• ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩, সোমবার ২৭ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Tea

রাজ্য

Letter to CM: বিদ্যাসাগরের জন্মদিনকে 'বাংলার জাতীয় শিক্ষক দিবস' করার আবেদন বাংলার পক্ষ'র

২৬ সেপ্টেম্বর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মদিনকে বাংলার জাতীয় শিক্ষক দিবস উপলক্ষে পালন করতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে চিঠি লিখেছেন বাংলা পক্ষ সংগঠন। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলার চিন্তাশীলতার পরিসরে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অবদান অনস্বীকার্য। তিনি শুধু নবজাগরণের কাণ্ডারিই নন, আধুনিকতার পথপ্রদর্শকও। বাংলা তথা গোটা ভারতবর্ষ এখনও এই মহাপুরুষের যথেষ্ট মূল্যায়ন ও সম্মান করতে পারেনি। আর তাই এই অন্ধকারের আবহে বিদ্যাসাগরের আলোকবর্তিকা বাঙালি জাতিকে অনুপ্রেরণা জোগাবে। সুতরাং বিদ্যাসাগরের জন্মদিনটিকে বিশেষভাবে উল্লেখ করার জন্য এই আবেদন। এমনকী, বাংলার জনপ্রতিনিধিদের কাছেও আবেদন করা হয়েছে বিষয়টিকে সংসদে পেশ করে ২৬ সেপ্টেম্বর দিনটিকে বিশেষভাবে মর্যাদা দেওয়ার যেন আবেদন করা হয়। আরও পড়ুনঃ মাইলস্টোনের ম্যাচে ব্যর্থ কোহলি, দ্বিতীয় পর্বে দারুণ শুরু কলকাতা নাইট রাইডার্সেরইতিমধ্যেই ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মদিন ২৬ শে সেপ্টেম্বরকে যাতে বাংলার জাতীয় শিক্ষক দিবস হিসাবে ঘোষণা করা হয়, সেই দাবিপত্রে ইতিমধ্যেই সমর্থন জানিয়ে নাম দিয়েছেন কবি জয় গোস্বামী, সুবোধ সরকার, শিক্ষাবিদ পবিত্র সরকার, নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী, তপোধীর ভট্টাচার্য, সবুজকলি সেন, চলচিত্র পরিচালক সৃজিত মুখার্জি, সঙ্গীতশিল্পী রূপম ইসলাম, রূপঙ্কর বাগচী, রাঘব চট্টোপাধ্যায়, ইমন সেন, সৌমিত্র রায়, উজ্জয়িনী ভট্টাচার্য প্রমুখ।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Captain: রোহিতকে সহকারী চাননি, ভবিষ্যত বুঝেই নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত কোহলির

ঝুলি থেকে এবার আস্তে আস্তে বিড়াল বার হতে শুরু করেছে। ভারতীয় শিবিরের অন্দরমহলে ঠান্ডা লড়াই যে অনেকদিন ধরে চলছিল, আগেই বোঝা গিয়েছিল। এবার সেই অন্দরমহলের খবর বাইরে আসতে শুরু করেছে। বিরাট কোহলির সংসারে বিভাজন তৈরি হয়েছিল। শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করেছিলেন হেড কোচ রবি শাস্ত্রী। অবস্থা এমন জায়গায় পৌঁছেছিল যে নিজের আধিপত্য আরও কায়েম করতে বিরাট কোহলি নির্বাচকদের প্রস্তাব দিয়েছিলেন রোহিত শর্মাকে সহ অধিনায়কের দায়িত্ব থেকে সরানোর জন্য। যেটা একেবারেই ভালভাবে নেননি নির্বাচকরা এবং ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কর্তারা।টি২০ বিশ্বকাপের আগে বিরাট কোহলির সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেছিলেন নির্বাচকরা। সেই বৈঠকের আগে কোহলি নির্বাচকদের ও বোর্ড কর্তাদের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, বিশ্বকাপে ঋষভ পন্থকে সহ অধিনায়ক করা হোক। আর একদিনের ক্রিকেটে লোকেশ রাহুলকে। নির্বাচক ও বোর্ড কর্তারা কোহলির কোনও প্রস্তাবই মেনে নেননি। টি২০ বিশ্বকাপে রোহিত শর্মাকেই বেছে নেওয়া হয়েছে। বোর্ড কর্তারা কোহলিকে পরিস্কার বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনিই শেষ কথা নন। নিজের ব্যাটিংয়ে মনোযোগ দেওয়ার কথা বললেও আসলে ভবিষ্যত বুঝতে পেরেই টি২০ বিশ্বকাপের পর এই ফরম্যাটের নেতৃত্ব ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কোহলি।সবকিছু ঠিকঠাক চললে টি২০ বিশ্বকাপের পর রোহিত শর্মার হাতেই নেতৃত্ব তুলে দিতে চলেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। স্টপগ্যাপ অধিনায়ক হিসেবে দেশকে সাফল্য এনে দিয়েছেন রোহিত শর্মা। আইপিএলে তিনি সবচেয়ে বেশি পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন করেছেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে। অনেকদিন ধরেই রোহিতকে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে অধিনায়ক করার কথা আলোচিত হচ্ছিল ভারতীয় ক্রিকেটে। কিন্তু রবি শাস্ত্রীর সঙ্গে বিরাট কোহলির সম্পর্কর জন্যই কোহলি নেতৃত্বে থেকে গেছেন। গত অস্ট্রেলিয়া সফর থেকেই চাকা ঘুরতে শুরু করে বিরাটের বিপক্ষে।আরও পড়ুনঃ মালদা মেডিক্যাল কলেজে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, বাড়ছে আতঙ্কভারতীয় ড্রেসিংরুমে বিরাট বিরোধী হওয়ায় প্রবল। প্রকাশ্যে মুখ না খুললেও অনেকেই কোহলির আচরণে অসন্তুষ্ট। যদি কোনও সফরে অনুষ্কা শর্মা সঙ্গে থাকেন, তাহলে তো কথাই নেই। অন্য সময়ও যখন তখন কোহলির সঙ্গে মাঠের বাইরে দেখা করা, কথা বলা বা হাল্কা মেজাজে সময় কাটাতে পারেন না সতীর্থ ক্রিকেটাররা। কোচ, নির্বাচক, সাপোর্ট স্টাফ ও বিসিসিআই কর্তাদের আস্থা অর্জন করে বিরাট ভারতীয় দলে একনায়কতন্ত্র বা স্বেচ্ছাচারিতাও শুরু করেন বলে অভিযোগ। তিনি এমন কৌশল নিয়েছিলেন যাতে অধিনায়ক হিসেবে তাঁর উত্তরসূরী কেউ তৈরি হতে না পারেন। ২০১৯ সালের বিশ্বকাপে পাকাপাকিভাবে চার নম্বর পজিশনের ব্যাটসম্যান হিসেবে কাউকে তৈরি করতে চাননি বিরাট। আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে দুই স্পিনার নিয়ে খেলতে নামা কিংবা ইংল্যান্ডে টেস্ট সিরিজে এক নম্বর স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে বসিয়ে রাখাও বিরাটেরই স্বেচ্ছাচারিতার নমুনা বলে জানা যাচ্ছে। অস্ট্রেলিয়া সফরে এডিলেড টেস্টের আগেও বিরাটের হাতেই ছিল নিয়ন্ত্রণ। কিন্তু তা আলগা হতে শুরু করে ৩৬ রানে অল আউট হয়ে টেস্ট হারার পর। এরপর পিতৃত্বকালীন ছুটি নিয়ে বিরাট দেশে ফিরতেই এককাট্টা হয়ে গোটা দল অস্ট্রেলিয়ায় সিরিজ জয় নিশ্চিত করে। এতেই বিরাটের প্রতি দলের অনাস্থা প্রকাশ্যে আসতে থাকে।আরও পড়ুনঃ খড়ের পালুইয়ে বোমা উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য রায়নায়কোহলি নিশ্চিতভাবেই বুঝছিলেন, আজ নয় কাল তাঁর সাদা বলের অধিনায়কত্ব চলে যাচ্ছেই। একটিও আইসিসি ইভেন্টে দলকে চ্যাম্পিয়ন করাতে পারেননি কোহলি। টি ২০ বিশ্বকাপেও খারাপ কিছু হলে এমনিতেই অধিনায়কত্ব যেত। আগেভাগেই সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করে কিছুটা মুখরক্ষা করলেন এবং নিজের উপর চাপ কমালেন।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌Tennis : অন্য ছবি, পাকিস্তানে খেলতে গিয়ে রাজার হালে খুদে টেনিস দল

রাজনৈতিক কারণেই নাকি ক্রিকেটে ভারতপাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক সিরিজ শুরু করা যাচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক টানাপোড়েন যাই থাকুক না কেন, খেলার মাঠে যে তার প্রভাব পড়ে না অনূর্ধ্ব ১২ এশিয়ান টেনিস প্রতিযোগিতাতেই তার প্রমাণ। ইসলামাবাদে ৬ খুদে খেলোয়াড়কে রাজার হালে রেখেছে পাকিস্তান।এবছর পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে অনূর্ধ্ব ১২ এশিয়ান টেনিসের যোগ্যতা অর্জন পর্ব। ভারত থেকে ৬ জনের দল গেছে খেলতে। এর মধ্যে ৩ জন বালক, ৩ জন বালিকা। দুজন কোচ, আশুতোষ সিংহ ও নমিতা বল। বালকদের দলে রয়েছে আরব চাওলা, ওজাস মেহলাওয়াত, রুদ্র বথাম। আর বালিকাদের দলে রয়েছে মায়া রেবতী, হরিতশ্রী বেঙ্কটেশ এবং জাহ্নবী কাজলা।আরও পড়ুনঃ বর্ধমানে বৃদ্ধা মাকে খুন করে দেহ ঘরের মেঝেতে পুঁতে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার ছেলেএই ভারতীয় দলের সরাসরি ইসলামাবাদ যাওয়ার সুযোগ ছিল না। তাই দোহা হয়ে ইসলামাবাদ যেতে হয়েছে। দোহা বিমানবন্দরে নামার পর ইসলামাবাদগামী বিমানে ওঠার সময় জার্সিতে ভারতের পতাকা দেখে বেশ কয়েকজন পাকিস্তানি এগিয়ে এসে কথা বলেন। ইসলামাবাদে খেলতে যাচ্ছে জেনে খুশিও হয়। দোহা বিমানবন্দরে এইরকম অভ্যর্থনা পেয়ে দারুণ খুশি হন আশুতোষরা।ইসলামাবাদে পৌঁছে আরও চমক অপেক্ষা করছিল। এই রকম অভ্যর্থনা পাবেন, স্বপ্নেও ভাবেননি আশুতোষ, নমিতারা। বিমানবন্দরে অভিবাসন দপ্তরে পৌঁছনোর আগেই পাকিস্তান টেনিস ফেডারেশনের পক্ষ থেকে অভিবাসন সংক্রান্ত সব কাগজপত্র তৈরি করে রাখা হয়েছিল। বিমানবন্দর থেকে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থায় হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয় গোটা দলকে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা দেখে চমকে উঠেছিলেন আশুতোষরা। অনেকের ধারণা, পাকিস্তানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সবসময় আতঙ্কের। তাঁদের ক্ষেত্রে ছবিটি সম্পূর্ণ আলাদা বলে জানিযেছেন আশুতোষ। তাঁর কথায়, নিরাপত্তা নিয়ে আমরা একটুও চিন্তিত নই। রাজনীতি থেকে টেনিসকে সবসময় দূরে রাখে।আরও পড়ুনঃ সি আর সেভেনকে পেছনে ফেলে আবার শীর্ষে লিওনেল মেসিখাওয়াদাওয়ার ব্যাপারেও দারুণ সচেতনতার পরিচয় দিয়েছে আয়োজকরা। দলের এক সদস্য নিরামিষাশী। তাঁর জন্য আলাদা করে নিরামিষ খাবেরের ব্যবস্থা করা হয়েছে। অনুশীলনের জন্য কোর্টের ব্যবস্থা করার কথা ভারতীয় দলের থাকলেও সেই দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে তুলে নিয়েছে পাকিস্তান টেনিস ফেডারেশন। ভারতীয় দলের যেদিন পৌঁছনোর কথা ছিল, তার একদিন আগে চলে গেলেও বাড়তি একদিনের হোটেল ভাড়ার খরচও দিচ্ছে পাকিস্তান টেনিস ফেডারেশন। আতিথেয়তায় মুগ্ধ বালিকাদের কোচ নমিতা বল। তিনি বলেন, পাকিস্তানে যে ভালবাসা, সম্মান, যত্ন পাচ্ছি, এককথায় অসাধারণ। সবসময় খোঁজ নিচ্ছে, আমাদের কোনও অসুবিধা হচ্ছে কিনা।আরও পড়ুনঃ ত্রিপুরা পুলিশকে তৃতীয় চিঠি তৃণমূলেরখুদেদের দল গেলেও পাকিস্তান টেনিস ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট সেলিম সৈফুল্লা চান সিনিয়র দল পাকিস্তানে খেলতে যাক। অনূ্র্ধ্ব ১২ পর্যায়ে ভারতের সেরা খেলোয়াড় আরব চাওলাআ। তার বাবা বলেছেন, ছেলেকে পাকিস্তানে খেলতে পাঠানো নিয়ে আমার আপত্তি ছিল না। আমাদের ছেলেমেয়েরা ওখানে জাতীয় অতিথি হয়ে যাচ্ছে। সমস্যা হওয়ার কথা নয়। ছেলের সঙ্গে কথা হয়েছে। ওরা রাজার হালে রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

S‌ri Lanka T20 Team : শ্রীলঙ্কার টি২০ বিশ্বকাপ দলে চমক রহস্যময় স্পিনার মহেশ থীক্ষণা

আসন্ন টি২০ বিশ্বকাপের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করল শ্রীলঙ্কা। দলে একাধিক চমক রয়েছে। বিশ্বকাপে দলকে যেমন নেতৃত্ব দেবেন দাসুন শনাকা। দলে সুযোগ পেয়েছেন সদ্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হওয়া ২১ বছর বয়সী মহেশ থীক্ষণা। এই রহস্যময় স্পিনার নাকি বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার তুরুপের তাস হতে পারেন। এমনই মনে করছেন শ্রীলঙ্কার নির্বাচকরাআ। এছাড়াও নতুন মুখ প্রবীন জয়াবিক্রমা। তবে মিনোদ ভানুকার বাদ পড়াটা অন্যতম চমক।বলতে গেলে একপ্রকার ভাঙাচোরা দল নিয়েই এবার সংযুক্ত আরব আমীরশাহী ও ওমানে টি২০ বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছে শ্রীলঙ্কা। ইংল্যান্ড সফরে গিয়ে করোনাবিধি ভাঙার জন্য নির্বাসিত হয়েচেন নিরোশন ডিকওয়েলা, কুশল মেন্ডিস, দানুষ্কা গুণতিলকেরা। সিনিয়র ক্রিকেটাররা না থাকায় অপেক্ষাকৃত তরুণ ক্রিকেটারদের ওপরই ভরসা করতে হয়েছে নির্বাচকদের। দাসুন শনাকার নেতৃত্বেই তরুণ দল ভারতের বিরুদ্ধে শেষ দুটি টি২০ ম্যাচে জিতেছিল। দক্ষিণ আফ্রিকাকেও একদিনের সিরিজে ২১ ব্যবধানে হারিয়েছে। সিরিজের প্রথম টি২০ ম্যাচেও জিতেছে। সুতরাং তরুণ দল ভরসা জোগাচ্ছে নির্বাচকদের।আরও পড়ুনঃ গোডাউনে বেআইনি গ্যাস সিলিন্ডার মজুতের দায়ে মেমারিতে গ্রেপ্তার ব্যবসায়ী১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আইসিসির কাছে টি২০ বিশ্বকাপের জন্য ক্রিকেটারদের তালিকা জমা দেওয়ার শেষদিন ছিল। কিন্তু আনু্ষ্ঠানিকভাবে তা করতে পারেনি শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড। ১৫ জনের দল ঘোষণার পাশাপাশি ৪ জন ক্রিকেটারকে স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে। ঘোষিত ১৫ জনের দলে জায়গা পেয়েছেন : দাসুন শনাকা (অধিনায়ক), ধনঞ্জয় ডি সিলভা, আবিষ্কা ফার্নান্ডো, চরিথ আসালঙ্কা, কামিন্দু মেন্ডিস, ভানুকা রাজাপক্ষ, কুশল পেরেরা, দীনেশ চন্ডীমল, ওয়ানিন্দু হাসারঙ্গা, চামিকা করুণারত্নে, দুষ্মন্ত চামিরা, আকিলা ধনঞ্জয়, মহেশ থীক্ষণা, বিনুরা ফার্নান্দো, প্রবীণ জয়বিক্রমা। স্ট্যান্ডবাই হিসেবে রয়েছেন : নুয়ান প্রদীপ, পুলিনা থরঙ্গা, লাহিরু মাদুশঙ্কা, লাহিরু কুমারা।কুশল পেরেরার চোট ও অসুস্থতার কারণে মিনোদ ভানুকা শ্রীলঙ্কা দলে উইকেটকিপারের দায়িত্ব পালন করছিলেন। তাঁকে বিশ্বকাপের দলে রাখা হয়নি। তবে চমক রহস্যময় স্পিনার মহেশ থীক্ষণা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে তাঁর অভিষেক হয়েছে। অভিষেক ম্যাচেই ৩৭ রানে ৪ উইকেট নিয়েছিলেন মহেশ থীক্ষণা। তাঁর সঙ্গেই ১৫ সদস্যের দলে সুযোগ পেয়েছেন বাঁহাতি স্পিনার প্রবীণ জয়বিক্রমা, আকিলা ধনঞ্জয় ও বাঁহাতি পেসার বিনুরা ফার্নান্দো। জয়বিক্রমা দেশের হয়ে টেস্ট ও একদিনের আন্তর্জাতিক খেললেও টি ২০ আন্তর্জাতিক খেলেননি। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে টেস্ট অভিষেকে ১১ উইকেট নিয়েছিলেন। তবে ঘরোয়া টি২০ খেলার অভিজ্ঞতা ভালই রয়েছে। জোরে বোলার নুয়ান প্রদীপকে রাখা হয়েছে স্ট্যান্ডবাই হিসেবে। আইপিএলে আরসিবিতে থাকলেও প্লে অফ না খেলেই শ্রীলঙ্কা শিবিরে যোগ দিতে হবে ওয়ানিন্দু হাসারঙ্গা ও দুষ্মন্ত চামিরাকে। ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সুযোগ পেয়েছেন ভানুকা রাজাপক্ষ ও কামিন্দু মেন্ডিস। আর তেমন কোনও বড় চমক নেই শ্রীলঙ্কা দলে।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১
রাজ্য

Rice Mill: রাইসমিলের যন্ত্রাংশ চুরিতে জড়িত ১৬ দুষ্কৃতী গ্রেফতার

রাতের অন্ধকারে বন্ধ থাকা রাইস মিলের যন্ত্রাংশ চুরির কারার সময়ে পুলিশি অভিযানে ধরা পড়লো ১৬ জন দুষ্কৃতী। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার পুলিশ শুক্রবার রাত থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত পলশা এলাকায় টানা অভিযান চালিয়ে ওই দুষ্কৃতীদের ধরে। ধৃতরা বর্ধমান ও দেওয়ানদিঘী থানা এলাকার বাসিন্দা বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশের দাবি, মিল থেকে চুরি করা দামি যন্ত্রাংশ ভর্তি একটি লরিও তাঁরা বাজেয়াপ্ত করেছেন। ধৃতদের রবিবার বর্ধমান আদালতে পেশ করে তদন্তের প্রয়োজনে হেপাজতে নেওয়া হবে বলে পুলিশ কর্তাদের কথায় জানা গিয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মেমারির পলশা এলাকার আদ্যামা নামের রাইসমিলটি দীর্ঘ ১২ বছর ধরে বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। ওই মিলের দামি যন্ত্রাংশ চুরির জন্য শুক্রবার রাতে ১৫-২০ জনের দুষ্কৃতী দল মিলের ভিতরে ঢোকে। গোপন সূত্রে সেই খবর পৌছায় মেমারি থানার ওসি সুদীপ্ত মুখোপাধ্যায়ের কাছে। ওসি বলেন, বন্ধ থাকা রাইসমিলে দুষ্কৃতী দলের হানা দেওয়ার খবর পেয়েই মেমারি থানার পুলিশ বাহিনী সেখানে পৌছে যায়। পুলিশ দেখে কয়েকজন দুষ্কৃতী পালাতে সক্ষম হলেও কয়েকজন ধরে পড়ে যায়। তারপর থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত ওই এলাকায় টানা অভিযান চালিয়ে মোট ১৬ জন দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করা হয়। মিলের যেসব যন্ত্রাংশ চুরি করে দুষ্কৃতীরা একটি লরিতে লোড করেছিল সেই লরিটিও বাজোয়াপ্ত করা হয়েছে বলে ওসি জানিয়েছে। দুষ্কৃতী দলে আরও কারা যুক্ত রয়েছে তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১
রাজ্য

Teacher Hanged: ঘরের দরজা ভেঙে শিক্ষিকার ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার

দরজা বন্ধ ঘর থেকে উদ্ধার হল শিক্ষিকার ঝুলন্ত মৃতদেহ। মৃতার নাম সুনন্দা বন্দ্যোপাধ্যায়। মধ্য বয়স্ক শিক্ষিকার বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কালনা শহরের প্রফেসার কলোনিতে। বুধবার রাতে কালনা থানার পুলিশ শিক্ষিকার বাড়ির একটি ঘরের দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় তাঁর ঝুলন্ত মৃতদেহ দেখতে পায়। মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য কালনা মহকুমা হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। কালনা থানার পুলিশ শিক্ষিকার মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সুনন্দা বন্দ্যোপাধ্যায় কালনার একটি মাদ্রাসা স্কুলের শিক্ষিকা ছিলেন। তাঁর স্বামী কয়েক বছর আগে প্রয়াত হয়েছেন। দ্বাদশ শ্রেণীর পড়ুয়া মৃতার ছেলে সম্ভ্রম বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন জানায়, সে পড়াশোনা গাফিলতি করায় গত মঙ্গলবার দুপুরে তাঁর মা রেগে যায়। মায়ের সঙ্গে তাঁর কথা কাটাকাটি হয়। তার পরেই তাঁর মা ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন। সম্ভ্রম বলেন ,এই ঘটনার পর থেকে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তাঁর ঘরের দরজা খুলে আর বাইরে হয় না। তাঁর মা কোন সাড়া শব্দও দিচ্ছিল না। এই ভাবে মঙ্গলবার রাত পেরিয়ে যাবার পর বুধবার সাকালে ফের দরজা ধাক্কাধাক্কি করও সম্ভ্রম তাঁর মায়ের সাড়া পায়নি। এই পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত হয়ে সম্ভ্রম কলকাতায় তাঁর মামার বাড়িতে গিয়ে পুরো ঘটনা মামাদের খুলে বলে। বুধবার রাতে মামাদের সঙ্গে নিয়ে সম্ভ্রম কালনা থানায় গিয়ে পুলিশকে ঘটনার কথা জানায়। কালনা থানার পুলিশ দরজা ভেঙে ঘরের মধ্যে ঢুকে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় সুনন্দাদেবীর ঝুলন্ত মৃতদেহ দেখতে পায়। প্রাথমিক ভাবে এটি একটি আত্মহত্যায় ঘটনা বলেই পুলিশের অনুমান। তবে পাড়া প্রতিবেশীকে কিছু না জানিয়ে সম্ভ্রম কেন কলকাতায় মামার বাড়িতে গেল তাঁদেরকে ঘটনার কথা জানালো সেই বিষয়টি পুলিশ খতিয়ে দেখছে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India T20 Team : টি২০ বিশ্বকাপের দল ঘোষণা, চমক রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও ধোনি

টি২০ বিশ্বকাপের জন্য ঘোষিত হল ১৫ জনের ভারতীয় দল। চমকে ভরা ভারতীয় টি২০ দলে দীর্ঘদিন পর সুযোগ পেলেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তবে সবচেয়ে বড় চমক মহেন্দ্র সিং ধোনি। না, অবসর ভেঙে তিনি টি২০ বিশ্বকাপে যাচ্ছেন না। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড তাঁকে বড় দায়িত্ব দিয়ে সংযুক্ত আরব আমীরশাহীতে পাঠাচ্ছে। মেন্টর হিসেবে ধোনিকে কোহলিদের সঙ্গে জুড়ে দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড।দল নির্বাচনে চমক দেখিয়েছেন নির্বাচকরা। লেগ স্পিনার যুজবেন্দ্র চাহাল যে বাদ পড়বেন, কেউ কি ভেবেছিলেন? কিংবা শিখর ধাওয়ান? রবিচন্দ্রন অশ্বিনকেও যে দীর্ঘদিন পর সাদা বলের ক্রিকেটে ফেরানো হবে, কেউ সামান্য আঁচ করতে পেরেছিলেন? দীর্ঘদিন পরে ফের নীল জার্সি গায়ে মাঠে নামার সুযোগ পেতে চলেছে রবিচন্দ্রণ অশ্বিন। ধারাবাহিকভাবে ভাল খেলা ক্রূনাল পান্ডিয়ার জায়গা না পাওয়াটাও অস্বাভাবিক।আরও পড়ুনঃ সাক্ষরতা দিবসে আদিবাসী পরিবারের শিশুদের শিক্ষার পাঠ দিলেন পুলিশ কর্তা২০১৭ সালের জুলাই দেশের হয়ে শেষবার সীমিত ওভারের ক্রিকেট খেলেছিলেন রবিচন্দ্রণ অশ্বিন। তাঁকে যে দলে রাখা হবে, হয়তো কেউই ভাবেননি। আইপিএলে ধারাবাহিকভাবে ভালো পারফরম্যান্স করে অশ্বিন টি২০ বিশ্বকাপ দলে জায়গা করে নিয়েছেন। অশ্বিনের দলে সুযোগ পাওয়া প্রসঙ্গে জাতীয় নির্বাচক কমিটির প্রধান চেতন শর্মা বলেছেন, আইপিএলে ধারাবাহিকভাবে ভাল খেলার জন্য রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে দলে নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, দেশের হয়ে ধারাবাহিকভাবে ভালো পারফরম্যান্স করা যুজবেন্দ্র চাহাল যে টি২০ বিশ্বকাপ দলে জায়গা পাবেন না, সেটাও ছিল ক্রিকেট প্রেমীদের ধারণার বাইরে।শিখর ধাওয়ানও জায়গা পাননি। এটাও অপ্রত্যাশিত ছিল। তবে চোট সারিয়ে দীর্ঘদিন পর প্রত্যাবর্তন ঘটানো জোরে বোলার ভুবনেশ্বর কুমারকে টি২০ বিশ্বকাপের জন্য ঘোষিত ১৫ জনের দলে রাখা হয়েছে। শ্রেয়স আয়ারকে স্ট্যান্ড বাই হিসেবে রাখা হয়েছে। ওয়াশিংটন সুন্দর অবশ্য জায়গা পাননি চোটের জন্য। তাঁর পরিবর্তে স্পিনার অলরাউন্ডার হিসেবে দলে নেওয়া হয়েছে অক্ষর প্যাটেলকে। আইপিএলে ভাল খেলার পুরস্কার পেয়েছেন বরুণ চক্রবর্তী, রাহুল চাহাররা। ঋষভ পন্থ, ঈশান কিষাণ, হার্দিক পান্ডিয়া, সূর্যকুমার যাদবদের ওপরও ভরসা করেছেন নির্বাচকরা।আরও পড়ুনঃ কলকাতা লিগের তৃতীয় ম্যাচেই আটকে গেল মহমেডানঘোষিত ভারতীয় দল : বিরাট কোহলি (অধিনায়ক), রোহিত শর্মা (সহ অধিনায়ক), লোকেশ রাহুল, সূর্যকুমার যাদব, ঋষভ পন্থ (উইকেটকিপার), রবীন্দ্র জাদেজা, মহম্মদ শামি, যশপ্রীত বুমরা, হার্দিক পান্ডিয়া, রবিচন্দ্রণ অশ্বিন, রাহুল চাহার, অক্ষর প্যাটেল, বরুণ চক্রবর্তী, ঈশান কিষাণ (উইকেটকিপার), ভুবনেশ্বর কুমার।স্ট্যান্ডবাই: শ্রেয়স আইয়ার, শার্দুল ঠাকুর, দীপক চাহার।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌India T20 Team : টি২০ বিশ্বকাপ দলে কারা কারা থাকতে পারেন?‌ দেখে নিন

মঙ্গলবার রাতেই কি আসন্ন টি২০ বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করবে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড? ১৫ সদস্যের দল ইতিমধ্যেই বেছে নিয়েছেন নির্বাচকরা। শুধু আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা বাকি। তবে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের একটি সূত্র থেকে জানা গেছে ওভাল টেস্ট শেষ হলেই টি২০ বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করা হতে পারে।১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আইসিসিকে টি২০ বিশ্বকাপের দল জমা দিতে হবে। সুতরাং ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড চায় না শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে। তাছাড়া ১০ সেপ্টেম্বর থেকে ম্যাঞ্চেস্টারে চতুর্থ টেস্ট শুরু হবে। টেস্ট দলে যে সব ক্রিকেটাররা খেলছেন, তাঁদের মধ্যে কেউ সুযোগ না পেলে মানসিকভাবে ভেঙে পড়তে পারেন। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পঞ্চম টেস্টে তার প্রভাব পড়তে পারে। তাই আগেই দল ঘোষণা করতে পারে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড।ওভাল টেস্টের আগেই অধিনায়ক বিরাট কোহলির সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক সেরে নিয়েছিল চেতন শর্মার নেতৃত্বাধীন নির্বাচকমণ্ডলী। ১৫ সদস্যের দল চূড়ান্ত করে ফেলেছেন নির্বাচকরা। এমনিতে ভারতের টি২০ দল তৈরিই ছিল। কয়েকটা জায়গা নিয়ে দ্বিধা ছিল। সেই সব জায়গা নিয়েই বিরাট কোহলির সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলেন নির্বাচকরা। টিম ম্যানেজমেন্টের কথাকে গুরুত্ব দিয়েই টি২০ বিশ্বকাপের জন্য সেরা দলই বেছে নেওয়া হয়েছে। লর্ডস টেস্ট চলাকালীন কোহলির সঙ্গে টি২০ বিশ্বকাপের দল নিয়ে আলোচনা করেছিলেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি ও সচিব জয় শাহ।১৫ জনের দল ঘোষণা করা হবে, না ১৪ জনের সে ব্যাপারেও দ্বিধায় রয়েছেন নির্বাচকরা। তবে শোনা যাচ্ছে ১৫ জনের দল ঘোষণা করা হতে পারে। করোনার কথা মাথায় রেখে স্ট্যান্ডবাইও রাখা হতে পারে। কোন কোন ক্রিকেটার টি২০ বিশ্বকাপে সুযোগ পেতে পারেন, তা দেখে নেওয়া যেতে যাক। বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা, লোকেশ রাহুল, ঋষভ পন্থ, রবীন্দ্র জাদেজা, যশপ্রীত বুমরা, মহম্মদ সামি, মহম্মদ সিরাজ, যুজবেন্দ্র চাহালরা নিশ্চিত। সূত্রের খবর সূর্যকুমার যাদব, শ্রেয়শ আয়ার, ভুবনেশ্বর কুমার, শার্দুল ঠাকুর, হার্দিক পান্ডিয়া, ওয়াশিংটন সুন্দররাও দলে থাকতে পারেন। তবে হার্দিক পান্ডিয়া ও ওয়াশিংটন সুন্দরের দলে থাকা নির্ভর করছে তাঁরা কতটা ফিট, তার ওপর।দ্বিতীয় উইকেটকিপার হিসেবে লড়াই ঈশান কিশান ও সঞ্জু স্যামসনের মধ্যে। অতিরিক্ত ওপেনার হিসেবে লড়াই শিখর ধাওয়ান ও পৃথ্বী শর মধ্যে। দলে থাকার লড়াইয়ে রয়েছেন অক্ষর প্যাটেল, ক্রুনাণ পান্ডিয়া, চেতন সাকারিয়া, টি নটরাজনরাও। দীপক চাহার, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণদের কথাও ভেবেছেন নির্বাচকরা। তবে সংযুক্ত আরব আমীরশাহীর পরিবেশের কথা ভেবে বেশি স্পিনার অলরাউন্ডার নেওয়ার কথা ভাবতে পারেন নির্বাচকরা।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌‌IPL : ২০২২ আইপিএলের দুটি নতুন দল কারা?‌ টেন্ডার ডাকল বোর্ড

২০২২ আইপিএলের জন্য দুটি নতুন দল নেওয়া হবে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে আগেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। অবশেষে নতুন দল নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে দিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। নতুন দল নেওয়ার জন্য মঙ্গলবার টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। ৫ অক্টোবরের মধ্যে আগ্রহী সংস্থাগুলিকে টেন্ডার জমা দিতে বলা হয়েছে। ঠিক হয়েছে, একটা সংস্থা একটামাত্রই টেন্ডার জমা দিতে পারবে।আরও পড়ুনঃ কেন ক্রিকেটকে চিরতরে বিদায় জানালেন ডেল স্টেন?আইপিএলের নতুন দল কিনতে গেলে কী যোগ্যতা থাকতে হবে, টেন্ডার জমা দেওয়ার নিয়ম, প্রস্তাবিত নতুন দলের অধিকার সম্পর্কিত তথ্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের ওয়েবসাইটে দেওয়া ইনভাইটেশন অফ টেন্ডারএ পাওয়া যাবে। অফেরৎযোগ্য ১০ লক্ষ টাকা জমা দেওয়ার পর ইনভাইটেশন অফ টেন্ডার পাওয়া যাবে। এই ১০ লক্ষ টাকার সঙ্গে সার্ভিস ট্যাক্স যুক্ত হবে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের একটি সূত্র থেকে জানা গেছে, আগামী বছর আইপিএলে যে নতুন দুই দল অন্তর্ভূক্ত হবে, তাদের বেস প্রাইজ ২ হাজার কোটি টাকা করা হচ্ছে। টেন্ডারের মাধ্যমে দুটি নতুন দল বিক্রি করে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডে ৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি আয় হবে।আরও পড়ুনঃ সৌরভের চমক, ইডেনে রনজি ফাইনাল ১৬ মার্চনতুন দলের জন্য প্রথমে ১৭০০ কোটি টাকা ধরা হয়েছিল। পরে তা বাড়িয়ে ২ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে। যে সংস্থা বার্ষিক ৩ হাজার কোটি টাকা ও তার বেশি আর্থিক লেনদেন করে থাকে, একমাত্র তাদেরই আইপিএলের নতুন দল কেনার বিডে অংশ নিতে দেওয়া হবে। দেশের দুটি বড় শহরের নামে আইপিএলের নতুন দলের ফ্র্যাঞ্চাইজি দেওয়া হবে। শোনা যাচ্ছে আমেদাবাদের নামে একটা দলের অন্তর্ভূক্তি ঘটতে চলেছে। দ্বিতীয় দলের ফ্র্যাঞ্চাইজি শহর হওয়ার দৌড়ে পুনে ও লক্ষ্মৌ। একসময় পুনে রাইজিং স্টার দলের মালিক ছিলেন শিল্পপতি সঞ্জীব গোয়েঙ্কা। তিনি আবার ফ্র্যাঞ্চাইজি কেনার জন্য ঝাঁপাতে চলেছেন। আমেদাবাদ দল কেনার জন্য শিল্পপতি গৌতম আদানি ঝাঁপাতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে।

আগস্ট ৩১, ২০২১
রাজ্য

High Court: নথি যাচাই না করেই ১২ জন শিক্ষক নিয়োগ, প্রশ্নের মুখে রাজ্যের ভূমিকা

নথি যাচাই না করেই ১২ জন শিক্ষক নিয়োগে ঘটনায় রাজ্য সরকারকে একহাত নিল হাইকোর্ট। প্রয়োজনীয় নথি না থাকা সত্ত্বেও এক ব্যক্তি প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষকের চাকরি পেয়েছিলেন। পরে ত্রুটি ধরতে পারে প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ। ওই শিক্ষককে টেটের প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে বললেও তিনি তা দিতে পারেননি বলে অভিযোগ ওঠে। এরপরই তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করে প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা করেন তিনি।আরও পড়ুনঃ অসমে বড়সড় জঙ্গি হামলায় মৃত কমপক্ষে ৫আদালতে শুনানি চলাকালীন হাইকোর্ট প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের ভূমিকায় উষ্মা প্রকাশ করে। নথি না দেখে চাকরি দেওয়ার ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করে। কিন্তু পরে নথি না পেয়ে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানায়। এর পরই ওই অভিযুক্ত শিক্ষক আরও ১২ জনের নামের তালিকা আদালতের কাছে জমা দেন। অভিযোগ, এই ১২ জনের কারও প্রয়োজনীয় নথি না থাকা সত্ত্বেও তাঁরা এখনও চাকরি করছেন স্কুল শিক্ষক হিসাবে।এ রাজ্যে শিক্ষা ব্যবস্থা এবং শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ নিয়ে ভুরি ভুরি অভিযোগ। প্রাথমিক থেকে উচ্চ প্রাথমিক কিংবা বৃত্তিমূলক শিক্ষাক্ষেত্র, এমনকী শিক্ষক-চিকিৎসক নিয়োগ নিয়েও চূড়ান্ত অস্বচ্ছতার অভিযোগ উঠেছে এ রাজ্যে। কিছুদিন আগেই মেডিক্যাল কলেজগুলিতে শিক্ষক-চিকিৎসক নিয়োগে ব্যাপক বেনিয়মের অভিযোগে তোলপাড় শুরু হয় রাজ্যে। এমডিএমএসদের এড়িয়ে এমবিবিএসরা নিয়োগ পেয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠে। চিকিৎসা সংগঠনের একাংশ দাবি করে, এমবিবিএসকে সুযোগ করে দিতেই এই পথ অবলম্বন করেছে নিয়োগ সংক্রান্ত বোর্ড। এ নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি।

আগস্ট ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : বিদেশি বাছাইয়ের দায়িত্ব ফাউলারকে, দল গঠনে নেমে পড়লেন শ্রী সিমেন্ট কর্তারা

বুধবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে বৈঠকে জটিলতা কেটেছে। এই মরশুমে আবার আইএসএলে খেলবে এসসি ইস্টবেঙ্গল। স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন লালহলুদ সদস্যসমর্থকরা। স্বস্তির পাশাপাশি আশঙ্কাও রয়েছে। ৩১ আগস্ট ট্রান্সফার উইন্ডোর সময়সীমা শেষ। এত কম সময়ে আদৌও ভাল দল গড়া সম্ভব? এসসি ইস্টবেঙ্গলের কর্তারা অবশ্য ভাল দল গড়ার ব্যাপারে আশ্বস্ত করছেন। যদিও দলগঠন নিয়ে লালহলুদ কর্তাদের কোনও ভুমিকা নেই। পুরোটাই দেখাশোনার দায়িত্ব শ্রী সিমেন্টে। বুধবার আইএসএলে খেলার ব্যাপারে জট কাটতেই শ্রী সিমেন্ট কর্তারা দলগঠনের কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে টালবাহনা থাকলেও বেশকিছু ফুটবলারের সঙ্গে প্রাথমিক কথাবার্তা বলে রেখেছিলেন। তাঁদের সঙ্গে দুএকদিনের মধ্যেই চুক্তি করা হবে। মহম্মদ রফিক, শঙ্কর রায়, মির্শাদ, জেজে, অঙ্কিত মুখার্জিরা গতমরশুমে এসসি ইস্টবেঙ্গলের হয়ে খেলেছিলেন। তাঁদের সঙ্গে চুক্তি করা হচ্ছে। এটিকে মোহনবাগান থেকে কয়েকজনকে নিতে পারে। প্রবীর দাসদের সঙ্গে কথা বলছেন লালহলুদ কর্তারা। অরিন্দম ভট্টাচার্যকেও প্রস্তাব দেওয়ার কথা ভাবছেন।আরও পড়ুনঃ মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে আইএসএলে খেলবে ইস্টবেঙ্গল, কিন্তু জট এখনও কাটেনিবেশ কয়েকজন বিদেশি ফুটবলারের বায়োডাটা আগেই দেখে রেখেছিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। কোচ রবি ফাউলারের ওপর বিদেশি ফুটবলার বাছাইয়ের দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছে শ্রী সিমেন্ট। গতমরশুমে খেলে যাওয়া ব্রাইট এনবাখারে, মাত্তি স্টেইনম্যানরা অন্য ক্লাবে সই করলেও জাক মাঘোমা এখনও কোনও ক্লাবের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হননি। তাঁর সঙ্গে চুক্তি করার কথা ভাবছেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। কোচ রবি ফাউলার বাকি বিদেশিদের সঙ্গে নিয়েই আসবেন।আরও পড়ুনঃ ঔদ্ধত্য ভেঙে চুরমার, লজ্জাজনক আত্মসমর্পন কোহলিদেরএদিকে, লালহলুদ কর্তারাও দল গঠনে শ্রী সিমেন্ট কর্তাদের সাহায্য করতে তৈরি। বুধবার রাতেই কর্মসমিতির জরুরি বৈঠকে বসেছিলেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। সেই বৈঠকে ঠিক হয়েছে, দল গঠনের কাজে শ্রী সিমেন্টকে সর্বোতভাবে সাহায্য করা হবে। ইস্টবেঙ্গলের কর্তারা স্থানীয় ফুটবলারদের একটা তালিকাও তৈরি করেছেন। যাতে এই ফুটবলারদের নিয়ে কলকাতা প্রিমিয়ার ডিভিশন ফুটবল লিগে খেলা যায়। যদিও কলকাতা লিগে খেলার ব্যাপারে এখনও পর্যন্ত কিছু বলেননি শ্রী সিমেন্ট কর্তারা।আরও পড়ুনঃ সমর্থকরা আবেগে ভাসলেও ইস্টবেঙ্গলের পক্ষে কি ভাল দল গড়া সম্ভব?কলকাতা প্রিমিয়ার লিগের নতুন সূচি অনুযায়ী মঙ্গলবার প্রথম ম্যাচে ভবানীপুরের বিরুদ্ধে খেলার কথা এসসি ইস্টবেঙ্গলের। তবে হাতে সময় মাত্র ৫ দিন। এর মধ্যে দল গঠন করে মাঠে নামা খুবই কঠিন। যদিও ক্লাবের অন্যতম ক্লাব কর্তা অজিত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমাদের কাছে দল তৈরি আছে। আমরা সাহায্য করতে তৈরি। তবে এই ব্যাপারে আগে থেকে হস্তক্ষেপ করব না। যদি সাহায্য চায়, এগিয়ে যাব।

আগস্ট ২৬, ২০২১
রাজনীতি

By Election: আজ নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ তৃণমূলের প্রতিনিধি দল

সেপ্টেম্বরেই হোক উপনির্বাচন। এই দাবি নিয়ে আজ দিল্লির নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধি দল। রাজ্যের বিধানসভা কেন্দ্রে যে উপনির্বাচন সেই নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলির কাছে মতামত চেয়েছিল নির্বাচন কমিশন। তৃণমূল কংগ্রেসের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল এই নিয়ে মতামত জানাবে। প্রতিনিধি দলে থাকছেন সৌগত রায়, জহর সরকার, মহুয়া মৈত্র, সাজদা আহমেদ, সুখেন্দু শেখর রায়। সূত্রের খবর, আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই কমিশনের কাছে যেতে চলেছে বিজেপি। তার আগে আজই, কমিশনে যাচ্ছে তৃণমূল।আরও পড়ুনঃ ভিন রাজ্য থেকে গ্রেপ্তার ভুয়ো আইপিএসএদিকে, উপনির্বাচন চায় না রাজ্য বিজেপি। তাদের বক্তব্য, রাজ্যে উপনির্বাচনের পরিস্থিতিই নেই। আট দফা কারণ তুলে ধরে রাজ্য বিজেপি এরই মধ্যে চিঠি দিয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকেও। বিজেপি যুক্তি খাঁড়া করেছে, বাংলায় এখন নির্বাচন করার মতো পরিস্থিতি নেই। কারণ লোকাল ট্রেন বন্ধ, বাস চলছে কম লোক নিয়ে। এদিকে বিশেষজ্ঞদের রিপোর্ট বলছে, সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে আছড়ে পড়তে চলেছে তৃতীয় তরঙ্গ। রাজ্যে যে সরকার রয়েছে, তার পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। ৭ টি বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন না হলেও সরকারের কোনও সংকট নেই, সুতরাং উপনির্বাচন এখন অপরিহার্য নয়। এরই মাঝে সব দলের থেকেই উপনির্বাচন নিয়ে মত জানতে চেয়েছে কমিশন। তৃণমূল আসলে যে কোনও পরিস্থিতিতেই দ্রুত উপনির্বাচন করাতে চাইছে। আর বিজেপি চাইছে তা পিছিয়ে দিতে।

আগস্ট ২৬, ২০২১
কলকাতা

Bratya Basu: আন্দোলনকারী শিক্ষিকাদের বিজেপির ক্যাডার বলে তোপ শিক্ষামন্ত্রীর

বদলির প্রতিবাদে বিকাশ ভবনের সামনে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করা পাঁচ শিক্ষিকাকে বিজেপি ক্যাডার বলে তোপ দাগলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। এই ঘটনা অনভিপ্রেত বলে ফেসবুকে একটি দীর্ঘ ফেসবুক পোস্ট করেছেন তিনি। প্রসঙ্গত, ওই পাঁচ শিক্ষিকার বিরুদ্ধে পুলিশ জামিন অযোগ্য ধারায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করেছে। তাঁরা সকলেই আপাতত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।অন্যায়ভাবে বদলির প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিকাশ ভবনের সামনে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন এসএসকে এবং এমএসকে শিক্ষিকারা। বদলির অস্বচ্ছতার দাবি তুলে রাস্তায় নামে শিক্ষক ঐক্য মঞ্চ। বিকাশ ভবনের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চেয়েই সেই বিক্ষোভ। তারপর তাঁরা মুখে কিছু ঢেলে দেন। এরপর মুখ দিয়ে গ্যাজলা বেরোতে থাকেন। যে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চেয়ে তাঁদের বিক্ষোভ, সেই ব্রাত্য বসুই তাঁদের বিজেপির ক্যাডার বলে তোপ দাগলেন।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা রাজ্যেরশিক্ষামন্ত্রী ফেসবুকে দাবি করেন, বাম সরকারের আমলে পঞ্চায়েত এবং গ্রামোন্নয়ন বিভাগের অধীনে এসএসকে এবং এমএসকে-র সহায়ক-সহায়িকা, সম্প্রসারক-সম্প্রসারিকরা নামমাত্র সাম্মানিকের বিনিময়ে কাজ করতেন। কাজের নিশ্চয়তা, আর্থিক নিরাপত্তা এবং অবসরকালীন সুযোগ সুবিধা বলে কিছু ছিল না। কিন্তু মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল সরকার শিক্ষা বিভাগের অধীনে এনে তাঁদের একটি সুসংবদ্ধ রূপ দেয়। সহায়ক-সহায়িকাদের সাম্মানিক বাড়িয়ে মাসিক ১০,৩৪০ টাকা এবং সম্প্রসারক সম্প্রসারিকাদের সাম্মানিক বাড়িয়ে ১৩,৩৯০ টাকা করা হয়েছে। এছাড়াও বাৎসরিক ৩ শতাংশ বৃদ্ধি বা ইনক্রিমেন্ট চালু করা হয়েছে। তাঁদের প্রত্যেককে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের অধীনে নিয়ে আসা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। শিক্ষামন্ত্রী দাবি করেন, যাঁরা ৬০ বছর বয়সে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন, তাঁদের অবসরের সময়ে প্রত্যেকের জন্য ৩ লক্ষ টাকা এককালীন অবসর-ভাতা চালু করা হয়েছে। এত কিছুর পরও যাঁরা আন্দোলন করছেন, তাঁরা শিক্ষক শিক্ষিকা নন, বিজেপি ক্যাডার।

আগস্ট ২৫, ২০২১
কলকাতা

Bikash Bhaban: বিকাশ ভবনের সামনে ধুন্ধুমার, বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা ৫ শিক্ষিকার

বদলির প্রতিবাদে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন পাঁচ শিক্ষিকা। মঙ্গলবার বিকাশ ভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন আন্দোলনকারী শিক্ষকেরা। পুলিশ তাঁদের বাধা দিতে গেলে আচমকাই বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন তাঁরা। সঙ্গে সঙ্গে অসুস্থও হয়ে পড়েন। পুলিশ পাঁচ জনকেই হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছে। ওই পাঁচ জনের মধ্যে চার জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর।আরও পড়ুনঃ বেড পেতে গেলে আরেকটি শিশুর মৃত্যু অবধি অপেক্ষা করতে হবে!অসুস্থ পাঁচ শিক্ষিকাই ঐক্য মঞ্চের সদস্য। শিক্ষকদের এই সংগঠন বেশ কিছু দিন ধরেই শিক্ষকদের বদলি ইস্যুতে আন্দোলন করছে। এর আগে নবান্নের সামনে এমনকী, শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর বাড়ির সামনেও বিক্ষোভ দেখিয়েছেন তাঁরা। শিক্ষকদের অভিযোগ, আন্দোলন করার শাস্তি হিসেবেই বদলি করে দেওয়া হয়েছে তাঁদের। এই অভিযোগ নিয়েই মঙ্গলবার বিকাশ ভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছিলেন তাঁরা।পুলিশ জানিয়েছে, আন্দোলনকারীরা মূল ফটক পেরিয়ে ভিতরে প্রবেশ করলে তাঁদের বাধা দেওয়া হয়। সেই সময় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিও হয় আন্দোলনকারীদের। এর পর আচমকাই ব্যাগ থেকে বিষ বার করে খেতে শুরু করেন। পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়।অভিযোগ, মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলার শিক্ষিকা ফাজিলাকে বদলি করে দেওয়া হয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুরে বদলি করে দেওয়া হয়েছে। মুর্শিদাবাদের অপর শিক্ষিকাকে বদলি করে দেওয়া হয়েছে জলপাইগুড়িতে। জ্যোৎস্না টুডু নামে এক শিক্ষিকাকে মেদিনীপুর থেকে বদলি করা হয়েছে জলপাইগুড়িতে। শিখা দাসকে পূর্ব মেদিনীপুর থেকে বদলি করা হয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুরে বদলি করা হয়েছে। পুতুল মণ্ডল নামে এক শিক্ষিকাকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে কেচাবিহারে বদলি করা হয়েছে। বৃত্তিমূলক শিক্ষিকাদের এই বদলি অনৈতিক বলে দাবি করছে শিক্ষক ঐক্যমঞ্চ।

আগস্ট ২৪, ২০২১
রাজ্য

Post Poll Violence: রিপোর্ট তৈরি করতে জেলা ঘুরে আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বলবে সিবিআই

ভোট পরবর্তী হিংসার রিপোর্ট তৈরি করতে কলকাতার পর এবার জেলায় গিয়ে আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বলবে সিবিআই। চলতি সপ্তাহেই শুরু হবে জেলা সফর। সূত্রের খবর, ভোট পরবর্তী হিংসায় সব থেকে বেশি আক্রান্ত তিনটি জেলায় গিয়ে আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বলবেন গোয়েন্দারা। আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বলে মোডাস অপারেন্ডি জানার চেষ্টা করা হবে। তার ভিত্তিতেই তৈরি হবে প্রাথমিক রিপোর্ট।রাজ্য পুলিশের এফআইআর কপির ভরসায় না থেকে সরাসরি আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বলে প্রাথমিক রিপোর্ট তৈরি হবে। তা পাঠানো হবে দিল্লিতে। বেলেঘাটায় খুন হওয়া অভিজিৎ সরকারের দাদা বিশ্বজিৎ সরকার সিবিআইয়ের কাছে বেশ কয়েকজন পুলিশ অফিসারের নামে অভিযোগ জানিয়েছেন, যাঁরা পক্ষপাত দুষ্ট আচরণ করেছেন। শাসক দলের এক প্রভাবশালী নেতা-সহ বেশ কয়েকজন অভিযুক্তের নাম জানিয়েছেন সিবিআই গোয়েন্দাদের। জানা গিয়েছে, অভিজিৎকে পিটিয়ে মারার কয়েকটি ফুটেজও গোয়েন্দাদের কাছে তুলে দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ প্রশ্নপত্র বিতর্কের মাঝেই রাজ্যকে আক্রমণ দিলীপেরপ্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, জেলা ঘুরে আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বলে একটি রিপোর্ট তৈরি করবেন তদন্তকারীরা। সেই রিপোর্ট পাঠিয়ে দেওয়া হবে দিল্লিতে। ভোট পরবর্তী বাংলায় যতগুলি অভিযোগ হয়েছে, রাজ্য পুলিশের কাছে ইতিমধ্যেই এফআইআর কপি ও কেস ডিটেলস চাওয়া হয়েছে। কিন্তু সেই রিপোর্ট এখনও এসে পৌঁছয়নি। ফলে সেই রিপোর্টের ভরসায় না থেকে সিবিআই নিজেদের উদ্যোগে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বলে রিপোর্ট তৈরি করবেন।উল্লেখ্য, গতকাল, সোমবারই বেলেঘাটায় নিহত বিজেপি কর্মী অভিজিত সরকারের দাদা বিশ্বজিতের সঙ্গে কথা বলেছেন সিবিআই কর্তারা। দুঘণ্টার কথোপকথনে কলকাতা পুলিশের বেশ কয়েকজন অফিসারের নাম তুলে ধরেছেন। বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক নেতার নামও সিবিআই-এর কাছে জানিয়েছেন বিশ্বজিৎ।

আগস্ট ২৪, ২০২১
রাজ্য

Post poll violence: পশ্চিমবঙ্গে সিবিআইয়ের চারটি দল খুঁজে দেখবে হিংসাস্থল

ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগের তদন্তভার এখন সিবিআইয়ের হাতে। সূত্রের খবর, তদন্তের সুবিধার্থে প্রথমেই গোটা রাজ্যকে চারটি জ়োনে ভাগ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার চারটি দল রাজ্যে আসার পর এই জ়োন ধরেই তদন্ত করবে। শুক্রবারই চার দলের দায়িত্বে থাকা জয়েন্ট ডিরেক্টরদের ভার্চুয়াল বৈঠক।সূত্রের খবর, পূর্ব-পশ্চিম-উত্তর-দক্ষিণ এই চার ভাগে রাজ্যকে ভাগ করবে সিবিআই। এরপর যে সমস্ত জায়গা থেকে ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ উঠেছে, তা ঘুরে দেখবে দলগুলো। কেন্দ্রীয় মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্টকে এই তদন্তে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে বলেও সূত্রের দাবি। আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বলবে। আগামী সোমবার বা মঙ্গলবারই রাজ্যে আসতে চলেছে সিবিআই। উল্লেখ্য, গত ১৯ অগস্টই কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দেয় ভোট পরবর্তী হিংসার তদন্ত করবে সিবিআই। একইসঙ্গে গঠন করা হয় সিট। পাঁচ বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চের নির্দেশ, আদালতের নজরদারিতে খুন, ধর্ষণ, ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগের তদন্ত করবে সিবিআই। অন্যান্য অভিযোগের তদন্ত করবে সিট। সিটের তদন্তের নজরদারিতে থাকবেন সুপ্রিম কোর্টের এক অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি।আরও পড়ুনঃ বার্লার পাশে দাঁড়িয়ে সুর বদল দিলীপের এই নির্দেশ মিলতেই দিল্লিতে তৎপরতা শুরু হয়ে যায়। শুক্রবারই এ রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসার তদন্তে চারটি বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে সিবিআই। প্রতি দলের নেতৃত্বে রাখা হচ্ছে জয়েন্ট ডিরেক্টর পদমর্যাদার একজন অফিসারকে। এছাড়াও বিশেষ তদন্তকারী দলে রাখা হচ্ছে ডিআইজি ও এসপি পদমর্যাদার অফিসারদের। সূত্রের খবর, লখনউ, পাটনা, দিল্লি ও দেহরাদুনের সিবিআই অফিসারদের নিয়ে গড়া হয়েছে এই বিশেষ দল। চারটে দলে আট জন করে আধিকারিক থাকছেন। প্রত্যেক টিমে এক জন করে এসপি পদমর্যাদার মহিলা আধিকারিকও থাকছেন।

আগস্ট ২১, ২০২১
দেশ

Post Poll violence: ৪ রাজ্যের অফিসারদের নিয়ে গঠিত সিবিআইয়ের বিশেষ দল

কলকাতা হাইকোর্টে সবুজ সংকেত মিলতেই দিল্লিতে শুরু হয়ে গিয়েছে তৎপরতা।এ রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসার তদন্তে চারটি বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করল সিবিআই। সূত্রের খবর, প্রতি দলের নেতৃত্বে থাকবেন জয়েন্ট ডিরেক্টর পদমর্যাদার এক অফিসার। এছাড়াও বিশেষ তদন্তকারী দলে রাখা হচ্ছে ডিআইজি ও এসপি পদমর্যাদার অফিসারদের। লখনউ, পাটনা, দিল্লি ও দেরাদুনের সিবিআই অফিসারদের নিয়ে গড়া হচ্ছে এই বিশেষ দল। গতকালই কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে এ রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা মামলার তদন্ত করবে সিবিআই। তদন্তে নজরদারি করবে উচ্চ আদালত।আরও পড়ুনঃ দেশের সাধারন মানুষের জন্য অর্থ সংগ্রহে নেমেছেন আফগান ক্রিকেটার রশিদ খানপাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চে নির্দেশ আদালতের নজরদারিতে, খুন, ধর্ষণ, ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগের তদন্ত করবে সিবিআই বলে বৃহস্পতিবার নির্দেশ দিয়েছে। অনান্য অভিযোগের তদন্ত করবে সিট। নজরদারিতে থাকবেন সুপ্রিম কোর্টের এক অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি।ভোটের পর শাসকদলের মদতে বিরোধীদের ওপর হিংসা, পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ, ওঠে। কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হয় একাধিক মামলা। আদালতের নির্দেশে রাজ্য ঘুরে রিপোর্ট দেয় জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের কমিটি। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি-সহ পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চে ৩ অগস্ট শুনানি শেষ হয়।

আগস্ট ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs ENG Test : ‌দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ঐতিহাসিক লর্ডসে অবিস্মরনীয় জয় ভারতের

লর্ডস টেস্টের শেষ দিনে নতুন বলে দ্রুত ভারতের শেষ ৪ উইকেট তুলে নেওয়া লক্ষ্য ছিল ইংল্যান্ডের। অন্তরায় হয়ে দাঁড়ালেন মহম্মদ সামি ও যশপ্রীত বুমরা। দুজনের অবিস্মরনীয় ইনিংস ভারতকে শুধু সঙ্কটজনক অবস্থা থেকে বার করে নিয়ে আসেনি, পৌঁছে দিয়েছিল জয়ের দোরগোড়ায়। সামিবুমরা জুটি শুধু দেশের মান বাঁচায় নি, কেড়ে নিয়েছিল রুটের মুখের গ্রাস। দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ঐতিহাসিক লর্ডসে অবিস্মরনীয় জয়। ইংল্যান্ডকে ১৫১ রানে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল ভারত।আরও পড়ুনঃ খেলা হবে দিবসে ডিজে বাজিয়ে চিয়ার লিডারদের মাঠে নাচানো নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্কটি২০ যুগে টেস্ট ক্রিকেট নাকি হারিয়ে যাচ্ছে। সাম্প্রতিককালে টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাস ঘাটলে কথাটার সঙ্গে মিল খুঁজে পাওয়া কঠিন। একদিন আগেই টানটান উত্তেজনার ম্যাচে পাকিস্তানকে ১ উইকেটে হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আর ভারতইংল্যান্ড টেস্টও পৌঁছে গিয়ে চূড়ান্ত ক্লাইম্যাক্সে। প্রথম দিন থেকেই পেন্ডুলামের মতো দৌদুল্যমান। কখনও ভারতের দিকে, কখনও আবার ইংল্যান্ডের দিকে। পঞ্চম দিন তো একসময় মনে হচ্ছিল ইংল্যান্ডের জয় শুধু সময়ের অপেক্ষা। সেখান থেকে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন টিম ইন্ডিয়ার। নায়ক অবশ্যই মহম্মদ সামিযশপ্রীত বুমরা। ব্যাট হাতে এই দুজন পৌঁছে দিয়েছিল লড়াই করার জায়গায়। ক্রিকেট দেবতাও নিশ্চিতভাবে কুর্নিশ করবে সামিবুমরার প্রাইসলেস ইনিংস।আরও পড়ুনঃ এএফসি কাপের প্রথম প্রতিপক্ষ নিয়ে কেন সতর্ক হাবাস?তৃতীয় দিল শেষ বেলা থেকেই উত্তপ্ত লর্ডস। জিমি অ্যান্ডারসনকে একের পর এক বুমরার বাউন্সার দেওয়াকে কেন্দ্র করে। অ্যান্ডারসনের সঙ্গে বুমরার বাকযুদ্ধ। পরে বাটলারের সঙ্গে, যোগ দেন মার্ক উডও। উডের বাউন্সার হেলমেটে লাগতেই অন্য চেহারায় বুমরা। মুখে নয়, জবাব দিয়ে গেলেন ব্যাটে। লর্ডসেই ব্রিটিশ রাজের পতন ঘটাতে যেন বদ্ধপরিকর।ভারতের লড়াইয়ে ফেরার ভিত গড়ে দিয়েছিলেন চেতেশ্বর পুজারা ও অজিঙ্কা রাহানে। চাপে পড়লেই জ্বলে ওঠা অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছেন এই দুই ব্যাটসম্যান। চতুর্থ দিন ভারত যখন ৫৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল, রুখে দাঁড়ান পুজারারাহানে। দুজনে মিলে জুটিতে ১০০ রান তুলে দলকে প্রাথমিক বিপদ থেকে উদ্ধার করেন। দুই ওপেনার রাহুল (৫), রোহিত (২১) দ্বিতীয় ইনিংসে দলকে ভরসা দিতে পারেননি। কোহলিও (২০)। দলের সঙ্কটজনক পরিস্থিতিতে রুখে দাঁড়ান পুজারা ও রাহনে। দুর্ভাগ্যের শিকার না হলে বড় রান পেতেন পুজারা (৪৫)। মার্ক উডের হঠাৎ লাফিয়ে ওঠা বল ব্যাটের কানায় লেগে রুটের হাতে। রাহানে (৬১) অবশ্য অর্ধশতরান হাতছাড়া করেননি।আরও পড়ুনঃ অবশেষে ইস্টবেঙ্গলকে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের সংশোধিত খসড়া পাঠাল শ্রী সিমেন্টচতুর্থ দিনের শেষে ভারতের রান ছিল ১৮১/৬। ক্রিজে ছিলেন ঋষভ পন্থ (১৪) ও ইশান্ত শর্মা (৪)। ঋষভের (২২) ওপর দায়িত্ব ছিলে দলকে টেনে নিয়ে যাওয়া। কিন্তু পঞ্চম দিন সকালে দলকে বেশি টানতে পারেননি। ইশান্ত মূল্যবান ১৬ রান যোগ করেন। তিনি যখন ফিরে যান, দলের রান ২০৯। সকলেই ধরে নিয়েছিলেন, ভারতের প্রথম ইনিংসের সমাপ্তি শুধু সময়ের অপেক্ষা। এরপরই শুরু সামি (অপরাজিত ৫৬) ও বুমরার (৩৪) সেই অবিস্মরনীয় লড়াই। ইশান্ত ১৬ রানে লেগ বিফোর হতে ভারতের অষ্টম উইকেট পড়ে ২০৯ রানে। লিড তখন ১৮২। ইংল্যান্ড যখন জয়ের স্বপ্ন দেখছে, তখনই রুখে দাঁড়ান সামি ও বুমরা। শেষ পর্যন্ত তাঁদের জুটি ভাঙতে পারেননি ইংল্যান্ডের বোলাররা। অসমাপ্ত নবম উইকেট জুটিতে সামি ও বুমরা যোগ করেন রেকর্ড ৮৯ রান। লাঞ্চের পর ৮ উইকেটে ২৯৮ তুলে যখন ইংল্যান্ডকে জেতার জন্য ২৭২ রানের টার্গেট ছুড়ে দিতে ইনিংস ডিক্লেয়ার করেন কোহলি, তখন সামি অপরাজিত ৫৬ রানে।আরও পড়ুনঃ ১২ ঘন্টার দীর্ঘ লড়াই শেষে ১২ তম ইন্ডিয়ান আইডল স্নিগ্ধ হাওয়া পবনদীপসামিবুমরা জুটি ব্যাট করার সময় বারবার মাথায় হাত দিচ্ছিলেন রুট। দেওয়াল লিখনটা তখনই হয়তো চোখের সামনে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। চতুর্থ ইনিংসে ভারতীয় বোলিংয়ের সামনে ভেঙে পড়ার ঐতিহ্য রয়েছে রুটের ইংল্যান্ডের। লর্ডসেও তার ব্যাতিক্রম নয়। ২৭১ রানে এগিয়ে থাকাটাই আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছিল কোহলি ব্রিগেডকে। রুটদের ওপর শুরু থেকেই ঝাঁপিয়ে পড়ার রসদ ছিল ওই ২৭১র মধ্যে। প্রথম দুই ওভারে সামিবুমরা জুটি যেভাবে ইংল্যান্ডের ওপর আঘাত হেনেছিলেন, তা থেকে বেরিয়ে আসার মতো দক্ষতা নেই এই ইংল্যান্ড দলের। রুট (৩৩), বাটলার (২৫) কিছুটা চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তার আগেই রক্তের স্বাদ পেয়ে গিয়েছিলেন বুমরা (৩/৩৩), সিরাজরা (৪/৩২)। শেষ পর্যন্ত ৫১.৫ ওভারে ১২০ রানে গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংস।

আগস্ট ১৬, ২০২১
নিবন্ধ

Blood Relation: রক্তের টান - অন্তিম পর্ব

আমরা তখন ইউনিভার্সিটির ছাত্র। মাষ্টার্স করছি। আমি আর দীপ্ত স্কুল থেকে একসাথে পড়ি। কলেজ আর ইউনিভার্সিটিতে ও এক সাথেই থাকি। দীপ্ত খুব ভালো গান করে বরাবর। ইউনিভার্সিটির একটা কম্পিটিশনে যুগ্ম প্রথম হয় ফিজিক্সের দীপ্ত সেন আর ইংরাজীর মধুছন্দা ব্যানার্জী।তারপর ওদের মধ্যে বন্ধুত্ব হয়। ধীরে ধীরে সেই বন্ধুত্ব ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে পরিনত হয়।মধুর বাড়ি শিলিগুড়ি। ওর বাবা ওখানকার সুপ্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। তার উপর ওরা ব্রাহ্মণ। ওদের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমরা বন্ধুরা খুব চিন্তিত ছিলাম। মধু বড়লোকের মেয়ে ওর কাছে এটা ছেলে খেলা এরকম অনেক কিছু আমরা ভাবতাম। মাস্টার্স কমপ্লিট করে দীপ্ত পিএইচডি করার প্রস্তুতি নিতে থাকে। মধুও মাস্টার্স শেষ করে শিলিগুড়ি গিয়ে একটি স্কুলে চাকরি পায়। এরমধ্যে দীপ্ত পিএইচডিতে যোগ দেয়। কিন্তু মধুর বাবা ওর বিয়ে ঠিক করেন। তখনই সমস্যা শুরু হয়। মধু ওর মা, বাবাকে অনেক বোঝানোর চেষ্টা করে। কিন্তু ওর মা বুঝলেও বাবা বোঝে না।অগত্যা মধু পালিয়ে চলে আসে দীপ্তর কাছে। আমরা বন্ধুরা তখন বুঝতে পারি মধুর ভালোবাসা কত গভীর। ওরা বিয়ে করে। তখন দীপ্ত কয়েকটি টিউশন পড়ায় মাত্র, আর স্কলারশিপের কটা টাকা।আমার বাড়ি যেহেতু এখানে আর আমার বাবারও কিছু নামডাক ছিল তাই বাবাকে বলে একটা স্কুলে মধুর একটা চাকরির ব্যবস্থা করে দিই।বেশ আনন্দের মধ্যে দিয়ে কাটতে থাকে ওদের জীবন। স্বাচ্ছন্দ্য স্বচ্ছলতা না থাকলেও আনন্দ ছিল।অনিমেষবাবুর সাথে কথা বলার পর মেহুলের মনের মধ্যে তোলপাড় চলে। কি করবে ও এখন? কিভাবে দুটো বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া মানুষকে সামনাসামনি আনবে? যখন আবার একটা মানুষ অসুস্থ। বলা যায় এটা ওই মানুষটার শেষ ইচ্ছা। এইসব ভাবতে ভাবতে বাড়ি ফেরে।ওকে দেখে মাধুরীদেবী মানে ওর দিয়া বলে ওঠে কি ব্যাপার দিদি ভাই আজ এত দেরি কেন? কোথায় গিয়েছিলে? তোমাকে এত গম্ভীর দেখাচ্ছে কেন?বলছি সব বলছি। আগে ফ্রেশ হয়ে আসি। তোমার সঙ্গে আজ অনেক কথা আছে। আলোচনাও আছে অনেক। বলে মেহুল বাথরুমে ঢুকে পড়ে।মাধুরীদেবী ভাবেন কি বলবে মেহুল!একটু পরেই মেহুল বেরিয়ে এসে মাধুরী দেবীকে নিয়ে নিজের ঘরে এসে বসে।শোনো দিয়া আজ আমি যা যা জানতে চাইব সব আমাকে বলবে। কোনও কিছু আমার কাছে লুকিয়ে রাখবে না। অনেক দেরি হলেও একটা চেষ্টা আমাকে করতেই হবে।কি বলছিস আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না।বুঝতে পারবে বললে বুঝতে পারবে।সেদিন আমি যখন তোমাকে জিজ্ঞাসা করলাম সৌরীশ সেন নামে কাউকে চেনো কিনা? তুমি চমকে উঠেছিলে আমি সেটা লক্ষ্য করেছি। তার মানে তুমি চেনো।হ্যাঁ না মানে হ্যাঁ চিনি।এবার আমি যা বলছি দেখো সব ঠিক বলছি কিনা?অবাক চোখে তাকায় মাধুরীদেবী মেহুলের দিকে।মেহুল একে একে সব বলে যা শুনেছে অনিমেষ বাবুরকাছে। এবার বলো মা কে কি তোমরা আবার বিয়ে দিতে পেরেছিলে?না না কোলকাতা থেকে ফিরে গিয়ে তোর মা খুব অসুস্থ হয়ে পড়ে। তখন আমাদের ফ্যামিলি ডাক্তার তোর আসার খবর শোনায়। এও বলেন যে তোর মাকে খুব সাবধান থাকতে হবে। শরীরের অবস্থা খুব খারাপ কোনওরকম উত্তেজনা চলবে না। তাই আমরা আর তোর বাবাকে খবর দিতে পারিনি। আর তোর দারুণ চায়নি মাও না। মাধুরীদেবী বলেন আমি জানতাম কোথাও একটা মস্ত ভুল হচ্ছে। বারবার বলেছিলাম মেয়েটাকে দীপ্তকে একবার বলার সূযোগ দিতে।না মেয়ে শুনলে না মেয়ের বাবা। এখন আমি কি করি?? বলে কপাল চাপড়াতে লাগলেন। মাঝখানে তুই কত কষ্ট ভোগ করলি। পারবে ওরা এখন তোকে সেসব ফিরিয়ে দিতে?সেসব এখন ছাড়ো। এখন যেটা করতে হবে মা কে আনতে হবে কলকাতায়। একমাত্র আমার শরীর খারাপ শুনলেই আসবে।তুমি ফোন করে বলো আমার খুব জ্বর। কিছুতেই জ্বর ছাড়ছে না।সেরকমই করলেন মাধুরীদেবী। মধুছন্দাকে ফোন করে বলেন মেহুলের খুব জ্বর।সেকথা শুনে পরদিনই ফ্লাইট ধরে মধুছন্দা চলে আসে। মেহুল একটু নাটক করে শরীর খারাপের।বিকেলে প্ল্যান অনুযায়ী অনিমেষবাবু মেহুলকে দেখতে আসে।অনিমেষ বাবুকে দেখে মধুছন্দা একটু ঘাবড়ে যায়। মেহুল পরিচয় করাতে গেলে অনিমেষ বলেন ওনারা পূ্র্ব পরিচিত। মধুছন্দা এড়িয়ে যেতে চান কিন্তু অনিমেষ বাবু চেপে ধরেন। এবং বলেন সৌরীশ অর্থাৎ দীপ্ত খুব অসুস্থ। প্রথমে শুনতে চায় না তখন মেহুল জোর করে।বলে মা ভুল বুঝে আর কত কষ্ট দেবে মানুষটাকে আর তুমি আমি সবাই কেন আর কষ্ট পাব। একবার বলার সূযোগ তো দিতে হবে।মধুছন্দা বলে তুমি ছোটো যা জানো না তা নিয়ে বড়দের মাঝে কথা বলো না।মেহুল কিন্তু থামে না বলে আর আমি ছোট নেই। আর আমি এখন পুরোটাই জানি। আমার মনে হয় তোমারও জানা উচিত। যে মানুষটা জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে সে কখনও মিথ্যা বলবে না।মধুছন্দা বলে মানে? কে জীবনের শেষ পর্যায়ে?অনিমেষ বাবু বলেন দীপ্ত; ওর ব্রেইনে একটা টিউমার হয়েছে অপারেশন করতে হবে। তাতে ও নাও বাঁচতে পারে। তাই আমাদের সবার অনুরোধ তুমি একবার সত্যিটা শোনো।তারপর সব শোনে মধুছন্দা।মেহুল বলে আমি তো স্যারের ঘরে তোমার অতো বড় একটা ছবি দেখে অবাক হয়ে গেছিলাম। তারপর আঙ্কেল আমাকে সব বলেন।মধুছন্দা অঝোরে কাঁদতে থাকে। বলে সে কি আমাকে ক্ষমা করতে পারবে?অনিমেষ বলেন সব হবে তুমি চলো আমাদের সাথে।সবাই মিলে চলে সৌরীশ সেনের বাড়িতে। অনিমেষ বাবু মল্লিকাকেও ডেকে নেন।অনিমেষ বাবুর সাথে মধুছন্দাকে দেখে অবাক হয়ে যান সৌরীশ।মধু মেহুলকে এগিয়ে দিল ; তোমার মেয়ে, আমি এতদিন আগলে রেখে ছিলাম এবার তুমি সামলে রাখবে। তাড়াতাড়ি তোমাকে সুস্থ হতে হবে। বলে মধুছন্দা কাঁদতে থাকে। মল্লিকা এর মধ্যে খাবার দাবার নিয়ে হাজির। মধুছন্দা মল্লিকার কাছেও ক্ষমা চায়।মল্লিকা বলে, না বৌদি আমার কাছে নয় তুমি দাদার কাছে ক্ষমা চেয়েছ ওতেই হবে। দুঃখ শুধু একটাই ভুল বুঝে তুমি মেয়েটাকে বাবার থেকে দূরে রাখলে। যাক পুরনো সব ভুলে আবার নতুন করে শুরু করো। দাদা তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠুক আর আমার কিছু চাই না।অপরাধ বোধে ভুগতাম তোমাদের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার জন্য নিজেকে দায়ী মনে হত। আজ এতদিন পরে আবার সব ঠিক হল। এবার সবাই একটু মিষ্টি মুখ করো। মল্লিকা প্লেটের মধ্যে মিষ্টি নিয়ে সবাইকে দেয়।মেহুল গিয়ে বাবার পাশে বসে। সৌরীশবাবু ওকে বুকের মধ্যে টেনে নেন।অনিমেষ বাবু বলেন, দীপ্ত একেই বলে রক্তের টান।-সমাপ্ত- লেখিকাঃ রাখি রায়আরও পড়ুনঃ রক্তের টান - প্রথম পর্বআরও পড়ুনঃ রক্তের টান - দ্বিতীয় পর্বআরও পড়ুনঃ রক্তের টান - তৃতীয় পর্ব

আগস্ট ১৫, ২০২১
নিবন্ধ

Blood Relation: রক্তের টান - তৃতীয় পর্ব

হ্যালো, আঙ্কেল আমি মেহুল বলছি। ...... হ্যাঁ, ঠিক চিনেছেন। ........ হ্যাঁ আমি যাই তো। আপনার সঙ্গে দেখা হয়নি। আমি তো কলেজ থেকে যাই। .........বলছিলাম আপনার সাথে খুব জরুরি একটা দরকার আছে। একদিন দেখা করতে চাই। ......... আপনার সুবিধা মত বলুন আমি ঠিক হাজির হয়ে যাব। ......... ঠিক আছে আঙ্কেল তাহলে কাল দেখা হচ্ছে। এখন রাখি। এই বলে মেহুল ফোন রেখে দিলে। পরের দিন ঠিক সময়ে অনিমেষ বাবু আর মেহুল হাজির নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট জায়গায়। বসো, কি খাবে বলো? কিছু না। একটু কফি। আচ্ছা তাহলে কোল্ড কফি হয়ে যাক। বললেন অনিমেষ বাবুতাই হোক। দুটো কোল্ড কফি অর্ডার দিয়ে জমিয়ে বসলেন। বলো তো মা কি দরকার এই বুড়োটাকে? ঠিক বুঝতে পারছি না কিভাবে কথাটা বলবো? কোনো দ্বিধা না করে বলো। আমার মনেও একটা কৌতূহল জেগেছে তোমার কৌতূহলের সাথে মিলে যেতেও পারে। তাই বলছি বলে ফেলো, কোনও সংকোচ করো না। স্যারের বাড়িতে যাওয়ার পর থেকেই এই প্রশ্নগুলো জেগেছে। কিন্তু স্যারকে জিজ্ঞাসা করতে পারছি না। আর যাকে জিজ্ঞাসা করতে পারি সে তো কাছে থাকে না, তাই ভাবলাম আপনি তো স্যারের খুব কাছের বন্ধু তাই ভাবলাম আপনার কাছেই জানতে পারব। বেশ বেশ বলো না কি জানতে চাও। বলছি স্যারের তো নিজের বলতে কেউ নেই শুনছি, তবে ওনার ঘরে ওই ছবিটি কার? আপনি কি চেনেন ছবির ওই ভদ্র মহিলা কে? অনিমেষ বাবু মেহুলের প্রশ্নে একটু যেন চমকে গেলেন; সাথে সাথে নিজেকে ঠিক করে নিয়ে বলেন আমার মনে যে কথাটি এসেছে তার সাথে তোমার প্রশ্ন রিলেটেড। মেহুল এবার চমকে যায়, মানে? আমার প্রশ্ন হলো তুমি কে? কি তোমার পরিচয়? আর তোমার এই কৌতূহল কেন? তুমি কি চেন? কাকে চেনার কথা বলছেন? ছবির সঙ্গে তোমার মিল আমি সেদিনই খেয়াল করেছি যেদিন হাসপাতালে তোমাকে দেখি। বলতে পারো চমকে গেছিলাম তোমাকে দেখে। তারপর ভাবলাম মানুষে মানুষে তো মিল হয়। তাই চুপ করে ছিলাম। আজ তোমার কথায় আবার সেটা ফিরে এল। বলো চেনো ছবির ওই ভদ্রমহিলাকে? চুপ করে থেকো না বলো!! মেহুল বলে----- হ্যাঁ চিনি। কে হন উনি? আ আ-- মার মা----ঠিক আন্দাজ করেছিলাম আমি। বলেন অনিমেষ বাবু। আপনি আমার মাকে চেনেন? হ্যাঁ খুব চিনি। তা তিনি এখন কোথায়? শিলিগুড়িতে? নাকি অন্য কোথাও? মা সাউথের একটা স্কুলে পড়ায়। আমি দাদু দিদার কাছে বড়ো হয়েছি। মা ছুটিতে আমাদের কাছে আসে। অনিমেষ বাবু এবার জিজ্ঞাসা করেন তোমার বাবা? মেহুলের মুখটা কালো হয়ে যায়। বলতে থাকে, আমি জানি না কে আমার বাবা। কারণ সব জায়গায় মায়ের নাম দেওয়া আছে। যেখানে বাবার নাম দরকার হয়েছে শুধু লেখা আছে ডি. সেন। এর বেশি আমি কিছু জানি না। খুব ছোট বেলায় একবার মাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম বাবার কথা। মা খুব কেঁদে ছিল আর বলেছিলেন বাবা হারিয়ে গেছে। তারপর থেকে কোনও দিন কাউকে আর জিজ্ঞাসা করতে পারিনি। স্যারের ঘরে মায়ের ছবি দেখে মনের কোণে তাই এত প্রশ্ন।এখানে কোথায় থাক? কার কাছে?আমি আর আমার দিদা ইউনিভার্সিটির কাছে একটা ভাড়া বাড়িতে থাকি।এবার আঙ্কেল আপনি বলুন আমার মায়ের ছবি স্যারের ঘরে কেন?সেটা জানতে গেলে তোমাকে একটা গল্প শুনতে হবে। অত সময় আছে তো তোমার কাছে?হ্যাঁ আমার কাছে সময় আছে। শুধু একবার বলে দিই দেরি হবে ফিরতে।বলে মেহুল ওর দিকে ফোন করে বলে দেয়। এবার আপনার গল্প শুরু করে দিন।অনিমেষ বাবু বলেন এবার কিছু অর্ডার না করলে এরা তুলে দেবে। তাছাড়া খিদেও পেয়েছে কি বলো?মেহুল ওনার কথা শুনে হেসে ফেলে। বলে তাহলে এদের চিকেন কাটলেটটা খুব ভালো। বলে ও ওয়েটারকে ডেকে দুটি কাটলেট অর্ডার দেয়।এবার আপনার গল্প শুরু করুন আঙ্কেল।গল্প শুরু করেন অনিমেষ বাবু ...............ক্রমশঃলেখিকাঃ রাখি রায়আরও পড়ুনঃ রক্তের টান - প্রথম পর্বআরও পড়ুনঃ রক্তের টান - দ্বিতীয় পর্ব

আগস্ট ০৮, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ›

ট্রেন্ডিং

টুকিটাকি

আমলকী: বর্ষাকালে কতটা উপকারী? সারা বছর কি খাওয়া যায়? এর গুণাগুণ কী?

আমলকী (Indian Gooseberry) আয়ুর্বেদে অমৃত ফল নামে পরিচিত। আধুনিক গবেষণাতেও দেখা গেছে, এটি ভিটামিন সি, পলিফেনল, ফাইবার ও শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে সমৃদ্ধ। তাই বর্ষাকালসহ সারা বছর পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যেতে পারে।বর্ষাকালে আমলকী কেন উপকারী?বর্ষাকালে আর্দ্রতা ও আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে সর্দি-কাশি, ভাইরাল সংক্রমণ এবং হজমের সমস্যা তুলনামূলক বেশি দেখা যায়। আমলকীতে প্রচুর ভিটামিন সি ও অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকে, যা শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে। এটি সরাসরি রোগ সারায় না, তবে নিয়মিত স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে খেলে শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। ভিটামিন সি কোলাজেন তৈরিতে সহায়তা করে, ফলে ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। এই সময়ে আমলকী কি কি উপকার হতে পারে? ১. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।২. শরীরে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের জোগান দেয়।৩. হজমশক্তি ভালো রাখতে সহায়তা করে। গ্যাস ও অম্বল কমাতে সহায়ক হতে পারে।৪. মৌসুমি ক্লান্তি কমাতে সাহায্য করতে পারে।৫. ত্বক ও চুলের সুস্থতা বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে।৬. চুলের গোড়া মজবুত রাখতে সহায়ক। চুলের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে।৭. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়৮. সর্দি-কাশির ঝুঁকি কমাতে সহায়ক৯. কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে ফাইবার সাহায্য করে।১০. অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে।১১, রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। তবে এটি কখনোই ডায়াবেটিসের ওষুধের বিকল্প নয়।১২. লিভারের জন্য উপকারী।সরাসরি অ্যালার্জি প্রতিরোধ করেএমন শক্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। তবে আমলকীর অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ও প্রদাহ-নিয়ন্ত্রণকারী কিছু উপাদান শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সাহায্য় করতে পারে।এটি মৌসুমি সংক্রমণের বিরুদ্ধে শরীরকে সুস্থ রাখতে সহায়ক হতে পারে। যদি কারও আমলকীতেই অ্যালার্জি থাকে, তবে অবশ্যই তা এড়িয়ে চলতে হবে। অর্থাৎ, আমলকী অ্যালার্জির ওষুধ নয় এবং অ্যালার্জি প্রতিরোধের নিশ্চয়তা দেয় না।কীভাবে খাবেন? কাঁচা আমলকী- আমলকীর রস মোরব্বা (চিনি কম থাকলে ভালো) শুকনো আমলকী- চাটনি বা আচার (কম লবণ ও তেলে) আমলকীর গুঁড়ো হালকা গরম পানিতেপ্রতিদিন কতটা খাওয়া যেতে পারে?সাধারণভাবে একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কের জন্য১২টি মাঝারি আকারের তাজা আমলকী, অথবাপ্রায় ২০৩০ গ্রাম আমলকী। পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই যথেষ্ট।কারা সতর্ক থাকবেন?যাদের রক্ত পাতলা করার ওষুধ চলছে।যাদের বারবার অম্বল বা অতিরিক্ত অ্যাসিডিটির সমস্যা হয়।কিডনির বিশেষ রোগ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।ডায়াবেটিসের ওষুধ সেবন করলে নিয়মিত রক্তে শর্করা পর্যবেক্ষণ করুন।আমলকী এমন একটি পুষ্টিকর ফল, যা বর্ষাকালসহ সারা বছরই পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যায়। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য় করে, হজম ভালো রাখতে সাহায্য করে, ত্বক ও চুলের যত্নে ভূমিকা রাখে এবং শরীরকে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট সুরক্ষা দেয়। তবে এটি কোনও রোগের নিরাময় বা অ্যালার্জি প্রতিরোধের নিশ্চিত উপায় নয়। সুষম খাদ্য, পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত ব্যায়াম এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের সঙ্গে আমলকী যুক্ত করলে এর উপকারিতা সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়।

জুলাই ২৬, ২০২৬
দেশ

ছাত্র আন্দোলনের পর নতুন রাজনৈতিক ঝড়! অমিত শাহকে কড়া চিঠি রাহুলের, কী লিখলেন?

ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম দাবি ছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। শনিবার তিনি পদ ছাড়ার পর রাজনৈতিক বিতর্ক নতুন মোড় নিয়েছে। রবিবার সকালে নিজের সমাজমাধ্যমে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে লেখা একটি চিঠি প্রকাশ করেন রাহুল গান্ধী। চিঠিতে তিনি বিশে জুলাইয়ের ছাত্র আন্দোলনের সময় প্রতিবাদকারীদের উপর বলপ্রয়োগের অভিযোগ তুলে একাধিক প্রশ্ন করেছেন।রাহুল গান্ধীর দাবি, নিট প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে সংসদ অভিযানের সময় শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারী ছাত্রছাত্রীদের উপর অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করা হয়। তাঁর অভিযোগ, কয়েক জন আন্দোলনকারী আহত হন এবং চিকিৎসার নথিতেও আঘাতের উল্লেখ রয়েছে। যদিও দিল্লি পুলিশ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ঘটনার তদন্তও চলছে।চিঠিতে রাহুল গান্ধী অমিত শাহের কাছে দুটি প্রশ্ন তোলেন। প্রথমত, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে ছররা ব্যবহারের অনুমতি কে দিয়েছিল? দ্বিতীয়ত, সাধারণ পোশাকে যাঁরা আন্দোলনকারীদের মারধর করছিলেন, তাঁরা কারা এবং তাঁদের দায়িত্ব কে দিয়েছিল? তাঁর দাবি, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব ছিল।এর আগে এক আহত আন্দোলনকারীকে সংবাদমাধ্যমের সামনে এনে রাহুল দাবি করেছিলেন, তাঁর শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। সেই ঘটনার উল্লেখ করেই এবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিস্তারিত ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন তিনি।অন্যদিকে, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগকে স্বাগত জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁর বক্তব্য, দেশের স্বার্থ এবং ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ যে কোনও রাজনৈতিক পদের চেয়ে বড়। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, কিছু দেশবিরোধী শক্তি ছাত্র আন্দোলনকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছিল। তবে রাহুল গান্ধী সেই বক্তব্যের বিরোধিতা করে কেন্দ্রের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ফলে শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার পরও এই ইস্যুতে রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে।

জুলাই ২৬, ২০২৬
কলকাতা

কার্গিল দিবসে বিস্ফোরক মন্তব্য শমীকের! ‘এই স্লোগান দিলে বাড়ি ফেরা কঠিন’, বাড়ল রাজনৈতিক বিতর্ক

কার্গিল দিবস উপলক্ষে কলকাতায় শহিদ কণাদ ভট্টাচার্যের মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে কাশ্মীর ইস্যুতে কড়া মন্তব্য করলেন বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। রবিবার সকালে বিটি রোড এলাকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, দেশবিরোধী স্লোগান বা কার্যকলাপ কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তাঁর বক্তব্য, আইন অনুযায়ী এমন ঘটনার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।কার্গিল যুদ্ধে শহিদ উত্তর কলকাতার জওয়ান কণাদ ভট্টাচার্যকে শ্রদ্ধা জানিয়ে শমীক ভট্টাচার্য স্বাধীনতার ইতিহাস, দেশভাগ এবং কাশ্মীর প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতকে অস্থির করার চেষ্টা করছে। দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে তিনি কড়া অবস্থান নেওয়ার পক্ষেও মত প্রকাশ করেন।সম্প্রতি নিট প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে কলকাতায় হওয়া ছাত্র মিছিলের প্রসঙ্গও টানেন বিজেপি সাংসদ। ধর্মতলায় সেই মিছিল চলাকালীন হিংসা এবং সাংবাদিকদের হেনস্তার ঘটনাকে উল্লেখ করে তিনি অভিযোগ করেন, কিছু দেশবিরোধী স্লোগানও সেখানে শোনা গিয়েছিল। এই ঘটনায় তিনি বামপন্থীদেরও তীব্র সমালোচনা করেন।শমীক ভট্টাচার্য আরও বলেন, দেশবিরোধী স্লোগানকে কোনওভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া উচিত নয়। তিনি দাবি করেন, এই ধরনের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন। ভবিষ্যতে এ বিষয়ে পুলিশের সঙ্গেও আলোচনা করা হবে বলেও জানান তিনি।

জুলাই ২৬, ২০২৬
দেশ

আন্দোলনে বড় জয়, শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার পরও থামছে না ঝড়! এবার সংসদে কী হতে চলেছে?

ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম দাবি পূরণ হওয়ার পর শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। এর পরই ককরোচ জনতা পার্টি তাদের আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা করেছে। তবে আন্দোলন শেষ হলেও প্রশ্নফাঁসের ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক থামেনি। সংসদের আসন্ন অধিবেশনে এই ইস্যুতে কেন্দ্রকে চাপে রাখতে প্রস্তুতি নিচ্ছে বিরোধী শিবির।বিরোধীদের বক্তব্য, শুধু শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফায় বিষয়টির সমাধান হয়নি। তাঁদের দাবি, দেশের ছাত্রছাত্রীদের কাছে প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষমা চাইতে হবে। পাশাপাশি, বিশে জুলাই সংসদ অভিযানের সময় ছাত্রছাত্রীদের উপর পুলিশি পদক্ষেপের দায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিতে হবে বলেও বিরোধীরা দাবি তুলেছে।সোমবার প্রশ্নফাঁস রোধে কঠোর শাস্তির বিধান থাকা নতুন বিল সংসদে পেশ হওয়ার কথা রয়েছে। সেই বিল নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিরোধীরা নিজেদের দাবিতে সরব হবে বলে জানা গিয়েছে।এই ইস্যুতে সংসদে যৌথ কৌশল ঠিক করতে সোমবার সকালে ইন্ডিয়া জোটের সংসদীয় দলের নেতাদের বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেখানে সংসদের দুই কক্ষে বিরোধীদের অবস্থান ও কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।অন্যদিকে, বিজেপি প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় আগের সরকার এবং বিরোধী শাসিত রাজ্যগুলির বিভিন্ন ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে পাল্টা আক্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রশ্নফাঁস রোধে আনা নতুন বিলের আলোচনায় সেই বিষয়গুলিও তুলে ধরতে পারে শাসক দল।এদিকে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পর এবার রাম মন্দিরে চুরির ঘটনাকেও সংসদে বড় রাজনৈতিক ইস্যু করতে চাইছে সমাজবাদী পার্টি, কংগ্রেস-সহ একাধিক বিরোধী দল। এই বিষয় নিয়ে সংসদের দুই কক্ষে মুলতবি প্রস্তাব আনার প্রস্তুতিও চলছে বলে রাজনৈতিক সূত্রে খবর।

জুলাই ২৬, ২০২৬
কলকাতা

ধর্মতলার কাণ্ডে কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর! ‘গুণ্ডাদমন আইনেই ব্যবস্থা’, বাড়ল রাজনৈতিক উত্তাপ

ধর্মতলায় নিট প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে হওয়া মিছিলের সময় হিংসা এবং সাংবাদিকদের হেনস্তার ঘটনায় কড়া অবস্থান নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার তিনি দাবি করেন, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের কেউই ছাত্র নন। তাঁর অভিযোগ, এরা সমাজবিরোধী এবং মৌলবাদী চক্রের সঙ্গে যুক্ত। এই ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে গুণ্ডাদমন আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি।ধর্মতলার ঘটনায় হেয়ার স্ট্রিট থানায় ছয়টি এবং এন্টালি থানায় একটি, মোট সাতটি মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই চৌদ্দ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। তদন্তে উঠে এসেছে, ধৃতদের মধ্যে কয়েক জন ভিন রাজ্যে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিল বলে অভিযোগ। পুলিশ সেই দিকটিও খতিয়ে দেখছে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের সঙ্গে আন্দোলনকারী ছাত্রদের কোনও সম্পর্ক নেই। তাঁর দাবি, সাংবাদিকদের উপর হামলা এবং অশান্তির ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার ভিত্তিতেই পুলিশ ব্যবস্থা নিয়েছে। বিধানসভায় তিনি যে কঠোর পদক্ষেপের কথা জানিয়েছিলেন, সেই অনুযায়ীই তদন্ত এগোচ্ছে বলেও জানান।একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, সাম্প্রতিক সময়ে খারিজি মাদ্রাসা নিয়ে তদন্ত, অবৈধভাবে পাওয়া অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির শংসাপত্র বাতিলের ক্ষেত্রে উচ্চ আদালতের নির্দেশ কার্যকর করা এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক পদক্ষেপের জেরে একাংশের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, সেই ক্ষোভ থেকেই কিছু সমাজবিরোধী অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে।তিনি আরও বলেন, আইন অনুযায়ী তদন্ত চলবে এবং কেউ দোষী প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারের অবস্থান স্পষ্ট, আইনশৃঙ্খলা নষ্টের কোনও চেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না।

জুলাই ২৬, ২০২৬
কলকাতা

ধর্মতলার হিংসা মামলায় ধৃতকে নিয়ে নতুন দাবি! সমাজমাধ্যমের পোস্ট ঘিরে বাড়ছে জল্পনা

ধর্মতলায় ছাত্র মিছিলের সময় হিংসা এবং সাংবাদিকদের হেনস্তার ঘটনায় তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে কলকাতা পুলিশ। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত চৌদ্দ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে অন্যতম মহম্মদ আফরোজকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তাঁর সমাজমাধ্যমের বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও সামনে আসার পর রাজনৈতিক মহলেও নানা প্রশ্ন উঠেছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মহম্মদ আফরোজ মেটিয়াবুরুজ এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রের দাবি, তাঁকে এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী হিসেবেও অনেকে চেনেন। সমাজমাধ্যমে তাঁর প্রোফাইলে একাধিক রাজনৈতিক কর্মসূচির ছবি রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। সেখানে কয়েক জন তৃণমূল নেতার সঙ্গে তাঁর ছবিও দেখা যাচ্ছে। পাশাপাশি দলীয় পতাকা হাতে মিছিলে অংশ নেওয়ার ছবিও সামনে এসেছে। তবে এই সব ছবি ও ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।সমাজমাধ্যমে আফরোজের নামে থাকা কিছু ভিডিও ও ছবিতে অস্ত্রসদৃশ বস্তু দেখা গিয়েছে বলেও দাবি উঠেছে। এছাড়া কয়েকটি পোস্টে নিজেদের মাফিয়া গ্যাং এবং টিম মাফিয়া বলে উল্লেখ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। তবে এই সব সমাজমাধ্যমের পোস্ট বা ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।ধৃতের সঙ্গে স্থানীয় বিধায়কের পরিচয় রয়েছে কি না, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও মেটিয়াবুরুজের বিধায়ক আবদুল খালেক সেই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বহু মানুষ অংশ নেন। সকলকে ব্যক্তিগতভাবে চেনা সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, অভিযুক্তের সঙ্গে তাঁর কোনও ব্যক্তিগত যোগাযোগ বা পরিচয় নেই।ধর্মতলার হিংসার ঘটনায় পুলিশের তদন্ত চলছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গুণ্ডাদমন আইনে মামলা দায়ের হয়েছে। এই প্রসঙ্গে বিধায়ক বলেন, আইন অনুযায়ী পুলিশ তদন্ত করছে। আদালতে দোষ প্রমাণিত হলে আইন মেনে শাস্তি হবে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে তিনি এ বিষয়ে আর কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

জুলাই ২৬, ২০২৬
দেশ

টানা সাঁইত্রিশ দিনের লড়াই শেষে প্রথম শান্তির ঘুম! কিন্তু ঘুম ভাঙতেই অভিজিতের এক কথায় নতুন জল্পনা

ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে টানা সাঁইত্রিশ দিন ধরে দেশজুড়ে আন্দোলন চালিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। বিক্ষোভ, মিছিল, অবস্থান এবং প্রতিবাদের মধ্যে দিয়ে লাগাতার কর্মসূচি চলেছে। আন্দোলনের অন্যতম মুখ অভিজিৎ দীপকে ও তাঁর সহযোগীদের নেতৃত্বে বিভিন্ন রাজ্যে এই কর্মসূচি আরও জোরদার হয়। শেষ পর্যন্ত ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দেন। পরে কেন্দ্র আন্দোলনকারীদের সমস্ত দাবি মেনে নেওয়ার কথা জানায়। এরপরই ককরোচ জনতা পার্টি তাদের অবস্থান কর্মসূচি তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে।রবিবার সকালে নিজের সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন অভিজিৎ। সেখানে তিনি জানান, দীর্ঘ সাঁইত্রিশ দিনের পর কোনও দুশ্চিন্তা ছাড়াই শান্তিতে ঘুমিয়েছেন। এত দিন প্রতিদিন পরবর্তী কর্মসূচি, আন্দোলনের পরিকল্পনা এবং নানা চাপের মধ্যে থাকতে হয়েছে। কিন্তু এবার কয়েক দিনের জন্য অন্তত সেই উদ্বেগ থেকে মুক্তি মিলেছে বলেই জানান তিনি।তবে ভিডিওর শেষের মন্তব্যই নতুন করে চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। অভিজিৎ বলেন, এটা সবে শুরু। ককরোচ জনতা পার্টিকে আরও অনেক দূর যেতে হবে। তাঁর এই মন্তব্যের পরই নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে, ভবিষ্যতে কি আবার কোনও নতুন ইস্যুতে আন্দোলনের পথে নামতে চলেছে সংগঠন? যদিও এ বিষয়ে এখনও বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। ফলে অভিজিতের এই বার্তা ঘিরে রাজনৈতিক এবং সামাজিক মহলে জল্পনা আরও বেড়েছে।

জুলাই ২৬, ২০২৬
দেশ

পাকিস্তানকে আর কোনও ছাড় নয়! কার্গিল দিবসে রাজনাথের স্পষ্ট বার্তা ঘিরে তুমুল আলোচনা

কার্গিল দিবস উপলক্ষে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে পাকিস্তানের সঙ্গে যদি কোনও আলোচনা হয়, তবে তা হবে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর নিয়েই। তাঁর বক্তব্য, জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং পাকিস্তান অবৈধভাবে তার একটি অংশ দখল করে রেখেছে। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, পাকিস্তানে জঙ্গিবাদ দীর্ঘদিন ধরেই রাষ্ট্রের নীতির অংশ হয়ে উঠেছে।রাজনাথ সিং আরও বলেন, সীমান্তে অনুপ্রবেশের কোনও চেষ্টা ভারত মেনে নেবে না। দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় ভারতীয় সেনা সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, অনুপ্রবেশ বা সন্ত্রাসবাদকে কোনওভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া হবে না এবং প্রয়োজন হলে উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।তিনি অপারেশন সিঁদুরের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন। তাঁর বক্তব্য, সেই অভিযানে ভারতীয় সেনা নিজেদের সক্ষমতার পরিচয় দিয়েছে। দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ভারতীয় সেনা ভবিষ্যতেও একইভাবে সতর্ক থাকবে বলেও তিনি জানান।অবসরপ্রাপ্ত জাতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রাক্তন কর্তা দীপাঞ্জন চক্রবর্তীও প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন। তাঁর দাবি, সীমান্তে বারবার অনুপ্রবেশের চেষ্টা এবং সন্ত্রাসবাদকে কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তিনি বলেন, পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর ভারতেরই অংশ এবং সেই অবস্থান থেকে ভারত কখনও সরে আসবে না।

জুলাই ২৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal