• ৭ আশ্বিন ১৪৩৩, শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Tea

রাজ্য

চায়ের দোকানে খুন, গ্রেফতার তৃণমূলের উপ-প্রধানের দুই ভাই

পূর্ব আক্রোশ বসত এক ব্যক্তিকে রড দিয়ে পিটিয়ে মারা হয় বলে অভিযোগ। সোমবার সন্ধ্যায় ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম মোহাম্মদ বাবলু (৪৫)। তাঁর বাড়ি রঘুনাথগঞ্জ থানার গিরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের পাতলাটোলা গ্রামে। পুলিস মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে মর্গে পাঠায়। এদিন বাড়ির পাশের চায়ের দোকানে বসে ছিলেন বাবলু। আচমকাই কয়েকজন দুষ্কৃতী রড দিয়ে আঘাত করে। তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে জঙ্গি পুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন। গত লোকসভা নির্বাচনে ওই এলাকার একটি বুথে তৃণমূল কম ভোট পায়, তা নিয়ে এলাকায় গন্ডগোল বাধে। সেই গন্ডগোলের জেরে এখনও অনেকেই বাড়ি ছাড়া। পূর্বের আক্রোশ বসে এই হামলা বলে দাবি করা হয়েছে। ওই ওয়ার্ডে কংগ্রেস বেশি ভোট পাওয়ার পর থেকেই তৃণমূলের কিছু মাস্তান তাদের ধমকি দিচ্ছিল বলে অভিযোগ। খুনের ঘটনায় উপপ্রধানের অনুগামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। বাবলু শেখের খুনের ঘটনায় পুলিস উপপ্রধান কারু শেখের দুই ভাই তানজিল শেখ ও আসগার শেখ ওরফে হারু শেখকে গ্রেপ্তার করে। দুইজনকে এদিন ১০ দিনের পুলিস হেফাজতের আবেদন জানিয়ে জঙ্গিপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়েছে।

জুন ১০, ২০২৫
রাজ্য

বড় সিদ্ধান্ত রাজ্য মন্ত্রিসভার, সাময়িক সুরাহা, চাকরিহারা শিক্ষা কর্মীদের জন্য মাসিক ভাতা ঘোষণা মমতার

পশ্চিমবঙ্গ সরকার সম্প্রতি একটি নতুন ভাতা প্রকল্প চালু করেছে, যার মাধ্যমে চাকরি হারানো গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি শিক্ষাকর্মীদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। এই সিদ্ধান্তটি ২০২৫ সালের ১৪ মে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে গৃহীত হয়েছে।এই প্রকল্পের নাম ওয়েস্ট বেঙ্গল লাইভলিহুড এন্ড সোশ্যাল সিকিউরিটি ইন্টেরিম স্কিম (West Bengal Livelihood and Social Security Interim Scheme),ভাতা পরিমাণ:গ্রুপ সি কর্মীদের জন্য মাসিক ₹২৫,০০০, গ্রুপ ডি কর্মীদের জন্য মাসিক ₹২০,০০০, এই স্কিম কার্যকরের তারিখ ১ এপ্রিল ২০২৫ থেকে এবং এই প্রকল্পের তত্ত্বাবধান করবে রাজ্য শ্রম দফতরের।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুধবার সাংবাদিক সন্মেলনে জানিয়েছেন এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে চাকরি হারানো ২৫,৭৫২ জন স্কুল কর্মচারীর আর্থিক দুর্দশা লাঘব করা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও জানান, এই ভাতা প্রদান চলবে যতদিন না পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে দায়ের করা রিভিউ পিটিশনের নিষ্পত্তি হয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই উদ্যোগটি মানবিকতার দিক বিবেচনা করে নেওয়া হয়েছে, যাতে চাকরি হারানো কর্মীরা তাদের পরিবারের জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন।যদিও অনেক কর্মী এই ভাতা পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন, তবুও তাদের মূল দাবি চাকরিতে পুনর্বহাল হওয়া। একজন প্রাক্তন কর্মী কৌশিক রঞ্জন মণ্ডল বলেন, ভাতা সমাধান নয়। আমি মুখ্যমন্ত্রীর এই পদক্ষেপের প্রশংসা করি, তবে আমরা চাই আমাদের চাকরি ফিরে আসুক।তৃণমূল কর্মী সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবী করা হচ্ছে যে, এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্য সরকার প্রমাণ করেছে যে তারা চাকরি হারানো কর্মীদের পাশে রয়েছে এবং তাদের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

মে ১৫, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

বিরাট রহিতের পর কি শামি? জোর জল্পনা ক্রিকেট মহলে

গত ছয় মাস ধরে রবিচন্দ্রন অশ্বিন, রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলির টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার পর, ভারতীয় দল ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের আগে একটি বিশাল পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যা মহম্মদ শামি এবং রবীন্দ্র জাদেজার মতো দলের অন্যান্য সিনিয়র খেলোয়াড়দের ভবিষ্যৎ নিয়েও রহস্য় তৈরি করছে।ভারত ২০ জুন থেকে হেডিংলিতে শুরু হওয়া পাঁচটি টেস্ট খেলতে প্রস্তুত। ভারত ২০২৫-২৭ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ (ডব্লিউটিসি) চক্রে তাদের প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট খেলবে একজন নতুন অধিনায়কের সাথে, যা নতুন অধিনায়কের সাথে ঘোষণা করা হতে পারে।মহম্মদ শামি কি অবসর নিচ্ছেন?ফিটনেস নিয়ে বড় উদ্বেগের পর শামি ভবিষ্যতের জন্য সবচেয়ে তাৎক্ষণিক হুমকির সম্মুখীন। এই তারকা পেসার দুই বছর ধরে ভারতের হয়ে কোনও টেস্ট ম্যাচ খেলেননি। ২০২৩ সালের জুনে ২০২৩ সালের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ (ডব্লিউটিসি) ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি।২০২৩ বিশ্বকাপের পর চোটের কারণে শামি প্রায় এক বছর মাঠের বাইরে ছিলেন। রঞ্জি ট্রফিতে প্রত্যাবর্তন করলেও, প্রত্যাবর্তনের পর থেকে তিনি মাত্র একটি লাল বলের খেলা খেলেছেন। ৩৪ বছর বয়সী এই খেলোয়াড় ভারতের ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিলেন কিন্তু চলমান ২০২৫ সালের ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) তিনি তার সেরা পারফর্মেন্স থেকে অনেক দূরে রয়েছেন, যা ইংল্যান্ড সিরিজের জন্য তার দলে নির্বাচন নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে।সম্ভাব্য অবসরের গুজবের প্রতিক্রিয়ায় শামি প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন এবং একই বিষয়ে একটি মিডিয়া প্রতিবেদনের তীব্র সমালোচনা করেছেন। খুব ভালো করেছেন, মহারাজ। আপনা কে দিন ভি গিন লু কিতনা বিদায় হ্যায়। বদমে দেখ লে হামারা আপ জাইসে নে সত্যিয়ানাশ কর দিয়া ভবিষ্যৎ কা। কখনও তো বল লিয়া করে। আজ কি সবসে খারাপ গল্প দুঃখিত (শাবাশ মহারাজ। তোমার চাকরির বাকি দিনগুলোও গণনা করো। ভবিষ্যতে দেখো, তোমরা আমাদের ভবিষ্যৎ ধ্বংস করো। আজকের সবচেয়ে খারাপ গল্প), ইনস্টাগ্রামে শামি লিখেছেন।আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ইতিহাসে ভারতের সেরা পেসারদের মধ্যে শামি অন্যতম, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৪৬২টি ফর্ম্যাটে ৪৬২টি উইকেট নিয়েছেন। টেস্ট এবং ওয়ানডে উভয় ক্রিকেটেই তার ২০০ টিরও বেশি উইকেট রয়েছে।

মে ১৪, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

"যেওনা দাঁড়াও বন্ধু" বিরাটের অবসরে ক্রিকেট মহলের প্রতিক্রিয়া

বিরাটের আকস্মিক টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণের ঘোষণায় ক্রিকেট মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কোহলির এই সিদ্ধান্ত অনেককে অবাক করেছে, বিশেষ করে ইংল্যান্ড সফরের আগে। যেখানে ৫ টি টেস্ট ম্যাচ খেলবে।ক্রিকেট মহলের প্রতিক্রিয়াহরভজন সিং: ভারতের প্রাক্তন অফ-স্পিনার হরভজন সিং কোহলির অবসরের সময় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি X-এ লিখেছেন: Why Retired? @imVkohli।প্রজ্ঞন ওঝা: প্রাক্তন ভারতীয় বাঁহাতি স্পিনার প্রজ্ঞন ওঝা কোহলিকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, আপনি অসাধারণ ক্রিকেটার ছিলেনলাল বলের ক্রিকেট অবশ্যই আপনার অভাব অনুভব করবে।মোহাম্মদ কাইফ: প্রাক্তন ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ কাইফ কোহলিকে অবসরের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ভারতীয় দলের বাবর শের বিশ্রাম নিতে চান। আমি মনে করি, তিনি ইংল্যান্ডে গিয়ে প্রমাণ করুন এবং তাঁর ক্যারিয়ার একটি উচ্চ নোটে শেষ করুন।অম্বাতি রায়ুডু: প্রাক্তন ব্যাটসম্যান অম্বাতি রায়ুডু X-এ লিখেছেন: বিরাট কোহলি, দয়া করে অবসর নেবেন না। ভারতীয় দল আপনাকে আগের চেয়ে বেশি প্রয়োজন। আপনার আরও অনেক কিছু দেওয়ার আছে।নবজ্যোত সিং সিধু: প্রাক্তন ওপেনার নবজ্যোত সিং সিধু উল্লেখ করেছেন, কোহলির অবসর গ্রহণের সময়টি আদর্শ নয়, বিশেষ করে ইংল্যান্ড সফরের আগে, যেখানে তাঁর অভিজ্ঞতা দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারত।বিসিসিআই ও বোর্ডের প্রতিক্রিয়াবিসিসিআই কোহলির অবসরের ঘোষণার পর একটি বিশেষ শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছে। তারা X-এ লিখেছে: একটি যুগের সমাপ্তি, কিন্তু উত্তরাধিকার চিরকাল থাকবে! প্রাক্তন টিম ইন্ডিয়া অধিনায়ক টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন। তাঁর অবদান টিম ইন্ডিয়ার-র জন্য চিরকাল স্মরণীয় থাকবে।ভক্তদের প্রতিক্রিয়াসামাজিক মাধ্যমে ভক্তরা কোহলির অবসরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। অনেকেই দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং বলেছেন, টেস্ট ক্রিকেট আর আগের মতো থাকবে না ।অবসরের পেছনের কারণকোহলির টেস্ট পারফরম্যান্স সাম্প্রতিক বছরগুলিতে কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। ২০১৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ২৫৪ রানের ইনিংসের পর থেকে তাঁর গড় কমেছে, এবং গত ২৪ মাসে তিনি মাত্র দুটি শতক করেছেন ।তবে, বিসিসিআই কোহলিকে ইংল্যান্ড সফর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে অনুরোধ করেছিল, কিন্তু তিনি অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন ।কোহলির বক্তব্যকোহলি ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন: ১৪ বছর আগে প্রথমবার টেস্ট ক্রিকেটে ভারতের জার্সি পরেছিলাম। এই ফরম্যাট আমাকে পরীক্ষা করেছে, গড়ে তুলেছে, এবং এমন অনেক শিক্ষা দিয়েছে যা আমি সারাজীবন বহন করব... আমি এই ফরম্যাটে সবকিছু দিয়েছি, এবং এটি আমাকে তার চেয়েও বেশি কিছু ফিরিয়ে দিয়েছে ।বিরাট কোহলির অবসর ভারতীয় ক্রিকেটের একটি যুগের সমাপ্তি নির্দেশ করে। তাঁর অবদান ও নেতৃত্ব চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।𝗧𝗵𝗮𝗻𝗸 𝘆𝗼𝘂, 𝗩𝗶𝗿𝗮𝘁 𝗞𝗼𝗵𝗹𝗶! 🙌An era ends in Test cricket but the legacy will continue FOREVER! 🫡🫡@imVkohli, the former Team India Captain retires from Test cricket.His contributions to #TeamIndia will forever be cherished! 👏 👏 pic.twitter.com/MSe5KUtjep BCCI (@BCCI) May 12, 2025

মে ১২, ২০২৫
রাজ্য

SSC চাকরিহারা গ্রুপ C ও গ্রুপ D কর্মীদের জন্য বড় ঘোষণা মুখ্য়মন্ত্রীর

SSC-এর চাকরিহারা গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি কর্মীদের জন্য বড়সড় সিদ্ধান্ত ঘোষণা করলে রাজ্য সরকার। শনিবার নবান্নের সভাঘরে চাকরিহারাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই বৈঠক থেকেই চাকরিহারা শিক্ষা কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই কর্মীদের মাসিক ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। এছাড়াও পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হানায় নিহত পর্যটকদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য় সরকার।সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং শিক্ষা কর্মচারী মিলিয়ে প্রায় ২৬ হাজারের চাকরি বাতিল হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্ট সম্প্রতি চাকরিহারা শিক্ষকদের নতুন প্যানেল তৈরি না হওয়া পর্যন্ত কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয়। শনিবার মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, গ্রুপ সি কর্মীরা প্রতি মাসে ২৫ হাজার টাকা এবং গ্রুপ ডি কর্মীরা প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা করে পাবেন। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মত চাকরিহারা শিক্ষা কর্মচারীদের বিষয়টি নিয়েও রিভিউ পিটিশন করবে রাজ্য। মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষা কর্মচারীদের এই ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাঁর সরকার।এছাড়া পহেলগাঁওয়ের নিহত বিতানের স্ত্রীকে 5 লক্ষ টাকা, বিতানের বাবাকে 5 লক্ষ, বাবা মাকে 10 হাজার টাকা পেনশন দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্য়মন্ত্রী। পাশাপাশি সেনা জওয়ান ঝন্টু শেখের স্ত্রীকে সরকারি চাকরি দেবে রাজ্য় সরকার।প্য়ারা টিচারদের আন্দোলনের নেতা ভগীরথ ঘোষ বলেন, সুপ্রিম কোর্ট যাদের চাকরি থেকে ছাঁটাই করে দিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী তাদের পাশে মানবিক মুখ নিয়ে দাঁড়িয়ে কুড়ি-পঁচিশ হাজার টাকা মাইনা দিতে পারবেন। আর বাংলার পার্শ্ব শিক্ষকরা কুড়ি বছর ধরে স্কুলে জুতো সেলাই থেকে চণ্ডীপাঠ করলেও তাদের কথা ভাবলেন না?

এপ্রিল ২৬, ২০২৫
রাজ্য

রাতভর চাকরিহারা শিক্ষকদের ঘেরাও, অবস্থান, যোগ্যদের তালিকা প্রকাশ নিয়ে কি বললেন ব্রাত্য?

সোমবারই পার হয়েছে ডেডলাইনই। তবে যোগ্যদের তালিকা প্রকাশ করেনি স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC)। দাবি আদায়ে রাতভর এসএসসি ভবন ঘেরাও করে রেখেছিল চাকরিহারা শিক্ষকরা। চাকরিহারা শিক্ষকদের চাপের মুখে পিছু হটেছে পুলিশও। সোমবার সারা রাত কমিশনের দফতরেই আটকে ছিলেন এসএসসির চেয়ারম্যান। গোটা বিষয় নিয়ে মুখ খুলেছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। মন্ত্রী বলেছেন কোর্ট বললেই তালিকা প্রকাশ করা হবে, রিভিউ পিটিশন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। শুধু এসএসসি দফতর নয়, পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদেও চাকরিহারা শিক্ষাকর্মীরা ঘেরাও করে রাখে। অযোগ্যদের বাঁচানোর চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে সরকার, এমনই দাবি যোগ্য চাকরিহারাদের। মধ্যরাতে ফের এসএসসি ভবনের সামনে ধুন্ধুমার। পুলিশকে ঠেলে বের করে দেয় আন্দোলনকারীরা তাঁদের মূল দাবি, যোগ্য-অযোগ্যদের আলাদা করতেই হবে। স্কুল সার্ভিস কমিশনের ভূমিকায় বিভাজনের কৌশল দেখছেন চাকরিহারা।শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর বক্তব্য, যাঁরা যোগ্য বঞ্চিত শিক্ষক, সময়মতোই বেতন পাবেন। এসএসসি বলেছে, সুপ্রিম কোর্টের গাইডলাইন মেনেই চলবে। আমরা দ্রুত রিভিউ পিটিশনে যাচ্ছি। এখানে জলঘোলা করার কোনও ব্যাপার নেই। আইনজ্ঞদের অনুমতি না মেলাতেই তালিকা প্রকাশিত হয়নি। সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিলেই তালিকা প্রকাশিত হবে। রিভিউ পিটিশন করা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।এদিকে, সোমবার রাত ১২টার পরে এসএসসি-র চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার বিবৃতিতে বলেন, ২০১৬ সালে শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে স্পষ্ট করে বলা হচ্ছে যে, এসএসসি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে চলবে। এবং বিভাগ কর্তৃক জানানো হচ্ছে, যে শিক্ষকেরা চাকরি করেছেন, তাঁদের বেতন বর্তমান ব্যবস্থা অনুসারে বিতরণ করা হবে। অন্য দিকে, বিক্ষোভকারী চাকরিহারা শিক্ষকেরা জানিয়ে দেন, যোগ্য-অযোগ্যের তালিকা না পেলে তাঁদের আন্দোলন চলবে।

এপ্রিল ২২, ২০২৫
রাজ্য

মালদা চাকরি হারাদের আন্দোলনে উত্তপ্ত

মালদা: মালদায় চাকরি হারাদের ডিআই অফিস ঘেরাও ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। ডি আই অফিসে তালা মেরে বিক্ষোভ চাকরি হারাদের। আর তাতে বাধা দিতেই পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তি চাকরি হারাদের। ঘটনা ঘিরে আজ সকাল থেকেই চরম উত্তেজনা মালদাহের অতুলচন্দ্র মার্কেট এলাকায় অবস্থিত ডি আই অফিস চত্বরে। ইংরেজবাজার শহরের অতুল মার্কেট সংলগ্ন জেলা শিক্ষা দপ্তরে ঘেরাও করে বিক্ষোভ কর্মসূচি ডাক দেয় যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষা কর্মী মঞ্চ।এদিন শতাধিক চাকরিহারা তরুন, তরুনীরা মিছিল করে জেলা শিক্ষা দপ্তরের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ দেখাতেই পুলিশি বাধার মুখে পড়ে বলে অভিযোগ । আর তারপরেই শিক্ষা দপ্তরের ভেতরে ঢুকেই বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন চাকরিহারা প্রার্থীরা। সেই সময় পুলিশের সাথে ঘস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। রীতিমতো চরম উত্তেজনা পরিস্থিতি তৈরি হয় জেলা শিক্ষা দপ্তর চত্বরে। রাজ্য সরকার ও শিক্ষা দপ্তরের ভূমিকা নিয়েও এদিন প্রতিবাদে সোচ্চার হোন চাকরিহারা প্রার্থীরা। পাশাপাশি পুলিশি বাঁধার মুখে প্রতিবাদ জানিয়ে জেলা শিক্ষা দপ্তরের সামনেই অবস্থান-বিক্ষোভে বসে পড়েন প্রতিবাদীরা।

এপ্রিল ১০, ২০২৫
রাজনীতি

পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে কি তৃণমূল অশিক্ষিত মনে করে? বললেন শমীক ভট্টাচার্য

মুখ্যমন্ত্রী চাকরি হারাদেরকে আশ্বাস দিয়ে ছিল তাদের পাশে থাকবে। আজ দেখা গেল চাকরি হারা শিক্ষকদের উপর লাঠিচার্জ কসবায়,,,, পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে কি তৃণমূল অশিক্ষিত মনে করে? যারা যোগ্য মেধার ভিত্তিতে চাকরি পেয়েছিলেন তাদেরকে কি মূর্খ মনে করেন? যাদের চাকরি চলে গেছে তাদের পাশে কিভাবে দাড়াবে সরকার? সেটা এখনও পরিষ্কার নয়। মুখ্যমন্ত্রী চাকরি হারাদের আবেগ নিয়ে খেলা করছে। এতটা নিচে নেমে গেছে শিক্ষককে লাথি মারছে পুলিশ আর বাংলার মানুষ সেসব সহ্য করছে? নানা প্রশ্ন তুললেন বিজেপি সাংসদ শমীক ভট্টাচাৰ্য। বিজেপি সাংসদ বলেন,ওমআর সিটের মিরর ইমেজ চাইতে গিয়ে মার খেতে হল অন্যদিকে শিক্ষামন্ত্রী বলছেন শিক্ষকদের পাশে আছে। তার পরেও কেন তারা আন্দোলন করছে,,,, পার্থ চট্টোপাধ্যায় যখন ছিলেন তখন থেকে শিক্ষার এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টে যা বিচার হয়েছে নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে হয়েছে। কিছু লোককে বাঁচানোর জন্য আজকে এতগুলো পরিবারকে রাস্তায় নামিয়ে দিয়েছে আন্দোলন তো করবেই। একজন সাহিত্যিক যার প্রস্তাব বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো হয় তিনি স্টেজে মুখ্যমন্ত্রীর পাশে দাঁড়িয়ে বলছেন রাজ্যের আইন ব্যবস্থা অন্য গলির মধ্যে ঢুকে গেছে।কুনাল ঘোষ বলছেন, রাজনৈতিক দের বক্তব্যের কারণে এই হিংসার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে রাজ্যে,,,,মানুষ পথে নামবে। রাজনৈতিক পতাকা ছাড়া নামবে। রাজনৈতিক পতাকা নিয়ে নামবেন। তৃণমূলের বিসর্জন ছাড়া মুক্তি নেই।পুলিশের বক্তব্য, কোনও ইন্টিমেশন ছাড়াই আজ চাকরি হারারা এভাবে আন্দোলন করেছে,,,, তৃণমূল ইন্টিমেশন দিয়ে চাকরি বিক্রি করেছিলেন! চাকরির দাবিতে আন্দোলন করতে গেলে আবার ইন্টিমেসন দিতে হয়?পশ্চিমবঙ্গের যে পরিমাণে ওয়াকফ প্রপার্টি লুট হয়েছে বিক্রি হয়েছে তা অন্য কোন স্টেটে হয়নি। দরিদ্র মুসলিম মহিলা আছে কিছু শিশুরা আছে তাদের জন্য ওয়াকফ বিল।মুখ্যমন্ত্রী বলছে আপনারাই স্কুলে গিয়ে পড়ান চাকরি হারাদেরকে আশ্বাস তাদের পাশে আছি। অন্যদিকে পুলিশ মন্ত্রীর পুলিশ বাহিনী লাঠিপেটা করছে চাকরিহারা শিক্ষকদের,,,, এটাই তো তৃণমূল। চোরের সমর্থন করতে জীবনানন্দ। তাদের প্রশ্নে কি মুখ্যমন্ত্রী কোন উত্তর দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি বিচার ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। প্রধান বিচারপতিকে টার্গেট করেছে। সুপ্রিম কোর্ট বলেছে গোটা প্যানেল বাতিল হয়ে গেছে মুখ্যমন্ত্রী কি করে তাদের পাশে দাঁড়াবে?মুখ্যমন্ত্রী কি দ্বিচারিতা করছে একদিকে বলছে আপনার এই স্কুলে যান পড়ান আপনাদের পাশে আছি অন্যদিকে পুলিশকে দিয়ে আক্রমণ,,,, আজকে কসবায় যা হয়েছে সেটা দেখে বোঝা যায় কতটা পাশে আছে।ঠাকুর পুকুরে মত তো অবস্থায় গাড়ি চাপা দিয়ে মৃত্যু,,,, তার সঙ্গে পুলিশের আত্মীয়তা আছে তাই বলছি তার সঙ্গে মিটমাট করে নাও। মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরে আগুন জলছে,,,, পরিকল্পিতভাবে পশ্চিমবঙ্গের প্রান্তিক জেলায় ডেমোগ্রাফি বদলে দেয়া হচ্ছে। এ রাজ্যের একজন মন্ত্রী পুলিশের গাড়িতে আগুন লাগানো কে সমর্থন করেছে।রাজনৈতিক কারণে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা আগুন জ্বলার ছবি দেখা যাচ্ছে,,, এর আগে টিয়ার গ্যাস চালানো হয়েছে বিভিন্ন আন্দোলন হয়েছে কিন্তু আজকের জঙ্গিপুরে সম্পূর্ণ আলাদা ঘটনা ভারতবর্ষের আইন মানিনা বলে পুলিশের গাড়িতে আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে।

এপ্রিল ১০, ২০২৫
রাজ্য

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ, বিক্ষোভ, ভাঙচুর দমদমের স্কুলে

দমদমের একটি সরকারি বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীর শীলতাহানির অভিযোগে স্কুলে বিক্ষোভের পাশাপাশি ভাঙচুর চালালো, ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকরা।দমদম ভারতীয় বিদ্যামন্দির স্কুলের ছাত্রীর সাথে অশ্লীল আচরণের অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার, নির্যাতিতা ছাত্রী অষ্টম ক্লাসে পঠারত। সে দমদম বিশরপাড়া এলাকার বাসিন্দা। গত তিন ফেব্রুয়ারি স্কুলে গেলে অভিযোগ স্কুলের হেডমাস্টার শুভজিৎ ভট্টাচার্য ছাত্রীর শ্রীলতাহানি করেন। এরপর ছাত্রী বাড়িতে গিয়ে সমস্ত বিষয় জানালে, আজ স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীর পাশাপাশি অভিভাবকরা এসে স্কুলের সামনে বিক্ষোভ দেখায় ও স্কুলে ভাঙচুর করে। অবিলম্বে প্রধান শিক্ষককে গ্রেফতার করতে হবে এও দাবি জানায় অভিভাবকরা। অভিযোগ এর আগেও নাকি হেডমাস্টার অনেক ছাত্রীর শীলতাহানি করেছে। তাই এই বিষয় নিয়ে দমদম থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তারা।

মার্চ ০৪, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

বিরাট রাজার দাপটে ভূপতিত পাকিস্তান। আপাত নিশ্চিন্ত শর্মা'র সাজঘর

ম্যায় হুঁ না!, জেতার জন্য শেষ শটটা খেলে অধিনায়ক রোহিতকে কি ইশারায় এটাই বলতে চাইলেন? সত্যিই বিরাটের মত ক্রিকেটার দলে থাকলে সে দল খেলার আগেই মানসিক ভাবে অনেকটা এগিয়ে থাকে। আর এই রকম ফর্মে থাকলে তো জয়লাভ ছাড়া অন্য কিছু ভাবাই অন্যায়। পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তেই ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই মারমার কাটকাট উত্তেজনা। রবিবাসরীয় দুবাইয়ের শুরুতে গ্যালারির কিছুটা হালকা থাকলেও ম্যাচ গড়াতেই আস্তে আস্তে ভরে যায়। ভারত-পাকিস্তান খেলার যে স্নায়ুর লড়াই ৮০ বা ৯০এর দশকেও দেখা গেছে আজকের ম্যাচে তাঁর কোনও দৃশ্য চোখে পড়ল না। ভারত একপ্রকার একপেশেই ম্যাচটা শেষ করল। বিগত দিনের মতই আইসিসি প্রতিযোগিতায় একপেশে দাপটই দেখাল ভারত।পাকিস্তান দল চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে প্রথম ম্যাচে নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে হেরে দুবাই এসেছে। ভারতের বিরুদ্ধে প্রাজ্য মানে প্রতিযোগিতা থেকে বিদায়ের ঘন্টা বেজে যাওয়া সময়ের অপেক্ষা। বোলিং-ফিল্ডিং-ব্যাটিং কোনও বিভাগেই সেইরকম কোনও মরিয়া লড়াই আজ দেখা গেল না। আজ টস জিতে মহঃ রিজ়ওয়ান প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। পরে ব্যাট করে দুবাইয়ের পিচে রান তাড়া করা বরাবরই কঠিন। সেই হিসাব করেই পাকিস্তান আজ আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এই মুহুর্তে ভারতের ব্যাটিংএ যা গভীরতা তাতে রান তাড়া করার ক্ষেত্রে ব্যাটাররা যথেষ্ট সাবলীল। সেই প্রমান উপমহাদেশের দুটি দলের বিরুদ্ধে পরপর দুটি ম্যাচে রাখলেন ভারতীয় কোহলিরা।গত ম্যাচে বিশ্বরেকর্ড করা শামি এই ম্যাচে ছন্দে ছিলেন না। প্রথম ওভারেই শামি পাঁচটি ওয়াইড বল করেন তিনি। শামির তৃতীয় ওভারে বল করার সময় হটাৎ পায়ের পেশিতে টান লেগে কোনোরকমে ওভারটি শেষ করেই মাঠ ছাড়েন শামি। যদিও চোট সেরকম গুরুতর না হওয়ায় খানিক বাদে মাঠে ফিরে এসে বল করেন। শামি ৮ ওভারে ৪৩ রান দিলেও আজ কোনও উইকেট পাননি। হার্দিক পান্ডিয়া ৮ ওভারে ৩১ রান দিয়ে দুটি উইকেট দখল করেন। অপর পেসার হর্ষিত রানাও আজ সেই ভাবে দাগ কাটতে পারেননি। তিনি একটি উইকেট পান। আজকের ম্যচে ভারতের তরূপের তাস ছিল তাঁদের বাঁহাতি স্পিনার ত্রয়ী। আজ পাকিস্তানকে রীতিমত চাপে ফেলে দিলেন কুলদীপেরা। তিন ভারতীয় স্পিনারেরা মিলে পাঁচটি উইকেট নেন। যার মধ্যে কুলদীপ সিং একাই নেন তিনটি। অক্ষর প্যাটেল এবং রবীন্দ্র জাডেজা একটি করে উইকেট লাভ করেন। অনবদ্য ফিল্ডিংয়ের ন্মুনা রাখেন অক্ষর প্যাটেল। তিনি দু দুটি রান আউট করেন।𝗖.𝗛.𝗔.𝗠.𝗣.𝗜.𝗢.𝗡.𝗦 🏆#TeamIndia 🇮🇳 HAVE DONE IT! 🔝👏ICC Mens T20 World Cup 2024 Champions 😍#T20WorldCup | #SAvIND pic.twitter.com/WfLkzqvs6o BCCI (@BCCI) June 29, 2024প্রথম ব্যাট করে পাকিস্তান ৪৭ রানের মধ্যে দু উইকেট হারিয়ে ব্যকফুটে চলেগেছিল। মহম্মদ রিজ়ওয়ান (৪৬) ও সাউদ শাকিল (৬২) এর ১০৪ রানের পার্টনারশিপে খেলায় ফেরে পাকিস্তান দল। দুবাইয়ের মাঠে রান তাড়া করা বরাবরই কঠিন। পিছ ক্রমশ স্লো হতে থাকে। আজকের ম্যাচের পিছ ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচের মত অতটা মন্থর নয় বলেই বিশেষজ্ঞ মহলের ধারনা। ৪৯.৪ ওভার খেলে ১০ উইকেট হারিয়ে ভারতের জন্য ২৪২ রানের লক্ষ্যমাত্রা রাখে পাকিস্তান।দুবাইয়ে স্লো পিচে ২৪২ রানের লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে শুরুতেই রোহিতের উইকেট হারায় ভারত। শাহিন শাহ আফ্রিদীর এক অনবদ্য ইয়ার্কারে বোল্ড হয়ে ফিরে যান রোহিত শর্মা। অল্প সময়ে পিচে থেকে বিপক্ষের দিকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে ১৫ বলে ২০ রান করে যান। বিরাট কোহলি ও শুভমন গিল কোনও রকম তাড়াহুড়ো না করে ধীরে সুস্থে জুটি গড়তে শুরু করেন। এই দুই ব্যাটার ৬৯ রানের জুটি গড়েন। বাংলাদেশ ম্যাচে শতরান করা শুভমন এই ম্যাচে ৪৬ রানে আউট হয়ে গেলেও, লক্ষ্যে স্থির থেকে বিরাট কোহলি শ্রেয়াস আয়ারকে জুড়ি করে পাকিস্থানকে ম্যাচ থেকে কয়েক যোজন দূরে পাঠিয়ে দেন। প্রত্যাশা মতই আজকের ম্যাচে ম্যান অফ দা ম্যাচ নির্বাচিত হন বিরাট কোহলি। কোহলি আজ আরও একটি মাইলস্টোন পেরিয়ে যান। ভারতের কিংবদন্তি ফিল্ডার মহঃ আজাহারউদ্দিন (১৫৬) কে টপকে সর্বোচ্চ ক্যাচের অধিকারী হন বিরাট কোহলি (১৫৮)। বিশ্ব ক্রমপর্যায় তৃতীয়।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে রয়েল বেঙ্গল টাইগার ধরাশয়ী, ভারতের কাছে বিড়াল হয়ে গেল বাংলাদেশ

বাংলাদেশের লম্ফঝম্ফই সার। বাংলাদেশের বাঘ যে ভারতের সামনে পড়লে বিড়াল হয়ে যায় তা আবার প্রমানিত। দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচে ৬ উইকেটে জয় পেল ভারত। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে বাংলাদেশ ৪৯.৪ ওভারে ১০ উইকেটে তুলেছিল ২২৮ রান। জবাবে ২১ বল (৪৬.৩ ওভারে) বাকি থাকতেই ভারত জেতার জন্য প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয়। ভারতের অন্যতম ওপেনার শুভমান গিল ১২৯ বলে ৯টি চার এবং ২টি ছয়-সহ ১০১ রানে ও কেএল রাহুল ৪৭ বলে ১টি চার এবং ২টি ছয়-সহ ৪১ রানে অপরাজিত থেকে যান।শুভমান বৃহস্পতিবার তাঁর ক্যারিয়ারের ৮ম ওয়ানডে সেঞ্চুরি করলেন ১২৫ বলে। ভারতের এই ওপেনারের কাছে এইরকম দুর্দান্ত ইনিংসের আশায় তাঁকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দলে রাখা হয়েছে। এর আগে দলের ১৪৪ রানের মাথায় ভারতের ৪র্থ উইকেটের পতন হয়। রিশাদ হোসেনের বলে তাঁর হাতেই ধরা পড়েন গৌতম গম্ভীরের নতুন তাস অক্ষর প্যাটেল। অক্ষর বিশেষ সফল হননি, তিনি ১২ বলে ১টি চার-সহ ৮ রান করেছেন। মধ্যম বর্গীয় ব্যাটার শ্রেয়াস আইয়ার তাঁর নামের প্রতি সুবিছার করতে পারেননি। তিনি তুলে মারতে গিয়ে মুস্তাফিজুর রহমানের বলে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ধরা পড়েন। শ্রেয়স ১৭ বলে ২টি চার-সহ ১৫ রান করেছেন। খাতা খুলতে ১০টি বল নিলেও ক্রমশ নিজেকে পিচের সাথে মানিয়ে নিচ্ছিলেন। ঠিক যখনই মনে হতে শুরু হচ্ছিল যে, আজ বিরাট বড় রান করবে ঠিক তখনি রিশাদ হোসেনকে কাট করতে গিয়ে বল হাওয়ায় ভেসে সোজা চলে গেল সৌম্য সরকারের হাতে। তাঁর আগে ৩৮ বলে ১টি চার-সহ ২২ রান করেছেন কোহলি। ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা তাসকিন আহমেদের বলে রিশাদ হোসেনের হাতে ধরা পড়েন। ৩৬ বলে ৭টি চার-সহ ৪১ রান করেছেন রোহিত।𝗖.𝗛.𝗔.𝗠.𝗣.𝗜.𝗢.𝗡.𝗦 🏆#TeamIndia 🇮🇳 HAVE DONE IT! 🔝👏ICC Mens T20 World Cup 2024 Champions 😍#T20WorldCup | #SAvIND pic.twitter.com/WfLkzqvs6o BCCI (@BCCI) June 29, 2024চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ভারত-বাংলাদেশ এই গ্রুপ ম্যাচে টস জিতে বৃহস্পতিবার প্রথমে ব্যাট করে বাংলাদেশ ১০ উইকেটে ৪৯.৪ ওভারে তোলে ২২৮ রান। অনবদ্য সেঞ্চুরি করেন তৌহিদ হৃদয়। ১১৪ বলে ৬টি চার এবং ২টি ছয়ের সাহায্যে তিনি সেঞ্চুরি করেন। শেষ পর্যন্ত তিনি ১১৮ বলে ১০০ রান করে আউট হন। হর্ষিত রানার বলে মহম্মদ শামির হাতে ধরা পড়েন। এর আগে তৌহিদ ব্যাটসম্যান জাকির আলির সঙ্গে যৌথভাবে বড় পার্টনারশিপ গড়ে বাংলাদেশকে ভারতের বিরুদ্ধে লজ্জাজনক স্কোর থেকে রক্ষা করেন।ম্যাচে মহম্মদ শামির বলে শ্রেয়স আইয়ারের হাতে ধরা পড়েন তাসকিন আহমেদ। ৬ বলে ৩ রান করেন তাসকিন। মহম্মদ শামির বলে বোল্ড হয়েছেন তানজিম হাসান সাকিব। তিনি ৪ বল খেলে বিনা রানেই আউট হয়েছেন। হর্ষিত রানার বলে হার্দিক পান্ডিয়ার হাতে ধরা পড়েন রিশাদ হোসেন। তিনি ১২ বলে ১টি চার এবং ২টি ছয়-সহ ১৮ রান করেন। মহম্মদ শামির বলে বিরাট কোহলির হাতে ধরা পড়লেন জাকির আলি। তিনি ১১৪ বলে ৪টি চার-সহ ৬৮ রান করেছেন। তানজিদ হাসানকে ফিরিয়ে দেন অক্ষর প্যাটেল। তানজিদের ক্যাচ ধরেন কেএল রাহুল। ২৫ বলে ৪টি চার-সহ ২৫ রান করেছেন তানজিদ।এক দিনের বিশ্বকাপে ঠিক যেখানে শেষ করেছিলেন, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে যেন সেখান থেকেই শুরু করলেন মহম্মদ শামি। আইসিসি প্রতিযোগিতায় ফিরেই আবার ছন্দে তিনি। আজ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারতের প্রথম ম্যাচে পড়শি দেশ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ৫ উইকেট নিয়েছেন শামি। এক দিনের ক্রিকেটে সবচেয়ে কম বলে এই কীর্তি গড়েছেন ভারতীয় দ্রুত গতির বোলার।বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নামার আগে শামির ঝুলিতে ১৯৭ উইকেট ছিল। ২০০ উইকেটের মাইলস্টোনে পৌঁছতে শামির দরকার ছিল ৩ টি উইকেট। জাকের আলিকে আউট করে ২০০ উইকেটে পৌঁছে যান শামি। ২০০ উইকেট নিতে ৫১২৬ বল করেছেন শামি। বিশ্বে এত কম বলে কোনও বোলার ২০০ উইকেট নিতে পারেননি। এত দিন এই রেকর্ড ছিল মিচেল স্টার্কের দখলে। অস্ট্রেলিয়ার পেসার মিচেল স্টার্কের ২০০ উইকেট নিতে ৫২৪০ বল করেছিলেন।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৫
রাজ্য

জঙ্গি সন্দেহে ধৃতদের ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজত, বাংলায় স্লিপার সেলের সন্ধানে জোরদার তদন্ত

বাংলাদেশি জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লা বাংলা টিমের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে নওদা থেকে ধৃতদের মঙ্গলবার বহরমপুর সিজেএম আদালতে তোলা হয়। রাজ্য পুলিশের এসটিএফের পক্ষ থেকে ধৃতদের ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানানো হয়েছিল। বিচারক দিলওয়ার হোসেন ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। ধৃতদের নাম সাজিবুল ইসলাম ও মুস্তাকিম মণ্ডল। ধৃতদের বিরুদ্ধে জঙ্গি যোগ সন্দেহ আরও মাত্রা পেল।বাংলাদেশে ইউনুসের তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসতেই সীমান্তের পশ্চিমপাড়ে জঙ্গিদের স্লিপার সেলের একের পর এক সন্ধান মিলেছে। এবার এপারে জেএমবি অপেক্ষা আনসারুল্লা বাংলা টিমের দাপট অনেক বেশি।দিন কয়েক আগে আসম পুলিশ হঠাৎ হানা দেয় হরিহরপাড়ায়। হরিহরপাড়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয় আব্বাস শেখ ও মিনারুল শেখ। আব্বাস শেখ স্থানীয় মসজিদের ইমাম ছিলেন। মিনারুল এলাকায় একটি খাদিজিয়া মাদ্রাসা চালাতেন। দুজনেই এবিটি জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। তাদের জেরা করে আসাম পুলিশ ও রাজ্য পুলিশের এসটিএফ রবিবার রাত তিনটে নাগাদ নওদা থানার দুর্লভপুর থেকে সাজিবুল ইসলামকে ও পরে ভেলো গ্রাম থেকে মুস্তাকিম মণ্ডলকে জঙ্গিযোগ সন্দেহে আটক করে। ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পর দুজনকে সোমবার গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে ১১৩-৩/৪/৫/৬, ৬১ বিএনএস ও ১৪-সি ফরেনার অ্যাক্টে মামলা রুজু করে মঙ্গলবার আদালতে তোলা হয়। দুজনকেই ১৪ দিনের জন্য পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। সাজিবুল ইসলাম ও মুস্তাকিম মণ্ডল কৃষি কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিল। সাধারণ দুই যুবকের সঙ্গে বাংলাদেশি জঙ্গিযোগ রয়েছে শুনে এলাকার মানুষ হতবাক হয়ে পড়েন। পুলিশ সূত্রে খবর, মুর্শিদাবাদ জেলায় একাধিক স্লিপার সেল রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে স্লিপার সেল থেকে এবিটির হয়ে কাজ করছিল আব্বাস, মিনারুল, সাজিবুল, মুস্তাকিরা। সাজিবুল কেরল থেকে ধৃত শাদ রবি ওরফে সাব শেখের পিসতুতো ভাই। আনসারুল্লা বাংলা টিমের প্রধান জসিমুদ্দিন রহমাণির অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। সাব শেখ বহুবার নওদায় তার আত্মীয়ের বাড়িতে এসেছে বলেই তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন। জেলায় বাংলাদেশি জঙ্গিদের একাধিক ডেরা থাকলেও কেন জেলা পুলিশ কিছুই জানতে পারল না। এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২৪
রাজ্য

বর্ণ পরিচয় স্রষ্টার জন্মদিনে বর্ধমানের শিক্ষকের বিশেষ সম্মান প্রাপ্তি

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জীবন নানান কাহিনী আর কীর্তিতে ভরপুর। কথিত আছে, মাত্র ১৯ বছর বয়সে তাঁর অগাধ পাণ্ডিত্যকে সম্মান জানাতে তাঁকে বিদ্যাসাগর উপাধি দেওয়া হয়। এও জানা যায় বিদ্যাসাগর তাঁর অসুস্থ মাকে দেখতে যাওয়ার জন্য ছুটি চেয়ে না পাওয়ায় সটান চাকরি ছেড়ে দেন, এবং ভরা বর্ষার রাতে প্রবল উত্তাল দামোদর নদী সাঁতরে মাকে দেখতে যাওয়ার কাহিনী লোকগাথা হয়ে গেছে।বাংলা ও বাঙ্গালির সংগঠন বাংলা পক্ষ আজ বৃহস্পতিবার ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ২০৪ তম জন্মদিনে সমগ্র পশ্চিম বাংলার ২৩ টি জেলা থেকে ২৩ জন শিক্ষাবিদকে বিদ্যাসাগর জাতীয় শিক্ষক সম্মান প্রদান করেন। পূর্ব বর্ধমান জেলায় দামোদর নদের মাত্র কয়েক কিমি দূরে বর্ধমান শহরের কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ের রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্তকে ১৪৩১ সনের বিদ্যাসাগর জাতীয় শিক্ষক সম্মানে ভূষিত করা হয়।বাংলা পক্ষের পূর্ব বর্ধমান জেলার সম্পাদক অসিত সাহা জনতার কথাকে জানান, এই পুরস্কার তুলে দিতে পেরে তাঁরা গর্বিত। তিনি প্রসঙ্গক্রমে জানান যে, বর্ধমানের প্যারিচাঁদ মিত্র লেন এলাকার একটি বাড়িতে বসে ঈশ্বরচন্দ্র বর্ণপরিচয় লেখেন। শুধু তাই না, এই বই যাতে প্রকাশকরা বিক্রি করে আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারে তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও নেন। ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশ্যে এই ঘটনা উল্লেখ করে বলেন যে, বড় হয়ে চাকরির জন্য অনর্থক সময় নষ্ট না করে তোমরা ব্যবসার কথা ভাবতে পার, এই পথ বিদ্যাসাগরই দেখিয়ে গেছেন। বিদ্যাসাগর জাতীয় শিক্ষক সম্মান পুরস্কারে ভূষিত প্রধানশিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত তাঁর ভাষণে বাংলা পক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। বিদ্যাসাগরের পূর্বপুরুষদের চরিত্র উল্লেখ করে বলেন যে, ঠাকুরদাদা ঠাকুমা বাবা মা এঁদের দৃঢ় মনোভাবসম্পন্ন গুণাবলী বিদ্যাসাগরকে বিদ্যাসাগর হতে সাহায্য করেছে।আজ বাংলা পক্ষ তরফ থেকে এই ওই বিদ্যালয়ের সমস্ত শিক্ষকশিক্ষিকা এবং শিক্ষাকর্মীকেও সংবর্ধিত করে। কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা স্বাগতা আঢ্য জানান, এই সম্মান আমাদের সকলের খুব ভাল লেগেছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষক বাসুদেব মণ্ডল বিদ্যাসাগরের সঙ্গে রামকৃষ্ণের সাক্ষাতের ঘটনাটি স্মরণ করেন। বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী যথা, মধুমিতা অরিজিৎ ইন্দু পূর্বারা নাচ আবৃত্তি গানে বিদ্যাসাগরকে শ্রদ্ধা জানায়।এবছর যে শিক্ষাব্রতীদের সম্মানিত করতে পেরে আমরা গর্বিত,তাঁরা হলেনঃ১) আলিপুরদুয়ার- অজিত কুমার দে ২)কোচবিহার- নারায়ণ চন্দ্র সাহা৩) জলপাইগুড়ি- জুয়েল দত্ত৪) শিলিগুড়ি- কাকলী মজুমদার চাকী৫) উত্তর দিনাজপুর- কিংশুক মাইতি৬) দক্ষিণ দিনাজপুর- তপন অধিকারী৭) মালদা- মহ: সাকিলুর রহমান৮) মুর্শিদাবাদ- খাজিম আহমেদ৯) নদীয়া- সুবীর কুমার পাল১০) বীরভূম- জয়ন্ত মুখার্জী১১) পশ্চিম বর্ধমান- জইনুল হক১২) পূর্ব বর্ধমান- ড: সুভাষ চন্দ্র দত্ত১৩) হুগলী- শুভময় সরকার১৪) হাওড়া- বিশ্বনাথ বসু১৫) উত্তর ২৪ পরগণা (শিল্পাঞ্চল)- অশোক কুমার ভৌমিক১৬) উত্তর ২৪ পরগণা (শহরাঞ্চল)- শুভদীপ চৌধুরী১৭) উত্তর ২৪ পরগণা (গ্রামীণ)- মিজানুর রহমান১৮) দক্ষিণ ২৪ পরগণা- অমিত ভট্টাচার্য১৯) কলকাতা- তৃপ্তিশ্রী ধর২০) পূর্ব মেদিনীপুর- মৃণালসুন্দর পাত্র২১) পশ্চিম মেদিনীপুর- শক্তিপদ বেরা২২) বাঁকুড়া- ঈশ্বর পান২৩) পুরুলিয়া- ড: জয়ন্ত হাজরা

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৪
নিবন্ধ

মাতৃবিয়োগ উড়ান সংস্থার উচ্চপদস্থ আধিকারিক বিপ্লব চট্টোপাধ্যায়ের, এক মহিয়সী নারীর কাহিনী

এআই এয়ারপোর্ট সার্ভিসেস লিমিটেডের উচ্চপদস্থ আধিকারিক বিপ্লব চট্টোপাধ্যায়ের মা গীতা চট্টোপাধ্যায়ের জীবনাবসান হয় গত ৩১ অগাস্ট। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। গীতাদেবী ছিলেন স্কুল শিক্ষিকা। অত্যন্ত সাফল্যের সঙ্গে তিনি শিক্ষিকতা করেছেন। গীতা চট্টোপাধ্যায়ের আরেক পুত্র বিভাস চট্টোপাধ্যায় বেসরকারি সংস্থার উচ্চপদে আসীন। গীতাদেবী শিক্ষকতা করতেন বাগবাজারের আদর্শ মহিলা বিদ্যালয়ে। মৃত্যুর সময় সংসারে রেখে গিয়েছেন পুত্রদ্বয় বিপ্লব চট্টোপাধ্যায় ও বিভাস চট্টোপাধ্যায়, পুত্রবধূদ্বয় গার্গী লাহিড়ী চট্টোপাধ্যায় ও ঋতুপর্ণা চট্টোপাধ্যায়। নাতি, নাতনি মৈত্রেয়ী চট্টোপাধ্যায়, বিহান চট্টোপাধ্যায় ও রিয়ান চট্টোপাধ্যায়।১৯৪২ সালের ২৮ ডিসেম্বর এক সম্ভ্রান্ত বনেদি পরিবারে জন্ম হয় গীতা চট্টোপাধ্যায়ের। তখন তাঁরা থাকতেন তৎকালীন মধ্যপ্রদেশের(এখন ছত্তিসগড়) অম্বিকাপুরে। এক মাসের মধ্যেই মাতৃহারা হন ছোট্ট গীতা। জন্মদাত্রী মায়ের অনুভতির স্বাদ পাননি। সাত ভাইবোনের মধ্যে সব থেকে ছোট ছিলেন তিনি। বাবা ছিলেন প্রথিতযশা চিকিৎসক অনাথ বন্ধু বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ থেকে পড়াশুনা করেছেন। ট্রান্সফারেবল জব ছিল অনাথবন্ধু বন্দ্যোপাধ্যায়ের। মধ্যপ্রদেশের অম্বিকাপুরে পরিবার নিয়ে বসতি স্থাপন করেছিলেন তিনি। সেই সময় নারী শিক্ষার খুব বেশি প্রচলন ছিল না। তবে চেষ্টার কোনও ত্রুটি ছিল না গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। একনিষ্ঠ অধ্যাবসায় থাকায় তাঁকে কখনও থামতে হয়নি। পড়াশুনা করেছেন অম্বিকাপুরে এডওয়ার্ড সেকেন্ডারি স্কুল, তারপর গভঃ ডিগ্রি কলেজ অম্বিকাপুর। এমএ, বিএড-ও করেছেন তিনি। অনাথ বন্ধু বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদি বাড়ি ছিল বর্ধমান জেলার নাড়ুগ্রামে।গীতাদেবী বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন ২জুন, সাল ১৯৬৬। তাঁর বিয়ে হয়েছিল মুর্শিদাবাদের গোপালপুর গ্রামে। স্বামী বিশ্বনাথ চট্টোপাধ্যায় চাকরিসূত্রে দমদমে আসেন। তিনি ছিলেন শিক্ষক। দমদমেই স্থায়ী বসবাস শুরু করেন তাঁরা। বিয়ের পর প্রথম পর্যায়ে ছেলেদের পড়াশুনা নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন গীতাদেবী। ছেলেরা একটু বড় হওয়ার পর ১৯৭৬ সালে বাগবাজারের আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা শুরু করেন গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একদিকে চাকরি সামলেছেন, আরেক দিকে সাংসারিক লড়াই করে গিয়েছেন গীতাদেবী। ছেলেদের সুশিক্ষায় বড় করে তুলেছেন।নারী শিক্ষা প্রসারে অত্যন্ত অগ্রগন্য ভূমিকা নিয়েছিলেন তিনি। বিশেষত নারী শিক্ষার প্রসার না ঘটলে কোনও জাতির উন্নতি হতে পারে না। ছাত্রীদের মনের মনিকোঠায় থাকতেন তাঁদের পছন্দের শিক্ষিকা। সহকারি শিক্ষিকাদের সঙ্গেও খুবই সদ্ভাব ছিল তাঁর। শিক্ষা অন্ত প্রাণ ছিলেন গীতাদেবী।এদিকে স্বামীর অকাল মৃত্যুতে ভেঙে না পড়ে ছেলেদের পড়াশুনা থেকে খাওয়া-দাওয়া, পোষাক-পরিচ্ছদ সবেতেই নজর ছিল তাঁর। সকালে স্কুল করে এসেই সাংসারিক যুদ্ধে নেমে পড়তেন। কখনও ছেলেদের বুঝতে দেননি তাঁদের বাবার অভাব। একাধারে মা ও বাবা দুই ভূমিকাই সাফল্যের সঙ্গে পালন করেছেন গীতা দেবী। তিন ছেলের মধ্যে মেজ ছেলের কঠিন অসুখে ১৯৮১ সালে অকাল প্রয়াণ ঘটে। জীবনে দুটি বড় ধাক্কা সামলে নিয়ে বজ্রহাতে সংসার ধরে রেখেছেন। আশির কোঠাতেও সবসময় খবর নিতেন ছেলেরা কী করছে? কেমন আছে? তাঁরা কি খেয়েছে? অফিস গিয়েছে কিনা? নাতি-নাতনিদের শুদ্ধ বাতাস ছিলেন তিনি। দীর্ঘ দিন শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভুগছিলেন গীতা চট্টোপাধ্যায়।গীতা চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে শুধু পারিবারিক ক্ষেত্র নয়, তাঁর অগুনতি ছাত্রী ও সহকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। আগামী ১০ সেপ্টেম্বর দুপুর ১টায় গীতা চট্টোপাধ্যায়ের স্মরণে বাগবাজার গঙ্গাতীরে ভাগবত সভা অনুষ্ঠিত হবে। পরের দিন ১১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৫ টায় দমদম রোড, হনুমান মন্দিরের কাছে পুরাঙ্গনে স্মরণসভা হবে অবসর প্রাপ্ত এই মহিয়সী শিক্ষিকার।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৪
রাজ্য

কলেজ এন্ড ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গলের বিকাশ ভবন অভিযান

CUTAB এর রাজ্য কমিটির ডাকে স্টেট অ্যাডেড কলেজ টিচার্স অধ্যাপকদের ৬৫ বছর পর্যন্ত কাজ সুনির্দিষ্ট পে স্কেল, ওয়ার্কলোডেড সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা, SACT II থেকে SACT I এ আপগ্রেডেশন অ্যাডিশনাল বেনিফিট, DEATH গ্যাজুরিটি, ট্রান্সফার অর্ডার সহ একাধিক দাবি, পাশাপাশি গভর্মেন্ট অর্ডার অনুযায়ী SACT এর বেতন কমিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে বিকাশ ভবন অভিযান।রাজ্যের উচ্চশিক্ষার অন্যতম SACT অধ্যাপকেরা হাজারো সমস্যায় জর্জরিত অথচ শিক্ষামন্ত্রী থেকে আধিকারিকরা সমস্যা সমাধানে কোনও উদ্যোগ নিচ্ছেন না বলে দাবি। আধিকারিকদের চূড়ান্ত উদাসীনতা বারবার সমস্যা সমাধানের আবেদনেও কোনো রকম কর্ণপাত করছেন না। তাই আবার রাজপথে। বঞ্চনা এবং শোষণ এমন জায়গায় পৌঁছেছে যেখানে বিক্ষোভে ফেটে পড়ছেন অধ্যাপকেরা।SACT অধ্যাপকেরা তাদের ন্যায্য দাবি দাওয়া নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী প্রিন্সিপাল সেক্রেটারির হস্তক্ষেপ দাবি করছে ন। তাঁদের প্রয়োজনীয় দাবি ল আদায় না হলে আরও বৃহত্তর এবং লাগাতার আন্দোলনের ডাক দেবে।

মার্চ ০১, ২০২৪
রাজ্য

সন্দেশখালিতে বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির সদস্যদের ঢুকতে দিল না পুলিশ

সন্দেশখালি যেতে আগেই আটকানো হয়েছিল বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব সুকান্ত মজুমদার ও শুভেন্দু অধিকারীকে। শুক্রবার বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটিকেও সন্দেশখালিতে ঢুকতে দিল না পুলিশ। তৃণমূল বাহিনীর চরম নির্যাতনের কথা তুলে ধরেছেন সন্দেশখালির নির্যাতিতারা। যা নিয়ে প্রবল শোরগোল রাজ্য রাজনীতিতে। সেই সব নির্যাতিতাদের সঙ্গে কথা বলতে এদিন সকালে বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির সদস্যরা সন্দেশখালির গ্রামগুলি পরিদর্শনে যান। কিন্তু ১৪৪ ধারা জারি থাকায় পুলিশ তাদের ঢুকতে বাধা দেয়। শুরু হয় বাক বিতণ্ডা। শেষমেশ রামপুরে রাস্তার উপরে বসে পড়েন তাঁরা। ঘন্টাখানেক এই অবস্থার পর শেষমেষ রামপুর থেকে উঠে যান ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির সদস্যরা। পুরো ঘটনার বিবরণ রাজ্যপালকে জানাতে রাজভবনের পথে এই টিম।বিজেপির প্রতিনিধি দলে রয়েছেন কেন্দ্রীয় দুই মন্ত্রী অন্নপূর্ণা দেবী, প্রতিমা ভৌমিক সহ চার সাংসদ, বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল সহ মোট ৬ জন। সন্দেশখালিতে ঢুকতে বাধা পেয়ে বিজেপির কমিটি সদস্যরা ফোনেই নির্যাতিতাদের সঙ্গে কথা বলেন।বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটিকে ঠেকাতে এদিন শুরু থেকেই রামপুরে প্রচুর মহিলা পুলিশ মোতায়েন ছিল। ফলে সেখানে বিজেপির প্রতিনিধি দল পৌঁছাতেই আটকে দেওয়া হয়। শুরু হয় পুলিশের সঙ্গে কমিটির মহিলা সদস্যাদের বচসা। ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির সদস্যরা পুলিশকে জানায় সন্দেশখালিতে শান্তি বজায় রেখেই তাঁদের পাঁচ জন প্রতিনিধি সেখানে যাবেন। বাকিরা রামপুরে বসে থাকবেন। পুলিশ তাতে রাজি হয়নি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা পরে পুলিশকে জানান, তাঁরা মাত্র দুজন সন্দেশখালিতে যাবেন। তাতেও পুলিশ অনুমতি দেয়নি। ফলে বচসা আরও বেড়ে যায়।সন্দেশখালি প্রসঙ্গে বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির সদস্য তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অন্নপূর্ণা বলেন, সন্দেশখালিতে যে ঘটনা ঘটেছে, কোনও সভ্য সমাজে তা ঘটে না। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একজন মহিলা। তাঁর রাজত্বে এমন ঘটনা ঘটেছে এটা ভাবা যায় না। সরকার চায় না ওখানে কী হচ্ছে তা প্রকাশ্যে আসুক। কিন্তু আমরা নির্যাতিতাদের সঙ্গে কথা বলবই।অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, শেখ শাহজাহানদের মতো দুর্বৃত্তদের দখলে চলে গেছে সন্দেশখালি। মহিলাদের শ্লীলতাহানি করছে তাঁরা। পুলিশ সব জেনেও চুপচাপ। দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিতে আগ্রহী নয়। বরং সন্দেশখালি তাদেরই দখলে থাকুক এমনটাই চাইছে প্রশাসন। অথচ আমরা নির্যাতিতা মায়েদের কথা শুনতে ঘটনাস্থলে যেতে চাইলে আমাদের বাধা দেওয়া হচ্ছে।রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে অভিযুক্ত পলাতক শেখ শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ দুই তৃণমূল নেতা শিবপ্রসাদ হাজরা ও উত্তম সরদারকে গ্রেফতারের দাবিতে গত শুক্রবার থেকে উত্তাল হয়ে ওঠে সন্দেশখালি। একরকম গ্রামের মহিলারাই এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। হাতে লাঠি ঝাঁটা নিয়ে বিক্ষোভে সামিল হন তাঁরা। আন্দোলন মারমুখী চেহারা নেয় অচিরেই। জেলিয়াখালিতে শিবু হাজরার পোল্ট্রি ফার্মে লাঠি সোটা নিয়ে ঢুকে পড়েন গ্রামের মহিলারা। ভাঙচুর করে আগুনে পুড়িয়ে দেয় পোল্ট্রি ফার্ম। শিবুর বাগানবাড়িতে ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হয় উত্তম সর্দারের বাড়িও। জনরোষের মুখে পরে উত্তমকে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নেয় তৃণমূল কংগ্রেস। গ্রেফতারও করা হয় এই তৃণমূল নেতাকে। তবে এখনও অধরা শিবু হাজরা।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৪
রাজ্য

ডিএলএড ঐক্যমঞ্চ কলকাতায় মিছিলের পর একগুচ্ছ দাবি জানাল বিকাশ ভবনে

২০২২ প্রাথমিক টেট পাস ডিএলএড ঐক্যমঞ্চের প্রতিনিধি দল বিকাশ ভবনে ডেপুটেশন দিল। ছিল পাঁচ জনের একটি প্রতিনিধি দল। শিয়ালদহ থেকে ধর্মতলা মিছিল করার পর, পুলিশের গাড়ি করে তাঁদেরকে নিয়ে আসা হলো বিকাশ ভবনে।তাদের দাবি সমূহ১) TET-2023 এর রেজাল্টের আগে, ছয় বছর বঞ্চিত TET-2022 পাস দের সুযোগ দিতে, সমস্ত জেলার আপ টু ডেট শুন্যপদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে।২) RTE ACT মেনে সমস্ত প্রাথমিক স্কুলে পঞ্চম শ্রেণি যুক্ত করে ছাত্র-শিক্ষক অনুপাতে পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে।৩) পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ সভাপতির প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, বছরে দুবার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করতে হবে।8) TET-2022 পাস করা সকদের নাম, রোল নং, ট্রেনিং ধরণ, টেট মার্কস, পিডিএফ আকারে প্রকাশিত করতে হবে।৫) B.Ed/B.Ed(Special Education), Certificate/Diploma in Physical Education/B. P.Ed এবং NIOS এর ট্রেনিং দিয়ে TET পাস করা প্রার্থীদের Eligibility Certificate নোটিফিকেশন দিয়ে বাতিল করতে হবে।৬) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় EXEMPTED CATEGORY শুন্যপদ পূরণ করতে পর্যাপ্ত প্রার্থী পাওয়া না গেলে বাকি থাকা শুনাপদ NON-EXEMPTED CATEGORY তে থাকা প্রার্থী দিয়ে পূরণ করতে হবে

জানুয়ারি ০২, ২০২৪
রাজ্য

শিক্ষা দুর্নীতি মামলা: লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত প্রক্রিয়া শুরু ইডির

শিক্ষা ক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত প্রক্রিয়ায় হাত দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করে দিল ইডি। মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহাকে এই তথ্য জানান ইডির আইনজীবী। লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংস্থার আওতাধীন এমন ৮টি সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ওই ৮ সংস্থাগুলির শিক্ষায় নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে যোগ রয়েছে বলে দাবি ইডির। লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংস্থার সিইও পদে রয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই সংস্থার সঙ্গে যুক্ত কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র জেলবন্দি।এবার লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করে দিল ইডি। এই মামলায় ইডিকে আগেই লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংস্থা সম্পর্কে সব ধরনের তথ্য জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। একইসঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আয়ের উৎস খুঁজে বের করতেও বলা হয়েছিল।লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের লেনদেন, সংস্থার উপভোক্তাদের নাম, ব্যাঙ্ক অ্যাকউন্টস ডিটেলস-সহ যাবতীয় তথ্য আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল ইডিকে। সেই মতো ইডিও গত ১৪ ডিসেম্বর হাইকোর্টে মুখবন্ধ খামে জবাব দিয়েছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছেও বেশ কিছু নথি চেয়েছিল ইডি। তৃণমূল সাংসদ সেই তথ্য এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটদের আধিকারিকদের হাতে তুলে দিয়েছেন।মঙ্গলবার সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের প্রসঙ্গ ওঠে। প্রায় সাড়ে ৭ কোটি টাকার আটটি সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে আদালতে জানিয়েছে ইডি।

জানুয়ারি ০২, ২০২৪
রাজ্য

২০২৪ লোকসভা বাজিমাত করতে বঙ্গ বিজেপির নয়া টিম ঘোষণা নাড্ডা-শাহর

২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের মাত্র কয়েক মাস আগে জেপি নাড্ডাকে সঙ্গে নিয়ে বঙ্গসফরে অমিত শাহ। দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশে চব্বিশের লড়াইয়ে ঝাঁপাতে আগেভাগে একাধিক পদক্ষেপ শুরু করে দিয়েছিলেন বঙ্গ বিজেপির নেতারা। তবে এবার অমিত শহ, জেপি নাড্ডারা এসে সেই তৎপরতাকে আরও গতি দিলেন। সেই সঙ্গে আগামী লোকসভা নির্বাচনে অলআউট লড়াইয়ে ঝাঁপাতে তৈরি হল নয়া টিম। ১৫ জনের নতুন টিম তৈরি হল শাহ-নাড্ডাদের হাত ধরেই। শাহের সেই ম্যানেজমেন্ট টিম ঘিরেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বঙ্গ বিজেপির বেশ কয়েকটি অত্যন্ত চেনা মুখেরও ঠাঁই হয়নি সেই ১৫ জনের বিশেষ টিমে।চব্বিশের লড়াইয়ে প্রতিপক্ষকে কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে কোমর বেঁধে কাজ শুরু বিজেপির। ভোটের আগে এবার রাজ্য সফরে বিজেপির শীর্ষ সেনাপতি অমিত শাহ, সঙ্গে দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। শাহের নির্দেশে ১৫ জনের একটি টিম তৈরি হয়েছে। এই টিমই দলের তরফে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের যাবতীয় দায়িত্ব সামলাবেন বলে সূত্রের খবর। মঙ্গলবার এই নতুন টিমের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন অমিত শাহ ও জেপি নাড্ডা।রাজ্য বিজেপি সূত্রে খবর, এই ১৫ জনের টিমে রয়েছেন চার কেন্দ্রীয় অবজার্ভার। তাঁরা হলেন, অমিত মালব্য, সুনীল বনশাল, আশা লাখরা এবং মঙ্গল পান্ডে। তবে টিমের বাকি ১১ জনই এরাজ্যের। রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, সাংসদ দিলীপ ঘোষ, রাহুল সিনহা, অগ্নিমিত্রা পাল, জগন্নাথ সরকার, অমিতাভ চক্রবর্তী, সতীশ ধন্দ, জ্যোতির্ময় মাহাতো, দীপক বর্মনের পাশাপাশি ১৫ জনের টিমে রয়েছেন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়ও।তবে ১৫ জনের এই টিমে জায়গা হয়নি এরাজ্য থেকে নির্বাচিত চার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর। নিশীথ প্রামাণিক, শান্তনু ঠাকুর, সুভাষ সরকার ও জন বার্লা ঠাঁই পায়নি শাহ-নাড্ডাদের ঘোষিত দলে।।

ডিসেম্বর ২৬, ২০২৩
রাজ্য

চা বাগানে বিশেষ ভূমিকায় মমতা, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল

চা বাগানে ভিন্ন মেজাজে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরের পাহাড়-পর্বত হোক বা সমতলের জঙ্গলমহল কলকাতা ছেড়ে অন্য কোথাও গেলেই একেবারে অন্য মেজাজে ধরা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তৃণমূলস্তরে নেমে তৃণমূল নেত্রীর জনসংযোগ তাক লাগায়। এর আগে দীঘার সমুদ্রসৈকতের দোকানে দাঁড়িয়ে তাঁকে চা বানাতে দেখা গিয়েছে। এর আগে ঝাড়গ্রামে গিয়ে চপ ভেজেছিলেন। বোলপুর সংলগ্ন এলাকায় ভাতের হোটেলে তরকারি রান্না করতেও দেখা গিয়েছিল মমতাকে। তিনি দার্জিলিং সফরে গিয়ে মোমো তৈরি করেছেন। আর এবার পাহাড় সফরে ভিন্ন দৃশ্য! দেখা গেল চা কর্মীদের মত পোশাক পড়ে তাঁদের মত করেই গাছ থেকে চা-পাতা তুলছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।বৃহস্পতিবার মকাইবাড়ি চা বাগানে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিছুক্ষণেই সেখানকার কর্মীদের সঙ্গে একাত্ম হয়ে পড়েন দিদি। দেখা যায়, চা-বাগান কর্মীদের মতই পোশাক মুখ্যমন্ত্রীর পরণে। চা বাগানের শ্রমিকরা ঠিক যেভাবে মাথা দিয়ে পিঠের দিকে ঝুড়ি ঝুলিয়ে চা তোলেন, সেইভাবে চা পাতা তুলছেন মমতা। এরপর স্থানীয় চায়ের দোকানে চা শ্রমিকদের পাশে বসেই চা-ও খান মুখ্যমন্ত্রী৷ চা চুমুক দিতে দিতেই শ্রমিকদের কাছ থেকে জানতে চান, জমির পাট্টা পেয়েছেন? বলেন, আমাদের পাহাড় ভালো থাকুক,চা বাগান ভাল থাকুক। আপনারা জানেন আমাদের বাড়ির বিয়ে হচ্ছে পাহাড়ের মেয়ের সঙ্গে৷মমতাকে সামনে পেয়ে চা বাগানের শ্রমিকরা তাঁদের নিজস্ব ভাষায় গান শুরু করেন। এক ফাঁকে দেখা যায়, পাহাড়ী শিল্পীদের সঙ্গে নাচের তালে পা মিলিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এসবে আপ্লুত মুখ্যমন্ত্রী। তাঁকে বলতে শোনা যায়, পাহাড় এবং সমতলের মধ্যে ঐক্যের বাঁধন তৈরি হয়েছে। আমি মনে করি সকলে একসঙ্গে আমরা কাজ করব। আমি কিন্তু মুখে বলি না। আমি রক্তের সম্পর্ক দিয়ে করে দেখাই। আমি খুব খুশি আজ।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজনীতি

বিজেপির সংগঠন থেকে সরলেন রাজ্যের মন্ত্রীরা, বর্ধমান-সহ ৭ জেলায় সভাপতি বদল

রাজ্য বিজেপিতে রদবদল নিয়ে জোর গুঞ্জন চলছিল। শুক্রবার রাজ্যের শীর্ষ পদ থেকে জেলা সভাপতিসহ বেশ কিছু পদে ব্যাপক রদবদল করল বঙ্গ বিজেপি। সামনেই রাজ্যে পুরসভা নির্বাচন। তার আগে এই রদবদল যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এমনকী দলের মহিলা, যুব, এসসি এবং ওবিসি মোর্চার সভাপতিও বদল করা হয়েছে। বিজেপি দলের ঘোষিত নীতিই হল দলে এক ব্যক্তি, এক পদ। সেই অনুযায়ী রাজ্যের মন্ত্রী তাপস রায়, ইন্দ্রনীল খান, জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় এবং অগ্নিমিত্রা পলকে সংগঠন থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। চমকে দেওয়ার মতো খবর অভিনেত্রী অঞ্জনা বসু বিজেপির মহিলা মোর্চার নতুন রাজ্য সভানেত্রী হয়েছেন। এই পদে ছিলেন ফাল্গুনী পাত্র। যুব মোর্চার সভাপতি ইন্দ্রনীল খানকে সরিয়ে বিধায়ক অমিত সামন্তকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ওবিসি মোর্চার সভাপতি হয়েছেন ধনঞ্জয় ঘোষ, এসসি মোর্চার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিশ্বজিৎ বিশ্বাসকে।পাশাপাশি লকেট চট্টোপাধ্যায় এবং বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁকে রাজ্য সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া এই পদে রয়েছেন আরও তিন জন। পুরুলিয়ার সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো, বিজন গোস্বামী ও শশী অগ্নিহোত্রী।এদিন রাজ্যের সাতটি সাংগঠনিক জেলা বর্ধমান, কাটোয়া, শ্রীরামপুর, আরামবাগ, বারাসত, বনগাঁ, মেদিনীপুরে নয়া জেলা সভাপতির নাম ঘোষণা করা হয়েছে। বর্ধমান জেলায় সভাপতি হয়েছেন আইনজীবী আশিষ পাল। এর আগে সভাপতি ছিলেন অভিজিৎ তা। কাটোয়ায় সভাপতি হয়েছেন মানিক রায়। বাকি পাঁচ জেলার সভাপতিরা হলেন, বণগাঁ নৃপেন বিশ্বাস, বারাসাত দীপঙ্কর চক্রবর্তী, শ্রীরামপুর শশী সিং, আরামবাগ প্রশান্ত দীগর, মেদেনীপুর সৌমেন তিওয়ারী। এছাড়া এদিন দলীয় সংগঠনের ৯টি বিভাগে ১৫ জনকে দায়িত্ব দিয়েছেন সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬
রাজ্য

সর্বমঙ্গলার চরণে পুষ্পার্ঘ্য, করলেন আরতি, বর্ধমানে নতুন নজির শুভেন্দুর?

এই প্রথমবার বর্ধমানের অধিষ্ঠার্থী দেবী সর্বমঙ্গলা মন্দিরে পুজো দিলেন রাজ্যের কোনও মুখ্যমন্ত্রী। নতুন ইতিহাস তৈরি হল। শুক্রবার শুক্লপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে সর্বমঙ্গলা দেবীর মন্দিরে গিয়ে পুজো দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। শুধু পুজোই দিয়েই মন ভরেনি দেবীর সামনে আরতিও করেন তিনি। পরে মায়ের কাছে মাথা নত করে আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন মুখ্যমন্ত্রী।পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এই প্রথম সর্বমঙ্গলা দেবীর মন্দিরে এলেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর আগমন উপলক্ষে এদিন বিশেষভাবে সাজিয়ে তোলা হয়েছিল মন্দির চত্বর। মুখ্যমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে বর্ধমানের রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে মন্দির চত্বরেও বহু মানুষের ভিড় জমে যায়। শুক্রবার বেলা ১২টার কিছু পর হেলিকপ্টারে বর্ধমানে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রথমে পুলিশ লাইন মাঠে প্রশাসনিক সভায় যোগ দেওয়ার কথা ছিল। তবে শক্তিগড়ে তৈরি অস্থায়ী হেলিপ্যাডে নামার পর তিনি সরাসরি চলে যান সর্বমঙ্গলা মন্দিরে।মন্দিরে পৌঁছে পুজারি অরুণ কুমার ভট্টাচার্যের সঙ্গে গর্ভগৃহে প্রবেশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র এবং আর এক মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু। তাঁরাও পুজোয় অংশ নেন। গর্ভগৃহের মেঝেতে বসে পুজারি অরুণ কুমার ভট্টাচার্যের সহযোগিতায় সর্বমঙ্গলা দেবীর চরণে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করেন শুভেন্দু অধিকারী। মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে পুজো সম্পন্ন করার পর দেবীর সামনে আরতি করেন তিনি। পুজো শেষে মাথা নত করে দেবীকে প্রণাম জানিয়ে গর্ভগৃহ থেকে বেরিয়ে আসেন মুখ্যমন্ত্রী।মুখ্যমন্ত্রীর জন্য মন্দিরে ভোগ অন্নের আয়োজনও করা হয়েছিল। তবে একাধিক কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার ব্যস্ততা থাকায় তিনি ভোগ গ্রহণ করতে পারেননি। এরপর মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে গাড়িতে করে পুলিশ লাইন মাঠে পৌঁছে প্রশাসনিক সভায় যোগ দেন তিনি।পুজারি অরুণ ভট্টাচার্য জানান, মুখ্যমন্ত্রী অত্যন্ত ভক্তিভরে সর্বমঙ্গলা দেবীর কাছে পুজো নিবেদন করেছেন। তাঁর দাবি, শুভেন্দু অধিকারীই বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী, যিনি সর্বমঙ্গলা দেবীর মন্দিরে এসে পুজো দিলেন। সেই কারণেই শুক্রবার বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা মন্দিরে একটি নতুন ইতিহাস তৈরি হল বলে জানান পুজারি।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬
শিক্ষা

“মেয়েরা সুস্থ থাকলেই এগিয়ে যাবে সমাজ”—কাঞ্চননগর স্কুলে নারী স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা শিবির

নারী সুস্থ থাকলেই সুস্থ পরিবার, সুস্থ সমাজকাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে নারী স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা নিয়ে সচেতনতা শিবিরনারীর স্বাস্থ্য শুধু ব্যক্তিগত বিষয় নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে একটি পরিবার এবং বৃহত্তর সমাজের সুস্থতা। ঋতুকালীন পরিচ্ছন্নতা, পুষ্টি, সংক্রমণ প্রতিরোধ, মানসিক সুস্থতা থেকে শুরু করে দৈনন্দিন স্বাস্থ্যবিধিনারী স্বাস্থ্যের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে সচেতনতা গড়ে তুলতে কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হল বিশেষ সচেতনতা শিবির।শিবিরে ছাত্রীদের সামনে নারী স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন বিদ্যালয়ের শিক্ষিকারা। তাঁদের বক্তব্যে উঠে আসে, স্বাস্থ্যকর অভ্যাস ছোট বয়স থেকেই গড়ে তোলা প্রয়োজন। নিজের শরীর ও স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি বাড়ির পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্বও প্রত্যেকের রয়েছে।বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা সুনীতা সাহা বলেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে নারীস্বাস্থ্যের গুরুত্ব অপরিসীম। একটি পরিবারের সুস্থতার সঙ্গে মেয়েদের স্বাস্থ্য সরাসরি সম্পর্কিত। তাই ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি বাড়িঘর এবং আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়েও ছাত্রীদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তাঁর কথায়, পরিচ্ছন্নতা শুধু অভ্যাস নয়, সুস্থ জীবনযাপনের অন্যতম ভিত্তি।অন্যদিকে শিক্ষিকা নন্দিনী দে স্বাস্থ্যকে শুধুমাত্র শারীরিক সুস্থতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে মানসিক সুস্থতার কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সুস্থ শরীরের পাশাপাশি সুস্থ মনও প্রয়োজন। তাই দৈনন্দিন জীবনে একটি সাধারণ পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবোধ গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি।ঋতুকালীন স্বাস্থ্যবিধি নিয়েও ছাত্রীদের সচেতন করা হয়। এই সময়ে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, সংক্রমণের সম্ভাবনা সম্পর্কে সতর্ক থাকা এবং শরীরের কোনও অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে তা অবহেলা না করার পরামর্শ দেওয়া হয়। পাশাপাশি নিয়মিত শারীরিক সক্রিয়তা বজায় রাখা এবং অলসতা এড়িয়ে চলার কথাও বলা হয়।খাদ্যাভ্যাসের বিষয়টিও উঠে আসে শিবিরে। অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুড এড়িয়ে পুষ্টিকর ও সুষম খাবার গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়। শরীরে ভিটামিন ডি-এর প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে নিয়মিত পর্যাপ্ত সূর্যালোক গ্রহণ এবং খাদ্যতালিকায় উপযুক্ত দুগ্ধজাত খাবার রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক তথা জাতীয় শিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত নারীস্বাস্থ্যের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতার সম্পর্কের বিষয়টিও তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে, অনেক ক্ষেত্রেই নারীর স্বাস্থ্যকে গুরুত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে আর্থিক পরিকাঠামো একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর পাশাপাশি দীর্ঘদিনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অভ্যাসও নারীস্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রত্যেকেরই নিজের সুস্থতার পাশাপাশি অন্যের সুস্থতার কথাও ভাবতে হবে। কারণ, একটি সমাজের প্রকৃত উন্নয়ন তখনই সম্ভব, যখন সেই সমাজের মেয়েরা সুস্থ, সচেতন এবং আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠেন।শিবিরে নারীস্বাস্থ্য নিয়ে এমন নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা ছাত্রীদের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা নেয়। শুধু রোগ প্রতিরোধ নয়, দৈনন্দিন জীবনে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলাই যে সুস্থ ভবিষ্যতের অন্যতম চাবিকাঠিসেই বার্তাই উঠে আসে এই সচেতনতা শিবির থেকে।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬
কলকাতা

রক্ষাকবচ গেল, এবার জামিনের আবেদন! মিলন প্রধানের মামলায় হাই কোর্টে বড় নির্দেশ

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের আইনি লড়াইয়ে নতুন মোড়। সিঙ্গল বেঞ্চের দেওয়া রক্ষাকবচের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে রাজ্য ডিভিশন বেঞ্চে যায়। সেই মামলায় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে এবং বিচারপতি ওম নারায়ণ রাইয়ের ডিভিশন বেঞ্চ মিলনের রক্ষাকবচের আবেদন খারিজ করে তাঁকে জামিনের আবেদন করতে বলেছে।এর আগে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছিল, মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে নতুন মামলায় আপাতত কোনও কড়া পদক্ষেপ করা যাবে না। ওই মামলায় তাঁকে নতুন করে গ্রেফতারও দেখানো যাবে না বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। আগামী ১২ অক্টোবর পর্যন্ত এই সুরক্ষা বহাল থাকার কথা ছিল। সেই নির্দেশের বিরুদ্ধেই ডিভিশন বেঞ্চে যায় রাজ্য।ডিভিশন বেঞ্চে শুনানির সময় মিলন প্রধানের আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য জানান, তাঁর মক্কেল নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে কংগ্রেসের প্রার্থী। তাঁর দাবি, মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর পরিস্থিতি বদলে যায় এবং পুরনো মামলায় গ্রেফতার করা হয়। ভোটের আগে নতুন মামলায় জামিন চাওয়ার মতো পর্যাপ্ত সময় নেই বলেও আদালতে সওয়াল করেন তিনি।জবাবে প্রধান বিচারপতি জানান, এই ধরনের পরিস্থিতিতে জামিনের আবেদন করাই উপযুক্ত আইনি পথ। তিনি প্রশ্ন তোলেন, আগাম জামিন বা গ্রেফতারের পরে জামিনের আবেদন করা হয়নি কেন। তাঁর বক্তব্য, নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া আইনের বাইরে কোনও বিশেষ সুবিধা পাওয়ার কারণ হতে পারে না। আইন সকলের জন্য সমান।প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, নির্বাচনে লড়ার অধিকার থাকলেও আইন এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। জামিনের আবেদন করা হলে প্রয়োজন অনুযায়ী আদালত দ্রুত শুনানির ব্যবস্থাও করতে পারে বলে তিনি জানান। ছুটির দিন হলেও প্রয়োজন হলে আদালত বসতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।অন্য দিকে রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল রাজদীপ মজুমদার আদালতে জানান, মিলন প্রধানকে যে মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে, সেখানে আগে থেকেই গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল। সেই পরোয়ানার ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে রাজ্যের দাবি। নতুন যে মামলাটি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, সেখানেও ১৯ সেপ্টেম্বরই তাঁকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছিল বলে জানায় রাজ্য।রাজ্যের আরও দাবি, পুরনো মামলাগুলি আগের সরকার প্রত্যাহার করতে চেয়েছিল। সেই কারণে দীর্ঘ সময় ওই মামলাগুলিতে কার্যকর পদক্ষেপ হয়নি। রাজ্যের বক্তব্য, সংশ্লিষ্ট মামলাগুলিতে ২০২১ সাল থেকেই গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল এবং নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনেই বর্তমানে পদক্ষেপ করা হয়েছে।মিলন প্রধানকে ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম জমি আন্দোলন পর্বের পুরনো মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে খুন, খুনের চেষ্টা, জমায়েত এবং লুটপাট-সহ একাধিক অভিযোগের মামলা রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তাঁর গ্রেফতারির পর থেকেই নন্দীগ্রামের উপনির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।এদিকে মিলনের জামিনের আবেদন নিয়েও আলাদা করে শুনানি চলছে। বৃহস্পতিবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের বেঞ্চে সেই মামলায় মিলনকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়ার কথা বলা হয় এবং অন্তর্বর্তী জামিন দেওয়ার বিষয়েও আদালত মত জানায়। ফলে মিলন প্রধানের ক্ষেত্রে রক্ষাকবচ এবং জামিনদুই আইনি প্রক্রিয়াই এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন আগামী ৬ অক্টোবর। ভোটের আগে মিলন প্রধানের আইনি পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬
কলকাতা

‘বেইমানি করতে পারব না গুরু’, বিজেপির টাকা বিতর্কে আচমকাই মুখ খুললেন বং গাই

বাংলার জনপ্রিয় ইউটিউবার কিরণ দত্ত, যিনি বং গাই নামে পরিচিত, ইনফ্লুয়েন্সারদের রাজনৈতিক প্রচারে টাকা নেওয়া নিয়ে তৈরি বিতর্কের মধ্যে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন। সমাজমাধ্যমে তিনি জানালেন, কোনও রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তিনি কোনও দিন ভিডিও বানাননি এবং ভবিষ্যতেও তা করবেন না। তাঁর এই মন্তব্যের পরেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া বিজেপির নির্বাচনী খরচের হিসাব প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই সমাজমাধ্যমে এই বিতর্ক শুরু হয়। সেই হিসাবে দেখা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে কনটেন্ট তৈরির জন্য শমীক অধিকারীর নামে ১৩ লক্ষ টাকা এবং সায়ক চক্রবর্তীর নামে আড়াই লক্ষ টাকা খরচ দেখানো হয়েছে। এই তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর দুই কনটেন্ট নির্মাতাকে ঘিরে সমাজমাধ্যমে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।এই বিতর্কের মধ্যেই কিরণ দত্ত নিজের সমাজমাধ্যমের পাতায় লেখেন, কোনও রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তিনি কোনও দিন একটি ভিডিওও বানাননি। ভবিষ্যতেও এমন করবেন না বলে স্পষ্ট জানান তিনি। নিজের অনুরাগীদের উদ্দেশে তাঁর বক্তব্য, তাঁকে তাঁরা যে জায়গা দিয়েছেন এবং খারাপ সময়ে যেভাবে পাশে থেকেছেন, তার সঙ্গে তিনি বেইমানি করতে পারবেন না।কিরণ আরও লেখেন, তিনি নদিয়ার একটি ছোট জায়গার ছেলে। সেখান থেকে তাঁকে যে জায়গায় পৌঁছে দিয়েছেন দর্শকেরাই, সেই সম্পর্ক তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর কথায়, তিনি যা পেয়েছেন, তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি। তাই এভাবেই ভালো থাকতে চান তিনি।বিজেপির নির্বাচনী খরচের হিসাব প্রকাশ্যে আসার পর শুধু কিরণ দত্তই নন, আরও কয়েক জন পরিচিত মুখ এই বিতর্কে নিজেদের অবস্থান জানিয়েছেন। অভিনেতা অরিত্র দত্ত বণিকও দাবি করেছেন, বিজেপির হয়ে প্রচারের জন্য তিনি কোনও টাকা নেননি। অন্য দিকে, সমাজমাধ্যমে শমীক অধিকারী এবং সায়ক চক্রবর্তীকে নিয়ে সমালোচনা ও পাল্টা মন্তব্যও শুরু হয়েছে।শমীক অধিকারীর বাটন নামে ভিডিওটি নির্বাচনের আগে ব্যাপকভাবে আলোচনায় এসেছিল। অন্য দিকে, সায়ক চক্রবর্তী একটি রেস্তরাঁয় গোমাংস পরিবেশন নিয়ে তৈরি বিতর্কের কারণে আলোচনায় এসেছিলেন। এখন নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া খরচের হিসাব সামনে আসায় সেই পুরনো ঘটনাগুলিও নতুন করে আলোচনায় ফিরেছে।তবে কোনও নির্দিষ্ট ভিডিও বা ঘটনার পিছনে রাজনৈতিক দলের অর্থ থাকার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর আগে সংশ্লিষ্ট নথি, বক্তব্য এবং প্রেক্ষাপট দেখা জরুরি। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া খরচের হিসাবে কারও নামে টাকা দেখানো হয়েছে মানেই সেই ব্যক্তির প্রতিটি রাজনৈতিক বক্তব্য বা প্রতিটি ভিডিও ওই অর্থের বিনিময়ে তৈরি হয়েছে, এমন সিদ্ধান্ত সরাসরি টানা যায় না।এই পরিস্থিতিতে কিরণ দত্তের বক্তব্যের মূল কথা হল, তিনি কোনও রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ভিডিও তৈরি করেননি এবং ভবিষ্যতেও করবেন না। ইনফ্লুয়েন্সারদের রাজনৈতিক অবস্থান, অর্থের বিনিময়ে প্রচার এবং দর্শকের প্রতি তাঁদের দায়এই তিনটি বিষয় নিয়েই নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬
বিদেশ

ভয়াবহ বন্যার পর রাষ্ট্রপুঞ্জে বড় বার্তা বলেন্দ্রর! হিমালয় বাঁচাতে ভারত-চিনকে একসঙ্গে চান নেপালের প্রধানমন্ত্রী

নেপালের ভয়াবহ হড়পা বন্যা ও তার পরবর্তী বিপর্যয়ের প্রভাব নিয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ সভায় সরব হলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহ। বৃহস্পতিবার নিউ ইয়র্কে রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ সভার অধিবেশনে বক্তৃতা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বিপর্যয় শুধু নেপালের সমস্যা নয়, গোটা বিশ্বের জন্য একটি সতর্কবার্তা।সাম্প্রতিক বন্যায় নেপালের পার্বত্য অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সরকারি হিসাবে মৃতের সংখ্যা ইতিমধ্যেই প্রায় ১,৪০০ ছাড়িয়েছে এবং কয়েক হাজার মানুষ এখনও নিখোঁজ। নেপালের অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, উদ্ধার ও পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। তবে দশ হাজার মৃত্যু এখনও নিশ্চিত সংখ্যা নয়, সম্ভাব্য সর্বোচ্চ আশঙ্কা হিসেবেই তা উল্লেখ করা হয়েছে।এই ভয়াবহ বিপর্যয়ের প্রসঙ্গ তুলে বলেন্দ্র জানিয়েছেন, হিমালয়ের পরিবেশ দ্রুত বদলে যাচ্ছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, হিমবাহ গলছে, পাহাড়ের ঢাল আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে এবং নদীগুলির আচরণও আগের তুলনায় অনিশ্চিত হচ্ছে। এর ফলে বন্যা, ধস এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঝুঁকি বাড়ছে।বলেন্দ্রর মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব কোনও দেশের সীমান্ত মেনে চলে না। হিমালয়ের এক প্রান্তে বিপর্যয় শুরু হলে তার প্রভাব অন্য দেশেও পড়তে পারে। সাম্প্রতিক বন্যার ক্ষেত্রেও নেপাল থেকে নেমে আসা জলের প্রভাব ভারত পর্যন্ত পৌঁছেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।এই পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপুঞ্জের মঞ্চ থেকেই ভারত ও চিনকে নিয়ে একটি নতুন যৌথ ব্যবস্থার প্রস্তাব দিয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী। তাঁর প্রস্তাব, নেপাল, ভারত ও চিনের নেতৃত্বে একটি হিমালয় জলবায়ু সহনশীলতা ব্যবস্থা তৈরি করা হোক। এর মাধ্যমে উপগ্রহের তথ্য ও বৈজ্ঞানিক দক্ষতা ভাগ করে নেওয়া, বিপজ্জনক হিমবাহ ও হিমবাহ-হ্রদ পর্যবেক্ষণ, আগাম সতর্কবার্তা জোরদার করা এবং বিপর্যয়ের সময় সীমান্ত পেরিয়ে উদ্ধার ও ত্রাণে সমন্বয় করা যেতে পারে।বলেন্দ্র আরও বলেন, হিমালয় যেন শুধু বিভিন্ন দেশের মধ্যে সীমান্ত হয়ে না থাকে। বরং এই অঞ্চলকে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার একটি ক্ষেত্র হিসেবে গড়ে তোলা প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য, তিন দেশ একসঙ্গে কাজ করলে বিপর্যয়ের আগে সতর্কতা এবং বিপর্যয়ের পরে উদ্ধারদুই ক্ষেত্রেই প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী করা সম্ভব।বিপর্যয়ের পর নেপালকে দ্রুত সাহায্য করার জন্য ভারত ও চিনকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী। সাম্প্রতিক দুর্যোগের পর দুই দেশই উদ্ধার ও ত্রাণের কাজে সহযোগিতা করেছে বলে তিনি রাষ্ট্রপুঞ্জে জানান।হিমালয় অঞ্চলে প্রায় ২০০ কোটি মানুষের জল, কৃষি, জীবিকা এবং পরিবেশের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন বলেন্দ্র। তাঁর বক্তব্য, হিমালয়ের পরিবেশগত পরিবর্তন তাই শুধু নেপাল, ভারত বা চিনের বিষয় নয়, এর প্রভাব অনেক বড় এলাকায় পড়তে পারে।সাম্প্রতিক বিপর্যয়কে সামনে রেখে নেপালের প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শুধু দুর্যোগের পরে উদ্ধারকাজ করলেই হবে না। আগাম সতর্কতা, তথ্য আদানপ্রদান, বিপর্যয় মোকাবিলার পরিকাঠামো এবং আঞ্চলিক সহযোগিতার উপর জোর দিতে হবে। হিমালয় অঞ্চলে ভবিষ্যতের বিপর্যয় মোকাবিলায় ভারত, চিন এবং নেপালকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বানই তাঁর বক্তব্যের অন্যতম প্রধান বিষয় হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬
রাজ্য

পুজো মিটলেই পুরভোটের দামামা! কলকাতা-সহ সাত পুরসভায় কবে ভোট, সামনে এল সম্ভাব্য দিন

পুজোর মরসুম শেষ হলেই রাজ্যে পুরভোটের আবহ তৈরি হতে পারে। কলকাতা, হাওড়া, বালি, হলদিয়া, ধূপগুড়ি, কালিম্পং এবং কার্শিয়াংএই সাতটি পুরসভায় নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে ভোট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে রাজ্য নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর। তবে এখনও ভোটের দিনক্ষণ আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা হয়নি। সাম্প্রতিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে ভোট হতে পারে এবং ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই গোটা প্রক্রিয়া শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।এই সাতটি পুরসভায় মোট ৬৩০১টি বুথে ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। ভোটের পরিকাঠামো চূড়ান্ত করতে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলির জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার কৃষ্ণ গুপ্ত। কোথায় কত বুথ, কত ইভিএম এবং কত সংখ্যক ভোটকর্মী ও নিরাপত্তাকর্মী প্রয়োজন, সেই বিষয়গুলি নিয়ে প্রস্তুতি চলছে। কমিশন সূত্রে খবর, আগামী সপ্তাহ থেকেই সংশ্লিষ্ট জেলাগুলিতে ইভিএম পাঠানোর কাজ শুরু হতে পারে।প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, পুজোর পর অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে পুরভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি হতে পারে। তার পর নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে ভোটগ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে। বিভিন্ন প্রশাসনিক সূত্রের বক্তব্য অনুযায়ী, ২৭ থেকে ২৯ নভেম্বরের মধ্যে ভোট হতে পারে। তবে চূড়ান্ত দিনক্ষণ কমিশনের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরেই নিশ্চিত হবে।এই পুরভোটে সবচেয়ে বেশি নজর রয়েছে কলকাতা ও হাওড়ার দিকে। হাওড়া পুরসভায় শেষ নির্বাচন হয়েছিল ২০১৩ সালে। ২০১৮ সালে সেই পুরবোর্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে সেখানে নির্বাচিত পুরবোর্ড নেই। প্রশাসকের মাধ্যমে পুর পরিষেবা পরিচালিত হচ্ছে। ফলে দীর্ঘ ১৩ বছর পর হাওড়ায় পুরভোট হতে পারে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।বর্তমানে রাজ্যের ১২টি জেলার মোট ১৫টি পুরসভায় নির্বাচিত পুরবোর্ড নেই। প্রশাসক বসিয়ে সেখানে পুর পরিষেবা চালানো হচ্ছে। হাওড়া ছাড়াও দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচন হয়নি এমন পুরসভাগুলির মধ্যে রয়েছে দুর্গাপুর, ডোমকল, রায়গঞ্জ, বুনিয়াদপুর, পূজালি, কার্শিয়াং, মিরিক, কালিম্পং, পাঁশকুড়া, হলদিয়া, কুপার্স ক্যাম্প, নলহাটি, বালি এবং ধূপগুড়ি।এর পাশাপাশি আগামী বছরের শুরুতেই রাজ্যের আরও বেশ কিছু পুরসভার বর্তমান বোর্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। ফলে দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচিত বোর্ড না থাকা পুরসভা এবং মেয়াদ শেষ হতে চলা পুরসভাগুলিকে নিয়ে আগামী কয়েক মাসে বড় আকারের পুরভোটের প্রস্তুতি নিতে হবে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে।নির্বাচন কমিশনের সামনে এখন সবচেয়ে বড় কাজ হল সময়মতো ভোটের সমস্ত প্রস্তুতি শেষ করা। ভোটার তালিকা, বুথ, ইভিএম, ভোটকর্মী এবং নিরাপত্তার ব্যবস্থাপ্রতিটি বিষয়েই কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সাত পুরসভার ভোটের প্রস্তুতি শেষ করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে বাকি পুরসভাগুলির নির্বাচন কী ভাবে করা যায়, সেই পরিকল্পনাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।ফলে পুজোর মরসুম শেষ হওয়ার পরেই রাজ্যে ফের ভোটের আবহ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। কলকাতা ও হাওড়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ পুরসভা-সহ সাতটি পুরসভায় নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে ভোট হলে ডিসেম্বরের শুরুতেই ফল প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে চূড়ান্ত সূচির জন্য এখন অপেক্ষা করতে হবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬
দেশ

গাঁজার পর এবার মদ! বিমান ওড়ানোর আগেই পরীক্ষায় ধরা পড়লেন এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলট

জুরিখ থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমান ওড়ার ঠিক আগে মদ্যপ অবস্থায় ধরা পড়লেন সংস্থার এক পাইলট। উড়ানের আগে নিয়মমাফিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতেই তাঁর শরীরে অ্যালকোহলের উপস্থিতি ধরা পড়ে বলে জানা গিয়েছে। এরপরই তাঁকে বিমান চালানোর দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় এবং সাময়িক ভাবে সাসপেন্ড করা হয়েছে।ঘটনাটি গত ৪ সেপ্টেম্বরের। জুরিখ বিমানবন্দর থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা ছিল এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটির। উড়ানের আগে পাইলটের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। সেই পরীক্ষাতেই তাঁর শরীরে নির্ধারিত সীমার বেশি অ্যালকোহলের উপস্থিতি ধরা পড়ে বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।বিষয়টি সামনে আসার পরই পাইলটকে বিমান চালানো থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তাঁর পরিবর্তে অন্য এক পাইলট বিমানটি নিয়ে দিল্লি রওনা দেন। চূড়ান্ত চিকিৎসা পরীক্ষার রিপোর্ট এবং সংস্থার অভ্যন্তরীণ তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ওই পাইলট সাসপেন্ড থাকবেন বলে জানা গিয়েছে।এয়ার ইন্ডিয়ার তরফে জানানো হয়েছে, যাত্রী নিরাপত্তা এবং সংস্থার নির্ধারিত নিয়ম মানার ক্ষেত্রে তারা কোনও আপস করে না। নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট পাইলটের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে বলেও সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে। সমস্ত বিমানকর্মীকে নিরাপত্তার সর্বোচ্চ মান মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এই ঘটনার আগে এয়ার ইন্ডিয়ার আরও একটি বিমানকে ঘিরে পাইলটের মাদক পরীক্ষার বিষয়টি সামনে এসেছিল। গত ৪ আগস্ট ফুকেত থেকে দিল্লিগামী একটি এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান মাঝআকাশে আচমকা প্রায় ৩০০ ফুট উচ্চতা হারায়। ঘটনায় যাত্রী এবং বিমানকর্মী মিলিয়ে ২৪ জন আহত হন। প্রাথমিক তদন্তে বিমানের তিনটি জলচাপ ব্যবস্থা সাময়িক ভাবে বিকল হয়ে যাওয়ার কথা উঠে এসেছে।ওই ঘটনার তদন্তের সময় বিমানের চালকের মাদক পরীক্ষাতেও নিষিদ্ধ মনঃপ্রভাবকারী পদার্থের উপস্থিতি ধরা পড়ে। পরবর্তী পরীক্ষায় ওই ফল নিশ্চিত হয় এবং পরে এয়ার ইন্ডিয়া সংশ্লিষ্ট পাইলটের চাকরি বাতিল করে। তবে বিমানের যান্ত্রিক ত্রুটি এবং ওই পাইলটের মাদক গ্রহণের মধ্যে সরাসরি কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা তদন্তে এখনও নিশ্চিত হয়নি।ফুকেত-দিল্লি বিমানের ঘটনার পর এয়ার ইন্ডিয়া তাদের পাইলটদের মাদক পরীক্ষার ব্যবস্থাও আরও জোরদার করার কথা জানিয়েছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই জুরিখে আরও এক পাইলটের শরীরে অ্যালকোহলের উপস্থিতি ধরা পড়ায় বিমানকর্মীদের শারীরিক সক্ষমতা এবং উড়ানের আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষার গুরুত্ব নিয়ে ফের আলোচনা শুরু হয়েছে।বিমান চালানোর ক্ষেত্রে পাইলটের শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই উড়ানের আগে পরীক্ষায় কোনও অনিয়ম ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট পাইলটকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া এবং তদন্তের মাধ্যমে বিষয়টি খতিয়ে দেখার নিয়ম রয়েছে। জুরিখের ঘটনাতেও সেই প্রক্রিয়াই অনুসরণ করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।এখন চূড়ান্ত চিকিৎসা পরীক্ষার রিপোর্ট এবং অভ্যন্তরীণ তদন্তে কী উঠে আসে, সেদিকেই নজর। তার পরেই ওই পাইলটের বিরুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal