• ১ ফাল্গুন ১৪৩২, মঙ্গলবার ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

India

খেলার দুনিয়া

‌রোহিতকে আবার দুহাত ভরে দিল ইডেন, টি২০ সিরিজ জয় ভারতের

রোহিত শর্মা ইডেনের বরপুত্র। ক্রিকেটের নন্দনকানন কখনও তাঁকে খালি হাতে ফেরায়নি। অধিনায়ক হিসেবে ইডেনেই প্রথম টি২০ সিরিজ জিতেছিলেন রোহিত। টানা দ্বিতীয় সিরিজ জয়। একদিনের সিরিজে হোয়াইট ওয়াসের পর টি২০ সিরিজেও ঘুরে দাঁড়াতে পারল না ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ইডেনে টানটান উত্তেজনার ম্যাচে ক্যারিবিয়ানদের ৮ রানে হারিয়ে টি২০ সিরিজও জিতে নিল ভারত। আগের ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ভুগতে হয়েছিল ক্যারিবিয়ানদের। দ্বিতীয় ম্যাচে টস জিতে পরে ব্যাট করেও জয়ের রাস্তায় ফিরতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। টস জিতে এদিন ভারতকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক কিয়েরন পোলার্ড। শুরুটা ভাল হয়নি ভারতের। দ্বিতীয় ওভারেই ফিরে যান ঈশান কিশান (২)। এরপর জুটি বেঁধে ভারতকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন অধিনায়ক ও সহঅধিনায়ক। জুটিতে ওঠে ৪৯ রান। অস্টম ওভারে ছন্দপতন। রস্টন চেজের বলে ব্রেন্ডন কিংয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন রোহিত (১৯)। সূর্যকুমার যাদব (৮) দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি। নিজস্ব মেজাজে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন বিরাট কোহলি। ৪১ বলে ৫২ রান করে রস্টন চেজের বলে বোল্ড হন তিনি। এরপর ভারতে ১৮৬/৫ রানে পৌঁছে দেন ঋষভ পন্থ ও ভেঙ্কটেশ আয়ার। ১৮ বলে ৩৩ রান করে আউট হন ভেঙ্কটেশ। ২৮ বলে ৫২ রান করে অপরাজিত থাকেন ঋষভ। রস্টন চেজ ২৫ রানে ৩ উইকেট নেন।জয়ের জন্য ১৮৭ রানের লক্ষ্য খুব একটা সহজ ছিল না ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে। তবে ভাল শুরু করেছিলেন দুই ওপেনার। ষষ্ঠ ওভারে আউট হন কাইল মেয়ার্স (৯)। তাঁকে তুলে নেন যুজবেন্দ্র চাহাল। ব্রেন্ডন কিং ৩০ বলে ২২ রান করে রবি বিষ্ণোইয়ের বলে আউট হন। এরপর ওয়েস্ট ইন্ডিজকে টেনে নিয়ে যান নিকোলাস পুরান ও রভম্যান পাওয়েল। জুটিতে ওঠে ১০০। এই জুটিই ক্যারিবিয়ানদের জয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছিল। ভুবনেশ্বর কুমার এসে জুটি ভাঙেন। তুলে নেন নিকোলাস পুরানকে (৬২)। রভম্যান পাওয়েল লড়াই করেও দলকে জেতাতে পারেননি। ৩৬ বলে ৬৮ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৭৮/৩ রানে থেমে যায় ক্যারিবিয়ানদের ইনিংস। ভারতের হয়ে ভুবনেশ্বর কুমার, যুজবেন্দ্র চাহাল ও রবি বিষ্ণোই ১টি করে উইকেট নেন।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২২
রাজনীতি

জল্পনার অবসান, সর্বভারতীয় সভাপতি পদে অভিষেকেই আস্থা মমতার

সব জল্পনার অবসান। দল পরিচালনায় নিজের পর ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপরেই আস্থা রাখলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। শুক্রবার পুনরায় তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পদে ফিরিয়ে এনেছেন মমতা। তবে অভিষেকের পদ অক্ষুন্ন থাকলেও অন্য বেশ কিছু সাংগঠনিক পদে রদবদল করেছেন নেত্রী।গত ১২ ফেব্রুয়ারির পর তৃণমূলের সমস্ত সর্বভারতীয় পদ বিলোপ করা হয়েছিল। ২০ জন সদস্যের নবগঠিত জাতীয় কর্মসমিতির চেয়ারপার্সন হন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী। ওই কর্ম সমিতি শুক্রবার বৈঠক করে নতুন পদাধিকারীদের নাম স্থির করেছে। সেখানেই অভিষেক কে পুনরায় সাধারণ সম্পাদক পদের দ্বায়িত্ব দেওয়া হয়।জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকের পর দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় সাংবাদিকদের একথা জানান৷তিনি বলেন,দলের সহ-সভাপতি করা হয়েছে যশবন্ত সিনহা, সুব্রত বক্সী এবং চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে। দলের তহবিলের দেখভাল করবেন অরূপ বিশ্বাস। এছাড়াও ঠিক হয়েছে অর্থনৈতিক ও বিদেশনীতির ব্যাপারে তৃণমূলের অবস্থান কী হবে তা দেখবেন অমিত মিত্র এবং যশবন্ত সিনহা। উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির সাংগঠনিক কাজ দেখবেন সুস্মিতা দেব, সুবল ভৌমিক ও মুকুল সাংমা।উল্লেখ্য, সংসদের অধিবেশনের সময় রাজ্যসভার মুখপাত্র হিসাবে থাকবেন সুখেন্দু শেখর রায় ও লোকসভার মুখপাত্র হবেন ডাঃ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। দিল্লিতে দৈনিক সাংবাদিক সম্মেলন করতে তিনজনের কাঁধে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। যারা দিল্লি থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করবেন বলে জানা গিয়েছে। সেই তিনজনের মধ্যে রয়েছেন মহুয়া মৈত্র, সুখেন্দু শেখর রায় ও কাকলি ঘোষ দোস্তিদার। দলের কার্যনির্বাহী ও জাতীয় নীতি নির্ধারন কমিটির দায়িত্ব সামলাবেন যশবন্ত সিনহা ও ড. অমিত মিত্র। উত্তর পূর্বে দলের সংগঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মুকুল সাংমা, সুবল ভৌমিক ও সুস্মিতা দেবকে। পাশাপাশি হরিয়ানায় তৃণমূলের কনভেনার করা হয়েছে অশোক তানওয়ারকে। উত্তরপ্রদেশে তৃণমূলের কনভেনার করা হয়েছে রাজীব ত্রিপাঠিকে।গুরু দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমকে। ২০ জনের জাতীয় কর্মসমিতি ও সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে সমন্বয় সাধন করবেন ফিরহাদ হাকিম। মূলত যেটা নিয়ে জল্পনা ছিল তার অবসান ঘটিয়েছেন খোদ নেত্রী। সাংসদ অভিষেককেই ফের ফেরানো হয়েছে তাঁর পুরানো পদে। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের মাথায় রেখেই সমস্ত পদ সাজানো হয়েছে বলে শাসক দল সূত্রে খবর।গত শনিবার ২০ জনের যে জাতীয় কর্ম সমিতি গড়া হয়েছে তাতে রয়েছেন সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এছাড়াও রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, অমিত মিত্র, যশবন্ত সিনহা, সুব্রত বক্সী, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অরূপ বিশ্বাস, ফিরহাদ হাকিম, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, কাকলি ঘোষদস্তিদার, সুখেন্দুশেখর রায়, অনুব্রত মণ্ডল, গৌতম দেব, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, বুলুচিক বরাইক, রাজেশ ত্রিপাঠী, অসীমা পাত্র ও মলয় ঘটক।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌স্বপ্নের অভিষেক রবি বিষ্ণোইয়ের, ইডেনে জয় দিয়ে শুরু ভারতের

একদিনের সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইট ওয়াশ করার পর টি২০ সিরিজেও দারুণভাবে শুরু করল ভারত। ইডেনে প্রথম ম্যাচেই ক্যারিবিয়ানদের হারাল ৬ উইকেটে। দুর্দান্ত বোলিং করে ইডেনে স্বপ্নের অভিষেক রবি বিষ্ণোইয়েই। আরও একটা বরপুত্র পেল ক্রিকেটের নন্দন কানন।শিশিরের কথা মাথায় রেখে টস জিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন রোহিত শর্মা। প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় ক্যারিবিয়ানরা। পঞ্চম বলে ব্রেন্ডন কিংকে (৪) তুলে নেন ভুবনেশ্বর কুমার। প্রথম ওভারে উইকেট হারালেও খুব বেশি চাপে পড়েনি ক্যারিবিয়ানরা। পরিস্থিতি সামাল দেন কাইল মেয়ার্স ও নিকোলাস পুরান। মেয়ার্সকে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন যুজবেন্দ্র চাহাল। ২৪ বলে ৩১ করেন মেয়ার্স। ওয়েস্ট ইন্ডিজের মিডল অর্ডারে ধস নামান রবি বিষ্ণোই। দেশের জার্সি গায়ে অভিষেক ম্যাচেই নজর কাড়লেন দেশের এই প্রতিশ্রুতিবান লেগ স্পিনার। তাঁর ও যুজবেন্দ্র চাহালের দাপটে মিডল ওভারে একেবারেই সুবিধা করতে পারেননি ক্যারিবিয়ান ব্যাটাররা। রান তোলার গতি অনেকটাই শ্লথ হয়ে যায়।লং অফ বাউন্ডারিতে দাঁড়িয়ে শুরুতেই বড় ভুল করে ফেলেছিলেন রবি বিষ্ণোই। যুজবেন্দ্র চাহালের বলে নিকোলাস পুরানের ক্যাচ ধরে বাউন্ডারি লাইন স্পর্শ করে ফেলেন। শুরুতে জীবন পেয়ে দলকে টেনে নিয়ে যান পুরান। তবে ম্যাচের একাদশ ওভারে প্রায়াশ্চিত্য করেন রবি বিষ্ণোই। দ্বিতীয় বলে তাঁর স্পিনের ফাঁদে পড়ে এলবিডব্লু হন রস্টন চেজ (৪)। পঞ্চম বলে তুলে নেন রভম্যান পাওয়েলকে (২)। বিষ্ণোইয়ের এই জোড়া ধাক্কা সামলাতে পারেনি ক্যারিবিয়ানরা। পরপর ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায়। রান তোলার গতিও কমে যায়। এরপরই আকিল হোসেনকে (১০) তুলে নেন যুজবেন্দ্র চাহাল। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান নিকোলাস পুরান ও অধিনায়ক নিকোলাস পুরান। শেষপর্যন্ত ৪৩ বলে ৬১ রান করে হর্ষল প্যাটেলের বলে বিরাট কোহলির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন পুরান। দলকে ১৫৭/৭ রানে পৌঁছে দেন অধিনায়ক কিয়েরন পোলার্ড। ১৯ বলে ২৪ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। রবি বিষ্ণোই ১৭ রানে ২ উইকেট নেন। ৩৭ রানে ২ উইকেট নেন হর্ষল প্যাটেল। ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করে ভারত। রোহিত শর্মা ইডেনের বরপুত্র। ইডেন তাঁকে কখনও খালি হাতে ফেরায়নি। এদিনও শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে। তাঁর দাপটেই ৫ ওভারে ৫৭ রানে পৌঁছে যায় ভারত। অস্টম ওভারে ছন্দপতন। রস্টন চেজের বল গ্যালারিতে পাঠাতে গিয়ে আউট রোহিত। ততক্ষণে তাঁর নামের পাশে ১৯ বলে ৪০ রান। ওপেনিং জুটিতে ঈশান কিশানের সঙ্গে তোলেন ৬৪। রোহিত ফিরে যাওয়ার পর ভারতকে টানছিলেন ঈশান ও কোহলি। ৪২ বলে ৩৫ রান করে সেই রস্টন চেজের বলেই দ্বাদশ ওভারে আউট হন ঈশান। পরের ওভারেই কোহলিকে (১৩ বলে ১৭) তুলে নিয়ে ভারতকে চাপে ফেলে দেন ফাবিয়ান অ্যালেন। চার নম্বরে নেমে ঋষভ পন্থও (৮) ব্যর্থ। তিনি শেলডন কটরেলের শিকার। ১১৪ রানে ৪ উইকেট হারায় ভারত। এরপর দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন সূর্যকুমার যাদব ও ভেঙ্কটেশ আয়ার। ১৮.৫ ওভারে ১৬২/৪ রান তুলে জিতে নেয় ভারত। ১৮ বলে ৩৪ রান করে অপরাজিত থাকেন সূর্যকুমার যাদব। ১৩ বলে ২৪ রান করে অপরাজিত থাকেন ভেঙ্কটেশ আয়ার।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‘‌ইডেনে অন্য খেলা হবে’, কেন একথা বললেন কিয়েরন পোলার্ড?‌ ‌

ক্রিকেট খেলিয়ে বিশ্বের সেরা দেশগুলিকে যদি ধারাবাহিকতার নিরিখে বিচার করা হয়, সবথেকে পিছিয়ে থাকবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। একসময় গোটা ক্রিকেট বিশ্ব ক্যারিবিয়ানদের আতঙ্গে ভুগত। সেই দিন আর নেই। এখন আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ডের মতো দলগুলিও ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে দিচ্ছে। সুতরাং ভারতের মতো দেশও যে হারাবে, এতে আবার নতুনত্ব কোথায়। একদিনের সিরিজে রোহিত শর্মা ব্রিগেডের কাছে পর্যুদস্ত হয়েছে ক্যারিবিয়ানরা। এবার টি২০ সিরিজে ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই। ভারত যতই একদিনের সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইট ওয়াশ করুক টি২০ ক্রিকেটে অন্য খেলা হবে। ইডেনে টি২০ সিরিজ শুরু হওয়ার আগের দিন ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে তেমনই ইঙ্গিত দিয়ে গেলেন ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক কিয়েরন পোলার্ড।ভারতের বিরুদ্ধে টি২০ সিরিজে মাঠে নামার আগে পোলার্ড বলেন, একদিনের সিরিজে কী হয়েছে সেটা মাথায় রাখছি না। নতুন সিরিজ শুরু হচ্ছে। এই ফর্ম্যাটে আমরা ভাল খেলি। টি২০ সিরিজের জন্য নির্দিষ্ট কিছু পরিকল্পনা আছে। পরিকল্পনাগুলো কাজে লাগাতে পারলে সিরিজ জিততে সমস্যা হবে না। আমাদের দলের ধারাবাহিকতার অভাব আছে, সেকথা মানছি। কিন্তু এই ফর্ম্যাটে সব দলকেই আমাদের সমীহ করতে হবে। কথাটা ভুল বলেননি ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক। টি২০ অভিজ্ঞতার নিরিখে তাঁর দল সত্যিই শক্তিশালী। সাই হোপ, নিকোলাস পুরান, জেসন হোল্ডাররা সারা বছর ধরে বিশ্বের বিভিন্ন টি২০ লিগে খেলে বেড়ান। আর আইপিএল খেলার সুবাদে এখানকার পরিবেশ, ভারতীয় ক্রিকেটারদের হাতের তালুর মতোই চেনেন। তাই টি২০ সিরিজের আগে বাড়তি আত্মবিশ্বাসী গোটা ক্যারিবিয়ান শিবির।ইডেনের বাইশ গজ নিয়ে খুশি ক্যারিবিয়ানরা। বুধবার অনুশীলনের আগে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে উইকেট পরীক্ষা করেন পোলার্ড। ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, উইকেটে বল ভাল ক্যারি করবে। বাউন্স আছে। দারুণ উইকেট। তবে রাতের দিকে শিশিরের জন্য বোলারদের সমস্যায় পড়তে হবে। পোলার্ডের কথাতেই ইঙ্গিত, টস জিতলে আগে ব্যাটিং করার ঝুঁকি নেবেন না।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ইন্দো-বাংলাদেশ প্রযোজনায় নতুন ছবি

গ্রীন টাচ বাংলাদেশ এন্টারটেইনমেন্ট প্রাইভেট লিমিটেড এর চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম মাসুম বললেন- এপার বাংলা (পশ্চিমবঙ্গ) ওপার বাংলার (বাংলাদেশ) মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা শুরু করতে চলেছি নতুন বাংলা ছবি। ছবির নাম একটা নতুন ছবি । এই ছবির পরিচালনার দায়িত্বে আছেন অরুদীপ্ত দাশগুপ্ত। উনি এর আগে হিন্দী বাংলায় এপারের বেশ কিছু ছবি পরিচালনা করলেও এপার বাংলা ওপার বাংলার মিলিত প্রচেষ্টায় এই প্রথম ছবি করতে চলেছেন অরুদীপ্ত। ছবির গল্প লিখেছেন সঞ্জয় দাস। এই ছবিতে অভিনেত্রী হিসাবে রয়েছেন বাংলাদেশের হ্যারিজন, ভালবাসতে মন লাগে, প্রমুখ সিনেমা খ্যাত এবং জান্তব (চ্যানেল), বন্ধু আমার নাটকের সফল অভিনেত্রী নির্জনা। এ ছাড়াও অভিনেতা হিসাবে থাকছেন আরো অনেক প্রতিথযশা এপার বাংলা ওপার বাংলার চেনা মুখ অভিনেতা অভিনেত্রী। এছাড়াও ওপার বাংলার আর একজনের নাম উল্ল্যেখ না করলেই নয়। তিনি হলেন মনিরুল ইসলাম মাসুম। যিনি এই ছবির কাস্টিং ডিরেক্টর হিসাবে থাকছেন।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আত্মবিশ্বাসের অভাব কোহলির?‌ রোহিত কী উত্তর দিল দেখুন

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে চূড়ান্ত ব্যর্থ বিরাট কোহলি। তিম ম্যাচে সংগ্রহ ২৬। প্রথম ম্যাচে করেছিলেন ৮ রান, দ্বিতীয় ম্যাচে ১৮। আর তৃতীয় ম্যাচে কোনও রান করতে পারেননি। নেতৃত্ব হারানোর পর থেকে কি আত্মবিশ্বাসের অভাব দেখা দিয়েছে কোহলির? ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে ব্যর্থতার পর প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। প্রশ্নটা সপাটে বাউন্ডারির বাইরে পাঠালেন ভারতীয় দলের নতুন অধিনায়ক রোহিত শর্মা।একদিনের সিরিজে ক্যারিবিয়ানদের হোয়াইট ওয়াশ করার পর ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে রোহিতের কাছে প্রশ্ন উড়ে এসেছিল, কোহলির কি আত্মবিশ্বাস বাড়ানো জরুরি? প্রশ্নটা হেসে উড়িয়ে দেন রোহিত। বলেন, বিরাট কোহলির আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর প্রয়োজন? কী কথা বলছেন? দীর্ঘদিন সেঞ্চুরি পায়নি, এটা ঠিক কথা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজেই তো দুটি হাফসেঞ্চুরি করেছে। আমার মনে হয় না কোথাও ভুল আছে। ওর আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর কোনও প্রয়োজন নেই। কোহলির ফর্ম নিয়ে টিম ম্যানেজমেন্টও চিন্তিত নয়। সুনীল গাভাসকারও মনে করছেন, কোহলির টেকনিকে কিংবা আত্মবিশ্বাসে কোনও অভাব রয়েছে। আসলে ভাগ্যের সহায়তা পাচ্ছেন না প্রাক্তন অধিনায়ক। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে টপ অর্ডার চূড়ান্ত ব্যর্থ। টপ অর্ডারের ব্যর্থতা দারুণভাবে সামলে দিয়েছে মিডল অর্ডার। দলের মিডল অর্ডারের ব্যাটিংয়ে খুশি অধিনায়ক রোহিত শর্মা। তাঁর দাবি, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সবকিছুই পরিকল্পনামাফিক হয়েছে। রোহিত বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে মিডল অর্ডার সেভাবে রান পায়নি। মাঝের ওভারগুলো কীভাবে সামাল দেওয়া যাবে, এই নিয়ে টিম ম্যানেজমেন্ট যথেষ্ট চিন্তায় ছিল। কিন্তু ক্যারিবিয়ানদের বিরুদ্ধে সিরিজে মিডল অর্ডার দারুণ খেলেছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ব্যাট করেছে। এটা দলের কাছে ইতিবাচক দিক। রোহিত আরও বলেন, টপ অর্ডার রান পাওয়ায় মিডল অর্ডার ব্যাট করার সুযোগ পাচ্ছিল না। এই সিরিজে টপ অর্ডার ব্যর্থ। মিডল অর্ডার দারুণ চাপ সামলেছে।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মিসেস ইন্ডিয়া ইউনিভার্স ২০-২১ দেবশ্রীতা

জীবন যুদ্ধে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে নিজেকে তৈরি করেছিলেন । তিনিই প্রথম বাঙালি যিনি বিশ্বের দরবারে ভারত এবং অস্ট্রেলিয়া র হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ২০২০-২১ সালে অনুষ্ঠিত হওয়া মিসেস ইন্ডিয়া ইউনিভার্স এর শিরোপা ওঠে তার মাথায়। মডেলিং এবং ফ্যাশন জগতে তার নাম প্রথম সারিতে। তিনি হলেন দেবাশ্রীতা মুখার্জি। তার জন্ম ও বড়ো হয়ে ওঠা কলকাতায়। আইন নিয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক তার পর বিদেশে ম্যানেজমেন্ট। বর্তমানে বিবাহের পর তিনি অস্ট্রেলিয়া বাসি। তার ১০ বছরের মেয়ে রয়েছে। এক সংবাদিক সম্মেলনে তিনি জানান, ভারত এবং অস্ট্রেলিয়া কে একযোগে প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে খুব খুশি। গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ড নিয়ে এখনও অনেকের মনে অনেক ভীতি রয়েছে। কিন্তু নিজের লক্ষ্যে যদি স্থির থাকা যায় তাহলে কোনো সমস্যা হয় না। স্বামীর থেকে পাওয়া সহযোগিতার কথাও উল্লেখ্য করেন দেবশ্রী। এছাড়া তার ঝুলিতে রয়েছে মিসেস ইউনিভার্স অস্ট্রেলিয়ার ফার্স্ট রানারআপ , মিসেস কার্ভস অ্যান্ড কার্ল ইন্টারন্যাশনাল ২০২১। মিসেস সিক্রেট অস্ট্রেলিয়া পুরস্কার রয়েছে তার কাছে। ওয়ান্ডার অফ ওম্যানহুড র ব্র্যান্ড এম্বাসেডর তিনি। ওয়ান্ডার অফ ওম্যানহুড এডভোকেসি অ্যাওয়ার্ড ২০২১ পেয়েছেন। সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত তার মা রুবি মুখার্জি বলেন, প্রাথমিক ক্ষেত্রে গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ড নিয়ে আমি একটু সংকোচ বোধ করি। কিন্তু বর্তমানে মেয়ের সাফল্য সেই দ্বিধা কে সম্পূর্ণ দূর করে দিয়েছে। আগামী প্রজন্মের কাছে আমি বলতে চাই যারা এই গ্ল্যামার ওয়ালড নিয়ে নিজের জীবনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চায় তারা অবশ্যই পারিবারিক সম্মতিতে এগিয়ে যেতে পারবে। উপস্থিত ডেভিনা সেনগুপ্ত দেবাশ্রীতার ১০ বছরের কন্যাও তার মায়ের সাফল্যে উচ্ছসিত। এই সাংবাদিক সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাবা অসিত মুখার্জি, কে কে চ্যাটার্জী, সেলিব্রিটি স্টাইলিস্ট তেজাস গান্ধী, তুষার ঢালীওয়ালা, সৌমী দত্ত প্রমুখ।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌রোহিতের কৃতিত্বের দিনে লজ্জার রেকর্ড কোহলির

দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে একদিনের সিরিজে হোয়াট ওয়াশের পর দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়াল ভারত। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে আগেই সিরিজ জিতে নিয়েছিল রোহিত শর্মার দল। তৃতীয় একদিনের ম্যাচে ৯৬ রানে জিতে ক্যারিবিয়ানদের হোয়াইট ওয়াশ ভারতের। অধিনায়ক হিসেবে প্রথম একদিনের সিরিজেই দারুণ কৃতিত্ব রোহিতের। আর রোহিতের কৃতিত্বের দিনে লজ্জার রেকর্ড বিরাট কোহলির। দীর্ঘদিন ব্যাটে বড় রান নেই বিরাট কোহলির। ক্রিকেটপ্রেমীরা তাকিয়েছিলেন কোহলির ব্যাটের দিকে। দুর্বল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে যদি সেঞ্চুরি আসে। সেঞ্চুরি তো দুরের কথা, লজ্জার রেকর্ডের সামিল হতে হতে হল প্রাক্তন অধিনায়ককে। প্রথম ম্যাচে ৮ রান করার পর দ্বিতীয় ম্যাচে আউট হয়েছিলেন ১৮ রানে। আর তৃতীয় একদিনের ম্যাচে নামের পাশে শূন্য। এই নিয়ে দেশের মাঠে ৮ বার শূন্য রানে আউট হলেন কোহলি। স্পর্শ করলেন হরভজন সিং ও সুরেশ রায়নার রেকর্ড। এই দুজনও ৮ বার করে শূন্য রানে আউট হয়েছেন। তৃতীয় একদিনের ম্যাচে চারটি পরিবর্তন করে মাঠে নামে ভারত। লোকেশ রাহুল, দীপক হুডা, শার্দূল ঠাকুর, যুজবেন্দ্র চাহালের জায়গায় শিখর ধাওয়ান, শ্রেয়স আয়ার, দীপক চাহাল ও কুলদীপ যাদব। টস জিতে এদিন ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন রোহিত শর্মা। তৃতীয় ওভারের তৃতীয় বলে ধাক্কা খায় ভারত। ১৫ বলে ১৩ রান করে আউট হন রোহিত। ২ বল পরেই আউট হন কোহলি। দুজনকেই তুলে নেন আলজেরি জোসেফ। শিখর ধাওয়ানও (১০) ব্যর্থ। ৪২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। শ্রেয়স আয়ার ও ঋষভ পন্থের পার্টনারশিপ চাপ থেকে উদ্ধার করে ভারতকে। ৫৪ বলে ৫৬ রান করে আউট হন ঋষভ। সূর্যকুমারও (৬) ব্যর্থ। ১১১ বলে ৮০ রান করে আউট হন শ্রেয়স। ওয়াশিংটন সুন্দর (৩৩) ও দীপক চাহার (৩৮) ভারতকে ২৬৫ রানে পৌঁছে দেয়। ভারতের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজ ক্যারিবিয়ান ব্যাটারদের কাছে আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেই আতঙ্ক থেকে এদিনও বেরিয়ে আসতে পারেনি। তবে ভারতীয় বোলারদের কৃতিত্ব দিতেই হবে। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ, দীপক চাহার, মহম্মদ সিরাজদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে সামনে অসহায় হয়ে পড়েছিলেন ক্যারিবিয়ান ব্যাটাররা। একসময় ৮২ রানে ৭ উইকেট পড়ে যায়। সেখান থেকে ম্যাচে ফেরা সম্ভব হয়নি। মিডল অর্ডারে কিছুটা লড়াই করেন নিকোলাস পুরান (৩৪)। লোয়ার অর্ডারে আলজেরি জোসেফ (২৯) ও ওডিয়েন স্মিথ (৩৬) রুখে দাঁড়ালেও তা যথেষ্ট ছিল না। শেষ পর্যন্ত ৩৭.১ ওভারে ১৬৯ রানে গুটিয়ে যায় ক্যারিবিয়ানদের ইনিংস। ভারতের হয়ে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ ২৭ রানে, মহম্মদ সিরাজ ২৯ রানে ৩টি করে উইকেট নেন। দীপক চাহার ও কুলদীপ যাদব নেন ২টি করে উইকেট।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

নেতা হিসেবে অভিষেক সিরিজ স্মরণীয় করে রাখলেন রোহিত

দেশের ১০০০তম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে নেতৃত্ব দিতে নেমে দলকে জিতিয়েছিলেন। দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচেও জয়। এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ পকেটে। একদিনের ক্রিকেটের নেতা হিসেবে অভিষেক সিরিজ সত্যিই স্মরণীয় করে রাখলেন রোহিত শর্মা। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে ৪৪ রানে হারিয়ে সিরিজ জিতে নিল ভারত। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হোয়াইট ওয়াশের গ্লানি অন্তত কিছুটা কাটল।ম্যাচ শুরুর আগেই এদিন ধাক্কা খায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। চোটের জন্য ছিটকে যান অধিনায়ক কিয়েরন পোলার্ড। তাঁর জায়গায় ওয়েস্ট ইন্ডিজকে নেতৃত্ব দিতে নামেন নিকোলাস পুরান। শিশির সমস্যার কথা মাথায় রেখে এদিন টসে জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠান তিনি। ভারতের ওপেনিংয়ে চমক। লোকেশ রাহুল প্রথম একাদশে থাকা সত্ত্বেও অধিনায়ক রোহিত শর্মার সঙ্গে ওপেন করতে নামেন ঋষভ পন্থ। ৪ নম্বরে ব্যর্থ হওয়ায় এদিন ঋষভকে ওপেনিংয়ে তুলে নিয়ে আসা হয়েছিল পাওয়ার প্লের সুবিধা নেওয়ার জন্য। কিন্তু টপ অর্ডারেও নিজেকে মেলে ধরতে ব্যর্থ। ৩৪ বলে মাত্র ১৮ রান করে তিনি ওডিয়েন স্মিথের বলে জেসন হোল্ডারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। তাঁর আগেই ফিরে যান অধিনায়ক রোহিত শর্মা। তৃতীয় ওভারের শেষ বলে রোহিতকে (৫) তুলে নেন কেমার রোচ।That Winning Feeling! 👏 👏@prasidh43 picks his fourth wicket as #TeamIndia complete a 4⃣4⃣-run win over West Indies in the 2nd ODI. 👍 👍 #INDvWI @PaytmScorecard ▶️ https://t.co/yqSjTw302p pic.twitter.com/R9KCvpMImH BCCI (@BCCI) February 9, 2022বিরাট কোহলি এদিনও বড় রান করতে ব্যর্থ। ৩০ বলে ১৮ রান করে তিনি ওডিয়েন স্মিথের বলে উইকেটের পেছনে সাই হোপের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ৪৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। দলকে চাপ থেকে উদ্ধার করেন ৪ নম্বরে নামা লোকেশ রাহুল ও সূর্যকুমার যাদব। জুটিতে ওঠে ৯১। ৪৮ বলে ৪৯ রান করে রান আউট হন লোকেশ রাহুল। ৮৩ বলে ৬৪ রান করেন সূর্যকুমার যাদব। তাঁকে ফেরান ফাবিয়ান অ্যালেন। ওয়াশিংটন সুন্দর (২৪), ও দীপক হুডার (২৯) সৌজন্যে ৫০ ওভারে ২৩৭/৯ রানে পৌঁছয় ভারত।জয়ের জন্য ২৩৮ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৭ ওভারে তুলে ফেলে ৩০। এরপরই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ধাক্কা দেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। তুলে নেন ব্রেন্ডন কিংকে (১৮)। এক ওভার পরেই ফেরান ড্যারেন ব্রাভোকে (১)। পরপর ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেই চাপ থেকে আর বেরিয়ে আসতে পারেনি। নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়তে থাকে ক্যারিবিয়ানদের। একসময় ১১৭ রানে ৬ উইকেট পড়ে যায়। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর দুরন্ত বোলিংয়ের সামনে বেসামাল হয়ে পড়েন ক্যারিবিয়ান ব্যাটাররা। কিছুটা লড়াই করেন সামরাহ ব্রুকস (৪৪), আকিল হোসেন (৩৪) ও ওডিয়েন স্মিথ (২৪)। শেষ পর্যন্ত ৪৬ ওভারে ১৯৩ রানে গুটিয়ে যায় ক্যারিবিয়ানদের ইনিংস। ৯ ওভার বোলিং করে ৩টি মেডেনসহ ১২ রানে ৪ উইকেট নেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। ৪১ রানে ২ উইকেট নেন শার্দূল ঠাকুর।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ওপেনিংয়ে ঋষভ!‌ চমক ভারতের, কী বললেন গাভাসকার?‌

ব্যক্তিগত কারণে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে প্রথম একদিনের ম্যাচে খেলেননি লোকেশ রাহুল। তাঁর পরিবর্তে রোহিত শর্মার সঙ্গে ওপেন করেছিলেন ঈশান কিষান। দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে ঈশানের পরিবর্তে দলে দলে লোকেশ। তবে তিনি প্রথম একাদশে থাকা সত্ত্বেও রোহিতের সঙ্গে ওপেনিংয়ে ঋষভ পন্থ। ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের এই স্ট্র্যাটেজিতে চমকে গিয়েছিলেন সবাই।কেন ঋষভ পন্থকে ওপেনিংয়ে তুলে নিয়ে আসা হয়েছিল? আসলে ২০২৩ একদিনের বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে পরীক্ষানিরীক্ষা শুরু করেছে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। আগে লোয়ার মিডল অর্ডারে পাঠানো হত ঋষভকে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে ৪ নম্বরে তুলে নিয়ে আসা হয়েছিল। দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধেও ৪ নম্বরে পাঠানো হয়েছিল। ব্যর্থ হয়েছিলেন। দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে একেবারে ওপেনিংয়ে। টপ অর্ডারে তুলে নিয়ে এসে ঋষভকে বার্তা দেওয়া হল, তাঁর কাছ থেকে দল আরও বেশি রান আশা করে।ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের এই স্ট্র্যাটেজি প্রসঙ্গে সুনীল গাভাসকার বলেছেন, শুধুমাত্র পরীক্ষানিরীক্ষার জন্যই টিম ম্যানেজমেন্ট এই পরিকল্পনা নিয়েছে। এই পরিকল্পনা যদি কার্যকরী হয়, তাহলে পরের বছর বিশ্বকাপে ঋষভকে ওপেনিংয়ে দেখা দেখা যেতে পারে। কেন ঋষভকে ওপেনিংয়ে পাঠানো হয়েছে, তার ব্যাখাও দিয়েছেন গাভাসকার। তিনি বলেন, প্রথম ১০ ওভারে ভারতের রান তোলার গতি আগের থেকে অনেক মন্থর হয়ে গেছে। ফিল্ডিং নিষেধাজ্ঞার সুযোগ নিয়ে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের লক্ষ্য প্রথম ১০ ওভারে ৬০ থেকে ৭০ রান তোলা। তাই ঋষভকে ওপেনিংয়ে পাঠিয়ে পরীক্ষা করা হয়েছে।ঋষভকে ওপেনিংয়ে পাঠিয়ে অন্য একটা বার্তাও দিতে চেয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট। গাভাসকার বলেল, ক্রিজে নেমেই উল্টোপাল্টা ব্যাট চালিয়ে ঋষভের দ্রুত আউট হয়ে চলে আসার প্রবণতা রয়েছে। টপ অর্ডারে পাঠিয়ে ওর ওপর আরও দায়িত্ব চাপানো হল। ঋষভকে বার্তা দেওয়া হয়েছে, দল ওর কাছ থেকে আরও বেশি রান আশা করে। ঋষভকে ওপেনিংয়ে পাঠানো নিয়ে আবার প্রশ্নও তুলেছেন গাভাসকার। তিনি বলেন, ঋষভকে যদি ওপেনিংয়ে পাঠানো হয়, তাহলে ফিনিশারের দায়িত্ব পালন করবে কে?

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আইএসএলে অন্য দলগুলির তুলনায় এটিকে মোহনবাগানের ভারতীয় স্ট্রাইকারদের কেন এত দাপট?‌

গত মরশুমে আইএসএলে এটিকে মোহনবাগানের হয়ে সর্বোচ্চ গোল করেছিলেন রয় কৃষ্ণা। এবছর সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে একেবারেই নিস্প্রভ ফিজির এই তারকা স্ট্রাইকার। রয় কৃষ্ণা সেভাবে জ্বলে উঠতে না পারলেও এবছর ফুল ফোটাচ্ছেন লিস্টন কোলাসো। ধারাবাহিকভাবে গোল করে চলেছেন এটিকে মোহনবাগানের এই ফরোয়ার্ড। এখনও পর্যন্ত আইএসএলে সব দল মিলিয়ে এটিকে মোহনবাগানের ভারতীয় স্ট্রাইকাররাই সবথেকে বেশি গোল করেছেন।এই বছর আইএসএলে হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় পর্বের ম্যাচ পর্যন্ত এটিকে মোহনবাগান ১৩ ম্যাচে গোল করেছে ২৬টি। সবথেকে বেশি গোল হুগো বোমাসের। ১১ ম্যাচ খেলে তিনি করেছেন ৫ গোল। সবথেকে বেশি ম্যাচ খেলেছেন লিস্টন কোলাসো। ১২ ম্যাচে তাঁর গোল সংখ্যা ৫। এরপরই রয়েছেন রয় কৃষ্ণা। ১০ ম্যাচে তিনি করেছেন ৪ গোল। আর পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নেমে ৩ ম্যাচে কিয়ান নাসিরির গোল সংখ্যা ৩টি। ডেভিড উইলিয়ামস ১২ ম্যাচে করেছেন ৩ গোল।২০২০২১ আইএসএলে ২৩ ম্যাচে ৩২ গোল করেছিল এটিকে ২৬ গোল করেছিলেন বিদেশি স্ট্রাইকাররা। এরমধ্যে রয় কৃষ্ণাই একা করেছিলেন ১৪ গোল। আর ভারতীয় স্ট্রাইকারদের মধ্যে সবথেকে বেশি গোল করেছিলেন মনবীর সিং। ২১ ম্যাচে তাঁর গোল ছিল ৫টি। এবছর মনবীর তেমন জ্বলে উঠেতে না পারলেও তাঁর জায়গা নিয়েছেন লিস্টন কোলাসো। গত মরশুমে ১৯ ম্যাচে ২ গোল করেছিলেন লিস্টন কোলাসো। আর তাঁর পাস থেকে এসেছিল ৩ গোল।অন্য দলগুলিতে যেখানে বিদেশি স্ট্রাইকারদের দাপট, সেখানে এটিকে মোহনবাগানে স্বদেশি স্ট্রাইকারদের জয়জয়কার। হুগো বোমাস, রয় কৃষ্ণা, ডেভিড উইলিয়ামসদের মতো তারকা বিদেশি স্ট্রাইকারদের ভিড়ে নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরেছেন লিস্টন কোলাসো। পরিবর্ত হিসেবে ৩ ম্যাচে মাঠে নেমে একটা হ্যাটট্রিকও করে ফেলেছেন কিয়ান নাসিরি। ১৫ ম্যাচে হায়দরাবাদ এফসি করেছে ৩৪ গোল। ১৩ ম্যাচ খেলে ১৪ গোল করেছেন আইএসএলের সেরা স্ট্রাইকার বার্থোসলোমেউ ওগবেচে। আপাতত তিনিই চলতি আইএসএলের সর্বোচ্চ গোলদাতা। ৪টি গোল করেছেন টোরো। ৩টি গোল করেছেন জোয়াও ব্রুনো। ২টি করে গোল করেছেন এডুয়ার্ডো গার্সিয়া ও জোয়েল যোশেফ।অন্যদিকে বেঙ্গালুরু এফসি ১৫ ম্যাচে করেছে ২৭ গোল। এর মধ্যে স্বদেশি ফুটবলারদের গোল সংখ্যা ২০। ওডিশা এফসি, মুম্বই সিটি এফসি, জামশেদপুর এফসি, কেরালা ব্লাস্টার্স, এফসি গোয়া, এসসি ইস্টবেঙ্গল, চেন্নাইন এফসির দলগুলির অধিকাংশ গোলই এসেছে বিদেশি ফুটবলারদের পা থেকে। ব্যতিক্রম নর্থইস্ট ইউনাইটেডের। এটিকে মোহনবাগানের মতো তাদেরও অধিকাংশ গোলের মালিক স্বদেশি ফুটবলাররা।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ওগবেচেকে আটকাতে পারবেন? কী বলছেন সবুজমেরুন কোচ জুয়ান ফেরান্দো

শেষ ৪ ম্যাচে ৩টিতে ড্র। ডার্বি জয়ের পরপর দুম্যাচে আটকে গিয়েছে এটিকে মোহনবাগান। ১২ ম্যাচে ২০ পয়েন্ট পেয়ে এই মুহূর্তে লিগ টেবিলে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে সবুজমেরুন শিবির। মঙ্গলবার সামনে লিগ টেবিলের শীর্ষে থাকা হায়দরাবাদ এফসি। জিতলেই প্লে অফের দিকে অনেকটাই এগিয়ে যাবে এটিকে মোহনবাগান। কাজটা কিন্তু সহজ হবে না জুয়ান ফেরান্দোর দলের কাছে। কারণ সবুজমেরুন ডিফেন্সকে সামলাতে হবে এই আইএসএলের সবথেকে ভয়ঙ্কর স্ট্রাইকার বার্থেলেমিউ ওগবেচেকে। হায়দরাবাদ এফসি-র বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে এটিকে মোহনবাগানের কাছে স্বস্তির খবর ছোট সরিয়ে রয় কৃষ্ণার পুরো সুস্থ হয়ে ওঠা। তবে এই ম্যাচেও তাঁকে শুরু থেকে খেলানো হবে কিনা, তা নিশ্চিত নয়। আইএসএলের শুরু থেকেই রক্ষণ সমস্যায় ভুগছে এটিকে মোহনবাগান। সমস্যা মেটাতে সন্দেশ ঝিঙ্গানকে সই করিয়েছে। হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে সবুজমেরুন জার্সি গায়ে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু হতে চলেছে সন্দেশের। বার্থেলেমিউ ওগবেচেকে আটকানোই সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ এই অভিজ্ঞ ডিফেন্ডারের কাছে। এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো অবশ্য শুধু বার্থেলেমিউ ওগবেচেকে নিয়ে ভাবছেন না। তাঁর চিন্তা গোটা হায়দরাবাদ টিম। হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে জুয়ান ফেরান্দো বলেন, শুধু ওগবেচেকে আটকানোর পরিকল্পনা করলেই হবে না। ওদের দলে আরও ভাল ভাল ফুটবলার আছে। তাঁদের নিয়েও পরিকল্পনা করতে হবে। ওগবেচে দুর্দান্ত স্ট্রাইকার। সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। ওর পেছনে গোটা দল আছে। তাদের আটকাতে হবে। গোটা হায়দরাবাদ দলকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন জুয়ান ফেরান্দো। প্রথম পর্বের লড়াইয়ে শেষ মুহূর্তের গোলে জয় হাত ছাড়া হয়েছিল এটিকে মোহনবাগানের। এবার ৩ পয়েন্ট তুলতে মরিয়া।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌মাইলস্টোনের ম্যাচ জিতে স্মরণীয় করে রাখলেন রোহিত শর্মা

দেশের অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক হয়েছে আগেই। তবে সেটা টি২০ ক্রিকেটে। বিরাট কোহলিকে সরিয়ে একদিনের নেতৃত্ব পেয়েছেন গতবছর ডিসেম্বরে। চোটের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যেতে না পারায় একদিনের ক্রিকেটে অভিষেক হয়নি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে দেশের হাজারতম একদিনের ম্যাচে অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক। মাইলস্টোনের ম্যাচ জিতে স্মরণীয় করে রাখলেন রোহিত শর্মা। একেবারে সামনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দিয়ে জেতালেন। মাইলস্টোনের ম্যাচে এদিন সবকিছুই রোহিতের পক্ষে গেছে। টসে জিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ব্যাট করতে পাঠান রোহিত। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে প্রথম ধাক্কা দেন মহম্মদ সিরাজ। তুলে নেন সাই হোপকে (৮)। এরপর দ্বাদশ ওভারে ৪ বলের ব্যবধানে ব্রেন্ডন কিং (১৩) ও ডোয়েন ব্রাভোকে (১৮)। তুলে নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দেন ওয়াশিংটন সুন্দর। মিডল অর্ডারে ধস নামান যুজবেন্দ্র চাহাল। ২০ নম্বর ওভারে পরপর ২ বলে ফেরান নিকোলাস পুরান (১৮) ও অধিনায়ক কিয়েরণ পোলার্ডকে (০)। আকিল হোসেনকে (০) ফেরান প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। ৭৯ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেখান থেকে রুখে দাঁড়ান জেসন হোল্ডার ও ফ্যাবিয়ান অ্যালেন। দুজনে মিলে জুটিতে তোলেন ৭৮। স্পিনাররা সুবিধা করতে পারছেন না দেখে জুটি ভাঙতে রোহিত দ্বারস্থ হন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর। তিনি হোল্ডারকে (৫৭) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন। অ্যালেন করেন ২৯। ৪৩.৫ ওভারে ১৭৬ রানে গুটিয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।ভারতের যা ব্যাটিং শক্তি, ১৭৭ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন ছিল না। দারুণ শুরু করেছিলেন রোহিত শর্মা ও ঈশান কিশান। ভারতের ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৮৪। রোহিত ও ঈশানই দলের জয়ের ভিত তৈরি করে দেন। ৫১ বলে ৬০ রান করে আলজেরি জোশেফের বলে এলবিডব্লিউ হন রোহিত। কোহলিও (৮) বেশিক্ষণ স্থায়ী হননি। ভাল শুরু করেও বড় রান করতে ব্যর্থ ঈশান কিশান। ৩৬ বলে ২৮ রান করে তিনি আউট হন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে রান আউট হন ঋষভ পন্থ (১১)। ১১৬ রানের মধ্যে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। শেষ পর্যন্ত দলকে জয়ে এনে দেন সূর্যকুমার যাদব (অপরাজিত ৩৪) ও অভিষেককারী দীপক হুডা (অপরাজিত ২৬)। ২৮ ওভারে ১৭৮/৪ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় ভারত।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌স্নায়ুচাপের লড়াইয়ে বাজিমাত, রবি–রাজের দাপটে ৫ বার বিশ্বসেরা ভারত

ম্যাচের অন্তিমলগ্ন পর্যন্ত টানটান উত্তেজনা। স্নায়ুচাপের লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত বাজিমাত ভারতের। ইংল্যান্ডকে ৪ উইকেটে হারিয়ে অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন যশ ধুল ব্রিগেড। এই নিয়ে ৫ বার বিশ্বসেরার তকমা ছিনিয়ে নিল ভারত। একটা সময় আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। ১৮৯ রান তাড়া করে জয় আসবে তো। কিন্তু অ্যান্টিগুয়ার স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামে যেভাবে স্নায়ু চাপ ধরে রাখার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেন যশ ধুলরা, এককথায় অবিশ্বাস্য। আর ভারতকে বিশ্বকাপের বৈতরণী পার করার নায়ক হরিয়ানার বাঁহাতি ব্যাটার নিশান্ত সিন্ধু। ম্যাচের প্রথমার্ধ যদি রাজ বাওয়া ও রবি কুমারের হয়, দ্বিতীয়ার্ধটা অবশ্যই নিশান্ত সিন্ধুর। দুর্দান্ত হাফ সেঞ্চুরি করে ভারতে বিশ্বসেরার খেতাব এনে দিলেন। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় ওভারেই ইংল্যান্ড শিবিরকে ধাক্কা দেন রবি কুমার। দুরন্ত ইনসুইংয়ে তুলে নেন ওপেনার জ্যাকব বেথেলকে (২)। চতুর্থ ওভারে সবথেকে বড় ধাক্কা খায় ইংল্যান্ড। রবি কুমারের বল ব্যাটের ভেতরের কানায় লাগিয়ে বোল্ড হন টম প্রেস্ট (০)। অধিনায়ক টম প্রেস্টের দিকে তাকিয়ে ছিল ইংল্যান্ড। সেমিফাইনালে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে তাঁর চওড়া ব্যাট জিতিয়েছিল ইংল্যান্ডকে। ১৮ রানের মধ্যে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ইংরেজরা। রবি কুমার, রাজ বাওয়াদের আঁটোসাঁটো বোলিংয়ে সেই চাপ থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি।২ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর পাল্টা আক্রমণ হানার চেষ্টা করছিলেন ইংল্যান্ডের অন্য ওপেনার জর্জ থমাস। চলতি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের মধ্যে তিনিই সবথেকে বেশি ধারাবাহিক। পরিবর্ত বোলার হিসেবে বল করতে এসে জর্জ থমাসকে তুলে নেন রাজ বাওয়া। ৩০ বলে ২৭ রান করে তিনি আউট হন। এক ওভার পরেই পররপর ২ বলে উইলিয়াম লাক্সটন (৪) ও জর্জ বেলকে (০) তুলে নেন রাজ। জেমস রেউয়ের সঙ্গে জুটি বেঁধে চাপ কাটানোর চেষ্টা করেন রেহান আমেদ। সেই রাজ বাওয়াই আবার জুটি ভাঙেন। ফেরান রেহানকে (১০)। এরপর অ্যালেক্স হর্টন (১০) সঙ্গ দেন জেমসকে। জুটিতে ওঠে ৩০। হর্টনকে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন কৌশল তাম্বে। এরপর ইংল্যান্ডকে টেনে নিয়ে যান জেমস রেউ ও জেমস সেলস। দুজনে মিলে জুটিতে তোলেন ৯৩ রান। এই জুটিই ইংল্যান্ডে লড়াইয়ে ফেরায়। ৪৪ তম ওভারে বল করতে এসে জুটি ভাঙেন রবি কুমার। তাঁর বল বাউন্ডারির বাইরে পাঠাতে গিয়ে স্কোয়ার লেগে কৌশল তাম্বের হাতে ক্যাচ দেন জেমস রেউ। ১১৬ বলে ৯৫ রান করেন তিনি। জেমস রেউ যখন আউট হন ইংল্যান্ডের রান তখন ১৮৪। একই ওভারের চতুর্থ বলে থমাস অ্যাস্পিনোয়ালকে (০) তুলে নেন রবি কুমার। জোসুয়া বাইডনকে (১) ফিরিয়ে ইংল্যান্ডকে গুটিয়ে দেন রাজ বাওয়া। ৪৪.৫ ওভারে ১৮৯ রানে শেষ ইংল্যান্ড। রবি কুমার ৩৪ রানে ৪ উইকেট নেন, ৩১ রানে ৫ উইকেট নেন রাজ বাওয়া।ইংল্যান্ডের মতো ভারতেরও শুরুটা ভাল হয়নি। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই ফিরে যান ওপেনার অঙ্গকৃশ রঘুবংশী (০)। হার্নুর সিং ও শেখ রশিদ দলকে কিছুটা টানেন। হার্নুর (৪৬ বলে ২১) আউট হওয়ার পর ধৈর্যের পরীক্ষায় অবতীর্ণ হন রশিদ। তিনি ও অধিনায়ক যশ ধুল দারুণভাবে দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন। ৮৪ বলে ৫০ রান করে নিজের উইকেট উপহার দেন রশিদ। পরপরই আউট হন ধুল। ৩২ বলে ১৭ রান করে আউট হন ধুল। ৯৭ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। এরপরই মঞ্চে আবির্ভাব রাজ বাওয়া ও নিশান্ত সিন্ধুর। দুজনের ৬৭ রানের পার্টনারশিপ ভারতকে বিশ্বজয়ের দিয়ে এগিয়ে দেয়। ১৬৪ রানের মাথায় রাজ বাওয়া (৫৪ বলে ৩৫) আউট হওয়ার আবার চাপে পড়ে যায় ভারত। চাপ আরও বেড়ে যায় কৌশল তাম্বে (১) দ্রুত ফেরায়। শেষ পর্যন্ত ৫৪ বলে ৫০ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন নিশান্ত সিন্ধু। ৪৭.৪ ওভারে ১৯৫ রান তুলে বিশ্বসেরার মুকুট ছিনিয়ে নেয় ভারত।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

রবি–রাজের দাপটে বিশ্বজয়ের স্বপ্ন ভারতের

অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে বরাবরই আধিপত্য দেখিয়ে এসেছে ভারত। এই বিশ্বকাপের আগে ৭ বার ফাইনালে উঠে ৪ বার চ্যাম্পিয়ন। যশ ধুলদের সামনে ছিল পঞ্চমবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার হাতছানি। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দারুণভাবে জ্বলে উঠল ভারত। রাজ বাওয়ার দাপটে বড় রান করতে ব্যর্থ ইংল্যান্ড। ৪৪.৫ ওভারে গুটিয়ে যায়। রাজ বাওয়া নেন ৫ উইকেট, রবি কুমার নেন ৪ উইকেট।ফাইনালে ছিল সেয়ানে সেয়ানে লড়াই। প্রতিযোগিতায় একটা ম্যাচেও যেমন না হেরে ফাইনালে উঠে এসেছিল ভারত, ইংল্যান্ডও অপরাজিত তকমা নিয়ে ফাইনালে উঠে এসেছিল। মনে হচ্ছিল দারুণ জমে উঠবে ফাইনাল। কিন্তু ভারতীয় বোলারদের দাপটে একেবারেই সুবিধা করতে পারল না ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় ওভারেই যে ধাক্কা খেয়েছিল, সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি।অ্যান্টিগুয়ার স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। দ্বিতীয় ওভারেই ইংল্যান্ড শিবিরকে ধাক্কা দেন রবি কুমার। দুরন্ত ইনসুইংয়ে তুলে নেন ওপেনার জ্যাকব বেথেলকে (২)। চতুর্থ ওভারে সবথেকে বড় ধাক্কা খায় ইংল্যান্ড। রবি কুমারের বল ব্যাটের ভেতরের কানায় লাগিয়ে বোল্ড হন টম প্রেস্ট (০)। অধিনায়ক টম প্রেস্টের দিকে তাকিয়ে ছিল ইংল্যান্ড। সেমিফাইনালে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে তাঁর চওড়া ব্যাট জিতিয়েছিল ইংল্যান্ডকে। ১৮ রানের মধ্যে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ইংরেজরা। রবি কুমার, রাজ বাওয়াদের আঁটোসাঁটো বোলিংয়ে সেই চাপ থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি।২ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর পাল্টা আক্রমণ হানার চেষ্টা করছিলেন ইংল্যান্ডের অন্য ওপেনার জর্জ থমাস। চলতি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের মধ্যে তিনিই সবথেকে বেশি ধারাবাহিক। পরিবর্ত বোলার হিসেবে বল করতে এসে জর্জ থমাসকে তুলে নেন রাজ বাওয়া। ৩০ বলে ২৭ রান করে তিনি আউট হন। এক ওভার পরেই পররপর ২ বলে উইলিয়াম লাক্সটন (৪) ও জর্জ বেলকে (০) তুলে নেন রাজ। জেমস রেউয়ের সঙ্গে জুটি বেঁধে চাপ কাটানোর চেষ্টা করেন রেহান আমেদ। সেই রাজ বাওয়াই আবার জুটি ভাঙেন। ফেরান রেহানকে (১০)। এরপর অ্যালেক্স হর্টন (১০) সঙ্গ দেন জেমসকে। জুটিতে ওঠে ৩০। হর্টনকে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন কৌশল তাম্বে। এরপর ইংল্যান্ডকে টেনে নিয়ে যান জেমস রেউ ও জেমস সেলস। দুজনে মিলে জুটিতে তোলেন ৯৩ রান। এই জুটিই ইংল্যান্ডে লড়াইয়ে ফেরায়। ৪৪ তম ওভারে বল করতে এসে জুটি ভাঙেন রবি কুমার। তাঁর বল বাউন্ডারির বাইরে পাঠাতে গিয়ে স্কোয়ার লেগে কৌশল তাম্বের হাতে ক্যাচ দেন জেমস রেউ। ১১৬ বলে ৯৫ রান করেন তিনি। জেমস রেউ যখন আউট হন ইংল্যান্ডের রান তখন ১৮৪। একই ওভারের চতুর্থ বলে থমাস অ্যাস্পিনোয়ালকে (০) তুলে নেন রবি কুমার। জোসুয়া বাইডনকে (১) ফিরিয়ে ইংল্যান্ডকে গুটিয়ে দেন রাজ বাওয়া। ৪৪.৫ ওভারে ১৮৯ রানে শেষ ইংল্যান্ড। রবি কুমার ৩৪ রানে ৪ উইকেট নেন, ৩১ রানে ৫ উইকেট নেন রাজ বাওয়া।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌কোহলির পথ অনুসরণ করবেন?‌ সন্ধিক্ষণের মুখে রোহিত ও ভারত

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে রবিবার একদিনের সিরিজ খেলতে নামছে ভারত। ভারতের কাছে এটি হাজারতম আন্তর্জাতিক ম্যাচ। একদিকে ভারত যেমন সন্ধিক্ষণের মুখে দাঁড়িয়ে, তেমনি সন্ধিক্ষণের মুখে দাঁড়িয়ে অধিনায়ক রোহিত শর্মাও। এই প্রথম দেশকে একদিনের ক্রিকেটে নেতৃত্ব দিতে নামবেন। নতুন অধিনায়ক জানিয়ে দিয়েছেন, বিরাট কোহলির পথ অনুসরণ করেই তিনি দেশকে নেতৃত্ব দেবেন।গত বছর ডিসেম্বরেই একদিনের ক্রিকেটে তাঁকে নেতা হিসেবে বেছে নিয়েছেন নির্বাচকরা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজে একদিনের ক্রিকেটে অভিষেক হয়ে যেত নেতা রোহিতের। কিন্তু হ্যামস্ট্রিংয়ে চোটের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যেতে পারেননি। তাঁর জায়গায় দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন লোকেশ রাহুল। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সিরিজে অধিনায়কের আর্ম ব্যান্ড হাতে মাঠে নামবেন রোহিত।আমেদাবাদে সিরিজের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার আগে রোহিত বলেন, কোহলি অধিনায়ক থাকার সময় আমি সহঅধিনায়ক ছিলাম। কোহলির দেখানো পথেই দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। অধিনায়ক হয়েই যে আমি সবকিছু বদলে দেব, এমন ভাবার প্রয়োজন নেই। পরিস্থিতি অনুযায়ী খেলায় পরিবর্তন হতেই পারে। কোন ক্রিকেটারের কাছ থেকে দল কী প্রত্যাশা করছে, সে ব্যাপারে সবাই যাতে সুস্পষ্ট ধারণা পায়, সেটা নিশ্চিত করব। দলের সবাই নিজেদের দায়িত্ব সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। দলের একটা কাঠামো রয়েছে, সেই অনুযায়ীই আমরা খেলব।ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার আগে ব্যাটিং নিয়ে চিন্তায় ভারতীয় দল। করোনার জন্য শিখর ধাওয়ান, ঋতুরাজ গায়কোয়াড়, শ্রেয়স আয়ারকে পাবে না ভারত। মায়াঙ্ক আগরওয়ালও রয়েছেন কোয়ারেন্টিনে। বোনের বিয়ের জন্য লোকেশ রাহুলও প্রথম ম্যাচে নেই। ব্যাকআপ হিসেবে ডাকা হয়েছে ঈশান কিশান ও শাহরুখ খানকে। প্রথম ম্যাচে রোহিতের সঙ্গে ওপেন করবেন ঈশান কিশান। মোতেরায় মাঠে নামার আগে খোলসা করে দিয়েছেন রোহিত।ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে বোলিং কম্বিনেশনে পরিবর্তন হচ্ছে। দীর্ঘদিন পর আবার দেখা যাবে কুলচা জুটি। যুজবেন্দ্র চাহালের সঙ্গে কুলদীপ যাদবকে খেলানোর কথা সাংবাদিক সম্মেলনে বলে গেছেন রোহিত। যশপ্রীত বুমরা ও মহম্মদ সামিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সিরিজে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। শার্দূল ঠাকুর, মহম্মদ সিরাজ, দীপক চাহারদের ওপর জোরে বোলিং সামলানোর দায়িত্ব। দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে অলরাউন্ডার হিসেবে ভেঙ্কটেশ আয়ারকে পরীক্ষা করা হয়েছিল। নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি ভেঙ্কটেশ। অলরাউন্ডার হিসেবে দীপক হুডা অথবা ওয়াশিংটন সুন্দরকে খেলানো হতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌৫ বার বিশ্বজয়ের সামনে দাঁড়িয়ে ভারত, কোহলির বার্তায় কতটা উদ্বুদ্ধ যশরা?‌

গত বিশ্বকাপে ফাইনালে উঠেও অল্পের জন্য শেষরক্ষা হয়নি। বাংলাদেশের কাছে ফাইনালে ডাকওয়ার্থলুইস নিয়মে হেরে অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়নের স্বপ্ন চুরমার হয়ে গিয়েছিল। এবার আবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার হাতছানি ভারতের সামনে। যশ ধুল কি পারবেন মহম্মদ কাইফ, বিরাট কোহলি, উন্মুক্ত চাঁদ, পৃথ্বী শদের কৃতিত্ব স্পর্শ করতে? ফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারাতে পারলেই কাইফ, কোহলিদের সঙ্গে একাসনে বসবেন যশ ধুল। ২০২২র আগে ৭ বার অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছিল ভারত। ৪ বার চ্যাম্পিয়ন। অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে ভারতের মতো চমকপ্রদ পারফরমেন্স আর কোনও দলের নেই। এবার সামনে ৫ বার বিশ্বকাপ জয়ের হাতছানি। দেশকে আবার বিশ্বসেরা করার দায়িত্ব যশ ধুল, শেখ রশিদ, ভিকি অস্তোয়াল, রবি কুমারদের সামনে। ইতিমধ্যেই একটা অনন্য কৃতিত্ব অর্জন করে ফেলেছে ভারতীয় দল। টানা ৩ বার ফাইনালে ওঠা। ভারতের আগে কোনও দল এই কৃতিত্ব অর্জন করতে পারেনি। ফাইনালে ওঠার পথে একটা ম্যাচও হারেনি ভারত। ফাইনালে ভারতের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ডের পরিসংখ্যানও একই। প্রতিযোগিতার শুরু থেকেই ভারতের মতো দুর্দান্ত ধারাবাহিকতা দেখিয়ে এসেছে ইংল্যান্ড। ফাইনালে ভারত তাকিয়ে অধিনায়ক যশ ধুল ও সহঅধিনায়ক শেখ রশিদের ব্যাটের দিকে। সেমিফাইনালে দুর্দান্ত ব্যাটিং করে ভারতের জয়ের ভিত তৈরি করে দিয়েছিলেন এই দুই ব্যাটার। করোনা থেকে সুস্থ হয়ে ফিরে এসে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছিলেন যশ ও রশিদ। পরে বল হাতে দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন ভিকি অস্তোয়াল ও নিশান্ত সিন্ধু। জোরে বোলার রবি কুমার ও রাজ্যবর্ধন হাঙ্গারগেকরও দাপটের সঙ্গে বোলিং করছেন। তবে ফাইনালে নামার আগে ভারতীয় দলকে চিন্তায় রেখেছে দুই ওপেনার হার্নুর সিং ও অঙ্গকৃশ রঘুবংশীর ফর্ম। ফাইনালে ভারতের লড়াই অবশ্য সহজ হবে না। প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ডও প্রতিযোগিতার শুরু থেকেই দারুণ ধারাবাহিকতা দেখিয়ে এসেছে। ব্যাটিংয়ে বড় ভরসা অধিনায়ক টম প্রেস্ট। বাঁহাতি জোরে বোলার জোসুয়া বাইডেন ১৩ উইকেট নিয়ে চমক দিয়েছেন। রেহান আমেদের স্পিনও ভারতকে সমস্যায় ফেলতে পারে। সব মিলিয়ে ফাইনালে যে জোরদার লড়াই হবে, সেকথা নিশ্চিতভাবে বলা যায়। তবে ফাইনালে আগে যশ ধুলদের বড় প্রাপ্তি বিরাট কোহলির ভিডিও বার্তা। ভিডিও বার্তায় কোহলি নিজের বিশ্বকাপ জেতার অভিজ্ঞতা যেমন শেয়ার করেছেন, তেমনই উদ্বুদ্ধ করেছেন যশ ধুলদের।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

যশ, রশিদদের দাপটে চূর্ণ অস্ট্রেলিয়া, বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারত

এভাবেও ফিরে আসা যায়! ভারতকে না দেখলে বিশ্বাস করা সত্যিই কঠিন। ২০২২ অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে প্রত্যাবর্তনের নায়ক হিসেবে ইতিহাসের খাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে অধিনায়ক যশ ধুল ও সহঅধিনায়ক শেখ রশিদের নাম। এই দুই ব্যাটারের দাপটে অস্ট্রেলিয়াকে ৯৬ রানে উড়িয়ে অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারত। সামনে এবার ইংল্যান্ড। অস্ট্রেলিয়ার দুই জোরে বোলার টম হুইটনি ও জ্যাক নিসবেটের দাপটে তখন থরহরিকম্প ভারতের দুই প্রারম্ভিক ব্যাটার অঙ্গকৃশ রঘুবংশী ও হার্নুর সিংয়ের। রান তোলাই কঠিন হয়ে পড়েছিল এই দুই ব্যাটারের কাছে। শুরু থেকে সতর্ক থাকলেও শেষরক্ষা করতে পারেননি অঙ্গকৃশ রঘুবংশী। ম্যাচের অষ্টম ওভারে উইলিয়াম স্যালজম্যানের দুরন্ত ডেলিভারিতে অঙ্গকৃশের (৩০ বলে ৬) অফস্টাম্প ছিটকে যাওয়ার পর বাইশ গজে আগমন শেখ রশিদের। ভারতের রান তখন ১৬। হার্নুর সিংও খুব একটা সপ্রতিভ ছিলেন না। জ্যাক নিসবেটের বলে মাত্র ১৬ রান করে সাজঘরের পথে পা বাড়ান হার্নুর।১২.৩ ওভারে ভারতের রান তখন ৩৭। এরপর মঞ্চে আবির্ভাব অধিনায়ক যশ ধুলের। বাকিটা ইতিহাস।WHAT. A. PERFORMANCE! 💪 👌India U19 beat Australia U19 by 9⃣6⃣ runs march into the #U19CWC 2022 Final. 👏 👏 #BoysInBlue #INDvAUSThis is India U19s 4th successive 8th overall appearance in the U19 World Cup finals. 🔝Scorecard ➡️ https://t.co/tpXk8p6Uw6 pic.twitter.com/tapbrYrIMg BCCI (@BCCI) February 2, 2022ক্রিজে নেমে শুরু থেকে সতর্ক ছিলেন রশিদ ও যশ। সময় যত গড়িয়েছে ততই চওড়া হয়েছে ভারতের এই দুই ব্যাটারের ব্যাট। শুরুর দিকে ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা হুইটনি ও নিসবেট, স্যালজম্যানদের ক্লাব স্তরে নামিয়ে নিয়ে আসেন রশিদ ও যশ ধুল। স্পিনের বিরুদ্ধে দারুণ স্বপ্রতিভ ছিলেন যশ। ব্যাকফুটে লেট কাটগুলো ছিল দেখার মতো। তৃতীয় উইকেটের জুটিতে ৩৩.২ ওভারে যশ ও রশিদ তোলেন ২০৪ রান। এতেই বড় রানের মঞ্চ তৈরি হয়ে যায় ভারতের। দুরন্ত সেঞ্চুরি করেন যশ ধুল। শেষপর্যন্ত ১১০ বলে ১১০ রান করে দুর্ভগ্যজনকভাবে রান আউট হয়ে ফিরে যান ভারতীয় দলের ক্যাপ্টেন। মাত্র ৬ রানের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া করেন রশিদ। ১০৮ বলে ৯৪ রান করে তিনি জ্যাক নিসবেটের বলে আউট হন। পরপর ২ বলে দুউইকেট হারালেও ভারতের বড় রানে পৌঁছতে অসুবিধা হয়নি। শেষপর্যন্ত ৫০ ওভারে ৫ উইকেটে ২৯০ রান তোলে ভারত।ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় ওভারেই টিগু উইলিকে (১) তুলে নেন রবি কুমার। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন ক্যাম্পবেল কেলাওয়ে ও কোরে মিলার। কোলে (৩০) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন ভিকি অস্তোয়াল। তবে অস্ট্রেলিয়াকে বড় ধাক্কা দেন নিশান্ত সিন্ধু। অধিনায়ক কুপার কনোলিকে (৩) তুলে নিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে একেবারে ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দেন। ভিকি ও নিশান্তের দাপটে ভেঙে পড়ে অস্ট্রেলিয়ার মিডল অর্ডার। ১২৫ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে হারিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। সেখান থেকে ৪১.৫ ওভারে ১৯৪ রানে শেষ। একমাত্র লড়াই করেন লাচলান সাউ (৫১)। ভিকি অস্তোয়াল ৪২ রানে ৩টি, নিশান্ত সিন্ধু ২৫ রানে ২টি এবং রবি কুমার ৩৭ রানে ২টি উইকেট নেন।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ভারতীয় ক্রিকেটে বাংলার রবির উদয়, চোখে বিশ্ব জয়ের স্বপ্ন

তিন বছর আগে বাংলার অনূর্ধ্ব ১৬ দলের ক্রিকেটারদের বয়স যাচাই প্রক্রিয়া চলছিল। হাড়ের পরীক্ষায় পাশ করতে পারেননি রবি কুমার। সেদিন হতাশায় ইডেন চত্বর ছেড়ে বাড়ি ফিরতে হয়েছিল। তবে ভেঙে পড়েননি। নতুন উদ্যমে আবার প্রস্তুতি শুরু করে দেন। অবশেষে বাংলার অনূর্ধ্ব ১৯ দলে সুযোগ। সেখান থেকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি বাংলার এই জোরে বোলারকে। একেবারে জাতীয় দল। অনূর্ধ্ব ১৯ এশিয়া কাপ খেলে বিশ্বকাপের আসরে।ওয়েস্ট ইন্ডিজে বিশ্বকাপের সুযোগ পেলেও প্রথম দিকে সেভাবে জ্বলে উঠতে পারেননি। কোয়ার্টার ফাইনালে দুরন্ত বোলিং করে সকলের নজর কেড়েছেন রবি কুমার। তাঁর বিষাক্ত সুইংয়ে নাজেহাল হয়ে পড়েছিলেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। অ্যান্টিগুয়ার পরিবেশও সুবিধা করে দিয়েছিল রবি কুমারকে। তাঁর সুইংয়ে মুগ্ধ হয়েছিলেন স্বয়ং কার্লোস ব্রেথওয়েট। কমেন্ট্রি বক্সে বসে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছিলেন রবি কুমারকে।রবি কুমারের বাবা রাজেন্দ্র কুমার সিং আদতে উত্তর প্রদেশের বাসিন্দা। সিআরপিএফে চাকরি করতেন। চাকরীসূ্ত্রে তিনি কলকাতাতেই থাকতেন। কলকাতাতেই রবির জন্ম। পরে আলিগড়ে চলে যান। সেখানেই প্রথাগত ক্রিকেটে হাতেখড়ি রবি কুমারের। সেখান থেকেই তাঁর ছোট বেলার কোচ অরবিন্দ ভদ্বরাজ রবিকে কলকাতায় পাঠান ক্লাব ক্রিকেট খেলতে। কলকাতায় এসে কাকাকাকীমার কাছে থাকতেন। হাওড়া ইউনিয়নের হয়ে কলকাতা দ্বিতীয় ডিভিশন খেলে নজরে পড়েন। এরপর বালিগঞ্জ ইউনাইটেডে যোগ দেন। সেখানে কোচ হিসেবে পেয়েছিলেন অমিতাভ রায়কে। তারপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি রবি কুমারকে।সিএবির চ্যালেঞ্জার ট্রফিতে ভাল খেলে সুযোগ করে নেন বাংলার অনূর্ধ্ব ১৯ দলে। বাংলা দলে তাঁকে ঘষেমেজে তৈরি করে কোচ দেবাং গান্ধী ও বোলিং কোচ জয়ন্ত ঘোষ দস্তিদার। ছোট থেকেই হাতে সহজাত সুইং ছিল রবি কুমারের। কিন্তু হাতের পেশিতে খুব বেশি জোর ছিল না। অনূর্ধ্ব ১৯ বাংলা দলে রবি কুমারের পেশির শক্তি বাড়ানোর দিকে নজর দেন দেবাং গান্ধী। তবে বোলিং ভঙ্গী বদলানোর চেষ্টা করেননি।অস্ট্রেলিয়ার মিচেল স্টার্কের ভক্ত রবি কুমার। বালিগঞ্জ ইউনাইটেডেই হোক কিংবা বাংলার অনূর্ধ্ব ১৯ দলের অনুশীলনে, নেটে অনেকটা সময় একা একা বোলিং করতেন। কলকাতায় যখন অফ সিজন। চলে যেতেন আলিগড়ে। সেখানে অনুশীলন করতেন অরবিন্দ ভদ্বরাজের কাছে। মরশুম শুরু হলেই আবার কলকাতায় চলে আসতেন রবি কুমার। আলিগড়ে নেটে একটা উইকেট পুঁতে স্পট বোলিং প্র্যাকটিস করাতেন অরবিন্দ ভদ্বরাজ। এইভাবেই অনুশীলন করে লাইনলেংথে নিখুঁত হয়েছেন রবি কুমার। দেশকে সেমিফাইনালে তুলে রবির লক্ষ্য ফাইনাল। বিশ্বকাপ জিতে দেশে ফিরছেন, এখন এই স্বপ্নটাই দেখছেন বাংলার রবি।

জানুয়ারি ৩১, ২০২২
দেশ

তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বাকে চাকরি নয়! স্টেট ব্যাংকের নির্দেশে চরমে বিতর্ক, অবশেষে সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার

সর্বত্রই যখন মহিলা ক্ষমতায়নে উদ্যোগী সরকার। এই পরিস্থিতিতে দেশের সর্ববৃহৎ রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাংকের নির্দেশে তৈরি হয়েছে নয়া বিতর্ক। স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার নয়া নির্দেশে বলা হয়েছে তিন মাসের বেশি অন্তঃসত্ত্বা মহিলারা চাকরির ক্ষেত্রে সাময়িকভাবে অনুপযুক্ত। সন্তানের জন্ম দেওয়ার চার মাস পরই চাকরিতে যোগ দিতে পারবেন একজন মহিলা। আর এই নয়া নির্দেশ ঘিরে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া এই নোটিস প্রকাশ করার পর তীব্র বিরোধিতা করেছেন অনেকে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণের কাছেও আর্জি জানিয়েছেন অনেকে, যাতে অবিলম্বে এই নির্দেশ প্রত্যাহার করা হয়।Press release relating to news items about required fitness standards for recruitment in Bank. Revised instructions about recruitment of Pregnant Women candidates stands withdrawn.@DFS_India pic.twitter.com/QXqn3XSzKF State Bank of India (@TheOfficialSBI) January 29, 2022চরম বিতর্কের মুখে মহিলাদের নিয়োগ সংক্রান্ত নির্দেশিকা প্রত্যাহার করল স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া। শনিবার সকালে থেকেই অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের নিয়োগ সংক্রান্ত নির্দেশিকা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। নির্দেশিকা প্রত্যাহারের দাবি ওঠে বিভিন্ন মহল থেকে। এরপরই তা প্রত্যাহার করে নিল এসবিআই। টুইট করে প্রত্যাহারের কথা জানানো হয়েছে ব্যাংকের তরফে। তবে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের দাবি, আদতে তাঁদের নির্দেশের অপব্যাখ্যা হয়েছে। স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া যে সর্বদা মহিলাদের ক্ষমতায়নে জোর দিয়েছে, সে কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। স্টেট ব্যাঙ্ক জানিয়েছে, বর্তমানে দেশ জুড়ে তাঁদের মোট কর্মীর ২৫ শতাংশই মহিলা। মহিলাদের সুরক্ষার কথা ভেবে পুরনো নিয়মে পরিবর্তন করা হয়েছিল বলে দাবি স্টেট ব্যাঙ্কের।সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছেন বিভিন্ন ক্ষেত্রের মানুষ। অবিলম্বে ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে এই নির্দেশ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন অনেকেই। ইতিমধ্যে দিল্লির মহিলা কমিশনের তরফ থেকে নোটিস দেওয়া হয়েছে এসবিআই-কে। ওই নির্দেশকে বৈষম্যমূলক ও অনৈতিক বলে উল্লেখ করা হয়েছে।সম্প্রতি মহিলাদের নিয়োগ সংক্রান্ত নয়া নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া। সেখানে তিন মাসের বেশি অন্তঃসত্ত্বা, এমন মহিলাদের টেম্পোরারিলি আনফিট অর্থাৎ সাময়িকভাবে কাজের অনুপযুক্ত বলে দাবি করা হয়েছে। নির্দেশে উল্লেখ করা হয়েছে সন্তানের জন্ম দেওয়ার চার মাস পর একজন মহিলা সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের চাকরিতে যোগ দিতে পারবেন। নতুন যাঁরা স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ায় আবেদন করবেন, তাঁদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।

জানুয়ারি ২৯, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • ...
  • 36
  • 37
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

ট্রাম্পকে ছাপিয়ে ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ ভারতের প্রশংসা মার্কিন অ্যাডমিরালের! চাপে পাকিস্তান

অপারেশন সিঁদুর নিয়ে আমেরিকার মুখে ভারতের প্রশংসা শোনা গেল। মার্কিন সামরিক বাহিনীর ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ডের প্রধান স্যামুয়েল জে পাপারো ভারতীয় সেনার সংযমের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তাঁর এই মন্তব্যে পাকিস্তানের অস্বস্তি বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি নাম না করেও ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনের আগ্রাসন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।রবিবার এক সাক্ষাৎকারে পাপারো বলেন, এই ধরনের সামরিক অভিযান যে কোনও শান্তিপ্রিয় দেশের কাছেই উদ্বেগের বিষয়। তবে অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন ভারত যেভাবে সংযম দেখিয়েছে, তা প্রশংসার যোগ্য। তিনি বলেন, ভারতীয় সেনার কৌশল ও পরিকল্পনা যথেষ্ট পরিণত এবং দায়িত্বশীল ছিল।সাক্ষাৎকারে তাঁকে পাকিস্তানের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার ও চিনা সামরিক সরঞ্জাম নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। যদিও তিনি সরাসরি কোনও মন্তব্য করেননি, তবে বলেন, এই ধরনের পরিস্থিতির মোকাবিলায় আগে থেকে প্রস্তুতি থাকা জরুরি। সব সময় সতর্ক থাকতে হয় এবং শক্তিশালী প্রতিরোধ ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর কথায় স্পষ্ট, ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোই একমাত্র পথ।এর পাশাপাশি চিনকে রুখতে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার ইঙ্গিতও দেন মার্কিন সেনা আধিকারিক। তিনি জানান, ভারত ও আমেরিকার কৌশলগত স্বার্থ অনেকটাই এক। বিশেষ করে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে দুই দেশের সহযোগিতা আরও বাড়ানো প্রয়োজন। ভারত মহাসাগরে ভারতের ভূমিকার জন্য আমেরিকা কৃতজ্ঞ বলেও জানান তিনি। সার্বভৌমত্ব, নৌচলাচলের স্বাধীনতা এবং সমুদ্রের নিরাপত্তা এই নীতিগুলিতে দুই দেশই অটল বলে মন্তব্য করেন পাপারো।ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, বিশ্বের প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষ এই অঞ্চলে বসবাস করেন। বিশ্বের মোট জিডিপির ৬০ শতাংশেরও বেশি আসে এখান থেকে। বিশ্বের শীর্ষ ১০টি সামরিক শক্তির মধ্যে সাতটি এই অঞ্চলে অবস্থিত। তাই এখানে বাড়তে থাকা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শক্তিশালী অংশীদারিত্ব অপরিহার্য।সব মিলিয়ে অপারেশন সিঁদুর নিয়ে ভারতের সংযম ও কৌশলের প্রশংসা করে আমেরিকার এই বার্তা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করল। বিশেষ করে পাকিস্তান ও চিনকে ঘিরে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের সমীকরণে এই মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের মুখে সিপিএমে বড় ভাঙন! রাজ্য কমিটি ছাড়লেন প্রতীক-উর-রহমান

ভোটের মুখে সিপিএমে বড়সড় ধাক্কা। দলের রাজ্য কমিটি থেকে পদত্যাগ করলেন প্রতীক-উর-রহমান। শুধু তাই নয়, প্রাথমিক সদস্যপদও ছেড়ে দিয়েছেন তিনি। নিজের পদত্যাগপত্র দলকে পাঠিয়ে দিয়েছেন প্রাক্তন এসএফআই রাজ্য সভাপতি। তাঁর এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।পদত্যাগপত্রে প্রতীক-উর জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে দলের জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বের কিছু সিদ্ধান্ত ও কাজের ধরন তাঁর সঙ্গে মিলছে না। সেই কারণে তিনি মানসিক অস্বস্তিতে ভুগছিলেন। এই পরিস্থিতিতে সমস্ত পদ থেকে অব্যাহতি নেওয়াই ঠিক বলে মনে করেছেন তিনি। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন, ব্যক্তিগতভাবে কারও সঙ্গে তাঁর কোনও বিরোধ নেই।এই ঘটনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একটি রাজনৈতিক পর্ব। তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর নিজের নতুন দল জনতা উন্নয়ন পার্টি গড়েছেন। তিনি ঘোষণা করেছেন, নিজের দল নিয়ে ভোটে লড়বেন এবং তৃণমূল ছাড়া অন্য সব বিরোধী দলকে জোটের আহ্বান জানিয়েছেন। সেই প্রেক্ষিতে সিপিএমকেও প্রস্তাব পাঠানো হয়।এরপর নিউটাউনে সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম-এর সঙ্গে বৈঠক করেন হুমায়ুন। এই বৈঠক ঘিরেই দলের অন্দরে মতবিরোধ তৈরি হয় বলে জানা যায়। দলের একাংশ এই সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করে। যদিও তখন তরুণ নেতা শতরূপ এই বৈঠকের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, সিপিএম এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। অন্য দল হুমায়ুনকে প্রার্থী করলে বা মন্ত্রী করলে আপত্তি না থাকলেও, সিপিএম কথা বললেই কেন সমস্যা হবে সেই প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি।শতরূপের ওই মন্তব্যের পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেন প্রতীক-উর। সেখানে তিনি লেখেন, নীতি ও নৈতিকতা ছাড়া কমিউনিস্ট পার্টি হতে পারে না। যদিও তিনি কারও নাম উল্লেখ করেননি, কিন্তু দলের অন্দরে জল্পনা শুরু হয় যে এই মন্তব্য আসলে শতরূপকেই উদ্দেশ্য করে।এরপর রবিবার দলকে পাঠানো চিঠিতে প্রতীক-উর স্পষ্ট ভাষায় জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনি নিজেকে দলের সিদ্ধান্তের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছেন না। তাই সমস্ত দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।প্রতীক-উরের পদত্যাগের পর রাজনৈতিক মহলেও চর্চা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ সিপিএমকে কটাক্ষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, সিপিএমের নেতৃত্বের একাংশ ও ফেসবুক নির্ভর রাজনীতির জেরে দলের প্রথম সারির যুবনেতাদের এই পরিণতি হচ্ছে। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরেও শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক।ভোটের আগে সিপিএমের এই পদত্যাগ কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে এখন জোর চর্চা। প্রতীক-উরের এই পদক্ষেপ কি শুধু ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, নাকি বড় কোনও ভাঙনের ইঙ্গিত সেই প্রশ্নই এখন ঘুরছে রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
দেশ

সীমান্ত ইস্যুতে রাহুলকে কড়া বার্তা! “পড়াশোনা করুন আগে”, বিস্ফোরক রিজিজু

দেশের জাতীয় সুরক্ষা নিয়ে রাজনীতি করছেন রাহুল গান্ধী, এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু। চিন সীমান্ত সফরের মধ্যেই তিনি বলেন, সীমান্ত সংক্রান্ত বিষয়ে রাহুলের যথেষ্ট জ্ঞান নেই। এই বিষয়ে তাঁর আরও পড়াশোনা করা উচিত।সোমবার অরুণাচল প্রদেশের বুমলা সীমান্তে গিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রিজিজু। সেখান থেকেই তিনি লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী-কে তীব্র কটাক্ষ করেন। তাঁর বক্তব্য, যে বই এখনও প্রকাশই হয়নি, তা নিয়ে এত আলোচনা কেন? জাতীয় সুরক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে খুব সতর্কভাবে কথা বলা উচিত। এই ইস্যুকে রাজনৈতিক পর্যায়ে নামিয়ে আনা ঠিক নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।সম্প্রতি লোকসভায় প্রাক্তন সেনাপ্রধান এম এম নারাভানে-এর অপ্রকাশিত আত্মজীবনী থেকে কিছু অংশ উদ্ধৃত করে কেন্দ্রকে আক্রমণ করেছিলেন রাহুল। সেই বইয়ের নাম Four Stars of Destiny। একটি ম্যাগাজিনে প্রকাশিত অংশে দাবি করা হয়, ২০২০ সালে পূর্ব লাদাখে চিনা সেনা ট্যাঙ্ক নিয়ে কৈলাস রেঞ্জের দিকে এগোচ্ছিল। সেনাপ্রধান বিষয়টি জানানোর পরেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নাকি দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। এই অংশ তুলে ধরেই গালওয়ান সংঘাত প্রসঙ্গে কেন্দ্রকে নিশানা করেন রাহুল।রিজিজুর অভিযোগ, সংসদে এই ধরনের মন্তব্য করে শুধু অযথা বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে। এতে কোনও বাস্তব সমাধান হয় না। তিনি বলেন, সীমান্ত নিয়ে রাহুল কিছুই জানেন না বলেই এমন মন্তব্য করছেন। তাঁর মতে, সীমান্ত পরিস্থিতি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা প্রয়োজন।লোকসভায় রাহুলের বক্তব্যের সময় স্পিকার তাঁকে বাধা দেন বলেও জানা যায়। গালওয়ান সংঘাত ও চিন সীমান্ত পরিস্থিতি ঘিরে কেন্দ্র ও বিরোধীদের মধ্যে নতুন করে রাজনৈতিক সংঘাত তীব্র হয়েছে। জাতীয় সুরক্ষা ইস্যুতে এই বাকযুদ্ধ আগামী দিনে আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
কলকাতা

মুখ্যসচিবকে তলবের পরেই বড় পদক্ষেপ, বাংলায় একযোগে ৭ আধিকারিক সাসপেন্ডের নির্দেশ

বাংলার ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন পর্বের শেষ পর্যায়ে এসে কড়া পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। বাংলার সাত জন আধিকারিককে দ্রুত সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। এই বিষয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি পাঠানো হয়েছে নবান্নে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত সাত জনই এসআইআর পর্বের কাজে যুক্ত ছিলেন এবং এএইআরও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।কমিশনের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিরুদ্ধে কাজে অসদাচরণ, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং কর্তব্যে গাফিলতির প্রমাণ মিলেছে। সেই কারণেই তাঁদের বিরুদ্ধে এই কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ভোটের আগে এই পদক্ষেপে প্রশাসনিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।এর আগেও রাজ্যের চার জন আধিকারিককে সাসপেন্ড করে তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু সেই নির্দেশ কার্যকর না হওয়ায় শুক্রবার দিল্লিতে নির্বাচন সদনে তলব করা হয় রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী-কে। দিল্লিতে গিয়ে তাঁকে একাধিক প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। কমিশনের তরফে জানানো হয়, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে রাজ্য গড়িমসি করছে। পাশাপাশি চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার জন্য আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়।এই আবহেই রবিবার আরও সাত জন আধিকারিকের বিরুদ্ধে সাসপেন্ডের নির্দেশ আসে। কমিশনের পাঠানো নির্দেশিকায় তাঁদের নাম ও কর্মস্থলের উল্লেখ রয়েছে। মুর্শিদাবাদ জেলা থেকে তিন জন আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা হলেন সামশেরগঞ্জের এএইআরও শেফাউর রহমান, ফরাক্কার এএইআরও নীতীশ দাস এবং সুতির এএইআরও শেখ মুর্শিদ আলম।দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা থেকে ক্যানিং পূর্বের এএইআরও সত্যজিৎ দাস এবং জয়দীপ কুণ্ডুর নাম রয়েছে তালিকায়। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ডেবরার বিডিও তথা এএইআরও দেবাশিষ বিশ্বাসের বিরুদ্ধেও সাসপেন্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ির এএইআরও ডালিয়া রায়চৌধুরীকেও একই নির্দেশের আওতায় আনা হয়েছে।ভোটের আগে এই ধারাবাহিক পদক্ষেপে রাজ্য প্রশাসনের উপর চাপ আরও বাড়ল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। কমিশনের এই কড়া অবস্থান ভবিষ্যতে আরও কোনও পদক্ষেপের ইঙ্গিত কি না, তা নিয়েও শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতায় রোদের তেজ বাড়ছে, সপ্তাহেই ৩ ডিগ্রি বাড়বে তাপমাত্রা! কী বলছে হাওয়া অফিস?

বসন্তের শুরুতেই গরমের আভাস মিলতে শুরু করেছে। শীতের মেয়াদ কার্যত শেষের পথে বলে জানিয়ে দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। দিনের বেলায় তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়বে এবং রোদের তেজও বাড়তে পারে। তার ফলে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে গরমের অনুভূতি বাড়বে। তবে ভোর ও রাতের দিকে এখনও কয়েক দিন হালকা ঠান্ডা থাকবে।রবিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল। এদিন দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে প্রায় আড়াই ডিগ্রি কম। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৮৭ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৩৬ শতাংশ।হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী বুধবার থেকে দিন ও রাতের তাপমাত্রা আরও কিছুটা বাড়তে পারে। চলতি সপ্তাহেই ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পারদ চড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ভোরের দিকে হালকা কুয়াশা থাকতে পারে কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। আপাতত দক্ষিণবঙ্গে শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে এবং এই সপ্তাহে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই।উত্তরবঙ্গেও একই ছবি দেখা যেতে পারে। সপ্তাহের শেষে সেখানে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দুটোই বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিংয়ের পার্বত্য এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে। কালিম্পং-সহ সমতলের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির আশেপাশে থাকবে। মালদহ-সহ উত্তরবঙ্গের নীচের দিকের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ থেকে ১৭ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাফেরা করবে বলে পূর্বাভাস।তবে আগামী তিন থেকে চার দিন উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর ও কোচবিহার জেলায় কুয়াশার প্রকোপ কিছুটা বেশি হতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। সব মিলিয়ে শীত বিদায়ের মুখে, আর ধীরে ধীরে গরমের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে বাংলা।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
দেশ

এপস্টেইন ফাইলসে অনিল আম্বানির নাম! ‘সুইডিশ সুন্দরী’ প্রস্তাব থেকে ম্যানহাটনের নৈশভোজ

যৌন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত মার্কিন ধনকুবের জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে বিশ্বের বহু প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগাযোগের অভিযোগ আগেই প্রকাশ্যে এসেছে। সদ্য প্রকাশিত নথিতে সেই তালিকায় আবার উঠে এসেছে ভারতীয় শিল্পপতি অনিল আম্বানির নাম। এপস্টেইনের প্রাসাদে নৈশভোজে যোগ দেওয়া থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত বার্তা আদানপ্রদানবিভিন্ন তথ্য উঠে এসেছে আমেরিকার বিচার দপ্তরের নথিতে।নথি অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২০ এপ্রিল অনিল এপস্টেইনকে একটি ব্যক্তিগত বার্তায় কর্পোরেট স্তরের বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। জবাবে এপস্টেইন লিখেছিলেন, তাঁর বাড়িতে বহু ব্যবসায়ী আসেন এবং অনিলেরও ভালো লাগবে। পরে জানা যায়, ম্যানহাটনে এপস্টেইনের বাড়িতে দুজনের মধ্যে সাক্ষাৎ ও নৈশভোজ হয়েছিল। সেই সাক্ষাতে মূলত ব্যবসা সংক্রান্ত বিষয়েই আলোচনা হয় বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে। অনিলের তরফে এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।২০১৭ সালের মার্চ মাসে আদানপ্রদান হওয়া আর একটি বার্তায় এপস্টেইন এক দীর্ঘাঙ্গী সুইডিশ শ্বেতাঙ্গ মহিলার কথা উল্লেখ করেন। জবাবে অনিল জানতে চান, কাকে প্রস্তাব করা হচ্ছে। এপস্টেইন বলেন, দেখা হলে আনন্দ হবে। কিছুক্ষণ পর অনিল লেখেন, ব্যবস্থা করুন। এই কথোপকথন নিয়েই নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।নথিতে আরও জানা যায়, ২০১৭ সালের শেষ দিকে প্যারিসে দুজনের সাক্ষাতের পরিকল্পনা ছিল, যদিও তা শেষ পর্যন্ত হয়নি। ২০১৮ সালে ডাভোসে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্টের ভাষণ নিয়েও তাঁদের মধ্যে আলোচনা হয়েছিল। অনিল নিউ ইয়র্ক সফরের পরিকল্পনার কথা জানালে এপস্টেইন তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করার আমন্ত্রণ জানান।একটি কথোপকথনে এপস্টেইন অনিলকে জিজ্ঞেস করেন, তাঁর কেমন ধরনের মহিলা পছন্দ। সেখানে অভিনেত্রী বা মডেলের প্রসঙ্গও ওঠে। অনিল একটি উত্তরে রসিকতার সুরে একটি হলিউড অভিনেত্রীর নাম উল্লেখ করেন। এই বার্তাগুলিই এখন প্রকাশ্যে আসায় নতুন করে বিতর্কের ঝড় উঠেছে।উল্লেখযোগ্য যে, এপস্টেইনের বিরুদ্ধে একাধিক নাবালিকা পাচার ও যৌন অপরাধের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছিল। তাঁর যোগাযোগের পরিধি ছিল রাজনীতি, ব্যবসা ও বিনোদন জগতের বহু প্রভাবশালী ব্যক্তির সঙ্গে। নতুন নথি প্রকাশ্যে আসায় সেই যোগাযোগের বিস্তার নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠছে। অনিল আম্বানির নাম জড়ানোয় ভারতে বিষয়টি নিয়ে কৌতূহল ও আলোচনা আরও বেড়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

অবাধ্য থেকে অবিশ্বাস্য! পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৭৭ রানে জ্বলে উঠলেন ঈশান

একসময় তাঁকে নিয়ে নানা সমালোচনা হয়েছিল। অবাধ্য, উচ্ছৃঙ্খলএমন অনেক বিশেষণই জুড়ে দেওয়া হয়েছিল ঈশান কিষানের নামের সঙ্গে। জাতীয় দল থেকেও বাদ পড়তে হয়েছিল। কিন্তু তিনি হাল ছাড়েননি। ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত রান করে আবার নিজের জায়গা ফিরে পেয়েছেন। আর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সুযোগ পেয়েই যেন আগুন ঝরালেন।ভারতের ইনিংসের শুরুটা ভালো ছিল না। দ্রুত অভিষেক শর্মার উইকেট পড়ে যায়। কিন্তু সেখান থেকেই দায়িত্ব তুলে নেন ঈশান। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলতে থাকেন। পাকিস্তানের বোলারদের উপর এক মুহূর্তের জন্যও চাপ কমতে দেননি। মাত্র ২৭ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন তিনি। শাদাব খান হোক বা শাহিন আফ্রিদি, কাউকেই রেয়াত করেননি।মাঠের চারদিকে শট খেলেছেন ঈশান। দর্শকেরা অপেক্ষা করছিলেন, পরের বলটি কোন দিকে পাঠাবেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ১০টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৪০ বলে ৭৭ রান করে ফেরেন। সাইম আয়ুবের বলে আউট হওয়ার সময় ভারতের ইনিংস শক্ত ভিতের উপর দাঁড়িয়ে গেছে। তাঁর এই ইনিংসই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।ম্যাচ শেষে ঈশান বলেন, এই ম্যাচ সব সময় আলাদা। এই জয় শুধু দলের জন্য নয়, দেশের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জানান, পাকিস্তানের দলে কয়েকজন ভালো স্পিনার রয়েছে, তাই এই জয় আত্মবিশ্বাস আরও বাড়াবে। পাশাপাশি জশপ্রীত বুমরাহ ও হার্দিক পাণ্ডিয়ার প্রশংসাও করেন তিনি। অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবও বলেন, এই জয় দেশের জন্য।ঈশানের কাছে এই ইনিংস ব্যক্তিগতভাবেও খুব গুরুত্বপূর্ণ। ২০২২ সালে ডবল সেঞ্চুরি করার পর অনেকেই ভেবেছিলেন তাঁর জায়গা স্থায়ী হয়ে গেছে। কিন্তু পরবর্তীতে দল থেকে বাদ পড়েন। সেখান থেকেই শুরু হয় নতুন লড়াই। এই প্রত্যাবর্তনের পেছনে রয়েছে ভগবদ্গীতার প্রেরণা। বাবার কাছ থেকে গীতার শ্লোকের অর্থ জেনে তিনি ধীরে ধীরে সেই দর্শনের প্রতি আকৃষ্ট হন। ব্যাট ও গ্লাভসের পাশাপাশি গীতা হয়ে ওঠে তাঁর নিত্যসঙ্গী। কঠিন সময়েও সেই শিক্ষাই তাঁকে মানসিক শক্তি জুগিয়েছে।পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৭৭ রানের এই ইনিংস শুধু একটি ম্যাচসেরা পারফরম্যান্স নয়, বরং ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প। সমালোচনার জবাব দিয়েছেন ব্যাটে। আর প্রমাণ করেছেন, সুযোগ পেলে বড় মঞ্চেই তিনি নিজের সেরাটা দিতে পারেন।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

‘নো হ্যান্ডশেক’ নিয়ম ভেঙে আক্রমের সঙ্গে করমর্দন! রোহিতকে ঘিরে তুমুল বিতর্ক

ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক এখন তলানিতে। ক্রিকেট মাঠেও তার প্রভাব স্পষ্ট। দুই দেশের ম্যাচে এখন আর অধিনায়কদের করমর্দন দেখা যায় না। বোর্ডের অঘোষিত নির্দেশ মেনে অনেক ক্রিকেটারই দূরত্ব বজায় রাখছেন। সেই আবহেই ওয়াসিম আক্রমের সঙ্গে রোহিত শর্মার করমর্দন ও হাসিমুখে গল্পের ছবি নতুন বিতর্কের জন্ম দিল।চলতি টি-২০ বিশ্বকাপে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর রোহিত শর্মা। তাঁর হাত ধরেই শেষ টি-২০ বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারত। এবারের আসরে ট্রফি মাঠে আনার দায়িত্বও ছিল তাঁর উপর। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি ওয়াসিম আক্রম। সেখানেই দেখা যায়, দুজন বেশ কিছুক্ষণ কথা বলছেন, করমর্দন করছেন, হাসিমুখে খোশগল্প করছেন। মুহূর্তেই সেই ছবি ছড়িয়ে পড়ে নেটমাধ্যমে।অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, যখন ভারত-পাক ম্যাচে নো হ্যান্ডশেক প্রায় নিয়মে পরিণত হয়েছে, তখন রোহিতের এই আচরণ কতটা সমীচীন? এশিয়া কাপ থেকে শুরু করে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে দুই দেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে করমর্দন এড়িয়ে যাওয়ার ঘটনা দেখা গিয়েছে। টি-২০ বিশ্বকাপেও কলম্বোয় টসের সময় দুই অধিনায়ককে গম্ভীর মুখে দেখা যায়। করমর্দন হয়নি। বয়কটের আবহে ম্যাচের গুরুত্বও ছিল অনেক বেশি।এই পরিস্থিতিতে রোহিত ও আক্রমের খোলামেলা আলাপ অনেকের চোখে বেমানান লেগেছে। তবে অন্য দিকও রয়েছে। ওই অনুষ্ঠানে রোহিত ভারতীয় দলের প্রতিনিধি হিসেবে নয়, বরং ব্যক্তি ও টুর্নামেন্টের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। একজন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা হিসেবে আরেক কিংবদন্তির সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করায় দোষের কিছু আছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা চলছে।ওয়াসিম আক্রম শুধু পাকিস্তানের নয়, বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম সেরা পেসার হিসেবে স্বীকৃত। ক্রিকেটের ময়দানে তাঁর অবদান সীমান্তের গণ্ডি ছাপিয়ে গেছে। সেই জায়গা থেকে দেখলে দুই প্রজন্মের দুই তারকার সাক্ষাৎ ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে স্বাভাবিক বলেই মনে হতে পারে।তবু ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই এখন অতিরিক্ত আবেগ, উত্তেজনা এবং রাজনৈতিক ছায়া। তাই ছোট একটি মুহূর্তও বড় বিতর্কে রূপ নিচ্ছে। রোহিতের এই করমর্দন কি শুধুই সৌজন্য, না কি অঘোষিত নিয়ম ভাঙার বার্তাসেটাই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal