• ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Kalna

রাজনীতি

নন্দীগ্রামে আক্রান্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর চক্রান্ত করে আক্রমণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নন্দীগ্রামে রেয়াপাড়ায় তিনি ঘরভাড়াও নিয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অবিযোগ করেছেন,গাড়ি দাঁড় করিয়ে মন্দিরে প্রণাম করছিলাম তখন চার-পাঁচ জন আমাকে ঠেলে দেয়। তখনই আমার মুখে ও পায়ে আগাত লাগে। আপাতত কলকাতায় যাচ্ছি।এদিন হলদিয়ায় মনোনয়নপত্র জমা দেন। রাণীচকে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। সেখানেই ঘটনাটি ঘটে। এদিন নন্দীগ্রামে থাকার কথা ছিল। বিজেপি পুরো বিষয়টা নাটক হিসাবে দেখছেন। বিজেপির রাজ্য সহসভাপতি তথা সাংসদ অর্জুন সিং বলেন, এই ঘটায় দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্তাদের সাসপেন্ড করা উচিত। সূত্রের খবর,, ভিড়ের মধ্যে নন্দীগ্রামের বিরুলিয়ায় ধাক্কা-ধাক্কিতে মুখ থুবড়ে পড়ে যান মমতা। তাঁর পায়ে প্রচণ্ড চোট লেগেছে। মুখ্যমন্ত্রীকে তড়িঘড়ি কলকাতায় আনা হচ্ছে। জানা গিয়েছে এসএসকেএম-এ তাঁর চিকিৎসা হবে। ঘটনার সময় পুলিশ সুপার বা কোনও রাজ্য পুলিশ ছিল না। বলেই অভিযোগ মমতার। জানা গগিয়েছে, খবর জানাজানি হতেই নির্বাচন কমিশন জেলা প্রশাসনের থেকে রিপোর্ট তলব করেছে।ভোটের বাংলায় এই ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠে গেল। জেড প্লাস নিরাপত্তা রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তার মধ্যেই নিরাপত্তার বেড়াজাল ভেঙে কীভাবে এত মুখ্যমন্ত্রীকে ধাক্কা দিলেন? সব মহলেই এই প্রায় উঠেছে।

মার্চ ১০, ২০২১
রাজনীতি

নন্দীগ্রামে বাড়ি ভাড়া নিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী, বানাবেন কুঁরে ঘর

সবার প্রথম তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীর নাম ঘোষণা হয়েছে নন্দীগ্রামে। ওই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী হিসাবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণা করেছে। সম্মুখ সমরে মমতা-শুভেন্দু। জমি আন্দোলনের পর এবার রাজনীতির উত্তাপে দগ্ধ নন্দীগ্রাম। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে সব থেকে নজরকাড়া কেন্দ্র নন্দীগ্রাম। মঙ্গলবার নন্দীগ্রামের বটতলার সভা থেকে প্রচারে ঝড় তুললেন তৃণমূল প্রার্থী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজে সেখানে দুই কামরার বাড়ি ভাড়া নেওয়ার কথাও ঘোষণা করলেন। স্মৃতি আওড়ালেন নন্দীগ্রাম আন্দোলনের।একসময় বামপন্থীরা স্লোগান তুলছিল ভুলতে পারি বাপের নাম, ভুলবো নাকো ভিয়েতনাম। এদিন মমতা বলেন, ভুলতে পারি সবার নাম, ভুলবো নাকো নন্দীগ্রাম। এভাবেই নন্দীগ্রামকে সম্মান জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সিঙ্গুরে আন্দোলন শুরু হয় নন্দীগ্রামের আগে। সিঙ্গুর আন্দোলন না হলে নন্দীগ্রামের আন্দোলনে তুফান হত না। আমি নিজেও গ্রামের মেয়ে। শহরে মানুষ হয়েছি। সেটাও ভালবাসার জায়গা। ছোটবেলা গ্রামেই কেটেছে। আলে আলে ঘুরে বেড়াতাম। ধান কাটতাম। সর্ষে ক্ষেতে যেতাম। গ্রামের প্রতি আমার টান আছে। সিঙ্গুর বা নন্দীগ্রামে যে কোনও এক জায়গায় আমি প্রার্থী হতাম। রাজনৈতিক মহলের মতে, এভাবেই গ্রামের আবেগ ছুঁতে চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী।আন্দোলনের স্মৃতি উসকে মমতা বলেন, গন্ডগোলের সময় একবার তাহের(আবু তাহের) ফোন করছে, একবার সুফিয়ান(সেখ সুফিয়ান) ফোন করছে। গুলির শব্দ শোনাচ্ছেন ফোনে। যাঁদের থাকার কথা ছিল তাঁরা একটা গুরুত্বপূর্ণ মিটিংয়েও ছিলেন না। ১০ নভেম্বর সূর্য উদয়। ১০ জনকে টানতে টানতে নিয়ে গিয়ে কেটে ভাসিয়ে দিয়েছে না কী করেছে কেউ জানে না। তেখালিতে গুলি চালাচ্ছে, আমার গাড়িতে গুলি লেগেছে। গোকুলনগর, তেখালি, সোনাচূড়া বিভিন্ন গ্রামের নাম বলতে থাকেন মমতা। মমতার বক্তব্য, তাঁকেও বাইরের লোক বলে অভিহিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।বেশ কয়েকটি জনসভায় বামেদের বিজেপিকে ভোট দেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। বাম দলেও অনেক ভাল মানুষ আছেন বলেও মন্তব্য করেছিলেন। এদিন নন্দীগ্রামে মমতা বলেন, পুরনো অত্যাচারী সিপিএম চলে এসেছে। বিজেপি এদের নিয়ে এসেছে। নন্দীগ্রামে লক্ষ্মণ শেঠের সঙ্গে কাজ করছে। সিপিএম, কংগ্রেস ও বিজেপি এক। হুমকি দিচ্ছে তোমার বিরুদ্ধে কেস আছে! এসব দুমাস করে নাও। সাতদিন পরে তোমরা কোথায় যাবে?এদিনের সভায় নন্দীগ্রামের উন্নয়নের ফিরিস্তি দিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী। একইসঙ্গে বেশ কিছু প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, নন্দীগ্রাম ও হলদিয়াকে জুড়তে সেতু তৈরি করা হবে। মডেল নন্দীগ্রাম করব। বেকারদের চাকরি হবে। নন্দীগ্রামে বিশ্ববিদ্যালয় করব। আমি চাই এখানকার ছেলেমেয়েরা পড়াশুনা করুক। মমতা জানিয়ে দেন, নন্দীগ্রামে রুইয়া পাড়ায় দুটি রুমের একটা বাড়ি ভাড়া নিয়েছি। পরে একটা কুঁড়ে ঘর বানিয়ে নেব। এখানে ভোট পয়লা এপ্রিল। ওদের এপ্রিল ফুল করে দেবেন। পয়লা এপ্রিল নন্দীগ্রামে খেলা হবে। তিন মাস অন্তর তিনি নন্দীগ্রামে আসবেন বলেও জানিয়ে দেন।

মার্চ ০৯, ২০২১
রাজনীতি

মুখ্যমন্ত্রীও বলছেন খেলা হবে, কী ভূমিকা নেবেন মমতা?

খেলা হবে স্লোগানে মাতোয়ারা বাংলার রাজনীতি। ডান-বাম সব পক্ষই বলছে খেলা হবে। কী খেলা হবে তা কেউ ব্যাখ্যা করছে না। তবে খেলায় জিতব বলে সকলেই দাবি করছে। এরই মধ্যে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছেন তিনি খেলবেন গোলরক্ষকের ভূমিকায়। তিনি যে কারও চমকানি ধমকানিতে ভয় পান না, ফের হুঁশিয়ার করেছেন মমতা। তাছাড়া জয় বাংলা স্লোগান যে বঙ্গবন্ধু মুজিবর রহমান দিয়েছেন সেকথাও স্মরণ করিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।খেলা হবে-তে তিনি থাকছেন বলেই ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর। মমতা বলেছেন, একুশেই চ্যালেঞ্জ হবে। চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করলাম দেখি কার জোর কত বেশি। একুশে একটাই খেলা হবে, আমি থাকব গোলরক্ষক। কারা হারে কারা জেতে সেটা আমি দেখতে চাই। জয় বাংলা স্লোগান নিয়ে কটাক্ষ করে আসছে পদ্মশিবির। এটা বাংলাদেশের স্লোগান বলেই বিজেপির দাবি। সেই দাবিকেই সিলমোহর দিলেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল নেত্রী বলেন, যদি জেলে পাঠিয়ে দেয় তাহলেও আমি জেল থেকে ডাক দেব বঙ্গবন্ধুর মতো জয় বাংলা, জয় বাংলা, জয় বাংলা, জয় হিন্দ, জয় হিন্দ, জয় হিন্দ, বন্দেমাতরম। হারতে আমরা শিখিনি আমরা হারব না। হারাতে আমাদের পারবে না। এটাই আমাদের ভাষা দিবসে আমাদের শপথ। ভাষা দিবসের অঙ্গীকার।ভাষা দিবসে মমতার আক্ষেপ কেন এই রাজ্যের নাম বাংলা হবে না। এটা তো রাজ্য বা প্রদেশ। বাংলাদেশের সঙ্গে মিলবে কেন? বলেন মমতা। তিনি বলেন, ওড়িষা হবে, বাংলা হবে না। বরাবরই বাংলার প্রতি বিমাতৃসুলভ আচরণ। এটাতো বাংলা রাজ্য। বাংলাদেশ তো নয়। পাকিস্তানেও তো পাঞ্জাব আছে। তাতে কী হয়েছে। নেতাজি সুভাষ বোস, রবীন্দ্রনাথকে অবহেলিত হতে হয়েছে। কেউ কেউ বলেন, বাংলা মানেই বাঙ্গাল ওতো সবসে জাদা খারাপ হ্যায়। বাঙাল বলেছে কাঙাল বলেছে কত কিছু বলেছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২১
রাজনীতি

"ভাল হয়েছে পাপ বিদায় নিয়েছে", তোপ তৃণমূল সুপ্রিমোর

কালনায় দলীয় জনসভা করার পর বর্ধমানে মাটি উৎসবে অংশ নেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর তিনি মুর্শিদাবাদে জনসভা করেন।রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। একাধিক তৃণমূল বিধায়ক পদ্মশিবিরে ভিড়েছেন। মঙ্গলবার কালনার জনসভায় তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, দুষ্টু গরুর থেকে শূন্য গোয়াল ভাল। কয়েকটা দুষ্টু গরু হাম্বা হাম্বা ডাকতে ডাকতে ইদার উধার করে বেড়াচ্ছেন। নিজেদের দুর্নীতি চাপা দেওয়ার জন্য তারা গেছেন। ভালো হয়েছে পাপ বিদায় নিয়েছে। যাঁরা তৃণমূলে থেকে খারাপ করে তাদের তৃণমূল কংগ্রেসের থাকার প্রয়োজন নেই।কালনার তৃণমূল বিধায়ক বিশ্বজিৎ কুন্ডু বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। কালনা বিধানসভা আসন এবার তাই তৃণমূলের কাছে চ্যালেঞ্জ। নাম না করে বিঁধেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাকেও। কালনায় দাঁড়িয়ে মমতা বলেন, বুঝে তো নিতেই হবে বিজেপি পার্টিকে। যে পার্টিটা কোনও ধর্ম জানে না। জানে না হিন্দু ধর্মের মধ্যে কত ধর্ম আছে। স্বামী বিবেকানন্দকে বিবেকানন্দ ঠাকুর বলে দিচ্ছেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পদবী বসিয়ে দিচ্ছেন।কৃষি ভান্ডারে দাঁড়িয়ে তৃণমূল নেত্রী জানিয়ে দেন, কৃষকদের জন্য কি কি করছে রাজ্য সরকার। ধান প্রতিবার কেনা হবে বলেও ঘোষনা করেন মমতা। পদ্মশিবিরের বিরুদ্ধে তোপ দেগে মমতা বলেন, বিজেপি টাকা নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। টাকা দিলে খেয়ে নেবেন। মুরগির মাংস খেয়ে নেবেন। বিজেপি গোঁজামিল পার্টি। শুধু মিথ্যা কথা বলে। বিজেপি থেকে সাবধান। ঠাকুরঘরে তৃণমূলের জোড়াফুল চিহ্নে পুজো দিয়ে বাড়ি থেকে বাইরে বের হন হলে জানান মমতা।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২১
রাজ্য

"পূর্ব বর্ধমানে করোনার টীকা ঝেড়েছে তৃণমূল কোম্পানি", কালনার জনসভায় তোপ শুভেন্দুর

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন সোমবার ২০২১-২২ অর্থ বর্ষের বাজেট পেশ করেছেন। এদিন পূর্ব বর্ধমানের কালনায় বিজেপির জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় বাজেটের ভূয়সী প্রশংসা করলেন তৃণমূল ত্যাগী বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, করোনা অতিমারির জন্য মোদি সরকার বাজেটে ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। আগামী এক বছর ধরে সমস্ত ভারতবাসীকে টিকা দেওয়ার কথাও বাজেটে ঘোষণা করা হয়েছে বাজেটে। স্বাস্থ্য খাতে ৬৫ হাজার কোটি টাকা বাজেটে বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে শুরু করে এইমস(AIIMS)-এর মত হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ পর্যন্ত সমস্ত চিকিৎসা ক্ষেত্রে নতুন আধুনিক পর্বের ব্যবস্থা গড়ে তোলার কথা বাজেটে বলা হয়েছে।কালনার এই জনসভায় বিজেপির কেন্দ্রীয় সহসভাপতি মুকুল রায় বলেন, দীর্ঘ দিন রাজনীতি করছি। এর আগে সরকার পরিবর্তন দেখেছি। একই উচ্ছাস ২০২১ সালেও দেখছি। এবারও মানুষের উচ্ছাসও যে সরকার পরিবর্তন করার উচ্ছাস তা পরিস্কার বোঝা যাচ্ছে বলে মকুলবাবু মন্তব্য করেন।বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দুবাবু দাবি করেন, ৭৫ উর্ধ্ব বয়সের প্রবীন নাগরিকদের ইনকাম ট্যাক্স ফাইল করতে হবে না বলে বাজেটে যা ঘোষণা করা হয়েছে সেটা বৈপ্লবিক সিদ্ধান্ত। ভারতের স্বাধীনতার ৭৫ বছরে দেশের সিনিয়র সিটিজেনদের এই বিশেষ উপহার দিয়েছে মোদি সরকার।বাজেটের প্রসঙ্গ সামনে এনে তৃণমূল কংগ্রেসকেও বেনজির ভাষায় আক্রমণ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি অভিযোগ করেন, তৃণমূলকে লকডাউনে চালচুরি, আমফানে ত্রিপল চুরি করতে দেখা গেছে। এখন দেখা যাচ্ছে টিকাও চুরি করছে। পূর্ব বর্ধমান জেলার চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মীদের জন্য যে টিকা এসেছিল তার থেকে ১৫ টি টিকা ঝেড়ে নিয়েছে তৃণমূল কোম্পানির লোকেরা। তার মধ্যে রয়েছে ২ বিধায়ক ও একজন প্রাক্তন বিধায়ক। তৃণমূল জানিয়ে দিয়েছিল এঁরা হাসপাতালের সঙ্গে যিক্ত। শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন ,কালনা, কাটোয়া,পূর্বস্থলী এলাকা হল শস্যভাণ্ডার। সেই কারণে বিজেপি কৃষক সুরক্ষা যাত্রা এখান থেকে শুরু করেছে । শুভেন্দুবাবু কালনার সভামঞ্চ থেকে জেলার চাষিদের উদ্দেশ্যে বলেন, পশ্চিম বাংলার চাষিরা বাদে সবাই তিন বছরে এখনও পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী কিষাণ যোজনায় ২০ হাজার টাকা পেয়ে গিয়েছে। রবিবার অমিত শাহজি বলেছেন ,পশ্চিমবঙ্গ থেকে শুধুমাত্র সংখ্যা পাঠিয়ে দিয়ে রাজ্য সরকারের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠিয়ে দেওয়ার কথা বলেছে । কিন্তু মোদিজি বলে দিয়েছেন , না - এই ভাবে টাকা দেওয়া যাবে না। কাটমানি খেতদেওয়া হবে না। সরাসরি কৃষকদের অ্যাকউন্টে টাকা পাঠানো হবে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।কালনার জনসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে খালিস্তানিদের মদত দেওয়ার অভিযোগ আনেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, কেন্দ্রের সরকার যখন দেশকে শক্তিশালী করতে চাইছে তখন এই রাজ্যের সরকার দেশকে দুর্বল করতে চাইছে। লালকেল্লা থেকে খালিস্তান জিন্দাবাদ বলছে। শুভেন্দু বাবু দাবি করেন, খালিস্তানি মদতপুষ্ট আন্দোলনকে আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সমর্থন জানাচ্ছেন। রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়েও কটাক্ষ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি দাবি করেন, বিধানসভা ভোটের জন্য স্বাস্থ্যসাথী করা হয়েছে। রাজ্য সরকারের চাপে তিন মাস রোগীদের এখন নার্সিংহোমগুলি ফেরাবে না। সিপিএম নেতাদের উদ্দেশ্যে শুভেন্দু বলেন ,তৃণমূল সরকারের আমলে পঞ্চায়েত ভোটে নমিনেশন জমা দিতে পারেননি, পঞ্চায়েত ভোটে লড়তে পারেননি। বিজেপি বাংলায় ক্ষমতায় না এলে অবাধ পঞ্চায়েত নির্বাচন হবে না।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২১
বিবিধ

কৃষি বিলের প্রতিবাদে বামেদের বিক্ষোভ

এআইকেএস-সহ বাম গণসংগঠনের ডাকে কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষক মারা নীতির প্রতিবাদে শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর কালনার বৈদ্যপুর মোড়ে বিক্ষোভ সভা, পথ অবরোধ ও কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়। ছবি ও সংবাদ: মোহন সাহা

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২০
বিবিধ

কৃষি বিলের প্রতিবাদে তৃণমূলের মিছিল

কৃষি বিলের প্রতিবাদে শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর পূর্ব বর্ধমানের কালনা ২ নং ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের ডাকে নেপাকুলি মোড় থেকে বিশাল প্রতিবাদ মিছিল করল তৃণমূল কংগ্রেস। নেতৃত্ব দেন রাজ্যে দলের মুখপাত্র তথা জেলার সহকারী সভাধিপতি দেবু টুডু। ছবি ও সংবাদ: মোহন সাহা

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২০
রাজ্য

কালনায় হেরিটেজ রাজবাড়ি সংস্কারের কাজ শুরু হচ্ছে

ভূমিহীনদের পাট্টা বিতরণ এবং বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সহায়তা প্রদানের অনুষ্ঠান বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হলো কালনা ১ ব্লক অফিস থেকে। এ দিন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ জানান, মূলত ৬২টি স্কিমে মানুষদের মধ্যে ভূমিহীনদের গৃহ প্রদান, উদ্বাস্তু ত্রাণ পুনর্বাসন এবং মানবিক-সহ বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা উপভোক্তাদের মধ্যে প্রদান করা হলো। পাশাপাশি পূর্বস্থলী ২ ব্লকের ২০টি আইসিডিএস কেন্দ্র এবং কালনা ১ নম্বর ব্লকের ৩২টি আইসিডিএস কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হলো। এই অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, জেলাশাসক বিজয় ভারতী, জেলা পরিষদের সভাপতি শম্পা ধাড়া, সহকারী সভাধিপতি দেবু টুডু, মহকুমাশাসক সুমনসৌরভ মোহান্তি, পূর্বস্থলী ২ নং ব্লকের বিডিও সৌমিক বাগচী-সহ বিশিষ্ট আধিকারিকেরা। কালনার মহকুমা ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরটি স্থানান্তরিত হলো কালনার আরএমসি মার্কেটে। এতদিন কালনার রাজবাড়ি চত্বরে ছিল ওই দফতর। আগে কথা থাকলেও করোনা পরিস্থিতির মধ্যে সেই স্থানান্তর করা যায়নি। এর আগে দফতরের ওই ভবনটিকে হেরিটেজ হিসেবে গণ্য করে এক অতিথিশালা তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছিল রাজ্য সরকার। খুব শিগগিরই ওই জায়গায় গড়ে উঠবে সেই অতিথিশালা। এদিন আরএমসি মার্কেটের ভিতর ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করে স্বপনবাবু জানান, আপাতত জেলা পরিষদের ফান্ড থেকে কুড়ি লক্ষ এবং ডিএম ফান্ড থেকে বারো লক্ষ টাকা দিয়ে রাজবাড়িতে অতিথি নিবাসের কাজ শুরু হবে। এতে পর্যটকরা সুবিধা পাবেন। ছবি ও সংবাদ: মোহন সাহা

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০
রাজ্য

শিশুমৃত্যুর অভিযোগে তুলকালাম কালনা হাসপাতালে, চিকিৎসক, নার্স নিগ্রহে গ্রেফতার ৪

শিশুমৃত্যুর অভিযোগকে ঘিরে সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর উত্তেজনা ছড়ায় কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। প্রসূতীর পরিবার চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ আনার পর নার্সরা তাঁদের ও চিকিৎসক, স্বাস্থ‌্যকর্মীদের নিগ্রহের পাল্টা অভিযোগ আনেন। হাসপাতালে তাণ্ডব চালানোর অভিযোগে আপাতত চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কালনার নিভূজির বিউটি বিবির শ্বশুরবাড়ি নান্দাইয়ে। সন্তানসম্ভবা অবস্থায় তিনি বাপের বাড়িতে ছিলেন। প্রসব যন্ত্রণা ওঠায় রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় ভর্তি করা হয় কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। তাঁর নিকটাত্মীয় খাদেম শেখের অভিযোগ, রাতভর বিউটির কোনও চিকিৎসা হয়নি। অন্যত্র নিয়ে যেতে চাইলে ছাড়তে রাজি হয়নি হাসপাতাল, উল্টে দুর্ব্যবহার করেন নার্সরা, অভিযোগ এমনই। সোমবার বেলা ১টা নাগাদ পরিবারকে জানানো হয়, বিউটির সন্তান মারা গিয়েছে। নার্সদের অভিযোগ, এরপর বিউটির পরিবার ও ঘনিষ্ঠ লোকজনরা আচমকা হাসপাতালের পাঁচ তলায় উঠে গিয়ে নার্স, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মীদের মারধর করে তাণ্ডব চালাতে থাকে। হাসপাতালে পর্যাপ্ত নিরাপত্তাও ছিল না বলে অভিযোগ। এরপর দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে নার্সরা কালনার হাসপাতাল সুপার ডা. কৃষ্ণচন্দ্র বরাইকে ঘেরাও করে কর্মবিরতির হুঁশিয়ারি দেন। সুপার চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ উড়িয়ে বলেন, প্রসূতীর শারীরিক জটিলতা ছিল। চিকিৎসকরা আপ্রাণ চেষ্টা করেন। তবে সিজার করেও শিশুটিকে বাঁচানো যায়নি। প্রসূতীর চিকিৎসা চলছে। হাসপাতালের নিরাপত্তাও বাড়ানোর আবেদন করেছি। এরপর থেকে আরও বেশি পুলিশ থাকবে বলে জানতে পেরেছি। ঘটনাস্থলে যান কালনার এসডিপিও, ওসি-সহ বিশাল পুলিশবাহিনী। হাসপাতালে তাণ্ডব চালানোর অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের সন্ধানে চলছে তল্লাশি। কোনও অভিযুক্তকে ছাড়া হবে না, পুলিশের এমন আশ্বাস পেয়ে দুপুর থেকে চলতে থাকা আংশিক কর্মবিরতি বিকেলে উঠে যায়‌। কর্মবিরতির ফলে চিকিৎসা পরিষেবা ব্যাহত হয়নি বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল সুপার। ছবি ও সংবাদ: মোহন সাহা

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০
রাজনীতি

করোনা জয় করে বাড়ি ফিরেই উন্নয়নের কাজে মন্ত্রী স্বপন

করোনা জয় করে মাসখানেক বাদে বাড়িতে ফিরেই উন্নয়নের কাজে নেমে পড়লেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর পূর্বস্থলী ১ নং পঞ্চায়েত সমিতির বেশ কিছু রাস্তার শিলান্যাস করলেন তিনি। উপস্থিত ছিলেন মহকুমাশাসক সুমনসৌরভ মোহান্তি, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি দিলীপ মল্লিক প্রমুখ।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
রাজ্য

পুলিশ দিবস

রাজ্যে মঙ্গলবার ৮ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে পালিত হয়েছে পুলিশ দিবস। কালনা থানার আধিকারিক-সহ পুলিশকর্মীরা দিনভর ব্যস্ত থাকায় বুধবার সার্কেল ইনস্পেক্টর তুহিন বিশ্বাস, কালনা থানার ওসি রাকেশকুমার সিং-সহ প্রায় ১০০ জন পুলিশকর্মীকে সংবর্ধনা প্রদানের ব্যবস্থা করলেন সমাজসেবী সুব্রত পাল। তাঁদের প্রতি সম্মান জানিয়ে প্রত্যেকের হাতে তুলে দেওয়া হয় মাস্ক, পেন, ফুল, উত্তরীয়।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

“দুই-তৃতীয়াংশ নিয়ে ফিরছি”, ভোট দিয়েই সাফ জানিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

দ্বিতীয় দফার ভোটে সবার নজর ছিল ভবানীপুর কেন্দ্রে। এই কেন্দ্রে মুখোমুখি লড়াই করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারী। সকাল থেকেই দুই প্রার্থীই বুথে বুথে ঘুরে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছেন।ভোটের শেষ লগ্নে মিত্র ইনস্টিটিউশনে ভোট দিতে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুথে ঢোকার আগে তিনি জয়চিহ্ন দেখান এবং জয়ের ব্যাপারে সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এবার তাঁর দল দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করবে।ভোট দিতে এসে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, গত রাত থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী অত্যাচার চালাচ্ছে। মহিলাদের মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। আরামবাগ, খানাকুল এবং গোঘাটের মতো জায়গাতেও একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে বলে জানান তিনি। তাঁর কথায়, এই ধরনের কাজ কেন্দ্রীয় বাহিনীর দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না।ভোটের দিন সকালেই কালীঘাটের বাড়ি থেকে বেরিয়ে চেতলা এলাকায় যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর পদ্মপুকুর রোড দিয়ে যাওয়ার সময় একটি বুথের সামনে গাড়ি থামিয়ে নেমে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন তিনি।এই বিষয় নিয়ে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, চাপের মুখে পড়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটের সকালে বেরিয়েছেন। তিনি বলেন, পরিস্থিতি না হলে এমনটা হতো না।এদিকে দুপুর তিনটে পর্যন্ত দ্বিতীয় দফার ভোটদানের হার ছিল ৭৮.৬৮ শতাংশ। প্রথম দফায় একই সময়ে ভোট পড়েছিল ৭৮.৭৭ শতাংশ। দ্বিতীয় দফায় সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলায় এবং সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে কলকাতা দক্ষিণে।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
কলকাতা

“ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার ভোট কোথায়?”—ভোট দিয়ে প্রশ্ন তুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

বুধবার বিকেল চারটে নাগাদ ভবানীপুর কেন্দ্রের মিত্র ইনস্টিটিউশনে ভোট দেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোট দিয়ে বেরিয়েই তিনি কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলেন।তিনি দাবি করেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার করছে। তাঁর অভিযোগ, কাউকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে না, মহিলাদেরও মারধর করা হয়েছে, এমনকি শিশুদেরও রেহাই দেওয়া হয়নি। তাঁর কথায়, এই ঘটনা গত রাত থেকেই শুরু হয়েছে। তৃণমূলের কর্মী ও সমর্থকদের গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও এমন কাজ করা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন এবং এটিকে আদালত অবমাননা বলে উল্লেখ করেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাজ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা, কিন্তু তারা একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সাহায্য করছে বলে তাঁর অভিযোগ। তিনি জানান, আরামবাগ, খানাকুল, গোঘাট, ক্যানিং পূর্ব ও পশ্চিমের মতো একাধিক জায়গা থেকে তৃণমূলের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। সকাল থেকেই তিনি সেই সব ঘটনার ছবি সংবাদমাধ্যমকে দেখিয়েছেন।নিজের এলাকায় কী হয়েছে তাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর দাবি, তাঁর পাড়াতেও কেন্দ্রীয় বাহিনী মারধর করেছে এবং অনেককে ভোট দিতেও বাধা দেওয়া হয়েছে। যদিও তিনি সাধারণ মানুষকে শান্ত থাকার আবেদন জানান এবং বলেন, শেষ পর্যন্ত তাঁর দলই জয়ী হবে।মমতা বলেন, তিনি নিজে দেখেছেন কোথায় কীভাবে আচরণ করা হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, তাঁর বিধানসভা কেন্দ্রে এত বাহিনী থাকা সত্ত্বেও কেন ভয় দেখানো হল এবং স্বচ্ছতা কোথায় রইল। তিনি জানান, এমন পরিস্থিতি তিনি আগে কখনও দেখেননি।শেষে তিনি বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে অনেক নির্বাচন দেখেছেন, কিন্তু এ ধরনের নির্বাচন আগে কখনও দেখেননি।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
কলকাতা

ভোট দিয়ে আবেগপ্রবণ রঞ্জিত মল্লিক! “এবারের ভোট খুব দুঃখের”—কেন বললেন এমন কথা?

বুধবার সকাল থেকেই কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় ভোটগ্রহণ চলছে। সকাল থেকেই বুথের সামনে দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি ভোট দিতে দেখা গেল টলিউডের বহু পরিচিত মুখকেও।টালিগঞ্জের গলফ ক্লাব রোডের বাঙুর হাইস্কুলে ভোট দিতে আসেন অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিক ও অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। বহু বছর ধরে নিয়ম করে ভোট দিয়ে আসছেন রঞ্জিত মল্লিক। তিনি জানান, প্রায় ষাট বছর ধরে তিনি কখনও ভোট দেওয়া মিস করেননি। তাঁর কাছে ভোট দেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক অধিকার।তবে এবারের ভোট নিয়ে কিছুটা আক্ষেপের সুর শোনা গেল তাঁর কথায়। ভোট দিয়ে বেরিয়ে তিনি বলেন, তিনি সব সময় ভোট দেন এবং এটিই তাঁর কর্তব্য বলে মনে করেন। কিন্তু এবারের ভোট তাঁর কাছে দুঃখের। তাঁর দাবি, অনেক মানুষ তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি। এমন পরিস্থিতি আগে কখনও দেখেননি বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, শেষ পর্যন্ত যেন ভোট শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।রঞ্জিত মল্লিকের সঙ্গে ভোট দিতে আসা কোয়েল মল্লিক বলেন, প্রত্যেক মানুষের ভোট দেওয়া উচিত। এটি গণতান্ত্রিক অধিকার এবং দেশের উন্নতির জন্য সবার মতামত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, ভোটের দিনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং তিনি চান সবাই যেন শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পারেন।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
কলকাতা

ফলতায় ভোট নিয়ে বড় ধাক্কা! গোটা কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচনের ইঙ্গিত কমিশনের

ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে একাধিক বুথে ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ ওঠায় কড়া অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল জানিয়েছেন, প্রয়োজন হলে গোটা ফলতা কেন্দ্রেই পুনর্নির্বাচন করা হতে পারে।তিনি বলেন, যেসব বুথে ইভিএমে টেপ লাগানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে, সেগুলি ওয়েব কাস্টিং এবং অবজারভারদের রিপোর্ট দেখে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই বিষয়ে কমিশন একেবারে শূন্য সহনশীলতার নীতি নিয়েছে। যেখানে যেখানে অনিয়ম প্রমাণিত হবে, সেখানেই পুনরায় ভোট গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।ফলতার ২৫২, ২৩৫, ২২৬, ১৮৬ এবং ২৪১ নম্বর বুথে ইভিএমে আতর লাগানোর অভিযোগও উঠেছে। এই ঘটনাগুলির রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। বিস্তারিত রিপোর্ট পাওয়ার পর অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে সেই বুথগুলিতে পুনর্নির্বাচন করা হবে। একই ধরনের অভিযোগ মগরাহাট থেকেও এসেছে।কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, পুনর্নির্বাচন হলে তা আগামীকাল বা পরশুর মধ্যেই হতে পারে।সকালে ভোট মোটামুটি শান্তিপূর্ণ থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফলতার বিভিন্ন বুথে অশান্তির খবর সামনে আসে। কয়েকটি বুথে ইভিএমে টেপ লাগানোর অভিযোগ ওঠে। কিছু জায়গায় বিক্ষোভ সামাল দিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে লাঠিচার্জও করতে হয়েছে।এই বিষয়ে মনোজ কুমার আগরওয়াল বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রয়োজন অনুযায়ী পদক্ষেপ করেছে। তিনি আরও জানান, ইভিএমে ইতিমধ্যেই যে ভোট পড়েছে তা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়, তাই অনিয়ম প্রমাণিত হলে পুনরায় ভোট করানোই একমাত্র উপায়।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুরে ভোটের মাঝেই বড় দাবি! “৮০ শতাংশ ভোট হলেই জিতব”—শুভেন্দু

দ্বিতীয় দফার ভোটে সকাল থেকেই নজর ছিল ভবানীপুর কেন্দ্রে। এই কেন্দ্রে মুখোমুখি লড়াই করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার সকাল থেকেই এলাকায় উত্তেজনার ছবি দেখা যায়। কখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাউন্সিলরের বাড়িতে যাচ্ছেন, আবার কখনও শুভেন্দু অধিকারী বিক্ষোভের মধ্যে থেকে নির্বাচন কমিশনে ফোন করে অভিযোগ জানাচ্ছেন।দুপুরের দিকে সংবাদমাধ্যমের সামনে এসে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ফল নিয়ে বড় দাবি করেন। তিনি বলেন, যদি আশি শতাংশ ভোট পড়ে, তাহলে তিনি জিতবেন। আর যদি নব্বই শতাংশ ভোট পড়ে, তাহলে আরও বড় ব্যবধানে জয়ী হবেন বলে তাঁর দাবি। তিনি আরও বলেন, একটি নির্দিষ্ট ওয়ার্ড ছাড়া বাকি সব জায়গায় তিনি এগিয়ে থাকবেন। ওই ওয়ার্ডে কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবস্থা নেওয়ায় পরিস্থিতি বদলেছে বলেও তিনি জানান।শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, ফলতা এলাকায় ইভিএম নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছে, তা নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে প্রধান নির্বাচনী আধিকারিককে জানানো হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি (Suvendu Adhikari)।তিনি অভিযোগ করেন, অনেক জায়গায় ভোট ধীরগতিতে হচ্ছে। প্রয়োজনে অতিরিক্ত ভোটকর্মী ব্যবহার করা উচিত বলেও মত দেন তিনি।এদিকে ভবানীপুরের জয় হিন্দ ভবনের সামনে শুভেন্দুকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে কয়েকশো মানুষ জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। একদিকে জয় বাংলা, অন্যদিকে জয় শ্রীরাম স্লোগানে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সেই সময় নিজের গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে ভিডিও করেন শুভেন্দু অধিকারী এবং পরে নির্বাচন কমিশনে ফোন করে আরও বাহিনী পাঠানোর দাবি জানান।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
কলকাতা

‘সিংঘম’ বনাম ‘পুষ্পা’ বিতর্কে আগুন! শুভশ্রীর মন্তব্যে তোলপাড় রাজনীতি

বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটে নতুন করে শুরু হয়েছে সিংঘম বনাম পুষ্পা বিতর্ক। এই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ফলতা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান এবং ডায়মন্ড হারবার এলাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয় পাল শর্মা। সম্প্রতি তৃণমূল প্রার্থীর বাড়ির সামনে গিয়ে তাঁর হুঁশিয়ারি দেওয়ার একটি ভিডিও সামনে আসার পর থেকেই এই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই ভোট দিতে এসে মন্তব্য করেন অভিনেত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। স্বামী রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে তিনি নিজের আবাসনের বুথে ভোট দেন। ভোট দেওয়ার পর তাঁকে সিংঘম প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে তিনি মনে করেন, সিংহ বা সিংঘম শেষ পর্যন্ত মা দুর্গার পায়ের তলাতেই থাকে। তাঁর কথায়, বাংলায় এমন এক শক্তি রয়েছে, যারই জয় হবে।তিনি সরাসরি কোনও নাম না করলেও তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট যে তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মা দুর্গার সঙ্গে তুলনা করেছেন। এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে।অন্যদিকে রাজ চক্রবর্তীও এই প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া দেন। তিনি বলেন, বাংলাকে বারবার বদনাম করার চেষ্টা চলছে এবং তার জবাব মানুষ ভোটের মাধ্যমে দেবে। তাঁর দাবি, ভোটের ফল বেরোলেই বোঝা যাবে কার সমর্থন বেশি।রাজ আরও বলেন, বাংলার সংস্কৃতি শান্তির এবং এখানে সেই পরিবেশই বজায় থাকবে। তিনি জানান, বাংলায় এমন কোনও পরিস্থিতি নেই যেখানে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বিশেষ ধরনের ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়।এই বিতর্কের মধ্যেই দ্বিতীয় দফার ভোট চলছে এবং ফলাফল ঘোষণার আগে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ছে।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের মধ্যেই বড় অশান্তি! লাঠিচার্জ থেকে ইভিএম কাণ্ডে চাঞ্চল্য

ভোটের আগে থেকেই কড়া নজরদারি শুরু হয়েছিল। উত্তরপ্রদেশ থেকে আসা এক আইপিএস অফিসার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই এলাকায় দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ শুরু হয়। ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মঙ্গলবার রাত থেকেই টানা টহল চালানো হয়। ভোটের দিন আরও সক্রিয় হয়ে ওঠে কেন্দ্রীয় বাহিনী।বুধবার সকালে ডায়মন্ড হারবার এলাকার বিভিন্ন বুথ পরিদর্শন করেন অজয় পাল শর্মা। এরপর তিনি সিআরপিএফ ক্যাম্পে গিয়ে ডিজি জি পি সিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন। সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েই আলোচনা হয়।এরই মধ্যে ফলতার বেলসিংহা এলাকায় একটি বিদ্যালয়ের সামনে লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে জমায়েত ছিল। বারবার সতর্ক করার পরও জমায়েত না সরায় কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।দুপুরের দিকে দক্ষিণ বাসুলনাথ গ্রামে ভোটারদের ভোট দিতে না যাওয়ার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছে যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং এলাকায় টহল শুরু করে, যাতে সাধারণ মানুষ ভয়মুক্তভাবে ভোট দিতে পারেন।অন্যদিকে বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পান্ডা অভিযোগ করেন, ফলতার একাধিক বুথে ইভিএমে টেপ লাগানো হয়েছে। তিনি একটি বুথ পরিদর্শনে গেলে তাঁকে ইভিএম দেখতে দেওয়া হয়নি বলেও দাবি করেন। তিনি জানান, বিষয়টি তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে জানাবেন। একই সঙ্গে বুথ দখল করে রাখার অভিযোগও তোলেন তিনি। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এছাড়া আরও অভিযোগ উঠেছে, ফলতার কয়েকটি বুথে ইভিএমে আতর লাগানো হয়েছে। এই বিষয়টি কমিশনের নজরে এসেছে এবং বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট বুথে পুনরায় ভোট গ্রহণ করা হতে পারে।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
রাজ্য

‘সিংহম’ অবতারে আইপিএস! রাতভর টহলে কড়া বার্তা, দুষ্কৃতীদের নিশানা অজয় পাল শর্মা

ভোটের আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার ও ফলতা এলাকায় নজর কেড়েছেন উত্তর প্রদেশের আইপিএস অফিসার অজয় পাল শর্মা। কঠোর স্বভাবের জন্য পরিচিত এই আধিকারিক এখন একের পর এক এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তাঁর লক্ষ্য, কোনওভাবেই যেন ভোটারদের ভয় দেখাতে না পারে দুষ্কৃতীরা।কয়েক দিন আগে একটি ভিডিও সামনে আসে, যেখানে দেখা যায় ডায়মন্ড হারবারের বিভিন্ন এলাকায় কিছু বাইক বাহিনী ঘুরে বেড়িয়ে ভোটারদের ভয় দেখাচ্ছে। সেই অভিযোগ সামনে আসতেই দ্রুত পদক্ষেপ করে নির্বাচন কর্তৃপক্ষ। এরপরই অজয় পাল শর্মাকে সেখানে দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং তিনি সঙ্গে সঙ্গেই মাঠে নেমে পড়েন।মঙ্গলবার দিনভর এবং রাতেও তাঁকে বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় টহল দিতে দেখা যায়। তাঁর সঙ্গে ছিল সাঁজোয়া গাড়ি, প্রচুর কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান এবং আধিকারিকরা। সরিষা, ডায়মন্ড হারবার ও ফলতা জুড়ে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। চারদিকে টহল ও কড়া নজরদারির ছবি সামনে এসেছে।এরই মধ্যে তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান-এর বাড়ির সামনে গিয়ে অজয় পাল শর্মার সতর্কবার্তা দেওয়ার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে তাঁকে বলতে শোনা যায়, মানুষকে যেভাবে ধমকানো হচ্ছে, তার ফল ভালো নাও হতে পারে।এই মন্তব্যের জবাবে জাহাঙ্গীর খান জানান, তিনি কোনওভাবেই ভয় পাবেন না। তাঁর দাবি, বাইরের চাপ বা ভয় দেখিয়ে তাঁকে দমিয়ে রাখা যাবে না। এলাকায় তাঁর সমর্থকেরাও ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছেন বলে তিনি জানান।সব মিলিয়ে ভোটের আগে এলাকায় উত্তেজনা বাড়লেও অজয় পাল শর্মা যে কড়া অবস্থান নিয়েই কাজ করছেন, তা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। নিরাপত্তা জোরদার করতে তিনি এক মুহূর্তের জন্যও ঢিল দিচ্ছেন না বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।

এপ্রিল ২৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal