• ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২, বৃহস্পতি ১২ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

UN

দেশ

উত্তরাখণ্ডের তুষার ধসে শতাধিক মৃত্যুর আশঙ্কা!

রবিবার সকালে নামা তুষার ধসে বিধ্বস্ত উত্তরাখণ্ড। জোশীমঠের কাছে ধৌলিগঙ্গার জলস্তর দ্রুত বেড়ে গিয়েছে। তীব্র জলোচ্ছ্বাসের ধাক্কায় ঋষিগঙ্গা বিদ্যুৎ প্রকল্প তছনছ হয়ে গিয়েছে। ভেসে গিয়েছে নদীর পাড়ের বহু ঘরবাড়ি। এই ভয়াবহ তুষারধসের ঘটনায় ১০০-১৫০ মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা করছেন মুখ্যসচিব ওম প্রকাশ। ঘটনায় শোকপ্রকাশ করে সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ। আচমকা নামা ধসের ফলে চামোলির তপোবন বাঁধের কাছে নির্মীয়মাণ টানেলে আটকে পড়েছেন অন্তত ২০ জন মানুষ। আইটিবিপি-র ডিজি এসএস দেশওয়াল জানিয়েছেন, তাঁদের দল আটক ব্যক্তিদের উদ্ধার করার চেষ্টা করছে। সেই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, রেনি গ্রামের তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রায় ১০০ জন কাজ করছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১০ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে নদী থেকে। বাকিদেরও খোঁজে চলছে তল্লাশি। ঘটনাস্থলে রয়েছেন আইটিবিপি-র ২৫০ জন জওয়ান। ভারতীয় সেনা জওয়ানরাও সেখানে যাচ্ছেন বলে তিনি জানিয়েছেন। উদ্ধার কাজ সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, আমরা লাগাতার এনটিপিসির ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে ক্রমাগত যোগাযোগ রেখে চলেছিল নিখোঁজ ব্যক্তিদের সম্পর্কে তথ্য জোগাড় করতে। এদিন ধস নামার পরেই আগাম সতর্কতা অবলম্বন করে ভাগীরথীর গতিপথ রুদ্ধ করা হয়েছে। সেজন্য খালি করে দেওয়া হয়েছে শ্রীনগর ও ঋষিকেশ বাঁধ। জলের তোড় ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছে জোশীমঠের মালারি অঞ্চলে বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশনের তৈরি এক সেতু। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টুইট করে সকলের নিরাপদে থাকার প্রার্থনা করেছেন। সেই সঙ্গে জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি পরিস্থিতির দিকে কড়া নজর রেখেছেন। উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গেও কথা হয়েছে তাঁর ও অমিত শাহর। দুর্ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে টুইট করেছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দও। তিনি তাঁর টুইটারে লিখেছেন, আমি নিশ্চিত উদ্ধারকার্য ও ত্রাণকার্য ভালভাবেই চলছে।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২১
কলকাতা

অকাল বৃষ্টিতে ভিজল কলকাতা

আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাসই সত্যি হল। রবিবার প্রায় ভোররাত থেকেই হালকা বৃষ্টিতে ভিজল কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত। কোথাও কোথাও আকাশের মুখ ঢেকেছে মেঘে। তবে চিন্তার কোনও কারণ নেই। কারণ, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই বদল হবে আবহাওয়ার। সকাল দশটার পর বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। দেখা মিলতে পারে হালকা রোদেরও।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, মধ্যপ্রদেশের দিকে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। তার ফলেই কলকাতা-সহ রাজ্যের একাধিক জেলা বৃষ্টিতে ভেজে। রবিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল অর্থাৎ শনিবার শহরের তাপমাত্রা ছিল কিছুটা কম। ওইদিন কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে ৯৯ শতাংশ জলীয় বাষ্প ছিল। কখনও পশ্চিমী ঝঞ্ঝা তো কখনও নিম্নচাপের প্রভাবে শুরু থেকে ঠান্ডা ধাক্কা খেয়েছে ঠিকই। তবে গত ১০ বছরে এবার রেকর্ড ঠান্ডার সাক্ষী ফেব্রুয়ারি। শীতলতম মাস বেশ তাড়িয়ে তাড়িয়েই উপভোগ করেছেন শীতপ্রেমীরা। সোমবার থেকে আবারও রাজ্যে দেখা মিলবে কনকনে শীতের। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামতে পারে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও। বুধবার পর্যন্ত জারি থাকবে শীতের কামড়।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২১
দেশ

বিদেশি তারকাদের তোপ অমিত শাহর

প্রোপাগান্ডা করে ভারতের একতাকে ভাঙা যাবে না। কৃষক বিক্ষোভে সমর্থন জানানো বিদেশি তারকাদের এভাবেই একহাত নিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দীর্ঘ টুইট করে জানিয়ে দিলেন, ভারত নিজেদের সমস্যা মেটাতে জানে। এর জন্য বিদেশিকে মন্তব্যের প্রয়োজন হবে না।কৃষি আইনের বিরুদ্ধে দিল্লিতে আন্দোলনরত কৃষকদের সমর্থনে হঠাৎই সুর চড়িয়েছেন বিদেশি তারকারা। কৃষকদের সমর্থন জানিয়ে টুইট করেন পপতারকা রিহানা, পরিবেশ কর্মী গ্রেটা থুনবার্গ, প্রাক্তন পর্নস্টার মিয়া খালিফারা। আর এর বিরুদ্ধেই বুধবার তোপ দাগেন অমিত শাহ। প্রোপাগান্ডা করে ভারতের ঐক্য ভাঙার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে ওঠে অভিযোগ। কিন্তু বিদেশি শক্তি যে কোনওভাবেই দেশের এই একতা ভাঙতে পারবে না, তাই স্পষ্ট করে দেন তিনি। টুইটারে তিনি লেখেন, কোনও প্রোপাগান্ডাই ভারতের একতার আঁচ ফেলতে পারবে না। ভারতকে সাফল্যের শিখরে পৌঁছনো থেকে আটকানোর ক্ষমতা কোনও অপপ্রচারের নেই। প্রোপাগান্ডা করে ভারতের ভাগ্য নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। এটা শুধুমাত্র উন্নয়নের মাধ্যমেই হবে। আর সেই লক্ষ্যে পৌঁছতে ভারত সর্বদা ঐক্যবদ্ধ।No propaganda can deter Indias unity!No propaganda can stop India to attain new heights!Propaganda can not decide Indias fate only Progress can.India stands united and together to achieve progress.#IndiaAgainstPropaganda#IndiaTogether https://t.co/ZJXYzGieCt Amit Shah (@AmitShah) February 3, 2021

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২১
রাজ্য

সালিশি সভা চলাকালীন গুলি, মৃত ১

দশ বছর আগে পারিবারিক বিবাদের কারণে সালিশি সভা চলাকালীন খুন হয়েছিলেন বাবা । আর ঠিক একই ইস্যুতে আবারও সালিশি সভার মধ্যেই গুলিবিদ্ধ হয়ে খুন হতে হল ছেলেকে। ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন মৃতের এক কাকাও। তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। কাকা এবং ভাইপোর মধ্যেই পারিবারিক পুরনো বিবাদের এই গুলি চালানোর ঘটনাটি ঘটেছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে এই ঘটনাকে ঘিরে চরম উত্তেজনা তৈরি হয়েছে কালিয়াচক থানার মোজামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের নারায়ণপুর এলাকায়। ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে কালিয়াচক থানার পুলিশ । যদিও কালিয়াচক থানার আইসি আশিস দাস এখনই পরিষ্কারভাবে এই ঘটনা সম্পর্কে মুখ খুলতে চাননি। তবে প্রাথমিকভাবে পুলিশ মনে করছে, পুরনো পারিবারিক শত্রুতার জেরকে ঘিরে এই গোলমালের ঘটনাটি ঘটেছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে , মৃত ভাইপোর নাম নওয়াজ শরিফ চৌধুরী (৩০)। জখম কাকার নাম সালাম চৌধুরী (৫০)। মৃতের মাথায় গুলি লেগেছে । জখম সালাম চৌধুরীর কোমরের ডানদিকে গুলি লেগেছে। তার চিকিৎসা চলছে মালদা মেডিক্যাল কলেজে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, পারিবারিক জমির দখলদারি নিয়ে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরেই গোলমাল চলে আসছে কাকা ও ভাইপোর পরিবারের মধ্যে। দশ বছর আগে একইভাবে সালিশি সভা চলাকালীন গুলিবিদ্ধ হয়ে খুন হয়েছিলেন শরিফ চৌধুরীর বাবা। আর এদিন এই বিবাদের মধ্যেই খুন হলেন ছেলে নওয়াজ শরিফ চৌধুরী।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্পত্তির দখলকে ঘিরে এদিন নারায়ণপুর এলাকায় কাকা ও ভাইপোর দুই গোষ্ঠীর সালিশি সভা বসেছিল। উভয়পক্ষের মধ্যে হঠাৎ করে গোলমাল বাঁধে। আর সেখানে দুই গোষ্ঠী একে অপরকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায়।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২১
বিদেশ

মায়ানমারে সেনা অভ্যুত্থান, বৈঠকে রাষ্ট্রঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদ

মেকি গণতন্ত্রের এক দশক না কাটতেই ফের মায়ানমারের দখল নিয়েছে সর্বশক্তিমান জুন্টা। সামরিক বাহিনীর হাতে বন্দি নোবেলজয়ী রাষ্ট্রপ্রধান অং সান সুচি।এই পরিস্থিতিতে এবার দেশটিতে গণতন্ত্র রক্ষায় আসরে নেমেছে রাষ্ট্রসঙ্ঘ।জানা গিয়েছে, মায়ানমার নিয়ে মঙ্গলবার জরুরি বৈঠকে বসতে চলেছ রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। দেশটিতে সেনা অভ্যুত্থানের ঘটনাকে গণতন্ত্রের উপর ভীষণ আঘাত বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রসঙ্ঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। রাষ্ট্রসঙ্ঘে ব্রিটেনের দূত বারবারা উডওয়ার্ড সাফ জানিয়েছেন, গত নভেম্বর মাসে মায়ানমারে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ফলাফলকে বৈধ হিসেবে গণ্য করা হবে। নেত্রী সুচির দ্রুত মুক্তির জন্য চেষ্টা করবে লন্ডন। রাষ্ট্রসঙ্ঘের প্রতিনিধি স্তেফানি দুজারিক জানিয়েছেন, ফোন ও ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধই থাকায় মায়ানমারের রাজধানী নাইপিদাওয়ে থাকা অধিকারিকদের কোনও যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। এই অভ্যুত্থানের ফলে রাখাইন প্রদেশে থাকা রোহিঙ্গাদের জীবন আরও কঠিন হয়ে উঠবে।উল্লেখ্য, সোমবার মায়ানমারের শাসকদল ন্যাশনাল লিগ অফ ডেমোক্র্যাটিক পার্টির মুখপাত্র মায়ও নায়ান্ট জানান, আচমকা কউন্সিলর সুচি, প্রেসিডেন্ট উইন মিন্ট ও অন্য নেতাদের আটক করে সেনাবাহিনী। রোহিঙ্গা ইস্যু থেকে শুরু করে একাধিক বিষয়ে বিগত দিনে সেনাবাহিনীর সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়েছে সুচি সরকারের। নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগও করেছে জুন্টা (বার্মিজ সেনাবাহিনী)।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২১
রাজনীতি

অমিত শাহর গরহাজিরাতেও রবিবার বিজেপির বড় চমক হাওড়ায়

উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরনগরে অমিত শাহর সভা বাতিল করা হয়েছে। দিল্লির বিষ্ফোরণের জেরে তিনি আসতে পারছেন না। তবে রবিবারের হাওড়ার ডুমুরজলার যোগদান মেলা যথারীতি হবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। কিন্তু কোন কেন্দ্রীয় নেতা হাজির থাকবেন ওই সভায় তা শনিবার সকালে জানাতে পারেননি দিলীপ ঘোষ।শনিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বঙ্গ বিজেপি সভাপতি বলেন, অমিত শাহের সফর বাতিল হলেও আগামীকাল হাওড়ায় যথারীতি যোগদান মেলা অনুষ্ঠিত হবে। দিল্লি থেকে আসবেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বা কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এছাড়া থাকছে নানা চমক। তবে সবচেয়ে বড় চমক থাকবে ২৩শে মের পর।ইতিমধ্যে হাওড়ার একাধিক তৃণমূল নেতা দল ছেড়েছেন। কেউ আবার দল থেকে বহিষ্কারও হয়েছেন। প্রাক্তন বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বিধায়ক ও দলীয় পদ ছেড়ে দিয়েছেন। বালির বিধায়ক বৈশালী ডালমিয়াকে বহিষ্কার করেছে দল। আগেই জেলা সভাপতি ও মন্ত্রিত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন লক্ষ্মীরতন শুক্লা। প্রাক্তন মেয়র রথীন চক্রবর্তী দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরেছেন। অনুপম ঘোষ জেলার যুব সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। এছাড়াও হাওড়ায় তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ অংশের তালিকা দীর্ঘ। পাশের জেলা হুগলিতেও তৃণমূলের ক্ষোভ প্রকাশ্যে চলে এসেছে। এঁরা কেউ এখনও সরাসরি বিজেপি যাওয়ার কথা ঘোষণা করেননি। কিন্তু রবিবার ডুমুরজলার যোগদান মেলায় এঁদের অনেককে দেখা যেতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

জানুয়ারি ৩০, ২০২১
রাজনীতি

অমিত শাহর রাজ্য সফর বাতিল

আগামী কাল রাজ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কর্মসূচি বাতিল ঘোষণা করেছে বিজেপি। দিল্লিতে ইজরাইল দূতাবাসের সামনে বিস্ফোরণের জেরেই এই কর্মসূচি বাতিল বলে জানা গিয়েছে। শুক্রবার রাতেই কলকাতা বিমানবন্দরে নামার কথা ছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। শনিবার রাজ্যে একাধিক কর্মসূচি ছিল তাঁর।শনিবার ঠাকুরনগরে জনসভায় হাজির থাকার কথা ছিল বিজেপির প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতির। সায়েন্সসিটিতে একটি প্রোগ্রাম তাঁর যাওয়ার কথা ছিল। মায়াপুরে ইসকনের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করারও কথা ছিল অমিত শাহর। রাজ্য বিজেপি জানিয়ে দিয়েছে আপাতত শনিবার রাজ্যে অমিত শাহের সমস্ত অনুষ্ঠান বাতিল বাতিল করা হয়েছে। কারণ ইজরায়েল দূতাবাসে বোমা বিস্ফোরণের জন্য এই মুহূর্তে দিল্লিতেই থাকবেন তিনি। রবিবার হাওড়া ডুমুরজলার যোগদান মেলা হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে কয়েকজন তৃণমূল বিধায়কের যোগদান করার কথা ছিল বলে জানা গিয়েছে। সেই প্রোগ্রাম কিভাবে হবে এখনও তা স্থির করা হয়নি। দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব রাজ্য নেতৃত্বকে বিষয়টি পরে জানিয়ে দেবে বলে জানা গিয়েছে।

জানুয়ারি ২৯, ২০২১
দেশ

ভারতের মাটি ছুঁল আরও ৩টি রাফালে যুদ্ধবিমান

সাধারণতন্ত্র দিবসে রাফালে যুদ্ধবিমানের কৌশল দেখেছে দেশ। এবার ভারতীয় বায়ুসেনার শক্তি বাড়িয়ে বুধবার ফ্রান্স থেকে আরও ৩টি রাফালে এসে পৌঁছেছে দেশে। বায়ুসেনার তরফে জানানো হয়েছে, ফ্রান্সের একটি বায়ুসেনাঘাঁটি থেকে উড়ান শুরু করে রাফালে বিমানগুলো। প্রায় ৭ হাজার কিলোমিটারের এই সফরে মাঝ আকাশে রাফালেগুলোতে জ্বালানি ভরে দেয় সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর বায়ুসেনার ট্যাংকার বিমান। টানা ৮ ঘণ্টার উড়ান শেষে ভারতে এসে পৌঁছয় যুদ্ধবিমানগুলো। উল্লেখ্য, প্রায় দুদশক পর নতুন কোনও অত্যাধুনিক বিদেশি যুদ্ধবিমান হাতে পেয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা। ১৯৯৭ সালে ভারতীয় বায়ুসেনায় এসেছিল রাশিয়ার তৈরি সুখোই যুদ্ধবিমান। যুদ্ধে রাফালে বিমানকে গেম চেঞ্জার বলে মনে করছে বায়ুসেনা। ইতিমধ্যেই এই বিমানকে লাদাখের প্রতিকুল আবহাওয়ায় মহড়া দেওয়া হয়েছে। বিমানটি দশ টন মাল বহন করতে সক্ষম। মাটি থেকে সমুদ্র বা আকাশের কোনও লক্ষ্যবস্তুকে আঘাত হানার ক্ষেত্রে এই বিমানের জুড়ি মেলা ভার। চতুর্থ প্রজন্মের মিডিয়াম মাল্টি রোল কমব্যাট এয়ারক্র্যাফট রাফালে রয়েছে ম্যাটিওর বিয়ন্ড ভিস্যুয়াল রেঞ্জ এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র স্কাল্প এবং হ্যামার ক্ষেপণাস্ত্র। আকাশে উড়তে উড়তেই জ্বালানি ভরে নিতেও দক্ষ রাফালে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২১
রাজনীতি

মতুয়া গড়ে অমিত শাহ, টার্গেট ২ লক্ষের জমায়েত

রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁর রাজ্য সফরকে ঘিরে বিজেপি শিবির যেমন তেমনই ঘর ভাঙা নিয়ে কপালে চিন্তার ভাঁজ ঘাসফুল শিবিরে। বুধবার উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরনগরে অমিত শাহের সভাস্থল পরিদর্শন করেন রাজ্য বিজেপির সহ পর্যবেক্ষক অমিত মালব্য ও রাজ্য সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো। তাঁরা মঞ্চ তৈরি ও হেলিপ্যাড তৈরীর কাজ খতিয়ে দেখলেন lআগামী ৩০ শে জানুয়ারী ঠাকুরনগরে সভা করবেন দলের প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। ওই সভার প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে। বুধবার দুপুরে রাজ্য বিজেপির সহ পর্যবেক্ষক অমিত মালব্য ও সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো ঠাকুর বাড়িতে সাংসদ শান্তুনু ঠাকুরকে সঙ্গে নিয়ে সভাস্থল ও হেলিপ্যাড তৈরির কাজ পরিদর্শন করেন। ও শান্তুনু ঠাকুরের সঙ্গে ঘরোয়া বৈঠক করেন। বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর বলেন, আমার ধারনা অমিত শাহর সভায় দুলক্ষের বেশি লোক হবে। দ্রুত গতিতে চলছে সভার প্রস্তুতি। মতুয়া সংগঠন ও বিজেপি এক সঙ্গেই সভার আয়োজন করছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, বাংলার রাজনীতিতে প্রায় ৭০টি আসনে মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রভাব আছে। সেই ভোট ধরে রাখতেই মরিয়া বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেস।

জানুয়ারি ২৭, ২০২১
কলকাতা

চিৎপুরে গুলি, মৃত ১

পারিবারিক অশান্তির জেরে শুক্রবার ভরসন্ধেয় গুলি চলল খাস কলকাতায়।ঘটনায় চিৎপুরে মৃত্যু হয়েছে এক যুবকের। ঘটনায় ইতিমধ্যেই ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ।জানা গিয়েছে, আঞ্জুম আখতার নামে এক গৃহবধূকে বিয়ের পর থেকেই শ্বশুরবাড়িতে নানা অশান্তির সম্মুখীন হতে হচ্ছিল। তার বাপের বাড়ি যাওয়াকে কেন্দ্র করে জটিলতা তৈরি হয়। এদিন চিৎপুরে আলোচনার জন্য বসেছিল দুই পরিবার। সেখানেই দুপক্ষের মধ্যে অশান্তি শুরু হয়। এরপরই তিন রাউন্ড গুলি চলে বলে অভিযোগ। গুলিবিদ্ধ হন আ়ঞ্জুমের নন্দাই হুসেন নামে এক যুবক। তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় আরজি কর হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে।

জানুয়ারি ২২, ২০২১
দেশ

পুণের সেরাম ইনস্টিটিউটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৫ জনের মৃত্যু

ভারতে করোনা প্রতিষেধক তৈরির পরীক্ষাগার পুণের সেরাম ইনস্টিটিউটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ৫ জনের। বেশ কয়েকজনকে বিপদ থেকে উদ্ধার করা হলেও এই ৫ জনকে বাঁচানো যায়নি। বিকেলে পুণের মেয়র মুরলীধর মোহর টুইট করে দুঃসংবাদ জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে ইনস্টটিউটের টার্মিনাল ওয়ানের কাছে আগুন লাগে বলে খবর। বৃহস্পতিবার সেই বাড়িটিরই চতুর্থ ও পঞ্চম তলে আগুন লেগে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। কালো ধোঁওয়ায় ঢেকে যায় এলাকা। খবর পেয়েই দমকলের ১৫টি ইঞ্জিন পৌঁছে যায় ঘটনাস্থলে। তবে এই আগুন লাগার ঘটনায় সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল যা নিয়ে, সেই টিকা তৈরি ও মজুত করার জায়গাটি নিরাপদেই আছে বলে আশ্বস্ত করেছেন পুণের পুলিশ কমিশনার।দমকলকর্মীদের সহায়তায় ইনস্টিটিউটে থাকা সব বিজ্ঞানীকে নিরাপত্তার স্বার্থে বাইরে বের করে আনা হয়। প্রথমে স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা এসে পৌঁছন সেরামের মঞ্জরীর কারখানার সামনে। তাঁদের সঙ্গে প্রথম থেকেই যোগাযোগ রাখছিলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। পরে তিনি নিজেই গিয়ে হাজির হন ঘটনাস্থলে। জানা গিয়েছে, দুপুরে ইনস্টিটিউটের প্রশাসনিক ভবনে প্রথমে আগুন লেগে যায়। এখানেই রয়েছে মঞ্জরী প্ল্যান্ট অর্থাৎ বিসিজি ভ্যাকসিন তৈরির পরীক্ষাগার। তবে কোভিশিল্ড যেখানে তৈরি হয়, সেই জায়গা কোনওভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি বলে দাবি সেরাম কর্তৃপক্ষের। আপাততত কোভিশিল্ড সুরক্ষিতই রয়েছে। কিন্তু কীভাবে আগুন লাগল, সে বিষয়ে এখনও কোনও ধারণা করতে পারছেন না দমকলকর্মীরা।

জানুয়ারি ২১, ২০২১
রাজ্য

বাম শ্রমিক সংগঠনের আইন অমান্য ঘিরে উত্তাল হাওড়া

বাম শ্রমিক সংগঠনের ডাকে কৃষি আইন বাতিল, বিদ্যুৎ বিল ২০২০ বাতিল, দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদসহ একাধিক দাবিকে সামনে রেখে হাওড়ায় জেলাশাসকের দপ্তরে সামনে আইন অমান্য কর্মসূচি পালিত হল। সোমবার দুপুরে হাওড়া ময়দান উত্তাল হল বামেদের এই কর্মসূচিতে। এদিন মিছিল করে বাম শ্রমিক সংগঠনের কয়েকশো কর্মী হাওড়া ময়দানে আসেন। সেখানে তাঁদের গতিবিধি রুখতে দুটি ব্যারিকেড করে পুলিশ। প্রথম ব্যারিকেড ভেঙ্গে দ্বিতীয় ব্যারিকেডের ওপরে চড়াও হন বাম সমর্থকরা। সেখানে পুলিশ কর্মীদের সঙ্গে কার্যত খণ্ডযুদ্ধ বেধে যায় বাম শ্রমিক সংগঠন কর্মীদের। দফায় দফায় ব্যারিকেডের ওপরে চড়াও হন বিক্ষোভকারীরা। প্রায় ১ঘন্টা ধরে চলে ওই তান্ডব। উত্তেজিত বিক্ষোভকারীদের সামলাতে হিমশিম খান বাম নেতৃত্ব। শেষ পর্যন্ত পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে ব্যক্তিগত জামিনে মুক্তি দেয়। এই প্রসঙ্গে হাওড়া জেলার সিআইটিইউ সম্পাদক সমীর সাহা বলেন, কৃষি আইন বাতিল, বিদ্যুৎ বিল ২০২০ বাতিল, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিসহ একাধিক জন বিরোধী নীতির প্রতিবাদে এদিনের আইন অমান্য কর্মসূচী নেওয়া হয়।

জানুয়ারি ১৮, ২০২১
রাজনীতি

রাজনীতিকদের দম্ভে আঘাত অভিনেত্রী সাংসদের, কী কৌশলে বাজিমাত?

ফেসবুকে বিদ্রোহ, তারপর কুণালের দৌত্য, অভিষেকের সঙ্গে বৈঠক, দিল্লি যাত্রা বাতিল। ২৪ ঘন্টা এভাবেই কাটল বীরভূমের তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়ের। আপাতত তৃণমূলে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন অভিনেত্রী শতাব্দী রায়। বীরভূমের তৃণমূল সাংসদ দলে থাকার কথা ঘোষনা করলেও কিন্তু একটা রয়েই গেল।তাঁর ক্ষোভের মূল কারণ, তিনি তার লোকসভা কেন্দ্রে সভা সমাবেশে যোগ দিতে পারছেন না, তাকে কাজ করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে, মিটিংয়ে না যাওয়ার জন্য হুমকি পর্যন্ত শুনতে হচ্ছে। তাঁর কেন্দ্রের সাধারণ মানুষকে কী কৈফিয়ত দেবেন? এটাই শতাব্দীর মূল প্রশ্ন।সমস্যাগুলো নিয়ে বীরভূমের তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে সেভাবে কোনও আলোচনা হয়নি বলেও জানিয়েছেন। অভিজ্ঞ মহলের মতে, ফেসবুক পোস্ট করে, শনিবার দিল্লি যাবেন বলে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে চাপ সৃষ্টি করার কৌশলে আপাতত তিনি সফল। কিন্তু প্রকুত কার বিরুদ্ধে অভিযোগ সেকথা তিনি প্রকাশ্যে এড়িয়ে গিয়েছেন। দীর্ঘ দিন রাজনীতিতে থাকা লোকজনদের একটা বড় অংশ অন্য পেশা থেকে কেউ রাজনীতিতে এলেই তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে বলেন উনি পলিটিক্যাল নন। একথা হজম করতেই হয়েছে অনেককেই। রাজনৈতিক মহলের মতে, একাংশ রাজনীতিকদের দম্ভে আঘাত করেছেন বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী। যে জেলার সভাপতি সারা রাজ্যের মধ্যে সব থেকে বেশি সাংগঠনিক সভা করেন। দলের সভাপতি দোর্দণ্ডপ্রতাপশালী অনুব্রত মন্ডলের ওপর কথা বলার ক্ষমতা নেই ওই জেলার দুই মন্ত্রীর। অনুব্রত গড়ের তৃণমূল সাংসদ বোমা ফাটালেন প্রকাশ্যে। দলকে ঢোক গিলতে হল। রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন, দীর্ঘ দিনের ক্ষোভ কয়েক ঘন্টার বৈঠকে সমাধান হতে পারে? ছাই চাপা আগুনের কী হাল হয় তা সকলেরই জানা।বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক বিধায়ক, সাংসদ প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করছেন। এই সময়টাকেই বেছে নিয়েছেন নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য। ইতিমধ্যে অনেকেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। একাংশ বিজেপিতে যোগ দেবার লাইনে রয়েছেন। অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে নিজের দর বাড়িয়ে নিচ্ছেন। এমনটাই অভিমত রাজনৈতিক মহলের।রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন, এক একজন ১৫ বছর, ১০ বছর বা কেউ ৫ বছর বিধায়ক, সাংসদ থাকার পর ভোটের মুখেই এভাবে ক্ষোভ ব্যক্ত করছেন। তাহলে কী তাঁরা সবাই ঝোপ বুঝে কোপ মারছেন? আপাতত তৃণমূলে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শতাব্দীরায়। আমি তৃণমূলেই আছি একথার যে অন্য একটা অর্থও হয় তা নিয়ে কারও কোনও সন্দেহ থাকতে পারে না। তৃণমূল সাংসদ ফুটবলার প্রসূণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। যাঁরা রাজনীতির লোক নয় বলে অন্যদের ছোট করে নিজেদের বড়াই করেন তাঁরা এখন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন।

জানুয়ারি ১৬, ২০২১
রাজনীতি

বিধানসভা নির্বাচনে জেতার পরও সংবিধান রক্ষার আন্দোলন চলবে: সুব্রত বক্সী

১ জানুয়ারি। এ বছর ২৪-এ পদার্পণ করল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের প্রতিষ্ঠা দিবসে জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফেসবুক বার্তায় লেখেন, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা দিবসে বাংলার মা-মাটি-মানুষ, দলের যে কর্মীরা প্রতিনিয়ত বাংলাকে উন্নততর ও আরও শক্তিশালী করার লড়াইয়ে সামিল হয়েছেন তাঁদের সকলকে জানাই প্রণাম ও শ্রদ্ধা। বাংলা মায়ের স্বার্থে, বাংলার মাটিকে সুরক্ষিত রাখতে, বাংলার মানুষের পক্ষে তৃণমূল কংগ্রেস লড়ছে, লড়বে। আপনাদের প্রত্যেকের ভালোবাসায়, আশীর্বাদে ও দোয়ায় মানুষের সেবায় আমরা বদ্ধপরিকর। এদিন রাজ্যের সব জায়গায় দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। তৃণমূল ভবনে দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন সাংসদ মণীশ গুপ্ত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে দীর্ঘ আন্দোলনের কথা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরে তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী বলেন, ২০১৬ সালের নির্বাচনেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের উন্নয়নকে প্রতিহত করতে জোট হয়েছিল, তাতে আর্থিক-সহ সবরকম মদত দিয়েছিল কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। কিন্তু বাংলার মানুষ ভোটের লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলকে ২১১টি আসন পাইয়ে দিয়ে কেন্দ্রের শাসক দলের মুখে ঝামা ঘষে দিয়েছিলেন। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন আমাদের কাছে কঠিন না হলেও তাৎপর্যপূর্ণ। কেন না, এর দিকে তাকিয়ে গোটা দেশের মানুষ। কেন্দ্রীয় সরকার সংবিধানকে ধ্বংস করতে চাইছে। তার প্রতিবাদ করছেন আমাদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই বিধানসভা নির্বাচনে জিতলেই আমাদের কাজ, আমাদের আন্দোলন শেষ নয়, এ কথা কর্মীদের মনে রাখতে হবে। বাংলার মানুষকে সংঘবদ্ধ করে বাংলার মাটি থেকেই সংবিধান রক্ষার আন্দোলন শুরু করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এরপর তিনি বিভিন্ন রাজ্যে যাবেন, তাঁকে দিল্লির মসনদ অবধি পৌঁছে দিতে হবে। কেন্দ্রের শাসন ক্ষমতায় থাকা সংবিধান ধ্বংসকারী দলকে ২০২৪-এ খতম না করা অবধি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আন্দোলন থামবে না। তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ফেসবুক বার্তায় দলের প্রতিষ্ঠা দিবসে বাংলার মা-মাটি-মানুষকে প্রণাম ও শ্রদ্ধা জানিয়ে লিখেছেন, তৃণমূল কংগ্রেস আমার আপনার আন্দোলনের ধাত্রীভূমি। মা-মাটি-মানুষের লড়াইয়ের ময়দানে জিতবোই আমি-তুমি। সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের টুইট-বার্তা, এই ২৩ বছরে আমাদের তৃণমূল পরিবার বিভিন্ন সংগ্রামের সম্মুখীন হয়েছে এবং প্রতিটি সংগ্রামেই অসংখ্য মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর বাংলার ঐতিহ্যের রক্ষক হিসেবে আস্থা রেখেছেন। আমরা আজ দলের প্রতিষ্ঠা দিবসে প্রতিজ্ঞা করছি যে, আমরা সর্বদা বাংলার মানুষের সেবায় এবং সুরক্ষায় নিয়োজিত থাকবো।

জানুয়ারি ০১, ২০২১
রাজ্য

কাঁথির বিদায়ী ১৬ কাউন্সিলর গেরুয়া শিবিরে!

বিজেপিতে শুভেন্দু অধিকারী যোগ দেওয়ার পরে কাঁথিতে জনসভার ডাক দিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। কাঁথির ডরমেটরি ময়দানের জনসভায় বক্তব্য রেখেছিলেন ফিরহাদ হাকিম, সৌগত রায়, অখিল গিরিরা। সেদিনের সভায় আক্রমণ করা হয়েছিল শুভেন্দু অধিকারীকে। এরপর বুধবার সৌমেন্দু অধিকারীকে সরিয়ে দেওয়া হয় কাঁথি পুরসভার প্রশাসক পদ থেকে। এবার পাল্টা ওই ময়দানেই শুক্রবার, বছর শুরুর দিন সাংগঠনিক সভা করতে চলেছে বিজেপি। জানা গিয়েছে, শুক্রবারের সাংগঠনিক সভায় কাঁথি পুরসভার বিদায়ী ১৬ জন কাউন্সিলর যোগ দিতে চলেছেন গেরুয়া শিবিরে। তাছাড়া কাঁথি পুরসভা এলাকার অন্য দলের নেতৃত্বও বিজেপিতে যোগ দেবেন বলে বিজেপি নেতৃত্ব জানিয়েছে। বিজেপির সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অনুপ চক্রবর্তী বলেন, ডরমেটরি ময়দানে আমাদের সাংগঠনিক সভা হবে। সেখানে বিভিন্ন দল থেকে বিজেপিতে যোগদান করবেন। কাঁথি শহরেই বাড়ি শুভেন্দু অধিকারীর। এখনও পর্যন্ত অধিকারী পরিবারের শুভেন্দু ছাড়া কেউই আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগদান করেনি। কিন্তু শুভেন্দুর যোগদান করার পর তৃণমূল কংগ্রেস অধিকারীর সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে আগ্রহী নয়। তা দলের কিছু সিদ্ধান্তে স্পষ্ট। একদিকে যেমন সৌমেন্দু অধিকারীকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে প্রশাসনিক পদ থেকে। পাশাপাশি কাঁথির তৃণমূলের জনসভায় হাজির ছিলেন না জেলা সভাপতি সাংসদ শিশির অধিকারী ও সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। অর্থাৎ অধিকারী পরিবারের সঙ্গে সামগ্রিকভাবে তৃণমূলের রাজনৈতিক সম্পর্ক একেবারে টালমাটাল। আগামীকাল বিজেপির সভা তৃণমূলের পাল্টা জবাবী সভা বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। দেখার বিষয় কাঁথির এই সভায় কারা বিজেপির পতাকাতলে শামিল হয়। এদিকে এদিন কাঁথি পুরসভার দায়িত্ব নিতে গিয়ে হেনস্থা হতে হয়েছে নবনিযুক্ত পুরপ্রশাসক সিদ্ধার্থ মাইতিকে। তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন পুরকর্মীরা। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। আবার সরকারি নির্দেশের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছেন সৌমেন্দু অধিকারী।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২০
রাজ্য

কাঁথি পুরসভার সঙ্গে ৫০ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন অধিকারী পরিবারের

কাঁথি পুরসভায় নতুন পুরপ্রশাসক নিয়োগ করল রাজ্য সরকার। তার আগে ওই পদ থেকে সরিয়ে দওয়া হয় বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ভাই সৌমেন্দু অধিকারীকে। শুভেন্দু বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর সৌমেন্দুকে ওই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার জোরালো দাবি করে তৃণমূলের একাংশ। নতুন পুরপ্রশাসক হিসাবে নিয়োগ করা হয়েছে সিদ্ধার্থ মাইতিকে। শুভেন্দু অধিকারীর ভাই সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী বলেন, কাঁথি পুরসভার সঙ্গে অধিকারী অধিকারী পরিবারের ৫০ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে গেল। কাঁথির পুরপ্রশাসক সৌমেন্দু অধিকারীকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা করেছেন দিব্যেন্দু। এই ঘটনাকে তিনি দুর্ভাগ্যজনক বলেও আখ্যা দিয়েছেন। যে ভাবে তাঁর ভাইকে পুরপ্রশাসক পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে তার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংসদ। শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেস অধিকারী পরিবারের সঙ্গে আরও বেশি করে দূরত্ব তৈরি করে। কাঁথিতে শুভেন্দু বিরোধী যে জনসভা তৃণমূল কংগ্রেস আয়োজন করেছিল সেই জনসভায় ছিলেন না অধিকারী পরিবারের দুই সাংসদ শিশির অধিকারী ও দিব্যেন্দু অধিকারি। তৃণমূল জানিয়েছিল, যে ওই দুই সাংসদের কাছ থেকে কনসেন্ট চাওয়া হয়েছে কিন্তু তাঁরা কনসেন্ট দেননি। অথচ সাংসদদ্বয় স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, কাঁথির তৃণমূলের জনসভার ব্যাপারে তাঁদেরকে কিছুই জানানো হয়নি। তারপর সৌমেন্দুকে সরিয়ে দেওয়ায় সেই দূরত্ব আরও বাড়ল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। সেখানে কাঁথির পুরপ্রশাসক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে সিদ্ধার্থ মাইতিকে। তিনি কাঁথি পুরএলাকার বাসিন্দা নয় বলেই দাবি দিব্যেন্দু অধিকারীর।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২০
শিক্ষা

গৌড়বঙ্গের মুকুটে নতুন পালক, খুলে গেল মহাকাশ গবেষণা ও কর্পোরেট ফার্মিং-এর দরজা

মহাকাশ গবেষণার দরজা খুলে গেল এবার গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের সামনে। মালদার ভূমিপুত্র তথা মহাকাশ বিজ্ঞানী সন্দীপ চক্রবর্তীর হাত ধরেই এই ঐতিহাসিক সুযোগ আসতে চলেছে গৌড়বঙ্গে। সম্প্রতি সন্দীপ বাবুর মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ' ইন্ডিয়ান সেন্টার ফর স্পেস ফিজিক্স'-এর সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়। আর তাতেই আশার আলো দেখছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও পড়ুয়ারা। একইসঙ্গে হায়দ্রাবাদের 'আর আর এনিম্যাল হেল্থকেয়ার' সংস্থার সঙ্গে কর্পোরেট ফার্মিং প্রোগ্রাম বিষয়েও একটি মউ স্বাক্ষর করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরবিদ্যা বিভাগ। এর ফলে অ্যানিম্যাল হাজবেন্ড্রির গবেষণার পাশাপাশি আর্থ সামাজিক উন্নয়ন সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিতর্ককে পিছনে ফেলে ক্রমেই উৎকর্ষতার দিকে এগিয়ে চলেছে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই অধ্যাপক বিশ্বের সেরা বিজ্ঞানীদের তালিকায় নাম তুলেছিলেন। এবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের সামনে খুলে গেল মহাকাশ গবেষণার সুবর্ণ সুযোগ। সম্প্রতি 'ইন্ডিয়ান সেন্টার ফর স্পেস ফিজিক্স' নামে এক মহাকাশ গবেষণা সংস্থার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার সিদ্ধান্ত নিয়েছে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর মালদার ভূমিপুত্র তথা জ্যোতির্বিজ্ঞানী সন্দীপ চক্রবর্তী প্রতিষ্ঠিত ওই সংস্থার সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় গাঁটছড়া বাঁধার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে এখানকার পড়ুয়ারা মহাকাশ গবেষণার সুযোগ পাবেন বলে জানা গেছে। যারা উপযুক্ত পরিকাঠামোর অভাবে গৌড়বঙ্গ অথবা উত্তরবঙ্গের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে তেমনভাবে মহাকাশ গবেষণার সুযোগ পাচ্ছিলেন না, তারাও এখন উপকৃত হবেন। এমনকি সন্দীপ বাবুর 'সেন্টার ফর স্পেস ফিজিক্স' থেকে গবেষণা করে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করতে পারবেন পড়ুয়ারা। এর ফলে একদিকে যেমন বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চশিক্ষার উৎকর্ষতা বাড়বে তেমনই সেন্টার ফর স্পেস ফিজিক্সের পরিকাঠামো ব্যবহার করে গবেষণার সুযোগ পাবেন ছাত্র-ছাত্রীরা। প্রসঙ্গত বিজ্ঞানী সন্দীপ চক্রবর্তীর জন্ম ও বেড়ে ওঠা মালদা জেলাতেই। এমনকি তাকে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তন উৎসবে সাম্মানিক 'ডক্টর অফ সায়েন্স' উপাধি দেওয়া হয়। মহাকাশ গবেষণার জন্য সন্দীপ চক্রবর্তীকে আমেরিকার স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির সাম্প্রতিক সমীক্ষায় ভারতবর্ষের সেরা বিজ্ঞানীর শিরোপা দেওয়া হয়েছে। তার 'সেন্টার ফর স্পেস ফিজিক্স' সংস্থাটি ইতিমধ্যেই মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে যথেষ্ট সাড়া ফেলে দিয়েছে। পূর্ব ভারতের সবচেয়ে উন্নত মানের টেলিস্কোপ রয়েছে ওই সংস্থার কাছে। এমনকি মহাকাশ গবেষণার জন্য বিশাল আকারের বেলুন ও যন্ত্রপাতি সংস্থার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় চল্লিশ কিলোমিটার উচ্চতায় ভেসে থাকা সেই বেলুন থেকেই সম্প্রতি বৃহস্পতি ও শণি গ্রহের নৈকট্য লেন্সবন্দী করেছে সেন্টার ফর স্পেস ফিজিক্স। এমনকি কৃত্রিম উপগ্রহ তৈরির প্রশিক্ষণও দিয়ে থাকে ওই সংস্থা। স্বভাবতই এমন সংস্থার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে পেরে উচ্ছ্বসিত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য তথা পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান প্রফেসর চঞ্চল চৌধুরী জানান," সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক্সিকিউটিভ কাউন্সিল সন্দীপবাবু সেন্টার ফর স্পেস ফিজিক্স প্রতিষ্ঠানকে সহযোগী সংস্থা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে দুটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বিভিন্ন ভাবনার আদান-প্রদান, প্রশিক্ষণ এবং গবেষণার দরজা খুলে যাবে। গৌড়বঙ্গের পড়ুয়ারাও মহাকাশ গবেষণার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাদের অবদান রাখতে পারবেন। এমনকি গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় বা সেন্টার ফর স্পেস ফিজিক্স থেকে গবেষণা করলে পিএইচডি ডিগ্রি এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাওয়ার সুযোগ থাকছে।" এ প্রসঙ্গে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার বিপ্লব গিরি বলেন," সন্দীপবাবু সংস্থার সঙ্গে কাজ করতে পারাটা সৌভাগ্যের ব্যাপার। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি তার একটা নাড়ির টান রয়েছে। তিনি মালদার ভূমিপুত্র। তাই গৌড়বঙ্গ তথা উত্তরবঙ্গের জন্য তিনি কিছু করতে চেয়েছিলেন। তিনি যখন মহাকাশ গবেষণার প্রস্তাব আমাদের দেন, তখন আমরা তাতে সম্মত জানাতে দেরি করিনি। এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। এরফলে এস্ট্রোফিজিক্স নিয়ে গবেষণার নতুন দিক উন্মোচিত হবে।" অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে পারে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিজ্ঞানী সন্দীপ চক্রবর্তী। তিনি জানান," গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কাজ করার জন্য আমার সংস্থার তরফ থেকে একটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। সে প্রস্তাবে তারা রাজি হয়েছেন। এর ফলে আখেরে গৌড়বঙ্গ ও উত্তরবঙ্গের পড়ুয়াদের সামনে মহাকাশ গবেষণার সুযোগ তৈরি হবে। আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে ইতিমধ্যেই এখানকার ৪৫ জন ছাত্র-ছাত্রী গবেষণায় সফলতা পেয়েছেন। গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার ফলে এখানকার পড়ুয়ারা আমার সংস্থায় গবেষণা করার সুযোগ পাবেন। গবেষণার পর পিএইচডি ডিগ্রি দেবে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়। এর ফলে যে সমস্ত প্রতিভা বিকশিত হওয়ার সুযোগ পেত না, তাদেরও প্রতিভার বিচ্ছুরণ ঘটবে বলে আশা করি।" একদিকে যখন মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে নতুন দিগন্ত খুলতে চলেছে তখন অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরবিদ্যা বিভাগের সঙ্গে মউ স্বাক্ষর করলো হায়দ্রাবাদের প্রাণী সম্পদ বিকাশ সংস্থা 'আর আর এনিমেল হেলথ কেয়ার'। উন্নত মানের প্রাণীজ খাদ্য উৎপাদনের জন্য কর্পোরেট ফার্মিং অর্থাৎ ভক্ষ প্রাণীর উন্নত পরিপালন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিষয়ে গবেষণা ও কাজকর্ম করে থাকে সংস্থাটি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরবিদ্যা বিভাগের সঙ্গে ওই সংস্থা গাঁটছড়া বাঁধায় এবার এখানকার পড়ুয়ারাও কর্পোরেট ফার্মিং প্রোগ্রাম বিষয়ে যেমন তালিম পাবেন যেমন তেমনিই তাদের সামনে খুলে যাবে গবেষণার রাস্তাও। গরু, ছাগল,ভেড়া,হাঁস, মুরগি, মাছ সমেত পোলট্রি ফার্মিং বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে ওই সংস্থা। সাধারণ মানুষের কাছে দূষণমুক্ত উন্নত মানের প্রাণীজ খাদ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে গবেষণা ও উৎপাদনের কাজ করে ওই সংস্থা। এর আগেও বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরবিদ্যা বিভাগের পড়ুয়াদের নিয়ে এই সংক্রান্ত গবেষণার কাজ করেছে সংস্থাটি। শারীরবিদ্যা বিভাগ সূত্রে খবর, যারা পোলট্রি তথা অ্যানিম্যাল হাজবেন্ড্রির সঙ্গে যুক্ত তারা যাতে নিজেরাই উন্নত মানের প্রজাতির প্রাণীর ব্রিডিং করতে পারেন সেজন্য সিমেন এক্সটেন্ডার মেশিন তৈরির চেষ্টা যৌথ ভাবে করা হবে। ওই মেশিন তৈরি হলে উন্নত মানের পুরুষ পশু বা পাখির বীর্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করে তার সফল প্রয়োগ বাস্তবায়িত হবে বলে জানা গেছে। শারীরবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক তথা ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার বিপ্লব গিরি জানান," যে সমস্ত প্রাণীর মাংস, দুধ, ডিম আমাদের খাদ্য তালিকায় রয়েছে তাদের বিজ্ঞানসম্মতভাবে প্রতিপালন করা এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা করার বিষয়ে পড়ুয়ারা গবেষণার সুযোগ পাবেন। আমরা গবেষণার মাধ্যমে যদি উন্নততর কিছু আবিষ্কার করতে পারি তবে তার বাণিজ্যিক প্রয়োগের মাধ্যমে লাভবান হতে পারেন পশু পালক ও পোলট্রি ফার্মাররা। আর্থ সামাজিক ক্ষেত্রে আমূল সংস্কার আনা সম্ভব হবে এর মাধ্যমে। নিঃসন্দেহে এটি বড় প্রাপ্তি।" এ প্রসঙ্গে 'আর আর এনিমেল হেলথ কেয়ার' এর রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট উইংয়ের প্রধান লাবণ্যময় কোলে জানান," গৃহপালিত প্রাণীর উন্নত প্রতিপালন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি সম্পর্কে পড়ুয়ারা যেমন জানতে পারবেন তেমনি এখানে গবেষণার মাধ্যমে উচ্চ প্রজননক্ষম গৃহপালিত প্রাণী ও তার উৎপাদনের বিষয়টিও সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে। এর ফলে গ্রামের পশুপালকরাও উপকৃত হবেন।" নানা ইস্যুকে কেন্দ্র করে যখন গৌড়বঙ্গে অচলাবস্থা তৈরীর চক্রান্ত চলছে বলে বারবার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এমন দু'টি বিজ্ঞান গবেষণা সংস্থার গাঁটছড়া বাঁধার ঘটনা নিঃসন্দেহে আশার আলো দেখাচ্ছে শিক্ষাপ্রেমীদের।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২০
রাজ্য

‘বিজেপি বহিরাগতদের এনে ব়্যালি করছে’, দাবি অনুব্রতর

ডাকবাংলো মোড় থেকে চৌরাস্তা গোটা রাস্তাতেই ব্যান্ড বাজছে। বাড়ির উপর থেকে ফুল পড়ছে। জনজোয়ারে ভেসে এগিয়ে চলেছেন অমিত শাহ। পরে শাহের জয় শ্রীরাম ধ্বনিতে যেন জনতার বাঁধ ভাঙল। বোলপুরে এ দিন অমিত শাহের মেগা ব়্যালিতে ভিড় ছিল উপচে পড়া। তবে, একে আমল দিতে নারাজ খোদ বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। উল্টে এখানেও বহিরাগত তত্ত্ব হাজির করলেন নেত্রীর আস্থাভাজন কেষ্ট। দলীয় বঙ্গধ্বনী কর্মসূচির মাঝেই নিজস্ব কায়দায় বললেন, বিজেপি বহিরাগতদের এনে এই ব়্যালি করছে। আমি জেলার লোক নিয়ে মিছিল করি। কয়েকটা ব্লক নিয়ে মিছিল করলেই এর থেকে বেশি ভিড় জমিয়ে দিতে পারি। আরও পড়ুন ঃ রোড শোতে উপচে পড়া ভিড়, হুডখোলা গাড়ি থেকে পরিবর্তনের ডাক শাহের এখানেই থেমে থাকেননি অনুব্রত। উল্টে কিছুটা চ্যালেঞ্জের সুরেই তাঁর দাবি, আগামী ৪ জানুয়ারি থেকে জেলার বিভিন্ন এলাকায় সভা শুরু হবে। প্রতিটা ব্লকে ৮০ হাজার করে লোক থাকবে। এরপরই তৃণমূল নেত্রীর পদযাত্রার প্রসঙ্গ উত্থাপ করে তিনি বলেন, মমতাদির সবা-মিছিল হলে পাঁচ-ছয়টা ব্লক থেকে মিছিল তাতেই চার-পাঁচ লাখ লোক হয়ে যায়। এসব আমাদের কাছে কোনও ব্যাপার নয়। বিজেপির এ দিনের কর্মসূচিতে যে ভিড় হয়েছে তাতে কি তিনি ভীত? অনুব্রত মণ্ডল বলেন, আমিত শাহ রোজ আসুন। এতে তৃণমূলের কোন ক্ষতি হবে না। উৎসাহিত হবে দলের কর্মীরা। একই সঙ্গে বলেন, শুভেন্দু হোক বা অন্য কেউ- তৃণমূল ছাড়লে ক্ষতি দলত্যাগীদের। ফের বাংলার ক্ষমতায় আসবে তৃণমূল।

ডিসেম্বর ২০, ২০২০
রাজ্য

পাহাড়ে বিমলের সভার আগে আদিবাসীদের হুঁশিয়ারি 'আগুন জ্বলবে'

বেশ কয়েকবছর ফেরার হয়ে গিয়েছিলেন বিমল গুরুং। তারপর একদিন আচমকাই কলকাতায় দেখা মেলে তাঁর। বর্তমানে উত্তরের বিভিন্ন প্রান্তে সভা করতেও দেখা গিয়েছে গুরুংকে। পাহাড়ের উন্নয়নের স্বার্থে বিজেপিকে হটাতে আগামী দিনে তৃণমূলের হাত ধরেই হাঁটতে চান মোর্চা নেতা। তবে তাঁর আবার ফিরে আসাকে ভাল চোখে দেখছেন না অনেকেই। এই পরিস্থিতিতে সাড়ে তিন বছর পর রবিবার দার্জিলিংয়ের মোটরস্ট্যান্ডে সভা করবেন গুরুং। কিন্তু তার আগেই আদিবাসী বিকাশ পরিষদের নেতা রাজেশ লাকরা রীতিমতো হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁকে। আরও পড়ুন ঃ বোলপুরের বাউল বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ অমিত শাহর রাজেশ লাকরা বলেন, গুরুং যদি সভা করে, তাহলে আগুন জ্বলবে। সূত্রের খবর, সমস্যা বিরাটাকার নেয় গত শুক্রবার। ওইদিন ডুয়ার্সের ওদলাবাড়িতে একটি সভা করেন গুরুং। তিনি দাবি করেন, সোনম লামা নামে এক ব্যক্তি বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী হতে চলেছেন। ওই সোনম লামা বেশ কয়েকজন শীর্ষ তৃণমূল নেতা ঘনিষ্ঠ বলেও দাবি মোর্চা নেতার। আর তাতেই ক্ষুব্ধ আদিবাসী বিকাশ পরিষদ। নাগরাকাটাতে মোর্চা নেতার পালটা সভা করেন বিকাশ পরিষদের নেতারা। সেই সভাতেই মোর্চা নেতাকে হুঁশিয়ারি রাকেশ লাকরা। শোনা যাচ্ছে, রবিবার আদিবাসী বিকাশ পরিষদের নেতারা একটি সাংবাদিক বৈঠক করতে পারেন। সেই মঞ্চ থেকে গুরুংয়ের বিরুদ্ধে আরও সুর চড়ানোর আশঙ্কা রাজনৈতিক মহলের। রবিবার শালবাড়ি থেকে পাহাড়ে উঠবেন তিনি। দার্জিলিংয়ের মোটরস্ট্যান্ডে সভা হবে। ইতিমধ্যেই সভার প্রস্তুতি প্রায় শেষ।

ডিসেম্বর ২০, ২০২০
রাজ্য

বোলপুরের বাউল বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ অমিত শাহর

শ্যমবাটিতে বাউল শিল্পী বাসুদেব দাসের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। নির্দিষ্ট সময়ের খানিকটা পরেই অমিত শাহ পৌঁছন বাউল বাসুদেবের বাড়িতে। সেখানকার শিবমন্দিরে প্রথমে পুজো দেন। এরপর দাওয়ায় এসে বসেন। তাঁকে উত্তরীয় পরিয়ে বরণ করে নেন বাড়ির মেয়েরা। তোমায় হৃদমাঝারে রাখব গান শুনে মধ্যাহ্নভোজ সারেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ, সর্বভারতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায়, অনুপম হাজরা প্রমুখ। কথা ছিল, বোলপুরে গেলে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একেবারে স্থানীয় খাবার খাবেন বাউল পরিবারে। আরও পড়ুন ঃ ৭০ বছর পর ঐতিহাসিক সাফল্য ভারত সরকারের সেইমতো রবিবার অতিথি আপ্যায়ণের জন্য সকাল থেকেই তোড়জোড় শুরু হয় রতনপল্লির বাউল বাসুদেব দাসের পরিবারে। পাতে ছিল, ভাত, মুগের ডাল, বেগুন ভাজা, পালং শাকের তরকারি, আলু পোস্ত, চাটনি। কলাপাতায় এই সব পদ সাজিয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, নিজের গলায় একখানা গানও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে শোনান শিল্পী। মাটির দাওয়ায় বসেই তা বেশ উপভোগও করলেন অমিত শাহ।

ডিসেম্বর ২০, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 50
  • 51
  • 52
  • 53
  • 54
  • 55
  • 56
  • 57
  • 58
  • 59
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

আমেরিকায় পঞ্চাশ বছরে প্রথম তেল শোধনাগার, গড়ছে মুকেশ আম্বানির সংস্থা

আমেরিকায় নতুন একটি তেল শোধনাগার তৈরি হতে চলেছে এবং সেই প্রকল্পে বড় ভূমিকা নিতে চলেছে মুকেশ আম্বানির সংস্থা রিলায়েন্স। এমনই ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানান, টেক্সাসের ব্রাউনসভিল এলাকায় এই নতুন শোধনাগার তৈরি হবে। তাঁর দাবি, গত পঞ্চাশ বছরের মধ্যে এটিই হবে আমেরিকার প্রথম নতুন তেল শোধনাগার।ট্রাম্প বলেন, এই প্রকল্প আমেরিকার জ্বালানি শক্তিকে আরও মজবুত করবে। তাঁর কথায়, আমেরিকা আবার শক্তির আধিপত্যের পথে ফিরছে এবং দেশের স্বার্থই সবার আগে থাকবে। তিনি এই প্রকল্পে বিনিয়োগের জন্য ভারতের অংশীদার এবং দেশের অন্যতম বড় বেসরকারি জ্বালানি সংস্থা রিলায়েন্সকে ধন্যবাদ জানান।ট্রাম্প আরও দাবি করেন, এই শোধনাগারটি বিশ্বের অন্যতম পরিচ্ছন্ন তেল শোধনাগার হবে। এর ফলে আমেরিকার বিপুল আর্থিক লাভ হবে বলেও তিনি জানান। তবে এই প্রকল্প ভারতের সঙ্গে কোনও বড় চুক্তির অংশ কি না, তা তাঁর ঘোষণায় স্পষ্টভাবে বলা হয়নি।জানা যায়, ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং মুকেশ আম্বানির মধ্যে দীর্ঘদিনের সুসম্পর্ক রয়েছে। গত বছর কাতারে একটি অনুষ্ঠানে ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করেছিলেন রিলায়েন্সের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি। এছাড়া ভেনেজুয়েলার তেল কেনার বিষয়েও হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল রিলায়েন্স। এবার আমেরিকার মাটিতে তেল শোধনাগার তৈরির ঘোষণা সেই সম্পর্ককেই আরও স্পষ্ট করে তুলল।উল্লেখ্য, ইরানকে ঘিরে ইজরায়েল ও আমেরিকার সংঘাতের আবহে এই ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। এই সংঘাতের কারণে বিশ্বজুড়ে তেল সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহণ হয়। সেই পথ এখন বড়সড় চাপের মুখে পড়েছে।এই পরিস্থিতিতে অনেক তেলের ট্যাঙ্কার এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলাচল করতে পারছে না বলে জানা যাচ্ছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম দ্রুত বাড়তে শুরু করেছে। এই জ্বালানি সংকটের প্রভাব বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই পড়ছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই আমেরিকায় নতুন তেল শোধনাগার তৈরির ঘোষণা বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

মার্চ ১১, ২০২৬
রাজ্য

জলাজমি ভরাট করে বাড়ি? এবার পুলিশের তলব হুমায়ুন কবীরের স্ত্রীকে

তৃণমূল কংগ্রেসের সাসপেন্ড হওয়া বিধায়ক এবং আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীরকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। জলাজমি ভরাট করে বাড়ি তৈরির অভিযোগে এবার তাঁর স্ত্রী মিতা সুলতানাকে তলব করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুর বারোটা নাগাদ তাঁকে শক্তিপুর থানায় হাজির হতে বলা হয়েছে।মুর্শিদাবাদের মানিক্যহার গ্রামে হুমায়ুন কবীরের বাড়ি রয়েছে। ওই বাড়িটি তাঁর স্ত্রী মিতা সুলতানার নামে নথিভুক্ত। সেই বাড়িকে ঘিরেই অভিযোগ উঠেছে যে জমির চরিত্র পরিবর্তন না করেই সেখানে বাড়ি তৈরি করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, যে জমির উপর বাড়ি তৈরি হয়েছে সেটি আগে নালা বা জলাশয়ের অংশ ছিল।এই বিষয়টি নিয়ে এর আগেই ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তর থেকে একটি নোটিস পাঠানো হয়। নোটিসে জানানো হয়, মানিক্যহার মৌজার নির্দিষ্ট একটি প্লটে প্রায় শূন্য দশমিক দুই একর জমির চরিত্র বেআইনিভাবে পরিবর্তন করা হয়েছে বলে অভিযোগ এসেছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে সাত দিনের মধ্যে লিখিতভাবে জবাব দিতে বলা হয় হুমায়ুন কবীরের স্ত্রীকে। একই সঙ্গে জানানো হয়, জবাব না পেলে আইন অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।নালা প্রকৃতির জমি সাধারণত জল বের হওয়ার ছোট খাল বা ডোবার মতো জায়গাকে বোঝায়। এই ধরনের জমি জলাশয় বা কৃষিজমির অংশ হিসেবে ধরা হয়। আইন অনুযায়ী এমন জমি ভরাট করা বা তার ব্যবহার পরিবর্তন করা বেআইনি। ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের অনুমতি ছাড়া এর চরিত্র বদলানো যায় না।তবে এই অভিযোগ মানতে নারাজ হুমায়ুন কবীর। তাঁর দাবি, যে বাড়ি নিয়ে এখন এত বিতর্ক হচ্ছে সেখানে তিনি প্রায় সতেরো থেকে আঠারো বছর ধরে বসবাস করছেন। তিনি জানান, জমির চরিত্র পরিবর্তন করে ভিটে করার জন্য বাম আমলেও একাধিকবার সরকারি দপ্তরে আবেদন করেছিলেন। তাঁর বক্তব্য, বাড়ি তৈরি করার সময় প্রশাসনের তরফে কোনও আপত্তি তোলা হয়নি।এখন তাঁর স্ত্রীর কাছে নোটিস পাঠানোকে তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলেই দাবি করেছেন। হুমায়ুন কবীরের অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করার পর থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

মার্চ ১১, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধের ছ্যাঁকায় কার্যত লকডাউন পাকিস্তানে! অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ স্কুল, অফিসে আসতে হবে না সরকারি কর্মীদের

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাব এখন ধীরে ধীরে বিশ্বজুড়ে পড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী ঘিরে উত্তেজনার কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহে বড় ধাক্কা লেগেছে। অভিযোগ উঠছে, ইরান এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করছে এবং পাশাপাশি আশপাশের দেশের তেল উৎপাদন ও শোধনাগারেও হামলা চালানো হচ্ছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংঘাত যদি দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে, তবে বিশ্ব অর্থনীতির উপর তার বড় প্রভাব পড়তে পারে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি দেশে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। শুধু ভারত নয়, প্রায় দশটি দেশ এই সমস্যার মুখে পড়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছে পাকিস্তান।জ্বালানি বাঁচাতে পাকিস্তান কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে শুরু করেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কার্যত লকডাউনের মতো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ঘোষণা করেছেন যে স্কুলগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হবে। উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে পড়াশোনা হবে অনলাইনে। সরকারি অফিসগুলির কাজের দিনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।সরকারি দপ্তরগুলিতে আগামী দুই মাস জ্বালানির ব্যবহার অর্ধেক কমিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্যাঙ্ক ছাড়া অন্য সরকারি অফিস সপ্তাহে মাত্র চার দিন খোলা থাকবে। এছাড়া জরুরি পরিষেবা ছাড়া সরকারি কর্মীদের একটি বড় অংশকে বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রীদের ভাতাও কমানো হয়েছে।শুধু পাকিস্তান নয়, জ্বালানি সংকটের প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের উপরেও। সেখানে জ্বালানি ব্যবহারে সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। মোটরসাইকেলের জন্য দিনে সর্বোচ্চ দুই লিটার এবং গাড়ির জন্য দশ লিটার জ্বালানি নেওয়ার নিয়ম চালু হয়েছে।ইউরোপের বিভিন্ন দেশেও জ্বালানির চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। শ্রীলঙ্কায় জ্বালানির দাম প্রায় আট শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। মায়ানমারে গাড়ি চলাচলের জন্য জোড় ও বিজোড় নম্বরের নিয়ম চালু করা হয়েছে। অনেক জায়গায় জ্বালানি না থাকায় পাম্প বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ফলে অনেক মানুষ পাশের দেশ থাইল্যান্ডে গিয়ে তেল কিনছেন।আমেরিকার কিছু রাজ্যেও জ্বালানির দাম বেড়েছে। ফ্লোরিডা এবং লুইজিয়ানায় প্রতি গ্যালন গ্যাসের দাম প্রায় এগারো সেন্ট পর্যন্ত বেড়েছে। ভিয়েতনামেও জ্বালানি সংকট মোকাবিলার জন্য বিশেষ টাস্ক ফোর্স তৈরি করা হয়েছে।বর্তমানে পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ফ্রান্স, আমেরিকা, জার্মানি, পোল্যান্ড, ভিয়েতনাম, শ্রীলঙ্কা এবং ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশগুলিতে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত যদি দ্রুত থামানো না যায়, তবে আগামী দিনে এই সংকট আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মার্চ ১১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে মন্দিরে যাওয়া ঘিরে তুমুল বিতর্ক, কীর্তি আজাদকে কড়া জবাব গম্ভীরের

ভারতের টি-কুড়ি বিশ্বকাপ জয়ের পর বিশ্বকাপ ট্রফি মন্দিরে নিয়ে যাওয়া নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন উনিশশো তিরাশি সালের বিশ্বজয়ী দলের সদস্য কীর্তি আজাদ। তাঁর সেই মন্তব্যের পালটা জবাব দিয়েছেন ভারতের প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর এবং প্রাক্তন ক্রিকেটার হরভজন সিং। এই বিতর্কে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন উইকেটরক্ষক ঈশান কিষানও।ঘটনার সূত্রপাত বিশ্বকাপ জয়ের রাতেই। ট্রফি হাতে মন্দিরে গিয়েছিলেন দলের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব এবং প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার চেয়ারম্যান জয় শাহও। এই ঘটনাকে ঘিরেই প্রশ্ন তোলেন কীর্তি আজাদ। তাঁর বক্তব্য, বিশ্বকাপ ট্রফি দেশের সব ধর্মের মানুষের গর্ব। সেই ট্রফি কেন শুধু একটি নির্দিষ্ট ধর্মের উপাসনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হবে। তিনি আরও মনে করিয়ে দেন যে দলের হয়ে সঞ্জু স্যামসন ও মহম্মদ সিরাজের মতো ক্রিকেটাররাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।বিশ্বকাপ জয়ের পর ঈশান কিষান পাটনা বিমানবন্দরে পৌঁছলে সাংবাদিকরা কীর্তি আজাদের মন্তব্য নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করেন। সেই প্রশ্নে কিছুটা বিরক্ত হয়ে ঈশান বলেন, তাঁরা এত পরিশ্রম করে বিশ্বকাপ জিতেছেন এবং সেই সাফল্য নিয়েই কথা হওয়া উচিত। পরে যখন তাঁকে বিশ্বকাপ জয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়, তখন তিনি জানান যে দেশের জন্য এই জয় অত্যন্ত আনন্দের এবং স্মরণীয়।অন্যদিকে কীর্তি আজাদের মন্তব্য নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দেন গৌতম গম্ভীর। তাঁর বক্তব্য, এই ধরনের প্রশ্নের কোনও গুরুত্ব নেই। ভারতের বিশ্বকাপ জয় বড় ঘটনা এবং সেটাই উদযাপন করা উচিত। তিনি বলেন, এই ধরনের মন্তব্য করলে দলের পনেরো জন ক্রিকেটারের কঠোর পরিশ্রমকে ছোট করা হয়।এই বিতর্কে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন স্পিনার হরভজন সিংও। তিনি বলেন, একটি দল চাইলে ট্রফি মন্দিরে, মসজিদে বা গির্জায় যেখানেই খুশি নিয়ে যেতে পারে। যদি কেউ নিজের বিশ্বাস অনুযায়ী প্রার্থনা করেন, তাতে সমস্যা কোথায়। তাঁর মতে, দেশের বড় জয়কে নিয়ে রাজনীতি করা উচিত নয়। তিনি আরও বলেন, ঈশ্বরের রূপ আলাদা হতে পারে, কিন্তু বিশ্বাসের পথ এক। তাই কারও বিশ্বাস নিয়ে প্রশ্ন তোলা ঠিক নয়।

মার্চ ১১, ২০২৬
কলকাতা

আজই বাংলায় আসছেন নতুন রাজ্যপাল আর এন রবি, শপথের আগে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তেজনা

পশ্চিমবঙ্গে নতুন রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব নিতে বুধবারই কলকাতায় আসছেন আর এন রবি । জানা গিয়েছে, এদিন সন্ধ্যা প্রায় ছয়টা পঁচিশ মিনিটে তিনি কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছবেন। সেখানে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হবে । এরপর বৃহস্পতিবার তাঁর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।এর আগে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল ছিলেন ডক্টর সিভি আনন্দ বোস । তবে নিজের কার্যকালের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তিনি গত পাঁচ মার্চ আচমকা দিল্লিতে গিয়ে ইস্তফা দেন। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু তাঁর ইস্তফা গ্রহণ করার পরই ঘোষণা করা হয় যে আর এন রবি পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী রাজ্যপাল হচ্ছেন। এই ঘোষণার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় তীব্র আলোচনা এবং বিতর্ক।নতুন রাজ্যপালকে নিয়ে কড়া মন্তব্য করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বিজেপি ছাড়া আর কোনও কাজ করেন না এমন একজন ব্যক্তিকে রাজ্যপাল করা হয়েছে । তিনি আরও বলেন, তামিলনাড়ুতে যা করেছেন করেছেন, কিন্তু বাংলা সম্পূর্ণ আলাদা।আর এন রবি উনিশশো ছিয়াত্তর সালের কেরল ক্যাডারের আইপিএস অফিসার। কর্মজীবনে তিনি কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এবং জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি মেঘালয় এবং তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল হিসেবেও কাজ করেছেন। এবার তাঁকেই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।এরই মধ্যে মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিদায়ী রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে দেখা করেন। তার আগে তিনি এসআইআর বিরোধী অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন। সেই কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর ধর্মতলা থেকে সরাসরি রাজভবনে যান তিনি।সেখানে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তাঁর সঙ্গে সিভি আনন্দ বোসের সম্পর্ক ভালো ছিল। তিনি অভিযোগ করেন, ভোটের আগে হঠাৎ করে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, তিনি আনন্দ বোসকে বলেছেন যে এতদিন বাংলায় থাকার ফলে তিনি এই রাজ্যকে ভালোভাবে চেনেন, তাই ভবিষ্যতে আবার বাংলায় আসার জন্যও তাঁকে অনুরোধ করেছেন।এখন নতুন রাজ্যপাল হিসেবে আর এন রবির আগমনের পর রাজভবন এবং নবান্নের সম্পর্ক ভবিষ্যতে কীভাবে গড়ে ওঠে, তা নিয়েই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ১১, ২০২৬
দেশ

কোমায় পড়ে থাকা যুবকের জীবনের শেষ অধ্যায়, আদালতের অনুমতিতে সরানো হবে লাইফ সাপোর্ট

বারো বছরেরও বেশি সময় ধরে কোমায় থাকা এক যুবকের জীবনরক্ষাকারী কৃত্রিম চিকিৎসা ব্যবস্থা তুলে নেওয়ার অনুমতি দিল দেশের শীর্ষ আদালত। বুধবার সুপ্রিম কোর্ট এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত জানায়। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, ওই যুবকের শরীরে চলা কৃত্রিম জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা ধীরে ধীরে বন্ধ করা হবে।জানা গিয়েছে, হরিশ রানা নামে ওই যুবক দুই হাজার তেরো সালে একটি ভবনের চতুর্থ তলা থেকে পড়ে গুরুতর মাথায় আঘাত পান। সেই দুর্ঘটনার পর থেকেই তিনি কোমায় রয়েছেন। দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তাঁর অবস্থার কোনও উন্নতি হয়নি।বিচারপতি জে বি পারদিওয়ালা এবং কে ভি বিশ্বনাথনের বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে যে দিল্লির সর্বভারতীয় চিকিৎসা বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠানে তাঁকে উপশমমূলক চিকিৎসা কেন্দ্রে ভর্তি করা হবে। সেখানে পরিকল্পনা মেনে ধাপে ধাপে জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা তুলে নেওয়া হবে, যাতে তাঁর মর্যাদা বজায় থাকে।এর আগে আদালত ওই যুবকের বাবা-মায়ের সঙ্গেও দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিল। চিকিৎসকদের একটি বিশেষ কমিটি তাঁর চিকিৎসা সংক্রান্ত বিস্তারিত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেয়। সেই প্রতিবেদনে বলা হয়, তাঁর সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে। আদালতও এই রিপোর্টকে অত্যন্ত দুঃখজনক বলে মন্তব্য করে।নিষ্ক্রিয় ইউথেনেশিয়া বলতে বোঝায় এমন পরিস্থিতি, যখন রোগীর শরীর বাঁচিয়ে রাখতে যে কৃত্রিম চিকিৎসা বা যন্ত্রের প্রয়োজন হয়, তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। যেমন ভেন্টিলেটর বা খাবার দেওয়ার নল। এতে রোগী স্বাভাবিকভাবেই মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যান। সক্রিয় ইউথেনেশিয়ার মতো এখানে কোনও প্রাণঘাতী ওষুধ দেওয়া হয় না, বরং চিকিৎসা বন্ধ করা হয় যখন সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।ভারতে নিষ্ক্রিয় ইউথেনেশিয়াকে সুপ্রিম কোর্ট দুটি গুরুত্বপূর্ণ রায়ের মাধ্যমে স্বীকৃতি দিয়েছে। দুই হাজার এগারো সালে অরুণা শানবাগ মামলায় প্রথমবার আদালত বিশেষ পরিস্থিতিতে নিষ্ক্রিয় ইউথেনেশিয়াকে অনুমতি দেয়। অরুণা শানবাগ মুম্বইয়ের একটি হাসপাতালে কর্মরত নার্স ছিলেন। উনিশশো তেহাত্তর সালে এক নৃশংস আক্রমণের পর তিনি দীর্ঘ সময় কোমায় ছিলেন। সেই মামলায় আদালত তাঁর জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা বন্ধের আবেদন খারিজ করলেও বিশেষ পরিস্থিতিতে এই ব্যবস্থা নেওয়ার আইনি পথ খুলে দেয়।এরপর ২০১৮ সালে একটি ঐতিহাসিক রায়ে সুপ্রিম কোর্ট জানায় যে মর্যাদার সঙ্গে মৃত্যুর অধিকারও সংবিধানের জীবনের অধিকারের অংশ। সেই রায়ে জীবনের শেষ পর্যায়ে নিজের ইচ্ছা আগেই লিখে রাখার ব্যবস্থাও স্বীকৃতি পায়।পরবর্তীতে ২০২৩ সালে আদালত এই নিয়ম আরও সহজ করে দেয় যাতে পরিবারগুলির জন্য প্রক্রিয়াটি বাস্তবসম্মত হয়। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, প্রথমে হাসপাতালের চিকিৎসকদের একটি বোর্ডকে জানাতে হয় যে রোগীর সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা নেই। এরপর আরেকটি চিকিৎসক বোর্ডও সেই মত নিশ্চিত করে। রোগী যদি নিজের মত জানাতে না পারেন, তবে পরিবারের সদস্য বা নিকট আত্মীয় এই প্রক্রিয়া শুরু করতে পারেন।হরিশ রানার মামলায় সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন। দীর্ঘদিন কোমায় থাকা রোগীদের চিকিৎসা এবং মর্যাদার সঙ্গে মৃত্যুর অধিকার নিয়ে আবারও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ১১, ২০২৬
কলকাতা

আচমকা ইস্তফার পর বাংলাবাসীর উদ্দেশে আবেগঘন চিঠি রাজ্যপাল আনন্দ বোসের

পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর রাজ্যের মানুষকে উদ্দেশ করে একটি আবেগঘন খোলা চিঠি লিখলেন সিভি আনন্দ বোস। চিঠিতে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মানুষের প্রতি তাঁর ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার কথা প্রকাশ করেছেন।চিঠির শুরুতেই তিনি পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে নিজের প্রিয় ভাই ও বোন বলে উল্লেখ করেন। তিনি লেখেন, এই রাজ্যের মানুষের ভালোবাসা, সমর্থন এবং সহযোগিতার জন্য তিনি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। রাজ্যপাল হিসেবে তাঁর দায়িত্ব শেষ হলেও পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কখনও শেষ হবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তাঁর কথায়, পশ্চিমবঙ্গ এখন তাঁর দ্বিতীয় বাড়ি এবং ভবিষ্যতেও তিনি এই রাজ্যের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন।চিঠিতে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মানুষের আন্তরিকতা ও উষ্ণতার কথা স্মরণ করেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা হওয়া, শিশুদের উচ্ছ্বাস, তরুণদের দৃঢ় করমর্দন এবং প্রবীণদের স্নেহময় দৃষ্টিএই সব স্মৃতি তাঁর কাছে অমূল্য হয়ে থাকবে বলে জানান তিনি।আনন্দ বোস মহাত্মা গান্ধীর একটি উক্তির কথাও উল্লেখ করেন। তিনি লেখেন, মহাত্মা গান্ধী বলেছিলেন তিনি বাংলাকে ছেড়ে যেতে পারেন না এবং বাংলা তাঁকে যেতে দেবে না। এই কথার সঙ্গে নিজের অনুভূতির মিল খুঁজে পেয়েছেন বলেও তিনি জানান।চিঠিতে তিনি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উক্তির কথাও তুলে ধরেন। সেখানে শ্রমজীবী মানুষের মধ্যেই ঈশ্বরের উপস্থিতির কথা বলা হয়েছে। গত কয়েক বছরে তিনি রাজ্যের বিভিন্ন জেলা ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন বলে জানান। গ্রামের মানুষের বাড়িতে বসে খাওয়া, ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে পড়াশোনা করা এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করার অভিজ্ঞতা তাঁর কাছে খুবই মূল্যবান বলে তিনি উল্লেখ করেন।তিনি আরও লেখেন, বাংলার মানুষ তাঁদের সংস্কৃতি ও সামাজিক মূল্যবোধ নিয়ে গর্ব অনুভব করেন এবং এই বিষয়টি বাংলার মানসিকতার পরিচয় দেয়।চিঠির শেষে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মানুষের উন্নতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। তিনি বিশ্বাস প্রকাশ করেন যে আগামী দিনে বাংলা আরও সাফল্যের শিখরে পৌঁছাবে। সবশেষে তিনি বাংলার মানুষের সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ কামনা করে লেখেন, মা দুর্গা যেন এই রাজ্যের মানুষকে রক্ষা করেন।

মার্চ ১১, ২০২৬
কলকাতা

অটোর গ্যাসের দামে হঠাৎ বড় ধাক্কা, লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে ক্ষোভে ফুঁসছেন চালকরা

রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ার পর থেকেই জ্বালানির বাজারে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। এবার সেই উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে লিটার প্রতি পাঁচ টাকা বেড়ে গেল অটোয় ব্যবহৃত এলপিজির দাম। হঠাৎ এই মূল্যবৃদ্ধিতে সমস্যায় পড়েছেন শহরের অটোচালকরা।চালকদের অভিযোগ, এতদিন লিটার প্রতি গ্যাসের দাম ছিল সাতান্ন টাকা আটষট্টি পয়সা। কিন্তু হঠাৎ করেই পাঁচ টাকা বাড়িয়ে এখন সেই দাম দাঁড়িয়েছে বাষট্টি টাকা আটষট্টি পয়সা।এদিকে বুধবার ভোররাত থেকেই শহরের প্রায় সব গ্যাস পাম্পে রিফিলের জন্য দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। বেঙ্গল কেমিক্যাল পাম্প থেকে সিটি সেন্টার পর্যন্ত প্রায় একই ছবি চোখে পড়েছে। গ্যাস ভরার জন্য অনেক চালককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে।পাম্প কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, কয়েক মিনিট আগেও পুরনো দামেই গ্যাস দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ নতুন নির্দেশিকা আসায় দাম বাড়াতে হয়েছে। কেন এই মূল্যবৃদ্ধি হল, তা নিয়ে ধোঁয়াশায় রয়েছেন অনেকেই।অটোচালকদের অভিযোগ, একদিকে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে গ্যাস ভরাতে হচ্ছে, অন্যদিকে হঠাৎ দাম বেড়ে যাওয়ায় তাঁদের সমস্যা আরও বেড়েছে। অনেকেই বলছেন, গ্যাস ভরতে কমপক্ষে তিন থেকে চার ঘণ্টা সময় লাগছে। কেউ কেউ আবার জানিয়েছেন, আগের দিন দুই থেকে তিন ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও গ্যাস পাননি।এর ফলে সময়মতো রুটে পৌঁছাতে না পারায় তাঁদের রোজগারেও প্রভাব পড়ছে। অনেক চালকই বলছেন, এই পরিস্থিতিতে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে।অন্যদিকে গ্যাস সরবরাহকারী সংস্থার কর্মীরাও স্বীকার করছেন যে সরবরাহ কম হয়েছে। তাঁদের মতে, প্রতিদিন যে পরিমাণ গ্যাসের প্রয়োজন হয়, তার প্রায় অর্ধেকই এখন পাম্পে পৌঁছাচ্ছে। ফলে সংকট আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকেই।

মার্চ ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal