• ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩, শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Hooghly,

রাজ্য

চন্দননগরে একই পরিবারের ৩ সদস্যের রহস্যমৃত্যু, তদন্তে নেমেছে পুলিশ

চন্দননগর, ৩০ মে: হুগলির চন্দননগরে বৃহস্পতিবার সকালে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনার সাক্ষী থাকলো স্থানীয় বাসিন্দারা। একই পরিবারের তিন সদস্যের রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে ছড়িয়েছে ব্যাপক উত্তেজনা। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন পরিবারের কর্তা, তাঁর স্ত্রী এবং তাঁদের কিশোর পুত্র। সূত্রের খবর, এদিন সকালে চন্দননগরের শ্রীপল্লি এলাকার একটি বাড়ি থেকে তিনজনের নিথর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয়রা জানান, সকালবেলা দরজা না খোলায় সন্দেহ জাগে প্রতিবেশীদের। তারা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে তিনটি মৃতদেহ উদ্ধার করে।সূত্রের খবর, বুধবার ভোর ২টার দিকে চন্দননগর থানা কোলুপুকুর গড়েরধর এলাকায় তিন পরিবারের সদস্যের অস্বাভাবিক মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তারা প্রতিমা ঘোষ (৪৬) এবং তার মেয়ে পৌষালী ঘোষ (১৩) এর মৃতদেহ মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন, মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রতিমার স্বামী বাবলু ঘোষ (৬২) কে দড়ি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। তদন্তের সময় পুলিশ জানতে পারে যে বাবলু একটি টিনের বাক্স তৈরির কারখানায় কাজ করত। তবে, কিছু সময়ের জন্য, সে টোটো (তিন চাকার গাড়ি) চালানো শুরু করে এবং অবশেষে তার বাড়িতেই একটি ছোট দোকান শুরু করে।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, এটি হয় আত্মহত্যা, নয়তো পরিকল্পিত খুন। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনো স্পষ্ট নয়। বাড়ির ভিতরে কোনোরকম লুটপাটের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। প্রতিবেশীদের অনেকেই জানিয়েছেন, পরিবারটি সদ্য আর্থিক সমস্যায় পড়েছিল এবং কিছুদিন ধরে মানসিক চাপের মধ্যে ছিল। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দেহগুলি ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার ফরেনসিক তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশ পরিবারের আত্মীয়-পরিজন ও প্রতিবেশীদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।চন্দননগর কমিশনারেটের এক উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিক জানান, আমরা সমস্ত দিক খতিয়ে দেখছিআত্মহত্যা, পারিবারিক কলহ, অথবা বাইরের কোনো দুষ্কৃতীর হাত। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এই ঘটনায় গোটা এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

মে ৩০, ২০২৫
রাজনীতি

গোষ্ঠীকোন্দলে জেরবার, তৃণমূল কাউন্সিলরদের বিক্ষোভে তোলপাড় বাঁশবেড়িয়া, ধুন্ধুমার কাণ্ড

তৃণমূল কংগ্রেসের ২১ জন কাউন্সিলরের মধ্যে ১৫জন সরাসরি পুর চেয়ারম্যানের অফিস ঘরের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ করছে। শনিবার বাঁশবেড়িয়া পুরসভায় হুলস্থুল কাণ্ড। তৃণমূল কংগ্রেসে প্রকাশ্যে গোষ্ঠদ্বন্দ্ব চলছে। অফিসে আসেননি পুরপ্রধান। যাবতীয় অভিযোগই তাঁর বিরুদ্ধে। লোকসভা ভোটের ফলাফলের নিরিখে বাঁশবেড়িয়া পুরসভা এলাকায় প্রায় ১২ হাজার ভোটে বিজেপি লিড নিয়েছে। পিছিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস। শুধু ১, ১১ ও ১৯ ওয়ার্ডে এগিয়ে তৃণমূল। বাকি ১৯ ওয়ার্ডে লীড নিয়েছে বিজেপি। ২২ টি আসনের এই পুরবোর্ডে ২১ জনই তৃণমূলের কাউন্সিলর। বাকি এক বামফ্রন্টের। নজিরবিহীন ভাবে এদিন সকাল থেকেই শাসক দলের ১৫ জন কাউন্সিলর চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে পুরপ্রধান আদিত্য নিয়োগীর ঘরের সামনে অবস্থানে বসে পড়েন। বিক্ষোভ কারীদের মধ্যে অধিকাংশই ছিলেন মহিলা কাউন্সিলর। মূল অভিযোগ চেয়ারম্যান আদিত্য নিয়োগীর বিরুদ্ধে।তাঁদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বাঁশবেড়িয়ার অধিকাংশ ওয়ার্ডে উন্নয়ন স্তব্ধ। পুরপ্রধানের ব্যবহার ভালো নয়। অভব্য আচরণ। দলীয় কাউন্সিলররা প্রায় কেউই পারতপক্ষে চেয়ারম্যান এর ঘরে ঢোকেন না। কয়েকজন পেটোয়া কাউন্সিলরদের নিয়ে তিনি চলেন। যা কিছু উন্নয়ন শুধু সেই সব ওয়ার্ডেই হয়। চেয়ারম্যান কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি।কিছুদিন আগেও সাত নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর অমিত ঘোষ ও ওই ওয়ার্ডের বাসিন্দারা জলের দাবিতে দীর্ঘ নয় ঘন্টা অবস্থান বিক্ষোভে বসেছিল বাঁশবেড়িয়া পুরসভায়। তবে পুরসভায় অমিতকে দেখা যায়নি। অফিসে আসেননি চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যানরাও। অন্যদিকে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মগড়া থানার পুলিশও পুরসভায় উপস্থিত ছিল। তৃণমূলের প্রকাশ্য অন্তর্কলহ দেখে মজা পাচ্ছে বিজেপি।বিজেপির জেলা সম্পাদক সুরেশ সাউ বলেন, পুরো বিষয়টি ভাগ বাটোয়ারার খেলা। চেয়ারম্যানের ব্যবহার খারাপ বলে কাউন্সিলররা ধর্ণায় বসেছেন শুনলে পাগলেও বিশ্বাস করবে না। আসল বিষয়টা অন্য। বিভিন্ন খাতের টাকা চেয়ারম্যান নিজেই হজম করছেন। কাউন্সিলরদের ভাগ দিচ্ছেন না তাই তাঁরা ফুঁসে উঠেছে।

জুন ২৩, ২০২৪
দেশ

সর্বভারতীয় ইন্ডিয়া জোট কি এ রাজ্যেও, পোস্টার ঘিরে জোর বিতর্ক বাংলায়

ইন্ডিয়া জোট নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে বিজেপি বিরোধীরা একজোট হয়েছে। জোটে রয়েছে তৃণমূলের সঙ্গে কংগ্রেস ও সিপিএমও। এবার এই ইন্ডিয়া জোটের হোডিং ঘিরে চরম বিতর্ক। সেই হোডিংয়ে একসঙ্গে রয়েছে মমতা-সনিয়া, রাহুল-অভিষেক এবং সেলিম-সুজন-অধীরের মুখ! সেখানে লেখা, ইনক্লাব জয় বাংলা স্লোগান। হুগলির চাঁপদানী, ভদ্রেশ্বর, পোলবা এলাকার বহু জায়গায় এই ধরনের হোডিং পড়েছে। যা নিয়েই বঙ্গ রাজনীতিতে শুরু হয়েছে জল্পনা।দিল্লির মসনদ থেকে মোদী সরকারকে উৎখাত করতে কোমর বাঁধে নেমেছে বিরোধী ২৮টি রাজনৈতিক দল। তৈরি হয়েছে ইন্ডিয়া জোট। কংগ্রেস, তৃণমূল, সিপিআইএম সহ বিজেপি বিরোধী প্রায় সব রাজনৈতিক দলই এই জোটের শরিক। জাতীয়স্তরে জোট হলেও বিভিন্ন রাজ্যে এই জোট কীভাবে বাস্তবায়িত হবে তা নিয়েও আলোচনা চলছে। এদিকে প্রাদেশিক রাজনীতির সমীকরণের জেরে বাংলায় ইন্ডিয়া জোট নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। পঞ্জাব, দিল্লি, কেরলেও একই অবস্থা। পশ্চিমবঙ্গে যখন তৃণমূলের বিরুদ্ধে নানা ইস্যুতে সরব কংগ্রেস ও সিপিআইএম রাজ্য নেতৃত্ব, তখন জাতীয়স্তরে ইন্ডিয়া জোটে অন্তর্ভুক্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে ওইসব দলের ভিতর থেকে। সিপিআইএম স্পষ্ট জানিয়েছে, সর্বভারতীয়স্তরে তৃণমূলের সঙ্গে এক শিবিরে থাকলেও বাংলায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে দলের লড়াই চলবে। একই অবস্থান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি চৌধুরীরও। যদিও কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নেতারা এ নিয়ে কিছু খোলসা করেননি। ফলে কৌস্তভ বাগচির মত কংগ্রেস নেতারা এ নিয়ে সরব।এই প্রেক্ষাপটে ইন্ডিয়া জোটের হোডিংয়ে একসঙ্গে মমতা-সনিয়া, রাহুল-অভিষেক এবং সেলিম-সুজন-অধীরের মুখ ঘিরে নানা জল্পনা। কিন্তু কারা লাগিয়েছে ওই হোডিং? এর জবাব নেঔ জোটের শরিক কোনও দলের জেলা নেতার কাছে। কেউ হোর্ডিং-এ সাইন-আপও করেনি।এই হোর্ডিং প্রসঙ্গে সিপিআইএম জেলা সম্পাদক তথা রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য দেবব্রত ঘোষের কথায়, পোস্টার বা ব্যানারের তলায় কি কারোর নাম আছে? যখন অজানা কেউ এই ধরণের কিছু ছাপিয়ে শহরে টাঙায় তাহলে তাকে গুরুত্ব দিয়ে লাভ নেই। আর এরকম কিছু আমার চোখেও পড়েনি। তাই এই বিষয় নিয়ে কিছু বলবো না। তাঁর কটাক্ষ, যারা এসব ছাপিয়েছে তারা মোদীর ছবিটাও ওই ব্যানার বা ফ্লেক্সে দিতে পারতো তাহলে তা ষোল কলা পূর্ন হত।হুগলির প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রীতম ঘোষের কথায়, এখনও এই জোটের অনেক পথ চলা বাকি। এখনও অনেক কিছু হবে। সবই প্রাথমিক পর্যায়। তাই এখনও সময় হয়নি এই জোট নিয়ে আলোচনার। ব্যানার পোস্টার ছাপানো তো দূরের ব্যাপার।তৃণমূলের হুগলি জেলা সভাপতি অরিন্দম গুঁইন বলছেন, এটা কারা লিখেছে, সেটা আমাদের জানা নেই। ইন্ডিয়া জোট শক্তিশালী হোক, এটা আমরা সবাই চাই। বিজেপিকে আটকাতে হলে ইন্ডিয়া জোটকে শক্তিশালী করতে হবে। তবে এই পোস্টার বা ব্যানার কারা লাগাচ্ছে, সেটা আমাদের জানা নেই।যারপরনাই এই অবস্থা তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করছে বিজেপি। জেলা বিজেপির সম্পাদক দীপাঞ্জন গুহর দাবি, নীতি, আদর্শ চ্যূত জোটের এই অবস্থা মানুষ দেখুক। আমরা এতে চিন্তিত নই। এই লড়াই বিরোধী জোটের অভ্যন্তরীণ লড়াই। সহজেই বোঝা যায় এরা ক্ষমতায় এলে কি করতে পারে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৩
রাজনীতি

পঞ্চায়েতে টাকা নিয়ে টিকিট বিক্রি, ব্লক সভাপতির বিরুদ্ধে তৃণমূল বিধায়কের ভয়ঙ্কর অভিযোগে শোরগোল

তৃণমূল বিধায়ক এবার সরাসরি দুর্নীতির অভিযোগ তুললেন ব্লক সভাপতির দিকে। হুগলির বলাগড়ের বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারির দাবি, ব্লক সভাপতি নবীন গঙ্গোপাধ্য়ায় টাকার বিনিময়ে পঞ্চায়েতের টিকিট বিক্রি করেছেন। এর আগে চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা নিয়ে ওই তৃণমূল ব্লক সভাপতি ফিরিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছিলেন বলেও ফেসবুক পোস্টে স্পষ্ট লিখেছেন বলাগড়ের বিধায়ক। তাঁর লেখা নিয়ে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। ব্লক সভাপতি যে চোর সেই প্রমানও বিধায়কের কাছে আছে বলে ওই পোস্টে জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। বিরোধীরা বলতে শুরু করেছে, বিধায়কই যেখানে দুর্নীতির অভিযোগ করছেন দলীয় নেতার বিরুদ্ধে তাহলে কিছু আর বলার নেই। দুর্নীতিতে যুক্তদের নিয়ে তৃণমূল চলছে বলে স্বয়ং বিধায়কই প্রকাশ্যে অভিযোগ করছেন।রবিবার মনোরঞ্জন ব্যাপারি ফেসবুকে কি লিখেছেন?আজ টিভিতে সংবাদ পরিবেশন হচ্ছে আমি নাকি টাকার বিনিময়ে পঞ্চায়েত প্রার্থীকে নির্বাচনে টিকিট দিচ্ছি। এই অভিযোগ এনেছে সেই ব্লক সভাপতি যে নিজে কয়েকদিন আগে চাকরি দেওয়ার কথা বলে লোকের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অপরাধে অভিযুক্ত হয়ে নাক কান মুলে সেই টাকা ফেরত দিয়েছেন। ফেরত দিতে আমি বাধ্য করেছি। এক প্রমাণিত চোর আমার গায়ে কাদা ছেটাচ্ছে। এর চেয়ে অবাক ব্যাপার আর কী হয়। বলাগড় ব্লকে সর্বমোট পঞ্চায়েত সিট ২২৪, আমি তার মধ্যে পেয়েছি ১০৯টি টিকিট। বাকি সব টিকিট পেয়েছে ওই ব্লক সভাপতি। যার নামে বলাগড়ের আকাশে বাতাসে ভাসছে টাকা নিয়ে পঞ্চায়েতে প্রার্থী টিকিট বিক্রির গল্প। আমি যে টিকিট পেয়েছি কাল সেই টিকিট প্রার্থীদের হাতে তুলে দেব। আমি চ্যালেঞ্জ করছি যে কেউ এসে তাদের কারও মুখ থেকে যদি বলাতে পারেন কারও কাছ থেকে আমি পাঁচ পয়সা নিয়েছি আমি বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেব! আর কেউ যদি প্রমান চান ব্লক সভাপতি কত বড় চোর আমার কাছে তার অনেক প্রমাণ আছে। নিজের চোখে দেখে যেতে পারেন। যদিও ব্লক সভাপতির কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।মমতা বন্দ্য়োপাধ্যাযের দলের বিধায়কের এই পোস্ট নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসেও শোরগোল পড়ে গিয়েছে। একেই বিরোধীরা ক্রমাগত চুরি ও দুর্নীতি নিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে আসছে, পঞ্চায়েত নির্বাচন চলাকালীন এভাবে তৃণমূল বিধায়ক ব্লক সভাপতির বিরুদ্ধে গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগ তোলায় চরম অস্বস্তিতে পড়ছে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব।

জুন ১৮, ২০২৩
রাজ্য

হুগলী শিল্পাঞ্চলের বেদখল জমি পুনরুদ্ধারের ডাক দিয়ে শ্রীরামপুরে মিছিল বাংলা পক্ষর

বাংলা পক্ষ হুগলীর শ্রীরামপুরে এক ঐতিহাসিক মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। শ্রীরামপুরের বান্ধবসমিতির মোড় থেকে আরএমএস (RMS) ময়দান হয়ে বটতলা, জিটি রোড হয়ে মাহেশে এসে এই মিছিল শেষ হয়। হুগলী নদীর পাড়ের দখল হয়ে যাওয়া শিল্পাঞ্চলের প্রচুর সহযোদ্ধা এই মিছিলে যোগদান করে। স্থানীয় বাঙালির স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে এই মিছিলের সমর্থনে পা মেলায়।রবিবাসরীয় এই মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষের সাধারন সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, অরিন্দম বিশ্বাস, মনন মণ্ডল, কালাচাঁদ চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ। এছাড়াও হুগলী জেলার সম্পাদক দর্পণ ঘোষ, কলকাতা জেলা সম্পাদক অরিন্দম চ্যাটার্জী, উত্তর ২৪ পরগণা (শিল্পাঞ্চল) এর সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ ও উত্তর ২৪ পরগণা (শহরাঞ্চল) এর সম্পাদক পিন্টু রায়।মিছিল শেষে সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বাংলা পক্ষের সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন দখল হয়ে যাওয়া হুগলী নদীর দুই পাড় পুনরুদ্ধার করতে হবে। ডানকুনির লজিস্টিক হাব সহ হুগলী শিল্পাঞ্চলে যে কাজের সুযোগ তৈরী হচ্ছে, সেখানে বাঙালির কাজ চাই। বাংলা পক্ষ আজ ঐতিহাসিক মিছিল করল। এই মিছিল দেখে হুগলীর বাঙালি তথা বাংলার বাঙালি বুকে বল পাবে। বাঙালির জনজোয়ার বুঝিয়ে দিচ্ছে গঙ্গার দুপারে বহিরাগতদের রাজত্ব শেষ হওয়া সময়ের অপেক্ষা।সংগঠনের শীর্ষ পরিষদ সদস্য তথা সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি বলেন রিষড়া, ভদ্রেশ্বর, চাঁপদানী বিহার না বাংলা বোঝা যায় না, বেশীর ভাগ কাউন্সিলার বহিরাগত, চারদিকে সিং গজিয়ে উঠছে। যে সিং বাঙালিকে গোঁতাতে আসবে আমরা তা ভোঁতা করে দেব। বাংলার চাকরি, কাজ, বাজার, পুঁজি সবকিছুর দখল আমরা চাই।শীর্ষ পরিষদ সদস্য তথা হুগলী জেলার ভূমি সন্তান মনন মণ্ডল বলেন, ব্যান্ডেল থেকে উত্তরপাড়া হুগলীর দুপাড়ে বাঙালি কোনঠাসা হয়ে গেছিল। বাংলা পক্ষর নেতৃত্বে বাঙালি আবার ঘুরে দাঁড়াচ্ছে৷ ৩০ বছরের কম বয়সী ছেলেমেয়েরা মিছিলে হাঁটছে৷ এটা আগামীর স্বপ্ন দেখায়।হুগলী জেলা সংগঠনের সম্পাদক দর্পণ ঘোষ বলেন এই মিছিলে বাঙালির মনে যে আলোড়ন তৈরী হল, তা ঘরে ঘরে বাঙালিকে জাগিয়ে তুলবে। বাঙালি নিজের অধিকার বুঝে নেবে। কারখানায় কাজ থেকে অটো, টোটো লাইন থেকে ফুটপাথ- সর্বত্রই আমরা বাঙালির অধিকার প্রতিষ্ঠা করবো। যে স্বপ্ন আমরা ৫ বছর আগে দেখেছিলাম, জিটি রোডের উপর বাঙালির গর্জন বুঝিয়ে দিচ্ছে বাঙালি দ্রুত জাগছে।

ডিসেম্বর ১২, ২০২২
রাজনীতি

Manoranjan Bapari: বিধায়কের ফেসবুক পোস্ট নিয়ে বিভ্রান্তি হুগলির তৃণমূলে, মুচকি হাসছে গেরুয়া শিবির

ফেসবুক পোস্ট থেকে বিরাম নেই বলাগড়ের তৃণমূল বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারীর। তাঁর সোশাল মিডিয়ায় লাগাতার পোস্ট অস্বস্তিতে ফেলছে দলকে। এমনকী জনপ্রিয় স্লোগান খেলা হবে তুলে ধরে সরাসরি তিনি বিঁধেছেন বলাগড়ের দলীয় নেতৃত্বের একাংশকে। যা নিয়ে ক্ষুব্ধ দলের কেউ কেউ। রিক্সাচালক সাহিত্যিকের এমন ফেসবুক পোস্ট দেখে মুচকি হাসছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপির হাতে নির্বাচন-পরবর্তী হিংসায় আক্রান্ত এবং শয্যাশায়ী তৃণমূল কর্মী বাপ্পা ঘোষ কিছুতেই বিধায়কের খেলা হবে মানতে পারছেন না।আরও পড়ুনঃ এবার দলের কর্মীদের দিয়ে পায়ে জুতো গলিয়ে বিতর্কে বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়কবলাগড়ের তৃণমূল বিধায়কের বিতর্কিত ফেসবুক পোস্ট তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এনেছে। তাঁর আক্রমণের তিরে প্রাক্তন বিধায়ক তথা বর্তমানে তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক অসীম মাঝি, হুগলি জেলা পরিষদের স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ তথা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ব্লক সভাপতি নবীন গঙ্গোপাধ্যায়। প্রাক্তন বিধায়ককে নির্বোধ বলতেও ছাড়েননি, গদ্দার ও বেইমান তকমা তো রয়েছে! বিধায়ক বলেছেন, যাঁরা ভেবেছিলেন লোকসভা ভোটে ৩৬ হাজার ভোটে পিছিয়ে থাকা আসনে আমি হারব, আমি জেতায় তাঁরা সহ্য করতে পারছেন না। তাঁরা ভোটের সময় কাজ করেনি, বরং অন্য প্রার্থীকে ভোট দিতে বলেছে। আমি দলের জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বকে গোটা বিষয় জানিয়েছি। বিধায়কের ফেসবুক পোস্ট দেখে তৃণমূল কর্মীরাও বিভ্রান্ত।জিরাট কলেজের সামনে ফ্লেক্সে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবির নীচে অসীম মাঝি ও শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ছিল। জানা গিয়েছে, ওই ফ্লেক্স সরিয়ে নিতে নির্দেশ দেন বিধায়ক। তা সরিয়ে শৌচাগারের কাছে রাখা হয়। তা দেখে দলনেত্রীকে অসম্মানের অভিযোগে অধ্যক্ষের কাছে প্রতিবাদ জানান ছাত্র-ছাত্রীরা। পরে ফের তা লাগানো হলেও তৃণমূল নেতৃত্বই পরে গিয়ে ফ্লেক্সটা খুলে নেয়। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ওই ফেসবুকে শেয়ার করেছেন বিধায়ক। যদিও তাঁর প্রচারে অংশ না নেওয়ার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতেই সরব হয়েছে দলের একাংশ। সাধারণ কর্মীদের বিভিন্ন পোস্টে দেখা যাচ্ছে কীভাবে মনোরঞ্জন ব্যাপারীর সমর্থনে দিন-রাত খেটেছেন অসীম মাঝি, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়রা।আরও পড়ুনঃ এই শ্রাবণে...তোমার জন্যে গতকাল ফেসবুক পোস্টে মনোরঞ্জন ব্যাপারী লিখেছিলেন, যারা বন্দুক রিভলবার দেখিয়ে ভোটে জেতে তাদের জনগনের প্রতি কোন দায়বদ্ধতা থাকে না । তাঁরা মনে করে ওইভাবে বার বার জিতে যাবে। আমি তেমন ভাবে জিতি নি, জিততে চাই না। আমি জিতেছি মা মাটি মানুষের নেত্রী দিদি মমতা ব্যানার্জীর আশীর্বাদ আর আপনাাসায়। একাংশ মনে করছে বিধায়কের এই পোস্ট বিজেপির অভিযোগকে শক্ত করেছে। কারা বন্দুক, রিভলবার নিয়ে ভোটে জয়ী হয় সেই প্রশ্ন উঠেছে।আরও পড়ুনঃ ঘাটাল বাঁচাতে মুখ্যমন্ত্রীর মাস্টার প্ল্যান কী?শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও ভোটের সময় বন্দুক দেখিয়ে নমিনেশনে বাধাদানের কথা বিধায়ক লিখেছেন ফেসবুকে। যদিও বিধায়কের মন্তব্য নিয়ে কিছু বলতে রাজি নন শান্তনু এবং প্রাক্তন বিধায়ক অসীম মাঝি। বিরোধীদের কটাক্ষ, বলাগড়ে বহিরাগত বিধায়ক হওয়ায় বিপাকে পড়েছে তৃণমূল। তাঁর দলে থাকা নিয়েই সংশয়ে রাজনৈতিক মহল।আরও পড়ুনঃ পঞ্চায়েত অফিসে ঢুকে প্রধানকে শাসানোর অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধেদলের শীর্ষ নেতৃত্বের হস্তক্ষেপ চেয়ে সোচ্চার আক্রান্ত তৃণমূল কর্মী বাপ্পা ঘোষ। ভোটের ফলপ্রকাশের পর বাপ্পা ঘোষ, তাঁর ভাই বাপন-সহ জনা পঁচিশ তৃণমূল কর্মীর উপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছিল বিজেপির বিরুদ্ধে। বাপ্পার পেটে ছুরি চালানো হয়, বাপনের কাঁধে হাঁসুয়া দিয়ে কোপ মারা হয়। থানায় যে এফআইআর দায়ের হয় তাতে সাত নম্বরে নাম রয়েছে বিজেপির মণ্ডল সভাপতি বেচু নায়েকের। বেচুবাবু মনোরঞ্জন ব্যাপারীর বক্তব্য ফেসবুকে শেয়ার করছেন! বাপ্পা ঘোষ জানান, তার উপর হামলার পরদিন বিধায়ক বাড়িতে এসেছিলেন। তারপর আর খোঁজ নেননি। সেদিন রাতে বিধায়ককে ফোনে পাইনি। বিধায়কের সঙ্গী শ্যামাপ্রসাদ রায় বন্দ্যোপাধ্যায় ফোন ধরে বলেছিলেন, দেখছি। তখন রাত ১১টা। কিন্তু হামলার খবর পেয়েই ছুটে এসেছিলেন শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। বিপদে তাঁকে ছাড়া কাউকে পাশে পাইনি। তিনিই প্রথমে চুঁচুড়া ও পরে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করান, প্রয়োজনীয় রক্তের চাহিদা মিটিয়ে প্রাণ রক্ষা করেছেন। নাহলে কী যে হত! বাপ্পার বক্তব্য, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় ও দলের কয়েকজন আমার পরিবারকে দেখছেন। এখনও আমি অসুস্থ। অথচ আক্ষেপ যে মণ্ডল সভাপতি অভিযুক্ত তাঁর বাড়িতে পুলিশ পর্যন্ত যায়নি। কেন যায়নি সেটা আজ তাঁর ফেসবুক পোস্ট দেখে বুঝছি।

আগস্ট ১০, ২০২১
রাজ্য

প্রার্থী ঘোষণার আগেই প্রার্থীপদ বাতিলের আশঙ্কা হুগলির আরামবাগে

বিধানসভা নির্বাচনের জন্য আগামীকাল প্রার্থী ঘোষণা করবে তৃণমূল কংগ্রেস। আজ দলের শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতিতে প্রার্থীতালিকা চূড়ান্ত হওয়ার কথা। এর আগেই তৃণমূলের মধ্যে জল্পনা যেমন চলছে, তেমনই চলছে আশঙ্কাও। হুগলি জেলায় লোকসভা ভোটে দলের ফল ভালো হয়নি। গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছে। তা যাতে জয়ের পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায় সেজন্য অনেক আসনে তারকা প্রার্থী দেওয়া হতে পারে, বিশেষ করে টলিউডের। ফলে পুরানো অনেক নেতা, কর্মীর আজ রাত কাটবে উৎকণ্ঠায়।আরামবাগ লোকসভা আসনে তৃণমূল কংগ্রেস খুব স্বল্প ব্যবধানে জয় পায়। বেশিরভাগ বিধানসভা অংশেই তৃণমূল পিছিয়ে ছিল বিজেপির চেয়ে। তবে হুগলির খানাকুলে এক নেতা নিজেকে প্রার্থী হচ্ছেন ধরে নিয়ে আবির কিনে প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন বলে খবর। উল্লেখ্য, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে তাঁর প্রার্থীপদ বাতিলের দাবি জানিয়ে সরকারি দফতরে চিঠি দিয়েছিল বিজেপি। তাতে তাঁর কর্মাধ্যক্ষ হওয়া আটকে গেলেও জেলা পরিষদ সদস্য হওয়া আটকায়নি। রেশন ডিলার কীভাবে নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছিল বিজেপি।সেই নেতাই প্রার্থী হচ্ছেন ধরে নিয়ে আগাম উৎসবের তোড়জোড় শুরু করেছেন। যদিও রেশন ডিলারের ডিলারশিপ ছেড়ে প্রার্থী হওয়ার অবকাশ আর নেই বলেই দাবি তৃণমূলের একাংশের। সেটাও দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তৃণমূলের এক প্রবীণ নেতার কথায়, দল কাকে প্রার্থী করবে সেটা দলের ব্যাপার। আমাদের নেত্রীর নির্দেশ মেনেই আমরা ভোটযুদ্ধে ঝাঁপাব। কিন্তু যাঁর কথা শোনা যাচ্ছে, তিনি প্রার্থী হলে বিজেপি আবার আপত্তি জানাবে এটা বলাই যায়। স্ক্রুটিনিতে যদি প্রার্থীপদ বাতিল হয়ে যায় তাতে দলের মুখ পুড়বে। তাই চূড়ান্ত ঘোষণার আগে জেনেবুঝে পা ফেলাই শ্রেয়। কোনওভাবে প্রার্থীপদ বাতিল হলে তো এই এলাকা থেকে লড়াইয়ে আমরা ছিটকে যাব। দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে জানানোও হয়েছে। আশা করছি, সঠিক পদক্ষেপই করবে দল।

মার্চ ০৪, ২০২১
বিবিধ

তারকেশ্বরে বিজয়া সম্মিলনীতে শান্তনু

হুগলি জেলায় তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতা, মন্ত্রী, সাংসদদের নিয়ে গড়া কোর কমিটির বিধানসভাভিত্তিক তিনটি জনসভা যেখানে কার্যত ফাঁকা মাঠে পথসভায় পরিণত হয়ে ডাহা ফ্লপ, সেখানে তারকেশ্বরে একটি বিজয়া সম্মিলনীতে দেখা গেল উপচে পড়া ভিড়। বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২০ তারকেশ্বরের উপ পৌরপিতা উত্তম কুণ্ডুর নেতৃত্বে তারকেশ্বর শহর তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়েছিল। তারকেশ্বর বিধানসভার বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক ও এলাকার প্রবীণ নাগরিকদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। বিশেষভাবে সক্ষম ভাইদের ট্রাইসাইকেল প্রদান-সহ নানা মানবিক কর্মসূচি নেওয়া হয়। উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে হেভিওয়েট নেতা, মন্ত্রী, সাংসদদের উপস্থিতি ছাড়াই অনুষ্ঠানে এতো জনসমাগম নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে জেলার রাজনৈতিক মহলে।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
কলকাতা

মারণ রোগের বিরুদ্ধে ঋত্ত্বিকার লড়াইয়ে সহযোদ্ধা যুবযোদ্ধারা

রক্তদান জীবনদান। বহু পরিচিত এই কথাকে মাথায় রেখে ফুটফুটে শিশুর কঠিন জীবন সংগ্রামে তার সহযোদ্ধা হলো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলার যুবশক্তি কর্মসূচিতে সামিল যুবযোদ্ধারা। ঋত্ত্বিকা দত্ত। বয়স ৯ বছর ৭ মাস। ফুটফুটে এই শিশুকে লড়াই চালাতে হচ্ছে মারণ রোগের সঙ্গে। কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে ব্লাড ক্যান্সারের চিকিৎসা চলছে। ২৫০ ইউনিট রক্ত দরকার। প্রতি সপ্তাহে দরকার ২০ ইউনিট রক্ত। রক্ত জোগাড়ে হিমশিম খাচ্ছেন ঋত্ত্বিকার বাবা। পান্ডুয়া ব্লক তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি সৌরভ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাধ্যমে এই খবর পৌঁছায় তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের কানে। সঙ্গে সঙ্গে তিনি নির্দেশ দেন যুবযোদ্ধাদের মধ্যে থেকেই রক্তদাতা খুঁজে বের করতে। শুধু নির্দেশ দিয়েই ক্ষান্ত হননি শান্তনু। বৃষ্টি মাথায় করেই সৌরভ ও ২৫ জন যুবযোদ্ধাকে নিয়ে শান্তনু বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর পৌঁছে যান কলকাতার ওই হাসপাতালে। কথা বলেন চিকিৎসকদের সঙ্গে। ছোট্ট ঋত্ত্বিকার হাতে উপহার তুলে দিয়ে মিঠুনবাবু ও তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন। আশ্বাস দেন, রক্ত নিয়ে দুশ্চিন্তা করবেন না। ঋত্ত্বিকা যতদিন না সুস্থ হচ্ছে, চিকিৎসকরা যতদিন রক্ত দিতে বলবেন সেই দায়িত্ব আমরা নিলাম। শান্তনুর এই প্রশংসনীয় মানবিক উদ্যোগ যেন আরও একবার দেখিয়ে দিল অভিষেকের বাংলার যুবশক্তি কর্মসূচির সার্থকতা।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০
রাজ্য

'জলস্বপ্ন' প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করতে লক্ষ্যমাত্রা স্থির হুগলির, এই বছরেই ১ লাখ

প্রত্যেক বাড়িতে নলবাহিত পরিস্রুত পানীয় জল পৌঁছে দিতে 'জলস্বপ্ন' প্রকল্প ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০২৩ সালের মধ্যে রাজ্যে এই প্রকল্প রূপায়ণের লক্ষ্যমাত্রা স্থির হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী সব সময় বলেন, ভালো কাজের প্রতিযোগিতা চলুক। সেই চ্যালেঞ্জে উদ্বুদ্ধ হয়েই 'জলস্বপ্ন' প্রকল্প নিয়েও তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে হুগলি জেলায়। শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর চুঁচুড়ার নতুন প্রশাসনিক ভবনের সর্বশিক্ষা সভাঘর থেকে জেলার এসডিও, বিডিও, জনস্বাস্থ্য কারিগরী দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে‌ করেন জেলাশাসক ওয়াই রত্নাকর রাও। উপস্থিত ছিলেন জেলা সভাধিপতি শেখ মেহবুব রহমান, জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। জেলাশাসক পরে সাংবাদিকদের জানান, চলতি বছরেই এক লক্ষ বাড়িতে 'জলস্বপ্ন' প্রকল্পের মাধ্যমে পরিস্রুত পানীয় জল পৌঁছে দেওয়া হবে। এ জন্য কাউকে কোনও আবেদন বা টাকা জমা দিতে হবে না। জেলায় প্রকল্পের রূপরেখা চূড়ান্ত করা হয়েছে, আগামী সোমবার থেকে পঞ্চায়েতগুলির সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্স করে চাহিদা জেনে কীভাবে কাজ করতে হবে সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হবে। জেলার জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, জেলায় পিএইচই দফতরের ২৫টি প্রকল্পের কাজ চলছে। তার মধ্যে ১৭টি প্রকল্পের কাজ আগামী জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে শেষ করে ফেলার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। এতেও উপকৃত হবেন লক্ষাধিক মানুষ। এ ছাড়া বলাগড়ে গঙ্গার জল পরিশোধন করে পানীয় জল সরবরাহের প্রকল্পের টেন্ডার হয়ে গিয়েছে। এই প্রকল্পে খরচ হবে ৫২০ কোটি টাকা। নভেম্বর-ডিসেম্বরে কাজ শুরু হয়ে যাবে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বলাগড় থেকে পান্ডুয়া অবধি ৭ লক্ষ মানুষ উপকৃত হবেন। সবমিলিয়ে নির্ধারিত সময়ের আগেই এই জেলায় 'জলস্বপ্ন' প্রকল্পের কাজ শেষ করে মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নপূরণ করতে আমরা সকলে বদ্ধপরিকর।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০
রাজনীতি

আরামবাগে তৃণমূলের বিশাল পদযাত্রা, পরিযায়ী শ্রমিক ইস্যুতে দিলীপকে পাল্টা শান্তনুর

বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ পরিযায়ী শ্রমিকদের যেভাবে অসম্মান করেছেন তার কড়া সমালোচনা করলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার ৮ সেপ্টেম্বর হুগলির আরামবাগে তৃণমূল কংগ্রেসের বিশাল পদযাত্রা ও সমাবেশ হয়। উপস্থিত ছিলেন সাংসদ অপরূপা পোদ্দার, বিধায়ক কৃষ্ণচন্দ্র সাঁতরা, তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়, পৌর প্রশাসক স্বপন নন্দী, ব্লক সভাপতি কমল কুশারী প্রমুখ। সম্প্রতি খড়দহে দিলীপ ঘোষ বলেন, পুলিশের সন্তানদের ডাক্তার- ইঞ্জিনিয়ার নয়, পরিযায়ী শ্রমিক করে ছাড়ব। এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে শান্তনু বলেন, বিজেপি ও তাদের রাজ্য সভাপতি পরিযায়ী শ্রমিকদের কী চোখে দেখেন এই মন্তব্যেই তা বোঝা যায়। আরামবাগে ২০-৩০ হাজার মানুষ আছেন যাঁরা ভিনরাজ্যে নানাবিধ কাজ করে উপার্জন করেন। লকডাউনে তাঁদের ফিরিয়ে এনেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁদের পরিবারগুলিকে বিনামূল্যে রেশনের ব্যবস্থা করেছেন, তাঁরা যাতে কাজ পান প্রশাসনকে দিয়ে তার ব্যবস্থা করেছেন। ভিনরাজ্যে থাকা শ্রমিকদের স্নেহের পরশ প্রকল্পে অর্থসাহায্য করেছেন। তিনিই প্রথম প্রধানমন্ত্রীকে ও বিভিন্ন রাজ্যকে অনুরোধ করেছিলেন পরিযায়ী শ্রমিকদের যত্ন নিতে। এ রাজ্যে থাকা অন্য রাজ্যের শ্রমিকদের জন্য তিনি এতো ভালো বন্দোবস্ত করেছিলেন যে তাঁরা কেউ ফিরে যেতে চাননি। বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলিতে পরিযায়ী শ্রমিকদের দুর্দশা সকলেই নিজের চোখে দেখেছেন। দিলীপ ঘোষ সেই শ্রমিকদের নিকৃষ্টতম মনে করে তাঁদের প্রতি অসম্মানজনক কথা বলছেন! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে মানুষ কীভাবে ভালো থাকেন সেদিকে নজর রাখেন। আর কেন্দ্রীয় সরকার মানুষের বিপদেও রাজনীতির স্বার্থ দেখে। রাজ্যের প্রাপ্য না দিয়ে সরকারকে বেকায়দায় ফেলছে। সরকারি সম্পত্তি বিক্রি করা হচ্ছে একের পর এক। ব্যাঙ্কে জনসাধারণের টাকা সুরক্ষিত নয়। এলআইসি নিয়েও আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মানুষের ঘাড়ে জিএসটির বোঝা চাপাচ্ছে। বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী ছাঁটাইয়ের খাঁড়ার নীচে রয়েছেন। আর ভোট এলেই নজর ঘোরাতে বিজেপির যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা শুরু হয়।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
রাজ্য

হুগলিতে পথ দুর্ঘটনায় মৃত দেবশ্রী, মুখ্যমন্ত্রীর শোকবার্তা

হুগলিতে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা। শিলিগুড়ির ডাবগ্রাম থেকে বৃহস্পতিবার ১০ সেপ্টেম্বর রাতে রওনা দিয়ে বেহালার পর্ণশ্রীর বাড়িতে ফেরার সময় শুক্রবার ১১ সেপ্টেম্বর সকালে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার দেবশ্রী চট্টোপাধ্যায়-সহ ৩ জন। ২ নং জাতীয় সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধাক্কা মারে তাঁদের স্করপিও গাড়িটি। দুর্ঘটনায় দেবশ্রীদেবী ছাড়াও প্রাণ হারান তাঁর নিরাপত্তারক্ষী তাপস বর্মণ ও চালক মনোজ সাহা। শোকবার্তায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার দেবশ্রী চ্যাটার্জির মৃত্যুতে আমি গভীর শোক প্রকাশ করছি। তিনি আজ হুগলির দাদপুরে এক পথ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান। বয়স হয়েছিল ৪৫ বছর। দক্ষ এই পুলিশ আধিকারিক পরিশ্রম ও নিষ্ঠার গুণে ডেপুটি কমিশনার পর্যায়ে উন্নীত হন। রাজ্য পুলিশেও তিনি কর্মকৃতির স্বাক্ষর রাখেন। মানবপাচার রোধে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য তিনি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পান। তাঁর মৃত্যুতে আমরা এক দক্ষ পুলিশ অফিসারকে হারালাম। আমি দেবশ্রী চ্যাটার্জির পরিবার-পরিজন ও অনুরাগীদের আমার আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি। দেবশ্রী চট্টোপাধ্যায় বর্তমানে কমান্ডিং অফিসার পদে কর্মরত ছিলেন, তিনি কলকাতা পুলিশের প্রথম মহিলা ওসি হয়েছিলেন। ২০১৬ সালে উত্তরবঙ্গে বদলি হন। পথ দুর্ঘটনায় বাকি দুই মৃতের পরিবার-পরিজন ও অনুরাগীদের জন্যও সমবেদনা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

উপনির্বাচনের আগে বড় সিদ্ধান্ত কমিশনের, ‘তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম ও জোড়াফুল প্রতীক ফ্রিজ

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় নাম এবং নির্বাচনী প্রতীক আপাতত ফ্রিজ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী এবং বিরোধী গোষ্ঠীকেউই আসন্ন উপনির্বাচনে অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস নাম বা দলের জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না।দলীয় নাম ও প্রতীকের মালিকানা নিয়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিরোধের জেরেই এই অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বিষয়টি বর্তমানে প্রতীক সংক্রান্ত নির্দেশের ১৫ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে বিবেচনাধীন রয়েছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত দুই পক্ষকেই পৃথক পরিচয় এবং আলাদা নির্বাচনী প্রতীকে উপনির্বাচনে লড়তে হবে।কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, দুই গোষ্ঠীকেই তিনটি করে পছন্দের দলের নাম এবং তিনটি করে প্রতীকের বিকল্প জানাতে বলা হয়েছে। ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টার মধ্যে সেই তালিকা জমা দিতে হবে। এরপর কমিশন দুই পক্ষের জন্য পৃথক নাম ও প্রতীক বরাদ্দ করবে।নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূলের দলীয় পরিচয় ও প্রতীক নিয়ে এই বিরোধ আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দুই পক্ষই নিজেদের তৃণমূল কংগ্রেসের বৈধ প্রতিনিধি বলে দাবি করেছে। কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পরই স্পষ্ট হবে দলীয় নাম ও সংরক্ষিত প্রতীকের অধিকার কার হাতে থাকবে।ততদিন পর্যন্ত উপনির্বাচনে কোনও গোষ্ঠীই অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস নাম বা জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

‘কোনও যোগ্য উপভোক্তা অন্নপূর্ণার সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন না', জন্মদিনে মোদীর গ্যারান্টিতে উচ্ছ্বাস মহিলাদের

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বাংলায় পালিত হল অন্নপূর্ণা দিবস। এই উপলক্ষে অন্নপূর্ণা যোজনার আওতায় রাজ্যের ১.৫৮ কোটি মহিলার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে মাসিক ৩ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সল্টলেকে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের প্রতিটি যোগ্য মহিলা যাতে এই প্রকল্পের সুবিধা পান, তা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।এদিন কলকাতার সল্টলেকে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি ঘোষণা করেন, প্রতি বছর ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন অন্নপূর্ণা দিবস হিসেবে পালন করা হবে। তাঁর বক্তব্য, প্রধানমন্ত্রী মোদির প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী রাজ্যে মহিলাদের মাসিক ৩ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়ার এই প্রকল্প চালু করা হয়েছে।অন্নপূর্ণা যোজনা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একটি আর্থিক সহায়তা প্রকল্প। এই প্রকল্পের আওতায় যোগ্য মহিলাদের সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রী জানান, সেপ্টেম্বর মাসের কিস্তির টাকা ১.৫৮ কোটি উপভোক্তার মধ্যে অধিকাংশের অ্যাকাউন্টে ইতিমধ্যেই পাঠানো হয়েছে। বাকি উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টেও বৃহস্পতিবারের মধ্যে পৌঁছে যাবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।কোনও যোগ্য মহিলা যেন বঞ্চিত না হন, বার্তা মোদিরঅনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, গত ১২ বছরে রাজ্যের মানুষের অন্যতম বড় অভিযোগ ছিল, কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক প্রকল্পের সুবিধা সময়মতো তাঁদের কাছে পৌঁছত না। আগের তৃণমূল সরকারের নাম উল্লেখ না করেই তিনি বলেন, এর ফলে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছিলেন দরিদ্র পরিবারগুলি। তবে বর্তমানে বিজেপি সরকার আটকে থাকা প্রকল্পগুলির কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।মোদির কথায়, বাংলার মহিলাদের হাতে যেমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা থাকা প্রয়োজন, তেমনই এগিয়ে যাওয়ার সাহসও থাকা দরকার। সেই লক্ষ্য পূরণে অন্নপূর্ণা যোজনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, কোনও মায়ের কাছে এই ৩ হাজার টাকা সন্তানের পড়াশোনার খরচ হতে পারে। কোনও বোনের কাছে তা ওষুধ কেনা কিংবা সংসারের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনার কাজে লাগতে পারে। পরিবারের ছোট-বড় নানা সিদ্ধান্ত নেওয়ার পাশাপাশি মহিলারা সংসারের একাধিক দায়িত্ব সামলান। নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচের চিন্তা কমলে তাঁদের আত্মবিশ্বাসও বাড়বে বলে মন্তব্য করেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, মা, বোন ও মেয়েদের জীবনের প্রতিটি পর্যায়ের সমস্যার সমাধান করাই সরকারের অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে। অন্নপূর্ণা যোজনার মাধ্যমে বাংলার মহিলাদের জীবনে নতুন শক্তি যোগ হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। এই প্রকল্পে কোনও মধ্যস্থতাকারী বা কাটমানি নেই বলে উল্লেখ করে মোদি বলেন, একজন যোগ্য মহিলাও যাতে প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন, তা নিশ্চিত করতে সরকার নিরন্তর কাজ করছে।প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় ৫০ লক্ষ উপভোক্তার তালিকা তৈরির ঘোষণাএদিনের অনুষ্ঠান থেকে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা নিয়েও বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, বাংলায় এই প্রকল্পের আওতায় ৫০ লক্ষ উপভোক্তার তালিকা তৈরির কথা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, প্রকল্পের আওতায় তৈরি হতে চলা সমস্ত নতুন বাড়ির মালিকানা থাকবে মহিলাদের হাতে।মহিলাদের উপর অত্যাচার রুখতে কমিশন গঠনের দাবি মুখ্যমন্ত্রীররাজ্যে মহিলাদের উপর অপরাধ ও অত্যাচারের প্রসঙ্গও উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। শুভেন্দু অধিকারী জানান, গত চার মাসে রাজ্যে মহিলাদের উপর অত্যাচারের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে একটি কমিশন গঠন করা হয়েছে।রাজ্যের কোনও মহিলাকে যাতে অত্যাচারের শিকার হতে না হয়, তা নিশ্চিত করতে বিজেপি সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি, নেশামুক্ত বাংলা গড়ে তুলতে মহিলাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান মুখ্যমন্ত্রী।বাল্যবিবাহ ও কিশোরী মাতৃত্ব নিয়ে উদ্বেগরাজ্যে বাল্যবিবাহ এবং কিশোরী মাতৃত্বের পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, এই ক্ষেত্রে মুর্শিদাবাদ ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে রয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দেন, তাঁর সরকারের আমলে ১৮ বছরের কম বয়সি কোনও মেয়ের বিয়ে হতে দেওয়া হবে না। যাঁরা এই ধরনের বিয়ে দিয়েছেন বা বিয়েতে সহযোগিতা করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

প্রদীপের আলোয় তৈরি প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি! মোদীর জন্মদিনে বাংলার বুকে এলাহি আয়োজন চমকে দিতে বাধ্য

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিন উপলক্ষে অভিনব উদ্যোগ পুরুলিয়ায়। এক লক্ষ প্রদীপ জ্বালিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিশাল প্রতিকৃতি তৈরি করে তাঁকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানো হল। আশীর্বাদ কা দিয়া অনুষ্ঠানের অঙ্গ হিসেবে পুরুলিয়া ইনডোর স্টেডিয়ামে এই বিশেষ আয়োজন করা হয়।প্রায় ২,৫০০ বর্গফুট এলাকা জুড়ে তৈরি করা হয়েছে নরেন্দ্র মোদীর এই বিশাল প্রতিকৃতি। ঝাড়খণ্ডের ১১ জন শিল্পী তিন দিন ধরে পরিশ্রম করে বিভিন্ন রঙের এক লক্ষ প্রদীপ ব্যবহার করে এই শিল্পকর্ম তৈরি করেছেন। প্রদীপ দিয়ে তৈরি এই প্রতিকৃতি অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠেছে।শিল্পী সুজয় কুমার জানিয়েছেন, ঝাড়খণ্ডের বোকারো, গিরিডি ও হাজারিবাগের ১১ জন শিল্পী এই কাজে অংশ নিয়েছেন। সাধারণত বিভিন্ন উপকরণ কিংবা বর্জ্য সামগ্রী ব্যবহার করে মোজাইক শিল্প তৈরি করা হয়। তবে এবার প্রায় এক লক্ষ প্রদীপ ব্যবহার করে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি তৈরি করা হয়েছে।উল্লেখ্য, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন থেকে শুরু করে দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া পর্যন্ত নরেন্দ্র মোদীর জনজীবনের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে দেশজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হচ্ছে। সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবেই পুরুলিয়ায় এই বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন বলে জানা গিয়েছে।স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এ বছর পুরুলিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন বিশেষভাবে উদযাপন করা হচ্ছে। সেবা সংকল্প অভিযান-এর অধীনে বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। আশীর্বাদ কা দিয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সেই কর্মসূচির সূচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে প্রদীপ জ্বালিয়ে এই বিশাল প্রতিকৃতি তৈরি ঘিরে পুরুলিয়ায় উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

দায়িত্ব বাড়লেও বদলায়নি শিকড়ের টান! ১৫০ বছরের মনসা মেলায় পুতুলের দোকানে বিকিকিনিতে ব্যস্ত বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহা

বিধায়ক হয়েছেন, বেড়েছে দায়িত্ব। কিন্তু শৈশবের স্মৃতি আর পরিবারের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা পুরনো ঐতিহ্য আজও অমলিন। বীরভূমের সাঁইথিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের প্রায় ১৫০ বছরের পুরনো মনসা পুজোর মেলায় পরিবারের সঙ্গে পুতুলের দোকানে বসে সেই কথাই যেন মনে করিয়ে দিলেন বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহা। ভাইদের সঙ্গে দোকান সামলাতে দেখা গেল তাঁকে।বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহার কাছে এই মেলা শুধুমাত্র পুজো বা উৎসবের জায়গা নয়। তাঁর শৈশবের বহু স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে এই মেলার সঙ্গে। ছোটবেলায় বাবার হাত ধরে দেউচা রঘুনাথপুরের এই মেলায় আসতেন তিনি। মেলায় তাঁর বাবা দোকান বসাতেন। বাবার সঙ্গে সেই দোকানে বসে খদ্দের সামলানো, মেলার ভিড় দেখা সবই ছিল তাঁর ছোটবেলার পরিচিত অভিজ্ঞতা।সময়ের সঙ্গে বদলেছে জীবন। শৈশবের সেই দিনগুলি পেরিয়ে বর্তমানে সাঁইথিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহা। বেড়েছে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দায়িত্বও। তবে সেই পরিবর্তনের মধ্যেও পুরনো মেলার সঙ্গে সম্পর্ক অটুট রেখেছেন তিনি।এবার মনসা পুজো উপলক্ষে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মেলায় ফিরে পুতুলের দোকানে বসেন বিধায়ক। ভাইদের সঙ্গে দোকান সামলানোর সময় তাঁকে দেখতে ভিড় জমান মেলায় আসা মানুষজন। কেউ দূর থেকে তাঁকে দেখেন, আবার কেউ এগিয়ে এসে কথা বলেন। রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে পরিবারের সঙ্গে তাঁর এই উপস্থিতি নজর কাড়ে স্থানীয়দের।কৃষ্ণকান্ত সাহার বক্তব্য, দায়িত্ব ও পদ একজন মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনতে পারে, কিন্তু শিকড় এবং শৈশবের স্মৃতি কখনও মুছে যায় না। বাবার সঙ্গে কাটানো দিনগুলি এখনও তাঁর মনে গভীরভাবে গেঁথে রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।প্রায় দেড়শো বছরের পুরনো এই মেলায় পরিবারের দোকান আর শৈশবের স্মৃতি যেন ফের একসূত্রে বাঁধল বিধায়ককে। জনপ্রতিনিধি হওয়ার পরেও পুরনো ঐতিহ্যের সঙ্গে তাঁর এই সংযোগ স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
দেশ

ব্রিকসের পর হঠাৎ শি জিনপিংয়ের স্ট্রোক? ভাইরাল দাবিতে তোলপাড়, কী বলল দিল্লি?

ভারতের মাটিতে সদ্য শেষ হয়েছে ব্রিকসের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন। সম্মেলনে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-সহ একাধিক রাষ্ট্রনেতা যোগ দেন। শি ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে ব্রিকসের দুই অধিবেশনেও অংশ নেন। কিন্তু সম্মেলন শেষ হওয়ার পরই তাঁর স্বাস্থ্য নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে একটি দাবি ছড়িয়ে পড়ে।চিনের গণতন্ত্র পার্টির চেয়ারম্যান ওয়ানজুন শিয়ে সামাজিক মাধ্যমে দাবি করেন, দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়ার সময় শি জিনপিং অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন এবং তাঁর স্ট্রোক হয়েছিল। তাঁর আরও দাবি, পরে বিশেষ বিমানে শিকে চিনে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে তাঁর চিকিৎসা করা হয়। তবে এই দাবির পক্ষে কোনও চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি বা সরকারি প্রমাণ সামনে আসেনি। ভারতের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনগুলিও জানিয়েছে, দাবিটি স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি।এদিকে চিনের সরকারি তথ্যের সঙ্গে ভাইরাল দাবির বেশ কিছু অমিল রয়েছে। চিনের বিদেশ মন্ত্রকের সরকারি বিবরণ অনুযায়ী, শি জিনপিং ১২ সেপ্টেম্বর ব্রিকসের প্রথম অধিবেশনে এবং ১৩ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় অধিবেশনে অংশ নেন। দুই অধিবেশনেই তিনি বক্তব্য রাখেন এবং অন্যান্য রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।চিনের বিদেশ মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, ১৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে শি জিনপিং ব্রিকস সম্মেলনে তাঁর কর্মসূচি শেষ করে বেজিংয়ের উদ্দেশে রওনা দেন। অর্থাৎ সরকারি নথিতে তাঁর সফর নির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই শেষ হওয়ার কথা জানানো হয়েছে।শুধু শি জিনপিং নন, ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়া একাধিক রাষ্ট্রনেতা দেশে ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলেও সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন পোস্ট ছড়ায়। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসার স্বাস্থ্য নিয়েও এমন আলোচনা শুরু হয়।এই ধরনের দাবির বিরুদ্ধে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে সতর্ক করা হয়েছে। মন্ত্রকের তথ্য যাচাই সংক্রান্ত শাখা সামাজিক মাধ্যমে একাধিক রাষ্ট্রনেতার অসুস্থতা নিয়ে ছড়ানো পোস্টকে ভুয়ো এবং বিভ্রান্তিকর বলে সতর্ক করেছে। মানুষকে এই ধরনের বিভ্রান্তিকর পোস্টে বিশ্বাস না করারও বার্তা দেওয়া হয়েছে।তবে শি জিনপিংয়ের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও সতর্কতার সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। কারণ তাঁর স্ট্রোক, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা অস্ত্রোপচারের দাবি কোনও সরকারি সূত্র নিশ্চিত করেনি। একই সঙ্গে চিনের সরকারও এমন কোনও স্বাস্থ্যগত ঘটনার কথা ঘোষণা করেনি। ফলে সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো ওই দাবিকে এই মুহূর্তে নিশ্চিত খবর হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।অন্যদিকে, ব্রিকস সম্মেলনে শি জিনপিংয়ের উপস্থিতি এবং তাঁর বক্তব্যের বিষয়ে চিনের সরকারি নথি রয়েছে। সম্মেলনের পর তাঁর বেজিং ফেরার বিষয়টিও চিনের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে। ফলে শি জিনপিংয়ের স্বাস্থ্য নিয়ে ছড়ানো দাবির সত্যতা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে।সব মিলিয়ে, ব্রিকস সম্মেলনের পর শি জিনপিংয়ের অসুস্থতা নিয়ে যে দাবি ছড়িয়েছে, তার কোনও স্বাধীন ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ এখনও সামনে আসেনি। অন্যদিকে, বিদেশ মন্ত্রক একাধিক রাষ্ট্রনেতাকে নিয়ে ছড়ানো অসুস্থতার দাবিকে ভুয়ো বলে সতর্ক করেছে। তাই এই মুহূর্তে শি জিনপিংয়ের স্ট্রোক বা জরুরি অস্ত্রোপচারের দাবিকে সত্য বলে ধরে নেওয়ার কোনও ভিত্তি নেই।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
দেশ

নিজের জন্মদিনে বাংলার মহিলাদের জন্য মোদীর বড় বার্তা! বললেন, ‘আপনাদের ভরসাই আমার শক্তি’

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ৭৬তম জন্মদিনে বাংলার মহিলাদের উদ্দেশে বিশেষ বার্তা দিলেন তিনি। বাংলার মা-বোনেরা তাঁকে যে ভাবে ভালবাসা ও ভরসা দিয়েছেন, সেই কথাই নিজের বক্তব্যে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, বাংলার মহিলাদের ভরসা তাঁকে শক্তি জুগিয়েছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলার মা-বোনেরা সবসময় তাঁকে ভালবাসা ও স্নেহ দিয়েছেন। তাঁদের আত্মীয়তার অনুভূতি তাঁকে সবসময় শক্তি জুগিয়েছে। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে, বাংলার মহিলাদের ভরসাই তাঁর শক্তি। পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও বাংলার মহিলাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন তিনি।এ দিন বাংলায় অন্নপূর্ণা যোজনার টাকাও উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানোর কর্মসূচি রয়েছে। সেপ্টেম্বর মাসের ৩ হাজার টাকা সরাসরি উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে পাঠানোর কথা জানিয়েছে রাজ্য সরকার। এ বার প্রায় ১ কোটি ৫৮ লক্ষ মহিলা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন বলে সরকারি ভাবে জানানো হয়েছে।অন্নপূর্ণা যোজনার প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংসারে মহিলাদের উপর অনেক দায়িত্ব থাকে। পরিবারের প্রয়োজনীয় বিষয়গুলি সামলানোর পাশাপাশি তাঁদের নিজেদের প্রয়োজনও রয়েছে। হাতে কিছু অর্থ থাকলে জরুরি খরচ নিয়ে তাঁদের চিন্তা কমে এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ে। সেই লক্ষ্যেই এই ধরনের আর্থিক সহায়তার কথা তুলে ধরেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের কাজের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত বেশি কাজ করা এবং কম কথা বলা। বাংলার মহিলাদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তাঁদের পরিশ্রম ও পরিবারের প্রতি দায়িত্বের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।এ দিন বাংলায় পিএম বিশ্বকর্মা প্রকল্প নিয়েও বিশেষ কর্মসূচি রয়েছে। কলকাতায় এই প্রকল্পের তৃতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। দেশের ঐতিহ্যবাহী কারিগর ও শিল্পীদের আর্থিক ও অন্যান্য সহায়তা দেওয়াই এই প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য।এই প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন ধরনের ঐতিহ্যবাহী পেশার সঙ্গে যুক্ত কারিগর ও শিল্পীরা প্রশিক্ষণ, সরঞ্জাম কেনার সহায়তা এবং ঋণের সুবিধা পেতে পারেন। প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী, যোগ্য উপভোক্তাদের প্রথম ধাপে ১ লক্ষ টাকা এবং পরে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জামানতবিহীন ঋণের সুযোগ রয়েছে। ঋণের সুদের হার ৫ শতাংশ।ফলে মোদীর জন্মদিনে বাংলায় একদিকে অন্নপূর্ণা যোজনার আর্থিক সহায়তা, অন্য দিকে পিএম বিশ্বকর্মা প্রকল্পের বর্ষপূর্তিদুই কর্মসূচিই বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। বাংলার মহিলাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা এবং কারিগরদের জন্য প্রকল্পের সুবিধা ঘিরে এ দিন রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে আলোচনা তৈরি হয়েছে। অন্নপূর্ণা যোজনার সেপ্টেম্বরের অর্থসাহায্য এবং বিশ্বকর্মা প্রকল্পের কর্মসূচিদুই ক্ষেত্রেই সরকারি ঘোষণাই এখন মূল বিষয়।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

পথ খরচ নিতে গিয়েই ফাঁদে! চার দশক পর কলকাতা পুলিশের জালে মাওবাদী নেতা আকাশ

পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা এলাকার বাসিন্দা অসীম মণ্ডল ওরফে আকাশ ওরফে তিমির ওরফে মনোজকে পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ সূত্রের দাবি, তাঁর মাথার দাম ছিল এক কোটি টাকা। দীর্ঘ প্রায় চার দশক ধরে পুলিশের নজর এড়িয়ে থাকার পর অবশেষে তাঁর গ্রেপ্তারি ঘিরে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোরে পটাশপুর এলাকার কোনও একটি জায়গা থেকে আকাশকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগ, এক পূর্ব পরিচিত ব্যক্তির কাছ থেকে পথ খরচ নেওয়ার জন্য সেখানে গিয়েছিলেন তিনি। সেই সময় কলকাতা পুলিশের টাস্ক ফোর্সের হাতে ধরা পড়েন তিনি। তাঁর কাছ থেকে দুটি ব্যাগ উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। সেই ব্যাগে মাওবাদী সংগঠনের বই, পুস্তিকা এবং কিছু বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম ছিল বলে জানা যাচ্ছে। তবে এই গ্রেপ্তারি নিয়ে রাজ্য পুলিশের তরফে এখনও আনুষ্ঠানিক ভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা থানার ফুলচক এলাকার বাসিন্দা অসীম মণ্ডল ছাত্রজীবন থেকেই অতি বামপন্থী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়। পরে তিনি পিপলস ওয়ার গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত হন। সারেঙ্গা, গোয়ালতোড়-সহ জঙ্গলমহলের বিভিন্ন এলাকায় সংগঠনের কাজ করার পাশাপাশি ঝাড়খণ্ডের পূর্ব সিংভূম জেলার গুড়াবান্দা এলাকাতেও দীর্ঘদিন সক্রিয় ছিলেন বলে অভিযোগ।২০০৪ সালে সিপিআই মাওবাদী সংগঠন তৈরি হওয়ার পর জঙ্গলমহলে ফিরে সক্রিয় ভাবে সংগঠনের কাজ শুরু করেন অসীম। লালগড় আন্দোলনের সময়ও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। পরে ২০১০ সালে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সম্পাদকের দায়িত্ব পান তিনি। বাংলা, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা নিয়ে গঠিত আঞ্চলিক কমিটির সঙ্গেও তিনি যুক্ত ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর।কিষানজির মৃত্যুর পর মাওবাদী সংগঠনে তাঁর সক্রিয়তা আগের মতো ছিল না বলে তদন্তকারীদের দাবি। এরপর জঙ্গলমহল ছেড়ে ঝাড়খণ্ডে গা ঢাকা দেন আকাশ। দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর পর ফের বাংলায় আসার চেষ্টা করেন তিনি বলে পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে।সম্প্রতি ঝাড়খণ্ডে পুলিশের অভিযানে মাওবাদী সংগঠনের কয়েক জন সদস্য গ্রেপ্তার হন। তাঁদের মধ্যে তিন জনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং এক জন আত্মসমর্পণ করেন বলে জানা যায়। এরপর বাংলার মাওবাদী সংগঠনের সশস্ত্র কাঠামোও দুর্বল হয়ে পড়ে বলে তদন্তকারীদের দাবি।পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, আকাশ দীর্ঘদিন জঙ্গলে থাকার পর শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। উচ্চ রক্তচাপ এবং কোমরের ব্যথার কারণে প্রায় চার দশক পর তিনি জঙ্গল ছেড়ে বেরিয়ে আসেন বলে তদন্তকারীদের দাবি। জঙ্গলে একটি একে-৪৭ এবং কিছু নথিপত্র রেখে তিনি গাড়িতে করে বাইরে বেরিয়েছিলেন বলেও পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে।এর পর আরও কয়েক জন মাওবাদী সদস্য পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদে আকাশ আত্মসমর্পণ করবেন না বলে জানিয়েছিলেন বলে তদন্তকারীদের দাবি। বরং কিছুদিন বাইরে থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ফের জঙ্গলমহলে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাঁর। সেই পরিকল্পনার মধ্যেই পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হলেন তিনি।তদন্তকারীদের দাবি, আত্মগোপনের জন্য পরিচিত এবং আত্মীয়দের কয়েক জনের কাছে আশ্রয় নেওয়ার কথা ভেবেছিলেন আকাশ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সন্দেহ এড়াতে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন তিনি। কখনও জায়গা বদল, কখনও ছদ্মবেশসব রকম ভাবে পুলিশের নজর এড়ানোর চেষ্টা চলছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। গ্রেপ্তারের আগে তাঁর কাছে প্রায় দেড় লাখ টাকা নগদ ছিল বলেও ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে জানা যাচ্ছে।আকাশের স্ত্রীও পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুর এলাকার বাসিন্দা বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তিনিও মাওবাদী সংগঠনের সক্রিয় সদস্য ছিলেন বলে অভিযোগ। ২০১০ সালে কলকাতা পুলিশের টাস্ক ফোর্স তাঁকে গ্রেপ্তার করেছিল বলে জানা যায়। বর্তমানে তিনি জেলে রয়েছেন।আকাশের গ্রেপ্তারের পর বাংলা, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশায় মাওবাদী দমনে যুক্ত নিরাপত্তা সংস্থাগুলির কাছে এই ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকা এক মাওবাদী নেতার গ্রেপ্তারের পর তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া নথি ও বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। সেগুলি থেকে সংগঠনের বর্তমান বা অতীত কার্যকলাপ সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যায় কি না, এখন সেদিকেই নজর তদন্তকারীদের।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
কলকাতা

১৩ বছর পর ফের খুলবে মহাকরণের দরজা? মুখ্যমন্ত্রীর ঘর তৈরির কাজ শেষের পথে

পুজোর আর বেশি দিন বাকি নেই। তার আগেই রাজ্য প্রশাসনের ঠিকানায় বড় বদলের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। দীর্ঘ ১৩ বছর পর ফের মহাকরণ থেকে প্রশাসনিক কাজ শুরু করার প্রস্তুতি চলছে। পূর্ত দফতর সূত্রে খবর, আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী-সহ ছয় মন্ত্রীর ঘর তৈরির কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।মহাকরণে মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ের কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি মুখ্যসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি-সহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েক জন আমলার জন্যও ঘর তৈরির কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ফলে পুজোর আগেই মহাকরণে প্রশাসনিক কাজকর্মের একটি বড় অংশ শুরু হতে পারে বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে।মহাকরণে সংস্কারের কাজ কতটা এগিয়েছে, তা নিয়ে আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন পূর্তমন্ত্রী অজয় পোদ্দার। সূত্রের খবর, বৈঠকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার জন্য আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ১০ অক্টোবরের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর ঘর এবং আরও পাঁচ মন্ত্রীর ঘর প্রস্তুত করার বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে।প্রাথমিক ভাবে যে তালিকা সামনে এসেছে, তাতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পাশাপাশি দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, শঙ্কর ঘোষ, শারদ্বত মুখোপাধ্যায় এবং অজয় পোদ্দারের জন্য মহাকরণে ঘর তৈরির কাজ চলছে। মহাকরণের তৃতীয় তলায় মুখ্যমন্ত্রী-সহ মন্ত্রীদের বসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।শুধু মন্ত্রীদের ঘর নয়, প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ আধিকারিকদের জন্যও মহাকরণে জায়গা প্রস্তুত করা হচ্ছে। এর ফলে ভবিষ্যতে রাজ্য সরকারের প্রশাসনিক কাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ফের ঐতিহ্যবাহী এই ভবন থেকে পরিচালিত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।মহাকরণ সংস্কারের সামগ্রিক দায়িত্ব আদানি গোষ্ঠীর হাতে দেওয়া হতে পারে বলেও জল্পনা রয়েছে। তবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এবং কী ভাবে সংস্কারের কাজ এগোবে, তা নিয়ে এখনও বিস্তারিত প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গিয়েছে।মহাকরণের সঙ্গে রাজ্যের প্রশাসনিক ইতিহাসের সম্পর্ক দীর্ঘ দিনের। ২০১৩ সালে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সময়ে রাজ্য সরকারের প্রশাসনিক দফতর মহাকরণ থেকে নবান্নে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ব্রিটিশ আমলে তৈরি এই ঐতিহাসিক ভবনের সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েই সেই সময় প্রশাসনের মূল কেন্দ্র সরানো হয়েছিল।এর পর দীর্ঘ সময় ধরে মহাকরণ সংস্কারের কাজ চললেও তা সম্পূর্ণ হয়নি। সাম্প্রতিক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ১৩ বছর পরেও সংস্কারের একটি বড় অংশ অসম্পূর্ণ রয়েছে।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর মহাকরণকে ফের প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা সামনে আসে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী শপথ নেওয়ার পর থেকেই মহাকরণে তাঁর জন্য ঘর তৈরির প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল।এখন সেই প্রস্তুতিতেই আরও গতি এসেছে। ১০ অক্টোবরের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ঘরগুলির কাজ শেষ করার লক্ষ্য নেওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, পুজোর আগেই কি নবান্নের বদলে মহাকরণ থেকে প্রশাসনিক কাজ শুরু করবেন মুখ্যমন্ত্রী? আপাতত সেই দিকেই নজর রয়েছে।মহাকরণে মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ের কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার পর মন্ত্রী ও আমলাদের ঘর তৈরির কাজও দ্রুত এগোচ্ছে। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ হলে বহু বছর পর ফের মহাকরণে রাজ্য প্রশাসনের ব্যস্ততা দেখা যেতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal