশন। ৪৯ বলে ৫৩ রান করে রশিদ খানের বলে আউট হন ঋতুরাজ। শিবম দুবে (০), ধোনিরা (৭) ব্যর্থ। ৩৩ বলে ৩৯ রান করে অপরাজিত থেকে চেন্নাইকে ১৩৩/৫ রানে পৌঁছে দেন জগদীশন। দুরন্ত বোলিং করে ৪ ওভারে ১৯ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন সামি। প্রায় প্রতি ম্যাচেই গুজরাটের জয়ের ভিত গড়ে গড়ে দিয়েছেন বোলাররা। এদিনও তার ব্যতিক্রম হয়নি। বিপক্ষকে কম রানে বেঁধে রেখে দলের ব্যাটারদের কাজ সহজ করে দিয়েছিলেন সামিরা। তাই ঋদ্ধিমান সাহা, শুভমান গিলদের খুব বেশি চাপ নিতে হয়নি। ওপেনিং জুটিতে ঋদ্ধি ও শুভমান তুলে ফেলেন ৫৯। মাথেশা পাথিরানার বলে শুভমান (১৭ বলে ১৮) ফিরে গেলেও দলকে এগিয়ে নিয়ে যান ঋদ্ধি। ম্যাথু ওয়েড ১৫ বলে ২০ রান করে আউট হন। হার্দিক পান্ডিয়া (৭) এদিনও ব্যর্থ। পাথিরানার দুরন্ত অফ কাটাক বুঝতে পারেননি। দুরন্ত ব্যাট করে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন ঋদ্ধি। ৫৭ বলে ৬৭ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ১৯.১ ওভারে ১৩৭/৩ তোলে গুজরাট। আইপিএলের অভিষেকে দলকে জেতাতে না পারলেও দারুণ বোলিং করে নজর কাড়লেন লসিথ মালিঙ্গার নকল মাথেশা পাথিরানা। ২৪ রানে নেন ২ উইকেট।

মে ১৫, ২০২২
দেশ

ত্রিপুরায় শপথ মানিকের, অনুষ্ঠানে গড়হাজির দলের বিক্ষুব্ধ মন্ত্রীরা

ত্রিপুরায় মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন ডা. মানিক সাহা। গতকাল, শনিবার বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশে মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন বিপ্লব দেব। মুখ্যমন্ত্রীর মেয়াদ শেষ হওয়ার দশ মাস আগেই সরতে হল বিপ্লব দেবকে। রবিবার দুপুরের এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন না উপমুখ্যমন্ত্রী জিষ্ণু দেববর্মন। তবে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর রাজভবনে গিয়ে হাজির হন উপমুখ্যমন্ত্রী। এই গড়হাজিরা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। শপথগ্রহণে অনুপস্থিত ছিলেন রাজ্যের আরেক মন্ত্রী রামপ্রসাদ পাল। দলের বিক্ষুব্ধ অংশের লোকজন শপথগ্রহণে গড়হাজির ছিলেন। এই অনুষ্ঠান বয়কট করেছেন বামফ্রন্টের বিধায়করা।Congratulations to Shri @DrManikSaha2 on taking oath as Tripuras CM. Best wishes to him for a fruitful tenure. I am confident he will add vigour to the development journey of Tripura which began in 2018. Narendra Modi (@narendramodi) May 15, 2022আগামী ২০২৩-এ ত্রিপুরায় বিধানসভার ভোট। তার আগে এভাবে মুখ্যমন্ত্রীকে পদত্যাগ করিয়ে অন্য় একজনকে সেই পদে বসিয়ে দিল বিজেপি। এই নয়া ঘোষণা নিয়ে গতকালই বিজেপির দলনেতা নির্বাচনকে ঘিরে দলীয় বৈঠকে ব্যাপক গন্ডগোল হয়। প্রকাশ্য বিদ্রোহ করেন রামপ্রসাদ। বচসা, হৈ-হট্টগোল, ধাক্কাধাক্কি সবই চলতে থাকে। এর আগে বৃহস্পতিবার দিল্লিতে সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বিপ্লব দেব। পরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সঙ্গে দেখা করেন বিপ্লব। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশে তারপর ত্রিপুরায় ফিরে গিয়ে পদত্যাগ করেন বিপ্লব দেব। আগামি ২০২৩ বিধানসভা নির্বাচনে ত্রিপুরা দখলে রাখা বিজেপির কাছে বড় চ্যালেঞ্জ।Extremely grateful to Honble PM Sh. @narendramodi ji,Honble Home Minister Sh @AmitShah ji,Honble National President Sh @JPNadda ji Honble Ex CM Shri @BjpBiplab ji MLAs for nominating me to take the oath as the Chief Minister of Tripura. pic.twitter.com/G1aYGYf1HG Dr Manik Saha (@DrManikSaha2) May 15, 2022

মে ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

হায়দরাবাদকে হারিয়ে প্লে অফের স্বপ্ন টিকিয়ে রাখল নাইটরা

সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ৫৪ রানে হারিয়ে প্লে অফের স্বপ্ন জিইয়ে রাখল কলকাতা নাইট রাইডার্স। নাইটদের জয়ের নায়ক আন্দ্রে রাসেল। ব্যাট ও বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স এই ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডারের।বড় রান তাড়া করতে গেলে শুরুটা ভাল হওয়া জরুরি। কিন্তু উমেশ যাদবের আঁটোসাঁটো বোলিংয়ের সামনে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠার সুযোগ পাননি সানরাইজার্স হায়দরাবাদের প্রারম্ভিক ব্যাটাররা। পাওয়ার প্লে-র ৬ ওভারে ওঠে মাত্র ৩১ রান। তার মাঝেই হারাতে হয় ১ উইকেট। নিজের প্রথম ওভারেই সানরাইজার্স হায়দরাবাদের অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনকে তুলে নেন আন্দ্রে রাসেল। ১৭ বলে মাত্র ৯ রান করে বোল্ড হন উইলিয়ামসন। ওই ওভারে মাত্র ১ রান দেন রাসেল। উইলিয়ামসন আউট হলেও নিজের ছন্দ ধরে রাখেন অভিষেক শর্মা। ইনিংসের অষ্টম ও সুনীল নারাইনের দ্বিতীয় ওভারের তৃতীয় ও চতুর্থ বলে পরপর দুটি ছয় মারেন। নারাইনের ওই ওভারে ওঠে ১৭ রান। পরের ওভারে রাহুল ত্রিপাঠিকে তুলে নিয়ে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে আবার ধাক্কা দেন টিম সাউদি। ১২ বলে ৯ রান করে সাউদির বলে তাঁর হাতেই ক্যাচ দেন ত্রিপাঠি। দ্বাদশ ওভারের পঞ্চম বলে অভিষেককে তুলে নেন বরুণ চক্রবর্তী। ২৮ বলে ৪৩ রান করে আউট হন অভিষেক। পরের ওভারেই নিকোলাস পুরানকে (২) তুলে নেন নারাইন। তখনই জয়ের আশা শেষ হয়ে যায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদের। ২২ রানে ৩ উইকেট নেন রাসেল।এদিন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং-এর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার। দ্বিতীয় ওভারেই ফিরে যান ছন্দে না থাকা ভেঙ্কটেশ আয়ার (৬ বলে ৭)। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান অজিঙ্কা রাহানে ও নীতীশ রানা। জুটিতে ওঠে ৪৮ রান। নীতীশ রানাকে (১৬ বলে ২৬) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন উমরান মালিক। অজিঙ্কা রাহানেকেও (২৪ বলে ২৮) তুলে নেন তিনি। শ্রেয়স আয়ারও (১৫) দলকে নির্ভরতা দিতে ব্যর্থ। রিঙ্কু সিংও (৫) নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। স্যাম বিলিংস ও আন্দ্রে রাসেলের দাপটে ১৭৭/৬ রানে পৌঁছয় নাইটরা। দুজনের জুটিতে ওঠে ৬৩ রান। ২৯ রানে ৩৪ রান করেন বিলিংস। শেষ দিকে ঝড় তুলে ২৮ বলে ৪৯ রান করে অপরাজিত থাকেন রাসেল। মারেন ৩টি ৪ ও ৪টি ৬। ৩৩ রানে ৩ উইকেট নেন উমরান মালিক।

মে ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

রাসেলের দাপটে বড় রান তুলে হায়দরাবাদকে চ্যালেঞ্জ কলকাতার

শনিবার আইপিএলের ম্যাচে মুখোমুখি সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও কলকাতা নাইট রাইডার্স। প্লে অফের আশা টিকিয়ে রাখার জন্য দুই দলের কাছেই ম্যাচটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। যে দল হারবে, প্লে অফের লড়াই থেকে ছিটকে যাবে। মরণবাঁচন ম্যাচে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে বড় রান তুলে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। নির্ধারিত ২০ ওভারে তুলল ১৭৭/৬।এদিন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং-এর সিদ্ধান্ত নেয় কলকাতা নাইট রাইডার্সের অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার। প্রথম একাদশে দুটি পরিবর্তন করে মাঠে নামে নাইটরা। প্রথম একাদশে ফিরেছেন উমেশ যাদব এবং স্যাম বিলিংস। অন্যদিকে, সানরাইজার্স হায়দরাবাদও দুটি পরিবর্তন করে মাঠে নামে। এদিন প্রথম একাদশে ঢোকেন ওয়াশিংটন সুন্দর এবং টি নটরাজন।ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি কলকাতা নাইট রাইডার্সের। দ্বিতীয় ওভারেই ফিরে যান ছন্দে না থাকা ভেঙ্কটেশ আয়ার। ৬ বলে ৭ রান করে মার্কো জানসেনের বলে তিনি বোল্ড হন। প্রাথমিক ধাক্কা সামলে দলকে টেনে নিয়ে যান অজিঙ্কা রাহানে ও নীতীশ রানা। দুজনের জুটিতে ওঠে ৪৮ রান। অস্টম ওভারের তৃতীয় বলে নীতীশ রানাকে (১৬ বলে ২৬) জুটি ভাঙেন উমরান মালিক। একই ওভারের শেষ বলে অজিঙ্কা রাহানেকেও তুলে নেন। ২৪ বলে ২৮ রান করে আউট হন রাহানে। বাউন্ডারি লাইনে দুরন্ত ক্যাচ ধরেন শশাঙ্ক সিং। এক ওভার পরেই অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ারকেও তুলে নেন উমরান মালিক। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দলকে নির্বরতা দিতে ব্যর্থ শ্রেয়স। এদিন ৯ বলে মাত্র ১৫ রান করে তিনি আউট হন। রিঙ্কু সিংও (৫) নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি।৯৪ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় নাইট রাইডার্স মনে হচ্ছিল এদিন বড় রানে পৌঁছতে পারবেন না শ্রেয়স আয়াররা। কিন্তু ব্যাট হাতে জ্বলে ওঠেন স্যাম বিলিংস ও আন্দ্রে রাসেল। দুজনের জুটিতে ওঠে ৬৩ রান। ২৯ রানে ৩৪ রান করে ভুবনেশ্বর কুমারের বলে আউট হন বিলিংস। শেষ দিকে ঝড় তোলেন রাসেল। ২৮ বলে ৪৯ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। মারেন ৩টি ৪ ও ৪টি ৬। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৭৭ রান তোলে নাইটরা। ৩৩ রানে ৩ উইকেট নেন উমরান মালিক। ১টি উইকেট নেন ভুবনেশ্বর কুমার, মার্কো জানসেন এবং টি নটরাজন।

মে ১৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের প্লে-অফের রাস্তায় কাঁটা বিছিয়ে দিল পাঞ্জাব কিংস

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বাজিমাত পাঞ্জাব কিংস। বিরাট কোহলিদের ৫৪ রানে হারিয়ে প্লে অফের লড়াইয়ে ভেসে রইল মায়াঙ্ক আগরওয়ালরা। যদিও সম্ভাবনা অনেকটাই কম। অন্যদিকে, পাঞ্জাব কিংসের কাছে হারায় প্লে অফে ওঠার কাজ কঠিন হয়ে গেল রয়্যাল চ্যালেজার্স ব্যাঙ্গালোরের কাছে। পাঞ্জাবের ২০৯/৯ রানের জবাবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ২০ ওভারে তুলল ১৫৫/৯। মরণবাঁচন ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের সামনে বড় রানের লক্ষ্য রেখেছিল পাঞ্জাব কিংস। বড় রান তাড়া করতে গেলে পার্টনারশিপ গড়ে তোলাটা জরুরি। সেই কাজটাই করতে পারেননি বিরাট কোহলি, ফাফ ডুপ্লেসিরা। যদিও এদিন ভাল শুরু করেছিলেন বিরাট কোহলি। শুরুর দিকে তাঁকে আত্মবিশ্বাসী মনে হচ্ছিল। দ্বিতীয় ওভারে অর্শদীপ সিংয়ের বলে দুদুটি বাউন্ডারি মেরেছিলেন। পরের ওভারে হরপ্রীত ব্রার বলে একটি ছক্কাও হাঁকিয়েছিলেন কোহলি। মনে হচ্ছিল হয়তো এদিন বড় রানের দিকে এগিয়ে যাবেন। কিন্তু চতুর্থ ওভারেই ছন্দপতন। কাগিসো রাবাডাকে আক্রমণে নিয়ে এসে বাজিমাত করেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল। ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠার আগেই রাবাডা তুলে নেন কোহলিকে। ১৪ বলে ২০ রান করে আউট হন কোহলি। পরের ওভারেই ফাফ ডুপ্লেসি (১০) ও মহীপাল লোমরোরকে (৬) তুলে নিয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দেন ঋষি ধাওয়ান। ৪০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স। এরপর দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন রজত পতিদার ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। জুটিতে ওঠে ৬৪। একাদশ ওভারের শেষ বলে রজত পতিদারকে (২৬) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন রাহুল চাহার। পরের ওভারেই ম্যাক্সওয়েলকে (৩৫) ফেরান হরপ্রীত ব্রার। ম্যাক্সওয়েল আউট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের জয়ের আশা শেষ হয়ে যায়। দীনেশ কার্তিক (১১), শাহবাজ আমেদ (৯), হর্ষল প্যাটেলরা (১১) দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে পারেননি। ২১ রানে ৩ উইকেট নেন কাগিসো রাবাডা। ঋষি ধাওয়ান ও রাহুল চাহার ২টি করে উইকেট নেন।এদিন দুরন্ত ব্যাটিং করে পাঞ্জাব কিংসকে বড় রানে পৌঁছে দিয়েছিলেন জনি বেয়ারস্টো ও লিয়াম লিভিংস্টোন। ক্রিজে নেমে শুরু থেকেই ঝড় তোলেন বেয়ারস্টো ও শিখর ধাওয়ান। ৫ ওভারেই উঠে যায় ৬০। ১৫ বলে ২১ রান করে আউট হন ধাওয়ান। বেয়ারস্টো ২৯ বলে করেন ৬৬ রান। তিনি শাহবাজ আমেদের বলে আউট হন। অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে (১৬ বলে ১৯) তুলে নেন হর্ষল প্যাটেল। জিতেশ শর্মাও (৯), হরপ্রীত ব্রাররা (৭) ব্যর্থ হলেও দলকে বড় রানের দিকে টেনে নিয়ে যান লিয়াম লিভিংস্টোন। দুরন্ত ব্যাটিং করে ৪২ বলে ৭০ রান করে তিনি হর্ষল প্যাটেলের বলে আউট হন। ২০ ওভারে ২০৯/৯ তোলে পাঞ্জাব। আইপিএলে এটাই তাদের সর্বোচ্চ রান। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে ভাল বোলিং করেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। ১৫ রানে ২ উইকেট নেন তিনি।

মে ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মরণবাঁচন ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল পাঞ্জাব কিংস

প্লে অফের লড়াইয়ের জন্য দুই দলের কাছেই ম্যাচটা ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে জিতলে ইডেনে প্লে অফের টিকিট কার্যত নিশ্চিত হয়ে যাবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের। অন্যদিকে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে জিতলে আশা বেঁচে থাকবে পাঞ্জাব কিংসের। ডু অর ডাই ম্যাচে দারুণভাবে জ্বলে উঠল পাঞ্জাব কিংস। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে তুলল ২০৯ রান। দুরন্ত ব্যাটিং করলেন লিয়াম বেয়ারস্টো ও লিয়াম লিভিংস্টোন।পাঞ্জাব কিংসের সবথেকে বড় সমস্যা ধারাবাহিকতার অভাব। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে অবশ্য নিজেদের মেলে ধরলেন ব্যাটাররা। বিশেষ করে ওপেনার জনি বেয়ারস্টো। তাঁর ঝোড়ো ব্যাটিংই পাঞ্জাব কিংসের বড় রানের ভিত গড়ে দেয়। বেয়ারস্টো রান পেলেই পাঞ্জাব বড় রানে পৌঁছবে, এটাই ধ্রুব সত্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর টিম ম্যানেজমেন্টের কাছে সবথেকে বড় মাথাব্যাথা হয়ে দাঁড়িয়েছে অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়ালের ফর্ম। চলতি আইপিএলে একেবারেই নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি পাঞ্জাব কিংস অধিনায়ক। এদিনও ব্যর্থ।টস জিতে পাঞ্জাব কিংসকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসি। ক্রিজে নেমে শুরু থেকেই ঝড় তোলেন পাঞ্জাব কিংসের দুই ওপেনার জনি বেয়ারস্টো ও শিখর ধাওয়ান। ৫ ওভারেই উঠে যায় ৬০। জস হ্যাজেলউড, মহম্মদ সিরাজের ওপর বেশি নির্দয় ছিলেন জনি বেয়ারস্টো। পঞ্চম ওভারের শেষ বলে শিখর ধাওয়ানকে তুলে নিয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে প্রথম ধাক্কা দেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ১৫ বলে ২১ রান করে আউট হন ধাওয়ান। ভানুকা রাজাপক্ষে এদিন নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। মাত্র ১ রান করে স্বদেশীয় ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার বলে তিনি আউট হন।১ ওভারের ব্যবধানে দুটি উইকেট হারালেও ঝড় অব্যাহত ছিল বেয়ারস্টোর। শেষ পর্যন্ত ২৯ বলে ৬৬ রান করে তিনি শাহবাজ আমেদের বলে আউট হন। অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে (১৬ বলে ১৯) তুলে নেন হর্ষল প্যাটেল। জিতেশ শর্মাও (৯) রান পাননি। হরপ্রীত ব্রার করেন ৭। একের পর এক উইকেট পড়তে থাকলেও দলকে বড় রানের দিকে টেনে নিয়ে যান লিয়াম লিভিংস্টোন। দুরন্ত ব্যাটিং করে ৪২ বলে ৭০ রান করে তিনি হর্ষল প্যাটেলের বলে আউট হন। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে ভাল বোলিং করেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। ১৫ রানে ২ উইকেট নেন তিনি।

মে ১৩, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 14
  • 15
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

অবশেষে ভোটের দিন ঘোষণা! বাংলা সহ পাঁচ রাজ্যে কবে ভোট জানলে চমকে যাবেন

অবশেষে অপেক্ষার অবসান। বাংলা সহ দেশের পাঁচটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণায় জানা গেছে, ঊনত্রিশে এপ্রিলের মধ্যেই পাঁচ রাজ্যে ভোটগ্রহণ শেষ হবে। ভোটগণনা হবে চার মে। গতবারের তুলনায় এবার পশ্চিমবঙ্গে ভোটের দফা কমানো হয়েছে। বাংলায় এবার দুই দফায় ভোট হবে।প্রথম দফার ভোট অনুষ্ঠিত হবে তেইশে এপ্রিল। দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ঊনত্রিশে এপ্রিল। এই দুই দফাতেই পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হবে। নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে তৎপরতা শুরু হয়েছে।বাংলা ছাড়াও আরও চারটি রাজ্য এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এবারে বিধানসভা নির্বাচন হচ্ছে। সেই তালিকায় রয়েছে অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরি। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, এই চার রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এক দফাতেই ভোটগ্রহণ হবে।অসমে মোট বিধানসভা কেন্দ্রের সংখ্যা একশো ছাব্বিশ। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সেখানে ভোটগ্রহণ হবে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ। ভোটগণনা হবে চার মে।কেরলে মোট বিধানসভা কেন্দ্রের সংখ্যা একশো চল্লিশ। এই রাজ্যেও ভোট হবে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ এবং ভোটগণনা চার মে।তামিলনাড়ুতে মোট বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে দুইশো চৌত্রিশটি। এই রাজ্যেও এক দফাতেই ভোট হবে। ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারিত হয়েছে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ এবং ভোটগণনা চার মে।কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতে মোট বিধানসভা কেন্দ্রের সংখ্যা তিরিশ। এখানেও ভোট হবে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ এবং ভোটগণনা চার মে।নির্বাচন কমিশনের এই ঘোষণার পর থেকেই পাঁচ রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ভোটের প্রস্তুতি জোরদার হয়েছে। সব রাজনৈতিক দল এখন ভোটের লড়াইকে সামনে রেখে নিজেদের প্রচার এবং কৌশল ঠিক করতে শুরু করেছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা, দুই দফায় ভোট বাংলায়— দেখে নিন আপনার কেন্দ্রের তারিখ

অবশেষে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। রবিবার বিজ্ঞান ভবন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে বাংলাসহ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি অসম, কেরল, তামিলনাড়ু ও পুদুচেরির ভোটের নির্ঘণ্টও প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলায় এবার দুই দফায় ভোটগ্রহণ হবে। প্রথম দফার ভোট অনুষ্ঠিত হবে তেইশে এপ্রিল এবং দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ঊনত্রিশে এপ্রিল। ভোট গণনা হবে চার মে।প্রথম দফার ভোটের জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ছয় এপ্রিল। মনোনয়ন যাচাই হবে সাত এপ্রিল এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন নয় এপ্রিল। দ্বিতীয় দফার জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন নয় এপ্রিল। মনোনয়ন যাচাই হবে দশ এপ্রিল এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন তেরো এপ্রিল।প্রথম দফায় উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল এবং দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভোটগ্রহণ হবে। কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ, মাথাভাঙা, কোচবিহার উত্তর, কোচবিহার দক্ষিণ, শীতলকুচি, সিতাই, দিনহাটা, নাটাবাড়ি এবং তুফানগঞ্জে ভোট হবে প্রথম দফায়। আলিপুরদুয়ার জেলার কুমারগ্রাম, কালচিনি, আলিপুরদুয়ার, ফালাকাটা ও মাদারিহাট কেন্দ্রেও এই দফাতেই ভোটগ্রহণ হবে।জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়ি, ময়নাগুড়ি, জলপাইগুড়ি, রাজগঞ্জ, ডাবগ্রাম ফুলবাড়ি, মাল ও নাগরাকাটা কেন্দ্রে ভোট হবে প্রথম দফায়। দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলার কালিম্পং, দার্জিলিং, কার্শিয়াং, মাটিগাড়া নকশালবাড়ি, শিলিগুড়ি ও ফাঁসিদেওয়া কেন্দ্রেও প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হবে।উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়া, ইসলামপুর, গোয়ালপোখর, চাকুলিয়া, করণদিঘি, হেমতাবাদ, কালিয়াগঞ্জ, রায়গঞ্জ ও ইটাহার কেন্দ্রেও এই দফায় ভোট হবে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমন্ডি, কুমারগঞ্জ, বালুরঘাট, তপন, গঙ্গারামপুর ও হরিরামপুরেও প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হবে।মালদহ জেলার হবিবপুর, গাজোল, চাঁচল, হরিশ্চন্দ্রপুর, মালতীপুর, রতুয়া, মানিকচক, মালদহ, ইংরেজবাজার, মোথাবাড়ি, সুজাপুর ও বৈষ্ণবনগর কেন্দ্রে ভোট হবে প্রথম দফায়। মুর্শিদাবাদ জেলার ফরাক্কা, সামশেরগঞ্জ, সুতি, জঙ্গিপুর, রঘুনাথগঞ্জ, সাগরদিঘি, লালগোলা, ভগবানগোলা, রানিনগর, মুর্শিদাবাদ, নবগ্রাম, খড়গ্রাম, বড়ঞা, কান্দি, ভরতপুর, রেজিনগর, বেলডাঙা, বহরমপুর, হরিহরপাড়া, নওদা, ডোমকল ও জলঙ্গিতেও এই দফাতেই ভোটগ্রহণ হবে।এ ছাড়াও পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান ও বীরভূম জেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রথম দফায় ভোট হবে।দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হবে নদিয়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি এবং পূর্ব বর্ধমান জেলার সব আসনে। নদিয়া জেলার করিমপুর, তেহট্ট, পলাশিপাড়া, কালীগঞ্জ, নাকাশিপাড়া, চাপড়া, কৃষ্ণনগর উত্তর, নবদ্বীপ, কৃষ্ণনগর দক্ষিণ, শান্তিপুর, রানাঘাট উত্তর পশ্চিম, কৃষ্ণগঞ্জ, রানাঘাট উত্তর পূর্ব, রানাঘাট দক্ষিণ, চাকদহ, কল্যাণী ও হরিণঘাটা কেন্দ্রে ভোট হবে দ্বিতীয় দফায়।উত্তর চব্বিশ পরগনার বাগদা, বনগাঁ উত্তর, বনগাঁ দক্ষিণ, গাইঘাটা, স্বরূপনগর, বাদুড়িয়া, হাবড়া, অশোকনগর, আমডাঙা, বীজপুর, নৈহাটি, ভাটপাড়া, জগদ্দল, নোয়াপাড়া, বারাকপুর, খড়দহ, দমদম উত্তর, পানিহাটি, কামারহাটি, বরানগর, দমদম, রাজারহাট নিউটাউন, বিধাননগর, রাজারহাট গোপালপুর, মধ্যমগ্রাম, বারাসত, দেগঙ্গা, হাড়োয়া, মিনাখাঁ, সন্দেশখালি, বসিরহাট দক্ষিণ, বসিরহাট উত্তর ও হিঙ্গলগঞ্জেও দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হবে।দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি ও পূর্ব বর্ধমান জেলার সব কেন্দ্রেও দ্বিতীয় দফাতেই ভোট হবে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তৎপরতা শুরু হয়েছে। দুই দফার এই নির্বাচনে রাজ্যের সমস্ত রাজনৈতিক দল এখন ভোটের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত।

মার্চ ১৫, ২০২৬
কলকাতা

ব্রিগেডে জনসমুদ্র না ফাঁকা চেয়ার? মোদীর সভা ঘিরে শুরু তুমুল রাজনৈতিক তরজা

বিধানসভা ভোটের আগে কলকাতার ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রীর সভা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ল। সভায় ভিড় দেখে উচ্ছ্বসিত বিজেপি নেতৃত্ব পরিবর্তনের স্লোগান তুলেছে। তাদের দাবি, এই ভিড়ই প্রমাণ করছে বাংলায় পরিবর্তনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে। অন্যদিকে ভিড়ের সংখ্যা নিয়েই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।ব্রিগেডের সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যত দূর চোখ যাচ্ছে শুধু মানুষ আর মানুষ। এই দৃশ্য তাঁকে অত্যন্ত আনন্দিত করেছে বলেও জানান তিনি। তাঁর মতে, এই ভিড়ই বুঝিয়ে দিচ্ছে বাংলার মানুষ পরিবর্তন চাইছেন। সভা শেষ হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি সভার একটি ভিডিও প্রকাশ করেন এবং মানুষের উপস্থিতির প্রশংসা করেন।বিরোধী দলনেতার দাবি, ব্রিগেডের সভায় আট থেকে দশ লক্ষ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। তাঁর কথায়, গোটা ব্রিগেড ময়দান কানায় কানায় ভর্তি ছিল এবং কলকাতার বিভিন্ন রাস্তায়ও মানুষের ভিড় ছিল।বিজেপি নেতাদের মধ্যেও উচ্ছ্বাস স্পষ্ট ছিল। দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে মঞ্চে গলা থেকে উত্তরীয় খুলে ঘোরাতে দেখা যায়। সেই ভিডিও তিনি নিজেই সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন। দলের সহ পর্যবেক্ষক অমিত মালব্যও কর্মীদের উচ্ছ্বাসের ভিডিও প্রকাশ করে দাবি করেন, বাংলার প্রতিটি প্রান্ত থেকে মানুষ ব্রিগেডে এসেছেন। তাঁর কথায়, কলকাতা যেন গেরুয়া সমুদ্রে পরিণত হয়েছিল এবং এই উচ্ছ্বাসই বুঝিয়ে দিচ্ছে পরিবর্তনের সময় এসেছে।তবে এই দাবি মানতে নারাজ তৃণমূল। তাদের দাবি, ব্রিগেডে বিজেপির সভায় তেমন ভিড় হয়নি। সামাজিক মাধ্যমে সারিবদ্ধ ফাঁকা চেয়ারের ভিডিও প্রকাশ করে তৃণমূল দাবি করেছে, বাংলার মানুষ বিজেপিকে গ্রহণ করেননি।তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষও কটাক্ষ করে বলেন, একটি অংশের ছবি দেখিয়ে বড় সভা বলা যায় না। তাঁর দাবি, এর থেকেও বড় সমাবেশ অন্য রাজনৈতিক দল আগে করেছে।এদিকে বিজেপির অভিযোগ, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তাদের কর্মীদের ব্রিগেডে আসতে বাধা দেওয়া হয়েছে। অনেক জায়গায় বাস আটকে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেছে তারা। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।সব মিলিয়ে ব্রিগেডের সভা শেষ হলেও ভিড় নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক এখনও জোরদার। ভোটের আগে এই সভা যে রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ তৈরি করেছে, তা বলাই যায়।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোট ঘোষণার ঠিক আগে বড় ঘোষণা মমতার, সরকারি কর্মীদের অ্যাকাউন্টে আসছে বকেয়া ডিএ

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে রাজ্য সরকারি কর্মী এবং পেনশনভোগীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চলতি মাস থেকেই সেই টাকা কর্মীদের অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করবে বলে জানানো হয়েছে। ভোট ঘোষণার কিছুক্ষণ আগে সামাজিক মাধ্যমে এই ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর এই ঘোষণায় স্বাভাবিকভাবেই স্বস্তি পেয়েছেন বহু সরকারি কর্মচারী।মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, সরকারি কর্মী এবং পেনশনভোগীদের যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা পূরণ করছে মা-মাটি-মানুষের সরকার। রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বহু শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মী, পঞ্চায়েত, পুরসভা এবং অন্যান্য স্থানীয় সংস্থার কর্মীরাও এই বকেয়া মহার্ঘ ভাতা পাবেন।তিনি আরও জানান, রাজ্যের অর্থ দপ্তরের প্রকাশিত নির্দেশিকা অনুযায়ী রোপা দুই হাজার নয় অনুযায়ী বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়া হবে। মার্চ মাস থেকেই সেই টাকা কর্মীদের অ্যাকাউন্টে জমা পড়তে শুরু করবে।উল্লেখ্য, এর আগে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল রাজ্য সরকার। সেখানে আদালত বকেয়া মহার্ঘ ভাতার পঁচিশ শতাংশ পরিশোধ করার নির্দেশ দেয় এবং তার জন্য ছয় সপ্তাহ সময় বেঁধে দেওয়া হয়।কিন্তু সেই সময়ের মধ্যে বকেয়া ভাতা মেটানো হয়নি। পরে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের কাছে আরও ছয় মাস সময় চেয়ে আবেদন করে। দুই হাজার পঁচিশ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এই মামলার শুনানি শেষ হয়। এরপর গত পাঁচ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি সঞ্জয় করোল এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চ স্পষ্ট জানায়, মহার্ঘ ভাতা কর্মীদের আইনি অধিকার এবং তা মেটাতেই হবে।আদালত জানায়, বকেয়া মহার্ঘ ভাতার পঁচিশ শতাংশ দুই দফায় পরিশোধ করতে হবে এবং তা মে মাসের মধ্যেই সম্পন্ন করতে হবে। এর মধ্যে প্রথম কিস্তি দিতে হবে একত্রিশে মার্চের মধ্যে।এর পর বাকি কত টাকা দেওয়া হবে এবং কত সময়ের মধ্যে দেওয়া হবে, সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বে গঠিত একটি কমিটি।রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয়েছিল, ডিএ দেওয়ার জন্য তিন লক্ষ সতেরো হাজারেরও বেশি কর্মীর নথি খতিয়ে দেখতে হচ্ছে। দুই হাজার ষোলো সালের আগের অনেক তথ্য এখনও ডিজিটাল নয়, সেগুলি হাতে লেখা সার্ভিস বুক আকারে রয়েছে। সেই সব নথি ডিজিটাল করতে সময় লাগছে বলেও জানানো হয়।এ ছাড়াও প্রশাসনিক কাজের চাপ এবং প্রযুক্তিগত সমস্যার কথাও আদালতে উল্লেখ করেছিল রাজ্য সরকার। তবে দীর্ঘদিন ধরে ডিএ না মেলায় সরকারি কর্মীদের একাংশ ক্ষুব্ধ ছিলেন। সম্প্রতি সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ ধর্মঘটের ডাকও দিয়েছিল। যদিও সেই ধর্মঘট খুব বেশি প্রভাব ফেলেনি।এর মধ্যেই রবিবার মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণায় পরিষ্কার হয়েছে, বকেয়া মহার্ঘ ভাতার পঁচিশ শতাংশ চলতি মাসেই কর্মীদের দেওয়া হবে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোট ঘোষণার ঠিক আগে বড় ঘোষণা মমতার, পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমদের ভাতা বাড়ল

লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকার পরিমাণ আগেই বাড়ানো হয়েছিল। যুবসাথী প্রকল্পের ঘোষণাও করা হয়েছে। তবে বাজেট ঘোষণার সময় পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমদের জন্য আলাদা কোনও ঘোষণা করা হয়নি। এবার ভোট ঘোষণার ঠিক আগেই তাঁদের ভাতা বাড়ানোর কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সূত্রের খবর, রবিবার বিকেল চারটের সময় পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা করতে পারে নির্বাচন কমিশন। তার কিছু আগেই দুপুর দুটো চল্লিশ মিনিট নাগাদ মুখ্যমন্ত্রী সামাজিক মাধ্যমে একটি বার্তা দিয়ে পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমদের ভাতা বাড়ানোর কথা জানান।এতদিন পর্যন্ত পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমরা মাসে এক হাজার পাঁচশো টাকা করে ভাতা পেতেন। সেই ভাতা পাঁচশো টাকা বাড়িয়ে এখন থেকে দুই হাজার টাকা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সমাজে পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জানান, নতুন করে যাঁরা পুরোহিত ও মুয়াজ্জেম হিসেবে ভাতার জন্য আবেদন করেছিলেন, তাঁদের আবেদনও রাজ্য সরকার গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, সমাজের সব সম্প্রদায় যেন সম্মান পায় এবং সব সংস্কৃতি যেন সমান মর্যাদা পায়, সেটাই সরকারের লক্ষ্য।তবে এই ঘোষণা ঘিরে বিরোধীদের তরফে সমালোচনাও শুরু হয়েছে। বিজেপি নেতা এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পর এখন পুরোহিত ভাতা বাড়িয়ে বাংলার মানুষকে পাঁচশো টাকা দিয়ে খুশি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।ভোটের ঠিক আগে এই ঘোষণাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

বিকেলে ভোট ঘোষণা, তার আগে রাজ্য জুড়ে পুলিশ বদলির নির্দেশ

আজ রবিবার বিকেল চারটেয় পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। তার কয়েক ঘণ্টা আগেই রাজ্য পুলিশের ভিতরে বড় রদবদল করল নবান্ন। সূত্রের খবর, মোট সাতাশ জন ইন্সপেক্টর এবং বারোটি থানার আইসি-কে বদলি করা হয়েছে।ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলায় একাধিক ইন্সপেক্টরকে নতুন জায়গায় পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি বিধাননগর, বারাকপুর এবং চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের বেশ কয়েকটি থানার আইসি-রও বদলি করা হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলাতেও কয়েক জন ইন্সপেক্টরকে অন্যত্র পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার ঠিক আগে রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, যাঁদের বদলি করা হয়েছে, তাঁদের যত দ্রুত সম্ভব নতুন দায়িত্বে যোগ দিতে হবে।উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, জলপাইগুড়ি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, বিধাননগর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং হুগলি সহ একাধিক জেলায় এই বদলি করা হয়েছে। ভোট ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগে এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই বিষয়টি নিয়ে বিরোধীরাও প্রশ্ন তুলেছে। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ দাবি করেছেন, নির্বাচন কমিশন যাতে পরে আর বদলি করতে না পারে, সেই কারণেই আগেভাগে এই বদলি করা হয়েছে। তবে তাঁর মতে, এতে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা কমে যায় না। প্রয়োজনে কমিশন এই সব আধিকারিকদের অতীত কাজ এবং ভূমিকা খতিয়ে দেখতে পারে।উল্লেখ্য, কয়েক সপ্তাহ আগেও রাজ্য পুলিশে বড় বদলি করা হয়েছিল। সে সময় চার জন আইপিএস আধিকারিককে অন্যত্র পাঠানো হয়। আলিপুরদুয়ার, বসিরহাট এবং জঙ্গিপুরের পুলিশ সুপার এবং রাজ্য গোয়েন্দা বিভাগের এক শীর্ষ আধিকারিকেরও বদলি করা হয়েছিল।সাধারণত নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়ে গেলে আদর্শ আচরণবিধি জারি হয়ে যায়। তার পর প্রশাসনে বড় কোনও বদলি করতে গেলে নির্বাচন কমিশনের অনুমতি প্রয়োজন হয়। সেই কারণেই ভোট ঘোষণার ঠিক আগে এই রদবদলকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

কারা পাচ্ছেন তৃণমূলের টিকিট? সামনে এল সম্ভাব্য প্রার্থীদের চমকপ্রদ তালিকা

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। যে কোনও মুহূর্তে নির্বাচন কমিশন ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করতে পারে। তার আগেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা নিয়ে জোর আলোচনা। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে এবার বেশ কিছু নতুন ও তরুণ মুখকে টিকিট দেওয়া হতে পারে বলে জোর জল্পনা চলছে।দলের অন্দরে শোনা যাচ্ছে কয়েকটি নাম নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। নতুন মুখদের মধ্যে প্রথমেই উঠে আসছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যের নাম। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ছাত্র ও যুব সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত।তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রাক্তন সভাপতি জয়া দত্তের নামও আলোচনায় রয়েছে। বর্তমানে তিনি অশোকনগরের কাউন্সিলর। যদিও অতীতে ছাত্র সংগঠনের ভর্তিকে কেন্দ্র করে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় তাঁর নাম নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল এবং সেই সময় তাঁকে সংগঠনের সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।প্রাক্তন সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামও সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় ঘুরছে। সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তিনি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। বিভিন্ন আন্দোলন এবং কর্মসূচিতে তাঁকে সক্রিয়ভাবে দেখা গেছে।আরেক রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলামের নামও আলোচনায় রয়েছে। তিনি সম্প্রতি সংসদে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের সমস্যা নিয়ে সরব হয়েছিলেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, তাঁকে বীরভূম জেলার কোনও একটি আসন থেকে প্রার্থী করা হতে পারে।দলের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে কয়েকজন মুখপাত্রের নামও ঘুরছে। সেই তালিকায় রয়েছেন কুণাল ঘোষ, অরূপ চক্রবর্তী এবং তন্ময় ঘোষ। আগের উপনির্বাচনের সময় কুণাল ঘোষকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে জল্পনা হয়েছিল। এবার বিধানসভা নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে আবার আলোচনা শুরু হয়েছে।সম্প্রতি সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া প্রতীকূর রহমানের নামও সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় রয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। তাঁর পাশাপাশি নতুন মুখ হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন আন্তর্জাতিক ক্রীড়াবিদ স্বপ্না বর্মন। তিনি এশিয়ান গেমসে সোনা জিতে ইতিহাস গড়েছিলেন এবং কিছুদিন আগেই তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।দলের তরুণ নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্যের নামও ঘুরছে রাজনৈতিক মহলে। আগের বিধানসভা নির্বাচনে প্রচারে তাঁকে সক্রিয়ভাবে দেখা গিয়েছিল। পরে লোকসভা নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করা হয়েছিল তমলুক থেকে। যদিও সেই নির্বাচনে তিনি জয় পাননি।এ ছাড়াও আরও কিছু নতুন নাম নিয়ে আলোচনা চলছে। শোনা যাচ্ছে এন্টালির বিধায়ক স্বর্ণকমল সাহার ছেলে সন্দীপন সাহা প্রার্থী হতে পারেন। তিনি বর্তমানে কলকাতা পুরসভার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন এবং জোকা ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন ছাত্র।রাজনৈতিক মহলে আরও আলোচনা চলছে সাংবাদিক দেবদীপ পুরোহিতের নাম নিয়েও। তাঁকে খড়দা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে জল্পনা। বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা শুভাশিস চক্রবর্তীর নামও শোনা যাচ্ছে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার একটি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে।এছাড়াও তারকাখচিত তালিকায় গায়িকা ইমন চক্রবর্তীর নামও উঠে আসছে। উত্তরপাড়া কেন্দ্র থেকে তাঁকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে আলোচনা চলছে। যদিও অতীতেও এমন জল্পনা হয়েছিল, কিন্তু তিনি সেই সময় প্রার্থী হননি।অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের নামও সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় ঘুরছে। বিনোদন জগতের পরিচিত এই মুখকে প্রার্থী করলে ভোটের প্রচারে নতুন মাত্রা যোগ হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।এই সব নাম নিয়ে জোর আলোচনা চললেও তৃণমূলের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা এখনও প্রকাশ হয়নি। ভোট ঘোষণার পরেই দল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
কলকাতা

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে এল আরজি করের ঘটনা! বিস্ফোরক বার্তা দিলেন মোদি

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ব্রিগেডে ভাষণ দিতে গিয়ে বলেন, বাংলায় বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এলে মহিলারা সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকবেন। তিনি জানান, তৃণমূলের গুন্ডারাজ আর থাকবে না, কেউ দমন করতে পারবে না। মোদির দাবি, বর্তমানে রাজ্যে সন্ত্রাসবাদ ও অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে মায়েরা কাঁদছে, বাঙালিরা নিজেদের জন্মভূমি ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে। মোদী বলেন, বাংলার রুটি, মাটি, বেটি বিপন্ন, জনবিন্যাস পরিবর্তিত হয়েছে এবং হিন্দু বাঙালিদের সংখ্যালঘু করার চেষ্টা হচ্ছে।মোদী অভিযোগ করেন, কেন্দ্রের বিভিন্ন কর্মসংস্থানের প্রকল্প রাজ্যে পৌঁছতে দিচ্ছে না তৃণমূল সরকার। বিশ্বকর্মা প্রকল্প থেকে টাকা দেওয়া সত্ত্বেও মানুষের কাছে তা পৌঁছায় না। বিনামূল্যে বিদ্যুৎ দেওয়ার প্রকল্পও আটকানো হয়েছে। চা শ্রমিকদের কেন্দ্রীয় সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। পিএম আবাস যোজনার নাম বদলানো হয়েছে, তালিকা বদল করা হয়েছে, গরিবদের বাড়ি দেওয়া হয়নি। জলজীবন মিশন এবং আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পও চালু হতে দিচ্ছে না। মোদীর দাবি, বাংলার গরিবরা এ সব থেকে বঞ্চিত হয়েছে।তিনি আরও বলেন, কৃষকদের পরিস্থিতিও শোচনীয়। একজন আলু চাষি আত্মহত্যা করেছেন। তৃণমূলের নোংরা রাজনীতি মা-বোনেদের সম্মানকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। মোদী স্মরণ করান, বাংলার মানুষ আগে একসময় বাম গুন্ডাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিল। কিন্তু বর্তমানে সেই বাম দলের কিছু নেতাকে তৃণমূল আশ্রয় দিচ্ছে। রাজ্যে অপরাধীরা নিরাপদ, কলেজে ও আদিবাসী মহিলাদের উপর হামলা হচ্ছে, এবং মানুষ এখনো সন্দেশখালি, আরজিকরের মতো ঘটনা মনে রাখে।মোদী স্পষ্ট জানান, বিজেপি সরকার এলে এসব অন্যায়ের অবসান হবে। আইনশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা হবে, অপরাধীদের জেল ভাড়া হবে, এবং গরিব ও সাধারণ মানুষ কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা পাবে।

মার্চ ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal