• ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার ১০ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

NTA

খেলার দুনিয়া

ATK Mohun Bagan : রক্ষণ সামলাতে পুরনো ডিফেন্ডারকে ফেরাল এটিকে মোহনবাগান

বিদেশি ক্লাবের জার্সি গায়ে খেলার স্বপ্ন পূরণ হল না সন্দেশ ঝিংগানের। আবার ফিরতে হল সেই দেশের ক্লাবেই। পুরনো ক্লাব এটিকে মোহনবাগানের জার্সি গায়ে চলতি মরশুমে আবার আইএসএলে খেলতে দেখা যাবে দেশের সেরা এই ডিফেন্ডারকে।আরও পড়ুনঃ সুরাতে গ্যাস লিক করে মর্মান্তিক মৃত্যু ৬ কারখানা শ্রমিকেরগত মরশুম শেষে এটিকে মোহনবাগান ছেড়ে ক্রোয়েশিয়ার এইচ এন কে সিবনিকে যোগ দিয়েছিলেন সন্দেশ ঝিংগান। সিবনিকে যোগ দেওয়ার সময় বলেছিলেন এগিয়ে যাওয়ার জন্য চ্যালেঞ্জ নিতে হয়। কিন্তু সেই সুযোগই পেলেন না সন্দেশ। ক্রোয়েশিয়ায় যাওয়ার পর একটা ম্যাচেও খেলার সুযোগ পাননি এই ভারতীয় ডিফেন্ডার। কয়েকটা ম্যাচে অবশ্য রিজার্ভ বেঞ্চে ছিলেন। মরশুমের শেষের দিকে আবার চোটের কবলে পড়েন সন্দেশ। চোট সারানোর জন্য তিনি দেশে ফিরে আসেন। নিজের ব্যক্তিগত ফিজিওর কাছে চিকিৎসা শুরু করেন। ফিট হওয়ার পর এটিকে মোহনবাগান কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।আরও পড়ুনঃ রাজ্যজুড়ে শীতের আমেজ কমিয়ে বাড়ছে তাপমাত্রাসবুজমেরুণ কর্তারা একজন ভাল মানের ডিফেন্ডারের খোঁজে ছিলেন। হাবাস দায়িত্বে থাকার সময় দীপক টাংরিকে স্টপারে খেলাচ্ছিল। বেশ কয়েকটা ম্যাচে দলকে ডুবিয়েছেন দীপক। তাই সন্দেশ ঝিংঘানকে ফেরাতে এটিকে মোহনবাগান কর্তারা রাজি হয়ে যান। বাগান কর্তারা সন্দেশকে দলে নেওয়ার আগে কোচ জুয়ান ফেরান্দোর সঙ্গে কথা বলেন।আরও পড়ুনঃ হাবড়া স্টেশনে কেন ভেঙে দেওয়া হল এমএ ইংলিশ চায়েওয়ালির দোকান?ট্র্যান্সফার-ফি দিয়ে সন্দেশকে নিতে রাজি ছিলেন না এটিকে মোহনবাগান কর্তারা। তাঁরা সন্দেশকে বলেন সিবনিক থেকে রিলিজ নিয়ে আসতে। সিবনিকের কর্তাদের কাছে রিলিজ চান সন্দেশ। রিলিজ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে চুক্তি করে জৈব সুরক্ষা বলয়ে ঢুকে পড়েন। বৃহস্পতিবারই জৈব সুরক্ষা বলয়ে ঢুকে পড়লেও পরের ম্যাচে খেলতে পারবেন না। কারণ এটিকে মোহনবাগানের পরের ম্যাচ ৮ জানু্যারি ওড়িশা এফ সির বিরুদ্ধে। এই ম্যাচের আগে সন্দেশ ঝিংঘানের কোয়ারেন্টিনের মেয়াদ শেষ হবে না। ১৫ জানুয়ারি বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে অবশ্য তাঁর মাঠে নামতে কোনও অসুবিধা হবে না।

জানুয়ারি ০৬, ২০২২
কলকাতা

Containment Zone: কলকাতায় বাড়ছে কনটেনমেন্ট জোন

মহানগরীতে লাগামছাড়া করোনা সংক্রমণ। সংক্রমণে রাশ টানতে কলকাতায় মাইক্রো কনটেন্টমেন্ট জোনের ঘোষণা মেয়র ফিরহাদ হাকিমের। কলকাতার ১৪ ওয়ার্ডে ২৫ মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন। অধিকাংশ ফুলবাগান, মানিকতলা, ট্যাংরা এলাকায় । আবাসনে ৪-৫ জন পজিটিভ হলে মাইক্রো কনটেন্টমেন্ট জোন ঘোষণা করা হয়েছে। করোনা মোকাবিলায় ৩টি সেফ হোম চালু করল পুরসভা।কাঁকুরগাছির ৩১ নম্বর ওয়ার্ড মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোন ঘোষণা হয়েছে। এটি কলকাতা পুরসভার ৩ নম্বর বরোর অন্তর্গত। এই এলাকাটিকে মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোন ঘোষণা করা হয়েছে। তবে মঙ্গলবার সকালে ওই এলাকায় গিয়ে দেখা গিয়েছে, তখনও পর্যন্ত পুলিশের তরফে কোনও ব্যারিকেড করে দেওয়া হয়নি।তবে আরও একটি বিষয় দেখা গিয়েছে। মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোনের ভিতরেই রয়েছে একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার। মঙ্গলবার সকালেও সেটিকে খোলা দেখা গিয়েছে। যদিও সেটি খোলা থাকারই কথা। তবে সেখানে অনেককেই আসতে দেখা গিয়েছে, যেটা ভয়ের। পুরকর্মীরা এদিন সকালে এলাকা সাফাই করেছেন। তবে বাড়তি কোনও উদ্যোগ নেই। তবে বিভিন্ন আবাসনের গেটে নো মাস্ক নো এন্ট্রি বোর্ড টাঙানো আছে।কলকাতায় পরিস্থিতি সামাল দিতে আগেই কনটেইনমেন্ট জোন ঘোষণা করেছেন মেয়র। এবার ঘোষণা করলেন মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোন। রাশ টানতে কলকাতায় ২৫ টি মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোন ঘোষণা করা হয়েছে। এক্ষেত্রে একটি আবাসনের ৪-৫ জন সংক্রমিত হলেই, সেটি মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোন হিসাবে ঘোষণা করা হয়।

জানুয়ারি ০৪, ২০২২
কলকাতা

Omicron: কলকাতায় গোষ্ঠী সংক্রমণের ইঙ্গিত

কোভিডের বিপদ! বর্ষশেষের আনন্দে সতর্ক থাকুন। কী করবেন, কী করবেন না? স্বাস্থ্য অধিকর্তারা বলে দিয়েছেন, বর্ষশেষের আনন্দ ভুলে যান, শুধু কথা হোক কোভিড নিয়ে! আর চিকিৎসকরা সর্বদা বলে যাচ্ছেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। কলকাতায় ইতিমধ্যেই ৫ জন ওমিক্রন আক্রান্তের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। প্রত্যেকেই ফিরেছেন বিদেশ থেকে। আপাতত তাঁরা প্রত্যেকেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।রাজ্যের ক্ষেত্রেও ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৬। কলকাতার ১০টি ওয়ার্ড হটস্পট হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে। তবে স্বাস্থ্যকর্তারা বলছেন, পরিসংখ্যানের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি উল্লেখ্য, কত স্যাম্পেল পাঠানো হচ্ছে আর কত স্যাম্পেল পরীক্ষার পর পজিটিভ হয়ে আসছে? বৃহস্পতিবার দেখা গিয়েছে, ৬টি স্যাম্পেল পাঠানোর পর ৫টি পজিটিভ হয়ে এসেছে। কলকাতায় গোষ্ঠী সংক্রমণের ইঙ্গিত স্পষ্ট। অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে, ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টকে ধীরে ধীরে সরিয়ে ওমিক্রন তার থাবা বসাচ্ছে। কলকাতায় টেস্ট ও পজিটিভিটি রেটও সমান হারে বাড়ছে।ওমিক্রনের রাজ্যের তরফে বেশ কয়েকটি বিষয় কড়াভাবে নজর দিতে বলা হয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি বৈঠকে নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যকর্তা।নির্দেশগুলো নিম্নরূপ1. সন্দেহভাজন হোম আইসোলেশন মানছেন কিনা, তা কড়া ভাবে নজর দিতে হবে।2. প্রয়োজনে জিও ট্যাগিংয়ের সাহায্য নেওয়ার পরামর্শ।3. ওমিক্রন সংস্পর্শে আসা এলাকায় মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোন তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।4. নির্দেশ মেনে ইতিমধ্যে মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোন কলকাতা পুর এলাকায় ঘোষণা করা হয়েছে।5. সন্দেহভাজনেরা ফোন না ধরলে প্রয়োজনে বাড়ি যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকদের।প্রাথমিকভাবে ঠিক রয়েছে, পরিস্থিতি বুঝে ৩ জানুয়ারি থেকে কনটেইনমেন্ট জোনের দিকে হাঁটতে হবে। সেক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, কলকাতার ১০ টি ওয়ার্ড- উত্তর থেকে দক্ষিণ ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৭২ ঘণ্টায় অস্বাভাবিক হারে কোভিড সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২১
কলকাতা

Omicron: কলকাতায় ফের ওমিক্রন আক্রান্তর হদিশ, আক্রান্ত পাঁচ বছরের শিশুও

নতুন বছরের আগেই কলকাতায় ফের মিলল ওমিক্রন আক্রান্তের হদিশ। বৃহস্পতিবার নতুন করে পাঁচজনের নমুনায় নয়া ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গিয়েছে। এ দিন স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, বিদেশ থেকে আসা ৬ জন করোনা আক্রান্তের নমুনা জিনোম সিকোয়েন্সিং করা হয়েছিল, তার মধ্যে পাঁচজনই ওমিক্রন আক্রান্ত। তাঁদের মধ্যে রয়েছে এক পাঁচ বছরের শিশু। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত কলকাতায় ওমিক্রন আক্রান্ত বেড়ে হল ১৬।এ দিন কলকাতার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ২ করোনা আক্রান্তের শরীরে ওমিক্রনের সন্ধান পাওয়া যায়। তার মধ্যে একজন ৪৪ বছরের ব্যক্তি, তিনি কৈখালির বাসিন্দা। অপরজন ৫ বছরের শিশু, প্রিন্স আনোয়ার শাহ রোডের বাসিন্দা। দুজনই কিছুদিন আগে ব্রিটেন থেকে ফিরেছেন। আরও তিনজনের নমুনাতেও একই ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গিয়েছে, তবে তাঁরা সাম্প্রতিক অতীতে বিদেশ যাত্রা করেছেন কি না, তা জানা যায়নি।তবে এই সংখ্যা সামনে আসার পরই সাধারণ মানুষকে বিশেষভাবে সতর্ক করা হয়েছে। স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফ থেকে বলা হয়েছে, প্রত্যেকে যাতে কোভিড বিধি মেনে চলেন। সময় যে খুব একটা ভালো নয়, তা কার্যত বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে ওই সতর্কবার্তায়। এ দিন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বুলেটিনে উল্লেখ করা হয়েছে, কলকাতায় করোনার পজিটিভিটি রেট ১২ শতাংশ। স্বাস্থ্য দপ্তরের দাবি, এই হার কেবল একটা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য। প্রতিনিয়ত পজিটিভিটি রেট বাড়ছে রাজ্যে। সংক্রমণ অত্যন্ত দ্রুতগতিতে বাড়ছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে ওই সতর্কবার্তায়।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২১
রাজনীতি

BJP: এবার বিজেপিতে 'বিদ্রোহী' পাঁচ মতুয়া বিধায়ক

নয়া রাজ্য কমিটি গঠনের তিন দিনের মাথায় বিজেপি বিধায়কদের নিয়ে তৈরি করা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন পাঁচ মতুয়া বিধায়ক। এই ঘটনা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি গ্রুপ ছেড়ে দেওয়া বিধায়করা। শুধু তাই নয়, শোনা যাচ্ছে শীলভদ্র দত্ত, রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়ও বিজেপির মিডিয়া গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছেন। এ নিয়ে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল।বিজেপি বিধায়কদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে বেরিয়ে গিয়েছেন পাঁচ মতুয়া বিধায়ক। তাঁরা হলেন, গাইঘাটায় বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর, বনগাঁ উত্তরের বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়া, হরিণঘাটার বিধায়ক অসীম সরকার, কল্যাণীর বিধায়ক অম্বিকা রায় এবং রানাঘাট দক্ষিণের বিধায়ক মুকুটমণি অধিকারী। আর এই কাণ্ড ঘিরে জল্পনা শুরু হয়েছে।এ নিয়ে প্রকাশ্যে অবশ্য মুখ খোলেননি গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়া পাঁচ বিধায়কের কেউই। বনগাঁ উত্তরের বিধায়ক বলেন, আমি এ ব্যাপারে কিছু বলতে পারব না। মাফ চাইছি। কেন বেরোলাম তা এই মুহূর্তে বলতে চাইছি না। গত ২২ ডিসেম্বর নতুন রাজ্য কমিটির ঘোষণা করেছে পদ্মশিবির। ঘটনাচক্রে সেই কমিটিতে কোনও মতুয়া নেতা নেই। সেই বার্তাই কি একসঙ্গে পাঁচ মতুয়া বিধায়ক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়ে দিতে চেয়েছেন?উত্তর ২৪ পরগনা বিজেপি-র একাংশের দাবি, রাজ্যে পদ্মফুলের বাড়বাড়ন্তের কারিগর মতুয়ারা। কিন্তু রাজ্য কমিটিতে সেই মতুয়াদের কোনও প্রতিনিধি না থাকাতেই কি মনঃকেষ্ট গ্রুপ ছেড়ে যাওয়া বিধায়করা? এই জল্পনা আরও জোরদার হয়েছে বনগাঁর সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের পদক্ষেপে। বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে দেখা করার জন্য সময় চেয়েছেন তিনি।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২১
রাজ্য

Deucha-Panchami: দেউচা-পাঁচামি নিয়ে স্থানীয় মানুষের আন্দোলনে পাশে থাকবে সিপিএম, ঘোষণা সূর্যকান্তর

বীরভূমের দেউচা-পাঁচামি কয়লাখনি প্রকল্প নিয়ে রাজ্য সরকারের বক্তব্য স্পষ্ট নয়। এই নিয়ে স্থানীয় মানুষেরা যে আন্দোলন করছে তার পাশে থাকবে সি পি এম। শনিবার বর্ধমানে এক সাংবাদিক সম্মেলনে একথা জানিয়ে দিলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র। তিনি বলেন, দেউচা-পাঁচামি নিয়ে রাজ্য সরকারের ঘোষণা স্পষ্ট নয়। সরকার পরিস্কার জবাব দেয়নি। তবে প্রকল্প না হওয়ার কোনও ব্যাপার নেই। সরকার যা বলছে তার মধ্যে বিশ্বাসযোগ্য়তা নেই। স্থানীয় মানুষের লড়াইতে আমরা আছি। বর্ধমানের টাউনহলে সিপিএমের পঁচিশতম পূর্ব বর্ধমান জেলা সম্মেলনের এদিন ছিল প্রথম দিন।কলকাতা পুরসভা নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোট শতাংশের হিসাবে বামেরা বিজেপিকে টপকে গিয়েছে। সূর্যকান্ত মিশ্র বলেন, কলকাতা পুরভোটে দলের কমবয়সী কর্মীদের প্রার্থী করা হয়েছে। সেখানে বিজেপি নয়, দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে বামেরাই। বামপন্থীরাই দ্বিতীয় শক্তি কলকাতা পুরসভায়। আমাদের ভোটের হার বেড়েছে। কংগ্রেসেরও হার বেড়েছে। অধিকাংশ বরোতেও বামেরাই দ্বিতীয় স্থানে আছেন। তিনি আরো জানান, রাজ্যের বাকি পুরসভাগুলির নির্বাচনে স্থানীয় পরিস্থিতি বিবেচনা করেই রণকৌশল ঠিক করবে সংশ্লিষ্ট জেলা কমিটি। এদিন টাউনহলে সাংবাদিক সম্মেলনে হাজির ছিলেন আভাস রায়চৌধুরী ও অপূর্ব চট্যোপাধ্যায়।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২১
কলকাতা

Accident: নবান্নের কাছে ছাইবোঝাই লরি উল্টাল, দেড় ঘণ্টা চাপা পড়ে থাকল পথচারী

নবান্নের কাছে কলকাতামুখী লেনে বড়সড় দুর্ঘটনা। বিকেলে উল্টে যায় একটি ছাইয়ের কন্টেনার বোঝাই লরি। তার তলায় চাপা পড়ে যান এক ব্যক্তি। টানা দেড় ঘণ্টা চাপা পড়ে থাকার পর কোনওরকমে ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে এসএসকেএমে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে খবর। জানা গিয়েছে, সেই ব্যক্তিকে অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়।স্থানীয় সূত্রের খবর, বিকেল ৫টা নাগাদ নবান্নের কাছে কোলাঘাট থেকে কলকাতামুখী ছাইয়ের কন্টেনার বোঝাই লরিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। তার তলায় চাপা পড়ে যান ওই ব্যক্তি। উল্টানো লরির পাশেই অ্যাম্বুল্যান্স এনে, সেখান থেকে অক্সিজেনের নল ঢোকানো হয় চাপা পড়া ব্যক্তির নাকে। এ ভাবেই তাঁকে অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে। উদ্ধারকারী দল চেষ্টা করছে, যাতে উল্টে যাওয়া লরির তলা থেকে ওই ব্যক্তিকে বের করে আনা যায়।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২১
রাজ্য

Singur-BJP: সিঙ্গুরে অবস্থান বিক্ষোভ বিজেপির, মিছিলে দিলীপ-সুকান্ত

আত্মহত্যা করেছেন এমন কৃষকদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য, কৃষকদের উপযুক্ত দামে সার, সেচের জন্য ভর্তুকিতে বিদ্যুৎ দেওয়া-সহ কয়েকটি দাবিতে সিঙ্গুরে রাজনৈতিক কর্মসূচি শুরু বিজেপি-র। সেখানে প্রথমে মিছিল করে বিজেপি। তাতে যোগ দেন বঙ্গ বিজেপি-র নেতারা। পরে শুরু হয় ধর্না। টানা তিন দিন হুগলির সিঙ্গুরের গোপালনগরে দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ের ধারে ধরনা দেবে বিজেপি।সিঙ্গুরে বিজেপি-র কর্মসূচির জন্য সোমবার গভীর রাতে অনুমতি দেয় পুলিশ। এর পর মঙ্গলবার ধরনা মঞ্চ বাঁধা হয়। দুপুরে সিঙ্গুরের লোহাপট্টি থেকে মিছিল করে সিংহের ভেড়িতে উপস্থিত হন বিজেপি নেতারা। সঙ্গে ছিলেন কর্মী-সমর্থকরাও।সিংহের ভেড়িতে দূর্গাপুর এক্সপ্রেস হাইওয়ের পাশে ধরনা মঞ্চ বিজেপি-র। ওই কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, কৃষকদের পাশে না দাঁড়ালে তাঁদের কাছে দুটো পথ খোলা রয়েছে। হয় পরিযায়ী শ্রমিক হয়ে যাওয়া না হলে আত্মহত্যা করা। তাঁর মতে, রতন টাটা এখান থেকে চলে যাওয়া দেশের শিল্পমহল পশ্চিমবঙ্গের উপর বিশ্বাস রাখতে পারছেন না। এ ছাড়া মঙ্গলবারের মিছিলে উপস্থিত হন রাহুল সিনহা, অগ্নিমিত্রা পল, চন্দনা বাউড়ি-সহ অনেকে।মিছিল শুরুর আগে বিজেপি-র সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে বলেন, হয় কৃষকদের জমি ফেরত দিন। না হলে চাকরি দিন। মোদিজি কৃষকদের বছরে ছয় হাজার টাকা দিচ্ছেন। সেটাও উনি দিতে দিচ্ছেন না।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Antardhan : ১০ ডিসেম্বর মুক্তি পাচ্ছে অন্তর্ধান, মুক্তি পেল এই ছবির গান

আগামী ১০ ডিসেম্বর বড়পর্দায় মুক্তি পেতে চলেছে পরিচালক অরিন্দম ভট্টাচার্যের ছবি অন্তর্ধান। এই ছবিরই মিউজিক লঞ্চ হয়ে গেল দক্ষিণ কলকাতার একটি হোটেলে। অন্তর্ধান একটি সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার। হিমাচল প্রদেশের কসৌলীতে। ক্লাস এইটের এক মিষ্টি মেয়ে জিনিয়াকে নিয়েই গড়ে উঠেছে ছবির প্লট। এই চরিত্রে অভিনয় করেছে মোহর চৌধুরী। মা-বাবার সঙ্গে হিমাচলে থাকে জিনিয়া। মা-বাবার চরিত্রে রয়েছেন পরমব্রত এবং তনুশ্রী। সুখেই দিন কাটছিল তাদের। তবে, আচমকাই তাদের জীবনে নেমে আসে একটা বিপর্যয়। হঠাৎই কিডন্যাপ হয়ে যায় জিনিয়া। আর জিনিয়ার এই অন্তর্ধান রহস্যকে ঘিরেই ছবির গল্পটা এগিয়েছে। এই ছবির মিউজিক লঞ্চে পরিচালক জানালেন,যারা ঘরে বসে হিমাচল প্রদেশের স্বাদ পেতে চান তারা অন্তর্ধান দেখুন। অনেক থ্রিলার তো হয়। এই থ্রিলারটি অন্যান্য থ্রিলারগুলোর থেকে একদমই আলাদা। এই ছবিতে জিনিয়ার চরিত্রে অভিনয় করছেন মোহর চৌধুরী। অন্তর্ধানে তার চরিত্র নিয়ে মোহর জানালেন,আমার চরিত্রটা হল জিনিয়া। পরম্ব্রত ও তনুশ্রীর মেয়ে। এই ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট খুব কষ্ট করে হয়েছিল। এমনিতে আমার লম্বা চুল। এখানে চুল কেটে দেওয়া হয়েছিল। চশমা পরানো হয়েছিল। ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট যেরকম আস্তে আস্তে হয় সেইভাবেই হয়েছে। ভয়টা আস্তে আস্তে কেটেছে। এই ক্যারেক্টারটা নিয়ে বলতে পারবো যে একটা বাচ্চা যে হারিয়ে যাচ্ছে। এই ছবির গান নিয়ে রাতুল শঙ্কর জানালেন,অন্তর্ধানে আমি দুটো গান করেছি। একটা লালাবাঈ। উজ্জয়িনী গেয়েছে। অম্বরিশ মজুমদার লিখেছে। এটা একটা সফট নাম্বার। আরেকটি ট্র্যাক। যেটা সম্পূর্ণ আলাদা। আশা করি সবাই গানগুলো শুনবেন। হলে এসে ছবিটা দেখবেন। এই আশা করবো। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য অন্তরলীন, ফ্ল্যাট নম্বর-৬০৯ এর পর তৃতীয় ছবি অন্তর্ধান নিয়ে হাজির হয়েছেন পরিচালক। কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় এই ছবির প্রমোশন হয়েছে। এখন ১০ ডিসেম্বর পর ছবিটি দর্শকদের কাছে কেমন ফিডব্যাক পায় সেটাই দেখার।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Sayantani-Anugrah : চার হাত এক হল সায়ন্তনী-অনুগ্রহের

বিয়েটা সেরে ফেললেন হিন্দি টেলিভিশনের জনপ্রিয় মুখ সায়ন্তনী ঘোষ। পাত্র তার দীর্ঘদিনের পুরনো বন্ধু অনুগ্রহ তিওয়ারি। পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতে দক্ষিণ কলকাতার এক অভিজাত ক্লাবে এই বিয়ের আসর বসে। এদিন খুব বেশি সাজেননি অভিনেত্রী। লাল বেনারসি ও সোনার গহনায় ছিমছাম লুকেই দেখা যায় তাকে। মাথায় ছিল ফুলের সাজ আর কপালে চন্দনের ছোট্ট টিপ। বরের পরনে ছিল নকশা করা শেরওয়ানি। বিয়ের নিয়ম মেনেই মালাবদল, সিঁদুরদান সম্পন্ন হল। সিঁদুরদানের পাশাপাশি সায়ন্তনীকে মঙ্গলসূত্রও পরিয়ে দিলেন অনুগ্রহ।বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন সায়ন্তনীর দীর্ঘদিনের বন্ধু বরখা বিস্ত, তার মেয়ে মীরা এবং মেকআপ আর্টিস্ট অনিরুদ্ধ চাকলাদার। বিয়ের মেনুতে ছিল বাঙালি-অবাঙালি খাবারের মেলবন্ধনে। কচুরি, ছোলার ডাল, জাফরানি পোলাও, বেকড ফিশ, চিকেন টিক্কা লবাবদার, মাটন রোগান জোশ, নলেন গুড়ের রসগোল্লার পাশাপাশি ক্যারামেল কাস্টার্ডও। ছিল নিরামিষ খাবারের ব্যবস্থাও।ফিটনেস ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত অনুগ্রহ জয়পুরে থাকেন। মঙ্গলবার জয়পুরে পাড়ি দেবেন নবদম্পতি। সেখানেই রিসেপশন হবে। সায়ন্তনী ও অনুগ্রহের জন্য জনতার কথার পক্ষ থেকে রইল অনেক শুভেচ্ছা।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২১
দেশ

Rajyasabha Suspension: বিলম্বিত শাস্তি! বাদলের সাজা শীতে, সংসদের গোটা অধিবেশনে সাসপেন্ড রাজ্যসভার ১২ সদস্য

গোটা শীতকালীন অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ড হলেন তৃণমূলের রাজ্যসভা সাংসদ দোলা সেন ও শান্তা ছেত্রী। গত বাদল অধিবেশনের শেষ দিনে সংসদে হইহট্টগোল করার জন্যই তাঁদের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। দোলা ও শান্তা ছাড়াও সাসপেন্ড করা হয়েছে আরও ১০ রাজ্যসভা সাংসদকে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন শিবসেনার প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদী ও অনিল দেশাই, সিপিএমের এলামারাম করিম, কংগ্রেসের ফুলোদেবী নেতাম, ছায়া বর্মা, আর বোরা, রাজামণি প্যাটেল, সৈয়দ নাসির হুসেন, অখিলেশ প্রসাদ সিং।যাঁরা সাসপেন্ড হয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের প্রতি নজিরবিহীনভাবে অশ্রদ্ধা প্রদর্শন, দুর্ব্যবহার এবং ইচ্ছাকৃতভাবে নিরাপত্তারক্ষীদের উপর আক্রমণ করে সংসদের কাজে বাধা দেওয়া। এরপরই সাংবাদিক বৈঠক করে তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায় বলেন, কারও সঙ্গে কথা না বলে সাসপেন্ড করা হয়েছে। কোনও নিয়ম মানা হয়নি। কাউকে কথা বলা সুযোগই দেওয়া হয়নি। কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তাঁকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিতে হয়। সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে দলের সাংসদদের সাসপেন্ড করা হয়েছে।উল্লেখ্য, এভাবে বিরোধী সাংসদদের সাসপেন্ড হওয়ার ঘটনা একেবারেই নতুন কিছু নয়। গত বাদল অধিবেশন থেকেই বিরোধী সাংসদদের আন্দোলন দমন করতে সাসপেনশনকে হাতিয়ার করে চলেছে সরকারপক্ষ। এর আগে লোকসভার বহু সাংসদকে হট্টগোলের জন্য সাসপেন্ড হতে হয়েছিল। রাজ্যসভাতেও বিরোধী সাংসদদের একাধিকবার সাসপেন্ড করেছে সরকার। তৃণমূলের যে দু জন সাংসদ শীতকালীন অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ড হলেন, তাঁরাও বাদল অধিবেশন চলাকালীন সাসপেনশনের শিকার হয়েছেন। এই সাসপেনশনের সিদ্ধান্তে বিরোধীরা যে ক্ষুব্ধ হবেন, সেটা বলাই বাহুল্য।

নভেম্বর ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India Test Team : সাফল্য না থাকা সত্ত্বেও ৪ বছর পর টেস্ট দলে প্রত্যাবর্তন এই ক্রিকেটারের !‌ উঠছে প্রশ্ন

ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের জন্য বেছে নেওয়া হল ভারতীয় ক্রিকেট দল। প্রত্যাশামতোই নেতৃত্বের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে অজিঙ্কা রাহানের হাতে। সহঅধিনায়ক হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে চেতেশ্বর পুজারাকে। তবে ভারতীয় দলে সবথেকে বড় চমক জয়ন্ত যাদব। প্রায় ৪ বছর পর টেস্ট দলে ফেরানো হলে এই অফস্পিনারকে।ঘোষিত দলে জায়গা পেয়েছেন: অজিঙ্কা রাহানে (অধিনায়ক), চেতেশ্বর পুজারা (সহঅধিনায়ক), লোকেশ রাহুল, মায়াঙ্ক আগরওয়াল, শুভমান গিল, শ্রেয়স আয়ার, ঋদ্ধিমান সাহা, শিখর ভরত, রবীন্দ্র জাদেজা, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, অক্ষর প্যাটেল, ইশান্ত শর্মা, উমেশ যাদব, মহম্মদ সিরাজ এবং প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুটি টেস্ট খেললেও শুধুমাত্র প্রথম টেস্টের জন্য দল বেছে নেওয়া হয়েছে। বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা, যশপ্রীত বুমরা, মহম্মদ সামি, শার্দুল ঠাকুর, ঋষভ পন্থদের আগেই বিশ্রাম দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। তাই তাঁদের কথা বিবেচনা করা হয়নি। পরের টেস্টেও রোহিতকে বিশ্রাম দেওয়া হতে পারে। তবে বিরাট কোহলি দ্বিতীয় টেস্টে দলে ফিরবেন।এদিকে, ৪ বছর পর জয়ন্ত যাদবের আবার টেস্ট দলে ফেরাটা নিঃসন্দেহে বড় চমক। ২০১৬ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট অভিষেক ঘটে জয়ন্ত যাদবের। অভিষেক ম্যাচেই তুলে নিয়েছিলেন ৪ উইকেট। ব্যাট হাতে দুই ইনিংসে করেছিলেন ৩৫ ও ২৭ রান। পরের ম্যাচেও ৪ উইকেট নিয়েছিলেন। সঙ্গে ৫৫ রান। ওই সিরিজেই ৯ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ১০৪ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। পরের বছর অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সিরিজেও দলে ছিলেন। একটা বেশি টেস্ট খেলার সুযোগ পাননি। সেই টেস্টে মাত্র দুটি উইকেট নিয়েছিলেন। কোনও রান করতে পারেননি। ব্যর্থতার জন্য তাঁকে সিরিজের বাকি টেস্টে আর ভাবা হয়নি।হঠাৎ করে কেন আস্তাকুঁড় থেকে তুলে নিয়ে আসা হল জয়ন্ত যাদবকে, তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। আইপিএলে নিয়মিত খেলার সুযোগ পান না। সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতাতেও তেমন সাফল্য নেই। গত বচর রনজি ট্রফি হয়নি। তার আগের বছর রনজিতে হরিয়ানার হয়ে মাত্র দুটি ম্যাচ খেলেছিলেন। তা সত্ত্বেও দলে ফেরানো হয়েছে জয়ন্ত যাদবকে। জয়ন্ত যাদবের সুযোগ পাওয়াটা যেমন বিষ্ময়ের, তেমনই অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সাফল্য পাওয়া হনুমা বিহারীর সুযোগ না পাওয়াটাও অবাক করার বিষয়।

নভেম্বর ১২, ২০২১
রাজ্য

Covid Infection: উৎসব মিটতেই কোভিড সংক্রমণ উর্ধমুখী, বর্ধমানে নেওয়া হল কড়া পদক্ষেপ

শারদোৎসব মিটতেই পূর্ব বর্ধমান জেলায ক্রমশ উর্ধ্বমুখী হচ্ছে কোভিড সংক্রমণের গ্রাফ। নতুন করে বুধবার জেলায় ২৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। তার মধ্যে ৭ জন বর্ধমান শহরেই বাসিন্দা। এই পরিস্থিতিতে সংক্রমণ বৃদ্ধি রুখতে ফের আগের মতোই কড়া পদক্ষেপ নিল জেলার পুলিশ ও প্রশাসন।রাস্তায় নাকা চেকিং শুরু করার পাশাপাশি পুলিশ মাস্ক পড়ার ব্যাপারে কড়াকড়ি আরোপ করেছে।বৃহস্পতিবার বর্ধমান শহরের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের শ্যামলাল এলাকার একাংশ গণ্ডিবদ্ধ এলাকা হিসাবে ঘোষণা করেন জেলাশাসক প্রিয়াংকা সিংলা। তার পরিপ্রেক্ষিতে ওই এলাকায় বিধি লাগু করতে এদিন আশরে নামেন জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও পুরসভার কর্মীরা।বিধি মেনে ওই গণ্ডিবদ্ধ এলাকায় আগামী ৭ দিন সমস্ত দোকাণপাট বন্ধ রাখার নির্দেশ জারি করেছে প্রশাসন। বর্ধমান সদর মহকুমাশাসক তীর্থঙ্কর বিশ্বাস ;বর্ধমান পৌরসভার সহ পুর-প্রশাসক আইনুল হক ,বর্ধমান থানার আই সি সুখময় চক্রবর্তী সহ প্রশাসনের প্রতিনিধিরাএদিন গণ্ডিবদ্ধ এলাকা পরিদর্শে যান। তাঁরা সেখানকার মানুষকে সচেতন করেন। মাস্ক পড়া ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য সবাইকে অনুরোধ করেন। এছাড়াও এলাকার সব দোকানপাট আগামী সাতদিন বন্ধ রাখার কথাও জানিয়ে দেন প্রশাসনের কর্তারা। প্রশাসন সূত্রে খবর,এই মুহূর্তে বর্ধমান শহরে ৫৮ জন অ্যাক্টিভ কোভিড রোগী আছেন। তার মধ্যে ১৭ জনই শ্যামলাল এলাকার। তাই কঠোর ব্যবস্থা বলবত করার দিকেই যেতে হল প্রশাসনকে।বর্ধমান সদর মহকুমাশাসক তীর্থঙ্কর বিশ্বাস জানিয়েছেন, বিধি লাগু হওয়া এলাকা স্যানিটাইজ করা হবে। বাইরে থেকে লোক আসা যাওয়া নিয়ন্ত্রণে রুখতে এলাকায় পুলিশ পোস্টিং থাকবে । পৌরসভার সহ-প্রশাসক আইনুল হক জানিয়েছেন, আশাকর্মীরা এই এলাকার বাড়ি বাড়ি গিয়ে সার্ভে করবেন। প্রয়োজনে বাসিন্দাদের আর টি পি সি আর টেস্ট করা হবে। কোন ভাবেই এলাকায় ভিড়বাড়তে দেওয়া হবে না। দোকান বাজার বন্ধ থাকলেও বাসিন্দাদের প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় কোনও জিনিসের অভাব হবে না। কোভিড আক্রান্তদের কাছে দুবেলা খাবার যোগান দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়াও এলাকার আক্রান্তদের বাড়ি থেকে বর্জ্যপদার্থ নিয়ে যাবে পুরসভার কর্মীরা।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
রাজ্য

BJP-Clash: পূর্ব বর্ধমানে প্রকাশ্যে বিজেপির অন্তর্কলহ

ফের প্রকাশ্যে বিজেপির অন্তর্দ্বন্দ্ব।প্রাক্তন ও বর্তমান রাজ্য সভাপতির সভার আগেই তাঁদের সামনেই তুমুল উত্তেজনা ছড়াল বর্ধমান জেলার দাঁইহাট শহরে। দিলীপ ঘোষ ও সুকান্ত মজুমদারের সামনেই হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন দলের কর্মীরা। সভার শুরুর আগেই ভাঙচুর করা হয় চেয়ার টেবিল। ঘটনাকে কেন্দ্র করে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে এলাকা। আরও পড়ুনঃ বর্ষা বিদায়ের আগাম সুখবর শোনাল হাওয়া অফিসএদিন বেলা সাড়ে এগারোটা নাগাদ দলের একাংশ বিজেপির বর্ধমান পূর্ব (গ্রামীণ) জেলা সভাপতি কৃষ্ণ ঘোষ ও দাঁইহাট নগর কমিটির সভাপতি অনুপ বসুকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। দুই নেতাকে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করা হয়। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, কৃষ্ণ ঘোষ ও অনুপ বসুর মতন নেতাদের জন্য একুশের নির্বাচনে ফল খারাপ হয়েছে বিজেপি। তাঁদের আরও অভিযোগ, ভোটের ফল ঘোষণার পর ওই নেতারা কর্মীদের কোনও খোঁজখবর রাখেনি। সেই ক্ষোভেই এদিন ওই দুই নেতার পদত্যাগের দাবি জানান দলের কর্মীদের একাংশ।জানা গিয়েছে, শুক্রবার পূ্র্ব বর্ধমানের দাঁইহাটের বাগতিকর এলাকায় বিজেপির বর্ধমান পূর্ব (গ্রামীণ) জেলা কার্যালয় অফিসে বিশেষ সাংগঠনিক সভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে যোগ দেওয়ার কথা ছিল সুকান্ত মজুমদার ও দিলীপ ঘোষের। আলোচনা সভার পর বিকেলে নবনির্বাচিত রাজ্য সভাপতিকে সম্বর্ধনা দেওয়ার কথা ছিল। তবে সুকান্ত মজুমদার ও দিলীপ ঘোষ সেখানে পৌঁছনোর আগেই তুমুল উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়।

অক্টোবর ২২, ২০২১
রাজ্য

Memari Samabay: পুজোর মুখে টাকা তুলতে না পেরে মেমারির সমবায়ে বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন উপভোক্তারা

দোরগোড়ায় বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ উৎসব। তার প্রাক্কালেও জমানো টাকা তুলতে পারছেন না উপভোক্তারা। এরই প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার পূর্ব বর্ধমানের মেমারির গোপ গন্তার ইউনিয়ন কো-অপারেটিভ এগ্রিকালচার সোসাইটি-তে বিক্ষোভ দেখালেন উপভোক্তারা। এমনকি অবসরকালীন সুবিধা পাওয়া থেকেও সমবায়ের কর্মীর পরিজনরা বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ। যদিও সমবায় কর্তৃপক্ষ সমবায়ের আর্থিক দূরাবস্থার কথা স্বীকার করে নিয়েই দায় এড়াচ্ছেন।গোপ গন্তার সমবায়ের পরিচালনার সমিতির দায়িত্বপ্রাপ্ত অমল ঘোষ বলেন, বিভিন্ন ব্যাপারে সমবায় সমিতি তাঁদের সদস্যদের ঋণ দিয়ে থাকে। ঋণ বাবদ সমবায় সমিতির সদস্যদের দেওয়া প্রায় ৫ কোটি টাকা অনাদায়ী হয়ে রয়েছে। সেই টাকার সুদও নিয়মিত পাওয়া যাচ্ছে না। সুদ নিয়মিত পাওয়া গেলে আমানতকারীদের টাকা দেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা থাকবে না। সমবায়ের একাধিক কর্মী এদিন বলেন, সাধ্য থাকা সত্ত্বেও অনেক ঋণগ্রহীতা ঋণের টাকা শোধ করতে চাইছেন না। এরজন্য তাঁদের বহুবার অনুরোধ করা হয়েছে। কিন্তু তাঁরা টাকা পরিশোধ করেননি। এইসব কারণে গত বছর থেকে তাঁদের সমবায় সমিতি আর্থিক দুরাবস্থায় ধুঁকছে।এদিন গোপ গন্তার ইউনিয়ন কো-অপারেটিভ এগ্রিকালচার সোসাইটিতে এসে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার বাসিন্দা তথা সমিতির অবসরপ্রপ্ত কর্মী রজত সিংহের স্ত্রী সুপ্রিয়াদেবী। তিনি বলেন, এক বছরের বেশি সময় ধরে তিনি তাঁর স্বামীর অবসরকালীন টাকা পাওয়ার জন্যে ঘুরছেন। কিন্তু টাকা পাচ্ছেন না। অসুস্থ স্বামীর ওষুধ কেনার টাকা জোগাড় করতে না পেরে তিনি দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন। অনেক আমানতকারী তাঁদের জমানো টাকা পুজোর মুখে টাকা তুলতে না পেরে নিদারুন অসুবিধার মধ্যে পড়ে গিয়েছেন। এমনই এক আমানতকারী সুব্রত রায় বলেন, তাঁর মায়ের অ্যাকাউন্টে টাকা রয়েছে। পুজোর প্রাক্কালে প্রয়োজন মতো টাকা তুলতে না পারায় তিনি তাঁর মায়ের পুজোর শাড়ি, জামা কিনে উঠতে পারেননি।ক্ষোভের যেন কোনও শেষ নেই। অন্যদিকে স্থানীয় ইছাপুর গ্রামের বাসিন্দা রহিম শেখ, নূরবানু শেখরা জানান, বহু কাকুতি মিনতি করে সমবায় থেকে প্রতি মাসে ৫০০ টাকার বেশি পান না। শঙ্করপুরের বাসিন্দা কাকলি টুডু একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, সমবায়ে টাকা জমা রেখে তিনি মহা ফাঁপড়ে পড়ে গিয়েছি। মেয়ের বিয়ে ঠিক হয়ে গেলেও টাকা পাওয়া যাচ্ছে না বলে বিয়ের দিন ঠিক করতে পারছি না। সমবায়ে বিক্ষোভ দেখাতে আসা অন্য অনেক আমানতকারী আবার বলেন, সার কেলেঙ্কারির কোনও সুরাহা এখনও এই সমবায় ব্যাঙ্ক করেনি। সমবায় থেকে সমবায় সার না কিনেও অনেককে টাকা মেটাতে হয়েছে। তাছাড়াও নিয়োগে দুর্নীতি, অডিট রিপোর্টে গন্ডগোল, কোনও নথি ছাড়াই ঋণ দেওয়ার ফলে এখন আমানতকারীদের ভুগতে হচ্ছে। সমবায় সমিতির জেলার এআরসিএস(রেঞ্জ ১) সত্যজিৎ মণ্ডল এই বিষয়ে বলেন, সমবায় পরিদর্শকের কাছে অভিযোগের বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হবে।

অক্টোবর ০৭, ২০২১
রাজনীতি

Sukanta Mazumder: 'ব্যান্ড' দিলীপের তৈরি পথেই হাঁটবেন সুকান্ত

বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি হিসাবে তাঁর নাম ঘোষণা ২৪ ঘণ্টাও হয়নি। তার মধ্যেই দলের প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষকে পাশে নিয়ে সমন্বয়ের বার্তা দিলেন নতুন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বললেন, দিলীপদা ব্র্যান্ড, ওঁর বিকল্প নেই। দিলীপদার থেকেই লড়াই শিখেছি। ওঁর আদর্শকে সামনে রেখে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়ব। রাজ্য সভাপতি থাকাকালীন সকালে দিলীপের চায়ে পে চর্চা আগামী দিনেও চলবে বলে জানিয়ে দেন বালুরঘাটের সাংসদ।সোমবার রাতে নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পরে মঙ্গলবার কলকাতায় বিজেপি-র সদর দপ্তরে যান সুকান্ত। সেখানে তাঁর জন্য একটি সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছিল। দিলীপ নিজেই পেন, মালা দিয়ে স্বাগত জানান তাঁর উত্তরসূরিকে। অনুষ্ঠানে তাঁর বক্তব্যে বার বার দিলীপের প্রশংসা শোনা যায় সুকান্তর মুখে। পূর্বসূরির নেতৃত্বে বাংলায় বিজেপি-র সাফল্যের কথা সবাইকে স্মরণ করিয়ে দেন তিনি। এরপরই সদ্য প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে পাশে নিয়েই একটি সাংবাদিক বৈঠক করেন সুকান্ত।আরও পড়ুনঃ ত্রিপুরায় নিষিদ্ধ রাজনৈতিক মিছিল, ঘোর অনিশ্চয়তায় তৃণমূলদিলীপ যে আগ্রাসন নিয়ে এতদিন দল এবং সংগঠন পরিচালনা করেছেন, তিনি তার থেকে খুব একটা পিছিয়ে আসবেন না। এমনটা নিজের বক্তব্য দিয়ে বুঝিয়ে দিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দেগে সুকান্ত বলেন, এ রাজ্যে তালিবানি কায়দায় সরকার চলছে। পরবর্তী বিধানসভা নির্বাচনের আগেই পশ্চিমবঙ্গের সরকার বদল হতে পারে বলেও বলতে শোনা যায় তাঁকে। দিলীপ ঘোষ যে উচ্চতায় বিজেপিকে নিয়ে গিয়েছিলেন, তার জায়গায় এসে সুকান্ত বিজেপিকে কোথায় নিয়ে যেতে পারেন, সেটাই বঙ্গ রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের পর্যবেক্ষণের অন্যতম বিষয় হতে চলেছে। তবে একুশের নির্বাচনে যে কিছু ক্ষেত্রে পরিকল্পনা এবং রণনীতিগত খামতি ছিল, সেটা এ দিন স্বীকার করে নেন সুকান্ত। একই সঙ্গে যে নেতা-কর্মীরা ভোটের পর দলত্যাগ করেছেন, তাঁদেরও নতুন করে দলে ফিরে আসার আহ্বান জানান।সুকান্ত বলেন, আমরা চাই না কেউ দল ছেড়ে যাক। সবাইকে নিয়েই চলতে চাই। যারা বিজেপির নীতি ও আদর্শে বিশ্বাসী তাঁরা আশা করে আমাদের সঙ্গেই থাকবেন। এবং যারা অন্য কোনও উদ্দেশ্য নিয়ে বিজেপিতে এসেছিলেন, তাঁরা চলে যাবেন এটাই স্বাভাবিক। যারা চলে গিয়েছেন, তাঁরা পর্যালোচনা করে দেখবেন, হয়তো সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁরা ফিরে আসুন।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১
রাজ্য

Sukanta Majumder: কি কি কারণে বিজেপির রাজ্য সভাপতি হলেন সুকান্ত মজুমদার?

বিজেপি যুব শক্তির ওপর নির্ভর করেই দল পরিচালনা করার ওপর জোর দেয়। সেক্ষেত্রে মাত্র ৪১ বছরের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের ওপর নির্ভর করেছে দল। তিনি সুবক্তাও। তাছাড়া আরএসএস ঘনিষ্ঠতাও রয়েছে। বিজেপি বালুরঘাটের এই সাংসদকে সামনে রেখে ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে এরাজ্যে লড়াই করতে চাইছে।প্রথমত সুকান্ত মুজমদার আরএসএসের কাছের লোক। এখন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকরী। বিজেপি এক ব্যক্তি এক পদ নীতিতে বিশ্বাসী। সেক্ষেত্রে অন্য কাউকে দলের সভাপতি করাই দস্তুর। ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে বালুরঘাট থেকে পদ্মফুল চিহ্নে জয়ী হন সুকান্ত মজুমদার। এর আগেও রাজ্য সভাপতি হিসাবে তাঁর নামে রটনা হয়েছিল।দ্বিতীয়ত বর্তমান রাজ্য সভাপতির ভাষা-জ্ঞান নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন। মাঝে মধ্যে এমন কিছু বিষয় তিনি উত্থাপন করতেন তাতে দলের অন্যরা অস্বস্তিতে পড়ে যেতেন। দিলীপ ঘোষের বক্তব্যে তাঁর প্রচার বা পরিচিতি বৃদ্ধি পেলেও দলের তাতে কোনও ফায়দা হত না। বরং সেই সব নিয়ে হাসি-ঠাট্টাই চলত রাজনৈতিক মহলে। দিলীপবাবুর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল। তা আদালত অবধি গড়িয়েছিল। সুকান্ত মজুমদার উচ্চশিক্ষিত। গুছিয়ে কথা-বার্তা বলতে পারেন তিনি। এখন সুকান্ত মজুমদারের বয়স ৪১। তৃণমূলের সঙ্গে লড়াই করতে তরুণ নেতৃত্বের খোঁজ করছিল বিজেপি। তরুণ প্রজন্মকে নেতৃত্বের সামনে এগিয়ে দিতে চায় গেরুয়া শিবির। রাজ্য চষে বেড়াতে পারবেন তিনি।Heartiest congratulations to both Shri @DilipGhoshBJP for being appointed as National Vice President of @BJP4India Shri @DrSukantaMajum1 for being appointed as President of @BJP4Bengal.I wish them very best believe that both would give their best to strengthen the Party. Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) September 20, 2021আর একটা বড় বিষয়, দলের বড় দায়িত্বে না থাকার কারণে তাঁর সঙ্গে রাজ্য নেতৃত্বের অনেকের সঙ্গেই তেমন একটা বিরোধ নেই। দলীয় কোন্দলেও সেভাবে তিনি জড়িয়ে যাননি। সকলকে সঙ্গে নিয়ে লড়াই করতে পারবেন বলে দল মনে করছে।আগামি লোকসভা নির্বাচনেও বিজেপির পাখির চোখ উত্তরবঙ্গ। বিধানসভা নির্বাচনে সেখানে ভাল করেছে। দক্ষিণবঙ্গে যথেষ্ট শক্তিশালী তৃণমূল কংগ্রেস। উত্তরবঙ্গের লোকসভা আসন নিশ্চিত করতে চাইছে বিজেপি। তাছাড়া এতদিন দক্ষিণবঙ্গ থেকেই দলের সভাপতি হয়ে আসছিল। উত্তরবঙ্গ যে দলের কাছেও অবহেলিত না তা-ও বুঝিয়ে দিল বিজেপি নেতৃত্ব। সেখান থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও করেছে দল। রাজনৈতিক মহলের ধারনা এসব কারণে রাজ্য সভাপতি হয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। বিজেপির রাজ্য সভাপতি হিসাবে অনেকেই দাবিদার ছিলেন। কিন্তু এই যুবক সাংসদকে বেছে নিয়েছে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
রাজনীতি

Breaking: সরছেন দিলীপ, আসছেন সুকান্ত

বিজেপির নতুন রাজ্য সভাপতি নিযুক্ত হতে চলেছেন বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ ড. সুকান্ত মজুমদার। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা এমনটাই ঘোষণা করেছেন। অর্থাৎ বঙ্গ বিজেপির সভাপতি পদ থেকে সরতে চলেছেন দিলীপ ঘোষ। তাঁকে দেওয়া হয়েছে সর্বভারতীয় সহ সভাপতির পদ। যে দায়িত্ব এক সময় সামলাচ্ছিলেন মুকুল রায়। দিলীপ ঘোষ নিজে টুইট করে নিজের উত্তরসুরিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।ভারতীয় জনতা পার্টির নতুন রাজ্যসভাপতি হিসেবে ডঃ সুকান্ত মজুমদারকে অভিনন্দন জানাই এবং তার সাফল্য কামনা করি | pic.twitter.com/Sgl8em4U8J Dilip Ghosh (@DilipGhoshBJP) September 20, 2021 আগামিকাল থেকেই সভাপতির দায়িত্ব নেবেন সুকান্ত মজুমদার। দিলীপ ঘোষ ও সুকান্ত মজুমদার তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করে দলকে শক্তিশালী করবেন, টুইটে করে জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্য বিজেপি সভাপতির বদলকে সময়োচিত সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করলেন তথাগত রায়। সুকান্ত জানিয়েছেন, দিলীপদা ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সবার সঙ্গেই কথা হয়েছে। আমার মূল লক্ষ্য দলকে শক্তিশালী করা। দিলীপদা দলের যে শক্তিশালী ভিত তৈরি করে গিয়েছেন তাকে আরও মজবুত করাই এখন আমার লক্ষ্য। বাংলার ভবিষ্যতের জন্য আরও শক্তিশালী বিজেপি তৈরির লক্ষ্যই কাজ করব। বাঙালির ভবিষ্যত ও বাঙালির অস্তিত্বের জন্য বিজেপির শক্তিশালী হওয়া প্রয়োজন।বাবুল সুপ্রিয়র দলত্যাগের প্রসঙ্গ উঠে এল সুকান্তর কথায়। এনিয়ে বালুরঘাটের সাংসদ বলেন, বিজেপি একটি আদর্শ নির্ভর দল। কোনও নেতা নির্ভর দল নয়। নেতা বদল হয়। কিন্তু দলের আদর্শ ঠিকই থাকে। তাই কোনও নেতা চলে গেলে আদর্শ চলে যায় না। কর্মীরা পদ্মফুল দেখে লড়াই করেছেন। আগামীতেও সেটাই করবেন।উল্লেখ্য দিলীপ ঘোষের সভাপতিত্বের মেয়াদ ছিল ২০২৩ সাল পর্যন্ত। কিন্তু দিন কয়েক ধরেই কানাঘুষো চলছিল দিলীপ ঘোষের পরিবর্তে নতুন রাজ্য সভাপতি পদে বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারকে রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। তবে দিলীপ ঘোষ দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে তা অস্বীকারও করেন। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছিল, বিজেপির কেন্দ্রীয় সভাপতি জগৎ প্রকাশ নাড্ডা সরাসরি দিলীপ ঘোষকে নতুন সভাপতি পদে নতুন নিয়ে নাম জানতে চেয়েছিলেন। আর সেখানেই সুকান্ত মজুমদারের নাম প্রস্তাব করেছিলেন দিলীপ ঘোষ। এর মাত্র কদিন পরেই কেন্দ্রীয় বিজেপির এই ঘোষণা।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
কলকাতা

Plantation: মোদির জন্মদিনে রাজ্যপালের বৃক্ষরোপণ

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৭১তম জন্মদিন উপলক্ষে বঙ্গ বিজেপি এলাহি কর্মসূচির আয়োজন করেছে। শুক্রবার সকাল থেকেই দেশের পাশাপাশি রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিজেপির তরফে নানা কর্মসূচি পালন চলছে। এরই মধ্যে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় সস্ত্রীক বৃক্ষরোপণ করেন রাজভবনের ভিতরেই। প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে পরিবেশগত সচেতনতা বৃদ্ধি করতেই এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। এই বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন অ্যাসিস্যান্ট চিফ সেক্রেটারি সুনীল গুপ্তা। উল্লেখ্য, আজ প্রধানমন্ত্রীর ৭১ তম জন্মদিন। দেশব্যাপী পালিত হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন। বারাণসী থেকে পশ্চিমবঙ্গ, সর্বত্র মোদির জন্মদিন উপলক্ষে সেবা ও সমর্পণ অভিযান পালন করবে বিজেপি শিবির। প্রতি বছর এক সপ্তাহের জন্য সেবা দিবসে বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজ করা হয় গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে। এই বছর তা বাড়িয়ে টানা ২০ দিনের মেগা কর্মসূচিতে দেশজুড়ে কোমর বেঁধে নামছে বিজেপি নেতৃত্ব। ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে কর্মসূচি।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২১
বিদেশ

9/11 Terrorists attack: ৯/১১-র ভয়াবহ স্মৃতির ২০ বছর

১১ সেপ্টেম্বর ২০০১-র সকাল। ছবির মত গোছানো শহরের উঁচু উঁচু ইমারতগুলো কেঁপে উঠল আচমকাই। ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার এবং পেন্টাগনে পরপর হামলা চালায় জঙ্গি সংগঠন আল-কায়েদার অপহৃত তিনটি বিমান। যা দেখে স্তম্ভিত হয়েছিল গোটা বিশ্ব। ইতিহাসের ভয়ঙ্করতম ওই জঙ্গি হামলায় মৃত্যু হয়েছিল প্রায় ৩০০০ মানুষের। আহত হয়েছিলেন ২৫ হাজারেও বেশি মানুষ। ২০২১-এর ১১ সেপ্টেম্বর। ২০ বছর পর সেই ভয়াবহ জঙ্গি হামলার কিছু স্মৃতির কোলাজ আজও রয়ে গিয়েছে বিশ্বের মানুষের মনে।বিশেষত, সাম্প্রতিক আফগানিস্তানের তালিবানি তাণ্ডবের মধ্যে সেই স্মৃতি যেন আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে।সেদিন জঙ্গি হামলার ভয়াবহতা প্রথমে বুঝে উঠতে পারেননি পথচলতি সাধারণ মানুষ। সকলে রাস্তায় দাঁড়িয়ে অবাক দৃষ্টিতে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের দিকে তাকিয়ে ছিলেন। কালো ধোঁয়ায় ঢেকেছে অট্টালিকা। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশের অহঙ্কার যে এভাবে হিংসার অন্ধকারে তলিয়ে যাবে, কেউই ভেবে উঠতে পারেনি প্রথমে। আরও পড়ুনঃ পঞ্জশীর দখল নিচ্ছে তালিবান? নৃশংসভাবে খুন প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতির ভাইওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ভেঙে পড়লে, প্রাণ বাঁচাতে তখন দৌড় লাগান সাধারণ মানুষ। সকলের চোখে-মুখে আতঙ্কের ছাপ।বিল্ডিংয়ের উপর থেকে ঝাঁপ দিলে নীচে নিশ্চিত মৃত্যু, তা জেনেও কেবল প্রাণরক্ষার তাগিদে শেষ চেষ্টা করে সাধারণ মানুষ। উপর থেকেই ঝাঁপ দেন অনেকেই। সময়ের কালে ২০ বছর পেরিয়ে গিয়েছে। ৯/১১-র ভয়াবহতার রেশ কমে এসেছে মানুষের মনে। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনেও ফিরে এসেছেন সাধারণেরা। কিন্তু বছর ঘুরে এই দিনটি এলেই সেই ভয়াবহতা যেন পিছু তাড়া করে সেদিনের ঘটনার সাক্ষী থাকা, কপালের জোরে বেঁচে ফেরা মানুষগুলোর। ঘটনার ভয়াবহতা থেকে বেরিয়ে আসতে অনেককেই চিকিৎসকের পরামর্শ পর্যন্ত নিতে হয়েছিল। আজ আবার সেই স্মৃতি একবার টাটকা হয়ে উঠল।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • ›

ট্রেন্ডিং

সম্পাদকীয়

ক্ষমতার শীর্ষ থেকে অনিশ্চয়তার কিনারায়, মমতা-অভিষেকের সামনে কঠিন প্রশ্ন

দেহপট সনে নট সকলি হারায় মঞ্চে বা পর্দায় যে নট-নটিরা অসংখ্য মানুষের চোখের পর্দায় বিচরণ করেন তাঁদের সম্পর্কে কবির এই নিদান। গ্ল্যামারের ছটায় যে সাফল্য আসে নট-নটিদের, তার জনমোহিনী আকর্ষণ শরীরে বয়স থাবা বসানোর সঙ্গে সঙ্গে অতি দূরের নির্জন দ্বীপের চেহারা নেয়। তবে, রাজনীতির মঞ্চে কালের এই নিয়ম আলাদা। সেখানে বয়স নয়, ক্ষমতার মসনদ ই মাপকাঠি হয়ে দাঁড়ায়। ক্ষমতার মসনদের উপরে ও নিচে কোথায় অবস্থান তা নির্দিষ্ট করে দেয় খেলার নিয়ম। এই মুহূর্তে এই অনুভব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে বেশি কেউ বুঝছেন না। শুধু ক্ষমতা হারানো নয় ১৯৯৮ সালে যে দলটা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সেই দলটাই তাঁর মুঠোয় আর থাকবে কি না সেই প্রশ্ন ই এখন সামনে এসে দাঁড়িয়েছে মমতার। ভারতীয় রাজনীতির ইতিহাস বলছে ব্যক্তি নির্ভর দলের বোধহয় এটাই ভবিতব্য। ইংরেজিতে একটা কথা আছে nothing succeeds like success। নতুন দল তৈরির পর থেকেই সাফল্যের মুখ দেখেননি মমতা। ধীরে ধীরে রাজ্যের বিরোধী পরিসরে তিনি জায়গা পেয়েছেন। অবশেষে, সিঙ্গুর, নন্দীগ্রাম পর্ব পেরিয়ে ২০০৮ এর পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকে ক্ষমতার বিন্দুর দিকে যাত্রা শুরু হয় মমতার। ২০০৯ এর লোকসভা, ২০১০ এর পুরসভা ও পৌরসভার নির্বাচন এর পরপর ২০১১ এর বিধানসভা নির্বাচনে সেই বিন্দুর স্পর্শ পেয়েছেন তিনি। তারপরে তো দল এবং সরকারে তিনিই ছিলেন শেষকথা। ক্ষমতায় থাকার জন্য দলের সাংগঠনিক কাঠামোকে মজবুত করতে নিচুতলার কর্মী থেকে নেতা - মন্ত্রীদের বেপরোয়া ক্ষমতার ব্যবহার ও দূর্নীতিকে প্রশ্রয় দিয়েছেন। অন্যদিকে, দলে তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে অভিষেক বন্দোপাধ্যায়কে প্রতিষ্ঠিত করতে একের পর এক ঘুঁটি সাজিয়েছেন। এই সবই ছিল ক্ষমতার মসনদে বসে থাকাকালীন সময়ের ঘটনা প্রবাহ। কিন্তু, ২০২৬ সালের ৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল বেরোনোর পরে পরিস্থিতি আমূল বদলে গিয়েছে। দলের টিকিটে ল্যাম্পপোস্ট দাঁড় করালেও মমতার নামে তিনি বৈতরণী পেরিয়ে যাবেন - দলের মধ্যে এই যে myth তৈরি হয়েছিল তা আজ অতীত। এখন তো তাঁর নামে একটি কর্মসূচিতেও দলের নেতা কর্মীদের দূরবীন দিয়ে খুঁজতে হবে। এই পরিস্থিতিতে আমার মনে হয় মমতার থেকে ও অনেক অনেক বেশি কঠিন কঠোর বাস্তব এসে দাঁড়িয়েছে অভিষেকের সামনে। মমতার পক্ষে তাঁকে ব্রাত্য করা অসম্ভব হলেও দলের নেতা, বিধায়ক, কর্মীদের কাছে নয়। কারণ অভিষেক দলের মধ্যে যেখানে ছিলেন তা তাঁর রাজনৈতিক পরিশ্রমের ফল নয়। ক্ষমতার সোপানে পা রেখেই তাঁর যাত্রা শুরু। দলের নেতা, বিধায়ক ও কর্মীদের তা অজানা নয়। ফলে এখন পরীক্ষা অভিষেকের। এতদিন তিনি digital space এ রাজনীতি করে এসেছেন, এবার নামতে হবে রাজনীতির রুক্ষ মাঠে, রাস্তায়। এই রাস্তা, মাঠে তাঁর জন্য কোন বাস্তব অপেক্ষা করে আছে তা তিনি আঁচ পেয়েছেন সোনারপুরের রাস্তায়। তিনি কি দলের ভাঙন ঠেকাতে পারবেন? সাফল্যের নিচে যে অন্ধকার থাকে তার সঙ্গে কি মানিয়ে চলতে পারবেন? দলের মধ্যে যাঁরা মাঠে - ময়দানে লড়াইতে, অভিজ্ঞতায় তাঁর থেকে এগিয়ে রয়েছেন তাঁদের সঙ্গে পা মেলাতে পারবেন? এইগুলোই এখন দাঁড়িয়ে রয়েছে কালীঘাট ও হরিশ মুখার্জি রোডের দরজায়।

জুন ০৯, ২০২৬
রাজ্য

মমতার হাত ছেড়ে শুভেন্দুর মঞ্চে দেব! কোলাঘাটে দেখা যেতেই তুঙ্গে জল্পনা

রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমশ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক সাংসদ এনডিএ শিবিরে যোগদানের ইচ্ছা প্রকাশ করার পর থেকেই নতুন সমীকরণ নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এই আবহেই কোলাঘাটে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিলেন ঘাটালের সাংসদ দেব, যা ঘিরে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।সোমবার তৃণমূলের উনত্রিশ জন সাংসদের মধ্যে কুড়ি জন একসঙ্গে লোকসভার স্পিকারের কাছে চিঠি দিয়েছেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়। সেই বিদ্রোহী সাংসদদের তালিকায় দেবের নামও উঠে আসে। এর পরদিনই তাঁকে দেখা যায় কোলাঘাটের প্রশাসনিক বৈঠকে।মঙ্গলবার পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম জেলার প্রশাসনিক কাজকর্ম পর্যালোচনা করতে কোলাঘাটের বলাকা মঞ্চে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে বিভিন্ন সরকারি আধিকারিক, সাংসদ এবং বিধায়কেরা উপস্থিত ছিলেন। জুন মালিয়া-সহ একাধিক পরিচিত রাজনৈতিক মুখও ছিলেন সভায়।বেলা প্রায় বারোটা নাগাদ সভাস্থলে পৌঁছন দেব। মুখ্যমন্ত্রীর পর তিনিই শেষের দিকে মঞ্চে প্রবেশ করেন এবং মূল মঞ্চেই আসন গ্রহণ করেন। তাঁর উপস্থিতি স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলের নজর কেড়েছে।সভায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার একাধিক সাংসদ ও বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন। মূল মঞ্চে দেবের পাশাপাশি বসেছিলেন সৌম্যেন্দু অধিকারী, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এবং জুন মালিয়া।রুপোলি পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা দেবের রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরেই। ঘাটাল কেন্দ্র থেকে একাধিকবার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। একসময় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছাও প্রকাশ করেছিলেন। তবে পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনা করে সেই সিদ্ধান্ত বদলান।সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনের সময়ও তৃণমূলের প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা নিতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। বিভিন্ন প্রচারসভায় অংশগ্রহণ করেছিলেন তিনি। তবে নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর বিজেপির জয়ের জন্য সামাজিক মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানানো পোস্ট নিয়েও যথেষ্ট আলোচনা হয়েছিল।এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে দেবের উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। যদিও এই বিষয়ে দেবের পক্ষ থেকে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে তাঁর এই উপস্থিতি শুধুই প্রশাসনিক বৈঠকের অংশ, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে, তা নিয়েই এখন জোর চর্চা চলছে।এদিন ঝাড়গ্রাম জেলা প্রশাসনের একাধিক আধিকারিকও প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিতে বাসে করে কোলাঘাটে পৌঁছন। বৈঠকে তিন জেলার উন্নয়নমূলক কাজ এবং প্রশাসনিক বিষয়গুলি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

জুন ০৯, ২০২৬
কলকাতা

ইউনেস্কোর নাম ভাঙিয়ে কোটি টাকার কারবার? প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনকে ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ

দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে বড় আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠল সঙ্গীতশিল্পী ও প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন এবং তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেনের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে প্রিপুজো প্রদর্শনীর টিকিট বিক্রি করে বিপুল অঙ্কের অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে। এই ঘটনায় বউবাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন আন্তর্জাতিক পর্যটন সংক্রান্ত পরামর্শদাতা জয়দীপ মুখোপাধ্যায়।অভিযোগকারী জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের দাবি, দুই হাজার বাইশ সালে একটি সংস্থা তৈরি করা হয়, যার প্রধান ছিলেন মধুছন্দা সেন। সেই সংস্থার পক্ষ থেকে প্রচার করা হয় যে ইউনেস্কো তাদের সহযোগী সংস্থা হিসেবে যুক্ত রয়েছে। পাশাপাশি দাবি করা হয়, কলকাতার চব্বিশটি দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কো বিশেষভাবে নির্বাচন করেছে। কিন্তু পরে জানা যায়, এই দাবির কোনও সত্যতা নেই।জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের অভিযোগ, ইউনেস্কোর নাম ও প্রতীক ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়েছিল। তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে তিনি ইউনেস্কোর প্যারিস এবং দিল্লি অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে ইউনেস্কোর পক্ষ থেকেও তাঁর সঙ্গে কথা বলা হয়। সেখানে তাঁকে জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট কোনও সংস্থার সঙ্গে ইউনেস্কোর কোনও চুক্তি বা আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক ছিল না।দুই হাজার একুশ সালে বাংলার দুর্গাপুজো আন্তর্জাতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পাওয়ার পরের বছর থেকেই এই কার্যক্রম শুরু হয় বলে অভিযোগ। ওই সংস্থা কলকাতার নির্বাচিত কিছু দুর্গাপুজোর থিম এবং শিল্পকর্ম আগেভাগে প্রদর্শনের আয়োজন করত। সেই প্রদর্শনী দেখার জন্য দর্শকদের কাছ থেকে টিকিটের বিনিময়ে অর্থ নেওয়া হত। অভিযোগ, এই পুরো আয়োজনকে ইউনেস্কোর যৌথ উদ্যোগ বলে প্রচার করা হয়েছিল।জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের আরও দাবি, গত তিন বছরে এই টিকিট বিক্রি থেকে কোটি কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, বিভিন্ন পুজো কমিটি খুব সামান্য অংশ পেয়েছে, আর বাকি অর্থ সংস্থার কাছে গিয়েছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, যেসব পুজোকে এই সংস্থা বেছে নিত, সেগুলিই পরে বিভিন্ন পুরস্কার এবং বড় স্পনসরশিপ পেত।তবে সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন ইন্দ্রনীল সেন। তাঁর বক্তব্য, অভিযোগকারীকে তিনি চেনেন না এবং তাঁর সঙ্গে কোনও পরিচয়ও নেই। তিনি বলেন, তিনি কোনওদিন কোনও দুর্গাপুজো কমিটির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন না। তাঁর মতে, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি আরও জানান, তাঁর স্ত্রী একজন শিল্পী ও আলোকচিত্রী। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংস্থার সঙ্গে তাঁর কাজের সম্পর্ক রয়েছে। প্রয়োজন হলে তিনি আইনি পদক্ষেপও করবেন বলে জানিয়েছেন।অন্যদিকে অভিযোগকারী জানিয়েছেন, কলকাতা পুলিশের কমিশনার, রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালক এবং বউবাজার থানার কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের সমর্থনে একাধিক নথি এবং তথ্যও তদন্তকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি তাঁর।এই অভিযোগের সত্যতা এখনও তদন্তসাপেক্ষ। তবে প্রাক্তন মন্ত্রীকে ঘিরে ওঠা এই নতুন বিতর্ক ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক মহলে ব্যাপক চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ০৯, ২০২৬
বিদেশ

লাখ ডলারের এইচ-ওয়ান-বি ভিসা ফি বাতিল, আদালতের রায়ে স্বস্তি ভারতীয় কর্মীদের

আমেরিকায় কাজ করতে ইচ্ছুক ভারতীয়দের জন্য বড় স্বস্তির খবর। এইচ-ওয়ান-বি ভিসার জন্য অতিরিক্ত এক লক্ষ ডলারের ফি বাতিল করে দিয়েছে আদালত। বস্টনের একটি জেলা আদালত জানিয়েছে, এই অতিরিক্ত ফি আরোপের সিদ্ধান্ত আইনসম্মত ছিল না। ফলে ট্রাম্প প্রশাসনের নেওয়া সেই সিদ্ধান্ত আর কার্যকর থাকবে না।এই রায়ের ফলে ভারতীয়-সহ বহু বিদেশি কর্মী স্বস্তি পেলেও রাজনৈতিকভাবে অস্বস্তিতে পড়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর আগেও তাঁর একাধিক সিদ্ধান্ত আদালতের প্রশ্নের মুখে পড়েছিল। এবার ভিসা সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও আইনি ধাক্কা খেল।গত বছর ট্রাম্প প্রশাসন ঘোষণা করেছিল, এইচ-ওয়ান-বি ভিসার জন্য আবেদন করতে গেলে আগের তুলনায় অনেক বেশি অর্থ দিতে হবে। আগে বিভিন্ন ফি মিলিয়ে সাধারণত কয়েক হাজার ডলার খরচ হতো। কিন্তু নতুন নিয়মে সেই খরচ এক ধাক্কায় এক লক্ষ ডলার পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল।প্রশাসনের দাবি ছিল, বিদেশি কর্মী নিয়োগ কমিয়ে মার্কিন নাগরিকদের জন্য আরও বেশি চাকরির সুযোগ তৈরি করাই এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য। দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ উঠছিল, অনেক সংস্থা কম বেতনে বিদেশি কর্মী নিয়োগ করছে। এতে স্থানীয় কর্মসংস্থানের উপর প্রভাব পড়ছে বলে মনে করা হচ্ছিল।তবে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয় একাধিক অঙ্গরাজ্য। তাদের দাবি ছিল, এত বড় অঙ্কের ফি নির্ধারণ করার ক্ষমতা এককভাবে প্রেসিডেন্টের নেই। এমন সিদ্ধান্ত নিতে হলে কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন।মামলার শুনানির পর বিচারক জানান, কংগ্রেসের অনুমতি ছাড়া প্রেসিডেন্ট এই ধরনের অতিরিক্ত ফি চাপাতে পারেন না। সেই কারণেই ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে বেআইনি ঘোষণা করে তা বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এই রায়ের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে ভারতীয়দের উপর। কারণ প্রতি বছর এইচ-ওয়ান-বি ভিসা পাওয়া বিদেশিদের মধ্যে ভারতীয়দের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। তথ্যপ্রযুক্তি, প্রকৌশল, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং আর্থিক ক্ষেত্রের বহু দক্ষ ভারতীয় পেশাদার এই ভিসার মাধ্যমে আমেরিকায় কাজ করেন।বর্তমানে প্রতি বছর প্রায় পঁয়ষট্টি হাজার সাধারণ এইচ-ওয়ান-বি ভিসা দেওয়া হয়। এছাড়াও মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য অতিরিক্ত কুড়ি হাজার ভিসার ব্যবস্থা রয়েছে। আদালতের এই রায়ের ফলে আমেরিকায় কাজের সুযোগ খুঁজছেন এমন বহু ভারতীয় পেশাদারের জন্য পথ আরও সহজ হয়ে গেল বলে মনে করা হচ্ছে।

জুন ০৯, ২০২৬
কলকাতা

আর জি কর নিয়ে বিস্ফোরক কল্যাণ! “সত্যি জানলে সিবিআইকে বলুন”, কাকলি-শর্মিলাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ

আর জি কর কাণ্ড এবং অভয়া ইস্যুকে ঘিরে ফের সরগরম রাজ্য রাজনীতি। দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দলের বিদ্রোহী সাংসদ-বিধায়কদের তীব্র আক্রমণ করেন। সেই সঙ্গে আর জি কর কাণ্ড নিয়ে এমন কিছু মন্তব্য করেন, যা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।ছাব্বিশের নির্বাচনে আর জি কর কাণ্ড এবং অভয়ার মৃত্যুর ঘটনা বড় রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে উঠেছিল। মেয়ের মৃত্যুর বিচার চেয়ে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়েছিলেন অভয়ার মা রত্না দেবনাথ। ভোটারদের সমর্থনও পেয়েছেন তিনি। এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে তৃণমূলের একাধিক বিদ্রোহী নেতা ও সাংসদের মুখে বারবার উঠে এসেছে আর জি করের প্রসঙ্গ।এই আবহেই দিল্লিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিদ্রোহীদের একহাত নেন। তিনি বলেন, আর জি কর ইস্যুতে চিকিৎসক সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবং শর্মিলা সরকারকে কখনও আন্দোলনের পথে দেখা যায়নি। এরপরই তিনি তাঁদের উদ্দেশে বলেন, আর জি করে কী হয়েছিল, পারলে সিবিআইকে গিয়ে সত্যি বলুন।কল্যাণের এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিরোধীদের একাংশের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই আর জি কর কাণ্ডে তৎকালীন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের অভিযোগ উঠেছে। কল্যাণের মন্তব্য সেই বিতর্ককেই আবার সামনে নিয়ে এসেছে বলে মনে করছেন অনেকে।এদিন বিদ্রোহী নেতাদেরও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন তৃণমূল সাংসদ। তিনি বলেন, দলের অধিকাংশ বিদ্রোহী নেতা দীর্ঘদিন ক্ষমতার কাছাকাছি থাকার সুবিধা ভোগ করেছেন। এখন পরিস্থিতি বদলাতেই তাঁরা অন্য পথে হাঁটছেন। তাঁদের বিশ্বাসঘাতক এবং সুখের পায়রা বলেও কটাক্ষ করেন কল্যাণ।তিনি আরও দাবি করেন, বিজেপি শেষ পর্যন্ত এই নেতাদের গ্রহণ করবে না। কারণ তাঁদের অতীতের নানা তথ্য বিজেপির কাছেও রয়েছে। পাশাপাশি অভিনেত্রী-রাজনীতিকদেরও নিশানা করে তিনি বলেন, অনেকেই দলের পুরনো কর্মীদের অবদান ভুলে গিয়েছেন।অভয়ার মায়ের বিজেপিতে যোগদান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে এত অভিযোগ থাকার পরেও কেন অভয়ার মা বিজেপিতে যোগ দিলেন, সেই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া প্রয়োজন।তবে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ। তিনি বলেন, তিনি অতীতেও দলের নেত্রীর পাশে ছিলেন, এখনও আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন। তাঁর কথায়, অন্যদের কাছে টাকা, ক্ষমতা এবং প্রশাসনিক প্রভাব থাকতে পারে, কিন্তু তাঁর কাছে রয়েছে মা-মাটি-মানুষের আদর্শ।

জুন ০৯, ২০২৬
রাজ্য

দু’দিনের মধ্যেই উত্তরবঙ্গে বর্ষার প্রবেশের সম্ভাবনা, একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টি ও কালবৈশাখীর সতর্কতা

ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় কালবৈশাখী এবং বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।ইতিমধ্যেই কেরলে বর্ষার প্রবেশ হয়েছে। পাশাপাশি নাগাল্যান্ড, মণিপুর, মিজোরাম এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের আরও কয়েকটি অঞ্চলে মৌসুমি বায়ু পৌঁছে গিয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের অনুমান, খুব শীঘ্রই উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি সিকিম ও ওড়িশার কিছু অংশেও বর্ষা ঢুকে পড়বে। এদিকে উত্তরপ্রদেশের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হওয়ায় আবহাওয়ার পরিস্থিতিতে আরও পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।উত্তরবঙ্গে ইতিমধ্যেই প্রাক-বর্ষার বৃষ্টি শুরু হয়েছে। সপ্তাহজুড়ে প্রায় সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্তভাবে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।আজ আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহার জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দার্জিলিং ও কালিম্পংয়েও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আগামীকাল দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়ি জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।দক্ষিণবঙ্গেও আগামী কয়েকদিন বিক্ষিপ্তভাবে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ত্রিশ থেকে চল্লিশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। কোথাও কোথাও হাওয়ার গতি পঞ্চাশ থেকে ষাট কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে।আজ বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। আগামীকাল পরিস্থিতি আরও তীব্র হতে পারে। পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা এবং হুগলি জেলায় ঘণ্টায় প্রায় ষাট কিলোমিটার বেগে কালবৈশাখী হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।ফলে আগামী কয়েকদিন রাজ্যের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বজ্রপাত এবং ঝোড়ো হাওয়ার সময় নিরাপদ স্থানে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

জুন ০৯, ২০২৬
কলকাতা

উধাও অরূপ বিশ্বাস! ফোন বন্ধ, মিলছে না টাওয়ার লোকেশন, চাপে পুলিশ

মেসি কাণ্ডে জটিলতা আরও বাড়ল রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে। সোমবার থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত তাঁর সঙ্গে কোনওভাবেই যোগাযোগ করতে পারেনি পুলিশ। এমনকি তাঁর মোবাইল ফোনের টাওয়ার লোকেশনও খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।বিধাননগর পুলিশ সূত্রের খবর, অরূপ বিশ্বাসের অবস্থান সম্পর্কে এখনও কোনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। কলকাতা পুলিশের কাছ থেকেও তাঁর খোঁজ সংক্রান্ত কোনও তথ্য মেলেনি। গোটা বিষয়টি আদালতের সামনে তুলে ধরা হবে বলে জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা।এর আগে মেসি কাণ্ডে গ্রেফতারের আশঙ্কা থেকে রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টে আবেদন করেছিলেন অরূপ বিশ্বাস। তাঁর আইনজীবী জরুরি ভিত্তিতে মামলার শুনানির আবেদন জানালেও বিচারপতি সেই আবেদন গ্রহণ করেননি। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই মুহূর্তে জরুরি শুনানির অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।আদালত থেকে স্বস্তি না মেলার পরই সোমবার দুপুরে অরূপ বিশ্বাসের নিউ আলিপুরের সাহাপুর এলাকার ফ্ল্যাটে পৌঁছয় পুলিশ। তদন্তের স্বার্থে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হওয়া তাঁর ভাই স্বরূপ বিশ্বাসকেও সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়। ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালানো হলেও অরূপ বিশ্বাসকে পাওয়া যায়নি।উল্লেখ্য, মেসি কাণ্ডে এখনও থানায় হাজিরা দেননি প্রাক্তন মন্ত্রী। অন্যদিকে যৌন নির্যাতন-সহ একাধিক গুরুতর অভিযোগে আগেই গ্রেফতার হয়েছেন তাঁর ভাই স্বরূপ বিশ্বাস। তাঁকে সঙ্গে নিয়ে বেহালার সাহাপুর কলোনির বাড়িতেও তল্লাশি চালায় বিশাল পুলিশ বাহিনী।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘ সময় ধরে চলা সেই তল্লাশির সময় একটি রহস্যময় ঘরের সন্ধান পাওয়া যায়। ওই ঘর এবং সেখানে পাওয়া বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এরই মধ্যে অরূপ বিশ্বাসের অবস্থান নিয়ে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে।প্রাক্তন মন্ত্রীর খোঁজে একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাঁর অবস্থান সম্পর্কে কোনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

জুন ০৯, ২০২৬
কলকাতা

গভীর রাতে আবাসনে পুলিশের হানা! গ্রেফতার তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্ত

তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার করা হল তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্তকে। সোমবার গভীর রাতে রাজারহাটের রাইগাছি এলাকার একটি অভিজাত আবাসন থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। মঙ্গলবার আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় সব্যসাচী দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই পুরনো একটি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েকদিন আগে সল্টলেকের এক ব্যবসায়ী সব্যসাচী দত্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে তাঁকে ভয় দেখানো হচ্ছিল এবং টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল। তোলাবাজির অভিযোগও তোলা হয়। অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু করে পুলিশ।তদন্তের সূত্র ধরে সোমবার গভীর রাতে রাইগাছির একটি আবাসনে পৌঁছয় পুলিশের বড় দল। সেখান থেকেই সব্যসাচী দত্তকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর গ্রেফতারির খবর প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।একসময় রাজারহাট-নিউটাউন এলাকার অন্যতম প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন সব্যসাচী। তিনি দীর্ঘদিন তৃণমূলের হয়ে রাজনীতি করেছেন। দুই হাজার এগারো সাল থেকে দুই হাজার উনিশ সাল পর্যন্ত রাজারহাট-নিউটাউন কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন তিনি।পরবর্তীতে দুই হাজার উনিশ সালে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। দলবদলের পর দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিধাননগর কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থীও হন। তবে সেই নির্বাচনে তৃণমূল নেতা সুজিত বসুর কাছে পরাজিত হন।এরপর আবার তৃণমূলে ফিরে আসেন সব্যসাচী দত্ত। দুই হাজার বাইশ সালের বিধাননগর পুরসভা নির্বাচনে একত্রিশ নম্বর ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। পরে তাঁকে পুরবোর্ডের চেয়ারম্যানও করা হয়।সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে বারাসত কেন্দ্র থেকে তৃণমূল তাঁকে প্রার্থী করেছিল। তবে সেই নির্বাচনে জয় পেতে পারেননি তিনি। পরে তাঁকে বারাসত সাংগঠনিক জেলার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়।এই পরিস্থিতিতে সব্যসাচীর গ্রেফতারিকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। একদিকে পুলিশের দাবি, অভিযোগের ভিত্তিতেই পদক্ষেপ করা হয়েছে। অন্যদিকে সব্যসাচীর অভিযোগ, তাঁর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

জুন ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal