• ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রবিবার ২৪ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Suicide

রাজ্য

চন্দননগরে একই পরিবারের ৩ সদস্যের রহস্যমৃত্যু, তদন্তে নেমেছে পুলিশ

চন্দননগর, ৩০ মে: হুগলির চন্দননগরে বৃহস্পতিবার সকালে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনার সাক্ষী থাকলো স্থানীয় বাসিন্দারা। একই পরিবারের তিন সদস্যের রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে ছড়িয়েছে ব্যাপক উত্তেজনা। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন পরিবারের কর্তা, তাঁর স্ত্রী এবং তাঁদের কিশোর পুত্র। সূত্রের খবর, এদিন সকালে চন্দননগরের শ্রীপল্লি এলাকার একটি বাড়ি থেকে তিনজনের নিথর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয়রা জানান, সকালবেলা দরজা না খোলায় সন্দেহ জাগে প্রতিবেশীদের। তারা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে তিনটি মৃতদেহ উদ্ধার করে।সূত্রের খবর, বুধবার ভোর ২টার দিকে চন্দননগর থানা কোলুপুকুর গড়েরধর এলাকায় তিন পরিবারের সদস্যের অস্বাভাবিক মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তারা প্রতিমা ঘোষ (৪৬) এবং তার মেয়ে পৌষালী ঘোষ (১৩) এর মৃতদেহ মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন, মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রতিমার স্বামী বাবলু ঘোষ (৬২) কে দড়ি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। তদন্তের সময় পুলিশ জানতে পারে যে বাবলু একটি টিনের বাক্স তৈরির কারখানায় কাজ করত। তবে, কিছু সময়ের জন্য, সে টোটো (তিন চাকার গাড়ি) চালানো শুরু করে এবং অবশেষে তার বাড়িতেই একটি ছোট দোকান শুরু করে।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, এটি হয় আত্মহত্যা, নয়তো পরিকল্পিত খুন। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনো স্পষ্ট নয়। বাড়ির ভিতরে কোনোরকম লুটপাটের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। প্রতিবেশীদের অনেকেই জানিয়েছেন, পরিবারটি সদ্য আর্থিক সমস্যায় পড়েছিল এবং কিছুদিন ধরে মানসিক চাপের মধ্যে ছিল। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দেহগুলি ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার ফরেনসিক তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশ পরিবারের আত্মীয়-পরিজন ও প্রতিবেশীদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।চন্দননগর কমিশনারেটের এক উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিক জানান, আমরা সমস্ত দিক খতিয়ে দেখছিআত্মহত্যা, পারিবারিক কলহ, অথবা বাইরের কোনো দুষ্কৃতীর হাত। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এই ঘটনায় গোটা এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

মে ৩০, ২০২৫
কলকাতা

আইটি কর্মীর আত্মহত্যার চেষ্টা, ছয়তলা থেকে ঝাঁপ

নিউটাউন আইটি সেক্টারের বহুতল বিল্ডিং থেকে ঝাঁপ মেরে আত্মহত্যার চেষ্টা। আশঙ্কা জনক অবস্থায় নিউটাউনের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আইটি কর্মীর নাম দৈপায়ন ভট্টাচাৰ্য (৪০)। ছয় তলা থেকে ঝাঁপ মারে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তবে কি কারণে আত্মহত্যার চেষ্টা খতিয়ে দেখছে টেকনোসিটি থানার পুলিশ।আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণ আছে মৃত্যুর পিছনে সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মার্চ ১৯, ২০২৫
রাজ্য

একই পরিবারের চার জনের রহস্য মৃত্যু দুর্গাপুরে, ভয়ঙ্কর কাণ্ডের পিছনে কি?

একই পরিবারের চারজনের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটল দুর্গাপুরে। দুর্গাপুরের কুড়ুলিয়াডাঙার মিলনপল্লি এলাকার এই ঘটনায় রহস্য দানা বেঁধেছে। রবিবার ভোরে মিলনপল্লির বাসিন্দা অমিত মন্ডলের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় ঘর থেকে। তার স্ত্রী, ১০ বছরের এক ছেলে ও এক বছরের একটি মেয়ের দেহ ঘরের মধ্যে পড়েছিল। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসেছে। কিন্তু এলাকাবাসীরা মৃতদেহ উদ্ধার করতে পুলিশকে বাধা দেয়। এলাকাবাসীদের অভিযোগ , অমিত মন্ডল ও তার পরিবারকে খুন করা হয়েছে। কিন্তু কেন এই অভিযোগ?মৃত অমিত মন্ডলের মাসতুতো বোন সুদীপ্তা ঘোষের অভিযোগ, এই ঘটনার পেছনে মদত রয়েছে মৃত অমিত ওরফে বুবাই মন্ডলের মা বুলারানী মন্ডল ও মামাতো ভাই সুশান্ত নায়েক ওরফে নান্টু। অভিযোগ, মৃত অমিত জানতে পেরে যায় মামার বাড়ির পরিবারের বেশ কিছুজনের ২০১২ সালে টেট পাস না করেও চাকরি হয়েছিল। এমনই কথা অমিত তাঁর বোন সুদীপ্তাকে হোয়াটস এ্যাপ মারফত লিখে জানায়। তারপরই এদিন ভোরে এই ঘটনা ! মৃত অমিত মন্ডল পেশায় একজন জমি ব্যবসায়ী। অন্যদিকে মামাতো ভাই সুশান্ত নায়েক ও প্রশান্ত নায়েকও জমি ব্যবসায়ী বলে ওই হোয়াটস এ্যাপ মেসেজে লিখেছে অমিত। সেখানে অমিত অভিযোগ করেছে, বিভিন্ন সময়ে সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে বে-আইনী ভাবে জমির লেনদেন করে বিপুল সম্পত্তি করেছে। এছাড়াও সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়েছে সুশান্ত নায়েক, এমনই বিষ্ফোরক অভিযোগ এনেছে অমিত, দাবী সুদীপ্তার। ওই মেসেজে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় সহ সিবিআই ও পুলিশের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলপন মৃত অমিত। সুদীপ্তা দেবীর আরও অভিযোগ, অমিতের হাত পেছমোড়া করে বাঁধা রয়েছে ও বাড়ীর সিসিটিভি কালো পলিথিন দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। তাঁর আরও অভিযোগ, গতকাল রাতে মা বুলারানী মন্ডল এই বাড়ীতেই ছিলেন। যিনি আবার নিজের ছেলে ও তার পরিবারকে কখনও ভাল চোখে দেখতেন না বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।গোটা ঘটনায় পরতে পরতে দানা বেধেছে রহস্য। বিশেষ করে মৃত অমিতের বোনকে করা হোয়াটস এ্যাপ মেসেজ ঘিরে তোলপাড় শুরু হয়েছে। ঘটনাস্থলে কমব্যাট ফোর্স সহ বিশাল পুলিশ বাহিনী পৌঁছেছে।

মার্চ ১৯, ২০২৩
রাজ্য

মানসিক অবসাদগ্রস্ত হয়ে ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী যুবক

মানসিক অবসাদে ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হল এক ব্যক্তি। পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের বেলেণ্ডার পুলের কাছে বুধবার রাতে দুর্ঘটনা ঘটে।ভাতারের রাধানগর গ্রামের বাসিন্দা মফজ আলি শা( ৪৫)। তিনি পেশায় কৃষক ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। বাড়ির লোকজনকে প্রায়ই বলতেন তিনি বাড়ি থেকে পালিয়ে যাবেন। বুধবার সন্ধ্যার পর থেকে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। এ নিয়ে পরিবারের লোকজন দ্বারস্থ হন ভাতার থানায়।বৃহস্পতিবার পরিবারের লোকজন ভাতার থানায় গিয়ে জানতে পারেন যে বেলেণ্ডার পুলের কাছে একজন ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। মৃতদেহ দেখে পরিবারের লোকজন শনাক্ত করেন। বাড়ির লোকজন জানান যে তিনি বেশ কয়েক মাস ধরে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন।রেল পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায় ময়নাতদন্তের জন্য।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২২
কলকাতা

বগটুইয়ের নথি এল সিজিও কমপ্লেক্সে সিবিআই দফতরে

রামপুরহাটের অস্থায়ী সিবিআই-এর ক্যাম্প থেকে নথি নিয়ে আসা হল ফিজিও কমপ্লেক্স এর সিবিআই দপ্তরে। বগটুই কান্ডের মূল অভিযুক্ত লালন শেখের অস্বাভাবিক মৃত্যুর পরেই সিবিআই এর তরফ থেকে এই পদক্ষেপ নেওয়া হল। লালন শেখের মৃত্যুর ঘটনায় সিবিআইকে দোষারোপ করেছে তাঁর পরিবার। সিবিআইকে কাঠগড়ায় তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেসও।সিবিআই কাস্টাডিতে বগটুই কাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত লালন শেখের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় মধ্যেই তদন্ত শুরু হয়েছে। সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে মৃত্যু হয় বগটুই কাণ্ডের অন্য়তম অভিযুক্ত লালন শেখের। এই ঘটনার পর সিবিআই ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্বয়ং তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এসে পৌঁছেছে সিবিআইয়ের অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর অজয় ভাটনগর। কলকাতায় পৌঁছে সোজা সিজিও কমপ্লেক্সে আসেন তিনি। মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত মিটিং করেন তিনি। বুধবার সকালে আবার ফিজিও কমপ্লেক্সের সিবিআই দফতরে এসে পৌঁছেছেন অজয় ভাটনগর। পাশাপাশি রামপুরহাটের সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্প থেকে একাধিক নথি এবং হার্ডডিস্ক মনিটার সহ বিভিন্ন সরঞ্জাম নিয়ে আসা হয়েছে সল্টলেক এর সিজিও কমপ্লেক্সের সিবিআই দফতরে।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২২
রাজ্য

মোবাইল ঘাঁটা মানা, অভিমানে কীটনাশক খেয়ে অত্মঘাতী মেয়ে

পড়াশোনা ছেড়ে মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত, মা বাবার বকুনিতে অভিমানে কীটনাশক খেয়ে আত্মঘাতী হল ছাত্রী। মৃতার নাম সুমি খাতুন (১৮)।বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কালনার শাসপুরে। ইংরাজী অনার্স নিয়ে মুড়াগাছা কলেজে ভর্তি হয় সুমি খাতুন।কিন্তু পড়াশোনা ঠিক মতো করছিলো না। অধিকাংশ সময়ই মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত থাকতো এই নিয়ে মঙ্গলবার বাবা ও মা তাকে বকাঝকা করে।এরপরই সে ঘরে রাখা কীটনাশক খায়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে প্রথমে কালনা মহকুমা হাসপাতাল ও পরে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে রাতেই তার মৃত্যু হয়।পুলিশ দেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে।

নভেম্বর ০৯, ২০২২
রাজ্য

মায়ের সাথে মনোমালিন্য, আত্মহনন কিশোরীর

পড়াশোনায় অমনযোগী হওয়ায় মায়ের বকুনি খেয়ে অভিমানে আত্মঘাতী হল কিশোরী। মৃতার নাম শ্রেষ্ঠা সরকার (১৪)। বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মেমারীর ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের হরেকৃষ্ণপল্লীতে।বেশ কয়েক দিন ধরেই ঠিকঠাক পড়াশোনা করছিলো না শ্রেষ্টা তাই মা তাকে গতকাল বকাঝকা করে। অভিমানে বাড়ির ভিতরে গলায় ওড়নার ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে শ্রেষ্টা। মেমারি থানার পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিকেল কলেজের পুলিশ মর্গে পাঠায়।

নভেম্বর ০৭, ২০২২
রাজ্য

জাল ইঞ্জিন ওয়েল বিক্রীর অভিযোগে বাড়িতে হানা, বাবার অপমানে আত্মঘাতী মেয়ে

বাবার হেনস্থা সহ্য করতে না পেরে আত্মঘাতী মেয়ে। বৃহস্পতিবার দুপুরে হঠাৎই হেমায়েতপুর এলাকায় একটি মোটরসাইকেল স্পেয়ার পার্টসের দোকানে একটি নামী কোম্পানির লুব্রিকেন্ট কোম্পানির লোক ও নাদনঘাট থানা পুলিশ হানা দেয়। এর পর পরই বাবাকে হেনস্থা করছে দেখে অপমানে আত্মঘাতী হয় মেধাবী ছাত্রী। তার পরই বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হেমায়েতপুর মোড়ের কাছে মৃতদেহ নিয়ে পথ অবরোধে শামিল মৃত ছাত্রীর পরিবারের লোকেরা।মৃতের বাবার দাবি আজ দুপুরে হঠাৎই একটি অয়েল কোম্পানির লোকেরা এসে বলে, সে নাকি ডুপ্লিকেট ইঞ্জিন অয়েল বিক্রি করছে, এই অভিযোগ তুলে নাদনঘাট থানা পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে এসে তার বাড়িতে তল্লাশি চালায় এবং বেশ কিছু ইঞ্জিন অয়েল নিয়ে যায়। বাবাকে হেনস্তা করতে দেখে অপমানে আত্মঘাতী হয় ক্লাস টুয়েলভের ওই মেধাবী ছাত্রী।এর পরই হেমায়েতপুর মোড় এলাকায় পথ অবরোধে সামিল হন মৃতের আত্মীয় পরিজনেরা। মিনিট ত্রিশ অবরোধ চলার পর অবরোধ উঠে যায়। মৃত ওই ছাত্রীর নাম সৌমি সিংহ সে নবদ্বীপের তারাসুন্দরী স্কুলের ক্লাস টুয়েলভের ছাত্রী। মেয়ের মৃত্যুর পরই মৃত ওই ছাত্রীর বাবা ওই ইঞ্জিন অয়েল কোম্পানির আধিকারিক ও স্থানীয় এক দোকানদারের বিরুদ্ধে তাঁর মেয়ের মৃত্যুর জন্য দায়ী করে অভিযোগ তুলেছেন।

অক্টোবর ২১, ২০২২
রাজ্য

টেট মামলাকারী ছাত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যু, উঠল একাধিক প্রশ্ন

এসএসসি, প্রাইমারি সহ শিক্ষাক্ষেত্রে নানা কাণ্ডকারখানার মধ্য়েই এক টেট আন্দোলনকারীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটল। প্রাইমারি টেটে উত্তীর্ণ হতে না পেরে পরীক্ষায় অকৃতকার্য করানোর অভিযোগ এনে মামলা করেছিলেন ওই চাকরিপ্রার্থী। আন্দোলনে নেতৃত্বও দিয়েছিলেন। সেই মামলা এখনও চলছে কলকাতা হাইকোর্টে। ওর পরিবার ও বন্ধুরা মনে করছে, ওই মামলার রায় জানার আগেই অবসাদে আত্মঘাতী হলেন বসিরহাটের বাদুড়িয়ার চাকরিপ্রার্থী। ২০১৭ সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের নির্ণায়ক টেট দিয়েছিলেন রাজু গাজি(২৯)। মৃতের বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের বাদুড়িয়া থানার চাতরা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় ৷ যোগ্য় প্রার্থীরা চাকরি পেলে এভাবে ছেলে চলে যেত না, আক্ষেপ মৃতের বাবা ইসরাইল গাজী।রাজু গাজির আইনজীবী সুদীপ্ত দাশগুপ্ত হাইকোর্ট মামলা করেন। এই মর্মে প্রাথমিক টেট ২০১৭ পরীক্ষা ১৫০ টি প্রশ্নের মধ্যে ৮ টি প্রশ্নের উত্তর ভুল দেওয়া হয়েছে। মামলাটি আদালতে বিচারাধীন। কিন্তু ওই মামলার রায় জানার আগেই মৃত্যু হল রাজুর।জানা গিয়েছে, শুক্রবার বিকেলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন রাজু। বাড়ি ফিরতে দেরি করায় তাঁর পরিবারের লোকজন চিন্তায় পড়েন। পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ তাঁর ফোনে কথাও হয়নি। দেরি হতে থাকায় তাঁদের টেনশন আরও বাড়তে থাকে। রাজুকে ফোন করলে এক জিআরপি আধিকারিক ফোনটা ধরেন। তখন দুঃসংবাদ জানাতে পারে তাঁর পরিবারের সদস্যরা। জানা গিয়েছে, ঠাকুরনগর ও চাঁদপাড়া স্টেশনের মাঝে ট্রেনের ধাক্কায় মৃত্যু হয়েছে রাজুর।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২২
রাজ্য

সুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড কোনও কাজে আসেনি তাই আত্মহত্যা করেছিলো তিথি দলুই, দাবি এসএফআইয়ের

পথ অবরোধ, বিক্ষোভ এসএফআইয়ের। সুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড কাজে আসেনি আত্মহত্যা করেছিলো তিথি দলুই, কলকাতায় দুই ছাত্রের খুনের ঘটনায় কেনো উদাসীন ছিলো পুলিশ, এবং স্কলারশিপ চালুর দাবিতে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন ভারতের ছাত্র ফেডারেশনের।বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জলপাইগুড়ি শহরের অন্যতম ব্যাস্ত পথ ডিবিসি রোডের যাবতীয় গতিবিধি বেশ কিছু সময়ের জন্য থমকে যায় এসএফআইয়ের বিক্ষোভ আন্দোলনের কারনে।এই প্রসঙ্গে এসএফআইয়ের নেতৃত্ব জানান, সুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড আসলে ভাঁওতা, তাই এর সুযোগ সুবিধে না পেয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে হয়েছিলো তিথি দলুইকে, তাই এসএফআই ছাত্র ছাত্রীদের জন্য স্কলারশিপ চালুর দাবী করছে। এর পাশাপাশি কলকাতার মতো জায়গায় এত দিন নিখোঁজ থাকার পর দুই ছাত্রের মৃতদেহ মর্গে পরে ছিলো অথচ পুলিশ ই জানলো না, এটি চরম গাফিলতির প্রমান রাখে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২২
রাজ্য

স্বামীর খুনের আসামী ছাড়া পাওয়ায়, আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন অনুপম দত্তের স্ত্রী

এদিন আদালত থেকে মূল অভিযুক্ত বাপি পণ্ডিতের জামিনের খবর এলাকায় জানাজানি হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার বাসিন্দারা। তারা একজোট হয়ে রাত পৌনে দশটা নাগাদ আগরপাড়া তেঁতুলতলা মোড়ে বিটি রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায়। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখতে থাকে। এদিকে জামিন পাওয়ার ঘটনার খবরে বিক্ষোভ চলাকালীনই অনুপম দত্তের স্ত্রী তথা ওই ওয়ার্ডের পৌরমাতা মীনাক্ষী দত্ত তার দুই সন্তানকে নিয়ে ঘরের মধ্যে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। তার মায়ের চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা তাকে উদ্ধার করে কামারহাটি সাগরদত্ত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। তাকে ভর্তি করা হয় এবং বর্তমানে তিনি হাসপাতালের সিসিইউ ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বিক্ষোভকারী বলেন, যদি বাপিকে ছেড়ে দেওয়া হয় তাহলে আগামী দিনে তারা বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটবেন ।এখানে উল্লেখ্য, ১৩ মার্চ ২০২২ অনুপমের বাড়ি থেকে সামান্য দূরে, আগরপাড়া স্টেশন রোডে স্কুটারে ওঠার মুহুর্তে এক দুষ্কৃতী কয়েক হাত দূর থেকে অনুপমকে লক্ষ করে গুলি চালায়। তৎকালীন পানিহাটি পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অনুপমের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় । সেই রাতের মধ্যে গ্রেফতার হয় অমিত পণ্ডিত। ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের গোয়েন্দাদের তদন্তে উঠে আসে, খুনের সুপারি দিয়েছিল বাপি। জানাযায় এর আগে অন্য এক দুষ্কৃতীকে অনুপমকে মারা জন্য সুপারি দেইয়েছিল বাপি, সে কাজটি না করায় পুর ভোটের ঠিক পরেই অমিতকে কাজে লাগায়। সেই ঘটনার পরেই অনুপম দত্তের স্ত্রী মীনাক্ষী ও আত্মীয় পরিজনেরা দোষীদের চরম শাস্তির দাবি করে আসছিলেন। এমতবস্থায় বাপি জামিন পেয়ে গেলে তাঁদের কোনও ক্ষতি হতে পারে সেই আশঙ্কায় মীনাক্ষী ও তাঁর পরিবার।

আগস্ট ৩০, ২০২২
রাজ্য

পরিত্যক্ত ঘর থেকে দম্পতির ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার, মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধন্ধে পুলিস

বাড়ির পরিত্যক্ত ঘর থেকে দম্পতির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার কে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ালো মালদার চাঁচলের কলিগ্রাম এলাকায়। খবর পেয়ে গতকাল রাতে দেহ দুটি উদ্ধার করেছে চাঁচল থানার পুলিশ। কেন এই আত্মহত্যা, তা নিয়ে ধন্ধে সবাই। এনিয়ে এখনও থানায় কোনও অভিযোগ দায়ের না হলেও রহস্যের কিনারা করতে পুলিশি তদন্ত শুরু হয়েছে।মৃত দম্পতির নাম যোগেন রক্ষিত (৫২) ও সোনামনি রক্ষিত (৪৩)। যোগেনবাবু জমি কেনাবেচার ব্যবসা করতেন। তাঁরা নিঃসন্তান। কলিগ্রামে পৈতৃক পুরোনো বাড়িতে বসবাস করতেন এই দম্পতি। গতকাল রাতে ওই বাড়িরই একটি পরিত্যক্ত ঘরে তাঁদের ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান প্রতিবেশীরা। তাঁরা যোগেনবাবুদের আত্মীয়দের খবর দেন। খবর দেওয়া হয় চাঁচল থানাতেও। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দেহ দুটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে ওই দম্পতি ওই বাড়িতেই থাকতেন। প্রতিবেশীদের সাথে তেমন যোগাযোগ রাখতেন না তারা।যোগেনবাবুর ভাইপো ছোটন রক্ষিত জানান, কাকু-কাকিমা একাই থাকতেন। তাঁদের ছেলেমেয়ে নেই। নিঃসঙ্গ ছিলেন। কারও সঙ্গে সেভাবে মেলামেশাও করতেন না। কাকু জমির ব্যবসা করতেন। কাকিমা বাড়িতেই থাকতেন। রাতে তাঁদের প্রতিবেশীরা আমাদের এই খবর দেন। এসে দেখি, কাকু-কাকিমা দুজনেই গলাই দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করে মারা গিয়েছেন। ব্যবসার জন্য বাজারে কোনও ঋণ ছিল কিনা জানা নেই। কাকু-কাকিমার মধ্যে কোনওদিন অশান্তির খবরও শোনা যায়নি। কেন এমন হল, বুঝতে পারছি না।স্থানীয় বাসিন্দা সৌমেন রায়চৌধুরী বলছেন, শুনলাম, এক বয়স্ক দম্পতি নিজের বাড়িতেই আত্মঘাতী হয়েছেন। লোকজনের মুখে শুনেছি, তাঁদের অনেক দেনা হয়ে গিয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে বাড়িটাতে তালা মারা থাকত। তাঁদের দেখাও যেত না। তাঁরা কারও সঙ্গে মিশতেনও না। এখন শুনছি, বাড়িতে তালা মারা থাকলেও তাঁরা এখানেই থাকতেন। এর বাইরে আমাদের আর কিছু জানা নেই।চাঁচল থানার পুলিশ জানিয়েছে, খবর পেয়ে গতকাল রাতেই দেহ দুটি উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। পুলিশের তরফে অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। আজ দুটি মৃতদেহই ময়নাতদন্তের জন্য মালদা মেডিকেলে পাঠানো হচ্ছে।

আগস্ট ২৭, ২০২২
কলকাতা

কোচিং সেন্টারের শিক্ষকের দ্বারা ধর্ষিতা ছাত্রীর আত্মহত্যার চেষ্টা, গ্রেফতার অভিযুক্ত শিক্ষক

নরেন্দ্রপুর থানার একটি কোচিং সেন্টারের এক ছাত্রীকে দিনের পর দিন ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন বলবীর সিং নামে এক কোচিং সেন্টারের মালিক কাম শিক্ষক। ঐ শিক্ষককে গ্রেপ্তার করলেন নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ। নরেন্দ্রপুর থানার লস্করপুর এলাকার সিং এন্ড শাও নামে ওই কোচিং সেন্টারের এক ছাত্রীর মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হলো বলবীর সিং নামে ওই শিক্ষককে।ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ স্পোকেন ইংলিশ শেখানোর জন্য নিজের খুশি মত সময়ে ওই ছাত্রীকে ডেকে পাঠাতেন। তারপরে ওই ছাত্রী কে দিনের পর দিন ধর্ষণ করতেন। কাউকে না জানানোর আবেদনের সঙ্গে ছিল খুনের হুমকি। লজ্জায়, ভয়ে, কাউকে বলতে না পেরে বাথরুমে আত্মহত্যার করার চেষ্টা করেন ওই নির্যাতিতা ছাত্রী টি। পরে মায়ের কাছে সমস্ত কথা খুলে বলায় নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশের দ্বারস্থ হন ওই ছাত্রীতির মা।মায়ের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করেন নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ।

আগস্ট ২৬, ২০২২
রাজ্য

আত্মঘাতী হলেন জেডিএ চেয়ারম্যান গঙ্গাপ্রসাদ শর্মার দেহরক্ষী

আলিপুরদুয়ারের জয়ঁগা ভূলন চৌপথি এলাকায় জেডিএ চেয়ারম্যান গঙ্গাপ্রসাদ শর্মার বাড়ি থেকে বুধবার রাতে এক ব্যাক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করল জয়ঁগা থানার পুলিশ। জানা যায় কর্তব্যরত অবস্থায় নিজের বন্দুক দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন বিশিষ্ট তৃণমূল নেতা ও জয়গাঁ উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান গঙ্গাপ্রসাদ শর্মার দেহরক্ষী। এর পরেই গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে।স্থানীয় সুত্রে জানা যায় মৃত ব্যাক্তির নাম কোকিল শৈব (৫৭), তিনি কালচিনি ব্লকের মেন্দাবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা। ইতিমধ্যেই তার মৃত দেহ উদ্ধার করেছে জয়গাঁ থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, এদিন সন্ধ্যায় কর্তব্যরত অবস্থায় গঙ্গাপ্রসাদ শর্মার বাড়িতেই তিনি তার বন্ধুক দিয়ে আত্মঘাতী হন। তিনি প্রায় একবছর ধরে গঙ্গাপ্রসাদ শর্মার দেহরক্ষীর দায়িত্বে ছিলেন। গঙ্গাপ্রসাদ শর্মার দেহরক্ষীর আত্মঘাতী হওয়ার পর থেকেই ইতিমধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন নেতা-মন্ত্রীদের পাশাপাশি তাদের দেহরক্ষীদের অর্থনৈতিক বাড়বাড়ন্ত দেখে গঙ্গাপ্রসাদ শর্মার দেহরক্ষীও সেইরকম দুর্নীতিতে রয়েছে এমনটাই কানাঘুষো সন্দেহ করছেন এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে আলিপুরদুয়ার জেলাবাসি।কিন্তু গঙ্গাপ্রসাদ শর্মার দেহরক্ষীর আত্মঘাতী হওয়ার মুল কারন এখনো পর্যন্ত জনা যায়নি। কি কারনে ঘটলো এমন ঘটনা আর কেনই বা ঘটলো এই ঘটনা এই নিয়ে আলিপুরদুয়ার জেলাবাসির অন্দরে উঠছে হাজারো প্রশ্ন।

আগস্ট ২৫, ২০২২
রাজ্য

পূর্ব বর্ধমানে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী যুগল

প্রেমের এমন নিষ্ঠুর পরিণতির জেরে স্তম্ভিত গোটা এলাকার মানুষজন। এই ঘটনায় এলাকায় নেমেছে শোকের ছায়া। বছর ১৫ পূর্ণিমা ক্ষেত্রপালের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল গ্রামের ১৬ বছরের দেবা বাউড়ির। ১৭ দিন আগে গত ৩ আগস্ট বুদবুদ থানার ভরতপুর গ্রামে বিয়ে হয় পুর্ণিমার। তবুও দুজন, কেউ কাউকে মন থেকে মুছতে পারেনি। শেষমেশ আত্মহত্যার পথ বেছে নিল দুজন।শ্বশুর বাড়ি থেকে বাপের বাড়ি আসার পরই এমন ঘটনা ঘটায় পূর্ণিমা। এলাকার রামগোপাল পুর স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্রী ছিল পূর্ণিমা। শনিবার সকাল দশটার সময় দুজনের দেহ উদ্ধার করে স্থানীয় পুরসা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র নিয়ে যায় পুলিশ। সেখানেই দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।ময়নাতদন্তের জন্য দেহ নিয়ে যাওয়া হয় বর্ধমান মেডিকেল কলেজের পুলিশ মর্গে।

আগস্ট ২০, ২০২২
রাজ্য

শিক্ষারত্ন পুরস্কারে ভূষিত শিক্ষক পেনশন না পেয়ে আত্মঘাতী

তিন বছর অবসর নেবার পরও পেনশন না পেয়ে আত্মঘাতী হলেন এক শিক্ষক। মৃত শিক্ষকের নাম সুনীল কুমার দাস (শিক্ষারত্ন)। মৃত্যুর সময় তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর। তার মৃত্যুর খবরে এলাকায় গভীর শোকের ছায়া দেবীপুর রাজবাগান এলাকায়। ২০১৯ সালে তিনি শিক্ষারত্ন উপাধি পেয়েছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকে।নানা স্কুলে চাকরি করার পরে তিনি কলকাতার হেয়ার স্কুলের প্রধান শিক্ষক হয়ে অবসর নেন বলে পরিজন সুত্রে জানা গেছে। তাঁর পরিবারে কোনও সমস্যা ছিলনা বলেও তাঁরা জানান। সুনীল দাসের দুই কন্যার বিয়ে হয়ে গেছে।এছাড়াও ছেলে পি এইচ ডি সম্পূর্ণ করেছেন। গতকাল বাড়িতেই গলায় দড়ি দিয়ে তিনি আত্মঘাতী হয়েছে বলে পরিবারের মানুষজন জানিয়েছেন।তার আত্মীয়রা জানান, তিনি খুবই চাপা স্বভাবের হওয়ার দরুন, তার মনের কথা কাউকে জানতে দেন নি। হঠাৎ এই ঘটনায় সবাই মুষড়ে পড়েছে। তার স্ত্রী সাধনা দাস জানান, পেনশন না পাওয়ায় তিনি হতাশায় ভুগছিলেন। কীভাবে সংসার চলবে তা নিয়ে ভীষণ উদ্বেগে ভুগছিলেন। অনেক চেষ্টা করেও পেনসানের সুরাহা করতে পারেননি। ২০১৯ সালে তিনি শিক্ষারত্ন পান। ওই বছরই তিনি অবসর নেন। এলাকার মানুষেরা জানিয়েছেন তার শিক্ষাবিস্তারে অনেক অবদান ছিল। অনেককে সাহায্য পড়াশোনার ব্যাপারে করেছেন। তাঁর এই পরিণতিতে সবাই ভেঙে পড়েছেন।

আগস্ট ১৭, ২০২২
নিবন্ধ

আমরা সোস্যাল ট্যবুকে প্রাধান্য দিয়ে কাছের মানুষকে হারাবার ঝুঁকি নিচ্ছি বার বার

সুত্রপাত অনেক আগেই। খুব নিকট অতীতের সাড়াজাগানো উদাহরণ টানতে গেলে সুশান্ত সিং রাজপুত নামটিই প্রথমে মনে আসে। আপাত দৃষ্টিতে তাঁর হয়তো কোন কিছুর-ই অভাব ছিল না। নাম-যশ-অর্থ, আর তার সাথে অফুরন্ত কাজের অফার। কেরিয়ারের উচ্চ শিখরে থাকাকালীন আত্মহননের পথ বেছে নেন তিনি। এখনও পর্যন্ত কোনও তদন্তেই তার কারণ উঠে আসেনি। আরো কিছুটা পিছনে হাঁটলে যাঁর নাম মনে আসে তিনি হলেন সবাক চলচ্চিত্রের অন্যতম পথিকৃৎ গুরু দত্ত। এই সুত্রে বলিউড এ এরপরে আছে আরো বেশ কিছু নাম, যেমন অভিনেত্রী সিল্ক স্মিতা, জিয়া খান, কুলজিত রনধাওয়া, নাফিসা জোসেফ...। হলিউড ও এর ব্যতিক্রম নয়, সেখানেও স্ট্রেস নিতে না পেরে জীবনের সেরা সময়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন অভূতপূর্ব সুন্দরি অভিনেত্রী মেরিলিন মোনরো।সদ্য অতীতে, নিজের মানসিক অবসাদের চাপ সহ্য করতে না পেরে আত্মহননের পথ বেছে নিলেন টলিউডের ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী পল্লবী দে। আমি সিরাজের বেগম টিভি সিরিয়ালে সম্রাট সিরাজদ্দৌলার বেগম লুৎফুন্নিসা চরিত্রে অভিনয় করে লাইম লাইটে আসেন পল্লবী। এহেন সাফল্যতা শিখরে থেকেও, মাত্র পচিশ বছর বয়সে শেষ হয়ে গেল আরো একটি তরতাজা প্রাণ। কার দোষে তিনি মৃত্যুর পথ বেছে নিলেন তা নিয়ে চলছে চাপানউতর, চলবেও আরো কিছুদিন। আর প্রিন্ট, ব্রডকাস্ট এবং সোস্যাল মিডিয়ার শিরোনাম-এ থাকার পর একদিন অতীতে মিলিয়ে যাবে সব জল্পনা-কল্পনা আর আলোচনা। এসবের মাঝে মানসিক অসুস্থতা, তার চিকিৎসা ও নিরাময়ের প্রয়োজনীয়তা এবং তা উপলব্ধের প্রতিশ্রুতিও অনেকই শোনা যাবে ও জানা যাবে টিভির পর্দায়ে ও সংবাদ পত্রে। আর তারপর......? আমাদের স্বল্পমেয়াদী স্মৃতি সবটা ভুলে যাবে, যতদিন না আবার কোনও এক উদীয়মান বা জনপ্রিয় সেলিব্রটি বেছে নিচ্ছেন এই ভয়ানক পরিণতি।সাধারণ মানুষের ভাগ্যে তো বেশীরভাগ সময় মানসিক চিকিৎসার মিথ্যা প্রতিশ্রুতিটুকুও জোটেনা, এ তো আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকেই বলতে পারি। স্কুল ও কলেজ পড়ুয়া ছেলেমেয়েরা প্রায়সই অবিভাবকের অজান্তে আসেন আমাদের ক্লিনিকে, হাতখরচ থেকে ফিজ্ দেবেন এমনও জানান। তাঁদের আমরা যথাসম্ভব সাহাজ্য করার চেষ্টা করি, এবং মনে মনে কুর্ণিশ করি এই ছোট্ট মানুষদের সৎ সাহস ও ভালোভাবে বাঁচার ইচ্ছা কে। কত শত মানুষ আজ মানসিক ভাবে ভালো আছেন, জীবনের পথে প্রতিটি বাধা ও বিপত্তির মোকাবিলা করে এগিয়ে চলেছেন, কারন কোনও এক বিপর্যয়ের দিনে তাঁরা আত্মহননের হাতছানিকে পরাস্ত করে এবং সোস্যাল ট্যবু কে উপেক্ষা করে, মানসিক চিকিৎসা (সাইকোথেরাপি ও সাইকোলজিকাল কাউন্সেলিং) বেছে নিয়েছিলেন।আজ যখন মানসিক চিকিৎসা রয়েছে নাগালের মধ্যে, তখন কেন আমরা নিচ্ছি না তার সাহাজ্য? কেন আমরা সোস্যাল ট্যবুকে প্রাধান্য দিয়ে কাছের মানুষকে হারাবার ঝুঁকি নিচ্ছি বার বার। আজকের প্রজন্ম আমাদের থেকে অনেক আলাদা এক পারিপার্শিকতার সম্মুখিন, তাদের পৃথিবী আমাদের ছোটবেলার পৃথিবীর থেকে অনেকটাই আলাদা, তাদের স্ট্রেস লেভল এবং মোকাবিলার সীমা (থ্রেশহোল্ড) ও ভিন্ন। মানসিক সুস্থতাকে তারা যেন শারিরীক সুস্থতার সমান প্রাধান্য দেয় তার ব্যবস্থা আমাদেরই করে দিতে হবে। কোন মনোবিদের সঙ্গে কথা বলার জন্য কেউ যেন এতটুকুও বিব্রত বা লজ্জিত বোধ না করেন। আর কোন পল্লবীকে কোনদিন যেন আমাদের হারাতে না হয়।ডঃ ইন্দ্রানী ব্যানার্জী সারেঙ্গী(ক্লিনিক্যাল সাইকোথেরাপিস্ট)

মে ১৬, ২০২২
রাজ্য

পুলিশ খুঁজছে অভিযুক্ত কাউন্সিলরকে! শপথ নিলেন এসডিও-র কাছে, জোর বিতর্ক বর্ধমানে

কলেজ ছাত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে বর্ধমানের তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। পুলিশ নাকি তাঁকে খুঁজেই পাচ্ছে না। অথচ সেই ফেরার কাউন্সিলার বসির আহমেদ গত ১৭ মার্চ সশরীরে এসডিও অফিসে গিয়ে শপথ নেওয়ায় কাজ সেরে ফেলেছেন। তাঁকে শপথ বাক্য পাঠ করিয়েছেন বর্ধমান উত্তরের মহকুমাশাসক তীর্থাঙ্কর বিশ্বাস। এই খবর শনিবার চাউর হতেই ব্যাপক আলোড়ন পড়ে গিয়েছে জেলার রাজনৈতিক মহলে। পাশাপাশি ছাত্রী তুহিনা খাতুনের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তের দায়িত্বে থাকা পুলিশ ও প্রশাসনে কর্তাদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠে গিয়েছে।বর্ধমান পুরসভার ভেটে তৃণমূলের প্রার্থী হয়ে ২৭ নম্বর ওয়ার্ড থেকে প্রতিদ্বন্দিতা করেন বসির আহমেদ ওরফে বাদশা। ওই ওয়ার্ডের বাবুরবাগ নতুনপল্লী এলাকায় বাড়ি কলেজ ছাত্রী তুহিনা খাতুনের। ২ মার্চ পুরসভা ভোটের ফলাফল ঘোষণার পর জয়ী তৃণমূল প্রার্থী বসির আহমেদ ও তাঁর অনুগামীরা তুহিনা খাতুনের বাড়িতে চড়াও হয় বলে অভিযোগ। তারা তুহিনাকে মারধোরের পাশাপাশি তাঁর শ্লীলতাহানি করে বলে অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনার পরেই বিকালে পুলিশ বাড়ি থেকে উদ্ধার করে তুহিনা খাতুনের ঝুলন্ত মৃতদেহ।তুহিনার মৃত্যুর জন্য তাঁর পরিবার নব নির্বাচিত তৃণমূল কাউন্সিলার বসির আহমেদ ও তাঁর বেশ কয়েকজন অনুগামীকে দায়ী করেন। তাঁদের বিরুদ্ধে বর্ধমান থানায় তুহিনাকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ দায়ের করেন তুহিনার দিদি কুহেলি। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে পুর ভোটের সময়ে তুহিনাদের বাড়ির কাছের একটি দেওয়ালে আঁকা হয় গাছে তিন মহিলার ঝুলন্ত দেহের ছবি। ভোটে বসির আহমেদ জিতলে তুহিনাদের তিন বোনের ওই ছবির মত দশা হবে বলে এলাকায় প্রচার করা হয়।এই ঘটনা সামনে আসার পরেই দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবীতে সোচ্চার হয় বাম ছাত্র, যুব ও মহিলা সংগঠন।তারা পথে নেমে বিক্ষোভও দোখায়। পাশাপাশি তুহিনার মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ আন্দোলনে নামে কংগ্রেস। খোদ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ও সাংসদ অধীর চৌধুরী বর্ধমানে এসে তুহিনার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে পাশে থাকার আশ্বাস দেন। শেষ পর্যন্ত দায়ের হওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে এখনও পর্যন্ত পুলিশ ৪ মহিলা সহ ছয় জনকে গ্রেফতার করলেও গ্রেফতার হয়নি মূল অভিযুক্ত বসির আহমেদ। তিনি আদালতেও আত্মসমর্পণ করেননি, পুলিশও নাকি তাঁকে খুঁজেই পাচ্ছে না।এমন আবহের মধ্যেই গত ১৬ মার্চ বর্ধমান পুরসভার নবনির্বাচিত ৩৩ জন তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলার শপথ নেন বর্ধমান উত্তরের মহকুমা শাসক তীর্থঙ্কর বিশ্বাসের কাছে। ফৌজদারি মানলায় অভিযুক্ত থাকায় ওইদিন বসির আহমেদ শপথ গ্রহন অনুষ্ঠানে হাজির হননি। কিন্তুু পুলিশ যে বসির আহমেদকে খুঁজে পাচ্ছে না সেই বসির আহমেদ পরদিন অর্থাৎ ১৭ মার্চ সশরীরে দ্বিতীয়ার্ধে মহকুমা শাসকের চেম্বারে পৌছে যান। তিনি সেখানেই শপথ নেওয়ার পর্ব সেরে ফেলেন। ওইদিন বসির আহমেদের শপথ নেবার খবর কেউ জানতে না পারলেও শনিবার তা জানাজানি হয়ে যায়। তার পরেই পুলিশ ও মহকুমা শাসকের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক চরমে উঠে গিয়েছে।এই বিষয়ে বর্ধমান উত্তরের মহকুমা শাসক তীর্থঙ্কর বিশ্বাস জানিয়েছেন, পুর আইন অনুসারে নোটিফিকেশনের ৩ মাসের মধ্যে শপথ নিতে হয়। বসির আহমেদ ১৭ তারিখ তাঁর অফিসে এসেছিলেন। তাঁকে তিনি শপথবাক্য পাঠ করিয়েছেন কাউন্সিলর হিসাবে।কাউন্সিলারের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ থাকলে পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে। বিষয়টি নিয়ে পুলিশের সঙ্গেও তিনি কথা বলবেন বলে জানান।জেলা পুলিশ সুপার কামনাশীস সেন জানান, ঘটনা বিষয়ে খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে।ফেরার কাউন্সিলারের শপথ গ্রহন নিয়ে বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র অভিযোগে বলেন, পুলিশ যাঁকে খুঁজে পাচ্ছে না সেই কাউন্সিলর মহকুমা শাসকের কাছে গিয়ে শপথ নিয়ে ফেললেন। অথচ পুলিশ বলছে কিছুই নাকি তারা জানেন না। এর থেকেই স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে তদন্ত আসলে কেমন হচ্ছে। এইসবের মধ্য দিয়ে ছাত্রীর পরিবারের প্রতি অবিচার করা হচ্ছে। এসএফআই-এর জেলা সম্পাদক অনির্বাণ রায়চৌধুরী জানিয়েছেন, বর্ধমান শহরের আইন শৃঙ্খলার রক্ষকের কাছে গিয়ে শপথ গ্রহণ করে নিলেন ফৌজদারি মামলায় ফেরার অবিযুক্ত। এর থেকেই স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে প্রশাসন অপরাধীকে আড়াল করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে । যদিও পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূলের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের সাফ জবাব, কারও বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ থাকলেও সে শপথ গ্রহণ করতে পারে। এমন নজির আগে থেকেই রয়েছে। কেস থাকা সত্ত্বেও বাম আমলে নিখিলানন্দ সর বিধায়ক হিসাবে রাজ্য বিধানসভায় শপথ নিয়েছিলেন।

মার্চ ২০, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানের তৃণমূল সমর্থক কলেজ ছাত্রী তুহিনার মৃত‍্যুর ঘটনার ১১ দিন পরে তদন্তে এল ফরেন্সিক দল

পুর ভোটের ফল প্রকাশের দিন তৃণমূল সমর্থক কলেজ ছাত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে সদ্য জয়ী তৃণমূল কাউন্সিলার ও তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে। বর্ধমান পৌরসভার ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাবুরবাগ নতুনপল্লী এলাকার কলেজ ছাত্রী তুহিনা খাতুনের মৃত্যুর ঘটনার পর পেরিয়ে গিয়েছে ১১ টা দিন। এতদিন বাদ রবিবার তুহিনা খাতুনের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে বর্ধমানে এল দুই সদস্যের ফরেন্সিক দল। যার নেতৃত্বে ছিলেন ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞ চিত্রাক্ষ সরকার।পুলিশের ডিএসপি অতনু ঘোষালের সঙ্গে ফরেন্সিক দলের সদস্যরা এদিন তুহিনা খাতুনের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন। পাশাপাশি বেশ কিছু নমুনাও সংগ্রহ করেন। তুহিনা খাতুনের ব্যবহৃত একটি ডায়েরিও এদিন সংগ্রহ করে নিয়ে যায় ফরেন্সিক টিম। তদন্তের বিষয়ে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা এদিন সংবাদ মাধ্যমকে যদিও কিছু বলতে চাননি।তৃণমূল সমর্থক পরিবারের সদস্য তুহিনার মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে তাঁর দিদি সদ্য জয়ী ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার সেখ বশির আহমেদ ও তাঁর ১৪ জন অনুগামীর বিরুদ্ধে বর্ধমান থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে পুলিশ দুদফায় চারজনকে গ্রেফতার করলেও মূল অভিযুক্ত কাউন্সিলার এখনও গ্রেফতার না হওয়ায় ক্ষুব্ধ মৃতার পরিবার। বশির আহমেদ ঘটনার দায় অস্বীকার করলেও মৃতার পরিবার বশিরের গ্রেফতারের দাবিতে এখনও সোচ্চার রয়েছে।এদিকের তুহিনা খাতুনের মৃত্যুর ঘটনা আনিস কাণ্ডের মতোই রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড় ফেলে দিয়েছে। চলতি মাসের সাত তারিখ বর্ধমানে আসেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তিনি তুহিনা বাড়িতে যান। পরিফারের পাশে থাকারও আশ্বাস দিয়ে যান অধীরবাবু। এসএফআই ও ডিওয়াইএফআই নেতৃত্বও তুহিনার মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে সরব হয়েছে। ষম্প্রতি মানবাধিকার সংগঠন এপিডিআর-এর সদস্যরাও তুহিনার বাড়িতে যান। তাঁরা পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন। পুর ভোটের প্রাক্কালে তুহিনাদের বাড়ি লাগোয়া একটি দেওয়ালে আঁকা হয় বিভৎস দেওয়াল চিত্র। পুরভোটের ফল প্রকাশের পর তুহিনাদের তিন বোনকে গলায় দড়ির ফাঁস দিয়ে ঝুলে মরতে হবে এমন হুমকি ওই দেওয়াল চিত্রের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। এপিডিআর-এর সদস্যরা ওই দেওয়াল চিত্রের ছবি তুলে নিয়ে যান। এখনও এলাকার দেওয়ালে ওই ছবি থাকা নিয়ে বিভিন্ন মহল নিন্দায় সরব হয়েছেন।

মার্চ ১৩, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানের কলেজ ছাত্রী তুহিনার মৃত্যু নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে বেনজির আক্রমন শানালেন অধীর

গলায় দড়ির ফাঁস দিয়ে তিন বোনকে ঝুলে মরতে হবে এমন ছবি পুর ভোটের সময়ে যাঁরা দেওয়ালে এঁকেছিল তাঁরা কি মুখ্যমন্ত্রীর দলেরই লোক? যদি তা হয় তবে সেটা বাংলার লজ্জা। পুর ভোটের ফলপ্রকাশের দিন বর্ধমানের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল সমর্থক তরুণী তুহিনা খাতুনের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সোমবার এই ভাষাতেই তৃণমূল কংগ্রেস ও রাজ্য সরকারকে বিঁধলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরী।শহর বর্ধমানে আঁকা ওই দেওয়াল চিত্র নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে অধীরবাবু এও বলেন, আপনার বাড়ির সামনে দেওয়ালে ছবি এঁকে দিয়ে কেউ যদি বলে, আপনার গলায় দড়ি দেওয়ার ব্যবস্থা করছি। তাহলে আপনি কি সেটা মানবেন? এদিন মৃত তুহিনা খাতুনের বাড়িতে সমবেদনা জানাতে এসে অধীর চৌধুরি এলাকায় আঁকা ওই দেওয়াল চিত্র চাক্ষুষ করে স্তম্ভিত হয়ে যান। পরে তিনি দাবি করেন, সংখ্যালঘু পরিবারের উপর এমন অত্যাচার কার্যত নজিরবিহীন। যে অত্যাচারের হাত থেকে হাওড়ার আমতার আনিস খান রেহাই পায়নি। বর্ধমানের তুহিনা খাতুনও পেল না। যে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একজন মহিলা সেখানে এমন ঘটনা খুবই লজ্জার। এই ঘটনা নিয়ে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হবেন বলে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি জানিয়ে দেন।বর্ধমান পৌরসভার ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাবুরবাগের নতুনপল্লী এলাকায় বাড়ি তুহিনা খাতুনের (১৮)। ২ মার্চ পুর ভোটের ফল ঘোষণার পর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ওই তরুণীর ঝুলন্ত দেহ। সে বর্ধমান রাজ কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী ছিল। বোনের মৃত্যুর জন্য ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত তৃণমূল কাউন্সিার কাউন্সিলর বসির আহমেদ ও তাঁর অনুগামীদের দায়ী করে বর্ধমান থানার অভিযোগ দায়ের করেন দিদি কুহেলী বিবি। অভিযোগের পরিপেক্ষিতে পুলিশ চারজনকে গ্রেফতার করলেও মূল অভিযুক্ত কাউন্সিলর বসির আহমেদ এখনও বহাল তবিয়তেই ঘুরে বেড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ। তা নিয়ে অধীর চৌধুরীর কাছে ক্ষোভ উগরে দেন মৃতার পরিবার। এই প্রসঙ্গে অধীরবাবু বলেন, বাংলায় এখন এমন জঙ্গলরাজই চলছে। সরকার, প্রশাসন ও তৃণমূলের মদত রয়েছে বলেই তুহিনার মৃত্যুর ঘটনার মূল অভিযুক্ত প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াতে পারছে ।

মার্চ ০৭, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ক্ষমতা হারিয়ে রক্তক্ষরণে তৃণমূল, ‘একলা চলার’ কঠিন পরীক্ষায় মমতা

রাজনীতিতে পালাবদল ঘটেই থাকে। কেন্দ্রে বা রাজ্যে যে রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় থাকে কোনো কোনো সময় অপ্রতিরোধ্য দেখায়। মনে হয় শাসন ক্ষমতায় থাকাটাই সেই রাজনৈতিক দলের কুক্ষিগত। কিন্তু, সময় বদলায়। ঐতিহাসিক নিয়মেই অতি ক্ষমতাধর শক্তিকেও ক্ষমতা থেকে সরতে হয়। দেশ, কাল ভেদের এই পরিবর্তনের বহু নিদর্শন ইতিহাসে রয়েছে। যেমন, পশ্চিমবঙ্গ। স্বাধীনতার পর থেকে এই রাজ্যে দীর্ঘকাল ক্ষমতায় থেকেছিল কংগ্রেস। তারপর কংগ্রেস কে সরিয়ে ক্ষমতায় বসে বামফ্রন্ট। দীর্ঘ ৩৪ বছর শাসন ক্ষমতায় ছিল সিপিআইএম নেতৃত্বাধীন সরকার। অনেকেই ভাবতেন বাম শাসনের বোধহয় অবসান হবেনা। তা হয়নি। দীর্ঘ বাম শাসনকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে মসনদে বসে তৃণমূল কংগ্রেস। শাসন ক্ষমতায় থাকাকালীন যে দলকে অপ্রতিরোধ্য মনে হয় ক্ষমতা থেকে যাওয়ার পরে তাদের রক্তক্ষরণ শুরু হয়।এই পরিস্থিতি থেকেই শুরু হয় দল বদলের পালা। দেশ জুড়ে নেতা নেত্রীর ক্ষমতা হারানো দল থেকে ক্ষমতাসীন দলে যাওয়া অতি সাধারণ ঘটনা। মানুষ ও এই প্রবণতাকে স্বাভাবিক বলেই ধরে নিয়েছে। তবে, এখান থেকে বিজয়ী দলের ও সমস্যা শুরু হয়। নেতা নেত্রীদের দল বদলের থেকে অতি দ্রুত এই যাওয়ার পালা শুরু হয় পরাজিত দলের নিচু স্তরের কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে। বাম আমলেও এই ঘটনা শুরু হয়েছিল। তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পরেই রাজ্য জুড়ে সিপিএম এর ওপর আক্রমণ শুরু হয়েছিল। ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে থাকার লোভ, অর্থের লোভ ও সন্ত্রাস মূলত এই তিনটি কারণে সিপিএম থেকে তৃণমূলে আসার পালা শুরু হয়। এর ফলে যারা দীর্ঘদিন তৃণমূলে ছিলেন তাদের সঙ্গে দল বদলের দ্বন্দ্ব শুরু হয়।সেই সময় তৃণমূলের মধ্যে সেই দ্বন্দ্ব এক নতুন সমীকরণ তৈরি করেছিল। যার প্রতিফলন হয়েছিল Red TMC বনাম Green TMC দ্বন্দ্বে। তৃণমূলের ১৫ বছর পরে ক্ষমতা থেকে সরায় নিচের তলার এই চলন শুরু হয়েছে। রাতারাতি, রাজ্যের আনাচে কানাচে বিজেপির পতাকা হাতে বহু জনকে দেখা যাচ্ছে যাদের এতদিন ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গেই দেখা যেত। রাজ্যে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব এই পরিস্থিতিতে বার বার দলীয় কর্মীদের সতর্ক করেছেন। তৃণমূল কংগ্রেস ও জানে দলের কোনো মজবুত সাংগঠনিক কাঠামো ছিল না। ক্ষমতায় থাকার কারণে বিভিন্ন আর্থিক ও সামাজিক সুবিধা ছিল। এই সুযোগে, সুবিধা পাওয়ার বন্দোবস্ত তৃণমূলকে একটা সাংগঠনিক কাঠামো তৈরির সুবিধা দিয়েছিল।এখন ক্ষমতার বৃত্তে না থাকার কারণে দলের চেহারা ক্রমশ শীর্ণকায় হবে। এই কারণেই খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে তৃণমূল কর্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক লড়াইতে নামার জন্য বাম, কংগ্রেস ও আই এস এফ কে সঙ্গে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। যদিও, তিনি ভালোই জানেন যে ক্ষমতাসীন তৃণমূল এই তিন রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে কী ব্যবহার করেছে। গণতান্ত্রিক পরিবেশে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরিবেশ রাজ্যে ছিল না। সবটাই ছিল পেশীশক্তির ভিত্তিতে। কংগ্রেস ও বামেরা পাঁচ বছর বিধানসভার বাইরে ছিল। এই নির্বাচনে তাদের যেটুকু সাফল্য এসেছে তা তৃণমূলের সঙ্গে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেই এসেছে। এখন তারা যদি তৃণমূলের পাশে এসে দাঁড়ায় তাহলে তাদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব নিয়ে আবার প্রশ্ন উঠবে।INDIA ব্লক টিঁকিয়ে রাখার জন্য কংগ্রেস এই রাজ্যে তৃণমূলের সুরে বিজেপি বিরোধীতা করলেও সরাসরি তৃণমূলের সঙ্গে আন্দোলনে নামবে না বলেই মনে হয়। অন্যদিকে, আই এস এফ বা বাম দলগুলি তো প্রকাশ্যেই তৃণমূল নেত্রী কে এই আহ্বানের জন্য রাজনৈতিক ভাবে বিঁধতে শুরু করেছে। এই পরিস্থিতিতে মনে হয় ভালো, মন্দ যাই হোক তৃণমূল কে তা মেনে নিয়ে একলাই চলতে হবে। একলা পথ চলার কথাই নির্বাচনের আগে বিভিন্ন জনসভায় বলেছেন মমতা। এখন অন্যদের দিকে হাত বাড়ালেও তাঁকে একলাই চলতে হবে।

মে ২৩, ২০২৬
কলকাতা

হিলারির পর এবার মার্কো রুবিও! হঠাৎ কলকাতায় মার্কিন বিদেশসচিব, বাড়ছে জল্পনা

প্রায় ১৪ বছর পর আবার কলকাতায় এলেন মার্কিন বিদেশসচিব। হিলারি ক্লিনটনের পর এবার শহরে পা রাখলেন মার্কো রুবিও। শনিবার সকালে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছন তিনি। তারপর সোজা যান তালতলার মাদার হাউজে। সেখানে প্রায় দুঘণ্টা কাটানোর পর চিলড্রেনস হোমেও যান তাঁরা। এরপর তাঁর ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল ঘুরে দেখার কথাও রয়েছে। কলকাতা সফর শেষ করে দুপুরেই দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেবেন মার্কো রুবিও। সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে তাঁর।ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিয়ো গোর সমাজমাধ্যমে রুবিওর কলকাতা সফরের কথা জানান। তিনি লেখেন, মার্কিন বিদেশসচিবের এটি প্রথম ভারত সফর। দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তাঁর বৈঠকে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা এবং কোয়াড নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হবে। সূত্রের খবর, শুধু কলকাতা ও দিল্লি নয়, আগ্রা এবং জয়পুরেও যাওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।এই সফরকে ঘিরে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনে সরকার বদলের পর নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বিজেপি প্রথমবার বাংলার ক্ষমতায় এসেছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের উন্নয়ন এবং শিল্পায়ন নিয়ে একাধিক বার্তা দিয়েছেন। দুর্গাপুরে প্রশাসনিক বৈঠক সেরে শিল্প বিনিয়োগ টানার কথাও বলেছেন তিনি।অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও বারবার বিদেশি বিনিয়োগের উপর জোর দিচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন বিদেশসচিবের কলকাতা সফরকে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। অনেকের মতে, শিল্পক্ষেত্রে নতুন বিদেশি বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়েই আলোচনা হতে পারে।এছাড়াও সম্প্রতি লালমনিরহাট বিমান ঘাঁটিতে চিনের বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা ও বিতর্ক শুরু হয়েছে। সেই আবহে মার্কিন বিদেশসচিবের ভারত সফরকে ঘিরে আন্তর্জাতিক কূটনীতির দিকেও নজর রয়েছে। অনেকের মতে, চিনকে কড়া বার্তা দিতেই এই সফর গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।সব মিলিয়ে মার্কো রুবিওর কলকাতা সফর যে শুধুই সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, তার পিছনে বড় রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

মে ২৩, ২০২৬
দেশ

সীমান্তে বড় বদল! ড্রোন-ক্যামেরায় নজরদারি, ‘স্মার্ট বর্ডার’ নিয়ে বড় ঘোষণা অমিত শাহের

অনুপ্রবেশ রুখতে এবার আরও কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে কেন্দ্র সরকার। পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সীমান্তে নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে স্মার্ট বর্ডার তৈরির পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুক্রবার নয়াদিল্লিতে বিএসএফের বার্ষিক রুস্তমজি মেমোরিয়াল অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি জানান, আগামী এক বছরের মধ্যেই এই প্রকল্পের কাজ শুরু হবে।অমিত শাহ বলেন, প্রায় ৬ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সীমান্তে শুধুমাত্র জওয়ান মোতায়েন করে নজরদারি চালানো অত্যন্ত কঠিন। তাই এবার সীমান্ত পাহারায় ব্যবহার করা হবে আধুনিক প্রযুক্তি। সীমান্ত এলাকায় থাকবে ড্রোন, হাই রেজলিউশন ক্যামেরা এবং একাধিক আধুনিক নজরদারি যন্ত্র। পাশাপাশি বিএসএফ, পুলিশ এবং স্থানীয় প্রশাসনের মধ্যে তথ্য আদানপ্রদান আরও শক্তিশালী করতে গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক বাড়ানোর নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, স্মার্ট বর্ডার তৈরি হলে সীমান্ত আরও দুর্ভেদ্য হয়ে উঠবে। অনুপ্রবেশ এবং জনবিন্যাস বদলের যে চেষ্টা চলছে, তাতেও অনেকটাই লাগাম টানা সম্ভব হবে। তিনি আরও জানান, পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা এবং অসম সরকার অনুপ্রবেশ রুখতে কেন্দ্রের নীতিকে সমর্থন করেছে। প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে চিহ্নিত করে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলেও দাবি করেন শাহ।বাংলায় সরকার বদলের পর সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন কাঁটাতার বসানো নিয়ে জমি সমস্যার কারণে কাজ আটকে ছিল। তবে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দায়িত্ব নেওয়ার পর বিএসএফকে জমি হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এরপর সম্প্রতি বাংলায় পুশব্যাক আইন কার্যকর করার ঘোষণাও করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, এবার থেকে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিদের সরাসরি বিএসএফের হাতে তুলে দেবে পুলিশ। পরে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে তাঁদের বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হবে।এই ঘোষণার পর মতুয়া সমাজের একাংশের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। যদিও মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, সিএএ-র আওতায় থাকা কোনও হিন্দু ধর্মাবলম্বী বা বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে আসা নির্যাতিত সংখ্যালঘুদের দেশছাড়া করা হবে না। বরং নিয়ম মেনে তাঁদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।এর মধ্যেই দিল্লিতে গিয়ে অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকও করেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই বৈঠকের পরই শাহের স্মার্ট বর্ডার ঘোষণা রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

মে ২৩, ২০২৬
কলকাতা

অবশেষে ভাঙা হল যুবভারতীর বিতর্কিত মূর্তি! নিশীথের নির্দেশে সকালেই বড় পদক্ষেপ

অবশেষে যুবভারতী স্টেডিয়ামের সামনে থাকা বিতর্কিত মূর্তিটি ভেঙে ফেলা হল। শনিবার সকালে ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের নির্দেশ মেনে সেই কাজ শুরু হয়। দীর্ঘদিন ধরেই এই মূর্তি নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে বিতর্ক চলছিল। রাজ্যে সরকার বদলের পর সেই বিতর্কিত মূর্তি সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় নতুন সরকার।২০১৭ সালে সল্টলেকে যুবভারতী স্টেডিয়ামের সংস্কারের সময় এই মূর্তি তৈরি করা হয়েছিল। মূর্তিটিতে কোমর পর্যন্ত একটি শরীরের অংশ ছিল, তার উপরে বসানো হয়েছিল বিশ্ববাংলার প্রতীক। নীচে ফুটবলের উপর লেখা ছিল জয়ী। সেই সময়ের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই এই মূর্তির নকশা তৈরি করেছিলেন বলে জানা যায়। তবে শুরু থেকেই এই মূর্তির অর্থ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন বহু ফুটবলপ্রেমী। অনেকেই এটিকে অদ্ভুত ও অর্থহীন বলে সমালোচনা করেছিলেন।গত ১৭ মে মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গলের ডার্বি ম্যাচ দেখতে যুবভারতীতে গিয়েছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। ম্যাচের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এই মূর্তি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন। নিশীথ বলেন, এরকম বিদঘুটে মূর্তি কেন বানানো হয়েছিল বুঝতে পারি না। আমার মনে হয় এই মূর্তি বসানোর পর থেকেই আগের সরকারের খারাপ সময় শুরু হয়েছিল। তখনই তিনি জানিয়েছিলেন, পূর্ত দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত মূর্তিটি সরিয়ে ফেলা হবে।ঘোষণার কয়েকদিনের মধ্যেই সেই কাজ শুরু হয়ে গেল। শনিবার সকালে মূর্তিটি ভেঙে ফেলার পর এখন সেখানে শুধু দুটি বুট এবং একটি ফুটবল দেখা যাচ্ছে। সূত্রের খবর, ভবিষ্যতে ওই জায়গায় কোনও বিখ্যাত ফুটবলারের মূর্তি বসানো হতে পারে। তা নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা।ডার্বির রাতেই নিশীথ জানিয়েছিলেন, এমন একটি মূর্তি বসানো হবে যা ফুটবলপ্রেমীদের কাছে অর্থপূর্ণ এবং অনুপ্রেরণাদায়ক হবে। সেই কারণেই নতুন পরিকল্পনা নিয়ে ভাবনা শুরু করেছে ক্রীড়া দপ্তর।

মে ২৩, ২০২৬
কলকাতা

দেবরাজ ঘনিষ্ট তৃণমূল কাউন্সিলরের রহস্যমৃত্যু! ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য, সামনে এল ভয়ংকর অভিযোগ

দক্ষিণ দমদম পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলর তথা চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল স্বাস্থ্য সঞ্জয় দাসের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শনিবার তাঁর বাড়ি থেকে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়। দ্রুত তাঁকে নাগেরবাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যার ঘটনা বলেই মনে করা হচ্ছে।সঞ্জয় দাস রাজ্যের প্রাক্তন বিধায়ক অদিতি মুন্সির স্বামী দেবরাজ চক্রবর্তীর ঘনিষ্ঠ বলেও রাজনৈতিক মহলে পরিচিত ছিলেন। মৃত্যুর খবর পেয়ে দ্রুত সেখানে পৌঁছে যান অদিতি মুন্সিও। ঘটনার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।এর মধ্যেই বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি কিরণ ভট্টাচার্য। তাঁর দাবি, সঞ্জয় দাসকে কিছু লোক দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিচ্ছিল। এমনকি তাঁর কাছে ১০ লক্ষ টাকা চাওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ। কিরণের দাবি, যারা এই চাপ দিচ্ছিল তারা আগে তৃণমূল করলেও এখন বিজেপির সঙ্গে যুক্ত।তিনি বলেন, সঞ্জয় দাস নাকি ওই ব্যক্তিদের বলেছিলেন, এখন ১০ হাজার টাকা নিতে, পরে বাকি টাকা দেবেন। সেই ঘটনার পর থেকেই তিনি প্রচণ্ড মানসিক চাপে ছিলেন। কিরণ ভট্টাচার্যের অভিযোগ, সেই চাপই শেষ পর্যন্ত সঞ্জয়কে ভয়ংকর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে। যদিও বিজেপির বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ করতে চাননি তিনি। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব এ ধরনের ঘটনা কোনওভাবেই সমর্থন করবে না। তবে যারা হুমকি দিয়েছিল, তাদের দ্রুত খুঁজে বের করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।রাজ্যে সরকার বদলের পর থেকেই দুর্নীতির অভিযোগে একের পর এক তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই বিধাননগর পুরনিগমের একাধিক কাউন্সিলর পুলিশের জালে ধরা পড়েছেন। গ্রেফতার হয়েছেন ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সমরেশ চক্রবর্তী, ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুশোভন মণ্ডল এবং ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রঞ্জন পোদ্দার। একদিন আগেই গ্রেফতার হয়েছেন দক্ষিণ দমদম পুরসভার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল পার্থ বর্মাও।এই পরিস্থিতির মধ্যেই সঞ্জয় দাসের মৃত্যু ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও তীব্র হয়েছে। ঘটনাটি আত্মহত্যা, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

মে ২৩, ২০২৬
কলকাতা

চাকরিতে বড় বদল! পরীক্ষার্থীদের হাতে থাকবে ওএমআর কপি, দুর্নীতিতে কড়া বার্তা শুভেন্দুর

রাজ্যে সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অতীতে শিক্ষা ও পুর নিয়োগে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। সেই সমস্ত মামলার তদন্ত এখনও চলছে। এই পরিস্থিতিতে ক্ষমতায় এসেই স্বচ্ছ নিয়োগ ব্যবস্থার উপর জোর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। শনিবার শিয়ালদহে রোজগার মেলায় যোগ দিয়ে নিয়োগ পদ্ধতিতে একাধিক বদলের কথা ঘোষণা করেন তিনি।বক্তব্যের শুরুতেই পূর্বতন সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান শুভেন্দু। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে নিয়োগ নিয়ে বহু বদনাম হয়েছে। শিক্ষা থেকে পুর নিয়োগ একাধিক ক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত হস্তক্ষেপ করতে হয়েছে। এমনকি ২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরিও বাতিল হয়েছে। এই পরিস্থিতি বদলাতেই নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার উপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।শুভেন্দু জানান, এতদিন ওএমআর শিটে পরীক্ষা হলেও পরীক্ষার্থীদের সেই কার্বন কপি জমা দিয়ে দিতে হত। ফলে পরে নিজেদের উত্তর যাচাই করার সুযোগ থাকত না। এবার থেকে পরীক্ষার্থীরা নিজেদের ওএমআর কপির কার্বন বাড়ি নিয়ে যেতে পারবেন বলে ঘোষণা করেন তিনি। এতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।এছাড়াও ভাইভা বা মৌখিক পরীক্ষায় নম্বর কমানোর কথাও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, মৌখিক পরীক্ষায় দুর্নীতির সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই সেই অংশে নম্বর কম রাখা হবে। শুধু তাই নয়, পরীক্ষার্থীদের প্রাপ্ত নম্বর ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হবে বলে জানান তিনি।শুভেন্দু স্পষ্ট ভাষায় বলেন, হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজে আর নিয়োগ হবে না। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে জোর চর্চা। এদিনের রোজগার মেলায় ৫০ হাজারেরও বেশি চাকরিপ্রার্থী অংশ নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী আরও অভিযোগ করেন, এতদিন রাজ্যে কেন্দ্রীয় স্তরের বহু পরীক্ষাও ঠিকমতো হতে দেওয়া হত না। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর আদর্শকে সামনে রেখেই এবার কেন্দ্রীয় সরকারের ধাঁচে রাজ্যের নিয়োগ প্রক্রিয়া গড়ে তোলা হবে। নিয়োগে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিই এখন সরকারের প্রধান লক্ষ্য বলেও জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।

মে ২৩, ২০২৬
রাজ্য

উত্তরবঙ্গে লাল সতর্কতা, দক্ষিণবঙ্গে পচা গরমে হাঁসফাঁস! কবে মিলবে স্বস্তি জানাল হাওয়া অফিস

উত্তরবঙ্গে টানা ভারী বৃষ্টিতে পরিস্থিতি ক্রমশ উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় আজ অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুরেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে। পাহাড় ও ডুয়ার্সে আগামী কয়েকদিন আরও বৃষ্টির আশঙ্কা থাকায় প্রশাসনকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রবিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের উপরের পাঁচ জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টি চলবে। সোমবার ও মঙ্গলবারও জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বুধবারের পর থেকে ধীরে ধীরে বৃষ্টির পরিমাণ কমতে পারে বলে পূর্বাভাস।অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গের পরিস্থিতি একেবারেই আলাদা। উত্তরবঙ্গে যখন মুষলধারে বৃষ্টি চলছে, তখন কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল মানুষ। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকায় তাপমাত্রার তুলনায় অনেক বেশি গরম অনুভূত হচ্ছে। বিশেষ করে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পশ্চিম বর্ধমানে অস্বস্তি সবচেয়ে বেশি থাকবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী চার থেকে পাঁচ দিন দক্ষিণবঙ্গে গরম থেকে তেমন স্বস্তি মিলবে না। তবে এরপর দুই থেকে তিন ডিগ্রি পর্যন্ত তাপমাত্রা কমতে পারে। আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি থেকে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ঝড়-বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই কারণেই ধীরে ধীরে কমতে পারে গরমের দাপট।কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকাতেও আগামী বৃহস্পতি ও শুক্রবার বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি থাকবে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম ও পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া জেলায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।বর্তমানে ওড়িশার উপরে একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে। উত্তর প্রদেশ থেকে ওই ঘূর্ণাবর্ত পর্যন্ত একটি অক্ষরেখাও বিস্তৃত রয়েছে। এই আবহাওয়াগত পরিস্থিতির জেরেই উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়ায় এমন বড় ফারাক দেখা যাচ্ছে বলে মনে করছেন আবহবিদরা।

মে ২৩, ২০২৬
কলকাতা

খাস কলকাতায় পাক গুপ্তচর চক্রের হদিস! জুতোর ব্যবসার আড়ালে চলত ভয়ঙ্কর খেলা

খাস কলকাতায় পাক গুপ্তচর চক্রের বড় পর্দাফাঁস করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। আইএসআই-এর হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে এন্টালির বাসিন্দা জাফর রিয়াজকে। তদন্তে উঠে এসেছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।জানা গিয়েছে, কলকাতায় জুতোর ব্যবসা করত জাফর। তার দুটি কারখানাও ছিল। কিন্তু সেই ব্যবসার আড়ালেই চলত গুপ্তচরবৃত্তির কাজ। নিজের নামে সিম কার্ড তুলে তা পাকিস্তানের গোয়েন্দা অফিসারদের হাতে পৌঁছে দিত সে।তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, জাফরের বিয়ে হয়েছিল পাকিস্তানের লাহোরের বাসিন্দা রাবিয়া জাফফার নামে এক মহিলার সঙ্গে। বিয়ের পর ২০১২ সাল পর্যন্ত তারা কলকাতাতেই থাকত। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। বর্তমানে তারা লাহোরেই পড়াশোনা করছে।২০১২ সালে একটি পথ দুর্ঘটনার পর জাফরের ব্যবসায় বড় ক্ষতি হয়। আর্থিক সমস্যার কারণে স্ত্রীকে লাহোরে বাপের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় সে। এরপর থেকেই পাকিস্তানে তার যাতায়াত বাড়তে থাকে। এমনকি পাকিস্তানের নাগরিকত্ব নেওয়ার চেষ্টাও করছিল বলে জানা গিয়েছে।তদন্তে দাবি, এই সুযোগকেই কাজে লাগায় পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। টাকার লোভ দেখিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির কাজে নামানো হয় জাফরকে।পরবর্তীতে কলকাতার বাড়ি বিক্রি করে প্রথমে দিল্লি এবং পরে পঞ্জাবে ঘাঁটি গাড়ে সে। তবে শেষ পর্যন্ত গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ২০২২ সালে পঞ্জাব পুলিশের বিশেষ অভিযানকারী দল জাফর ও তার সহযোগী মহম্মদ শামশেদকে গ্রেফতার করে। ধৃত শামশেদ বিহারের মধুবনির বাসিন্দা।তদন্তকারীদের দাবি, জাফর ভারতের বিভিন্ন সেনা ছাউনি, সামরিক দফতর এবং জওয়ানদের গতিবিধির ছবি ও ভিডিও তুলে সরাসরি আইএসআই-এর কাছে পাঠাত। শুধু তাই নয়, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভুয়ো পরিচয়ে ভারতীয় সিম কার্ড সংগ্রহ করে তার ওটিপি পাকিস্তানের হ্যান্ডলারদের কাছে পাঠানো হত।সেই নম্বর ব্যবহার করে পাকিস্তানের গুপ্তচররা সুন্দরী মহিলাদের ছবি দিয়ে ভুয়ো হোয়াটসঅ্যাপ প্রোফাইল তৈরি করত। এরপর ভারতীয় সেনার জওয়ানদের প্রেমের ফাঁদে ফেলার চেষ্টা চলত। তদন্তকারীদের দাবি, এই গোটা হানি ট্র্যাপ চক্রের মূল মাথাদের অন্যতম ছিল জাফর।বর্তমানে ধৃতদের জেরা করে এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং গোটা নেটওয়ার্ক কতটা বড়, তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছেন গোয়েন্দারা।

মে ২১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal