• ৩২ শ্রাবণ ১৪৩৩, বুধবার ১৯ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

India

রাজ্য

ইণ্ডিয়ান অয়েলের পাইপলাইন বসানোর কাজ বন্ধ করে দিল পূর্ব বর্ধমানের চাষিরা

ন্যায্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে ইন্ডিয়ান অয়েলের পাইপ লাইন বসানোর কাজ বন্ধ করে দিল চাষিরা।আন্দোলনকারী ওই চাষিরা সকলেই পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষ ব্লকের কৈয়র পঞ্চায়েতের গোপালপুর এলাকার বাসিন্দা। তাঁদের আন্দোলনের জেরে এখন থমকে রয়েছে বাঁকুড়া-মসাগ্রাম রেল পথের কৈয়র স্টেশন লাগোয়া লেবেল ক্রশিং এলাকায় মাটির নিচ দিয়ে তেলের পাইপ লাইন নিয়ে যাওয়ার কাজ। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের কর্তারা চাষিদের সঙ্গে বৈঠক করার পরেও উদ্ভুত সমস্যার সমাধানের রাস্তা বের না হওয়ায় বিপাকে পড়ে গিয়েছেন ইন্ডিয়াল অয়েল কর্তৃপক্ষ।প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ইণ্ডিয়ান অয়েল কর্তৃপক্ষ কয়েক বছর আগে মাটির তলা দিয়ে তেলের পাইপলাইন নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু করে। সেই পাইপ মারফত অপরিশোধিত জ্বালানি তেল বারাবনি থেকে পৌছাবে হলদিয়ায়। সেই কাজের জন্য ২০২০ সালে খণ্ডঘোষ ব্লকের কৈয়ড় ও গোপালপুর মৌজায় জমি চিহ্নিত করে ইণ্ডিয়াল অয়েল কর্তৃপক্ষ। তার পর চাষের জমি দিয়ে তেলের পাইপ লাইন বসানোর কাজও শুরু হয়। তখনকার মত সব কিছু ঠিকঠাক চললেও পরবর্তী সময়ে ক্ষতিপূরণ নিয়ে চাষিদের সঙ্গে ইণ্ডিয়ান অয়েল কর্তৃপক্ষের বিরোধ বাধে। যে বিরোধ এখন চরমে পৌছেছে। চাষ জমির মালিকদের আন্দোলনের জেরে এখন বাঁকুড়া-মসাগ্রাম রেল পথের কৈয়র স্টেশন লাগোয়া লেবেল ক্রশিং এলাকায় মাটির নিচ দিয়ে তেলের পাইপ লাইন নিয়ে যাওয়ার কাজ থমকে রয়েছে।আন্দোলনকারী গোপলপুর এলাকার চাষি এমদাদুল হক মণ্ডল জানান, তেলের পাইপ লাইন চাষের জমির মাটি খুঁড়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ কৈয়ড় ও গোপালপুর মৌজায় শুরু হয়। কিন্তু ওই কাজের জন্য সঠিক কি ক্ষতিপূরণ চাষিদের প্রাপ্য সে সন্মন্ধে চাষিদের পরিস্কার কিছু জানায়নি ইণ্ডিয়াল অয়েল কর্তৃপক্ষ বা তাঁদের অধীনস্ত লোকজন। কোনও ক্ষতিপূরণ বা নগদ টাকা প্রদান কোন কিছু না করেই কাজ শুরু হয় যায়। গভীর ভাবে মাটি খুঁড়ে গোটা চাষ জমি লণ্ডভণ্ড করে দিয়ে তেলের পাইপ লাইন নিয়ে যাওয়ার কাজ হলেও জমি চাষের উপযুক্ত করে দেওয়ার কোন ব্যবস্থাও তেল সংস্থার লোকজন করে দেয়নি। এর কারণে ওইসব জমিতে চাষও মার খায়। এলাকার অপর চাষি লাল্টু শেখ জানান, এর পর ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে ইণ্ডিয়ান অয়েল কর্তৃপক্ষ দিতীয় পর্যায়ে পাইপ লাইন বসানোর কাজ শুরু করলে শুধুমাত্র একটি ফসলের জন্য যৎসামান্য ক্ষতিপূণের ব্যবস্থা করে। একই ভাবে এই কাজের পরেও ইণ্ডায়ান অয়েল কর্তৃপক্ষ কোন চাষির চাষ জমি-ই পুনরায় চাষের উপযুক্ত করে দেয়নি। তার জন্য আবারও চাষিরা তাঁদের জমিতে চাষ করতে না পারায় চাষ মার খায়। লাল্টু শেখ বলেন, চাষের উপর নির্ভর করেই কৈয়র, গোপালপুর সহ আশপাশ এলাকার মানুষজনের জীবন-জীবিকা নির্বাহ হয়। ইণ্ডায়ান অয়েল কর্তৃপক্ষের এমন কাজ কারবারের জন্য এলাকার বহু চাষি এখন মহাসংকটে পড়ে গিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে সঠিক ও ন্যায্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে চাষিরা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ না দেওয়া পর্যন্ত এলাকায় তেলের পাইপ লাইন বসানোর কাজ করতে দিতেও নারাজ চাষিরা।প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে চাষিরা এমন অনড় মনোভাব দেখিয়ে চলায় সম্প্রতি ইণ্ডিয়ান অয়েল কর্তৃপক্ষ ও চাষিদের নিয়ে একটি বৈঠকের ব্যবস্থা করা হয়। সেই বৈঠকে ইণ্ডিয়ান অয়েলের(আই ও সি এল) ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার সুব্রত দুবে ,খণ্ডঘোষ ব্লক প্রশাসনের আধিকারিক ও পুলিশ কর্তারাও উপস্থিত থাকেন। কিন্তু সঠিক ক্ষতিপূরণ মূল্য বিষয়ে সুস্পষ্ট কোন সিদ্ধান্তে পৌছানো না যাওযায় অচলাবস্থা কাটে না। এই বিষয়ে সুব্রত দুবে যদিও সংবাদ মাধ্যমের কাছে কিছু বলতে চাননি। তিনি শুধু বলেন, বিষয়টি অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ লেবেল দেখছে। তবে ব্লক প্রশাসনের এক আধিকারিক ও খণ্ডঘোষের জেলাপরিষদ সদস্য অপার্থিব ইসলাম উদ্ভুত সমস্যার জন্য ইণ্ডিয়ান অয়েল কর্তৃপক্ষকেই দায়ী করেছেন। এনারা বলেন, চাষিরা নেজ্যক্ষতিপূরণের যে দাবি তুলেছেন সেটা যুক্তি সঙ্গত। ক্ষতিপূরণ মূল্য নির্ধারণ নিয়ে ইণ্ডিয়ান অয়েল কর্তৃপক্ষ ভুলভাল কাজ করেছে । তার জন্যই সঠিক ক্ষতিপূরণ মূল্য আশলে তা নিয়ে গ্রামবাসিদের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে। এই দ্বন্দ্ব দ্রুত মেটানো না গেলে জুলাই ২০২২ সালের মধ্যে তেলের পাইপ লাইন আদৌ হলদিয়া পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া যাবে কিনা সেটাই এখন বড় প্রশ্ন বলে অপার্থিব ইসলাম মন্তব্য করেছে।এরপর ইণ্ডিয়ান অয়েল কর্তৃপক্ষ জানুয়ারি মাস নাগাদ খণ্ডঘোষ ব্লকের বিভিন্ন পঞ্চায়েত এলাকাতেও শুরু করে। পাইপলাইন বাসানোর জন্য চাষের যে ক্ষতি হবে তার ক্ষতিপূরণ মিলবে বলে চাষিরা ইণ্ডিয়াল অয়েল কর্তৃপক্ষর কাছ থেকে আশ্বাস পায়। সেই কারণে চাষিরা তাঁদের জমির মাটি খুঁড়ে তেলের পাইপ লাইন নিয়ে যাওয়ার কাজ নিয়ে কোন ওজর আপত্তি তোলেনি।

মার্চ ১০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‘‌দর্শকরা তোমার ঠুকঠুক ব্যাটিং দেখতে আসেনি, শচীনের শট দেখতে এসেছে’‌ সৌরভকে কেন একথা বলেছিলেন ওয়ার্ন?‌

২২ গজের লড়াইয়ে বিপক্ষের ক্রিকেটারদের অস্ট্রেলিয়ানরা স্লেজিং করবেন না, এটা হতেই পারে না। অসি ক্রিকেটারদের হাত ধরেই অন্য মাত্রায় পৌঁছে গিয়েছিল ক্রিকেট মাঠের স্লেজিং। তবে অন্য ক্রিকেটারদের তুলনায় শেন ওয়ার্ন ছিলেন একটু অন্যরকম। খুব বেশি স্লেজিংয়ে মনোযোগ দিতেন না। তবু সৌরভ গাঙ্গুলিকে একবার তাঁর স্লেজিংয়ের মুখে পড়তে হয়েছিল। ওয়ার্নের স্লেজিংয়ে উত্যক্ত হয়ে তাঁকে উইকেটও উপহার দিয়েছিলেন সৌরভ।১৯৯৯ সালে অ্যাডিলেডে ভারতঅস্ট্রেলিয়া টেস্ট ম্যাচ চলছিল। ক্রিজে ব্যাট করছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি ও শচীন তেন্ডুলকার। সৌরভ ছিলেন স্ট্রাইকিং এন্ডে, আর শচীন তখন ছিলেন ননস্ট্রাইকিং এন্ডে। ওয়ার্নের বলে জমাটি ডিফেন্স করছিলেন সৌরভ। শচীন ও সৌরভ জুটি ততক্ষণে সেঞ্চুরির পার্টনারশিপ করে ফেলেছে। জুটি ভাঙতে না পেরে সৌরভকে স্লেজিং করেছিলেন ওয়ার্ন। সৌরভ ডিফেন্স করেই পা দিয়ে বল সরিয়ে দিচ্ছিলেন। তা দেখে ওয়ার্ন সৌরভকে বলেছিলেন, পার্টনার, মাঠের এই ৪০ হাজার দর্শক তামার এই ঠুকঠুক ব্যাটিং দেখতে আর বলকে লাথি মারা দেখতে আসেনি। দর্শকরা শচীনের শট দেখতে এসেছে।ওয়ার্নের এই কথা শুনে নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি সৌরভ। পাল্টা জবাব দিতে চেয়েছিলেন। ওয়ার্নের ওই কথা শুনে তিন বল পরেই ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে এসে তাঁর বল বাউন্ডারির বাইরে ফেলতে চেয়েছিলেন সৌরভ। উইকেটের পেছনে থাকা অ্যাডাম গিলক্রিস্ট দুরন্ত স্টাম্পড করেন সৌরভকে। ওই ইনিংসে ১৭২ মিনিট ক্রিজে থেকে ১৩৩ বলে ৬০ রান করেছিলেন সৌরভ। আর শচীন ১৩৩ বলে করেছিলেন ৬১। তিনিও ওয়ার্নের শিকার হয়েছিলেন। ওয়ার্নের বলে ফরোয়ার্ড শট লেগে জাস্টিন ল্যাঙ্গার শচীনের ক্যাচ নিয়েছিলেন। ওই ইনিংসে ৯২ রানে ৪ উইকেট পেয়েছিলেন ওয়ার্ন। সৌরভ, শচীন ছাড়াও তিনি তুলে নিয়েছিলেন রাহুল দ্রাবিড় ও এমএসকে প্রসাদকে। গত শুক্রবার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন কিংবদন্তী লেগ স্পিনার শেন ওয়ার্ন। তাঁর মৃত্যুর পর অনেকেই ওয়ার্নকে নিয়ে নানা রকম মন্তব্য করেছেন। কেই বলেছেন স্পিনের জাদুকর, কেউ আবার তাঁকে অবিহিত করেছেন মায়াবী ক্রিকেটার হিসেবে। কেউ বলেছেন থিয়েটার ছিলেন, কেউ আবার বলেছেন ব্লক ব্লাস্টার। বিশুদ্ধ বিনোদনকারী শব্দটি ক্রিকেটের ক্ষেত্রে প্রায়ই লেখা হয়ে থাকে। যা শেন ওয়ার্নের ক্ষেত্রে ছিল একেবারে ছিল যথার্থ সত্য। মাঠের মধ্যে কিংবা বাইরে, বিনোদনের ব্যাপারে তাঁর জুড়ি মেলা ভার।

মার্চ ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে রেকর্ডের সামনে দাঁড়িয়েও শুধুই দলের কথা ভাবছেন ঝুলন গোস্বামী

মহিলাদের একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড তাঁরই দখলে। বিশ্বের প্রথম মহিলা ক্রিকেটার হিসেবে ২০০ উইকেটের মালিকও তিনিই। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৩০০ উইকেটও তাঁর দখলে। আরও একটা মাইলস্টোনের সামনে দাঁড়িয়ে ঝুলন গোস্বামী। আর মাত্র ২টি উইকেট পেলেই বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারীর রেকর্ড চলে যাবে তাঁর দখলে। ২০০৫ সালে প্রথম বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পান ঝুলন গোস্বামী। এখনও পর্যন্ত খেলেছেন ২৯টি ম্যাচ। ঝুলিতে ভরেছেন ৩৮ উইকেট। বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ উইকেটশিকারের রেকর্ড অস্ট্রেলিয়ার লিন ফুল্টস্টনের দখলে। তাংর সংগ্রহে রয়েছে ৩৯ উইকেট। বৃহস্পতিবার নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলতে নামছেন ঝুলন। এই ম্যাচে ২ উইকেট তুলে নিলেই ফুল্টস্টনকে টপকে যাবেন তিনি। ১৯৬টি একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ইতিমধ্যেই ২৪৭ উইকেট সংগ্রহ করেছেন ঝুলন। আড়াইশো উইকেটের মাইলস্টোনে পৌঁছতে আর মাত্র ৩ উইকেট প্রয়োজন ঝুলনের। বিশ্বের প্রথম মহিলা ক্রিকেটার হিসেবে তিনি এই মাইলস্টোনে পৌঁছবেন। ৩৯ বছর বয়সেও তিনি যে ভাল ছন্দে রয়েছেন, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচেই বুঝিয়ে দিয়েছেন ভারতের এই অভিজ্ঞ জোরে বোলার। ২৬ রানে তুলে নিয়েছিলেন ২ উইকেট। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ব্রেক থ্রু দেওয়ার জন্য দল তাঁর দিকেই তাকিয়ে। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে ঝুলন অবশ্য ব্যক্তিগত রেকর্ড নিয়ে ভাবছেন না। তাঁর মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে দলের সাফল্য। এই নিউজিল্যান্ডের কাছে বিশ্বকাপ শুরুর আগে ১৪ ব্যবধানে সিরিজ হারতে হয়েছিল ভারতকে। বিশ্বকাপে জিততে মরিয়া ভারত। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নামার আগে ঝুলন বলেন, এই রেকর্ডের কথা আমার মাথাতেই ছিল না। আমার কাজ হল দলকে শুরুতেই ব্রেক থ্রু এনে দিয়ে ভালভাবে শুরু করা। দলের সাফল্যে অবদান রাখাটাই আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ কাজ। ঝুলন আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে খেললে বেশ কয়েকটা ব্যক্তিগত মাইলস্টোনে পৌঁছনো সম্ভব। আমার ক্ষেত্রেও সেটাই ঘটেছে। এই রেকর্ডগুলো আমাকে অনেক আনন্দ দিয়েছে। দলের জয়ে অবদান রাখতে পারাটাই আমার কাছে আসল। আমি দলের একজন সৈনিক। সুতরাং ব্যক্তিগত মাইলস্টোন আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়।

মার্চ ০৯, ২০২২
বিদেশ

মানবিক করিডর খুলতেই সুমি থেকে উদ্ধার প্রায় ৭০০ ভারতীয়

১৪ দিনে পড়েছে রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ। ইউক্রেনের একের পর এক শহর দখল হওয়ার পরই উদ্বেগ বেড়েছিল সে দেশে আটকে পড়া ভারতীয়-দের নিয়ে। কেন্দ্র ও বিদেশ মন্ত্রকের উদ্যোগে শুরু করা হয়েছিল অপারেশন গঙ্গা। ইতিমধ্যেই উদ্ধারকার্য শেষ দফায় পৌঁছে গিয়েছে, বাকি ছিল কেবল যুদ্ধবিধ্বস্ত সুমি-তে আটকে থাকা ভারতীয় পড়ুয়াদের উদ্ধার।মঙ্গলবার কেন্দ্রের তরফে জানানো হল, মানবিক করিডরের মধ্যে দিয়ে রাশিয়া-বেলারুশ সীমান্ত ধরে সুমিতে আটকে থাকা সমস্ত ভারতীয়দের উদ্ধার করে বের করে আনা হয়েছে। চলতি সপ্তাহেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ফোনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে কথা বলেছিলেন ভারতীয়দের সুরক্ষিতভাবে উদ্ধার নিয়ে। এরপরই সুমি থেকে ভারতীয়দের উদ্ধারের কথা জানানো হল।Happy to inform that we have been able to move out all Indian students from Sumy.They are currently en route to Poltava, from where they will board trains to western Ukraine.Flights under #OperationGanga are being prepared to bring them home. pic.twitter.com/s60dyYt9U6 Arindam Bagchi (@MEAIndia) March 8, 2022সপ্তাহের শুরুতেই জানা গিয়েছিল, সুমিতে প্রায় ৬০০-রও বেশি পড়ুয়া আটকে ছিল। রাশিয়ার সীমান্ত থেকে ৫০ কিমি দূরে থাকায়, গোলাবর্ষণের মাঝে তাঁদের পায়ে হেঁটে ফেরাও সম্ভব হচ্ছিল না। কেন্দ্রের কাছে পড়ুয়ারা সাহায্যের আর্জি জানালে, তাদের ধৈর্য্য ধরতে ও নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নিতে বলা হয়েছিল। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী সাংবাদিকদের জানান, যে ৬৯৪ জন ভারতীয় পড়ুয়া ইউক্রেনের সুমিতে আটকে ছিল, তাদের উদ্ধার করে আনা হয়েছে। সুমি থেকে তারা পোলটোভার উদ্দেশে বাসে করে রওনা দিয়েছে।সুমি ছাড়াও ইরপিনে আটকে থাকা ভারতীয়দের গ্রিন করিডরের মাধ্যমে উদ্ধারের কথাও জানিয়েছে বিদেশ মন্ত্রক। টুইটে ভারতীয় পড়ুয়াদের বাসযাত্রীর ভিডিয়ো পোস্ট করে বলা হয়েছে, রাশিয়া ইউক্রেনে মানবিক করিডর তৈরির যে প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছিল, তার অধীনেই ভারতীয়দের উদ্ধার করে আনা হচ্ছে।

মার্চ ০৯, ২০২২
বিদেশ

ইউক্রেনে আবার সাময়িক যুদ্ধবিরতি ঘোষণা রাশিয়ার

১৩ দিনে পড়ল রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। ভারতীয় সময় দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ (মস্কোর সময় অনুযায়ী সকাল ১০টা) ফের যুদ্ধবিরতি ঘোযণা করল রাশিয়া। সুমিতে আটকে থাকা ভারতীয় পড়ুয়াদের সুরক্ষিতভাবে দেশে ফেরানোর জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিল ক্রেমলিন। রাশিয়ার বিদেশ মন্ত্রক সুমি-সহ মোট পাঁচ শহরের ছাত্রদের সুরক্ষিতভাবে দেশে ফেরানোর সুবিধা করে দিতে রাজি হয়েছে। সুমি ছাড়া কিভ, খারকিভ, মারিউপোল এবং চারনিগিভ শহরের পড়ুয়াদেরও যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেন ছাড়ার জন্য এই যুদ্ধবিরতি ঘোযণা করা হয়েছে বলেও রাশিয়ার বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে।এর আগেও মানবিক করিডর তৈরি করে দিতে ইউক্রেনের একধিক শহরে সাময়িক যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে রাশিয়া। যদিও ইউক্রেনের দাবি, এ সবই রাশিয়ার নাটক। কারণ এর আগে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেও রুশ সেনা আক্রমণ চালিয়েছে কিভ-সহ বহু শহরে। প্রাণ গিয়েছে সাধারণ মানুষের।এই পরিস্থিতিতে রাশিয়া সাময়িক যুদ্ধবিরতির ডাক দিলেও তা সদর্থকভাবে গ্রহণ করতে পারছে না কিভ।সোমবারও ভারতীয় সময় বেলা সাড়ে ১২টা থেকে খারকিভ, মারিউপুল এবং সুমি শহরে এই যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়। সংবাদ সংস্থার খবর অনুযায়ী, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাকরঁ-র অনুরোধেই এই সিদ্ধান্ত নেন রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন। দিন দুয়েক আগে মাকরেঁর সঙ্গে ফোনে কথা হয় পুতিনের। মনে করা হয়, তার জেরেই এই সিদ্ধান্ত।

মার্চ ০৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সম্প্রীতির অন্য ছবি, ছোট্ট ফাতিমা মিলিয়ে দিল ভারত–পাকিস্তানকে

ভারতের বিরুদ্ধে মহিলাদের বিশ্বকাপে ম্যাচ খেলার জন্য মাউন্ট মাউঙ্গানুইতে পাকিস্তান টিম বাস এসে দাঁড়াতেই একেএকে নেমে আসছিলেন পাক ক্রিকেটাররা। অধিনায়ক বিসমা মারুফের কোলে মাস ছয়েকের এক ফুটফুটে কন্যাসন্তান। অনেকেই অবাক চোখে দেখছিলেন। এইটুকু বাচ্চা নিয়ে বিশ্বকাপের আসরে! অবাক হওয়ারই কথা। ওই ফুটফুটে শিশুই ম্যাচের পর মিলিয়ে দিয়েছিল ভারতপাকিস্তানকে। ধরা পড়ে সম্প্রীতির এক অন্য ছবি। মন ভাল করে দেওয়ার এক অনন্য মুহূর্ত।পাকিস্তান টিম হোটেলেই বলুন কিংবা ড্রেসিংরুমে, অন্য আবহ এনে দিয়েছে অধিনায়ক বিসমা মারুফের ৬ মাসের ফুটফুটে কন্যাসন্তান ফাতিমা। গোটা দলের অনুপ্রেরণা। তাকে দেখেই ক্রিকেটাররা উজ্জীবিত। ছোট্ট ফাতিমাই এখন পাকিস্তান শিবিরের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। তাকে দেখার জন্য, খুনসুটি করার জন্য বিসমার ঘরে ছুটে আসেন অন্য ক্রিকেটাররা। পাক অধিনায়ক বলেন, দলের সতীর্থরা ওর সঙ্গে খেলা করার জন্য, আদর করার জন্য আমার ঘরে ছুটে আছে। দলের মধ্যে অন্যরকম এনার্জি এনে দিয়েছে আমার ছোট্ট মেয়ে। প্র্যাকটিসের পর অনেকেই আমার ঘরে ছুটে আসে। কয়েক ঘন্টা ওকে কাছে না পেলে খুব মিস করে। কেউ যদি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে তাহলে আমার ঘরে ফাতিমার সঙ্গে খেলা করে। ওকে কাছে পেলে সবাই রিল্যাক্স থাকে। কোনও বিষয়ের ওপর যেখন বেশি ফোকাস, চাপ তৈরি হয়। একজন শিশু কাছে থাকলে, সব চিন্তা দূর হয়ে যায়।Bismah Maroofs legacy will go far beyond her achievements on the field. In a society that often tells women to make choices between career and family, shes showing that you can have both! Such an inspiring person.pic.twitter.com/Vp7EB2iwKd Aatif Nawaz (@AatifNawaz) March 6, 2022ছোট্ট মেয়েকে সামলাতে কোনও সমস্যা হয়না বিসমার। মেয়ে ঘুম থেকে ওঠার আগেই প্র্যাকটিসে চলে যান। যদি কোনও দিন বিসমার প্র্যাকটিসে যাওয়ার আগেই বিসমা উঠে পড়ে, সামলানোর দায়িত্ব বিসমার মায়ের। অধিকাংশ দিনই প্র্যাকটিস থেকে ফেরার পর মেয়ের সঙ্গে দেখা হয় বিসমার। মাকে কাছে না পেলেও অস্বাভাবিক আচরণ করে না ছোট্ট ফাতিমা। তবে মা ফিরে এলে ছাড়তেই চায় না।চলতি বিশ্বকাপে বিসমা ছাড়াও আরও ৭ জন ক্রিকেটার খেলছেন, যাদের সন্তান রয়েছে। তবে পাকিস্তানী ক্রিকেটার হিসেবে তিনিই প্রথম, যিনি সন্তান জন্ম দেওয়ার পরও ক্রিকেট থেকে সরে যাননি। এই ব্যাপারে তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন পাকিস্তান কোচ ডেভিড হেম্প ও পাকিস্তান মহিলা ক্রিকেটের চেয়ারম্যান উরুজ মুমতাজ। ২০২১ সালের আগস্টে তিনি মা হন। তার আগেই কোচ ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে কথা বলেছিলেন মিসবা। তাঁদের কাছ থেকে দলে ফেরার আশ্বাস পেয়েছিলেন। মিসবা বলেন, বোর্ড এ ভাবে পাশে না দাঁড়ালে হয়তো ক্রিকেট ছাড়তে হত আমায়। এখন আমি মা-কে সব সময় সঙ্গে রাখি। জানি মেয়ে নিরাপদে রয়েছে। মা হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরে আসা এক অসাধারণ অনুপ্রেরণা। গোটা বিশ্বের সমস্ত মহিলা ক্রীড়াবিদদের জন্যেই বিসমা মারুফ এক অনুপ্রেরণা।চলতি বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জেতার পর বিসমা মারুফ যখন ম্যাচ শেষে সাক্ষাৎকার দিচ্ছিলেন তখন দেখা যায় ড্রেসিংরুমের বাইরে বিসমার মেয়ের সঙ্গে খেলছেন ভারতীয় দলের সদস্যরা। কেউ গাল টিপছেন, কেউ আদর করছেন। বিসমা মারুফ এসে তাকে কোলে তুলে নেওয়ার পরও হরমনপ্রীত কউর, স্মৃতি মন্ধনা, একতা বিস্তদের দিকে হাসি হাসি মুখে চেয়ে ছিল খুদেটি। দেখেই বোঝা যাচ্ছিল তাঁকে ঘিরে ভারতীয় ক্রিকেটারদের মাতামাতি বেশ উপভোগ করছেন পাক অধিনায়কের কন্যা।

মার্চ ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে রেকর্ড বাংলার মেয়ে রিচা ও মিতালি'র, পাকিস্তানকে বিধ্বস্ত করল ভারত

ক্রিকেটে ভারতপাকিস্তান মানেই টানটান উত্তেজনা। গতবছর পুরুষদের টি২০ বিশ্বকাপে এই ছবিটা দেখা যায়নি। একপেশে ম্যাচে ভারতকে বিধ্বস্ত করেছিলেন বাবর আজমরা। বিরাট কোহলিদের সেই পরাজয়ের মধুর প্রতিশোধ নিলেন মিতালি রাজরা। মহিলাদের বিশ্বকাপের একপেশে ম্যাচে পাকিস্তানকে ১০৭ রানে উড়িয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল ভারত। একদিনের বিশ্বকাপে অভিষেক ম্যাচেই উইকেটের পেছনে পাঁচটি শিকার করে রেকর্ড গড়লেন বাংলার রিচা ঘোষ। একমাত্র মহিলা ক্রিকেটার হিসেবে ৬টি বিশ্বকাপ খেলার অনন্য নজির গড়লেন ভারতের অধিনায়ক মিতালি রাজও। নিউজিল্যান্ডের মাউন্ট মাউঙ্গানুইতে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক মিতালি রাজ। শুরুটা ভাল হয়নি ভারতের। ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই আউট হন শেফালি ভার্মা (০)। এরপর স্মৃতি মান্ধানা ও দীপ্তি শর্মা জুটি দলকে টেনে নিয়ে যান। দ্বিতীয় উইকেটের জুটিতে ৯২ রান তুলে চাপ কাটান। ৪০ রান করে বাইশতম ওভারের শেষ বলে আউট হন দীপ্তি। এরপরই ধস নামে ভারতের ইনিংসে। ২ ওভার পরেই আউট হন ওপর ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা। ৭৫ বলে তিনি করেন ৫২। স্মৃতি আউট হওয়ার পরপরই ফিরে যান হরমনপ্রীত কাউর (৫), রিচা ঘোষ (১), মিতালি রাজরা (৯)। একসময় ১১৪ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে যথেষ্ট চাপে পড়ে যায় ভারত। এরপর রুখে দাঁড়ান স্নেহ রানা ও পূজা বস্ত্রকার। পাল্টা আক্রমণ শানিয়ে পাকিস্তান বোলারদের ছন্দ নষ্ট করে দেন। দুজনে মিলে জুটি বেঁধে তোলেন ১২৪। ৫৯ বলে ৬৭ রান করে আউট হন পূজা বস্ত্রকার। ৪৮ বলে ৫৩ রান করে অপরাজিত থাকেন স্নেহ রানা। ৩ বলে ৬ রান করে অপরাজিত থাকেন ঝুলন গোস্বামী। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ভারত তোলে ২৪৪/৭। ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তানের দুই ওপেনার সিদ্রা আমিন ও জাভেরিয়া খান ভারতের দুই প্রারম্ভিক বোলার ঝুলন গোস্বামী ও মেঘনা সিংয়ের আঁটোসাটো বোলিংয়ের সামনে একেবারেই সুবিধা করতে পারেননি। পাওয়ার প্লেতে পাকিস্তানের রান তোলার গতি খুবই মন্থর ছিল। পরের দিকে রানের গতি বাড়াতে গিয়ে রাজেশ্বরীকে উইকেট উপহার দেন জাভেরিয়া (১১)। আর পাকিস্তান অধিনায়ক বিসমা মারুফকে (১৫) তুলে নেন দীপ্তি শর্মা। ওমাইমা সোহেলকে (৫) ফেরান স্নেহ রানা। দ্বিতীয় স্পেলে বোলিং করতে এসে সিদ্রা আমিন (৩০) ও নিদা দারকে (৪) তুলে নেন ঝুলন গোস্বামী। এরপরই রাজেশ্বরীর দাপটে ভেঙে পড়ে পাকিস্তানের ব্যাটিং। ৪৩ ওভারে ১৩৭ রানে গুটিয়ে পাকিস্তান। ৩১ রানে ৪ উইকেট নেন রাজেশ্বরী। ২৬ রানে ২ উইকেট নেন ঝুলন গোস্বামী। ২৭ রানে ২ উইকেট স্নেহ রানার। এদিকে, প্রথম উইকেটকিপার হিসেবে বিশ্বকাপের অভিষেক ম্যাচেই পাঁচটি শিকার করে রেকর্ড গড়লেন রিচা শর্মা। উইকেটের পেছনে সিদ্রা আমিন, বিসমা মারুফ, নিদা দার ও নাশরা সান্ধুর ক্যাচ ধরেন। আলিয়া রিয়াজকে দুর্দান্ত স্টাম্পড করেন। অন্য কোনও ক্রিকেটারের এই নজির নেই। ৬টি বিশ্বকাপ খেলে নজির গড়েছেন মিতালি রাজও। ৫টি করে বিশ্বকাপ খেলার নজির রয়েছে নিউজিল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার ডেবি হকলে ও ইংল্যান্ডের শার্লট এডওয়ার্ডসের। তাঁদের রেকর্ড ভেঙে দিলেন মিতালি। মহিলা ও পুরুষ মিলিয়ে তৃতীয় ক্রিকেটার হিসেবে ৬টি বিশ্বকাপ খেলার নজির স্পর্শ করলেন। এই কৃতিত্ব রয়েছে জাভেদ মিয়াঁদাদ ও শচীন তেন্ডুলকারের।

মার্চ ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌কোহলির শততম টেস্টে নজর কাড়লেন জাদেজা, স্পর্শ করলেন ৬০ বছরের পুরনো রেকর্ড

ভারত-শ্রীলঙ্কা মোহালি টেস্টে সকলের নজর ছিল বিরাট কোহলির দিকে। এটাই ছিল কোহলির শততম টেস্ট। মাইলস্টোনের ম্যাচে প্রাক্তন অধিনায়কের ব্যাটে স্মরনীয় কিছু দেখতে চেয়েছিলেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। শততম টেস্টে মাত্র ১ ইনিংস ব্যাট করার সুযোগ পেয়েছিলেন কোহলি। হাফসেঞ্চুরিও করতে পারেননি। যাবতীয় নজর কেড়ে নিলেন রবীন্দ্র জাদেজা। স্পর্শ করলেন ভারতীয় ক্রিকেটের ৬০ বছরের পুরনো রেকর্ড। তাঁর দাপটেই তিনদিনের কম সময়ে শ্রীলঙ্কাকে ইনিংস ও ২২২ রানে হারিয়ে টেস্ট সিরিজে ১০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ভারত। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে ৮ উইকেটে ৫৭৪ রান তুলে ইনিংস সমাপ্তি ঘোষণা করেছিল ভারত। রবীন্দ্র জাদেজা ১৭৫ রানে অপরাজিত ছিলেন। জবাবে দ্বিতীয় দিনের শেষে শ্রীলঙ্কা তোলে ৪ উইকেটে ১০৮ রান। পাথুম নিসাঙ্কা ২৬ ও চরিথ আসালঙ্কা ১ রানে ক্রিজে ছিলেন। এদিন দলের ১৬১ রানের মাথায় আসালঙ্কাকে (২৯) তুলে নিয়ে শ্রীলঙ্কাকে প্রথম ধাক্কা দেন যশপ্রীত বুমরা। দুওভার পরেই নিরোসান ডিকওয়েলাকে (২) তুলে নেন রবীন্দ্র জাদেজা। একই ওভারে ফেরান সুরঙ্গা লাকমলকে (০)। লাকমল ফেরার পরপরই পরিস্কার হয়ে যায় যে, বেশিদুর এগোতে পারবে না শ্রীলঙ্কা। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির কিছুক্ষণ আগেই ১৭৪ রানে গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কার ইনিংস। পাথুম নিসাঙ্কা একা লড়াই করে ৬১ রানে অপরাজিত থাকেন। ভারতের হয়ে বুমরা ও অশ্বিন ২টি করে উইকেট নেন। ব্যাট হাতে সাফল্যের পর বল হাতেও দু্র্দান্ত মুন্সিয়ানা দেখিয়ে ৪১ রানে ৫ উইকেট তুলে নেন রবীন্দ্র জাদেজা। ৬০ বছর পরে ভারতীয় ক্রিকেটে অনন্য নজির গড়লেন রবীন্দ্র জাদেজা। প্রথম ইনিংসে ব্যাট হাতে ১৭৫ রান করেন তিনি। বল হাতে শ্রীলঙ্কার প্রথম ইনিংসে ৪১ রানে ৫ উইকেট তুলে নেন। পর পর দুবলে বিশ্ব ফার্নান্ডো ও লাহিরু কুমারাকে আউট করে পাঁচ বছর পরে ফের টেস্টে এক ইনিংসে ৫ উইকেট নিলেন জাদেজা। একই টেস্টে ১৫০র বেশি রান ও ৫ উইকেটের কৃতিত্ব এর আগে রয়েছে দুই ভারতীয়র। ১৯৫২ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভিনু মানকড় এক টেস্টে করেছিলেন ১৮৪ রান ও বল হাতে ১৯৬ রানে নিয়েছিলেন ৫ উইকেট। তার ১০ বছর পরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে পলি উমরিগড় এক টেস্টে ১৭২ রান করেছিলেন ও ১০৭ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন। ভারতীয় হিসেবে রবীন্দ্র জাদেজা এই তালিকায় তৃতীয় ক্রিকেটার যিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন। ভারতীয়রা ছাড়া এই তালিকায় রয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ডেনিস অ্যাটকিনসন, গ্যারি সোবার্স ও পাকিস্তানের মুস্তাক মহম্মদ। প্রথম ইনিংসে ৪০০ রানে এগিয়ে যাওয়ায় শ্রীলঙ্কাকে ফলোঅন করায় ভারত। দ্বিতীয় ইনিংসেও সেই ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়ে শ্রীলঙ্কা। তৃতীয় ওভারেই হারায় লাহিরু থিরিমানেকে (০)। তাঁকে তুলে নেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। সেই ধাক্কা আর সামলাতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। প্রথম ইনিংসে লড়াই করা পাথুম নিসাঙ্কা করনে মাত্র ৬ রান। তিনিও অশ্বিনের শিকার। দ্বিতীয় ইনিংসে ৬০ ওভারে ১৭৮ রানে গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কার ইনিংস। নিরোসান ডিকওয়েলা ৫১ রানে অপরাজিত থাকেন। অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ করেন ২৮, ধনঞ্জয় ডিসিলভা ৩০, আসালঙ্কা ২০। ভারতের হয়ে অশ্বিন ৪৭ রানে ৪টি ও জাদেজা ৪৬ রানে ৪টি উইকেট নেন। এদিন কপিলদেবের ৪৩১ টেস্ট উইকেটের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন অশ্বিন।

মার্চ ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌প্রথম টেস্টে চালকের আসনে ভারত, আবার বিতর্কে দ্রাবিড়

মোহালিতে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে দ্বিতীয় দিনেই চালকের আসনে ভারত। এদিন চা বিরতির পর ৮ উইকেটে ৫৭৪ রান তুলে ইনিংস সমাপ্তি ঘোষণা করেন রোহিত শর্মা। দুরন্ত ব্যাটিং রবীন্দ্র জাদেজার। ১৭৫ রানে অপরাজিত রইলেন তিনি। জবাবে দিনের শেষে ৪ উইকেটে ১০৮ রান। ভারতের ইনিংস ডিক্লেয়ার নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিতর্কে আবার নাম জড়িয়েছে হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড়ের। তাঁর জন্যই নাকি দ্বিশতরান হাতছাড়া হয়েছে রবীন্দ্র জাদেজার।এদিন মোহালিতে ফিরে এল ২০০৪ সালে ২৯ মার্চের স্মৃতি। মুলতানে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সেই টেস্টে ভারতের নেতৃত্বে ছিলেন রাহুল দ্রাবিড়। দ্বিতীয় দিন চা বিরতির সময় ভরতের রান ছিল ৫৮৮/৪। শচীন তেন্ডুলকার ১৬৫ রানে অপরাজিত ছিলেন। চা বিরতির পর ৩৫ বলে ২৯ রান করার পরেও শচীনকে দ্বিশতরান করার সুযোগ দেননি অধিনায়ক দ্রাবিড়। যুবরাজ আউট হতেই ইনিংস ডিক্লেয়ার করে দেন। দ্রাবিড়। শচীন তখন ১৯৪ রানে অপরাজিত। দ্রাবিড় এখন ভারতের কোচ। এদিন জাদেজা যেভাবে ব্যাট করছিলেন, সেঞ্চুরি করতে বেশিক্ষণ সময় লাগত না। কিন্তু ভারতীয় থিঙ্কট্যাঙ্ক অপেক্ষা করেনি। ইনিংস ডিক্লেয়ারের সিদ্ধান্ত দ্রাবিড়ের মস্তিষ্কপ্রসূত। শচীন ও জাদেজার দ্বিশতরান থেকে বঞ্চিত হওয়ার নেপথ্যে থেকে গেলেন সেই রাহুল দ্রাবিড়। ১৮ বছর আগে তিনি ছিলেন অধিনায়ক আর এখন কোচ।আগের দিন ২২৮ রানের মাথায় ভারতের পঞ্চম উইকেট পড়েছিল। শ্রেয়স আয়ার ২৭ রানে আউট হওয়ার পর ঋষভ পন্থের সঙ্গে জুটি বাঁধেন রবীন্দ্র জাদেজা। দুজনের জুটিতে ওঠে ১০৪ রান। জাদেজাঅশ্বিন জুটিতে ওঠে ১৩০। ৬১ রান করে আউট হন অশ্বিন। ভারতের অষ্টম উইকেট পড়ে ৪৭১ রানের মাথায়। মাত্র ২ রান করে আউট হন জয়ন্ত যাদব। জাদেজামহম্মদ সামির নবম উইকেট জুটিতে ওঠে ১০৩। জাদেজা সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ১৬০ বলে। ১৫০ রানে পৌঁছান ২১১ বলে। সামি ৩৪ বল খেলে ২০ রানে অপরাজিত থাকেন। রবীন্দ্র জাদেজা অপরাজিত থাকেন ১৭৫ রানে। খেলেন ২২৮ বল। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ১৭টি চার ও ৩টি ছয়।চা বিরতির পর ইনিংস শুরু করে শ্রীলঙ্কা। ৪৮ রানে প্রথম উইকেট হারায়। লাহিরু থিরিমানেকে তুলে নেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। থিরিমানে ৬০ বলে ১৭ রান করেন। করুণারত্নে ৭১ বলে ২৮ রান করে রবীন্দ্র জাদেজার শিকার। ৩৯ বলে ২২ রান করে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউজ যসপ্রীত বুমরার বলে লেগ বিফোর হন।অশ্বিন ১৩ ওভারে ২১ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন। রবীন্দ্র জাদেজা ৩০ রানে নিয়েছেন ১ উইকেট। যশপ্রীত বুমরা ২০ রান দিয়ে ১টি উইকেট দখল করেছেন।

মার্চ ০৫, ২০২২
রাজ্য

আতঙ্কে আন্ডারগ্রাউণ্ড ও বাংকারে দিন কাটানো, তারপর টানা হাঁটা, বর্ধমানের বাড়িতে ফিরলো দুই পড়ুয়া

যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউক্রেণে আন্ডারগ্রাউণ্ডের মধ্যে শ্বাসকষ্ট সহ্য করেই দিন কাটছিল ডাক্তারি পড়ুয়া ছেলের। সেই কথা জানতে পারার পর থেকে চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটছিল পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীর শেখ আকিব মহম্মদের বাবা মায়ের। অবশেষে অবসান হল উৎকণ্ঠার। রাশিয়ান সেনাদের হামলায় তছনছ হয়ে যাওয়া ইউক্রেনের খারকিভ থেকে শনিবার সকালেই বাড়ি ফিরে আসতে সক্ষম হয়েছে শেখ আকিব। ছেলে যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউক্রেণ থেকে বাড়ি ফিরে আসতে পারায় স্বস্তি ফিরেছে আকিবের বাবা মায়ের। খুশি প্রতিবেশীরাও। স্থানীয় বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায় এদিনই আকিবের বাড়িতে পৌছে তাঁর হাতে পুষ্পস্তবক তুলে দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। পূর্বস্থলীর চুপি কালিতলা এলাকায় বাড়ি শেখ আকিব মহম্মদের। সে ২০১৮ সালে ইউক্রেণের খারকিভ ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজে ডাক্তারি পড়ার জন্য যায়। দিন দশেক আগে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। তখন যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউক্রেণের খারকিভে আটকে পড়ে ডাক্তারি পড়ুয়া এই বাঙালি যুবক। গত বৃহস্পতিবার থেকে তিন দিন আকিব সহ প্রায় পাঁচ শতাধীক ভারতীয় ছাত্রছাত্রীর ঠাঁই হয় সেখানকার আন্ডারগ্রাউন্ডে। আকিব জানিয়েছে,চেহারা মোটাসোটা হওয়ায় আন্ডারগ্রাউন্ডে তাঁর খুব শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল।এটিএম পরিষেবা বন্ধ থাকায় খাবারদাবার কিনে খাওয়াও সেখানে দুরহ হয়ে পড়ে। সামান্য কিছু শুকনো খাবার খেয়ে আতঙ্ক বুকে নিয়েই আন্ডারগ্রাউণ্ডে তাঁকে দিন কাটাতে হয়। গত ১ মার্চ সকালে তাঁরা আন্ডারগ্রাউণ্ড থেকে বেরিয়ে রেলওয়ে স্টেশনে যান। সেখান থেকে ট্রেন ধরে তাঁরা পোলান্ড বর্ডারে পৌছান। ইন্ডিয়ান এম্বাসি পোলাণ্ড বর্ডার থেকে তাঁদেরকে দিল্লিতে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করে। ৪ মার্চ দিল্লিতে পৌছান। শনিবার সকালে দিল্লী থেকে পূর্বস্থলীর চুপির বাড়িতে ফেরেন। আকিবের বাবা শেখ আমজাদ বলেন, আমার ছেলে বাড়ি ফিরতে পারলেও এখনও অনেক ভারতীয় ছাত্রছাত্রী দেশে ফিরতে পারেনি। যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউক্রেন থেকে ওইসব ভারতীয় ছাত্রছাত্রীদের যত দ্রুত সম্ভব দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করুক ভারত সরকার। আকিমের মতোই এদিন ইউক্রেণ থেকে বর্ধমানের নারান দিঘীর বাড়িতে ফিরেছে কম্পিউটার সায়েন্স পড়ুয়া ছাত্র রোহিত ভগত। বাংকারে কয়েকদিন কাটিয়ে তার পর সাত কিমি পথ হেঁটে পোল্যান্ড বর্ডারে পৌছায় রোহিত। সেখান থেকে ভারতীয় এম্বাসির ব্যবস্থাপনায় অনেক কষ্টে বাড়ি ফিরে আসতে পারলেও স্বস্তিতে নেই রোহিত। কোর্সের ফাইনাল ইয়ার শেষ হতে তাঁর আর তিন মাস বাকি ছিল। এই অবস্থায় শিক্ষাগত ডিগ্রীর ভবিষ্যৎ কি হবে সেটা ভেবেই রোহিতের দুশ্চিন্তা এখন বহুগুন বেড়ে গিয়েছে। রোহিত জানিয়েছে, কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং করার জন্য তিনি ২০১৮ সালে ইউক্রেণে যান। বাকি ছিল ফোর্থ ইয়ারের আর তিন মাসের কোর্স। সামনের জুন মাসেই ফাইনাল পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। এরই মধ্যে হঠাৎ করে ইউক্রেনের ওপর রাশিয়া গোলা বারুদের আঘাত হানা শুরু করেদেয়। তার করণে সমগ্র ইউক্রেণ জুড়ে তৈরি হয়েযায় যুদ্ধ পরিস্থিতি। এই অবস্থায় প্রাণ বাঁচানোর জন্য তাঁদের কয়েক দিন বাংকারের মধ্যে কাটাতে হয়। কোনওক্রমে সেখান থেকে তাঁরা লিভিয়া পৌছান। পরে সাত কিলোমিটার হেঁটে সেখান থেকে পোলান্ড বর্ডারের নতুন চেকপোস্টে হাজির হন। যেটা খুলেছিল ভারতীয় এম্বাসি, সেই চেকপোস্ট দিয়ে ভারতীয় এম্বাসি থেকে তাঁদের বাসে করে নিয়ে যাওয়া হয় পোল্যান্ডের ইন্ডিয়ান এম্বাসির ভাড়া করা হোটেলে। সেটিকেও ক্যাম্প বলা যেতে পারে। ওই ক্যাম্পে ছশোর উপর ভারতীয় ছাত্র ছাত্রী ছিল। দেশে ফেরার জন্য সেখান থেকেই সমস্ত ব্যবস্থা করে দেয় ইন্ডিয়া এম্বাসি।শেষপর্যন্থ শনিবায় সকালে বর্ধমানের বাড়িতে ফিরে আসতে পেরেছেন বলে রোহিত জানান। ছেলে বাড়ি ফিরে আসায় খুশি রোহিতের পরিবার। তবে ছেলের লেখাপড়া ভবিষ্যৎ নিয়ে তারাও যথেষ্ট চিন্তায় পড়ে গিয়েছেন।

মার্চ ০৫, ২০২২
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রীর বিমান বিভ্রাটের কারণ জানতে চেয়ে এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়াকে চিঠি নবান্নের

রাজ্য সরকার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিমান বিভ্রাটের কারণ জানতে চেয়ে এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়াকে চিঠি দিয়েছে। শুক্রবার সেখানে কী হয়েছিল জানতে চেয়ে আজ মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী রিপোর্ট তলব করেছেন বলে নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে। বারাণসী থেকে মুখ্যমন্ত্রী যখন রাজ্য সরকারের ভাড়া করা বিমানে ফিরছিলেন তখন তা কোনও এয়ার পকেটে পড়েছিল কি না চিঠিতে সেটিও জানতে চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের সঙ্গেও রাজ্যের তরফে কথা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফিরছিলেন বারাণসী থেকে। তখন তাঁর বিমান এয়ারপকেটে পড়েছিল কি না তা বিস্তারিতভাবে জানতে চাওয়া হল নবান্নের পক্ষ থেকে এয়ারপোর্ট অথরিটির কাছে। রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব বিপি গোপালিকা চিঠি লিখেছেন এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়াকে। কলকাতায় বিমান নামার আগে প্রচণ্ড ঝাঁকুনি হয়। তাই বিষয়টি তিনি জানতে চেয়েছেন।রাজ্য প্রশাসনের তরফে বিষয়টি নিয়ে বেশি উদ্বেগের কারণ, শুক্রবার কলকাতারআকাশ যথেষ্ট পরিষ্কার ছিল। মেঘ, বৃষ্টি, ঝড় কোনওটাই ছিল না। তা সত্ত্বেও বিমানটি আচমকা একটি ঝঞ্ঝার মুখোমুখি হয়।ফলে পাইলট অত্যন্ত দ্রুততায় উচ্চতা প্রায় পাঁচ হাজার ফুট নামিয়ে আনেন। ফলে প্রবল ঝাঁকুনি ও উথালপাথাল হল বিমানে। বিমানের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর সহযাত্রীরা অবশ্য জানতে পেরেছিলেন, তাঁদের বিমানের সামনে অন্য একটি বড় বিমান এসে পড়েছিল। সেটিই হল বিপত্তির কারণ। কিন্তু নবান্নের শীর্ষ কর্তারা এমন উত্তরে সন্তুষ্ট নন। তাঁরা চান এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়া ও অসামরিক বিমান প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের কাছ থেকে এ বিষয়ে স্পষ্ট জবাব চাইছে নবান্ন। যদিও মুখ্যমন্ত্রীর বিমান বিভ্রাট নিয়ে এখনও এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়া বা অসামরিক বিমান প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের কোনও বিবৃতি প্রকাশ্যে আসেনি।

মার্চ ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌শততম টেস্টে বড় রান করতে ব্যর্থ কোহলি, পন্থের দাপটে ভারত ভাল জায়গায়

টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে রোহিত শর্মার প্রথম টেস্ট। মাইলস্টোনের ম্যাচ বিরাট কোহলিরও। মোহালিতে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে জীবনের শততম টেস্ট খেলতে নেমেছিলেন কোহলি। মাইলস্টোনের ম্যাচে অনেকেই কোহলির কাছ থেকে সেঞ্চুরি প্রত্যাশা করেছিলেন। তাঁর ভক্তদের হতাশ করলেন কোহলি। শততম টেস্টে বড় রান করতে ব্যর্থ। অধিনায়ক রোহিত শর্মাও নিজেকে মেলে ধরতে পারলেন না। তা সত্ত্বেও প্রথম দিনের শেষে বড় রান ভারতের। ৬ উইকেটে তুলল ৩৫৭। সৌজন্যে ঋষভ পন্থ। যদিএ ধৈর্য হারিয়ে মাত্র ৪ রানের জন্য সেঞ্চুরি পেলেন না ভারতীয় দলের এই উইকেটকিপার ব্যাটার। মোহালিতে আইএস বিন্দ্রা স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ভারত। ভাল শুরু করেছিলেন দুই ওপেনার মায়াঙ্ক আগরওয়াল ও রোহিত শর্মা। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৫২। এরপরই লাহিরু কুমারার বলে আউট হন রোহিত (২৯)। লোকেশ রাহুলের পরিবর্তে ওপেন করতে নামা মায়াঙ্ক আগরওয়াল ৩৩ রান করে এমবুলদেনিয়ার বলে লেগ বিফোর আউট হন। ৮০ রানের মধ্যে সাজঘরে ফেরেন ভারতের দুই ওপেনার।চেতেশ্বর পুজারার বিকল্প হিসেবে হনুমা বিহারিকে তিন নম্বরে সুযোগ দিয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট। সুযোগের সদব্যবহার করলেন হনুমা। কোহলির সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে টেনে নিয়ে যান। জুটিতে ওঠে ৯০। শততম টেস্টে কোহলির দিকে তাকিয়েছিলেন সকলেই। অনেকেই ভেবেছিলেন, দীর্ঘদিন বড় রান না পাওয়া কোহলি ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে জ্বলে উঠবেন। ভাল শুরু করেও শেষরক্ষা করতে পারেননি। এমবুলদেনিয়ার স্পিনে পরাস্ত হয়ে বোল্ড হন কোহলি। ৭৬ বলে তিনি করেন ৪৫। এদিন টেস্ট ক্রিকেটে ৮০০০ রান পূর্ণ করেন তিনি। কোহলি যখন আউট হন ভারতের রান ১৭০। কোহলি আউট হওয়ার পরপরই ফেরেন হনুমা বিহারি। তিনি করেন ৫৮। শ্রেয়স আয়ারও (২৭) বড় রান পাননি।Listen in to what Virat Kohli has to say on his playing his landmark Test today. @Paytm #INDvSL | @imVkohli pic.twitter.com/MAtUcgJcVo BCCI (@BCCI) March 4, 2022৫ নম্বরে ক্রিজে নেমে স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গীতে ব্যাট করতে থাকেন ঋষভ পন্থ। ৭৩ বলে হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। এরপর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন। লসিথ এমবুলদেনিয়ার ১ ওভারে নেন ২২। ম্যাচের দ্বিতীয় নতুন বলে সুরঙ্গা লাকমলের ওভারে বোল্ড হন ঋষভ। ৯টি ৪ ও ৪টি ৬য়ের সাহায্যে ৯৭ বলে ৯৬ রান করে ঋষভ। রবীন্দ্র জাদেজার সঙ্গে জুটিতে তোলেন ১০৪। এই নিয়ে ৫ বার নব্বইয়ের ঘরে আউট হলেন ঋষভ। দিনের শেষে ভারত ৮৫ ওভারে তোলে ৩৫৭/৬। রবীন্দ্র জাদেজা ৪৫ ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন ১০ রানে ক্রিজে রয়েছেন।

মার্চ ০৪, ২০২২
বিদেশ

পোলান্ড সীমান্তের কাছে গুলিবিদ্ধ ভারতীয় পড়ুয়া, ভর্তি হাসপাতালে

কিভ থেকে ফেরার পথে গুলিবিদ্ধ হলেন ভারতীয় পড়ুয়া। কিভ থেকে পোলান্ড সীমান্তের দিকে আসার পথে এই পড়ুয়া গুলিবিদ্ধ হন। তাঁকে মাঝ পথ থেকে ফিরিয়ে নিয়ে গিয়ে কিভের একটা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। অসামরিক বিমান চলাচল প্রতিমন্ত্রী ভিকে সিং বিষয়টি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, কিভের একজন ছাত্র গুলিবিদ্ধ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে এবং তাকে অবিলম্বে কিভের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে ওই ছাত্রের পরিচয় এখনও প্রকাশ্যে আনা হয়নি।এর আগেও রুশ হামলার মুখে পড়ে প্রাণ হারান কর্নাটকের বাসিন্দা এক মেডিক্যাল পড়ুয়া। মঙ্গলবার খারকিভে বোমা বিস্ফোরণের ফলে এই ভারতীয় পড়ুয়ার মৃত্যু হয়। এই পড়ুয়া উত্তর কর্নাটকের বাসিন্দা। মৃত পড়ুয়ার নাম নবীন শেখারাপ্পা জ্ঞানগউধর। নবীন মেডিক্যাল কলেজের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র ছিলেন। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে দোকানের লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন নবীন। সেই মুহূর্তেই ওই জায়গায় আছড়ে পড়ে রুশ বোমা। এর ফলেই তাঁর মৃত্যু হয়। ইউক্রেনে আটকে পড়া ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনতে ১৯টি বিমান চালাচ্ছে বায়ুসেনা এবং দেশের বিমান সংস্থাগুলি। বৃহস্পতিবার থেকেই উদ্ধারকাজে নেমেছে এই বিমানগুলি। এদিকে যুদ্ধ কবলিত ভিন্ দেশ থেকে ঘরে ফেরার চেষ্টা। কিন্তু সীমান্ত পেরোনোর আগেই সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন। সেই সুযোগে সর্বস্ব লুট। কনকনে শীতে গরম জামা-জুতো লুট করতেও কার্পণ্য করেনি লুটেরা। এমন অবস্থায় এক ইউক্রেনীয় পরিবারে তিন রাতের আশ্রয় মেলে। অবশেষে প্রবাসী বাঙালির সাহায্যে পোল্যান্ডের অ্যাম্বুল্যান্সে চড়ে সীমান্ত পার। জীবনের এমনই ঘটনাবহুল কয়েকটি দিন কাটিয়ে আজ, শুক্রবার পোল্যান্ড থেকে উড়ানে ফিরছেন অসমের গুয়াহাটির বাসিন্দা এক যুবক। ঘটনার আকস্মিকতায় বিধ্বস্ত যুবক পিছনের কটা দিন মনে করতেই বার বার আতঙ্কিত এবং উত্তেজিত হয়ে যাচ্ছেন।

মার্চ ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌শততম টেস্টের মাইলস্টোনের সামনে দাঁড়িয়ে এ কী কথা বললেন কোহলি!‌

দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধেই খেলা হয়ে যেত জীবনের শততম টেস্ট। চোটের জন্য সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট থেকে সরে দাঁড়ানোয় মাইলস্টোনে পৌঁছনো সম্ভব হয়নি বিরাট কোহলির। অবশেষে শুক্রবার মোহালিতে আসছে সেই স্মরণীয় মুহূর্ত। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে খেলতে নামছেন জীবনের শততম টেস্ট। ক্রিকেটজীবনের এই মাইলস্টোনের সামনে এসে দাঁড়িয়ে আপ্লুত কোহলি। অপেক্ষায় রয়েছেন কখন আসবে সেই সোনালী মুহূর্ত।জাতীয় দলের জার্সি গায়ে চাপানোর দিনও কোহলি ভাবেননি দেশের হয়ে ১০০ টেস্ট খেলতে পারবেন। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের ওয়েবসাইটে এক সাক্ষাৎকারে কোহলি বলেন, দেশের হয়ে খেলাটাই আমার কাছে স্বপ্ন ছিল। ভাবিনি কোনও দিন ১০০ টেস্ট খেলতে পারব। ঈশ্বরের আশীর্বাদ থাকায় খেলতে পারছি। শততম টেস্ট যে শেষ পর্যন্ত খেলতে পারছি, তার জন্য আমি আপ্লুত। নিজের ফিটনেসের ওপর জোর দিয়েছি। এটা আমার পরিবার, কোচের কাছে গর্বের মুহূর্ত। প্রত্যেকে আমার জন্য খুশি এবং গর্বিত। কোহলি আরও বলেন, কী পাব, কী পাব না, তা নিয়ে কখনও ভাবিনি। সামনে যে সুযোগ এসেছে, সেটাই কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছি। বরাবরই লক্ষ্য থাকত বড় রান করার। প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেট খেলার আগে জুনিয়র ক্রিকেটে আমার ৭৮টা প্রচুর দ্বিশতরান ছিল। কখনও ছোট ইনিংস খেলার কথা ভাবিনি, যত বেশি সময় সম্ভব ব্যাট করতে চাইতাম। টেস্ট ক্রিকেটকেই আসল ক্রিকেট মনে করেন কোহলি। তাঁর মতে, ক্রিকেটারের দক্ষতা, প্রতিভার বিচার হয় টেস্ট ক্রিকেটেই। টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরির কথা আজও চোখের সামনে ভাসছে কোহলির। তাঁর কথায়, অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ওদের মাটিতেই প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি করেছিলাম। ওই দিনটারস কথা আমার কাছে সারাজীবন মনে থাকবে। আমার মতো একজন তরুণ ক্রিকেটারকে ওই সেঞ্চুরি অনেকটাই আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছিল। ওই টেস্টের পর থেকেই আমি খেলায় আরও উন্নতি করতে শুরু করি। আত্মবিশ্বাসও বেড়ে যায়। টেস্ট ক্রিকেট খেলার জন্য অনেক পরিশ্রমও করতে হয়েছে বলে দাবি করেন কোহলি। তাঁর কথায়, হঠাৎ করে টেস্ট ক্রিকেট খেলতে শুরু করিনি। এরজন্য আমাকে কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে। টেস্ট ক্রিকেট বাঁচিয়ে খেলাটাকে উপভোগ্য করে তোলার চেষ্টা করেছি বরাবর। টেস্ট ক্রিকেটের জন্য নিজের আত্মা এবং হৃদয় সমর্পণ করেছি।

মার্চ ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে অভিষেকের আগে কেন চাপে নেই রোহিত?‌

সাদা বলের ক্রিকেটে দুরন্ত ছন্দে রয়েছে ভারত। টি২০ ক্রিকেটে টানা তিনটি সিরিজ জিতেছে রোহিত শর্মার দল। গত বছরের শেষে ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ দিয়ে শুরু। কিউয়িদের হোয়াইট ওয়াশ করার পর ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধেও ৩০ ব্যবধানে জয়। মাঝে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধেও একদিনের সিরিজ জিতেছে ভারত। তবে ছন্দপতন লালবলের ক্রিকেটে। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে সিরিজ হারতে হয়েছে ভারতকে। ঘরের মাঠে সামনে এবার শ্রীলঙ্কা। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া রোহিত শর্মার দল।দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে টেস্ট সিরিজে হেরে আইসিসির বিশ্ব টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে ভারত। পয়েন্টের পার্সেন্টেজের বিচারে রয়েছে পঞ্চম স্থানে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ২০ ব্যবধানে না জিতলে আরও পিছিয়ে পড়তে হবে। ফাইনালে ওঠার জন্য ভারতের সামনে রয়েছে ৯টি টেস্ট। এই ৯টি টেস্টেই জেতার চ্যালেঞ্জ নিচ্ছেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক রোহিত শর্মা। অন্যদিকে, টি২০ সিরিজে বিধ্বস্ত হওয়ার পর টেস্ট সিরিজে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া। গতবছর ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুই টেস্টের সিরিজ ১০ ব্যবধানে জিতেছিল ভারত। তারপর ডিসেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যান বিরাট কোহলিরা। প্রথম টেস্ট জিতে ইতিহাস তৈরির সম্ভাবনা তৈরি করেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর সিরিজ জেতা হয়নি। বাকি দুটি টেস্টে জিতে সিরিজ জেতে প্রোটিয়ারা। টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে অভিষেক হতে চলেছে রোহিতের। তাঁর লক্ষ্য অধিনায়ক হিসেবে প্রথম টেস্টে ছাপ রাখতে। তবে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে শুধু দুটি টেস্টই নয়, লক্ষ্য সব টেস্ট জেতা। অধিনায়ক হিসেবে প্রথম টেস্টে খেলতে নামার আগে চাপে নেই হিটম্যান রোহিত। দলের ওপর ভরসা করছেন। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে জয় ছাড়া কিছু ভাবছেন না ভারতীয় দলের অধিনায়ক। তিনি বলেন, দল হিসেবে আমরা খুব ভাল জায়গায় আছি। এরজন্য বিরাটকে কৃতিত্ব দিতে হবে। ক্যাপ্টেন হিসেবে দলটা তৈরি করেছে। ওর সাফল্যকে ধরে রেখে আমাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে আমি শুধু জয়ের কথা ভাবছি।দীর্ঘদিন পর চেতেশ্বর পুজারা ও অজিঙ্কা রাহানেকে ছাড়াই খেলতে নামবে ভারত। এই দুই ব্যাটারের জায়গা সহজে ভরাট হবে না বলে মনে করছেন রোহিত। তাঁর কথায়, পুজারা, রাহানের পরিবর্ত যারাই দলে আসুক তাদের কাজটা সহজ হবে না। দলের জন্য রাহানে ও পুজারার অবদান কখনও ভোলার নয়। দলকে প্রচুর ম্যাচে জিতিয়েছে। ভারতকে ১ নম্বর টেস্ট দল করার পেছনে ওদের বড় অবদান রয়েছে। চেতেশ্বর পুজরার জায়গায় তিন নম্বরে শ্রেয়স আয়ারের খেলার সম্ভাবনা বেশি। অন্যদিকে রাহানের জায়গায় হনুমা বিহারি কিংবা শুভমান গিলের মধ্যে একজন। এছাড়া দীর্ঘদিন পর আবার টেস্ট ম্যাচে মাঠে নামতে চলেছেন রবীন্দ্র জাদেজা।

মার্চ ০৩, ২০২২
দেশ

পণবন্দি হয়নি কোনও পড়ুয়াই, রাশিয়ার দাবি ওড়াল বিদেশ মন্ত্রক

যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেই ইউক্রেন থেকে জোরকদমে উদ্ধারকার্য চালাচ্ছে ভারত সরকার । আগামী ৮ মার্চের মধ্যে ইউক্রেনের প্রতিবেশী দেশগুলি থেকে মোট ৪৬টি বিশেষ বিমানে ভারতীয়দের ফেরত আনা হবে। তবে এরইমাঝে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছিল রুশ প্রশাসনের দাবিতে। বুধবারই রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে দাবি করা হয়েছিল যে, খারকিভে একদল ভারতীয় পড়ুয়াকে বন্দি করে রেখেছে ইউক্রেনীয় সেনা। তবে এদিন সকালে ভারত সরকারের তরফে জানিয়ে দেওয়া হল যে, ভারতীয় পড়ুয়াদের পণবন্দি করে রাখার কোনও খবর মেলেনি। যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউক্রেনে এখনও আটকে থাকা ভারতীয়দের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে।Our response to media queries regarding reports of Indian students being held hostage in Ukraine ⬇️https://t.co/RaOFcV849D pic.twitter.com/fOlz5XsQsc Arindam Bagchi (@MEAIndia) March 3, 2022এদিন সকালেই বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী টুইট করে বলেন, আমাদের কাছে ইউক্রেনে ভারতীয় পড়ুয়াদের পণবন্দি হয়ে থাকার কোনও খবর নেই। খারকিভ ও পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে আটকে পড়া ভারতীয়দের উদ্ধার করে দেশের পশ্চিম অংশে পাঠানোর জন্য বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করার কথাও বলা হয়েছে ইউক্রেনীয় প্রশাসনকে।গতকালই রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র বলেন, আমাদের তথ্য অনুযায়ী, ইউক্রেনীয় প্রশাসন জোর করে একদল ভারতীয় পড়ুয়াকে খারকিভে আটকে রেখেছে। ওই পড়ুয়ারা ইউক্রেনের সীমান্ত পার করে বেলগার্ডে যাওয়ার চেষ্টা করছিল, কিন্তু তাদের জোর করে বন্দি বানিয়ে রাখা হয়েছে। রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী ভারতীয় নাগরিকদের সুরক্ষিতভাবে উদ্ধারকার্যে সবরকমের সাহায্যের জন্য প্রস্তুত এবং তাদের উদ্ধার করে রাশিয়ার সীমান্ত দিয়ে ভারতের সামরিক বা উদ্ধারকারী বিশেষ বিমানে করে দেশে পাঠাতেও আগ্রহী।

মার্চ ০৩, ২০২২
বিদেশ

ইউক্রেনীয় সেনার হাতে পণবন্দি ভারতীয় পড়ুয়ারা! চাঞ্চল্য

ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার পরই সেই দেশ থেকে উদ্ধার করে আনা হচ্ছে আটকে থাকা ভারতীয়দের। ইউক্রেনের এয়ারবেস বন্ধ থাকায়, প্রতিবেশী পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি, রোমানিয়া ও স্লোভাকিয়ার পথ ধরে বিশেষ বিমানের মাধ্যমে ভারতীয়দের উদ্ধার করে আনা হচ্ছে। তবে সীমান্ত অবধি পৌঁছতেও অনেক কাঠখড় পোড়াতে হচ্ছে ভারতীয় পড়ুয়াদের। সম্প্রতিই পড়ুয়ারা অভিযোগ জানিয়েছিলেন, সীমান্তে ইউক্রেনীয় সেনা মারধর করছে। এবার ভারতীয়দের পণবন্দি করে রাখার অভিযোগ উঠল। বুধবারই রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে দাবি করে হয়, খারকিভে একদল ভারতীয় পড়ুয়াকে বন্দি করে রেখেছে ইউক্রেনীয় বাহিনী। তাদের মানব ঢাল হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ।রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র গতকালই একটি সাংবাদিক বিবৃতিতে বলেন, গোপনসূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইউক্রেনীয় প্রশাসন জোর করে একদল ভারতীয় পড়ুয়াকে খারকিভে আটকে রেখেছে। ওই পড়ুয়ারা ইউক্রেনের সীমান্ত পার করে বেলগার্ডে যাওয়ার চেষ্টা করছিল, কিন্তু তাদের জোর করে বন্দি বানিয়ে রাখা হয়েছে। রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী ভারতীয় নাগরিকদের সুরক্ষিতভাবে উদ্ধারকার্যে সবরকমের সাহায্যের জন্য প্রস্তুত এবং তাদের উদ্ধার করে রাশিয়ার সীমান্ত দিয়ে ভারতের সামরিক বা উদ্ধারকারী বিশেষ বিমানে করে দেশে পাঠাতে আগ্রহী।উল্লেখ্য, গতকালই খারকিভে আটকে পড়া ভারতীয়দের উদ্ধারের জন্য রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁদের এই বার্তালাপের কিছুক্ষণের মধ্যেই রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে এই বিবৃতি পেশ করা হয়।

মার্চ ০৩, ২০২২
বিদেশ

ভারতীয়দের রাতেই খারকিভ ছাড়ার সতর্কবার্তা দিল্লির

যে কোনও মুহূর্তে শুরু হতে পারে রুশ বাহিনীর ফাইনাল অ্যাসল্ট। এই পরিস্থিতিতে ইউক্রেনের খারকিভে থেকে যাওয়া ভারতীয় নাগরিকদের বুধবার সন্ধ্যার (স্থানীয় সময়) মধ্যে এলাকা ছাড়ার জন্য নির্দেশিকা পাঠাল কিভের ভারতীয় দূতাবাস। রাশিয়ার আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর থেকে আজ অবধি প্রায় ২ হাজারেরও বেশি নাগরিক মারা গিয়েছেন বলে জানানো হয়েছে ইউক্রেনের কর্তৃপক্ষের তরফে।URGENT ADVISORY TO ALL INDIAN NATIONALS IN KHARKIV.FOR THEIR SAFETY AND SECURITY THEY MUST LEAVE KHARKIV IMMEDIATELY.PROCEED TO PESOCHIN, BABAYE AND BEZLYUDOVKA AS SOON AS POSSIBLE.UNDER ALL CIRCUMSTANCES THEY MUST REACH THESE SETTLEMENTS *BY 1800 HRS (UKRAINIAN TIME) TODAY*. India in Ukraine (@IndiainUkraine) March 2, 2022টুইটারে জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, নিরাপত্তার কারণে দ্রুত খারকিভ ছাড়ুন। চূড়ান্ত সময়সীমা সন্ধ্যা ৬টা (আন্তর্জাতিক সময় রাত ৯টা)-র মধ্যে পিসোচিন, ববই বা বেজলিউদিভকা শহরে পৌঁছানো উচিত। প্রয়োজন হলে পায়ে হেঁটে। ইউক্রেনের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভের নিকটতম শহর পিসোচিনের দূরত্ব ১১ কিলোমিটার।যদিও খারকিভে আটক ভারতীয় পড়ুয়ারা জানাচ্ছেন, লাগাতার রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমানহানার মধ্যে পায়ে হেঁটে ১১ কিলোমিটার কার্যত অসম্ভব। প্রসঙ্গত, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ইতিমধ্যেই কিভের ভারতীয় দূতাবাসও সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। রুশ বোমা এবং ক্ষেপণাস্ত্র হানা এড়াতে সোমবারই খারকিভে আটক ভারতীয়দের ট্রেনে করে ইউক্রেনের পড়শি দেশগুলিতে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। কারণ, গাড়িতে গেলে যুদ্ধবিমানের নিশানা হওয়ার সম্ভাবনা। কিন্তু খারকিভ স্টেশনে আটক বহু ভারতীয় এখনও ট্রেনে উঠতে পারেননি বলে অভিযোগ। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার খারকিভ শহরেই রুশ বাহিনীর বোমাবর্ষণে ভারতীয় ডাক্তারি পড়ুয়া নবীন শেখারাপ্পা জ্ঞানগউধরের মৃত্যু হয়েছিল।

মার্চ ০২, ২০২২
দেশ

রুশ বোমায় খারকিভে মৃত্যু ভারতীয় ছাত্রের, রুশ ও ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূতকে তলব নয়াদিল্লির

ইউক্রেনে রুশ হামলার মুখে পড়ে নিহত ভারতীয় পড়ুয়া। মঙ্গলবার খারকিভে বোমা বিস্ফোরণের ফলে এই ভারতীয় পড়ুয়ার মৃত্যু হয়েছে। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ইতিমধ্যেই এই কথা জানিয়েছেন। এই পড়ুয়া উত্তর কর্নাটকের বাসিন্দা। মৃত ছাত্রের নাম নবীন শেখারাপ্পা জ্ঞানগউধর। নবীন মেডিক্যাল কলেজের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র ছিলেন। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে দোকানের লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন নবীন। সেই মুহূর্তেই ওই জায়গায় আছড়ে পড়ে রুশ বোমা। এর ফলেই তাঁর মৃত্যু হয়।বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি একটি টুইট বার্তায় জানান, গভীর দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আজ সকালে খারকিভে বিস্ফোরণের ফলে একজন ভারতীয় পড়ুয়া প্রাণ হারিয়েছে। মন্ত্রণালয় তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। আমরা পরিবারের প্রতি আমাদের গভীর সমবেদনা জানাই। টুইট করে শোকপ্রকাশ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।With profound sorrow we confirm that an Indian student lost his life in shelling in Kharkiv this morning. The Ministry is in touch with his family.We convey our deepest condolences to the family. Arindam Bagchi (@MEAIndia) March 1, 2022 রুশ বাহিনীর বোমাবর্ষণে ভারতীয় ডাক্তারি পড়ুয়া নবীন শেখারাপ্পা জ্ঞানগউধরের মৃত্যুর পরই কূটনৈতিক সক্রিয়তা শুরু করল নরেন্দ্র মোদি সরকার। মঙ্গলবার বিকেলে নয়াদিল্লির রুশ এবং ইউক্রেনীয় রাষ্ট্রদূতকে তলব করে এ বিষয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে বলে বিদেশ মন্ত্রক সূত্রের খবর। ঘটনায় শোকপ্রকাশ করে টুইট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।Deeply anguished that an Indian student, Naveen Gyanagoudar, has lost his life today in shelling in Kharkiv, Ukraine.My heartfelt condolences to his family and friends. Such tragedies numb us. Mamata Banerjee (@MamataOfficial) March 1, 2022বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, অবিলম্বে খারকিভ-সহ বিভিন্ন শহরে আটকে পড়া ভারতীয়দের ইউক্রেনের বাইরে যাওয়ার জন্য নিরাপদ পথ (সেফ প্যাসেজ) দেওয়ার বার্তা দেওয়া হয়েছে যুধুধান দুই পক্ষকে। বিদেশ সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিঙলা পৃথক ভাবে রুশ এবং ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক করে এই বার্তা দেন।বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি টুইটারে লিখেছেন, খারকিভ-সহ যুদ্ধবিধ্বস্ত শহরগুলিতে যে ভারতীয় নাগরিকেরা আটকে পড়েছেন, তাঁদের অবিলম্বে নিরাপদ নিষ্কাশনের পথ দিতে বিদেশ সচিব ফের রাশিয়া এবং ইউক্রনের রাষ্ট্রদূতের কাছে দাবি জানিয়েছেন।মঙ্গলবার, যুদ্ধের ষষ্ঠ দিনে ইউক্রেনের বিভিন্ন শহর লক্ষ্য করে আক্রমণের অভিঘাত বাড়িয়েছে রুশ সেনা। মরণপণ প্রতিরোধ করছে ইউক্রেন ফৌজও। এই পরিস্থিতিতে সেখানে আটক ভারতীয়, বিশেষত পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত নরেন্দ্র মোদী সরকার। নিহত নবীনের এক বন্ধু জানাচ্ছেন, খাবার আনতে বেরিয়ে ছিল তাঁর বন্ধু। বাকিরা হস্টেলে থাকলেও নবীন ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে থাকতেন। তাঁর ওই ফ্ল্যাটটি ঠিক গভর্নর হাউসের পিছনে। সেখানেই হামলা করেছে রুশ সেনা।

মার্চ ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌বাবার মৃত্যু সংবাদ শুনেও লড়াইয়ের ময়দান ছেড়ে পালিয়ে যাননি কোহলি

শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে মোহালিতে শততম টেস্ট খেলতে নামছেন বিরাট কোহলি। তাঁর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের এই দীর্ঘ পথে বরাবরই দায়বদ্ধতার পরিচয় দিয়েছেন। যা রনজি খেলার সময়ও দেখা গিয়েছিল। দিল্লি রনজি দলের সতীর্থ পুনিত বিস্তের মুখে শোনা গেছে সেই দায়বদ্ধতার গল্প। বাবার মৃত্যু সংবাদ শুনেও লড়াইয়ের ময়দান ছেড়ে পালিয়ে যাননি। বুক চিতিয়ে লড়াই করেছেন দলের জন্য। প্রত্যয়ী মানসিকতা নিয়ে। ২০০৬ সালের দিল্লি বনাম কর্ণাটক রনজির গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ চলছিল। সবে তখন ১৭ বছর বয়স বিরাট কোহলির। ততদিনে জায়গা করে নিয়েছেন দিল্লি রনজি দলে। কর্ণাটক ম্যাচ চলাকালীন দ্বিতীয় দিন রাতে মারা গিয়েছিলেন কোহলির বাবা প্রেম। তৃতীয় দিন সকালে দিল্লি ড্রেসিংরুমে সকলেই শোকে বিহ্বল। থমথমে পরিবেশ। কোচ চেতন চৌহান থেকে শুরু করে অধিনায়ক মিঠুন মানহাস, সকলেই কোহলিকে বোঝানোর চেষ্টা করেছিলেন বাড়ি ফিরে যাওয়ার জন্য। কারও কথা শোনেননি কোহলি। ব্যাট করতে যাওয়ার জন্য ড্রেসিংরুমের এককোণে দাঁড়িয়ে তৈরি হচ্ছিলেন। দলের প্রতি কোহলির সেই দায়বদ্ধতার কথা আজও চোখের সামনে ভেসে ওঠে পুনিত বিস্তের। কোহলির শততম টেস্ট খেলতে নামার প্রাক্কালে সেদিনের ঘটনার কথা স্মরণ করে পুনিত বলেন, তৃতীয় দিন সকালে আমার ও কোহলির ব্যাট করতে নামার কথা। আগের দিন রাতে কোহলির পিতৃবিয়োগ হয়েছে। কোচ চেতন চৌহান, অধিনায়ক মিঠুন মানহাস, দলের বাকিরা কোহলিকে বারবার বুঝিয়েছিল বাড়ি ফিরে গিয়ে এই শোকের পরিবেশে পরিবারের পাশে থাকার জন্য। কিন্তু কোহলি কারও কথা শোনেনি। ওর পরিকল্পনা ছিল অন্য। কোহলি চায়নি একজন ব্যাটারকে হারিয়ে দল বিপদে পড়ুক। আমার সঙ্গে ব্যাট করতে নেমেছিল। এখনও ভাবলে অবাক হই, কতটা মনের জোর থাকলে ওইরকম পরিস্থিতিতে মাঠে নামা যায়। ব্যাট করতে নেমে পুনিতের সঙ্গে জুটিতে ১৫২ রান তুলেছিলেন কোহলি। মাত্র ১০ রানের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া করেছিলেন তিনি। আম্পায়ারের ভুল সিদ্ধান্তের শিকার হয়েছিলেন কোহলি। পুনিত বিস্ত সেই ইনিংসে করেছিলেন ১৫৬। পুনিতের মতে কোহলির ওই ইনিংস চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি বলেন, ওই রকম মানসিক পরিস্থিতিতে কোহলিকে ব্যাট করতে পাঠানো ঠিক হবে কিনা, তা নিয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন ছিল। কিন্তু মাঠে নেমে দাপটের সঙ্গে ব্যাট করেছিল কোহলি। শোককে পেছনে ফেলে প্রত্যয়ী হয়ে উঠেছিল। আমি ওকে সান্তনা দেব কী, কোহলিই আমাকে বারবার বলছিল, আউট হওয়া চলবে না, লম্বা ইনিংস খেলতে হবে।

মার্চ ০১, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • 21
  • ...
  • 40
  • 41
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

ভারতের ভোটের মডেল টেনে আমেরিকায় নতুন দাবি ট্রাম্পের, কী বদলাতে চান?

ভারতের নির্বাচনী ব্যবস্থার উদাহরণ টেনে আমেরিকায় ভোটার পরিচয়পত্রের নিয়ম আরও কঠোর করার পক্ষে ফের সরব হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (১৮ আগস্ট) ট্রুথ সোশ্যাল-এ একটি পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার তাঁর প্রশাসনের কাছে জানতে চেয়েছিলেন, বৈধ ফোটো আইডি ছাড়া আমেরিকায় কী ভাবে নির্বাচন হয়।ট্রাম্পের দাবি, ভারতের শেষ লোকসভা নির্বাচনে ৬৪ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষ ভোট দিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১ শতাংশেরও কম ডাকযোগে ভোট দেন। তাঁর বক্তব্য, প্রত্যেক ভারতীয় ভোটারের কাছেই বৈধ ফোটো পরিচয়পত্র ছিল। আমেরিকার নির্বাচন ব্যবস্থায়ও এমন বাধ্যতামূলক ব্যবস্থা চালুর যুক্তি দেখিয়ে সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট পাশ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।তবে আমেরিকায় ভোট দেওয়ার জন্য পরিচয়পত্রের নিয়ম সব রাজ্যে এক নয়। বর্তমানে ৩৬টি রাজ্যে ভোটকেন্দ্রে কোনও না কোনও ধরনের পরিচয়পত্র দেখানোর বিধান রয়েছে। পরিচয়পত্র হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্স, রাজ্য সরকারের দেওয়া আইডি বা পাসপোর্ট গ্রহণ করা হতে পারে। অন্যদিকে ১৪টি রাজ্য এবং ওয়াশিংটন ডিসিতে ভোটারের স্বাক্ষর কিংবা ভোটার তালিকায় থাকা অন্যান্য তথ্য মিলিয়ে পরিচয় যাচাই করা হয়। কিছু রাজ্যে পরিচয়পত্র না থাকলেও নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া মেনে ভোট দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।আমেরিকায় ভোটার আইডি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক বিভাজন রয়েছে। রিপাবলিকানদের যুক্তি, ভোটার পরিচয় বাধ্যতামূলক হলে ভুয়ো ভোট বা অন্যের পরিচয়ে ভোট দেওয়ার সম্ভাবনা কমবে এবং নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রতি আস্থা বাড়বে। ডেমোক্র্যাটদের পাল্টা বক্তব্য, অতিরিক্ত কড়াকড়ি সাধারণ ভোটারদের জন্য সমস্যা তৈরি করতে পারে এবং ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা হতে পারে।২০০০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর আমেরিকার ভোটপ্রক্রিয়া নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০০২ সালে হেল্প আমেরিকা ভোট অ্যাক্ট বা HAVA পাশ হয়। পরবর্তী সময়ে একাধিক রাজ্য ভোটার পরিচয় যাচাইয়ের নিয়ম আরও কঠোর করে।ট্রাম্পের সমর্থন করা সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট-এ ফেডারেল নির্বাচনে ভোটার হিসেবে নথিভুক্ত হওয়ার সময় মার্কিন নাগরিকত্বের প্রমাণ এবং ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে ফোটো আইডির মতো শর্ত জোরদার করার প্রস্তাব রয়েছে। ডাকযোগে ভোটের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ আনার কথা বলা হয়েছে। বিলটির লক্ষ্য আমেরিকার নির্বাচনী ব্যবস্থায় ভোটারের যোগ্যতা ও পরিচয় আরও কঠোরভাবে যাচাই করা।এই বিল নিয়ে রাজনৈতিক টানাপড়েনও রয়েছে। ২০২৬ সালের সংশোধিত SAVE America Act হাউসে পাশ হলেও সেনেটে তা নিয়ে বড় বাধা রয়েছে। কারণ, সেনেটে কোনও বিল পাশ করাতে সাধারণত ৬০টি ভোট প্রয়োজন। ফলে ট্রাম্প ভারতের ভোটব্যবস্থার উদাহরণ সামনে এনে চাপ বাড়ালেও প্রস্তাবটি আইনে পরিণত করা এখনও সহজ নয়।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজ্য

নয় পুণ্যার্থীর মৃত্যুর পরই নড়েচড়ে বসল প্রশাসন, তারাপীঠে ১৫টি হোটেল-লজ বন্ধের সিদ্ধান্ত

তারাপীঠে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নয় জন পুণ্যার্থীর মৃত্যুর পর নড়েচড়ে বসল বীরভূম জেলা প্রশাসন। বৈধ কাগজপত্র না থাকায় তারাপীঠের ১৫টি হোটেল ও লজকে বন্ধের নোটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের সময় কয়েক জন পুণ্যার্থী লজ সংলগ্ন পুকুরে ঝাঁপ দিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে কেউ পুকুরে ডুবে রয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখতে মঙ্গলবার পুকুরে স্পিডবোট নামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। যদিও শেষ পর্যন্ত আর কোনও দেহ উদ্ধার হয়নি।প্রসঙ্গত, সোমবার ভোরে তারাপীঠ থানার পাশের একটি বেসরকারি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনায় মৃত্যু হয় নয় জন পুণ্যার্থীর। মৃতদের মধ্যে মেঘালয়ের পাঁচ জন একই পরিবারের সদস্য। বাকি চার জন আলিপুরদুয়ারের বাসিন্দা। সোমবার রাতে মেঘালয়ের পাঁচ মৃতের দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার আলিপুরদুয়ারের চার মৃতের দেহও পরিবারের লোকজন নিয়ে যান। দুদিন ধরে মৃতদের পরিবারের পাশে ছিলেন রামপুরহাটের বিধায়ক ধ্রুব সাহা। তাঁদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করার পাশাপাশি বাড়ি ফেরার ব্যবস্থাও করেন তিনি।অগ্নিকাণ্ডের পর তারাপীঠের হোটেল ও লজগুলির পরিকাঠামো সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে নয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে প্রশাসন। সোমবার রাত থেকেই কমিটির সদস্যরা কাজ শুরু করেন। তার পরেই মঙ্গলবার ১৫টি হোটেল ও লজ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন।রামপুরহাটের মহকুমাশাসক অশ্বিনী বি রাঠোর বলেন, এর আগেও বেশ কয়েকটি হোটেল ও লজকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তারা প্রশাসনকে সহযোগিতা করছেন না। তাই জেলা শাসকের নির্দেশে সেগুলিকে বন্ধের নোটিশ দেওয়া হবে।তবে প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন হোটেল মালিকেরা। হোটেল মালিক সমিতির পক্ষে জয়ন্ত রায় জানান, মহকুমাশাসকের সঙ্গে তাঁরা কথা বলেছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে সময় চাওয়া হবে। তাঁর কথায়, তারাপীঠে বহু হোটেল রয়েছে, যেগুলির উপর বহু মানুষের সংসার নির্ভরশীল। আচমকা হোটেল বন্ধ হয়ে গেলে তাঁরা অসহায় হয়ে পড়বেন। তাই প্রশাসনের পরামর্শ নিয়ে ধীরে ধীরে নিয়ম মেনে সমস্ত হোটেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হবে।হোটেল মালিক নিতাই মালও জানান, তাঁদের হোটেল বহু পুরনো। ফলে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা পর্যাপ্ত নয়। প্রশাসনের নির্দেশ পাওয়ার পরই অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা উন্নত করার কাজ শুরু হয়েছে। তাঁর দাবি, এই কাজ শেষ করতে কিছুটা সময় প্রয়োজন। আচমকা হোটেল বন্ধ করে দিলে অধিকাংশ মালিকই সমস্যায় পড়বেন।এদিকে, অগ্নিকাণ্ডের পর পুকুরে নিখোঁজ কারও দেহ রয়েছে কি না, তা দেখতে মঙ্গলবার স্পিডবোট নামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। তবে তল্লাশিতে নতুন করে কোনও মৃতদেহের সন্ধান মেলেনি।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ঋতব্রত না শোভনদেব? বিরোধী দলনেতা বিতর্কে হাইকোর্টের বড় নির্দেশ

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় না শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, রাজ্য বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা কে, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই জোর রাজনৈতিক ও আইনি টানাপোড়েন চলছে। এখনও এই বিতর্কের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি। তবে আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে অস্থায়ী বিরোধী দলনেতার মর্যাদা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। পাশাপাশি মামলাটি সিঙ্গল বেঞ্চে ফেরত পাঠানো হয়েছে। দুই মাসের মধ্যে মামলাটির নিষ্পত্তি করার জন্যও নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ।মঙ্গলবার এই মামলার শুনানিতে ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে অস্থায়ী বিরোধী দলনেতা হিসেবেই দেখতে হবে। বিধানসভার অধ্যক্ষ ইতিমধ্যেই তাঁকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করেছেন। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।ঘটনার সূত্রপাত বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার পদ নিয়ে তৃণমূলের অন্দরের টানাপোড়েনকে কেন্দ্র করে। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতার মর্যাদা দেওয়ার জন্য বিধানসভার অধ্যক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছিল। অন্যদিকে, দলের বিধায়কদের একাংশ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেন।পরবর্তীতে বিধানসভার অঙ্কে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠ তৃণমূল বিধায়কের সমর্থন রয়েছে বলে দাবি ওঠে। প্রায় ৮০ জন তৃণমূল বিধায়কের মধ্যে অধিকাংশই ঋতব্রতর দিকে রয়েছেন বলে তাঁর শিবিরের তরফে দাবি করা হয়। এরপর বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম অধ্যক্ষের কাছে পাঠানো হয়।অধ্যক্ষের তরফে ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করার পরেই রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়। তৃণমূলের একাংশ এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের তরফে আদালতের দ্বারস্থ হয়ে ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঘোষণার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করা হয়।মামলাটি প্রথমে সিঙ্গল বেঞ্চে ওঠে। পরবর্তী সময়ে বিষয়টি ডিভিশন বেঞ্চ পর্যন্ত গড়ায়। মঙ্গলবার সেই মামলাতেই গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করেছে ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের নির্দেশে আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের অস্থায়ী বিরোধী দলনেতার মর্যাদা বজায় থাকছে। তবে এই অবস্থানই যে চূড়ান্ত, তা বলা যাচ্ছে না।ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটি ফের সিঙ্গল বেঞ্চে পাঠিয়ে দিয়েছে। পাশাপাশি দুই মাসের মধ্যে মামলাটির নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে আগামী দিনে সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ের দিকেই নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।একদিকে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে বিধায়কদের সমর্থন, দুইয়ের টানাপোড়েনেই বিরোধী দলনেতার পদ ঘিরে জটিলতা তৈরি হয়েছে। হাইকোর্টের মঙ্গলবারের নির্দেশে আপাতত ঋতব্রতর অবস্থান কিছুটা শক্তিশালী হলেও, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য আরও অপেক্ষা করতে হবে।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজনীতি

‘ককরোচ’ মন্তব্যে বিতর্কে দিলীপ, পাল্টা আক্রমণে শতরূপ, ইন্দাসকাণ্ডে বাড়ল উত্তাপ

ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র এক কর্মীর বাবাকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার ইন্দাসে। সিজেপির আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকার জেরেই দলীয় কর্মী আব্দুল হাফিজ এবং তাঁর বাবা শেখ মোহাম্মদ মাফিকের উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর মৃত্যু হয় শেখ মোহাম্মদ মাফিকের। ওই বাড়িতে মৃতের ছেলের সঙ্গে দেখা করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির নেতা। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, এই খুনের শেষ দেখে ছাড়বেন। পাশাপাষি তিনি ঘোষণা করেছেন এই ইস্যুতে বাঁকুড়ার জেলা বিজেপির কার্যলয়ে বিক্ষোভ দেখানো হবে। এদিকে ককরোচ জনতা পার্টিকে তীব্র কটাক্ষ করে মন্তব্য় করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ইন্দাসে সিজেপি কর্মী আব্দুল হাফিজের বাড়িতে আচমকাই একদল দুষ্কৃতী হামলা চালায়। বাড়িতে ঢুকে আব্দুল হাফিজ এবং তাঁর বাবা শেখ মোহাম্মদ মাফিককে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় দুজনেই গুরুতর জখম হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় মাফিকের। এই ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দিকে।ঘটনার খবর প্রকাশ্যে আসার পর নিহতের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দেয় সিজেপি। দলের প্রধান অভিজিৎ দীপকে টেলিফোনে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের পূর্ণাঙ্গ আইনি ও রাজনৈতিক সহায়তার আশ্বাস দেন। তাঁর নির্দেশে সিজেপির একটি প্রতিনিধি দল ইন্দাসে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে। অন্যদিকে, ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তৎপরতা শুরু করে বিরোধী শিবিরও। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা এবং নিহত পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দিতে সোমবার ইন্দাসে পৌঁছায় বামেদের একটি প্রতিনিধি দল। এই সফরকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও তীব্র হয়।বামেদের ইন্দাস সফর এবং সিজেপির আত্মপ্রকাশ নিয়ে সরব হন রাজ্যের বিজেপি নেতা তথা মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। বামেদের কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ওরা যেকোনো জায়গাতে যেতে পারেন। তবে ককরোচ রাতারাতি কোথা থেকে বেরিয়ে আসে? এইসব কমিউনিস্টদের মাথাতেই আসে, তারাই আরশোলা-ছারপোকা তৈরি করে। আর পরে তারাই সারা দুনিয়ায় উৎপাত করে।দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দেন সিপিএমের যুব নেতা শতরূপ ঘোষ। বিজেপিকে নিশানা করে তিনি বলেন, বাংলায় শুভেন্দু অধিকারী সরকার শক্তিশালী আর দিল্লির রেখা গুপ্ত সরকার দুর্বল? মোদী-অমিত শাহ সরকার এই সিজেপির আন্দোলনেই ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ইস্তফা দিতে বাধ্য করেছে। সঙ্গে পুলিশ আছে বলেই এমন ভাষণ দিতে পারছে অনেকে।ইন্দাসের এই ঘটনাকে ঘিরে একদিকে যেমন সিজেপি ও বামেদের রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়ছে, তেমনই বিজেপি ও বাম নেতৃত্বের পাল্টাপাল্টি মন্তব্যে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তেজনাও নতুন মাত্রা পেয়েছে।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজনীতি

বিমান বন্দর চত্বরে সৌগত রায়ের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ, উঠল ‘চোর-চোর’ ও গো ব্যাক স্লোগান

নিজের সংসদীয় এলাকাতেই বিক্ষোভের মুখে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। কলকাতা এয়ারপোর্ট ঢোকার মুখে তার গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ চলে। বিক্ষোভকারীদের তরফে চোর-চোর স্লোগানও দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। গাড়িতে চাপরও দেওয়া হয়। দেখানো হয় কালো পতাকা। বেশ কিছক্ষণ আটকে ছিলেন সৌগত রায়। গো ব্যাক স্লোগানও চলতে থাকে গাড়ি ঘিরে। ভাইরাল ভিডিওতে পুরো বিষয়টি স্পষ্ট দেখা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, তিনি বিমান বন্দরে একটি বৈঠকে অংশ নিতে গিয়েছিলেন।কিছু দিন আগে নিমতা থানা থেকে বেরিয়ে গাড়িতে ওঠার সময়ই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, একদল মানুষ তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। ওঠে চোর-চোর স্লোগান। এরপর ভিড়ের মধ্য থেকে তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ডিম সাংসদের গায়ে না লাগলেও গাড়িতে গিয়ে লাগে। এবার দমদমের তৃণমূল সাংসদের গাড়ি ঘিরে ফের বিক্ষোভ চলল। সৌগত রায়ের গাড়ি ঘিরে এই বিক্ষোভের ঘটনা নতুন করে তাঁর নিজের সংসদীয় এলাকায় রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষ করে দুবার এই তৃণমূল সাংসদের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ এবং কালো পতাকা দেখানো, গো ব্যাক অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বিজেপি বিধায়কের দাবি, প্রতিবার নির্বাচনের আগে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিতেন সৌগত রায়। প্রতিবারই বলতেন জেশপ খুলবেন। উল্টে তাঁর সাঙ্গপাঙ্গরা জেসপ থেকে চুরি করে শেষ করে দিয়েছেন।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
দেশ

নীতিন নবীনের ‘নয়া টিম’-এ বাংলার দুই মুখ! জাতীয় সংগঠনে বড় দায়িত্ব এই দুই জনের

ভারতীয় জনতা পার্টির সর্বভারতীয় সংগঠনে বড়সড় রদবদল। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো জাতীয় স্তরের সংগঠনকে ঢেলে সাজালেন নীতিন নবীন। নতুন কমিটিতে যেমন একাধিক নতুন মুখকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তেমনই অভিজ্ঞ বেশ কয়েকজন নেতাকেও ফেরানো হয়েছে কেন্দ্রীয় সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে। আর এই রদবদলে বিশেষ নজর কেড়েছে পশ্চিমবঙ্গ।রাজ্য বিজেপির দুই গুরুত্বপূর্ণ মুখকে এবার জাতীয় সংগঠনে জায়গা দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ডাঃ মধুছন্দা করকে সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি এবং আলিপুরদুয়ারের সাংসদ মনোজ টিগ্গাকে সর্বভারতীয় সম্পাদক করা হয়েছে। ফলে রাজ্য রাজনীতিতে সক্রিয় দুই নেতার দায়িত্ব এবার ছড়িয়ে পড়ল জাতীয় স্তরে।জাতীয় সংগঠনে বড় দায়িত্ব বাংলার দুই নেতারবিজেপির নতুন কেন্দ্রীয় সংগঠনে ডাঃ মধুছন্দা করের অন্তর্ভুক্তি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। রাজ্য বিজেপির চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে তিনি দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। এবার তাঁকে সরাসরি সর্বভারতীয় সহ-সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একজন চিকিৎসক নেত্রীকে দলের জাতীয় স্তরের শীর্ষ সাংগঠনিক পদে নিয়ে আসার মধ্য দিয়ে বিজেপি নেতৃত্ব নতুন ধরনের সাংগঠনিক সমীকরণের বার্তা দিল বলেই মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের পরিচিত আদিবাসী মুখ মনোজ টিগ্গার দায়িত্বও বেড়েছে। আলিপুরদুয়ারের সাংসদ হিসেবে ইতিমধ্যেই উত্তরবঙ্গে তাঁর রাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে। এবার তাঁকে সর্বভারতীয় সম্পাদক করা হল। উত্তরবঙ্গের আদিবাসী সমাজের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ এবং রাজ্য সংগঠনে কাজের অভিজ্ঞতাকে জাতীয় স্তরে কাজে লাগাতেই এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে।শুধু নতুন মুখ নয়, অভিজ্ঞদেরও প্রত্যাবর্তননীতিন নবীনের নতুন টিমে শুধুমাত্র সাংগঠনিক পরিবর্তন নয়, অভিজ্ঞ নেতৃত্বকে ফেরানোর দিকটিও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন জাতীয় রাজনীতির আলোচনায় থাকা কয়েকজন নেতাকে ফের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির ক্ষেত্রেও বড় পরিবর্তন দেখা গেল। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে অমেঠি থেকে পরাজয়ের পর জাতীয় রাজনীতিতে তাঁর সক্রিয়তা আগের তুলনায় কমেছিল। এবার তাঁকে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। ফলে দলের কেন্দ্রীয় সংগঠনে তাঁর রাজনৈতিক ভূমিকা ফের বাড়তে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবও পেলেন জাতীয় স্তরে আরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তাঁকেও সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। পূর্বোত্তর ভারতের রাজনীতিতে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতার পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতেও তাঁর সাংগঠনিক ভূমিকা ছিল। ফলে জাতীয় সংগঠনে তাঁর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চাইছে বিজেপি নেতৃত্ব।ফিরলেন রাম মাধবওবিজেপির সাংগঠনিক রাজনীতির অন্যতম পরিচিত মুখ রাম মাধবের প্রত্যাবর্তনও এই রদবদলের অন্যতম বড় দিক। দলীয় সংগঠন এবং ভোটকৌশল নিয়ে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন রাম মাধবকে ফের কেন্দ্রীয় সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পরিসরে আনা হয়েছে।সব মিলিয়ে নীতিন নবীনের নতুন কেন্দ্রীয় টিমে একদিকে যেমন নতুন প্রজন্ম ও রাজ্যস্তরের নেতৃত্বকে জাতীয় মঞ্চে তুলে আনা হয়েছে, অন্যদিকে তেমনই অভিজ্ঞ এবং পরীক্ষিত নেতাদেরও ফের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।বাংলার জন্য কী বার্তা?বিজেপির নতুন কেন্দ্রীয় সংগঠনে পশ্চিমবঙ্গের দুই নেতাকে গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়ার বিষয়টি নিঃসন্দেহে রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। রাজ্যে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করা, উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক সমীকরণে নজর দেওয়া এবং বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠীর মধ্যে দলের সাংগঠনিক বিস্তার বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত কি না, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।তবে একটি বিষয় স্পষ্টনীতিন নবীনের নতুন টিমে বাংলা এবার যথেষ্ট গুরুত্ব পেয়েছে। মধুছন্দা কর ও মনোজ টিগ্গার জাতীয় সংগঠনে উত্থান শুধু তাঁদের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক গুরুত্বই বাড়াল না, একইসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক কৌশল নিয়েও তৈরি করল নতুন জল্পনা।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ডিমের জবাবে পিস্তল! ‘ভয় পাই না’ বলে কীর্তির হুঁশিয়ারি, পাল্টা ‘বিহার পার করে দেওয়ার’ বার্তা বিজেপির

ডিম ছোড়ার রাজনীতি ঘিরে এবার বর্ধমান-দুর্গাপুরের তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজ়াদের মন্তব্যে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক। বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা-কর্মীর উপর ডিম হামলার প্রসঙ্গ তুলে কীর্তি আজ়াদ সরাসরি জানালেন, তাঁর উপর এমন কোনও হামলা হলে তিনি চুপ করে থাকবেন না। আত্মরক্ষার জন্য আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স নেওয়ার কথাও প্রকাশ্যে জানিয়েছেন তিনি।সোমবার নিজের সংসদীয় এলাকায় কর্মসূচিতে গিয়ে একাধিক বিষয়ে কথা বলার সময় বিজেপিকে আক্রমণ করেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার তথা বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য কীর্তি। রাজনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের উন্নয়ন নিয়ে তাঁর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।ডিম হামলার প্রসঙ্গ টেনে কীর্তির বক্তব্য, স্কুলে ডিম দেওয়া বন্ধ করে দিল। এখন লোককে ডিম মারছে! আমরাও নিজের সুরক্ষার জন্য পিস্তলের লাইসেন্স নিচ্ছি। তাঁর দাবি, আত্মরক্ষার অধিকার জনপ্রতিনিধিদেরও রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দেন, ভয় দেখিয়ে তাঁকে পিছিয়ে দেওয়া যাবে না।কীর্তির কথায়, আমরা ভয় পাওয়ার মতো লোক নই। আমরা ভারতের জন্য ক্রিকেট খেলেছি। ভারতমাতার মর্যাদার জন্য ক্রিকেট খেলেছি। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বিশেষ করে একজন সাংসদ প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স নেওয়ার কথা বলায় বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে।এদিন রাজনৈতিক আক্রমণের ঝাঁঝও ছিল যথেষ্ট। ঋতব্রতকে নিশানা করে কীর্তি দাবি করেন, তিনি কী করেছেন, ফোনে কী কথা বলেছেন এবং কার চাপের মুখে কী সিদ্ধান্ত নিয়েছেনসেসব তাঁরা জানেন। বিজেপিকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, এটা রাক্ষসরাজ।বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে সাংসদ জানান, সন্ধ্যায় দলের সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করবেন তিনি। মঙ্গলবারও তাঁর একাধিক কর্মসূচি রয়েছে। দুর্গাপুজোর পর তৃণমূল আরও বড় পরিসরে কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামবে বলেও জানান তিনি।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও সরব হন কীর্তি। বিজেপিশাসিত পশ্চিমবঙ্গের প্রসঙ্গ তুলে তাঁর অভিযোগ, বাংলার খুব খারাপ অবস্থা। এমন অবস্থা আফ্রিকাতেও নেই! এরপরই আরও তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে তিনি বলেন, আফ্রিকায় যেমন সমুদ্রে জলদস্যু ঘোরে, তেমনই বাংলার শহর, ঘর ও গলিতে জলদস্যু, ডাকাতেরা ঘুরে বেড়াচ্ছে।তবে কীর্তি আজ়াদের আগ্নেয়াস্ত্র সংক্রান্ত মন্তব্যের পর পাল্টা আক্রমণ করতে দেরি করেনি বিজেপি। বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, কীর্তি যদি আগ্নেয়াস্ত্র রাখার কথা বলেন, তাহলে তাঁকে হাইড্রা করে তুলে বিহার পার করে দিয়ে আসা হবে।ফলে ডিম হামলা থেকে শুরু হওয়া বিতর্ক এখন পৌঁছে গিয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র, আত্মরক্ষা এবং পাল্টা রাজনৈতিক হুঁশিয়ারির জায়গায়। কীর্তি আজ়াদের মন্তব্যের পর আগামী দিনে এই ইস্যুতে তৃণমূল-বিজেপির রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনাই দেখছে রাজনৈতিক মহল।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
কলকাতা

বাংলার আকাশে গভীর নিম্নচাপ, সোমবারই ভয়ঙ্কর বৃষ্টি! ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির সতর্কতা, এরপর কোন পথে যাবে?

গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে সোমবার সকাল থেকেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়েছে। টানা বৃষ্টিতে বহু জায়গায় জল জমেছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও নিত্যযাত্রীরা। রাস্তাঘাট জলমগ্ন হওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় তৈরি হয়েছে দুর্যোগের পরিস্থিতি। এর মধ্যেই ধীরে ধীরে ঝাড়খণ্ডের দিকে এগোচ্ছে গভীর নিম্নচাপ।আবহাওয়া দফতরের সোমবার বিকেলের খবর অনুযায়ী, গভীর নিম্নচাপটি বর্তমানে কলকাতা থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমে অবস্থান করছে। বর্ধমান থেকে সেটি প্রায় ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বে রয়েছে। বাঁকুড়া থেকে দূরত্ব প্রায় ১৪০ কিলোমিটার পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বে। ওড়িশার বালেশ্বর থেকে গভীর নিম্নচাপটি রয়েছে প্রায় ১৯০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গভীর নিম্নচাপটি ক্রমশ ঝাড়খণ্ড ও বিহারের দিকে এগিয়ে যেতে পারে। ফলে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টির প্রভাব আরও কিছুটা সময় থাকার আশঙ্কা রয়েছে।সোমবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং পশ্চিম বর্ধমানে চরম বৃষ্টির লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই তিন জেলায় ২০০ মিলিমিটার বা তারও বেশি বৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা রয়েছে। সেখানে ১১০ থেকে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে।প্রবল বৃষ্টির জেরে ইতিমধ্যেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় জল জমেছে। রাস্তার পাশাপাশি নিচু এলাকাগুলিতেও জল ঢুকেছে। ফলে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সমস্যায় পড়েছেন অফিসযাত্রী এবং অন্যান্য নিত্যযাত্রীরা।মঙ্গলবার পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। তবে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম এবং ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা থাকবে। এই জেলাগুলির কিছু এলাকায় ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে।অর্থাৎ, গভীর নিম্নচাপটি বাংলার পশ্চিমাঞ্চল ছেড়ে ঝাড়খণ্ড ও বিহারের দিকে এগিয়ে গেলেও মঙ্গলবার পর্যন্ত তার প্রভাব পুরোপুরি কাটছে না। ফলে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা থাকা জেলাগুলির বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal