• ৯ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার ২৬ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bengal

কলকাতা

Uttrakhand: ৬ বন্ধুকে আজীবনের মত বিদায় দিয়ে বাড়ি ফিরলেন মিঠুন

ফেরা হল না বাকি বন্ধুদের। দুঃস্বপ্ন কাটিয়ে অবশেষে বাড়ি ফিরলেন বিষ্ণুপুরের মিঠুন দারি । গতকাল উত্তরাখণ্ড থেকে দিল্লি হয়ে কলকাতায় ফেরেন তিনি। উত্তরকাশিতে যাওয়া সাত বাঙালির মধ্যে একমাত্র জীবিত তিনি। আহত অবস্থায় উত্তরাখণ্ডের জেলা হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন মিঠুন। গত ১১ই অক্টোবর কলকাতা থেকে উত্তর কাশিতে ট্রেকিং করতে যান সাতজন বাঙালি। এরপর সোমবার সকালে চার অভিযাত্রীর দেহ ফেরে কলকাতায়। ঘটনার বিষয়ে যদিও মিঠুন বেশি কিছু সংবাদমাধ্যমকে জানাতে পারেননি। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, এখন অনেকটাই সুস্থ রয়েছেন। তবে ভুলতে পারছেন না সেখানকার ভয়াবহ স্মৃতি।গত ২২ অক্টোবর প্রথম পাঁচ জনের মৃত্যুর খবর সামনে আসে। উত্তরাখণ্ডের বাগেশ্বর কন্ট্রোল রুম থেকে বাংলার পাঁচ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন,সাধন বসাক, তিনি ঠাকুরপুকুর জায়গীর রোডের বাসিন্দা। এছাড়াও বিকাশ মাকাল, সৌরভ দাস, সাবিয়ান দাসের দেহ উদ্ধার হয়েছে। তাঁদের পরিচয় জানা গিয়েছে।১১ জন পর্বতারোহীর মধ্যে দুজনকে জীবিত অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হয়েছিল আগেই। অর্থাৎ বাকি ৯ জনের মধ্যে ৫ জনের দেহ উদ্ধার হয়। জানা গিয়েছে, এই দলটি ট্রেকিং-এ গিয়েছিল। সেখানে গিয়েই বিপত্তি ঘটে। ওই দলের মধ্যে ছিলেন ৭ জন বাঙালি। সেই ৭ জনের মধ্যে স্বশরীরে বাড়ি ফিরলেন মিঠুন।

অক্টোবর ২৫, ২০২১
রাজ্য

covid update west bengal: লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, একদিনে রাজ্যে আক্রান্ত হাজার ছুঁই ছুঁই

বাংলার উৎসবের মরসুমে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এবার আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় এক হাজার ছুঁই ছুঁই। রবিবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী এরাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৯৮৯। তার মধ্যে কলকাতায় ২৭৩ জন। দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা, ১৪৬ জন আক্রান্ত। গত ২৪ ঘণ্টায় হুগলিতে ৮৯, হাওড়াতে ৮৩, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৭৪জন করোনা আক্রান্ত হয়েছে। মোটের ওপর এভাবে সব জেলাতেই বেড়ে চলেছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা। ২৪ ঘণ্টায় স্যাম্পল টেস্ট করা হয়েছে ৪২,৬২২ জনের। এদিন করোনামুক্ত হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৮২৮ জন। মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের। ক্রমশ অস্বস্তি বাড়ছে স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের। উৎসবের দিনগুলো ঢালাও ছাড় দেওয়ার ফল ভোগ করতে হতে পারে রাজ্যবাসীকে। বিশেষজ্ঞরা বারে বারে সতর্ক করেছিলেন সরকারকে। কে শোনে কার কথা। তারওপর পুজোর আগে বাজারে ভিড়, পুজোতে মন্ডপে ও রাস্তায় থিকথিকে ভিড়। ফলত ক্রমশ বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। অনেকে আবার ডবল ডোজ টিকা নিয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠছিলেন। ঠিক ৭ দিন আগে অর্থাৎ ১৭ অক্টোবর রাজ্যের পরিসংখ্যানটা একবার দেখে নেওয়া যাক। ওই দিন আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৬২৪। কলকাতায় আক্রান্ত ১৭৯, উত্তর ২৪ পরগনায় ১২৮, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৫৩, হাওড়ায় ৫১, হুগলিতে ৪৮ জন। ক্রমশ তা ধরাছোয়ার বাইরে চলে যেতে বসেছে। কমবার কোনও লক্ষণ নেই, বরং বেড়ে চলেছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা। গতকাল শনিবার ও আজ, রবিবার করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এক হাজারের কাছাকাছি। এর আগে তিন দিন ধরে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল আটশোর ঘরে। তার আগে ১৯ অক্টোবর ছিল ৭শোর ঘরে। ৬শোর ঘরে ছিল তার আগের দুদিন। ২৩ অক্টোবর মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৯৭৪, ২২ অক্টোবর ৮৪৬ জন, কলকাতায় ২৪২। ২১ অক্টোবর রাজ্যে আক্রান্ত ৮৩৩। কলকাতায় ২৩৩। ২০ অক্টোবর ৮৬৭ আক্রান্ত, কলকাতায় ২৪৪। ১৯ অক্টোবর রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৭২৬। কলকাতায় ১৮৩। ১৯ অক্টোবর ৬৯০। কলকাতায় ১৯৪। মানুষ সতর্ক না হলে তৃতীয় ঢেউও কিন্তু দোরগোড়ায়, একথা বারে বারে বলছেন বিশেষজ্ঞরা। তবু রাস্তা-ঘাটে-বাজারে মাস্কহীন মানুষজন ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কারও যেন কোনও হেলদোল নেই। এমনভাবে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকলে ফের লকডাউনের পথে যেতে হতে পারে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।

অক্টোবর ২৪, ২০২১
রাজ্য

Corona Update: কলকাতায় বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, নবান্নে জরুরি বৈঠকে একগুচ্ছ নির্দেশিকা

পুজোর পর সংক্রমণ বাড়বে, এমন আশঙ্কা চিকিৎসকেরা আগেই করেছিলেন। তবে লক্ষ্মী পুজো কাটতে না কাটতেই যে এ ভাবে তরতর করে বাড়তে থাকবে দৈনিক সংক্রমণ, তেমনটা প্রত্যাশা ছিল না প্রশাসনের। শহরে করোনার রেখচিত্র দেখে চোখ কপালে উঠছে প্রশাসনিক কর্তাদের। কলকাতায় কার্যত লাফ দিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ। গতকাল শহরে দৈনিক সংক্রমণ ৩০০ ছাড়িয়েছিল। আর আজ সেই সংখ্যাটা ছাড়াল ৪০০। আরও পড়ুনঃ ভয় ধরিয়ে ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় মৃত্যু ৬৬৬ জনেরশনিবার কলকাতা পুরসভার দেওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় আক্রান্ত হয়েছে ৪৪৯ জন। এর মধ্যে ১৯৪ জনের টিকার দুটি ডোজ় নেওয়া হয়ে গিয়েছে। এদিকে, করোনার সম্ভাব্য তৃতীয় ঢেউ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সবরকমের ব্যবস্থা নিতে রাজ্য সরকার নির্দেশ দিয়েছে। নবান্নে শনিবার রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে মুখ্য সচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী সমস্ত জেলা প্রশাসনকে করোনা রুখতে সর্বোচ্চ স্তরে প্রস্তুতি রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বলে নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে।প্রশাসনিক সূত্রে খবর বেশ কয়েকটি জেলায় করোনা সংক্রমণ ফের বেড়ে যাওয়ায় মুখ্যসচিব উদ্বেগ প্রকাশ করেন। সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি আটকাতে সুনির্দিষ্ট কয়েকটি পদক্ষেপ করতে বলা হয়েছে। এলাকাভিত্তিক কনটেনমেন্ট জোন তৈরি করার ব্যবস্থা প্রয়োজনে ফের ফিরিয়ে আনতে বলা হয়েছে। নৈশ বিধি-নিষেধ যাতে রাজ্যের সর্বত্র কঠোরভাবে পালিত হয় তা দেখতে মুখ্যসচিব জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে সার্বিক টিকাকরণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি করোনা হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা পরিষেবার মান নতুন করে মূল্যায়ন করারও তিনি নির্দেশ দেন।

অক্টোবর ২৩, ২০২১
রাজনীতি

By-Election: রাজ্যের দুই বিধানসভা কেন্দ্রে অকাল ভোটের জন্য বিজেপি নেতাদের লালসাকে দায়ী করলেন অভিষেক

গোসাবায় উপনির্বাচনে প্রচারে গিয়ে স্থানীয় ভাবাবেগকে উসেক দিলেন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন জনসভায় দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বলেন, একজন সাংসদ থাকবেন আর একজন মন্ত্রী হবেন বলে নিজেদের লালসা ও রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে মানুষের রায় পরিত্যাগ করেছেন। আর তৃণমূলের দুই বিধায়ক করোনায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। এঁরা মানুষের কাজ করতে গিয়ে মৃত্যুকে আপন করেছেন। এভাবেই চার কেন্দ্রে কেন অকাল ভোট সেই ব্যাখ্যা দিয়েছেন তৃণমূলের যুবরাজ।উল্লেখ্য়, গোসাবা ও খড়দহ কেন্দ্রে তৃণমূলের দুই বিধায়কের মৃত্যু হয়েছিল করোনায়। অন্যদিকে শান্তিপুরের বিধায়ক হয়েছিলেন বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার। তিনি বিধায়কপদে ইস্তফা দিয়ে সাংসদ থেকে গিয়েছেন। দিনহাটায় সব থেকে কম ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছিলেন কোচবিহারের বিজেপি সাংসদ নিশীথ প্রামানিক। তিনি এখন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তিনিও বিধায়ক পদে ইস্তফা দিয়েছেন। দুই বিজেপি বিধায়কের ইস্তফার জন্যই উপনির্বাচন করতে হচ্ছে শান্তিপুর ও দিনহাটায়।এদিনের জনসভায় অভিষেক বিঁধেছেন অমিত শাহকে। অভিষেক বলেন, বিজেপির প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন সুন্দরবনকে আলাদা জেলা করে ২ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করবেন। কোথায় গেল সেই টাকা। বহিরগতরা এসব বলে চলে যায়। কাজের কাজ কিছু করে না। ভূমিপুত্রকে ভোট দিয়ে জয়ী করুন। সারা দেশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে তাকিয়ে আছে। আমরা বলেছিলাম আর যাই হোক মাথা নত করবে না।দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ অভিষেক। তিনি বলেন, এই জেলার সঙ্গে আমার আত্মিক সম্পর্ক। আপনাদের সঙ্গে যে সম্পর্ক তা কেউ ভাঙতে পারবে না। আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ। চারটে বিধানসভা আসনের মধ্যে গোসাবায় সব থেকে বেশি ভোটে জয়ী করবেন। প্রত্যেকটা বুথে, প্রত্যেকটা অঞ্চলে তৃণমূলপ্রার্থীকে জেতাতে হবে। প্রতিবছর নানাসময়ে প্রাকৃতিক ঝড়ঝঞ্ঝায় বিধ্বস্ত হতে হয় দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলাকে। আমি এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করব, কথা দিয়ে গেলাম। অভিষেকের কটাক্ষ, শুধু দিল্লি বা বহিরাগত বিজেপি নেতা নয়, গত ৬ মাসে বিজেপির কোনও নেতার টিকি খুঁজে পাওয়া যায়নি।

অক্টোবর ২৩, ২০২১
দেশ

Uttrakhand: উত্তরাখণ্ডে ট্রেকিংয়ে গিয়ে মৃত্যু বাংলার ৫ অভিযাত্রীর, নিখোঁজ আরও তিন

উত্তরাখণ্ডে ট্রেকিং করতে গিয়ে তুষারধসে মৃত্যু হল ৫বাঙালি অভিযাত্রীর। উত্তর কাশী জেলার লামখাগা পাসে ট্রেক যাওয়া ১১ জনের একটি দলের ৫ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ সূত্রে। কানাকাটা পাসেও ট্রেক করতে গিয়েছিল একটি দল। ওই দলেও পাঁচ বাঙালি অভিযাত্রী ছিলেন। তুষারপাতে তাঁদেরও মৃত্যু হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুনঃ মুম্বইয়ের বহুতলে বিধ্বংসী আগুন, বাঁচতে গিয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু যুবকেরলামখাগা পাসে ট্রেক করতে যাওয়া দলটিতে যে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের মধ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগনার নেপালগঞ্জের দুই বাসিন্দা রয়েছেন। যাঁদের নাম সৌরভ ঘোষ ও বিকাশ মৈকাল। তুষারপাতে মৃত্যু হয়েছে সাবিয়ান দাস নামে কালীঘাটের এক অভিযাত্রীর। অনিতা রাওয়াত ও তন্ময় তিওয়ারি নামে আরও দুই অভিযাত্রীর মৃত্যুর খবর মিলেছে। কিন্তু তাঁদের বাড়ি কোথায়, সে ব্যাপারে এখনও নিশ্চিতভাবে কিছু জানা যায়নি। ওই দলের রিচার্ড মণ্ডল নামে এক সদস্য-সহ দুই পোর্টারের মৃত্যু হয়েছে। ওই দলে সুখেন মাঝি নামে আরও এক জন ছিলেন। তবে তাঁর দেহ এখনও উদ্ধার করা যায়নি।কানাকাটা পাসে যাওয়া দলটিতে ছিলেন ঠাকুরপুকুরের বাসিন্দা সাধনকুমার বসাক, নদিয়ার রানাঘাটের বাসিন্দা প্রীতম রায় এবং হাওড়ার বাগনানেরও তিন বাসিন্দা চন্দ্রশেখর দাস, সরিৎশেখর দাস ও সাগর দে। বাগেশ্বেরের এসপি জানিয়েছেন, এই পাঁচ জনের সঙ্গে এক জন গাইডও ছিলেন। ওঁদের এখনও খোঁজ মেলেনি। তাই ওঁরা সত্যিই মৃত কি না, তা আমরা বলতে পারছি না। ছজনের দলটিকে উদ্ধারের জন্য ইতিমধ্যেই একটি দল রওনা দিয়েছে। সেই সঙ্গে হেলিকপ্টারেও উদ্ধারকার্য চালানো হচ্ছে। কিন্তু আবহাওয়া খারাপ হওয়ার কারণে তাতে সমস্যা হচ্ছে। যদিও এই পাঁচ বাঙালি অভিযাত্রী-সহ এক গাইডের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন দীনেশ দানু নামে এক গাইড।

অক্টোবর ২২, ২০২১
রাজ্য

Dilip Ghosh: ১০০ কোটি টিকাকরণের পথে দেশ, ভ্যাকসিন নেই বলে চিৎকার করছে রাজ্য

বৃহস্পতিবার সকালে ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেড়িয়ে বাড়তে থাকা করোনা আবহে টিকাকরণ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, বৃহস্পতিবার দেশে এক ইতিহাস তৈরি হতে চলেছে। ভারতের মতো পিছিয়ে পড়া দেশ নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে মাইলফলক গড়তে চলেছে। তিনি আরও বলেন, কেবলমাত্র নিজের দেশেই নয়, বাসুদৈব কুটুম্বকম নীতি মেনে বহু বন্ধু দেশকে ভ্যাকসিন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এরপরেও যারা ভ্যাকসিন নেই বলে চিৎকার করেন তারা সঙ্কীর্ণ রাজনীতির শিকার বলে জানিয়েছেন দিলিপ ঘোষ।আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশের ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর নীরবতায় অসন্তুষ্ট বিজেপি ডিসেম্বরের মধ্যেই দেশের ১০০ কোটি জনগণকে করোনা টিকা দেওয়া হবে বলে লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছিল কেন্দ্র। তবে অক্টোবর শেষ হওয়ার আগেই সেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলার পথে তারা। মঙ্গলবারই দেশে টিকা প্রাপকের মোট সংখ্যা ছিল ৯৯ কোটি ১২ লাখ ৮২ হাজার ২৮৩।বিশ্বের একমাত্র দেশ হিসাবে আজ একশো কোটি ভ্যাকসিন ডোজ পূর্ন করবে ভারত। আর এ নিয়েও রাজ্য সরকারকে বিঁধলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ । ইকোপার্কে মর্নিং ওয়াকে গিয়ে তাঁর মন্তব্য, এর পরেও রাজ্য বলে তারা টিকা পায় না।দেশের ১০০ কোটি মানুষের টিকাকরণ নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, নিঃসন্দেহে এটা আমাদের কাছে গৌরবের। ভারতের মতো একটা পিছিয়ে থাকা দেশ বলে মনে করি যাকে, মেডিক্যাল সায়েন্সে হোক বা অন্য কারণে হোক সেই দেশ বিশ্বকে পথ দেখাচ্ছে। অনেক উন্নত দেশ যারা, মেডিক্যাল সায়েন্সে অনেক উন্নতি করেছে, তারাও পিছিয়ে গেছে। অন্যান্য দেশে একটা ভ্যাকসিন হচ্ছে, আমাদের দেশে দুটো করে ভ্যাকসিন হচ্ছে। দেশের একশো কোটি লোককে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও পঞ্চাশটা গরিব দেশের মানুষকে ভ্যাকসিন দিচ্ছি আমরা মানবতার খাতিরে।দিলীপ আরও যোগ করেন, সারা দেশের মানুষ আজ খুশি। আমি অন্যান্য রাজ্যেও গেলাম। দিল্লিতে আমি নিজে একটা ভ্যাকসিন নিয়েছি। কোথাও কোনও ঝগড়াঝাটি নেই। সাধারণ ভাবে মানুষ আসছেন, নিচ্ছেন। কিন্তু এখানে কোনও সিস্টেম নেই। মানুষকে ভ্যাকসিন নিতে গিয়ে লাঠি খেতে হচ্ছে, মারা যাচ্ছে। এর থেকে দুর্ভাগ্যের কী আছে!দিলীপ ঘোষের আক্রমণ, রাজ্য সরকারের কোনও যোগ্যতা নেই। তাঁর অভিযোগ, গ্রামের দিকের মানুষ এখনও ভ্যাকসিন থেকে বঞ্চিত। আবার কলকাতা শহরে সমস্ত কিছু দেওয়া হচ্ছে, তাও এখানেও মানুষ জানতে পারছেন না কোথায় এবং কীভাবে ভ্যাকসিন পাবেন, অভিযোগ দিলীপের।

অক্টোবর ২১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : টানা তিনটি প্রস্তুতি ম্যাচে জয়, দল গুছিয়ে নিচ্ছেন দিয়াজ

এসসি ইস্টবেঙ্গল আদৌও আইএসএল খেলতে পারবে কিনা তা নিয়ে একসময় অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিল। খুব কম সময়ের মধ্যে দল গঠন করতে হয়েছিল লাল-হলুদ কর্তাদের। দলকে নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সময় যত গড়াচ্ছে দলকে তৈরি করে নিচ্ছেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মানোলো দিয়াজ। ফিটনেস ট্রেনিংয়ের পর বল নিয়ে মাঠে নেমে পড়েছেন ফুটবলাররা। ইতিমধ্যে তিন-তিনটি প্রস্তুতি ম্যাচও খেলে ফেলেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। তিনটিতেই জয় পেয়েছে। ভাস্কো এবং সালগাঁওকরের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচে জয়ের পর গোকুলাম এফসি-র বিরুদ্ধেও জয় তুলে নিল। তুলনামূলক শক্তিশালী প্রতিপক্ষ গতবারের আই লিগ চ্যাম্পিয়নকে হারাল ২১ ব্যবধানে।গোকুলামের বিরুদ্ধে প্রথমার্ধেই ২ গোলে এগিয়ে যায় এসসি ইস্টবেঙ্গল। গোল করেন বলবন্ত সিং এবং আঙ্গৌসানা। এদিন প্রথমার্ধে দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দেন লাল-হলুদ ফুটবলাররা। বিশেষ করে নজর কাড়েন অ্যান্তোনিও পেরোসেভিচ এবং বিকাশ জাইরু। এদিন নাইজেরিয়ার স্ট্রাইকার ড্যানিয়েল চিমাকে শুরু থেকে মাঠে নামাননি মানোলো দিয়াজ। দ্বিতীয়ার্ধে তিনি মাঠে নামান। মাঠে নেমেই নিজেকে মেলে ধরার চেষ্টা করেন। গোল করারও সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর সেই প্রয়াস আটকে দেন গোকুলাম গোলরক্ষক। ম্যাচের ৭১ মিনিটে লাল-হলুদের রক্ষণের ভুলে গোকুলামের রাহিম ওসুমানু ব্যবধান কমান। ম্যাচের শেষদিকে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি ছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল এদিনই প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে মাঠে নামেন চিমা। তিনি বলেন, দলের সঙ্গে কয়েকদিন অনুশীলন করেছি। সতীর্থদের সঙ্গে বোঝাপড়া গড়তে সময় লাগবে। যত সময় এগোবে, বুঝতে পারব সতীর্থরা কীভাবে খেলে। আর তারাও আমার খেলার পদ্ধতি বুঝতে পারবে। তবে এই জয়টা আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।এদিকে গোয়ায় হোটেল পরিবর্তন করছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। প্রস্তুতি পর্বের শুরুতে দক্ষিণ গোয়ার ভিলাজিও রিসর্টে ঘাঁটি গেঁড়েছিল লাল-হলুদ শিবির। হোটেলের এক কর্মী কোয়ারেন্টিন নিয়ম ভাঙ্গায় জৈব সুরক্ষা বলয় নষ্ট হয় এসসি ইস্টবেঙ্গলের। তারপর কোয়ারেন্টিনের বাইরে থেকে অনুশীলনের সিদ্ধান্ত নেয় তারা। তিন সপ্তাহ কোয়ারেন্টিনের বাইরে থেকে আইএসএলের নিয়ম অনুযায়ী ৮ দিনের কোয়ারেন্টিনে ঢুকে যাবে। হোটেল খোঁজার কাজ চলছে। অনেকটা ঠিকও হয়ে গেছে। উত্তর গোয়ায় হোটেল জোন কানেক্ট। এই হোটেল ভিলাজিও রিসর্টের থেকে অনেক উন্নতমানের। হোটেলের সঙ্গে অনুশীলনের মাঠও বদল হবে। নতুন হোটেলে থেকেই চলবে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। সব ঠিক থাকলে ২৪ অথবা ২৫ অক্টোবর নতুন হোটেলে কোয়ারেন্টিন শুরু হবে এসসি ইস্টবেঙ্গলের।

অক্টোবর ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

S‌C East Bengal : আইএসএলের ডার্বির দিকেই চোখ এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মানোলো দিয়াজের

গত মরশুমে আইএসএলে নিজেদের একেবারেই মেলে ধরতে পারেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। এই মরশুমে আদৌও সফল হবে কিনা সময়ই বলবে। অনেকেই লালহলুদকে নিয়ে ততটা আশাবাদী নন। কারণ শেষ মুহূর্তে মাঠে নেমে সেভাবে দল গঠন করতে পারেননি এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। তা সত্ত্বেও ভাল ফলের ব্যাপারে আশাবাদী লালহলুদ কোচ মানোলো দিয়াজ। এসসি ইস্টবেঙ্গলের এই স্প্যানিশ কোচের চোখ ডার্বির দিকেই।আগের মরশুমে এসসি ইস্টবেঙ্গল ব্যর্থ হলেও তাকে গুরুত্ব দিতে নারাজ মানোলো দিয়াজ। এবছর ফুটবলারদের মানসিকভাবে শক্তিশালী করার ওপর বেশি জোর দিচ্ছেন তিনি। পাশাপাশি ফুটবলারদের আগ্রাসী খেলার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। গোয়ায় প্রস্তুতি শিবিরের ফাঁকেই লালহলুদ কোচ বলেন, সাফল্য পেতে গেলে হিসেবে খেলতে হবে। সবাই যেমন আক্রমণে যাবে, তেমনই রক্ষণ সামলানোর দিকেও নজর দিতে হবে। এই কদিনের অনুশীলনে ফুটবলারদের দক্ষতার পরিচয় পেয়েছি। প্রত্যেকেই দারুণ পরিশ্রমী। আশা করছি এই মরশুমে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে সাফল্য এনে দিতে পারব। পাশাপাশি আরও একটা লক্ষ্য রয়েছে, সেটা হল ভারতীয় ফুটবলারদের মানের উন্নতি ঘটানো।ইতিমধ্যেই মানেলো দিয়াজের মাথায় ঢুকে পড়েছে ২৭ নভেম্বরের ডার্বি ম্যাচের কথা। প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় ম্যাচেই এটিকে মোহনবাগানের মুখোমুখি এসসি ইস্টবেঙ্গল। কলকাতার দুই দলের ডার্বি প্রসঙ্গে লালহলুদ কোচ মানোলো দিয়াজ বলেন, এই ম্যাচের গুরুত্বের কথা শুনেছি। শুধু ৩ পয়েন্টের লক্ষ্যে মাঠে নামব না, উদ্দেশ্য থাকবে মর্যদার লড়াইয়ে জিতে সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটানো। আমি ও আমার সহকারী দীর্ঘদিন রিয়েল মাদ্রিদের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। আমাদের মানসিকতা খুবই কঠিন। যে কোনও পরিস্থিতিতে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা আছে। সব ম্যাচে জেতার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামি। তবে শুধু ডার্বি জিতলে চলবে না। গোটা প্রতিযোগিতার কথা মাথায় রাখতে হবে। সব ম্যাচই আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।আইএসএলে তাঁর যে আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেবে, সেকথাও জানিয়েছেন মানোলো দিয়াজ। দল নিয়ে নানারকম পরীক্ষানিরীক্ষা করছেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ। ইতিমধ্যেই দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে লালহলুদ। দুটি ম্যাচেই জয় এসেছে। ফুটবলারদের পারফরমেন্সে খুশি দিয়াজ। বুধবার আরও একটা প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে গোকুলাম এফসির বিরুদ্ধে। মানোলো দিয়াজ বলেছেন, গোয়ায় আদ্রতা অনেক বেশি। তা সত্ত্বেও ফুটবলাররা ভাল খেলা উপহার দিয়েছে, নিজেদের মেলে ধরেছে। যে যে জায়গায় ভুলভ্রান্তি রয়েছে, সেগুলো ঠিক করতে হবে। এপ্রথম দিকে ফুটবলারদের যেরকম ফিটনেস ছিল তার থেকে অনেক উন্নতি করেছে। আশা করছি আরও উন্নতি করবে।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
নিবন্ধ

প্রতীক্ষা (Wait)

কর্তব্য আর দায়িত্বের চৌম্বকবলয়েরআকর্ষণকে উপেক্ষা করে, কখনোডানা মেলতে পারেনি স্বপ্নালু মন।একরাশ হতাশাকে সঙ্গী করেবিমর্ষ বসন্ত ফিরে গেছে বারবার;দারিদ্র্যের অকৃত্রিম মাধুর্যে ভরেছে জীবন।প্রকাণ্ড বৃক্ষের গা বেয়ে ওঠা বেজন্মাগুল্মের আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্নকেনিমেষে শুকিয়ে দেয় গ্রীষ্মের আঁচ।নৈরাশ্যের চাদরের আড়ালে,বিপ্লবী মনের বিদ্রোহের আগুনের ধোঁয়ায়ঝাপসা হয় জানলার কাঁচ।বাষ্পীভূত অশ্রু মেঘ হয়েফিরে আসে না আর,অপেক্ষায় কালবৈশাখী।উদ্ভ্রান্ত প্রেম সুদূর সাহারাররংচটা তপ্ত বালুর মতোই নিঃসঙ্গ, একাকী।আশা নিরাশার দোলাচলে,চাওয়া-পাওয়ার চোরাস্রোতনেমে আসে শহরে, নগরে,ধূলি-ধুসরিত গ্রামের প্রান্তরে,সমাজের অভ্যন্তরে, লক্ষ লক্ষমানুষের অন্তরে।খসে পড়া নক্ষত্রের পাশে,ছায়াপথ ধরে হেঁটে আসে অপূর্ণইচ্ছার ক্লান্ত মিছিল।দীর্ঘশ্বাসে ভরা চার দেওয়ালেরচৌহদ্দি ডিঙিয়ে, অসীম নীল সামীয়ানারনীচে পৌঁছানোর পথ বড় বন্ধুর, বড় পিচ্ছিল।তবু টের পাই বুকের মাঝে,পদ্মপাতায় টলমল করা শিশিরেরমত একটা সুপ্ত আশা।শেষ থেকে শুরু করারক্ষীণ প্রয়াস বাড়িয়ে দেয়এক মুঠো আয়ু, জাগে প্রত্যাশা।সূর্যের আদরে রাঙানো,উদ্দীপনায় ভরপুর, সুস্থ, প্রাণোচ্ছল,একটা তাজা সকালের অপেক্ষা।হৃদয়ের আলোকপ্রাপ্তির পর,অনুভবে অসীম শুন্যতায়বিলীন হওয়ার প্রতীক্ষা।লেখকদীপক কুমার মণ্ডলআরও পড়ুনঃ পাবলিকআরও পড়ুনঃ বিকল্প

অক্টোবর ১৯, ২০২১
রাজ্য

corona Update: দেশে নিম্নমুখী করোনা গ্রাফ, চিন্তা বাড়াচ্ছে রাজ্য

আশঙ্কাই সত্যি হল। দুর্গাপুজো শেষ হতেই দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে কলকাতার করোনা সংক্রমণের পরিসংখ্যান। এ শহরের দৈনিক সংক্রমণ একধাক্কায় প্রায় ২০০-র কাছে পৌঁছেছে। দুদিনের মধ্যেই কলকাতার নতুন সংক্রমণ বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে বলে সোমবার জানিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর।আরও পড়ুনঃ গড়িয়াহাটে জোড়া খুনে ঘনীভূত রহস্যকলকাতা ছাড়া উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়ও দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা শতাধিক। পাশাপাশি, রাজ্যজুড়ে নতুন আক্রান্ত বেড়ে প্রায় ৭০০ হয়েছে। সংক্রমণের দৈনিক হারও ঊর্ধ্বমুখী। সোমবার সন্ধ্যায় রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রকাশিত বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৬৯০ জন। যা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এদিকে বিগত বেশ কয়েকদিন ধরে ২০ হাজারের নীচে রয়েছে দেশের কোভিড গ্রাফ। যেহেতু দেশে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছ উৎসবের মরশুম, সেই কারণে সংক্রমণে দাড়ি টানতে বারবার সতর্ক হতে বলেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। তারপর বিগত কয়েকদিনের এই সংক্রমণ গ্রাফ অনেকটাই আশা জোগাচ্ছে স্বাস্থ্যকর্মী থেকে শুরু করে আম-জনতাকে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৩ হাজার ৫৮ জন। গতকাল সেই সংখ্যাটা ছিল ১৩ হাজার ৫৯৬ জন। করোনাকে হারিয়ে দেশে সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যাও বেড়ে গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৯ হাজার ৪৭০ জন।দেশের মৃত্যুর গ্রাফও নিম্নমুখী। গত একমাস আগেও ভয় ধরাচ্ছিল মৃতের সংখ্যা। কখনও ২০০ কখনও বা ৩০০-র গণ্ডি ছুঁইছুঁই ছিল সেই সংখ্যাটা। এরপর তা কমে দেড়শোর কম হয়। গত ২৪ ঘণ্টায় গোটা দেশে ১৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
রাজ্য

Weather: দুর্যোগ চলবে দিনভর, লক্ষ্মীপুজোতেও রেহাই পাবে না দক্ষিণবঙ্গ

সোমবার রাতভর বৃষ্টি হয়েছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায়। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় বৃষ্টি হয়েছে ৪১.৭ মিলিমিটার। মঙ্গলবারও সারাদিন ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। অর্থাৎ লক্ষ্মীপুজোতেও বৃষ্টির হাত থেকে রেহাই নেই। বুধবারের পর থেকে বৃষ্টি কিছুটা কমবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।আরও পড়ুনঃ লক্ষ্মীপুজোর আগেই আগুন সবজি থেকে ফল, ধরলেই লাগছে ছ্যাঁকাশুধু দক্ষিণবঙ্গ নয়, উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টি চলবে এই কদিন। মঙ্গলবার দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে এই জেলাগুলিতে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে মালদহ, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে।মঙ্গলবার কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া ও পূর্ব মেদিনীপুরে হলুদ সতর্কতা জারি করেছে আলিপুর। অর্থাৎ এই জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টি হবে। বুধবার ভারী বৃষ্টি হতে পারে বীরভূম ও মুর্শিদাবাদে। এই দুই জেলায় জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা। বুধবার কলকাতায় ভারী বৃষ্টি না হলেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে।বৃষ্টি ছাড়াও উপকূলের জেলাগুলিতে ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর। মঙ্গলবার দুই ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।আলিপুর জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তর ওডিশার উপরে নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। তার জেরে শক্তিশালী পূবালি হাওয়া ঢুকছে রাজ্যে। ফলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
রাজ্য

Weather: ফের নিম্নচাপের ভ্রুকুটি দক্ষিণবঙ্গে, রাত থেকে শুরু বৃষ্টি, সঙ্গী ঝোড়ো হাওয়া

দুর্গাপুজো শেষ হয়ে গেলেও বৃষ্টির বিরাম নেই। লক্ষ্মীপুজোর আগে ফের দুর্যোগের ভ্রুকুটি। শনিবার মাঝরাত থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে কলকাতায়। রবিবারও বৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। তার সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলেই জানিয়েছেন আবহবিদরা।উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং মধ্য বঙ্গোপসাগরের উপরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের জেরে রবি ও সোমবার দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টিপাত হবে। উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, মেদিনীপুরে আজ ভারী বৃষ্টিপাত হবে। বঙ্গোপসাগরে তৈরি ওই নিম্নচাপের প্রভাবে শনিবার সন্ধে থেকে বুধবার পর্যন্ত বৃষ্টি হবে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়।কলকাতায় আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে বৃষ্টিপাতের ফলে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আগামী ২৪ ঘন্টায় এরকমই আবহাওয়া থাকবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। ১৯ তারিখ থেকে আবহাওয়ার উন্নতি হবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আওয়া দপ্তর।টানা বৃষ্টিতে ফের দুর্যোগ, দুর্ভোগের আশঙ্কা। দ্বাদশীতে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বইতে পারে ঝোড়ো বাতাসও। মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যাওয়ার ওপর জারি হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। ভারী বৃষ্টি হলে লক্ষ্মীপুজোর আগে ফের সবজি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকছে। ক্ষতি হতে পারে ধানেরও।পুজোর আগে থেকেই বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা ছিল দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়। কপালে ভাঁজ উপকূলবর্তী জেলাগুলির বাসিন্দাদের। পূর্বাভাস সত্যি করেই দশমীতে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়। কলকাতায় বৃষ্টি নামে শুক্রবার সন্ধ্যা হতেই। এবার ফের জোড়া নিম্নচাপের জের। ফের বৃষ্টির পূর্বাভাস। এই মুহূর্তে নিম্নচাপটি মধ্য-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের উপর রয়েছে। যা ধীরে ধীরে অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওডিশা উপকূলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এর প্রভাবে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প দক্ষিণবঙ্গে প্রবেশ করছে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর বলছে, ১৭ ও ১৮ অক্টোবর দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টি হবে। তবে তার থেকেও উল্লেখ্য, এই দুই দিন ঝোড়ো বাতাস বইবে কলকাতা, হাওড়া, দুই ২৪ পরগনা ও দুই মেদিনীপুরে।

অক্টোবর ১৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Sinduk Rahasya : ভিন্নধারার ছবি সিন্দুক রহস্য

জয়ন্ত পালের ছবি সিন্দুক রহস্যের পোস্টার ও মিউজিক লঞ্চ হয়ে গেল দক্ষিণ কলকাতার ইন্দিরা সিনেমা হলে। পোস্টার লঞ্চ করলেন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত পরিচালক রাজা সেন ও তমাল রায়চৌধুরী। এরপর এই প্রোজেক্টের সঙ্গে গায়ক, সঙ্গীত পরিচালক থেকে শুরু করে বাকিরা তাদের মূল্যবান বক্তব্য রাখেন।সিন্দুক রহস্য নিয়ে যথেষ্ট উন্মাদনা রয়েছে সকলের মধ্যে। এই ছবির মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন মাসুম ও টিনা। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অভিনয় করেছেন তমাল রায় চৌধুরী, দেবাশীষ গাঙ্গুলী ও রাজু মজুমদার সহ আরো অভিনেতা। সকলের পরিচিত মুখ অরিত্র দত্ত বণিক সিন্দুক রহস্য ছবিতে সম্পাদকের ভূমিকা পালন করেছেন।নবাগত অভিনেতা ও নবাগতা অভিনেত্রী কে এখানে দর্শকরা দেখতে পাবেন। ফলে নতুন একটা জুটি পেতে চলেছে টলিউড। এই ছবির মুক্তির দিন এখনও ঠিক হয়নি। তবে জানা যাচ্ছে খুব শীঘ্রই মুক্তি পাচ্ছে এই ছবিটি।

অক্টোবর ১৬, ২০২১
নিবন্ধ

Daughter: কন্যা রুপেন সংস্থিতা

নীল আকাশের মহাসাগরে যখন সাদা মেঘের ভেলা ভাসিয়ে দিত কেউ, শরৎ তার অরুণ আলোর অঞ্জলি দিয়ে ধানের খেতে রৌদ্রছায়ায় খেলতো লুকোচুরির খেলা, শিউলিবনের বুক উঠতো চঞ্চল হয়ে--- তখনই একদিন খবরকাগজে পাতাজোড়া পুজোয় চাই নতুন জুতো, আর শারদীয়া আনন্দমেলার আনকোরা নতুন বিজ্ঞাপনে প্রফেসর শঙ্কু বয়ে আনতেন দেবীপক্ষের প্রথম আলোর চরণধ্বনি।সেই মোলায়েম পূজো পূজো গন্ধ বাড়তে বাড়তে একসময় ম ম করতো চরাচর। স্কুল ঝাঁপ ফেললেই জলপাইগুড়ির বন্ধুমহল, সেজে ওঠা পাড়ার মন্ডপ, নিতাই পালের আস্তানায় অপরূপা মৃণ্ময়ী মাতৃপ্রতিমাদের ফেলে রেখে-- পর্যায়ক্রমে ট্রেন-বাস-গোযান বাহিত হয়ে, পঞ্চমী কি ষষ্ঠীর সন্ধ্যায় পৌঁছে যেতাম বর্ধমান থেকে গোটা তিরিশ কি.মি. দূরে নারায়ণপুর গ্রামে।আরও পড়ুনঃ শারদঅর্ঘ্যপরের চারদিন কোথা দিয়ে যে কেটে যেত আরতি-অঞ্জলি-পূজো-প্রসাদের পৌনঃপুনিকতায়! গ্রামের গুটিকয় বন্ধুর সাথে সেরে ফেলতাম ফেলে আসা বারো মাসের সালতামামি; আর এই সব করতে করতেই কোথা দিয়ে পূজো শেষ। ঢাকিরা বোল তুলত -- ঠাকুর থাকবি কতক্ষণ ঠাকুর যাবি বিসর্জন! দশমীর নিশুতি রাতে বিসর্জনের পর বুকটা সত্যি খাঁ খাঁ করতো অজয় নদের শূণ্য চরের মতো, খেতে বসে বার বার ঢোঁক গিলে সামলে নিতাম উপচে আসা চোখের জল।বড় হয়ে পূজো শেষের এই মনখারাপটা কেটে গেল। মনকে সহজেই বোঝাতে পারতাম-- মা তো যাননি কোথাও; আছেন তো সারাক্ষণ আমার পাশেই!তুমি যে চেয়ে আছো আকাশ ভরে,নিশিদিন অনিমেষে দেখছো মোরে...চলমান জীবনের প্রতি পলে আজ অনুভব করি তাঁর কল্যাণময়ী স্পর্শ। মণ্ডপের মৃণ্ময়ী মাতৃমূর্তি চিন্ময়ীরূপে অনুক্ষণ আচ্ছন্ন করে রাখেন চেতন ও মনন।আরও পড়ুনঃ বাজলো তোমার আলোর বেণুপূজো আসে, পূজো যায়..... ২০০২ -এ তিস্তা এলো আমাদের ঘরে। তার পৃথিবীর আলো দেখার আগে নানা জটিলতার জন্য চারবার আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে হয়েছিল রূপার; কিন্তু আগেভাগে অনাগত সন্তানের লিঙ্গ জেনে ফেলতে ব্যাকুল হইনি আমরা কেউই। মেয়ের মুখ প্রথম দেখার শুভক্ষণটি মনে হয়েছিল জীবনের সেরা মুহূর্ত, যে স্বাদের ভাগ হবে না কোন দিনও!পূজোমন্ডপ হরগৌরীতলায় হামাগুড়ি দিয়ে... হোমের কৃষ্ণতিলক হাতের তেলো দিয়ে কপালময় লেপে নিয়ে... বাবার কাঁধে চড়ে বিসর্জনের শোভাযাত্রায় সামিল হয়ে... ঢাকের গায়ে ছোট্ট হাতের এলোমেলো চাঁটি মেরে... নবমীর দুপুরে হোমাগ্নির ধোঁয়ায় চোখ কচলে লাল করে... ভোরের শিউলি বিছানো গাছতলায় ফুল কুড়িয়ে মালা গেঁথে, একটু একটু করে পাপড়ি মেললো আমার ছোট্ট তিস্তা।আরও পড়ুনঃ তোমাদের মনের মতো রঙীন পূজাবার্ষিকী-- আনন্দমেলাসন্ধ্যারতির সময়, ঢাক-কাঁসর-ঘণ্টা-সানাই-র ঐকতানে, ফুলের মালা-দীপের আলো-ধুপের ধোঁয়ার প্রেক্ষাপটে, আত্মজার মধ্যে যেন আজ ফুটে উঠতে দেখি জগন্মাতার অগ্নিময়ী রূপকল্পেরই এক প্রোজ্জ্বল খন্ডাংশ। মনে হয় মা উমা যেন ঘরের মেয়েটি হয়ে খেলে বেড়াচ্ছেন আমাদের ছোট্ট ঘরে। শরনাগতদীনার্তপরিত্রাণপরায়ণা সর্বস্যার্তিহরা দেবী নারায়ণী যেন ভালবাসার টানে আলো করছেন আমাদের আতুর আঙিনা.... তাই তোমার আনন্দ আমারপর, তুমি তাই এসেছ নীচে....আরও পড়ুনঃ পুজো শুরু হয়ে গেলঅবাক হয়ে দেখি, কাকতালীয়ই হবে নিশ্চয়, আমার স্কুল-কলেজ-কর্মস্থলের বেশীর ভাগ সমবয়সী বন্ধুরই ঘর আলো করছে এক একটি কন্যাসন্তান। তাদের মেয়েবেলার উজ্জ্বল সংকেত ভেসে আসে আন্তর্জালে। এদের সব্বার মধ্যে জ্যোতির্ময়ী মহামায়ার পরমা শক্তির উদ্বোধন হোক, মেধা-প্রতিভা-সাফল্যের পবিত্র হুতাশনে পূব আকাশ উঠুক রাঙা হয়ে!লেখকঃ ডঃ সুজন সরকারবর্ধমান।

অক্টোবর ১৬, ২০২১
নিবন্ধ

Durga Puja: পুজো শুরু হয়ে গেল

আধো ঘুমের মধ্যে ঢ্যাম কুড়কুড় ঢাকের আওয়াজ কানে আসছিল অনেকক্ষণ ধরেই, শেষ পর্যন্ত চোখ খুলতেই হোলো। আধখোলা জানালার ওপারে ফর্সা আকাশ... সামান্য ফুরফুরে হাওয়া... মনে পড়ে গেল আজ সপ্তমী --- সাড়ে ছটার মধ্যে স্নান সেরে তৈরী হয়ে নেওয়া চাই, সোয়া সাতটায় কলাবউ স্নান করিয়ে ঘট আনতে যেতে হবে।দাঁত মাজা ... মুখ ধোওয়া... বাথরুমে চার পাঁচ মগ জল ঢেলে কাকস্নান ... তারপর নতুন কাপড় পড়ে নিয়ে সোজা চাতোর-এ। চাতোর হোলো চত্বর-এর অপভ্রংশ, আমাদের পারিবারিক পুজোর ঠাকুরতলা ও সংলগ্ন খোলা জায়গাটুকু। শতাব্দীপ্রাচীণ এক বিরাট অশ্বথ্থ গাছের ছায়ায় (আমার নব্বই-ছুঁইছুঁই বাবাও শৈশবে একে এই চেহারাতেই দেখেছেন) এই দেবীমন্ডপে মা হরগৌরী পূজিত হয়ে চলেছেন --- ঠিক কত বছর কেউ জানে না, শদুয়েক বছর আগে পর্যন্ত পাওয়া গেছে লিখিত প্রমাণ।আরও পড়ুনঃ শারদঅর্ঘ্যসবুজ-গোলাপী কাঠের পালকি ( এরও বয়সের গাছপাথর নেই , কারণ আমি জ্ঞান হওয়া ইস্তক ঠিক এমনটিই দেখছি একে) পুকুরে চুবিয়ে এনে নামানো হয়েছে মন্ডপের সামনে। পাড়ার দুই কিশোর স্নান সেরে ফর্সা কাপড়ে গামছা-সহ তৈরী তাকে কাঁধে নিতে। আমার কৈশোরে বছর ছয়েক আমিও বাহক হয়েছি এই চতুর্দোলার। এক প্রজন্ম থেকে দোলা বওয়ার দায়িত্ব বর্তাচ্ছে পরের প্রজন্মে, যুগ যুগ ধরে।নানা বয়সী কাকীমা-মাসিমা-বৌ-ঝি-কাচ্চাবাচ্চায় জমে উঠেছে চাতোর। পুরোহিত বুড়োদা ও তন্ত্রীধারক নুপুরদা ধরাধরি করে কলাবউকে শুইয়ে দিল দোলায়। তারপর ঢাকের বাদ্যি আর কাঁসরঘন্টার ঝনঝনাৎকারের মধ্যে রওনা হলাম সবাই --- শুরুতেই ধুনুচি হাতে এক দাদা, তার পর পালকিতে কলাবউ, তার পিছে আম্রপল্লবসহ শূণ্য পিতলের কলসী কাঁখে আমরা তিনজন, পিছু পিছু বাজনদার-পুরোহিত-ছেলেমেয়ে-এঁড়িগেঁড়ির দল।আরও পড়ুনঃ বাজলো তোমার আলোর বেণুগ্রামের পথে সাতসকালের এই শোভাযাত্রা এঁকেবেঁকে এগিয়ে চললো কারো সাষ্টাঙ্গ প্রণাম, কারো জোড়হাতের নমস্কার নিতে নিতে। মাঝপথে সিংহবাড়ির মন্ডপের সামনে থেমে গিয়ে পালকিতে তুলে নেওয়া হোলো তাঁদের কলাবউকেও। পদযাত্রা শেষ হোলো গ্রামের মাধ্যমিক স্কুলের পাশে বাঁধাপুকুরে গিয়ে।পুরোনো দিনে গ্রামের পানীয়জল ও পুজোর ক্রিয়াকর্মের জন্য ব্যবহৃত হতো এই চতুষ্কোণ পুকুরটি; একমাত্র এটিতেই ছিল শাণবাঁধানো ঘাট --- তাই এর নাম বাঁধাপুকুর। ঘাটের শানে পালকি ও ঘট নামানো হোলো; কলাবউ ও পুজোর সামগ্রী নিয়ে চার পুরোহিত নেমে গেলেন হাঁটুজলে; চলতে লাগলো মন্ত্রোচ্চারণ; ধুনুচির ধোঁয়া পাক খেতে খেতে উঠতে লাগলো উপরপানে।বাজিয়ে-রা ঢাক মাটিতে নামিয়ে হাঁফ ছাড়ছে, ঘাম শুকোচ্ছে গামছা নেড়ে নেড়ে। মাঝবয়সী পুরুষেরা চেয়ে আছে পুজোপাঠের দিকে, কেউ কেউ ধোঁয়া ওড়াতে শুরু করেছে ইতিমধ্যেই। কুচোকাঁচাগুলো বেশীরভাগই বেঢপ মাপের রঙবেরঙের পোশাকে ছুটোছুটিতে মত্ত ... খেলনাপিস্তলে ক্যাপ ফাটছে চটরপটর... একটু বড় মেয়েরা চুড়িদার-স্কার্ট-ঘাগরা সামলাতে ব্যস্ত... চড়া লিপস্টিক-ঝুটো গয়না-শিরোভূষণে গরবিনী... কারো কারো চোখে রহস্যময়ী হাসির ঝিলিক.... নবীন কিশোরের দল জটলা করে আছে একটু দূরে, তাদের মনোযোগ মূলতঃ এদিকপানেই...আরও পড়ুনঃ তোমাদের মনের মতো রঙীন পূজাবার্ষিকী-- আনন্দমেলাবাঁধাপুকুর থইথই করছে; সেই আটাত্তরের বন্যার পর এতো জল দেখি নি আর কখনো। দফায় দফায় প্রচুর বৃষ্টি হয়েছে এবার, ঘাটের প্রথম পৈঠে অবধি ডুবে আছে তাই। চারদিক সবুজে সবুজ; কচুরিপানা-পাতাঝাঁঝি-শাপলা-ঢোলকলমীরা দখল নিয়ে নিয়েছে অনেকখানি জলের। দুটো শালুক ফুটে রয়েছে খুব কাছেই। আর পাতাঝাঁঝির ছোটো ছোটো সাদা ফুলে সমাচ্ছন্ন ঘাটের সামনেটা। ভীমরুল-মৌমাছি-প্রজাপতি ঘুরছে ফুলে ফুলে; জল ছুঁয়ে ছুঁয়ে উড়ছে লাল-হলুদ-নীল জলফড়িং। পুকুরের ওপাশে ভেসে আছে জলচর পাখি অনেকগুলো। কটা ফিঙে আর বাঁশপাতি উড়ছে ফরফরিয়ে। জলের ওপর জেগে থাকা শুকনো ডালে এত কলরবের মধ্যেও অটল স্থৈর্যে বসে আছে উজ্জ্বল নীল একটা মাছরাঙা।এইসব দেখছি, আর চোখ চলে যাচ্ছে পুকুরের পাশে একটা পাকুড়গাছের দিকে। একসময় ঐ গাছটি নাকি এ গ্রামের প্রিয় আত্মাহুতিস্থল ছিল--- অনেক মানুষ (তার মধ্যে ছোটোবেলায় দেখা আমাদের এক পুরোহিতঠাকুরও ছিলেন) ঐ গাছের ডাল থেকে ঝুলে পড়ে ভবসংসারের মায়া কাটিয়েছেন। ওঁরা কি দেখছেন, অদৃশ্য থেকে, আজকের এই প্রাণের মেলা?এসবের মধ্যেই পুজোপাঠ শেষ। কলাবউরা উঠে এলেন পালকিতে; পেতলের কলসিতে জল ভরে নিয়ে আম্রপল্লব স্থাপন করে মাথায় তুলে নেওয়া হোলো। গামছার ওপর ভারী কলসি সামলাতে সামলাতে পা মেলালাম পদযাত্রায়। ঠাকুরপুকুরের পাশ দিয়ে, পথের পাশে ঘাস চিবোতে থাকা গরু-ভেড়া-ছাগলদের কৌতুহল উদ্রেক করে, নবপত্রিকা চললেন মন্ডপের দিকে। পথের ওপর ভীষণ মন খারাপ করে শুয়ে বসে থাকা নেড়িগুলো সচকিত হয়ে ছুটলো সামনে সামনে। বাগ্দীপাড়ার মুখে দুটি বৌ পথে জলের ঘটি রেখে উপুর হয়ে প্রণাম করলো কলাবউদের--- এই ক্ষণিকের বিরতিটুকু ছাড়া চতুর্দোলা ফিরে এলো তরতরিয়ে।পুজো শুরু হয়ে গেল।লেখকঃ ডঃ সুজন সরকারবর্ধমান।

অক্টোবর ১৪, ২০২১
নিবন্ধ

Public: পাবলিক

পাবলিকপাণ্ডিত্য আমার সব বিষয়েইসে বিজ্ঞান হোক বা ইতিহাস,ফুটবল-ক্রিকেট থেকে শুরু করেরাজনীতি কিংবা মহাকাশ।সরকারের গলদ কোথায়?মুদ্রাস্ফীতি কমবে কিসে?বিড়িতে সুখের টানটি দিয়েবাতলে দি এক নিমেষে।কিভাবে শিল্প হবে কৃষির সাথেবেকার ছেলে চাকরি পাবে,কোথায় পাঁচশ টাকা বেশী দিলেবশীকরণ আরও তীব্র হবে।কোন টোটকায় চাঙ্গা হবেলটকে পড়া অর্থনীতি,তিনশ সত্তর ধারা অবলোপনেকাদের লাভ কাদের ক্ষতি।চন্দ্রযানের বিফলের কারণ?আমপানে কাদের ক্ষতিপূরণ?এন আর সি কেন প্রয়োজন?করোনার কবে টীকাকরণ?হাজার কোটির ঋণখেলাপী,লাদাখ কিংবা গালওয়ান ঘাঁটি,রেশনশপের কেলেঙ্কারি,সেনিটাইজার কোনটা খাঁটি?চিনের সাথে বাণিজ্য নীতি,রামমন্দিরের জমির লড়াই,সুশান্তের মৃত্যুর কারণ,চায়ের আসর তপ্ত কড়াই।আলোচনা, সমালোচনা,যুক্তি, তর্ক, গালমন্দ,সিঙারার সাথে চাটনি পেলেদুহাত তুলে নিত্যানন্দ।আমার ভোটে জেতার পরেএসি গাড়িতে ঘুরছে নেতা।দিনের শেষে আমার হাতেমুদিখানার ধারের খাতা।সংসারতরী বইছে ভাটায়দারিদ্র্যতা মাত্রাছাড়া,সুখপাখী ঐ মগডালেতেজীবনটাই আজ ছন্নছাড়া।লেখকদীপক কুমার মণ্ডল

অক্টোবর ০৮, ২০২১
নিবন্ধ

Durga Puja: বাজলো তোমার আলোর বেণু

বেলা এগারোটা। চেম্বার থেকে বেরিয়ে একটু হেঁটে যাচ্ছিলাম কাছেই। পথে রিক্সা -টোটো-গাড়ি -স্কুটার -বাইক মিলে সে এক হৈ হৈ কান্ড। কান ফাটানো হর্ন ..পথচারীর ক্যাঁচর ম্যাচর ..অ্যাম্বুলেন্সের ঢেউখেলানো আর্তনাদ ..হ্যান্ডমাইকে ইঁদুরমারা বিষ-বটতলার বই -দাদের মলম ....পথের সব গ্যাঞ্জাম সরীসৃপের মতো এপাশ ওপাশ কাটিয়ে এগোচ্ছি। পিঠে মাখামাখি হয়ে আছে মোলায়েম রোদ। ভারী মিঠে তার ছোঁয়া সারা গায়ে এক সুখানুভূতি ছড়িয়ে দিচ্ছে , ছোটবেলার মায়ের আদরের মতো। লহমায় মিলিয়ে যাচ্ছে চারপাশের সব কোলাহল। সকাল থেকে আজ নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা ... বাতাসে কেমন একটা পুজো পুজো গন্ধ, ভাদ্রের শুরু থেকেই যে গন্ধে মন উড়ু উড়ু বাঙালীর, শিলচর থেকে শিকাগো.. এডিলেড থেকে এডিনবরা....বাঙালী এক বিদঘুটে জাত, বছরের শুরুতে ক্যালেন্ডার পেয়েই সবার আগে যারা দেখে নেয় এবার পুজো কবে... যাদের অর্থনীতি জাগে বছরে একবারই, এই পুজোকে ঘিরে ... যাদের বার্ষিক দিনপঞ্জী দুভাগে ছড়ানো, পুজোর আগে আর পরে... যাদের মন উসখুস করতে শুরু করে যখনি শ্রাবনের ভরা নদীর কোলে হাসতে শুরু করে শুভ্র কাশের গুচ্ছ! ক্ষান্তবর্ষণ ভোরে পুজোর গন্ধ ভাসতে থাকে মৃদুমন্দ... সে সুবাস দিগদিগন্ত ছেয়ে ফেলে দেখতে দেখতে... যে দিকে চাই পুজো পুজো গন্ধে আকুল করে... চোখের সামনে যেন বদলে যায় মাঠ -ঘাট -ঘরগেরস্তালী... প্রেমেন মিত্তিরের ভাষায়--সব কিছু তার অন্যরকমমানুষ-মাটি-জল,চোখ দিয়ে যে দেখতে জানেতার কাছে কেবল!বছর তিরিশ আগে যখন আমাদের বাস শুরু হয়েছিল বর্ধমানের এই পাড়ায়, কাকডাকা ভোরে রোজ ঘুম ভাঙিয়ে যেত পথের এক গাইয়ে-- জাগো নগরবাসীমুখ করো হাসি হাসিজাগিয়া লও কৃষ্ণনাম রে..।কোনো দিন মুখ দেখি নি তার। আশ্বিনের গোড়ায় সে গান বদলে যেত আগমনীতে--- এবার আমার উমা এলে আর ঘর পাঠাব না বলে বলুক লোকে মন্দ...। আধো ঘুমে সে গান শুনে গলার কাছে কী একটা যেন আটকে যেত... মা আসছেন..পুজো আসছে!মা দুর্গা তো বাঙালীর ঘরের মেয়ে-- সারা বছর উড়নচন্ডী ভুলো স্বামীর ছন্নছাড়া সংসার দশ হাতে সামলে রাখা অসামান্যা, ছেলেপিলে বগলে নিয়ে কটা দিনের জন্য বাপের বাড়িতে হাঁফ ছাড়তে আসা ছাপোষা বউটি! সিংহবাহিনী দশপ্রহরণধারিনী তো নামেই, বাঙালীর কল্পনায় তো আজন্মকাল-- উমারে রাখিয়া বুকেচুমা দিয়া চাঁদমুখেগিরিরানী কেঁদে কেঁদে কয়মা তোরে বিদায় দিতেকাতর আতুর চিতেসদা ভয় কি জানি কী হয়!ভোরের হাওয়ায় আগমনীর সুরে যখন ভেসে আসে-- যাও যাও গিরি আনিতে গৌরী, উমা নাকি বড় কেঁদেছে / দেখেছি স্বপন নারদবচন মা মা বলে কেঁদেছে-- বাঙালীর ঘরে ঘরে মাঝবয়সিনী মায়েদের চোখের পাতা বুঝি আজো ভিজে আসে, পাশে শুয়ে ঘুমে কাদা আত্মজার অনাগত দিনের কথা ভেবে!বাঙালী হরপার্বতী পরিবারকে কোনদিনই সোনার সিংহাসনে হীরের গয়না পরিয়ে সাজিয়ে রাখে নিI আশুতোষ মহেশ্বরকে ভিখারী শিব বলে অনুযোগ করতে, বা সিদ্ধিদাতা বিনায়ককে নাদাপেটা গনশা বলে মস্করা করতে বাঙালীর বাধে নি কোনো দিনI আটপৌরে মলিন বাঙালী মা নির্দ্বিধায় উচ্চারণ করতে পারে-- যদি আসে মৃত্যুঞ্জয় / উমা নেবার কথা কয় / মায়ে ঝিয়ে করব ঝগড়া...মা দুর্গা তাই আমাদের এ খেলাঘরে ছড়িয়ে থাকেন অনুক্ষণ! তিনি আমাদের প্রানের দেবতা। মহালয়ার ভোরের আলোকধারায় যখন মেতে ওঠে ভুবন, বেজে ওঠে তাঁর আলোর বেণু.. অরুণবীনায় সে সুর বাজে.. অন্তরে সে সুর ছেয়ে যায়...বিশ্বকর্মাপুজোয় বিসর্জনের বাজনা মিলিয়ে যেতে না যেতেই বাঙালী শুনতে পায় ঢাকের বোল, আমাদের সবার ছোটবেলা মাখামাখি হয়ে আছে যে ঢ্যাম কুড় কুড় বাদ্যিতে। ভোরবেলা হাঁটতে বেরিয়ে দেখি উঠতি বয়সের গাছ পথের ধারে ছড়িয়ে রেখেছে একরাশ কমলাহৃদয় শুভ্র শেফালী। সে শিউলিগাছ আরেকটু লায়েক হলে তার গুঁড়ি নিঃশেষে ঢেকে যায় সাদা রোমের হাজারো শুঁয়োপোকায়। শহর ছাড়ালেই ক্ষেতের আলে - নদীর কোলে - পথের কার্নিশে ঢেউখেলানো কাশের সমুদ্র... ধানের ক্ষেতে রৌদ্রছায়ায় লুকোচুরির খেলা... ভ্রমর মধু ফেলে উড়ে বেড়ায় সেই আলোয় মেতে... শেষবর্ষার ভরন্ত মেঠো নদীর বুকে চখাচখির মেলা! বুকের মাঝে ছুটির পাখিটা ছটফট করে রোজ। খাঁচায় বন্দী, পালাতে পারে না তাই। পেশাগত জীবন যতই দানাপানি দিক না তাকে, এ পাখির তবু ছুটির আকাশ চাইই চাই! ছেলেবেলা ফিরে আসে যেন-- ওরে যাব না আজ ঘরে রে ভাই যাব না আজ ঘরে... আজ বিনা কাজে বাজিয়ে বাঁশি কাটবে সকল বেলা...! আর এই মায়াবী মন হারানো খেয়ালী হাওয়ার ভোরেই চিন্ময়ীকে মৃন্ময়ীরূপে আবাহন!যতই তিনি সৃষ্টিস্থিতিবিনাশানাং শক্তিরূপে সনাতনী হোন, আসলে বাঙালীর চোখে তিনি শুধুই গুনাশ্রয়ে গুনময়ী নারায়ণী মা-টি আমাদের-- আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে যাঁর মহিমা থাকে উদ্ভাসিত হয়ে, বিশ্বজগৎ মণিভূষণ হয়ে ঘিরে রাখে যাঁর চরণ! পরীক্ষার ফলপ্রকাশের দিন ... বিদেশমুখী বিমান মাটির মায়া কাটানোর মুহুর্তে... মধ্যরাতে শত্রুমনোভাবাপন্ন নেড়ি-সংকুল আঁধার পথ পাড়ি দেওয়ার সময়... এমনকি ভিড়বাসে ভয়ানক প্রকৃতির ডাকের সাথে লড়াই -এর মতো প্রাকৃত পটভূমিকায়ও আকুলভাবে যাঁকে ডাকা চলে!!জগজ্জননী মহামায়ার সাথে বাঙালীর সম্পর্ক কী বুঝবে তারা, যারা বানিজ্যিক বিজ্ঞাপনে মাল্টি-টাস্কিং আধুনিকা-র রূপকল্পে মা দুর্গার ছবি দেখে হুলুস্থুল বাধায়... যারা পুজোয় বাঙালীর আমিষভোজন দেখে নাক সিঁটকোয় আর ম্লেচ্ছ বর্বর ভাবে... যারা বিকাশ ভট্টাচার্যের দুর্গা সিরিজ দেখে নি... যাদের কোনদিন এইচ.এম.ভি. শারদঅর্ঘ্য ছিল না... ছিল না পুজোয় চাই নতুন জুতো... অনিঃশেষ শারদীয়া সাহিত্য... অতুলনীয় মন্ডপ-সৌকর্য... ডাকের সাজে ঝলমলে সাবেকী প্রতিমা... সাঁঝবাতির আলোয় সিঁদুরখেলা....মহালয়ার রাত পেরোলেই অখিল বিমানে তাঁর জয়গান... নিশার শেষে আগমনীর আলোয় শরতের আকাশবীনা গানের মালা বিলাবে চরাচর জুড়ে...আজি শংখে শংখে মঙ্গল গাওজননী এসেছে দ্বারে ... !লেখকঃ ডঃ সুজন সরকারবর্ধমান।

অক্টোবর ০৫, ২০২১
রাজ্য

Weather: পুজোতেও বৃষ্টি কলকাতায়! কী জানাচ্ছে আবহাওয়া দপ্তর?

সোমবার থেকে বৃষ্টি কমলেও একেবারে বর্ষা বিদায় নেয়নি। পুজোয় বৃষ্টির আশঙ্কা এখনই উড়িয়ে দেওয়ায় যাচ্ছে না। দক্ষিণবঙ্গে আপাতত কয়েকদিন রোদ-ঝলমলে আবহাওয়া থাকলেও মাঝে মাঝে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এদিন আকাশ মেঘলাই থাকবে। রয়েছে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাসও। এদিকে মঙ্গলবার দুপুরেই কলকাতায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। কয়েক ঘণ্টা ধরে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে বলেই জানিয়েছে আলিপুর। কলকাতা ছাড়াও হুগলি ও হাওড়ার কিছু এলাকায় বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।যদিও দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বাড়ছে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি। উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, দুই দিনাজপুর, মালদায় বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বা মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। তবে, শনিবার থেকে উত্তরবঙ্গে শুরু হবে বৃষ্টি।সপ্তাহান্তে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। মৌসম ভবন জানিয়েছে, বর্ষা বিদায় নিচ্ছে দেশ থেকে। কিন্তু এখনও বেশ কিছু রাজ্যে বৃষ্টি হচ্ছে। এ রাজ্যে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কমলেও উত্তরে বেড়েছে। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে এই বৃষ্টি হচ্ছে না। মূলত স্থানীয়ভাবে তৈরি হওয়া বজ্রগর্ভ মেঘ থেকে এই বৃষ্টি হচ্ছে। ফলে বিস্তৃত এলাকায় না হয়ে ছোট এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে বৃষ্টি।কলকাতা-সহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় আকাশ আজ আংশিক মেঘলা থাকবে। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩৩.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি। দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৯৫ শতাংশ, ন্যূনতম ৬৭ শতাংশ।

অক্টোবর ০৫, ২০২১
নিবন্ধ

Poem: বিকল্প (কবিতা)

বিকল্পকোলাহল মুখরিত নাগরিক জনপদ থেকেঅনেক দূরে, যখন আমি নিঃসঙ্গ,একাকীত্বের ভারে অবনত;তখনই বাতায়ন পথে এক মুঠোদমকা বাতাস কানে কানে বলে -আমি আছি, তোমার সাথে অবিরত।মনের নিভৃতে পোষিত গোপন আশাশুকিয়ে যাওয়া কুঁড়ির মতো ঝরে,অবজ্ঞার চোরাস্রোতে ভাঙে বুক।অকস্মাৎ আকাশের বুকে মেঘরাশি বলে,আমিও পারিনি এখনও বৃষ্টি হয়ে ঝরতে,আছি উন্মুখ।সাদা কালো মন হয়না রঙিন,আবিরের পরশ পায় না হৃদয়,বসন্ত চলে যায়।বৃষ্টির পরে পুবের আকাশেরামধনু বলে, আমি তো আছি,সাতরঙে রাঙাবো তোমায়।স্বজন হারানো ব্যথায় কাতর,শরীরে মনে আসে অনাদর,বৈরাগ্যের ভাব জাগে।বৃক্ষরাজি বলে চুপিসারে,শুষ্ক পাতা ঝরিয়ে দিয়ে,কিশলয় আনতে হবে।সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত্রি জাগে,নিভে যায় দীপ তেলের অভাবে,আঙিনা আঁধার কালো।জ্যোৎস্না বলে, আমরা তো আছি,তোমার উঠানে নিত্য জ্বালাবোনক্ষত্ররাজির আলো।প্রখর তপন তাপে তপ্ত কুটির,ঘর্মস্রাবি দিন নিংড়ে নেয় আয়ু,দেহের সাথে মনও জ্বলে যায়।বৃষ্টি বলে হেসে, আমি তো আছি,সিক্ত করব তোমার শরীর,আমার ফল্গুধারায়।লেখকদীপক কুমার মণ্ডল

অক্টোবর ০৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Lilly : পুজোয় লিল্লির সঙ্গে নাচবে বাংলা

এনা সাহার প্রোডাকশন হাউস জ্যারেক এন্টারটেইনমেন্ট এর নতুন চমক। তাদের প্রোডাকশন হাউস থেকে দুর্গাপুজোর জন্য মুক্তি পেল তাদের পুজোর গান লিলি ডোন্ট বি সিলি। জয়জিৎ ব্যানার্জীর লেখা এই গানটি গেয়েছেন সমিধ মুখার্জি ও উরভি চ্যাটার্জী। গানটির সুরকার সমিধ মুখার্জি। এই গান নিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত সমিধ মুখার্জি। তিনি জানালেন,জয়জিৎ আমাকে একটা ইনজেকশন দিল। লিলির ইনজেকশন। আমার একটা জ্বর হলো, লিলি জ্বর। এটাতে কাঁপতে যাচ্ছে বাংলা। আশাকরি মানুষের ভীষণ ভালো লাগবে।জয়জিৎ ব্যানার্জিও লিল্লি জ্বরে নিজেকে আটকে রেখেছেন। তিনি বলেছেন,এবারের পুজোয় লিল্লির সঙ্গে। লিরিক্সটা কিছু ভেবেচিন্তে লিখিনি। বেরিয়ে গেছে মাথা থেকে। আমি একটা জিনিসের টাচ রাখতে চেয়েছিলাম সেটা বাঙালিয়ানা। এখন দেখা যাক পুরোটা কেমন হয়। এনা সাহা তার প্রোডাকশন হাউস থেকে দুটো ফিচার ফিল্ম করলেও এরকম হাটকে মিউজিক ভিডিও প্রথম। এই মিউজিক ভিডিওর বৈশিষ্ট্য এখানে গেস্ট অ্যাপিয়ারেন্সে দেখা যাবে বর্ষীয়ান অভিনেত্রী লিলি চক্রবর্তী কে। সবমিলিয়ে দুর্গাপুজোর আগে চারপাশ লিল্লিময়।

অক্টোবর ০২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 38
  • 39
  • 40
  • 41
  • 42
  • 43
  • 44
  • ...
  • 58
  • 59
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

কাকভোরে তল্লাশি, তারপর আদালতের বড় সিদ্ধান্ত! বাড়ল সুমিত রায়কে ঘিরে রহস্য

যে সুমিত রায়কে খুঁজতে পুলিশ ভোরবেলা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছিল, সেই সুমিত রায়কে কোনও স্বস্তি দিল না কলকাতা হাইকোর্ট। জমি দুর্নীতি মামলায় তাঁর আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে আদালত। ফলে তাঁকে ঘিরে আইনি চাপ আরও বাড়ল বলে মনে করা হচ্ছে।পুলিশের দাবি, তদন্ত চলাকালীন সুমিত রায়ের মোবাইলের শেষ অবস্থান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির আশপাশে পাওয়া গিয়েছিল। সেই সূত্র ধরেই সেখানে তল্লাশি চালানো হয়। তবে তারপর থেকে এখনও পর্যন্ত সুমিত রায়ের কোনও খোঁজ মেলেনি।বৃহস্পতিবার বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। আদালত নির্দেশ দিয়েছে, আগামী সোমবার মামলার সমস্ত তথ্য হলফনামা আকারে জমা দিতে হবে।মামলার সূত্রপাত এক ব্যক্তির অভিযোগ থেকে। অভিযোগকারী দাবি করেছেন, জমি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁর কাছ থেকে ১০ লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরে জমি দেওয়া হয়নি। তদন্তে আরও অভিযোগ উঠেছে, জাল দলিল তৈরি করে একাধিক মানুষের কাছ থেকে টাকা তোলা হয়েছে।শুনানির সময় বিচারপতি পর্যবেক্ষণ করেন, এটি কোনও একক ঘটনা নয়। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রায় ৩০০টি প্লটকে ঘিরে এই মামলার যোগ রয়েছে এবং একাধিক ব্যক্তি এতে জড়িত থাকতে পারেন।মামলাকারীর আইনজীবী আদালতে দাবি করেন, রাজনৈতিক কারণেই সুমিত রায়কে নিশানা করা হচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ থাকলে ব্যাঙ্কের নথি খতিয়ে দেখা হোক। অন্যদিকে সরকারি পক্ষের আইনজীবী জানান, তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে এবং অভিযুক্তের বাড়ি থেকে জাল দলিলও উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি।উল্লেখ্য, এই মামলায় এর আগেই প্রাক্তন বিধায়ক সুজয় হাজরাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তদন্তকারীদের দাবি, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই সুমিত রায়ের নাম সামনে আসে। অভিযোগ, দুজন মিলে জমি সংক্রান্ত প্রতারণার মাধ্যমে টাকা সংগ্রহ করতেন। যদিও এই সমস্ত অভিযোগ এখনও আদালতে বিচারাধীন।

জুন ২৫, ২০২৬
কলকাতা

ধ্বংসস্তূপের মাঝেই নতুন বিপদ! আচমকা ঝড়বৃষ্টিতে থমকাল তারাতলার উদ্ধারকাজ

তারাতলার ভয়াবহ কারখানা ধসের ঘটনায় উদ্ধারকাজ যখন জোরকদমে চলছিল, ঠিক তখনই নতুন করে বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াল আবহাওয়া। বৃহস্পতিবার দুপুরে আচমকা কালো মেঘে ঢেকে যায় আকাশ। কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। সঙ্গে ছিল ঘন ঘন বজ্রপাত এবং ঝোড়ো হাওয়া। এর ফলে উদ্ধারকাজ সাময়িকভাবে ব্যাহত হয় এবং ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে থাকা শ্রমিকদের খোঁজে নতুন সমস্যা তৈরি হয়।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, ঝাড়খণ্ড হয়ে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশার উপর একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা অবস্থান করছে। তার প্রভাবে আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।উল্লেখ্য, বুধবার দুপুর ১২টা ৭ মিনিট নাগাদ হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে তারাতলার ওই কারখানা। সেই সময় সেখানে বহু শ্রমিক কাজ করছিলেন বলে জানা যায়। দুর্ঘটনার পরই পুলিশ, দমকল, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এবং সেনাবাহিনী যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।ঘটনার খবর পেয়েই একাধিক মন্ত্রী ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান। পরিস্থিতির উপর নজর রাখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। পরে তিনি ঘটনাস্থল এবং হাসপাতালে গিয়ে আহতদের সঙ্গে দেখা করেন। দ্রুত উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় প্রশাসনকে।বৃহস্পতিবার সকাল থেকেও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত ছিল। ধ্বংসস্তূপের একাধিক জায়গায় বিশেষ প্রযুক্তির সাহায্যে তল্লাশি চালানো হচ্ছিল। আটকে পড়া শ্রমিকদের খোঁজে আধুনিক যন্ত্রপাতিও ব্যবহার করা হয়। কিন্তু দুপুরের প্রবল বৃষ্টি এবং বজ্রপাতের কারণে উদ্ধারকাজে সাময়িক বাধা সৃষ্টি হয়।এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। আহতদের অনেকেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মৃতদের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা এবং আহতদের জন্য ১ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির জন্য আর্থিক সহায়তার ঘোষণা করেছেন। উদ্ধারকারী দলগুলির প্রধান লক্ষ্য এখন ধ্বংসস্তূপের নীচে আর কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত করা।

জুন ২৫, ২০২৬
বিদেশ

ভেনেজুয়েলার ধ্বংসলীলার পর এবার জাপান! প্রবল ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশ

ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্পের ধাক্কা এখনও কাটেনি। এর মধ্যেই প্রবল ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল জাপান। বৃহস্পতিবার দেশের পূর্ব উপকূলে ৭.২ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। কম্পনের তীব্রতা যথেষ্ট বেশি হলেও এখনও পর্যন্ত কোনও বড় ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। সুনামি সতর্কতাও জারি করা হয়নি বলে জানিয়েছে প্রশাসন।জাপান সরকারের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ইওয়াতে প্রিফেকচারের উপকূল সংলগ্ন সমুদ্র এলাকায়। সমুদ্রপৃষ্ঠের প্রায় ৫০ কিলোমিটার গভীরে এই কম্পনের উৎস ছিল। বিশেষজ্ঞদের মতে, সুনামির আশঙ্কা না থাকলেও সমুদ্রের জলে সামান্য পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে জরুরি ভিত্তিতে বিশেষ পর্যবেক্ষক দল গঠন করেছে জাপান সরকার। সম্ভাব্য যে কোনও পরিস্থিতি মোকাবিলায় উদ্ধার ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থাগুলিকেও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।উল্লেখ্য, মাত্র এক দিন আগেই ভয়াবহ ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত হয়েছে ভেনেজুয়েলা। সেখানে ৩৯ সেকেন্ডের ব্যবধানে পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। প্রথম কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.২ এবং দ্বিতীয়টির মাত্রা ছিল ৭.৫। এই বিরল ঘটনার জেরে রাজধানী-সহ দেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।ভেনেজুয়েলার সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত অন্তত ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন প্রায় ৭০০ জন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। ভেনেজুয়েলার সেই বিপর্যয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই জাপানে নতুন ভূমিকম্পের ঘটনায় উদ্বেগ ছড়িয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।

জুন ২৫, ২০২৬
দেশ

দু’মিনিটের সেই রহস্য! কীভাবে পাকিস্তানের আকাশে পৌঁছে গেল ভারতীয় বিমান?

কূটনৈতিক টানাপোড়েনের আবহের মধ্যেই পাকিস্তানের আকাশসীমায় ঢুকে পড়ল একটি ভারতীয় যাত্রীবাহী বিমান। ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিষয়টি সামনে আসতেই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি অভিযুক্ত পাইলটকে সাময়িকভাবে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।জানা গিয়েছে, বিমানটি দিল্লি থেকে অমৃতসরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। কিন্তু অবতরণের আগে আচমকাই নির্ধারিত পথ থেকে সরে গিয়ে আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম করে পাকিস্তানের আকাশসীমায় প্রবেশ করে। কিছু সময় পরে বিমানটি আবার ভারতের আকাশে ফিরে আসে।তথ্য অনুযায়ী, বিমানটি দুমিনিটেরও কম সময় পাকিস্তানের আকাশসীমার মধ্যে ছিল। পাকিস্তানের বিমান নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে সতর্কবার্তা পাঠানোর পর পরিস্থিতি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হয়। অমৃতসরে অবতরণের পরিবর্তে বিমানটিকে দিল্লিতে ফিরিয়ে আনা হয়। পরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পর একই বিমান আবার অমৃতসরের উদ্দেশে রওনা দেয় এবং গভীর রাতে নিরাপদে অবতরণ করে।বিমানবন্দর সূত্রে খবর, উড়ানের সময় বিমানের দিকনির্দেশনা ব্যবস্থায় সমস্যা দেখা দিয়েছিল। সেই কারণেই বিমানটি নির্ধারিত রুট থেকে সরে যায় বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। এক বিমানবন্দর আধিকারিকের দাবি, বিমানটি সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানের আকাশসীমার প্রায় দেড় মাইল ভেতরে চলে গিয়েছিল।তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ নিয়ে এখনও তদন্ত চলছে। বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং পাইলটের সিদ্ধান্ত দুই দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কেন বিমানটি নির্দিষ্ট নির্দেশ মেনে চলেনি এবং কীভাবে সীমান্ত অতিক্রম করল, তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট পাইলটকে ডিউটি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

জুন ২৫, ২০২৬
কলকাতা

কালো মেঘে ঢাকল আকাশ, বজ্রপাতের দাপট! আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বড় সতর্কবার্তা

দুপুর গড়াতেই কালো মেঘে ঢেকে গেল কলকাতার আকাশ। দিনের আলো ম্লান হয়ে অনেকটাই রাতের আবহ তৈরি হয় শহরে। তারপরই শুরু হয় বৃষ্টি। সঙ্গে ছিল ঘন ঘন বজ্রপাত এবং ঝোড়ো হাওয়া। শুধু কলকাতাই নয়, সংলগ্ন একাধিক জেলাতেও বৃষ্টির খবর মিলেছে। আবহাওয়া দপ্তর আগেই বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছিল। সেই পূর্বাভাস মেনেই বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে আবহাওয়ার বড় পরিবর্তন দেখা গেল।কয়েক দিন আগেই প্রবল বৃষ্টিতে কলকাতার একাধিক এলাকা জলমগ্ন হয়েছিল। সেই পরিস্থিতির রেশ কাটতে না কাটতেই ফের বৃষ্টি শুরু হওয়ায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, ঝাড়খণ্ড হয়ে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এবং ওড়িশার উপর একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে। এর প্রভাবে আগামী সোমবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিভিন্ন জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে। বজ্রপাতের সময় নিরাপদ স্থানে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির দাপট অব্যাহত রয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহার জেলায় কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সপ্তাহের শেষে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।পাহাড়ি এলাকাগুলিতে ভূমিধসের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তাই প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজন ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়ার এই পরিবর্তনের দিকে নজর রাখছেন বিশেষজ্ঞরাও।

জুন ২৫, ২০২৬
কলকাতা

“কণ্ঠস্বর আমারই” স্বীকার অভিষেকের, তবু নমুনা কেন চাইছে তদন্তকারী সংস্থা?

কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, যে অডিয়ো নিয়ে তদন্ত চলছে, সেই কণ্ঠস্বর যে তাঁরই, তা তিনি কখনও অস্বীকার করেননি। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের প্রয়োজনীয়তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।বৃহস্পতিবার কলকাতা হাই কোর্টে এই সংক্রান্ত আবেদন করার অনুমতি দেয় আদালত। বিচারপতি কৌশিক চন্দ জানান, আগামী সোমবার মামলার শুনানি হবে।ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলার তদন্তে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করতে চায় সিআইডি। এর আগে বিধাননগর আদালত নির্দেশ দিয়েছিল, আগামী ৩০ জুন ম্যাজিস্ট্রেট এবং ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের উপস্থিতিতে অভিষেকের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। সেই নির্দেশ অনুযায়ী নোটিস দিতে বুধবার রাতে তাঁর কালীঘাটের বাড়িতে যায় সিআইডি।উল্লেখ্য, লোকসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ৪ তারিখ ডিজে বাজবে। সেই মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই বিধাননগর সাইবার থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। তদন্তের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট সামাজিক মাধ্যমের লিঙ্ক, ভিডিও এবং অন্যান্য তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করছে তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যেই মামলার কেস ডায়েরিও হস্তান্তর করা হয়েছে।এদিকে সই জালিয়াতি মামলাতেও চাপ বাড়ছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ছটার মধ্যে তাঁকে ভাবনীভবনে সিআইডির দফতরে হাজিরা দিতে হবে। ফলে একই দিনে দুই পৃথক মামলাকে ঘিরে রাজনৈতিক ও আইনি মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

জুন ২৫, ২০২৬
কলকাতা

তারাতলা বিপর্যয়ে বিস্ফোরক দাবি! বিধানসভায় নথি দেখিয়ে কাকে কাঠগড়ায় তুললেন মুখ্যমন্ত্রী?

তারাতলা বিপর্যয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯। এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২০ জন। তাঁদের মধ্যে ১৫ জনের অবস্থা স্থিতিশীল হলেও একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার বিধানসভায় তিনি মৃতদের প্রতি শোকপ্রকাশ করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির জন্য আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করেন। মৃতদের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ১ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।তবে শুধু শোকপ্রকাশেই থেমে থাকেননি মুখ্যমন্ত্রী। বিধানসভায় তিনি দাবি করেন, এই দুর্ঘটনার নেপথ্যে দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক গাফিলতি এবং দুর্নীতির যোগ রয়েছে। তিনি একটি নথি তুলে ধরে বলেন, যে গোডাউনটি ভেঙে পড়েছে, তার নির্মাণ পরিকল্পনায় গুরুতর ত্রুটি থাকা সত্ত্বেও অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।বিধানসভায় উপস্থিত সদস্যদের সামনে একটি পরিকল্পনার নথি দেখিয়ে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, সেখানে প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের সই রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, কাঠামোগত ত্রুটি থাকা সত্ত্বেও ওই পরিকল্পনা অনুমোদন করা হয়েছিল। পাশাপাশি তিনি জানান, ওই নথিতে স্থপতি, প্রকৌশলী, জমির মালিক এবং আবেদনকারীর সইও রয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, নকশায় ত্রুটি থাকা সত্ত্বেও কীভাবে সেই নির্মাণের অনুমোদন মিলল। তিনি বলেন, এই বিষয়টি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।উল্লেখ্য, কলকাতা পৌরসভার ৮০ নম্বর ওয়ার্ডে নির্মীয়মাণ অবস্থাতেই ওই গোডাউনটি বিপর্যয়ের কারণ হয়ে ওঠে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে। বিধানসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী কলকাতা পুর প্রশাসনকে নিয়েও একাধিক প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

জুন ২৫, ২০২৬
দেশ

মৃত বেড়ে ৯, তারপরই প্রধানমন্ত্রীর বার্তা! আর্থিক সাহায্য নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত

তারাতলার ভয়াবহ গোডাউন বিপর্যয়ে শোকপ্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একই সঙ্গে মৃত ও আহতদের পরিবারের জন্য আর্থিক সাহায্যের ঘোষণাও করেছেন তিনি। এই দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন অন্তত ২০ জন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।সমাজমাধ্যমে প্রকাশিত বার্তায় প্রধানমন্ত্রী জানান, কলকাতার এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় তিনি গভীরভাবে শোকাহত। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে। পাশাপাশি আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে সাহায্য করার কথাও ঘোষণা করেছেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সব ধরনের সহায়তা পৌঁছে দিতে প্রশাসন কাজ করছে। উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম যাতে দ্রুত সম্পন্ন হয়, সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে।এদিকে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকেও ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, মৃতদের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ১ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে।ঘটনার প্রায় এক দিন পেরিয়ে গেলেও তারাতলা এলাকায় এখনও ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ চলছে। চারদিকে ছড়িয়ে রয়েছে ভেঙে পড়া কংক্রিট, লোহার বিম এবং নির্মাণ সামগ্রীর ধ্বংসাবশেষ। উদ্ধারকাজে কেন্দ্র ও রাজ্যের একাধিক সংস্থা একসঙ্গে কাজ করছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।বৃহস্পতিবার সকালে ধ্বংসস্তূপ থেকে আরও তিনজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকাজে আধুনিক প্রযুক্তি এবং বিশেষ যন্ত্রপাতির ব্যবহার করছে সেনাবাহিনী। গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছেন প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিক এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীরাও।

জুন ২৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal