• ১০ ফাল্গুন ১৪৩২, শুক্রবার ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Padma

দেশ

ভোটের মুখে পদ্ম সম্মান! এগিয়ে বাংলা, কেরলকে কেন এত গুরুত্ব দিল কেন্দ্র?

এগিয়ে বাংলা, তার পরেই কেরল। ভোটের মুখে এই দুই রাজ্যে কেন্দ্র বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। রবিবার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক চলতি বছরের পদ্ম সম্মান প্রাপকদের তালিকা প্রকাশ করার পর সেই জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে। সরাসরি কোনও রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু না হলেও তালিকা প্রকাশের পর থেকেই নানা প্রশ্ন উঠছে।প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, এ বছর বাংলা থেকে পদ্ম সম্মান পেয়েছেন ১১ জন, আর কেরল থেকে পেয়েছেন আট জন। এই দুই রাজ্যই চলতি বছরে বিজেপির কাছে বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ বলে মনে করা হচ্ছে। সেই কারণেই সম্মানের তালিকা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক গুঞ্জন।চলতি বছরের পদ্ম সম্মান প্রাপকদের তালিকায় একাধিক পরিচিত রাজনৈতিক মুখের নাম রয়েছে। এমনকি রয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীরাও। কেন্দ্রের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, এ বছর পদ্মভূষণ সম্মান পাচ্ছেন মোট ১৩ জন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রয়াত ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শিবু সোরেন। ঝাড়খণ্ডের আদিবাসী ও পিছিয়ে পড়া মানুষের কাছে তিনি গুরুজি বা দিশম গুরু নামে পরিচিত ছিলেন।শিবু সোরেনের পাশাপাশি পদ্ম সম্মান পাচ্ছেন কেরলের প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভি এস অচ্যুতানন্দন। সাধারণত বামপন্থীরা রাষ্ট্রীয় সম্মান গ্রহণ করেন না। অতীতে জ্যোতি বসু ও বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ভারতরত্ন এবং পদ্মবিভূষণ সম্মান ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। সেই প্রেক্ষাপটে অচ্যুতানন্দনের নাম পদ্ম সম্মানের তালিকায় থাকায় বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে বিষয়টি। প্রয়াত এই বাম মুখ্যমন্ত্রীকে এ বছর পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করছে কেন্দ্র।এই সম্মান নিয়ে কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনরাই বিজয়ন কোনও মন্তব্য করতে চাননি। দলের তরফে শুধু জানানো হয়েছে, কেরল সরকার অচ্যুতানন্দনের নাম পদ্ম সম্মানের জন্য সুপারিশ করেনি। একই সুর শোনা যাচ্ছে বাংলার বাম শিবিরেও। এই বিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ তাঁরা।তবে অচ্যুতানন্দনের পুত্র অরুণকুমার কেন্দ্রকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। বাবার এই সম্মানে তিনি খুশি বলে জানান। উল্লেখ্য, শুধু অচ্যুতানন্দনই নন, কেরল থেকে এ বছর আরও সাতজন বিশিষ্ট ব্যক্তি পদ্ম সম্মান পাচ্ছেন। সব মিলিয়ে পদ্ম সম্মানের তালিকা প্রকাশের পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নতুন করে আলোচনা ও জল্পনা।

জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

পদ্মশ্রী পেলেন প্রসেনজিৎ! চার দশকের লড়াইয়ের শেষে জাতীয় স্বীকৃতি বাংলার মহাতারকার

পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হলেন বাংলা সিনেমার অন্যতম আইকন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। রবিবার সন্ধ্যায় পদ্ম সম্মান প্রাপকদের তালিকা প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সেই তালিকায় পদ্মশ্রী বিভাগে জায়গা করে নিয়েছেন বাংলার এই জনপ্রিয় অভিনেতা। ঠিক সরস্বতীপুজোর আগের দিনই মুক্তি পেয়েছে তাঁর নতুন ছবি বিজয়নগরের হীরে। চার বছর পর বড়পর্দায় ফিরেছেন কাকাবাবু। তবে শুধু একটি ছবির জন্য নয়, দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলা সিনেমায় তাঁর অবদানকেই স্বীকৃতি দিল কেন্দ্র।১৯৬৮ সালে প্রথমবার ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তখন তিনি শিশু শিল্পী। বাবা বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায় পরিচালিত ছোট্ট জিজ্ঞাসাতে প্রথম অভিনয় করেন তিনি। নায়ক হিসেবে তাঁর আত্মপ্রকাশ ১৯৮৩ সালে দুটি পাতা ছবির মাধ্যমে। এরপর থেকেই একটানা এগিয়েছে তাঁর অভিনয়জীবন। একের পর এক জনপ্রিয় ছবি, বিপুল দর্শকপ্রিয়তা এবং রাজ্যের গণ্ডি পেরিয়ে দেশজুড়ে পরিচিতিসব মিলিয়ে দীর্ঘ পথচলা তাঁর।প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের অবদান শুধু ভালো অভিনয় বা সফল ছবিতে সীমাবদ্ধ নয়। বাংলা সিনেমার ইতিহাসে তাঁর ভূমিকা নানা ভাবে ব্যাখ্যা করেন সিনেপ্রেমীরা। অনেকের মতে, যখন শহরের দর্শক বিকল্প ধারার সিনেমার দিকে ঝুঁকছিলেন, তখন গ্রামবাংলার দর্শকদের জন্য বাণিজ্যিক ছবির ভরকেন্দ্র হয়ে উঠেছিলেন প্রসেনজিৎ। একের পর এক সুপারহিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন তিনি। নিজের দীর্ঘ কেরিয়ারে সাড়ে তিনশোরও বেশি ছবিতে অভিনয় করেছেন। কখনও থেকেছেন মূলধারার নায়ক হিসেবে, আবার কখনও নিজেকে ভেঙে নতুন ধরনের চরিত্রেও দেখা গিয়েছে তাঁকে।বর্তমানে বাংলা সিনেমা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। অনেকেই বলেন, ওয়েব সিরিজ, হিন্দি ওটিটি এবং বিকল্প ধারার সিনেমার ভিড়ে বাংলা সিনেমা দর্শক হারাচ্ছে। কিন্তু প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি বিজয়নগরের হীরে সেই ধারণাকে ভেঙে দিয়েছে। শুধু কলকাতাই নয়, বলিউডের মাল্টিপ্লেক্সেও ভালো ব্যবসা করছে কাকাবাবু। বাংলা সিনেমা যে এখনও দর্শক টানতে পারে, তারই প্রমাণ দিচ্ছে এই ছবি।

জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
রাজ্য

পদ্মশ্রী জয়ী সাঁতারুর বাড়িতে ভয়াবহ চুরি, উধাও ১২০ টির বেশি মেডেল

হুগলির হিন্দমোটর দোবাই পুকুরে প্রাক্তন সাঁতারু ও পদ্মশ্রীপ্রাপ্ত বুলা চৌধুরীর পৈতৃক বাড়িতে চুরির ঘটনা। দীর্ঘদিন ফাঁকা থাকা বাড়ি থেকে সোনা, রুপো, ব্রোঞ্জের শতাধিক মেডেল, পদ্মশ্রী ও রাষ্ট্রপতি পুরস্কারের রেপ্লিকা, বিদেশি পদক ও দামি সামগ্রী খোয়া যায়। ঘটনাস্থলে উত্তরপাড়া থানার পুলিশ ও চন্দননগর কমিশনারেটের আধিকারিকরা তদন্তে নেমেছেন। উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে একই বাড়িতে দুবার চুরি হলেও আজও তার কিনারা হয়নি।ঘটনার পর পদ্মশ্রী পুরস্কার জয়ী বিখ্যাত সাঁতারু বলেন, আমি মানসিক ভাবে খুব বিপর্যস্ত। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী যখন কেন্দ্রীয় ক্রীড়া দফতরের মন্ত্রী ছিলেন তখন আমি বিদেশে সাঁতার প্রতিযোগিতায় যাওয়ার সময় উনি আমায় বলেছিলেন বুলা দেশের জন্য সোনা আনবে, আমি ৬ টি সোনার মেডেল এনে ওনার কথা রেখেছিলাম। এখন উনি মুখ্যমন্ত্রী। এবার আমার আবেদন তাঁর কাছে, দয়া করে প্রশাসনকে জোর দিন যাতে আমার সমস্ত মেডেল গুলো উদ্ধার হয়। বুলার অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

আগস্ট ১৫, ২০২৫
রাজ্য

পদ্মশ্রী তালিকায় বাংলার ৯ জন, রয়েছেন অরিজিৎ সিং, মমতা শঙ্কর, তেজেন্দ্র নারায়ণ

পদ্মশ্রী প্রাপকদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। বিভিন্ন বিভাগে এবার পশ্চিমবঙ্গ থেকে ৯ জন পদ্মশ্রী পুরস্কার পেতে চলেছে। প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে কেন্দ্রীয় সরকার পদ্ম পুরস্কার ২০২৫ প্রাপকদের নাম ঘোষণা করেছে। তালিকা অনুসারে ৭ জনকে পদ্মবিভূষণ, ১১৩ জনকে পদ্মশ্রী এবং ১৯ জনকে পদ্মভূষণ প্রদান করা হয়েছে। মোট ১৩৯ জন ব্যক্তিত্বকে পদ্ম পুরষ্কারে ভূষিত করা হয়েছে। এটি দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মানগুলির মধ্যে একটি, যা তিনটি বিভাগে দেওয়া হয় -পদ্ম বিভূষণ, পদ্মভূষণ এবং পদ্মশ্রী।শিল্প ক্ষেত্রে এরাজ্য থেকে পদ্মশ্রী পাচ্ছেন, অরিজিৎ সিং, গোকুল চন্দ্র দাস, তেজেন্দ্র নারায়ণ মজুমদার ও মমতা শঙ্কর। সাহিত্য ও শিক্ষায় নগেন্দ্র নাথ রায়, শিল্প ও বানিজ্যে পবন গোয়েঙ্কা ও সজ্জন ভজনকা। আধ্যাত্মবাদে স্বামী প্রদীপানন্দ (কার্তিক মহারাজ), সমাজকর্মে বিনায়ক লোহানী।আগামী মার্চ বা এপ্রিল মাসে রাষ্ট্রপতি ভবনে আয়োজিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু দিকপালদের হাতে পদ্ম পুরষ্কার তুলে দেবেন।

জানুয়ারি ২৫, ২০২৫
বিদেশ

জমাটি বিতর্কের পর ওপারের পদ্মার ইলিশ এবারও পুজোয়! পরিমাণই বা কত?

শেষমেশ নানা টানাপোড়েনের পর ওপারের পদ্মার রূপালী শস্য এপারে আসতে চলেছে। ইলিশ ভারতে রপ্তানি করবে কিনা তা নিয়ে নয়া স্বাধীন বাংলাদেশ-এ বিতর্ক অভ্যাহত। তারই মধ্যে এই ইলিশ পাঠানোর খবর। ইলিশ মানেই যেন এক আলাদা রসনা ত্প্তি! ইলিশের পাতুরি, ইলিশ ভাপা, ইলিশ জাফরানি, মেথি ইলিশ, রসুন নারকেল ইলিশ, ইলিশ হরিয়ালি, ইলিশ বিরিয়ানি, ইলিশ ভর্তা, ইলিশ কোর্মা, ইলিশের টক কি নেই রসনার তালিকায়! দুর্গাপুজোয় রসনাতৃপ্তিতে বাঙ্গালির পাতে ইলিশ চাইই- চাই। তবে এবার বাংলার মাছের বাজার মাত করেছে দক্ষিণ ২৪ পরগণা ও পূর্ব মেদিনীপুরের স্বাদের ইলিশ। এবার দুর্গাপুজোয় পাতে পরতে চলেছে পদ্মার ইলিশ।গত ৫ বছর টানা দুর্গাপুজো উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ থেকে এপার বাংলায় ইলিশ মাছ আমদানি হয়েছে। কিন্তু এবার বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি একেবারে ভিন্ন। শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়েছে। নোবেল জয়ী মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে চলছে বাংলাদেশে তদারকি সরকার। দুর্গা পুজোর মুখে বাঙ্গালির পাতে আদৌ পদ্মার ইলিশ পড়বে কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় ছিলই। তবে শেষ মুহূর্তে বাংলাদেশের তরফে ৩ হাজার মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানির সবুজ সংকেত দওয়া হয়েছে।এই আমদানিতে স্বভাবতই খুশির হাওয়া এপার বাংলায়। দুর্গাপুজোয় বাংলাদেশ সরকারের কাছে ইলিশ রফতানি করার জন্য আবেদন জানিয়েছিল ফিস ইমপোর্টার অ্যাসোসিয়েশন। সেই আবেদনে সাড়া দিয়েই বাংলাদেশে সরকারের তরফে জানানো হয়েছে ইলিশ রফতানির একাধিক আবেদন পেয়ে সরকারের তরফে তিন হাজার মেট্রিক টন ইলিশ রফতানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।অ্যাসোসিয়েশনের তরফে বাংলাদেশ সরকারের কাছে আবেদন জানিয়ে বলে হয়েছিল, ১৯৯৬ সাল থেকে বাংলাদেশ ইলিশ রফতানি করছে এপার বাংলায়। পেট্রাপোল সীমান্ত থেকে প্রতি বছর গড়ে ৫০০০ মেট্রিক টন ইলিশ আমদানি করা হত। দুর্ভাগ্যবশত ২০১২ সালের জুলাই মাসে হঠাৎ করেই বাংলাদেশ সরকার ইলিশ রফতানি নিষিদ্ধ করে। তারপর আমরা নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার জন্য তাদের কাছে চিঠি দিয়েছি কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। তবে গত ৫ বছর ধরে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ থেকে শুরু করে সেপ্টেম্বর, ২০২৩ পর্যন্ত ইলিশ আমদানি করা হয়।অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সৈয়দ আনোয়ার মকসুদ বলেন, এর আগে বাংলাদেশ সরকার দুর্গাপুজোর সময় ইলিশ মাছ রফতানির অনুমতি দিয়েছে। বিগত ৫ বছর ধরে ইলিশ আসছে এখানে। পশ্চিমবঙ্গ, আসাম এবং ত্রিপুরার মাছ ব্যবসায়ীদের কাছে বাংলাদেশের ইলিশের প্রচুর চাহিদা। মানুষও এই সময় ইলিশের জন্য অপেক্ষা করে থাকে। দুর্গাপুজোর সময় ইলিশ মাছ রফতানির অনুমতি দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছি।অ্যাসোসিয়শনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ২০১৯ সালে ইলিশ এসেছে ৫০০ মেট্রিক টন। তার পরের বছর ২০২০ সালে ইলিশ আমদানি করা হয়েছে ১৮৫০ মেট্রিক টন। ২০২১ সালে ২৬০০ টনের অনুমোদন থাকলেও আমদানি হয়েছে ১২০০ মেট্রিক টন। তার পরের দুবছর ২০২২ ও ২০২৩ সালে আমাদানিকৃত ইলিশের পরিমাণ ছিল ১৩০০ মেট্রিক টন। যদিও এবার সেই সকল পরিসংখ্যানকে টপকে গিয়ে ৩ হাজার মেট্রিক টন ইলিশ রফতানিতে সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশের তরফে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৪
রাজ্য

দেশের সেরা চিড়িয়াখানার শিরোপা পেল পশ্চিমবঙ্গের চিড়িয়াখানা

দেশের মধ্যে সেরা চিড়িয়াখানার শিরোপা পেল দার্জিলিংয়ের পদ্মজা নাইডু হিমালয়ান জুওলজিকাল পার্ক। দেশের প্রায় দেড়শোটা অন্যতম চিড়িয়াখানার মধ্যে সেরার শিরোপা ছিনিয়ে নিয়েছে দার্জিলিংয়ের চিড়িয়াখানা। আর সেরার শিরোপা পেতেই উচ্ছ্বসিত পার্কের আধিকারিকদের থেকে কর্মীরা। পাশাপাশি কলকাতার আলিপুর চিড়িয়াখানা চতুর্থ স্থান অধিকার করেছে। সম্প্রতি ১০ সেপ্টেম্বর ওড়িশার ভুবনেশ্বরে দেশের সমস্ত চিড়িয়াখানা ও সাফারি পার্কের ডিরেক্টরদের কনফারেন্সের আয়োজন হয়েছিল। সেই কনফারেন্সেই সেন্ট্রাল জু অথরিটি ওই তালিকা প্রকাশ করে। সেই তালিকাতেই দার্জিলিং চিড়িয়াখানা প্রথম স্থান অধিকার করেছে বলে জানা যায়। পাশাপাশি চেন্মাইয়ের চিড়িয়াখানা দ্বিতীয় ও মাইশোরের চিড়িয়াখানা তৃতীয় স্থান অধিকার করে।মূলত পদ্মজা নাইডু চিড়িয়াখানার অন্যতম আকর্ষণ রেড পান্ডা, হিমালয়ান ব্ল্যাক বিয়ার, স্নো লেপার্ড, গোরাল, হিমালয়ার টার, নীল হরিণের মতো প্রানী। পাশাপাশি তোপকেদাড়া প্রজনন কেন্দ্র, রেড পান্ডা অগমেনটেশন প্রোগ্রামের মতো প্রক্রিয়ায় অন্যতম জায়গা করে নিয়েছে দার্জিলিং চিড়িয়াখানা। যেকারণে ওই চিড়িয়াখানা দেশের বড় বড় চিড়িয়াখানাকে পিছনে ফেলে দিয়েছে। শুধু স্থানীয় দর্শক নয়। দার্জিলিং চিড়িয়াখানা দেখতে দেশের বিভিন্ন রাজ্য ও বিদেশি পর্যটকদের ব্যাপক ঢল নামে।দার্জিলিং চিড়িয়াখানার ডিরেক্টর বাসবরাজ হোলিইয়াচি বলেন, আমরা খুব আনন্দিত এই ফলে। এই কৃতিত্ব চিড়িয়াখানার সমস্ত কর্মীদের।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২২
দেশ

পদ্ম-সম্মান ফেরালেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, গীতশ্রী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়! আর কে কে পদ্ম পাচ্ছেন দেখে নিন

কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের দেওয়া পদ্মসম্মান কি গ্রহণ করবেন বাংলার শেষ কমিউনিস্ট মুখ্যমন্ত্রী? মঙ্গলবার রাত থেকে সেই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছিল রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে। বুদ্ধদেব নিজেই সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়েছেন। তাঁর পরিবারের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, বুদ্ধদেবের বাড়িতে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে কেউ এক জন ফোন করেছিলেন। তখন সম্মতি দেওয়া হয়। বুদ্ধদেব বিষয়টি তখন জানতেন না। পরে খবর জেনে পত্রপাঠ সম্মান প্রত্যাখ্যান করেছেন। রাতে তাঁর তরফে আনুষ্ঠানিক বিবৃতিও দেওয়া হবে। পাশাপাশি পদ্মশ্রী সম্মান ফিরিয়ে দিয়েছেন গীতশ্রী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ও।#UPDATE | In a statement, former West Bengal CM Buddhadeb Bhattacharjee says he will not accept the Padma Bhushan award https://t.co/YiEYyxTNGH ANI (@ANI) January 25, 2022সাধারণতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে মঙ্গলবার সন্ধেয় পদ্ম সম্মান প্রাপকদের তালিকা প্রকাশ করে কেন্দ্র। মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ সম্মানে সম্মানিত করা হল দেশের প্রথম সেনা সর্বাধিনায়ক জেনারেল বিপিন রাওয়াত। চারজনকে পদ্মবিভূষণ সম্মানে সম্মানিত করল কেন্দ্র। এই তালিকায় নাম রয়েছে মহারাষ্ট্রের প্রভা আত্রে (কলা)। মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ প্রাপকদের তালিকায় রয়েছেন তিনজন। উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কল্যাণ সিং (সামাজিক অবদান), উত্তরপ্রদেশের রাধেশ্যাম খেমকা (শিক্ষা ও সংস্কৃতি)। পদ্মভূষণ সম্মানে সম্মানিত হয়েছেন মাইক্রোসফটের সিইও সত্যনারায়ণ নাদেলা এবং অ্যালফাবেটের সিইও সুন্দর পিচাই। একই সম্মানে সম্মানিত করা হয়েছে সেরাম ইনস্টিটিউটের কর্ণধার আদর পুনাওয়ালার বাবা সাইরাস পুনাওয়ালা। সামাজিক ক্ষেত্রে অবদানের জন্য কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা গুলাম নবি আজাদও সম্মানিত হয়েছেন এই সম্মানে। বাংলা থেকে কলাক্ষেত্রে অবদানের জন্য পদ্মবিভূষণ সম্মান পাচ্ছেন অভিনেতা ভিক্টর বন্দ্যোপাধ্যায়। টাটা অ্যান্ড সন্সের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরণও পাচ্ছেন পদ্ম সম্মান।Microsoft CEO Satya Nadella, Alphabet CEO Sundar Pichai, SII MD Cyrus Poonawalla to be conferred with Padma BhushanOlympians Neeraj Chopra, Pramod Bhagat Vandana Kataria, and singer Sonu Nigam to be awarded Padma Shri pic.twitter.com/J5K9aX9Qxz ANI (@ANI) January 25, 2022বাংলা থেকে পদ্মশ্রী প্রাপকের তালিকায় নাম রয়েছে দুজনের। তাঁরা হলেন প্রহ্লাদ রাই আগরওয়াল এবং সংঘমিত্রা বন্দ্যোপাধ্যায় (বিজ্ঞান)। অলিম্পিকে সোনাজয়ী নীরজ চোপড়াও পেয়েছেন এই সম্মান।পদ্ম-বিজয়ী

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
রাজনীতি

Mamata Bannerjee: অত্যাচার, নির্যাতন না হলে বিজেপি ৩০টা আসনও পেত না, দাবি মমতার

দেশ ব্যাপী বিজেপির বিরুদ্ধে খেলা হবে স্লোগান আগেই তুলেছিলেন। এবার মুখ্যমন্ত্রী পদ্মপুকুরের জনসভায় বললেন, ভবানীপুর থেকে দেশশাসন করবেন। পাশাপাশি এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চ্যালেঞ্জ করেছেন, সঠিকভাবে নির্বাচন হলে এরাজ্যে বিজেপি ৩০টার বেশি আসনে জয় পেত না। গায়ের জোরে ৫০টি আসনে জিতেছে।৩০ সেপ্টেম্বর ভবানীপুরে উপনির্বাচন। ভবানীপুরের তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুধবার একবালপুরে সভা করেছেন। ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে ভোট দিতে আবেদন রেখেছেন। মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকতে হলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ৬ মাসের মধ্যে যে কোনও বিধানসভা আসন থেকে জয়ী হতে হবে। এদিন পদ্মপুকুরে মমতা বলেন, আমি যতক্ষণ বিধায়ক না হব ততদিন মুখ্যমন্ত্রীর পদটা শোভনীয় হবে না। নন্দীগ্রামে মনোনয়নপত্র দাখিলের দিন আমাকে আঘাত করা হয়েছিল। হুইল চেয়ারে করে দেড় মাস নির্বাচনে প্রচার করতে হয়েছিল।আরও পড়ুনঃ তিন বছরে বিজেপিকে দিল্লি ছাড়া করার হুংকার অভিষেকের২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি এরাজ্যে ৩টি আসনে জয় পেয়েছিল। এবার ৩ থেকে থেকে ৭৭ হয়েছে। রাজ্য জয় করতে না পেরে বিজেপি নেতৃত্ব এই তত্ব আউরে চলেছে। এদিন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির ৭৭ আসনে জয়কেও চ্যালেঞ্জ করেছেন। নির্বাচনী সভায় তৃণমূলনেত্রী বলেন, আগেরবার নির্বাচনে অনেক অত্যাচার হয়েছে, অনেক নির্যাতন হয়েছে। আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি সেই সময় যে ভাবে নির্বাচন করা হয়েছে যদি নির্বাচন সেভাবে না করা হতো তাহলে বিজেপি ৩০টা আসনও পেত না। ৫০ টা আসন বিজেপি গায়ের জোরে জিতেছে। তার কারণ সেদিন বাংলার প্রশাসন ছিল না। দিল্লির প্রশাসন বাংলায় এসে হাজির হয়েছিল। ডেলি প্যাসেঞ্জারি করত। সাধারণ মানুষের কোনও কথা শুনত না।এবার রাজ্যে তৃণমূল ২১৩টি আসনে জয় পেয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর আশা সংখ্যাটা ২২১ অবধি গড়িয়ে যাবে। মমতা বলেন, কেউ ভাবতেও পারেনি এত আসনে তৃণমূল জিতবে। আমি কিন্তু ২২১ বলেছিলাম। ইতিমধ্যে পাঁচ-ছজন চলে এসেছে। একটা অ্যাস্ট্রোলজিক্যাল বিষয় থাকে। ভবানীপুর মুখ্যমন্ত্রীকে নির্বাচন করবে আর এই ভবানীপুর থেকেই দেশ পরিচালনা করা হবে সেকথাও এদিন জানিয়ে দেন মমতা। তাঁর বক্তব্য, ভবানীপুর থেকে মুখ্যন্ত্রী হবে। ভাবনীপুর থেকে দেশ দেখবে। ভবানীপুর থেকেই ভারতবর্ষ শুরু হয়। মনে রাখবেন বি-তে ভবানীপুর, বি থেকেই ভারতবর্ষ।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১
রাজ্য

Hilsa Fish: পুজোয় এবার ওপার বাংলার সেরা উপহার ২ হাজার টন রূপোলি শস্য

দুর্গাপুজো উপলক্ষে ওপার বাংলা থেকে উপহার পাঠাচ্ছেন শেখ হাসিনা। আসছে ২ হাজার ৮০ মেট্রিক টন ইলিশ। পুজোয় এবার রসনাতৃপ্তির কোনও অভাব থাকবে না। মহালয়ার আগেই কলকাতার বাজারে আসছে পদ্মার ইলিশ। আগামী বুধবার থেকেই শহরে মিলবে পদ্মার ইলিশ। পুজোয় তাই এবার সাধারণের ঘরে উঠবে পদ্মার ইলিশ। এমনটাই আশা সকলেরই। আরও পড়ুনঃ মালদায় জ্বরের বলি আরও এক শিশুআজ ঢাকা সচিবালয় থেকে এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে এ কথা জানানো হয়েছে। ১১ অক্টোবর ষষ্ঠী। আর তার আগেই পুরো ২ হাজার ৮০ মেট্রিক টন ইলিশ পৌঁছে যাবে রাজ্যে। বাংলাদেশ বাণিজ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, আসন্ন দুর্গাপুজো উপলক্ষে ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে ধাপে ধাপে ইলিশ আসবে ওপার বাংলা থেকে। প্রতিদিন ১০০২০০ মেট্রিক টন ইলিশ আমদানি করা হবে এ দেশে। মঙ্গল-বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে আমদানি প্রক্রিয়া। সবকিছু ঠিক থাকলে, শুক্রবার থেকেই বাঙালির দুপুরের পাতে পড়তে পারে পদ্মার ইলিশ। এখনও পর্যন্ত যা জানা যাচ্ছে, এক একটি ইলিশের ওজন হবে ৮০০ থেকে ১২০০ গ্রাম।বাংলাদেশ বাণিজ্য মন্ত্রকের থেকে জানানো হয়েছে, মোট ৫২ টি বাণিজ্যিক সংস্থা প্রতিটি ৪০ মেট্রিক টন করে ইলিশ ভারতে রপ্তানি করার অনুমতি পেয়েছে। এবার প্রায় চার গুণ। দুহাজার টনেরও বেশি পরিমাণে ইলিশ আসছে এই বছর। স্বাভাবিকভাবেই এই খবরে খুশি ইলিশ-বিলাসী বাঙালিরা।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌Gostho Paul : শরিকী বিবাদে কিংবদন্তী গোষ্ঠ পালও আজ দু’‌ভাগ

বাড়িতে ঢোকার মুখে নীল রঙের কাঠের দরজার নেমপ্লেটে জ্বলজ্বল করছে গোষ্ঠ পালের নাম। দরজার পাশের লেটার বক্স একদিকে ঝুলে পড়েছে। মূল দরজা থেকে বাড়িতে ঢোকার সরু গলিটাও পলেস্তরা পড়ে বেশ পিচ্ছিল। তার করুণ অবস্থা বাড়ির দোতলায়। সিলিং থেকে প্লাস্টার খসে পড়েছে। ঘরের দরজার সামনে আবর্জনার স্তুপ। পা রাখার উপায় নেই। এখানেই থাকতেন কিংবদন্তী গোষ্ঠ পাল! সত্যিই বিশ্বাস করা খুবই কঠিন। শরিকী বিবাদে গোষ্ঠ পালের স্মৃতি বিজরিত বাড়িও আজ অবহেলিত।আরও পড়ুনঃ জয় দিয়ে এএফসি কাপ অভিযান শুরু করল এটিকে মোহনবাগানহাওড়া ছেড়ে উত্তর কলকাতায় আস্তানা গাড়ার পর মৃত্যুর আগে পর্যন্ত নর্দান এভিনিউয়ের ৩/২ কে. শ্রীনাইন মুখার্জি লেনে বসবাস করতেন গোষ্ঠ পাল। শরিকী বিবাদে সেই বাড়ির আজ বেহাল দশা। গোষ্ঠ পালের ৭ ছেলের মধ্যে ৪ জন মারা গেছেন। বেঁচে রয়েছেন ৩ জন, সীতাংশু পাল, নীরাংশু পাল ও সুকুমার পাল। সুকুমার পাল থেকেন নাগপুরে। নীরাংশু পাল বাবার মৃত্যুর আগে থেকেই টালা পার্কের কাছে থাকেন। বাবার স্মৃতি আগলে বসে রয়েছেন সীতাংশু পাল।আরও পড়ুনঃ শচীন, দ্রাবিড়ের সঙ্গে এক আসনে বিরাট কোহলি? আবেগে মুগ্ধ পিটারসেনভগ্নপ্রায় বাড়ি যে সাড়াবেন, সে উপায় নেই সীতাংশু পালের। ভাঙা বাড়িতেই নীচের তলার দুটি ঘরে স্ত্রী, ছেলে, পুত্রবধূ, এক নাতিকে নিয়ে থাকেন সীতাংশু। ওপরের ঘরে প্রবেশ করার উপায় নেই। সীতাংশু বলছিলেন, বাবা ওপরের ঘরে থাকতেন। ওই দুটি ঘরের বেহাল দশা। বাড়ি ভেঙে পড়ছে। ভেবেছিলাম সরকার কিছু করবে, তাও করছে না। নীরাংশু তালা বন্ধ করে রাখায় আমিও সারাতে পারছি না। বাবার স্মৃতি হারিয়ে যেতে বসেছে। কেন বাড়ির এইরকম দশা? দুটি ঘরই বা তালাবন্ধ করে রেখেছেন কেন? যার দিকে অভিযোগের আঙুল, সেই নীরাংশু পাল বলছিলেন, এটা আমাদের শরিকী ব্যাপার। আপনাকে বলতে পারব না। সীতাংশু পালকে জিজ্ঞেস করুন। হায় রে, শেষ পর্যন্ত গোষ্ঠ পালকেও কিনা পড়তে হল শরিকী বিবাদে!গোষ্ঠ পালের ভগ্নপ্রায় বাড়িশরিকী বিবাদে গোষ্ঠ পালের স্মারকগুলিইও খোঁজ নেই। আর্কাইভের জন্য ২০০৩ সালে গোষ্ঠ পালের সব স্মারক মোহনবাগান ক্লাবে দিয়ে এসেছিলেন ছেলেরা। কিন্তু পরে আর্কাইভ আর হয়নি। নীরাংশু পাল বাবার স্মারকগুলি ফেরত আনতে গিয়েছিলেন। জানতে পেরে ক্লাবে ছুটে গিয়ে বাধা দেন সীতাংশু পাল। তারপর সেই স্মারকগুলি কোথায় আছে, জানেন না সীতাংশু পাল। তিনি বলছিলেন, ২০১০ সালের পর থেকে মোহনবাগান ক্লাব আমাকে ডাকে না। সরকারও কোনও অনুষ্ঠান করলে ডাকে না। সরকারের লোকজন মনে করে গোষ্ঠ পালের একটাই ছেলে বেঁচে আছে, নীরাংশু পাল।আরও পড়ুনঃ সিএবির আপত্তিতে পিছিয়ে গেল রনজি ট্রফিশুক্রবার কিংবদন্তি ফুটবলারের ১২৫ তম জন্মবার্ষিকী পালিত হল। ময়দানে গোষ্ঠ পালের মূর্তির সামনে এই অনুষ্ঠান হয়। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, ক্রীড়া রাষ্ট্রমন্ত্রী মনোজ তিওয়ারি, আইএফএ চেয়ারম্যান সুব্রত দত্ত, কলকাতার তিন প্রধানের প্রতিনিধিরা এবং অন্যান্য বিশিষ্টজনরা। গোষ্ঠ পালের ছেলে নীরাংশু পাল মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করেছেন তাঁর বাবার নামে একটি মেট্রো স্টেশনের নামকরণ করার জন্য। শরিকী বিবাদে সেটাই হবে হয়তো গোষ্ঠ পালের সার্থকতা।

আগস্ট ২০, ২০২১
নিবন্ধ

Hilsa: পদ্মায় পড়বে জাল, পাতে পড়বে 'ইলিশ-সুখ'

ভরা বর্ষায় পাতে গরমাগরম ইলিশের দু-টুকরো না পড়লে কি আর দুপুর জমে! তবে এ বার গঙ্গার ইলিশে আকাল, যে কয়েক হাজার কেজি রুপোলি শস্য ঢুকেছিল, তার দামওও দেড়-দুহাজার পার করেছিল। তবে আর বেশিদিন অপেক্ষা নয়, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই বাঙালির পাতে পড়তে পারে পদ্মার ইলিশ। আর এমন খবর পাওয়ার পরই আশায় বুখ বাঁধতে শুরু করেছে ইলিশপ্রেমীরা।আরও পড়ুনঃ সন্ত্রাসের আবহেও কাশ্মীরের কৃষক-পুত্রের বড় সাফল্যকরোনা সংক্রমণের জেরে জুলাই মাসের শুরু থেকেই বাংলাদেশে জারি করা হয়েছে কড়া বিধিনিষেধ। তা লাগু রয়েছে এখনও। তবে মৎসজীবীদের কথা মাথায় রেখে গত ২৩ জুলাই থেকেই ৬৫ দিনের জন্য মাছ ধরার উপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে হাসিনা সরকার। এরফলে পদ্মা বা সাগরে যেতে আর কোনও সমস্যা নেই মৎসজীবীদের। বিগত এক সপ্তাহ ধরে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে সমুদ্রে ট্রলার নামানো না গেলেও আশায় বুক বাঁধছেন মৎসজীবীরা। কারণ, এ বছরে বিধিনিষেধের কারণে সমুদ্রে দূষণের পরিমাণ যেমন কিছুটা কমেছে, তেমনই আবার ইলিশের প্রজনন ও বিচরণের জন্য অনুকুল পরিবেশেরও সৃষ্টি হয়েছে। জলের মান ভাল হওয়ায় এ বার ইলিশের স্বাদ ও সংখ্যা বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।বাজারে ইলিশের পরিমাণ বাড়লে দামেও কিছুটা হেরফের হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও ব্যবসায়ীরা এই সুযোগও কাজে লাগিয়ে নিজেদের লভ্যাংশ একটি বেশিই আদায় করে নিতে পারে বলেও মত ছোট মৎস্যব্যবসায়ীদের।

আগস্ট ০২, ২০২১
দেশ

Padma Award: সাধারণের হাতে 'পদ্ম'-র দায়িত্ব দিলেন মোদি

দেশের সর্বোচ্চ সম্মান পদ্ম সম্মানের দায়িত্ব এবার দেশবাসীর উপরই দিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অনেকেই থাকেন যাঁরা প্রচারের আলোর পরিবৃত্তেও নেই। তাঁরা অপরিচিত। তবু দেশের জন্য, দশের জন্য ব্যতিক্রমী কাজ নিরন্তর করে চলেছেন। এ বার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) পদ্ম পুরস্কার তুলে দিতে চান তাঁদের হাতে। তাই সেই অপরিচিত মানুষদের খুঁজে বের করার দায়িত্ব দেশের ১৩০ কোটি মানুষের হাতে তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী।India has many talented people, who are doing exceptional work at the grassroots. Often, we dont see or hear much of them. Do you know such inspiring people? You can nominate them for the #PeoplesPadma. Nominations are open till 15th September. https://t.co/BpZG3xRsrZ Narendra Modi (@narendramodi) July 11, 2021টুইট করে নমো লিখেছেন, ভারতে এরকম অনেকে রয়েছেন যাঁরা তৃণমূল স্তরে ব্যতিক্রমী কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা তাঁদের সম্পর্কে বেশি জানি না। আপনি কি তাঁদের চেনেন? পদ্ম পুরস্কারের জন্য তাঁদের আপনি মনোনীত করতে পারেন। ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই সুযোগ থাকছে। আরও পড়ুনঃ করোনার ভয়াবহতা ভুলে শহরে উদ্দাম পার্টি! গ্রেপ্তার ৩৭padmaawards.gov.in- এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পদ্ম পুরস্কারের জন্য আপনি আপনার পছন্দের কোনও ব্যক্তিকে বেছে নিতে পারেন। পদ্ম পুরস্কারের অন্তর্গত পদ্মভূষণ, পদ্মবিভূষণ ও পদ্মশ্রী-র জন্য আপনি পছন্দের ব্যক্তির নাম জমা দিতে পারবেন।প্রতি বছর ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসে এই সম্মানপ্রাপকদের হাতে পদক ও মানপত্র তুলে দেন রাষ্ট্রপতি। এত দিন এই সব সম্মান কারা পাবেন তার মনোনয়নের ভার আমজনতার হাতে ছিল না। এবার প্রধানমন্ত্রী সেই দায়িত্ব সাধারণের উপরই ছাড়লেন।

জুলাই ১১, ২০২১
রাজ্য

"অবিশ্বাস্য। অভাবনীয়। এভাবেও খুঁজে বের করা যায়?"- 'পদ্মশ্রী' শিক্ষক

অবসরের পর দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে চলছে সদাই ফকিরের পাঠশালা। পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের উত্তর রামনগরের এই পাঠশালার শিক্ষক সুজিত চট্টোপাধ্যায় পাচ্ছেন পদ্মশ্রী পুরস্কার। ৭৮ বছরের শিক্ষকের বড় আক্ষেপ এলাকায় একটা কলেজ নেই। মন্ত্রী, বিধায়কদের বলেও কাজ হয়নি। আশপাশের সব কলেজের দূরত্বই প্রায় ২৫ কিলোমিটারের বেশি। তবে নিজে এখনও পাঠশালায় গুরুদক্ষিণা নেন মাত্র ২ টাকা৷ রামনগর হাইস্কুল থেকে সুজিতবাবু অবসর নিয়েছেন ২০০৪ সালে। ওই স্কুলে শিক্ষকতার কাজে যোগ দিয়েছিলেন ১৯৬৫ -তে। পড়াশুনা করেছেন বর্ধমান রাজ কলেজে। দীর্ঘ ৪০ বছর শিক্ষকতার পর শুরু করেন সদাই ফকিরের পাঠশালা। শুরু করেছিলেন ১ টাকা দক্ষিণা নিয়ে। ১৮ বছরের মাথায় দক্ষিণা বেড়ে হয়েছে ২ টাকা।পদ্মশ্রী পেয়ে কেমন লাগছে? সুজিত চট্টোপাধ্যায় বলেন, অবিশ্বাস্য। অভাবনীয়। ভাবতেই পারছি না গ্রাম বাংলা থেকে এভাবে কাউকে খুঁজে বের করে সম্মান দেওয়া হচ্ছে। তাও আবার প্রত্যন্ত জঙ্গলমহল এলাকা থেকে। দিল্লির ফোন পেয়ে কথা বলেও প্রথমে বিশ্বাস হয়নি। পরে দিল্লির ওই ফোন নম্বরে আমার মেয়ে ফোনে কথা বলে নিশ্চিত হয়। সদাই ফকিরের পাঠশালায় ৩০০ জনের বেশি ছাত্রছাত্রী পড়াশুনা করেন। সুজিত বাবু মাধ্যমিক স্তরে ইংরেজি, বাংলা, ভুগোল, ইতিহাস পড়ান। উচ্চমাধ্যমিকে বাংলা, সংস্কৃত ও স্নাতক স্তরে বাংলা পড়ান। একেবারে শুরুতে গুরিদক্ষিণা নিতেন এক টাকা। এটা টিউশন ফি নয়। এখানকার ছাত্রছাত্রীরা দুস্থ। টিউশন ফি নিলে পড়াশুনাই করতে পারবে না, বলেন সুজিত চট্টোপাধ্যায়।সুজিতবাবু জানান, তাঁর যে টাকা নেই, সেকথা বোঝাতেই সদাই ফকিরের পাঠশালা নাম দেওয়া হয়েছে। পেনশনের টাকাতেই তাঁর সংসার চলে। জঙ্গলমহলের এই শিক্ষকের দাবি, এলকায় একটা কলেজ স্থাপনের। সেকথা এখানকার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন। দিল্লিতে মার্চে পদ্মশ্রী পুরস্কার নেওয়ার সময়ও সেই দাবি জানাবেন বলে জানিয়ে দিলেন তিনি। এলাকায় স্টেট ব্যাংকের দাবিও রয়েছে তাঁর।

জানুয়ারি ২৬, ২০২১
কলকাতা

পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত বাংলার ৭ জন

এবছর পদ্মবিভূষণ, পদ্মভূষণ এবং পদ্মশ্রী সম্মানে সম্মানিত করা হয়েছে একাধিক কৃতি ব্যক্তিত্বকে। বাংলা থেকে ক্রীড়া, শিল্প, সাহিত্য ও সমাজসেবা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের ৭ কৃতিকে পদ্মশ্রী সম্মানে সম্মানিত করা হয়েছে। মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ পেয়েছেন কিংবদন্তি দক্ষিণী সংগীত শিল্পী এস পি বালাসুব্রহ্মণ্যম। তালিকায় রয়েছেন দেশ-বিদেশের আরও অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।বাংলা থেকে পদ্মশ্রী সম্মানে সম্মানিত টেবল টেনিস তারকা মৌমা দাস। সাহিত্য ও শিক্ষাক্ষেত্র থেকে এই সম্মানে সম্মানিত হয়েছেন ধর্মনারায়ন বর্মা, সুজিত চট্টোপাধ্যায়, জগদীশ চন্দ্র হালদার, শিল্পকলা বিভাগে সম্মানিত হয়েছেন বীরেন কুমার বসাক, নারায়ণ দেবনাথ এবং সমাজ কল্যাণের ক্ষেত্রে সম্মানিত হয়েছেন গুরুমা কালী সোরেণ। এবার এই তিন সম্মানের তালিকায় ৮ জন বিদেশি বিদ্বজনও রয়েছেন। এস পি বালা বালাসুব্রহ্মণ্যম ছাড়াও পদ্মবিভূষণে সম্মানিত হয়েছেন জাপানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে। পাবলিক অ্যাফেয়ার্সের জন্য এই সম্মান পেয়েছেন তিনি। তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছেন কর্ণাটকের ডা. বেল্লে মোনাপ্পা হেগড়ে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জন্য মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ পেয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক নারিন্দর সিং কাপানি। আধ্যাত্মের জন্য সম্মান পেলেন মৌলানা ওয়াহিদুদ্দিন খান। নৃতত্ববিদ্যার জন্য পেলেন বি. বি. লাল। শিল্পের ক্ষেত্রে তাঁর অবদানের জন্য পদ্মবিভূষণ পেয়েছেন ওডিশার বালি শিল্পী সূদর্শন সাহু।

জানুয়ারি ২৬, ২০২১
বিদেশ

নতুন বছরের আগেই শেষ হতে চলেছে পদ্মা সেতুর কাজ

নতুন বছরের আগেই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রকল্প পদ্মা সেতু নির্মাণের কাজ প্রায় শেষের মুখেই চলে আসবে। দ্রুত গতিতে চলছে স্প্যান বসানোর কাজ। ৪১টির মধ্যে ৩৩টিই বসে গেছে ইতিমধ্যে। অক্টোবরের গোড়াতেই পদ্মা সেতুর ৪ ও ৫ নম্বর খুঁটির উপরে বসানো হয়েছিল ৩২ তম স্প্যান। মঙ্গলবা্র দুপুরের পর মুন্সিগঞ্জে মাওয়া প্রান্তে ৩ ও ৪ নম্বর খুঁটির উপর বসে গেছে ৩৩ তম স্প্যান। বরং পদ্মা সেতুর ৪ হাজার ৯৫০ মিটার অর্থাৎ প্রায় ৫ কিলোমিটার দৃশ্যমান হয়েছে আজ থেকেই। আরও পড়ুনঃ ভয়াবহ বিস্ফোরণে ১৬ জনের মৃত্যু আফগানিস্তানে লৌহজং, মুন্সিগঞ্জের সঙ্গে শরিয়তপুর ও মাদারীপুরকে যুক্ত করে বৃহত্তম বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু তৈরির পরিকল্পনা হয়েছিল ২০০৭ সালেই। প্রথমে সেতুর নির্মাণ খরচ ১০ হাজার ১৬১ কোটি টাকা ধরা হলেও পরে আওয়ামি লীগ সরকার তার ব্যয়ভার বাড়িয়ে ২৮ কোটি করে। বহুমুখী সড়কের সঙ্গে রেল যোগাযোগও যুক্ত করা হয়। ২০১১ সাল থেকে সেতুন নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার কথা ছিল। শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০১৩ থেকে ২০১৫ সাল নাগাদ। সরকারি খরচে সেতুর নির্মাণ চলতে থাকে। প্রায় ৬.১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতুর প্রায় ৫ কিলোমিটারই এখন তৈরি হয়ে গেছে। বছর শেষের আগে চার জেলাকে সংযুক্ত করে যানবাহন চলাচলও শুরু হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজের দায়িত্ব রয়েছে এক চিনা সংস্থার উপরে। জানা গিয়েছে, চিনের হোবেই প্রদেশের বন্দর কারখানায় যে ধরনের মজবুত স্প্যান ব্যবহার করা হয়, তাই দিয়েই সেতুর ভিত তৈরি হচ্ছে। এই স্প্যান হল বিশাল উঁচু ইস্পাতের তৈরি স্তম্ভ যাতে স্টিল ট্রাস বলে। পদ্মা সেতুকে ধরে রাখার জন্য এমন ৪১টি স্প্যান বসানোর কথা রয়েছে। এক একটি এমন স্তম্ভের দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার। প্রায় ১৬০ মিলিমিটার পুরু ইস্পাতের তৈরি। এখনও অবধি ৩৩টি স্প্যান বসে গেছে। আরও সাতটি বসানোর কথা এ বছরেই। এর ভেতর দিয়েই ছুটবে রেল। কংক্রিটের সড়কে যানবাহন চলাচল করবে।সেতু নির্মাণ সংস্থার তরফে যা জানানো হয়েছে তাতে অক্টোবরেই আরও দুটি স্প্যান বসে যাবে। ২৫ অক্টোবর ৭ ও ৮ নম্বর খুঁটিতে ৩৪ তম স্প্যান এবং ৩০ অক্টোবর ৮ ও ৯ নম্বর খুঁটিতে ৩৫ তম স্প্যান বসানো হবে। নভেম্বর ৪,১১,১৬ ও ২৩ তারিখের মধ্যে আরও চারটি বসে যাবে। ২ ও ১০ ডিসেম্বর সর্বশেষ ৮০ ও ৪১ তম স্প্যান বসানো হবে সেতুর খুঁটিতে। পদ্মা সেতু বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ভিত তৈরি করবে। দেশের কেন্দ্রভাগের সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিম অংশকে সংযুক্ত করবে। এতদিন ঢাকা মানিকগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জ থেকে বিচ্ছিন্ন ছিল। মাঝে ভেদাভেদ তৈরি করেছিল পদ্মা নদী। এই সেতুই সেই সংযোগরক্ষার কাজ করবে। পিছিয়ে পড়া, অনুন্নত কৃষি নির্ভর জেলাগুলিতে শিল্প-কারখানা তৈরি হবে। সামাজিক, অর্থনৈতিক ও শিল্পের বিকাশে পদ্মা সেতু বড় মাধ্যম হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। পরিকল্পনা আরও রয়েছে। জানা গিয়েছে, ৩০ ইঞ্চি ব্যাসের গ্যাস পাইপ বসবে সেতুতে। বসানো হবে অপটিক্যাল ফাইবার। টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা ও হাই ভোল্টেজ বিদ্যুৎ সরবরাহের লাইন বসবে।

অক্টোবর ২০, ২০২০

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

চাঞ্চল্য কল্যাণীর মেডিক্যাল হস্টেলে, ঘরবন্দি পড়ুয়ার পচাগলা দেহ উদ্ধারে রহস্য ঘনীভূত

রাজ্যে ফের এক মেডিক্যাল পড়ুয়ার অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নদিয়ার কল্যাণীর জওহরলাল নেহরু মেমোরিয়াল হাসপাতাল হস্টেল থেকে উদ্ধার হল এক ছাত্রের দেহ। মৃত ছাত্রের নাম পুলক হালদার। তিনি মেডিক্যাল কলেজের চূড়ান্ত বর্ষের ছাত্র ছিলেন। তাঁর বাড়ি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার মগরাহাটের ধামুয়ায়।জানা গিয়েছে, গত কুড়ি তারিখ হস্টেলের ক্যান্টিনে খেতে গিয়েছিলেন পুলক। তারপর থেকে আর তাঁকে ঘরের বাইরে দেখা যায়নি। এমনকি পরবর্তী দিনগুলিতেও তিনি ক্যান্টিনে যাননি বলে সহপাঠীরা জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁর ঘর থেকে তীব্র দুর্গন্ধ বের হতে শুরু করে। গন্ধ পেয়ে হস্টেলের ছাত্ররা কলেজ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে খবর দেন।এরপর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং কল্যাণী থানার পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ঘরে ঢোকে। ভিতরে বিছানার উপর পুলকের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। হস্টেলের অন্যান্য আবাসিকদের বক্তব্য, পুলক ঘরে একাই থাকতেন। আগামী মাসের পাঁচ তারিখ থেকে তাঁর পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। তার আগেই এই মর্মান্তিক ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে কলেজে।এই মৃত্যুর পিছনে পরীক্ষার চাপ, না কি ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন রয়েছে, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।কলেজের চিকিৎসক মনিদীপ পাল জানিয়েছেন, দুপুর প্রায় দুটো থেকে আড়াইটে নাগাদ তাঁরা বিষয়টি জানতে পারেন। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে খবর দেওয়া হয় এবং দরজা খোলার পর দেহ উদ্ধার করা হয়।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬
রাজ্য

অন্তঃসত্ত্বাকে মারধরের অভিযোগ, গর্ভস্থের মৃত্যুকে ঘিরে শিলিগুড়িতে বিস্ফোরণ, টিয়ার গ্যাসে থামল বিক্ষোভ

এক আদিবাসী অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে মারধরের অভিযোগ ঘিরে উত্তাল হয়ে উঠল শিলিগুড়ি। অভিযোগ, এক সিভিক ভলান্টিয়রের মারধরের জেরে গর্ভস্থ সন্তানের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ উত্তরকন্যা অভিযানে নামেন। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং এলাকায় রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়।বিক্ষোভকারীরা পুলিশের ব্যারিকেড টপকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। এর পরই দুপক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের সেল ফাটায় এবং জলকামান ব্যবহার করে। মাইকিং করে বারবার সতর্ক করা হয়। তিনবাত্তি মোড় এলাকায় আগে থেকেই বিপুল পুলিশবাহিনী মোতায়েন ছিল। একাধিক ব্যারিকেড তৈরি করা হয়েছিল। তবু বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে এগোতে থাকেন বলে অভিযোগ।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত তেইশে ডিসেম্বর ফাঁসিদেওয়ায় জমি দখল নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে অশান্তির সময় এই ঘটনা ঘটে। সেই সময় এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে মারধরের অভিযোগ ওঠে এক সিভিক ভলান্টিয়রের বিরুদ্ধে। পরে গত নয় জানুয়ারি মহম্মদ কাদের নামে ওই সিভিক ভলান্টিয়রকে গ্রেফতার করে পুলিশ। যদিও আরও চারজন অভিযুক্ত এখনও ধরা পড়েননি বলে জানা গিয়েছে।অভিযুক্তের ফাঁসির দাবিতে এদিন উত্তরকন্যা অভিযানে অংশ নেন বহু আদিবাসী মানুষ। এই কর্মসূচিতে সমর্থন জানায় ভারতীয় জনতা পার্টি। কর্মসূচি আগে থেকেই ঘোষণা করা ছিল, তাই পুলিশও প্রস্তুত ছিল। তবু পরিস্থিতি দ্রুত অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং এলাকায় উত্তেজনা বজায় রয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬
রাজ্য

ভরদুপুরে রাজ্যজুড়ে বোমাতঙ্ক, আদালতের পর পোস্ট অফিসে হুমকি মেইল, আতঙ্কে দৌড়ঝাঁপ

কলকাতা থেকে জেলা, ভরদুপুরে কার্যত গোটা রাজ্য জুড়ে ছড়াল বোমাতঙ্ক। আদালতের পর এবার ডাকঘর এবং পাসপোর্ট অফিসে হুমকি মেইল পৌঁছতেই তড়িঘড়ি কর্মী ও গ্রাহকদের বাইরে বের করে দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার দুপুর প্রায় একটা নাগাদ ব্যস্ত সময়েই এই মেইল আসে। কলকাতার রুবি মোড় সংলগ্ন পাসপোর্ট অফিস থেকে শুরু করে আসানসোল, কাটোয়া, কৃষ্ণনগর সহ একাধিক জায়গার ডাকঘরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।গত মঙ্গলবার থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন আদালতে বোমা বিস্ফোরণের হুমকি আসতে শুরু করে। এমনকি কলকাতার সিটি সিভিল কোর্টেও হুমকি পৌঁছয়। বিচারকদের একাংশ নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বুধবার ফের একাধিক আদালতে একই ধরনের হুমকি বার্তা পৌঁছনোয় আতঙ্ক আরও বাড়ে। বৃহস্পতিবার ডাকঘরগুলিতে হুমকি আসায় পরিস্থিতি নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। পুলিশ এখন খতিয়ে দেখছে এই হুমকি নিছক ভুয়ো কি না, নাকি এর পিছনে বড় কোনও ষড়যন্ত্র রয়েছে।এদিন প্রথমে রুবি মোড়ের পাসপোর্ট অফিসে হুমকি পৌঁছতেই সকলকে দ্রুত বাইরে বেরিয়ে যেতে বলা হয়। পরে চুঁচুড়া প্রধান ডাকঘর এবং শ্রীরামপুর ডাকঘরেও আতঙ্ক ছড়ায়। আরডিএক্স বিস্ফোরণের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে খবর। শ্রীরামপুর ডাকঘরের পাশে একটি স্কুলেও বোমা থাকার খবর পৌঁছয়। আতঙ্কে অভিভাবকেরা দ্রুত সন্তানদের নিয়ে বাড়ি ফিরে যান।পূর্ব বর্ধমানের প্রধান ডাকঘরেও ইমেলে বোমা থাকার খবর পৌঁছতেই কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অফিসে তালা ঝুলিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন তাঁরা। আরামবাগের প্রধান ডাকঘরেও একই পরিস্থিতি তৈরি হয়। পুলিশ গ্রাহক ও কর্মীদের বাইরে বের করে দিয়ে তল্লাশি শুরু করে। ওই ডাকঘরে আধার সংক্রান্ত কাজ এবং পাসপোর্ট যাচাইয়ের কাজ হওয়ায় সাধারণ মানুষের ভিড় ছিল বেশি।এছাড়া ব্যারাকপুর, কোচবিহার, বসিরহাট, বাঁকুড়া, মুর্শিদাবাদ এবং হাওড়া ময়দান সহ একাধিক জায়গায় একইভাবে বোমাতঙ্ক ছড়ায়। টানা তিনদিন ধরে সরকারি দফতরে এভাবে হুমকি পৌঁছনোয় পুলিশের ভূমিকা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং প্রতিটি জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

প্রাক্তন স্ত্রীকে কোটি টাকা ফেরতের নির্দেশ আদালতের! স্বস্তিতে শিখর ধাওয়ান

প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার শিখর ধাওয়ান-এর সঙ্গে সম্পত্তি বিতর্কে বড় রায় দিল দিল্লির পাটিয়ালা হাউস আদালত। আদালত নির্দেশ দিয়েছে, প্রাক্তন স্ত্রী আয়েশা মুখার্জি-কে অস্ট্রেলিয়ার সম্পত্তি মীমাংসা চুক্তির মাধ্যমে পাওয়া প্রায় পাঁচ কোটি সত্তর লক্ষ টাকা সুদ-সহ ফেরত দিতে হবে। বিচারক দেবেন্দ্র কুমার গর্গ জানান, হুমকি, প্রতারণা এবং জোরজবরদস্তির মাধ্যমে ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করানো হয়েছিল বলে প্রমাণ মিলেছে। ফলে সমস্ত মীমাংসা নথিকে বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।আদালত আরও নির্দেশ দিয়েছে, মামলা দায়েরের দিন থেকে উক্ত টাকার উপর বার্ষিক নয় শতাংশ হারে সুদ দিতে হবে। পাশাপাশি বিচারক স্পষ্ট করেন, দাম্পত্য সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ার আদালতের এখতিয়ার নেই। সেই কারণে বিদেশি আদালতের নির্দেশ কার্যকর করার ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়ার আদালত দুই হাজার চব্বিশ সালের ফেব্রুয়ারিতে দম্পতির বিশ্বজুড়ে থাকা সম্পত্তি ভাগ করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল এবং সেই রায়ে ধাওয়ানের ভারতে থাকা সম্পত্তিও অন্তর্ভুক্ত ছিল।অস্ট্রেলিয়ার আদালতের নির্দেশে আয়েশা মুখার্জি মোট সম্পদের পনেরো শতাংশ পাওয়ার অধিকারী হন। তাঁর কাছে প্রায় সাত কোটি ছেচল্লিশ লক্ষ টাকার সম্পত্তি থেকে যায় এবং অতিরিক্ত অর্থ ও একটি সম্পত্তি হস্তান্তরের নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। দুই হাজার একুশ থেকে দুই হাজার চব্বিশ পর্যন্ত একাধিক নির্দেশে সম্পত্তি বণ্টনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে ধাওয়ান আদালতে দাবি করেন, এই সিদ্ধান্ত ভারতীয় বৈবাহিক আইনের পরিপন্থী এবং তিনি নিজের উপার্জিত অর্থে সম্পত্তি কিনলেও চাপের মুখে সেগুলি যৌথ বা স্ত্রীর নামে নথিভুক্ত করতে বাধ্য হন। একটি ক্ষেত্রে তিনি কেনা সম্পত্তিতে আয়েশাকে নিরানব্বই শতাংশ মালিক দেখানো হয়েছিল বলেও আদালতে জানানো হয়। সমস্ত তথ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখে আদালত ধাওয়ানের বক্তব্যকে গ্রহণযোগ্য বলে মনে করে এবং বিদেশি আদালতের নির্দেশ মানতে তিনি বাধ্য নন বলে জানিয়ে দেয়।এর আগেই দুই হাজার তেইশ সালে দিল্লির আদালত এই দম্পতিকে বিবাহবিচ্ছেদের অনুমতি দেয়। আদালত পর্যবেক্ষণে জানায়, ছেলে জোরাবরের থেকে দীর্ঘদিন দূরে থাকার কারণে ধাওয়ান মানসিক কষ্টের মধ্যে ছিলেন। যদিও স্থায়ী অভিভাবকত্ব তিনি পাননি, তবে সাক্ষাৎ এবং ভিডিও মাধ্যমে যোগাযোগের অধিকার দেওয়া হয়েছিল। ধাওয়ানের অভিযোগ, পরবর্তীতে সেই যোগাযোগের পথও বন্ধ করে দেওয়া হয়, যা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগেই কড়া নজরদারি, প্রতিটি বিধানসভায় কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক বসানোর বড় সিদ্ধান্ত

ভোটের প্রস্তুতি জোরকদমে শুরু হতেই বড় সিদ্ধান্ত নিল ভারতের নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারির দিন থেকেই প্রতিটি বিধানসভায় অন্তত একজন করে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হবে। মনোনয়ন জমা দেওয়া থেকে শুরু করে গোটা নির্বাচন প্রক্রিয়াই তাঁদের কড়া নজরদারিতে চলবে। বাংলা-সহ পাঁচ রাজ্যের ক্ষেত্রেই এই একই নীতি কার্যকর করতে চলেছে কমিশন।কমিশনের অভিজ্ঞতা বলছে, অতীতের একাধিক নির্বাচনে মনোনয়ন পর্ব থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তি, জোর করে মনোনয়ন প্রত্যাহার এবং রাজনৈতিক সংঘর্ষের অভিযোগ সামনে এসেছে। গত বিধানসভা নির্বাচনেও বিরোধীদের পক্ষ থেকে মনোনয়ন পর্যায় ঘিরে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই এবার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দিন থেকে প্রায় সবকটি বিধানসভায় আলাদা করে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে প্রাথমিক স্তর থেকেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, তামিলনাড়ু, কেরল, অসম এবং পুদুচেরিতেও একই ধরনের নজরদারি থাকবে বলে জানা গিয়েছে। মোট এক হাজার চারশো চুয়াল্লিশ জন শীর্ষ পর্যায়ের আধিকারিককে ইতিমধ্যেই প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এঁদের মধ্যে পুলিশ পরিষেবার আধিকারিকরা আইনশৃঙ্খলার বিষয় দেখবেন, প্রশাসনিক পরিষেবার আধিকারিকরা সামগ্রিক নির্বাচন ব্যবস্থাপনা পর্যবেক্ষণ করবেন এবং রাজস্ব বিভাগের আধিকারিকরা নির্বাচনী খরচ ও আর্থিক লেনদেনে নজর রাখবেন। মনোনয়ন পর্ব থেকে ভোট গণনা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে তাঁদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে বলে কমিশন সূত্রে খবর।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
দেশ

নেতানিয়াহুর ডাকে চমক, ইজরায়েলে পৌঁছেই মোদিকে ঘিরে আন্তর্জাতিক জল্পনা

দুদিনের ইজরায়েল সফরে বুধবার রওনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভারত ও ইজরায়েল-এর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে এই সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কৌশলগত সহযোগিতা, প্রতিরক্ষা, কৃষি এবং প্রযুক্তি ক্ষেত্রে একাধিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সম্ভাবনা রয়েছে বলে কূটনৈতিক সূত্রে খবর। তবে এই সফরকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন কূটনৈতিক জটিলতার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।প্রধানমন্ত্রী ইজরায়েলে পৌঁছনোর আগেই সে দেশের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু একটি নতুন ষড়ভূজ জোট গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন। পশ্চিম এশিয়ায় চরমপন্থী সংগঠনগুলির মোকাবিলাই এই জোটের মূল লক্ষ্য বলে জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকিস্তান, সৌদি আরব এবং তুরস্কের সম্ভাব্য ইসলামিক সামরিক জোটের পালটা হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নেতানিয়াহু এই জোটে ভারতকে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে দেখতে চাইছেন। পাশাপাশি গ্রিস ও সাইপ্রাসকেও যুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে। তবে ভারত এই জোটে যোগ দিলে পশ্চিম এশিয়ার একাংশের অসন্তোষ বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে এই সফর ভারত ও ইরান-এর সম্পর্কেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন কূটনৈতিক মহলের একাংশ। ইজরায়েল ও ইরানের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই তীব্র বৈরিতার মধ্যে রয়েছে। একই সময়ে ইরান ও আমেরিকা-র মধ্যে চলমান উত্তেজনাও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। ইজরায়েল ও আমেরিকার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে এই সফর তেহরানের সঙ্গে নয়াদিল্লির কূটনৈতিক ভারসাম্যে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে প্রতিরক্ষা ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক কূটনীতির সূক্ষ্ম ভারসাম্য বজায় রাখাই এই সফরে ভারতের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
দেশ

এসআইআর মামলায় বড় স্বস্তি, আধার ও মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডেই মিলবে সমাধান

এসআইআর মামলায় গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার শীর্ষ আদালত জানিয়ে দেয়, নথি যাচাইয়ের ক্ষেত্রে আধারের পাশাপাশি মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডও গ্রহণযোগ্য হবে। আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে, চৌদ্দ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জমা পড়া সমস্ত নথিই গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ওই সময়সীমার মধ্যে জমা পড়া নথি পরের দিন বিকেল পাঁচটার মধ্যে প্রিসাইডিং অফিসারের হাতে তুলে দিতে হবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে।প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানায়, মাধ্যমিকের পাশের শংসাপত্রের পাশাপাশি মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড জমা দেওয়া যেতে পারে। বয়স এবং অভিভাবকের পরিচয় প্রমাণের ক্ষেত্রে অ্যাডমিট কার্ডকে সহায়ক নথি হিসেবে গ্রহণ করা হবে। আদালত আরও জানায়, নির্ধারিত সময়সীমার পরে জমা পড়া নথি বিবেচনা করা হবে না।এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী আপত্তি জানিয়ে বলেন, আধারের মতো একক নথি হিসেবে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড ব্যবহার করা উচিত নয়। এর জবাবে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী জানান, মাধ্যমিক পাশের শংসাপত্রে জন্মতারিখ বা অভিভাবকের নাম সব সময় স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকে না, তাই অ্যাডমিট কার্ডকে সহায়ক নথি হিসেবে বিবেচনা করার কথা বলা হয়েছে। বাংলার বিচার ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা অ্যাডমিট কার্ডে থাকা তথ্য সম্পর্কে অবগত বলেও তিনি মন্তব্য করেন।আইনজীবীদের মধ্যে তর্কের সময়ে বলা হয়, অনেকেই মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসে পাশ না করলেও তাঁদের কাছে অ্যাডমিট কার্ড থাকে। এর উত্তরে আদালত জানায়, নির্ধারিত সময়সীমা এবং অন্যান্য নথির সঙ্গে মিলিয়ে দেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। শেষ পর্যন্ত প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, মাধ্যমিক পাশের শংসাপত্রের সঙ্গে অ্যাডমিট কার্ড গ্রহণ করা যাবে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমা পড়া নথিই বিবেচিত হবে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
রাজ্য

ফের আদালতে বোমাতঙ্ক, ইমেলে বিস্ফোরণের হুমকিতে তোলপাড় আসানসোল

বুধবার ফের বোমাতঙ্ক ছড়াল আসানসোল আদালত চত্বরে। নতুন করে বোমা রাখার হুমকি ইমেল আসতেই সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় বম্ব স্কোয়াড ও স্নিফার ডগ। নিরাপত্তার স্বার্থে আদালত চত্বর ফাঁকা করে দেওয়া হয় এবং বিচারক, আইনজীবী ও সাধারণ মানুষদের নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। হঠাৎ এই হুমকি ঘিরে এলাকায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং আদালতই কি টার্গেট, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।এর আগেও মঙ্গলবার একই ধরনের হুমকি ইমেল আসে জেলা জজের কাছে। সেই বার্তায় দাবি করা হয়েছিল আদালত ভবনের ভিতরে আরডিএক্স রাখা রয়েছে এবং দূর থেকে বিস্ফোরণ ঘটানো হতে পারে। এমনকি কয়েকজন মাওবাদী সদস্য আদালতের গুরুত্বপূর্ণ অংশের কাছে পৌঁছে বিস্ফোরণ ঘটাবে বলেও উল্লেখ ছিল। এই খবর ছড়াতেই আদালত চত্বরে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়। পুলিশ দ্রুত এলাকা ঘিরে ফেলে এবং আদালত খালি করে তল্লাশি অভিযান শুরু করে। স্নিফার ডগ ও বিশেষ দল দিয়ে দীর্ঘক্ষণ খোঁজ চালানো হলেও কোনও বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাজ্যের একাধিক আদালতেও একই ধরনের ভুয়ো হুমকি ছড়িয়েছিল। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, এই ইমেলগুলির উৎস খুঁজে বের করতে তদন্ত চলছে এবং সাইবার দিকও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বুধবার নির্দিষ্ট সময়েই আদালতের কাজ শুরু হলেও বেলার দিকে ফের নতুন ইমেল আসায় পরিস্থিতি আবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বার্তায় আবার বিস্ফোরণের হুমকি থাকায় দ্রুত তল্লাশি অভিযান শুরু করা হয়।পুলিশ আধিকারিকরা জানিয়েছেন, আদালতের কাজ ব্যাহত করার উদ্দেশ্যেই বারবার এই হুমকি পাঠানো হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জেলা জজ আগেই জানিয়েছেন, আগের হুমকি ভুয়ো ছিল বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। তবে কোনও ঝুঁকি না নিয়ে পূর্ণ সতর্কতা বজায় রেখে তল্লাশি চালানো হচ্ছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal