• ২ মাঘ ১৪৩২, শনিবার ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Virus

কলকাতা

নিপা আতঙ্কের মাঝেই আশার খবর, কোমা কাটিয়ে সাড়া দিচ্ছেন আক্রান্ত নার্স

রাজ্যে নিপা ভাইরাস নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই মিলল কিছুটা স্বস্তির খবর। নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত পুরুষ নার্স চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। এতদিন তিনি কোমায় ছিলেন। বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। বারাসাতের নারায়ণা হাসপাতালে ভর্তি ওই নার্সকে ধীরে ধীরে ভেন্টিলেটর থেকে বের করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর।একই সময়ে নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত মহিলা নার্সের শারীরিক অবস্থার কোনও পরিবর্তন হয়নি বলে জানা গিয়েছে। তিনি এখনও চিকিৎসকদের কড়া নজরদারিতে রয়েছেন। বেলেঘাটা আইডি হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, নিপা সন্দেহে আইসোলেশনে থাকা কয়েকজন চিকিৎসক ও নার্সের অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল। তবে তাঁদের শরীর থেকে নেওয়া নমুনার পরীক্ষার রিপোর্ট এখনও হাতে আসেনি।স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, নদিয়া জেলা থেকে যাঁদের নমুনা পরীক্ষার জন্য কল্যাণী এইমস-এ পাঠানো হয়েছিল, সেই ৪৫ জনের রিপোর্টই নেগেটিভ এসেছে। এতে কিছুটা হলেও স্বস্তি মিলেছে প্রশাসনের।এদিকে, দুই নার্স কীভাবে নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন, তা খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। স্বাস্থ্য দফতরের অনুমান, কাটোয়ার এক নার্স ১৫ থেকে ১৭ ডিসেম্বর পারিবারিক বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া নদিয়া জেলার ঘুঘরাগাছি গ্রামে গিয়েছিলেন। ওই এলাকা থেকেই সংক্রমণ হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এই অঞ্চলে কাঁচা খেজুরের রস ও খেজুরের গুড় তৈরির চল রয়েছে। ওই নার্স কাঁচা খেজুরের রস বা গুড় খেয়েছিলেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। এই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে স্বাস্থ্য দফতরের একটি দল ওই গ্রামে যেতে পারে।নদিয়া থেকে ফেরার পর ১৮ ডিসেম্বর থেকে ওই নার্সের সর্দি-কাশির উপসর্গ দেখা দেয়। স্বাস্থ্য দফতরের অনুমান, তাঁর সংস্পর্শে এসেই পুরুষ নার্সের শরীরে সংক্রমণ ছড়িয়েছে। ২০ ও ২১ ডিসেম্বর দুজনে একই হাসপাতালে নাইট ডিউটি করেছিলেন। চিকিৎসকরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, কাঁচা খেজুরের রস না খাওয়াই ভাল। তবে খেজুরের গুড় বা পাটালি খেলে সমস্যা নেই।নিপা আক্রান্ত দুই নার্সের চিকিৎসার জন্য দাদরা ও নগর হাভেলি থেকে বিশেষ ধরনের অ্যান্টিভাইরাল ইঞ্জেকশন আনা হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সহযোগিতায় মঙ্গলবার রাতে সেগুলি কলকাতায় পৌঁছয়। বুধবার সকালে সেই ইঞ্জেকশন প্রয়োগ করা হয়েছে।এর মধ্যেই নিপা সংক্রমণের আশঙ্কায় বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে আরও এক চিকিৎসক ও এক নার্সকে ভর্তি করা হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, কাটোয়ার আক্রান্ত নার্সের কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং করতে গিয়েই তাঁদের খোঁজ পাওয়া যায়। তাঁরা দুজনেই বর্ধমান জেলায় কর্মরত ছিলেন। তাঁদের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতরের দাবি, আক্রান্ত দুই নার্সের সংস্পর্শে এসেছিলেন এমন পাঁচজন স্বাস্থ্যকর্মীর নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল। প্রত্যেকের রিপোর্টই নেগেটিভ এসেছে।

জানুয়ারি ১৫, ২০২৬
রাজ্য

নিপা ভাইরাসে কাঁপছে বাংলায়! আবার রাজ্যে ফিরছে কোয়ারেন্টাইন ..

বাংলায় ফের নিপা ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়াল। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালের দুই নার্সের শরীরে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। গত ১১ জানুয়ারি কল্যাণীর এইমস-এর ভাইরাস রিসার্চ ও ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষায় তাঁদের শরীরে নিপা ভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য নমুনা পুণের ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় সরকারও নড়েচড়ে বসেছে। দিল্লি থেকে আজই একটি প্রতিনিধি দল রাজ্যে আসছে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে আক্রান্ত নার্সদের সংস্পর্শে আসা এক চিকিৎসক, দুজন নার্স, একজন সাফাই কর্মী এবং একজন অ্যাম্বুলেন্স চালককে কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর।স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, নিপা আক্রান্ত নার্স অসুস্থ অবস্থায় কাটোয়ায় যাঁদের সংস্পর্শে এসেছিলেন, তাঁদের খোঁজ চালাতে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করে তাঁদের শারীরিক অবস্থার উপর নজর রাখছেন পূর্ব বর্ধমান জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক।জানা যাচ্ছে, ওই নার্স ২ জানুয়ারি শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে কাটোয়ার এক চিকিৎসকের ব্যক্তিগত চেম্বারে চিকিৎসা করাতে গিয়েছিলেন। চিকিৎসক সিদ্ধেশ্বর গুপ্ত জানিয়েছেন, ওই তরুণী একবার জ্ঞান হারিয়েছিলেন ঠিকই, তবে তখন জ্বর বা গা ব্যথার মতো কোনও অস্বাভাবিক উপসর্গ চোখে পড়েনি।এর পর ৩ জানুয়ারি ফের সংজ্ঞা হারালে পরিবারের লোকজন তাঁকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকেরা তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানেই পরীক্ষার পর জানা যায়, তিনি নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত।এই ঘটনায় রাজ্য জুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

Omicron: আগামী বছরই আছড়ে পড়বে ওমিক্রনের ঢেউ! পূর্বাভাস বিজ্ঞানীদের

কয়েক মাস আগেই গবেষক-বিজ্ঞানীরা জানিয়েছিলেন, দেশে করোনার শেষের শুরু হয়ে গিয়েছে। বছর শেষে সংক্রমণের হার কম থাকলেও, ক্রমশ বাড়ছে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্তের সংখ্যা। দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ ডেকে আনতে পারে ওমিক্রনই, এমনটাই ধারণা বিজ্ঞানীদের। তাদের দাবি, আগামী বছর ফেব্রুয়ারি মাসেই সংক্রমণের নতুন ঢেউ আছড়ে পড়বে।বিজ্ঞানী-গবেষকদের মতে, আমেরিকা ও ব্রিটেনে সংক্রমণ, মৃত্যুহার ও হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা নিয়ে যে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, তা যদি মিলে যায়, তবে আগামী ফেব্রুয়ারি মাসেই ভারতে ওমিক্রনের ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে। মহামারির সময়কাল গণনার জন্য তৈরি সূত্র মডেল অনুসারেই এই পূর্বাভাস দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এই মডেলের আবিস্কারকর্তা মণীন্দ্র আগরওয়াল ও এম বিদ্যাসাগর জানান, আগামী বছরই ফেব্রুয়ারি মাসে করোনার নতুন একটি ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে। তবে এটি ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করতে পারবে না, সংক্রমণের হারও সামান্যই হবে।সূত্র মডেলের আবিস্কারকর্তা দুই বিজ্ঞানী বলেন, খুব খারাপ পরিস্থিতি তৈরি হলে, ফেব্রুয়রি মাসে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ১.৫ লাখ থেকে ১.৮ লাখ হতে পারে। তাও এটা তখনই সম্ভব, যদি ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট সম্পূর্ণরূপে টিকা বা পূর্ব সংক্রমণ থেকে তৈরি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে সম্পূর্ণরূপে ফাঁকি দেয়।যে হারে টিকাপ্রাপ্ত মানুষেরা ওমিক্রনে আক্রান্ত হচ্ছেন, তাতে প্রশ্ন উঠছে, সাধারণ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা টিকার মাধ্যমে প্রাপ্ত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে কতটা ফাঁকি দিতে সক্ষম এই ভ্যারিয়েন্ট।

ডিসেম্বর ২২, ২০২১
দেশ

Omicron Modi: ওমিক্রন নিয়ে আধিকারিকদের কী বার্তা দিলেন মোদি?

দক্ষিণ আফ্রিকায় পাওয়া করোনা ভাইরাসের নয়া রূপ ওমিক্রন নিয়ে উদ্বেগ ছড়িয়েছে ইউরোপ এবং আমেরিকায়। উদ্বিগ্ন ভারতও। শনিবার বিষয়টি নিয়ে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এবং সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অন্তত ৫০ বার জিনের বিন্যাস বদল করে তৈরি হওয়া এই রূপ সম্পর্কে কেন্দ্রের স্বাস্থ্য আধিকারিকদের থেকে বিশদে খোঁজ খবর নিয়ে আরও সক্রিয় হওয়ার পরামর্শ দিলেন তিনি।এখনও পর্যন্ত যে সব দেশে এই রূপের হদিশ মিলেছে, সেখানকার যাত্রীদের কোভিড পরীক্ষা যাতে সঠিক ভাবে হয় এবং তাঁদের স্বাস্থ্যের উপরেও যাতে নজর রাখা হয়, তার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এ ছাড়াও বিদেশে যাতায়াত আগামী দিনে কতটা শিথিল করা হবে, সেই বিষয়টি আধিকারিকদের পর্যালোচনা করে দেখতে বলেছেন তিনি। সরকারি আধিকারিকদের প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ, জেলা স্তরে কোভিড পরীক্ষা এবং নজরদারি বাড়াতে রাজ্যের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে হবে। শনিবারের ২ ঘণ্টার বৈঠকে করোনা টিকাকরণ নিয়েও খোঁজখবর নেন মোদি। বিদেশ থেকে আগত যাত্রীদের ক্ষেত্রে আরও বেশি করে সজাগ থাকার প্রয়োজন আছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বিশেষ করে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক থেকে যে দেশগুলিকে ঝুকিপূর্ণ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে, সেই দেশগুলি থেকে আগত যাত্রীদের করোনা পরীক্ষা করানোর ক্ষেত্রে আরও জোর দিতে বলা হয়েছে।এর পাশাপাশি বাড়ি থেকে বাইরে বেরোলেই মাস্ক পরা, নিয়মিত হাত স্যানিটাইজ করা এবং শারীরিক দূরত্ব বিধি বজায় রাখা-সহ যাবতীয় কোভিড সুরক্ষা বিধি মেনে চলা এইসময় ভীষণভাবে দরকার বলে মনে করেছেন প্রধানমন্ত্রী। আজ নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে ওই পর্যালোচনা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সচিব, স্বাস্থ্য সচিব এবং কোভিড টাস্ক ফোর্সের প্রধান-সহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা। একটি বৈঠকের সভাপতিত্ব করেছেন।

নভেম্বর ২৭, ২০২১
দেশ

Corona-New Strain: ভয় ধরাচ্ছে করোনার নয়া রূপ 'ওমিক্রন'

করোনা ভাইরাসের নতুন বি.১.১.৫২৯ প্রজাতিকে উদ্বেগজনক বা ভেরিয়েন্ট অব কনসার্ন হিসেবে চিহ্নিত করে সেটিকে ওমিক্রন নাম দিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)। নতুন এই ভেরিয়েন্ট নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে দেশ-বিদেশের বিশেষজ্ঞদের। দক্ষিণ আফ্রিকা ও বৎসোয়ানায় টিকাপ্রাপ্তরাই করোনার নতুন এই প্রজাতির দ্বারা সংক্রমিত হয়েছেন। গত কাল এই ভেরিয়েন্টের বিষয়ে ভারতের সমস্ত রাজ্যকে সতর্ক করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব রাজেশ ভূষণ। তবে এ দেশে এখনও পর্যন্ত এই নয়া ভেরিয়েন্ট পাওয়া যায়নি বলেই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রের খবর।হু জানিয়েছে, নয়া ভেরিয়েন্টের ভাবগতিক বুঝতে আরও কয়েক সপ্তাহ সময় লাগবে। তবে বিবৃতিতে তারা বলেছে, এই ভেরিয়েন্টে বিপজ্জনক মিউটেশন ঘটেছে। বস্তুত, সেই কারণেই চিহ্নিত হওয়ার প্রায় সঙ্গে সঙ্গে ঝুঁকির সর্বোচ্চ ধাপে রাখা হল করোনার এই নয়া স্ট্রেনকে। দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম চিহ্নিত হয়েছিল এই প্রজাতির ভাইরাস। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, তাতে ৫০টি মিউটেশন (জিনগত পরিবর্তন) ইতিমধ্যেই ঘটে গিয়েছে, যার মধ্যে তিরিশটিরও বেশি হয়েছে শুধুমাত্র স্পাইক প্রোটিনে। নতুন এই প্রজাতির করোনা ভাইরাস যাঁদের আক্রমণ করেছে, তাঁদের শরীরে ভাইরাসের পরিমাণ বা ভাইরাল লোড খুব বেশি হয়েছে। নতুন প্রজাতিটির উৎস নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। বিজ্ঞানীদের একাংশের মতে, দক্ষিণ আফ্রিকার কোনও এইচআইভি আক্রান্তের শরীরই সম্ভবত এই ভেরিয়েন্টের উৎস। অতীতে করোনার বিটা ভেরিয়েন্টও এক এইচআইভি রোগীর শরীরে প্রথম পাওয়া গিয়েছিল।দক্ষিণ আফ্রিকায় বুধবার যত জন সংক্রমিত হয়েছেন, তাঁদের ৯০ শতাংশের শরীরেই ওমিক্রন স্ট্রেনের ভাইরাস মিলেছে। নতুন এই প্রজাতির করোনা সবচেয়ে বেশি ছড়িয়েছে জোহানেসবার্গে। সেখানকার সংক্রমিতদের মধ্যে অধিকাংশই স্কুল-কলেজের পড়ুয়া। ফলে বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, নয়া প্রজাতির ভাইরাসের শিকার মূলত হচ্ছেন অল্পবয়সিরা।নতুন ভেরিয়েন্ট নিয়ে উদ্বেগের মুখে আগামী সোমবার চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞদের বৈঠক ডেকেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজিরওযাল।

নভেম্বর ২৭, ২০২১
বিদেশ

Corona Virus: কীভাবে ছড়িয়েছিল করোনা ভাইরাস? চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট প্রকাশ্যে

মানুষের শরীরে করোনাকে বাসা বাঁধানোর চেষ্টাই চালানো হচ্ছিল উহানে ল্যাবে! সেই সময়ই কোনও ফাঁকে ভাইরাস বেরিয়ে অতি মহামারির রূপ নিয়েছে। চিনের এক গবেষণাগারে প্রতিনিয়ত বিশ্বের বিভিন্ন নাম না জানা ভাইরাস নিয়ে গবেষণা চলছে। সেখান থেকেই কি কোনও ফাঁকে বেরিয়ে এসেছিল করোনা ভাইরাস? আর তাতেই বিশ্ব জুড়ে মৃ্ত্যু হয়েছে ৪৪ লক্ষ মানুষের? এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে অতিমারি শুরু হওয়ার পর থেকেই। আমেরিকা বারবার উহানের সেই ল্যাবের তত্ত্ব সামনে আনলেও, চিন বরাবরই তা উড়িয়ে দিয়েছে। মার্কিন গবেষকরা এই বিষয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত রিপোর্ট দেননি। তবে এ বার উহান ল্যাব সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট প্রকাশ্যে আনল মার্কিন রিপাবলিকান দল। তাঁদের গবেষকদের দাবি, উহানের ল্যাব থেকেই ছড়িয়েছে করোনা।আরও পড়ুনঃ উদ্বেগ বাড়িয়ে ডেল্টার প্রভাবে ফের বাড়ছে সংক্রমণসোমবার প্রকাশিত হওয়া রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, আমেরিকা ও চিনের সরকারের যৌথ সহযোগিতায় চলা ওই উহান ল্যাবে করোনা নিয়ে গবেষণা চলছিল, পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছিল যে কী ভাবে করোনা ভাইরাসকে মানুষের শরীরে সংক্রমিত করানো সম্ভব। এমন প্রমাণ রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে রিপাবলিকানদের এই রিপোর্টে। রিপাবলিকানের প্রতিনিধি মাইক ম্যাককাউন জানিয়েছেন, সোমবার একটি বিশেষ প্যানেলের তৈরি করা এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আনেন। নতুন করে এই ইস্যু নিয়ে তদন্তের দাবিও জানিয়েছেন তাঁরা।রিপাবলিকানদের এই রিপোর্টে বলা হয়েছে, উহানের মাছের বাজার থেকে ভাইরাস ছড়িয়েছ, এমন তত্ত্ব খারিজ করে দেওয়ার সময় এসেছে বলে আমরা বিশ্বাস করি। উহান ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজি থেকেই করোনা ভাইরাস ছড়িয়েছে বলেই আমাদের বিশ্বাস।

আগস্ট ০৩, ২০২১
দেশ

Railway: করোনায় প্রাণ গিয়েছে ২,৯০৩ জন রেলকর্মীর

করোনা মহামারি আঘাত হানার পর থেকে এখনও পর্যন্ত ভারতীয় রেলে মোট ২ হাজার ৯০৩ জন কর্মী প্রাণ হারিয়েছেন। শুক্রবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব সংসদে এমনটাই জানান। রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের উত্তরে লিখিত আকারে এই তথ্য পেশ করা হয়। অশ্বিনী আরও উল্লেখ করেছেন, এখনও পর্যন্ত করোনায় মৃত ২ হাজার ৭৮২ জন রেলকর্মীদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুনঃ পোলিকারপোভাকে উড়িয়ে দারুণভাবে অলিম্পিক অভিযান শুরু করলেন সিন্ধুমন্ত্রী জানান, কর্মরত অবস্থায় কোনও কর্মীর মৃত্যু হলে ভারতীয় রেলের তরফে তাঁদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সংশ্লিষ্ট নীতি রয়েছে। রেলওয়ে কর্মীর ওপর নির্ভরশীল পরিবারের সদস্যদের করোনায় মৃত্যু হলে এই স্কীমের সমস্তরকম সুবিধা রেলের তরপে দেওয়া হয়। তিনি আরও জানান, এখনও পর্যন্ত রেলের প্রায় ৮ লাখ ৬৩ হাজার ৮৬৮ জন কর্মীকে ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে। ২ লাখ ৩৪ হাজার ১৮৪ জনকে দ্বিতীয় ডোজটিও দিয়ে দেওয়া হয়েছে।রেলওয়ে কর্মীদের ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত পরিমান সেন্টার খুলে পর্যাপ্ত পরিমাণ টিকাকর্মীও নিয়োগ করা হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব রেলওয়ের সমস্ত কর্মীকে ভ্যাকসিন দেওয়া সম্পূর্ণ করা হবে বলেও বৈষ্ণব জানিয়েছেন।RAILWAYS LOST 2,903 EMPLOYEES DUE TO COVID-19 : RAIL MINISTER. pic.twitter.com/zMF49PJcbz Eastern Railway (@EasternRailway) July 24, 2021

জুলাই ২৫, ২০২১
প্রযুক্তি

Pegasus: পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?

২০২১-র বিধানসভা নির্বাচন চলাকালীন দুই প্রধান বিরোধী দলের মুখ্য-কান্ডারিদের প্রতিনিয়ত ফোন কল সংবাদমাধ্যমের কাছে চলে আসাটা নিয়মিত ভাবে ঘটছিল। প্রত্যেক দলই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে দায়ী করছিলেন তাঁদের ফোনকল ট্যাপ হওয়ার জন্য। অতিসম্প্রতি আমরা প্যাগাসাস স্পাইওয়্যারের নাম শুনলাম। যার দ্বারা অতি সহজেই যেকোনও মোবাইল ফোন হ্যাক করা এবং তাদের ম্যাসেজ এবং কললিস্ট পড়া যায়। এই স্পাইওয়্যারটি ব্যবহার করে ভারতসহ বেশ কয়েকটি দেশ সাংবাদিক, সরকারি আমলা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বদের ফোনে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ এনেছে বলে জানা গেছে। তবে, ভারত সরকার জানিয়েছে যে, এই ধরণের মন্তব্য ভারতীয় গণতন্ত্র এবং এর প্রতিষ্ঠানগুলিকে কলুষিত করার জন্য অতিরঞ্জিত করে অনুমানভিত্তিক একটা চক্রান্ত চলছে।২০১৯ সাল থেকে ১৬টি সংবাদমাধ্যম মিলে পেগাসাস প্রোজেক্ট নামে একটি তদন্ত করেছিল। রবিবার সেই রিপোর্টের কিছু অংশ প্রকাশিত হয়েছে। ২০১৯-এর অক্টোবরে ফেসবুকের মালিকানাধীন সংস্থা হোয়াটসঅ্যাপ জানায়, চারটি মহাদেশের অনুমানিক ১৪০০ জনের মোবাইল এই স্পাইওয়্যার ব্যবহার করে হ্যাক করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য ভাবে সেই তালিকায় ছিলেন কংগ্রেসের প্রিয়ঙ্কা গাঁধী, এনসিপি-র প্রফুল্ল পটেল, একাধিক সমাজকর্মী, আইনজীবী ও সাংবাদিকরা। আসুন এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক পেগাসাস স্পাইওয়্যার কি? এর থেকে কি ভাবেই বা সাবধানে থাকব।পেগাসাস স্পাইওয়্যার কী?পেগাসাস হল এনএসও গ্রুপের তৈরি একটি বিশেষ স্পাইওয়্যার। এনএসও গ্রুপ একটি ইজরায়েলি সংস্থা যারা সাইবার হানা দেওয়ার জন্য এই ধরণের স্পাইওয়্যার ও ম্যালওয়্যার বানাতে সিদ্ধহস্ত। এটি সর্বপ্রথম ২০১৬ তে আলোচনাতে আসে, যখন আরবের এক ব্যাক্তি তাঁর মোবাইলে একটি ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন। এমনও খবর পাওয়া গিয়েছে যে পেগাসাস আইফোন (iOS) ব্যবহারকারীদের টার্গেট করছে। এটা জানতে পেরে অ্যাপল আইওএসের (iOS) একটি আপডেট সংস্করণ প্রকাশ করেছিল। আইওএসের (iOS) সুরক্ষা বলয়ে যে যে ত্রুটি ছিল, যেখান দিয়ে পেগাসাস স্পাইওয়্যার ফোন হ্যাক করার সুযোগ নিচ্ছিল সেই জায়গাগুলি সঠিক ভাবে আটকাবার জন্য এই আপডেট।আইওএসের (iOS) আপডেটের এক বছর পরে দেখা গেল পেগাসাস অ্যান্ড্রয়েড ফোন হ্যাক করতেও সমানভাবে সক্ষম। ফলস্বরূপ, সমস্ত মোবাইল ফোন সংস্থা তাদের সুরক্ষা ব্যবস্থা আপডেট করতে মাঠে নেমে পড়ল। ২০১৯ এ ফেসবুক পেগাসাস তৈরির জন্য এনএসও গ্রুপের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছে। একই সাথে হোয়াটসঅ্যাপ ও একটি বার্তার মাধ্যমে ভারতীয় ব্যবহারকারীদের স্পাইওয়্যার সম্পর্কে অবহিত করেছিল।পেগাসাস স্পাইওয়্যার কীভাবে কাজ করে?পেগাসাস স্পাইওয়্যারটি মেলিসিয়াস ওয়েবসাইট লিঙ্কের মাধ্যমে গোপনে মোবাইল ফোনে ইনস্টল করা হয়। মোবাইল ব্যবহারকারী এই লিঙ্কে ক্লিক করলে স্পাইওয়্যারটি ফোনে অটোমেটিক ইনস্টল হয়ে যায়। এটি হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ভয়েস কল করে সুরক্ষা বাগের মাধ্যমেও ইনস্টল করা যেতে পারে। স্পাইওয়্যারটি এতটাই উন্নত যে, কেবল মোবাইল ব্যবহারকারীর কাছে মিস কল দিয়ে ফোনে ইনস্টল করা যেতে পারে। স্পাইওয়্যার সফ্টওয়্যারটি কল লগ এন্ট্রি মুছে দেয়, যাতে মোবাইল ব্যবহারকারী জানতেও পারবে না যে তাদের ফোন হ্যাক করা হয়েছে।একবার ফোনে স্পাইওয়্যার ইনস্টল হয়ে গেলে এটি তার প্রয়োজনীয় মডিউলগুলি অটোম্যাটিক ভাবে ডাউনলোড করে নেয়, যাতে এটি ডেটা অ্যাক্সেস করতে সহায়তা করে। সাধারণভাবে জানা যায় পেগাসাস স্পাইওয়্যারটির কি-লগিং এবং অডিও রেকর্ডিং ক্ষমতা রয়েছে যার দ্বারা এটি কল শুনতে এবং এনক্রিপ্ট করা বার্তাগুলি পড়তে সক্ষম হয়।পেগাসাস স্পাইওয়্যার সম্পর্কে আরও একটি আকর্ষণীয় তথ্য হল, এটি ফোনে সম্পূর্ণ লুকিয়ে থাকতে পারে। যদি এটি এর কমান্ড-অ্যান্ড-কন্ট্রোল (CC) সার্ভারের সাথে ৬০ দিনেরও বেশি সময় ধরে যোগাযোগ করতে সক্ষম না হয় বা একটি ভুল ডিভাইসে ইনস্টল হয়ে থাকে তাহলে স্পাইওয়্যার নিজেই নিজেকে ডিস্ট্রাক্ট করে দেয়।আপনার ব্যক্তিগত তথ্যভাণ্ডার কি সুরক্ষিত?পেগাসাস স্পাইওয়্যার যে মোবাইলে ইন্সটল হয়, তার সমস্ত ব্যক্তিগত তথ্য সে অ্যাক্সেস করতে পারে এবং ফোনটি হ্যাক করতে সমর্থ হয়। এমনকি হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে এনক্রিপ্টেড করা চ্যাটগুলিও পড়তে পারে। আপনি জেনে অবাক হবেন যে, এই পেগাসাস স্পাইওয়্যারটি আপনার ফোনের ম্যাসেজ পড়তে, আপনার করা কলগুলি ট্র্যাক করতে, বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে আপনি কি কি করলেন তার উপর নজরদারি চালাতে সক্ষম। এটি আপনার গতিবিধির উপরও নজরদারী চালায় জিপিএস এর মাধ্যমে এবং অজান্তে আপনার ফোনের ক্যামেরা ব্যবহার করতে পারে। এতেই শেষ নয়, হ্যাকার প্যাগাসাস স্পাইওয়্যার ব্যবহার করে আপনার মাইক্রোফোনের মাধ্যমে আপনার ব্যাক্তিগত কথোপকথন শুনতেও সক্ষম।সাধরণ মানুষের দুশ্চিন্তা করা উচিত?২০২১ প্রজেক্ট পেগাসাস রিপোর্ট থেকে জানা যায় যে, বর্তমানে পেগাসাসের যে ভার্সনটি আছে তাতে আইওএস ১৪.৬ (iOS 14.6) পর্যন্ত সমস্ত ফোন হ্যাক করতে সক্ষম। তবে আশার কথা গুগল, অ্যাপল, ফেসবুকের মতো সংস্থাগুলি তাদের গ্রাহকের মোবাইল ফোন হ্যাক করা আটকাতে তাঁদের নিজেদের ভুলভ্রান্তির জায়গাগুলি ঠিক করার জন্য সদা সতর্ক থেকে নিয়মিত ভাবে তাদের সফ্টওয়্যার আপডেট করার চেষ্টা করে চলেছেন। সুতরাং, আপনি কারও নির্দিষ্ট লক্ষ্য না হয়ে থাকলে আপনার ফোন এই স্পাইওয়্যার দ্বারা সংক্রামিত হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশেই কম। এছাড়াও, পেগাসাস হল অত্যন্ত ব্যয়বহুল এক স্পাইওয়্যার যা বড় সংস্থা বা সরকার অপরাধী এবং অসামাজিক উপাদানগুলির উপর নজরদারি রাখতে ব্যবহার করে। সাধারণ মানুষের দিকে এদের লক্ষ্য নেই বলেই সাইবার বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা।

জুলাই ২১, ২০২১
দেশ

Corona: কাপ্পার কবলে এবার রাজস্থানও

উত্তরপ্রদেশের পর এবার রাজস্থানে (Rajasthan) খোঁজ পাওয়া গেল কাপ্পা ভ্যারিয়েন্টের (Kappa Variant of COVID-19)। মঙ্গলবার ১১টি নমুনায় কাপ্পা ভ্যারিয়েন্টের অস্তিত্ব মেলে বলে জানান রাজস্থানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রঘু শর্মা।ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের দাপট সামলে উঠতে না উঠতেই একের পর এক করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্টের খোঁজ মিলছে। মঙ্গলবার যে ১১টি নমুনায় কাপ্পা ভ্যারিয়েন্টের অস্তিত্ব মেলে, তাদের মধ্যে ৪ জন জয়পুর ও ৪ জন আলওয়ারের বাসিন্দা। ২ জন বার্মের ও একজন ভিলওয়াড়ার বাসিন্দা।আরও পড়ুনঃ করোনাবিধি নিয়ে দেশবাসীর উদাসিনতায় উদ্বেগ প্রকাশ মোদিরস্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, দিল্লির আইজিআইবি ল্যাবে কিছু নমুনা জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য পাঠানো হয়েছিল। সেখানেই নয়টি নমুনায় কাপ্পা ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া যায়। এরপর জয়পুরের এসএমএস মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে আরও কয়েকটি নমুনা পরীক্ষা করালে দুটি নমুনায় কাপ্পা ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া যায়। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের মতো কাপ্পা ভ্যারিয়েন্ট অতটা ভয়াবহ বা সংক্রামক নয় বলেই জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী রঘু শর্মা। তবে সকলেই যেন কোভিড স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলেন, তার অনুরোধ জানান।এর আগে ৯ জুলাই উত্তরপ্রদেশে কাপ্পা ভ্যারিয়েন্টের খোঁজ মেলে। সেখানে ১০৯টি নমুনার মধ্যে ১০৭টি নমুনাতেই ডেল্টা প্লাসের অস্তিত্ব ও দুটি নমুনায় কাপ্পা ভ্যারিয়েন্টের খোঁজ মেলে।এরই মধ্যে দেশে তৃতীয় ঢেউয়ের সতর্কবার্তা জারি করেছে ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (IMA)।অবিলম্বে জমায়েত, বেড়াতে যাওয়া বন্ধ না করলে তৃতীয় ঢেউও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিজ্ঞানীরা।

জুলাই ১৪, ২০২১
দেশ

Zika Virus: আতঙ্ক ছড়াচ্ছে করোনার দোসর জিকা ভাইরাস

করোনার ভয়াবহতার মাঝেই এবার জিকা ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়িয়েছে দেশে। ইতিমধ্যে কেরলে মোট ১৪ জনের শরীরে পাওয়া গিয়েছে জিকা ভাইরাসের উপস্থিতি। আক্রান্তদের শরীরে জিকার উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে পুণের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজি। ২৪ বছরের এক তরুণীর দেহে জিকা ভাইরাসের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেলে আক্রান্তদের মধ্যে ১৯ জনের নমুনা পাঠানো হয়েছিল পুণের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজিতে। সেখানে ১৯ জনের মধ্যে ১৩ জনের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। ওই তরুণীর গর্ভাবস্থায় এই ভাইরাস হানা হয়৷ সতর্কতার সঙ্গে চিকিৎসা জারি রয়েছে। আরও পড়ুনঃ ভাতারের বোমা বিস্ফোরণের পিছনে রহস্য কি?বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার রাখা, জল জমতে না দেওয়া, মশার হাত থেকে বাঁচতে মশা প্রতিরোধী ওষুধ ব্যবহার করা যায়৷ এদিকে জিকা ভাইরাস নিয়ে প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেছে রাজ্য। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকদের নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিকর্তা অজয় চক্রবর্তী। জিকা প্রতিরোধে তৈরি হচ্ছে বিশেষজ্ঞ কমিটিও। জিকা ভাইরাস একটি মশাবাহিত রোগ। বাহক হল এডিস মশা৷ চিকেনগুনিয়া, ডেঙ্গির মতোই উপসর্গ দেখা যায়। প্রবল জ্বর, গাঁটে ব্যাথা ছাড়াও, শরীরে র্যা শ বের হতে দেখা যায়। এমনকী, শরীরের জটিলতা বাড়িয়ে প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে জিকা। খুব দ্রুত এই ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ে। এই জিকা ভাইরাস মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে গর্ভস্থ সন্তান ও ভ্রুণের। গর্ভবতী মহিলারা যদি জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত হন, তাহলে শিশু বিকলাঙ্গ হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

জুলাই ১০, ২০২১
রাজ্য

রাজ্যে করোনার বিধিনিষেধ বহাল থাকছে ১৫ জুলাই পর্যন্ত, বাড়ছে ছাড়-চলবে যাত্রীবাস

রাজ্যে ফের করোনার বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়ল ১৫ জুলাই পর্যন্ত। পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্রে ছাড় আরও বেড়েছে। সোমবার নবান্নে একথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চলবে সরকারি ও বেসরকারি বাস। এখনই পুরোপুরি করোনাবিধি প্রত্যাহার হচ্ছে না। ১ জুলাই থেকে নতুন বিধিনিষেধ চালু হবে।কী কী ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী** রাত ৯টা থেকে সকাল ৫টা পর্যন্ত জরুরি কাজ ছাড়া বাইরে বের হতে পারবেন না। আগের নিয়ম বহাল থাকছে।** সরকারি ও বেসরকারি বাস চালু করা হচ্ছে। ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে বাস রাস্তায় নামত পারবে।** কলকাতা, জেলা ও রাজ্যের মধ্যে বাস চলাচল করবে।** অটো, টোটোসহ যাত্রীবাহন চলবে করোনা বিধিন মেনে ।** সেলুন ও বিউটি পার্লার চালু রাখা যাবে। সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৬টা পর্যন্ত। ৫০ শতাংশ কাষ্টমার থাকতে পারবে সেখানে। ভ্যাকসিন নিতে হবে কাস্টমার ও কর্মীদের। প্রতিদিন স্যানিটাইজ করতে হবে।** সবজি ও মাছের বাজার সকাল ৬টা থেকে বেলা ১২ পর্যন্ত খোলা থাকবে। আগের থেকে ১ ঘণ্টা বেড়েছে এক্ষেত্রে।** এছাড়া বাকি দোকান সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।** জিম খোলা থাকবে ৫০ শতাংশ হাজিয়ায়। সকাল ৬টা থেকে ১০টা ও বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা।** ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে দুপুর ২টো পর্যন্ত।** ট্রেন চালু করার ব্যাপারে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সেই পরিস্থিতি হয়নি।** বিয়ের অনুষ্ঠান বা উৎসবে সর্বোচ্চ ৫০ জন হাজির থাকতে পারবে।** যারা মহামারি আইন মানছে না তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।** রেস্টুরেন্ট বা খাবারের দোকান খোলা থাকবে ১১টা থেকে ৮টা পর্যন্ত।** বেসরকারি বা কর্পোরেট সেক্টরে এখন থেকে ৫০ শতাংশ হাজিরা থেকে কাজ করতে পারবে। আগে ছিল ২৫ শতাংশ। কর্মীদের যাতায়াতের ব্যবস্থা করতে হবে সংস্থাকে।

জুন ২৮, ২০২১
দেশ

Corona-Tax: করোনা চিকিৎসায় অর্থসাহায্যের ক্ষেত্রে আয়কর ছাড়

কোভিড (COVID-19) চিকিৎসার সাহায্যের ক্ষেত্রে আয়কর ছাড় নিয়ে বড় ঘোষণা কেন্দ্রের। মহামারিকালে কোনও সংস্থার কর্মীকে চিকিৎসার জন্য যে পরিমাণ অর্থ দিয়ে সাহায্য করবে, ঠিক সেই পরিমাণ আয়কর (Income Tax) ছাড় মিলবে। করোনায় নিহত কর্মীর পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের ক্ষেত্রেও একই ছাড় মিলবে। শুক্রবার আয়কর কাঠামো সংশোধনের পর জানালেন কেন্দ্রীয় অর্থ প্রতিমন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর (Anurag Thakur)। এই খবরে স্বভাবতই খুশির হাওয়া বিভিন্ন মহলে।আরও পড়ুনঃ টিকা বিতর্কে ভাঙা হল রবীন্দ্রনাথের মূর্তি থেকে দেবাঞ্জনের নামের ফলক শুক্রবার করদাতাদের স্বস্তি দিতে আরও বেশ কয়েকটি বড় ঘোষণা করেছে কেন্দ্রের আয়কর বিভাগ। তাতে বলা হয়েছে, সরাসরি যারা কর দেন, তাদের জন্য তৈরি প্রকল্প বিবাদ সে বিশ্বাস-এর মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। অগস্টের ৩১ তারিখ পর্যন্ত এই স্কিমে ট্যাক্স জমা দেওয়া যাবে। করদাতারা ৩১ অক্টোবরের মধ্যে নিজেদের কর জমা দিতে পারবেন। কোনও অতিরিক্ত টাকা দিতে হবে না।তবে সবচেয়ে বড় স্বস্তি মিলেছে কোভিডে অর্থসাহায্যের ক্ষেত্রে। সংবাদ সংস্থা এএনআইকে অনুরাগ ঠাকুর জানিয়েছেন, ২০১৯-২০ এবং ২০২০-২১ অর্থবর্ষে কোভিড তহবিলে টাকা দান করলে, সেই পরিমাণ অর্থ করের আওতার বাইরে। সংকটের মধ্যে কোনও সংস্থা যদি তাদের কর্মীদের চিকিৎসার (Corona Treatment) খরচ বহন করে কিংবা এককালীন টাকা দিয়ে থাকে, তবে সেই টাকায় করছাড় দেওয়া হবে। সূত্রের খবর, ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত অঙ্কের করছাড়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই টাকা এক্সগ্রাশিয়া বাবদ দান করতে পারে সংস্থা। মহামারি সংকটের মাঝে করকাঠামো নিয়ে কেন্দ্রের এই ঘোষণায় স্বস্তিতে বহু করদাতা। সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত বলে কেন্দ্রকে স্বাগত জানিয়েছেন তাঁরা সকলেই।

জুন ২৬, ২০২১
দেশ

Corona-Delta Strain: ডেল্টা স্ট্রেনে দেশে প্রথম মৃত্যু মধ্যপ্রদেশে

দেশে আগেই থাবা বসিয়েছে ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়েন্ট। এ বার বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যাও। মধ্যপ্রদেশে আরও সাতজনের দেহে এই নতুন ভ্যারিয়েন্টের হদিশ মিলল। মৃত্যুও হয়েছে দুইজনের।করোনার নতুন প্রজাতির সংক্রামক ক্ষমতা কতটা, তা এখনও জানা না গেলেও ক্রমশ বিস্তার করছে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট। তবে গোটা দেশ নয়, আপাতত কয়েকটি রাজ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে করোনার এই নতুন প্রজাতির সংক্রমণ। মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র ও কেরলে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের তরফে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হচ্ছে। জম্মু-কাশ্মীরেও এই ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত একজনের খোঁজ মিলেছে। চিন্তা বাড়িয়ে মধ্যপ্রদেশেই ক্রমশ বাড়ছে ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্তের সংখ্যা।আরও পড়ুনঃ পিএসি নির্বাচনে মুকুলের মনোনয়কে বৈধতা স্পিকারের গতকালই দেশে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে প্রথম মৃত্যুর খবর মেলে মধ্যপ্রদেশ থেকেই। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, কমপক্ষে সাতজন করোনার ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত, এদের মধ্যে দুজন আবার ভ্যাকসিন নেননি। তিনজন রোগী, যাঁরা টিকার একটি বা দুটি ডোজ নিয়েছেন, তাঁরা বর্তমানে হোম আইসোলেশনে রয়েছেন। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্তদের অধিকাংশই ভোপালের বাসিন্দা, এছাড়া উজ্জয়ীন ও অশোকনগর জেলার এক বাসিন্দাও রয়েছেন।যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে একজন ২২ বছরের যুবতী ছিলেন এবং অপরজন দুবছরের একটি শিশু। জানা গিয়েছে, গত মাসেই তাঁরা সকলে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। নমুনা জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য পাঠানো হলে জুন মাসে তার রিপোর্ট আসে। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট থেকেই অভিযোজিত হয়ে তৈরি ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়েন্টের খোঁজ ভারত ছাড়াও আমেরিকা, ব্রিটেন, পর্তুগাল, সুইজ়ারল্যান্ড, জাপান, পোল্যান্ড, রাশিয়া ও চিনেও মিলেছে। তবে এই ভ্যারিয়েন্ট সম্পর্কে এখনও বিশদে তথ্য জানা যায়নি।

জুন ২৫, ২০২১
দেশ

CoronaVirus: সাবরমতীর জলে মিলল কোভিড-১৯-এর জীবাণু

এ বার নদীর জলেও মিলল কোভিডের (Covid-19) নমুনা। আমদাবাদে সাবরমতীর জলে করোনার নমুনা পাওয়া গিয়েছে। একইসঙ্গে সে শহরের কাঁকরিয়া ও চন্দোলা ঝিলের জলেও করোনার উপস্থিতি মিলেছে।গান্ধিনগর আইআইটি ও জওহরলাল নেহরু ইউনিভার্সিটির স্কুল অব এনভায়রনমেন্ট সায়েন্স যৌথভাবে সাবরমতীর জলের নমুনা পরীক্ষা করে। সেখানেই দেখা যায় নদীর জলে অবাধে বেঁচেবর্তে রয়েছে করোনা। গান্ধিনগর আইআইটির আর্থ সায়েন্সেস বিভাগের অধ্যাপক মণীশ কুমার জানান, ঝিল ও নদীর জলে সার্স-কোভ-২র উপস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগের। গোটা রাজ্যের জন্য তা ভয়াবহ হতে পারে।জলের প্রাকৃতিক উৎসেও করোনার বাস সম্ভব কি না তা খতিয়ে দেখতে লাগাতার সমীক্ষা চালাচ্ছে আইআইটি গান্ধিনগর-সহ দেশের আটটি প্রতিষ্ঠান। তারা ইতিমধ্যেই ন্যাচরাল ওয়াটার সোর্স-এ কোভিডের উপস্থিতি পেয়েছে। তারা অসমের গুয়াহাটিতে ভারু নদীর জলেও সমীক্ষা চালায়। সেই নদীর জলেও করোনার উপস্থিতি দেখা গিয়েছে।অধ্যাপক কুমারের কথায়, আমাদের দল নদী থেকে জলের নমুনা নিয়ে পরীক্ষা করেছে। আমদাবাদের ওয়েস্ট ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট সবথেকে বেশি। অন্যদিকে গুয়াহাটিতে এরকম প্ল্যান্ট একটিও নেই। আমরা তাই এই দুই জায়গাকেই পরীক্ষার কেন্দ্র হিসাবে বেছে নিই। কিন্তু দেখলাম দুজায়গাতেই জলে করোনার উপস্থিতি। অর্থাৎ শুধু বর্জ্য মিশ্রিত জলই নয়, স্বচ্ছ টলটলে জলেও অবাধে থেকে যেতে পারে করোনা। অন্তত এই সমীক্ষায় তেমনটাই দাবি করা হয়েছে।

জুন ১৮, ২০২১
দেশ

Coronavirus: কুম্ভমেলায় বড়সড় বেনিয়ম!

বহু আন্তর্জাতিক সংস্থা হরিদ্বার কুম্ভমেলাকে (Kumbh Mela) সুপার স্প্রেডার ইভেন্ট হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ভারতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের পিছনেও অনেকে এই লক্ষ লক্ষ মানুষের জমায়েতকে দায়ী করছেন। সেই কুম্ভমেলাতেই এবার মারাত্মক বেনিয়মের অভিযোগ। সূত্রের খবর, কুম্ভমেলায় সাধু-সন্তদের করোনা পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা একটি বেসরকারি ল্যাব টার্গেট পূরণ করতে একের পর এক মারাত্মক দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছে।কুম্ভমেলায় কোভিড (Covid-19) প্রোটোকল সংক্রান্ত একাধিক বেনিয়মের অভিযোগ ওঠায় তদন্ত শুরু করেছিল হরিদ্বার (Haridwar) জেলা প্রশাসন। তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট আসতেই চোখ কপালে উঠছে তাঁদের। যাতে দেখা যাচ্ছে মেগা ইভেন্টে করোনা পরীক্ষার টার্গেট পূরণ করতে একাধিক দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছে তাঁরা। যা রীতিমতো বিপজ্জনক। তদন্তের রিপোর্টে বলা হয়েছে ওই বেসরকারি ল্যাবটি কুম্ভমেলায় অন্তত ১ লক্ষ ভুয়ো করোনা রিপোর্ট পেশ করেছে। এই করোনা রিপোর্টগুলি দেওয়া হয়েছে সাধারণ মানুষের নামে। যারা হয়তো কুম্ভমেলাতে অংশগ্রহণও করেনি। শুধু তাই নয়, ওই বেসরকারি সংস্থা নাকি একটি মাত্র কিট থেকে ৭০০ জনের করোনা (Coronavirus) পরীক্ষা করেছে বলে দেখানো হয়েছে। আবার স্যাম্পল সংগ্রহের জন্য যে ২০০ জনের নাম দেওয়া হয়েছিল, তাঁদের অধিকাংশই স্বাস্থ্যকর্মী নন। তাঁরা হয় ডেটা এন্ট্রি অপারেটর, না হয় পড়ুয়া। এদের মধ্যে অনেকে আবার রাজস্থানের বাসিন্দা। বেনিয়মের আরও বাকি আছে, ওই সংস্থাটি নাকি একই মোবাইল নম্বর দিয়ে ৫০ জন পর্যন্ত মানুষের নাম রেজিস্টার করিয়েছে।

জুন ১৫, ২০২১
কলকাতা

Covid: প্রয়াত ভাঙড় আন্দোলনের নেত্রী শর্মিষ্ঠা চৌধুরী

লড়াকু জীবন যে কোনও প্রতিকূল পরিস্থিতিকে চ্যালেঞ্জ করে জয়ী হয়ে ফেরাই অভ্যাসে পরিণত হয়েছিল। কিন্তু শেষমেশ কোভিডের কাছে হার মানতে হল ভাঙড়ের কৃষক আন্দোলেন নেত্রী শর্মিষ্ঠা চৌধুরীকে। করোনা পরবর্তী শারীরিক জটিলতায় ভুগে মাত্র ৩৯ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন সিপিআইএমএল (রেড স্টার) নেত্রী। অপূরণীয় ক্ষতি, বলছেন সহযোদ্ধারা। অনেকের মতে, শর্মিষ্ঠার প্রয়াণে গণআন্দোলনের একটা পর্যায় ধাক্কা খেল।জানা গিয়েছে, গত ১ মে করোনা ভাইরাসে (Coronavirus) আক্রান্ত হন শর্মিষ্ঠা চৌধুরী। ২১ দিন পর কোভিড নেগেটিভও হয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু তারপর থেকে শরীর ক্রমশ খারাপ হতে থাকে তাঁর। শর্মিষ্ঠার সহযোদ্ধা, গণআন্দোলনের এক নেতা অসীম গিরি জানিয়েছে, শর্মিষ্ঠার বরাবরই পেটের একটা গুরুতর সমস্যা ছিল। তা প্রায়ই ভোগাত তাঁকে। করোনার ধাক্কায় শরীরের সেই সংক্রমণও ছড়িয়ে পড়ছিল। ফলে স্বাস্থ্যের অবনতি হচ্ছিল শর্মিষ্ঠার। দিন চারেক আগে এসএসকেএমে ভর্তি করানো হয় তাঁকে। সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন। রবিবার দুপুরে সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ৩৯ বছরের নেত্রী।শর্মিষ্ঠার কথা বললেই স্বাভাবিকভাবেই চলে আসে ভাঙড়ের (Bhangar) পাওয়ার গ্রিড-বিরোধী আন্দোলন প্রসঙ্গ। এই আন্দোলনেরই অন্যতম নেত্রী ছিলেন শর্মিষ্ঠা। সিপিআইএমএলের (রেড স্টারে) আরেক নেতা, শর্মিষ্ঠার স্বামী অলীক চক্রবর্তীর নেতৃত্বে সংগঠিত হয়েছিল এই আন্দোলন। কৃষিজমিতে পাওয়ার-গ্রিড তৈরি হলে তা ব্যাপক ক্ষতিকারক, ভাঙড়বাসীর মধ্যে এই সচেতনতা প্রচারের দায়িত্ব নিয়েছিলেন তাঁরা। একসময়ে ভাঙড় থেকে অলীক-শর্মিষ্ঠাকে গ্রেপ্তারও করা হয়। তাঁর মুক্তির দাবিতে সরব হয়েছিলেন সব পক্ষ। শেষপর্যন্ত অবশ্য পাওয়ার-গ্রিড বিরোধী আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে বাধ্য হয়েছিল রাজ্য সরকার। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে নো ভোট টু বিজেপি প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন শর্মিষ্ঠা।

জুন ১৩, ২০২১
বিদেশ

৯০ দিনের মধ্যে করোনার উৎস খুঁজতে মার্কিন গোয়েন্দাদের নির্দেশ বাইডেনের

বন্যপ্রাণ থেকে উদ্ভুত হয়েছিল নোভেল করোনা ভাইরাস নাকি পরিকল্পনামাফিক চিনের গবেষণাগারে তৈরি করা হয়েছে এই সংক্রামক ভাইরাসটি? এ নিয়ে ৯০ দিনের মধ্যে রিপোর্ট তলব করলেন মার্কি প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের উৎস খুঁজতে মার্কিন সংস্থাগুলিকে তৎপরতা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট। প্রয়োজনে আরও বেশি পরিশ্রমেরও পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। যা দেখে ওয়াকিবহাল মহল বলছে, ট্রাম্প পরবর্তী সময়ও চিন-আমেরিকার দ্বন্দ্বের পারদ ফের চড়তে শুরু করবে।বিবৃতিতে বাইডেন জানিয়েছেন, করোনার উৎপত্তি নিয়ে গোয়েন্দারা এখনও দ্বিধাবিভক্ত। কারোর দাবি, চিনের পশুবাজারে থেকে ছড়িয়েছে এই ভাইরাস। কেউ আবার বলছেন চিনের গবেষণাগারেই তৈরি হয়েছে নোবেল করোনা ভাইরাস। কিন্তু কেউই সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারেনি। আমি মার্কিন গোয়েন্দাদের উত্তর খুঁজতে ৯০ দিন সময় দিয়েছি। ধোঁয়াশা মোড়া বিষয়গুলি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দরকার। বিশেষ করে এ বিষয়ে চিনের ভূমিকাও খতিয়ে দেখতে হবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।এ বিষয়ে বাইডেন সমমনস্ক অন্যান্য দেশের সঙ্গেও কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন। যাঁরা করোনার উৎপত্তি সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আনতে চিনের চাপ তৈরি করবে। আন্তর্জাতিক তদন্তেও চিনকে সহযোগিতা করতে হবে বলে জানিয়েছেন বাইডেন। নয়া মার্কিন প্রেসিজেন্ট এ হেন মন্তব্য চিন-আমেরিকার সম্পর্কে নতুন করে সংঘাত তৈরি করবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

মে ২৭, ২০২১
স্বাস্থ্য

সাইক্লোন আতঙ্কে বাংলা, সাইটোকাইন ঝড় কাড়ছে মানুষের প্রাণ

বাংলা তথা ভারতবর্ষের পূর্ব উপকূলে ২৬ তারিখ আছড়ে পড়ছে সাইক্লোন যশ। আবহাওয়া দপ্তর বাংলা এবং ওডিশার উপকূলবর্তী এলাকাকে ২৩ তারিখ থেকেই সতর্ক করেছে। তেমনি এরকমই একটি সাইক্লোন মানুষের জীবন কেড়ে নিচ্ছে তা হলো সাইটোকাইন। করোনা আক্রান্ত হয়ে যত মানুষ মারা যাচ্ছে তাদের বেশিরভাগই এই ঝড়ের শিকার হচ্ছে। যশ আসছে বাইরে আর সাইটোকাইন ঝড় বইছে শরীরের ভেতরে এবং কেড়ে নিচ্ছে অনেক প্রাণ। তাই সতর্ক থেকে আগেভাগে রোগ নির্ণয় করতে হবে আর ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। আগাম সতর্কতা সাইটোকাইন ঝড় থেকে রক্ষা পেতে সহায়তা করবে।কি এই সাইটোকাইন?সাইটোকাইন হলো প্রোটিন, পেপটাইড আর গ্লাইকোপ্রোটিন যা আমাদের ইমিউন সিস্টেমের প্রতিক্রিয়া স্বরূপ নির্গত হয়। শরীরে কোনো ভাইরাস ঢুকলে শরীর তার নিজের ইমিউন সিস্টেম দিয়ে লড়ার চেষ্টা করে তার একটি প্রতিক্রিয়া হলো ইনফ্ল্যামেসন। শরীরে ইনফ্লামেশন হলে সাইটোকাইন ইমিউন কোষ যেমন ম্যাক্রোফেজেস, B লিম্ফোসাইটস, T লিম্ফোসাইটস, মাস্ট কোষ থেকে তৈরী হয়। এই সাইটোকাইন শরীরে যোগাযোগের কাজ করে। এটি ম্যাচুরেশন, গ্রোথ, আর কোষের প্রতিক্রিয়া কে নিয়ন্ত্রণ করে।কেন সাইটোকাইন থেকে ভয় পাবো?শরীরে ভাইরাস জনিত ইনফ্লামেশন এর জন্য সাইটোকাইন বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ সাধন করার চেষ্টা করে। যেহেতু আমাদের ইমিউন সিস্টেম করোনা ভাইরাস কে চেনে না, তাই এটি শরীরে প্রবেশ করলে এর সঙ্গে লড়ার জন্য প্রচুর ইনফ্লামমেটরী প্রতিক্রিয়া তৈরী হয় যার ফলে প্রয়োজনের অতিরিক্ত সাইটোকাইন তৈরী হতে থাকে। হাইপার ইমিউন প্রতিক্রিয়ার জন্য প্রচুর পরিমান সাইটোকাইন তৈরী হওয়া কে সাইটোকাইনিন ঝড় বলা হয়। প্রচুর সাইটোকাইন ফুসফুস ও শরীরের অন্যান্য অঙ্গেরও ক্ষতি করে। সে জন্য এই ঝরে মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।এই ঝড় থেকে বাঁচার উপায় কি? করোনার কোনোরকম উপসর্গ হলে তাকে অবহেলা করা চলবে না, কারণ সাধারণত করোনা তে আক্রান্ত হবার ৬ দিনের মাথা থেকে সাইটোকাইন এর পরিমান শরীরে বাড়তে শুরু করে, তখন বেশ দেরি হয়ে যায়। তাই চেষ্টা করুন তাড়াতাড়ি নিশ্চিত হতে যে আপনি করোনা তে আক্রান্ত কিনা। যদি আপনার করোনা হয়ে থাকে তাহলে আপনি ESR, CRP, D Dimer পরীক্ষা করান আর তার সাথে সাথে IL-6, IL-8, TNF, IL-1 and IL-33 এই পরীক্ষা গুলো করান। এর মধ্যে IL - 6 অবশই করাতে হবে। IL - 6 অনেকসময় সাধারণ মানুষদেরও বেড়ে থাকতে পারে, কিন্তু যদি করোনা রুগীদের এটি বেড়ে থাকে তাহলে সাবধান হতে হবে এবং এর সঙ্গে সঙ্গে অন্য আরো পরীক্ষা ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী করতে হবে। মনে রাখতে হবে সাইটোকাইন শরীরের অনেক অঙ্গের ক্ষতি করে। সাধারণত ডাক্তাররা এর চিকিৎসা স্টেরয়েড দিয়ে করে থাকেন। তবে ডাক্তার না দেখিয়ে স্টেরয়েড খাবেন না, কারণ সময়ের আগে যদি স্টেরয়েড শুরু করা হয় সেক্ষেত্রে করোনা চিকিৎসায় অসুবিধা হতে পারে।পরিশেষে:সরকার বিভিন্ন রকমের পরিকল্পনা নিচ্ছে যশ থেকে মানুষকে বাঁচাবার আর আপনি সতর্ক থাকুন সাইটোকাইন ঝড় থেকে বাঁচবার জন্য। সবার শরীরে যে সাইটোকাইন ঝড় উঠবে তা নয়, প্রত্যেকের শরীর একভাবে ভাইরাস এর বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া দেয় না।Dr. Satyen Bhattacharyya (PT)MPT, COMT, CMT, CDNP, DOMPT (Pursuing), PhD Scholar.Associate Professor : Burdwan Institute of Medical and Life SciencesEx-Physiotherapist : Sports Authority of India, Bardhaman

মে ২২, ২০২১
বিদেশ

ইচ্ছাকৃতভাবেই ছড়ানো হয়েছিল করোনা ভাইরাস!

ইচ্ছাকৃত ভাবেই পরিবেশে ছড়ানো হয়েছিল করোনা ভাইরাস । এব্যাপারে নাকি গুরুত্বপূর্ণ নথি রয়েছে মার্কিন বিদেশ দপ্তরের হাতে। যদিও বেজিং স্বাভাবিক ভাবেই এমন অভিযোগকে দৃঢ়ভাবে নস্যাৎ করে দিয়েছিল। কিন্তু চিনেরই এক ভাইরাস বিশেষজ্ঞ ফের অভিযোগ করলেন, চিনের গবেষণাগার থেকে জীবাণুযুদ্ধের মহড়া হিসেবেই ওই মারণ ভাইরাস পরিবেশে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।লি-মেং ইয়ান নামের ওই চিনা ভাইরাস বিশেষজ্ঞের এমন দাবি ঘিরে কিছুদিন ধরেই তোলপাড় গোটা বিশ্ব। এবার এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সেই একই দাবি করতে দেখা গেল তাঁকে। ওই সংবাদমাধ্যমের তরফে তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়, উহানের বাজার নয়, লালফৌজের গবেষণাগারেই বিশ্বত্রাস হয়ে ওঠা কোভিড-১৯ ভাইরাসের জন্ম, একথা লি-মেং ইয়ান কীসের ভিত্তিতে বলছেন। এর উত্তরে ওই চিনা বিজ্ঞানীর সাফ কথা, গত জানুয়ারি থেকেই ইউটিউবের মাধ্যমে আমি সকলকে জানাতে শুরু করেছিলাম যে পিপলস লিবারেশন আর্মি-র গবেষণাগারেই জন্ম এই ভাইরাসের। ইচ্ছাকৃত ভাবেই তা ছড়ানো হয়েছিল। চিনের সরকার এটা ভাল করেই জানে।তাঁর দাবি, প্রচুর অর্থ বরাদ্দ করে ওই ভাইরাসকে তৈরি করেছিল চিন। এবং তা ছড়িয়ে দিয়েছিল বাতাসে। উদ্দেশ্য, মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে দেওয়া। এবং সেই সঙ্গে প্রতিপক্ষ দেশগুলির চিকিৎসা কাঠামোকেই নড়বড়ে করে দেওয়াই লক্ষ্য ছিল বেজিংয়ের। ওই বিজ্ঞানীর দাবি, তাঁর এই অভিযোগের সপক্ষে জোরদার বৈজ্ঞানিক প্রমাণ রয়েছে তাঁর কাছে। পাশাপাশি গোয়েন্দা সূত্রে পাওয়া তথ্যপ্রমাণও রয়েছে। তাঁর আরও দাবি, এই সব প্রমাণ এমন অকাট্য চিনের পক্ষেও তা অস্বীকার করা সম্ভব নয়। কিন্তু তবু বেজিং এসবকে আড়াল করতে ভুয়ো প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।প্রসঙ্গত, করোনার দাপট শুরু হওয়ার পর থেকেই এই দাবি উঠতে থাকে যে এটি প্রাকৃতিক ভাইরাস নয়। একে তৈরি করা হয়েছে গবেষণাগারে। কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সেই সময় জানিয়েছিল, এমন দাবি ভিত্তিহীন। এবার চিনের ভাইরাস বিশেষজ্ঞের এমন দাবি ঘিরে ক্রমেই বাড়ছে চাঞ্চল্য।

মে ১২, ২০২১
দেশ

এপ্রিলেই ভারতে শিখর ছুঁতে পারে কোভিডের দ্বিতীয় তরঙ্গ

ফেব্রুয়ারি থেকেই ভারতে নতুন করে বাড়তে শুরু করেছে কোভিড সংক্রমণ। দৈনিক আক্রান্ত ১০ হাজার থেকে বেড়ে ৫০ হাজারের গণ্ডি ছাড়িয়ে গিয়েছে। সংক্রমণ বাড়তে শুরু করায় বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গ শুরু হয়েছে। আর এই দ্বিতীয় তরঙ্গের শিখর আসতে পারে এপ্রিল মাসের দ্বিতীয়ার্ধে, এমনটাই একটা রিপোর্টে জানিয়েছে স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া। অন্তত ১০০ দিন এই দ্বিতীয় তরঙ্গ থাকবে বলেই জানানো হয়েছে এই রিপোর্টে। স্টেট ব্যাংকের এই রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২৩ মার্চ পর্যন্ত সংক্রমণের গতি-প্রকৃতি বিচার করে বোঝা যাচ্ছে এই দ্বিতীয় তরঙ্গে ভারতে প্রায় ২৫ লক্ষ মানুষ আক্রান্ত হবে। সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতি দেখে বোঝা যাচ্ছে এপ্রিল মাসের দ্বিতীয়ার্ধে এই দ্বিতীয় তরঙ্গ শিখরে পৌঁছবে। ২৮ পাতার এই রিপোর্টে বলা হয়েছে, স্থানীয় ভাবে লকডাউন করলে সংক্রমণ থামানো যাবে না। তার বদলে শুধুমাত্র ব্যাপক পরিমাণে টিকাকরণ করলে তবেই এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।সংক্রমণ বাড়ায় ইতিমধ্যেই বেশ কিছু রাজ্যে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। তার ফলে কিছু অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ হয়েছে। আগামী মাস থেকেই অর্থনীতির উপর এই সংক্রমণের প্রভাব বোঝা যাবে বলেই জানানো হয়েছে রিপোর্টে।

মার্চ ২৫, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

শিলিগুড়িতে মহাকাল মহাতীর্থের শিলান্যাস, বিশ্বের উচ্চতম মহাকাল মূর্তি ও ১২ জ্যোর্তিলিঙ্গের প্রতিরূপে নতুন তীর্থক্ষেত্র

শিলিগুড়ি জেলার মাটিগাড়ায় এক ঐতিহাসিক ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক প্রকল্পের সূচনা হল বুধবার। মহাকাল মহাতীর্থ-সহ একাধিক জনহিতকর ও গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের শুভ শিলান্যাস করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৭.৪১ একর জমির উপর গড়ে উঠতে চলা মহাকাল মহাতীর্থকে ঘিরে ইতিমধ্যেই ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে রাজ্যজুড়ে।মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই প্রকল্পে বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম শিবমন্দির নির্মাণ করা হবে। মন্দির চত্বরে থাকবে ভারতবর্ষের ১২টি জ্যোর্তিলিঙ্গের প্রতিরূপ এবং ১২টি অভিষেক লিঙ্গ মন্দির। দুটি প্রবেশপথ, চার কোণে চার দেবতার মূর্তি, সাংস্কৃতিক হল ও কনভেনশন সেন্টার এই মহাতীর্থকে এক পূর্ণাঙ্গ ধর্মীয়-সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলবে। মহাকাল মূর্তির মোট উচ্চতা হবে ২১৬ ফুট, যার মধ্যে ১০৮ ফুট উচ্চ ব্রোঞ্জের মূল মূর্তি বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠবে। ইতিমধ্যেই মন্দির নির্মাণের জন্য একটি ট্রাস্ট গঠন করা হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, শুধু মন্দির নয়, মহাদর্শনের জন্য বিশ্বের উচ্চতম মহাকাল মূর্তিও এখানে তৈরি করা হচ্ছে। বাংলার এই পুণ্যতীর্থ যুগ-যুগান্ত ধরে বাংলার কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সাক্ষী হয়ে থাকবে।ভাষণে রাজ্যের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা তুলে ধরে তিনি জানান, বাংলা সর্বধর্ম সমন্বয়ের ভূমি। কালীঘাট ও দক্ষিণেশ্বরে স্কাইওয়াক, দিঘায় জগন্নাথ ধাম ও দুর্গা অঙ্গন নির্মাণের পাশাপাশি রাজ্য সরকার বিভিন্ন ধর্মীয় স্থানের উন্নয়ন ও সংস্কারে নিরন্তর কাজ করেছে। তারকেশ্বর, তারাপীঠ, কঙ্কালীতলা, জল্পেশ মন্দির, ফুল্লরা মন্দির, মদনমোহন মন্দির থেকে শুরু করে পাথরচাপুরি মাজার, মাহেশের জগন্নাথ মন্দিরএকাধিক তীর্থক্ষেত্রের সংস্কার ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে।তিনি আরও উল্লেখ করেন, ফুরফুরা শরিফের উন্নয়ন, জাহের থান ও মাঝি থানগুলির পরিকাঠামো উন্নয়ন, কবরস্থান সংস্কার এবং ইসকনকে ৭০০ একর জমি দেওয়ার মতো পদক্ষেপ রাজ্যের সর্বধর্ম সমন্বয়ের ভাবনাকেই তুলে ধরে। ভগিনী নিবেদিতার স্মৃতি রক্ষায় দার্জিলিং ও কলকাতার বাড়ি রামকৃষ্ণ মিশনের হাতে তুলে দেওয়ার কথাও স্মরণ করান তিনি।মতুয়া সমাজ, রাজবংশী, তপশিলি ও আদিবাসী সম্প্রদায়-সহ সব শ্রেণির মানুষের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ধর্ম মুখে প্রচার করা যায় না, ধর্ম হৃদয়কে ছুঁয়ে যায়। ভাষণের শেষে তিনি মহাদেবের আশীর্বাদে বিশ্বচরাচরে শান্তি, সৌহার্দ্য ও কল্যাণ কামনা করেন।মাটিগাড়ার মহাকাল মহাতীর্থ প্রকল্প শুধু একটি ধর্মীয় স্থাপনা নয়, বরং উত্তরবঙ্গের পর্যটন, সংস্কৃতি ও অর্থনৈতিক বিকাশের ক্ষেত্রেও নতুন দিগন্ত খুলে দেবে বলেই মনে করছে প্রশাসন।

জানুয়ারি ১৬, ২০২৬
বিদেশ

নোবেল না পেলেও হাতে এল মেডেল, ট্রাম্পের হাতে পুরস্কার তুলে দিলেন নোবেলজয়ী নেত্রী

তিনি আগেই দাবি করেছিলেন, আটটি যুদ্ধ থামিয়েছেন তিনি, তাই নোবেল শান্তি পুরস্কার তাঁরই প্রাপ্য। কিন্তু নোবেল ঘোষণার সময় সেই পুরস্কার পাননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ বার ঘটল এক বিস্ময়কর ঘটনা। নোবেল শান্তি পুরস্কার না পেলেও সেই পুরস্কারের মেডেল এসে পৌঁছল ট্রাম্পের হাতেই।নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো। বৃহস্পতিবার তিনি হোয়াইট হাউসে গিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সেখানেই নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কারের মেডেল মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে তুলে দেন মাচাদো। হোয়াইট হাউসে প্রায় এক ঘণ্টা দুজনের বৈঠকও হয়।বৈঠকের পরে হোয়াইট হাউস থেকে বেরিয়ে মাচাদো জানান, তিনি স্বেচ্ছায় নিজের মেডেল ট্রাম্পকে দিয়েছেন। তাঁর কথায়, ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার স্বীকৃতি হিসেবেই এই মেডেল তিনি আমেরিকার প্রেসিডেন্টকে দিয়েছেন।যদিও আগেই নোবেল কমিটির তরফে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, এইভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার বা তার মেডেল অন্য কাউকে হস্তান্তর করা নিয়মবিরুদ্ধ। তবুও হোয়াইট হাউস সূত্রে জানানো হয়েছে, ট্রাম্প এই মেডেল নিজের কাছেই রাখবেন বলে জানিয়েছেন।সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রাম্প নিজেও বিষয়টি তুলে ধরেছেন। তিনি লিখেছেন, মারিয়া তাঁর কাজের স্বীকৃতি হিসেবে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কারের মেডেল তাঁকে দিয়েছেন।প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই ভেনেজুয়েলায় নজিরবিহীন সামরিক অভিযান চালিয়েছিল আমেরিকা। সেই অভিযানে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেফতার করে আমেরিকায় নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে তাঁকে বন্দি রেখে মাদক পাচারের মামলায় বিচার চলছে।উল্লেখযোগ্য ভাবে, গত মাসে নরওয়েতে নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে মাচাদো নিজে উপস্থিত ছিলেন না। তাঁর হয়ে পুরস্কার গ্রহণ করেন তাঁর কন্যা। তার আগে প্রায় ১১ মাস ভেনেজুয়েলায় আত্মগোপনে ছিলেন মাচাদো।

জানুয়ারি ১৬, ২০২৬
বিদেশ

বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর ফের হামলা, সিলেটে পরিচিত শিক্ষকের বাড়িতে আগুন

বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর হামলা যেন থামছেই না। একের পর এক হত্যার ঘটনার মাঝেই ফের আতঙ্ক ছড়াল সিলেটে। এবার নিশানায় এক পরিচিত হিন্দু শিক্ষক ও তাঁর পরিবার। সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার বাহোর গ্রামে বীরেন্দ্র কুমার দে নামে এক শিক্ষকের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচে গোটা পরিবার। তবে আতঙ্ক এখনও কাটেনি তাঁদের।বীরেন্দ্র কুমার দে এলাকায় ঝানু স্যার নামেই পরিচিত। পেশায় শিক্ষক। অত্যন্ত ভদ্র ও শান্ত স্বভাবের মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি। স্থানীয়দের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কও ভালো ছিল। তাই এমন ঘটনার কথা কেউ কল্পনাও করতে পারেননি। প্রতিবেশীরাও এই ঘটনায় হতবাক। পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনার সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। যদিও বর্তমান পরিস্থিতিতে ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন অনেকেই।সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে, শিক্ষকের বাড়িতে দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। জ্বলন্ত বাড়ি থেকে কোনওমতে প্রাণ বাঁচিয়ে দৌড়ে বেরিয়ে আসেন পরিবারের সদস্যরা। কে বা কারা এই অগ্নিসংযোগ করেছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর এবং মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর থেকেই বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর হিংসা বেড়েছে বলে অভিযোগ। গত ১৮ ডিসেম্বর দীপু চন্দ্র দাস নামে এক হিন্দু যুবককে পিটিয়ে হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। তারপর থেকেই একের পর এক হিন্দু হত্যার খবর সামনে এসেছে।চলতি বছরের ২ জানুয়ারি থেকে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৮ থেকে ৯ জন হিন্দু নিহত হয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। ১২ জানুয়ারি ফেনিতে সমীরকুমার দাস নামে ২৮ বছরের এক যুবককে খুন করা হয়। ১০ জানুয়ারি সিলেটে খুন হন আরেক হিন্দু যুবক। তার আগেও মিঠুন সরকার নামে এক যুবকের মৃত্যু হয় জনতার তাড়া খেয়ে। ৫ জানুয়ারি বাংলাদেশে দুজন হিন্দু খুন হন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

জানুয়ারি ১৬, ২০২৬
দেশ

নথি নেওয়ার অভিযোগে মমতার বিরুদ্ধে মামলা, কেন এই রায় জরুরি জানাল সুপ্রিম কোর্ট

এই মামলায় মূল অভিযোগ একটাই। ইডি যখন তল্লাশি চালাচ্ছিল, সেই সময় সেখানে ঢুকে গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে চুরি ও ডাকাতির মতো গুরুতর ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। সেদিন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে রাজ্যের শীর্ষ পুলিশ আধিকারিকরাও উপস্থিত ছিলেন।এই প্রেক্ষাপটে সুপ্রিম কোর্ট জানায়, দেশের সব তদন্তকারী সংস্থা যাতে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে, তা নিশ্চিত করা জরুরি। কোনও নির্দিষ্ট রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আড়ালে অপরাধীরা যেন রক্ষা না পায়, সেদিকেও নজর রাখতে হবে। শীর্ষ আদালতের মতে, এই বিষয়ে এখনই সিদ্ধান্ত না নিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে এবং একাধিক রাজ্যে আইন ভাঙার মতো ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে দাবি করা হয়েছে, ইডি দলের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নথি বাজেয়াপ্ত করার চেষ্টা করেছিল। সেই প্রসঙ্গে আদালত জানায়, কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থারই রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী কাজকর্মে হস্তক্ষেপ করার অধিকার নেই। তবে একই সঙ্গে আদালত স্পষ্ট করে দেয়, কোনও বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের তদন্ত চললে রাজনৈতিক কাজের অজুহাতে তদন্তে বাধা দেওয়া চলবে না।এই মামলায় সব পক্ষকে আগামী দুসপ্তাহের মধ্যে জবাবি হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতিরা। নোটিসও জারি করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে নিয়ে যাওয়া সমস্ত ডিজিটাল ডিভাইসের তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে। পাশাপাশি যেখানে তল্লাশি হয়েছিল এবং সংলগ্ন এলাকার সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ ও স্টোরেজ ডিভাইসও সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।উল্লেখ্য, আইপ্যাকের অফিস ও প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশির সময় পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ঘটনাকেই কেন্দ্র করে এই মামলার শুরু। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানি হয়। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির আগে ও পরে মিলিয়ে সারাদিন ধরে চলে দীর্ঘ শুনানি। শুনানি শেষে বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র ও বিচারপতি বিপুল পাঞ্চোলির বেঞ্চ জানায়, এই মামলায় রায় দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। দেশের সামনে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতেই এই সিদ্ধান্ত প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন বিচারপতিরা।

জানুয়ারি ১৬, ২০২৬
দেশ

কাশ্মীরে আকাশপথে অনুপ্রবেশের ছক? বারুদভর্তি পাক ড্রোন ভাঙল সেনা

এবার আর একটি জায়গায় নয়। সন্ধ্যা নামতেই রামগড় সেক্টর, পুঞ্চ এবং জম্মু-কাশ্মীরের একাধিক এলাকায় পাকিস্তানের ড্রোন উড়তে দেখা যায়। ভারতীয় সেনার তরফে সঙ্গে সঙ্গে গুলি চালানো হয়। সেনা সূত্রের খবর, একাধিক ড্রোন ভেঙে পড়েছে। সেই ড্রোনগুলিতে বারুদ ছিল বলেও জানা গিয়েছে।ভারতীয় সেনার দাবি, সামরিক ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্য করেই এই ড্রোন হামলার ছক কষা হচ্ছিল। গত দুসপ্তাহে তিন থেকে চার বার অস্ত্র ও বিস্ফোরক নিয়ে পাকিস্তানের ড্রোন ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢোকার চেষ্টা করেছে। এর পিছনে বড় কোনও পরিকল্পনা রয়েছে বলেই মনে করছে সেনা। আগেও সীমান্তবর্তী এলাকায় বারবার পাক ড্রোন দেখা গিয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন সেনা প্রধানও। পাকিস্তানের গতিবিধি নিয়ে তখনই সন্দেহ দানা বাঁধে।এরই মধ্যে গুজরাট উপকূলেও নতুন করে রহস্য ঘনিয়েছে। আরব সাগরে নজরদারির সময় ভারতীয় উপকূল রক্ষী বাহিনী একটি সন্দেহজনক নৌকা ভেসে থাকতে দেখে। নৌকাটিতে পাকিস্তানের পতাকা লাগানো ছিল এবং নাম লেখা ছিল আল মদিনা। নৌকার ভিতর থেকে বেশ কিছু সন্দেহজনক বস্তু ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র উদ্ধার হয়েছে বলে উপকূল রক্ষী বাহিনীর সূত্রে জানা গিয়েছে।এই নৌকা ব্যবহার করে কোনও অনুপ্রবেশের চেষ্টা হয়েছিল কি না, নাকি এর পিছনে আরও বড় কোনও ষড়যন্ত্র ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নৌকা থেকে ৯ জন পাকিস্তানি নাগরিককে আটক করা হয়েছে বলেও খবর। আকাশ ও সমুদ্রদুই দিক থেকেই পাকিস্তানের এই নড়াচড়া ঘিরে উদ্বেগ বেড়েছে নিরাপত্তা মহলে।

জানুয়ারি ১৬, ২০২৬
বিদেশ

পেন্টাগনের পাশে হঠাৎ পিজ়ার ভিড়! ইরানে হামলার ইঙ্গিত?

আমেরিকার পেন্টাগনের কাছাকাছি পিজ়ার দোকানগুলিতে হঠাৎ করেই বেড়েছে ভিড়। এই অস্বাভাবিক দৃশ্য ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র জল্পনা। অনেকেরই প্রশ্ন, তবে কি খুব শীঘ্রই বড় কোনও সামরিক পদক্ষেপ নিতে চলেছে আমেরিকা? বিশেষ করে ইরানকে ঘিরে পরিস্থিতি যখন এমনিতেই উত্তপ্ত, তখন এই খবর নতুন করে আলোড়ন ফেলেছে।পেন্টাগন পিজ়া রিপোর্ট নামে একটি এক্স অ্যাকাউন্ট দাবি করেছে, ভার্জিনিয়ার আর্লিংটনে মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরের সদর দফতরের আশপাশের একাধিক পিজ়ার দোকানে স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি ক্রেতা দেখা যাচ্ছে। ওই অ্যাকাউন্টে লেখা হয়েছে, পেন্টাগনের কাছাকাছি পিজ়ার দোকানগুলিতে আচমকা ভিড় বেড়ে গিয়েছে।ইন্টারনেটে এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই পুরনো একটি তত্ত্ব ফের আলোচনায় এসেছে। বহু বছর ধরে চলে আসা তথাকথিত পেন্টাগন পিজ়া ইনডেক্স অনুযায়ী, যখনই পেন্টাগন বা আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা দফতরে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ চলে, তখন আশপাশের পিজ়ার দোকানগুলিতে অর্ডার বেড়ে যায়। অনেকের ধারণা, জরুরি বৈঠক বা বড় সামরিক সিদ্ধান্তের সময়ই এমন দৃশ্য দেখা যায়।গত বছরের জুন মাসেও এমন একটি ঘটনা নজরে এসেছিল। মধ্যপ্রাচ্যে বড়সড় হামলার ঠিক আগের সন্ধ্যায় পেন্টাগনের কাছাকাছি পিজ়ার দোকানগুলিতে হঠাৎ বিপুল ভিড় দেখা গিয়েছিল বলে দাবি করা হয়। সেই ঘটনার কথা তুলে ধরে অনেকেই বলছেন, এবারও তেমন কিছু হতে চলেছে।যদিও বিশেষজ্ঞদের একাংশ এই তত্ত্ব মানতে নারাজ। তাঁদের মতে, পিজ়ার অর্ডার বাড়ার পিছনে অনেক সাধারণ কারণ থাকতে পারে। এর সঙ্গে আন্তর্জাতিক রাজনীতি বা যুদ্ধের কোনও সরাসরি যোগ নেই বলেই মত তাঁদের। তবু সামাজিক মাধ্যমে জল্পনা থামছে না।এমনও দাবি উঠেছে যে, যদি কোনও হামলার পরিকল্পনা থেকে থাকে, তবে তা শুক্রবার বাজার বন্ধ হওয়ার পরেই হতে পারে। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে হঠাৎ ধাক্কা লাগার আশঙ্কা কমবে বলে মত কিছু ব্যবহারকারীর। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি।এই জল্পনার মধ্যেই আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, ইরানে আন্দোলনকারীদের উপর অত্যাচার হলে আমেরিকা চুপ করে থাকবে না। ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান নাকি আন্দোলনকারীদের হত্যা বন্ধ করেছে এবং ফাঁসির পরিকল্পনাও নেই।এছাড়া তিনি ইরানের বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে বলেছেন, তারা যেন আন্দোলন চালিয়ে যায়, সাহায্য আসছে। অন্যদিকে, আমেরিকা নিজের নাগরিকদের দ্রুত ইরান ছাড়ার পরামর্শও দিয়েছে। সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে পরিস্থিতি যে ক্রমেই আরও জটিল হয়ে উঠছে, তা স্পষ্ট।

জানুয়ারি ১৫, ২০২৬
দেশ

এয়ার ইন্ডিয়া দুর্ঘটনায় নতুন মোড়, মৃত পাইলটের আত্মীয়কে তলব ঘিরে তোলপাড়

এয়ার ইন্ডিয়ার ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার তদন্ত ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হল। ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান পাইলটস বা এফআইপি বিমান দুর্ঘটনা তদন্ত ব্যুরোকে আইনি নোটিস পাঠিয়েছে। অভিযোগ, তদন্তের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক না থাকা সত্ত্বেও ক্যাপ্টেন বরুণ আনন্দকে তলব করা হয়েছে। এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ ক্যাপ্টেন আনন্দকে জানিয়েছে যে, তদন্তকারী সংস্থা তাঁকে হাজিরা দিতে বলেছে।পাইলট সংগঠনের দাবি, ক্যাপ্টেন বরুণ আনন্দের সঙ্গে ওই দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানের কোনও যোগ নেই। তিনি না তো ওই ফ্লাইটের পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, না দুর্ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। এমনকি তিনি কোনও তথ্যভিত্তিক, প্রযুক্তিগত বা বিশেষজ্ঞ সাক্ষীও নন। তবু তাঁকে ডাকা হয়েছে, যা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।এফআইপি জানিয়েছে, ক্যাপ্টেন বরুণ আনন্দকে তলব করা হয়েছে শুধুমাত্র এই কারণে যে তিনি মৃত পাইলট ক্যাপ্টেন সুমিত সভারওয়ালের আত্মীয়। ক্যাপ্টেন সভারওয়ালই ছিলেন ওই বিমানের প্রধান পাইলট। পাইলট সংগঠনের আশঙ্কা, এর মাধ্যমে দুর্ঘটনার দায় মৃত বিমানকর্মীদের উপর চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।সংগঠনের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক অসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার নিয়মের উল্লেখ করা হয়েছে। সেই নিয়ম অনুযায়ী, বিমান দুর্ঘটনার তদন্তে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের ডাকা বেআইনি। আরও অভিযোগ, তলবের নোটিসে স্পষ্ট করে জানানো হয়নি কেন তাঁকে ডাকা হচ্ছে, কোন আইনি ভিত্তিতে ডাকা হচ্ছে বা তিনি কোন ভূমিকায় তদন্তে হাজির হবেন।ক্যাপ্টেন বরুণ আনন্দ বর্তমানে এয়ার ইন্ডিয়ার কর্মরত পাইলট এবং এফআইপির সদস্য। তাঁকে ১৫ জানুয়ারি হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল। পাইলট সংগঠনের মতে, এই সিদ্ধান্ত অপ্রয়োজনীয় এবং এতে তাঁর মানসিক ও পেশাগত ক্ষতি হয়েছে। যদিও ক্যাপ্টেন আনন্দ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তদন্তে অংশ নিতে রাজি হয়েছেন।প্রসঙ্গত, গত ১২ জুন লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার বিমান আহমেদাবাদ বিমানবন্দর থেকে উড়ে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই ভেঙে পড়ে। বিমানটি একটি হস্টেল ভবনে আছড়ে পড়ে। ওই দুর্ঘটনায় ২৬০ জনের মৃত্যু হয়। বিমানে থাকা ২৪২ জন যাত্রীর মধ্যে ২৪১ জনই প্রাণ হারান। নিহতদের মধ্যে ছিলেন প্রাক্তন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানিও। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে এখনও তদন্ত চালাচ্ছে বিমান দুর্ঘটনা তদন্ত ব্যুরো।

জানুয়ারি ১৫, ২০২৬
কলকাতা

নিপা আতঙ্কের মাঝেই আশার খবর, কোমা কাটিয়ে সাড়া দিচ্ছেন আক্রান্ত নার্স

রাজ্যে নিপা ভাইরাস নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই মিলল কিছুটা স্বস্তির খবর। নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত পুরুষ নার্স চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। এতদিন তিনি কোমায় ছিলেন। বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। বারাসাতের নারায়ণা হাসপাতালে ভর্তি ওই নার্সকে ধীরে ধীরে ভেন্টিলেটর থেকে বের করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর।একই সময়ে নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত মহিলা নার্সের শারীরিক অবস্থার কোনও পরিবর্তন হয়নি বলে জানা গিয়েছে। তিনি এখনও চিকিৎসকদের কড়া নজরদারিতে রয়েছেন। বেলেঘাটা আইডি হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, নিপা সন্দেহে আইসোলেশনে থাকা কয়েকজন চিকিৎসক ও নার্সের অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল। তবে তাঁদের শরীর থেকে নেওয়া নমুনার পরীক্ষার রিপোর্ট এখনও হাতে আসেনি।স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, নদিয়া জেলা থেকে যাঁদের নমুনা পরীক্ষার জন্য কল্যাণী এইমস-এ পাঠানো হয়েছিল, সেই ৪৫ জনের রিপোর্টই নেগেটিভ এসেছে। এতে কিছুটা হলেও স্বস্তি মিলেছে প্রশাসনের।এদিকে, দুই নার্স কীভাবে নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন, তা খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। স্বাস্থ্য দফতরের অনুমান, কাটোয়ার এক নার্স ১৫ থেকে ১৭ ডিসেম্বর পারিবারিক বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া নদিয়া জেলার ঘুঘরাগাছি গ্রামে গিয়েছিলেন। ওই এলাকা থেকেই সংক্রমণ হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এই অঞ্চলে কাঁচা খেজুরের রস ও খেজুরের গুড় তৈরির চল রয়েছে। ওই নার্স কাঁচা খেজুরের রস বা গুড় খেয়েছিলেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। এই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে স্বাস্থ্য দফতরের একটি দল ওই গ্রামে যেতে পারে।নদিয়া থেকে ফেরার পর ১৮ ডিসেম্বর থেকে ওই নার্সের সর্দি-কাশির উপসর্গ দেখা দেয়। স্বাস্থ্য দফতরের অনুমান, তাঁর সংস্পর্শে এসেই পুরুষ নার্সের শরীরে সংক্রমণ ছড়িয়েছে। ২০ ও ২১ ডিসেম্বর দুজনে একই হাসপাতালে নাইট ডিউটি করেছিলেন। চিকিৎসকরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, কাঁচা খেজুরের রস না খাওয়াই ভাল। তবে খেজুরের গুড় বা পাটালি খেলে সমস্যা নেই।নিপা আক্রান্ত দুই নার্সের চিকিৎসার জন্য দাদরা ও নগর হাভেলি থেকে বিশেষ ধরনের অ্যান্টিভাইরাল ইঞ্জেকশন আনা হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সহযোগিতায় মঙ্গলবার রাতে সেগুলি কলকাতায় পৌঁছয়। বুধবার সকালে সেই ইঞ্জেকশন প্রয়োগ করা হয়েছে।এর মধ্যেই নিপা সংক্রমণের আশঙ্কায় বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে আরও এক চিকিৎসক ও এক নার্সকে ভর্তি করা হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, কাটোয়ার আক্রান্ত নার্সের কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং করতে গিয়েই তাঁদের খোঁজ পাওয়া যায়। তাঁরা দুজনেই বর্ধমান জেলায় কর্মরত ছিলেন। তাঁদের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতরের দাবি, আক্রান্ত দুই নার্সের সংস্পর্শে এসেছিলেন এমন পাঁচজন স্বাস্থ্যকর্মীর নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল। প্রত্যেকের রিপোর্টই নেগেটিভ এসেছে।

জানুয়ারি ১৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal