• ২২ চৈত্র ১৪৩২, বুধবার ০৮ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Old Age

দেশ

পশ্চিমবঙ্গের প্রবীণ মানুষদের কাছে ক্ষমা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী! কেন এমন বললেন নরেন্দ্র মোদি?

কল্যানীর এইমসের একাধিক স্বাস্থ্য পরিষেবার সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সূচনা লগ্নেই ক্ষমা চাইলেন পশ্চিমবঙ্গের সত্তোরোর্ধ প্রবীণদের কাছে। ক্ষমা চেয়েছেন দিল্লির প্রবীণদের কাছেও। কিন্তু কেন এই ক্ষমা?নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, আমি পশ্চিমবঙ্গের ৭০ বছরের ঊর্ধ্বে সকল প্রবীণ মানুষ এবং দিল্লির ৭০ বছরের ঊর্ধ্বে সকল প্রবীণ মানুষদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। কারণ আমি আপনাদের সেবা করতে পারবো না। আমি তাদের কাছে ক্ষমা চাইছি কারণ আমি জানি তাঁরা কেমন আছেন, সেই তথ্য আমি সংগ্রহ করি, কিন্তু আপনাদের সাহায্য করতে পারবো না। এর কারণ দিল্লি এবং পশ্চিমবঙ্গের সরকার আয়ুষ্মান যোজনার সাথে যুক্ত হচ্ছে না।70 वर्ष से ऊपर के सभी बुजुर्गों को आयुष्मान योजना के दायरे में लाने की अपनी गारंटी को आज धन्वंतरि जयंती पर पूरा कर मुझे बहुत संतोष मिला है। pic.twitter.com/SkDd71zTNl Narendra Modi (@narendramodi) October 29, 2024রাজনৈতিক রেষারেষির কারণে চিকিৎসা না পাওয়ার জন্য যে তিনি ক্ষমা চাইছেন তাও স্পষ্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী। নরেন্দ্র মোদি বলেন, রাজনৈতিক স্বার্থে নিজেদের রাজ্যের অসুস্থ মানুষদের কষ্টে রাখার প্রবণতা যেকোনও মানবিক মনোভাবের বিরোধী এবং তাই আমি পশ্চিমবঙ্গের প্রবীণ মানুষদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী, দিল্লির প্রবীণ মানুষদের কাছেও ক্ষমাপ্রার্থী। দেশের মানুষদের সেবা করার ইচ্ছা আমার আছে, কিন্তু রাজনৈতিক ব্যবস্থার দেওয়াল আমাকে দিল্লি এবং পশ্চিমবঙ্গের প্রবীণ মানুষদের সেবা করতে বাধা দিচ্ছে।

অক্টোবর ৩০, ২০২৪
নিবন্ধ

হুউউউস..

পুজো। দুগ্গাপুজো।পুজোয় চাই নতুন জুতো। খবরের কাগজে ইয়া বড় পাতাজোড়া বিজ্ঞাপন।সদ্য হড়কা বান দেখলো শ্রীলেদার্সের নতুন আউটলেট।প্রয়োজন! নাকি সস্তা! তাহলে কি বিজ্ঞাপনের টোপ! হুজুগ! আবেগী বাঙালি!জানেনা হরিপদ।পুজোর পঞ্চাশ দিনও বাকি নেই।হরিপদ দিল্লীতে। শাস্ত্রী ভবনের কাছে এশিয়া খ্যাত মলে।নাইকির শো রুমে। স্নিকার টেন থাউজেন্ডস অনওয়ার্ডস। প্রয়োজনে নাম লিখে দেবে নাইকি। সিগনেচার প্রোডাক্ট।বিটেক করে সদ্য সামান্য মাইনের কাজ জুটিয়ে দিল্লীতে ভাইয়ের ছেলে। দাদা নেই। বৌদি বলেছে একবার দেখে এসোনা ঠাকুরপো। কেমন আছে কে জানে।আমরা বলি কাজ। চাকরি। ওরা বলে জব।তাই ভাইপোর কাছে দিল্লীতে হরিপদ। কিন্তু কি আর দেখবে সে !ভাবলে, একটা কিছু কিনে দিলে হয়। পুজোয় বাড়ী ফেরা হবে না ওর। ভাইপোই কাকুকে নিয়ে এসেছে মলে।তবে এও ঠিক ..একটা সময় হরিপদই দেখেছে।ভাইপোর জন্মের পর পরই দুর্ঘটনা। চলে গেলো দাদা। ছমাসের অন্নপ্রাশনের আয়োজন থেকে স্কুল কলেজ সবটাই।ভাইপোর প্রথম জন্মদিন।কাগজের বক্স।ওপরটা সেলোফেনজিরো সাইজ।সঙ্গে আবার ঝুমঝুমি।জনসনের পাউডার।বাক্স ভর্তি আনন্দ!আজও সেই নস্টালজিক গন্ধ টের পায় হরিপদ।তারপর ..সময় গড়ালো।শেষ বেলায় দোকানে গুঁতোগুঁতি। কোনরকমে দোকানদার কে বুঝিয়ে বলা..এই ধরুনবছর দেড়েক বয়স।ভীষণ ভিড় তো..ঠাকুমার কাছে রেখে এলাম।বড্ড কান্নাকাটি করে।এইটা দেখুন।মাথায় টুপি দেওয়া।পুজোয় বেশ ঠান্ডা পড়ে যাবে। মোজাও আছে।গলদঘর্ম দোকানি দেখাতে লাগলো।সে মোজা..কি জানি কোন মন্ডপে পড়ে রইল।কাঁধে মুখ রেখে ঘুমে কাদা।নাল ঝোল ঝরেনা কাঁধে আর।জীবনে স্কুল এলো।এলো, এক দুই তিন।পিঠে ফেলে মাপবো..ওমা.. দোকানময় ছুটছে।হরিপদর মেয়ে আর দাদার ছেলে পিঠোপিঠি। দিনে দশ বার জামাকাপড় দেখা। এটা সকালে এটা বিকেলে।ওটা অষ্টমীর.. বেশ জমকালো!না না। পিসির টা পরুক।ওটা বরং নবমীতে, ফাংশানে..তারপর অফিস ফেরতাপ্যাকেট টা ছিনিয়ে নিয়ে ছুটমা দেখো।বিছানায় প্যাকেট ফেলেএক ঝটকা নাচ!তারপর হঠাৎ কবে যেনরঙ এলো..খয়েরি ফুলপ্যান্ট টা ভালো না।আরে বাবা নীল টা তো ছোটো। ফেরত দিতে হবে।ডেনিম..ডাংরি নতুন নতুন শব্দ শিখছে হরিপদ তখন।ক্লান্ত হয়ে রেস্টুরেন্টেছোলা বাটোরাএক চামচ মুখে দেওয়াও চাই..আবারঝাল বলে চিত্কার ও।এই যা: সান গ্লাস কেনা হোলো না তো!!বাড়ী টায় মানুষ কমলো ধীরে..কার্নিসে বাড়ল বট।বিজয়ার দিন তুঁতের ওপর মা দূর্গার মুখ আঁকা গালিচা..হরেন কাকা ..বেতের ধামা..নাড়ু .. ঢিপ ঢিপ প্রণাম..ফটাস করে কালি ফটকা ..কুয়োয় বালতির ঝপাং শব্দ!আবার এসো মা।মা আসে। মা যায়।টিভির পরিক্রমা আসে। আসে ফ্রেন্ডশিপ ডে। ভ্যালেন্টাইনস ডে জায়গা করে নেয় টিচার্স ডের সঙ্গে।আর্চিসের কার্ড কখন যে এলো আবার হারিয়ে গেলো মনে করতে পারেনা হরিপদ।বাড়তে থাকে ওরা ভাই বোনে।এটা তো অফারে কেনাসেজো পিসি কক্ষনোব্র্যান্ডেড ছাড়া দেয় নাট্রায়াল রুমও প্রয়োজনহীন। সাইজ, কালার, ডিজাইন..সিভিভি নম্বর দাও। বাড়ীর দরজায় এসে দাঁড়াবে আলাদিন...ওটিপি টা বলুন।যা..ই বলেতরতরিয়ে সিঁড়ি বেয়ে নেমে যায় ওরা।পর্দার পাশ থেকে উঁকি দিয়ে ভাইপোর ট্রিম করা .. মেয়ের সঙ্গে মায়ের মাসের কটা দিনের গোপন কথা।সবটাই দেখেছে হরিপদ।বলছিলাম না কাকু তোমায়..এইটা সেইটা..ইউনিক না!হুঁ হুঁ বাবা,তক্কে তক্কে থাকতে হয়কেবল একদিনের অফার ছিল!অ ..তাই বুঝি।হরিপদর অজ্ঞানতা শোনার সময় নেই সময়ের। দুদ্দাড় ছুটে চলে যায় নতুন প্রজন্ম। মেয়ের সঙ্গে প্যাক খুলতে বসে যায় ভাই বোনে।প্রজন্মগত তফাৎ বোঝে হরিপদ। যেটুকু বোঝে না ..আপত্তি করেনা।বেনিফিট অফ ডাউট আরকি!তাহলে কি করব.. কাকু!ও কাকু!!আনমনা হয়ে গেছিল হরিপদ। সম্বিৎ ফেরে ভাইপোর কথায়।স্নিকার টা বিল করতে বলবো !! দারুন ওটা। ওর থেকে কমে কিছু আর দেখছি না।হরিপদ কি করবে। দশ হাজারের জুতো!আশকারা.. প্রশ্রয়। বৌদির অসহায় বোধ। নির্ভরতা। মুহুর্মুহু অন্তর্লীন আক্রমনের মুখে হরিপদ।অনেক আবদার মিটিয়েছে হরিপদ। হেরে যাবে!তাহলে কি বেনিফিট অফ ডাউট দিয়ে ক্রিজে রেখে দেবে আম্পায়ার হরিপদ!!আউট দেবে না!!অস্থির দোটানায় হরিপদ।আবার মন বলছে.. কোথাও তো একটা সীমারেখার প্রয়োজন হরিপদ। দাঁড়ি টানতে হয়। অবুঝ কে বোঝাতে হয়!!কাকু..ও কাকু..!একটা তুবড়ি, হুউউউস করে শব্দ তুলে..অন্ধকার আকাশে অনেকটা উঠে,আলোর রোশনাই রেখে..নিভলো বোধহয়..!!

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৩
নিবন্ধ

মনে হচ্ছে উঠে যাচ্ছে

মনে হচ্ছে উঠে যাচ্ছেগিন্নির কথায় তাকালো হরিপদ.. কি চুল?ধুর বাবা..গিন্নির খেদ।সেই থেকে উদ্বেগের শেষ নেই হরিপদর।চার পাঁচ দিন কাটলো এইভাবে।পিরিয়ড আর হয়না।তাহলে কি..🤔ধুর!সে কি করে হবে।বাড়ছে ভয়.. উদ্বেগ..অস্বস্তি। কোনো টিউমার ফিউমার নয়তো!চলো ব্রিগেডে ..শুনে আসি কি লেখা আছে কপালে!চলো গাইনোর কাছে.. বুক ঢিপ ঢিপ..জন্মদিনের সকালে।এই বয়সে অস্বস্তির চূড়ান্ত। কচি কাঁচার আড্ডায় এক দুটি পক্ক কেশ.. টাক মাথার কেস।সবাইকেই মনে হচ্ছে সন্দেহের চোখে তাকাচ্ছে।এসব নিয়ে লুকোচুরি কবেই উঠে গেছে। বুঝতে চায়না হরিপদ।স্রাব এখন প্রস্রাব।ডাস্টবিনে সুলভে।মেয়েদের জামায় ফ্রিল আর আছে! আঁচল সরে গেলে অস্বস্তি আর আছে !টপই টপ ফ্যাশন।অনাবৃত করো.. এক্সপোজ করো নিজেকে। হাফ প্যান্ট পরো। জাং দেখাও। জাঙ্ক ফুড খাও। বুক দেখাও। পিঠ দেখাও।ফেসবুক রিলে ধেই ধেই করে নাচো।এগোও এগোও হরিপদ।ফাইট কোনি ফাইট। মতি নন্দী নিয়ে পড়ে থেকো না।নারীশিক্ষা র আপডেট নাও হরিপদ।বুঝতে চায়..পারেনা হরিপদ!কত কি-ই তো উঠে গেছে !সময়ের সঙ্গে.. লজ্জা।অপরাধবোধ থেকেসঙ্গমের নির্দিষ্ট শয্যা।চটি জুতো লুকোনোর আত্মীয়তা থেকে..কানমলা দেওয়ামাস্টারের স্বাধীনতা।উঠব উঠব করছে ..রোদে বড়ি.. আচারের আম! প্রেম নিষ্কাম।ঢিপঢিপ বিজয়ার প্রনাম।টেলিভিশনের খবরশুনি কি আর..শুনি স্টোরি.. শুনি গল্পউঠোন উঠেছে কবে..বারান্দায় রোদও অল্প।হরিপদ হারে না তবুবসে থাকে জবুথবু।উঠেই যাচ্ছে। ডাক্তার বলেছে। গিন্নির হাতে প্রেসক্রিপশন।হাঁফ ছাড়ে হরিপদ।জন্মদিনের পায়েসকেক কাটার আয়েশ।পাঁচজনে বসে পাতপেড়েলম্বা টেবিল উঠিয়ে..দন্ডায়মান হাতে প্লেট ;কয়েদী হয়েছেপাঞ্জাবী গায়ে দিয়ে।হুঁকো আছে শেষ পাতেটানছে মৌতাতে..এই তো হরিপদউঠেছো এবার জাতে!!

আগস্ট ২০, ২০২৩

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

আজ রাতেই ইরান ধ্বংসের হুঁশিয়ারি! আতঙ্কে কাঁপছে বিশ্ব, ভারতীয়দের জরুরি নির্দেশ কেন্দ্রের

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা চরমে উঠতেই ইরানে থাকা ভারতীয়দের জন্য নতুন নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় সরকার। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়ার পরেই এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।নতুন নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টা সবাইকে যেখানে আছেন সেখানেই থাকতে হবে। বিশেষ করে ঘরের বাইরে না বেরোনোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যুৎকেন্দ্র, সামরিক স্থাপনা এবং উঁচু বহুতল ভবনের উপরের তলা এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে।তেহরানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসও আলাদা করে সতর্কবার্তা দিয়েছে। দূতাবাসের তরফে জানানো হয়েছে, যারা দূতাবাসের ব্যবস্থায় হোটেলে রয়েছেন, তারা যেন হোটেলের ভেতরেই থাকেন। দূতাবাসের কর্মীরা নিয়মিত যোগাযোগ রাখবেন এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী নতুন নির্দেশ দেওয়া হবে। জরুরি প্রয়োজনে যোগাযোগের জন্য মোবাইল নম্বর ও ইমেলও দেওয়া হয়েছে।এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আমেরিকার শর্ত না মানলে বড় মূল্য দিতে হবে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার বিষয়ে তিনি কড়া অবস্থান নেন। মঙ্গলবার তিনি আরও একধাপ এগিয়ে বলেন, একটি সভ্যতা আজ রাতেই ধ্বংস হয়ে যেতে পারে, যা আর ফিরিয়ে আনা যাবে না।তবে একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত বদলও হতে পারে। তাঁর কথায়, আমি চাই না এমন কিছু ঘটুক, কিন্তু পরিস্থিতি সেদিকেই এগোচ্ছে। তিনি আরও বলেন, বিশ্বের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত তৈরি হতে চলেছে এবং ইরানের মানুষের জন্য প্রার্থনাও করেন।সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ক্রমশ উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তেজনার প্রভাব গোটা বিশ্বে পড়তে পারে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৭, ২০২৬
কলকাতা

নাম বাদ নিয়ে তোলপাড়, হঠাৎ ধর্না স্থগিত! কী বলল নির্বাচন কমিশন?

এসআইআর প্রক্রিয়ায় বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম বাদ যাওয়াকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে ধর্নায় বসার পরিকল্পনা করেছিল তৃণমূল। তবে শেষ মুহূর্তে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে দেখা করার সময় পাওয়ায় আপাতত সেই কর্মসূচি স্থগিত রাখা হয়েছে।তৃণমূলের পক্ষ থেকে গতকাল দুপুরের পর নির্বাচন কমিশনের কাছে সময় চাওয়া হয়েছিল। প্রথমে কোনও উত্তর না মেলায় দলের তরফে ধর্নায় বসার প্রস্তুতি নেওয়া হয়। রাজ্যসভার সাংসদ মেনকা গুরুস্বামী এবং প্রাক্তন সাংসদ সাকেত গোখেল এই কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরে কমিশনের তরফে জানানো হয়, পরের দিন সকাল দশটায় দেখা করার সময় দেওয়া হয়েছে। এর পরেই ধর্নার পরিকল্পনা আপাতত বন্ধ রাখা হয়।জানা গিয়েছে, চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল নিয়ে তৃণমূল নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে যাবে। সেখানে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরা হবে।এদিকে এসআইআর প্রক্রিয়ার পরিসংখ্যান সামনে আসতেই বিতর্ক আরও বেড়েছে। হিসেব অনুযায়ী, বিচারাধীন প্রায় ৫০ লক্ষ নামের মধ্যে ২৭ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে। এর আগে প্রায় ৬৩ লক্ষ নাম বাদ পড়েছিল। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৯০ লক্ষ ৮৩ হাজার ৩৪৫ জনের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে।জেলা ভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি নাম বাদ পড়েছে মুর্শিদাবাদে। সেখানে বিচারাধীন ভোটারের সংখ্যা ছিল প্রায় ১১ লক্ষের বেশি। ২০২৫ সালের ভোটার তালিকায় মোট ভোটার ছিল ৫৭ লক্ষের বেশি। নতুন খসড়া তালিকায় সেই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫৪ লক্ষ ৮৫ হাজারে। অর্থাৎ শুধু এই জেলা থেকেই প্রায় ৪ লক্ষ ৫৫ হাজার নাম বাদ গিয়েছে।সব মিলিয়ে এই ইস্যুতে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। তৃণমূলের দাবি, বৈধ ভোটারদের নাম অন্যায়ভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে শাসক দল।

এপ্রিল ০৭, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় তৃণমূল-বিজেপিকে একসঙ্গে নিশানা কংগ্রেসের! ‘একই মুদ্রার দুই পিঠ’ মন্তব্যে তোলপাড় রাজনীতি

বাংলার নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়িয়ে তৃণমূল ও বিজেপিকে একসঙ্গে আক্রমণ করল কংগ্রেস। ইন্ডিয়া জোটের শরিক হওয়া সত্ত্বেও বাংলায় এসে তৃণমূলের বিরুদ্ধে কড়া সুর শোনা গেল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের মুখে।দলীয় ইস্তেহার প্রকাশ করে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে বলেন, বাংলায় তারা নতুন বিকল্প দিতে চায়। তাঁর কথায়, কংগ্রেস শুধু অর্থ বিলির প্রতিশ্রুতি দেয় না, বরং রাজ্যের পুনর্গঠন ও সংস্কারের কথা বলে। দীর্ঘদিন পর রাজ্যে একা লড়াই করছে কংগ্রেস, তাই এই নির্বাচনকে নতুন সুযোগ হিসেবে তুলে ধরছে দল।খাড়গে অভিযোগ করেন, তৃণমূলের শাসনে এত বছরেও রাজ্যে শিল্প ও কর্মসংস্থানের উন্নতি হয়নি। অন্যদিকে বিজেপি এই বিষয়গুলি নিয়ে কথা না বলে শুধুই বিভাজনের রাজনীতি করে। তিনি দাবি করেন, কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে এক বছরের মধ্যে শূন্যপদ পূরণ করা হবে।রাজ্যের বেকারত্ব প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, আগে শিল্পের জন্য কলকাতার নাম শোনা যেত, এখন এখানকার যুবকদের অন্য রাজ্যে যেতে হচ্ছে কাজের খোঁজে। তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকারের কোনও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেই। একইসঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক রাজনীতির অভিযোগও তোলেন তিনি।দুর্নীতির বিষয়েও সরব হন খাড়গে। তিনি বলেন, রাজ্যে একাধিক দুর্নীতির ঘটনা সামনে এসেছে, এমনকি এক মন্ত্রীর বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধার হয়েছে। তাঁর মতে, বাংলায় আইনের শাসন ফিরিয়ে আনা জরুরি।এদিন কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ আরও একধাপ এগিয়ে বলেন, তৃণমূল ও বিজেপি আসলে একই মুদ্রার দুই পিঠ। তাই নতুন পথ দেখাতে কংগ্রেসই একমাত্র বিকল্প। যদিও ইন্ডিয়া জোট নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই তিনি জানান, জাতীয় স্তরে জোট থাকলেও রাজ্যভেদে লড়াইয়ের কৌশল আলাদা হতে পারে।সব মিলিয়ে বাংলার নির্বাচনের আগে কংগ্রেসের এই অবস্থান নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি করবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ০৭, ২০২৬
কলকাতা

বাংলায় ৯১ লক্ষ নাম বাদ, তবু শীর্ষে নয়! তালিকার শীর্ষে কোন রাজ্য জানলে চমকে উঠবেন

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এসআইআর প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৯১ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। এই নিয়ে রাজ্যে ক্ষোভ, বিক্ষোভ এবং উদ্বেগের ছবি সামনে এসেছে। তবে অবাক করার বিষয়, নাম বাদ পড়ার সংখ্যায় বাংলা শীর্ষে নেই।তথ্য বলছে, এই তালিকায় সবচেয়ে উপরে রয়েছে উত্তরপ্রদেশ। সেখানে খসড়া তালিকাতেই প্রায় ২ কোটি ৮৯ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে। ফলে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।বাংলায় মোট ৯০ লক্ষ ৮৩ হাজার ৩৪৫ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। অন্যদিকে তামিলনাড়ুতেও বিপুল সংখ্যক নাম বাদ পড়েছে। সেখানে প্রায় ৭৪ লক্ষ ভোটারের নাম তালিকা থেকে মুছে দেওয়া হয়েছে।কেরলে প্রায় ৯ লক্ষ নাম বাদ গেছে। পুদুচেরিতে মোট ভোটারের তুলনায় প্রায় ১ লক্ষের বেশি নাম বাদ পড়েছে। এই রাজ্যগুলির মধ্যে অসমে এই প্রক্রিয়া হয়নি।বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির মধ্যে গুজরাটে সবচেয়ে বেশি নাম বাদ পড়েছে। সেখানে প্রায় ৭৭ লক্ষের বেশি ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ গেছে। শতাংশের হিসাবে গুজরাট বাংলাকেও ছাপিয়ে গিয়েছে।মধ্যপ্রদেশে প্রায় ৩৪ লক্ষ, রাজস্থানে প্রায় ৩১ লক্ষ এবং ছত্তিশগড়ে প্রায় ২৫ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে। এই সব রাজ্যেও শতাংশের হিসেবে নাম বাদ পড়ার হার বাংলার থেকে বেশি।তবে সব মিলিয়ে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে উত্তরপ্রদেশে। সেই কারণে এখনও পর্যন্ত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশে দেরি হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন সময় নিয়ে এই তালিকা তৈরি করছে বলে জানা গিয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ভোটার তালিকা নিয়ে দেশজুড়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এই তথ্যকে সামনে রেখে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরছে।

এপ্রিল ০৭, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের তেলের হৃদয়ে ভয়ংকর হামলা! খার্গ দ্বীপে আঘাত, যুদ্ধ কি এবার নিয়ন্ত্রণের বাইরে?

ইরানের প্রধান অপরিশোধিত তেল রফতানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপে মঙ্গলবার একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। ইরানের সংবাদমাধ্যম এই হামলার খবর প্রকাশ করেছে। একটি মার্কিন সূত্রের দাবি, মার্কিন বাহিনী দ্বীপে একাধিক সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। অন্য এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৫০টিরও বেশি সামরিক স্থানে হামলা চালানো হয়েছে।এই ঘটনার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বেড়ে গিয়েছে। এর আগেই তেহরান হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, তাদের উপকূল বা দ্বীপে হামলা হলে সমুদ্রপথে মাইন পেতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত করা হতে পারে। ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।খার্গ দ্বীপ ইরানের তেল রফতানির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। দেশের মোট তেল রফতানির প্রায় নব্বই শতাংশ এই দ্বীপের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। তাই এই এলাকায় হামলা হলে ইরানের জ্বালানি বাণিজ্যে বড় প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।এর আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, দ্বীপের সামরিক লক্ষ্যবস্তু সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছে। তিনি আরও ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, প্রয়োজনে তেলের পরিকাঠামোকেও নিশানা করা হতে পারে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার জন্য ইরানকে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে আমেরিকা।এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ আরও বড় আকার নিতে পারে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে আন্তর্জাতিক মহলে।

এপ্রিল ০৭, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

৭২ ঘণ্টার মধ্যে নিষিদ্ধ শিল্পীদের আবার কাজে ফেরানো হবে! দেবের মন্তব্যে পাল্টা কী বললেন স্বরূপ বিশ্বাস

আউটডোরে শুটিং চলাকালীন অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মর্মান্তিক মৃত্যুর পর টলিউডে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। ইন্ডাস্ট্রির শিল্পী ও টেকনিশিয়ানরা একসঙ্গে ন্যায়বিচারের দাবিতে সরব হয়েছেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তা নিয়ে জোর দাবি উঠেছে।মঙ্গলবারের বৈঠকে সংশ্লিষ্ট প্রযোজনা সংস্থাকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে সেই সঙ্গে টলিউডে আগে থেকে চলা নিষিদ্ধ সংস্কৃতি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। কয়েক বছর আগে একাধিক পরিচালকের সঙ্গে বিরোধের জেরে কিছু শিল্পীকে অলিখিতভাবে কাজ থেকে দূরে রাখা হয়েছিল। সেই তালিকায় পরিচিত পরিচালক, অভিনেতা এবং পুরস্কারপ্রাপ্ত শিল্পীরাও রয়েছেন।এই বৈঠকে তাঁদের আবার কাজে ফেরানো নিয়েও আলোচনা হয়। যদিও এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, তবে অভিনেতা দেব জানিয়েছেন, আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এই সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা হবে।বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দেব বলেন, দীর্ঘদিন ধরে যাঁরা নিষিদ্ধ রয়েছেন, তাঁদের নিয়ে আলাদা করে আলোচনা হবে। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এই বিষয়ে উদ্যোগ নেবেন এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সমাধানের পথ বের করার চেষ্টা করবেন।তিনি আরও জানান, ইন্ডাস্ট্রিতে কেউ কাজ না পেলে তার কষ্ট বোঝা যায় না সহজে। তাই যাঁরা এতদিন কাজ থেকে দূরে ছিলেন, তাঁদের ফের সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দেন, যে প্রযোজনা সংস্থার তত্ত্বাবধানে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে, তাদের সঙ্গে আপাতত কাজ করা হবে না। যতদিন না তারা নিজেদের নির্দোষ প্রমাণ করতে পারছে, ততদিন এই অবস্থানই থাকবে।সব মিলিয়ে রাহুলের মৃত্যুর পর টলিউডে একদিকে যেমন নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, অন্যদিকে দীর্ঘদিনের নিষিদ্ধ সংস্কৃতি নিয়েও নতুন করে ভাবনা শুরু হয়েছে। এখন সকলের নজর আগামী কয়েক দিনের সিদ্ধান্তের দিকে।

এপ্রিল ০৭, ২০২৬
কলকাতা

সারাদিন আদালতে অপেক্ষা, তবু শুনানি হল না! আর জি কর কাণ্ডে ফের হতাশ অভয়ার পরিবার

আর জি কর কাণ্ডে মঙ্গলবারও হল না শুনানি। সারাদিন আদালতে অপেক্ষা করেও কোনও ফল পেলেন না অভয়ার বাবা-মা। তাঁরা এজলাসে বসে থাকলেও সময়ের অভাবে মামলার শুনানি হয়নি।জানা গিয়েছে, বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চে এদিন একের পর এক অন্য মামলার শুনানি চলছিল। সেই কারণেই আর জি কর সংক্রান্ত মামলার জন্য সময় বের করা সম্ভব হয়নি। এখন আগামী বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানি হবে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন সকলেই।উল্লেখ্য, এই মামলার শুনানি কলকাতা হাইকোর্টে হওয়ার কথা। অভয়ার বাবা-মায়ের আবেদন গ্রহণ করে দেশের সর্বোচ্চ আদালত এই নির্দেশ দিয়েছিল। সেই অনুযায়ী এখন হাইকোর্টেই মামলার শুনানি চলছে।এর আগেই এই মামলায় একটি রায় ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু সেই রায়ে সন্তুষ্ট নন অভয়ার বাবা-মা। তাঁদের অভিযোগ, ঘটনার সঠিক তদন্ত হয়নি এবং অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর এখনও অজানা রয়ে গিয়েছে।২০২৫ সালের আগস্ট মাসে আর জি কর হাসপাতাল থেকে অভয়ার দেহ উদ্ধার করা হয়। অভিযোগ, তাঁকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছিল। প্রথমে কলকাতা পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও পরে এই মামলার তদন্তভার নেয় কেন্দ্রীয় সংস্থা। কিন্তু তদন্তের গতি ও পদ্ধতি নিয়ে শুরু থেকেই অসন্তোষ প্রকাশ করে আসছেন অভয়ার পরিবার।তাঁদের দাবি, ঘটনার পূর্ণ সত্য এখনও সামনে আসেনি এবং আরও গভীর তদন্ত প্রয়োজন। সেই কারণেই তাঁরা আবারও আইনি লড়াই শুরু করেছেন এবং ন্যায়বিচারের আশায় আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।

এপ্রিল ০৭, ২০২৬
রাজ্য

রিমোট কন্ট্রোল বনাম রিপোর্ট কার্ড! ভোটের আগে নতুন তত্ত্ব অভিষেকের

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে নতুন রাজনৈতিক তত্ত্ব সামনে আনলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় )। তাঁর দাবি, ২০২৬ সালের নির্বাচন আসলে রিমোট কন্ট্রোল এবং রিপোর্ট কার্ড-এর লড়াই।অভিষেকের অভিযোগ, বিজেপি দিল্লি থেকে রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে বাংলাকে চালাতে চায়। তাঁর কথায়, এই রিমোট কন্ট্রোলের লক্ষ্য হল বাংলার প্রাপ্য টাকা আটকে দেওয়া, বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া এবং অশান্তি তৈরি করা। তিনি আরও দাবি করেন, বিজেপি বারবার বাঙালিদের অপমান করে এবং বিভিন্ন ইস্যুতে বিভাজন তৈরি করার চেষ্টা করে।অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের শক্তি হিসেবে তুলে ধরছে উন্নয়নের খতিয়ান। গত ১৫ বছরে রাজ্যে যে উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে, সেটাকেই রিপোর্ট কার্ড হিসেবে সামনে আনা হচ্ছে। লক্ষ্মীর ভান্ডার, স্বাস্থ্য সাথীর মতো বিভিন্ন প্রকল্পের কথা তুলে ধরে প্রচার চালানো হচ্ছে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একটি বার্তায় জানান, এই লড়াই আসলে দুই ধরনের ভাবনার মধ্যে। একদিকে বিজেপির রিমোট কন্ট্রোল, অন্যদিকে তৃণমূলের কাজের রিপোর্ট কার্ড। তাঁর দাবি, তৃণমূল মানুষের জন্য কাজ করেছে এবং প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে।তিনি আরও বলেন, বাংলার মানুষ নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেরাই ঠিক করবে। বাইরের কেউ রিমোট কন্ট্রোল দিয়ে এই রাজ্য চালাতে পারবে না। এই বার্তা দিয়েই ভোটের ময়দানে নতুন সমীকরণ তৈরির চেষ্টা করছে তৃণমূল।

এপ্রিল ০৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal