• ৮ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতি ২৫ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

RS

রাজ্য

জঙ্গি সন্দেহে ধৃতদের ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজত, বাংলায় স্লিপার সেলের সন্ধানে জোরদার তদন্ত

বাংলাদেশি জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লা বাংলা টিমের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে নওদা থেকে ধৃতদের মঙ্গলবার বহরমপুর সিজেএম আদালতে তোলা হয়। রাজ্য পুলিশের এসটিএফের পক্ষ থেকে ধৃতদের ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানানো হয়েছিল। বিচারক দিলওয়ার হোসেন ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। ধৃতদের নাম সাজিবুল ইসলাম ও মুস্তাকিম মণ্ডল। ধৃতদের বিরুদ্ধে জঙ্গি যোগ সন্দেহ আরও মাত্রা পেল।বাংলাদেশে ইউনুসের তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসতেই সীমান্তের পশ্চিমপাড়ে জঙ্গিদের স্লিপার সেলের একের পর এক সন্ধান মিলেছে। এবার এপারে জেএমবি অপেক্ষা আনসারুল্লা বাংলা টিমের দাপট অনেক বেশি।দিন কয়েক আগে আসম পুলিশ হঠাৎ হানা দেয় হরিহরপাড়ায়। হরিহরপাড়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয় আব্বাস শেখ ও মিনারুল শেখ। আব্বাস শেখ স্থানীয় মসজিদের ইমাম ছিলেন। মিনারুল এলাকায় একটি খাদিজিয়া মাদ্রাসা চালাতেন। দুজনেই এবিটি জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। তাদের জেরা করে আসাম পুলিশ ও রাজ্য পুলিশের এসটিএফ রবিবার রাত তিনটে নাগাদ নওদা থানার দুর্লভপুর থেকে সাজিবুল ইসলামকে ও পরে ভেলো গ্রাম থেকে মুস্তাকিম মণ্ডলকে জঙ্গিযোগ সন্দেহে আটক করে। ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পর দুজনকে সোমবার গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে ১১৩-৩/৪/৫/৬, ৬১ বিএনএস ও ১৪-সি ফরেনার অ্যাক্টে মামলা রুজু করে মঙ্গলবার আদালতে তোলা হয়। দুজনকেই ১৪ দিনের জন্য পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। সাজিবুল ইসলাম ও মুস্তাকিম মণ্ডল কৃষি কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিল। সাধারণ দুই যুবকের সঙ্গে বাংলাদেশি জঙ্গিযোগ রয়েছে শুনে এলাকার মানুষ হতবাক হয়ে পড়েন। পুলিশ সূত্রে খবর, মুর্শিদাবাদ জেলায় একাধিক স্লিপার সেল রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে স্লিপার সেল থেকে এবিটির হয়ে কাজ করছিল আব্বাস, মিনারুল, সাজিবুল, মুস্তাকিরা। সাজিবুল কেরল থেকে ধৃত শাদ রবি ওরফে সাব শেখের পিসতুতো ভাই। আনসারুল্লা বাংলা টিমের প্রধান জসিমুদ্দিন রহমাণির অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। সাব শেখ বহুবার নওদায় তার আত্মীয়ের বাড়িতে এসেছে বলেই তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন। জেলায় বাংলাদেশি জঙ্গিদের একাধিক ডেরা থাকলেও কেন জেলা পুলিশ কিছুই জানতে পারল না। এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২৪
রাজ্য

একসঙ্গে সাতজনকে ফাঁসির রায়! নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছিল টোটোচালককে

সাতজনকে ফাঁসির আদেশ! নৃশংস ভাবে এক টোটোচালককে খুনের ঘটনায় বৃহস্পতিবার এই রায় দেন চুঁচুড়া আদালতের বিচারক। ফাঁসির আদেশ দেওয়া হয় হুগলির কুখ্যাত দুস্কৃতী বিশাল দাস ও তার ৬ সাকরেদ রাজকুমার প্রামানিক, রথীন সিংহ, রতন ব্যাপারী, রামকৃষ্ণ মন্ডল, বিনোদ দাস, বিপ্লব বিশ্বাসকে ফাঁসির রায় দেন বিচারক। অপর এক আসামি মান্তু ঘোষকে ৭ বছরের কারাদন্ড দেওয়া হয়। এক টোটো চালককে মোট ৯ জন দুস্কৃতী নৃশংস ভাবে খুন করেছিল। শেখ মিন্টু এই মামলায় রাজসাক্ষী হয়েছিল। বৃহস্পতিবার দুপুরে চুঁচুড়া ফার্স্ট ট্রাক কোর্টের বিচারক শিব শঙ্কর ঘোষ এদিন বিশাল দাস সহ সাতজনকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করেন। বাকি ১ জনের ৭ বছরের সাজা শোনানো হয়। তিনদিন আগেই এই অভিযুক্তরা দোষী সাব্যস্ত হয়েছিল। ফাঁসির রায়দানকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য়ের সৃষ্টি হয় আদালত চত্বরে। চুঁচুড়া আদালতে ছিল কড়া পুলিশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ঘটনা ঘটেছিল চার বছর আগে। দিনটা ছিল ২০২০ সালের ১১ অক্টোবর। টোটোচালক বছর তেইশের যুবক বিষ্ণু মালকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে এক গোপন স্থানে আটকে রেখে রীতিমতো টুকরো টুকরো করে দেহের বিভিন্ন অংশ নানা জায়গায় ফেলা দিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। তাঁকে রায়ের বেড় এলাকা থেকে বাইকে করে তুলে নিয়েছিল বিশাল। কুখ্যাত দুষ্কৃতী বিশাল দাস ও তার দলবল এই কান্ড ঘটিয়েছিল। বিষ্ণুর কি ছিল অপরাধ? বিষ্ণুর সঙ্গে যে মেয়েটির ভালোবাসার সম্পর্ক ছিল, সেই মেয়েকে পছন্দ ছিল বিশাল দাসের। এই খুনের কিছুদিন পরে দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার জীবনতলা এলাকা থেকে ধরা পড়ে বিশাল।

নভেম্বর ২৮, ২০২৪
সম্পাদকীয়

অমানিশায় চন্দ্রকিরণ! দিন যাপনের প্রতিটি স্তরে যারা ভয়ঙ্কর দূষন

অমানিশায় চন্দ্রকিরণ! অমাবস্যায় চাঁদের উদয় এ আবার হয় নাকি? বাংলা সাহিত্যের পরম সম্পদ কালকুটের উপন্যাসে এই বিস্ময় জড়ানো প্রশ্নের উত্তর রয়েছে। কালকুট লিখেছেন এ হল তান্ত্রিক বাউল সম্প্রদায়ের সাধনার এক স্তরে পৌঁছনোর পরের উপলব্ধি। । এ কথা এখন তোলা থাক। সোমবার থেকে আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে শুরু হচ্ছে জলবায়ু সম্মেলন। ভিসা পেলেই সেই সম্মেলনে যোগ দিতে কূটনীতিকদের একটি দল পাঠাতে চায় আফগানিস্তান। যদিও জলবায়ু সংক্রান্ত সমস্যার তালিকায় তারা ছয় নম্বরে। তবু, দুষনরোধে অংশ নিতে চায় তালিবান। সাম্প্রতিক এই খবরে চোখ পড়তেই কালকুটের ওই উপন্যাসের কথা মনে এল। দুদিন আগে আরও একটি তালিবানি খবর চোখ টেনেছিল। ক্ষমতায় আসার পর থেকেই আফগানিস্তানের মেয়েদের জীবনযাপনে একের পর এক বেড়ি পরিয়ে চলেছে তালিবান সরকার। খবরে প্রকাশিত মেয়েদের ঘরে বা একান্তে অন্য মহিলার উপস্থিতিতে গলার স্বর যেন শোনা না যায়। কন্ঠ রোধের এই নয়া ফরমান জারি করেছে তালিবান। অনেক দিন আগেই মেয়েদের শিক্ষার অধিকার, জনসমক্ষে পা রাখার অধিকার কেড়ে নিয়েছে এই ধর্মোন্মাদ গোষ্টী। এবার নিভৃতেও মুখ দিয়ে শব্দ উচ্চারণে বারণ। স্বাধীন, সৃষ্টিশীল জীবন যাপনের স্বপ্ন শুধু মেয়েদের নয় সুস্থ বোধ সম্পন্ন সব মানুষের চোখ থেকেই মুছে দিয়েছে তালিবান। অন্ধ শাসনে নিষ্পেষিত হয়ে মানুষের নিভে যাওয়ার কাহিনীর পাহাড় জমছে আফগানিস্তানে। যে দেশে স্বস্তিতে নিঃশ্বাস নেওয়ার পরিবেশ উধাও সেই দেশ চলেছে বিশ্ব পরিবেশের উন্নয়নে। কালকুটের উপন্যাসে যে তন্ত্র সাধনায় চূড়ান্ত অমানিশা আর চন্দ্রকিরণের বৈপরীত্যের কথা বলা হয়েছে সেই বিপরীত অবস্থানের কথাই মনে করাচ্ছে তালিবান।দিন যাপনের প্রতিটি স্তরে যারা ভয়ঙ্কর দূষন ছড়িয়ে রেখেছে তারা হঠাৎ কেন পরিবেশ দূষণ নিয়ে এত আগ্রহী? এই প্রশ্নের উত্তর রয়েছে তালিবান সরকারের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্রের কথায়। তিনি বলেন, বিভিন্ন রাষ্ট্র তালিবান সরকারকে ব্রাত্য করে রেখেছে, তবে জলবায়ু নিয়ন্ত্রণের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনায় আমরাও অংশ নিতে চাই । যে দেশে জন্মভিটেতেই মানুষ ব্রাত্য, যে ভূখণ্ডে মানুষ আকাশ, পাখি বা পতঙ্গের অবাধ বিচরণের দিকে তাকিয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলে তাদের এই উলটপুরণ আসলে ওই ব্রাত্য দশা ঘোচানোর আপ্রাণ চেষ্টা। ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিক প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে সই করেছিল আফগানিস্তান। কিন্তু, তালিবান ক্ষমতায় আসার পর থেকেই কোনো আন্তর্জাতিক সম্মেলনেই তাদের আমন্ত্রণ জানানো হয় না। এই সমস্যা নিয়ে তালিবান সরকারের এক আমলা বলেছেন, জলবায়ু সমস্যা সমগ্ৰ মানবজাতির সমস্যা। তাই রাজনীতি কে এই বিষয়েটি থেকে সরিয়ে রাখা উচিত। ঢাকার কুট্টি গাড়োয়ানদের কথা যারা জানেন তাদের মনে হতে পারে দেশের মানব সম্পদ কে আস্তাকুঁড়ে ফেলে মানবজাতির সমস্যা নিয়ে এই চিন্তা শুনে কুট্টিদের ঘোড়া রাত অট্টহাস্য করত না মুচকি হাসলো?

নভেম্বর ১২, ২০২৪
রাজ্য

দাবি আদায়ে এবার আমরণ অনশনে জুনিয়র চিকিৎসকরা, মঞ্চে থাকছে সিসি ক্যামেরা

আমরণ অনশনে বসছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। প্রথম দফায় ৬ জন এই কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। বাকি জুনিয়র চিকিৎসকরা হাসপাতালে রোগী দেখবেন। রাজ্য সরকার তাঁদের দাবি না মানা পর্যন্ত অনশন চলবে। গতকালই জুনিয়র চিকিৎসকরা জানিয়েছিল ২৪ ঘন্টারর মধ্যে তাঁদের দাবি মানতে হবে। তা নাহলেই অনশনে বসবেন। সেই মতো শনিবার অনশনের কথা ঘোষণা করেন।জুনিয়র চিকিৎসকদের দাবি, কোনও অনশনকারী অসুস্থ হলে তার দায় রাজ্য সরকারের। এদিন ধর্মতলায় মঞ্চ বাধতে পুলিশ বাধা দেয় বলে অভিযোগ করেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। নিজেরাই আন্দোলনের মঞ্চ তৈরি করেন। এদিকে এদিন অভিযুক্ত ১০ জন চিকিৎসক পড়ুয়াকে আরজি কর থেকে এক্সপেল করেছে। আরজি করের তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের বিচারের দাবি আদায়ে প্রথম থেকে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে জুনিয়র চিকিৎসকরা। এর সঙ্গে আরও একাধিক দাবি রয়েছে তাদের। মোট ১০ দফা দাবি রয়েছে জুনিয়র চিকিৎসকদের। সেই দবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবে তাঁরা।

অক্টোবর ০৫, ২০২৪
নিবন্ধ

এ’ কোন সকাল - রাতের চেয়েও অন্ধকার!

সেই এলোমেলো দিকহারানো সন্ধ্যা-বায়ের লুটোপুটি খাওয়া ঘর-বার-উঠোন-বাজারে, কাজলকালো রাত পেরিয়ে, আধফোটা কুসুমের মতো ফুটে ওঠা আগমনী আলো আজ আবার ছড়িয়ে দিল মাতৃপূজার সুসমাচার। বেজে উঠলো আলোর বেণু; আজ প্রভাতে সে সুর শুনে খুলে দিলাম হৃদয়ের রুদ্ধ দুয়ার। কিন্তু সবার অন্তরের পুঞ্জীভূত আঁধার কাটলো কি? মাতলো কি ভুবন? যে নিবিড় বেদনা আচ্ছন্ন করে রেখেছে বুকের মাটি, মনের আকাশ কালো করে জমে থাকা সেই মেঘ যেন রাতের চেয়েও অন্ধকার করে রেখেছে শরতের আকাশবীণায় গানের মালা বিলানো আজকের এই মহালয়ার সকালকে।অথচ, বর্ষণক্ষান্ত আশ্বিনের নীল আকাশে সাদা মেঘের বহরে অমলধবলপালে আজ লেগেছে মন্দমধুর হাওয়া; দুধসাদা কাশের গুচ্ছ বেঁধে, ঝরা শেফালীর মালা গেঁথে, নবীন ধানের অঞ্জলি দিয়ে ডালা সাজিয়ে শারদলক্ষ্মী এসে গেছেন শুভ্র মেঘের রথে সমাসীন হয়ে। ধৌতশ্যামল আলোঝলমল বনগিরিপর্বতে ছড়িয়ে পড়েছে তাঁর শ্বেতশতদলশোভিত করুণানয়নের আশীর্বাণী। শিউলীতলার পাশে পাশে.. ঝরা ফুলের রাশে রাশে.. শিশিরভেজা ঘাসে ঘাসে অরুণরাঙা চরণ ফেলে.. জলতরঙ্গে ঝিলমিল ঝিলমিল ঢেউ তুলে ছড়িয়ে পড়ছেন তিনি। আলোছায়ার আঁচলখানি লুটিয়ে পড়ছে বনে বনে; ফুলগুলি ঐ মুখে চেয়ে কী কথা গুনগুনোচ্ছে মনে মনে, কে খবর রাখে তার! তবু ঐটুকু ঐ মেঘাবরণ দু হাত দিয়ে সরিয়ে, মুখের ঢাকা হরণ করে, শারদলক্ষ্মীকে বরণ করে নিতে যেন কারো মন নেই আজ। এমন নিরানন্দ দেবীপক্ষের সূচনা খুব বেশী দেখা গেছে কি?একদিকে বানভাসি নদী-মাঠ-ঘর-গেরস্থালির অপার দুর্ভোগ, অন্যদিকে অগ্নিমূল্য হাটবাজার; আর সব ছাপিয়ে এক নির্যাতিতা প্রতিবাদিনীর সর্বপরিব্যপ্ত বেদনার্ত ছায়া এবারের মাতৃপক্ষকে যেন ঢেকে রেখেছে এক তিমিরঅবগুণ্ঠনে। উৎসবে মেতে ওঠার মেজাজটাই পাড়ি দিয়েছে দিকশূণ্যপুরের দিশায়।তবু এরই মধ্যে পথে-পার্কে-পল্লীপ্রান্তে শালবল্লা-বাঁশ-ত্রিপল-প্লাইউডের কাঠামো-রা সেজে উঠছে দ্রুত। দোকান-পসার-মল-মার্কেটে ভীড়ও খানিক খানিক জমে উঠছে। মহালয়ার রাতভোর অসংস্কৃত বাজী-র উদযাপন এবার কিছু কম (আজকাল পাড়ার যে যে বাড়িতে বয়স্ক বা অসুস্থ মানুষ আছেন বলে খবর, তাঁদের জানালার কাছাকাছিই সাধারণতঃ বাজী ফাটানো হয় বেশী)। ইতস্ততঃ কিছু ক্লাবের মাইকে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র-ও সাড়া দিলেন বহু যুগের ওপার থেকে আজ ভোরবেলায়, যদিও কিছু স্তিমিতস্বনে। তবে পিতৃতর্পণাভিলাষীরা ছাড়া নদীর তীরে কাশের বনে মানুষের ঢল নামলো কই!মন ভালো নেই; আমাদের অনেকেরই মন ভালো নেই। আজ অখিলবিমানে দিকে দিকে সর্বস্যার্তিহরা দেবীমায়ের জয়গান। সিংহস্থা শশীশেখরা মরকতপ্রেক্ষা জগজ্জননী দূর করুন এই দুঃসহ আঁধার। ভয়ের আবহ শেষ হোক সবার ঘরের প্রতিটি দুর্গা হেসে উঠুক সুখে-সাহসে-সাফল্যে প্রতিটি অভয়া বিচার পাক!ওগো আমার আগমনী আলো, জ্বালো প্রদীপ জ্বালো, জ্বালো গো- ড. সুজন সরকার, বর্ধমান। ।

অক্টোবর ০২, ২০২৪
রাজনীতি

আরজি করের পটভূমিকায় স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবি আগমনী, টিএমসিপির সাসপেন্ড নেত্রীর নিশানায় কুণাল ও দেব

সাসপেন্ড হতেই সরাসরি তৃণমূল নেতা কুনাল ঘোষ থেকে শুরু করে অভিনেতা সাংসদ দেবকে তুলোধোনা করলেন যাদবপুর-ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূলের ছাত্র সংগঠনের বহিষ্কৃত সহ সভাপতি রাজন্যা হালদার। তাঁর দাবি, শিল্পী সত্ত্বা থেকেই ছবি, এর মধ্যে কোন রাজনীতি নেই। পাশাপাশি রাজন্যা এদিন কুনাল ঘোষকে নিশানা করে বলেছেন, কুণাল ঘোষ যে পুজোর গান লিখেছেন তা কী তিনি দলকে জানিয়ে লিখেছিলেন? একই সঙ্গে রাজন্যার নিশানায় ছিলেন অভিনেতা সাংসদ দেবও। নিজের বহিষ্কারের সুপারিশের পালটা তিনি দেবকে নিশানা করে বলেন, দেব দা যখন প্রধান বানিয়েছিলেন তখন তিনি কী দলকে জানিয়ে বানিয়েছিলেন। আমার তো মনে হয় না। রাজন্যা বলেছেন, আমি মনে করি না দলীয় কাজের বাইরে শিল্পভাবনার ক্ষেত্রে দলকে জানানোর কোনও প্রয়োজন আছে। আরজি করের ঘটনার সঙ্গে ছবির কোন সম্পর্ক নেই সেকথা মনে করিয়ে রাজন্যা বলেন, ছবির সঙ্গে আরজি করে ঘটনার কোন সরাসরি যোগ নেই। ছবি দেখে যদি দল যদি সিদ্ধান্ত নিত তাহলে ভালো হত। আশা রাখি দল ছবি দেখে সিদ্ধান্ত পূর্ণবিবেচনা করবে।তিলোত্তমাদের গল্প নিয়ে স্বল্প দৈর্ঘের ছবি আগমনী মুক্তি পেতে চলেছে আগামী ২ অক্টোবর। টিএমসিপির দুই নেতা-নেত্রী প্রান্তিক ও রাজন্যা জুটির এই ছবিকে নিয়েই শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। এই প্রেক্ষাপটেই ২ জনকেই সাসপেন্ড করেছে দল। মহালয়ার দিন এই ছবি মুক্তির আগেই শুক্রবার রাতে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ সাসপেন্ড করেছে প্রান্তিক চক্রবর্তী ও রাজন্যা হালদারকে। প্রান্তিক ছিলেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্য সহসভাপতি ও রাজন্যা যাদবপুর-ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূলের ছাত্র সংগঠনের সহসভাপতি।প্রান্তিক ও রাজন্যা দুজনেই জানিয়েছেন, শিল্পী সত্ত্বা থেকেই তাঁরা এই স্বল্প দৈর্ঘের ছবি তৈরি করছেন। শুধু আরজি করের নির্যাতিতা নন, সমাজের সকল স্তরের নির্যাতিতার কাহিনী থাকছে এতে। পাশাপাশি প্রতিবাদ ও জন জাগরণের ভাষাও থাকবে এই ডকুমেন্টারিতে। দল শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিলেও ২ অক্টোবর আগমনী মুক্তির সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে আসছে না রাজন্যা ও প্রান্তিক। তাঁদের বক্তব্য, শর্ট ফিল্মটা দেখার পর বিচার করা উচিত ছিল। এখানে কোনও বিচারাধীন বিষয় দেখানো হচ্ছে না।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৪
রাজ্য

বর্ণ পরিচয় স্রষ্টার জন্মদিনে বর্ধমানের শিক্ষকের বিশেষ সম্মান প্রাপ্তি

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জীবন নানান কাহিনী আর কীর্তিতে ভরপুর। কথিত আছে, মাত্র ১৯ বছর বয়সে তাঁর অগাধ পাণ্ডিত্যকে সম্মান জানাতে তাঁকে বিদ্যাসাগর উপাধি দেওয়া হয়। এও জানা যায় বিদ্যাসাগর তাঁর অসুস্থ মাকে দেখতে যাওয়ার জন্য ছুটি চেয়ে না পাওয়ায় সটান চাকরি ছেড়ে দেন, এবং ভরা বর্ষার রাতে প্রবল উত্তাল দামোদর নদী সাঁতরে মাকে দেখতে যাওয়ার কাহিনী লোকগাথা হয়ে গেছে।বাংলা ও বাঙ্গালির সংগঠন বাংলা পক্ষ আজ বৃহস্পতিবার ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ২০৪ তম জন্মদিনে সমগ্র পশ্চিম বাংলার ২৩ টি জেলা থেকে ২৩ জন শিক্ষাবিদকে বিদ্যাসাগর জাতীয় শিক্ষক সম্মান প্রদান করেন। পূর্ব বর্ধমান জেলায় দামোদর নদের মাত্র কয়েক কিমি দূরে বর্ধমান শহরের কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ের রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্তকে ১৪৩১ সনের বিদ্যাসাগর জাতীয় শিক্ষক সম্মানে ভূষিত করা হয়।বাংলা পক্ষের পূর্ব বর্ধমান জেলার সম্পাদক অসিত সাহা জনতার কথাকে জানান, এই পুরস্কার তুলে দিতে পেরে তাঁরা গর্বিত। তিনি প্রসঙ্গক্রমে জানান যে, বর্ধমানের প্যারিচাঁদ মিত্র লেন এলাকার একটি বাড়িতে বসে ঈশ্বরচন্দ্র বর্ণপরিচয় লেখেন। শুধু তাই না, এই বই যাতে প্রকাশকরা বিক্রি করে আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারে তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও নেন। ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশ্যে এই ঘটনা উল্লেখ করে বলেন যে, বড় হয়ে চাকরির জন্য অনর্থক সময় নষ্ট না করে তোমরা ব্যবসার কথা ভাবতে পার, এই পথ বিদ্যাসাগরই দেখিয়ে গেছেন। বিদ্যাসাগর জাতীয় শিক্ষক সম্মান পুরস্কারে ভূষিত প্রধানশিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত তাঁর ভাষণে বাংলা পক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। বিদ্যাসাগরের পূর্বপুরুষদের চরিত্র উল্লেখ করে বলেন যে, ঠাকুরদাদা ঠাকুমা বাবা মা এঁদের দৃঢ় মনোভাবসম্পন্ন গুণাবলী বিদ্যাসাগরকে বিদ্যাসাগর হতে সাহায্য করেছে।আজ বাংলা পক্ষ তরফ থেকে এই ওই বিদ্যালয়ের সমস্ত শিক্ষকশিক্ষিকা এবং শিক্ষাকর্মীকেও সংবর্ধিত করে। কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা স্বাগতা আঢ্য জানান, এই সম্মান আমাদের সকলের খুব ভাল লেগেছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষক বাসুদেব মণ্ডল বিদ্যাসাগরের সঙ্গে রামকৃষ্ণের সাক্ষাতের ঘটনাটি স্মরণ করেন। বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী যথা, মধুমিতা অরিজিৎ ইন্দু পূর্বারা নাচ আবৃত্তি গানে বিদ্যাসাগরকে শ্রদ্ধা জানায়।এবছর যে শিক্ষাব্রতীদের সম্মানিত করতে পেরে আমরা গর্বিত,তাঁরা হলেনঃ১) আলিপুরদুয়ার- অজিত কুমার দে ২)কোচবিহার- নারায়ণ চন্দ্র সাহা৩) জলপাইগুড়ি- জুয়েল দত্ত৪) শিলিগুড়ি- কাকলী মজুমদার চাকী৫) উত্তর দিনাজপুর- কিংশুক মাইতি৬) দক্ষিণ দিনাজপুর- তপন অধিকারী৭) মালদা- মহ: সাকিলুর রহমান৮) মুর্শিদাবাদ- খাজিম আহমেদ৯) নদীয়া- সুবীর কুমার পাল১০) বীরভূম- জয়ন্ত মুখার্জী১১) পশ্চিম বর্ধমান- জইনুল হক১২) পূর্ব বর্ধমান- ড: সুভাষ চন্দ্র দত্ত১৩) হুগলী- শুভময় সরকার১৪) হাওড়া- বিশ্বনাথ বসু১৫) উত্তর ২৪ পরগণা (শিল্পাঞ্চল)- অশোক কুমার ভৌমিক১৬) উত্তর ২৪ পরগণা (শহরাঞ্চল)- শুভদীপ চৌধুরী১৭) উত্তর ২৪ পরগণা (গ্রামীণ)- মিজানুর রহমান১৮) দক্ষিণ ২৪ পরগণা- অমিত ভট্টাচার্য১৯) কলকাতা- তৃপ্তিশ্রী ধর২০) পূর্ব মেদিনীপুর- মৃণালসুন্দর পাত্র২১) পশ্চিম মেদিনীপুর- শক্তিপদ বেরা২২) বাঁকুড়া- ঈশ্বর পান২৩) পুরুলিয়া- ড: জয়ন্ত হাজরা

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৪
রাজ্য

মহিলা যাত্রীদের সুরক্ষায় বিশেষ উদ্যোগ রেলের, একাধিক প্রশংসনীয় পদক্ষেপ

পূর্ব রেলওয়ে, যাত্রীদের, বিশেষত নিত্যযাত্রী এবং মহিলাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মহিলা যাত্রীদের সুরক্ষা এবং তাদের মর্যাদা বজায় রাখতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। পূর্ব রেলওয়ের সুরক্ষা বাহিনী (আরপিএফ) মহিলা যাত্রীদের উদ্বেগ দূর করতে এবং সুরক্ষিত ভ্রমণের পরিবেশ সরবরাহ করতে অপারেশন মহিলা সুরক্ষার অধীনে একটি বিস্তৃত প্রচার শুরু করেছে।২০২৪ সালের আগস্ট মাস জুড়ে, পূর্ব রেলওয়ের আরপিএফ বাহিনী বিভিন্ন ট্রেনের মহিলা কামরায় নিয়মিত ভাবে নিখুঁত অভিযান চালিয়েছিল। সেই বগিগুলিতে অবৈধভাবে ভ্রমণকারী পুরুষ যাত্রীদের গ্রেপ্তার ও বিচার করেছিল। এই এক মাসে রেলওয়ে আইনের ১৬২ ধারায় মোট ১,৭৭৪ জন অপরাধীকে গ্রেপ্তার ও মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং ₹৩,২৪,৪৫০/- জরিমানা আদায় করা হয়েছে। পূর্ব রেলের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, মহিলা যাত্রীদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করে এমন নিয়ম লঙ্ঘন করলে কাউকে বরদাস্ত করা হবে না।নারী ও শিশু সুরক্ষার জন্য যেসব মূল পদক্ষেপগুলি বাস্তবায়িত করা হয়েছে, সেগুলি নিম্নরূপ :ট্রেন এসকর্ট এবং নজরদারি:১। ১২টি মহিলা ইএমইউ স্পেশাল ট্রেন-সহ ৩৩৯টি ট্রেনে নিয়মিত যাতায়াত করেন আরপিএফ জওয়ানরা।২। ৭৪টি এক্সপ্রেস ট্রেনে পুরুষ ও মহিলা আরপিএফ কর্মীরা যৌথভাবে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন। ৩। নেটওয়ার্ক জুড়ে ১৭০ টি স্টেশনে মোট ৩,৮৯৪ টি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে, বিশেষত মহিলা যাত্রীদের সুরক্ষার জন্য আরপিএফ দ্বারা ৮৭ টি স্টেশনে ২,২৬৫ টি ক্যামেরা মাধ্যমে সক্রিয়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।৪। ট্রেন এসকর্ট এবং যাত্রী ইন্টারফেস অপারেশন চলাকালীন আরপিএফ কর্মীদের ১২৭ টি পরিধানযোগ্য ক্যামেরা সরবরাহ করা হয়েছে যা সুরক্ষা পরিস্থিতির রিয়েল-টাইম পর্যবেক্ষণের অনুমতি দেয়।৫। ৮৮টি ট্রেনে একা যাতায়াতকারী মহিলাদের সহায়তার জন্য ১৫টি স্টেশনে মেরি সহেলি দল মোতায়েন করা হয়েছে। যার ফলে মহিলা যাত্রীরা একা হওয়া সত্ত্বেও সম্পূর্ণ যাত্রা সুরক্ষিত ও নিরাপদ ভাবে যাত্রা করতে পারেন।শহরতলির অঞ্চলগুলিতে প্রায় ২৫টি স্টেশনে যেখানে দৈনিক মহিলা যাত্রীদের যাতায়াত বেশি সেখানে মাতঙ্গিনী স্কোয়াড মোতায়েন করা হয়েছে যারা সুনিশ্চিত করে মহিলা যাত্রীদের সুরক্ষা।৬। অভাবী শিশুদের সাহায্য ও উদ্ধারের জন্য (হাওড়া, শিয়ালদহ, আসানসোল, মালদা টাউন, ভাগলপুর, সাহেবগঞ্জ) ছয়টি চাইল্ড হেল্প ডেস্ক চালু রয়েছে। ব্যান্ডেল, বর্ধমান, বোলপুর শান্তিনিকেতন এবং জামালপুরে চারটি অতিরিক্ত হেল্প ডেস্ক স্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে।৭। শুধু আগস্ট মাসেই অপারেশন নানহে ফারিশতের আওতায় ১২৫ জন শিশুকে (৮৮ জন ছেলে ও ৩৭ জন মেয়ে) উদ্ধার করে পুনর্বাসনের জন্য শিশু কল্যাণ কমিটির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।৮। অপারেশন এএএইচটি (মানব পাচার রোধ)-এর অঙ্গ হিসেবে শিয়ালদহ, হাওড়া, মালদা টাউন এবং আসানসোলের আরপিএফ পোস্টগুলিতে ৭১টি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে। যারা আগস্ট মাসে ৯ জন কিশোরকে উদ্ধার ও ৫ জন পাচারকারীকে গ্রেফতার করেছে ।মহিলা যাত্রীদের মধ্যে নিরাপত্তার ভাব জাগিয়ে তুলতে পূর্ব রেলওয়ের বড় বড় স্টেশনগুলিতে আরপিএফ কর্মীদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে। এই সক্রিয় পদক্ষেপটি যে কোনও সম্ভাব্য দুর্বৃত্তকে প্রতিরোধ করে এবং যাত্রীরা তাদের ভ্রমণের সময় যাতে নিরাপদ বোধ করে তা সুনিশ্চিত করে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৪
রাজ্য

খোল, করতাল, হারমোনিয়াম নিয়ে কীর্তন, আরজি করে কাণ্ডের অভিনব প্রতিবাদ

ভোরের আলো ফুটতেই হরিনাম সংকীর্তনের শুরু হয়েছিল। কীর্তন শুনতেই ভিড় জমিয়েছিলেন অসংখ্য প্রাত:ভ্রমণকারী। কিন্তু আরজি কর কান্ডের প্রতিবাদ জানিয়ে হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে হরিনাম সংকীর্তন হবে, তা দেখে রীতিমতো আশ্চর্য হয়ে গিয়েছে মালদা শহরের বাসিন্দারা। মঙ্গলবার ভোরের আলো ফুটতেই আরজি কর ঘটনার অভিনব প্রতিবাদে হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে, খোল, করতাল, হারমোনিয়াম বাজিয়ে হরিনাম সংকীর্তনে এভাবেই সোচ্চার হলেন মালদার গৌড়ীয় বৈষ্ণব সংস্থার কর্মকর্তারা। এদিন সাতসকালে মালদা শহরের প্রাণকেন্দ্র রাজ হোটেল মোড় এলাকায় ছোটখাটো মঞ্চ করেই শুরু হয় আরজিকর কাণ্ডের প্রতিবাদ কীর্তন। হরিনাম সংকীর্তনের পাশাপাশি আরজিকর কাণ্ডে দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবী জানিয়ে সোচ্চার গৌড়ীয় বৈষ্ণব সংস্থার উদ্যোক্তারা। সাতসকালে প্রাতঃভ্রমণে বেড়ানো অসংখ্য মানুষেরা এই অভিনব প্রতিবাদ দেখতেই দাঁড়িয়ে পড়েন। রাজমহল রোডের রাজপথে প্রায় দেড় ঘন্টা ধরে চলে সংশ্লিষ্ট সংস্থার পক্ষ থেকে আরজিকর কান্ডের এই অভিনব প্রতিবাদ। এই সংস্থার এমন প্রতিবাদকেও সাধুবাদ জানিয়েছেন শহরবাসী। গৌড়ীয় বৈষ্ণব সংস্থার চেয়ারপার্সন চিত্রা সরকার বলেন, কলকাতা আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসক ছাত্রীকে যেভাবে খুন করা হয়েছে, তাতে দোষীদের ফাঁসি চাই। পাশাপাশি মৃত নির্যাতিতার আত্মার শান্তি কামনা এদিন করা হয়েছে। প্রত্যেকে যেন সঠিক বিচার পায়, কর্মক্ষেত্রে নারীদের সুরক্ষা চাই এবং চারিদিকে বিষাক্ত বাতাবরণ শুদ্ধিকরণ জন্য নাম সংকীর্তনের মধ্যে দিয়ে এদিন ভগবানের কাছে প্রার্থনা করা হয়।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২৪
রাজ্য

ছেলেধরা গুজবের মধ্যেই নিউটাউনে শিশু অপহরণের চেষ্টা, স্থানীয়দের নজরে আসায় রক্ষা

ছেলেধরা গুজবে ও গণপিটুনিতে তোলপাড় রাজ্য। এবার শিশু অপহরণের চেষ্টা নিউ টাউনে। স্থানীয়দের প্রচেষ্টায় উদ্ধার হয় শিশু। যদিও বাইক নিয়ে চম্পট ্ যায় অপহরণকারী ব্যক্তি। এমনই দাবি স্থানীয়দের।তাঁদের দাবি, টেকনোসিটি থানার অন্তর্গত নিউ টাউন চকপাচুরিয়া এলাকার গন্ডার মোড়ের কাছে এক শিশু কন্যাকে খাবার দেওয়ার লোভ দেখিয়ে বাইকে করে এক যুবক তুলে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। স্থানীয়দের নজরে এলে জানানো হয় ট্রাফিক গার্ডে কর্তব্যরত সিভিক ভলেন্টিয়ার বাইকটিকে ধাওয়া করে। কিছুটা দূরে নির্জন জায়গায় শিশু কন্যাকে বাইক থেকে ফেলে পালিয়ে যায় অপহরণকারী ওই ব্যক্তি। এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়। খবর দেওয়া হয়েছে টেকনোসিটি থানায়। অপহরণকারী ব্যক্তির খোঁজে তদন্তে পুলিশ। পুলিশের পক্ষ থেকে খতিয়ে দেখা হচ্ছে সিসিটিভি ফুটেজ।

জুলাই ০৫, ২০২৪
রাজ্য

নেতৃত্বের গভীর সংকট

লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে সিপিএমের ব্যর্থতার কারণ খুঁজতে নেতারা আত্মসমীক্ষায় বসেছেন। কম্যুনিস্ট পার্টি তে নির্বাচনের পরে আত্মসমীক্ষা বা বিশ্লেষণ নতুন কিছু নয়। তবে এবারে কারণ খোঁজাটা অত্যন্ত জরুরি। দেশ জুড়ে India জোটের মাটি কামড়ে লড়াই এবং সফলতার সামনে এ রাজ্যে কংগ্রেস ও বামেদের জোটের ফলাফল অত্যন্ত পীড়াদায়ক। রাজ্যে ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে মাত্র একটি আসন এসেছে জোটের ঝোলায়। তাও আবার সেই আসন কংগ্রেসের সৌজন্যে। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভয়াবহ সন্ত্রাসের মধ্যেও কয়েকটি জেলায় সিপিআইএমের প্রাপ্ত ভোটের হার আশা জাগিয়েছিল। কিন্তু লোকসভা নির্বাচনের পরে দেখা যাচ্ছে সিপিআইএমের ভাঁড়ারে এসেছে মাত্র ছয় শতাংশ ভোট। যা বিগত দুটো লোকসভা নির্বাচনের থেকেও কম। ২০১৬ সালে কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ফলের মধ্যেই দেওয়ালের লিখন ছিল। সেবার বাম ও কংগ্রেস দুই শিবির যে পরিমাণ ভোট হারিয়ে ছিল সেই পরিমাণ ভোট বিজেপির ঝোলায় ঢুকে তাদের দ্বিতীয় স্থানে তুলে দিয়েছিল। সেবার ও নিশ্চয়ই আত্ম বিশ্লেষণে বসেছিল আলিমুদ্দিন স্ট্রিট। সেই মন্থনে কী উঠে এসেছিল তা আমাদের জানা নেই। সাদা চোখে যা দেখা যাচ্ছে তা হল নির্বাচনে সিপিএমের প্রধান প্রতিপক্ষ কে তা নিয়ে চুড়ান্ত ধোঁয়াশা। সম্ভবত সিপিএম নেতৃত্বের কাছেও তা পরিষ্কার নয়। ২০১৯-২০২৪ দুটি লোকসভা নির্বাচন। মাঝে ২০২১শে বিধানসভা নির্বাচন। সিপিএমের নির্বাচনী প্রচার পর্বে তাদের প্রধান প্রতিপক্ষ কে এই প্রশ্নের সোজা সাপটা কোনো উত্তর নেই। ২০০৮ সালে UPA সরকার থেকে সমর্থন তুলে নেওয়ার পরে যে কারণ দেখানো হয়েছিল তার মধ্যেও একইরকম ধোঁয়াশা ছিল। তাই সেই কারণ সাধারণ মানুষের বোধগম্য হয়নি। হরেকৃষ্ণ কোঙার, প্রমোদ দাশগুপ্ত, বিনয় চৌধুরী, হরকিষান সিং সুরজিৎ, জ্যোতি বসুরা সরে যাওয়ার পরে সেই শূন্য স্থান drawing room politician রা পূর্ণ করায় যা হওয়ার তাই হয়েছে। সিপিএম নেতৃত্বে দেখা দিয়েছে গভীর সংকট। এই ধারাবাহিকতায় রাজ্যে একমাত্র ব্যতিক্রম বিমান বসু। সদ্য সমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনের সাম্প্রতিক কালে সিপিএমের গরীব মানুষের সমর্থন হারানোয় কোনও ছেদ পড়েনি। পশ্চিমবঙ্গে গরীব ও নিম্নবিত্ত মানুষের জীবন জীবিকা রাজনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। শাসক দলের সঙ্গে থাকলে লাভ এই প্রত্যয় সুপ্রতিষ্ঠিত। অনেক বছর আগের কথা মহারাষ্ট্রের বিধানসভা নির্বাচন কভার করতে গেছি। সেখানে দেখেছিলাম বামেদের প্রচার সভা বা মিছিলে ভালোই ভিড়। তাহলে ভোটে ফল পাওয়া যায় না কেন। সিপিআইয়ের এক প্রবীণ নেতাকে এই প্রশ্ন করতে তিনি বলেছিলেন, গরীব নিম্নবিত্ত মানুষ তাদের বিরুদ্ধে অনাচার অবিচারের প্রতিবাদ মিছিলে বামেদের পতাকাকেই দেখে কিন্তু ভোট বাক্সে তার প্রতিফলন হয় না। কারণ তারা জানে কর্মসংস্থান বা উপার্জনের প্রধান ক্ষেত্র হল শাসক দল। এর পরেও যে গরীব নিম্নবিত্ত মানুষ শাসকদলের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে পারে তার অসংখ্য উদাহরণ অতীতে যেমন রয়েছে তেমনি সাম্প্রতিক নির্বাচনের ফলের মধ্যেও রয়েছে। ১৯৭৭ সালে বামফ্রন্ট তথা সিপিআইএম ক্ষমতায় আসার পরে ৮২ আর ৮৭ র নির্বাচনে যে বিপুল জয় এসেছিল তার মূল কারিগর ছিল গ্ৰাম বাংলা। সিপিএমের এই শক্তির ভিতে নয়ের দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে ই বোঝা যাচ্ছিল ইতিউতি ফাটল ধরছে। যার বড় উদাহরণ Diamond Harbour লোকসভা কেন্দ্র। ১৯৯৮ সালে লোকসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রের অন্তর্গত সাতগাছিয়া বিধানসভায় সিপিএম সদ্যজাত তৃণমূলের থেকে ২১২৩ ভোটে পিছিয়ে ছিল। তাও আবার কংগ্রেস প্রার্থী ১১৫২৭ ভোট পেয়েছিলেন। এই সাতগাছিয়া তখন ছিল মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর নির্বাচনী কেন্দ্র। শুধু যে ওই বিধানসভায় ভোটের ব্যবধান কমেছে তা নয়, ওই এলাকায় গ্ৰাম পঞ্চায়েত গুলিতেও কংগ্রেস সংখ্যা গরিষ্ঠতা পেয়েছিল। জ্যোতি বাবুর নির্বাচনী এলাকায় বজবজ এক ও দু-নম্বর ব্লকের একাংশের পনেরোটি গ্ৰাম পঞ্চায়েতের মধ্যে আটটিই ছিল কংগ্রেসের দখলে। ওই এলাকায় সব কটি পঞ্চায়েত মিলে বিজেপির পঞ্চায়েত সংখ্যা ও খুব খারাপ ছিল না। এই অশনিসংকেত নজর এড়ায়নি জ্যোতি বসুর। বিপদের গন্ধ পেয়ে দলীয় কর্মীদের কাছে অশীতিপর মুখ্যমন্ত্রীর নতুন স্লোগান ছিল, চলুন যাই সাধারণ মানুষের কাছে। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে যিনি কার্যত একাই সংসদীয় রাজনীতির আঁকাবাঁকা পথে দলকে টেনে নিয়ে চলেছিলেন বয়সের ভারে, অসুস্থতার কারণে তিনি সরে দাঁড়াতেই নেতৃত্বের সংকট শুরু সিপিএমের। যার অন্তিম পরিণতি আজকের গভীর সংকট।নেতৃত্বের দিশাহীনতার কারণে ওই সময় থেকেই ভদ্রলোক প্রীতি বাড়তে থেকেছে দলের। যা ক্ষমতা থেকে সরে যাওয়ার পরেও রয়ে গিয়েছে। অনেক বছর আগে শিল্পপতি অমিয় গুপ্তর নিউ আলিপুরের বাসভবনে রুশী মোদী সহ প্রথম সারির শিল্পপতিদের মুখোমুখি হয়েছিলেন Politburo র সদস্য সীতারাম ইয়েচুরি। শিল্পপতির বাড়ির সম্পন্ন লনে মায়াবী আলোয় শিল্পপতিদের সঙ্গে interactive session য়ে সীতারাম কে যতটা স্বচ্ছন্দ দেখেছিলাম মাঠে ঘাটে দিনমজুর, শ্রমিক, কৃষক ও সাধারণ মানুষের সমাবেশে তার সিকিভাগও দেখিনি। প্রত্যক্ষদর্শীদের মুখে শুনেছি গ্রামগঞ্জে সভায় হরেকৃষ্ণ কোঙারের কথা শুনতে সন্ধার অন্ধকারে আল ভেঙে লন্ঠন হাতে, লাল পতাকা কাঁধে নিয়ে আসা মানুষের ঢল নামতো। আবার যখন কেন্দ্রের আমন্ত্রণে আইএএসদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে গিয়ে হরেকৃষ্ণ কোঙার হবু আমলাদের ভারতের ভূমি সম্পর্কও সমস্যা বোঝাতেন তাঁরা মুগ্ধ হয়ে শুনতেন। শীত, গ্ৰীষ্ম, বর্ষায় মাঠে ঘাটে রাজনীতি সিপিএমকে মানুষের কাছে নিয়ে গিয়েছিল। তার পরিবর্তে দল এখন সমাজ মাধ্যম ও টেলিভিশন মাধ্যমের মহিমায় আবিষ্ট। তাই এখন ঘামে ভেজা নেতার প্রচারের ছবি দিয়ে সমাজ মাধ্যমে লেখা হয়, তীব্র গরম উপেক্ষা করে মানুষের মাঝে প্রচার। লোরেটো ও St Xaviers School তারপরে প্রেসিডেন্সি কলেজ, সেখান থেকে পাশ করে ব্যারিস্টারি পড়তে বিলেত গিয়েছিলেন জ্যোতি বসু। সে সময় সুভাষচন্দ্র বসু লন্ডনে গেলে তাঁর সঙ্গে দেখা করেছিলেন জ্যোতি বসু। নেতাজির এক প্রশ্নের উত্তরে জ্যোতি বাবু জানিয়েছিলেন দেশে ফিরে তিনি কম্যুনিস্ট পার্টির সর্বক্ষণের কর্মী হবেন। ১৯৪০ সালে ব্যারিস্টারি পাশ করে দেশে ফিরে মুজাফফর আহমেদের নির্দেশে শ্রমিক মহল্লায় গিয়ে শ্রমিক ফ্রন্টে কাজ শুরু করেন। ১৯৪৬ সালে অবিভক্ত বাংলার Constituent Assembly তে রেল শ্রমিক কেন্দ্র থেকে তিনি নির্বাচিত হন। ২০০০ সালের ৬ ই নভেম্বর শারীরিক কারণে মুখ্যমন্ত্রীত্ব থেকে সরে দাঁড়ান। কিন্তু মাঠে নেমে রাজনীতির অভ্যাস তাঁর বদলায়নি। ২০০১ সালের মে মাসে নির্বাচনী প্রচারে দেখেছি প্রচন্ড গরমে সকালে উত্তর বঙ্গ থেকে ফিরে তিনি বিকেলে বাঁকুড়ায় নির্বাচনী জনসভায় গিয়েছেন। তবে এ নির্বাচন পর্বে দেখা গিয়েছে ছাত্র যুবরা নতুন করে পথ খুঁজতে রাস্তায় নেমেছেন। তাঁদের উজ্জ্বল মুখ চোখে পড়ছে। এরাই আন্দোলনের ভবিষ্যৎ হতে পারেন। ব্যর্থতার কারণ হিসেবে যে রাজনৈতিক কারণগুলো সামনে আসছে তার উত্তর হয়তো এরাই খুঁজে বের করবেন।

জুলাই ০১, ২০২৪
রাজ্য

কিভাবে ছড়িয়েছে ছেলেধরা গুজব? গ্রেফতার "মাস্টারমাইন্ড", দাবি বারাসাত জেলা পুলিশের

বারাসাতে কাজীপাড়ায় নিখোঁজ বাচ্চার দেহ উদ্ধারের পর ওই বালকের জ্যাঠা আঞ্জীব নবিকে গ্রেফতার করে বারাসাত থানার পুলিশ। রবিবার সাংবাদিক সম্মেলন করে পুলিশ সুপার ঘোষণা করে এই আঞ্জীব নবী প্রধান ও একমাত্র অভিযুক্ত। যখনই পুলিশ তদন্ত করতে গিয়েছে তখনই পুলিশি তদন্তের অভিমুখ বদলে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। বিভিন্ন রকম ভাবে গুজব ছড়ানোর চেষ্টা করেছেন তিনি। কখনও ছেলেধরা, কখনও কিডনি পাচার নানারকম গুজব নবীর মস্তিষ্কপ্রসূত বলে দাবি বারাসাতের পুলিশ সুপার প্রতীক্ষা ঝাড়খরিয়ার। পুলিশের দাবি, একই সঙ্গে সে যেহেতু মসজিদে নামাজ পড়াতো সেই নামাজ পড়ানোর পর প্রত্যেককে জানিয়েছে বাইরের লোক দেখলেই মারধর করতে হবে। তাতেই মানুষজন বাইরের লোককে দেখলেই উত্তপ্ত হয়ে মারধর করতে শুরু করে দিয়েছে।ঘটনার দিন সন্ধ্যা ছটা কুড়িতে ওই নিহত বাচ্চা বাড়িতে আসে। কিন্তু তারপর তাকে বাড়ির বাইরে বেরোতে কেউ দেখেনি। ওই এক মুহূর্তের ফাঁকে বাচ্চাকে ডেকে নিয়ে অন্ধকার বাড়ির পেছনে প্রথমে চড় এবং তারপর গলা টিপে খুন করে ওই পরিত্যক্ত বাড়ির মধ্যে ঝুলিয়ে রেখে দেয়। পুলিশ বারবার ওই এলাকায় তদন্ত করতে গেলেও ওই বাড়ি ঝোপঝাড়ে ভরা থাকার কারণে ওই ঝোপঝাঁড়ের মধ্যে তল্লাশি করেনি বলে দাবি পুলিশের সেই কারণেই নজরে আসেনি প্রথমে। বাচ্চার বাবা গোলাম নবী সেইদিন সাড়ে সাতটায় বাড়িতে আসে। তারপর বাচ্চাকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু হয় আটটার পরে। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট অনুযায়ী জানা গিয়েছে ৬টা৪৫ থেকে ৭টা৩০ এর মধ্যে ওই বাচ্চাকে খুন করা হয়েছে। মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন অনুযায়ী আঞ্জীব নবী ওই সময় ওই এলাকাতে ছিল। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে প্রাথমিকভাবে আঞ্জীব স্বীকার করেছে ভুল করে কাজ করে ফেলেছে। পরবর্তীতে পুলিশি হেফাজতে থাকাকালীন এই সমস্ত ঘটনা স্বীকার করেছে বলে দাবি পুলিশ সুপারের। আঞ্জীব নবীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশের অনুমান পারিবারিক সম্পত্তির বিবদের কারণেই ওই বাচ্চাকে খুন করা হয়েছে । আঞ্জীব নবি মূলত মসজিদে আজান দেয়। তাঁর ছোট্ট একটি ব্যাগের দোকান আছে। যা থেকে তাঁর সামান্য রোজগার হয়। কাজীপাড়ায় পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি করার পর পুকুরপাড়ের একটি তালগাছ আছে তার। যার ফল বিক্রি করে তার একটা বার্ষিক রোজগার হয়। হঠাৎই একদিন আঞ্জীব নবী দেখতে পায় তার ভাই গোলাম নবী সে গাছে লোক তুলে তাল পারছে। তাই নিয়ে তাঁদের মধ্য়ে বিবাদ শুরু। আর সেই বিবাদে ফারদিন আঞ্জীব নবীকে মারতে গেছিল যা আঞ্জীব নবীর এই প্রতিহিংসা ছিল।নিহত বাচ্চার বাবারা মোট সাত ভাই বোন। সকলে খোঁজাখুঁজি করলে ওই আঞ্জীব নবি খোঁজাখুঁজি না করার কারণে পুলিশের সন্দেহ দানা বাঁধে। যেহেতু রোজ আযান দিয়েছে নন্দগরে শ্বশুর বাড়িতে চলে যেত তাই তার মোবাইল টাওয়ার লোকেশন ধরে পুলিশ দেখে তার গতিবিধি। বারবার মিথ্যা কথা বলা পুলিশকে বিভ্রান্ত করা এবং গুজব ছড়ানো শেষ পর্যন্ত এই কারণগুলোই আঞ্জীব নবীর ধরা পড়ার মূল কারণ হয়ে দাঁড়ায়। পুলিশ যখন এক প্রকার দিশেহারা তখন ঘুরে তদন্ত শুরু করতে গিয়ে আঞ্জীবকে অভিযুক্ত ভেবে তদন্ত করতে গিয়ে দেখে সব মিলে যাচ্ছে। তবে প্রথম পর্যায়ে পুলিশের যে খানিকটা গাফিলতি ছিল, তা কার্যত মানছেন পুলিশ সুপার।ছেলেধরা গুজবে বারাসাতে দুটি, অশোকনগর, খড়দহে গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে। রবিবার দ্বেগঙ্গায় ছেলেধরা গুজবে মারধর না করা হলেও পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এখনও অবধি যে কটা ঘটনা ঘটেছে তার কোনওটার সঙ্গে ছেলেধরার কোনও সম্পর্ক নেই। সোশাল মিডিয়ায় ভয়ঙ্কর গুজব ছড়িয়েছে। চাকদার এক মহিলা ও বারাসাতের কাজী পাড়ার ভাড়া থাকা দুই মহিলা ছেলেধরা বলে গুজব ছড়িয়েছিল আঞ্জীব নবী। এরা শিশুদের অপহরণ করে দেহের অঙ্গ বিক্রি করে দেয় বলেই সে দাবি করেছিল।

জুন ২৩, ২০২৪
কলকাতা

একের পর এক আগ্নিকাণ্ড কলকাতায়, এবার গার্স্টিন প্লেস

আগুনের গ্রাস থেকে যেন কলকাতাকে আটকানো যাচ্ছে না। পার্ক স্ট্রিট, কসবার শপিং মলের পর এবার গার্স্টিন প্লেস! ফের ভয়াবহ আগুন শহর কলকাতায়। শনিবার ভোর চারটে নাগাদ ব্যাঙ্কশাল কোর্টের পিছনের একটি পুরনো বহুতলে আগুন লাগে। খবর পেয়ে দুদফায় দমকলের ছটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছয়।যথারীতি আগুনকে কেন্দ্র করে সাতসকালে এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে ছড়িয়েছে তীব্র আতঙ্ক। সূত্রের খবর, পুরনো ওই বহুতলের তিনতলা আগুনে পুড়ে গিয়েছে। আগুন ছড়িয়েছে বহুতলের চারতলাতেও। বাড়িটি পুরনো হওয়ায় বহুতলের একাংশ ভেঙে পড়ার আশঙ্কাও রয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে দমকলের অনুমান, এসির শর্টসার্কিট থেকেই এই অগ্নিকাণ্ড।

জুন ২২, ২০২৪
রাজ্য

মালদায় প্রবল ঝড় বৃষ্টি, বজ্রপাতে জেলা জুড়ে মৃত্যু ১১

আচমকা ঝড় বৃষ্টিতে মালদায় বজ্রপাতে মৃত্যু হল ১১ জনের। জখম হয়েছে দুজন। বৃহস্পতিবার দুপুরে মালদার পৃথক কয়েকটি থানা এলাকায় বাজ পড়ে এই মৃত্যুর ঘটনাটি ঘটেছে। মৃতদের মধ্যে দুইজন স্কুল ছাত্র রয়েছে বলেও স্থানীয় সূত্রে খবর। মৃত ১১ জনের মধ্যে তিনজনের বাড়ি পুরাতন মালদা থানার সাহাপুর এলাকায়। অপর দুইজনের বাড়ি গাজোল থানার আদিনা এবং রতুয়া থানার বালুপুর এলাকায়। বাকিদের বাড়ি হরিশ্চন্দ্রপুর এবং ইংরেজ বাজার থানায় এলাকায়। মৃতদেহগুলো মালদা মেডিকেল কলেজের মর্গে ময়না তদন্তের জন্য আনা হচ্ছে। এই ঘটনায় মৃতদের পরিবারের শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতদের নাম চন্দন সাহানি(৪০), রাজ মৃধা(১৬), মনোজিৎ মন্ডল(২১), অসিত সাহা (১৯) এবং সুমিত্রা মন্ডল (৪৬), পঙ্কজ মণ্ডল(২৩), নয়ন রায়(২৩) প্রিয়ঙ্কা সিংহ রায়(২০) রানা শেখ(৮), অতুল মণ্ডল(৬৫) এবং সাবরুল শেখ(১১)। জানা গিয়েছে, মৃতদের মধ্যে প্রথম তিনজনের বাড়ি পুরাতন মালদা থানার সাহাপুর এলাকায়। ওপর দুজনের বাড়ি গাজোল থানার আদিনা এবং রতুয়া থানার বালুপুর এলাকায়। এছাড়াও হরিশ্চন্দ্রপুরের নয়ন রায় প্রিয়ঙ্কা রায় এই দুই এক দম্পতি জমিতে পাটের চাষ করার সময় বাজ পড়ে মারা গিয়েছে। ৮ এবং ১১ বছর বয়সী দুইজন নাবালক রয়েছে। তাদের বাড়ি মানিকচক থানার হাড্ডাটোলায এলাকায়। অপর মৃতদের বাড়ি ইংরেজবাজার এবং মানিকচক থানা এলাকায়। পাশাপাশি বাজ পড়ে আহত হয়েছেন ফাতেমা বিবি (৩৫) এবং দুলু মন্ডল (৪৫)। এদের বাড়ি ইংরেজবাজার থানার বুধিয়া এলাকায়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত অসিত সাহা এবং রাজ মৃধা দুজনেই দশম এবং একাদশ শ্রেণীর ছাত্র। পুরাতন মালদার সাহাপুর এলাকার মৃত মনোজিৎ মন্ডলের দাদা সঞ্জীব মন্ডল জানিয়েছেন, এদিন দুপুরে তাঁর ভাইসহ তিনজন ভাটরা এলাকার ধানের জমিতে কাজ করছিল। বৃষ্টির জন্য একটি গাছের তলায় আশ্রয় নেয় ওরা। সেই সময় ঝড় বৃষ্টির মধ্যে আচমকা বাজ পড়লে ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় তার ভাই সহ তিনজনের। অন্যদিকে গাজোলের আদিনা এলাকায় আম বাগান দিয়ে বাড়ি ফেরার সময় বাজ পড়ে মৃত্যু হয়েছে একাদশ শ্রেণির স্কুল পড়ুয়া অসিত সাহার। অন্যদিকে একইভাবে জমিতে ধান কাটার সময় আচমকায় ঝড় বৃষ্টিতে এই বাজ পড়ে মৃত্যু হয়, রতুয়া থানার বালুপুর এলাকার গৃহবধূ সুমিত্রা মন্ডলের মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মালদা মেডিকেল কলেজের মর্গে আনার ব্যবস্থা করে পুলিশ।

মে ১৬, ২০২৪
রাজ্য

১২ বছর বয়সে অঙ্কে স্নাতক! বর্ধমানে হাজির 'গণিতের বিষ্ময় বালক'

অঙ্ক নিয়ে জাগলারি দেখল বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক থেকে নবীন পড়ুয়ারা। গণিতের বিষ্ময় বলককে চাক্ষুশ করতে প্রেক্ষাগৃহ ছিল কনাই কানাই পূর্ণ। মিট দা জিনিয়াস শীর্ষক দুই ঘণ্টার এই কর্মশালায় মূলত নাম্বার থিওরি আলোচনা করেন গণিতের বিস্ময় বালক সুবর্ণ আইজ্যাক বারি। বিশুদ্ধ ও ফলিত গণিতের বিভিন্ন জটিল তত্ত্ব-র আলোচনাতেও সুবর্ণের সরল ব্যাখ্যা সুবর্ণ গোলকের মতই তেজস্বী।অনুষ্ঠানটিকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। প্রথমার্ধ মূলত সুবর্ণ বক্তব্য রাখেন গণিতের বিভিন্ন বিষয়ে, দ্বিতীয়ার্ধে শিক্ষাবিদ থেকে ছাত্রছাত্রীদের গণিত সমন্ধীয় নানা প্রশ্নের উত্তর বা সমাধান করেন সুবর্ণ। সুবর্ণে র ছটায় মোহিত দর্শককূল বসার জায়গা না পেয়েও মনখারাপ না করে মোহিত হয়ে প্রেক্ষাগৃহের ফ্লোরে বসেই অঙ্কের রসাস্বদন করতে থাকেন।সুবর্ণ-র অনুষ্ঠাটির আয়োজন করে বর্ধমান বিশ্ব বিদ্যালয়ের আইকিউএসি (IQAC) সেল। এইদিনের অনুষ্ঠানের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি, বিশ্ব বিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডঃ গৌতম চন্দ্র, রেজিস্টার ডঃ সুজিত কুমার চৌধুরী, বিজ্ঞান বিভাগের ডিন অধ্যাপক সুনীল কারফর্মা, হিউম্যানিটি বিভাগের ডিন অধ্যাপক ডঃ প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়। এছাড়াও অন্যান্য বিভাগের অধ্যাপকেরাও উপস্থিত ছিলেন। বর্ধমান বিশ্ব বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে উপাচার্য ডঃ গৌতম চন্দ্র উত্তরীয় পরিয়ে বরণ করে নেন বিস্ময় বালক সুবর্ণ আইজ্যাক বারী কে।অনুষ্ঠানের স্বাগত ভাষণে গণিত বিভাগের অধ্যাপক ডঃ মন্টু সাহা জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইন্স ডিন-র অদম্য প্রয়াসে ও প্রচেষ্টার ফলেই সুবর্ণকে আমাদের বিশ্ব বিদ্যালয়ে নিয়ে আসার মত এক অসাধ্য সাধন সম্ভব হয়েছে। সুবর্ণ কে চাক্ষুষ দেখে বহু গণিত প্রেমী বিভিন্নভাবে উপকৃত হয়েছেন। সুবর্ণ সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি জানান, ২০১২-র ৯ এপ্রিল আমেরিকার নিউইয়ার্কে বিষ্ময় বালক সুবর্ণর জন্ম। সুবর্ণ তাঁর বাবা-মায়ের দ্বিতীয় সন্তান। তাঁর দাদাও অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র। সুবর্ণ মাত্র চার বছর বয়স থেকে তার অসাধারণ প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে চলেছে।সুবর্ণের পিতা রাশেদুল বারী জানান, ছোটবেলা থেকেই সুবর্ণ-র এই বিস্ময় প্রতিভা আমেরিকার বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিজ্ঞান ও গণিতের প্রথিতযষা প্রতিষ্ঠাগুলির পক্ষ থেকে সংবর্ধিত করে চলেছে। সুবর্ণকে বিভিন্ন সরকারি সংস্থাও তাঁদের নানা অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত করেছে। নানাবিধ পুরস্কারে পুরস্কৃত হয়েছে অঙ্কের এই ক্ষুদে যাদুকর। পেয়েছে বহু স্কলারশিপ। রাশেদুল বারী জানান, সুবর্ণ মাত্র সাত বছর বয়সে বিভিন্ন কলেজে গেস্ট লেকচারার হিসেবে গণিত শাস্ত্রের উপর বক্তব্য রেখেছেন। ইতিমধ্যে সুবর্ণ বিশ্বের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর এই বিস্ময় প্রতিভার প্রমান দিয়ে এসেছেন। ভারতের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ও সুবর্ণ-র প্রতিভাকে সন্মাননা জানানো হয়।রাশিদুল বারী আরো জানান, এর আগে আইআইটি খড়্গপুরে ব্যাক হোল (কৃষ্ণ গহ্বর) থিওরি র উপর বক্তব্য রেখেছে সুবর্ণ। গণিতের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বেশ কয়েকবার পুরস্কৃত হয়েছে সুবর্ণ। গণিত শাস্ত্রে তার বিশ্বরেকর্ড আছে বলেও তাঁর পিতা দাবী করেন। সুবর্নের পিতা আরো জানান, গণিতের ওপর গুরুত্বপূর্ণ গবেষণাপত্র এবং নিজের লেখা দুটি বই-ও ইতিমধ্যে প্রকাশ করে ফেলেছে সুবর্ণ আইজ্যাক বারী। সুবর্নের বর্তমান বয়স ১২, এই বয়সেই সে দ্বাদশ শ্রেণী উত্তীর্ণ হয়ে আমেরিকার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিদ্যা ও গণিত এই দুইটি বিষয়ের উপর স্নাতক স্তরে পড়াশোনা করছে বলে জানান তার পিতা।সুবর্নের পিতা রাশেদুল বারী জানান, নিউইয়র্ক বিশ্বিদ্যালয় থেকে স্কলারশিপ পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় এর ১৯০ বছরের ইতিহাসের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ ছাত্র হিসেবে ব্যাচেলর অফ সায়ন্স (BS) পড়ার সৌভাগ্য অর্জন করেছে। তিনি বলেন, এই কৃতিত্ত্ব আমেরিকার ইতিহাসে বিরল। সুবর্ণের বিরল প্রতিভার খবর দিকে দিকে ছড়িয়ে যাওয়ার সাথে সাথে সে এখ অত্যন্ত ব্যস্ত আক মানুষ। নিজের পড়াশোনা ও গবেষণার ফাঁকে ফাঁকে বিশ্বের নানা জায়গার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজে ও স্কুলে গণিতের নাম্বারর থিওরি ও বিভিন্ন ধরনের জটিল তথ্য ও সমস্যা সম্পর্কে বক্তব্য রাখতে ছুটছেন বিস্ময় বালক সুবর্ণ আইজ্যাক বারী।সুবর্ণর বাবা রাশিদুল বারী ও মা শাহেদা বেগম। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেক্ষাগৃহে-এ উপস্থিত আয়োজক অধ্যাপকদের অনুরোধে সুবর্ণ-র পিতা রাশিদুল বারী তাঁর পুত্রের বিষ্ময়কর প্রতিভা সম্পর্কে আলোকপাত করতে মঞ্চে আসেন। তিনি বলেন, মাত্র দুবছর বয়স থেকে তার এই প্রতিভা লক্ষিত হয় ওর মায়ের কাছে পড়ার সময়। আমি নিজে গনিত ও পদার্থবিদ্যা ছাত্র হওয়া স্বত্তেও বেশিদিন সুবর্ণকে পড়াতে পারিনি, হয়রান হয়ে পড়তাম তাকে পড়াতে গিয়ে। তার বিভিন্ন প্রশ্ন বানে জর্জরিত হতাম বারবার। বাধ্য হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথিতযশা গণিতের অধ্যাপকের কাছে সুবর্ণ-কে নিয়ে যায় তার বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরের সমাধানের জান্য। সে নিত্য নূতন ফর্মুলা ও পদ্ধতি আবিস্কার করে অংক কষে থাকে। আসলে সুবর্ণ অংক নিয়ে খেলা করে।সুবর্ণর বাবা রাশিদুল বারী জানান, শিক্ষকদের কাছ থেকে কোনও পশ্নের উত্তর যদি যথাযথ ভাবে না পায়, তাহলে সে নিজে নিজেই সেয়ার সমাধান করে নেয়। সুবর্নের পিতা বলেন ভারত এবং বাংলাদেশ আমার ও সুবর্ণের কাছে খুব প্রিয়। তাই আপনাদের প্রত্যেকের কাছে আশীর্বাদ পার্থনা করি সে যেন প্রকৃত মানুষ হয়। কৰি নজরুলের মত আদর্শ ব্যক্তিত্ত্ব-র অনুসারী হয়। মহাত্মা গান্ধী, কাজী নজরুল ইসলাম এবং বিজ্ঞানী আব্দুল কালাম দের মত মনীষীরা সুবর্ণের খুব শ্রদ্ধেয়। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য গৌতম চন্দ্র বলেন লিটিল মাস্টার সুবর্ণ হল ওয়ান অফ দা ওয়ান্ডার্স অফ দা ওয়ার্ল্ড। সারা বিশ্বের অন্যতম বিষ্ময়!উল্লেখ্য, মঙ্গলবার ১২ টায় অনুষ্ঠান শুরুতে উদ্বোধনী সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। সুবর্ণ প্রিয় কাজী নজরুল ইসলামের গান পরিবেশন করেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাকর্মী দেবাশীষ ব্যানার্জি। এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেক্ষাগৃহে উপচে পড়া ভিড় ধন্য ধন্য করেন সুবর্ণ-র বিস্ময় প্রতিভা দেখে। অনুষ্ঠানের শেষে উপস্থিত মানুষজন প্রত্যেকেই সুবর্ণ-কে প্রশংসায় ভরিয়ে দেন। তার গুন্মুগ্ধ ছাত্রছাত্রীরা অনেকেই সুবর্নের সঙ্গে করমর্দন করতে এগিয়ে আসেন। অনেককে অটোগ্রাফ নিতেও দেখা গেল। সেলিব্রিটির সাথে নিজস্বী তোলা তো অনেকটা কর্তব্যের মধ্যে পরে। অনুষ্ঠানের একেবারে শেষদিকে কয়েকজন গণিত প্রেমী ছাত্র-ছাত্রী সুবর্ণের কাছে তাঁদের কিছু প্রশ্ন নিয়ে আসেন, একেবারে মঞ্চের সামনে প্রায় শুয়ে পড়ে সেই সমস্ত প্রশ্নের সমাধান করতে দেখা গেল বিস্ময় বালক-কে। পরিশেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন আইকিউএসি সেল এর চেয়ারম্যান।

এপ্রিল ২৬, ২০২৪
দেশ

ভোটের সুনামি

এই বছর কে বিশ্ব নির্বাচনী বর্ষ বললে খুব একটা ভুল হবেনা। বিশ্বজুড়ে যেন নির্বাচনের ধুম পড়েছে। Reuters যাকে বলছে নির্বাচনের সুনামি। নির্বাচন কে আমরা বলে থাকি গনতন্ত্রের উৎসব। আমাদের প্রতিবেশী সূর্যের নিচে থাকা দুই দেশ পাকিস্তান ও বাংলাদেশের নির্বাচন হয়ে গিয়েছে। সুদূর প্রান্তে রাশিয়াতে নির্বাচন হয়ে পুতিন আবার ক্ষমতায় ফিরেছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে ইউক্রেনেও এই বছরই নির্বাচন হতো। চলতি বছরে বাকি যে দেশগুলিতে নির্বাচন হবে তার মোট জনসংখ্যা পৃথিবীর জনসংখ্যার অর্ধেক।২৪-র শেষ দিকে দুই মার্কিনী বৃদ্ধ Donald Trump ও Joe Biden য়ের নির্বাচনী ভাগ্য নির্ধারিত হবে। চলতি বছরে ভোটের লাইনে দাঁড়াবে Britain ও দক্ষিণ আফ্রিকা। এর পরেও ভোটমুখি দেশের তালিকাটা বেশ দীর্ঘ। Haiti, Indonesia, Cambodia,Iran, Slovakia, Portugal, Senegal, Kuwait, দক্ষিণ Korea এবং Solomon দ্বীপপুঞ্জ। এই তালিকা ভুক্ত কয়েক টি দেশের নির্বাচন হয়ে গিয়েছে, বাকি কয়েকটিতে হবে এই বছরেই।বিশ্বজুড়ে এই গনতান্ত্রিক উৎসবের মেলায় সকল দেশের রানী হয়ে বসে আছে ভারতবর্ষ। ৪৭ -এ স্বাধীনতা। দেশ ভাগ, দাঙ্গা, ছিন্নমূল মানুষের দীর্ঘশ্বাস পেরিয়ে দেশ নির্মাণে গনতন্ত্রের ভিত গাঁথা শুরু। সদ্য স্বাধীন দেশে যার প্রকাশ ১৯৫২-র নির্বাচনে। ১৯৫১-র ২৫শে অক্টোবর থেকে ১৯৫২র ২১শে ফেব্রুয়ারি এই চার মাস ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সতেরো কোটি তিরিশ লক্ষ ভোটার ভোট দিয়েছিলেন। ভারতীয় নির্বাচন কমিশনের এই বিপুল কর্মযজ্ঞ অবাক হয়ে দেখেছিল পৃথিবী। চলতি লোকসভা নির্বাচনে ৯৭ কোটি ভারতবাসী ভোট দেবেন। উত্তরে কাশ্মীর থেকে দক্ষিণে কন্যাকুমারী, পূর্বে অরুনাচল থেকে পশ্চিমে গুজরাত।পাহাড়, সমুদ্র, গহন বনাঞ্চল, ধুসর মরুভূমি, গ্ৰামীন ক্ষেত্র আর আধুনিক থেকে অত্যাধুনিক শহরাঞ্চল বুকে নিয়ে দাঁড়িয়ে পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্র। এই গনতন্ত্রের অন্যতম স্তম্ভ নির্বাচন। গনতন্ত্রের রীতি অনুযায়ী নির্বাচনে জিতে যারা দেশ চালাবেন দেশের সব প্রান্তের বৈচিত্র্য মাখা মানুষের প্রতিনিধি। কিন্তু গত লোকসভা নির্বাচনের ফল এই ভাবনায় কেমন যেন প্রশ্ন তুলেছে। ২০১৯শে ২০৩ টি আসন পেয়েছিল বিজেপি। হিন্দি বলয়ের দশটি রাজ্যে মোট লোকসভা আসন ২২৫। এই ২২৫ টি আসনের মধ্যে ২০৩টি আসন জিতেছিল গেরুয়া শিবির। সরকার গড়তে লাগে ২৭২ টি আসন। অর্থাৎ ওইখান থেকেই প্রায় finishing point য়ে পৌঁছে গিয়েছিল বিজেপি। দেশের পূর্ব বা দক্ষিণ ভারতের জনমত এই অঙ্কের সামনে কাঁটা বিছানোর অবস্থানে ছিল না। একেবারে সিনেমার চিত্রনাট্যের মতো।এখানেই লুকিয়ে রয়েছে ভারতীয় গনতন্ত্রের fallacy. নির্বাচনী সাফল্য হচ্ছে সংখ্যার খেলা। দিল্লির শাসক তো সারা দেশের শাসনভার সামলায়। অথচ কোনো রাজনৈতিক দল উত্তর ভারতের দশ রাজ্য দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, মধ্য প্রদেশ, হরিয়ানা, হিমাচল, উত্তরাখণ্ড, বিহার, ছত্তিশগঢ়, ঝাড়খণ্ডে বিজয়রথ ছোটাতে পারে তাহলে দিল্লির কুর্সি তার হাতের মুঠোয় চলে আসবে। যা হয়েছিল ২০১৯শে। এবারও ভোটের হাওয়া যা বলছে তাতে নরেন্দ্র মোদীর ই ক্ষমতায় ফেরার কথা।এই বিজয় পথের কেন্দ্রে রয়েছে উত্তর প্রদেশ। উত্তর প্রদেশে বড় সংখ্যায় জিতলে দিল্লির তক্ৎ নাগালের মধ্যে এসে যায় কথাটা প্রবাদে পরিনত হয়েছে। তবে এবারে বিজেপির লক্ষ্য ৩৭০ আসন। তাই এবারের নির্বাচনে পূর্ব ও দক্ষিণ ভারত বিজেপির কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম দফার নির্বাচনে বিজেপির heart land উত্তর প্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান ও বিহারে ভোট কম পড়েছে। একে তো হিন্দি বলয়ের বাইরে আসন বাড়ানোর লক্ষ্য, তার উপর হৃদয়পুরে ভোট কম পড়া। এই দুয়ে মিলে বিজেপির চিন্তা বেড়েছে। দ্বিতীয় দফাতেও যদি কম ভোট পড়ে তাহলে চিন্তা আরো বাড়বে। শেষ পর্যন্ত যদি ২০২৪ শে ও বিজেপির জেতার অঙ্কে ২০১৯শের ফলের পুনরাবৃত্তি হয় তাহলে বলতে হবে দেশের নির্বাচনী গনতন্ত্রের চালচিত্র বদলাচ্ছে।

এপ্রিল ২৬, ২০২৪
রাজ্য

মুর্শিদাবাদে প্রচারে রাজনাথ সিং, তুলোধোনা তৃণমূল নেত্রীকে, দার্জিলিংয়ের সভায় ফোন-বার্তা শাহর

নরেন্দ্র মোদী- অমিতনশাহের পর এবার রাজনাথ সিং। রাজ্যে নির্বাচনী প্রচারে এসে তৃণমূলনেত্রী মমতাবন্দ্যোপাধ্যায়কে ঝাঁঝালো আক্রমণ করলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। রবিবার মুর্শিদাবাদের জলঙ্গিতে নির্বাচনী প্রচারে এসেছিলেন বিজেপির এই বর্ষীয়ান নেতা। নির্বাচনী সভামঞ্চ থেকে বাংলার আইনশৃঙ্খলার পরিবেশ নিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জিকে নিশানা করেছেন রাজনাথ।মমতাদিদি খাদি পড়েন, আর আড়ালে লুঠ চলছে। চৈতণ্যদেব, রাজা রামমোহন রায়, বিদ্যাসাগর, সুভাষচন্দ্রের বাংলায় মমতার আমলে কী হল? বাংলায় এখন আইনশৃঙ্খলা বলে কিছু নেই। পুরো বাংলাজুড়ে অরাজক একটা পরিবেশ। এখন সাম্প্রাদয়িকতার জন্য বাংলার নাম উঠে আসছে। এখানে ইডি-সিবিআই তদন্তে এলে গুন্ডারা হামলা চালায়। এখানে আইনশৃঙ্খলা নেই।সন্দেশখালি ইস্যুতে রাজনাথ বলেন, সন্দেশখালির ঘটনা ভারতের নয়, গোটা দুনিয়ার যে দেখেছে সেই বলেছে এটা মানবতার লজ্জা। মমতাদিদি খাদি পড়েন, আর খাদির আড়ালে বাংলায় লুঠ চলছে। এখানে চাকরির পরীক্ষায় দুর্নীতি হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গে সব ক্ষেত্রেই দুর্নীতি। আপনার নামেই শুধু মমতা, আচার-ব্যবহারে মমতা পুরো নষ্ট হয়ে গিয়েছে। আপনার মনের মমতা কোথায় গেল?অন্যদিকে, দার্জিলিঙের বিজেপি প্রার্থী রাজু বিস্তার সমর্থনে সভা করার কথা ছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্টরমন্ত্রী অমিত শাহের। তবে সেই সভা আজ বাতিল হয়ে গিয়েছে। খারাপ আবহাওয়ার কারণে শিলিগুড়ি থেকে উড়তেই পারেনি শাহের কপ্টার। তবে সভায় না এলেও ফোনে বার্তা দিয়েছেন অমিত শাহ।রাজু বিস্তার ফোনে শাহ বলেন, গোর্খাদের পাশে আছি আমরা। খারাপ আবহাওয়ার কারণে যেতে পারিনি। দেশের ইতিহাসে গোর্খাদের বড় অবদান আছে। পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারে একমাত্র বিজেপিই। আপনারা মোদিজীর পাশে থাকুন। ২৬ তারিখ রাজু বিস্তাকেই পদ্ম চিহ্নে ভোট দিন।

এপ্রিল ২১, ২০২৪
রাজ্য

সংখ্যালঘু দেখলেই এনআইএ সক্রিয়, ভয়ঙ্কর অভিযোগ মমতার

কেন অস্ত্র নিয়ে মিছিল করবেন? সংখ্যালঘু দেখলেই এনআইএ নিয়ে ঢুকে পড়ার অধিকার কে দিয়েছে? হরিহরপাড়ায় সভা থেকে তোপ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। পাশাপাশি কংগ্রেস ও সিপিএমকে বিজেপির দালাল বলেও তীব্র আক্রমণ করেন মমতা। এখানে ইন্ডিয়া জোট নেই বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।দক্ষিণবঙ্গে ভোটের প্রচারে তৃণমূল সুপ্রিমো। রামনবমীর দিনে অস্ত্র-মিছিল নিয়ে নাম না করে বিজেপিকে আক্রমণ শানালেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার প্রথম দফার লোকসভা নির্বাচনের দিনেই ফের একবার রামনবমীর শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে হওয়া বিক্ষিপ্ত কিছু গন্ডগোলের ঘটনা তুলে ধরে নাম না করে গেরুয়া শিবিরকে নিশানা তৃণমূলনেত্রীর। বহরমপুরের তৃণমূল প্রার্থী ইউসুফ পাঠানের হয়ে এদিন নির্বাচনী প্রচার সারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই প্রচার মঞ্চ থেকেই বিজেপিকে ধুয়ে দিলেন তৃণমূলনেত্রী।শর্ত সাপেক্ষে রামনবমীর শোভাযাত্রার অনুমতি দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। যদিও কয়েকটি জায়গায় রামনবমীর শোভাযাত্রায় অস্ত্র নিয়ে বের হতে দেখা যায় রাম-ভক্তদের। সেই প্রসঙ্গ তুলেই এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, পরশুদিন ছোট্ট একটা ঘটনা ঘটিয়েছে। গতকাল আবারও ঘটিয়েছিল। তাতে ওসি ও আমার এক ভাই আহত হয়েছে। ১৯ জন আহত হয়েছেন। কেন অস্ত্র নিয়ে মিছিল করবেন আপনারা? কে অধিকার দিয়েছে অস্ত্র নিয়ে মিছিল করার? কে অধিকার দিয়েছে সংখ্যালঘুদের বাড়ি এনআইএ নিয়ে ঢুকে পড়ার?এরই পাশাপাশি এদিন ফের একবার ইন্ডিয়া জোট নিয়ে মুখ খোলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এই ইস্যুতে বাম-কংগ্রেসকে তুলোধনা করেন তিনি। তেড়েফুঁড়ে আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপিকেও। মমতার কথায়, বাংলায় ইন্ডিয়া জোট নেই। আমরা আছি। কেন্দ্রে সরকার হলে ইন্ডিয়া জোটকে আমরাই সাহায্য করব। আমরাই নেতৃত্ব দেব। বাংলা নেতৃত্ব দেবে। এখানে সিপিএম ও কংগ্রেস বিজেপির দালালি করে। তাই আমাদের সাথে ওদের কোনও সম্পর্ক নেই। কংগ্রেস-সিপিএম তো কেরালাতেই লড়াই করছে। এখানে কংগ্রেস ও সিপিএম আসন ভাগাভাগি করেছে। বিজেপির কাছ থেকে কিছু কিছু নিচ্ছে আর দিচ্ছে।গেরুয়া শিবিরকে আক্রমণে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের প্রসঙ্গ টেনেছেন তৃণমূলনেত্রী। বিজেপিকে নিশানা করে তিনি বলেন, বিজেপির এত বড় সাহস যে বলছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ করবে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার মহিলাদের অধিকার। ৩ মাসের মধ্যে বিজেপিকে দেশ থেকে গুটিয়ে দেব। ইডি।সিবিআইকে যারা ভয় করে তারাই বিজেপি করে। বাংলায় NRC হবে না। CAA করতে দেব না।

এপ্রিল ১৯, ২০২৪
কলকাতা

'টাকা মিছিল'! বাঙালির ব্যবসা উদযাপন করতে নববর্ষে বাংলা পক্ষর অভিনব উদ্যোগ

পয়লা বৈশাখ বাঙালির হালখাতার দিন। হালখাতা কথাটির অর্থ জিজ্ঞ্যাসা করলে কতজন পারবে তা নিয়ে একসন্ধ্যা চায়ের পেয়ালাতে তুফান তোলা আলোচনা চলতেই পারে। আজকের ডিজিটাইজেসন যুগে কিউ আর এবং ইউপিআই এর দৌলতে ক্যাসলেস বাঙালীর হালখারাপ হতে বসা হালখাতা! তবুও পয়লা বৈশাখ বাঙালির আবেগের দিন। ব্যবসা উদযাপনের দিন। পয়লা বৈশাখ মানে শুধু গান-কবিতা না, পয়লা বৈশাখ মানে ব্যবসাও।বাঙালি তরুন প্রজন্মকে ব্যবসায় উদ্বুদ্ধ করতে, বাঙালি ব্যবসায়ীদের ঐক্যবদ্ধ করতে এক অভিনব ও বর্ণাঢ্য টাকা মিছিল এর কথা আয়োজন করল বাংলা পক্ষ। এটি টাকা মিছিলর দ্বিতীয় বছর। রবিবার নববর্ষের প্রথম দিনের সন্ধ্যায় কলকাতার রাসবিহারী মোড় থেকে গড়িয়াহাট মোড় পর্যন্ত এক বর্ণাঢ্য টাকা মিছিল হয়।মিছিলে বাঙালি শিল্পপতিদের (যেমন আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়, চন্দ্রশেখর ঘোষ, রাজেন মুখার্জী, মতিলাল শীল, আলামোহন দাস, মোস্তাক হোসেন প্রমুখ) বিশাল বিশাল কাট আউট নিয়ে মিছিলে হাঁটা হয়। বাংলা ও বাঙ্গালীর সংগঠন বাংলা পক্ষর তরফে জানানো হয়, শুধুমাত্র সিনেমা বা খেলার নায়ক-নায়িকাদের চিনলে হবে না, বাঙালি পুঁজিপতিদের চিনতে হবে। মিছিলে ছিল ঢাক, রণ পা ও নানা সুসজ্জিত ট্যাবলো।এই মিছিল থেকে বাংলা পক্ষ দাবী তোলে।রাজ্য সরকারি টেন্ডার বাঙালিদের দিতে হবে।খুচরো বাজার থেকে পাইকারি বাজারে বাঙালি ব্যবসায়ীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে৷সমস্ত শহরাঞ্চলের হকারি স্পট ভূমিপুত্রদের দিতে হবে।এই টাকা মিছিলর নেতৃত্ব দেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়। উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি, শীর্ষ পরিষদ সদস্য অরিন্দম চ্যাটার্জী, মনন মন্ডল, এমডি সাহীন, সৌম্য ঘোড়াই ও জেলা সম্পাদকরা।

এপ্রিল ১৫, ২০২৪
সম্পাদকীয়

মুসলিম তোষন: সোনার পাথর বাটি

চৈত্র এলেই বঙ্গ বাসীর মন উচাটন হয় পয়লা বৈশাখের জন্য। রুখু সুখু চৈত্রের দায়িত্ব বৈশাখের জন্য মঞ্চ সাজিয়ে প্রস্থান করা। আর দুদিন বাদেই বাংলা পয়লা বৈশাখ উদযাপন করতে মন্দিরে, রেস্তোরাঁয় লাইনে দাঁড়াবে। এবার আবার তারপরেই ভোটের লাইনে দাঁড়াবে বঙ্গভূমি। যদিও নির্বাচনটা সারা দেশে। তবু দেশটার নাম যেহেতু ভারতবর্ষ, তাই দেশ এক হলেও প্রতি প্রদেশেই সাজানো থাকে বৈচিত্র্যের ডালি। এই বৈচিত্র্যের কারনেই প্রতিটি রাজ্যে ভোট, ভোটার, ভোটের প্রতিশ্রুতি, কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি, শান্তি, অশান্তি সব কিছুর ই ক্যানভাস আলাদা। এই যেমন আমাদের বাংলা।এখানে ভোট এলেই শাসকদল তৃণমূলের ভোট শক্তির দুই স্তম্ভ নিয়ে আলোচনা হয়। চলে তর্ক, বিতর্ক। এই দুই স্তম্ভ কে কি ভাবে কাছে টেনে তৃণমূলকে দুর্বল করা যায় তার কৌশল খোঁজে বিরোধীরা। সবাই জানে এই দুই স্তম্ভ হল দুই ম। মুসলিম এবং মহিলা ভোটার। যদিও আমরা কেউ কেউ এক দেশ, এক nation, এক নেতার নীতি প্রতিষ্ঠার জন্য গলা ফাটাই। আবার কেউ কেউ এর বিরোধিতায় বৈচিত্র্যময় ভারতের ছবি তুলে ধরে প্রতিযুক্তি সাজায়। তবে এই দুই অংশের সমর্থন পেতে যতই শুম্ভ নিশুম্ভ যুদ্ধ চলুক, পরিসংখ্যান বলছে আখেরে তারা যে তিমিরে ছিলেন সেই তিমিরেই রয়েছেন। ভোট আসে ভোট যায় কিন্তু এদের অবস্থার বিশেষ পরিবর্তন হয় না। অথচ পরিবর্তনের নামে সুবিধা বিলোনোর প্রতিযোগিতা চলে। সুবিধা বিলোনোর সেই সব প্রকল্পের গালভরা নাম ও দেওয়া হয়। প্রকল্পের সরণি বেয়ে হাতে কিছু অর্থ আসে। অবশ্যই অর্থের প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু সামাজিক সুরক্ষা, নির্যাতন, স্বাস্থ্য সুরক্ষা, শিক্ষার সুযোগ, সুস্থ পরিবেশ, ভদ্রস্থ কাজের সুযোগ, বৈষম্য দূর করা, সু-বেতন অর্থাৎ মানব উন্নয়নের যাবতীয় মাপকাঠিতে এই দুই অংশের পিছিয়ে থাকার কাল আর ফুরোয় না। তবে মুসলিম সম্প্রদায়ের বাড়তি যন্ত্রনা হল সমস্যার গলা জলে দাঁড়িয়েও তোষনের অভিযোগে বিদ্ধ হওয়া।শাসক, বিরোধী সব রাজনৈতিক দলই মনে করে মুসলিমরা যে যেখানেই থাকুন না কেন তাঁরা এক ভাবে চলেন। এক ভাবে ভাবেন। এক ভাবে দিন কাটান। এক ভাবে ভোট দেন। তাই একটা গতিশীল, চিন্তাশীল জনগোষ্ঠীর ভোট ভিক্ষুকদের কাছে পরিচিতি পায় ভোট ব্যাঙ্ক শিরোনামে। তাই এক দেড় দশক আগেও মুসলিম ধর্ম গুরুদের গুরুত্ব বাড়তো। ভোটের আগে রাজনৈতিক দলের নেতা নেত্রীরা তাঁদের দরজায় পৌঁছে যেতেন। মনে করতেন ধর্ম গুরুরা দাওয়ায় দাঁড়িয়ে হাঁক পাড়লেই মুসলিমরা দলে দলে গিয়ে তাঁদের নির্দেশ মত রাজনৈতিক দলকে ভোট দেবেন। এই ভাবনা থেকেই মুসলিম সমাজের উন্নয়নের জন্য মুয়াজ্জিমদের জন্য ভাতা বাড়ানো হয়। যদিও ভাতা বাড়ানোর পরে তাঁদের অনেকের উপার্জন কিছুটা কমে গিয়েছে। ভাতা বাড়ানোর পরে কয়েকজন মুয়াজ্জিমের সঙ্গে কথা বলে ছিলাম। হিন্দুদের যেমন বিভিন্ন পুজা পার্বনে, বিবাহে ও শ্রাদ্ধশান্তিতে পুরোহিতের প্রয়োজন পড়ে, মুসলিম সমাজেও তাই। এই সবক্ষেত্রেই যজমানদের দক্ষিণা ধরে দিতে হয়। কিন্তু ওই মুয়াজ্জিমরা জানিয়ে ছিলেন অনেক সময় দক্ষিণা পর্বে তাঁদের শুনতে হয়েছে, সরকার তো তোমাদের ভাতা বাড়িয়েছে তাহলে আমরা আবার দেব কেন? বঙ্গে মুসলিম তোষনের অভিযোগ বাম আমলেও ছিল। অথচ সেই সময় সাচার কমিটির রিপোর্ট মুসলিম সমাজের পশ্চাদপদতার যে ছবি তুলে ধরেছিল তাতে সরকার কে চরম অস্বস্তির মধ্যে পড়তে হয়েছিল। সেই ছবি টা আজও বদলায় নি। অথচ পথে ঘাটে শোনা যায় তোষনের ফলে মুসলিমদের আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে। সত্যিই কি তোষন হয়? বাস্তব অবস্থা কিন্তু উল্টো কথা বলছে। ২০১১ সালের জনগননা বলছে এই রাজ্যে জনসংখ্যার ২৭ শতাংশ মুসলমান। ২০২১ সালে জনগননার কথা থাকলেও হয়নি। তবে বিশেষজ্ঞদের অনুমান বর্তমানে জনসংখ্যার ৩০ শতাংশ মুসলমান হতে পারে। সাম্প্রতিক নানা সমীক্ষায় দেশজুড়ে সাধারণ মানুষের সংকট বেড়ে চলার ছবি ধরা পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে কথা হলে বলতেই হয় যে রাজ্যে নাগরিক জীবনের সুযোগ সুবিধা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কাজ ও কাজের পরিবেশে ঘাটতি রয়েছে। এই অবস্থায় যদি সত্যিই মুসলিম তোষন হত তাহলে তিরিশ শতাংশ মুসলিম বাকি ৭০ শতাংশের থেকে এগিয়ে থাকতো। মানব উন্নয়নের মাপকাঠিতে কে কোথায় দাঁড়িয়ে তার জানতে সরকারি স্তরে নানান সমীক্ষা হয়। সেই সমীক্ষা গুলির ফল বলছে মানব উন্নয়নের সব মাপকাঠিতেই হিন্দুদের মধ্যে পশ্চাদপদ অংশের থেকেও মুসলমানরা পিছিয়ে রয়েছেন।এই তথ্য আমার মত অর্বাচীনের কল্পনা প্রসূত নয়। জাতীয় পরিবার ও স্বাস্থ্য সমীক্ষা, শিশু মৃত্যুর হার, periodic labour force য়ে পরিসংখ্যান হাতের নাগালেই রয়েছে। যে কেউ চাইলেই দেখতে পারেন। সেখানে দেখতে পাবেন, কোনক্ষেত্রেই মুসলমানরা এগিয়ে নেই। বরং হিন্দুদের তুলনায় অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছেন। অবশ্য একথা বলার উদ্দেশ্য এই নয় যে হিন্দুরা খুব ভালো আছেন। তাঁরাও অত্যন্ত সমস্যার মধ্যে রয়েছেন। তাই বিভ্রান্তিকর প্রচারে হিংসা ও বিদ্বেষে গা না ভাসিয়ে সবারই উচিত শাসক, বিরোধী সব পক্ষের কাছেই সার্বিক উন্নয়নের খতিয়ান চাওয়া। যাতে উন্নয়নের মাপকাঠিতে যে সব ঘাটতি রয়েছে তা দূর করার জন্য রাজনৈতিক দল গুলির সঠিক উদ্যোগ নিতে বাধ্য হয়।

এপ্রিল ১১, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • ...
  • 36
  • 37
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

বিমের সঙ্গে ঝুলছে রক্তমাংস! তারাতলা বিপর্যয়ের ভয়াবহ ছবি কাঁপিয়ে দিল শহর

তারাতলার নির্মীয়মাণ গুদাম ধসের ঘটনায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনও শেষ হয়নি উদ্ধার অভিযান। ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও বহু শ্রমিক আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেই কারণেই সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে সেনা, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, দমকল ও পুলিশ।উদ্ধারকারীদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে বিশাল লোহার বিম। ধসের পর সেগুলি দুমড়ে-মুচড়ে একের উপর এক চাপা পড়ে রয়েছে। ফলে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে ভিতরে পৌঁছতে যথেষ্ট সময় লাগছে। বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে ভার্টিকাল ড্রিলিং করে বিম কেটে ধাপে ধাপে এগোচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা।এখনও পর্যন্ত একাধিক আহত শ্রমিককে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানা যাচ্ছে। ঘটনাস্থলে একাধিক ভারী ক্রেন মোতায়েন করা হয়েছে। উদ্ধারকাজে ব্যবহার করা হচ্ছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিও। ড্রোনের সাহায্যে ধ্বংসস্তূপের ভিতরে আটকে থাকা মানুষের অবস্থান খোঁজার চেষ্টা চলছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক হাজার বর্গফুট এলাকা জুড়ে গুদামটি তৈরি হচ্ছিল। দুর্ঘটনার পর নির্মাণের মান এবং ব্যবহৃত সামগ্রীর গুণমান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করেই দ্রুত কাজ শেষ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। সেই কারণেই এই ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটেছে বলে দাবি তাঁদের।ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, উদ্ধার অভিযান সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত সমস্ত সম্ভাব্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ধ্বংসস্তূপের নীচে কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত করতেই আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা।

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

তারাতলা ধসের পর বড় ঝাঁকুনি! রাজ্যজুড়ে নির্মীয়মাণ ইমারতে কাজ বন্ধের নির্দেশ, সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

তারাতলার ভয়াবহ নির্মাণ বিপর্যয়ের পর বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। আপাতত নির্মীয়মাণ বাণিজ্যিক ইমারতের কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী একত্রিশে জুলাই পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট নির্মাণ প্রকল্পগুলির স্বাস্থ্যপরীক্ষা ও নকশা যাচাই করা হবে। সবুজ সংকেত মিললেই আবার শুরু হবে কাজ।বুধবার তারাতলার দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, সংশ্লিষ্ট দফতরগুলিকে নিয়ে একটি বিশেষ পরিদর্শন দল গঠন করা হবে। এই দল নির্মীয়মাণ ইমারতের নকশা, নির্মাণের মান এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখবে। কোথাও ত্রুটি ধরা পড়লে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তারাতলার নির্মীয়মাণ গুদাম ও হিমঘর ধসে পড়ার ঘটনায় ইতিমধ্যেই একাধিক প্রাণহানির খবর সামনে এসেছে। বহু শ্রমিক ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে পড়েন। খবর পাওয়ার পরই উদ্ধারকাজে নামে পুলিশ, দমকল, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এবং সেনাবাহিনী। আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে থাকা মানুষদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, ধসে পড়া নির্মাণের নকশায় ত্রুটি ছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে ইঙ্গিত মিলেছে। সেই কারণেই রাজ্যের বিভিন্ন নির্মীয়মাণ বাণিজ্যিক প্রকল্পের নকশা এবং কাঠামোগত নিরাপত্তা নতুন করে পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সরকারি হিসাব অনুযায়ী, দুর্ঘটনায় কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে এবং একাধিক আহতকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের দ্রুত চিকিৎসার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে এবং পরিস্থিতির উপর প্রশাসন কড়া নজর রাখছে।তারাতলার এই মর্মান্তিক ঘটনার পর নির্মাণ নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তদন্তের রিপোর্ট প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে, এই বিপর্যয়ের নেপথ্যে প্রকৃত কারণ কী।

জুন ২৪, ২০২৬
দেশ

চলন্ত লোকালে রক্তাক্ত মৃত্যু! দরজা বন্ধ করা নিয়ে ঝগড়া, যাত্রীর বুকে পরপর কোপ

চলন্ত লোকাল ট্রেনে ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্য ছড়াল মুম্বইয়ে। দরজা বন্ধ করা নিয়ে দুই যাত্রীর মধ্যে শুরু হওয়া বচসা শেষ পর্যন্ত রক্তাক্ত খুনে পরিণত হল। ট্রেনের মধ্যেই ছুরির আঘাতে মৃত্যু হল বাইশ বছরের যুবক মায়াঙ্ক রমেশ লোহারের।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে চার্চগেট থেকে নাল্লাসোপারা অভিমুখী দ্রুতগতির লোকাল ট্রেনে ওঠেন মায়াঙ্ক। আন্ধেরি স্টেশন থেকে ট্রেনে চড়ার পরই আর এক যাত্রীর সঙ্গে তাঁর তর্কাতর্কি শুরু হয়। প্রবল বৃষ্টির মধ্যে ট্রেনের দরজা বন্ধ রাখা হবে কি না, তা নিয়েই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে।প্রথমে বচসা হলেও পরে তা হাতাহাতির পর্যায়ে পৌঁছে যায়। অভিযোগ, আচমকাই ধারালো অস্ত্র বের করে মায়াঙ্কের উপর একের পর এক আঘাত করতে শুরু করে অভিযুক্ত। ট্রেনের কামরায় বহু যাত্রী উপস্থিত থাকলেও পরিস্থিতি এত দ্রুত বদলে যায় যে কেউ তাঁকে রক্ষা করতে পারেননি।ট্রেন বোরিভেলি স্টেশনে পৌঁছতেই অভিযুক্ত পালিয়ে যায়। পরে যাত্রীরা কামরার ভিতরে রক্তাক্ত অবস্থায় মায়াঙ্ককে দেখতে পান। রেল পুলিশ ও চিকিৎসাকর্মীরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করলেও ততক্ষণে তাঁর মৃত্যু হয়ে গিয়েছিল। পরে দেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়।ঘটনার পর আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে যাত্রীদের মধ্যে। চলন্ত ট্রেনে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। তদন্তে নেমে পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান এবং অন্যান্য তথ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখতে শুরু করে।অবশেষে বুধবার বিকেলে অভিযুক্ত রোশান সুবর্ণকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে পশ্চিম রেলও জানিয়েছে, যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।চলন্ত ট্রেনের মধ্যে এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড ফের একবার যাত্রী নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়ে দিল। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, ভিড়ভাট্টার লোকালে যদি এমন ঘটনা ঘটে, তবে নিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত?

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

সকালেই বাঁকতে শুরু করেছিল বিম! তবু কেন চলল ঢালাই? তারাতলা কাণ্ডে বড় প্রশ্ন

কলকাতার তারাতলায় নির্মীয়মাণ একটি বহুতল কাঠামো ভেঙে পড়ার ঘটনায় শোক এবং আতঙ্ক ছড়িয়েছে। দুর্ঘটনায় একাধিক প্রাণহানির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ চালাচ্ছে উদ্ধারকারী দল, পুলিশ এবং অন্যান্য সংস্থা।দুর্ঘটনার পর থেকেই নির্মাণকাজের মান এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, যে কাঠামোটি তৈরি করা হচ্ছিল, সেখানে শুরু থেকেই বিভিন্ন ত্রুটি ছিল। নির্মাণস্থলে ব্যবহৃত সামগ্রীর মান এবং কাজের পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।স্থানীয় সূত্রে দাবি, দুর্ঘটনার আগে থেকেই কয়েকটি লোহার বিমে অস্বাভাবিক চাপের লক্ষণ দেখা যাচ্ছিল। তবু কাজ বন্ধ না করে নির্মাণ প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের দাবি, বিপদের ইঙ্গিত থাকা সত্ত্বেও প্রয়োজনীয় সতর্কতা নেওয়া হয়নি।উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা ধ্বংসস্তূপের পরিস্থিতি দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তাঁদের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে দেখা গিয়েছে, ভারী কংক্রিটের চাপ বহন করতে গিয়ে কাঠামোর বিভিন্ন অংশ দুর্বল হয়ে পড়েছিল। এর ফলেই গোটা নির্মাণ অংশ ভেঙে পড়ে থাকতে পারে বলে অনুমান।ঘটনার পর প্রশাসনের তরফে তদন্ত শুরু হয়েছে। নির্মাণকাজে কোনও গাফিলতি বা নিয়মভঙ্গ হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট নির্মাণ প্রকল্পের কাজ আপাতত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এই দুর্ঘটনার পর নির্মাণ নিরাপত্তা, অনুমোদন প্রক্রিয়া এবং কাজের মান নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তদন্তের রিপোর্ট প্রকাশের পরই প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

চিৎকার, ধুলো আর ধ্বংসস্তূপ! তারাতলায় ভয়াবহ দুর্ঘটনায় কন্ট্রোলরুম খুলল নবান্ন

তারাতলায় নির্মীয়মাণ একটি গোডাউনের ছাদ ধসে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজ জোরকদমে চলছে। ইতিমধ্যেই কয়েকজন শ্রমিককে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে এখনও বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই প্রশাসন দ্রুত তৎপর হয়। নবান্নের পক্ষ থেকে নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। তিনি জানান, দমকল, পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী উদ্ধারকাজে নেমেছে। প্রয়োজনে আরও বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। প্রাথমিক লক্ষ্য হল আটকে থাকা মানুষদের যত দ্রুত সম্ভব নিরাপদে উদ্ধার করা।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিবহণ দফতরের জন্য একটি গোডাউন নির্মাণের কাজ চলছিল। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, দুর্ঘটনার কিছুক্ষণ আগেই কয়েকটি লোহার বিম নড়ে যায় এবং আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপরও কাজ বন্ধ না করে কাঠামো মেরামতের চেষ্টা চলছিল। সেই সময় আচমকাই গোটা ছাদ ও লোহার কাঠামো ভেঙে পড়ে।ঘটনার সময় বহু শ্রমিক ভিতরে কাজ করছিলেন। সেখানে একটি অস্থায়ী অফিসও ছিল বলে জানা গিয়েছে। ফলে ধস নামার সঙ্গে সঙ্গেই অনেকে ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়েন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে।বর্তমানে ক্রেন, গ্যাস কাটার এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতির সাহায্যে লোহার বিম কেটে উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও উদ্ধারকর্মীদের সহায়তা করছেন। ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ চললেও এখনও বহু মানুষের খোঁজ মেলেনি বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।ঘটনার খবর পেয়ে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, নির্মাণকাজে কোনও গাফিলতি ছিল কি না এবং নিরাপত্তা বিধি মানা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে তদন্তের দাবি উঠেছে। তারাতলার এই দুর্ঘটনা ঘিরে গোটা এলাকায় উদ্বেগ ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

মুহূর্তে মাটিতে মিশে গেল বিশাল শেড! তারাতলায় ধ্বংসস্তূপের নীচে কতজন, উঠছে ভয়াবহ প্রশ্ন

তারাতলায় নির্মীয়মাণ একটি কারখানার গোডাউন ভেঙে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটল। ঘটনায় বহু শ্রমিক আহত হয়েছেন বলে খবর। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধসের সময় ভিতরে প্রায় চল্লিশ থেকে পঁয়তাল্লিশ জন উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত পৌঁছে যায় দমকল বাহিনী। উদ্ধারকাজে হাত লাগান স্থানীয় বাসিন্দারাও। আহতদের ধ্বংসস্তূপ থেকে বের করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কারও হাত গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কারও মাথায় আঘাত লেগেছে। কয়েকজনের অবস্থা উদ্বেগজনক বলে জানা গিয়েছে।স্থানীয়দের দাবি, ওই এলাকায় একটি বড় গোডাউন তৈরির কাজ চলছিল। নির্মাণের সময় একবার কাঠামোর একটি অংশ ভেঙে পড়েছিল। পরে সেটি মেরামত করে ফের কাজ শুরু করা হয়। সেই সময় শ্রমিকরা ভিতরে থেকে কাজ করছিলেন। আচমকাই গোটা টিনের শেড ও লোহার কাঠামো হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে।এক প্রত্যক্ষদর্শীর কথায়, দুর্ঘটনার সময় বহু মানুষ ভিতরে ছিলেন। শ্রমিকদের পাশাপাশি সেখানে একটি অস্থায়ী অফিস থেকেও কাজ পরিচালনা করা হচ্ছিল। ফলে ধস নামার সঙ্গে সঙ্গেই অনেকেই আটকে পড়েন। বিশাল এলাকা জুড়ে তৈরি হওয়া কাঠামো মুহূর্তের মধ্যে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।বর্তমানে ক্রেনের সাহায্যে লোহার বিম সরিয়ে উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও মানুষ আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে উদ্ধার অভিযান। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে। কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল এবং নির্মাণকাজে কোনও গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা শুরু হয়েছে।

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে বিস্ফোরক অভিযোগ! মমতার ভাইকে ঘিরে যা দাবি করলেন এক প্রবীণ মহিলা

রাজ্যের নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর জনসাধারণের অভিযোগ শোনার কর্মসূচিতে উঠে এল এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের বাসিন্দা রঞ্জনা হাজরা দাবি করেছেন, তাঁর পৈতৃক সম্পত্তির একাধিক অংশ দীর্ঘদিন ধরে দখল করে রাখা হয়েছে। এই অভিযোগ তিনি সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেছেন।রঞ্জনা হাজরা জানান, হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে তাঁদের পরিবারের কিছু পৈতৃক সম্পত্তি রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, বহু বছর ধরে সেই সম্পত্তিগুলি দখলের চেষ্টা চলেছে এবং কয়েকটি জায়গা দখলও হয়ে গিয়েছে। তিনি দাবি করেন, একটি জায়গা দখল করে সেখানে প্রথমে ব্যবসা এবং পরে বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে। আরও কয়েকটি সম্পত্তি নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে বলে অভিযোগ তাঁর।অভিযোগকারিণীর দাবি, তিনি বারবার প্রতিবাদ করেছেন। কিন্তু তাতে সমস্যার সমাধান হয়নি। উল্টে বিভিন্ন সময় তাঁকে হেনস্তা ও চাপের মুখে পড়তে হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে অতীতে পুলিশের কাছেও গিয়েছিলেন। তবে তাঁর দাবি, কোনও কার্যকর পদক্ষেপ হয়নি।সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবারে গিয়ে তিনি সমস্ত অভিযোগ লিখিতভাবে জমা দেন। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর রঞ্জনা হাজরা জানান, তাঁর অভিযোগ খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকায় প্রতিনিধি পাঠানো হবে বলেও তাঁকে জানানো হয়েছে।এই ঘটনার পর আবারও হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের সম্পত্তি বিতর্ক নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও অভিযোগগুলির সত্যতা এখনও সরকারি ভাবে প্রমাণিত হয়নি। এখন প্রশাসন এই বিষয়ে কী পদক্ষেপ করে, সেদিকেই নজর রয়েছে।

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

গ্রেফতারের আশঙ্কায় হাইকোর্টে ছুটলেন মানস ভুঁইঞা! হঠাৎ কী এমন ঘটল?

রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চার কেন্দ্রে মানস ভুঁইঞা। চাকরি দেওয়ার নামে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ সামনে আসতেই এবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী। সম্ভাব্য গ্রেফতারের আশঙ্কা থেকেই তিনি আদালতের কাছে রক্ষাকবচ চেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।অভিযোগ, এক মহিলাকে সেচ দফতরের বাংলোয় চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। এর বিনিময়ে কয়েক লক্ষ টাকা নেওয়া হয় বলেও দাবি অভিযোগকারীর। পরে ওই মহিলা কিছুদিন কাজও করেন। এমনকি বেতনও পান। কিন্তু হঠাৎ করেই তাঁকে আর কাজে যোগ দিতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।এই ঘটনার পর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তের খবর সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়।এই পরিস্থিতিতেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন মানস ভুঁইঞা। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে তাঁর পক্ষ থেকে আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। গ্রেফতারের আশঙ্কা থেকেই আগাম আইনি সুরক্ষা চাওয়া হয়েছে বলে আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে।সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক তৃণমূল নেতা, জনপ্রতিনিধি এবং প্রাক্তন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। সেই আবহে মানস ভুঁইঞার আদালতের দ্বারস্থ হওয়া নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা বাড়িয়েছে। এখন আদালত এই আবেদনের বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহল ও প্রশাসনিক সূত্রের।

জুন ২৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal