• ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার ৩০ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bjp,

বিদেশ

গাজা শান্তি সম্মেলনে ভারতের প্রতিনিধি কীর্তি বর্ধন সিং

মিশরের শর্ম-এল-শেখে সোমবার অনুষ্ঠিত হতে চলেছে গাজা শান্তি সম্মেলন। সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিশেষ দূত হিসেবে ভারতকে প্রতিনিধিত্ব করবেন কেন্দ্রীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ এল-সিসি শেষ মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে আমন্ত্রণ জানান। তবে মোদি নিজে অংশ না নিয়ে প্রতিনিধিত্বের দায়িত্ব দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রীকে।এই সম্মেলনে অংশ নেবেন আরও বেশ কয়েকজন বিশ্বনেতা জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জ, ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমমানুয়েল মাক্রোঁ, স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদরো স্যাঞ্চেজ এবং জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।কূটনৈতিক মহল মনে করছে, গাজা উপত্যকার সংঘাত পরিস্থিতি নিয়ে এই বৈঠকে আন্তর্জাতিক পরিসরে শান্তি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার রূপরেখা তৈরি হতে পারে। উল্লেখ্য গাজায় আপাতত যুদ্ধবিরতি চলছে।

অক্টোবর ১২, ২০২৫
রাজনীতি

একদল কার্যকর্তা নিয়ে ওড়িশা গেলেন দিলীপ ঘোষ, কি জন্য ছুটলেন সেখানে.......

এখনও বঙ্গ বিজেপির কাছে ব্রাত্য দিলীপ ঘোষ। অন্য দলে যোগ না দিলেও বিজেপির কোনও কার্যক্রমেই দেখা মিলছে না বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতির। দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে দূরত্ব কমার কোনও লক্ষণ এখনও পর্যন্ত দেখা যায়নি। এরইমধ্যে একদল দলীয় কার্যকর্তা নিয়ে ওড়িশা গেলেন দিলীপ ঘোষ। কিন্তু কেন ছুটলেন ওড়িশা?The Bengal Files এরাজ্যে কোনও প্রেক্ষাগৃহেই রিলিজ হয়নি। দেশের অন্যত্র এই বিতর্কিত সিনেমা মুক্তি পেয়েছে। এবার পাশের বিজেপি শাসিত রাজ্য ওড়িশায় বেঙ্গল ফাইলস দেখতে গিয়েছেন প্রাক্তন বঙ্গ বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি একা নন, তাঁর সঙ্গে গিয়েছেন বিজেপির ৫৫ জন কার্যকর্তা। বৃহস্পতিবার এরা দলবল মিলে খড়গপুর থেকে ট্রেনে চেপেছেন। উদ্দেশ্য ওড়িশায় গিয়ে বেঙ্গল ফাইলস সিনেমা দেখা। বেঙ্গল ফাইল সিনেমার সার্বিক বিরোধিতা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এমনকী সিনেমার মুখ্য চরিত্র গোপাল মুখোপাধ্যায়ের পরিবারও সিনেমাটির বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন। ঘটনা বিকৃত করার অভিযোগে পরিচালকের বিরুদ্ধে এফআইআর পর্যন্ত করেছেন তাঁর নাতি শান্তনু মুখোপাধ্যায়। ১৯৪৬ সালের আগস্ট মাসে কলকাতার হিংসাত্মক পরিস্থিতি ও সেই সঙ্গে গোপাল মুখার্জি (গোপাল পাঠা)-র ভূমিকা রয়েছে এই হিন্দি ছবিতে। ছবিটির পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী। এরাজ্যে ব্যান করা না হলেও তৃণমূল কংগ্রেসের বিরোধিতার জন্য় বাংলার কোথাও এই সিনেমা মুক্তি পায়নি। এমনকী The Bengal Files ট্রেলার লঞ্চেও কলকাতায় তুমুল গন্ডগোল হয়েছিল। এরাজ্যে মুক্তি না পাওয়ায় বেঙ্গল ফাইলস দেখতে ওড়িশায় গেলেন প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ।ওড়িশা যাওয়ার পথে দিলীপ ঘোষ বলেছেন, সারা ভারতে রিলিজ হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ সরকার এখানে The Bengal Files রিলিজ হতে দেয়নি। রাজ্য সরকারের যে স্বৈরাচারী নীতি নিয়েছে তার প্রতিবাদে আমরা বালেশ্বর যাচ্ছি বেঙ্গল ফাইলস সিনেমাটি দেখার জন্য। তাঁর দাবি, রাজ্য সরকার সত্যকে ভয় পায়। বাঙালির সঙ্গে স্বাধীনতার আগে ও পরে কী হয়েছে, এখনও কী চলছে মানুষ যাতে সেটা জানতে না পারে তাই বেঙ্গল ফাইলস রিলিজ করতে দেওয়া হচ্ছে না।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৫
রাজনীতি

'দ্য বেঙ্গল ফাইলস' দেখাতে বাম্পার কৌশল বঙ্গ BJP-র! রাজ্যে আরও এক ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল

শুরু থেকেই নানা বিতর্কে জর্জরিত বিবেক অগ্নিহোত্রীর ছবি দ্য বেঙ্গল ফাইলস। এবার সেই সিনেমাকেই কেন্দ্র করে নতুন পদক্ষেপ নিতে চলেছে বঙ্গ বিজেপি। জানা গিয়েছে, কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সমান্তরালে নিজেদের উদ্যোগে আলাদা এক চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন করছে তারা।সূত্রের খবর অনুযায়ী, ওই উৎসবে দেশি-বিদেশি, আঞ্চলিক এবং বাংলা ছবির প্রদর্শনী হবে। এর জন্য শহরের কয়েকটি কেন্দ্রীয় সরকারি অডিটোরিয়াম ভাড়া নেওয়ার পরিকল্পনা চলছে। উৎসবে থাকবেন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের অভিনেতা-পরিচালকরা। পুরো দায়িত্ব সামলাচ্ছেন বিজেপি নেতা-অভিনেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায় ও রুদ্রনীল ঘোষ। সিদ্ধান্তে সায় দিয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও।এদিকে, ৫ সেপ্টেম্বর গোটা দেশে মুক্তি পেলেও দ্য বেঙ্গল ফাইলস এখনও পর্যন্ত বাংলার প্রেক্ষাগৃহে দেখা যায়নি। ফলে এই সমান্তরাল উৎসবেই ছবিটি দেখানো হবে কি না, সেই প্রশ্ন উঠেছে। রুদ্রনীল ঘোষ অবশ্য জানাচ্ছেন, আমাদের ভুল কিংবা অন্যায় মেনে নেওয়ার জায়গা তৈরি হয় না। অথচ সেই যুক্তিতে অর্ধেক বাংলাবাসীকেই বাদ দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাই একটা বিকল্প মঞ্চ দরকার। এই উৎসব সেই নিরপেক্ষ জায়গা তৈরির চেষ্টা।রুদ্রনীলের দাবি, উৎসবে এমন সব ছবি দেখানো হবে যেগুলি মানবিকতা আর গণতান্ত্রিক অধিকারের কথা বলবে। সেখানেই থাকছে দ্য বেঙ্গল ফাইলস। তাঁর বক্তব্য, দেশজুড়ে ছবি মুক্তি পেলেও বাংলায় ব্যবসায়ীদের নানা চাপের মুখে পিছিয়ে যেতে হয়। হল মালিকরা অশান্তির ভয়ে ঝুঁকি নেন না। সবাই আসলে ২০২৬-এর রাজনৈতিক ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করছে। তাই দর্শকদের সামনে সেই জানলা খুলে দেওয়ার লক্ষ্যেই আমাদের এই আয়োজন।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৫
রাজ্য

BJP বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পালের আচমকা ব্রেন স্ট্রোক! ভর্তি হাসপাতালে

Agnimitra Paul:বিজেপির জনপ্রিয় বিধায়ক অগ্নিমিত্র পাল ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বাড়িতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। এরপর দ্রুত এম বাইপাস সংলগ্ন এক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে।হাসপাতালে পৌঁছেই সিটি স্ক্যান করা হলে জানা যায়, তাঁর ব্রেন স্ট্রোক হয়েছে। যদিও চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অবস্থা আশঙ্কাজনক নয়। স্নায়ুর উপর অতিরিক্ত চাপের কারণেই এই সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে। বর্তমানে তাঁকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে রেখে চিকিৎসা চলছে এবং নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।উল্লেখ্য, গতকাল বিধানসভা অধিবেশনে শাসক তৃণমূল ও বিরোধী বিজেপির মধ্যে ব্যাপক গোলমাল হয়। এর জেরে বিজেপির পাঁচ বিধায়ককে সাসপেন্ড করেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। অগ্নিমিত্রা পাল তাঁদের অন্যতম ছিলেন। সেই ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি।হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আপাতত তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। কয়েকদিন পর্যবেক্ষণে রাখার পর তাঁকে ছুটি দেওয়া হতে পারে। এর আগেও তিনি শারীরিক সমস্যার কারণে একই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার কিছুদিন পর ফের অসুস্থ হয়ে পড়লেন এই বিজেপি বিধায়ক।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৫
দেশ

বাংলার রাজ্যপাল হওয়ার পর থেকেই বন্ধ ছিল, ফের পেনশনের আবেদন জগদীপ ধনখড়ের

প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড় দক্ষিণ দিল্লির ছাত্তরপুর এনক্লেভে ব্যক্তিগত আবাসনে ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। পাশাপাশি, তিনি আবারও রাজস্থান বিধানসভার প্রাক্তন সদস্য (এমএলএ) হিসেবে পেনশনের জন্য আবেদন করেছেন।আগামী ৯ সেপ্টেম্বর উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তার আগে ৭৪ বছর বয়সী ধনখড়কে সংসদ ভবন চত্বর সংলগ্ন চার্চ রোডে অবস্থিত উপরাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন খালি করতে হবে। গত ২১ জুলাই তিনি স্বাস্থ্যজনিত কারণে পদত্যাগ করেন।ধনখড় গত বছরের এপ্রিলে উপরাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবনে ওঠেন। সরকারি আবাসন মেলানো পর্যন্ত তিনি ছাত্তরপুর এনক্লেভেই থাকবেন বলে জানা গেছে।নিয়ম অনুযায়ী, প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীদের টাইপ-৮ বাংলো বরাদ্দ করা হয়। এর দায়িত্বে থাকে কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগর বিষয়ক মন্ত্রকের এস্টেটস দফতর। যদিও সূত্রের খবর, দফতরের আধিকারিকেরা ধনখড়ের সঙ্গে দেখা করলেও নতুন আবাসন নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।ধনখড়ের দফতর ইতিমধ্যেই আনুষ্ঠানিকভাবে বাসস্থানের আবেদন জমা দিয়েছে। সাধারণত বিকল্প বাংলো প্রস্তাব দেওয়ার পর নির্বাচন ও সিপিডব্লিউডি-র সংস্কারকাজ মিলিয়ে পুরো প্রক্রিয়ায় অন্তত তিন মাস সময় লাগে। তাই এর মধ্যেই তিনি আপাতত ব্যক্তিগত আবাসনে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।একই সঙ্গে ধনখড় রাজস্থান বিধানসভার সচিবালয়ে বিধায়ক পেনশনের জন্য আবেদন করেছেন। ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৮ পর্যন্ত তিনি কিশনগড় বিধানসভা কেন্দ্র থেকে এমএলএ ছিলেন। তখন থেকে তিনি বিধায়ক পেনশন পেতেন। ২০১৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল নিযুক্ত হওয়ার পর সেটি বন্ধ হয়। ২০২২ সালে তিনি উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।সূত্রের খবর, ধনখড়ের আবেদন ইতিমধ্যেই প্রক্রিয়াধীন। বিধানসভার নিয়ম অনুযায়ী, একবারের বিধায়ক পেনশন মাসে ৩৫,০০০ টাকা। বয়স ও মেয়াদের ভিত্তিতে তা বাড়ে। ৭০ বছরের বেশি হলে ২০ শতাংশ বৃদ্ধি মেলে। ফলে ধনখড়ের ক্ষেত্রে মাসিক পেনশন দাঁড়াচ্ছে প্রায় ৪২,০০০ টাকা।এছাড়া, তিনি প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রায় ২ লক্ষ টাকা মাসিক পেনশন এবং প্রাক্তন সাংসদ (১৯৮৯-১৯৯১, ঝুঝনু) হিসেবে আরও প্রায় ৪৫,০০০ টাকা মাসিক পেনশন পাবেন।

আগস্ট ৩১, ২০২৫
রাজ্য

'দাগি' তালিকায় TMC কাউন্সিলরের নাম, হাইকোর্টে ফের মামলা করার হুঁশিয়ারি

অযোগ্যদের তালিকা প্রকাশ হতেই সামনে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর নাম। রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কুহেলি ঘোষের নামও উঠে এসেছে দাগি তালিকায়। শনিবার প্রকাশিত তালিকায় ১,৮০৪ জনের মধ্যে রয়েছেন তিনিও। তালিকায় নিজের নাম দেখে ক্ষুব্ধ কুহেলি জানিয়েছেন, তিনি আগামী সোমবার ফের কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হবেন।কুহেলি ঘোষ বলেন, আমি আগেই মামলা করেছিলাম। সিবিআই-কে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করেছিলাম। আদালতে জানিয়েছিলাম, আমাকে যে কোনও তদন্তকারী সংস্থা ডাকুক। কিন্তু আজ পর্যন্ত কেউ আমাকে ডাকেনি। হঠাৎ করেই জানতে পারলাম তালিকা প্রকাশ হচ্ছে, আর সেখানে আমার নাম রয়েছে। কেন আমার নাম এসেছে, সেটা এখনও পরিষ্কার নয়।তালিকার ৬৪৭ নম্বরে রয়েছে কুহেলির নাম। প্রথমে তিনি প্রাথমিক শিক্ষিকার পদে নিযুক্ত ছিলেন। পরে হাইস্কুলে শিক্ষিকার চাকরিও পান। তাঁর দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা কোনও অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে পুরনো প্রাইমারির চাকরিতে ফেরার জন্য সব নথি জমা দিলেও এখনও সেই প্রক্রিয়া এগোয়নি। পরীক্ষা দিয়ে নিয়ম মেনে তিনি চাকরি পেয়েছেন বলেই দাবি করেছেন কুহেলি ঘোষ।শুধু কুহেলি ঘোষই নন, ওই তালিকায় জায়গা পেয়েছেন একাধিক রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী নামও। তালিকার ৩১৬ নম্বরে রয়েছেন হুগলির খানাকুলের দাপুটে তৃণমূল নেতা ও প্রাক্তন জেলা পরিষদ সদস্য বিভাস মালিক। তিনি তারকেশ্বরের একটি বিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। পাশাপাশি ১,৩৩২ নম্বরে রয়েছে তাঁর স্ত্রী সন্তোষি মালিকের নামও। তালিকায় আরও রয়েছে জেলা পরিষদের সদস্যা সাহিনা সুলতানার নাম।

আগস্ট ৩১, ২০২৫
রাজনীতি

কলকাতায় তৃণমূলের শহিদ দিবস, উত্তরবঙ্গে যুব মোর্চার উত্তরকন্যা অভিযান

একদিকে যখন ধর্মতলায় তৃণমূল কংগ্রেস শহিদ দিবস পালন করছে তখন উত্তরবঙ্গে উত্তরকন্যা অভিযান করছে বিজেপি। এদিন শিলিগুড়িতে উত্তরকন্যা অভিযানে উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপি যুব মোর্চার সভাপতি ড. ইন্দ্রনীল খাঁ সহ উত্তরবঙ্গের বিজেপির সাংসদ এবং বিধায়কগণ। এদিন তিনবাত্তি মোড় থেকে সুবিশাল মিছিল শুরু হয়। মিছিল শেষে চুনাভাটি ফুটবল গ্রাউন্ড থেকে শাসক দলের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, ধর্মীয় উৎপীড়নের কারণে বাংলাদেশ থেকে যে হিন্দুরা এসেছেন, তাঁরা মোদীজির চোখে শরণার্থী। অনুপ্রবেশকারী নন। এখানে ভারতীয় মুসলিমরা আছেন। আপনাদের কোনও চিন্তা নেই। আমরা আপনাদের সঙ্গে আছি। কিন্তু বাংলাদেশি মুসলিম এবং রোহিঙ্গাদের একজনকেও ভোটার তালিকায় থাকতে দেব না। আগামী বিধানসভা ভোটে তৃণমূলকে পরাস্ত করার হুঁশিয়ারি দিয়ে বিরোধী দলনেতা বলেন, চ্যালেঞ্জ করছি ২০২৬-এ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী করব। আমি চ্যালেঞ্জ করছি আপনাকে।বিরোধী দলনেতা বলেন, উত্তরবঙ্গে প্রকৃতি যা যা দিয়েছে, সব লুট করেছে। বালি, পাথর, গাছ কিছুই নেই। পাহাড়ের উপর বঞ্চনা হয়েছে। চা-বাগানের শ্রমিকেরা ঠিকঠাক মজুরি পান না। উত্তরবঙ্গের হাসপাতালগুলিতে নিউরোলজিস্ট নেই। কেন্দ্রীয় সরকার সেখানে এইমস তৈরি করতে চাইলেও রাজ্য সরকার জায়গা দেয় না বলে অভিযোগ তাঁর। বিরোধী দলনেতা এদিন আগামীর কর্মসূচি ঘোষণা করে জানান, আগামী ৪ অগস্ট দলের ৬৫ জন বিধায়ককে নিয়ে কোচবিহারে যাবেন। তখন দলের সব বিধায়ক মিলে উত্তরকন্যাতেও যাবেন বলে জানান তিনি।

জুলাই ২১, ২০২৫
রাজনীতি

বর্ধমানে বিজেপি নেতা কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে, অভিযোগ অস্বীকার বিধায়কের

বিজেপি নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠলো বর্ধমানে। অভিযোগ, হামলাকারীরা বিজেপির মণ্ডল সভাপতির বাড়িতে চড়াও হয়ে বিজেপি কর্মীদের মারধর করার পাশাপাশি বাড়িতে ভাঙচুর ও লুঠপাট চালায়। তখন বিজেপির কার্য্যকারিনী কমিটির বৈঠকও চলছিল। বর্ধমান শহরের ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের রথতলা এলাকায় হওয়া এই ঘটনায় এলাকার বিধায়ক খোকন দাসের নাম জড়িয়েছে। বর্ধমান শহরের ৫ নম্বর মণ্ডল সভাপতি শুভঙ্কর রায়, মণ্ডলের সাধারণ সম্পাদক অসিত হালদার সহ আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাদের চিকিৎসা হয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বিজেপি নেতা তথা বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের নেতৃত্বে বিশাল লামা, মনোজ ওরাও,পুনা ভাংরা ও পবন সিং সোমবার বর্ধমান জেলা বিজেপি দফতরে এসে পৌঁছান। এরপর আহত বিজেপি কর্মীদের দেখতে তারা সেখান থেকে চলে যান স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে । আহতদের কাছ থেকে হামলার ঘটনার সবিস্তার শুনে বিজেপি প্রতিনিধিরা ক্ষোভ ব্যক্ত করেন। শঙ্কর ঘোষ বলেন, শাসকদলের দুস্কৃতীরা চরম অন্যায় করছে। বিজেপির সংগঠন বিস্তারে ভয় পেয়ে তারা এসব করছে।ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপি জেলা যুবমোর্চার সম্পাদক দেবজ্যোতি সিনহার অভিযোগ, বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক খোকন দাসের বাড়ির শহরের রথতলা এলাকায়। বিধায়কের বাড়ির কাছেই বাড়ি রথতলা এলাকায় ৫ নম্বর মণ্ডলের মণ্ডল বিজেপি সভাপতি শুভঙ্কর রায়ের। রবিবার সন্ধ্যায় সেখানেই বুথ স্বশক্তিকরণ ও অপারেশন সিঁদুরের সফলতার কথা বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়া নিয়ে বিজেপি কর্মীরা বৈঠক করছিলেন।বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, বৈঠকের শেষদিকে হঠাৎ করেই বিধায়ক খোকন দাসের ঘনিষ্ঠ কয়েকজনের নেতৃত্বে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বিজেপি মণ্ডল সভাপতি শুভঙ্কর রায়ের বাড়িতে চড়াও হয়। তারা বিজেপি কর্মীদের মারধর করে। এমনকি মণ্ডল সভাপতির বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটতরাজও চালায় বলে অভিযোগ। ঘটনায় মণ্ডল সভাপতি সহ আরও বেশ কয়েকজন বিজেপিকর্মী আহত হন। চিকিৎসার জন্য তাদের বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। খবর পেয়ে রাতেই বর্ধমান থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি সামাল দেয় । তৃণমূলের জেলা মুখপাত্র প্রসেনজিত দাসের দাবি, এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। বিজেপি নেতৃত্ব আইনের দ্বারস্থ হলে প্রশাসন উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে। বিজেপি বাজার গরম করার জন্যই তৃণমূলের নামে এসব মিথ্যা অভিযোগ করছে বলে প্রসেনজিত দাস মন্তব্য করেছেন। আর বিধায়ক খোকন দাস অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি রাতে ঝামেলার কথা শুনেছি। ওদের নিজেদের মধ্যে ঝামেলা। আমরা ওর মধ্যে নেই। মিথ্যা কথা বলা হচ্ছে। আমাদের কেউ হামলা করেনি। আর শুভঙ্কর রায় তো বাংলাদেশী। ওই একমাত্র এখানে থাকে। ওর গোটা পরিবার থাকে বাংলাদেশে। কি করে নাম তোলালো তা বুঝতে পারছি না। বিধায়কের এই বক্তব্যের পাল্টা জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন, নিজে বাংলাদেশি বলেই হয়তো বিধায়ক খোকন দাস সবাইকে বাংলাদেশি বানিয়ে দিতে চাইছে।

জুন ০৯, ২০২৫
রাজ্য

প্রকাশ্যে বিজেপির অন্তর্কলহ। বিধান নগরে বিজেপি কর্মীদের হাতেই আক্রান্ত দলীয় কর্মীরা

মঙ্গলবার সকালে বিধান নগরের করুণাময়ী তে বিজেপি কর্মীদের একটি বিক্ষোভ কর্মসূচি ছিল। পুলিশ কর্মীর সাথে তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলের ভাইরাল হওয়া কথোপকথনের ভিত্তিতে, অনুব্রত মণ্ডলের গ্রেপ্তার হওয়ার দাবি নেই এদিনের বিক্ষোভসূচি। সেই মতো বিধান নগরের বিজেপি সমর্থকরা জমায়েত হয় করুনাময়ী। অভিযোগ এই সময় লেকটাউন অঞ্চলের বিজেপি নেতা পীযূষ কানরিয়ার নেতৃত্বে বেশ কিছু বিজেপি কর্মী এসে যোগ দেয় এদিনের বিক্ষোভসূচিতে। এরপরই তারা জড়িয়ে পড়ে নিজেদের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়। পরিস্থিতি এতটাই উত্তেজিত হয়ে ওঠে, নিজেরা নিজেদের মধ্যেই হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। বিধান নগরের বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করে পীযূষ কানুরিয়া লোকজন নিয়ে এসে তাদের উপরে হামলা করেছে। এমনকি পীঊশ কানরিয়াকে সাসপেন্ড হওয়া বিজেপি কর্মী বলেও দাবি করে তারা। যদিও অপরদিকে পীযুষ কানারিয়া জানায় তাদের দল বড় হচ্ছে তাই এ ধরনের ঝামেলা। তবে তারা দলীয় বিষয় দলের ভেতরেই মিটিয়ে নেবেন বলেও দাবি করেছেন।

জুন ০৪, ২০২৫
রাজ্য

বিধানসভা ভোটের দামামা বাজিয়ে দিলেন মোদী, শিক্ষা থেকে হিংসা উঠে এল ভাষণে

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজিয়ে দিয়ে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আলিপুরদুয়ারের জনসভায় কড়া ভাষায় আক্রমণ শানালেন তৃণমূল কংগ্রেসকে। এই সরকারকে উৎখাতের ডাক দিয়েছেন মোদী। পাশাপাশি তাঁর ভাষণে উঠে এসেছে মুর্শিদাবাদ, মালদার হিংসার কথা, রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থা বরবাদ বলেও উল্লেখ করেছেন মোদী।বৃহস্পতিবার নরেন্দ্র মোদী বলেন, মুর্শিদাবাদ, মালদায় যা হল তা এখানকার সরকারের নির্মমতা। দাঙ্গায় গরিব মা-বোনেদের জীবনভরের পুঁজি লুঠ হয়ে গেল। তুষ্টিকরণের রাজনীতি চলছে, গুন্ডাদের খোলামেলা ছুট দিয়ে রেখেছে সরকার। সরকারে থাকা লোকজন, পার্টির লোকজন মানুষের ঘর চিহ্নিত করে জ্বালাচ্ছে, পুলিশ দাঁড়িয়ে তামাশা দেখছে। এখানে কী পরিস্থিতি চলছে সেটা কল্পনাও করতে পারছি না। সরকার এভাবে চালাতে হয়? গরিব মানুষের উপর অত্যাচার হলেও সরকারের ভ্রুক্ষেপ নেই। সব কিছুতেই এখানে আদালতকে হস্তক্ষেপ করতে হয়। বাংলার মানুষেরও আর তৃণমূলের সরকারের উপর ভরসা নেই। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ একাধিক সংকটে জেরবার বলেও দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী। একের পর এক ইস্যু তুলে ধরতে থাকেন নরেন্দ্র মোদী। এই ইস্যুতেও তৃণমূল পরিচালিত সরকারকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন মোদী। তাঁর কথায়, সংকটে জেরবার বাংলা। প্রথম সংকট, একদিকে হিংসা-অরাজকতা চলছে। দ্বিতীয়, মা-বোনেদের ওপর অত্যাচার চলছে। তৃতীয়ত, যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে ঘোরতর নিরাশা তৈরি হয়েছে, কর্মহীনতার যন্ত্রণায় ভুগছে যুবরা। চতুর্থত, বেপরোয়া দুর্নীতি চলছে। পঞ্চম সংকট হল, এই রাজ্যের গরিবের অধিকার ছিনিয়ে নিচ্ছে শাসকদলের রাজনীতি।এরই পাশাপাশি অপারেশন সিঁদুর (Operation Sindoor) প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গিরা যা করেছে, সারা ভারতের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের লোকেদেরও তুমুল আক্রোশ ছিল। আপনাদের সেই আক্রোশ আমি ভালোই বুঝেছি। জঙ্গিরা আমাদের মা-বোনেদের সিঁদুর মোছানোর দুঃসাহস দেখিয়েছিল। আমাদের বীর সেনারা ওদের সিঁদুরের শক্তি কী সেটা বুঝিয়ে দিয়েছে। আমরা জঙ্গি ঘাটি ধ্বংস করেছি। পাকিস্তান এটা কল্পনাও করতে পারিনি। জঙ্গিদের ঠিকানা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এমন শিক্ষা পাবে পাকিস্তান কল্পনাও করেনি। সন্ত্রাসের লালন পালন করে পাকিস্তান। ১৯৪৭-এর পর থেকেই ভারতে সন্ত্রাস পাকিস্তানের। বাংলাদেশে পাকিস্তানের অত্যাচার ভোলবার নয়। তিনবার পাকিস্তানকে ঘরে ঢুকে মেরেছে ভারত।SSC-এর নিয়োগ দুর্নীতির জেরে এই রাজ্যের প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল হয়েছে। শাসকদল তৃণমূলের তাবড় নেতা-মন্ত্রী পাহাড়-প্রমাণ এই দুর্নীতিতে আষ্ঠেপৃষ্ঠে জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার আলিপুরদুয়ারের সভামঞ্চ থেকে রাজ্যের এই নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে সোচ্চার হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। শিক্ষাক্ষেত্রে এমন দুর্নীতি নিয়ে রাজ্যের শাসকদলকে বেনজির নিশানা করেছেন নমো।প্রধানমন্ত্রী এদিন বলেছেন, তৃণমূলের নেতারা এত বড় পাপ করেও নিজেদের ভুল মানতে নারাজ। হাজার-হাজার পরিবারকে অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলা হয়েছে। গরিব পরিবারের ছেলে-মেয়েদের অন্ধকারে ঠেলে দিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের পুরো শিক্ষা ব্যবস্থা বরবাদ। শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করেও তৃণমূলের নেতারা মানতে নারাজ। বাংলায় হাজার-হাজার শিক্ষকের কেরিয়ার বরবাদ। এখানকার যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে ঘোরতর নিরাশা তৈরি হয়েছে। কর্মহীনতার যন্ত্রণায় ভুগছে যুবরা। বেপরোয়া দুর্নীতি নিয়ে প্রশাসনের বিরুদ্ধে লাগাতার মানুষের বিশ্বাস কমছে।

মে ৩০, ২০২৫
রাজ্য

আদালতের নির্দেশে মেনে মুর্শিদাবাদে শুভেন্দু, দিলেন নিরাপত্তার আশ্বাস

শর্তসাক্ষেপে কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতি মিলতেই শনিবার মুর্শিদাবাদে সফরে যান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এদিন প্রথমে তিনি ধূলিয়ান গঙ্গা স্টেশনে নামেন। সেখানে দলীয় নেতা ও কর্মীরা তাঁকে সাদর অভ্যর্থনা ও শুভেচ্ছা জানান। তারপরে তিনি স্থানীয় নেতৃত্বকে নিয়ে সামসেরগঞ্জের জাফরাবাদের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। ওয়াকফ আইন প্রত্যাহারের দাবিতে আন্দোলনের জেরে হিংসার ঘটনায় জাফরাবাদে বাবা হরগোবিন্দ দাস ও ছেলে চন্দন দাসকে নৃশংসভাবে খুন করা হয়। বিরোধী দলনেতা আজ দাস বাড়িতে যান। সেখান মৃত হরগোবিন্দ ও চন্দন দাসের স্ত্রী এবং অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে কথা করেন। তিনি দুই পরিবারের সদস্যদের হাতে ১০ লক্ষ ১ হাজার টাকা করে চেক তুলে দেন। তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, হিংসার ঘটনার পর থেকে জাফরাবাদে ভয়ঙ্কর অবস্থা। গ্রামবাসীরা চরম আতঙ্কে রয়েছেন। গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেছি। সবাই এলাকায় বিএসএফ ক্যাম্প ও এনআইএ তদন্তের দাবি করেছে। তিনি এই বিষয়ে তাদের আশ্বস্ত করেছেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, দাস পরিবার মুখ্যমন্ত্রীর ১০ লক্ষ টাকা প্রত্যাখ্যান করেছে কিন্ত আমার ১০ লক্ষ টাকা গ্রহণ করেছে। কাজেই দাস পরিবারের কাছে মুখ্যমন্ত্রী ব্রাত্য, আমাকে গ্রহণ করেছেন। জাফরাবাদ থেকে বেরিয়ে দিঘির পাড়ে যান। সেখান থেকে বেতবোনায় পৌঁছন। সেখানে কিছুক্ষণ থেকে গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং হিংসা বিধ্বস্ত এলাকা ঘুরে দেখেন। গ্রামবাসীরা তাঁকে নিরাপত্তার দাবি জানায়। তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন শুভেন্দু।

এপ্রিল ২৬, ২০২৫
রাজনীতি

ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণে দিলীপ ঘোষ নানা ইস্যু নিয়ে মুখ খুললেন

২০ মে ধর্মঘটসিপিআইএম ধর্মঘট ডাকছে বা কি করছে ভারতবর্ষের লোকের এটাই কি এসে যায় তারা কোথায় আছে। তারা আছে মানুষকে এটা বোঝানোর জন্য ব্রিগেড করতে হয় মাঝেমধ্যে। তাদের অভিযোগের কোন গুরুত্ব নেই। যদি ওরা মানুষের কথা ভাবতো তাহলে মানুষ বর্জন করত না। ভাত দিতে পারেনি। মোদী সকলকে ভাত দিচ্ছে। মহম্মদ সেলিম এর বক্তব্য বদল নিয়েআমরাও বলছি বদল হবে আমরাও বদল চাইছি কিন্তু বদল হলে কি হবে বিজেপি আসবে ওরা দিবা স্বপ্ন দেখছে।শালবনীতে আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার জীবনে হাজার হাজার সালাম নাচ করেছে কিন্তু সেখানে উৎপাদন হয়েছে কত জায়গায় তার কোন রিপোর্ট দেয়নি। বেঙ্গল সামিট করেন প্রতিবছর কিন্তু সেখানে কি ফলাফল হয় তার কোন শ্বেতপত্র বার করুন। কেউ আসতে চায় না। সত্যিকারের কটা ইন্ডাস্ট্রি হয়েছে চাকরি হয়েছে সেটা দেখান। কোথায় গেল দেওচাপাচামী। নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি দেন ঢপ দেন মানুষ জেনে গেছে।এসএসসি ভবন অভিযানএই অভিযান চলতে থাকবে কিন্তু কোর্টের থেকেও সমাধান হবে। অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় একই কথা বলেছে। কোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছে তারাই সেই নির্দোষ বদল করে যোগ্যদের চাকরি দেবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন বলছে না যোগ্য লোকদের চাকরি ফেরত দেওয়ার কথা। এটা উনি কিছুতেই বলবে না কারণ আট হাজার লোক তাহলে উনার বাড়ি ঘেরাও করবে। সুকান্ত মজুমদার মুর্শিদাবাদ যাচ্ছেনতুমি এর আগে মোথাবাড়িতেও গেছেন যখন ওখানে গন্ডগোল হচ্ছিল বিরোধী দলনেতাও গেছিলেন। পার্টি পুরোপুরি বাস্তহারা নিপীড়িতদের সঙ্গে রয়েছে। গোটা বাংলায় রয়েছে।দিলীপ ঘোষ মুর্শিদাবাদ যাবেন?আমি যাব মুর্শিদাবাদ এরা যাচ্ছে। গন্ডগোলের দিন আমি ওখানেই ছিলাম। পুলিশ আমাকে রাতে আসতে দেয়নি। আমি সভা করতে যায় প্রতিবাদ করতে যাই এখন ত্রান দিতে সবাই যাচ্ছে।ব্রিগেডের মাঠ ভরলেও ব্যালট ভরে না বিমান বসু এর বক্তব্যমানুষকে কি ফুচকা খাওয়ানোর জন্য ব্রিগেডে নিয়ে আসেন। গতকাল ব্রিগেডে যে কজন লোক ছিল সেই কয়জনই সিপিআইএমের সমর্থক রয়েছে বাংলায়। প্রতিবছর দুর্গাপুজো কালীপুজোর মতো ওদের প্রতি বছর একটা ব্রিগেড হয় দেখা হয় খাওয়া দাওয়া হয়।মহম্মদ সেলিম এর বক্তব্যলাল ঠাণ্ডা দেখতে পাই আমরা তৃণমূলের লোকরা লাগিয়ে দেয়। সিপিআইএম পার্টি অফিস চালানোর পয়সা তাদের চা খাওয়ার পয়সা তৃণমূল দেয়। সিপিআইএম পার্টি অফিসের চাবি থাকে তৃণমূলের লোক এর কাছে। এইভাবে সিপিএমকে স্যালাইন দিয়ে বাঁচিয়ে রেখেছেন কতদিন থাকবে।

এপ্রিল ২২, ২০২৫
রাজ্য

অবশেষে মোথাবাড়িতে হাজির শুভেন্দু, আক্রান্ত পরিবারের সঙ্গে কথা

অবশেষে মোথাবাড়ি এলেন শুভেন্দু। হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে শুক্রবার মালদার মোথাবাড়ি গেলেন বিধাসনসভার বিজেপি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। উল্লেখ্য, গত ২৮শে মার্চ মালদার মোথাবাড়িতে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে গন্ডগোলের ঘটনা ঘটে। এই গন্ডগোলে বেশকিছু দোকানপাট, বাড়ি ঘর ভাঙচুর করার অভিযোগ ওঠে। তাই আক্রান্ত পরিবারগুলির সঙ্গে দেখা করতে এবং কথা বলতেন ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে আর্থিক অনুদান তুলে দেন। তাদের অভাব-অভিযোগের কথা শুনতে মালদার মোথাবাড়িতে যান বিধানসভার বিজেপি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আজকেই মালদাহে জেলা শাসকের অফিস ঘেরাও করবে বিজেপি।

এপ্রিল ১১, ২০২৫
রাজ্য

বিজেপির বিক্ষোভ ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি সল্টলেকে

বিজেপি কর্মীদের সাথে পুলিশের ধস্তাধস্তি সল্টলেকের এসএসসি দপ্তরের কিছুটা দূরে। বিক্ষোভকে ঘিরে সল্টলেকে তুলকালাম ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার দুপুরে বিজেপির পক্ষ থেকে এসএসসি দপ্তরের কিছুটা দূরে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়। এদিন বিজেপি সমর্থকরা জমায়েত হয় সেখানে। তাদের এসএসসি দপ্তর যাবার পরিকল্পনা ছিল। বিধাননগর পুলিশের বিশাল বাহিনী আগে থেকেই মজুত ছিল সেখানে। বিজেপি কর্মীরা এসএসসি ভবনের দিকে এগোতে চাইলে তাদেরকে বাধা দেয় বিধান নগর পুলিশ। এর পরই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। বিজেপি কর্মীরা রাস্তায় বসে দশ নম্বর ট্যাঙ্ক মোড় অবরোধ করে। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে দেয় বিজেপি সমর্থকরা। পুলিশ তাদেরকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়।

এপ্রিল ১০, ২০২৫
রাজনীতি

পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে কি তৃণমূল অশিক্ষিত মনে করে? বললেন শমীক ভট্টাচার্য

মুখ্যমন্ত্রী চাকরি হারাদেরকে আশ্বাস দিয়ে ছিল তাদের পাশে থাকবে। আজ দেখা গেল চাকরি হারা শিক্ষকদের উপর লাঠিচার্জ কসবায়,,,, পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে কি তৃণমূল অশিক্ষিত মনে করে? যারা যোগ্য মেধার ভিত্তিতে চাকরি পেয়েছিলেন তাদেরকে কি মূর্খ মনে করেন? যাদের চাকরি চলে গেছে তাদের পাশে কিভাবে দাড়াবে সরকার? সেটা এখনও পরিষ্কার নয়। মুখ্যমন্ত্রী চাকরি হারাদের আবেগ নিয়ে খেলা করছে। এতটা নিচে নেমে গেছে শিক্ষককে লাথি মারছে পুলিশ আর বাংলার মানুষ সেসব সহ্য করছে? নানা প্রশ্ন তুললেন বিজেপি সাংসদ শমীক ভট্টাচাৰ্য। বিজেপি সাংসদ বলেন,ওমআর সিটের মিরর ইমেজ চাইতে গিয়ে মার খেতে হল অন্যদিকে শিক্ষামন্ত্রী বলছেন শিক্ষকদের পাশে আছে। তার পরেও কেন তারা আন্দোলন করছে,,,, পার্থ চট্টোপাধ্যায় যখন ছিলেন তখন থেকে শিক্ষার এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টে যা বিচার হয়েছে নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে হয়েছে। কিছু লোককে বাঁচানোর জন্য আজকে এতগুলো পরিবারকে রাস্তায় নামিয়ে দিয়েছে আন্দোলন তো করবেই। একজন সাহিত্যিক যার প্রস্তাব বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো হয় তিনি স্টেজে মুখ্যমন্ত্রীর পাশে দাঁড়িয়ে বলছেন রাজ্যের আইন ব্যবস্থা অন্য গলির মধ্যে ঢুকে গেছে।কুনাল ঘোষ বলছেন, রাজনৈতিক দের বক্তব্যের কারণে এই হিংসার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে রাজ্যে,,,,মানুষ পথে নামবে। রাজনৈতিক পতাকা ছাড়া নামবে। রাজনৈতিক পতাকা নিয়ে নামবেন। তৃণমূলের বিসর্জন ছাড়া মুক্তি নেই।পুলিশের বক্তব্য, কোনও ইন্টিমেশন ছাড়াই আজ চাকরি হারারা এভাবে আন্দোলন করেছে,,,, তৃণমূল ইন্টিমেশন দিয়ে চাকরি বিক্রি করেছিলেন! চাকরির দাবিতে আন্দোলন করতে গেলে আবার ইন্টিমেসন দিতে হয়?পশ্চিমবঙ্গের যে পরিমাণে ওয়াকফ প্রপার্টি লুট হয়েছে বিক্রি হয়েছে তা অন্য কোন স্টেটে হয়নি। দরিদ্র মুসলিম মহিলা আছে কিছু শিশুরা আছে তাদের জন্য ওয়াকফ বিল।মুখ্যমন্ত্রী বলছে আপনারাই স্কুলে গিয়ে পড়ান চাকরি হারাদেরকে আশ্বাস তাদের পাশে আছি। অন্যদিকে পুলিশ মন্ত্রীর পুলিশ বাহিনী লাঠিপেটা করছে চাকরিহারা শিক্ষকদের,,,, এটাই তো তৃণমূল। চোরের সমর্থন করতে জীবনানন্দ। তাদের প্রশ্নে কি মুখ্যমন্ত্রী কোন উত্তর দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি বিচার ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। প্রধান বিচারপতিকে টার্গেট করেছে। সুপ্রিম কোর্ট বলেছে গোটা প্যানেল বাতিল হয়ে গেছে মুখ্যমন্ত্রী কি করে তাদের পাশে দাঁড়াবে?মুখ্যমন্ত্রী কি দ্বিচারিতা করছে একদিকে বলছে আপনার এই স্কুলে যান পড়ান আপনাদের পাশে আছি অন্যদিকে পুলিশকে দিয়ে আক্রমণ,,,, আজকে কসবায় যা হয়েছে সেটা দেখে বোঝা যায় কতটা পাশে আছে।ঠাকুর পুকুরে মত তো অবস্থায় গাড়ি চাপা দিয়ে মৃত্যু,,,, তার সঙ্গে পুলিশের আত্মীয়তা আছে তাই বলছি তার সঙ্গে মিটমাট করে নাও। মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরে আগুন জলছে,,,, পরিকল্পিতভাবে পশ্চিমবঙ্গের প্রান্তিক জেলায় ডেমোগ্রাফি বদলে দেয়া হচ্ছে। এ রাজ্যের একজন মন্ত্রী পুলিশের গাড়িতে আগুন লাগানো কে সমর্থন করেছে।রাজনৈতিক কারণে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা আগুন জ্বলার ছবি দেখা যাচ্ছে,,, এর আগে টিয়ার গ্যাস চালানো হয়েছে বিভিন্ন আন্দোলন হয়েছে কিন্তু আজকের জঙ্গিপুরে সম্পূর্ণ আলাদা ঘটনা ভারতবর্ষের আইন মানিনা বলে পুলিশের গাড়িতে আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে।

এপ্রিল ১০, ২০২৫
রাজনীতি

টানা হুমকি দিলীপ ঘোষের, বিজেপি নেতার বাড়ির সামনে বিক্ষোভ তৃণমূলের, সরগরম খড়্গপুর

দিলীপ বচন নিয়ে বিতর্ক বেড়েই চলেছে। এবার হুঁশিয়ারের বিরুদ্ধে খড়্গপুরে তাঁর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখাল তৃণমূল কংগ্রেস। বাড়িতে ঢুকে মেরে আসবো, বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষের মন্তব্য়ের প্রতিক্রিয়ায় খড়্গপুরের কাউন্সিলর ও প্রাক্তন বিধায়ক প্রদীপ সরকার বলেছেবন, তৃণমূল কংগ্রেস চুরি পরে বসে নেই। কিন্তু দিলীপ ঘোষও ছাড়ার পাত্র নন। তাঁর বাড়ির সামনে তৃণমূলের বিক্ষোভের পর তিনি বলেছেন, আমি থাকলে বিশেষ ট্রিটমেন করতাম। শনিবার বেলা বাড়তেই খড়্গপুরে দিলীপ ঘোষের বাড়ির বাইরে জড়ো হয় একদল তৃণমূল কর্মী-সমর্থক। বিজেপি নেতার গ্রেফতারি চেয়ে স্লোগান দিতে থাকে তৃণমূল। সেই সময় দিলীপ ঘোষ বাড়িতে ছিলেন না। বাড়ির সামনে বিজেপি কর্মীরা ছিলেন। দুদল কর্মীর মধ্যে হাতাহাতিও হয়। তবে তাঁর বাড়িতে বিক্ষোভ হচ্ছে শুনে ফের পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ। এবার তিনি বলেন, খড়্গপুর কারও বাপের জায়গা নয়। দিলীপ ঘোষ কারও পরোয়া করে না। আগে জানিয়ে আসতে পারত, তাহলে ট্রিটমেন্টটা তৈরি রাখতাম।প্রসঙ্গত, শুক্রবার খড়্গপুর পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে একটি কর্মসূচিতে গিয়েছিলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ এলাকায় যাওয়ার আগেই সেখানে আগেভাগে জড়ো হয়ে গিয়েছিলেন বেশ কিছু মহিলা। তিনি যেতেই তাঁকে ঘিরে শুরু হয় প্রবল বিক্ষোভ। তাঁদের সঙ্গে তুমুল বচসা শুরু হয়ে যায় দিলীপ ঘোষের। এমনকী উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় পর্যন্ত হয়েছে। সেই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে শনিবার সকালে তৃণমূলকে রীতিমতো হুঁশিয়ারি দিতে দেখা যায় দিলীপ ঘোষকে।তিনি হুঁশিয়ারি দেন, এই ধরনের বেয়াদপি যদি কেউ করতে আসে, সে যে পার্টিরই হোক, তাকে বাড়ি থেকে বের করে এনে রাস্তায় পিটাব, সে যত বড় নেতাই হোক। দিলীপ ঘোষ কারও বাপের খায় না, কারও জমিদারিতে পা দেয় না। দিলীপ ঘোষের মেজাজ এমনই থাকবে। তৃণমূল যদি মনে করে এই রাজনীতি খড়গপুরে শুরু করবে, কাল থেকে শুরু করছি...বাড়িতে ঢুকে মারব, না হয় বাড়ি থেকে টেনে এনে চৌরাস্তায় মারব। BJP নেতার হুঙ্কারের পরই খড়্গপুরের রাজনীতি উত্তাল হতে থাকে।এদিকে, তৃণমূল নেতা প্রদীপ সরকার বলেন, তৃণমূল চুড়ি পরে নেই। তৃণমূল চাইলে দিলীপ ঘোষ এলাকায় বেরোতেই পারত না। উনি বাইরে থেকে এসেছেন, খড়্গপুরকে আগে জানুন। আগামীদিনে যা বলবেন ভেবে বলবেন, আগামিদিনে উনি খড়্গপুরে ঢুকতেই পারবেন না, যদি তৃণমূল চায়।

মার্চ ২২, ২০২৫
রাজ্য

২৬-এর ভোটের আগে পোস্টার রাজনীতিতে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি

গতকাল রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের আই টি সেলের পক্ষ থেকে শহরের বিভিন্ন জায়গায় হিন্দু হিন্দু ভাই ভাই বলে নানান পোস্টার ব্যানার দেওয়া হয়। সেইসব ব্যানার পোস্টারে হিন্দু হিন্দু ভাই ভাই বলে তেলের দাম ও গ্যাসের দাম নিয়ে সরব হয় তৃণমূলের আইটি সেল। বুধবার তার পাল্টা হিসেবে বিজেপির পক্ষ থেকে বিধান নগর জুড়ে হিন্দু হিন্দু ভাই ভাই বলে একাধিক পোস্টার দেওয়া হয়। যেখানে কোথাও নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে কোথাও রাজ্যের বেড়ে চলা হিংসা নিয়ে আবার কোথাও বেআইনি নির্মাণসহ রাস্তাঘাটের দুরাবস্থা নিয়ে পোস্টার ও ব্যানার দেওয়া হয়।

মার্চ ১৯, ২০২৫
রাজ্য

তারাপীঠে বিশেষ লাইনে পুন্যার্থী, হস্তক্ষেপ প্রশাসনের, কবে মিটবে এই বিতর্ক?

তারাপীঠ মন্দিরের জটিলতা মেটাতে অফিসে সেবায়েতদের ডেকেছিলেন রামপুরহাট মহকুমা শাসক। তাঁদের প্রচ্ছন্ন হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সেবায়েতরা। এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারাপীঠ মন্দিরের সেবায়েতদের একাংশ। তাঁদের দাবি শাসক দলের নির্দেশে চলছেন মহকুমা শাসক। বিষয়টি নিয়ে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার হুমকি সেবায়েতদের একাংশের। সোমবার চারজন পুন্যার্থীকে বিশেষ লাইনে ঢুকিয়ে পুজো করানো নিয়ে ঘটনার সূত্রপাত বলে জানা গিয়েছে। ওইদিন তারাপীঠ মন্দিরের পালাদার ছিলেন কুণাল বন্দ্যোপাধ্যায় এবং প্রশান্ত রায়। মন্দির কমিটি সূত্রে জানানো হয়েছে, গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর থেকে প্রশাসনের নির্দেশে মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশের জন্য দুটি লাইন কড়া হয়েছে। একটি ৫০০ টাকার বিশেষ লাইন। অন্যটি সাধারণ পুন্যার্থীদের জন্য। একটি আছে প্রোটোকল লাইন। যে লাইনে প্রশাসনিক আধিকারিক, মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়ক, রাজনৈতিক দলের প্রধানরা লাইন না দিয়েই সরাসরি মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশ করতে পারবেন। সেই প্রোটোকল লাইন দিয়ে সোমবার কুণাল বন্দ্যোপাধ্যায় এবং প্রশান্ত রায় চারজন নিকট আত্মীয়কে ঢুকিয়ে ছিলেন। এনিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয় মন্দিরে। মন্দিরের উপদেষ্টা কমিটির প্রধান বামাপদ মুখোপাধ্যায় ওরফে রবি প্রোটোকল লাইনে চার পুন্যার্থীদের ঢোকানোর প্রতিবাদ করেন। এনিয়ে মন্দিরেই বচসা বাধে। এরপর রবিবাবু মন্দিরের সেবাইত, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি সুকুমার মুখোপাধ্যায়কে বিষয়টি জানান। অভিযোগ, সুকুমারবাবু মন্দিরের অফিস ঘরে বসে মন্দির থেকে নিরাপত্তারক্ষী তুলে নেন। বন্ধ করে দেন ৫০০ টাকার বিশেষ লাইন। ফলে সোমবার রাত্রি ১১ টা পর্যন্ত অরক্ষিত ছিল মন্দির। এতেই মন্দিরের সেবায়েতদের একাংশ ক্ষোভ ফেটে পড়ে। যেখানে মন্দিরের আয়ের টাকায় নিরাপত্তারক্ষী নিয়োগ করা হয়েছে সেখানে পালাদারদের বা মন্দির কমিটিকে না জানিয়ে মন্দিরকে সারাদিন অরক্ষিত করে দেওয়া হল কেন? তাছাড়া সুকুমার মুখোপাধ্যায় একজন মন্দিরের সেবায়েত। তিনি কিসের বলে নিরাপত্তারক্ষী তুললেন?কুণালবাবুর বক্তব্য, তারাপীঠ মন্দিরে সারাদেশের ভাবাবেগ জড়িয়ে। যেখানে দেশের প্রধান থেকে হাজার হাজার হিন্দুধর্মালম্বী মানুষ ভিড় করেন। সেখানে তৃণমূলের একজন ব্লক সভাপতি কিভাবে নিরাপত্তারক্ষী তুলে নিতে পারে? এনিয়ে রামপুরহাট মহকুমা শাসক আমাদের অফিসে ডেকে ব্যক্তিগত ব্যবসা নিয়ে প্রচ্ছন্ন হুমকি দেন। কিন্তু অন্যায়ভাবে নিরাপত্তারক্ষী তুলে নেওয়ার বিষয়ে কর্ণপাত করলেন না। আমাদের মনে হয়েছে মহকুমা শাসক তৃণমূলের নির্দেশে কাজ করছেন।এদিকে মন্দিরের অনিয়ম নিয়ে মহকুমা শাসকের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন আরেক সেবায়েত নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, মন্দিরে শাসক দলের রাজত্ব চলছে। ১৫ বছর ধরে মন্দির কমিটির কোন নির্বাচন হয়নি। ফলে একনায়কতন্ত্র চলছে। তিনমাস ধরে বিশেষ লাইনের কয়েক কোটি টাকা আদায় হয়েছে। কিন্তু সেই টাকা কোথায় রয়েছে কেউ জানে না। মন্দিরের অনিয়ম নিয়ে ২০২২ সালে দুবার মহকুমা শাসকের কাছে তথ্য জানার অধিকার আইনে তথ্য চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখনও কোন উত্তর মেলেনি। এখন শাসক দলের সঙ্গে প্রশাসন যোগসাজশ করে চলছে। আমরা এর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হব।এবিষয়ে মন্দির কমিটির সভাপতি তারাময় মুখোপাধ্যায় বলেন, প্রশাসনের নির্দেশে আমরা মন্দির শান্তিশৃঙ্খল ভাবে পরিচালনা করতে চাইছি। কিন্তু কিছু সেবায়েত নিয়ম ভেঙে মন্দির চালাচ্ছেন। এনিয়ে গণ্ডগোলের জেরেই লাইন থেকে নিরাপত্তারক্ষী তুলে নেওয়া হয়েছিল। তবে তারা ছিলেন মন্দিরের আশেপাশেই।সুকুমার মুখোপাধ্যায় বলেন, কোন সেবায়েত যদি নিরাপত্তারক্ষীকে না মানে, মন্দিরের দায়িত্বে থাকা প্রধানকে যদি না মানে তাহলে নিরাপত্তারক্ষী প্রয়োজন কি? নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তার পরিবার মন্দিরের সমস্ত রকম অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। তাদের জন্যই মন্দিরে অশান্তি হচ্ছে।রামপুরহাট মহকুমা শাসক সৌরভ পাণ্ডে বলেন, আমি মন্দিরের সমস্যা নিয়ে জানতে ওনাদের ডেকেছিলাম। ওনাদের বলে দেওয়া হয়েছে কোনওরকম নিয়ম ভাঙা যাবে না। ওনারা যে অভিযোগ করছেন সেটা ঠিক নয়। তবে লজ নিয়ে কোন অভিযোগ জমা পড়লে তদন্ত করে দেখব। হঠাৎ করে মন্দিরে থেকে নিরাপত্তারক্ষী কেন তুলে নেওয়া হল সেটা তদন্ত করে দেখা হবে বলে জানান মহকুমা শাসক।ধ্রুব সাহা বলেন, শাসক দলের মদতে মন্দির চলছে। চলছে ব্যাপক অরাজকতা। তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদের টাকায় উন্নয়ন হচ্ছে। আবার মন্দিরের টাকাও উন্নয়ন খাতে খরচ দেখানো হচ্ছে। শ্মশানের পবিত্রতা নষ্ট করে নোংরা জলের ট্রাংক নির্মাণ করা হচ্ছে। সমস্ত অনিয়ম হচ্ছে মহকুমা শাসকের ইন্ধনে। আমরা এর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হব।

মার্চ ১৯, ২০২৫
কলকাতা

এক ফ্রেমে দিলীপ-শুভেন্দু, মমতাকে আক্রমণ বিরোধী দলনেতার, বললেন, 'কেজরিওয়াল যেখানে.. মমতা যাবেন সেখানে'

২০২৬ বিধানসভা ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে। রাজ্যে পুরো দস্তুর নির্বাচনী দৌত্য় শুরু হয় গিয়েছে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী গতকাল ছিলেন দিল্লিতে, এদিন রাজ্য বিধানসভা চত্বর একেবারে হুলস্থূল। আবারও শুভেন্দুর নিশানায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল সুপ্রিমোকে ফের চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ শানালেন বিজেপি নেতা। সেই সঙ্গে তাঁর সাসপেনশন প্রত্যাহার করে নেওয়া হলেও বিধানসভার চলতি অধিবেশনে যোগ দিচ্ছেন না বলেই জানিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু।মঙ্গলবার শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, বিরোধী দলনেতাকে ৯ মাস বাইরে রেখেছেন। আর তো দুটো সেশন আছে। একটা বাদল অধিবেশন ও আর একটা শীতকালীন অধিবেশন। তারপরে তো দুদিনের ভোট অন অ্যাকাউন্ট। তারপরে নির্বাচন। তারপর আপনারা প্রাক্তন। কেজরিওয়াল যেখানে.. মমতাও যাবেন সেখানে। আমরা কোনও সম্প্রদায়ের বিরোধী নই। আমরা তৃণমূলের নীতির বিরোধী।এদিকে আজই শুভেন্দু অধিকারীর সাসপেনশন প্রত্যাহার করা হয়েছে। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বিধানসভায় অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে কাগজ ছোঁড়ার প্রতিবাদে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-সহ বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল, বিশ্বনাথ কারক এবং বঙ্কিম ঘোষকে চলতি অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছিল। শুভেন্দু অধিকারীর সাসপেনশন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন অধ্যক্ষ। তবে বিরোধী দলনেতা এদিন জানিয়েছেন তাঁর সাসপেনশন প্রত্যাহার করা হলেও বাকিদের ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য হয়নি। সেই কারণেই চলতি অধিবেশনে তিনি যোগ দেবেন না বলে জানিয়েছেন।এদিনই শুভেন্দু অধিকারীর আমন্ত্রণে বিধানসভায় যান বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। খড়্গপুরের প্রাক্তন বিধায়ককে এদিন বিধানসভায় যেতেই তাঁকে স্বাগত জানাতে এগিয়ে আসেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে পুষ্পস্তবক দিয়ে বিধানসভায় স্বাগত জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। বিধানসভায় হৈ হট্টগোল নিয়ে শুভেন্দু বলেন, আমাদের বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ জানতে চেয়েছিল, সাঁইথিয়া শহরে কেন ইন্টারবনেট বন্ধ। সেই প্রশ্নেই যত রাগ শাসক শিবিরের। বিধানসভা গেটে প্ল্যকার্ড নিয়ে বিক্ষোভও দেখান শুভেন্দু অধিকারীরা।

মার্চ ১৮, ২০২৫
রাজ্য

২৫ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি ঘোষণা বঙ্গ বিজেপির, বর্ধমানে ফের দায়িত্বে অভিজিৎ তা

ফের বর্ধমান জেলার বিজেপি সভাপতি হলেন অভিজিৎ তা। শুক্রবার রাজ্যে বিজেপির ২৫টি সাংগঠনিক জেলার সভাপতির নাম ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং অফিসার বিধায়ক দীপক বর্মন। তৃতীয় দফায় বর্ধমান দুর্গাপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সভাপতি হলেন অভিজিৎ তা। এর আগে প্রথম দফায় সভাপতি থাকার সময় পুরো তিন বছর নয় এক বছর সময় পেয়েছিলেন। অর্থাৎ স্বাভাবিক ভাবে পুরো মেয়াদ ছিলেন না। তাছাড়া সামনে ২০২৬ বিধানসভা ভোট। এই সময় আর করে সভাপতি বদল করার কথা ভাবেনি বিজেপি। শুধু বর্ধমান না অনেক ক্ষেত্রেই জেলা সাংগঠনিক সভাপতি পরিবর্তন করেনি বঙ্গ বিজেপি।

মার্চ ১৪, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 28
  • 29
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজনীতি

তৃণমূলের সাংগঠনিক পদ থেকে ইস্তফা কাকলির, "ভালো তৃণমূল" নিয়ে জোর চর্চা

তৃণমূল কংগ্রেসের সমস্ত সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে ইস্তফা দিলেন বারাসাতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীকে লেখা চিঠিতে তিনি মহিলা শাখার জাতীয় সভাপতির পদ-সহ সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন। একই সঙ্গে রাজ্য রাজনীতি তোলপাড় ভালো তৃণমূল নিয়ে। ইস্তফাপত্রে কাকলি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু তুলে ধরেছেন। রেশন দুর্নীতি, শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারি এবং দলের ওপর ভোটকুশলী সংস্থা আই-প্যাকের অতিরিক্ত প্রভাব বিস্তার নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। চিঠিতে তিনি লেখেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে আমার বিবেক গভীরভাবে পীড়িত।আরজি কর মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন ছাত্রী হিসেবে সেখানে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা এবং পরে তা ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে নাড়া দিয়েছে বলেও জানান কাকলি। তবে সাংগঠনিক পদ ছাড়লেও আপাতত দল ছাড়ছেন না তিনি। সাধারণ কর্মী হিসেবেই তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত থাকার কথা জানিয়েছেন বারাসাতের সাংসদ।উল্লেখ্য, সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সভাপতিত্বে আয়োজিত একটি প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। দলীয় আপত্তি উপেক্ষা করে সেই বৈঠকে উপস্থিত থাকার পর থেকেই তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। এর মধ্যেই তাঁর ইস্তফা তৃণমূলের অন্দরে নতুন করে চাপ বাড়িয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মে ২৮, ২০২৬
রাজনীতি

সোশাল মিডিয়া তোলপাড় ভালো তৃণমূল খারাপ তৃণমূলে, এই তত্বে ক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা

ভালো তৃণমূল, খারাপ তৃণমূলে তোলপাড় সোশাল মিডিয়া। তৃণমূল কংগ্রেসে ভালো কিছু আছে বলে বিজেপি কর্মী ও সমর্থকরা কোনওভাবেই মানতে নারাজ। তাই বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্যকে কোনও ভাবে সমর্থন করছে না তাঁরা। তৃণমূলের যাঁরা দুর্নীতি বা অন্যায়ের সঙ্গে যারা যুক্ত নন তাঁরা কবে দড়জায় কড়া নাড়বেন, সেকথাই বলেছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। তাতেই ভালো তৃণমূল তত্ব ভেসে ওঠে। বিগত ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের পর বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের ওপর অমানুষিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূল কংগ্রেসের ওপর। খুন, ধর্ষণ থেকে বাড়ি-ঘর ভেঙে তছনছ করে পুড়িয়ে দেওয়ার মত আক্রমণের ঘটনায় উত্তাল হয়েছিল বাংলা। এমনকী গত পাঁচ বছরে ৩২১ জন বিজেপি কর্মী তৃণমূলের হাতে শহিদ হয়েছেন বলে রাজ্য বিজেপির দাবি। বগটুই থেকে আরজিকরের মতো নারকীয় ঘটনা ঘটেছে এই রাজ্যে। একের পর এক দুর্নীতির ঘটনা সামনে এসেছে। গ্রেফতার হয়েছেন মন্ত্রী থেকে নেতারা। শেষমেশ ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। তৃণমূলের একাংশের বক্তব্যে গিরগিটিও যেন হার মানবে। টিভি শো থেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে তৃণমূল কংগ্রেসের যে নেতৃত্ব বিজেপিকে গালমন্দ না করে মুখে অন্ন তোলেনি তারা এখন মমতা-অভিষেকের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছে। ভাবটা এমন যে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের থেকেও তারা অত্যাচারিত ছিল। অথচ দিনের পর দিন তারা ক্ষমতার অলিন্দে থেকে সবরকম ভোগ বিলাস করেছেন। তৃণমূল জমানার কোনও ঘটনা নিয়ে টু শব্দটি করেননি। বরং বিজেপিকে যতটা বেশি কোনঠাসা করা যায় ততটাই করেছেন। এখন তারা ভালো তৃণমূল সাজতে উঠেপড়ে লেগেছেন। তৃণমূল নেতাদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার হচ্ছে। সঙ্গে আরও বহু সামগ্রী। এরা এখন পরিস্থিতির চাপে পড়ে নিজেদের পিঠ বাঁচাতে মন ভোলানো সুর তুলেছেন। কিন্তু তৃণমূল ক্ষমতায় ফিরলে এদের এই রূপ কিছুতেই দেখতে পেত না বাংলার মানুষ। টিভি চ্যানেলে দিনের পর দিন বিজেপি বক্তাদের অবহেলা, অবজ্ঞা, অপমান করেছেন, ঔদ্ধত্য দেখিয়েছেন। এখন তারা ভালো তৃণমূলের দৌড়ে অংশ নিয়েছেন। বিজেপি কর্মী সর্থকরাই বলছেন এভাবে ভালো তৃণমূল বাছলে তারা আবার খারাপ না হয়ে যান। তাঁদের বক্তব্য়, ২০২৬-এর ভোটে জয় বিজেপির লড়াই ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণেই সম্ভব হয়েছে। ওই ভালো তৃণমূলীরা বিজেপিকে পদদলিত করতে চেয়েছিল। নির্বাচনে হেরে গেলে জীবন বিপন্ন হয়ে যেতে নীচুতলার বিজেপি কর্মীদের। তাই তারা বিজেপি নেতৃত্বের কাছে আবেদন করছেন, এই ভালো তৃণমূল খোঁজার নামে দলকে বিপদগামী করবেন না। বাস্তবে একটা পচা আলু গোটা বস্তার আলুকে পচিয়ে দেয়। তাতে দলের কর্মীরা হতাশ তো হবেনই পাশাপাশি সামনের দিন বাংলায় বিজেপির শাসন দরকার। ভোট বলে বিষয়বস্তু কিন্তু থাকবে। সাংসদ রাহুল সিনহা বলেছেন, বিজেপি আগামী ২৫ বছর থাকবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলতেন আগামী ৫০ বছর তৃণমূল থাকবে। মানুষ কিন্তু সব মনে রাখে। সময়ের অপেক্ষায় থাকে। অভিজ্ঞ মহল মনে করছে, বিজেপি সাধারণের প্রতিক্রিয়া যাচাই করতে অথবা পরবর্তীতে যাতে কোনও ক্ষোভ-বিক্ষোভ না থাকে তার জন্য এই তত্ব ছেড়েছে। এখন দেখার বিষয় বিজেপির কাছে ভালো তৃণমূল কারা, খারাপ তৃণমূল কারা।

মে ২৮, ২০২৬
রাজ্য

সীমান্তে ফের লম্বা লাইন! আতঙ্কে বাংলাদেশে ফিরতে শুরু করলেন সন্দেহভাজন অনুপ্রবেশকারীরা

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর অনুপ্রবেশ ইস্যুতে ফের সরগরম হয়ে উঠেছে সীমান্ত এলাকা। ডিটেক্ট-ডিলিট-ডিপোর্ট নীতি কার্যকর করতে ইতিমধ্যেই জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরির নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশের পর প্রশাসনিক তৎপরতাও অনেকটাই বেড়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।এরই মধ্যে বসিরহাটের স্বরূপনগর ব্লকের হাকিমপুর চেকপোস্ট এলাকায় ফের দেখা গেল চাঞ্চল্যকর ছবি। সীমান্তের কাছে বহু মহিলা, পুরুষ ও যুবককে ছোট ছোট ব্যাগ নিয়ে অপেক্ষা করতে দেখা গিয়েছে। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, এদের অনেকেই সন্দেহভাজন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী, যারা বর্তমানে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।কয়েক মাস আগেও একই ধরনের ছবি দেখা গিয়েছিল। তখনও সীমান্ত এলাকা দিয়ে বহু মানুষ বাংলাদেশে ফিরে গিয়েছিলেন বলে জানা যায়। স্থানীয় সূত্রের দাবি, এদের অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় নির্মাণ শ্রমিক, মাছের ভেড়িতে কাজ কিংবা দৈনিক মজুরির বিভিন্ন পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।সোমবার দুপুরে হাকিমপুর সীমান্ত এলাকায় উপস্থিত কয়েকজন জানান, দালালচক্রের মাধ্যমে এক থেকে দেড় বছর আগে তাঁরা সীমান্ত পেরিয়ে এ রাজ্যে এসেছিলেন। কিন্তু বর্তমানে প্রশাসনের কড়াকড়ি এবং নজরদারি বাড়ায় তাঁরা ফের বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সীমান্ত এলাকায় পুলিশ ও প্রশাসনের নজরদারি অনেকটাই বেড়েছে। বিভিন্ন এলাকায় পরিচয়পত্র যাচাই, ভাড়াবাড়িতে তল্লাশি এবং সন্দেহভাজনদের উপর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।যদিও প্রশাসনের তরফে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। তবে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও শক্তিশালী করা হয়েছে বলে প্রশাসনের একাংশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

মে ২৬, ২০২৬
রাজ্য

শুভেন্দুর বৈঠকে তৃণমূল সাংসদ! বাংলার রাজনীতিতে বড় চমক কাকলির উপস্থিতিতে

বাংলার রাজনীতিতে এক বিরল ছবি দেখা গেল মঙ্গলবার। কল্যাণীতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে হাজির হলেন বিরোধী দলের সাংসদ ও বিধায়করা। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি চর্চায় বারাসতের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের উপস্থিতি।মঙ্গলবার সকালে বৈঠক শুরুর আগেই সভাস্থলে পৌঁছে যান কাকলি। তাঁকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমন্ত্রণ পেয়েছি, তাই এসেছি। প্রশাসনটা কারও একার নয়। এটা কোনও দলীয় সভা নয়।শুধু কাকলি নন, এদিন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের আরও তিন বিধায়ক। হাজির ছিলেন দেগঙ্গার বিধায়ক আনিসুর রহমান, হাড়োয়ার বিধায়ক আব্দুল মতিন এবং স্বরূপনগরের বিধায়ক বীণা মণ্ডল।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই ছবি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ তৃণমূল জমানায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠকে বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদের সাধারণত দেখা যেত না। সেই জায়গায় শুভেন্দু অধিকারীর বৈঠকে বিরোধী শিবিরের জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতি নতুন রাজনৈতিক বার্তা দিচ্ছে বলেই মনে করা হচ্ছে।হাড়োয়ার বিধায়ক আব্দুল মতিন বলেন, রাজনীতিতে মতভেদ থাকতেই পারে। কিন্তু উন্নয়নের প্রশ্নে আমরা সবাই এক। তাই এখানে এসেছি।এদিকে গত কয়েকদিন ধরেই কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা বাড়ছিল। লোকসভার মুখ্য সচেতক পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপরই সমাজমাধ্যমে একটি আবেগঘন পোস্ট করেছিলেন তিনি। সেখানে লিখেছিলেন, চার দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম।এরপর তাঁর বাড়ির সামনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। গত রবিবার সাংবাদিক বৈঠক করে কাকলি জানান, তিনি সাংগঠনিক জেলা সভাপতির পদ থেকেও ইস্তফা দিচ্ছেন। আর তার মধ্যেই শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠকে তাঁর উপস্থিতি ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে।

মে ২৬, ২০২৬
দেশ

সীমান্তে বড় অভিযান! বাংলায় আসছেন অমিত শাহ, অনুপ্রবেশ রুখতে কড়া বার্তা কেন্দ্রের

অনুপ্রবেশ রুখতে কেন্দ্রের নীতি এখন আরও কঠোর। ডিটেক্ট, ডিলিট, ডিপোর্ট নীতিকে সামনে রেখেই দেশজুড়ে সীমান্ত নিরাপত্তায় জোর দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। এরই মধ্যে সীমান্ত পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে চার রাজ্যে সফরে বের হচ্ছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই তালিকায় রয়েছে পশ্চিমবঙ্গও।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার থেকেই শুরু হচ্ছে অমিত শাহের এই সীমান্ত সফর। প্রথমে তিনি যাবেন রাজস্থানের বিকানেরে। সেখানে সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখবেন তিনি। পাশাপাশি সীমান্ত লাগোয়া জেলার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিক, বিএসএফ এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের আধিকারিকদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবেন।আগামী ১৫ জুন পশ্চিমবঙ্গে আসার কথা রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের কাজ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখবেন তিনি। সীমান্ত এলাকার একটি বিএসএফ পোস্টেও যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তাঁর। এছাড়াও সীমান্তবর্তী জেলার প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন অমিত শাহ।রাজ্য ইতিমধ্যেই বিএসএফকে জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। তার মধ্যেই অমিত শাহের এই সফরকে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। সীমান্ত নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে স্থানীয় প্রশাসন এবং বিএসএফকে একযোগে কাজ করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে।কেন্দ্রের দাবি, সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করাই এখন প্রধান লক্ষ্য। জনবিন্যাসের পরিবর্তন রুখতে এবং সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করতেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।

মে ২৬, ২০২৬
কলকাতা

“আমাকে গ্রেপ্তার করুন!” নিউটাউনের রাস্তায় টলোমলো পায়ে বিডিওর কাণ্ডে তোলপাড়

সল্টলেকের স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যা অপহরণ ও খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মন এবার নতুন বিতর্কে জড়ালেন। অভিযোগ, মদ্যপ অবস্থায় প্রকাশ্য রাস্তায় বেপরোয়া আচরণ করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। সেই ঘটনার ভিডিও ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিও সামনে আসতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।সোমবার রাত সাড়ে দশটা নাগাদ নিউটাউনের সারচি সিগন্যালের সামনে ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর সময় এক বাইকচালককে ধাক্কা মারেন প্রশান্ত বর্মন। ধাক্কায় রাস্তায় পড়ে গিয়ে গুরুতর জখম হন ওই বাইক আরোহী। পরে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।ঘটনার পর স্থানীয় পথচারীরা প্রতিবাদ শুরু করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, সেই সময় অভিযুক্ত বিডিও রাস্তাতেই চিৎকার শুরু করেন এবং প্রতিবাদকারীদের উদ্দেশে নানা হুমকি দেন। ভাইরাল ভিডিওতে তাঁকে কখনও দুর্নীতিগ্রস্ত বলে কটাক্ষ করতে, আবার কখনও চড় মারার হুমকি দিতে দেখা গিয়েছে।ভিডিওতে আরও দেখা যাচ্ছে, এক সময় তিনি নিজেই গাড়ি থেকে নেমে টলোমলো পায়ে পুলিশকে বলছেন, আমাকে গ্রেপ্তার করুন। পুরো ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে বিধাননগর কমিশনারেটের ইকো পার্ক থানার পুলিশ অভিযুক্ত বিডিওকে আটক করে নিয়ে যায়।যদিও ভাইরাল ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

মে ২৬, ২০২৬
কলকাতা

পুরসভার নোটিসের মাঝেই অভিষেকের বাড়িতে কলকাতা পুলিশ! হঠাৎ তৎপরতায় বাড়ছে জল্পনা

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি এবং বাড়ির বেআইনি অংশ ভাঙা নিয়ে কলকাতা পুরসভার দেওয়া নোটিস ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। সোমবার ছিল পুরসভার দেওয়া সময়সীমার শেষ দিন। তার আগেই সময় বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে কলকাতা পুরসভা আরও ১০ দিনের সময় দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই আবহেই সোমবার বিকেলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হরিশ চ্যাটার্জি রোডের বাড়ি শান্তিনিকেতন-এ পৌঁছে যায় কলকাতা পুলিশের একটি দল। আর তাতেই শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।সূত্রের খবর, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংস্থার সম্পত্তির মধ্যেই পড়ে অভিষেকের এই বাড়ি। তৃণমূল জমানায় এই সংস্থাকে ঘিরে একাধিক বিতর্ক সামনে এসেছিল। ফলে পুরসভার নোটিসের পর আচমকা পুলিশের উপস্থিতি ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কেউ মনে করছেন, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংক্রান্ত কোনও বিষয়েই নতুন করে নজরদারি শুরু হয়েছে। আবার কারও মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা খতিয়ে দেখতেই পুলিশের এই সফর।যদিও বাড়ি থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নের উত্তর দেননি পুলিশ আধিকারিকরা। ফলে জল্পনা আরও বেড়েছে।উল্লেখ্য, গত সোমবারই কলকাতা পুরসভার তরফে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাট রোড এবং হরিশ মুখার্জি রোডের দুটি ঠিকানায় নোটিস পাঠানো হয়েছিল। বাড়ির অতিরিক্ত নির্মাণের জন্য পুরসভার অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কি না, তা জানতে চাওয়া হয়। একই সঙ্গে শান্তিনিকেতন-এর বেআইনি অংশ ভাঙার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল বলে সূত্রের খবর। পাশাপাশি অভিষেকের ১৭টি সম্পত্তিও নজরে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।কয়েক দিন আগেই কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়েছিলেন অভিষেক। পুরসভার নোটিস নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন উঠতেই প্রথমে কোনও উত্তর দেননি তিনি। পরে গাড়ির কাঁচ নামিয়ে কিছুটা বিরক্তির সুরে বলেন, বাড়ির কোন অংশ অবৈধ, সেটা নির্দিষ্ট করে জেনে আসুন। তারপর আমাকে প্রশ্ন করুন, আমি উত্তর দেব।সেই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছিল। তবে এবার সময় বাড়ানোর আবেদন এবং পুরসভার সেই আবেদন মঞ্জুর করার পর পরিস্থিতি কিছুটা বদলেছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

মে ২৫, ২০২৬
কলকাতা

হাওয়ায় দুলছে মেসির বিশাল মূর্তি! আতঙ্কে লেকটাউন, রাতেই ভাঙার সিদ্ধান্ত?

লেকটাউনে তৈরি হওয়া বিশাল লিওনেল মেসির মূর্তি ঘিরে এবার আতঙ্ক ছড়াল স্থানীয়দের মধ্যে। অভিযোগ, হাওয়ায় প্রবলভাবে দুলছে মূর্তিটি। যে কোনও সময় সেটি ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকার বাসিন্দারা। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে সোমবার ঘটনাস্থলে পৌঁছন পূর্ত দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার, সরকারি আধিকারিক এবং লেকটাউন থানার পুলিশ।স্থানীয়দের অভিযোগ, মূর্তিটির নীচের অংশের মাটি বসে গিয়েছে। চারপাশে পাথর ও মাটি বেরিয়ে এসেছে। ফলে গোটা কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। হাওয়ায় মূর্তিটি দুলতে থাকায় আতঙ্ক আরও বেড়েছে।মূর্তিটির ঠিক নীচেই রয়েছে একটি জায়ান্ট স্ক্রিন। সন্ধ্যার সময় সেখানে ভিড় করেন বহু মানুষ। আইপিএলের ম্যাচ দেখার জন্য প্রতিদিনই জমায়েত হয় স্থানীয়দের বড় অংশ। সেই সময় যদি মূর্তিটি ভেঙে পড়ে, তাহলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা সরেজমিনে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। জানা গিয়েছে, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। পরিস্থিতি বিচার করে সোমবার রাতেই মূর্তিটি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।উল্লেখ্য, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে এই বিশাল মূর্তিটি তৈরি করা হয়েছিল। আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ী ফুটবলার লিওনেল মেসি কলকাতা সফরে এলে ভার্চুয়ালি এই মূর্তির উদ্বোধন করেছিলেন। সেই সময় তাঁর পাশে ছিলেন বিধাননগরের প্রাক্তন বিধায়ক ও প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। মূলত তাঁর উদ্যোগ ও তত্ত্বাবধানেই তৈরি হয়েছিল মূর্তিটি।

মে ২৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal