• ১৯ মাঘ ১৪৩২, শুক্রবার ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Mohamedan

খেলার দুনিয়া

‌ চুক্তিজটে আটকে থাকা ইস্টবেঙ্গলের থেকে এগিয়ে কলকাতার অন্য দুই বড় ক্লাব

এই মরশুমে আইএসএলে খেলার সুযোগ না পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তবে দল গঠনের কাজে পিছিয়ে নেই মহমেডান স্পোর্টিং। বরং কলকাতার আর এক প্রধান ইস্টবেঙ্গলকে এই ব্যাপারে টেক্কা দিয়েই চলেছে। ইমামির সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত না হওয়ায় লালহলুদের দলগঠন প্রক্রিয়া যখন পিছিয়ে রয়েছে, সেখানে একের পর এক ফুটবলারকে সই করিয়ে বাজিমাত করছে মহমেডান। মার্কাস জোশেফের সঙ্গে আগেই চুক্তি চূড়ান্ত করে ফেলেছেন সাদাকালো কর্তারা। এবার ঝাঁপাল নাইজেরিয়ার জাতীয় দলের হয়ে খেলা স্ট্রাইকার ভিক্টর চুকুয়ামা এম্বাওমার জন্য। আইএসএলে খেলা এই স্ট্রাইকারের এজেন্টের সঙ্গে একপ্রস্থ কথা হয়েছে মহমেডান কর্তাদের। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে কয়েকদিনের মধ্যেই তাঁর সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত হবে। এছাড়া নর্থইস্ট ইউনাইটেডের হয়ে খেলা দেশর্ন ব্রাউনকে পেতে মরিয়া মহমেডান। জামাইকার এই ফুটবলারের সঙ্গে কথাবার্তা অনেকদূর এগিয়েছে। এছাড়াও ক্যামেরুনের জাতীয় দলের ফুটবলার বৌবা আমিনু এবং তাজাকিস্তানের জাতীয় দলের ফুটবলার কমরোন তরুসুনভের এজেন্টের সঙ্গেও কথা বলেছেন সাদাকালো কর্তারা। যদি চুকুয়ামা কিংবা ব্রাউনকে শেষ পর্যন্ত পাওয়া না যায়, সেক্ষেত্রে এই দুই ফুটবলারের জন্য ঝাঁপাবেন তাঁরা। এদিকে, চুক্তি আটকে থাকায় দল গঠনের কাজে হাত দিতে পারছেন না ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। ইমামি ও ইস্টবেঙ্গলের আইনজীবীরা চুক্তির খসড়া তৈরি করেছেন। তবে সেই চুক্তি নিয়ে দুই পক্ষ এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। এর মাঝেই বিশাল কাইথ হাতছাড়া হয়েছে। ঘরের ছেলে বলে পরিচিত মহম্মদ রফিকও লালহলুদ ছেড়ে চেন্নাইন সিটি এফসিতে যোগ দিয়েছেন। জেরির সঙ্গে পাকা কথা হয়ে গিয়েও সই করাতে পারছে না। হয়তো তিনিও হাতছাড়া হয়ে যাবে লালহলুদের। ইস্টবেঙ্গলের এইরকম টালমাটাল পরিস্থিতিতে আগামী মরসুমের জন্য দলকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছেন এটিকে মোহনবাগান কর্তারা। নজর দিয়ে সিনিয়র দলের জন্য সাপ্লাই লাইন তৈরি করতে। একসময় যুব দল থেকে উঠে এসে নজর কেড়েছেন কিয়ান নাসিরির মতো ফুটবলাররা। সেই রকম ফুটবলার তুলে নিয়ে আসার জন্য এবার বাড়তি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সিনিয়র দলের কোচ জুয়ান ফেরান্দোকে। ২০ জন থেকে যুবভারতীতে শুরু হবে এটিকে মোহনবাগানের বিভিন্ন বয়সভিত্তিক দল গঠনের জন্য ট্রায়াল। ফেরান্দোর সহকারীরা এই প্রাথমিক দল নির্বাচন করলেও চূড়ান্ত দল নির্বাচন করবেন ফেরান্দোই।

জুন ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সন্ধিক্ষণের সামনে দাঁড়িয়ে মহমেডান কি পারবে ইতিহাস গড়তে?‌

ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণের সামনে দাঁড়িয়ে মহমেডান স্পোর্টিং। অধরা মাধুরী স্পর্শ করার হাতছানি। ক্লাবের ইতিহাসে প্রথমবার আই লিগ জয়ের সামনে দাঁড়িয়ে। সামনে শুধু একটা ধাপ। শনিবার গোকুলাম এফসিকে হারালেই আই লিগ ঘরে তুলবে সাদাকালো ব্রিগেড। প্রথম দিকে দুরন্ত ছন্দে এগোলেও মাঝে হঠাৎ ছন্দপতন হয়েছিল মহমেডানের। লিগ জয়ের দৌড় থেকে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছিল। তারপর আবার ছন্দে ফেরে। তবে আগের ম্যাচে শ্রীনিধি ডেকানের কাছে গোকুলাম এফসির পরাজয়ই মহমেডানের সামনে চ্যাম্পিয়নের সুযোগ এনে দিয়েছে। শনিবার গোকুলাম এফসির বিরুদ্ধে মহমেডানের ম্যাচ কার্যত ফাইনাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। চ্যাম্পিয়ন হতে গেলে মহমেডানকে জিততেই হবে। অন্যদিকে, আই লিগ খেতাব ধরে রাখতে গেলে ড্র করলেই চলবে গোকুলাম এফসি। আন্দ্রে চেরনিসভ দায়িত্ব নেওয়ার পর দলের পরিবেশই বদলে দিয়েছেন। তাঁর কোচিংয়ে দীর্ঘ ৪০ বছর পর কলকাতা লিগ চ্যাম্পিয়ন হয় মহমেডান। অল্পের জন্য ডুরান্ড কাপে সাফল্য এনে দিতে পারেননি। চেরনিসভের হাত ধরেই এবার আই লিগ জেতার স্বপ্ন দেখতে শুরু করছেন সাদাকালো সমর্থকরা। গোকুলামের বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচে মাঠে নামার আগে মহমেডান কোচ চেরনিশভ বলেন, চ্যাম্পিয়নের লড়াইয়ে নতুন করে সুযোগ পাওয়াটা একেবারেই আমাদের জন্য সহজ ছিল না। গোকুলামন আমাদের থেকে ৬ পয়েন্টে এগিয়ে ছিল। আমরা ক্রমগত চেষ্টা করে গেছি এই ব্যবধান কমিয়ে নিয়ে আসার। শেষ পর্যন্ত আমাদের কাছে খেতাব জয়ের সুযোগ এসেছে। আমরা এই সুযোগ কাজে লাগাতে তৈরি। শেষ ম্যাচে আই লিগের চ্যাম্পিয়ন নির্ধারণ হচ্ছে, এটা ভারতীয় ফুটবলের জন্যও ভাল বিজ্ঞাপন। প্রথম পর্বে গোকুলামের সঙ্গে ১১ ড্র করেছিল মহমেডান। এবার জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী মহমেডান কোচ। কারণ এবার যুবভারতীতে প্রায় ৪০ হাজার দর্শকের সমর্থন থাকবে মহমেডানের দিকে। সাদাকালো কোচ বলেন, সমর্থকদের সামনে খেলাটা আমাদের কাছে অবশই একটা বড় সুবিধা। গোকুলামের জন্য কখনওই এত সংখ্যক মহমেডান সমর্থকের সামনে খেলাটা সহজ হবে না। এত বড় সংখ্যক সমর্থকের সামনে হোম টিমের বিরুদ্ধে খেলেটা কোনও দলের কাছেই খুব একটা সহজ বিষয় নয়। তবে চ্যাম্পিয়ন হতে গেলে আমাদের ধারাবাহিকতা দেখাতে হবে।

মে ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌মহমেডান স্পোর্টিংকে খুব দ্রুত আইএসএলে দেখতে চান ইরফান পাঠান

গত বছরের শেষদিকে তিনি মহমেডান স্পোর্টিংয়ের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হয়েছেন। ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হওয়ার পর সোমবার প্রথম ক্লাবে এলেন ইরফান পাঠান। ক্লাবে প্রথম পা রেখেই জানিয়ে দিলেন, অদূর ভবিষ্যতে তিনি মহমেডানকে আইএসএলে দেখতে চান। সোমবার আই লিগে কেঁকড়ে এফসির সঙ্গে ম্যাচ ছিল মহমেডান স্পোর্টিংয়ের। ক্লাব তাঁবুতে বসে সন্ধেয় সমর্থকদের সঙ্গে ম্যাচের লাইভ স্ট্রিমিং দেখেন ইরফান পাঠান। ম্যাচ দেখতে বসার আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন ইরফান। সেই সাংবাদিক সম্মেলনে উঠে এল একাধিক প্রশ্ন। তার মধ্যে যেমন ছিল রাজনীতি, তেমনই ছিল ক্রিকেট। তবে মহমেডানকে নিয়ে নিজের ইচ্ছের কথা জানাতে ভোলেননি ইরফান পাঠান। সম্প্রতি অনেক ক্রিকেটারকে রাজনীতিতে আসতে দেখা গেছে। তিনিও কী অদূর ভবিষ্যতে রাজনীতিতে পা রাখবেন? প্রথমেই এই প্রশ্ন ধেয়ে এসেছিল ইরফান পাঠানের দিকে। ইরফান জবাবে বলেন, ২০১৫ সাল থেকে অনেকেই রাজনীতিতে নামার জন্য প্রস্তাব দিয়েছে। আমি যাইনি। তবে রাজনীতিতে আসার ইচ্ছে রয়েছে। দেশের মানুষের জন্য কিছু করতে চাই। তবে এখনই রাজনীতিতে নামার ব্যাপারে কিছু ভাবছি না। মহমেডানের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হয়েছেন। ক্লাবের খবর রাখবেন না, তা কি কখনও হয়? গড়গড় করে বলে গেলেন সাদাকালো ব্রিগেডের সাম্প্রতিক পারফরমেন্স। তিনি বলেন, টানা ৪ ম্যাচ জিতে আগের ম্যাচে হেরেছে। মার্কাস জোসেফ দারুণ খেলছে। এই ছন্দটা ধরা রাখুক মহমেডান। আই লিগ জিতছে, এটা দেখতে চাই। আইএসএল নিয়েও ক্লাব কর্তাদের পরিকল্পনা রয়েছে। খুব শীঘ্রই মহমেডানকে আইএসএলে দেখতে চাই। পরের বার এসে যেন স্টেডিয়ামে বসে মহমেডানের আইএসএল ম্যাচ দেখতে পাই। সারা ভারতে এমন কোনও ফুটবলপ্রমী নেই, যে মহমেডানের নাম শোনেনি। ১৪১৫ বছর বয়স থেকে কলকাতায় আসছি। তার আগেই মহমেডানের নাম শুনেছি। ১৩১ বছর বয়স এই ক্লাবের। এইরকম ঐতিহ্যশালী ক্লাবের অ্যাম্বাসাডর হতে পেরে গর্বিত। উঠে এল ভারতীয় ক্রিকেটের কথা। ইরফান বলছিলেন, ভারতে প্রতিভার অভাব নেই। ঠিক সময় এই দলের প্রত্যেকে জ্বলে ওঠার ক্ষমতা রাখে। বিশ্বের সেরা বোলিং লাইনআপ হওয়ার ক্ষমতা আমাদের দলের বোলারদের রয়েছে। ভারতীয় বোলারদের যে প্রতিভা রয়েছে, বিশ্বের কোনও দলের বোলারদের সেই প্রতিভা নেই। ঋষভ পন্থের প্রশংসা করে ইরফান বলেন, জাতীয় দলে ঋদ্ধি ফিরতে পারবে কিনা জানি না। ওর পরিবর্তে যে এসেছে, সেই ঋষভ পন্থ কিন্তু অনেক বড় ক্রিকেটার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবে।

মার্চ ২১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌Durand Cup : পুরনো দলের জালে বল জড়িয়ে মহমেডানকে সেমিফাইনালে তুললেন মার্কাস

জার্সিটা বদলালেও ডুরান্ড কাপে জ্বলে ওঠার অভ্যাস বদলায়নি মার্কাস জোসেফের। বছর দুয়েক আগেই প্রায় একার কৃতিত্বে গোকুলাম এফসিকে ডুরান্ড কাপে চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন। ২০১৯ ডুরান্ড কাপে ১১ গোল করেছিলেন গোকুলাম এফসির জার্সি গায়ে। সময় বদলেছে, বদলেছে জার্সিও। বদলাননি মার্কাস জোসেফ। পুরনো দল সেই গোকুলাম এফসির জালে বল ঢুকিয়েই মহমেডান স্পোর্টিংকে তুললেন ডুরান্ড কাপের সেমিফাইনালে। কলকাতা প্রিমিয়ার লিগে পরপর তিন ম্যাচে পরাজয়। গোকুলাম এফসির বিরুদ্ধে ডুরান্ড কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মাঠে নামার আগে যথেষ্ট চাপে ছিল সাদাকালো শিবির। জেতার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিল মহমেডান ফুটবলাররা। তাই শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবলের রাস্তা বেছে নিয়েছিল। সুযোগ তৈরি হলেও কাজে লাগাতে পারছিলেন না মহমেডান ফুটবলাররা। তার মধ্যেই ম্যাচের ৪৩ মিনিটে মহমেডানের জালে বল জড়িয়ে দিয়েছিলেন মহমেডানের বিদেশি ডিফেন্ডার বৌবা। কিন্তু অফসাইডের জন্য সেই গোল বাতিল করে দেন রেফারি। পরের মিনিটেই এগিয়ে যায় মহমেডান। দুরপাল্লার শটে গোল করেন মার্কাস জোসেফ। দ্বিতীয়ার্ধেও চাপ অব্যাহত ছিল মহমেডানের। গোল করার সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি সাদাকালো ফুটবলাররা। ৫৪ মিনিটে আজহারউদ্দিন মল্লিকের কাছ থেকে ফাঁকায় বল পেয়েও জালে পাঠাতে পারেননি শেখ ফৈয়াজ। এরপরও গোল করার মতো সুযোগ পেয়েছিল। ব্যর্থ হন আজহারউদ্দিন মল্লিক, শেখ ফৈয়াজ, মার্কাস জোসেফরা। তবে গোকুলাম এফসিও সমতা ফেরাতে পারত। এলভিসের জোরালো হেড শরীর ছুঁড়ে বাঁচান মহমেডান গোলরক্ষক জোথানমাওইয়া। শেষদিকে মরিয়া হয়ে উঠলেও সমতা ফেরাতে পারেনি গোকুলাম। ডুরান্ড কাপে এদিনই প্রথম দর্শকদের মাঠে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছিল আয়োজক কমিটি। যুবভারতীতে মহমেডান ও গোকুলাম এফসি ম্যাচ দেখতে হাজির ছিলেন হাজার খানেক সাদাকালো সমর্থক। দলের জয়ে তাঁরা মেতে ওঠেন। ২৭ সেপ্টেম্বর সেমিফাইনালে মহমেডান স্পোর্টিং খেলবে এফসি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে।এদিন কল্যাণী স্টেডিয়ামে ডুরান্ড কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল আর্মি রেড এবং এফসি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেডের। কিন্তু আর্মি রেড শিবিরে কয়েকজন ফুটবলার করোনা আক্রান্ত হওয়ায় আর্মি দল প্রতিযোগিতা থেকে নাম প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়। কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে ওয়াকওভার পেয়ে সরাসরি সেমিফাইনালে পৌঁছে যায় এফসি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেড। এরমধ্যে করোনা নিয়ে চিন্তা বেড়ে গেল। বৃহস্পতিবার যুবভারতীতে মহমেডানের জয়ের পর গ্যালারির ফেন্সিং টপকে বেশ কিছু সমর্থক মাঠে ঢুকে পড়ে। মহমেডান ফুটবলারদের জড়িয়ে ধরতে এবং তাঁদের সঙ্গে ছবি তুলতে দেখা যায়। ফলে সংক্রমনের ভয় থেকেই যাচ্ছে। দুটি সেমিফাইনাল এবং ফাইনালে যুবভারতীর মোট দর্শকাসনের ৫০ শতাংশ দর্শক প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। এই টিকিটগুলো বিনামূল্যে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন, ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান এবং মহমেডান স্পোর্টিং ক্লাব তাঁবু থেকে বিতরণ করা হবে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Durand Cup : মমতা ব্যানার্জির পায়ে ‘‌খেলা হল’‌, জমকালো উদ্বোধন ডুরান্ডের

ভারতের রাজধানী দিল্লি থেকে ডুরান্ড কাপ সরে এসেছে বাংলার রাজধানী কলকাতায়। ২০১৯ সাল থেকে কলকাতায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আগামী ৫ বছর কলকাতাতেই ডুরান্ড কাপ কলকাতায় আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গতবছর করোনার জন্য এই শতাব্দীপ্রাচীন প্রতিযোগিতা স্থগিত রাখতে বাধ্য হয়েছিল আয়োজকরা। এবছর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির উদ্বোধনে অন্যমাত্রা পেল ডুরান্ড কাপ। রবিবার পড়ন্ত বিকেলে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উদ্বোধন হল ডুরান্ড কাপের। সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারের মাধ্যমে আকাশ থেকে পুস্পবৃষ্টি মোহিত করে রেখেছিল যুবভারতীকে। তারই মাঝে বলে লাথি মেরে ডুরান্ড কাপের উদ্বোধন করলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। এরপর দুই দলের ফুটবলারদের সঙ্গে তিনি পরিচিত হন। মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, ক্রীড়াদপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী মনোজ তেওয়ারি এবং সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্তারা।এবারের প্রতিযোগিতায় ১৬টি দল অংশ নিচ্ছে। ১৬টি দলকে চারটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। উদ্বোধনী ম্যাচে অংশ নিয়েছিল কলকাতার মহমেডান স্পোর্টিং ও ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্স। প্রথম ম্যাচেই দুর্দান্ত জয় দিয়ে শুরু করল মহমেডান। ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্সকে ৪১ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে সাদা কালো ব্রিগেড। ডুরান্ড কাপ অভিযানে নামার আগে মহমেডান কোচ আন্দ্রে চেরনিসভ বলেছিলেন, তাঁর দল উপভোগ্য ফুটবল উপহার দেবে। সাদা কালো কোচ যে ভুল প্রতিশ্রুতি দেননি, ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্সের বিরুদ্ধেই প্রমাণিত।ম্যাচের শুরু থেকেই মহমেডানের আধিপত্য ছিল। দুই বিদেশি মার্কাস ও নিকোলা স্টোজানোভিচের মাঝমাঠে বোঝাপড়া ছিল চোখে পড়ার মতো। মাঝমাঠে দুর্দান্ত কর্তৃত্ব নিয়ে খেলেন ম্যাচের সেরা নিকোলা। তাঁর জন্যই মাঝমাঠে খেলা ধরতে পারেননি বায়ুসেনার ফুটবলাররা। মহমেডানের জয়ের পেছনে নিকোলার অবদান অনস্বীকার্য। ম্যাচের ১৯ মিনিটে তাঁরই বাড়ানো পাস থেকে ১৮ গজের দূরপাল্লার শটে দর্শনীয় গোল করে দলকে এগিয়ে দেন মিলন সিং। ৩২ মিনিটে শেখ ফৈয়াজের মাইনাসে বক্সের ডানদিকের কোনা থেকে ডানপায়ের শটে ২০ করেন ওভারল্যাপে উঠে আসা ডিফেন্ডার অরিজিত সিং। ৩৭ মিনিটে ব্যবধান বাড়ত। মার্কাসের দুরন্ত শট কোনও রকমে বাঁচান এয়ারফোর্সের গোলকিপার। প্রথমার্ধের একাবারে শেষলগ্নে নিকোলাসের ডিফেন্স চেরা পাস থেকে ৩০ করেন আজহারউদ্দিন মল্লিক। প্রথমার্ধেই ৩ গোলে এগিয়ে যাওয়ায় হয়তো আত্মতুষ্টি গ্রাস করেছিল মহমেডানকে। তার খেসরতও দিতে হয় সাদাকালো ব্রিগেডকে। ম্যাচের ৪৭ মিনিটে গোল হজম করতে হয় মহমেডানকে। দুরন্ত ফ্রিকিক থেকে ব্যবধান কমান এয়ারফোর্সের সৌরভ সাধুখাঁ। ম্যাচের ৭৬ মিনিটে আবার ব্যবধান বাড়ায় মহমেডান। নিকোলার ফ্রিকিক থেকে ফ্লাইং হেডে ৪১ করেন মার্কাস জোসেফ।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Kolkata Premier League : কলকাতা লিগে দুর্দান্ত শুরু মহমেডানের, নায়ক সার্বিয়ান নিকোলা

গতবছর কাছাকাছি এসেও শেষ রক্ষা হয়নি। শেষ মুহূর্তে কলকাতা লিগ হাতছাড়া হয়েছিল। আই লিগেও প্রত্যাশিত পারফরমেন্স হয়নি। এবছর সাফল্য পেতে মরিয়া মহমেডান। মরশুমের শুরুতেই হাই প্রোফাইল বিদেশি কোচ নিয়োগ, ভাল মানের বিদেশি দলে নিয়ে চমক দিয়েছিলেন সাদাকালো কর্তারা। তার সুফল মিলল মরশুমের প্রথম ম্যাচেই। দুর্দান্ত জয় দিয়ে কলকাতা লিগ অভিযান শুরু করল মহমেডান স্পোর্টিং। বুধবার কল্যাণী স্টেডিয়ামে ৩০ গোলে হারাল সাদার্ন সমিতিকে।আরও পড়ুনঃ লর্ডসে জেতার পর সতীর্থদের সম্পর্কে কী বললেন কোহলি?দলটাকে দারুণভাবে তৈরি করেছেন কোচ আন্দ্রে চেরনিশভ। ম্যাচের শুরু থেকেই প্রাধান্য ছিল সাদাকালো শিবিরের। গোটা ম্যাচে মাঝমাঠে রাজত্ব করে গেলেন মহমেডানের সার্বিয়ান মিডফিল্ডার নিকোলা স্টোজানোভিচ। শুধু গোল করলেন না, গোল করিয়ে ম্যাচের নায়ক তিনি। দীর্ঘদিন পর একজন ভালমানের বিদেশি ফুটবলার নিয়েছেন মহমেডান কর্তারা। নিকোলা স্টোজানোভিচকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতেই পারেন সাদাকালো সর্মথকরা।আরও পড়ুনঃ বাংলার নবাবের ব্যর্থতা ঢেকে লর্ডস অভিযানে নায়ক হায়দরাবাদি সিরাজম্যাচের শুরু থেকেই সাদার্ন সমিতির রক্ষণে একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিল মহমেডান। ১৫ মিনিটে এগিয়েও যায়। ১৮ গজ বক্সের ওপর থেকে দুরন্ত শটে গোল করে মহমেডানকে এগিয়ে দেন নিকোলা স্টোজানোভিচ। এগিয়ে যাওয়ার পর আক্রমণের ধার বাড়িয়ে দেয় মহমেডান। আক্রমণের জন্য বাঁ প্রান্তকেই বেছে নিয়েছিলেন সাদাকালো ফুটবলাররা। ম্যাচের ৩৫ মিনিটে ব্যবধান বাড়তে পারত। মাঝমাঠে ডানপ্রান্ত থেকে মিলন সিংয়ের লম্বা বাড়ানো বলে স্টেফান ইলিচের শট সার্দান ডিফেন্সে প্রতিহত হয়। ম্যাচের ৪০ মিনিটে সাদার্নের ৬ গজ বক্সের ওপর এসে কোনাকুনি দুরন্ত শটে গোল করে মহামেডানকে ২০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন শেখ ফৈয়াজ।আরও পড়ুনঃ ১২ ঘন্টার দীর্ঘ লড়াই শেষে ১২ তম ইন্ডিয়ান আইডল স্নিগ্ধ হাওয়া পবনদীপদ্বিতীয়ার্ধেও আধিপত্য ছিল মহমেডানের। একাধিক গোলের সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেননি ফৈয়াজরা। ম্যাচের ৬৮ মিনিটে বক্সের ওপর থেকে নিকোলার দুরন্ত শট সাদার্ন গোলকিপার অর্ণব দাস শর্মা দক্ষতার সঙ্গে প্রতিহত করে। ৮৩ মিনিটে নিকোলার অসাধারণ থ্রু পাশ থেকে সাদাকালো শিবিরের হয়ে তৃতীয় গোল আজহারউদ্দিন মল্লিকের। ম্যাচের ইনজুরি সময়ে পেনাল্টি পেয়েছিল সাদার্ন। কিন্তু সাদার্নের মিনহাও কিলঙের পেনাল্টি রুখে দেন মহমেডান গোলরক্ষক জোথানমাওইয়া। ম্যাচের সেরা নির্বাচিত হন নিকোলা স্টোজানোভিচ। প্রথম ম্যাচে দলের খেলায় খুশি মহমেডান কোচ আন্দ্রে চেরনিশভ।

আগস্ট ১৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

সমর্থকদের বিক্ষোভে কেন উত্তাল মহমেডান?‌ জানতে পড়ুন

ইনভেস্টর বিতর্ক নিয়ে বিক্ষোভে উত্তাল মহমেডান। শুক্রবার বিতর্ক মেটানোর জন্য কার্যকরী সমিতির সভা ডাকা হয়েছিল। সভা শুরু হওয়ার আগেই ক্লাব তাঁবুর সামনে হাজির হন সমর্থকরা। সমর্থকদের হাতে ছিল পোস্টার, প্লাকার্ড। সমর্থকদের মুখে স্লোগান, ‘‌দুর্নীতি বন্ধ করে ক্লাবকে রক্ষা করো’‌, ‘‌অবিলম্বে ইনভেস্টর চাই’‌। দায়িত্বে থাকা কর্তাদের পদত্যাগও দাবি করেন সমর্থকরা। মহমেডানের ফ্যান ক্লাব ব্ল্যাক প্যান্থার্সের সমর্থকরা ক্লাবের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভে সামিল হয়। বিক্ষোভের মধ্যেই কার্যকরী সমিতির বৈঠক শুরু হয়। প্রায় ঘন্টা দেড়েক বৈঠক চলে। জট অনেকটাই কেটেছে। শনিবার আবার বৈঠকে বসবেন কর্তারা। ভিডিও কনফারেন্সে ইনভেস্টরের প্রতিনিধিদেরও যোগ দেওয়ার কথা। বৈঠক শেষে ক্লাব সচিব ওয়াসিম আক্রাম বলেন, ‘‌জট কাটতে চলেছে। আবার বৈঠকে বসব। আশা করছি সোমবারের মধ্যে সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। ইনভেস্টরের নাম ঘোষণা করতে পারব।’ ‌ক্লাবকে বিক্রি করে ইনভেস্টর চান না অধিকাংশ কর্তা। তাঁরা ৫০ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করার পক্ষপাতি।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২০
খেলার দুনিয়া

সমর্থকদের বিক্ষোভে কেন উত্তাল মহমেডান?‌ জানতে পড়ুন

ইনভেস্টর বিতর্ক নিয়ে বিক্ষোভে উত্তাল মহমেডান। শুক্রবার বিতর্ক মেটানোর জন্য কার্যকরী সমিতির সভা ডাকা হয়েছিল। সভা শুরু হওয়ার আগেই ক্লাব তাঁবুর সামনে হাজির হন সমর্থকরা। সমর্থকদের হাতে ছিল পোস্টার, প্লাকার্ড। সমর্থকদের মুখে স্লোগান, দুর্নীতি বন্ধ করে ক্লাবকে রক্ষা করো, অবিলম্বে ইনভেস্টর চাই। দায়িত্বে থাকা কর্তাদের পদত্যাগও দাবি করেন সমর্থকরা। মহমেডানের ফ্যান ক্লাব ব্ল্যাক প্যান্থার্সের সমর্থকরা ক্লাবের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভে সামিল হয়। বিক্ষোভের মধ্যেই কার্যকরী সমিতির বৈঠক শুরু হয়। প্রায় ঘন্টা দেড়েক বৈঠক চলে। জট অনেকটাই কেটেছে। শনিবার আবার বৈঠকে বসবেন কর্তারা। ভিডিও কনফারেন্সে ইনভেস্টরের প্রতিনিধিদেরও যোগ দেওয়ার কথা। বৈঠক শেষে ক্লাব সচিব ওয়াসিম আক্রাম বলেন, জট কাটতে চলেছে। আবার বৈঠকে বসব। আশা করছি সোমবারের মধ্যে সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। ইনভেস্টরের নাম ঘোষণা করতে পারব। ক্লাবকে বিক্রি করে ইনভেস্টর চান না অধিকাংশ কর্তা। তাঁরা ৫০ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করার পক্ষপাতি।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২০

ট্রেন্ডিং

দেশ

মেঘালয়ের কয়লাখনিতে বিস্ফোরণ, ধসে চাপা অন্তত ১৬ শ্রমিক, নিখোঁজ আরও বহু

মেঘালয়ের তাসখাই এলাকার একটি কয়লাখনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের জেরে ধস নামল খনির ভিতরে। এই দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৬ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বহু শ্রমিক এখনও নিখোঁজ। তাঁদের অনেকেই খনির ভিতরে আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি বিচার করে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করছেন উদ্ধারকারী দল। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, মৃত শ্রমিকদের অধিকাংশই অসমের বাসিন্দা।দুর্ঘটনার পরেই খনির মুখ থেকে কালো ধোঁয়া বেরোতে শুরু করে। বাইরে থাকা শ্রমিকেরা আতঙ্কিত হয়ে খনির সামনে ভিড় জমান। ঘটনাস্থলে কয়েকজন মহিলা ও শিশুকেও দেখা যায়। জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণটি খনির ভিতরেই ঘটে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মেঘালয় পুলিশ। দমকল এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও উদ্ধারকাজে হাত লাগায়। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে উদ্ধার অভিযান।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, খনির ভিতরের পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপজ্জনক। সেখানে এখনও দাহ্য গ্যাস জমে আছে কি না, নতুন করে বিস্ফোরণের আশঙ্কা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃত শ্রমিকদের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। অনুমান করা হচ্ছে, খনির ভিতরে দাহ্য গ্যাস জমে আচমকা বিস্ফোরণ হতে পারে। আবার অবৈধ ভাবে বিস্ফোরক ব্যবহারের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তদন্তকারীরা। কারণ যাই হোক, আপাতত নিখোঁজ শ্রমিকদের উদ্ধারে সব রকম চেষ্টা চালাচ্ছে প্রশাসন।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

“বুক ফুলিয়ে বিধানসভায় ঢুকব”—আসন সংখ্যা নিয়ে বড় হুঙ্কার বিজেপির

পরিবর্তন আসন্ন এবং জয় নিশ্চিতএমনই আত্মবিশ্বাসের সুরে কথা বললেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবার তিনি আরও বড় দাবি করলেন। তাঁর বক্তব্য, গত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি যেখানে ৭৭টি আসন পেয়েছিল, সেখানে এবার সেই সংখ্যা বেড়ে হবে ১৭৭। শুভেন্দুর কথায়, ১৭৭টি আসন নিয়ে বিজেপি বুক ফুলিয়ে বিধানসভায় ঢুকবে।শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, গত নির্বাচনে ৩৯ শতাংশ হিন্দু ভোট বিজেপির পক্ষে গিয়েছিল। এবার সেই হার বেড়ে ৪৫ শতাংশ হবে বলে তাঁর দাবি। হিন্দুদের পাশাপাশি আদিবাসীরাও বিজেপিকে ভোট দেবেন বলেই তিনি আশাবাদী। তাঁর কথায়, বিজেপি এক সময় ৩টি আসন থেকে ৭৭-এ পৌঁছেছিল, এবার সেই ৭৭ থেকে সরাসরি ১৭৭-এ পৌঁছবে দল।তবে শুভেন্দুর এই দাবিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের এক মুখপাত্র বলেন, আগে বিজেপির নেতারা ২০০ আসনের কথা বলেছিলেন, কিন্তু ফল হয়েছিল ৭৭। এবার শুভেন্দু বলছেন ১৭৭। আগের হিসাব ধরলে সংখ্যাটা ৫০-এর নিচেই নেমে যাবে বলে কটাক্ষ করেন তিনি। পাশাপাশি ব্যঙ্গ করে বলেন, শুভেন্দু বুক ফুলিয়ে বিধানসভায় দর্শক হিসেবে ঢুকবেন কি না, সেটাই দেখার। বিধানসভায় দর্শক হিসেবে ঢুকতে হলে বিধায়কের সুপারিশ লাগে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এর মধ্যেই বাংলার রাজনীতিতে আরেকটি বড় পরিবর্তন সামনে এসেছে। আসন্ন বিধানসভা ভোটে কংগ্রেস এবার বামেদের সঙ্গে জোটে যাচ্ছে না। আগের বার জোটের ছবি দেখা গেলেও এবার সেই সমীকরণ ভেঙে গিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নিয়েও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি শুভেন্দু অধিকারী। কংগ্রেস ও তৃণমূলকে একই বন্ধনীতে রেখে তিনি বলেন, মালদহ ও মুর্শিদাবাদে কংগ্রেস মুসলিম ভোট পায়, আর তৃণমূল মুসলিম ভোটের উপর ভর করেই রাজ্য চালাচ্ছে। তবে বিজেপির এসব নিয়ে কোনও মাথাব্যথা নেই বলেই জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির লক্ষ্য হিন্দু সমাজকে এক করা।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বড় সিদ্ধান্ত কংগ্রেসের, বামেদের ছাড়াই বিধানসভা ভোটে নামছে দল

জোট নিয়ে জল্পনার মধ্যেই কংগ্রেসের একলা চল নীতি নিয়ে বারবার আলোচনা চলছিল। আগেই জানা গিয়েছিল, প্রদেশ কংগ্রেসের একাংশ, বিশেষ করে শুভঙ্কর সরকার ঘনিষ্ঠ শিবির জোট না করার পক্ষেই রয়েছে। আবার প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর শিবির বামেদের সঙ্গে জোট বজায় রাখার পক্ষে ছিল বলেও শোনা যাচ্ছিল। সেই জল্পনার মধ্যেই এবার এল বড় সিদ্ধান্ত।আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় বামেদের সঙ্গে জোট ভাঙার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কংগ্রেস। অর্থাৎ, কোনও জোট নয়, রাজ্যের ২৯৪টি আসনেই এককভাবে লড়াই করবে কংগ্রেস। কংগ্রেস হাইকমান্ডের এই সিদ্ধান্তে বাংলার রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল। এই পরিস্থিতিতে বাংলায় চতুর্মুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনাও জোরালো হচ্ছে।প্রদেশ কংগ্রেসের পর্যবেক্ষক গুলাম মীর জানিয়েছেন, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের সঙ্গে বৈঠকেই এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, এবার দলের কর্মী থেকে সাধারণ মানুষ সকলেই চাইছেন কংগ্রেস একাই লড়াই করুক। তাই ২৯৪টি আসনেই প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, বাম বা অন্য দলের সঙ্গে জোটের ফলে নিচুতলার কর্মীদের মনোবল ভেঙে পড়েছিল। সেই কারণেই জোট না করে এককভাবে লড়াইয়ের পথ বেছে নেওয়া হয়েছে। প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের এই ইচ্ছাকেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব মেনে নিয়েছে বলে জানান তিনি।অন্যদিকে অধীর রঞ্জন চৌধুরী জানিয়েছেন, তিনি দলের একজন কর্মী হিসেবে দল যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটাই মেনে নেবেন। কংগ্রেসের এই সিদ্ধান্তের পর প্রতিক্রিয়া এসেছে বামেদের তরফেও। বাম নেতা বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য খানিক কটাক্ষ করে বলেন, কংগ্রেস একটি স্বাধীন দল এবং এককভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার তাদের রয়েছে। তাঁর ধারণা, এই সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত তৃণমূলকেই সুবিধা করে দেবে।এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। তিনি বলেন, মালদহ ও মুর্শিদাবাদে কংগ্রেস মুসলিম ভোট পায় এবং তৃণমূলও মুসলিম ভোটের উপর ভর করেই সরকার চালাচ্ছে। তবে বিজেপির সে সব নিয়ে কোনও মাথাব্যথা নেই বলেই মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর কথায়, বিজেপির লক্ষ্য হিন্দু ভোটকে এক করা।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
বিদেশ

৫০ বছরের ইতিহাস ভেঙে পরমাণু অস্ত্রে আর কোনও সীমা নেই, বিশ্ব কি পরমাণু যুদ্ধের দিকে?

একের পর এক যুদ্ধে জ্বলছে বিশ্ব। গাজা থেকে ইউক্রেনসব জায়গাতেই সংঘাতের ছায়া ঘনাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আবারও সামনে এল পরমাণু যুদ্ধের আশঙ্কা। বিশ্বের দুই শক্তিধর দেশ আমেরিকা ও রাশিয়া এবার পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতার মুখে দাঁড়াল।বৃহস্পতিবার রাশিয়া ও আমেরিকার মধ্যে শেষ যে পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি ছিল, তার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। গত অর্ধ শতাব্দীরও বেশি সময়ের মধ্যে এই প্রথম দুই দেশের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারের উপর আর কোনও আইনি সীমা রইল না। নিউ স্টার্ট চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় নতুন করে পারমাণবিক অস্ত্রের প্রতিযোগিতা শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।যদিও গত বছর রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছিলেন, ওয়াশিংটন চাইলে আরও এক বছর তিনি নিউ স্টার্ট চুক্তির নিয়ম মেনে চলতে রাজি। তবে সেই প্রস্তাবে বিশেষ আগ্রহ দেখায়নি আমেরিকা। তখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি ছিল, এই চুক্তিতে চিনকেও যুক্ত করতে হবে। কিন্তু সেই প্রস্তাবে চিন সায় দেয়নি।রাশিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বিষয়ে তারা চিনের সঙ্গে আলোচনা করেছিল। তবে আমেরিকার তরফে কোনও স্পষ্ট উত্তর মেলেনি। ক্রেমলিনের পরামর্শদাতা ইউরি উষাকভ জানিয়েছেন, বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে রাশিয়া দায়িত্বশীল এবং ভারসাম্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেবে।উল্লেখ্য, ২০১০ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং রাশিয়ার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ নিউ স্টার্ট চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তি অনুযায়ী, দুই দেশকে সর্বাধিক ৭০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও বোমারু বিমান এবং ১,৫৫০টি পারমাণবিক ওয়ারহেডের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে হত। চুক্তির মেয়াদ প্রথমে ২০২১ সালে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও পরে আরও পাঁচ বছরের জন্য তা বাড়ানো হয়েছিল। এবার সেই চুক্তিরও ইতি ঘটল।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
দেশ

অনুপ্রবেশ ইস্যুতে তৃণমূলকে তুলোধোনা, রাজ্যসভায় বিস্ফোরক মোদী

রাষ্ট্রপতির ভাষণের পর রাজ্যসভায় জবাবি ভাষণ দিতে উঠে উত্তাল পরিস্থিতির মুখে পড়লেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ভাষণ শুরু হতেই বিরোধী সাংসদদের তুমুল স্লোগানে সরগরম হয়ে ওঠে রাজ্যসভা। তবে সেই অবস্থার মধ্যেই নিজের বক্তব্য শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। স্লোগান তোলাকে কেন্দ্র করে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গেকে খোঁচা দিয়ে মোদী বলেন, বয়সের কথা মনে রেখে তিনি যেন বসে থেকেই স্লোগান দেন।প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই একাধিক বিরোধী সাংসদ রাজ্যসভা থেকে ওয়াকআউট করেন। সেই বিষয়টিকেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি মোদী। তিনি বলেন, কিছু মানুষ এত তাড়াতাড়ি ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন, কিন্তু তাঁদেরও একদিন প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। একই সঙ্গে কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী।মোদীর বক্তব্যে উঠে আসে কংগ্রেস আমলের প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, লালকেল্লা থেকে কংগ্রেসের প্রধানমন্ত্রীদের দেওয়া ভাষণগুলি বিশ্লেষণ করলে স্পষ্ট বোঝা যাবে যে তাঁদের কোনও দীর্ঘমেয়াদি ভাবনা ছিল না। সেই কারণেই দেশ বহু বছর পিছিয়ে পড়েছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি। মোদীর দাবি, কংগ্রেসের ভুল সংশোধন করতেই বর্তমান সরকারকে অনেক শক্তি ব্যয় করতে হয়েছে। তাঁর কথায়, বর্তমান সরকার ভবিষ্যতের কথা ভেবেই নীতি তৈরি করেছে এবং আজ দেশ নীতির ভিত্তিতেই চলছে।জবাবি ভাষণের সময় বাংলার প্রসঙ্গও তোলেন প্রধানমন্ত্রী। রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে নির্মম সরকার বলে কটাক্ষ করেন তিনি। রাজ্যসভায় উপস্থিত তৃণমূল সাংসদদের উদ্দেশে মোদীর মন্তব্য, নির্মমতার যত রেকর্ড ছিল, সবকিছুই তারা ভেঙে দিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, বাংলার মানুষের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে, অথচ ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য সেই নির্মমতাকেই প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে।অনুপ্রবেশ ইস্যুতেও তৃণমূল সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী। মোদীর বক্তব্য, সারা পৃথিবীর দেশ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। অথচ তৃণমূল সরকার অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করতে আদালতে যাচ্ছে এবং আদালতের উপর চাপ সৃষ্টি করছে। তাঁর দাবি, এই অনুপ্রবেশকারীরাই যুব সমাজের চাকরি কেড়ে নিচ্ছে এবং আদিবাসীদের জমি দখল করছে। অথচ এসব বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ না নিয়ে তৃণমূল সরকার কেন্দ্রকে উপদেশ দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
দেশ

তুষারে ঢাকা পাহাড়ে এনকাউন্টার, কিস্তওয়ারে খতম পাক জঙ্গি আদিল

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের জম্মু-কাশ্মীর সফরের আগেই বড় সাফল্য পেল নিরাপত্তাবাহিনী। কিস্তওয়ার ও উধমপুরে পৃথক সংঘর্ষে জইশ-ই-মহম্মদের তিন জঙ্গি নিহত হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন আদিল, যাকে দীর্ঘদিন ধরে খুঁজছিল নিরাপত্তাবাহিনী। বাহিনী সূত্রে জানা গিয়েছে, আদিল পাকিস্তানের নাগরিক এবং জঙ্গি সংগঠন লস্করের শীর্ষ নেতা সইফুল্লার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিল।নিরাপত্তাবাহিনী সূত্রে খবর, গত ১৮ মাস ধরে আদিলকে ধরার চেষ্টা চলছিল। একাধিকবার অভিযান হলেও সে প্রতিবারই পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল। বুধবার সন্ধ্যায় কিস্তওয়ার জেলার তুষারাবৃত চাতরু এলাকায় নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। এলাকা ঘিরে ফেলে গুলির লড়াইয়ের পর আদিলকে খতম করা হয়। এক নিরাপত্তা আধিকারিক জানান, প্রায় ২০ বার ধরা পড়ার মুখ থেকেও পালিয়ে গিয়েছিল আদিল, তবে এবার আর রেহাই পায়নি।এর আগে বুধবার সকালেই উধমপুর জেলায় একটি গুহায় আটকে পড়া জইশের দুই কমান্ড্যান্টের মৃত্যু হয়। ওই দুই জঙ্গির নাম রুবানি ওরফে আবু মাভিয়া এবং তার সহযোগী জুবায়ের। বাহিনীর সঙ্গে প্রায় ২০ ঘণ্টা ধরে তাদের গুলির লড়াই চলে। সকালে গুহার ভিতর থেকে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। পরে দেখা যায়, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছে ওই দুই জঙ্গির দেহ।এই অভিযানে একটি এম-৪ কার্বাইন, একটি একে অ্যাসল্ট রাইফেল, তিনটি গ্রেনেড এবং বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানে কাউন্টার ইনসার্জেন্সি ফোর্স ডেল্টা, হোয়াইট নাইট কোর, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং সিআরপিএফ যৌথভাবে অংশ নেয়।আদিল নিহত হওয়ার পর এবার লস্কর নেতা সইফুল্লার খোঁজে তল্লাশি আরও জোরদার করা হয়েছে। বাহিনী সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় দুই বছর আগে পাকিস্তান থেকে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢোকে সইফুল্লা। এরপর কিস্তওয়ার ও দোদা এলাকায় একাধিক জঙ্গি হামলার সঙ্গে সে জড়িত বলে অভিযোগ। এখনও উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় ড্রোনের সাহায্যে নজরদারি চালানো হচ্ছে এবং তল্লাশি অভিযান চলছে।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বেগুনি মিছিলের প্রভাব? বাজেটে বাড়ল আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সাম্মানিক

ভোটের মুখে রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেটে আবারও জনমুখী সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। এর আগে রাজ্যজুড়ে আশা কর্মী এবং অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী-সহায়িকাদের বেগুনি মিছিল নজর কেড়েছিল। সেই আন্দোলনের প্রেক্ষিতেই তাঁদের সাম্মানিক বাড়ানোর ঘোষণা করা হল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। ভোটের আগে শেষ বাজেটে কার্যত কল্পতরু হয়ে উঠেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বৃহস্পতিবার বিধানসভায় বাজেট পেশের সময় রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য জানান, ২০২৬ সালের এপ্রিল মাস থেকে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও অঙ্গনওয়াড়ি সহায়িকাদের মাসিক সাম্মানিক আরও ১ হাজার টাকা করে বাড়ানো হবে। একই সঙ্গে আশা কর্মীদের সাম্মানিকও বাড়ানোর কথা ঘোষণা করা হয়েছে। চলতি বছরের এপ্রিল মাস থেকেই আশা কর্মীরা মাসে অতিরিক্ত ১ হাজার টাকা করে পাবেন।শুধু সাম্মানিক বৃদ্ধি নয়, আশা কর্মীদের জন্য আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধার কথাও জানানো হয়েছে। রাজ্যের অন্যান্য সরকারি কর্মীদের মতোই এবার থেকে আশা কর্মীরাও ১৮০ দিনের মাতৃত্বকালীন ছুটির সুবিধা পাবেন। এই সিদ্ধান্তকে বড় স্বস্তি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।এছাড়াও অকাল মৃত্যুর ক্ষেত্রে আর্থিক সুরক্ষার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী জানান, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও সহায়িকার অকাল মৃত্যু হলে তাঁদের পরিবার বা নিকট আত্মীয়কে এককালীন ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে আশা কর্মীদের ক্ষেত্রেও।উল্লেখ্য, গত ২৩ ডিসেম্বর থেকে কর্মবিরতিতে রয়েছেন রাজ্যের আশা কর্মীরা। জানুয়ারি মাসের শেষ দিকে কলকাতা-সহ রাজ্যজুড়ে তাঁরা আন্দোলনে নামেন। একাধিক দাবিকে সামনে রেখেই এই আন্দোলন শুরু হয়। যদিও মাতৃত্বকালীন ছুটি ও অকাল মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করা হলেও, মূল সাম্মানিক সংক্রান্ত দাবি এখনও পুরোপুরি মেটেনি বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।বর্তমানে আশা কর্মীদের মাসিক সাম্মানিক ৫২৫০ টাকা। আগামী এপ্রিল মাস থেকে তা ১ হাজার টাকা বেড়ে হবে ৬২৫০ টাকা। তবে ন্যূনতম মজুরি বাড়ানোর দাবি এখনও মঞ্জুর হয়নি।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

লক্ষ্মীর ভান্ডার বাড়ল, যুবদের মাসে ১৫০০ টাকা—বাজেটে একের পর এক চমক মমতার

৫ ফেব্রুয়ারি রাজ্য বিধানসভায় রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করলেন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। এই বাজেটে একের পর এক জনমুখী ঘোষণা করে কার্যত কল্পতরুর মতোই ধরা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মহিলাদের জন্য একাধিক প্রকল্পের পাশাপাশি রাজ্যের যুব সমাজের জন্যও বড় ঘোষণা করা হয়েছে।এই বাজেটে লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে বড়সড় সুখবর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা মাসে ৫০০ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। ফলে যাঁরা এতদিন মাসে ১ হাজার টাকা করে পেতেন, তাঁরা এবার থেকে পাবেন ১ হাজার ৫০০ টাকা। আর তফসিলি জাতি ও তফসিলি উপজাতিভুক্ত মহিলারা পাবেন মাসে ১ হাজার ৭০০ টাকা করে। কন্যাশ্রী প্রকল্পও আগের মতোই চালু থাকবে বলে জানানো হয়েছে।এবার রাজ্যের বেকার যুবদের পাশে দাঁড়াতে নতুন যুব-সাথী প্রকল্প চালুর কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য রাজ্যে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো এবং কাজ না পাওয়া যুবদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া। আগামী ১৫ অগস্ট, স্বাধীনতা দিবস থেকেই এই নতুন প্রকল্প চালু হবে বলে জানানো হয়েছে।জানা গিয়েছে, মাধ্যমিক পাশ করা যুবক-যুবতীরাই এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। বয়স হতে হবে ২১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। যাঁরা এখনও কোনও চাকরি পাননি, তাঁদের প্রতি মাসে ১ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা দেবে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, যুব-সাথী প্রকল্পে টানা পাঁচ বছর ধরে এই টাকা দেওয়া হবে এবং প্রায় ৩০ লক্ষ যুবক-যুবতী এই প্রকল্পের আওতায় আসবেন।এছাড়াও এবারের বাজেটে আশা কর্মী ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের ভাতাও বাড়ানো হয়েছে। তাঁদের মাসিক ভাতা ১ হাজার টাকা করে বৃদ্ধি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে এই অন্তর্বর্তী বাজেটে মহিলা, যুব সমাজ এবং প্রান্তিক মানুষের জন্য একাধিক আর্থিক সুবিধার ঘোষণা করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal