• ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার ২৩ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Painting

কলকাতা

বিধাননগরে রং, তুলি হাতে দেওয়াল লিখনে ব্যস্ত তৃণমূলের মহিলা কর্মীরা

রং, তুলি হাতে শাড়ি পড়ে মহিলারা। ভোট প্রচারের দেয়াল লিখনে শঙ্খ বাজিয়ে স্লোগান দিয়ে ব্যস্ত তারা। বিধান নগর, মহিলা কাউন্সিলরের নেতৃত্বে এভাবেই দেওয়াল লিখনের কাজে হাত লাগালো মহিলারাই। বারাসাত লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত বিধান নগরে ভোটের প্রচারে দেয়াল লিখন শুরু করল তৃণমূল কংগ্রেসের মহিলারা। আর এই প্রচার শুরু হল বিধাননগর কর্পোরেশনের ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আলো দত্তর হাত ধরে। লোকসভা ভোটের দিন ঘোষণা হয়নি এখনও। প্রার্থী তালিকাও প্রকাশ করেনি তৃণমূল কংগ্রেস। এরই মধ্যে মঙ্গলবার সকাল থেকেই বিধান নগরের দত্তাবাদ এলাকায় তৃণমূল এর তরফ থেকে দেওয়াল লিখন শুরু করলো মহিলারা। শাড়ি পড়ে, রং তুলি হাতে ভোট প্রচারের কাজে দেয়াল লেখায় ব্যস্ত তাঁরা। তবে যেহেতু প্রার্থীর নাম এখনও ঘোষণা হয়নি, সেই কারণে নামের জায়গা ফাঁকা রেখেই দেওয়াল লেখা হচ্ছে।

মার্চ ০৫, ২০২৪
রাজ্য

রং তুলির মেলবন্ধনে মেতে উঠলো রাঢ়-বঙ্গের শিল্প কর্মশালা

রাঢ় কৃষ্টি ওয়েলফেয়ার সংস্থার আয়োজিত দুদিনের আর্ট ওয়ার্কশপ শুক্রবার শুরু হল। বর্ধমান শহরে বইমেলা প্রাঙ্গণে এই আর্ট ওয়ার্কশপ-র শুভ উদ্বোধন করেন বর্ধমান সদর দক্ষিণের মহকুমা শাসক কৃষ্ণেন্দু মণ্ডল। এবছর রাঢ় কৃষ্টি ওয়েলফেয়ার সংস্থার আর্ট ওয়ার্কশপ৬ষ্ট বর্ষে পদার্পন করলো। মোট ৪২ জন স্বনামধন্য শিল্পী এই শিল্প কর্মশালার অংশগ্রহন করছেন।শিল্প পদর্শনীবাইমেলা শুরুর দিন থেকেই মেলা প্রাঙ্গণে তাঁদের শিল্প পদর্শনী চলছে। বিভিন্ন নামী শিল্পীরা সশরীরে উপস্থিত হয়ে ক্যানভাস তুলি রং নিয়ে কর্মশালা আলো করে তুলেছেন। কেউ জল মাধ্যমে তো কেউ অ্যাক্রেলিক তো কেউ ডোকরা করতে ব্যাস্ত। প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করে মহকুমাশাসক বলেন, তাঁকে ছোট বেলায় ওড়িয়া ভাষা শিখতে হয়েছিলো। কিন্তু তাঁর ইচ্ছা ছিলো আদিবাসী (অলচিকি) ভাষা শেখা এবং তিনি তা শিখেও ছিলেন। তিনি আরও বলেন শুক্রবারের এই কর্মশালায় এসে বিভিন্ন শিল্পীদের সহচর্য পেয়ে মনে এই শিল্প কর্ম শেখার ইচ্ছা জাগছে। আজকের অনুষ্ঠানের উপরি পাওনা মহকুমা শাসক কৃষ্ণেন্দু মণ্ডলের গলায় লোকগীতি আমায় ডুবাইলি রে-আমায় ভাসাইলি রে...।শিল্পী শ্যমল মুখোপাধ্যায়মহকুমা শাসক কৃষ্ণেন্দু মণ্ডল তাঁর বক্তব্যে এই সংস্থার শ্রীবৃদ্ধি কামনা করেন, আগামীদিনে আরও বড় কর্মশালার আয়োজনের শুভেচ্ছা জানান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজকর্মী ও শিল্পপতি সন্তোষ সাহাশিকদার, প্রথিতযশা চিত্রকর শ্যমল মুখোপাধ্যায়। শিল্পী শ্যমল মুখোপাধ্যায় জানান, তিনি তিন তিন বার অকৃতকার্য হয়ে শান্তিনিকেতন থেকে শিল্প শিক্ষা গ্রহণ করে চিত্রশিল্পী হয়েছেন। তিনি জানান, তাঁর শিল্পকর্ম নিয়ে তিনি ৪২টি দেশে চিত্র পদর্শনী করেছেন।শ্যমল মুখোপাধ্যায়, প্রদ্যুত পাল ও সহশিল্পীরাঢ় কৃষ্টি ওয়েলফেয়ার সংস্থার অন্যতম সদস্য শিল্পী প্রদ্যুত পাল বলেন, এবছর আমরা বইমেলায় এই প্রদর্শনী ও কর্মশালার আয়োজন করলাম, খুবই ভালো সাড়া পাচ্ছি। সামনের বছর এই অনুষ্ঠান আরও বড়ো করে করার চেষ্টা করবো। এবছর বর্ধমান সহ সারা বাংলার মোট ৪২ জন শিল্পী অংশগ্রহণ করেছেন। ঝাড়খণ্ড থেকেও একজন শিল্পী এই কর্মশালার এসেছেন।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৩
নিবন্ধ

সৌমিতা সাহা'র 'ভারত মাতা' ভেনিজুয়েলায় প্রর্দশনী আলো করে বিশ্ব ভ্রমণে

সীমার বেড়াজালে যাকে বাঁধা যায়না সেই সৃজনশীলতা স্থান পায় অসীমে। চারুকলা জগতেও প্রায়ই ঘটে থাকে এমন ঘটনা। সম্প্রতি দক্ষিণ আমেরিকার ভেনিজুয়েলায় এরিজ্ গ্যালারিয়া দি আর্তে প্রেক্ষাগৃহ আয়োজিত প্রর্দশনীতে স্থান পেয়েছে স্বনাম ধন্যা সঙ্গীত শিল্পী ও চিত্রকর সৌমিতা সাহার আঁকা ভারত মাতা ছবি। বিশ্বের নানা প্রান্তের শিল্পীদের বাছাই করা চিত্রসম্ভারে সুসজ্জিত প্রর্দশনীতে স্থান পেয়েছে মোট ৭জন ভারতীয় চিত্রকরের শিল্পকর্ম। সৌমিতা তাদেরই একজন। শিল্পী সৌমিতার অ্যাক্রেলিক মাধ্যমে আঁকা ভারত মাতা -র প্রথম টিজার দেখা যায় তাঁর বন্দে মাতরম-মন্ত্র গান মিউজিক ভিডিওতে। সেই থেকে মন্ত্র গান ও সৌমিতার ভারত মাতা চর্চার এক অন্যতম বিষয় হয়ে দাঁড়ায় নেট পাড়ায়। প্রবাদ প্রতিম চিত্রকার এম.এফ হুসেনের বিতর্কীত মদার ইন্ডিয়া ব্যাতিত ভারত মাতার রুপদানে প্রথম কারিগর অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর। পরবর্তী কালে মগন লাল শর্মা ও কয়েক দশক বাদে শোভা সিংহ আবার আঁকেন ভারত মাতার নয়নাভিরাম ছবি। সমকালীন তরুন প্রজন্মের শিল্পীদের মধ্যে বহু বছর পর আবারও দেশ মাতৃকার ভুবন মোহিনী রূপ ফুটে ওঠে মৌমিতার ক্যা্নভাসে। কবিগুরুর ভাষায় আকাশতলে উঠল ফুটে- আলোর শতদল। পাপড়িগুলি থরে থরে- ছড়ালো দিক্-দিগন্তরে। সৌমিতার ভারত মাতা শতদল হস্তে বিশ্ব পরিভ্রমণে বেড়িয়ে তাঁর শিল্পের পাপড়িগুলি দিক-দিগন্তে ছড়িয়ে দিচ্ছেন।দেশের শিল্পীদের আন্তর্জাতিক মঞ্চে এই প্রর্দশনীর অংশ হয়ে ওঠা গৌরবের বিষয়। আর আন্তর্জাতিক মঞ্চেও স্বদেশীয়ানা নজির গড়লেন বাংলার সৌমিতা। সৌমিতার ক্যানভাস আলো করে বিরাজমান সয়ং দেশ মাতৃকা। অতীতেও পোর্টল্যান্ডের আর্ট রীচ গ্যালারিতে স্থান পেয়েছে মৌমিতার শিল্পকর্ম। আবারও দেশের গন্ডি পেরিয়ে ভেনিজুয়েলায় দেশের নাম উজ্জ্বল করলেন বাংলার সৌমিতা।

আগস্ট ২৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সিমলার জায়তি আর্ট গ্যালারিতে ভারতবর্ষের চিত্রকলার বিভিন্ন মাধ্যম তুলে ধরা হল

সিমলার জায়তি আর্ট গ্যালারিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে চিত্র প্রদর্শনীর। ২৭ মে এই চিত্র প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। চলবে ১ মে পর্যন্ত। ১৯ জন শিল্পীর ৪টি করে ছবি অর্থাৎ মোট ৭৬টি ছবি এই চিত্র প্রদর্শনীতে দেখানো হচ্ছে। এই চিত্র প্রদর্শনী সম্পর্কে বেঙ্গল আর্ট ফাউন্ডেশনের সভাপতি অশোক রায় জনতার কথা- কে জানালেন, এই চিত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে ভারতবর্ষের চিত্রকলার বিভিন্ন মাধ্যম তুলে ধরা হয়েছে। কলকাতা, জয়পুর, দিল্লি, হায়দরাবাদ, বেঙ্গালুরু এবং অসমের শিল্পীদের ছবি আছে এই চিত্র প্রদর্শনীতে। কলকাতার ৭ জন চিত্রশিল্পীর ছবি এই চিত্র প্রদর্শনীতে রয়েছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, গত ১৫ বছর ধরে আমার ছবি আঁকার বিষয় মাইথোলজি। জায়তি আর্ট গ্যালারিতে আমার ৪টে ছবিও মাইথোলজির ওপর ভিত্তি করেই আঁকা হয়েছে। বিভিন্ন চিত্র প্রদর্শনীর মতো এই চিত্রপ্রদর্শনীতেও যে যে আঁকাগুলো রয়েছে সেগুলো অনেকে কিনছেনও। জানা গেছে বেঙ্গল আর্ট ফাউন্ডেশনের অধীনে ৪-৮ নভেম্বর আন্তর্জাতিক চিত্রশিল্প উৎসব অনুষ্ঠিত হবে কলকাতায়।

এপ্রিল ৩০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

আপনার দেওয়াল, সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবে বহুজাতিক সংস্থা

ডোনেট এ ওয়াল উদ্যোগের অধীনে এশিয়ান পেইন্টস (Asian Paints) শহরের নাগরিকদের কাছে একটি দেওয়াল দান করার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে যা বহুজাতিক সংস্থা এশিয়ান পেইন্টস। তারা সেই দেওয়াল ছবি আঁকা এবং তার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবে বিনা খরচে। দেওয়ালে আঁকা ছবি একটি গল্প বলবে। গল্পটি শিল্পকর্মের একটি মাস্টারপিসকে তুলে ধরবে। ডোনেট-এ-ওয়াল উদ্যোগে সারা দিয়ে সিইএসসি পাটুলি সাব-স্টেশনে একটি অনুপ্রেরণামূলক এবং উদ্দীপক ম্যুরাল সহ কলকাতায় যাওয়ার পথে তৈরি করেছে। সিইএসসি তে আবিষ্কৃত ম্যুরালের মাধ্যমে কলকাতার উৎসবের চেতনা দিনরাত প্রতিফলিত হবে৷ পাটুলি সাব-স্টেশন প্রাচীর যেমনটি হয়েছে। প্রতি বছর দুর্গাপুজোর সময় আনন্দের শহর তার শীর্ষে থাকে, এই শহর কয়েক দশক ধরে দুর্গা ও তার সন্তানদের সুন্দর মূর্তি দ্বারা শোভা পায়। দেবী মা প্রতি বছর কুমারটুলির গলিপথ থেকে ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জ, ওয়াশিংটন ডিসি এবং জোহানেসবার্গ থেকে লন্ডন পর্যন্ত দূরবর্তী দেশে পূজিত হয় মাতৃরূপে। যাইহোক, কুমোরটুলির কারিগররা-ভাস্কর্যের জন্য বিখ্যাত - তাদের প্রাপ্য কখনই পায়নি। তাই কেন্দ্রীয় থিম যা সেন্ট আর্ট ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন এবং এশিয়ান পেইন্টসকে তাদের ডোনেট-এ-ওয়াল উদ্যোগের মাধ্যমে কুমারটুলির এই কারিগরদের কারুকার্য উদযাপন করতে অনুপ্রাণিত করছে।

মার্চ ০২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

শিল্পাঙ্গন আর্ট স্কুলের আর্ট এক্সিবিশন

শিল্পাঙ্গন আর্ট স্কুলের পক্ষ থেকে ত্রিশক্তি সংঘ ক্লাবে আর্ট এক্সিবিশনের আয়োজন করা হয় পিকনিক গার্ডেনসের ত্রিশক্তি সমাজ কল্যাণ পরিষদে। বিগত ৭ বছর ধরে এখানেই এই আর্ট স্কুলের চিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। ২০০ জন ছাত্রছাত্রীদের আঁকা প্রদর্শিত হয় এবারের আর্ট এক্সিবিশিনে।এর মধ্যে ছিল পাঞ্জাবি ও জামার ওপর শিল্পকলা, ক্রিয়েটিভ ছবি, মর্দান আর্ট, ছাতার ওপর বিভিন্ন শিল্পকলা ইত্যাদি। প্রত্যেকটা আঁকার মধ্যেই ছিল অভিনবত্বের ছাপ।আর্ট এক্সিবিশিনের উদ্বোধন করেন বাচিকশিল্পী ও শিক্ষাবিদ ডক্টর চান্দ্রেয়ী দত্ত গুহ রায়। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক ও কবি ইন্দ্রজিৎ আইচ, সিএবির সিনিয়র আম্পায়ার সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়, কবি ও সমাজসেবক সুদীপ্ত মণ্ডল, সোমনাথ ভদ্র প্রমুখ। কোভিড পরিস্থিতির মধ্যে উপযুক্ত সাবধানতা অবলম্বন করেই ২০২২ এর আর্ট এক্সিবিশিনের আয়োজন করে তারা। উপস্থিত শিল্পীরা এখানকার ছাত্র-ছাত্রীদের আঁকার প্রশংসা না করে থাকতে পারেন্নি।সবাইকে মেডেল পরিয়ে সম্মাননা জানান তারা।শিল্পাঙ্গন আর্ট স্কুলের আর্ট এক্সিবিশনপ্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সাল থেকে শিল্পাঙ্গন আর্ট স্কুলের পথচলা শুরু হয়। সারা কলকাতায় এদের ৮০টি শাখা রয়েছে। বিগত ১৫ বছর ধরে তারা এই আর্ট এক্সিবিশনের আয়োজন করছে। এছাড়া কয়েকমাস আগে গ্যালারি গোল্ডে তাদের একটি চিত্র প্রদর্শনী আয়োজিত হয়েছিল।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২২
কলকাতা

Kaikhali Fire: কৈখালিতে রঙের কারখানায় বিস্ফোরণ! বছরের প্রথম দিনই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড শহরে

বছরের প্রথম দিনই অগ্নিকাণ্ড। বিধ্বংসী আগুনে ভস্মীভূত কৈখালির রঙের কারখানা। শনিবার সকালে কৈখালির ওই রঙের কারখানায় আগুন লাগে। কারখানায় প্রচুর রাসায়নিক পদার্থ মজুত থাকায় লহমায় ছড়িয়ে পড়ে আগুন। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় এলাকা। কারখানাটি বিমানবন্দর লাগোয়া হওয়ায় বাড়ে দুশ্চিন্তা। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তরফে এনডিআরএফ-কে খবর দেওয়া হয়। এনডিআরএফ-এর দলও ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছে। যেহেতু রঙের কারখানা, তাই আগুন মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে। রঙের কারখানা থেকে ওই আগুন পাশের কারখানাতেও ছড়িয়ে পড়ে বলে স্থানীয়দের দাবি। দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন ছড়ানোর আশঙ্কা আরও বাড়ছে।ইতিমধ্যেই দমকলের ১৫টি ইঞ্জিন আগুন নেভানোর সবরকম চেষ্টা করলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি। যেহেতু কেমিক্যাল ফ্যাক্টরি পরিস্থিতি বাগে আনা কিছুটা কঠিন হচ্ছে। দমকলের প্রাথমিক অনুমান শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে। পাশেই রয়েছে বাচ্চাদের পোশাক তৈরির কারখানা। আগুনের লেলিহান শিখা সেই কারখানাকেও গ্রাস করেছে।রাজারহাট-গোপালপুরের বিধায়ক অদিতি মুন্সী ঘটনাস্থলে পৌঁছন। অদিতি মুন্সী বলেন, অনেকটাই আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। দমকল বাহিনী যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করছে। আশা করা যায় কিছুক্ষণের মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারব। কী থেকে আগুন লাগল তা এখনও নিশ্চিত করা যায়নি। খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মূলত এটা একটা কেমিক্যাল ফ্যাক্টরি। পাশে গেঞ্জির কারখানা। যা যা ব্যবস্থা নেওয়া দরকার এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসে গেলে তার চেষ্টা করব। এটা বসতি এলাকা। বহু বাড়ি রয়েছে আশেপাশে। এই ঘটনার যাতে পুনরাবৃত্তি না হয় তার জন্য যে যে ব্যবস্থা নেওয়া যায় আমরা তা করব। স্থানীয়রা জানান, সেখানে বেশ কিছু দাহ্যবস্তু বোঝাই ড্রাম ছিল। আগুন লাগার পর বীভৎস শব্দে সেগুলি ফাটতে শুরু করে। এর জেরে দমকল কর্মীদের কাজ করতেই সাময়িক বেগ পেতে হয়। তাৎপর্যপূর্ণভাবে যেখানে আগুন লেগেছে, সেই এলাকা অত্যন্ত ঘিঞ্জি। জায়গা খুবই সঙ্কীর্ণ। এর ফলে দমকলের ফায়ার টেন্ডারগুলি ঢুকতেও সমস্যার মুখে পড়ে। অন্যদিকে অতিরিক্ত রাসায়নিক মজুত থাকার কারণে আগুন আরও বীভৎস রূপ নেয়।প্রশ্ন উঠছে, এই কারখানাগুলির বৈধতা নিয়েও। কীভাবে এরকম ঘিঞ্জি জায়গায় কারখানাগুলি তৈরি হয়েছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসীর একাংশ। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বিমানবন্দর থানার পুলিশ।

জানুয়ারি ০১, ২০২২

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

খাস কলকাতায় পাক গুপ্তচর চক্রের হদিস! জুতোর ব্যবসার আড়ালে চলত ভয়ঙ্কর খেলা

খাস কলকাতায় পাক গুপ্তচর চক্রের বড় পর্দাফাঁস করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। আইএসআই-এর হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে এন্টালির বাসিন্দা জাফর রিয়াজকে। তদন্তে উঠে এসেছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।জানা গিয়েছে, কলকাতায় জুতোর ব্যবসা করত জাফর। তার দুটি কারখানাও ছিল। কিন্তু সেই ব্যবসার আড়ালেই চলত গুপ্তচরবৃত্তির কাজ। নিজের নামে সিম কার্ড তুলে তা পাকিস্তানের গোয়েন্দা অফিসারদের হাতে পৌঁছে দিত সে।তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, জাফরের বিয়ে হয়েছিল পাকিস্তানের লাহোরের বাসিন্দা রাবিয়া জাফফার নামে এক মহিলার সঙ্গে। বিয়ের পর ২০১২ সাল পর্যন্ত তারা কলকাতাতেই থাকত। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। বর্তমানে তারা লাহোরেই পড়াশোনা করছে।২০১২ সালে একটি পথ দুর্ঘটনার পর জাফরের ব্যবসায় বড় ক্ষতি হয়। আর্থিক সমস্যার কারণে স্ত্রীকে লাহোরে বাপের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় সে। এরপর থেকেই পাকিস্তানে তার যাতায়াত বাড়তে থাকে। এমনকি পাকিস্তানের নাগরিকত্ব নেওয়ার চেষ্টাও করছিল বলে জানা গিয়েছে।তদন্তে দাবি, এই সুযোগকেই কাজে লাগায় পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। টাকার লোভ দেখিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির কাজে নামানো হয় জাফরকে।পরবর্তীতে কলকাতার বাড়ি বিক্রি করে প্রথমে দিল্লি এবং পরে পঞ্জাবে ঘাঁটি গাড়ে সে। তবে শেষ পর্যন্ত গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ২০২২ সালে পঞ্জাব পুলিশের বিশেষ অভিযানকারী দল জাফর ও তার সহযোগী মহম্মদ শামশেদকে গ্রেফতার করে। ধৃত শামশেদ বিহারের মধুবনির বাসিন্দা।তদন্তকারীদের দাবি, জাফর ভারতের বিভিন্ন সেনা ছাউনি, সামরিক দফতর এবং জওয়ানদের গতিবিধির ছবি ও ভিডিও তুলে সরাসরি আইএসআই-এর কাছে পাঠাত। শুধু তাই নয়, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভুয়ো পরিচয়ে ভারতীয় সিম কার্ড সংগ্রহ করে তার ওটিপি পাকিস্তানের হ্যান্ডলারদের কাছে পাঠানো হত।সেই নম্বর ব্যবহার করে পাকিস্তানের গুপ্তচররা সুন্দরী মহিলাদের ছবি দিয়ে ভুয়ো হোয়াটসঅ্যাপ প্রোফাইল তৈরি করত। এরপর ভারতীয় সেনার জওয়ানদের প্রেমের ফাঁদে ফেলার চেষ্টা চলত। তদন্তকারীদের দাবি, এই গোটা হানি ট্র্যাপ চক্রের মূল মাথাদের অন্যতম ছিল জাফর।বর্তমানে ধৃতদের জেরা করে এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং গোটা নেটওয়ার্ক কতটা বড়, তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছেন গোয়েন্দারা।

মে ২১, ২০২৬
বিদেশ

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর তুমুল ঝামেলা! ফোনালাপেই চড়ল উত্তেজনা

ইরান যুদ্ধ নিয়ে এবার প্রকাশ্যে আসছে আমেরিকা ও ইজরায়েলের মধ্যে বড় মতবিরোধের ইঙ্গিত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে এই ইস্যুতে তীব্র মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে বলে দাবি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের এক রিপোর্টে। এমনকি সম্প্রতি দুই রাষ্ট্রনেতার দীর্ঘ ফোনালাপের সময় উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ও হয়েছে বলে খবর।যদিও এই ফোনালাপ নিয়ে এখনও পর্যন্ত আমেরিকা বা ইজরায়েলের তরফে কোনও সরকারি বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ইরান যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নিয়ে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর অবস্থান একেবারেই আলাদা।সূত্রের খবর, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এখনও ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে যেতে চান। তাঁর মতে, তেহরানের সামরিক শক্তি ও পরিকাঠামো আরও দুর্বল না করা পর্যন্ত অভিযান থামানো উচিত নয়। ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থাকেও চাপে ফেলতে চাইছে তেল আভিভ।অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নাকি এই মুহূর্তে নতুন করে যুদ্ধ বাড়ানোর পক্ষপাতী নন। তিনি কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চাইছেন। যদিও ট্রাম্প স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, আলোচনায় সমাধান না এলে আমেরিকা আরও বড় হামলা চালাতে পিছপা হবে না।রিপোর্টে আরও দাবি করা হয়েছে, ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে জানিয়েছেন যে কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি বিশেষ চুক্তিপত্র তৈরির চেষ্টা চলছে। সেখানে আমেরিকা ও ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হতে পারে। এরপর শুরু হতে পারে ৩০ দিনের আলোচনা পর্ব।সেই আলোচনায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা এবং পশ্চিম এশিয়ার সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।তবে ইজরায়েল সরকারের একাধিক সূত্রের দাবি, ট্রাম্পের এই কৌশলে একেবারেই সন্তুষ্ট নয় তেল আভিভ। বরং এই পরিকল্পনায় হতাশ নেতানিয়াহু। তিনি আগের পরিকল্পনা অনুযায়ী ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার পক্ষেই রয়েছেন।এই পরিস্থিতিতে আমেরিকা ও ইজরায়েলের সম্পর্ক নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে আন্তর্জাতিক মহলে। বিশেষ করে ইরান যুদ্ধের মতো স্পর্শকাতর ইস্যুতে দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মতবিরোধ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

মে ২১, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় ফের বৃষ্টির দাপট! উত্তরবঙ্গে অতি ভারী বর্ষণের সতর্কতা, দক্ষিণে বাড়বে অস্বস্তি

গত কয়েকদিন ধরে বাংলার একাধিক জেলায় দিনের বেলায় তীব্র গরম আর বিকেলের দিকে ঝড়-বৃষ্টি দেখা যাচ্ছে। তবে এতেও গরম থেকে এখনই স্বস্তি মিলবে না বলেই জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। বরং আগামী কয়েকদিন উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি পশ্চিম বিহারের উপরেও রয়েছে আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত। এই জোড়া ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবেই উত্তরবঙ্গের আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে।বৃহস্পতিবার থেকে আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে শুক্রবার, শনিবার এবং রবিবার জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারের কিছু অংশে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে হাওয়া অফিস।দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়ি জেলায় মঙ্গলবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টি চলতে পারে। অন্যদিকে মালদহ, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।তবে দক্ষিণবঙ্গের জন্য খুব একটা সুখবর নেই। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া আরও কিছুদিন বজায় থাকবে। কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হলেও তা খুব অল্প সময়ের জন্য হবে। ফলে গরম থেকে স্থায়ী স্বস্তি মিলবে না।সবচেয়ে বেশি গরম ও অস্বস্তি অনুভূত হবে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম জেলায়। কলকাতা-সহ উপকূলের জেলাগুলিতে আর্দ্রতার কারণে ভ্যাপসা গরম আরও বেশি অনুভূত হবে। আবহাওয়াবিদদের মতে, উপকূলবর্তী এলাকায় বাতাসে জলীয় বাষ্প বেশি থাকায় অস্বস্তি অনেকটাই বাড়বে।

মে ২১, ২০২৬
কলকাতা

“দিল্লির কোন বাবা বাঁচাবে?” অভিষেকের মন্তব্যে ক্ষুব্ধ হাই কোর্ট, বড় নির্দেশ বিচারপতির

ভোট প্রচারে করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করে কলকাতা হাই কোর্টে বড় ধাক্কার মুখে পড়লেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও আপাতত তাঁকে রক্ষাকবচ দিয়েছে আদালত, তবে একাধিক শর্তও বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, আগামী ৩০ জুলাই পর্যন্ত তিনি বিদেশ যেতে পারবেন না।ঘটনার সূত্রপাত ২৭ এপ্রিল। ওইদিন আরামবাগে ভোট প্রচারে গিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নাম না করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে আক্রমণ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদার। আমি উদার নই। এবার বিষয়টা আমি দেখে নেব। ৪ মে ১২টার পর দেখব দিল্লির কোন বাবা বাঁচায়।সরকার পরিবর্তনের পর ওই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিধাননগর কমিশনারেটের সাইবার ক্রাইম শাখায় অভিষেকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়। এরপরই রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন তৃণমূল সাংসদ। বৃহস্পতিবার ছিল সেই মামলার শুনানি।শুনানির সময় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য অভিষেকের মন্তব্য নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, তিনবারের সাংসদ এবং একজন উচ্চপদস্থ রাজনৈতিক নেতা কীভাবে এমন মন্তব্য করতে পারেন। বিচারপতির বক্তব্য, ৪ মে যদি ভোটের ফল অন্যরকম হত, তাহলে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যেতে পারত।এরপর অভিষেকের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে বলেন, অমিত শাহও তো অনেক কিছু বলেন। সেই প্রসঙ্গেই বিচারপতি ফের কড়া মন্তব্য করেন।শুনানির সময় বিচারপতি আরও বলেন, মানুষ ভালোর কথা ভেবেই ২০১১ সালে পরিবর্তন এনেছিল। এর উত্তরে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মানুষ ২০২৬ সালেও ভালোর কথাই ভেবেছে। তখন বিচারপতি মন্তব্য করেন, সেটা সময় বলবে।তবে আদালত আপাতত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতারি থেকে সুরক্ষা দিয়েছে। পাশাপাশি তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, তদন্তকারী সংস্থা ডাকলে তাঁকে সশরীরে হাজিরা দিতে হবে। ভারচুয়ালি হাজিরার আবেদনও আদালত খারিজ করে দিয়েছে।এছাড়াও আদালত জানিয়েছে, অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করতে হলে অন্তত ৪৮ ঘণ্টা আগে নোটিস দিতে হবে। এখন এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

মে ২১, ২০২৬
রাজ্য

সরকারি গাড়ি ছেড়ে বাসে চড়লেন জেলাশাসক! মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে যেতে পুরুলিয়ার অভিনব সিদ্ধান্ত

জ্বালানি সাশ্রয়ের বার্তা মেনে এবার অভিনব উদ্যোগ নিল পুরুলিয়া জেলা প্রশাসন। মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিতে সরকারি গাড়ির বদলে বাসে চড়ে দুর্গাপুর রওনা দিলেন জেলার আমলা ও পুলিশ কর্তারা। বৃহস্পতিবার সকালে এই ছবি ঘিরে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে প্রশাসনিক মহলে।সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশবাসীর কাছে আহ্বান জানিয়েছিলেন, যতটা সম্ভব জ্বালানি বাঁচাতে হবে এবং যাতায়াতে গণপরিবহনকে গুরুত্ব দিতে হবে। তারই মধ্যে চলতি মাসের ১৮ তারিখ রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজকুমার আগরওয়ালও সরকারি গাড়ির ব্যবহার কমানোর নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশ মেনেই এবার একসঙ্গে বাসে চড়ে দুর্গাপুরে রওনা দিল পুরুলিয়া জেলা প্রশাসন।বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে দশটা নাগাদ জেলা প্রশাসনিক ভবন থেকে দুটি বাসে করে রওনা দেন জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক, মহকুমাশাসক এবং বিডিওরা। একইভাবে পুলিশের আধিকারিকরাও গাড়ির সংখ্যা কমিয়ে বৈঠকে যোগ দিতে যান।পুরুলিয়ার জেলাশাসক সুধীর কোন্থম বলেন, দেশের প্রধানমন্ত্রীর বার্তা অনুযায়ী জ্বালানির খরচ কমাতে হবে। পাশাপাশি রাজ্যের তরফেও সরকারি গাড়ির ব্যবহার কমানোর নির্দেশ রয়েছে। আমরা সেই নির্দেশ মেনেই বাসে করে দুর্গাপুর যাচ্ছি।তিনি আরও বলেন, এটা শুধু সরকারি নির্দেশ পালন নয়, সাধারণ মানুষের কাছেও একটি বার্তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা। কম খরচে এবং কম জ্বালানিতে কীভাবে কাজ করা যায়, সেটাই দেখাতে চাইছি।দুপুর দুটো নাগাদ দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারের সৃজনী প্রেক্ষাগৃহে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ওই বৈঠকে পশ্চিমাঞ্চলের পাঁচ জেলা পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান এবং বীরভূম জেলার প্রশাসনিক ও পুলিশ আধিকারিকরা উপস্থিত থাকবেন। বিডিওদের পাশাপাশি থাকবেন ওসি, আইসি, বিধায়ক এবং সাংসদরাও।প্রশাসন সূত্রে খবর, ওই বৈঠক থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। ইতিমধ্যেই মুখ্যসচিব প্রশাসনিক খরচ কমানো নিয়ে সাত দফা নির্দেশ জারি করেছেন। সেই অনুযায়ী প্রতিটি জেলা প্রশাসন এবং সরকারি দফতরকে আগামী অর্থবর্ষের জন্য তাৎক্ষণিক, মধ্যবর্তী এবং দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুক্রবারের মধ্যে সেই রিপোর্ট মুখ্যসচিবের দপ্তরে জমা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। পাশাপাশি আগামী ১ জুলাই থেকে প্রতি মাসে এই সংক্রান্ত রিপোর্ট পাঠানোর নির্দেশ রয়েছে।

মে ২১, ২০২৬
রাজ্য

ফলতায় ভোটের আগেই ‘গায়েব’ পুষ্পা জাহাঙ্গির! বুথে বুথে নেই তৃণমূল এজেন্ট, হাসিমুখে ঘুরছেন বিজেপির দেবাংশু

ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের পুনর্নির্বাচনে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই দেখা গেল একেবারে অন্য ছবি। অধিকাংশ বুথে তৃণমূলের কোনও এজেন্টই ছিলেন না। অন্যদিকে ২৮৫টি বুথেই বিজেপির এজেন্টদের দেখা যায়। এই পরিস্থিতিতে স্বাভাবিকভাবেই আত্মবিশ্বাসী বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পাণ্ডা। সকাল থেকেই তিনি এলাকায় ঘুরে বেড়ান খোশমেজাজে। কোথাও ঘুগনি-মুড়ি খেয়ে ভোটের পরিবেশ উপভোগ করতে দেখা যায় তাঁকে।ভোট দিতে আসা সাধারণ মানুষের মধ্যেও এদিন কোনও আতঙ্ক বা উত্তেজনার ছবি দেখা যায়নি। অনেকেই উৎসবের মেজাজে ভোট দেন। স্থানীয়দের দাবি, এলাকায় এদিন পরিবেশ ছিল শান্তিপূর্ণ।ফলতা কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হওয়ার কথা ছিল জাহাঙ্গির খানের। ভোটের আগে তাঁকে নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল। নিজেকে পুষ্পা বলেও পরিচয় দিয়েছিলেন তিনি। সেই সময় প্রশাসনের সঙ্গে তাঁর সংঘাতের ঘটনাও শিরোনামে আসে। তবে বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই রাজনৈতিকভাবে অনেকটাই নীরব হয়ে যান জাহাঙ্গির। কয়েকদিন আগেই সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি জানান, পুনর্নির্বাচনের লড়াই থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলকে তীব্র কটাক্ষ করেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, অনেক শুনেছিলাম, খুব ধুরন্ধর নাকি! এখন কোথায় গেল? পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে অনেকেই অনেক কিছু করতে পারে। কিন্তু পুলিশ ছাড়া লড়াই করার ক্ষমতা সবার থাকে না। আমরা লড়েছি, জিতেও এসেছি।গত এপ্রিল মাসে হওয়া বিধানসভা নির্বাচনের সময় বাংলার একাধিক বুথে বিরোধী দলের এজেন্ট না থাকার অভিযোগ উঠেছিল। সেই সময় অভিযোগ ছিল, শাসকদলের কর্মী-সমর্থকেরা বিরোধীদের বুথে বসতে দেয়নি। মাত্র এক মাসের মধ্যেই রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি পুরো বদলে গিয়েছে। এখন রাজ্যে বিজেপির সরকার। আর ফলতার ভোটে দেখা গেল উল্টো ছবি।উল্লেখ্য, ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের মোট ভোটার সংখ্যা ২ লক্ষ ৩৬ হাজার ৪৪৪। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লক্ষ ২১ হাজার ৩০০ জন। মহিলা ভোটারের সংখ্যা ১ লক্ষ ১৫ হাজার ১৩৫। এছাড়াও তৃতীয় লিঙ্গের ৯ জন ভোটার রয়েছেন এই কেন্দ্রে।

মে ২১, ২০২৬
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বেলুড় মঠে শুভেন্দু! প্রেসিডেন্ট মহারাজের পায়ে হাত দিয়ে নিলেন আশীর্বাদ

মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এবার প্রথমবার বেলুড় মঠে গেলেন শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার সকালে প্রশাসনিক বৈঠকের আগে বেলুড় মঠে পৌঁছন তিনি। সেখানে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রেসিডেন্ট মহারাজ গৌতমানন্দজির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে আশীর্বাদ নেন শুভেন্দু।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে রামকৃষ্ণ মিশনের সম্পর্ক বহুদিনের। কলকাতায় এলেই তিনি সময় করে বেলুড় মঠে যান। সেই পথেই এবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বেলুড় সফর রাজনৈতিক মহলে বিশেষ তাৎপর্য তৈরি করেছে।এদিন শুভেন্দুর সঙ্গে ছিলেন বিশিষ্ট চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়। বেলুড় মঠে পৌঁছতেই সন্ন্যাসীরা তাঁকে স্বাগত জানান। মুখ্যমন্ত্রীকে দেখতে সাধারণ দর্শনার্থীদের মধ্যেও উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। শুভেন্দুও সকলকে জোড় হাত করে প্রণাম জানান।মঠে ঢুকে প্রথমে মূল শ্রীরামকৃষ্ণ মন্দিরে যান মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে আরতি দেখেন এবং পুজো দেন। এরপর স্বামী বিবেকানন্দের স্মৃতিবিজড়িত ঘরে গিয়ে প্রণাম জানান। একে একে স্বামী ব্রহ্মানন্দ মন্দির এবং মা সারদাদেবীর মন্দিরেও পুজো ও প্রণাম করেন তিনি।সবশেষে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রেসিডেন্ট মহারাজের ঘরে গিয়ে বেশ কিছুক্ষণ সময় কাটান শুভেন্দু অধিকারী। মঠ সূত্রে খবর, প্রেসিডেন্ট মহারাজের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই প্রশাসনিক কাজকর্মে ব্যস্ত শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার তাঁর হাওড়া ও দুর্গাপুরে একাধিক প্রশাসনিক বৈঠকের সূচি রয়েছে। বেলুড় মঠ সফর শেষে তিনি হাওড়ার শরৎ সদনে প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিতে রওনা দেন। সেখানে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে পর্যালোচনা বৈঠক করেন তিনি। এরপর দুর্গাপুরেও প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর।

মে ২১, ২০২৬
দেশ

দেশে ফিরেই বড় বৈঠকে মোদী! মন্ত্রিসভায় বড় রদবদলের জল্পনা, বাংলা থেকে কি আসছেন নতুন মুখ?

বিদেশ সফর শেষ করে আজ দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর দেশে ফিরেই তিনি বসতে চলেছেন গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে এই বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত থাকার জন্য সব কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের দিল্লিতে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেই সূত্রের খবর।রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, এই বৈঠকে পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান সংঘাত পরিস্থিতি এবং তার প্রভাবে ভারতের অর্থনীতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার রদবদল নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।সূত্রের খবর, পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং তার প্রভাব নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার উদ্বিগ্ন। তেলের দাম, জ্বালানি সরবরাহ এবং মুদ্রাস্ফীতির পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। বিদেশ সফর থেকে ফিরে প্রধানমন্ত্রী মোদী গোটা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবেন বলেই মনে করা হচ্ছে।এছাড়াও বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রকের গত দুই বছরের কাজের রিপোর্টও পর্যালোচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেই মূল্যায়নের ভিত্তিতে মন্ত্রিসভায় পরিবর্তনের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।বেশ কিছুদিন ধরেই দিল্লির রাজনৈতিক মহলে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ ও রদবদল নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। সূত্রের খবর, আগামী জুন মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে মন্ত্রিসভায় বড়সড় পরিবর্তন হতে পারে। কয়েকজন মন্ত্রীর দায়িত্ব বদল বা নতুন মুখকে সুযোগ দেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সাফল্যের পর বাংলা থেকে নতুন কোনও মুখকে পূর্ণমন্ত্রী করা হতে পারে বলেও জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বাংলাকে বিশেষ গুরুত্ব দিতেই কেন্দ্র এই সিদ্ধান্ত নিতে পারে।এই আবহে আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দিল্লি সফর নিয়েও জল্পনা আরও বেড়েছে। যদিও তাঁর সফরের সরকারি কারণ নিয়ে স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি, তবু রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।

মে ২১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal