• ১৪ মাঘ ১৪৩২, রবিবার ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Woman

রাজ্য

১৯৬৭ সালের অ্যাডমিট কার্ড হাতে শুনানিতে হাজির ৭৫ বছরের বৃদ্ধা, চমকে গেল এসআইআর কেন্দ্র

শুরু হয়ে গিয়েছে এসআইআর-এর দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ। প্রতিটি বিধানসভা ক্ষেত্র পিছু একাধিক জায়গায় চলছে শুনানি। স্কুল ও সরকারি অফিসে তৈরি করা হয়েছে শুনানি কেন্দ্র। প্রথম পর্যায়ে মূলত আনম্যাপড ভোটারদেরই শুনানিতে ডাকা হয়েছে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর।এই শুনানির মাঝেই নজর কাড়লেন শ্রীরাম মন্দির লেনের বাসিন্দা ৭৫ বছর বয়সী ভারতী দে। ফর্মে নামের ক্ষেত্রে সামান্য ভুল থাকায় তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়। শুনানিতে এসে নিজের সঙ্গে নিয়ে আসেন ১৯৬৭ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড এবং রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট। এত পুরনো নথি, তাও আবার এত ভালো অবস্থায় দেখে হতবাক হয়ে যান উপস্থিত অনেকে।নির্বাচন কমিশনের এসআইআর যাচাই প্রক্রিয়ায় দশটিরও বেশি নথি দেখানোর সুযোগ রয়েছে। মাধ্যমিক সংক্রান্ত নথির পাশাপাশি আরও একাধিক পরিচয়পত্র গ্রহণ করা হয়। সেই প্রেক্ষিতেই এত বছরের পুরনো অ্যাডমিট কার্ড এবং শংসাপত্র অক্ষত অবস্থায় দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেন অনেকে। তবে ভারতী দেবীর কথায়, পড়াশোনার সব কাগজপত্র তিনি সযত্নে রেখে দিতে ভালোবাসেন। কিন্তু সেগুলি যে একদিন এত কাজে লাগবে, তা তিনি ভাবেননি।কেন তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে, সে প্রসঙ্গে ভারতী দেবী বলেন, নামের ক্ষেত্রে হয়তো কোনও ভুল ছিল। তাই শুনানির নোটিস এসেছিল। তবে সেখানে পৌঁছনোর পর তাঁকে জানানো হয়, বাড়িতেই নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা যাচাই করতে আসবেন। তিনি আরও জানান, বিগত প্রতিটি নির্বাচনেই তিনি ভোট দিয়েছেন এবং ২০০২ সালের ভোটার তালিকাতেও তাঁর নাম ছিল।বয়সের ভারে শরীর এখন দুর্বল। শারীরিক অসুস্থতা থাকলেও এদিন পায়ে হেঁটেই শুনানি কেন্দ্রে সময়মতো পৌঁছন তিনি। গণভবন থেকে বেরিয়ে মন্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলেন ওই বৃদ্ধা।অন্যদিকে, চেতলা গার্লস স্কুলে নির্বাচন কমিশনের তরফে একটি শুনানি কেন্দ্র করা হয়েছে। তার কাছেই তৃণমূলের পক্ষ থেকে একটি সহায়তা ক্যাম্প বসানো হয়। সেখানে সাধারণ মানুষ এসে নিজেদের সমস্যা ও প্রশ্ন জানাচ্ছেন। বাড়ি থেকে বেরিয়ে এলাকার কাউন্সিলর ও কলকাতার মেয়র তথা রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ওই ক্যাম্পে যান এবং দীর্ঘক্ষণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫
রাজ্য

ডেলিভারির দিনেই শুনানি কেন্দ্রে হাজির! তারপরেই অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে যা বললেন আধিকারিকরা

শুরু হয়ে গিয়েছে এসআইআর-এর দ্বিতীয় ধাপের শুনানি। শনিবার ছিল চন্দ্রকোনা-২ ব্লকের প্রথম দিনের শুনানি। সেই শুনানিতেই ঘটে গেল এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা। যেদিন শুনানির জন্য ডাকা হয়েছিল, সেদিনই ছিল এক তরুণীর সম্ভাব্য সন্তান প্রসবের দিন। তবুও গর্ভে সন্তান নিয়ে শুনানি কেন্দ্রে হাজির হলেন ২৭ বছরের বন্দনা মণ্ডল।বন্দনার বাড়ি চন্দ্রকোনার কুঁয়াপুরে। স্বামী শুভ্রপ্রকাশ মণ্ডল চাষবাস করে সংসার চালান। শনিবার চন্দ্রকোনা-২ ব্লকের বিডিও অফিসে ছিল এসআইআর শুনানি কেন্দ্র। সকাল থেকেই ভিড়ে ঠাসা ছিল অফিস চত্বর। উপস্থিত ছিলেন বিডিও, ব্লকের ছজন এআরও, কমিশন নিযুক্ত ছজন মাইক্রো অবজার্ভার এবং বিভিন্ন বুথের বিএলওরা।ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথম পর্বে মোট ৭০ জনকে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছিল। সকলেই প্রয়োজনীয় নথি নিয়ে হাজির হন। সেই সময়ই নজরে আসে, শুনানি কেন্দ্রের নিচের তলায় বসে রয়েছেন এক গর্ভবতী মহিলা। শুধু তাই নয়, অনেক বৃদ্ধ-বৃদ্ধাকেও দেখা যায় শুনানিতে হাজির হতে। কেউ এক চোখে দেখতে পান না, কারও চোখে ছানি। তবে গর্ভবতী মহিলাকে দেখে কার্যত বিস্মিত হয়ে পড়েন উপস্থিত আধিকারিকরা। কারণ, নিয়ম অনুযায়ী এমন অবস্থায় বাড়িতে গিয়ে শুনানির ব্যবস্থা করার নির্দেশিকা রয়েছে।এদিকে বন্দনার স্বামী তখন বিএলও-র সঙ্গে দোতলায় শুনানির কাজে ব্যস্ত ছিলেন। পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বন্দনার শ্বশুরবাড়ি কুঁয়াপুরে হলেও তাঁর বাপের বাড়ি চন্দ্রকোনার জয়ন্তীপুরে। সেখানকার ১৪৯ নম্বর বুথের বিএলও শুভাশিস গোস্বামী বন্দনার বাপের বাড়িতেই এসআইআর ফর্ম জমা দিয়েছিলেন। ২০০২ সালের ভোটার তালিকা অনুযায়ী ফর্ম পূরণ করা হয়। বিয়ের পর ঠিকানা পরিবর্তন সংক্রান্ত বিষয়েই প্রোজেনি ভোটার হিসেবে বন্দনাকে শুনানিতে ডাকা হয়।২২ ডিসেম্বর বন্দনার বাপের বাড়িতে নোটিস দিয়ে যান বিএলও। বন্দনা এবং তাঁর স্বামী জানিয়েছিলেন, ডিসেম্বরের শেষের দিকে ডেলিভারির সম্ভাবনার কথা চিকিৎসক জানিয়েছেন। সম্ভাব্য ডেলিভারির তারিখ ছিল ২৭ ডিসেম্বর, অর্থাৎ শুনানির দিনই। কিন্তু সেই তথ্য বিএলও বা প্রশাসনের কাছে পৌঁছয়নি।চন্দ্রকোনা-২ ব্লকের বিডিও উৎপল পাইক জানান, বিষয়টি আগে জানানো হলে বাড়িতেই শুনানির ব্যবস্থা করা যেত। নোটিস দেওয়ার সময়ও ডেলিভারির তারিখ সম্পর্কে কিছু জানানো হয়নি। ঘটনার কথা জানামাত্রই বিডিও, এআরও এবং মাইক্রো অবজার্ভাররা নিচে নেমে আসেন। দ্রুত বন্দনার নথি যাচাই করে তাঁকে বাড়ি ফিরে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫
বিদেশ

গ্রিন কার্ড ইন্টারভিউতেই গ্রেফতার! ৩০ বছর ধরে আমেরিকায় থাকা ভারতীয় মহিলাকে আইসিই-র ধাক্কা

ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়া অভিবাসন নীতির আবহে দুঃস্বপ্নের মধ্যে পড়েছে আমেরিকার লং বিচ শহরের পরিচিত কৌর পরিবার। দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে আমেরিকায় বসবাস করা ভারতীয় বংশোদ্ভূত বাব্বলজিৎ বাবলি কৌরকে হঠাৎ গ্রিন কার্ড ইন্টারভিউয়ের শেষ ধাপে গ্রেফতার করল আইসিই। ৬০ বছরের বাবলি কৌরকে ১ ডিসেম্বর বায়োমেট্রিক স্ক্যানের সময় আটক করা হয় বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট।পরিবারের দাবি, গ্রিন কার্ডের আবেদন আগেই অনুমোদিত হয়েছিল। বাবলির মার্কিন নাগরিক মেয়ে ও জামাইয়ের স্পনসরশিপেই সেই আবেদন জমা পড়েছিল। অথচ কোনও আগাম সতর্কতা ছাড়াই অফিসে ঢুকেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। বাবলির মেয়ে জোতির কথায়, গ্রেফতারের পর তাঁর মাকে হাত-পা শিকল পরিয়ে পুরুষদের ভরা একটি ভ্যানে তোলা হয়। সেই অভিজ্ঞতায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন তিনি। পরিবার আশঙ্কায় ছিল, কারণ এমন অনেক ঘটনার কথা তারা শুনেছে যেখানে মানুষ হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যায়।১৯৯৪ সালে স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে আমেরিকায় আসেন বাবলি কৌর। প্রথমে ল্যাগুনা বিচে বসবাস শুরু করেন তাঁরা। প্রায় দুই দশক ধরে লং বিচে নটরাজ কুইজিন অফ ইন্ডিয়া অ্যান্ড নেপাল নামে একটি জনপ্রিয় রেস্তরাঁ চালাতেন বাবলি ও তাঁর স্বামী। কোভিডের সময় সেই ব্যবসা বন্ধ হয়ে যায়। পরে তিনি রয়্যাল ইন্ডিয়ান কারি হাউসে কাজ করছিলেন। স্থানীয় সমাজে যথেষ্ট পরিচিত ও সম্মানিত ছিলেন কৌর পরিবার।বাবলির মেয়ে জানান, গ্রিন কার্ডের শেষ ধাপের অ্যাপয়েন্টমেন্টের দিন থেকেই তাঁর মায়ের মনটা অশান্ত ছিল। অফিসে ঢোকার কিছুক্ষণের মধ্যেই দুটি গাড়ি এসে দাঁড়ায়। কয়েক জন ফেডারেল এজেন্ট ভিতরে ঢুকে একটি ঘরে যান। তারপর বাবলিকেও সেই ঘরে ডাকা হয়। সেখানেই তাঁকে জানানো হয়, তাঁকে গ্রেফতার করা হচ্ছে। পরিবারের দাবি, বাবলির কোনও অপরাধমূলক ইতিহাস নেই।গ্রেফতারের পর প্রথম কয়েক ঘণ্টা পরিবার জানতেই পারেনি বাবলিকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরে জানা যায়, তাঁকে লস অ্যাঞ্জেলেসের একটি ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হয়েছে। সেখানে ২০ জনের বেশি বন্দির সঙ্গে একটি ঘরে থাকতে হচ্ছে তাঁকে। পরিবার জানাচ্ছে, রাতে আলো নিভে না, চারপাশে সব সময় চিৎকার ও কান্নার শব্দ। ঠিকমতো ঘুমোতে পারছেন না বাবলি কৌর।এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন লং বিচের কংগ্রেসম্যান রবার্ট গার্সিয়া। তিনি জানিয়েছেন, তাঁর অফিস বাবলিকে মুক্ত করতে সব রকম চেষ্টা করছে। তাঁর কথায়, কঠোর অভিবাসন নীতির নামে পরিশ্রমী ও সৎ মানুষদের এভাবে আতঙ্কিত করা মানবিকতার সম্পূর্ণ বিরোধী।এদিকে বাবলি কৌরের গ্রেফতারের কারণ এখনও স্পষ্ট করেনি মার্কিন স্বরাষ্ট্র দফতর। প্রশ্ন উঠছে, গ্রিন কার্ড প্রায় হাতে পৌঁছে যাওয়ার মুহূর্তে কেন এই পদক্ষেপ, তার উত্তর এখনও অধরা।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫
বিদেশ

"আঁখ মারে...," মহিলা সাংবাদিককে লক্ষ্য করে পাকিস্তান সেনার জেনারেলের অসভ্য আচরণে সোশাল মিডিয়ায় তোলপাড়

পাকিস্তানের ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনসের ডিরেক্টর জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরীর একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, এক সংবাদিক আবসা কোমালের প্রশ্নের জবাবে তিনি হেসে তাকে আঙুল দিয়ে চোখের দিকে চোখ মারেন।সংবাদিক তার কাছে প্রশ্ন করেছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বিরুদ্ধে তার করা অভিযোগ সম্পর্কে, যেখানে তিনি খানেরকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি, রাষ্ট্রবিরোধী এবং দিল্লির হাত ধরে কাজ করছে হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। এই প্রশ্নের জবাবে চৌধুরী বলেন, আরও একটি পয়েন্ট যোগ করি, তিনি মানসিক রোগী। এরপর তিনি হাসি দিয়ে সাংবাদিকের দিকে চোখের ইশারা করেন।ভিডিওটি প্রকাশিত হওয়ার পর সোশাল মিডিয়ায় সরাসরি ক্ষোভ দেখা দেয়। এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, তিনি কোনো পেশাদার সেনা নন। আরেকজন মন্তব্য করেছেন, এটা দেখাচ্ছে তাদের সেনাবাহিনী কতটা অসংগঠিত। কেউ কীভাবে ইউনিফর্ম পরে এভাবে চোখের ইশারা করতে পারে?চৌধুরী পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ মুখ হিসেবে পরিচিত। তিনি সাম্প্রতিক মাসগুলোতে প্রায়শই ভারতবিরোধী বক্তব্যের জন্য সংবাদ সম্মেলনে বিতর্কিত হয়ে থাকেন। মে মাসে দিল্লি ও ইসলামাবাদের মধ্যে ছোট সামরিক সংঘর্ষের সময়ও তিনি সুপরিচিত হয়েছিলেন।

ডিসেম্বর ১০, ২০২৫
দেশ

ইসলাম গ্রহণ ও পাকিস্তানে বিয়ে? নিখোঁজ সরবজিৎকে নিয়ে নতুন বিস্ফোরক দাবি

পাকিস্তান সফর শেষে ফেরার পথে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া শিখ তীর্থযাত্রী সরবজিৎ কৌরের ঘটনা ঘিরে সামনে এল চাঞ্চল্যকর দাবি। প্রকাশ্যে এসেছে একটি নিকাহনামা এবং তাঁর নামে এক পাসপোর্টের প্রতিলিপি, যেখানে বলা হয়েছেতিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন এবং শেখুপুরার নয়া আবাদি এলাকার বাসিন্দা নাসির হুসেনের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। এই নথিগুলি ভাইরাল হতে না হতেই দুই দেশের গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে তৎপরতা দেখা দিয়েছে।১৩ নভেম্বর ভারতীয় জঠা পাকিস্তান থেকে ফিরলেও সরবজিৎকে আর পাওয়া যায়নি। ৪ নভেম্বর গুরু নানক দেবজির প্রকাশ উৎসব উপলক্ষে মোট ১,৯২৩ জন শিখ তীর্থযাত্রী পাকিস্তানে যান। দশ দিনের সফরে তাঁরা একাধিক গুরুদ্বারায় গমন করেন। সফর শেষে ফেরার সময়ই দেখা যায়সরবজিৎ কৌরের নাম নেই পাকিস্তানের এক্সিট লিস্টে, নেই ভারতের রি-এন্ট্রি রেকর্ডেও। তখনই শুরু হয় বড়সড় উদ্বেগ।এরপর থেকেই ভারত ও পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থাগুলি তাঁর সন্ধানে নেমেছে। দুদেশের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, পাকিস্তানে ভারতীয় হাই কমিশন স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে যাচ্ছেন এবং উঠেই আসছে সেই নথিগুলির সত্যতা যাচাইয়ের প্রশ্ন। ঠিক কবে, কোথায়, কীভাবে সরবজিৎ জঠা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছিলেনএটিও তদন্তের মূল দিক হয়ে উঠেছে।এদিকে SGPC তাদের প্রথম প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। সংস্থার দাবি, তীর্থযাত্রায় যাওয়ার ভিসা অনুমোদনে তাদের কোনও ভূমিকা নেই। সবটাই সরকারি নিয়ম মেনে হয়। SGPC জানিয়েছে, সরকারের অনুমতি পাওয়ার পরই তারা সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দেয়। এরপর আবেদনকারীরা পাসপোর্ট জমা দেন, যা SGPC সরকারকে পাঠিয়ে দেয় মাত্র। বাকি সব যাচাই করে ভারত সরকারই ভিসা পাকিস্তান হাই কমিশনে পাঠায়।SGPC আরও জানায়, অতীতেও বহু হিন্দুশিখ তীর্থযাত্রীকে ভিসা পর্যায়ে আটকে দেওয়া হয়েছে এবং এটি পুরোপুরি সরকারের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভরশীল। কোনও ভিসা তারা অনুমোদন করে না, শুধু আবেদনগুলি পৌঁছে দেয়। সরবজিতের নিখোঁজ হওয়া এবং নিকাহনামা বিতর্ক নিয়ে SGPC বলেছেধর্মীয় সফরকে ব্যবহার করে ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য সাধন করা নিন্দনীয় এবং এতে সংস্থার উপর সন্দেহ তৈরি হয়। এই ঘটনা সম্পর্কে তারাও প্রথমে সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমেই জানতে পেরেছে।সমগ্র ঘটনার তদন্ত এখন দুই দেশের গোয়েন্দাদের হাতে। নথিগুলি সত্যি নাকি সাজানোতা সামনে এলেই স্পষ্ট হবে সরবজিৎ কৌর কি সত্যিই পাকিস্তানে স্বেচ্ছায় থাকতে চেয়েছেন, নাকি আরও কোনও বড় রহস্য লুকিয়ে রয়েছে তাঁর নিখোঁজ হওয়ার পিছনে।

নভেম্বর ১৫, ২০২৫
রাজ্য

পরিচয়পত্র চাইতেই উধাও পরিবার! আলিপুরদুয়ারে মৃতা কি বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী?

হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু হয়েছিল এক মহিলার। কিন্তু মৃত্যুর পরই ঘটল এমন কাণ্ড, যা দেখে হতবাক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। পরিচয় যাচাইয়ের জন্য পরিবারের কাছে আধার কার্ড বা ভোটার কার্ড চাওয়া মাত্রই উধাও হয়ে গেলেন মৃতার পরিবারের সদস্যরা! ফোনেও যোগাযোগ সম্ভব হয়নি। ফলে মৃতদেহ এখনো পড়ে আছে আলিপুরদুয়ার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে দাবিদারহীন অবস্থায়।জানা গিয়েছে, গত ৫ নভেম্বর বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ ৪২ বছর বয়সী এক মহিলা নাম সঞ্জিতা বিবিকে ভর্তি করা হয় আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে। ভর্তি করার সময় তাঁর পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছিলেন, তাঁরা দমনপুর এলাকার বাসিন্দা। এক আত্মীয়ের নাম দেওয়া হয়েছিল জাবেদ আলি। হাসপাতালের নথিতে সেই নাম ও মোবাইল নম্বর নথিভুক্ত করা হয়।রোগীর অবস্থা শুরু থেকেই আশঙ্কাজনক ছিল। তাঁকে আইসিসিইউ-তে রাখা হয়। কিন্তু শুক্রবার সন্ধ্যায় তাঁর মৃত্যু হয়। নিয়মমতো ডেথ সার্টিফিকেট তৈরির জন্য পরিবারের কাছে আধার বা ভোটার কার্ড চাওয়া হলে হঠাৎই গা-ঢাকা দেন তাঁরা। হাসপাতালের সুপার ডাঃ পরিতোষ মণ্ডল বলেন, মৃতা হার্ট অ্যাটাকে ভর্তি হয়েছিলেন। আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করেও বাঁচাতে পারিনি। ডেথ সার্টিফিকেটের জন্য পরিচয়পত্র চাইতেই পরিবারের সদস্যরা উধাও হয়ে যান। এরপর আর তাঁদের খুঁজে পাওয়া যায়নি। দুদিন ধরে একজন পুরুষ রোগীর সঙ্গে ছিলেন, তিনিও গায়েব।ফোনে বহুবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁদের হদিশ মেলেনি। ফলে হাসপাতাল মৃতদেহকে দাবিদারহীন হিসেবে মর্গে সংরক্ষণ করেছে। ঘটনাটি ইতিমধ্যে স্থানীয় থানায় জানানো হয়েছে।এরপরই উঠেছে বড় প্রশ্ন ওই মহিলার কোনও বৈধ পরিচয়পত্র ছিল না কেন? যিনি তাঁর সঙ্গে ছিলেন, তিনি আসলে আত্মীয় না অন্য কেউ? নাকি পুরো ঘটনাটির পেছনে রয়েছে অন্য রহস্য?এসআইআর (Special Investigation of Residents) চলাকালীন এমন ঘটনায় জল্পনা আরও গভীর। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, মৃতা কি আদৌ ভারতীয় নাগরিক ছিলেন, নাকি বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী?ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে আলিপুরদুয়ার জুড়ে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, পরিবারের কেউ যদি পরিচয়পত্র ও প্রমাণপত্র নিয়ে হাজির না হন, তবে আইনি প্রক্রিয়া মেনে মৃতদেহ প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে সমাধিস্থ করা হবে।স্থানীয় এক চিকিৎসক বলেন, এমন ঘটনা বিরল। সাধারণত মৃতের পরিবারের সদস্যরা দেহ নিতে আসেন। এখানে উল্টোটা হয়েছে। তাই বিষয়টি সত্যিই সন্দেহজনক। ঘটনার তদন্তে নামতে চলেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখা হচ্ছে, কারা মৃতাকে ভর্তি করেছিল, কখন উধাও হয়েছে তারা।

নভেম্বর ০৮, ২০২৫
রাজ্য

জীবিত তরুণীর শ্রাদ্ধ, পাত পেড়ে ভুরিভোজ, কেন এমন আজব ঘটনা বাংলায়?

চোপড়ার বাস্তব চিত্র সিনেমাকেও হার মানাবে। চোপড়া থানার সোনাপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় পরিবারের অমতে বিয়ে করেছিলেন এক তরুণী। সেই বিয়ে মেনে নিতে পারেনি তাঁর পরিবারের লোকজন। জীবিত মেয়ের নামে ল শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের আয়োজন করলেন বাড়ির লোকজন। পাত পেড়ে করালেন ভুরিভোজও।পছন্দের পুরুষের হাত ধরে সংসার পাততে চেয়ে তরুণীকে বাড়ি ছাড়তে হয়েছে। সেই শুরু কাহিনীর। তবে সেখানেই শেষ নয়। পরিবারের সদস্যরা বলছেন, মেয়ে পরিবারের অমতে নিজের ইচ্ছায় বিয়ে করায় তাঁরা গভীরভাবে মর্মাহত। তাঁরা মনে করছেন, মেয়ে পরিবারের সামাজিক মর্যাদা হানি করেছে। সেই তরুণীর আত্মীয়-পরিজনও নাকি এই সম্পর্ক মেনে নিতে পারছেন না। তাই মেয়ের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করতেই এই শ্রাদ্ধের আয়োজন।তরুণী কলেজ-পড়ুয়া। তাঁর বাবা কৃষিজীবী। আর তাঁর প্রেমিক স্থানীয় এক ব্যবসায়ী পরিবারের সন্তান। কলেজের পড়াশোনার পাঠ সাঙ্গ করেছেন খুব বেশিদিন হয়নি। চলতি মাসের ৮ তারিখে প্রেমিকের হাত ধরে ঘর ছাড়েন সেই তরুণী। তারপর ৯ মার্চ চোপড়া থানায় একটি অপহরণের মামলা দায়ের করে মেয়েটির পরিবার। পুলিশ দুজনকে আটক করে নিয়ে আসে রায়গঞ্জ থেকে। মামলা আদালতে ওঠে। কিন্তু ধোপে টেকেনি। কারণ আদালতে মেয়েটি পরিষ্কার জানিয়ে দেন যে তিনি সাবালিকা। তিনি স্বেচ্ছায় সেই তরুণের সঙ্গে গিয়েছেন। এদিকে, ছেলেটির বাড়ি থেকে কিন্তু প্রাথমিক আপত্তির পর সম্পর্ক মেনে নিয়েছে।তরুণীর বাড়িতে ঠিক উলটো চিত্র। মেয়ের সিদ্ধান্ত মানতে না পেরে এদিন রীতিমতো পুরোহিত ডেকে নিয়ম মেনে শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গ্রামবাসীর পাশাপাশি আত্মীয়স্বজনদের আমন্ত্রণ করে ভুরি ভোজ করানো হয়। শনিবারের অনুষ্ঠানে প্রায় ১০০ জন অতিথি দিব্য পাত পেড়ে খেয়েছেন জীবন্ত তরুণীর শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে। প্রতিবেশীরা, যাঁরা নিমন্ত্রিত ছিলেন, তাঁরাও মেয়েটির সম্পর্ক মানছেন না। শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের উদ্দেশ্য, এটা একটা উদাহরণ হয়ে থাকবে গ্রামের উঠতি বয়সি ছেলেমেয়েদের কাছে।

মার্চ ১৬, ২০২৫
নিবন্ধ

মাতৃবিয়োগ উড়ান সংস্থার উচ্চপদস্থ আধিকারিক বিপ্লব চট্টোপাধ্যায়ের, এক মহিয়সী নারীর কাহিনী

এআই এয়ারপোর্ট সার্ভিসেস লিমিটেডের উচ্চপদস্থ আধিকারিক বিপ্লব চট্টোপাধ্যায়ের মা গীতা চট্টোপাধ্যায়ের জীবনাবসান হয় গত ৩১ অগাস্ট। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। গীতাদেবী ছিলেন স্কুল শিক্ষিকা। অত্যন্ত সাফল্যের সঙ্গে তিনি শিক্ষিকতা করেছেন। গীতা চট্টোপাধ্যায়ের আরেক পুত্র বিভাস চট্টোপাধ্যায় বেসরকারি সংস্থার উচ্চপদে আসীন। গীতাদেবী শিক্ষকতা করতেন বাগবাজারের আদর্শ মহিলা বিদ্যালয়ে। মৃত্যুর সময় সংসারে রেখে গিয়েছেন পুত্রদ্বয় বিপ্লব চট্টোপাধ্যায় ও বিভাস চট্টোপাধ্যায়, পুত্রবধূদ্বয় গার্গী লাহিড়ী চট্টোপাধ্যায় ও ঋতুপর্ণা চট্টোপাধ্যায়। নাতি, নাতনি মৈত্রেয়ী চট্টোপাধ্যায়, বিহান চট্টোপাধ্যায় ও রিয়ান চট্টোপাধ্যায়।১৯৪২ সালের ২৮ ডিসেম্বর এক সম্ভ্রান্ত বনেদি পরিবারে জন্ম হয় গীতা চট্টোপাধ্যায়ের। তখন তাঁরা থাকতেন তৎকালীন মধ্যপ্রদেশের(এখন ছত্তিসগড়) অম্বিকাপুরে। এক মাসের মধ্যেই মাতৃহারা হন ছোট্ট গীতা। জন্মদাত্রী মায়ের অনুভতির স্বাদ পাননি। সাত ভাইবোনের মধ্যে সব থেকে ছোট ছিলেন তিনি। বাবা ছিলেন প্রথিতযশা চিকিৎসক অনাথ বন্ধু বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ থেকে পড়াশুনা করেছেন। ট্রান্সফারেবল জব ছিল অনাথবন্ধু বন্দ্যোপাধ্যায়ের। মধ্যপ্রদেশের অম্বিকাপুরে পরিবার নিয়ে বসতি স্থাপন করেছিলেন তিনি। সেই সময় নারী শিক্ষার খুব বেশি প্রচলন ছিল না। তবে চেষ্টার কোনও ত্রুটি ছিল না গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। একনিষ্ঠ অধ্যাবসায় থাকায় তাঁকে কখনও থামতে হয়নি। পড়াশুনা করেছেন অম্বিকাপুরে এডওয়ার্ড সেকেন্ডারি স্কুল, তারপর গভঃ ডিগ্রি কলেজ অম্বিকাপুর। এমএ, বিএড-ও করেছেন তিনি। অনাথ বন্ধু বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদি বাড়ি ছিল বর্ধমান জেলার নাড়ুগ্রামে।গীতাদেবী বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন ২জুন, সাল ১৯৬৬। তাঁর বিয়ে হয়েছিল মুর্শিদাবাদের গোপালপুর গ্রামে। স্বামী বিশ্বনাথ চট্টোপাধ্যায় চাকরিসূত্রে দমদমে আসেন। তিনি ছিলেন শিক্ষক। দমদমেই স্থায়ী বসবাস শুরু করেন তাঁরা। বিয়ের পর প্রথম পর্যায়ে ছেলেদের পড়াশুনা নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন গীতাদেবী। ছেলেরা একটু বড় হওয়ার পর ১৯৭৬ সালে বাগবাজারের আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা শুরু করেন গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একদিকে চাকরি সামলেছেন, আরেক দিকে সাংসারিক লড়াই করে গিয়েছেন গীতাদেবী। ছেলেদের সুশিক্ষায় বড় করে তুলেছেন।নারী শিক্ষা প্রসারে অত্যন্ত অগ্রগন্য ভূমিকা নিয়েছিলেন তিনি। বিশেষত নারী শিক্ষার প্রসার না ঘটলে কোনও জাতির উন্নতি হতে পারে না। ছাত্রীদের মনের মনিকোঠায় থাকতেন তাঁদের পছন্দের শিক্ষিকা। সহকারি শিক্ষিকাদের সঙ্গেও খুবই সদ্ভাব ছিল তাঁর। শিক্ষা অন্ত প্রাণ ছিলেন গীতাদেবী।এদিকে স্বামীর অকাল মৃত্যুতে ভেঙে না পড়ে ছেলেদের পড়াশুনা থেকে খাওয়া-দাওয়া, পোষাক-পরিচ্ছদ সবেতেই নজর ছিল তাঁর। সকালে স্কুল করে এসেই সাংসারিক যুদ্ধে নেমে পড়তেন। কখনও ছেলেদের বুঝতে দেননি তাঁদের বাবার অভাব। একাধারে মা ও বাবা দুই ভূমিকাই সাফল্যের সঙ্গে পালন করেছেন গীতা দেবী। তিন ছেলের মধ্যে মেজ ছেলের কঠিন অসুখে ১৯৮১ সালে অকাল প্রয়াণ ঘটে। জীবনে দুটি বড় ধাক্কা সামলে নিয়ে বজ্রহাতে সংসার ধরে রেখেছেন। আশির কোঠাতেও সবসময় খবর নিতেন ছেলেরা কী করছে? কেমন আছে? তাঁরা কি খেয়েছে? অফিস গিয়েছে কিনা? নাতি-নাতনিদের শুদ্ধ বাতাস ছিলেন তিনি। দীর্ঘ দিন শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভুগছিলেন গীতা চট্টোপাধ্যায়।গীতা চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে শুধু পারিবারিক ক্ষেত্র নয়, তাঁর অগুনতি ছাত্রী ও সহকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। আগামী ১০ সেপ্টেম্বর দুপুর ১টায় গীতা চট্টোপাধ্যায়ের স্মরণে বাগবাজার গঙ্গাতীরে ভাগবত সভা অনুষ্ঠিত হবে। পরের দিন ১১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৫ টায় দমদম রোড, হনুমান মন্দিরের কাছে পুরাঙ্গনে স্মরণসভা হবে অবসর প্রাপ্ত এই মহিয়সী শিক্ষিকার।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৪
রাজ্য

ষাটোর্ধ এক অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার! এক সন্দেহভাজন গ্রেফতার

ষাটোর্ধ এক অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ালো বর্ধমান শহরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পুরানো ওভারব্রীজ সংলগ্ন ছোটলাইন এলাকায়। পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিকেল কলেজের পুলিশ মর্গে পাঠায়। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করেছে বর্ধমান থানার পুলিশ।শুক্রবার রাতে পুরনো ওভারব্রীজ সংলগ্ন ছোটলাইন এলাকায় এক ষাটোর্ধ বৃদ্ধার দেহ পরে আছে বলে স্থানীয়রা থানায় খবর দেয়। পুলিশ গিয়ে দেহ উদ্ধার করে।স্থানীয়দের অভিযোগ, বৃদ্ধাকে এক ব্যক্তিকে ধর্ষণ করার চেষ্টা করতে দেখে স্থানীয়রা বাধা দেয়। সেই সময় ওই ব্যক্তি পালিয়ে গেলেও স্থানীয়রা দেখেন বৃদ্ধা মারা গেছেন।এরপরেই তারা পুলিশকে খবর দেয়।

নভেম্বর ১২, ২০২২
রাজ্য

যুবতির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য বর্ধমানে

পায়ে দড়ি বাঁধা অবস্থায় বাড়ির পিছনে যুবতির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ালো পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের নারায়ণপুর গ্ৰামে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় জামালপুর থানার পুলিশ। মৃতদেহ উদ্ধার করা পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিকেল কলেজের পুলিশ মর্গে পাঠিয়েছে। মৃত যুবতীর নাম দুলালী মালিক(২৪)।রোজকার মত শনিবার রাতে দুই বোন ঘরে শুতে যায় রবিবার সকালে ঘরের পিছনের দিকে অংশে কার্ণিশ থেকে গলায় দড়ি দেওয়া অবস্থায় ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। তবে দুটি পা দড়ি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় ছিল সেই জন্য পুরো ঘটনাকে ঘিরে রহস্য দানা বেঁধেছে। আত্মহত্যা যদি হয় তাহলে পায়ে দড়ি বাঁধা কি করে? নেপথ্যের কারণ কি তা জানতে কৌতুহল গোটা এলাকায়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

অক্টোবর ৩০, ২০২২
দেশ

এই প্রথম রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী আদিবাসী মহিলা, জেপি নাড্ডার ঘোষণায় বিরাট চমক

ওড়িষার আদিবাসী মহিলাকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী করে চমকে দিল বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ। এদিন অবিজেপি জোট রাষ্ট্রপতি পদে যশবন্ত সিনহাকে প্রার্থী করেছে। এবার রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী ঘোষনা করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। সাংবাদিক বৈঠকে নাড্ডা জানান, ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন রাজ্যপাল দ্রৌপদী মুর্মুকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী করছে এনডিএ। কাউন্সিলর থেকে রাজ্যের মন্ত্রী হয়েছিলেন এই আদিবাসী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি। পেশাগত ভাবে তিনি শিক্ষিকা।Smt. Droupadi Murmu Ji has devoted her life to serving society and empowering the poor, downtrodden as well as the marginalised. She has rich administrative experience and had an outstanding gubernatorial tenure. I am confident she will be a great President of our nation. Narendra Modi (@narendramodi) June 21, 2022

জুন ২১, ২০২২
রাজ্য

Old Woman Rape: প্রৌঢ়াকে কুঁড়ে ঘর থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ, জেল হেফাজত অভিযুক্তের

রাতের অন্ধকারে মুখ টিপে ধরে ভিক্ষুক প্রৌঢ়াকে ঘর থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার হল এক ব্যক্তি। ধৃতের নাম ভোম্বল মাঝি। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া থানার কেশিগ্রামে। পৌঢ়ার দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে কাটোয়া থানার পুলিশ শুক্রবার রাতে গ্রাম থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে। জেরায় ভোম্বল পুলিশের কাছে নিজের কুকীর্তির কথা কবুল করে বলে পুলিশ জানিয়েছে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ শনিবার ধৃতকে পেশ করে কাটোয়া মহকুমা আদালতে। পাশাপাশি গোপন জবানবন্দি পেশের জন্য প্রৌঢ়াকেও এদিন আদালতে হাজির করানো হয়। বিচারক ধৃতকে ১৪ দিন জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। অভিযুক্ত ভোম্বলের দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবি করেছেন এলাকাবাসী।পুলিশ জানিয়েছে, কেশিগ্রামের নির্যাতিতা প্রৌঢ়া বিধবা। তাঁর এক মেয়ের বিয়ে হয়ে গিয়েছে। বর্তমানে তিনি তাঁর ভাই ও ভাইয়ের স্ত্রীর কাছেই থাকেন। ভিক্ষা করে যে টুকু উপার্জন হয় তা দিয়েই প্রৌঢ়ার দিন চলে। পুলিশকে প্রৌঢ়া জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে তিনি বাড়ির কুঁড়ে ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। মাঝরাতে চুপিসারে তাঁর কুঁড়ে ঘরে ঢুকে ভোম্বল প্রৌঢ়ার মুখ টিপে ধরে। প্রৌঢ়াকে ঘর থেকে বের করে দূরের ফাঁকা মাঠে নিয়ে গিয়ে ভোম্বল ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। ধর্ষণের পর মহিলাকে রাতে ফাঁকা মাঠেই ফেলে পালায় অভিযুক্ত। রাত প্রায় আড়াইটে নাগাদ বিবস্ত্র অবস্থায় প্রৌঢ়া কোনওরকমে মাঠ থেকে পালিয়ে আসেন। বাড়িতে এসে তিনি তাঁর উপর হওয়া অত্যাচারের কথা পরিবারের লোকজনকে জানান। গোটা ঘটনার কথা জানিয়ে নির্যাতিতা শুক্রবার কাটোয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ রাতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে।

জানুয়ারি ০৯, ২০২২
রাজ্য

Wall Collapsed: ঘরের দেওয়াল ভেঙে আহত পরিবারের অন্তঃসত্ত্বা মহিলা সহ পাঁচ

ঘরে ঘুমিয়ে থাকার সময় দেওয়াল ভেঙে পড়ায় আহত হলেন অন্তঃসত্ত্বা মহিলা সহ একই পরিবারের পাঁচ জন। শনিবার ভোরে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী ১ ব্লকের মাগনপুর গ্রামে। প্রতিবেশীরা আহতদের সবাইকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। এই ঘটনার খবর পেয়ে সকালেই এলাকার বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায়, ব্লকের বিডিও দেবব্রত জানাসহ জনপ্রতিনিধিরা হাসপাপালে গিয়ে আহতদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্বস্থলীর জাহান্নগর পঞ্চায়েতের মাগনপুরে বাড়ি দে পরিবারের। ইট ও মাটির গাঁথনির দেওয়াল ও টিনের চালার ঘরে দে পরিবারের সদস্যরা বসবাস করেন। ওই ঘরেতেই এদিন ভোরে পরিবারের সদস্যরা ঘুমাচ্ছিলেন। সেইসময় আচমকাই বাড়ির দেওয়ালসহ টিনের চালা হুড়মুডিয়ে ঘেঙে পড়ে।ভেঙে পড়া সেই দেওয়ালের নিচে চাপা পড়ে যান পরিবারের এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলাসহ পাঁচ জন।প্রতিবেশীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে গিয়ে ভেঙে পড়া দেওয়াল সরিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করেন। পরিবারের সদস্যরা মনে করছেন নিম্নচাপের জেরে বিগত কয়েকদিন ধরে হওয়া বৃষ্টিপাতের জেরে ইট মাটির গাঁথনির দেওয়ল দুর্বল হয়ে পড়ায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

অক্টোবর ২৩, ২০২১
রাজ্য

Rape: মঙ্গলকোটে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন তরুনীকে হুমকি দেখিয়ে সহবাসের অভিযোগ বিজেপি নেতার ভাইয়ের বিরুদ্ধে

হুমকি দিয়ে দিনের পরদিন সহবাস করে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন তরুনীকে অন্তঃসত্ত্বা করে দেওয়ার অভিযোগ উঠলো বিজেপি নেতার ভাইয়ের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটে। ঘটনা সবিস্তার উল্লেখ কবে তরুণীর পরিবার বৃহস্পতিবার রাতে অভিযুক্ত চুনী আনসারির বিরুদ্ধে মঙ্গলকোট থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। এই ঘটনা জানার পর থেকেই এলাকা ছেড়ে গা ঢাকা দিয়েছে বিজেপি নেতা ডাবলু আনসারি ও তাঁর ভাই চুনী আনসারি। মামলা রুজু করে পুলিশ হন্যে হয়ে অভিযুক্তের সন্ধান চালাচ্ছে। এলাকার বাসিন্দাদের কথায় জানা গিয়েছে, বাম আমলে মঙ্গলকোটে সিপিএমের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা ছিলেন ডাবলু আনসারী। ২০১১ সালে রাজ্য রাজনীতিতে পালাবদলের পর তিনি এলাকা ছাড়া হয়ে যান। কয়েক বছর আগে ডাবলু আনসারী বিজেপিতে যোগদান করেন। মঙ্গলকোটের টালিপাড়ার তরুণীর পরিবারের অভিযোগ, বিজেপি নেতা ডাবলু আনসারির ভাই চুনী আনসারি হুমকি দিয়ে দিনের পর দিন তাঁদের পরিবারের বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন যুবতী মেয়ের সঙ্গে সহবাস করে।তরুনী তাঁর দরিদ্র দাদার কাছে থাকে। দাদা মুটিয়ার কাজ করেন। আর পরিবারের অন্যান্যরা জনমজুরির কাজ করেন। সকাল হতেই পরিবারের সবাই কাজে বেড়িয়ে যান। দিনের বেলায় তরুণী বাড়িতে একাই থাকতো। অভিযোগ তারই সূযোগ নিয়ে চুনী আনসারি হুমকি দিয়ে দিনের পর দিন বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ওই তরুণীর সঙ্গে সহবাস করতো। সম্প্রতি তরুনীর শারীরিক পরিবর্তন হতে শুরু করলে পরিবারের লোকজনের সন্দেহ হয়। বৃহস্পতিবার বাড়ির সকলে মিলে তরুনীকে চেপে ধরলে সে কান্নায় ভেঙে পড়ে। তরুণী চুনী আনসারির কুকীর্তির কথা পরিবারের লোকজনকে জানায়। তরুণীর মখ থেকে থেকে চুনীর কুকীর্তি জানার পর ওই দিনই পরিবারের লোকজন মঙ্গলকোট থানার দ্বারস্থ হন। এই ঘটনা সামনে আসার পর মঙ্গলকোট পঞ্চায়েতের উপপ্রধান চন্দন সরকার ও বিজেপির বর্ধমান পূ্র্ব (গ্রামীণ) জেলা কমিটির সহ-সভাপতি রানাপ্রতাপ গোস্বামী উভয়েই চুনী আনসারির দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবি করেছেন।

অক্টোবর ২২, ২০২১
রাজ্য

Rape: মুখ চাপা দিয়ে রাস্তা থেকে আদিবাসী মহিলাকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ, চাঞ্চল্য মন্তেশ্বরে

অন্ধকার রাস্তায় মুখ চাপা দিয়ে আদিবাসী মহিলাকে নির্জন জায়গায় তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠলো দুস্কৃতিদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনা জানাজানি হতেই সোমবার সকাল থেকে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর থানা এলাকায়। দুস্কৃতিরা আদিবাসী মহিলাকে গণধর্ষণ করেছে লোক মুখে এলাকায় ছড়িয়ে। এই খবর পেয়েই পুলিশ মন্তেশ্বরের বরুনা এলাকার ক্যানেল পাড়ে থাকা নির্যাতিতা মহিলাকে উদ্ধার করে ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যায়। শারীরিক অবস্থা খারাপ থাকায় মহিলাকে সেখান থেকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে কয়েকজনকে আটক করে শুরু হয়েছে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদ।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,সোমবার ভোর রাতে মন্তেশ্বরের বরুনা গ্রামের ক্যানেল পাড়ে থাকা একটি ট্র্যাক্টরের ট্রলির নিচে পড়ে কাতরাচ্ছিলেন এক আদিবাসী মহিলা। তাঁর স্বামী মহিলার চোখে মুখে জল দিচ্ছিলেন। এমনটা দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা তাঁদের কাছে যান। কি হয়েছে জিজ্ঞাসা করতেই মহিলার স্বামী তাঁর স্ত্রীর উপর রবিবার রাতে হওয়া নির্যাতনের কথা স্থানীয়দের জানায়। স্থানীয়দের মাধ্যমে এই খবর পৌছায় মন্তেশ্বর থানার পুলিশের কাছে। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছায়। স্থানীয়রা বলেন,জিজ্ঞাসাবাদে মহিলা পুলিশকে বলে রবিবার সন্ধ্যায় তিনি তাঁর স্বামীর সঙ্গে মন্তেশ্বরের রাইগ্রামের বাজারে গিয়েছিলেন। বাজারে কাজ মেটাতে তাঁদের দেরী হয়। তাই তাঁর স্বামী রান্না করবে বলে ঘরে ফিরে যান। বাজারের কাজ মিটিয়ে সন্ধ্যার পর মহিলা একা ঘরে ফিরছিলেন। তাঁর অভিযোগ, অন্ধকার রাস্তা দিয়ে তিনি যখন একা হেঁটে আসছিলেন তখন কয়েকজন মিলে তাঁর মুখ চাপা দিয়ে জোরপূর্বক তাঁকে নির্জন জায়গায় তুলে নিয়ে যায়। তারা সেখানে তাঁর উপরে নির্যাতন চালানো শুরু করে। এছাড়াও মহিলার স্বামী পুলিশকে জানায়, অনেকটা সময় কেটে যাবার পরেও স্ত্রী ঘরে ফিরছে না দেখে তিনি স্ত্রীকে আনতে রাতের অন্ধকারেই ঘর থেকে বেরিয়ে পড়েন। কিছুটা যাওয়ার পরেই পুরুনিয়া এলাকায় পুকুর পাড়ে থাকা একটি জায়গা থেকে তিনি মহিলার আর্তনাদ শুনতে পান। সেখানে এগিয়ে যেতেই তিনি তাঁর স্ত্রীর উপর নির্যাতন চালানোর ঘটনা দেখতে পান। মহিলার স্বামীর অভিযোগ নির্যাতন চালাোর ঘটনায় জড়িত দু্কৃতিদের তিনি বাধা দিলে তারা তাঁকে মারধোর করে পালিয়ে যায়। দুস্কৃতিরা মিলে তাঁর স্ত্রীকে ধর্ষণ করেছে বুঝতে পেরে রাতে তিনি স্ত্রীকে ওই জায়গা থেকে উদ্ধার করে কিছুটা দূরে বরুনার ক্যানেল পাড়ে নিয়ে গিয়ে বসে পড়েন। মহিলার স্বামী এদিন সকালে স্থানীয়দের এই ঘটনা জানালে তাঁরাই পুলিশকে খবর দেয়।রাকিব মল্লিক নামে স্থানীয় বাসিন্দা জানান, নির্যাতিতা মহিলার বাড়ি কালনা মহকুমার নাদনঘাট থানা এলাকায়। মহিলা পেশায় খেত মজুর। খেত মজুরির কাজের জন্য মহিলা তাঁর সঙ্গে থাকা পুরুষ ব্যক্তি কয়েকদিন আগে তাঁদের গ্রামে এসেছেন। তাঁরা নিজেদের কে স্বামী স্ত্রী বলেই পরিচয় দিয়েছিলেন। মহিলার উপরে হওয়া নির্যাতনের কথা এদিন তাঁদের কাছ থেকেই জানতে পারেন বলে রাকিব মল্লিক জানিয়েছেন।জেলার পুলিশ সুপার কামনাশিষ সেন জানিয়েছেন, অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ কেস রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে।একজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চালছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২১
রাজ্য

Illicit Affair: অবৈধ সম্পর্কের তিক্ততায় মহিলাকে নৃশংস ভাবে খুন, গ্রেপ্তার তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য

মহিলার সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তাঁকে নৃশংসভাবে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য। ধৃতের নাম শোভন টুডু। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার কুচুট গ্রামের কদমতলা এলাকায়। তিনি তৃণমূলের প্রতীকে নির্বাচিত কুচুট গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য। মুখ থেঁতলে দিয়ে মহিলা সুখী মাণ্ডি(৪৭)কে খুনের অভিযোগে জেলার জামালপুর থানার পুলিশ শুক্রবার রাতে শোভন টুডুকে গ্রেপ্তার করে। শনিবার ধৃতকে পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। খুনের ঘটনায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার ও ঘটনার তদন্তের প্রোয়োজনে তদন্তকারী অফিসার এদিন ধৃতকে ১০ দিন নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান । বিচারক ধৃতকে ৬ দিন পুলিশি হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।পুলিশ জানিয়েছে ,গত ১৯ সপ্টেম্বর জেলার জামালপুর থানার জৌগ্রামের জলেশ্বরতলা এলাকার একটি বাঁশবাগান থেকে উদ্ধার হয় অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার মুখ থেঁতলানো মৃতদেহ।মহিলার মৃতদেহ উদ্ধারের সময় পুলিশ তাঁর কোমরে গোঁজা থাকা একটি পুঁটলি পায়। ওই পুঁটলির মধ্যে থাকা কাগজে লেখা ছিল কিছু ফোন নম্বার। তার সূত্র ধরে তদন্ত চালিয়ে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে পুলিশ মহিলার পরিচয় উদ্ধার করে। পুলিশ জানতে পারে মহিলার নাম সুখী মাণ্ডি। তাঁর স্বামীর নাম সাধন মাণ্ডি। তাঁরা মেমারি থানার নবস্তা ১ পঞ্চায়েতের পলশা গ্রামের বাসিন্দা। গত মঙ্গলবার মৃতার পরিবারের লোকজন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে মৃতদেহ সনাক্ত করেন।মহিলকে খুনের প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশ তাঁর পরিবার পরিজনের পাশাপাশি এলাকাবাসীর সঙ্গেও কথা বলে। তাঁদের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ জানতে পারে সাধন মাণ্ডির দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী সুখী। সাধনের প্রথম পক্ষের স্ত্রীর কোন সন্তান নেই। সুখীর দুটি পুত্র সন্তান রয়েছে। সুখী পলশা গ্রামে না থেকে কিছু দূরে গাঙ্গুয়া গ্রামের সাপার পাড়ায় থাকতেন বলেও পরিবার সদস্যরা পুলিশকে জানায়। এমনকী অন্য এক পুরুষের সঙ্গে সুখীর সম্পর্ক থাকার কথাও পরিবার সদস্যদের কাছ থেকে পুলিশ জানতে পারে।এসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিণ )আমিনুল ইসলাম খাঁন এদিন বলেন, সুখীর অন্য পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক থাকার কথা জানতে পারার পরেই ওই পুরুষ ব্যক্তির খোঁজ চালানো শুরু হয়। খোঁজ চালিয়ে পুলিশ জানতে পারে মেমারির কুচুট পঞ্চায়েতের সদস্য শোভন টুডুর সঙ্গে দীর্ঘদিন যাবৎ সুখীর বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে।পঞ্চায়েত সদস্যের ফোন কলের ডিটেইলস খতিয়ে দেখেও পুলিশ নিশ্চিৎ হয় সুখীর সঙ্গে শোভন টুডুর নিয়মিত কথা হত। শুক্রবার শোভন টুডুকে থানায় টানা জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সুখী মান্ডিকে খুনের কথা স্বীকার করে শোভন টুডু। তার পরেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের দাবি খুনের কারণ হিসাবে শোভন জানিয়েছে, মহিলা তাঁর কাছে প্রায়শই প্রচুর টাকার দাবি করতো। মহিলাকে অত অর্থ যোগান দেওয়ার চাপ তিনি আর নিতে পারছিলন না। সেই কারণে তিনি সুখীকে খুনের পরিকল্পনা কষেন। পরিকল্পনা মাফিক পরিচিতর বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে তিনি সুখীকে সঙ্গে নিয়ে জৌগ্রাম জলেশ্বরতলা এলাকায় আসেন।আগে থেকেই একটি মোটা পাইপ কিনে তিনি তাঁর বাইকের টুল বক্সে ভরে রেখেছিলেন। জলেশ্বরতলা এলাকার বাঁশ বাগানে সুখী বসতেই তিনি সেই পাইপ দিয়ে তার মুখ ও মাথার অংশে একাধিকবার আঘাত করেন। সুখীর মৃত্যু নিশ্চিৎ হবার পর শোভন বাইকে চেপে ঘটনাস্থল ছেড়ে পালায়। ওই পাইপ উদ্ধারের জন্য পুলিশ শোভন টুডুকে হেপাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১
রাজ্য

Bruised Face: মুখ থেঁতলানো রক্তাক্ত মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার, ব্যাপক চাঞ্চল্য জামালপুরে

সেচ ক্যানেলের পাড়ের নির্জন বাঁশবাগান থেকে উদ্ধার হল মাথা ও মুখের অংশ থেঁতলানো থাকা এক মহিলার রক্তাত মৃত দেহ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রবিবার সকাল থেকে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার জৌগ্রামের জলেশ্বর শিব মন্দির সংলগ্ন এলাকায়। খবর পেয়ে জামালপুর থানার পুলিশ ঘটনা স্থলে তদন্তে যায়। পুলিশ মধ্য বয়স্কা মহিলার মৃতদেহটি উদ্ধার করে এদিনই ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। মহিলাকে খুন করা হয়েছে বলেই প্রাথমিক তদন্ত শেষে পুলিশের অনুমান। মহিলার পরিচয় জানার চেষ্টা চালানোর পাশাপাশি মহিলাকে কারা খুন করে থাকতে পারে তার তদন্তও পুলিশ শুরু করেছে।জৌগ্রাম জলেশ্বরতলা এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, মহিলা তাঁদের এলাকার বাসিন্দা নন। বহিরাগত দুস্কৃতীরা রাতের অন্ধকারে মহিলাকে অন্য কোথাও নৃশংস ভাবে খুন করে দেহ তাঁদের এলাকার সেচ ক্যানেলের পাড়ের বাঁশবাগানে ফেলে দিয়ে পালিয়েছে বলেই মনে করছেন স্থানীয়রা। তাঁরা আরও জানিয়েছেন, শাড়ি পরিহিত এবং পায়ে আলতা ও হাতে শাঁখা পলা থাকায় এটুকু বোঝা গিয়েছে মহিলা কোন গৃহবধূ। পুলিশি তদন্তেই মহিলা খুনের পর্দা ফাঁস হবে আশা প্রকাশ করেছেন জৌগ্রামের বাসিন্দারা।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২১
রাজ্য

Threatening to Kill : কুপ্রস্তাবে নারাজ মহিলাকে সপরিবারে খুনের হুমকির অভিযোগ তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে

তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের কুপ্রস্তাবে রাজি হননি মহিলা। তাই ওই মহিলা ও তাঁর স্বামী, সন্তানকে খুনের হুমকি দেওয়া ও মারধরের অভিযোগ উঠলো তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের রায়না ১ ব্লকের পলাশন পঞ্চায়েতের ধারান গ্রামে। এই ঘটনা নিয়ে ওই মহিলা রায়না থানায় অভিযোগ জানালেওকোন কাজ না হওয়ায় বুধবার তিনি জেলার পুলিশ সুপার ও জেলাশাসকের দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে অভিযুক্তের শাস্তির দাবি করেছেন। ধারান গ্রামের তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য শেখ জাকির হোসেনের এমন কীর্তির কথা জানাজানি হতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে জেলার রাজনৈতিক মহলে।রায়নার ধারাণ গ্রামের কামারপাড়ায় বাড়ি ওই মহিলার। লিখিত অভিযোগে এদিন তিনি পুলিশ সুপার ও জেলাশাসককে জানিয়েছেন, তাঁদের গ্রামের তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যের নাম শেখ জাকির হোসেন। গত ২৫ আগষ্ট দুপুর আড়াইটে নাগাদ পঞ্চায়েত সদস্য মহিলার ফোন নম্বারে ফোন করেন। মহিলার অভিযোগে জানান, তাঁকে ফোন করে পঞ্চায়েত সদস্য খারাপ খারাপ কথা বলে ও কুপ্রস্তাব দেয়। সেই প্রস্তাবে তিনি রাজি হন না। এরপর জাকির হোসেন তাঁকে বলে তিনি রায়নার বিধায়ক শম্পা ধারার কাছের লোক। তার প্রস্তাবে রাজি হলে তিনি তাঁর ছেলের চাকরির ব্যবস্থা করে দেবেন বলেও বলেন। মহিলার অভিযোগ, পঞ্চায়েত সদস্যর কোন প্রস্তাবেই তিনি রাজি হন না। সেই কারণে পঞ্চায়েত সদস্য তাঁকে ও তাঁর স্বামী এবং ছেলেকে প্রাণে মেরেদেবে বলে হুমকি দেয়।পঞ্চায়েত সদস্যের এমন হুমকির বিষয়ে ওই দিনই মহিলা রায়না থানায় শেখ জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। মহিলা বলেন, রায়না থানার পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা তো দূরের কথা শুধুমাত্র একটা জিডি করেই দায় সারে। এমতাবস্থায় গত ৩০ আগষ্ট রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টা নাগাদ একজনকে সঙ্গে নিয়ে জাকির হোসেন তাঁর বাড়িতে চড়াও হয়। তারা তাঁকে ও তাঁর স্বামীকে মারধর করে। এমনি জাকির হোসেন ওইদিন হুমকি দিয়ে যায় রায়না থানা থেকে অভিযোগ প্রত্যাহার না করলে তাঁকে এবং তাঁর স্বামী ও ছেলেকে তিনি প্রাণে মেরে দেবেন। এমন ঘটনা সবিস্তার পুলিশ সুপারকে জানিয়ে মহিলা তাঁদের গ্রামের তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য শেখ জাকির হোসেনের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।পঞ্চায়েত সদস্য শেখ জাকির হোসেন যদিও তাঁর বিরুদ্ধে মহিলার আনা সমস্ত অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করেছেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, এমন কোন ঘটনার সঙ্গেই তিনি যুক্ত নন। ওই মহিলা ও তাঁর পরিবার বিজেপির সক্রিয়া কর্মী। ২০১১ সালে ধারান গ্রামের এক মহিলা তৃণমূল কর্মীকে খুনের ঘটনায় ওই মহিলা ও তাঁর স্বামী জড়িত। জাকির হোসেন দাবি করেন, তাঁর এবং তৃণমূল কংগ্রেসের বদনাম করতে ওই মহিলা উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে এইসব মিথ্যা অভিযোগ আনছেন। এই বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য মুখপত্র দেবু টুডু বলেন, কেউ অন্যায় করে থাকলে পুলিশ আইন মাফিক ব্যবস্থা নেবে। অন্যায়কারী যত বড়ই নেতা হন না কেন দল তাঁর পাশে থাকবে না। যদিও ধারান এলাকার বিজেপি মণ্ডল সভাপতি সুভাষ পাত্র পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছেন, ওই মহিলা ও তাঁর পরিবারের কেউ বিজেপি পার্টি করেন না। তাঁরা তৃণমূলেরই কর্মী। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে ওরা নিজেরাই এখন একে অপরকে এখন খুনের হুমকি দিচ্ছে। এরপর ওরা হয়তো খুনোখুনি করবে ।এসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিণ) আমিনুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, মহিলা যে অভিযোগ জানিয়েছেন তার তদন্ত হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে । রায়না থানার পুলিশের এক কর্তা এই বিষয়ে বলেন, ধারান গ্রামের ওই মহিলা কিছুদিন আগে যে অভিযোগ জানিয়ে ছিলেন তার ভিত্তিতে জিডি করা হয়েছে। তার তদন্ত চলছে। পরবর্তী সময়ে মহিলা আর কোনও অভিযোগ থানায় জানাননি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Woman power : নারীকেন্দ্রিক ছবি নিয়ে শুভেন্দু দাস

পরিচালক শুভেন্দু দাস তার নতুন ছবি নিয়ে আসছেন ওমেন পাওয়ার। যে ছবিতে অভিনয় করছেন অলিভিয়া সরকার, সাহেব ভট্টাচার্য, উপাসনা মৈত্র সহ আরও অনেকে। এই ছবির অফিশিয়াল ঘোষণা করলেন পরিচালক শুভেন্দু দাস। ওমেন পাওয়ার এর প্রযোজনার দায়িত্বে রয়েছেন ডাক্তার রাজীব পাল।আরও পড়ুনঃ বর্ধমান আদালতের লক্লার্ককে অপহরণ করে মুক্তিপন দাবি, গ্রেপ্তার অপহরণকারীএই ছবি প্রসঙ্গে শুভেন্দু দাস জানিয়েছেন,নভেম্বরে এই ছবির শুটিং হবে। বেশিভাগ শুটিং হবে ইন্দোরে। কিছুটা কলকাতায় এবং কিছুটা কাশ্মীরেও শুট হবে। ৮ মার্চ ওমেন্স ডে। এই বিশেষ দিনে হলে মুক্তি পাবে ছবিটি। উপাসনা জানালেন,এখানে আমি সাহেবের গার্লফ্রেন্ডের ক্যারেক্টার প্লে করছি। আমার প্রথম সিনেমা কমার্শিয়াল ছবি ছিল। এটা আমার দ্বিতীয় ছবি। একটু অন্যধরণের ছবিতে কাজ করতে পেরে ভালো লাগছে।আরও পড়ুনঃ খেলা শেষএই ছবি নিয়ে প্রযোজক জানালেন,সমাজের বিভিন্ন ধরণের প্রকল্প নিয়ে আমি কাজ করি। সিনেমা হল সমাজের আইকন। একটা জিনিস যেটা আমরা মেসেজ দিতে চাই সেটা যদি সিনেমার মধ্যে দিয়ে দেখি সেটা পাবলিকের কাছে খুব তাড়াতাড়ি পৌঁছায়। শেষ ছবি আত্মনির্ভর ভারতে সেই বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। এই ছবিতেও বার্তাটা এক।

আগস্ট ২২, ২০২১
রাজ্য

Rape : ঝাড়ফুঁকের নামে অসুস্থ তরুণীকে সারারাত ধর্ষণ, গ্রেফতার ভণ্ড ওঝা

ঝাড়ফুঁকের নাম করে রাতে অসুস্থ তরুণীকে নদীর চরে নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হল ওঝা। শনিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোট থানার ঝিরেলা গ্রামে অজয় নদীর অনতি দূরে থকা শ্মশানের কাছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম মারু শেখ ওরফে সফিকুল শেখ ওরফে খ্যাপাবাবা। তার বাড়ি জেলার কেতুগ্রাম থানার মোড়গ্রামে। নির্যাতিতার অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলকোট থানার পুলিশ রবিবার রাতে অভিযুক্ত ওঝাকে গ্রেপ্তার করে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ সোমবার ধৃতকে পেশ করে কাটোয়া মহকুমা আদালতে। পাশাপাশি পুলিশ এদিনই নির্যাতিতার গোপন জবানবন্দি আদালতে নথিভুক্ত করায়। বিচারক ধৃতকে ১৪ দিন জেল হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ ত্রিপুরায় অভিষেকের ওপর হামলা, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ মমতারপুলিশ জানিয়েছে, নির্যাতিতা তরুনীর বাড়ি কেতুগ্রামের মোড়গ্রামে। একই গ্রামে বাড়ি মারু শেখ ওরফে সফিকুল শেখের। বুজরুকি কারবার চালানোর জন্য মারু শেখ নিজেই তাঁর নাম খ্যাপাবাবা রাখে। এলাকার দরিদ্র পরিবারের কেউ দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকলে তাঁকে সুস্থ করে দেওয়ার কথা বলে মূল্য নিয়ে মারু ঝাড়ফুঁক করে দিত। নির্যাতিতা তরুনীর বাবা পুলিশেকে জানান, তাঁর ১৯ বছরের মেয়ে মাস খানেক ধরে অসুস্থ হয়ে রয়েছে। ডাক্তারি চিকিৎসা করানো হলেও রোগ সারেনি। ইদানিং তাঁর মেয়ের মানসিক সমস্যাও দেখা দিতে থাকে। খ্যাপাবাবা ঝাড়ফুঁক করে দিলে মেয়ে যদি সুস্থ হয় এইকথা ভেবে তিনি খ্যাপাবাবার শরণাপন্ন হন। নির্যাতিতার বাবা বলেন, শনিবার অমাবস্যার দিন অসুস্থ মেয়েকে নিয়ে মঙ্গলকোটের ঝিরেলা গ্রামের শ্মশানে নিয়ে যাবার কথা মারু তাঁকে বলে ।একই সঙ্গে মারু তাঁকে আরও জানায়,ঝিরেলা গ্রামে অজয় নদীর অনতিদূরে শ্মশানের কাছাকাছি পীরতলাতেই তার গুরু থাকেন। গুরু থাকলে ঝাড়ফুঁক করতে সুবিধা হবে। সেই মতো শনিবার সন্ধ্যায় অসুস্থ মেয়েকে নিয়ে তিনি মারু শেখের সঙ্গেই ঝিরেলা গ্রামে যান।আরও পড়ুনঃ স্বামীর সঙ্গে মালদ্বীপে সানা, সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করলেন সেই ছবিনির্যাতিতার অভিযোগ, তাঁরা ঝিরেলা গ্রামে পৌছানোর পর সেখানকার ধুমক্ষেত্রতলায় তাঁর বাবাকে বসিয়ে রাখে মারু। এর পর ঝাড়ফুঁক করার জন্য মারু তাঁকে অজয়নদের ধারে নিয়ে চলে যায় ।সেখানে যাওয়ার পর ভয় দেখিয়ে মারু ওরফে খ্যাপাবাবা তাঁকে সারা রাত ধরে ধর্ষণ করে। পরদিন বাড়ি ফিরে খ্যাপাবাবার কুকীর্তির কথা তরুণী তাঁর বাবা মাকে বলে। ঘটনা সবিস্তার জানিয়ে ওই দিনই নির্যাতিতা মঙ্গলকোট থানায় অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে পুলিশ ওই রাতে অভিযুক্ত ওঝাকে গ্রেপ্তার করে। ভণ্ড ওঝার দৃষ্টান্ত মূলক সাজার দাবি করেছে নির্যাতিতা ও তাঁর পরিবার।

আগস্ট ০৯, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

ঈশান কোনে মেঘ দেখছেন সঞ্জু! তিরুঅনন্তপুরমে কিউয়িদের উড়িয়ে ৪-১ সিরিজ় জয় ভারতের

বিশ্বকাপের আগে বোলার ও ফিল্ডিংয়ের বাস্তব পরীক্ষা নিতে টস জিতে আগে বোলিং বেছে নিয়েছিলেন ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। শিশির বাড়লে অর্শদীপ সিংহ, বরুণ চক্রবর্তীরা রান সামলাতে পারেন কি না, সেটাই ছিল লক্ষ্য। কিন্তু পরিকল্পনার মাঝেই দৃশ্যপট বদলে দিলেন ঈশান কিশন। ব্যাট হাতে ঝড় তুলে তিরুঅনন্তপুরমে নিউ জ়িল্যান্ডকে ৪৬ রানে হারিয়ে ৪-১ ব্যবধানে টি-টোয়েন্টি সিরিজ় জিতে নিল ভারত।ভারত তোলে ৫ উইকেটে ২৭১ রানটি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ স্কোর। জবাবে কিউয়িদের ইনিংস থামে ১৯.৪ ওভারে ২২৫ রানে। ম্যাচে দুদল মিলিয়ে ওঠে ৪৯৬ রান ও ৩৬টি ছক্কাটি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে যা নতুন নজিরের শামিল।দুবছরের বেশি সময় পর জাতীয় দলে ফেরা ঈশান কিশন যেন প্রমাণ করতেই নেমেছিলেন। তিন নম্বরে নেমে ৪৩ বলে নিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক শতরান পূর্ণ করেন তিনি। ৬টি চার ও ১০টি ছক্কায় সাজানো ইনিংসে কিউয়ি বোলারদের কার্যত ছেলেখেলা বানান ঈশান। তাঁকে দুর্দান্ত সঙ্গ দেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। ৩০ বলে ৬৩ রানের ইনিংসে ৪টি চার ও ৬টি ছক্কা মারেন সূর্য। তৃতীয় উইকেটে দুজনে ৫৭ বলে ১৩৭ রানের বিধ্বংসী জুটি গড়েন।এর পর পাঁচ নম্বরে নেমে হার্দিক পাণ্ড্য করেন ১৭ বলে ৪২। শেষ দিকে রিঙ্কু সিংহ ও শিবম দুবে নামেন শুধু আনুষ্ঠানিকতা সারতে। কিউয়ি বোলারদের মধ্যে কিছুটা নিয়ন্ত্রিত ছিলেন লকি ফার্গুসন (৪১ রানে ২ উইকেট), বাকিরা ভারতীয় ব্যাটিং তাণ্ডবের সামনে অসহায় দেখিয়েছেন।লক্ষ্য তাড়ায় নিউ জ়িল্যান্ডের শুরুটা নড়বড়ে হলেও ফিন অ্যালেন (৩৮ বলে ৮০) এবং রাচিন রবীন্দ্র (১৭ বলে ৩০) লড়াই জিইয়ে রাখেন। অ্যালেন আউট হওয়ার পরই ভেঙে পড়ে কিউয়িদের ইনিংস। মাঝের ওভারগুলোতে উইকেট তুলে ম্যাচ ভারতের দিকে ঘুরিয়ে দেন অর্শদীপ ও অক্ষর পটেল।চাপের মুখে ড্যারেল মিচেল চেষ্টা করলেও একা কিছু করার ছিল না। শেষ পর্যন্ত ভারতের বোলারদের মধ্যে উজ্জ্বলতম পারফরম্যান্স অর্শদীপের৫১ রানে ৫ উইকেট। টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে এটাই তাঁর প্রথম পাঁচ উইকেট। অক্ষর নেন ৩৩ রানে ৩ উইকেট। হার্দিক কার্যকর হলেও বুমরাহ ও বরুণ প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হন, যা বিশ্বকাপের আগে ভাবনার জায়গা রেখে গেল।সব মিলিয়ে, ঈশানের শতরান আর অর্শদীপের পাঁচ উইকেটদুটোই একসঙ্গে এনে দিল ভারতের বড় জয় এবং আত্মবিশ্বাসী সিরিজ় সমাপ্তি।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

২৭ জনের মৃত্যু! এখনও নিখোঁজ বহু! এক সপ্তাহ পরে সিট গঠন, প্রশ্ন পুলিশের ভূমিকা নিয়ে

আনন্দপুরের নাজিরাবাদের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখনও বহু মানুষ নিখোঁজ। শুক্রবার রাতের দিকে ঘটনাস্থল থেকে আরও দুজনের দেহাংশ উদ্ধার করেছে দমকল ও পুলিশের যৌথ দল। এই নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৭-এ। এই পরিস্থিতির মধ্যেই অবশেষে ওই কারখানার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট গঠন করল বারুইপুর জেলা পুলিশ। অগ্নিকাণ্ডের এক সপ্তাহ পরে সিট গঠন হওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে, এতদিন পরে কেন তদন্তে এই তৎপরতা।গত রবিবার গভীর রাতে আনন্দপুরের নাজিরাবাদ এলাকার ওই কারখানায় আগুন লাগে। রাত প্রায় ৩টে নাগাদ কারখানার গুদাম অংশে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এরপর টানা প্রায় ৩২ ঘণ্টা ধরে আগুন নেভানোর চেষ্টা চলে। ১২টি ইঞ্জিন নিয়ে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় নামেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হয় দমকলকে। আগুনের তীব্রতায় কারখানার ভিতরেই আটকে পড়েন বহু শ্রমিক। দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকা আগুনে তাঁদের আর্তনাদ শোনার কোনও সুযোগই পাননি কেউ।ভয়াবহ এই ঘটনার এক সপ্তাহ পরে অবশেষে সিট গঠনের সিদ্ধান্ত নেয় বারুইপুর জেলা পুলিশ। আগুনে পুড়ে প্রায় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাওয়া ওই কারখানাতেই এবার তদন্ত চালাবে বিশেষ দল। পাঁচ সদস্যের এই সিটের নেতৃত্বে রয়েছেন বারুইপুর জেলা পুলিশের সুপার শুভেন্দু কুমার। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন এক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ডিএসপি (ক্রাইম), ডিইবি-র এক ইন্সপেক্টর এবং আরও এক জন ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার আধিকারিক।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ফরেন্সিক রিপোর্ট খতিয়ে দেখা, ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে মৃতদের পরিচয় নিশ্চিত করা, কারখানায় কী ধরনের নিরাপত্তার ঘাটতি ছিল এবং কীভাবে আগুন এত দ্রুত ছড়ালসব দিকই খতিয়ে দেখবে সিট। উল্লেখ্য, এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই নামজাদা একটি মোমো প্রস্তুতকারী সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। জলাভূমি বুজিয়ে কারখানা তৈরির অভিযোগও সামনে এসেছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে ওই সংস্থার ম্যানেজার ও ডেপুটি ম্যানেজারকে গ্রেফতার করেছে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ। তদন্ত আরও গভীর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

দিল্লি যাওয়ার আগে বিস্ফোরক চিঠি মমতার! ভোটার তালিকা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

সোমবার বিকেলে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দফতরে যাচ্ছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে থাকবেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগেই রবিবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে একটি চিঠি পাঠালেন মুখ্যমন্ত্রী। চিঠির মূল বিষয়, পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন প্রক্রিয়া।চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, বাংলায় ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জনের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন যে পদ্ধতি অনুসরণ করছে, তা জনপ্রতিনিধিত্ব আইন এবং নির্বাচনী বিধির পরিপন্থী। তাঁর দাবি, এই প্রক্রিয়ার জেরে সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন। মমতার চিঠি অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত সমস্যায় ১৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে। কয়েক মাস আগে তৃণমূলের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনে যে তালিকা জমা দেওয়া হয়েছিল, সেখানে মৃতের সংখ্যা ছিল প্রায় ৪০। নতুন চিঠিতে সেই সংখ্যা অনেকটাই বেড়েছে।মমতা আরও লিখেছেন, ভারতের নির্বাচনী ইতিহাসে এই প্রথম পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৮,১০০ জন মাইক্রো-অবজার্ভার মোতায়েন করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, এই নিয়োগের কোনও আইনি ভিত্তি নেই। শুরু থেকেই বাংলায় নির্বাচনী রোল সংশোধনের ক্ষেত্রে ERO এবং AERO-দের ভূমিকার পক্ষে সওয়াল করে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী। চিঠিতেও সেই প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেছেন, ভোটার তালিকা সংশোধনের একমাত্র আইনগত ক্ষমতা ERO এবং AERO-দের। অথচ সেই ক্ষমতা খর্ব করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।চিঠিতে আরও প্রশ্ন তোলা হয়েছে, দেশের অন্য রাজ্যগুলিতে যেখানে SIR প্রক্রিয়া চলছে, সেখানে কেন এই ধরনের মাইক্রো-অবজার্ভার মোতায়েন করা হয়নি। শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রেই কেন আলাদা নিয়ম প্রয়োগ করা হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি ত্রিপুরা ক্যাডারের চার জন আইএএস অফিসার-সহ একাধিক পর্যবেক্ষক নিয়োগ নিয়েও আপত্তি জানানো হয়েছে।মমতার অভিযোগ, কিছু পর্যবেক্ষক বেআইনিভাবে CEO অফিস থেকে নির্বাচন কমিশনের পোর্টালের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তথ্য বদলের চেষ্টা করছেন। এর ফলে বহু যোগ্য ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়ছে এবং তাঁদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। তাঁর মতে, SIR প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। চিঠিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের কাছে এই বিষয়গুলির তাৎক্ষণিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।একই আইন সারা দেশে প্রযোজ্য হলেও পশ্চিমবঙ্গে আলাদা নিয়মে ভোটার তালিকা সংশোধন করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। মমতার দাবি, এই প্রক্রিয়া গণতন্ত্র এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী। নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপ করে মানুষের আস্থা ও মানবাধিকার রক্ষার আবেদন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

‘বাঁচাও’ চিৎকার, তারপর ভয়াবহ পতন! তিনতলা থেকে ফেলে খুন বৃদ্ধা ভাড়াটিয়াকে

ভাড়াটিয়াকে তিনতলার ছাদ থেকে ফেলে খুনের অভিযোগ উঠল বাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি দক্ষিণ ২৪ পরগনার রবীন্দ্রনগর থানার অন্তর্গত সন্তোষপুর শান্তিনগরের বিবেক দল এলাকায়। মৃত বৃদ্ধার নাম শেফালী মান্না। বয়স ৭৬ বছর।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শেফালী মান্না অভিযুক্ত বাসুদেব ঘোষের বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকতেন। সোমবার দুপুর আনুমানিক ১টা ১৫ মিনিট নাগাদ আচমকাই এলাকায় বাঁচাও বাঁচাও চিৎকার শোনা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই দেখা যায়, দুতলার ছাদ থেকে ওই বৃদ্ধা নীচে পড়ে গিয়েছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, বাড়ির মালিক বাসুদেব ঘোষ ইচ্ছাকৃতভাবেই তাঁকে ছাদ থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন।রাস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারাই প্রথমে রবীন্দ্রনগর থানায় খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুরুতর আহত অবস্থায় বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তের বাড়িতে সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। সেই ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে এবং তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃতার পরিবারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়। প্রাথমিক তদন্তের পর বাসুদেব ঘোষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করা হয়েছে। মঙ্গলবার তাঁকে আলিপুর আদালতে তোলা হয়।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আগেও একাধিক অভিযোগ ছিল। অতীতে তাঁকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল বলে জানা যাচ্ছে। আবার এমন গুরুতর অভিযোগ ওঠায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এলাকাবাসীর বক্তব্য, দোষী ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
রাজ্য

তদন্ত এনআইএ-র হাতে, মুর্শিদাবাদে পুলিশ সুপার বদল! নবান্নের বড় সিদ্ধান্ত

বেলডাঙার অশান্তির ঘটনার পর রাজ্য পুলিশের শীর্ষস্তরে বড়সড় রদবদল। শুক্রবার ওই ঘটনার তদন্তভার পায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। তার পরের দিনই বদল করা হয় মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপারকে। এর পর শনিবার নবান্ন থেকে একযোগে ২২ জন আইপিএস পদমর্যাদার আধিকারিকের বদলির নির্দেশ জারি করা হয়। শহর ও জেলার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে এই রদবদল ঘিরে প্রশাসনিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজকে সরিয়ে তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ধৃতিমান সরকারকে। কুমার সানি রাজকে পাঠানো হয়েছে রাজ্য পুলিশের বিশেষ শাখা এসএসআইবি-তে। ধৃতিমান সরকার এর আগে ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরের মতো জেলায় পুলিশ সুপার হিসেবে কাজ করেছেন।শুধু মুর্শিদাবাদ নয়, বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটেও গুরুত্বপূর্ণ বদল হয়েছে। যুবভারতী কাণ্ডের পরে সাসপেন্ড হওয়া তৎকালীন ডিসি অনীশ সরকারের জায়গায় ডিসি পদে দায়িত্ব পেয়েছেন পুষ্পা। বনগাঁর পুলিশ সুপার দীনেশ কুমারকে করা হয়েছে ডিসি (উত্তর)। ডিসি (দক্ষিণ শহরতলি) বিদিশা কলিতাকে পাঠানো হয়েছে বনগাঁর পুলিশ সুপার হিসেবে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব পেয়েছেন চারু শর্মা। ডিসি (পূর্ব) পদে আনা হয়েছে জসপ্রীত সিংকে। ডিসি (পূর্ব শহরতলি) হয়েছেন অমিত বর্মা এবং ডিসি (দক্ষিণ) হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দীপক সরকারকে।এছাড়াও বারাসতের পুলিশ সুপার প্রতীক্ষা ঝারখরিয়াকে দার্জিলিং জেলার পুলিশ সুপার করা হয়েছে। অমিত পি জাভালগিকে পাঠানো হয়েছে আইজি, বারাসত রেঞ্জে। অলোক রাজোরিয়া পেয়েছেন ডিআইজি, বর্ধমান রেঞ্জের দায়িত্ব। মুর্শিদাবাদের প্রাক্তন পুলিশ সুপার আরিশ বিলালকে পাঠানো হয়েছে এসএসআইবি-তে। প্রদীপ কুমার যাদবকে বদলি করে এসএসআইবি, উত্তরবঙ্গ সদর দফতরে পাঠানো হয়েছে।বেলডাঙা অশান্তির পর একের পর এক প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে স্পষ্ট, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না রাজ্য সরকার।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

স্কটিশ চার্চ কলেজে রহস্যমৃত্যু! হস্টেল থেকে উদ্ধার ছাত্রীর নিথর দেহ

স্কটিশ চার্চ কলেজের এক ছাত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কলেজ চত্বরে। মৃত ছাত্রীর নাম ঋষিতা বণিক। তিনি স্কটিশ চার্চ কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন এবং কলেজের হস্টেলেই থাকতেন। অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে হস্টেল থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঋষিতার বাড়ি ত্রিপুরায়। গত ২৪ জানুয়ারি হঠাৎই হস্টেলে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পেটে তীব্র যন্ত্রণা শুরু হলে প্রথমে তাঁকে হস্টেলের সিক রুমে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় দ্রুত আরজি কর হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে সেখানে পৌঁছনোর আগেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে চিকিৎসকেরা জানান।পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, বিষক্রিয়ার কারণেই ছাত্রীর মৃত্যু হতে পারে। তবে ঠিক কী কারণে এই মৃত্যু, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে না পাওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে। হস্টেলের অন্যান্য পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলছে পুলিশ। পাশাপাশি, মৃত ছাত্রীর পরিবারের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে।সূত্রের খবর, ঋষিতা বেশ কিছুদিন ধরেই মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। তিনি কোনও ওষুধ সেবন করেছিলেন বলেও প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে। সেই ওষুধ থেকেই বিষক্রিয়া হয়ে থাকতে পারে বলে অনুমান। তবে যদি খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণে মৃত্যু হয়ে থাকে, তা হলে অন্য কেউ কেন অসুস্থ হননি, সেই প্রশ্নও উঠছে। সব দিক খতিয়ে দেখেই তদন্ত এগোচ্ছে পুলিশ।উল্লেখ্য, প্রায় এক বছর আগে স্কটিশ চার্চ কলেজে একটি গুরুতর অভিযোগ ঘিরে শোরগোল পড়ে যায়। এক অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের অশ্লীল বার্তা পাঠানোর অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ ছিল, ওই অধ্যাপক মূলত দরিদ্র পরিবারের ছাত্রীদের টার্গেট করতেন এবং কাজ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁদের অনুপযুক্ত বার্তা পাঠাতেন। সেই ঘটনায় পড়ুয়াদের বিক্ষোভের জেরে অভিযুক্ত অধ্যাপককে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। বর্তমান ঘটনার সঙ্গে ওই ঘটনার কোনও যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থা।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

আনন্দপুর ট্র্যাজেডিতে বড় ঘোষণা, মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা দেবেন প্রধানমন্ত্রী

আনন্দপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে প্রত্যেক মৃতের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে অগ্নিকাণ্ডে যাঁরা আহত হয়েছেন, তাঁদের জন্য ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্যের কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার নিজের এক্স হ্যান্ডলে এই ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। মৃতদের পরিবারগুলির প্রতি গভীর সমবেদনা জানান তিনি।রবিবার গভীর রাতে আনন্দপুরের একটি গুদামে ভয়াবহ আগুন লাগে। ঘটনার চার দিন পর পর্যন্ত মোট ২৫ জনের দেহাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সব মিলিয়ে ঠিক কতজনের মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। আগুন লাগার দুদিন পর ডেকরেটিং গুদামের মালিক গঙ্গাধর দাসকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে ওই গুদামের সঙ্গে যুক্ত মোমো কোম্পানির বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি কেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। শেষ পর্যন্ত নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ ওই মোমো কোম্পানির দুই আধিকারিককে গ্রেফতার করেছে।এই ঘটনার প্রেক্ষিতে শুক্রবার আনন্দপুরে মিছিল করেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি মৃতদের পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ, সরকারি চাকরির দাবি তোলেন। পাশাপাশি মোমো কোম্পানির মালিককে গ্রেফতার না করার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।এদিকে, আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ড নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করেন। এক্স হ্যান্ডলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, পশ্চিমবঙ্গের আনন্দপুরে সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ড অত্যন্ত দুঃখজনক। যাঁরা তাঁদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। এরপর তিনি জানান, মৃতদের পরিবারকে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে ২ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে এবং আহতদের দেওয়া হবে ৫০ হাজার টাকা করে।এর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও মৃতদের পরিবারগুলির জন্য সাহায্যের ঘোষণা করেছিলেন। তিনি জানান, প্রত্যেক মৃতের পরিবারের একজনকে সিভিক ভলান্টিয়ারের চাকরি দেওয়া হবে।প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সামাজিক মাধ্যমে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে লেখেন, আনন্দপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীকে তিনি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছেন। এই আর্থিক সাহায্য শোকস্তব্ধ পরিবারগুলিকে কঠিন সময়ে মানসিক শক্তি জোগাবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তাঁর বক্তব্য, এই উদ্যোগ আবারও প্রমাণ করল যে সংকটের সময়ে প্রধানমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের মানুষের পাশে রয়েছেন।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

ভোটার তালিকা শুনানিতে হইচই, কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে সরাসরি সংঘাত কাউন্সিলরের

এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরে শুনানি কেন্দ্রে হুলস্থুল কাণ্ড। অভিযোগের কেন্দ্রে কলকাতা পুরসভার ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর তথা মেয়র পরিষদের সদস্য অসীম বসু। শরৎ বোস রোডের একটি বেসরকারি স্কুলে ভোটার তালিকা সংক্রান্ত শুনানি চলাকালীন তিনি সেখানে পৌঁছন। তারপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ।গত কয়েক দিন ধরেই অভিযোগ উঠছিল, শুনানিতে আসা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা নথি নিচ্ছেন, কিন্তু তার বদলে কোনও রসিদ দেওয়া হচ্ছে না। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই কাউন্সিলর অসীম বসু শুনানি কেন্দ্রে যান বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, সেখানে পৌঁছেই তিনি নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়েন। এমনকী, রসিদ না দিলে কোনও নথি জমা না দিতে শুনানিতে আসা মানুষজনকে নির্দেশ দেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের দাবি, কাউন্সিলর এবং তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েক জন এভাবে শুনানি কেন্দ্রে ঢুকে পড়তে পারেন না। বিষয়টি শান্তভাবে আলোচনা করা যেত। তাঁদের আরও বক্তব্য, এই ঘটনার ফলে শুনানির কাজ ব্যাহত হচ্ছে এবং দেরি হচ্ছে।ঘটনা প্রসঙ্গে তৃণমূল কাউন্সিলর অসীম বসু বলেন, মানুষ কীভাবে প্রমাণ করবেন তাঁরা কোন কোন নথি জমা দিয়েছেন, যদি কোনও রসিদ না দেওয়া হয়। তাঁর দাবি, সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে নথি নেওয়ার পর রসিদ দিতে হবে। তা সত্ত্বেও কেন এই অনিয়ম চলছে, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। রসিদ না দিলে প্রয়োজনে শুনানি বন্ধ করে দেওয়ার কথাও বলেন কাউন্সিলর।এই ঘটনাকে ঘিরে ভবানীপুর এলাকায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal