• ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০৪ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Csk

খেলার দুনিয়া

শেষ ম্যাচেও লজ্জাও চেন্নাইয়ের, দ্বিতীয় স্থানে শেষ করল রাজস্থান

গুজরাট টাইটান্স ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের ম্যাচের ফলই প্লে অফ খেলা নিশ্চিত করে দিয়েছিল রাজস্থান রয়্যালসের । তবে লিগ টেবিলে কোন পজিশনে শেষ করে প্লে অফ খেলবে, সেটা নির্ভর করছিল চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ম্যাচের ওপর। চেন্নাইকে হারালেই ভাল নেট রান রেটের সুবাদে লখনউ সুপার জায়ান্টসকে সরিয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসার সুযোগ ছিল। সুযোগ দারুণভাবে কাজে লাগালেন সঞ্জু স্যামসনরা। চেন্নাইকে ৫ উইকেটে হারিয়ে লিগ টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল রাজস্থান রয়্যালস। চলতি আইপিএলে নিজেদের শেষ ম্যাচে সম্মান বাঁচাতে পারল না ধোনির চেন্নাই সুপার কিংস।প্রথমে ব্যাট করে রাজস্থান রয়্যালসের সামনে বড় রানের টার্গেট খাড়া করতে পারেনি চেন্নাই সুপার কিংস। জয়ের জন্য লক্ষ্য রেখেছিল ১৫১। চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে জস বাটলারের রানের দিকে তাকিয়ে ছিল রাজস্থান। কিন্তু চলতি আইপিএলে প্রথম পর্বের মতো দ্বিতীয় পর্বে সেভাবে জ্বলে উঠতে পারেননি ইংল্যান্ডের এই ওপেনার। দ্বিতীয় ওভারে এদিন মাত্র ২ রান করে সিমরনজিৎ সিংয়ের বলে মইন আলির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসনের ব্যাটেও সেই ধারাবাহিকতার অভাব। সিমরনজিত সিং, মিচেল স্যান্টনারদের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠতে পারলেন না। ২০ বলে মাত্র ১৫ রান করে তিনি স্যান্টনারের বলে তাঁর হাতেই ক্যাচ দিয়ে আউট হন। দেবদত্ত পাড়িক্কলও (৩) রান পাননি। তিনি মইন আলির শিকার। রাজস্থানকে টেনে নিয়ে যান যশশ্বী জয়সোয়াল ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন। ৪৪ বলে ৫৯ করে প্রশান্ত সোলাঙ্কির বলে আউট হন জয়সোয়াল। দেশ থেকে ফিরে এসে সদ্য বাবা হওয়া হেটমায়ারও (৬) ব্যর্থ। তিনিও সোলাঙ্কির শিকার। ১৬.২ ওভারে ১১২ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় রাজস্থান রয়্যালস। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান অশ্বিন ও রিয়ান পরাগ। শেষ ওভারে জয়ের জন্য রাজস্থানের দরকার ছিল ৭ রান। ২ বল বাকি থাকতে রাজস্থানকে (১৫১/৫) জয় এনে দেন অশ্বিন (২৩ বলে অপরাজিত ৪০) ও রিয়ান পরাগ (১০ বলে অপরাজিত ১০)।এদিন প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি চেন্নাইয়ের। প্রথম ওভারেই ফিরে যান ঋতুরাজ গায়কোয়াড় (২)। দলকে টেনে নিয়ে যান মইন আলি। এদিন দারুণভাবে জ্বলে উঠেন। মাত্র ১৯ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। ডেভন কনওয়ে (১৪ বলে ১৬), এন জগদীশন (১), অম্বাতি রায়ুডু (৩) রান পাননি। ২৮ বলে ২৬ রান করেন ধোনি। ৫৭ বলে ৯৩ রান করে চেন্নাইকে ১৫০/৬ রানে পৌঁছে দিয়েছিলেন মইন।

মে ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌সামনের বছরও চেন্নাইকে নেতৃত্ব দেবেন?‌‌ কী বললেন ধোনি!‌

গত বছর থেকেই জল্পনাটা তুঙ্গে উঠেছিল। এবছরই কি শেষ আইপিএল মহেন্দ্র সিং ধোনির? অনেকেই ভেবেছিলেন, দুবাইতে চেন্নাই সুপার কিংসকে চতুর্থবার আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন করে ক্রিকেটের ময়দান থেকে সরে দাঁড়াবেন মাহি। কিন্তু সে রাস্তায় তিনি হাঁটেননি। পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছিলেন, এই মরশুমেও খেলবেন। এবছর দলকে সাফল্য এনে দিতে পারেননি। আবার জল্পনা শুরু হয়েছিল। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে লিগ পর্যায়ের শেষ ম্যাচ খেলেই হয়তো আইপিএলকে বিদায় জানাবেন। কিন্তু এখনই ক্রিকেটের ময়দান থেকে সরে যাচ্ছেন না। ভক্তদের স্বস্তি দিয়ে তিনি জানিয়ে দিলেন, আগামী মরশুমেও চেন্নাইয়ের জার্সি গায়ে মাঠে নামতে চান।আগামী মরশুমেও কেন খেলা চালিয়ে যাওয়ার কথা ভাবছেন ধোনি? আসলে নিজেকে এখনও দারুণ ফিট মনে করেন তিনি। চেন্নাই সুপার কিংস ম্যানেজমেন্টও ধোনি ব্র্যান্ডকে ছাড়তে চাইছে না। তার থেকেও বড় কারণ, চেন্নাইয়ের প্রিয় দর্শকদের সামনেই শেষ ম্যাচ খেলে ব্যাটপ্যাড তুলে রাখবেন। সেই সুযোগ থাকলে হয়তো এই বছরই আইপিএল থেকে সরে দাঁড়াতেন ধোনি। আসলে প্রিয় চেন্নাইয়ের দর্শকদের বিদায় জানানোর সুযোগ দিতে চান চেন্নাই সুপার কিংসসের থালা। শুক্রবার রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে টসের সময় ধোনির কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, পরের বছরও আইপিএলে তিনি খেলবেন কিনা। উত্তরে ধোনি জানান, অবশ্যই খেলব। চেন্নাইয়ে না খেলে আইপিএলকে বিদায় জানানোটা খুবই খারাপ হবে। মুম্বইয়ে দলকে যেমন সাফল্য এনে দিতে পেরেছি, তেমনই ব্যক্তিগতভাবেও সাফল্য পেয়েছি। কিন্তু চেন্নাইয়ের সমর্থকদের সামনে বিদায় না নিলে ব্যাপারটা ভাল হবে না। আশা করছি পরের বছর সব জায়গাতেই আইপিএলের খেলা হবে। শুধু খেলা নয়, পরের বছর চেন্নাইকে নেতৃত্বও দেবেন ধোনি। এবছর আইপিএল শুরুর আগে রবীন্দ্র জাদেজার হাতে নেতৃত্ব তুলে দেয় চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু তিনি চূড়ান্ত ব্যর্থ। মাঝপথে জাদেজাকে সরিয়ে আবার ধোনিকে নেতৃত্ব ফেরানো হয়। তাতেও খুব একটা হাল ফেরেনি চেন্নাইয়ের। ভবিষ্যতের নেতা তুলে নিয়ে আসার জন্যই আরও একবছর ধোনিকে নেতৃত্বে রেখে দিতে চায় চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট।

মে ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

শেষ ম্যাচে জ্বলে উঠলেন মইন, তবু বড় রান করতে ব্যর্থ চেন্নাই

চলতি আইপিএলে নিজেদের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি চেন্নাই সুপার কিংস ও রাজস্থান রয়্যালস। চেন্নাইয়ের কাছে এই ম্যাচের গুরুত্ব না থাকলেও, রাজস্থানের কাছে গুরুত্ব অপরিসীম। লিগ টেবিলে কোন পজিশনে শেষ করে প্লে অফ খেলবে, সেটা নির্ভর করছে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ম্যাচের ওপর। চেন্নাইকে হারালেই ভাল নেট রান রেটের সুবাদে লখনউ সুপার জায়ান্টসকে সরিয়ে উঠে আসবে দ্বিতীয় স্থানে। ধোনি ব্রিগেডের কাছে ম্যাচটা অবশ্য সম্মান বাঁচানোর লড়াই। দলের সম্মানের লড়াইয়ে দারুণভাবে জ্বলে উঠলেন মইন আলি। ইংল্যান্ডের এই অলরাউন্ডারের ব্যাটে ঝড় সত্ত্বেও রাজস্থানের সামনে বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে ব্যর্থ চেন্নাই সুপার কিংস। ২০ ওভারে তুলল ১৫০/৬।এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন চেন্নাই সুপার কিংস অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। শুরুটা ভাল হয়নি চেন্নাইয়ের। প্রথম ওভারেই ফিরে যান ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। মাত্র ২ রান করে তিনি ট্রেন্ট বোল্টের বলে উইকেটের পেছনে সঞ্জু স্যামসনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। এরপর ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন মইন আলি। এবারের আইপিএলে এই অলরাউন্ডারের ওপর অনেকটাই ভরসা করেছিল চেন্নাই। কিন্তু নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি। এদিন দারুণভাবে জ্বলে উঠেন। মাত্র ১৯ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। ম্যাচে ষষ্ঠ ও ট্রেন্ট বোল্টের তৃতীয় ওভারে একটা ৬ ও পাঁচটা চারের সাহায্যে তোলেন ২৬। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ৭৫/১ রানে পৌঁছে যায় চেন্নাই। অষ্টম ওভারে আবার ধাক্কা খায় চেন্নাই। ডেভন কনওয়েকে (১৪ বলে ১৬) তুলে নেন অশ্বিন। পরের ওভারেই এন জগদীশনকে (১) ফেরান ওবেদ ম্যাকয়। প্রথম একাদশে ফিরে অম্বাতি রায়ুডুও (৩) রান পাননি। তাঁকে তুলে নেন চাহাল। চাহাল ও ওবেদ ম্যাকয় আসতেই রান তোলার গতি কমে যায় চেন্নাইয়ের। চলতি আইপিএলের শেষ ম্যাচে নিজেকে মেলে ধরতে পারলেন না ধোনি। ২৮ বলে ২৬ রান করে তিনি চাহালের বলে বাটলারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ৭ রান দুরে থেমে যান মইন। ৫৭ বলে ৯৩ রান করে তিনি ওবেদ ম্যাকয়ের বলে রিয়ান পরাগের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ২টি করে উইকেট নেন ম্যাকয় ও চাহাল

মে ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুরন্ত ঋদ্ধিমান, চেন্নাইকে আরও লজ্জার মুখে ঠেলে দিল গুজরাট

প্লে অফের আশা আগেই শেষ। সম্মানের লড়াইয়েও জিততে ব্যর্থ চেন্নাই সুপার কিংস। আগের ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাছে হারের পর এবার গুজরাট টাইটান্সে কাছে। চেন্নাই সুপার কিংসকে ৭ উইকেটে হারিয়ে লিগ টেবিলে প্রথম দুইয়ে থাকা নিশ্চিত করে ফেলল গুজরাট টাইটান্স। দুরন্ত ব্যাট করে ৬৭ রানে অপরাজিত থাকেন ঋদ্ধিমান সাহা।চলতি আইপিএলে প্রথম দল হিসেবে ১২ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে আগেই প্লে অফের ছাড়পত্র জোগাড় করে ফেলেছিল গুজরাট টাইটান্স। লিগের বাকি দুটি ম্যাচ শীর্ষে ওঠার লড়াই। প্লে অফ নিশ্চিত হয়ে গেলেও বাকি দুটি ম্যাচ যে হালকাভাবে নিতে রাজি নয়, প্রমাণ করে দিল গুজরাট শিবির। চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে দারুণভাবে জ্বলে উঠলেন মহম্মদ সামিরা। সামিদের দাপটেই প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৩৩ রানের বেশি তুলতে পারেনি চেন্নাই সুপার কিংস। টস জিতে এদিন প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন চেন্নাই অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে রবিন উথাপ্পা ও অম্বাতি রায়ুডুকে প্রথম একাদশের বাইরে রেখে মাঠে নামে চেন্নাই। এই দুই অভিজ্ঞ ব্যাটারের অভাব ফুটে উঠল। আগের ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে দুর্ভাগ্যের শিকার হওয়া ডেভন কনওয়ে এদিনও ব্যর্থ। মাত্র ৫ রান করে তিনি মহম্মদ সামির বলে আউট হন। তিন নম্বরে নেমে মইন আলি করেন ১৭ বলে ২১। তিনি সাই কিশোরের শিকার। চেন্নাইকে টেনে নিয়ে যান ঋতুরাজ গায়কোয়াড় এবং এন জগদীশন। ৪৯ বলে ৫৩ রান করে রশিদ খানের বলে আউট হন ঋতুরাজ। শিবম দুবে (০), ধোনিরা (৭) ব্যর্থ। ৩৩ বলে ৩৯ রান করে অপরাজিত থেকে চেন্নাইকে ১৩৩/৫ রানে পৌঁছে দেন জগদীশন। দুরন্ত বোলিং করে ৪ ওভারে ১৯ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন সামি। প্রায় প্রতি ম্যাচেই গুজরাটের জয়ের ভিত গড়ে গড়ে দিয়েছেন বোলাররা। এদিনও তার ব্যতিক্রম হয়নি। বিপক্ষকে কম রানে বেঁধে রেখে দলের ব্যাটারদের কাজ সহজ করে দিয়েছিলেন সামিরা। তাই ঋদ্ধিমান সাহা, শুভমান গিলদের খুব বেশি চাপ নিতে হয়নি। ওপেনিং জুটিতে ঋদ্ধি ও শুভমান তুলে ফেলেন ৫৯। মাথেশা পাথিরানার বলে শুভমান (১৭ বলে ১৮) ফিরে গেলেও দলকে এগিয়ে নিয়ে যান ঋদ্ধি। ম্যাথু ওয়েড ১৫ বলে ২০ রান করে আউট হন। হার্দিক পান্ডিয়া (৭) এদিনও ব্যর্থ। পাথিরানার দুরন্ত অফ কাটাক বুঝতে পারেননি। দুরন্ত ব্যাট করে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন ঋদ্ধি। ৫৭ বলে ৬৭ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ১৯.১ ওভারে ১৩৭/৩ তোলে গুজরাট। আইপিএলের অভিষেকে দলকে জেতাতে না পারলেও দারুণ বোলিং করে নজর কাড়লেন লসিথ মালিঙ্গার নকল মাথেশা পাথিরানা। ২৪ রানে নেন ২ উইকেট।

মে ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সম্মান রক্ষার ম্যাচে মুম্বইয়ের কাছে লজ্জার হার ধোনিদের

সম্মান রক্ষার লড়াইয়ে চূড়ান্ত অসম্মানিত ধোনি ব্রিগেড। আইপিএলের প্রায় গুরুত্বহীন ম্যাচে রোহিত শর্মার মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাছে হারতে হল ৫ উইকেটে। অঙ্কের বিচারে প্লে অফের যাওয়ার ক্ষীণ সম্ভাবনা ছিল চেন্নাইয়ের। স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতে গেলে জিততেই হত চেন্নাইকে। কিন্তু জ্বলে উঠতে পারলেন না ধোনিরা। চূড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্যয় পরাজয়ের দিকে ঠেলে দিল চেন্নাইকে। ড্যানিয়েল স্যামস, যশপ্রীত বুমরা, রিলে মেরেডিথদের বোলিংয়ের সামনে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেন না ডেভন কনওয়ে, ঋতুরাজ গায়কোয়াররা।টস জিতে এদিন চেন্নাইকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন রোহিত শর্মা। দ্বিতীয় বলেই ধাক্কা চেন্নাই সুপার কিংসের। ড্যানিয়েল স্যামসের বল কনওয়ের প্যাডে লাগে। উইকেটে পড়ে লেগ স্টাম্পের বাইরে যাচ্ছিল। তা সত্ত্বেও আম্পায়ার চিরা রবিকান্তরেড্ডি কনওয়েকে লেগ বিফোর আউট দেন। ওই সময় স্টেডিয়ামে বিদ্যুৎ ছিল না। তাই ডিআরএসের সুবিধা নিতে পারেননি কনওয়ে (০)। ওই ওভারের চতুর্থ বলে মইন আলিকেও (০) তুলে নেন স্যামস। পরের ওভারে আবার দুর্ভাগ্যের শিকার চেন্নাই সুপার কিংস। এবার বুমরার শিকার রবিন উথাপ্পা (১)। তাঁকে এলবিডব্লু আউট দেন ক্রিস গাফানি। সেই বিদ্যাউৎ বিভ্রাটের জন্য উথাপ্পাও ডিআরএস নিতে পারেননি।পঞ্চম ওভারের প্রথম বলেই ফর্মে থাকা ঋতুরাজ গায়কোয়াড়কে (৭) তুলে নেন ড্যানিয়েল স্যামস। ১৭ রানে ৪ উইকটে হারিয়ে চূড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে চেন্নাই। সেখান থেকে আর ম্যাচে ফিরতে পারেননি। অম্বাতি রায়ুডু (১০) ও শিবম দুবেকে (১) তুলে নিয়ে চেন্নাইয়ের মিডল অর্ডারে ধস নামান রিলে মেরেডিথ। ডোয়েন ব্র্যাভো (১২) ও সিমরনজিৎ সিংকে (২) তুলে নেন কুমার কার্তিকেয়া। মহেশ থিকসানাকে (০) ফেরান রমনদীপ সিং। একের পর এক উইকেট পড়তে থাকলেও লড়াই চালিয়ে যান মহেন্দ্র সিং ধোনি। যদিও দলকে ১০০ রানের গন্ডি পার করে দিতে পারেননি। ১৬ ওভারে ৯৭ রানে গুটিয়ে যায় চেন্নাই। ৩৩ বলে ৩৬ রান করে অপরাজিত থাকেন ধোনি। ১৬ রানে ৩ উইকেট নেন ড্যানিয়েল স্যামস। জয়ের জন্য ৯৮ রানের লক্ষ্য মোটেই কঠিন ছিল না মুম্বইয়ের কাছে। কম রানের পুঁজি নিয়েও দারুণ লড়াই শুরু করেন চেন্নাই বোলাররা। প্রথম ওভারেই ঈশান কিশনকে (৬) তুলে নেন মুকেশ চৌধুরী। ২ ওভার পরেই রোহিত শর্মাকে (১৮) ফেরান সিমরনজিত সিং। পঞ্চম ওভারে এক বলের ব্যবধানে ড্যানিয়েল স্যামস (১) ও ট্রিস্টান স্টুবাসকে (০) তুলে নিয়ে মুম্বইকে চাপে ফেলে দেন মুকেশ চৌধুরী। ৩৩ রানে ৪ উইকেট হারায় মুম্বই। এরপর মুম্বইকে টানেন ঋত্বিক সোকেন ও তিলক ভার্মা। ঋত্বিক (১৮) আউট হওয়ার পর মুম্বইকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন তিলক (অপরাজিত ৩৪) ও টিম ডেভিড (অপরাজিত ১৬)। ১৪.৫ ওভারে ১০৩/৫ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় মুম্বই।

মে ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বোলারদের উইকেট নয়, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের শিকার চেন্নাইয়ের দুই ব্যাটার

বৃহস্পতিবার ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের শিকার হতে হল ডেভন কনওয়ে ও রবিন উথাপ্পাকে। দুর্ভাগ্যের শিকার চেন্নাই সুপার কিংসও। গুরুত্বহীন ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্যয়। ড্যানিয়েল সামস, যশপ্রীত বুমরা, রিলে মেরেডিথদের দাপটে ৯৭ রানের বেশি তুলতে পারল না চেন্নাই। ড্যানিয়েল সামসের বলে ডেভন কনওয়ে এলবিডব্লু। যশপ্রীত বুমরার বলে রবিন উথাপ্পাও। দুজনের আউট নিয়েই সন্দেহ ছিল। টিভি রিপ্লেতেও দেখা যায় দুজনে আউট ছিলেন না। ডিআরএসের সুযোগ থাকলেও নিতে পারেননি চেন্নাই সুপার কিংসের এই দুই ব্যাটার।দুই দলের সামনেই প্লে অফের সম্ভাবনা আগেই শেষ হয়ে গেছে। বাকি ম্যাচ শুধু সম্মান রক্ষার লড়াই। সম্মান রক্ষার লড়াইয়ে চূড়ান্ত অসম্মানিতে চেন্নাই সুপার কিংস। টস জিতে এদিন চেন্নাইকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। দ্বিতীয় বলেই ধাক্কা চেন্নাই সুপার কিংসের। ড্যানিয়েল স্যামসের বল কনওয়ের প্যাডে লাগে। উইকেটে পড়ে লেগ স্টাম্পের বাইরে যাচ্ছিল। তা সত্ত্বেও আম্পায়ার চিরা রবিকান্তরেড্ডি কনওয়েকে লেগ বিফোর আউট দেন। ওই সময় স্টেডিয়ামে বিদ্যুৎ ছিল না। তাই ডিআরএসের সুবিধা নিতে পারেননি কনওয়ে (০)। ওই ওভারের চতুর্থ বলে মইন আলিকেও (০) তুলে নেন স্যামস।পরের ওভারে আবার দুর্ভাগ্যের শিকার চেন্নাই সুপার কিংস। এবার বুমরার শিকার রবিন উথাপ্পা (১)। তাঁকে এলবিডব্লু আউট দেন ক্রিস গাফানি। সেই বিদ্যাউৎ বিভ্রাটের জন্য উথাপ্পাও ডিআরএস নিতে পারেননি। পঞ্চম ওভারের প্রথম বলেই ফর্মে থাকা ঋতুরাজ গায়কোয়াড়কে (৭) তুলে নেন ড্যানিয়েল স্যামস। ১৭ রানে ৪ উইকটে হারিয়ে চূড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে চেন্নাই। সেখান থেকে আর ম্যাচে ফিরতে পারেননি। অম্বাতি রায়ুডু (১০) ও শিবম দুবেকে (১) তুলে নিয়ে চেন্নাইয়ের মিডল অর্ডারে ধস নামান রিলে মেরেডিথ। ডোয়েন ব্র্যাভো (১২) ও সিমরনজিৎ সিংকে (২) তুলে নেন কুমার কার্তিকেয়া। মহেশ থিকসানাকে (০) ফেরান রমনদীপ সিং। একের পর এক উইকেট পড়তে থাকলেও লড়াই চালিয়ে যান মহেন্দ্র সিং ধোনি। যদিও দলকে ১০০ রানের গন্ডি পার করে দিতে পারেননি। ১৬ ওভারে ৯৭ রানে গুটিয়ে যায় চেন্নাই। ৩৩ বলে ৩৬ রান করে অপরাজিত থাকেন ধোনি। ১৬ রানে ৩ উইকেট নেন ড্যানিয়েল স্যামস। ২২ রানে ২ উইকেট কুমার কার্তিকেয়ার। ২৭ রানে ২ উইকেট নেন রিলে মেরেডিথ। ১২ রানে ১ উইকেট যশপ্রীত বুমরার।

মে ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সম্মানরক্ষার লড়াইয়ে রোহিতদের থেকে কেন এগিয়ে ধোনিরা?‌

প্লে অফের লড়াই থেকে আগেই ছিটকে গেছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। অঙ্কের বিচারে চেন্নাই সুপার কিংসের আশা টিকে থাকলেও প্লে অফের স্বপ্ন দেখেন না অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। তাই দুই দলেই সম্মান রক্ষার লড়াইয়ে আজ মাঠে নামছে। রবীন্দ্র জাদেজার হাত থেকে আবার নেতৃত্বের ব্যাটন তুলে নেওয়ার পর দলকে জয়ের রাস্তায় ফিরিয়েছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। তাঁর নেতৃত্বেই শেষ তিন ম্যাচের মধ্যে দুটিতে জয় পেয়েছে চেন্নাই সুপার কিংস। মুম্বইয়ের বিরুদ্ধেও জয় তুলে নেওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী। রোহিত শর্মা দলের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে একদিকে যেমন স্বস্তি রয়েছে, তেমনই রয়েছ অস্বস্তিও। স্বস্তির খবর হল আগের ম্যাচে ডেভন কনওয়ের দুরন্ত ব্যাটিং। ফর্মে রয়েছেন আর এক ওপেনার ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ও। আর অস্বস্তির খবর হল চলতি আইপিএল থেকে রবীন্দ্র জাদেজার ছিটকে যাওয়া। চোটের জন্য আগের ম্যাচে মাঠে নামতে পারেননি। মুম্বইয়ের বিরুদ্ধেও খেলতে পারবেন না। বাকি ম্যাচগুলোও তাঁর পক্ষে মাঠে নামা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন চেন্নাই সুপার কিংসের সিইও কাশী বিশ্বনাথন। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে চেন্নাই সুপার কিংসকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে সাম্প্রতিক ফর্ম। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ৯১ রানের বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছিল চেন্নাই। ওই ম্যাচে ব্যাট হাতে ঝড় তুলেছিলেন ডেভন কনওয়ে ও ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। এই দুই ব্যাটার ধারাবাহিকতা দেখাতে পারলে সমস্যায় পড়বে মুম্বই। দলের ব্যাটারদের মতো চেন্নাইকে ভরসা দিয়েছে বোলাররাও। দুই তরুণ জোরে বোলার মুকেশ চৌধুরি, সিমরনজিৎ সিং দুর্দান্ত বোলিং করছেন। মইন আলি, মহেশ থিকসানাও স্পিন বিভাগকে দারুণ নেতৃত্ব দিচ্ছেন। সব মিলিয়ে এগিয়ে থেকেই মাঠে নামবে চেন্নাই। প্রথম দল হিসেবে এবারের আইপিএলের প্লে অফের লড়াই থেকে ছিটকে গেছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। তাঁদের কাছে এখন শুধু সম্মানরক্ষার লড়াই। গুরুত্বহীন এই ম্যাচ হলেও রোহিত, ঈশান কিষানদের কাছে এই ম্যাচের গুরুত্ব অনেকটাই। একদিকে যেমন রোহিত শর্মার কাছে ফর্মে ফেরা, অন্যদিকে নিলামে চড়া দামে বিক্রি হওয়া ঈশান কিষানের নিজেকে প্রমাণ করার। চলতি মরশুমে ১১ ম্যাচে ৩২১ রান করেছেন ঈশান। তাঁর ও রোহিত শর্মার ওপর বেশি নির্ভর করেই এবছর দল গড়েছিল মুম্বই টিম ম্যানেজমেন্ট। অথচ এই দুই ব্যাটারই দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি। মূলত ব্যাটিং ব্যর্থতার জন্যই এবছর ডুবতে হয়েছে আইপিএলে সবথেকে বেশি সাফল্য পাওয়া দলকে। বুমরাও শুরুর দিকে তেমন ছন্দে ছিলেন না। আগের ম্যাচে দুরন্ত বোলিং করেছেন। চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে নিজেকে প্রমাণ করাটা বুমরার কাছেও চ্যালেঞ্জ।

মে ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

কনওয়ের দুরন্ত ব্যাটিংয়ে দিল্লির সামনে বড় রানের চ্যালেঞ্জ চেন্নাইয়ের

চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে ১০ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট ছিল দিল্লি ক্যাপিটালসের। অন্যদিকে, ১০ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট চেন্নাই সুপার কিংসের। এদিন মাঠে নামার আগে প্লে অফের ক্ষীণ সম্ভাবনা ছিল চেন্নাইয়ের। হারলেই সম্ভাবনা শেষ। এই পরিস্থিতিতে জ্বলে উঠল চেন্নাই সুপার কিংস। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে তুলল ২০৮।টস জিতে চেন্নাইকে ব্যাট করতে পাঠান দিল্লি ক্যাপিটালস অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। দারুণ শুরু করেন দুই ওপেনার ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ডেভন কনওয়ে। দিল্লির বোলারদের কোনও রকম সুযোগ না দিয়ে ওপেনিং জুটিতে তুলে ফেলেন ১০.৫ ওভারে ১১০। একাদশ ওভারের শেষ বলে ঋতুরাজকে তুলে নিয়ে চেন্নাইকে প্রথম ধাক্কা দেন আনরিখ নর্টিয়ে। ৩৩ বলে ৪১ রান করে তিনি অক্ষর প্যাটেলের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন।ঋতুরাজ আউট হলেও ডেভন কনওয়েকে টলাতে পারেননি দিল্লির বোলাররা। দুর্দান্ত ব্যাটিং করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন। শতরানের দিকে এগোচ্ছিলেন চেন্নাইয়ের এই ওপেনার। দারুণ ছন্দে রয়েছেন। ১৭তম ওভারে খলিল আহমেদের তৃতীয় বলে উইকেটের পেছনে ঋষভ পন্থের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন কনওয়ে। ৪৯ বলে ৮৭ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে দলের বড় রানের ভিত গড়ে দেন। কনওয়ের ইনিংসে রয়েছে ৭টি চার ও ৫টি ছয়। ক্রিডে নেমে ঝড় তোলেন শিবম দুবে। ১৯ বলে ৩২ রান করে তিনি মিচেল মার্শের বলে আউট হন।অম্বাতি রায়ুডু এদিনও রান পাননি। ৬ বলে ৫ রান করে তিনি খলিল আমেদের বলে আউট হন। এরপর ক্রিজে নেমে নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। তিনিই দলকে ২০০ রানের গন্ডি পার করে দেন। ৮ বলে ২১ রান করে অপরাজিত থাকেন ধোনি। ৪ বলে ৯ রান করেন মইন আলি। ৪০ রানে ৩ উইকেট নেন নর্টিয়ে। ২৮ রানে ২ উইকেট নেন খলিল আহমেদ। ১টি উইকেট নেন মিচেল মার্শ।

মে ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

অতীতকে স্পর্শ করতে পারলেন না ধোনি, প্লে অফ স্বপ্নের অপমৃত্যু চেন্নাইয়ের

অতীতকে স্পর্শ করতে পারলেন না মহেন্দ্র সিং ধোনি। হয়ে উঠতে পারলেন না ফিনিশার। ১৯ তম ওভারে জস হ্যাজেলউডের প্রথম বল গ্যালারিতে পাঠাতে চেয়েছিলেন। ডিপ মিড উইকেটে রজত পতিদারের হাতে ধরা পড়তেই জয়ের স্বপ্ন শেষ চেন্নাই সুপার কিংসের। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের কাছে ১৩ রানে হেরে চলতি আইপিএলে প্লে অফের স্বপ্নের সলিল সমাধি চেন্নাইয়ের। জয়ের জন্য চেন্নাই সুপার কিংসের ১৮ বলে দরকার ছিল ৪৭। বাইশ গজে মহেন্দ্র সিং ধোনি ও মইন আলি। এই রকম পরিস্থিতিতে দলকে বহু ম্যাচে জয় এনে দিয়েছেন ফিনিশার ধোনি। পারলেন না। তাঁর হাত ধরেই আগের ম্যাচে জয়ের সরণিতে ফিরেছিল চেন্নাই। এদিন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে ছিল গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। হারলেই প্লে অফের সম্ভাবনা শেষ। ডু অর ডাই ম্যাচে জ্বলে উঠতে পারলেন না ধোনিরা। জয়ের জন্য ১৭৪ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমেছিল চেন্নাই সুপার কিংস। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ম্যাচের মতো না হলেও এদিনও চেন্নাইয়ের শুরুটা খারাপ হয়নি। লড়াইয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড় (২৩ বলে ২৮) ও ডেভন কনওয়ে। ব্যাট করার সময় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসি বুঝে গিয়েছিলেন বাইশ গজে স্পিনাররা সুবিধা পাচ্ছেন। তাই শাহবাজ আমেদের হাতে নতুন বল তুলে দিতে দ্বিধা করেননি ডুপ্লেসি। ছন্দে থাকা ঋতুরাজকে তুলে নেন শাহবাজ। উথাপ্পা (১) ও রায়ুডুকে (১০) ফিরিয়ে চেন্নাইকে চাপে ফেলে দেন ম্যাক্সওয়েল। দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন ডেভন কনওয়ে (৩৭ বলে ৫৬)। তাঁকে তুলে নেনে হাসারাঙ্গা। অনেকেই আশা করেছিলেন নেতৃত্ব ছেড়ে দিয়ে চাপমুক্ত হয়ে নিজের খেলা ফিরে পাবেন রবীন্দ্র জাদেজা (৩)। তিনিও ব্যর্থ। বল হাতে সাফল্য পাওয়ার পর ব্যাট হাতে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন মইন আলি। কিন্তু শেষরক্ষা করতে পারেননি। ২৭ বলে ৩৪ রান করে তিনি হর্ষল প্যাটেলের বলে আউট হন। ৩ রান করেন ধোনি। নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৬০/৮ তোলে চেন্নাই। টস জিতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান ধোনি। দুই ওপেনার বিরাট কোহলি ও ফাফ ডুপ্লেসি। ওপেনিজ জুটিতে ওঠে ৬২। এরপরই মইন আলির আঘাত। এদিন মিচেল স্যান্টনারের জায়গায় তাঁকে প্রথম একাদশে সুযোগ দেয় চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট। আস্থার মর্যাদা দিলেন মইন। মইনের হাত ধরেই প্রথম ব্রেক থ্রু আসে। প্রথমে তুলে নেন ছন্দে ফেরা ফাফ ডুপ্লেসিকে। ২২ বলে ৩৮ রান করে তিনি আউট হন। পরের ওভারেই গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (৩) রান আউট। ৫ বল পরেই রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে সবথেকে বড় ধাক্কা দেন মইন। তুলে নেন বিরাট কোহলিকে। মইনের অফ স্টাম্পের ওপরে পড়া বল কোহলির ব্যাট ও প্যাডের ফাঁক দিয়ে উইকেট ভেঙে দেয়। ৩৩ বলে ৩০ রান করে আউট হন কোহলি। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান ব্যাটিং অর্ডারে ওপরে উঠে আসা মহীপাল লোমরোর ও রজত পতিদার। ১৫ বলে ২১ রান করে আউট হন রজত। ২৭ বলে ৪২ রান করেন মহীপাল লোমরোর। মহীপাল ও হাসারাঙ্গাকে (০) পরপর ২ বলে তুলে নেন মহেশ থিকসানা।একই ওভারের শেষ বলে ফেরান শাহবাজকে (১)। দীনেশ কার্তিক ১৭ বলে ২৬ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২৭ রানে ৩ উইকেট নেন মহেশ থিকসানা। ২৮ রানে ২ উইকেট মইনের।

মে ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

টি২০ সুলভ ব্যাটিং কেন করতে পারলেন না বিরাট কোহলি?‌

চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ভাল শুরু করেও আবার আটকে গেলেন বিরাট কোহলি। টি২০ সুলভ ব্যাটিং পাওয়া গেল না তাঁর কাছ থেকে। তবুও চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে তুলল ১৭৩। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বড় রান তুলল মহীপাল লোমরোর, দীনেশ কার্তিকদের সৌজন্যে।প্লে অফের সম্ভাবনা জিইয়ে রাখতে গেলে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না চেন্নাই সুপার কিংসের সামনে। ৯ ম্যাচে চেন্নাইয়ের পয়েন্ট ৬। আর একটা হার মানেই প্লে অফের স্বপ্ন শেষ। অন্যদিকে, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর ১০ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে চেন্নাই সুপার কিংসের মুখোমুখি হয়েছিল। ধোনিদের কাছে হারলেই প্লে অফের লড়াই থেকে অনেকটাই পিছিয়ে পড়ত রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। এইরকম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে টস জিতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান চেন্নাই অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। আগের ম্যাচে তাঁর নেতৃত্বেই জয়ের সরণিতে ফিরেছে চেন্নাই। এদিনও ধোনির নেতৃত্বের দিকে তাকিয়ে ছিলেন সমর্থকরা। কিন্তু চেন্নাইয়ের বোলারদের কোনও সুযোগ না দিয়ে ভাল শুরু করেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের দুই ওপেনার বিরাট কোহলি ও ফাফ ডুপ্লেসি। ওপেনিজ জুটিতে ওঠে ৬২। এরপরই মইন আলির আঘাত। এদিন মিচেল স্যান্টনারের জায়গায় তাঁকে প্রথম একাদশে সুযোগ দেয় চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট। আস্থার মর্যাদা দিলেন মইন। মইনের হাত ধরেই প্রথম ব্রেক থ্রু আসে। প্রথমে তুলে নেন ছন্দে ফেরা ফাফ ডুপ্লেসিকে। ২২ বলে ৩৮ রান করে তিনি আউট হন। পরের ওভারেই গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (৩) রান আউট। ৫ বল পরেই রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে সবথেকে বড় ধাক্কা দেন মইন। তুলে নেন বিরাট কোহলিকে। মইনের অফ স্টাম্পের ওপরে পড়া বল কোহলির ব্যাট ও প্যাডের ফাঁক দিয়ে উইকেট ভেঙে দেয়। ৩৩ বলে ৩০ রান করে আউট হন কোহলি। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান ব্যাটিং অর্ডারে ওপরে উঠে আসা মহীপাল লোমরোর ও রজত পতিদার। ১৫ বলে ২১ রান করে আউট হন রজত। ২৭ বলে ৪২ রান করেন মহীপাল লোমরোর। মহীপাল ও হাসারাঙ্গাকে (০) পরপর ২ বলে তুলে নেন মহেশ থিকসানা।একই ওভারের শেষ বলে ফেরান শাহবাজকে (১)। দীনেশ কার্তিক ১৭ বলে ২৬ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২৭ রানে ৩ উইকেট নেন মহেশ থিকসানা। ২৮ রানে ২ উইকেট মইনের।

মে ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ধোনির হাতে নেতৃত্বের ব্যাটন যেতেই ভাগ্য বদলে গেল চেন্নাইয়ের

রবীন্দ্র জাদেজার হাত থেকে নেতৃত্ব ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে মহেন্দ্র সিং ধোনিকে। ধোনির হাতে নেতৃত্বের ব্যাটন যেতেই ভাগ্য বদলে গেল চেন্নাই সুপার কিংসের। থালার নেতৃত্বে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে দুরন্ত জয় চেন্নাই সুপার কিংসের। দক্ষিণ ভারতীয় ডার্বিতে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ১৩ রানে হারিয়ে প্লে অফের লাইফলাইন পেল চেন্নাই। ৯ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট পেয়ে প্লে অফের লড়াইয়ে টিকে থাকল। এদিন চেন্নাইয়ের জয়ের নায়ক ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ডেভন কনওয়ে। এই দুই ওপেনারের দাপটে সানরাইজার্সের সামনে বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয় চেন্নাই। পরে বল হাতে সাফল্য মুকেশ চৌধুরির। প্রথমে ব্যাট করে ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ডেভন কনওয়ের দাপটে ২০ ওভারে ২০২/২ রান তোলে চেন্নাই সুপার কিংস। ওপেনিং জুটিতে এই দুই ব্যাটার তোলেন ১৮২। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কোনও বোলারই এদিন চেন্নাইয়ের এই দুই ওপেনারের বিরুদ্ধে সুবিধা করতে পারেননি। ১৮ তম ওভারের পঞ্চম বলে জুটি ভাঙেন টি নটরাজন। তিনি তুলে নেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়কে। ৫৭ বলে ৯৯ রান করে আউট হন ঋতুরাজ। আইপিএলের ইতিহাসে তিনিই হলেন পঞ্চম ব্যাটার যিনি ৯৯ রানে আউট হলেন। তাঁর আগে ৯৯ রানে আউট হয়েছেন বিরাট কোহলি, পৃথ্বী শ, ঈশান কিষান ও ক্রিস গেইল। ডেভন কনওয়ে ৫৫ বলে ৮৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। তিন নম্বরে নেমে ধোনি ৭ বলে ৮ রান করে আউট হন। তিনিও নটরাজনের শিকার। নির্ধারিত ২০ ওভারে ২ উইকেটে ২০২ রান তোলে চেন্নাই। ৪২ রানে ২ উইকেট নেন নটরাজন। জয়ের জন্য ২০৩ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ৫.৪ ওভারে ওপেনিং জুটিতে তুলে ফেলে ৫৮। সানরাইজার্সকে প্রথম ধাক্কা দেন মুকেশ চৌধুরি। তুলে নেন ফর্মে থাকা অভিষেক শর্মাকে (২৪ বলে ৩৯)। পরের বলেই ফেরান রাহুল ত্রিপাঠীকে (০)। পরপর ২ উইকেট হারালেও রানের গতি কমেনি সানরাইজার্সের। উইলমিয়ামসন (৩৭ বলে ৪৭), এইডেন মার্করামরা (১০ বলে ১৭) আউট হলেও দলকে টেনে নিয়ে যান নিকোলাস পুরান। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮৯ রান তুলতে সমর্থ হয় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। নিকোলাস পুরান ৩৩ বলে ৬৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। মুকেশ চৌধুরি ৪৬ রানে ৪ উইকেট নেন।

মে ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

৯৯ রানে আউট হয়ে বিরাট কোহলিদের তালিকায় নাম লেখালেন ঋতুরাজ

রবীন্দ্র জাদেজার হাত থেকে নেতৃত্বের আর্ম ব্যান্ড মহেন্দ্র সিং ধোনির হাতে যেতেই ছন্দে ফিরল চেন্নাই সুপার কিংস। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় পর্বের সাক্ষাৎকারে প্রথমে ব্যাট করে বড় রান। নির্ধারিত ২০ ওভারে চেন্নাই তুলল ২০২/২। দুরন্ত ব্যাটিং করে চেন্নাইকে বড় রানে পৌঁছে দিলেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ডেভন কনওয়ে। মাত্র ১ রানের জন্য সেঞ্চুরি পেলেন না ঋতুরাজ। এদিন ৯৯ রানে আউট হয়ে নাম লেখালেন বিরাট কোহলিদের তালিকায়। ডেভন কনওয়ে ৮৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। চলতি আইপিএলের শুরুর দিকে একেবারেই ছন্দে ছিলেন না ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। পরে ছন্দে ফিরেছেন। এদিন মাত্র ১ রানের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া। আইপিএলের ইতিহাসে ঋতুরাজ পঞ্চম ব্যাটার যিনি ৯৯ রানে আউট হলেন। তিনি নাম লেখালেন বিরাট কোহলি, পৃথ্বী শ, ঈশান কিশান, ক্রিস গেইলদের সঙ্গে। টস জিতে এদিন চেন্নাইকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান সানরাইজার্স হায়দরাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। প্রথম পর্বের সাক্ষাৎকারেও টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং নিয়েছিলেন সানরাইজার্স অধিনায়ক। সেই ম্যাচে অবশ্য চেন্নাই বড় রান তুলতে পারেনি। এদিন ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ডেভন কনওয়ের দাপটে ২০০ রানের গন্ডি পার করে ফেলল। এদিন প্রথম একাদশে দুটি পরিবর্তন করে মাঠে নামে চেন্নাই সুপার কিংস। ফিট না থাকায় প্রথম একাদশ থেকে ছিটকে যান ডোয়েন ব্র্যাভো। খারাপ ফর্মের জন্য বাদে দেওয়া হয় শিবম দুবেকে। এদের পরিবর্তে প্রথম একাদশে ঢোকেন ডেভন কনওয়ে ও সিমরনজিৎ সিং। ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করেন চেন্নাইয়ের দুই ওপেনার ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ডেভন কনওয়ে। মার্কো জানসেন, টি নটরাজন, উমরান মালিকের মতো জোরে বোলাররা এদিন একেবারেই সুবিধা করতে পারেননি। সবথেকে করুণ অবস্থা উমরান মালিকের। ৪ ওভারে তিনি খরচ করেন ৪৮ রান। বারবারা বোলিং পরিবর্তন করেও এদিন চেন্নাইয়ের ওপেনিং জুটি ভাঙতে পারছিলেন না কেন উইলিয়ামসন। ১৭.৪ ওভারে ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ডেভন কনওয়ে তোলেন ১৮২। এরপরই নটরাজন ঋতুরাজকে তুলে নেন। দুরন্ত ব্যাটিং করে ৫৭ বলে ৯৯ রান করেন ঋতুরাজ। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৬টি করে চার ও ছয়। এদিন ব্যাটিং অর্ডারে নিজেকে ৩ নম্বরে তুলে নিয়ে আসেন ধোনি। যদিও সফল হননি। ৭ বলে ৮ রান করে তিনি নটরাজনের বলে উমরান মালিকের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ৫৫ বলে ৮৫ রান করে অপরাজিত থাকেন ডেভন কনওয়ে। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৮টি ৪ ও ৪ টি ৬।

মে ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌চেন্নাইয়ের নেতৃত্ব ছেড়ে দিলেন জাদেজা, ব্যাটন আবার সেই ধোনির হাতে

অনেকের হাতেই নেতৃত্বের ব্যাটন তুলে দেওয়া হয়। কিন্তু সবাই কি দলকে নেতৃত্ব দিতে পারেন? সবাই কি সফল অধিনায়ক হতে পারেন? নিশ্চিতভাবেই নয়। দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য আলাদা গুণ থাকা দরকার। সব ক্রিকেটারের মধ্যে সেই গুণ থাকে না। কেউ বোঝেন, কেউ আবার বোঝেন না। দেরিতে হলেও রবীন্দ্র জাদেজা বুঝেছেন, চেন্নাই সুপার কিংসকে নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা তাঁর নেই। তাই নেতৃত্বের ব্যাটন ফিরিয়ে দিলেন থালা মহেন্দ্র সিং ধোনিকেই। এবছর আইপিএল শুরুর আগেই মহেন্দ্র সিং ধোনি চেন্নাই সুপার কিংসের নেতৃত্ব ছেড়ে দিয়েছিলেন। তাঁর ইচ্ছেতেই অধিনায়ক করা হয়েছিল রবীন্দ্র জাদেজাকে। প্রতিযোগিতার মাঝপথে যেতে না যেতেই আবার সেই ধোনিকেই নেতৃত্ব ফিরিয়ে দিলেন জাদেজা। কেন এই সিদ্ধান্ত নিলেন জাড্ডু? চলতি আইপিএলের শুরু থেকেই একেবারে ছন্দে নেই চেন্নাই সুপার কিংস। ৪ বারের আইপিএল চ্যাম্পিয়নরা ৮ ম্যাচে জিতেছেন মাত্র ২টিতে। ৬ ম্যাচে হার। ৪ পয়েন্ট নিয়ে গিল টেবিলে রয়েছে ৯ নম্বরে। দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে ব্যর্থ জাদেজা। নেতৃত্বের প্রভাব পড়েছে পারফরমেন্সে। নিজেকে মেলে ধরতে পারছেন না। এই অবস্থায় নিজের খেলার প্রতি মনোসংযোগ বাড়াতেই নেতৃত্ব ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। শনিবার চেন্নাই সুপার কিংসের পক্ষ থেকে প্রেস বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রবীন্দ্র জাদেজা। তিনি মহেন্দ্র সিং ধোনিকে অনুরোধ করেছেন দলকে আবার নেতৃত্ব দেওয়ার। দলের স্বার্থে ধোনি আবার দলকে নেতৃত্ব দিতে রাজি হয়েছেন। এখন দেখার ধোনির নেতৃত্বে চেন্নাই সুপার কিংস আবার স্বমহিমায় ফেরেন কিনা। গতবছর নেতা বদল করে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। দীনেশ কার্তিকের নেতৃত্বে প্রথম পর্বে ৭ ম্যাচের মধ্যে জিতেছিল ২ ম্যাচে। পরে তাঁকে সরিয়ে ইওয়িন মর্গ্যানকে অধিনায়ক করা হয়। তাঁর নেতৃত্বে টানা ৫ ম্যাচ জিতে প্লে অফে পৌঁছয়। ফাইনালেও উঠেছিল। কিন্তু মহেন্দ্র সিং ধোনির চেন্নাই সুপার কিংসের কাছে ফাইনালে হারতে হয়েছিল।

এপ্রিল ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

টেক্কা দিতে পারলেন না রায়ুডু, শিখরের ব্যাটে জয় পাঞ্জাবের

শেষ মুহূর্তে জ্বলে উঠেছিলেন অম্বাতি রায়ুডু। ৩৯ বলে ৭৮ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেও শেষরক্ষা করতে পারলেন না। ফিনিশারের ভূমিকা নিতে পারলেন না মহেন্দ্র সিং ধোনিও। দলকে জেতাতে ব্যর্থ। টানটান উত্তেজনার ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসকে ১১ রানে হারাল পাঞ্জাব কিংস। এদিন টস জিতে পাঞ্জাব কিংসকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠায় চেন্নাই সুপার কিংস। পাঞ্জাবের প্রথম উইকেট পড়ে ৩৭ রানের মাথায়। ষষ্ঠ ওভারের পঞ্চম বলে মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে (২১ বলে ১৮) তুলে নেন মহেশ থিকসানা। এরপরই দলকে দারুণভাবে টেনে নিয়ে যান শিখর ধাওয়ান ও ভানুকা রাজাপক্ষে। নিজের ২০০ তম আইপিএল ম্যাচে দারুণভাবে জ্বলে ওঠেন শিখর ধাওয়ান। চেন্নাই সুপার কিংসের বোলারদের কোনও রকম সুযোগ তিনি এদিন দেননি। ভানুকা রাজাপক্ষর সঙ্গে জুটিতে শিখর ধাওয়ান তোলেন ১১০ রান। এই জুটিই পাঞ্জাব কিংসের বড় রানের প্ল্যাটফর্ম গড়ে দেয়।১৭.২ ওভারের মাথায় ডোয়েন ব্র্যাভোর বলে শিবম দুবের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ভানুকা রাজাপক্ষে। ৩২ বলে তিনি করেন ৪২। এক ওভার পরেই লিয়াম লিভিংস্টোনকেও তুলে নেন ডোয়েন ব্র্যাভো। ৭ বলে ১৯ রান করেন লিভিংস্টোন। শিখর ধাওয়ানকে অবশ্য থামাতে পারেননি চেন্নাই সুপার কিংসের বোলাররা। শেষ দিকে ঝড় তুলে ৫৯ বলে ৮৮ রান করে অপরাজিত থাকেন ধাওয়ান। ৯টি বাউন্ডারি ও ২টি ছক্কার সাহায্যে তিনি এই রান করেন। ইনিংসের শেষ বলে রান আউট হন জনি বেয়ারস্টো। ৩ বলে তিনি করেন ৬। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৮৭ রান তোলে পাঞ্জাব কিংস।জয়ের জন্য ১৮৮ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা একেবারেই ভাল হয়নি চেন্নাই সুপার কিংসের। দ্বিতীয় ওভারেই ফিরে যান ফর্মে থাকা রবিন উথাপ্পা। মাত্র ১ রান করে তিনি সন্দীপ শর্মার বলে ঋষি ধাওয়ানের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ৫.৩ ওভারের মাথায় ৩০ রানে ফিরে যান মিচেল স্যান্টনার। ১৫ বলে ৯ রান করে তিনি অর্শদীপ সিংয়ের বলে বোল্ড হন। চেন্নাই আরও সমস্যায় পরে সপ্তম ওভারের শেষ বলে। ঋষি ধাওয়ানের বলে বোল্ড হন শিবম দুবে (৮)। ৪০ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও অম্বাতি রায়ুডু। জুটিতে ওঠে ৪৯। ঋতুরাজকে (২৭ বলে ৩০) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন কাগিসো রাবাদা। জয়ের জন্য শেষ ওভারে দরকার ছিল ২৭ রান। ঋষি ধাওয়ানের প্রথম বলে ছক্কা মারেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। দ্বিতীয় বল ওয়াইড। পরের বল ডট। ওভারের তৃতীয় ধোনির আউট। বড় শট খেলতে গিয়ে ৮ বলে ১২ রান করে সাজঘরে ফিরলেন। তাতেই নিশ্চিত হয়ে গেল ম্যাচের ভাগ্য। পঞ্চম বলে জাদেজার ছক্কা। কিন্তু তাতে চলতি আইপিএলে পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ফিরতি সাক্ষাতেও পরাজয় এড়াতে পারল না চেন্নাই সুপার কিংস। জাদেজা ১৬ বলে ২১ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২০ ওভারে ১৭৬/৬ রানে থেমে যায় চেন্নাই।

এপ্রিল ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বুড়ো হাড়ে ভেল্কি ধোনির, আবার সেই ফিনিশারের ভুমিকায়

গত আইপিএলে ধোনির ব্যাটিং দেখে অনেকেই ভেবেছিলেন, শেষ হয়ে গেছেন ধোনি। কিন্তু বৃহস্পতিবার মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে দেখা গেল সেই পুরনো ধোনিকে। বুড়ো হাড়ে ভেল্কি দেখালেন। শেষ বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে দলকে এনে দিলেন নাটকীয় জয়। মুম্বইকে ৩ উইকেটে হারিয়ে প্লে অফের লড়াইয়ে টিকে থাকল। শেষ ওভারে জয়ের জন্য চেন্নাইয়ের দরকার ছিল ১৭। উনাদকাতের প্রথম বলেই এলবিডব্লুউ প্রিটোরিয়াস (১৪ বলে ২২)। শেষ ৪ বলে ১৬ দরকার ছিল। তৃতীয় বলে ৬ মারেন ধোনি। পরের বলে বাউন্ডারি। পঞ্চম বলে ২ রান নেন। শেষ বলে জয়ের জন্য দরকার ৪। উনাদকাতের ফুলটস বল স্কোয়ার লেগ বাউন্ডারিতে পাঠিয়ে দলকে কাঙ্খিত জয় এনে দেন ধোনি।প্লে অফে যাওয়ার রাস্তা খোলা রাখতে গেলে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে আজ জিততেই হত। অথচ এইরকম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আবার ব্যাটিং বিপর্যয়। প্রথমে ব্যাটে করে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫৫ রানের বেশি তুলতে পারেনি মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। রোহিতের দলের ইনিংসে ধস নামান তরুণ জোরে বোলার মুকেশ চৌধুরি। অপরাজিত হাফ সেঞ্চুরি করে মুম্বইয়ের মান বাঁচান তিলক ভার্মা।Thala 💛!Showering your timelines with the inspiration thoughts of that finish! #THA7A #MIvCSK #WhistlePodu #Yellove 🦁 pic.twitter.com/OMRL5fssvo Chennai Super Kings (@ChennaiIPL) April 22, 2022গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দুই দলই প্রথম একাদশে পরিবর্তন করে মাঠে নামে। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের এদিন প্রথম একাদশে ঢোকেন রিলে মেরেডিথ, ঋত্ত্বিক শোকেন ও ড্যানিয়েল সামস। অন্যদিকে, চেন্নাই সুপার কিংসের প্রথম একাদশে এসেছেন ডোয়েন প্রিটোরিয়াস ও মিচেল স্যান্টনার। টস জিতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ব্যাট করতে পাঠান চেন্নাই অধিনায়ক রবীন্দ্র জাদেজা। প্রথম ওভারেই ধাক্কা মুম্বই শিবিরে। মুকেশ চৌধুরির দ্বিতীয় বলে মিড অনে স্যান্টনারের হাতে সহজ ক্যাচ দেন রোহিত শর্মা (০)। ব্যর্থতার দিক দিয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরের বিরাট কোহলির সঙ্গে সমানতালে পাল্লা দিয়ে চলেছেন রোহিত। ওভারের পঞ্চম বলে আবার ধাক্কা মুম্বইয়ের। ঈশান কিশানের (০) অফ স্টাম্প ছিটকে দেন মুকেশ। প্রথম ওভারেই ৬ রানে ২ উইকেট হারায় মুম্বই।ম্যাচের তৃতীয় ওভারে মুম্বইয়ের সমস্যা আরও বাড়িয়ে দেন মুকেশ। এবারের তাঁর শিকারের তালিকায় ডিওয়ালড ব্রেভিস (৪)। মুকেশের শর্ট বল ব্যাটের কানায় লাগিয়ে ধোনির হাতে ক্যাচ দেন বেবি এবি। এক ওভার পরেই স্লিপে মুকেশের বলে তিলক ভার্মার সহজ ক্যাচ ফেলেন ডোয়েন ব্র্যাভো। পাল্টা আক্রমণ শানিয়ে চেন্নাই বোলারদের ওপর চাপ তৈরির চেষ্টা করছিলেন সূর্যকুমার যাদব (২১ বলে ৩২)। স্যান্টনারের বল সুইপ করতে গিয়ে লং লেগে মুকেশ চৌধুরির হাতে ক্যাচ দেন।সূর্য ফিরে যাওয়ার পর মুম্বইকে টেনে নিয়ে যান দুই তরুণ ব্যাটার তিলক ভার্মা ও ঋত্বিক শোকেন। ২৫ বলে ২৫ রান করে ব্র্যাভোর বলে আউট হন শোকেন। কায়রন পোলার্ড (১৪) এদিনও দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি। দলকে একার কাঁধে টেনে নিয়ে যান তিলক ভার্মা। ৪৩ বলে ৫১ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ৯ বলে ১৯ রান করে অপরাজিত থাকেন জয়দেব উনাদকাত। ৩ ওভার বল করে ১৯ রানে ৩ উইকেট নেন মুকেশ চৌধুরি। ৩৬ রানে ২ উইকেট ব্র্যাভোর। মুম্বইয়ের মতো চেন্নাইয়ের শুরুটাও ভাল হয়নি। জয়ের জন্য ১৫৬ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে প্রথম বলেই ধাক্কা খায় চেন্নাই। ড্যানিয়েল সামস তুলে নেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়কে (০)। তৃতীয় ওভারে আবার ধাক্কা। এবার আউট মিচেল স্যান্টনার (১১)। তিনিও সামসের শিকার। এরপর চাপ সামলে চেন্নাইকে টেনে নিয়ে যান রবিন উথাপ্পা ও অম্বাতি রায়ুডু। জুটিতে ওঠে ৫০। উথাপ্পাকে (২৫ বলে ৩০) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন জয়দেব উনাদকাত। দ্বিতীয় স্পেলে বল করতে এসে শিবম দুবেকে (১৩) ফেরান সামস। ১২.৫ ওভারে ৮৮ রানে ৪ উইকেট হারায় চেন্নাই।তবে চেন্নাই বড় ধাক্কা খায় ১৫ ও ১৬ নম্বর ওভারে। পরপর ২ ওভারে ফিরে যান অম্বাতি রায়ুডু ও রবীন্দ্র জাদেজা। সামস ফেরান রায়ুডুকে। ৩৫ বলে ৪০ করে আউট হন রায়ুডু। পরের ওভারেই জাদেজাকে (৩) তুলে নেন রিলে মেরেডিথ। এরপরই চাপে পড়ে যায় চেন্নাই। তবে জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছিলেন প্রিটোরিয়াস। তিনি আউট হওয়ার পর দলকে জেতানোর দায়িত্ব কাংধে তুলে নেন ধোনি (১৩ বলে অপরাজিত ২৮)। ৩০ রানে ৪ উইকেট নেন ড্যানিয়েল সামস।

এপ্রিল ২১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

রোহিতদের ব্যর্থতা ঢেকে মুম্বইয়ের মান বাঁচালেন তিলক ভার্মা

প্লে অফে যাওয়ার রাস্তা খোলা রাখতে গেলে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে আজ জিততেই হত। অথচ এইরকম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আবার ব্যাটিং বিপর্যয়। প্রথমে ব্যাটে করে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫৫ রানের বেশি তুলতে পারল না মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। রোহিতের দলের ইনিংসে ধস নামালেন তরুণ জোরে বোলার মুকেশ চৌধুরি। অপরাজিত হাফ সেঞ্চুরি করে মুম্বইয়ের মান বাঁচালেন তিলক ভার্মা।আইপিএলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ও চেন্নাই সুপার কিংস ম্যাচ এল ক্ল্যাসিকো নামে পরিচিত। কারণ দুই দলই সবথেকে বেশি চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাছে ম্যাচটা যেমন গুরুত্বপূর্ণ ছিল, তেমনই গুরুত্বপূর্ণ ছিল চেন্নাই সুপার কিংসের কাছে। কারণ প্লে অফের লড়াইয়ে টিকে থাকতে গেলে রবীন্দ্র জাদেজার দলকেও জিততে হত। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দুই দলই প্রথম একাদশে পরিবর্তন করে মাঠে নামে। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের এদিন প্রথম একাদশে ঢোকেন রিলে মেরেডিথ, ঋত্ত্বিক শোকেন ও ড্যানিয়েল সামস। অন্যদিকে, চেন্নাই সুপার কিংসের প্রথম একাদশে এসেছেন ডোয়েন প্রিটোরিয়াস ও মিচেল স্যান্টনার। টস জিতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ব্যাট করতে পাঠান চেন্নাই অধিনায়ক রবীন্দ্র জাদেজা। প্রথম ওভারেই ধাক্কা মুম্বই শিবিরে। মুকেশ চৌধুরির দ্বিতীয় বলে মিড অনে স্যান্টনারের হাতে সহজ ক্যাচ দেন রোহিত শর্মা (০)। ব্যর্থতার দিক দিয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরের বিরাট কোহলির সঙ্গে সমানতালে পাল্লা দিয়ে চলেছেন রোহিত। ওভারের পঞ্চম বলে আবার ধাক্কা মুম্বইয়ের। ঈশান কিশানের (০) অফ স্টাম্প ছিটকে দেন মুকেশ। প্রথম ওভারেই ৬ রানে ২ উইকেট হারায় মুম্বই। ম্যাচের তৃতীয় ওভারে মুম্বইয়ের সমস্যা আরও বাড়িয়ে দেন মুকেশ। এবারের তাঁর শিকারের তালিকায় ডিওয়ালড ব্রেভিস (৪)। মুকেশের শর্ট বল ব্যাটের কানায় লাগিয়ে ধোনির হাতে ক্যাচ দেন বেবি এবি। এক ওভার পরেই স্লিপে মুকেশের বলে তিলক ভার্মার সহজ ক্যাচ ফেলেন ডোয়েন ব্র্যাভো। পাল্টা আক্রমণ শানিয়ে চেন্নাই বোলারদের ওপর চাপ তৈরির চেষ্টা করছিলেন সূর্যকুমার যাদব (২১ বলে ৩২)। স্যান্টনারের বল সুইপ করতে গিয়ে লং লেগে মুকেশ চৌধুরির হাতে ক্যাচ দেন। সূর্য ফিরে যাওয়ার পর মুম্বইকে টেনে নিয়ে যান দুই তরুণ ব্যাটার তিলক ভার্মা ও ঋত্বিক শোকেন। ২৫ বলে ২৫ রান করে ব্র্যাভোর বলে আউট হন শোকেন। কায়রন পোলার্ড (১৪) এদিনও দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি। দলকে একার কাঁধে টেনে নিয়ে যান তিলক ভার্মা। ৪৩ বলে ৫১ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ৯ বলে ১৯ রান করে অপরাজিত থাকেন জয়দেব উনাদকাত। ৩ ওভার বল করে ১৯ রানে ৩ উইকেট নেন মুকেশ চৌধুরি। ৩৬ রানে ২ উইকেট ব্র্যাভোর।

এপ্রিল ২১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুরন্ত ব্যাটিং, চেন্নাই সুপার কিংসের ‘‌কিলার’‌ হয়ে উঠলেন মিলার

চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে এদিন শীর্ষস্থান ধরে রাখার লড়াই ছিল গুজরাট টাইটান্সের কাছে। কিন্তু ম্যাচের আগেই ধাক্কা। কুঁচকির চোটের জন্য এদিন ম্যাচ থেকে ছিটকে যান গুজরাট অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। তাঁর জায়গায় গুজরাটকে নেতৃত্ব দিতে নামেন রশিদ খান। হার্দিকের অভাব বুঝতেই দিলেন না রশিদ খান। ব্যাট হাতে ঝড় তুলে ২১ বলে করেন ৪০। তবে তাঁকে চাপিয়ে নায়ক ডেভিড মিলার। তিনিই হয়ে উঠলেন চেন্নাইয়ের কিলার। নাটকীয় ম্যাচে চেন্নাইকে ৩ উইকেটে হারিয়ে শীর্ষস্থান ধরে রাখল গুজরাট। ৫১ বলে ৯৪ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন কিলার মিলারটস জিতে এদিন চেন্নাই সুপার কিংসকে ব্যাট করতে পাঠান রশিদ। গুজরাটের বোলারদের দাপটে শুরুর দিকে সুবিধা করতে পারেননি রবিন উথাপ্পা। ১০ বলে মাত্র ৩ রান করে তিনি মহম্মদ সামির বলে আউট হন। মইন আলিও সুবিধা করতে পারেননি। ৩ বলে ১ রান করে তিনি আলজেরি জোশেফের বলে বোল্ড হন। হার্দিক পান্ডিয়ার পরিবর্তে খেলতে নেমে এদিন ভাল বোলিং করেন আলজেরি জোশেফ। ৩২ রানে ২ উইকেট হারানোর পর চেন্নাই সুপার কিংসকে টেনে নিয়ে যান ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও অম্বাতি রায়ুডু। ঋতুরাজ ও অম্বাতির জুটিতে ৫৬ বলে ওঠে ৯২। এই দুনের ব্যাটে ভর করে চাপ কাটিয়ে ওঠে চেন্নাই সুপার কিংস। রায়ুডুকে (৩১ বলে ৪৬) তুলে নেন আলজেরি জোশেফ। এরপর ঋতুরাজ গায়কোয়াড়কে ফেরান যশ দয়াল। ৪৮ বলে ৭৩ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন ঋতুরাজ। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৫টি চার ও ৫টি ছয়। শেষ দিকে চেন্নাইকে লড়াই করার মতো জায়গায় পোঁছে দেন অধিনায়ক রবীন্দ্র জাদেজা ও শিবম দুবে (১৯)। জাদেজা ১২ বলে ২২ রান করে অপরাজিত থাকেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৬৯/৫ তোলে চেন্নাই। আলজেরি জোশেফ ৩৪ রানে ২ উইকেট নেন। জয়ের জন্য ১৭০ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে গুজরাট। প্রথম ওভারেই মুকেশ চৌধুরির বলে ফিরে যান শুভমান গিল (০)। পরের ওভারেই মহেশ থিকসানা তুলে নেন বিজয় শঙ্করকে (০)। চতুর্থ ওভারে অভিনব মনোহরও (১২) তাংর শিকার। ম্যাথু ওয়েডের জায়গায় মাঠে নেমে ঋদ্ধিমান সাহাও (১৮ বলে ১১) সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। রাহুল তেওয়াটিয়াও (৬) এদিন ব্যর্থ। ১২.৪ ওভারে ৮৭ রানে ৫ উইকেট হারায় গুজরাট। মনে হচ্ছিল চেন্নাইয়ের জয় সময়ের অপেক্ষা। এরপর রুখে দাঁড়ান ডেভিড মিলার ও রশিদ খান। ৩৭ বলে জুটিতে ওঠে ৭০। ১৮তম ওভারে ক্রিস জর্ডনের বলে ২৫ রান তুলে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। পরের ওভারে পরপর দুবলে রশিদ (২১ বলে ৪০) ও আলজেরি জোশেফকে (০) তুলে নেন ডোয়েন ব্রাভো। শেষ ওভারে গুজরাটের দরকার ছিল ১৩। ১ বল বাকি থাকতে ম্যাচ জিতে নেয় গুজরাট। ৫১ বলে ৯৪ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন কিলার মিলার। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৮টি চার ও ৬টি ৬।

এপ্রিল ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মেন্টর ধোনির আস্থার মর্যাদা কীভাবে দিলেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়?‌

আগের পাঁচ ম্যাচে ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের স্কোর যথাক্রমে ০, ১, ১, ১৬, ১৭। অন্য কোনও দল হলে নিশ্চিতভাবেই বাদ পড়তেন। কিম্তু চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট ভরসা হারায়নি। আর সেটা মেন্টর মহেন্দ্র সিং ধোনির জন্যই। মেন্টরের আস্থার মর্যাদা দিলেন ঋতুরাজ। তাঁর দুরন্ত ব্যাটিংয়ের সৌজন্যেই গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে লড়াই করার মতো জায়গায় পৌঁছল চেন্নাই সুপার কিংস। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে তুলল ১৬৯। ৪৮ বলে ৭৩ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন ঋতুরাজ। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৫টি করে চার ও ছয়। অম্বাতি রায়ুডু ৪৬ রান করেন। জাদেজা ১২ বলে ২২ রান করে অপরাজিত থাকেন। চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে এদিন শীর্ষস্থান ধরে রাখার লড়াই ছিল গুজরাট টাইটান্সের কাছে। কিন্তু ম্যাচের আগেই ধাক্কা। কুঁচকির চোটের জন্য এদিন ম্যাচ থেকে ছিটকে যান গুজরাট অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। তাঁর জায়গায় গুজরাটকে নেতৃত্ব দিতে নামেন রশিদ খান। আফগানিস্তানের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে এবং দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ বিদেশি ক্রিকেটার হিসেবে আইপিএলে কোনও একটি দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার রেকর্ড গড়লেন। তিনিই এবছর গুজরাট টাইটান্সের সহঅধিনায়ক। তাই স্বাভাবিকভাবেই তাঁর ওপর দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার ভার পড়েছিল। টস জিতে এদিন চেন্নাই সুপার কিংসকে ব্যাট করতে পাঠান রশিদ খান। গুজরাটের বোলারদের দাপটে শুরুর দিকে সুবিধা করতে পারেননি আগের ম্যাচে জ্বলে ওঠা চেন্নাই সুপার কিংসের ওপেনার রবিন উথাপ্পা। ১০ বলে মাত্র ৩ রান করে তিনি মহম্মদ সামির বলে আউট হন। মইন আলিও সুবিধা করতে পারেননি। ৩ বলে ১ রান করে তিনি আলজেরি জোশেফের বলে বোল্ড হন। হার্দিক পান্ডিয়ার পরিবর্তে খেলতে নেমে এদিন ভাল বোলিং করেন আলজেরি জোশেফ। ৩২ রানে ২ উইকেট হারানোর পর চেন্নাই সুপার কিংসকে টেনে নিয়ে যান ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও অম্বাতি রায়ুডু। ঋতুরাজ ও অম্বাতির জুটিতে ৫৬ বলে ওঠে ৯২। এই দুনের ব্যাটে ভর করে চাপ কাটিয়ে ওঠে চেন্নাই সুপার কিংস। রায়ুডুকে (৩১ বলে ৪৬) তুলে নেন আলজেরি জোশেফ। এরপর ঋতুরাজ গায়কোয়াড়কে ফেরান যশ দয়াল। ৪৮ বলে ৭৩ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন ঋতুরাজ। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৫টি চার ও ৫টি ছয়। শেষ দিকে চেন্নাইকে লড়াই করার মতো জায়গায় পোঁছে দেন অধিনায়ক রবীন্দ্র জাদেজা ও শিবম দুবে (১৯)। জাদেজা ১২ বলে ২২ রান করে অপরাজিত থাকেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৬৯/৫ তোলে চেন্নাই। আলজেরি জোশেফ ৩৪ রানে ২ উইকেট নেন।

এপ্রিল ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

উথাপ্পা–শিবমের ব্যাটে দুঃস্বপ্ন কাটল চেন্নাইয়ের, পেল প্রথম জয়ের স্বাদ

চলতি আইপিএলে প্রথম জয় পেল চেন্নাই সুপার কিংস। মঙ্গলবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে হারাল ২৩ রানে। চেন্নাই সুপার কিংসের জয়ের নায়ক শিবম দুবে ও রবিন উথাপ্পা। এই দুই ব্যাটারের দাপটেই ৪ উইকেটে ২১৬ রানের বড় ইনিংস গড়ে চেন্নাই। সেই শিখরে পৌঁছতে পারেনি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। যদিও ফাফ ডুপ্লেসির দলের লড়াইকে কুর্ণিশ জানাতেই হবে। বড় ইনিংসের সামনে ভেঙে পড়েনি। শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গেছে। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না চেন্নাই সুপার কিংসের কাছে। না হলে প্লে অফের লড়াই থেকে ছিটকে যেত। এইরকম ডু অর ডাই ম্যাচে জ্বলে উঠলেন চেন্নাইয়ের ব্যাটিং। যদিও চেন্নাইয়ের শুরুটা ভাল হয়নি। টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় চেন্নাই। চতুর্থ ওভারে আউট হন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। ১৬ বলে ১৭ রান করে জস হ্যাজেলউডের বলে এলবিডব্লুউ হন। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে চেন্নাই মাত্র ৩৬/১ তুলতে সমর্থ হয়। চেন্নাইয়ের চাপ আরও বেড়ে যায় রবিন উথাপ্পার সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে মইন আলির (৮ বলে ৩) রান আউটে। শুরুর দিকে চেন্নাইয়ের রান তোলার গতি খুব একটা ভাল ছিল না। ১০ ওভারে ২ উইকেটে ওঠে ৬০।এরপরই ঝড় তোলেন রবিন উথাপ্পা এবং শিবম দুবে। এই দুই ব্যাটারের তান্ডবের সামনে রীতিমতো অসহায় হয়ে পড়েন আকাশদীপ, মহম্মদ সিরাজ, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গারা। ৩৩ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন উথাপ্পা। ৩০ বলে ৫০ পূর্ণ করেন শিবম দুবে। শেষ পর্যন্ত ৫০ বলে ৮৮ রান করে হাসারাঙ্গার বলে বিরাট কোহলির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন রবিন উথাপ্পা। পরের বলেই জাদেজাকে (০) তুলে নেন হাসারাঙ্গা। পরপর ২ উইকেট পড়ে গেলেও বিচলিত হননি শিবম দুবে। তাঁর ঝড় অব্যাহত থাকে। কিন্তু দুর্ভাগ্য সেঞ্চুরি পেলেন না। ৪৬ বলে ৯৪ রান করে জস হ্যাজেলউডের বলে ডুপ্লেসির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৫টি ৪ ও ৮টি ৬। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২১৬ তোলে চেন্নাই।সামনে বড় রানের লক্ষ্য দেখে শুরুতেই চাপে পড়ে গিয়েছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। জয়ের জন্য ২১৭ রান তাড়া করতে গেলে যে ধরণের শুরু করা উচিত ছিল, করতে পারেনি। তৃতীয় ওভারেই ফিরে যান ডুপ্লেসি (৮)। আগের ম্যাচে রান পাওয়া অনুজ রাওয়াত (১২), বিরাট কোহলিরাও (১) ব্যর্থ। সামান্য ঝড় তোলার চেষ্টা করেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (১১ বলে ২৬)। রবীন্দ্র জাদেজা এসে ম্যাক্সওয়েলের ঝড় থামিয়ে দেন। ৫০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। শাহবাজ আমোদ (২৭ বলে ৪১), সুয়াস প্রভুদেশাই (১৮ বলে ৩৫), দীনেশ কার্তিকরা (১৪ বলে ৩৪) লড়াই জমিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৯৩ রানে থেমে যায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের ইনিংস। আইপিএলের অভিষেকে চমক দেখালেন শ্রীলঙ্কার অফ স্পিনার মহেশ থিকসানা। ৩৩ রানে তুলে নেন ৪ উইকেট। ৩৯ রানে ৩ উইকেট পান রবীন্দ্র জাদেজা।

এপ্রিল ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মরণবাঁচন ম্যাচে হঠাৎ করে কী হল উথাপ্পা–শিবমের?‌ কেন এত তান্ডব?‌

বলতে গেলে চেন্নাই সুপার কিংসের কাছে একপ্রকার মরণবাঁচন ম্যাচ। হারলেই প্লে অফের লড়াই থেকে অনেকটাই পিছিয়ে পড়তে হবে। দলের এইরকম সঙ্কটজনক পরিস্থিতিতে জ্বলে উঠলেন রবিন উথাপ্পা ও শিবম দুবে। উথাপ্পাকে ছাপিয়ে গেলেন শিবম। অল্পের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া। এই দুই ব্যাটারের দাপটে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে মরণবাঁচন ম্যাচে বড় রান চেন্নাই সুপার কিংসের। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে তুলল ২১৬। রবিন উথাপ্পা করেন ৮৮ , শিবম দুবে ৯৫। টস ভাগ্য মোটেই ভাল যাচ্ছে চেন্নাই সুপার কিংস অধিনায়ক রবীন্দ্র জাদেজার। মুম্বইয়ের ডি ওয়াই পাটিল স্টেডিয়ামে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধেও এদিন টস হারেন। টস জিতে চেন্নাইকে ব্যাট করতে পাঠান ফাফ ডুপ্লেসি। ম্যাচের আগে সুনীল গাভাসকার ভবিষ্যতবানী করেছিলেন, এই উইকেটে ১৮০র বেশি রান উঠবে। বাস্তবে তাইই হল। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের যা ব্যাটিং শক্তি, তাতে জিততে গেলে চেন্নাইয়ের সামনে বড় রান করা ছাড়া কোনও রাস্তা ছিল না। ব্যাট করতে নেমে শুরুটা অবশ্য ভাল হয়নি চেন্নাই সুপার কিংসের। চতুর্থ ওভারে আউট হন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। চলতি আইপিএল দুঃস্বপ্নের মতো কাটছে চেন্নাই সুপার কিংসের এই ওপেনারের। একের পর এক ম্যাচে ব্যর্থতা সত্ত্বেও তাঁর ওপর ভরসা হারায়নি চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু টিম ম্যানেজমেন্টের সেই আস্থার মর্যাদা এদিনও দিতে পারলেন না। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে ১৬ বলে ১৭ রান করে জস হ্যাজেলউডের বলে এলবিডব্লুউ। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে চেন্নাই মাত্র ৩৬/১ তুলতে সমর্থ হয়। চেন্নাইয়ের চাপ আরও বেড়ে যায় রবিন উথাপ্পার সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে মইন আলির (৮ বলে ৩) রান আউটে। শুরুর দিকে চেন্নাইয়ের রান তোলার গতি খুব একটা ভাল ছিল না। ১০ ওভারে ২ উইকেটে ওঠে ৬০।এরপরই ঝড় তোলেন ড্যাডিজ আর্মির অন্যতম সদস্য রবিন উথাপ্পা এবং তরুণ শিবম দুবে। এই দুই ব্যাটারের তান্ডবের সামনে রীতিমতো অসহায় হয়ে পড়েন আকাশদীপ, মহম্মদ সিরাজ, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গারা। ৩৩ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন উথাপ্পা। ৩০ বলে ৫০ পূর্ণ করেন শিবম দুবে। শেষ পর্যন্ত ৫০ বলে ৮৮ রান করে হাসারাঙ্গার বলে বিরাট কোহলির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন রবিন উথাপ্পা। পরের বলেই জাদেজাকে (০) তুলে নেন হাসারাঙ্গা। পরপর ২ উইকেট পড়ে গেলেও বিচলিত হননি শিবম দুবে। তাঁর ঝড় অব্যাহত থাকে। কিন্তু দুর্ভাগ্য সেঞ্চুরি পেলেন না। ৪৬ বলে ৯৪ রান করে জস হ্যাজেলউডের বলে ডুপ্লেসির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৫টি ৪ ও ৮টি ৬। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২১৬ তোলে চেন্নাই।

এপ্রিল ১২, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চেয়ার নিয়ে বিধানসভায় নাটক! মমতার আসনে বসতে রাজি নন ঋতব্রত, কেন?

বিধানসভায় নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের আবহে বুধবার বিরোধী দলনেতার ঘর ঘিরে তৈরি হল এক অন্যরকম পরিস্থিতি। বিদ্রোহী বিধায়কদের সঙ্গে নিয়ে বিরোধী দলনেতার ঘরে প্রবেশ করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভার সচিবালয়ের অনুমতি পাওয়ার পর তাঁকে ঘরের দায়িত্বও বুঝিয়ে দেওয়া হয়। তবে ঘরে ঢোকার পর একটি ঘটনা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।ঘরে থাকা একটি চেয়ারে বসতে গেলে তাঁকে জানানো হয়, সেটি একসময় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যবহৃত চেয়ার। সেই কথা শুনেই ওই আসনে বসতে অস্বীকার করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। উপস্থিতদের কাছে তিনি অন্য একটি চেয়ার আনার অনুরোধ জানান। পরে তাঁর জন্য বিকল্প আসনের ব্যবস্থা করা হয়।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে নানা ব্যাখ্যা সামনে আসছে। অনেকের মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি ব্যক্তিগত শ্রদ্ধা প্রদর্শনের কারণেই তিনি ওই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ হেভিওয়েট-র ওয়েট লস, ভাইপো-র মত হেলমেট পরে আদালতে বর্ধমানের কাকাবুধবারের সাংবাদিক বৈঠকেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে একাধিক মন্তব্য করেন ঋতব্রত। তিনি জানান, তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান এবং বর্তমান পরিষদীয় লড়াইয়ের লক্ষ্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করা নয়। বরং দলের ভবিষ্যৎ পথচলায় তিনি চাইলে পরামর্শদাতার ভূমিকা পালন করতে পারেন বলেও ইঙ্গিত দেন।ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, বিধানসভায় যে নতুন পরিষদীয় গোষ্ঠী তৈরি হয়েছে, তার সঙ্গে কিছু নেতার মতপার্থক্য থাকলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাঁদের সম্মান অটুট রয়েছে। তিনি আরও জানান, দলের ভবিষ্যৎ দিশা নিয়ে মমতার সঙ্গে আলোচনা করার ইচ্ছাও রয়েছে তাঁদের।উল্লেখ্য, গত বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দ্রুত পরিবর্তন দেখা যায়। একাধিক বিধায়কের অবস্থান বদল এবং নতুন রাজনৈতিক সমীকরণকে কেন্দ্র করে শুরু হয় জোর জল্পনা। সেই আবহেই বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার পদ নিয়ে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ সই জাল বিতর্কে চাপ বাড়ছে অভিষেকের! গ্রেফতারির আশঙ্কায় হাইকোর্টে ছুটলেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতাবুধবার সাংবাদিক বৈঠকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, তাঁদের রাজনৈতিক যাত্রা এখন নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। অন্যদিকে তৃণমূলের মূল শিবিরের নেতারা দাবি করেছেন, দল এবং দলের নেতৃত্বের পাশে এখনও বিপুল সংখ্যক সমর্থক রয়েছেন।সব মিলিয়ে বিরোধী দলনেতার ঘরে একটি চেয়ারকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া ঘটনাই এখন রাজনৈতিক মহলের অন্যতম আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ০৩, ২০২৬
রাজ্য

সই জাল বিতর্কে চাপ বাড়ছে অভিষেকের! গ্রেফতারির আশঙ্কায় হাইকোর্টে ছুটলেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতা

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে তীব্র বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে বিধানসভার তথাকথিত সই জাল কাণ্ড। এই ঘটনায় এবার সরাসরি আইনি চাপে পড়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তদন্তের মুখে পড়ে গ্রেফতারির আশঙ্কায় তিনি কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন এবং একই সঙ্গে সিআইডি-র তদন্ত প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের করা আবেদনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য যে নোটিশ পাঠানো হয়েছে, তা আইনসম্মত নয়। বিচারপতি অপূর্ব সিংহ রায়ের বেঞ্চ তাঁর আবেদন গ্রহণ করে মামলাটি শুনানির অনুমতি দিয়েছে। আদালত সূত্রে খবর, আগামী শুক্রবার এই মামলার গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হতে পারে।সমস্ত বিতর্কের সূত্রপাত বিধানসভায় তৃণমূলের সংসদীয় দলের একটি চিঠিকে ঘিরে। ওই চিঠিতে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা, অসীমা পাত্র ও নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডেপুটি লিডার এবং ফিরহাদ হাকিমকে চিফ হুইপ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। চিঠিটি বিধানসভার স্পিকারের কাছে জমা পড়ার পর তা যাচাই করতে গিয়ে একাধিক অসঙ্গতি সামনে আসে।তদন্তে উঠে আসে, তালিকাভুক্ত ৭০ জন বিধায়কের মধ্যে অন্তত ১৪ জনের ক্ষেত্রে স্বাক্ষরের জায়গায় শুধুমাত্র বড় হাতের অক্ষরে নাম লেখা রয়েছে। আরও কয়েকজন বিধায়কের সই নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। অভিযোগ, তাঁদের অনুমতি বা উপস্থিতি ছাড়াই স্বাক্ষর দেখানো হয়েছে। এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই বিষয়টি রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে।আরও পড়ুনঃ মূল উপড়ে তৃণ ভূপতিত! পরিষদীয় দলের নিয়ন্ত্রণ বিদ্রোহীদের হাতে, বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন ঋতব্রতঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে রাজ্য সরকার তদন্তভার সিআইডি-র হাতে তুলে দেয়। তদন্ত শুরু হওয়ার পর গত শনিবার সিআইডি-র একটি বিশেষ দল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে গিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিশ দেয়। সেই নোটিশে নির্দিষ্ট দিনে ভবানী ভবনে হাজির হওয়ার নির্দেশ ছিল। কিন্তু নির্ধারিত দিনে হাজিরা না দিয়ে অভিষেক তদন্তকারী সংস্থার কাছে অতিরিক্ত সময় চান। এরপরই তিনি আইনি পথে এগিয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন।এই মামলার রাজনৈতিক দিকটিও যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। সম্প্রতি এক সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, তৃণমূলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাই প্রথম এই জাল স্বাক্ষরের অভিযোগ তুলে বিধানসভার স্পিকারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পরপরই দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে ওই দুই বিধায়ককে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বহিষ্কার করা হয়।আরও পড়ুনঃ হেভিওয়েট-র ওয়েট লস, ভাইপো-র মত হেলমেট পরে আদালতে বর্ধমানের কাকারাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ঘটনা শুধুমাত্র একটি প্রশাসনিক বা সাংগঠনিক বিতর্ক নয়; বরং এটি রাজ্যের শাসকদলের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার লড়াই এবং নেতৃত্বের প্রশ্নকেও সামনে এনে দিয়েছে। একদিকে তদন্তের জাল ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে, অন্যদিকে আদালতের দ্বারস্থ হয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কার্যত আইনি লড়াইয়ের ময়দানে নেমেছেন।এখন সকলের নজর আগামী শুক্রবারের হাইকোর্ট শুনানির দিকে। আদালত সিআইডি-র তদন্তে হস্তক্ষেপ করে কি না, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও অন্তর্বর্তী সুরক্ষা পান কি না, এবং এই বিতর্কের রাজনৈতিক অভিঘাত কতদূর গড়ায়তা নিয়েই জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে।

জুন ০৩, ২০২৬
রাজ্য

'হেভিওয়েট'-র ওয়েট লস, ভাইপো-র মত হেলমেট পরে আদালতে বর্ধমানের 'কাকা'

বর্ধমানের রাজনীতিতে একসময় যাঁর নাম উচ্চারণ করতেই বিরোধী শিবিরে চাপা উত্তেজনা তৈরি হতো, সেই খোকন দাসের বর্তমান পরিস্থিতি যেন একেবারেই ভিন্ন ছবি তুলে ধরছে। তোলাবাজি, হামলা, মারধর এবং প্রাণনাশের হুমকির মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর মঙ্গলবার বর্ধমান আদালতে তাঁকে এমন এক অবস্থায় দেখা গেল, যা রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। জনরোষের আশঙ্কায় মাথায় হেলমেট পরে, পুলিশের কড়া নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে আদালতে হাজির হতে হল বর্ধমান দক্ষিণের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ককে।একসময় বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা এলাকায় খোকন দাসের রাজনৈতিক প্রভাব ছিল যথেষ্ট উল্লেখযোগ্য। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তাঁকে তৃণমূলের অন্যতম শক্তিশালী মুখ হিসেবে ধরা হতো। তবে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির পর থেকেই তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান দুর্বল হতে শুরু করে। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই একের পর এক অভিযোগ সামনে আসতে থাকে।গত ২৯ মে বর্ধমান থানায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ দায়ের হয়। অভিযোগকারীদের দাবি, বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালানো, মোটা অঙ্কের টাকা তোলা দাবি করা, এমনকি আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ভয় দেখানোর ঘটনাতেও খোকন দাসের প্রত্যক্ষ ভূমিকা ছিল। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই তিনি আত্মগোপন করেছিলেন বলে পুলিশ সূত্রের দাবি।তদন্তে নেমে বর্ধমান থানার পুলিশ উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে তাঁর অবস্থানের খোঁজ পায়। এরপর গত ৩১ মে সেখান থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ট্রানজিট রিমান্ডে সোমবার রাতে তাঁকে বর্ধমানে নিয়ে আসা হয়। মঙ্গলবার তাঁকে আদালতে পেশ করে পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানায়, যাতে অভিযোগগুলির বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত করা যায়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগটি ২০২৫ সালের ৮ জুনের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ অনুযায়ী, বর্ধমানের কাঞ্চননগর এলাকায় একটি বাড়িতে বিজেপি কর্মীরা বৈঠক করছিলেন। সেই সময় খোকন দাসের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি সেখানে গিয়ে হামলা চালায় এবং কয়েকজন কর্মীকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।অভিযোগ আরও গুরুতর হয়ে ওঠে পরবর্তী ঘটনাকে ঘিরে। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা চিকিৎসার জন্য বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গেলে সেখানেও তাঁদের উপর পুনরায় হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। শুধু মারধরই নয়, ১০ লক্ষ টাকা তোলা দাবি এবং টাকা না দিলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও উঠে এসেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, ভয় দেখাতে আগ্নেয়াস্ত্রও প্রদর্শন করা হয়েছিল।এই সমস্ত অভিযোগের তদন্তে নেমে পুলিশ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে। তদন্তকারীদের মতে, অভিযোগগুলির গুরুত্ব বিচার করে ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।অন্যদিকে, খোকন দাসের গ্রেপ্তারিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোরও তীব্র হয়েছে। জেলা বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করেছে, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় তোলাবাজি, সিন্ডিকেট রাজ এবং রাজনৈতিক সন্ত্রাসের অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও এই সমস্ত অভিযোগ নিয়ে আদালতে এখনও চূড়ান্ত রায় হয়নি এবং তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান।মঙ্গলবার আদালতে তাঁকে পেশ করা ঘিরে যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, তার জন্য আদালত চত্বর ও বর্ধমান থানা এলাকায় নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। জেলা পুলিশের পাশাপাশি মোতায়েন ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও। আদালত চত্বরে সাধারণ মানুষের কৌতূহল ছিল চোখে পড়ার মতো।সব মিলিয়ে, যে নেতা একসময় এলাকায় নিজের রাজনৈতিক প্রভাবের জন্য পরিচিত ছিলেন, আজ তাঁকেই জনরোষের আশঙ্কায় মাথায় হেলমেট পরে আদালতে যেতে হওয়ায় বর্ধমানের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে এখন নজর সকলের।

জুন ০৩, ২০২৬
কলকাতা

পুরসভা, সিআইডির পর এবার অভিষেকের বাড়িতে ইডি! নতুন করে চাঞ্চল্য রাজ্য রাজনীতিতে

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে একাধিক বিতর্ক সামনে এসেছে। বাড়ির নির্মাণ সংক্রান্ত অভিযোগ থেকে শুরু করে বিভিন্ন তদন্তসব মিলিয়ে রাজনৈতিক মহলে তাঁকে নিয়ে জোর চর্চা চলছে। এর মধ্যেই বুধবার বিকেলে তাঁর কালীঘাটের বাড়িতে পৌঁছলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা।সূত্রের খবর, বিকেল নাগাদ দুই ইডি আধিকারিক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান। তাঁদের হাতে একটি সমন সংক্রান্ত নথি ছিল বলে জানা গিয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, চলমান তদন্তের অংশ হিসেবেই এই নোটিস পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।প্রথমে তদন্তকারী আধিকারিকরা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্য একটি ঠিকানায় যান। পরে জানতে পারেন তিনি সেখানে থাকেন না। এরপর তাঁরা কালীঘাটের বাড়িতে পৌঁছন। সেখানে নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং প্রয়োজনীয় নথি পৌঁছে দেন বলে সূত্রের দাবি।তবে এই প্রথম নয়। এর আগেও একাধিকবার বিভিন্ন তদন্তের প্রয়োজনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। অতীতে তাঁকে এবং তাঁর স্ত্রীকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। বিভিন্ন আর্থিক অনিয়ম এবং দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলার তদন্তে তাঁদের নাম উঠে এসেছিল বলে তদন্তকারী সংস্থার দাবি।নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তেও অতীতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। সেই সময় তাঁর সঙ্গে যুক্ত একটি সংস্থার অফিসেও তল্লাশি চালানো হয়। তদন্তকারী সংস্থাগুলি বিভিন্ন নথি ও তথ্য সংগ্রহ করে জিজ্ঞাসাবাদ চালায়।অন্যদিকে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের পক্ষ থেকে বারবার দাবি করা হয়েছে যে, তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাঁরা আইন মেনেই সমস্ত তদন্তে সহযোগিতা করেছেন বলেও দাবি করা হয়েছে।বুধবারের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। তদন্তের পরবর্তী ধাপে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয় এবং সমনের বিষয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া কী হয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের।

জুন ০৩, ২০২৬
রাজনীতি

'মূল' উপড়ে 'তৃণ' ভূপতিত! পরিষদীয় দলের নিয়ন্ত্রণ বিদ্রোহীদের হাতে, বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন ঋতব্রত

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মানচিত্রে বুধবারের দিনটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠল। দীর্ঘ টানাপোড়েন, অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ এবং বিধানসভার সই-কাণ্ডকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিতর্কের পর অবশেষে তৃণমূল কংগ্রেসের পরিষদীয় দলের নিয়ন্ত্রণ কার্যত বিদ্রোহী শিবিরের হাতে চলে গেল। বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর তাঁর জন্য নির্ধারিত কক্ষও খুলে দেওয়া হয়। স্পিকার রথীন্দ্র বসু আনুষ্ঠানিকভাবে সেই ঘরের চাবি তুলে দেন ঋতব্রতের হাতে।বিধানসভা চত্বরে দাঁড়িয়ে ঋতব্রত দাবি করেন, তৃণমূলের টিকিটে নির্বাচিত ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে অন্তত ৬০ জন তাঁর নেতৃত্বের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। বর্তমানে ৫৮ জন বিধায়কের লিখিত সমর্থন তাঁদের হাতে রয়েছে বলেও তিনি জানান। আরও দুই বিধায়ক রাজ্যের বাইরে থাকলেও তাঁদের সমর্থন রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। সেই হিসেবে তৃণমূল পরিষদীয় দলের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যই এখন বিদ্রোহী শিবিরের সঙ্গে রয়েছেন বলে তাঁর বক্তব্য।নতুন বিরোধী দলনেতা ঘোষণা করেন যে, বিধানসভায় মুখ্যসচেতকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আখরুজ্জামানকে। পাশাপাশি ডেপুটি লিডার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জাভেদ আহমেদ খান, সাবিনা ইয়াসমিন, শিউলি সাহা এবং সন্দীপন সাহা। এই সংক্রান্ত সমস্ত নথি ও সমর্থনের চিঠি স্পিকারের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।তবে রাজনৈতিক সংঘাতের মধ্যেও ঋতব্রত এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন। তিনি বলেন, তাঁদের লড়াই কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়, বরং গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রশ্নে। সেই কারণেই তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরিষদীয় দলের পরামর্শদাতা হওয়ার আহ্বান জানাবেন। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন যে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁদের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক দূরত্ব এখন অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে।ঋতব্রতের বক্তব্যে উঠে আসে বিরোধী রাজনীতির নতুন রূপরেখাও। তিনি বলেন, সরকারের ভুলের সমালোচনা যেমন করা হবে, তেমনই জনস্বার্থে গৃহীত ইতিবাচক সিদ্ধান্তের প্রশংসাও করা হবে। তাঁর কথায়, মানুষ আমাদের বিরোধী আসনে বসিয়েছে। সেই দায়িত্ব পালন করাই আমাদের কাজ। আমরা দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক বিরোধী শক্তি হিসেবে কাজ করব।এই নাটকীয় পরিস্থিতির সূত্রপাত হয়েছিল বিধানসভার বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে। তৃণমূলের তরফে বর্ষীয়ান নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার জন্য যে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল, তা নিয়েই বিতর্ক তৈরি হয়। অভিযোগ ওঠে, সেই প্রস্তাবে একাধিক বিধায়কের স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। বিদ্রোহী শিবিরের অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি সামনে আসে এবং পরবর্তীতে হেয়ার স্ট্রিট থানায় এফআইআর দায়ের হয়। বর্তমানে ঘটনার তদন্ত করছে সিআইডি। তদন্তকারী সংস্থা ইতিমধ্যেই একাধিক বিধায়কের সঙ্গে কথা বলেছে।ঘটনার রাজনৈতিক গুরুত্ব আরও বেড়ে যায় কারণ, এই বিতর্কের মধ্যেই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্পিকারের কাছে নতুন করে আবেদন জানিয়ে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত স্পিকার ঋতব্রত শিবিরের দাবি মেনে নেওয়ায় তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সংঘাত নতুন মাত্রা পেল।অন্যদিকে, যখন বিধানসভায় ঋতব্রত নতুন নেতৃত্বের ঘোষণা করছেন, ঠিক সেই সময় কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষ ও চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক চলছিল। ফলে রাজনৈতিক মহলের মতে, তৃণমূলের অন্দরে ক্ষমতার সমীকরণ নিয়ে যে লড়াই শুরু হয়েছে, তা আগামী দিনে রাজ্যের রাজনীতিতে আরও বড় প্রভাব ফেলতে পারে।পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, পরিষদীয় দলের নেতৃত্ব হারানো শুধু সাংগঠনিক ধাক্কাই নয়, বরং তৃণমূলের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থানের ক্ষেত্রেও বড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি করল। এখন নজর থাকবে কালীঘাট শিবিরের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং বিদ্রোহী শিবিরের শক্তি কতটা স্থায়ীভাবে ধরে রাখা যায়, তার উপর।

জুন ০৩, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের বাড়ি নিয়ে বড় নির্দেশ হাইকোর্টের! সাত দিনের মধ্যে দিতে হবে সব তথ্য

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি নিয়ে চলা বিতর্কে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। সম্পত্তির কোন কোন অংশ নিয়ে আপত্তি রয়েছে এবং কোথায় নির্মাণ সংক্রান্ত সমস্যা চিহ্নিত হয়েছে, সেই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কলকাতা পুরনিগমকে।বুধবার বিচারপতি স্মিতা দাস দে নির্দেশ দেন, আগামী সাত দিনের মধ্যে পুরনিগমকে এই সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য আদালতে জানাতে হবে। সম্পত্তির কোন অংশে নিয়মভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে, কতটা এলাকা সেই অভিযোগের আওতায় পড়ছে এবং কী ধরনের আপত্তি রয়েছে, তার পূর্ণ বিবরণ জমা দিতে হবে।আদালত আরও জানিয়েছে, পুরনিগমের রিপোর্ট জমা পড়ার পর সম্পত্তির মালিকপক্ষকে দুই সপ্তাহের মধ্যে নিজেদের বক্তব্য জানাতে হবে। এরপর চার সপ্তাহ পর মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।জানা গিয়েছে, এই মামলায় শুধুমাত্র অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবন নয়, তাঁর মায়ের নামে থাকা কালীঘাটের একটি সম্পত্তিও আলোচনায় এসেছে। পুরনিগমের দাবি, ওই সম্পত্তির কিছু অংশে নির্মাণ সংক্রান্ত অনিয়ম থাকতে পারে। সেই কারণেই নোটিস পাঠানো হয়েছিল।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের পক্ষ থেকে আদালতে দাবি করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট বাড়িটি সম্পূর্ণ বৈধভাবে নির্মিত। তাঁদের বক্তব্য, কোনও বেআইনি নির্মাণ হয়নি। তা সত্ত্বেও পুরনিগম নোটিস পাঠিয়েছে। সেই কারণেই নোটিস বাতিলের আবেদন জানানো হয়েছে আদালতে।আদালত স্পষ্ট করেছে, মামলার শুনানি চলাকালীন বেআইনি নির্মাণ সংক্রান্ত অন্যান্য প্রশাসনিক প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে পারবে পুরনিগম। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সমস্ত তথ্য ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য খতিয়ে দেখা হবে।এই নির্দেশের পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি সংক্রান্ত মামলাটি নতুন গুরুত্ব পেয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে পুরনিগমের রিপোর্টে কী তথ্য সামনে আসে এবং আদালত পরবর্তী শুনানিতে কী অবস্থান নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের।

জুন ০৩, ২০২৬
কলকাতা

বড় ধাক্কা তৃণমূলে! মেয়র পদ ছাড়লেন ফিরহাদ, কালীঘাটে কী হল ভিতরে ভিতরে?

রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি যখন দ্রুত বদলাচ্ছে, ঠিক সেই সময় কলকাতা পুরসভার মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দিলেন ফিরহাদ হাকিম। বুধবার তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। পরে সেই ইস্তফাপত্র গ্রহণ করা হয়।দিনভর রাজনৈতিক ব্যস্ততার মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত সামনে আসে। উল্লেখযোগ্যভাবে, ইস্তফাপত্র জমা দেওয়ার আগে তিনি নবান্নে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকেও উপস্থিত ছিলেন। এরপর কালীঘাটে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং মেয়র পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছার কথা জানান।দলীয় সূত্রের দাবি, গত কিছুদিন ধরেই মেয়র হিসেবে নিজের দায়িত্ব পালনে নানা সমস্যার মুখে পড়ছিলেন ফিরহাদ হাকিম। প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং পুরসভার বিভিন্ন কাজকর্ম পরিচালনা নিয়ে তাঁর অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল বলেও আলোচনা চলছিল রাজনৈতিক মহলে। সেই কারণেই তিনি একাধিকবার পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন বলে জানা যায়।মঙ্গলবারই কলকাতা পুরসভার এক গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারীর ইস্তফার পর রাজনৈতিক জল্পনা আরও বেড়ে যায়। সেই সময় ফিরহাদ হাকিমের একটি মন্তব্যও বিশেষভাবে আলোচনায় আসে। তিনি বলেছিলেন, তাঁরা একটি দল হিসেবে একসঙ্গে কাজ করেন এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও একসঙ্গেই নেন। এরপর থেকেই তাঁর ইস্তফা নিয়ে জল্পনা আরও জোরালো হয়ে ওঠে।বুধবার শেষ পর্যন্ত কালীঘাটে গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগের ইচ্ছা জানান তিনি। প্রথমে তাঁকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করা হলেও নিজের অবস্থানে অনড় থাকেন ফিরহাদ। পরে তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয় বলে দলীয় সূত্রে খবর।আরও পড়ুনঃ হেভিওয়েট-র ওয়েট লস, ভাইপো-র মত হেলমেট পরে আদালতে বর্ধমানের কাকাতৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, মেয়র হিসেবে কাজ করতে নানা প্রশাসনিক জটিলতার মুখে পড়ছিলেন ফিরহাদ হাকিম। সেই কারণেই তিনি সম্মানের সঙ্গে পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দলীয় নেতৃত্বও তাঁর সিদ্ধান্তকে মর্যাদা দিয়েছে।ফিরহাদ হাকিমের পদত্যাগের ফলে কলকাতা পুরসভার প্রশাসনিক দায়িত্ব আপাতত পুর কমিশনারের হাতে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে প্রশাসক নিয়োগ করা হবে কি না, তা নিয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি।এদিকে চলতি বছরের শেষের দিকে পুরভোট হওয়ার কথা রয়েছে। তবে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির জেরে নির্বাচন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সব মিলিয়ে ফিরহাদ হাকিমের পদত্যাগ রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা উস্কে দিয়েছে।

জুন ০৩, ২০২৬
কলকাতা

‘মমতা আমাদের পরামর্শদাতা হোন’! বিধানসভা কাঁপানো মন্তব্য ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের

দাবি করা একদল বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে বিধানসভায় উপস্থিত হন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে বিরোধী শিবিরের প্রতিনিধি হিসেবে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন।সাংবাদিক বৈঠকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁদের প্রধান পরামর্শদাতা হিসেবে দেখতে চান। তাঁর কথায়, মমতার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং পরামর্শ তাঁদের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পথচলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। তিনি জানান, গঠনমূলক বিরোধী রাজনীতি করতে গেলে অভিজ্ঞ নেতৃত্বের পরামর্শ প্রয়োজন এবং সেই জায়গায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।একইসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দেন, বর্তমান বিধানসভার কার্যক্রমের সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও প্রত্যক্ষ সম্পর্ক নেই বলে তাঁদের মত। ঋতব্রতের দাবি, তৃণমূলের প্রতীকে নির্বাচিত বহু বিধায়কের সমর্থন তাঁদের সঙ্গে রয়েছে এবং সেই কারণেই তাঁরা নিজেদের প্রকৃত পরিষদীয় প্রতিনিধিত্বকারী গোষ্ঠী বলে মনে করছেন।সাংবাদিক বৈঠকে ভবিষ্যতের রাজনৈতিক কৌশল নিয়েও কথা বলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, তাঁরা বিধানসভার ভিতরে গঠনমূলক বিরোধিতার পথেই হাঁটবেন। কোনও বিল বা প্রস্তাবের সঙ্গে মতভেদ থাকলে তাঁরা তার বিরুদ্ধে ভোট দেবেন, তবে শুধুমাত্র প্রতিবাদের জন্য সভা ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার পথে হাঁটবেন না।ঋতব্রতের বক্তব্য, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মধ্যে থেকেই বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করতে চান তাঁরা। মানুষের স্বার্থে প্রয়োজনীয় বিষয়ে সরকারের সমালোচনা যেমন করবেন, তেমনই ভালো উদ্যোগকে সমর্থনও জানাবেন।এই মন্তব্যের পর রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরামর্শদাতা হিসেবে চাওয়ার বার্তা এবং বিরোধী রাজনীতির নতুন রূপরেখা নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে উঠেছে। আগামী দিনে এই রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

জুন ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal