• ১১ ফাল্গুন ১৪৩২, শুক্রবার ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Raj

খেলার দুনিয়া

মেন্টর ধোনির আস্থার মর্যাদা কীভাবে দিলেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়?‌

আগের পাঁচ ম্যাচে ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের স্কোর যথাক্রমে ০, ১, ১, ১৬, ১৭। অন্য কোনও দল হলে নিশ্চিতভাবেই বাদ পড়তেন। কিম্তু চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট ভরসা হারায়নি। আর সেটা মেন্টর মহেন্দ্র সিং ধোনির জন্যই। মেন্টরের আস্থার মর্যাদা দিলেন ঋতুরাজ। তাঁর দুরন্ত ব্যাটিংয়ের সৌজন্যেই গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে লড়াই করার মতো জায়গায় পৌঁছল চেন্নাই সুপার কিংস। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে তুলল ১৬৯। ৪৮ বলে ৭৩ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন ঋতুরাজ। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৫টি করে চার ও ছয়। অম্বাতি রায়ুডু ৪৬ রান করেন। জাদেজা ১২ বলে ২২ রান করে অপরাজিত থাকেন। চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে এদিন শীর্ষস্থান ধরে রাখার লড়াই ছিল গুজরাট টাইটান্সের কাছে। কিন্তু ম্যাচের আগেই ধাক্কা। কুঁচকির চোটের জন্য এদিন ম্যাচ থেকে ছিটকে যান গুজরাট অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। তাঁর জায়গায় গুজরাটকে নেতৃত্ব দিতে নামেন রশিদ খান। আফগানিস্তানের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে এবং দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ বিদেশি ক্রিকেটার হিসেবে আইপিএলে কোনও একটি দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার রেকর্ড গড়লেন। তিনিই এবছর গুজরাট টাইটান্সের সহঅধিনায়ক। তাই স্বাভাবিকভাবেই তাঁর ওপর দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার ভার পড়েছিল। টস জিতে এদিন চেন্নাই সুপার কিংসকে ব্যাট করতে পাঠান রশিদ খান। গুজরাটের বোলারদের দাপটে শুরুর দিকে সুবিধা করতে পারেননি আগের ম্যাচে জ্বলে ওঠা চেন্নাই সুপার কিংসের ওপেনার রবিন উথাপ্পা। ১০ বলে মাত্র ৩ রান করে তিনি মহম্মদ সামির বলে আউট হন। মইন আলিও সুবিধা করতে পারেননি। ৩ বলে ১ রান করে তিনি আলজেরি জোশেফের বলে বোল্ড হন। হার্দিক পান্ডিয়ার পরিবর্তে খেলতে নেমে এদিন ভাল বোলিং করেন আলজেরি জোশেফ। ৩২ রানে ২ উইকেট হারানোর পর চেন্নাই সুপার কিংসকে টেনে নিয়ে যান ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও অম্বাতি রায়ুডু। ঋতুরাজ ও অম্বাতির জুটিতে ৫৬ বলে ওঠে ৯২। এই দুনের ব্যাটে ভর করে চাপ কাটিয়ে ওঠে চেন্নাই সুপার কিংস। রায়ুডুকে (৩১ বলে ৪৬) তুলে নেন আলজেরি জোশেফ। এরপর ঋতুরাজ গায়কোয়াড়কে ফেরান যশ দয়াল। ৪৮ বলে ৭৩ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন ঋতুরাজ। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৫টি চার ও ৫টি ছয়। শেষ দিকে চেন্নাইকে লড়াই করার মতো জায়গায় পোঁছে দেন অধিনায়ক রবীন্দ্র জাদেজা ও শিবম দুবে (১৯)। জাদেজা ১২ বলে ২২ রান করে অপরাজিত থাকেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৬৯/৫ তোলে চেন্নাই। আলজেরি জোশেফ ৩৪ রানে ২ উইকেট নেন।

এপ্রিল ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

নাটকীয় ম্যাচে লখনউকে হারিয়ে জয়ের সরনিতে ফিরল রাজস্থান

এক দলের সামনে ছিল জয়ে ফেরার লড়াই। অন্য দলের সামনে ছিল জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে লিগ টেবিলের শীর্ষে ওঠার লড়াই। দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে কলকাতা নাইট রাইডার্সের পরাজয়ের সুযোগ কাজে লাগাতে পারল না লখনউ সুপার জায়ান্টস। জয়ের কাছাকাছি এসেও শেষরক্ষা করতে পারল না। লোকেশ রাহুলের দলকে ৩ রানে হারিয়ে জয়ের সরনিতে ফিরল রাজস্থান রয়্যালস।মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে এদিন টস জিতে রাজস্থান রয়্যালসকে ব্যাট করতে পাঠান লখনউ সুপার জায়ান্টস অধিনায়ক লোকেশ রাহুল। ভাল শুরু করেছিলেন রাজস্থানের দুই ওপেনার জস বাটলার ও দেবদত্ত পাড়িক্কল। আগের ম্যাচগুলিতে ব্যর্থ হওয়ায় এদিন যশস্বী জয়সওয়ালকে প্রথম একাদশের বাইরে রাখে রাজস্থান টিম ম্যানেজমনেন্ট। তাঁর জায়গায় প্রথম একাদশে সুযোগ দেওয়া হয় রাসি ভ্যান ডার ডুসেনকে। বাটলারের সঙ্গে ওপেনে পাঠানো হয় দেবদত্ত পাড়িক্কলকে। বাটলার ব্যর্থ হলেও দলকে ভালোই টানছিলেন। কিন্তু শেষরক্ষা করতে পারেননি।রাজস্থানের ওপেনিং জুটিতে ৫ ওভারে ওঠে ৪২। এরপরই লখনউকে ব্রেক থ্রু এনে দেন আবেশ খান। নিজের প্রথম ওভারের প্রথম বলেই তুলে নেন বাটলারকে। এদিন দলকে নির্ভরতা দিতে ব্যর্থ ইংল্যান্ডের এই ওপেনার। ১১ বলে মাত্র ১৩ রান করে আবেশ খানের বলে তিনি বোল্ড হন। ব্যাটিং অর্ডারে এদিন ওপরে উঠে এসে অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসনও দলকে টানতে পারেননি। জেসন হোল্ডারের বলে তিনি এলবিডব্লুউ হন। ১২ বলে ১৩ রান করেন সঞ্জু। রাজস্থানের মিডল অর্ডারে ধস নামান অপ স্পিনার কৃষ্ণাপ্পা গৌতম। একই ওভারে ৪ বলের ব্যবধানে তুলে নেন দেবদত্ত পাড়িক্কল (২৯ বলে ২৯) ও ভ্যান ডার ডুসেনকে (৪)। ১০ ওভারের মধ্যে ৬৭ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় রাজস্থান। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান শিমরন হেটমায়ের ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন। ক্রুনাল পান্ডিয়ার হাতে একবার জীবন পেয়ে শেষ দিকে রীতিমতো ঝড় তোলেন হেটমায়ের। ১টি ৪ এবং ৬টি ৬এর সাহায্যে ৩৬ বলে ৫৯ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২৩ বলে ২৮ রান করে অবসৃত হন অশ্বিন। নির্ধারিত ২০ ওভারে রাজস্থান তোলে ১৬৫/৬। লখনউর হয়ে ৩০ রানে ২ উইকেট নেন কৃষ্ণাপ্প গৌতম। ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে লখনউ। ট্রেন্ট বোল্টের দুরন্ত বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি লখনউ সুপার জাযান্টসের টপ অর্ডার ব্যাটাররা। প্রথম বলেই তুলে নেন অধিনায়ক লোকেশ রাহুলকে (০)। পরের বলেই ফেরান কৃষণাপ্পা গৌতমকে (০)। চতুর্থ ওভারে জেসন হোল্ডারকে (৮) তুলে নিয়ে লখনউকে আইসিইউ-তে পাঠিয়ে দেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। ১৪ রানে ৩ উইকেট হারায় লখনউ। এরপর দলকে টানছিলেন কুইন্টন ডিকক ও দীপক হুডা। ২৪ বলে ২৫ রান করে কুলদীপ সেনের বলে আউট হন হুডা। আয়ুষ বাদোনি করেন ৫। কুইন্টন ডিকক (৩২ বলে ৩৯), ক্রুনাল পান্ডিয়াদের (২২) জ্বলে উঠতে দেননি যুজবেন্দ্র চাহাল (৪/৩৫)। চামারা করেন ১৩। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১৫ রান দরকার ছিল লখনউ সুপার জায়ান্টসের। কুলদীপ সেনের ওভারে ১১ রান ওঠে। ১৬২/৮ রানে থেমে যায় লখনউ সুপার জায়ান্টস। ১৭ বলে ৩৮ রান করে অপরাজিত থাকেন স্টইনিস।

এপ্রিল ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বাংলার শাহবাজ আমেদের দাপটে দারুণ জয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের

পুরনো দলের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠলেন যুজবেন্দ্র চাহাল। তবু জয় এল না রাজস্থান রয়্যালসের। সঞ্জু স্যামসনের দলকে ৪ উইকেট হারাল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের জয়ের নায়ক শাহবাজ আমেদ ও দীনেশ কার্তিক। দুরন্ত ব্যাটিং করে দলকে জয় এনে দিলেন। ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে রাতের দিকে শিশির খুব সমস্যা তৈরি করছে। বোলারদের বল গ্রিপ করতে দারুণ সমস্যা হচ্ছে। সেকথা মাথায় রেখে এদিন টস জিতে রাজস্থান রয়্যালসকে ব্যাট করতে পাঠান রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসি। শুরুটা ভাল হয়নি রাজস্থানের। দ্বিতীয় ওভারেই যশস্বী জয়সোয়ালকে হারায়। আগের ম্যাচে রান পাননি যশস্বী। এদিনও ব্যর্থ। মাত্র ৪ রান করে ডেভিড উইলির বলে বোল্ড হন। যশস্বী ব্যর্থ হলেও এদিন আবার রানে ফিরলেন দেবদত্ত পাড়িক্কল। জস বাটলারের সঙ্গে তিনি দলকে টেনে নিয়ে যান। প্রথম দিকে ডেভিড উইলি, মহম্মদ সিরাজ, আকাশ দীপদের দাপটে রাজস্থান রয়্যালসের রান তোলার গতি ছিল কম। পরের দিকে বাটলার ও পাড়িক্কল কিছুটা আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন। দুজনে মিলে জুটিতে তোলেন ৭০।দশম ওভারের শেষ বলে দেবদত্ত পাড়িক্কলকে তুলে নেন হর্ষাল প্যাটেল। তাঁর আউট নিয়ে অবশ্য নাটক তৈরি হয়েছিল। দেবদত্ত পাড়িক্কলের ক্যাচ ধরেছিলেন বিরাট কোহলি। পেছন দিকে ঝুঁকে ক্যাচ ধরে তিনি মাটিতে পড়ে যান। কোহলির এই দুরন্ত ক্যাচ দেখে দর্শকরা হাততালি দিয়ে অভিনন্দন জানাচ্ছিলেন। দেবদত্ত পাড়িক্কলও সাজঘরের দিকে হাঁটা দিয়েছিলেন। তখনই মাঠের বাইরে দেবদত্তকে আটকান আম্পায়ার। আসলে, আম্পায়ার প্রথমে নো বল পরীক্ষা করছিলেন। পরে ক্যাচ বৈধ কিনা পরীক্ষা করেন। ২৯ বলে ৩৭ রান করে আউট হন দেবদত্ত। অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসনও (৮ বলে ৮) এদিন রান পাননি। সঞ্জু আউট হওয়ার পর রাজস্থানকে টেনে নিয়ে যান বাটলার ও শিমরণ হেটমায়ের। আগের ম্যাচের মতো এদিনও দুরন্ত ব্যাট করেন বাটলার। প্রথম দিকে দেখেশুনে খেললেও পরের দিকে ঝড় তোলেন। দুবার জীবন পেয়ে শেষ পর্যন্ত ৪৭ বলে ৭০ রানে অপরাজিত থাকেন। ৩১ বলে ৪২ রান করে অপরাজিত থাকেন হেটমায়ের। নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৬৯/৩ তোলে রাজস্থান রয়্যালস। হর্ষাল প্যাটেল ১৮ রানে ১ উইকেট নেন। ডেভিড উইলি ও হাসারাঙ্গাও নেন ১টি করে উইকেট। ব্যাট করতে নেমে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর ভাল শুরু করেছিল। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে তোলে ৪৮/০। সপ্তম ওভারে প্রথম উইকেট হারায়। ডুপ্লেসিকে তুলে নেন যুজবেন্দ্র চাহাল। ২০ বলে ২৯ রান করেন ডুপ্লেসি। আগের দুই ম্যাচে ব্যর্থ অনুজ রাওয়াত এদিন ২৫ বলে ২৬ রান করে নভদীপ সাইনির বলে আউট হন। বিরাট কোহলি (৫), ডেভিড উইলি (০) রান পাননি। ডুপ্লেসিকে চাহাল তুলে নিতেই ধস রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সে। কোহলিকে (৫) রান আউট করেন চাহাল (২/১৫)। পরের বলেই উইলিকে (০) তুলে নেন। রাদারফোর্ডকে (৫) তুলে নিয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দেন রেন্ট বোল্ট। শাহবাজ আমেদ (২৬ বলে ৪৫) ও দীনেশ কার্তিকের (২৩ বলে অপরাজিত ৪৪) দুরন্ত ব্যাটিং চাপ কাটিয়ে দেয়। শাহবাজ আউট হলেও অপরাজিত থেকে দলকে জয় এনে দেন দীনেশ কার্তিক। তবে জয়ের রান আসে হর্ষাল প্যাটেলের (৪ বলে অপরাজিত ৯) ব্যাট থেকে। ৫ বল বাকি থাকতে ১৭৩/৬ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর।

এপ্রিল ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌লজ্জার নজির ইতিহাস সৃষ্টিকারী বাংলাদেশের, সবথেকে কম রানের ইনিংস

বিশ্বের সবথেকে আনপ্রেডিক্টেবল দলের কথা যদি বলতে হয়, উঠে আসবে বাংলাদেশের নাম। বেঙ্গল টাইগাররা কখন যে কী করে বসবে বলা কঠিন। কিছুদিন আগেই দক্ষিণ আফ্রিকাকে তাদের ঘরের মাঠে একদিনের সিরিজে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছিলেন সাকিব আল হাসানরা। কয়েকদিন পরেই সেই দলই কিনা সেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্টে শেষ ৫৩ রানে! চরম লজ্জায় পড়তে হল বাংলাদেশ টেস্ট দলকে। টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন রানের ইনিংস। এর আগে বাংলারদেশের টেস্টের এক ইনিংসে সর্বনিম্ন রান ছিল ৪৩। একদিনের সিরিজে সাকিব আল হাসানদের দুর্দান্ত ক্রিকেট বাংলাদেশী ক্রিকেটপ্রেমীদের প্রত্যাশা বাড়িয়ে দিয়েছিল। কিন্তু ক্রিকেটপ্রমীদের সেই প্রত্যাশার ফানুস চুপসে দিয়ে প্রথম টেস্টেই ভরাডুবি। বাংলাদেশকে হারতে হল ২২০ রানে। টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করে প্রথম ইনিংসে দক্ষিম আফ্রিকা তুলেছিল ৩৬৭। জবাবে মাহমুদুল হাসানের দুরন্ত সেঞ্চুরির সুবাদে বাংলাদেশ তোলে ২৯৮। মাহমুদুল করেন ১৩৭। প্রথম ইনিংসে ৬৯ রানে এগিয়ে থেকে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে ২০৪ রানে শেষ হয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস। সর্বোচ্চ ৬৪ রান করেন অধিনায়ক ডিন এলগার। বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৭৪। জয়ের জন্য ২৭৪ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে চতুর্থ দিনের শেষে বাংলাদেশের রান ছিল ৩ উইকেটে ১১। তখনই পরাজয়ের ভ্রূকূটি সামনে এসে পড়েছিল বাংলাদেশের। পঞ্চম দিনে ইনিংস কতটা টানতে পারেন বাংলাদেশের ব্যাটাররা, সেটাই ছিল দেখার। এদিন প্রথম ওভারেই মুশফিকুর রহিমের (০) উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপর রীতিমতো প্যাভিলিয়নে যাওয়ার মিছিল শুরু হয়। বাংলাদেশের ইনিংসে ধস নামান স্পিনার কেশব মহারাজ। মাত্র ১৯ ওভারে ৫৩ রানে শেষ হয় বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংস। বাংলাদেশের ২ জন ব্যাটসম্যান মাত্র দুঅঙ্কের গন্ডি পার করেন। নাজমুল হোসেন করেন ২৬, তাস্কিন আমেদ করেন ১৪। ৪ জন ব্যাটার ০ রানে আউট হন। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে কেশব মহারাজ ১০ ওভার বল করে ৩২ রানে ৭ উইকেট নেন। সাইমন হার্মার ২১ রানে নেন ৩ উইকেট। এর আগে বাংলাদেশের টেস্টে সর্বনিম্ন রান ছিল ৪৩। ২০১৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে।

এপ্রিল ০৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ভালোবাসার টানাপোড়েনের গল্প বলবে চরকি

মা ও তার সন্তানের ভালোবাসার টানাপোড়নের গল্প বলতে আসছে চরকি। হাওয়া বয় চরকির পাখায়,হাওয়া বয় জীবন শাখায়। জীবনের গল্প তুলে ধরা হবে চরকি-র মাধ্যমে।স্বভূমী এন্টারটেনমেন্টের ব্যানারে ডঃ প্রবীর ভৌমিকের প্রযোজনায় তুহিন সিনহার পরিচালনায় তৈরি হয়েছে চরকি ওয়েব সিরিজটি। হাসির রাজা খরাজ মুখার্জীকে এখানে এক অন্য রকম চরিত্রে দেখতে পাবেন দর্শকরা। রিমির চরিত্রে অভিনয় করছেন শ্রেয়াসা ঘোষ,অনন্তর চরিত্রে অভিনয় করছেন ডঃ প্রবীর ভৌমিক ও চরকি চরিত্রে অভিনয় করেছে দেবকন্যা হাজরা।এছাড়াও তপন রায়,কাজু হালদার,বনশ্রী রায়,অনুসূয়া পাত্র,ইতি দাস,শতাব্দী দাস,অরিত্র আরও অনেকে এই ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন। চিত্রগ্রহণ করেছেন পার্থ রক্ষিত। চরকি ওয়েব সিরিজটি শীঘ্রই মুক্তি পাবে এক জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফর্মে।

এপ্রিল ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌বাটলারের তান্ডবে উড়ে গেল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স

এবছর আইপিএলে শুরুটা ভাল হল না মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের। প্রথম ম্যাচের পর দ্বিতীয় ম্যাচেও হার রোহিত শর্মার দলের। শনিবার রাজস্থান রয়্যালসের কাছে হার ২৩ রানে। বাটলার ঝড়ে উড়ে গেল মুম্বই। এদিন রোহিতদের বিরুদ্ধে দুরন্ত সেঞ্চুরি করেন রাজস্থান রয়্যালসের এই উইকেটকিপার ব্যাটার। টস জিতে রাজস্থান রয়্যালসকে ব্যাট করতে পাঠান রোহিত শর্মা। শুরুটা ভাল হয়নি রাজস্থান রয়্যালসের। তৃতীয় ওভারে আউট হন জশ্বস্বী জয়সোয়াল। তাঁকে ফেরান যশপ্রীত বুমরা। মাত্র ১ রান করে আউট হন জয়সোয়াল। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারের ষষ্ঠ বলে দেবদত্ত পাড়িক্কলকে (৭) তুলে নেন টাইমল মিলস। এরপর বাটলারের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। জুটি ওঠে ৮২। ২১ বলে ৩০ রান করে কায়রণ পোলার্ডের বলে আউট হন সঞ্জু। সঞ্জু আউট হওয়ার পর ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন শিমরণ হেটমায়ের। ৩টি ৪ ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে ১৪ বলে ৩৫ রান করে তিনি যশপ্রীত বুমরার বলে আউট হন। হেটমায়ের আউট হওয়ার ২ বল পরেই আউট হন বাটলার। তার আগে অবশ্য তিনি সেঞ্চুরি পূর্ণ করে ফেলেছিলেন। বাটলারে সেঞ্চুরি আসে ৬৬ বলে। মারেন ১১টি ৪ ও ৫টি ৬। ওভারের শেষ বলে রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে ফেরান বুমরা। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৯৩ রান করে রাজস্থান রয়্যালস। ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে ১৭ রানে ৩ উইকেট নেন বুমরা। ৩৫ রানে ৩ উইকেট নেন টাইমল মিলস। চলতি আইপিএলে এখনও সেভাবে জ্বলে উঠতে পারলেন না মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে মাত্র ১০ রান করে দ্বিতীয় ওভারেই আউট হন। তাঁকে ফেরান প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। আনমোলপ্রীত সিংও (৫) রান পাননি। ৪ ওভারে ৪০ রান তোলার ফাঁকে ২ উইকেট হারায় মুম্বই। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান ঈশান কিশান ও তরুণ তিলক ভার্মা। তাঁর ব্যাটিং দেখে একবারের জন্যও মনে হয়নি জীবনের দ্বিতীয় আইপিএল ম্যাচ খেলছেন। ঈশানের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। ১২.৫ ওভারে ১২১ রানও তুলে ফেলেছিল মুম্বই। ট্রেন্ট বোল্ট ঈশান কিশানকে (৪৩ বলে ৫৪) তুলে নিতেই ধস মুম্বই ইনিংসে। পরপর ফিরে যান তিলক ভার্মা (৩৩ বলে ৬১), টিম ডেভিড (১(১), ড্যানিয়েল সামস (০)। ইনিংসের শেষ বলে আউট হন পোলার্ড (২৪ বলে ২২)। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৭০ তোলে মুম্বই। রাজস্ঝানের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন নভদীপ সাইনি ও যুজবেন্দ্র চাহাল।

এপ্রিল ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌গত বছরের মতোই প্রথম ম্যাচে ব্যাটিং ব্যর্থতা, বদলায়নি সানরাইজার্স হায়দরাবাদ

গত বছর আইপিএলে ব্যাটিং ব্যর্থতার জন্য ডুবতে হয়েছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে। সময় গড়িয়েছে। সানরাইজার্স হায়দরাবাদে কিন্তু কোনও পরিবর্তন হয়নি। এবারও আইপিএলের প্রথম ম্যাচেই ডুবতে হল সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে। রাজস্থান রয়্যালসের কাছে প্রথম ম্যাচে হারতে হল ৬১ রানে। বোলারদের পাশাপাশি জ্বলে উঠতে ব্যর্থ ব্যাটাররাও। টস জিতে রাজস্থান রয়্যালসকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান সানরাইজার্স হায়দরাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ২১০ রান তোলে রাজস্থান। অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন হাফসেঞ্চুরি করলেও বাকি ব্যাটাররাও দলের বড় ইনিংসে অবদান রাখেন। দারুণ শুরু করে ছিলেন দুই ওপেনার জস বাটলার ও জস্বশ্বী জয়সোয়াল। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে জুটিতে ওঠে ৫৮। এরপরই আউট হন জয়োসোয়াল (১৬ বলে ২০)। তাঁকে তুলে নেন রোমারিও শেফার্ড। জস বাটলার ২৮ বলে করেন ৩৫। ২৯ বলে ৪১ রান করে আউট হন দেবদত্ত পাড়িক্কল।আগের বছরের ফর্ম ধরে রেখেছেন অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। তিনি ২৭ বলে ৫৫ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন। শেষ দিকে ঝড় তোলেন শিমরণ হেটমায়ের। ১৩ বলে ৩২ রান করে তিনি টি নটরাজনের বলে বোল্ড হন। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে টি নটরাজন ও উমরান মালিক ২টি করে উইকেট নেন। ভুবনেশ্বর কুমার ও রোমারিও শেফার্ড ১টি করে উইকেট পান। এবছর সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ব্যাটিং শক্তি খুব একটা খারাপ নয়। অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন, রাহুল ত্রিপাঠী, নিকোলাস পুরান, এইডেন মার্করামের মতো ব্যাটাররা রয়েছেন। তা সত্ত্বেও প্রথম ম্যাচে ব্যর্থতা। আসলে সামনে বড় রানের টার্গেট চাপে ফেলে দিয়েছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে। তার ওপর ট্রেন্ট বোল্ট, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণদের দুরন্ত বোলিং। শুরু থেকেই নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারাতে থাকে। পরপর ফিরে যান উইলিয়ামসন (২), রাহুল ত্রিপাঠী (০), নিকোলাস পুরান (০), অভিষেক শর্মা (৯), আব্দুল সামাদ (৪), রোমারিও শেফার্ডরা (২৪)। একসময় ৭৮ রানে ৬ উইকেট হারায় সানরাইজার্স। এরপর রুখে দাঁড়ান মার্করাম ও ওয়াশিংটন সুন্দর। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৪৯ রান তোলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ওয়াশিংটন সুন্দর ১৪ বলে করেন ৪০। মার্করান ৪১ বলে ৫৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। যুজবেন্দ্র চাহাল ২২ রানে ৩টি, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ ১৬ রানে ২টি ও ট্রেন্ট বোল্ট ২৩ রানে ২টি উইকেট নেন।

মার্চ ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ যুজবেন্দ্র চাহালের

এবারের মেগা নিলামে সব দলই খোলনলচে বদলে গেছে। আগে প্রতিযোগিতায়গুলিতে ভাল পারফরমেন্স করা সত্ত্বেও নিয়মের যাঁতাকলে অনেক ক্রিকেটারকে ধরে রাখতে পারেনি পুরনো ফ্র্যাঞ্চাইজি। যুজবেন্দ্র চাহালকে অবশ্য কথা দিয়েও কথা রাখেনি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর টিম ম্যানেজমেন্ট। পুরনো দলের বিরুদ্ধে এমনই মারাত্মক অভিযোগ এনেছেন চাহাল।আইপিএলে মঙ্গলবার মুখোমুখি হচ্ছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও রাজস্থান রয়্যালস। এবছর রাজস্থান রয়্যালসের জার্সি গায়ে নামবেন যুজবেন্দ্র চাহাল। রাজস্থান অবশ্য তাঁর কাছে নতুন নয়। ২০১০ সালে এই ফ্র্যাঞ্চাইজিতেই নাম লিখিয়েছিলেন। কিন্তু সেই মরশুমে একটা ম্যাচেও খেলার সুযোগ পাননি চাহাল। পরের বছর যোগ দেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে। ২০১১ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত থাকলেও মাত্র ১টা ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন। ২০১৪ সালের নিলামে তাঁকে তুলে নেয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। ২০১৪ থেকে ২০২১, টানা ৮ বছর ছিলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সে। খেলেছেন ১১৩টি ম্যাচ। উইকেট নিয়েছেন ১৩৯টি। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের সঙ্গে অন্যরকম সম্পর্ক তৈরি হয়ে গিয়েছিল। সেই দল তাঁকে রাখবে না, ভাবতে পারেননি চাহাল।রাজস্থান রয়্যালসের জার্সি গায়ে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করার আগে পুরনো দলের প্রতি অভিমান ঝড়ে পড়ছিল চাহালের গলায়। তিনি বলেন, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর আমাকে নিজেকে মেলে ধরার প্ল্যাটফর্ম দিয়েছিল। খ্যাতি, ভালবাসা সব পেয়েছি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স থেকে। কিন্তু আমার সঙ্গে এইরকম ব্যবহার করবে, ভাবতে পারিনি। কখনোই ভাবিনি আমাকে আরসিবি ছাড়তে হবে। অনেকেই হয়তো ভাবছে, আমি টাকার জন্য দল ছেড়েছি। আসলে তা নয়। আমাকে আরসিবির ক্রিকেট ডিরেক্টর মাইক হেসন বলেছিলেন, ওরা বিরাট, ম্যাক্সওয়েল ও মহম্মদ সিরাজকে ধরে রাখছে। সঙ্গে এও বলেছিলেন, আমাকে নিলাম থেকে নেওয়া হবে। কথা দিয়েও কিন্তু ওরা কথা রাখেনি।চাহাল আরও বলেন, আরসিবি যদি আমাকে ধরে রাখার প্রস্তাব দিত, আমি রাজি হয়ে যেতাম। কিন্তু সে সুযোগ দেয়নি। রাজস্থান রয়্যালস আমার ওপর ভরসা রেখেছে। এটাই আমার প্রথম দল। সেরাটা দিয়ে রাজস্থানকে সাফল্য এনে দেওয়ার চেষ্টা করব। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে যেমন পারফরমেন্স করতাম, রাজস্থানের জার্সি গায়েও নিজেকে সেভাবে উজার করে দেব।

মার্চ ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দুরন্ত জয়, তবু কি সেমিফাইনালে উঠতে পারবে ভারত?‌

ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার কাছে পরপর দুই ম্যাচে হারে পর ঘুরে দাঁড়াল ভারত। গ্রুপ লিগের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বাংলাদেশকে ১১০ রানে উড়িয়ে মহিলাদের বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে ওঠার রাস্তা অনেকটাই প্রশস্ত করলেন মিতালি রাজরা। ৬ ম্যাচে ভারতের পয়েন্ট দাঁড়াল ৬। ওয়েস্ট ইন্ডিজেরও পয়েন্ট ৬। নেট রান রেটে ক্যারিবিয়ানদের পেছনে ফেলে লিগ টেবিলে তৃতীয় স্থানে উঠে এল ভারত। ভারতের জয়ে এদিন বড় অবদান রাখলেন বোলাররা। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভারতের ম্যাচ ছিল মরণবাঁচনের লড়াই। টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন মিতালি রাজ। লক্ষ্য ছিল বড় রান তুলে বাংলাদেশকে চাপে ফেলা। একই সঙ্গে বড় ব্যবধানে জিতে নেট রানরেট বাড়িয়ে রাখা। বড় ব্যবধানে জয়ের পাশাপাশি নেট রান রেট বাড়ানোর লক্ষ্যে সফল মিতালি রাজরা। ব্যাট কতরতে নেমে এদিন ভাল শুরু করেছিলেন ভারতের দুই ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা ও শেফালি ভার্মা। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৭৪। এরপর হঠাৎই ধস নামে ভারতীয় ইনিংসে। পরপর ফিরে যান স্মৃতি মান্ধানা (৩০), শেফালি ভার্মা (৪২) ও মিতালি রাজ (০)। দ্রুত ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। ক্রিজে নেমে হরমনপ্রীত কাউর বিপর্যয় সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু ঝুঁকি নিতে গিয়ে তিনি রান আউট হন। ৩৩ বলে ১৪ রান করেন হরমনপ্রীত। রিচা ঘোষ (২৬), পূজা বস্ত্রকার (অপরাজিত ৩০), স্নেহ রানাদের (২৭) সৌজন্যে ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ২২৯ তোলে ভারত। বাংলাদেশের হয়ে রিতু মনি ৩৭ রানে ৩টি ও নাহিদা আখতার ৪২ রানে ২টি উইকেট নেন। জয়ের জন্য ২২৯ রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকে চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। ১২ রানে প্রথম উইকেট হারায়। এরপর নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়তে থাকে। বাংলাদেশের টপ অর্ডারের কোনও ব্যাটারই রান করতে পারেননি। একসময় ৩৫ রানে ৫ উইকেট পড়ে যায়। সেখান থেকে লতা মণ্ডল (২৪) ও সালমা খাতুনের (৩২) জুটি বিপর্যয় কিছুটা সামাল দেয়। রিতু মনি করেন ১৬। ভারতের হয়ে স্নেহ রানা ৩০ রানে ৪ উইকেট নেন। দুরন্ত বোলিং করে ১৯ রানে ২ উইকেট তুলে নেন ঝুলন গোস্বামী। পূজা বস্ত্রকার ২৬ রানে নেন ২ উইকেট। গ্রুপ লিগে ভারত শেষ ম্যাচে খেলবে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে। সেই ম্যাচ জিতলেই সেমিফাইনালে পৌঁছে যাবে ভারত।

মার্চ ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌মাইলস্টোনের ম্যাচে ব্যর্থ ঝুলন, অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে সেমিফাইনাল কঠিন করে তুলল ভারত

মহিলাদের বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে যাওয়ার জন্য অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ভারতের ম্যাচ ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জিতলেই সেমিফাইনাল অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে যেত। কিন্তু টানটান উত্তেজনার ম্যাচে অসিদের কাছে ৬ উইকেটে হেরে সেমিফাইনালে যাওয়ার রাস্তা কঠিন করলে তুললেন মিতালি রাজরা। পরিস্থিতি এমন, সেমিফাইনালে যেতে গেলে শেষদুটি ম্যাচে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকাকে শুধু হারালেই হবে না, নেট রানরেটেও এগিয়ে থাকতে হবে।অকল্যান্ডের ইডেন পার্কে এদিন টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠায় অস্ট্রেলিয়া। শুরুটা ভাল হয়নি ভারতের। ৬ ওভারের মধ্যেই হারায় দুই ওপেনারকে। চতুর্থ ওভারের প্রথম বলেই ডার্সি ব্রাউন তুলে নেন স্মৃতি মান্ধানাকে (১০)। ষষ্ঠ ওভারের শেষ বলে ফেরান আর এক ওপেনার শেফালি ভার্মাকে (১২)। মনে হচ্ছিল এদিনও ভারতের ব্যাটিং বিপর্যয় ঘটতে চলেছে। কিন্তু রুখে দাঁড়ান তিন নম্বরে নামা ইয়াস্তিকা ভাটিয়াকে নিয়ে রুখে দাঁড়ান অধিনায়ক মিতালি রাজ। বিশ্বকাপের আগের চারটি ম্যাচে রান পাননি আধিনায়ক মিতালি। কিন্তু এদিন দৃঢ়তার পরিচয় দিয়ে দলকে টেনে নিয়ে যান। ইয়াস্তিকার সঙ্রে ১৩০ রানের পার্টনারশিপ গড়ে দলকে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করিয়ে দেন। ৩২তম ওভারের চতুর্থ বলে আউট হন ইয়াস্তিকা। সেই ডার্সি ব্রাউন নিজের দ্বিতীয় স্পেলে বল করতে এসে তুলে নেন ইয়াস্তিকাকে। ৮৩ বলে তিনি করেন ৫৯। ভারতের রান তখন ১৫৮। ইয়াস্তিকা আউট হওয়ার কিছুক্ষণ পরেই ফেরেন মিতালি। ৯৬ বলে ৬৮ রান করেন তিনি। রিচা ঘোষ (৮) ও স্নেহ রানা (০) রান পাননি। শেষ দিকে হরমনপ্রীত কাউর (৪৭ বলে অপরাজিত ৫৭) ও পূজা বস্ত্রকারের (২৮ বলে ৩৪) দুরন্ত ব্যাটিং ভারতকে ২৭৭/৭ রানে পৌঁছে দেয়। জয়ের জন্য ২৭৮ রানের লক্ষ্য যথেষ্ট কঠিন ছিল অস্ট্রেলিয়ার কাছে। কারণ এত রান তাড়া করে মহিলাদের বিশ্বকাপে আগে কোনও দল জেতেনি। কিন্তুই অস্ট্রেলিয়ার দুই ওপেনার র্যাচেল হেনেস ও অ্যালিসা হিলি কাজটা অনেকটাই সহজ করে দেন। ওপেনিং জুটিতে ১৯ ওভারে দুজনে তুলে ফেলে ১২১। ভারতীয় বোলাররা এই দুই ওপেনারের ওপর প্রভাব বিস্তার করতে পারেননি। অবশেষে ভারতকে ব্রেক থ্রু এনে দেন স্নেহ রানা। ২০তম ওভারের দ্বিতীয় বলে অ্যালিসা হিলিকে (৬৫ বলে ৭২) তুলে নেন তিনি। পরের ওভারেই র্যাচেল হেনেসকে (৫৩ বলে ৪৩) ফেরান পূজা বস্ত্রকার। মনে হচ্ছিল পরপর দুটি উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে ফিরতে চলেছে ভারত। কিন্তু মিতালি রাজদের আশায় জল ঢেলে দেন মেগ ল্যানিং ও এলিসে পেরি। দুজনে মিলে জুটি তোলেন ১০৩ রান। এলিসে পেরিকে (২৮) ফেরান পূজা বস্ত্রকার। এরপরই বৃষ্টির জন্য কিছুক্ষণ খেলা বন্ধ থাকে। তাতেই মনোসংযোগে চিড় ধরানে মেগ ল্যানিংয়ের। বেথ মুনিকে সঙ্গে নিয়ে তিনি ধীরে ধীরে দলকে জয়ের দিকে টেনে নিয়ে যান। মেঘনা সিংয়ের বলে সেঞ্চুরির মুখে আউট হন ল্যানিং (১০৭ বলে ৯৭)। জয় থেকে অস্ট্রেলিয়া তখন ৮ রান দুরে। শেষ ওভারে অস্ট্রেলিয়আর জয়ের জন্য দরকার ছিল ৪ রান। ঝুলন গোস্বামীর প্রথম বলেই ৪ মারেন মুনি। পরের বলে ২ রান নেন। তৃতীয় বলে আবার বাউন্ডারি হাঁকিয়ে দলের সেমিফাইনাল খেলা নিশ্চিত করেন মুনি (২০ বলে অপরাজিত ৩০)। ৩ বল বাকি থাকতে ৪ উইকেটে ২৮০ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় অস্ট্রেলিয়া। এদিন দেশের হয়ে ২০০ তম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেললেন ঝুলন। মাইলস্টোনের ম্যাচে বল হাতে চূড়ান্ত ব্যর্থ। ৯.৩ ওভারে ৬৪ রান দিয়ে কোনও উইকেট পাননি। ৪৩ রানে ২ উইকেট পান পূজা বস্ত্রকার।

মার্চ ১৯, ২০২২
দেশ

বিমানবন্দরে রক্ষীর নির্দেশে স্যুটকেস খুলতেই বেরিয়ে এল... অবাক কান্ড! বিড়ম্বনায় আইপিএস অফিসার

জয়পুর আন্তঃর্জাতিক বিমানবন্দরে বিড়ম্বনায় পড়লেন ওডিশার পরিবহণ কমিশনার অরুণ বোথরা। তাঁর সুটকেস থেকে উদ্ধার হওয়া মালপত্র দেখে হতবাক নিরাপত্তা রক্ষীরা। বিমানবন্দরে প্রবেশ করার পর সিকিউরিটি চেক-ইনে তাঁর লাগেজ স্ক্যানারে ঢোকাতেই চোখ কপালে নিরাপত্তারক্ষীদের।তিনি একজন আইপিএস অফিসার, সেই পরিচয় জানতে পেরেও তাঁকে বাধ্য করেন সুটকেস খুলে দেখাতে। স্বাভাবিক ভাবেই থিকথিকে ভিড়ে ঠাসা বিমানবন্দরে হাজির মানুষজন কৌতূহলে ভিড় জমিয়ে ফেলেন পরবর্তি ঘটনার জানার জন্য।অরুণ বোথরা পারিবারিক কাজে রাজস্থান থেকে ফিরছিলেন। বিমানবন্দরের অনভিপ্রেত ঘটনা পরম্পরাই চারপাশে উৎসাহী মানুষের চোখ তখন ওই স্যুটকেসের দিকে। কি থাকতে পারে তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে। অত্যুতশাহী কৌতূহলি মানুষজন যেন দু-চোখ দিয়েই স্ক্যান করে নেবে স্যুটকেসটি। উপচে পড়ছে ভিড়। নিয়ম বড় বালাই। তা সে সাধরন মানুষ কি আইপিএস কি শিল্পী। অগত্যা স্যুটকেসটি খুলে দেখাতেই হল বোথরা কে।Security staff at Jaipur airport asked to open my handbag 😐 pic.twitter.com/kxJUB5S3HZ Arun Bothra 🇮🇳 (@arunbothra) March 16, 2022সামাজিক মাধ্যম টুইটারে সেই খোলা স্যুটকেসেরই ছবি শেয়ার করেছেন বোথরা। ওডিশার পরিবহণ কমিশনার অরুণ বোথরার টুইটার ফলোয়ারের সংখ্যা এক লক্ষ ৩০ হাজার। কিছু ক্ষণের মধ্যেই মজার মজার রিটুইটে ভরে যায় টুইটার হ্যান্ডল।কী ছিল সেই স্যুটকেসে? জানলে অবাক হয়ে যাবেন! একজন আইপিএস এই সব জিনিস স্যুটকেসে নিয়ে এয়ার ট্রাভেল করতে পারেন? নিরপত্তারক্ষীদের নির্দেশে স্যুটকেস খুলতেই বেড়িতে এলো ১০ কেজি মটরশুঁটি! যা তিনি জয়পুর থেকে কিনে নিয়ে ওডিশায় আসছিলেন। রসিক আইপিএস জানাতে ভোলেননি তিনি ওই মটরশুঁটি ৪০ টাকা কেজি দরে কিনেছেন।

মার্চ ১৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মুক্তি পেল রাজা চন্দের প্রথম ওয়েব সিরিজ কাটাকুটির ট্রেলার

প্রথমবার ওয়েব সিরিজ করলেন পরিচালক রাজা চন্দ। ক্লিক ওটিটি প্ল্যাটফর্ম-এ আগামী ২৫ মার্চ থেকে দেখা যাবে তাঁর থ্রিলার ওয়েব সিরিজ কাটাকুটি। রাজা চন্দের পাশাপাশি সৌরভ দাস, দেবতনু, মানসী সেনগুপ্ত, পিয়ান সরকার এরাও ক্লিকের সঙ্গে প্রথম কাজ করলেন।মুক্তি পেল কাটাকুটি-র ট্রেলার। ক্লিকের এটি ১৫ তম ওয়েব সিরিজ। এখানে মানসী সেনগুপ্ত-র বিপরীতে রয়েছেন ওয়েব কিং সৌরভ দাস। মানসীর বোনের চরিত্রে দেখা যাবে পিয়ান সরকার কে এবং পিয়ানের স্বামীর চরিত্রে রয়েছেন দেবতনু। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিজিৎ গুহ,বিপ্লব বন্দোপাধ্যায়,শীর্ষা রক্ষিত,জ্যামি,বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য প্রমুখ।ছবির প্রেক্ষাপটে লাজুক আদিত্য আর স্পষ্টভাষী কৌশানি, দুজনের বিয়ে ঠিক হয় কিন্তু বিয়ের আগেই হঠাৎ কৌশানি মর্মান্তিক ভাবে খুন হয়। আর সেই খুনের কারণ বোঝা যায়, এক নৃশংস গ্যাং রেপ কেস। তার সাজানো স্বপ্নগুলি এরম নির্মম ভাবে চুরমার হতে দেখে ভেঙে পড়ে আদিত্য। ঘটনাটির আকস্মিকতাতে আদিত্য ভেঙে পড়ে।কাহিনী এগোতে ইঙ্গিত পাওয়া যায় তিনজনের নাম। যারা করেছে এই ঘৃন্য অপরাধ! ঘটনাচক্রে তাদের মধ্যে একজন কৌশানির পরিবারের খুব কাছের সদস্য। আদিত্য বদলে যায়। কৌশানির মৃত্যুর বিচার সে তুলে নেয় নিজের হাতে। বেছে নেয় নির্মম প্রতিশোধের পথ। এই কাহিনীর পরোতে পরোতে রয়েছে রোমহর্ষক চমক আর অনবদ্য অভিনয়।

মার্চ ১৭, ২০২২
রাজনীতি

নন্দীগ্রামে হেরেছি বলেছিলেন শুভেন্দু, বিস্ফোরক দাবি রাজীব-জয়প্রকাশের

নন্দীগ্রাম নিয়ে ফের তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। এবার নন্দীগ্রামের ভোট নিয়ে বোমা ফাটালেন ঘর ওয়াপসি করা তৃণমূল নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রামের ভোট স্বচ্ছ হয়নি। এমনটাই দাবি রাজীবের। শুভেন্দু অধিকারী নাকি তাঁকে গণনার দিন বিকেলেই জানিয়েছিলেন, তিনি হেরে গিয়েছেন । তাঁর বক্তব্য, কারচুপি করে জিতেছেন শুভেন্দু অধিকারী।শনিবার বিকেলে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমি আজ দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি। নন্দীগ্রামের কথা উনি (শুভেন্দু অধিকারী) বার বার বলেন। আমিও সেই সময় ভারতীয় জনতা পার্টিতে ছিলাম। বুকে হাত দিয়ে বলুন তো, নন্দীগ্রামের ভোট কতটা স্বচ্ছ হয়েছে! বাংলার মানুষ জানে, নন্দীগ্রামের ভোট কীভাবে হয়েছে। নন্দীগ্রামের ভোট স্বচ্ছ হয়নি। যেদিন ফলাফল ঘোষণা হয়, তিনি নিজে আমায় বিকেলে ফোন করে বলেছিলেন, নন্দীগ্রামে হেরে গিয়েছেন। তারপর কোন জাদুবলে আবার নন্দীগ্রামে তিনি জিতলেন? হাইকোর্টে যে মামলা হয়েছে, আমরা চাই এর বিচার হোক, যাতে হয় পুনরায় নির্বাচন নাহলে পুনরায় ভোট গণনা হোক। তাহলেই কী আছে তা পুরোপুরি স্পষ্ট হয়ে যাবে।উল্লেখ্য, এই অভিযোগ নতুন কিছু নয়। এর আগেও তৃণমূল এমন অভিযোগ তুলেছিল এবং সেই জল আদালত পর্যন্তও গড়িয়েছে। এখন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় দল বদলের পর সেই প্রসঙ্গকে ফের একবার উস্কে দিলেন। নন্দীগ্রামের ফলাফল প্রকাশ্যে আসার প্রথম দিন থেকেই নন্দীগ্রামের ভোট নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। এরপর শনিবার বিকেলে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে আসা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সদ্য জার্সি বদল করা জয়প্রকাশ মজুমদার, উভয়েই দাবি করেন তাঁদের কাছে খবর ছিল শুভেন্দু অধিকারী হেরে গিয়েছেন। শুভেন্দু অধিকারী নিজে নাকি রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানিয়েছিলেন যে তিনি হেরে গিয়েছেন।

মার্চ ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে রেকর্ড বাংলার মেয়ে রিচা ও মিতালি'র, পাকিস্তানকে বিধ্বস্ত করল ভারত

ক্রিকেটে ভারতপাকিস্তান মানেই টানটান উত্তেজনা। গতবছর পুরুষদের টি২০ বিশ্বকাপে এই ছবিটা দেখা যায়নি। একপেশে ম্যাচে ভারতকে বিধ্বস্ত করেছিলেন বাবর আজমরা। বিরাট কোহলিদের সেই পরাজয়ের মধুর প্রতিশোধ নিলেন মিতালি রাজরা। মহিলাদের বিশ্বকাপের একপেশে ম্যাচে পাকিস্তানকে ১০৭ রানে উড়িয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল ভারত। একদিনের বিশ্বকাপে অভিষেক ম্যাচেই উইকেটের পেছনে পাঁচটি শিকার করে রেকর্ড গড়লেন বাংলার রিচা ঘোষ। একমাত্র মহিলা ক্রিকেটার হিসেবে ৬টি বিশ্বকাপ খেলার অনন্য নজির গড়লেন ভারতের অধিনায়ক মিতালি রাজও। নিউজিল্যান্ডের মাউন্ট মাউঙ্গানুইতে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক মিতালি রাজ। শুরুটা ভাল হয়নি ভারতের। ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই আউট হন শেফালি ভার্মা (০)। এরপর স্মৃতি মান্ধানা ও দীপ্তি শর্মা জুটি দলকে টেনে নিয়ে যান। দ্বিতীয় উইকেটের জুটিতে ৯২ রান তুলে চাপ কাটান। ৪০ রান করে বাইশতম ওভারের শেষ বলে আউট হন দীপ্তি। এরপরই ধস নামে ভারতের ইনিংসে। ২ ওভার পরেই আউট হন ওপর ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা। ৭৫ বলে তিনি করেন ৫২। স্মৃতি আউট হওয়ার পরপরই ফিরে যান হরমনপ্রীত কাউর (৫), রিচা ঘোষ (১), মিতালি রাজরা (৯)। একসময় ১১৪ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে যথেষ্ট চাপে পড়ে যায় ভারত। এরপর রুখে দাঁড়ান স্নেহ রানা ও পূজা বস্ত্রকার। পাল্টা আক্রমণ শানিয়ে পাকিস্তান বোলারদের ছন্দ নষ্ট করে দেন। দুজনে মিলে জুটি বেঁধে তোলেন ১২৪। ৫৯ বলে ৬৭ রান করে আউট হন পূজা বস্ত্রকার। ৪৮ বলে ৫৩ রান করে অপরাজিত থাকেন স্নেহ রানা। ৩ বলে ৬ রান করে অপরাজিত থাকেন ঝুলন গোস্বামী। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ভারত তোলে ২৪৪/৭। ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তানের দুই ওপেনার সিদ্রা আমিন ও জাভেরিয়া খান ভারতের দুই প্রারম্ভিক বোলার ঝুলন গোস্বামী ও মেঘনা সিংয়ের আঁটোসাটো বোলিংয়ের সামনে একেবারেই সুবিধা করতে পারেননি। পাওয়ার প্লেতে পাকিস্তানের রান তোলার গতি খুবই মন্থর ছিল। পরের দিকে রানের গতি বাড়াতে গিয়ে রাজেশ্বরীকে উইকেট উপহার দেন জাভেরিয়া (১১)। আর পাকিস্তান অধিনায়ক বিসমা মারুফকে (১৫) তুলে নেন দীপ্তি শর্মা। ওমাইমা সোহেলকে (৫) ফেরান স্নেহ রানা। দ্বিতীয় স্পেলে বোলিং করতে এসে সিদ্রা আমিন (৩০) ও নিদা দারকে (৪) তুলে নেন ঝুলন গোস্বামী। এরপরই রাজেশ্বরীর দাপটে ভেঙে পড়ে পাকিস্তানের ব্যাটিং। ৪৩ ওভারে ১৩৭ রানে গুটিয়ে পাকিস্তান। ৩১ রানে ৪ উইকেট নেন রাজেশ্বরী। ২৬ রানে ২ উইকেট নেন ঝুলন গোস্বামী। ২৭ রানে ২ উইকেট স্নেহ রানার। এদিকে, প্রথম উইকেটকিপার হিসেবে বিশ্বকাপের অভিষেক ম্যাচেই পাঁচটি শিকার করে রেকর্ড গড়লেন রিচা শর্মা। উইকেটের পেছনে সিদ্রা আমিন, বিসমা মারুফ, নিদা দার ও নাশরা সান্ধুর ক্যাচ ধরেন। আলিয়া রিয়াজকে দুর্দান্ত স্টাম্পড করেন। অন্য কোনও ক্রিকেটারের এই নজির নেই। ৬টি বিশ্বকাপ খেলে নজির গড়েছেন মিতালি রাজও। ৫টি করে বিশ্বকাপ খেলার নজির রয়েছে নিউজিল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার ডেবি হকলে ও ইংল্যান্ডের শার্লট এডওয়ার্ডসের। তাঁদের রেকর্ড ভেঙে দিলেন মিতালি। মহিলা ও পুরুষ মিলিয়ে তৃতীয় ক্রিকেটার হিসেবে ৬টি বিশ্বকাপ খেলার নজির স্পর্শ করলেন। এই কৃতিত্ব রয়েছে জাভেদ মিয়াঁদাদ ও শচীন তেন্ডুলকারের।

মার্চ ০৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সাতপাকে বাঁধা পড়লেন অভিনেত্রী মেঘনা ও শুভজিৎ

সাত পাকে বাঁধা পরলেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেঘনা মুখার্জি। বিয়ে করলেন শুভ্রজিৎ ব্যানার্জি কে। বিয়ের আসর বসেছিল গোলপার্কের ঘোষবাড়িতে। বিশেষ দিনে হাজির হন ছোটপর্দার অনেক তারকা। টলিউডের জনপ্রিয় জুটি নীল-তৃণা থেকে উপস্থিত হন জীবন সাথী ত্রিশূল ধারাবাহিকের অনেকেই। যমুনার ঢাকী খ্যাত অভিনেত্রী শ্বেতা ভট্টাচার্যও বিয়েবাড়ি আলোকিত করেন। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অতিথিদের সংখ্যাও বাড়তে থাকে।জীবন সাথী ধারাবাহিকের সকলে জানালেন, ওদের বিবাহিত জীবন যেন সুখের হয়। খুব আনন্দ করে কাটাক। লাভ ইউ বোথ। গড ব্লেস ইউ বোথ।বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ মেঘনা - শুভ্রজিৎমেঘনার বর্তমান ধারাবাহিক ত্রিশূলের অভিনেত্রীরা জানান, আমরা এতদিন ধরে খুব এক্সাইটেড ছিলাম। মেঘনাকে ও শুভজিৎ কে অনেক অনেক শুভকামনা। খুব ভালো থাকুক ওরা। ওদেরকে দেখেই যেন আমরা ভালো থাকতে পারি।তারকার বিয়ে। তাই এলাহি আয়োজন ছিল। স্টার্টারে গন্ধরাজ চিকেন ফ্রাই থেকে শুরু করে ছিল দইবড়া, ড্রাই চিলি, ফিস, দইবড়া, বেবিকরণ, কোল্ডড্রিঙ্কস, কফি ছাড়াও আরও আইটেম। ডিনারে ছিল ভেটকি পাতুঋ, পোলাও, মটন কষার মটন সুস্বাদু সব ডিশ। সবমিলিয়ে মেঘনার বিয়ের একটা আলাদাই পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। আর এই পরিবেশে সবাই মেঘনার মধুর মিলনের সাক্ষী থাকল।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

১১ মার্চ মুক্তি পাচ্ছে রোহন সেনের "অপরাজিতা"

আমাদের জীবনে কত না বলা কথা আমরা বলতে পারিনা। জমে থাকে স্তূপাকৃত একরাশ অভিমান। বেড়ে ওঠেনা সময়মত সম্পর্কের বাকরুদ্ধ পরিসর। সেই অব্যক্ত নিঃশব্দে আমরা হারিয়ে ফেলি কত প্রিয়জন কে। আর সেটা যদি বাবা মেয়ের মত সম্পর্ক হয়... তাহলে? এরকম এক কঠিন বাস্তবকে আবর্তিত হতে দেখবো আমরা রুপোলি পর্দায়। রোহন সেন এর এই ছবি টি আমাদের সামাজিক প্রেক্ষাপটে রীতিমতো আয়না তুলে ধরার একটি হৃদয়স্পর্শী কাহিনী। অপরাজিতা মুক্তি পাচ্ছে আগামী ১১ই মার্চ নিকটবর্তী প্রেক্ষাগৃহে। বাবা মেয়ের এক কথা না হওয়া জটিল, তাও মধুর সম্পর্ক কীভাবে একটি ডায়েরির মাধ্যমে পাতার পর পাতা আবহমান হতে থাকে, সেটাই ভেসে উঠবে জীবনের বড় পর্দায়। পরিচালক রোহন সেনের ছবি অপরাজিতা। অপরাজিতা একটি মেয়ে এবং তার বাবার সঙ্গে টানাপোড়েন এর সম্পর্কের গল্প। যেখানে মেয়ে বা তার বাবা কেউ কারোর সাথে কথা বলে না এক বাড়িতে থাকা সত্ত্বেও। কোথাও না কোথাও তাদের দুজনের মধ্যেই ইগো কাজ করে, এবং তার পেছনে যুক্তিসঙ্গত কারণ রয়েছে। শুধুমাত্র একটি ডায়েরির মাধ্যমে তাদের দুজনের মধ্যে যোগাযোগ রয়েছে। অপরাজিতা একজন স্বাধীন মহিলা যে একটি কর্পোরেট কোম্পানিতে কাজ করে। তার একজন বয়ফ্রেন্ড আছে, সাহেব। সাহেবের কাছে সে তার রাগ, দুঃখ, অভিমান ব্যক্ত করতে পারে । অপরাজিতার বড়ো দিদি USA তে থাকেন। সাহেব বা তার দিদি কেউই অপরাজিতার সঙ্গে তার বাবার সম্পর্ক ঠিক করতে পারেনা। তাদের পারিবারিক ডাক্তারও এই প্রজন্মের সামাজিক আর পারস্পরিক দূরত্বের বিষয় টি তুলে ধরেন। গল্প যত এগোয় বাবা-মেয়ের সম্পর্ক তত জটিল হয়ে উঠতে থাকে। শেষমেশ এই সম্পর্কের পরিণতি কি হয় তাই নিয়েই এই ছবি। সাধারণ ঘটনা গুচ্ছগুলি অনেকেই হয়তো চারপাশে বা নিজস্ব জীবনে অনুভব করে থাকবেন। উল্লেখ্য চরিত্রর মধ্যে অপরাজিতার চরিত্রে রয়েছেন তুহিনা দাস। তাঁর বাবার চরিত্রে শান্তিলাল মুখোপাধ্যায়। বয়ফ্রেন্ডের চরিত্রে দেবতনু। পরিবারের ঘনিষ্ঠ ডাক্তার রানা বসু ঠাকুর। অমৃতা দে কে এই ছবিতে দেখা যাবে দিদি, প্রযোজক ও গায়িকার ভুমিকায়।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

পাহাড় থেকে বাইচুংকে নিয়ে এসে লালহলুদের হাতে তুলে দিয়েছিলেন সুরজিৎ সেনগুপ্তই

কতটা ইস্টবেঙ্গল অন্তঃপ্রাণ ছিলেন সুরজিৎ সেনগুপ্ত? মোহনবাগানের জার্সি গায়ে প্রথম বড় ক্লাবে খেললেও তাঁর লালহলুদ প্রীতি নিয়ে কোনও প্রশ্ন তোলার অবকাশ নেই। বাইচুং ভুটিয়াকে তুলে দিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গলের হাতে। ১৯৭৪ সালে সবুজমেরুণ জার্সি ছেড়ে ইস্টবেঙ্গলে যোগ দেন। ১৯৭৪ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত টানা ৬ বছর তিনি লালহলুদ জার্সি গায়ে কাটিয়েছিলেন। শত প্রলোভন সত্ত্বেও তিনি সবুজমেরুণ জার্সি তুলে নেননি। জীবনের সেরা সময়টা লালহলুদ জার্সি গায়েই কাটিয়েছেন সুরজিৎ সেনগুপ্ত।টানা ৬ বছর লালহলুদ জার্সি গায়ে ইস্টবেঙ্গলে কাটানোর পর তুলে নেন সাদাকালো জার্সি। ১৯৮০ সালে মহমেডানে যোগ দেওয়ার পেছনে অন্য কারণ ছিল। ১৯৭৪ থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত টানা ৫ বছর লিগ জেতার পর ১৯৭৯ মরশুমে ভাল পারফরমেন্স হয়নি ইস্টবেঙ্গলের। ইস্টবেঙ্গ শোনা যায়, ঘরের ছেলেদের নাকি শিক্ষা দিতে বেশ কয়েকজন বাইরের ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তি করেন লালহলুদ কর্তারা। এতেই চটে যান সুরজিৎ সেনগুপ্ত। ৮ জন ফুটবলার মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গল ছাড়বেন। যোগ দেবেন মহমেডানে। সেই দলে ভাস্কর গাঙ্গুলি থেকে শুরু করে প্রশান্ত চক্রবর্তী, শ্যামল ঘোষরাও ছিলেন। মোহনবাগান থেকে একজন ফুটবলারকে নিজেদের জোটে নিয়েছিলেন সুরজিৎ। একবছর মহমেডানে কাটিয়ে ১৯৮১ সালে আবার যোগ দেন মোহনবাগানে। ফুটবল জীবনের শেষ সময়টা সবুজমেরুণ জার্সি গায়েই কাটিয়েছিলেন।ফুটবল ছাড়ার পরও ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক ছিল সুরজিৎ সেনগুপ্তর। সুখদুঃখে সবসময় লালহলুদের পাশে ছিলেন। পাহাড় থেকে বাইচুং ভুটিয়াকে নিয়ে এসে তুলে দিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গলেরই হাতে। স্টেট ব্যাঙ্কে চাকরি করতেন সুরজিৎ সেনগুপ্ত। পাহাড় থেকে ফুটবলার তুলে নিয়ে আসার একটা প্রকল্প ছিল স্টেট ব্যাঙ্কের। সুরজিৎ সেনগুপ্তর সঙ্গে ফুটবলার বাছাইয়ের দায়িত্ব ছিল ভাস্কর গাঙ্গুলির। সিকিমে একটা স্টেট ব্যাঙ্কের ক্যাম্প হয়েছিল। ক্যাম্পে বাইচুংয়ের খেলা নজরে পড়েছিল সুরজিৎ সেনগুপ্ত ও ভাস্কর গাঙ্গুলির। দুজনে মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গলের হাতে তুলে দিতে হবে বাইচুংকে। সেই কথামতো কাজ। সিকিম থেকে ফিরে এসে লালহলুদ কর্তাদের বাইচুংয়ের কথা বলেছিলেন সুরজিৎ। একপ্রকার জোর করেই লালহলুদ কর্তাদের হাতে তুলে দিয়েছিলেন। বাকিটা ইতিহাস।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌প্রয়াত সুরজিৎ সেনগুপ্ত, বিখ্যাত গোলের সঙ্গে তিনিও ফুটবলপ্রমীদের হৃদয়ে থাকবেন

মারা গেলেন প্রাক্তন ফুটবলার সুরজিৎ সেনগুপ্ত। বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা ৫৪ মিনিটে তিনি মারা যান। সুরজিৎ সেনগুপ্তর প্রয়াণে ক্রীড়ামহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।করোনায় আক্রান্ত হয়ে ২৩ জানুয়ারি পিয়ারলেস হাসপাতালে ভর্তি হন। মাঝে মাঝে চিকিৎসায় সারা দিচ্ছিলেন। পরের দিকে শারীরিক অবস্থার খুবই অবনতি হয়। ২৯ জানুয়ারি থেকে তাঁকে ভেন্টিলেশনে বিশেষ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। কয়েকদিন আগে থেকেই শারীরিক অবস্থার বেশ অবনতি হয়। শেষ পর্যন্ত বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রয়াত হন এই প্রাক্তন ফুটবলার।১৯৫১ সালের ৩০ আগস্ট জন্ম সুরজিৎ সেনগুপ্তর। মফঃস্বল থেকে উঠে এসে কলকাতা ময়দানে পদার্পন করেন। কলকাতা ময়দানে প্রথম খিদিরপুর ক্লাবে ফুটবলজীবন শুরু করেন। খিদিরপুরের হয়ে কলকাতা লিগে যথেষ্ট নজর কাড়েন। মোহনবাগান কর্তাদের নজরে পড়ে যান সুরজিৎ সেনগুপ্ত। ১৯৭২ সালে খিদিরপুর থেকে মোহনবাগানে সই করেন। দুমরশুম সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে চাপানোর পর ১৯৭৪ সালে যোগ দেন ইস্টবেঙ্গলে। টানা ৬ বছর লালহলুদ জার্সি গায়ে দাপটের সঙ্গে খেলেন সুরজিৎ সেনগুপ্ত। ১৯৭৮ সালে ইস্টবেঙ্গলের লিগজয়ী দলের অধিনায়ক ছিলেন তিনি। পরের বছর তাঁর জায়গায় লালহলুদের অধিনায়ক করা হয় শ্যামল ঘোষকে। সেবছরও ইস্টবেঙ্গল লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়।১৯৭৯ মরশুম শেষে লালহলুদ কর্তারা বাঙালী ফুটবলারদের কোনঠাসা করার জন্য বাইরের কয়েকজন ফুটবলারদের সই করান। কর্তাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে ৮ জন ইস্টবেঙ্গল ফুটবলারকে নিয়ে ১৯৮০ সালে তিনি মহমেডানে যোগ দেন। মোহনবাগান থেকে নিয়ে যান একজন ফুটবলারকে। ১ বছর সাদাকালো জার্সি গায়ে কাটানোর পর ১৯৮১ সালে মোহনবাগানে যোগ দেন। ফুটবলজীবনের শেষ ৩ বছর সবুজমেরুণ জার্সি গায়েই কাটিয়েছিলেন সুরজিৎ সেনগুপ্ত।১৯৭৩ সালে মোহনবাগানে যোগ দেওয়ার পরেই ভারতীয় দলে সুযোগ পান সুরজিৎ সেনগুপ্ত। বিভিন্ন সময়ে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত দেশের হয়ে খেলেন। ১৯৭৪ ও ১৯৭৮ এশিয়ান গেমসে তিনি ভারতীয় দলের সদস্য ছিলেন। এছাড়া ১৯৭৪ সালে মারডেকা কাপ, ১৯৭৭ সালে প্রেসিডেন্টস কাপেও তিনি ভারতীয় দলের হয়ে খেলেছিলেন। বাংলার হয়ে দীর্ঘদিন সন্তোষ ট্রফিতে খেলেন। ১৯৭৬ সালে বাংলার অধিনায়কের দায়িত্বও পালন করেছিলেন সুরজিৎ সেনগুপ্ত। ১৯৭৯ সালে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার সংযুক্ত দলের বিরুদ্ধে কর্ণার থেকে তাঁর বাঁক খাওয়ানো শটে গোল আজও ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে গেঁথে রয়েছে। পরলোকে চলে গেলেও তিনিও ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে থাকবেন।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌'ক্রিকেট ছেড়ে বাবার সঙ্গে অটো চালাও', কেন মহম্মদ সিরাজকে একথা বলা হয়েছিল?

জাতীয় দলের হয়ে এই মুহূর্তে রীতিমতো দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন মহম্মদ সিরাজ। তিন ধরনের ফরম্যাটেই ভারতীয় দলে সুযোগ পেয়েছেন। অথচ এই সিরাজকেই এক সময় শুনতে হয়েছিল, যাও, ক্রিকেট ছেড়ে বাবার সঙ্গে অটো চালাও। সোশ্যাল মিডিয়ায় এইভাবে ট্রোল হয়েও ভেঙে পড়েননি। দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিলেন। জায়গা করে নিয়েছিলেন জাতীয় দলে। বাকিটা ইতিহাস।২০১৯ সালের ঘটনা। সেই মরশুমে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের জার্সি গায়ে আইপিএল খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন মহম্মদ সিরাজ। কিন্তু ওই বছরটা খুব খারাপ কেটেছিল তাঁর কাছে। ৯টা ম্যাচে খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন। উইকেট পেয়েছিলেন মাত্র ৭টি। ইকনমি রেট ছিল ১০-এর কাছাকাছি। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের মরশুমও ভাল যায়নি। ওই বছরই কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে ম্যাচে ২.২ ওভারে ৩৬ রান দিয়েছিলেন মহম্মদ সিরাজ। পাঁচপাঁচটি ছক্কাও হজম করতে হয়েছিল তাঁকে। একই ওভারে পরপর দুটি বিমার দেওয়ায় বিরাট কোহলি বাধ্য হয়ে মহম্মদ সিরাজকে বোলিং থেকে সরিয়ে নেন। এরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁকে নিয়ে ট্রোল করেন নেট নাগরিকরা। সেই দুঃসময়ের কথা তুলে ধরে মহম্মদ সিরাজ বলেন, কেকেআরের বিরুদ্ধে পরপর দুটি বিমার দিয়েছিলাম। ওই ম্যাচের পর অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার সমালোচনা করে বলেছিল, ক্রিকেট ছেড়ে ফিরে যাও, বাবার সঙ্গে অটো চালাও। আমি অবশ্য সমালোচনায় কান দিইনি। ওই সময় ধোনিভাইয়ের কথা মাথায় রেখেছিলাম। ধোনিভাই একবার আমাকে বলেছিল, লোকে কে কী বলল, সেটা মাথায় না রাখতে। ভাল খেললে সবাই প্রশংসা করবে, খারাপ খেললে সমালোচনায় ভরিয়ে দেবে। সমালোচনায় কান দিও না। ধোনিভাইয়ের এই কথাগুলো মাথায় রেখেছিলাম। একসময় যারা আমাকে ট্রোল করেছিল, পরেই তারা আমার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছিল।২০২০ আইপিএলে দুরন্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে ভারতীয় টেস্ট দলে সুযোগ পান সিরাজ। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে অভিষেক হয় সিরাজের। আসন্ন আইপিএলের মেগা নিলামের আগে যে তিন জন ক্রিকেটারকে ধরে রেখেছে আরসিবি তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মহম্মদ সিরাজ। সাত কোটি টাকায় তাঁকে ধরে রেখেছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌স্নায়ুচাপের লড়াইয়ে বাজিমাত, রবি–রাজের দাপটে ৫ বার বিশ্বসেরা ভারত

ম্যাচের অন্তিমলগ্ন পর্যন্ত টানটান উত্তেজনা। স্নায়ুচাপের লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত বাজিমাত ভারতের। ইংল্যান্ডকে ৪ উইকেটে হারিয়ে অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন যশ ধুল ব্রিগেড। এই নিয়ে ৫ বার বিশ্বসেরার তকমা ছিনিয়ে নিল ভারত। একটা সময় আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। ১৮৯ রান তাড়া করে জয় আসবে তো। কিন্তু অ্যান্টিগুয়ার স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামে যেভাবে স্নায়ু চাপ ধরে রাখার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেন যশ ধুলরা, এককথায় অবিশ্বাস্য। আর ভারতকে বিশ্বকাপের বৈতরণী পার করার নায়ক হরিয়ানার বাঁহাতি ব্যাটার নিশান্ত সিন্ধু। ম্যাচের প্রথমার্ধ যদি রাজ বাওয়া ও রবি কুমারের হয়, দ্বিতীয়ার্ধটা অবশ্যই নিশান্ত সিন্ধুর। দুর্দান্ত হাফ সেঞ্চুরি করে ভারতে বিশ্বসেরার খেতাব এনে দিলেন। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় ওভারেই ইংল্যান্ড শিবিরকে ধাক্কা দেন রবি কুমার। দুরন্ত ইনসুইংয়ে তুলে নেন ওপেনার জ্যাকব বেথেলকে (২)। চতুর্থ ওভারে সবথেকে বড় ধাক্কা খায় ইংল্যান্ড। রবি কুমারের বল ব্যাটের ভেতরের কানায় লাগিয়ে বোল্ড হন টম প্রেস্ট (০)। অধিনায়ক টম প্রেস্টের দিকে তাকিয়ে ছিল ইংল্যান্ড। সেমিফাইনালে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে তাঁর চওড়া ব্যাট জিতিয়েছিল ইংল্যান্ডকে। ১৮ রানের মধ্যে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ইংরেজরা। রবি কুমার, রাজ বাওয়াদের আঁটোসাঁটো বোলিংয়ে সেই চাপ থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি।২ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর পাল্টা আক্রমণ হানার চেষ্টা করছিলেন ইংল্যান্ডের অন্য ওপেনার জর্জ থমাস। চলতি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের মধ্যে তিনিই সবথেকে বেশি ধারাবাহিক। পরিবর্ত বোলার হিসেবে বল করতে এসে জর্জ থমাসকে তুলে নেন রাজ বাওয়া। ৩০ বলে ২৭ রান করে তিনি আউট হন। এক ওভার পরেই পররপর ২ বলে উইলিয়াম লাক্সটন (৪) ও জর্জ বেলকে (০) তুলে নেন রাজ। জেমস রেউয়ের সঙ্গে জুটি বেঁধে চাপ কাটানোর চেষ্টা করেন রেহান আমেদ। সেই রাজ বাওয়াই আবার জুটি ভাঙেন। ফেরান রেহানকে (১০)। এরপর অ্যালেক্স হর্টন (১০) সঙ্গ দেন জেমসকে। জুটিতে ওঠে ৩০। হর্টনকে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন কৌশল তাম্বে। এরপর ইংল্যান্ডকে টেনে নিয়ে যান জেমস রেউ ও জেমস সেলস। দুজনে মিলে জুটিতে তোলেন ৯৩ রান। এই জুটিই ইংল্যান্ডে লড়াইয়ে ফেরায়। ৪৪ তম ওভারে বল করতে এসে জুটি ভাঙেন রবি কুমার। তাঁর বল বাউন্ডারির বাইরে পাঠাতে গিয়ে স্কোয়ার লেগে কৌশল তাম্বের হাতে ক্যাচ দেন জেমস রেউ। ১১৬ বলে ৯৫ রান করেন তিনি। জেমস রেউ যখন আউট হন ইংল্যান্ডের রান তখন ১৮৪। একই ওভারের চতুর্থ বলে থমাস অ্যাস্পিনোয়ালকে (০) তুলে নেন রবি কুমার। জোসুয়া বাইডনকে (১) ফিরিয়ে ইংল্যান্ডকে গুটিয়ে দেন রাজ বাওয়া। ৪৪.৫ ওভারে ১৮৯ রানে শেষ ইংল্যান্ড। রবি কুমার ৩৪ রানে ৪ উইকেট নেন, ৩১ রানে ৫ উইকেট নেন রাজ বাওয়া।ইংল্যান্ডের মতো ভারতেরও শুরুটা ভাল হয়নি। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই ফিরে যান ওপেনার অঙ্গকৃশ রঘুবংশী (০)। হার্নুর সিং ও শেখ রশিদ দলকে কিছুটা টানেন। হার্নুর (৪৬ বলে ২১) আউট হওয়ার পর ধৈর্যের পরীক্ষায় অবতীর্ণ হন রশিদ। তিনি ও অধিনায়ক যশ ধুল দারুণভাবে দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন। ৮৪ বলে ৫০ রান করে নিজের উইকেট উপহার দেন রশিদ। পরপরই আউট হন ধুল। ৩২ বলে ১৭ রান করে আউট হন ধুল। ৯৭ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। এরপরই মঞ্চে আবির্ভাব রাজ বাওয়া ও নিশান্ত সিন্ধুর। দুজনের ৬৭ রানের পার্টনারশিপ ভারতকে বিশ্বজয়ের দিয়ে এগিয়ে দেয়। ১৬৪ রানের মাথায় রাজ বাওয়া (৫৪ বলে ৩৫) আউট হওয়ার আবার চাপে পড়ে যায় ভারত। চাপ আরও বেড়ে যায় কৌশল তাম্বে (১) দ্রুত ফেরায়। শেষ পর্যন্ত ৫৪ বলে ৫০ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন নিশান্ত সিন্ধু। ৪৭.৪ ওভারে ১৯৫ রান তুলে বিশ্বসেরার মুকুট ছিনিয়ে নেয় ভারত।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 14
  • 15
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

চাঞ্চল্য কল্যাণীর মেডিক্যাল হস্টেলে, ঘরবন্দি পড়ুয়ার পচাগলা দেহ উদ্ধারে রহস্য ঘনীভূত

রাজ্যে ফের এক মেডিক্যাল পড়ুয়ার অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নদিয়ার কল্যাণীর জওহরলাল নেহরু মেমোরিয়াল হাসপাতাল হস্টেল থেকে উদ্ধার হল এক ছাত্রের দেহ। মৃত ছাত্রের নাম পুলক হালদার। তিনি মেডিক্যাল কলেজের চূড়ান্ত বর্ষের ছাত্র ছিলেন। তাঁর বাড়ি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার মগরাহাটের ধামুয়ায়।জানা গিয়েছে, গত কুড়ি তারিখ হস্টেলের ক্যান্টিনে খেতে গিয়েছিলেন পুলক। তারপর থেকে আর তাঁকে ঘরের বাইরে দেখা যায়নি। এমনকি পরবর্তী দিনগুলিতেও তিনি ক্যান্টিনে যাননি বলে সহপাঠীরা জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁর ঘর থেকে তীব্র দুর্গন্ধ বের হতে শুরু করে। গন্ধ পেয়ে হস্টেলের ছাত্ররা কলেজ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে খবর দেন।এরপর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং কল্যাণী থানার পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ঘরে ঢোকে। ভিতরে বিছানার উপর পুলকের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। হস্টেলের অন্যান্য আবাসিকদের বক্তব্য, পুলক ঘরে একাই থাকতেন। আগামী মাসের পাঁচ তারিখ থেকে তাঁর পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। তার আগেই এই মর্মান্তিক ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে কলেজে।এই মৃত্যুর পিছনে পরীক্ষার চাপ, না কি ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন রয়েছে, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।কলেজের চিকিৎসক মনিদীপ পাল জানিয়েছেন, দুপুর প্রায় দুটো থেকে আড়াইটে নাগাদ তাঁরা বিষয়টি জানতে পারেন। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে খবর দেওয়া হয় এবং দরজা খোলার পর দেহ উদ্ধার করা হয়।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬
রাজ্য

অন্তঃসত্ত্বাকে মারধরের অভিযোগ, গর্ভস্থের মৃত্যুকে ঘিরে শিলিগুড়িতে বিস্ফোরণ, টিয়ার গ্যাসে থামল বিক্ষোভ

এক আদিবাসী অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে মারধরের অভিযোগ ঘিরে উত্তাল হয়ে উঠল শিলিগুড়ি। অভিযোগ, এক সিভিক ভলান্টিয়রের মারধরের জেরে গর্ভস্থ সন্তানের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ উত্তরকন্যা অভিযানে নামেন। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং এলাকায় রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়।বিক্ষোভকারীরা পুলিশের ব্যারিকেড টপকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। এর পরই দুপক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের সেল ফাটায় এবং জলকামান ব্যবহার করে। মাইকিং করে বারবার সতর্ক করা হয়। তিনবাত্তি মোড় এলাকায় আগে থেকেই বিপুল পুলিশবাহিনী মোতায়েন ছিল। একাধিক ব্যারিকেড তৈরি করা হয়েছিল। তবু বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে এগোতে থাকেন বলে অভিযোগ।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত তেইশে ডিসেম্বর ফাঁসিদেওয়ায় জমি দখল নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে অশান্তির সময় এই ঘটনা ঘটে। সেই সময় এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে মারধরের অভিযোগ ওঠে এক সিভিক ভলান্টিয়রের বিরুদ্ধে। পরে গত নয় জানুয়ারি মহম্মদ কাদের নামে ওই সিভিক ভলান্টিয়রকে গ্রেফতার করে পুলিশ। যদিও আরও চারজন অভিযুক্ত এখনও ধরা পড়েননি বলে জানা গিয়েছে।অভিযুক্তের ফাঁসির দাবিতে এদিন উত্তরকন্যা অভিযানে অংশ নেন বহু আদিবাসী মানুষ। এই কর্মসূচিতে সমর্থন জানায় ভারতীয় জনতা পার্টি। কর্মসূচি আগে থেকেই ঘোষণা করা ছিল, তাই পুলিশও প্রস্তুত ছিল। তবু পরিস্থিতি দ্রুত অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং এলাকায় উত্তেজনা বজায় রয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬
রাজ্য

ভরদুপুরে রাজ্যজুড়ে বোমাতঙ্ক, আদালতের পর পোস্ট অফিসে হুমকি মেইল, আতঙ্কে দৌড়ঝাঁপ

কলকাতা থেকে জেলা, ভরদুপুরে কার্যত গোটা রাজ্য জুড়ে ছড়াল বোমাতঙ্ক। আদালতের পর এবার ডাকঘর এবং পাসপোর্ট অফিসে হুমকি মেইল পৌঁছতেই তড়িঘড়ি কর্মী ও গ্রাহকদের বাইরে বের করে দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার দুপুর প্রায় একটা নাগাদ ব্যস্ত সময়েই এই মেইল আসে। কলকাতার রুবি মোড় সংলগ্ন পাসপোর্ট অফিস থেকে শুরু করে আসানসোল, কাটোয়া, কৃষ্ণনগর সহ একাধিক জায়গার ডাকঘরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।গত মঙ্গলবার থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন আদালতে বোমা বিস্ফোরণের হুমকি আসতে শুরু করে। এমনকি কলকাতার সিটি সিভিল কোর্টেও হুমকি পৌঁছয়। বিচারকদের একাংশ নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বুধবার ফের একাধিক আদালতে একই ধরনের হুমকি বার্তা পৌঁছনোয় আতঙ্ক আরও বাড়ে। বৃহস্পতিবার ডাকঘরগুলিতে হুমকি আসায় পরিস্থিতি নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। পুলিশ এখন খতিয়ে দেখছে এই হুমকি নিছক ভুয়ো কি না, নাকি এর পিছনে বড় কোনও ষড়যন্ত্র রয়েছে।এদিন প্রথমে রুবি মোড়ের পাসপোর্ট অফিসে হুমকি পৌঁছতেই সকলকে দ্রুত বাইরে বেরিয়ে যেতে বলা হয়। পরে চুঁচুড়া প্রধান ডাকঘর এবং শ্রীরামপুর ডাকঘরেও আতঙ্ক ছড়ায়। আরডিএক্স বিস্ফোরণের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে খবর। শ্রীরামপুর ডাকঘরের পাশে একটি স্কুলেও বোমা থাকার খবর পৌঁছয়। আতঙ্কে অভিভাবকেরা দ্রুত সন্তানদের নিয়ে বাড়ি ফিরে যান।পূর্ব বর্ধমানের প্রধান ডাকঘরেও ইমেলে বোমা থাকার খবর পৌঁছতেই কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অফিসে তালা ঝুলিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন তাঁরা। আরামবাগের প্রধান ডাকঘরেও একই পরিস্থিতি তৈরি হয়। পুলিশ গ্রাহক ও কর্মীদের বাইরে বের করে দিয়ে তল্লাশি শুরু করে। ওই ডাকঘরে আধার সংক্রান্ত কাজ এবং পাসপোর্ট যাচাইয়ের কাজ হওয়ায় সাধারণ মানুষের ভিড় ছিল বেশি।এছাড়া ব্যারাকপুর, কোচবিহার, বসিরহাট, বাঁকুড়া, মুর্শিদাবাদ এবং হাওড়া ময়দান সহ একাধিক জায়গায় একইভাবে বোমাতঙ্ক ছড়ায়। টানা তিনদিন ধরে সরকারি দফতরে এভাবে হুমকি পৌঁছনোয় পুলিশের ভূমিকা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং প্রতিটি জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

প্রাক্তন স্ত্রীকে কোটি টাকা ফেরতের নির্দেশ আদালতের! স্বস্তিতে শিখর ধাওয়ান

প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার শিখর ধাওয়ান-এর সঙ্গে সম্পত্তি বিতর্কে বড় রায় দিল দিল্লির পাটিয়ালা হাউস আদালত। আদালত নির্দেশ দিয়েছে, প্রাক্তন স্ত্রী আয়েশা মুখার্জি-কে অস্ট্রেলিয়ার সম্পত্তি মীমাংসা চুক্তির মাধ্যমে পাওয়া প্রায় পাঁচ কোটি সত্তর লক্ষ টাকা সুদ-সহ ফেরত দিতে হবে। বিচারক দেবেন্দ্র কুমার গর্গ জানান, হুমকি, প্রতারণা এবং জোরজবরদস্তির মাধ্যমে ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করানো হয়েছিল বলে প্রমাণ মিলেছে। ফলে সমস্ত মীমাংসা নথিকে বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।আদালত আরও নির্দেশ দিয়েছে, মামলা দায়েরের দিন থেকে উক্ত টাকার উপর বার্ষিক নয় শতাংশ হারে সুদ দিতে হবে। পাশাপাশি বিচারক স্পষ্ট করেন, দাম্পত্য সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ার আদালতের এখতিয়ার নেই। সেই কারণে বিদেশি আদালতের নির্দেশ কার্যকর করার ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়ার আদালত দুই হাজার চব্বিশ সালের ফেব্রুয়ারিতে দম্পতির বিশ্বজুড়ে থাকা সম্পত্তি ভাগ করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল এবং সেই রায়ে ধাওয়ানের ভারতে থাকা সম্পত্তিও অন্তর্ভুক্ত ছিল।অস্ট্রেলিয়ার আদালতের নির্দেশে আয়েশা মুখার্জি মোট সম্পদের পনেরো শতাংশ পাওয়ার অধিকারী হন। তাঁর কাছে প্রায় সাত কোটি ছেচল্লিশ লক্ষ টাকার সম্পত্তি থেকে যায় এবং অতিরিক্ত অর্থ ও একটি সম্পত্তি হস্তান্তরের নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। দুই হাজার একুশ থেকে দুই হাজার চব্বিশ পর্যন্ত একাধিক নির্দেশে সম্পত্তি বণ্টনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে ধাওয়ান আদালতে দাবি করেন, এই সিদ্ধান্ত ভারতীয় বৈবাহিক আইনের পরিপন্থী এবং তিনি নিজের উপার্জিত অর্থে সম্পত্তি কিনলেও চাপের মুখে সেগুলি যৌথ বা স্ত্রীর নামে নথিভুক্ত করতে বাধ্য হন। একটি ক্ষেত্রে তিনি কেনা সম্পত্তিতে আয়েশাকে নিরানব্বই শতাংশ মালিক দেখানো হয়েছিল বলেও আদালতে জানানো হয়। সমস্ত তথ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখে আদালত ধাওয়ানের বক্তব্যকে গ্রহণযোগ্য বলে মনে করে এবং বিদেশি আদালতের নির্দেশ মানতে তিনি বাধ্য নন বলে জানিয়ে দেয়।এর আগেই দুই হাজার তেইশ সালে দিল্লির আদালত এই দম্পতিকে বিবাহবিচ্ছেদের অনুমতি দেয়। আদালত পর্যবেক্ষণে জানায়, ছেলে জোরাবরের থেকে দীর্ঘদিন দূরে থাকার কারণে ধাওয়ান মানসিক কষ্টের মধ্যে ছিলেন। যদিও স্থায়ী অভিভাবকত্ব তিনি পাননি, তবে সাক্ষাৎ এবং ভিডিও মাধ্যমে যোগাযোগের অধিকার দেওয়া হয়েছিল। ধাওয়ানের অভিযোগ, পরবর্তীতে সেই যোগাযোগের পথও বন্ধ করে দেওয়া হয়, যা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগেই কড়া নজরদারি, প্রতিটি বিধানসভায় কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক বসানোর বড় সিদ্ধান্ত

ভোটের প্রস্তুতি জোরকদমে শুরু হতেই বড় সিদ্ধান্ত নিল ভারতের নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারির দিন থেকেই প্রতিটি বিধানসভায় অন্তত একজন করে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হবে। মনোনয়ন জমা দেওয়া থেকে শুরু করে গোটা নির্বাচন প্রক্রিয়াই তাঁদের কড়া নজরদারিতে চলবে। বাংলা-সহ পাঁচ রাজ্যের ক্ষেত্রেই এই একই নীতি কার্যকর করতে চলেছে কমিশন।কমিশনের অভিজ্ঞতা বলছে, অতীতের একাধিক নির্বাচনে মনোনয়ন পর্ব থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তি, জোর করে মনোনয়ন প্রত্যাহার এবং রাজনৈতিক সংঘর্ষের অভিযোগ সামনে এসেছে। গত বিধানসভা নির্বাচনেও বিরোধীদের পক্ষ থেকে মনোনয়ন পর্যায় ঘিরে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই এবার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দিন থেকে প্রায় সবকটি বিধানসভায় আলাদা করে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে প্রাথমিক স্তর থেকেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, তামিলনাড়ু, কেরল, অসম এবং পুদুচেরিতেও একই ধরনের নজরদারি থাকবে বলে জানা গিয়েছে। মোট এক হাজার চারশো চুয়াল্লিশ জন শীর্ষ পর্যায়ের আধিকারিককে ইতিমধ্যেই প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এঁদের মধ্যে পুলিশ পরিষেবার আধিকারিকরা আইনশৃঙ্খলার বিষয় দেখবেন, প্রশাসনিক পরিষেবার আধিকারিকরা সামগ্রিক নির্বাচন ব্যবস্থাপনা পর্যবেক্ষণ করবেন এবং রাজস্ব বিভাগের আধিকারিকরা নির্বাচনী খরচ ও আর্থিক লেনদেনে নজর রাখবেন। মনোনয়ন পর্ব থেকে ভোট গণনা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে তাঁদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে বলে কমিশন সূত্রে খবর।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
দেশ

নেতানিয়াহুর ডাকে চমক, ইজরায়েলে পৌঁছেই মোদিকে ঘিরে আন্তর্জাতিক জল্পনা

দুদিনের ইজরায়েল সফরে বুধবার রওনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভারত ও ইজরায়েল-এর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে এই সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কৌশলগত সহযোগিতা, প্রতিরক্ষা, কৃষি এবং প্রযুক্তি ক্ষেত্রে একাধিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সম্ভাবনা রয়েছে বলে কূটনৈতিক সূত্রে খবর। তবে এই সফরকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন কূটনৈতিক জটিলতার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।প্রধানমন্ত্রী ইজরায়েলে পৌঁছনোর আগেই সে দেশের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু একটি নতুন ষড়ভূজ জোট গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন। পশ্চিম এশিয়ায় চরমপন্থী সংগঠনগুলির মোকাবিলাই এই জোটের মূল লক্ষ্য বলে জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকিস্তান, সৌদি আরব এবং তুরস্কের সম্ভাব্য ইসলামিক সামরিক জোটের পালটা হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নেতানিয়াহু এই জোটে ভারতকে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে দেখতে চাইছেন। পাশাপাশি গ্রিস ও সাইপ্রাসকেও যুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে। তবে ভারত এই জোটে যোগ দিলে পশ্চিম এশিয়ার একাংশের অসন্তোষ বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে এই সফর ভারত ও ইরান-এর সম্পর্কেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন কূটনৈতিক মহলের একাংশ। ইজরায়েল ও ইরানের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই তীব্র বৈরিতার মধ্যে রয়েছে। একই সময়ে ইরান ও আমেরিকা-র মধ্যে চলমান উত্তেজনাও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। ইজরায়েল ও আমেরিকার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে এই সফর তেহরানের সঙ্গে নয়াদিল্লির কূটনৈতিক ভারসাম্যে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে প্রতিরক্ষা ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক কূটনীতির সূক্ষ্ম ভারসাম্য বজায় রাখাই এই সফরে ভারতের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
দেশ

এসআইআর মামলায় বড় স্বস্তি, আধার ও মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডেই মিলবে সমাধান

এসআইআর মামলায় গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার শীর্ষ আদালত জানিয়ে দেয়, নথি যাচাইয়ের ক্ষেত্রে আধারের পাশাপাশি মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডও গ্রহণযোগ্য হবে। আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে, চৌদ্দ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জমা পড়া সমস্ত নথিই গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ওই সময়সীমার মধ্যে জমা পড়া নথি পরের দিন বিকেল পাঁচটার মধ্যে প্রিসাইডিং অফিসারের হাতে তুলে দিতে হবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে।প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানায়, মাধ্যমিকের পাশের শংসাপত্রের পাশাপাশি মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড জমা দেওয়া যেতে পারে। বয়স এবং অভিভাবকের পরিচয় প্রমাণের ক্ষেত্রে অ্যাডমিট কার্ডকে সহায়ক নথি হিসেবে গ্রহণ করা হবে। আদালত আরও জানায়, নির্ধারিত সময়সীমার পরে জমা পড়া নথি বিবেচনা করা হবে না।এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী আপত্তি জানিয়ে বলেন, আধারের মতো একক নথি হিসেবে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড ব্যবহার করা উচিত নয়। এর জবাবে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী জানান, মাধ্যমিক পাশের শংসাপত্রে জন্মতারিখ বা অভিভাবকের নাম সব সময় স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকে না, তাই অ্যাডমিট কার্ডকে সহায়ক নথি হিসেবে বিবেচনা করার কথা বলা হয়েছে। বাংলার বিচার ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা অ্যাডমিট কার্ডে থাকা তথ্য সম্পর্কে অবগত বলেও তিনি মন্তব্য করেন।আইনজীবীদের মধ্যে তর্কের সময়ে বলা হয়, অনেকেই মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসে পাশ না করলেও তাঁদের কাছে অ্যাডমিট কার্ড থাকে। এর উত্তরে আদালত জানায়, নির্ধারিত সময়সীমা এবং অন্যান্য নথির সঙ্গে মিলিয়ে দেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। শেষ পর্যন্ত প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, মাধ্যমিক পাশের শংসাপত্রের সঙ্গে অ্যাডমিট কার্ড গ্রহণ করা যাবে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমা পড়া নথিই বিবেচিত হবে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
রাজ্য

ফের আদালতে বোমাতঙ্ক, ইমেলে বিস্ফোরণের হুমকিতে তোলপাড় আসানসোল

বুধবার ফের বোমাতঙ্ক ছড়াল আসানসোল আদালত চত্বরে। নতুন করে বোমা রাখার হুমকি ইমেল আসতেই সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় বম্ব স্কোয়াড ও স্নিফার ডগ। নিরাপত্তার স্বার্থে আদালত চত্বর ফাঁকা করে দেওয়া হয় এবং বিচারক, আইনজীবী ও সাধারণ মানুষদের নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। হঠাৎ এই হুমকি ঘিরে এলাকায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং আদালতই কি টার্গেট, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।এর আগেও মঙ্গলবার একই ধরনের হুমকি ইমেল আসে জেলা জজের কাছে। সেই বার্তায় দাবি করা হয়েছিল আদালত ভবনের ভিতরে আরডিএক্স রাখা রয়েছে এবং দূর থেকে বিস্ফোরণ ঘটানো হতে পারে। এমনকি কয়েকজন মাওবাদী সদস্য আদালতের গুরুত্বপূর্ণ অংশের কাছে পৌঁছে বিস্ফোরণ ঘটাবে বলেও উল্লেখ ছিল। এই খবর ছড়াতেই আদালত চত্বরে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়। পুলিশ দ্রুত এলাকা ঘিরে ফেলে এবং আদালত খালি করে তল্লাশি অভিযান শুরু করে। স্নিফার ডগ ও বিশেষ দল দিয়ে দীর্ঘক্ষণ খোঁজ চালানো হলেও কোনও বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাজ্যের একাধিক আদালতেও একই ধরনের ভুয়ো হুমকি ছড়িয়েছিল। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, এই ইমেলগুলির উৎস খুঁজে বের করতে তদন্ত চলছে এবং সাইবার দিকও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বুধবার নির্দিষ্ট সময়েই আদালতের কাজ শুরু হলেও বেলার দিকে ফের নতুন ইমেল আসায় পরিস্থিতি আবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বার্তায় আবার বিস্ফোরণের হুমকি থাকায় দ্রুত তল্লাশি অভিযান শুরু করা হয়।পুলিশ আধিকারিকরা জানিয়েছেন, আদালতের কাজ ব্যাহত করার উদ্দেশ্যেই বারবার এই হুমকি পাঠানো হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জেলা জজ আগেই জানিয়েছেন, আগের হুমকি ভুয়ো ছিল বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। তবে কোনও ঝুঁকি না নিয়ে পূর্ণ সতর্কতা বজায় রেখে তল্লাশি চালানো হচ্ছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal