• ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার ০৬ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Metro

কলকাতা

রিষড়ায় স্ত্রীর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই স্বামীর মর্মান্তিক পরিণতি! সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

হুগলির রিষড়ায় এক গৃহবধূর রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কলকাতার বেলগাছিয়া মেট্রো স্টেশনে এক ব্যক্তির মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, মৃত ব্যক্তি ওই মহিলার স্বামী। এই দুই ঘটনার মধ্যে কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।শনিবার সকালে রিষড়ার তিন নম্বর গভর্নমেন্ট কলোনির একটি ভাড়া বাড়ি থেকে বত্রিশ বছরের মণিকা ওঝার মৃতদেহ উদ্ধার হয়। তাঁর গলায় গভীর আঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনার সময় পাশের বিছানায় ঘুমিয়ে ছিল দম্পতির ছয় বছরের মেয়ে। দীর্ঘ সময় দরজা না খোলায় প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। পরে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকতেই তাঁরা মহিলার নিথর দেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।প্রতিবেশীদের দাবি, শুক্রবার রাতে ওই বাড়ি থেকে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বচসার শব্দ শোনা গিয়েছিল। জানা গিয়েছে, কর্মসূত্রে দিল্লিতে থাকা দীপঙ্কর সরকার কয়েক দিন আগে বাড়ি ফিরেছিলেন। ঘটনার পর থেকে তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। ফলে তদন্তকারীরা তাঁর সন্ধান শুরু করেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান করা হচ্ছে, মহিলার মৃত্যু স্বাভাবিক নয়। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছেন তদন্তকারীরা।এরই মধ্যে শনিবার দুপুরে বেলগাছিয়া মেট্রো স্টেশনে এক ব্যক্তি মেট্রো লাইনে ঝাঁপ দিয়ে মারা যান। পরে তাঁর পরিচয় জানতে গিয়ে পুলিশ নিশ্চিত হয়, তিনি রিষড়ার ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দীপঙ্কর সরকার। এরপর থেকেই দুই ঘটনার যোগসূত্র খতিয়ে দেখা শুরু হয়েছে।তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, পারিবারিক অশান্তি এই ঘটনার নেপথ্যে থাকতে পারে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্ত্রীর সম্পর্ক নিয়ে দীপঙ্করের মনে সন্দেহ ছিল বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে এই তথ্যের স্বাধীনভাবে সত্যতা এখনও নিশ্চিত হয়নি। পুলিশ সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিশেষ করে দম্পতির ছয় বছরের শিশুকন্যার ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রতিবেশীরা। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই ঘটনাকে ঘিরে একাধিক প্রশ্নের উত্তর এখনও অধরাই রয়ে গিয়েছে।

জুন ২৭, ২০২৬
দেশ

বাজেট ২০২৬–এ পশ্চিমবঙ্গের প্রাপ্তি: মেট্রোতে জোরালো বিনিয়োগ, গতি পাচ্ছে ফ্রেট করিডর

কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ পশ্চিমবঙ্গের পরিকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিল কেন্দ্র সরকার। বিশেষ করে কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলের মেট্রো রেল প্রকল্পে অতিরিক্ত বিনিয়োগ এবং রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্য সম্ভাবনাকে চাঙ্গা করতে ফ্রেট করিডর সম্প্রসারণে বরাদ্দএই দুই ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য প্রাপ্তি হয়েছে রাজ্যের।মেট্রো রেলে গতি, শহুরে যাত্রায় স্বস্তির আশ্বাসবাজেটে কলকাতা মেট্রোর একাধিক চলমান ও প্রস্তাবিত প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। নিউ গড়িয়াএয়ারপোর্ট মেট্রো, জোকাএসপ্ল্যানেড লাইন এবং ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো করিডরের কাজ দ্রুত শেষ করার লক্ষ্যে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।কেন্দ্রের দাবি, এই বিনিয়োগের ফলে শহরের যানজট কমবে, যাত্রার সময় বাঁচবে এবং পরিবেশবান্ধব গণপরিবহণ আরও জনপ্রিয় হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মেট্রো নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত হলে কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও উত্তর ২৪ পরগনার যাত্রীদেরও সরাসরি উপকার হবে।কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ কলকাতা মেট্রো সম্প্রসারণে ফের বড়সড় বিনিয়োগের ঘোষণা করল কেন্দ্র সরকার। শহর ও শহরতলির গণপরিবহণকে আরও গতিশীল করতে অরেঞ্জ লাইন, পার্পল লাইন ও গ্রিন লাইনের জন্য মোট ২,১৪১.১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই বরাদ্দকে পূর্ব ভারতের অন্যতম বৃহৎ শহুরে পরিবহণ বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।অরেঞ্জ লাইন: বিমানবন্দরের সঙ্গে সরাসরি সংযোগে জোরনিউ গড়িয়ানেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংযোগকারী অরেঞ্জ লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৭০৫.৫০ কোটি টাকা। এই অর্থ মূলত ভায়াডাক্ট নির্মাণ, স্টেশন অবকাঠামো, সিগন্যালিং ও বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার কাজে ব্যবহার করা হবে। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে দক্ষিণ কলকাতা ও সল্টলেক-নিউ টাউনের সঙ্গে বিমানবন্দরের যাত্রা অনেকটাই সহজ হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।পার্পল লাইন: জোকাএসপ্ল্যানেডে শহর-উপশহর সেতুবন্ধনজোকাএসপ্ল্যানেড পার্পল লাইনের জন্য সর্বাধিক বরাদ্দ৯০৬.৬০ কোটি টাকা। এই লাইনের মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিম কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্রথমবারের মতো মেট্রো নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হবে। বাজেট বরাদ্দের বড় অংশ যাবে এলিভেটেড স্টেশন নির্মাণ, রোলিং স্টক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে। কেন্দ্রের দাবি, এই লাইনের কাজ দ্রুত শেষ হলে শহরের দক্ষিণ প্রান্তের যাত্রীদের দৈনন্দিন যাতায়াতে বড় স্বস্তি মিলবে।গ্রিন লাইন: পূর্ব-পশ্চিম মেট্রোতে গতি ফেরানোর চেষ্টাপূর্ব-পশ্চিম মেট্রো করিডর বা গ্রিন লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৫২৯.০০ কোটি টাকা। হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেক সেক্টর-৫ পর্যন্ত এই লাইন কলকাতার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইস্ট-ওয়েস্ট করিডর হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বরাদ্দের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ অংশের প্রযুক্তিগত কাজ, স্টেশন ফিনিশিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।শহুরে পরিবহণে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবপরিবহণ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তিনটি লাইনে বিনিয়োগ শুধু যাত্রী সুবিধা বাড়াবে না, বরং যানজট ও দূষণ কমাতেও বড় ভূমিকা নেবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শহরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনবে এই মেট্রো প্রকল্পগুলি।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬২৭-এ অরেঞ্জ, পার্পল ও গ্রিন লাইনের জন্য ঘোষিত বরাদ্দ কলকাতা মেট্রোকে নতুন মাত্রা দিতে চলেছে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।ফ্রেট করিডর: শিল্প ও বাণিজ্যের নতুন দিগন্তবাজেট ২০২৬-এ পূর্ব ভারতের শিল্প সম্ভাবনাকে সামনে রেখে ইস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর (EDFC)-এর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সংযোগ আরও শক্ত করার ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্যের শিল্পাঞ্চল, বন্দর ও লজিস্টিক হাবগুলিকে এই করিডরের সঙ্গে যুক্ত করতে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।বিশেষ করে হলদিয়া বন্দর, দুর্গাপুরআসানসোল শিল্পাঞ্চল এবং কলকাতা বন্দরের সঙ্গে দ্রুত মাল পরিবহণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এর ফলে পরিবহণ খরচ কমবে, শিল্পে বিনিয়োগ বাড়বে এবং রাজ্যে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক তাৎপর্যবিশ্লেষকদের মতে, এই বাজেট বরাদ্দ শুধু পরিকাঠামো উন্নয়ন নয়, বরং পূর্ব ভারতের প্রবৃদ্ধিতে পশ্চিমবঙ্গকে কেন্দ্রীয় ভূমিকায় আনার ইঙ্গিতও দিচ্ছে। যদিও রাজ্য সরকার আরও বেশি বরাদ্দের দাবি তুলতে পারে, তবু মেট্রো ও ফ্রেট করিডরএই দুই ক্ষেত্রে ঘোষণাকে রাজ্যের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক বলেই মনে করছে বিভিন্ন মহল।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬এ পশ্চিমবঙ্গের জন্য মেট্রো রেল ও ফ্রেট করিডর সংক্রান্ত বিনিয়োগ রাজ্যের শহুরে জীবনযাত্রা ও শিল্প-বাণিজ্যে নতুন গতি আনতে পারে বলেই আশা।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

এক বছরের অচলাবস্থার অবসান? চিংড়িহাটায় মেট্রো কাজ নিয়ে বড় আপডেট

অবশেষে আশার আলো দেখা গেল কবি সুভাষকলকাতা বিমানবন্দর (জয় হিন্দ) মেট্রো প্রকল্পের দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা কাজ নিয়ে। চিংড়িহাটায় প্রায় এক বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ ছিল মেট্রোর কাজ। নানা অজুহাতে সেই কাজ এগোনো সম্ভব হচ্ছিল না। তবে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ কড়া মনোভাব দেখানোর পরেই সমস্যার সমাধানের পথ খুঁজে বার করল কলকাতা পুলিশ।মেট্রোর কাজ দ্রুত শেষ করার লক্ষ্যে উত্তরমুখী, অর্থাৎ সাইন্স সিটির দিক থেকে উল্টোডাঙাগামী যান চলাচলের জন্য নতুন রাস্তা খুলে দেওয়া হয়েছে। ক্যাপ্টেন ভেড়ির লাগোয়া অংশ দিয়ে প্রায় ৪৫০ মিটার রাস্তা ঘুরিয়ে চিংড়িহাটা উড়ালপুল পেরিয়ে গাড়ি বের করানো শুরু হয়েছে। এর ফলে মেট্রোর করিডরের নীচ দিয়ে তৈরি হয়ে থাকা রাস্তা অবশেষে যান চলাচলের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে।উল্লেখ্য, এই রাস্তা কয়েক মাস আগেই তৈরি হয়ে গিয়েছিল। চিংড়িহাটা উড়ালপুলে ওঠার আগেই রাস্তাটিকে দুভাগে ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। উল্টোডাঙা ট্রাফিক গার্ড সূত্রে জানা গিয়েছে, এবার থেকে বাস এবং মালবাহী যানগুলি ক্যাপ্টেন ভেড়ির সামনে দিয়ে ঢুকে চিংড়িহাটার দিকে বেরোবে। বাইক, ট্যাক্সি এবং ছোট গাড়িগুলি আগের মতোই ইস্টার্ন মেট্রোপলিটন বাইপাস ব্যবহার করবে।চিংড়িহাটা মেট্রোর মাত্র ৩৬৬ মিটার কাজের জন্য দীর্ঘদিন ধরে রেল বিকাশ নিগম লিমিটেড এবং কলকাতা মেট্রোর তরফে রাজ্য প্রশাসন ও কলকাতা পুলিশের কাছে একাধিকবার অনুরোধ জানানো হয়েছিল। ইস্টার্ন মেট্রোপলিটন বাইপাসের চিংড়িহাটা অংশে অন্তত তিন রাত রাস্তা বন্ধ রাখার আবেদনও করা হয়। কিন্তু কোনও অনুরোধেই কাজ না হওয়ায় বিষয়টি গড়ায় কলকাতা হাইকোর্টে।এরপরই প্রধান বিচারপতি রাজ্য প্রশাসন ও কলকাতা পুলিশকে প্রকাশ্যে ভর্ৎসনা করেন এবং ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সমস্ত জটিলতা মেটানোর নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশের পরেই দীর্ঘদিন আগে তৈরি হয়ে থাকা রাস্তা যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হল।কলকাতা পুলিশের কমিশনার মনোজ ভার্মা জানিয়েছেন, কলকাতা মেট্রোর সঙ্গে এই বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং সমস্যার স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা চলছে। ট্রাফিক পুলিশের দাবি, নতুন ডাইভারশন চালু হওয়ায় ব্যস্ত সময়েও চিংড়িহাটা ফ্লাইওভারে ওঠার মুখ ফাঁকা থাকবে। পাশাপাশি রাতে রাস্তা বন্ধ করলেও যান চলাচলে বড় সমস্যা হবে না।যদিও উত্তরমুখী রাস্তার সমাধান মিলেছে, তবে দক্ষিণমুখী অর্থাৎ সাইন্স সিটি বা গড়িয়াগামী যান চলাচল কোন পথে ঘোরানো হবে, তা নিয়ে এখনও আলোচনা চলছে বলে কলকাতা ট্রাফিক সূত্রে খবর।

জানুয়ারি ২২, ২০২৬
কলকাতা

অফিস টাইমে বড় বিপত্তি! রবীন্দ্র সদন-নেতাজি ভবনের মাঝে থমকে গেল মেট্রো

সাতসকালে মেট্রো বিভ্রাটে চরম ভোগান্তিতে পড়লেন যাত্রীরা। ব্যস্ত কর্মদিবসের সকালে হঠাৎ পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সমস্যায় পড়েন অফিসযাত্রী ও পড়ুয়ারা। কিছু অংশে সাময়িকভাবে মেট্রো চলাচল বন্ধ ছিল। তবে মেট্রো রেলের ইঞ্জিনিয়াররা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মেরামতির কাজ শুরু করেন। প্রায় ৪২ মিনিট পর মেট্রো পরিষেবা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হয়।মেট্রো রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, রবীন্দ্র সদন এবং নেতাজি ভবন স্টেশনের মাঝেই আচমকা যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা দেয়। সেই কারণেই মেট্রো চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সমস্যার কথা জানা মাত্রই রক্ষণাবেক্ষণের কাজ শুরু করা হয়। প্রথম দিকে শুধুমাত্র ময়দান থেকে দক্ষিণেশ্বর এবং মহানগর থেকে শহিদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত সীমিত পরিসরে মেট্রো চলছিল। দীর্ঘ অপেক্ষার পর প্রায় ৪২ মিনিট পরে গোটা রুটেই পরিষেবা স্বাভাবিক হয়।উল্লেখযোগ্যভাবে, ব্লু লাইনে মেট্রো বিভ্রাট নতুন ঘটনা নয়। এর আগেও একাধিকবার যান্ত্রিক সমস্যার কারণে পরিষেবা ব্যাহত হয়েছে। গত মঙ্গলবারই ব্লু লাইনে মেট্রোর সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন এক ব্যক্তি। সেই ঘটনার জেরে প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে টালিগঞ্জের মহানায়ক উত্তম কুমার স্টেশন থেকে দক্ষিণেশ্বর পর্যন্ত মেট্রো চলাচল বন্ধ ছিল। ফলে অফিসফেরত যাত্রী এবং কলেজ পড়ুয়াদের বড় সমস্যায় পড়তে হয়। অনেক যাত্রীকে টালিগঞ্জে নেমে অন্য উপায়ে বাড়ি ফিরতে হয়। সন্ধ্যা ৭টা ৯ মিনিট নাগাদ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।বারবার এই ধরনের বিভ্রাটে যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। বিশেষ করে অফিস টাইমে মেট্রো বন্ধ হয়ে গেলে চরম ভোগান্তির মুখে পড়ছেন নিত্যযাত্রীরা।

জানুয়ারি ২২, ২০২৬
কলকাতা

রবিবার সন্ধ্যায় ভয়াবহ ঘটনা, নেতাজি ভবনে লাইনে ঝাঁপ! থমকে গেল কলকাতা মেট্রো

রবিবার সন্ধ্যায় কলকাতা মেট্রোর ব্লু লাইনে চরম বিভ্রাট দেখা দেয়। নেতাজি ভবন মেট্রো স্টেশনে এক ব্যক্তি লাইনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। ঘটনার জেরে আচমকাই বন্ধ হয়ে যায় মেট্রো পরিষেবা। ভর সন্ধ্যায় এই ঘটনায় দুর্ভোগে পড়েন অসংখ্য যাত্রী।মেট্রো সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার শীতের দিনে যাত্রীদের ভিড় ছিল যথেষ্ট বেশি। অনেকেই পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে শহরের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে বেরিয়েছিলেন। সন্ধ্যা সাড়ে ছটা নাগাদ একটি মেট্রো ট্রেন নেতাজি ভবন স্টেশনে ঢোকার সময় হঠাৎ ওই ব্যক্তি লাইনে ঝাঁপ দেন। চালক দ্রুত ট্রেন থামানোর চেষ্টা করেন। তবুও ওই ব্যক্তি গুরুতর জখম হন। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।এই ঘটনার পরেই ব্লু লাইনে মেট্রো চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। বিভিন্ন স্টেশনে একাধিক মেট্রো রেক দাঁড়িয়ে পড়ে। কিছুক্ষণ পরে পরিষেবা আংশিকভাবে শুরু হলেও দক্ষিণেশ্বর থেকে শহিদ ক্ষুদিরাম স্টেশন পর্যন্ত মেট্রো চলাচল বন্ধ রাখা হয়। ময়দান থেকে দক্ষিণেশ্বর এবং শহিদ ক্ষুদিরাম থেকে মহানায়ক উত্তম কুমার, অর্থাৎ টালিগঞ্জ স্টেশন পর্যন্ত সীমিত পরিসরে মেট্রো চালানো হয়।কলকাতা শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থা হল ব্লু লাইন মেট্রো। রবিবার সন্ধ্যায় হঠাৎ এই পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বহু যাত্রী সমস্যায় পড়েন। অনেক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে দেখা যায় যাত্রীদের। পরিষেবা স্বাভাবিক হবে কি না, সেই অনিশ্চয়তায় বহু মানুষ শেষ পর্যন্ত অন্য যানবাহনের সাহায্যে গন্তব্যে রওনা দেন।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

মেট্রো বন্ধ, লাইন ধরে হাঁটা! রবিবার দুপুরে টালিগঞ্জে অস্বস্তির ছবি

ট্রেনের গোলযোগ হোক বা লাইন পারাপারের তাড়া, রেললাইনের উপর দিয়ে মানুষ হাঁটছেনএমন দৃশ্য নতুন নয়। কিন্তু মেট্রোর লাইনের উপর দিয়ে যাত্রীদের হাঁটা? রবিবার দুপুরে ঠিক এমনই ছবি দেখা গেল কলকাতায়। বছরের শেষের ছুটির আমেজে বহু মানুষ ঘুরতে বেরিয়েছিলেন। পিকনিক, গেট-টুগেদার আর আউটিংয়ের ভিড়ে ভরা ছিল শহর। সেই আনন্দের মাঝেই ফের একবার বিপত্তি ঘটল মেট্রো পরিষেবায়।রবিবার বারবেলায় নেতাজি মেট্রো স্টেশন ও টালিগঞ্জ স্টেশনের মাঝে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে পড়ে একটি মেট্রো। হঠাৎ থেমে যাওয়ায় মেট্রোর ভিতরেই আটকে পড়েন বহু যাত্রী। সময় গড়াতে থাকায় বাড়তে থাকে অস্বস্তি ও আতঙ্ক। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে মেট্রোর ভিতরে আটকে থাকার পর যাত্রীদের টালিগঞ্জ স্টেশনে নামিয়ে দেওয়া হয়। এরপর মেট্রো লাইনের উপর দিয়েই পায়ে হেঁটে স্টেশনের দিকে এগোতে দেখা যায় যাত্রীদের।মেট্রো রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই এই সমস্যা তৈরি হয়। আপ লাইনে চলা একটি মেট্রো রেকে হঠাৎ ইমার্জেন্সি ব্রেক লেগে যায়। ফলে ওই রেকটিকে আর এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন ইঞ্জিনিয়াররা। নতুন একটি রেক আনা হচ্ছে বলে জানানো হয়, যাতে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া যায়।মেট্রোর ভিতরে দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকার কারণে অনেক যাত্রীই বিরক্ত ও ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন। কেউ কেউ আতঙ্কিতও হন। এক মহিলা যাত্রী ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, মানুষকে শুধু হয়রানি করা হল। কোনও ব্যবস্থাই নেই। এক ঘণ্টার বেশি দেরি করানো হয়েছে।মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্তমানে দক্ষিণেশ্বর থেকে ময়দান পর্যন্ত মেট্রো পরিষেবা চালু রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫
কলকাতা

বড় চমক কলকাতা মেট্রোর! এবার বিমানবন্দর থেকে সরাসরি দক্ষিণ কলকাতা

নতুন বছর শুরুর আগেই কলকাতার যাত্রীদের জন্য বড় সুখবর দিল কলকাতা মেট্রো। আগামী ১৫ ডিসেম্বর থেকে শহরের জয় হিন্দ বিমানবন্দর স্টেশন থেকে সরাসরি দক্ষিণ কলকাতার শহিদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত মেট্রো পরিষেবা চালু হচ্ছে। প্রাথমিক ভাবে পরীক্ষামূলক ভাবে এই পরিষেবা শুরু করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে মেট্রো কর্তৃপক্ষ।মেট্রো সূত্রে জানা গিয়েছে, সোম থেকে শুক্রবার পর্যন্ত প্রতিদিন দুটি করে সরাসরি ট্রেন চলবে। একটি ট্রেন চলবে সকালবেলার ব্যস্ত সময়ে এবং অন্যটি চলবে রাতে। এই পরিষেবা চালু হলে বিমানবন্দরে নামা যাত্রীদের আর নোয়াপাড়া স্টেশনে ট্রেন বদলাতে হবে না। ফলে যাত্রা হবে অনেকটাই স্বচ্ছন্দ এবং সময়ও বাঁচবে।এতদিন বিমানবন্দর থেকে এসপ্ল্যানেড, কালীঘাট, মহানায়ক উত্তম কুমার কিংবা শহিদ ক্ষুদিরামের দিকে যেতে হলে নোয়াপাড়ায় ট্রেন বদল করা ছিল বাধ্যতামূলক। এতে যাত্রীদের ভোগান্তি হত। নতুন এই পরিষেবায় সেই সমস্যা অনেকটাই কমবে বলে মনে করছে মেট্রো রেলওয়ে।সূচি অনুযায়ী, প্রথম সরাসরি মেট্রো ট্রেনটি সকাল ৯টা ৩৬ মিনিটে জয় হিন্দ বিমানবন্দর স্টেশন থেকে ছাড়বে। দ্বিতীয় ট্রেনটি ছাড়বে রাত ৯টায়। দুটি ট্রেনই নোয়াপাড়া হয়ে শহিদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত যাবে। তবে মাঝপথে যাত্রীদের কোথাও ট্রেন পরিবর্তন করতে হবে না।মেট্রো কর্তৃপক্ষের আশা, এই পরীক্ষামূলক পরিষেবার মাধ্যমে বিমানবন্দর থেকে দক্ষিণ কলকাতা এবং শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকার সঙ্গে যোগাযোগ আরও উন্নত হবে। যাত্রীদের চাহিদা এবং পরিষেবার সাফল্য বিচার করে ভবিষ্যতে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে মেট্রো রেলওয়ে।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫
কলকাতা

শহরবাসীর স্বপ্নের প্রকল্পে ফের দেরি! চিংড়িঘাটার মেট্রো কাজ আটকে গেল নিরাপত্তায়

চিংড়িঘাটায় আবারও অনিশ্চয়তা। আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও হয়তো নির্ধারিত সময়েই শুরু হচ্ছে না সল্টলেকচিংড়িঘাটা সংযোগের মেট্রো সেতুর কাজ। অরেঞ্জ লাইনের এই গুরুত্বপূর্ণ অংশের দৈর্ঘ্য ৩৬৬ মিটার, যা না জোড়া পর্যন্ত সল্টলেক অংশে কাজ এগোতে পারছে না বহুদিন ধরে। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার বৈঠক, বিতর্ক, এমনকি হাইকোর্ট পর্যন্ত গড়ায়।গত ৯ সেপ্টেম্বর কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে সব পক্ষ অর্থাৎ আরভিএনএল (RVNL), কলকাতা ট্র্যাফিক পুলিশ ও রাজ্য প্রশাসন বৈঠকে বসে। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়, উৎসবের মরসুম পেরিয়ে নভেম্বরের দ্বিতীয় ও তৃতীয় সপ্তাহে শুক্রবার থেকে রবিবার রাত পর্যন্ত ট্র্যাফিক ব্লক নিয়ে দ্রুত কাজ শেষ করা হবে। আদালতও তাতে সম্মতি জানায়। কিন্তু সময় এলেও কাজ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা এখন কার্যত ক্ষীণ।কলকাতা ট্র্যাফিক পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে এত বড় ট্র্যাফিক ব্লক দেওয়া প্রায় অসম্ভব। দিল্লি বিস্ফোরণের পর থেকে শহরে নিরাপত্তা সর্বোচ্চ পর্যায়ে, তার উপরে ইডেনে ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকার টেস্ট ম্যাচকে ঘিরে বিশাল নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। রবিবার শহরজুড়ে ম্যারাথন, একই দিনে দ্বিতীয় হুগলি সেতুও বন্ধ থাকবে মেরামতির জন্য। ফলে এমন ব্যস্ত সময়ে চিংড়িঘাটার মতো গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে যান চলাচল বন্ধ রাখা সম্ভব নয় বলেই মত পুলিশের।অন্যদিকে, আরভিএনএলের তরফে কাজের এলাকাতেই একটি ট্র্যাফিক ডাইভারশন তৈরির কথা ছিল। সেই কাজেরও শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি এখনও বাকি। ট্র্যাফিক ব্লক শুরু করার আগে ডাইভারশন সম্পূর্ণ করা জরুরি, তা না হলে যানজট ও বিপত্তির আশঙ্কা থাকবে বলে মনে করছে পুলিশ। সব মিলিয়ে এখন মনে করা হচ্ছে, চিংড়িঘাটার ব্রিজ জোড়ার কাজ আরও কিছুদিন পিছিয়ে যেতে পারে।মেট্রো কর্তৃপক্ষ এই অবস্থায় কী সিদ্ধান্ত নেয়, তা নিয়েই এখন চূড়ান্ত আগ্রহ। তাঁরা কি রাজ্য প্রশাসনের প্রস্তাবিত নতুন দিন মেনে নেবেন, নাকি বিষয়টি আবার আদালতের নজরে আনবেন সেই সিদ্ধান্তের দিকেই এখন চোখ গোটা শহরের।চিংড়িঘাটা মেট্রো সংযোগ প্রকল্প শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোগত কাজ। এটি শেষ হলে সল্টলেক, সেক্টর ফাইভ থেকে পার্ক সার্কাস হয়ে বিমানবন্দর পর্যন্ত যাতায়াতের সময় অনেকটাই কমে যাবে। তাই শহরবাসীর প্রত্যাশা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আদালতের নির্দেশ মেনে এই কাজের গতি ফেরানো হোক।

নভেম্বর ১৩, ২০২৫
রাজ্য

রুট বাড়তেই বাড়ছে যাত্রীদের ভিড়, ৮ সেপ্টেম্বর কত যাত্রী চড়েছেন মেট্রোতে?

হাওড়া, শিয়ালদা ও সেক্টর ফাইভ, অন্যদিকে বিমানবন্দরে নোয়াপাড়া মেট্রো চালু হতেই ভিড় বেড়েছে কলকাতা মেট্রোতে। গতকাল অর্থাৎ ৮ সেপ্টেম্বর মেট্রোতে প্রায় ৮ লক্ষ যাত্রী যাতায়াত করেছেন। মেট্রোর ব্লু লাইন ব্যবহার করেছেন প্রায় ৫.৭০ লক্ষ যাত্রী এবং গ্রিন লাইনে যাত্রীর সংখ্যা ছিল ২.০৯ লক্ষ। নিয়মিত পরিষেবা ও যাত্রী-সুবিধার কারণে ক্রমশই বেশি মানুষ মেট্রোকে ভরসা করছেন বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষযদীর্ঘ লাইন এড়াতে যাত্রীদের ডিজিটাল টিকিটিং ব্যবস্থার ব্যবহার করতে অনুরোধ জানিয়েছে মেট্রো কর্তৃপক্ষ। স্মার্ট কার্ড এবং মোবাইল কিউআর টিকিটের মাধ্যমে যাতায়াত করলে ৫% বোনাস বা ছাড় পাওয়া যাবে, যা অ্যাপের মাধ্যমে বুকিং অথবা রিচার্জের সময় প্রযোজ্য।গত তিন দিনে বিশেষ প্রচার অভিযানের মাধ্যমে মেট্রো রেলওয়ে এবং ইস্টার্ন রেলওয়ে যৌথভাবে মোট ৭০১৬টি নতুন স্মার্ট কার্ড ইস্যু করেছে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৫
কলকাতা

নয়া লাইন চালু হতে সমস্যায় জেরবার, বন্ধ রাতের শেষ মেট্রো, কয়েক দফা পদক্ষেপ

গত কয়েক দিন ধরেই কলকাতা মেট্রোর পরিষেবায় ঘাটতি লক্ষ্য করা গিয়েছে। অতিরিক্ত ভিড়ও লক্ষ্য করা গিয়েছে। মূলত এয়ারপোর্ট মেট্রো চালু হওয়ায়, এই ভিড় আরও বেড়েছে। এর মূল কারণটি হল কাবি সুভাষ মেট্রো স্টেশন চালু না থাকা। গত ২৮ জুলাই থেকে কবি সুভাষে মেট্রোর সার্ভিস বন্ধ রয়েছে। কারণ প্লাটফর্মের আপ-লাইনের চারটি পিলারে ফাটল লক্ষ্য করা গিয়েছিল। সুরক্ষার কারণে ওই স্টেশন বন্ধ করে দেওয়ায় মেট্রোর শিডিউলে সমস্যা হচ্ছে।এতদিন পর্যন্ত, কবি সুভাষে মেট্রো পৌঁছে যাত্রীদের নামিয়ে পরে খালি রেক ঘুরিয়ে শাহীদ খুদিরামে পাঠানো হত। যা রেক প্রত্যাবর্তনের সময় অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে এবং সার্ভিসে বড় ধরনের বিলম্ব ঘটাচ্ছে। সাধারণ যাত্রীরা জানিয়েছেন, ভিড়ের মধ্যে রেকের দরজা নিজে বন্ধ হচ্ছে না। কর্মীদের হাত লাগিয়ে দরজা বন্ধ করতে হচ্ছে। যা পুরো সিস্টেমে সংকট সৃষ্টি করেছে। যাত্রী ভোগান্তি এতটাই বেড়েছে যে অনেক সড়ক পথে (বাস, অটো) যেতে বাধ্য হচ্ছেন।তবে এই সমস্যা শুধু কবি সুভাষ বন্ধ থাকার কারণে নয়। গ্রীন লাইন (ইস্ট-ওয়েস্ট) এবং ইয়েলো লাইন (নোয়াপাড়া-এয়ারপোর্ট) সম্প্রতি চালু হওয়ায়, অতিরিক্ত যাত্রীর ভিড় ব্লু লাইনে এসে যোগ হয়েছে। বিশেষ করে ধর্মতলা, নোয়াপাড়ায়। ফেস্টিভ মরসুমে পরিস্থিতির তীব্রতা আরও বেড়ে যাবে। তার অভাস এখন থেকেই পাওয়া যাচ্ছে। উৎসবের মরসুম এসে হাজির হওয়ায় ব্লু লাইনে ভিড় বেড়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যে ২২ টি অতিরিক্ত সার্ভিস চালু করা হয়েছে যাতে মোট ট্রেন সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৮৪ তে। তবুও ছাড়ছে না ভোগান্তি। মেট্রোর পরীক্ষামূলক উদ্যোগসমূহ এই সংকট মোকাবিলায়, কলকাতা মেট্রোর একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এয়ারপোর্ট থেকে নোয়াপাড়া (Yellow Line) এবং নোয়াপাড়া থেকে শাহীদ খুদিরাম (Blue Line) পরিষেবা সম্পূর্ণ আলাদা করা হয়েছে, যাতে এক লাইনের সমস্যা অন্য লাইনে ছড়ায় না। টালিগঞ্জ কার সেড ফের চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাই এই কার সেড খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যাতে আরও রেক পার্ক করা যায় এবং সার্ভিস সামাল দিতে সাহায্য হয়। প্রতিদিনের বাণিজ্যিক পরিষেবা শুরুর আগে, তিনটি রেক মহানায়ক উত্তম কুমার স্টেশন ও তিনটি নোয়াপাড়া স্টেশনে রাখা হবে। যা সার্ভিস সময়সূচি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে সহায় হবে। পাশাপাশি শাহীদ খুদিরামে ক্রসওভার নির্মাণ ট্রেন ঘুরিয়ে পাঠানোর সুবিধার্থে শাহীদ খুদিরাম স্টেশনে একটি ক্রসওভার নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে, যা দেরিতে হলেও পুজোর আগে শেষ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।এদিকে রাত ১০.৪০-টার বিশেষ মেট্রো পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। পর্যায়ক্রমে চালু থাকা রাত ১০.৪০-টার বিশেষ সার্ভিস, যা দমদম ও শাহীদ ক্ষুদিরাম স্টেশনের মধ্যে চালু ছিল, সেটি কবি সুভাষ বন্ধ ও অন্যান্য সমস্যার কারণে ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। অর্থাৎ আজ, বুধবার থেকে সেই পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মেট্রো কর্তৃপক্ষ।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২৫
দেশ

কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন করবেন ৩টি নতুন মেট্রো রুটের

আগামী শুক্রবার, ২২ অগাস্ট কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই দিন প্রধানমন্ত্রী কলকাতায় তিনটি নতুন মেট্রো রুটের উদ্বোধন করবেন। এর মধ্যে রয়েছে নিউ গড়িয়ারুবি লাইন, জোকাতারাতলা লাইন এবং সেক্টর ফাইভসল্টলেক স্টেডিয়াম পর্যন্ত মেট্রোর সম্প্রসারণ।এই তিনটি নতুন রুট চালু হলে কলকাতার পরিবহণ ব্যবস্থা আরও গতিশীল হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রতিদিন কয়েক লক্ষ যাত্রী এই পরিষেবার সুফল পাবেন। মানুষের যাতায়াত আরও সহজ হবে।তবে রাজনৈতিক মহলের জল্পনা, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন কি না তা নিয়ে সংশয় আছে। নবান্ন সূত্রের খবর, রাজ্যের পক্ষ থেকে এখনও নিশ্চিত কোনও বার্তা দেওয়া হয়নি।নতুন রুটগুলির ভাড়া ও সময়সূচি ইতিমধ্যেই প্রকাশ করেছে মেট্রো কর্তৃপক্ষ। ভাড়া ১০ টাকা থেকে শুরু হয়ে সর্বাধিক ৩০ টাকা পর্যন্ত হবে। কলকাতার তিনটি নতুন মেট্রো অংশGreen (underwater), Orange, এবং Yellow (Airport Link)সবই ২২ আগস্ট উদ্বোধন করা হচ্ছে। Green অংশ উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গেই যাত্রী পরিষেবা শুরু হবে, অন্য দুটি লাইনে হয়তো কদিনের মধ্যে রুটিন চালু হবে। ভাড়া স্ট্রাকচার দূরত্ব ভিত্তিক এবং বিভিন্ন রুটে ৫টা থেকে ৪৫টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

আগস্ট ২১, ২০২৫
কলকাতা

রক্ষণাবেক্ষনের জন্য মেট্রো পরিষেবা বন্ধ, উবের শাটেলের নতুন রুট চালু

ভারতের লিডিং রাইডশেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম উবের, শিয়ালদহ থেকে নিউ টাউন পর্যন্ত একটি নতুন উবের শাটেল রুট চালু করলো যা ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫ থেকে শুরু করে ১৩ মার্চ, ২০২৫ পর্যন্ত পাওয়া যাবে। পরিষেবাটি মেট্রোর লাস্ট মেইল ট্রাভেলের ক্ষেত্রে সেক্টর-ফাইভ থেকে নিউ টাউন লাইন প্রসারিত করতে এবং শিয়ালদহ থেকে সল্টলেক, সেক্টর ফাইভ লাইনে অস্থায়ী সাসপেনশনের ফলে প্রভাবিত যাত্রীদের স্বস্তি দেবে। ২০২৩ সালের নভেম্বরে উবের এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পরিবহণ বিভাগের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি মউ অনুসারে কলকাতা প্রথম ভারতীয় শহর হয়ে ওঠেছে যেখানে উবের শাটেল চালু করছে। পরিষেবার দারুণ প্রতিক্রিয়া সরকারকে অস্থায়ী মেট্রো সাসপেনশনের ফলে তৈরি সমস্যা কমানোর জন্য একটি অতিরিক্ত রুটের অনুরোধ করতে শুরু করা হয়েছে।ঘোষণার বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মাননীয় মন্ত্রী-পরিবহন মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী বলেছেন, পরিবহণ অপশনগুলিকে বাড়ানো এবং একটি নির্ঝঞ্ঝাট দৈনিক যাতায়াত নিশ্চিত করা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জন্য একটি অগ্রাধিকার৷ নতুন উবের শাটেল রুট যাত্রীদের একটি নিরাপদ, সুবিধাজনক বিকল্প, যা উবেরের প্রতিক্রিয়া এবং কলকাতায় গতিশীলতা উন্নত করার প্রতিশ্রুতির একটি প্রশংসনীয় অংশ ।নতুন রুটটিতে প্রতিদিন সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে সকাল ১১টা এবং বিকাল ৪টে থেকে সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ১৫ মিনিটের অন্তর বাস চলবে। যাত্রীরা উবের অ্যাপের মাধ্যমে সিট প্রি-বুক করতে পারেন, যাতে কোনও দাঁড়ানো যাত্রী ছাড়াই নিশ্চিত আসন নিশ্চিত করা যায়। শীততাপ নিয়ন্ত্রিত বাসগুলিতে লাইভ ট্র্যাকিং, উবেরের ২৪x৭ সেফটি লাইন এবং অন্যদিকে অ্যাপ-নির্ভর নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য থাকবে, যা একটি আরামদায়ক এবং নির্ভরযোগ্য রাইড প্রদান করবে।কলকাতায় পরিষেবা চালানোর বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে, ভারতের উবের শাটলের প্রধান অমিত দেশপান্ডে বলেছেন, কলকাতায় উবের শাটেল চালু করার পর থেকে, যাত্রীদের কাছ থেকে ব্যাপকভাবে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে। এই সম্প্রসারণে আমাদের বিশ্বাস করার জন্য আমরা পরিবহণ দফতরের কাছে কৃতজ্ঞ। নতুন রুটের মাধ্যমে, আমরা মেট্রো বন্ধের সময় তার ব্যবধান পূরণ করার লক্ষ্য রাখি এবং প্রতিদিনের যাত্রীদের জন্য একটি দারুণ বিকল্প প্রদান করি। আগে থেকে থাকা উবের শাটেল নেটওয়ার্ক কলকাতার সমস্ত আবাসিক জেলা এবং কিছু আশেপাশের এলাকা যেমন ব্যারাকপুর, বারাসাত এবং সোনারপুরকে কভার করে। শিয়ালদহ থেকে নিউ টাউন পর্যন্ত নতুন রুটে যাত্রীদের দারুণ সংযোগ থাকবে।কিভাবে একটি উবের শাটেল ট্রিপ বুক করবেন:● উবের অ্যাপটি খুলুন এবং উপলব্ধ অপশনগুলি থেকে শাটেল সিলেক্ট করুন● আপনার পিকআপ এবং ড্রপঅফ লোকেশন লিখুন● আপনার রুট এবং প্রস্থানের সময় সিলেক্ট করুন● রিকয়েস্ট সিলেক্ট করুন এবং আপনার শাটেল ট্রিপ নিশ্চিত করুন ● আপনার ড্রাইভার এবং গাড়ির তথ্য সহ একটি পুশ নোটিফিকেশন পান● আপনার নির্ধারিত যাওয়ার কমপক্ষে ৫ মিনিট আগে পিকআপ লোকেশনে যান● শাটেলে চড়তে ড্রাইভারকে আপনার কিউ আর কোড দেখানএই রুটের প্রতিটি উবের শাটেল বাসে ২৪ থেকে ৪৩ জন যাত্রী বসতে পারবেন, উবের প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্থানীয় ফ্লিট পার্টনারদের দ্বারা পরিচালিত হবে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৫
রাজ্য

যাত্রী পরিবহণে বড় রেকর্ড কলকাতা মেট্রোয়, বেড়েছে কোটি কোটি টাকা ভর্তুকি

২০২৫ সালের জানুয়ারী পর্যন্ত এই অর্থিক বছরে, কলকাতা মেট্রো রেলে যাত্রী বৃদ্ধি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৫.৩৯% বেশি। মেট্রো রেল চলতি বছরের জানুয়ারী পর্যন্ত ১৮.৫২ কোটি যাত্রী পরিবহণ করেছে, যা গত বছরের একই সময়ের ১৬.০৫ কোটি(যা ২.৪৭ কোটি বেশি) ছিল।এই বিশাল সংখ্যক যাত্রী পরিবহনের জন্য, মেট্রো রেল যাত্রীদের সুবিধার্থে বিপুল পরিমাণ ভর্তুকি দিচ্ছে। কলকাতায় মেট্রোর ভাড়া দেশে সর্বনিম্ন এবং দীর্ঘদিন ধরে বাড়ানো হয়নি। চলতি অর্থবছরের জানুয়ারী ২০২৫ পর্যন্ত মেট্রো রেলওয়ের পরিচালনগত ক্ষতির পরিমাণ ২২৪.৬৮ কোটি টাকা, যা গত অর্থবছরের একই সময়ে ২০৭.৯০ কোটি টাকা ছিল।রাজস্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যে, মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের স্বার্থে কোনও প্রভাব না ফেলে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। মেট্রো রেলওয়ে স্টেশনগুলিতে আবর্জনার বিনের ব্র্যান্ডিং, মেট্রো রেকের ভেতরে ও বাইরে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন, খোলা জায়গায় হোর্ডিং প্রদর্শন এবং বিভিন্ন স্টেশনে স্বাস্থ্য পরীক্ষার কিয়স্ক স্থাপন, হ্যান্ডেল চেইন ব্র্যান্ডিং ইত্যাদির মাধ্যমে রাজস্ব আয়ের উপর জোর দিচ্ছে। এছাড়াও, মেট্রো রেলওয়ে ট্র্যাক সাইডওয়াল ব্র্যান্ডিং, কার্ড ব্যালেন্স চেকিং টার্মিনাল (CBCT) ব্র্যান্ডিং, স্বয়ংক্রিয় স্মার্ট কার্ড রিচার্জ মেশিন (ASCRM) ব্র্যান্ডিং, AFC-PC গেটস এবং ফ্ল্যাপ ব্র্যান্ডিং, খাদ্য কিয়স্ক স্থাপন, স্মার্ট কার্ড এবং টোকেন ব্র্যান্ডিং, যাত্রীদের ইনফোটেইনমেন্ট প্রদানের জন্য রেকের ভিতরে ডিজিটাল ডিসপ্লে স্ক্রিন স্থাপন ইত্যাদির মতো উদ্ভাবনী ধারণাগুলিও বাস্তবায়ন করেছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারির শেষে মেট্রো রেলওয়ের অপারেটিং অনুপাত ২৩৬।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২৫
কলকাতা

মেট্রোপথে জুড়তে চলেছে কলকাতা বিমানবন্দর, নোয়াপাড়া থেকে ঘুরে গেল ট্রায়াল মেট্রো

মেট্রো যাত্রীদের জন্য আরও একটি সুখবর। মেট্রোতে কলকাতার নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন আরও জোরালো হল। কারণ, নোয়াপাড়া-জয় হিন্দ বিমানবন্দর লাইনের (৭.০৪ কিমি) ইউপি এবং ডিএন উভয় লাইনেই প্রথম পূর্ণাঙ্গ ট্রায়াল রান সফলভাবে পরিচালিত হয়েছে। ৭৬তম প্রজাতন্ত্র দিবসের ঠিক আগে, আজ, শুক্রবার নোয়াপাড়া থেকে এই ট্রায়াল রান শুরু হয়েছিল। রেক নং এমআর ৪০৮ দিয়ে মেট্রো কর্মী, কর্মকর্তা এবং কৌতূহলী দর্শকরা তাদের সামনে ইতিহাস তৈরি হতে দেখেছেন।এই ট্রায়াল রানের সময় মেট্রো রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজার পি উদয় কুমার রেড্ডি, অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। পুরো ট্রায়াল রানের সময় মোটরম্যানের ক্যাবে শ্রী রেড্ডি উপস্থিত ছিলেন। জয় হিন্দ বিমান বন্দর মেট্রো স্টেশনে যাওয়ার পথে, রেকটি দম দম ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে থামে এবং জেনারেল ম্যানেজার এই স্টেশনটি পরিদর্শন করেন।ট্রায়াল রেকটি শেষ পর্যন্ত ১২:৩১ মিনিটে জয় হিন্দ বিমান বন্দর মেট্রো স্টেশনে পৌঁছায়। মেট্রো কর্মকর্তা এবং সেখানে উপস্থিত কর্মীরা রেকটিকে স্বাগত জানালে। জয় হিন্দ বিমান বন্দর মেট্রো স্টেশনটিও পরিদর্শন করেন এবং মেট্রোর উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাকে এই স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম এবং কনকোর্স স্তরে উপলব্ধ বিভিন্ন যাত্রী সুবিধা স্থাপনের কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন। এই প্রান্তে প্রথম ট্রায়াল রান সম্পন্ন হওয়ার জন্য জেনারেল ম্যানেজার সকলকে অভিনন্দন জানান।পরিদর্শন সম্পন্ন করার পর, জয় হিন্দ বিমান বন্দর মেট্রো স্টেশনের উর্ধ্বতন মেট্রো কর্মকর্তাদের সাথে একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমস্ত মুলতুবি কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন। ফিরতি যাত্রার সময়, রেকটি জয় হিন্দ মেট্রো স্টেশন থেকে দুপুর ১:৫৭ মিনিটে যাত্রা শুরু হয়েছিল এবং দুপুর ২:২১ মিনিটে নোয়াপাড়া মেট্রো স্টেশনে পৌঁছায়। জেনারেল ম্যানেজার এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এই স্টেশনটি চালু হলে কলকাতা এবং শহরতলির মানুষকে বিমানবন্দরে পৌঁছানোর জন্য একটি আধুনিক পরিবহন ব্যবস্থা প্রদানের ক্ষেত্রে একটি বিপ্লবী পদক্ষেপ হবে।ইয়েলো লাইনের নোয়াপাড়া এবং জয় হিন্দ বিমান বন্দরের মধ্যে অবস্থিত এই স্টেশনের প্রধান বৈশিষ্ট্য:-১. মোট স্টেশনের সংখ্যা-৪টি (নোয়াপাড়া, দম দম ক্যান্টনমেন্ট, যশোর রোড, জয় হিন্দ বিমান বন্দর)।২. জয় হিন্দ বিমান বন্দর এশিয়ার বৃহত্তম ভূগর্ভস্থ মেট্রো স্টেশনগুলির মধ্যে একটি হতে চলেছে।৩. জয় হিন্দ বিমান বন্দর স্টেশনটি অরেঞ্জ লাইন এবং ইয়েলো লাইনের সংযোগকারী স্টেশন হবে।৪. জয় হিন্দ বিমান বন্দর স্টেশনে ১৮০ মিটার দৈর্ঘ্যের ৫টি প্ল্যাটফর্ম থাকবে।৫. জয় হিন্দ বিমান বন্দর স্টেশনের কনকোর্স এলাকা ১৪৬৪৫ বর্গমিটার।৬. জয় হিন্দ বিমান বন্দর স্টেশনে প্ল্যাটফর্ম স্তর এবং কনকোর্স স্তরের মধ্যে ৬টি সিঁড়ি, ১২টি এসকেলেটর এবং ৬টি লিফট থাকবে।৭. একটি সাবওয়ে (দৈর্ঘ্য ৩৩০ মিটার এবং প্রস্থ ১০.৫ মিটার) যশোর রোডকে জয় হিন্দ বিমান বন্দর স্টেশনের সঙ্গে সংযুক্ত করবে। এই সাবওয়েতে ২ নম্বর প্রবেশ-প্রস্থান পথ রয়েছে যা কনকোর্স অবৈতনিক এলাকাটিকে বারাসত পার্শ্বের দিকে, ২.৫ নম্বর বিমানবন্দর গেট (যশোর রোড হাইওয়ের কাছে) সংযুক্ত করবে।৮. এই সাবওয়েতে ৩টি এসকেলেটর, ২টি লিফট এবং ২টি সিঁড়ি থাকবে।৯. আরেকটি সাবওয়ে (দৈর্ঘ্য ২৭০ মিটার এবং প্রস্থ ১৩ মিটার) বিমানবন্দরকে জয় হিন্দ বিমান বন্দরের সঙ্গে সংযুক্ত করবে। এই সাবওয়েতে ৩ নম্বর রয়েছে। প্রবেশ-প্রস্থানের ব্যবস্থা থাকবে যা NSCBI বিমানবন্দর (বিমানবন্দরের আগমন গেট নং ১) দিয়ে আসা যাত্রীদের এবং পার্কিং এলাকা থেকে আসা যাত্রীদের জন্য সুবিধা প্রদান করবে।১০. এই সাবওয়েতে ৪টি লিফট, ৬টি এসকেলেটর এবং ৩টি সিঁড়ি থাকবে।১১, এই সাবওয়েতে যাত্রীদের সুবিধার্থে ৯০ মিটার দৈর্ঘ্যের ট্রাভেলেটর থাকবে।১২. যশোর রোড এবং দমদম ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনগুলিতে ১৮০ মিটার দৈর্ঘ্যের দুটি প্ল্যাটফর্ম থাকবে এবং লিফট, এসকেলেটর ইত্যাদির মতো আধুনিক যাত্রী সুবিধা থাকবে।১৩. নোয়াপাড়া মেট্রো স্টেশনটি ব্লু লাইন এবং ইয়েলো লাইনের মধ্যে যাত্রী বিনিময় স্থান হবে।১৪. নোয়াপাড়া থেকে জয় হিন্দ বিমান বন্দর পর্যন্ত ভূগর্ভস্থ কার্শেড পর্যন্ত এই অংশের মোট দৈর্ঘ্য ৭.০৩ কিলোমিটার। এর মধ্যে ১.৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ভূগর্ভস্থ এবং ৫.২৩ কিলোমিটার ভায়াডাক্টে থাকবে।

জানুয়ারি ২৪, ২০২৫
কলকাতা

বর্ষশেষে কড়া নিরাপত্তা কলকাতা মেট্রোতে, নজরে পার্কস্ট্রিট, ময়দান ও এসপ্ল্যানেড

নীল লাইনের যাত্রীদের সুবিধার্থে নববর্ষের প্রাক্কালে রাতে ছয়টি অতিরিক্ত পরিষেবা চালাতে চলেছে মেট্রো রেল। যাত্রীদের নিরাপত্তা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য মেট্রো রেলওয়ে নতুন বছরের প্রাক্কালে মঙ্গলবার এসপ্ল্যানেড, পার্ক স্ট্রিট, ময়দান, রবীন্দ্র সদন, দমদম এবং দক্ষিণেশ্বর মেট্রো স্টেশনগুলিতে তার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে চলেছে। এই স্টেশনগুলিতে ভিড়ের পূর্বাভাস, সমস্ত প্রবেশ এবং প্রস্থান গেটে সুপ্রশিক্ষিত RPF কর্মীদের মোতায়েন করা হবে। মেট্রো RPF প্রত্যাশিত বিশাল ভিড় পরিচালনার পাশাপাশি যাত্রীদের ঝামেলামুক্ত যাত্রা নিশ্চিত করার জন্য এই স্টেশনগুলিতে অতিরিক্ত কর্মী মোতায়েনের ব্যবস্থা করবে।মহিলা ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য পার্ক স্ট্রিট স্টেশনে পর্যাপ্ত মহিলা RPF অফিসার এবং কর্মী মোতায়েন করা হবে। একজন সাব-ইন্সপেক্টর/অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টরের সমন্বয়ে একটি বিশেষ দল এবং দুজন মহিলা স্টাফ সহ চারজন স্টাফ পার্ক স্ট্রিটে উপস্থিত থাকবে। ময়দান এবং এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন বছরের শেষ দিনে এই দলটি যেকোনও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকবে। বাস্তব সময়ের পরিস্থিতি নিরীক্ষণ করার জন্য, উত্তর-দক্ষিণ মেট্রোর সেন্ট্রাল কন্ট্রোলে পর্যাপ্ত কর্মী নিয়োগ করা হবে। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসিটিভি ব্যাপকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে।ওই দিন পার্ক স্ট্রিট মেট্রো স্টেশনে একজন অফিসার এবং চারজন কর্মচারীর সমন্বয়ে আরেকটি বিশেষ দল মোতায়েন করা হবে। যাত্রীদের সঠিক নির্দেশনা দেওয়ার জন্য পার্ক স্ট্রিট, ময়দান এবং এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশনগুলিতে পর্যাপ্ত সংখ্যক RPF কর্মী মোতায়েন করা হবে। এসব স্টেশনে নাশকতাবিরোধী চেকিংও করা হবে।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২৪
কলকাতা

বড়দিনে মেট্রোয় কঠোর নিরাপত্তা, ঝঞ্ঝাটমুক্ত যাত্রা নিশ্চিত করতে বিশেষ পরিকল্পনা

আগামিকাল মেট্রোতে বড় দিনে বিশাল ভিড়ের আশা করছে কর্তৃপক্ষ। মেট্রো রেলওয়ে এসপ্ল্যানেড, পার্ক স্ট্রিট, ময়দান, রবীন্দ্র সদন, দমদম এবং দক্ষিণেশ্বর মেট্রো স্টেশনগুলিতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে চলেছে৷ এই স্টেশনগুলিতে সমস্ত প্রবেশ ও প্রস্থান গেটে সুপ্রশিক্ষিত RPF কর্মী মোতায়েন করা হবে। সেই দিন যাত্রীদের ঝঞ্ঝাটমুক্ত যাত্রা নিশ্চিত করতে মেট্রো আরপিএফ এই স্টেশনগুলিতে অতিরিক্ত কর্মী মোতায়েনের ব্যবস্থা করবে।মহিলা ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পার্ক স্ট্রিট স্টেশনে পর্যাপ্ত মহিলা RPF অফিসার এবং কর্মী মোতায়েন করা হবে। একটি বিশেষ দল আগামিকাল, বুধবার পার্ক স্ট্রিট, ময়দান এবং এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশনে বিশেষ বাহিনী হিসাবে উপস্থিত থাকবে। এই দলটি যে কোনও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকবে। কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণে পর্যাপ্ত কর্মী নিয়োগ করা হবে। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাপকভাবে সিসি টিভি পর্যবেক্ষণ করা হবে। পার্ক স্ট্রিট যেহেতু উৎসবের মূল কেন্দ্র, তাই ভিড় নিয়ন্ত্রণে বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। অ্যান্টি-সাবোটাজ চেকিংও করা হবে।ভিড় সামলানোর জন্য আগামিকাল পার্ক স্ট্রিট মেট্রো স্টেশনে একজন কর্মকর্তা এবং চারজন কর্মচারীর সমন্বয়ে আরেকটি বিশেষ দল মোতায়েন করা হবে। যাত্রীদের সঠিক নির্দেশনা দেওয়ার জন্য পার্ক স্ট্রিট, ময়দান এবং এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশনগুলিতে পর্যাপ্ত সংখ্যক RPF কর্মী মোতায়েন করা হবে।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২৪
কলকাতা

কলকাতায় মেট্রো যাত্রীদের জন্য বিরাট সুখবর, জানতে হলে এই খবর আগে পড়ুন

কলকাতার চতুর্দিকে মেট্রো পরিষেবার বহর বাড়ছে। অরেঞ্জ লাইনেও এবার মেট্রো চালুর সময় এগিয়ে এসেছে। বেড়েছে মেট্রোর সংখ্যা। মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র বলেছেন, কবি সুভাষ ও হেমন্ত মুখোপাধ্যায় স্টেশনের মধ্যে পরিষেবার সংখ্যা ও পরিষেবার সময় দুটোই বাড়তে চলেছে আগামী ৫ অগাস্ট অর্থাৎ সোমবার থেকে। এখন দৈনিক ৪৮ টি পরিষেবা এই লাইনে চলে। ওই দিন থেকে মোট ৭৪ টি মেট্রো পরিষেবা (৩৭ আপ ও ৩৭ ডাউন)এই লাইনে চালানো হবে। পরিষেবাগুলি পাওয়া যাবে ২০ মিনিট অন্তর। এমনকি শনিবারেও এই মেট্রো পরিষেবা পাওয়া যাবে। জানা গিয়েছে, প্রথম মেট্রো পরিষেবা কবি সুভাষ ও হেমন্ত মুখোপাধ্যায় থেকে শুরু হবে সকাল ৯ টার বদলে সকাল ৮ টায়। আর দিনের শেষ মেট্রো পরিষেবা এই দুই স্টেশন থেকে পাওয়া যাবে বিকেল ৪:৪০ এর বদলে রাত ৮ টায়। রবিবার দিন কোনও পরিষেবা চলবে না।প্রথম পরিষেবা-কবি সুভাষ থেকে: সকাল ৯ টার পরিবর্তে সকাল ৮ টায়হেমন্ত মুখোপাধ্যায় থেকে: সকাল ৯ টার পরিবর্তে সকাল ৮ টায়শেষ পরিষেবা--কবি সুভাষ থেকে: বিকেল ৪:৪০ এর পরিবর্তে রাত ৮ টায়হেমন্ত মুখোপাধ্যায় থেকে: বিকেল ৪:৪০ এর পরিবর্তে রাত ৮ টায়

জুলাই ৩০, ২০২৪
কলকাতা

কলকাতায় রাতের শেষ মেট্রোর সময় বদল, জানুন টিকিট কাটার পদ্ধতিও

যাত্রীদের সুবিধার জন্য মেট্রো রেলওয়ে গত ২৪ মে থেকে পরীক্ষামূলক ভিত্তিতে ব্লু লাইনে বিশেষ রাত্রিকালীন মেট্রো পরিষেবা চালু করেছে। আপ এবং ডাউন উভয় দিকের এই পরিষেবা দুটি সোম থেকে শুক্রবার রাত ১১ টায় কবি সুভাষ এবং দমদম স্টেশন থেকে ছাড়ছে। রাতে প্রচুর সংখ্যক মানুষের চাহিদা পূরণ করা যাবে এই আশা নিয়ে চালু করা হয়েছিল এই পরিষেবা। রাতের এই পরীক্ষামূলক পরিষেবাগুলি মেট্রো যাত্রীদের মধ্যে তেমন জনপ্রিয় হচ্ছে না। কলকাতা মেট্রো রেল জানাচ্ছে, দমদম এবং কবি সুভাষের মধ্যে যাতায়াতকারী রাত ১১ টার প্রতিটি ট্রেনে গড়ে মাত্র ৩০০ জন যাত্রী হচ্ছে। এই পরিষেবাগুলি চালাতে মেট্রো রেলের প্রচুর খরচ হচ্ছে(চালানোর খরচ হিসাবে প্রায় ২.৭ লক্ষ টাকা এবং অন্যান্য খরচ হিসাবে ৫০ হাজার টাকা )। কিন্তু বিনিময়ে এই দুটি ট্রেন থেকে আয় হচ্ছে খুবই কম(গড়ে মাত্র ৬ হাজার টাকা )। এটিও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেক স্টেশনে কাউন্টার খোলা রেখে গড়ে মাত্র ১ বা ২ টি টোকেন বিক্রি হচ্ছে। অর্থাৎ টোকেন বিক্রির হারও খুবই কম।মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র মেট্রো রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ আগামী ২৪ জুন (সোমবার)থেকে এই পরীক্ষামূলক রাত্রিকালীন পরিষেবার সময় ২০ মিনিট এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী ২৪ জুন থেকে ব্লু লাইনে এই পরীক্ষামূলক রাত্রিকালীন পরিষেবাগুলি কবি সুভাষ এবং দমদম থেকে রাত ১০.৪০টায় ছাড়বে। এই পরিষেবা সোমবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত পাওয়া যাবে এবং সমস্ত স্টেশনে থামবে। কোনও স্টেশনে টোকেন, স্মার্ট কার্ড ইত্যাদি বিক্রির জন্য কোনও টিকিট কাউন্টার খোলা থাকবে না। যাত্রীদের UPI পেমেন্ট মোড ব্যবহার করে সমস্ত স্টেশনে বসানো ASCRM মেশিন থেকে টোকেন কেনার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। স্মার্ট কার্ড থাকা যাত্রীরাও এই পরীক্ষামূলক রাতের পরিষেবায় চড়তে পারবেন।

জুন ১৯, ২০২৪
কলকাতা

কলকাতা মেট্রোয় খুচরোর সমস্যা থেকে শীঘ্রই মুক্তি, সাড়া জাগানো উদ্যোগ

মেট্রো স্টেশনের টিকিট কাউন্টারেটিকিট কাটতে গিয়ে খুচরোর সমস্যার পরিচিত দৃশ্য খুব শীঘ্রই অতীত হতে চলেছে। কলকাতা মেট্রো কর্তৃপক্ষ ডিজিটাল লেনদেনের এক নতুন পন্থা হিসাবে ইউনিফায়েড পেমেন্ট ইন্টারফেস (ইউ পি আই) ভিত্তিক টিকিটিং ব্যবস্থা খুব তাড়াতাড়ি চালু করছে। এর ফলে কাউন্টারে খুচরো টাকা বা পয়সার মাধ্যমে সঠিক ভাড়া দিতে গিয়ে বর্তমানে মেট্রো যাত্রীরাযে সমস্যার সম্মুখীন হন তা আর হবে না।স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া ও সেন্টার ফর রেলওয়ে ইনফরমেশন সিস্টেমস ( ক্রিস ) এর সহায়তায় মেট্রো কর্তৃপক্ষ ইউনিফায়েড পেমেন্ট ইন্টারফেস (ইউ পি আই) ভিত্তিক টিকিটিং ব্যবস্থা চালু করছেন। মেট্রো রেলের জেনারেল ম্যানেজার শ্রী পি উদয় কুমার রেড্ডির উপস্থিতিতে মঙ্গলবার গ্রিন লাইনের শিয়ালদহ স্টেশনে এই ব্যবস্থার মহড়া সম্পন্ন হয়েছে। শ্রী রেড্ডি নিজে এই ব্যবস্থার সাহায্যে একটি টিকিট কাটেন। মেট্রো রেলওয়ের প্রিন্সিপাল চিফ অপারেশন্স ম্যানেজার শ্রী সৌমিত্র বিশ্বাসের উদ্যোগে ও তৎপরতায় এই নতুন টিকিটিং ব্যবস্থা মেট্রোয় চালু হচ্ছে।এই মহড়া সম্পূর্ণ হলেই নতুন এই টিকিটিং ব্যবস্থা প্রথমে গ্রিন লাইনে চালু হবে। এই সুবিধা নিতে আগ্রহী যাত্রীদের টিকিট কাউন্টারে গিয়ে প্রথমে তাদের গন্তব্য স্টেশনের নাম বলতে হবে। এরপর কাউন্টারের ডুয়াল ডিসপ্লে বোর্ডে ভেসে ওঠা কিউ আর কোডটি স্ক্যান করে স্মার্ট ফোনের সাহায্যে প্রয়োজনীয় অর্থ প্রদান করতে হবে। এই লেনদেন সম্পূর্ণ হলেই কিউ আর কোড বেসড কাগজের টিকিটটি তিনি হাতে পাবেন এবং মেট্রোয় সফর করতে পারবেন। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে মেট্রো যাত্রীরা নিজেদের স্মার্ট কার্ডও রিচার্জ করতে পারবেন।Shri P Uday Kumar Reddy,GM, conducted the trial of #UPI Payment Based Ticketing System at #Sealdah #Metro station today.Once the trial is over,this ticketing system will be introduced in #GreenLine first then #BlueLine,#PurpleLine #OrangeLine for the benefit of the commuters. pic.twitter.com/IuWm4rEk4t Metro Railway Kolkata (@metrorailwaykol) May 7, 2024কলকাতা মেট্রোর গ্রিন লাইনে এই ব্যবস্থা সফল হলে যাত্রীদের সুবিধার্থে তা ব্লু লাইন , পার্পল লাইন ও অরেঞ্জ লাইনেও চালু করা হবে। এর জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ ইতিমধ্যেই নেওয়া হয়েছে।মেট্রো রেল , স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া ও সেন্টার ফর রেলওয়ে ইনফরমেশন সিস্টেমস ( ক্রিস )-এর বরিষ্ঠ আধিকারিকরা আজকের এই মহড়ায় শিয়ালদহ মেট্রো স্টেশনে উপস্থিত ছিলেন।

মে ০৮, ২০২৪
কলকাতা

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের ১০ দিনের মধ্যে চালু হচ্ছে গঙ্গার নীচের মেট্রোপথ, একঝলকে হাওড়া থেকে ধর্মতলা

গত ৬ মার্চ গঙ্গার নীচের মেট্রোপথের উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন থেকে একাধিক মেট্রো প্রকল্পের উদ্বোধনের পর স্কুলপড়ুয়াদের সঙ্গে মেট্রো সফরও করেন তিনি। কিন্তু আদৌ কবে যাত্রীরা এই মেট্রো পথে সফর করতে পারবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন ছিল। অবশেষে শনিবার দুপুরে মেট্রোর তরফে ঘোষণা করা হল যে, আগামী শুক্রবার (১৫ মার্চ) সাধারণ যাত্রীদের জন্য খুলে যাবে এসপ্ল্যানেড-হাওড়া ময়দান রুটে গঙ্গার নীচ দিয়ে মেট্রোর দরজা।এছাড়া আগামী শুক্রবার থেকে নিউ গড়িয়া থেকে রুবি পর্যন্ত এবং জোকা-তারাতলা মেট্রোপথের মাঝেরহাট পর্যন্ত সম্প্রসারিত অংশেও মেট্রো চলাচল শুরু হবে।কলকাতা মেট্রোর তরফে জানানো হয়েছে যে, এসপ্ল্যানেড ও হাওড়া স্টেশন থেকে দিনের প্রথম মেট্রো ছাড়বে সকাল ৭টায়। শেষ মেট্রো ছাড়বে রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে। গোটা দিন মোট ১৩০টি মেট্রো যাত্রীদের পরিষেবা দেবে। ব্যস্ত সময়ে ১২ মিনিট অন্তর এবং অন্য সময়ে ১৫ মিনিটের ব্যবধানে মেট্রো পরিষেবা মিলবে। তবে রবিবার মেট্রো পরিষেবা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।রুবি-গড়িয়া মেট্রোপথে সকাল ৯টায় দিনের প্রথম মেট্রো ছাড়বে রুবি এবং গড়িয়ে স্টেশন থেকে। শেষ মেট্রো ছাড়বে বিকেল ৪টে ৪০ মিনিটে। ২০ মিনিট অন্তর পরিষেবা পাওয়া যাবে। তবে এই মেট্রোপথে শনি ও রবিবার কোনও পরিষেবা মিলবে না।অন্যদিকে, জোকা-তারাতলা মেট্রোপথের মাঝেরহাট পর্যন্ত সম্প্রসারিত অংশে ২৫ মিনিট অন্তর মেট্রো পাওয়া যাবে। দিনের প্রথম মেট্রো ছাড়বে সকাল সাড়ে ৮টায়, শেষ মেট্রো দুপুর বিকেল ৩টে ৩৫ মিনিটে। এই মেট্রো পথেও শনিবার এবং রবিবার মেট্রো পরিষেবা মিলবে না।নদীর উপরের জলস্তর থেকে ৩৩ মিটার নীচে তৈরি হয়েছে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর এসপ্ল্যানেড থেকে হাওড়া ময়দান পর্যন্ত যাওয়ার সুড়ঙ্গ। নদীখাতের থেকে আরও ১৩ মিটার গভীরে পলিমাটির ভিতর দিয়ে গিয়েছে সেগুলি। জোড়া সুড়ঙ্গের পেট চিরে ছুটবে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো। মেট্রোযাত্রীদের মাথার উপর দিয়ে বয়ে যাবে গঙ্গা। কখন গঙ্গার নীচ দিয়ে ট্রেন ছুটছে সেটা জানা যাবে ট্রেনে বসেই। ৫২০ মিটার সুড়ঙ্গপথ পার হওয়ার সময়ে যাত্রীদের বিশেষ অনুভূতি দিতে নীল রঙের এলইডি আলো বসানোর কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। তবে ওই পথটুকু পার হতে সময় লাগবে দেড় মিনিটেরও কম। গঙ্গা দিয়ে মেট্রো যাওয়ার সময় যাত্রীরা ফোনে কথা বলতে পারবেন। এ জন্য অপটিক্যাল ফাইবার প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।

মার্চ ০৯, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

স্থায়ীকরণ ও ‘সমকাজে সমবেতন’-এর দাবিতে উচ্চশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দ্বারস্থ SACTWA, ইতিবাচক আশ্বাসে বাড়ল প্রত্যাশা

উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে কর্মরত রাজ্য-সহায়তা প্রাপ্ত কলেজ শিক্ষক কল্যাণ সমিতি (State Aided College Teachers Welfare Association - SACTWA)-এর দীর্ঘদিনের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে রাজ্যের উচ্চশিক্ষা দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী ডাঃ হরেকৃষ্ণ বেরা-র সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন সংগঠনের প্রতিনিধিরা। সংগঠনের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র ঘোষ-এর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল মন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পরে SACT শিক্ষকদের কর্মজীবনের বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার সমাধান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।বৈঠকে সংগঠনের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে সমকাজে সমবেতন নীতি কার্যকর করার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত SACT শিক্ষকদের স্থায়ীকরণ এবং চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়েও জোরালো দাবি তোলা হয়। সংগঠনের প্রতিনিধিরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে একই ধরনের দায়িত্ব পালন করলেও SACT শিক্ষকদের বেতন ও পরিষেবা সংক্রান্ত একাধিক বৈষম্যের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। সেই কারণেই তাঁদের ন্যায্য অধিকার দ্রুত নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথা মন্ত্রীর সামনে তুলে ধরা হয়।এছাড়াও প্রতিনিধি দল ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)-র নির্বাচনী সংকল্প পত্রে SACT শিক্ষকদের বিষয়ে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিও জানায়। সংগঠনের দাবি, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি শুধু কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব রূপ দেওয়া উচিত।সংগঠনের দাবি ও বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনার পর প্রতিমন্ত্রী ডাঃ হরেকৃষ্ণ বেরা ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন। তিনি প্রতিনিধি দলকে আশ্বাস দেন যে, আগামী দিনে বিষয়গুলি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। যদিও নির্দিষ্ট কোনও সময়সীমা ঘোষণা করা হয়নি, তবুও মন্ত্রীর এই আশ্বাসে সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।এই প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক ননী গোপাল দাস, জেলা সভাপতি নন্দন মান্না, মনোজ কুমার মাইতি, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সভাপতি অমিতাভ পাহাড়ি, পীযূষ দাস মহাপাত্র, সুব্রত ভট্টাচার্য-সহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, SACT শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও সরকার ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনার মাধ্যমে দাবি আদায়ের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

জুলাই ০৫, ২০২৬
রাজ্য

বারুইপুর কাণ্ডে বড় পদক্ষেপ! মুখ্যমন্ত্রীর ফোনের পরই সিট গঠন, একের পর এক গ্রেপ্তার

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনাকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার ভোরে দেহ উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তদন্তে বড় পদক্ষেপ করল বারুইপুর জেলা পুলিশ। দ্রুত তদন্তের স্বার্থে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে একাধিক জায়গায় তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।রবিবার দুপুরে নির্যাতিতার বাবার সঙ্গে ফোনে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। পাশাপাশি মঙ্গলবার নির্যাতিতার পরিবারকে ভবানীভবনে ডেকে পাঠানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথোপকথনের পরই তদন্তে আরও গতি আসে। সন্ধ্যায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিনাকী দত্তের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার বিকেল থেকে নিখোঁজ ছিল বারুইপুরের এগারো বছরের এক নাবালিকা। রবিবার ভোরে বাড়ির কাছের একটি পুকুর থেকে তার দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের অভিযোগ, তাকে ধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকাজুড়ে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখান। কুলপি রোডে নাবালিকার দেহ রেখে পথ অবরোধ করা হয়। রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ চলে। এর জেরে দীর্ঘ সময় যান চলাচল ব্যাহত হয়। পাশাপাশি শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার নামখানা লাইনে ট্রেন চলাচলও কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। অভিযোগ, অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশের উপর হামলা চালানো হয় এবং একাধিক পুলিশ গাড়িতে ভাঙচুর করা হয়।এই ঘটনার জেরে বারুইপুর থানায় মোট তিনটি মামলা দায়ের হয়েছে। একটি মামলা নাবালিকার ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে। এছাড়া সরকারি সম্পত্তি নষ্ট, পুলিশকে আক্রমণ, অবরোধ, ভাঙচুর এবং এক অভিযুক্তকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যার ঘটনায় আরও দুটি পৃথক মামলা রুজু করা হয়েছে। এই ঘটনাগুলির সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।তদন্তকারীদের দাবি, ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ফরেন্সিক রিপোর্ট, প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান এবং অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। দ্রুত তদন্ত শেষ করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

জুলাই ০৫, ২০২৬
স্বাস্থ্য

বর্ষায় ত্বক ও চুলের যত্নে প্রসাধনী বাছাইয়ে সতর্কতা, কী রাখবেন বিউটি কিটে?

এ বছর বর্ষার আগমন কিছুটা দেরিতে হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে তীব্র গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়ার মুখোমুখি হতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে। তবে এখন বর্ষা সক্রিয় হওয়ায় একদিকে যেমন মিলেছে স্বস্তি, অন্যদিকে বেড়েছে বাতাসের আর্দ্রতা। এই পরিবর্তিত আবহাওয়ায় ত্বক ও চুলের ওপরও পড়ছে বিশেষ প্রভাব। অতিরিক্ত ঘাম, ধুলো এবং আর্দ্রতার কারণে ত্বকের নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই বর্ষাকালে সঠিক প্রসাধনী নির্বাচন এবং নিয়মিত ত্বক ও চুলের যত্ন নেওয়া শুধু সৌন্দর্যের জন্যই নয়, সুস্থ থাকার ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।বর্ষা মানেই একদিকে স্বস্তির বৃষ্টি, অন্যদিকে ত্বক ও চুলের নানাবিধ সমস্যা। অতিরিক্ত আর্দ্রতা, ঘাম, ধুলো এবং বৃষ্টির জল মিলিয়ে এই সময়ে ত্বক হয়ে উঠতে পারে তৈলাক্ত, আবার অনেকের ক্ষেত্রে দেখা দেয় ব্রণ, র্যাশ বা ছত্রাকজনিত সংক্রমণের আশঙ্কা। তাই বর্ষাকালে প্রসাধনী ব্যবহারে প্রয়োজন বাড়তি সচেতনতা।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সময়ে ভারী বা অতিরিক্ত তেলযুক্ত প্রসাধনীর বদলে হালকা, নন-কমেডোজেনিক (যা সহজে রোমছিদ্র বন্ধ করে না) এবং জলভিত্তিক পণ্য ব্যবহার করাই ভালো। এতে ত্বক সতেজ থাকে এবং ব্রণের ঝুঁকিও কমে।বর্ষার বিউটি কিটে কী কী রাখবেন?১. মৃদু ফেসওয়াশ:দিনে অন্তত দুবার মুখ পরিষ্কার করলে ত্বকে জমে থাকা ঘাম, ধুলো ও অতিরিক্ত তেল দূর হয়। তবে অতিরিক্ত ফেসওয়াশ ব্যবহার করাও ঠিক নয়, এতে ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা নষ্ট হতে পারে।২. হালকা ময়েশ্চারাইজার:অনেকেই মনে করেন বর্ষায় ময়েশ্চারাইজারের প্রয়োজন নেই। কিন্তু ত্বকের আর্দ্রতার ভারসাম্য বজায় রাখতে হালকা জেল বা ওয়াটার-বেসড ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা উচিত।৩. সানস্ক্রিন:মেঘলা আকাশ থাকলেও সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। তাই বাইরে বেরোনোর আগে উপযুক্ত এসপিএফ-যুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করা জরুরি।৪. ওয়াটারপ্রুফ মেকআপ:বর্ষায় সাধারণ মেকআপ সহজেই নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই ওয়াটারপ্রুফ কাজল, মাসকারা, আইলাইনার ও লং-লাস্টিং ফাউন্ডেশন ব্যবহার করলে মেকআপ দীর্ঘক্ষণ ঠিক থাকে।৫. হালকা লিপ বাম:বৃষ্টির সময়েও ঠোঁট শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। তাই নিয়মিত লিপ বাম ব্যবহার করলে ঠোঁট নরম ও সুরক্ষিত থাকে।চুলের যত্নেও নজর দিনবর্ষায় চুলে আর্দ্রতার প্রভাব বেশি পড়ে। ফলে খুশকি, চুল পড়া বা স্ক্যাল্পে সংক্রমণের সমস্যা দেখা দিতে পারে। সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে চুল পরিষ্কার রাখা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী হালকা কন্ডিশনার ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যায়। ভেজা চুল দীর্ঘক্ষণ বেঁধে রাখা বা অপরিষ্কার রাখা উচিত নয়।প্রসাধনী ব্যবহারে যেসব ভুল এড়াবেন* মেয়াদোত্তীর্ণ প্রসাধনী ব্যবহার করবেন না।* অন্যের মেকআপ বা প্রসাধনী ভাগ করে ব্যবহার করা এড়িয়ে চলুন।* ভেজা হাতে প্রসাধনীর পাত্রে বারবার হাত দেবেন না।* ত্বকে অ্যালার্জি বা জ্বালাপোড়া হলে সঙ্গে সঙ্গে সেই প্রসাধনী ব্যবহার বন্ধ করুন।* সৌন্দর্যের পাশাপাশি স্বাস্থ্যও গুরুত্বপূর্ণপ্রসাধনী ব্যবহার যতই হোক, পর্যাপ্ত জল পান, সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং পর্যাপ্ত ঘুমই ত্বক ও চুল ভালো রাখার অন্যতম চাবিকাঠি। বর্ষায় পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং নিজের ত্বকের ধরন অনুযায়ী প্রসাধনী নির্বাচন করলেই এই মৌসুমেও সৌন্দর্য থাকবে অটুট।মনে রাখবেন: বাজারে নতুন কোনও প্রসাধনী কেনার আগে তার উপাদান, উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ দেখে নিন। প্রয়োজন হলে ত্বক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে তবেই নতুন পণ্য ব্যবহার করুন।

জুলাই ০৫, ২০২৬
রাজ্য

১৪ বছর পরও মেলেনি বিচার! বরুণ বিশ্বাস হত্যা মামলায় নতুন তদন্তের দাবিতে বড় পদক্ষেপ পরিবারের

আরও একটি পাঁচ জুলাই। প্রতিবাদী শিক্ষক বরুণ বিশ্বাসকে হত্যার চৌদ্দ বছর পূর্ণ হলেও এখনও প্রকৃত বিচার মেলেনি বলে অভিযোগ তুলছে তাঁর পরিবার। দীর্ঘদিনের তদন্তেও মূল ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করা যায়নি বলে দাবি তাঁদের। তাই নতুন করে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন বরুণ বিশ্বাসের পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের দাবি, ঘটনার সম্পূর্ণ সত্য সামনে আসুক এবং প্রকৃত অপরাধীরা শাস্তি পাক।দুই হাজার বারো সালের পাঁচ জুলাই স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে গোবরডাঙা স্টেশনের বাইরে গুলিতে নিহত হন উত্তর চব্বিশ পরগনার প্রতিবাদী শিক্ষক বরুণ বিশ্বাস। তিনি কলকাতার মিত্র ইনস্টিটিউশন বিদ্যালয়ের বাংলা ভাষার শিক্ষক ছিলেন। সুটিয়া গণধর্ষণ মামলায় তিনি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। সেই হত্যাকাণ্ড গোটা রাজ্যকে নাড়া দিয়েছিল।ঘটনার এত বছর পরেও মামলার পূর্ণ নিষ্পত্তি না হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে পরিবার ও স্থানীয় মানুষের মধ্যে। তাঁদের অভিযোগ, তদন্তে এখনও পর্যন্ত প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারীদের পরিচয় প্রকাশ্যে আসেনি। রাজনৈতিক মহলেও এই মামলাকে ঘিরে বিভিন্ন সময়ে নানা অভিযোগ উঠেছে। তবে সেই সব অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর নতুন করে আশার আলো দেখছেন বরুণ বিশ্বাসের পরিবার এবং সুটিয়ার বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, মামলাটি আবার তদন্ত করে সমস্ত সত্য প্রকাশ্যে আনতে হবে। একই সঙ্গে হত্যার নেপথ্যে যারা ছিল, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি উঠেছে।বরুণ বিশ্বাসের মৃত্যুবার্ষিকীতে এদিন সুটিয়ার বিভিন্ন জায়গায় তাঁর স্মরণে কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এলাকাজুড়ে তাঁর স্মৃতিতে ব্যানার ও শ্রদ্ধার্ঘ্য দেওয়া হয়। প্রতিবাদ মিছিল, শোকসভা এবং তাঁর আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান করেন স্থানীয় মানুষ। উপস্থিত বক্তারা একটাই দাবি তোলেন, এত বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে এবার প্রকৃত বিচার নিশ্চিত করতে হবে।সুটিয়া প্রতিবাদী মঞ্চের সদস্য প্রমানন্দ কবিরাজ বলেন, দীর্ঘদিন কেটে গেলেও প্রকৃত অপরাধীদের শাস্তি হয়নি। তাই নতুন করে তদন্ত করে সমস্ত সত্য সামনে আনার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। মঞ্চের সভাপতি ননীগোপাল পোদ্দারের বক্তব্য, নতুন সরকার বিভিন্ন পুরনো ঘটনার তদন্তের উদ্যোগ নিচ্ছে। তাই বরুণ বিশ্বাস হত্যা মামলাতেও নতুন তদন্ত শুরু হবে বলে তাঁদের আশা।বরুণ বিশ্বাসের দিদি প্রমিলা রায় বিশ্বাস জানান, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের সাক্ষাৎ হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে নতুন করে তদন্তের আবেদন জানানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন বলেও দাবি তাঁর।অন্যদিকে বরুণ বিশ্বাসের দাদা অসিত বিশ্বাস অভিযোগ করেছেন, প্রতিবাদী মঞ্চের উদ্যোগে বসানো আবক্ষ মূর্তিটি বরুণ বিশ্বাসের প্রকৃত প্রতিচ্ছবি নয়। এই বিষয় নিয়েও তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

জুলাই ০৫, ২০২৬
দেশ

দানবাক্সের চুরি বন্ধ হতেই অবিশ্বাস্য বদল! প্রতিদিন কোটি টাকার বেশী বাড়ছে রাম মন্দিরের

pরাম মন্দিরের দানবাক্স থেকে নিয়মিত চুরির অভিযোগ সামনে আসার পর বদলে গিয়েছে ছবিটা। তদন্ত শুরু হওয়ার পর থেকে দানবাক্সের অর্থ আত্মসাতের ঘটনা বন্ধ হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। আর তার পরেই মন্দিরের দৈনিক নগদ আয়ে চোখে পড়ার মতো বৃদ্ধি হয়েছে। তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, আগে যেখানে প্রতিদিন গড়ে ষোলো থেকে আঠারো লক্ষ টাকা সরকারি হিসাবে জমা পড়ত, এখন সেই অঙ্ক বেড়ে দাঁড়িয়েছে চব্বিশ থেকে ছাব্বিশ লক্ষ টাকায়। অর্থাৎ প্রতিদিন প্রায় আট লক্ষ টাকা বেশি জমা পড়ছে।সূত্রের দাবি, বিশেষ উৎসব বা বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠানের দিনে অনুদানের পরিমাণ স্বাভাবিকভাবেই বেশি থাকে। তবে সাধারণ দিনগুলিতেও এতদিন যে পরিমাণ অর্থ জমা পড়ত, এখন তার তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে। মন্দিরের অনুদান গ্রহণের কাউন্টারগুলিতেও আগে যেখানে প্রতিদিন প্রায় ষাট হাজার থেকে এক লক্ষ টাকা জমা পড়ত, এখন সেই অঙ্কও বেড়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, দীর্ঘদিন ধরে দানবাক্স থেকে নগদ অর্থ সরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল বলেই সরকারি হিসাবে কম টাকা জমা পড়ছিল।শুধু নগদ অর্থ নয়, দানে পাওয়া সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী নিয়েও তদন্তে উঠে আসছে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। এখনও পর্যন্ত চুরি যাওয়া সোনার কোনও খোঁজ মেলেনি। তদন্তকারীদের অনুমান, সেই সোনা গলিয়ে সোনার বিস্কুটে পরিণত করা হয়ে থাকতে পারে, যাতে সহজে শনাক্ত করা না যায় এবং লুকিয়ে রাখা যায়।বিশেষ তদন্তকারী দল ইতিমধ্যেই মন্দিরে গিয়ে পরিদর্শন করেছে। মন্দিরের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। দানে পাওয়া গয়না, মূল্যবান সামগ্রী, সংরক্ষণের নথি এবং সেগুলির রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি সরকারি টাঁকশালের সঙ্গে মন্দির কর্তৃপক্ষের লেনদেনের নথিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ব্যাঙ্ক এবং সরকারি টাঁকশালে পাঠানো সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর পূর্ণাঙ্গ হিসাবও চাওয়া হয়েছে।তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, দানে পাওয়া সমস্ত সোনা ও মূল্যবান ধাতু নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী সংরক্ষণ বা জমা করা হয়নি। এর একটি অংশ নগদ অর্থের সঙ্গে আত্মসাৎ করা হয়ে থাকতে পারে। যদিও এই দাবির সত্যতা এখনও তদন্তাধীন।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, ভক্তদের দানের মাধ্যমে প্রাপ্ত আয়ের হিসাব প্রতি তিন মাস অন্তর পর্যালোচনা করত শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট। তবে সেই বৈঠকগুলিতে সোনা, রুপো এবং অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রীর পরিমাণ ও সংরক্ষণ নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হত না বলেই তদন্তে উঠে এসেছে।

জুলাই ০৫, ২০২৬
কলকাতা

অবশেষে পুলিশের জালে কুখ্যাত মিনি ফিরোজ! মাথায় ৩৭টি মামলা, ভোরে নাটকীয় গ্রেপ্তার

দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে বেড়ানোর পর অবশেষে গ্রেপ্তার হল গুলশন কলোনির কুখ্যাত দুষ্কৃতী মিনি ফিরোজ ওরফে মহম্মদ ফিরোজ খান। তাঁর সঙ্গে ধরা পড়েছে ঘনিষ্ঠ সহযোগী মহম্মদ সাজিদও। রবিবার ভোরে ডানকুনি টোল প্লাজার কাছ থেকে গুন্ডাদমন শাখার বিশেষ অভিযানে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁদের তপসিয়া থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মহম্মদ ফিরোজ খানের বিরুদ্ধে মোট সাঁইত্রিশটি মামলা রয়েছে। গুলিচালনা, বেআইনি অস্ত্র রাখা, ভয় দেখানো, দুষ্কৃতী কার্যকলাপ এবং এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি-সহ একাধিক গুরুতর অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় মামলা দায়ের হয়েছে। বহুবার পুলিশের নজরে এলেও তিনি গ্রেপ্তার এড়িয়ে গিয়েছিলেন।গত প্রায় এক দশক ধরে মধ্য কলকাতার গুলশন কলোনিতে মিনি ফিরোজের দাপট ছিল বলে অভিযোগ। গত বছর গুলিচালনার একটি ঘটনায় তাঁর নাম সামনে আসে। সেই সময় অস্ত্র আইনের একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হয় এবং পরে দিল্লি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। যদিও পরে জামিনে মুক্তি পান। মুক্তির পরও তাঁর দাপট কমেনি বলেই অভিযোগ।তদন্তে উঠে এসেছে, মিনি ফিরোজ একা নয়, নিজের একটি দল নিয়েই এলাকায় সক্রিয় ছিল। সেই দলে মহম্মদ সাজিদ, মুস্তাফা-সহ আরও কয়েকজনের নাম রয়েছে। কসবার প্রাক্তন কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষের সঙ্গেও তাঁর বিরোধ তৈরি হয়েছিল বলে অভিযোগ। এতদিন সবাই গা ঢাকা দিয়ে থাকলেও পুলিশের নজরদারি থেকে শেষ পর্যন্ত রেহাই মেলেনি।রাজ্যে সমাজবিরোধীদের বিরুদ্ধে চলা বিশেষ অভিযানের মধ্যেই গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ডানকুনি টোল প্লাজার কাছে অভিযান চালায় গুন্ডাদমন শাখা। সেখান থেকেই মিনি ফিরোজ এবং সাজিদকে আটক করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে তপসিয়া থানায় একাধিক মামলা থাকায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া মেনে সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তদন্তকারীদের আশা, এই গ্রেপ্তারের পর আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে।

জুলাই ০৫, ২০২৬
উৎসব

রথযাত্রায় ঐতিহ্যের পাশে রাজ্য, ১০০-১৫০ বছরের প্রাচীন রথ কমিটিকে ৫ লক্ষ টাকা অনুদান; জেলাজুড়ে বিশেষ প্রস্তুতির নির্দেশ নবান্নের

রথযাত্রা উপলক্ষে রাজ্যের ঐতিহ্যবাহী রথ উৎসবগুলিকে আরও সুষ্ঠু ও জাঁকজমকপূর্ণ করে তুলতে বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের ১০০ থেকে ১৫০ বছর বা তারও বেশি পুরনো ঐতিহ্যশালী রথযাত্রা কমিটিগুলিকে ৫ লক্ষ টাকা করে আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই জেলার প্রশাসনের মাধ্যমে এই ধরনের ঐতিহাসিক রথযাত্রা কমিটিগুলিকে চিহ্নিত করার কাজ শুরু হয়েছে।প্রশাসনিক সূত্রের খবর, আগামী ১৩ জুলাই এই অনুদানের চেক সংশ্লিষ্ট কমিটির অনুমোদিত প্রতিনিধিদের হাতে তুলে দেওয়া হতে পারে। সেই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ভার্চুয়ালি উপস্থিত থেকে রাজ্যের বিভিন্ন রথযাত্রা কমিটির প্রতিনিধিদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে পারেন বলেও নবান্ন সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে।শুধু আর্থিক সহায়তাই নয়, রাজ্যজুড়ে রথযাত্রা এবং উল্টোরথকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক প্রস্তুতিও জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর। ইতিমধ্যেই সমস্ত জেলাশাসক (ডিএম)-দের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। সরকারি নির্দেশিকায় স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, রথযাত্রা পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসব। প্রতি বছর রাজ্যের বিভিন্ন জেলা ছাড়াও দেশের নানা প্রান্ত থেকে অসংখ্য ভক্ত ও পর্যটক এই উৎসবে অংশ নেন। ফলে তাঁদের নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করাই প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য।এই উদ্দেশ্যে প্রতিটি জেলায় রথযাত্রার রুট এবং প্রধান জনসমাগমস্থলে সেবা শিবির (ফ্যাসিলিটেশন ক্যাম্প) গড়ে তোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই ধরনের শিবির উল্টোরথের দিনও চালু রাখতে হবে। প্রতিটি জেলার জন্য এই শিবির পরিচালনার উদ্দেশ্যে ১ লক্ষ টাকা করে বরাদ্দ করেছে রাজ্য সরকার।সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রতিটি সেবা শিবিরে বিশুদ্ধ পানীয় জল, ওআরএস প্যাকেট, প্রাথমিক চিকিৎসা ও জরুরি স্বাস্থ্য পরিষেবা, তথ্য ও সহায়তা কেন্দ্র, প্রবীণ নাগরিক, মহিলা, শিশু এবং বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ সহায়তার ব্যবস্থা রাখতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত ভক্তবান্ধব পরিষেবাও চালু করা যাবে।এছাড়াও, কোনও জেলার প্রশাসনের মতে যদি কোনও রথযাত্রা কমিটি তার ঐতিহাসিক গুরুত্ব, বিপুল জনসমাগম বা উৎসবের ব্যাপ্তির কারণে অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তার যোগ্য হয়, তবে বিস্তারিত কারণ উল্লেখ করে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের কাছে সুপারিশ পাঠানোর সুযোগ রাখা হয়েছে।রথযাত্রা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে উৎসবের আগেই জেলা প্রশাসনকে পুলিশ, স্বাস্থ্য দপ্তর, দমকল, পূর্ত দপ্তর, পুরসভা, পঞ্চায়েত, পরিবহণ দপ্তর, রথযাত্রা কমিটি, জনপ্রতিনিধি এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই বৈঠকগুলিতে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হবে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জরুরি পরিষেবা দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে।নবান্ন আরও জানিয়েছে, রথযাত্রার রুট ও সেবা শিবিরে সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের প্রচার নির্ধারিত নির্দেশিকা মেনেই করতে হবে। পাশাপাশি, ভক্তদের সুবিধার জন্য শিবিরে কী কী পরিষেবা পাওয়া যাবে, সে সম্পর্কেও প্রচারের ব্যবস্থা রাখতে হবে।উৎসব শেষ হওয়ার পরে প্রতিটি জেলা প্রশাসনকে গৃহীত পদক্ষেপ, বরাদ্দ অর্থের ব্যবহার, কর্মসূচির আলোকচিত্র এবং সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন দ্রুত তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরে জমা দিতে হবে। প্রশাসনের মতে, পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রাগুলিকে সংরক্ষণ, উৎসাহ প্রদান এবং ভক্তদের আরও উন্নত পরিষেবা দেওয়ার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে রাজ্য সরকার।পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে প্রাচীন রথযাত্রা হিসেবে সর্বাধিক স্বীকৃত হল মাহেশ রথযাত্রা।মাহেশ রথযাত্রা (হুগলি),স্থান: মাহেশ,জেলা: হুগলী,শ্রীরামপুর মহকুমা,শুরু: আনুমানিক ১৩৯৬ খ্রিস্টাব্দ,প্রতিষ্ঠাতা: ধ্রুবানন্দ ব্রহ্মচারী (Dhrubananda Brahmachari)-এর মাধ্যমে জগন্নাথদেবের পূজার প্রচলন হয়েছে বলে ঐতিহ্যগতভাবে বিশ্বাস করা হয়।বয়স: প্রায় ৬৩০ বছরেরও বেশি (২০২৬ সালের হিসেবে)।বিশেষত্ব: এটি শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, India-র অন্যতম প্রাচীন এবং Puri-র বাইরে সবচেয়ে বিখ্যাত জগন্নাথ রথযাত্রাগুলির একটি।ইতিহাসমাহেশের জগন্নাথ মন্দিরে বহু শতাব্দী ধরে রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। বর্তমান বিশাল কাঠের রথটি ১৯শ শতকে নতুনভাবে নির্মিত হলেও রথযাত্রার ঐতিহ্য কয়েক শতাব্দী পুরোনো। প্রতি বছর লক্ষাধিক ভক্ত এই উৎসবে অংশ নেন।উল্লেখযোগ্য প্রাচীন রথযাত্রামহেশ রথযাত্রা, শ্রীরামপুর (হুগলী জেলা)(Mahesh Rath Yatra) প্রায় ৬৩০+ বছরের ঐতিহ্য।গুপ্তিপাড়া রথযাত্রা (হুগলী জেলা) Guptipara Rath Yatra প্রায় ২৭০৩০০ বছরের ঐতিহ্য; ভাণ্ডার লুঠ উৎসবের জন্য বিখ্যাত।ময়না রথযাত্রা, চিরঞ্জীবপুর (পূর্ব মেদিনীপুর) Moyna Rath Yatra কয়েক শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহ্য।মহিষাদল রথযাত্রা, (পূর্ব মেদিনীপুর) Mahishadal Rath Yatra রাজপরিবারের পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক রথযাত্রা।পশ্চিমবঙ্গের প্রাচীনতম এবং সর্বাধিক ঐতিহাসিক রথযাত্রা হিসেবে হুগলির মাহেশ রথযাত্রা-ই স্বীকৃত। এর ইতিহাস প্রায় ১৩৯৬ খ্রিস্টাব্দ থেকে শুরু হয়েছে বলে ঐতিহ্যগতভাবে ধরা হয়, ফলে এটি ৬০০ বছরেরও বেশি পুরোনো।

জুলাই ০৫, ২০২৬
রাজ্য

পলাতক সুমিতকে খুঁজতে এবার বড় পদক্ষেপ! রাতভর জেরায় উঠে এল কোন নতুন সূত্র?

জমি কেলেঙ্কারি মামলায় অভিযুক্ত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায় এখনও অধরা। তাঁকে খুঁজে বের করতে তদন্তে গতি বাড়িয়েছে পুলিশ। এরই মধ্যে সুমিতের সম্ভাব্য যোগাযোগের সূত্র ধরে দেবরাজ চক্রবর্তীকে টানা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে বেঙ্গল বিশেষ তদন্তকারী দল। তদন্তকারীদের আশা, এই জেরার সূত্র ধরেই পলাতক সুমিতের অবস্থান সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলতে পারে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত রাতে দেবরাজ চক্রবর্তীকে দীর্ঘ সময় ধরে জেরা করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, দেবরাজের সঙ্গে সুমিত রায়ের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। সেই কারণেই দেবরাজের কাছ থেকে সুমিতের বর্তমান অবস্থান এবং তাঁর গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য জানার চেষ্টা চলছে।তদন্তে জানা গিয়েছে, জমি কেলেঙ্কারি মামলায় গ্রেফতার হওয়া প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় প্রথম সুমিত রায়ের নাম উঠে আসে। তারপর থেকেই তিনি নিখোঁজ। তাঁকে খুঁজতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও তল্লাশি চালায় পুলিশ। পাশাপাশি সুমিতের শ্বশুরবাড়িতেও তল্লাশি করা হলেও তাঁর কোনও খোঁজ মেলেনি।অন্যদিকে, সম্প্রতি তোলাবাজি, হুমকি এবং প্রতারণার অভিযোগে দেবরাজ চক্রবর্তীকে গ্রেফতার করেছে বেঙ্গল বিশেষ তদন্তকারী দল। বর্তমানে তিনি তদন্তকারীদের হেফাজতে রয়েছেন। পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার রাত সাড়ে দশটা থেকে বাগুইআটি থানায় তাঁকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়।তদন্তকারীদের সন্দেহ, দেবরাজের আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে সুমিত রায়ের কোনও যোগ ছিল কি না, সেই দিকটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে তোলাবাজির মাধ্যমে আদায় হওয়া টাকা সুমিতের কাছে পৌঁছত কি না, তা নিয়েও তদন্ত চলছে। পুলিশ মনে করছে, দেবরাজের জিজ্ঞাসাবাদ থেকে এই মামলার আরও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে। সেই কারণেই আগামী দিনেও তাঁকে ফের জেরা করা হতে পারে।

জুলাই ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal