• ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রবিবার ১৪ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Party

রাজ্য

বর্ধমানে আম আদমি পার্টির পোস্টার, শহরজুড়ে আলোড়ন

দিল্লিতে ক্ষমতাসীন ছিল আম আদমি পার্টি তথা আপ। দলের সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালের নেতৃত্বে পাঞ্জাবে ক্ষমতাসীন হয়েছে আপ। বেশ কিছুকাল থেকেই আপ এর পক্ষ থেকে আবেদন জানানো হচ্ছিল সদস্য হওয়ার জন্য। শহর বর্ধমান রাজনৈতিক সচেতন বলে সকলের ধারণা। সদ্য পৌরসভা নির্বাচনে ৩৫টি ওয়ার্ডেই তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীরা বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। এরপর শহরের বিভিন্ন জায়গায় আপের পোস্টার পড়লো। তাতে যোগাযোগের জন্য ফোন নাম্বার সহ আপের সুপ্রিমো কেজরিওয়ালের ছবিও রয়েছে। নতুন করে এই পোস্টর রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন ছড়িয়েছে।তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গে গণতন্ত্র আছে। যেকোনও রাজনৈতিক দল পোস্টার লাগাতে পারে। এতে তৃণমূল কংগ্রেসের ক্ষেত্রে কোনও প্রভাব দেখা দেবে না। এখন দেখার আম আদমি পার্টি বা আপ আগামী দিনে শহরে কতটা প্রভাব ফেলে। উল্লেখ্য, মালদা শহরে আপের সদস্যপদ সংগ্রহ অভিযান শুরু হয়েছে।

মার্চ ১২, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যপালের প্রতি মুখ্যমন্ত্রী ও স্পিকারের আচরণও অত্যন্ত অশোভনীয়, বললেন সুকান্ত

এই রাজ্যের সরকার বিরোধীদের কণ্ঠশ্বরকে হত্যা করতে চাইছে। তাই সাসপেণ্ড করা হয়েছে দুই বিজেপি বিধায়ককে। আমরা তো ভোবেছিলাম বিজেপির সব বিধায়ককেই বরখাস্ত করবে। বিধানসভায় রাজ্যপালের ভাষণে বাধা সৃষ্টির অভিযোগে স্পিকারের দুই বিজেপি বিধায়ককে সাসপেণ্ড করা নিয়ে বুধবার বর্ধমানে এসে এই ভাবেই ক্ষোভ ব্যক্ত করলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।এমনকি বর্ধমানের জেলা বিজেপি কার্যালয়ে বসে সুকান্ত বাবু রাজ্য সরকার ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধেও এদিন তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন।তিনি বলেন,শুধু স্পীকার নয়, রাজ্যপালের প্রতি এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর আচরণও অত্যন্ত অশোভনীয়।রাজ্যপালের তলব পেয়েও বিধানসভার স্পিকারের তাঁর কাছে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও এদিন সরব হন রাজ্য বিজেপি সভাপতি।সুকান্ত বাবু এই প্রসঙ্গে বলেন, রাজ্যপালের তলব পেয়েও স্পিকারের না যাওয়াটা গণতন্ত্রের পক্ষে অত্যন্ত অশোভনীয়। এই ঘটনা পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে অস্বাস্থ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করবে।শুধু স্পীকার নয়, রাজ্যপালের প্রতি এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর আচরণও অত্যন্ত অশোভনীয় বলে অভিযোগ করেন সুকান্ত মজুমদার। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন উনি (মুখ্যমন্ত্রী) বাংলার সংস্কৃতিকে অপমান করছেন।এর আগে পশ্চিমবঙ্গের কোনও মুখ্যমন্ত্রী মহামান্য রাজ্যপালের সাথে এই ধরনের আচরণ করেননি।রাজ্য সরকারের সমালোচনা করে সুকান্ত মজুমদার এও বলেন, রাজ্য সরকার চলছে কেন্দ্রের টাকায়।অথচ মুখ্যমন্ত্রী বলছেন কেন্দ্র টাকা দিচ্ছে না।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুধুই মিথ্যা কথা বলেন।জয়প্রকাশ মজুমদার তৃণমূলে যোগদান সম্পর্কে রাজ্য বিজেপি সভাপতি বলেন, আমরা ওনাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছিলাম। তৃণমূল তাঁকেই সেই পদেই বহাল করেছে। এর থেকেই বোঝা যায় এই রাজ্যে বিজেপির ভাল দম আছে। তাই বিজেপির রিজেক্টেড নেতারাও তৃণমূলে গিয়ে একই পদ পাচ্ছেন। পাশাপাশি সুকান্ত বাবু দাবি করেন, বিজেপি কর্মীরাই বিজেপির সম্পদ। কারণ তাঁরা নরেন্দ্র মোদীকে দেখে দল করেন। বিজেপি বিধায়ক হিরনের বিভীষণ প্রসঙ্গ উত্থাপন সম্পর্কে সুকান্ত বাবু বলেন, আমার সঙ্গে হিরনের কথা হয়েছে। যা বলার ওকে পার্টির ভিতরে বলতে বলেছি। অন্য দল থেকে ভাঙিয়ে দল ভারি করার কথা বিজেপি ভাবছে না বলেও সুকান্ত বাবু এদিন জানান। তবে একই সঙ্গে তিনি বলেন ,কেউ বিজেপি দলে এলে তাঁকে বিজেপির মতাদর্শ মেনে নিয়েই আসতে হবে।

মার্চ ০৯, ২০২২
রাজ্য

গুরুংদের হটিয়ে পাহাড়ে উদয় হামরো পার্টির

পাহাড়ে এবার নতুন শক্তির জয়জয়কার। মাত্র মাস তিনেক আগে জন্ম নেওয়া হামরো পার্টির জয়জয়কার। মোট ৩২টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৮টিতে জয় পেয়ে পাহাড়ি পুরসভার দখল নিতে চলেছে অজয় এডওয়ার্ডের দল। ৩২টি ওয়ার্ডে লড়াই করে বিজেপি এবং তৃণমূলকে অনেকটা পিছনে ফেলে দিল নতুন এই দল। শুধু তাই নয়, পাহাড়ে তৈরি হল নতুন প্রশ্ন।পুরভোট হোক বা বিধানসভা বরাবরই গোটা রাজ্যের নজরে থাকে উত্তরবঙ্গের রাজনীতি। যেই সময় গোটা দক্ষিণবঙ্গে সবুজ ঝড় বইছিল সেই সময় পাহাড়ের রাজনীতি বলেছে অন্য কথা। বরাবরই সেখানে একপেশে দাপট ছিল বিজেপির। তবে পুরভোটের ফল বলে দিল অন্য গল্প। দার্জিলিং পুরসভা গঠন করল হামরো। বিগত কয়েক বছরের লোকসভা ভোটের ফলাফল দেখলে বোধগম্য হয় যে পাহাড়ে বিজেপির জোর কতখানি। কখনও যশবন্ত সিনহা, কখনও আলুওয়ালিয়া, কখনও বা রাজু বিস্তা! পদ্মের মধ্যে ঘাসফুল কিন্তু দাঁত ফোটাতে সফল হয়নি। গতবছর বিধানসভা ভোটের সময় তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিকবার উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়েছেন। ভোটের সময় দিয়েছিলেন প্রচুর প্রতিশ্রুতিও। কিন্তু দার্জিলিংয়ের মানুষ দুহাত ভরে আশীর্বাদ করেননি তৃণমূলকে। প্রবল আশা সত্ত্বেও সেখানে জিততে পারেনি মমতার দল।We proudly present to you our powerful and inspiring team of candidates for the 2022 Municipality Elections.#votefordarjeeling pic.twitter.com/AX2EqHRRYk Hamro Party (@HamroParty) February 9, 2022২০২১ সালের ২৫ নভেম্বর। জন্ম হয় হামরো পার্টির। পাহাড়ের রাজনীতিতে নতুন সংযোজন নিয়ে আসে বিখ্যাত গ্লেনারিস রেস্তরাঁর কর্তা অজয়। ফল ঘোষণার ঠিক ৯২ দিন আগে মিরিকে জন্ম নেওয়া দল যে এমন সাফল্য দেখাবে, তা হয়তো ভাবতেও পারেনি শৈলশহর। হামরো প্রধান অজয় শৈলশহরে অবশ্য পরিচিত মুখ। অজয় গ্লেনারিজ রেস্তোরাঁর কর্তা হিসেবে যথেষ্ট পরিচিত। রাজনীতি করতেন। এক সময় জিএনএলএফ-এর দার্জিলিং শাখার সভাপতিও ছিলেন। জানা যায়, মন ঘিসিংএর সঙ্গে মতপার্থক্য তৈরি হওয়ায় অজয় দল ছেড়ে দেন। তারপরে গত নভেম্বরে নিজের দল ঘোষণা। আর মার্চে পুরসভা দখল।

মার্চ ০২, ২০২২
কলকাতা

‘দল একটাই – তৃণমূল,' সাংগঠনিক নির্বাচনের পর গোষ্ঠীকোন্দল নিয়ে সতর্কবাণী মমতার

দলের মধ্যে যে অন্তর্কলহ রয়েছে, তা বুধবার কার্যত বকলমে স্বীকার করে নিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বললেন, কথা দিতে হবে পরস্পরের মধ্যে দ্বন্দ্ব হবে না। বুধবার তৃণমূলের সাংগঠনিক নির্বাচন ছিল। নেতাজি ইন্ডোরে তা নিয়ে সকাল থেকেই তৎপরতা ছিল তুঙ্গে। তৃণমূলের ভিতরে আলাদা কোনও গোষ্ঠী নেই। দল একটাই। গ্রুপও একটাই।বুধবার দলের সাংগঠনিক নির্বাচনের মাধ্যমে চেয়ারপার্সন পদে পুনর্নির্বাচিত হয়ে কর্মীদের স্পষ্ট বার্তা দিলেন সর্বোচ্চ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের সর্বময় নেত্রীর কথায়, নেতা জন্মায় না। নেতা তৈরি হতে হয়। অর্থাৎ, নেতাকে একটা পদ্ধতির মধ্য দিয়ে তৈরি হতে হয়। কেউ জন্মেই নেতা হয় না। কিছুদিন আগে পর্যন্তও দলের মধ্যে অন্তর্কলহের এক চূড়ান্ত ছবি দেখা গিয়েছিল তৃণমূলে। এবার আর নিচু তলার কর্মীরা নন, একেবারে সামনের সারির নেতাদের মধ্যে কলহ। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কুণাল ঘোষের মধ্যে সেই সাম্প্রতিক দ্বন্দ্বের কথা এখনও বিরোধীদের মুখে মাঝে মধ্যেই শোনা যায়। পরিস্থিতি এমন হয়েছিল, তাতে হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য হয়েছিলেন দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। কামারহাটির বিধায়ক তথা মমতার অন্যতম প্রিয় পাত্র মদন মিত্রও সম্প্রতি দলের শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটিকে নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন কিছুদিন আগে। আর এরই মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতাজি ইন্ডোর থেকে এই বার্তা যথেষ্টই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।তিনি আরও বলেন, বাংলায় আরও বাড়তে হবে। আজ আমি যখন এখানে আসছিলাম, তখন আমার কাছে খবর আসছিল, সাত-আট জন বিজেপি বিধায়ক আরও আসতে চান। তাঁরা উন্নয়নে আমাদের সঙ্গে নিশ্চয়ই কাজ করতে পারেন। আরও অনেকেই আসতে চান। তাঁরা আসুন, উন্নয়নে কাজ করুন, সেটা আমরা নিশ্চয়ই চাই। তবে জোর করে যে দলে কাউকে আনা হচ্ছে না, তাও স্পষ্ট করে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সঙ্গে আগামী দিনে লড়াই আরও জোরদার হবে, সেই কথাও দলীয় নেতা ও কর্মীদের উদ্দেশে জানিয়ে রাখলেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Bachelor Party : ব্যাচেলর পার্টিতে মাতলেন অলকানন্দা

সামনেই বিয়ে, ব্যাচেলর পার্টিতে মাতলেন অভিনেত্রী অলকানন্দা।সামনেই চার হাত এক হচ্ছে অভিনেত্রী অলকানন্দা গুহ ও পরিচালক মনোজিত মজুমদারের। ইরাবতীর চুপকথা-র পরিচালকের সঙ্গে চার হাত এক হওয়ার আগে ব্যাচেলার পার্টিতে মাতলেন অ্যায় তবে সহচরীর ঝুমকি ও দেবী ধারাবাহিকের শ্রুতি। সোশ্যাল মিডিয়াতে ব্যাচেলর পার্টির ছবি পোস্ট করে অলকানন্দা লেখেন ব্যাচেলর পার্টি ১। অর্থাৎ এখনও ব্যাচেলর পার্টি শেষ হয়ে যায়নি। এছাড়া ব্যাচেলর পার্টিতে পুল থেকে একটি রিলস ও পোস্ট করেন এই টলি অভিনেত্রী। অলকানন্দার এই ব্যাচেলর পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন সউমি ঘোষ, দেবাদ্রিতা বসু, অলকানন্দার বোন অনন্যা গুহ, ঐন্দ্রিলা বোস এবং লহরী সেনগুপ্ত। এই ব্যাচেলর পার্টির ছবি অলকানন্দার বন্ধুরাও তাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন।আলো ছায়া ধারাবাহিকের ছায়া অর্থাৎ অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা বোস সোশ্যাল মিডিয়াতে ব্যাচেলর পার্টি উদযাপনের ছবি পোস্ট করে লেখেন, এমন কোনও বন্ধু কোরোনা যারা তোমার সঙ্গে কমফোর্টেবল ফিল করে বরং তাদের সঙ্গেই বন্ধুত্ব করুন যারা তোমাকে ভালো কিছু করার জন্য উত্তেজিত করবে। অভিনেত্রী সউমি ঘোষ সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করে লেখেন, ইটস ব্যাচেলরেট। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আগামী ফেব্রুয়ারিতে বিয়ের পিড়িতে বসার কথা অলকানন্দার। ইতিমধ্যেই মনোজিতের সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক ছবি পোস্ট করেছেন এই টলি অভিনেত্রী। জানা গেছে তাদের এনগেজমেন্ট অনুষ্ঠান হবে কলকাতায়, এরপর বিয়ের মূল অনুষ্ঠান হবে কল্যাণীতে।

ডিসেম্বর ১২, ২০২১
রাজনীতি

Tripura-Supreme Court: বড় জয় সুস্মিতা দেবের, পুর ভোটের আগে সমস্ত রাজনৈতিক দলকে নিরাপত্তার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

ত্রিপুরায় পুরভোটের আগে অশান্তির অভিযোগ নিয়ে বৃহস্পতিবার কড়া নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ, ভোটের আগে সমস্ত রাজনৈতিক দল যাতে নির্বিঘ্নে প্রচার করতে পারে এবং নির্বাচন যাতে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে রাজ্য সরকারকে।এ প্রসঙ্গে সুস্মিতা বলেন, সুপ্রিম কোর্টকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ত্রিপুরা পুলিশ কোনও এফআইআরে পদক্ষেপ করছে না। আর কোনও তৃণমূলের নেতার বিরুদ্ধে এফআইআর জমা পড়ছে, ওরা ওয়ারেন্ট জারি করছে। ওরা আমাদের চার সৃষ্টি করছে যাতে আমরা ভয়ে প্রচার করা বন্ধ করি। সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের পর আমরা এ বার রাস্তা পেয়ে গেলাম।কুণাল ঘোষ টুইটে লেখেন, ত্রিপুরায় সন্ত্রাস। মান্যতা দিল সুপ্রিম কোর্ট। তৃণমূল কংগ্রেসের মামলায় পুলিশকে বলল অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সুনিশ্চিত করতে। নিরাপত্তা দিতে হবে প্রার্থী-সহ সকলকে। স্বরাষ্ট্রসচিবকে হলফনামা দিয়ে পদক্ষেপ জানাতে হবে। তৃণমূল এই রায় স্বাগত জানাচ্ছে। এটি কার্যকর করতে হবে।ত্রিপুরায় সন্ত্রাস। মান্যতা দিল সুপ্রিম কোর্ট। তৃণমূল কংগ্রেসের মামলায় পুলিশকে বলল অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সুনিশ্চিত করতে। নিরাপত্তা দিতে হবে প্রার্থীসহ সকলকে। স্বরাষ্ট্রসচিবকে হলফনামা দিয়ে পদক্ষেপ জানাতে হবে।তৃণমূল এই রায় স্বাগত জানাচ্ছে। এটি কার্যকর করতে হবে। Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) November 11, 2021ত্রিপুরায় একের পর এক দলীয় নেতানেত্রীদের উপর হামলার ঘটনায় বিপ্লব দেবের সরকারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল তৃণমূল। বিপ্লব দেবের রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলার অবনতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে এক জন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠনেরও আর্জি জানিয়েছেন সুস্মিতা। ওই আর্জির ভিত্তিতেই বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিয়ে জানায়, ত্রিপুরায় ভোটের প্রক্রিয়া যখন শুরু হয়ে গিয়েছে, তখন সমস্ত রাজনৈতিক দলেরই প্রচার চালানোর অধিকার রয়েছেন। সুস্মিতা দেব-সহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রচারকদের নিরাপত্তার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ করতে হবে রাজ্য সরকারকে। পাশাপাশি ত্রিপুরার স্বরাষ্ট্রসচিব ও ডিজিপি-কে নির্দেশ, এ দিন আদালত যে রায় দিয়েছে, তার পালন কীভাবে হচ্ছে আদালতকে তার রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

নভেম্বর ১১, ২০২১
কলকাতা

BJP-Suspend: শুভেন্দুকে ‘চোর’ বলে বহিষ্কৃত হাওড়া সদরের বিজেপি সভাপতি

নারদা-কাণ্ড নিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলে বহিষ্কৃত হলেন হাওড়া সদরের বিজেপি সভাপতি সুরজিৎ সাহা। পুরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্প্রতি হাওড়ায় একটি কমিটি গড়েন শুভেন্দু। তা নিয়েই ক্ষুব্ধ ওই বিজেপি নেতা। বুধবার তা নিয়েই শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। এর কিছু ক্ষণের মধ্যেই সুরজিৎকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।বুধবার সুরজিৎ সংবাদমাধ্যমের সামনে শুভেন্দুকে নিশানা করে জানিয়ে দেন, যে কমিটি শুভেন্দু গঠন করেছেন তাতে দলীয় নিয়মশৃঙ্খলা ভঙ্গ হয়েছে। ওই কমিটিকে ভারতীয় জনতা তৃণমূল কংগ্রেস পার্টি বলেও আখ্যা দেন তিনি। বলেন, যাঁরা দলে থাকবেন কি না তা ই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে তাঁদের চেয়ারম্যান করা হচ্ছে। নাম প্রস্তাব করছেন শুভেন্দু। বিজেপি-র তৃণমূলীকরণ আমরা মানব না। আমি ২৮ বছর বিজেপি করছি। উনি ছমাস আগে দলে এসে আমাদের শংসাপত্র দেবেন না কি? আমরা ওঁর শংসাপত্র চাইব। নারদাতে ওঁকে যে টাকা নিতে দেখা গিয়েছে তাতে উনি সৎ কি না, এই প্রশ্নটা জনগণ থেকে দলের কার্যকর্তা সকলের মধ্যে তৈরি হয়েছে। উনি আমাদের বিরুদ্ধে আঙুল তুলবেন এটা জেলা সভাপতি হিসাবে মেনে নেব না।সুরজিতের এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই বিতর্ক শুরু হয়।

নভেম্বর ১০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Suhana Khan : জামিন পেলেন দাদা আরিয়ান, হ্যালোইন পার্টি করছেন বোন

২৮ দিন জেলে থাকার পর অবশেষে জামিন পেয়েছেন শাহরুখ খানের ছেলে আরিয়ান খান। ছেলে জামিন পাওয়ার পরেই অবশেষে শান্তি ও খুশির বাতাবরণ খান পরিবারে। দাদা জামিন পাওয়ার পরেই হ্যালোইন পার্টিতে মাতলেন তার বোন সুহানা খান।নিউইয়র্কে চলচ্চিত্র নিয়ে পড়াশোনা করছেন সুহানা। সেখানেই বন্ধুদের সঙ্গে হ্যালোইন পার্টিতে মাতলেন তারকা কন্যা। সেই পার্টি করার একটি ছবিই প্রকাশ পেয়েছে ইনস্টাগ্রামে। সুহানার এক বান্ধবী তাঁদের ছবি দিয়েছেন। ছবির নীচের কমেন্ট বক্সে সুহানা সেই বান্ধবীকে ভালবাসাও জানিয়েছেন।গত বৃহস্পতিবার জামিন পেয়েছেন আরিয়ান। শনিবার আর্থার রোড জেল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ২৩ বছরের তারকা-সন্তান আরিয়ান। পরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্রে খবর, দাদা বাড়ি ফেরার পর সুহানা নিউইয়র্ক থেকে ভিডিয়ো কল করে দাদাকে স্বাগত জানিয়েছেন। কথা বলতে গিয়ে নাকি কেঁদেও ফেলেছিলেন। একইসঙ্গে শোনা যাচ্ছে, শাহরুখের জন্মদিন (২ নভেম্বর) পালন করতে দেশে ফিরবেন সুহানা।

নভেম্বর ০১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Rave party : রেভ পার্টি করতে গিয়ে আটক শাহরুখ পুত্র আরিয়ান

শাহরুখ খানের কপালে চিন্তার ভাঁজ। নারকোটিক কন্ট্রোল ব্যুরোর হাতে আটক করা হল শাহরুখ খানের খেলে আরিয়ান খান কে। কিন্তু কেন? শনিবার রাতে মুম্বইয়ের এক বিলাসবহুল প্রমোদতরী থেকে আরিয়ান কে আটক করেছে এনসিবি। এরকম একটা খবর পেয়ে নিজেকে স্থির রাখতে পারেননি কিং খান। এই খবরটা পেতেই তড়িঘড়ি শুটিং বাতিল করলেন তিনি। স্পেনে পাঠান ছবির শুটিংয়ের কাজ করছিলেন। শাহরুখ -দীপিকা অভিনীত ছবিটির একটি গানের দৃশ্যের শ্যুটিং চলছিল বলে জানা গিয়েছে। পাঠান ছবির প্রোডাকশন টিম সূত্রে জানা গিয়েছে আপাতত আজকের শুটিং ক্যান্সেল করেছেন শাহরুখ। এই শুটিংয়ের জন্য টানা ডেট দেওয়া ছিল শাহরুখের। কিন্তু ঘনিষ্ঠ সূত্রে খবর আপাতত শাহরুখ যত দ্রুত সম্ভব মুম্বই ফিরতে চাইছেন । এদিকে যতক্ষণ না ফিরতে পারছেন ততক্ষণ মোবাইলে এনসিবি কর্তাদের সঙ্গে প্রতিমুহূর্তে যোগাযোগ রেখে চলেছেন শাহরুখ। জানা গেছে সম্ভবত শাহরুখের নির্দেশে আরিয়ান সত্য স্বীকার করে নিয়েছেন। শাহরুখই ছেলেকে বলেছেন এনসিবি অফিসারদের তদন্তে সহযোগিতা করতে।এনসিবি সূত্রে খবর, কোরডেলিয়া লাইনারের ক্রুজ থেকে উদ্ধার হয়েছে কোকেন, হাশিস, এমডিএমএ (এক্সট্যাসি হিসাবে পরিচিত), মেফেড্রোন ও চরস। ক্রুজে এমন কিছু হতে পারে এটা আগাম খবর ছিল। তাই গোপন অভিযান চালায় এনসিবি। নেতৃত্বে ছিলেন এনসিবির জোনাল ডাইরেক্টর সমীর ওয়াংখড়ে। তাঁরা সেখানে যাত্রীর বেশে গিয়েছিলেন। মুম্বই ছাড়তেই শুরু হয় অভিযান: ক্রুজে রেভ পার্টি শুরু হয় তা মুম্বই ছাড়তেই। যখন সেটা মাঝ দরিয়ায় ছিল, শুরু হয়ে যায় ড্রাগের নেশা। তত্পর হয়ে ওঠেন এনসিবি-র আধিকারিকরা। মাদক নেওয়ার অপরাধে বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়। ধৃতরা খোলাখুলি অবৈধ মাদক নিচ্ছিল। সাত ঘণ্টার তল্লাশি অভিযান চলে। তা শেষ হওয়ার পর ক্রুজ রওনা হয় মুম্বইয়ের দিকে। সেখানকার বেশ কয়েকটি ঘরেও তল্লাশি চালানো হয়। আরও কয়েকটি বাকি রয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মাদক মামলা দায়ের করা হতে পারে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পুলিশ তাদের গ্রেফতার করার জন্য আইনি পরামর্শ নিচ্ছে।

অক্টোবর ০৩, ২০২১
রাজ্য

Sukanta Majumder: কি কি কারণে বিজেপির রাজ্য সভাপতি হলেন সুকান্ত মজুমদার?

বিজেপি যুব শক্তির ওপর নির্ভর করেই দল পরিচালনা করার ওপর জোর দেয়। সেক্ষেত্রে মাত্র ৪১ বছরের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের ওপর নির্ভর করেছে দল। তিনি সুবক্তাও। তাছাড়া আরএসএস ঘনিষ্ঠতাও রয়েছে। বিজেপি বালুরঘাটের এই সাংসদকে সামনে রেখে ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে এরাজ্যে লড়াই করতে চাইছে।প্রথমত সুকান্ত মুজমদার আরএসএসের কাছের লোক। এখন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকরী। বিজেপি এক ব্যক্তি এক পদ নীতিতে বিশ্বাসী। সেক্ষেত্রে অন্য কাউকে দলের সভাপতি করাই দস্তুর। ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে বালুরঘাট থেকে পদ্মফুল চিহ্নে জয়ী হন সুকান্ত মজুমদার। এর আগেও রাজ্য সভাপতি হিসাবে তাঁর নামে রটনা হয়েছিল।দ্বিতীয়ত বর্তমান রাজ্য সভাপতির ভাষা-জ্ঞান নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন। মাঝে মধ্যে এমন কিছু বিষয় তিনি উত্থাপন করতেন তাতে দলের অন্যরা অস্বস্তিতে পড়ে যেতেন। দিলীপ ঘোষের বক্তব্যে তাঁর প্রচার বা পরিচিতি বৃদ্ধি পেলেও দলের তাতে কোনও ফায়দা হত না। বরং সেই সব নিয়ে হাসি-ঠাট্টাই চলত রাজনৈতিক মহলে। দিলীপবাবুর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল। তা আদালত অবধি গড়িয়েছিল। সুকান্ত মজুমদার উচ্চশিক্ষিত। গুছিয়ে কথা-বার্তা বলতে পারেন তিনি। এখন সুকান্ত মজুমদারের বয়স ৪১। তৃণমূলের সঙ্গে লড়াই করতে তরুণ নেতৃত্বের খোঁজ করছিল বিজেপি। তরুণ প্রজন্মকে নেতৃত্বের সামনে এগিয়ে দিতে চায় গেরুয়া শিবির। রাজ্য চষে বেড়াতে পারবেন তিনি।Heartiest congratulations to both Shri @DilipGhoshBJP for being appointed as National Vice President of @BJP4India Shri @DrSukantaMajum1 for being appointed as President of @BJP4Bengal.I wish them very best believe that both would give their best to strengthen the Party. Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) September 20, 2021আর একটা বড় বিষয়, দলের বড় দায়িত্বে না থাকার কারণে তাঁর সঙ্গে রাজ্য নেতৃত্বের অনেকের সঙ্গেই তেমন একটা বিরোধ নেই। দলীয় কোন্দলেও সেভাবে তিনি জড়িয়ে যাননি। সকলকে সঙ্গে নিয়ে লড়াই করতে পারবেন বলে দল মনে করছে।আগামি লোকসভা নির্বাচনেও বিজেপির পাখির চোখ উত্তরবঙ্গ। বিধানসভা নির্বাচনে সেখানে ভাল করেছে। দক্ষিণবঙ্গে যথেষ্ট শক্তিশালী তৃণমূল কংগ্রেস। উত্তরবঙ্গের লোকসভা আসন নিশ্চিত করতে চাইছে বিজেপি। তাছাড়া এতদিন দক্ষিণবঙ্গ থেকেই দলের সভাপতি হয়ে আসছিল। উত্তরবঙ্গ যে দলের কাছেও অবহেলিত না তা-ও বুঝিয়ে দিল বিজেপি নেতৃত্ব। সেখান থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও করেছে দল। রাজনৈতিক মহলের ধারনা এসব কারণে রাজ্য সভাপতি হয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। বিজেপির রাজ্য সভাপতি হিসাবে অনেকেই দাবিদার ছিলেন। কিন্তু এই যুবক সাংসদকে বেছে নিয়েছে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Party With Bholenath : তন্ময় সাধকের 'পার্টি উইথ ভোলেনাথ'

কলকাতার জনপ্রিয় গায়ক ও র্যাপার তন্ময় সাধক। তন্ময়ের নতুন গান পার্টি উইথ ভোলেনাথ। গানটা পুরোটাই বাংলাতে যে গানটাতে নেটিজেনরা যথেষ্ট ভালোবাসা দিয়েছে। গানটি লিখেছেন সায়ন্তন চট্টোপাধ্যায় এবং রোহন দাস। তন্ময় কম্পোজ করেছেন এবং গেয়েছেন। পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন রাজ চক্রবর্তীর দীর্ঘদিনের সহকারী পরিচালক বিশ্বনাথ।তন্ময় সাধরের এই মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করতে দেখা যাবে জনপ্রিয় মডেল সাগর ঝা কে। সাগর ঝা জানালেন, কাজ করার অভিজ্ঞতা খুবই ভাল। চিঙ্গারি বলে একটা জনপ্রিয় অ্যাপ গানটাকে প্রমোট করছে। গানটা অনেক বেশি ভিউ পেয়েছে।পার্টি উইথ ভোলেনাথ এর এই প্রতিবেদন যখন লেখা হচ্ছে এখনও পর্যন্ত ১ লক্ষ ৩৫ হাজার মানুষ তন্ময় সাধকের ইউটিউব চ্যানেলে ভিডিওটি দেখেছেন। কমেন্টে কেউ কেউ লিখেছেন অসাধারণ হয়েছে গানটা। আবার কেউ লিখেছেন প্রথম থেকেই সে তন্ময় সাধকের ফ্যান। জনতার কথা-টিমের পক্ষ থেকে পার্টি উইথ ভোলেনাথের জন্য রইল অনেক শুভেচ্ছা।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১
রাজ্য

Truck Owners Demand: পুলিশ, এমভিআই ও ডাকপার্টির জুলুমবাজি বন্ধে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি ট্রাক মালিকদের

পুলিশ, এমভিআই ও ডাকপার্টির জুলুমবাজির কারণে দায় হয়ে উঠেছে সড়কপথে ট্রাক চালানো। তারই প্রতিবাদে এবার স্বোচ্চার হল হুগলীর ইউনাইটেড ট্রাক ওনার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন ও ফেডারেশন অফ ওয়েষ্টবেঙ্গল ট্রাক অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন। তাঁরা পুলিশি জুলুমবাজি বন্ধে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে বৃহস্পতিবার ডেপুটেশন দিলেন পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসকের কাছে। পুলিশ দিবসের পর দিন এই রাজ্যের পুলিশের জুলুমবাজি বন্ধের দাবিতে ট্রাক মালিকদের মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করে পথে নামাটা নজিরবিহীন বলেই দাবি করেছে রাজনৈতিক মহল।হুগলির ডানকুনি টোল প্লাজা থেকে খালি লরি নিয়ে এদিন মিছিল করে ট্রাক মালিকরা পৌছান বর্ধমানের আলিশায়। পরে ট্রাক মালিক সংগঠনের নেতৃত্ব সেখান থেকে পায়ে হেটে পূর্ব বর্ধমান জেলা শাসকের দপ্তরের সামনে পৌছান। হুগলির ইউনাইটেড ট্রাক ওনার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের রাজ্য কমিটির সদস্য রসিদ সর্দার এদিন বলেন, পুলিশ, এম ভি আই ও ডাকপার্টির অত্যাচার ও জুলুমবাজির কারণে বহু ট্রাক মালিক ট্রাক চালানো বন্ধ করে দিয়েছে। এইসব দপ্তরের লোকজন জোর করে ট্রাকে ওভারলোড করাতে বাধ্য করছে। অপরদিকে ফেডারেশন অফ ওয়েষ্টবেঙ্গল ট্রাক অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের তরফে সজল ঘোষ অভিযোগে জানান,সম্প্রতি রাজ্যে এক্সেল লোড বৃদ্ধি পেয়েছে। তা সত্ত্বেও কিছু আসাধু পুলিশকর্মী ও পুলিশের ডাকপার্টি জোর করে ট্রাক ড্রাইভারদের ওভারলোড করতে বাধ্য করছে।ট্রাক ড্রাইভাররা ওভার লোড না করলে বিভিন্ন অজুহাতে অত্যাধিক হারে ফাইন করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে ট্রাক মালিকরা রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রীকে জানালেও সমস্যার সমাধান হয়নি। জুলুমবাজীও বন্ধ হয়নি। তাই তাঁরা চাইছে মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি এই ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করুক।ডেপুটেশন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ট্রাক মালিকরা এদিন বলেন, ভোটের আগে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, তিনি ২৯৪টি আসনেই প্রার্থী। তাই তাঁকেই তাঁরা ভোট দিয়েছিলেন। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের জন্য কিছু করছেন না। মুখ্যমন্ত্রী চাইলে একদিনের মধ্যে এই জুলুমবাজি বন্ধ হতে পারে বলে মন্তব্য করেন ট্রাক মালিকরা। তাঁরা এদিন দাবি করেন, লোডিং পয়েন্ট থেকে আণ্ডার লোড করে গাড়ি বার করা হোক। পাশপাশি মুখ্যমন্ত্রী নিজে হস্তক্ষেপ করে পুলিশ, এমভিআই ও ডাকপার্টির জুলুমবাজি বন্ধে ব্যবস্থা নিক। একই দাবির কথা শুনিয়েছেন ট্রাক মালিক সংগঠনের কর্তারাও।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
দেশ

All Party Meeting: আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে সর্বদল বৈঠকে যোগ দেবে তৃণমূল

আফগানিস্তান ইস্যুতে কেন্দ্রের ডাকা সর্বদল বৈঠকে যোগ দেবে তৃণমূল।দেশ ও দশের স্বার্থে আটকদের স্বার্থে রাজ্য কেন্দ্রের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন নবান্নে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এখানে দেশের ব্যাপার জড়িয়ে, রাজ্যের ব্যাপার জড়িয়ে। আমরা একসঙ্গেই কাজ করছি। সবাইকে যাতে ফিরিয়ে আনা যায় এখন সেটাই লক্ষ্য। বিস্তারিত যখন হাতে পাব, আমাদের কাছে রিপোর্টিং করবে, তখন আমরা আপনাদের জানাতে পারব।আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের ত্রিপুরা-চ্যালেঞ্জে নতুন তাস দেবআফগান-পরিস্থিতি নিয়ে আগামী ২৬ অগস্ট সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছে কেন্দ্র। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় এই বৈঠক হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের বক্তব্য, বিদেশ মন্ত্রক যদি সর্বদল ডাকে, আফগান তালিবানের মতো বিষয়ে যদি বৈঠক ডাকা হয় সেখানে নিশ্চয়ই যাবে।তিনি বলেন, আফগানিস্তানে আটকদের ফেরাতে কেন্দ্র-রাজ্য একসঙ্গে কাজ করেছে। ২৬ অগস্ট কেন্দ্রের ডাকে সর্বদলীয় বৈঠকে যাবে তৃণমূল।আরও পড়ুনঃ বড় ঘোষণা নির্মলা সীতারামনেরআফগানিস্তান সংকট নিয়ে আলোচনার জন্য বৃহস্পতিবারই সর্বদল বৈঠক ডেকেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সোমবার টুইট করে এ কথা জানান বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনি টুইটে লেখেন, প্রধানমন্ত্রী বিদেশ মন্ত্রককে নির্দেশ দিয়েছেন সংসদে সব দলের নেতাকে আফগান পরিস্থিতি নিয়ে অবহিত করতে। সংসদীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী টুইটে জানিয়েছেন, ২৬ অগস্ট সকাল ১১টায় সর্বদল বৈঠক বসবে। সেখানে বিদেশ মন্ত্রক সামগ্রিক পরিস্থিতি সম্পর্কে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের অবহিত করবে।

আগস্ট ২৩, ২০২১
রাজনীতি

Opposition Alliance: বিরোধী বৈঠকে মমতাকে আমন্ত্রণ সনিয়ার

বিরোধী শক্তিকে একজোট করতে বৈঠক ডাকলেন কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধি। ২০ অগস্ট ভার্চুয়ালি এই আলোচনার আয়োজন করা হয়েছে। সূত্রের খবর, সেখানে উপস্থিত থাকতে পারেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতার পাশাপাশি আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে, তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনকেও। উপস্থিত থাকতে পারেন এনসিপি প্রধান শরদ পওয়ারও। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই বিরোধীদের নিয়ে একটি নৈশভোজের আয়োজন করতে পারেন সনিয়া গান্ধি। তার আগে এই ভার্চুয়াল বৈঠকের মাধ্যমে বিরোধী ঐক্যের শক্তি তিনি মেপে নিতে চাইছেন বলে মত রাজনৈতিক মহলের। আরও পড়ুনঃ শুটিং শেষ হল রেডিও-রবাদল অধিবেশনের শুরু থেকেই বিরোধীরা এককাট্টা হয়ে সংসদের দুই কক্ষে সরকার বিরোধিতায় নেমেছিল। সেই ঐক্যের ছবি দেখা গিয়েছে বৃহস্পতিবারও। একাধিক ইস্যুতে মিছিল করেছে ১৫টি বিজেপি বিরোধী দল। মিছিলের আগে কংগ্রেস সাংসদ মল্লিকার্জুন খাড়গের সঙ্গে আলোচনায় বসতে দেখা যায় আম আদমি পার্টির সঞ্জয় সিংকেও। পরে শিবসেনার তরফ থেকে সঞ্জয় রাউত জানান, বিরোধীরা একজোট হয়েছে। ২০ অগস্ট কংগ্রেস সভাপতি সনিয়া গান্ধি কংগ্রেস শাসিত রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলবেন। সেই আলোচনায় আমন্ত্রিত রয়েছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীও। বুধবার সংসদের উভয় কক্ষেই অধিবেশন সময়ের আগেই শেষ হয়। সরকার তার দায় বিরোধীদের ঘাড়ে চাপালেও, বিরোধী দলগুলির দাবি, সংসদে মার্শাল আইন চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। বৃহস্পতিবার সকালে সেই বিষয়টি ফের উল্লেখ করে রাহুল গান্ধি বলেন, গণতন্ত্রকে হত্যা করা হচ্ছে সংসদে। পেগাসাস নিয়ে আলোচনা করতে দেওয়া হয়নি, তুলতে দেওয়া হয়নি কৃষি আইন নিলে আলোচনাও।

আগস্ট ১২, ২০২১
রাজনীতি

21st July: শহিদ দিবসেই দেশ তথা বিশ্বের বাঙালি পাঠকের উদ্দেশে যাত্রা শুরু 'জাগো বাংলা'র

প্রতিবছরই ২১ জুলাই দিনটিকে শহিদ দিবস হিসেবে পালন করে তৃণমূল। করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও এই দিন পালন করেছিল তারা। এবারও তার অন্যথা হবে না। যদিও জনসভা না করে ভার্চুয়াল মাধ্যমে এই দিন পালন করা হবে। ভার্চুয়াল মাধ্যমেই বক্তব্য রাখবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এবার তাঁর বক্তব্য শুধুমাত্র রাজ্যের গণ্ডির মধ্যেই থাকবে না। তা ছড়িয়ে দেওয়া হবে রাজধানী দিল্লি-সহ ত্রিপুরা, অসম, গুজরাত, উত্তরপ্রদেশ, ওডিশা, বিহার এবং পঞ্জাবে।আরও পড়ুনঃ বৃষ্টির মধ্যেও শুটিং করছেন অক্ষয়আর এদিনই তৃণমূলের দলীয় মুখপত্রকে সাপ্তাহিক থেকে দৈনিক করার আনুষ্ঠানিক সূচনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বুধবার দুপুরে কালীঘাটে তৃণমূলের ২১ জুলাই অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে তার লোগো উদ্বোধন করবেন তৃণমূলনেত্রী। একইসঙ্গে সামনে আসবে নতুন সংস্করণের প্রথম দিনের ইপেপার। কবে থেকে দৈনিক হিসাবে তা ছেপে বেরোবে, মমতা নিজে তার ঘোষণা করবেন।আরও পড়ুনঃ ছাত্রীর শ্লীলতাহানী, শ্রীঘরে ঠাই কীর্তিমান শিক্ষকেরদলের মুখপত্রের দৈনিক সংস্করণ শুরু করার কথা জানিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, ২৪-এর লোকসভা নির্বাচনকে মাথায় রেখেই এই দৈনিক সংস্করণ নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাঠক হবেন গোটা দেশ তথা বিশ্বের বাঙালিরা। এ রাজ্যের পাশাপাশি থাকবে জেলার খবর, দলের প্রতিদিনের কর্মসূচি এবং তা নিয়ে খবর, প্রবন্ধ, দলের সাংসদবিধায়কদের লেখা। প্রতিদিন আলাদা আলাদা বিষয় নিয়ে থাকবে ফিচার পাতা। শনি ও রবিবার বিশেষ ক্রোড়পত্র। খেলার পাতাকে আলাদা গুরুত্ব দেওয়া হবে। থাকবে দলের স্লোগান। উল্লেখ্য, ২০০৪ সালে সাপ্তাহিক জাগো বাংলার প্রকাশ শুরু হয়। প্রথমে এই মুখপত্রের সম্পাদক ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে। বর্তমানে তার সম্পাদক পার্থ চট্টোপাধ্যায়।আরও পড়ুনঃ উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগে স্থগিতাদেশ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই যুব কংগ্রেসের মহাকরণ অভিযান কর্মসূচিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছিল ১৩ জনের। সেই কর্মসূচির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মমতা নিজেই। সেই সময় তিনি ছিলেন যুব কংগ্রেস নেত্রী। এরপর কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল গড়েন তিনি। কিন্তু, সেই দিনের কথা স্মরণ করে তৃণমূল গড়ার পরও শহিদ দিবস পালন করেন নেত্রী। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর ব্রিগেড ময়দানে বড় করে ওই সমাবেশ করেছিলেন তিনি। তবে করোনার জন্য এবার আর তা জনসভা করে পালন করা হবে না। ভার্চুয়াল মাধ্যমে বক্তব্য রাখবেন মমতা।;আরও পড়ুনঃ ২১ জুলাই থেকে দৈনিক হচ্ছে তৃণমূলের মুখপত্রআর এবার সেই দিবসের পাল্টা কর্মসূচির করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি। একুশের নির্বাচনের পর থেকেই রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ করে আসছে তারা। এই কর্মসূচিকে সফল করতে মরিয়া গেরুয়া শিবির। রাজ্যের সব জায়গায় ইতিমধ্যেই বার্তা পাঠানো হয়ে গিয়েছে। প্রতিটি জেলা দপ্তরে বড় স্ক্রিন লাগিয়ে অনুষ্ঠান সম্প্রচার করতে বলা হয়েছে। সব জায়গাতে এই কর্মসূচি ছড়িয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে তৃণমূলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এই কর্মসূচি তারা কতটা সফল করতে পারে এখন সেটাই দেখার।

জুলাই ২০, ২০২১
রাজ্য

Vinay Tamang: কেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা ছাড়লেন বিনয় তামাং?

পাহাড়ের রাজনীতিতে বদল। দল ছাড়লেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার প্রধান বিনয় তামাং। বৃহস্পতিবার নিজেই এই কথা ঘোষণা করলেন তিনি। দলের সভাপতি পদ তো বটেই, প্রাথমিক সদস্যপদও ছেড়েছেন তিনি। এককথায় পাহাড়ের রাজনীতিতে বিনয়পন্থী মোর্চা বলে আর কিছু রইল না। সূত্রের খবর, বিনয় হাত মেলাতে পারেন বিমল গুরুয়েংর সঙ্গে। আরও পড়ুনঃ শ্রীলেখা মিত্র ভাল চুমু খেতে পারেন!মোর্চা নেতা অনীত থাপাকে একটি চিঠি দিয়ে এই পদ ছাড়েন বিনয় তামাং। নির্বাচনে দলের ব্যর্থতার দায় নিয়েই চিঠি লিখে সবরকম দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন তিনি। খবর পাওয়া গিয়েছে, পদত্যাগপত্রের প্রতিলিপি গুরুং ও রোশন গিরির কাছে ইতিমধ্যে পাঠিয়েছেন বিনয়। সেই কারণেই আড়াআড়ি বিভক্ত মোর্চার ফের একমঞ্চে আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। বিনয়ের পদত্যাগের সিদ্ধান্ত জানার পর স্বাগত জানিয়েছেন গোর্খা নেতা বিমল গুরুং। পদত্যাগ পত্রে বিনয় তামাং দাবি করেছেন, ২০১৯ সাল থেকেই দলের সঙ্গে তাঁর অভ্যন্তরীণ সমীকরণে সমস্যা তৈরি হয়। একই সঙ্গে এই দলের আসল নেতা বিমল গুরুং। তাঁকেই এই দলের পরিচালনা করতে দেখতে চান বিনয়, এমনটাও জানাচ্ছে তাঁর ঘনিষ্ঠ সূত্র। কিন্তু, তাঁর রাজনীতি থেকে অবসর না নেওয়ার মন্তব্য অন্য জল্পনার জন্ম দিয়েছে। পাহাড়ের রাজনীতিতে জল্পনা, বিনয় তামাং নতুন রাজনৈতিক দলের সূচনাও করতে পারেন।

জুলাই ১৫, ২০২১
কলকাতা

Park Street-Party: করোনার ভয়াবহতা ভুলে শহরে উদ্দাম পার্টি! গ্রেপ্তার ৩৭

করোনার আতঙ্ক ভুলে মাঝ রাত পর্যন্ত উদ্দাম পার্টি। সরকারি বিধিনিষেধকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ডিজে বাজিয়ে পার্টি করলেন সমাজের অভিজাত শ্রেণির একদল মানুষ। মার্চ-এপ্রিলের মৃত্যুর ভয়াবহতা নিমেষে ভুলে এই মানুষরা কী করে এমনটা করতে পারলেন, তা নিয়ে আশ্চর্য হয়েছে পুলিশ। ঘটনায় রীতিমত চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যেই ৩৭ জনকে প্রেপ্তার করা হয়েছে। করোনাকালে রাজ্যে এখনও বিধিনিষেধ সম্পূর্ণভাবে শিথিল হয়নি। পার্ক স্ট্রিটের অভিজাত হোটেলে এর মধ্যেই পার্টি করতেই ব্যস্ত ছিলেন একদল অবিবেচক মানুষ। তাও আবার মধ্যরাত পর্যন্ত। ডিজে বাজিয়ে চলে উদ্দাম নাচাগানা। সঙ্গে মদের ফোয়ারা। কে বলবে অতিমারি পরিস্থিতির সঙ্গে লড়ছি আমরা! খবর পেয়ে সেখানে যায় পুলিশ। পার্টির আয়োজকরা পুলিশের সঙ্গেই শুরু করে দেন তর্কাতর্কি। তারপর বাধে ধস্তাধস্তিও। শেষমেশ পুলিশ হোটেল থেকে ৩৭ জনকে গ্রেপ্তার করে। তাঁদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে দুটি গাড়ি। এছাড়াও ডিজের বিভিন্ন সামগ্রী। ধৃতদের বিরুদ্ধে বিপর্যয় মোকাবিলা আইনেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুনঃ সৌমিতা সাহার প্রর্দশনী এনভিসেজিং মাইকেলহোটেলের নাইট ক্লাবে গভীর রাত পর্যন্ত চলছিল পার্টি। খবর পেয়ে সেখানে যায় পুলিশ। তবে তাতে কিন্তু বিন্দুমাত্র পিছপা হননি পার্টির আয়োজকরা। বরং পুলিশের সঙ্গেই শুরু করে দেন তর্কাতর্কি। তারপর বাধে ধস্তাধস্তিও। শেষমেশ পুলিশ হোটেল থেকে ৩৭ জনকে গ্রেফতার করে। সংক্রমণ প্রতিহত করতে রাজ্য সরকারের তরফে একাধিক পদক্ষেপ করা হচ্ছে। লকডাউনে রীতিমতো জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে দিন আনা দিন খাওয়া, নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষের। কত মানুষ কাজ হারিয়েছেন। সমস্ত কিছু স্বীকার করে নিয়েও সরকার লকডাউন সম্পূর্ণভাবে তুলে নিতে নারাজ, কেবল সংক্রমণকে প্রতিহত করতেই। রাজ্য সরকার রেস্তোঁরা, হোটেল খোলার নির্দেশ দিয়েছে কর্মসংস্থানের কথা ভেবে। কিন্তু এই সুযোগের যথেচ্ছ অপব্যবহার করছেন সমাজের একাংশের মানুষ বলে মনে করেন পুলিশ কর্তারা। তাই এইসব মানুষকে উপযুক্ত শিক্ষা দিতেই তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

জুলাই ১১, ২০২১
কলকাতা

TMC: তৃণমূল কার্যালয়ে কর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি, জল্পনা গোষ্ঠী দ্বন্দ্বের

শনিবার রাতে আচমকাই তৃণমূলের (TMC) কার্যালয়ে ঢুকে তৃণমূল কর্মীদের ওপর হামলা। কয়েক রাউন্ড গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বেলঘরিয়া সংলগ্ন এলাকায়। জানা গিয়েছে, ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এক তৃণমূল কর্মী। বর্তমানে তিনি এক বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।আরও পড়ুনঃ দাম্পত্যে ইতি। বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত লাগান খ্যাত ভুবনেরশনিবার রাত ১০ টা নাগাদ কামারহাটি বিধানসভা এলাকার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের বিভার মোড়ে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে বসেছিলেন কর্মীরা। এমন সময় হঠাৎই ৭ থেকে ৮ টি বাইক এসে জড়ো হয় কার্যালয়ের সামনে। অভিযোগ, বাইক থেকে নেমে দুষ্কৃতীরা ঢুকে পড়েন কার্যালয়ে। তারপরেই কর্মীদের লক্ষ করে গুলি করতে শুরু করেন। মারতে থাকেন তৃণমূল কর্মীদেরও। আরও পড়ুনঃ টিকা-বিতর্কে জড়ালেন আসানসোলের প্রাক্তন ডেপুটি মেয়রহঠাৎই এমন ঘটনায় হকচকিয়ে গিয়েছেন এলাকার বাসিন্দরা। কিছু বুঝে ওঠার আগেই বাইকে চেপে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। গুলির শব্দে ও চিৎকার চেঁচামেচি শুনে বেরিয়ে আসেন স্থানীয়রা। খবর পেয়েই রাতারাতি ঘটনাস্থলে পৌঁছন কামারহাটি বিধানসভার বিধায়ক মদন মিত্র। বেলঘরিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। জানা গিয়েছে, তৃণমূল কর্মী মানস বর্ধনের গায়ে গুলি লাগে। সকাল গড়িয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিস।আরও পড়ুনঃ বিরোধী বিধান-র জ্যোতি স্নেহতৃণমূল কর্মীদের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, এই ঘটনা কোনও গোষ্ঠী দ্বন্দ্বের জেরে হয়নি। তবে স্থানীয় বিধায়ক মদন মিত্র বিজেপির দিকেই আঙুল তুলেছেন। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি বুঝতে পেরেছে উত্তর ২৪ পরগনা থেকে তারা শেষ হয়ে গিয়েছে। আমাদের পার্টির মধ্যে কত গুলো দালাল তৈরি করছে বিজেপি। সেই দালালগুলোকে দিয়ে পয়সা খাইয়ে এ কাজ করাচ্ছে। কিছু ২ পয়সার মদ্যপ ক্রিমিনালরা ঢোকাচ্ছে এলাকায়। রোজ রাতে মস্তান ঢুকছে। আমরা পাড়ার মোড়ে মোড়ে নাইট গার্ড দেব। দেখি কে ঢোকে এবার।আরও পড়ুনঃ সাইক্লোন আতঙ্কে বাংলা, সাইটোকাইন ঝড় কাড়ছে মানুষের প্রাণঅন্যদিকে, বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের কথায়, মদন মিত্রের লোকই এমনটা করেছে। কারণ ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে সব জায়গায় গন্ডগোল শুরু হয়ে গিয়েছে। গুলি-গোলা নিজেদের মধ্যেই চলছে। ওটাই তৃণমূলের কালচার। বিজেপি ওই কালচারে বিশ্বাস করে না।

জুলাই ০৪, ২০২১
রাজ্য

গলসিতে বিয়ে বাড়ির খাবার খেয়ে অসুস্থ ১০ শিশু সহ ৪৪ জন

বিয়েবাড়িতে খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লেন পরিবার পরিজন সহ কয়েকজন গ্রামবাসী। শুক্রবার ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানে গলসি থানার উচ্চগ্রামে। ১০ জন শিশুসহ ৪৪ জন অসুস্থকে ভর্তি করা হয়েছে পুরষা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে।আরও পড়ুনঃ সরকারের লিখে দেওয়া ভাষণে সত্যি উল্লেখ ছিল না, তাই বাধাহাসপাতালে ভর্তি অসুস্থরা বলেন, অনুষ্ঠান বাড়িতে আমন্ত্রিত ও প্রতিবেশীরা সবাই এদিন বেলা দশটার সময় মুড়ি, কুমড়োর তরকারি, বোঁদে খান। তারপরেই তাঁদের বমি শুরু হয়। খবর পেয়ে গ্রামে স্বাস্থ্যে কেন্দ্রের টিম যায়। পৌঁছায় ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক ফারুক হোসেন। গ্রামে যান গলসি থানার ওসি দীপঙ্কর সরকার সহ পুলিশকর্মীরা। স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও পুলিশের উদ্দ্যোগে অসুস্থ ৪৪ জন স্থানীয় পুরষা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। চিকিৎসক ডাঃ সৈফ আলি জানিয়েছেন, অসুস্থদের চিকিৎসার সব ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখন সবাই একটু সুস্থ রয়েছে । অসুস্থতার কারণ খতিয়ে দেখার কাজ শুরু করেছে স্বাস্থ্য দপ্তরের টিম। আরও পড়ুনঃ আধপোড়া-নগ্ন মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার বর্ধমানে, তদন্তে পুলিশঅসুস্থদের আত্মীয় ক্ষেত্রনাথ বাগদী জানান, এই ঘটনার পরে গ্রামে আশেপাশের মানুষজনকে সেলাইন বিতরণ ও ওষুধ বিলি করা হয়েছে। পাশাপাশি এলাকায় বিভিন্ন জায়গায় ব্লিচিং ছড়িয়ে মানুষকে সতর্ক করা হয়। এলাকায় ব্যবহৃত নলকুপটি বন্ধ করেদেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পুলিশ ও স্বাস্থ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে এলাকার পুকুরের জল ব্যবহার না করার জন্যে পোস্টার সাঁটিয়ে দেওয়া হয়েছে।

জুলাই ০২, ২০২১
কলকাতা

BJP all party meeting: বিধানসভায় সর্বদলে বৈঠকে বিজেপি বিধায়করা, গরহাজির শুভেন্দু

জল্পনা উড়িয়ে সোমবার বিধানসভায় সর্বদল বৈঠকে উপস্থিত হলেন একঝাঁক বিজেপি বিধায়ক। সম্প্রতি পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি (পিএসি)-র চেয়ারম্যান পদের মনোনয়ন নিয়ে তৃণমূল এবং বিজেপি-র টানাপড়েনের আবহ তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে এক সময় শোনা গিয়েছিল, বিজেপি বিধায়করা সর্বদল বৈঠক বয়কট করতে পারেন। কিন্তু বাস্তবে সেই জল্পনা উড়িয়ে সোমবার সর্বদলীয় বৈঠকে যোগ দিতে দেখা গেল গেরুয়াশিবিরের বেশ কয়েক জন বিধায়ককে। তবে বিধানসভায় থাকলেও তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে ওই বৈঠকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে দেখা যায়নি।আর তা নিয়েই নতুন করে উস্কে উঠছে একাধিক জল্পনা।আরও পড়ুনঃ পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলায় শহিদ সপরিবার পুলিশ আধিকারিকবিধানসভায় স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে সোমবার সর্বদলীয় বৈঠকে শাসকদলের তরফে উপস্থিত ছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, সুজিত বসু, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, নির্মল ঘোষ, অরূপ বিশ্বাস, সন্ধ্যারানি টুডু, পার্থ ভৌমিক-সহ অনেকেই। তৃণমূল বিধায়কদের পাশাপাশি ওই ঘরেই দেখা যায় একঝাঁক বিজেপি বিধায়ককেও। ছিলেন দলের মুখ্য সচেতক মনোজ টিগ্গা, সুদীপ মুখোপাধ্যায়, মিহির গোস্বামী, অম্বিকা রায়, বিমান ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, তাপসী মণ্ডলরা। সূত্রের খবর, সোমবারের সর্বদল বৈঠকে শুভেন্দুর উপস্থিতি নিয়ে আগেই জলঘোলা হচ্ছিল। তিনি অংশ নিতে নাও পারেন, এমন গুঞ্জন উঠেছিল। তবে সোমবার সকালে দেখা গেল, বিধানসভায় এসেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikary)। সর্বদলের আগে বিজেপি পরিষদীয় দল তাঁর নেতৃত্বেই নিজেদের মধ্যে আলোচনায় বসে। সূত্রের খবর, আসন্ন অধিবেশনে ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ড নিয়ে বিজেপি সরব হবে রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে, তেমনই স্ট্র্যাটেজি ঠিক করা হয়েছে। বিধানসভায় হাজির রয়েছেন মনোজ টিগ্গা, সুদীপ মুখোপাধ্যায়-সহ একাধিক বিধায়ক। আগে মনোজ টিগ্গাই ছিলে বিজেপি পরিষদীয় দলনেতা।

জুন ২৮, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

trinamool-organisational-reshuffle-kunal-ghosh-north-kolkata-president-arnab-bandyopadhyay

তৃণমূল কংগ্রেসে বড় সাংগঠনিক রদবদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দলের তরফে প্রকাশিত নতুন তালিকা অনুযায়ী উত্তর কলকাতা জেলা সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কুণাল ঘোষকে। এতদিন এই পদে ছিলেন সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি যুব তৃণমূলের সভাপতির পদ থেকেও সরানো হয়েছে সায়নী ঘোষকে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব পেয়েছেন অর্ণব বন্দ্যোপাধ্যায়।দলের অন্দরে চলা রাজনৈতিক আলোচনা এবং সাম্প্রতিক পরিস্থিতির মধ্যেই এই সিদ্ধান্তকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। দীর্ঘদিন ধরে দলের মুখপাত্র এবং অন্যতম সক্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিত কুণাল ঘোষ। সাম্প্রতিক সময়ে দলীয় অবস্থান ব্যাখ্যা করা থেকে শুরু করে বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যুতে তিনি প্রকাশ্যে তৃণমূলের হয়ে সরব ছিলেন।অন্যদিকে, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে সাম্প্রতিক সময়ে নানা রাজনৈতিক জল্পনা তৈরি হয়েছে। দিল্লিতে কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতার সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এখনও প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি।তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। উত্তর কলকাতার সাংগঠনিক দায়িত্ব এখন কুণাল ঘোষের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে যুব সংগঠনের নেতৃত্বেও নতুন মুখ আনা হয়েছে।রাজনৈতিক মহলের মতে, আগামী দিনের লড়াইকে সামনে রেখে দল নতুন করে সংগঠন সাজানোর চেষ্টা করছে। সেই কারণেই গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পদে পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এই রদবদলের ফলে দলের সাংগঠনিক কাঠামোয় কী প্রভাব পড়ে এবং নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা কীভাবে কাজ করেন, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১৩, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজ ঘিরে ভয়াবহ সংকট! ট্রাম্প-মোদি বৈঠকের আগে বাড়ছে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালী ঘিরে তৈরি হওয়া উত্তেজনার আবহে আগামী সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে এই বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।আগামী সপ্তাহে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত হতে চলা জি-সাত সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে দুই নেতার। সূত্রের খবর, সম্মেলনের ফাঁকেই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসতে পারেন মোদি ও ট্রাম্প। সম্ভাব্য বৈঠকে পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি, জ্বালানি সরবরাহ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।দীর্ঘ সময় পর দুই নেতার মুখোমুখি বৈঠক হতে চলেছে বলেও কূটনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে এই সাক্ষাৎ বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে বলে মনে করা হচ্ছে।বিশ্ব অর্থনীতির জন্য হরমুজ প্রণালী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জলপথ। পারস্য উপসাগর এবং ওমান উপসাগরের মধ্যে অবস্থিত এই প্রণালী দিয়ে বিশ্বের বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহণ করা হয়। বিশ্বের বহু দেশ, বিশেষ করে জ্বালানি আমদানিনির্ভর অর্থনীতিগুলি এই জলপথের উপর নির্ভরশীল।ভারতের ক্ষেত্রেও হরমুজের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। দেশের জ্বালানি চাহিদার একটি বড় অংশ এই পথ দিয়েই আসে। ফলে ওই অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় ভারতের অর্থনীতি এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।এদিকে সাম্প্রতিক কিছু সামুদ্রিক ঘটনার জেরে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগ বেড়েছে। বিভিন্ন দেশের বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ফলে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি এখন শুধু আঞ্চলিক সমস্যা নয়, বরং তা বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে।এই পরিস্থিতিতে মোদি ও ট্রাম্পের সম্ভাব্য বৈঠক থেকে কী বার্তা উঠে আসে এবং আন্তর্জাতিক সংকট মোকাবিলায় দুই দেশ কী অবস্থান নেয়, সেদিকেই নজর থাকবে বিশ্ব কূটনৈতিক মহলের।

জুন ১৩, ২০২৬
দেশ

অবতরণের আগেই ভয়াবহ বিপর্যয়! অসমে বায়ুসেনার বিমান ভেঙে পড়ে মৃত্যু পাঁচ সেনাকর্মীর

অসমের জোরহাটে ভারতীয় বায়ুসেনার একটি পরিবহণ বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়ে পাঁচ সেনা কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকালে জোরহাট বিমানঘাঁটিতে অবতরণের সময় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর মুহূর্তের মধ্যেই বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু হলেও পাঁচজনকে আর বাঁচানো সম্ভব হয়নি।ভারতীয় বায়ুসেনার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন স্কোয়াড্রন লিডার প্রশান্ত সিং, ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট শুভম কুমার, সার্জেন্ট জিতেন্দ্র শর্মা, অগ্নিবীরবায়ু খেমারাম কুমোয়াত এবং অগ্নিবীরবায়ু ডেনিস আলম। নিহত সেনা কর্মীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও শোক প্রকাশ করেছে বায়ুসেনা।বায়ুসেনা সূত্রে খবর, শনিবার সকাল প্রায় দশটা নাগাদ একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সময় বিমানটি দুর্ঘটনার মুখে পড়ে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, অবতরণের সময় জোরহাট বিমানঘাঁটির মধ্যেই বিমানটি ভেঙে পড়ে। এরপরই দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে গোটা বিমানে।দুর্ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকল ও উদ্ধারকারী দল। দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও বিমানে থাকা পাঁচ সেনা কর্মীর প্রাণ রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে ভারতীয় বায়ুসেনা।অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানিয়েছেন, জোরহাটে বায়ুসেনার বিমান দুর্ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই রাজ্য প্রশাসন প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছে। ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।উল্লেখ্য, কয়েক মাস আগেই অসমের কার্বি আংলং জেলায় একটি যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনায় দুই পাইলটের মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও বায়ুসেনার বিমান দুর্ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এল অসমে।দেশের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রাণ হারানো পাঁচ বায়ুসেনা কর্মীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শোকপ্রকাশ করেছেন বিভিন্ন মহলের মানুষ। তাঁদের এই আত্মত্যাগ দেশের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে মত অনেকের।

জুন ১৩, ২০২৬
দেশ

ভূপেন্দ্র যাদবের পর অমিত শাহ! দিল্লিতে সুদীপের একের পর এক বৈঠকে তুঙ্গে জল্পনা

দিল্লিতে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠককে কেন্দ্র করে ফের রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ষীয়ান সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে সাক্ষাতের পর তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন বলে রাজনৈতিক সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরেই শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।দীর্ঘদিন ধরেই জাতীয় রাজনীতিতে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিচিতি একজন অভিজ্ঞ সংসদ সদস্য হিসেবে। লোকসভায় বহু বছর তিনি তৃণমূলের দলনেতার দায়িত্ব পালন করেছেন। সংসদে বিভিন্ন দলের নেতাদের সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্কের কথাও রাজনৈতিক মহলে পরিচিত।সূত্রের দাবি, শনিবার দিল্লিতে পৌঁছে প্রথমে ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে যান সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়। সেখানে বৈঠক শেষে তিনি অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেন বলেও জানা যাচ্ছে। দুই নেতার মধ্যে কিছু সময় আলোচনা হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি।এই বৈঠকের পর থেকেই সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে নানা রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের অন্দরের বর্তমান পরিস্থিতি, সাংসদদের অবস্থান এবং ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। যদিও সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এখনও এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক যাত্রার শুরু থেকেই তিনি দলের সঙ্গে যুক্ত। অতীতে রাজনৈতিক মতপার্থক্য তৈরি হলেও পরবর্তীতে তিনি আবার তৃণমূলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ফিরে আসেন।দিল্লিতে তাঁর সাম্প্রতিক বৈঠকগুলি শুধুই সৌজন্য সাক্ষাৎ নাকি এর পিছনে বড় কোনও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য এবং জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক অবস্থান এবং তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সমীকরণ কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১৩, ২০২৬
রাজ্য

১১ ঘণ্টার ম্যারাথন তল্লাশি! মদন মিত্রের ফ্ল্যাট থেকে কী কী নিয়ে গেল ইডি?

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের একাধিক ফ্ল্যাটে দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশি চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। শনিবার ভোরে শুরু হওয়া এই অভিযান চলে প্রায় ১১ ঘণ্টা। দিনের শেষে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি সংগ্রহ করে তদন্তকারীরা ফিরে গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।মদন মিত্রের ফ্ল্যাটের কেয়ারটেকার সীতারাম পাহাড়ির দাবি, সকালে ইডি আধিকারিকরা সেখানে পৌঁছে নিজেদের পরিচয় দেন এবং বিভিন্ন নথি খতিয়ে দেখতে শুরু করেন। দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশির পর বেশ কিছু কাগজপত্র তাঁরা সঙ্গে করে নিয়ে যান। পাশাপাশি মদন মিত্রের খোঁজও করেন তদন্তকারীরা।সূত্রের খবর, শনিবার একেবারে ভোরবেলা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে নিয়ে মদন মিত্রের ফ্ল্যাটে পৌঁছন ইডির পাঁচ থেকে ছয় জন আধিকারিক। তবে অভিযান শুরু করতেই সমস্যার মুখে পড়তে হয় তাঁদের। জোকা মেট্রো স্টেশন সংলগ্ন ফ্ল্যাটটি তালাবন্ধ থাকায় প্রথমে ভিতরে প্রবেশ করতে পারেননি তদন্তকারীরা।দীর্ঘ সময় ধরে ফ্ল্যাটের বাইরে অপেক্ষা করতে হয় ইডি আধিকারিকদের। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চাবির খোঁজ চলার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এবং তল্লাশি শুরু করা সম্ভব হয়। এরপর ফ্ল্যাটের বিভিন্ন অংশে বিস্তারিত অনুসন্ধান চালানো হয়।শুধু জোকার ফ্ল্যাট নয়, একই সঙ্গে মদন মিত্রের ভবানীপুরের ফ্ল্যাটেও তল্লাশি চালানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে বিভিন্ন আর্থিক নথি এবং তথ্য সংগ্রহ করতেই এই অভিযান বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি।দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই তল্লাশির পর তদন্তে নতুন কোনও তথ্য সামনে আসে কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহল এবং প্রশাসনের।

জুন ১৩, ২০২৬
কলকাতা

এবার ২৫০ কোটির দুর্নীতির অভিযোগ! অভিষেকের বিরুদ্ধে নতুন এফআইআর ঘিরে তোলপাড়

একের পর এক মামলা, তলব এবং তদন্তের মধ্যেই এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নতুন করে দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এল। আমফান পরবর্তী ত্রাণ বিতরণে প্রায় ২৫০ কোটির আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তুলে তাঁর বিরুদ্ধে একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক।অভিযোগকারীদের দাবি, ঘূর্ণিঝড় আমফানের পর ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার জন্য সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি তৈরির জন্য উপভোক্তাদের ২০ হাজার টাকা এবং ঘর মেরামতের জন্য ৫ হাজার টাকা করে সাহায্য দেওয়া হয়। কিন্তু সেই ত্রাণ বণ্টন প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়েছে, বহু পাকা বাড়িকে ক্ষতিগ্রস্ত দেখিয়ে সরকারি অর্থ দেওয়া হয়েছে। এমনকী একই পরিবারের বা একই ছাদের নীচে বসবাসকারী একাধিক ব্যক্তির নামে আলাদা আলাদা করে আর্থিক সাহায্য মঞ্জুর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। শুধু তাই নয়, সরকারি সাহায্যের টাকা পাইয়ে দেওয়ার নামে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, একাধিক উপভোক্তার নাম একই মোবাইল নম্বরের সঙ্গে যুক্ত ছিল। একটি নম্বরে ১৩ জন এবং অন্য একটি নম্বরে ৮ জন উপভোক্তার তথ্য নথিভুক্ত করা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যাঙ্ক শাখার মাধ্যমে ওই অর্থ বিতরণের তথ্যও তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য বিশেষ তদন্তকারী দল গঠনের দাবি তুলেছেন বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস। তাঁর অভিযোগ, ত্রাণ বণ্টনের নামে বৃহৎ আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে এবং তার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।উল্লেখ্য, এর আগেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ দায়ের হয়েছে। সম্প্রতি এক বিজেপি নেতা অভিযোগ করেছিলেন, প্রায় সাড়ে সাত বছর আগে তাঁর উপর হামলার ঘটনায় অভিষেকের ভূমিকা ছিল। সেই অভিযোগ নিয়েও আইনি প্রক্রিয়া চলছে।নতুন এফআইআর দায়ের হওয়ার পর রাজনৈতিক মহলে জল্পনা আরও বেড়েছে। আমফান ত্রাণ বণ্টনকে কেন্দ্র করে ওঠা এই অভিযোগের তদন্ত কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজ্যের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের।

জুন ১৩, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলে কি আরও এক বড় ভাঙন? দিল্লিতে ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে বৈঠকে সুদীপ, তুঙ্গে জল্পনা

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে রাজনৈতিক জল্পনা আরও উসকে দিল দিল্লির একটি বৈঠক। উত্তর কলকাতার সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে দেখা করায় নতুন করে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। শনিবার দিল্লিতে পৌঁছেই তিনি ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে যান বলে সূত্রের খবর। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়। দুজনকে একসঙ্গে দেখা যাওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের অন্যতম অভিজ্ঞ সাংসদ হিসেবে পরিচিত। লোকসভায় বহু বছর তিনি দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন। পরে সেই দায়িত্ব অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে তুলে দেওয়া হলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মধ্যে জল্পনা শুরু হয়েছিল। যদিও তখন প্রকাশ্যে কোনও অসন্তোষ দেখাননি সুদীপ।তবে বর্তমানে তৃণমূলের অন্দরে বিভিন্ন বিষয়ে অসন্তোষ এবং সাংসদদের অবস্থান নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। সেই পরিস্থিতিতে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বৈঠককে ঘিরে জল্পনা আরও বেড়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, যদি ভবিষ্যতে কোনও নতুন সমীকরণ তৈরি হয়, তবে সেখানে সুদীপ গুরুত্বপূর্ণ মুখ হয়ে উঠতে পারেন।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় শুধু একজন সাংসদ নন, তিনি তৃণমূলের প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন কংগ্রেস ছেড়ে নতুন দল গঠন করেন, তখন প্রথম সারির যাঁরা তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে সুদীপ অন্যতম। যদিও পরবর্তী সময়ে তাঁদের সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল। একসময় তিনি দল ছেড়েও বেরিয়ে গিয়েছিলেন। পরে আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বেই ফিরে আসেন।সম্প্রতি তৃণমূলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সুদীপের স্ত্রী নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়কে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দেখা গিয়েছে। দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও পেয়েছেন তিনি। ফলে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে এখন নানা মহলে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।তবে এই বৈঠক শুধুই সৌজন্য সাক্ষাৎ নাকি এর পিছনে অন্য কোনও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কিন্তু দিল্লির এই সাক্ষাৎকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের অন্দরে এবং রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে জল্পনা যে নতুন মাত্রা পেয়েছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

জুন ১৩, ২০২৬
কলকাতা

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বড় পদক্ষেপ! মদন মিত্রের একাধিক ফ্ল্যাটে ইডির অভিযান

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে ফের সক্রিয় হল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। শুক্রবার ভোরে কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের একাধিক ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালান ইডি আধিকারিকরা। দক্ষিণেশ্বর এবং জোকার ফ্ল্যাটে একযোগে অভিযান ঘিরে সকাল থেকেই রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে।সূত্রের খবর, ভোরবেলা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে নিয়ে মদন মিত্রের বিভিন্ন ঠিকানায় পৌঁছন ইডি আধিকারিকরা। জোকা মেট্রো স্টেশন সংলগ্ন একটি ফ্ল্যাটে গিয়ে প্রথমে সমস্যার মুখে পড়তে হয় তদন্তকারীদের। ফ্ল্যাটটি তালাবন্ধ থাকায় দীর্ঘ সময় বাইরে অপেক্ষা করতে হয় তাঁদের। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চাবির খোঁজ চলার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হয়।তদন্তকারী সংস্থার দাবি, জোকার ওই ফ্ল্যাটে গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে মদন মিত্র নিয়মিত থাকেন না। স্থানীয় বাসিন্দারাও জানিয়েছেন, বহু বছর ধরে তাঁকে সেখানে দেখা যায়নি। তবে তদন্তের স্বার্থে ওই ঠিকানাতেও তল্লাশি চালানো হয়।একই সময়ে দক্ষিণেশ্বর এবং ভবানীপুরের আরও একটি ঠিকানাতেও পৌঁছে যায় ইডির দল। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য খুঁজতেই এই অভিযান বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি।ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, তল্লাশির সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি এবং নগদ অর্থের সন্ধান মিলেছে। পাশাপাশি একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সম্পর্কেও তথ্য হাতে এসেছে তদন্তকারীদের। যদিও এই বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি।শুধু মদন মিত্রের ঠিকানাই নয়, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে এদিন একযোগে মোট আটটি জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়। বেলেঘাটা মেন রোডে ঠিকাদার সঞ্জীব ঘোষের বাড়িতেও পৌঁছয় ইডির একটি দল। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, বিভিন্ন সরকারি কাজের বরাত এবং আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে কোনও অনিয়ম জড়িত ছিল কি না।পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এর আগেও একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এবং বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সেই তদন্তের ধারাবাহিকতায় মদন মিত্রের একাধিক ফ্ল্যাটে এই তল্লাশি নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে জল্পনা বাড়িয়েছে।

জুন ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal