• ৮ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতি ২৫ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

RS

রাজ্য

ভোটের আগেই বড় কেলেঙ্কারি? সিলহীন ব্যালট বাক্স ঘিরে বালুরঘাটে তুমুল বিক্ষোভ

ভোট শুরু হওয়ার আগেই পোস্টাল ব্যালট ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল বালুরঘাট। ললিত মোহন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে ভোট গ্রহণ চলাকালীন গোপনীয়তা ভঙ্গের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন ভোটকর্মীরা। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে শেষ পর্যন্ত ঘটনাস্থলে পৌঁছতে হয় নির্বাচনী পর্যবেক্ষককে। আগে থেকেই সেখানে পুলিশ মোতায়েন ছিল।বৃহস্পতিবার ওই স্কুলে সরকারি কর্মীদের পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। কিন্তু ভোট দিতে আসা কর্মীদের অভিযোগ, সেখানে ভোটের ন্যূনতম নিয়ম মানা হয়নি। তাঁদের দাবি, ব্যালট বাক্সগুলি সিল বা গালা ছাড়াই খোলা অবস্থায় রাখা ছিল। ফলে ভোট প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।এছাড়াও অভিযোগ, ভোটারদের গোপনীয়তা রক্ষার কোনও ব্যবস্থা ছিল না। কে কাকে ভোট দিচ্ছেন, তা প্রকাশ্যেই দেখা যাচ্ছিল। কিছু মানুষ ব্যালট বাক্স থেকে ব্যালট পেপার তুলে নিচ্ছিলেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। ভোট কক্ষের ভিতরে মোবাইল ফোন নিয়ে ঢোকা হচ্ছিল এবং বহিরাগতদের ভিড়ও ছিল চোখে পড়ার মতো।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর। বিজেপির অভিযোগ, জেলা প্রশাসনকে ব্যবহার করে ভুয়ো ভোটের মহড়া চলছে এবং পোস্টাল ব্যালট লুটের চেষ্টা করা হচ্ছে। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, বিজেপি নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চাইছে এবং পুরো বিষয়টি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।ভোটকর্মীদের বিক্ষোভের জেরে দীর্ঘক্ষণ ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া বন্ধ থাকে। পরে পর্যবেক্ষক এসে পরিস্থিতি সামাল দেন এবং পুলিশ উত্তেজিত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।তবে সিলবিহীন ব্যালট বাক্স ও গোপনীয়তা ভঙ্গের অভিযোগে জেলা প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হবে।

এপ্রিল ১৬, ২০২৬
রাজ্য

কাটা ভিডিয়ো না আসল সত্য? বিস্ফোরক দাবি হুমায়ুন কবীরের দলের

বিতর্কিত ভিডিয়ো ঘিরে জোর চর্চার মাঝেই নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল হুমায়ুন কবীরের দল। রবিবার সাংবাদিক বৈঠক করে দলের মুখপাত্র কামাল হোসেন জানান, যে ভিডিয়োকে ঘিরে এত বিতর্ক, তার সম্পূর্ণ অংশ খুব শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে।তিনি দাবি করেন, ভিডিয়োটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে কেটে সম্পাদনা করে প্রকাশ করা হয়েছে এবং এর মাধ্যমে হুমায়ুন কবীর-কে হেনস্থা করার চেষ্টা হয়েছে। তাঁর কথায়, আসল ভিডিয়ো সামনে এলেই সত্যিটা পরিষ্কার হয়ে যাবে।কামাল হোসেন আরও জানান, ভিডিয়োটি কেন্দ্রীয় ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এই নিয়ে আদালতের দ্বারস্থও হয়েছে তাঁদের দল। তাঁর দাবি, ভিডিয়োটি গত বছরের উনিশে ডিসেম্বরের, কিন্তু তা প্রকাশ করা হয়েছে অনেক পরে। এতদিন পরে কেন এটি সামনে আনা হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। যে সোশ্যাল মাধ্যমের অ্যাকাউন্ট থেকে ভিডিয়োটি ছড়ানো হয়েছে, তা নিয়েও অভিযোগ জানানো হয়েছে বলে জানান তিনি।তিনি অভিযোগ করেন, তৃণমূল কংগ্রেস ইচ্ছাকৃতভাবে এই কাজ করছে। তাঁর বক্তব্য, হুমায়ুন কবীর রাজনৈতিকভাবে তাদের চাপে ফেলেছেন বলেই এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।উল্লেখ্য, বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রকাশ্যে আসা এই স্টিং ভিডিয়ো ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ভিডিয়োতে নাকি বিজেপি নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং বিপুল টাকার লেনদেনের ইঙ্গিত রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। যদিও হুমায়ুন কবীর নিজে এই ভিডিয়োর সত্যতা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন।এই ঘটনায় রাজনৈতিক তরজা ক্রমশ বাড়ছে এবং ভোটের আগে তা আরও তীব্র হতে পারে বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

এপ্রিল ১২, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

৭২ ঘণ্টার মধ্যে নিষিদ্ধ শিল্পীদের আবার কাজে ফেরানো হবে! দেবের মন্তব্যে পাল্টা কী বললেন স্বরূপ বিশ্বাস

আউটডোরে শুটিং চলাকালীন অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মর্মান্তিক মৃত্যুর পর টলিউডে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। ইন্ডাস্ট্রির শিল্পী ও টেকনিশিয়ানরা একসঙ্গে ন্যায়বিচারের দাবিতে সরব হয়েছেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তা নিয়ে জোর দাবি উঠেছে।মঙ্গলবারের বৈঠকে সংশ্লিষ্ট প্রযোজনা সংস্থাকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে সেই সঙ্গে টলিউডে আগে থেকে চলা নিষিদ্ধ সংস্কৃতি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। কয়েক বছর আগে একাধিক পরিচালকের সঙ্গে বিরোধের জেরে কিছু শিল্পীকে অলিখিতভাবে কাজ থেকে দূরে রাখা হয়েছিল। সেই তালিকায় পরিচিত পরিচালক, অভিনেতা এবং পুরস্কারপ্রাপ্ত শিল্পীরাও রয়েছেন।এই বৈঠকে তাঁদের আবার কাজে ফেরানো নিয়েও আলোচনা হয়। যদিও এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, তবে অভিনেতা দেব জানিয়েছেন, আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এই সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা হবে।বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দেব বলেন, দীর্ঘদিন ধরে যাঁরা নিষিদ্ধ রয়েছেন, তাঁদের নিয়ে আলাদা করে আলোচনা হবে। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এই বিষয়ে উদ্যোগ নেবেন এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সমাধানের পথ বের করার চেষ্টা করবেন।তিনি আরও জানান, ইন্ডাস্ট্রিতে কেউ কাজ না পেলে তার কষ্ট বোঝা যায় না সহজে। তাই যাঁরা এতদিন কাজ থেকে দূরে ছিলেন, তাঁদের ফের সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দেন, যে প্রযোজনা সংস্থার তত্ত্বাবধানে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে, তাদের সঙ্গে আপাতত কাজ করা হবে না। যতদিন না তারা নিজেদের নির্দোষ প্রমাণ করতে পারছে, ততদিন এই অবস্থানই থাকবে।সব মিলিয়ে রাহুলের মৃত্যুর পর টলিউডে একদিকে যেমন নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, অন্যদিকে দীর্ঘদিনের নিষিদ্ধ সংস্কৃতি নিয়েও নতুন করে ভাবনা শুরু হয়েছে। এখন সকলের নজর আগামী কয়েক দিনের সিদ্ধান্তের দিকে।

এপ্রিল ০৭, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বিস্ফোরণ! ৭০০ ভোটারের নাম উধাও, রাস্তায় আগুন হাসনাবাদে

ভোটের মুখে হাসনাবাদে উত্তেজনা ছড়াল ভোটার তালিকা নিয়ে। রবিবার সকাল থেকেই কাঁথি-মালঞ্চ রোডে টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন শতাধিক মানুষ। তাদের অভিযোগ, তিনটি বুথ থেকে প্রায় ৭০০ জন ভোটারের নাম বাদ পড়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বসিরহাট উত্তর বিধানসভার মাখালগাছা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ২৫১, ২৫২ এবং ২৫৩ নম্বর বুথে এই সমস্যা দেখা দিয়েছে। অভিযোগ, নতুন তালিকায় ২৫১ নম্বর বুথের এক পঞ্চায়েত সদস্যের নামও নেই। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই এলাকায় উত্তেজনা বাড়তে থাকে।বিক্ষোভকারীরা রাস্তার উপর টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করেন। ফলে দীর্ঘক্ষণ যান চলাচল ব্যাহত হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বহুদিন ধরে এই এলাকায় বসবাস করেও তাদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, সম্প্রতি আসা কিছু মানুষের নাম তালিকায় রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।এক বাসিন্দা জানান, তাদের পরিবার বহু বছর ধরে এই এলাকায় থাকলেও এবার নাম কেটে দেওয়া হয়েছে। কেন এমন হল, তা তারা বুঝতে পারছেন না। এই ঘটনার সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।গত এক মাস ধরে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে একই ধরনের অভিযোগ উঠছে। তালিকা সংশোধন নিয়ে অনেকের মধ্যেই বিভ্রান্তি রয়েছে। কোথায় আবেদন করতে হবে, কীভাবে নাম তোলা যাবে, তা নিয়ে স্পষ্ট ধারণা নেই সাধারণ মানুষের মধ্যে।এই পরিস্থিতিতে ভোটের আগে বহু মানুষের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তারা আদৌ ভোট দিতে পারবেন কি না, সেই প্রশ্নও উঠছে। এই সমস্যার দ্রুত সমাধান না হলে আগামী দিনে আরও বড় বিক্ষোভের আশঙ্কা করছেন অনেকেই।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
রাজ্য

রাহুলের পর তাজপুরে রহস্যমৃত্যু! সমুদ্র থেকে ভেসে উঠল দুই চিকিৎসকের দেহ

অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর রহস্য এখনও স্পষ্ট না হতেই তাজপুরে ফের একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এল। সমুদ্র থেকে উদ্ধার হল দুই চিকিৎসকের দেহ, যা ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন করে উদ্বেগ ও প্রশ্ন।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে তাজপুরের বিশ্ব বাংলা গেটের কাছে সমুদ্রে দুটি দেহ ভাসতে দেখেন পর্যটক ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় উপকূল থানায়। এরপর পুলিশ ডুবুরি নামিয়ে সমুদ্র থেকে দেহ দুটি উদ্ধার করে।মৃতদের পরিচয় হিসেবে জানা গিয়েছে, তাঁদের নাম কুন্তল চক্রবর্তী এবং শৈলজা ভরদ্বাজ। দুজনেই সোদপুরের বাসিন্দা এবং পেশায় চিকিৎসক। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক দিন আগে তাঁরা তাজপুরে বেড়াতে এসেছিলেন এবং নিজেরাই গাড়ি করে সেখানে পৌঁছেছিলেন।প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, সমুদ্রের ধারে সময় কাটানোর সময় কোনওভাবে তাঁরা জলে নেমে পড়েন এবং ঢেউয়ের তোড়ে ভেসে যান। ঘটনাটি সম্ভবত রাতের দিকে ঘটেছে, তাই কেউ তা সরাসরি দেখেননি বলে অনুমান করা হচ্ছে।বৃহস্পতিবার সকালে বিশ্ব বাংলা গেটের কাছেই দেহ দুটি ভেসে থাকতে দেখা যায়। পুলিশ দ্রুত দেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁদের মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরিবারের সদস্যদের ইতিমধ্যেই খবর দেওয়া হয়েছে।ঠিক কীভাবে এই ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। দেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সেই রিপোর্ট হাতে এলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এবং নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
কলকাতা

এক ধাক্কায় ৮৩ অফিসার বদলি, ভোটের আগে বড় পদক্ষেপ কমিশনের!

নির্বাচনের আগে প্রশাসনিক মহলে বড়সড় রদবদলের সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। এক ধাক্কায় ৮৩ জন বিডিও এবং সহকারী রিটার্নিং আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, রাজ্যের একাধিক জেলায় এই বদলি করা হয়েছে। এর মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যক আধিকারিককে সরানো হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে ১৪ জন এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১১ জন আধিকারিকের বদলি হয়েছে।উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের একাধিক ব্লকের বিডিও বদল করা হয়েছে। মালদহ ও মুর্শিদাবাদের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্লকেও এই রদবদল হয়েছে। পাশাপাশি নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনার একাধিক জায়গাতেও বদলি হয়েছে আধিকারিকদের।দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন হয়েছে। মগরাহাট, বাসন্তী, কাকদ্বীপ, ফলতা, বিষ্ণুপুর, মিনাখা, পাথরপ্রতিমা, ডায়মন্ড হারবার, মথুরাপুর, ক্যানিং ও ভাঙড়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্লকে নতুন বিডিও নিয়োগ করা হয়েছে। হাওড়া এবং হুগলির বেশ কয়েকটি এলাকাতেও এই বদল কার্যকর করা হয়েছে।পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরি, চণ্ডীপুর, পটাশপুর, তমলুক, রামনগর, মহিষাদল, নন্দীগ্রাম, কাঁথি, এগরা, ভগবানপুর ও সুতাহাটার মতো জায়গাতেও একাধিক বিডিও বদলি হয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরেও একই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এছাড়াও পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান এবং বীরভূম জেলার একাধিক ব্লকের বিডিও বদল করা হয়েছে। এই হঠাৎ রদবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, এর আগে একাধিকবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, ইচ্ছাকৃতভাবে প্রশাসনের আধিকারিকদের সরানো হচ্ছে। সেই অভিযোগের আবহেই কমিশনের এই বড় সিদ্ধান্তকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

রঘুনাথগঞ্জে সংঘর্ষে বিস্ফোরক মমতা, সরাসরি কমিশন ও বিজেপিকে দায়ী

মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষের ঘটনায় বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, ইচ্ছাকৃতভাবে অফিসারদের সরিয়ে দিয়ে দাঙ্গা বাধানো হয়েছে। তাঁর হুঁশিয়ারি, এই ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, কাউকেই ছাড়া হবে না।শনিবার রানিগঞ্জের খান্দরা ফুটবল মাঠে এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, কারা দাঙ্গা বাধানোর অধিকার দিল, তা খতিয়ে দেখা হবে। তাঁর অভিযোগ, এই ঘটনার পিছনে টাকা ঢোকানো হয়েছে। পাশাপাশি তিনি বলেন, রাম নবমীর শোভাযাত্রায় অস্ত্র নিয়ে বের হওয়া হয়েছে, কিন্তু তার বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।এই ঘটনার জন্য তিনি দুঃখপ্রকাশও করেন। বলেন, প্রশাসন বর্তমানে নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণে থাকায় কিছু ক্ষেত্রে গা ছাড়া মনোভাব দেখা গিয়েছে। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন, দায়িত্বে থাকা আধিকারিকরা নিরপেক্ষভাবে কাজ করবেন এবং এলাকায় শান্তি বজায় রাখবেন।নির্বাচন ঘোষণার পর শীর্ষ স্তর থেকে জেলা প্রশাসনের একাধিক অফিসার বদলি করা হয়েছিল। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে। তৃণমূলের দাবি, রঘুনাথগঞ্জের ঘটনা সেই আশঙ্কাকেই সত্যি প্রমাণ করেছে।প্রসঙ্গত, প্রতি বছরের মতো এবারও রঘুনাথগঞ্জে রাম নবমীর শোভাযাত্রা বের হয়। বিভিন্ন এলাকা থেকে ছোট ছোট মিছিল ম্যাকাঞ্জি পার্কের দিকে যাচ্ছিল। সিসাতলা এলাকায় একটি মিছিল পৌঁছলে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে বচসা শুরু হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।মিছিলে ইট-পাটকেল ছোড়ার অভিযোগ ওঠে এবং এলাকা মুহূর্তে অশান্ত হয়ে পড়ে। অন্যদিকে বড় শোভাযাত্রা ফুলতলা মোড় এলাকায় পৌঁছলে আবারও উত্তেজনা ছড়ায়। দুই পক্ষের মধ্যে ঢিল ছোড়াছুড়ি চলতে থাকে এবং পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। অভিযোগ, উত্তেজিত জনতা কয়েকটি ফলের দোকানে ভাঙচুর চালায় এবং আগুন লাগিয়ে দেয়।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স, কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং পুলিশ। তাদের হস্তক্ষেপে শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
কলকাতা

অনুমতি মেলেনি, গেটের বাইরে রামনবমী! কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে তীব্র উত্তেজনা

রামনবমীকে কেন্দ্র করে আবারও উত্তেজনার ছবি দেখা গেল কলকাতার শিক্ষাঙ্গনে। এ বছর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে শান্তিপূর্ণভাবে রামনবমী পালন হলেও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে তা ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে রামনবমী পালনের জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন এবিভিপি সমর্থিত ছাত্রছাত্রীরা, কিন্তু সেই অনুমতি দেয়নি কর্তৃপক্ষ।শুধু পুজো নয়, ক্যাম্পাসের ভিতরে মিছিল করার জন্যও অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। তাতেও না মেলায় সকাল থেকেই ক্যাম্পাসে উত্তেজনা তৈরি হয়। দুই পক্ষের মধ্যে চাপানউতোর চলতে থাকে।বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটের বাইরে রামের মূর্তি এনে বসানো হয়েছে। ক্যাম্পাসে অনুমতি না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত বাইরে বসেই পুজো শুরু করেন উদ্যোক্তারা। কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, ক্যাম্পাসের ভিতরে শুধুমাত্র সরস্বতী পুজোর অনুমতি রয়েছে, অন্য কোনও পুজোর নয়। অন্যদিকে এক ছাত্র উদ্যোক্তার দাবি, যদি অন্য ধর্মীয় অনুষ্ঠান ক্যাম্পাসে পালন করা যায়, তাহলে রামনবমীও করা যেত। তবু পরিস্থিতি সামাল দিতে তারা বাইরে পুজো করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।উল্লেখ্য, দুই বছর আগে রামনবমীকে কেন্দ্র করে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাপক অশান্তি হয়েছিল। সেই ঘটনায় ধস্তাধস্তি, সংঘর্ষ এবং রক্তারক্তির ঘটনাও ঘটে। এমনকি উপাচার্যও আহত হন। তবে গত বছর থেকে সেখানে নির্বিঘ্নেই রামনবমী পালন করা হচ্ছে।

মার্চ ২৬, ২০২৬
বিদেশ

কাবুলে রক্তাক্ত রাত, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন রশিদ খানরা

পবিত্র রমজান মাসে কাবুলের একটি হাসপাতালে ভয়াবহ হামলার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়েছে। এই হামলায় অন্তত চারশো জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। বহু মানুষ আহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে হাসপাতালের বড় অংশ। আগুনে জ্বলতে থাকে পুরো এলাকা। এই ঘটনার পরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন আফগানিস্তানের একাধিক ক্রিকেটার।রশিদ খান, মহম্মদ নবি এবং নবীন উল হক এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন। তারা সরাসরি পাকিস্তানকে দায়ী করে সোশ্যাল মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। অনেকেই বলেছেন, এই ধরনের হামলা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। রমজানের মতো পবিত্র মাসে এমন ঘটনা আরও বেশি কষ্টদায়ক বলে উল্লেখ করেছেন তারা।নবীন উল হক এক পোস্টে লেখেন, তিনি ইজরায়েল এবং পাকিস্তানের মধ্যে কোনও পার্থক্য দেখছেন না। এই মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে। রমজান মাসে মুসলিম দেশ হয়েও এমন হামলা চালানো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।রশিদ খানও নিজের প্রতিক্রিয়ায় জানান, কাবুলের হাসপাতালে হামলার খবর শুনে তিনি অত্যন্ত মর্মাহত। তিনি এটিকে যুদ্ধাপরাধ বলে উল্লেখ করেন। তার দাবি, রাষ্ট্রসংঘ এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলির এই ঘটনার তদন্ত করা উচিত। এই কঠিন সময়ে দেশের মানুষের পাশে থাকার বার্তাও দিয়েছেন তিনি।মহম্মদ নবি তার পোস্টে লেখেন, হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য গিয়েছিল বহু শিশু ও সাধারণ মানুষ। তাদের উপর এই হামলা অত্যন্ত নিষ্ঠুর। তিনি জানান, অনেক মা তাদের সন্তানের অপেক্ষায় ছিলেন, কিন্তু সেই সন্তানরা আর বাড়ি ফিরতে পারেনি।উল্লেখ্য, এর আগেও পাকিস্তানের হামলায় আফগানিস্তানের তরুণ ক্রিকেটারদের মৃত্যু হয়েছিল। সেই সময়ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন আফগান ক্রিকেটাররা। এমনকি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একটি প্রতিযোগিতাও বয়কট করা হয়েছিল।এই নতুন হামলার পর আবারও প্রশ্ন উঠছে, পাকিস্তানের সঙ্গে ক্রীড়া সম্পর্ক আদৌ বজায় রাখা হবে কি না। পরিস্থিতি কোন দিকে এগোয়, তা এখন দেখার অপেক্ষা।

মার্চ ১৭, ২০২৬
বিদেশ

কাবুলে ভয়াবহ বিমান হামলা, হাসপাতালে আগুনে পুড়ে মৃত্যু অন্তত চারশো মানুষের

পশ্চিম এশিয়ায় চলতে থাকা উত্তেজনার মধ্যেই নতুন করে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে। তারই মধ্যে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে একটি ভয়াবহ বিমান হামলার ঘটনা সামনে এসেছে। অভিযোগ উঠেছে, পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান একটি হাসপাতালকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এই হামলায় চিকিৎসক সহ অন্তত চারশো মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। আহত হয়েছেন আড়াইশোরও বেশি মানুষ। সোমবার রাতে পরপর বিস্ফোরণে হাসপাতালটি কার্যত আগুনে পুড়ে যায়।আফগানিস্তানের তালিবান সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কাবুলের ওই হাসপাতালে হামলা চালানো হয়েছে। তাদের দাবি, এই হামলা আফগানিস্তানের ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ। এর আগে দুই হাজার একুশ সালে কাবুল বিমানবন্দরে আত্মঘাতী হামলায় একশোর বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল, কিন্তু এবার তার থেকেও বড় বিপর্যয় ঘটেছে বলে দাবি করা হচ্ছে।গত মাস থেকেই দুই দেশের মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হয়েছে। আফগানিস্তানের অভিযোগ, পাকিস্তান বারবার সীমান্ত পেরিয়ে হামলা চালাচ্ছে। তবে এই হাসপাতাল হামলার অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে ইসলামাবাদ। পাকিস্তানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা কোনও হাসপাতালকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়নি। তাদের দাবি, জঙ্গি ঘাঁটি হিসেবে চিহ্নিত সামরিক স্থাপনাতেই এই হামলা চালানো হয়েছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের মুখপাত্র কাবুলের অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছেন।আফগানিস্তান সরকারের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, সোমবার রাত প্রায় নয়টা নাগাদ এই হামলার ঘটনা ঘটে। যে হাসপাতালে হামলা হয়েছে, সেখানে প্রায় দুই হাজার মানুষের চিকিৎসার ব্যবস্থা ছিল। সেই হাসপাতালেই এত মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। বর্তমানে উদ্ধারকারী দল আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি ধ্বংসস্তূপ থেকে দেহ উদ্ধারের কাজ চালাচ্ছে।এর আগেও পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান আফগানিস্তানের বিভিন্ন জায়গায় হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। কান্দাহার বিমানবন্দর, পাক্তিয়ার সামরিক ঘাঁটি এবং কাবুলের বিভিন্ন এলাকায় হামলার কথা জানা গেছে। কান্দাহার শহরে তালিবান গোষ্ঠীর একটি গুরুত্বপূর্ণ দফতরেও হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।এই ঘটনার পর আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, তা নিয়েই এখন নজর সকলের।

মার্চ ১৭, ২০২৬
রাজ্য

ব্রিগেডে যাওয়ার পথে বিজেপি সমর্থকদের বাসে হামলা! ভোরে বেলদায় ভাঙচুর, উত্তেজনা চরমে

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ব্রিগেড সভার আগে পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদায় বিজেপি সমর্থকদের একটি বাসে হামলার অভিযোগ উঠেছে। দুষ্কৃতীরা বাসটি ঘিরে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ। ঘটনাটি ঘটেছে বেলদা থানার পাতলি এলাকায়।জানা গিয়েছে, শনিবার ভোর প্রায় পাঁচটা ত্রিশ মিনিট নাগাদ বাসটি আহার মুণ্ডা এলাকার দিকে যাচ্ছিল। সেই সময় কয়েকজন দুষ্কৃতী বাসটি থামিয়ে চালকের কাছে জানতে চায় বাসটি কোথায় যাচ্ছে। চালক জানান, তাঁরা ব্রিগেডে হওয়া সভায় যোগ দিতে যাচ্ছেন।অভিযোগ, এই কথা শুনেই কয়েকটি মোটরবাইকে করে আসা দুষ্কৃতীরা বাসটিকে ঘিরে ধরে। এরপর লাঠি নিয়ে এলোপাথাড়ি আঘাত করে বাসের কাচ ভেঙে ফেলা হয়। সেই সময় বাসের চালক এবং খালাসিও আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ভাঙচুর চালিয়ে দুষ্কৃতীরা দ্রুত এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।কিছু সময় বাসটি ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে থাকার পর পরে সেটিকে ঘুরিয়ে অন্য দিকে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, ব্রিগেডের সভায় সমর্থকদের যাওয়া আটকাতেই শাসকদল ঘনিষ্ঠ দুষ্কৃতীরা এই হামলা চালিয়েছে।অন্যদিকে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। নারায়ণগড় ব্লকের তৃণমূল সভাপতি জানিয়েছেন, এই ঘটনার সঙ্গে তাদের দলের কোনও সম্পর্ক নেই। পুলিশ তদন্ত করলেই সত্য সামনে আসবে। তাঁর দাবি, বিজেপি নিজেরাই এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে প্রচার পাওয়ার চেষ্টা করছে।তবে এই ঘটনার বিষয়ে এখনও পর্যন্ত বেলদা থানায় কোনও লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি বলে জানা গিয়েছে।এদিকে শনিবার কলকাতার ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বড় জনসভা হওয়ার কথা। সেই সভাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ব্রিগেডের মঞ্চ সাজানো হয়েছে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের আদলে। এই বিষয়টি নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।সূত্রের খবর, শনিবার দুপুরে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে তিনি হেলিকপ্টারে রেসকোর্সের হেলিপ্যাডে নামবেন। তারপর সেখান থেকে ব্রিগেড ময়দানে যাবেন।দুপুরের দিকে ব্রিগেডে বিজেপির পরিবর্তন সংকল্প সভায় যোগ দেওয়ার কথা তাঁর। মঞ্চে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের আদলের পাশাপাশি বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বিভিন্ন চিত্রও তুলে ধরা হয়েছে। দার্জিলিংয়ের চা বাগান থেকে বাঁকুড়ার টেরাকোটা শিল্পের ছবি দিয়ে সাজানো হয়েছে মঞ্চ।

মার্চ ১৪, ২০২৬
বিদেশ

আমেরিকার যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ইরানের! সত্যিই কি পিছু হটল শক্তিশালী রণতরী

আরব সাগর ও ওমান সাগর সংলগ্ন এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আমেরিকার একটি বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। তবে সেই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তাদের দাবি, যুদ্ধজাহাজটি এখনও স্বাভাবিক ভাবেই অঞ্চলে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নৌবিভাগ জানিয়েছে, তাদের নিক্ষেপ করা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আমেরিকার বিমানবাহী রণতরীতে আঘাত করেছে। তাদের দাবি, সেই আঘাতে যুদ্ধজাহাজটি কার্যত অচল হয়ে পড়ে এবং উপসাগরীয় এলাকা থেকে সরে যেতে বাধ্য হয়।ইরানের তরফে আরও বলা হয়েছে, উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে একটি নির্ভুল সামরিক অভিযান চালানো হয়েছিল। ইরানের সমুদ্রসীমা থেকে প্রায় তিনশো চল্লিশ কিলোমিটার দূরে ওমান সাগরে এই হামলা করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার পর আমেরিকার ওই যুদ্ধজাহাজ ও তার সঙ্গে থাকা অন্যান্য জাহাজ দ্রুত গতিতে এলাকা ছেড়ে চলে যেতে দেখা যায়। তবে এই বিষয়ে বিস্তারিত আর কোনও তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। এর আগেও ইরান দাবি করেছিল যে তারা এই যুদ্ধজাহাজে আঘাত করেছে। কিন্তু তখন মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর জানিয়েছিল, সেই ক্ষেপণাস্ত্র যুদ্ধজাহাজের কাছেও পৌঁছতে পারেনি।ইরানের এই দাবি প্রকাশ্যে আসার পরই যুক্তরাষ্ট্র তা সরাসরি খারিজ করে দেয়। মার্কিন সেনাবাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ডের পক্ষ থেকে যুদ্ধজাহাজের একটি ছবি প্রকাশ করা হয়। সেখানে জানানো হয়, ওই রণতরী এবং তার সঙ্গে থাকা নৌবহর এখনও সমুদ্র থেকে সামরিক শক্তি প্রদর্শন করে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।এই উত্তেজনার মধ্যেই সমুদ্রে আরও একটি ঘটনার খবর সামনে এসেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি ইরানি জাহাজ আমেরিকার বিমানবাহী রণতরীর খুব কাছাকাছি চলে আসে। তখন মার্কিন বাহিনী গুলি চালায় বলে জানা গেছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন নৌবাহিনীর একটি জাহাজ বড় আকারের কামান ব্যবহার করে ওই ইরানি জাহাজের দিকে গুলি চালানোর চেষ্টা করে। তবে ঠিক কোন জাহাজ থেকে গুলি চালানো হয়েছিল তা স্পষ্ট নয়। গুলিগুলি সতর্কবার্তা হিসেবে ছোড়া হয়েছিল কি না, সেটাও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, ওই গুলি একাধিকবার ইরানি জাহাজকে লক্ষ্য করে ছোড়া হলেও কোনওটিই লক্ষ্যভেদ করতে পারেনি। ইরানের ওই জাহাজটির বর্তমান অবস্থাও এখনও পরিষ্কার নয়।পশ্চিম এশিয়ায় চলতে থাকা সামরিক অভিযানের জন্য যুক্তরাষ্ট্র সেখানে একাধিক যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথ বিমান অভিযান শুরু হওয়ার পর দুটি বড় বিমানবাহী রণতরী ওই অঞ্চলে পাঠানো হয়েছে।এই মুহূর্তে অঞ্চলে আমেরিকার দুটি বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন রয়েছে। তাদের সঙ্গে একাধিক বিধ্বংসী যুদ্ধজাহাজও কাজ করছে। এর মধ্যে কয়েকটি শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রবাহী জাহাজও রয়েছে, যেগুলি ওই সমুদ্র এলাকায় নিরাপত্তা ও সামরিক অভিযান পরিচালনায় অংশ নিচ্ছে।

মার্চ ১৩, ২০২৬
রাজ্য

জলাজমি ভরাট করে বাড়ি? এবার পুলিশের তলব হুমায়ুন কবীরের স্ত্রীকে

তৃণমূল কংগ্রেসের সাসপেন্ড হওয়া বিধায়ক এবং আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীরকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। জলাজমি ভরাট করে বাড়ি তৈরির অভিযোগে এবার তাঁর স্ত্রী মিতা সুলতানাকে তলব করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুর বারোটা নাগাদ তাঁকে শক্তিপুর থানায় হাজির হতে বলা হয়েছে।মুর্শিদাবাদের মানিক্যহার গ্রামে হুমায়ুন কবীরের বাড়ি রয়েছে। ওই বাড়িটি তাঁর স্ত্রী মিতা সুলতানার নামে নথিভুক্ত। সেই বাড়িকে ঘিরেই অভিযোগ উঠেছে যে জমির চরিত্র পরিবর্তন না করেই সেখানে বাড়ি তৈরি করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, যে জমির উপর বাড়ি তৈরি হয়েছে সেটি আগে নালা বা জলাশয়ের অংশ ছিল।এই বিষয়টি নিয়ে এর আগেই ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তর থেকে একটি নোটিস পাঠানো হয়। নোটিসে জানানো হয়, মানিক্যহার মৌজার নির্দিষ্ট একটি প্লটে প্রায় শূন্য দশমিক দুই একর জমির চরিত্র বেআইনিভাবে পরিবর্তন করা হয়েছে বলে অভিযোগ এসেছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে সাত দিনের মধ্যে লিখিতভাবে জবাব দিতে বলা হয় হুমায়ুন কবীরের স্ত্রীকে। একই সঙ্গে জানানো হয়, জবাব না পেলে আইন অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।নালা প্রকৃতির জমি সাধারণত জল বের হওয়ার ছোট খাল বা ডোবার মতো জায়গাকে বোঝায়। এই ধরনের জমি জলাশয় বা কৃষিজমির অংশ হিসেবে ধরা হয়। আইন অনুযায়ী এমন জমি ভরাট করা বা তার ব্যবহার পরিবর্তন করা বেআইনি। ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের অনুমতি ছাড়া এর চরিত্র বদলানো যায় না।তবে এই অভিযোগ মানতে নারাজ হুমায়ুন কবীর। তাঁর দাবি, যে বাড়ি নিয়ে এখন এত বিতর্ক হচ্ছে সেখানে তিনি প্রায় সতেরো থেকে আঠারো বছর ধরে বসবাস করছেন। তিনি জানান, জমির চরিত্র পরিবর্তন করে ভিটে করার জন্য বাম আমলেও একাধিকবার সরকারি দপ্তরে আবেদন করেছিলেন। তাঁর বক্তব্য, বাড়ি তৈরি করার সময় প্রশাসনের তরফে কোনও আপত্তি তোলা হয়নি।এখন তাঁর স্ত্রীর কাছে নোটিস পাঠানোকে তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলেই দাবি করেছেন। হুমায়ুন কবীরের অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করার পর থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

মার্চ ১১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ফাইনালের আগে বড় প্রশ্ন! দলে থাকবেন তো অভিষেক? পাশে দাঁড়ালেন কপিল দেব ও রবি শাস্ত্রী

চলতি কুড়ি ওভারের বিশ্বকাপে অভিষেক শর্মার পারফরম্যান্স নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার আগে ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে তিনি ছিলেন অন্যতম ভরসার নাম। তাঁর ছক্কার ঝড় দেখার অপেক্ষায় ছিলেন অনেকেই। কিন্তু বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত সেই আগ্রাসী ব্যাটিং খুব একটা দেখা যায়নি। তাই ফাইনালের আগে প্রশ্ন উঠছে, প্রথম একাদশে কি থাকবেন অভিষেক?তবে ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটারদের অনেকেই তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন। বিশ্বজয়ী অধিনায়ক কপিল দেব মনে করছেন, দলের উচিত অভিষেকের উপর ভরসা রাখা। তাঁর কথায়, দলের পরিচালকদের খেলোয়াড়ের উপর আস্থা রাখা দরকার। একই সঙ্গে অভিষেকেরও নিজের উপর বিশ্বাস রাখা উচিত। তিনি বলেন, এখনও একটি ম্যাচ বাকি রয়েছে, সেটাই ফাইনাল। তাই শেষ ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ রয়েছে।এই বিশ্বকাপে অভিষেক এখনও নিজের সেরা ছন্দ খুঁজে পাননি। ফর্ম, ফিটনেস এবং আত্মবিশ্বাস সব দিক থেকেই তিনি কিছুটা পিছিয়ে রয়েছেন বলে মনে করছেন অনেকেই। জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে একটি অর্ধশতরান করলেও সেই ইনিংস খুব বেশি আত্মবিশ্বাসী ছিল না বলে মত অনেকের। সেমিফাইনালেও তিনি মাত্র নয় রান করে আউট হন।ভারতের প্রাক্তন কোচ রবি শাস্ত্রীও মনে করছেন, দলে কোনও পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। তাঁর মতে, অভিষেককে নিজের প্রতিভার উপর ভরসা রাখতে হবে। তিনি বলেন, নিজের দুর্বলতা নিয়ে বেশি চিন্তা না করে শক্তির জায়গাগুলোর উপর আস্থা রাখা দরকার। মাঠে নেমে স্বাভাবিক খেলাটা খেললেই হয়তো এই ম্যাচেই তাঁর সেরা ইনিংস দেখা যেতে পারে। তবে শট নির্বাচনের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন শাস্ত্রী।ভারতীয় দলের পরিচালকরাও এখনও অভিষেকের উপর আস্থা রাখছেন বলে জানা গিয়েছে। রান না পেলেও তাঁকে সমর্থন করছেন কোচ গৌতম গম্ভীর এবং অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। ফাইনালের দলেও অভিষেক থাকতে পারেন বলেই ইঙ্গিত মিলছে। তাঁর পাশে থাকবেন ভাল ফর্মে থাকা সঞ্জু স্যামসন। দলের তরফে জানানো হয়েছে, প্রত্যেক খেলোয়াড়ের দিকেই নজর রাখা হচ্ছে এবং অভিষেকের উপর দলের পূর্ণ আস্থা রয়েছে।

মার্চ ০৭, ২০২৬
বিদেশ

শ্রীলঙ্কার কাছে ডুবল ইরানের যুদ্ধজাহাজ! মার্কিন সাবমেরিনের হামলার অভিযোগে তীব্র হুঁশিয়ারি তেহরানের

শ্রীলঙ্কার উপকূলের কাছে আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইরানের একটি যুদ্ধজাহাজ ডুবে যাওয়ার ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ইরানের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগাছি আমেরিকার বিরুদ্ধে সরাসরি সাবমেরিন হামলার অভিযোগ তুলেছেন। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, এই ঘটনার জন্য আমেরিকাকে কঠিন মূল্য দিতে হবে।ইরানের নৌবাহিনীর ফ্রিগেট IRIS Dena চার মার্চ ভোরে শ্রীলঙ্কার গলের দক্ষিণে প্রায় চল্লিশ নটিক্যাল মাইল দূরে ডুবে যায়। জাহাজটি আন্তর্জাতিক জলসীমায় ছিল বলে দাবি তেহরানের। প্রায় একশো তিরিশ জন নাবিক জাহাজে ছিলেন। জাহাজটি ভারতীয় নৌবাহিনীর অতিথি হিসাবেও এসেছিল বলে জানানো হয়েছে।শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনী সূত্রে খবর, ভোর পাঁচটা আট থেকে সাড়ে পাঁচটার মধ্যে বিপদ সংকেত আসে। জলের নীচে ভয়াবহ বিস্ফোরণে জাহাজের তলায় বড় ফাটল তৈরি হয় এবং দ্রুত জল ঢুকতে শুরু করে। কয়েক মিনিটের মধ্যেই জাহাজটি রাডার থেকে হারিয়ে যায় এবং ডুবে যায়। ঘটনাকে সাবমেরিন থেকে টর্পেডো হামলা বলেই মনে করা হচ্ছে।আমেরিকার প্রতিরক্ষামন্ত্রী Pete Hegseth জানিয়েছেন, একটি মার্কিন সাবমেরিন থেকেই টর্পেডো ছোড়া হয়েছিল। তবে কেন এই হামলা, তা স্পষ্ট করেননি তিনি।উদ্ধারকারীরা গল হাসপাতালে সাতাশি জনের দেহ নিয়ে আসেন। বত্রিশ জন নাবিককে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রায় ষাট জন এখনও নিখোঁজ বলে জানা গিয়েছে। জাহাজে মোট প্রায় একশো আশি জন ছিলেন বলে অনুমান। শ্রীলঙ্কা নৌবাহিনী জরুরি উদ্ধার অভিযান শুরু করে। নৌবাহিনীর মুখপাত্র কমান্ডার বুদ্ধিকা সম্পথ জানান, আন্তর্জাতিক জলসীমায় হলেও বিপদ সংকেত পেয়ে দ্রুত সাহায্য করা হয়।ডুবে যাওয়া যুদ্ধজাহাজটি সম্প্রতি ভারতের আয়োজিত মিলান দুই হাজার ছাব্বিশ নৌ-মহড়ায় অংশ নিয়েছিল। বঙ্গোপসাগরে আয়োজিত এই মহড়া আঠারো থেকে পঁচিশ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলেছিল। ভারতীয় নৌবাহিনী বিশাখাপত্তনমে জাহাজটিকে স্বাগত জানিয়েছিল এবং ভারত-ইরানের দীর্ঘ সাংস্কৃতিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেছিল।এই ঘটনা ঘটল এমন এক সময়ে, যখন উপসাগরীয় অঞ্চলে আমেরিকা ও ইজরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাত তীব্র হয়েছে। তবে জাহাজটি ডুবেছে উপসাগর থেকে বহু দূরে, ভারত মহাসাগরের গভীর জলে। গোয়েন্দা সূত্রের মতে, এই ঘটনা সংঘাতকে নতুন দিকে ছড়িয়ে দিতে পারে এবং ভারতের সামুদ্রিক অঞ্চলেও তার প্রভাব পড়তে পারে।সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক জলসীমায় এই নৌ-হামলা ঘিরে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই ঘটনার জবাব দেওয়া হবে। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে একাধিক দেশ।

মার্চ ০৫, ২০২৬
বিদেশ

বিমানবন্দরেও ক্ষেপণাস্ত্র! বুশেহরে হামলার পর থমকাল রাশিয়ার পারমাণবিক কাজ

ইজরায়েলের লাগাতার হামলায় ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে বড় ক্ষয়ক্ষতির খবর সামনে এল। ইরানের সংবাদমাধ্যমের দাবি, বুশেহর শহরের বিমানবন্দরে ইজরায়েলি হামলায় মাটিতে দাঁড়িয়ে থাকা ইরান এয়ারের একটি যাত্রীবাহী বিমান ধ্বংস হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থার উদ্ধৃতি দিয়ে এই খবর প্রকাশ করা হয়েছে।বুশেহর শহর পারস্য উপসাগরের তীরে অবস্থিত। এই শহরেই রয়েছে ইরানের একমাত্র কার্যকর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। ফলে হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। বিমানটি হামলার সময় পরিষেবায় ছিল কি না বা হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি।ইরানের অন্যতম প্রধান বিমানবন্দর মেহরাবাদও হামলার মুখে পড়েছে বলে খবর। মূলত অভ্যন্তরীণ উড়ান পরিচালনা করা হয় এই বিমানবন্দর থেকে। স্থানীয় সংবাদসংস্থার প্রকাশিত ছবিতে রানওয়ের পাশ থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখা গিয়েছে। চলতি হামলার পর্বে একাধিক বিমান চলাচল কেন্দ্র টার্গেট হওয়ায় বেসামরিক বিমান পরিষেবা নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত পারমাণবিক সংস্থা বুশেহরের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নতুন ইউনিট নির্মাণের কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ করার ঘোষণা করেছে। সংস্থার প্রধান আলেক্সেই লিখাচেভ জানিয়েছেন, দ্বিতীয় ও তৃতীয় ইউনিটের নির্মাণস্থলে কাজ আপাতত থামানো হয়েছে। তিনি বলেন, ইরানে চলা সামরিক অভিযানের ফলে ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি অনুমান করা কঠিন। তবে রুশ কর্মীরা সেখানেই থাকবেন এবং এই প্রকল্প তাদের অগ্রাধিকারের তালিকায় থাকবে।লিখাচেভ আরও জানান, পারমাণবিক কেন্দ্রের কয়েক কিলোমিটার দূরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে, যদিও কেন্দ্রটিকে সরাসরি টার্গেট করা হয়নি। বর্তমানে ইরানের পারমাণবিক শিল্পের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ সম্ভব না হলেও নির্মাণস্থলে কর্মরত সহকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।রাশিয়ার দাবি, ইরানে এখনও ছয়শোরও বেশি রুশ কর্মী রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই দেশ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। হামলা শুরু হওয়ার পর প্রায় একশো কর্মী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের ইতিমধ্যেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আকাশপথে হামলা সাময়িক থামলেই আরও সরিয়ে নেওয়ার কাজ চলবে বলে জানানো হয়েছে।ইজরায়েল ও ইরানের সংঘাত যে ক্রমশ সামরিক ক্ষেত্র ছাড়িয়ে বেসামরিক অবকাঠামো ও আন্তর্জাতিক প্রকল্পগুলিকেও প্রভাবিত করছে, এই ঘটনাই তার প্রমাণ। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে বিশ্বজুড়ে।

মার্চ ০৪, ২০২৬
বিদেশ

বিশ্ব কাঁপানো খবর! যৌথ হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা, ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা

ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ হামলায় নিহত হলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেই। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই তাঁর মৃত্যুর দাবি করেছিলেন। রবিবার সকালে ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনও খামেনেইয়ের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে। তাঁর মৃত্যুতে দেশে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।ইরানের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম জানিয়েছে, সুপ্রিম লিডার শহিদ হয়েছেন। ইরানের আর একটি সংবাদ সংস্থা ফারস নিউজ এজেন্সি দাবি করেছে, সুপ্রিম লিডারের বাসভবনে যে হামলা চালানো হয়েছিল, সেখানেই প্রাণ হারান তিনি। শুধু খামেনেই নন, ওই হামলায় তাঁর মেয়ে, জামাই, নাতি এবং পুত্রবধূরও মৃত্যু হয়েছে বলে খবর।১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের শাসনভার সামলাচ্ছিলেন খামেনেই। ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দীর্ঘ দিন তিনি দেশের নীতি ও সামরিক কৌশল নির্ধারণ করেছেন। তবে তিনি কোনও উত্তরসূরীর নাম ঘোষণা করে যাননি। ফলে তাঁর মৃত্যুর পর ইরানের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহলের আশঙ্কা, এর জেরে যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। আমেরিকা ও ইজরায়েলের বিরুদ্ধে ইরান বড় ধরনের পাল্টা হামলা চালাতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরমাণু সংঘাতের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।এর আগেই জানা গিয়েছিল, যৌথ অভিযানে ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আমির নাসিরজাদাহ এবং রেভোলিউশনারি গার্ডের কমান্ডার মহম্মদ পাকপৌরের মৃত্যু হয়েছে। ইজরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, অভিযানে ইরানের আরও পাঁচ শীর্ষ আধিকারিক নিহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে সুপ্রিম লিডারের এক ঘনিষ্ঠ পরামর্শদাতাও রয়েছেন। মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত যে বিশ্ব রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে চলেছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

মার্চ ০১, ২০২৬
বিদেশ

সীমান্তে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, তালিবানের দাবি পঞ্চান্ন পাক সেনা নিহত, জবাবে ভয়ংকর বিমান হামলা

আফগানিস্তানের তালিবান সরকার জানিয়েছে, সম্প্রতি পাকিস্তানের হামলার জবাব দিতেই তারা পাল্টা অভিযান শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার রাত থেকে ডুরান্ড লাইন সংলগ্ন বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় তুমুল লড়াই শুরু হয়। শুক্রবার ভোর পর্যন্ত কাবুলে বিস্ফোরণ ও যুদ্ধবিমানের শব্দ শোনা গিয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রের খবর। তালিবান দাবি করেছে, সীমান্তের কাছে একাধিক সামরিক ঘাঁটি ও উনিশটি পোস্ট দখল করা হয়েছে। চারটি পোস্ট ছেড়ে সরে গিয়েছে পাকিস্তানি সেনা। একটি ট্যাঙ্ক ধ্বংস করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।অন্যদিকে পাকিস্তান জানিয়েছে, তারা আফগানিস্তানের হামলার জবাবে আকাশপথে পাল্টা আঘাত হেনেছে। কাবুল, কান্দাহার ও পাকতিয়া এলাকায় বিমান হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তালিবানের মুখপাত্র জ়াবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেছেন, পাকিস্তানি সেনা কাপুরুষের মতো বিভিন্ন শহরে এয়ারস্ট্রাইক চালিয়েছে। তবে তাঁর দাবি, তাতে বড় ধরনের হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।আফগানিস্তানের জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, ছাব্বিশ ফেব্রুয়ারি রাত আটটা থেকে অভিযান শুরু হয়। সম্প্রতি আফগানিস্তানে পাকিস্তানের হামলায় মহিলা ও শিশুর মৃত্যু হয়েছিল, তারই প্রতিশোধ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। পাকতিকা, খোস্ত, নানঘারহার ও কুনার সহ একাধিক সেক্টরে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। তালিবান সরকারের দাবি, মোট পঞ্চান্ন জন পাকিস্তানি সেনার মৃত্যু হয়েছে এবং প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সংঘর্ষে তালিবানের আট যোদ্ধা নিহত ও এগারো জন আহত হয়েছেন বলেও জানানো হয়েছে। নানঘারহারে পাকিস্তানের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তেরো জন আফগান নাগরিক আহত হয়েছেন বলে দাবি।তবে পাকিস্তানের বক্তব্য সম্পূর্ণ আলাদা। তাদের দাবি, সংঘর্ষে মাত্র দুই জন পাকিস্তানি সেনা নিহত এবং তিন জন আহত হয়েছেন। উল্টে ছত্রিশ জন আফগান সেনার মৃত্যু হয়েছে বলে তারা জানিয়েছে। দুই দেশের এই পাল্টাপাল্টি দাবিতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। সীমান্তে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে এবং আন্তর্জাতিক মহল গভীরভাবে পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬
বিদেশ

রমজান মাসে পাকিস্তানের বর্বর হামলা আফগানিস্তানে! নারী ও শিশুরা নিহত, ভারত সরব

পাকিস্তান বারবার নিজেকে ইসলামের ধারক-বাহক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করলেও এবার রমজান মাসে আফগানিস্তানের ওপর বিমান হামলা চালিয়েছে। হামলা শুধু সীমান্তে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বেছে বেছে মসজিদ ও মাদ্রাসা লক্ষ্য করে পাকিস্তান গোলা ছুঁড়েছে।আফগান সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, শনিবার গভীর রাতে নাঙ্গারহার এবং পাকটিকা প্রদেশে পাকিস্তানি বিমান হামলা চালায়। এতে অন্তত ১৯ জনের মৃত্যু হয়। ধ্বংসস্তূপের নিচে জখম হয়েছেন আরও অনেকে। পাকিস্তান দাবি করেছে, এই হামলার উদ্দেশ্য আফগান সীমান্তে সক্রিয় জঙ্গিঘাঁটিগুলি ধ্বংস করা। তবে স্থানীয়রা বলছে, হামলার লক্ষ্য সরাসরি মসজিদ ও মাদ্রাসা। স্থানীয় আবদুল্লা জান, নাসিম গুল ও মহম্মদ জুবের জানিয়েছেন, এখানে কোনও সামরিক ঘাঁটি নেই। তবু পাকিস্তান আমাদের আকাশসীমায় ঢুকে হামলা চালিয়েছে। অন্তত ১০ লাখ আফগান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবাই আতঙ্কে কাঁপছে।তালিবান সরকারের মুখপাত্র জবিউল্লা মুজাহিদ জানিয়েছেন, নিরীহ মহিলা ও শিশুদের হত্যার জবাব দেওয়া হবে এবং সময়মতো বদলা নেওয়া হবে। এ পরিস্থিতিতে আফগানিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, রমজান মাসে আফগানিস্তানের আকাশসীমায় ঢুকে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। নারী ও শিশু নিহত হয়েছেন। এটি অত্যন্ত নিন্দনীয়। উল্লেখ্য, অপারেশন সিঁদুরের পর ভারত ও আফগানিস্তানের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে। কঠিন সময়ে নয়াদিল্লি সবসময় আফগানিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬
রাজ্য

শিশুদের উদ্দেশ্যে শিক্ষক গুলি চালাল, গুরুতর আহত এক

রঘুনাথগঞ্জ থানার বানিপুর এলাকায় এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে, যিনি বাড়ির সামনে খেলতে থাকা শিশুদের উদ্দেশ্যে গুলি চালানোর অভিযোগে অভিযুক্ত। ঘটনায় এক শিশু আহত হয়েছে। পুলিশ অভিযুক্তের বাড়ি থেকে একটি বন্দুক উদ্ধার করেছে।ধৃত শিক্ষকের নাম সমীর কুমার মণ্ডল, তিনি ওমরপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। অভিযোগ, শুক্রবারের মতো কয়েকজন শিশু তার বাড়ির পাশে একটি ফাঁকা মাঠে খেলছিল। মাঝেমধ্যে তাদের বল শিক্ষকের বাড়ির ভিতরে পড়ে যেত। আগে থেকেও এই নিয়ে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও শিশুরা খেলতে থাকায় রেগে গিয়ে সমীর বন্দুক নিয়ে শিশুগুলোর দিকে গুলি চালান। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তিনি চার থেকে পাঁচ রাউন্ড গুলি ছোড়েন। আতঙ্কিত শিশুরা ছুটে পালানোর চেষ্টা করলে এক শিশুর হাতে গুলি লাগে।আহত শিশুর বাবা বিশ্বজিৎ সাহা জানান, প্রতিদিনের মতো ১০-১২ জন বাচ্চা খেলছিল। বল বাড়ির দরজায় লাগতেই শিক্ষক বন্দুক নিয়ে বেরিয়ে এসে গুলি চালাল। আমার ছেলের হাতে গুলি লেগেছে। সঙ্গে সঙ্গে আমরা তাকে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাই।বর্তমানে শিশুটি জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে আটক করে এবং বাড়ি থেকে একটি আধুনিক এয়ারগান উদ্ধার করে। পুলিশ অস্ত্র পরীক্ষা করে দেখছে এবং কীভাবে এটি ব্যবহার করা হয়েছে তা যাচাই করছে। ধৃত শিক্ষক দাবি করেছেন, ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যেই গুলি চালিয়েছিলাম, কারও গায়ে লেগেছে তা বুঝতে পারিনি।এলাকায় ঘটনার পর চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এবং শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ পুরো বিষয়টি তদন্ত করছে এবং আইনি পদক্ষেপ নেবে বলে জানা গেছে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 36
  • 37
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

বিমের সঙ্গে ঝুলছে রক্তমাংস! তারাতলা বিপর্যয়ের ভয়াবহ ছবি কাঁপিয়ে দিল শহর

তারাতলার নির্মীয়মাণ গুদাম ধসের ঘটনায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনও শেষ হয়নি উদ্ধার অভিযান। ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও বহু শ্রমিক আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেই কারণেই সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে সেনা, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, দমকল ও পুলিশ।উদ্ধারকারীদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে বিশাল লোহার বিম। ধসের পর সেগুলি দুমড়ে-মুচড়ে একের উপর এক চাপা পড়ে রয়েছে। ফলে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে ভিতরে পৌঁছতে যথেষ্ট সময় লাগছে। বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে ভার্টিকাল ড্রিলিং করে বিম কেটে ধাপে ধাপে এগোচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা।এখনও পর্যন্ত একাধিক আহত শ্রমিককে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানা যাচ্ছে। ঘটনাস্থলে একাধিক ভারী ক্রেন মোতায়েন করা হয়েছে। উদ্ধারকাজে ব্যবহার করা হচ্ছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিও। ড্রোনের সাহায্যে ধ্বংসস্তূপের ভিতরে আটকে থাকা মানুষের অবস্থান খোঁজার চেষ্টা চলছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক হাজার বর্গফুট এলাকা জুড়ে গুদামটি তৈরি হচ্ছিল। দুর্ঘটনার পর নির্মাণের মান এবং ব্যবহৃত সামগ্রীর গুণমান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করেই দ্রুত কাজ শেষ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। সেই কারণেই এই ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটেছে বলে দাবি তাঁদের।ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, উদ্ধার অভিযান সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত সমস্ত সম্ভাব্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ধ্বংসস্তূপের নীচে কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত করতেই আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা।

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

তারাতলা ধসের পর বড় ঝাঁকুনি! রাজ্যজুড়ে নির্মীয়মাণ ইমারতে কাজ বন্ধের নির্দেশ, সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

তারাতলার ভয়াবহ নির্মাণ বিপর্যয়ের পর বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। আপাতত নির্মীয়মাণ বাণিজ্যিক ইমারতের কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী একত্রিশে জুলাই পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট নির্মাণ প্রকল্পগুলির স্বাস্থ্যপরীক্ষা ও নকশা যাচাই করা হবে। সবুজ সংকেত মিললেই আবার শুরু হবে কাজ।বুধবার তারাতলার দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, সংশ্লিষ্ট দফতরগুলিকে নিয়ে একটি বিশেষ পরিদর্শন দল গঠন করা হবে। এই দল নির্মীয়মাণ ইমারতের নকশা, নির্মাণের মান এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখবে। কোথাও ত্রুটি ধরা পড়লে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তারাতলার নির্মীয়মাণ গুদাম ও হিমঘর ধসে পড়ার ঘটনায় ইতিমধ্যেই একাধিক প্রাণহানির খবর সামনে এসেছে। বহু শ্রমিক ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে পড়েন। খবর পাওয়ার পরই উদ্ধারকাজে নামে পুলিশ, দমকল, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এবং সেনাবাহিনী। আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে থাকা মানুষদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, ধসে পড়া নির্মাণের নকশায় ত্রুটি ছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে ইঙ্গিত মিলেছে। সেই কারণেই রাজ্যের বিভিন্ন নির্মীয়মাণ বাণিজ্যিক প্রকল্পের নকশা এবং কাঠামোগত নিরাপত্তা নতুন করে পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সরকারি হিসাব অনুযায়ী, দুর্ঘটনায় কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে এবং একাধিক আহতকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের দ্রুত চিকিৎসার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে এবং পরিস্থিতির উপর প্রশাসন কড়া নজর রাখছে।তারাতলার এই মর্মান্তিক ঘটনার পর নির্মাণ নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তদন্তের রিপোর্ট প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে, এই বিপর্যয়ের নেপথ্যে প্রকৃত কারণ কী।

জুন ২৪, ২০২৬
দেশ

চলন্ত লোকালে রক্তাক্ত মৃত্যু! দরজা বন্ধ করা নিয়ে ঝগড়া, যাত্রীর বুকে পরপর কোপ

চলন্ত লোকাল ট্রেনে ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্য ছড়াল মুম্বইয়ে। দরজা বন্ধ করা নিয়ে দুই যাত্রীর মধ্যে শুরু হওয়া বচসা শেষ পর্যন্ত রক্তাক্ত খুনে পরিণত হল। ট্রেনের মধ্যেই ছুরির আঘাতে মৃত্যু হল বাইশ বছরের যুবক মায়াঙ্ক রমেশ লোহারের।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে চার্চগেট থেকে নাল্লাসোপারা অভিমুখী দ্রুতগতির লোকাল ট্রেনে ওঠেন মায়াঙ্ক। আন্ধেরি স্টেশন থেকে ট্রেনে চড়ার পরই আর এক যাত্রীর সঙ্গে তাঁর তর্কাতর্কি শুরু হয়। প্রবল বৃষ্টির মধ্যে ট্রেনের দরজা বন্ধ রাখা হবে কি না, তা নিয়েই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে।প্রথমে বচসা হলেও পরে তা হাতাহাতির পর্যায়ে পৌঁছে যায়। অভিযোগ, আচমকাই ধারালো অস্ত্র বের করে মায়াঙ্কের উপর একের পর এক আঘাত করতে শুরু করে অভিযুক্ত। ট্রেনের কামরায় বহু যাত্রী উপস্থিত থাকলেও পরিস্থিতি এত দ্রুত বদলে যায় যে কেউ তাঁকে রক্ষা করতে পারেননি।ট্রেন বোরিভেলি স্টেশনে পৌঁছতেই অভিযুক্ত পালিয়ে যায়। পরে যাত্রীরা কামরার ভিতরে রক্তাক্ত অবস্থায় মায়াঙ্ককে দেখতে পান। রেল পুলিশ ও চিকিৎসাকর্মীরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করলেও ততক্ষণে তাঁর মৃত্যু হয়ে গিয়েছিল। পরে দেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়।ঘটনার পর আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে যাত্রীদের মধ্যে। চলন্ত ট্রেনে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। তদন্তে নেমে পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান এবং অন্যান্য তথ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখতে শুরু করে।অবশেষে বুধবার বিকেলে অভিযুক্ত রোশান সুবর্ণকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে পশ্চিম রেলও জানিয়েছে, যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।চলন্ত ট্রেনের মধ্যে এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড ফের একবার যাত্রী নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়ে দিল। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, ভিড়ভাট্টার লোকালে যদি এমন ঘটনা ঘটে, তবে নিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত?

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

সকালেই বাঁকতে শুরু করেছিল বিম! তবু কেন চলল ঢালাই? তারাতলা কাণ্ডে বড় প্রশ্ন

কলকাতার তারাতলায় নির্মীয়মাণ একটি বহুতল কাঠামো ভেঙে পড়ার ঘটনায় শোক এবং আতঙ্ক ছড়িয়েছে। দুর্ঘটনায় একাধিক প্রাণহানির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ চালাচ্ছে উদ্ধারকারী দল, পুলিশ এবং অন্যান্য সংস্থা।দুর্ঘটনার পর থেকেই নির্মাণকাজের মান এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, যে কাঠামোটি তৈরি করা হচ্ছিল, সেখানে শুরু থেকেই বিভিন্ন ত্রুটি ছিল। নির্মাণস্থলে ব্যবহৃত সামগ্রীর মান এবং কাজের পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।স্থানীয় সূত্রে দাবি, দুর্ঘটনার আগে থেকেই কয়েকটি লোহার বিমে অস্বাভাবিক চাপের লক্ষণ দেখা যাচ্ছিল। তবু কাজ বন্ধ না করে নির্মাণ প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের দাবি, বিপদের ইঙ্গিত থাকা সত্ত্বেও প্রয়োজনীয় সতর্কতা নেওয়া হয়নি।উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা ধ্বংসস্তূপের পরিস্থিতি দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তাঁদের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে দেখা গিয়েছে, ভারী কংক্রিটের চাপ বহন করতে গিয়ে কাঠামোর বিভিন্ন অংশ দুর্বল হয়ে পড়েছিল। এর ফলেই গোটা নির্মাণ অংশ ভেঙে পড়ে থাকতে পারে বলে অনুমান।ঘটনার পর প্রশাসনের তরফে তদন্ত শুরু হয়েছে। নির্মাণকাজে কোনও গাফিলতি বা নিয়মভঙ্গ হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট নির্মাণ প্রকল্পের কাজ আপাতত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এই দুর্ঘটনার পর নির্মাণ নিরাপত্তা, অনুমোদন প্রক্রিয়া এবং কাজের মান নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তদন্তের রিপোর্ট প্রকাশের পরই প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

চিৎকার, ধুলো আর ধ্বংসস্তূপ! তারাতলায় ভয়াবহ দুর্ঘটনায় কন্ট্রোলরুম খুলল নবান্ন

তারাতলায় নির্মীয়মাণ একটি গোডাউনের ছাদ ধসে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজ জোরকদমে চলছে। ইতিমধ্যেই কয়েকজন শ্রমিককে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে এখনও বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই প্রশাসন দ্রুত তৎপর হয়। নবান্নের পক্ষ থেকে নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। তিনি জানান, দমকল, পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী উদ্ধারকাজে নেমেছে। প্রয়োজনে আরও বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। প্রাথমিক লক্ষ্য হল আটকে থাকা মানুষদের যত দ্রুত সম্ভব নিরাপদে উদ্ধার করা।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিবহণ দফতরের জন্য একটি গোডাউন নির্মাণের কাজ চলছিল। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, দুর্ঘটনার কিছুক্ষণ আগেই কয়েকটি লোহার বিম নড়ে যায় এবং আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপরও কাজ বন্ধ না করে কাঠামো মেরামতের চেষ্টা চলছিল। সেই সময় আচমকাই গোটা ছাদ ও লোহার কাঠামো ভেঙে পড়ে।ঘটনার সময় বহু শ্রমিক ভিতরে কাজ করছিলেন। সেখানে একটি অস্থায়ী অফিসও ছিল বলে জানা গিয়েছে। ফলে ধস নামার সঙ্গে সঙ্গেই অনেকে ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়েন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে।বর্তমানে ক্রেন, গ্যাস কাটার এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতির সাহায্যে লোহার বিম কেটে উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও উদ্ধারকর্মীদের সহায়তা করছেন। ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ চললেও এখনও বহু মানুষের খোঁজ মেলেনি বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।ঘটনার খবর পেয়ে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, নির্মাণকাজে কোনও গাফিলতি ছিল কি না এবং নিরাপত্তা বিধি মানা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে তদন্তের দাবি উঠেছে। তারাতলার এই দুর্ঘটনা ঘিরে গোটা এলাকায় উদ্বেগ ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

মুহূর্তে মাটিতে মিশে গেল বিশাল শেড! তারাতলায় ধ্বংসস্তূপের নীচে কতজন, উঠছে ভয়াবহ প্রশ্ন

তারাতলায় নির্মীয়মাণ একটি কারখানার গোডাউন ভেঙে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটল। ঘটনায় বহু শ্রমিক আহত হয়েছেন বলে খবর। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধসের সময় ভিতরে প্রায় চল্লিশ থেকে পঁয়তাল্লিশ জন উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত পৌঁছে যায় দমকল বাহিনী। উদ্ধারকাজে হাত লাগান স্থানীয় বাসিন্দারাও। আহতদের ধ্বংসস্তূপ থেকে বের করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কারও হাত গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কারও মাথায় আঘাত লেগেছে। কয়েকজনের অবস্থা উদ্বেগজনক বলে জানা গিয়েছে।স্থানীয়দের দাবি, ওই এলাকায় একটি বড় গোডাউন তৈরির কাজ চলছিল। নির্মাণের সময় একবার কাঠামোর একটি অংশ ভেঙে পড়েছিল। পরে সেটি মেরামত করে ফের কাজ শুরু করা হয়। সেই সময় শ্রমিকরা ভিতরে থেকে কাজ করছিলেন। আচমকাই গোটা টিনের শেড ও লোহার কাঠামো হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে।এক প্রত্যক্ষদর্শীর কথায়, দুর্ঘটনার সময় বহু মানুষ ভিতরে ছিলেন। শ্রমিকদের পাশাপাশি সেখানে একটি অস্থায়ী অফিস থেকেও কাজ পরিচালনা করা হচ্ছিল। ফলে ধস নামার সঙ্গে সঙ্গেই অনেকেই আটকে পড়েন। বিশাল এলাকা জুড়ে তৈরি হওয়া কাঠামো মুহূর্তের মধ্যে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।বর্তমানে ক্রেনের সাহায্যে লোহার বিম সরিয়ে উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও মানুষ আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে উদ্ধার অভিযান। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে। কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল এবং নির্মাণকাজে কোনও গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা শুরু হয়েছে।

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে বিস্ফোরক অভিযোগ! মমতার ভাইকে ঘিরে যা দাবি করলেন এক প্রবীণ মহিলা

রাজ্যের নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর জনসাধারণের অভিযোগ শোনার কর্মসূচিতে উঠে এল এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের বাসিন্দা রঞ্জনা হাজরা দাবি করেছেন, তাঁর পৈতৃক সম্পত্তির একাধিক অংশ দীর্ঘদিন ধরে দখল করে রাখা হয়েছে। এই অভিযোগ তিনি সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেছেন।রঞ্জনা হাজরা জানান, হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে তাঁদের পরিবারের কিছু পৈতৃক সম্পত্তি রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, বহু বছর ধরে সেই সম্পত্তিগুলি দখলের চেষ্টা চলেছে এবং কয়েকটি জায়গা দখলও হয়ে গিয়েছে। তিনি দাবি করেন, একটি জায়গা দখল করে সেখানে প্রথমে ব্যবসা এবং পরে বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে। আরও কয়েকটি সম্পত্তি নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে বলে অভিযোগ তাঁর।অভিযোগকারিণীর দাবি, তিনি বারবার প্রতিবাদ করেছেন। কিন্তু তাতে সমস্যার সমাধান হয়নি। উল্টে বিভিন্ন সময় তাঁকে হেনস্তা ও চাপের মুখে পড়তে হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে অতীতে পুলিশের কাছেও গিয়েছিলেন। তবে তাঁর দাবি, কোনও কার্যকর পদক্ষেপ হয়নি।সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবারে গিয়ে তিনি সমস্ত অভিযোগ লিখিতভাবে জমা দেন। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর রঞ্জনা হাজরা জানান, তাঁর অভিযোগ খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকায় প্রতিনিধি পাঠানো হবে বলেও তাঁকে জানানো হয়েছে।এই ঘটনার পর আবারও হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের সম্পত্তি বিতর্ক নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও অভিযোগগুলির সত্যতা এখনও সরকারি ভাবে প্রমাণিত হয়নি। এখন প্রশাসন এই বিষয়ে কী পদক্ষেপ করে, সেদিকেই নজর রয়েছে।

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

গ্রেফতারের আশঙ্কায় হাইকোর্টে ছুটলেন মানস ভুঁইঞা! হঠাৎ কী এমন ঘটল?

রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চার কেন্দ্রে মানস ভুঁইঞা। চাকরি দেওয়ার নামে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ সামনে আসতেই এবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী। সম্ভাব্য গ্রেফতারের আশঙ্কা থেকেই তিনি আদালতের কাছে রক্ষাকবচ চেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।অভিযোগ, এক মহিলাকে সেচ দফতরের বাংলোয় চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। এর বিনিময়ে কয়েক লক্ষ টাকা নেওয়া হয় বলেও দাবি অভিযোগকারীর। পরে ওই মহিলা কিছুদিন কাজও করেন। এমনকি বেতনও পান। কিন্তু হঠাৎ করেই তাঁকে আর কাজে যোগ দিতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।এই ঘটনার পর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তের খবর সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়।এই পরিস্থিতিতেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন মানস ভুঁইঞা। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে তাঁর পক্ষ থেকে আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। গ্রেফতারের আশঙ্কা থেকেই আগাম আইনি সুরক্ষা চাওয়া হয়েছে বলে আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে।সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক তৃণমূল নেতা, জনপ্রতিনিধি এবং প্রাক্তন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। সেই আবহে মানস ভুঁইঞার আদালতের দ্বারস্থ হওয়া নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা বাড়িয়েছে। এখন আদালত এই আবেদনের বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহল ও প্রশাসনিক সূত্রের।

জুন ২৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal