• ৭ কার্তিক ১৪৩৩, সোমবার ২৬ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bengal

রাজনীতি

ব্রেকিংঃ বঙ্গ বিজেপির দুই শীর্ষ নেতাকে সাময়িক বরখাস্ত, গুঞ্জন বাড়ল

শেষমেশ রাজ্য বিজেপির দুই শীর্ষ নেতাকে সাময়িক বরখাস্ত করল দল। এর আগে রীতেশ তেওয়ারি ও জয়প্রকাশ মজুমদারকে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের প্রশ্নে শোকজ করেছিল দল। এবার সাময়িক বরখাস্ত করল বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সোমবার রাজ্য বিজেপির কার্যালয় সম্পাদক প্রণয় রায় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নির্দেশে নিম্নলিখিত ব্যক্তিদ্বয়ের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের দল থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হচ্ছে।রাজ্য বিজেপির নতুন কমিটিতে শীর্ষ নেতৃত্বের অনেকেই জায়গা পায়নি। এদিকে দলের মতুয়া নেতাদের অভিযোগ, তাঁদের প্রতিনিধিদেরও ব্রাত্য রেখেছে রাজ্য বিজেপি। মূলত দলের বিক্ষুব্ধ অংশ ও মতুয়া প্রতিনিধিরা এক হয়ে নানান জায়গায় বৈঠক করছেন। এমনকী পিকনিকও চলছে দুই তরফের উপস্থিতিতে। তাঁদের বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা মতুয়া সঙ্ঘাধিপতি শান্তনু ঠাকুর রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের প্রতি তোপ দেগেছেন। গতকালও রীতেশ তেওয়ারী ও জয়প্রকাশ মজুমদারের পাশেই দাঁড়িয়েছেন শান্তনু ঠাকুর। তবে শুধু এই দুজন নয়, বঙ্গ বিজেপির বহু শীর্ষ নেতাই বৈঠকগুলিতে হাজির থেকেছেন। এবার সাময়িক বরখাস্ত করার পর আর কারও ওপর এই খাড়া পড়ে কিনা সেটাই এখন মূল চর্চা রাজনৈতিক মহলে।

জানুয়ারি ২৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

হটাত কি এমন হল ছোটপর্দায় কাজের ইচ্ছে হারালেন বাবুল সুপ্রিয়?

বাবুল সুপ্রিয়র জীবনে এটা একটা বড় চমক হতে পারতো। কিন্তু তাঁর রাজনৈতিক জীবনের চাপের জন্য সেটা আর হচ্ছেনা। আপনারা ভাবছেন তো কি নিয়ে কথা বলছি। তাহলে পুরোটা খোলসা করেই বলি। কয়েকদিন আগে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল রাজ চক্রবর্তীর প্রোডাকশনের ছোট পর্দায় একটি ধারাবাহিকে অভিষেক হতে চলেছে বাবুল সুপ্রিয়র। তাও আবাও প্রধান চরিত্রে। তাঁর বিপরীতে থাকবেন সাঁঝের বাতির চারু অর্থাৎ অভিনেত্রী দেবচন্দ্রিমা। খবরটা প্রকাশ্যে আসতেই অনেক আলোচনা শুরু হয়ে যায়। কিন্তু কাজের চাপে বা বলা ভালো রাজনৈতিক জীবনের চাপে আপাতত সরে দাঁড়াতে হচ্ছে বাবুলকে। তবে নিন্দুকেরা আবার অন্য কথা বলছে। বাবুলের অডিশন নাকি তাদের পছন্দ হয়নি। বাবুলের জায়গায় অভিনয়ের জন্য এখন অন্য জনপ্রিয় মুখের খোঁজ চলছে। ১৪ বছর আগে তরুণ মজুমাদের চাঁদের বাড়ি-তে নায়ক হয়েছিলেন বাবুল। নায়িকা ছিলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। ১৪ বছর পর আবার একটা সুযোগ তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সেটা আর হচ্ছেনা।

জানুয়ারি ২৪, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে একধাক্কায় অনেকটাই কমেছে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা, চিন্তা বাড়িয়েছে মৃত্যু

এক ধাক্কায় রাজ্যে অনেকটা কমে গেল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। গতকালের থেকে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা কমেছে ২,২১১জন। এদিন রাজ্যে করোনা পরীক্ষা গতকালের থেকে অনেকটা কমেছে। গত ২৪ ঘন্টায় ফের কমেছে পজিটিভিটি রেটও। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট চিকিৎসকদের স্বস্তি দিলেও ফের উদ্বেগেই রাখলো মৃত্যুর সংখ্যা।গত ২৪ ঘন্টায় বাংলায় করোনায় সংক্রমিত হয়েছে ৬,৯৮০ জন। গতকাল ছিল ৯,১৫৪। এদিন মোট করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৭৩,২১৪ জনের। গতকাল পরীক্ষা করা হয়েছিল ৮২,৫৬৪ জনের। এদিন পজিটিভিটি রেট কমে হয়েছে ৯.৫৩, যা গতকাল ছিল ১২.৫৮ শতাংশ।করোনা আক্রান্তের সঙ্গে পজিটিভি রেট কমলেও চিন্তায় রেখেছে মৃত্যুর সংখ্যা। এদিনও করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩৬ জনের। গতকাল মৃ্ত্যু হয়েছিল ৩৭ জনের। শুক্রবার সংখ্যাটা ছিল ৩৫। টানা আক্রান্তের সংখ্যা হ্রাস-বৃ্দ্ধি ঘটলেও এদিন অনেকটা কমেছে আক্রান্তের সংখ্যা। মৃত্যুর সংখ্যা কিন্তু তিরিশের ঘরেই থেকে যাচ্ছে। এদিন সর্বাধিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে কলকাতায়, ১০ জন। হাওড়ায় ৬ জন ও উত্তর ২৪ পরগনায় ৫ জনের করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে। রাজ্যে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২০,৪১৮। অনেক দিন পর কলকাতায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা এক হাজারের নীচে নেমেছে। এদিন কলকাতায় ৯৭৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। গতকালের থেকে ৫১৬ জন কমেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। গতকাল ছিল ১,৪৮৯। উত্তর ২৪ পরগনাতেও করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৯৬০।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ৯৭৩উত্তর ২৪ পরগনা ৯৬০দক্ষিণ ২৪ পরগনা ৪৮৪হাওড়া ২২১পশ্চিম বর্ধমান ২৫৮পূর্ব বর্ধমান ৩৯৯হুগলি ২৩৫বীরভূম ৪৪৯নদিয়া ৩৪০মালদা ৩১৩মুর্শিদাবাদ ২৬২পশ্চিম মেদিনীপুর ১৪৬পূর্ব মেদিনীপুর ১০৭পুরুলিয়া ১৪৫দার্জিলিং ৪৩৩বাঁকুড়া ১৬৭জলপাইগুড়ি ২২০উত্তর দিনাজপুর ১৬০দক্ষিণ দিনাজপুর ১৪২ঝাড়গ্রাম ৬৭কোচবিহার ১৯৩আলিপুরদুয়ার ১৬০কালিম্পং ১৪৬

জানুয়ারি ২৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে আক্রমণভাগে দুই বিদেশি?‌ আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে নামছে এসসি ইস্টবেঙ্গল

একটা জয়ই বদলে দিয়েছে লালহলুদ শিবিরকে। একটা সময় মাঠে নামার আগে কেমন যেন কুঁকড়ে থাকত। মারিও রিভেরা দায়িত্ব নেওয়ার পর বদলে গেছে ছবিটা। এফসি গোয়াকে হারানোর পর আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়ে গেছে। সেই আত্মবিশ্বাসকে সঙ্গী করেই সোমবার হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামছে এসসি ইস্টবেঙ্গল।লালহলুদ সমর্থকদের কাছে সুখবর, দীর্ঘদিন পর আক্রমণভাগে দেখতে পাবেন দুই বিদেশিকে। নির্বাসন কাটিয়ে হায়দরাবাদ এফসি ম্যাচে ফিরছেন আন্তোনীও পেরোসেভিচ। নতুন বিদেশি স্ট্রাইকার মার্সেলো রিবেইরাও কোয়ারেন্টিন পর্ব কাটিয়ে কয়েকদিন আগে অনুশীলনে যোগ দিয়েছেন। তিনিও খেলার মতো জায়গায় রয়েছেন। হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে দুই বিদেশি স্ট্রাইকারকেই খেলানোর পরিকল্পনা রয়েছে লালহলুদ কোচের। তবে দুই বিদেশি স্ট্রাইকারকে একসঙ্গে মাঠে নামাবেন কিনা তা এখনও চূড়ান্ত করেননি মারিও রিভেরা। হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, নির্বাসন কাটিয়ে পেরোসেভিচ মাঠে ফিরছে। মার্সেলোও মাঠে নামার জন্য তৈরি। তবে ওকে শুরু থেকে মাঠে নামাব না পরের দিকে খেলাব, তা এখনও ঠিক করিনি। তবে হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে মার্সেলো খেলবে। ও ভাল ফিনিশার। দুই ডিফেন্ডারের মাঝখান দিয়ে ভাল উঠতে পারে। গোলটা ভাল চেনে।আগের ম্যাচে জয় ফুটবলারদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে বলে মনে দাবি করেন লালহলুদ কোচ। রিভেরার কথায়, জয় এলে যে কোনও দলের মনোবল ও আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়। ভাল খেলার জন্য ফুটবলারদের তাগিদ বাড়ে। আগের ম্যাচে ছেলেরা দারুণ ডিফেন্স সামলেছে। এর থেকেই প্রমাণিত ফুটবলাররা মানসিকভাবে কতটা ভাল জায়গায় রয়েছে। এফসি গোয়া ম্যাচে লং পাসে না খেলে ছোট ছোট পাসে দ্রুত গতিতে আক্রমণ শানিয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। হায়দরাবাদ এফসি ম্যাচেও একই স্ট্র্যাটেজিতে দলকে খেলাতে চান মারিও রিভেরা।হায়দরাবাদ এফসিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন লালহলুদ কোচ। বিপক্ষ দল সম্পর্কে রিভেরা বলেন, এবারের আইএসএলে অন্যতম সেরা দল হায়দরাবাদ এফসি। দলের মধ্যে দারুণ ভারসাম্য রয়েছে। যেমন দ্রুতগতিতে আক্রমণে উঠে আসে, তেমনই আবার রক্ষণও সামলায়। এই রকম দলের বিরুদ্ধে লড়াই করা বেশ কঠিন। তবে আমার দলের ফুটবলাররাও তৈরি। আগে ম্যাচে জোড়া গোল করে দলকে জিতিয়েছিলেন নওরেম মহেশ সিং। আক্রমণভাগে পেরোসেভিচ, মার্সেলো রিবেইরার সঙ্গে মহেশ সিংকে জুড়ে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

জানুয়ারি ২৩, ২০২২
রাজ্য

ভারতীয় সেনায় বাঙালি রেজিমেন্টের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি বাংলা পক্ষর

ভারতীয় সেনায় বাঙালি রেজিমেন্টের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রীকে চিঠি দিল বাংলা পক্ষ। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে যাতে এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দেওয়া হয় সেই আবেদন জানিয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিবকেও চিঠি দিয়েছে বাংলা পক্ষ। নেতাজি সুভাষ চন্দ্রের জন্মজয়ন্তীতে ফের এই দাবি তুলেছে বাংলা পক্ষ। দীর্ঘ দিন ধরেই এই দাবি করে আসছে বাঙালির জন্য লড়াই করা এই সংগঠন।গতকাল ট্যুইটার ক্যাম্পেনও করেছিল বাংলা পক্ষ।হ্যাসট্যাগ ছিলঃ#Bengali_Regiment_in_Indian_Armyবাংলা পক্ষর দাবি, ভারতীয় সেনায় বাঙালি রেজিমেন্ট চাই। ভারতীয় সেনাবাহিনীতে চাকরির পরীক্ষা বাংলা ভাষায় দেওয়ার সুযোগ চাই। বাংলার সরকার দিল্লির যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের কাছে এই দাবি জানাক।সংগঠনের দাবি, এই ঘোষণা হলে তবেই বীর সুভাষ চন্দ্র বসু ও অসংখ্য বাঙালি বিপ্লবীদের প্রকৃত শ্রদ্ধা জ্ঞাপন হবে। এদিন রাজ্য জুড়ে মহাসমারোহে বীর সুভাষের ১২৫ তম জন্মজয়ন্তী পালন করে বাংলা পক্ষ। নানা জেলায় ট্যাবলো বেরিয়েছে এবং শোভাযাত্রা হয়েছে।

জানুয়ারি ২৩, ২০২২
রাজ্য

পজিটিভিটি রেট কমলেও রাজ্যে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে

রাজ্যে পরীক্ষা বাড়লেও কমেছে পজিটিভিটি রেট। এদিনও করোনা সংক্রমণ ছিল ১০ হাজারের নীচে। গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে করোনা সংক্রিমতের সংখ্যা ৯,১৯১, গতকাল ছিল ৯,১৫৪। এদিন রাজ্যে গতকালের থেকে ১০ হাজার বেশি টেস্ট করা হয়েছে। গতকাল পরীক্ষা করা হয়েছিস ৭২,৭৩৮ জনের, এদিন করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৮২,৫৬৪ জনের। এদিন পজিটিভিটি রেট ১১.১৩, যা গতকাল ছিল ১২.৫৮ শতাংশ।পজিটিভি রেট কমলেও ফের এদিন মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩৭। গত কাল সংখ্যাটা ছিল ৩৫। আক্রান্তের সংখ্যাও দুদিন ধরে ১০ হাজারের নীচে রয়েছে। কিন্তু মৃত্যুর সংখ্যা কমছে না। এদিন হাওড়ায় ৭ ও কলকাতায় ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনায় ৬ জনের করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে। রাজ্যে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০,৩০২। একদিনে রাজ্যে মোট সুস্থ হয়েছে ২০,৩১৩জন। কলকাতায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা গতকালের থেকে সামান্য বেড়ে হয়েছে ১,৪৮৯, গতকাল ছিল ১,৩৭৫ ও জন উত্তর ২৪পরগনায় ১,৩৬০।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ১,৪৮৯উত্তর ২৪ পরগনা ১,৩৬০দক্ষিণ ২৪ পরগনা ৭৩১হাওড়া ৩৪১পশ্চিম বর্ধমান ১৮০পূর্ব বর্ধমান ৪৬৩হুগলি ৩৩৩বীরভূম ৫১৮নদিয়া ৩৯২মালদা ৪৫৫মুর্শিদাবাদ ১৬৬পশ্চিম মেদিনীপুর ২২১পূর্ব মেদিনীপুর ১১২পুরুলিয়া ১৫৮দার্জিলিং ৮১৫বাঁকুড়া ১৯৫জলপাইগুড়ি ৩৩০উত্তর দিনাজপুর ২০৫দক্ষিণ দিনাজপুর ২২০ঝাড়গ্রাম ৮১কোচবিহার ২২১আলিপুরদুয়ার ১৩১কালিম্পং ৭৪

জানুয়ারি ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ডার্বি নিয়ে কী ভাবছেন লালহলুদ কোচ মারিও রিভেরা?

টানা ১১ ম্যাচ জয় ছিল না। অবশেষে আগের ম্যাচে এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে এবারের আইএসএলে প্রথম জয় তুলে নিয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। গুমোট ভাব কেটে স্বস্তি ফিরে এসেছে লালহলুদ শিবিরে। একটা জয়ই আত্মবিশ্বাস বড়িয়ে দিয়েছে গোটা শিবিরের। তার ওপর চোটআঘাত কাটিয়ে উঠছেন ফুটবলাররাও। সোমবার হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে লালহলুদ শিবির যে মনোবল বাড়িয়ে মাঠে নামবে, সেকথা বলার অপেক্ষা রাখে না। হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে শক্তি বাড়িয়ে বাড়িয়ে মাঠে নামবে এসসি ইস্টবেঙ্গল। ৫ ম্যাচের নির্বাসন কাটিয়ে দলে ফিরবেন আন্তোনীয় পেরোসেভিচ। কোয়ারেন্টিন পর্ব কাটিয়ে অনুশীলন শুরু করেছেন ড্যানিয়েল চিমার জায়গায় দলবদলের দ্বিতীয় উইন্ডোতে দলে নেওয়া ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার মার্সেলো রিবেইরো। তাঁকেও হায়দরাবাদ এফসি ম্যাচে পাবেন লালহলুদ কোচ মারিও রিভেরা। রিবেইরাকে ঘিরেই হায়দরাবাদ ম্যাচের পরিকল্পনা করবেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ। এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে ফ্রাঞ্জো পর্চে ও ড্যান সিডোয়েলের পারফরমেন্সও আশাজনক। সব মিলিয়ে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে অনেক ছন্দবদ্ধ লেগেছে। টমিস্লাভ মার্সেলো ছাড়া দলের আর কোনও ফুটবলারের চোট নেই। হীরা মণ্ডলও রবিবার থেকে অনুশীলনে ফিরতে পারেন। সব মিলিয়ে একটা অন্যরকম পরিবেশ লালহলুদ শিবিরে। একটা জয়ই আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে নিয়ে এসেছে। এতদিন জয় না পাওয়া দল কীভাবে বদলে গেল? লালহলুদ কোচ মারিও রিভেরা বলেন, দেশে থাকলেও নিয়মিত আইএসএলের খেলা দেখতাম। আইএসএলে খেলা সব ফুটবলারের খেলার ধরণ আমার জানা। এসসি ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্ব নিয়ে মাঠে নেমে ফুটবলারদের সঙ্গে বন্ধুর মতো মিশেছি। ফলে ওরা সমস্যাগুলো আমাকে খুলে বলতে পেরেছে। সেটাই আমাকে সাহায্য করেছে। এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে খুব বেশি সময় পাননি। এই বছর লালহলুদের খেলা দেখে রিভেরার মনে হয়েছিল ফুটবলাররা একসঙ্গে ৩৪টে পাস খেলতে পারছে না। অনুশীলনে সেটার ওপরই বেশি জোর দিয়েছেন। তাতেই বদলে গেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। নির্বাসন কাটিয়ে পরের ম্যাচে ফিরছেন আন্তোনীয় পেরোসেভিচ। মার্সেলো রিবেইরাকেও পাবেন। আক্রমণভাগে শক্তি অনেকটাই বেড়ে যাবে এসসি ইস্টবেঙ্গলের। এটাই আরও আশাবাদী করে তুলেছে মারিও রিভেরাকে। তিনি বলেন, পেরোসেভিচ খুবই ভাল ফুটবলার। মার্সেলোকে নিয়েও আশাবাদী। অনেক উঁচুমানের স্ট্রাইকার। আশা করছি অন্যদের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেবে। ২৯ জানুয়ারি এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে ম্যাচ। ডার্বির উন্মাদনা সম্পর্কে জানেন রিভেরা। তবে এখনও ডার্বি নিয়ে ফুটবলারদের চাপে ফেলতে চান না। আপাতত হায়দরাবাদ এফসি ম্যাচই পাখির চোখ করছেন।

জানুয়ারি ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ভারতীয় ফুটবলে ইন্দ্রপতন, চলে গেলেন সুভাষ ভৌমিক

ভারতীয় ফুটবলে ইন্দ্রপতন। মারা গেলেন প্রাক্তন ফুটবলার ও ময়দানের কিংবদন্তী কোচ সুভাষ ভৌমিক। বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। শনিবার ভোরে কলকাতার একটি বেসরকারী হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন আশিয়ানজয়ী ইস্টবেঙ্গলের এই কোচ। সুভাষ ভৌমিকের মৃত্যুতে ভারতীয় ক্রীড়াজগতে নেমে এসেছে শোকের ছাড়া। দীর্ঘদিন ধরেই গুরুতর অসুস্থ ছিলেন সুভাষ ভৌমিক। সুগার ও কিডনির অসুখে ভুগছিলেন। নিয়মিত ডায়ালিসিস করাতে হত। প্রতিদিন বাড়ি থেকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ডায়ালিসিস করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। তার ওপর ফুসফুসে সংক্রমণ ধরা পড়ায় সমস্যা আরও বেড়ে যায়। শারিরীক অবস্থা এমন অবনতি হয়েছিল যে কিছুদিন আগে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। আরও ভাল চিকিৎসার জন্য শুক্রবার নব মহাকরণে ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের দপ্তরে একটি জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছিল। বৈঠকে ঠিক হয়েছিল উন্নত চিকিৎসার জন্য মেডিকা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হবে সুভাষ ভৌমিককে। কিডনি প্রতিস্থাপনের বিষয়টিও খতিতে দেখা হচ্ছিল। কিন্তু সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে শনিবার ভোরে মারা যান তিনি।ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানের জার্সি গায়ে কলকাতা ময়দানে একসময় দাপিয়ে খেলেছেন সকলের প্রিয় ভোম্বলদা। সবুজমেরুণের তুলনায় লালহলুদ জার্সিতেই বেশি সময় কাটিয়েছিলেন। রাজস্থান থেকে ১৯৬৯ সালে প্রথম লালহলুদ জার্সি গায়ে তুলে নিয়েছিলেন। পরের বছরই লালহলুদ জার্সি ছেড়ে যোগ দেন মোহনবাগানে। ৩ বছর মোহনবাগানে কাটিয়ে ১৯৭৩ সালে আবার ইস্টবেঙ্গলে ফিরে আসেন। ১৯৭৬ সালে আবার মোহনবাগানে যোগ দেন। ১৯৭৯ সালে লালহলুদে ফিরে আসেন। ইস্টবেঙ্গল থেকেই ফুটবলকে বিদায় জানান। ভারতীয় দলের হয়েও দীর্ঘদিন দাপিয়ে খেলেছেন সুভাষ ভৌমিক। ১৯৭০ সালে এশিয়ান গেমসে ব্রোঞ্জজয়ী ভারতীয় দলের সদস্য ছিলেন, মারডেকা, পেস্তা সুকানের মতো আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাতেও দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। দেশের জার্সি গায়ে দুদুটি হ্যাটট্রিকও করেছিলেন সুভাষ ভৌমিক। তার মধ্যে মারডেকা কাপে ফিলিপাইন্সের বিরুদ্ধে একটা। ওই ম্যাচে ৫১ ব্যবধানে জিতেছিল ভারত। ১৯৬৯ সালে বাংলার সন্তোষ ট্রফি জয়ী দলের সদস্যও ছিলেন সুভাষ ভৌমিক। দীর্ঘ ৬ বছর পর সেবার সন্তোষ ট্রফিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলা। বাংলার জার্সি গায়ে মোট ৪ বার সন্তোষ ট্রফি চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন সুভাষ ভৌমিক। ২ বার বাংলাকে নেতৃত্ব দিলেও রেলওয়েজের কাছে সেমিফাইনালে হারতে হয়েছিল। কোচ হিসেবেও দারুণ সাফল্য পেয়েছিলেন সুভাষ ভৌমিক। তবে লালহলুদকেই বেশি সাফল্য এনে দিয়েছিলেন। ১৯৯৯ থেকে ২০০০ এবং ২০০০ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত ইস্টবেঙ্গলের কোচ ছিলেন। ২০০২০৩ এবং ২০০৩০৪ মরশুমে তাঁর কোচিংয়েই জাতীয় লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। ২০০৩ সালে লালহলুদকে আশিয়ান কাপে চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন সুভাষ ভৌমিক। ২০০৬ সালে মহমেডান স্পোর্টিংয়ের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। পরের বছর সালগাঁওকারে যোগ দেন। ২০০৮০৯ মরশুমে আবার ইস্টবেঙ্গলে ফিরে আসেন। ২ মরশুম লালহলুদে কাটিয়ে মোহনবাগানের দায়িত্ব নেন। চার্চিল ব্রাদার্সের টেকনিক্যাল ডিরেক্টরের দায়িত্ব পালন করেছিলেন সুভাষ ভৌমিক। তাঁর কোচিংয়েই ২০১২১৩ মরশুমে আই লিগ জেতে চার্চিল।

জানুয়ারি ২২, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে করোনায় ফের কমলো আক্রান্তের সংখ্যা, একদিনে হাওড়ায় মত্যু সর্বাধিক

ফের ১০ হাজারের নীচে করোনা সংক্রমণ। ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৯,১৫৪। গত দুদিন সংক্রমিতের সংখ্যা ছিল ১০ হাজারের ওপর। এদিন ৭২,৭৩৮ জনের করোনা পরীক্ষা হয়েছে। টেস্টের সংখ্যাও বেড়েছে। এদিন পজিটিভিটি রেট ছিল ১২.৫৮ শতাংশ। রাজ্য় স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৩৫ জনের৷ গতকাল ছিল ৩৭ জন। গত বেশ কয়েক দিন ধরেই ৩০ ওপর রয়েছে মৃত্যুর সংখ্যা। এদিকে এদিন হাওড়ায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১১ জনের। তবে গত ২৪ ঘন্টায় হাওড়ায় আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩৪৪। সাম্প্রতিক কালে এই জেলায় সর্বোচ্চ।রাজ্যে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২০,২৬৫। একদিনে কলকাতায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ১,৩৭৫ ও ১,৩১৭ জন উত্তর ২৪পরগনায়। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৩ লক্ষ ৪৭ হাজার ২৫৪ জন। একদিনে দেশে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৭০৩ জনের।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ১,৩৭৫উত্তর ২৪ পরগনা ১,৩১৭দক্ষিণ ২৪ পরগনা ৬০৫হাওড়া ৩৪৪পশ্চিম বর্ধমান ৩৪৫পূর্ব বর্ধমান ৪২১হুগলি ৩৪১বীরভূম ৭৫০নদিয়া ৪১৪মালদা ৩৪৯মুর্শিদাবাদ ৩৩২পশ্চিম মেদিনীপুর ১৭১পূর্ব মেদিনীপুর ১৩৫পুরুলিয়া ১৭৪দার্জিলিং ৫০৪বাঁকুড়া ২৯১জলপাইগুড়ি ৩১০উত্তর দিনাজপুর ২৭৯দক্ষিণ দিনাজপুর ১৯৫ঝাড়গ্রাম ৮৯কোচবিহার ১৯৮আলিপুরদুয়ার ১৫৭কালিম্পং ৫৮

জানুয়ারি ২১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

কাঙ্খিত জয় এসসি ইস্টবেঙ্গলের, জোড়া গোল করে নায়ক মহেশ সিং

মানেলো দিয়াজ পারেননি। অন্তর্বর্তীকালীন কোচ রেনেডি সিংও ব্যর্থ। অবশেষে মারিও রিভেরার হাত ধরেই এবারের আইএসএলে কাঙ্খিত প্রথম জয় পেল এসসি ইস্টবেঙ্গল। ২১ গোলে হারাল এফসি গোয়াকে। ১১ ম্যাচ পর জয়ের মুখ দেখল লালহলুদ শিবির। জয়ের নায়ক নওরেম মহেশ সিং। জোড়া গোল করে তিনিই কাঙ্খিত জয় এনে দিলেন।মারিও রিভেরা দায়িত্ব নেওয়ার পর বলেছিলেন, ভারসাম্য বজায় রেখে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে চান। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী দল সাজিয়েছিলেন। ৪৩৩ ছকে শুরু করেছিলেন রিভেরা। শুরু থেকেই এফসি গোয়ার ওপর চাপ তৈরি করছিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল ফুটবলাররা। তার ফলও পায় হাতেনাতে।ম্যাচের ১০ মিনিটেই এগিয়ে যায় এসসি ইস্টবেঙ্গল। এফসি গোয়ার দুই ফুটবলার নগুয়েরা ও এডু বেদিয়ার ভুল বোঝাবুঝিতে বল পেয়ে যান নওরেম মহেশ সিং। বল ধরে এগিয়ে গিয়ে ডান পায়ের হালকা পুশে তিনি জালে বল পাঠান। ২৪ মিনিটে সমতা ফেরাতে পারত এফসি গোয়া। এডু বেদিয়ার কাছ থেকে বক্সের মধ্যে সুবিধাজনক জায়গায় বল পেয়ে বাইরে মারেন রোমারিও।৩৭ মিনিটে সমতা ফেরায় এফসি গোয়া। মাঝমাঠ থেকে বল এগিয়ে গিয়ে বক্সের মধ্যে দুর্দান্ত পাস বাড়ান জর্জ ওর্টিজ। সেই বল ধরে বাঁপায়ের দুরন্ত শটে বল জালে পাঠান আলবার্তো নগুয়েরা। ৪২ মিনিটে আবার এগিয়ে যায় এসসি ইস্টবেঙ্গল। এফসি গোয়ার আনোয়ার বল পাস করতে গিয়ে নওরেম মহেশ সিংয়ের পায়ে জমা দেন। তাঁর দুরন্ত শট বারে লেগে গোললাইনের ভেতরে পড়ে বেরিয়ে আসে।এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে রক্ষণকে দারুণ নেতৃত্ব দিলেন আদিল খান। লুজ বল ধরে উড়িয়ে দেওয়ার মানসিকতা ছিল না। আক্রমণ গড়ার দিকে নজর দিয়েছিলেন। তবে হীরা মণ্ডলের অভাব বারবার চোখে পড়ছিল। হীরা না থাকায় তাঁর জায়গায় অঙ্কিত মুখার্জিকে মাঠে নামিয়েছিলেন মারিও রিভেরা। অনভ্যস্ত জায়গায় প্রথমার্ধে নিজেকে সেভাবে মানিয়ে নিতে পারেননি অঙ্কিত। দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য ছন্দে ফেরেন।সমতা ফেরানোর জন্য দ্বিতীয়ার্ধে মরিয়া হয়ে ওঠে এফসি গোয়া। কিন্তু লালহলুদ রক্ষণে আদিল খান ও ফ্রাঞ্জো পর্চে অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠায় ওর্টিজ, নেগুয়েরোরা গোলের তিনকাঠি খুঁজে পাননি। তিনকাঠির নিচে অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠেন অরিন্দম ভট্টাচার্যও। দক্ষতার শীর্ষে উঠে বেশ কয়েকটি নিশ্চিত গোল বাঁচান। না হলে ৩ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়া কঠিন হয়ে পড়ত এসসি ইস্টবেঙ্গলের

জানুয়ারি ১৯, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে ফের ১০ হাজার পার করোনা আক্রান্ত, ডায়মন্ডহারবারের পজিটিভিটি রেট ১.০৯ শতাংশ

রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ফের কিছুটা বাড়ল। গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা ১০,৪৩০। গতকাল এক ধাক্কায় অনেকটাই কমে গিয়েছিল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, ৯,৩৮৫। রবিবার আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৪,৯৩৮। শনিবার করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৯,০৬৪ জন, শুক্রবার ছিল ২২,৬৪৫। তবে এদিন ৫৩,৮২৪ জনের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী পজিটিভিটি রেটও অনেকটা কমেছে, ১৯.৩৮ শতাংশ। গতকাল সোমবার ছিল ২৬.৪৩ শতাংশ। রবিবার পজিটিভিটি রেট ছিল ২৭.৭৩ শতাংশ, শনিবার ছিল ২৯.৫২ শতাংশ, শুক্রবার ৩১.১৫ শতাংশ। মোদ্দা কথা টানা কমছে পজিটিভিটি রেট। তবে ডায়মন্ডহারবারের পজিটিভিটি মাত্র রেট ১.০৯ শতাংশ। এদিন মৃত্যু বেড়ে হয়েছে ৩৪, গতকাল ছিল ৩৩।এদিন কলকাতায় কিছুটা বেড়েছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। গতকাল কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১,৮৭৯। এদিন আক্রান্তের সংখ্যা ২,২০৫। পাশের জেলা উত্তর ২৪ পরগানায় কোভিড-১৯ আক্রান্তের সংখ্যা ফের কমেছে। এদিন ওই জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা ১,৭৬১, গতকাল ছিল ১,৮৬৩। মোট সুস্থতার সংখ্যাও অনেকটা বেড়েছে ১৩,৩০৮। গতকাল ছিল ১১,০৩৪।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ২,২০৫উত্তর ২৪ পরগনা ১,৭৬১দক্ষিণ ২৪ পরগনা ৮৮৫হাওড়া ৪৩৮পশ্চিম বর্ধমান ৩৮৬পূর্ব বর্ধমান ৩৯৫হুগলি ৪৫৪বীরভূম ২৯১নদিয়া ২২৭মালদা ৬০৯মুর্শিদাবাদ ২০২পশ্চিম মেদিনীপুর ২৮২পূর্ব মেদিনীপুর ১৭৬পুরুলিয়া ৭৭দার্জিলিং ৪০৩বাঁকুড়া ২২১জলপাইগুড়ি ২৩৫উত্তর দিনাজপুর ৪৩৫দক্ষিণ দিনাজপুর ১৮৬ঝাড়গ্রাম ২৭৫কোচবিহার ১৪১আলিপুরদুয়ার ১১৫কালিম্পং ৩১

জানুয়ারি ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌আবার করোনা হানা, এসসি ইস্টবেঙ্গলের ম্যাচ আদৌও হবে তো?‌

১১ ম্যাচ খেলা হয়ে গেছে। এখনও জয় আসেনি। লিগ টেবিলের একেবারে শেষে অবস্থান। দলের অন্দরে চূড়ান্ত ডামাডোল। চোটআঘাতের তালিকাও দীর্ধ। বেশ কয়েকজন ফুটবলার করোনায় আক্রান্ত। মঙ্গলবার তালিকাটা আরও বেড়েছে। এই অবস্থায় লালহলুদে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করতে চলেছেন মারিও রিভেরা। বুধবার তাঁর কোচিংয়েই এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে খেলতে নামছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। লালহলুদে দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে মারিও রিভেরা। প্রথম একাদশ গড়তেই হিমসিম খেতে হচ্ছে। কারণ দলের একাধিক ফুটবলার চোটের কবলে। তার ওপর করোনায় আক্রান্ত হয়ে বেশ কয়েকজন ফুটবলার কোয়ারেন্টিনে। আর দুএকজন ফুটবলার করোনায় আক্রান্ত হলেই ম্যাচ স্থগিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যেমন আগের ৩টি ম্যাচ বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে আয়োজকরা। এই রকম সমস্যা সঙ্কুল পরিস্থিতিতেও ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছেন লালহলুদের স্প্যানিশ কোচ। তবে নিজের প্রথছম ম্যাচেই জয়ের কথা ভাবছেন না মারিও রিভেরা। প্রথম লক্ষ্য দলকে ছন্দে নিয়ে আসা। এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচের আগের দিন তিনি বলেন, মরশুমের মাঝখানে কোনও দলের দায়িত্ব নিলে বুঝতে হয় দলের সবকিছু ঠিকঠাক নেই। আপাতত লক্ষ্য দলকে ছন্দে ফেরানো, ফুটবলারদের মনোবল চাঙ্গা করা। তবে ফুটবলারদের সঙ্গে কথা বলে মনে হয়েছে আগের থেকে ভাল ছন্দে রয়েছে। দলের অবস্থা যাইহোক না কেন, প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক খেলার দিকে মন দিতে চান রিভেরা। তিনি বলেন, আমি টোটাল ফুটবলে বিশ্বাসী। আক্রমণাত্মক ফউটবল খেলতে চাই। তবে শুধু আক্রমণাত্মক খেললেই হবে না, রক্ষণও মজবুত রাখতে হবে। এদিকে, ফুটবলারদের তৈরি রাখলেও এপসি গোয়ার বিরুদ্ধে এসসি ইস্টবেঙ্গলের ম্যাচ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। জানা গেছে, টিম ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে আয়োজকদের কাছে ম্যাচ স্থগিতের আবেদন জানানো হয়েছে। লালহলুদের বেশ কয়েকজন ফুটবলার চোটের কবলে। তার ওপর বেশ কয়েকজন করোনায় আক্রান্ত হয়ে কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন। মঙ্গলবার আবার নতুন করে দুজন ফুটবলারের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। এই অবস্থায় মাঠে নামা কঠিন। মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত অবশ্য ম্যাচ স্থগিতের কোনও খবর নেই। হয়তো ম্যাচ শুরুর ঘন্টা ৩৪ আগে জানা যাবে আদৌও ম্যাচ হবে কিনা।

জানুয়ারি ১৮, ২০২২
রাজ্য

করোনা আক্রান্তের সংখ্যা নেমে গেল ১০ হাজারের নীচে, চিন্তায় রেখেছে পজিটিভিটি রেট

রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এক ধাক্কায় অনেকটাই কমে গিয়েছে। সোমবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৯,৩৮৫। রবিবারের করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৪,৯৩৮। শনিবার করোনা আক্রান্তের সংখ্য়া ১৯,০৬৪ জন, শুক্রবার ছিল ২২,৬৪৫। তবে এদিন ৩৫,৫১৫ জনের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর আগে গড়ে পরীক্ষা হচ্ছিল ৬০ হাজারের ওপর। পজিটিভিটি রেটও অনেকটা কমেছে, ২৬.৪৩ শতাংশ। পজিটিভিটি রেটও ক্রমশ কমছে। গতকাল, রবিবার পজিটিভিটি রেট ছিল ২৭.৭৩ শতাংশ। শনিবার ছিল ২৯.৫২ শতাংশ, শুক্রবার ৩১.১৫ শতাংশ। তবে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ব্যাপক কমে গেলেও এদিন মৃত্যুর সংখ্যা সামান্য কমেছে, ৩৩। গতকাল ছিল ৩৬।সোমবারের রিপোর্ট অনুযায়ী কলকাতায় অনেকটাই কমেছে আক্রান্তের সংখ্যা। গতকাল কলকাতায় ৩,৮৯৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছিল। এদিন আক্রান্তের সংখ্যা ১,৮৭৯। উত্তর ২৪ পরগানাতেও কোভিড-১৯ আক্রান্তের সংখ্যা কমেছে। এদিন ওই জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা ১,৮৬৩। এদিন মোট সুস্থ হয়েছে ১১,০৩৪।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ১,৮৭৯উত্তর ২৪ পরগনা ১,৮৬৩দক্ষিণ ২৪ পরগনা ৪০৩হাওড়া ৪৭৯পশ্চিম বর্ধমান ৩৬৯পূর্ব বর্ধমান ৪৭৩হুগলি ৫৫২বীরভূম ৫৬৪নদিয়া ৪৭০মালদা ৩৩০মুর্শিদাবাদ ২৪২পশ্চিম মেদিনীপুর ২২৫পূর্ব মেদিনীপুর ৯৫পুরুলিয়া ১৫৭দার্জিলিং ১৭৩বাঁকুড়া ২২০জলপাইগুড়ি ৭৬উত্তর দিনাজপুর ২৯০দক্ষিণ দিনাজপুর ২০৩ঝাড়গ্রাম ১০১কোচবিহার ১৪৫আলিপুরদুয়ার ৬৩কালিম্পং ১৩

জানুয়ারি ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ফুটবলারদের কী বললেন রিভেরা?‌ স্থগিত হতে পারে লালহলুদের ম্যাচ

শিবিরে করোনার হানা। বেশ কয়েকদিন কোয়ারেন্টিন পর্ব কাটিয়ে আবার মাঠে এসসি ইস্টবেঙ্গল। তবে এবার অন্তর্বর্তীকালীন কোচ রেনেডি সিংয়ের তত্ত্বাবধানে নয়। কোয়ারেন্টিন পর্ব কাটিয়ে মাঠে নেমে পড়লেন নবনিযুক্ত কোচ মারিও রিভেরা। বেশ কয়েকদিনের বিরতি কাটিয়ে বুধবার আবার এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে প্রথম পরীক্ষা মারিও রিভেরার। আইএসএলে এখনও জয়ের মুখ দেখেনি লালহলুদ ব্রিগেড। তার মধ্যেই দলের মধ্যে চূড়ান্ত ডামাডোল। ম্যানেজমেন্টের ওপর বিরক্ত হয়ে নেতৃত্ব ছেড়েছেন গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্য। সহকারী কোচের দায়িত্ব পালন করতে অস্বীকার করেছেন রেনেডি সিং। এই অবস্থায় দলকে সঠিক পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াটাই চ্যালেঞ্জ নতুন কোচ মারিও রিভেরার। প্রথম দিন মাঠে নেমে অধিকাংশ ফুটবলারের সঙ্গে আলাদাভাবে কথা বলেন লালহলুদের নতুন স্প্যানিশ কোচ। কোথায় সমস্যা হচ্ছে ফুটবলারদের কাছ থেকে জেনে নেন। এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে আরও একদিন দলকে দেখে নেওয়ার সুযোগ পাবেন রিভেরা। প্রথমদিনের অনুশীলনের পর তিনি বলেন, নিষেধাজ্ঞা থাকায় কয়েকদিন ফুটবলাররা অনুশীলন করতে পারেনি। দল খারাপ জায়গায় রয়েছে। ফুটবলারদের কাছে কাজটা কঠিন হলেও আমার বিশ্বাস এই অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়াবে। দল নিয়ে মাঠে নামলেও বুধবার এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে আদৌও এসসি ইস্টবেঙ্গলের ম্যাচ হবে কিনা তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। শবিবার ও রবিবার আইএসএলের ম্যাচ স্থগিত হয়ে গিয়েছিল। সোমবার জামশেদপুর এফসি ও হায়দরাবাদ এফসি ম্যাচ স্থগিত হয়ে গেল। আইএসএলের জৈব সুরক্ষা বলয়ে করোনা সংক্রমণের জেরে এই নিয়ে চারটি ম্যাচ স্থগিত হল। ৮ জানুয়ারি এটিকে মোহনবাগানের ওডিশা এফসি ম্যাচ এবং গত শনিবারের বেঙ্গালুরু এফসি ম্যাচ স্থগিত করা হয়েছিল। গতকাল বিকেল ৪টে ১৫ নাগাদ জানানো হয় কেরালা ব্লাস্টার্স বনাম মুম্বই সিটি এফসি ম্যাচটি স্থগিত হওয়ার কথা। আইএসএলের খেলা শুরু হয় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়। আজ বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে হায়দরাবাদ-জামশেদপুর ম্যাচ স্থগিতের কথা জানানো হয়। ১১ জানুয়ারি এসসি ইস্টবেঙ্গলকে হারানোর পর থেকেই কোয়ারেন্টিনে জামশেদপুর। এসসি ইস্টবেঙ্গল টিম ম্যানেজমেন্ট মনে করছে, বুধবার তাদের ম্যাচও স্থগিত হয়ে যেতে পারে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২২
রাজ্য

বাংলায় করোনা গ্রাফের দ্রুত পতন, কমেছে পজিটিভিট রেট

এর আগে রাজ্যে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছিল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। গত দুদিনে দ্রুত পতন ঘটছে করোনা গ্রাফের। রবিবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৪,৯৩৮। গতকালের তুলনায় কমেছে ৪,১২৬।গত কয়েক দিন টানা রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছিল। শুক্রবার থেকে রাজ্যে করোনাগ্রাফ নামতে শুরু করেছে। শুক্রবার করোনা আক্রান্তের সংখ্য়া ছিল ২২,৬৪৫, শনিবার ছিল ১৯,০৬৪ জন, আজ রবিবার তা কমে দাঁড়িয়েছে ১৪,৯৩৮-তে। মৃতের সংখ্যা সামান্য কমেছে। গতকাল মৃতের সংখ্যা ছিল ৩৮, এদিন ছিল ৩৬। টানা তিন দিন কমল পজিটিভিটি রেটও। এদিন পজিটিভিটি রেট ছিল ২৭.৭৩। গতকাল শনিবার ছিল ২৯.৫২ শতাংশ। শুক্রবার পজিটিভিট রেট ছিল ৩১.১৫ শতাংশ। এদিন করোনামুক্ত হয়েছেন ৯,৯৩৭জন। কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনাসহ একাধিক জেলায় কমেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ৩,৮৯৩উত্তর ২৪ পরগনা ২,৫৬৫দক্ষিণ ২৪ পরগনা ১,০২৯হাওড়া ৬৮৪পশ্চিম বর্ধমান ৬৩৫পূর্ব বর্ধমান ৫৯৬হুগলি ৭৪৫বীরভূম ৭৭৬নদিয়া ৫৩৬মালদা ৫৮৬মুর্শিদাবাদ ২০৬পশ্চিম মেদিনীপুর ৩৪৭পূর্ব মেদিনীপুর ১৩৬পুরুলিয়া ১৫৫দার্জিলিং ৫৯৭বাঁকুড়া ২৭১জলপাইগুড়ি ৩০৭উত্তর দিনাজপুর ২২১দক্ষিণ দিনাজপুর ১৮২ঝাড়গ্রাম ১৪৭কোচবিহার ১২৮আলিপুরদুয়ার ১২২কালিম্পং ৭৪

জানুয়ারি ১৬, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে এক ধাক্কায় অনেকটা কমেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, তবে বেড়েছে মৃত্যু

গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে এক ধাক্কায় অনেকটা কমেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। টানা তিন দিন রাজ্যে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছিল। গতকাল, শুক্রবার কিছুটা কমেছিল। শনিবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৯,০৬৪ জন। শুক্রবার সেই সংখ্য়া ছিল ২২,৬৪৫। গতকালের তুলনায় কমেছে সাড়ে তিন হাজারের বেশি। বেশ কয়েকদিন ধরে ২০ হাজারের গন্ডি কিছুতেই কমছিল না। এদিন কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে রাজ্য় স্বাস্থ্য় দফতর। তবে মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে অনেকটা বেড়ে গিয়েছে। ফের এদিনও পজিটিভিটি রেট কমেছে। এদিন পজিটিভিটি রেট ২৯.৫২ শতাংশ। গতকাল পজিটিভিট রেট ছিল ৩১.১৫ শতাংশ।তবে গত কয়েকদিনের তুলনায় এদিন মৃতের সংখ্যা বেড়েছে অনেকটাই। করোনা আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘন্টায় বাংলায় মৃত্যু হয়েছে ৩৯ জনের। গতকাল সংখ্যাটা ছিল ২৮। রাজ্য়ে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০,০৫২। পাশাপাশি এদিন সুস্থ হয়েছে ৯,১৩২ জন।কয়েক দিন আগে করোনা আবহে রাজ্যে ভোট বন্ধ হওয়া নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপিও একাধিকবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে পুরভোট বন্ধ করার জন্য আবেদন জানিয়েছিল। হাইকোর্টের নির্দেশের প্রেক্ষিতের রাজ্য সরকারের সম্মতিতে পুরভোট তিন সপ্তাহ পিছিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশিন। এই ভোট পিছিয়ে দেওয়ায় সাধুবাদ জানিয়েছে রাজ্যের চিকিৎসকরা।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ৪,৮৩১উত্তর ২৪ পরগনা ৩,৪৯৬দক্ষিণ ২৪ পরগনা ১,২৮২হাওড়া ১,০০৩পশ্চিম বর্ধমান ৮৫৭পূর্ব বর্ধমান ৭৬৩হুগলি ১,০৭২বীরভূম ৮০০নদিয়া ৭৩৯মালদা ৭৫৩মুর্শিদাবাদ ৪৪৬পশ্চিম মেদিনীপুর ৪৫৮পূর্ব মেদিনীপুর ২১৫পুরুলিয়া ১৯৮দার্জিলিং ৪৭৬বাঁকুড়া ৩৬৯জলপাইগুড়ি ৩১৯উত্তর দিনাজপুর ২৭৪দক্ষিণ দিনাজপুর ২৪৫ঝাড়গ্রাম ১৯০কোচবিহার ১৩৭আলিপুরদুয়ার ৯৮কালিম্পং ৪৩

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ডামাডোল এসসি ইস্টবেঙ্গলে, স্বপ্নভঙ্গ হয়ে নেতৃত্ব ছাড়লেন সবুজ-মেরুন থেকে আসা গোলকিপার

এসসি ইস্টবেঙ্গলের মতো ক্লাবকে নেতৃত্ব দেবেন। সেই স্বপ্ন নিয়ে এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে লালহলুদে যোগ দিয়েছিলেন। স্বপ্ন পূরণ হলেও দলকে আইএসএলে এখনও জয়ের মুখ দেখাতে পারেননি। ব্যর্থতার দায় কাঁধে নিয়ে এসসি ইস্টবেঙ্গলের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেন অরিন্দম ভট্টাচার্য। শনিবার হঠাৎ করেই তিনি অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেন।শনিবার বিকেলে টুইটারে অরিন্দম লেখেন, নিজের খেলার ব্যাপারে সবসময় সততা বজায় রেখে চলতে বিশ্বাস করি। আমাকে ঘিরে এই মুহূর্তে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার জন্য নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ালাম। তবে আগের মতোই মাঠে নেমে দলের জন্য, সমর্থকদের জন্য ১০০ শতাংশ উজাড় করে দেব। মাঠে নামার সুযোগ না পেলেও সবরকম দায়িত্ব পালন করার জন্য আমি তৈরি। তবে সূত্রের খবর, ম্যানেজমেন্টের ওপর অসন্তুষ্ট হয়েই নেতৃত্ব ছেড়েছেন অরিন্দম ভট্টাচার্য।Ive always been honest about the way Ive played the game. And at this moment due to circumstances around me, I am stepping down as the captain of @sc_eastbengal(1/2) Arindam Bhattacharya (@ArindamGK) January 15, 2022নতুন কোচ মারিও রিভেরা দায়িত্ব নেওয়ার আগে অরিন্দম ভট্টাচার্যর নেতৃত্ব ছাড়াটা আরও একটা খারাপ খবর এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের কাছে। কারণ আগের দিনই লালহলুদের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন কোচ রেনেডি সিং পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছেন তিনি নতুন কোচ মারিও রিভেরার সহকারী হিসেবে কাজ করবেন না। এখন দেখার লালহলুদ টিম ম্যানেজমেন্ট কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেয়। ইতিমধ্যেই গোয়ায় টিম হোটেলে পৌঁছে গেছেন রিভেরা। আপাতত কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন। কোয়ারেন্টিন পর্ব শেষ করে পরের ম্যাচ থেকেই তিনি লালহলুদ ব্রিগেডের দায়িত্ব তুলে নেবেন। এসসি ইস্টবেঙ্গলের পরবর্তী ম্যাচ এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে। লালহলুদের পরের ম্যাচ নিয়ে অবশ্য অনিশ্চয়তা রয়েছে। এক ফুটবলার ও এক সাপোর্ট স্টাফ করোনায় আক্রান্ত। হয়তো কিছুদিনের জন্য স্থগিত হয়ে যেতে পারে আইএসএল।

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে সামান্য কমলো করোনা সংক্রমণ, বেড়েছে মৃত্যু

রাজ্যে টানা তিন দিন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার পর গত ২৪ ঘন্টায় সামান্য কমেছে। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী এদিন করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা ছিল ২২,৬৪৫। গতকাল এই সংখ্য়া ছিল ২৩,৪৬৭। তবে কিছুতেই ২০ হাজারের গন্ডি কমছে না। এদিন পজিটিভিটি রেটও সামান্য় কমেছে। গতকাল পজিটিভিট রেট ছিল ৩২.১৩, এদিন ৩১,১৫ শতাংশ। তবে এদিন ফের বেড়েছে মৃতের সংখ্যা। গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ২৮ জনের। গতকাল সংখ্যাটা ছিল ২৬। রাজ্য়ে মোট করোনায় মৃত্য়ু হয়েছে ২০,০১৩ জনের।করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে বাংলা তোলপাড়। সংক্রমণের সংখ্য়া সেভাবে কমছে না, পাশাপাশি পজিটিভিটি রেটও প্রায় এক তৃতীয়াংশ। স্বভাবতই চিন্তা থেকেই যাচ্ছে। এদিকে গঙ্গাসাগর মেলায় মানুষের থিকথিকে ভিড়। এরপর পরিস্থিতি কী দাঁড়াবে তা নিয়ে আশঙ্কায় রয়ছে চিকিতসক মহল। এদিকে রাজ্যের চার পুরসভার ভোট বন্ধ মামলার সিদ্ধান্তও ঝুলে গিয়েছে। দোকান-পাট, রাস্তায় এখনও বহু মানুষের মুখে মাস্ক নেই। নতুবা থুতনিতে মাস্ক ঝুলছে। মোদ্দা কথা আগামিতে করোনা সংক্রমণের হাল কী দাঁড়াবে এসব ভেবেই আতঙ্ক তাড়া করছে। এদিন সুস্থ হয়েছেন ৮,৬৮৭ জন। গতকাল সংখ্য়াটা ছিল ৮,১৩৯। কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্যাও অল্প বেড়েছে।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ৬,৮৬৭উত্তর ২৪ পরগনা ৪,০১৮দক্ষিণ ২৪ পরগনা ১,৫৩৩হাওড়া ১,২২৩পশ্চিম বর্ধমান ৯৩৭পূর্ব বর্ধমান ৭৬৭হুগলি ১,৩৯৪বীরভূম ৯৮৪নদিয়া ৮১৬মালদা ৬৪৮মুর্শিদাবাদ ৩৯০পশ্চিম মেদিনীপুর ৪৭৯পূর্ব মেদিনীপুর ২৪৬পুরুলিয়া ২২৬দার্জিলিং ৫৯৬বাঁকুড়া ৩৬৫জলপাইগুড়ি ২১৬উত্তর দিনাজপুর ২২১দক্ষিণ দিনাজপুর ২০২ঝাড়গ্রাম ২০১কোচবিহার ১২৪আলিপুরদুয়ার ১১২কালিম্পং ৮০

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে ফের বাড়ল করোনা সংক্রমণ, বৃদ্ধি পেল পজিটিভিটি রেটও

রাজ্যে বেড়ে চলেছে করোনা সংক্রমণের হার। টানা তিন দিন বাড়ল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। সংক্রমিতের সংখ্যা পেরিয়ে গেল ২৩ হাজার। বাড়ল পজিটিভিটি রেট, এদিন মৃত্যুর সংখ্যাও বেড়েছে। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২৩,৪৬৭। এদিন পজিটিভিটি রেট বেড়ে হয়েছে ৩২.১৩। গতকাল এই রেট ছিল ৩০.৮৬ শতাংশ। গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ২৬ জনের। গতকাল এই সংখ্যা ছিল ২২।পিজিটিভি রেট বৃদ্ধি চিন্তায় রাখলো বাংলাকে। মঙ্গলবার পজিটিভিটি রেট ছিল ৩২.৩৫ শতাংশ। গতকাল এই হার কিছুটা কমেছিল। এদিন তা বেড়ে যাওয়ায় ফের রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। একদিনে সুস্থ হয়েছেন ৮,১৩৯জন। কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্যাও কিছুটা কমেছে। বেড়েছে অন্য কয়েকটি জেলায়। এদিন পর্যন্ত মোট হোম আইসোলেশনে আছেন ১,২৭,৭৮৯জন। হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৩৫২৫। ২৩৯ জন আছেন সেফ হোমে।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ৬,৭৬৮উত্তর ২৪ পরগনা ৪,৭২৮হাওড়া ১,২৮৯পশ্চিম বর্ধমান ১,২৬১হুগলি ১,৩৩৫দক্ষিণ ২৪ পরগনা ১,৩৪৯বীরভূম ৮৯৫পূর্ব বর্ধমান ৮৬১নদিয়া ৭০৮মালদা ৫৪৮মুর্শিদাবাদ ৫৭৬পশ্চিম মেদিনীপুর ৫৯০পুরুলিয়া ২৭২দার্জিলিং ৪৬২বাঁকুড়া ৪৪২জলপাইগুড়ি ২৪৮উত্তর দিনাজপুর ২৩৬পূর্ব মেদিনীপুর ৩০০ঝাড়গ্রাম ১১৫দক্ষিণ দিনাজপুর ২৬৭কোচবিহার ১২৮আলিপুরদুয়ার ৭৬কালিম্পং ১৩

জানুয়ারি ১৩, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে টানা দুদিন করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি, কমেছে পজিটিভিটি রেট

করোনা সংক্রমণের হার বেড়ে চলেছে রাজ্য। বুধবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী রাজ্যে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা ২২,১৫৫। মৃত্যু হয়েছে ২২ জনের। গতকাল, মঙ্গলবার এই সংখ্যা ছিল ২১,০৯৮। এদিন মোট পরীক্ষা হয়েছে ৭১,৭৯২ জনের। কলকাতায় ফের সংক্রমণ বেড়েছে গতকালের তুলনায় প্রায় পাঁচশো। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট কোভিড ১৯ আক্রান্তের সংখ্য়া ১৮,১৭,৫৮৫। ক্রমশ বাড়ছিল পজিটিভিট রেট। এদিন কিছুটা কমেছে পজিটিভিটি রেট, ছিল ৩০.৮৬ শতাংশ। পজেটিভিটি রেট বৃদ্ধি চিন্তায় ফেলেছিল রাজ্যকে। মঙ্গলবার পজিটিভিটি রেট ছিল ৩২.৩৫ শতাংশ। এই হার কমায় কিছুটা স্বস্তি মিলেছে স্বাস্থ্য দফতরের। একদিনে সুস্থ হয়েছেন ৮,১১৭জন। কলকাতায় এদিনও আক্রান্তের সংখ্যা ৭ হাজার পেরিয়েছে। এছাড়া বেশ কিছু জেলায় সংক্রমণ বেড়েছে, কোথাও আবার একটু কমেছে। মোদ্দা কথা করোনার তৃতীয় ঢেউ এখনও শঙ্কায় রেখেছে রাজ্যবসীকে। এদিকে বাংলায় একাধিক শহরে আংশিক লকডাউন চলছে।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতাঃ ৭,০৬০উত্তর ২৪ পরগনাঃ ৪,৩২৬হাওড়াঃ ১,৪৬১পশ্চিম বর্ধমানঃ ১,০১০হুগলিঃ ১,১০৭দক্ষিণঃ ২৪ পরগনা ১,৪৬১বীরভূমঃ ৭০১পূর্ব বর্ধমানঃ ৭৭৮নদিয়াঃ ৬৩৫মালদাঃ ৫১৮মুর্শিদাবাদঃ ৪২১পশ্চিম মেদিনীপুরঃ ৩০৯পুরুলিয়াঃ ২৭৮দার্জিলিংঃ ৫০০বাঁকুড়াঃ ৩৭০জলপাইগুড়িঃ ২৫৫উত্তর দিনাজপুরঃ ১৭৫পূর্ব মেদিনীপুরঃ ২৪১ঝাড়গ্রামঃ ২৯৫দক্ষিণ দিনাজপুর ১৪১কোচবিহারঃ ৮৬আলিপুরদুয়ারঃ ৭৮কালিম্পংঃ ৫১

জানুয়ারি ১২, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 38
  • 39
  • 40
  • 41
  • 42
  • 43
  • 44
  • ...
  • 64
  • 65
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজনীতি

জেল থেকে ফিরেই হুমকির অভিযোগ! আমোদপুরে তৃণমূল নেতাকে দড়ি বেঁধে ঘোরালেন স্থানীয়রা

বীরভূমের সাঁইথিয়া থানার আমোদপুরে এক তৃণমূল নেতাকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। জামিনে জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পর ফের বিভিন্ন জনকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে তাঁকে কোমরে দড়ি বেঁধে এলাকায় ঘোরানোর পর পুলিশের হাতে তুলে দিলেন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। অভিযুক্তের নাম তাহিরুল শেখ। তিনি সাঁইথিয়া ব্লকের ভ্রমরকোল অঞ্চলের প্রাক্তন তৃণমূল সভাপতি। ঘটনার খবর পেয়ে আমোদপুর ফাঁড়ির পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে।ঘটনার সূত্রপাত সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের দিন। অভিযোগ, ওই দিন ভ্রমরকোল অঞ্চলের ৬৮ নম্বর বুথে বিজেপির নির্বাচিত বিধায়ক দেবাশিস ওঝার ছেলে, নির্বাচনী এজেন্ট বিশ্বজিৎ মণ্ডলসহ বিজেপির কয়েকজন নেতাকে মারধর করা হয়েছিল। এই ঘটনায় তৃণমূল নেতা তাহিরুল শেখের নাম জড়ায়। বিজেপির অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। প্রায় দুমাস আগে জামিনে মুক্তি পান তিনি।বিজেপির অভিযোগ, জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর ফের দলের কর্মীদের হুমকি দিতে শুরু করেন তাহিরুল। রবিবার বেলার দিকে তিনি আমোদপুর লাগোয়া ঈশ্বরপুর গ্রামে প্রাক্তন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি প্রশান্ত সাধুর বাড়িতে যান। সেই খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ তাঁকে ধরে কোমরে দড়ি বেঁধে আমোদপুর বাজার এলাকায় ঘোরান। পরে তাঁকে স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ির হাতে তুলে দেওয়া হয়।বিজেপির ভ্রমরকোল মণ্ডল সভাপতি সুদীপ ঘোষের দাবি, ভোটের দিন তাহিরুলের নেতৃত্বে তাঁদের দলের নেতা-কর্মীদের মারধর করা হয়েছিল। তাঁদের প্রাণে মেরে ফেলারও চেষ্টা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর আরও দাবি, জামিনে মুক্তির পর ফের বিজেপি কর্মীদের হুমকি দিচ্ছিলেন ওই তৃণমূল নেতা। সেই খবর পেয়েই স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে তাঁরা তাঁকে পুলিশের হাতে তুলে দেন। অন্যদিকে, তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি মহম্মদ ইউনুসের বক্তব্য, বিজেপি অনেক জায়গাতেই পুলিশের মদতে মিথ্যা অভিযোগ তুলে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের হেনস্থা করছে। তবে আমোদপুরের এই নির্দিষ্ট ঘটনা সম্পর্কে তিনি কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন।বিজেপির বীরভূম সাংগঠনিক জেলার সভাপতি উদয় শঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ভোটের দিন বিজেপি নেতাদের মাথা ফাটানোর অভিযোগের জেরেই তাহিরুল জনরোষের মুখে পড়েছেন। যদিও এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কোনও যোগ নেই বলে দাবি করেছেন তিনি। একই সঙ্গে অভিযুক্ত নেতার কঠোর শাস্তির দাবিও জানিয়েছেন। আমোদপুরের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তবে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ এবং ঘটনার নেপথ্যের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পুলিশের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর রয়েছে।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
রাজ্য

রং-তুলিতে সমাজের মুখ আঁকা থামল! প্রয়াত প্রখ্যাত চিত্রকর যোগেন চৌধুরী, বয়স ৮৭

ব্লাড ক্যানসারের সঙ্গে ১৪ মাসের লড়াই, সঙ্গে মূত্রনালির সংক্রমণকলকাতার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস শিল্পীর। চিত্রকলার পাশাপাশি রাজনীতির ময়দানেও রেখেছিলেন স্বতন্ত্র ছাপ।বাংলার শিল্পজগতে নেমে এল শোকের ছায়া। প্রয়াত প্রখ্যাত চিত্রকর যোগেন চৌধুরী। রবিবার সকালে কলকাতার একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। দীর্ঘদিন ধরে বিরল ধরনের ব্লাড ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন এই বিশিষ্ট শিল্পী। তার উপর মূত্রনালির সংক্রমণ এবং শারীরিক নানা জটিলতা ক্রমশ তাঁর অবস্থাকে সংকটজনক করে তোলে। তাঁর প্রয়াণে ভারতীয় চিত্রকলার জগতে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হল।হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় ১৪ মাস ধরে মাইলোপ্রোলিফেরেটিভ নিওপ্লাজম নামে এক ধরনের রক্তের ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন যোগেন চৌধুরী। চলছিল কেমোথেরাপিও। শারীরিক অসুস্থতা বাড়তে থাকায় দুর্গাপুজোর ষষ্ঠীর দিন তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে তাঁর অবস্থা ছিল অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। সংক্রমণের কারণে সেপসিসের উপসর্গ দেখা দেওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। শনিবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়। চিকিৎসকদের সমস্ত প্রচেষ্টা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর সঙ্গে লড়াইয়ে হার মানেন বর্ষীয়ান শিল্পী।ফরিদপুর থেকে কলকাতা, শিল্পী হয়ে ওঠার দীর্ঘ যাত্রা১৯৩৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি অবিভক্ত বাংলার ফরিদপুরের দাহারপাড়া গ্রামে জন্ম যোগেন চৌধুরীর। ছোটবেলা থেকেই ছবি আঁকার প্রতি তাঁর বিশেষ আকর্ষণ ছিল। পরিবারের পরিবেশও তাঁর শিল্পীসত্তার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল। তাঁর মা সুন্দর আল্পনা আঁকতেন। মায়ের সেই শিল্পচর্চা ছোট্ট যোগেনের মনে ছবি আঁকার প্রতি আগ্রহ তৈরি করেছিল।দেশভাগের সময় পরিবারের সঙ্গে কলকাতায় চলে আসেন তিনি। এই শহরেই শুরু হয় তাঁর প্রাতিষ্ঠানিক শিল্পশিক্ষা। কলকাতার গভর্নমেন্ট কলেজ অফ আর্ট অ্যান্ড ক্রাফ্টে পড়াশোনা করেন তিনি। শিল্পশিক্ষা শেষ করে হাওড়া জেলা স্কুলে অঙ্কন শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। পরে ১৯৬২ সালে কলকাতার হ্যান্ডলুম বোর্ডে ডিজাইনার হিসেবে যোগ দেন। শিল্পচর্চার পাশাপাশি পেশাগত জীবনেও নিজের দক্ষতার পরিচয় দেন তিনি।উচ্চশিক্ষার জন্য ১৯৬৫ সালে প্যারিসে পাড়ি দেন যোগেন চৌধুরী। ইউরোপীয় শিল্পধারার সঙ্গে তাঁর পরিচয় আরও গভীর হয় সেই সময়। ভারতীয় শিল্পের ঐতিহ্য এবং পাশ্চাত্যের আধুনিক শিল্পভাবনার সংমিশ্রণ তাঁর কাজকে স্বতন্ত্র মাত্রা দিয়েছিল। পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রপতি ভবনের আর্ট গ্যালারির কিউরেটর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।ব্যঙ্গ, সমাজ ও রাজনীতিক্যানভাসে ধরা পড়ত সময়ের ছবিযোগেন চৌধুরীর শিল্পকর্মের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল সমাজ ও রাজনীতির নানা অসংগতি তুলে ধরার ক্ষমতা। তাঁর ছবিতে কেবল রং, রেখা কিংবা অবয়বের প্রকাশ ঘটত না; ফুটে উঠত সমকালীন সমাজের নানা প্রশ্ন, দ্বন্দ্ব ও বাস্তবতা। ব্যঙ্গাত্মক উপস্থাপনার মাধ্যমে তিনি সমাজের অসংগতিগুলিকে শিল্পের ভাষায় প্রকাশ করতেন। সেই স্বতন্ত্র দৃষ্টিভঙ্গিই তাঁকে ভারতীয় চিত্রকলার জগতে বিশেষ পরিচিতি এনে দেয়।ভারতীয় ঐতিহ্য এবং ইউরোপীয় আধুনিক শিল্প আন্দোলনের প্রভাব তাঁর কাজে লক্ষ করা যায়। তবে প্রভাবের মধ্যেও নিজস্ব শিল্পভাষা নির্মাণ করেছিলেন তিনি। তাঁর সৃষ্টিতে মানুষের অবয়ব, অভিব্যক্তি এবং সামাজিক বাস্তবতা বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। দেশ-বিদেশে তাঁর শিল্পকর্ম প্রশংসিত হয়েছে এবং বিভিন্ন সম্মানেও ভূষিত হয়েছেন তিনি।দুর্গাপুজোর শিল্পভাবনাতেও ছিল তাঁর ছোঁয়াক্যানভাসের বাইরেও বাংলার শিল্প ও সংস্কৃতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত ছিলেন যোগেন চৌধুরী। বিভিন্ন সময়ে একাধিক দুর্গাপুজোর থিম এবং প্রতিমা-ভাবনার সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন তিনি। ২০১৭ সালে বেহালা নূতন দল দুর্গাপুজোর প্রতিমার স্কেচ তৈরি করেছিলেন এই শিল্পী। পরের বছর ঠাকুরপুকুর স্টেট ব্যাঙ্ক পার্ক সর্বজনীনের দুর্গাপ্রতিমার চালচিত্রের নকশাতেও তাঁর শিল্পভাবনার প্রতিফলন ঘটেছিল।বাংলার দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে শিল্পের যে বিস্তৃত পরিসর তৈরি হয়েছে, সেখানে তাঁর অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য। প্রথাগত শিল্পচর্চা থেকে জনপরিসরের শিল্পবিভিন্ন ক্ষেত্রেই নিজের সৃজনশীলতার পরিচয় রেখেছিলেন তিনি।শিল্পের পাশাপাশি রাজনীতির ময়দানেওচিত্রকর হিসেবে পরিচিতির পাশাপাশি সক্রিয় রাজনৈতিক জীবনও ছিল যোগেন চৌধুরীর। ২০১৪ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে রাজ্যসভার সাংসদ নির্বাচিত হন তিনি। ২০২০ সাল পর্যন্ত সাংসদ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। শিল্প ও সংস্কৃতির জগতের সঙ্গে যুক্ত একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের সংসদীয় রাজনীতিতে উপস্থিতি তাঁকে অন্য পরিচিতিও দিয়েছিল।তবে তাঁর দীর্ঘ জীবনের সবচেয়ে বড় পরিচয় হয়ে থাকবে শিল্পচর্চা। রং, রেখা ও ব্যঙ্গের মাধ্যমে সমাজকে দেখার যে নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি তিনি তৈরি করেছিলেন, তা ভারতীয় আধুনিক চিত্রকলার ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।যোগেন চৌধুরীর প্রয়াণে হারালেন বাংলা তথা ভারতের শিল্পজগতের এক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। তাঁর সৃষ্টি, শিল্পভাবনা এবং সমাজকে দেখার স্বতন্ত্র দৃষ্টিভঙ্গি আগামী দিনেও শিল্পপ্রেমীদের কাছে প্রাসঙ্গিক থাকবে। মানুষটি চলে গেলেন, কিন্তু ক্যানভাসে রেখে গেলেন সময়, সমাজ ও মানুষের বহু না-বলা কথার চিহ্ন।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
দেশ

হস্টেলে আত্মহত্যা রুখতে বিশেষ ফ্যান! অতিরিক্ত ওজন পড়লেই খুলে যাবে, বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন

সুরাট: পড়ুয়াদের নিরাপত্তায় অভিনব উদ্যোগ বীর নর্মদ দক্ষিণ গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয়েরছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হস্টেলের ঘরে বিশেষ প্রযুক্তির সিলিং ফ্যান বসাল গুজরাটের সুরাটের বীর নর্মদ দক্ষিণ গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয় (Veer Narmad South Gujarat University)। আত্মহত্যার ঝুঁকি কমানোর উদ্দেশ্যে তৈরি এই বিশেষ ফ্যানের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে একটি স্প্রিং মেকানিজম। ফ্যানে অতিরিক্ত ওজন পড়লে সেটি খুলে নীচে নেমে আসবে এবং একই সঙ্গে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। ফলে ফ্যানকে আত্মহত্যার কাজে ব্যবহার করা কঠিন হবে বলে মনে করা হচ্ছে।বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলগুলিতে পড়ুয়াদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই এই উদ্যোগ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। সাধারণ সিলিং ফ্যানের পরিবর্তে বিশেষ ব্যবস্থাযুক্ত এই ফ্যান ব্যবহারের মূল লক্ষ্য হল, কোনও পড়ুয়া চরম মানসিক সংকটের মুহূর্তে আত্মহত্যার চেষ্টা করলে সেই ঝুঁকি কমানো।বিশেষ স্প্রিং ব্যবস্থার কারণে নির্দিষ্ট সীমার বেশি ওজন পড়লে ফ্যানটি তার মাউন্টিং ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার জন্য তৈরি। এর ফলে বিদ্যুৎ সংযোগও বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা। তবে এই প্রযুক্তি কতটা কার্যকর, তা নির্ভর করবে যন্ত্রটির নকশা, নির্ধারিত ওজনসীমা এবং সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের উপর।#WATCH | Surat, Gujarat | Veer Narmad South Gujarat University installs anti-suicide ceiling fans, with special spring mechanism, in hostels, designed to detach under excessive weight and cut off the power supply. https://t.co/1GM7E91n3K ANI (@ANI) October 24, 2026শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ুয়াদের মানসিক স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পড়াশোনার চাপ, ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ কিংবা ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে অনেক পড়ুয়াই মানসিক সংকটের মধ্যে দিয়ে যান। এমন পরিস্থিতিতে নিরাপদ পরিকাঠামো তৈরির পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্য পরিষেবা, কাউন্সেলিং এবং সময়মতো সহায়তা পাওয়ার ব্যবস্থাও জরুরি।বিশেষ ফ্যান বসানোর এই উদ্যোগ হস্টেলের নিরাপত্তা বাড়ানোর ক্ষেত্রে একটি বিকল্প প্রযুক্তিগত পদক্ষেপ। তবে আত্মহত্যা প্রতিরোধে শুধু পরিকাঠামোগত ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়পড়ুয়াদের পাশে থাকা, তাঁদের সমস্যার কথা শোনা এবং প্রয়োজনে দ্রুত পেশাদার সহায়তা পৌঁছে দেওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
রাজ্য

বঙ্গোপসাগরে শক্তি বাড়াচ্ছে ‘অর্ণব’! বুধবার কোথায় আছড়ে পড়বে অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড়? বাংলায় কোথায় কতটা বৃষ্টি?

দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপ ক্রমশ শক্তি বাড়িয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে চলেছে। অভিমুখ বদলে পশ্চিম-উত্তর পশ্চিম দিকে এগিয়ে মঙ্গলবার তীব্র এবং বুধবার অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নিতে পারে সেটি। অন্ধ্রপ্রদেশের বাপাতলা ও বিশাখাপত্তনমের মধ্যবর্তী উপকূলে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বাংলার উপকূলেও বাড়ছে সতর্কতা। দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টি এবং সমুদ্রে প্রবল ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।বঙ্গোপসাগরে ক্রমশ ঘনীভূত হচ্ছে ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা। পূর্ব-মধ্য এবং সংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপটি ইতিমধ্যেই শক্তি সঞ্চয় করতে শুরু করেছে। আবহাওয়ার গতিপ্রকৃতি অনুযায়ী, রবিবারের মধ্যে সেটি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এর পর অনুকূল পরিস্থিতি বজায় থাকলে সোমবার সকালের মধ্যেই ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টির নাম হতে পারে অর্ণব।আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, নিম্নচাপটির গতিপথে পরিবর্তন আসতে পারে। প্রথমে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে এগোলেও পরে সেটি বাঁক নিয়ে পশ্চিম-উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সমুদ্রের উপর দিয়ে এগোনোর সময় ক্রমশ শক্তি বাড়িয়ে বুধবারের মধ্যে অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে সেটি। ফলে আগামী কয়েক দিন বঙ্গোপসাগরের আবহাওয়ার উপর বিশেষ নজর রাখছেন আবহবিদেরা।কোথায় রয়েছে নিম্নচাপ? কোন দিকে এগোচ্ছে?আবহাওয়া দফতরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শনিবার রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ নিম্নচাপটির অবস্থান ছিল আন্দামানের শ্রীবিজয়পুরম থেকে প্রায় ৪৭০ কিলোমিটার উত্তর-উত্তর পশ্চিমে। অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনম থেকে এর দূরত্ব ছিল প্রায় ৮৬০ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণ পূর্বে। কাকিনাড়া থেকে প্রায় ৯৫০ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণ পূর্বে, মছলিপত্তনম থেকে ১,০৬০ কিলোমিটার পূর্বে এবং বাপাতলা থেকে প্রায় ১,১৩০ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থান করছিল নিম্নচাপটি।প্রাথমিক ভাবে ঘণ্টায় প্রায় ৮ কিলোমিটার গতিতে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে এগোচ্ছিল সেটি। রবিবার দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হওয়ার পর পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরের উপর গতিপথ বদলে পশ্চিম-উত্তর পশ্চিম দিকে এগোনোর সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার পর মঙ্গলবারের মধ্যে তা তীব্র ঘূর্ণিঝড়ের চেহারা নিতে পারে। পরে আরও শক্তি সঞ্চয় করে অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।বুধবার কোথায় আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড়?সম্ভাব্য গতিপথের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বুধবার সকালে অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলের কাছাকাছি পৌঁছতে পারে ঘূর্ণিঝড়টি। বাপাতলা ও বিশাখাপত্তনমের মধ্যবর্তী উপকূলীয় অঞ্চলে বুধবার দুপুর নাগাদ স্থলভাগে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সময় ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ১১৫ থেকে ১২৫ কিলোমিটার হতে পারে। দমকা হাওয়ার সর্বোচ্চ বেগ ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।তবে ঘূর্ণিঝড়ের নির্দিষ্ট গতিপথ, তীব্রতা এবং স্থলভাগে আছড়ে পড়ার সময় আবহাওয়ার পরবর্তী পরিস্থিতির উপর নির্ভর করবে। তাই চূড়ান্ত ল্যান্ডফলের স্থান ও সময় সম্পর্কে পরবর্তী সরকারি বুলেটিনের দিকে নজর রাখা জরুরি।উত্তাল সমুদ্র, মৎস্যজীবীদের জন্য সতর্কতানিম্নচাপের প্রভাবে ইতিমধ্যেই বঙ্গোপসাগরের বিস্তীর্ণ অংশে আবহাওয়ার অবনতি হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। রবিবার থেকেই সমুদ্রে ঝোড়ো হাওয়ার দাপট বাড়তে পারে। সোমবার ঘূর্ণিঝড় তৈরি হলে হাওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় ৮০ থেকে ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। মঙ্গলবার তীব্র ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে তা ঘণ্টায় ৯০ থেকে ১১০ কিলোমিটার হতে পারে। বুধবার অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ের সময় হাওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় ১১৫ থেকে ১২৫ কিলোমিটার এবং দমকা হাওয়ার বেগ ১৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছনোর আশঙ্কা রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে সমুদ্র উত্তাল হয়ে উঠতে পারে। পশ্চিমবঙ্গের উপকূলেও মঙ্গলবার থেকে সতর্কতা জারি থাকার কথা জানানো হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে না যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাঁরা ইতিমধ্যে মাছ ধরতে গিয়েছেন, তাঁদের মঙ্গলবারের মধ্যে উপকূলে ফিরে আসতে বলা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী এলাকায় ঘণ্টায় ৩৫ থেকে ৫৫ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।বুধবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাসঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়াতেও পরিবর্তন আসতে পারে। বুধবার ও বৃহস্পতিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃহস্পতিবার পুরুলিয়া ও বাঁকুড়াতেও ভারী বৃষ্টি হতে পারে।কলকাতা, হাওড়া ও হুগলিতে বুধবার এবং বৃহস্পতিবার বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। অন্য দিকে, উত্তর ২৪ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়ায় বুধবার থেকে শনিবার পর্যন্ত দফায় দফায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে।অর্থাৎ, উপকূলবর্তী জেলাগুলির পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের অভ্যন্তরীণ জেলাগুলিতেও ঘূর্ণিঝড়ের পরোক্ষ প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সব জেলায় বৃষ্টির পরিমাণ সমান হবে না। পরিস্থিতি অনুযায়ী সতর্কতার মাত্রা বদলাতে পারে।উত্তরবঙ্গেও কি বাড়বে বৃষ্টি?ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। উত্তরবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী তিন দিন দুই বঙ্গেই তাপমাত্রার উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। তার পর তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমতে পারে।কলকাতার তাপমাত্রা কত?রবিবার সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় ০.৪ ডিগ্রি বেশি। শনিবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের তুলনায় ০.৫ ডিগ্রি কম।সব মিলিয়ে, বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের পরবর্তী গতিপ্রকৃতিই এখন আবহাওয়াবিদদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে ঝড়ের আশঙ্কা থাকলেও বাংলার উপকূলেও সতর্কতা প্রয়োজন। বিশেষ করে মৎস্যজীবীদের সরকারি নির্দেশ মেনে চলা এবং উপকূলবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের আবহাওয়া দফতরের সর্বশেষ সতর্কবার্তার দিকে নজর রাখা জরুরি।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

৩০০তম ম্যাচেই ইতিহাস ভারতের! আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ২০০ জয়ের বিশ্বরেকর্ড, জোড়া মাইলফলকে উজ্জ্বল টিম ইন্ডিয়া

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে আরও একবার নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করল ভারতীয় ক্রিকেট দল। ৩০০তম আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে নেমেই জোড়া মাইলফলক স্পর্শ করল টিম ইন্ডিয়া। একদিকে বিশ্বের দ্বিতীয় দল হিসেবে ৩০০টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলার নজির, অন্যদিকে প্রথম দল হিসেবে ২০০টি ম্যাচ জয়ের ঐতিহাসিক কৃতিত্ব। নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে এই দুই সাফল্য ভারতীয় ক্রিকেটের মুকুটে নতুন পালক যোগ করল।শনিবারের ম্যাচটি ভারতের কাছে শুধুমাত্র সিরিজের আর একটি লড়াই ছিল না, বরং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পরিসংখ্যানে নিজেদের জায়গা আরও শক্তিশালী করে নেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষও ছিল। টানটান উত্তেজনার এই ম্যাচে শেষ পর্যন্ত এক বল বাকি থাকতে জয় তুলে নেয় ভারত। ফলে মাঠের লড়াইয়ে সাফল্যের পাশাপাশি রেকর্ডের পাতাতেও স্মরণীয় হয়ে থাকল এই ম্যাচ।৩০০টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ, তালিকায় দ্বিতীয় ভারতছেলেদের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করেছে ভারত। নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচটি ছিল এই ফরম্যাটে ভারতীয় দলের ৩০০তম আন্তর্জাতিক ম্যাচ। এর ফলে বিশ্বের দ্বিতীয় দল হিসেবে এই মাইলফলক স্পর্শ করল ভারত।এই তালিকায় এখনও শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তান। প্রতিবেশী দেশটি এখনও পর্যন্ত ৩০৪টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছে। অর্থাৎ, ম্যাচ খেলার সংখ্যার বিচারে পাকিস্তানের থেকে মাত্র চারটি ম্যাচ পিছিয়ে রয়েছে ভারত। অন্যদিকে, শনিবারের ম্যাচের পর নিউ জ়িল্যান্ডের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৬৯।পরিসংখ্যান বলছে, আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ভারত কতটা ধারাবাহিকভাবে নিজেদের উপস্থিতি বজায় রেখেছে। দীর্ঘদিন ধরে এই ফরম্যাটে নিয়মিত অংশগ্রহণের পাশাপাশি সাফল্যের নিরিখেও ভারতীয় দল যে অন্যতম শক্তিশালী প্রতিপক্ষ, তা স্পষ্ট হয়েছে তাদের জয়ের পরিসংখ্যানে।২০০ জয়ের নজির গড়ে বিশ্বের এক নম্বর ভারত৩০০তম ম্যাচে ভারতের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি নিঃসন্দেহে ২০০তম আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি জয়। এই কৃতিত্ব অর্জন করে বিশ্বের প্রথম দল হিসেবে নজির গড়ল ভারত। অর্থাৎ, শুধু ম্যাচ খেলার সংখ্যাতেই নয়, জয় তুলে নেওয়ার ক্ষেত্রেও আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে নতুন ইতিহাস তৈরি করল টিম ইন্ডিয়া।জয়ের পরিসংখ্যানে ভারতের ধারেকাছে আপাতত রয়েছে পাকিস্তান। তারা এখনও পর্যন্ত ১৭৬টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে জয় পেয়েছে। তালিকার তৃতীয় স্থানে থাকা নিউ জ়িল্যান্ডের জয়ের সংখ্যা ১৩৫। ফলে এই পরিসংখ্যানে ভারতের সঙ্গে অন্য দলগুলির ব্যবধান যথেষ্ট উল্লেখযোগ্য।এই সাফল্য ভারতীয় দলের ধারাবাহিক পারফরম্যান্সেরই প্রতিফলন। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দ্রুত রান তোলা, চাপের মুখে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা ভারতকে এই জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে।চলতি বছরেও সাফল্যের ধারায় টিম ইন্ডিয়াআন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে চলতি বছরেও ভারতের পারফরম্যান্স নজর কেড়েছে। এখনও পর্যন্ত ৩৭টি ম্যাচ খেলে ২৫টিতে জয় পেয়েছে ভারতীয় দল। ব্যস্ত ক্রিকেট সূচির মধ্যেও এই জয়ের হার দলের ধারাবাহিকতার পরিচয় বহন করছে।অন্যদিকে, পরাজয়ের সংখ্যার নিরিখেও ভারতের রেকর্ড উল্লেখযোগ্য। এখনও পর্যন্ত মাত্র ৮৩টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে হারতে হয়েছে ভারতকে। এই বিভাগে ভারতের চেয়ে পিছিয়ে রয়েছে একাধিক শক্তিশালী ক্রিকেট খেলিয়ে দেশ।ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া, দুই দলই ৯২টি করে ম্যাচে পরাজিত হয়েছে। ফলে এই তালিকায় তারা যুগ্মভাবে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার পরাজয়ের সংখ্যা ১০১।রেকর্ডের সঙ্গে শেষ বল পর্যন্ত লড়াইনজির গড়ার ম্যাচে ভারতীয় দলের জয়ও এসেছে যথেষ্ট লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে। নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর এক বল বাকি থাকতে জয় নিশ্চিত করে ভারত। ফলে ম্যাচের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত উত্তেজনা বজায় ছিল।আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ৩০০ ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা এবং ২০০ জয়ের সাফল্যদুইয়ের মেলবন্ধন ভারতীয় ক্রিকেটের শক্তির পরিচয় দিচ্ছে। এই ফরম্যাটে বিশ্বের প্রথম দল হিসেবে ২০০ জয়ের মাইলফলক স্পর্শ করা নিঃসন্দেহে বড় কৃতিত্ব।সব মিলিয়ে, নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি ভারতের কাছে হয়ে থাকল দ্বিগুণ আনন্দের উপলক্ষ। একদিকে মাঠে জয়, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ইতিহাসে নতুন অধ্যায়। পরিসংখ্যানের নিরিখে ভারত যে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের অন্যতম প্রধান শক্তি, ৩০০তম ম্যাচে ২০০ জয়ের নজির সেই দাবিকেই আরও জোরালো করল।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
রাজ্য

ষষ্ঠী থেকে লক্ষ্মীপুজো পর্যন্ত ছুটিতে ইতি! সরকারি হাসপাতালের কর্মীদের জন্য বড় ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বতের

২০২৭ সালের দুর্গাপুজো থেকে বদলাতে চলেছে সরকারি হাসপাতালের ছুটির রীতি। সপ্তমী থেকে দশমী পর্যন্ত বিশেষ রোস্টার, অর্ধেক থাকবেন অ-চিকিৎসক কর্মী। চিকিৎসক ও নার্সদের থাকতে হবে প্রয়োজন অনুযায়ী ডিউটিতে।কলকাতা: দুর্গাপুজোর ষষ্ঠী থেকে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো পর্যন্ত টানা ছুটি বা ছুটি-ছুটি মেজাজের দিন শেষ হতে চলেছে রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলিতে। স্বাধীনতার পর থেকে চলে আসা দীর্ঘদিনের এক অলিখিত রীতিতে এবার ইতি টানার কথা ঘোষণা করলেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। আগামী বছর থেকে পুজোর ছুটিতে হাসপাতালের পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে আরও কড়া পদক্ষেপ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। স্বাস্থ্য পরিষেবার মতো জরুরি ক্ষেত্রে দীর্ঘ ছুটির প্রচলিত ধারণা বদলানোই সরকারের লক্ষ্য।শুক্রবার, বিজয়া দশমীর পর দ্বাদশীর দিন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, অন্যান্য সরকারি দফতরের সঙ্গে স্বাস্থ্য দফতরের কাজের মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। সরকারি অফিসে ছুটির প্রভাব এক রকম হলেও হাসপাতালের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। সেখানে রোগীর চিকিৎসা, জরুরি বিভাগ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরিষেবা কোনওভাবেই বন্ধ রাখা যায় না। তাই পুজোর সময়েও পর্যাপ্ত কর্মী নিয়ে হাসপাতাল চালু রাখার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, ১৯৪৭ সালের পর থেকে রাজ্যে কার্যত একটি অলিখিত রীতি চলে আসছিল। ষষ্ঠী থেকেই সরকারি দফতরগুলিতে পুজোর আবহে কাজের গতি কমে যেত, আর সেই ছুটির রেশ চলত লক্ষ্মীপুজো পর্যন্ত। কিন্তু হাসপাতালের মতো জরুরি পরিষেবার ক্ষেত্রে এই দীর্ঘ ছুটি-ছুটি ভাব আর বরদাস্ত করা হবে না। তাঁর কথায়, ষষ্ঠী থেকে লক্ষ্মীপুজো পর্যন্ত ছুটি নেওয়ার প্রচলিত রেওয়াজ বন্ধ হওয়া প্রয়োজন।আগামী বছর থেকে কী নিয়ম চালু হবে?স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী বছরের দুর্গাপুজো থেকে সরকারি হাসপাতালগুলিতে সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী ও দশমীএই চার দিনের জন্য বিশেষ ডিউটি রোস্টার চালু থাকবে। হাসপাতালের পরিষেবা সচল রাখতে কর্মীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে। অ-চিকিৎসক কর্মীদের ক্ষেত্রে এই চার দিনে মোট কর্মীসংখ্যার প্রায় অর্ধেককে কাজে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।তবে চিকিৎসক ও নার্সদের জন্য আগাম নির্দিষ্ট ছুটির রোস্টার থাকবে না বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। হাসপাতালের প্রয়োজন এবং পরিষেবার চাহিদা অনুযায়ী তাঁদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। অর্থাৎ, পুজোর দিনগুলিতে চিকিৎসক ও নার্সদের উপস্থিতি নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের কাজের প্রয়োজনের উপর।এই ব্যবস্থার মাধ্যমে পুজোর সময়েও হাসপাতালের দৈনন্দিন পরিষেবা, রোগী সামলানো এবং জরুরি চিকিৎসার ক্ষেত্রে যাতে কোনও ঘাটতি না থাকে, তা নিশ্চিত করতে চাইছে স্বাস্থ্য দফতর।এ বছর থেকেই কাজে ফেরার নির্দেশশুধু আগামী বছরের পরিকল্পনাই নয়, চলতি বছরেও সরকারি হাসপাতালগুলিতে কর্মীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার বিষয়ে পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শারদ্বত। তাঁর দাবি, অন্যান্য সরকারি দফতরের মতো মেডিক্যাল কলেজগুলির শিক্ষক, অধ্যক্ষ, এমএসভিপি, নন-মেডিক্যাল সুপারিনটেন্ডেন্ট থেকে শুরু করে সাফাইকর্মীবিভিন্ন স্তরের কর্মীরা কাজে ফিরেছেন।এমনকি যাঁরা আগে থেকেই ছুটিতে ছিলেন, তাঁদের ছুটি বাতিল করে কাজে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই রীতির অবসান ঘটিয়ে হাসপাতালগুলিতে কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখাই এখন অগ্রাধিকার।পরিষেবা সচল রাখাই মূল লক্ষ্যদুর্গাপুজো থেকে লক্ষ্মীপুজো পর্যন্ত টানা ছুটির প্রচলন বন্ধ করার সিদ্ধান্ত সরকারি হাসপাতালের কর্মীদের কাজের সময়সূচিতে পরিবর্তন আনতে পারে। বিশেষ করে পুজোর সময় চিকিৎসক, নার্স এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা গেলে জরুরি চিকিৎসার ক্ষেত্রে রোগীদের সুবিধা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।তবে নতুন রোস্টার কীভাবে কার্যকর হবে, হাসপাতালভিত্তিক কর্মী বণ্টন কীভাবে হবে এবং চিকিৎসক-নার্সদের দায়িত্ব নির্ধারণে কী পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে, তা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঘোষণায় স্পষ্ট, আগামী বছর থেকে সরকারি হাসপাতালগুলিতে পুজোর ছুটি নিয়ে দীর্ঘদিনের প্রচলিত ব্যবস্থায় বদল আনতে চাইছে রাজ্য সরকার। উৎসবের মরশুমেও যাতে স্বাস্থ্য পরিষেবায় কোনও শিথিলতা না আসে, সেই লক্ষ্যেই ছুটির বদলে দায়িত্ব পালনের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

অক্টোবর ২৩, ২০২৬
কলকাতা

চোরবাগান কাণ্ডে বড় পদক্ষেপ পুলিশের! আতঙ্কের মাইকিংয়ে গ্রেফতার আরও এক ঘোষক, ধৃতের সংখ্যা ২

সপ্তমীর সন্ধ্যায় মণ্ডপে হুড়োহুড়ি ও বিশৃঙ্খলার মধ্যে মণ্ডপ ভেঙে যাচ্ছে বলে ঘোষণার অভিযোগ। তদন্তে উঠে এসেছে দুই ঘোষকের নাম। কেন এমন ঘোষণা, নেপথ্যে কারও নির্দেশ ছিল কি না, খতিয়ে দেখছে পুলিশ।কলকাতার চোরবাগান দুর্গাপুজোর বিপর্যয় ঘিরে তদন্তে আরও এক ধাপ এগোল পুলিশ। মণ্ডপে দর্শনার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ানো ঘোষণার ঘটনায় দ্বিতীয় এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতের নাম কুশল মজুমদার। তাঁকে লালবাজারে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তদন্তকারীরা। এর আগে এই ঘটনায় চোরবাগান পুজো কমিটির কোষাধ্যক্ষ সঞ্জীব রাহা ওরফে সেন্টুকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ফলে মাইকে বিভ্রান্তিকর ঘোষণা সংক্রান্ত মামলায় গ্রেফতারির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল দুই।পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে, সপ্তমীর সন্ধ্যায় চোরবাগানের পুজোমণ্ডপে যখন দর্শনার্থীদের মধ্যে প্রবল ঠেলাঠেলি ও হুড়োহুড়ি চলছিল, তখন মাইকে ঘোষণা করা হয়, মণ্ডপ ভেঙে যাচ্ছে। অভিযোগ, এই ঘোষণা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তোলে। আতঙ্কিত দর্শনার্থীরা দ্রুত বাইরে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে থাকেন। তাতেই বিশৃঙ্খলা আরও বেড়ে যায় বলে দাবি প্রত্যক্ষদর্শীদের। যদিও ওই ঘোষণার উদ্দেশ্য এবং তার সঙ্গে বিপর্যয়ের সম্পর্ক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।সিসিটিভি ফুটেজে দুই সন্দেহভাজনের খোঁজঘটনার পরই মণ্ডপে মাইক থেকে কে বা কারা ওই ঘোষণা করেছিলেন, তা জানতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। মণ্ডপের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে দুজনকে সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়। তাঁদের গতিবিধির উপর নজরদারি চালানোর পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ শুরু করেন তদন্তকারীরা। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তাঁদের মধ্যে একজনকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছিল। অবশেষে দ্বিতীয় সন্দেহভাজন কুশল মজুমদারকেও পাকড়াও করা হল।পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার পর থেকেই সঞ্জীব রাহা ওরফে সেন্টুর খোঁজ মিলছিল না। তাঁর বাড়িতে গিয়েও পুলিশ তাঁকে পায়নি। তদন্তকারীদের দাবি, বিপর্যয়ের পর থেকে তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ ছিল। তবে বিভিন্ন সময়ে অন্য নম্বর ব্যবহার করে পরিবার ও পরিচিতদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলেন তিনি। সেই সূত্র ধরে সন্দেহভাজন আটটি মোবাইল নম্বরের উপর নজরদারি চালানো হয়। শেষ পর্যন্ত সেই সূত্র ধরেই বৃহস্পতিবার নদিয়া থেকে সেন্টুকে গ্রেফতার করে পুলিশ।আতঙ্কের ঘোষণা ঘিরে বাড়ছে প্রশ্নচোরবাগান কাণ্ডের পর সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিয়োতে মণ্ডপের ভিতরে ও বাইরে চরম বিশৃঙ্খলার ছবি দেখা যায়। একটি ভিডিয়োতে গ্রিল দিয়ে ঘেরা ঘোরানো উড়ালপথের উপর কয়েক জন দর্শনার্থীকে অসুস্থ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে বলে দাবি করা হয়। অন্য একটি ভিডিয়োতে মণ্ডপ থেকে বেরোনোর গেটের ভিতরে কয়েক মিটার দূরেই ঠেলাঠেলি ও ধাক্কাধাক্কির মধ্যে কয়েক জনকে মাটিতে পড়ে যেতে দেখা যায়। আতঙ্কিত দর্শনার্থীদের চিৎকারের মধ্যে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করতেও দেখা যায় এক পুলিশকর্মীকে।এই বিশৃঙ্খলার মধ্যেই মাইক থেকে মণ্ডপ ভেঙে যাচ্ছে বলে ঘোষণা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। ওই ঘোষণার পর দর্শনার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক আরও বেড়ে যায় এবং অনেকে দ্রুত বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের দাবি। তদন্তের স্বার্থে ভিডিয়োগুলির সত্যতা ও প্রাসঙ্গিকতা যাচাই করা জরুরি। তবে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজেও ওই ঘোষণার বিষয়টি তদন্তের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হিসেবে উঠে এসেছে।নির্দেশ দিয়েছিল কে? খতিয়ে দেখছে পুলিশতদন্তকারীদের সামনে এখন একাধিক প্রশ্ন। মণ্ডপে যখন ভিড়ের মধ্যে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছিল, তখন ঠিক কী পরিস্থিতিতে ওই ঘোষণা করা হয়? ঘোষকরা কি নিজেরাই এমন কথা বলেছিলেন, নাকি তাঁদের পিছনে অন্য কারও নির্দেশ ছিল? পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে ঘোষণা করা হলেও তা কীভাবে আতঙ্ক বাড়িয়ে দিল, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, সঞ্জীব রাহা ও কুশল মজুমদারদুজনেরই বাড়ি অমর বসু সরণিতে, চোরবাগানের পুজোমণ্ডপ থেকে প্রায় ৫০ মিটারের মধ্যে। বৃহস্পতিবার গ্রেফতার হওয়া সঞ্জীবকে শুক্রবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে হাজির করানোর কথা ছিল বলে জানা গিয়েছিল। দ্বিতীয় অভিযুক্তকে গ্রেফতারের পর তদন্তের পরবর্তী পর্যায়ে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদে আরও তথ্য উঠে আসে কি না, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে পুলিশের।চোরবাগানের বিপর্যয় ঘিরে ইতিমধ্যেই নানা প্রশ্ন উঠেছে। তার মধ্যে মাইকে করা ওই ঘোষণা কেন এবং কী উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল, তা তদন্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। দুই সন্দেহভাজন ঘোষককে গ্রেফতারের পর এবার এই ঘটনার নেপথ্যে প্রকৃত কারণ ও দায় নির্ধারণে তদন্ত কতদূর এগোয়, সেদিকেই নজর কলকাতার।

অক্টোবর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

পরকীয়ার সন্দেহে দাম্পত্যে অশান্তি, বাড়ি ফিরতেই চরম পরিণতি! বংশীহারিতে স্বামী খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার স্ত্রী

দেড় বছরের দাম্পত্যে তৃতীয় ব্যক্তিকে ঘিরে বিবাদ, ঘরের মেঝে থেকে উদ্ধার যুবকের রক্তাক্ত দেহ। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার স্ত্রী, তদন্তে পুলিশ।পুজোর রেশ কাটতে না কাটতেই দক্ষিণ দিনাজপুরের বংশীহারিতে এক যুবকের রহস্যমৃত্যুকে কেন্দ্র করে ছড়াল তীব্র চাঞ্চল্য। স্ত্রীর সঙ্গে প্রতিবেশী এক যুবকের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ককে কেন্দ্র করে দাম্পত্য কলহের জেরেই স্বামীকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় মৃতের স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এবং কীভাবে ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের নাম বিকাশ রায়। তিনি দক্ষিণ দিনাজপুরের বংশীহারি থানার এলাহাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের কড়ই কলোনির দক্ষিণপাড়ার বাসিন্দা ছিলেন। প্রায় দেড় বছর আগে এলাকারই বাসিন্দা শিউলির সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। সংসার চালানোর জন্য কলকাতায় কাজ করতেন বিকাশ। সেই কারণে দীর্ঘ সময় বাড়ির বাইরে থাকতে হত তাঁকে।অভিযোগ, বিকাশ বাড়িতে না থাকার সুযোগে প্রতিবেশী যুবক অনুপ দাসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন শিউলি। অনুপ পেশায় টোটোচালক। স্থানীয় সূত্রের দাবি, এই সম্পর্কের কথা ক্রমে জানাজানি হয়ে যায়। সম্প্রতি বাড়ি ফেরার পর বিষয়টি বিকাশেরও নজরে আসে বলে অভিযোগ। এরপর থেকেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি বাড়তে থাকে। ব্যক্তিগত সম্পর্ককে কেন্দ্র করে তাঁদের মধ্যে বিবাদ চরমে পৌঁছেছিল বলে দাবি পরিবারের।ঘটনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার সকালে। দীর্ঘক্ষণ ধরে বিকাশ ও শিউলিকে ঘরের বাইরে দেখতে না পেয়ে পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। তাঁরা বারবার ডাকাডাকি করলেও প্রথমে কোনও সাড়া মেলেনি বলে জানা গিয়েছে। পরে শিউলি দরজা খুললে ঘরের মেঝেতে বিকাশের রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। এই দৃশ্য দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় বংশীহারি থানায়।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। কীভাবে বিকাশের মৃত্যু হল, তার নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। মৃতের পরিবারের তরফে শিউলির বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।বিকাশের পরিবারের দাবি, স্ত্রীর সঙ্গে প্রতিবেশী যুবকের সম্পর্ককে কেন্দ্র করেই সংসারে অশান্তির সূত্রপাত। মৃতের ভাইয়ের অভিযোগ, নিজের সম্পর্কের পথে বাধা দূর করতেই পরিকল্পনা করে তাঁর দাদাকে খুন করা হয়েছে। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন। ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।দেড় বছরের দাম্পত্যের এমন মর্মান্তিক পরিণতিতে এলাকায় শোক ও উত্তেজনার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তবে এই ঘটনায় মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং অভিযোগের পিছনে থাকা সমস্ত তথ্য ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও পুলিশি তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।

অক্টোবর ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal