• ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার ১০ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Super

খেলার দুনিয়া

বয়কটের হুঙ্কার, শেষে ৬১ রানে ধ্বংস! টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে উড়িয়ে সুপার এইটে ভারত

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আবারও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দাপুটে জয় ভারতের। শ্রীলঙ্কার কলম্বোর প্রেমদাসা স্টেডিয়ামে ৬১ রানে হারিয়ে সুপার এইটে জায়গা করে নিল টিম ইন্ডিয়া। এই নিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে আটবার হারাল ভারত। বড় ম্যাচে সূর্যকুমার যাদবদের জয়ের পরিসংখ্যান বদলাল না।টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান। শুরুতেই অভিষেক শর্মার উইকেট হারালেও চাপে পড়েনি ভারত। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ দ্রুত নিজেদের হাতে নিয়ে নেন ঈশান কিষান। মাত্র ২৭ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন তিনি। পাকিস্তানের বোলারদের একের পর এক বাউন্ডারি মেরে চাপে ফেলে দেন। শাদাব খান ও শাহিন আফ্রিদির বলেও সমান আক্রমণাত্মক ছিলেন ঈশান। ১০টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৪০ বলে ৭৭ রান করে ভারতের ইনিংসের শক্ত ভিত গড়ে দেন তিনি।মাঝে তিলক বর্মা ও হার্দিক পাণ্ডিয়ার দ্রুত আউটে কিছুটা চাপে পড়ে ভারত। সূর্যকুমার যাদব চেষ্টা করলেও বড় রান করতে পারেননি। ৩২ রানে আউট হন তিনি। উসমান তারিকের স্পিন কিছুটা সমস্যায় ফেলেছিল ভারতীয় ব্যাটারদের। তবে শেষ দিকে রিঙ্কু সিং ও শিবম দুবের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে শেষ ওভারে ১৬ রান ওঠে। নির্ধারিত ২০ ওভারে ভারতের রান দাঁড়ায় ১৭৫।১৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় পাকিস্তান। প্রথম ওভারেই সাহিবজাদা ফারহানকে ফেরান হার্দিক পাণ্ডিয়া। পরের ওভারে জশপ্রীত বুমরাহ জোড়া আঘাত করেন। সাইম আয়ুব ও সলমন আলি আঘা দ্রুত প্যাভিলিয়নে ফেরেন। সেখান থেকেই ম্যাচ কার্যত ভারতের দিকে ঝুঁকে যায়।বাবর আজম কিছুটা সময় ক্রিজে থাকলেও রানের গতি বাড়াতে পারেননি। অক্ষর প্যাটেলের বলে আউট হয়ে ফেরেন তিনি। উসমান খান লড়াইয়ের চেষ্টা করেন, কিন্তু অন্য প্রান্তে নিয়মিত উইকেট পড়তে থাকে। শাদাব খান, মহম্মদ নওয়াজ কেউই বড় রান করতে পারেননি। কুলদীপ যাদব ও তিলক বর্মাও উইকেট নেন। অক্ষর প্যাটেলের ঘূর্ণিতে বিভ্রান্ত হয়ে আউট হন উসমানও। শেষ দিকে শাহিন আফ্রিদি ১৯ বলে ২৩ রান করে ব্যবধান কিছুটা কমান।শেষ পর্যন্ত ১১৪ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। হার্দিক, বুমরাহ, অক্ষর ও বরুণপ্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। ৬১ রানের বড় ব্যবধানে জিতে সুপার এইটে জায়গা নিশ্চিত করে ভারত। আর বিশ্বকাপে আবারও ভারতের সামনে থমকে দাঁড়াল পাকিস্তান।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
দেশ

মাসের শেষদিনে সাক্ষী থাকুন এক অভুতপূর্ব দৃশ্যর, দেখুন পূর্নিমার ‘নীল চাঁদ’

আগামী বৃস্পতিবার ৩১ অগস্ট পৃথিবীর আকাশ থেকে দেখা যাবে এক অভুতপূর্ব দৃশ্য! এক বিরল ঘটনার সাক্ষী হবে পৃথিবীবাসি। ৩১ অগস্ট রাতের আকাশে নীল চাঁদ দেখার সৌভাগ্য হবে পৃথিবীবাসির। চন্দ্রালোকের মূর্ছনায় ভরে যাবে এই ধরাতল। হয়ত এরকমই কোনও এক জ্যোৎস্না রাতের অপুর্ব সুন্দর চাঁদের আলোয় মুগ্ধ হয়ে কবিগুরু গেয়ে উঠেছিলেন, চাঁদের হাসির বাঁধ ভেঙেছে, উছলে পড়ে আলো। ও রজনীগন্ধা, তোমার গন্ধসুধা ঢালো॥ মহাজাগতিক নিয়মে অমাবস্যার ১৫ দিন পর পূর্নিমা তিথির আগমন হয়, সেক্ষেত্রে একই মাসে দুইবার পূর্নিমার মত বিরল ঘটনা খুব কমই দেখা যায়।শেষ এই দৃশ্য দেখা গিয়েছিল ২০১৮-র জানুয়ারি মাসে। ঠিক পাঁচ বছর পর ২০২৩ র অগস্টের ১ তারিখে দেখা গিয়েছিল সুপারমুন, ২৮শে আগস্ট দেখা যাবে নীল চাঁদ। যেকোনও পুর্নিমার রাতই মনোরম। চাঁদ, জ্যোৎস্না নিয়ে বাংলা গান ও কবিতা খুঁজতে বসলে রাত কাবার হয়ে যাবে। সাহিত্যপ্রেমীরা বলে থাকেন, চাঁদ বাংঙ্গালীর প্রেমের অবতার। যেকোনো পুর্নিমার চাঁদই জ্যোৎস্নায় পৃথিবীর আকাশ ভরিয়ে তোলে। একটি পুর্নিমার জন্য অপেক্ষা করতে হয় কমপক্ষে ৩০টি দিন। পুর্নিমাকে তো আর রোজ রোজ পাওয়া যায় না। এই অগস্টেই অপুর্ণ সাধ পুড়ন হতে যাচ্ছে,যদি না আকাশ মুখ ভার করে। জোড়া পূর্ণিমার মাসের শেষ দিনে আকাশ ভরা তারার মাঝে রানির মত বিচরণ করবে নীল চাঁদ।আগস্টে জোড়া পূর্ণিমা, আর এই দুটি পূর্ণিমাতেই সুপারমুন দেখা যাবে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, অগস্ট মাসের ১ লা দেখা গিয়েছিলো প্রথম সুপারমুনের। ভর সন্ধ্যায় পুব আকাশে মস্ত থালার মতো উজ্জ্বল চাঁদ উঠেছিল। মাসের শেষদিন ৩১ শেআবার সুপারমুন দর্শণ মিলবে। তবে এবারে পুর্নিমার রাতেদ আকাশে যে সুপারমুনের দেখা মিলবে তার রং হবে হালকা নীলাভ, যাকে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা ব্লু মুন বলে অবিহিত করছেন।এর আগে লাল চাঁদ, গোলাপি চাঁদ, কমলা চাঁদের কথা শুনেছি বা দেখেছিও। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের ব্যখা, সূর্য রশ্মির প্রতিসরণে চাঁদের গায়ে যে রং পড়ে চাঁদ তারই প্রতিফলন পৃথিবীর ওপর পড়ে। বিভিন্ন সময় এই রঙের রকমফের হয়। লালচে আভা তৈরি করলেই ব্লাড মুন (Blood Moon) বলে। সাধারণত পূর্ণগ্রাস গ্রহণে লাল রশ্মির প্রতিসরণে চাঁদকে লালচে দেখায়। নীল চাঁদ কি সত্যিই নীল বর্ণের দেখতে হয়? পূর্ণিমার চাঁদের আকার সাধারণ দিনের থেকে বড় হয়, চাঁদের আকার দেখতে গোল থালার মতো। এর রঙ কোনভাবেই নীল নয়, পুর্নিমার চাঁদের রং দুগ্ধ সাদা ই বেশির ভার ক্ষেত্রে লক্ষ করা যায়। ব্লু মুন বা নীল চাঁদে এই নামের পিছনে অনেক গল্প চালু আছে। কেউ বলে থাকেন, ব্লু মুন হল হান্টার মুন, পুর্নিমার রাতে চাঁদের জ্যোৎস্নায় আগেকার দিনে রাতে শিকারিরা শিকার করতে বেরোতেন। তাই এমন নাম দেওয়া হয়েছিল। আবার অন্য অনেক ধারনাও প্রচলিত আছে। যে ধারনাই থাকুক না কেনো, বর্তমানে কোনও মাসে দুটি পূর্ণিমা পড়ে গেলে, দ্বিতীয়টিকে ব্লু মুন বলা হয়।

আগস্ট ২৮, ২০২৩
স্বাস্থ্য

সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকের বিরুদ্ধে প্রাইভেট ল্যাবের নাম সুপারিসের অভিযোগ

এবার খোদ সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বাইরের ল্যাবের নাম সুপারিস করার অভিযোগ উঠলো। সেই ল্যাব থেকে বাড়তি টাকা দাবি করায় পরীক্ষা না করিয়ে হাসপাতালের সুপারের কাছে অভিযোগ করেন রোগীর পরিজন। অভিযোগ করা হয়েছে বর্ধমান থানাতেও। ঘটনা বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।গত ১৫ আগস্ট বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক শিশুর জন্ম দেয় পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের ভাটাকুলের রাকিনা বেগম। তারপর শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাকে শিশু বিভাগের এস এন সি ইউ-তে ভর্তি করা হয়। রোগীর পরিজনদের দাবি, গত ২৫ আগষ্ট শিশুটির একটি রক্ত পরীক্ষার প্রয়োজন হয়। তখন চিকিৎসক অমরেশ রায়, রোগীর পরিজনদের ডেকে বলেন, এই পরীক্ষা হাসপাতালে হয়না। এটি বাইরে থেকে করাতে হবে।পরিজনদের অভিযোগ, ওই ডাক্তারবাবু বাইরের ল্যাবের একজনকে ডেকে তাঁদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়। এবং রক্ত পরীক্ষার জন্য ১৩০০০ টাকা লাগবে বলা হয়। কিন্তু, এত টাকা দেওয়া সম্ভব নয় বলে অনেক অনুরোধে ৮০০০ টাকায় রক্ত পরীক্ষা করার রফা হয়। তাঁকে প্রথমে ২০০০ টাকা দেওয়া হয়। পরদিন তাঁকে বাকি টাকা দেওয়ার কথা বলা হয়। শিশুর কাকা সেখ জসীমউদ্দিনের বলেন, পরদিন ওই ল্যাব আরও বাড়তি টাকা দাবি করে। তখন তাঁরা বাধ্য হয়ে ফিরে আসেন। এবং সোমবার হাসপাতাল সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। সোমবার বিকালে বর্ধমান থানাতেও অভিযোগ করা হয়।পাশাপাশি পরিবারের দাবি, হাসপাতালের সুপার তাপস ঘোষ বলেন, পরীক্ষাটি বাইরে থেকে স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের মাধ্যমে করিয়ে দেওয়ায় আশ্বাস দিয়েছেন।হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ওই পরীক্ষা বর্ধমান হাসপাতালে হয়না। তাই বাইরে থেকে করানোর কথা বলা হয়েছিল। হাসপাতালের সুপার তাপস ঘোষ বলেন, একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে ভুল বোঝাবুঝির জন্যই এই ঘটনা ঘটেছে। তবুও, একটি তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। রিপোর্ট পেলে আসল তথ্য সামনে আসবে।

আগস্ট ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

কৃষ্ণার পরিবর্ত হিসেবে রাশিয়া বিশ্বকাপ খেলা ফুটবলারকে নিল এটিকে মোহনবাগান

রবিবারই রয় কৃষ্ণার বেঙ্গালুরু এফসির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার কথা প্রকাশ্যে এসেছে। তার ২৮ ঘন্টার মধ্যেই রয় কৃষ্ণার বিকল্প খঁুজে নিল এটিকে মোহনবাগান। রাশিয়া বিশ্বকাপে খেলা ফুটবলারকে সই করিয়ে চমক বাগান কর্তাদের। সামনের মরশুমে সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে খেলতে দেখা যাবে ২০১৮ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলা স্ট্রাইকার দিমিত্রি পেত্রাতোসকে সই করাল এটিকে মোহনবাগান।রয় কৃষ্ণ ও ডেভিড উইলিয়ামস এই মরসুমে দল ছেড়েছেন। এই দুজন দল ছাড়ায় একজন ভালমানের স্ট্রাইকারের খোঁজে ছিলেন বাগান কর্তারা। যিনি আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার হিসেবেও খেলতে পারেন। দিমিত্রি পেত্রাতোসকে দিয়ে কাজ সিদ্ধ করতে পারবেন এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। এই অস্ট্রেলিয়ার আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার ছাড়া ফরোয়ার্ডেও খেলতে পারদর্শী। সৌদি আরবের ক্লাব আল ওয়েদা থেকে দিমিত্রি পেত্রাতোসকে সই করাল এটিকে মোহনবাগান। যদিও গত মরসুমে তিনি আল ওয়েদার জার্সিতে খেলেননি। আল ওয়েদা থেকে তিনি লোনে এ লিগের ক্লাব ওয়েস্টার্ন সিডনি ওয়ান্ডারার্সে খেলেছিলেন।২০১০-১১ মরসুমে সিডনি ফুটবল ক্লাবের হয়ে পেশাদার ফুটবলজীবন শুরু করেন দিমিত্রি। এরপর যোগ দেন মালয়েশিয়ার ক্লাব কেলান্তানে। ২০১২১৩ মরশুম কেলান্তানের হয়ে খেলার পর এ লিগের দল ব্রিসবেন রোয়ার তাঁকে সই করায়। ২০১৩ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত ব্রিসবেনের হয়েই খেলেন দিমিত্রি। ২০১৭ সালে কোরিয়া লিগের দল উলসান হুন্ডাই সই করায় তাঁকে। ৬ মাস খেলে ওই বছরই দিমিত্রি যোগ দেন নিউক্যাসেল জেটসে। ২০১৭ থেকে ২০২০ পর্যন্ত নিউক্যাসেল জেটসে খেলার পর তিনি সৌদি আরবের ক্লাব আল ওয়েদায় সই করেন। সেখান থেকেই গত বছর লোনে খেলেন ওয়েস্টার্ন সিডনি ওয়ান্ডারার্সে। সিডনি থেকে এবার তিনি এটিকে মোহনবাগানে।He comes from Australia, hes played in Korea and Saudi Arabia! 🤩Mariners, give a warm welcome to Dimitrios Petratos, our new number 9! 💚️#ATKMohunBagan #JoyMohunBagan #AmraSobujMaroon pic.twitter.com/WBuLoc00Rh ATK Mohun Bagan FC (@atkmohunbaganfc) July 18, 2022অস্ট্রেলিয়ার জার্সিতে সিনিয়র দলে তাঁর অভিষেক হয় ২০১৮ সালে। এখনও পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার হয়ে তিনটি ম্যাচ তিনি খেলেছেন। রাশিয়া বিশ্বকাপে ২৩ জনের দলে থাকলেও প্রথম একাদশে সুযোগ পাননি। তাঁর বাবা অ্যাঞ্জেলো খেলেছেন সিডনি অলিম্পিক্স এফসির হয়ে। ইতিমধ্যেই নতুন মরসুমের জন্য পাঁচ বিদেশি নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে এটিকে মোহনবাগানে। ষষ্ঠ বিদেশি হিসেবে এলেন দিমিত্রি। নিজের দীর্ঘ ফুটবল কেরিয়ারে ক্লাবের জার্সিতে হোক কিংবা দেশের হয়ে স্ট্রাইকার, অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার বা উইঙ্গার বিভিন্ন পজিশনে খেলেছেন তিনি।

জুলাই ১৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বাংলা ছবির প্রথম খুদে সুপারহিরো হালুয়াম্যান হাজির শহরে

হালুয়াম্যান, বাংলার প্রথম ক্ষুদে সুপারহিরোর ছবি। ছবিটি মুক্তি পেল প্রেক্ষাগৃহে। হলিউড আর বলিউড মিলিয়ে অনেক সুপারহিরো আমরা দেখেছি এতদিন, কিন্তু এই প্রথম কলকাতা শহরে সুপারহিরো তার ছোট্ট হাত পা নিয়ে নেমে আসলো। এই গল্প শুধু সুপারহিরোর সুপারপাওয়ারের নয়, এই গল্প হোলো বন্ধুত্বের, এই গল্প বিভিন্ন ধরনের সম্পর্কের টানাপোড়েনের। এই গল্প ছোটোদের জন্য তো বটেই, কিন্তু সাথে সাথে এই গল্পের মাধ্যমে ছোটোরা বড়দের অনেক কিছু শেখাবে। এই গল্পের মধ্যে দিয়ে বড়রা যেমন পাবে ছোটোদের সত্যিকারের পরিচয়, তেমনি ছোটোরা মেলবে কল্পনার পাখনা।ছোটদের এই কল্পনার রাজত্বে পাড়ি দেওয়ার জন্য মুক্তি পেল হালুয়াম্যান, আপনাদের নিকটবর্তী প্রেক্ষাগৃহে। ছবিতে অভিনয় করেছেন সোহম চক্রবর্তী,সৌম্যদীপ্ত সাহা, মিমি দত্ত, উদিতা মুন্সী, বিলাস দে, পরাণ বন্দোপাধ্যায়, কাঞ্চন মল্লিক, বিশ্বনাথ বসু, দেবলীনা কুমার, ওম প্রমুখ। ছবিটি পরিচালনা করেছেন অভিমন্যু মুখোপাধ্যায়। এদিন ছবির বিশেষ প্রদর্শনীতে উপস্থিত ছিলেন ছবির কলাকুশলীরা। ছবির প্রযোজক আর্টেজ প্রোডাকশন, প্যান্ডেমোনিয়াম প্রোডাকশনস। উপস্থিত ছিলেন ছবির প্রযোজক জয়দীপ মুখোপাধ্যায় সহ আরো বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

জুন ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুরন্ত ধাওয়ান, রানের শিখরে পাঞ্জাব কিংস

দুরন্ত ছন্দে শিখর ধাওয়ান। একই দিনে তিনটি মাইলস্টোন করার করার সঙ্গে সঙ্গে দলকে টেনে নিয়ে গেলেন। তাঁর দুরন্ত ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৮৭ রান তুলল পাঞ্জাব কিংস। ৫৯ বলে ৮৮ রান করে অপরাজিত থাকেন শিখর ধাওয়ান।মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে এদিন মুখোমুখি হয়েছিল পাঞ্জাব কিংস ও চেন্নাই সুপার কিংস। প্লে অফে যাওয়ার জন্য দুই দলের কাছেই এদিনের ম্যাচ ছিলই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এদিন মাঠে নামার আগে ৭ ম্যাচ খেলে পাঞ্জাব কিংসের পয়েন্ট ছিল ৬। চেন্নাই সুপার কিংসের পয়েন্ট ছিল ৪। অষ্টম স্থানে থাকা পাঞ্জাবের পরেই চেন্নাই সুপার কিংস রয়েছে নবম স্থানে।এদিন টস জিতে পাঞ্জাব কিংসকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠায় চেন্নাই সুপার কিংস। পাঞ্জাবের প্রথম উইকেট পড়ে ৩৭ রানের মাথায়। ষষ্ঠ ওভারের পঞ্চম বলে মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে (২১ বলে ১৮) তুলে নেন মহেশ থিকসানা। এরপরই দলকে দারুণভাবে টেনে নিয়ে যান শিখর ধাওয়ান ও ভানুকা রাজাপক্ষে। নিজের ২০০ তম আইপিএল ম্যাচে দারুণভাবে জ্বলে ওঠেন শিখর ধাওয়ান। চেন্নাই সুপার কিংসের বোলারদের কোনও রকম সুযোগ তিনি এদিন দেননি। ভানুকা রাজাপক্ষর সঙ্গে জুটিতে শিখর ধাওয়ান তোলেন ১১০ রান। এই জুটিই পাঞ্জাব কিংসের বড় রানের প্ল্যাটফর্ম গড়ে দেয়।১৭.২ ওভারের মাথায় ডোয়েন ব্র্যাভোর বলে শিবম দুবের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ভানুকা রাজাপক্ষে। ৩২ বলে তিনি করেন ৪২। এক ওভার পরেই লিয়াম লিভিংস্টোনকেও তুলে নেন ডোয়েন ব্র্যাভো। ৭ বলে ১৯ রান করেন লিভিংস্টোন। শিখর ধাওয়ানকে অবশ্য থামাতে পারেননি চেন্নাই সুপার কিংসের বোলাররা। শেষ দিকে ঝড় তুলে ৫৯ বলে ৮৮ রান করে অপরাজিত থাকেন ধাওয়ান। ৯টি বাউন্ডারি ও ২টি ছক্কার সাহায্যে তিনি এই রান করেন। ইনিংসের শেষ বলে রান আউট হন জনি বেয়ারস্টো। ৩ বলে তিনি করেন ৬। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৮৭ রান তোলে পাঞ্জাব কিংস।এদিন ৩৭ বলে চলতি আইপিএলে দ্বিতীয় তথা আইপিএল কেরিয়ারে ৪৬ তম হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন শিখর ধাওয়ান। চলতি আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে ধাওয়ান করেছিলেন ৪৩। এরপর নাইট রাইডার্স ম্যাচে ১৬, লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে ৩৩, গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে ৩৫, মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে ৭০ রান করেন। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ম্যাচে ৮ ও দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ৯ রানে আউট হয়েছিলেন। তারপর আজ দুরন্ত হাফ সেঞ্চুরি।

এপ্রিল ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

একই দিনে তিনটি মাইলস্টোন! এ কী করলেন শিখর ধাওয়ান!

চলতি আইপিএলে একই দিনে তিনটি মাইলস্টোন। দুর্দান্ত নজির গড়লেন শিখর ধাওয়ান। এদিন চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ২০০ তম আইপিএল ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন শিখর ধাওয়ান। এটা একটা মাইলস্টোন। আর আইপিএলে ২০০ তম ম্যাচ খেলার দিনেও আরও দুটি নজির গড়লেন পাঞ্জাব কিংসের এই ওপেনার। এদিন তিনি আইপিএলে ৬০০০ রানের সীমা অতিক্রম করে গেলেন। বিরাট কোহলির পর দ্বিতীয় ভারতীয় ব্যাটার হিসেবে তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করেন। শুধু তাই নয়, টি২০ ক্রিকেটে ৯০০০ রানের মাইলস্টোনেও পৌঁছে গেলেন শিখর ধাওয়ান। বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মার পর তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন।টি২০ ক্রিকেটে বিরাট কোহলির মোট রান ১০৩৯২। আর রোহিত শর্মা টি২০ ক্রিকেটে করেছেন ১০০৪৮ রান। চলতি আইপিএলেই তিনি এই মাইলস্টোনে পৌঁছেছেন। আর শিখর ধাওয়ান সোমবার চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ৯ হাজার রানের মাইলস্টোনে পৌঁছলেন। এদিন মহেশ থিকসানাকে স্লগসুইপ করে ছক্কা মেরে টি২০ ক্রিকেটে ৯ হাজার রানে পৌঁছন শিখর ধাওয়ান।চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আইপিএলে ৪৫টি হাফ সেঞ্চুরি করেছেন শিখর ধাওয়ান। সবথেকে বেশি হাফ সেঞ্চুরির রেকর্ড ডেভিড ওয়ার্নারের দখলে। তিনি করেছেন ৫২টি হাফ সেঞ্চুরি। হাফ সেঞ্চুরির দিক দিয়ে শিখর ধাওয়ান রয়েছেন দ্বিতীয় স্থানে। সবথেকে বেশি বাউন্ডারি মারার রেকর্ড অবশ্য পাঞ্জাব কিংসের এই ওপেনারের দখলে। তিনি মোট ৬৭৫টি বাউন্ডারি মেরেছেন। ২০১৯ সাল থেকে আইপিএলের প্রতিটা সংস্করণে ৫০০র বেশি রান করেছেন শিখর ধাওয়ান। চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে চলতি আইপিএলে ৭ ম্যাচে শিখর ধাওয়ানের সংগ্রহ ছিল ২১৪ রান। সর্বাধিক ৭০। গড় ৩০.৫৭, স্ট্রাইক রেট ১২৬.৬৩। আইপিএলে শিখরের দুটি সেঞ্চুরি রয়েছে শিখর ধাওয়ানের। দুটিই সেঞ্চুরিই এসেছিল ২০২০ সালে। এবছরও খুব একটা খারাপ ফর্মে নেই। বছরের শেষদিকে অস্ট্রেলিয়ায় টি২০ বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে। বাকি ম্যাচগুলিতে ধারাবাহিকভাবে রানের মধ্যে থাকলে আবার জাতীয় দলে জায়গা ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা জোরালো হবে ধাওয়ানের।

এপ্রিল ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আইপিএল এলেই বারবার কেন চোটের কবলে পড়েন হার্দিক?‌ এবার কুঁচকিতে

চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে গুজরাট টাইটান্সের হয়ে টস করছে রশিদ খান। গুজরাট টাইটান্স অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়ার হলটা কী? কেন খেলছেন না? তাহলে কি আবার চোটের কবলে? আশঙ্কাই সত্যি হল। কুঁচকির চোটের জন্য চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নামতে পারেননি হার্দিক পান্ডিয়া। তাঁর জায়গায় দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন রশিদ খান। চোট পাওয়াটা হার্দিকের কাছে নতুন কিছু নয়। ২০১৯ বিশ্বকাপের মাঝপথে চোট পেয়ে ইংল্যান্ড থেকে ফিরে আসতে হয়েছিল এই অলরাউন্ডারকে। তারপর দীর্ঘদিন জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাদেমিতে রিহ্যাবে ছিলেন। সুস্থ হয়ে মাঠে ফিরলেও আবার চোট পান। অস্ত্রোপচারও করতে হয়েছিল। পরে নানা সময়ে চোটের কবলে পড়েছেন। গতবছর আইপিএলের আগেও চোট পেয়েছিলেন। পুরো ফিট না হয়েই আইপিএলে খেলেন। ব্যাট করলেও পিঠে চোটের জন্য বোলিং করেননি। চোট নিয়ে গতবছর বিশ্বকাপেও খেলতে গিয়েছিলেন। যা নিয়ে চারিদিকে সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। সুস্থ হয়ে চলতি আইপিএলে মাঠে নেমেছিলেন। বোলিং করছিলেন। কিন্তু আবার সেই চোটের কবলে। তবে এবার আর পিঠে নয়, কুঁচকিতে চোট। হার্দিকের চোটের ব্যাপারে গুজরাট টাইটান্সের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক রশিদ খান বলেন, হার্দিকে কুঁচকিতে হালকা চোট রয়েছে। তাই টিম ম্যানেজমেন্ট ওকে নিয়ে ঝুঁকি নিতে চায়নি। হার্দিককে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। আশা করছি পরের ম্যাচে খেলতে পারবে। রশিদ খান পরের ম্যাচে হার্দিকের খেলার কথা বললেও আদৌও খেলতে পারবেন কিনা সন্দেহ রয়েছে। হার্দিকের পরিবর্তে এদিন আলজেরি জোশেফ প্রথম একাদশে সুযোগ পান। অন্যদিকে, ম্যাথু ওয়েডের পরিবর্তে প্রথম একাদশে নেওয়া হয় ঋদ্ধিমান সাহাকে। এই দুজনের হাতেই এদিন টুপি তুলে দেওয়া হয়। কারণ, এই দুই ক্রিকেটারের এদিন গুজরাট টাইটান্সের হয়ে অভিষেক হল। হার্দিকবিহীন গুজরাট টাইটান্স এদিন টস জিতে চেন্নাই সুপার কিংসকে ব্যাট করতে পাঠায়। চলতি আইপিএলে প্রথম তিনটি ম্যাচ জিতেছিল গুজরাট টাইটান্স। তারপর সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে হারতে হয়েছিল ৮ উইকেটে। আগের ম্যাচে অবশ্য আবার জয়ের সরণিতে ফিরেছে হার্দিক পাণ্ডিয়ার দল। রাজস্থান রয়্যালসকে হারায় ৩৭ রানে। চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকতা ধরে রাখার লড়াই। হার্দিকে অনুপস্থিতিতে দায়িত্ব পড়েছে রশিদ খানের ওপর।

এপ্রিল ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

জাদেজার হাতে পরেই কি ঔজ্জ্বল্য হারাচ্ছে চেন্নাই সুপার কিংস?

সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে এবারের আইপিএলে নিজেদের চতুর্থ ম্যাচ খেলতে নেমেছিল চেন্নাই সুপার কিংস। চতুর্থ ম্যাচেও জয়ের মুখ দেখতে পেল না চেন্নাই। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে হারতে হল ৮ উইকেটে। দলকে এখনও জেতাতে না পারলেও এদিন নজির গড়ল চেন্নাই সুপার কিংস। নাম তুলে ফেললেন মহেন্দ্র সিং ধোনি ও সুরেশ রায়নাদের তালিকায়। প্রশ্নটা উঠতে শুরু করেছে, জাদেজার হাতে পরেই কি ঔজ্জ্বল্য হারাচ্ছে চেন্নাই সুপার কিংস?এদিন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে মাঠে নামার সঙ্গে সঙ্গে চেন্নাই সুপার কিংসের জার্সি গায়ে ১৫০ তম ম্যাচ খেলে ফেললেন রবীন্দ্র জাদেজা। রবীন্দ্র জাদেজা হলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি ও সুরেশ রায়নার পর চেন্নাই সুপার কিংসের তৃতীয় ক্রিকেটার যিনি এই মাইলস্টোনে পৌঁছলেন।চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে সব থেকে বেশি ম্যাচ খেলেছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। তিনি খেলেছেন ২১৭টি ম্যাচ। এরপর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন সুরেশ রায়না। তিনি খেলেছেন ২০০ ম্যাচ। আর রবীন্দ্র জাদেজা খেললেন ১৫০ ম্যাচ। তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছেন ডোয়েন ব্রাভো। তিনি খেলেছেন ১২৩টি ম্যাচ। রবিচন্দ্রন অশ্বিন খেলেছেন ১২১ ম্যাচ। চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে ১৫০ ম্যাচে রবীন্দ্র জাদেজার রান ১৫৪৬। উইকেট নিয়েছেন ১১০টি। ক্যাচ ধরেছেন ৬৯টি।চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে একের পর এক মাইলস্টোন করে চললেও চলতি আইপিএলে এখনও পর্যন্ত দলকে জয়ের মুখ দেখাতে পারেননি মহেন্দ্র সিং ধোনি ও রবীন্দ্র জাদেজা। টানা ৪ ম্যাচে হারতে হয়েছে। চেন্নাই সমর্থকরা আশা করেছিলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে হয়তো দল ঘুরে দাঁড়াবে। কিন্তু ব্যাটাররা জ্বলে উঠতে ব্যর্থ। প্রথমে ব্যাটিং করে ১৫৪/৭ রান তোলে চেন্নাই সুপার কিংস। ১৫৫ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ১৭.৪ ওভারে দুই উইকেটের বিনিময়ে প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরূদ্ধে মাঠে নামার আগে চেন্নাই সুপার কিংসের চিন্তা ছিল ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের অফ ফর্ম। প্রথম তিনটি ম্যাচেই ব্যর্থ। দু অঙ্কের ঘরে পৌঁছতে পারেননি। আগের মরসুমেও এই রকম পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছিল। শুরুর দিকে রান পাননি। তা সত্ত্বেও আস্থা হারাননি চেন্নাই সুপার কিংস অধিনায়ক মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। অধিনায়কের আস্থার মর্যাদা দিয়ে পরের দিকে অবশ্য রানে ফিরেছিলেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। এবছর আইপিএলের আগে অধিনায়কত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। রবীন্দ্র জাদেজার হাতে নেতৃত্ব তুলে দেওয়া হয়। নতুন অধিনায়কের দায়িত্বে এখনও জয়ের মুখ দেখল না চেন্নাই।

এপ্রিল ১০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌আরও একটা মাইলস্টোন ধোনির, তবু দলকে জেতাতে পারছেন না কেন?‌

এবারের আইপিএলে কী হাল গতবারের চ্যাম্পিয়নদের? তিন ম্যাচ খেলা হয়ে গেল, অথচ এখনও জয়ের মুখ দেখতে পেল না চেন্নাই সুপার কিংস। দল না জিতলে কী হবে, একের পর এক মাইলস্টোন গড়েই চলেছেন চেন্নাই সুপার কিংসের প্রাক্তন অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। কদিন আগেই টি২০ ক্রিকেটে ৭ হাজার রানের মাইলস্টোন পার করেছেন। রবিরার পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নেমে ৩৫০টি টি২০ ম্যাচ খেলার কৃতিত্ব অর্জন করলেন তিনি। দ্বিতীয় ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন। ভরতীয় ক্রিকেটারদের মধ্যে টি২০ ফরম্যাটে সবথেকে বেশি ম্যাচ খেলেছেন রোহিত শর্মা। জাতীয় দল, আইপিএল, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, ঘরোয়া টি২০ মিলিয়ে তিনি খেলেছেন ৩৭২টি ম্যাচ। আর ধোনির মোট ম্যাচের সংখ্যা ৩৫০। এর মধ্যে দেশের হয়ে খেলেছেন ৯৮টি টি২০ ম্যাচ। আর আইপিএলে খেলেছেন ২২২টি ম্যাচ। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, ঘরোয়া টি২০ মিলিয়ে খেলেছেন ৩০টি ম্যাচ। আর ভারতীয়দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি টি২০ ম্যাচ খেলার দিক দিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন সুরেশ রায়না। তিনি খেলেছেন ৩৩৬টি ম্যাচ। তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছেন দীনেশ কার্তিক। কার্তিক খেলেছেন ৩২৯ টি ম্যাচ। আর পঞ্চম স্থানে থাকা বিরাট কোহলি খেলেছেন ৩২৮টি ম্যাচ। চলতি আইপিএলে দুদুটি মাইলস্টোনে পৌঁছে গেলেন ধোনি। উইকেটের সামনে ও পেছনে ভাল পারফরমেন্স করলেও দলকে এখনও জয়ের মুখ দেখাতে পারেননি। প্রথম ম্যাচে অপরাজিত হাফ সেঞ্চুরি করেছিলেন ধোনি। দ্বিতীয় ম্যাচে ৬ বলে ১৬ রান করেছিলেন। পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ২৮ বলে করেন ২৩। আইপিএল শুরুর আগে স্বেচ্ছায় নেতৃত্ব ছেড়ে দিয়ে দায়িত্ব তুলে দিয়েছেন রবীন্দ্র জাদেজার ওপর। জাদেজা দলকে নেতৃত্ব দিলেও ধোনি দারুণ সাহায্য করছেন উত্তরসূরীকে। রবিবার পাঞ্জাব কিংসের কাছে ৫৪ রানে হেরেছে চেন্নাই সুপার কিংস। প্রথমে ব্যাট করে পাঞ্জাব তোলে ১৮০/৮। জবাবে ১৮ ওভারে ১২৬ রানে শেষ হয়ে যায় চেন্নাইয়ের ইনিংস। টানা তিন ম্যাচ হারের পর চেন্নাই অধিনায়ক রবীন্দ্র জাদেজার মুখে ঘুরে দাঁড়ানোর কথা। তিনি বলেন, পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে প্রথম বল থেকেই আমরা মোমেন্টাম পাইনি। পাওয়ার প্লের ওভারগুলিতে একাধিক উইকেট হারিয়েছিলাম। এখান থেকে আমাদের প্রত্যাবর্তনের রাস্তা খুঁজে বের করতে হবে। এখনও ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব। -----------

এপ্রিল ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

এভিন লুইসের ঝড়ে প্রথম জয় পেল লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস

১২ বলে লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসের জয়ের জন্য দরকার ছিল ৩৪ রান। অনভিজ্ঞ শিবম দুবের হাতে বল তুলে দিয়েছিলেন রবীন্দ্র জাদেজা। তাঁর ওভারে ২৫ রান তুলে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন এভিন লুইস। টানটান উত্তেজনার ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসকে ৬ উইকেটে হারিয়ে প্রথম জয় তুলে নিল লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস। এদিন টস জিতে চেন্নাই সুপার কিংসকে ব্যাট করতে পাঠান লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস অধিনায়ক লোকেশ রাহুল। শুরুতেই ধাক্কা খায় চেন্নাই। তৃতীয় ওভারে ব্যক্তিগত ১ রান করে আউট হন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। এরপরই রবিন উথাপ্পা ও মঈন আলি ঝড় তোলেন। ৪.৪ ওভারেই ৫০ রান পূর্ণ করে। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ওঠে ৭৩। এরপর ব্যক্তিগত ৫০ রানেই আউট হন রবিন উথাপ্পা। চেন্নাইয়ের রান তখন ৭.৩ ওভারে ৮৪। ১০.১ ওভারে মঈন আলি আবেশ খানের বলে বোল্ড হন। ২২ বলে তিনি করেন ৩৫। এরপর অম্বাতি রায়ুডু ও শিবম দুবে ৩৭ বলে যোগ করেন ৬০ রান। ২০ বলে ২৭ রান করে আউট হন রায়ুডু। ১৮.২ ওভারে শিবম দুবে আউট হন আবেশ খানের বলে। ৩০ বলে ৪৯ রান করেন দুবে। চেন্নাইকে ২১০/৭ রানে পৌঁছে দেন ধোনি (৬ বলে ১৬)। এদিন তিনি টি২০ ক্রিকেটে ৭ হাজার রানের মাইলস্টোনে পৌঁছন।জয়ের জন্য ২১১ রান তাড়া করতে নেমে ভাল শুরু করেন কুইন্টন ডিকক ও অধিনায়ক লোকেশ রাহুল। ১০.২ ওভারে ৯৯ রানে প্রথম উইকেট হারায় লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস। লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসের ওপেনিং জুটি ভাঙেন ডোয়েইন প্রিটোরিয়াস। লোকেশ ১১.২ ওভারে পড়ে দ্বিতীয় উইকেট। ৬ বলে ৫ রান করে তুষার দেশপাণ্ডের শিকার হন মণীশ পাণ্ডে। ডিকককে (৪৫ বলে ৬১) প্রিটোরিয়াস আউট করেন। তা সত্ত্বেও জয়ের দিকে এগিয়ে যায় লক্ষ্ণৌ। দীপক হুডা ৮ বলে ১৩ রান করে আউট হন। শেষ ২ ওভারে লক্ষ্ণৌর জয়ের জন্য দরকার ছিল ৩৪ রান। ১৯ তম ওভারে শিবম দুবের বলে ২৫ রান তোলেন এভিন লুইস (২৩ বলে অপরাজিত ৫৫)। চলতি আইপিএলে দ্রুততম অর্ধশতরান (২৩ বলে) করেন লুইস। আয়ূষ বাদোনি ৯ বলে অপরাজিত ১৯ রান করে দলকে জয় এনে দেন। ১৯.৩ ওভারে ২১১/৪ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় লক্ষ্ণৌ।

এপ্রিল ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌মহম্মদ সামির দুরন্ত বোলিংয়ে প্রথম ম্যাচেই বাজিমাত গুজরাট টাইটান্সের

মহম্মদ সামির প্রথম স্পেল নড়িয়ে দিয়েছিল লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসের ভিত। সেখান থেকে আর বেরিয়ে আসতে পারলেন না লোকেশ রাহুলরা। আইপিএলের দুই নতুন দলের লড়াইয়ে বাজিমাত গুজরাট টাইটান্সের। লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসকে ৫ উইকেটে হারিয়ে জয় তুলে নিল গুজরাট।টস জিতে লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসকে ব্যাট করতে পাঠান গুজরাট টাইটান্স অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। শুরুটা ভাল হয়নি লক্ষ্ণৌর। প্রথম বলেই অধিনায়ক লোকেশ রাহুলকে (০) তুলে নেন মহম্মদ সামি। তাঁর স্বপ্নের ডেলিভারি রাহুলের ব্যাটের কানা ছুঁয়ে জমা পড়ে উইকেটকিপার ম্যাথু ওয়েডের হাতে। তৃতীয় ওভারে আবার ধাক্কা। আবার সামির হাত থেকে বেরিয়ে আসে স্বপ্নের ডেলিভারি। অফস্টাম্পের বাইরে পড়া বল সুইং করে ব্যাট ও প্যাডের ফাঁক দিয়ে কুইন্টন ডিককের (৭) মিডল ও লেগস্টাম্পের মাথায় আঘাত করে। চতুর্থ ও পঞ্চম ওভারে আবার ধাক্কা খায় লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস। চতুর্থ ওভারে বরুণ অ্যারনকে তুলে মারতে গিয়ে আউট হন এভিন লুইস (১০)। দুরন্ত ক্যাচ ধরেন শুভমান গিল। পরের ওভারে মণীশ পান্ডের (৬) স্টাম্প ছিটকে দেন সামি। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারের মধ্যে ৩২ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস। মনে হচ্ছিল হয়তো ১০০ রানের গন্ডি টপকাতে পারবে না। এরপর রুখে দাঁড়ান দীপক হুডা ও আয়ূশ বাদোনি। এই দুই ব্যাটারের সৌজন্যে প্রাথমিক বিপর্যয় কাটিয়ে ১৪.২ ওভারে ১০০ রানের গন্ডি পার করে লক্ষ্ণৌ। অবশেষে দীপক হুডাকে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন রশিদ খান। ৪১ বলে ৫৫ রান করে তিনি এলবিডব্লু হন। এরপর আয়ূশের সঙ্গে দলকে টেনে নিয়ে যান ক্রূণাল পান্ডিয়া। ৪১ বলে ৫৪ রান করে আউট হন আয়ূশ। ১৩ বলে ২১ রান করে অপরাজিত থাকেন ক্রূণাল। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৫৮ তোলে লক্ষ্ণৌ। ২৫ রানে ৩ উইকেট নেন সামি। ৪৫ রানে ২ উইকেট বরুণ অ্যারনের। ব্যাট করতে নেমে গুজরাট টাইটান্সের শুরুটাও ভাল হয়নি। প্রথম ওভারেই দুষ্মন্ত চামিরার বলে ফিরে যান শুভমান গিল (০)। এক ওভার পরে বিজয় শঙ্করকেও (৪) তুলে নেন তিনি। এরপর ম্যাথু ওয়েড ও অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া দলকে টেনে নিয়ে যান। ২৮ বলে ৩৩ রান করে দাদা ক্রূণাল পান্ডিয়ার বলে আউট হন হার্দিক। পরের ওভারেই ম্যাথু ওয়েডকে (২৯ বলে ৩০) তুলে নেন দীপক হুডা। এর পর গুজরাটকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান ডেভিড মিলার ও রাহুল তেওয়াটিয়া। ২১ বলে ৩০ রান করে আউট হন মিলার। দলকে জয় এনে দেন তেওয়াটিয়া (২৪ বলে অপরাজিত ৪০) ও অভিনব মনোহর (৭ বলে অপরাজিত ১৫)। ২ বল বাকি থাকতে ১৬১/৫ তুলে জিতে ম্যাচ জিতে নেয় গুজরাট।

মার্চ ২৮, ২০২২
রাজ্য

জনগনকে চোর চেনাতে কোমরে দড়ি পরিয়ে চোরেদের নিয়ে রোড মার্চ করলো পুলিশ

ভোট আসলেই পুলিশকে দেখা যায় বিভিন্ন এলাকায় রোড মার্চ করতে। তা বলে পুলিশ চোরেদের সঙ্গে নিয়ে এলাকায় রোড মার্চ করবে এমনটা বোধহয় সকলের কাছেই কল্পনার অতীত। কিন্তু না, এটা কোন আজগুবি গল্পকথা নয়। বাস্তবেই মঙ্গলবার এমন ঘটনাই ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে। একের পর এক দোকানে চুরির ঘটনায় ধৃত চোরেদের কোমরে দড়ি পরিয়ে রোড মার্চের মতন করে দীর্ঘ সড়ক পথে ঘোরালো পুলিশ কর্মীরা।যার উদ্দেশ্য ছিল এলাকার সকল মানুষজনকে চোরেদের চিনিয়ে দিয়ে সচেতন করে রাখা।চোর চেনাতে জামালপুর থানার পুলিশের এমন কৌশল প্রথমে সবাইকে হতবাক করে ঠিকই। পরে অবশ্য চোরেদের ছবি তুলে রাখা নিয়ে পথচারীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়।কোমরে দড়ি পরিয়ে চোরেদের নিয়ে রোড মার্চ করলো পুলিশজামালপুর থানার সন্নিকটে সড়ক পথের ধারে চা ,পান বিড়ি সিগারেটের দোকান যেমন রয়েছে তেমনি রয়েছে ছোট খাটো স্টেশনারি দোকান।দিন দুই আগে রাতের অন্ধকারে চোরেদের দল ৩টি দোকানের এ্যাজবেসটার্স চাল ভেঙে দোকানের ভিতরে ঢোকে। তার পর তারা দোকানে থাকা বিভিন্ন সামগ্রী চুরি করে নিয়ে পালায়। পরদিন সকালে দোকান খুলতেই চুরির ঘটনা নজরে আসে দোকান মালিকদের।তাঁরা চুরির সবিস্তার উল্লেখ করে থানায় অভিযোগ জানান ।অভিযোগ পেয়েই পুলিশ চোরেদের সন্ধানে নামে। মঙ্গলবার বিকালের মধ্যেই পুলিশ দুই চোর সেখ সাবির ও লব বেরা কে জালে পোরে। ধৃতদের মধ্যে সাবিরের বাড়ি জামালপুর থানা থেকে ২ কিমি দূরে সেলিমাবাদ গ্রামে। অপর ধৃত লবের বাড়ি প্রায় একই দূরত্বে থাকা পুলমাথা এলাকায়। জেরায় ধৃতরা দোকানে চুরির কথা স্বীকার করে নেবার পরেই পুলিশ তাঁদের নিয়ে চুরি হওয়া সামগ্রী উদ্ধারে নামে। উদ্ধার হয় প্রচুর প্যাকেট সিগারেট, গুটকা ও গায়ে মাখার সাবান। এর পরেই থানার পুলিশ কর্মীরা ধৃত দুই চোরের কোমরে দড়ি পরিয়ে রোড মার্চের মতন করে জামালপুরের সড়পথে ঘোরায়।চুরি যাওয়া বিভিন্ন সামগ্রপুলিশের লোকজনই পথে থাকা লোকজনকে ডেকে ডেকে বলেন, দেখে রাখুন এই দুই যুবক হল চোর।রাতে এদের আপনার এলাকায় দেখলেই আপনারা সচেতন হবেন। প্রয়োজনে পুলিশকে জানাবেন। পাশাপাশি যে যে দোকানে চোরেরা চুরি করেছিল সেইব দোকান মালিকদেরও পুলিশ ধৃত চোরেদেরকে দেখায়। পুলিশের লোকজনের মুখথেকে এমন কথা শোনার পরেই চোরেদের ছবি মোবাইল ফোনের ক্যামেরায় বন্দি করে রাখার হিড়িক পড়ে যায়। এই বিষয়ে জামালপুর থানার এক পুলিশ অফিসার বক্তব্য, এলাকায় মানুষজন যাতে চোরেদের চিনে রাখতে পারে তাই তাঁদের এলাকায় ঘোরানো হয়েছে। বুধবার ধৃতদের পেশ করা হবে বর্ধমান আদালতে। তবে জামালপুর বাস স্ট্যান্ডের কাছে দাঁড়িয়ে দুই চোরের ছবি এদিন মোবাইল ক্যামেরায় বন্দি করেন রায়নার বাসিন্দা হারাধন বৈরাগ্য নামে এক ব্যক্তি। পঞ্চাশ উর্ধ্ব এই ব্যক্তি বলেন, এলাকার লোকজনকে চোরেদের চেনাতে পুলিশের চোরেদের নিয়ে রোড মার্চ জীবনে এই প্রথম দেখলাম।চোরদেরকেও দেখলাম। চুরি করলে এমন শাস্তি হবে দখলে কোন চোর জামালপুরে চুরি করতে আসার সাহস আর দেখাবে মলে মনে হয় না। হারাধন বাবু এও বলেন, চোর চেনাতে পুলিশের এমন অভিনব কৌশল ক্যামেরা বন্দি না করে ততাই থাকতে পারলাম না। রায়নার বাসিন্দাদেরও এই চেরেদের সম্পর্কে জানাবো।পূর্ব বর্ধমানের পুলিশ সুপার কামনাশিস সেনের ব্যাখ্যা, আমার কাছে এই ঘটনা সম্পর্কে তথ্য নেই। কাউকে এমন করে ঘোরানো যায় না। তবে এটা করে থাকলে অপরাধের পুনর্নির্মাণের জন্য করা হয়েছে বলেই মনে হয়।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২২
নিবন্ধ

সত্যিই কি বিড়ালের রাস্তা কাটা অশুভ? এর পিছনে কি আদৌও কোনও বিজ্ঞানসম্মত কারণ আছে? পড়ুন বিস্তারিত

নানা বিষয়ে নানা সংস্কার ও কুসংস্কারে বশীভূত আমাদের সামাজ। কেউ হাঁচলে যাত্রা অশুভ ভেবে দাঁড়িয়ে পড়েন, আবার কারও অনর্গল মিথ্যা প্রবচনের মাঝে টিকটিকি ডাকলে সেই অনাবিল মিথ্যাকে সত্যি বলে ধরা হয়! এগুলিকে কেউ কুসংস্কার, আবার কেউ কেউ অন্ধবিশ্বাসও বলে মনে করেন। ঠিক সেরকমই একটা কুসংস্কার বিড়ালের রাস্তা কাটা। আপনি হয়ত কোথাও যাচ্ছেন, আপনার যাত্রাপথে আপনার সামনে রাস্তা দিয়ে পেরলো একটা বিড়াল। সেটাকে অত্যন্ত অশুভ বলে মনে করে আপনি দাঁড়িয়ে পরলেন, যদি তখন আপনি গাড়ি চালান, তাহলে স্টার্ট বন্ধ করে দিলেন, তাতে নাকি আশুভ যা-কিছু কেটে যায়! হয়ত কোনও যাত্রীবাহী গাড়ি যাচ্ছে রাস্তা দিয়ে কেউ বাইক চালিয়ে যাচ্ছেন তখন বিড়ালে রাস্তা কাটলে সকলেই সেখানে দাঁড়িয়ে যায়, ঠিক যেন ট্রাফিক সিগন্যাল। এর অশুভ প্রভাব কাটাতে কিছু তুকতাক-ও আমাদের জানা, যেমন এই অশুভ প্রভাব কাটানোর জন্য কেউ কেউ রাস্তায় বাঁ দিকে থুতু ফেলে আবার যাত্রা শুরু করেন। দীর্ঘকাল ধরে এই কুসংস্কার / অন্ধ-বিশ্বাস মানুষের মনে গেঁথে আছে। আবার বিড়ালের রঙ যদি কালো হয়, আর্থাৎ কালো বিড়াল যদি রাস্তা কাটে সেটা আরও ভয়ংকর অশুভ বলে মনে করেন অনেকে।এই অন্ধ-বিশ্বাস বা কুসংস্কার গড়ে ওঠার পিছনে কি কি কারণ থাকতে পারে তার পর্যালোচনা করেছেন কখনও? এর পিছনে কি আদৌও কোনও বিজ্ঞানসম্মত কারণ আছে? সত্যিই কি বিড়ালের রাস্তা কাটা অশুভ? সে বিষয়টা-ই আজ আমরা জানার চেষ্টা করব।ভারতীয় জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে তিথি নক্ষত্রর প্রভাব অনুযায়ী রাহুকে অশুভ গ্রহ বলে মনে করা হয়। রাহুর প্রভাবে জীবনে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। নানাবিধ দুর্ঘটনার যোগ আসতে পারে রাহুর প্রভাবে। বৈদিক জ্যোতিষ অনুসারে বিড়ালকে রাহুর বাহন বলা হয়। সাধরণ ভাবে রাহুকে আমরা একটু সমঝে চলি, ঠিক সেই কারণেই বিড়াল পথ কাটলে রাহুর ভয়ে তা অশুভ বলে মনে করা হয়। কারণ বিড়ালে পথ কাটছে মানে সেখানে রাহুর কু-প্রভাব রয়েছে। সেই প্রভাবে দুর্ঘটনা হতে পারে।অন্যদিকে সনাতন হিন্দু ধর্ম অনুসারে ধন-সম্পদের অধিষ্ঠাত্রী দেবী হলেন লক্ষ্মী। আর অলক্ষ্মী হলেন দেবী লক্ষ্মীর বোন। দেবী অলক্ষ্মীকে সাধরণ ভাবে গরীবের দেবী বলা হয়ে থাকে। সাধারনত দীপাবলির সময় অমাবস্যাতে কালীপুজোর রাতে দেবী অলক্ষ্মীর পুজা হয়। বিড়ালকে আবার দেবী অলক্ষ্মীর বাহন বলেও মনে করা হয়। তাই বিড়ালকে মনে করা হয় অশুভ সংকটের প্রতীক। অদ্ভুত ভাবে দীপাবলির দিন ঘরে বিড়ালের প্রবেশকে আবার খুব শুভ বলে মনে করা হয়। এই বিশেষ দিন ঘরে বিড়াল প্রবেশ করলে তার সঙ্গে সমৃদ্ধির আগমন ঘটে বলে মনে করেন কু-সংস্কারাচ্ছন্ন মানুষজন।দেবী মাঙ্গাম্মার মন্দিরভারতের দক্ষিণের রাজ্য কর্নাটকের মাণ্ড্য জেলার অবস্থিত বেক্কালালে গ্রামের মানুষজন বিড়ালকে খুব শুভ বলে মনে করে। সেখানে এক মন্দিরে বিড়ালকে দেবী মাঙ্গামার রূপ হিসাবে পূজা করা হয় এবং বিড়ালদের জন্য নিবেদিত তিনটি মন্দির স্থাপন করা আছে। স্থানীয় স্যত্রে জানা যায়, প্রায় ১,০০০ বছর আগে এর প্রচলন শুরু হয়েছিল। স্থানীয় মানুষজনের বিশ্বাস, তাদের প্রধান দেবতা দেবী মাঙ্গামা একটি বিড়ালের রূপ ধারণ করে বেক্কালালে গ্রামে প্রবেশ করেছিলেন এবং তাদের রক্ষাকর্তা হিসাবে অবস্থান করেছিলেন, গ্রামটিকে সমস্ত খারাপ দৃষ্টি থেকে রক্ষা করেছিলেন। স্থানীয় এক পুরোহিত বলেন, দেবী মাঙ্গামা আমাদের পূর্বপুরুষদের কাছে বিড়ালরূপে আবির্ভূত হয়েছিলেন। দেবী তাদের ঐশ্বরিক ক্ষমতা দেখানোর পরে অদৃশ্য হয়ে গেলেন এবং অদৃশ্য হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে একটি মাটির স্তূপ তৈরি হয়ে গেল। সেই ঘটনার পরেই, আমাদের পূর্বপুরুষরা গ্রামের মধ্যে এবং আশেপাশে দেবতার অস্ত্বিত্ব অনুভব করেছিলেন এবং একটি বিড়ালের আকারে দেবী মাঙ্গামাকে পূজা করতে শুরু করেছিলেন। আমাদের জন্য, বিড়ালরা জীবন্ত দেবী এবং আমরা তাদের শ্রদ্ধা করি, এখানে বেড়াল সাক্ষাৎ দেবতা।প্রাচীন মিশরেও বিড়ালকে দেবী জ্ঞানে আরাধনা করা হত। বাস্টেট, যাকে বাস্টও বলা হয়, প্রাচীন মিশরীয় দেবীরূপে প্রথমে একটি সিংহি এবং পরবর্তীকালে একটি বিড়ালের আকারে পূজা করা হত। রে এর কন্যা, সূর্য দেবতা ও বাস্টেট ছিলেন প্রাচীন মিশরীয় দেবতা। ভারত-সহ বিশ্বের আরও অনেক দেশেই বিড়ালকে ঘিরে বেশ কিছু শুভ ও অশুভ ধারনা প্রচলিত আছে। বিড়ালের কান্নাকেও অনেকে অশুভ বলে মনে করেন। আশপাশে কখনও বিড়াল কান্না করলে বাড়িতে কোনও বিপদ আসন্ন বলে প্রচলিত বিশ্বাস।রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ডঃ সুভাষচন্দ্র দত্তজনতার কথার পক্ষ থেকে কিছু বিজ্ঞান মনস্ক মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল, তাঁদের সকলেরই মোটামুটি একই মত। বর্ধমান শহরের রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ডঃ সুভাষ চন্দ্র দত্ত জনতার কথাকে বলেন, বিড়াল রাস্তা কাটলেই দূর্ঘটনা অবশ্যম্ভাবী এরকমটা ভাবার ভিতরে কোনও বিজ্ঞানসম্মত কারণ নেই। তবে আমাদের বিশেষ করে যারা দু-চাকার যান ব্যবহার করি তাঁদের প্রত্যেককেই আকারে বড় যেকোনো জীব-জন্তুর থেকেই সাবধানে থাকা উচিত। সেটা বিড়াল, কুকুর, শিয়াল, গরু যেকোনো ধরনের জীবজন্তু হতে পারে। এছাড়া অনেক সময় দেখা যায় বিড়ালকে তারা করে পিছনে দ্রুত গতিতে কুকুর আসতে পারে, ফলে দুচাকার যানের দুর্ঘটনা অবশ্যম্ভাবী। তিনি আরও জানান, সাধারনভাবে কালো রঙকে আমরা অশুভ বলেই গন্য করি। কোনও শুভ অনুষ্ঠানে কালোকে আমরা বর্জন করে থাকি। তাই কালো বিড়ালকে বেশি অশুভ বলে মনে করা হয়। আমার ব্যাক্তিগত মত, কালো অনেক রঙয়ের থেকে বেশী আকর্ষনীয় ও ব্যক্তিত্বপূর্ণ। যেকনো রঙ্গের বিড়ালের থেকে কালো বিড়ালকে আনেক বেশি ভয়ংকর লাগে। তাই হয়ত সেই ভয় থেকেই এই কুসংস্কারের জন্ম।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌T20 World Cup : বিশ্বকাপে সুপার ১২–র ছাড়পত্র!‌ অভিষেকেই চমক নামিবিয়ার

ক্রেগ ইয়ংয়ের বলে ডেভিড উইসের শট এক্সট্রা কভার দিয়ে বাউন্ডারি লাইনে আছড়ে পড়তেই বিজয়োৎসবে মেতে উঠলেন নামিবিয়ার ক্রিকেটাররা। প্রত্যেকের চোখে জল। আবেগে ভেসে যাচ্ছেন সবাই। এটাই তো স্বাভাবিক। টি২০ বিশ্বকাপের সুপার ১২র ছাড়পত্র যে এসে গেছে। পরপর দুটি ম্যাচ জিতে ইতিহাসের পাতায় ঢুকে পড়ল ছোট্ট দেশ নামিবিয়া। টি২০ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খুব বেশিদিন অভিষেকও হয়নি, ২০১৯ সালের ২০ মে প্রথম টি২০ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলার সুযোগ। সেই দেশ এবার লড়াই করবে ভারত, পাকিস্তানের মতো শক্তিধর দেশগুলির সঙ্গে। প্রথম রাউন্ডে গ্রুপ এর প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কার কাছে হারতে হয়েছিল নামিবিয়াকে। আগের ম্যাচে হল্যান্ডের বিরুদ্ধে জয়। শুক্রবার আয়ারল্যান্ডকে ৮ উইকেটে উড়িয়ে ২০২১ টি২০ বিশ্বকাপের সুপার ১২এর ছাড়পত্র। এই প্রথম টেস্ট খেলিয়ে দেশের বিরুদ্ধে প্রথম জয় পেল নামিবিয়া।গ্রুপে দ্বিতীয় হওয়ায় সুপার ১২তে ২ নম্বর গ্রুপে খেলবে নামিবিয়া। এই গ্রুপের অন্য দেশগুলি হল ভারত, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড, আফগানিস্তান, স্কটল্যান্ড। অন্যদিকে, গ্রুপ ১য়ে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশ। তুলনামূলকভাবে গ্রুপ ২ সহজতর। দুটি গ্রুপ থেকে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স সেমিফাইনালে উঠবে। আয়ারল্যান্ডের সামনেও সুযোগ ছিল সুপার ১২এ যাওয়ার। সেক্ষেত্রে তাদের জিততেই হত। অন্যদিকে, নামিবিয়ার সামনেও জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ১২৫/৮ রানের বেশি তুলতে পারেনি আয়ারল্যান্ড। সর্বোচ্চ রান করেন ওপেনার পল স্টার্লিং (২৪ বলে ৩৮)। কেভিন ওব্রায়েন করেন ২৫ এবং অধিনায়ক অ্যান্ডি ব্যালবির্নি ২১। এই তিনজন ছাড়া আর কোনও ব্যাটার দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছায়নি। জান ফ্রাইলিঙ্ক ৪ ওভারে ২১ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট দখল করেন। ডেভিড উইসে ৪ ওভারে ২২ রান দিয়ে ২টি উইকেট নেন। ব্যাট করতে নেমে ১৮.৩ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ১২৬ রান তুলে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় নামিবিয়া। ৪৯ বলে ৫৩ রান করে অপরাজিত থাকেন অধিনায়ক জেরার্ড এরাসমাস। ১৪ বলে ২৮ রান করে অপরাজিত থাকেন উইসে। ওপেনার ক্রেগ উইলিয়ামস (১৫) ও জেন গ্রিন (২৪)-এর উইকেট দুটি নেন কার্টিস ক্যাম্ফার। এরাসমাস ও উইসের অবিচ্ছেদ্য জুটিতে ওঠে ৫৩ রান। ম্যাচের সেরা হয়েছেন ডেভিড উইসে।

অক্টোবর ২২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL Final : মধুর প্রতিশোধ, ২০১২–র বদলা নিয়ে আইপিএল চ্যাম্পিয়ন চেন্নাই সুপার কিংস

গতবছর আইপিএলের প্লে অফেই যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি চেন্নাই সুপার কিংস। এবছর দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন। শুরু থেকেই ছন্দ ধরে রেখে ফাইলানে। তারা যে ফ্লুকে ফাইনালে ওঠেনি, প্রমাণ করে দিল ধোনি ব্রিগেড। কলকাতা নাইট রাইডার্সকে ২৭ রানে হারিয়ে আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন চেন্নাই সুপার কিংস। ২০১২ সালে ফাইনালের হারের মধুর প্রতিশোধ। এই নিয়ে ৪ বার আইপিএল শিরোপা জিতল চেন্নাই। আইপিএল ফাইনালে নতুন কীর্তি মহেন্দ্র সিং ধোনির। অধিনায়ক হিসেবে ৩০০তম টি২০ ম্যাচে মাঠে নেমে দলকে খেতাব এনে দিলেন। তাঁর নেতৃত্বে ৪ বার চ্যাম্পিয়ন হল চেন্নাই। এবছর আইপিএলে ৬ ম্যাচে রান তাড়া করতে নেমে ৬টি ম্যাচেই জিতেছিল চেন্নাই সুপার কিংস। তাই হয়তো বিপক্ষকে রান তাড়া করার সুযোগ দেননি কলকাতা নাইট রাইডার্স অধিনায়ক ইওয়িন মর্গ্যান। তাছাড়া তাঁর দল যেভাবে রান তাড়া করে পরপর ম্যাচ জিতেছে, তাতে আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়েছে। রাতের দিকে শিশিরের কথাও তিনি মাথায় রেখেছিলেন। তাই হয়তো ফাইনালে টস জিতে চেন্নাই সুপার কিংসকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন নাইট ক্যাপ্টেন। প্রথমে ব্যাট করার সুযোগ পেয়ে নিজেদের মেলে ধরেন চেন্নাই সুপার কিংসের দুই ওপেনার ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ফাফ ডুপ্লেসি। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে দুজনে তোলেন ৫০। ওপেনিং জুটিতে ৮ ওভারের ওঠে ৬১। জুটি ভাঙেন সুনীল নারাইন। তঁার বলে শিবম মাভির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। ২৭ বলে তিনি করেন ৩২। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান রবিন উথাপ্পা ও ফাফ ডুপ্লেসি। ঝড় তুলে ১৫ বলে ৩১ রান করে সুনীল নারাইনে বলে আউট হন উথাপ্পা। ঋতুরাজ, উথাপ্পা আউট হলেও মনসংযোগে চিড় ধরেনিই ডুপ্লেসির। শুরুর দিকে যেমন ইনিংস গড়ার দিকে মন দিয়েছিলেন, ডেথ ওভারে ঝড় তোলেন। তাঁর ঝড়েই উড়ে গেলেন লকি ফার্গুসনরা। ডুপ্লেসিকে যোগ্য সহায়তা দেন মঈন আলি। ডেথ ওভারে এই দুজনের দাপটে দিশেহারা হয়ে পড়েন নাইট বোলাররা। শেষ ৫ ওভারে চেন্নাই তোলে ৬১। ডুপ্লেসি ও মঈনে জুটিতে ৩৯ বলে ওঠে ৬৮। ইনিংসের একেবারে শেষ বলে আউট হন ডুপ্লেসি। ৫৯ বলে ৮৬ রান করেন তিনি। অন্যদিকে মঈন ২০ বলে ৩৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে চেন্নাই তোলে ১৯২/৩। ইওয়িন মর্গ্যানের লক্ষ্য ছিল কম রানে চেন্নাইকে বেঁধে রেখে জয় তুলে নেওয়া। কিন্তু তাঁর সেই পরিকল্পনায় জল ঢেলে দেন চেন্নাইয়ের টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানরা। তবে সামনে বড় রানের লক্ষ্য দেখেও ঘাবড়ে যাননি নাইট রাইডার্সের দুই ওপেনার। দলকে ফাইনালে তোলার কৃতিত্ব দাবি করতেই পারেন শুভমান গিল ও বেঙ্কটেশ আয়ার। ফইনালেও দুর্দান্ত শুরু করেছিলেন নাইটদের দুই ওপেনার। ওপেনিং জুটিতে ৯১ তুলে চাপ বাড়িয়ে দিয়েছিলেন চেন্নাই শিবিরের ওপর। এই সময় বেশ দিশেহারা লাগছিল চেন্নাই অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনিকে। শার্দূল ঠাকুর বল করতে এসে ক্যাপ্টেনকে চাপমুক্ত করেন। একাদশতম ওভারের চতুর্থ বলে বেঙ্কটেশ আয়ারকে (৩২ বলে ৫০) তুলে নিয়ে নাইটদের প্রথম ধাক্কা দেন। এক বল পরেই ফেরান নীতীশ রানাকে (০)। এক বলের ব্যবধানে উইকেট হারানোর ধাক্কা সামলাতে পারেনি নাইটরা। সুনীল নারাইনকে (২) তুলে নিয়ে নাইটদের ওপর আরও চাপ বাড়িয়ে দেন জস হ্যাজেলউড। এরপর শুভমান গিলকে (৪৩ বলে ৫১) দীপক চাহার ফেরাতেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে নাইটদের মিডল অর্ডার। পরপর ফিরে যান দীনেশ কার্তিক (৯), সাকিব আল হাসান (০), রাহুল ত্রিপাঠী (২), ইওয়িন মর্গ্যান (৪)। লকি ফার্গুসন (১১ বলে অপরাজিত ১৮) ও শিবম মাভি (১৩ বলে ২০) কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও জেতার জন্য যথেষ্ট ছিল না। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৬৫/৯ রানে থেমে যায় নাইটদের ইনিংস। ৩৮ রানে ৩ উইকেট নেন শার্দূল ঠাকুর। হ্যাজেলউড ও রবীন্দ্র জাদেজা ২টি করে উইকেট নেন। ২০১২ সালের পুনরাবৃত্তি হল না। মর্গ্যান ব্রিগেডকে ২৭ রানে হারিয়ে ২০১২ সালের ফাইনালের হারের মধুর প্রতিশোধ নিল চেন্নাই।

অক্টোবর ১৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Super Dancer 4 : সুপার ড্যান্সার ৪ এর চ্যাম্পিয়ন ফ্লোরিনা

সুপার ডান্সার ৪ শেষ হয়ে গেল। ট্রফি জিতলেন অসমের ছোট্ট মেয়ে ফ্লোরিনা গগোই। সুপার ডান্সারের তিন বিচারক শিল্পা শেট্টি, গীতা কাপুর, অনুরাগ বসু মন জয় করে নিল ফ্লোরিনা। তাঁর জয়ে খুশি গোটা সেট।ট্রফির পাশাপাশি সোনি এন্টারটেনমেন্ট টেলিভিশনের পক্ষ থেকে ফ্লোরিনার হাতে তুলে দেওয়া হয় ১৫ লাখ টাকার চেক। ৫ লাখ টাকা দেওয়া হয় ফ্লোরিনার কোরিওগ্রাফার গুরু তুষার শেট্টিকে। কর্ণাটকের বেলগমের পৃথ্বীরাজ দ্বিতীয় হয়েছেন। পঞ্জাবের সঞ্চিত চান্না হয়েছেন তৃতীয়। আর মধ্যপ্রদেশের নীরজা তিওয়ারি রয়েছেন চতুর্থ পজিশনে। তাঁদের সকলকে পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয়েছে ১ লাখ।সঙ্গে সুপার ডান্সার ৪র পাঁচ ফাইনালিস্টই পেয়ে গিয়েছেন একটি করে এয়ার পিউরিফায়ার ও শো-র পার্টনার ব্যাঙ্কের থেকে ৫০ হাজার টাকার ফিক্সড ডিপোজিট। সুপার ডান্সার ৪র বিজেতা ঘোষিত হওয়ার পর ফ্লোরিনা জানান, আমি জানি না আমার কি বলা উচিত। আমার খুব আনন্দ হচ্ছে। আমাকে যারা ভোট দিয়েছে আর ভালোবাসা দিয়েছে সকল দর্শকদের ধন্যবাদ জানাই। তুষার ভাইয়াকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ আমার ওপর বিশ্বাস রাখার জন্য আর আমাকে শেখানোর জন্য। সুপার ডান্সার আমায় অনেক নতুন নতুন বন্ধু দিয়েছে। এর পরেও আমি নাচ করে যেতে চাই আর নতুন নতুন ডান্স ফ্রম শিখতে চাই।

অক্টোবর ১০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL 2021: চূড়ান্ত ধারাবাহিকতা দেখিয়ে প্লে অফ নিশ্চিত করল চেন্নাই সুপার কিংস

এক নম্বরের সঙ্গে লিগ টেবিলে শেষে থাকা দলের লড়াই। শীর্ষে থাকা দলই যে ফেবারিট সে কথা বলাই বাহুল্য। প্রত্যাশামতোই সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ৬ উইকেটে হারিয়ে প্লে অফ নিশ্চিত করল চেন্নাই সুপার কিংস। আর কোনও জটিল সমীকরণ প্লে অফ থেকে ছিটকে দিতে পারবে না ধোনি ব্রিগেডকে। ১১ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট পেয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে রইল চেন্নাই সুপার কিংস। টস জিতে এদিন সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন চেন্নাই সুপার কিংস অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে হারানোর কিছু ছিল না। শুধু নিজেদের প্রমান করার তাগিদ। সেই প্রমান করার ম্যাচেও জ্বলে উঠতে ব্যর্থ হায়দরাবাদের ব্যাটসম্যানরা। একমাত্র ব্যতিক্রম ঋদ্ধিমান সাহা। তিনি রুখে না দাঁড়ালে লড়াই করার মতো জায়গায় পৌঁছতে পারত না সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। চতুর্থ ওভারেই তারা প্রথম উইকেট হারায়। আগের ম্যাচে রান পাওয়া জেসন রয় এদিন মাত্র ২ রান করে জস হ্যাজেলউডের বলে আউট হন। অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনও (১১) এদিন ব্যর্থ। প্রিয়ম গর্গ করেন ৭। ৪৬ বলে ৪৪ রান করে রবীন্দ্র জাদেজার বলে ধোনির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ঋদ্ধিমান। অভিষেক শর্মা ও আব্দুল সামাদ দুজনেই করেন ১৮। রশিদ খান ১৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৩৪ রান তোলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। জস হ্যাজেলউড ২৪ রানে ৩টি এবং ডোয়েন ব্র্যাভো ১৭ রানে ২ উইকেট নেন।চেন্নাইয়ের যা ব্যাটিং শক্তি তাতে ১৩৫ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন হওয়ার কথা ছিল না। তার উপর দূর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন চেন্নাইয়ের টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানরা। বিশেষ করে ওপেনার ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের কথা বলতে হবে। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখলেন। ওপেনিং জুটিতে ফাফ ডুপ্লেসির সঙ্গে তোলেন ৭৫। ৩৮ বলে ৪৫ রান করে জেসন হোল্ডারের বলে ঋতুরাজ আউট হন। ১৭ বলে ১৭ রান করে রশিদ খানের বলে বোল্ড হন মঈন আলি। ৩৬ বলে ৪১ রান করে হোল্ডারের বলে আউট হন ডুপ্লেসি। সুরেশ রায়নাও (২) হোল্ডারের শিকার। এরপর দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন অম্বাতি রায়ুডু (অপরাজিত ১৭) ও ধোনি (১১)। ১৯.৪ ওভারে ৪ উইকেটে ১৩৯ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় চেন্নাই।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১
রাজ্য

Superi Killers: আউশগ্রামে তৃণমূল যুবনেতাকে খুনে ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই সুপারি কিলার

সুপারি কিলারদের দিয়ে তৃণমূল নেতাকে খুনের আশঙ্কাই শেষপর্যন্ত সত্যি হল। পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের দেবশালা অঞ্চলের তৃণমূল যুবনেতা চঞ্চল বক্সীকে খুনের ঘটনায় অবশেষে পুলিশের জালে ধরা পড়লো দুই সুপারি কিলার। ধৃতরা হল মহম্মদ ইমরান কুরেশি ও শেখ শের আলি। ধৃতদের মধ্যে ইমরানের বাড়ি দুর্গাপুরের ডিভিসি মোড়ের কাছে ভবানীপল্লিতে। আর অপর ধৃত শের আলির বাড়ি বীরভূম জেলার দুবরাজপুর এলাকায়। খুনের ঘটনার মূল চক্রী আসানুল মণ্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আউশগ্রাম থানার পুলিশ দুই সুপারি কিলারের নাম জানতে পারে। তারপরেই শুক্রবার আউশগ্রাম থানার পুলিশ দুই দলে ভাগ হয়ে দুর্গাপুর ও বীরভূমের সাঁইথিয়ায় হানা দিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।পুলিশের দাবি, ধৃতরা তৃণমূলের যুব নেতা চঞ্চল বক্সিকে খুনের কথা কবুল করেছে। তৃণমূলের যুব নেতাকে খুনের ঘটনায় এই নিয়ে আট জন গ্রেপ্তার হল। গত বৃহস্পতিবার পুলিশের জালে ধরা পড়েছিল বিহারের মুঙ্গেরের দুই অস্ত্রকারবারী মহম্মদ ইনতিয়াজ ও মহম্মদ পাপ্পু। ঝাড়খণ্ডে ধরা পড়া এই দুই অস্ত্র কারবারী তৃণমূলের যুব নেতাকে খুনে ব্যবহৃত আগ্নেআস্ত্র সরবরাহ করেছিল বলে পুলিশ জানতে পেরেছে। শনিবার ধৃতদের বর্ধমান আদালতে পেশ করে পুলিশ তদন্তের প্রয়োজনে ১২ দিন নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায়। সিজেএম ধৃতদের ৮ দিন পুলিশি হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, গত ৭ সেপ্টেম্বর গেরাই থেকে বাড়ি ফেরার পথে দুস্কৃতীদের হাতে গুলিতে খুন হন দেবশালা পঞ্চায়েতের প্রধান শ্যামল বক্সির ছেলে তৃণমূল কংগ্রেসের যুব নেতা চঞ্চল বক্সি। দুই বর্ধমান জেলার পুলিশ সিট গঠন করে এই খুনের তদন্ত শুরু করে পুলিশ। এক সপ্তাহের মধ্যেই পুলিশ গ্রেফতার করে দেবশালা অঞ্চল যুব তৃণমূল সভাপতি তথা পঞ্চায়েতের সদস্য আসানুর মণ্ডলকে। ধরা পড়ে দেবশালা পঞ্চায়েতের সদস্য মনির হোসেন মোল্লা এবং তৃণমূলের দেবশালা অঞ্চল সভাপতির ছেলে বিশ্বরূপ মণ্ডল। তাদের জেরা করে পুলিশ ভাতকুন্ডা গ্রামের আয়ূব খান নামে আরও এক তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতার করে। এরপর ধৃতদের জেরা করে বৃহস্পতিবার পুলিশ ঝাড়খণ্ডের জামতাড়া এলাকা থেকে মহম্মদ পাপ্পু ও মহম্মদ ইমতিয়াজ ওরফে পিন্টু নামে দুই দুস্কৃতীকে গ্রেফতার করে। খুনের পর তারা ঝাড়খণ্ডে গা ঢাকা দিয়েছিল। পুলিশ ধৃতদের জেরা করে দুই সুপারিকিলারকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
রাজ্য

Hospital Waste : দূষণ ছড়ানোয় হাসপাতালের বর্জ্য সুপারের অফিসের সামনে ফেলে দিয়ে পালালো বাসিন্দারা

হাসপাতালের বর্জ্য থেকে ছড়ানো দূষণে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন বাসিন্দারা। প্রতিবাদ স্বরূপ তাঁরাই ওই বর্জ্য তুলে এনে ফেলে দিলেন হাসপাতাল সুপারের অফিসের সামনে। অতিমারি সময়কালে দূষণ নিয়ে এলাকার বাসিন্দাদের এমন প্রতিবাদ ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া মহকুমা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মহলে। বিষয়টি নিয়ে হাসপাতাল সুপার বৃহস্পতিবার কাটোয়া থানার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। বর্জ্য সাফ করা নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কি ব্যবস্থা এরপর নেয় সেদিকেই এখন তাকিয়ে বাসিন্দারা।কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে মৃতদেহ রাখার ঘরের পিছন দিকে সাইকেল স্ট্যান্ডের কাছেই রয়েছে হাসপাতালের বায়ো মেডিকেল ওয়েষ্টেজ(বর্জ্য) ফেলার নির্দিষ্ট জায়গা। ছাউনি দিয়ে ঘেরা ওই জায়গায় রয়েছে ঢাকনা দেওয়া পাত্র।সেখানেই হাসপাতালের যাবতীয় বর্জ্য সামগ্রী ফেলার কথা। ওই আবর্জনা পরিষ্কারের জন্য একটি এজেন্সিকে দায়িত্বও দেওয়া রয়েছে। কাটোয়া মহকুমা হাসপাতাল লাগোয়া এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, হাসপাতালে ওয়েষ্টেজ কালেকশন সেন্টারে জমা হওয়া আবর্জনা দীর্ঘদিন পরিষ্কার করা হয়নি। তার করণে ঢাকনা দেওয়া পাত্র ছাপিয়ে গিয়েছে হাসপাতালের বায়োমেডিকেল ওয়েষ্টেজে। বর্তমানে ওই সমস্ত বর্জ্য বাইরে স্তুপাকার হয়ে রয়েছে। অতিমারির সময়কালে হাপাতালের ওইসব বর্জ্য থেকে দূর্গন্ধ ছড়ানোর পাশাপাশি দূষণও ছড়াচ্ছে। এছাড়াও কাক ও কুকুর ওইসব বর্জ্য মুখে করে তুলে নিয়ে গিয়ে হাসপাতাল লাগোয়া বাসিন্দাদের বাড়িতে নিয়েনিয়ে গিয়েও ফেলছে। ওইসব বর্জ্য থেকেও রোগ সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আতঙ্ক তৈরি হয়েছে বাসিন্দা মহলে।বাসিন্দারা দাবি করেন বিষয়টি নিয়ে তাঁরা বার বার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন।কিন্তু কোন কাজ হয়নি। দূষণের কারণে অতিষ্ঠ হওয়া এলাকার প্রতিবাদিরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের টনক নড়াতে বুধবার রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ বেশ কিছু ওই বর্জ্য তুলে এনে সুপারের অফিস ঘরের সামনে ফেলেদিয়ে চলে গায়েব হয়ে যান। তখন যদিও হাসপাতাল সুপার ধীরাজ রায় অফিসে ছিলেন না। হাসপাতাল কর্মীদের কাছ থেকে ঘটনার কথা জানতে পেরে তিনি ক্ষুব্ধ হন। এদিন বিষয়টি নিয়ে সুপার কাটোয়া থানার পুলিশেরও দৃষ্টি আকর্ষণও করেছেন বলে খবর। হাসপাতাল সুপার ধীরাজ রায় এদিন বলেন, হাসপাতালের বর্জ্য সময়মতো তুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য যে এজেন্সি রয়েছে তারা ঠিকঠাক দায়িত্ব পালন করবেন বলেই আশ্বাস দিয়েছিল। একই সঙ্গে সুপার বলেন, তাঁর অফিসের সামনে যারা আবর্জনা ফেলে দিয়ে গিয়েছে তাঁদের চিহ্নিত করে থানায় লিখিত অভিযোগ জানাবেন।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

সম্পাদকীয়

ক্ষমতার শীর্ষ থেকে অনিশ্চয়তার কিনারায়, মমতা-অভিষেকের সামনে কঠিন প্রশ্ন

দেহপট সনে নট সকলি হারায় মঞ্চে বা পর্দায় যে নট-নটিরা অসংখ্য মানুষের চোখের পর্দায় বিচরণ করেন তাঁদের সম্পর্কে কবির এই নিদান। গ্ল্যামারের ছটায় যে সাফল্য আসে নট-নটিদের, তার জনমোহিনী আকর্ষণ শরীরে বয়স থাবা বসানোর সঙ্গে সঙ্গে অতি দূরের নির্জন দ্বীপের চেহারা নেয়। তবে, রাজনীতির মঞ্চে কালের এই নিয়ম আলাদা। সেখানে বয়স নয়, ক্ষমতার মসনদ ই মাপকাঠি হয়ে দাঁড়ায়। ক্ষমতার মসনদের উপরে ও নিচে কোথায় অবস্থান তা নির্দিষ্ট করে দেয় খেলার নিয়ম। এই মুহূর্তে এই অনুভব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে বেশি কেউ বুঝছেন না। শুধু ক্ষমতা হারানো নয় ১৯৯৮ সালে যে দলটা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সেই দলটাই তাঁর মুঠোয় আর থাকবে কি না সেই প্রশ্ন ই এখন সামনে এসে দাঁড়িয়েছে মমতার। ভারতীয় রাজনীতির ইতিহাস বলছে ব্যক্তি নির্ভর দলের বোধহয় এটাই ভবিতব্য। ইংরেজিতে একটা কথা আছে nothing succeeds like success। নতুন দল তৈরির পর থেকেই সাফল্যের মুখ দেখেননি মমতা। ধীরে ধীরে রাজ্যের বিরোধী পরিসরে তিনি জায়গা পেয়েছেন। অবশেষে, সিঙ্গুর, নন্দীগ্রাম পর্ব পেরিয়ে ২০০৮ এর পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকে ক্ষমতার বিন্দুর দিকে যাত্রা শুরু হয় মমতার। ২০০৯ এর লোকসভা, ২০১০ এর পুরসভা ও পৌরসভার নির্বাচন এর পরপর ২০১১ এর বিধানসভা নির্বাচনে সেই বিন্দুর স্পর্শ পেয়েছেন তিনি। তারপরে তো দল এবং সরকারে তিনিই ছিলেন শেষকথা। ক্ষমতায় থাকার জন্য দলের সাংগঠনিক কাঠামোকে মজবুত করতে নিচুতলার কর্মী থেকে নেতা - মন্ত্রীদের বেপরোয়া ক্ষমতার ব্যবহার ও দূর্নীতিকে প্রশ্রয় দিয়েছেন। অন্যদিকে, দলে তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে অভিষেক বন্দোপাধ্যায়কে প্রতিষ্ঠিত করতে একের পর এক ঘুঁটি সাজিয়েছেন। এই সবই ছিল ক্ষমতার মসনদে বসে থাকাকালীন সময়ের ঘটনা প্রবাহ। কিন্তু, ২০২৬ সালের ৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল বেরোনোর পরে পরিস্থিতি আমূল বদলে গিয়েছে। দলের টিকিটে ল্যাম্পপোস্ট দাঁড় করালেও মমতার নামে তিনি বৈতরণী পেরিয়ে যাবেন - দলের মধ্যে এই যে myth তৈরি হয়েছিল তা আজ অতীত। এখন তো তাঁর নামে একটি কর্মসূচিতেও দলের নেতা কর্মীদের দূরবীন দিয়ে খুঁজতে হবে। এই পরিস্থিতিতে আমার মনে হয় মমতার থেকে ও অনেক অনেক বেশি কঠিন কঠোর বাস্তব এসে দাঁড়িয়েছে অভিষেকের সামনে। মমতার পক্ষে তাঁকে ব্রাত্য করা অসম্ভব হলেও দলের নেতা, বিধায়ক, কর্মীদের কাছে নয়। কারণ অভিষেক দলের মধ্যে যেখানে ছিলেন তা তাঁর রাজনৈতিক পরিশ্রমের ফল নয়। ক্ষমতার সোপানে পা রেখেই তাঁর যাত্রা শুরু। দলের নেতা, বিধায়ক ও কর্মীদের তা অজানা নয়। ফলে এখন পরীক্ষা অভিষেকের। এতদিন তিনি digital space এ রাজনীতি করে এসেছেন, এবার নামতে হবে রাজনীতির রুক্ষ মাঠে, রাস্তায়। এই রাস্তা, মাঠে তাঁর জন্য কোন বাস্তব অপেক্ষা করে আছে তা তিনি আঁচ পেয়েছেন সোনারপুরের রাস্তায়। তিনি কি দলের ভাঙন ঠেকাতে পারবেন? সাফল্যের নিচে যে অন্ধকার থাকে তার সঙ্গে কি মানিয়ে চলতে পারবেন? দলের মধ্যে যাঁরা মাঠে - ময়দানে লড়াইতে, অভিজ্ঞতায় তাঁর থেকে এগিয়ে রয়েছেন তাঁদের সঙ্গে পা মেলাতে পারবেন? এইগুলোই এখন দাঁড়িয়ে রয়েছে কালীঘাট ও হরিশ মুখার্জি রোডের দরজায়।

জুন ০৯, ২০২৬
রাজ্য

মমতার হাত ছেড়ে শুভেন্দুর মঞ্চে দেব! কোলাঘাটে দেখা যেতেই তুঙ্গে জল্পনা

রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমশ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক সাংসদ এনডিএ শিবিরে যোগদানের ইচ্ছা প্রকাশ করার পর থেকেই নতুন সমীকরণ নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এই আবহেই কোলাঘাটে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিলেন ঘাটালের সাংসদ দেব, যা ঘিরে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।সোমবার তৃণমূলের উনত্রিশ জন সাংসদের মধ্যে কুড়ি জন একসঙ্গে লোকসভার স্পিকারের কাছে চিঠি দিয়েছেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়। সেই বিদ্রোহী সাংসদদের তালিকায় দেবের নামও উঠে আসে। এর পরদিনই তাঁকে দেখা যায় কোলাঘাটের প্রশাসনিক বৈঠকে।মঙ্গলবার পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম জেলার প্রশাসনিক কাজকর্ম পর্যালোচনা করতে কোলাঘাটের বলাকা মঞ্চে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে বিভিন্ন সরকারি আধিকারিক, সাংসদ এবং বিধায়কেরা উপস্থিত ছিলেন। জুন মালিয়া-সহ একাধিক পরিচিত রাজনৈতিক মুখও ছিলেন সভায়।বেলা প্রায় বারোটা নাগাদ সভাস্থলে পৌঁছন দেব। মুখ্যমন্ত্রীর পর তিনিই শেষের দিকে মঞ্চে প্রবেশ করেন এবং মূল মঞ্চেই আসন গ্রহণ করেন। তাঁর উপস্থিতি স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলের নজর কেড়েছে।সভায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার একাধিক সাংসদ ও বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন। মূল মঞ্চে দেবের পাশাপাশি বসেছিলেন সৌম্যেন্দু অধিকারী, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এবং জুন মালিয়া।রুপোলি পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা দেবের রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরেই। ঘাটাল কেন্দ্র থেকে একাধিকবার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। একসময় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছাও প্রকাশ করেছিলেন। তবে পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনা করে সেই সিদ্ধান্ত বদলান।সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনের সময়ও তৃণমূলের প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা নিতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। বিভিন্ন প্রচারসভায় অংশগ্রহণ করেছিলেন তিনি। তবে নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর বিজেপির জয়ের জন্য সামাজিক মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানানো পোস্ট নিয়েও যথেষ্ট আলোচনা হয়েছিল।এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে দেবের উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। যদিও এই বিষয়ে দেবের পক্ষ থেকে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে তাঁর এই উপস্থিতি শুধুই প্রশাসনিক বৈঠকের অংশ, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে, তা নিয়েই এখন জোর চর্চা চলছে।এদিন ঝাড়গ্রাম জেলা প্রশাসনের একাধিক আধিকারিকও প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিতে বাসে করে কোলাঘাটে পৌঁছন। বৈঠকে তিন জেলার উন্নয়নমূলক কাজ এবং প্রশাসনিক বিষয়গুলি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

জুন ০৯, ২০২৬
কলকাতা

ইউনেস্কোর নাম ভাঙিয়ে কোটি টাকার কারবার? প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনকে ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ

দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে বড় আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠল সঙ্গীতশিল্পী ও প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন এবং তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেনের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে প্রিপুজো প্রদর্শনীর টিকিট বিক্রি করে বিপুল অঙ্কের অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে। এই ঘটনায় বউবাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন আন্তর্জাতিক পর্যটন সংক্রান্ত পরামর্শদাতা জয়দীপ মুখোপাধ্যায়।অভিযোগকারী জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের দাবি, দুই হাজার বাইশ সালে একটি সংস্থা তৈরি করা হয়, যার প্রধান ছিলেন মধুছন্দা সেন। সেই সংস্থার পক্ষ থেকে প্রচার করা হয় যে ইউনেস্কো তাদের সহযোগী সংস্থা হিসেবে যুক্ত রয়েছে। পাশাপাশি দাবি করা হয়, কলকাতার চব্বিশটি দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কো বিশেষভাবে নির্বাচন করেছে। কিন্তু পরে জানা যায়, এই দাবির কোনও সত্যতা নেই।জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের অভিযোগ, ইউনেস্কোর নাম ও প্রতীক ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়েছিল। তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে তিনি ইউনেস্কোর প্যারিস এবং দিল্লি অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে ইউনেস্কোর পক্ষ থেকেও তাঁর সঙ্গে কথা বলা হয়। সেখানে তাঁকে জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট কোনও সংস্থার সঙ্গে ইউনেস্কোর কোনও চুক্তি বা আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক ছিল না।দুই হাজার একুশ সালে বাংলার দুর্গাপুজো আন্তর্জাতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পাওয়ার পরের বছর থেকেই এই কার্যক্রম শুরু হয় বলে অভিযোগ। ওই সংস্থা কলকাতার নির্বাচিত কিছু দুর্গাপুজোর থিম এবং শিল্পকর্ম আগেভাগে প্রদর্শনের আয়োজন করত। সেই প্রদর্শনী দেখার জন্য দর্শকদের কাছ থেকে টিকিটের বিনিময়ে অর্থ নেওয়া হত। অভিযোগ, এই পুরো আয়োজনকে ইউনেস্কোর যৌথ উদ্যোগ বলে প্রচার করা হয়েছিল।জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের আরও দাবি, গত তিন বছরে এই টিকিট বিক্রি থেকে কোটি কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, বিভিন্ন পুজো কমিটি খুব সামান্য অংশ পেয়েছে, আর বাকি অর্থ সংস্থার কাছে গিয়েছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, যেসব পুজোকে এই সংস্থা বেছে নিত, সেগুলিই পরে বিভিন্ন পুরস্কার এবং বড় স্পনসরশিপ পেত।তবে সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন ইন্দ্রনীল সেন। তাঁর বক্তব্য, অভিযোগকারীকে তিনি চেনেন না এবং তাঁর সঙ্গে কোনও পরিচয়ও নেই। তিনি বলেন, তিনি কোনওদিন কোনও দুর্গাপুজো কমিটির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন না। তাঁর মতে, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি আরও জানান, তাঁর স্ত্রী একজন শিল্পী ও আলোকচিত্রী। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংস্থার সঙ্গে তাঁর কাজের সম্পর্ক রয়েছে। প্রয়োজন হলে তিনি আইনি পদক্ষেপও করবেন বলে জানিয়েছেন।অন্যদিকে অভিযোগকারী জানিয়েছেন, কলকাতা পুলিশের কমিশনার, রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালক এবং বউবাজার থানার কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের সমর্থনে একাধিক নথি এবং তথ্যও তদন্তকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি তাঁর।এই অভিযোগের সত্যতা এখনও তদন্তসাপেক্ষ। তবে প্রাক্তন মন্ত্রীকে ঘিরে ওঠা এই নতুন বিতর্ক ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক মহলে ব্যাপক চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ০৯, ২০২৬
বিদেশ

লাখ ডলারের এইচ-ওয়ান-বি ভিসা ফি বাতিল, আদালতের রায়ে স্বস্তি ভারতীয় কর্মীদের

আমেরিকায় কাজ করতে ইচ্ছুক ভারতীয়দের জন্য বড় স্বস্তির খবর। এইচ-ওয়ান-বি ভিসার জন্য অতিরিক্ত এক লক্ষ ডলারের ফি বাতিল করে দিয়েছে আদালত। বস্টনের একটি জেলা আদালত জানিয়েছে, এই অতিরিক্ত ফি আরোপের সিদ্ধান্ত আইনসম্মত ছিল না। ফলে ট্রাম্প প্রশাসনের নেওয়া সেই সিদ্ধান্ত আর কার্যকর থাকবে না।এই রায়ের ফলে ভারতীয়-সহ বহু বিদেশি কর্মী স্বস্তি পেলেও রাজনৈতিকভাবে অস্বস্তিতে পড়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর আগেও তাঁর একাধিক সিদ্ধান্ত আদালতের প্রশ্নের মুখে পড়েছিল। এবার ভিসা সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও আইনি ধাক্কা খেল।গত বছর ট্রাম্প প্রশাসন ঘোষণা করেছিল, এইচ-ওয়ান-বি ভিসার জন্য আবেদন করতে গেলে আগের তুলনায় অনেক বেশি অর্থ দিতে হবে। আগে বিভিন্ন ফি মিলিয়ে সাধারণত কয়েক হাজার ডলার খরচ হতো। কিন্তু নতুন নিয়মে সেই খরচ এক ধাক্কায় এক লক্ষ ডলার পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল।প্রশাসনের দাবি ছিল, বিদেশি কর্মী নিয়োগ কমিয়ে মার্কিন নাগরিকদের জন্য আরও বেশি চাকরির সুযোগ তৈরি করাই এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য। দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ উঠছিল, অনেক সংস্থা কম বেতনে বিদেশি কর্মী নিয়োগ করছে। এতে স্থানীয় কর্মসংস্থানের উপর প্রভাব পড়ছে বলে মনে করা হচ্ছিল।তবে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয় একাধিক অঙ্গরাজ্য। তাদের দাবি ছিল, এত বড় অঙ্কের ফি নির্ধারণ করার ক্ষমতা এককভাবে প্রেসিডেন্টের নেই। এমন সিদ্ধান্ত নিতে হলে কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন।মামলার শুনানির পর বিচারক জানান, কংগ্রেসের অনুমতি ছাড়া প্রেসিডেন্ট এই ধরনের অতিরিক্ত ফি চাপাতে পারেন না। সেই কারণেই ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে বেআইনি ঘোষণা করে তা বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এই রায়ের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে ভারতীয়দের উপর। কারণ প্রতি বছর এইচ-ওয়ান-বি ভিসা পাওয়া বিদেশিদের মধ্যে ভারতীয়দের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। তথ্যপ্রযুক্তি, প্রকৌশল, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং আর্থিক ক্ষেত্রের বহু দক্ষ ভারতীয় পেশাদার এই ভিসার মাধ্যমে আমেরিকায় কাজ করেন।বর্তমানে প্রতি বছর প্রায় পঁয়ষট্টি হাজার সাধারণ এইচ-ওয়ান-বি ভিসা দেওয়া হয়। এছাড়াও মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য অতিরিক্ত কুড়ি হাজার ভিসার ব্যবস্থা রয়েছে। আদালতের এই রায়ের ফলে আমেরিকায় কাজের সুযোগ খুঁজছেন এমন বহু ভারতীয় পেশাদারের জন্য পথ আরও সহজ হয়ে গেল বলে মনে করা হচ্ছে।

জুন ০৯, ২০২৬
কলকাতা

আর জি কর নিয়ে বিস্ফোরক কল্যাণ! “সত্যি জানলে সিবিআইকে বলুন”, কাকলি-শর্মিলাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ

আর জি কর কাণ্ড এবং অভয়া ইস্যুকে ঘিরে ফের সরগরম রাজ্য রাজনীতি। দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দলের বিদ্রোহী সাংসদ-বিধায়কদের তীব্র আক্রমণ করেন। সেই সঙ্গে আর জি কর কাণ্ড নিয়ে এমন কিছু মন্তব্য করেন, যা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।ছাব্বিশের নির্বাচনে আর জি কর কাণ্ড এবং অভয়ার মৃত্যুর ঘটনা বড় রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে উঠেছিল। মেয়ের মৃত্যুর বিচার চেয়ে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়েছিলেন অভয়ার মা রত্না দেবনাথ। ভোটারদের সমর্থনও পেয়েছেন তিনি। এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে তৃণমূলের একাধিক বিদ্রোহী নেতা ও সাংসদের মুখে বারবার উঠে এসেছে আর জি করের প্রসঙ্গ।এই আবহেই দিল্লিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিদ্রোহীদের একহাত নেন। তিনি বলেন, আর জি কর ইস্যুতে চিকিৎসক সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবং শর্মিলা সরকারকে কখনও আন্দোলনের পথে দেখা যায়নি। এরপরই তিনি তাঁদের উদ্দেশে বলেন, আর জি করে কী হয়েছিল, পারলে সিবিআইকে গিয়ে সত্যি বলুন।কল্যাণের এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিরোধীদের একাংশের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই আর জি কর কাণ্ডে তৎকালীন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের অভিযোগ উঠেছে। কল্যাণের মন্তব্য সেই বিতর্ককেই আবার সামনে নিয়ে এসেছে বলে মনে করছেন অনেকে।এদিন বিদ্রোহী নেতাদেরও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন তৃণমূল সাংসদ। তিনি বলেন, দলের অধিকাংশ বিদ্রোহী নেতা দীর্ঘদিন ক্ষমতার কাছাকাছি থাকার সুবিধা ভোগ করেছেন। এখন পরিস্থিতি বদলাতেই তাঁরা অন্য পথে হাঁটছেন। তাঁদের বিশ্বাসঘাতক এবং সুখের পায়রা বলেও কটাক্ষ করেন কল্যাণ।তিনি আরও দাবি করেন, বিজেপি শেষ পর্যন্ত এই নেতাদের গ্রহণ করবে না। কারণ তাঁদের অতীতের নানা তথ্য বিজেপির কাছেও রয়েছে। পাশাপাশি অভিনেত্রী-রাজনীতিকদেরও নিশানা করে তিনি বলেন, অনেকেই দলের পুরনো কর্মীদের অবদান ভুলে গিয়েছেন।অভয়ার মায়ের বিজেপিতে যোগদান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে এত অভিযোগ থাকার পরেও কেন অভয়ার মা বিজেপিতে যোগ দিলেন, সেই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া প্রয়োজন।তবে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ। তিনি বলেন, তিনি অতীতেও দলের নেত্রীর পাশে ছিলেন, এখনও আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন। তাঁর কথায়, অন্যদের কাছে টাকা, ক্ষমতা এবং প্রশাসনিক প্রভাব থাকতে পারে, কিন্তু তাঁর কাছে রয়েছে মা-মাটি-মানুষের আদর্শ।

জুন ০৯, ২০২৬
রাজ্য

দু’দিনের মধ্যেই উত্তরবঙ্গে বর্ষার প্রবেশের সম্ভাবনা, একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টি ও কালবৈশাখীর সতর্কতা

ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় কালবৈশাখী এবং বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।ইতিমধ্যেই কেরলে বর্ষার প্রবেশ হয়েছে। পাশাপাশি নাগাল্যান্ড, মণিপুর, মিজোরাম এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের আরও কয়েকটি অঞ্চলে মৌসুমি বায়ু পৌঁছে গিয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের অনুমান, খুব শীঘ্রই উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি সিকিম ও ওড়িশার কিছু অংশেও বর্ষা ঢুকে পড়বে। এদিকে উত্তরপ্রদেশের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হওয়ায় আবহাওয়ার পরিস্থিতিতে আরও পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।উত্তরবঙ্গে ইতিমধ্যেই প্রাক-বর্ষার বৃষ্টি শুরু হয়েছে। সপ্তাহজুড়ে প্রায় সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্তভাবে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।আজ আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহার জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দার্জিলিং ও কালিম্পংয়েও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আগামীকাল দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়ি জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।দক্ষিণবঙ্গেও আগামী কয়েকদিন বিক্ষিপ্তভাবে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ত্রিশ থেকে চল্লিশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। কোথাও কোথাও হাওয়ার গতি পঞ্চাশ থেকে ষাট কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে।আজ বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। আগামীকাল পরিস্থিতি আরও তীব্র হতে পারে। পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা এবং হুগলি জেলায় ঘণ্টায় প্রায় ষাট কিলোমিটার বেগে কালবৈশাখী হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।ফলে আগামী কয়েকদিন রাজ্যের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বজ্রপাত এবং ঝোড়ো হাওয়ার সময় নিরাপদ স্থানে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

জুন ০৯, ২০২৬
কলকাতা

উধাও অরূপ বিশ্বাস! ফোন বন্ধ, মিলছে না টাওয়ার লোকেশন, চাপে পুলিশ

মেসি কাণ্ডে জটিলতা আরও বাড়ল রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে। সোমবার থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত তাঁর সঙ্গে কোনওভাবেই যোগাযোগ করতে পারেনি পুলিশ। এমনকি তাঁর মোবাইল ফোনের টাওয়ার লোকেশনও খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।বিধাননগর পুলিশ সূত্রের খবর, অরূপ বিশ্বাসের অবস্থান সম্পর্কে এখনও কোনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। কলকাতা পুলিশের কাছ থেকেও তাঁর খোঁজ সংক্রান্ত কোনও তথ্য মেলেনি। গোটা বিষয়টি আদালতের সামনে তুলে ধরা হবে বলে জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা।এর আগে মেসি কাণ্ডে গ্রেফতারের আশঙ্কা থেকে রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টে আবেদন করেছিলেন অরূপ বিশ্বাস। তাঁর আইনজীবী জরুরি ভিত্তিতে মামলার শুনানির আবেদন জানালেও বিচারপতি সেই আবেদন গ্রহণ করেননি। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই মুহূর্তে জরুরি শুনানির অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।আদালত থেকে স্বস্তি না মেলার পরই সোমবার দুপুরে অরূপ বিশ্বাসের নিউ আলিপুরের সাহাপুর এলাকার ফ্ল্যাটে পৌঁছয় পুলিশ। তদন্তের স্বার্থে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হওয়া তাঁর ভাই স্বরূপ বিশ্বাসকেও সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়। ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালানো হলেও অরূপ বিশ্বাসকে পাওয়া যায়নি।উল্লেখ্য, মেসি কাণ্ডে এখনও থানায় হাজিরা দেননি প্রাক্তন মন্ত্রী। অন্যদিকে যৌন নির্যাতন-সহ একাধিক গুরুতর অভিযোগে আগেই গ্রেফতার হয়েছেন তাঁর ভাই স্বরূপ বিশ্বাস। তাঁকে সঙ্গে নিয়ে বেহালার সাহাপুর কলোনির বাড়িতেও তল্লাশি চালায় বিশাল পুলিশ বাহিনী।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘ সময় ধরে চলা সেই তল্লাশির সময় একটি রহস্যময় ঘরের সন্ধান পাওয়া যায়। ওই ঘর এবং সেখানে পাওয়া বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এরই মধ্যে অরূপ বিশ্বাসের অবস্থান নিয়ে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে।প্রাক্তন মন্ত্রীর খোঁজে একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাঁর অবস্থান সম্পর্কে কোনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

জুন ০৯, ২০২৬
কলকাতা

গভীর রাতে আবাসনে পুলিশের হানা! গ্রেফতার তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্ত

তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার করা হল তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্তকে। সোমবার গভীর রাতে রাজারহাটের রাইগাছি এলাকার একটি অভিজাত আবাসন থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। মঙ্গলবার আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় সব্যসাচী দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই পুরনো একটি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েকদিন আগে সল্টলেকের এক ব্যবসায়ী সব্যসাচী দত্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে তাঁকে ভয় দেখানো হচ্ছিল এবং টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল। তোলাবাজির অভিযোগও তোলা হয়। অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু করে পুলিশ।তদন্তের সূত্র ধরে সোমবার গভীর রাতে রাইগাছির একটি আবাসনে পৌঁছয় পুলিশের বড় দল। সেখান থেকেই সব্যসাচী দত্তকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর গ্রেফতারির খবর প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।একসময় রাজারহাট-নিউটাউন এলাকার অন্যতম প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন সব্যসাচী। তিনি দীর্ঘদিন তৃণমূলের হয়ে রাজনীতি করেছেন। দুই হাজার এগারো সাল থেকে দুই হাজার উনিশ সাল পর্যন্ত রাজারহাট-নিউটাউন কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন তিনি।পরবর্তীতে দুই হাজার উনিশ সালে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। দলবদলের পর দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিধাননগর কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থীও হন। তবে সেই নির্বাচনে তৃণমূল নেতা সুজিত বসুর কাছে পরাজিত হন।এরপর আবার তৃণমূলে ফিরে আসেন সব্যসাচী দত্ত। দুই হাজার বাইশ সালের বিধাননগর পুরসভা নির্বাচনে একত্রিশ নম্বর ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। পরে তাঁকে পুরবোর্ডের চেয়ারম্যানও করা হয়।সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে বারাসত কেন্দ্র থেকে তৃণমূল তাঁকে প্রার্থী করেছিল। তবে সেই নির্বাচনে জয় পেতে পারেননি তিনি। পরে তাঁকে বারাসত সাংগঠনিক জেলার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়।এই পরিস্থিতিতে সব্যসাচীর গ্রেফতারিকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। একদিকে পুলিশের দাবি, অভিযোগের ভিত্তিতেই পদক্ষেপ করা হয়েছে। অন্যদিকে সব্যসাচীর অভিযোগ, তাঁর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

জুন ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal