• ২০ চৈত্র ১৪৩২, রবিবার ০৫ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Il

রাজ্য

Killing Relative : শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে স্ত্রীকে মারধোর ও আত্মীয়কে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার জামাই

স্ত্রীকে মারধোরে বাধা দেওয়া শ্বশুর বাড়ির আত্মীয়কে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হল জামাই। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর থানার গিরিগড়নগর এলাকায়। আত্মীয় সাহের আলী মোল্লা(৫২)কে খুনের ঘটনায় ধৃত জামাইয়ের নাম মোস্তফা খান। তাঁর বাড়ি মন্তেশ্বরের মাসডাঙ্গা এলাকায়। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ সোমবার ধৃতকে পেশ করে কালনা মহকুমা আদালতে। বিচারক ধৃতকে ৫ দিন পুলিশি হেপাজতে পঠাোর নির্দেশ দিয়েছেন।জমাইয়ের দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবি করেছে বধূর বাপের বাড়ির পরিবার সদস্যরা। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক বছর আগে মন্তেশ্বরে মাসডাঙ্গা নিবাসী মোস্তফা খানের সঙ্গে বিয়ে হয় গিরিগড়নগরের মেয়ে মোসরাকিনার। শ্বশুর বাড়িতে অশান্তির কারণে মোসরাকিনা বিবি ৩-৪ মাস আগে তাঁর বাপের বাড়ি চলে আসে।মোস্তাফা খান রবিবার সকালে শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে অশান্তি শুরু করে। অশান্তি চলাকালীন মোস্তাফা তাঁর স্ত্রীকে মারধোর শুরু করে বলে অভিযোগ। তা দেখে মোসরাকিনার বাপের বাড়িতে বেড়াতে আসা কালনার নিভুজি এলাকা নিবাসী আত্মীয় সাহের আলি মোল্লা মোস্তাফাকে বাঁধা দেন।তাতেই ক্ষিপ্ত হয়ে মোস্তাফা তাঁর শ্বশুর বাড়ির প্রৌঢ় আত্মীয় সাহের আলীকে ব্যাপক মারধোর করে। মারধোরে মারাত্মক জখম হন সাহের আলী। তাঁকে ওই দিনই বর্ধমানের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। সেখানে রাতেই তিনি মারাযান। আত্মীয়র এই মৃত্যু মেনে নিতে না পেরে বধূ মোসরাকিনার বাপের বাড়ির লোকজন ওইবিনই জামাইরের বিরুদ্ধে মন্তেশ্বর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে পুলিশ মোস্তফা খানকে গ্রেপ্তার করে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
রাজ্য

Unknown Fever: মালদায় জ্বরের বলি আরও এক শিশু

অজানা জ্বরের বলি ফের এক শিশু। রবিবার গভীর রাতে ফের মৃত্যু হল আরও এক শিশুর। জানা গিয়েছে শিশুটির বয়স মোটে ১ মাস ৬ দিন। গত ১৩ সেপ্টেম্বর মালদা মেডিক্যাল কলেজের মাতৃমা বিভাগে প্রবল জ্বর, শ্বাসকষ্ট নিয়ে ভর্তি হয় ওই শিশু। রবিবার গভীর রাতে তাঁর মৃত্যু হয়।পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতালে বেডের অভাব। বেড না পেয়ে একই বিছানায় অন্য আক্রান্তদের সঙ্গে রেখেই চিকিৎসা করাতে হয়েছিল ওই শিশুকন্যাকে। চিকিৎসকদের গাফিলতির জন্যই মৃত্যু হয়েছে শিশুটির এমনই অভিযোগ। সূত্রের খবর, মেডিক্যাল কলেজে শনিবার পর্যন্ত ১৬৪ জন শিশু ভর্তি হয়েছে। কিন্তু বেডের সংখ্যা ১২০। আরও পড়ুনঃ টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন হাওড়া ও টিকিয়াপাড়া কারশেড, বাতিল একাধিক ট্রেনমেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে খবর, বৈষ্ণবনগর থানার চক বাহাদুরপুরের বাসিন্দা প্রকাশ মণ্ডলের নবজাতক পুত্র আচমকাই জ্বরে আক্রান্ত হয়। চিকিৎসকদের একাংশের দাবি, রক্তে সংক্রমণের দরুণ শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। যদিও, ঠিক কীভাবে সেই সংক্রমণ হল তা কিন্তু স্পষ্ট বলতে পারছেন না চিকিৎসকেরা। তবে, এই শিশুটিরও অন্যান্যদের মতো একই উপসর্গ দেখা গিয়েছিল। প্রবল জ্বর, শ্বাসকষ্ট ও বুকে ব্যথা। শিশুটিকে প্রাথমিকভাবে চিকিৎসার পর বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। কিন্তু, তারপরেও শেষ রক্ষা হয়নি। এই নিয়ে গত পাঁচদিনে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মোট ৮ টি শিশুর মৃত্যু হল।উল্লেখ্য, রাজ্যে শিশুদের আক্রান্ত হওয়া নিয়ে সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকে চিঠি লিখেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও দার্জিলিঙের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
রাজ্য

Elderly Patient: কাটোয়া হাসপাতালে বৃদ্ধ রোগীর বেনজির তান্ডব, ভেঙে চুরমার লক্ষ লক্ষ টাকার চিকিৎসা সামগ্রী

ভাঙচুর চালিয়ে হাসপাতালের এইচডিইউ বিভাগের লক্ষাধিক টাকা মূল্যের চিকিৎসা সরঞ্জাম ভেঙে নষ্ট করে দিল চিকিৎসাধীন এক রোগী। শনিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কটোয়া মহকুমা হাসপাতালে। বৃদ্ধ রোগী অরুণ বন্দ্যোপাধ্যায় হাসপাতালে তাণ্ডব চালানোর সময়ে তাঁকে বিরত করতে গিয়ে জখম হন এইচডিইউ বিভাগে কর্তব্যরত দুই নার্স। রোগীর তাণ্ডবে দুই নার্সকে জখম হতে দেখে হাসপাতালের আর কোন কর্মী ওই রোগীর কাছে ঘেঁষার সাহস দেখাননি। চিকিৎসাধীন রোগীর এমন তাণ্ডবের জেরে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী মহলে। কি কারণে রোগী এত ভায়লেন্ট হয়ে উঠলেন সেই বিষয়টি চিকিৎসকদের ভাবিয়ে তুলেছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, রোগী অরুণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি কাটোয়া শহরের গোয়ালপাড়া এলাকায়। তিনি পেশায় ব্যবসায়ী। বেশ কিছুদিন ধরে তিনি শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। পরিবারের লোকজন গত শনিবার সকালে অরুণবাবুকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করেন। হাসপাতালে তাঁর বিভিন্ন শারীরিক পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয়। রক্ত পরীক্ষায় অরুনবাবুর সোডিয়াম, পটাসিয়ামের ঘাটতি ধরা পড়ে। সেই কারণে তাঁকে হাসপাতালের জেনারেল ওয়ার্ড থেকে হাই ডিপেনেন্সি ইউনিটের(এইচডিইউ) ৬ নম্বর বেডে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাঁর হাতে স্যালাইনের চ্যানেলও গোঁজা ছিল। সেই অবস্থাতেই একটি কাটের তুল হাতে নিয়ে শনিবার রাতে তিনি হঠাৎই রুদ্রমূর্তি ধারণ করেন। এরপরেই তিনি হাসপাতালের এইচডি ইউনিটে ব্যাপক ভাঙচুর শুরু করে দেন। এইচডিইউ বিভাগে শনিবার রাতে কর্মরত থাকা এক নার্স বলেন, শনিবার রাতে রোগীর তাণ্ডবের ঘটনা তিনি কোনদিন ভুলতে পারবেন না। ওই রাত তাঁদের চরম আতঙ্কে ও উৎকন্ঠার মধ্যে কাটাতে হয়েছে। তাঁদের চোখের সামনেই দামি ও গুরুত্বপূর্ণ বহু চিকিৎসা সরঞ্জাম ওই রোগী ভেঙে চুরমার করে দেন। ভয়ে আতঙ্কে তাঁরা কিছুই করতে পারেননি। অসহায়ের মত দাঁড়িয়ে থেকে তাঁদের সব দেখতে হয়। রোগী অরুণবাবু হঠাৎ কেন এমন ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলেন তাও তাঁদের অজানা বলে ওই নার্স জানিয়েছেন। স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৮ সালে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের হাই ডিপেনডেন্সি ইউনিটটি(এইচডিইউ) চালু হয়। প্রায় ৫৫ লক্ষ টাকা মূল্যের উন্নত যন্ত্রপাতি তখন এইচডিইউ বিভাগে বসানো হয়েছিল। ওই এইচডিইউ ইউনিটে চিকিৎসাধীন থাকা রোগী অরুণ বন্দ্যোপাধ্যায় শনিবার রাত আনুমানিক ১টা নাগাদ অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করে দেন। বেড থেকে উঠে একটি কাঠের টুল হাতে নিয়ে তিনি তান্ডব শুরু করে দেন। ভেন্টিলেটর সাপোর্ট দেওয়ার যন্ত্রগুলি তিনি একে একে ভেঙে ফেলেন। কোনরকমে তাঁর হাত থেকে টুলটি কেড়ে নেওয়া গেলেও তাঁকে রোখা যায়নি। এরপর খালি হাতেই তিনি এইচডিইউ বিভাগে থাকা কম্পিউটারের সিপিইউ, মনিটরসহ অনান্য মেশিনপত্র মাটিতে আছড়ে ভেঙে দেন। অক্সিজেন ভর্তি সিলিন্ডার ও ওষুধের প্যাকেটও তিনি ফেলে দেন। অরুণবাবুকে বিরত করতে গিয়ে কর্তব্যরত দুজন নার্সও আক্রান্ত হন। তারপর আর কেউ তাঁকে বিরত করতে যাওয়ার সাহস করেননি। হাসপাতালের নার্স, সিকিউরিটি গার্ড, সিভিক ভলেন্টিয়ারা সবাই কার্যত দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ওই রোগীর তান্ডব লীলা দেখতে বাধ্য হন। কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের সুপার ধীরাজ রায় জানান, তিনি তাঁর চাকুরি জীবনে এমন ঘটনা এই প্রথম দেখলেন। এইচডিইউ বিভাগের অনেক দামি দামি মেশিনপত্র ওই রোগী ভেঙে নষ্ট করে দিয়েছেন। সব মিলিয়ে কয়েক লক্ষ টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম ওই রোগী ভাঙচুর করে নষ্ট করে দিয়েছেন। ঘটনার সবিস্তার রিপোর্ট জেলা স্বাস্থ্যদপ্তরে পাঠানো হয়েছে।চিকিৎসাধীন ওই রোগী রাতে হঠাৎই কেন এত ভায়োলেন্ট হয়ে উঠলেন তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সুপার জানিয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২১
টুকিটাকি

Oliv Oil: সোনালি অলিভ ওয়েলের গুণাগুণ

প্রতিদিনের রান্নায় অলিভ অয়েল ব্যবহার করলে, শরীর ভীষণভাবে উপকৃত হয়। অলিভ অয়েলে রয়েছে সামান্য মিষ্টি, ক্যালোরি এবং কার্বোহাইড্রেট। যার ফলে, এটি রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। অলিভ অয়েলে রয়েছে অলিক প্রোপেন, যা সবচেয়ে শক্তিশালী পলিফেনল হিসেবে গণ্য। এটা এক ধরনের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা মানব শরীরে ভীষণ উপকারী। অলিভ অয়েলে পাওয়া পলিফেনলগুলি ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে সাহায়তা করে। আপনি যদি খাদ্যতালিকায় অলিভ অয়েল যুক্ত করেন, তাহলে আপনার রক্তে সর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকবে।১. অলিভ অয়েলে মেলে পলিফেনল। এটি হল এক ধরনের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, যার জন্য শরীরে ইনস্যুলিনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। ফলে, ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রেও উপকারী অলিভ অয়েল। অলিভ অয়েল টাইপ-২ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে।২. প্রতিদিন রান্নায় অলিভ অয়েল ব্যবহার করলে ক্যান্সারের ঝুঁকিও কমে যায়। অলিভ অয়েলে এমন কিছু উপাদান আছে, যা ক্যান্সার কোষগুলিকে নষ্ট করে দেয়।৩. পাকস্থলী ও অন্ত্রের জন্য ভীষণই উপকারী অলিভ অয়েল। এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণ মোনো-আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট রয়েছে। অলিভ অয়েল প্রতিদিন ব্যবহারে কোষ্টকাঠিন্য থেকে মুক্তি মেলে।৪. অলিভ অয়েলে রয়েছে ভিটামিন ই, ভিটামিন কে, ওমেগা-৩ এবং ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড, আয়রন ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট।৫. অলিভ অয়েল দিয়ে চোখের চারপাশ মাসাজ করলে উপকার মেলে। এরফলে, ক্লান্তিভাব দূর হয়, ভাল ঘুম হয়।৬. অলিভ অয়েল দিয়ে রান্না করলে শরীরে উচ্চরক্তচাপ কমে। অলিভ অয়েলে রয়েছে পলিফেনল ও মোনো আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড -- যা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।৭. অলিভ অয়েল স্মৃতিলোপ রুখতে সাহায্য করে। অ্যালঝাইমারের মোকাবিলা করে।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২১
রাজ্য

Superi Killers: আউশগ্রামে তৃণমূল যুবনেতাকে খুনে ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই সুপারি কিলার

সুপারি কিলারদের দিয়ে তৃণমূল নেতাকে খুনের আশঙ্কাই শেষপর্যন্ত সত্যি হল। পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের দেবশালা অঞ্চলের তৃণমূল যুবনেতা চঞ্চল বক্সীকে খুনের ঘটনায় অবশেষে পুলিশের জালে ধরা পড়লো দুই সুপারি কিলার। ধৃতরা হল মহম্মদ ইমরান কুরেশি ও শেখ শের আলি। ধৃতদের মধ্যে ইমরানের বাড়ি দুর্গাপুরের ডিভিসি মোড়ের কাছে ভবানীপল্লিতে। আর অপর ধৃত শের আলির বাড়ি বীরভূম জেলার দুবরাজপুর এলাকায়। খুনের ঘটনার মূল চক্রী আসানুল মণ্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আউশগ্রাম থানার পুলিশ দুই সুপারি কিলারের নাম জানতে পারে। তারপরেই শুক্রবার আউশগ্রাম থানার পুলিশ দুই দলে ভাগ হয়ে দুর্গাপুর ও বীরভূমের সাঁইথিয়ায় হানা দিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।পুলিশের দাবি, ধৃতরা তৃণমূলের যুব নেতা চঞ্চল বক্সিকে খুনের কথা কবুল করেছে। তৃণমূলের যুব নেতাকে খুনের ঘটনায় এই নিয়ে আট জন গ্রেপ্তার হল। গত বৃহস্পতিবার পুলিশের জালে ধরা পড়েছিল বিহারের মুঙ্গেরের দুই অস্ত্রকারবারী মহম্মদ ইনতিয়াজ ও মহম্মদ পাপ্পু। ঝাড়খণ্ডে ধরা পড়া এই দুই অস্ত্র কারবারী তৃণমূলের যুব নেতাকে খুনে ব্যবহৃত আগ্নেআস্ত্র সরবরাহ করেছিল বলে পুলিশ জানতে পেরেছে। শনিবার ধৃতদের বর্ধমান আদালতে পেশ করে পুলিশ তদন্তের প্রয়োজনে ১২ দিন নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায়। সিজেএম ধৃতদের ৮ দিন পুলিশি হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, গত ৭ সেপ্টেম্বর গেরাই থেকে বাড়ি ফেরার পথে দুস্কৃতীদের হাতে গুলিতে খুন হন দেবশালা পঞ্চায়েতের প্রধান শ্যামল বক্সির ছেলে তৃণমূল কংগ্রেসের যুব নেতা চঞ্চল বক্সি। দুই বর্ধমান জেলার পুলিশ সিট গঠন করে এই খুনের তদন্ত শুরু করে পুলিশ। এক সপ্তাহের মধ্যেই পুলিশ গ্রেফতার করে দেবশালা অঞ্চল যুব তৃণমূল সভাপতি তথা পঞ্চায়েতের সদস্য আসানুর মণ্ডলকে। ধরা পড়ে দেবশালা পঞ্চায়েতের সদস্য মনির হোসেন মোল্লা এবং তৃণমূলের দেবশালা অঞ্চল সভাপতির ছেলে বিশ্বরূপ মণ্ডল। তাদের জেরা করে পুলিশ ভাতকুন্ডা গ্রামের আয়ূব খান নামে আরও এক তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতার করে। এরপর ধৃতদের জেরা করে বৃহস্পতিবার পুলিশ ঝাড়খণ্ডের জামতাড়া এলাকা থেকে মহম্মদ পাপ্পু ও মহম্মদ ইমতিয়াজ ওরফে পিন্টু নামে দুই দুস্কৃতীকে গ্রেফতার করে। খুনের পর তারা ঝাড়খণ্ডে গা ঢাকা দিয়েছিল। পুলিশ ধৃতদের জেরা করে দুই সুপারিকিলারকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Golondaj : 'গোলন্দাজ'-এর ট্রেলার মুক্তি‌ পেল

পরিচালক ধ্রুব বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রযোজক শ্রী ভেঙ্কটেশ ফিল্মস। অনেকদিন পর এসভিএফের সঙ্গে কাজ করছেন অভিনেতা দেব। ফলে মানুষের মধ্যে আলাদাই একটা উত্তেজনা রয়েছে। এই ছবির নিজেকে অন্যভাবে গড়েছেন টলিস্টার দেব। আগামী ১০ ই অক্টোবর মুক্তি পাবে এই ছবিটি। এই ছবিরই ট্রেলার মুক্তি পেল তার জন্য সবাই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে ছিলেন।দেব ছাড়াও এখানে অভিনয় করবেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য, ঈশা সাহা, জন ভট্টাচার্য সহ আরও অনেকে। ছোট নগেন্দ্রপ্রসাদের চরিত্রে দেখা যাবে নেতাজি ধারাবাহিকের অঙ্কিত মজুমদার কে। ইতিমধ্যে এই ছবির গল্প সকলের কাছে পরিষ্কার হয়ে গেছে। গল্পের প্রেক্ষাপট ১৮৭৯র কলকাতা। তখন ইংরেজদের রাজত্ব। সেই সময় প্রথম হাতে ফুটবল ছুঁয়ে দেখেন নগেন্দ্রপ্রসাদ সর্বাধিকারী। বড় হয়ে ফুটবলকে নতুনভাবে বাঙালির কাছে পরিবেশন করেছেন তিনি। ইংরেজ শাসকদের সঙ্গে সংঘাতেও যেতে হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত বাঙালি জেদ, সাহসিকতা, স্বদেশপ্রেম ও ফুটবল জয়ী হয়।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
কলকাতা

Abhishek-Dilip: 'অভিষেককে কলকাতায় ডাকলে দলীয় কর্মীরা ঢিল মারবে'

কলকাতায় কার্যালয় থাকা সত্বেও কয়লাকাণ্ডে বার বার দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হচ্ছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এই নিয়ে কেন্ত্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল। ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে দিল্লি হাইকোর্টে মামলা করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী রুজিরা। তাঁদের দাবি, আইন মেনে কলকাতাতেই ডাকা হোক তাঁদের। এদিকে দিল্লিতে সস্ত্রীক অভিষেককে তলব নিয়ে যুক্তি দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, কলকাতায় ডাকা হলে তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা বাধা দেব। তাই যেখানে নিরাপদ সেখানেই ডাকা হবে।আরও পড়ুনঃ ৫০০ টাকা পেতে গিয়ে অ্যাকাউন্ট থেক উধাও হল ৫ হাজার টাকা!শনিবার সকালে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, এখানে ডাকলে তো ওদের কর্মীরা এসে ঘেরাও করবে, ঢিল মারবে, মুখ্যমন্ত্রী ধর্না দেবেন। এর আগেও অন্য মামলায় ভিন রাজ্যে ডেকে জেরা করা হয়েছে সিবিআইয়ের তরফে। তাই যেখানে নিরাপদ মনে হবে সেখানেই ডাকা হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে হওয়ার মামলার কথা মনে করিয়ে দিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, বম্বে হাইকোর্টে স্থানান্তরিত করে তাঁদের গুজরাত থেকে সেখানে ডাকা হয়েছে। আমরা গিয়েছি। অশান্তি করিনি। আমাদের আইনের উপর আস্থা ছিল। তাঁর কথায়, আইনের আশ্রয় নিয়ে আমাদের নেতারা সোনার মত চকচকে হয়ে বেরিয়ে এসেছে। অভিষেকের এই ইস্যুতে হাইকোর্টে যাওয়াকে কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষের মন্তব্য, আমার মনে হয় না এইভাবে বাঁচা যাবে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
রাজ্য

Nandigram Blast: বল ভেবে খেলতে গিয়েই কেঁপে উঠল পরিত্যক্ত বাড়ি, ছিটকে পড়ল রক্ত

শুক্রবার রাতে বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল নন্দীগ্রাম। জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে এক নাবালিকার। জখম হয়েছে আরও দুই শিশু। একজনের আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাকে নন্দীগ্রাম সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নন্দীগ্রামের কালীচরণপুর-১ অঞ্চলের একটি পরিত্যক্ত বাড়িতেই এই বিস্ফোরণ হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। বল ভেবে খেলতে গিয়েই বিস্ফোরণ হয় বলে স্থানীয়দের তরফে জানানো হয়েছে। আরও পড়ুনঃ দাম কমছে না পেট্রোপণ্যের, রাজ্যের আপত্তিতে পেট্রোল-ডিজেলে বসছে না জিএসটিকালীচরণপুর-১ পঞ্চায়েত সমিতির জাদুবাড়ি চক। সেখানে জাকির শা নামে এক ব্যক্তির একটি পরিত্যক্ত বাড়ি রয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা আটটা নাগাদ এলাকার তিন শিশু খেলার সময় ওই বাড়িতে ঢোকে। সেখানেই বল ভেবে একটি গোলাকার বস্তুকে হাতে তুলতেই ভয়ঙ্কর শব্দে সেটি ফেটে যায়। বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে এলাকা। ওদিকে তিন শিশুর চিল চিৎকার শুনে ছুটে আসেন বাড়ির লোকজন। দেখা যায়, বাড়ির সামনে রক্তে ভেসে যাচ্ছে। ন থেকে দশ বছরের মধ্যে এক নাবালিকা মাটিতে পড়ে ছটফট করছে। স্থানীয়রা কোনও মতে তাঁকে তুলে নিয়ে হাসপাতালে পৌঁছয়। কিন্তু শেষ রক্ষা করা যায়নি। সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর। বাকি দুজনের মধ্যে একজনের মাথায় চোট লেগেছে। অপরজনের আঘাত গুরুতর। পায়ে গভীর ক্ষত তৈরি হয়েছে। তাঁকে নন্দীগ্রাম সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পায়ে ব্যান্ডেজের পাশাপাশি অক্সিজেনও দিতে হয়েছে তাকে। এই বাড়িতে কে বা কারা বোমা রেখে গিয়েছিল, তা খুঁজতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সঙ্গে রয়েছে চাপা আতঙ্কও।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
দেশ

GST: দাম কমছে না পেট্রোপণ্যের, রাজ্যের আপত্তিতে পেট্রোল-ডিজেলে বসছে না জিএসটি

জ্বালানি তেলের দাম দিতে গিয়ে নাভিশ্বাস অবস্থা সাধারণ মধ্যবিত্তর। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনও খুশির খবর শোনা যায়নি জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে। সরকারিভাবে কোনও বিবৃতি না এলেও, এখনও পর্যন্ত যা খবর তাতে কমছে না পেট্রল-ডিজ়েলের দাম।আরও পড়ুনঃ মোদির জন্মদিনে রাজ্যপালের বৃক্ষরোপণআজ জ্বালানি তেলকে জিএসটির আওতায় নিয়ে আসার বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে। অনেকেই আশা করে ছিলেন, পেট্রল-ডিজ়েলের উপর জিএসটি বসানো হলে, লিটার পিছু দাম অনেকটাই কমে যাবে। কিন্তু সূত্রের খবর, তেমন কিছুই হচ্ছে না। আপাতত, সেঞ্চুরির ঘর থেকে নামার কোনও লক্ষ্মণ নেই পেট্রলের।আজ সকালে লখনউতে জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠক শুরু হয়। জানা গিয়েছে, শুক্রবার জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে পেট্রোপণ্যকে জিএসটির আওতায় আনার প্রস্তাব দেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। কিন্তু এই প্রস্তাবের বিরোধিতে একযোগে সরব হয়েছে সব রাজ্যগুলিই। বাদ পড়েনি খোদ বিজেপি শাসিত রাজ্যেগুলিও। তাই আপাতত পেট্রল ও ডিজেল জিএসটির আওতার বাইরেই থাকছে। যার জেরে জ্বালানির দাম কমার সম্ভাবনা আপাতত নেই বলেই মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। ৪৫তম জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠক শেষে এদিন সংবাদমাধ্যমর নির্মলা জানিয়েছেন, করোনার সঙ্গে সম্পর্ক না থাকলেও বেশ কিছু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও দামি ওষুধে জিএসটি ছাড় দেওয়া হয়েছে। কর ছাড় দেওয়া হয়েছে বেশ কিছু জীবনদায়ী ওষুধেও। একইসঙ্গে, ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত করোনার ওষুধে কর ছাড়ের কথাও জানান তিনি।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২১
রাজ্য

Maldah Child death: মালদা মেডিক্যাল কলেজে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, বাড়ছে আতঙ্ক

বুধ এবং বৃহস্পতিবারের পর শুক্রবার মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। জ্বর, শ্বাসকষ্ট এবং শুকনো কাশির সমস্যা নিয়ে তারা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। মৃতদের মধ্যে একজনের বাড়ি ঝাড়খণ্ডের রাজমহলে। অন্যজন মালদহের ভুতনি এলাকার। আশঙ্কাজনক অবস্থায় শিশুদের হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। চিকিৎসার তেমন সুযোগ মেলেনি বলে দাবি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। এই নিয়ে গত তিন দিনে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ৫ শিশুর মৃত্যু হল। এই মুহূর্তে ওই হাসপাতালে আরও ১৭৮ জন শিশু সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে চিকিৎসাধীন। আরও পড়ুনঃ সকালের আলো ফুটতেই কেঁপে উঠল সিচুয়ান প্রদেশবুধবার রাতে দুজন এবং বৃহস্পতিবার সকালে একজন শিশু মারা গিয়েছে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। মৃত তিন শিশুই সদ্যজাত ছিল। কারও বয়স ৭ বছর, কারও বয়স ৫ বছর। তাদের শুকনো কাশি ও শ্বাসকষ্টও ছিল। শিশুদের এই জ্বরের চিকিৎসা করতে ইতিমধ্যে তৎপর হয়েছে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ কতৃপক্ষ। শিশুদের জ্বর মোকাবিলার জন্য ইতিমধ্যেই পাঁচ বিশেষজ্ঞের কমিটি গঠন করেছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর। বিশেষজ্ঞরা শুক্রবার উত্তরবঙ্গে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবেন। শিশুমৃত্যু নিয়ে মালদহ মেডিক্যাল কলেজের শিশু বিভাগের প্রধান সুষমা সাউ বলেছেন, গত ৪৮ ঘণ্টায় এই হাসপাতালে মোট পাঁচ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার এবং বৃহস্পতিবার দুজন করে এবং শুক্রবার সকাল ৯টা পর্যন্ত এক জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী শিশুদের চিকিৎসা চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২১
দেশ

Rape Convicted: এনকাউন্টারের হুমকির পরই রেললাইনে মিলল দেহ

দুদিন আগেই রাজ্যের এক মন্ত্রী হুমকি দিয়েছিলেন ধর্ষককে পেলেই এনকাউন্টার করে খতম করবেন। এ বার রহস্যজনকভাবেই রেললাইন থেকে উদ্ধার হল হায়দরাবাদে ছয় বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণকাণ্ডে অভিযুক্তের দেহ। পুলিশের দাবি, ওই অভিযুক্তকে ধাওয়া করা হয়েছিল। পালানোর চেষ্টায় সে রেললাইনে ঝাঁপ দিয়েছিল, সেই সময়ই ট্রেনের ধাক্কায় তাঁর মৃত্যু হয়।আরও পড়ুনঃ মাকে খুন করে ঘরের মেঝেতে দেহ পুঁতে রেখে দিয়েছিল ছোট ছেলে, খুঁড়তেই উদ্ধার কঙ্কালঘটনার সূত্রপাত হয় ৯ সেপ্টেম্বর। হায়দরাবাদের সিনগারেনি কলোনির বাড়ি থেকে ৯ সেপ্টেম্বর নিখোঁজ হয়ে যায় বছর ছয়েকের ওই নাবালিকা। সারাদিন খোঁজ না মেলায় পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পরের দিন প্রতিবেশীর বাড়ি থেকেই বিছানার চাদরে জড়ানো অবস্থায় নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে যৌন নির্যাতন ও দম বন্ধ করে খুনের প্রমাণ মেলে। এরপরই ওই প্রতিবেশীর খোঁজ শুরু করে পুলিশ। জানা যায়, যেদিন নাবালিকার দেহ উদ্ধার করা হয়, সেই সময় থেকেই পলাতক পাল্লাকোন্ডা রাজু নামক ওই প্রতিবেশী যুবক।প্রাথমিক তদন্ত চলাকালীনই শোনা যায়, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিন্তু পরে যখন বোঝা যায়, খবরটি ভুয়ো ছিল, তখন এলাকাবাসীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়তে থাকে। উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। স্থানীয় বাসিন্দারা সুবিচারের দাবিতে ধর্ষকের এনকাউন্টারের দাবি জানান। এ দিকে, ধর্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, এই ভুল তথ্য ছড়ানোর জন্য তেলঙ্গনার মন্ত্রী কেটি রামা রাও নিজের আগের টুইটের জন্য ক্ষমা চেয়ে নেন এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করার জন্য সাধারণ নাগরিকদের সাহায্য চান। এনকাউন্টার না হলেও এ দিন সকালে ওই ধর্ষকের দেহ রেললাইনে ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হল। দেহের একাধিক ট্যাটু দেখেই অভিযুক্তকে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে পুলিশের বিবৃতি ঘিরেও রহস্য তৈরি হয়েছে। ধর্ষকদের সঙ্গে সঙ্গে শাস্তি দেওয়ার নামে এনকাউন্টার বিতর্কে এর আগেও হায়দরাবাদ পুলিশের নাম জড়িয়েছিল।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২১
রাজ্য

Buried Body: মাকে খুন করে ঘরের মেঝেতে দেহ পুঁতে রেখে দিয়েছিল ছোট ছেলে, খুঁড়তেই উদ্ধার কঙ্কাল

বৃদ্ধা মাকে খুন করে ঘরের মেঝেতে দেহ পুঁতে রেখে সেই ঘরেই দুবছর ধরে বসবাস করছে ছোট ছেলে।বৃদ্ধা সুকরানা বিবির ছোট ছেলে সহিদুল আলি ওরফে নয়নের বিরুদ্ধে এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ এনে আলোড়ন ফেলে দিয়েছিলেন ছোট বৌমা রুপসুনা বিবি। শেষ পর্যন্ত ছোট বৌমার আনা সেই অভিযোগই সত্যি প্রমান হল। মঙ্গলবার গ্রেপ্তার হওয়া সাহিদুলের দেখানো জায়গা মতো বুধবার ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের উপস্থিতিতে খোঁড়া হয় তাঁর ঘরের মেঝে। ফুট চারেক মেঝে খোঁড়ার পরেই বেরিয়ে আসে মানব দেহের হাড়গোড় ও মাথার খুলি। যা দেখে এদিন কার্যত শিউরে ওঠেন বর্ধমান থানার হাঁটুদেওয়ানের পীরতলা ক্যানেলপাড় এলাকার বাসিন্দাা। উদ্ধার হওয়া হাড়গোড় ও মাথার খুলি বৃদ্ধা সুকরানা বিবির কিনা তা নিশ্চিৎ হতে পুলিশ উদ্ধার হওয়া হাড় ও খুলি ময়না তদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিকাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।আরও পড়ুনঃ বর্ধমানে বৃদ্ধা মাকে খুন করে দেহ ঘরের মেঝেতে পুঁতে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার ছেলেবৃদ্ধা সুকরুনা বিবির বড় ছেলে কিসমত আলির দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বর্ধমান থানার পুলিশ হাঁটুদেওয়ান পীরতলা এলাকার সহিদুল আলিকে আটক করে। তাঁকে বর্ধমান থানায় নিয়ে গিয়ে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ চালায়। জিজ্ঞাসাবাদে মাকে খুন করে ঘরের মেঝেতে দেহ পুঁতে দেওয়ার কথা সাহিদুল আলি স্বীকার করার পরেই পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। এদিন সহিদুলকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর দেখানো জায়গা মতো পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ঘরের মেঝে খোঁড়ার পরেই উদ্ধার হয় মানবদেহের হড়গোড় ও মাথার খুলি। তারপরেই পুলিশ খুন ও খুনের পর প্রমাণ লোপাটের চেষ্টার ধারায় মামলা রুজু করে এদিনই ধৃত সাহিদুলকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। তদন্তের প্রয়োজনে তদন্তকারী অফিসার ধৃতকে নিজেদের হেপাজতে নেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন জানান। বিচারক ধৃতকে ৭ দিন পুলিশি হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ তালিয়ান লিগে খেলা ডিফেন্ডার এবার এসসি ইস্টবেঙ্গলেপুলিশ ও স্থানীয়সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর ৫৮ বয়সী সুকরানা বিবি তাঁর ছোট ছেলে নয়নের সঙ্গে হাঁটুদেওয়ান পীরতলা এলাকার বাড়িতেই থাকতেন। পেশায় লরি চালক বড় ছেলে কিসমত অন্যত্র থাকেন। সুকরানা বিবি বেড়াতে যেতে খুব ভালবাসতেন। মাঝে মধ্যেই তিনি বেড়াতে বেরিয়ে পড়তেন। মায়ের বেড়াতে বেরিয়ে যাওয়াটা পছন্দ করতো না ছোট ছেলে সহিদুল আলি। মা ও ছোট ছেলের মধ্যে এইসব ছাড়াও নানা কারণে অশান্তিও হত। এই অবস্থার মধ্যেই ২০১৯ সালের ১০ জানুয়ারি থেকে সুকরানা বিবির আর কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ চালিয়েও মা সুকরানা বিবির হদিশ পান না বড় ছেলে কিসমত আলি। এরপর ওই বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি তিনি বর্ধমান থানায় তাঁর মায়ের নিখোঁজ হয়ে যাওয়া সংক্রান্ত ডাইরি লিপিবদ্ধ করেন।আরও পড়ুনঃ বৃষ্টিস্নাত দক্ষিণবঙ্গে রেল ও রাস্তা অবরোধে নাকাল সাধারণ মানুষকিসমত আলি জানান, তাঁর ছোট ভাই সহিদুলের স্ত্রী রুপসুনা বেশ কয়েকমাস হল শিশু সন্তানদের নিয়ে ভাতারের এরুয়ার গ্রামে বাপের বাড়িতে গিয়ে রয়েছে। ভাতৃবধূকে ছোট ভাইয়ের কাছে ফিরিয়ে আনার জন্য তিনি গত সোমবার এরুয়ার গ্রামে রুপসুনার বাপের বাড়িতে যান। কিসমত আলি বলেন, ওই দিনই রুপসুনার কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, তাঁর ছোট ভাই সহিদুল তাঁদের বৃদ্ধা মা সুকরুনা বিবিকে খুন করে দেহ ঘরের মেজেতে পুঁতে দিয়েছে। সহিদুল প্রাণে মেরে দিয়ে তাঁকেও মাটিতে পুঁতে দিতে পারে এমন আশঙ্কার কথা রুপসুনা তাঁর ভাসুরকে জানায়। একই সঙ্গে রুপসুনা তাঁর ভাসুরকে জানিয়ে দেয় সে আর তাঁর স্বামীর কাছে আর ফিরে যাবে না। ভাতৃবধূর কাছ থেকে এমন চাঞ্চল্যকর অভিযোগ শোনার পরেই কিসমত আলি মঙ্গলবার তাঁর ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে বর্ধমান থানায় অভিযোগ জানান।আরও পড়ুনঃ পূজার ছলে ভুলে থাকিকিসমতের অভিযোগ পাওয়ার পরেই নড়েচড়ে বসে বর্ধমান থানার পুলিশ। হাঁটুদেওয়ান পীরতলা এলাকায় দ্রুত পৌছে পুলিশ সহিদুল আলিকে থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চালায়। পুলিশের দাবি জেরায় সহিদুল জানায়, ঘটনার আগে বেশ কিছু দিন ধরে বৃদ্ধা মায়ের সঙ্গে তাঁর অশান্তি চলছিল। ঘটনার দিন মায়ের সঙ্গে বচসা চলার সময়ে মুগুর দিয়ে সে তাঁর মায়ের মাথায় আঘাত করে। মা ঘরের ভিতরে ছিটকে পড়ে। এরপর মায়ের মৃত্যু নিশ্চিৎ করতে তিনি তাঁর মায়ের গলা টিপে ধরেন। বৃদ্ধা মা রুকসুনা বিবি মারা যাওয়ার পর ঘরে ধুপকাটি জ্বালিয়ে সহিদুল কাজে বেরিয়ে যায়। পরে বাড়ি ফিরে এসে ঘরের মেঝের মাটি খুঁড়ে সহিদুল তাঁর মায়ের মৃতদেহ ঘরের মেঝেতে পুঁতে দেয়। এদিন সহিদুলকে তাঁর মাকে খুনের কারণ জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, মা নোংরা পথে চলে গিয়েছিল। মাকে বারণ করলেও মা কথা শুনতেন না। তাই মাকে মেরে দিয়ে ঘরের মেঝেতে পুঁতে দিয়েছি। যদিও এইসব অভিযোগই অসত্য জানিয়েছেন বৃদ্ধার বড় ছেলে সহ পরিবারের অন্য সদস্যরা।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২১
রাজ্য

Child Fever: শিশুদের অজানা জ্বরে কাঁপছে উত্তরবঙ্গ, আক্রান্ত ৫০০-র বেশি

অজানা জ্বরের প্রকোপ ক্রমশ বাড়ছে উত্তরবঙ্গে। ৮ মাসের এক শিশুর মৃত্যুর খবর এসেছিল আগেই। এখনও পর্যন্ত এই অজানা জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে তিন শিশুর। গুরুতর অসুস্থ শিশুর সংখ্যা সব মিলিয়ে ৫০-এর পঞ্চাশের কাছাকাছি। সরকারি নথি অনুযায়ী ৫০০-র বেশি শিশু অজানা জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে। আর এই ঘটনা উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার স্বাস্থ্য পরিকাঠামো নিয়ে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন তুলে ধরেছে। বিশেষত শিশু চিকিৎসার পরিকাঠামোর বেহাল চেহারাটা ক্রমশ সামনে আসছে। আর সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে আতঙ্কও। আরও পড়ুনঃ রাজ্যে আরও একটি বড় দুর্নীতির আশঙ্কায় শুভেন্দুকরোনার তৃতীয় ঢেউ সামলাতে এবং শিশুদের সুরক্ষা দেওয়ার জন্য স্বাস্থ্য ভবন ঘোষণা করেছিল যে গোটা রাজ্যে প্রস্তুতি চলছে। বাড়ানো হচ্ছে বেড। আইসিইউ, পিকু, নিকু সহ পেডিয়াট্রিক এক্সপার্টদের নিয়ে তৈরি হয়েছে টিম। তৃতীয় ঢেউ কবে আসবে জানা নেই। তবে জলপাইগুড়ি, শিলিগুড়ি এবং কোচবিহার সংলগ্ন এলাকায় শিশুদের এই আক্রান্ত হওয়ার ঘটনাতেই বেআব্রু হয়ে পড়েছে সরকারি সেই ব্যবস্থা। হাসপাতালে গাদাগাদি করে রয়েছে শিশু এবং তাদের অভিভাবকেরা। ভর্তির জায়গা নেই। এমনই অবস্থা একাধিক জেলা ও মহকুমা হাসপাতাল কিংবা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে। মূলত শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারের বিভিন্ন অঞ্চলে এই জ্বরের প্রকোপে শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ। বিভিন্ন জেলা হাসপাতাল, মহকুমা হাসপাতাল বা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এই জ্বরে আক্রান্ত শিশুরা ভিড় করছে। কোথাও প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে, কোথাও বা ভর্তি করে নেওয়া হচ্ছে। শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতাল, উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ, জলপাইগুড়ি জেলা হাসপাতাল, বানারহাট, ধুপগুড়ি , মালবাজার, মেখলিগঞ্জ হাসপাতালসহ বিভিন্ন ছোট-বড় হাসপাতালে এই মুহূর্তে জ্বরে আক্রান্ত শিশুদের ভিড়। জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসন সূত্রের খবর গত ১২ থেকে ১৪ দিন ধরে এই অজানা জ্বরের প্রকোপ বেড়ে চলেছে জেলাজুড়ে। উত্তরবঙ্গের চিকিৎসকদের একাংশের অভিযোগ, সঠিকভাবে সেই তথ্য জানানো হয়নি স্বাস্থ্য ভবনকে। তথ্য ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠছে। জ্বর, পেটে যন্ত্রণা, শ্বাসকষ্ট নিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছে বহু শিশু। উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ছড়িয়ে পড়ছে এই অজানা জ্বর। অথচ ১০-১২ দিন কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করে সঠিক কারণ জানা গেল না। কেন জ্বরের কারণ জানতে এত বেশি সময় লাগছে? সে নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন একাধিক বিশেষজ্ঞ।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২১
রাজ্য

Rail and Road Blockades: বৃষ্টিস্নাত দক্ষিণবঙ্গে রেল ও রাস্তা অবরোধে নাকাল সাধারণ মানুষ

গভীর নিম্নচাপের বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত দক্ষিণবঙ্গে রাস্তা সারাইয়ের দাবিতে রেল ও রাস্তা অবরোধ চলল দেবীপুরে। বুধবার সকাল আটটা থেকে নিত্যযাত্রীরা বর্ধমান-হাওড়া মেন লাইনের আপ ও ডাউন লাইনের ট্রেন অবরোধ করা দেবীপুর স্টেশনে। দুঘন্টা ট্রেন ও বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। অবরোধের জেরে দেবীপুর ষ্টেশনে আটকে পরে ১২৩৮৪ ডাউন আসানসোল-শিয়ালদহ ইন্টারসিটি এক্সপ্রেস ও হাওড়া-বর্ধমান আপ স্পেশাল লোকাল। এর ফলে যাঁরা চিকিৎসা বা অন্য কোনও জরুরি কাজে বেরিয়েছিলেন তাঁদের ভীষন আসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়। নাকাল হতে হয় লোকাল ও দূরপাল্লার যাত্রীদের।আরও পড়ুনঃ ষাঁড়ের গুঁতোয় এবার প্রাণ হারালেন কাটোয়ার বৃদ্ধ, আতঙ্কে কাঁপছে মানুষজনঅবরোধকারীরা বলেন, কোনও মানুষের অসুবিধা সৃষ্টি করা আমাদের উদ্দশ্যে নয়। আমাদের দাবী সমাজের সর্বস্তরে ও সরকারি দপ্তরের উচ্চমহলে পৌছে দেওয়ার জন্য এই অবরোধ। এক অবরোধকারী জানান, দেবীপুর লেভেল ক্রসিংয়ের দক্ষিণদিকে সুলতানপুরের দিক থেকে জিটি রোড যাওয়ার রাস্তা দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে ডোবার আকার নিয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই জল জমে চলাচলের অযোগ্য হয়ে যায়। রাস্তায় বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে এই বর্ষায়। তিন-চার ফুটের খানাখন্দের এই রাস্তায় প্রায়শই দুর্ঘটনা লেগে থাকে। তাঁদের দাবী, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরেই রেল দপ্তর ও স্থানীয় দূর্গাপুর গ্রাম পঞ্ছায়েত অফিসে যোগাযোগ করলেও কোনও সুরাহা হয়নি। তাই বাধ্য হয়েই এদিন অবরোধ করতে হয়। শেষমেশ রাস্তা মেরামতের আশ্বাস দিলে অবরোধ উঠে যায়। ট্রেন ও বাস চলাচল স্বাভাবিক হয়।দেবীপুরে রেললাইন ও রাস্তা অবরোধতাঁরা আরও জানান, অফিস যাত্রী ও সাধারণ নিত্য যাত্রীদের দৈনিক যাতায়াতের পথ এইরকম দূর্গম হওয়ার করণে নিত্য যাত্রীরা নিত্যদিনই তাঁদের নির্ধারিত ট্রেন ধরতে ব্যর্থ হন। স্থানীয় এক অ্যাম্বুলেন্স চালক বলেন, কোনও মুমূর্ষু রোগীকে এই রাস্তা দিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় খুবই আতঙ্কে গাড়ি চালাতে হয়, যে কোনও সময় গাড়ি উলটে যাওয়ার সম্ভবনা থাকে। অবরোধকে মন থেকে সমর্থন না করলেও কিছু ক্ষেত্রে নিরুপায় হয়ে এই রাস্তা নিতে হয়।আরও পড়ুনঃ ডুরান্ডের তৃতীয় ম্যাচেই ছন্দহীন মহমেডান, হেরে গ্রুপে দ্বিতীয়স্থানীয় এক তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী জানান, মঙ্গলবার সকাল থেকেই ঘভীর নিম্নচাপের প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গে রাতভোর টানা বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছে। মাঠ ঘাট রাস্তা জলমগ্ন। জমা জলে রাস্তার ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে পিচ রাস্তার (বিটুমিন) ক্ষতির আশঙ্কা সর্বাধিক। আমরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানিয়েছি, যত শীঘ্র সম্ভব এই সমস্যার সমাধান করার সবরকম প্রচেষ্টা করা হবে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Shohorer Upokotha : 'শহরের উপকথা' নিয়ে পোর্শিয়া

আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাচ্ছে বাপ্পার পরিচালিত ফিচার ফিল্ম শহরের উপকথা। বাদল সরকারের বাকী ইতিহাস অবলম্বনে এই ছবি নির্মাণ করছেন পরিচালক। আর এখানেই টাইটেল ট্র্যাক গেয়েছেন পোর্শিয়া সেন। সৌম্য ঋত এই ছবির সঙ্গীত পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন।আরও পড়ুনঃ দুর্গাপুজোর আগে দ্য টেরেসে ফ্যাশন কার্নিভালছবিতে গান গাওয়ার অভিজ্ঞতা খুবই ভালো। এমনটাই জানিয়েছেন পোর্শিয়া। এই প্রসঙ্গে তিনি জানালেন,সৌম্য ঋত দার সঙ্গে অনেকদিন ধরেই ভাবছি কাজ করবো। কিন্তু কানেকশনটা ঠিকমতো না হলে কাজটা ঠিক হয়না। তারপর একদিন দাদা বললো চলে এসো একটা রেকর্ডিং আছে। তার আগে গানটা পাঠালো। শুনে বললাম গানটা খুব ভালো। গেলাম, গাইলাম।আরও পড়ুনঃ এমডিজে জোড়ি নাম্বার ওয়ানের গ্র্যান্ড ফিনালশহরের উপকথা তিনি আরও কথা শেয়ার করলেন। বললেন,আমি ভেবেছিলাম সিনেমাটা হয়তো আরেকটু সময় নেবে রিলিজ করতে। কিন্তু তাড়াতাড়িই রিলিজ করে যাচ্ছে। তবে গানের ফিডব্যাক খুব ভালো পাচ্ছি। কাছের মানুষ অনেকেরই খুব ভালো লেগেছে। আবার অনেকে নিজে থেকে শুনে টেক্সট করেছে। তো গানের রেসপন্স এখনও অবধি ভালোই।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
রাজ্য

Killing Old Mother: বর্ধমানে বৃদ্ধা মাকে খুন করে দেহ ঘরের মেঝেতে পুঁতে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার ছেলে

মাকে খুন করে ঘরের মেঝেতে দেহ পুঁতে রেখে দিয়ে সেই ঘরেই বসবাস করছিল ছোট ছেলে। নিষ্ঠুর স্বামী সহিদুল আলি ওরফে নয়নের এই কুকীর্তি সোমবার ভাসুর কিসমত আলির কাছে ফাঁস করে দেয় ছোট বৌমা রুপসুনা বিবি। বৃদ্ধা মা সুকরুনা বিবিকে হত্যার কথা জানার পরেই বড় ছেলে কিসমত আলি তাঁর ছোট ভাই সহিদুল আলির বিরুদ্ধে মঙ্গলবার বর্ধমান থানায় অভিযোগ জানান। অভিযোগ পেয়ে এদিনই বর্ধমানের হাঁটুদেওয়ান পীরতলা এলাকার বাড়িতে পৌছে সহিদুল আলিকে আটক করে থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চালায়। জিজ্ঞাসাবাদে মাকে খুনের কথা স্বীকার করার পরে পুলিশ সহিদুলকে গ্রেপ্তার করে। এই ঘটনা জানাজানি হতেই বর্ধমান জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে বুধবার ঘরের মেঝের মাটি খুঁড়ে বৃদ্ধার দেহ উদ্ধারের জন্য পুলিশ এদিনই বর্ধমান আদালতের অনুমতি নিয়েছে।আরও পড়ুনঃ প্রাক্তন সর্বভারতীয় কংগ্রেস নেত্রীকে রাজ্যসভায় পাঠাচ্ছে তৃণমূলপুলিশ ও স্থানীয়সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর ৫৮ বয়সী সুকরুনা বিবি তাঁর ছোট ছেলে নয়নের সঙ্গে হাঁটুদেওয়ান পীরতলা এলাকার বাড়িতেই থাকতেন। ছোট ছেলে পেশায় পিকআপ ভ্যানের চালক। বড় ছেলে কিসমত আলিও লরি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। তিনি অন্যত্র থাকেন। সুকরুনা বিবি বেড়াতে যেতে খুব ভালবাসতেন। মাঝে মধ্যেই তিনি বেড়াতে বেরিয়ে পড়তেন। মায়ের বেড়াতে বেরিয়ে যাওয়াটা পছন্দ করতো না ছোট ছেলে সহিদুল আলি। তা নিয়ে মা ছোট ছেলের মধ্যে অশান্তিও হত। এই অবস্থার মধ্যেই ২০১৯ সালের ১০ জানুযায়ী হঠাৎ করেই সুকরুনা বিবি নিখোঁজ হয়ে যান। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ চালিয়েও মা সুকরুনা বিবির হদিশ পান না বড় ছেলে কিসমত আলি। এরপর ওই বছরের ২২ ফেব্রুয়ারী কিসমত আলি বর্ধমান থানায় তাঁর মায়ের নিখোঁজ হয়ে যাওয়া সংক্রান্ত ডায়রি লিপিবদ্ধ করেন।আরও পড়ুনঃ তৃতীয় ঢেউয়ের সংক্রামণের রাশ টানতে ভিক্টোরিয়ায় বড়দিন পর্যন্ত লকডাউনের ঘোষণাকিসমত আলির এদিন জানান, তাঁর ছোট ভাই সহিদুলের স্ত্রী রুপসুনা বেশ কয়েকমাস হল শিশু সন্তানদের নিয়ে ভাতারের এরুয়ার গ্রামে বাপের বাড়িতে গিয়ে রয়েছে। ভাতৃবধূকে ফিরিয়ে আনার জন্য কিসমত মঙ্গলবার এরুয়ার গ্রামে রুপসুনাদের বাড়িতে যান। তখনই রুপসুনার কাছ থেকে কিসমত আলি জানতে পারেন, তাঁর ছোট ভাই সহিদুল তাঁদের বৃদ্ধা মা সুকরুনা বিবিকে খুন করে দেহ ঘরের মেজেতে পুঁতে দিয়েছে। তাঁকেও সহিদুল প্রাণে মেরে দিয়ে মাটিতে পুঁতে দিতে পারে এমন আশঙ্কার কথা রুপসুনা তাঁর ভাসুরকে জানায়। সেই আশঙ্কায় স্বামীর কাছে আর ফিরে যাবে না বলেও রুপসুনা তাঁর ভাসুরকে জানিয়ে দেয়।আরও পড়ুনঃ ভাদ্রের আকাশে শ্রাবণের ধারা, সকাল থেকে ভিজছে শহর থেকে জেলাপুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সহিদুল জানিয়েছে, ঘটনার আগে বেশ কিছুদিন ধরে নিজের মায়ের সঙ্গে তাঁর অশান্তি চলছিল। ঘটনার দিন মায়ের সঙ্গে বচসা চলার সময়ে মুগুর দিয়ে সে তাঁর মায়ের মাথায় আঘাত করে। মা ঘরের ভিতরে ছিটকে পড়ে। এর কিছুক্ষণ পরেই বৃদ্ধা মা রুকসুনা বিবি মারা যান। মায়ের মৃতদেহ ঘরে রেখেই ছোট ছেলে সহিদুল কাজে বেরিয়ে যায়। পরে বাড়ি ফিরে এসে ঘরের মেঝের মাটি খুঁড়ে সহিদুল তাঁর মায়ের মৃতদেহ ঘরের মেঝেতে পুঁতে দেয়। কিসমতের স্ত্রী মিলি বিবি এদিন বলেন, তাঁর শাশুড়ি মা মাঝে মধ্যেই বেড়াতে বেরিয়ে পড়তেন। তাঁরা ভেবেছিলেন হয়তো বেড়াতে বেরিয়েই তাঁর শাশুড়ি মা নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন। কল্পনাও করতে পারছেন না তাঁর দেওর সহিদুল নিজের বৃদ্ধা মাকে খুন করে মৃতদেহ ঘরের মেঝেতে পুঁতে দিয়েছে। বৃদ্ধা মাকে হত্যাকারী ছেলের দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবি করেন দেওয়ানদিঘীর পীরতলার বাসিন্দারা।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
রাজ্য

BJP: প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে এলাহি আয়োজন বঙ্গ বিজেপির

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিনকে ঘিরে সাজো সাজো রব বিজেপির অন্দরে। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর জন্মদিন মোদির, আর তা স্মরণীয় করে রাখতে মেগা পরিকল্পনা নিয়ে তৈরি বিজেপির কেন্দ্রীয় থেকে রাজ্য নেতৃত্বের তরফে৷ আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর ৭১ বছর পূর্ণ করবেন নরেন্দ্র মোদি৷ আর সেদিন থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত টানা ২০দিন নানা কর্মসূচি নিতে চলেছে বিজেপির এ রাজ্যের নেতৃত্ব।আরও পড়ুনঃ ফের দুর্যোগের মেঘ ঘনিয়েছে দক্ষিণবঙ্গেবিজেপি রাজ্য সভাপতির তরফে এদিন রাজ্য বিজেপি কার্যালয়ে ঘোষণা করা হয়, মোদির নামে প্রদর্শনী করা হবে, ভার্চুয়াল প্রদর্শনী করা হবে, যাতে প্রধানমন্ত্রীর জীবনী তুলে ধরা হবে, মোদি মেলা, নমো কুইজ কনটেস্ট, সেবা ও সমর্পণ কর্মসূচি, স্বচ্ছতা অভিযান কর্মসূচি, আজাদি কি অমৃত মহোৎসবের মতো অন্তত ছয়টি কর্মসূচি নেওয়া হতে চলেছে। বেশিরভাগ কর্মসূচির নেতৃত্বেই থাকবে বিজেপি যুব মোর্চা। প্রায় কুড়ি দিন ব্যাপী এই কর্মসূচিতে রক্তদান শিবির-সহ আরও বেশ কিছু আয়োজনের বড়সড় পরিকল্পনা নিয়েছে বিজেপি৷পিএম কেয়ার্স ফান্ডের টাকা দিয়ে এরাজ্যে ৪৯টি অক্সিজেন প্লান্ট করা হবে। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার তরফে ইতিমধ্যেই প্রতিটি রাজ্যে বিজেপি-র নেতৃত্বকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিবৃতি জারি করে বলা হয়েছে, জন্মদিন উপলক্ষে বিভিন্ন বুথ স্তর থেকে বিজেপি নেতা-কর্মীরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অভিনন্দন জানিয়ে অন্তত পাঁচ কোটি চিঠি পাঠাবেন৷ একই সঙ্গে জনসেবায় নিজেদের সমর্পিত করতেও চিঠিতে অঙ্গীকারবদ্ধ হবেন তাঁরা৷ শুধু তাই নয়, নরেন্দ্র মোদির জন্মদিন উপলক্ষ্যে করোনা ভাইরাসের টিকাকরণ নিয়েও বড় পরিকল্পনা নিয়েছে বিজেপি। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার কথায়, বিজেপির বুথকর্মীরাও ওইদিন টিকাকরণের কাজে সাহায্য করবেন, যাতে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষকে টিকা দেওয়া যায়। সেই কারণে ২ লক্ষ গ্রামের ৪ লক্ষ স্বেচ্ছাসেবককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এ যাবৎ ৪৩ দিনে ৬ লক্ষ ৮৮ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। নরেন্দ্র মোদির জন্মদিন উপলক্ষে গোটা দেশের মধ্যে বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে উত্তরপ্রদেশে৷ কারণ আগামী বছরই উত্তর প্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন৷ উত্তরপ্রদেশে ৭১টি জায়গায় গঙ্গা সাফাই অভিযানে নামবেন বিজেপি কর্মীরা৷ তবে, পিছিয়ে নেই এ রাজ্যের বিজেপিও। দলের শীর্ষ নেতার জন্মদিন উপলক্ষ্যে এ রাজ্যেও নানা পরিকল্পনা সেজে উঠছে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১
কলকাতা

Dilip Ghosh: 'অ্যান্টি সোশ্যালরা তৃণমূলের ঝান্ডা নিয়ে ঘোরে'

ফের খাস কলকাতায় রাতে চলল গুলি। রাত সাড়ে ১০ টায় রাস্তায় গাড়ি চালিয়ে ব্যবসায়ীকে গুলি করেছে একদল দুষ্কৃতী। শহরে এমন ঘটনা প্রথমবার নয়। গত কয়েক মাসে একাধিকবার এমন গুলি চালনো ঘটনা ঘটেছে কলকাতায়। সেই প্রসঙ্গেই এবার শাসক দলের দিকে আঙুল তুললেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, তৃণমূলের মদতেই এ ভাবে শহর তথা গোটা রাজ্যজুড়ে দুষ্কৃতী তাণ্ডব বেড়ে চলেছে। তৃণমূলের আশ্রয়েই এত বাড়বাড়ন্ত বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। সোমবার সকালে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপ ঘোষ দাবি করেন, রাজ্যজুড়ে যে সব সমাজ বিরোধীরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে তারা সবাই তৃণমূল আশ্রিত।আরও পড়ুনঃ বাতিল টেস্ট ম্যাচ নিয়ে আইসিসিকে চিঠি ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডেরপ্রসঙ্গত, রবিবার রাতে মিন্টো পার্কের কাছে গোর্কি সদনের সামনে হাওড়ার ব্যবসায়ী পঙ্কজ সিং-কে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। একেবারে বলিউডি কায়দায় প্রথমে ঘিরে ফেলা হয় ব্যবসায়ীর গাড়ি। বেশ কিছুক্ষণ ধরে চলে বচসাও। এরই মধ্যে সুযোগ বুঝে পঙ্কজকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। তবে কাঁধে গুলি লাগায় প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন ওই ব্যবসায়ী। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁকে সিএমআরআই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরিকল্পনামাফিক গুলি চালানো হয়েছে বলে দাবি আত্মীয় ও বন্ধুদের। এই প্রসঙ্গে আজ দিলীপ ঘোষ বলেন, শুধু কলকাতা নয় গোটা রাজ্যে একই অবস্থা। আর কাউকে গ্রেপ্তার করা হয় না, কারণ তারা দলের লোক। দিলীপের কথায়, যত সমাজ বিরোধী রয়েছে সবাই তৃণমূলের আশ্রয়ে রয়েছে। সবাই তৃণমূলের ঝাণ্ডা নিয়ে ঘোরে। কেউ কেউ তৃণমূলে পদ পেয়ে গিয়েছে, নেতাও হয়ে গিয়েছে। এরাই পুরো সমাজকে ব্যস্ত করে রেখেছে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১
রাজ্য

LPG : গোডাউনে বেআইনি গ্যাস সিলিন্ডার মজুতের দায়ে মেমারিতে গ্রেপ্তার ব্যবসায়ী

গোডাউনে বেআইনি ভাবে গ্যাস সিলিন্ডার মজুতের অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন এক ব্যক্তি। ধৃতের নাম স্বরুপ অধিকারী। পূর্ব বর্ধমানের মেমারির আমাদপুরের ধৃতের গ্যাসের গোডাউনে শনিবার সন্ধ্যায় অভিযান চালায় মেমারি থানার পুলিশ ও জেলার এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ। সেই অভিযানেই গোডাউন থেকে উদ্ধার হয় বেআইনি ভাবে মজুত রাখা ৯৫ টি গ্যাস সিলিন্ডার। সেগুলি মূলত ভারত পেট্রোলিয়াম ও ইন্ডিয়ান অয়েল কোম্পানির গ্যাস সিলিন্ডার বলে পুলিশ জানিয়েছে। ওই সিলিন্ডারগুলি মজুত সংক্রান্ত কোন নথিপত্র গোডাউন মালিক স্বরুপ অধিকারী দেখাতে না পারায় তঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পাশাপাশি পুলিশ সিলিন্ডার গুলিও বাজেয়াপ্ত করেছে। পুলিশের অনুমান শারদোৎসবের সময়ে কালোবাজারির উদ্দেশেই গোডাউনে বেআইনি ভাবে এত গ্যাস সিলিন্ডার মজুত করা হয়েছিল ।রবিবার ধৃতকে পেশ করা হবে বর্ধমান আদালতে। কীভাবে কাদের থেকে স্বরুপ অধিকারী এতগুলি গ্যাস সিলিন্ডার পেলেন সেই বিষয়টিও পুলিশ খতিয়ে দেখছে।সেইমতো সন্ধ্যাবেলায় গোপন সূত্রে খবর আসতেই মেমারি পুলিশ ও জেলা ইনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ যৌথ অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়।আর তাতেই আসে সাফল্য।আগামীকাল ধৃত স্বরুপ অধিকারীকে বর্ধমান আদালতে তোলা হবে।কিভাবে চলত কারবার? আরও কারা জড়িত এই চক্রের সন্ধানে তাদের খোঁজে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১
রাজ্য

Rice Mill: রাইসমিলের যন্ত্রাংশ চুরিতে জড়িত ১৬ দুষ্কৃতী গ্রেফতার

রাতের অন্ধকারে বন্ধ থাকা রাইস মিলের যন্ত্রাংশ চুরির কারার সময়ে পুলিশি অভিযানে ধরা পড়লো ১৬ জন দুষ্কৃতী। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার পুলিশ শুক্রবার রাত থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত পলশা এলাকায় টানা অভিযান চালিয়ে ওই দুষ্কৃতীদের ধরে। ধৃতরা বর্ধমান ও দেওয়ানদিঘী থানা এলাকার বাসিন্দা বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশের দাবি, মিল থেকে চুরি করা দামি যন্ত্রাংশ ভর্তি একটি লরিও তাঁরা বাজেয়াপ্ত করেছেন। ধৃতদের রবিবার বর্ধমান আদালতে পেশ করে তদন্তের প্রয়োজনে হেপাজতে নেওয়া হবে বলে পুলিশ কর্তাদের কথায় জানা গিয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মেমারির পলশা এলাকার আদ্যামা নামের রাইসমিলটি দীর্ঘ ১২ বছর ধরে বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। ওই মিলের দামি যন্ত্রাংশ চুরির জন্য শুক্রবার রাতে ১৫-২০ জনের দুষ্কৃতী দল মিলের ভিতরে ঢোকে। গোপন সূত্রে সেই খবর পৌছায় মেমারি থানার ওসি সুদীপ্ত মুখোপাধ্যায়ের কাছে। ওসি বলেন, বন্ধ থাকা রাইসমিলে দুষ্কৃতী দলের হানা দেওয়ার খবর পেয়েই মেমারি থানার পুলিশ বাহিনী সেখানে পৌছে যায়। পুলিশ দেখে কয়েকজন দুষ্কৃতী পালাতে সক্ষম হলেও কয়েকজন ধরে পড়ে যায়। তারপর থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত ওই এলাকায় টানা অভিযান চালিয়ে মোট ১৬ জন দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করা হয়। মিলের যেসব যন্ত্রাংশ চুরি করে দুষ্কৃতীরা একটি লরিতে লোড করেছিল সেই লরিটিও বাজোয়াপ্ত করা হয়েছে বলে ওসি জানিয়েছে। দুষ্কৃতী দলে আরও কারা যুক্ত রয়েছে তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 37
  • 38
  • 39
  • 40
  • 41
  • 42
  • 43
  • ...
  • 68
  • 69
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মমতার হেলিকপ্টারের সামনে রহস্যময় উড়ন্ত বস্তু! মালদহে চাঞ্চল্য, নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন

মালদহে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সফর ঘিরে হঠাৎই চাঞ্চল্য ছড়ায় একটি রহস্যময় উড়ন্ত যন্ত্রকে কেন্দ্র করে। মালতিপুরে জনসভা শেষ করে গাজোল যাওয়ার জন্য হেলিকপ্টারে উঠতে যাচ্ছিলেন তিনি। সেই সময় আকাশে একটি অচেনা উড়ন্ত যন্ত্রের চলাচল নজরে আসে। বিষয়টি দেখে স্বাভাবিকভাবেই উপস্থিত সকলেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।মুখ্যমন্ত্রী নিজেও হেলিকপ্টারের সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ ধরে ওই যন্ত্রটির দিকে নজর রাখেন। তাঁর সফরের সময় সাধারণত আকাশপথ পুরোপুরি নিরাপদ রাখা হয়। সেই জায়গায় এই ধরনের উড়ন্ত যন্ত্রের উপস্থিতি নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।ঘটনাটি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কারা এই কাজ করছে তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তিনি পুলিশের কাছে দ্রুত এই বিষয়ে তদন্ত করে দোষীদের চিহ্নিত করার নির্দেশ দেন। তাঁর কথায়, এর পিছনে কোনও পরিকল্পনা বা ষড়যন্ত্র থাকতে পারে বলেই সন্দেহ।রাজ্যে ভোটের আবহে সব দলই জোরকদমে প্রচারে নেমেছে। মুখ্যমন্ত্রীও একাধিক জনসভা ও কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। শনিবার মালদহে তাঁর একাধিক সভা ও কর্মসূচি ছিল। মালতিপুরে সভা শেষে গাজোল যাওয়ার সময়ই এই ঘটনা ঘটে।সূত্রের খবর, এই উড়ন্ত যন্ত্রটি কে বা কারা ওড়াচ্ছিল এবং কী উদ্দেশ্যে তা করা হয়েছিল, তা দ্রুত খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। নিরাপত্তা সংক্রান্ত সব দিকই গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজে জট ভেঙে নতুন পথ! যুদ্ধের মাঝেই তেলবাহী জাহাজের বিকল্প রুটে চাঞ্চল্য

ইরান এবং আমেরিকার সংঘাতের জেরে হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ব জুড়ে তেল ও জ্বালানি সরবরাহে বড়সড় প্রভাব পড়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে হাজার হাজার জাহাজ আটকে পড়ায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে চাপ তৈরি হয়েছে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই সামনে এসেছে একটি বিকল্প পথের খোঁজ। জানা গিয়েছে, কিছু বাণিজ্যিক জাহাজ এই নতুন পথ ব্যবহার করে হরমুজ প্রণালীতে প্রবেশ করছে, ফলে কিছুটা স্বস্তির ইঙ্গিত মিলছে।একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, অটোমেটিক আইডেনটিফিকেশন সিস্টেম এবং দূরসংবেদন তথ্য থেকে দেখা গিয়েছে, অন্তত চারটি বড় জাহাজ ইরানের জলপথ এড়িয়ে অন্য রাস্তা দিয়ে হরমুজে ঢুকেছে। এই জাহাজগুলি ওমানের সামুদ্রিক সীমার মধ্য দিয়ে এগিয়েছে।সূত্রের খবর, হাব্রুট ও ঢালকুট নামে দুটি তেলবাহী জাহাজ এবং একটি তরল প্রাকৃতিক গ্যাস বহনকারী জাহাজ ওমানের জলসীমায় প্রবেশ করে। পরে মুসানদাম উপকূলের কাছে গিয়ে তারা তাদের সিগন্যাল বন্ধ করে দেয়। তিন এপ্রিল তাদের মাসকট উপকূল থেকে প্রায় সাড়ে তিনশো কিলোমিটার দূরে দেখা গিয়েছিল।এই তেলবাহী জাহাজ দুটিতে প্রায় বিশ লক্ষ ব্যারেল সৌদি এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির তেল রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই জাহাজগুলির পর একই পথে ভারতীয় পতাকাবাহী একটি পণ্যবাহী জাহাজও প্রবেশ করেছে। এটি গত একত্রিশ মার্চ দুবাই থেকে রওনা দিয়েছিল এবং বর্তমানে ওমানের দিব্বা বন্দরের কাছাকাছি রয়েছে।এতদিন সংঘাতের মাঝেও ইরান কিছু দেশের জাহাজকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যেতে দিচ্ছিল, তবে তার জন্য মোটা অঙ্কের শুল্ক নেওয়া হচ্ছিল। এখন বিকল্প পথ চালু হওয়ায় সেই অতিরিক্ত খরচ থেকে কিছুটা মুক্তি পেতে পারে জাহাজগুলি বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
রাজ্য

মালদায় মমতার তোপ! ‘কংগ্রেসকে ভোট দিয়ে লাভ কী?’—এক মঞ্চে সিপিএম-বিজেপিকেও আক্রমণ

সাম্প্রতিক সময়ে মালদা ও মুর্শিদাবাদ জেলায় কংগ্রেস বড় সাফল্য না পেলেও, রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করে এই দুই জেলায় এখনও তাদের কিছুটা প্রভাব রয়েছে। সেই ধারণা কতটা ঠিক, তা আগামী চার মে ভোটের ফল প্রকাশ হলেই স্পষ্ট হবে। তবে তার আগে এই দুই জেলায় ভাল ফল করার জন্য তৃণমূল, বিজেপি ও বামেরা সহ প্রায় সব দলই মরিয়া হয়ে উঠেছে।এই পরিস্থিতিতে মালদার মালতিপুরের সামসি কলেজ মাঠে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে জনসভা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সভা থেকেই তিনি কংগ্রেসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। পাশাপাশি সিপিএম ও বিজেপিকেও নিশানা করেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কংগ্রেসকে এখানে জিতিয়ে কোনও লাভ নেই। একটি আসন পেয়ে তারা সরকার গঠন করতে পারবে না, তাহলে মানুষ কেন তাদের ভোট দেবেএই প্রশ্ন তোলেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, সিপিএমকে ভোট দিলেও কোনও লাভ হবে না, কারণ তারা শেষ পর্যন্ত বিজেপির সঙ্গেই যাবে।এছাড়াও তিনি অন্য একটি দলকে ইঙ্গিত করে বলেন, বাইরে থেকে এসে যারা ভোট চাইছে, তারা শুধু ভোটের সময় আসে এবং পরে চলে যায়। তাদের ভোট দিয়ে কোনও লাভ হবে না বলেও দাবি করেন তিনি।উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুতেই তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেন মৌসম বেনজির নুর। গনি খান চৌধুরীর পরিবারের সদস্য মৌসম নুরকে মালদার মালতিপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করেছে কংগ্রেস। এই বিষয়টিও রাজনৈতিক মহলে বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
রাজ্য

গেরুয়া ঢেউয়ে খড়গপুর! দিলীপের মনোনয়নে শুভেন্দুর চমক, একসঙ্গে মঞ্চে বড় বার্তা বিজেপির

খড়গপুরে দিলীপ ঘোষের মনোনয়ন জমা দেওয়ার মিছিল যেন গেরুয়া রঙে ভেসে যায়। সেই ভিড়ের মধ্যেই নজর কাড়ে একটি দৃশ্য। প্রচার গাড়িতে সামনে ছিলেন দিলীপ ঘোষ, আর তাঁর একেবারে পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এই উপস্থিতিই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা তৈরি করেছে। মিছিলে আরও উপস্থিত ছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা এবং দিলীপ ঘোষের স্ত্রী রিঙ্কু মজুমদার।২০১৬ সালে খড়গপুর সদর কেন্দ্র থেকেই প্রথমবার বিজেপির বিধায়ক হন দিলীপ ঘোষ। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী রামা প্রসাদ তিওয়ারিকে বড় ব্যবধানে হারান তিনি। পরে ২০১৯ সালে সাংসদ নির্বাচিত হওয়ায় এই কেন্দ্র উপনির্বাচনে বিজেপির হাতছাড়া হয়। তবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আবার এই আসন ফিরে পায় বিজেপি।একই দলে থাকলেও দিলীপ ঘোষ এবং শুভেন্দু অধিকারীর সম্পর্ক ও রাজনৈতিক সমীকরণ দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায় রয়েছে। তাই এদিন মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় দিলীপের একেবারে পাশে শুভেন্দুর উপস্থিতি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।এইদিন শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তেইশ তারিখ দিলীপ ঘোষ নিজের ভোটের কাজ শেষ করে ভবানীপুরে তাঁর জন্য প্রচারে নামবেন। দিলীপ ঘোষ এবং রেখা গুপ্তাকে পাশে রেখেই এই মন্তব্য করেন তিনি।এর আগে গত সোমবার ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি জানিয়েছিলেন, ভোটের আগে কিছুদিন পশ্চিমবঙ্গেই থাকবেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, ভবানীপুরে জয় মানেই গোটা বাংলায় জয়।এদিনের মিছিল থেকে রেখা গুপ্তা বলেন, বাংলার মানুষ এবার পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত। তাঁর দাবি, মানুষ এই সরকারকে সরাতে চায় এবং নতুন সরকার গঠনের জন্য উৎসাহী। তিনি আরও বলেন, অনুপ্রবেশ একটি বড় সমস্যা এবং নতুন সরকার এলে এই বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
কলকাতা

এবার সরানো হল সুপ্রতিম সরকারকে! ভিনরাজ্যে পাঠানো হল অবজারভার হিসেবে

ভোট ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই রাজ্যে একের পর এক শীর্ষ প্রশাসনিক আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। ঘোষণার দিন রাতেই সরানো হয় মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিবকে। একই সঙ্গে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালক এবং কলকাতা পুলিশের পুলিশ কমিশনারকেও।এরপর ধাপে ধাপে একাধিক জেলার জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারদেরও বদলি করা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে।এই বিষয়টি নিয়ে বারবার সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এই পদক্ষেপ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং বিষয়টি নিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লিখেছেন বলে জানা গিয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, ভোটের মুখে এভাবে একের পর এক প্রশাসনিক বদলি রাজ্যের পরিস্থিতির উপর প্রভাব ফেলতে পারে। এই নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর ক্রমেই বাড়ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
কলকাতা

চমক! শুভেন্দুর মনোনয়ন ঘিরে তুমুল অশান্তি, একসঙ্গে ৩৮ জনকে তলব পুলিশের—চাপ বাড়ল রাজনীতিতে!

শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন কর্মসূচি ঘিরে অশান্তির ঘটনায় তৎপর হয়েছে পুলিশ। নির্বাচন কমিশনের অভিযোগ এবং পুলিশের নিজস্ব উদ্যোগে দায়ের হওয়া একাধিক মামলায় মোট ৩৮ জনকে তলব করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, আলিপুর থানায় নির্বাচন কমিশনের অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের হওয়া মামলায় ৬ জন তৃণমূল কর্মীকে তলব করা হয়েছে। সার্ভে বিল্ডিংয়ের সামনে নির্বাচনী আচরণবিধি ভাঙার অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।এছাড়াও এই অশান্তির ঘটনাকে কেন্দ্র করে আলিপুর ও কালীঘাট থানায় পুলিশের তরফে দায়ের হওয়া দুটি স্বতঃপ্রণোদিত মামলায় তৃণমূল ও বিজেপি মিলিয়ে আরও ৩২ জনকে তলব করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন কীভাবে অশান্তি ছড়িয়েছিল, কারা এতে জড়িত ছিল এবং আইনশৃঙ্খলা নষ্ট করার পেছনে কারা ভূমিকা নিয়েছিল, তা খতিয়ে দেখতেই এই পদক্ষেপ। তদন্তের স্বার্থে সকলকেই নির্দিষ্ট সময়ে থানায় হাজির হতে বলা হয়েছে।অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, সংবাদমাধ্যমের সামনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী কেন্দ্রীয় বাহিনী, রাজ্য পুলিশ এবং নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের নিয়ে হুমকির সুরে মন্তব্য করেছেন। তাঁদের দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে ভোটারদের ভয় দেখানোর কথা বলা হয়েছে, যা নির্বাচন প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
রাজ্য

চাঞ্চল্যকর মোথাবাড়ি কাণ্ড! নাম কাটার ভয় নয়, নেপথ্যে ‘গভীর ষড়যন্ত্র’—তদন্তে বিস্ফোরক ইঙ্গিত

মালদহের মোথাবাড়ি কাণ্ডের তদন্তে নেমে বড়সড় ইঙ্গিত দিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। প্রাথমিক অনুসন্ধানে তাদের মত, এই আন্দোলন শুধুমাত্র নাম বাদ যাওয়ার ভয়ে হয়নি, এর পিছনে ছিল গভীর ষড়যন্ত্র এবং পরিকল্পনা।এনআইএর দাবি, এসআইআর-এর কাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই কালিয়াচক, সুজাপুর এবং মোথাবাড়ির একাধিক গ্রামে গোপনে মানুষকে প্রভাবিত করার কাজ চলছিল। নাম বাদ গেলে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবেএমন ভয় দেখিয়ে প্রথমে মানুষকে একত্রিত করা হয় বলে মনে করা হচ্ছে। এই কাজের পিছনে কারা রয়েছে, সেই চক্রের খোঁজ চালাচ্ছে তদন্তকারী সংস্থা।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, এই আন্দোলন হঠাৎ করে এক-দুদিনে তৈরি হয়নি। যদিও বিচারকদের আটকে রাখার ঘটনা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে, তবে এর পিছনে অন্য উদ্দেশ্য ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা এনআইএর।এখনও পর্যন্ত যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে পুলিশের কাছ থেকে। অতীতে কোনও আন্দোলন বা জমায়েতের সঙ্গে তাঁদের যোগ ছিল কি না, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এনআইএর হাতে আসা কিছু ভিডিও ফুটেজেও দেখা গিয়েছে, কীভাবে উস্কানিমূলক বক্তব্য এবং প্ররোচনা দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করা হয়েছে। তদন্তকারীদের মতে, এই সব তথ্য বৃহত্তর কোনও ষড়যন্ত্রের দিকেই ইঙ্গিত করছে।ঘটনার তদন্তে নেমে এনআইএর একটি দল ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে গিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করেছে। সংগ্রহ করা সমস্ত তথ্য কলকাতার এনআইএ দফতরে পাঠানো হয়েছে। সূত্রের খবর, সেই রিপোর্ট এনআইএর আইজি সোনিয়া সিং-এর কাছেও জমা দেওয়া হয়েছে।তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশের কাছ থেকে একাধিক ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। পাশাপাশি, পুলিশ প্রথম কখন খবর পেয়েছিল, কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়েছিল এবং ঘটনার সময় পুলিশের ভূমিকা কী ছিল, সেই সব দিকও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
কলকাতা

সিইও দফতরের সামনে রণক্ষেত্র! ঘেরাও, সংঘর্ষ, মারামারি—একাধিক মামলা, আটক বহু জন

সিইও দফতরের সামনে ঘেরাও, সংঘর্ষ এবং বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত হেয়ার স্ট্রিট থানায় দুটি মামলা দায়ের করেছে কলকাতা পুলিশ। জানা গিয়েছে, দুটি মামলাই পুলিশের পক্ষ থেকে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে করা হয়েছে।গত বুধবার দুপুরে বিজেপি এবং তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের মধ্যে তীব্র বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। ফর্ম ছয় জমা দেওয়া নিয়ে পরিস্থিতি দ্রুত হাতাহাতিতে গড়িয়ে যায়। দীর্ঘ সময় ধরে ধস্তাধস্তি চলে। বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ ওঠে। পাল্টা আক্রমণের মুখে পড়েন তৃণমূল কর্মীরাও।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে শুরু করতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছন পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। দিনভর উত্তেজনা চলার পর শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা এসে পরিস্থিতি সামাল দেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে অজ্ঞাত পরিচয়ের ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে।অন্যদিকে আরও একটি মামলায় তৃণমূলের দুই কাউন্সিলর, এক শিক্ষক নেতা-সহ মোট ছজনের নাম রয়েছে। সূত্রের খবর, অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর সচিন সিংহ এবং শান্তি রঞ্জন কুণ্ডু। এছাড়াও বিএলও মঞ্চের মইদুল ইসলাম-সহ অন্যদের নামও রয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই দুই মামলার ভিত্তিতে এখনও পর্যন্ত আঠারো জনকে আগাম গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি বারো জনকে নোটিস পাঠিয়ে থানায় হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এদিকে শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন পেশের দিন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের রোড শো ঘিরে উত্তেজনার ঘটনাতেও তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। সেই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট তিনটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। তার মধ্যে দুটি আলিপুর থানায় এবং একটি কালীঘাট থানায় নথিভুক্ত হয়েছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal