• ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার ৩০ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Japan

বিদেশ

ভেনেজুয়েলার ধ্বংসলীলার পর এবার জাপান! প্রবল ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশ

ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্পের ধাক্কা এখনও কাটেনি। এর মধ্যেই প্রবল ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল জাপান। বৃহস্পতিবার দেশের পূর্ব উপকূলে ৭.২ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। কম্পনের তীব্রতা যথেষ্ট বেশি হলেও এখনও পর্যন্ত কোনও বড় ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। সুনামি সতর্কতাও জারি করা হয়নি বলে জানিয়েছে প্রশাসন।জাপান সরকারের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ইওয়াতে প্রিফেকচারের উপকূল সংলগ্ন সমুদ্র এলাকায়। সমুদ্রপৃষ্ঠের প্রায় ৫০ কিলোমিটার গভীরে এই কম্পনের উৎস ছিল। বিশেষজ্ঞদের মতে, সুনামির আশঙ্কা না থাকলেও সমুদ্রের জলে সামান্য পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে জরুরি ভিত্তিতে বিশেষ পর্যবেক্ষক দল গঠন করেছে জাপান সরকার। সম্ভাব্য যে কোনও পরিস্থিতি মোকাবিলায় উদ্ধার ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থাগুলিকেও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।উল্লেখ্য, মাত্র এক দিন আগেই ভয়াবহ ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত হয়েছে ভেনেজুয়েলা। সেখানে ৩৯ সেকেন্ডের ব্যবধানে পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। প্রথম কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.২ এবং দ্বিতীয়টির মাত্রা ছিল ৭.৫। এই বিরল ঘটনার জেরে রাজধানী-সহ দেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।ভেনেজুয়েলার সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত অন্তত ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন প্রায় ৭০০ জন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। ভেনেজুয়েলার সেই বিপর্যয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই জাপানে নতুন ভূমিকম্পের ঘটনায় উদ্বেগ ছড়িয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।

জুন ২৫, ২০২৬
কলকাতা

জাপানের ওকায়ামা বিশ্ববিদ্যালয় এশিয়ার প্রথম মহিলা হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল সাম্মানিক ডি-লিট।

এশিয়ার প্রথম মহিলা হিসেবে জাপানের ওকায়ামা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাম্মানিক ডি-লিট পেলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । বুধবার সন্ধ্যায় কলকাতার ধনধান্য স্টেডিয়ামে মুখ্যমন্ত্রীর হাতে সেই সম্মান তুলে দিলেন ওকায়ামা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট নাসু ইয়াসুতোমো। মুখ্যমন্ত্রীকে সম্মান জানাতে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল।নাসু ইয়াসুতোমো জানান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর জীবনের বড় অংশ উৎসর্গ করেছেন দরিদ্র মহিলা ও শিশুদের কল্যাণে। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আন্তর্জাতিক স্তরে এক বিশেষ নেতৃত্বের প্রতীক। সামাজিক সুরক্ষার ক্ষেত্রেও তিনি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। এই কারণেই আমরা প্রথমবার এশিয়ার কোনও মহিলাকে সাম্মানিক ডি-লিট দিচ্ছি।সম্মান গ্রহণ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই সম্মানের জন্য জাপানের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা। এ বছর আমন্ত্রণ জানানো হলেও যেতে পারিনি। এরপর ওঁরা নিজেরাই বলেছিলেন, আমরা বাংলায় আসব। এত সৌজন্য আমি উপেক্ষা করতে পারিনি। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই, এটা মানবিক সৌজন্যের প্রতিফলন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, বাংলা ও জাপানের সম্পর্ক বহু পুরনো। একসময় রাসবিহারী বসু, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতো ব্যক্তিত্বরা জাপানে গিয়েছিলেন। আজও সেই সম্পর্ক বজায় রয়েছে। মিৎসুবিসি, হিতাচি-সহ একাধিক জাপানি সংস্থা বাংলায় কাজ করছে। ওয়েবেলও যৌথভাবে কাজ করছে জাপানি সংস্থার সঙ্গে।জাপানের এই সম্মান প্রাপ্তির পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এই স্বীকৃতি কেবল আমার নয়, বাংলার প্রতিটি নারী ও শিশুর জন্য। অনুষ্ঠানের শেষে তিনি বাংলার তরুণ প্রজন্মকে উদ্দেশ করে বার্তা দেন শিক্ষার মাধ্যমে, মানবতার মাধ্যমে নিজেরাই হোক বিশ্বের গর্ব।

নভেম্বর ১২, ২০২৫
কলকাতা

আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলার মুখ! মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডি.লিট দিচ্ছে জাপানের বিশ্ববিদ্যালয়

বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবার আন্তর্জাতিক মঞ্চে এক নতুন সম্মান পেতে চলেছেন। তাঁকে সাম্মানিক ডি.লিট (Doctor of Letters) দিতে চলেছে জাপানের ইয়োকোহামা ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। আগামী ১২ নভেম্বর কলকাতার ধনধান্যে অডিটোরিয়ামে এক বিশেষ অনুষ্ঠানে এই সম্মান প্রদান করা হবে। জাপানের ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন মমতার হাতে সম্মান তুলে দিতে।এই নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তৃতীয়বারের মতো ডি.লিট পাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে ২০১৮ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সাম্মানিক ডি.লিট প্রদান করেছিল। সেই সময় রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী নিজে মমতার হাতে সম্মান তুলে দিয়েছিলেন। যদিও সেই সম্মান ঘিরে হয়েছিল ব্যাপক বিতর্ক এবং হাইকোর্টেও মামলা গড়ায়।এরপর ২০২৩ সালে সেন্ট জেভিয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও সাম্মানিক ডি.লিট পান মুখ্যমন্ত্রী। সেই অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল সি.ভি. আনন্দ বোস মমতার হাতে সম্মান তুলে দেন। এবার বিদেশের মাটি থেকে এই তৃতীয় ডি.লিট তাঁর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক জীবনের এক বড় অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে।শুধু তাই নয়, এর আগেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভুবনেশ্বরের কলিঙ্গ ইনস্টিটিউট অব ইন্ডাস্ট্রিয়াল টেকনোলজি (KIIT)-এর পক্ষ থেকে সাম্মানিক ডক্টরেট দেওয়া হয়েছিল। রাজ্যের উন্নয়ন, সামাজিক কাজ, ও শিল্পক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকার জন্য এই সম্মান পেয়েছিলেন তিনি।তবে এই প্রথম কোনও বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় মুখ্যমন্ত্রীকে এমন উচ্চ সম্মানে ভূষিত করতে চলেছে। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্য রাজনীতিতে তৈরি হয়েছে গর্ব ও আলোচনার নতুন ঢেউ। তৃণমূল নেতারা বলছেন, এ শুধু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত কৃতিত্ব নয়, এটা গোটা বাংলার জন্য গর্বের মুহূর্ত।উল্লেখ্য, চলতি বছরের মার্চ মাসেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কেলগ কলেজ থেকে বক্তব্য রাখার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। সেখানে তিনি রাজ্যের উন্নয়ন, নারীশক্তির উত্থান, এবং সমাজে সহিষ্ণুতার বার্তা নিয়ে কথা বলেছিলেন। যদিও অনুষ্ঠানের মাঝে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে, তবুও তাঁর বক্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে প্রশংসিত হয়েছিল।এবার সেই সাফল্যের ধারায় যোগ হতে চলেছে আরও এক আন্তর্জাতিক অধ্যায়। ইয়োকোহামা বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে এই ডি.লিট প্রাপ্তি মুখ্যমন্ত্রীর জীবনে যেমন এক বিশেষ স্বীকৃতি, তেমনি বাংলার রাজনীতির ইতিহাসেও এটি এক নতুন মাইলফলক।

নভেম্বর ১০, ২০২৫
দেশ

হঠাৎ রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কারণ ঘিরে চর্চা তুঙ্গে!

রাষ্ট্রপতি ভবনে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি। শনিবার রাইসিনা হিলসে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে। বৈঠকের একটি ছবি রাষ্ট্রপতি নিজেই এক্স-এ পোস্ট করলেও, আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে কোনও সরকারি ব্যাখ্যা আসেনি। ফলে জল্পনা ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে।প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি জাপান ও চিন সফর শেষ করে দেশে ফিরেছেন। কূটনৈতিক দিক থেকে দুই সফরই গুরুত্বপূর্ণ হলেও, বিশেষ নজর কাড়ছে চিন সফর। সাংহাই কর্পোরেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও)-এর সম্মেলন ঘিরে গড়ে ওঠা অনানুষ্ঠানিক মিত্রতার সমীকরণ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সম্মেলনে শি জিনপিং ও ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে মোদীর বৈঠককে কেন্দ্র করে বিশ্ব কূটনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে, যা আমেরিকাকেও অস্বস্তিতে ফেলেছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারতের অবস্থান পুনর্নির্মাণে এই সফর তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।তবে শুধু বৈদেশিক সম্পর্কই নয়, অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও এই বৈঠকের আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। কেননা, ৯ই সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে চলেছে উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন। বর্তমান উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ের উত্তরসূরি কে হবেন, তা ঠিক করতে এখন রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশের সময়। এমন পরিস্থিতিতেই রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর একান্ত আলাপকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।রাষ্ট্রপতির সঙ্গে এই বৈঠক আদৌ কি আন্তর্জাতিক কূটনীতি নিয়ে আলোচনা, নাকি আসন্ন উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক প্রস্তুতির ইঙ্গিত? উত্তর স্পষ্ট না হলেও, নয়াদিল্লির ক্ষমতার কেন্দ্রে নতুন সমীকরণের গুঞ্জন ইতিমধ্যেই জোরালো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৫
দেশ

"জাপানে রাসবিহারী বসুর স্মৃতিস্তম্ভ জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে", পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণের দাবি অভিষেকের

সম্প্রতি অপারেশন সিন্দুরের সাফল্য ও পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদ নিয়ে বিশ্ববাসীকে জানাতে ভারতের প্রতিনিধি দল বিভিন্ন দেশে ঘুরে বেরাচ্ছে। জাপানে ভারতের প্রতিনিধি দলে ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সাংসদ অভিষেক সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়। সেখানে রাসবিহারী বসুর স্মৃতি সৌধ পরিদর্শনে গিয়েছিলেন অভিষেক। এদিন এক্স হ্যান্ডেলে অভিষেক লিখেছেন, ভারতের অন্যতম প্রধান বিপ্লবী এবং বাংলার গর্বিত সন্তান রাসবিহারী বসুর জন্মবার্ষিকীতে আমি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। ভারতের স্বাধীনতার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গকারী একজন দূরদর্শী, তিনি দুটি মহান জাতির মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করেছিলেন। টোকিওর স্মৃতিস্তম্ভটি জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে, আমাদের জাতির ইতিহাসে তাঁর বিশাল অবদানের প্রতি একটি গুরুতর অবিচার।তিনি জাপানে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে বিষয়টি অবহিত করেছেন। অভিষেক বলছেন, আমি রাষ্ট্রদূত @AmbSibiGeorge এবং @IndianEmbTokyo-এর সাথে এই বিষয়টি উত্থাপন করেছি। স্থানটিকে যথাযথ মর্যাদার সাথে পুনরুদ্ধার এবং সংরক্ষণের জন্য অবিলম্বে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছি। আসুন আমরা রাসবিহারী বসুর আত্মত্যাগকে কখনও ভুলে না যাই এবং তাঁর স্মৃতি আগামী প্রজন্মের জন্য উজ্জ্বল থাকে তা নিশ্চিত করে তাকে সম্মান জানাই।

মে ২৫, ২০২৫
বিদেশ

ভয়াবহ ভূমিকম্প জাপানে, অন্ধকারে ডুবল দ্বীপরাষ্ট্র

বুধবার রাতেই ভয়ঙ্কর ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে গোটা জাপান । একটা নয়, পরপর বেশ কয়েকটি কম্পন অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে সুনামির আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। ভূমিকম্পের জেরে এখনও অবধি ৪ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে, আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১২০ জন। ভূমিকম্পের পরই বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায়, অন্ধকারে ডুবে গিয়েছেন লক্ষাধিক মানুষ।স্থানীয় প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, বুধবার মধ্যরাতের কিছুক্ষণ আগে (ভারতীয় সময় অনুযায়ী সন্ধ্যা) একাধিক ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে জাপান। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.৪। দেশের পূর্ব অংশে একাধিক জোরাল ভূমিকম্প অনুভূত হয়, এর জেরে সুনামির সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। এখনও অবধি ক্ষয়ক্ষতির সঠিক আন্দাজ করা যাচ্ছে না। একাধিক জায়গায় জলস্তরও স্বাভাবিকের তুলনায় ৩০ সেন্টিমিটার বেশিতে পৌঁছেছে। মধ্যরাত থেকে বৃহস্পতিবার সকাল অবধিও একাধিক ছোট ছোট কম্পন, যা আফটার শক বলেই মনে করা হচ্ছে, তা অনুভূত হয়েছে।জানা গিয়েছে, টোকিয়োর কাছে অবস্থিত মিনামিসোমা-ফুকুসিমা থেকে ৩৫ মাইল দূরে এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল। ভূপৃষ্ঠ থেকে ৬০ কিমি গভীর থেকে কম্পন অনুভূত হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০১১ সালেও এখানেই ভূমিকম্প হয়েছিল, যার জেরে সুনামি আছড়ে পড়েছিল।প্রতিদিনের মতোই কাজ সেরে বাড়ি ফিরছিলেন মেট্রো ধরে, হঠাৎই মনে হল গতি ধীর হয়ে গেল ট্রেনের। এররপই দুলুনি শুরু হল কামরা। চোখের পলক ফেলতে না ফেলতেই এত ভয়ঙ্কর মাত্রায় দুলুনি শুরু হল যে উপরের হাতল ধরেও সোজাভাবে দাঁড়ানো সম্ভব হচ্ছিল না। কোনওমতে মেট্রোর কামরার মেঝেতেই শুয়ে পড়লেন যাত্রীরা। ভূমিকম্প থামার পরই স্থানীয় প্রশাসনের তরফে মেট্রোর ভিতরে আটকে থাকা যাত্রীদের উদ্ধার করা হলে, তাদের মুখে ধন্যবাদ ছাড়া একটাই কথা শোনা গেল, কোনওমতে এবার রক্ষা পেলাম।

মার্চ ১৭, ২০২২
বিদেশ

সমুদ্রে ভয়ঙ্কর অগ্নুৎপাত, হাজার বছরে একবার ঘটে এমন বিস্ফোরণ!

প্রকৃতির রুদ্র রোষে কী এবার পড়তে চলেছে পৃথিবী? সাম্প্রতিক বেশ কিছু ঘটনা তেমনই ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানিরা।শনিবার দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে জলের নীচেই একটি আগ্নেয়গিরি থেকে শুরু হয়েছে ভয়ানক অগ্নুৎপাত। হঠাৎ করে আগ্নেয়গিরি জেগে ওঠায় এবং অগ্নুৎপাতের কারণে সুনামির ঢেউ তৈরি হতে শুরু করেছে। এই ঢেউগুলি টোঙ্গা ও জাপানের উত্তর অংশেই আছড়ে পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। আমেরিকার পশ্চিম উপকূল অবধি সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।সমুদ্র গহ্বরের এক আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের দৃশ্য স্পষ্ট দেখা গেল মহাকাশ থেকেও। পরমাণু বিস্ফোরণের মতো ধোঁওয়ার বেলুনের সেই ছবি উপগ্রহের ক্যামেরায় ধরা পড়েছে। যা দেখে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন এমন বিস্ফোরণ হাজার বছরে একবার ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে প্রশান্ত মহাসাগরের একটি দ্বীপে সুনামি আছড়ে পড়েছে। টোঙ্গা নামে ওই দ্বীপটিতে রিখটার স্কেলে ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পও হয়েছে। মৃত্যু হয়েছে দ্বীপের বহু বাসিন্দার। সংখ্যাটা কত? তা এখনও স্পষ্ট করে জানায়নি টোঙ্গা প্রশাসন।Satellite views of the Hunga Tonga-Hunga Haʻapai volcano eruption in 4K on Youtube: https://t.co/QHQTIpDsUx Wonder of Science (@wonderofscience) January 16, 2022গোটা দ্বীপটিই বিদ্যুৎ এবং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এই ঘটনায়। আগ্নেয়গিরির ছাইয়ে ঢেকে যায় আকাশ। উপকূলবর্তী এলাকার একটি বড় অংশ জলের নীচে চলে যায়। আগ্নেয়গিরির ছাইয়ে গোটা এলাকাই ধোঁওয়াচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। ফলে ইন্টারনেট, টেলিফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন দ্বীপটিতে আকাশপথে নজরদারিও চালানো যায়নি অনেকক্ষণ। প্রশান্ত মহাসাগরের উপর টোঙ্গা আসলে ১৬৯টি দ্বীপের সমষ্টি একটি দেশ। ওসিয়ানিয়ার অন্তর্ভুক্ত এই দ্বীপরাষ্ট্রের সবচেয়ে কাছের দেশ হল নিউজিল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়া। নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আর্ডার্ন জানিয়েছেন, তাঁরা টোঙ্গা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন। কিন্তু সফল হননি।

জানুয়ারি ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Asian Champions Trophy Hockey : জাপানি ‘‌সুনামি’‌তে উড়ে গেল ভারত, ফাইনালের স্বপ্ন অপূর্ণ মনপ্রীতদের

এ যেন গ্রুপ লিগের উল্টোপূরান। এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স লিগ হকির গ্রুপ লিগের ম্যাচে জাপানকে হাফডজন গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল ভারত। সেমিফাইনালে সেই জাপানেরই মুখোমুখি হয়েছিলেন মনপ্রীতরা। গ্রুপ লিগের ফলাফলে হয়তো একটু বেশিই আত্মতুষ্ট হয়ে পড়ছিল ভারতীয় শিবির। অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসের খেসারত দিতে হল মনপ্রীতদের। জাপানের কাছে হেরে ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন চূরমার হয়ে গেল টোকিও অলিম্পিকে ব্রোঞ্জজয়ীদের। ভারতকে ৫২ ব্যবধানে হারিয়ে গ্রুপ লিগে হারের মধুর প্রতিশোধ নিল জাপান। একই সঙ্গে পৌঁছে গেল এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি হকির ফাইনালে। গ্রুপ লিগে মনপ্রীতরা শুরু থেকেই ঝাঁপিয়ে পড়ে জাপানকে মাথা তুলে দাঁড়ানোর সুযোগ দেয়নি। সেমিফাইনালে ভারতের বিরুদ্ধে সেই একই স্ট্র্যাটেজি নিয়েছিল জাপান। শুরু থেকেই ভারতীয় রক্ষণে আক্রমণের ঝড় তোলে। ১ মিনিটের মধ্যেই পেনাল্টি কর্ণার আদায় করে। যা কাজে লাগিয়ে জাপানকে এগিয়ে দেন সোতা ইয়ামাদা। প্রথম মিনিটে গোল খাওয়ার ধাক্কা ভারত সামলে ওঠার আগেই ব্যবধান বাড়ায় জাপান। দ্বিতীয় মিনিটে আবার পেনাল্টি কর্ণার আদায় করে। যা থেকে গল করে আবার ব্যবধান বাড়ায় জাপান। শুরু থেকেই একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে এসে ভারতের রক্ষণকে ব্যতিব্যস্ত করে দেয় জাপান। ম্যাচের প্রথম ৬ মিনিটের মধ্যে ৬টি পেনাল্টি কর্ণার আদায় করে। প্রথম কোয়ার্টারে কোনও আক্রমণ গড়ে তোলার সুযোগ পায়নি ভারত। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে শুরুতেই প্রথম আক্রমণে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন মনপ্রীতরা। ১৬ মিনিটে ভারতের হয়ে ব্যবধান কমান দিলপ্রীত সিং।এরপর মনপ্রীত সিংদের খেলা দেখে মনে হচ্ছিল ম্যাচে ফিরতে পারে ভারত। জাপানি আক্রমণ সামলে মাঝে মাঝে প্রতি আক্রমণে উঠে আসছিল। কিন্তু ভারতের ম্যাচে ফেরার স্বপ্নে আবার ধাক্কা দেয় জাপান। ২৯ মিনিটে পেনাল্টি থেকে ব্যবধান বাড়ান কেনতা তানাকা। ম্যাচের প্রথমার্ধে ৩১ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল জাপান। ৩৫ মিনিটে ভারতীয় রক্ষণের ভুলে ৪১ করে জাপান। ৪১ মিনিটে জাপানকে ৫১ গোলে এগিয়ে দেন গ্রিম। ৫৩ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার থেকে ব্যবধান কমান হরমনপ্রীত সিং। ৫২ হওয়ার পর শেষদিকে মরিয়া হয়ে ওঠে ভারত। একের পর এক পেনাল্টি কর্ণার আদায় করে। কিন্তু কাজে লাগাতে পারছিলেন না হরমনপ্রীতরা। ৬০ মিনিটে হার্দিক সিং ৫৩ করেন।

ডিসেম্বর ২১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India Hockey : ‌জাপানকে হাফডজন গোল, এশিয়ান হকিতে ভারতের দাপট চলছেই

চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে হারিয়ে আগেই সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছিল ভারতীয় হকি দল। আগের ম্যাচে পাকিস্তানকে হারানোর পর আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়ে গিয়েছিল মনদীপ সিংদের। লিগের শেষ ম্যাচে জাপানের বিরুদ্ধে ড্র করলেই শীর্ষস্থানে পৌঁছে যেত ভারত। কিন্তু মনপ্রীতদের লক্ষ্য ছিল জাপানকে হারিয়েই শীর্ষস্থান দখল করা। সেই লক্ষ্যে সফল ভারতীয় হকি দল। জাপানকে ৬০ ব্যবধানে উড়িয়ে এশিয়ান হকি চ্যাম্পিয়নশিপে লিগ টেবিলে শীর্ষস্থান দখল করল ভারত।প্রতিযোগিতায় মনপ্রীত সিংরা যে দুরন্ত ছন্দে রয়েছেন আগের দুটি ম্যাচেই প্রমাণ পাওয়া গেছে। বাংলাদেশ, পাকিস্তান ম্যাচের মতো জাপানের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক মেজাজে শুরু করেছিল ভারত। ৬ মিনিটের মধ্যেই দুদুটি পেনাল্টি কর্ণার আদায় করে নেয়। যদিও কাজে লাগাতে পারেনি। জাপানও প্রতি আক্রমণে উঠে এসে ৭ মিনিটে একটা পেনাল্টি কর্ণার আদায় করে নেয়। তারাও কাজে লাগাতে পারেনি। অবশেষে ১০ মিনিটে তৃতীয় পেনাল্টি কর্ণার কাজে লাগিয়ে ভারতকে এগিয়ে দেন হরমনপ্রীত সিং। ১৫ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সহজ সুযোগ পেয়েছিলেন ললিত উপাধ্যায়। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেননি। প্রথম কোয়ার্টারে খেলার ফল থাকে ১০।দ্বিতীয় কোয়ার্টারেও ভারতের সেই আধিপত্য বজায় থাকে। জাপানও মাঝে মাঝে প্রতি আক্রমণে উঠে এসে ভারতীয় রক্ষণে হানা দিচ্ছিল। কিন্তু ভারতীয় রক্ষণভাগের খেলোয়াড়দের দৃঢ়তায় গোল করতে পারেনি। ২৩ মিনিটে মনপ্রীত সিংয়ের পাস থেকে ২০ করেন দিলপ্রীত সিং। দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফেরার মরিয়া চেষ্টা করে জাপান। কিন্তু মনপ্রীতরা কোনও সুযোগ দেননি। ৩৪ মিনিটে জারমানপ্রীত সিংয়ের গোলে ব্যবধান বাড়ায় ভারত।৩৬ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি জাপান। পরের মিনিটেই ভারতীয় গোলকিপার সুরজ কারকেরা একটি নিশ্চিত গোল বাঁচান। চতুর্থ কোয়ার্টারে আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে ভারত। ৪৬ মিনিটে ৪০ করেন সুমিত। ৫৩ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার কাজে লাগিয়ে ব্যবধান বাড়ান হরমনপ্রীত সিং। ১ মিনিট পরেই শীলানন্দ লাকড়ার পাস থেকে ৬০ করেন সামশের সিং। ৪ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট পেয়ে শীর্ষে পৌঁছে যায় ভারত।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Silver Medal: সোনার স্বপ্ন অধরা, ভাবনাবেনকে ৩ কোটি টাকা আর্থিক পুরস্কার দেবে গুজরাট সরকার

টোকিও অলিম্পিক দেশের টেবিল টেনিস তারকারা ব্যর্থ। শরৎ কমল, মনিকা বাত্রাদের সেই ব্যর্থতা প্যারালিম্পিকে ঢেকে দিয়েছেন ভাবনাবেন হাসমুখভাই প্যাটেল। প্রতিযোগিতা থেকে রুপো জিতে ইতিহাস রচনা করেছেন দেশের প্যারা অ্যাথলিট। ফাইনালে চীনের ইং ঝউয়ের কাছে স্ট্রেট সেটে হেরে রুপো জিতে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে। ম্যাচের ফলাফল ৭-১১, ৫-১১, ৬-১১। সোনা অধরা থেকে গেলেও তাঁর সেই সাফল্যকে স্বীকৃতি জানিয়ে আর্থিক পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করল ভারতীয় টেবিল টেনিস ফেডারেশন। গুজরাট সরকারের পক্ষ থেকেও আর্থিক পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। ভাবনাবেনকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছে ভারতীয় টেবিল টেনিস ফেডারেশন।আরও পড়ুনঃ কাবুল বিমানবন্দরে আবারও হতে পারে সন্ত্রাসবাদী হামলা!গুজরাটের মেহসানা জেলার সন্ধিয়াতে থাকেন ভাবনাবেন প্যাটেল। তাঁর সাফল্যে গর্বিত গুজরাট সরকার। মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানি অভিনন্দন জানিয়েছেন এই প্যারা আথলিটকে। মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, ভাবনাবেনের সাফল্যে খুশি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী অভিনন্দন জানিয়েছেন। পাশাপাশি ৩ কোটি টাকা আর্থিক পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় রাজ্যে প্রথম, নদিয়া থেকে গ্রেপ্তার ২ভারতীয় টেবিল টেনিস ফেডারেশনের সভাপতি দুশ্যন্ত চৌতালাও ভাবনাবেনকে পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন, টোকিও প্যারালিম্পিকে রুপোজয়ী ভাবনা প্যাটেলকে আর্থিক পুরস্কার হিসেবে ৩১ লক্ষ টাকা দেবে ফে়ডারেশন। ভারতীয় প্যারা টেবিল টেনিস তারকার ইচ্ছাশক্তি, মানসিকতা ও মনের জোরের প্রশংসা করেছেন দুশ্যন্ত। ভাবনার আগামী দিনের সফলতাও কামনা করেছেন তিনি। টোকিও অলিম্পিকে সাফল্য পাননি টেবিল টেনিস তারকারা। শরথ কমল, মনিকা বাত্রা, জি সাথিয়ান, সুতীর্থা মুখোপাধ্যায় মিক্সড ও সিঙ্গলস ইভেন্টে সবাই ব্যর্থ। সেই ব্যর্থতা ভুলিয়ে টোকিও প্যারালিম্পিকে ভাবিনার রুপো দেশের অন্যান্য টেবিল টেনিস তারকার কাছে দৃষ্টান্ত বলে মনে করে দেশের ক্রীড়া মহল।আরও পড়ুনঃ পুলিশে আস্থা নেই, সিআইডি তদন্তের দাবি অপহৃত ব্যবসায়ী ও তাঁর গাড়ি চালকের পরিবারেরটোকিও প্যারালিম্পিকে মহিলাদের সিঙ্গলস ক্লাস ফোর ইভেন্টের ফাইনালে বিশ্বের এক নম্বর তারকা পাঁচটি প্যারালিম্পিক সোনাজয়ী চিনের ইং ঝউয়ের কাছে স্ট্রেট সেটে হেরেও দেশের জন্য রুপো নিশ্চিত করেছেন ভাবিনা প্যাটেল। ম্যাচের ফলাফল ৭-১১, ৫-১১, ৬-১১। ম্যাচ হারলেও ভাবিনার লড়াইয়ের প্রশংসায় পঞ্চমুথ হয়েছে দেশের ক্রীড়া মহল।আরও পড়ুনঃ কয়লা-কাণ্ডে সস্ত্রীক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে তলব ইডি-রটোকিও প্যারালিম্পিক থেকে পাওয়া পদক দেশকে উৎসর্গ করেছেন ভাবনাবেন প্যাটেল। তবে তিনি স্বীকার রে নিয়েছেন, রবিবার তিনি নিজের সেরা ফর্মে ছিলেন না। ম্যাচ শুরুর আগে তিনি মানসিক চাপে ভুগছিলেন বলেও জানিয়েছেন ভাবনাবেন। তাঁর কথায়, ফাইনালে নিজের গেমপ্ল্যান অনুযায়ী খেলতে পারিনি। আগামী দিনে দেশের হয়ে নিজের সেরাটা উজাড় করে দেব।আরও পড়ুনঃ এজেন্সি লেলিয়ে না দিয়ে, রাজনৈতিকভাবে লড়াই করার হুংকার মমতারটোকিও প্যারালিম্পিকে রুপোজয়ী ভাবনাবেন প্যাটেলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। নিজের রাজ্য গুজরাতের পাডলারকে অনুপ্রেরণা বলে সম্বোধন করেছেন তিনি। ভাবনাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, শচী তেন্ডুলকর, অভিনব বিন্দ্রা সহ গোটা দেশ।

আগস্ট ২৯, ২০২১
বিদেশ

Earthquake: কেঁপে উঠল অলিম্পিকের আসর

অলিম্পিকের আসরে কম্পন। ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল জাপান। বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ৫টায় হঠাৎ কেঁপে ওঠে জাপানের ইবারাকি এলাকা। জাপান মেটেওরলজিক্যাল এজেন্সির তরফে জানানো হয়েছে, রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৬ ম্যাগনিটিউট। কম্পনের উৎসস্থল ছিল ভূমি থেকে ৪০ কিলোমিটার গভীরে। বেশ কিছু জায়গায় ২০ সেকেন্ড বা তার বেশি সময় ধরে কম্পন অনুভূত হয়। আর এতেই অলিম্পিক গেমসের আসরে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। সুনামির সতর্কবার্তা জারি হয়নি। উল্লেখ্য জাপানে ভূমিকম্প স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু, অলিম্পিকের আসরে কম্পন অনুভূত হওয়ায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। কম্পনের মাত্রা খুব একটা কমও ছিল না। তাই আফটারশকের চিন্তা করছেন উদ্যোক্তারা। প্রকৃতির কাছে সকলেই অসহায়, তাই কোনও দুর্যোগের আভাস পেলেই স্বাভাবিকভাবে মানুষের মনে ভয়ের উদ্রেক হয়। আর যেখানে অলিম্পিকের আসর বসেছে, সেখানে চিন্তা আরও বেড়ে যাওয়ারই কথা।

আগস্ট ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Olympic: সেমিফাইনালেও পদক জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে পিভি সিন্ধুর

টোকিও অলিম্পিকের সেমিফাইনালে বিশ্বের এক নম্বর তারকা চাইনিজ তাইপের তাই জু-র কাছে হেরে গেলেন ভারতের পিভি সিন্ধু। সেমিফাইনালে হারলেও পদক জয়ের সম্ভাবনা একেবারে শেষ হয়ে যাচ্ছে না সিন্ধুর। রবিবার ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে চিনের হি বিংজিয়াওর মুখোমুখি হবেন ভারতের প্রথম বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন শাটলার।সেমিফাইনালে চাইনিজ তাইপের তাই জু-র বিরুদ্ধে এগিয়ে থেকেও প্রথম গেম হারেন সিন্ধু। দ্বিতীয় গেমে সিন্ধুকে দাঁড়াতে দেননি তাই জু। স্ট্রেট গেমে ম্যাচ হারেন হায়দরাবাদি শাটলার। সিন্ধুর বিরুদ্ধে চাইনিজ তাইপের ২৭ বছর বয়সী তাই জু জিতেছেন ২১-১৮, ২১-১২ পয়েন্টের ব্যবধানে। এর ফলে টোকিও অলিম্পিকে সিন্ধুর রুপো বা সোনা জয়ের স্বপ্নে ইতি ঘটেছে। যদিও ব্রোঞ্জ জয়ের সম্ভবনা রয়েছে।ম্যাচের শুরুটা দুর্দান্তভাবেই করেন পিভি সিন্ধু। প্রথম গেমে চাইনিজ তাইপেই প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে পয়েন্টের ব্যবধান বাড়িয়েও নিয়েছিলেন ভারতীয় শাটলার। একটা সময় ৯-৬ এবং ১১-৮ ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন পিভি। অভিজ্ঞতায় ভর করে সেখান থেকেই ম্যাচে ফিরতে শুরু করেন তাই জু। ১৪-১৪ হয়ে যাওয়ার পর প্রথম গেমে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। কখনও ভারতীয় শাটলার এগোচ্ছিলেন তো কখনও টেক্কা দিচ্ছিলেন বিশ্বের এক নম্বর শাটলার। ১৮-১৮ হওয়ার পর গেমে সিন্ধুকে আর ফিরতে দেননি তাই জু-ইং। ২১-১৮ ব্যবধানে তিনি প্রথম গেম জেতেন।দ্বিতীয় গেমে আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠেন তাই জু। কোর্টের নানা প্রান্তে ছোট ছোট চকিত শট খেলে পিভি সিন্ধুকে নাজেহাল করতে থাকেন চাইনিজ তাইপেইয়ের শাটলার। মাঝে বেশ কয়েকবার রণনীতি পরিবর্তন করেন ভারতীয় তারকা। তাই জু-ইংয়ের ছন্দ কাটতে আক্রমণাত্মক ঢঙে খেলা শুরু করেন পিভি। কিন্তু সব কিছুরই জবাব ছিল চাইনিজ তাইপেই শাটলারের কাছে। দ্বিতীয় গেমে একটা সময় ৪-৫ পয়েন্টের ব্যবধানে পিছিয়ে ছিলেন সিন্ধু। এরপর ৪-৭, ৫-৭ থেকে ৭-১১ পয়েন্টে পিছিয়ে পড়েন ভারতের প্রথম বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। একটা সময় সিন্ধুর থেকে ১৬-৯ পয়েন্টে এগিয়ে যান চাইনিজ তাইপেইয়ের শাটলার। সেখান থেকে কোনও মতে আরও তিন পয়েন্ট অর্জন করতে সক্ষম হন পিভি। সবশেষে ২১-১২ পয়েন্টের ব্যবধানে সেমিফাইনাল জিতে যান বিশ্বের এক নম্বর শাটলার। সেমিফাইনালে জাজমেন্টে অনেক ভুল করেন পিভি সিন্ধু। আবার নিজের দুর্দান্ত অনুমান ক্ষমতা প্রয়োগ করে সিন্ধু মারা শটের আনফোর্সড এরর থেকেও পয়েন্ট অর্জন করেন তাই জু। সেমিফাইনাল হেরে গেলেও পিভি টোকিও অলিম্পিকে পিভি সিন্ধুর লড়াইয় মুগ্ধ করেছে দেশের ক্রীড়া জগতকে।

জুলাই ৩১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sindhu: টোকিও অলিম্পিকে সিন্ধুগর্জন, পৌঁছে গেলেন পদকের আরও কাছে

টোকিও অলিম্পিকে ভারতীয় নারী শক্তির দাপট। ভারোত্তোলনে পদক জিতে দেশে ফিরে এসেছেন মীরাবাই চানু। বক্সার লাভলিনা বরগোঁহাইয়ের বক্সিংয়ে পদক নিশ্চিত করেছেন। এবার পদকের দিকে পিভি সিন্ধুও অনেকটাই এগিয়ে গেলেন।২০১৬ সালে রিও অলিম্পিকের রুপোজয়ী ভারতীয় শাটলার সিন্ধু এদিন কোয়ার্টার ফাইনালে হারালেন চতুর্থ বাছাই জাপানের আকানে ইয়ামাগুচিকে। সিন্ধু জেতেন ২১-১৩, ২২-২০ ব্যবধানে। এদিনের আগে ১৮টি সাক্ষাতেই ইয়ামাগুচি পরাস্ত হয়েছিলেন সিন্ধু কাছে। এদিনও তার ব্যতিক্রম হল না।বিশ্বের ষষ্ঠ বাছাই সিন্ধু প্রথম গেমে আগাগোড়া দাপট বজায় রাখেন। ইয়ামাগুচিও যথেষ্ট ভালোই টক্কর দিচ্ছিলেন ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকার সঙ্গে। কিন্তু সিন্ধুর সঙ্গে পেরে উঠছিলেন না। ২৩ মিনিটে প্রথম গেম জিতে নেন ২১-১৩ ব্যবধানে। দ্বিতীয় গেমের প্রথম দিকেও সমানে সমানে টক্কর দিতে থাকেন ইয়ামাগুচি। কিন্তু অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সিন্ধু দাপট দেখাতে থাকেন। দ্বিতীয় গেমের মাঝামাঝি অবস্থাতেও সিন্ধু এগিয়ে ছিলেন ১১-৬ ব্যবধানে। এরপর দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে এসে সমতা ফেরান ইয়ামাগুচি। ১৫-১৫ করে ফেলেন ইয়ামাগুচি, পরে এগিয়েও যান। যদিও স্নায়ুযুদ্ধ জিতে শেষ হাসি হাসেন সিন্ধু। খেলার ফল ২১-১৩, ২২-২০। ৩১ জুলাই তাঁর সেমিফাইনাল ম্যাচ। তবে শীর্ষ বাছাইয়ের মুখে পড়তে হচ্ছে না সেমিফাইনালে।

জুলাই ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Hockey: জয়ের হ্যাটট্রিক, দ্বিতীয় স্থানে থেকে অলিম্পিক হকির শেষ আটে ভারত

কোয়ার্টার ফাইনালের ছাড়পত্র নিশ্চিত হয়েছিল আগেই। পুল এ-তে কত নম্বর স্থান দখল করে, সেটাই ছিল দেখার। জাপানকে ৫-৩ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয় স্থান নিশ্চিত করে টোকিও অলিম্পিকের হকির শেষ আটে ভারত। টানা ৩ ম্যাচ জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে গেল।অলিম্পিকে ভারতের সবচেয়ে বেশি সাফল্য হকিতেই। অথচ ১৯৮০ সালের অলিম্পিকে সোনা জেতার পর আর পদকই আসেনি।একের পর এক অলিম্পিকে শুধুই ব্যর্থতায় হতাশ হতে হয়েছে ভারতীয় হকিকে। এবার মনপ্রীতরা ৪১ বছরের পদকের খরা মেটাতে পারেন কিনা সেদিকেই সকলের নজর।নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৩-২ গোলে জয় দিয়ে টোকিও অলিম্পিক অভিযান শুরু করেছিল ভারত। তারপর অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৭-১ ব্যবধানে হার। অনেকেই মনপ্রীতদের নিয়ে সংশয়ে ছিলেন। তবে স্পেনকে তিন গোলে হারানোর পর শক্তিশালী আর্জেন্তিনার বিরুদ্ধে ৩-১ গোলে জয় ভারতের জায়গা সুনিশ্চিত করে দেয় অলিম্পিক হকির কোয়ার্টার ফাইনাল।এদিন প্রথম কোয়ার্টারে ভারত এগিয়ে ছিল ১-০ গোলে। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে ভারতের লিড গিয়ে হয় ২-১। তৃতীয় কোয়ার্টারে ফল ছিল ৩-২। চতুর্থ কোয়ার্টারে হল সবচেয়ে বেশি গোল। এর ফলে ৫-৩ গোলে জিতে পুল এ-র দুইয়ে থেকে শেষ আটে জায়গা পাকা করলেন মনপ্রীতরা।১৭ ও ৫৬ মিনিটে ম্যাচে জোড়া গোল করেন গুরজন্ত সিং। ১৩ মিনিটে প্রথম গোলটি করেছিলেন হরমনপ্রীত সিং। এ ছাড়া ৩৪ মিনিটে শমশের সিং ও ৫১ মিনিটে নীলকান্ত শর্মাও গোল করে দলের জয়ে অবদান রাখেন।গ্রুপ পর্যায়ের খেলার শেষে পুল এ-র শীর্ষে রইল অস্ট্রেলিয়া। পাঁচটির মধ্যে চারটিতে জিতে ভারত রইল দুইয়ে। অস্ট্রেলিয়া চারটি ম্যাচে জিতেছে এবং একটি ড্র করেছে। প্রতি পুলে ছটি করে দলের মধ্যে থেকে চারটি করে দল পৌঁছায় কোয়ার্টার ফাইনালে। ভারতের পরের প্রতিপক্ষ অবশ্য এখনও চূড়ান্ত হয়নি।হকিতে ভারত শেষ অলিম্পিক সোনা জিতেছিল ১৯৮০ সালে। ১৯৮৪ সালে লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকে পঞ্চম, ১৯৮৮-র সিওল অলিম্পিকে ষষ্ঠ, ১৯৯২ সালের বার্সেলোনা অলিম্পিকে সপ্তম, ১৯৯৬ সালের আটলান্টা অলিম্পিকে ভারত অষ্টম স্থানে শেষ করেছিল হকিতে। ২০০০ সালে সিডনি ও ২০০৪ সালের এথেন্স অলিম্পিকে ভারত হকিতে ছিল সপ্তম স্থানে। ২০০৮ সালে অলিম্পিকে যোগ্যতা অর্জনই করতে পারেনি। ২০১২ সালের লন্ডন অলিম্পিকে দ্বাদশ ও ২০১৬ সালে রিও অলিম্পিকে ভারতকে অষ্টম স্থানে থেকেই অভিযান শেষ করতে হয়েছিল।

জুলাই ৩০, ২০২১
বিদেশ

Japan-mudslide: জাপানে ভয়াবহ কাদাস্রোতে ভেসে গেল বাড়ি-ঘর, নিঁখোজ ২০

লাগাতার বৃষ্টির জেরে ভয়াবহ কাদাস্রোত জাপানের আটামি এলাকায় (Mudslide)। হঠাৎ ধেয়ে আসা কাদাস্রোতে ভেসে গিয়েছে সারি সারি বাড়িঘর। শনিবার সকালে জাপানের (Japan) রাজধানী টোকিওর আটামি এলাকায় এই ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কমপক্ষে ২০ জন নিখোঁজ বলে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুনঃ ১০ জনে বাজিমাত করে শেষ চারে ব্রাজিলঅর্ধনিমজ্জিত আগ্নেয়শিলা দ্বারা গঠিত ভূমির ঢালে অবস্থিত আটামি শহর। এলাকায় একাধিক উষ্ণ প্রস্রবণ রয়েছে। সূত্রের খবর, শনিবার সকালে হঠাৎই কাদামিশ্রিত কালো ঘোলা জলের সঙ্গে আবর্জনা ধেয়ে আসে শহরের দিকে। অসহায় অবস্থায় এদিক ওদিক ছুটতে আরম্ভ করেন স্থানীয়রা। বর্তমানে উদ্ধারকার্য চলছে বলে জানা গিয়েছে। বিপর্যয় মোকাবিলার বাহিনীর এক আধিকারিক জানান, এখনও পর্যন্ত ২০ জনের কোনও খোঁজ মেলেনি। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও বোঝা যাচ্ছে না।প্রসঙ্গত, চলতি সপ্তাহের শুরু থেকেই জাপানে ভারী বৃষ্টিপাত চলছে। দেশের মধ্য এলাকার নদীগুলি বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। একাধিক জায়গায় ধস নেমেছে। উপকূল এলাকায় জারি হয়েছে হাই অ্যালার্ট।

জুলাই ০৩, ২০২১

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

তিস্তা নিয়ে বড় চাল চিনের! বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা, ভারতের উদ্বেগ আরও বাড়ল

তিস্তা নদীকে ঘিরে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের তিস্তা নদীর ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে পাশে থাকার বার্তা দিল চিন। সোমবার বেজিং স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই প্রকল্প বাস্তবায়নে ঢাকাকে সবরকম সাহায্য করতে তারা প্রস্তুত। একই সঙ্গে চিনের দাবি, এই যৌথ উদ্যোগ কোনও তৃতীয় দেশকে লক্ষ্য করে নয় এবং বিষয়টিকে অযথা অন্য দৃষ্টিতে দেখা উচিত নয়।বাংলাদেশে নতুন রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকেই তিস্তা প্রকল্প নিয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। শেখ হাসিনা সরকারের সময় এই প্রকল্পে ভারতের সহযোগিতার কথা ভাবা হলেও বর্তমান প্রশাসন সেই অবস্থান থেকে সরে এসে চিনের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে। এরপর থেকেই ভারতের উদ্বেগ বেড়েছে। কারণ, তিস্তা অববাহিকার অবস্থান ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকার খুব কাছাকাছি।চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন এক সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, বাংলাদেশ ও চিনের সহযোগিতা কোনও তৃতীয় পক্ষের বিরুদ্ধে নয়। তাঁর দাবি, তিস্তা নদীর উন্নয়ন বাংলাদেশের মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রকল্প। সেই কারণে বাংলাদেশ চাইলে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে চিন।শুধু তিস্তাই নয়, জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য, অর্থনীতি এবং জনকল্যাণমূলক একাধিক ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে আগ্রহী বেজিং। দুই দেশের মধ্যে এই সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও বাড়তে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছে চিন।বাংলাদেশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তিস্তা-সহ একাধিক নদী উন্নয়নের লক্ষ্যে ঢাকা ও বেজিংয়ের মধ্যে ইতিমধ্যেই সমঝোতা হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ জল উন্নয়ন বোর্ড এবং চিনের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা পাওয়ার চায়নার মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। সেই চুক্তির পর থেকেই তিস্তা প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তিস্তা প্রকল্প ঘিরে বাংলাদেশ ও চিনের ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতার দিকে কড়া নজর রাখছে ভারত। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকল্পটির ভৌগোলিক অবস্থান এবং কৌশলগত গুরুত্বের কারণে ভবিষ্যতে এই বিষয়টি দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

হাইকোর্টে একদিনে জোড়া ধাক্কা! অভিষেককে কালই দিতে হবে কণ্ঠস্বরের নমুনা, মিলল না কোনও স্বস্তি

কলকাতা হাইকোর্টে একদিনে পরপর দুই বড় ধাক্কার মুখে পড়লেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমে চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার আবেদনের দ্রুত শুনানির আবেদন খারিজ হয়। এরপর ডিজে মন্তব্য মামলায়ও স্বস্তি পাননি তিনি। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী মঙ্গলবার কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের জন্য তাঁকে হাজিরা দিতেই হবে।বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, চার মে ভোটের ফল ঘোষণার পর রবীন্দ্রসঙ্গীতের সঙ্গে ডিজে বাজবে। সেই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সাইবার অপরাধ আইনে অভিযোগ দায়ের হয়। তদন্তের স্বার্থে তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের আবেদন জানায় তদন্তকারী সংস্থা। বিধাননগর আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করায় মঙ্গলবার আদালতে উপস্থিত হয়ে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতে হবে তাঁকে।এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আইনজীবীর দাবি ছিল, সংশ্লিষ্ট মন্তব্য যে তাঁরই, তা তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের কোনও প্রয়োজন নেই। পাশাপাশি তদন্তকারী সংস্থার তরফে কোনও কঠোর পদক্ষেপ না নেওয়ার আবেদনও জানানো হয়।তবে আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করেনি। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ জানান, মামলার বিস্তারিত শুনানি মঙ্গলবার হবে। তবে তার আগে তদন্তের প্রক্রিয়ায় কোনও বাধা নেই। ফলে নির্ধারিত সময়ে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হাজিরা দিতেই হবে।একই দিনে আরও একটি মামলায় ধাক্কা খান অভিষেক। চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার অনুমতির আবেদন দ্রুত শুনানির আর্জি জানানো হলেও বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য তা খারিজ করে দেন। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, মামলার নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ীই শুনানি হবে। এর আগেও একই ধরনের দ্রুত শুনানির আবেদন করা হলেও আদালত তা গ্রহণ করেনি। ফলে আপাতত আদালত থেকে কোনও স্বস্তি পেলেন না তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

একুশে জুলাইয়ের আগেই বড় ধাক্কা! কুণাল, দোলা, বৈশ্বানরের বিরুদ্ধে মামলা, শুরু নতুন বিতর্ক

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই নতুন বিতর্ক তৈরি হল। বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ, দোলা সেন এবং বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযোগ, পুলিশের আনুষ্ঠানিক অনুমতি পাওয়ার আগেই ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সভাস্থলের মাপজোকের কাজ শুরু করা হয়েছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এই পদক্ষেপ।রবিবার একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে কুণাল ঘোষ, দোলা সেন এবং বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে পৌঁছেছিলেন। অভিযোগ, তখনও ওই কর্মসূচির জন্য প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক অনুমতি মেলেনি। তবুও রাস্তার একটি অংশে ফিতে দিয়ে মাপজোক করা হয়। এই ঘটনায় ট্রাফিক পুলিশের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে তিন নেতাকেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।সোমবার বিধানসভাতেও এই বিষয়টি নিয়ে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, রাজনৈতিক কর্মসূচি করতে হলে নিয়ম মেনে প্রশাসনের অনুমতি নিতে হবে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন বহুবার আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়েছে তাঁকে। বর্তমান সরকারও নিয়ম মেনেই বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচির অনুমতি দিচ্ছে বলে জানান তিনি।মুখ্যমন্ত্রী আরও প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কীভাবে সভাস্থলের মাপজোক করা হল। তাঁর বক্তব্য, নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই আবেদন করতে হবে এবং প্রশাসন সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে। বিধানসভায় এই মন্তব্যের কিছুক্ষণ পরেই কুণাল ঘোষ, দোলা সেন এবং বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের খবর সামনে আসে।একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে তৃণমূলের বিভিন্ন শিবিরের মধ্যে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের আবহে এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই পদক্ষেপের ফলে একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি এবং রাজনৈতিক সমীকরণ আরও উত্তপ্ত হতে পারে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

বিধানসভায় শুভেন্দুর বিস্ফোরক মন্তব্য! ‘কালি গেলে দোয়াতও যাবে’, কাকে ইঙ্গিত করলেন মুখ্যমন্ত্রী?

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে তৃণমূলের দুই শিবিরের টানাপোড়েনের মধ্যেই সোমবার বিধানসভায় নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কালীঘাটপন্থী তৃণমূল আগেভাগে একুশে জুলাইয়ের সভাস্থলে পৌঁছনো নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরেও একাধিক মন্তব্য করেন তিনি। সেই বক্তব্য ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, একুশে জুলাইয়ের সভাস্থলে আগে থেকেই যাওয়ার অনুমতি কারা দিয়েছিল। এই প্রসঙ্গেই তিনি কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের নেতাদের উপস্থিতির বিষয়টি উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক গ্রেফতারির ঘটনাও টেনে আনেন তিনি।তারাতলার কারখানা বিপর্যয়ের ঘটনায় নাম জড়ানো এবং তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে বিধায়ক কুণাল ঘোষের বক্তব্যেরও উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। কটাক্ষ করে তিনি বলেন, কেউ কেউ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আরও গ্রেফতারের দাবি তুলছেন। এমনকি কুণাল ঘোষকে উদ্দেশ্য করে তিনি রসিকতার সুরে বলেন, যদি সব সিদ্ধান্ত তিনিই নিতে চান, তাহলে মুখ্যমন্ত্রীর আসনেও বসে যেতে পারেন।এরপরই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেউ যদি কালীচরণের সঙ্গে অন্যদের নামও জুড়ে দেন, তাহলে তদন্তের স্বার্থে সকলের বিরুদ্ধেই সমানভাবে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তাঁর বক্তব্য, কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা প্রমাণের ভিত্তিতেই বিচার হবে। কোনও ব্যক্তি প্রভাবশালী হলেই তাঁকে ছাড় দেওয়া হবে না।তবে নিজের বক্তব্যের শেষেই মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন, প্রমাণ ছাড়া কোনও পদক্ষেপ করবে না সরকার। তিনি বলেন, তদন্ত চলছে এবং যথেষ্ট প্রমাণ মিললে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, নির্দোষ বা ভদ্র মানুষের বিরুদ্ধে সরকার কোনও অন্যায় পদক্ষেপ করবে না। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে বড় ঘোষণা! কবে চালু হবে, কারা থাকবেন আইনের বাইরে জানালেন শুভেন্দু

বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করার প্রতিশ্রুতি আগেই দিয়েছিল রাজ্যের বিজেপি সরকার। সোমবার বিধানসভায় এই বিল পেশ হতে পারে বলে জোর জল্পনা তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত তা আনা হয়নি। তবে অধিবেশনের শেষ পর্বে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করতেই সরকার বদ্ধপরিকর। বিলের খসড়া তৈরির জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও ঘোষণা করেন তিনি।বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী সংকল্পপত্রে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকার অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আনবেই। আগামী দুই জুলাই মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিলের খসড়া অনুমোদনের জন্য তোলা হবে। উত্তরাখণ্ড, অসম এবং গুজরাটে চালু হওয়া অভিন্ন দেওয়ানি বিধির বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখে পশ্চিমবঙ্গের জন্য নতুন আইন তৈরি করা হবে। তাঁর দাবি, একই রাজ্যে ধর্মভেদে আলাদা আইন চলতে পারে না। তাই সকলের জন্য এক আইনের ব্যবস্থা করাই সরকারের লক্ষ্য।তবে এই আইন থেকে কিছু শ্রেণির মানুষকে ছাড় দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, মূলবাসী, আদিবাসী, কুড়মি-সহ প্রাচীন জনজাতির মানুষ এই প্রস্তাবিত আইনের আওতার বাইরে থাকবেন। এই বিষয়ে সুপারিশ করার জন্য সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাইয়ের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে থাকবেন অবসরপ্রাপ্ত প্রশাসনিক আধিকারিক, আইন বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ, সমাজকর্মী এবং প্রশাসনের প্রতিনিধি। বিয়ে, বিবাহবিচ্ছেদ, সম্পত্তির উত্তরাধিকার, সন্তানের অভিভাবকত্ব, দত্তক গ্রহণ-সহ মোট নয়টি বিষয় নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করবে এই কমিটি।সরকার জানিয়েছে, চার সপ্তাহের মধ্যে কমিটি তাদের সুপারিশ জমা দেবে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে অগস্ট মাসে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল বিধানসভায় আনার প্রস্তুতি নেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, মানুষের মতামতও গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হবে। যাঁদের কোনও মতামত বা আপত্তি রয়েছে, তাঁরা কমিটির কাছে তা জানাতে পারবেন।এদিকে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করার পক্ষে সওয়াল করেছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্য, এই আইন শুধু বিজেপির রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নয়, সমাজের বহু মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি। তাই দ্রুত এবং সর্বসম্মতিক্রমে এই আইন কার্যকর হওয়া উচিত বলেই মত প্রকাশ করেছেন তিনি। বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে সরকারের এই ঘোষণার পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

জয়প্রকাশ মজুমদারের বিপদ আরও বাড়ল! এবার মামলার শুনানি থেকেও সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি

জেলবন্দি তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদারের আইনি লড়াইয়ে নতুন মোড় এল। তাঁর জামিনের আবেদন নিয়ে শুনানির আগেই কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ মামলাটি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত জানান। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তিনি এই মামলা না শোনার কথা জানিয়েছেন। ফলে এখন এই মামলার শুনানি কোন বিচারপতির এজলাসে হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধান বিচারপতি।জয়প্রকাশ মজুমদার বর্তমানে বাড়ি দখলের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়ে জেলবন্দি। তাঁর জামিনের আবেদন নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত শুনানির আগেই বিচারপতির সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তে মামলায় নতুন জটিলতা তৈরি হয়েছে।চলতি মাসের তিন তারিখ সল্টলেক এলাকা থেকে জয়প্রকাশ মজুমদারকে আটক করে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। পরে বাড়ির মালিকের অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগ, দীর্ঘ বারো বছর ধরে একটি বাড়ি দখল করে রাখা হয়েছিল। বাড়ির মালিক ভাড়া চাইতে গেলে তাঁকে হুমকি দেওয়া হত বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।গ্রেপ্তারের পর পুলিশ জয়প্রকাশ মজুমদারকে নিয়ে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালাতে যায়। সেই সময় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত জনতার একাংশ তাঁর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখায় এবং তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ার ঘটনাও ঘটে।গ্রেপ্তারের পর আইনি সুরাহার জন্য তিনি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়ে জামিনের আবেদন করেন। সেই মামলার শুনানির আগেই বিচারপতি ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে সরে দাঁড়ানোয় মামলার পরবর্তী শুনানি নিয়ে নতুন করে অপেক্ষা শুরু হয়েছে। এখন প্রধান বিচারপতির নির্দেশ অনুযায়ী নতুন বেঞ্চে এই মামলার শুনানির দিন নির্ধারিত হবে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

বড় সিদ্ধান্ত! তৃণমূলের ওবিসি তালিকা বাতিল, বিধানসভায় পাশ হল নতুন আইন

বিধানসভায় পাশ হয়ে গেল ওবিসি সংরক্ষণ সংক্রান্ত দুটি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী বিল। এর ফলে তৃণমূল সরকারের আমলে তৈরি হওয়া ওবিসি সংক্রান্ত একাধিক নিয়মে বড় পরিবর্তন আনা হল। একই সঙ্গে ওবিসি তালিকার একটি বড় অংশেও সংশোধন করা হয়েছে। সরকারের দাবি, নতুন আইন কার্যকর হলে ওবিসি সংরক্ষণ ব্যবস্থা আরও স্বচ্ছ ও আইনসম্মত হবে।অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণমন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষ বিধানসভায় দুটি সংশোধনী বিল পেশ করেন। পরে ধ্বনিভোটে বিল দুটি পাশ হয়ে যায়। একটি বিল পশ্চিমবঙ্গ অনগ্রসর শ্রেণি কমিশন সংক্রান্ত এবং অন্যটি সরকারি চাকরিতে ওবিসি সংরক্ষণ সংক্রান্ত।নতুন আইনে ওবিসি এ শ্রেণির অধীনে থাকা পঁয়ষট্টিটি জনগোষ্ঠীর তালিকায় কোনও পরিবর্তন আনা হয়নি। তবে ওবিসি বি শ্রেণির অধীনে থাকা আটাত্তরটি জনগোষ্ঠীর তালিকায় বড় পরিবর্তন করা হয়েছে। সংশোধনী বিলে ওই তালিকা বাদ দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।সরকারি চাকরিতে সংরক্ষণ সংক্রান্ত আইনের নামও পরিবর্তন করা হয়েছে। নতুন আইনে বলা হয়েছে, ওবিসি হিসেবে কোন শ্রেণি স্বীকৃতি পাবে, তা অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে।নতুন ব্যবস্থায় রাজ্য সরকার অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করে ওবিসি সংরক্ষণের হার ঠিক করবে। প্রয়োজন হলে সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি করে সেই হার পরিবর্তন করা যাবে। তবে তফসিলি জাতি, তফসিলি উপজাতি এবং ওবিসিসব মিলিয়ে মোট সংরক্ষণের পরিমাণ পঞ্চাশ শতাংশের বেশি করা যাবে না।এ ছাড়াও কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে ওবিসি সম্প্রদায়কে সামাজিক ও শিক্ষাগত অবস্থার নিরিখে একাধিক ভাগে ভাগ করা যাবে। প্রতিটি ভাগের জন্য আলাদা সংরক্ষণের হারও নির্ধারণ করার সুযোগ রাখা হয়েছে।সরকারের দাবি, এই সংশোধনের ফলে সংরক্ষণ ব্যবস্থা আরও কার্যকর হবে এবং নতুন আইন বাস্তবায়নের জন্য অতিরিক্ত কোনও আর্থিক ব্যয়ের প্রয়োজন হবে না।অন্যদিকে অনগ্রসর শ্রেণি কমিশন সংক্রান্ত সংশোধনী বিলে কমিশনের কাঠামোতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কমিশনে একজন সভাপতি, তিনজন সদস্য এবং একজন সদস্য-সচিব থাকবেন। সদস্য-সচিব হিসেবে এমন একজন আধিকারিককে নিয়োগ করা হবে, যিনি রাজ্য সরকারের অতিরিক্ত সচিব পদে অন্তত তিন বছর কাজ করেছেন।কমিশনের ক্ষমতাও বাড়ানো হয়েছে। কোনও ব্যক্তি বা সম্প্রদায়কে অনগ্রসর শ্রেণির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে কি না, অথবা তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে কি না, তা বিস্তারিতভাবে পরীক্ষা করে কমিশন রাজ্য সরকারকে সুপারিশ জানাবে।সরকারের বক্তব্য, এই সংশোধনের মাধ্যমে অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের ভূমিকা আরও স্পষ্ট করা হয়েছে। পাশাপাশি ওবিসি তালিকা তৈরি, সংশোধন এবং সংরক্ষণ নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে কমিশনের ক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা হয়েছে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

ওবিসি বিল ঘিরে তুমুল নাটক! দরজা খুলেও কেন বেরোলেন না কয়েকজন বিধায়ক?

ওবিসি সংক্রান্ত সংশোধনী বিল বিধানসভায় পাশ হওয়ার সময় তৈরি হল নাটকীয় পরিস্থিতি। ভোটাভুটির আগে বিরোধী শিবিরের অধিকাংশ বিধায়ক ওয়াকআউট করলেও কয়েকজন বিধায়ক সভাকক্ষেই থেকে যান। সেই ঘটনাকে ঘিরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা।সোমবার বিলটি নিয়ে ভোটাভুটির সময় দেখা যায়, বিরোধী শিবিরের অধিকাংশ সদস্য সভাকক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছেন। ঠিক সেই সময় ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ায় বিধানসভার দরজা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে কয়েকজন বিধায়ক বাইরে যেতে পারেননি বলে জানা যায়। পরে পরিষদীয় মন্ত্রীর হস্তক্ষেপে দরজা খুলে দেওয়া হয়।তবে দরজা খুলে যাওয়ার পরেও কয়েকজন বিধায়ক সভাকক্ষেই থেকে যান। তাঁদের মধ্যে ছিলেন মোসারফ হোসেন, বাহারুল ইসলাম, কাজল শেখ, বায়রন বিশ্বাস, পান্নালাল হালদার এবং মুরারইয়ের মোসারফ হোসেন। তাঁদের সভাকক্ষে থেকে যাওয়াকে ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।ঘটনাস্থলে উপস্থিত কুণাল ঘোষকে ওই বিধায়কদের উদ্দেশে কিছু বলতে দেখা যায়। পরে বাহারুল ইসলাম, কাজল শেখ এবং বায়রন বিশ্বাসকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে কথা বলতেও দেখা যায়। অন্যদিকে দলের প্রবীণ নেতারাও সেই সময় বিধানসভায় উপস্থিত ছিলেন।এই ঘটনার পর রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, দরজা বন্ধ থাকার কারণেই কি কয়েকজন বিধায়ক বাইরে যেতে পারেননি, নাকি দরজা খোলার পরেও সভাকক্ষে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল তাঁদের নিজস্ব? যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিধায়কদের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য সামনে আসেনি।শেষ পর্যন্ত ওবিসি সংশোধনী বিলের পক্ষে ভোট পড়ে একশো ছিয়াশি। বিপক্ষে ভোট দেন সতেরো জন সদস্য। ভোটদান থেকে বিরত থাকেন ছয় জন বিধায়ক। বিলটি ধ্বনিভোট এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন নিয়ে বিধানসভায় পাশ হয়ে যায়।

জুন ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal