• ১২ ভাদ্র ১৪৩৩, সোমবার ৩১ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bjp

কলকাতা

প্রতি মাসেই রাজ্যে অমিত শাহ ও জেপি নাড্ডাঃ দিলীপ

সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা এবং অমিত শাহ ঘুরিয়ে ফিরিয়ে প্রতি মাসেই আসবেন। বুধবার দিল্লি যাওয়ার আগে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের এমনটাই জানালেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পরবর্তী দিনক্ষণ কী হবে, তা এখনও জানাননি। তবে জেনে যাব আমরা। অন্যদিকে , বাম-কংগ্রেস জোটকে কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ বলেন, ওঁরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আগেও একবার লড়াই করেছেন। কিন্তু মানুষ সঙ্গ দেয়নি। মানুষ পুরনো কাসুন্দি আর ঘাঁটবে না। বাংলার মানুষ নতুন বিকল্প খুঁজছে।আর বাংলার মানুষের নতুন বিকল্প ভারতীয় জনতা পার্টি। বিজেপির হাত ধরে উন্নয়ন হোক এটাই সাধারণ মানুষ চাইছে। আরও পড়ুন ঃ প্র্য়াত কবি অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত গত লোকসভায় জোট নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। আগে তাও ৩০-৩২ শতাংশ ভোট ছিল এখন সেটা ১৩ শতাংশে নেমে এসেছে। বাংলার মানুষ পিছনে তাকাতে রাজি নয়।বাংলার মানুষ সবাইকে সুযোগ দিয়েছেন, সবাই স্বপ্নপূরণে ব্যর্থ হয়েছেন। এবার বিজেপির পালা। বিজেপির কর্মসূচিতে ভিড় দেখেই তা বোঝা যাচ্ছে। দিলীপবাবু আরও জানান , দলীয় কর্মসূচি নয়, দিল্লিতে সংদীয় স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠক আছে। এর আগে একাধিকবার বৈঠক বাতিল হয়েছে। তাছাড়াও শারীরিক অসুস্থতার কারণে যাওয়া হয়নি।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
দেশ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ফোনে কথা মোদির

নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ফোনে কথা হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। মঙ্গলবার রাত ১১টা ৪০ নাগাদ ট্যুইট করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, অভিনন্দন জানানোর জন্য প্রেসিডেন্ট-ইলেক্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ফোনে কথা বললাম। ইন্দো-মার্কিন কৌশলগত সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমাদের দৃঢ় সংকল্পে জোর দিলাম। করোনা মহামারী, জলবায়ু পরিবর্তন এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সহযোগিতার মতো বিষয়ে দুপক্ষের অগ্রাধিকার এবং উদ্বেগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ দিল্লিতে ধৃত দুই জইশ জঙ্গি এছাড়াও ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি টুইটারে লেখেন , নব-নির্বাচিত মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকেও উষ্ণ অভিনন্দন জানানোর কথা বলেছি। ভারতীয়-মার্কিনদের কাছে তাঁর সাফল্য অত্যন্ত গর্বের এবং অনুপ্রেরণামূলক। উল্লেখ্য , বাইডেন-হ্যারিস ক্ষমতায় আসার পর ভারতের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ক কোন দিকে বাঁক নেয়, সেদিকেই তাকিয়ে আন্তর্জাতিক মহল।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
রাজনীতি

সংখ্যালঘুদের জন্য কিছু করেনি তৃণমূলঃ দিলীপ

মিম কি করবে আমাদের হাতে নেই। মুসলিম ভোট আমরা নিয়ন্ত্রণও করি না। এখনও মুসলিম ভোটাররা পশ্চিমবঙ্গে আমাদের ভোট দেননি। যদি এখানকার মুসলিম ভোটাররা তৃণমূল , কংগ্রেস , সিপিএমকে ভোট না দিয়ে অন্য দলকে ভোট দেয় , তাহলে বুঝতে হবে ওরা মুসলিমদের ধোঁকা দিয়েছে। তাদের জন্য কিছু করেননি।তাই তারা বিকল্প খুঁজছেন। বিজেপিকে বিকল্প মনে করছে ওরা। মঙ্গলবার এই মন্তব্য করেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বিরসা মুন্ডার মূর্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওখানে একটা বিরসা মুন্ডার ছোট মূর্তি ছিল , জেলা প্রশাসন ওটাকে সরিয়ে দিয়ে নতুন মূর্তি লাগিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ সিপিএম ছেড়ে বিজেপিতে যোগ রিঙ্কু নস্করের তখন আদিবাসী ভাইয়েরা কোনও প্রতিবাদ করেননি কেন ? প্রতিবাদ করা উচিত ছিল। বিরসা মুন্ডাকে কেউ দেখেননি। অমিত শাহ যখন মালা দিয়েছেন , ওটা বিরসা মুন্ডার মূর্তি। তিনি আরও বলেন , বিজেপির আইটি সেল কুৎসা প্রচার করলে আদালতে যান তারা। দিলীপবাবু আরও বলেন , তৃণমূলে থাকবেন না বিজেপিতে যাবেন , তা স্পষ্ট করে বলুন শুভেন্দু অধিকারী।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
রাজনীতি

সিপিএম ছেড়ে বিজেপিতে যোগ রিঙ্কু নস্করের

সিপিএম ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন রিঙ্কু নস্কর। তিনি কলকাতা পুরসভার ১০২ নম্বর ওয়ার্ডের বিদায়ী কাউন্সিলর। বর্তমানে দলের তরফে ওয়ার্ড কোর্ডিনেটরের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। তাঁর বহু অনুগামীও এদিন বিজেপিতে যোগ দেন। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ রিঙ্কু নস্করের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন। ২০১৫ সালের পুরসভা নির্বাচনে তৃণমূল কলকাতার অন্যান্য জায়গায় বিরোধীদের ধরাশায়ী করলেও ১০২ নম্বর ওয়ার্ডে দাঁত ফোটাতে পারেনি। প্রসঙ্গত , মঙ্গলবারই বাম ও কংগ্রেস আগামী বিধানসভা নির্বাচনের রণকৌশল ঠিক করার জন্য বৈঠকে বসেছে। তার আগেই কাউন্সিলরের দলত্যাগ সিপিএম-এর কাছে বড় ধাক্কা বলে মত রাজ্যের রাজনৈ্তিক মহলের। রিঙ্কু নস্কর জানান , কংগ্রেসের সঙ্গে বামেদের জোট মানতে না পারায় তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। তাঁর স্বামী মানস মুখোপাধ্যায় আগেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। দিলীপবাবু বলেন , যাঁদের কাজ করার ইচ্ছে রয়েছে , কিন্তু অন্য দলে থেকে হাঁপিয়ে উঠেছেন তাঁদের জন্য বিজেপির দ্বার খোলা রয়েছে। অন্যন্যা দল থেকে প্রায় প্রায় ৩০০ কর্মী এদিন বিজেপিতে নাম লিখিয়েছে। আরও অনেকেই যোগাযোগ করছেন বিজেপিতে যোগদানের জন্য। আরও পড়ুন ঃ একুশের লড়াইয়ে বাংলায় বিজেপির দায়িত্বে ৫ কেন্দ্রীয় নেতা প্রসঙ্গত , কাউন্সিলর হওয়ার আগেই লোকসভা ভোটে দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুর কেন্দ্র থেকে রিঙ্কুকে প্রার্থী করেছিল সিপিএম। তবে, চৌধুরী মোহন জাটুয়ার কাছে হারতে হয় তাঁকে।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
রাজনীতি

একুশের লড়াইয়ে বাংলায় বিজেপির দায়িত্বে ৫ কেন্দ্রীয় নেতা

রাজ্যের ৫ সাংগঠনিক জোনের দায়িত্ব দেওয়া হল ৫ কেন্দ্রীয় নেতাকে। মঙ্গলবার হেস্টিংসে দলের কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় নেতা এবং রাজ্য নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন বিজেপির পশ্চিমবঙ্গের সহকারি পর্যবেক্ষক অমিত মালব্য। উপস্থিত ছিলেন সর্বভারতীয় সাংগঠনিক নেতা বি এল সন্তোষ , কৈলাস বিজয়বর্গীয়, অরবিন্দ মেনন, দিলীপ ঘোষ , মুকুল রায় , রাহুল সিনহা , অনুপম হাজরা প্রমুখ। মোট ৬ জন কেন্দ্রীয় নেতার উপস্থিতিতে বৈঠকে নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, দলের পাঁচ সাংগঠনিক জোনে রাজ্য নেতাদের উপরে পর্যবেক্ষক ও আহ্বায়কের দায়িত্ব থাকবেন পাঁচ কেন্দ্রীয় নেতা। ঠিক হল, মেদিনীপুর, হুগলি ও হাওড়া দেখবেন সুনীল দেওধর, রাঢ়বঙ্গ দেখবেন বিনোদ সনকার, কলকাতা দেখবেন দুষ্ম্যন্ত গৌতম, নবদ্বীপ দেখবেন বিনোদ তাওরে এবং উত্তরবঙ্গ দেখবেন হরিশ দ্বিবেদী। আরও পড়ুন ঃ এই দল আমার নয়, হতে পারে নাঃ মিহির গোস্বামী এই পাঁচটি জোনের নতুন দায়িত্বে আসা নেতারা আগামী ১৮ থেকে ২০ নভেম্বরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট জোনের জেলা নেতৃ্ত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসে গোটা পরিস্থিতি বুঝে নেবেন। সেইমতো পরবর্তী পরিকল্পনা তৈ্রি হবে। বৈঠক শেষে অনুপম হাজরা সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানিয়েছেন , প্রত্যেকটি বুথে সপ্তাহে একটা করে অন্তত কর্মসূচি যাতে হয় , সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। যারা মান - অভিমান করে দলের থেকে দূরে সরে গিয়েছিলেন , তাদের সামনের সারিতে নিয়ে এসে লড়াইয়ের কথা বলা হয়েছে এদিনের বৈঠকে। এছাড়াও এদিনের বৈঠকে আলোচনায় উঠে আসে কোথায় কোথায় দলের সাংগঠনিক দুর্বলতা আছে। সেখানে তা দ্রুত মেরামতের ব্যবস্থা করতেও বলা হয়েছে।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
রাজনীতি

উত্তর ২৪ পরগণার সব আসন দখল করবঃ দিলীপ

বিধানসভা ভোটে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার সব আসন ছিনিয়ে নেব, কীভাবে রুখবেন ভাবুন। ফের রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে এই মন্তব্য করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবারও প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়েছিলেন দিলীপবাবু। সেখানে তিনি আরও বলেন , একুশে বাংলার দায়িত্ব পাবে বিজেপিই। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেছিলেন , বিজেপি ভোটের জন্য বাংলায় অস্ত্র আনছে। খাদ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে বলেন, উনি নিজে যা যা করেছেন, এখন সে সবই বলছেন। লোক জানে কে কী করছে, হিসেব হবে একুশ সালে। আমরা সাধারণ মানুষের উপর ভরসা করি। তাঁদের সিদ্ধান্তই ঠিক। সবার চরিত্র তাঁরা জানে। আমরা পরীক্ষা দিতে রাজি আছি। ওনারাও পরীক্ষা দিক। আরও পড়ুন ঃ মমতা সরকারের শাসন এবার শেষ হবেঃ অমিত মালব্য আবগারি দপ্তর থেকে কাটমানি আসে বিজেপির দপ্তরে! জ্যোতিপ্রয় মল্লিকের এই অভিযোগের পালটা দিতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও আক্রমণ করেছেন বিজেপি সাংসদ। বলেন, যেমন নেত্রী, তেমন তাঁর চ্যালা! ওনার নেত্রী সেনাকে তোলাবাজ বলেছিলেন। যারা দেশের সেনাকে বিশ্বাস করে না, পুলিশে বিশ্বাস করে না। মানুষ তাঁদের বিশ্বাস করে না। হুমকির সুরে এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের জেলার দুটো আসন বিজেপি ইতিমধ্যেই দখল করেছে। বাকি গুলোও করব। প্রাতঃভ্রমণ সেরে এদিন রুরির কাছে চা চক্রে যোগ দেন সাংসদ। আলোচনা করেন বাংলার রাজনীতি নিয়ে।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
রাজ্য

শহিদ সুবোধ ঘোষের অন্ত্যেষ্টিতে বিজেপি সাংসদকে প্রবেশে বাধা , সমালোচনায় ধনকড়

শহিদ সুবোধ ঘোষের অন্ত্যেষ্টিতে বিজেপি সাংসদকে প্রবেশে বাধা দেওয়ায় ফের রাজ্য সরকার ও পুলিশ -প্রশাসনের বিরুদ্ধে সমালোচনায় সরব হলেন জগদীপ ধনকড়। মঙ্গলবার সকালে বেশ কয়েকটি ভিডিও পোস্ট করে রাজ্যপাল লেখেন , একদিকে এই অনুষ্ঠানে স্বাগত জানানো হচ্ছে শাসকদলের সাংসদকে। অন্যদিকে, বিজেপি সাংসদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করছে রাজ্যের পুলিশ। রাজনৈতিক নেতাদের মতো আচরণ করছে। এই ঘটনা রাজ্য পুলিশের কর্তাদের কর্তব্যচ্যুতি। সাংসদকে বাধা দেওয়ার পিছনে কোনও কারণ নেই বলেই দাবি করেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ রেণুকা মাড্ডির কাছ থেকে ভাইফোঁটা নিলেন অধীর উল্লেখ্য , শহিদ সুবোধ ঘোষের অন্ত্যেষ্টিতে শাসক দলের বিধায়ক - সাংসদরা উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু স্থানীয় বিজেপি সাংসদ সেখানে প্রবেশ করতে গেলে তাঁকে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। তার পরিপ্রেক্ষিতেই এদিন রাজ্যপালের টুইট।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
রাজনীতি

মমতা সরকারের শাসন এবার শেষ হবেঃ অমিত মালব্য

পিসির সরকারের দুর্নীতি, স্বজনপোষণ ও অরাজকতা দূর করতে বাংলার মানুষের ভোটে ২০০-এর বেশি আসনে জয় পাবে বিজেপি। রাজ্যে এসে এই মন্তব্য করলেন বিজেপির নবনিযুক্ত সহকারি পর্যবেক্ষক অমিত মালব্য। দলের আইটি সেলের প্রধানকে ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন , ২০২১ নির্বাচনে বাংলার গৌরবময় অধ্যায় পুনঃস্থাপিত হবে। মমতা সরকারের শাসন এবার শেষ হবে। আরও পড়ুন ঃ বাংলাকে গুজরাত হতে দিতে চাই নাঃ ফিরহাদ বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে , কৈলাস বিজয়বর্গীয় ও অরবিন্দ মেননের সঙ্গে আগামী বিধানসভা ভোটের আগে এখানে পুরোদস্তুর সক্রিয় থাকবেন মালব্য। মূলত বিজেপির হয়ে ডিজিটাল প্রচারে ঝড় তোলার কাজটা করবেন তিনি। তার আগে সাংগঠনিক বৈঠকে যোগ দিতেই তার রাজ্যে আগমন। প্রসঙ্গত , সম্প্রতি রাজ্য সফরে এসে অমিত শাহ ঘোষণা করেছিলেন , ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনে ২০০ -র বেশি আসন পেয়ে সরকার গড়বে বিজেপি। এদিন সেই একই মন্তব্য অমিত মালব্যের গলায় শোনা গেল।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
রাজনীতি

বাংলাকে গুজরাত হতে দিতে চাই নাঃ ফিরহাদ

বাংলা উত্তরপ্রদেশ, গুজরাতের মতো হলে ভয় হচ্ছে এনকাউনটারে ক্রিমিনালরা মারা যাবে। ইসরাত জাহানকে পুলিসের হাতে খুন হতে হয়েছিল। গুজরাতে দু হাজার মানুষ খুন হয়েছে। কিন্তু এ রাজ্যে ক্রিমিনালদের আদালতে পাঠানো হয়। সেই জন্য বাংলা কে গুজরাত হতে দিতে চাই না। সোমবার দিলীপ ঘোষের মন্তব্যের পালটা প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে এই মন্তব্য করলেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। আরও পড়ুন ঃ একবার সুযোগ দিন , বাংলাকে গুজরাত বানিয়ে দেবঃ দিলীপ তিনি আরও বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাংলা , নজরুলের বাংলা , রামকৃষ্ণের বাংলা এবং অনেক মহাপুরুষের বাংলা। বাংলার মানুষ ঠিক করবে গুজরাতের মত দাঙ্গা বাংলায় ফিরে আসবে কি না ! ধর্মে ধর্মে ভেদাভেদ করে কখনও রাজ্যে উন্নয়ন হয় না, সেই জন্য দেশের জিডিপি বাংলাদেশের থেকে পিছনে চলে গেছে। দিলীপ ঘোষ গুজরাতে চলে যান, বিজেপি না থাকলে পৃথিবী শান্ত হবে।

নভেম্বর ১৬, ২০২০
দেশ

বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন নীতিশ কুমার

বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন নীতীশ কুমার। সোমবার বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ বিহারের রাজভবনে শপথ নেন তিনি। এদিনের শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা। এবার উপমুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন না সুশীল মোদি। তার বদলে এবার বিহার পাচ্ছে দুজন উপমুখ্যমন্ত্রী। তাঁরা হলেন রবিবার বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচিত হওয়া তারিকিশোর প্রসাদ ও অত্যন্ত অনগ্রসর শ্রেণির প্রতিনিধি ও বিজেপির উপপরিষদীয় দলনেত্রী হিসেবে নির্বাচিত রেনুদেবী। সুশীল মোদিকে এবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় পাঠানো হবে বলে জানা গিয়েছে। জেডিউই ও বিজেপির তরফ থেকে চার জন করে আটজন মন্ত্রী শপথ নিয়েছেন। এদিনের অনুষ্ঠান বয়কট করে মহাজোটের প্রধান দল তথা বিহারের সংখ্যাগরিষ্ঠ দল আরজেডি। তেজস্বীর দলের তরফে টুইটারে বলা হয়, পরিবর্তনের পক্ষে এনডিএ-র বিপক্ষে জনাদেশ ছিল। মানুষের রায় ছিল সরকার বদলের। যে কারচুপি এনডিএ করেছে তাতে রাজ্যবাসী হতাশ। তাই নীতীশ কুমারের শপথ অনুষ্ঠান বয়কট করছে আরজেডি। আরও পড়ুন ঃ আমরা মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারিনিঃ কপিল সিব্বল প্রসঙ্গত , নীতীশকে সামনে রেখেই এবার বিহারে প্রচার চালিয়েছিল এনডিএ। সেখানে ৭৩ টি আসন দখল করেছে বিজেপি। আরজেডি পেয়েছে ৭৫ টি আসন। নীতিশের দল মাত্র ৪৩ টি আসন নিজেদের দখলে রাখতে পেরেছে। তবুও ভোটের আগে প্রতিশ্রুতি মতো নীতিশকে মুখ্যমন্ত্রী করা হল। এনডিএ-র বৈঠকে রবিবারই নীতীশ কুমারকে বিহারের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে নির্বাচন করা হয়।

নভেম্বর ১৬, ২০২০
রাজনীতি

একবার সুযোগ দিন , বাংলাকে গুজরাত বানিয়ে দেবঃ দিলীপ

জ্যোতিপ্রিয় কোথায় দাঁড়াবেন শুধু বলুন। যে কেন্দ্রেই দাঁড়াবেন, ওঁকে হারিয়ে দেব। ওঁকে আর মানুষ চায় না। সোমবার রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রীকে এভাবেই চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সোমবার বারাসতের কলোনি মোড়ে চা চক্রে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। এদিন দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, এক বার সুযোগ দিন। আমরা বাংলাকে গুজরাত বানাবো। যাতে বাংলার মানুষকে পরিযায়ী শ্রমিক হয়ে গুজরাতে না যেতে হয়। দিদিমনির পাপের বোঝা বাংলাকে বইতে হচ্ছে। আরও পড়ুন ঃ সন্ত্রাসবাদীদের আখড়ায় পরিণত হয়েছে বাংলাঃ দিলীপ তাঁর অভিযোগ , তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর রাজ্যের কোনও পরিবর্তন হয়নি। যা কিছু হয়েছে শুধুমাত্র দিদির ভাই আর ভাইপোর হয়েছে। কেন্দ্র কৃষকের জন্য প্রকল্প নিয়েছে । সারা দেশের কৃষক সেই প্রকল্পের সুযোগ পাচ্ছে। বঞ্চিত হচ্ছে শুধুমাত্র এ রাজ্যের কৃষকরা। বাংলা জুড়ে দাঙ্গার রাজনীতি করছে তৃণমুল। বাদুড়িয়া, বসিরহাট,মালদহ,আসানসোল সর্বত্র দাঙ্গা হয়েছে এই তৃণমূলের শাসনে ৷ মুর্শিদাবাদে প্রচুর জঙ্গিও তৈরি হচ্ছে। রাজ্যে আল কায়দা ঘাঁটি গেড়েছে । আর এই সবই হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আঁচলের তলায়। তিনি কিছুই করছেন না। এছাড়াও উদ্বাস্তু অধ্যুষিত উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় দাঁড়িয়ে ফের নাগরিকত্ব আইনে সকলকে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে বলে জানান তিনি। আমফানের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য আবার কেন্দ্র টাকা দিয়েছে। সেটাও মানুষের কাছে আদৌ পৌঁছবে কি না তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন , কেন্দ্রের পাঠানো টাকা যাতে মানুষের কাছে পৌছয় , তার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে নজরদারি করতে হবে।

নভেম্বর ১৬, ২০২০
দেশ

বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে ফের বসতে চলেছেন নীতিশ কুমার

প্রত্যাশামতোই বিহারের মসনদে বসেছিলেন নীতিশ কুমার। সব মিলিয়ে সাতবার বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিতে চলেছেন তিনি। এখনও পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী পদে নিজের মেয়াদ শেষ করেছেন মাত্র দুবার। উপমুখ্যমন্ত্রী পদে সুশীল মোদিকে চূড়ান্ত করা হয়েছে। রবিবার পাটনায় এনডিএর বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এদিন জোটের বৈঠকে নেতা হিসেবে নীতিশকে বেছে নেন জেডিইউ, বিজেপি, বিকাশশীল ইনসান পার্টি এবং হিন্দুস্তান আওয়াম মোর্চার বিধায়করা। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজনাথ সিংও। আজই রাজ্যপালের কাছে গিয়ে সরকার গঠনের দাবি জানাবেন নীতিশ। আগামিকালই রাজভবনে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হবে। আরও পড়ুন ঃ প্রতিরক্ষা শক্তিতে আত্মনির্ভর হয়ে উঠেছে ভারতঃ মোদি প্রসঙ্গত , বিহার বিধানসভায় এনডিএ ১২৫ টি আসনে জয়লাভ করেছে। ম্যাজিক ফিগারের থেকে মাত্র ৩ আসন বেশি পেয়েছে। নীতিশ কুমারই যে ফের বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন, তা অবশ্য আগেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। বিজেপি শীর্ষনেতারা ভোটের আগে থেকেই বলে আসছেন, যে দলই বেশি আসন পাক না কেন নীতিশকেই ফের মুখ্যমন্ত্রী করা হবে।

নভেম্বর ১৫, ২০২০
রাজনীতি

সন্ত্রাসবাদীদের আখড়ায় পরিণত হয়েছে বাংলাঃ দিলীপ

তৃণমূলে এখন মানভঞ্জনের পালা চলছে। শুভেন্দু অধিকারী প্রসঙ্গে শাসকদলকে কটাক্ষ করে এই মন্তব্য করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। অন্যন্যদিনের মতোই রবিবার সকালে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়েছিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। গিয়েছিলেন সেন্ট্রাল পার্কে। এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন, একুশের নির্বাচনে আমাদের কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী নেই। আমরা প্রস্তুত। বাকিরা এখনও ঘর সামলাচ্ছে। প্রাতঃভ্রমণ সেরে এদিন বরানগরে একটি চা চক্রে যোগ দেওয়ার কথা ছিল তাঁর। ডানলপ মোড় থেকে ঘোড়ার গাড়িতে টবিন রোডের ওই চা-চক্রে পৌঁছন তিনি তিনি। বাংলা থেকে একের পর এক জঙ্গি গ্রেপ্তারির প্রসঙ্গে বলেন, সন্ত্রাসবাদীদের আখড়ায় পরিণত হয়েছে বাংলা। বাংলার বিভিন্ন জায়গা থেকে জঙ্গি সন্দেহে গ্রেপ্তারি চলছে। এরপরই তাঁর ও দলের বিভিন্ন নেতাদের বিরুদ্ধে হওয়া মামলা প্রসঙ্গে তিনি সাফ জানান যে, ওসবে ভয় পায় না বিজেপি। গুরুত্বও দেয় না।

নভেম্বর ১৫, ২০২০
দেশ

প্রতিরক্ষা শক্তিতে আত্মনির্ভর হয়ে উঠেছে ভারতঃ মোদি

১৩০ কোটি ভারতীয় আপনাদের সঙ্গে রয়েছেন। প্রতিটি নাগরিক আমাদের জওয়ানদের শক্তি ও আত্মত্যাগের জন্য গর্বিত। তাঁরা গর্ব অনুভব করে আপনাদের অদ্যম মনোভাবের জন্য। আমাদের দেশের সীমান্ত রক্ষার কাজে নিয়োজিত বীর সৈনিকদের নিজেদের কর্তব্য করা থেকে পৃথিবীর কোনও শক্তিই আটকাতে পারবে না বলেও সাধারণ নাগরিকরা বিশ্বাস করেন। শনিবার জয়সলমীরের লোঙ্গেওয়ালায় ভারতীয় স্বশস্ত্র বাহিনীর জওয়ানদের দিওয়ালির শুভেচ্ছা জানাতে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই মন্তব্য করেন। তিনি এই প্রসঙ্গে আরও বলেন, হিমালয়ের শীর্ষ থেকে মরুভূমির তপ্ত পরিবেশ কিংবা ঘন জঙ্গল থেকে গভীর সমুদ্র, সর্বক্ষেত্রেই আপনারা হার না মানা মনোভাব নিয়ে প্রতিটি চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করেন। তাই গোটা ভারত আপনাদের জন্য গর্ব অনুভব করে। আপনারা আছেন বলেই আমরা প্রতিবছর ধুমধাম করে দিওয়ালি উদযাপন করতে পারি। তাই আজ প্রত্যেক দেশবাসীর তরফে আপনাদের দিওয়ালির শুভেচ্ছা জানাই। আমারও দিওয়ালি আপনাদের সঙ্গে উপযাপন না করলে ভাল লাগে না। আপনাদের আনন্দিত মুখ আমার খুশিও দ্বিগুণ হয়ে যায়। আরও পড়ুন ঃ আজ দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে শিশু দিবস তিনি আরও বলেন , গোটা বিশ্ব বুঝতে পেরেছে যে নিজের স্বার্থের বিষয়ে এই দেশ কোনও মূল্যেই সমঝোতা করবে না। আজকে ভারত জঙ্গিদের নিকেশ করছে আর তাদের নেতারা ঘরে ঢুকে পড়ছে। আপনাদের শক্তি ও দক্ষতার জন্যই এটা সম্ভব হয়েছে। আপনাদের দেশকে সুরক্ষিত রেখেছেন বলেই আন্তর্জাতিক মহল আজ আমাদের সম্পর্কে এই ধারণা পোষণ করে। এর জন্য ভারতও তার প্রতিরক্ষা শক্তি ক্রমশ বাড়িয়ে চলেছে। আত্মনির্ভর হয়ে উঠেছে। দেশবাসীও স্থানীয়ভাবে প্রতিরক্ষা সামগ্রী তৈরির বিষয়ে উৎসাহ প্রকাশ করেছে।

নভেম্বর ১৪, ২০২০
রাজ্য

 বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করল বর্ধমান আদালত। প্রায় বছরখানেক আগে দিলীপের বিরুদ্ধে পুলিশকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগ উঠেছিল। সেই মামলাতেই তাঁর বিরুদ্ধে এবার গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করল আদালত। প্রসঙ্গত , গতবছর ৪ নভেম্বর বর্ধমানের রায়নার একটি সভায় দিলীপ ঘোষ বলেন, রাজ্যের পুলিশকর্মীরা আকন্ঠ দুর্নীতিতে ডুবে রয়েছে। টাকা না দিলে পুলিশের চাকরি মেলে না। প্রমোশনের জন্যও পুলিশকে টাকা দিতে হয়। এসপি থেকে ওসি সকলকে টাকা তুলতে হয় এবং সেই টাকা যায় তৃণমূলের পার্টি অফিসে। আরও পড়ুন ঃ মদের দোকানের চার কর্মীকে ঘুমন্ত অবস্থায় পিটিয়ে খুন , ধৃত অভিযুক্ত বিজেপি রাজ্য সভাপতির এই মন্তব্যের জেরে অভিযোগ দায়ের করেন রায়নার সেহারাবাজার ফাঁড়ির এক পুলিশকর্মী। এই অভিযোগের ভিত্তিতে দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে এই মামলায় চার্জশিট পেশ করে পুলিশ। আদালতে বিজেপি রাজ্য সভাপতির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়। শুক্রবার সেই আবেদন মঞ্জুর করে আদালত।

নভেম্বর ১৪, ২০২০
রাজনীতি

২০২১ নির্বাচনে বাংলায় কৈলাসেই ভরসা কেন্দ্রীয় বিজেপির

কৈলাস বিজয়বর্গীয়কে ফের রাজ্যের দায়িত্ব দিল কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্ব। তাকে পুনরায় পশ্চিমবঙ্গের পর্যবেক্ষক হিসেবে বেছে নেওয়া হল। তাঁর নামে এদিন অনুমোদন দিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। বিজয়বর্গীয়র সহযোগী করা হয়েছে অরবিন্দ মেনন এবং বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্যকে। এছাড়াও অরবিন্দ মেনন ও শিবপ্রকাশ যেমন সহকারী পর্যবেক্ষকের দায়িত্বে আছেন , ঠিক তেমনই থাকবেন। পাশাপাশি, অনুপম হাজরাকে বিহারের এবং বাঁকুড়ার সাংসদ সুভাষ সরকারকে ঝাড়খণ্ডের সহ-পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সিকিমের দায়িত্ব বর্তেছে বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের ওপর। আরও পড়ুন ঃ আমাকে আটকানোর ক্ষমতা কারও নেইঃ শুভেন্দু এর আগে জল্পনা ছিল, কৈলাস বিজয়বর্গীয়কে সরিয়ে পশ্চিমবঙ্গের পর্যবেক্ষকের দায়িত্বে অন্য কাউকে নিয়ে আসা হবে। শুক্রবার বিকেলে বিভিন্ন রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত দলীয় পর্যবেক্ষকদের নামের তালিকা প্রকাশ করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অরুণ সিং।

নভেম্বর ১৪, ২০২০
কলকাতা

শুভেন্দুর সঙ্গে আমাদের কোনও কথাবার্তা হয়নিঃ দিলীপ

ওদের পার্টির মধ্যে ভাঙা-গড়া চলছে। পরস্পরের মান ভঞ্জন চলছে। এটা ওদের সমস্যা। শুক্রবার মানিকতলায় শিবাজি সিংহ রায়ের উদ্যোগে হওয়া কালীপুজোর উদ্বোধন করে একথা বলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষ। তিনি এই প্রসঙ্গে বলেন , তবে এতে ওদের দলের কর্মীরা হতাশ। যে পার্টি ক্ষমতায় আছে তা আজ ভেঙে যাচ্ছে। শুভেন্দু বড় নেতা,মন্ত্রী তিনি কী করবেন সেটা ওনার ব্যাপার। সবাই বলছে, উনি বিজেপিতে আসছেন। কিন্তু আমার জানা নেই। পিকে এখন ড্যামেজ কন্ট্রোলার হয়েছে। পার্টি এখন আড়াআড়ি ভাবে ভাগ হয়ে যাচ্ছে। আরও পড়ুন ঃ অফিস টাইমে ১০০ শতাংশ লোকাল ট্রেন চলবে , সিদ্ধান্ত রেল-রাজ্য বৈঠকে এরপর শুভেন্দু অধিকারীর বিজেপি যোগের জল্পনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বিজেপি সাংসদ বলেন, আমাদের সঙ্গে কোনও কথাবার্তা হয়নি। সেটা নিয়ে আপনারা চিন্তা করবেন না। অনেক মানুষ আসছেন, আসবেন। কেউ এলে আমরা নেব, আমাদের পার্টির যে কার্য পদ্ধতি আছে, আদর্শ আছে তা নিয়েই বাংলা পরিবর্তনের চেষ্টা করছি। কেউ যদি এই লড়াইয়ে শামিল হতে চায়। আমরা স্বাগত জানাব। বৃহস্পতিবার হামলা প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন , পরিস্থিতি যেদিকে যাচ্ছে তাতে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে। গতকাল আমার উপর আক্রমন করে ওরা বুঝিয়ে দিল প্রধানমন্ত্রী যা বলছেন তা ঠিক।

নভেম্বর ১৩, ২০২০
রাজনীতি

পাহাড়ের জনতা দরিদ্রই থেকে গিয়েছেঃ দিলীপ

পাহাড়ে বিনয় তামাং থাকবে , ডুয়ার্সে থাকবে বিমল গুরুং। জিটিএ হয়েছে , এর আগে অনেক কিছু হয়েছে। পাহাড়ের জনতার কি লাভ হয়েছে। তারা দরিদ্রই থেকে গিয়েছে। বৃহস্পতিবার জয়গাঁতে এক জনসভায় একথা বলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি এদিন বলেন, নরেন্দ্র মোদি পাহাড়ের জন্য ভাবে। বিজেপিও পাহাড়ের জন্য ভাবে। দিলীপবাবু বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার কৃষকদের জন্য টাকা দেয়, কিন্তু রাজ্যের কৃষকরা তা পায় না। দিদি যতদিন মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন , ততদিন কিছু পাওয়া যাবে ্না।চিকিৎসার জন্য বেঙ্গালুরু , চেন্নাই , ভেলোরে যেতে হয়। কারণ , এখানে চিকিৎসা ব্যবস্থাই নেই। এখানের যুবকদের চাকরির জন্য হয় শিলিগুড়ি যেতে হয় , নয়তো ভিন রাজ্যে যেতে হয়। তিনি আরও বলেন , এর আগে আমি পাহাড়ে গিয়েছিলাম। তখন আমার উপর হামলা হয়েছিল। আরও পড়ুন ঃ দিলীপ ঘোষের কনভয়ে হামলা , অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে অন্যদিকে , এদিন দিলীপ ঘোষের কনভয়ে হামলার প্রতিবাদে সারারাজ্য জুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে বিজেপি যুব মোর্চা। বিজেপি যুব মোর্চা সভাপতি সৌমিত্র খান বলেন, কিছু দুষ্কৃ্তী ও পুলিশ অফিসার মিলে দিলীপ ঘোষের কনভয়ের উপর এই হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে। যেসব পুলিশকর্মী এই ঘটনার সঙ্গে যু্ক্ত , তাদের দ্রুত অপসারণের দাবি জানাব। শুভেন্দু অধিকারী প্রসঙ্গে তিনি বলেন , উনি কি করবেন , সেটা ওনার ব্যাপার।

নভেম্বর ১২, ২০২০
রাজনীতি

দিলীপ ঘোষের কনভয়ে হামলা , অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের কনভয়ে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভাঙা হয়েছে বিধায়ক উইলসন চম্প্রমারির গাড়ির কাচও।অল্পের জন্য রেহাই পায় দিলীপ ঘোষের গাড়ি। ঘটনাটি ঘটেছে , ভারত-ভুটান সীমান্তে আলিপুরদুয়ারের কালচিনি ব্লকের দলসিংপাড়ার কাছে। অভিযোগ, সেখানে বিজেপি রাজ্য সভাপতির কনভয় লক্ষ্য করে পাথরবৃষ্টি হয়। দিলীপ ঘোষকে ঘিরে চলে গো ব্যাক স্লোগান। তাঁকে কালো পতাকাও দেখানো হয়। এরপর কোনওক্রমে সভায় হাজির হন তিনি। আরও পড়ুন ঃ যারা মমতাদির হাত দুর্বল করছে , তারা বিজেপির হাত শক্ত করছেঃ ফিরহাদ জানা গিয়েছে , বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জয়গাঁতে জনসভায় যোগ দিতে যাচ্ছিলেন। পুলিশের দাবি, পঁচিশটি বাইক নিয়ে র্যালির অনুমতি নিয়েছিল বিজেপি। অনুমতি না থাকা সত্ত্বেও কমপক্ষে একশোটি বাইক নিয়ে র্যালি করার চেষ্টা করেন দিলীপ ঘোষ। দলসিংপাড়াতে ওই রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধা দেয় পুলিশ। এর জেরে পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের বচসা বেঁধে যায়। পুলিশের কর্ডন ভেঙে বেআইনিভাবে বাইক র্যালি চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে। এরপর জয়গাঁর মঙ্গলাবাড়িতে পৌঁছয় র্যালি। তারপরেই ঘটে এই ঘটনা। বিজেপি রাজ্য সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু এর প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, পশ্চিমবঙ্গে যে আইনশৃঙ্খলা নেই , তা প্রতি মুহূর্তে প্রমাণিত হয়। এটা তৃণমূলের অবসাদের ফল। নির্বাচন কীভাবে হবে , তা নির্বাচন কমিশন বুঝবে। নির্বাচন করার মতো পরিস্থিতি না থাকলে সরকারকে সরিয়ে দিতে হবে। নির্বাচন এগিয়ে এলে বিজেপি কর্মীরা আক্রান্ত হবেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। অন্যদিকে বিজেপি যুব মোর্চা সভাপতি সৌ্মিত্র খান বলেন, দিলীপ ঘোষের উপর হামলার প্রতিবাদে সারা বাংলা জুড়ে প্রতিবাদ জানানো হবে।

নভেম্বর ১২, ২০২০
রাজ্য

৬ মাসের মধ্যে সব খুনের বিচার হবেঃ সায়ন্তন

বিজেপি কর্মী গোকুল জানার খুনিদের ধরুন , নাহলে আপনাদের আমরা রেয়াত করব না। বুধবার পুলিশের উদ্দেশে এই ভাষাতেই হুঁশিয়ারি দিলেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু। সায়ন্তনবাবু আরও বলেন, পুলিশকে কাজ খুনি ধরা। সে বিজেপি করত কি করত না , সেটা জানা পুলিশের কাজ নয়। তাঁর অভিযোগ , পুলিশ চেষ্টা করছে , ময়নাতদন্ত না করেই গোকূল জানার অন্ত্যোষ্টি ক্রিয়া করে দিতে। পুলিশ যাতে দেহ নিয়ে পালিয়ে যেতে না পারে , তার জন্য বিজেপি কর্মীদের কাঁথি হাসপাতাল ঘেরাও করে রাখার ডাক দেন তিনি। সায়ন্তনবাবু বলেন , গোকূলবাবুর খুনির বিচার করব। বিজেপির ১২৫ টা কর্মী খুন হয়েছে। ৬ মাসের মধ্যে সবকটি কেসের বিচার শুরু হবে। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল , গুলিতে প্রাণ হারালেন তৃণমূল কর্মী প্রসঙ্গত , তৃণমূল গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী টিঙ্কুলাল দোলুই করোনা আক্রান্ত। অভিযোগ, তা সত্ত্বেও তিনি এবং তাঁর পরিবারের সদস্যরা কোনও স্বাস্থ্যবিধি না মেনে সর্বত্র ঘুরেফিরে বেড়াচ্ছিলেন। গোকুলচন্দ্র জানার ছেলে তপনের অভিযোগ, তাঁর বাবা স্থানীয় আশাকর্মীর কাছে এ বিষয়ে প্রতিবাদ জানান। তখন আশাকর্মীর স্বামী শংকর জানা বাবার সঙ্গেই তর্কে জড়িয়ে পড়েন। সেখানে প্রতিবেশী আরও কয়েকজন হাজির হন। বাবার সঙ্গে তাঁদের হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। তখন তাঁদের মধ্যে একজন গোকুলবাবুকে কানের নিচে সজোরে আঘাত করে। তাতেই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। কিছুক্ষণ পরেই মৃত্যু হয় তাঁর।

নভেম্বর ১২, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 46
  • 47
  • 48
  • 49
  • 50
  • 51
  • 52
  • 53
  • 54
  • 55
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

দুর্গাপুরে জঙ্গলে নেহরুর মূর্তি! ২৪ ঘণ্টার ‘ডেডলাইন’ কংগ্রেসের, বিজেপির পালটা দাবি—‘চোরা তৃণমূলীরাই দায়ী’

দুর্গাপুর, ৩০ আগস্ট: রাজনৈতিক মতাদর্শের লড়াই এবার পৌঁছে গেল দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর মূর্তি ঘিরে বিতর্কে। দুর্গাপুরের একটি মেডিটেশন সেন্টারের সামনে থেকে নেহরুর বিশাল মূর্তি ক্রেনের সাহায্যে তুলে পাশের জঙ্গলে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই সরব হয়েছে কংগ্রেস। তাদের অভিযোগের তির বিজেপির দিকে। যদিও সেই অভিযোগ সরাসরি খারিজ করে বিজেপির স্থানীয় বিধায়ক পালটা দাবি করেছেন, এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে কংগ্রেসেরই একটি অংশ এবং চোরা তৃণমূলীরা।দুর্গাপুরের হর্ষবর্ধন প্রাইমারি স্কুলের পাশে একটি মেডিটেশন সেন্টারের সামনে দীর্ঘদিন ধরে পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর একটি বড় মূর্তি ছিল। কংগ্রেসের অভিযোগ, শুক্রবার সেখানে রাখিবন্ধন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানের জন্য জায়গা তৈরি করতেই ক্রেন এনে নেহরুর মূর্তিটি সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে সেটি স্কুল সংলগ্ন জঙ্গলের মধ্যে ফেলে রাখা হয় বলে অভিযোগ।মূর্তি সরিয়ে ফেলার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়। কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্ব ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে এবং প্রশাসনের কাছে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায়। তাদের প্রশ্ন, দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী এবং স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতার মূর্তির সঙ্গে এমন আচরণ কেন করা হল?জেলা কংগ্রেস সভাপতি দেবেশ চক্রবর্তী ঘটনাটির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে প্রশাসনকে কার্যত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। তাঁর দাবি, ক্রেনের সাহায্যে নেহরুর মূর্তি উপড়ে নিয়ে গিয়ে জঙ্গলে ফেলে দেওয়া হয়েছে এবং সেই জায়গায় পরবর্তীতে রাখিবন্ধন অনুষ্ঠান করা হয়েছে। তাঁর আরও অভিযোগ, অনুষ্ঠানে দুর্গাপুর পূর্বের বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিও ছিল।Press ReleaseThe Pradesh Congress strongly condemns the desecration of the statue of the countrys first Prime Minister, Pandit Jawaharlal Nehru; Shri @subhankar_cong demands the immediate reinstallation of the statue and the arrest of the culprits.Kolkata, August 30, 2026: pic.twitter.com/SImtSOHvX8 West Bengal Congress (@INCWestBengal) August 30, 2026দেবেশ চক্রবর্তীর বক্তব্য, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নেহরুর মূর্তিকে যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে পূর্বের জায়গায় পুনঃস্থাপন করতে হবে। তা না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে কংগ্রেস।তবে কংগ্রেসের এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন দুর্গাপুর পূর্বের বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর পালটা অভিযোগ, কংগ্রেসেরই একটি অংশ গোপনে তৃণমূলে যোগ দিয়েছে এবং সেই চোরা তৃণমূলীরাই নেহরুর মূর্তি সরিয়ে দেওয়ার সঙ্গে যুক্ত।বিজেপি বিধায়কের দাবি, ঘটনার দায় বিজেপির উপর চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির সঙ্গে এই ঘটনার কোনও সম্পর্ক নেই। বরং কারা মূর্তিটি সরিয়েছে, তা তদন্ত করে প্রকৃত সত্য সামনে আনা উচিত।নিজের বক্তব্যের পক্ষে অতীতের একটি ঘটনারও উল্লেখ করেন চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, দুর্গাপুরের এভিএল কার্যালয়ের সামনে একাধিক ইউনিয়ন অফিস ভাঙার সময় তাঁর হস্তক্ষেপেই রাজীব গান্ধীর মূর্তিটি রক্ষা পেয়েছিল। ফলে বিজেপি কখনও রাজনৈতিক নেতাদের মূর্তি ভাঙচুরকে সমর্থন করে না বলেও তাঁর দাবি।চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, নেহরুর মূর্তি ভাঙার ঘটনায় বিজেপির কোনও ভূমিকা নেই। বরং যারা এই কাজ করেছে, তাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতেও তাঁর দল রয়েছে।এদিকে, ঘটনাটি নিয়ে এবার সরব হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসও। ৩০ আগস্ট প্রকাশিত এক বিবৃতিতে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার নেহরুর মূর্তি সরিয়ে জঙ্গলে ফেলে দেওয়ার ঘটনাকে তীব্র নিন্দা করেছেন।শুভঙ্কর সরকারের বক্তব্য, নেহরু শুধু কংগ্রেসের নেতা ছিলেন নাতিনি ছিলেন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী, স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং আধুনিক ভারত নির্মাণের অন্যতম প্রধান স্থপতি। তাঁর মূর্তি এভাবে সরিয়ে জঙ্গলে ফেলে দেওয়া শুধুমাত্র একটি মূর্তির অবমাননা নয়, বরং দেশের ইতিহাস ও স্বাধীনতা সংগ্রামের ঐতিহ্যের প্রতিও অসম্মান।তবে এই ঘটনার পিছনে কোন রাজনৈতিক দলের হাত রয়েছে, তা নিয়ে সরাসরি কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছতে নারাজ প্রদেশ কংগ্রেস। দলের দাবি, প্রশাসন ও পুলিশ নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করুক এবং তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিক।প্রদেশ কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অবিলম্বে নেহরুর মূর্তি পূর্বের স্থানে পুনঃস্থাপনের পাশাপাশি ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়েছে। সেই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে, দাবি পূরণ না হলে বৃহত্তর গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নামবে কংগ্রেস।ফলে দুর্গাপুরে নেহরুর মূর্তি ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন রাজনৈতিক চাপানউতোর। একদিকে কংগ্রেসের অভিযোগের নিশানায় বিজেপি, অন্যদিকে বিজেপির পালটা অভিযোগ তৃণমূলের দিকে। মূর্তি কে সরাল, কেন সরানো হল এবং ঘটনাটির পিছনে আসল কারণ কীএই প্রশ্নগুলির উত্তর এখন পুলিশের তদন্তের দিকেই তাকিয়ে।

আগস্ট ৩০, ২০২৬
কলকাতা

জনতার দরবারে মুখ্যমন্ত্রী, এবার সরাসরি আমলা-পুলিশের কাছে অভিযোগ! সপ্তাহে দু’দিন খুলছে দরজা

সরকারি পরিষেবা নিয়ে অভিযোগ বা সমস্যা হলে এবার থেকে সাধারণ মানুষ সরাসরি উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করতে পারবেন। এই মর্মে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য সরকার। সপ্তাহে দুদিন নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণ মানুষের জন্য সরকারি অফিস খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রতি সপ্তাহের মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাধারণ মানুষ সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করতে পারবেন। এর জন্য আগে থেকে কোনও অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার প্রয়োজন হবে না। ওই দুই দিন আধিকারিকদের সাধারণ মানুষের অভিযোগ ও সমস্যার কথা শুনতে হবে।এই সময়ে আধিকারিকদের যাতে বাইরে সরকারি কাজে যেতে না হয়, সেই বিষয়েও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময়ে অফিসে উপস্থিত থেকে সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা করাকেই অগ্রাধিকার দিতে হবে তাঁদের।সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের সরকারি ই-মেইল এবং মোবাইল নম্বরও প্রকাশ করতে হবে। অফিসে এমন জায়গায় এই তথ্য রাখতে হবে, যাতে সহজেই তা সাধারণ মানুষের নজরে আসে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দফতর বা বিভাগের সরকারি ওয়েবসাইটেও ওই তথ্য স্পষ্টভাবে প্রকাশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।নতুন ব্যবস্থার আওতায় একাধিক স্তরের সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করার সুযোগ থাকবে। বিভাগীয় কমিশনার, জেলা শাসক, পুর কমিশনার, উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান আধিকারিক, অতিরিক্ত জেলা শাসক, মহকুমা শাসক এবং সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকের মতো আধিকারিকদের কাছে সাধারণ মানুষ নিজেদের সমস্যার কথা জানাতে পারবেন।পুরসভার নির্বাহী আধিকারিক থেকে শুরু করে পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকদের কাছেও অভিযোগ জানানো যাবে। পুলিশ প্রশাসনের ক্ষেত্রে মহাপরিচালক, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, মহাপরিদর্শক, পুলিশ কমিশনার, উপমহাপরিদর্শক, পুলিশ সুপার, উপপুলিশ কমিশনার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, মহকুমা পুলিশ আধিকারিক এবং থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ থাকবে।বন দফতরের ক্ষেত্রেও একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিকের সঙ্গে সাধারণ মানুষের সরাসরি যোগাযোগের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রধান মুখ্য বনপাল, অতিরিক্ত প্রধান মুখ্য বনপাল, মুখ্য বনপাল, বিভাগীয় বন আধিকারিক, অতিরিক্ত বিভাগীয় বন আধিকারিক এবং বনাঞ্চল আধিকারিকদের কাছেও অভিযোগ জানানো যাবে।রবিবার মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল এই নির্দেশিকা জারি করেছেন। নতুন নির্দেশ কার্যকর হচ্ছে কি না এবং সরকারি আধিকারিকেরা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা করছেন কি না, তা খতিয়ে দেখবে রাজ্যের কর্মীবর্গ দফতর।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী প্রতি শনিবার সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শোনার জন্য জনতার দরবারে বসেন। এবার সরকারি পরিষেবা সংক্রান্ত সমস্যার দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে সেই ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরেও সাধারণ মানুষের সরাসরি অভিযোগ জানানোর সুযোগ তৈরি করা হল।

আগস্ট ৩০, ২০২৬
দেশ

উত্তম-সত্যজিৎ স্মরণে মোদি, বাংলার দুই কিংবদন্তিকে শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর

বাংলা চলচ্চিত্রের দুই কিংবদন্তি অভিনেতা উত্তম কুমার এবং পরিচালক সত্যজিৎ রায়কে স্মরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাংলা সিনেমার ইতিহাসে তাঁদের অবদান এবং ভারতীয় চলচ্চিত্রকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের ভূমিকার কথা তুলে ধরে শ্রদ্ধা জানালেন তিনি।উত্তম কুমার শুধু বাংলা ছবির জনপ্রিয় নায়ক ছিলেন না, তিনি বাঙালির সাংস্কৃতিক আবেগেরও অন্যতম প্রতীক। তাঁর অভিনয়, ব্যক্তিত্ব এবং পর্দায় উপস্থিতি কয়েক দশক ধরে দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। বাংলা চলচ্চিত্রে তাঁর সঙ্গে সুচিত্রা সেনের জুটি আজও কিংবদন্তির মর্যাদা পায়। তাঁর অভিনীত একাধিক ছবি বাংলা সিনেমার স্বর্ণযুগের স্মারক হয়ে রয়েছে। সেই কারণেই উত্তম কুমারের নাম উচ্চারিত হলেই বাঙালির নস্টালজিয়ায় ফিরে আসে এক বিশেষ সময়।অন্যদিকে সত্যজিৎ রায় ছিলেন ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নির্মাতা। তাঁর সৃষ্টিশীলতা শুধু বাংলা বা ভারতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র জগতেও তিনি তৈরি করেছিলেন নিজের স্বতন্ত্র পরিচয়। পথের পাঁচালী থেকে শুরু করে একাধিক কালজয়ী ছবির মাধ্যমে তিনি ভারতীয় চলচ্চিত্রকে বিশ্বদর্শকের কাছে নতুনভাবে তুলে ধরেন। তাঁর নির্মাণশৈলী, গল্প বলার ধরন এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি আজও চলচ্চিত্রপ্রেমীদের কাছে অনুপ্রেরণা।প্রধানমন্ত্রীর এই স্মরণে উঠে এসেছে বাংলা সংস্কৃতির দুই ভিন্ন ধারার দুই মহীরুহের অবদানের কথাই। একজন অভিনয়ের জাদুতে দর্শকের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছিলেন, অন্যজন ক্যামেরার ভাষায় ভারতীয় জীবনের গল্পকে বিশ্বমঞ্চে পৌঁছে দিয়েছিলেন।উত্তম কুমার ও সত্যজিৎ রায়ের সৃষ্টির প্রভাব প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে টিকে রয়েছে। সময় বদলেছে, বদলেছে চলচ্চিত্রের ভাষাও। কিন্তু তাঁদের কাজের আবেদন এখনও অমলিন। প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধাজ্ঞাপন তাই কেবল দুই শিল্পীকে স্মরণ নয়, বাংলা চলচ্চিত্রের সেই গৌরবময় অধ্যায়ের প্রতিও এক সম্মান প্রদর্শন।রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে লিখেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর #MannKiBaat-এর অনুষ্ঠানে উঠে এলেন বাংলার মহানায়ক উত্তম কুমার। আপামর বাঙালির কাছে এ এক গর্বের মুহূর্ত, আবেগের মুহূর্ত।আগামী ৩ সেপ্টেম্বর বাংলা চলচ্চিত্র জগতের মহানায়ক উত্তম কুমারের ১০০তম জন্মবার্ষিকী। এই ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেভাবে ভারতীয় ও বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি শিল্পী উত্তম কুমারের অনন্য প্রতিভা, অভিনয় দক্ষতা, কাজের প্রতি নিষ্ঠা ও কালজয়ী অবদানকে স্মরণ করলেন, তা নিঃসন্দেহে বাংলার মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যায়।উত্তম কুমার শুধু বাংলা চলচ্চিত্রের মহানায়কই ননতিনি বাঙালির আবেগ, সংস্কৃতি, স্মৃতি ও আত্মপরিচয়ের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাঁর অভিনয়, তাঁর ব্যক্তিত্ব, তাঁর সৃষ্ট চরিত্র আজও প্রজন্মের পর প্রজন্মকে মুগ্ধ করে।বাংলার সংস্কৃতি ও বাংলার গৌরবকে জাতীয় মঞ্চে যে সম্মান প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন, তার জন্য তাঁকে জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।

আগস্ট ৩০, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

‘দাদাগিরি’র পর এবার ‘বিগ বস’, সৌরভের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ শুরু আজ

দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। আজ, রবিবার থেকেই বাংলার টেলিভিশনের পর্দায় শুরু হচ্ছে বহু প্রতীক্ষিত বিগ বস বাংলা। তবে এবারের আকর্ষণ শুধু প্রতিযোগীদের নিয়ে নয়। এই রিয়্যালিটি শোয়ের মঞ্চে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে সঞ্চালকের আসনে। ক্রিকেটের মাঠে নেতৃত্ব দিয়ে যিনি এক সময় ভারতীয় ক্রিকেটের ছবিটাই বদলে দিয়েছিলেন, সেই সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কেই এবার দেখা যাবে বিগ বস বাংলার মুখ হিসেবে। প্রায় এক দশক পর বাংলায় ফিরছে অনুষ্ঠানটি।সৌরভের কাছে অবশ্য এই দায়িত্ব একেবারেই নতুন নয়। দীর্ঘদিন ধরে টেলিভিশনের জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো সঞ্চালনা করেছেন তিনি। কিন্তু বিগ বস-এর চরিত্র আলাদা। এখানে শুধু হাসি-ঠাট্টা বা প্রতিযোগিতার সঞ্চালনা নয়, প্রতিদিনের সম্পর্কের টানাপোড়েন, মতবিরোধ, আবেগ, কৌশল এবং মানসিক চাপ, সবকিছুর মাঝখানে দাঁড়াতে হবে সঞ্চালককে। সেই জায়গাতেই সৌরভের উপস্থিতি এবারের শোকে অন্য মাত্রা দিতে পারে।এই খেলায় ব্যাট হাতে রান করার সুযোগ নেই। নেই প্রতিপক্ষের বোলিং পড়ে নেওয়ার সুবিধাও। বরং একই ছাদের নীচে থাকা একাধিক মানুষের আচরণ, সিদ্ধান্ত এবং পারস্পরিক সমীকরণই হয়ে উঠবে মূল আকর্ষণ। কে বন্ধুত্বকে কাজে লাগাবেন, কে নিজের অবস্থান ধরে রাখবেন, কে চাপের মুহূর্তে ভুল করবেন, সেটাই ধীরে ধীরে স্পষ্ট হবে।শোয়ের নির্মাতারা প্রতিযোগীদের পরিচয় নিয়ে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কৌতূহল ধরে রেখেছেন। বিভিন্ন ক্ষেত্রের পরিচিত মুখদের পাশাপাশি বিনোদন এবং সোশ্যাল মিডিয়া জগতের একাধিক নাম নিয়েও জল্পনা রয়েছে। তবে চূড়ান্ত তালিকা জানার জন্য দর্শকদের নজর থাকবে আজকের গ্র্যান্ড ওপেনিংয়ের দিকে।স্টার জলসা এবং জিওহটস্টারে সম্প্রচারিত হবে এই নতুন অধ্যায়। ফলে আজ রাত থেকেই বোঝা যাবে, দাদা কি পারবেন ক্রিকেটের মাঠের মতোই টেলিভিশনের এই জটিল খেলাতেও নিজের ছাপ রাখতে? উত্তর খুঁজতেই আজ পর্দার সামনে বসবে বাংলা।

আগস্ট ৩০, ২০২৬
বিদেশ

নেপালে ভয়াবহ হড়পা বান, মৃতের সংখ্যা সাতশো পেরিয়ে! প্রায় তিন হাজার নিখোঁজ, বড় সিদ্ধান্ত সরকারের

নেপালে হড়পা বানের ভয়াবহতা ক্রমেই বাড়ছে। সময় যত গড়াচ্ছে, ততই মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। এখনও পর্যন্ত সাতশোর বেশি মানুষের দেহ উদ্ধার হয়েছে। প্রায় তিন হাজার মানুষ এখনও নিখোঁজ বলে জানা যাচ্ছে। নিখোঁজদের মধ্যে বহু ভারতীয়ও রয়েছেন বলে খবর।বিপর্যয়ের পাঁচ দিন পর উদ্ধারকাজ জোরদার হলেও পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। ধ্বংসস্তূপ এবং কাদামাটির মধ্যে থেকে একের পর এক মৃতদেহ উদ্ধার হচ্ছে। অনেক দেহের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। আবার বহু দেহ দাবি করার মতো পরিবারের কাউকেও পাওয়া যাচ্ছে না।এই পরিস্থিতিতে মৃতদেহ সংরক্ষণ করাই বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। নেপাল সরকারের আশঙ্কা, দেহগুলি দ্রুত পচে যাওয়ায় সংক্রমণের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। হাসপাতালে এবং অন্যত্র এত বিপুল সংখ্যক দেহ রাখার মতো জায়গাও নেই। পরিস্থিতি সামাল দিতে তাই পরিচয়হীন ও দাবিহীন মৃতদেহ গণকবর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি দেহ উদ্ধার হয়েছে চিতওয়ান জেলা থেকে। সেখানে ২৩৩ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিপুল সংখ্যক দেহ একসঙ্গে রাখার কারণে হাসপাতালগুলিতেও সমস্যা তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যেই কয়েকটি দেহ পচতে শুরু করেছে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে।তবে গণকবর দেওয়া হলেও মৃতদের পরিচয় যাতে পরে জানা যায়, তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। প্রতিটি দেহ কবর দেওয়ার আগে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে রাখা হচ্ছে। ভবিষ্যতে কোনও নিখোঁজ ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরা নেপালে এসে খোঁজ করলে তাঁদের ডিএনএ নমুনার সঙ্গে এই তথ্য মিলিয়ে দেখা হবে।শুধু ডিএনএ নমুনাই নয়, প্রতিটি মৃতদেহের আলাদা পরিচয় নম্বরও রাখা হচ্ছে। দেহগুলি বিশেষ ব্যাগে ভরে কবর দেওয়ার সময় সেই ব্যাগে পরিচয় নম্বর এবং অবস্থানের তথ্য দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে পরে কোনও দেহ শনাক্ত হলে ঠিক কোন জায়গায় সেটি কবর দেওয়া হয়েছিল, তা জানা সম্ভব হবে।পরবর্তীকালে দেহ তুলে শনাক্তকরণ বা পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার সুযোগও রাখা হচ্ছে। সেই কারণে গণকবর খুব গভীর করে খোঁড়া হচ্ছে না। প্রতিটি দেহের মধ্যে নির্দিষ্ট দূরত্ব রাখা হচ্ছে, যাতে ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে নির্দিষ্ট দেহটি আলাদা করে তোলা যায়।গণকবরের কাছেও একটি কংক্রিটের ব্যবস্থা করা হবে। সেখানে প্রতিটি মৃতদেহের পরিচয় নম্বর নথিভুক্ত থাকবে। ফলে ভয়াবহ বিপর্যয়ের পরেও মৃতদের পরিচয় যাতে পুরোপুরি হারিয়ে না যায়, সেই ব্যবস্থাই করছে নেপাল প্রশাসন।এদিকে উদ্ধারকাজ এখনও চলছে। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আরও মৃতদেহ থাকার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে আগামী দিনে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। নিখোঁজদের সন্ধান এবং মৃতদের পরিচয় শনাক্ত করাই এখন নেপাল প্রশাসনের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

আগস্ট ৩০, ২০২৬
কলকাতা

দেওয়ালে লেখা ছিল বিতর্কিত স্লোগান, রাত পেরোতেই সব সাদা! যাদবপুরে হঠাৎ কেন বদলে গেল ছবি?

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দেওয়ালে বিতর্কিত স্লোগান লেখা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ, ক্যাম্পাসের কয়েকটি জায়গায় এমন কিছু লেখা ছিল, যা নিয়ে আপত্তি উঠেছে। শুক্রবার যাদবপুরের আট বি এলাকায় দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই ধরনের লেখালিখির বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দেন। তার পরের রাতেই কয়েকটি বিতর্কিত লেখার উপর সাদা চুনকাম করা হয়।যাদবপুরের মুক্তমঞ্চের দেওয়ালে আগে একাধিক রাজনৈতিক ও বিতর্কিত বক্তব্য লেখা ছিল বলে জানা গিয়েছে। তার মধ্যে কয়েকটি লেখায় সশস্ত্র হিংসার পক্ষে বক্তব্য এবং মাওবাদী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সমর্থনে স্লোগান ছিল বলে অভিযোগ। সেই লেখাগুলি ঘিরেই নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়।ভারতীয় জনতা পার্টির ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন জায়গায় দীর্ঘদিন ধরেই নকশালপন্থী মতাদর্শের সমর্থনে নানা ধরনের স্লোগান লেখা রয়েছে। সংগঠনের দাবি, ক্যাম্পাসে এমন লেখা থাকার পরেও দীর্ঘদিন কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।সংগঠনের এক প্রতিনিধি একটি দেওয়াল দেখিয়ে দাবি করেন, সেখানে কমরেড কিষেণজিকে সমর্থন করে লেখা ছিল। পরে সেই লেখাটিও মুছে ফেলা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি ওঠে। শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিতর্কিত দেওয়াল লিখনের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থানের কথা জানান। তার পরেই শনিবার রাতে কয়েকটি দেওয়ালে সাদা চুনকাম করতে দেখা যায়।তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের একাংশের বক্তব্য, দেওয়াল লিখন নিয়ে সমস্যা নতুন নয়। অধ্যাপক নন্দিনী মুখোপাধ্যায় বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়ালে বিভিন্ন ধরনের লেখা দেখা যায়। সেগুলি বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা লিখছেন, না কি বাইরের কেউ এসে লিখছে, তা সব সময় নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।তাঁর মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়ালে এমন কোনও স্লোগান থাকা উচিত নয়, যা গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি জানান, এক সময় বিশ্ববিদ্যালয়ে দেওয়াল লিখনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম ছিল। পড়ুয়াদের লেখার জন্য নির্দিষ্ট জায়গাও করে দেওয়া হয়েছিল। পরে সেই নিয়ম আর আগের মতো কার্যকর থাকেনি বলে তাঁর দাবি।বিতর্কিত লেখাগুলি কে লিখেছিল, কখন লেখা হয়েছিল এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছিল কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রাতারাতি কয়েকটি লেখা মুছে ফেলার ঘটনাকে ঘিরে তাই নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ৩০, ২০২৬
সম্পাদকীয়

বিদ্রোহের আগুন থেকে সাম্যের গান—নজরুলের যে জীবন আজও আমাদের বিস্মিত করে

কাজী নজরুল ইসলামকে আমরা চিনি বিদ্রোহী কবি হিসেবে। চিনি সাম্যের কবি, প্রেমের কবি, মানবতার কবি হিসেবে। তাঁর কবিতা আবৃত্তি হয়েছে মঞ্চে, তাঁর গান বেজেছে ঘরে ঘরে, তাঁর বিদ্রোহের বার্তা উচ্চারিত হয়েছে দশকের পর দশক। কিন্তু নজরুলকে যতটা আমরা জানি, তার চেয়ে অনেক বেশি অজানা রয়ে গিয়েছে তাঁর বিস্ময়কর জীবনের নানা অধ্যায়।নজরুলের জীবন যেন এক চলমান উপন্যাসযেখানে একদিকে দারিদ্র্য, অন্যদিকে বিদ্রোহ; একদিকে সৈনিকের পোশাক, অন্যদিকে কবির কলম; একদিকে ইসলামী সংগীত ও গজল, অন্যদিকে শ্যামা সংগীত ও ভজন; একদিকে রাজনৈতিক সংগ্রাম, অন্যদিকে চলচ্চিত্রের রুপালি পর্দা। তিনি কোনও একটি পরিচয়ের মধ্যে নিজেকে বন্দি রাখেননি। বরং তাঁর জীবনই হয়ে উঠেছিল বহুত্বের এক অসাধারণ উদাহরণ।লেটো দলের মঞ্চ থেকেই শুরুকৈশোরেই দারিদ্র্যের কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হন নজরুল। সংসারের অভাব তাঁকে স্কুলের গণ্ডি থেকে দূরে সরিয়ে নিয়ে যায়। তিনি যুক্ত হন বাংলার লোকনাট্যের জনপ্রিয় ধারা লেটো দলে। সেখানে শুধু অভিনয়ই করেননিগান লিখেছেন, কবিতা লিখেছেন, নাটকের সংলাপ ও পালা রচনা করেছেন, সুর দিয়েছেন, সেই গান গেয়েছেন।এই লেটো-পর্বকে নজরুলের সাহিত্যিক জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণক্ষেত্র বলা যায়। লোকভাষা, ছন্দ, সুর, নাটকীয়তা এবং সাধারণ মানুষের জীবনযন্ত্রণাসবকিছুর সঙ্গে তাঁর প্রত্যক্ষ পরিচয় ঘটে এই সময়েই। পরবর্তী নজরুল-কাব্যে যে সহজ অথচ তীব্র ভাষা, তার শিকড় অনেকটাই এই লোকজ অভিজ্ঞতায়।সৈনিক নজরুল: যুদ্ধের ময়দান থেকে কবিতার পৃথিবী১৯১৭ সালে ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীর ৪৯তম বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগ দেন নজরুল। করাচিতে তাঁর দীর্ঘ সেনাজীবন কাটে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শেষপর্বের এই অভিজ্ঞতা তাঁর মানসজগতে গভীর ছাপ ফেলে।সেনাবাহিনীতে থাকাকালীনই তিনি নিয়মিত সাহিত্যচর্চা করেন। সহযোদ্ধাদের সঙ্গে বসে সাহিত্য নিয়ে আলোচনা, গল্প-কবিতা লেখাসবই চলত। যুদ্ধ তাঁকে শুধু অস্ত্রের সঙ্গে পরিচয় করায়নি; মানুষের জীবন, মৃত্যু, সাম্রাজ্যবাদ ও শোষণের বাস্তবতাকেও নতুন চোখে দেখতে শিখিয়েছিল।পরবর্তীকালে তাঁর লেখায় যে যুদ্ধবিরোধী মানবিকতা এবং শোষণের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ দেখা যায়, তার পেছনে এই অভিজ্ঞতার ভূমিকা অস্বীকার করার উপায় নেই।বিদ্রোহীএক কবিতার বিস্ফোরণ১৯২১ সালের শেষদিকে রচিত বিদ্রোহী কবিতা প্রকাশের পর বাংলা সাহিত্যে যেন এক ভূমিকম্প ঘটে। এতদিনের কাব্যভাষার বাইরে দাঁড়িয়ে এক তরুণ কবি ঘোষণা করলেন নিজের অদম্য আত্মপরিচয়।কিন্তু বিদ্রোহী কেবল রাজনৈতিক বিদ্রোহের কবিতা নয়। এখানে আছে পুরাণ, ইসলামি ঐতিহ্য, হিন্দু দেবদেবী, প্রকৃতি, প্রেম, ধ্বংস ও সৃষ্টির এক বিস্ময়কর মিশ্রণ। নজরুল যেন বলতে চেয়েছিলেনমানুষকে কোনও একটি ধর্ম, জাতি বা পরিচয়ের খাঁচায় আটকে রাখা যায় না।ধূমকেতু: কলম যখন অস্ত্রনজরুলের সাংবাদিক সত্তাটিও কম বিস্ময়কর নয়। ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর সম্পাদিত সাপ্তাহিক পত্রিকা ধূমকেতু। পত্রিকাটির নামের মধ্যেই যেন ছিল তাঁর রাজনৈতিক দর্শনের ইঙ্গিত।ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে তাঁর লেখাগুলি দ্রুতই প্রশাসনের নজরে আসে। আনন্দময়ীর আগমনে কবিতাকে কেন্দ্র করে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং তাঁকে কারাবন্দি করা হয়।কারাগারেও তিনি নীরব থাকেননি। বন্দিদের অধিকার এবং ঔপনিবেশিক নিপীড়নের প্রতিবাদে তিনি অনশন করেন। দীর্ঘ অনশনের সময় তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে অনশন ভাঙার আহ্বান জানিয়ে বার্তাও পাঠিয়েছিলেন।এই ঘটনা প্রমাণ করে, নজরুলের কাছে স্বাধীনতা শুধু রাজনৈতিক স্লোগান ছিল নাএটি ছিল ব্যক্তিগত বিশ্বাস।খিলাফত প্রশ্নে নজরুলের অবস্থাননজরুলের রাজনৈতিক চিন্তাভাবনা নিয়ে আলোচনা করতে গেলে তাঁর খিলাফত আন্দোলন সম্পর্কে অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ। ধর্মীয় আবেগকে রাজনৈতিক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত করার ফলে সাম্প্রদায়িক বিভাজন আরও গভীর হতে পারেএই আশঙ্কা তাঁর চিন্তায় প্রতিফলিত হয়েছিল।নজরুলের মূল অবস্থান ছিল মানুষের মুক্তি। ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে বিভাজনের বদলে তিনি চেয়েছিলেন শ্রমজীবী, কৃষক, নিপীড়িত ও বঞ্চিত মানুষের ঐক্য।তাই তাঁর রাজনৈতিক চিন্তার কেন্দ্রে বারবার ফিরে এসেছে মানুষহিন্দু বা মুসলমান নয়, প্রথমত মানুষ।লেবার স্বরাজ পার্টি: কবির রাজনৈতিক সংগঠন১৯২৫ সালে নজরুল শ্রমিক-কৃষকের অধিকারের প্রশ্নে সক্রিয় রাজনৈতিক ভূমিকা নেন। হেমন্তকুমার সরকার ও অন্যান্য বামপন্থী নেতাদের সঙ্গে তিনি লেবার স্বরাজ পার্টি অব দ্য ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস গঠনের সঙ্গে যুক্ত হন।এই সংগঠনের ভাবনায় ছিল শ্রমিক-কৃষকের অধিকার, ঔপনিবেশিক শোষণের বিরুদ্ধে সংগ্রাম এবং সমাজের প্রান্তিক মানুষের রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন।নজরুলের রাজনৈতিক লেখায় যে শ্রেণি সচেতনতা দেখা যায়, তার সঙ্গে এই সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের গভীর সম্পর্ক ছিল।নির্বাচনের ময়দানেও নজরুলশুধু কবিতা বা বক্তৃতার মধ্যেই তাঁর রাজনীতি সীমাবদ্ধ ছিল না। ১৯২৬ সালে তিনি আইনসভার নির্বাচনে প্রার্থীও হন। অর্থবল ও সাংগঠনিক শক্তির দিক থেকে তিনি পিছিয়ে ছিলেন। ফলে নির্বাচনী রাজনীতিতে সফলতা আসেনি।কিন্তু এই পর্বটি গুরুত্বপূর্ণ এই কারণে যে, নজরুল নিজেকে কেবল সাহিত্যিক হিসেবে দেখেননি। সমাজ পরিবর্তনের প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক প্রক্রিয়াতেও তিনি অংশ নিতে চেয়েছিলেন।হিন্দু-মুসলমানের মিলনের এক বিরল শিল্পীনজরুলের সৃষ্টির সবচেয়ে বিস্ময়কর দিকগুলির একটি তাঁর ধর্মীয় বহুত্ববাদ।তিনি লিখেছেন ইসলামী গান, হামদ, নাত, গজল। আবার লিখেছেন শ্যামাসংগীত, ভজন, কীর্তন ও হিন্দু দেবদেবীকে নিয়ে অসংখ্য গান।মা, শ্যামা, কালী, কৃষ্ণ যেমন তাঁর গানে এসেছে, তেমনই এসেছে আল্লাহ, নবী, রমজান, ঈদ ও ইসলামী আধ্যাত্মিকতার নানা অনুষঙ্গ।এখানে কোনও কৃত্রিম সমন্বয় ছিল না। নজরুলের কাছে ধর্ম ছিল মানুষের আত্মিক অনুভূতির ভাষা; বিভেদের অস্ত্র নয়।তাঁর এই অবস্থান আজকের সময়েও অসাধারণ প্রাসঙ্গিক।চলচ্চিত্রের দুনিয়ায় আর এক নজরুলনজরুলকে আমরা কবি ও গীতিকার হিসেবে যতটা মনে রাখি, চলচ্চিত্রের মানুষ নজরুলকে ততটা মনে রাখি না।কলকাতার চলচ্চিত্রজগতের সঙ্গে তাঁর গভীর যোগাযোগ তৈরি হয়েছিল। তিনি চলচ্চিত্রে গান লিখেছেন, সুর দিয়েছেন এবং সংগীত পরিচালনা করেছেন। নির্বাক যুগ থেকে সবাক চলচ্চিত্রের উত্তরণের সময় বাংলা সিনেমার সংগীতে নতুন মাত্রা আনার ক্ষেত্রে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।১৯৩৪ সালের ধ্রুব চলচ্চিত্রে তিনি দেবর্ষি নারদের ভূমিকায় অভিনয় করেন। একই সঙ্গে ছবিটির সংগীত পরিচালনা ও গীতরচনার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। হাতে একতারা, পায়ে খড়ম, মুখে নারদের সাজরুপালি পর্দায় নজরুলের এই উপস্থিতি আজ বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসের এক মূল্যবান অধ্যায়। এটি ছিল তাঁর অভিনয়জীবনের একমাত্র চলচ্চিত্র অভিনয়।রবীন্দ্রনাথের কবিতায় নজরুলের সুররবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের সম্পর্ক বাংলা সংস্কৃতির অন্যতম সুন্দর অধ্যায়।বয়সে রবীন্দ্রনাথ ছিলেন অনেক বড়। সাহিত্যিক পথও ছিল আলাদা। তবু দুজনের মধ্যে ছিল গভীর শ্রদ্ধা ও স্নেহ।চলচ্চিত্রে রবীন্দ্রনাথের রচনায় নজরুলের সুরারোপের ঘটনাটি এই সম্পর্কের এক চমৎকার দৃষ্টান্ত। রবীন্দ্রনাথের রচনায় প্রচলিত সুরের বাইরে গিয়ে নজরুল নতুন সুর নির্মাণ করেছিলেন। সেই সুর কবিগুরুকে শুনিয়ে তাঁর অনুমোদন পাওয়ার ঘটনাটি শুধু দুজন শিল্পীর পারস্পরিক শ্রদ্ধার নয়, সৃষ্টিশীল স্বাধীনতারও একটি সুন্দর উদাহরণ।নারীদের কণ্ঠে নতুন যুগবাংলা গান ও চলচ্চিত্রে নারী কণ্ঠশিল্পীদের প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও নজরুলের ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। আঙ্গুরবালা দেবী, ইন্দুবালা দেবী, কানন দেবীসহ তৎকালীন বহু শিল্পীর সঙ্গে তাঁর পেশাগত ও সৃষ্টিশীল সম্পর্ক ছিল।বিশেষ করে নারীদের সামাজিক অবস্থান যখন নানা বিধিনিষেধে আবদ্ধ, তখন তাঁদের কণ্ঠকে বৃহত্তর শ্রোতার কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে নজরুলের গান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।তাঁর সৃষ্ট নারীচরিত্রও ছিল প্রচলিত ধারণার বাইরেস্বাধীন, আত্মমর্যাদাসম্পন্ন এবং প্রতিবাদী।হাফিজ ও ওমর খৈয়াম থেকে নজরুলের বাংলানজরুলের সাহিত্যিক পরিসর বাংলা ভাষার গণ্ডিতে আটকে ছিল না। ফারসি সাহিত্য, আরবি সংস্কৃতি এবং ইসলামী ঐতিহ্যের সঙ্গে তাঁর গভীর পরিচয় ছিল।হাফিজ ও ওমর খৈয়ামের রচনার অনুবাদে তিনি বাংলা ভাষায় নিয়ে এসেছিলেন এক অন্যরকম সুর, ভাব ও রোমান্টিকতা। তাঁর অনুবাদে কেবল ভাষান্তর নয়, অনেক সময় দেখা যায় সৃষ্টিশীল পুনর্নির্মাণের প্রবণতা।এই কাজগুলির মাধ্যমে বাংলা সাহিত্য আরও সমৃদ্ধ হয়েছে মধ্যপ্রাচ্য ও পারস্যের সাহিত্য-ঐতিহ্যের সঙ্গে।হাজার গানের স্রষ্টা, অথচ কত গান হারিয়ে গেল!নজরুলের গান নিয়ে সবচেয়ে বেদনাদায়ক অধ্যায় তাঁর জীবনের শেষ পর্ব। নজরুলের অসুস্থতার কারণে পরবর্তী সময়ে তাঁর বাকশক্তি ও স্মৃতিশক্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে তাঁর অসংখ্য গানের সঠিক সুর, স্বরলিপি ও পরিবেশনরীতি সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়নি।আজ আমরা নজরুলগীতির বিপুল ভাণ্ডারের কথা বলি। কিন্তু সেই ভাণ্ডারের কত অংশ হারিয়ে গেছে, কত গান ভুল সুরে বা অসম্পূর্ণভাবে আমাদের কাছে পৌঁছেছেতার সম্পূর্ণ হিসাব করা কঠিন।এই জায়গাতেই নজরুল গবেষণার সামনে এখনও বিশাল কাজ পড়ে রয়েছে।শুধু বিদ্রোহী নন, তিনি ছিলেন সৃষ্টির কবিওনজরুলকে শুধু বিদ্রোহের কবি হিসেবে দেখলে তাঁর প্রতি অবিচার করা হয়। তিনি প্রেমের কবি। তিনি প্রকৃতির কবি। তিনি আধ্যাত্মিকতার কবি। তিনি হাস্যরসের কবি। তিনি শিশুদের কবি। তিনি শ্রমিকের কবি, কৃষকের কবি, নারীর কবি, নিপীড়িত মানুষের কবি।তাঁর সাম্যবাদী উচ্চারণ যেমন রাজনৈতিক, তেমনই গভীর মানবিক। তাঁর নারী কবিতা যেমন নারীমুক্তির কথা বলে, তেমনই তাঁর প্রেমের গান ব্যক্তিমানুষের হৃদয়ের গোপন দরজাও খুলে দেয়।নজরুলের জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষানজরুলের জীবনের দিকে তাকালে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে ওঠেতিনি কখনও নিজের পরিচয়কে সংকীর্ণ হতে দেননি।দারিদ্র্য তাঁকে থামাতে পারেনি। সেনাজীবন তাঁকে কবিতা থেকে দূরে সরাতে পারেনি। কারাগার তাঁর কণ্ঠ স্তব্ধ করতে পারেনি। রাজনৈতিক ব্যর্থতা তাঁকে ভেঙে দেয়নি। ধর্মীয় বিভাজন তাঁকে কোনও একপক্ষের কবি বানাতে পারেনি।তিনি একই সঙ্গে মসজিদের আজান শুনেছেন, মন্দিরের ঘণ্টাধ্বনি শুনেছেন; ইসলামী গজল লিখেছেন, আবার শ্যামাসংগীতে মাতৃসাধনার ভাষা সৃষ্টি করেছেন।এই কারণেই নজরুল কেবল একটি জাতির, একটি ধর্মের বা একটি সময়ের কবি নন। তিনি বাংলা ভাষার এক অনন্ত মানবিক কণ্ঠ।আজ তাঁর প্রয়াণের এত বছর পরেও যখন সমাজে বিভাজন বাড়ে, যখন মানুষের পরিচয় ধর্ম ও সম্প্রদায়ের খোপে আটকে যেতে চায়, যখন অন্যায়ের সামনে নীরব থাকার প্রবণতা তৈরি হয়তখন নজরুলের কণ্ঠ আবার ফিরে আসে।সে কণ্ঠ বলেমানুষের চেয়ে বড় কোনও পরিচয় নেই।বিদ্রোহ মানে শুধু অস্ত্র তুলে নেওয়া নয়; অন্যায়ের সামনে মাথা নত না করাও বিদ্রোহ।আর সাম্য মানে শুধু রাজনৈতিক তত্ত্ব নয়; অন্যের ধর্ম, ভাষা, পরিচয় ও মর্যাদাকে নিজের মতোই সম্মান করাও সাম্য।তাই নজরুলকে স্মরণ করার সবচেয়ে বড় উপায় শুধু তাঁর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান নয়। তাঁর গান গাওয়া, কবিতা আবৃত্তি করা কিংবা সামাজিক মাধ্যমে কয়েকটি আবেগঘন বাক্য লেখা নয়।নজরুলকে সত্যিকার অর্থে স্মরণ করতে হলে তাঁর প্রশ্নগুলিকে নিজেদের জীবনে ফিরিয়ে আনতে হবে।মানুষ কি সত্যিই মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে?অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমরা কি এখনও কথা বলি?ধর্মের নামে বিভেদের বদলে ভালোবাসার সেতু গড়তে পারি কি?এই প্রশ্নগুলির উত্তর খুঁজতে গেলেই বোঝা যায়নজরুল আজও অমর।তিনি আছেন আমাদের প্রতিবাদে, আমাদের প্রেমে, আমাদের গানে, আমাদের সাম্যের স্বপ্নে।আর যতদিন অন্যায়ের বিরুদ্ধে একটি কণ্ঠ উচ্চারিত হবে, ততদিন সেই কণ্ঠের ভিতরে কোথাও না কোথাও বেঁচে থাকবেন বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম।

আগস্ট ২৯, ২০২৬
রাজনীতি

অভিষেকের বাড়িতে কালীঘাট থানার পুলিশ, ক্যামাক স্ট্রিটের ঘটনায় হাজিরার নোটিশ সাংসদকে

ক্যামাক স্ট্রিটের ঘটনায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নোটিশ জারি করল পুলিশ। জানা গিয়েছে, শনিবার রাত ৯ টার পর কালীঘাট থানার পুলিশ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যায়। আগামী ১ সেপ্টেম্বর ১ সেপ্টেম্বর সেকশপিয়ার থানায় তাঁকে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় পুলিশ। ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের অফিসে গেলে জোর করে কাজে বাধা দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। সেদিন তৃণমূল কংগ্রেস লেখা বিলবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার কান্ড ঘটে। সেদিনই পুলিশ এফআইআর করে। ওই ঘটনায় ইতিমধ্যে ১৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মোট তিনটে কেস করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, শুধু কাজে বাধা নয় শ্লীলতাহানির অভিযোগও উঠেছে। এদিকে ওই বাড়ির দুটি ঘর জোড় করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা দখল করে নিয়েছে বলে মালিকপক্ষ অভিযোগ করেছে।

আগস্ট ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal