• ২৭ পৌষ ১৪৩২, মঙ্গলবার ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Kuldeep

দেশ

‘তিনি সাজাপ্রাপ্ত আসামি!’ কুলদীপ সেঙ্গারের মুক্তিতে রাশ টানল সুপ্রিম কোর্ট

উন্নাও ধর্ষণকাণ্ডে বড় মোড়। বিজেপির বহিষ্কৃত প্রাক্তন বিধায়ক কুলদীপ সেঙ্গারের জামিনে স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির অবকাশকালীন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে এই মুহূর্তে মুক্তি দেওয়া সম্ভব নয়। ফলে আপাতত জেলমুক্তি হচ্ছে না কুলদীপ সেঙ্গারের। এই সিদ্ধান্তে স্বস্তি পেয়েছেন উন্নাও-কাণ্ডের নির্যাতিতা ও তাঁর পরিবার।উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে উন্নাও ধর্ষণ মামলায় নিম্ন আদালত কুলদীপ সেঙ্গারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দেয়। তবে গত মঙ্গলবার দিল্লি হাইকোর্ট সেই সাজা মকুব করে তাঁকে জামিন দেয়। সেই নির্দেশকেই চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের হয়। সোমবার শুনানিতে শীর্ষ আদালত জানায়, দিল্লি হাইকোর্টের এই সিদ্ধান্ত দেশের আইনশৃঙ্খলা ও বিচারব্যবস্থা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ মন্তব্য করে, দেশের বিচারব্যবস্থা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, এ ধরনের মামলায় অত্যন্ত সতর্কতা প্রয়োজন।শুনানির সময় সিবিআইয়ের তরফে সওয়াল করেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। তিনি আদালতকে জানান, দিল্লি হাইকোর্ট কুলদীপ সেঙ্গারকে পকসো আইনের আওতায় আনেনি এই যুক্তিতে যে তিনি জনপ্রতিনিধি ছিলেন না। কিন্তু পকসো আইনের সংজ্ঞা এই ব্যাখ্যাকে সমর্থন করে না বলেও জানান তিনি।সলিসিটর জেনারেলের যুক্তি ছিল, পকসো আইনে জনপ্রতিনিধি বলতে কেবল পদবির কথা বলা হয়নি। অভিযুক্ত ব্যক্তি সমাজে নির্যাতিত শিশুর তুলনায় কতটা ক্ষমতাশালী, সেটাই মূল বিষয়। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কুলদীপ সেঙ্গার একজন প্রভাবশালী বিধায়ক ছিলেন এবং এলাকায় তাঁর দাপট ছিল।এই যুক্তি শোনার পর প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, দিল্লি হাইকোর্টের এই ব্যাখ্যা মানলে পরিস্থিতি হাস্যকর হয়ে দাঁড়াবে। তাঁর মন্তব্য, তাহলে একজন পুলিশ কনস্টেবল জনপ্রতিনিধি হয়ে যাবেন, কিন্তু কোনও বিধায়ক বা সাংসদ নন।তবে অভিযুক্তের পক্ষের বক্তব্য না শুনে সাধারণত কোনও ট্রায়াল কোর্ট বা হাইকোর্টের দেওয়া জামিনে স্থগিতাদেশ দেয় না সুপ্রিম কোর্ট। সেই কারণেই কুলদীপ সেঙ্গারের পক্ষের বক্তব্য জানতে চেয়েছে শীর্ষ আদালত। মামলার পরবর্তী শুনানির দিকে এখন তাকিয়ে গোটা দেশ।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

প্রাক্তন সৈনিক কুলদীপের ঘূর্ণিতেই বেহাল দশা নাইট রাইডার্সের

বৃহস্পতিবার দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। শ্রেয়স আয়ারদের কাছে ম্যাচটা ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্লে অফের সম্ভাবনা জিইয়ে রাখতে গেলে জিততেই হত নাইট রাইডার্সকে। অথচ গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জ্বলে উঠতে ব্যর্থ। প্রাক্তন সৈনিক কুলদীপ যাদবের স্পিনেই বেসামাল নাইটরা। তাঁর ঘূর্ণিতে ভেঙে পড়ল নাইটদের মিডল অর্ডার। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে মাত্র ১৪৬ তুলল নাইট রাইডার্স। ১৪ রানে ৪ উইকেট নিলেন কুলদীপ। গত বছর আইপিএলে প্রথম পর্বে ৭ ম্যাচের মধ্যে মাত্র ২টিতে জয় পেয়েছিল। শেষ ৭ ম্যাচের মধ্যে ৫টিতে জিতে প্লে অফের টিকিট জোগাড় করে নিয়েছিল নাইটরা। কঠিন পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতা অতীতে রয়েছে নাইট রাইডার্সের। এদিন দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারল না। টানা ৪ ম্যাচে হারের ধাক্কা সামলে জয়ে ফেরার লক্ষ্যে এদিন প্রথম একাদশে তিনটি পরিবর্তন করে মাঠে নেমেছিল নাইট রাইডাস। প্রথম একাদশে ফেরানো হয় অ্যারন ফিঞ্চ। এছাড়া এদিন প্রথম সুযোগ দেওয়া হয় বাবা ইন্দ্রজিৎ ও হর্ষিত রানাকে। প্রথম একাদশে ফেরার সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি ফিঞ্চ। একবার জীবন পেয়েও মাত্র ৩ রান করে আউট হন। টস জিতে এদিন নাইট রাইডার্সকে ব্যাট করতে পাঠান দিল্লি ক্যাপিটালস অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। দ্বিতীয় ওভারে চেতন সাকারিয়ার দ্বিতীয় বলে অ্যারন ফিঞ্চের ক্যাচ তালুবন্দী করতে পারেননি রভম্যান পাওয়েল। পরের বলেই অবশ্য ফিঞ্চের (৩) স্টাম্প ছিটকে দেন সাকারিয়া। প্রথম একাদশে ফিরেও সুযোগ কাজে লাগাতে পারলেন না এই অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার। এদিন ওপেনিংয়ে ফেরানো হয়েছিল ভেঙ্কটেশ আয়ারকে (৬)। তিনিও দলকে নির্ভরতা দিতে ব্যর্থ। অষ্টম ওভারে পরপর দুবলে বাবা ইন্দ্রজিৎ (৬) ও সুনীল নারাইনকে (০) তুলে নিয়ে নাইটদের মিডল অর্ডারে ভাঙন ধরান কুলদীপ যাদব। এরপর নীতিশ রানাকে সঙ্গে নিয়ে রুখে দাঁড়ান অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার (৩৭ বলে ৪২)। পরপর দুবলে শ্রেয়স ও আন্দ্রে রাসেলকে (০) তুলে নিয়ে আবার নাইটদের চাপে ফেলে দেন কুলদীপ। শেষ পর্যন্ত নীতিশ রানা (৩৪ বলে ৫৭) ও রিঙ্কু সিংয়ের (১৬ বলে ২৩) সৌজন্যে ১৪৬/৯ রানে পৌঁছয় নাইট রাইডার্স। দুরন্ত বোলিং করে ৩ ওভারে ১৪ রান দিয়ে ৪ উইকেট তুলে নেন কুলদীপ। ১৮ রানে ৩ উইকেট মুস্তাফিজুরের।

এপ্রিল ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বঞ্চনার মোক্ষম জবাব, নাইট রাইডার্সকে তছনছ করে দিলেন এই স্পিনার

যাবতীয় বঞ্চনার জবাব। পুরনো দলের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠলেন কুলদীপ যাদব। তাঁর দাপটেই টানা ২ ম্যাচ হারের পর জয়ে ফিরল দিল্লি ক্যাপিটালস। নাইট রাইডার্সকে হারাল ৪৪ রানে। ৩৪ রানে ৪ উইকেট তুলে নিলেন কুলদীপ। টস জিতে দিল্লি ক্যাপিটালসকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন কলকাতা নাইট রাইডার্স অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। শুরু থেকেই ঝড় তুলে উমেশ যাদব, রসিক সালাম দার, প্যাট কামিন্সদের ছন্দ নষ্ট করে দেন দিল্লির দুই ওপেনার। ৪ ওভারেই ৫০ রান পূর্ণ হয়ে যায় দিল্লির। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ওঠে ৬৮। চলতি আইপিএলে এটা তৃতীয় সর্বোচ্চ। সবথেকে বেশি তুলেছে চেন্নাই সুপার কিংস (৭৩/১) লখনউর বিরুদ্ধে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পাঞ্জাব কিংসের (৭২/২)। পাঞ্জাব তুলেছিল চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে। সবকটিই মুম্বইয়ের ব্রাবোর্ন স্টেডিয়ামে। ওয়ার্নারের তুলনায় পৃথ্বী শ বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন। ২৭ বলে তিনি হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে জ্বলে ওঠা অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছেন পৃথ্বী। নাইটদের বিরদ্ধে আগের ৫ ইনিংসে তাঁর রান ৮২,৬৬,১৪,৯৯,৬২।নাইট রাইডার্সকে ব্রেক থ্রু এনে দেন বরুণ চক্রবর্তী। নবম ওভারের চতুর্থ বলে তাঁর গুগলিতে পরাস্ত হয়ে বোল্ড হন পৃথ্বী (২৯ বলে ৫১)। পৃথ্বীর ইনিংসে রয়েছে ৭টা ৪ এবং ২টি ৬। ৯.৫ ওভারে ১০০ রান পূর্ণ হয় দিল্লির। এদিন ব্যাটিং অর্ডারে নিজেকে তিন নম্বরে উঠিয়ে নিয়ে এসেছিলেন ঋষভ পন্থ। দারুণ শুরুও করেছিলেন। ১৪ বলে ২৭ রান করে আন্দ্রে রাসেলের বলে উমেশ যাদবের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ঋষভ আউট হওয়ার পরের বলেই ফেরেন ললিত যাদব (১)। তিনি সুনীল নারাইনের বলে এলবিডব্লু হন। নারাইনকে তুলে মারতে গিয়ে পরিবর্ত ফিল্ডার রিঙ্কু সিংয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন রভম্যান পাওয়েল (৮)। ৪৫ বলে ৬১ রান করে উমেশ যাদবের বলে ফিরে যান ওয়ার্নার। পরপর ৪ উইকেট হারিয়ে রান তোলার গতি অনেকটাই কমে যায় দিল্লি ক্যাপিটালসের।পরের দিকে ঝড় তোলেন অক্ষর প্যাটেল (১৪ বলে অপরাজিত ২২) ও শার্দুল ঠাকুর (১১ বলে অপরাজিত ২৯)। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ২১৫/৫ তোলে দিল্লি। সুনীল নারাইন ২১ রানে ২ উইকেট নেন। উমেশ যাদব ৪ ওভারে দেন ৫৮। তুলে নেন ১ উইকেট। জয়ের জন্য ২১৬ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি কলকাতা নাইট রাইডার্সের। ৩৮ রানের মধ্যে ফিরে যান দুই ওপেনার ভেঙ্কটেশ আয়ার ও অজিঙ্কা রাহানে। এদিন শুরুটা ভাল করেছিলেন ভেঙ্কটেশ। ৮ বলে ১৮ রান করে তিনি খলিল আহমেদের বলে অক্ষর প্যাটেলের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন।এদিনও ব্যর্থ রাহানে। ১৪ বলে মাত্র ৮ রান করে খলিল আহমেদের বলে শার্দুল ঠাকুরের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। আনরিখ নোখিয়ার পরিবর্তে এদিন খলিল আহমেদকে খেলায় দিল্লি টিম ম্যানেজমেন্ট। সুযোগের দারুন সদব্যবহার করেন খলিল। ৩৮ রানে ২ উইকেট হারানোর পর নাইট রাইডার্সকে টেনে নিয়ে যান নীতিশ রানা ও অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। জুটিতে ওঠে ৬৯ রান। নীতিশকে (২০ বলে ৩০) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন ললিত যাদব।পুরনো দলের বিরুদ্ধে নাইট রাইডার্সকে দারুন টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন শ্রেয়স। এগিয়ে এসে কুলদীপকে মারতে গিয়ে স্টাম্পড হন তিনি। ৩৩ বলে ৫৪ করেন শ্রেয়স। শ্রেয়স আয়ার আউট হওয়ার পরপরই ধস নামে নাইট রাইডার্স ইনিংসে। পরপর ফিরে যান সাম বিলিংস (১৫), প্যাট কামিন্স (৪), সুনীল নারাইন (৪), উমেশ যাদব (০)। দলের ষষ্ঠদশ ও নিজের চতুর্থ ওভারে কামিন্স, নারাইন ও উমেশকে ফেরান কুলদীপ। ৪ ওভারে ৩৫ রানে ৪ উইকেট নিয়ে নাইট রাইডার্সের মেরুদন্ড ভেঙে দেন। আন্দ্রে রাসেল ২১ বলে করেন ২৪। ১৯.৪ ওভারে ১৭১ রানে গুটিয়ে যায় নাইট রাইডার্সের ইনিংস।

এপ্রিল ১০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

কুলদীপের ব্যাপারে কেন নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্টকে বিঁধলেন অক্ষর প্যাটেল?‌

রোহিত শর্মা ও ঈশান কিশানের দাপটে দিশেহারা বোলাররা। রোহিত ঝড় আটকাতে কুলদীপ যাদবের শরণাপন্ন হয়েছিলেন দিল্লি ক্যাপিটালস অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। গতির তারতম্য ঘটিয়ে রোহিতকে তুলে নিয়ে দলকে ব্রেক থ্রু এনে দিয়েছিলেন কুলদীপ। পরে তুলে নেন আরও দুটি উইকেট। পঞ্চদশ আইপিএলে নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে নতুন জীবন পেলেন এই চাইনাম্যান বোলার। গত কয়েকটা মরশুম কলকাতা নাইট রাইডার্সে থাকলেও অধিকাংশ সময়ই রিজার্ভ বেঞ্চে কাটাতে হয়েছে কুলদীপকে। সুনীল নারাইন, বরুণ চক্রবর্তীর দাপটে প্রথম একাদশে সুযোগ পাচ্ছিলেন না। অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে চলে গিয়েছিল কুলদীপ যাদবের ক্রিকেটজীবন। এবছর আইপিএলের মেগা নিলামে এই চাইনাম্যান বোলারের ওপর ভরসা রেখেছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। প্রথম ম্যাচেই আস্থার মর্যাদা দিয়েছেন। পেয়েছেন ম্যাচের সেরার পুরস্কারও। কুলদীপকে পুরনো ছন্দে দেখে খুশি সতীর্থরাও। কুলদীপের এই ছন্দে ফেরার কারণ কী? একদিকে যেমন রয়েছে হেড কোচ রিকি পন্টিংয়ের পরামর্শ, তেমনই রয়েছে টিম ম্যানেজমেন্টের আস্থা। প্রস্তুতি শিবিরে কুলদীপকে লেংথ বোলিংয়ের দিকে নজর দিতে বলেছিলেন পন্টিং। প্রথম ম্যাচে তাঁর পরামর্শমতো বোলিং করেই সাফল্য পেয়েছেন কুলদীপ। নিজের মুখেই স্বীকার করে নিয়েছেন সেকথা। দলের সতীর্থ অক্ষর প্যাটেলও জানিয়েছেন পন্টিং ও অধিনায়ক ঋষভ পন্থের সাপোর্টও কুলদীপের সেরাটা বার করতে সাহায্য করেছে। কুলদীপের ব্যাপারে কলকাতা নাইট রাইটার্স টিম ম্যানেজমেন্টকে সমালোচনা করতে ছাড়েননি অক্ষর। তিনি বলেন, নাইট রাইডার্সে নিজের জায়গার ব্যাপারে নিশ্চিত ছিল না কুলদীপ। তাই নিজেকে মেলে ধরতে পারছিল না। দিল্লি ক্যাপিটালসে যোগ দেওয়ার পর বুঝতে পেরেছে এখানে নিয়মিত খেলার সুযোগ পাবে। তাই নিজেকে মেলে ধরতে পেরেছে। যে কোনও ক্রিকেটারের ক্ষেত্রেই এমন হয়। কেউ যদি জানে দলে তার জায়গা নিশ্চিত, দুএকটা ম্যাচে খারাপ খেললেও বাদ পড়বে না, তখন সেরাটা বেরিয়ে আসে। কুলদীপের ক্ষেত্রেও তাই ঘটেছে।

মার্চ ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌দুরন্ত কুলদীপ, অক্ষর–ললিতের দাপটে দুরন্ত জয় দিল্লি ক্যাপিটালসের

গত দুই মরশুম কলকাতা নাইট রাইডার্সের ডাগ আউটে বসে থাকতে হয়েছিল। ঢাকা পড়েছিলেন সুনীল নারাইন ও বরুণ চক্রবর্তীর ছায়ায়। কুলদীপ যাদবের দিকে ফিরেও তাকায়নি নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। মাঠে নামার সুযোগ না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। এবছর আইপিএলের মেগা নিলামে তাঁর ওপর ভরসা রেখেছিল দিল্লি ক্যাপিটালস কর্তারা। প্রথম ম্যাচেই আস্থার মর্যাদা দিলেন কুলদীপ যাদব। দিল্লিতে পেলেন নতুন জীবন। এই চাইনাম্যানের দাপটেই জ্বলে উঠতে পারলেন না রোহিত শর্মা, কিয়েরন পোলার্ডের মতো ব্যাটাররা। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ৪ উইকেটে হারিয়ে এবারের আইপিএল অভিযান শুরু করল দিল্লি ক্যাপিটালস।কুলদীপ যাদব দুরন্ত বোলিং করলেও দিল্লি ক্যাপিটালসের জয়ের নায়ক অবশ্য অক্ষর প্যাটেল ও ললিত যাদব। যেভাবে হারা ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়লেন, তাঁদের লড়াইকে কুর্নিশ করতেই হবে। এদিন মুম্বইয়ের ব্রাবোর্ন স্টেডিয়ামে টস জিতে মুম্বইকে ব্যাট করতে পাঠান দিল্লি অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। ওপেনিং জুটিতে মুম্বই তোলে ৬৭। এরপরই রোহিত শর্মাকে (৩২ বলে ৪১) তুলে নিয়ে দলকে প্রথম ব্রেক থ্রু এনে দেন কুলদীপ। ১ ওভার পরেই আনমোলপ্রীত সিংকেও (৮) তুলে নেন কুলদীপ। ৮৩ রানের মাথায় তৃতীয় উইকেট হারায় মুম্বই। তিলক ভার্মাকে (২২) তুলে নেন খলিল আহমেদ। তবে মুম্বইয়ের মিডল অর্ডারে বড় ধাক্কা দেন সেই কুলদীপ। মোক্ষম সময়ে তুলে নেন পোলার্ডকে (৩)। একের পর এক উইকেট পড়লেও দুরন্ত ব্যাটিং করে যান ঈশান কিশান। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৭৭ রান তোলে মুম্বই। ঈশান কিশান ৪৮ বলে ৮১ রান করে অপরাজিত থাকেন। ৪ ওভারে ১৮ রানে ৩ উইকেট নেন কুলদীপ যাদব। ২৭ রানে ২ উইরকেট পান খলিল আমেদ।জয়ের জন্য ১৭৮ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করেছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৩০। এরপর একই ওভারে টিম সেইফার্ট (২১) ও মনদীপ সিংকে (০) তুলে নিয়ে দিল্লিকে ব্যাকফুটে ঠেলে দেন মুরুগান অশ্বিন। অধিনায়ক ঋষভ পন্থ (১) দ্রুত ডাগ আউটে ফেরায় আরও চাপে পড়ে যায় দিল্লি। একসময় ৭২ রানে ৫ উইকেট হারায়। একসময় মনে হচ্ছিল দিল্লির পক্ষে জেতা সম্ভব হবে না। এরপরই জ্বলে ওঠেন দিল্লির লোয়ার অর্ডার ব্যাটাররা। বল হাত ব্যর্থ হলেও ১১ বলে ২২ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে দলকে ম্যাচে ফেরার শার্দূল ঠাকুর। তিনি আউট হওয়ার সময় দিল্লির রান ছিল ১৩.২ ওভারে ১০৪/৪। এরপরই জ্বলে ওঠেন অক্ষর প্যাটেল ও ললিত যাদব। তাঁদের ৩০ বলে ৭৫ রানের জুটি দিল্লিকে জয়ের পথে নিয়ে যায়। ৩৮ বলে ৪৮ রান করে অপরাজিত থাকেন ললিত। ১৭ বলে অপরাজিত ৩৮ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন অক্ষর প্যাটেল। ৮ বল বাকি থাকতে ১৭৯/৬ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় দিল্লি। ৩৫ রানে ৩ উইকেট নেন বাসিল থাম্পি। ১৪ রানে ২ উইকেট মুরুগান অশ্বিনের।

মার্চ ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

K‌‌uldeep Yadav : হাঁটুতে মারাত্মক চোট, আইপিএল থেকে ছিটকে গেলেন কুলদীপ যাদব

সময়টা একেবারেই ভাল যাচ্ছে না কুলদীপ যাদবের। চলতি আইপিএলের প্রথম পর্বে কলকাতা নাইট রাইডার্সের ডাগ আউটে বসেই সময় কেটেছিল। টি২০ বিশ্বকাপেও জাতীয় দলে জায়গা পাননি। আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বেও প্রথম একাদশে ব্রাত্য। এবার হাঁটুতে চোট পেয়ে দীর্ঘদিনের জন্য বাইশ গজ থেকে ছিটকে গেলেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের এই চাইনাম্যান বোলার। চলতি বছরের আইপিএল তো নয়ই, ঘরোয়া ক্রিকেটেও দীর্ঘদিন মাঠে নামতে পারবেন না।কিছুদিন আগে আবু ধাবিতে কলকাতা নাইট রাইডার্সের অনুশীলনে ফিল্ডিং করার সময় হাঁটুতে মারাত্মক চোট পান কুলদীপ যাদব। তাঁর হাঁটু ঘুরে যায়। স্ক্যান করে দেখা যায় চোট যথেষ্ট গুরুতর। আইপিএলের বাকি ম্যাচে আর মাঠে নামতে পারবেন না। এরপরই টিম ম্যানেজমেন্ট কুলদীপকে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেয়। দেশে ফেরার পর মুম্বইয়ের হাসপাতালে তাঁর হাঁটুর অস্ত্রোপচার হয়েছে। পুরো সুস্থ হতে ৪ থেকে ৬ মাস সময় লাগতে পারে। ফলে ঘরোয়া ক্রিকেটেও দীর্ঘদিন মাঠে বাইরে কাটাতে হবে মুম্বইয়ের এই চাইনাম্যান বোলারকে। হয়তো রনিজর শেষদিকে মাঠে ফিরতে পারেন। জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে তাঁর রিহ্যাব চলবে।আইপিএলের প্রথম পর্বে ডাগ আউটে বসে সময় কেটেছিল কুলদীপের। দ্বিতীয় পর্ব শুরুর আগে সুযোগ না পাওয়ার জন্য মুখ খুলেছিলেন টিম ম্যানেজমেন্টের বিরুদ্ধে। কুলদীপের আক্রমণের নিশানায় ছিলেন নাইট রাইডার্সের বিদেশি অধিনায়ক, কোচসহ অন্যান্যরা। এরপরও চলতি আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বেও এই নাইট স্পিনারকে প্রথম একাদশে দেখা যায়নি।২৬ বছরের কুলদীপ যাদব ভারতের হয়ে ৭টি টেস্ট, ৬৫টি একদিনের ম্যাচ ও ২৩টি টি২০ ম্যাচ খেলছেন। তিন ফর্ম্যাট মিলিয়ে তাঁর উইকেট সংখ্যা ১৭৪। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দুটি হ্যাটট্রিকের মালিক এই বাঁহাতি চায়নাম্যান ২০১৯ সালের ৫০ ওভারের বিশ্বকাপে ভারতীয় দলের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। দুই বছর আগে কুলদীপকে শংসাপত্র দিয়েছিলেন স্বয়ং টিম ইন্ডিয়ার কোচ রবি শাস্ত্রী। বলেছিলেন, বিদেশের মাটিতে কুলদীপই সেরা ভারতীয় স্পিনার। সেই ক্রিকেটারের আন্তর্জাতিক আঙিনা থেকে আচমকাই হারিয়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে আইপিএলকে তুলে ধরা হচ্ছে। নাইট রাইডার্স শিবিরে একের পর এক ম্যাচে প্রথম একাদশের বাইরে কাটিয়ে কুলদীপ জাতীয় নির্বাচকদের চোখের আড়ালে চলে গিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। কয়েক মাস আগে শ্রীলঙ্কা সফরে ভারতীয় দলের জার্সি গায়ে শেষবার মাঠে দেখা গিয়েছিল কুলদীপ যাদবকে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

KKR : নাইট রাইডার্সে অশান্তি?‌ ম্যাকালামের উপর ক্ষিপ্ত কুলদীপ যাদব

দ্বিতীয় পর্ব শুরুর আগে টিম ম্যানেজমেন্টের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন কুলদীপ যাদব। আইপিএল ২০২১-র প্রথম পর্বে কেকেআরের জার্সিতে একটি ম্যাচেও মাঠে নামতে দেখা যায়নি কুলদীপ যাদবকে। এই ঘটনা যে তাঁকে হতাশ করেছিল, তা জানাতে ভোলেননি বাঁ-হাতি চায়নাম্যান। জানিয়েছেন, প্রতি ম্যাচে কেন তাঁকে মাঠের বাইরে বসে থাকতে হচ্ছে, তা তিনি জানতেই পারেননি। দল তাঁর সঙ্গে এ ব্যাপারে কখনওই কোনও কথা বলেনি বলেও দাবি করেছেন কুলদীপ। ভারতীয় স্পিনারের কথায়, তাঁর প্রতি কেকেআর ম্যানেজমেন্টের অবহেলা তাঁকে ব্যথা দিয়েছে। একই সঙ্গে কেকেআরের হেড কোচ ব্রেন্ডন ম্যাকালামের বিরুদ্ধেও পরোক্ষে বোমা ফাটিয়েছেন কুলদীপ। তাঁর কথায়, কোচ পুরনো হলে তাঁর সঙ্গে সেভাবে মেশা যায়। কিন্তু নতুন কোচ নিজের পরিকল্পনা ক্রিকেটারদের থেকে লুকিয়ে রাখলে এ ব্যাপারে ধোঁয়াশা তৈরি হল বলে বক্তব্য ভারতীয় স্পিনারের।ভারতীয় দলের হয়ে অনেকটা সময় ধরে চুটিয়ে ক্রিকেট খেলা কুলদীপ যাদব নিজের আইপিএল দল কেকেআরের আচরণে অপমানিত। যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও দলের প্রথম একাদশে সুযোগ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হওয়া বাঁ-হাতি চায়নাম্যান বুঝতেই পারছেন যে তাঁর সঙ্গে কেন এমন আচরণ করছে কেকেআর। কুলদীপের মনে হয়েছে যে তাঁর প্রতি ম্যাকালামদের কোনও ভরসা নেই। তাঁর দক্ষতাকেও ছোট করা হয়েছে বলে মনে করেন কেকেআরের বাঁ-হাতি স্পিনার।বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার করোনায় আক্রান্ত হওয়ার জন্য এবছর আইপিএল মাঝপথে স্থগিত হয়ে গিয়েছিল। টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় পর্ব ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে শুরু হতে চলেছে। দ্বিতীয় পর্বে মাঠে নামার আগে প্রথম পর্বের ব্যর্থতা নিয়ে মুখ খুলেছেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের হেড কোচ ব্রেন্ডন ম্যাকালাম। তাঁর দাবি, আতঙ্কেই ক্রিকেটাররা প্রতিবন্ধী হয়ে পড়েছিলেন। এর ফলেই ক্রিকেটাররা নিজেদের ওজন অনুযায়ী পারফরম্যান্স করতে পারেননি। দলের ওয়েবসাইটে ম্যাকালাম বলেন, আইপিএলের শুরু থেকেই দলের ক্রিকেটারদের মনে ভয় বাসা বেঁধেছিল। সেই কারণেই নিজেদের মেলে ধরতে পারেনি। তিনি আরও বলেন, আমার দলের ক্রিকেটাররা কেমন এবং তারা কেমন পারফরম্যান্স করতে পারে সবাই জানে। প্রত্যাশার চাপই দলের ক্রিকেটারদের মনে অন্য আতঙ্ক তৈরি করেছিল, যা দলকে প্রতিবন্ধী বানিয়েছিল।প্রথম পর্বের ব্যর্থতা ভুলে দ্বিতীয় পর্বে দলের ক্রিকেটাররা সেরাটা দেবেন বলে আশা করেছেন ম্যাকালাম। তাঁর কথায়, এখনও আমাদের সামনে প্লে-অফের দরজা খোলা রয়েছে। কঠিন চ্যালেঞ্জ সামলে দল হিসেবে একে অপরের পাশে দাঁড়িয়ে লড়াই করাই দলের মূল লক্ষ্য। প্রথম পর্বে দলের কাছ থেকে কী চেয়েছিলাম ক্রিকেট প্রেমীরা নিশ্চয় তা বুঝেছেন। দলের সাফল্যের দীর্ঘমেয়াদী রূপরেখা তৈরি করাই লক্ষ্য। কে কী বলল, তাতে গুরুত্ব দিচ্ছি না।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Kuldeep Yadav : ‌‌সাদা বলের ক্রিকেটজীবন এখনও শেষ হয়নি, মনে করছেন কুলদীপ

২০১৯ বিশ্বকাপ পর্যন্ত ভারতীয় দলে তিনি ছিলেন অটোমেটিক চয়েস। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতিও বদলেছে। সাদা বলের ক্রিকেটে জাতীয় দলে নিজের জায়গা হারিয়েছেন কুলদীপ যাদব। এই মুহূর্তে টিম ম্যানেজমেন্টের ভাবনায় তিনি প্রথম একাদশে নেই। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। তবুও নিজের ওপর বিশ্বাস হারাননি কুলদীপ যাদব। ভারতীয় দলের এই চাইনাম্যান বোলার মনে করছেন, তাঁর কেরিয়ার এখনও শেষ হয়ে যায়নি।আরও পড়ুনঃ চুক্তিপত্রে সই না করায় প্রতিবাদের ঝড় ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে, কর্তাদের পদত্যাগ দাবিকুলদীপ বলেন, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচের পর আমি মনে করি না যে সাদা বলের ক্রিকেটে আমার কেরিয়ার শেষ হয়ে গেছে। একটাদুটো খারাপ ম্যাচে কেরিয়ার শেষ হয়ে যায় না। এমন অনেক পরিস্থিতি আসে যখন হাত থেকে রান বেরিয়ে যায়। আমি কখনও কখনও ৪৫ উইকেটও পেয়েছি। আমার মনে হয় মানুষ যদি এই সাফল্যগুলো নিয়ে কথা বলে তাহলে ভাল হবে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ব্যর্থতার কারণ প্রসঙ্গে কুলদীপ বলেন, ইংল্যান্ড সিরিজে পুনের উইকেট ব্যাটিং সহায়ক ছিল। বোলারদের জন্য উইকেটে কিছুই ছিল না। রাহুল স্যার আমাকে দারুণ সাহায্য করছেন। অনেক পরামর্শ দিয়েছেন। আশা করছি এই সিরিজে নিজেকে মেলে ধরতে পারব।আরও পড়ুনঃ ইংল্যান্ড সিরিজ কোহলিদের কাছে বড় পরীক্ষা, বলছেন ইয়ান চ্যাপেলমঙ্গলবার শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচ খেলতে নামছে ভারত। শিখর ধাওয়ানদের সামনে সিরিজ জয়ের হাতছানি। প্রথম ম্যাচে বোলাররা সেভাবে জ্বলে উঠতে না পারলেও দ্বিতীয় ম্যাচে কোনও পরীক্ষানিরীক্ষায় যেতে চাইছে না ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। বোলিংয়ে কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না।আরও পড়ুনঃ দীপিকা কি পারবেন অলিম্পিকের ভাগ্য বদলাতে?ব্যাটসম্যানদের দাপটেই প্রথম ম্যাচে সহজ জয় এসেছে। শিখর ধাওয়ানের ব্যাট থেকে এসেছে অধিনায়কোচিত ইনিংস। অভিষেক ম্যাচেই দারুণ নজর কেড়েছেন ইশান কিষান। শুরুতেই ঝড় তুলেছিলেন পৃথ্বী শ। সূর্যকুমার যাদবের ছোট ইনিংসেও ছন্দে থাকার ইঙ্গিত। ব্যাটিং লাইনে কিছুটা বেমানান ছিলেন মণীশ পান্ডে। বাকিদের মতো জ্বলে উঠতে পারেননি এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। তবুও ব্যাটিং অর্ডারে বদলের কোনও সম্ভাবনা নেই।

জুলাই ১৯, ২০২১

ট্রেন্ডিং

দেশ

১৯৭১-এর যুদ্ধনায়ককে কেন ডাকা হল এসআইআর শুনানিতে? মুখ খুলল নির্বাচন কমিশন

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের বুকে কাঁপন ধরানো প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধান অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশকে ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর শুনানিতে তলব করা ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধানকে কেন পরিচয় প্রমাণের জন্য নোটিস পাঠানো হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই সোমবার মুখ খুলল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এসআইআর শুনানির নোটিস পাওয়ার পর নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অ্যাডমিরাল প্রকাশ। তাঁর পোস্ট সামনে আসার পরই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, অ্যাডমিরাল প্রকাশের জমা দেওয়া এনুমারেশন ফর্মে পূর্ববর্তী এসআইআর সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য ছিল না। সেই কারণেই তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে।এলাকার ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার মেডোরা এরমোমিল্লা ডিকোস্টা জানান, এনুমারেশন ফর্মে ভোটারের নাম, এপিক নম্বর, আত্মীয়ের নাম, বিধানসভা কেন্দ্রের নাম ও নম্বর, অংশ নম্বর এবং ভোটার তালিকার ক্রমিক নম্বরের মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উল্লেখ ছিল না। ফলে বিএলও অ্যাপের মাধ্যমে নতুন ফর্মের সঙ্গে পুরনো ভোটার তালিকার স্বয়ংক্রিয় মিল করা সম্ভব হয়নি। শনাক্তকরণের প্রয়োজনীয় তথ্য না থাকলেই এই ধরনের ক্ষেত্রে শুনানির জন্য ডাকা হয় বলে জানান তিনি।১৯৭১ সালের যুদ্ধে বায়ুসেনার পাঞ্জাব স্কোয়াড্রনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বিমান চালিয়েছিলেন অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশ। সেই সাহসিকতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি বীর চক্র পান। প্রায় ৪০ বছর নৌসেনায় কাজ করেছেন তিনি। ফাইটার স্কোয়াড্রন, এয়ার স্টেশন, আইএনএস বিরাট-সহ মোট চারটি যুদ্ধজাহাজ পরিচালনা করেছেন। নৌসেনাপ্রধান থাকাকালীন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারও করেছিলেন তিনি।নোটিস পাওয়ার পর কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অ্যাডমিরাল প্রকাশ লেখেন, এসআইআর ফর্মে যদি প্রয়োজনীয় তথ্য না পাওয়া যায়, তাহলে ফর্ম সংশোধন করা উচিত ছিল। তিনি আরও বলেন, বিএলও তিনবার তাঁদের বাড়িতে এসেছিলেন, তখনই অতিরিক্ত তথ্য চাওয়া যেত। তাঁর অভিযোগ, তিনি ও তাঁর স্ত্রী যথাক্রমে ৮২ ও ৭৮ বছর বয়সে পৌঁছেছেন, অথচ তাঁদের বাড়ি থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরে শুনানিতে ডাকা হয়েছে, তাও আবার আলাদা আলাদা দিনে।এই মন্তব্য সামনে আসার পরই বিতর্ক তীব্র হয়। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ফের জানানো হয়েছে, প্রয়োজনীয় শনাক্তকরণ তথ্য না থাকলে বিএলও অ্যাপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ম্যাপিং করতে পারে না। সেই কারণেই সংশ্লিষ্ট ভোটারদের শুনানিতে ডাকা হচ্ছে বলে ব্যাখ্যা দিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে বিক্ষোভে গ্রেপ্তার ভারতীয়রা? অভিযোগ উড়িয়ে মুখ খুলল তেহরান

খামেনেই প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উত্তাল ইরান। সেই অশান্ত পরিস্থিতির মধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে খবর, অন্তত ছজন ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুধু ভারতীয় নয়, বিক্ষোভ দমনের নামে অন্যান্য দেশের নাগরিকদেরও নাকি আটক করছে ইরানের প্রশাসন। এই অভিযোগ ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তবে এই সব দাবি নিয়ে এবার প্রকাশ্যে মুখ খুলল তেহরান।মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, ইরানে চলমান বিক্ষোভে এখনও পর্যন্ত প্রায় আড়াই হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরই মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে যে, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে ছজন ভারতীয় নাগরিককে আটক করা হয়েছে। অভিযোগ, সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের ঘটনায় তাঁরা জড়িত ছিলেন। তবে এই খবরকে কার্যত ভুয়ো বলে দাবি করেছেন ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মহম্মদ ফাথালি।এক্স হ্যান্ডেলে একটি সংবাদ প্রতিবেদন শেয়ার করে ইরানের রাষ্ট্রদূত লেখেন, ইরান নিয়ে বিদেশি বহু সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে ভুয়ো খবর ছড়ানো হচ্ছে। তিনি সকলকে নির্ভরযোগ্য ও সরকারি সূত্র থেকে খবর জানার অনুরোধ জানান। যদিও বাস্তবে ইরান থেকে সঠিক তথ্য পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে। বিক্ষোভ শুরুর পর থেকেই সেখানে ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত বন্ধ। পাশাপাশি বিদেশে ফোন করার উপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। ফলে মৃত ও গ্রেপ্তারির প্রকৃত সংখ্যা সরকারি হিসেবের তুলনায় অনেক বেশি হতে পারে বলেই অনুমান করা হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি। সরকারিভাবে কিছু ঘোষণা না করা হলেও কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। প্রয়োজনে সেখানকার প্রবাসী ভারতীয়দের কীভাবে দেশে ফিরিয়ে আনা যায়, তা নিয়েও প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে।এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আশঙ্কাও ঘনীভূত হচ্ছে। পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে, তাতে যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সামরিক পদক্ষেপ করতে পারে আমেরিকা, এমনই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পর এই জল্পনা আরও জোরদার হয়েছে।আমেরিকার সংবাদপত্র নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছেন ট্রাম্প। এখনও পর্যন্ত কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নেওয়া হলেও মার্কিন প্রশাসনের একাংশ মনে করছে, ইরানে হামলার বিকল্প ভাবছেন তিনি। তেহরান-সহ গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ঘাঁটিতে আঘাত হানার পরিকল্পনাও আলোচনায় রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

আইপ্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক অভিযোগ! মমতার বিরুদ্ধে ‘চুরি-ডাকাতি’র তুলনা ইডির

আইপ্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে জোড়া পিটিশন দায়ের করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। একটি পিটিশন দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা নিজে। অন্যটি দায়ের করেছেন ইডির তিন আধিকারিক নিশান্ত কুমার, বিক্রম অহলওয়াত এবং প্রশান্ত চান্ডিলা। এই দুই মামলাতেই রাজ্য সরকারের পাশাপাশি যুক্ত করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, কলকাতার নগরপাল মনোজ ভর্মা, কলকাতা পুলিশের ডিসি দক্ষিণ প্রিয়ব্রত রায় এবং সিবিআইকে।ইডির দায়ের করা পিটিশনে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। আদালত সূত্রে খবর, পিটিশনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইডি অভিযানের সময় অযাচিত প্রবেশ এবং একটি ফাইল নিয়ে চলে যাওয়ার ঘটনাকে চুরি ও ডাকাতির সঙ্গে তুলনা করেছে তদন্তকারী সংস্থা। শুধু তাই নয়, ইডির কাজে যে বাধা দেওয়া হয়েছিল, তা মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে পিটিশনে।এই মামলায় নিজেদের যুক্তি জোরদার করতে ইডি অতীতের তিনটি ঘটনার উল্লেখ করেছে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, বিভিন্ন সময়ে কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তে মুখ্যমন্ত্রী ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন, যা আইনের শাসনের পরিপন্থী।পিটিশনে প্রথম যে ঘটনার কথা বলা হয়েছে, তা ২০১৯ সালের ৩ ফেব্রুয়ারির। সারদা মামলায় তৎকালীন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাড়িতে সিবিআই হানার প্রতিবাদে ধর্মতলায় মুখ্যমন্ত্রীর ধর্নার প্রসঙ্গ তুলে ধরা হয়েছে। দ্বিতীয় ঘটনাটি ২০২১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারির। কয়লা পাচার মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআই তাঁদের বাড়িতে পৌঁছনোর আগেই সেখানে হাজির হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তৃতীয় ঘটনাটি ২০২১ সালের ১৭ মে-র। নারদ মামলায় ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় গ্রেফতার হওয়ার পর নিজাম প্যালেসে গিয়ে সিবিআইয়ের সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এমনটাই দাবি ইডির।এতেই শেষ নয়। কলকাতা হাইকোর্টে একটি শুনানি ভেস্তে যাওয়ার নেপথ্যেও তৃণমূল কংগ্রেসকে দায়ী করেছে ইডি। তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, শাসকদলের কর্মী-সমর্থকেরা হোয়াটসঅ্যাপ মারফত বার্তা পাঠিয়ে জমায়েত করেছিলেন।এই সব অভিযোগের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টের কাছে একাধিক আবেদন জানিয়েছে ইডি। মুখ্যমন্ত্রী যে বৈদ্যুতিন যন্ত্র নিয়ে গিয়েছিলেন, সেখান থেকে কোনও তথ্য যেন ডিলিট বা ক্লোন না করা হয়, সেই নির্দেশ চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কয়লা পাচার তদন্তে যুক্ত কোনও কেন্দ্রীয় আধিকারিকের বিরুদ্ধে যেন কলকাতা বা বাংলার কোনও থানায় এফআইআর গ্রহণ না করা হয়, সেই আবেদনও জানানো হয়েছে। শেক্সপিয়ার সরণী থানায় দায়ের হওয়া এফআইআর স্থগিত রাখার আর্জিও জানানো হয়েছে। সবশেষে আইপ্যাক-কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবিও তুলেছে ইডি।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

ইডি হানার পরই রাজ্যে বিশেষ বাহিনী! RAF নামল কলকাতায়

ইডির তল্লাশিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ সামনে আসতেই রাজ্যে পাঠানো হল সিআরপিএফের বিশেষ বাহিনী। গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার আইপ্যাকের অফিস এবং আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই সময় সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, তিনি কিছু নথি ও হার্ডডিস্ক সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে যান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্য পুলিশের শীর্ষ কর্তারা। এই ঘটনার পরেই রাজ্যে আসে সিআরপিএফের এক কোম্পানি র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স বা RAF।সূত্রের খবর, ঝাড়খণ্ডের জামশেদপুর থেকে এই এক কোম্পানি RAF বাংলায় পাঠানো হয়েছে। আপাতত বাহিনীটিকে রাজারহাটের সিআরপিএফ ক্যাম্পে রিজার্ভে রাখা হয়েছে। ভবিষ্যতে যদি ইডি বা অন্য কোনও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তল্লাশিতে গিয়ে বাধার মুখে পড়ে, অথবা কোনও বড় আইনশৃঙ্খলার সমস্যা তৈরি হয়, তাহলে এই RAF বাহিনীকে কাজে লাগানো হবে।বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে কোনও রাজনৈতিক উত্তেজনা বা হিংসার ঘটনা ঘটলেও পরিস্থিতি সামাল দিতে নামানো হতে পারে এই বিশেষ বাহিনীকে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় RAF-এর কাছে রয়েছে বিশেষ গাড়ি ও অত্যাধুনিক সরঞ্জাম, যা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।এদিকে আইপ্যাক-কাণ্ডের পর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নিরাপত্তা নিয়েও বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে রয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের দফতর। সিবিআই সেখান থেকে চলে যাওয়ার পর দীর্ঘদিন ওই কমপ্লেক্সে কোনও আধাসেনা মোতায়েন ছিল না। নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল একটি বেসরকারি সংস্থা। তবে সাম্প্রতিক ঘটনার পর সিজিও কমপ্লেক্সের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।আইপ্যাক-কাণ্ড ঘিরে রাজ্য ও কেন্দ্রের সংঘাতের আবহে এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

হোয়াটসঅ্যাপে নির্দেশ? এসআইআর মামলায় নির্বাচন কমিশনকে কাঠগড়ায় শীর্ষ আদালত

ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বড় পদক্ষেপ করল সুপ্রিম কোর্ট। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে নোটিস পাঠিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। সোমবার তৃণমূল কংগ্রেসের দুই সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এবং দোলা সেনের করা মামলার ভিত্তিতে এই নির্দেশ দিয়েছে আদালত।এদিন এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চে। রাজ্যে চলা নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে আলাদা করে মামলা করেছিলেন দুই তৃণমূল সাংসদ। সেই মামলার শুনানিতেই এদিন নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন ওঠে। সাংসদদের পক্ষে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল।শুনানিতে কপিল সিব্বল অভিযোগ করেন, এসআইআর প্রক্রিয়ায় একাধিক গাফিলতি ও অনিয়ম হয়েছে। তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশন বহু ক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে নির্দেশ পাঠাচ্ছে, যা একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও জানান, বাংলার বহু ভোটারকে অযৌক্তিক ভাবে চিহ্নিত করে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। কমিশনের তরফে যে সব অমিল বা লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সির কথা বলা হচ্ছে, তার অনেকটাই বাস্তবে অযৌক্তিক বলে দাবি করেন তিনি।আইনজীবীর এই যুক্তি শুনে নির্বাচন কমিশনের কাছে জবাব তলব করে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের নির্দেশে কমিশনের উদ্দেশে নোটিস জারি করা হয়। শুনানিতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জবাব দিতে তাদের দুসপ্তাহ সময় প্রয়োজন। কিন্তু প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই সপ্তাহের মধ্যেই হলফনামা জমা দিতে হবে।আদালত জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহেই এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের এই কড়া অবস্থান ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

আরএসি নেই, ওয়েটিং নেই! বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন নিয়ে বড় ঘোষণা রেলের

আর মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা। তারপরই বাংলা থেকে গড়াতে চলেছে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের চাকা। হাওড়া থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত চলবে এই নতুন প্রিমিয়াম ট্রেন। আগামী ১৭ জানুয়ারি মালদহ স্টেশন থেকে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই ট্রেন চালু হওয়ার খবরে সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে আগ্রহ তুঙ্গে।এবার বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন নিয়ে বড় আপডেট সামনে আনল রেল। জানানো হয়েছে, এই ট্রেনে কোনও আরএসি বা ওয়েটিং লিস্ট টিকিট থাকবে না। শুধুমাত্র কনফার্ম টিকিটেই যাত্রা করা যাবে। অর্থাৎ টিকিট কাটলে সিট বা বার্থ নিশ্চিত থাকবেই।রেল সূত্রে খবর, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের ন্যূনতম ভাড়া ধরা হয়েছে ৪০০ কিলোমিটার দূরত্বের জন্য। রাজধানী এক্সপ্রেস বা শতাব্দী এক্সপ্রেসের মতো প্রিমিয়াম ট্রেনের তুলনায় এই ট্রেনের ভাড়া সামান্য বেশি হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে যাত্রীদের জন্য থাকবে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা।রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ট্রেনে মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ থাকবে। পাশাপাশি বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তি এবং প্রবীণ নাগরিকদের জন্যও আলাদা কোটা থাকছে। ডিউটি পাস কোটার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।ভাড়ার হিসাব অনুযায়ী, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে ৩এসি শ্রেণিতে প্রতি কিলোমিটার ভাড়া ধরা হয়েছে ২ টাকা ৪০ পয়সা। ২এসি শ্রেণিতে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া হবে ৩ টাকা ১০ পয়সা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রতি কিলোমিটারে ৩ টাকা ৮০ পয়সা।যেহেতু ন্যূনতম ৪০০ কিলোমিটারের ভাড়া নেওয়া হবে, তাই ৩এসি শ্রেণিতে ৪০০ কিলোমিটার পর্যন্ত যাত্রার জন্য খরচ পড়বে ৯৬০ টাকা। ২এসি শ্রেণিতে এই ভাড়া হবে ১২৪০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পড়বে ১৫২০ টাকা। এই ভাড়ার সঙ্গে অতিরিক্ত জিএসটি যোগ হবে।হাওড়া থেকে গুয়াহাটির দূরত্ব প্রায় ১০০০ কিলোমিটার। এই পথে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ২৪০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৩১০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পড়বে প্রায় ৩৮০০ টাকা।রেল সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ভবিষ্যতে ২০০০ কিলোমিটার দূরত্বের যাত্রায় ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ৪৮০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৬২০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ৭৬০০ টাকা। ৩০০০ কিলোমিটার দূরত্বের ক্ষেত্রে ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ৭২০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৯৩০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পৌঁছবে প্রায় ১১ হাজার ৪০০ টাকায়।বর্তমানে হাওড়া থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত চলা সরাইঘাট এক্সপ্রেসে সর্বোচ্চ ভাড়া ৩এসি শ্রেণিতে ১৪১০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ১৯৮৫ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ৩৩২০ টাকা।সময়সূচি অনুযায়ী, হাওড়া থেকে গুয়াহাটিগামী বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে এবং পরের দিন সকাল ৮টা ২০ মিনিটে গুয়াহাটিতে পৌঁছবে। গুয়াহাটি থেকে এই ট্রেন ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিট নাগাদ এবং পরের দিন সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে হাওড়ায় পৌঁছবে। সপ্তাহে ছয় দিন এই ট্রেন চলবে। বৃহস্পতিবার ট্রেনটি চলবে না।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
রাজ্য

কাজের কাগজেই ভোটাধিকার! উত্তরবঙ্গের চা বাগান শ্রমিকদের জন্য বড় ছাড় নির্বাচন কমিশনের

উত্তরবঙ্গের চা এবং সিঙ্কোনা বাগানে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য বিশেষ ছাড় ঘোষণা করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকায় নাম তোলার ক্ষেত্রে এবার কাজের নথিই যথেষ্ট বলে জানানো হয়েছে। এর ফলে বহু বাগান শ্রমিকের ভোটাধিকার পাওয়ার পথ অনেকটাই সহজ হল।রবিবার এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে পাঠিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম তুলতে হলে সংশ্লিষ্ট চা বা সিঙ্কোনা বাগানে কাজ করার প্রমাণপত্র জমা দিলেই হবে। তবে তার সঙ্গে বৈধ বাসস্থানের প্রমাণপত্র যুক্ত করা বাধ্যতামূলক। এই দুটি নথি থাকলেই ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে আর কোনও সমস্যা হবে না।এই বিশেষ ছাড় শুধুমাত্র উত্তরবঙ্গের সাতটি জেলার জন্য প্রযোজ্য। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং কোচবিহার জেলার চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকরাই এসআইআর পর্বে এই সুবিধা পাবেন।প্রসঙ্গত, ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য প্রথমে মোট ১১টি নথি নির্ধারণ করেছিল নির্বাচন কমিশন। পরে আরও দুটি নথি যুক্ত করা হয়আধার কার্ড এবং বিহারের এসআইআর সংক্রান্ত নথি। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, উত্তরবঙ্গের বহু চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকের কাছেই এই নথিগুলি নেই। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তাঁরা বাগানের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও আধুনিক পরিচয়পত্র অনেকের কাছেই অধরা।এই পরিস্থিতিতে উত্তরবঙ্গের সাত জেলার জেলাশাসকরা নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন জানান, যাতে বাগানের কাজের নথিকেই ভোটার তালিকাভুক্তির প্রমাণ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। অবশেষে সেই দাবিতে সায় দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এর পাশাপাশি, রাজ্যের প্রান্তিক এবং বিচ্ছিন্ন এলাকার মানুষের কথা মাথায় রেখে এসআইআর শুনানি প্রক্রিয়াতেও বড় পরিবর্তন এনেছে কমিশন। ডিসেন্ট্রালাইজড হিয়ারিং সেন্টার বা বিকেন্দ্রীভূত শুনানি কেন্দ্র চালু করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে দুর্গম বা প্রত্যন্ত এলাকায় বসবাসকারী মানুষও সহজে এসআইআর শুনানিতে অংশ নিতে পারবেন। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতা হাইকোর্টে নতুন প্রধান বিচারপতি কে? জানুন বিচারপতি সুজয় পালের পুরো প্রোফাইল

কলকাতা হাইকোর্টের নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হলেন বিচারপতি সুজয় পাল। এতদিন তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন। গত ৯ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়ামের বৈঠকে তাঁর নামেই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি পদে চূড়ান্ত সিলমোহর দেওয়া হয়।প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম অবসর নেওয়ার পর থেকেই ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে ছিলেন বিচারপতি সুজয় পাল। তার আগে এই পদে ছিলেন বিচারপতি সৌমেন সেন। পরে তাঁকে মেঘালয় হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের সুপারিশ করা হলে সেই পদে আসেন বিচারপতি সুজয় পাল।বিচারপতি সুজয় পালের জন্ম একটি প্রবাসী বাঙালি পরিবারে। তবে তাঁর বেড়ে ওঠা মধ্যপ্রদেশে। তিনি এলএস ঝা মডেল স্কুলে পড়াশোনা করেন। পরে মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরে রাণি দুর্গাবতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। সেখান থেকেই আইন বিষয়ে পড়াশোনা করে এলএলবি ডিগ্রি লাভ করেন তিনি।আইনজীবী হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করার পর ২০১১ সালে তিনি জব্বলপুরে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের বিচারক হিসেবে নিযুক্ত হন। পরে তাঁর ছেলে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করায় তাঁকে তেলঙ্গানা হাইকোর্টে বদলি করা হয়। এরপর ২০২৫ সালের ২৬ মে বি আর গাভাইয়ের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়াম তাঁকে কলকাতা হাইকোর্টে বদলির সুপারিশ করে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ২০১৮ সালে কলকাতা হাইকোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতির অবসরের পর আর কোনও বাঙালি বিচারপতি এই পদে আসেননি। সেই পরিস্থিতি এখনও বদলাল না। নতুন প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল দায়িত্ব নেওয়ার মধ্য দিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে ফের এক নতুন অধ্যায় শুরু হল বলে মনে করছেন আইন মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal