• ৮ চৈত্র ১৪৩২, রবিবার ২২ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Sujan SArkar

নিবন্ধ

মহাষষ্ঠীর ভোর। এবার মাতৃপূজার নির্ঘণ্ট প্রতিদিনই ঊষালগ্ন ছোঁয়া

ঝিরঝিরে হাওয়া বইছে বিশাল অশ্বত্থগাছের পাতায় পাতায় শিরশিরানি জাগিয়ে। শতাব্দী প্রাচীন গাছটার আনাচকানাচ থেকে উপচে পড়ছে কত না পাখির কলকাকলি পায়রাদের বকবকম.. ঘুঘুদের কুড়কুড়.. টিয়ার ঝাঁকের তীক্ষ্ণস্বন.. কাক-এর কর্কশ আওয়াজ .. চড়ুই-শালিকদের সমবেত কিচিরমিচির .. টুনটুনি-বুলবুলিদের সুরেলা শিস .. .. নারায়ণপুরের আকাশে ভোর জাগছে মৃদু মোলায়েম আমেজ নিয়ে।মহাষষ্ঠীর ভোর। এবার মাতৃপূজার নির্ঘণ্ট প্রতিদিনই ঊষালগ্ন ছোঁয়া। আজ সকাল সাড়ে ছয়টায় দেবীআরাধনার সূত্রপাত। পূজামণ্ডপ ধুয়ে, বেদীতে আল্পনা দিয়ে, ফুল-বেলপাতা গুছিয়ে, প্রসাদের থালা সাজিয়ে, আয়োজন চলছে তারই। আশ্বিনের এই শারদপ্রভাতে পুজোআর্চা সেরে, সন্ধ্যায় দেবীর বোধন দিয়ে শুরু হয়ে যাবে জগজ্জননীর আরাধনা।কাল সন্ধ্যায় এসেছি গ্রামের বাড়িতে। যাবতীয় পেশাগত দায়দায়িত্ব সেরে, বাড়িঘরের দেখাশোনার ভার উপযুক্ত হাতে ন্যস্ত করে, শেষ মুহূর্তের হাজারো ব্যস্ততা সরিয়ে, পিতৃপুরুষের ভিটেয় এসে পৌঁছতে সন্ধ্যা গড়িয়েছে। বর্ধমান থেকে পঁচিশ কি.মি. উজিয়ে এসে, বাসরাস্তা ছেড়ে বটগাছের ঝুরি-দোলানো গ্রামের পথে গাড়ি ঢুকে পড়েছে হেলেদুলে। ভরাশরতের টইটম্বুর পুকুরের পাশ কাটিয়ে, জোনাক-জ্বলা বাঁশঝাড়ের অন্ধকার আর্চ ফুঁড়ে, এঁকেবেঁকে আধ কি.মি. পেরিয়ে, এসে গেছি নারায়ণপুর এই সাতান্ন বছরের জীবনে পুজোর কদিন যা আমার একমাত্র ঠিকানা।এই পুজোবাড়ি, লোকমুখে যার চলতি নাম চাতোর (চত্বর-এর অপভ্রংশ ), আমাদের ছোটবেলায় ছিল এক লম্বা মাটির চারচালা। সামনে ত্রিপল-এ ছাওয়া লম্বা বাঁশের কাঠামো পুজোর কদিন ধারণ করতো উৎসাহী মানুষজনকে টলমলে কুচোকাঁচা থেকে শুরু করে ন্যুব্জ বৃদ্ধবৃদ্ধারা সকালসন্ধ্যা ঢাকঢোলকাঁসরঘণ্টার ঐকতান .. ধূপধুনোগুগগুল-এর ধূম্রজাল .. মন্ত্রমুখর পূজার্চনার শরিক হতেন এখানেই সমবেত হয়ে। সেই মাটির গাঁথনির জায়গা নিয়েছে শানবাঁধানো পাকা মণ্ডপ, শক্তপোক্ত টিনের ছাউনি, আর মর্মরমণ্ডিত পুজাবেদী সেও হয়ে গেল বেশ কয়েক দশক।ছোটোবেলায় পঞ্চমী-ষষ্ঠীর দিন যখন এসে পড়তাম, বাড়ির কর্মসহায়করা ব্যস্ত থাকতো খড় পেঁচিয়ে দীর্ঘ রজ্জু-রচনায়, যার ফাঁকে ফাঁকে গুঁজে দেওয়া হতো ছোটো ছোটো আমশাখা, প্রতিটি শাখায় চারপাঁচটি করে পাতা সেই মালায় সেজে উঠতো মন্ডপের চারপাশ আর প্রতিটি বাড়ির প্রবেশদ্বার। আজ সেই মঙ্গলমালিকারও রূপবদল হয়েছে ছোটো ছোটো আমশাখার জায়গা নিয়েছে একটি একটি করে আমের পাতা। তাতে আর কিছু না হোক, অপচয় কমেছে সবুজপত্রের।আমাদের শৈশবে এই মণ্ডপে ঠাকুর গড়তে আসতেন বটুদা। পরে তাঁর স্থান নেন জয়দেবদা। ওঁর সৃষ্টিতে মায়ের মুখ হতো অপেক্ষাকৃত কোমল, কিছুটা প্রাচীনপন্থী। সেই মুখশ্রীই রয়ে গেছে আজও, এই থীমময় পৃথিবীতে দুর্গাপ্রতিমার ছিরিছাঁদ আর মূর্তিশৈলী নিয়ে যতই পরীক্ষানিরীক্ষা-পরিবর্তনের ঢেউ উঠুক না কেন !জয়দেবদা আজ বৃদ্ধ, চোখে কম দেখেন ; চলনবলনে গ্রাস করেছে স্থবিরত্ব। তবু আজও রথযাত্রা থেকে শুরু করে তিনদফায় এসে, কদিন থেকে, তিনি গড়ে দিয়ে যান আমাদের মা হরগৌরীর মৃৎপ্রতিমা থেমে থেমে .. ঘোলাটে চোখে .. কতক আন্দাজে .. কতক কম্পিত আঙুলের অভ্যস্ততায় ড. সুজন সরকার : বর্ধমান।

অক্টোবর ০৯, ২০২৪
নিবন্ধ

এ’ কোন সকাল - রাতের চেয়েও অন্ধকার!

সেই এলোমেলো দিকহারানো সন্ধ্যা-বায়ের লুটোপুটি খাওয়া ঘর-বার-উঠোন-বাজারে, কাজলকালো রাত পেরিয়ে, আধফোটা কুসুমের মতো ফুটে ওঠা আগমনী আলো আজ আবার ছড়িয়ে দিল মাতৃপূজার সুসমাচার। বেজে উঠলো আলোর বেণু; আজ প্রভাতে সে সুর শুনে খুলে দিলাম হৃদয়ের রুদ্ধ দুয়ার। কিন্তু সবার অন্তরের পুঞ্জীভূত আঁধার কাটলো কি? মাতলো কি ভুবন? যে নিবিড় বেদনা আচ্ছন্ন করে রেখেছে বুকের মাটি, মনের আকাশ কালো করে জমে থাকা সেই মেঘ যেন রাতের চেয়েও অন্ধকার করে রেখেছে শরতের আকাশবীণায় গানের মালা বিলানো আজকের এই মহালয়ার সকালকে।অথচ, বর্ষণক্ষান্ত আশ্বিনের নীল আকাশে সাদা মেঘের বহরে অমলধবলপালে আজ লেগেছে মন্দমধুর হাওয়া; দুধসাদা কাশের গুচ্ছ বেঁধে, ঝরা শেফালীর মালা গেঁথে, নবীন ধানের অঞ্জলি দিয়ে ডালা সাজিয়ে শারদলক্ষ্মী এসে গেছেন শুভ্র মেঘের রথে সমাসীন হয়ে। ধৌতশ্যামল আলোঝলমল বনগিরিপর্বতে ছড়িয়ে পড়েছে তাঁর শ্বেতশতদলশোভিত করুণানয়নের আশীর্বাণী। শিউলীতলার পাশে পাশে.. ঝরা ফুলের রাশে রাশে.. শিশিরভেজা ঘাসে ঘাসে অরুণরাঙা চরণ ফেলে.. জলতরঙ্গে ঝিলমিল ঝিলমিল ঢেউ তুলে ছড়িয়ে পড়ছেন তিনি। আলোছায়ার আঁচলখানি লুটিয়ে পড়ছে বনে বনে; ফুলগুলি ঐ মুখে চেয়ে কী কথা গুনগুনোচ্ছে মনে মনে, কে খবর রাখে তার! তবু ঐটুকু ঐ মেঘাবরণ দু হাত দিয়ে সরিয়ে, মুখের ঢাকা হরণ করে, শারদলক্ষ্মীকে বরণ করে নিতে যেন কারো মন নেই আজ। এমন নিরানন্দ দেবীপক্ষের সূচনা খুব বেশী দেখা গেছে কি?একদিকে বানভাসি নদী-মাঠ-ঘর-গেরস্থালির অপার দুর্ভোগ, অন্যদিকে অগ্নিমূল্য হাটবাজার; আর সব ছাপিয়ে এক নির্যাতিতা প্রতিবাদিনীর সর্বপরিব্যপ্ত বেদনার্ত ছায়া এবারের মাতৃপক্ষকে যেন ঢেকে রেখেছে এক তিমিরঅবগুণ্ঠনে। উৎসবে মেতে ওঠার মেজাজটাই পাড়ি দিয়েছে দিকশূণ্যপুরের দিশায়।তবু এরই মধ্যে পথে-পার্কে-পল্লীপ্রান্তে শালবল্লা-বাঁশ-ত্রিপল-প্লাইউডের কাঠামো-রা সেজে উঠছে দ্রুত। দোকান-পসার-মল-মার্কেটে ভীড়ও খানিক খানিক জমে উঠছে। মহালয়ার রাতভোর অসংস্কৃত বাজী-র উদযাপন এবার কিছু কম (আজকাল পাড়ার যে যে বাড়িতে বয়স্ক বা অসুস্থ মানুষ আছেন বলে খবর, তাঁদের জানালার কাছাকাছিই সাধারণতঃ বাজী ফাটানো হয় বেশী)। ইতস্ততঃ কিছু ক্লাবের মাইকে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র-ও সাড়া দিলেন বহু যুগের ওপার থেকে আজ ভোরবেলায়, যদিও কিছু স্তিমিতস্বনে। তবে পিতৃতর্পণাভিলাষীরা ছাড়া নদীর তীরে কাশের বনে মানুষের ঢল নামলো কই!মন ভালো নেই; আমাদের অনেকেরই মন ভালো নেই। আজ অখিলবিমানে দিকে দিকে সর্বস্যার্তিহরা দেবীমায়ের জয়গান। সিংহস্থা শশীশেখরা মরকতপ্রেক্ষা জগজ্জননী দূর করুন এই দুঃসহ আঁধার। ভয়ের আবহ শেষ হোক সবার ঘরের প্রতিটি দুর্গা হেসে উঠুক সুখে-সাহসে-সাফল্যে প্রতিটি অভয়া বিচার পাক!ওগো আমার আগমনী আলো, জ্বালো প্রদীপ জ্বালো, জ্বালো গো- ড. সুজন সরকার, বর্ধমান। ।

অক্টোবর ০২, ২০২৪
রাজ্য

রাঢ়ভূমি নারায়ণপুরের সরকার বাড়ির দু'শো বছরের পুরনো পুজো, দ্বিভুজা মা দুর্গার কার্তিক গণেশহীন মর্ত্যে আগমন

পুজো শুরু কাল। নারায়ণপুরে দেশের বাড়িতে দুশো বছরের বেশী পুরোনো পুজো আমাদের। এই পঞ্চান্ন বছরের জীবনে একবার ছাড়া কখনও গ্রামের বাইরে পুজো কাটাই নি। এটা আনন্দের চেয়েও বেশী একটা অভ্যাস... পরম্পরা... ঐতিহ্যরক্ষার দায়িত্ববোধ ।পেশাগত সব দায়িত্ব তাই গুটিয়ে ফেলেছি শুক্রবার রাতের মধ্যেই। আজ সকাল থেকেই বেরোনোর তোড়জোড়। মেয়ে কলকাতার বাসা থেকে বর্ধমান এসে পড়লো দুপুরেই। রূপা ওকে নিয়ে গাড়িতে লটবহর তুলে গ্রামের বাড়ি যাবে কাল সকালে। আমার যাওয়া আজই।সবদিক সামলে সুমলে স্কুটারের সামনে সুটকেস ঠেসে নিয়ে রওনা দিলাম, ঘড়িতে তখন বিকেল তিনটে পঁচিশ। বাড়ি থেকে আধ কি.মি. দূরেই জাতীয় সড়ক; আজ বিকেলে কেন কে জানে গাড়ির চাপ একটু কম। তবু গাঁক গাঁক করে ছুটে আসা ট্রাক-ডাম্পার-দূরপাল্লার বাস-পেরাইভেটদের থেকে সদাসন্ত্রস্ত আমি এগোলাম কোনোমতে। জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের কাজ চলছে; যেখানে সেখানে রাস্তার ধারে একমানুষ সমান খোঁড়াখুঁড়ি... কংক্রিটের বাফার... ক্রেন... পে লোডার। কোনোমতে গুড়গুড় করে বিশ মিনিটে সাড়ে সাত কি.মি. পাড়ি দিয়ে নবাবহাট মোড়--- দু নং জাতীয় সড়ক ছেড়ে উত্তরমুখী সিউড়ি রোডে ঢুকে পড়া গেল; যেন প্রাণ আসলো ধড়ে!মসৃণ পীচঢালা রাস্তা... গাড়ি কম... দুপাশ শ্যামলে শ্যামল, আকাশ নীলিমায় নীল। একশো আট শিবমন্দির-এ ভ্রমণার্থীদের ভিড়। তালিত রেলগেট হাট করে খোলা, অন্তহীন অপেক্ষা থেকে রেহাই পেলাম তাই। বাড়ি থেকে উনিশ কি.মি. আসার পর হলদী-র কাছে খড়ি নদীর সেতু পেরিয়ে ঢুকে পড়লাম ডানদিকে।বিস্ময়ের ওপর বিস্ময়! এই সদা-আহত রুগ্ন গ্রামীণ পথও এখন বেশ ঝাঁ চকচকে। পুরুষ্টু ধানের শীষে দোল খেয়ে যাচ্ছে বাতাস... তারে দোল খাচ্ছে ফিঙে- বাঁশপাতি-মাছরাঙা... মাঝেমাঝেই ঘুঘুদম্পতিদের উড়ে যাওয়া পথের এপাশ থেকে ওপাশে। এদিকের গ্রামগুলি বেশ সাফসুতরো; কিছু বাড়িতে রঙের পোঁচ পরেছে নতুন, কিছু বাড়ি মলিন ও পারিপাট্যহীণ... সম্ভবত বাসিন্দারা ভাগ্যান্বেষণে চলে গেছেন অন্যত্র। থৈ থৈ করছে পুকুরগুলি... ধারে বকবাবাজীদের একঠেঙে প্রার্থনা... কোথাও খোঁটায় বসে ডানা শুকাচ্ছে পানকৌড়ি...প্রকৃতিতে বেশ একটা শান্ত তৃপ্ত ভাব যেন আজ! শষ্যক্ষেত্রের সোনার গানে সমান তানে যেন যোগ দিয়েছে সবাই, সুর ভাসিয়ে দিয়েছে ভরন্ত পুকুরের অমল জলরাশিতে, প্রকৃতি যেন নিমগ্ন আজ মহাষষ্ঠীর পরম প্রেয় লগ্নের প্রত্যাশায়।মাহিনগর-মোহনপুর-হরিবাটি-কামারপাড়া-ধান্দলসা-বিঘড়ে পেরিয়ে এসে গেল নারায়ণপুর --- বাড়ি থেকে উনত্রিশ কি.মি. পথ পেরিয়ে, ঠিক সত্তর মিনিটের মাথায়। স্কুলমোড় দিয়ে ঢুকে গাঁয়ের মধ্যে কংক্রিট-বাঁধানো এক কি.মি. আঁকাবাঁকা পথ ধরে অবশেষে পৌঁছে গেলাম আমাদের সাবেক ভদ্রাসনে।জ্যেঠতুতো দাদারা ও ছোটকাকা এসে পড়েছে ইতিমধ্যেই। বাবা-মাকে তো পাঠিয়ে দিয়েছিলাম চতুর্থী-র দিনই। সবার সাথে দেখাশোনা কুশলবিনিময় হতে হতেই দিনের আলো নিভে এলো , বেজে উঠলো ঢাকের বাদ্যি।সকাল-সন্ধ্যায় ঠাকুরতলায় ঢাক-ঢোল-কাঁসি-র এই একপ্রস্থ বৃন্দবাদনকে এখানে বলা হয় ধেমুল। কোন শব্দের অপভ্রংশ এটা জানিনা, তবে শুনেছি ভোরবেলা এই বাজনা দিয়ে ঠাকুরের ঘুম ভাঙানো হয়, আর সাঁঝের ঝোঁকে এর উদ্দেশ্য দেবতার বন্দনা। ছোটোবেলায় এই ধেমুল-এর সাথে সন্ধ্যের মুখে প্রবল নাচানাচি করতাম একপাল সমবয়সী ছেলেপিলে মিলে; আর আজ বাজনদারেরা ঢাকের বোল তুললো প্রায় ফাঁকা মণ্ডপে।গ্রাম এখন বলতে গেলে শুনশান, বিশেষত আমাদের পাড়ায় স্থায়ী বাসিন্দা এখন বিরল। প্রায় পঁচিশটি পরিবারের মধ্যে অর্ধেক বাড়িতে কেউই থাকেন না, শহরবাসী হয়েছেন সবাই। বাকি বাড়িগুলিতে প্রৌঢ় দম্পতি বাপ-পিতেমো-র ভিটে আগলাচ্ছেন কোনোমতে, ছেলেমেয়েরা কর্মসূত্রে পাকাপাকিভাবে বাইরে। রাঢ়ভূমির গ্রামের পর গ্রামে এটাই এখন সাধারণ চিত্র। ভাবতে ভয় হয়, এই প্রজন্মের পর বাংলার গ্রামগুলি কি একেবারেই উজাড় হয়ে যাবে--- ছিয়াত্তরের মণ্বন্তর, বর্গীর আক্রমণ, বা ম্যালেরিয়া-ওলাউঠোয় ছাড়খার হয়ে যাওয়া বাংলার মতো?আমাদের এই পুজো ব্যতিক্রমী , কারণ মা এখানে পূজিতা হন মহিষাসুরমর্দিনী নয়, হরগৌরী-রূপে। মায়ের দুইটি হাত, বসে আছেন মহেশ্বরের পাশে, দুপাশে সরস্বতী ও লক্ষ্মীকে নিয়ে। সিংহ-অসুর-কার্তিক-গনেশ কেউ নেই, আছেন বরং নন্দী ও ভৃঙ্গী। নিপাট ঘরোয়া রূপে এই মাতৃপূজা চলছে কত কাল, সঠিক জানা নেই কারো। তবে লিখিত নথি আছে অন্ততঃ দুশো বছর আগে পর্যন্ত।ঠাকুরতলায় ছায়া দিচ্ছে যে বিশাল অশ্বত্থগাছটি, আমার সাতাশি বছর বয়সী বাবাও আজন্ম তাকে দেখে আসছেন ঠিক এমনটিই! একসময় বিকেলে তার ডালে ডালে অগুনতি টিয়াপাখির কলরবে মানুষের কথা শোনা যেত না, আজ সেখানে সম্পূর্ণ নীরবতা। সব টিয়া নাকি ধরে নিয়ে গেছে পাখিচোরেরা; আবার কারো কারো বক্তব্য গাছের কোটরে সাপ থাকে, তারাই নাকি পাখির ডিম খেয়ে খেয়ে বংশলোপ করে দিয়েছে!সন্ধ্যায় দেবীর বোধন। কুলপুরোহিত বুড়োদা ও নুপুরদা স্বল্পালোকিত মন্ডপে বসে নিষ্ঠাভরে ক্রিয়াকর্ম সারলেন। শুরু হয়ে গেল মাতৃবন্দনা। কাল সকাল সাতটায় নবপত্রিকা স্নান করাতে যাওয়া হবে পালকি চড়িয়ে।ডঃ সুজন সরকার,বর্ধমান।

অক্টোবর ০২, ২০২২
নিবন্ধ

New Years Eve: বর্ষশেষ যাপন - পুরানো সেই দিনের কথা

পঁচিশে ডিসেম্বর সেন্ট জোসেফস চার্চের রাত ভরানো ডিং ডং -এর রেশ মেলাতে না মেলাতেই জল্পনাকল্পনার শুরু ; কে হবেন অনুষ্ঠানের সূত্রধার এবার ---শেখর সুমন, নাকি রাকেশ বেদী? মজহর খান, নাকি জয়ন্ত কৃপালনী? রঙ্গতামাশায় দুলিয়ে দেবেন কে --- শফি ইনামদার, সতীশ শাহ, যশপাল ভাট্টি, নাকি টুনটুন? ইন্ডিপপের ধুম মচাবেন কে কে --- আলিশা শেনয়, শ্যারন প্রভাকর, প্রীতি সাগর, পিনাজ মাসানি, পার্বতী খান? নাকি নব্যতারকা বাবা সায়গল, ইলা অরুণ,আনাইদা-- এরা কেউ? স্টার অ্যাট্রাকশন হচ্ছেন কে এবার? আশা ভোঁসলে বা শাহরুখ খানের মতো কেউ?আরও পড়ুনঃ কন্যা রুপেন সংস্থিতাসেই নব্বইয়ের দশকের গোড়ায় দূরদর্শনের বর্ষশেষ যাপন অনুষ্ঠান যে কী পরিমাণ ঔৎসুক্য আর সাসপেন্স জাগাতো, আজকের প্রজন্মকে তা বোঝানো মুশকিল! বোকাবাক্সের জনপ্রিয় কুশীলবদের, আর বলিউডের একটু প্রান্তবাসী শিল্পীদের নিয়ে এই ধামাকা বর্ষশেষের রাত্তিরে আমোদপ্রত্যাশীদের এনে দিত বিনে পয়সায় দুশো মজা!একানব্বইয়ের একত্রিশে ডিসেম্বর, মেডিক্যাল কলেজের শিশুবিভাগে হাউসস্টাফশিপ চলছে তখন। কেমন অনুষ্ঠান হবে এবার? বছরখানেক আগে দূরদর্শনের মেট্রো চ্যানেল শুরু হওয়ায় বর্ষশেষের রাতে দু দুটো সমান্তরাল অনুষ্ঠান তখন। রীতিমতো সাসপেন্স-- কোন চ্যানেল জমিয়ে দেবে বেশি! চ্যানেল বদলানো নিয়ে ঝাড়পিট না লেগে যায়!আরও পড়ুনঃ পুজো শুরু হয়ে গেলবনফুল হস্টেলে ডাইনিং হলের পাশেই টি.ভি -র ঘর। শদেড়েক আবাসিকের কজনই বা দুটি ন্যাড়া লোহার খাটে বসতে পায়! বাকিরা সব গান্ধী ক্লাস, মানে সামনের মেঝেয় চটের বস্তায় লম্বমান। তাদের মধ্যে তালেবর কেউ কেউ হাতে নয়, লগার মতো বাড়ানো পায়ের আঙুল দিয়েই টি.ভি. চালাতে অভ্যস্ত। রিমোট -টিমোটের গল্পই নেই তখন!সেদিন আমার অ্যাডমিশন ডে। সারা দিন শিশুবিভাগে ভুতের খাটুনি খেটে, ছুটতে ছুটতে বনফুলে ফিরলাম রাত সাড়ে দশটা নাগাদ। হস্টেলের ঘরে ঘরে তখন বর্ষশেষের রঙ জমজমাট।আরও পড়ুনঃ তোমাদের মনের মতো রঙীন পূজাবার্ষিকী -- আনন্দমেলা ---হস্টেলের আশেপাশে সেন্ট্রাল এভিন্যু-ইডেন হসপিটাল রোড-কলেজ স্ট্রিট থেকে মাইকের অমায়িক আর্তনাদ তখন পাল্লা দিচ্ছে শব্দবাজির সঙ্গে। হস্টেলের কিছু কিছু ঘরে ততক্ষণে জলবিহার শুরু করেছে রসিকজন (মাত্র সতেরোশ টাকা মাসিক স্টাইপেন্ডের সে যুগে সুধা খাই জয় কালী বলে গাওয়ার ক্ষমতা কম হাউসস্টাফেরই ছিল; ব্যতিক্রম সেইসব মুষ্টিমেয় কয়েকজন, যাদের ঘরে প্রাক্তন কোনো আবাসিক দাদা ভাইবেরাদরি উদযাপন করতে আবির্ভূত হয়েছে এই সন্ধ্যায়, বা যারা মাঝেসাঝে নার্সিং হোমে স্যারকে অ্যাসিস্ট করে দুপয়সা বাড়তি উপায় করে, বা যাদের বাবার ব্যাঙ্কের বদান্যতা বজায় আছে তখনো!ঝটপট নৈশাহার সেরে টি.ভি.র সামনে চিৎপাত হওয়া গেল (সেদিন মাংসের ঝোলে বাড়তি খুদে দুটুকরো কুক্কুট-মাস, সঙ্গে একটি সৌজন্যমূলক রসগোল্লা!) দুরদর্শন এক / দুই মিলিয়ে জমিয়ে দিয়েছে মন্দ নয়। হঠাৎ বাইরে হই চই।আরও পড়ুনঃ শারদঅর্ঘ্যবেরিয়ে দেখি, মেসের চাকর হরিকে জাপটে ধরে সামলানোর চেষ্টা করছে কয়েকজন। বছর একুশের হরি অতিশয় চৌখশ ছোকরা; মেস ম্যানেজার অবন্তীবাবুর বিশ্বস্ত ম্যান ফ্রাইডে সে। তার প্রাইভেট প্র্যাকটিসও আছে --- ধুমপায়ী বাবুদের সুলভে সময় অসময়ে সিগারেট বেচার একচেটিয়া বেওসা করে বেশ দু পয়সা কামাই আছে তার। বলা বাহুল্য, সে ব্যবসায় ধারবাকির কারবার বেশ ভালোই!সেদিন সন্ধ্যে থেকেই বিশেষ বিশেষ কয়েকটি ঘরে দফায় দফায় তরল ও বায়বীয় রসদ সরবরাহে ব্যস্ত ছিল হরি-- সে সব ঘরেই বাবুরা ভালোবেসে তাকে দু চার চুমুক করে সেবার সুযোগ দিয়েছে! ফলতঃ ঘড়ির কাঁটা যখন নতুন বছর ছুঁই ছুঁই, হরির মগজেরও প্রতিটি কোষ টগবগ করে ফুটতে লেগেছে। ভয়ানক উত্তেজিত ও দিগ্বিদিক জ্ঞানশূণ্য হরিকে ধরে রাখা যাচ্ছে না। কে একজন বললো, হরি, ওই ধনুবাবু আসছে!ধনুদা আমাদের এক ব্যাচ সিনিয়র, গম্ভীর প্রকৃতির দাপুটে আবাসিক। এহেন নামোল্লেখ হরির উত্তপ্ত চিত্তপটে কোনো ছায়াবিস্তার করলো না। হুংকার দিল সে , কে ধনুবাবু? নিয়ে আয়; অনেক টাকা বাকি! সেই রক্তচক্ষু আস্ফালন শুনে চোখ গোল গোল হয়ে গেল ধনুদার, আর বাকিরা বুঝলো -- বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে হরি, এখনই কিছু না করলে এবার জ্ঞান হারাতে পারে!আরও পড়ুনঃ বাজলো তোমার আলোর বেণুজনাপাঁচেক তাকে অতি কষ্টে চেপে ধরলো মেঝেতে; আর দুজন দুবালতি জল এনে হুড়হুড় করে ঢেলে দিল তার মাথায়! জলাভিষেকের ফলে সেই মাঝ-পৌষের মধ্য রাতে কাক-ভেজা হয়ে হি হি করে কাঁপতে কাঁপতে নেতিয়ে পড়ল হরি।তাকে জামাকাপড় ছাড়িয়ে সাবধানে শুইয়ে আসা হলো। ততক্ষণে টি.ভি.র পর্দায় কাউন্টডাউন হতে হতে এসে গেছে বিরানব্বই সাল। রঙিন বাজির রোশনাই পর্দা জুড়ে। পরস্পর কোলাকুলি, হাত মেলানো চললো বেশ কিছুক্ষণ ধরে।ওদিকে উনিশ নম্বর ঘরে জমে গেছে আরেক নাটক। আমার ব্যাচের চার বন্ধু সন্ধ্যে থেকেই পানি -গ্রহণে ব্যস্ত ছিল। মোটাসোটা সন্দীপ সাড়ে এগারোটা নাগাদ বাহ্যজ্ঞানলুপ্ত হয়ে খাটে চিৎপাত হয়ে পড়ে। তার বিশাল ভুঁড়ি ওঠানামা করছিল সশব্দ শ্বাসপ্রশ্বাসের তালে তালে। সেই বিকট শ্বাসলীলা শুনে হঠাৎই বাকি তিন সুরা-সিক্তের মনে হয়, সন্দীপ নির্ঘাৎ অ্যাসপিরেট করেছে (অর্থাৎ তার পাকস্থলীর মালপত্র খাদ্যনালী দিয়ে উঠে এসে শ্বাসনালী মারফত সেঁধিয়ে গেছে ফুসফুসে -- যা অনেক সময়েই দ্রুত প্রাণঘাতী হয় !) সুতরাং তৎক্ষনাৎ সন্দীপের প্রাণ বাঁচাতে বাকিরা খাটে উঠে পড়ে, ও মরীয়া হয়ে সন্দীপের হার্ট ম্যাসাজ করতে শুরু করে। টলটলায়মান হাতে ও বেপথু শরীরে সেই উদ্দাম ম্যাসাজ চলে বেশ কিছুক্ষণ। তারপর ক্লান্তিতেই হোক বা সন্দীপ বিপন্মুক্ত হয়েছে এই বিচারেই হোক, তারা রণে ভঙ্গ দেয়!এই শুভ সন্দেশ টি.ভি. রুমে পৌঁছোতেই সবার আক্কেল গুড়ুম; কারণ হার্ট ম্যাসাজ করতে গিয়ে দুচারটে পাঁজর ভাঙা সে যুগে ছিল খুবই সাধারণ ঘটনা, আর এক্ষেত্রে জীবনদাতারা কেউই ঠিক সজ্ঞানে নেই। এক দৌড়ে উনিশ নম্বরে ঢুকে দেখা গেল, দশাসই চেহারার সন্দীপ স্বামী ঘুটঘুটানন্দের মতো মইপাট হয়ে শুয়ে, তার ভুঁড়ি নাচছে ফররফোঁৎ.. ফররফোঁৎ...পরদিন নতুন বছরের সকালে স্নান-প্রাতরাশ সেরে শিশুবিভাগে যাচ্ছি; ইডেন হাসপাতালের তলার রাস্তায় দেখি ফিটফাট সন্দীপ হাতব্যাগ নিয়ে ওয়ার্ডে ঢুকছে। বাব্বা! ক্যালি আছে তো ছেলের! ভয়ে ভয়ে শুধোলাম, কি রে, ঠিক আছিস তো? জবাব এলো,একদম ফিট গুরু! হ্যাপী নিউ ইয়ার! তারপর ঈষৎ গলা নামিয়ে--- খালি বুকে খুব ব্যথা হয়েছে। কেন বুঝতে পারছি না!লেখকঃ ডঃ সুজন সরকার (বর্ধমান)

ডিসেম্বর ৩১, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ভোটের আগে তৃণমূলের ডাবল আক্রমণ! উত্তর থেকে দক্ষিণে ঝড় তুলবেন মমতা-অভিষেক

আর মাত্র একমাস পরেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। আগামী ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। তার আগে থেকেই জোরকদমে প্রচারে নামছে তৃণমূল কংগ্রেস।দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যের দুই প্রান্ত থেকে প্রচারের দায়িত্ব নিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরবঙ্গ থেকে প্রচার শুরু করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী ২৪ মার্চ আলিপুরদুয়ার প্যারেড গ্রাউন্ডে একটি জনসভা করার কথা রয়েছে তাঁর। একই দিনে মাটিগাড়া এবং ময়নাগুড়িতেও সভা করবেন তিনি।অন্যদিকে, একই দিন দক্ষিণবঙ্গ থেকে প্রচার শুরু করবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমায় তাঁর প্রথম জনসভা হওয়ার কথা। এরপর ২৫ মার্চ তিনি নন্দীগ্রাম সহ দুই মেদিনীপুরে একাধিক সভা করবেন। দাসপুর, কেশিয়ারি ও নারায়ণগড়ে জনসভা এবং নন্দীগ্রামে কর্মী বৈঠকের পরিকল্পনা রয়েছে।সূত্রের খবর, ভবানীপুরে কর্মীসভা করার পরই উত্তরবঙ্গে চলে যাবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরবঙ্গের সব আসনেই প্রথম দফায় ভোট হওয়ায় সেখানে বিশেষ জোর দিচ্ছেন তিনি। একদিনে একাধিক সভা করে প্রচার তীব্র করতে চান তৃণমূল নেত্রী।রাজনৈতিক মহলের মতে, উত্তরবঙ্গের কিছু এলাকা এখনও বিজেপির শক্ত ঘাঁটি। সেই কারণে সেখানে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে তৃণমূল। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে দলীয় শক্তি আরও মজবুত করতে মাঠে নামছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এছাড়াও জানা গিয়েছে, মার্চ মাস জুড়ে উত্তরবঙ্গের একাধিক বিধানসভা কেন্দ্রে জনসভা ও রোড শো করবেন অভিষেক। পাশাপাশি বিভিন্ন জেলায় জনসংযোগ কর্মসূচিও চালাবেন তিনি।সব মিলিয়ে ভোটের আগে রাজ্যে জোরদার প্রচার শুরু করে বিজেপিকে টক্কর দিতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস।

মার্চ ২১, ২০২৬
দেশ

১৩ বছর কোমায়, শেষমেশ ইচ্ছামৃত্যুর পথে! এইমসে শুরু ইচ্ছামৃত্যুর প্রক্রিয়া

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে দীর্ঘ ১৩ বছর কোমায় থাকা হরিশ রানার ইচ্ছামৃত্যুর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে দিল্লির এইমসে। চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে ধীরে ধীরে তাঁর জীবনরক্ষাকারী ব্যবস্থা সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ফিডিং টিউব এবং ভেন্টিলেটর খুলে নেওয়া হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। বর্তমানে তাঁকে সাধারণ বেডে রাখা হয়েছে এবং তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।হরিশ রানার অবস্থার উপর নজর রাখছে এইমসের একটি বিশেষ মেডিকেল বোর্ড। যদিও জীবনরক্ষাকারী ব্যবস্থা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, তবুও তাঁর কষ্ট কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসকদের লক্ষ্য, তাঁকে যতটা সম্ভব যন্ত্রণামুক্ত রাখা।এই কঠিন সময়ে হরিশ রানার পরিবারও এইমসেই রয়েছেন। তাঁর বাবা-মা এবং ভাই নিয়মিত কাউন্সেলিংয়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে। চিকিৎসকদের একটি বিশেষ দল এই পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের ক্ষেত্রে ধীরে ধীরে কৃত্রিম পুষ্টি ও অন্যান্য সহায়তা বন্ধ করা হয় এবং রোগীর যন্ত্রণা কমানোর দিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। এই প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্য মৃত্যু দ্রুত ঘটানো নয়, আবার অকারণে দীর্ঘায়িত করাও নয়, বরং রোগীর স্বস্তি নিশ্চিত করা।ইচ্ছামৃত্যুর ক্ষেত্রে সর্বোত্তম স্বার্থ নীতি মেনে চলা হয়। যখন রোগী নিজের সিদ্ধান্ত জানাতে পারেন না, তখন পরিবার এবং চিকিৎসকরা মিলে তাঁর জন্য কী ভাল হবে তা ঠিক করেন। হরিশ রানার ক্ষেত্রেও সেই নিয়মই অনুসরণ করা হয়েছে।আদালত এই সিদ্ধান্তের আগে ৩০ দিনের একটি সময়সীমা দিয়েছিল, যাতে পরিবার ও চিকিৎসকরা বিষয়টি নিয়ে চিন্তাভাবনা করতে পারেন। শেষে সকলের মতামতের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হচ্ছে।

মার্চ ২১, ২০২৬
বিদেশ

ভয়াবহ দুর্ঘটনায় অল্পের জন্য রক্ষা! মলদ্বীপে উল্টে গেল স্পিডবোটে গৌতম সিংহানিয়া

মলদ্বীপে ছুটি কাটাতে গিয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনার মুখে পড়লেন রেমন্ড গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর গৌতম সিংহানিয়া। স্পিডবোটে ভ্রমণের সময় সেটি আচমকা উল্টে যায়। কোনওমতে প্রাণে বাঁচলেও এই ঘটনায় চোট পান তিনি। পরে সেখান থেকে মুম্বই ফিরে এসেছেন।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই স্পিডবোটে মোট সাতজন পর্যটক ছিলেন, যার মধ্যে পাঁচজন ভারতীয়। শুক্রবার গভীর রাতে, প্রায় ১টা ১৫ মিনিট নাগাদ এই দুর্ঘটনা ঘটে। ভি ফেলিধু দ্বীপের কাছে বোটটি উল্টে যায়।দুর্ঘটনায় বোটে থাকা এক ভারতীয় পর্যটক, হরি সিং এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। বাকি যাত্রীরাও কমবেশি আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। নিখোঁজদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।ঘটনাটি কেয়োধু এলাকার দক্ষিণ-পশ্চিমে প্রায় দুই নটিক্যাল মাইল দূরে ঘটে। কাছেই রয়েছে ফুলিধু নামের একটি ছোট দ্বীপ, যা তার সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং সমুদ্র ভ্রমণের জন্য পরিচিত। এই অঞ্চল ডাইভিংয়ের জন্যও জনপ্রিয়।এই দুর্ঘটনার পর পর্যটন নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

মার্চ ২১, ২০২৬
রাজ্য

ভোটে নামার স্বপ্ন থামল? আরজি কর কাণ্ডে নির্যাতিতার মায়ের প্রার্থী হওয়ায় আইনি বাধা

আরজি কর কাণ্ডে নির্যাতিতার মা বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে লড়াই করতে চেয়েছিলেন। তবে আইনি জটিলতার কারণে আপাতত সেই সম্ভাবনা থমকে গিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী এই মুহূর্তে তাঁর প্রার্থী হওয়া সম্ভব নয়।প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগেই মেয়ের মৃত্যুর ঘটনায় প্রতিবাদে সক্রিয় ভূমিকা নেওয়া নিয়ে সিপিএম প্রার্থী কলতান দাশগুপ্তর বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নির্যাতিতার মা। তাঁর অভিযোগ, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা হয়েছে, যা তিনি মেনে নেবেন না। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, মেয়ের মৃত্যুর বিচার পাওয়ার লক্ষ্যেই তিনি নির্বাচনে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এবং তা তৃণমূলের বিরুদ্ধেই।এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই পানিহাটি এলাকায় রাজনৈতিক আলোচনা তীব্র হয়েছে। যদিও নির্যাতিতার মা এই বিষয়ে আর কোনও মন্তব্য করতে চাননি, তবুও শেষ পর্যন্ত বিজেপি কাকে প্রার্থী করে, সেদিকেই নজর রয়েছে সবার।অন্যদিকে, সিপিএম প্রার্থী কলতান দাশগুপ্ত ইতিমধ্যেই প্রচারে নেমে পড়েছেন। তাঁর প্রচারের মূল বিষয়গুলির মধ্যে রয়েছে নির্যাতিতার ন্যায়বিচার, নারী সুরক্ষা, তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ এবং বেকারত্বের সমস্যা। পাশাপাশি যুব সমাজের উন্নয়নের কথাও তিনি তুলে ধরছেন।এই পরিস্থিতিতে পানিহাটি বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রধান লড়াইয়ে কে এগিয়ে থাকবে, সিপিএম না বিজেপিতা নিয়েই এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

মার্চ ২১, ২০২৬
দেশ

সন্ত্রাস বন্ধ না হলে জলও নয়! রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা ভারতের

পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদ বন্ধ না করা পর্যন্ত সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তি নিয়ে কোনও আলোচনা করবে না বলে রাষ্ট্রসংঘে স্পষ্ট জানিয়ে দিল ভারত। বিশ্ব জল দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি পি হরিশ এই মন্তব্য করেন।তিনি বলেন, চুক্তির পবিত্রতার কথা বলার আগে পাকিস্তানকে মানব জীবনের মূল্য বুঝতে হবে। তাঁর অভিযোগ, পাকিস্তান এখনও সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করছে। তাই তাদের আচরণ না বদলালে এই চুক্তি নিয়ে কোনও কথাবার্তা হবে না।ভারত জানায়, তারা সবসময় দায়িত্বশীল উজান অঞ্চলের দেশ হিসেবে আচরণ করেছে। কিন্তু এই দায়িত্ব একতরফা হতে পারে না। পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদকে নীতির অংশ হিসেবে ব্যবহার করা বন্ধ করতে হবে।এই অনুষ্ঠানে মূলত সবার জন্য নিরাপদ জল ও পরিষ্কার পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ভারত অভিযোগ করে, পাকিস্তান সেখানে নিজেদের ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে তুলে ধরে সহানুভূতি পাওয়ার চেষ্টা করেছে।এরপরই পাকিস্তানকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন পি হরিশ। তিনি বলেন, ভারত সদিচ্ছা ও বন্ধুত্বের মানসিকতা নিয়ে সিন্ধু জলচুক্তি করেছিল। কিন্তু পাকিস্তান সেই বিশ্বাস ভেঙে দিয়েছে। ভারতের বিরুদ্ধে একাধিক যুদ্ধ এবং বহু সন্ত্রাসবাদী হামলার অভিযোগও তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, পাকিস্তান সমর্থিত হামলায় বহু নিরীহ ভারতীয় প্রাণ হারিয়েছেন।উল্লেখ্য, জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগামে গত বছরের সন্ত্রাসবাদী হামলার পর থেকেই ভারত এই চুক্তি সাময়িকভাবে স্থগিত রেখেছে। ১৯৬০ সালে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ভারতের এই পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক নিয়মভঙ্গ বলে অভিযোগ করেছে পাকিস্তান।

মার্চ ২১, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত! পুলিশের ভূমিকা কমিয়ে আধা সেনার হাতে দায়িত্ব? জল্পনা তুঙ্গে

ভোটের আগে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক বৈঠকের পর রাজনৈতিক মহলে আলোচনা, ভোটের কয়েক দিন আগে থেকেই রাজ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনা হতে পারে। সূত্রের খবর, জেলা প্রশাসন, পুলিশ আধিকারিক এবং পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে বৈঠকে কমিশনের তরফে এমন ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, ভোটের পাঁচ দিন আগে থেকে এলাকায় আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব মূলত কেন্দ্রীয় বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হতে পারে।এই পরিকল্পনা কার্যকর হলে রাজ্য পুলিশের ভূমিকা অনেকটাই সীমিত হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। পুলিশ মূলত আইনগত কাজ ও নথিপত্র সামলাবে, আর নিরাপত্তার দায়িত্ব থাকবে আধা সেনার হাতে। ভোটের দিনেও একই ব্যবস্থা বজায় রাখার কথা ভাবা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। আগে বুথে ভোটারদের লাইনে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং বিভিন্ন সহায়তার দায়িত্বে পুলিশ থাকত, এবার সেই দায়িত্ব অন্যভাবে ভাগ করা হতে পারে।অন্যদিকে, প্রার্থীদের জন্য নতুন নিয়মও জারি করেছে কমিশন। মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় তাঁদের সমাজমাধ্যমে থাকা সব অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে। কোন কোন মাধ্যমে তাঁদের অ্যাকাউন্ট রয়েছে এবং কতগুলি অ্যাকাউন্ট রয়েছে, তা হলফনামায় উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।ভোটের আগে ভুয়ো প্রচার রুখতে আরও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, সমাজমাধ্যম বা ইন্টারনেটে কোনও রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন দেওয়ার আগে নির্দিষ্ট কমিটির অনুমোদন নিতে হবে। অনুমতি ছাড়া বিজ্ঞাপন দিলে তা নিয়মভঙ্গ বলে গণ্য হবে এবং ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই নিয়ম প্রার্থী, রাজনৈতিক দল ও সংগঠনসবার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।এছাড়া বিজ্ঞাপনের অনুমোদন নিয়ে কোনও আপত্তি থাকলে তার জন্য আলাদা আপিলের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে সংবাদমাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে প্রচার বা খবর প্রকাশ হচ্ছে কি না, তাও নজরে রাখা হবে।এদিকে, অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা থাকলেও ইদের কারণে তা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। সোমবার প্রথম তালিকা প্রকাশ করা হতে পারে এবং ওই সপ্তাহেই দ্বিতীয় তালিকাও আসতে পারে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই বহু আবেদন নিষ্পত্তি হয়েছে। পাশাপাশি এই মাসের মধ্যেই আরও কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে আসতে পারে বলে খবর।সব মিলিয়ে ভোটের আগে রাজ্যে প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে।

মার্চ ২১, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজ নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ, তবুও নরম নন ট্রাম্প! কী বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট

ইরানকে ঘিরে চলা সংঘাত নিয়ে কড়া অবস্থান নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এই মুহূর্তে যুদ্ধবিরতি চান না তিনি। তাঁর দাবি, এই সংঘাতে ইরান দুর্বল অবস্থায় রয়েছে, তাই এখন যুদ্ধ থামানোর প্রশ্নই ওঠে না।শুক্রবার হোয়াইট হাউসের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, আলোচনা হতে পারে, কিন্তু তিনি যুদ্ধবিরতি চান না। তাঁর কথায়, যখন প্রতিপক্ষকে প্রায় সম্পূর্ণভাবে হারিয়ে দেওয়া হচ্ছে, তখন যুদ্ধ থামানো ঠিক নয়।ইজরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানের উপর হামলা এবং যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নিয়েও মন্তব্য করেন তিনি। ট্রাম্প জানান, ইজরায়েলের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক খুব ভালো এবং দুই দেশই একই লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে। তাঁর মতে, তারা জয় চায় এবং সেই দিকেই এগোচ্ছে।হরমুজ প্রণালী নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ সুরক্ষিত রাখতে আরও সাহায্যের প্রয়োজন। বিশেষ করে চিন ও জাপানের মতো দেশ এগিয়ে এলে পরিস্থিতি সামলানো সহজ হবে। ইরানের কারণে এই পথ আংশিকভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তা পুনরায় চালু করতে জাহাজের প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।তবে একই সঙ্গে তিনি বলেন, আমেরিকার কাছে হরমুজ প্রণালী ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, কারণ ইউরোপ ও এশিয়ার দেশগুলির মতো তারা এই পথের উপর খুব বেশি নির্ভরশীল নয়।উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় কুড়ি শতাংশ এই হরমুজ প্রণালীর মধ্য দিয়ে পরিবাহিত হয়। বর্তমান সংঘাতের জেরে ইরান এই পথ বন্ধ করে দেওয়ায় বহু দেশে তেলের সরবরাহে সমস্যা দেখা দিয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রুড তেলের দাম দ্রুত বাড়ছে এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হচ্ছে।

মার্চ ২১, ২০২৬
কলকাতা

“নাম কাটা নিয়ে লড়াই চলবে”—রেড রোডে মমতার বক্তব্যে চড়ল পারদ

শুক্রবার ইদ-উল-ফিতর উপলক্ষে সকলকে শুভেচ্ছা জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সামাজিক মাধ্যমে বাংলা ও উর্দুদুটি ভাষাতেই বার্তা দেন। সেখানে তিনি সকলকে পবিত্র ইদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।শনিবার কলকাতার রেড রোডে ইদের নামাজের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে আগের মতোই সক্রিয় ভূমিকা নিতে দেখা যায় তাঁকে। সেখানেই তিনি এসআইআর ইস্যুতে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অনেক মানুষের নাম এই তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে এবং এই বিষয়ে তাঁরা সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি জানান, দেশের প্রতি তাঁর গর্ব রয়েছে এবং তিনি বিশ্বজুড়ে শান্তির বার্তা দিতে চান।রেড রোডে ইদের নামাজের প্রস্তুতি আগেই শুরু হয়েছিল। কলকাতা খিলাফত কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রতি বছরের মতো এ বারও যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী। নামাজ পরিচালনা করেন ইমাম কারী ফজলুর রহমান। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এক মাসের রোজা শেষে হাজার হাজার মানুষ এই নামাজে অংশ নেন।এদিকে ভোটের আবহে রাজ্য রাজনীতি ইতিমধ্যেই উত্তপ্ত। এই পরিস্থিতিতে ইদের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী কী বার্তা দেন, সেদিকেও নজর ছিল রাজনৈতিক মহলের। একই সঙ্গে এদিন আবহাওয়াও ছিল প্রতিকূল। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রাজ্যের বেশিরভাগ জেলাতেই বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতাতেও বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি এবং ঘণ্টায় পঞ্চাশ থেকে ষাট কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইতে পারে।এর মধ্যেই সম্প্রতি রাজ্যের পুরোহিত ও ইমাম মোয়াজ্জেমদের জন্য মাসিক ভাতা বৃদ্ধির ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, এই ভাতা পাঁচশো টাকা বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে এখন থেকে তাঁরা প্রতি মাসে দুই হাজার টাকা করে পাবেন। তাঁর কথায়, এই সম্প্রদায়ের মানুষ সমাজের আধ্যাত্মিক ও সামাজিক জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

মার্চ ২১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal