• ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার ১৮ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Love

কলকাতা

বোমা বিস্ফোরণে ত্রিকোণ প্রেম! খুন করতে এসেছিলেন প্রেমিকার স্বামীকে?

রবিবার গভীর রাতে মধ্যমগ্রাম বয়েজ হাই স্কুলএর পাশেই ঘটে ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণ। যেখানে উত্তরপ্রদেশের যুবক সচ্চিদানন্দ মিশ্র প্রাণ হারিয়েছে। পরে পুলিশ জানতে পারে, ঘটনাটির পেছনে রয়েছে একটি ত্রিকোণ প্রেমের জটিলতা।সচ্চিদানন্দ মিশ্র (২৬), উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা ও আইটিআই-প্রশিক্ষিত একজন ফিটার। জানা গিয়েছে, নিজেই বোমাটি তৈরি করেছিলেন। ইলেকট্রনিক ডিভাইসে মোড়ানোযা বিস্ফোরিত হয়ে তার মৃত্যু ঘটে। পুলিশ তদন্তে উঠে এসেছে, তিনি পরিকল্পনা করেছিলেন তার প্রেমিকার স্বামীকে হত্যার জন্য মধ্যমগ্রামে যান। কিন্তু বোমাটি তার নিজের হাতেই আগে ফেটে যায়। ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া যায় স্টিলের অংশ, ব্যাটারি, তার, অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট। এগুলো প্রমাণ করে এটি একটি স্বনির্মিত আইইডি ছিল। এর মধ্যে রহস্যজনক বিষয়, কীভাবে তিনি স্বাধীনতা দিবসের নিরাপত্তার মাঝেও বিষ্ফোরণ নিয়ে এসেছিলেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সচ্চিদানন্দ প্রায়ই মধ্যমগ্রামে আসতেন। দেখা করতেন বিবাহিতা প্রেমিকার সঙ্গে। এমনকী ওই প্রেমিকার বাড়িতেও যেতেন। তখন তার স্বামী বাড়িতে থাকতেন না। প্রেমিকা বাড়িতে অপমানিত হয়েছে বলে তার স্বামীকে খুন করতেই মধ্যমগ্রামে এসেছিলেন ওই যুবক। একথা তিনি মৃত্যুর আগে পুলিশকে জানিয়ে গিয়েছেন বলে খবর। বোমা তৈরির ক্ষেত্রেও তার আইটিআই দক্ষতা কাজে লাগিয়েছিল। ইউটিউব টিউটোরিয়াল দেখে এবং হরিয়ানার একটি গ্লাস ফ্যাক্টরিতে রাসায়নিকের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়েছে সচ্চিদানন্দ। এদিকে এই ঘটনায় প্রেমিকা ও তার স্বামীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে এসটিএফ। বোমা বিষ্ফোরণের প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখিয়েছে বিজেপির যুব মোর্চা।

আগস্ট ১৯, ২০২৫
রাজ্য

প্রকাশ্যে রাস্তায় কিশোরীকে ছুরির কোপ, যুবককে ধরে গণপ্রহার

আরজি কর কাণ্ডের আনহে এবার দিনের বেলায় রাস্তায় কিশোরীকে পর পর ছুরির কোপ। প্রাণভয়ে ছুটে পালাতে গিয়েও মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ওই কিশোরী। না যেন কোন অ্যাকশন সিনেমার সিন। বেলঘরিয়ায় ভরদুপুরে এমনই হাড়হিম ঘটনায় শিউরে উঠলেন আশেপাশের মানুষজন। কিছুটা সামলে নিয়েও তারা ধাওয়া করে ওই কিশোরকে ধরে ফেলেন। এরপর চলে গণপ্রহার। পরে পুলিশ এসে ওই কিশোরকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। কিশোরীকে আহত অবস্থায় স্থানীয় এক নার্সিং হোমে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনার জেরে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বেলঘরিয়ার প্রফুল্ল নগরে প্রকাশ্য দিবালোকে স্কুল ফেরত ছাত্রীকে ছুরির কোপ। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, কোন কিছু নিয়ে ওই কিশোর ও কিশোরীর মধ্যে শুরু হয় বচসা। এর জেরে ওই কিশোরের গালে সপাটে চড় কষান কিশোরী। এতেই মেজাজ হারিয়ে ধারালো অস্ত্র নিয়ে পরপর কোপ মারে অভিযুক্ত কিশোর। গুরুতর জখম অবস্থায় ওই কিশোরী মাটিতে লুটিয়ে পড়লে কিশোর পালানোর চেষ্টা করে। তাকে ধাওয়া করে ধরে ফেলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এরপরই শুরু হয় মারধর। অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়ে। মহিলা নিরাপত্তার দাবিতে পুলিশের সঙ্গে বচসাও বেধে যায় স্থানীয়দের। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। স্থানীয় সূত্রে খবর, বেশ কয়েকদিন আগে ওই কিশোরীকে প্রেমের প্রস্তাব দিলে কিশোরী তা নাকচ করে দেয়। এরপরই প্রতিশোধ নিতেই ঘটনার দিন দুপুরে ওই কিশোরীর পথ আটকায় অভিযুক্ত কিশোর। বচসা থেকে হাতাহাতি এরপর পকেট থেকে ছুরি বের করে এলোপাথাড়ি কোপ মারতে শুরু করে ওই কিশোরীকে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। আপাতত আটক করা হয়েছে কিশোরকে। জানা গিয়েছে কিশোরীর অবস্থা আশঙ্কাজনক।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২৪
বিনোদুনিয়া

কেউ কথা রাখেনি, গল্প শুনে কফি খেয়ে ছবি তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়েই পগারপার!

টালিগঞ্জ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কান পাতলেই তাঁকে দুর্মুখ, ঠোঁটকাটা সহ নানাবিধ বিশেষণ ভূষিত করতে শোনা যায়। আদতে তিনি শ্রীলেখা মিত্র সরলরেখায় চলতে অভ্যস্ত। কোনও বিষয়েই তাঁর ঢাকঢাক গুরুগুরু ব্যপারটা নেই। তিনি সোজা কথাটা সোজা ভাবেই বলতে অভ্যস্ত, তাতে বোমটা যত জোরেই ফাটুক। এর আগেও বহুবার তিনি যেমন ইন্ডাস্ট্রিতে কোনও গরবর দেখলে সপাট জবাব দিয়েছেন, ঠিক তেমনই জ্বলে উঠেছেন পোষ্যদের (বিশেষ করে সারমেয়) অবহেলা নিয়েও। লকডাউনে পথ কুকুরদের অবহেলা নিয়ে বারবার শিরোনামে এসেছেন শ্রীলেখা। শ্রীলেখা মিত্র এর আগে বহুবার জানিয়েছেন, তিনি ফেবার পাওয়ার জন্য কখনই কারুর কাছে নিজেকে ফেবারিট করে তুলতে চাননি। কয়েকদিন আগেই টালিগঞ্জের এক রন্ধন পটীয়সী ঘোষীকা তাঁর প্রযোজক স্বামী কে নিয়ে করা কানাঘুঁশো অভিযোগ, প্রকাশ্য মিডিয়ায় সপাট জবাব দিয়ে শ্রীলেখা বুঝিয়ে দিয়েছেন সব ক্ষারক-ই ক্ষার নয়।একসময়ের টলিউডের জনপ্রিয় লাস্যময়ী নায়িকা, এখন পরিচালক, প্রযোজক এবং অবশ্যই একজন খ্যাতানামা অভিনেত্রী। সম্প্রতি তাঁর অভিনীত পরিচালিত বেশ কয়েকটা ছবি শিরোনামে উঠে এসেছে। উল্লেখযোগ্য ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ক্যালকাটা। কলকাতার শহরের ওপর আধারিত এই ছবিটি কলকাতা আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে অবশ্যই দেখানো উচিত ছিল বলে মনে করেছিলেন ফিল্ম ক্রিটিক্স রা। সেই ঘটনায় তিনি তীব্র প্রতিবাদ করেও ছিলেন। অনেকেই সে সময় বলেছিলেন, যে অভিনেত্রী ভেনিস নিউ ইয়র্কে সমাদৃত তাঁর কি বা আসে যায় কলকাতাতে উপেক্ষা করলে। কিন্তু কিছু চলচ্চিত্র সমলোচক অনুপ্রেরণার আরাল থেকে মনে করেছিলেন, হ্যাঁ আসে! তাঁদের মতে, যখন অযোগ্যরা মঞ্চ দাপিয়ে বেড়ায় তখন অবশ্যই যোগ্য ব্যক্তিদের কিছু এসে যায়।ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ক্যালকাটা মেলবোর্নের ভারতীয় আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছে। অবশেষে তিনি বাংলা সংস্কৃতির প্রানকেন্দ্র নন্দনে হাজির হন তাঁর নিজের প্রযোজিত, পরিচালিত ও অভিনীত স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি এবং ছাদ এর সৌজন্যে। এবং ছাদ শ্রীলেখার প্রযোজিত প্রথম শর্টফিল্ম। প্রযোজনা সংস্থা পসাম প্রোডাকশনস প্রযোজিত এবং ছাদ ছাড়াও আরও তিনটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবির অংশ জুড়ে একটি পূর্ণ দৈর্ঘের অ্যান্থোলজি ছবি তৈরি করার পরিকল্পনা শ্রীলেখার।এবং ছাদ ছবিটি নিয়ে তিনি প্রথম থেকেই বারবার বিড়ম্বনাই পড়েছেন। তিনি একাধিকার সামাজিক মাধ্যমে তাঁর আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন। এমনকি সামাজিক মাধ্যমে প্রযোজকের জন্য আবেদন করতেও তাঁকে দেখা গেছে। অনেক ঘাত প্রতিঘাত, প্রত্যাখ্যান-র সিঁড়ি পেড়িয়ে তিনি সত্যিই ছাদ তুলতে পেরেছেন। আজ আক্ষরিক অর্থেই ছাদে উঠে শ্রীলেখা নিচের দিকে তাকিয়ে বলতে চাইছেন, তোমরা আমাকে বহু চেষ্টা করেও আমার ছাদে ওঠা আটকাতে পারলে না। সেই একগুচ্ছ অভিমান, আক্ষেপ, অবহেলা, বিশ্বাসঘাতকদের উদ্দেশ্যে গর্জে উঠেছে তাঁর কলম। তিনি সামাজিক মাধ্যমে উগরে দিয়েছেন সেই কথা।শ্রীলেখা সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেনঃছবি তো বানিয়েছি নিজের পয়সায়, প্রচুর festival ঘুরলো। সামনেই আবার দিল্লি যাচ্ছি এবং ছাদ নিয়ে। ছবিটা বানিয়ে ইচ্ছে হয়েছিল আরো তিনটে শর্ট বানাবো তারপর অ্যান্থোলজি হিসেবে হল রিলিজ করব। নতুন পরিচালকের পাশে দাঁড়ান বলে যারা দাবি করেন তারা অনেকেই ফোন ধরেননি বা মেসেজের রিপ্লাই ব্যাক করেননি।। যারা করেছেন তারা কফি খেয়ে এবং খাইয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ছবির জন্য পয়সা দেবেন। এক ভদ্রলোক সামান্য কিছু টাকা এডভান্স করেছিলেন ছবি আরম্ভের দশ দিন আগে থেকে উনি ফোন ধরা এবং মেসেজের রিপ্লাই ব্যাক করা বন্ধ করে দিলেন। আমরা তার আগে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছি লোকেশন রেইকি করেছি একটার্সদের নিয়ে ওয়ার্কশপ করেছি কিছু কিছু টাকা এডভান্সও দিয়েছিলাম। প্রডিউসার ভদ্রলোক তখন গায়েব। এখন উনি এবং উনার পরিবার আমার কাছে সেই যৎসামান্য এডভান্স যেটা দিয়েছিলেন যা কিনা পুরোটাই খরচ হয়ে যায় তা ফেরত চাইছেন। নিয়ম মতে সেই টাকা দেওয়ার কথা নয় আমাদের সময় পরিশ্রমের কোন মূল্যই দেয়া হয়নি। তাও বলেছি ফাইন্যান্সার পেলে বা প্রোডিউসার পেলে কিছু দেবো। উনি টাকাটা দেখলেন সময়ের পরিশ্রমের মূল্যটা দিলেন না। এর মধ্যে হলো আমার টাকা চোট। আমি দমবো না ছবি তো আমি করবই দরকার হলে নিজের ফিক্স ডিপোজিট ভেঙ্গে করব। সাথে থেকো।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

বৃষ্টি স্নাত সান্ধ্য বর্ধমানে ক্ষণিকের উষ্ণতা মদনের 'ওহ লাভলি'

বঙ্গ রাজনীতির রঙ্গমঞ্চে এক বর্ণময় চরিত্র মদন মিত্র। শিক্ষা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য হয়ে পুলিস নানা বিষয়ে তাঁর মন্তব্য বিভিন্ন সময় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বর্তমান ট্রেন্ড মিলিয়ে বলতে গেলে মদন মানেই ভাইরাল। এহেন প্রবীণ রঙ্গীন মানুষটি এবার সকলকে চমকে দিয়ে রুপালি পর্দায় হাজির। টালিগঞ্জের খ্যাতানামা পরিচালক হরনাথ চক্রবর্তী পরিচালিত ওহ লাভলি ফিল্মে দেখা যাবে এই পোড়খাওয়া রাজনীতিবিদকে। ২৫ অগাস্ট বাংলার বিভিন্ন হল ও মাল্টিপ্লেক্সে মুক্তি পেতে চলেছে হরনাথ চক্রবর্তীর পরিচালিত ওহ লাভলি।এই ছবির মুখ্য ভূমিকায় দেখা যাবে ঋক চট্টোপাধ্যায়কে। ঋক হলেন যমুনা ঢাকির অনুরাধা অর্থাৎ অভিনেত্রী দেবযানী চট্টোপাধ্যায়ের ছেলে। এই ছবির হাত ধরেই ঋক বড়পর্দায় পা রাখছেন। এছাড়াও এই ছবিতে অভিনয় করতে দেখা যাবে খরাজ মুখোপাধ্যায়, লাবণী সরকার, রাজনন্দিনী পাল, দ্রোণ মুখোপাধ্যায়, কৌশিক ভট্টাচার্য, তপতী মুন্সী, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, মৃন্ময় দাস সহ আরও কয়েকজন নবাগতকে। ওহ লাভলির সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন শুভঙ্কর-শুভম জুটি এবং আবহ সঙ্গীত নির্মাণ করেছেন এসপি ভেঙ্কটেশ।সিনেমাটির অন্যতম প্রধান আকর্ষণ বর্ষীয়াণ তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র। সপ্তাহের প্রথম দিন সোমবার ছবির কলাকুশলীদের নিয়ে তিনি বর্ধমান শহরের প্রাণকেন্দ্র কার্জন গেট (বিজয় তোরণ) প্রাঙ্গণে ছবির প্রচারে উপস্থিত হন। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে নিম্নচাপের কারণে সারাদিন-ই ঝিরঝিরে বৃষ্টির চলছে, বৃষ্টি মাথায় নিয়েই সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ কলাকুশলীদের নিয়ে হাজির হন প্রাক্তন মন্ত্রী-বিধায়ক-প্রবীন রাজনিতীক-গায়ক-অধুনা অভিনেতা মদন মিত্র। বঙ্গ রাজনীতির এই অন্যতম জনপ্রিয় নেতা কালো ধুতি-পাঞ্জাবী পরিহিত হয়ে মঞ্চে উঠতেই বৃষ্টি মাথায় নিয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে উপভোগ করলেন তাঁর সান্নিধ্য। বরাবরই তিনি খুবই সাবলীল ও রসিক বক্তা।মদন মিত্র তাঁর ছোট্ট বক্তব্যের প্রথমেই তাঁর রাজনৈতিক জীবনে এই শহরের কিছু সুন্দর মুহুর্তের কথা তুলে ধরেন। সেই সময়কার কিছু উল্লেখযোগ্য সহকর্মীর নামও বিশেষ করে উল্লেখ করেন তৃণমূল কর্মী শিবশঙ্কর ঘোষ, অরূপ দাস (আইনজীবী, কাউন্সিলার) ও খোকন দাসের (বিধায়ক) নাম। তিনি বলেন, আমি তখন তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ধমান জেলার অবজার্ভার ছিলাম, এমন একটা দিন যায়নি যে সেদিন কার্জন গেট চত্তরে কোনও জমায়েত করিনি, সেই বর্ধমান শহরেই তাঁর জীবনের এক নতুন অধ্যায়ের সুচনাতে অভিনেতা মদন মিত্রকে বেশ পুলকিত মনে হল।ওহ লাভলি সিনেমাটি কেমন? সেই প্রশ্নের উত্তরে তৃণমূল কংগ্রেসের কামারহাটির বিধায়ক বলেন, একেবারে নতুন ছেলেমেয়েরা এই সিনেমায় অভিনয় করছে। টালিগঞ্জের নামজাদা চিত্র পরিচালক হরনাথ চক্রবর্তী এই সিনেমাটির নির্দেশক। তিনি আরও বলেন, পৃথিবীর ইতিহাসে অনেক সিনেমা হয়েছে যেমন ব্যোমকেশ, শার্লক হোমস, চোখের বালি, কিন্তু একটি গানের একটি শব্দ দিয়ে সিনেমা পৃথিবীর ইতিহাসে এই প্রথম। ও লাভলি এই সিনেমাতে হাসি, কান্না, গল্প, গান সব রয়েছে।এই ছবি নিয়ে পরিচালক হরনাথ চক্রবর্তী বলেন, এই ছবিটি সপরিবারে দেখার মতো একটা ছবি। প্রথমবার এই ছবিতে মদন মিত্রকে অভিনয় করতে দেখবেন আপনারা। লাবণী সরকার, খরাজ মুখোপাধ্যায়ের মতো জনপ্রিয় অভিনেতাদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে অভিনয় করেছেন মদন মিত্র। পরিচালক বলেন, আমরা সাদা চোখে যে মদন মিত্রকে দেখতে অভস্ত তাঁর যে ব্যক্তিত্ব, সেই আমেজ বজায় রেখেই এই ছবিতে এক নতুন অবতারে দেখা যাবে তাঁকে। অন্যদিকে, এই ছবি দিয়ে বাংলা ছবির জগতে প্রথমবার পা রাখছেন ঋক। অন্যদিকে রাজনন্দিনীকেও এমন গ্ল্যামারাস অবতারে প্রথমবার পাবেন বাঙালি দর্শক। আশা করি দর্শকের এই ছবি ভাল লাগবে। আগামী ২৫ শে অগাস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলেছে এই ছবি।

আগস্ট ০৮, ২০২৩
রাজ্য

পূর্ব বর্ধমানে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী যুগল

প্রেমের এমন নিষ্ঠুর পরিণতির জেরে স্তম্ভিত গোটা এলাকার মানুষজন। এই ঘটনায় এলাকায় নেমেছে শোকের ছায়া। বছর ১৫ পূর্ণিমা ক্ষেত্রপালের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল গ্রামের ১৬ বছরের দেবা বাউড়ির। ১৭ দিন আগে গত ৩ আগস্ট বুদবুদ থানার ভরতপুর গ্রামে বিয়ে হয় পুর্ণিমার। তবুও দুজন, কেউ কাউকে মন থেকে মুছতে পারেনি। শেষমেশ আত্মহত্যার পথ বেছে নিল দুজন।শ্বশুর বাড়ি থেকে বাপের বাড়ি আসার পরই এমন ঘটনা ঘটায় পূর্ণিমা। এলাকার রামগোপাল পুর স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্রী ছিল পূর্ণিমা। শনিবার সকাল দশটার সময় দুজনের দেহ উদ্ধার করে স্থানীয় পুরসা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র নিয়ে যায় পুলিশ। সেখানেই দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।ময়নাতদন্তের জন্য দেহ নিয়ে যাওয়া হয় বর্ধমান মেডিকেল কলেজের পুলিশ মর্গে।

আগস্ট ২০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

We for Love: বঙ্গাস-র ভাতৃদ্বয়ের নতুন ইপি" 'উই ফর লাভ'

কিংবদন্তী সরোদ শিল্পী ওস্তাদ আমজাদ আলি খান ও প্রথিতযশা নৃত্যশিল্পী শুভলক্ষ্মী বড়ুয়া খানের পুত্র-দ্বয় আমান আলি বঙ্গাস এবং আয়ান আলি বঙ্গাস তাঁদের তৃতীয় অ্যালবাম (ইপি) প্রকাশ করতে চলেছেন। অ্যালবামটির (ইপি) নামকরণ করেছেন উই ফর লাভ (We For Love)। বিশেষ ভাবে উল্লেখ্য, উই ফর লাভ কৈলাশ সত্যার্থী চিলড্রেনস ফাউন্ডেশন (KSCF)-র একটি প্রোজেক্ট জাস্টিস ফর এভরি চাইল্ড (Justice For Every Child) ক্যাম্পেইনের ক্যাচ লাইন। যার মূল লক্ষ্য হল প্রত্যেক শিশুর জন্য ন্যায়বিচার পাই তার জন্য সচেতনতা বাড়ানো। দুই ভাই ছাড়াও এই অ্যালবাম-এ (EP)-তে উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি শুভা মুদগল, করণ জোহর, কার্শ কালে, মালিনী অবস্থি, মহেশ কালের মতো বিখ্যাত ব্যক্তিত্বরা এবং অবশ্যই আমজাদ আলি খান।ইপি সম্পর্কে বলতে গিয়ে আমান আলি বঙ্গাস বলেন, সাউন্ডস্কেপ এবং সংবেদনশীলতার পরিপ্রেক্ষিতে উই ফর লাভ-এর সমাজের বিভিন্ন স্তরের বৈচিত্র্যময় শিল্পীদের নিয়ে সংগঠিত হয়েছে। এখানে ইলেকট্রনিক ইন্সট্রুমেন্ট থেকে ইন্ডিয়ান ক্লাসিক্যাল, ঠুমরি থেকে ভজন সবকিছুই এত আসাধরণ ভাবে নির্বিঘ্নে মিশে রয়েছে, যেন এক ঐশ্বরিক অনুভুতি। তিনি আরও বলেন, প্রকল্পের প্রতিটি শিল্পীকে এই প্রোজেক্টে আন্তরিকভাবে অংশগ্রহণ করার জন্য এবং এই ইপি (EP)-কে এখনও পর্যন্ত আমাদের সবচেয়ে স্মরণীয় প্রোজেক্টের মধ্যে অন্যতম করে তোলার জন্য আমরা সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই। আসলে, এটাই আমাদের প্রথম উপস্থাপনা যেখানে এতজন গুনী শিল্পী একটি মহৎ উদ্দেশ্যে একত্রিত হচ্ছেন।আমান আলি বঙ্গাস-র ভাই আয়ান আলি বঙ্গাস তার দাদা-র কথা টেনেই বললেন, সংগীত একটি শক্তিশালী মাধ্যম যা মানবজাতিকে একত্রীকরণ করে। উই ফর লাভ প্রকৃতপক্ষে শিল্পী এবং সহনাগরিক হিসাবে আমাদের জন্য একটি দারুন জার্নি। এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য, এক অন্তহীন পথ তৈরি করা যা ইতিবাচক প্রভাব তৈরি করবে এবং কর্ম-অনুপ্রেরণা আনবে। আজকের দিনে সামাজ সচেতন সঙ্গীতের আবেদন ব্যাপক এবং আমরা বারবার এই বিপ্লবে অবদান রাখতে পেরে ভীষণ ভাবে আনন্দিত। উই ফর লাভ মুক্তি পাবে ২১ জানুয়ারি ২০২২।

জানুয়ারি ১১, ২০২২
রাজ্য

College Student: প্রেমের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ায় কলেজ ছাত্রীকে মারধর ও শ্লীলতাহানি

প্রেমের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ায় কলেজ ছাত্রীকে মারধর ও তাঁর শ্লীলতাহানির অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে মেমারি থানার পুলিস। ধৃতের নাম রোহন বাগ। মেমারি থানার পূর্ব গন্তারে তার বাড়ি। বুধবার ভোরে বাড়ি থেকে পুলিস তাকে গ্রেপ্তার করে। এদিনই ধৃতকে বর্ধমান সিজেএম আদালতে পেশ করা হয়। ধৃতকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নিের্দশ দেন সিজেএম।পুলিস জানিয়েছে, মেমারি থানারই কবিরপুরে ওই ছাত্রীর বাড়ি। তিনি মেমারি কলেজের বিএ প্রথমবের্ষর ছাত্রী। সোমবার বিকেলে তিনি মেমারি থেকে টিউশন পড়ে সাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন। পূর্ব গন্তারে একটি ক্লাবের কাছে রোহন তাঁর পথ আটকায়। তাঁকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। তাতে রাজি না হওয়ায় ছাত্রীকে সে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। ওই ছাত্রী পাশ কাটিয়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাঁকে মারধর করা হয়। এমনকি তাঁর শ্লীলতাহানিও করা হয় বলে অভিযোগ। ছাত্রী প্রতিবাদ করলে তাঁকে গালিগালাজ করা হয়। প্রস্তাবে রাজি না হলে তাঁকে খুন করা হবে বলে ছাত্রীকে হুমকি দেয় রোহন। ছাত্রীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এলে অভিযুক্ত পালিয়ে যায়। রাতেই ঘটনার কথা জানিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই ছাত্রী। এ ধরনের আচরণে তিনি নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন বলে অভিযোগে জানিয়েছেন ওই ছাত্রী।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
রাজ্য

Murder: প্রেমিক যুবককে খুনের অভিযোগ ঘিরে হুলুস্থূল শক্তিগড়ে, ধৃত প্রেমিকার বাবা

প্রেমিক যুবককে খুনের অভিযোগ উঠলো প্রেমিকা ও তাঁর বাবার বিরুদ্ধে। এই বিষয়ে পুলিশ অভিযোগ নিতে অস্বীকার করেছে। এমন অভিযোগ ঘিরে শনিবার দুপুরে ব্যাপক ক্ষোভ-বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে পূর্ব বর্ধমানের শক্তিগড়ে। মৃত যুবকের পরিবার পরিজনসহ এলাকার বহু মানুষ এদিন অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে প্রথমে শক্তিগড় থানার সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখান। পরে তাঁরা শক্তিগড় বাজারের সামনের রাস্তায় জড়ো হয়ে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন।বিক্ষোভ সামাল দিতে র্যাফ সহ বিরাট পুলিশ বাহিনী এলাকায় মোতায়েন করা হয়। শেষ পর্যন্থ এলাকাবাসীর চাপে পুলিশ যুবকের পরিবারের কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ গ্রহন করলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর ১৭ বয়সী যুবক শেখ রফিকের বাড়ি শক্তিগড় থানার সন্তোষপুরে। যুবকের মা আমিরা বিবির অভিযোগ,গত বৃহস্পতিবার থেকে হঠাৎই নিঁখোজ হয়ে যায় তাঁর ছেলে রফিক। তার পর থেকে যুবকের আর কোন হদিশ পাওয়া যাচ্ছিল না।পরিবারের সদস্য ও এলাকার লোকজন বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ চালিয়েও যুবকের হদিশ পায়নি।পরিবারের সদস্যরা এদিন দাবি করেন, শুক্রবার সন্ধ্যায় রফিকের প্রেমিকা নিজেই রফিকদের বাড়িতে ফোন করে রফিকের খোঁজ নেয়। এরপরেই জিআরপি থেকে যুবকের বাড়িতে খবর আসে শক্তিগড় রেল স্টেশন সংলগ্ন ১ নম্বর কেবিনের পাশে পড়ে রয়েছে রফিকের মৃতদেহ। শেখ রফিকের মায়ের আরও অভিযোগ, এর আগেও বেশ কয়েকবার তাঁর ছেলে রফিককে খুনের হুমকি দিয়েছিল পার্শ্ববর্তী গ্রাম মোল্লা পাড়া নিবাসী প্রেমিকার বাবা সেখ আমির। আমিরা বিবি এদিন দাবি করেন, তাঁর ছেলে রফিককে খুন করেছে প্রেমিকা ও তাঁর বাবা। যুবকের পরিবারের সদস্যরা এদিন বলেন, রফিকের মৃতদেহ উদ্ধারের পর তাঁরা শক্তিগড় থানায় অভিযোগ জানাতে যান। কিন্তু পুলিশ অভিযোগ নিতে অস্বিকার করে। শুধু অভিযোগ নিতে অস্বীকার করাই নয়, উল্টে প্রেমিকার বাড়ির চারিদিকে পুলিশ ব্যারিকেড করে ঘিরে রাখে। মৃত যুবকের পরিবারের সদস্যরা এদিন আরও জানান, প্রেমিকার বাবা শেখ আমির বড় বালি ব্যবসায়ী হওয়ায় তাঁর সঙ্গে শক্তিগড় থানার পুলিশের ঘনিষ্টতা বেশী। সেই কারণে রফিকের পরিবার প্রেমিকা ও তাঁর বালি কারবারী বাবার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে পুলিশ অভিযোগ না নিয়ে ফিরিয়ে দেয়। রফিককে খুনের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে শক্তিগড় থানার পুলিশ যাতে অভিযোগপত্র জমা নিয়ে অভিযুক্তদের শাস্তির ব্যবস্থা করে সেই দাবিতেই এদিন এলাকার সকলে পথে নামতে বাধ্য হয়েছেন বলে এলাকাবাসীরা বলেন। ডিএসপি (হেডকোয়ার্টার) অতনু ঘোষাল বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রেমিকার বাবাকে আটক করে জিজ্ঞাসাদ শুরু হয়েছে। শক্তিগড় থানার পুলিশ অভিযোগ না নিয়ে ফিরিয়ে দিয়েছে এই অভিযোগ যদিও ডিএসপি মানতে চাননি।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Didi no 1 : প্রথমবার সস্ত্রীক মদন মিত্র, জমিয়ে দিলেন দিদি নাম্বার

রচনা ব্যানার্জি কেন দিদি নং ১ সেটা আরও একবার প্রমাণিত হল। দিদির সৌজন্যেই প্রথমবার দেখা গেল সস্ত্রীক মদন মিত্রকে। মদন মিত্রকে এতদিন যেখানেই দেখা গেছে না কেন সব লাভলি মহিলাদেরকেই দেখা গেছে। কিন্তু এবার দিদি নং ওয়ানে সস্ত্রীক মদন মিত্র। ফেসবুক লাইভে এসে এই কথা স্বীকারও করেছেন তিনি। জানিয়েছেন, রচনার সৌজন্যে তিনি এবং তাঁর স্ত্রী অর্চনা মিত্র এক মঞ্চে, এক অনুষ্ঠানে। সে দিক থেকেও ইতিহাস গড়ল রিয়্যালিটি শো-এর মঞ্চ। একই সঙ্গে মিষ্টি অনুযোগ, অপেক্ষায় ছিলাম, কবে রচনার শো-তে ডাক পাব! অভিমানও হত, রাজনীতি করি বলেই কি আমাদের ডাকেন না রচনা? আজ আর আমার কোনও অভিমান নেই!দিদি নং ওয়ানে রচনা ব্যানার্জি মদন মিত্রর স্ত্রীকে প্রশ্ন করেন দাদার চারপাশে এত সুন্দরীদের ভিড়। আপনি কখনও থাকেন না। ভয় হয় না? উত্তরে অর্চনা বলেন, ঘুড়ি যতই উড়ুক, লাটাই তো আমার হাতে! সঙ্গে সঙ্গে কামারহাটির বিধায়কের সেই বিখ্যাত সংলাপ, ওহ! লাভলি...।তবে শুধু মদন মিত্র নন। উপস্থিত ছিলেন বাবুল সুপ্রিয়, রাঘব চ্যাটার্জি, শিবাজী চট্টোপাধ্যায়ের মতো গুণী মানুষও। সকলকে নিয়ে বেশ মজা করতেই দেখা যায় দিদি নাম্বার ওয়ান কে।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Birushka: হাসিমুখে ছবি পোস্ট অনুষ্কার, ভালোবাসায় ভরালেন বিরাট

দীর্ঘ ক্রিকেট খেলে ক্লান্ত ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলি। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টে টিমের সঙ্গে যোগ দেবেন তিনি। ফলে এই সময়টা তিনি কাটাচ্ছেন পরিবারের সঙ্গে। স্ত্রী অনুষ্কা শর্মা ও কন্যা ভামিকার সঙ্গে ছুটিটা ভালোই উপভোগ করছেন বিরাট। এর মধ্যেই অনুষ্কা শুক্রবার সকাল সকাল রোদে ভেজ ছবি পোস্ট করলেন। পোস্টের কমেন্ট বক্সে তিনটে হার্ট দিয়েছেন বিরাট। নিমেষেই ভাইরাল হয়ে যায় অনুষ্কার এই ছবি। এখনও পর্যন্ত ১৪ লক্ষ ৮ হাজারের বেশি মানুষ ছবিতে লাইক করেছেন। কমেন্ট ও এসেছে প্রচুর। তবে সব কমেন্টের মধ্যে নেটিজেনদের মন কেড়ে নিয়ে বিরাট কোহলির কমেন্ট করা তিনটি হার্ট। বিরাট যে তার স্ত্রী অর্থাৎ ভামিকার মা কে কতটা ভালোবাসেন সেটা আগের মতো আরও একবার সবার সামনে এল। বিরাট ছাড়াও ছবিতে কমেন্ট করেছেন দিয়া মির্জা, সোনালি বেন্দ্রে সহ আরও অনেক বলিউড তারকা। সকলেই ছবির কমেন্ট বক্সে ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন।

নভেম্বর ২৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Love Story : একটু অন্যধারার ভালোবাসার গল্প বলবেন পরিচালক প্রীতম

পূর্ণদৈর্ঘ্যর ছবি লেট দেয়ার বি লাভ এর সাংবাদিক সম্মেলন হয়ে গেল কলকাতার প্রেস ক্লাবে। এই ছবির কাহিনী, চিত্রনাট্য, সংলাপ দেবারতি ভৌমিকের। নির্দেশনা করেছেন প্রীতম মুখার্জী। এই ছবিতে নীলাদ্রি দত্তের চরিত্রে রয়েছেন অনুভব কাঞ্জিলাল যিনি পেশায় স্বর্ণ ব্যবসায়ী। সোনালি দত্তর চরিত্রে হৈমন্তী গাঙ্গুলী যিনি নীলাদ্রির স্ত্রীর ভূমিকায় রয়েছেন। মিতালী দত্ত অর্থাৎ নীলাদ্রির মা হয়েছেন পারমিতা মুখার্জী। অনিমেষ রায় যিনি একজন চিকিৎসক তার চরিত্রে দেখা যাবে অরিন্দম আচার্যকে। অজিতের চরিত্রে জিত ভট্টাচাৰ্য। তিনি পেশায় উকিল এবং নীলাদ্রির বাল্য বন্ধু। নয়নার চরিত্রে পৌলোমী পাঁজ। তিনি সোনালীর বাল্য বন্ধু। পরিচালক জনতার কথা কে জানিয়েছেন পূর্ণদৈর্ঘ্যর ছবি এটা তার প্রথম। এর আগে একটি শর্ট ফিল্ম নির্মাণ করেছেন এবং একটি OTT প্ল্যাটফর্মের জন্য একটি ওয়েবসিরিজ করেছেন। লেট দেয়ার বি লাভ এক মিষ্টি প্রেমের গল্পের এক বেদনার সমাপ্তির গল্প। নীলাদ্রি আর সোনালির ভালবাসায় কানায় কানায় ভর্তি এক সংসার। নীলাদ্রির মা বাবা আর ওরা দুজনে মিলে খুব সুখে ছিল, এমনকি ওঁদের পরিবারে নতুন সদস্য আসার খবরও আনন্দে মাতিয়ে দেবে গোটা দত্ত পরিবারকে। কিন্তু সুখ বেশিদিন সইল না নীলাদ্রির কপালে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয় সোনালি, জীবনের চরম পরিহাস তাকে মানসিকভাবে এমন এক অবস্থায় নিয়ে যায় যে সোনালির মুক্তি চায় নীলাদ্রি। Euthanasia করতে চায় ও। স্বেছা মৃত্যু যা মার্চ ২০১৮ থেকে ভারতে আইন সিদ্ধ কিন্তু কি চরম অবস্থার মধ্যে পড়লে নিজের আপনজন এটা চাইতে পারে সেটাই এই ছবির মাধ্যমে দর্শকের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। ছবি ঃ প্রকাশ পাইন

অক্টোবর ৩০, ২০২১
রাজ্য

Death of Pigeon: পায়রার মৃত্যু নিয়ে প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের পক্ষী প্রেমীর

বাড়ির ছাদে পায়রা ও ঘুঘু পাখির ঘোরা ফেরা মেনে নিতে পারেননি এক বাড়ি মালিক। তাই ছাদের গাছ-পালার টবে বিষাক্ত কিছু দিয়ে রেখে নিরীহ পাখিদের প্রাণে মেরে দেওয়ার অভিযোগ উঠলো ওই বাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে। এই ঘটনা নিয়ে বুধবার ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় শহর বর্ধমানের নীলপুর কমলাদিঘী পাড় এলাকায়। পাখিদের মৃত্যুর জন্য এলাকার বাসিন্দা নিরুপ কুমার দাসের বিরুদ্ধে বর্ধমান থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন প্রতিবেশী সান্তুনু দাস। পাখিদের প্রাণে মেরে দেওয়ার ঘটনার প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছে বর্ধমানের একাধিক পশু পক্ষী প্রেমী সংগঠন।আরও পড়ুনঃ রাত পোহালেই ভোট, মোতায়েন আরও ২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীনীলপুর কমলাদিঘী পাড় এলাকার বাসিন্দা শান্তনু দাস জানিয়েছেন, বহুদিন হল তিনি তাঁর বাড়ির ছাদে পাখিদের বসবাস করার ব্যবস্থা করে রেখেছেন। তাঁর মধ্যে তাঁর পোষা কয়েকটি পায়রাও রয়েছে। কিছু ঘুঘু পাখিও ওই বাসায় এসে থাকা শুরু করে। প্রতিদিন সকালে তিনি ওইসব পাখিগুলি ছেড়ে দেন। পাখিরা নিজেদের খুশি মতো উড়ে বেড়ায়। শান্তনুবাবু জানান, পাখিগুলি তাঁর বাড়ির ছাদে এবং তাঁর প্রতিবেশীদের বাড়ির ছাদে উড়ে গিয়ে বসতে। সেখানে খেলাও করতো। অন্যরা তা নিয়ে ক্ষুব্ধ না হলেও আপত্তি ছিল তাঁর আত্মীয় তথা প্রতিবেশী নিরূপ কুমার দাসের। তিনি তাঁর বাড়ির ছাদে পাখিদের আনাগোনা মেনে নিতে পারেননি। নিরূপ বাবু অভিযোগ তোলেন পাখিরা তাঁর বাড়ির ছাদ নোংরা করে। শান্তনুবাবু জানান, গত রবিবার তিনি বাড়িতে ছিলেন না। পুলিশের পরীক্ষা দিতে বাইরে গিয়েছিলেন। ওইদিন তাঁর মা এবং পরিবারের সদস্যরা লক্ষ্য করেন পায়রাগুলো ভীষণভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। পরে বাড়ি ফিরে শান্তনু বাবু ৬টি পায়ারকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন। বাকি পায়রাগুলির কোন খোঁজ তিনি পাননি। শান্তনুবাবুর অভিযোগে, বাড়ির ছাদে থাকা গাছের টবে নিশ্চয় বিষ দিয়ে রেখেছিলেন তাঁর প্রতিবেশী নিরুপ রায়। তার কারণেই পায়রাগুলি মারা গিয়েছে। ঘটনার বিহিত চেয়ে ও প্রতিবেশীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করে শান্তনুবাবু বর্ধমান থানার অভিযোগ জানিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ কাটোয়ায় কর্মীসভা থেকে দলের জেলা সভাপতিকে হুমকি অনুব্রত ঘনিষ্ট তৃণমূল নেতারবর্ধমান থানার আইসি সুখময় চক্রবর্তী জানিয়েছেন, অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তার ভিত্তিতে তদন্ত হচ্ছে। মৃত পায়রাগুলি উদ্ধার করে পশু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

প্রেমিকার স্বামীকে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ প্রেমিকের বিরুদ্ধে

প্রেমের সম্পর্কে পথের কাঁটা হয়ে উঠেছিল প্রেমিকার স্বামী। তাই পরিকল্পনা করে প্রেমিকার স্বামীকে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠলো প্রেমিকের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি বুধবার রাাতে ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কালনা থানার উত্তর রামেশ্বরপুর এলাকায়। মৃত ব্যক্তির নাম মুরসেদ শেখ (২৮)। তাঁর বাড়ি কালনার বেগপুর পঞ্চায়েতের পাথরডাঙা গ্রামে। মুরসেদের স্ত্রীর প্রেমিক মানিক মণ্ডল পরিকল্পনা করে মুরসেদকে কুপিয়ে খুন করার পর নিজে আক্রান্ত হওয়ার ভান করে বলে অভিযোগ করেছেন নিহতের পরিজনরা। কালনা থানার পুলিশ মুরসেদের মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। নিহত মুরসেদ শেখের দাদা জাকির আলি শেখ জানিয়েছেন, তাঁর ভ্রাতৃবধূর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল স্থানীয় মানিক মণ্ডলের। ওদের ওই প্রেমের সম্পর্কে পথে কাঁটা হয়ে উঠেছিল মুরসেদ। সেই পথের কাঁটা সরাতে মানিক পরিকল্পনা আঁটে। পরিকল্পনা মাফিক বুধবার সন্ধ্যার পরেই মানিক সহজপুর বাজারে থাকা তাঁর দোকান বন্ধ করে দেয়। এরপর মানিক তাঁর বাইকে মুরসেদকে চাপিয়ে নিয়ে উত্তর রামেশ্বরপুর এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানেই মানিক ধারালো অস্ত্র দিয়ে মুরসেদকে কোপানোর পর তাঁর মুখ কাদায় গুঁজে দেয়। তারপর নিজেকে নির্দেষ সাজাতে মানিক একই জায়গায় আক্রান্ত হওয়ার ভান করে পড়ে থাকে। রামেশ্বরপুর এলাকার লোকজন তাঁদের রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে কাছে যান। মানিক তাঁদের মিথ্যা করে বলে, দুস্কৃতীরা তাঁদের দুজনের উপরে হামলা চালিয়ে পালিয়েছে। এমনটা শুনেই এলাকার লোকজন কালনা থানায় খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে দুজনকে উদ্ধার করে কালনা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মুরসেদকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মানিক মণ্ডল এখন আক্রান্ত হবার অভিনয় করে কালনা মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জাকির আলি দাবি করেছেন। যদিও মানিক মণ্ডল এদিনও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছে। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গ্রামীন) ধ্রুব দাস বলেন, মাঠের মধ্যে পড়ে থাকা দুজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসক তাঁদের মধ্যে একজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। অন্যজন চিকিৎসাধীন রয়েছে। মৃতর পরিবার খুনের অভিযোগ দায়ের করেছে। তার ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

L‌ovelina Boxing Gloves : লভলিনার বক্সিংয়ের দর কত উঠল জানেন?‌ শুনলে আঁতকে উঠবেন

এক জোড়া বক্সিং গ্লাভসের দাম ১০ কোটি! দুটি জ্যাভেলিনের দাম ১০ কোটি টাকা! সত্যিই চোখ কপালে ওঠার মতো অবস্থা। এই বক্সিং আর জ্যাভেলিন তো আর যে সে অ্যাথলিটের নয়। অলিম্পিকে পদকজয়ী দুই কৃতীর। স্মারক হিসেবে অনেকেই ঘরে রাখতে আগ্রহী। সুতরাং নিলামে দাম যে আকাশ ছোঁয়া হবে, এটাই স্বাভাবিক। আর এই সামগ্রী নিলাম করে সংগৃহীত অর্থ মহৎ কাজে লাগানো হবে। টোকিও অলিম্পিকে জ্যাভলিনে সোনা জিতেছিলেন নীরজ চোপড়া। প্যারালিম্পিকে জ্যাভলিনে সোনা জেতেন সুমিত। তাঁরা দুজনেই নরেন্দ্র মোদীকে জ্যাভলিন উপহার দিয়েছিলেন। এই জ্যাভলিন দুটির দর উঠেছে ১০ কোটি টাকা। এগুলির বেস প্রাইস ছিল ১ কোটি টাকা। লাভলিনা বরগোঁহাই অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন। তিনি যে বক্সিং গ্লাভস অলিম্পিকে পরেছিলেন তা প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দেন। সেই বক্সিং গ্লাভসের বেস প্রাইস ছিল ৮০ লক্ষ টাকা। এর দরও দ্বিতীয় দিনে পৌঁছে গিয়েছে ১০ কোটি টাকায়।গঙ্গা মিশনের জন্য তহবিল গড়ার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বেশ কিছু উপহার ও স্মারক নিলামে তোলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে এই ই-অকশন। চলবে ৭ অক্টোবর অবধি। ইনিলামের ব্যবস্থা করা হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রকের তরফে। তাতেই আকাশছোঁয়া দর উঠেছে টোকিও অলিম্পিক ও প্যারালিম্পিকে পদকজয়ীদের তরফে প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া উপহারের। অলিম্পিয়ান নীরজ চোপড়া, লাভলিনা বরগোঁহাই ও প্যারালিম্পিয়ান সুমিত আন্টিলের মোদীকে দেওয়া উপহারের দর দ্বিতীয় দিনে পৌঁছে গিয়েছে ১০ কোটিতে। টোকিও অলিম্পিকে ব্রোঞ্জজয়ী ভারতের পুরুষ হকি দলের তরফে প্রধানমন্ত্রীকে যে হকি স্টিক উপহার দেওয়া হয়েছিল সেটির দর উঠেছে ৯ কোটি। শাটলার পিভি সিন্ধুর তরফে উপহার হিসেবে দেওয়া র্যাকেটেরও দাম উঠেছে ৯ কোটি। টোকিও অলিম্পিকে যাওয়ার আগে অলিম্পিয়ান ও প্যারালিম্পিয়ানদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের উৎসাহিত করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। টোকিও অলিম্পিকে পদকজয়ীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল লালকেল্লায় স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের অনুষ্ঠানে। এরপর অলিম্পিয়ানদের প্রাতরাশে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ব্যস্ত সময়ের মধ্যেও অলিম্পিয়ানদের সঙ্গে সাক্ষাত করে হাল্কা মেজাজে বেশ কিছুক্ষণ সময় কাটান। সম্পূর্ণ আলাদা মেজাজে দেখা গিয়েছিল প্রধানমন্ত্রীকে। সে সময় অলিম্পিয়ানরা তাঁকে বিভিন্ন উপহার দেন। তখনই প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন এগুলি আমি নিলামে তুলব। পরে প্যারালিম্পিয়ানদের সঙ্গেও তিনি সাক্ষাত করেন এবং পদকজয়ীরা বিভিন্ন উপহার দেন মোদীকে। সেই সবই নিলামে তোলা হয়েছে নমামি গঙ্গে মিশনের তহবিল গড়ার উদ্দেশ্যে।উপহার ও স্মারক মিলিয়ে ১৩৩০টি সামগ্রী রাখা হয়েছে ইনিলামে। এর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন বিল্ডিংয়ের রেপ্লিকা, শাল ও স্টোল এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর প্রাপ্ত বিভিন্ন উপহার ও স্মারক। রয়েছে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের তরফে মোদীকে দেওয়া অযোধ্যার রাম মন্দিরের রেপ্লিকা, উত্তরাখণ্ডের পর্যটনমন্ত্রী সৎপাল মহারাজের দেওয়া চারধাম মন্দিরের রেপ্লিকা ইত্যাদি। ২০১৯ সালে শেষবার এমন ইনিলামের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এই নিয়ে তৃতীয়বার হচ্ছে এমন নিলাম।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
নিবন্ধ

End of Game: খেলা শেষ

এমনি বরষা ছিল সেদিন----গুনগুন করে গান গাইতে গাইতে ধারা স্নান করছে তৃণা। যেন নিজেকে ধুয়ে নিতে চাইছে।পাশের ঘরে অভি মানে অভিজ্ঞান শিকদার বিখ্যাত একটা cosmetic কোম্পানির একজন কর্তা ব্যক্তি , ঘুমোচ্ছে ; হয়তো চিরনিদ্রা।তৃণা ভাবছে কি হবে ? সে কি খুশি হলো?তবে একটা ব্যাপার সে আর কাউকে তারমতো বঞ্চিত হতে দেবে না।সে আজ অভিকে নিয়ে এসেছিল পুরনো দিনটা মনে করাবে এই বলে।একবছর আগে এখানেই এরকম দিনেই অভি শুরু করেছিল এই শরীরের খেলা। তৃণা তখন স্বপ্ন দেখছে সুপার মডেল হবার।সেই স্বপ্নকে সাকার করবে অভি এটাই ছিলো কথা। সেই থেকে বহুবার এখানে এসেছে ওরা।কিন্তু শেষ দুমাস কিছু একটা হচ্ছে ওর আড়ালে সেটা বুঝতে পারছিল তৃণা। গতসপ্তাহে পুরো ঘটনাটা পরিষ্কার হলো যখন তার জায়গায় নতুন একটা মুখ বিশেষ বিজ্ঞাপন টায় দেখ্তে পেল।শোনা কথা গুলো সত্যি সেটা বুঝল তৃণা।তারপর আজ এই দুর গ্রামে তাদের বেড়াতে আসা।এই গ্রামে বর্ষায় সাপের উত্পাত খুব।অভিকে আবার সাপে কামড়ায়নি তো??সবই সম্ভব এই গ্রামে, এই বর্ষায়।লেখিকাঃ রাখি রায়

আগস্ট ২২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Lovelina : ‌‌অসুস্থ মায়ের কাছে যেতে পারলেন না লাভলিনা বরগোঁহাই

টোকিও অলিম্পিক থেকে দেশে ফিরেছেন। নিজের রাজ্য আসামে পৌঁছেও অসুস্থ মায়ের কাছে যেতে পারলেন না অলিম্পিকে ব্রোঞ্জজয়ী বক্সার লাভলিনা বরগোঁহাই। গুয়াহাটিতে সংবর্ধনার জোয়ারে ভেসে গেলেন।মেরি কমের পর দ্বিতীয় ভারতীয় মহিলা বক্সার হিসেবে অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতেছেন লাভলিনা। টোকিও থেকে বেশ কয়েকদিন আগেই দেশে ফিরেছেন। বৃহস্পতিবার প্রথম নিজের রাজ্য অসমে পা রাখলেন। এদিন সকালে গুয়াহাটি বিমানবন্দরে পৌঁছন অলিম্পিকে ব্রোঞ্জজয়ী বক্সার লাভলিনা বরগোঁহাই। তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতে হাজির ছিলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। অসমের রীতি মেনে গামছা, জাপি ও ফুলের তোড়া দিয়ে অলিম্পিকে ৬৯ কেজি বিভাগে ব্রোঞ্জজয়ী লাভলিনাকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানানো হয় । বিমানবন্দরে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে লাভলিনাকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী বিমল বোরা। বিমানবন্দর থেকে লাভলিনাকে নিয়ে যাওয়া হয় শহরেরই একটি হোটেলে। তাঁকে স্বাগত জানাতে রাস্তা বড় বড় কাটআউট দিয়ে সাজানো ছিল।আরও পড়ুনঃ ৩১ অগস্ট পর্যন্ত চলবে না লোকাল ট্রেনলাভলিনাকে এদিন অসম সরকারের পক্ষ থেকে নাগরিক সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সংবর্ধনা প্রদানের অনুষ্ঠানটি হয় শ্রীমন্ত শঙ্করদেব কলাক্ষেত্রে। লাভলিনার হাতে ১ কোটি টাকার চেক তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। এছাড়া প্যারিস অলিম্পিক অবধি প্রতি মাসে লাভলিনাকে ১ লক্ষ টাকা করে স্কলারশিপ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে অসম সরকার। তাঁকে অসম পুলিশের ডিএসপি পদেও নিযুক্ত করা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ কেন্দ্রীয় সরকারের বিশেষ মেডেল পাচ্ছেন বঙ্গের ৪ পুলিশ অফিসারএদিনের অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন লাভলিনার পিতা টিকেন বরগোঁহাই। ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে লাভলিনার গ্রামের কাছেই সরুপাথরে একটি স্পোর্টস কমপ্লেক্স গড়ার কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণের পর তাঁদের প্রশিক্ষণের সুযোগ করে দিতেই এই উদ্যোগ। এর পাশাপাশি গুয়াহাটির একটি রাস্তার নামও লাভলিনার নামাঙ্কিত হবে বলে জানিয়েছেন মু্খ্যমন্ত্রী। সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী বিমল বোরা, বিধায়করা এবং প্রাক্তন অ্যাথলিট ও কোচ অর্জুন ভোগেশ্বর বড়ুয়া প্রমুখ।আরও পড়ুনঃ স্পাকিস্তান ক্রিকেটে আবার ডামাডোল, বোর্ডের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ বাবর আজমদেরনিজের রাজ্যে ফিরলেও এদিন বাড়িতে অসুস্থ মায়ের কাছে যাওয়া হল না লাভলিনার। রাজ্যপাল জগদীশ মুখীর সঙ্গে দেখা করে দিল্লি ফিরবেন। লালকেল্লায় স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে টোকিও অলিম্পিকের পদকজয়ীদের সঙ্গে মিলিত হবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই অনুষ্ঠানে হাজির থাকার জন্য লাভলিনাকে ফের দিল্লিতে যেতে হবে। কিডনি প্রতিস্থাপনের পর মা এখন আরোগ্য লাভের পথে। মায়ের অপারেশনের সময় জাতীয় শিবিরে থাকার জন্য পাশে থাকতে পারেননি লাভলিনা। দিল্লিতে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানের পর লাভলিনা বাড়িতে এসে থাকবেন।

আগস্ট ১২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Srabanti : শ্রাবন্তীর চতুর্থ প্রেমে ভাঙন

শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে চর্চার শেষ নেই। ব্যক্তিগত জীবন, তার বিয়ে সবকিছু নিয়েই নেটিজেনদের কৌতূহলের শেষ। তার তৃতীয় বিয়েটা নিয়েও অনেকের মনে অনেক প্রশ্ন।আরও পড়ুনঃ পরীমণির সঙ্গে একজন পুলিশকর্তার প্রেম !তবে এবার নাকি আবার শোনা যাচ্ছে, নায়িকার চতুর্থ প্রেমেও নাকি ভাঙন ধরেছে। বেশ কিছুদিন ধরেই ব্যবসায়ী অভিরূপ নাগ চৌধুরীর সঙ্গে অভিনেত্রীর প্রেমের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। সূত্রের খবর মানলে, ইনস্টাগ্রামে অভিরূপকে আনফলো করেছেন শ্রাবন্তী। তাতেই প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি আবারও মন ভাঙল টলিপাড়ার অভিনেত্রীর? না কি অন্য কোনও ঘটনা।আরও পড়ুনঃ রাজ কুন্দ্রার পর্নোগ্রাফি নিয়ে মুখ খুললেন শার্লিন চোপড়াঅল্প বয়সেই পরিচালক রাজীব বিশ্বাসকে বিয়ে করেছিলেন শ্রাবন্তী। দুজনের ছেলের নাম অভিমন্যু। ডাক নাম ঝিনুক। রাজীবের সঙ্গে ডিভোর্স হওয়ার পর মডেল কৃষাণ ব্রজকে বিয়ে করেছিলেন শ্রাবন্তী। বেশিদিন সে বিয়ে টেকেনি। এরপরই রোশন সিংয়ের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন টলিউড অভিনেত্রী। গত বছর থেকে রোশন ও তিনি আলাদা থাকছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় একে অন্যকে আনফলো করেছেন। কটাক্ষ, পালটা কটাক্ষের পালাও চলেছে বেশি কিছুদিন। তবে কিছুদিন আগে আবার শ্রাবন্তীর সঙ্গে সংসার করতে চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন রোশন। এক সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাত্কার দিতে গিয়ে জানিয়েছেন, শ্রাবন্তীর জন্য তিনি অপেক্ষা করবেন।

আগস্ট ০৮, ২০২১
নিবন্ধ

এই শ্রাবণে...তোমার জন্যে

তোমাকে কখনও কোনও নামে ডাকিনি আমি। সম্বোধন একটা ছিল। সেটা তোমার উপাধি, নাম নয়। মনে মনে তোমাকে নাম দিয়েছিলাম মেঘ শ্রাবনের আগন্তুককে মেঘ ছাড়া কি নাম দেওয়া যায় বলো! কি অদ্ভুত ভাবে তুমি এসেছিলে এক বার্তা নিয়ে আমার জীবনে। কেঁপে উঠেছিলাম ভয়ে। ওই একবারই। তারপরে কি সহজ হয়ে গেল সবটা। যেন এমনটাই হওয়ার কথা ছিল এই পৃথিবীতে, দুটি মানুষের মধ্যে। ছোট ছোট কথা, যা কোনও প্রয়োজনের নয়, কোনও চাহিদার নয়, জগতে কারও কোনও কাজে না আসা কথা। শ্রাবণ থেকে গড়িয়ে গেল আরো কয়েক মাস। কথা বাড়লো, সঙ্গে বাড়লো তোমার পরিধি আর আমার অভিমান। এমনিতেই অভিমান বসে থাকে আমার নাকের ডগায়। যে কোন কথায় তা ঝরতে লাগলো টুপটুপ করে। প্রশ্রয় ছিল কি তোমার তাতে? কি জানি? তারপরে হঠাৎ একদিন ছন্দপতন, হারিয়ে গেলে তুমি... না ভুল বললাম, হারিয়ে নয় চলে যাওয়া, না বলে...আরও পড়ুনঃ আমার প্রথম প্রেমিক, আমার নন্দলালাসেদিন হঠাৎ আমি বুঝলাম তোমাকে ছাড়া কি ভীষণ শূন্য আমি। নিরাশ্রয়, ডানা ভাঙা পাখির মত। আমি প্রায় সঙ্গে সঙ্গে তোমাকে জানিয়েছিলাম আমার অনুভূতি, ভেতরের ভাঙচুরের কথা। কোনও কারণ দেখতে পারিনি। সত্যিই তো কোন কারণ স্পষ্ট ছিল না। শুধু অনুভব করছিলাম বাঁধন বিহীন সেই যে বাঁধন...অকারণ তুমি আমাকে আশ্বাস দিয়েছিলে সুযোগ হলেই যোগাযোগ করার। কিন্তু কতদিন পরে, বা কোন অবস্থাকে তুমি সুযোগ বলে মনে কর তা তুমি বলতে ভুলেছিলে, আমারও জিজ্ঞাসা করে নেওয়া হয়নি। তাই সে সুযোগ এলো বছর দুয়েক পরে। তোমার হাত ধরেই। তখনও আমার বুক ভরা অভিমান, সামনে আসতে চাইনি আমি। তুমি এলে দৃপ্ত পদক্ষেপে, যেন কিছুই হয়নি, এটাই তো স্বাভাবিক, কালই যেন আমাদের কথা হয়েছে। আর অদ্ভুত ভাবে আমিও ভুলে গেলাম সব, ভুলে গেলাম আমার নির্ঘুম রাতগুলির কথা, ভুলে গেলাম আমার তিলে তিলে ক্ষয়ে যাওয়ার কথা, মনে হলো এটাই তো স্বাভাবিক। তুমি এসে দাঁড়াবে আমার সামনে , আমি কাঁপব ভালোলাগায়, তিরতির করে। সারা রাত ভাববো কাল সকালেই দেখব তোমাকে। আবার গেলে তুমি, সব আবার শেষ হলো। আমিও অনুভব করলাম, প্রতিবার তুমি যেখানে আমাকে ছেড়ে যাও, আমি সেখানেই দাঁড়িয়ে থাকি। ফিরি না, ফিরতে পারি না। দাঁড়িয়ে থাকি আত্মসমর্পণের আশায়।আরও পড়ুনঃ একা এবং বন্ধুরাআবার দীর্ঘ বিরতির পরে ভাঙল আমার ধৈর্যের বাঁধ। একদিন প্রায় আক্রমণ করলাম তোমাকে, বিদ্ধ করলাম বাক্যবাণে। যে মেয়েটা লজ্জায় কথা বলতে পারতো না, সে যে কি করে এত নির্লজ্জভাবে মুখর হয়ে উঠেছিল আমি আজও বুঝতে পারিনা। কি অদ্ভুত নিপুনতায় তুমি সামলে নিলে আমাকে। জেদী, অভিমানী মেয়ে যেটা আমার ভেতরে বাস করে , তুমি তাকে আদরে ভরিয়ে দিলে। কিরকম স্বপ্নের মত কাছাকাছি আসা, খুব কাছে। আমি বিশ্বাস করতে শুরু করলাম ভালোবাসা আছে, নাহলে এমনটাও কি হয়? হতে পারে কখনও। মুখে বলে না? না বলুক, সবই কি বলতে হবে। এই মেঘের পালকে ভাসতে ভাসতেও আমি তোমাকে বলতাম হে মেঘ, চলে গেলে, বলে যেও কিন্তু। যেন এটাই স্বাভাবিক, তুমি তো সেই যাবেই চলে। ঠিক তাই, হাত ছাড়াতে শুরু করলে, আমি বুঝতে পারছি, তুমি আমাকে এড়িয়ে যাচ্ছ, আমি অসহায়ের মত দেখছি শুধু, ভেতর থেকে চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে হচ্ছে, যাও তুমি কিন্তু বলে যাও। প্রতীক্ষার কষ্ট যে বড়ই সাংঘাতিক, আর নিতে পারি না আমি।আরও পড়ুনঃ পিতৃদিবসে বাবাকে খোলা চিঠি এক কন্যারযাওনি তুমি, থেকে গেছো, কিরকম থাকা জানো? নির্মম, নিষ্ঠুর। কি অদ্ভুত ভাবে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছ তুমি। এবারের মত পুতুল খেলা শেষ। পুতুল ধুলোতে পরে থাকলো না কি উঠে দাঁড়াতে পারলো তা নিয়ে কি ভাবনা সাজে তোমার? তোমার যে অনেক দায়িত্ব, অনেক কাজ। তাই আমি তোমার দরজাতে ধাক্কা দিয়ে যাই, তুমি ফিরেও তাকাও না। আমি ফিরতে পারি না। কোথায় ফিরবো বলো মেঘ? উপাসনাগৃহ থেকে ফিরতে হলেও তো দেবতার অনুমতি লাগে! আমি থেকে যাই নামহীন, গৃহহীন, ভিক্ষুকের মত। অথচ এই অনুমতিটুকু পেলেই এই বিস্তীর্ণ পৃথিবীর বুকে হারিয়ে যেতে পারি। তুমি কোনও খবর নাও না আমার, কখনও জিজ্ঞাসা করো না, কেমন আছি আমি, কেমন করে দিন কাটছে আমার। আমি প্রতীক্ষা করি, তুমি কখনও একটি শব্দ লেখো না আমাকে, আমি প্রতীক্ষা করি, কারণ তুমি বলেছ তুমি ব্যস্ত। আমি বারবার জিজ্ঞাসা করেছি, আমি থাকব? তুমি আছো তো আমার জন্যে? আমি অপেক্ষা করব অনন্তকাল, কিন্তু তুমি হারিয়ে যাওনি তো ? তুমি উত্তর দিয়েছো তুমি ব্যস্ত। আমার স্বাভাবিক বুদ্ধি আমাকে প্রশ্ন করেছে ব্যস্ততার চাপে কি তার প্রাত্যহিক দিনযাপন বন্ধ আছে? তাঁর আপনজনদের কোনও কর্তব্য পালন করে না কি সে? ব্যস্ততার চাপে সে তোমারই খোঁজ নিতে অক্ষম? আমি মনকে শাসন করেছি, একি! এই সম্পর্ক তোমার কাছে পবিত্র প্রার্থনার মত। সেই আরাধ্য দেবতাকে বিশ্বাস করা তোমার কর্তব্য। সুতরাং মনে সংশয় আসতে দিও না।এই সংশয়, , প্রেম, উপেক্ষা , অবহেলার দোলায় দুলতে দুলতে আবার ক্ষয় রোগ ধরেছে আমার। প্রতি মুহূর্তে পুড়ছি আমি। অভিমান, রাগ, প্রতীক্ষা সমস্তর সমাপ্তি ঘটছে তোমার শীতল উপেক্ষার দৃষ্টিপাতে।শুধু জানি, আমি চলে যাব, সমস্ত জিনিস গুছিয়ে দাঁড়িয়ে আছি, শুধু তোমার শেষ কথা বলার অপেক্ষায়। তুমি যেদিন যেতে বলবে, এক মুহূর্তও দেরি করবো না আমি, কোনও কথা বলবো না, শুধু চলে যাবো। তোমাকে ছেড়ে, সব মুছে দিয়ে, সারা জীবনের মত। কোনও দাবি নয়, কোনও ভিক্ষা নয়, স্নেহ, ভালোবাসা কিছুই চাইবো না আমি। একবার বলে তো দেখো, মেঘ! যদি তোমাকে ছেড়ে থাকা শিখতে না পারি, মরে যাব, তবু তোমার দ্বারে কোনদিন আর আসবো না।কিন্তু একটাই প্রশ্ন তোমাকে করার আছে, তুমি পাবে তো এত সমর্পণ কখনও? তুমি ভালো থাকবে তো আমিহীন পৃথিবীতে? কেউ আমার থেকে ভালো বাসবে তো তোমাকে?চিঠির শেষ প্রান্তে এসে মনে পড়লো, তুমি ও আমাকে কখনও কোন নামে ডাকনি, আমি বোধ হয় তোমার কাছে শুধুই কিছু সংখ্যা। আর কে না জানে যে সংখ্যা প্রাণহীন, তাদের মন বলে কিছু থাকে না। তাই নামহীনই থাক এই চিঠি। ভালো থেকো মেঘ, খুব ভালো থেকো। তোমার সবাইকে নিয়ে খুশিতে থেকো। তুমি ভালো থাকলেই আমি ভালো থাকবো, সে যে পৃথিবীতেই থাকি না কেন।।ইতি.....সুদেষ্ণা মুখার্জি

আগস্ট ০৮, ২০২১
রাজ্য

বিদেশী পাতা বাহার গাছ চুরির বিহিত চেয়ে বর্ধমান থানার দ্বারস্থ গাছপ্রেমী

সূযোগ পেলেই চোরেরা যে গৃহস্থের বাড়ির দরজার তালা ভেঙে সর্বস্ব চুরি করে নিয়ে পালাবে একথা কেইবা আর না জানেন। তবে রাতের অন্ধকারে গাছপ্রেমীর সাধের বাগান থেকে বিদেশী পাতা বাহার গাছ চোরে চুরি করে নিয়ে পালাবে এমনটা বোধহয় সকলেরই কল্পনার অতীত। কিন্তু বাস্তবে এমনটাই ঘটেছে শহর বর্ধমানের নতুন পল্লীতে। এই এলাকার বাসিন্দা গাছপ্রেমী অমর চক্রবর্তী তাঁর বাড়ির বাগান থেকে বিদেশী বাহারি গাছ চুরির ঘটনা নিয়ে বর্ধমান থানায় অভিযোগ দায়ের করে বিহিত চেয়েছেন। তাঁর বাড়ির চারপাশে থাকা গোপন ক্যামেরায় গাছ চোরেদের যে ছবি ধরা পড়েছে তাও তিনি পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন । টাকা পয়সা, সোনা,গয়না চুরির পাশাপাশি চোরেরা এখন বিদেশি পাতা বাহার গাছও চুরি করতে শুরু করেছে জেনে স্তম্ভিত বর্ধমানবাসী।আরও পড়ুনঃ রাস্তার ধারের বহুমূল্য গাছ বিক্রি করার অভিযোগ গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধেনতুন পল্লীর বাসিন্দা অমর চক্রবর্তী একজন অবসরপ্রাপ্ত প্রবীণ মানুষ। তিনি গাছপ্রেমী। তাঁর নিজের বাড়িতে নামী-দামি বিভিন্ন গাছ আছে। তার মধ্যে বিদেশী পাতাবাহার গাছও রয়েছে। এছাড়াও পাখিও তিনি পুষেছেন ।অমর বাবু বলেন, অতিমারিতে জারি হওয়া বিধিনিষেধ মেনে তিনি বাইরে খুব একটা বের হন না।বড়িতে বাগানেরর গাছপালা নিয়েই তিনি সময় কাটান। কিন্তু গত এক বছর ধরে তিনি লক্ষ্য করছেন তাঁর বাগানে টবে থাকা বিদেশি নামিদামি গাছ চুরি হয়ে যাচ্ছে। কারা, কীভাবে চুরি করছে তা জানার জন্য তিনি তাঁর বাড়ির চারিদিকে সি সি ক্যামেরা লাগান। সেই সি সি ক্যামেরায় ধরা পড়া ছবিতে তিনি দেখতে পান, রাতের অন্ধকারে মুখ ঢাকা দিয়ে দুজন ব্যক্তি তাঁর বাড়ির বাগাণের গাছ চুরি করে নিয়ে পালাচ্ছে। সেই কারনেই গাছ চুরির বিহিত চেয়ে তিনি বর্ধমান থানার পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন। পুলিশ গাছচোরকে পাকড়াও করবে এমনটাই প্রত্যাশা গাছপ্রেমী অমর চক্রবর্তীর। অমরবাবুর বাগানের গাছচুরি কাণ্ডের জল কতদূর যায় সেটাই এখন দেখার।আরও পড়ুনঃ কোটি টাকা মূল্যের গাছ চুরি কাণ্ডে নাম জড়াতেই তদন্ত চেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ পূর্ব বর্ধমানের তৃণমূল নেতাবর্ধমান শহরের এক বাসিন্দা বলেন, পুলিশের এখন হয়েছে বড় জ্বালা। হাই প্রোফাইল ক্রিমানাল দুস্কৃতি নয়। মাস খানেক আগে বর্ধমানের মিউনিসিপ্যাল হাইস্কুলে একটি শিরিষ গাছের রহস্যজনক মৃত্যুতে পুলিশে দ্বারস্থ হয়েছিলেন সেখানকার প্রাথমিকের প্রধানশিক্ষক। শিরিষ গাছের মৃত্যু রহসের জল অনেকদূর গড়ায়। এবার গৃহস্থের বাড়ির বাগানে থাকা বিদেশী পাতা বাহার গাছ চুরির তদন্তভার কাঁধে নিতে হল বর্ধমান থানার পুলিশকে । এটাই আশ্চর্যের। বর্ধমান থানার এক অফিসার বলেন, গাছ চুরির অভিযোগ জমা পড়েছে। তদন্ত শুরু হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আগস্ট ০৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Sreelekha Mitra : আগস্টে 'আমি শ্রীলেখা'-য় নতুন ইন্টারেস্টিং ভিডিও আনছেন অভিনেত্রী

অভিনেত্রী হিসাবে তিনি সকলেরই খুব প্রিয়। কিন্তু বর্তমানে তাঁর আরও একটি পরিচয় হয়েছে। ইউটিউবে আমি শ্রীলেখা নামে এক্ট চ্যানেল খুলেছেন তিনি। যেখানে নিয়মিত অনেক ভিডিও পোস্ট করেন তিনি। তবে শুরুর দিকে যেরকম টপিক বেসড ভিডিও অনেকটা দেখা যাচ্ছিল তাঁর কাছ থেকে এখন সেটা vlog ওরিয়েন্টেড হয়ে গেছে। এক সপ্তাহ আগে #পসমডেটউইথশ্রীলেখা শশাঙ্কের সঙ্গে তাঁর ডেটের একটা ভিডিও পোস্ট করেছিলেন।তবে শ্রীলেখার ভক্তদের জন্য আসছে খুশির খবর। নতুন টপিক নিয়ে আসছেন তিনি। কিছু শরটস-এর পরিচালনা করার ইচ্ছা রয়েছে তাঁর। আগস্টে সব দেখা যাবে। ফেসবুকে শেয়ার করা একটি ভিডিওতে তিনি জানিয়েছেন তাঁর কাছে বিশেষ কিছু কারণের জন্য আগস্ট মাস খুব প্রিয়। তাই আগস্ট মাসে বেশ কিছু ইন্টারেস্টিং ভিডিও নিয়ে আসছেন অভিনেত্রী। ভিডিওতে দর্শকদের জানিয়েছেন তারা যেন তাঁর ভিডিও দেখে ভাল, খারাপ সবকিছু ফিডব্যাকই দেন তাহলে তাঁর পক্ষে খুব ভাল হয়।শ্রীলেখা মিত্রের পোস্ট বা ভিডিও মানে আলোচনা হবে সেটা স্বাভাবিক। তাঁর নতুন, ইন্টারেস্টিং আর কি কি ভিডিও আসতে চলেছে ইউটিউবে সেটা দেখার অপেক্ষাতে রয়েছেন সকলে। এর মধ্যে আবার আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্তর পরিচালনায় তাঁর অভিনীত ছবি ভেনিস ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল-এ প্রদর্শিত হতে চলেছে। ফলে খুব ভাল সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন নেটিজেনদের ক্রাশ আমি শ্রীলেখা।

জুলাই ৩১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

“হে বীর, ফলতায় এসো!” — অভিষেককে খোলা চ্যালেঞ্জ শমীকের, সংখ্যালঘুদের বার্তায় নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত

ফলতা বিধানসভা উপনির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই তেতে উঠছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার রাজনৈতিক পারদ। আগামী ২১ মে ভোটকে সামনে রেখে রবিবার ফলতার মাটিতে দাঁড়িয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এমন এক রাজনৈতিক বার্তা দিলেন, যা সরাসরি নিশানায় রাখল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-কে।মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগেই ফলতায় বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পণ্ডার সমর্থনে প্রচারে এসে মুখ্যমন্ত্রী Suvendu Adhikari তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানকে তীব্র আক্রমণ করেছিলেন। সেই উত্তাপ আরও বাড়িয়ে রবিবার শমীক ভট্টাচার্য কার্যত প্রকাশ্য মঞ্চ থেকেই অভিষেককে ফলতায় এসে প্রচারের আমন্ত্রণ জানালেন।কটাক্ষের সুরে শমীক বলেন,পুলিশ নেই, তাই নেতা নেই। কনভয় নেই, তাই হুঙ্কারও নেই। আমরা চাই, অভিষেকবাবু ফলতায় আসুন। আমাদের কর্মীরাই ফুল দিয়ে, শঙ্খ বাজিয়ে তাঁকে স্বাগত জানাবে।এরপরই নাটকীয় ভঙ্গিতে তিনি বলেন,হে বীর, তোমার আসন পূর্ণ করো। তোমাকে আমরা ভীষণ মিস করছি। তুমি এসো।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই মন্তব্যে যেমন ব্যঙ্গ রয়েছে, তেমনই রয়েছে সরাসরি চ্যালেঞ্জও। কারণ, গত লোকসভা নির্বাচনে ফলতা কেন্দ্র থেকেই এক লক্ষেরও বেশি ভোটের লিড পেয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ফলের নেপথ্যের অন্যতম সংগঠক হিসেবেই পরিচিত তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। অথচ এবারের প্রচারে অভিষেকের অনুপস্থিতি নিয়েই প্রশ্ন তুলছে বিজেপি।শমীকের দাবি, রাজ্যে ক্ষমতা হারানোর ধাক্কায় তৃণমূলের অন্দরেই নাকি এখন ভাঙনের সুর। তাঁর ভাষায়,সোনার টুকরো ভাইদের সোনার সংসার ভেঙে গুঁড়িয়ে গিয়েছে। তাই আজ কেউ আর মাঠে নামছে না।তবে রাজনৈতিক আক্রমণের পাশাপাশি ফলতার মাটি থেকেই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উদ্দেশে তুলনামূলক নরম বার্তা দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন,আপনাদের সঙ্গে আমাদের কোনও বিরোধ নেই। এই দেশকে নিজের দেশ বলে ভাবুন। বিজেপি আপনাদের পাশে আছে।একই সঙ্গে তিনি সতর্কবার্তাও দেন, কিছু মানুষ বিভাজনের রাজনীতি করে নিজেদের পরিচয় তৈরি করতে চাইছে। তাদের পরিচয়ে নিজেদের পরিচিত করবেন না।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে বিজেপির এই বার্তা নিছক আবেগের আবেদন নয়, বরং ভবিষ্যতের বৃহত্তর নির্বাচনী কৌশলের অংশ।দক্ষিণ ২৪ পরগনায় অতীতে বিজেপি কর্মীদের উপর অত্যাচারের অভিযোগও ফের তুলেছেন শমীক। তাঁর বক্তব্য,অনেক বাধা এসেছে, তবু বিজেপি কর্মীরা লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন। আজ যারা বড় বড় কথা বলত, তারা ঘরের ভিতরে বসে শ্যাডো প্র্যাকটিস করছে।নাম না করেই অভিষেককে কটাক্ষ করে তাঁর মন্তব্য,যাঁরা একসময় ডিজে বাজানোর কথা বলতেন, তাঁরা এখন ঘরের ভিতরে হারমোনিয়াম বাজাচ্ছেন।ফলতার তৃণমূল নেতৃত্বকে প্রকাশ্যে সভা-মিছিল করারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। বলেন, বিজেপির পক্ষ থেকে কোনও বাধা আসবে না। তবে একই সঙ্গে স্পষ্ট ঘোষণা করেনতৃণমূলের রাজ্যে ফেরার সম্ভাবনা নেই। গঙ্গার জল রাইটার্সের দোতলায় উঠতে পারে, আকাশ নবান্নে নেমে আসতে পারে, কিন্তু তৃণমূল আর ক্ষমতায় ফিরবে না।দক্ষিণ ২৪ পরগনাকে পরিযায়ী শ্রমিকের জেলা থেকে মুক্ত করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন শমীক। বিজেপি সরকার অদূর ভবিষ্যতে কর্মসংস্থানের নতুন দরজা খুলবে বলেও দাবি করেন তিনি।ফলতার রাজনৈতিক লড়াই এখন কার্যত মর্যাদার লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। একদিকে তৃণমূলের পুরনো সংগঠনশক্তি, অন্যদিকে বিজেপির আগ্রাসী প্রচারএই টানাপোড়েনের মাঝে শমীকের হে বীর, এসো ডাক রাজনৈতিক তরজাকে আরও কয়েকগুণ উসকে দিল বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।

মে ১৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

২২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে? ডার্বির আগে ট্রফি জয়ের হুঙ্কার ইস্টবেঙ্গল কোচের

দেশের সর্বোচ্চ লিগ জয়ের জন্য ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের অপেক্ষা দীর্ঘ ২২ বছরের। শেষবার ২০০৩-০৪ মরশুমে দেশের সেরা হয়েছিল লাল-হলুদ। তারপর আইলিগ থেকে দেশের প্রধান লিগ হয়ে যায় আইএসএল। কিন্তু এত বছরেও লিগ ট্রফি ঢোকেনি ইস্টবেঙ্গল তাবুতে। কয়েকবার সুযোগ এসেও হাতছাড়া হয়েছে সাফল্য। সেই দীর্ঘ হতাশা ও যন্ত্রণা খুব ভালভাবেই অনুভব করছেন ইস্টবেঙ্গলের কোচ অস্কার ব্রুজো।ডার্বির আগে সাংবাদিক বৈঠকে আবেগঘন বার্তা দিলেন লাল-হলুদ কোচ। তিনি বলেন, একজন সমর্থকের কষ্ট তিনি বোঝেন। ক্লাবে তাঁর ভবিষ্যৎ কী হবে বা তিনি থাকবেন কি না, এই সব নিয়ে এখন ভাবছেন না। তাঁর একমাত্র লক্ষ্য ইস্টবেঙ্গলকে আবার ট্রফি জেতানো।অস্কার ব্রুজো বলেন, দেড় বছর আগে যে জায়গায় ছিল ইস্টবেঙ্গল, এখন সেই পরিস্থিতি অনেক বদলেছে। গত কয়েক বছরে দল কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে গিয়েছে। তার প্রভাব পড়েছিল ফুটবলারদের মানসিকতার উপরেও। তবে এখন ধীরে ধীরে দল ঘুরে দাঁড়িয়েছে এবং জয়ের মানসিকতা তৈরি হয়েছে।এর পাশাপাশি ইস্টবেঙ্গলের প্রতি নিজের আবেগও লুকোননি ব্রুজো। তিনি স্পষ্ট বলেন, তিনি নিজেকে ইস্টবেঙ্গলের বড় সমর্থক বলেই মনে করেন। তাঁর কথায়, আমার ভেতরে লাল-হলুদ রংই রয়েছে। সমর্থকদের দুঃখ, হতাশা, যন্ত্রণা সবটাই বুঝি। গত কয়েক বছরে কী হয়েছে, তা আমি জানি। প্রায় দুদশক আমরা লিগ পাইনি। কিন্তু এখন আমরা খেতাব জয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছি।ডার্বির গুরুত্ব নিয়েও মুখ খুলেছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। তিনি বলেন, এই ম্যাচ দল এবং সমর্থকদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতেও এভাবেই সাফল্যের পথে এগিয়ে যেতে চায় ইস্টবেঙ্গল।বর্তমানে আইএসএল লিগ তালিকার শীর্ষে রয়েছে বেঙ্গালুরু। তেরো ম্যাচে তাদের পয়েন্ট তেইশ। যদিও ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগানের থেকে দুটি বেশি ম্যাচ খেলেছে তারা। এগারো ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানের পয়েন্ট বাইশ। গোল পার্থক্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে লাল-হলুদ, তৃতীয় স্থানে সবুজ-মেরুন। ফলে এই ডার্বি ম্যাচ লিগ জয়ের লড়াইয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যে দল জিতবে, তারাই ট্রফির দিকে অনেকটা এগিয়ে যাবে।

মে ১৭, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে ফের হামলার প্রস্তুতি? ট্রাম্পের মন্তব্য ঘিরে বাড়ছে যুদ্ধের আশঙ্কা

ইরানকে নিয়ে আপাতত কিছুটা নরম অবস্থান নিয়েছে আমেরিকা। তবে সেই বিরতি যে সাময়িক, এমনই ইঙ্গিত মিলছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যে। চিন সফর সেরে ওয়াশিংটনে ফেরার পথে এয়ার ফোর্স ওয়ান-এ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প জানান, এই মুহূর্তে আমেরিকা ইরানের উপর হামলা চালাতে চায় না। তবে প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি বদলাতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।ট্রাম্পের দাবি, হোয়াইট হাউস যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে মূলত পাকিস্তানের অনুরোধে। তিনি বলেন, পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল এবং প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধের কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও ব্যক্তিগতভাবে তিনি এই যুদ্ধবিরতির পক্ষে ছিলেন না বলেও জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।এদিকে আমেরিকার প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। সূত্রের খবর, অপারেশন এপিক ফিউরি ২ নামে একটি বড় সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ সম্প্রতি কংগ্রেসের এক শুনানিতে জানিয়েছেন, পরিস্থিতি খারাপ হলে আরও বড় পদক্ষেপ নেওয়ার মতো সব পরিকল্পনাই তৈরি রয়েছে।তবে আপাতত কিছুটা সময় নিতে চাইছে ওয়াশিংটন। পুরোপুরি প্রস্তুতি নিয়েই পরবর্তী পদক্ষেপ করতে চায় তারা। যদিও আরব দুনিয়ার দুই শীর্ষ আধিকারিকের দাবি, আগামী সপ্তাহের শুরুতেই ইরানের উপর নতুন করে হামলা চালাতে পারে আমেরিকা। সেই সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখেই মার্কিন ও ইজরায়েলি বাহিনী যৌথভাবে প্রস্তুতি শুরু করেছে বলেও খবর।ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সরাসরি শান্তি আলোচনা না হলেও পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে বলে জানা গিয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক মহলের একাংশের দাবি, ট্রাম্প প্রকাশ্যে শান্তির কথা বললেও ভিতরে ভিতরে নতুন সামরিক অভিযানের ছক কষছে ওয়াশিংটন।সম্প্রতি তিন দিনের চিন সফরে গিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সফরে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকের পর ট্রাম্প জিনপিংকে অসাধারণ নেতা বলেও প্রশংসা করেন। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, ইরানের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র থাকা যে বিপজ্জনক, সেই বিষয়ে আমেরিকা ও চিন একই মত পোষণ করছে।

মে ১৭, ২০২৬
বিদেশ

হাজার বছরের হারানো ঐতিহাসিক সম্পদ ফিরল ভারতে! নেদারল্যান্ড সফরে বড় সাফল্য মোদীর

নেদারল্যান্ড সফরে বড় সাফল্য পেল ভারত। দীর্ঘদিন ধরে ডাচদের কাছে থাকা চোল যুগের প্রায় এক হাজার বছরের পুরনো তাম্রলিপি এবার ফিরছে ভারতের ঘরে। নেদারল্যান্ড সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাতেই সেই ঐতিহাসিক নিদর্শন তুলে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাকে বড় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবেই দেখছে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহল।চোল যুগের এই তাম্রলিপিগুলি বহু বছর ধরে নেদারল্যান্ডসের লাইডেন বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত ছিল। ইউরোপে এগুলি লাইডেন প্লেটস নামেও পরিচিত। ভারতের তরফে ২০১২ সাল থেকেই এই ঐতিহাসিক সম্পদ ফেরত চাওয়া হচ্ছিল। অবশেষে সেই দাবি মেনে নেদারল্যান্ডস সরকার তাম্রলিপিগুলি ভারতের হাতে তুলে দিল।তাম্রলিপি ফিরে পাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সমাজমাধ্যমে আনন্দ প্রকাশ করেন। তিনি ওই ঐতিহাসিক নিদর্শনের ছবিও শেয়ার করেন। প্রধানমন্ত্রী জানান, এই তাম্রলিপি ফিরিয়ে আনা প্রত্যেক ভারতীয়ের জন্য গর্বের মুহূর্ত। অনুষ্ঠানে নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী রব জেটেনও উপস্থিত ছিলেন।জানা গিয়েছে, চোল যুগের এই তাম্রলিপিতে রয়েছে একুশটি বড় এবং তিনটি ছোট ফলক। বেশিরভাগ লেখাই তামিল ভাষায় খোদাই করা। সেখানে চোল সাম্রাজ্যের ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং গৌরবের নানা তথ্য উল্লেখ রয়েছে। ইতিহাসবিদদের মতে, এগুলি চোল সাম্রাজ্যের সবচেয়ে মূল্যবান ঐতিহাসিক নথিগুলির মধ্যে অন্যতম।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নেদারল্যান্ডস সরকার এবং লাইডেন বিশ্ববিদ্যালয়কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে এই তাম্রলিপিগুলি যত্ন করে সংরক্ষণ করা হয়েছে।উল্লেখযোগ্যভাবে, নেদারল্যান্ডসে পৌঁছেই প্রধানমন্ত্রী প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে দেখা করেন। একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বিশ্ব অর্থনীতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর মতে, বর্তমান সময় বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত কঠিন এবং চ্যালেঞ্জপূর্ণ। সফরের সময় নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একাধিক বিষয়ে বৈঠকও করেন মোদী। দুই দেশের মধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছে।

মে ১৭, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় ঢুকছে বর্ষার বড় ইঙ্গিত! উত্তরবঙ্গে লাল সতর্কতা, ভিজবে একাধিক জেলা

আন্দামানে বর্ষা প্রবেশ করার পর থেকেই বাংলার আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের আগেই আগামী ২৬ মে কেরলে প্রবেশ করতে পারে বর্ষা। এরই মধ্যে মধ্যপ্রদেশ থেকে উত্তর বাংলাদেশ পর্যন্ত একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা তৈরি হয়েছে। সেই অক্ষরেখা উত্তরবঙ্গের উপর দিয়েই বিস্তৃত রয়েছে। এর জেরেই উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস।রবিবার থেকেই উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির দাপট আরও বাড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে। আলিপুরদুয়ার জেলায় জারি করা হয়েছে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির লাল সতর্কতা। পাশাপাশি দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারেও বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের আটটি জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়াও বইতে পারে। সোমবারও জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। তবে মঙ্গলবার থেকে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে।অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে এখনই ভারী বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। রবিবার থেকে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই তাপমাত্রা বাড়বে বলে পূর্বাভাস। তবে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, বর্ধমান, পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রামের মতো পশ্চিমের জেলাগুলিতে স্থানীয়ভাবে বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হতে পারে। তার প্রভাবে কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ঘণ্টায় তিরিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইতে পারে।কলকাতাতেও গরম ও অস্বস্তি বজায় থাকবে। এদিন শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পঁয়ত্রিশ ডিগ্রির আশপাশে থাকতে পারে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে সাতাশ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। কোথাও কোথাও সামান্য হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও গরম থেকে এখনই স্বস্তির আশা নেই।

মে ১৭, ২০২৬
রাজ্য

মাঝরাতে সরকারি হাসপাতালে হানা স্বাস্থ্যসচিবের! দেখে হতবাক চিকিৎসকরা

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বৈঠকের মাত্র বাহাত্তর ঘণ্টার মধ্যেই অ্যাকশন মোডে নামল স্বাস্থ্যদপ্তর। শনিবার গভীর রাতে শহরের পাঁচটি সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে হঠাৎ করেই পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম। এই আকস্মিক সফর ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায় হাসপাতালগুলিতে। স্বাস্থ্যদপ্তরের বার্তা স্পষ্ট, শুধু নির্দেশ নয়, এবার বাস্তবে কাজ দেখতে চায় নতুন সরকার।শনিবার রাত প্রায় বারোটার সময় নীল রঙের টি-শার্ট পরে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে পৌঁছন স্বাস্থ্যসচিব। সেখানে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের অধ্যক্ষ মানসকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, সুপার সপ্তর্ষি চট্টোপাধ্যায় এবং সহকারী সুপার দৈপায়ন বিশ্বাস। ট্রমা কেয়ার থেকে শুরু করে জেনারেল মেডিসিন ও সার্জারি বিভাগের একাধিক ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন তিনি। রোগীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং তাঁদের কোনও সমস্যা হচ্ছে কি না, তা জানতে চান।পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে কড়া নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যসচিব। তিনি বলেন, কোথাও যেন ময়লা না থাকে। প্রতিটি ওয়ার্ডের বাথরুম নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগ করারও নির্দেশ দেন তিনি।এরপর রাতেই নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ, ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ এবং এসএসকেএম হাসপাতালেও যান স্বাস্থ্যসচিব। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে গিয়ে অধ্যক্ষ ইন্দ্রনীল বিশ্বাসের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে যেসব রোগী বেড না পেয়ে বাইরে অপেক্ষা করছিলেন, তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন এবং দ্রুত বেডের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন।স্বাস্থ্যসচিব আরও নির্দেশ দিয়েছেন, আগামী চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে হাসপাতালগুলিতে লাইভ বেড স্ক্রিনিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে। সেই স্ক্রিনে কোন হাসপাতালে কত বেড খালি রয়েছে, তা দেখা যাবে। এমনকী কেন্দ্রীয় সরকারি হাসপাতালের খালি বেডের তথ্যও সেখানে দেখানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।হাসপাতালগুলিতে পানীয় জলের ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখেন স্বাস্থ্যসচিব। তিনি জানতে চান, রোগী ও তাঁদের পরিবারের জন্য দেওয়া জল আদৌ পানযোগ্য কি না। প্রতি মাসে সেই জলের মান পরীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি কলকাতা পুরসভাকে প্রতি সপ্তাহে পানীয় জলের গুণমান পরীক্ষা করতে বলা হয়েছে।উল্লেখ্য, শুক্রবার এসএসকেএমের একাডেমিক ভবনে স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে দালালরাজ বন্ধ করা, রোগীদের রেফার কমানো এবং কাউকে যেন চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যেতে না হয়, সেই বিষয়ে একাধিক কড়া নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। তার পরেই স্বাস্থ্যসচিবের এই রাতের পরিদর্শন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল।

মে ১৭, ২০২৬
রাজ্য

মাঠে পড়ে ছিল স্তূপের পর স্তূপ ভোটার কার্ড! বীরভূমে চাঞ্চল্য, আটক বিএলও

বীরভূমের নানুরে বিপুল পরিমাণ ভোটার কার্ড উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার সকালে কীর্নাহারের পশ্চিম পাড়া এলাকার একটি মাঠ থেকে প্রচুর ভোটার কার্ড উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয়দের দাবি, মাঠে স্তূপ করে পড়ে ছিল সেইসব কার্ড। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক হইচই পড়ে যায়।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সকালে কাজে যাওয়ার সময় কয়েকজন বাসিন্দার নজরে আসে মাঠের মধ্যে ছড়িয়ে থাকা ভোটার কার্ডগুলি। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় কীর্নাহার থানায়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সমস্ত কার্ড উদ্ধার করে তদন্ত শুরু করে।পুলিশ সূত্রে খবর, যে মাঠ থেকে ভোটার কার্ডগুলি উদ্ধার হয়েছে, তার পাশেই এক বিএলও-র বাড়ি রয়েছে। তদন্তে নেমে পুলিশ ওই বিএলও-কে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।তদন্তে উঠে এসেছে, পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রাম ব্লকের চিনিশপুর গ্রামের এক প্রাক্তন বিএলও বর্তমানে কীর্নাহারের পশ্চিম পাড়ায় থাকেন। তিনি বিএলও হিসেবে কাজ করার সময় পুরনো ভোটার কার্ড সংগ্রহ করে নতুন কার্ড দিয়েছিলেন বাসিন্দাদের। নিয়ম অনুযায়ী পুরনো কার্ড নির্বাচন কমিশনের দফতরে জমা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অভিযোগ, সেই কার্ড জমা না করে নিজের কাছেই রেখে দিয়েছিলেন তিনি।পুলিশের অনুমান, পরে সেই পুরনো ভোটার কার্ডই মাঠের ধারে ফেলে দেওয়া হয়। কেন তিনি এই কাজ করলেন এবং কেন কার্ডগুলি জমা দেওয়া হয়নি, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।এসআইআর নিয়ে যখন বীরভূমে নাম বাদ পড়া নিয়ে বিতর্ক চলছে এবং বহু মানুষ ট্রাইবুনালের দ্বারস্থ হয়েছেন, ঠিক সেই সময় বিপুল ভোটার কার্ড উদ্ধারের ঘটনায় নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

মে ১৭, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের পর এবার রাজীব, কুণাল, শোভনদেব! একে একে নিরাপত্তা সরাল সরকার

রাজ্যে সরকার বদলের পর এবার একের পর এক তৃণমূল নেতার নিরাপত্তায় কাটছাঁট করা শুরু হল। প্রথমে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে থেকে পুলিশি নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়েছিল। এবার সেই তালিকায় যোগ হল রাজীব কুমার, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষ-সহ আরও একাধিক নেতার নাম।প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, তৃণমূলের অন্তত ১০ জন নেতা ও প্রাক্তন মন্ত্রীর বাড়ি থেকে হাউস গার্ড সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। লালবাজারের তরফে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। রাজ্য বিজেপি সরকার গঠনের পর থেকেই তৃণমূল নেতাদের অতিরিক্ত নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আগে রাজ্য সরকারের তরফে বিশেষ নিরাপত্তা পেতেন। তাঁর বাড়ির সামনে সবসময় মোতায়েন থাকত পুলিশ। কিন্তু নতুন সরকারের দাবি, তিনি একজন সাংসদ হিসেবে যতটা নিরাপত্তা পাওয়ার কথা, এবার থেকে ঠিক ততটাই পাবেন। এর বেশি নয়। সেই বার্তাই আগেই দিয়েছিল লালবাজার।এবার রাজ্যসভার সাংসদ রাজীব কুমার, সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, বর্তমান বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় এবং বিধায়ক কুণাল ঘোষের বাড়ি থেকেও হাউস গার্ড সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে খবর। পাশাপাশি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, অরূপ বিশ্বাস এবং সুব্রত বক্সীর নামও রয়েছে এই তালিকায়।প্রশাসনের দাবি, তৃণমূল আমলে অনেক নেতা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি নিরাপত্তা পেতেন। এখন পদ ও দায়িত্ব অনুযায়ী নিরাপত্তা দেওয়া হবে। রাজীব কুমার ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সাংসদ হিসেবে নিরাপত্তা পাবেন। কুণাল ঘোষ বিধায়ক হিসেবে নিরাপত্তা পাবেন। অন্যদিকে অরূপ বিশ্বাস ও শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বর্তমানে মন্ত্রী নন। অরূপ বিশ্বাস ভোটেও পরাজিত হয়েছেন। সেই কারণেই তাঁদের নিরাপত্তায় কাটছাঁট করা হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।এছাড়াও ডিরেক্টর অব সিকিউরিটি পীযূষ পাণ্ডের নিরাপত্তাতেও কাটছাঁট করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আগে তিনি ভারপ্রাপ্ত ডিজিপির দায়িত্বে ছিলেন।

মে ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal