• ৭ আশ্বিন ১৪৩৩, শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bengal

বিনোদুনিয়া

Toke pabo bole : শীতের মরশুমে নতুন প্রেমের গান 'তোকে পাবো বলে'

মুক্তি পেল শীতের মরসুমে নতুন প্রেমের গান তোকে পাবো বলে ও তার জমজমাট মিউজিক ভিডিও। গানটি গেয়েছেন নবনীতা। নবনীতা ডেনমার্কের প্রবাসী বাঙালি এবং DENMARKS GOT TALENT এর সেমিফাইনালিস্ট ও বটে। তিনি ভারতের একজন জনপ্রিয় সংগীত শিল্পীও। এই গানটির গীতিকার এবং সুরকার প্রাঞ্জল, যিনি টলিউডের বহু সিনেমার গান লিখেছেন। সম্প্রতি বুড়ো সাধু ছায়াছবির সংগীত পরিচালক ছিলেন। এর পাশাপাশি টেলিভিশনের বেশ কিছু ধারাবাহিকেও সংগীত পরিচালনা করেছেন যেমন ও গো নিরুপমা, রিমলি, মন ফাগুন ও সম্প্রতি গাঁটছড়া। মিউজিক ভিডিওটি পরিচালনা করেছেন জয়দীপ ব্যানার্জি। জয়দীপ klick এর জনপ্রিয় ওয়েবসিরিজ Chickflick এবং সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া Chickflick-2 এর পরিচালক এবং এ ছাড়াও বহু জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ এর লেখক ও তিনি। মুখ্য চরিত্রে আছেন টেলিভিশনের জনপরিয় মুখ ঐশ্বর্য সেন এবং মৃত্যুন্জয় ভট্টাচার্য ওরফে নীল। মিউজিক ভিডিওটির প্রযোজনার দায়িত্ব সামলেছেন নবনীতা ও মিল্কি ওয়ে ফিল্মস।

ডিসেম্বর ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : হাবাসের পর এবার দিয়াজ?‌ এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচের আসন যথেষ্ট টলমল

স্বপ্ন দেখতেই ভুলে গেছেন লালহলুদ সমর্থকরা। গত বছর আইএসএলে ব্যর্থতা। এবছরও সাফল্য পাওয়ার আশা নেই। শেষ স্থান পাওয়ার জন্য দারুণ লড়ছে। ৭ ম্যাচ খেলা হয়ে গেলেও এখনও জয় আসেনি। ৪ ম্যাচে হার, ৩টি ড্র। লিগ টেবিলে রয়েছে ১১ নম্বরে। টিম ম্যানেজমেন্ট থেকে সদস্যসমর্থকদের মধ্যে হতাশা বেড়েই চলেছে। কোচ মানেলো দিয়াজের ওপর বিরক্ত কর্তারা। তাঁর ওপর চাপ বাড়ছে। ব্যর্থতার জন্য শনিবারই দায়িত্ব ছেড়েছেন এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তেনীয় লোপেজ হাবাস। এবার কি লালহলুদ কোচ মানেলো দিয়াজের পালা? হাবাস পদত্যাগ করার পর তাঁকে সরানোর দাবি জোরালো হচ্ছে।এটিকে মোহনবাগান কোচ হাবাস তো ফুটবলারদের ওপর তবুও ভরসা রেখেছিলেন। খারাপ পারফরমেন্স হলেও কখনও বিরূপ মন্তব্য করেননি। এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মানেলো দিয়াজের তো ফুটবলারদের দক্ষতার ওপর কোনও আস্থাই নেই। প্রত্যেক ম্যাচের পরই একই কথা বলে চলেছেন, ফুটবলারদের এর বেশি দক্ষতা নেই। জিততে গেলে এইরকম পারফরমেন্স করলে হবে না। আরও উন্নতি করতে হবে। মুখে উন্নতির কথা বললেও তার রাস্তা খুঁজে বার করতে পারছেন না মানেলো দিয়াজ। কোচ হাল ছেড়ে দেওয়ায় ফুটবলারদের মনোবলও তলানিতে পৌঁছে গেছে।লালহলুদ শিবিরের অন্দরের খবর, কোচের সঙ্গে ফুটবলারদের ইতিমধ্যেই দূরত্ব তৈরি হয়েছে। প্রথম একাদশ নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। আগের ম্যাচে দীর্ঘক্ষণ ওয়ার্ম আপ করার পরও মাঠে না নামানোয় আদিল খান অসন্তুষ্ট হন। দলের সেরা স্ট্রাইকার পেরোসেভিচও সতীর্থদের ওপর অসন্তুষ্ট। সোশ্যাল মিডিয়ায় মানেলো দিয়াজকে সরানোর দাবি উঠে গেছে। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা হয়তো চাইবেন না দিয়াজকে সরিয়ে নতুন কোনও কোচ নিয়োগ করতে। কারন, বিনিয়োগকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদে থাকার কোনও পরিকল্পনা নেই। শুধু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির কথায় এই বছর আইএসএলে খেলার ব্যাপারে সম্মত হয়েছে। পরের মরশুমে কী হবে, তা এখনও নিশ্চিত নয়। এই অবস্থায় কোচ বদলের রাস্তায় হাঁটবে কিনা বলা কঠিন। তবে দিয়াজকে সরানোর দাবি ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২১
রাজ্য

BanglaPokkho: বাংলা পক্ষের চাপে পড়ে বড় সিদ্ধান্ত পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ বিভাগের

পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ দপ্তর ১৬ ডিসেম্বর ২০২১ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে তাদের এই সিদ্ধান্ত জানালেন। বংলাপক্ষে-র তরফ থেকে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালানো হচ্ছিলো যাতে সরকারি বিভিন্ন বিজ্ঞপ্তি ও নির্দেশিকা বাংলায় প্রকাশ করা হয়। বাংলাপক্ষের প্রথম সারির ব্যাক্তিত্ব কৌশিক মাঝি দাবি করেন তাদের আন্দোলনকে মান্যতা দিয়েই এই সিদ্ধান্ত। পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ দপ্তর বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে তাদের ত্রৈমাসিক বিলের স্পট প্রিন্টিং এবার থেকে বাংলায় করার সিদ্ধান্ত নিলো। তবে এটা ঐচ্ছিক, স্পট মিটার রিডিং নেওয়ার পর তারা গ্রাহকের চাহিদা মতো বাংলা অথবা ইংরাজি তে প্রিন্ট করে দেবেন।বাংলাপক্ষের পক্ষ থেকে কৌশিক মাঝি জনতার কথা কে জানান গ্রাম বাংলার সাধরণ মানুষ ইংরাজি ভাষায় ততটা সড়্গড় নন, ইংরাজি ভাষায় বিল বোঝাটা তাদের পক্ষে খুব সমস্যার কারণ হ্যে ওঠে, সেই সমস্ত মানুষজনকে অন্যের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে হয় বিলটা বোঝা জন্য। এবার থেকে তাঁরা নিজেদের বিল নিজেরাই বুঝে নিতে পারবেন। আমরা সাধুবাদ জানাচ্ছি বিদ্যুৎ দপ্তরের এই সিদ্ধান্ত-কে। তিনি জনতার কথা কে আরও জানান যে বিদ্যুৎ দপ্তরের বিদ্যুৎ বন্টন সংস্থা ডব্লু বি এস ই ডি সি এল (WBSEDCL) -র চাকরি বহিরাগতরা দখল করে নিচ্ছিল দীর্ঘ আন্দোলনের ফলে বিদ্যুৎ বন্টন সংস্থার চাকরির পরীক্ষায় বাংলা ভাষার পরীক্ষা বাধ্যতামূলক হয়েছে। এর ফলে আরও বেশী করে বাংলার মানুষ এই দপ্তরে চাকরির সুবিধা পাবেন।তিনি সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করে দাবী করেছেন, পশ্চিমবঙ্গ বাংলাপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে লাগাতার আন্দোলন চলিয়ে যাচ্ছেন সরকারি ক্ষেত্রে বাংলা ভাষার ব্যবহার বাড়ানোর জন্য। তাঁদের দাবি, তাঁদের আন্দোলের ফলে কলকাতা মেট্রোরেলের স্মার্ট কার্ডে ও রেলের টিকিটে বাংলা ফিরে এসেছে, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ৯০% ভূমিপুত্র সংরক্ষণ চালু হয়েছে, বাংলার পুলিস কনস্টেবল নিয়োগের পরীক্ষায় বাংলা ভাষা বাধ্যতামূলক হয়েছে (পরীক্ষা বাংলা ও নেপালী ভাষায় হয়), এছাড়া বাংলা জুড়ে বিভিন্ন ব্যাংকে ও পোস্ট অফিসে বাংলা ভাষায় পরিষেবার দাবিতে ডেপুটেশন দেওয়ার ফলে নানা ব্যাংকের ফর্ম, এটিএমে বাংলা এসেছে। শিলিগুড়ি পোস্ট অফিস সহ অন্যান্য জায়গায় বাংলা ভাষায় পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ভূমিপুত্র সংরক্ষণ চালু হয়েছে, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েসন অফ বেঙ্গল এর প্রথম ডিভিশন ও দ্বিতীয় ডিভিশনে ভূমিপুত্র সংরক্ষণ চালু হয়েছে, বাংলা ভাষায় সাইনবোর্ড লেখা বাধ্যতামূলক করে আসানসোল কর্পোরেশনে আইন পাশ হয়েছে যাতে সমস্ত দোকান ও কোম্পানীতে এই নির্দেশ মানে। কৌশিক মাঝি আরও জানান তাঁদের আন্দোলের ফলে সমস্ত বেসরকারি চাকরি, ঠিকা কাজ ও টেন্ডারে ৯০% ভূমিপুত্র সংরক্ষণের দাবিতে বাংলা পক্ষর ক্রমাগত লড়াইয়ের ফলে নানা কারখানা ও কোম্পানীতে বাঙালিরা কাজ পাচ্ছে। তাঁরা বিধানসভায় আইন পাশের দাবিতে লড়াই চলাচ্ছেন। তিনি বলেন সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে অহিন্দি জাতির ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ে সুপ্রীম কোর্টের রায়ের কপি বাংলা ভাষায় পাওয়া যাচ্ছে, বাংলার বিমানবন্দর গুলোয় বাংলায় ঘোষণা শুরু হয়েছে, ব্যাংকে চাকরির পরীক্ষা বাংলা সহ ভারতের ২২ টি সরকারি ভাষায় দেওয়ার সুযোগ এসেছে এবং সর্বভারতীয় ইঞ্জিনিয়ারিং জয়েন্ট পরীক্ষা বাংলা ভাষায় দেওয়া যায়।কৌশিক মাঝি বলেন তাঁদের দাবি হিন্দি ভারতের রাষ্ট্রভাষা-এই মিথ্যে প্রচার বাংলা পক্ষর জোরালো প্রচারেই ধ্বংস হয়েছে। বাঙালির কাছে এখন এই সত্য পরিষ্কার -হিন্দি ভারতের রাষ্ট্রভাষা না, ভারতের কোনো রাষ্ট্রভাষা নেই। বহিরাগত নানা কোম্পানীতে কাজ করে বাঙালি হেনস্থার শিকার হলে, কাজ হারালে এবং বেতন না পেলে বাংলা পক্ষর চাপে নানা জায়গায় বাঙালি তার অধিকার ফিরে পাচ্ছে। রাজ্য সরকারি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারি অধ্যাপক নিয়োগের চাকরির জন্য স্টেট ইলিজিবিলিটি (SET) পরীক্ষা প্রথমবার বাংলা ভাষায় দেওয়ার সুযোগ পাবে বাঙালি। এটা বাংলা পক্ষর আন্দোলনেরি ফসল। তিনি জানান বাংলা পক্ষর আন্দোলনে এমাজন (Amazon), ফ্লিপকার্ট (Flipkart) সহ নানা কোম্পানীর পরিষেবা বাংলায় পাওয়া যাচ্ছে। কোকোকলা (Coca-Cola), নেস্টলে (Nestle), বিসলেরি (Bisleri) সহ নানা বড় কোম্পানীর পণ্যের লেবেল বাংলা ভাষাই ছাপছে। তাদের উল্লেখযোগ্য দাবী বর্তমান বাংলার রাজনীতি আজ বাঙালিময়। বাঙালি জাতীয়তাবাদ বাংলার রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে তার কাণ্ডারী বাংলা পক্ষ।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : আবার হার এসসি ইস্টবেঙ্গলের, লালকার্ড দেখে দলের বিপদ বাড়ালেন পেরোসিভিচ

আইএসএলে পয়েন্ট হারানো অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছে কলকাতার দুই প্রধান। এই ব্যাপারে এটিকে মোহনবাগানকে বরং অনেকটাই টেক্কা দিয়ে চলেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। আন্তোনীয় লোপেজ হাবাসের দল তাও তে দুটি ম্যাচে জয় পেয়েছে। মানেলো দিয়াজের দলের জয় এখনও অধরা। তাদের থেকে লিগ টেবিলে একধাপ ওপরে থাকা নর্থইস্ট ইউনাইটেডের কাছেও হারতে হল এসসি ইস্টবেঙ্গলকে। ম্যাচের ফল ২০।আগের ম্যাচে তুলনামূলক ভাল খেলে কেরালা ব্লাস্টার্সের সঙ্গে ড্র করেছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। আশায় বুক বেঁধেছিলেন সমর্থকরা। একধাপ ওপরে থাকা নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে যদি জয় আসে। কিন্তু স্বপ্নপূরণ হল না লালহলুদ সমর্থকদের। এদিন আরও জঘন্য ফুটবল উপহার দিলেন পেরোসিভিচরা। চোট সারিয়ে নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে ফিরেছিলেন গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্য। মহম্মদ রফিকও সুস্থ হয়ে প্রথম একাদশে। শুরু থেকে মাঠে চিমাও। তাতেও হাল ফেরেনি লালহলুদের।প্রথমার্ধে অধিকাংশ সময়ই মাঝমাঠে খেলা সীমাবদ্ধ ছিল। সেই অর্থে কোনও দলই গোল করার মতো ইতিবাচক সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। তার মধ্যেই ২৯ মিনিটে বড় ধাক্কা খায় এসসি ইস্টবেঙ্গল। চোট পেয়ে মাঠ থেকে বেরিয়ে যান ফ্রাঞ্জো পিরেস। তাঁর পরিবর্তে মানেলো দিয়াজ মাঠে নামান আমির ডার্বিসেভিচকে। তিনি মাঠে নেমেও দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি।দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই অবশ্য চাপ বাড়ায় নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড। ৫১ মিনিটে ভিপি সুহেরের শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ৬১ মিনিটে সেই সুহেরের হাত ধরেই এগিয়ে যায় নর্থইস্ট ইউনাইটেড। রাজু গায়কোয়াড়ের ভুল পাস ধরে নর্থইস্ট ইউনাইটেডের এক ফুটবলার বল দেন সুহেরকে। তিনি এগিয়ে গিয়ে দুই ডিফেন্ডারের মাঝখান দিয়ে জোরালো শটে দলকে এগিয়ে দেন সুহের। ৬৮ মিনিটে ইমরান খানের দুরন্ত ফ্রিকিক থেকে হেডে ২০ করেন প্যাট্ট্রিক ফ্লোটম্যান। পরের দিকে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলেন সুহের। কাজে লাগাতে পারেননি। অন্য দিনের তুলনায় এসসি ইস্টবেঙ্গলের পেরোসিভিচ ছিলেন নিস্প্রভ। ম্যাচের একেবারে অন্তিম লগ্নে রেফারিকে ধাক্কা মেরে লালকার্ড দেখে দলের বিপদ বাড়ালেন।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২১
দেশ

Pegasus: পেগাসাস-কাণ্ডের তদন্তে রাজ্যের গঠিত কমিশনে স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

পেগাসাস-কাণ্ডের তদন্তে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কমিশন গড়ার সিদ্ধান্তের উপর স্থগিতাদেশ জারি করল সুপ্রিম কোর্ট। জুলাই মাসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইজরায়েলি স্পাইওয়্যারের সাহায্যে ফোনে আড়ি পাতার ঘটনায় তদন্তের জন্য অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মদন লোকুরের নেতৃত্বে দুই সদস্যের ওই তদন্ত কমিশন গড়েছিলেন।রাজ্যের আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভির কাছে প্রধান বিচারপতি অবস্থান জানতে চাইলে তিনি বলেন, রাজ্য সরকার নিযুক্ত কমিশন স্বতন্ত্র এবং স্বাধীন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে পৃথক তদন্তের প্রয়োজন নেই বলে জানিয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নোটিস জারির নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত।উল্লেখ্য, ইজরায়েলি স্পাইওয়্যার ব্যবহার করে বিরোধী দলগুলির নেতা-নেত্রীদের ফোনে আড়ি পাতার ঘটনায় নিয়ে ইতিমধ্যেই নরেন্দ্রে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে শীর্ষ আদালত। এ বিষয়ে জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে কেন্দ্রের যুক্তিও খারিজ করেছে প্রধান বিচারপতি এনভি রমণার বেঞ্চ। গত অক্টোবরে পেগাসাস-কাণ্ডের তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করেছে সুপ্রিম কোর্ট। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি আর ভি রবীন্দ্রনের নেতৃত্বাধীন ওই কমিটি রয়েছেন দুই সাইবার বিশেষজ্ঞও।সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে পেগাসাস-তদন্ত শুরু হওয়ায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কমিশনের পৃথক তদন্ত প্রয়োজন নেই বলে শীর্ষ আদালতে জানান কেন্দ্রে কৌঁসুলি হরিশ সালভে।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২১
রাজ্য

Coldest Day: প্রত্যেক দিনই কমছে তাপমাত্রার পারদ, বড়দিনের আগে শুক্রবারই মরশুমের শীতলতম দিন

নিম্নচাপের বাধা কাটিয়ে উত্তুরে হাওয়া ঢুকতেই রাজ্যে জাঁকিয়ে বসেছে শীত। এ সপ্তাহের শুরুতেই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছিল ১৪ ডিগ্রির ঘরে। শুক্রবার তা আরও একটু কমেছে। সর্বনিম্নের পাশাপাশি সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও কমেছে গত কয়েক দিনের তুলনায়। আগামী কয়েক দিন ঠান্ডা আরও বাড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে হাওয়া অফিসের তরফে।হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, শুক্রবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আকাশ থাকবে পরিষ্কার। উঠবে রোদ। মহানগরীর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা নামবে ২৪.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। গত কয়েক দিনে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৫ ডিগ্রির উপরে। শুক্রবার তা কমেছে। সর্বোচ্চের পাশাপাশি সর্বনিম্ন তাপমাত্রারও পতন হয়েছে। তা নেমেছে ১৩.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এ মরশুমে এটাই কলকাতার এখন অবধি সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। ফলে বলতে হচ্ছে, এখনও পর্যন্ত শুক্রবারই শীতলতম দিন।কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে মূলত পরিষ্কার আকাশ থাকবে। কলকাতা,পূর্ব মেদিনীপুর উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও পরিষ্কার আকাশ। কলকাতায় আজ পরিষ্কার আকাশ। উত্তরবঙ্গের জেলায় শীতের আমেজ ক্রমশ বাড়বে। শুষ্ক আবহাওয়া উত্তরবঙ্গেও। আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রার তারতম্যে জলীয়বাষ্প থাকায় কুয়াশা হতে পারে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Paran Bandopadhyay : কোন ‘টনিক’ ৮১ বছরের যুবক অভিনেতা সাইকেল চালালেন ?

৮১ বছর বয়স তাঁর। কিন্তু টনিক এ যেভাবে তিনি অভিনয় করেছেন তা সবাইকে মুগ্ধ করেছে। অনেকেই অবাক হয়েছেন ৮১ বছর বয়সে তিনি কিভাবে রিভার র্যা ফটিং করলেন। সেই পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবার সাইকেল চালালেন। তাও আবার ৫০ বছর পর। সোশ্যাল মিডিয়াতে একটি ভিডিও পোস্ট করে দেব। ক্যাপশনে লিখেছেন ক্যাপশনে লিখেছেন কাকা রাইডিং সাইকেল অলমোস্ট আফটার ফিফটি ইয়ার্স। টনিক নাম তো সুনা হোগা।সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করা ভিডিওতে কত দিন পর কাকা পরাণ সাইকেল চালিয়েছেন জিজ্ঞাসা করেন। পরাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায় বলেন, তা ১৯৬৭-এর আগে, ষাটের দশকে সাইকেল চালিয়েছি। ৬৫-৬৬ সালে চালিয়েছি। তারপর এই চালালাম। এরপরই পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সাইকেলের চাকায় যে পাম্প থাকে। পাম্প ছাড়া তো চলে না। দেবকে জড়িয়ে ধরে তিনি বলেন, পাশে দেব থাকলেই চাকার সাইকেল চলে। দেব সেইটা।অতনু রায়চৌধুরি ও প্রণব কুমার গুহর বেঙ্গল টকিজের প্রযোজনায় এবং দেব এন্টারটেনমেন্ট ভেঞ্চারসের সহ প্রযোজনায় আগামী ২৪ ডিসেম্বর মুক্তি পাচ্ছে টনিক। দেব, পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শকুন্তলা বড়ুয়া- তিন জনকে নিয়েই গল্পটা এগিয়েছে। এছাড়াও এই ছবিতে রয়েছেন সুজন মুখোপাধ্যায়, কণীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী, রজতাভ দত্ত, বিশ্বনাথ বসু প্রমুখ। দেব জানিয়েছেন গল্পের দিক থেকে টনিক তার জীবনের সেরা ছবি।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : প্রথম জয়ের খোঁজে কেন বিদেশিদের দিকে তাকিয়ে এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মানেলো দিয়াজ?‌

এসসি ইস্টবেঙ্গল মাঠে নামার আগে সমর্থকরা কি আশা করেন দল জয় পাবে? নিশ্চিতভাবেই না। দলকে নিয়ে স্বপ্ন দেখাই ছেড়ে দিয়েছেন লালহলুদ সমর্থকরা। কেনই বা দেখবেন? এইরকম জঘন্য ফুটবল গতবছর আইএসএলেও খেলেননি এসসি ইস্টবেঙ্গল ফুটবলাররা। রক্ষণের এইরকম করুণ অবস্থাও দেখা যায়নি। এবছর তো গোল করেও ধরে রাখতে না পারাটা অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছে। শুক্রবার এসসি ইস্টবেঙ্গল এমন একটা দলের বিরুদ্ধে খেলতে নামছে, সেই নর্থইস্ট ইউনাইটেডের অবস্থাও খুব একটা ভাল নয়। ৪ পয়েন্ট পেয়ে লিগ টেবিলে ঠিক ওপরে রয়েছে লালহলুদের। এইরকম দলের বিরুদ্ধে এবারের আইএসএলে প্রথম জয়ের সুযোগ মানেলো দিয়াজের দলের সামনে। নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে দলকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতেই পারেন সমর্থকরা। তার অন্যতম কারণ মানেলো দিয়াজের দলের ধীরে ধীরে ছন্দে ফেরা। দুএকটা ভুল ছাড়া আগের ম্যাচে তুলনামূলকভাবে ভাল খেলেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। তাছাড়া চোটআঘাত থেকেও ফুটবলাররা বেরিয়ে আসছেন। জ্যাকিচাঁদ সিং খেলার মতো জায়গায় চলে এসেছেন। মহম্মদ রফিকও অনেকটাই ফিট। গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্যও মাঠে নামার জায়গায় চলে এসেছেন। নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে তাঁকে খেলাতে পারেন কোচ মানেলো দিয়াজ। ড্যারেন সিডোয়েল অবশ্য এখনও পুরো ফিট নন। তিনি এখনও খেলার মতো জায়গায় আসেননি। দল যে এখনও পুরোপুরি তৈরি নয়, স্বীকার করে নিয়েছেন লালহলুদ কোচ মানেলো দিয়াজ। নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, শেষ মুহূর্তে দল গঠন করা হয়েছিল। অনেক দেরিতে আমরা প্রাকমরশুম প্রস্তুতি শুরু করেছিলাম। দলকে পুরোপুরি তৈরি করতে পারিনি। তাই সমস্যা হচ্ছে। আমাদের যথেষ্ট কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে খেলতে হচ্ছে। প্রতিটা ম্যাচই আমাদের কাছে চ্যালেঞ্জিং। দলের বিদেশি ফুটবলারদের পারফরমেন্সে একেবারেই সন্তুষ্ট নন মানেলো দিয়াজ। তিনি বলেন, আমার দল এখনও পর্যন্ত ৯টা গোল করেছে। তারমধ্যে বিদেশিরাই করেছে ৮টি। তবুও ওদের খেলায় আমি খুশি নই। ওদের কাছ থেকে আরও ভাল পারফরমেন্স আশা করছি। আশা করছি নর্থইস্টের বিরুদ্ধে দায়িত্ব নিয়ে দলকে জেতাবে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২১
কলকাতা

UNESCO: ইউনেসকোর হেরিটেজ তকমা পেল বাংলার শারোদৎসব

বাংলা ও সারা বিশ্বের বাঙালির জন্য গর্বের মুহূর্ত।বাংলার মুকুটে যুক্ত হল নতুন পালক।ইউনাইটেড নেশনস এডুকেশনাল, সায়েন্টেফিক অ্যান্ড কালচারাল অর্গানাইজেশন-ইউনেসকোর হেরিটেজ তকমা পেল বাংলার দুর্গা পুজো।দীর্ঘদিন ধরে যে দাবি জানিয়ে আসছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার ইউনেসকোর ভারতীয় বিভাগের টুইটার হ্যান্ডেল থেকে এক বার্তায় বলা হয়েছে,কলকাতার দুর্গাপুজোর মধ্যে আছে দীর্ঘ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। যে কারণেই এটিকে ইউনেসকোর কালচালার হেরিটেজের তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করা হল।ওয়াকিবহাল মহলের মতে বাংলার দুর্গাপুজোকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে মুখ্যমন্ত্রীর লড়াইয়ের ফসল এই স্বীকৃতি।🔴 BREAKINGDurga Puja in Kolkata has just been inscribed on the #IntangibleHeritage list.Congratulations #India 🇮🇳! 👏ℹ️https://t.co/gkiPLq3P0F #LivingHeritage pic.twitter.com/pdQdcf33kT UNESCO 🏛️ #Education #Sciences #Culture 🇺🇳😷 (@UNESCO) December 15, 2021Proud moment for Bengal!To every #Bengali across the world, Durga Puja is much more than a festival, it is an emotion that unites everyone.And now, #DurgaPuja has been added to the Representative List of Intangible Cultural Heritage of Humanity.We are all beaming with joy! Mamata Banerjee (@MamataOfficial) December 15, 2021দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কোর হেরিটেজ তালিকায় রাখার দাবি অনেকদিনের৷ পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিভিন্ন সময়ে দুর্গাপুজোকে ইউনেসকোর হেরিটেজ তালিকায় রাখার দাবিতে সরব হয়েছেন।৷ অবশেষে দুর্গাপুজোর হেরিটেজ তকমা চেয়ে ইউনেসকোর কাছে আবেদন করে ভারত সরকার৷ জানা গিয়েছে, বিশ্বজুড়ে এমন বহু আবেদন ইউনেসকোর কাছে জমা পড়ে৷ সেই আবেদনগুলি খতিয়ে দেখতে ১৩ ডিসেম্বর প্যারিসে বিশেষ অধিবেশনে বসেন ইউনেস্কোর আধিকারিকরা৷ সেই সব আবেদন খতিয়ে দেখার পরই বাঙালির দুর্গাপুজোকে হেরিটেজ তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয় ইউনেসকো৷ইউনেসকোর এমন ঘোষণার পর টুইট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও।A matter of great pride and joy for every Indian!Durga Puja highlights the best of our traditions and ethos. And, Kolkatas Durga Puja is an experience everyone must have. https://t.co/DdRBcTGGs9 Narendra Modi (@narendramodi) December 15, 2021অনন্য এই স্বীকৃতির ফলে আন্তর্জাতিক মহলে কলকাতার দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে কৌতূহল বাড়বে। পর্যটনেও নতুন গতি আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।ইউনেসকোর ওয়েবসাইটে উল্লেখ করা হয়েছে, দুর্গা পুজাকে ধর্ম ও শিল্পের সর্বজনীন মিলন ক্ষেত্রের সর্বোত্তম উদাহরণ হিসাবে দেখা হয় এবং সহযোগী শিল্পী ও ডিজাইনারদের জন্য একটি সমৃদ্ধ ক্ষেত্র হিসাবে দেখা হয়। এই উৎসব শহুরে এলাকায় বড় আকারের পালিত হয় এবং মণ্ডপগুলির পাশাপাশি রয়েছে বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঢাক এবং দেবীর পূজা। উৎসব চলাকালীন সব শ্রেণি, ধর্ম এবং জাতিগত বিভাজন ভেঙে দর্শকদের ভিড়ের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে এবং এই গোটা প্রক্রিয়াই ভীষণভাবে প্রশংসিত হয়েছে ইউনেসকোর দরবারে।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ATK Mohun Bagan : বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন, কিন্তু কেন আতঙ্কে এটিকে মোহনবাগান কোচ হাবাস?‌

আইএসএলে বেঙ্গালুরু এফসি একসময় ছিল সব দলের কাছেই আতঙ্ক। সুনীল ছেত্রিদের সেই ঐতিহ্য আর নেই। গত কয়েকবছর ধরে পারফরমেন্স একেবারে তলানিতে। এবছর তো যথেষ্ট করুণ অবস্থা। ৬ ম্যাচে মাত্র ১টা জয়, ১টা ড্র। চারটিতে হার। লিগ টেবিলে রয়েছে নবম স্থানে। একেবারেই ছন্দে নেই বেঙ্গালুরুর দলটি। ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য যে কোনও প্রতিপক্ষ যে এইরকম দলকেই বেছে নেবে, সেকথা বলার অপেক্ষা রাখে না। এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তেনীয় লোপেজ হাবাসও ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য বেঙ্গালুরু এফসি ম্যাচকেই বেছে নিচ্ছেন।এবারের আইএসএলে দারুণ শুরু করেছিল গতবারের রানার্স এটিকে মোহনবাগান। প্রথম দুটি ম্যাচেই জয়। তার মধ্যে আবার একটা ম্যাচ ডার্বি। সমর্থকরা আশা করেছিলেন, প্রথম দুটি ম্যাচ জেতায় অশ্বমেধের ঘোড়ার মতোই ছুটবে এটিকে মোহনবাগান। কিন্তু বিধি বাম। ডার্বি জেতার পর থেকেই ছন্দপতন। টানা ৩ ম্যাচে জয় নেই। দুটিতে হার, একটা ড্র। বৃহস্পতিবার বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে জয়ে ফিরতে মরিয়া হাবাস ব্রিগেড।সুনীল ছেত্রির ছন্দে নেই। এটাই সমস্যায় ফেলেছে বেঙ্গালুরু এফসিকে। তা সত্ত্বেও প্রতিপক্ষকে হালকাভাবে নিতে রাজি নন এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তেনীয় লোপেজ হাবাস। বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, সুনীল ছেত্রি অনেক বড় মাপের স্ট্রাইকার। ভারতের সেরা ফুটবলার। দুএকটা ম্যাচে গোল না পেলেও সেটা কোনও ব্যাপার নয়। যে কোনও দিন জ্বলে উঠতে পারে। ওকে গুরুত্ব দিতেই হবে। তবে শুধু ওকে গুরুত্ব দিলে চলবে না, গোটা দলকেই গুরুত্ব দিতে হবে। শেষ ৪ ম্যাচে জয় না এলেও বেঙ্গালুরু এফসিকে সমীহ করছেন হাবাস। তিনি বলেন, দুএকটা ম্যাচে হারলেও বিপক্ষকে হালকাভাবে নেওয়া যাবে না। আইএসএলের সব দলের শক্তিই উনিশবিশ। ওরাও চেষ্টা করবে ঘুরে দাঁড়ানোর। সুনীলের খারাপ ফর্ম বাড়তি কোনও সুবিধা দেবে না বলে মনে করছেন ৭এটিকে মোহনবাগান কোচ।চেন্নাইন এফসি ম্যাচের আগে তিনটি ম্যাচে রক্ষণ সমস্যায় ভুগতে হয়েছে এটিকে মোহনবাগানকে। তিরিকে প্রথম একাদশে ফিরিয়ে ও প্রীতম কোটালকে তাঁর পাশে নিয়ে এসে রক্ষণ কিছুটা মজবুত করেছেন হাবাস। তবে রোগ এখনও পুরোপুরি সারেনি। বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে রক্ষণ সংগঠনের ওপর জোর দিতে চান। মাঝমাঠের ফুটবলারদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রয়োজনে নেমে এসে রক্ষণকে সাহায্য করতে। কয়েকটা ম্যাচে রেফারিং নিয়ে ভুগতে হয়েছে এটিকে মোহনবাগানকে। বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে রেফারিং নিয়ে চিন্তা যাচ্ছে না হাবাসের।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Haami-2 : আজ থেকে শুরু হল ‘হামি-২’র শুটিং

২০১৮ সালে হামি বিপুল সাফল্য লাভ করে। সেদিক মাথায় রেখেই হামি-২ নিয়ে আসছে উইন্ডোজ প্রোডাকশন হাউস। পরিচালক ও অভিনেতা শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে এই খবরটি জানিয়েছেন। তিনি হামি২-র লাল্টুর ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছেন,তৃতীয়বার লাল্টু। পদবী ও পেশা চমক রইল। কাল থেকে শ্যুটিং শুরু। আশীর্বাদ করুন যেন আপনাদের মন রাখতে পারি। সবার জন্য রইল অনেক হামি। গতকাল এই পোস্টটি তিনি করেন। অর্থাৎ আজ থেকে শুরু হল এই ছবির শুটিং। ২০২০ সালের মার্চ মাসে হামি-২র শুটিং শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনার জন্য শুটিং এর তারিখ পিছিয়ে যায়। অবশেষে ২০২১ এর শেষে এই ছবির শুটিং শুরু করল উইন্ডোজ প্রোডাকশন। এর আগে হামি তে ভুতুর বাবা লাল্টু বিশ্বাস এবং রামধনু তে লাল্টু দত্তর চরিত্রে অভিনয় করেছেন শিবপ্রসাদ। ছাপোষা বাঙালির চরিত্রে তাকে দর্শকরা যথেষ্ট পছন্দ করেছেন। শোনা যাচ্ছে হামি তে যারা অভিনয় করেছেন হামি-২ তেও তারাই রয়েছেন। উইন্ডোজ প্রোডাকশনের ২০২২ এ অনেকগুলো ছবি তাদের পাইপলাইনে রয়েছে। ফেব্রুয়ারি- বাবা বেবি ও, ২০ মে - বেলা শুরু, ১৭ জুন - লক্ষ্মী ছেলে এবং সব ঠিক থাকলে, আগামী বছর বড়দিনে অর্থাৎ ২৩ ডিসেম্বর মুক্তি পাবে হামি ২।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
দেশ

Chopper Crash: ৭ দিনের লড়াইয়ে হার মানলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন বরুণ সিং

সাত দিনের অসম লড়াই শেষ। ৮ ডিসেম্বর কুন্নুরে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় একমাত্র জীবিত ব্যক্তি, গ্রুপ ক্যাপ্টেন বরুণ সিং অবশেষে প্রয়াত হলেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় বেঙ্গালুরুর সেনা হাসপাতালে তিনি ভর্তি ছিলেন। হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় একমাত্র জীবিত আরোহী বরুণের প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।Group Captain Varun Singh served the nation with pride, valour and utmost professionalism. I am extremely anguished by his passing away. His rich service to the nation will never be forgotten. Condolences to his family and friends. Om Shanti. Narendra Modi (@narendramodi) December 15, 2021গত ৮ ডিসেম্বর তামিলনাড়ুর সুলুর থেকে ওয়েলিংটন যাওয়ার উদ্দেশে আকাশে উড়েছিল সেনার এমআই-১৭, ভি- ৫ হেলিকপ্টার। সওয়ারি হিসেবে ছিলেন সস্ত্রীক সিডিএস বিপিন রাওয়াত-সহ ১৪ জন। বেলা ১২টা ৪০ নাগাদ নীলগিরির একটি চা বাগানের উপর আচমকাই ভেঙে পড়ে কপ্টার। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, হেলিকপ্টারটি একটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগার পর তাতে আগুন ধরে যায়। তার পর আরও একটি গাছে ধাক্কা মেরে মাটিতে আছড়ে পড়ে হেলিকপ্টার। দুর্ঘটনায় সস্ত্রীক সিডিএস-সহ সকলের মৃত্যু হলেও বেঁচে গিয়েছিলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন বরুণ সিং। তাঁর শরীরের ৪৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল বলে খবর। তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে নিকটবর্তী ওয়েলিংটনের সেনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরিস্থিতির অবনতি হলে তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় বেঙ্গালুরুর সেনা হাসপাতালে।IAF is deeply saddened to inform the passing away of braveheart Group Captain Varun Singh, who succumbed this morning to the injuries sustained in the helicopter accident on 08 Dec 21. IAF offers sincere condolences and stands firmly with the bereaved family. Indian Air Force (@IAF_MCC) December 15, 2021ছেলে জয়ী হয়েই ফিরবে বলে আশা প্রকাশ করেছিলেন বরুণের বাবা প্রাক্তন কর্নেল কে পি সিং। কিন্তু টানা সাত দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে শেষ পর্যন্ত হেরেই গেলেন বরুণ সিং।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Vijoy Hazare Trophy: ‌শেষ ম্যাচে কর্ণাটককে হারিয়েও বিজয় হাজারে থেকে বিদায় বাংলার

আগের ম্যাচে মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে দুরন্ত জয়ে লাইফ লাইন পেয়েছিল বাংলা। এমন একটা সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে কর্ণাটককে হারালে নক আউটের ছাড়পত্র মিলবে। অঙ্কও একটা ছিল। সেক্ষেত্রে বরোদার বিরুদ্ধে তামিলনাডুকে এবং পন্ডিচেরীর বিরুদ্ধে মুম্বইকে জিততে হবে। বাংলা জিতলেও বাকি দুটি অঙ্ক মিলল না। বরোদার কাছে তামিলনাডুর হার বিজয় হাজারে ট্রফির গ্রুপ লিগ থেকেই ছিটকে দিল বাংলাকে। কর্ণাটককে ৪ উইকেটে হারিয়েও শেষরক্ষা হল না। এলিট গ্রুপ বিতে ১২ পয়েন্টে শেষ করল তামিলনাডু, কর্ণাটক, বাংলা ও পন্ডিচেরী। যদি দুটি দল ১২ পয়েন্টে শেষ করত, তাহলে মুখোমুখি ফলাফলের ভিত্তিতে ঠিক হত কোন দল নক আউটে যাবে। কিন্তু ৪টি দল ১২ পয়েন্টে শেষ করায় নেট রান রেট দেখা হয়েছে। নেট রান রেটে সবার ওপরে রয়েছে তামিলনাডু (+১.০৫২)। দ্বিতীয় স্থানে কর্ণাটক (+০.৭৮৯), তৃতীয় স্থানে বাংলা (-০.২৩৫), চতুর্থ স্থানে পন্ডিচেরী (-১.৩৬০)। ফলে এই গ্রুপ থেকে প্রথম ও দ্বিতীয় হয়ে তামিলনাডু ও কর্ণাটক নক আউটের টিকিট পেয়েছে।নক আউটে যাওয়ার জন্য বাংলা ও কর্ণাটকের কাছে এদিনের ম্যাচ খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন কর্ণাটক অধিনায়ক মণীশ পাণ্ডে। শুরুটা তেমন আহামরি হয়নি কর্ণাটকের। ১০.১ ওভারে ৩৫ রানের মধ্যেই ২ উইকেট হারায়। দশম ওভারে রবিকুমার সমর্থকে (১৭) তুলে নিয়ে কর্ণাটককে প্রথম ধাক্কা দেন আকাশ দীপ। পরের ওভারেই কৃষ্ণমূর্তি সিদ্ধার্থকে (১) ফেরার ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি। এরপর রোহন কদম ও অধিনায়ক মণীশ পাণ্ডের জুটি কর্ণাটককে টেনে নিয়ে যায়। ৫৫ বলে ৩৭ রান করে আউট হন রোহন কদম। তাঁকে ফেরান ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি। দলে ১৬১ রানের মাথায় আউট হন মণীশ পাণ্ডে। ৮৫ বলে তিনি করেন ৯০। করুণ নায়ার ২৫ রান করেন। ২৯ বলে অপরাজিত ৩৭ রান করে প্রবীন দুবে কর্ণাটককে ২৫২/৮ রানে পৌঁছে দেন।ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করেছিল বাংলা। ৭ ওভারেই ৫০ রানে পৌঁছে যায়। এরপরই ধাক্কা। ফিরে যান রনজ্যোৎ সিং খাইরা (৭)। আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি করা অনুষ্টুপ মজুমদার (৮) ব্যর্থ। ৪৮ বলে ৫৮ রান করে আউট হন অভিষেক দাস। এরপর বাংলাকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান অধিনায়ক সুদীপ চ্যাটার্জি ও ঋত্ত্বিক রায় চৌধুরি। ৫৬ বলে ৬৩ রান করে কারিয়াপ্পার বলে আউট হন সুদীপ। ৬২ বলে ৪৯ রান করেন ঋত্ত্বিক রায় চৌধুরি। ২৬ বলে ২২ রান করেন শুভঙ্কর বল। বাংলাকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন শাহবাজ আমেদ (অপরাজিত ২৬) ও ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি (অপরাজিত ১০)। ৪৮.৩ ওভারে ২৫৩/৬ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় বাংলা। জিতেও অবশ্য নক আউটের ছাড়পত্র এল না।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২১
কলকাতা

BSF-High Court: বিএসএফ-মামলায় কেন্দ্রের হলফনামা চায় হাইকোর্ট

বিএসএফ মামলায় কেন্দ্রের কাছে হলফনামা চাইল প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। সম্প্রতি বিএসএফের এক্তিয়ার বাড়ানো নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে যে তরজা শুরু হয়েছে নিঃসন্দেহে এই মামলা সেখানে নতুন মোড় আনল। মঙ্গলবারই এই নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।মামলাকারীর বক্তব্য, বিএসএফের যে নির্দিষ্ট আইন আছে সেখানে স্পষ্ট করে বলা রয়েছে তাদের কতটা এলাকায় এক্তিয়ার। কেনই বা এই সীমানা নির্দিষ্ট করা হয়েছে তা নিয়েও ব্যাখ্যা রয়েছে। বিএসএফ অ্যাক্ট অনুযায়ী ১৩৯ ধারার প্রসঙ্গ তুলে মামলাকারী বলেন, এভাবে আজ ১৫ কিলোমিটার, কাল ৫০ কিলোমিটারে বিএসএফের এক্তিয়ার বাড়াতে থাকলে একদিন এটা বেড়ে গোটা দেশ হতে পারে বলে আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে।এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো ধ্বংস হয়ে যাবে বলে জানান মামলাকারী সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়। বিচারপতি জানতে চান আর কোন রাজ্যে এই ধরনের মামলা হয়েছে। রাজ্যের পক্ষ থেকে এজি জানান, পঞ্জাবে একই ধরনের একটি মামলা হয়েছে।একই সঙ্গে কেন্দ্রের পদক্ষেপ কী, তাও জানতে চায় আদালত। কেন্দ্রের আইনজীবী ওয়াই যে দস্তুর বলেন, শুধু সীমানা বাড়ানো হয়েছে এমনই নয়, এমন রাজ্যও রয়েছে যেখানে সীমানা কমানো হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি উদাহরণ টানেন গুজরাতের। জানান, সে রাজ্যে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কার্যক্ষমতা সীমান্তের ৮০ কিলোমিটার থেকে কমিয়ে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত করা হয়েছে। এই বিষয়গুলি হলফনামায় উল্লেখ করতে চান বলে জানান তিনি। এই ধরনের কোনও মামলা কোনও রাজ্য সুপ্রিম কোর্টে দায়ের করেছে কি না তাও জানাতে বলা হয়েছে। আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি ফের এই মামলার শুনানি হবে।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Dev : 'নো প্যানিক অনলি টনিক' দর্শকদের মনের টনিক হয়ে উঠতে তৈরি দেব

নো প্যানিক অনলি টনিক। অভিজিৎ সেনের পরিচালিত ছবি এবং বেঙ্গল টকিজের প্রযোজিত ও দেব এন্টারটেনমেন্ট ভেঞ্চারসের সহ-প্রযোজনায় টনিক মুক্তি পাচ্ছে আগামী ২৪ ডিসেম্বর। দেবের জন্মদিন ২৫ ডিসেম্বর। জন্মদিনের ঠিক আগের দিন মুক্তি পাচ্ছে টনিক। টনিক নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি পোস্ট করেছেন দেব। ছবিতে দেখা যাচ্ছে হাসিমুখে দাঁড়িয়ে আছেন এই টলি স্টার। পরনে একটা টিশার্ট। যেখানে লেখা নো প্যানিক অনলি টনিক। মূলত ইচ্ছেপুরণের গল্প বলবে টনিক। এখানে দেব একজন ট্র্যাভেল এজেন্সির কর্মী। দুই বয়স্ক দম্পতির ইচ্ছেপুরণ করবেন তিনি। যে চরিত্রে দেখা যাবে পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও শকুন্তলা বড়ুয়া কে। এছাড়াও রয়েছেন সুজন মুখোপাধ্যায়, কণীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী, রজতাভ দত্ত, বিশ্বনাথ বসু প্রমুখ। টনিক-এ পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায় কে একদম অন্যভাবে দেখবেন দর্শকরা। রিভার রাফটিং,প্যারা গ্ল্যাইডিং থেকে পাহাড়ে চড়া কিছুই বাদ নেই তার। এবারের দুর্গাপুজোয় মুক্তি পেয়েছে দেবের গোলন্দাজ। যে ছবিটি দর্শকমহলে বেশ সাড়া ফেলেছে। এবার পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রাণের টনিক হয়ে নতুন্রুপে দেখা যাবে দেব কে। বেশ কিছুদিন আগে ছবির ট্রেলার লঞ্চের পর মিউজিক লঞ্চও হয়ে গেছে। দেব জানিয়েছেন গল্পের দিক থেকে টনিক তার জীবনের এখনও পর্যন্ত সেরা ছবি হতে চলেছে।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ISL : ‌কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে ভাল খেলেও জয় অধরা থেকে গেল এসসি ইস্টবেঙ্গলের

৬ ম্যাচ খেলা হয়ে গেল। এবারের আইএসএলে এখনও জয় পেল না এসসি ইস্টবেঙ্গল। কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে এগিয়ে গিয়েও আটকে গেল লালহলুদ শিবির। ম্যাচের ফল ১১। অন্যদিনের তুলনায় এদিন ভাল খেলেও আটকে যেতে হল মানোলো দিয়াজের দলকে।লিগ টেবিলে কেরালা ব্লাস্টার্সও খুব একটা ভাল জায়গায় নেই। জয়ের জন্য তারাও যথেষ্ট মরিয়া হয়ে মাঠে নেমেছিল। শুরু থেকে এসসি ইস্টবেঙ্গলের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে কেরালা ব্লাস্টার্সের ফুটবলাররা। আলভারো ভাজকোয়েজ, আদ্রিয়ান লুনারা একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিল। কিন্তু টমিস্লাভ মার্সেলা, রাজু গায়কোয়াড়রা সজাগ থাকায় সুবিধা করতে পারেননি কেরালা ব্লাস্টার্সের ফুটবলাররা। এসসি ইস্টবেঙ্গলও মাঝেমাঝে প্রতি আক্রমণে উঠে আসছিল। এর মাঝেই ১৫ মিনিটে লালহলুদের জালে বল পাঠান কেরালা ব্লাস্টার্সের আলভারো ভাজকোয়েজ। কিন্তু ভাজকোয়েজের কাছে বল যাওয়ার আগে হ্যান্ডবল হয় অমরজিৎ কিয়ামের। রেফারি গোল বাতিল করে ফ্রিকিকের নির্দেশ দেন।এরপরই আস্তে আস্তে খেলাটা ধরে নেয় এসসি ইস্টবেঙ্গল। ২০ মিনিটে এগিয়েও যেতে পারত লালহলুদ। পেরোসেভিচের বাঁপায়ের দুরন্ত শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ৩৭ মিনিটে এগিয়ে যায় এসসি ইস্টবেঙ্গল। ডান দিক থেকে রাজু গায়কোয়াড়ের লম্বা থ্রো হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন টমিস্লাভ মার্সেলা। ৪৪ মিনিটে সমতা ফেরায় কেরালা ব্লাস্টার্স। রাজু গায়কোয়াড়ের মিস পাস থেকে এসসি ইস্টবেঙ্গলের পেনাল্টি বক্সের বাইরে ডানদিকে বল পেয়ে ডানপায়ে শট নেন আদ্রিয়ান লুনা। তাঁর শট টমিস্লাভ মার্সেলার মাথায় লেগে বল জালে জড়িয়ে যায়।অন্যান্য দিনের তুলনায় কেরালা ব্লাস্টার্স ম্যাচে এসসি ইস্টবেঙ্গলের রক্ষণ অনেকটাই সংগঠিত ছিল। আলভারো ভাজকোয়েজ, আদ্রিয়ান লুনাদের সেভাবে সুযোগ দেননি রাজু গায়কোয়াড়, টমিস্লাভ মার্সেলারা। একবার ছাড়া বাকি ম্যাচে মুন্সিয়ানার পরিচয় দিয়েছেন রাজু। দ্বিতীয়ার্ধে লালহলুদ ডিফেন্ডারদের জন্য গোলের সুযোগ পায়নি কেরালা। অধিকাংশ সময়ই মাঝমাঠে খেলা ঘোরাফেরা করছিল। ড্যানিয়েল চিমা এদিন একেবারে নিঃস্প্রভ ছিলেন। ৬৮ মিনিটে তাঁকে তুলে নিয়ে আমির ডার্বিসেভিচকে মাঠে নামান এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মানোলো দিয়াজ। একই সঙ্গে মাঠে নিয়ে আসেন বিকাশ জাইরু ও লুয়াংকে। ৮১ মিনিটে প্রতি আক্রমণে উঠে এসে দারুণ শট নিয়ে ছিলেন পেরিসেভিচ। কেরালা ব্লাস্টার্স গোলকিপার দুর্দান্ত সেভ করে দলের নিশ্চিত পতন রোধ করেন। ৮৯ মিনিটে আবার গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন পেরিসেভিচ। তাঁর পা থেকে আবার নিশ্চিত গোল বাঁচান কোরালা ব্লাস্টার্স গোলকিপার। শেষদিকে চাপ রাখলেও জয়ের গোল তুলতে পারেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল

ডিসেম্বর ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Vijoy Hazare Trophy : ‌‌‌‌মুম্বইকে হারিয়ে বিজয় হাজারের নক আউটের লাইফ লাইন পেল বাংলা

বাংলার টিম ম্যানেজমেন্ট যতই তারুণ্যকে প্রাধান্য দিতে চায় না কেন, অভিজ্ঞতার যে বিকল্প নেই প্রমাণ হয়ে গেল। তামিলনাডুর বিরুদ্ধে ব্যাটিং ব্যর্থতার জন্য ডুবতে হয়েছিল বাংলাকে। মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে মরণবাঁচন ম্যাচে সেই অভিজ্ঞতার দ্বারস্থ হতে হল টিম ম্যানেজমেন্টকে। প্রথম একাদশে ফেরানো হল অনুষ্টুপ মজুমদারকে। তাঁর দুরন্ত ব্যাটিং বিজয় হাজারে ট্রফিতে লাইফ লাইন দিল বাংলাকে। ভিজেডি নিয়মে মুম্বইকে ৬৭ রানে হারিয়ে নক আউট পর্বে যাওয়ার সম্ভাবনা জিইয়ে রাখল বাংলা। শেষ ম্যাচে কর্ণাটককে বড় ব্যবধানে হারালে পরের রাউন্ডের টিকিট মিলতেও পারে সুদীপ চ্যাটার্জিদের। তবে অনেক অঙ্কের সামনে পড়তে হবে বাংলাকে।রবিবার বাংলামুম্বই ম্যাচ দুই দলের কাছেই ছিল ডু অর ডাই। যে দল হারবে, প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে যাবে। এই পরিস্থিতিতে টস জিতে বাংলাকে ব্যাট করতে পাঠায় মুম্বই। মরণবাঁচন ম্যাচে বেশ কয়েকটা পরিবর্তন করেছিল বাংলা। শ্রীবৎস গোস্বামীকে প্রথম একাদশের বাইরে রাখা হয়। তাঁর পরিবর্তে দলে আসেন শুভঙ্কর বল। কাইফ আমেদ, সুমন্ত গুপ্তর বদলে প্রথম একাদশে অনুষ্টুপ মজুমদার ও রনজোৎ সিং খৈরা। এতদিন তাঁকে বসিয়ে রেখে টিম ম্যানেজমেন্ট যে ভুল করেছিল, প্রমাণ করে দিলেন অনুষ্টুপ মজুমদার।শ্রীবৎসর পরিবর্তে এদিন অভিষেক দাসের সঙ্গে ওপেন করতে নেমেছিলেন সুদীপ চ্যাটার্জি। ব্যাটিং অর্ডার বদলেও ছন্দে ফিরতে পারলেন না বাংলার অধিনায়ক। ৫ রান করে মোহিত অবস্তির বলে বোল্ড হন সুদীপ। এরপর ব্যাট হাতে বাইশ গজে আবির্ভাব অনুষ্টুপ মজুমদারের। আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করতে থাকেন দুজনেই। ১০ ওভারেই ৮০ রানে পৌঁছে যায় বাংলা। এরপর আবার ধাক্কা। ৩৬ বলে ৩৮ রান করে আউট হন অভিষেক। ব্যাটিং অর্ডারে এগিয়ে আসা ঋত্ত্বিক রায় চৌধুরি (৪) ব্যর্থ। শাহবাজ আমেদকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যান অনুষ্টুপ। ৫২ বলে ৫০ রান পূর্ণ করেন তিনি। ৩৫.৫ ওভারে ২০০ রানে পৌঁছে যায় বাংলা। ১১০ বলে সেঞ্চুরি করেন অনুষ্টুপ। শেষ পর্যন্ত ১২২ বলে ১১০ রান করে আউট হন তিনি। শাহবাজের সঙ্গে জুটিতে তোলেন ১২৯। এই জুটিই বাংলার বড় রানের ভিত গড়ে দেয়।অনুষ্টুপ আউট হওয়ার পর ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জিকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যান শাহবাজ। ৯৫ বলে ১০০ রান পূর্ণ করেন তিনি। মোহিত অবস্তিকে ৬ মেরে পরের বলেই আউট হন শাহবাজ (১০৬)। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ৩১৮ রান তোলে বাংলা। ২৭ বলে ৩৩ রান করেন ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি।জয়ের জন্য ৩১৯ রানের লক্ষ্য সহজ ছিল না মুম্বইয়ের সামনে। মুম্বইয়ের ব্যাটিংও তেমন শক্তিশালী নয়। একমাত্র ভরসা সূর্যকুমার যাদব। কিন্তু মুম্বই ব্যাটিংয়ের এই স্তম্ভ ভাল শুরু করেও শেষরক্ষা করতে পারেননি। ৩৪ বলে ৪৯ রান করে তিনি প্রদীপ্ত প্রামানিকের বলে স্টাম্পড হন। তার আগেই আউট হন যশস্বী জয়সোয়াল (১৯) ও আকারশীট গোয়েল (৩৩)। আরমান জাফর করেন ৪৭। ৪১ ওভারে মুম্বই ৮ উইকেটে ২২৩ রান করার পর বৃষ্টির জন্য খেলা বন্ধ হয়ে যায়। ভিজেডি নিয়মে ৬৭ রানে জেতে বাংলা। বাংলার হয়ে প্রদীপ্ত প্রামানিক ৩৩ রানে ৩ উইকেট নেন।

ডিসেম্বর ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে জয় আসবে?‌ আশা দেখাতে পারছেন না দিয়াজ

পাঁচ ম্যাচ খেলা হয়ে গেছে। এবারের আইএসএলে এখনও জয়ের মুখ দেখেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। কোচ মানোলো দিয়াজকে নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠে গেছে। দলের অভ্যন্তরেই কোচের সিদ্ধান্ত নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। দলগত সংহতিও তলানিতে। ৫ ম্যাচ খেলা হয়ে গেল অথচ এখনও প্রথম একাদশ ঠিক করে উঠতে পারেননি। ফুটবলারদের মধ্যে কোনও বোঝাপড়া নেই। এই অবস্থায় রবিবার কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে মাঠে নামছে এসসি ইস্টবেঙ্গল।কঠিন পরিস্থিতিতেও সমর্থকদের কোনও আশার আলো দেখাতে পারছেন না লালহলুদ কোচ মানোলো দিয়াজ। আগের ৫ ম্যাচে এসসি ফুটবলারদের দেখে মনে হয়নি তাঁরা ফিট। মানোলো দিয়াজ অবশ্য একথা মানতে নারাজ। তাঁর দাবি, দক্ষতার দিক দিয়েই দলকে পিছিয়ে পড়তে হচ্ছে। কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে দল প্রথম জয় তুলতে পারবে কিনা, সে ব্যাপারেও আত্মবিশ্বাসী নন। কেরালার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে দিয়াজ বলেন, দল খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। সমর্থকদের মানসিক অবস্থা বুঝতে পারছি। সমর্থকরা যেমন জয়ের দিকে তাকিয়ে রয়েছে, আমিও জয়ের খোঁজে রয়েছি। চেষ্টা করব কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটানোর।গোল করেও তা ধরে রাখতে পারছেন না লালহলুদ ডিফেন্ডাররা। এসসি ইস্টবেঙ্গলের খেলায় কোনও ছন্দ দেখা যায়নি। তিনটি ম্যাচে হার, দুটি ম্যাচে ড্র। যে দুটি ম্যাচে মানোলো দিয়াজের দল ড্র করেছে, তাতে নিজেদের থেকে বিপক্ষ দলের ফুটবলারদের কৃতিত্ব বেশি। ফুটবলারদের ভুল শুধরে দিলেও বারবার একই ভুল হচ্ছে। সংশোধনের কোনও ইচ্ছে লালহলুদ ফুটবলারদের নেই। এইরকম চলতে থাকলে কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধেও জয় আসা কঠিন।একেই দল খারাপ অবস্থায়, তার ওপর একাধিক ফুটবলারের চোট। সমস্যা আরও বেড়েছে মানোলো দিয়াজের। কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধেও মাঠে নামার মতো জায়গায় আসেননি গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্য। জ্যাকিচাঁদ সিং, সিডোয়েলরাও এখনও পুরো ফিট নন। এই দুই ফুটবলারকেও কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে পাবেন না মানোলো দিয়াজ। আগের ম্যাচে জয়ে ফিরেছে কেরালা ব্লাস্টার্স। বিপক্ষকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন লালহলুদ কোচ।

ডিসেম্বর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Vijoy Hazare Trophy: ‌‌তামিলনাডুর কাছে বিধ্বস্ত, বিজয় হাজারেতে অস্তিত্ব সংকটে বাংলা

সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতায় ব্যর্থতা। কোয়ার্টার ফাইনালে কর্ণাটকের কাছে হেরে প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নিতে হযেছিল বাংলাকে। বিজয় হাজারে ট্রফিতে তো আরও খারাপ অবস্থা। গ্রুপ পর্যায়ের বাধা টপকানোই অসম্ভব হয়ে পড়েছে বাংলার কাছে। শনিবার তামিলনাডুর কাছে অস্তিত্ব সংকটে বাংলা। দীনেশ কার্তিকদের কাছে ১৪৬ রানে বিধ্বস্ত হলেন সুদীপ চ্যাটার্জিরা। তরুণ ক্রিকেটারদের নিয়ে সাফল্যের যে স্বপ্ন দেখেছিল বাংলার টিম ম্যানেজমেন্ট, এককথায় সেই স্বপ্ন ধুলিস্যাৎ হয়ে গেল। একদিন আগেই পুদুচেরির কাছে ডাকওয়ার্থ ও লুইস নিয়মে হারের ধাক্কা বাংলা যে কাটিয়ে উঠতে পারেনি, তা পরিস্কার। তাছাড়া প্রথম দুটি ম্যাচে বাংলাকে তেমন কঠিন প্রতিপক্ষর সামনে পড়তে হয়নি। তামিলনাডুর মতো শক্ত প্রতিপক্ষর মুখে পড়ে বাংলার ক্রিকেটের অন্তঃসারশূন্যতা প্রকট হয়ে উঠল। বোঝা গেল বাংলার ক্রিকেট যে তিমিরে ছিল, সেই তিমিরেই রয়েছে।ত্রিবান্দমের গ্রিনফিল্ড স্টেডিয়ামে এদিন টসে জিতে তামিলনাডুকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিল বাংলার অধিনায়ক সুদীপ চ্যাটার্জি। শুরুটা ভাল হয়নি তামিলনাডুর। বাংলার দুই জোরে বোলার মুকেশ কুমার ও আকাশ দীপের আঁটোসাঁটো বোলিংয়ের সামনে সেভাবে আক্রমণাত্মক হয়ে উঠতে পারেননি তামিলনাডুর দুই ওপেনার সাই সুদর্শন ও অধিনায়ক নারায়ন জগদেশন। নবম ওভারের দ্বিতীয় বলে সুদর্শনকে (১২) বোল্ড করেন মুকেশ কুমার। পরের বলেই তুলে নেন ওয়াশিংটন সুন্দরকে (০)। পরপর দুবলে দুটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় তামিলনাডু। ৫০ রান আসে ১৬ ওভারে। এক ওভার পরেই অধিনায়ক নারায়ন জগদেশনকে (৩১) তুলে নেন শাহবাজ আমেদ। এইসময় মনে হচ্ছিল তামিলনাডুর পক্ষে বড় রান তোলা কঠিন হয়ে যাবে। কিন্তু রুখে দাঁড়ান বাবা ইন্দ্রজিৎ ও দীনেশ কার্তিক। তাঁদের ১০৫ রানের জুটি চাপমুক্ত করে তামিলনাডুকে। ৭৩ বলে ৬৪ রান করে প্রদীপ্ত প্রামানিকের বলে শ্রীবৎসর হাতে ক্যাচ দেন বাবা ইন্দ্রজিৎ। ইন্দ্রজিৎ আউট হলেও মনঃসংযোগ হারাননি দীনেশ কার্তিক। দলকে টেনে নিয়ে যান এই অভিজ্ঞ উইকেটকিপারব্যাটার। শেষ পর্যন্ত ৯৫ বলে ৮৭ রান করে আকাশ দীপের বলে শ্রীবৎসর হাতে ক্যাচ দেন কার্তিক। এরপর গ্রিনফিল্ড স্টেডিয়ামের বাইশ গজে ঝড় তোলেন জগদীশন কৌশিক ও শাহরুখ খান। এই দুজনের ঝড়ে উড়ে যান মুকেশ কুমার, আকাশ দীপরা। শেষ ৭ ওভারে তামিলনাডু তোলে ৯৭ রান। ৩১ বলে ৫০ রান করেন কৌশিক। শাহরুখ ১২ বলে করেন ৩২। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৯৫ রান তোলে তামিলনাডু। মুকেশ কুমার ৭১ রানে ও আকাশ দীপ ৬৪ রানে ৩টি করে উইকেট নেন। সামনে বড় রানের লক্ষ্য দেখে চাপে পড়ে যায় বাংলা। তার ওপর দ্বিতীয় ওভারেই ধাক্কা খায়। রঘুপতি সিলাম্বরসনের বলে আউট হন শ্রীবৎস গোস্বামী (১)। অভিষেক দাস ও তিন নম্বরে নামা ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি বাংলাকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। ১১.২ ওবারে আউট হন অভিষেক (৩০)। পরের ওভারেই ফেরেন ঋত্ত্বিক (১৬)। এরপর নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়তে থাকায় আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি বাংলা। সুদীপ চ্যাটার্জি (১৫), কাইফ আমেদ (১০), ঋত্ত্বিক রায় চৌধুরি (১২), শাহবাজ আমেদরা (৫) ব্যর্থ। সুমন্ত গুপ্ত (২৫) ও প্রদীপ্ত প্রামানিক (২৮) কিছুটা লড়াই করেন। ৩৯.১ ওভারে ১৪৯ রাননে গুটিয়ে যায় বাংলার ইনিংস। রঘুপতি সিলাম্বরসন ২৮ রানে ৪ উইকেট নেন। ৩ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট পেয়ে গ্রুপ শীর্ষে তামিলনাডু। ৩ ম্যাচে কর্ণাটকের পয়েন্ট ৮, বাংলার ৪। বাংলাকে পরের দুটি ম্যাচে খেলতে হবে মুম্বই ও কর্ণাটকের বিরুদ্ধে।

ডিসেম্বর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Vijoy Hazare Trophy: ‌‌পুদুচেরীর বিরুদ্ধে সহজ ম্যাচে বাংলার পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়াল বৃষ্টি

বিজয় হাজারে ট্রফির প্রথম ম্যাচেই শক্তিশালী বরোদার বিরুদ্ধে দুর্দান্ত জয়। বাংলা শিবিরের আশা ছিল দ্বিতীয় ম্যাচে পুদুচেরীকে হারিয়ে লিগ টেবিলে এগিয়ে যাওয়া। স্বপ্নপূরণ হল না সুদীপ চ্যাটার্জির। বাংলার পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়াল বৃষ্টি। বড় রান তুলেও জয় অধরা থেকে গেল। বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে ডাকওয়ার্থ ও লুইস পদ্ধতিতে বাংলার পরাজয় ৮ রানে। বরোদার বিরুদ্ধে বাংলার ম্যাচ ছিল গ্রীনফিল্ড স্টেডিয়ামে। এদিন পুদুচেরী ম্যাচ ছিল মঙ্গলাপূরমে। উইকেট একেবারে অজানা। কেমন আচরণ করবে সে সম্পর্কে কোনও ধারণা ছিল না বাংলা শিবিরের কাছে। তাই টস জিতে ঝুঁকি নেননি বাংলার অধিনায়ক সুদীপ চ্যাটার্জি। প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন। প্রথম ম্যাচে রান পাওয়া অভিষেক দাস এদিন ব্যর্থ। মাত্র ৮ রান করে তিনি আউট হন। কাইফ আমেদও (০) এদিন রান পাননি। শ্রীবৎস গোস্বামী (৪৫) অবশ্য প্রথম ম্যাচের ব্যর্থতা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ালেন। একের পর এক উইকেট পড়লেও তিনি একপ্রান্ত ধরে রেখেছিলেন। সুদীপ চ্যাটার্জি (২৭), ঋত্ত্বিক রায় চৌধুরিরা (৩২) দ্রুত ফিরে যান। একসময় ১১৮ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল বাংলা। সেখান থেকে শাহবাজ আমেদের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে টেনে নিয়ে যান সুমন্ত গুপ্ত (২২)। শেষদিকে ঝড় তোলেন শাহবাজ। ৮টি চার এবং ৪টি ছয়ের সাহায্যে তিনি ৬০ বলে ৮৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। তাঁর দাপটে ৫০ ওভারে ২৬৪/৮ রানে পৌঁছে যায় বাংলা। বড় ইনিংস গড়লেও ভাগ্য এদিন বাংলার সহায় ছিল না। তৃতীয় ওভারেই পুদুচেরীর প্রথম উইকেট তুলে নেন মুকেশ কুমার। ফেরান অধিনায়ক দামোদরন রোহিতকে (০)। একাদশতম ওভারে অপর ওপেনার রামচন্দ্রন রঘুপতিকে (১৫) তুলে নেন শাহবাজ আআমেদ। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান পবন দেশপান্ডে (অপরাজিত ৬২) ও পরশ ডোগরা (অপরাজিত ৪১)। ৩০ ওভার খেলা হওয়ার পর বৃষ্টি নামে। তখন পুদুচেরীর রান ছিল ২ উইকেটে ১৩২। পরে বৃষ্টি থামলেও মাঠ ভেজা থাকায় আর খেলা শুরু করা যায়নি। সেই সময় ডাকওয়ার্থ ও লুইস নিয়মে পুদুচেরীর সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩০ ওভারে ১২৫। ৮ রানে ম্যাচ জিতে যায় পুদুচেরী।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 40
  • 41
  • 42
  • 43
  • 44
  • 45
  • 46
  • ...
  • 63
  • 64
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজনীতি

বিজেপির সংগঠন থেকে সরলেন রাজ্যের মন্ত্রীরা, বর্ধমান-সহ ৭ জেলায় সভাপতি বদল

রাজ্য বিজেপিতে রদবদল নিয়ে জোর গুঞ্জন চলছিল। শুক্রবার রাজ্যের শীর্ষ পদ থেকে জেলা সভাপতিসহ বেশ কিছু পদে ব্যাপক রদবদল করল বঙ্গ বিজেপি। সামনেই রাজ্যে পুরসভা নির্বাচন। তার আগে এই রদবদল যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এমনকী দলের মহিলা, যুব, এসসি এবং ওবিসি মোর্চার সভাপতিও বদল করা হয়েছে। বিজেপি দলের ঘোষিত নীতিই হল দলে এক ব্যক্তি, এক পদ। সেই অনুযায়ী রাজ্যের মন্ত্রী তাপস রায়, ইন্দ্রনীল খান, জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় এবং অগ্নিমিত্রা পলকে সংগঠন থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। চমকে দেওয়ার মতো খবর অভিনেত্রী অঞ্জনা বসু বিজেপির মহিলা মোর্চার নতুন রাজ্য সভানেত্রী হয়েছেন। এই পদে ছিলেন ফাল্গুনী পাত্র। যুব মোর্চার সভাপতি ইন্দ্রনীল খানকে সরিয়ে বিধায়ক অমিত সামন্তকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ওবিসি মোর্চার সভাপতি হয়েছেন ধনঞ্জয় ঘোষ, এসসি মোর্চার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিশ্বজিৎ বিশ্বাসকে।পাশাপাশি লকেট চট্টোপাধ্যায় এবং বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁকে রাজ্য সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া এই পদে রয়েছেন আরও তিন জন। পুরুলিয়ার সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো, বিজন গোস্বামী ও শশী অগ্নিহোত্রী।এদিন রাজ্যের সাতটি সাংগঠনিক জেলা বর্ধমান, কাটোয়া, শ্রীরামপুর, আরামবাগ, বারাসত, বনগাঁ, মেদিনীপুরে নয়া জেলা সভাপতির নাম ঘোষণা করা হয়েছে। বর্ধমান জেলায় সভাপতি হয়েছেন আইনজীবী আশিষ পাল। এর আগে সভাপতি ছিলেন অভিজিৎ তা। কাটোয়ায় সভাপতি হয়েছেন মানিক রায়। বাকি পাঁচ জেলার সভাপতিরা হলেন, বণগাঁ নৃপেন বিশ্বাস, বারাসাত দীপঙ্কর চক্রবর্তী, শ্রীরামপুর শশী সিং, আরামবাগ প্রশান্ত দীগর, মেদেনীপুর সৌমেন তিওয়ারী। এছাড়া এদিন দলীয় সংগঠনের ৯টি বিভাগে ১৫ জনকে দায়িত্ব দিয়েছেন সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬
রাজ্য

সর্বমঙ্গলার চরণে পুষ্পার্ঘ্য, করলেন আরতি, বর্ধমানে নতুন নজির শুভেন্দুর?

এই প্রথমবার বর্ধমানের অধিষ্ঠার্থী দেবী সর্বমঙ্গলা মন্দিরে পুজো দিলেন রাজ্যের কোনও মুখ্যমন্ত্রী। নতুন ইতিহাস তৈরি হল। শুক্রবার শুক্লপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে সর্বমঙ্গলা দেবীর মন্দিরে গিয়ে পুজো দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। শুধু পুজোই দিয়েই মন ভরেনি দেবীর সামনে আরতিও করেন তিনি। পরে মায়ের কাছে মাথা নত করে আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন মুখ্যমন্ত্রী।পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এই প্রথম সর্বমঙ্গলা দেবীর মন্দিরে এলেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর আগমন উপলক্ষে এদিন বিশেষভাবে সাজিয়ে তোলা হয়েছিল মন্দির চত্বর। মুখ্যমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে বর্ধমানের রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে মন্দির চত্বরেও বহু মানুষের ভিড় জমে যায়। শুক্রবার বেলা ১২টার কিছু পর হেলিকপ্টারে বর্ধমানে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রথমে পুলিশ লাইন মাঠে প্রশাসনিক সভায় যোগ দেওয়ার কথা ছিল। তবে শক্তিগড়ে তৈরি অস্থায়ী হেলিপ্যাডে নামার পর তিনি সরাসরি চলে যান সর্বমঙ্গলা মন্দিরে।মন্দিরে পৌঁছে পুজারি অরুণ কুমার ভট্টাচার্যের সঙ্গে গর্ভগৃহে প্রবেশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র এবং আর এক মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু। তাঁরাও পুজোয় অংশ নেন। গর্ভগৃহের মেঝেতে বসে পুজারি অরুণ কুমার ভট্টাচার্যের সহযোগিতায় সর্বমঙ্গলা দেবীর চরণে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করেন শুভেন্দু অধিকারী। মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে পুজো সম্পন্ন করার পর দেবীর সামনে আরতি করেন তিনি। পুজো শেষে মাথা নত করে দেবীকে প্রণাম জানিয়ে গর্ভগৃহ থেকে বেরিয়ে আসেন মুখ্যমন্ত্রী।মুখ্যমন্ত্রীর জন্য মন্দিরে ভোগ অন্নের আয়োজনও করা হয়েছিল। তবে একাধিক কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার ব্যস্ততা থাকায় তিনি ভোগ গ্রহণ করতে পারেননি। এরপর মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে গাড়িতে করে পুলিশ লাইন মাঠে পৌঁছে প্রশাসনিক সভায় যোগ দেন তিনি।পুজারি অরুণ ভট্টাচার্য জানান, মুখ্যমন্ত্রী অত্যন্ত ভক্তিভরে সর্বমঙ্গলা দেবীর কাছে পুজো নিবেদন করেছেন। তাঁর দাবি, শুভেন্দু অধিকারীই বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী, যিনি সর্বমঙ্গলা দেবীর মন্দিরে এসে পুজো দিলেন। সেই কারণেই শুক্রবার বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা মন্দিরে একটি নতুন ইতিহাস তৈরি হল বলে জানান পুজারি।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬
শিক্ষা

“মেয়েরা সুস্থ থাকলেই এগিয়ে যাবে সমাজ”—কাঞ্চননগর স্কুলে নারী স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা শিবির

নারী সুস্থ থাকলেই সুস্থ পরিবার, সুস্থ সমাজকাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে নারী স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা নিয়ে সচেতনতা শিবিরনারীর স্বাস্থ্য শুধু ব্যক্তিগত বিষয় নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে একটি পরিবার এবং বৃহত্তর সমাজের সুস্থতা। ঋতুকালীন পরিচ্ছন্নতা, পুষ্টি, সংক্রমণ প্রতিরোধ, মানসিক সুস্থতা থেকে শুরু করে দৈনন্দিন স্বাস্থ্যবিধিনারী স্বাস্থ্যের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে সচেতনতা গড়ে তুলতে কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হল বিশেষ সচেতনতা শিবির।শিবিরে ছাত্রীদের সামনে নারী স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন বিদ্যালয়ের শিক্ষিকারা। তাঁদের বক্তব্যে উঠে আসে, স্বাস্থ্যকর অভ্যাস ছোট বয়স থেকেই গড়ে তোলা প্রয়োজন। নিজের শরীর ও স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি বাড়ির পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্বও প্রত্যেকের রয়েছে।বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা সুনীতা সাহা বলেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে নারীস্বাস্থ্যের গুরুত্ব অপরিসীম। একটি পরিবারের সুস্থতার সঙ্গে মেয়েদের স্বাস্থ্য সরাসরি সম্পর্কিত। তাই ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি বাড়িঘর এবং আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়েও ছাত্রীদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তাঁর কথায়, পরিচ্ছন্নতা শুধু অভ্যাস নয়, সুস্থ জীবনযাপনের অন্যতম ভিত্তি।অন্যদিকে শিক্ষিকা নন্দিনী দে স্বাস্থ্যকে শুধুমাত্র শারীরিক সুস্থতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে মানসিক সুস্থতার কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সুস্থ শরীরের পাশাপাশি সুস্থ মনও প্রয়োজন। তাই দৈনন্দিন জীবনে একটি সাধারণ পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবোধ গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি।ঋতুকালীন স্বাস্থ্যবিধি নিয়েও ছাত্রীদের সচেতন করা হয়। এই সময়ে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, সংক্রমণের সম্ভাবনা সম্পর্কে সতর্ক থাকা এবং শরীরের কোনও অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে তা অবহেলা না করার পরামর্শ দেওয়া হয়। পাশাপাশি নিয়মিত শারীরিক সক্রিয়তা বজায় রাখা এবং অলসতা এড়িয়ে চলার কথাও বলা হয়।খাদ্যাভ্যাসের বিষয়টিও উঠে আসে শিবিরে। অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুড এড়িয়ে পুষ্টিকর ও সুষম খাবার গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়। শরীরে ভিটামিন ডি-এর প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে নিয়মিত পর্যাপ্ত সূর্যালোক গ্রহণ এবং খাদ্যতালিকায় উপযুক্ত দুগ্ধজাত খাবার রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক তথা জাতীয় শিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত নারীস্বাস্থ্যের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতার সম্পর্কের বিষয়টিও তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে, অনেক ক্ষেত্রেই নারীর স্বাস্থ্যকে গুরুত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে আর্থিক পরিকাঠামো একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর পাশাপাশি দীর্ঘদিনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অভ্যাসও নারীস্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রত্যেকেরই নিজের সুস্থতার পাশাপাশি অন্যের সুস্থতার কথাও ভাবতে হবে। কারণ, একটি সমাজের প্রকৃত উন্নয়ন তখনই সম্ভব, যখন সেই সমাজের মেয়েরা সুস্থ, সচেতন এবং আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠেন।শিবিরে নারীস্বাস্থ্য নিয়ে এমন নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা ছাত্রীদের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা নেয়। শুধু রোগ প্রতিরোধ নয়, দৈনন্দিন জীবনে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলাই যে সুস্থ ভবিষ্যতের অন্যতম চাবিকাঠিসেই বার্তাই উঠে আসে এই সচেতনতা শিবির থেকে।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬
কলকাতা

রক্ষাকবচ গেল, এবার জামিনের আবেদন! মিলন প্রধানের মামলায় হাই কোর্টে বড় নির্দেশ

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের আইনি লড়াইয়ে নতুন মোড়। সিঙ্গল বেঞ্চের দেওয়া রক্ষাকবচের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে রাজ্য ডিভিশন বেঞ্চে যায়। সেই মামলায় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে এবং বিচারপতি ওম নারায়ণ রাইয়ের ডিভিশন বেঞ্চ মিলনের রক্ষাকবচের আবেদন খারিজ করে তাঁকে জামিনের আবেদন করতে বলেছে।এর আগে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছিল, মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে নতুন মামলায় আপাতত কোনও কড়া পদক্ষেপ করা যাবে না। ওই মামলায় তাঁকে নতুন করে গ্রেফতারও দেখানো যাবে না বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। আগামী ১২ অক্টোবর পর্যন্ত এই সুরক্ষা বহাল থাকার কথা ছিল। সেই নির্দেশের বিরুদ্ধেই ডিভিশন বেঞ্চে যায় রাজ্য।ডিভিশন বেঞ্চে শুনানির সময় মিলন প্রধানের আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য জানান, তাঁর মক্কেল নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে কংগ্রেসের প্রার্থী। তাঁর দাবি, মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর পরিস্থিতি বদলে যায় এবং পুরনো মামলায় গ্রেফতার করা হয়। ভোটের আগে নতুন মামলায় জামিন চাওয়ার মতো পর্যাপ্ত সময় নেই বলেও আদালতে সওয়াল করেন তিনি।জবাবে প্রধান বিচারপতি জানান, এই ধরনের পরিস্থিতিতে জামিনের আবেদন করাই উপযুক্ত আইনি পথ। তিনি প্রশ্ন তোলেন, আগাম জামিন বা গ্রেফতারের পরে জামিনের আবেদন করা হয়নি কেন। তাঁর বক্তব্য, নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া আইনের বাইরে কোনও বিশেষ সুবিধা পাওয়ার কারণ হতে পারে না। আইন সকলের জন্য সমান।প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, নির্বাচনে লড়ার অধিকার থাকলেও আইন এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। জামিনের আবেদন করা হলে প্রয়োজন অনুযায়ী আদালত দ্রুত শুনানির ব্যবস্থাও করতে পারে বলে তিনি জানান। ছুটির দিন হলেও প্রয়োজন হলে আদালত বসতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।অন্য দিকে রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল রাজদীপ মজুমদার আদালতে জানান, মিলন প্রধানকে যে মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে, সেখানে আগে থেকেই গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল। সেই পরোয়ানার ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে রাজ্যের দাবি। নতুন যে মামলাটি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, সেখানেও ১৯ সেপ্টেম্বরই তাঁকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছিল বলে জানায় রাজ্য।রাজ্যের আরও দাবি, পুরনো মামলাগুলি আগের সরকার প্রত্যাহার করতে চেয়েছিল। সেই কারণে দীর্ঘ সময় ওই মামলাগুলিতে কার্যকর পদক্ষেপ হয়নি। রাজ্যের বক্তব্য, সংশ্লিষ্ট মামলাগুলিতে ২০২১ সাল থেকেই গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল এবং নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনেই বর্তমানে পদক্ষেপ করা হয়েছে।মিলন প্রধানকে ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম জমি আন্দোলন পর্বের পুরনো মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে খুন, খুনের চেষ্টা, জমায়েত এবং লুটপাট-সহ একাধিক অভিযোগের মামলা রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তাঁর গ্রেফতারির পর থেকেই নন্দীগ্রামের উপনির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।এদিকে মিলনের জামিনের আবেদন নিয়েও আলাদা করে শুনানি চলছে। বৃহস্পতিবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের বেঞ্চে সেই মামলায় মিলনকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়ার কথা বলা হয় এবং অন্তর্বর্তী জামিন দেওয়ার বিষয়েও আদালত মত জানায়। ফলে মিলন প্রধানের ক্ষেত্রে রক্ষাকবচ এবং জামিনদুই আইনি প্রক্রিয়াই এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন আগামী ৬ অক্টোবর। ভোটের আগে মিলন প্রধানের আইনি পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬
কলকাতা

‘বেইমানি করতে পারব না গুরু’, বিজেপির টাকা বিতর্কে আচমকাই মুখ খুললেন বং গাই

বাংলার জনপ্রিয় ইউটিউবার কিরণ দত্ত, যিনি বং গাই নামে পরিচিত, ইনফ্লুয়েন্সারদের রাজনৈতিক প্রচারে টাকা নেওয়া নিয়ে তৈরি বিতর্কের মধ্যে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন। সমাজমাধ্যমে তিনি জানালেন, কোনও রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তিনি কোনও দিন ভিডিও বানাননি এবং ভবিষ্যতেও তা করবেন না। তাঁর এই মন্তব্যের পরেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া বিজেপির নির্বাচনী খরচের হিসাব প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই সমাজমাধ্যমে এই বিতর্ক শুরু হয়। সেই হিসাবে দেখা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে কনটেন্ট তৈরির জন্য শমীক অধিকারীর নামে ১৩ লক্ষ টাকা এবং সায়ক চক্রবর্তীর নামে আড়াই লক্ষ টাকা খরচ দেখানো হয়েছে। এই তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর দুই কনটেন্ট নির্মাতাকে ঘিরে সমাজমাধ্যমে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।এই বিতর্কের মধ্যেই কিরণ দত্ত নিজের সমাজমাধ্যমের পাতায় লেখেন, কোনও রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তিনি কোনও দিন একটি ভিডিওও বানাননি। ভবিষ্যতেও এমন করবেন না বলে স্পষ্ট জানান তিনি। নিজের অনুরাগীদের উদ্দেশে তাঁর বক্তব্য, তাঁকে তাঁরা যে জায়গা দিয়েছেন এবং খারাপ সময়ে যেভাবে পাশে থেকেছেন, তার সঙ্গে তিনি বেইমানি করতে পারবেন না।কিরণ আরও লেখেন, তিনি নদিয়ার একটি ছোট জায়গার ছেলে। সেখান থেকে তাঁকে যে জায়গায় পৌঁছে দিয়েছেন দর্শকেরাই, সেই সম্পর্ক তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর কথায়, তিনি যা পেয়েছেন, তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি। তাই এভাবেই ভালো থাকতে চান তিনি।বিজেপির নির্বাচনী খরচের হিসাব প্রকাশ্যে আসার পর শুধু কিরণ দত্তই নন, আরও কয়েক জন পরিচিত মুখ এই বিতর্কে নিজেদের অবস্থান জানিয়েছেন। অভিনেতা অরিত্র দত্ত বণিকও দাবি করেছেন, বিজেপির হয়ে প্রচারের জন্য তিনি কোনও টাকা নেননি। অন্য দিকে, সমাজমাধ্যমে শমীক অধিকারী এবং সায়ক চক্রবর্তীকে নিয়ে সমালোচনা ও পাল্টা মন্তব্যও শুরু হয়েছে।শমীক অধিকারীর বাটন নামে ভিডিওটি নির্বাচনের আগে ব্যাপকভাবে আলোচনায় এসেছিল। অন্য দিকে, সায়ক চক্রবর্তী একটি রেস্তরাঁয় গোমাংস পরিবেশন নিয়ে তৈরি বিতর্কের কারণে আলোচনায় এসেছিলেন। এখন নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া খরচের হিসাব সামনে আসায় সেই পুরনো ঘটনাগুলিও নতুন করে আলোচনায় ফিরেছে।তবে কোনও নির্দিষ্ট ভিডিও বা ঘটনার পিছনে রাজনৈতিক দলের অর্থ থাকার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর আগে সংশ্লিষ্ট নথি, বক্তব্য এবং প্রেক্ষাপট দেখা জরুরি। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া খরচের হিসাবে কারও নামে টাকা দেখানো হয়েছে মানেই সেই ব্যক্তির প্রতিটি রাজনৈতিক বক্তব্য বা প্রতিটি ভিডিও ওই অর্থের বিনিময়ে তৈরি হয়েছে, এমন সিদ্ধান্ত সরাসরি টানা যায় না।এই পরিস্থিতিতে কিরণ দত্তের বক্তব্যের মূল কথা হল, তিনি কোনও রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ভিডিও তৈরি করেননি এবং ভবিষ্যতেও করবেন না। ইনফ্লুয়েন্সারদের রাজনৈতিক অবস্থান, অর্থের বিনিময়ে প্রচার এবং দর্শকের প্রতি তাঁদের দায়এই তিনটি বিষয় নিয়েই নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬
বিদেশ

ভয়াবহ বন্যার পর রাষ্ট্রপুঞ্জে বড় বার্তা বলেন্দ্রর! হিমালয় বাঁচাতে ভারত-চিনকে একসঙ্গে চান নেপালের প্রধানমন্ত্রী

নেপালের ভয়াবহ হড়পা বন্যা ও তার পরবর্তী বিপর্যয়ের প্রভাব নিয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ সভায় সরব হলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহ। বৃহস্পতিবার নিউ ইয়র্কে রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ সভার অধিবেশনে বক্তৃতা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বিপর্যয় শুধু নেপালের সমস্যা নয়, গোটা বিশ্বের জন্য একটি সতর্কবার্তা।সাম্প্রতিক বন্যায় নেপালের পার্বত্য অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সরকারি হিসাবে মৃতের সংখ্যা ইতিমধ্যেই প্রায় ১,৪০০ ছাড়িয়েছে এবং কয়েক হাজার মানুষ এখনও নিখোঁজ। নেপালের অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, উদ্ধার ও পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। তবে দশ হাজার মৃত্যু এখনও নিশ্চিত সংখ্যা নয়, সম্ভাব্য সর্বোচ্চ আশঙ্কা হিসেবেই তা উল্লেখ করা হয়েছে।এই ভয়াবহ বিপর্যয়ের প্রসঙ্গ তুলে বলেন্দ্র জানিয়েছেন, হিমালয়ের পরিবেশ দ্রুত বদলে যাচ্ছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, হিমবাহ গলছে, পাহাড়ের ঢাল আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে এবং নদীগুলির আচরণও আগের তুলনায় অনিশ্চিত হচ্ছে। এর ফলে বন্যা, ধস এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঝুঁকি বাড়ছে।বলেন্দ্রর মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব কোনও দেশের সীমান্ত মেনে চলে না। হিমালয়ের এক প্রান্তে বিপর্যয় শুরু হলে তার প্রভাব অন্য দেশেও পড়তে পারে। সাম্প্রতিক বন্যার ক্ষেত্রেও নেপাল থেকে নেমে আসা জলের প্রভাব ভারত পর্যন্ত পৌঁছেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।এই পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপুঞ্জের মঞ্চ থেকেই ভারত ও চিনকে নিয়ে একটি নতুন যৌথ ব্যবস্থার প্রস্তাব দিয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী। তাঁর প্রস্তাব, নেপাল, ভারত ও চিনের নেতৃত্বে একটি হিমালয় জলবায়ু সহনশীলতা ব্যবস্থা তৈরি করা হোক। এর মাধ্যমে উপগ্রহের তথ্য ও বৈজ্ঞানিক দক্ষতা ভাগ করে নেওয়া, বিপজ্জনক হিমবাহ ও হিমবাহ-হ্রদ পর্যবেক্ষণ, আগাম সতর্কবার্তা জোরদার করা এবং বিপর্যয়ের সময় সীমান্ত পেরিয়ে উদ্ধার ও ত্রাণে সমন্বয় করা যেতে পারে।বলেন্দ্র আরও বলেন, হিমালয় যেন শুধু বিভিন্ন দেশের মধ্যে সীমান্ত হয়ে না থাকে। বরং এই অঞ্চলকে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার একটি ক্ষেত্র হিসেবে গড়ে তোলা প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য, তিন দেশ একসঙ্গে কাজ করলে বিপর্যয়ের আগে সতর্কতা এবং বিপর্যয়ের পরে উদ্ধারদুই ক্ষেত্রেই প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী করা সম্ভব।বিপর্যয়ের পর নেপালকে দ্রুত সাহায্য করার জন্য ভারত ও চিনকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী। সাম্প্রতিক দুর্যোগের পর দুই দেশই উদ্ধার ও ত্রাণের কাজে সহযোগিতা করেছে বলে তিনি রাষ্ট্রপুঞ্জে জানান।হিমালয় অঞ্চলে প্রায় ২০০ কোটি মানুষের জল, কৃষি, জীবিকা এবং পরিবেশের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন বলেন্দ্র। তাঁর বক্তব্য, হিমালয়ের পরিবেশগত পরিবর্তন তাই শুধু নেপাল, ভারত বা চিনের বিষয় নয়, এর প্রভাব অনেক বড় এলাকায় পড়তে পারে।সাম্প্রতিক বিপর্যয়কে সামনে রেখে নেপালের প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শুধু দুর্যোগের পরে উদ্ধারকাজ করলেই হবে না। আগাম সতর্কতা, তথ্য আদানপ্রদান, বিপর্যয় মোকাবিলার পরিকাঠামো এবং আঞ্চলিক সহযোগিতার উপর জোর দিতে হবে। হিমালয় অঞ্চলে ভবিষ্যতের বিপর্যয় মোকাবিলায় ভারত, চিন এবং নেপালকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বানই তাঁর বক্তব্যের অন্যতম প্রধান বিষয় হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬
রাজ্য

পুজো মিটলেই পুরভোটের দামামা! কলকাতা-সহ সাত পুরসভায় কবে ভোট, সামনে এল সম্ভাব্য দিন

পুজোর মরসুম শেষ হলেই রাজ্যে পুরভোটের আবহ তৈরি হতে পারে। কলকাতা, হাওড়া, বালি, হলদিয়া, ধূপগুড়ি, কালিম্পং এবং কার্শিয়াংএই সাতটি পুরসভায় নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে ভোট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে রাজ্য নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর। তবে এখনও ভোটের দিনক্ষণ আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা হয়নি। সাম্প্রতিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে ভোট হতে পারে এবং ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই গোটা প্রক্রিয়া শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।এই সাতটি পুরসভায় মোট ৬৩০১টি বুথে ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। ভোটের পরিকাঠামো চূড়ান্ত করতে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলির জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার কৃষ্ণ গুপ্ত। কোথায় কত বুথ, কত ইভিএম এবং কত সংখ্যক ভোটকর্মী ও নিরাপত্তাকর্মী প্রয়োজন, সেই বিষয়গুলি নিয়ে প্রস্তুতি চলছে। কমিশন সূত্রে খবর, আগামী সপ্তাহ থেকেই সংশ্লিষ্ট জেলাগুলিতে ইভিএম পাঠানোর কাজ শুরু হতে পারে।প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, পুজোর পর অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে পুরভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি হতে পারে। তার পর নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে ভোটগ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে। বিভিন্ন প্রশাসনিক সূত্রের বক্তব্য অনুযায়ী, ২৭ থেকে ২৯ নভেম্বরের মধ্যে ভোট হতে পারে। তবে চূড়ান্ত দিনক্ষণ কমিশনের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরেই নিশ্চিত হবে।এই পুরভোটে সবচেয়ে বেশি নজর রয়েছে কলকাতা ও হাওড়ার দিকে। হাওড়া পুরসভায় শেষ নির্বাচন হয়েছিল ২০১৩ সালে। ২০১৮ সালে সেই পুরবোর্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে সেখানে নির্বাচিত পুরবোর্ড নেই। প্রশাসকের মাধ্যমে পুর পরিষেবা পরিচালিত হচ্ছে। ফলে দীর্ঘ ১৩ বছর পর হাওড়ায় পুরভোট হতে পারে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।বর্তমানে রাজ্যের ১২টি জেলার মোট ১৫টি পুরসভায় নির্বাচিত পুরবোর্ড নেই। প্রশাসক বসিয়ে সেখানে পুর পরিষেবা চালানো হচ্ছে। হাওড়া ছাড়াও দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচন হয়নি এমন পুরসভাগুলির মধ্যে রয়েছে দুর্গাপুর, ডোমকল, রায়গঞ্জ, বুনিয়াদপুর, পূজালি, কার্শিয়াং, মিরিক, কালিম্পং, পাঁশকুড়া, হলদিয়া, কুপার্স ক্যাম্প, নলহাটি, বালি এবং ধূপগুড়ি।এর পাশাপাশি আগামী বছরের শুরুতেই রাজ্যের আরও বেশ কিছু পুরসভার বর্তমান বোর্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। ফলে দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচিত বোর্ড না থাকা পুরসভা এবং মেয়াদ শেষ হতে চলা পুরসভাগুলিকে নিয়ে আগামী কয়েক মাসে বড় আকারের পুরভোটের প্রস্তুতি নিতে হবে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে।নির্বাচন কমিশনের সামনে এখন সবচেয়ে বড় কাজ হল সময়মতো ভোটের সমস্ত প্রস্তুতি শেষ করা। ভোটার তালিকা, বুথ, ইভিএম, ভোটকর্মী এবং নিরাপত্তার ব্যবস্থাপ্রতিটি বিষয়েই কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সাত পুরসভার ভোটের প্রস্তুতি শেষ করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে বাকি পুরসভাগুলির নির্বাচন কী ভাবে করা যায়, সেই পরিকল্পনাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।ফলে পুজোর মরসুম শেষ হওয়ার পরেই রাজ্যে ফের ভোটের আবহ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। কলকাতা ও হাওড়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ পুরসভা-সহ সাতটি পুরসভায় নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে ভোট হলে ডিসেম্বরের শুরুতেই ফল প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে চূড়ান্ত সূচির জন্য এখন অপেক্ষা করতে হবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬
দেশ

গাঁজার পর এবার মদ! বিমান ওড়ানোর আগেই পরীক্ষায় ধরা পড়লেন এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলট

জুরিখ থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমান ওড়ার ঠিক আগে মদ্যপ অবস্থায় ধরা পড়লেন সংস্থার এক পাইলট। উড়ানের আগে নিয়মমাফিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতেই তাঁর শরীরে অ্যালকোহলের উপস্থিতি ধরা পড়ে বলে জানা গিয়েছে। এরপরই তাঁকে বিমান চালানোর দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় এবং সাময়িক ভাবে সাসপেন্ড করা হয়েছে।ঘটনাটি গত ৪ সেপ্টেম্বরের। জুরিখ বিমানবন্দর থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা ছিল এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটির। উড়ানের আগে পাইলটের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। সেই পরীক্ষাতেই তাঁর শরীরে নির্ধারিত সীমার বেশি অ্যালকোহলের উপস্থিতি ধরা পড়ে বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।বিষয়টি সামনে আসার পরই পাইলটকে বিমান চালানো থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তাঁর পরিবর্তে অন্য এক পাইলট বিমানটি নিয়ে দিল্লি রওনা দেন। চূড়ান্ত চিকিৎসা পরীক্ষার রিপোর্ট এবং সংস্থার অভ্যন্তরীণ তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ওই পাইলট সাসপেন্ড থাকবেন বলে জানা গিয়েছে।এয়ার ইন্ডিয়ার তরফে জানানো হয়েছে, যাত্রী নিরাপত্তা এবং সংস্থার নির্ধারিত নিয়ম মানার ক্ষেত্রে তারা কোনও আপস করে না। নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট পাইলটের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে বলেও সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে। সমস্ত বিমানকর্মীকে নিরাপত্তার সর্বোচ্চ মান মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এই ঘটনার আগে এয়ার ইন্ডিয়ার আরও একটি বিমানকে ঘিরে পাইলটের মাদক পরীক্ষার বিষয়টি সামনে এসেছিল। গত ৪ আগস্ট ফুকেত থেকে দিল্লিগামী একটি এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান মাঝআকাশে আচমকা প্রায় ৩০০ ফুট উচ্চতা হারায়। ঘটনায় যাত্রী এবং বিমানকর্মী মিলিয়ে ২৪ জন আহত হন। প্রাথমিক তদন্তে বিমানের তিনটি জলচাপ ব্যবস্থা সাময়িক ভাবে বিকল হয়ে যাওয়ার কথা উঠে এসেছে।ওই ঘটনার তদন্তের সময় বিমানের চালকের মাদক পরীক্ষাতেও নিষিদ্ধ মনঃপ্রভাবকারী পদার্থের উপস্থিতি ধরা পড়ে। পরবর্তী পরীক্ষায় ওই ফল নিশ্চিত হয় এবং পরে এয়ার ইন্ডিয়া সংশ্লিষ্ট পাইলটের চাকরি বাতিল করে। তবে বিমানের যান্ত্রিক ত্রুটি এবং ওই পাইলটের মাদক গ্রহণের মধ্যে সরাসরি কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা তদন্তে এখনও নিশ্চিত হয়নি।ফুকেত-দিল্লি বিমানের ঘটনার পর এয়ার ইন্ডিয়া তাদের পাইলটদের মাদক পরীক্ষার ব্যবস্থাও আরও জোরদার করার কথা জানিয়েছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই জুরিখে আরও এক পাইলটের শরীরে অ্যালকোহলের উপস্থিতি ধরা পড়ায় বিমানকর্মীদের শারীরিক সক্ষমতা এবং উড়ানের আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষার গুরুত্ব নিয়ে ফের আলোচনা শুরু হয়েছে।বিমান চালানোর ক্ষেত্রে পাইলটের শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই উড়ানের আগে পরীক্ষায় কোনও অনিয়ম ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট পাইলটকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া এবং তদন্তের মাধ্যমে বিষয়টি খতিয়ে দেখার নিয়ম রয়েছে। জুরিখের ঘটনাতেও সেই প্রক্রিয়াই অনুসরণ করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।এখন চূড়ান্ত চিকিৎসা পরীক্ষার রিপোর্ট এবং অভ্যন্তরীণ তদন্তে কী উঠে আসে, সেদিকেই নজর। তার পরেই ওই পাইলটের বিরুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal