• ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার ২৯ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Woman

কলকাতা

নেপাল থেকে চাকরির টোপ, শেষে সোনাগাছিতে বিক্রি! কলকাতায় ভয়ঙ্কর নারী পাচার চক্র ফাঁস

কলকাতায় ফের সামনে এল নারী পাচারের ভয়ঙ্কর চক্র। কাজের প্রলোভন দেখিয়ে নেপাল থেকে কলকাতায় এনে তিন তরুণীকে সোনাগাছিতে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল। এই ঘটনায় এক মহিলাকে গ্রেপ্তার করেছে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত মহিলার নাম শোভা তামাং। তিনি সোনাগাছির একটি বাড়ির দেখভাল করতেন। ওই বাড়িতে বহু নেপালি যৌনকর্মী থাকতেন বলেই জানা গিয়েছে। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই নেপাল থেকে তরুণীদের কলকাতায় আনার ফাঁদ পাতা হয়েছিল বলে পুলিশের সন্দেহ।অভিযোগ, কাজের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নেপালের তিন তরুণীকে কলকাতায় আনা হয়। কিন্তু শহরে পৌঁছনোর পর তাঁদের সোনাগাছিতে বিক্রি করে দেওয়া হয়। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রবিবার বিকেলে অভিযান চালায় লালবাজারের গোয়েন্দারা। প্রথমে সন্দেহভাজন বাড়িটি চিহ্নিত করা হয়। পরে সেখানে হানা দিয়ে উদ্ধার করা হয় তিন তরুণীকে। গ্রেপ্তার করা হয় শোভা তামাংকে।পুলিশ এখন খতিয়ে দেখছে, নেপালের কোন এলাকা থেকে ওই তরুণীদের আনা হয়েছিল এবং কার মাধ্যমে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। কীভাবে এই পাচার চক্র কাজ করছিল, তা জানার চেষ্টা চলছে। ইতিমধ্যেই নেপালের দূতাবাসের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছে লালবাজার।তদন্তকারীদের অনুমান, নারী পাচার চক্রের সদস্যরা নেপালের বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে কাজের লোভ দেখিয়ে মেয়েদের এই রাজ্যে নিয়ে আসছে। তারপর তাঁদের জোর করে যৌনপল্লিতে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে।উল্লেখ্য, প্রায় আট মাস আগে বড়তলা থানা এলাকাতেও বড়সড় নারী পাচার চক্রের পর্দাফাঁস হয়েছিল। তখন একটি বাড়ি থেকে ৯ নাবালিকা-সহ মোট ১১ জনকে উদ্ধার করেছিল পুলিশ। ফের একই ধরনের ঘটনার সামনে আসায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে শহরে।এই চক্রের সঙ্গে এ রাজ্যের আর কারা জড়িত, ভিনরাজ্যের কোনও বড় পাচারচক্রের যোগ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ধৃত মহিলাকে জেরা করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার চেষ্টা চলছে।

মে ২৫, ২০২৬
রাজ্য

মহিলা সংরক্ষণে বড় বদল! জনগণনা বাদ দিয়ে নতুন চাল কেন্দ্রের, বাড়তে পারে লোকসভা আসন

সংসদে শীঘ্রই মহিলা সংরক্ষণ বিলের সংশোধনী আনতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোটের আগে এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। আগে বলা হয়েছিল, জনগণনার ভিত্তিতে আসন পুনর্বিন্যাস করে মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করা হবে। কিন্তু এখন সেই অবস্থান থেকে সরে এসে কেন্দ্র নতুন পথ বেছে নিতে চাইছে।সূত্রের খবর, চলতি সপ্তাহেই সংসদে দুটি সংবিধান সংশোধনী বিল আনা হতে পারে। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০১১ সালের জনগণনার ভিত্তিতেই আসন পুনর্বিন্যাস করা হবে। আগে যেখানে নতুন জনগণনার পর এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল, সেখানে এখন সেই ধাপ বাদ দেওয়া হচ্ছে বলেই জানা যাচ্ছে। ফলে দ্রুত মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করার পথে এগোতে চাইছে কেন্দ্র।এই সংশোধনী কার্যকর হলে লোকসভায় আসনের সংখ্যাও অনেকটাই বাড়তে পারে। বর্তমানে যেখানে লোকসভার আসন সংখ্যা ৫৪৩, সেখানে তা বেড়ে প্রায় ৮১৬ হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গেও আসন সংখ্যা ৪২ থেকে বেড়ে ৬৩ হতে পারে। ফলে রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।তবে এই বিল পাশ করাতে সংসদে দুই তৃতীয়াংশ সমর্থন প্রয়োজন। তাই বিরোধীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বিভিন্ন আঞ্চলিক দলের সঙ্গে বৈঠক শুরু করেছে। যদিও সব দল এই প্রস্তাবে সমর্থন দেবে কি না, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে মহিলা সংরক্ষণ বিলের সংশোধনী নিয়ে দেশের রাজনীতিতে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে দ্রুত সংরক্ষণ কার্যকর হবে, নাকি আরও বিতর্ক বাড়বেতা এখন দেখার।

মার্চ ২৪, ২০২৬
রাজ্য

১৯৬৭ সালের অ্যাডমিট কার্ড হাতে শুনানিতে হাজির ৭৫ বছরের বৃদ্ধা, চমকে গেল এসআইআর কেন্দ্র

শুরু হয়ে গিয়েছে এসআইআর-এর দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ। প্রতিটি বিধানসভা ক্ষেত্র পিছু একাধিক জায়গায় চলছে শুনানি। স্কুল ও সরকারি অফিসে তৈরি করা হয়েছে শুনানি কেন্দ্র। প্রথম পর্যায়ে মূলত আনম্যাপড ভোটারদেরই শুনানিতে ডাকা হয়েছে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর।এই শুনানির মাঝেই নজর কাড়লেন শ্রীরাম মন্দির লেনের বাসিন্দা ৭৫ বছর বয়সী ভারতী দে। ফর্মে নামের ক্ষেত্রে সামান্য ভুল থাকায় তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়। শুনানিতে এসে নিজের সঙ্গে নিয়ে আসেন ১৯৬৭ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড এবং রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট। এত পুরনো নথি, তাও আবার এত ভালো অবস্থায় দেখে হতবাক হয়ে যান উপস্থিত অনেকে।নির্বাচন কমিশনের এসআইআর যাচাই প্রক্রিয়ায় দশটিরও বেশি নথি দেখানোর সুযোগ রয়েছে। মাধ্যমিক সংক্রান্ত নথির পাশাপাশি আরও একাধিক পরিচয়পত্র গ্রহণ করা হয়। সেই প্রেক্ষিতেই এত বছরের পুরনো অ্যাডমিট কার্ড এবং শংসাপত্র অক্ষত অবস্থায় দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেন অনেকে। তবে ভারতী দেবীর কথায়, পড়াশোনার সব কাগজপত্র তিনি সযত্নে রেখে দিতে ভালোবাসেন। কিন্তু সেগুলি যে একদিন এত কাজে লাগবে, তা তিনি ভাবেননি।কেন তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে, সে প্রসঙ্গে ভারতী দেবী বলেন, নামের ক্ষেত্রে হয়তো কোনও ভুল ছিল। তাই শুনানির নোটিস এসেছিল। তবে সেখানে পৌঁছনোর পর তাঁকে জানানো হয়, বাড়িতেই নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা যাচাই করতে আসবেন। তিনি আরও জানান, বিগত প্রতিটি নির্বাচনেই তিনি ভোট দিয়েছেন এবং ২০০২ সালের ভোটার তালিকাতেও তাঁর নাম ছিল।বয়সের ভারে শরীর এখন দুর্বল। শারীরিক অসুস্থতা থাকলেও এদিন পায়ে হেঁটেই শুনানি কেন্দ্রে সময়মতো পৌঁছন তিনি। গণভবন থেকে বেরিয়ে মন্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলেন ওই বৃদ্ধা।অন্যদিকে, চেতলা গার্লস স্কুলে নির্বাচন কমিশনের তরফে একটি শুনানি কেন্দ্র করা হয়েছে। তার কাছেই তৃণমূলের পক্ষ থেকে একটি সহায়তা ক্যাম্প বসানো হয়। সেখানে সাধারণ মানুষ এসে নিজেদের সমস্যা ও প্রশ্ন জানাচ্ছেন। বাড়ি থেকে বেরিয়ে এলাকার কাউন্সিলর ও কলকাতার মেয়র তথা রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ওই ক্যাম্পে যান এবং দীর্ঘক্ষণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫
রাজ্য

ডেলিভারির দিনেই শুনানি কেন্দ্রে হাজির! তারপরেই অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে যা বললেন আধিকারিকরা

শুরু হয়ে গিয়েছে এসআইআর-এর দ্বিতীয় ধাপের শুনানি। শনিবার ছিল চন্দ্রকোনা-২ ব্লকের প্রথম দিনের শুনানি। সেই শুনানিতেই ঘটে গেল এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা। যেদিন শুনানির জন্য ডাকা হয়েছিল, সেদিনই ছিল এক তরুণীর সম্ভাব্য সন্তান প্রসবের দিন। তবুও গর্ভে সন্তান নিয়ে শুনানি কেন্দ্রে হাজির হলেন ২৭ বছরের বন্দনা মণ্ডল।বন্দনার বাড়ি চন্দ্রকোনার কুঁয়াপুরে। স্বামী শুভ্রপ্রকাশ মণ্ডল চাষবাস করে সংসার চালান। শনিবার চন্দ্রকোনা-২ ব্লকের বিডিও অফিসে ছিল এসআইআর শুনানি কেন্দ্র। সকাল থেকেই ভিড়ে ঠাসা ছিল অফিস চত্বর। উপস্থিত ছিলেন বিডিও, ব্লকের ছজন এআরও, কমিশন নিযুক্ত ছজন মাইক্রো অবজার্ভার এবং বিভিন্ন বুথের বিএলওরা।ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথম পর্বে মোট ৭০ জনকে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছিল। সকলেই প্রয়োজনীয় নথি নিয়ে হাজির হন। সেই সময়ই নজরে আসে, শুনানি কেন্দ্রের নিচের তলায় বসে রয়েছেন এক গর্ভবতী মহিলা। শুধু তাই নয়, অনেক বৃদ্ধ-বৃদ্ধাকেও দেখা যায় শুনানিতে হাজির হতে। কেউ এক চোখে দেখতে পান না, কারও চোখে ছানি। তবে গর্ভবতী মহিলাকে দেখে কার্যত বিস্মিত হয়ে পড়েন উপস্থিত আধিকারিকরা। কারণ, নিয়ম অনুযায়ী এমন অবস্থায় বাড়িতে গিয়ে শুনানির ব্যবস্থা করার নির্দেশিকা রয়েছে।এদিকে বন্দনার স্বামী তখন বিএলও-র সঙ্গে দোতলায় শুনানির কাজে ব্যস্ত ছিলেন। পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বন্দনার শ্বশুরবাড়ি কুঁয়াপুরে হলেও তাঁর বাপের বাড়ি চন্দ্রকোনার জয়ন্তীপুরে। সেখানকার ১৪৯ নম্বর বুথের বিএলও শুভাশিস গোস্বামী বন্দনার বাপের বাড়িতেই এসআইআর ফর্ম জমা দিয়েছিলেন। ২০০২ সালের ভোটার তালিকা অনুযায়ী ফর্ম পূরণ করা হয়। বিয়ের পর ঠিকানা পরিবর্তন সংক্রান্ত বিষয়েই প্রোজেনি ভোটার হিসেবে বন্দনাকে শুনানিতে ডাকা হয়।২২ ডিসেম্বর বন্দনার বাপের বাড়িতে নোটিস দিয়ে যান বিএলও। বন্দনা এবং তাঁর স্বামী জানিয়েছিলেন, ডিসেম্বরের শেষের দিকে ডেলিভারির সম্ভাবনার কথা চিকিৎসক জানিয়েছেন। সম্ভাব্য ডেলিভারির তারিখ ছিল ২৭ ডিসেম্বর, অর্থাৎ শুনানির দিনই। কিন্তু সেই তথ্য বিএলও বা প্রশাসনের কাছে পৌঁছয়নি।চন্দ্রকোনা-২ ব্লকের বিডিও উৎপল পাইক জানান, বিষয়টি আগে জানানো হলে বাড়িতেই শুনানির ব্যবস্থা করা যেত। নোটিস দেওয়ার সময়ও ডেলিভারির তারিখ সম্পর্কে কিছু জানানো হয়নি। ঘটনার কথা জানামাত্রই বিডিও, এআরও এবং মাইক্রো অবজার্ভাররা নিচে নেমে আসেন। দ্রুত বন্দনার নথি যাচাই করে তাঁকে বাড়ি ফিরে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫
বিদেশ

গ্রিন কার্ড ইন্টারভিউতেই গ্রেফতার! ৩০ বছর ধরে আমেরিকায় থাকা ভারতীয় মহিলাকে আইসিই-র ধাক্কা

ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়া অভিবাসন নীতির আবহে দুঃস্বপ্নের মধ্যে পড়েছে আমেরিকার লং বিচ শহরের পরিচিত কৌর পরিবার। দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে আমেরিকায় বসবাস করা ভারতীয় বংশোদ্ভূত বাব্বলজিৎ বাবলি কৌরকে হঠাৎ গ্রিন কার্ড ইন্টারভিউয়ের শেষ ধাপে গ্রেফতার করল আইসিই। ৬০ বছরের বাবলি কৌরকে ১ ডিসেম্বর বায়োমেট্রিক স্ক্যানের সময় আটক করা হয় বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট।পরিবারের দাবি, গ্রিন কার্ডের আবেদন আগেই অনুমোদিত হয়েছিল। বাবলির মার্কিন নাগরিক মেয়ে ও জামাইয়ের স্পনসরশিপেই সেই আবেদন জমা পড়েছিল। অথচ কোনও আগাম সতর্কতা ছাড়াই অফিসে ঢুকেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। বাবলির মেয়ে জোতির কথায়, গ্রেফতারের পর তাঁর মাকে হাত-পা শিকল পরিয়ে পুরুষদের ভরা একটি ভ্যানে তোলা হয়। সেই অভিজ্ঞতায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন তিনি। পরিবার আশঙ্কায় ছিল, কারণ এমন অনেক ঘটনার কথা তারা শুনেছে যেখানে মানুষ হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যায়।১৯৯৪ সালে স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে আমেরিকায় আসেন বাবলি কৌর। প্রথমে ল্যাগুনা বিচে বসবাস শুরু করেন তাঁরা। প্রায় দুই দশক ধরে লং বিচে নটরাজ কুইজিন অফ ইন্ডিয়া অ্যান্ড নেপাল নামে একটি জনপ্রিয় রেস্তরাঁ চালাতেন বাবলি ও তাঁর স্বামী। কোভিডের সময় সেই ব্যবসা বন্ধ হয়ে যায়। পরে তিনি রয়্যাল ইন্ডিয়ান কারি হাউসে কাজ করছিলেন। স্থানীয় সমাজে যথেষ্ট পরিচিত ও সম্মানিত ছিলেন কৌর পরিবার।বাবলির মেয়ে জানান, গ্রিন কার্ডের শেষ ধাপের অ্যাপয়েন্টমেন্টের দিন থেকেই তাঁর মায়ের মনটা অশান্ত ছিল। অফিসে ঢোকার কিছুক্ষণের মধ্যেই দুটি গাড়ি এসে দাঁড়ায়। কয়েক জন ফেডারেল এজেন্ট ভিতরে ঢুকে একটি ঘরে যান। তারপর বাবলিকেও সেই ঘরে ডাকা হয়। সেখানেই তাঁকে জানানো হয়, তাঁকে গ্রেফতার করা হচ্ছে। পরিবারের দাবি, বাবলির কোনও অপরাধমূলক ইতিহাস নেই।গ্রেফতারের পর প্রথম কয়েক ঘণ্টা পরিবার জানতেই পারেনি বাবলিকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরে জানা যায়, তাঁকে লস অ্যাঞ্জেলেসের একটি ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হয়েছে। সেখানে ২০ জনের বেশি বন্দির সঙ্গে একটি ঘরে থাকতে হচ্ছে তাঁকে। পরিবার জানাচ্ছে, রাতে আলো নিভে না, চারপাশে সব সময় চিৎকার ও কান্নার শব্দ। ঠিকমতো ঘুমোতে পারছেন না বাবলি কৌর।এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন লং বিচের কংগ্রেসম্যান রবার্ট গার্সিয়া। তিনি জানিয়েছেন, তাঁর অফিস বাবলিকে মুক্ত করতে সব রকম চেষ্টা করছে। তাঁর কথায়, কঠোর অভিবাসন নীতির নামে পরিশ্রমী ও সৎ মানুষদের এভাবে আতঙ্কিত করা মানবিকতার সম্পূর্ণ বিরোধী।এদিকে বাবলি কৌরের গ্রেফতারের কারণ এখনও স্পষ্ট করেনি মার্কিন স্বরাষ্ট্র দফতর। প্রশ্ন উঠছে, গ্রিন কার্ড প্রায় হাতে পৌঁছে যাওয়ার মুহূর্তে কেন এই পদক্ষেপ, তার উত্তর এখনও অধরা।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫
বিদেশ

"আঁখ মারে...," মহিলা সাংবাদিককে লক্ষ্য করে পাকিস্তান সেনার জেনারেলের অসভ্য আচরণে সোশাল মিডিয়ায় তোলপাড়

পাকিস্তানের ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনসের ডিরেক্টর জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরীর একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, এক সংবাদিক আবসা কোমালের প্রশ্নের জবাবে তিনি হেসে তাকে আঙুল দিয়ে চোখের দিকে চোখ মারেন।সংবাদিক তার কাছে প্রশ্ন করেছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বিরুদ্ধে তার করা অভিযোগ সম্পর্কে, যেখানে তিনি খানেরকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি, রাষ্ট্রবিরোধী এবং দিল্লির হাত ধরে কাজ করছে হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। এই প্রশ্নের জবাবে চৌধুরী বলেন, আরও একটি পয়েন্ট যোগ করি, তিনি মানসিক রোগী। এরপর তিনি হাসি দিয়ে সাংবাদিকের দিকে চোখের ইশারা করেন।ভিডিওটি প্রকাশিত হওয়ার পর সোশাল মিডিয়ায় সরাসরি ক্ষোভ দেখা দেয়। এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, তিনি কোনো পেশাদার সেনা নন। আরেকজন মন্তব্য করেছেন, এটা দেখাচ্ছে তাদের সেনাবাহিনী কতটা অসংগঠিত। কেউ কীভাবে ইউনিফর্ম পরে এভাবে চোখের ইশারা করতে পারে?চৌধুরী পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ মুখ হিসেবে পরিচিত। তিনি সাম্প্রতিক মাসগুলোতে প্রায়শই ভারতবিরোধী বক্তব্যের জন্য সংবাদ সম্মেলনে বিতর্কিত হয়ে থাকেন। মে মাসে দিল্লি ও ইসলামাবাদের মধ্যে ছোট সামরিক সংঘর্ষের সময়ও তিনি সুপরিচিত হয়েছিলেন।

ডিসেম্বর ১০, ২০২৫
দেশ

ইসলাম গ্রহণ ও পাকিস্তানে বিয়ে? নিখোঁজ সরবজিৎকে নিয়ে নতুন বিস্ফোরক দাবি

পাকিস্তান সফর শেষে ফেরার পথে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া শিখ তীর্থযাত্রী সরবজিৎ কৌরের ঘটনা ঘিরে সামনে এল চাঞ্চল্যকর দাবি। প্রকাশ্যে এসেছে একটি নিকাহনামা এবং তাঁর নামে এক পাসপোর্টের প্রতিলিপি, যেখানে বলা হয়েছেতিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন এবং শেখুপুরার নয়া আবাদি এলাকার বাসিন্দা নাসির হুসেনের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। এই নথিগুলি ভাইরাল হতে না হতেই দুই দেশের গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে তৎপরতা দেখা দিয়েছে।১৩ নভেম্বর ভারতীয় জঠা পাকিস্তান থেকে ফিরলেও সরবজিৎকে আর পাওয়া যায়নি। ৪ নভেম্বর গুরু নানক দেবজির প্রকাশ উৎসব উপলক্ষে মোট ১,৯২৩ জন শিখ তীর্থযাত্রী পাকিস্তানে যান। দশ দিনের সফরে তাঁরা একাধিক গুরুদ্বারায় গমন করেন। সফর শেষে ফেরার সময়ই দেখা যায়সরবজিৎ কৌরের নাম নেই পাকিস্তানের এক্সিট লিস্টে, নেই ভারতের রি-এন্ট্রি রেকর্ডেও। তখনই শুরু হয় বড়সড় উদ্বেগ।এরপর থেকেই ভারত ও পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থাগুলি তাঁর সন্ধানে নেমেছে। দুদেশের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, পাকিস্তানে ভারতীয় হাই কমিশন স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে যাচ্ছেন এবং উঠেই আসছে সেই নথিগুলির সত্যতা যাচাইয়ের প্রশ্ন। ঠিক কবে, কোথায়, কীভাবে সরবজিৎ জঠা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছিলেনএটিও তদন্তের মূল দিক হয়ে উঠেছে।এদিকে SGPC তাদের প্রথম প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। সংস্থার দাবি, তীর্থযাত্রায় যাওয়ার ভিসা অনুমোদনে তাদের কোনও ভূমিকা নেই। সবটাই সরকারি নিয়ম মেনে হয়। SGPC জানিয়েছে, সরকারের অনুমতি পাওয়ার পরই তারা সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দেয়। এরপর আবেদনকারীরা পাসপোর্ট জমা দেন, যা SGPC সরকারকে পাঠিয়ে দেয় মাত্র। বাকি সব যাচাই করে ভারত সরকারই ভিসা পাকিস্তান হাই কমিশনে পাঠায়।SGPC আরও জানায়, অতীতেও বহু হিন্দুশিখ তীর্থযাত্রীকে ভিসা পর্যায়ে আটকে দেওয়া হয়েছে এবং এটি পুরোপুরি সরকারের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভরশীল। কোনও ভিসা তারা অনুমোদন করে না, শুধু আবেদনগুলি পৌঁছে দেয়। সরবজিতের নিখোঁজ হওয়া এবং নিকাহনামা বিতর্ক নিয়ে SGPC বলেছেধর্মীয় সফরকে ব্যবহার করে ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য সাধন করা নিন্দনীয় এবং এতে সংস্থার উপর সন্দেহ তৈরি হয়। এই ঘটনা সম্পর্কে তারাও প্রথমে সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমেই জানতে পেরেছে।সমগ্র ঘটনার তদন্ত এখন দুই দেশের গোয়েন্দাদের হাতে। নথিগুলি সত্যি নাকি সাজানোতা সামনে এলেই স্পষ্ট হবে সরবজিৎ কৌর কি সত্যিই পাকিস্তানে স্বেচ্ছায় থাকতে চেয়েছেন, নাকি আরও কোনও বড় রহস্য লুকিয়ে রয়েছে তাঁর নিখোঁজ হওয়ার পিছনে।

নভেম্বর ১৫, ২০২৫
রাজ্য

পরিচয়পত্র চাইতেই উধাও পরিবার! আলিপুরদুয়ারে মৃতা কি বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী?

হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু হয়েছিল এক মহিলার। কিন্তু মৃত্যুর পরই ঘটল এমন কাণ্ড, যা দেখে হতবাক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। পরিচয় যাচাইয়ের জন্য পরিবারের কাছে আধার কার্ড বা ভোটার কার্ড চাওয়া মাত্রই উধাও হয়ে গেলেন মৃতার পরিবারের সদস্যরা! ফোনেও যোগাযোগ সম্ভব হয়নি। ফলে মৃতদেহ এখনো পড়ে আছে আলিপুরদুয়ার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে দাবিদারহীন অবস্থায়।জানা গিয়েছে, গত ৫ নভেম্বর বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ ৪২ বছর বয়সী এক মহিলা নাম সঞ্জিতা বিবিকে ভর্তি করা হয় আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে। ভর্তি করার সময় তাঁর পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছিলেন, তাঁরা দমনপুর এলাকার বাসিন্দা। এক আত্মীয়ের নাম দেওয়া হয়েছিল জাবেদ আলি। হাসপাতালের নথিতে সেই নাম ও মোবাইল নম্বর নথিভুক্ত করা হয়।রোগীর অবস্থা শুরু থেকেই আশঙ্কাজনক ছিল। তাঁকে আইসিসিইউ-তে রাখা হয়। কিন্তু শুক্রবার সন্ধ্যায় তাঁর মৃত্যু হয়। নিয়মমতো ডেথ সার্টিফিকেট তৈরির জন্য পরিবারের কাছে আধার বা ভোটার কার্ড চাওয়া হলে হঠাৎই গা-ঢাকা দেন তাঁরা। হাসপাতালের সুপার ডাঃ পরিতোষ মণ্ডল বলেন, মৃতা হার্ট অ্যাটাকে ভর্তি হয়েছিলেন। আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করেও বাঁচাতে পারিনি। ডেথ সার্টিফিকেটের জন্য পরিচয়পত্র চাইতেই পরিবারের সদস্যরা উধাও হয়ে যান। এরপর আর তাঁদের খুঁজে পাওয়া যায়নি। দুদিন ধরে একজন পুরুষ রোগীর সঙ্গে ছিলেন, তিনিও গায়েব।ফোনে বহুবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁদের হদিশ মেলেনি। ফলে হাসপাতাল মৃতদেহকে দাবিদারহীন হিসেবে মর্গে সংরক্ষণ করেছে। ঘটনাটি ইতিমধ্যে স্থানীয় থানায় জানানো হয়েছে।এরপরই উঠেছে বড় প্রশ্ন ওই মহিলার কোনও বৈধ পরিচয়পত্র ছিল না কেন? যিনি তাঁর সঙ্গে ছিলেন, তিনি আসলে আত্মীয় না অন্য কেউ? নাকি পুরো ঘটনাটির পেছনে রয়েছে অন্য রহস্য?এসআইআর (Special Investigation of Residents) চলাকালীন এমন ঘটনায় জল্পনা আরও গভীর। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, মৃতা কি আদৌ ভারতীয় নাগরিক ছিলেন, নাকি বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী?ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে আলিপুরদুয়ার জুড়ে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, পরিবারের কেউ যদি পরিচয়পত্র ও প্রমাণপত্র নিয়ে হাজির না হন, তবে আইনি প্রক্রিয়া মেনে মৃতদেহ প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে সমাধিস্থ করা হবে।স্থানীয় এক চিকিৎসক বলেন, এমন ঘটনা বিরল। সাধারণত মৃতের পরিবারের সদস্যরা দেহ নিতে আসেন। এখানে উল্টোটা হয়েছে। তাই বিষয়টি সত্যিই সন্দেহজনক। ঘটনার তদন্তে নামতে চলেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখা হচ্ছে, কারা মৃতাকে ভর্তি করেছিল, কখন উধাও হয়েছে তারা।

নভেম্বর ০৮, ২০২৫
রাজ্য

জীবিত তরুণীর শ্রাদ্ধ, পাত পেড়ে ভুরিভোজ, কেন এমন আজব ঘটনা বাংলায়?

চোপড়ার বাস্তব চিত্র সিনেমাকেও হার মানাবে। চোপড়া থানার সোনাপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় পরিবারের অমতে বিয়ে করেছিলেন এক তরুণী। সেই বিয়ে মেনে নিতে পারেনি তাঁর পরিবারের লোকজন। জীবিত মেয়ের নামে ল শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের আয়োজন করলেন বাড়ির লোকজন। পাত পেড়ে করালেন ভুরিভোজও।পছন্দের পুরুষের হাত ধরে সংসার পাততে চেয়ে তরুণীকে বাড়ি ছাড়তে হয়েছে। সেই শুরু কাহিনীর। তবে সেখানেই শেষ নয়। পরিবারের সদস্যরা বলছেন, মেয়ে পরিবারের অমতে নিজের ইচ্ছায় বিয়ে করায় তাঁরা গভীরভাবে মর্মাহত। তাঁরা মনে করছেন, মেয়ে পরিবারের সামাজিক মর্যাদা হানি করেছে। সেই তরুণীর আত্মীয়-পরিজনও নাকি এই সম্পর্ক মেনে নিতে পারছেন না। তাই মেয়ের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করতেই এই শ্রাদ্ধের আয়োজন।তরুণী কলেজ-পড়ুয়া। তাঁর বাবা কৃষিজীবী। আর তাঁর প্রেমিক স্থানীয় এক ব্যবসায়ী পরিবারের সন্তান। কলেজের পড়াশোনার পাঠ সাঙ্গ করেছেন খুব বেশিদিন হয়নি। চলতি মাসের ৮ তারিখে প্রেমিকের হাত ধরে ঘর ছাড়েন সেই তরুণী। তারপর ৯ মার্চ চোপড়া থানায় একটি অপহরণের মামলা দায়ের করে মেয়েটির পরিবার। পুলিশ দুজনকে আটক করে নিয়ে আসে রায়গঞ্জ থেকে। মামলা আদালতে ওঠে। কিন্তু ধোপে টেকেনি। কারণ আদালতে মেয়েটি পরিষ্কার জানিয়ে দেন যে তিনি সাবালিকা। তিনি স্বেচ্ছায় সেই তরুণের সঙ্গে গিয়েছেন। এদিকে, ছেলেটির বাড়ি থেকে কিন্তু প্রাথমিক আপত্তির পর সম্পর্ক মেনে নিয়েছে।তরুণীর বাড়িতে ঠিক উলটো চিত্র। মেয়ের সিদ্ধান্ত মানতে না পেরে এদিন রীতিমতো পুরোহিত ডেকে নিয়ম মেনে শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গ্রামবাসীর পাশাপাশি আত্মীয়স্বজনদের আমন্ত্রণ করে ভুরি ভোজ করানো হয়। শনিবারের অনুষ্ঠানে প্রায় ১০০ জন অতিথি দিব্য পাত পেড়ে খেয়েছেন জীবন্ত তরুণীর শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে। প্রতিবেশীরা, যাঁরা নিমন্ত্রিত ছিলেন, তাঁরাও মেয়েটির সম্পর্ক মানছেন না। শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের উদ্দেশ্য, এটা একটা উদাহরণ হয়ে থাকবে গ্রামের উঠতি বয়সি ছেলেমেয়েদের কাছে।

মার্চ ১৬, ২০২৫
নিবন্ধ

মাতৃবিয়োগ উড়ান সংস্থার উচ্চপদস্থ আধিকারিক বিপ্লব চট্টোপাধ্যায়ের, এক মহিয়সী নারীর কাহিনী

এআই এয়ারপোর্ট সার্ভিসেস লিমিটেডের উচ্চপদস্থ আধিকারিক বিপ্লব চট্টোপাধ্যায়ের মা গীতা চট্টোপাধ্যায়ের জীবনাবসান হয় গত ৩১ অগাস্ট। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। গীতাদেবী ছিলেন স্কুল শিক্ষিকা। অত্যন্ত সাফল্যের সঙ্গে তিনি শিক্ষিকতা করেছেন। গীতা চট্টোপাধ্যায়ের আরেক পুত্র বিভাস চট্টোপাধ্যায় বেসরকারি সংস্থার উচ্চপদে আসীন। গীতাদেবী শিক্ষকতা করতেন বাগবাজারের আদর্শ মহিলা বিদ্যালয়ে। মৃত্যুর সময় সংসারে রেখে গিয়েছেন পুত্রদ্বয় বিপ্লব চট্টোপাধ্যায় ও বিভাস চট্টোপাধ্যায়, পুত্রবধূদ্বয় গার্গী লাহিড়ী চট্টোপাধ্যায় ও ঋতুপর্ণা চট্টোপাধ্যায়। নাতি, নাতনি মৈত্রেয়ী চট্টোপাধ্যায়, বিহান চট্টোপাধ্যায় ও রিয়ান চট্টোপাধ্যায়।১৯৪২ সালের ২৮ ডিসেম্বর এক সম্ভ্রান্ত বনেদি পরিবারে জন্ম হয় গীতা চট্টোপাধ্যায়ের। তখন তাঁরা থাকতেন তৎকালীন মধ্যপ্রদেশের(এখন ছত্তিসগড়) অম্বিকাপুরে। এক মাসের মধ্যেই মাতৃহারা হন ছোট্ট গীতা। জন্মদাত্রী মায়ের অনুভতির স্বাদ পাননি। সাত ভাইবোনের মধ্যে সব থেকে ছোট ছিলেন তিনি। বাবা ছিলেন প্রথিতযশা চিকিৎসক অনাথ বন্ধু বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ থেকে পড়াশুনা করেছেন। ট্রান্সফারেবল জব ছিল অনাথবন্ধু বন্দ্যোপাধ্যায়ের। মধ্যপ্রদেশের অম্বিকাপুরে পরিবার নিয়ে বসতি স্থাপন করেছিলেন তিনি। সেই সময় নারী শিক্ষার খুব বেশি প্রচলন ছিল না। তবে চেষ্টার কোনও ত্রুটি ছিল না গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। একনিষ্ঠ অধ্যাবসায় থাকায় তাঁকে কখনও থামতে হয়নি। পড়াশুনা করেছেন অম্বিকাপুরে এডওয়ার্ড সেকেন্ডারি স্কুল, তারপর গভঃ ডিগ্রি কলেজ অম্বিকাপুর। এমএ, বিএড-ও করেছেন তিনি। অনাথ বন্ধু বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদি বাড়ি ছিল বর্ধমান জেলার নাড়ুগ্রামে।গীতাদেবী বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন ২জুন, সাল ১৯৬৬। তাঁর বিয়ে হয়েছিল মুর্শিদাবাদের গোপালপুর গ্রামে। স্বামী বিশ্বনাথ চট্টোপাধ্যায় চাকরিসূত্রে দমদমে আসেন। তিনি ছিলেন শিক্ষক। দমদমেই স্থায়ী বসবাস শুরু করেন তাঁরা। বিয়ের পর প্রথম পর্যায়ে ছেলেদের পড়াশুনা নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন গীতাদেবী। ছেলেরা একটু বড় হওয়ার পর ১৯৭৬ সালে বাগবাজারের আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা শুরু করেন গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একদিকে চাকরি সামলেছেন, আরেক দিকে সাংসারিক লড়াই করে গিয়েছেন গীতাদেবী। ছেলেদের সুশিক্ষায় বড় করে তুলেছেন।নারী শিক্ষা প্রসারে অত্যন্ত অগ্রগন্য ভূমিকা নিয়েছিলেন তিনি। বিশেষত নারী শিক্ষার প্রসার না ঘটলে কোনও জাতির উন্নতি হতে পারে না। ছাত্রীদের মনের মনিকোঠায় থাকতেন তাঁদের পছন্দের শিক্ষিকা। সহকারি শিক্ষিকাদের সঙ্গেও খুবই সদ্ভাব ছিল তাঁর। শিক্ষা অন্ত প্রাণ ছিলেন গীতাদেবী।এদিকে স্বামীর অকাল মৃত্যুতে ভেঙে না পড়ে ছেলেদের পড়াশুনা থেকে খাওয়া-দাওয়া, পোষাক-পরিচ্ছদ সবেতেই নজর ছিল তাঁর। সকালে স্কুল করে এসেই সাংসারিক যুদ্ধে নেমে পড়তেন। কখনও ছেলেদের বুঝতে দেননি তাঁদের বাবার অভাব। একাধারে মা ও বাবা দুই ভূমিকাই সাফল্যের সঙ্গে পালন করেছেন গীতা দেবী। তিন ছেলের মধ্যে মেজ ছেলের কঠিন অসুখে ১৯৮১ সালে অকাল প্রয়াণ ঘটে। জীবনে দুটি বড় ধাক্কা সামলে নিয়ে বজ্রহাতে সংসার ধরে রেখেছেন। আশির কোঠাতেও সবসময় খবর নিতেন ছেলেরা কী করছে? কেমন আছে? তাঁরা কি খেয়েছে? অফিস গিয়েছে কিনা? নাতি-নাতনিদের শুদ্ধ বাতাস ছিলেন তিনি। দীর্ঘ দিন শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভুগছিলেন গীতা চট্টোপাধ্যায়।গীতা চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে শুধু পারিবারিক ক্ষেত্র নয়, তাঁর অগুনতি ছাত্রী ও সহকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। আগামী ১০ সেপ্টেম্বর দুপুর ১টায় গীতা চট্টোপাধ্যায়ের স্মরণে বাগবাজার গঙ্গাতীরে ভাগবত সভা অনুষ্ঠিত হবে। পরের দিন ১১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৫ টায় দমদম রোড, হনুমান মন্দিরের কাছে পুরাঙ্গনে স্মরণসভা হবে অবসর প্রাপ্ত এই মহিয়সী শিক্ষিকার।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৪
রাজ্য

ষাটোর্ধ এক অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার! এক সন্দেহভাজন গ্রেফতার

ষাটোর্ধ এক অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ালো বর্ধমান শহরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পুরানো ওভারব্রীজ সংলগ্ন ছোটলাইন এলাকায়। পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিকেল কলেজের পুলিশ মর্গে পাঠায়। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করেছে বর্ধমান থানার পুলিশ।শুক্রবার রাতে পুরনো ওভারব্রীজ সংলগ্ন ছোটলাইন এলাকায় এক ষাটোর্ধ বৃদ্ধার দেহ পরে আছে বলে স্থানীয়রা থানায় খবর দেয়। পুলিশ গিয়ে দেহ উদ্ধার করে।স্থানীয়দের অভিযোগ, বৃদ্ধাকে এক ব্যক্তিকে ধর্ষণ করার চেষ্টা করতে দেখে স্থানীয়রা বাধা দেয়। সেই সময় ওই ব্যক্তি পালিয়ে গেলেও স্থানীয়রা দেখেন বৃদ্ধা মারা গেছেন।এরপরেই তারা পুলিশকে খবর দেয়।

নভেম্বর ১২, ২০২২
রাজ্য

যুবতির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য বর্ধমানে

পায়ে দড়ি বাঁধা অবস্থায় বাড়ির পিছনে যুবতির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ালো পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের নারায়ণপুর গ্ৰামে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় জামালপুর থানার পুলিশ। মৃতদেহ উদ্ধার করা পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিকেল কলেজের পুলিশ মর্গে পাঠিয়েছে। মৃত যুবতীর নাম দুলালী মালিক(২৪)।রোজকার মত শনিবার রাতে দুই বোন ঘরে শুতে যায় রবিবার সকালে ঘরের পিছনের দিকে অংশে কার্ণিশ থেকে গলায় দড়ি দেওয়া অবস্থায় ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। তবে দুটি পা দড়ি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় ছিল সেই জন্য পুরো ঘটনাকে ঘিরে রহস্য দানা বেঁধেছে। আত্মহত্যা যদি হয় তাহলে পায়ে দড়ি বাঁধা কি করে? নেপথ্যের কারণ কি তা জানতে কৌতুহল গোটা এলাকায়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

অক্টোবর ৩০, ২০২২
দেশ

এই প্রথম রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী আদিবাসী মহিলা, জেপি নাড্ডার ঘোষণায় বিরাট চমক

ওড়িষার আদিবাসী মহিলাকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী করে চমকে দিল বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ। এদিন অবিজেপি জোট রাষ্ট্রপতি পদে যশবন্ত সিনহাকে প্রার্থী করেছে। এবার রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী ঘোষনা করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। সাংবাদিক বৈঠকে নাড্ডা জানান, ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন রাজ্যপাল দ্রৌপদী মুর্মুকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী করছে এনডিএ। কাউন্সিলর থেকে রাজ্যের মন্ত্রী হয়েছিলেন এই আদিবাসী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি। পেশাগত ভাবে তিনি শিক্ষিকা।Smt. Droupadi Murmu Ji has devoted her life to serving society and empowering the poor, downtrodden as well as the marginalised. She has rich administrative experience and had an outstanding gubernatorial tenure. I am confident she will be a great President of our nation. Narendra Modi (@narendramodi) June 21, 2022

জুন ২১, ২০২২
রাজ্য

Old Woman Rape: প্রৌঢ়াকে কুঁড়ে ঘর থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ, জেল হেফাজত অভিযুক্তের

রাতের অন্ধকারে মুখ টিপে ধরে ভিক্ষুক প্রৌঢ়াকে ঘর থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার হল এক ব্যক্তি। ধৃতের নাম ভোম্বল মাঝি। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া থানার কেশিগ্রামে। পৌঢ়ার দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে কাটোয়া থানার পুলিশ শুক্রবার রাতে গ্রাম থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে। জেরায় ভোম্বল পুলিশের কাছে নিজের কুকীর্তির কথা কবুল করে বলে পুলিশ জানিয়েছে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ শনিবার ধৃতকে পেশ করে কাটোয়া মহকুমা আদালতে। পাশাপাশি গোপন জবানবন্দি পেশের জন্য প্রৌঢ়াকেও এদিন আদালতে হাজির করানো হয়। বিচারক ধৃতকে ১৪ দিন জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। অভিযুক্ত ভোম্বলের দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবি করেছেন এলাকাবাসী।পুলিশ জানিয়েছে, কেশিগ্রামের নির্যাতিতা প্রৌঢ়া বিধবা। তাঁর এক মেয়ের বিয়ে হয়ে গিয়েছে। বর্তমানে তিনি তাঁর ভাই ও ভাইয়ের স্ত্রীর কাছেই থাকেন। ভিক্ষা করে যে টুকু উপার্জন হয় তা দিয়েই প্রৌঢ়ার দিন চলে। পুলিশকে প্রৌঢ়া জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে তিনি বাড়ির কুঁড়ে ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। মাঝরাতে চুপিসারে তাঁর কুঁড়ে ঘরে ঢুকে ভোম্বল প্রৌঢ়ার মুখ টিপে ধরে। প্রৌঢ়াকে ঘর থেকে বের করে দূরের ফাঁকা মাঠে নিয়ে গিয়ে ভোম্বল ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। ধর্ষণের পর মহিলাকে রাতে ফাঁকা মাঠেই ফেলে পালায় অভিযুক্ত। রাত প্রায় আড়াইটে নাগাদ বিবস্ত্র অবস্থায় প্রৌঢ়া কোনওরকমে মাঠ থেকে পালিয়ে আসেন। বাড়িতে এসে তিনি তাঁর উপর হওয়া অত্যাচারের কথা পরিবারের লোকজনকে জানান। গোটা ঘটনার কথা জানিয়ে নির্যাতিতা শুক্রবার কাটোয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ রাতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে।

জানুয়ারি ০৯, ২০২২
রাজ্য

Wall Collapsed: ঘরের দেওয়াল ভেঙে আহত পরিবারের অন্তঃসত্ত্বা মহিলা সহ পাঁচ

ঘরে ঘুমিয়ে থাকার সময় দেওয়াল ভেঙে পড়ায় আহত হলেন অন্তঃসত্ত্বা মহিলা সহ একই পরিবারের পাঁচ জন। শনিবার ভোরে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী ১ ব্লকের মাগনপুর গ্রামে। প্রতিবেশীরা আহতদের সবাইকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। এই ঘটনার খবর পেয়ে সকালেই এলাকার বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায়, ব্লকের বিডিও দেবব্রত জানাসহ জনপ্রতিনিধিরা হাসপাপালে গিয়ে আহতদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্বস্থলীর জাহান্নগর পঞ্চায়েতের মাগনপুরে বাড়ি দে পরিবারের। ইট ও মাটির গাঁথনির দেওয়াল ও টিনের চালার ঘরে দে পরিবারের সদস্যরা বসবাস করেন। ওই ঘরেতেই এদিন ভোরে পরিবারের সদস্যরা ঘুমাচ্ছিলেন। সেইসময় আচমকাই বাড়ির দেওয়ালসহ টিনের চালা হুড়মুডিয়ে ঘেঙে পড়ে।ভেঙে পড়া সেই দেওয়ালের নিচে চাপা পড়ে যান পরিবারের এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলাসহ পাঁচ জন।প্রতিবেশীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে গিয়ে ভেঙে পড়া দেওয়াল সরিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করেন। পরিবারের সদস্যরা মনে করছেন নিম্নচাপের জেরে বিগত কয়েকদিন ধরে হওয়া বৃষ্টিপাতের জেরে ইট মাটির গাঁথনির দেওয়ল দুর্বল হয়ে পড়ায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

অক্টোবর ২৩, ২০২১
রাজ্য

Rape: মঙ্গলকোটে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন তরুনীকে হুমকি দেখিয়ে সহবাসের অভিযোগ বিজেপি নেতার ভাইয়ের বিরুদ্ধে

হুমকি দিয়ে দিনের পরদিন সহবাস করে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন তরুনীকে অন্তঃসত্ত্বা করে দেওয়ার অভিযোগ উঠলো বিজেপি নেতার ভাইয়ের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটে। ঘটনা সবিস্তার উল্লেখ কবে তরুণীর পরিবার বৃহস্পতিবার রাতে অভিযুক্ত চুনী আনসারির বিরুদ্ধে মঙ্গলকোট থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। এই ঘটনা জানার পর থেকেই এলাকা ছেড়ে গা ঢাকা দিয়েছে বিজেপি নেতা ডাবলু আনসারি ও তাঁর ভাই চুনী আনসারি। মামলা রুজু করে পুলিশ হন্যে হয়ে অভিযুক্তের সন্ধান চালাচ্ছে। এলাকার বাসিন্দাদের কথায় জানা গিয়েছে, বাম আমলে মঙ্গলকোটে সিপিএমের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা ছিলেন ডাবলু আনসারী। ২০১১ সালে রাজ্য রাজনীতিতে পালাবদলের পর তিনি এলাকা ছাড়া হয়ে যান। কয়েক বছর আগে ডাবলু আনসারী বিজেপিতে যোগদান করেন। মঙ্গলকোটের টালিপাড়ার তরুণীর পরিবারের অভিযোগ, বিজেপি নেতা ডাবলু আনসারির ভাই চুনী আনসারি হুমকি দিয়ে দিনের পর দিন তাঁদের পরিবারের বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন যুবতী মেয়ের সঙ্গে সহবাস করে।তরুনী তাঁর দরিদ্র দাদার কাছে থাকে। দাদা মুটিয়ার কাজ করেন। আর পরিবারের অন্যান্যরা জনমজুরির কাজ করেন। সকাল হতেই পরিবারের সবাই কাজে বেড়িয়ে যান। দিনের বেলায় তরুণী বাড়িতে একাই থাকতো। অভিযোগ তারই সূযোগ নিয়ে চুনী আনসারি হুমকি দিয়ে দিনের পর দিন বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ওই তরুণীর সঙ্গে সহবাস করতো। সম্প্রতি তরুনীর শারীরিক পরিবর্তন হতে শুরু করলে পরিবারের লোকজনের সন্দেহ হয়। বৃহস্পতিবার বাড়ির সকলে মিলে তরুনীকে চেপে ধরলে সে কান্নায় ভেঙে পড়ে। তরুণী চুনী আনসারির কুকীর্তির কথা পরিবারের লোকজনকে জানায়। তরুণীর মখ থেকে থেকে চুনীর কুকীর্তি জানার পর ওই দিনই পরিবারের লোকজন মঙ্গলকোট থানার দ্বারস্থ হন। এই ঘটনা সামনে আসার পর মঙ্গলকোট পঞ্চায়েতের উপপ্রধান চন্দন সরকার ও বিজেপির বর্ধমান পূ্র্ব (গ্রামীণ) জেলা কমিটির সহ-সভাপতি রানাপ্রতাপ গোস্বামী উভয়েই চুনী আনসারির দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবি করেছেন।

অক্টোবর ২২, ২০২১
রাজ্য

Rape: মুখ চাপা দিয়ে রাস্তা থেকে আদিবাসী মহিলাকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ, চাঞ্চল্য মন্তেশ্বরে

অন্ধকার রাস্তায় মুখ চাপা দিয়ে আদিবাসী মহিলাকে নির্জন জায়গায় তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠলো দুস্কৃতিদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনা জানাজানি হতেই সোমবার সকাল থেকে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর থানা এলাকায়। দুস্কৃতিরা আদিবাসী মহিলাকে গণধর্ষণ করেছে লোক মুখে এলাকায় ছড়িয়ে। এই খবর পেয়েই পুলিশ মন্তেশ্বরের বরুনা এলাকার ক্যানেল পাড়ে থাকা নির্যাতিতা মহিলাকে উদ্ধার করে ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যায়। শারীরিক অবস্থা খারাপ থাকায় মহিলাকে সেখান থেকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে কয়েকজনকে আটক করে শুরু হয়েছে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদ।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,সোমবার ভোর রাতে মন্তেশ্বরের বরুনা গ্রামের ক্যানেল পাড়ে থাকা একটি ট্র্যাক্টরের ট্রলির নিচে পড়ে কাতরাচ্ছিলেন এক আদিবাসী মহিলা। তাঁর স্বামী মহিলার চোখে মুখে জল দিচ্ছিলেন। এমনটা দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা তাঁদের কাছে যান। কি হয়েছে জিজ্ঞাসা করতেই মহিলার স্বামী তাঁর স্ত্রীর উপর রবিবার রাতে হওয়া নির্যাতনের কথা স্থানীয়দের জানায়। স্থানীয়দের মাধ্যমে এই খবর পৌছায় মন্তেশ্বর থানার পুলিশের কাছে। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছায়। স্থানীয়রা বলেন,জিজ্ঞাসাবাদে মহিলা পুলিশকে বলে রবিবার সন্ধ্যায় তিনি তাঁর স্বামীর সঙ্গে মন্তেশ্বরের রাইগ্রামের বাজারে গিয়েছিলেন। বাজারে কাজ মেটাতে তাঁদের দেরী হয়। তাই তাঁর স্বামী রান্না করবে বলে ঘরে ফিরে যান। বাজারের কাজ মিটিয়ে সন্ধ্যার পর মহিলা একা ঘরে ফিরছিলেন। তাঁর অভিযোগ, অন্ধকার রাস্তা দিয়ে তিনি যখন একা হেঁটে আসছিলেন তখন কয়েকজন মিলে তাঁর মুখ চাপা দিয়ে জোরপূর্বক তাঁকে নির্জন জায়গায় তুলে নিয়ে যায়। তারা সেখানে তাঁর উপরে নির্যাতন চালানো শুরু করে। এছাড়াও মহিলার স্বামী পুলিশকে জানায়, অনেকটা সময় কেটে যাবার পরেও স্ত্রী ঘরে ফিরছে না দেখে তিনি স্ত্রীকে আনতে রাতের অন্ধকারেই ঘর থেকে বেরিয়ে পড়েন। কিছুটা যাওয়ার পরেই পুরুনিয়া এলাকায় পুকুর পাড়ে থাকা একটি জায়গা থেকে তিনি মহিলার আর্তনাদ শুনতে পান। সেখানে এগিয়ে যেতেই তিনি তাঁর স্ত্রীর উপর নির্যাতন চালানোর ঘটনা দেখতে পান। মহিলার স্বামীর অভিযোগ নির্যাতন চালাোর ঘটনায় জড়িত দু্কৃতিদের তিনি বাধা দিলে তারা তাঁকে মারধোর করে পালিয়ে যায়। দুস্কৃতিরা মিলে তাঁর স্ত্রীকে ধর্ষণ করেছে বুঝতে পেরে রাতে তিনি স্ত্রীকে ওই জায়গা থেকে উদ্ধার করে কিছুটা দূরে বরুনার ক্যানেল পাড়ে নিয়ে গিয়ে বসে পড়েন। মহিলার স্বামী এদিন সকালে স্থানীয়দের এই ঘটনা জানালে তাঁরাই পুলিশকে খবর দেয়।রাকিব মল্লিক নামে স্থানীয় বাসিন্দা জানান, নির্যাতিতা মহিলার বাড়ি কালনা মহকুমার নাদনঘাট থানা এলাকায়। মহিলা পেশায় খেত মজুর। খেত মজুরির কাজের জন্য মহিলা তাঁর সঙ্গে থাকা পুরুষ ব্যক্তি কয়েকদিন আগে তাঁদের গ্রামে এসেছেন। তাঁরা নিজেদের কে স্বামী স্ত্রী বলেই পরিচয় দিয়েছিলেন। মহিলার উপরে হওয়া নির্যাতনের কথা এদিন তাঁদের কাছ থেকেই জানতে পারেন বলে রাকিব মল্লিক জানিয়েছেন।জেলার পুলিশ সুপার কামনাশিষ সেন জানিয়েছেন, অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ কেস রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে।একজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চালছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২১
রাজ্য

Illicit Affair: অবৈধ সম্পর্কের তিক্ততায় মহিলাকে নৃশংস ভাবে খুন, গ্রেপ্তার তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য

মহিলার সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তাঁকে নৃশংসভাবে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য। ধৃতের নাম শোভন টুডু। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার কুচুট গ্রামের কদমতলা এলাকায়। তিনি তৃণমূলের প্রতীকে নির্বাচিত কুচুট গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য। মুখ থেঁতলে দিয়ে মহিলা সুখী মাণ্ডি(৪৭)কে খুনের অভিযোগে জেলার জামালপুর থানার পুলিশ শুক্রবার রাতে শোভন টুডুকে গ্রেপ্তার করে। শনিবার ধৃতকে পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। খুনের ঘটনায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার ও ঘটনার তদন্তের প্রোয়োজনে তদন্তকারী অফিসার এদিন ধৃতকে ১০ দিন নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান । বিচারক ধৃতকে ৬ দিন পুলিশি হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।পুলিশ জানিয়েছে ,গত ১৯ সপ্টেম্বর জেলার জামালপুর থানার জৌগ্রামের জলেশ্বরতলা এলাকার একটি বাঁশবাগান থেকে উদ্ধার হয় অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার মুখ থেঁতলানো মৃতদেহ।মহিলার মৃতদেহ উদ্ধারের সময় পুলিশ তাঁর কোমরে গোঁজা থাকা একটি পুঁটলি পায়। ওই পুঁটলির মধ্যে থাকা কাগজে লেখা ছিল কিছু ফোন নম্বার। তার সূত্র ধরে তদন্ত চালিয়ে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে পুলিশ মহিলার পরিচয় উদ্ধার করে। পুলিশ জানতে পারে মহিলার নাম সুখী মাণ্ডি। তাঁর স্বামীর নাম সাধন মাণ্ডি। তাঁরা মেমারি থানার নবস্তা ১ পঞ্চায়েতের পলশা গ্রামের বাসিন্দা। গত মঙ্গলবার মৃতার পরিবারের লোকজন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে মৃতদেহ সনাক্ত করেন।মহিলকে খুনের প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশ তাঁর পরিবার পরিজনের পাশাপাশি এলাকাবাসীর সঙ্গেও কথা বলে। তাঁদের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ জানতে পারে সাধন মাণ্ডির দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী সুখী। সাধনের প্রথম পক্ষের স্ত্রীর কোন সন্তান নেই। সুখীর দুটি পুত্র সন্তান রয়েছে। সুখী পলশা গ্রামে না থেকে কিছু দূরে গাঙ্গুয়া গ্রামের সাপার পাড়ায় থাকতেন বলেও পরিবার সদস্যরা পুলিশকে জানায়। এমনকী অন্য এক পুরুষের সঙ্গে সুখীর সম্পর্ক থাকার কথাও পরিবার সদস্যদের কাছ থেকে পুলিশ জানতে পারে।এসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিণ )আমিনুল ইসলাম খাঁন এদিন বলেন, সুখীর অন্য পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক থাকার কথা জানতে পারার পরেই ওই পুরুষ ব্যক্তির খোঁজ চালানো শুরু হয়। খোঁজ চালিয়ে পুলিশ জানতে পারে মেমারির কুচুট পঞ্চায়েতের সদস্য শোভন টুডুর সঙ্গে দীর্ঘদিন যাবৎ সুখীর বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে।পঞ্চায়েত সদস্যের ফোন কলের ডিটেইলস খতিয়ে দেখেও পুলিশ নিশ্চিৎ হয় সুখীর সঙ্গে শোভন টুডুর নিয়মিত কথা হত। শুক্রবার শোভন টুডুকে থানায় টানা জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সুখী মান্ডিকে খুনের কথা স্বীকার করে শোভন টুডু। তার পরেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের দাবি খুনের কারণ হিসাবে শোভন জানিয়েছে, মহিলা তাঁর কাছে প্রায়শই প্রচুর টাকার দাবি করতো। মহিলাকে অত অর্থ যোগান দেওয়ার চাপ তিনি আর নিতে পারছিলন না। সেই কারণে তিনি সুখীকে খুনের পরিকল্পনা কষেন। পরিকল্পনা মাফিক পরিচিতর বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে তিনি সুখীকে সঙ্গে নিয়ে জৌগ্রাম জলেশ্বরতলা এলাকায় আসেন।আগে থেকেই একটি মোটা পাইপ কিনে তিনি তাঁর বাইকের টুল বক্সে ভরে রেখেছিলেন। জলেশ্বরতলা এলাকার বাঁশ বাগানে সুখী বসতেই তিনি সেই পাইপ দিয়ে তার মুখ ও মাথার অংশে একাধিকবার আঘাত করেন। সুখীর মৃত্যু নিশ্চিৎ হবার পর শোভন বাইকে চেপে ঘটনাস্থল ছেড়ে পালায়। ওই পাইপ উদ্ধারের জন্য পুলিশ শোভন টুডুকে হেপাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১
রাজ্য

Bruised Face: মুখ থেঁতলানো রক্তাক্ত মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার, ব্যাপক চাঞ্চল্য জামালপুরে

সেচ ক্যানেলের পাড়ের নির্জন বাঁশবাগান থেকে উদ্ধার হল মাথা ও মুখের অংশ থেঁতলানো থাকা এক মহিলার রক্তাত মৃত দেহ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রবিবার সকাল থেকে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার জৌগ্রামের জলেশ্বর শিব মন্দির সংলগ্ন এলাকায়। খবর পেয়ে জামালপুর থানার পুলিশ ঘটনা স্থলে তদন্তে যায়। পুলিশ মধ্য বয়স্কা মহিলার মৃতদেহটি উদ্ধার করে এদিনই ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। মহিলাকে খুন করা হয়েছে বলেই প্রাথমিক তদন্ত শেষে পুলিশের অনুমান। মহিলার পরিচয় জানার চেষ্টা চালানোর পাশাপাশি মহিলাকে কারা খুন করে থাকতে পারে তার তদন্তও পুলিশ শুরু করেছে।জৌগ্রাম জলেশ্বরতলা এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, মহিলা তাঁদের এলাকার বাসিন্দা নন। বহিরাগত দুস্কৃতীরা রাতের অন্ধকারে মহিলাকে অন্য কোথাও নৃশংস ভাবে খুন করে দেহ তাঁদের এলাকার সেচ ক্যানেলের পাড়ের বাঁশবাগানে ফেলে দিয়ে পালিয়েছে বলেই মনে করছেন স্থানীয়রা। তাঁরা আরও জানিয়েছেন, শাড়ি পরিহিত এবং পায়ে আলতা ও হাতে শাঁখা পলা থাকায় এটুকু বোঝা গিয়েছে মহিলা কোন গৃহবধূ। পুলিশি তদন্তেই মহিলা খুনের পর্দা ফাঁস হবে আশা প্রকাশ করেছেন জৌগ্রামের বাসিন্দারা।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২১
রাজ্য

Threatening to Kill : কুপ্রস্তাবে নারাজ মহিলাকে সপরিবারে খুনের হুমকির অভিযোগ তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে

তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের কুপ্রস্তাবে রাজি হননি মহিলা। তাই ওই মহিলা ও তাঁর স্বামী, সন্তানকে খুনের হুমকি দেওয়া ও মারধরের অভিযোগ উঠলো তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের রায়না ১ ব্লকের পলাশন পঞ্চায়েতের ধারান গ্রামে। এই ঘটনা নিয়ে ওই মহিলা রায়না থানায় অভিযোগ জানালেওকোন কাজ না হওয়ায় বুধবার তিনি জেলার পুলিশ সুপার ও জেলাশাসকের দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে অভিযুক্তের শাস্তির দাবি করেছেন। ধারান গ্রামের তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য শেখ জাকির হোসেনের এমন কীর্তির কথা জানাজানি হতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে জেলার রাজনৈতিক মহলে।রায়নার ধারাণ গ্রামের কামারপাড়ায় বাড়ি ওই মহিলার। লিখিত অভিযোগে এদিন তিনি পুলিশ সুপার ও জেলাশাসককে জানিয়েছেন, তাঁদের গ্রামের তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যের নাম শেখ জাকির হোসেন। গত ২৫ আগষ্ট দুপুর আড়াইটে নাগাদ পঞ্চায়েত সদস্য মহিলার ফোন নম্বারে ফোন করেন। মহিলার অভিযোগে জানান, তাঁকে ফোন করে পঞ্চায়েত সদস্য খারাপ খারাপ কথা বলে ও কুপ্রস্তাব দেয়। সেই প্রস্তাবে তিনি রাজি হন না। এরপর জাকির হোসেন তাঁকে বলে তিনি রায়নার বিধায়ক শম্পা ধারার কাছের লোক। তার প্রস্তাবে রাজি হলে তিনি তাঁর ছেলের চাকরির ব্যবস্থা করে দেবেন বলেও বলেন। মহিলার অভিযোগ, পঞ্চায়েত সদস্যর কোন প্রস্তাবেই তিনি রাজি হন না। সেই কারণে পঞ্চায়েত সদস্য তাঁকে ও তাঁর স্বামী এবং ছেলেকে প্রাণে মেরেদেবে বলে হুমকি দেয়।পঞ্চায়েত সদস্যের এমন হুমকির বিষয়ে ওই দিনই মহিলা রায়না থানায় শেখ জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। মহিলা বলেন, রায়না থানার পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা তো দূরের কথা শুধুমাত্র একটা জিডি করেই দায় সারে। এমতাবস্থায় গত ৩০ আগষ্ট রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টা নাগাদ একজনকে সঙ্গে নিয়ে জাকির হোসেন তাঁর বাড়িতে চড়াও হয়। তারা তাঁকে ও তাঁর স্বামীকে মারধর করে। এমনি জাকির হোসেন ওইদিন হুমকি দিয়ে যায় রায়না থানা থেকে অভিযোগ প্রত্যাহার না করলে তাঁকে এবং তাঁর স্বামী ও ছেলেকে তিনি প্রাণে মেরে দেবেন। এমন ঘটনা সবিস্তার পুলিশ সুপারকে জানিয়ে মহিলা তাঁদের গ্রামের তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য শেখ জাকির হোসেনের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।পঞ্চায়েত সদস্য শেখ জাকির হোসেন যদিও তাঁর বিরুদ্ধে মহিলার আনা সমস্ত অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করেছেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, এমন কোন ঘটনার সঙ্গেই তিনি যুক্ত নন। ওই মহিলা ও তাঁর পরিবার বিজেপির সক্রিয়া কর্মী। ২০১১ সালে ধারান গ্রামের এক মহিলা তৃণমূল কর্মীকে খুনের ঘটনায় ওই মহিলা ও তাঁর স্বামী জড়িত। জাকির হোসেন দাবি করেন, তাঁর এবং তৃণমূল কংগ্রেসের বদনাম করতে ওই মহিলা উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে এইসব মিথ্যা অভিযোগ আনছেন। এই বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য মুখপত্র দেবু টুডু বলেন, কেউ অন্যায় করে থাকলে পুলিশ আইন মাফিক ব্যবস্থা নেবে। অন্যায়কারী যত বড়ই নেতা হন না কেন দল তাঁর পাশে থাকবে না। যদিও ধারান এলাকার বিজেপি মণ্ডল সভাপতি সুভাষ পাত্র পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছেন, ওই মহিলা ও তাঁর পরিবারের কেউ বিজেপি পার্টি করেন না। তাঁরা তৃণমূলেরই কর্মী। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে ওরা নিজেরাই এখন একে অপরকে এখন খুনের হুমকি দিচ্ছে। এরপর ওরা হয়তো খুনোখুনি করবে ।এসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিণ) আমিনুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, মহিলা যে অভিযোগ জানিয়েছেন তার তদন্ত হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে । রায়না থানার পুলিশের এক কর্তা এই বিষয়ে বলেন, ধারান গ্রামের ওই মহিলা কিছুদিন আগে যে অভিযোগ জানিয়ে ছিলেন তার ভিত্তিতে জিডি করা হয়েছে। তার তদন্ত চলছে। পরবর্তী সময়ে মহিলা আর কোনও অভিযোগ থানায় জানাননি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজনীতি

তৃণমূলের সাংগঠনিক পদ থেকে ইস্তফা কাকলির, "ভালো তৃণমূল" নিয়ে জোর চর্চা

তৃণমূল কংগ্রেসের সমস্ত সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে ইস্তফা দিলেন বারাসাতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীকে লেখা চিঠিতে তিনি মহিলা শাখার জাতীয় সভাপতির পদ-সহ সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন। একই সঙ্গে রাজ্য রাজনীতি তোলপাড় ভালো তৃণমূল নিয়ে। ইস্তফাপত্রে কাকলি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু তুলে ধরেছেন। রেশন দুর্নীতি, শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারি এবং দলের ওপর ভোটকুশলী সংস্থা আই-প্যাকের অতিরিক্ত প্রভাব বিস্তার নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। চিঠিতে তিনি লেখেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে আমার বিবেক গভীরভাবে পীড়িত।আরজি কর মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন ছাত্রী হিসেবে সেখানে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা এবং পরে তা ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে নাড়া দিয়েছে বলেও জানান কাকলি। তবে সাংগঠনিক পদ ছাড়লেও আপাতত দল ছাড়ছেন না তিনি। সাধারণ কর্মী হিসেবেই তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত থাকার কথা জানিয়েছেন বারাসাতের সাংসদ।উল্লেখ্য, সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সভাপতিত্বে আয়োজিত একটি প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। দলীয় আপত্তি উপেক্ষা করে সেই বৈঠকে উপস্থিত থাকার পর থেকেই তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। এর মধ্যেই তাঁর ইস্তফা তৃণমূলের অন্দরে নতুন করে চাপ বাড়িয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মে ২৮, ২০২৬
রাজনীতি

সোশাল মিডিয়া তোলপাড় ভালো তৃণমূল খারাপ তৃণমূলে, এই তত্বে ক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা

ভালো তৃণমূল, খারাপ তৃণমূলে তোলপাড় সোশাল মিডিয়া। তৃণমূল কংগ্রেসে ভালো কিছু আছে বলে বিজেপি কর্মী ও সমর্থকরা কোনওভাবেই মানতে নারাজ। তাই বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্যকে কোনও ভাবে সমর্থন করছে না তাঁরা। তৃণমূলের যাঁরা দুর্নীতি বা অন্যায়ের সঙ্গে যারা যুক্ত নন তাঁরা কবে দড়জায় কড়া নাড়বেন, সেকথাই বলেছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। তাতেই ভালো তৃণমূল তত্ব ভেসে ওঠে। বিগত ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের পর বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের ওপর অমানুষিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূল কংগ্রেসের ওপর। খুন, ধর্ষণ থেকে বাড়ি-ঘর ভেঙে তছনছ করে পুড়িয়ে দেওয়ার মত আক্রমণের ঘটনায় উত্তাল হয়েছিল বাংলা। এমনকী গত পাঁচ বছরে ৩২১ জন বিজেপি কর্মী তৃণমূলের হাতে শহিদ হয়েছেন বলে রাজ্য বিজেপির দাবি। বগটুই থেকে আরজিকরের মতো নারকীয় ঘটনা ঘটেছে এই রাজ্যে। একের পর এক দুর্নীতির ঘটনা সামনে এসেছে। গ্রেফতার হয়েছেন মন্ত্রী থেকে নেতারা। শেষমেশ ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। তৃণমূলের একাংশের বক্তব্যে গিরগিটিও যেন হার মানবে। টিভি শো থেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে তৃণমূল কংগ্রেসের যে নেতৃত্ব বিজেপিকে গালমন্দ না করে মুখে অন্ন তোলেনি তারা এখন মমতা-অভিষেকের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছে। ভাবটা এমন যে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের থেকেও তারা অত্যাচারিত ছিল। অথচ দিনের পর দিন তারা ক্ষমতার অলিন্দে থেকে সবরকম ভোগ বিলাস করেছেন। তৃণমূল জমানার কোনও ঘটনা নিয়ে টু শব্দটি করেননি। বরং বিজেপিকে যতটা বেশি কোনঠাসা করা যায় ততটাই করেছেন। এখন তারা ভালো তৃণমূল সাজতে উঠেপড়ে লেগেছেন। তৃণমূল নেতাদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার হচ্ছে। সঙ্গে আরও বহু সামগ্রী। এরা এখন পরিস্থিতির চাপে পড়ে নিজেদের পিঠ বাঁচাতে মন ভোলানো সুর তুলেছেন। কিন্তু তৃণমূল ক্ষমতায় ফিরলে এদের এই রূপ কিছুতেই দেখতে পেত না বাংলার মানুষ। টিভি চ্যানেলে দিনের পর দিন বিজেপি বক্তাদের অবহেলা, অবজ্ঞা, অপমান করেছেন, ঔদ্ধত্য দেখিয়েছেন। এখন তারা ভালো তৃণমূলের দৌড়ে অংশ নিয়েছেন। বিজেপি কর্মী সর্থকরাই বলছেন এভাবে ভালো তৃণমূল বাছলে তারা আবার খারাপ না হয়ে যান। তাঁদের বক্তব্য়, ২০২৬-এর ভোটে জয় বিজেপির লড়াই ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণেই সম্ভব হয়েছে। ওই ভালো তৃণমূলীরা বিজেপিকে পদদলিত করতে চেয়েছিল। নির্বাচনে হেরে গেলে জীবন বিপন্ন হয়ে যেতে নীচুতলার বিজেপি কর্মীদের। তাই তারা বিজেপি নেতৃত্বের কাছে আবেদন করছেন, এই ভালো তৃণমূল খোঁজার নামে দলকে বিপদগামী করবেন না। বাস্তবে একটা পচা আলু গোটা বস্তার আলুকে পচিয়ে দেয়। তাতে দলের কর্মীরা হতাশ তো হবেনই পাশাপাশি সামনের দিন বাংলায় বিজেপির শাসন দরকার। ভোট বলে বিষয়বস্তু কিন্তু থাকবে। সাংসদ রাহুল সিনহা বলেছেন, বিজেপি আগামী ২৫ বছর থাকবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলতেন আগামী ৫০ বছর তৃণমূল থাকবে। মানুষ কিন্তু সব মনে রাখে। সময়ের অপেক্ষায় থাকে। অভিজ্ঞ মহল মনে করছে, বিজেপি সাধারণের প্রতিক্রিয়া যাচাই করতে অথবা পরবর্তীতে যাতে কোনও ক্ষোভ-বিক্ষোভ না থাকে তার জন্য এই তত্ব ছেড়েছে। এখন দেখার বিষয় বিজেপির কাছে ভালো তৃণমূল কারা, খারাপ তৃণমূল কারা।

মে ২৮, ২০২৬
রাজ্য

সীমান্তে ফের লম্বা লাইন! আতঙ্কে বাংলাদেশে ফিরতে শুরু করলেন সন্দেহভাজন অনুপ্রবেশকারীরা

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর অনুপ্রবেশ ইস্যুতে ফের সরগরম হয়ে উঠেছে সীমান্ত এলাকা। ডিটেক্ট-ডিলিট-ডিপোর্ট নীতি কার্যকর করতে ইতিমধ্যেই জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরির নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশের পর প্রশাসনিক তৎপরতাও অনেকটাই বেড়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।এরই মধ্যে বসিরহাটের স্বরূপনগর ব্লকের হাকিমপুর চেকপোস্ট এলাকায় ফের দেখা গেল চাঞ্চল্যকর ছবি। সীমান্তের কাছে বহু মহিলা, পুরুষ ও যুবককে ছোট ছোট ব্যাগ নিয়ে অপেক্ষা করতে দেখা গিয়েছে। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, এদের অনেকেই সন্দেহভাজন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী, যারা বর্তমানে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।কয়েক মাস আগেও একই ধরনের ছবি দেখা গিয়েছিল। তখনও সীমান্ত এলাকা দিয়ে বহু মানুষ বাংলাদেশে ফিরে গিয়েছিলেন বলে জানা যায়। স্থানীয় সূত্রের দাবি, এদের অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় নির্মাণ শ্রমিক, মাছের ভেড়িতে কাজ কিংবা দৈনিক মজুরির বিভিন্ন পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।সোমবার দুপুরে হাকিমপুর সীমান্ত এলাকায় উপস্থিত কয়েকজন জানান, দালালচক্রের মাধ্যমে এক থেকে দেড় বছর আগে তাঁরা সীমান্ত পেরিয়ে এ রাজ্যে এসেছিলেন। কিন্তু বর্তমানে প্রশাসনের কড়াকড়ি এবং নজরদারি বাড়ায় তাঁরা ফের বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সীমান্ত এলাকায় পুলিশ ও প্রশাসনের নজরদারি অনেকটাই বেড়েছে। বিভিন্ন এলাকায় পরিচয়পত্র যাচাই, ভাড়াবাড়িতে তল্লাশি এবং সন্দেহভাজনদের উপর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।যদিও প্রশাসনের তরফে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। তবে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও শক্তিশালী করা হয়েছে বলে প্রশাসনের একাংশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

মে ২৬, ২০২৬
রাজ্য

শুভেন্দুর বৈঠকে তৃণমূল সাংসদ! বাংলার রাজনীতিতে বড় চমক কাকলির উপস্থিতিতে

বাংলার রাজনীতিতে এক বিরল ছবি দেখা গেল মঙ্গলবার। কল্যাণীতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে হাজির হলেন বিরোধী দলের সাংসদ ও বিধায়করা। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি চর্চায় বারাসতের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের উপস্থিতি।মঙ্গলবার সকালে বৈঠক শুরুর আগেই সভাস্থলে পৌঁছে যান কাকলি। তাঁকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমন্ত্রণ পেয়েছি, তাই এসেছি। প্রশাসনটা কারও একার নয়। এটা কোনও দলীয় সভা নয়।শুধু কাকলি নন, এদিন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের আরও তিন বিধায়ক। হাজির ছিলেন দেগঙ্গার বিধায়ক আনিসুর রহমান, হাড়োয়ার বিধায়ক আব্দুল মতিন এবং স্বরূপনগরের বিধায়ক বীণা মণ্ডল।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই ছবি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ তৃণমূল জমানায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠকে বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদের সাধারণত দেখা যেত না। সেই জায়গায় শুভেন্দু অধিকারীর বৈঠকে বিরোধী শিবিরের জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতি নতুন রাজনৈতিক বার্তা দিচ্ছে বলেই মনে করা হচ্ছে।হাড়োয়ার বিধায়ক আব্দুল মতিন বলেন, রাজনীতিতে মতভেদ থাকতেই পারে। কিন্তু উন্নয়নের প্রশ্নে আমরা সবাই এক। তাই এখানে এসেছি।এদিকে গত কয়েকদিন ধরেই কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা বাড়ছিল। লোকসভার মুখ্য সচেতক পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপরই সমাজমাধ্যমে একটি আবেগঘন পোস্ট করেছিলেন তিনি। সেখানে লিখেছিলেন, চার দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম।এরপর তাঁর বাড়ির সামনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। গত রবিবার সাংবাদিক বৈঠক করে কাকলি জানান, তিনি সাংগঠনিক জেলা সভাপতির পদ থেকেও ইস্তফা দিচ্ছেন। আর তার মধ্যেই শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠকে তাঁর উপস্থিতি ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে।

মে ২৬, ২০২৬
দেশ

সীমান্তে বড় অভিযান! বাংলায় আসছেন অমিত শাহ, অনুপ্রবেশ রুখতে কড়া বার্তা কেন্দ্রের

অনুপ্রবেশ রুখতে কেন্দ্রের নীতি এখন আরও কঠোর। ডিটেক্ট, ডিলিট, ডিপোর্ট নীতিকে সামনে রেখেই দেশজুড়ে সীমান্ত নিরাপত্তায় জোর দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। এরই মধ্যে সীমান্ত পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে চার রাজ্যে সফরে বের হচ্ছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই তালিকায় রয়েছে পশ্চিমবঙ্গও।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার থেকেই শুরু হচ্ছে অমিত শাহের এই সীমান্ত সফর। প্রথমে তিনি যাবেন রাজস্থানের বিকানেরে। সেখানে সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখবেন তিনি। পাশাপাশি সীমান্ত লাগোয়া জেলার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিক, বিএসএফ এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের আধিকারিকদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবেন।আগামী ১৫ জুন পশ্চিমবঙ্গে আসার কথা রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের কাজ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখবেন তিনি। সীমান্ত এলাকার একটি বিএসএফ পোস্টেও যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তাঁর। এছাড়াও সীমান্তবর্তী জেলার প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন অমিত শাহ।রাজ্য ইতিমধ্যেই বিএসএফকে জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। তার মধ্যেই অমিত শাহের এই সফরকে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। সীমান্ত নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে স্থানীয় প্রশাসন এবং বিএসএফকে একযোগে কাজ করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে।কেন্দ্রের দাবি, সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করাই এখন প্রধান লক্ষ্য। জনবিন্যাসের পরিবর্তন রুখতে এবং সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করতেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।

মে ২৬, ২০২৬
কলকাতা

“আমাকে গ্রেপ্তার করুন!” নিউটাউনের রাস্তায় টলোমলো পায়ে বিডিওর কাণ্ডে তোলপাড়

সল্টলেকের স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যা অপহরণ ও খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মন এবার নতুন বিতর্কে জড়ালেন। অভিযোগ, মদ্যপ অবস্থায় প্রকাশ্য রাস্তায় বেপরোয়া আচরণ করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। সেই ঘটনার ভিডিও ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিও সামনে আসতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।সোমবার রাত সাড়ে দশটা নাগাদ নিউটাউনের সারচি সিগন্যালের সামনে ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর সময় এক বাইকচালককে ধাক্কা মারেন প্রশান্ত বর্মন। ধাক্কায় রাস্তায় পড়ে গিয়ে গুরুতর জখম হন ওই বাইক আরোহী। পরে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।ঘটনার পর স্থানীয় পথচারীরা প্রতিবাদ শুরু করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, সেই সময় অভিযুক্ত বিডিও রাস্তাতেই চিৎকার শুরু করেন এবং প্রতিবাদকারীদের উদ্দেশে নানা হুমকি দেন। ভাইরাল ভিডিওতে তাঁকে কখনও দুর্নীতিগ্রস্ত বলে কটাক্ষ করতে, আবার কখনও চড় মারার হুমকি দিতে দেখা গিয়েছে।ভিডিওতে আরও দেখা যাচ্ছে, এক সময় তিনি নিজেই গাড়ি থেকে নেমে টলোমলো পায়ে পুলিশকে বলছেন, আমাকে গ্রেপ্তার করুন। পুরো ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে বিধাননগর কমিশনারেটের ইকো পার্ক থানার পুলিশ অভিযুক্ত বিডিওকে আটক করে নিয়ে যায়।যদিও ভাইরাল ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

মে ২৬, ২০২৬
কলকাতা

পুরসভার নোটিসের মাঝেই অভিষেকের বাড়িতে কলকাতা পুলিশ! হঠাৎ তৎপরতায় বাড়ছে জল্পনা

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি এবং বাড়ির বেআইনি অংশ ভাঙা নিয়ে কলকাতা পুরসভার দেওয়া নোটিস ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। সোমবার ছিল পুরসভার দেওয়া সময়সীমার শেষ দিন। তার আগেই সময় বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে কলকাতা পুরসভা আরও ১০ দিনের সময় দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই আবহেই সোমবার বিকেলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হরিশ চ্যাটার্জি রোডের বাড়ি শান্তিনিকেতন-এ পৌঁছে যায় কলকাতা পুলিশের একটি দল। আর তাতেই শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।সূত্রের খবর, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংস্থার সম্পত্তির মধ্যেই পড়ে অভিষেকের এই বাড়ি। তৃণমূল জমানায় এই সংস্থাকে ঘিরে একাধিক বিতর্ক সামনে এসেছিল। ফলে পুরসভার নোটিসের পর আচমকা পুলিশের উপস্থিতি ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কেউ মনে করছেন, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংক্রান্ত কোনও বিষয়েই নতুন করে নজরদারি শুরু হয়েছে। আবার কারও মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা খতিয়ে দেখতেই পুলিশের এই সফর।যদিও বাড়ি থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নের উত্তর দেননি পুলিশ আধিকারিকরা। ফলে জল্পনা আরও বেড়েছে।উল্লেখ্য, গত সোমবারই কলকাতা পুরসভার তরফে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাট রোড এবং হরিশ মুখার্জি রোডের দুটি ঠিকানায় নোটিস পাঠানো হয়েছিল। বাড়ির অতিরিক্ত নির্মাণের জন্য পুরসভার অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কি না, তা জানতে চাওয়া হয়। একই সঙ্গে শান্তিনিকেতন-এর বেআইনি অংশ ভাঙার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল বলে সূত্রের খবর। পাশাপাশি অভিষেকের ১৭টি সম্পত্তিও নজরে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।কয়েক দিন আগেই কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়েছিলেন অভিষেক। পুরসভার নোটিস নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন উঠতেই প্রথমে কোনও উত্তর দেননি তিনি। পরে গাড়ির কাঁচ নামিয়ে কিছুটা বিরক্তির সুরে বলেন, বাড়ির কোন অংশ অবৈধ, সেটা নির্দিষ্ট করে জেনে আসুন। তারপর আমাকে প্রশ্ন করুন, আমি উত্তর দেব।সেই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছিল। তবে এবার সময় বাড়ানোর আবেদন এবং পুরসভার সেই আবেদন মঞ্জুর করার পর পরিস্থিতি কিছুটা বদলেছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

মে ২৫, ২০২৬
কলকাতা

হাওয়ায় দুলছে মেসির বিশাল মূর্তি! আতঙ্কে লেকটাউন, রাতেই ভাঙার সিদ্ধান্ত?

লেকটাউনে তৈরি হওয়া বিশাল লিওনেল মেসির মূর্তি ঘিরে এবার আতঙ্ক ছড়াল স্থানীয়দের মধ্যে। অভিযোগ, হাওয়ায় প্রবলভাবে দুলছে মূর্তিটি। যে কোনও সময় সেটি ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকার বাসিন্দারা। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে সোমবার ঘটনাস্থলে পৌঁছন পূর্ত দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার, সরকারি আধিকারিক এবং লেকটাউন থানার পুলিশ।স্থানীয়দের অভিযোগ, মূর্তিটির নীচের অংশের মাটি বসে গিয়েছে। চারপাশে পাথর ও মাটি বেরিয়ে এসেছে। ফলে গোটা কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। হাওয়ায় মূর্তিটি দুলতে থাকায় আতঙ্ক আরও বেড়েছে।মূর্তিটির ঠিক নীচেই রয়েছে একটি জায়ান্ট স্ক্রিন। সন্ধ্যার সময় সেখানে ভিড় করেন বহু মানুষ। আইপিএলের ম্যাচ দেখার জন্য প্রতিদিনই জমায়েত হয় স্থানীয়দের বড় অংশ। সেই সময় যদি মূর্তিটি ভেঙে পড়ে, তাহলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা সরেজমিনে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। জানা গিয়েছে, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। পরিস্থিতি বিচার করে সোমবার রাতেই মূর্তিটি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।উল্লেখ্য, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে এই বিশাল মূর্তিটি তৈরি করা হয়েছিল। আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ী ফুটবলার লিওনেল মেসি কলকাতা সফরে এলে ভার্চুয়ালি এই মূর্তির উদ্বোধন করেছিলেন। সেই সময় তাঁর পাশে ছিলেন বিধাননগরের প্রাক্তন বিধায়ক ও প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। মূলত তাঁর উদ্যোগ ও তত্ত্বাবধানেই তৈরি হয়েছিল মূর্তিটি।

মে ২৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal