• ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার ২৭ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Love

কলকাতা

বোমা বিস্ফোরণে ত্রিকোণ প্রেম! খুন করতে এসেছিলেন প্রেমিকার স্বামীকে?

রবিবার গভীর রাতে মধ্যমগ্রাম বয়েজ হাই স্কুলএর পাশেই ঘটে ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণ। যেখানে উত্তরপ্রদেশের যুবক সচ্চিদানন্দ মিশ্র প্রাণ হারিয়েছে। পরে পুলিশ জানতে পারে, ঘটনাটির পেছনে রয়েছে একটি ত্রিকোণ প্রেমের জটিলতা।সচ্চিদানন্দ মিশ্র (২৬), উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা ও আইটিআই-প্রশিক্ষিত একজন ফিটার। জানা গিয়েছে, নিজেই বোমাটি তৈরি করেছিলেন। ইলেকট্রনিক ডিভাইসে মোড়ানোযা বিস্ফোরিত হয়ে তার মৃত্যু ঘটে। পুলিশ তদন্তে উঠে এসেছে, তিনি পরিকল্পনা করেছিলেন তার প্রেমিকার স্বামীকে হত্যার জন্য মধ্যমগ্রামে যান। কিন্তু বোমাটি তার নিজের হাতেই আগে ফেটে যায়। ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া যায় স্টিলের অংশ, ব্যাটারি, তার, অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট। এগুলো প্রমাণ করে এটি একটি স্বনির্মিত আইইডি ছিল। এর মধ্যে রহস্যজনক বিষয়, কীভাবে তিনি স্বাধীনতা দিবসের নিরাপত্তার মাঝেও বিষ্ফোরণ নিয়ে এসেছিলেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সচ্চিদানন্দ প্রায়ই মধ্যমগ্রামে আসতেন। দেখা করতেন বিবাহিতা প্রেমিকার সঙ্গে। এমনকী ওই প্রেমিকার বাড়িতেও যেতেন। তখন তার স্বামী বাড়িতে থাকতেন না। প্রেমিকা বাড়িতে অপমানিত হয়েছে বলে তার স্বামীকে খুন করতেই মধ্যমগ্রামে এসেছিলেন ওই যুবক। একথা তিনি মৃত্যুর আগে পুলিশকে জানিয়ে গিয়েছেন বলে খবর। বোমা তৈরির ক্ষেত্রেও তার আইটিআই দক্ষতা কাজে লাগিয়েছিল। ইউটিউব টিউটোরিয়াল দেখে এবং হরিয়ানার একটি গ্লাস ফ্যাক্টরিতে রাসায়নিকের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়েছে সচ্চিদানন্দ। এদিকে এই ঘটনায় প্রেমিকা ও তার স্বামীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে এসটিএফ। বোমা বিষ্ফোরণের প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখিয়েছে বিজেপির যুব মোর্চা।

আগস্ট ১৯, ২০২৫
রাজ্য

প্রকাশ্যে রাস্তায় কিশোরীকে ছুরির কোপ, যুবককে ধরে গণপ্রহার

আরজি কর কাণ্ডের আনহে এবার দিনের বেলায় রাস্তায় কিশোরীকে পর পর ছুরির কোপ। প্রাণভয়ে ছুটে পালাতে গিয়েও মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ওই কিশোরী। না যেন কোন অ্যাকশন সিনেমার সিন। বেলঘরিয়ায় ভরদুপুরে এমনই হাড়হিম ঘটনায় শিউরে উঠলেন আশেপাশের মানুষজন। কিছুটা সামলে নিয়েও তারা ধাওয়া করে ওই কিশোরকে ধরে ফেলেন। এরপর চলে গণপ্রহার। পরে পুলিশ এসে ওই কিশোরকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। কিশোরীকে আহত অবস্থায় স্থানীয় এক নার্সিং হোমে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনার জেরে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বেলঘরিয়ার প্রফুল্ল নগরে প্রকাশ্য দিবালোকে স্কুল ফেরত ছাত্রীকে ছুরির কোপ। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, কোন কিছু নিয়ে ওই কিশোর ও কিশোরীর মধ্যে শুরু হয় বচসা। এর জেরে ওই কিশোরের গালে সপাটে চড় কষান কিশোরী। এতেই মেজাজ হারিয়ে ধারালো অস্ত্র নিয়ে পরপর কোপ মারে অভিযুক্ত কিশোর। গুরুতর জখম অবস্থায় ওই কিশোরী মাটিতে লুটিয়ে পড়লে কিশোর পালানোর চেষ্টা করে। তাকে ধাওয়া করে ধরে ফেলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এরপরই শুরু হয় মারধর। অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়ে। মহিলা নিরাপত্তার দাবিতে পুলিশের সঙ্গে বচসাও বেধে যায় স্থানীয়দের। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। স্থানীয় সূত্রে খবর, বেশ কয়েকদিন আগে ওই কিশোরীকে প্রেমের প্রস্তাব দিলে কিশোরী তা নাকচ করে দেয়। এরপরই প্রতিশোধ নিতেই ঘটনার দিন দুপুরে ওই কিশোরীর পথ আটকায় অভিযুক্ত কিশোর। বচসা থেকে হাতাহাতি এরপর পকেট থেকে ছুরি বের করে এলোপাথাড়ি কোপ মারতে শুরু করে ওই কিশোরীকে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। আপাতত আটক করা হয়েছে কিশোরকে। জানা গিয়েছে কিশোরীর অবস্থা আশঙ্কাজনক।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২৪
বিনোদুনিয়া

কেউ কথা রাখেনি, গল্প শুনে কফি খেয়ে ছবি তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়েই পগারপার!

টালিগঞ্জ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কান পাতলেই তাঁকে দুর্মুখ, ঠোঁটকাটা সহ নানাবিধ বিশেষণ ভূষিত করতে শোনা যায়। আদতে তিনি শ্রীলেখা মিত্র সরলরেখায় চলতে অভ্যস্ত। কোনও বিষয়েই তাঁর ঢাকঢাক গুরুগুরু ব্যপারটা নেই। তিনি সোজা কথাটা সোজা ভাবেই বলতে অভ্যস্ত, তাতে বোমটা যত জোরেই ফাটুক। এর আগেও বহুবার তিনি যেমন ইন্ডাস্ট্রিতে কোনও গরবর দেখলে সপাট জবাব দিয়েছেন, ঠিক তেমনই জ্বলে উঠেছেন পোষ্যদের (বিশেষ করে সারমেয়) অবহেলা নিয়েও। লকডাউনে পথ কুকুরদের অবহেলা নিয়ে বারবার শিরোনামে এসেছেন শ্রীলেখা। শ্রীলেখা মিত্র এর আগে বহুবার জানিয়েছেন, তিনি ফেবার পাওয়ার জন্য কখনই কারুর কাছে নিজেকে ফেবারিট করে তুলতে চাননি। কয়েকদিন আগেই টালিগঞ্জের এক রন্ধন পটীয়সী ঘোষীকা তাঁর প্রযোজক স্বামী কে নিয়ে করা কানাঘুঁশো অভিযোগ, প্রকাশ্য মিডিয়ায় সপাট জবাব দিয়ে শ্রীলেখা বুঝিয়ে দিয়েছেন সব ক্ষারক-ই ক্ষার নয়।একসময়ের টলিউডের জনপ্রিয় লাস্যময়ী নায়িকা, এখন পরিচালক, প্রযোজক এবং অবশ্যই একজন খ্যাতানামা অভিনেত্রী। সম্প্রতি তাঁর অভিনীত পরিচালিত বেশ কয়েকটা ছবি শিরোনামে উঠে এসেছে। উল্লেখযোগ্য ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ক্যালকাটা। কলকাতার শহরের ওপর আধারিত এই ছবিটি কলকাতা আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে অবশ্যই দেখানো উচিত ছিল বলে মনে করেছিলেন ফিল্ম ক্রিটিক্স রা। সেই ঘটনায় তিনি তীব্র প্রতিবাদ করেও ছিলেন। অনেকেই সে সময় বলেছিলেন, যে অভিনেত্রী ভেনিস নিউ ইয়র্কে সমাদৃত তাঁর কি বা আসে যায় কলকাতাতে উপেক্ষা করলে। কিন্তু কিছু চলচ্চিত্র সমলোচক অনুপ্রেরণার আরাল থেকে মনে করেছিলেন, হ্যাঁ আসে! তাঁদের মতে, যখন অযোগ্যরা মঞ্চ দাপিয়ে বেড়ায় তখন অবশ্যই যোগ্য ব্যক্তিদের কিছু এসে যায়।ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ক্যালকাটা মেলবোর্নের ভারতীয় আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছে। অবশেষে তিনি বাংলা সংস্কৃতির প্রানকেন্দ্র নন্দনে হাজির হন তাঁর নিজের প্রযোজিত, পরিচালিত ও অভিনীত স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি এবং ছাদ এর সৌজন্যে। এবং ছাদ শ্রীলেখার প্রযোজিত প্রথম শর্টফিল্ম। প্রযোজনা সংস্থা পসাম প্রোডাকশনস প্রযোজিত এবং ছাদ ছাড়াও আরও তিনটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবির অংশ জুড়ে একটি পূর্ণ দৈর্ঘের অ্যান্থোলজি ছবি তৈরি করার পরিকল্পনা শ্রীলেখার।এবং ছাদ ছবিটি নিয়ে তিনি প্রথম থেকেই বারবার বিড়ম্বনাই পড়েছেন। তিনি একাধিকার সামাজিক মাধ্যমে তাঁর আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন। এমনকি সামাজিক মাধ্যমে প্রযোজকের জন্য আবেদন করতেও তাঁকে দেখা গেছে। অনেক ঘাত প্রতিঘাত, প্রত্যাখ্যান-র সিঁড়ি পেড়িয়ে তিনি সত্যিই ছাদ তুলতে পেরেছেন। আজ আক্ষরিক অর্থেই ছাদে উঠে শ্রীলেখা নিচের দিকে তাকিয়ে বলতে চাইছেন, তোমরা আমাকে বহু চেষ্টা করেও আমার ছাদে ওঠা আটকাতে পারলে না। সেই একগুচ্ছ অভিমান, আক্ষেপ, অবহেলা, বিশ্বাসঘাতকদের উদ্দেশ্যে গর্জে উঠেছে তাঁর কলম। তিনি সামাজিক মাধ্যমে উগরে দিয়েছেন সেই কথা।শ্রীলেখা সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেনঃছবি তো বানিয়েছি নিজের পয়সায়, প্রচুর festival ঘুরলো। সামনেই আবার দিল্লি যাচ্ছি এবং ছাদ নিয়ে। ছবিটা বানিয়ে ইচ্ছে হয়েছিল আরো তিনটে শর্ট বানাবো তারপর অ্যান্থোলজি হিসেবে হল রিলিজ করব। নতুন পরিচালকের পাশে দাঁড়ান বলে যারা দাবি করেন তারা অনেকেই ফোন ধরেননি বা মেসেজের রিপ্লাই ব্যাক করেননি।। যারা করেছেন তারা কফি খেয়ে এবং খাইয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ছবির জন্য পয়সা দেবেন। এক ভদ্রলোক সামান্য কিছু টাকা এডভান্স করেছিলেন ছবি আরম্ভের দশ দিন আগে থেকে উনি ফোন ধরা এবং মেসেজের রিপ্লাই ব্যাক করা বন্ধ করে দিলেন। আমরা তার আগে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছি লোকেশন রেইকি করেছি একটার্সদের নিয়ে ওয়ার্কশপ করেছি কিছু কিছু টাকা এডভান্সও দিয়েছিলাম। প্রডিউসার ভদ্রলোক তখন গায়েব। এখন উনি এবং উনার পরিবার আমার কাছে সেই যৎসামান্য এডভান্স যেটা দিয়েছিলেন যা কিনা পুরোটাই খরচ হয়ে যায় তা ফেরত চাইছেন। নিয়ম মতে সেই টাকা দেওয়ার কথা নয় আমাদের সময় পরিশ্রমের কোন মূল্যই দেয়া হয়নি। তাও বলেছি ফাইন্যান্সার পেলে বা প্রোডিউসার পেলে কিছু দেবো। উনি টাকাটা দেখলেন সময়ের পরিশ্রমের মূল্যটা দিলেন না। এর মধ্যে হলো আমার টাকা চোট। আমি দমবো না ছবি তো আমি করবই দরকার হলে নিজের ফিক্স ডিপোজিট ভেঙ্গে করব। সাথে থেকো।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

বৃষ্টি স্নাত সান্ধ্য বর্ধমানে ক্ষণিকের উষ্ণতা মদনের 'ওহ লাভলি'

বঙ্গ রাজনীতির রঙ্গমঞ্চে এক বর্ণময় চরিত্র মদন মিত্র। শিক্ষা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য হয়ে পুলিস নানা বিষয়ে তাঁর মন্তব্য বিভিন্ন সময় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বর্তমান ট্রেন্ড মিলিয়ে বলতে গেলে মদন মানেই ভাইরাল। এহেন প্রবীণ রঙ্গীন মানুষটি এবার সকলকে চমকে দিয়ে রুপালি পর্দায় হাজির। টালিগঞ্জের খ্যাতানামা পরিচালক হরনাথ চক্রবর্তী পরিচালিত ওহ লাভলি ফিল্মে দেখা যাবে এই পোড়খাওয়া রাজনীতিবিদকে। ২৫ অগাস্ট বাংলার বিভিন্ন হল ও মাল্টিপ্লেক্সে মুক্তি পেতে চলেছে হরনাথ চক্রবর্তীর পরিচালিত ওহ লাভলি।এই ছবির মুখ্য ভূমিকায় দেখা যাবে ঋক চট্টোপাধ্যায়কে। ঋক হলেন যমুনা ঢাকির অনুরাধা অর্থাৎ অভিনেত্রী দেবযানী চট্টোপাধ্যায়ের ছেলে। এই ছবির হাত ধরেই ঋক বড়পর্দায় পা রাখছেন। এছাড়াও এই ছবিতে অভিনয় করতে দেখা যাবে খরাজ মুখোপাধ্যায়, লাবণী সরকার, রাজনন্দিনী পাল, দ্রোণ মুখোপাধ্যায়, কৌশিক ভট্টাচার্য, তপতী মুন্সী, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, মৃন্ময় দাস সহ আরও কয়েকজন নবাগতকে। ওহ লাভলির সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন শুভঙ্কর-শুভম জুটি এবং আবহ সঙ্গীত নির্মাণ করেছেন এসপি ভেঙ্কটেশ।সিনেমাটির অন্যতম প্রধান আকর্ষণ বর্ষীয়াণ তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র। সপ্তাহের প্রথম দিন সোমবার ছবির কলাকুশলীদের নিয়ে তিনি বর্ধমান শহরের প্রাণকেন্দ্র কার্জন গেট (বিজয় তোরণ) প্রাঙ্গণে ছবির প্রচারে উপস্থিত হন। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে নিম্নচাপের কারণে সারাদিন-ই ঝিরঝিরে বৃষ্টির চলছে, বৃষ্টি মাথায় নিয়েই সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ কলাকুশলীদের নিয়ে হাজির হন প্রাক্তন মন্ত্রী-বিধায়ক-প্রবীন রাজনিতীক-গায়ক-অধুনা অভিনেতা মদন মিত্র। বঙ্গ রাজনীতির এই অন্যতম জনপ্রিয় নেতা কালো ধুতি-পাঞ্জাবী পরিহিত হয়ে মঞ্চে উঠতেই বৃষ্টি মাথায় নিয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে উপভোগ করলেন তাঁর সান্নিধ্য। বরাবরই তিনি খুবই সাবলীল ও রসিক বক্তা।মদন মিত্র তাঁর ছোট্ট বক্তব্যের প্রথমেই তাঁর রাজনৈতিক জীবনে এই শহরের কিছু সুন্দর মুহুর্তের কথা তুলে ধরেন। সেই সময়কার কিছু উল্লেখযোগ্য সহকর্মীর নামও বিশেষ করে উল্লেখ করেন তৃণমূল কর্মী শিবশঙ্কর ঘোষ, অরূপ দাস (আইনজীবী, কাউন্সিলার) ও খোকন দাসের (বিধায়ক) নাম। তিনি বলেন, আমি তখন তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ধমান জেলার অবজার্ভার ছিলাম, এমন একটা দিন যায়নি যে সেদিন কার্জন গেট চত্তরে কোনও জমায়েত করিনি, সেই বর্ধমান শহরেই তাঁর জীবনের এক নতুন অধ্যায়ের সুচনাতে অভিনেতা মদন মিত্রকে বেশ পুলকিত মনে হল।ওহ লাভলি সিনেমাটি কেমন? সেই প্রশ্নের উত্তরে তৃণমূল কংগ্রেসের কামারহাটির বিধায়ক বলেন, একেবারে নতুন ছেলেমেয়েরা এই সিনেমায় অভিনয় করছে। টালিগঞ্জের নামজাদা চিত্র পরিচালক হরনাথ চক্রবর্তী এই সিনেমাটির নির্দেশক। তিনি আরও বলেন, পৃথিবীর ইতিহাসে অনেক সিনেমা হয়েছে যেমন ব্যোমকেশ, শার্লক হোমস, চোখের বালি, কিন্তু একটি গানের একটি শব্দ দিয়ে সিনেমা পৃথিবীর ইতিহাসে এই প্রথম। ও লাভলি এই সিনেমাতে হাসি, কান্না, গল্প, গান সব রয়েছে।এই ছবি নিয়ে পরিচালক হরনাথ চক্রবর্তী বলেন, এই ছবিটি সপরিবারে দেখার মতো একটা ছবি। প্রথমবার এই ছবিতে মদন মিত্রকে অভিনয় করতে দেখবেন আপনারা। লাবণী সরকার, খরাজ মুখোপাধ্যায়ের মতো জনপ্রিয় অভিনেতাদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে অভিনয় করেছেন মদন মিত্র। পরিচালক বলেন, আমরা সাদা চোখে যে মদন মিত্রকে দেখতে অভস্ত তাঁর যে ব্যক্তিত্ব, সেই আমেজ বজায় রেখেই এই ছবিতে এক নতুন অবতারে দেখা যাবে তাঁকে। অন্যদিকে, এই ছবি দিয়ে বাংলা ছবির জগতে প্রথমবার পা রাখছেন ঋক। অন্যদিকে রাজনন্দিনীকেও এমন গ্ল্যামারাস অবতারে প্রথমবার পাবেন বাঙালি দর্শক। আশা করি দর্শকের এই ছবি ভাল লাগবে। আগামী ২৫ শে অগাস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলেছে এই ছবি।

আগস্ট ০৮, ২০২৩
রাজ্য

পূর্ব বর্ধমানে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী যুগল

প্রেমের এমন নিষ্ঠুর পরিণতির জেরে স্তম্ভিত গোটা এলাকার মানুষজন। এই ঘটনায় এলাকায় নেমেছে শোকের ছায়া। বছর ১৫ পূর্ণিমা ক্ষেত্রপালের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল গ্রামের ১৬ বছরের দেবা বাউড়ির। ১৭ দিন আগে গত ৩ আগস্ট বুদবুদ থানার ভরতপুর গ্রামে বিয়ে হয় পুর্ণিমার। তবুও দুজন, কেউ কাউকে মন থেকে মুছতে পারেনি। শেষমেশ আত্মহত্যার পথ বেছে নিল দুজন।শ্বশুর বাড়ি থেকে বাপের বাড়ি আসার পরই এমন ঘটনা ঘটায় পূর্ণিমা। এলাকার রামগোপাল পুর স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্রী ছিল পূর্ণিমা। শনিবার সকাল দশটার সময় দুজনের দেহ উদ্ধার করে স্থানীয় পুরসা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র নিয়ে যায় পুলিশ। সেখানেই দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।ময়নাতদন্তের জন্য দেহ নিয়ে যাওয়া হয় বর্ধমান মেডিকেল কলেজের পুলিশ মর্গে।

আগস্ট ২০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

We for Love: বঙ্গাস-র ভাতৃদ্বয়ের নতুন ইপি" 'উই ফর লাভ'

কিংবদন্তী সরোদ শিল্পী ওস্তাদ আমজাদ আলি খান ও প্রথিতযশা নৃত্যশিল্পী শুভলক্ষ্মী বড়ুয়া খানের পুত্র-দ্বয় আমান আলি বঙ্গাস এবং আয়ান আলি বঙ্গাস তাঁদের তৃতীয় অ্যালবাম (ইপি) প্রকাশ করতে চলেছেন। অ্যালবামটির (ইপি) নামকরণ করেছেন উই ফর লাভ (We For Love)। বিশেষ ভাবে উল্লেখ্য, উই ফর লাভ কৈলাশ সত্যার্থী চিলড্রেনস ফাউন্ডেশন (KSCF)-র একটি প্রোজেক্ট জাস্টিস ফর এভরি চাইল্ড (Justice For Every Child) ক্যাম্পেইনের ক্যাচ লাইন। যার মূল লক্ষ্য হল প্রত্যেক শিশুর জন্য ন্যায়বিচার পাই তার জন্য সচেতনতা বাড়ানো। দুই ভাই ছাড়াও এই অ্যালবাম-এ (EP)-তে উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি শুভা মুদগল, করণ জোহর, কার্শ কালে, মালিনী অবস্থি, মহেশ কালের মতো বিখ্যাত ব্যক্তিত্বরা এবং অবশ্যই আমজাদ আলি খান।ইপি সম্পর্কে বলতে গিয়ে আমান আলি বঙ্গাস বলেন, সাউন্ডস্কেপ এবং সংবেদনশীলতার পরিপ্রেক্ষিতে উই ফর লাভ-এর সমাজের বিভিন্ন স্তরের বৈচিত্র্যময় শিল্পীদের নিয়ে সংগঠিত হয়েছে। এখানে ইলেকট্রনিক ইন্সট্রুমেন্ট থেকে ইন্ডিয়ান ক্লাসিক্যাল, ঠুমরি থেকে ভজন সবকিছুই এত আসাধরণ ভাবে নির্বিঘ্নে মিশে রয়েছে, যেন এক ঐশ্বরিক অনুভুতি। তিনি আরও বলেন, প্রকল্পের প্রতিটি শিল্পীকে এই প্রোজেক্টে আন্তরিকভাবে অংশগ্রহণ করার জন্য এবং এই ইপি (EP)-কে এখনও পর্যন্ত আমাদের সবচেয়ে স্মরণীয় প্রোজেক্টের মধ্যে অন্যতম করে তোলার জন্য আমরা সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই। আসলে, এটাই আমাদের প্রথম উপস্থাপনা যেখানে এতজন গুনী শিল্পী একটি মহৎ উদ্দেশ্যে একত্রিত হচ্ছেন।আমান আলি বঙ্গাস-র ভাই আয়ান আলি বঙ্গাস তার দাদা-র কথা টেনেই বললেন, সংগীত একটি শক্তিশালী মাধ্যম যা মানবজাতিকে একত্রীকরণ করে। উই ফর লাভ প্রকৃতপক্ষে শিল্পী এবং সহনাগরিক হিসাবে আমাদের জন্য একটি দারুন জার্নি। এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য, এক অন্তহীন পথ তৈরি করা যা ইতিবাচক প্রভাব তৈরি করবে এবং কর্ম-অনুপ্রেরণা আনবে। আজকের দিনে সামাজ সচেতন সঙ্গীতের আবেদন ব্যাপক এবং আমরা বারবার এই বিপ্লবে অবদান রাখতে পেরে ভীষণ ভাবে আনন্দিত। উই ফর লাভ মুক্তি পাবে ২১ জানুয়ারি ২০২২।

জানুয়ারি ১১, ২০২২
রাজ্য

College Student: প্রেমের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ায় কলেজ ছাত্রীকে মারধর ও শ্লীলতাহানি

প্রেমের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ায় কলেজ ছাত্রীকে মারধর ও তাঁর শ্লীলতাহানির অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে মেমারি থানার পুলিস। ধৃতের নাম রোহন বাগ। মেমারি থানার পূর্ব গন্তারে তার বাড়ি। বুধবার ভোরে বাড়ি থেকে পুলিস তাকে গ্রেপ্তার করে। এদিনই ধৃতকে বর্ধমান সিজেএম আদালতে পেশ করা হয়। ধৃতকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নিের্দশ দেন সিজেএম।পুলিস জানিয়েছে, মেমারি থানারই কবিরপুরে ওই ছাত্রীর বাড়ি। তিনি মেমারি কলেজের বিএ প্রথমবের্ষর ছাত্রী। সোমবার বিকেলে তিনি মেমারি থেকে টিউশন পড়ে সাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন। পূর্ব গন্তারে একটি ক্লাবের কাছে রোহন তাঁর পথ আটকায়। তাঁকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। তাতে রাজি না হওয়ায় ছাত্রীকে সে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। ওই ছাত্রী পাশ কাটিয়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাঁকে মারধর করা হয়। এমনকি তাঁর শ্লীলতাহানিও করা হয় বলে অভিযোগ। ছাত্রী প্রতিবাদ করলে তাঁকে গালিগালাজ করা হয়। প্রস্তাবে রাজি না হলে তাঁকে খুন করা হবে বলে ছাত্রীকে হুমকি দেয় রোহন। ছাত্রীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এলে অভিযুক্ত পালিয়ে যায়। রাতেই ঘটনার কথা জানিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই ছাত্রী। এ ধরনের আচরণে তিনি নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন বলে অভিযোগে জানিয়েছেন ওই ছাত্রী।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
রাজ্য

Murder: প্রেমিক যুবককে খুনের অভিযোগ ঘিরে হুলুস্থূল শক্তিগড়ে, ধৃত প্রেমিকার বাবা

প্রেমিক যুবককে খুনের অভিযোগ উঠলো প্রেমিকা ও তাঁর বাবার বিরুদ্ধে। এই বিষয়ে পুলিশ অভিযোগ নিতে অস্বীকার করেছে। এমন অভিযোগ ঘিরে শনিবার দুপুরে ব্যাপক ক্ষোভ-বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে পূর্ব বর্ধমানের শক্তিগড়ে। মৃত যুবকের পরিবার পরিজনসহ এলাকার বহু মানুষ এদিন অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে প্রথমে শক্তিগড় থানার সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখান। পরে তাঁরা শক্তিগড় বাজারের সামনের রাস্তায় জড়ো হয়ে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন।বিক্ষোভ সামাল দিতে র্যাফ সহ বিরাট পুলিশ বাহিনী এলাকায় মোতায়েন করা হয়। শেষ পর্যন্থ এলাকাবাসীর চাপে পুলিশ যুবকের পরিবারের কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ গ্রহন করলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর ১৭ বয়সী যুবক শেখ রফিকের বাড়ি শক্তিগড় থানার সন্তোষপুরে। যুবকের মা আমিরা বিবির অভিযোগ,গত বৃহস্পতিবার থেকে হঠাৎই নিঁখোজ হয়ে যায় তাঁর ছেলে রফিক। তার পর থেকে যুবকের আর কোন হদিশ পাওয়া যাচ্ছিল না।পরিবারের সদস্য ও এলাকার লোকজন বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ চালিয়েও যুবকের হদিশ পায়নি।পরিবারের সদস্যরা এদিন দাবি করেন, শুক্রবার সন্ধ্যায় রফিকের প্রেমিকা নিজেই রফিকদের বাড়িতে ফোন করে রফিকের খোঁজ নেয়। এরপরেই জিআরপি থেকে যুবকের বাড়িতে খবর আসে শক্তিগড় রেল স্টেশন সংলগ্ন ১ নম্বর কেবিনের পাশে পড়ে রয়েছে রফিকের মৃতদেহ। শেখ রফিকের মায়ের আরও অভিযোগ, এর আগেও বেশ কয়েকবার তাঁর ছেলে রফিককে খুনের হুমকি দিয়েছিল পার্শ্ববর্তী গ্রাম মোল্লা পাড়া নিবাসী প্রেমিকার বাবা সেখ আমির। আমিরা বিবি এদিন দাবি করেন, তাঁর ছেলে রফিককে খুন করেছে প্রেমিকা ও তাঁর বাবা। যুবকের পরিবারের সদস্যরা এদিন বলেন, রফিকের মৃতদেহ উদ্ধারের পর তাঁরা শক্তিগড় থানায় অভিযোগ জানাতে যান। কিন্তু পুলিশ অভিযোগ নিতে অস্বিকার করে। শুধু অভিযোগ নিতে অস্বীকার করাই নয়, উল্টে প্রেমিকার বাড়ির চারিদিকে পুলিশ ব্যারিকেড করে ঘিরে রাখে। মৃত যুবকের পরিবারের সদস্যরা এদিন আরও জানান, প্রেমিকার বাবা শেখ আমির বড় বালি ব্যবসায়ী হওয়ায় তাঁর সঙ্গে শক্তিগড় থানার পুলিশের ঘনিষ্টতা বেশী। সেই কারণে রফিকের পরিবার প্রেমিকা ও তাঁর বালি কারবারী বাবার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে পুলিশ অভিযোগ না নিয়ে ফিরিয়ে দেয়। রফিককে খুনের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে শক্তিগড় থানার পুলিশ যাতে অভিযোগপত্র জমা নিয়ে অভিযুক্তদের শাস্তির ব্যবস্থা করে সেই দাবিতেই এদিন এলাকার সকলে পথে নামতে বাধ্য হয়েছেন বলে এলাকাবাসীরা বলেন। ডিএসপি (হেডকোয়ার্টার) অতনু ঘোষাল বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রেমিকার বাবাকে আটক করে জিজ্ঞাসাদ শুরু হয়েছে। শক্তিগড় থানার পুলিশ অভিযোগ না নিয়ে ফিরিয়ে দিয়েছে এই অভিযোগ যদিও ডিএসপি মানতে চাননি।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Didi no 1 : প্রথমবার সস্ত্রীক মদন মিত্র, জমিয়ে দিলেন দিদি নাম্বার

রচনা ব্যানার্জি কেন দিদি নং ১ সেটা আরও একবার প্রমাণিত হল। দিদির সৌজন্যেই প্রথমবার দেখা গেল সস্ত্রীক মদন মিত্রকে। মদন মিত্রকে এতদিন যেখানেই দেখা গেছে না কেন সব লাভলি মহিলাদেরকেই দেখা গেছে। কিন্তু এবার দিদি নং ওয়ানে সস্ত্রীক মদন মিত্র। ফেসবুক লাইভে এসে এই কথা স্বীকারও করেছেন তিনি। জানিয়েছেন, রচনার সৌজন্যে তিনি এবং তাঁর স্ত্রী অর্চনা মিত্র এক মঞ্চে, এক অনুষ্ঠানে। সে দিক থেকেও ইতিহাস গড়ল রিয়্যালিটি শো-এর মঞ্চ। একই সঙ্গে মিষ্টি অনুযোগ, অপেক্ষায় ছিলাম, কবে রচনার শো-তে ডাক পাব! অভিমানও হত, রাজনীতি করি বলেই কি আমাদের ডাকেন না রচনা? আজ আর আমার কোনও অভিমান নেই!দিদি নং ওয়ানে রচনা ব্যানার্জি মদন মিত্রর স্ত্রীকে প্রশ্ন করেন দাদার চারপাশে এত সুন্দরীদের ভিড়। আপনি কখনও থাকেন না। ভয় হয় না? উত্তরে অর্চনা বলেন, ঘুড়ি যতই উড়ুক, লাটাই তো আমার হাতে! সঙ্গে সঙ্গে কামারহাটির বিধায়কের সেই বিখ্যাত সংলাপ, ওহ! লাভলি...।তবে শুধু মদন মিত্র নন। উপস্থিত ছিলেন বাবুল সুপ্রিয়, রাঘব চ্যাটার্জি, শিবাজী চট্টোপাধ্যায়ের মতো গুণী মানুষও। সকলকে নিয়ে বেশ মজা করতেই দেখা যায় দিদি নাম্বার ওয়ান কে।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Birushka: হাসিমুখে ছবি পোস্ট অনুষ্কার, ভালোবাসায় ভরালেন বিরাট

দীর্ঘ ক্রিকেট খেলে ক্লান্ত ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলি। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টে টিমের সঙ্গে যোগ দেবেন তিনি। ফলে এই সময়টা তিনি কাটাচ্ছেন পরিবারের সঙ্গে। স্ত্রী অনুষ্কা শর্মা ও কন্যা ভামিকার সঙ্গে ছুটিটা ভালোই উপভোগ করছেন বিরাট। এর মধ্যেই অনুষ্কা শুক্রবার সকাল সকাল রোদে ভেজ ছবি পোস্ট করলেন। পোস্টের কমেন্ট বক্সে তিনটে হার্ট দিয়েছেন বিরাট। নিমেষেই ভাইরাল হয়ে যায় অনুষ্কার এই ছবি। এখনও পর্যন্ত ১৪ লক্ষ ৮ হাজারের বেশি মানুষ ছবিতে লাইক করেছেন। কমেন্ট ও এসেছে প্রচুর। তবে সব কমেন্টের মধ্যে নেটিজেনদের মন কেড়ে নিয়ে বিরাট কোহলির কমেন্ট করা তিনটি হার্ট। বিরাট যে তার স্ত্রী অর্থাৎ ভামিকার মা কে কতটা ভালোবাসেন সেটা আগের মতো আরও একবার সবার সামনে এল। বিরাট ছাড়াও ছবিতে কমেন্ট করেছেন দিয়া মির্জা, সোনালি বেন্দ্রে সহ আরও অনেক বলিউড তারকা। সকলেই ছবির কমেন্ট বক্সে ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন।

নভেম্বর ২৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Love Story : একটু অন্যধারার ভালোবাসার গল্প বলবেন পরিচালক প্রীতম

পূর্ণদৈর্ঘ্যর ছবি লেট দেয়ার বি লাভ এর সাংবাদিক সম্মেলন হয়ে গেল কলকাতার প্রেস ক্লাবে। এই ছবির কাহিনী, চিত্রনাট্য, সংলাপ দেবারতি ভৌমিকের। নির্দেশনা করেছেন প্রীতম মুখার্জী। এই ছবিতে নীলাদ্রি দত্তের চরিত্রে রয়েছেন অনুভব কাঞ্জিলাল যিনি পেশায় স্বর্ণ ব্যবসায়ী। সোনালি দত্তর চরিত্রে হৈমন্তী গাঙ্গুলী যিনি নীলাদ্রির স্ত্রীর ভূমিকায় রয়েছেন। মিতালী দত্ত অর্থাৎ নীলাদ্রির মা হয়েছেন পারমিতা মুখার্জী। অনিমেষ রায় যিনি একজন চিকিৎসক তার চরিত্রে দেখা যাবে অরিন্দম আচার্যকে। অজিতের চরিত্রে জিত ভট্টাচাৰ্য। তিনি পেশায় উকিল এবং নীলাদ্রির বাল্য বন্ধু। নয়নার চরিত্রে পৌলোমী পাঁজ। তিনি সোনালীর বাল্য বন্ধু। পরিচালক জনতার কথা কে জানিয়েছেন পূর্ণদৈর্ঘ্যর ছবি এটা তার প্রথম। এর আগে একটি শর্ট ফিল্ম নির্মাণ করেছেন এবং একটি OTT প্ল্যাটফর্মের জন্য একটি ওয়েবসিরিজ করেছেন। লেট দেয়ার বি লাভ এক মিষ্টি প্রেমের গল্পের এক বেদনার সমাপ্তির গল্প। নীলাদ্রি আর সোনালির ভালবাসায় কানায় কানায় ভর্তি এক সংসার। নীলাদ্রির মা বাবা আর ওরা দুজনে মিলে খুব সুখে ছিল, এমনকি ওঁদের পরিবারে নতুন সদস্য আসার খবরও আনন্দে মাতিয়ে দেবে গোটা দত্ত পরিবারকে। কিন্তু সুখ বেশিদিন সইল না নীলাদ্রির কপালে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয় সোনালি, জীবনের চরম পরিহাস তাকে মানসিকভাবে এমন এক অবস্থায় নিয়ে যায় যে সোনালির মুক্তি চায় নীলাদ্রি। Euthanasia করতে চায় ও। স্বেছা মৃত্যু যা মার্চ ২০১৮ থেকে ভারতে আইন সিদ্ধ কিন্তু কি চরম অবস্থার মধ্যে পড়লে নিজের আপনজন এটা চাইতে পারে সেটাই এই ছবির মাধ্যমে দর্শকের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। ছবি ঃ প্রকাশ পাইন

অক্টোবর ৩০, ২০২১
রাজ্য

Death of Pigeon: পায়রার মৃত্যু নিয়ে প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের পক্ষী প্রেমীর

বাড়ির ছাদে পায়রা ও ঘুঘু পাখির ঘোরা ফেরা মেনে নিতে পারেননি এক বাড়ি মালিক। তাই ছাদের গাছ-পালার টবে বিষাক্ত কিছু দিয়ে রেখে নিরীহ পাখিদের প্রাণে মেরে দেওয়ার অভিযোগ উঠলো ওই বাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে। এই ঘটনা নিয়ে বুধবার ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় শহর বর্ধমানের নীলপুর কমলাদিঘী পাড় এলাকায়। পাখিদের মৃত্যুর জন্য এলাকার বাসিন্দা নিরুপ কুমার দাসের বিরুদ্ধে বর্ধমান থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন প্রতিবেশী সান্তুনু দাস। পাখিদের প্রাণে মেরে দেওয়ার ঘটনার প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছে বর্ধমানের একাধিক পশু পক্ষী প্রেমী সংগঠন।আরও পড়ুনঃ রাত পোহালেই ভোট, মোতায়েন আরও ২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীনীলপুর কমলাদিঘী পাড় এলাকার বাসিন্দা শান্তনু দাস জানিয়েছেন, বহুদিন হল তিনি তাঁর বাড়ির ছাদে পাখিদের বসবাস করার ব্যবস্থা করে রেখেছেন। তাঁর মধ্যে তাঁর পোষা কয়েকটি পায়রাও রয়েছে। কিছু ঘুঘু পাখিও ওই বাসায় এসে থাকা শুরু করে। প্রতিদিন সকালে তিনি ওইসব পাখিগুলি ছেড়ে দেন। পাখিরা নিজেদের খুশি মতো উড়ে বেড়ায়। শান্তনুবাবু জানান, পাখিগুলি তাঁর বাড়ির ছাদে এবং তাঁর প্রতিবেশীদের বাড়ির ছাদে উড়ে গিয়ে বসতে। সেখানে খেলাও করতো। অন্যরা তা নিয়ে ক্ষুব্ধ না হলেও আপত্তি ছিল তাঁর আত্মীয় তথা প্রতিবেশী নিরূপ কুমার দাসের। তিনি তাঁর বাড়ির ছাদে পাখিদের আনাগোনা মেনে নিতে পারেননি। নিরূপ বাবু অভিযোগ তোলেন পাখিরা তাঁর বাড়ির ছাদ নোংরা করে। শান্তনুবাবু জানান, গত রবিবার তিনি বাড়িতে ছিলেন না। পুলিশের পরীক্ষা দিতে বাইরে গিয়েছিলেন। ওইদিন তাঁর মা এবং পরিবারের সদস্যরা লক্ষ্য করেন পায়রাগুলো ভীষণভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। পরে বাড়ি ফিরে শান্তনু বাবু ৬টি পায়ারকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন। বাকি পায়রাগুলির কোন খোঁজ তিনি পাননি। শান্তনুবাবুর অভিযোগে, বাড়ির ছাদে থাকা গাছের টবে নিশ্চয় বিষ দিয়ে রেখেছিলেন তাঁর প্রতিবেশী নিরুপ রায়। তার কারণেই পায়রাগুলি মারা গিয়েছে। ঘটনার বিহিত চেয়ে ও প্রতিবেশীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করে শান্তনুবাবু বর্ধমান থানার অভিযোগ জানিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ কাটোয়ায় কর্মীসভা থেকে দলের জেলা সভাপতিকে হুমকি অনুব্রত ঘনিষ্ট তৃণমূল নেতারবর্ধমান থানার আইসি সুখময় চক্রবর্তী জানিয়েছেন, অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তার ভিত্তিতে তদন্ত হচ্ছে। মৃত পায়রাগুলি উদ্ধার করে পশু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

প্রেমিকার স্বামীকে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ প্রেমিকের বিরুদ্ধে

প্রেমের সম্পর্কে পথের কাঁটা হয়ে উঠেছিল প্রেমিকার স্বামী। তাই পরিকল্পনা করে প্রেমিকার স্বামীকে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠলো প্রেমিকের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি বুধবার রাাতে ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কালনা থানার উত্তর রামেশ্বরপুর এলাকায়। মৃত ব্যক্তির নাম মুরসেদ শেখ (২৮)। তাঁর বাড়ি কালনার বেগপুর পঞ্চায়েতের পাথরডাঙা গ্রামে। মুরসেদের স্ত্রীর প্রেমিক মানিক মণ্ডল পরিকল্পনা করে মুরসেদকে কুপিয়ে খুন করার পর নিজে আক্রান্ত হওয়ার ভান করে বলে অভিযোগ করেছেন নিহতের পরিজনরা। কালনা থানার পুলিশ মুরসেদের মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। নিহত মুরসেদ শেখের দাদা জাকির আলি শেখ জানিয়েছেন, তাঁর ভ্রাতৃবধূর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল স্থানীয় মানিক মণ্ডলের। ওদের ওই প্রেমের সম্পর্কে পথে কাঁটা হয়ে উঠেছিল মুরসেদ। সেই পথের কাঁটা সরাতে মানিক পরিকল্পনা আঁটে। পরিকল্পনা মাফিক বুধবার সন্ধ্যার পরেই মানিক সহজপুর বাজারে থাকা তাঁর দোকান বন্ধ করে দেয়। এরপর মানিক তাঁর বাইকে মুরসেদকে চাপিয়ে নিয়ে উত্তর রামেশ্বরপুর এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানেই মানিক ধারালো অস্ত্র দিয়ে মুরসেদকে কোপানোর পর তাঁর মুখ কাদায় গুঁজে দেয়। তারপর নিজেকে নির্দেষ সাজাতে মানিক একই জায়গায় আক্রান্ত হওয়ার ভান করে পড়ে থাকে। রামেশ্বরপুর এলাকার লোকজন তাঁদের রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে কাছে যান। মানিক তাঁদের মিথ্যা করে বলে, দুস্কৃতীরা তাঁদের দুজনের উপরে হামলা চালিয়ে পালিয়েছে। এমনটা শুনেই এলাকার লোকজন কালনা থানায় খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে দুজনকে উদ্ধার করে কালনা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মুরসেদকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মানিক মণ্ডল এখন আক্রান্ত হবার অভিনয় করে কালনা মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জাকির আলি দাবি করেছেন। যদিও মানিক মণ্ডল এদিনও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছে। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গ্রামীন) ধ্রুব দাস বলেন, মাঠের মধ্যে পড়ে থাকা দুজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসক তাঁদের মধ্যে একজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। অন্যজন চিকিৎসাধীন রয়েছে। মৃতর পরিবার খুনের অভিযোগ দায়ের করেছে। তার ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

L‌ovelina Boxing Gloves : লভলিনার বক্সিংয়ের দর কত উঠল জানেন?‌ শুনলে আঁতকে উঠবেন

এক জোড়া বক্সিং গ্লাভসের দাম ১০ কোটি! দুটি জ্যাভেলিনের দাম ১০ কোটি টাকা! সত্যিই চোখ কপালে ওঠার মতো অবস্থা। এই বক্সিং আর জ্যাভেলিন তো আর যে সে অ্যাথলিটের নয়। অলিম্পিকে পদকজয়ী দুই কৃতীর। স্মারক হিসেবে অনেকেই ঘরে রাখতে আগ্রহী। সুতরাং নিলামে দাম যে আকাশ ছোঁয়া হবে, এটাই স্বাভাবিক। আর এই সামগ্রী নিলাম করে সংগৃহীত অর্থ মহৎ কাজে লাগানো হবে। টোকিও অলিম্পিকে জ্যাভলিনে সোনা জিতেছিলেন নীরজ চোপড়া। প্যারালিম্পিকে জ্যাভলিনে সোনা জেতেন সুমিত। তাঁরা দুজনেই নরেন্দ্র মোদীকে জ্যাভলিন উপহার দিয়েছিলেন। এই জ্যাভলিন দুটির দর উঠেছে ১০ কোটি টাকা। এগুলির বেস প্রাইস ছিল ১ কোটি টাকা। লাভলিনা বরগোঁহাই অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন। তিনি যে বক্সিং গ্লাভস অলিম্পিকে পরেছিলেন তা প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দেন। সেই বক্সিং গ্লাভসের বেস প্রাইস ছিল ৮০ লক্ষ টাকা। এর দরও দ্বিতীয় দিনে পৌঁছে গিয়েছে ১০ কোটি টাকায়।গঙ্গা মিশনের জন্য তহবিল গড়ার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বেশ কিছু উপহার ও স্মারক নিলামে তোলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে এই ই-অকশন। চলবে ৭ অক্টোবর অবধি। ইনিলামের ব্যবস্থা করা হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রকের তরফে। তাতেই আকাশছোঁয়া দর উঠেছে টোকিও অলিম্পিক ও প্যারালিম্পিকে পদকজয়ীদের তরফে প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া উপহারের। অলিম্পিয়ান নীরজ চোপড়া, লাভলিনা বরগোঁহাই ও প্যারালিম্পিয়ান সুমিত আন্টিলের মোদীকে দেওয়া উপহারের দর দ্বিতীয় দিনে পৌঁছে গিয়েছে ১০ কোটিতে। টোকিও অলিম্পিকে ব্রোঞ্জজয়ী ভারতের পুরুষ হকি দলের তরফে প্রধানমন্ত্রীকে যে হকি স্টিক উপহার দেওয়া হয়েছিল সেটির দর উঠেছে ৯ কোটি। শাটলার পিভি সিন্ধুর তরফে উপহার হিসেবে দেওয়া র্যাকেটেরও দাম উঠেছে ৯ কোটি। টোকিও অলিম্পিকে যাওয়ার আগে অলিম্পিয়ান ও প্যারালিম্পিয়ানদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের উৎসাহিত করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। টোকিও অলিম্পিকে পদকজয়ীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল লালকেল্লায় স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের অনুষ্ঠানে। এরপর অলিম্পিয়ানদের প্রাতরাশে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ব্যস্ত সময়ের মধ্যেও অলিম্পিয়ানদের সঙ্গে সাক্ষাত করে হাল্কা মেজাজে বেশ কিছুক্ষণ সময় কাটান। সম্পূর্ণ আলাদা মেজাজে দেখা গিয়েছিল প্রধানমন্ত্রীকে। সে সময় অলিম্পিয়ানরা তাঁকে বিভিন্ন উপহার দেন। তখনই প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন এগুলি আমি নিলামে তুলব। পরে প্যারালিম্পিয়ানদের সঙ্গেও তিনি সাক্ষাত করেন এবং পদকজয়ীরা বিভিন্ন উপহার দেন মোদীকে। সেই সবই নিলামে তোলা হয়েছে নমামি গঙ্গে মিশনের তহবিল গড়ার উদ্দেশ্যে।উপহার ও স্মারক মিলিয়ে ১৩৩০টি সামগ্রী রাখা হয়েছে ইনিলামে। এর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন বিল্ডিংয়ের রেপ্লিকা, শাল ও স্টোল এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর প্রাপ্ত বিভিন্ন উপহার ও স্মারক। রয়েছে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের তরফে মোদীকে দেওয়া অযোধ্যার রাম মন্দিরের রেপ্লিকা, উত্তরাখণ্ডের পর্যটনমন্ত্রী সৎপাল মহারাজের দেওয়া চারধাম মন্দিরের রেপ্লিকা ইত্যাদি। ২০১৯ সালে শেষবার এমন ইনিলামের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এই নিয়ে তৃতীয়বার হচ্ছে এমন নিলাম।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
নিবন্ধ

End of Game: খেলা শেষ

এমনি বরষা ছিল সেদিন----গুনগুন করে গান গাইতে গাইতে ধারা স্নান করছে তৃণা। যেন নিজেকে ধুয়ে নিতে চাইছে।পাশের ঘরে অভি মানে অভিজ্ঞান শিকদার বিখ্যাত একটা cosmetic কোম্পানির একজন কর্তা ব্যক্তি , ঘুমোচ্ছে ; হয়তো চিরনিদ্রা।তৃণা ভাবছে কি হবে ? সে কি খুশি হলো?তবে একটা ব্যাপার সে আর কাউকে তারমতো বঞ্চিত হতে দেবে না।সে আজ অভিকে নিয়ে এসেছিল পুরনো দিনটা মনে করাবে এই বলে।একবছর আগে এখানেই এরকম দিনেই অভি শুরু করেছিল এই শরীরের খেলা। তৃণা তখন স্বপ্ন দেখছে সুপার মডেল হবার।সেই স্বপ্নকে সাকার করবে অভি এটাই ছিলো কথা। সেই থেকে বহুবার এখানে এসেছে ওরা।কিন্তু শেষ দুমাস কিছু একটা হচ্ছে ওর আড়ালে সেটা বুঝতে পারছিল তৃণা। গতসপ্তাহে পুরো ঘটনাটা পরিষ্কার হলো যখন তার জায়গায় নতুন একটা মুখ বিশেষ বিজ্ঞাপন টায় দেখ্তে পেল।শোনা কথা গুলো সত্যি সেটা বুঝল তৃণা।তারপর আজ এই দুর গ্রামে তাদের বেড়াতে আসা।এই গ্রামে বর্ষায় সাপের উত্পাত খুব।অভিকে আবার সাপে কামড়ায়নি তো??সবই সম্ভব এই গ্রামে, এই বর্ষায়।লেখিকাঃ রাখি রায়

আগস্ট ২২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Lovelina : ‌‌অসুস্থ মায়ের কাছে যেতে পারলেন না লাভলিনা বরগোঁহাই

টোকিও অলিম্পিক থেকে দেশে ফিরেছেন। নিজের রাজ্য আসামে পৌঁছেও অসুস্থ মায়ের কাছে যেতে পারলেন না অলিম্পিকে ব্রোঞ্জজয়ী বক্সার লাভলিনা বরগোঁহাই। গুয়াহাটিতে সংবর্ধনার জোয়ারে ভেসে গেলেন।মেরি কমের পর দ্বিতীয় ভারতীয় মহিলা বক্সার হিসেবে অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতেছেন লাভলিনা। টোকিও থেকে বেশ কয়েকদিন আগেই দেশে ফিরেছেন। বৃহস্পতিবার প্রথম নিজের রাজ্য অসমে পা রাখলেন। এদিন সকালে গুয়াহাটি বিমানবন্দরে পৌঁছন অলিম্পিকে ব্রোঞ্জজয়ী বক্সার লাভলিনা বরগোঁহাই। তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতে হাজির ছিলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। অসমের রীতি মেনে গামছা, জাপি ও ফুলের তোড়া দিয়ে অলিম্পিকে ৬৯ কেজি বিভাগে ব্রোঞ্জজয়ী লাভলিনাকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানানো হয় । বিমানবন্দরে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে লাভলিনাকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী বিমল বোরা। বিমানবন্দর থেকে লাভলিনাকে নিয়ে যাওয়া হয় শহরেরই একটি হোটেলে। তাঁকে স্বাগত জানাতে রাস্তা বড় বড় কাটআউট দিয়ে সাজানো ছিল।আরও পড়ুনঃ ৩১ অগস্ট পর্যন্ত চলবে না লোকাল ট্রেনলাভলিনাকে এদিন অসম সরকারের পক্ষ থেকে নাগরিক সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সংবর্ধনা প্রদানের অনুষ্ঠানটি হয় শ্রীমন্ত শঙ্করদেব কলাক্ষেত্রে। লাভলিনার হাতে ১ কোটি টাকার চেক তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। এছাড়া প্যারিস অলিম্পিক অবধি প্রতি মাসে লাভলিনাকে ১ লক্ষ টাকা করে স্কলারশিপ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে অসম সরকার। তাঁকে অসম পুলিশের ডিএসপি পদেও নিযুক্ত করা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ কেন্দ্রীয় সরকারের বিশেষ মেডেল পাচ্ছেন বঙ্গের ৪ পুলিশ অফিসারএদিনের অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন লাভলিনার পিতা টিকেন বরগোঁহাই। ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে লাভলিনার গ্রামের কাছেই সরুপাথরে একটি স্পোর্টস কমপ্লেক্স গড়ার কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণের পর তাঁদের প্রশিক্ষণের সুযোগ করে দিতেই এই উদ্যোগ। এর পাশাপাশি গুয়াহাটির একটি রাস্তার নামও লাভলিনার নামাঙ্কিত হবে বলে জানিয়েছেন মু্খ্যমন্ত্রী। সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী বিমল বোরা, বিধায়করা এবং প্রাক্তন অ্যাথলিট ও কোচ অর্জুন ভোগেশ্বর বড়ুয়া প্রমুখ।আরও পড়ুনঃ স্পাকিস্তান ক্রিকেটে আবার ডামাডোল, বোর্ডের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ বাবর আজমদেরনিজের রাজ্যে ফিরলেও এদিন বাড়িতে অসুস্থ মায়ের কাছে যাওয়া হল না লাভলিনার। রাজ্যপাল জগদীশ মুখীর সঙ্গে দেখা করে দিল্লি ফিরবেন। লালকেল্লায় স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে টোকিও অলিম্পিকের পদকজয়ীদের সঙ্গে মিলিত হবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই অনুষ্ঠানে হাজির থাকার জন্য লাভলিনাকে ফের দিল্লিতে যেতে হবে। কিডনি প্রতিস্থাপনের পর মা এখন আরোগ্য লাভের পথে। মায়ের অপারেশনের সময় জাতীয় শিবিরে থাকার জন্য পাশে থাকতে পারেননি লাভলিনা। দিল্লিতে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানের পর লাভলিনা বাড়িতে এসে থাকবেন।

আগস্ট ১২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Srabanti : শ্রাবন্তীর চতুর্থ প্রেমে ভাঙন

শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে চর্চার শেষ নেই। ব্যক্তিগত জীবন, তার বিয়ে সবকিছু নিয়েই নেটিজেনদের কৌতূহলের শেষ। তার তৃতীয় বিয়েটা নিয়েও অনেকের মনে অনেক প্রশ্ন।আরও পড়ুনঃ পরীমণির সঙ্গে একজন পুলিশকর্তার প্রেম !তবে এবার নাকি আবার শোনা যাচ্ছে, নায়িকার চতুর্থ প্রেমেও নাকি ভাঙন ধরেছে। বেশ কিছুদিন ধরেই ব্যবসায়ী অভিরূপ নাগ চৌধুরীর সঙ্গে অভিনেত্রীর প্রেমের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। সূত্রের খবর মানলে, ইনস্টাগ্রামে অভিরূপকে আনফলো করেছেন শ্রাবন্তী। তাতেই প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি আবারও মন ভাঙল টলিপাড়ার অভিনেত্রীর? না কি অন্য কোনও ঘটনা।আরও পড়ুনঃ রাজ কুন্দ্রার পর্নোগ্রাফি নিয়ে মুখ খুললেন শার্লিন চোপড়াঅল্প বয়সেই পরিচালক রাজীব বিশ্বাসকে বিয়ে করেছিলেন শ্রাবন্তী। দুজনের ছেলের নাম অভিমন্যু। ডাক নাম ঝিনুক। রাজীবের সঙ্গে ডিভোর্স হওয়ার পর মডেল কৃষাণ ব্রজকে বিয়ে করেছিলেন শ্রাবন্তী। বেশিদিন সে বিয়ে টেকেনি। এরপরই রোশন সিংয়ের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন টলিউড অভিনেত্রী। গত বছর থেকে রোশন ও তিনি আলাদা থাকছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় একে অন্যকে আনফলো করেছেন। কটাক্ষ, পালটা কটাক্ষের পালাও চলেছে বেশি কিছুদিন। তবে কিছুদিন আগে আবার শ্রাবন্তীর সঙ্গে সংসার করতে চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন রোশন। এক সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাত্কার দিতে গিয়ে জানিয়েছেন, শ্রাবন্তীর জন্য তিনি অপেক্ষা করবেন।

আগস্ট ০৮, ২০২১
নিবন্ধ

এই শ্রাবণে...তোমার জন্যে

তোমাকে কখনও কোনও নামে ডাকিনি আমি। সম্বোধন একটা ছিল। সেটা তোমার উপাধি, নাম নয়। মনে মনে তোমাকে নাম দিয়েছিলাম মেঘ শ্রাবনের আগন্তুককে মেঘ ছাড়া কি নাম দেওয়া যায় বলো! কি অদ্ভুত ভাবে তুমি এসেছিলে এক বার্তা নিয়ে আমার জীবনে। কেঁপে উঠেছিলাম ভয়ে। ওই একবারই। তারপরে কি সহজ হয়ে গেল সবটা। যেন এমনটাই হওয়ার কথা ছিল এই পৃথিবীতে, দুটি মানুষের মধ্যে। ছোট ছোট কথা, যা কোনও প্রয়োজনের নয়, কোনও চাহিদার নয়, জগতে কারও কোনও কাজে না আসা কথা। শ্রাবণ থেকে গড়িয়ে গেল আরো কয়েক মাস। কথা বাড়লো, সঙ্গে বাড়লো তোমার পরিধি আর আমার অভিমান। এমনিতেই অভিমান বসে থাকে আমার নাকের ডগায়। যে কোন কথায় তা ঝরতে লাগলো টুপটুপ করে। প্রশ্রয় ছিল কি তোমার তাতে? কি জানি? তারপরে হঠাৎ একদিন ছন্দপতন, হারিয়ে গেলে তুমি... না ভুল বললাম, হারিয়ে নয় চলে যাওয়া, না বলে...আরও পড়ুনঃ আমার প্রথম প্রেমিক, আমার নন্দলালাসেদিন হঠাৎ আমি বুঝলাম তোমাকে ছাড়া কি ভীষণ শূন্য আমি। নিরাশ্রয়, ডানা ভাঙা পাখির মত। আমি প্রায় সঙ্গে সঙ্গে তোমাকে জানিয়েছিলাম আমার অনুভূতি, ভেতরের ভাঙচুরের কথা। কোনও কারণ দেখতে পারিনি। সত্যিই তো কোন কারণ স্পষ্ট ছিল না। শুধু অনুভব করছিলাম বাঁধন বিহীন সেই যে বাঁধন...অকারণ তুমি আমাকে আশ্বাস দিয়েছিলে সুযোগ হলেই যোগাযোগ করার। কিন্তু কতদিন পরে, বা কোন অবস্থাকে তুমি সুযোগ বলে মনে কর তা তুমি বলতে ভুলেছিলে, আমারও জিজ্ঞাসা করে নেওয়া হয়নি। তাই সে সুযোগ এলো বছর দুয়েক পরে। তোমার হাত ধরেই। তখনও আমার বুক ভরা অভিমান, সামনে আসতে চাইনি আমি। তুমি এলে দৃপ্ত পদক্ষেপে, যেন কিছুই হয়নি, এটাই তো স্বাভাবিক, কালই যেন আমাদের কথা হয়েছে। আর অদ্ভুত ভাবে আমিও ভুলে গেলাম সব, ভুলে গেলাম আমার নির্ঘুম রাতগুলির কথা, ভুলে গেলাম আমার তিলে তিলে ক্ষয়ে যাওয়ার কথা, মনে হলো এটাই তো স্বাভাবিক। তুমি এসে দাঁড়াবে আমার সামনে , আমি কাঁপব ভালোলাগায়, তিরতির করে। সারা রাত ভাববো কাল সকালেই দেখব তোমাকে। আবার গেলে তুমি, সব আবার শেষ হলো। আমিও অনুভব করলাম, প্রতিবার তুমি যেখানে আমাকে ছেড়ে যাও, আমি সেখানেই দাঁড়িয়ে থাকি। ফিরি না, ফিরতে পারি না। দাঁড়িয়ে থাকি আত্মসমর্পণের আশায়।আরও পড়ুনঃ একা এবং বন্ধুরাআবার দীর্ঘ বিরতির পরে ভাঙল আমার ধৈর্যের বাঁধ। একদিন প্রায় আক্রমণ করলাম তোমাকে, বিদ্ধ করলাম বাক্যবাণে। যে মেয়েটা লজ্জায় কথা বলতে পারতো না, সে যে কি করে এত নির্লজ্জভাবে মুখর হয়ে উঠেছিল আমি আজও বুঝতে পারিনা। কি অদ্ভুত নিপুনতায় তুমি সামলে নিলে আমাকে। জেদী, অভিমানী মেয়ে যেটা আমার ভেতরে বাস করে , তুমি তাকে আদরে ভরিয়ে দিলে। কিরকম স্বপ্নের মত কাছাকাছি আসা, খুব কাছে। আমি বিশ্বাস করতে শুরু করলাম ভালোবাসা আছে, নাহলে এমনটাও কি হয়? হতে পারে কখনও। মুখে বলে না? না বলুক, সবই কি বলতে হবে। এই মেঘের পালকে ভাসতে ভাসতেও আমি তোমাকে বলতাম হে মেঘ, চলে গেলে, বলে যেও কিন্তু। যেন এটাই স্বাভাবিক, তুমি তো সেই যাবেই চলে। ঠিক তাই, হাত ছাড়াতে শুরু করলে, আমি বুঝতে পারছি, তুমি আমাকে এড়িয়ে যাচ্ছ, আমি অসহায়ের মত দেখছি শুধু, ভেতর থেকে চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে হচ্ছে, যাও তুমি কিন্তু বলে যাও। প্রতীক্ষার কষ্ট যে বড়ই সাংঘাতিক, আর নিতে পারি না আমি।আরও পড়ুনঃ পিতৃদিবসে বাবাকে খোলা চিঠি এক কন্যারযাওনি তুমি, থেকে গেছো, কিরকম থাকা জানো? নির্মম, নিষ্ঠুর। কি অদ্ভুত ভাবে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছ তুমি। এবারের মত পুতুল খেলা শেষ। পুতুল ধুলোতে পরে থাকলো না কি উঠে দাঁড়াতে পারলো তা নিয়ে কি ভাবনা সাজে তোমার? তোমার যে অনেক দায়িত্ব, অনেক কাজ। তাই আমি তোমার দরজাতে ধাক্কা দিয়ে যাই, তুমি ফিরেও তাকাও না। আমি ফিরতে পারি না। কোথায় ফিরবো বলো মেঘ? উপাসনাগৃহ থেকে ফিরতে হলেও তো দেবতার অনুমতি লাগে! আমি থেকে যাই নামহীন, গৃহহীন, ভিক্ষুকের মত। অথচ এই অনুমতিটুকু পেলেই এই বিস্তীর্ণ পৃথিবীর বুকে হারিয়ে যেতে পারি। তুমি কোনও খবর নাও না আমার, কখনও জিজ্ঞাসা করো না, কেমন আছি আমি, কেমন করে দিন কাটছে আমার। আমি প্রতীক্ষা করি, তুমি কখনও একটি শব্দ লেখো না আমাকে, আমি প্রতীক্ষা করি, কারণ তুমি বলেছ তুমি ব্যস্ত। আমি বারবার জিজ্ঞাসা করেছি, আমি থাকব? তুমি আছো তো আমার জন্যে? আমি অপেক্ষা করব অনন্তকাল, কিন্তু তুমি হারিয়ে যাওনি তো ? তুমি উত্তর দিয়েছো তুমি ব্যস্ত। আমার স্বাভাবিক বুদ্ধি আমাকে প্রশ্ন করেছে ব্যস্ততার চাপে কি তার প্রাত্যহিক দিনযাপন বন্ধ আছে? তাঁর আপনজনদের কোনও কর্তব্য পালন করে না কি সে? ব্যস্ততার চাপে সে তোমারই খোঁজ নিতে অক্ষম? আমি মনকে শাসন করেছি, একি! এই সম্পর্ক তোমার কাছে পবিত্র প্রার্থনার মত। সেই আরাধ্য দেবতাকে বিশ্বাস করা তোমার কর্তব্য। সুতরাং মনে সংশয় আসতে দিও না।এই সংশয়, , প্রেম, উপেক্ষা , অবহেলার দোলায় দুলতে দুলতে আবার ক্ষয় রোগ ধরেছে আমার। প্রতি মুহূর্তে পুড়ছি আমি। অভিমান, রাগ, প্রতীক্ষা সমস্তর সমাপ্তি ঘটছে তোমার শীতল উপেক্ষার দৃষ্টিপাতে।শুধু জানি, আমি চলে যাব, সমস্ত জিনিস গুছিয়ে দাঁড়িয়ে আছি, শুধু তোমার শেষ কথা বলার অপেক্ষায়। তুমি যেদিন যেতে বলবে, এক মুহূর্তও দেরি করবো না আমি, কোনও কথা বলবো না, শুধু চলে যাবো। তোমাকে ছেড়ে, সব মুছে দিয়ে, সারা জীবনের মত। কোনও দাবি নয়, কোনও ভিক্ষা নয়, স্নেহ, ভালোবাসা কিছুই চাইবো না আমি। একবার বলে তো দেখো, মেঘ! যদি তোমাকে ছেড়ে থাকা শিখতে না পারি, মরে যাব, তবু তোমার দ্বারে কোনদিন আর আসবো না।কিন্তু একটাই প্রশ্ন তোমাকে করার আছে, তুমি পাবে তো এত সমর্পণ কখনও? তুমি ভালো থাকবে তো আমিহীন পৃথিবীতে? কেউ আমার থেকে ভালো বাসবে তো তোমাকে?চিঠির শেষ প্রান্তে এসে মনে পড়লো, তুমি ও আমাকে কখনও কোন নামে ডাকনি, আমি বোধ হয় তোমার কাছে শুধুই কিছু সংখ্যা। আর কে না জানে যে সংখ্যা প্রাণহীন, তাদের মন বলে কিছু থাকে না। তাই নামহীনই থাক এই চিঠি। ভালো থেকো মেঘ, খুব ভালো থেকো। তোমার সবাইকে নিয়ে খুশিতে থেকো। তুমি ভালো থাকলেই আমি ভালো থাকবো, সে যে পৃথিবীতেই থাকি না কেন।।ইতি.....সুদেষ্ণা মুখার্জি

আগস্ট ০৮, ২০২১
রাজ্য

বিদেশী পাতা বাহার গাছ চুরির বিহিত চেয়ে বর্ধমান থানার দ্বারস্থ গাছপ্রেমী

সূযোগ পেলেই চোরেরা যে গৃহস্থের বাড়ির দরজার তালা ভেঙে সর্বস্ব চুরি করে নিয়ে পালাবে একথা কেইবা আর না জানেন। তবে রাতের অন্ধকারে গাছপ্রেমীর সাধের বাগান থেকে বিদেশী পাতা বাহার গাছ চোরে চুরি করে নিয়ে পালাবে এমনটা বোধহয় সকলেরই কল্পনার অতীত। কিন্তু বাস্তবে এমনটাই ঘটেছে শহর বর্ধমানের নতুন পল্লীতে। এই এলাকার বাসিন্দা গাছপ্রেমী অমর চক্রবর্তী তাঁর বাড়ির বাগান থেকে বিদেশী বাহারি গাছ চুরির ঘটনা নিয়ে বর্ধমান থানায় অভিযোগ দায়ের করে বিহিত চেয়েছেন। তাঁর বাড়ির চারপাশে থাকা গোপন ক্যামেরায় গাছ চোরেদের যে ছবি ধরা পড়েছে তাও তিনি পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন । টাকা পয়সা, সোনা,গয়না চুরির পাশাপাশি চোরেরা এখন বিদেশি পাতা বাহার গাছও চুরি করতে শুরু করেছে জেনে স্তম্ভিত বর্ধমানবাসী।আরও পড়ুনঃ রাস্তার ধারের বহুমূল্য গাছ বিক্রি করার অভিযোগ গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধেনতুন পল্লীর বাসিন্দা অমর চক্রবর্তী একজন অবসরপ্রাপ্ত প্রবীণ মানুষ। তিনি গাছপ্রেমী। তাঁর নিজের বাড়িতে নামী-দামি বিভিন্ন গাছ আছে। তার মধ্যে বিদেশী পাতাবাহার গাছও রয়েছে। এছাড়াও পাখিও তিনি পুষেছেন ।অমর বাবু বলেন, অতিমারিতে জারি হওয়া বিধিনিষেধ মেনে তিনি বাইরে খুব একটা বের হন না।বড়িতে বাগানেরর গাছপালা নিয়েই তিনি সময় কাটান। কিন্তু গত এক বছর ধরে তিনি লক্ষ্য করছেন তাঁর বাগানে টবে থাকা বিদেশি নামিদামি গাছ চুরি হয়ে যাচ্ছে। কারা, কীভাবে চুরি করছে তা জানার জন্য তিনি তাঁর বাড়ির চারিদিকে সি সি ক্যামেরা লাগান। সেই সি সি ক্যামেরায় ধরা পড়া ছবিতে তিনি দেখতে পান, রাতের অন্ধকারে মুখ ঢাকা দিয়ে দুজন ব্যক্তি তাঁর বাড়ির বাগাণের গাছ চুরি করে নিয়ে পালাচ্ছে। সেই কারনেই গাছ চুরির বিহিত চেয়ে তিনি বর্ধমান থানার পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন। পুলিশ গাছচোরকে পাকড়াও করবে এমনটাই প্রত্যাশা গাছপ্রেমী অমর চক্রবর্তীর। অমরবাবুর বাগানের গাছচুরি কাণ্ডের জল কতদূর যায় সেটাই এখন দেখার।আরও পড়ুনঃ কোটি টাকা মূল্যের গাছ চুরি কাণ্ডে নাম জড়াতেই তদন্ত চেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ পূর্ব বর্ধমানের তৃণমূল নেতাবর্ধমান শহরের এক বাসিন্দা বলেন, পুলিশের এখন হয়েছে বড় জ্বালা। হাই প্রোফাইল ক্রিমানাল দুস্কৃতি নয়। মাস খানেক আগে বর্ধমানের মিউনিসিপ্যাল হাইস্কুলে একটি শিরিষ গাছের রহস্যজনক মৃত্যুতে পুলিশে দ্বারস্থ হয়েছিলেন সেখানকার প্রাথমিকের প্রধানশিক্ষক। শিরিষ গাছের মৃত্যু রহসের জল অনেকদূর গড়ায়। এবার গৃহস্থের বাড়ির বাগানে থাকা বিদেশী পাতা বাহার গাছ চুরির তদন্তভার কাঁধে নিতে হল বর্ধমান থানার পুলিশকে । এটাই আশ্চর্যের। বর্ধমান থানার এক অফিসার বলেন, গাছ চুরির অভিযোগ জমা পড়েছে। তদন্ত শুরু হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আগস্ট ০৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Sreelekha Mitra : আগস্টে 'আমি শ্রীলেখা'-য় নতুন ইন্টারেস্টিং ভিডিও আনছেন অভিনেত্রী

অভিনেত্রী হিসাবে তিনি সকলেরই খুব প্রিয়। কিন্তু বর্তমানে তাঁর আরও একটি পরিচয় হয়েছে। ইউটিউবে আমি শ্রীলেখা নামে এক্ট চ্যানেল খুলেছেন তিনি। যেখানে নিয়মিত অনেক ভিডিও পোস্ট করেন তিনি। তবে শুরুর দিকে যেরকম টপিক বেসড ভিডিও অনেকটা দেখা যাচ্ছিল তাঁর কাছ থেকে এখন সেটা vlog ওরিয়েন্টেড হয়ে গেছে। এক সপ্তাহ আগে #পসমডেটউইথশ্রীলেখা শশাঙ্কের সঙ্গে তাঁর ডেটের একটা ভিডিও পোস্ট করেছিলেন।তবে শ্রীলেখার ভক্তদের জন্য আসছে খুশির খবর। নতুন টপিক নিয়ে আসছেন তিনি। কিছু শরটস-এর পরিচালনা করার ইচ্ছা রয়েছে তাঁর। আগস্টে সব দেখা যাবে। ফেসবুকে শেয়ার করা একটি ভিডিওতে তিনি জানিয়েছেন তাঁর কাছে বিশেষ কিছু কারণের জন্য আগস্ট মাস খুব প্রিয়। তাই আগস্ট মাসে বেশ কিছু ইন্টারেস্টিং ভিডিও নিয়ে আসছেন অভিনেত্রী। ভিডিওতে দর্শকদের জানিয়েছেন তারা যেন তাঁর ভিডিও দেখে ভাল, খারাপ সবকিছু ফিডব্যাকই দেন তাহলে তাঁর পক্ষে খুব ভাল হয়।শ্রীলেখা মিত্রের পোস্ট বা ভিডিও মানে আলোচনা হবে সেটা স্বাভাবিক। তাঁর নতুন, ইন্টারেস্টিং আর কি কি ভিডিও আসতে চলেছে ইউটিউবে সেটা দেখার অপেক্ষাতে রয়েছেন সকলে। এর মধ্যে আবার আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্তর পরিচালনায় তাঁর অভিনীত ছবি ভেনিস ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল-এ প্রদর্শিত হতে চলেছে। ফলে খুব ভাল সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন নেটিজেনদের ক্রাশ আমি শ্রীলেখা।

জুলাই ৩১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

সীমান্তে ফের লম্বা লাইন! আতঙ্কে বাংলাদেশে ফিরতে শুরু করলেন সন্দেহভাজন অনুপ্রবেশকারীরা

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর অনুপ্রবেশ ইস্যুতে ফের সরগরম হয়ে উঠেছে সীমান্ত এলাকা। ডিটেক্ট-ডিলিট-ডিপোর্ট নীতি কার্যকর করতে ইতিমধ্যেই জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরির নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশের পর প্রশাসনিক তৎপরতাও অনেকটাই বেড়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।এরই মধ্যে বসিরহাটের স্বরূপনগর ব্লকের হাকিমপুর চেকপোস্ট এলাকায় ফের দেখা গেল চাঞ্চল্যকর ছবি। সীমান্তের কাছে বহু মহিলা, পুরুষ ও যুবককে ছোট ছোট ব্যাগ নিয়ে অপেক্ষা করতে দেখা গিয়েছে। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, এদের অনেকেই সন্দেহভাজন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী, যারা বর্তমানে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।কয়েক মাস আগেও একই ধরনের ছবি দেখা গিয়েছিল। তখনও সীমান্ত এলাকা দিয়ে বহু মানুষ বাংলাদেশে ফিরে গিয়েছিলেন বলে জানা যায়। স্থানীয় সূত্রের দাবি, এদের অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় নির্মাণ শ্রমিক, মাছের ভেড়িতে কাজ কিংবা দৈনিক মজুরির বিভিন্ন পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।সোমবার দুপুরে হাকিমপুর সীমান্ত এলাকায় উপস্থিত কয়েকজন জানান, দালালচক্রের মাধ্যমে এক থেকে দেড় বছর আগে তাঁরা সীমান্ত পেরিয়ে এ রাজ্যে এসেছিলেন। কিন্তু বর্তমানে প্রশাসনের কড়াকড়ি এবং নজরদারি বাড়ায় তাঁরা ফের বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সীমান্ত এলাকায় পুলিশ ও প্রশাসনের নজরদারি অনেকটাই বেড়েছে। বিভিন্ন এলাকায় পরিচয়পত্র যাচাই, ভাড়াবাড়িতে তল্লাশি এবং সন্দেহভাজনদের উপর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।যদিও প্রশাসনের তরফে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। তবে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও শক্তিশালী করা হয়েছে বলে প্রশাসনের একাংশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

মে ২৬, ২০২৬
রাজ্য

শুভেন্দুর বৈঠকে তৃণমূল সাংসদ! বাংলার রাজনীতিতে বড় চমক কাকলির উপস্থিতিতে

বাংলার রাজনীতিতে এক বিরল ছবি দেখা গেল মঙ্গলবার। কল্যাণীতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে হাজির হলেন বিরোধী দলের সাংসদ ও বিধায়করা। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি চর্চায় বারাসতের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের উপস্থিতি।মঙ্গলবার সকালে বৈঠক শুরুর আগেই সভাস্থলে পৌঁছে যান কাকলি। তাঁকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমন্ত্রণ পেয়েছি, তাই এসেছি। প্রশাসনটা কারও একার নয়। এটা কোনও দলীয় সভা নয়।শুধু কাকলি নন, এদিন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের আরও তিন বিধায়ক। হাজির ছিলেন দেগঙ্গার বিধায়ক আনিসুর রহমান, হাড়োয়ার বিধায়ক আব্দুল মতিন এবং স্বরূপনগরের বিধায়ক বীণা মণ্ডল।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই ছবি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ তৃণমূল জমানায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠকে বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদের সাধারণত দেখা যেত না। সেই জায়গায় শুভেন্দু অধিকারীর বৈঠকে বিরোধী শিবিরের জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতি নতুন রাজনৈতিক বার্তা দিচ্ছে বলেই মনে করা হচ্ছে।হাড়োয়ার বিধায়ক আব্দুল মতিন বলেন, রাজনীতিতে মতভেদ থাকতেই পারে। কিন্তু উন্নয়নের প্রশ্নে আমরা সবাই এক। তাই এখানে এসেছি।এদিকে গত কয়েকদিন ধরেই কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা বাড়ছিল। লোকসভার মুখ্য সচেতক পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপরই সমাজমাধ্যমে একটি আবেগঘন পোস্ট করেছিলেন তিনি। সেখানে লিখেছিলেন, চার দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম।এরপর তাঁর বাড়ির সামনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। গত রবিবার সাংবাদিক বৈঠক করে কাকলি জানান, তিনি সাংগঠনিক জেলা সভাপতির পদ থেকেও ইস্তফা দিচ্ছেন। আর তার মধ্যেই শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠকে তাঁর উপস্থিতি ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে।

মে ২৬, ২০২৬
দেশ

সীমান্তে বড় অভিযান! বাংলায় আসছেন অমিত শাহ, অনুপ্রবেশ রুখতে কড়া বার্তা কেন্দ্রের

অনুপ্রবেশ রুখতে কেন্দ্রের নীতি এখন আরও কঠোর। ডিটেক্ট, ডিলিট, ডিপোর্ট নীতিকে সামনে রেখেই দেশজুড়ে সীমান্ত নিরাপত্তায় জোর দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। এরই মধ্যে সীমান্ত পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে চার রাজ্যে সফরে বের হচ্ছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই তালিকায় রয়েছে পশ্চিমবঙ্গও।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার থেকেই শুরু হচ্ছে অমিত শাহের এই সীমান্ত সফর। প্রথমে তিনি যাবেন রাজস্থানের বিকানেরে। সেখানে সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখবেন তিনি। পাশাপাশি সীমান্ত লাগোয়া জেলার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিক, বিএসএফ এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের আধিকারিকদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবেন।আগামী ১৫ জুন পশ্চিমবঙ্গে আসার কথা রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের কাজ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখবেন তিনি। সীমান্ত এলাকার একটি বিএসএফ পোস্টেও যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তাঁর। এছাড়াও সীমান্তবর্তী জেলার প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন অমিত শাহ।রাজ্য ইতিমধ্যেই বিএসএফকে জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। তার মধ্যেই অমিত শাহের এই সফরকে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। সীমান্ত নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে স্থানীয় প্রশাসন এবং বিএসএফকে একযোগে কাজ করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে।কেন্দ্রের দাবি, সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করাই এখন প্রধান লক্ষ্য। জনবিন্যাসের পরিবর্তন রুখতে এবং সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করতেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।

মে ২৬, ২০২৬
কলকাতা

“আমাকে গ্রেপ্তার করুন!” নিউটাউনের রাস্তায় টলোমলো পায়ে বিডিওর কাণ্ডে তোলপাড়

সল্টলেকের স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যা অপহরণ ও খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মন এবার নতুন বিতর্কে জড়ালেন। অভিযোগ, মদ্যপ অবস্থায় প্রকাশ্য রাস্তায় বেপরোয়া আচরণ করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। সেই ঘটনার ভিডিও ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিও সামনে আসতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।সোমবার রাত সাড়ে দশটা নাগাদ নিউটাউনের সারচি সিগন্যালের সামনে ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর সময় এক বাইকচালককে ধাক্কা মারেন প্রশান্ত বর্মন। ধাক্কায় রাস্তায় পড়ে গিয়ে গুরুতর জখম হন ওই বাইক আরোহী। পরে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।ঘটনার পর স্থানীয় পথচারীরা প্রতিবাদ শুরু করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, সেই সময় অভিযুক্ত বিডিও রাস্তাতেই চিৎকার শুরু করেন এবং প্রতিবাদকারীদের উদ্দেশে নানা হুমকি দেন। ভাইরাল ভিডিওতে তাঁকে কখনও দুর্নীতিগ্রস্ত বলে কটাক্ষ করতে, আবার কখনও চড় মারার হুমকি দিতে দেখা গিয়েছে।ভিডিওতে আরও দেখা যাচ্ছে, এক সময় তিনি নিজেই গাড়ি থেকে নেমে টলোমলো পায়ে পুলিশকে বলছেন, আমাকে গ্রেপ্তার করুন। পুরো ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে বিধাননগর কমিশনারেটের ইকো পার্ক থানার পুলিশ অভিযুক্ত বিডিওকে আটক করে নিয়ে যায়।যদিও ভাইরাল ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

মে ২৬, ২০২৬
কলকাতা

পুরসভার নোটিসের মাঝেই অভিষেকের বাড়িতে কলকাতা পুলিশ! হঠাৎ তৎপরতায় বাড়ছে জল্পনা

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি এবং বাড়ির বেআইনি অংশ ভাঙা নিয়ে কলকাতা পুরসভার দেওয়া নোটিস ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। সোমবার ছিল পুরসভার দেওয়া সময়সীমার শেষ দিন। তার আগেই সময় বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে কলকাতা পুরসভা আরও ১০ দিনের সময় দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই আবহেই সোমবার বিকেলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হরিশ চ্যাটার্জি রোডের বাড়ি শান্তিনিকেতন-এ পৌঁছে যায় কলকাতা পুলিশের একটি দল। আর তাতেই শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।সূত্রের খবর, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংস্থার সম্পত্তির মধ্যেই পড়ে অভিষেকের এই বাড়ি। তৃণমূল জমানায় এই সংস্থাকে ঘিরে একাধিক বিতর্ক সামনে এসেছিল। ফলে পুরসভার নোটিসের পর আচমকা পুলিশের উপস্থিতি ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কেউ মনে করছেন, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংক্রান্ত কোনও বিষয়েই নতুন করে নজরদারি শুরু হয়েছে। আবার কারও মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা খতিয়ে দেখতেই পুলিশের এই সফর।যদিও বাড়ি থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নের উত্তর দেননি পুলিশ আধিকারিকরা। ফলে জল্পনা আরও বেড়েছে।উল্লেখ্য, গত সোমবারই কলকাতা পুরসভার তরফে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাট রোড এবং হরিশ মুখার্জি রোডের দুটি ঠিকানায় নোটিস পাঠানো হয়েছিল। বাড়ির অতিরিক্ত নির্মাণের জন্য পুরসভার অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কি না, তা জানতে চাওয়া হয়। একই সঙ্গে শান্তিনিকেতন-এর বেআইনি অংশ ভাঙার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল বলে সূত্রের খবর। পাশাপাশি অভিষেকের ১৭টি সম্পত্তিও নজরে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।কয়েক দিন আগেই কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়েছিলেন অভিষেক। পুরসভার নোটিস নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন উঠতেই প্রথমে কোনও উত্তর দেননি তিনি। পরে গাড়ির কাঁচ নামিয়ে কিছুটা বিরক্তির সুরে বলেন, বাড়ির কোন অংশ অবৈধ, সেটা নির্দিষ্ট করে জেনে আসুন। তারপর আমাকে প্রশ্ন করুন, আমি উত্তর দেব।সেই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছিল। তবে এবার সময় বাড়ানোর আবেদন এবং পুরসভার সেই আবেদন মঞ্জুর করার পর পরিস্থিতি কিছুটা বদলেছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

মে ২৫, ২০২৬
কলকাতা

হাওয়ায় দুলছে মেসির বিশাল মূর্তি! আতঙ্কে লেকটাউন, রাতেই ভাঙার সিদ্ধান্ত?

লেকটাউনে তৈরি হওয়া বিশাল লিওনেল মেসির মূর্তি ঘিরে এবার আতঙ্ক ছড়াল স্থানীয়দের মধ্যে। অভিযোগ, হাওয়ায় প্রবলভাবে দুলছে মূর্তিটি। যে কোনও সময় সেটি ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকার বাসিন্দারা। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে সোমবার ঘটনাস্থলে পৌঁছন পূর্ত দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার, সরকারি আধিকারিক এবং লেকটাউন থানার পুলিশ।স্থানীয়দের অভিযোগ, মূর্তিটির নীচের অংশের মাটি বসে গিয়েছে। চারপাশে পাথর ও মাটি বেরিয়ে এসেছে। ফলে গোটা কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। হাওয়ায় মূর্তিটি দুলতে থাকায় আতঙ্ক আরও বেড়েছে।মূর্তিটির ঠিক নীচেই রয়েছে একটি জায়ান্ট স্ক্রিন। সন্ধ্যার সময় সেখানে ভিড় করেন বহু মানুষ। আইপিএলের ম্যাচ দেখার জন্য প্রতিদিনই জমায়েত হয় স্থানীয়দের বড় অংশ। সেই সময় যদি মূর্তিটি ভেঙে পড়ে, তাহলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা সরেজমিনে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। জানা গিয়েছে, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। পরিস্থিতি বিচার করে সোমবার রাতেই মূর্তিটি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।উল্লেখ্য, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে এই বিশাল মূর্তিটি তৈরি করা হয়েছিল। আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ী ফুটবলার লিওনেল মেসি কলকাতা সফরে এলে ভার্চুয়ালি এই মূর্তির উদ্বোধন করেছিলেন। সেই সময় তাঁর পাশে ছিলেন বিধাননগরের প্রাক্তন বিধায়ক ও প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। মূলত তাঁর উদ্যোগ ও তত্ত্বাবধানেই তৈরি হয়েছিল মূর্তিটি।

মে ২৫, ২০২৬
কলকাতা

জমি দিয়েও মেলেনি ফ্ল্যাট! লাঠি হাতে মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে পৌঁছলেন বৃদ্ধ দম্পতি

পৈতৃক জমিতে বহুতল তৈরির আশায় জমি তুলে দিয়েছিলেন এক বৃদ্ধ। প্রতিশ্রুতি ছিল, ফ্ল্যাট তৈরি হলে তিনিও একটি ফ্ল্যাট পাবেন। কিন্তু বছরের পর বছর কেটে গেলেও সেই ফ্ল্যাট আজও মেলেনি। উল্টে ফ্ল্যাট চাইতে গিয়ে হুমকির মুখে পড়তে হয়েছে বলে অভিযোগ। এমনকি ফ্ল্যাট পেতে আরও ১৭ লক্ষ টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি তাঁর।অসহায় অবস্থায় শেষমেশ সোমবার জনতার দরবারে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দ্বারস্থ হলেন অশীতিপর প্রবীর মুখোপাধ্যায়। হাতে লাঠি, পাশে স্ত্রীকে নিয়ে সকালেই সল্টলেকের বিজেপি কার্যালয়ে পৌঁছে যান তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলে সমস্যার সমাধানের আশ্বাস পেয়েছেন বলে জানান প্রবীরবাবু।জানা গিয়েছে, জয়দেব কামদারের ছত্রছায়ায় থাকা সোনা পাপ্পুদের হাতে পৈতৃক জমি তুলে দিয়েছিলেন প্রবীরবাবু। সেখানে বহুতল তৈরি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বর্তমানে জয়দেব কামদার এবং সোনা পাপ্পুরা জেলবন্দি। ফলে ফ্ল্যাট পাওয়ার সম্ভাবনাও এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। মাথার উপর ছাদ হারিয়ে আপাতত স্ত্রীকে নিয়ে ভাড়াবাড়িতে দিন কাটছে বৃদ্ধ দম্পতির।প্রবীরবাবুর আশা, মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে হয়তো আবার নিজের মাথা গোঁজার ঠাঁই ফিরে পাবেন।এদিন জনতার দরবারে চাকরিহারারাও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। চাকরিহারা সুমন বিশ্বাস জানান, আগের সরকারে সাধারণ মানুষের অভিযোগ শোনার সুযোগ ছিল না। কিন্তু এখন সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে নিজেদের কথা বলা যাচ্ছে। তিনি বলেন, চাকরিহারাদের দাবি সংক্রান্ত চিঠিও মুখ্যমন্ত্রী গ্রহণ করেছেন। তাঁদের আশা, ভবিষ্যতে স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে।জানা গিয়েছে, প্রতি সোমবারই জনতার দরবারে সাধারণ মানুষের অভিযোগ শুনবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে তার আগে নাম নথিভুক্ত করতে হবে।

মে ২৫, ২০২৬
কলকাতা

নেপাল থেকে চাকরির টোপ, শেষে সোনাগাছিতে বিক্রি! কলকাতায় ভয়ঙ্কর নারী পাচার চক্র ফাঁস

কলকাতায় ফের সামনে এল নারী পাচারের ভয়ঙ্কর চক্র। কাজের প্রলোভন দেখিয়ে নেপাল থেকে কলকাতায় এনে তিন তরুণীকে সোনাগাছিতে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল। এই ঘটনায় এক মহিলাকে গ্রেপ্তার করেছে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত মহিলার নাম শোভা তামাং। তিনি সোনাগাছির একটি বাড়ির দেখভাল করতেন। ওই বাড়িতে বহু নেপালি যৌনকর্মী থাকতেন বলেই জানা গিয়েছে। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই নেপাল থেকে তরুণীদের কলকাতায় আনার ফাঁদ পাতা হয়েছিল বলে পুলিশের সন্দেহ।অভিযোগ, কাজের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নেপালের তিন তরুণীকে কলকাতায় আনা হয়। কিন্তু শহরে পৌঁছনোর পর তাঁদের সোনাগাছিতে বিক্রি করে দেওয়া হয়। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রবিবার বিকেলে অভিযান চালায় লালবাজারের গোয়েন্দারা। প্রথমে সন্দেহভাজন বাড়িটি চিহ্নিত করা হয়। পরে সেখানে হানা দিয়ে উদ্ধার করা হয় তিন তরুণীকে। গ্রেপ্তার করা হয় শোভা তামাংকে।পুলিশ এখন খতিয়ে দেখছে, নেপালের কোন এলাকা থেকে ওই তরুণীদের আনা হয়েছিল এবং কার মাধ্যমে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। কীভাবে এই পাচার চক্র কাজ করছিল, তা জানার চেষ্টা চলছে। ইতিমধ্যেই নেপালের দূতাবাসের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছে লালবাজার।তদন্তকারীদের অনুমান, নারী পাচার চক্রের সদস্যরা নেপালের বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে কাজের লোভ দেখিয়ে মেয়েদের এই রাজ্যে নিয়ে আসছে। তারপর তাঁদের জোর করে যৌনপল্লিতে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে।উল্লেখ্য, প্রায় আট মাস আগে বড়তলা থানা এলাকাতেও বড়সড় নারী পাচার চক্রের পর্দাফাঁস হয়েছিল। তখন একটি বাড়ি থেকে ৯ নাবালিকা-সহ মোট ১১ জনকে উদ্ধার করেছিল পুলিশ। ফের একই ধরনের ঘটনার সামনে আসায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে শহরে।এই চক্রের সঙ্গে এ রাজ্যের আর কারা জড়িত, ভিনরাজ্যের কোনও বড় পাচারচক্রের যোগ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ধৃত মহিলাকে জেরা করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার চেষ্টা চলছে।

মে ২৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal