• ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১৬ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Il

দেশ

অবৈধভাবে ভারতে ঢোকার মাশুল! দুই বাংলাদেশি মহিলার বিরুদ্ধে আদালতের বড় রায়

অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ এবং বৈধ নথি ছাড়া দেশে বসবাসের অভিযোগে দুই বাংলাদেশি মহিলাকে দুবছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল মহারাষ্ট্রের একটি আদালত। কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে দশ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে।দোষী সাব্যস্ত হওয়া দুই মহিলার নাম শাহানাজ বিলাল সদ্দার এবং হাসিনা জব্বর খান। আদালতের নথি অনুযায়ী, গত তিন ডিসেম্বর দুই হাজার চব্বিশ সালে মহারাষ্ট্রের থানে জেলার মিরা রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করে পুলিশের মানব পাচার বিরোধী শাখা। এরপর থেকেই তাঁরা হেফাজতে ছিলেন।তদন্তে উঠে আসে, দুই মহিলা বৈধ নথি ছাড়াই ভারতে প্রবেশ করেছিলেন এবং মহারাষ্ট্রে একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস করছিলেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।আদালতে দুই মহিলার আইনজীবী জানান, তাঁরা অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের সদস্য। দুজনই বিবাহিত এবং পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী। তাঁদের বিরুদ্ধে আগে কোনও অপরাধের অভিযোগও ছিল না। পাশাপাশি আদালতের কাছে দাখিল করা আবেদনে দুই মহিলা নিজেদের দোষ স্বীকার করার ইচ্ছার কথাও জানান।সমস্ত দিক বিবেচনা করে আদালত বিদেশি আইন এবং পাসপোর্ট আইনের অধীনে দুই মহিলাকে দোষী সাব্যস্ত করে। তবে গ্রেপ্তারের পর থেকে তাঁরা যে সময় হেফাজতে কাটিয়েছেন, সেই সময় মূল কারাদণ্ডের মেয়াদের সঙ্গে সমন্বয় করার নির্দেশও দিয়েছেন বিচারক।এই রায়ের পর অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং বৈধ নথি ছাড়া ভারতে বসবাসের অভিযোগে আইনি পদক্ষেপ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ১৫, ২০২৬
দেশ

ইরানের হামলায় মৃত্যু ভারতীয় নাবিকের! আগুনে জ্বলল তেলবাহী জাহাজ, বাড়ছে যুদ্ধের উত্তাপ

যত দিন যাচ্ছে, ততই জটিল হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি। আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে সংঘাত আরও তীব্র আকার নিচ্ছে। এর মধ্যেই হরমুজ প্রণালীর কাছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির দুটি তেলবাহী জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা সামনে এসেছে। এই হামলায় এক ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও আটজন। তাঁদের মধ্যে ছয়জন ভারতীয় এবং দুজন ইউক্রেনের নাগরিক। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, আহতদের মধ্যে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।জানা গিয়েছে, ওমানের জলসীমায় হরমুজ প্রণালীর দক্ষিণ অংশ দিয়ে যাওয়ার সময় মোমবাসা এবং আল বাহিয়াহ নামে দুটি তেলবাহী জাহাজকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়। নিহত ভারতীয় নাবিক মোমবাসা জাহাজে কর্মরত ছিলেন। হামলার পর দুই জাহাজেই আগুন লাগে। পরে সেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ওমানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস এবং ভারতের বিদেশ মন্ত্রক পুরো ঘটনার উপর নজর রাখছে।ঘটনার পর কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। তাদের দাবি, এই হামলা আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি। দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।অন্যদিকে, ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস দাবি করেছে, ওই দুটি জাহাজ তাদের সতর্কবার্তা অমান্য করেছিল। তাদের অভিযোগ, জাহাজগুলি নেভিগেশন ব্যবস্থা বন্ধ রেখে নিষিদ্ধ পথ ব্যবহার করার চেষ্টা করছিল। সেই কারণেই হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে তেহরান। একই সঙ্গে তাদের অভিযোগ, আমেরিকা বাণিজ্যিক জাহাজগুলিকে ভুল পথে চলাচলে উৎসাহ দিচ্ছে, যার ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে।এদিকে আমেরিকাও টানা সামরিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ইরানের উপকূলীয় নজরদারি ব্যবস্থা, ড্রোন ঘাঁটি এবং ক্ষেপণাস্ত্র পরিকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করতেই এই অভিযান চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালীতে চলাচলকারী জাহাজের উপর নতুন কর আরোপের কথাও জানিয়েছে আমেরিকা। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত আরও বড় আকার নিতে পারে বলেই আশঙ্কা বাড়ছে।

জুলাই ১৪, ২০২৬
দেশ

ইরানের গুলিতে ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজ! ভারতীয় নাবিক নিখোঁজ, সামনে বড় সংঘাতের আশঙ্কা

হরমুজ প্রণালীর কাছে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত। বিদেশ মন্ত্রকের জানানো তথ্য অনুযায়ী, ওই জাহাজে মোট ১১ জন ভারতীয় নাবিক ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১০ জনকে নিরাপদে উদ্ধার করা হলেও এখনও একজন ভারতীয় নাবিক নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁর খোঁজে তৎপর রয়েছে ওমানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস।বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, ওমান প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে উদ্ধারকাজে সহযোগিতা করছে ভারতীয় দূতাবাস। নিখোঁজ নাবিকের সন্ধানে সবরকম চেষ্টা চালানো হচ্ছে। উদ্ধার অভিযানে সহযোগিতার জন্য ওমান সরকারকে ধন্যবাদও জানিয়েছে ভারত।মার্কিন সেনার দাবি, সাইপ্রাসের পতাকাবাহী একটি পণ্যবাহী জাহাজ ইরানের গুলিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলার পর জাহাজে আগুন ধরে যায়। পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর হয়ে ওঠে যে নাবিকদের জাহাজ ছেড়ে বেরিয়ে আসতে হয়। জাহাজের ইঞ্জিন কক্ষে বড় ক্ষতি হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।অন্যদিকে, ইরানের বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর দাবি, কয়েকটি জাহাজ নির্ধারিত পথ ছেড়ে অন্য পথে চলছিল। বারবার সতর্ক করার পরও নির্দেশ না মানায় একটি জাহাজকে গুলি করে থামানো হয়। এরপরই হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে কড়া নিয়ন্ত্রণের ঘোষণা দেয় ইরান।এই ঘটনার পরই ইরানের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালানোর দাবি করেছে আমেরিকা। মার্কিন বাহিনীর দাবি, সর্বশেষ অভিযানে প্রায় ১৪০টি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করা হয়েছে। গত কয়েক দিনে মোট ৩০০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলার দাবি করেছে তারা। পাল্টা বিভিন্ন মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের হামলার খবরও সামনে এসেছে।এই পরিস্থিতিতে ভারত স্পষ্ট জানিয়েছে, বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। অবিলম্বে উত্তেজনা কমিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে নয়াদিল্লি। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক জলপথে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উপরও জোর দিয়েছে ভারত।

জুলাই ১২, ২০২৬
দেশ

দিলজিৎকে নিশানা করে বিস্ফোরক আক্রমণ! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে শুরু তুমুল বিতর্ক

সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করে ককরোচ জনতা পার্টি। সেই কর্মসূচিকে ঘিরে দেশজুড়ে চর্চা শুরু হয়। এরই মধ্যে পাঞ্জাবি গায়ক ও অভিনেতা দিলজিৎ দোসাঞ্ঝের একটি মন্তব্য নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। এবার প্রকাশ্যে তাঁকে কটাক্ষ করলেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক।বিক্ষোভ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন গায়ক রবিন্দর সিং, যিনি কাকা নামেই পরিচিত। তাঁর সঙ্গে ছিলেন অভিনেতা সিদ্ধার্থ ভরদ্বাজ। মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অভিজিৎ দীপক কাকার দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, ইনিও একজন শিল্পী। এই মন্তব্যকে অনেকেই দিলজিৎ দোসাঞ্ঝকে উদ্দেশ্য করে করা কটাক্ষ বলেই মনে করছেন।কিছুদিন আগে সামাজিক মাধ্যমে অনুরাগীদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়েছিলেন দিলজিৎ। সেখানে তাঁকে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, যন্তর মন্তর প্রতিবাদের জায়গা কি না, তা নিয়ে তিনি মন্তব্য করতে চান না। তিনি আরও বলেন, তিনি একজন শিল্পী, কোনও রাজনৈতিক নেতা নন। তাই এই ধরনের রাজনৈতিক বিতর্ক থেকে দূরে থাকতে চান।দিলজিৎ আরও বলেন, পৃথিবীর সব সমস্যা একসঙ্গে কখনও মিটবে না। যারা প্রতিবাদ করছেন, তাঁদেরও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে যাঁদের বিরুদ্ধে এই আন্দোলন, তাঁদের সম্পর্কেও কোনও মন্তব্য করতে চাননি বলে জানান। তাঁর দাবি, এই বিষয়টি সম্পর্কে তিনি বিশেষ কিছু জানেন না।উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে দিলজিৎ দোসাঞ্ঝ রাজনীতিতে যোগ দিতে পারেন বলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছিল। তবে সেই জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, মানুষের বিনোদন করাই তাঁর কাজ। রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার কোনও ইচ্ছা তাঁর নেই। তা সত্ত্বেও তাঁর একটি মন্তব্য ঘিরে নতুন করে বিতর্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

জুলাই ১২, ২০২৬
দেশ

বাড়ির সামনেই জমা জল, খেলতে গিয়ে আর ফেরা হল না! তিন বছরের শিশুর মৃত্যুতে উত্তাল দিল্লি

একটানা ভারী বৃষ্টিতে কার্যত জলমগ্ন দিল্লি। সেই জল জমেই ঘটে গেল হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা। গাজিয়াবাদের একটি গলিতে জমে থাকা জলে ডুবে মৃত্যু হয়েছে তিন বছরের এক শিশুকন্যার। ঘটনাটি ঘটেছে বাড়ির কাছেই। দুর্ঘটনার পর এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুব্ধ পরিবারের সদস্য এবং স্থানীয় বাসিন্দারা জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান।স্থানীয়দের দাবি, যে গলিতে শিশুটি ডুবে যায় সেখানে প্রায় তিন ফুট জল জমেছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পর প্রায় চার ঘণ্টা পরে শিশুটির দেহ উদ্ধার করা হয়। এলাকাবাসীর অভিযোগ, জাতীয় সড়কের একটি অংশ সম্প্রসারণের পর থেকেই ওই এলাকায় জল জমার সমস্যা বেড়েছে। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার পুর কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কার্যকর কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ তাঁদের।বুধবার থেকে শুরু হওয়া টানা ভারী বৃষ্টিতে দিল্লির বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। বহু রাস্তায় জল জমে যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় গাছ উপড়ে পড়ায় দীর্ঘ যানজটেরও সৃষ্টি হয়েছে। এর আগের রাতে রোহিনী এলাকায় একটি নির্মীয়মাণ বাড়ি ভেঙে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ভারী বৃষ্টি আরও কিছু সময় চলতে পারে। রাজধানীর একাধিক এলাকায় নিকাশি ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় রাস্তা কার্যত জলমগ্ন হয়ে রয়েছে। সদর বাজার, গ্রেটার কৈলাশ, বদরপুর, নাসিরপুর, তেলিওয়ারা, মহাবীর বাজার, স্বরূপ নগর, কুশক রোড, মুনিরকা, দ্বারকা, বিকাশ মার্গ, পূর্ব দিল্লি এবং নতুন দিল্লি রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকায় জল জমে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরমে উঠেছে।

জুলাই ০৯, ২০২৬
রাজ্য

বারুইপুর কাণ্ডে গভীর রাতে বড় মোড়! এনকাউন্টারে মৃত্যু অভিযুক্তের, যা বললেন নিহত নাবালিকার বাবা

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের মামলায় গভীর রাতে বড় মোড় এল। পুলিশের এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের। ঘটনার পর সংবাদমাধ্যমের সামনে প্রতিক্রিয়া জানালেন নিহত নাবালিকার বাবা। তিনি জানান, পুলিশ এবং রাজ্য সরকারের তদন্তের উপর তাঁর সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া আশ্বাসেও তিনি সন্তুষ্ট বলে জানিয়েছেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাত প্রায় পৌনে একটা নাগাদ ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য প্রভাস মণ্ডলকে নিয়ে যায় বারুইপুর থানার পুলিশ। অভিযোগ, সেই সময় অভিযুক্ত আচমকা এক পুলিশকর্মীর আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। পুলিশের দাবি, পালানোর সময় সে এক রাউন্ড গুলিও চালায়। এরপর পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ। গুরুতর জখম অবস্থায় প্রভাস মণ্ডলকে বারুইপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।অভিযুক্তের মৃত্যুর পর নিহত নাবালিকার বাবা বলেন, পুলিশের উপর তাঁর পূর্ণ বিশ্বাস রয়েছে। তিনি জানান, মুখ্যমন্ত্রী তাঁর সঙ্গে কথা বলে দ্রুত বিচার এবং কঠোর শাস্তির আশ্বাস দিয়েছেন। সেই প্রতিশ্রুতির উপর তাঁর সম্পূর্ণ আস্থা আছে। তাঁর কথায়, পুলিশ না থাকলে তদন্ত এত দ্রুত এগোত না। তিনি আরও বলেন, তদন্তে এখনও যাঁরা জড়িত, তাঁদেরও গ্রেপ্তার করা হবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। তাঁর একমাত্র দাবি, এই নৃশংস অপরাধে জড়িত প্রত্যেকের কঠোরতম শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।নিহত নাবালিকার এক আত্মীয়ও জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের আশ্বস্ত করেছেন যে এই মামলায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে বলেও তাঁদের জানানো হয়েছে।এদিকে, পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মামলার তদন্ত এখনও চলছে। ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীদের দাবি, সমস্ত তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করে দ্রুত আইনি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হবে।

জুলাই ০৮, ২০২৬
রাজ্য

বারুইপুর কাণ্ডে বড় পদক্ষেপ! মুখ্যমন্ত্রীর ফোনের পরই সিট গঠন, একের পর এক গ্রেপ্তার

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনাকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার ভোরে দেহ উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তদন্তে বড় পদক্ষেপ করল বারুইপুর জেলা পুলিশ। দ্রুত তদন্তের স্বার্থে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে একাধিক জায়গায় তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।রবিবার দুপুরে নির্যাতিতার বাবার সঙ্গে ফোনে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। পাশাপাশি মঙ্গলবার নির্যাতিতার পরিবারকে ভবানীভবনে ডেকে পাঠানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথোপকথনের পরই তদন্তে আরও গতি আসে। সন্ধ্যায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিনাকী দত্তের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার বিকেল থেকে নিখোঁজ ছিল বারুইপুরের এগারো বছরের এক নাবালিকা। রবিবার ভোরে বাড়ির কাছের একটি পুকুর থেকে তার দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের অভিযোগ, তাকে ধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকাজুড়ে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখান। কুলপি রোডে নাবালিকার দেহ রেখে পথ অবরোধ করা হয়। রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ চলে। এর জেরে দীর্ঘ সময় যান চলাচল ব্যাহত হয়। পাশাপাশি শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার নামখানা লাইনে ট্রেন চলাচলও কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। অভিযোগ, অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশের উপর হামলা চালানো হয় এবং একাধিক পুলিশ গাড়িতে ভাঙচুর করা হয়।এই ঘটনার জেরে বারুইপুর থানায় মোট তিনটি মামলা দায়ের হয়েছে। একটি মামলা নাবালিকার ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে। এছাড়া সরকারি সম্পত্তি নষ্ট, পুলিশকে আক্রমণ, অবরোধ, ভাঙচুর এবং এক অভিযুক্তকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যার ঘটনায় আরও দুটি পৃথক মামলা রুজু করা হয়েছে। এই ঘটনাগুলির সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।তদন্তকারীদের দাবি, ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ফরেন্সিক রিপোর্ট, প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান এবং অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। দ্রুত তদন্ত শেষ করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

জুলাই ০৫, ২০২৬
রাজ্য

বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, দক্ষিণবঙ্গে টানা বৃষ্টি! কোন জেলায় অতিভারী বর্ষণের সতর্কতা?

বর্ষার মরশুমে প্রথম বড় আবহাওয়াগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলল। উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ অঞ্চল তৈরি হয়েছে, যা আগামী কয়েকদিন একই এলাকায় অবস্থান করে আরও শক্তিশালী হতে পারে বলে জানিয়েছে ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (IMD)। এর প্রভাবেই শুক্রবার থেকে সোমবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। একাধিক জেলায় জারি হয়েছে হলুদ (Yellow Alert) এবং কমলা (Orange Alert) সতর্কতা।নিম্নচাপের জেরে বাড়বে বৃষ্টির দাপটআবহাওয়া দফতরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা হবিবুর রহমান বিশ্বাস জানিয়েছেন, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি ধীরে ধীরে শক্তি বৃদ্ধি করবে। এর প্রত্যক্ষ প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গের উপকূলবর্তী এবং পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ ও দমকা হাওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।শুক্রবার কোন কোন জেলায় বৃষ্টি?শুক্রবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দিনের বিভিন্ন সময়ে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের পাশাপাশি বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।শনিবার দুই জেলায় কমলা সতর্কতাশনিবার পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় জারি হয়েছে কমলা সতর্কতা।অন্যদিকে ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং হাওড়া জেলায় ভারী বৃষ্টির জন্য হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। নিচু এলাকায় জল জমা, যান চলাচলে বিঘ্ন এবং স্থানীয়ভাবে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা রয়েছে।রবিবার সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে এই জেলাগুলিতেরবিবার নিম্নচাপের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে।অতিভারী বৃষ্টির (৭০২০০ মিমি) সম্ভাবনা রয়েছেপশ্চিম মেদিনীপুরঝাড়গ্রামবাঁকুড়াপুরুলিয়াএই চার জেলার জন্য জারি হয়েছে কমলা সতর্কতা।এছাড়াও কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনায় হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে।সোমবারও মিলবে না স্বস্তিসোমবারও দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, নিম্নলিখিত জেলাগুলিতে বৃষ্টির দাপট অব্যাহত থাকতে পারেপূর্ব মেদিনীপুরপশ্চিম মেদিনীপুরদক্ষিণ ২৪ পরগনাপশ্চিম বর্ধমানবাঁকুড়াপুরুলিয়াবীরভূমকবে থেকে কমবে বৃষ্টি?আবহাওয়া দফতরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা হবিবুর রহমান বিশ্বাস জানিয়েছেন, মঙ্গলবার থেকে বৃষ্টির তীব্রতা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করবে। তবে বুধবারও দক্ষিণ ২৪ পরগনার কয়েকটি এলাকায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অর্থাৎ নিম্নচাপের প্রভাব পুরোপুরি কাটতে সপ্তাহের মাঝামাঝি পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।মৎস্যজীবীদের জন্য জরুরি সতর্কতাবঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকার আশঙ্কায় সোমবার পর্যন্ত উপকূলবর্তী এলাকার মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সমুদ্রে প্রবল বাতাস এবং উঁচু ঢেউয়ের কারণে মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে নিরাপদ স্থানে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।প্রশাসনের পরামর্শপ্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে অপ্রয়োজনে জলাবদ্ধ এলাকায় যাতায়াত না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি আবহাওয়ার সর্বশেষ আপডেটের দিকে নজর রাখারও আবেদন করা হয়েছে।বর্ষার শুরুতেই তৈরি হওয়া এই নিম্নচাপ দক্ষিণবঙ্গে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেদিকে নজর রয়েছে আবহাওয়াবিদদের। আগামী চার দিন রাজ্যের আবহাওয়া যে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন এবং যান চলাচলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে, তা একপ্রকার নিশ্চিত বলেই মনে করা হচ্ছে।

জুলাই ০৩, ২০২৬
দেশ

প্রধানমন্ত্রী থেকে মুখ্যমন্ত্রী, কেউই রেহাই পাবেন না! এক নতুন বিলে বদলে যেতে পারে দেশের রাজনীতি

দেশের প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী বা কোনও মন্ত্রী গুরুতর অপরাধের মামলায় টানা ৩০ দিন বিচারবিভাগীয় হেফাজতে থাকলে তাঁকে পদ ছাড়তে হতে পারে। এমনই গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব থাকা সংবিধান সংশোধনী বিল নিয়ে আবারও জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। সূত্রের খবর, সংসদের আসন্ন বাদল অধিবেশনেই এই বিল নিয়ে আলোচনা এবং পাসের উদ্যোগ নিতে পারে কেন্দ্র।জানা গিয়েছে, আগামী ১৭ জুলাই যৌথ সংসদীয় কমিটি এই বিল নিয়ে তাদের রিপোর্ট জমা দিতে পারে। সেই রিপোর্টে বিতর্কিত ধারাটি বহাল থাকতে পারে বলেই খবর। প্রস্তাব অনুযায়ী, যে সব অপরাধে পাঁচ বছর বা তার বেশি কারাদণ্ডের সম্ভাবনা রয়েছে, সেই ধরনের মামলায় অভিযুক্ত কোনও প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী বা মন্ত্রী যদি টানা ৩০ দিন বিচারবিভাগীয় হেফাজতে থাকেন, তবে তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার বিধান রাখা হতে পারে।তবে আইন যাতে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার না হয়, সে বিষয়েও কিছু সুরক্ষামূলক সুপারিশ রিপোর্টে থাকতে পারে বলে সূত্রের দাবি। আগামী ২০ জুলাই থেকে শুরু হতে চলা বাদল অধিবেশনেই বিলটি সংসদে তোলা হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা তৈরি হয়েছে।দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং তামিলনাড়ুর তৎকালীন মন্ত্রী ভি সেন্থিল বালাজি গ্রেফতার হওয়ার পরও দীর্ঘ সময় মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সেই ঘটনার পরই গত বছর এই সংবিধান সংশোধনী বিল সংসদে পেশ করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।বিরোধীদের প্রবল আপত্তির জেরে বিলটি সরাসরি পাস না করে যৌথ সংসদীয় কমিটির কাছে পাঠানো হয়। বিজেপি সাংসদ অপরাজিতা সারঙ্গীর নেতৃত্বে একত্রিশ সদস্যের একটি কমিটি বিলটি খতিয়ে দেখছে। তবে তৃণমূল, সমাজবাদী পার্টি, কংগ্রেস এবং ডিএমকে এই কমিটিতে যোগ দেয়নি।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বর্তমান সংসদীয় সমীকরণে সরকার এই বিল পাস করানোর জন্য প্রয়োজনীয় সমর্থন আদায় করতে পারে কি না, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। কারণ সংবিধান সংশোধনের জন্য লোকসভায় দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন প্রয়োজন। তাই আসন্ন বাদল অধিবেশনে এই বিল ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়তে পারে।উল্লেখ্য, এই বিল এখনও আইন হয়ে যায়নি। সংসদের উভয় কক্ষে পাস হওয়া এবং প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পরেই এটি কার্যকর হতে পারে।

জুলাই ০২, ২০২৬
কলকাতা

তিলোত্তমা মামলায় বিস্ফোরণ! ভিসেরা নমুনা নষ্টের অভিযোগে সামনে চাঞ্চল্যকর চিঠি, আদালতে বড় পদক্ষেপ পরিবারের

তিলোত্তমা ধর্ষণ ও খুনের মামলায় ফের সামনে এল নতুন বিতর্ক। এবার রাজ্য ফরেনসিক পরীক্ষাগারে ভিসেরা পরীক্ষার জন্য রাখা নমুনা নষ্ট ও বদলে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ তুলেছে তিলোত্তমার পরিবার। এই অভিযোগের ভিত্তি একটি চিঠি, যা সম্প্রতি তিলোত্তমার বাবার কাছে পাঠিয়েছেন এক প্রাক্তন ফরেনসিক আধিকারিক।পরিবারের দাবি, ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে রাজ্য ফরেনসিক বিভাগের তিন আধিকারিক তিলোত্তমার ভিসেরা নমুনা নষ্ট করেছেন। আরও অভিযোগ, তিলোত্তমার লিভার, কিডনি ও পাকস্থলীর যে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল, তা পরে বদলে ফেলা হয়। এই নমুনাগুলির মাধ্যমে তদন্তকারীরা জানতে চেয়েছিলেন, তিলোত্তমার শরীরে কোনও বিষক্রিয়া হয়েছিল কি না বা তাঁকে ঘুমের ওষুধ দেওয়া হয়েছিল কি না। কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী, সেই গুরুত্বপূর্ণ নমুনা আর আগের অবস্থায় ছিল না।চিঠিতে আরও দাবি করা হয়েছে, রাজ্য ফরেনসিক পরীক্ষাগার থেকে কেন্দ্রীয় ফরেনসিক পরীক্ষাগারে পাঠানোর সময়ও ভিসেরা নমুনা বদলে দেওয়া হয়। এমনকি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে এই কাজ হয়েছে বলেও ওই চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা এখনও স্বাধীনভাবে প্রমাণিত হয়নি।তিলোত্তমার পরিবারের সিদ্ধান্ত, এই চিঠি শিয়ালদহ আদালতে বিচারকের কাছে জমা দেওয়া হবে। একই সঙ্গে আদালতের কাছে আবেদন জানানো হবে, যাতে অভিযোগগুলির সত্যতা খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়।চিঠিতে আরও দাবি করা হয়েছে, তৃণমূল সরকারের আমলে খুন হওয়া বিজেপি ও সিপিএম কর্মীদের একাধিক মামলায়ও একই তিন আধিকারিক ভিসেরা নমুনা নষ্ট করেছিলেন। এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে। তবে অভিযোগগুলির বিষয়ে এখনও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনও সরকারি প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি।

জুলাই ০২, ২০২৬
দেশ

চিকেনস নেকে বড়সড় নিরাপত্তা আতঙ্ক! পানের দোকানের আড়ালে কী চলছিল? গ্রেপ্তার যুবক

পূর্ব ভারতের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত এলাকা চিকেনস নেক বা শিলিগুড়ি করিডরের কাছাকাছি সিকিমে বড়সড় অভিযানে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এবং গ্যাংটক পুলিশের যৌথ অভিযানে ধৃত ওই যুবকের বিরুদ্ধে দেশবিরোধী কার্যকলাপ, উগ্রপন্থী প্রচার এবং নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের মতাদর্শ ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, গ্যাংটকের নাং এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হওয়া উনিশ বছরের মহম্মদ আরজু একটি পানের দোকানের আড়াল থেকে এই কার্যকলাপ চালাতেন বলে অভিযোগ। তবে এই অভিযোগ এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি এবং তদন্ত চলছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মহম্মদ আরজু তাঁর বাবার সঙ্গে গ্যাংটকের লোয়ার এমজি মার্গ এলাকায় একটি পানের দোকান পরিচালনা করতেন। তদন্তকারীদের অভিযোগ, সেই ব্যবসার আড়ালেই তিনি সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করে উগ্রবাদী প্রচার চালাতেন এবং নতুন সদস্য সংগ্রহের চেষ্টা করতেন। বিষয়টি সামনে আসার পর থেকেই গোয়েন্দা মহলে উদ্বেগ বেড়েছে।তদন্তকারী সংস্থার দাবি, তারা একটি সামাজিক মাধ্যমের গোষ্ঠীর সন্ধান পেয়েছে, যার মাধ্যমে দেশবিরোধী প্রচার এবং উগ্রপন্থী মতাদর্শ ছড়ানোর চেষ্টা চলছিল বলে অভিযোগ। সেই সূত্র ধরেই মহম্মদ আরজুর নাম সামনে আসে। এরপর কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এবং গ্যাংটক পুলিশের যৌথ অভিযানে তাঁকে আটক করা হয়।জিজ্ঞাসাবাদের সময় ধৃত যুবকের আচরণে অসঙ্গতি ধরা পড়ায় তাঁর মোবাইল ফোনের ফরেনসিক পরীক্ষা করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, সেই পরীক্ষায় বিভিন্ন কথোপকথন, সন্দেহজনক তথ্য আদান-প্রদান এবং ভারত ও পাকিস্তানে অবস্থানকারী কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগের প্রাথমিক তথ্য মিলেছে। এই তথ্যের ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, এই ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না এবং কোনও বড় নেটওয়ার্কের সঙ্গে এর যোগসূত্র আছে কি না।সিকিম পুলিশের অপরাধ দমন শাখা এবং অপরাধ তদন্ত বিভাগ জানিয়েছে, অনলাইনের মাধ্যমে উগ্রবাদী কার্যকলাপে যুক্ত থাকার অভিযোগে ধৃত যুবকের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন এবং তথ্য প্রযুক্তি আইনের একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত এখনও চলছে।এই ঘটনাকে উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেছেন সিকিমের বিধায়ক কলা রাই। তাঁর বক্তব্য, আন্তর্জাতিক সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় এ ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত সংবেদনশীল। তাই ভবিষ্যতে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা এবং সন্দেহজনক কার্যকলাপের উপর কড়া নজরদারি চালানো প্রয়োজন।

জুলাই ০১, ২০২৬
দেশ

মোদির সঙ্গে দিলীপ ঘোষের ‘বিশেষ বৈঠক’! আম-সন্দেশ উপহার, ১১ হাজার শূন্যপদ থেকে পঞ্চায়েত উন্নয়ন—কী কী আলোচনা হল?

নিজস্ব প্রতিবেদন: দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। মন্ত্রী হওয়ার পর এটাই তাঁর প্রথম দিল্লি সফর। এই সফরে তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী রিঙ্কু মজুমদার। সৌজন্যের নিদর্শন হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হয় বাংলার আম ও সন্দেশ। তবে এই সাক্ষাৎ কেবল সৌজন্য বিনিময়ে সীমাবদ্ধ থাকেনি। রাজ্যের পঞ্চায়েত ব্যবস্থার উন্নয়ন, প্রশাসনিক সংস্কার এবং শূন্যপদ পূরণের মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসে বৈঠকে।সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের কাজকে আরও গতিশীল করতে দিলীপ ঘোষকে একাধিক দিকনির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে দিলীপ জানান, বর্তমানে তাঁর দপ্তরে প্রায় ১১ হাজার পদ শূন্য। এই বিপুল শূন্যপদের কারণে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বাস্তবায়নে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। শূন্যপদ দ্রুত পূরণ এবং প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধির উপায় নিয়েও দুজনের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজের গুজরাটে প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে দিলীপ ঘোষকে একটি বিশেষজ্ঞ দল গঠনের পরামর্শ দেন। দেশের যেসব রাজ্যে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তর সফলভাবে কাজ করছে, সেই রাজ্যগুলিতে গিয়ে কাজ পর্যবেক্ষণ, আধুনিক প্রশাসনিক পদ্ধতি শেখা এবং প্রশিক্ষণ নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। শুধু তাই নয়, দিলীপ ঘোষকেও ব্যক্তিগতভাবে বিভিন্ন রাজ্যে গিয়ে উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বাস্তব চিত্র দেখে আসার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই উদ্যোগ কার্যকর হলে পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত প্রশাসনে নতুন কর্মপদ্ধতি ও আধুনিক ব্যবস্থাপনার সংযোজন ঘটতে পারে।নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে বৈঠক, ৫১ হাজার কোটি টাকার প্রসঙ্গদিল্লি সফরে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গেও বৈঠক করেন দিলীপ ঘোষ। সেখানে পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন খাতে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ নিয়ে আলোচনা হয়। অর্থমন্ত্রী জানান, ইতিমধ্যেই এই খাতে পশ্চিমবঙ্গকে প্রায় ৫১ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দের নিরিখে উত্তরপ্রদেশের পরেই রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ।অর্থমন্ত্রী আশ্বাস দেন, উন্নয়নমূলক কাজের ক্ষেত্রে অর্থের অভাব যাতে কোনও বাধা না হয়, সেদিকে কেন্দ্র নজর রাখবে। প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন।রেলমন্ত্রীর সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎদিল্লি সফরের শেষপর্বে কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন দিলীপ ঘোষ। যদিও ওই বৈঠকের বিস্তারিত আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি, তবুও রাজ্যের পরিকাঠামো ও উন্নয়ন সংক্রান্ত একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রের ইঙ্গিত।রাজনৈতিক মহলে জল্পনাএকদিনেই প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী এবং রেলমন্ত্রীর সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। প্রশাসনিক মহলের একাংশের মতে, পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন খাতে কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয় আরও জোরদার করার লক্ষ্যেই এই বৈঠকগুলি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দিলীপ ঘোষের এই দিল্লি সফর আগামী দিনে রাজ্যের প্রশাসনিক কর্মকৌশল ও উন্নয়ন পরিকল্পনায় নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

জুলাই ০১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

নেইমারের এক পোস্টেই তোলপাড় ফুটবল বিশ্ব! কে এই জোয়াকিম ক্লেমেন্ট, কেন তাঁকে খোঁচা?

বিশ্বকাপে দুরন্ত জয় তুলে নিয়ে শেষ ষোলোয় জায়গা নিশ্চিত করেছে ব্রাজিল। অন্যদিকে মরক্কোর কাছে হেরে প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে গিয়েছে নেদারল্যান্ডস। এই দুই ঘটনার পরই ব্রাজিল তারকা নেইমারের একটি সামাজিক মাধ্যমের পোস্ট ঘিরে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। তিনি লিখেছেন, মিস্টার জোয়াকিম ক্লেমেন্ট, পরের বিশ্বকাপে আবার চেষ্টা করবেন। এই পোস্ট প্রকাশ্যে আসতেই প্রশ্ন উঠেছে, কে এই জোয়াকিম ক্লেমেন্ট এবং কেন তাঁকে উদ্দেশ্য করে এমন মন্তব্য করলেন নেইমার?জোয়াকিম ক্লেমেন্ট পেশায় একজন জার্মান অর্থনীতিবিদ। তবে ফুটবলপ্রেমীদের কাছে তিনি পরিচিত তাঁর বিশ্বকাপ সংক্রান্ত ভবিষ্যদ্বাণীর জন্য। অতীতে তিনি বিশ্বকাপ জয়ীদের নিয়ে একাধিক পূর্বাভাস দিয়েছিলেন, যার মধ্যে কয়েকটি বাস্তবের সঙ্গে মিলেছিল। সেই কারণেই এবারের বিশ্বকাপেও তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী নিয়ে যথেষ্ট আলোচনা হয়েছিল।এবার ক্লেমেন্ট দাবি করেছিলেন, নেদারল্যান্ডস বিশ্বকাপ জিতবে এবং ব্রাজিল জাপানের কাছে হেরে বিদায় নেবে। কিন্তু বাস্তবে সম্পূর্ণ উল্টো ছবি দেখা যায়। ব্রাজিল জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় জায়গা পাকা করে। অন্যদিকে টাইব্রেকারে মরক্কোর কাছে হেরে বিদায় নেয় নেদারল্যান্ডস। একদিনেই ভুল প্রমাণিত হয় তাঁর দুই বড় ভবিষ্যদ্বাণী।ব্রাজিলের জয়ের পরই নেইমার সামাজিক মাধ্যমে সেই ভাইরাল পোস্ট করেন। পরে নেদারল্যান্ডসের বিদায়ের পর ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যেও ক্লেমেন্টের ভবিষ্যদ্বাণী নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই মনে করছেন, ভুল প্রমাণিত হওয়া ভবিষ্যদ্বাণীর জবাব দিতেই এই কটাক্ষ করেছেন ব্রাজিল তারকা।এর আগে ক্লেমেন্ট মন্তব্য করেছিলেন, ব্রাজিলের বর্তমান প্রজন্মের ফুটবলারদের মান আগের মতো নয়। সেই মন্তব্যও নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে। ব্রাজিলের দাপুটে জয়ের পর সমর্থকদের একাংশের দাবি, মাঠের ফলই সমালোচনার সবচেয়ে বড় জবাব দিয়েছে সেলেকাও ফুটবলাররা।

জুন ৩০, ২০২৬
রাজ্য

তিন বছর পর বড় পদক্ষেপ! তৃণমূল কাউন্সিলরকে গ্রেপ্তার করল তদন্তকারী সংস্থা, চাঞ্চল্য রিষড়ায়

রামনবমীর সময় রিষড়ায় হওয়া অশান্তির মামলায় বড় পদক্ষেপ করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। দীর্ঘ তিন বছর পর মঙ্গলবার রিষড়া পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর সাকির আলিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি আরামবাগের প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ অপরূপা পোদ্দারের স্বামী।মঙ্গলবার দুপুরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় তদন্তকারী সংস্থার একটি দল রিষড়ায় সাকির আলির বাড়িতে পৌঁছয়। বাড়িটি ঘিরে ফেলার পর দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। পরে তদন্তের স্বার্থে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।সাকির আলি রিষড়া পুরসভার চার নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচিত কাউন্সিলর। দুই হাজার তেইশ সালে রামনবমীর সময় রিষড়ায় যে অশান্তি ও হিংসার ঘটনা ঘটেছিল, সেই মামলায় তাঁর নাম উঠে আসে। অভিযোগ ছিল, সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়ানোর ঘটনায় তাঁর ভূমিকা ছিল। সেই সময় এলাকায় ব্যাপক সংঘর্ষ, বোমাবাজি ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কয়েক দিন কারফিউও জারি করা হয়েছিল।তদন্তের শুরু থেকেই এই মামলাটি রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছিল। কারণ, সাকির আলি শুধু তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিই নন, তিনি প্রাক্তন সাংসদ অপরূপা পোদ্দারের স্বামীও। যদিও পরবর্তী লোকসভা নির্বাচনে অপরূপা পোদ্দারকে আর প্রার্থী করা হয়নি, সাকির আলি কাউন্সিলর পদে বহাল ছিলেন।সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই এই গ্রেপ্তারি নতুন করে জল্পনা বাড়িয়েছে। তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, পুরনো মামলার তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। এখন তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার চেষ্টা করা হবে।এই গ্রেপ্তারের পর রামনবমীর অশান্তি মামলার তদন্তে নতুন মোড় এল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। আগামী দিনে এই মামলায় আরও কেউ তদন্তের আওতায় আসেন কি না, সেদিকেই এখন নজর।

জুন ৩০, ২০২৬
কলকাতা

ওবিসি বিল ঘিরে তুমুল নাটক! দরজা খুলেও কেন বেরোলেন না কয়েকজন বিধায়ক?

ওবিসি সংক্রান্ত সংশোধনী বিল বিধানসভায় পাশ হওয়ার সময় তৈরি হল নাটকীয় পরিস্থিতি। ভোটাভুটির আগে বিরোধী শিবিরের অধিকাংশ বিধায়ক ওয়াকআউট করলেও কয়েকজন বিধায়ক সভাকক্ষেই থেকে যান। সেই ঘটনাকে ঘিরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা।সোমবার বিলটি নিয়ে ভোটাভুটির সময় দেখা যায়, বিরোধী শিবিরের অধিকাংশ সদস্য সভাকক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছেন। ঠিক সেই সময় ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ায় বিধানসভার দরজা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে কয়েকজন বিধায়ক বাইরে যেতে পারেননি বলে জানা যায়। পরে পরিষদীয় মন্ত্রীর হস্তক্ষেপে দরজা খুলে দেওয়া হয়।তবে দরজা খুলে যাওয়ার পরেও কয়েকজন বিধায়ক সভাকক্ষেই থেকে যান। তাঁদের মধ্যে ছিলেন মোসারফ হোসেন, বাহারুল ইসলাম, কাজল শেখ, বায়রন বিশ্বাস, পান্নালাল হালদার এবং মুরারইয়ের মোসারফ হোসেন। তাঁদের সভাকক্ষে থেকে যাওয়াকে ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।ঘটনাস্থলে উপস্থিত কুণাল ঘোষকে ওই বিধায়কদের উদ্দেশে কিছু বলতে দেখা যায়। পরে বাহারুল ইসলাম, কাজল শেখ এবং বায়রন বিশ্বাসকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে কথা বলতেও দেখা যায়। অন্যদিকে দলের প্রবীণ নেতারাও সেই সময় বিধানসভায় উপস্থিত ছিলেন।এই ঘটনার পর রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, দরজা বন্ধ থাকার কারণেই কি কয়েকজন বিধায়ক বাইরে যেতে পারেননি, নাকি দরজা খোলার পরেও সভাকক্ষে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল তাঁদের নিজস্ব? যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিধায়কদের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য সামনে আসেনি।শেষ পর্যন্ত ওবিসি সংশোধনী বিলের পক্ষে ভোট পড়ে একশো ছিয়াশি। বিপক্ষে ভোট দেন সতেরো জন সদস্য। ভোটদান থেকে বিরত থাকেন ছয় জন বিধায়ক। বিলটি ধ্বনিভোট এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন নিয়ে বিধানসভায় পাশ হয়ে যায়।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

বড় সিদ্ধান্ত! তৃণমূলের ওবিসি তালিকা বাতিল, বিধানসভায় পাশ হল নতুন আইন

বিধানসভায় পাশ হয়ে গেল ওবিসি সংরক্ষণ সংক্রান্ত দুটি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী বিল। এর ফলে তৃণমূল সরকারের আমলে তৈরি হওয়া ওবিসি সংক্রান্ত একাধিক নিয়মে বড় পরিবর্তন আনা হল। একই সঙ্গে ওবিসি তালিকার একটি বড় অংশেও সংশোধন করা হয়েছে। সরকারের দাবি, নতুন আইন কার্যকর হলে ওবিসি সংরক্ষণ ব্যবস্থা আরও স্বচ্ছ ও আইনসম্মত হবে।অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণমন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষ বিধানসভায় দুটি সংশোধনী বিল পেশ করেন। পরে ধ্বনিভোটে বিল দুটি পাশ হয়ে যায়। একটি বিল পশ্চিমবঙ্গ অনগ্রসর শ্রেণি কমিশন সংক্রান্ত এবং অন্যটি সরকারি চাকরিতে ওবিসি সংরক্ষণ সংক্রান্ত।নতুন আইনে ওবিসি এ শ্রেণির অধীনে থাকা পঁয়ষট্টিটি জনগোষ্ঠীর তালিকায় কোনও পরিবর্তন আনা হয়নি। তবে ওবিসি বি শ্রেণির অধীনে থাকা আটাত্তরটি জনগোষ্ঠীর তালিকায় বড় পরিবর্তন করা হয়েছে। সংশোধনী বিলে ওই তালিকা বাদ দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।সরকারি চাকরিতে সংরক্ষণ সংক্রান্ত আইনের নামও পরিবর্তন করা হয়েছে। নতুন আইনে বলা হয়েছে, ওবিসি হিসেবে কোন শ্রেণি স্বীকৃতি পাবে, তা অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে।নতুন ব্যবস্থায় রাজ্য সরকার অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করে ওবিসি সংরক্ষণের হার ঠিক করবে। প্রয়োজন হলে সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি করে সেই হার পরিবর্তন করা যাবে। তবে তফসিলি জাতি, তফসিলি উপজাতি এবং ওবিসিসব মিলিয়ে মোট সংরক্ষণের পরিমাণ পঞ্চাশ শতাংশের বেশি করা যাবে না।এ ছাড়াও কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে ওবিসি সম্প্রদায়কে সামাজিক ও শিক্ষাগত অবস্থার নিরিখে একাধিক ভাগে ভাগ করা যাবে। প্রতিটি ভাগের জন্য আলাদা সংরক্ষণের হারও নির্ধারণ করার সুযোগ রাখা হয়েছে।সরকারের দাবি, এই সংশোধনের ফলে সংরক্ষণ ব্যবস্থা আরও কার্যকর হবে এবং নতুন আইন বাস্তবায়নের জন্য অতিরিক্ত কোনও আর্থিক ব্যয়ের প্রয়োজন হবে না।অন্যদিকে অনগ্রসর শ্রেণি কমিশন সংক্রান্ত সংশোধনী বিলে কমিশনের কাঠামোতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কমিশনে একজন সভাপতি, তিনজন সদস্য এবং একজন সদস্য-সচিব থাকবেন। সদস্য-সচিব হিসেবে এমন একজন আধিকারিককে নিয়োগ করা হবে, যিনি রাজ্য সরকারের অতিরিক্ত সচিব পদে অন্তত তিন বছর কাজ করেছেন।কমিশনের ক্ষমতাও বাড়ানো হয়েছে। কোনও ব্যক্তি বা সম্প্রদায়কে অনগ্রসর শ্রেণির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে কি না, অথবা তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে কি না, তা বিস্তারিতভাবে পরীক্ষা করে কমিশন রাজ্য সরকারকে সুপারিশ জানাবে।সরকারের বক্তব্য, এই সংশোধনের মাধ্যমে অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের ভূমিকা আরও স্পষ্ট করা হয়েছে। পাশাপাশি ওবিসি তালিকা তৈরি, সংশোধন এবং সংরক্ষণ নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে কমিশনের ক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা হয়েছে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

তারাতলা বিপর্যয়ের পর বড় ধাক্কা তৃণমূলে! দল ছাড়লেন কাউন্সিলর, বিস্ফোরক মন্তব্যে তোলপাড় রাজনীতি

তারাতলা গোডাউন ধসের ঘটনার পর বড় ধাক্কা খেল তৃণমূল। কলকাতা পুরসভার আটচল্লিশ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর বিশ্বরূপ দে দল ছাড়ার ঘোষণা করলেন। তাঁর দাবি, তারাতলা বিপর্যয়ের ঘটনায় তিনি গভীরভাবে মর্মাহত। এই ঘটনার পর আর তৃণমূলে থাকা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয় বলেই জানিয়েছেন তিনি।বিশ্বরূপ দে বলেন, একের পর এক ঘটনায় দলের নাম জড়িয়ে পড়ায় তিনি অত্যন্ত ব্যথিত। তাঁর কথায়, তারাতলার ঘটনায় বহু নিরীহ মানুষের প্রাণ গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভায় জানিয়েছেন, অনুমোদিত নকশাতেই গুরুতর ত্রুটি ছিল। সেই কথা জানার পর তাঁর মানসিকভাবে ভেঙে পড়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।তিনি আরও বলেন, যে দলের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন কাজ করেছেন, সেই দলের আমলেই যদি এমন গুরুতর গাফিলতি হয়ে থাকে, তবে তা মেনে নেওয়া তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়। এই ঘটনার যন্ত্রণা তিনি আর সহ্য করতে পারছেন না বলেই দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।বিশ্বরূপ দে জানান, অতীতে দলের পাশে থেকেছেন এবং দলের কঠিন সময়েও আনুগত্য বজায় রেখেছেন। কিন্তু এই ঘটনার পর তাঁর মনে হয়েছে, তিনি ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। সেই ভুলের জন্য ভবিষ্যতে তাঁকে প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, তারাতলার নির্মীয়মাণ গোডাউনের অনুমোদিত নকশাতেই একাধিক ত্রুটি ছিল। তিনি সেই সংক্রান্ত নথিও বিধানসভায় তুলে ধরেন। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের পরেই বিশ্বরূপ দে দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।তারাতলা বিপর্যয়কে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই ঘটনায় একের পর এক নতুন রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া সামনে আসায় আগামী দিনে বিষয়টি আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুন ২৬, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ বড় সিদ্ধান্ত! এক মাসের জন্য থামছে বহুতল নির্মাণ, বাতিল হতে পারে অনুমোদন!

গার্ডেনরিচ ও তারাতলার মতো একের পর এক দুর্ঘটনার পর আর কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না রাজ্য সরকার। সেই কারণেই বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে নির্মীয়মাণ বেসরকারি বাণিজ্যিক বহুতল নিয়ে। আগামী এক মাস কলকাতা-সহ একাধিক পুর এলাকায় পাঁচ তলার বেশি বাণিজ্যিক বহুতলের নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। এই সময়ে বিশেষ অডিট কমিটি প্রতিটি নির্মাণের নকশা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখবে। গুরুতর ত্রুটি ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট বহুতলের অনুমোদন পর্যন্ত বাতিল করে দেওয়া হতে পারে।শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, মানুষের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, নগরায়ণ থামানো সরকারের উদ্দেশ্য নয়। তবে কোনওভাবেই মানুষের জীবন নিয়ে ঝুঁকি নেওয়া হবে না।সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী এক মাস কলকাতা, বিধাননগর, রাজারহাট, নিউটাউন, পূজালি, বারুইপুর, মহেশতলা, রাজপুর-সোনারপুর, দক্ষিণ দমদম, কামারহাটি, বরানগর এবং বালিতে নির্মীয়মাণ বেসরকারি বাণিজ্যিক বহুতলের কাজ বন্ধ থাকবে। ইতিমধ্যেই এগারো সদস্যের একটি অডিট কমিটি গঠন করা হয়েছে।এই কমিটি প্রথমে বহুতলের নকশা নিয়ম মেনে তৈরি হয়েছে কি না তা পরীক্ষা করবে। এরপর অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ সংযোগ এবং অন্যান্য নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও ত্রুটি রয়েছে কি না, তাও বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখা হবে।সরকার জানিয়েছে, যেখানে সামান্য ত্রুটি থাকবে সেখানে নির্মাণ সংস্থাকে তা সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে। কিন্তু বড় ধরনের অনিয়ম ধরা পড়লে বহুতলের অনুমোদন সম্পূর্ণ বাতিল করে দেওয়া হতে পারে।অডিট কমিটিকে আগামী সাত দিনের মধ্যে প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে হবে। চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার সময়সীমা রাখা হয়েছে নব্বই দিন। তবে যে সব বহুতল নিরাপত্তা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবে, সেগুলির নির্মাণকাজ আগামী এক আগস্ট থেকে আবার শুরু করার অনুমতি দেওয়া হবে।সরকার আরও জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র বেসরকারি বাণিজ্যিক বহুতলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। সাধারণ মানুষের বসতবাড়ি নির্মাণ বা সংস্কারের কাজে কোনও বিধিনিষেধ থাকছে না। ফলে আগামী এক মাস নিজের বাড়ির নির্মাণ বা মেরামতির কাজ স্বাভাবিকভাবেই চালিয়ে যেতে পারবেন সাধারণ মানুষ।

জুন ২৬, ২০২৬
দেশ

দু’মিনিটের সেই রহস্য! কীভাবে পাকিস্তানের আকাশে পৌঁছে গেল ভারতীয় বিমান?

কূটনৈতিক টানাপোড়েনের আবহের মধ্যেই পাকিস্তানের আকাশসীমায় ঢুকে পড়ল একটি ভারতীয় যাত্রীবাহী বিমান। ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিষয়টি সামনে আসতেই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি অভিযুক্ত পাইলটকে সাময়িকভাবে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।জানা গিয়েছে, বিমানটি দিল্লি থেকে অমৃতসরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। কিন্তু অবতরণের আগে আচমকাই নির্ধারিত পথ থেকে সরে গিয়ে আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম করে পাকিস্তানের আকাশসীমায় প্রবেশ করে। কিছু সময় পরে বিমানটি আবার ভারতের আকাশে ফিরে আসে।তথ্য অনুযায়ী, বিমানটি দুমিনিটেরও কম সময় পাকিস্তানের আকাশসীমার মধ্যে ছিল। পাকিস্তানের বিমান নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে সতর্কবার্তা পাঠানোর পর পরিস্থিতি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হয়। অমৃতসরে অবতরণের পরিবর্তে বিমানটিকে দিল্লিতে ফিরিয়ে আনা হয়। পরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পর একই বিমান আবার অমৃতসরের উদ্দেশে রওনা দেয় এবং গভীর রাতে নিরাপদে অবতরণ করে।বিমানবন্দর সূত্রে খবর, উড়ানের সময় বিমানের দিকনির্দেশনা ব্যবস্থায় সমস্যা দেখা দিয়েছিল। সেই কারণেই বিমানটি নির্ধারিত রুট থেকে সরে যায় বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। এক বিমানবন্দর আধিকারিকের দাবি, বিমানটি সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানের আকাশসীমার প্রায় দেড় মাইল ভেতরে চলে গিয়েছিল।তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ নিয়ে এখনও তদন্ত চলছে। বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং পাইলটের সিদ্ধান্ত দুই দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কেন বিমানটি নির্দিষ্ট নির্দেশ মেনে চলেনি এবং কীভাবে সীমান্ত অতিক্রম করল, তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট পাইলটকে ডিউটি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

জুন ২৫, ২০২৬
কলকাতা

কত টাকা উঠেছিল? আদালতের এক প্রশ্নেই নতুন করে চর্চায় ইন্দ্রনীল-মধুছন্দা

দুর্গাপুজোর প্রিভিউ শো-কে কেন্দ্র করে ওঠা প্রতারণার অভিযোগে নতুন মোড় এল আদালতে। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন এবং তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেন আগাম জামিনের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। সোমবার সেই মামলার শুনানিতে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল আদালত।বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের বেঞ্চ রাজ্যকে তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। আগামী ৪ জুলাইয়ের মধ্যে সেই রিপোর্ট জমা দিতে হবে। পাশাপাশি অভিযোগের ভিত্তিতে কত টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে, সেই তথ্যও আদালতকে জানাতে বলা হয়েছে।অভিযোগ, ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে দুর্গাপুজোর বিশেষ প্রিভিউ শো-এর জন্য উচ্চ মূল্যে পাস বিক্রি করা হয়েছিল। মধুছন্দা সেনের সংস্থা এই পাস বিক্রির সঙ্গে যুক্ত ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক পর্যটন সংস্থার পরামর্শদাতা জয়দীপ মুখোপাধ্যায় বউবাজার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।সোমবার আদালতে শুনানির সময় বিচারপতি জানতে চান, এই প্রক্রিয়ায় ঠিক কত টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে। রাজ্যের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিষয়টি এখনও তদন্তাধীন এবং তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে।মামলাকারীর আইনজীবীর দাবি, গত দুই বছর ধরে নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে পাস দেওয়া হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়াই ইউনেস্কোর নাম এবং পরিচিতি ব্যবহার করা হয়েছে। পাশাপাশি ইউনেস্কোর নিয়ম অনুযায়ী বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে তাদের নাম বা পরিচিতি ব্যবহারের অনুমতি ছিল না বলেও আদালতে দাবি করা হয়।অন্যদিকে ইন্দ্রনীল সেন ও মধুছন্দা সেনের আইনজীবীর বক্তব্য, ইউনেস্কো কখনও এই বিষয়ে কোনও অভিযোগ করেনি। তাঁদের দাবি, প্রিভিউ শো-এর সঙ্গে ইউনেস্কোর নাম যুক্ত থাকলেও পাসে সেই পরিচিতি ব্যবহার করা হয়নি।দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, অর্থের বিনিময়ে ডোনার পাস দেওয়া হলে তা বাণিজ্যিক ব্যবহারের মধ্যেই পড়ে কি না। আদালতের এই পর্যবেক্ষণ মামলাটিকে নতুন গুরুত্ব দিয়েছে।তবে আপাতত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আগামী দুই সপ্তাহ কোনও কঠোর পদক্ষেপ করা হবে না বলে রাজ্যের পক্ষ থেকে আদালতে মৌখিক আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এখন তদন্ত রিপোর্টের দিকেই নজর রয়েছে সকলের।

জুন ২২, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 71
  • 72
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

অবৈধভাবে ভারতে ঢোকার মাশুল! দুই বাংলাদেশি মহিলার বিরুদ্ধে আদালতের বড় রায়

অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ এবং বৈধ নথি ছাড়া দেশে বসবাসের অভিযোগে দুই বাংলাদেশি মহিলাকে দুবছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল মহারাষ্ট্রের একটি আদালত। কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে দশ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে।দোষী সাব্যস্ত হওয়া দুই মহিলার নাম শাহানাজ বিলাল সদ্দার এবং হাসিনা জব্বর খান। আদালতের নথি অনুযায়ী, গত তিন ডিসেম্বর দুই হাজার চব্বিশ সালে মহারাষ্ট্রের থানে জেলার মিরা রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করে পুলিশের মানব পাচার বিরোধী শাখা। এরপর থেকেই তাঁরা হেফাজতে ছিলেন।তদন্তে উঠে আসে, দুই মহিলা বৈধ নথি ছাড়াই ভারতে প্রবেশ করেছিলেন এবং মহারাষ্ট্রে একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস করছিলেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।আদালতে দুই মহিলার আইনজীবী জানান, তাঁরা অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের সদস্য। দুজনই বিবাহিত এবং পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী। তাঁদের বিরুদ্ধে আগে কোনও অপরাধের অভিযোগও ছিল না। পাশাপাশি আদালতের কাছে দাখিল করা আবেদনে দুই মহিলা নিজেদের দোষ স্বীকার করার ইচ্ছার কথাও জানান।সমস্ত দিক বিবেচনা করে আদালত বিদেশি আইন এবং পাসপোর্ট আইনের অধীনে দুই মহিলাকে দোষী সাব্যস্ত করে। তবে গ্রেপ্তারের পর থেকে তাঁরা যে সময় হেফাজতে কাটিয়েছেন, সেই সময় মূল কারাদণ্ডের মেয়াদের সঙ্গে সমন্বয় করার নির্দেশও দিয়েছেন বিচারক।এই রায়ের পর অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং বৈধ নথি ছাড়া ভারতে বসবাসের অভিযোগে আইনি পদক্ষেপ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

আর্জেন্টিনা বনাম ইংল্যান্ড ম্যাচে বড় আতঙ্ক! দুর্গে পরিণত আটলান্টা, কেন এত কড়া নিরাপত্তা?

আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল ঘিরে এখন শুধু ফুটবল নয়, নিরাপত্তাও বড় আলোচনার বিষয়। দুই হাজার দুই সালের পর আবার বিশ্বকাপের মঞ্চে মুখোমুখি হচ্ছে দুই দেশ। এই ম্যাচকে কেন্দ্র করে ইতিহাস, আবেগ এবং দুই দেশের দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা নতুন করে সামনে এসেছে। সেই কারণেই আটলান্টার স্টেডিয়ামে নেওয়া হয়েছে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা।মার্কিন প্রশাসনের মতে, চলতি বিশ্বকাপে এটাই সবচেয়ে স্পর্শকাতর ম্যাচগুলির একটি। সেই কারণে স্থানীয় পুলিশ, নিরাপত্তা বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি একাধিক বৈঠক করে নিরাপত্তা আরও জোরদার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি যে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।স্টেডিয়ামে বিপুল সংখ্যক পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। সমর্থকদের নিরাপদে প্রবেশ নিশ্চিত করতে দুই দলের দর্শকদের জন্য আলাদা প্রবেশপথ রাখা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে নির্দিষ্ট কিছু ব্যানার বা রাজনৈতিক বার্তা বহনকারী সামগ্রী স্টেডিয়ামে নিয়ে যাওয়ার উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের ফুটবল প্রতিদ্বন্দ্বিতা বহু পুরনো। বিশ্বকাপের ইতিহাসে দুই দলের একাধিক ম্যাচ বিতর্ক, উত্তেজনা এবং নাটকীয় ঘটনার সাক্ষী। সেই কারণেই এই লড়াইকে ঘিরে সমর্থকদের আবেগও সব সময় তুঙ্গে থাকে।শুধু অতীতের ইতিহাস নয়, সাম্প্রতিক ঘটনাও প্রশাসনের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের জয়য়ের পর দুই দলের কিছু সমর্থকের মধ্যে সংঘর্ষের অভিযোগ সামনে আসে। সেই ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে সতর্ক হয়েছে প্রশাসন।সব মিলিয়ে মাঠের লড়াই শুরু হওয়ার আগেই এই ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা চরমে। একদিকে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা, অন্যদিকে হ্যারি কেনের ইংল্যান্ড। তবে খেলার পাশাপাশি এবার নজর থাকবে মাঠের বাইরের পরিস্থিতির দিকেও। নিরাপত্তা ব্যবস্থার কড়াকড়ি থেকেই স্পষ্ট, কোনও ধরনের ঝুঁকি নিতে রাজি নয় আয়োজকরা।

জুলাই ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ইংল্যান্ড ম্যাচের আগেই মেসিদের ঘিরে বিস্ফোরক দাবি! বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারের ডাক কেন?

বিশ্বকাপের অন্যতম আকর্ষণীয় ম্যাচে মুখোমুখি হতে চলেছে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। দুই হাজার দুই সালের পর আবার বিশ্বকাপের মঞ্চে এই দুই ফুটবল শক্তির লড়াই ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে। তবে ম্যাচ শুরুর আগেই নতুন বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছে লিওনেল মেসির দল।সাম্প্রতিক কয়েকটি ম্যাচে রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে নানা মহলে প্রশ্ন উঠেছে। সেই আবহেই সামাজিক মাধ্যমে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারের দাবিতে একটি অনলাইন আবেদন ঘিরে চর্চা শুরু হয়েছে। ওই আবেদনের সমর্থকেরা অভিযোগ করেছেন, রেফারির সিদ্ধান্তে আর্জেন্টিনা বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে প্রমাণিত হয়নি।প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, লক্ষ লক্ষ মানুষ ওই অনলাইন আবেদনে সমর্থন জানিয়েছেন। আবেদনকারীদের বক্তব্য, বিশ্বকাপে সব দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা উচিত। তবে এই দাবির বিষয়ে ফিফার পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য প্রকাশ করা হয়নি।এই বিতর্কের মাঝেই মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই দুই দলের লড়াই বহু স্মরণীয় ঘটনার সাক্ষী। দিয়েগো মারাদোনার বিতর্কিত গোল থেকে শুরু করে একাধিক উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ এখনও ফুটবলপ্রেমীদের মনে রয়েছে। তাই এবারও এই ম্যাচ ঘিরে প্রত্যাশা অনেক বেশি।ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেনও ম্যাচের আগে সতর্ক বার্তা দিয়েছেন। তাঁর মতে, আর্জেন্টিনা খুব অভিজ্ঞ দল। তারা জানে কীভাবে ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণ করতে হয় এবং প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলতে হয়। তাই এই ম্যাচ সহজ হবে না বলেই মনে করছেন তিনি।অন্যদিকে গোলদাতাদের তালিকাতেও নজর রয়েছে ফুটবলপ্রেমীদের। লিওনেল মেসি আটটি গোল করে শীর্ষে রয়েছেন। কিলিয়ান এমবাপেও আট গোল করেছিলেন। ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেনের ঝুলিতে রয়েছে ছয় গোল। ফলে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে এই ম্যাচে মেসি যেমন দলকে জেতানোর লক্ষ্য নিয়ে নামবেন, তেমনই গোলদাতাদের তালিকায় নিজের অবস্থান আরও শক্ত করার সুযোগও থাকবে তাঁর সামনে।সব মিলিয়ে বিশ্বকাপের এই মহারণ শুধু দুই দলের লড়াই নয়, মাঠের বাইরের বিতর্কও এই ম্যাচকে আরও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এনে দিয়েছে।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

‘বেইমানদের জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী’! বিস্ফোরক বার্তায় নতুন লড়াইয়ের ডাক মমতার

তৃণমূলের অন্দরে একের পর এক নেতা বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে দলের ভিতরে অস্বস্তি বাড়লেও লড়াই থেকে এক ইঞ্চিও পিছিয়ে যেতে রাজি নন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, প্রয়োজন হলে আবারও শূন্য থেকে দল গড়ে তুলতে প্রস্তুত তিনি।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মানুষ দলের প্রতীক দেখে ভোট দিয়েছেন। তাই যাঁরা দল ছেড়ে চলে যাচ্ছেন, তাঁদের জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে তাঁদের বেইমান বলেও কড়া আক্রমণ করেছেন। তাঁর দাবি, দুই হাজার সাতানব্বই সালে একা লড়াই শুরু করেছিলেন। তখনও সফল হয়েছিলেন। তাই দুই হাজার ছাব্বিশ সালেও নতুন করে লড়াই শুরু করার ক্ষমতা তাঁর রয়েছে।সাম্প্রতিক সময়ে মদন মিত্র-সহ একাধিক নেতা বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিয়েছেন। তাঁদের অনেকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এই প্রসঙ্গে মমতা বলেন, অভিষেককে অকারণে নিশানা করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, অভিষেক নিজের দায়িত্ব পালন করছেন এবং আগামী বহু বছর রাজনীতিতে সক্রিয় থাকবেন।মদন মিত্রের দলত্যাগ প্রসঙ্গেও পরোক্ষে প্রতিক্রিয়া দেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার চাপ দেখিয়ে অনেককে দল ছাড়তে বাধ্য করা হচ্ছে। পরিবারের সদস্যদের নোটিস পাঠিয়ে ভয় দেখানোর অভিযোগও করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, যাঁরা দল ছেড়ে গিয়েছেন, তাঁদের অনেকের পরিস্থিতি আগেই তিনি বুঝতে পেরেছিলেন।এরপর তৃণমূলের শুরুর দিনের কথা মনে করিয়ে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, খুব অল্প সময়ের মধ্যে দল গড়ে নির্বাচন লড়ে সংসদে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়েছিল। পরে কঠিন সময় এলেও লড়াই থামেনি। তাই বর্তমান পরিস্থিতিকেও তিনি নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবেই দেখছেন।একুশে জুলাইয়ের শহিদ সমাবেশ নিয়েও বার্তা দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। তিনি জানান, আদালতের নির্দেশ মেনে বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভা হবে। প্রতি বছরের মতো সমাবেশের আগের দিন তিনি নিজে গিয়ে প্রস্তুতি খতিয়ে দেখবেন। পাশাপাশি প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছেন, যাতে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।মমতা আরও বলেন, কোনও বাধা এলেও সভা বন্ধ হবে না। প্রয়োজন হলে মাইক্রোফোন ছাড়াই কর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখবেন। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, একুশে জুলাইয়ের সমাবেশ নির্ধারিত সময়েই হবে এবং দল লড়াই চালিয়ে যাবে।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

শেষ মুহূর্তে বড় স্বস্তি! আদালতের রায়ে একুশে জুলাইয়ের সভাস্থল পেল কালীঘাট তৃণমূল

একুশে জুলাইয়ের শহিদ দিবসের সমাবেশ কোথায় হবে, তা নিয়ে কয়েক দিন ধরেই চলছিল জোর রাজনৈতিক টানাপোড়েন। শেষ পর্যন্ত সেই বিতর্কে ইতি টানল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চ কালীঘাট তৃণমূলকে বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভা করার অনুমতি দিয়েছে। তবে এই অনুমতি দেওয়া হয়েছে নির্দিষ্ট কিছু শর্ত মেনে।আদালতে প্রথমে কালীঘাট তৃণমূলের পক্ষ থেকে হাজরায় সভা করার প্রস্তাব মানা হয়নি। পরে ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনেও সভা করার আবেদন জানানো হলেও আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করেনি। এরপর আদালত রাজ্যের কাছে বিকল্প জায়গার বিষয়ে মত জানতে চায়। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ওয়েলিংটনের সুবোধ মল্লিক স্কোয়ারের প্রস্তাব দেওয়া হয়। সেখানে নির্দিষ্ট সংখ্যক মানুষের সভা করা সম্ভব বলেও জানানো হয়।কালীঘাট তৃণমূলের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে দাবি করেন, তাঁদের আবেদন অনেক আগে করা হলেও অনুমতি দেওয়া হয়নি। অথচ পরে আবেদন করা অন্য সংগঠনকে সভার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, তাঁদের ক্ষেত্রে আলাদা নিয়ম কেন প্রযোজ্য হবে, সেই প্রশ্নেরও উত্তর পাওয়া যায়নি।আদালতে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শহিদ মিনারে অন্য একটি রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি রয়েছে। অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরকে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে সীমিত সংখ্যক সমর্থক নিয়ে সভা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভা করার প্রস্তাব দেন। তিনি জানান, এই জায়গাটি দুই কর্মসূচির মধ্যে যথেষ্ট দূরত্ব বজায় রাখবে। তবে নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে সমর্থকের সংখ্যা সীমিত রাখতে হবে।প্রথমে তিন হাজার মানুষের অনুমতির কথা উঠলেও রাজ্য আপত্তি জানায়। পরে আদালত আড়াই হাজার সমর্থক নিয়ে সভা করার অনুমতি দেয়। একই সঙ্গে জানানো হয়, সভা বিকেল সাড়ে তিনটার মধ্যে শেষ করতে হবে।শুনানির সময় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় একুশে জুলাইয়ের ঐতিহাসিক গুরুত্বের কথাও তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, এই দিনের সঙ্গে তাঁদের আবেগ জড়িয়ে রয়েছে। আগের দিনের বিক্ষোভে কর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগও আদালতের সামনে তোলা হয়।সব দিক বিবেচনা করে শেষ পর্যন্ত বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে শর্তসাপেক্ষে একুশে জুলাইয়ের শহিদ সমাবেশের অনুমতি দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। ফলে দীর্ঘ জল্পনার অবসান ঘটলেও, রাজনৈতিক উত্তাপ যে এখানেই থামছে না, তা স্পষ্ট।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

মদনের পদত্যাগেই জোর জল্পনা! এবার কি বড় ঝড়ের মুখে তৃণমূল?

তৃণমূলের অন্দরে রাজনৈতিক সমীকরণ কি দ্রুত বদলে যাচ্ছে? সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনাকে ঘিরে সেই প্রশ্নই এখন জোরালো হচ্ছে। একের পর এক নেতার অবস্থান বদল এবং নতুন শিবিরে যোগ দেওয়া নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। সব মিলিয়ে তৃণমূলের অন্দরের পরিস্থিতি নিয়ে বাড়ছে জল্পনা।ভাই স্বরূপ বিশ্বাস জেলে রয়েছেন। অরূপ বিশ্বাসকে নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে নানা জল্পনা চলছিল। সেই পরিস্থিতিতে অনেকেই ভেবেছিলেন দলের ভিতরে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অরূপ বিশ্বাসকে দেখা যায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে। এরপরই শুরু হয় নতুন রাজনৈতিক চর্চা।এর মধ্যেই আরও বড় চমক দেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। তৃণমূলের দীর্ঘদিনের গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে পরিচিত মদন দলীয় সব পদ ছেড়ে ঋতব্রতের শিবিরে যোগ দেন। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের প্রশ্ন, এটি কি শুধুই ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, নাকি দলের অন্দরে জমে থাকা অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ?ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, এটি কোনও ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে নয়। তাঁর কথায়, ব্যক্তিপূজার পরিবর্তে সম্মিলিত নেতৃত্বের পক্ষে যারা বিশ্বাস করেন, তাঁদের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো হচ্ছে। তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলির নেপথ্যে আরও বড় রাজনৈতিক সমীকরণ কাজ করছে।এদিকে পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মদন মিত্রের স্ত্রী এবং দুই ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে। আগামী বাইশ ও তেইশ জুলাই তাঁদের হাজির হতে বলা হয়েছে। এই ঘটনার পরই মদনের নতুন রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে আরও জোরালো হয়েছে জল্পনা।অন্যদিকে অনুব্রত মণ্ডলও নতুন আইনি সমস্যায় পড়েছেন। দুই হাজার একুশ সালের ভোট-পরবর্তী হিংসার ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, হামলা চালিয়ে বিপুল সংখ্যক ইট লুট করা হয়েছিল এবং ভয় দেখানো হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলকে আক্রমণ করতে ছাড়েনি বিজেপি। বিজেপি নেতা তাপস রায় দাবি করেছেন, তৃণমূলের অন্দরে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, দলের ভিতরে এখন অস্থিরতা স্পষ্ট।সব মিলিয়ে একের পর এক রাজনৈতিক ঘটনা ঘিরে তৃণমূলের অন্দরের পরিস্থিতি নিয়ে জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। আগামী দিনে এই ঘটনাগুলি রাজ্যের রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

হাইকোর্টের চাপে শেষ পর্যন্ত কণ্ঠের নমুনা দিলেন অভিষেক! এবার কি বড় বিপদ?

হাইকোর্টের নির্দেশের পর শেষ পর্যন্ত কণ্ঠের নমুনা দিতে হল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বিধাননগর আদালতে প্রায় পাঁচ মিনিট ধরে তাঁর কণ্ঠস্বর রেকর্ড করা হয়েছে। এবার সেই নমুনা যাবে ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য। এই রিপোর্টকে ঘিরেই রাজনৈতিক এবং আইনি মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।সূত্রের খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে একটি পাতার লেখা দুবার পড়তে বলা হয়। একবার স্বাভাবিক গলায় এবং আর একবার ধীরে। সেই রেকর্ডিং একটি মেমোরি কার্ডে সংরক্ষণ করা হয়েছে। পরে সেটি ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। তদন্তকারীদের লক্ষ্য, মামলার সঙ্গে যুক্ত অডিয়োর কণ্ঠস্বরের সঙ্গে এই নমুনার মিল রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করা।জানা গিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা মেনে কোনও নির্দিষ্ট বক্তৃতা হুবহু পড়ানো হয়নি। অভিযোগে উল্লিখিত কিছু শব্দ ব্যবহার করে একটি নতুন লেখা তৈরি করা হয়েছিল। সেই লেখাই পড়ে শোনান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।পুরো প্রক্রিয়ার ভিডিও রেকর্ডিংও করা হয়েছে। আদালতে পৌঁছনো থেকে শুরু করে কণ্ঠের নমুনা দেওয়া পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ ক্যামেরাবন্দি করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, ভবিষ্যতে এই প্রক্রিয়া নিয়ে যাতে কোনও প্রশ্ন না ওঠে, সেই কারণেই সমস্ত কিছু নথিভুক্ত করা হয়েছে। নমুনা সংগ্রহের পর প্রয়োজনীয় নথিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বাক্ষরও নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রেকর্ডিং এবং ভিডিওর বিশেষ ডিজিটাল পরিচিতিও তৈরি করা হয়েছে, যাতে ফরেন্সিক পরীক্ষার সময় তথ্যের অখণ্ডতা বজায় থাকে।এই মামলার অভিযোগকারী রাজীব সরকারের দাবি, তদন্তের কাজ সঠিক দিকেই এগোচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, মামলার সঙ্গে যুক্ত একটি তালিকা এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি। অভিযোগ অনুযায়ী, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একটি জনসভায় জেলা, ব্লক এবং ওয়ার্ডভিত্তিক একটি তালিকার কথা বলেছিলেন। সেই তালিকাতেই বহু মানুষের নাম ছিল বলে অভিযোগকারীর দাবি। তদন্তে সেই তালিকারও খোঁজ চলছে বলে তিনি জানিয়েছেন।এখন সকলের নজর ফরেন্সিক রিপোর্টের দিকে। কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষার ফল এই মামলার তদন্তে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে, তা নিয়েই রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

একুশের পোস্টার থেকে হঠাৎ উধাও অভিষেক! তৃণমূলে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত?

একুশে জুলাইয়ের সমাবেশের নতুন পোস্টার প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। পোস্টারে রয়েছেন শুধু তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি নেই। এই নিয়েই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে বিস্তর আলোচনা।কলকাতা হাইকোর্ট একুশে জুলাইয়ের সমাবেশের জন্য বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভার অনুমতি দেওয়ার পর নতুন পোস্টার প্রকাশ করেন কুণাল ঘোষ। পরে সেই একই পোস্টার নিজের সামাজিক মাধ্যমেও ভাগ করে নেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু পোস্টারে তাঁর ছবি না থাকায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে নানা মহলে।এর আগে প্রকাশিত প্রথম পোস্টারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ছিল। তখন সমাবেশের নির্দিষ্ট স্থান ঠিক না হওয়ায় শুধু কলকাতায় আসার আহ্বান জানানো হয়েছিল। কিন্তু নতুন পোস্টারে শুধুমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি রাখা হয়েছে।এই ঘটনা এমন সময়ে সামনে এল, যখন দলের অন্দরে একের পর এক রাজনৈতিক পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা চলছে। সাম্প্রতিক সময়ে কয়েক জন নেতা ও বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দিয়েছেন। তাঁদের অনেকেই প্রকাশ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সর্বশেষ সেই তালিকায় যোগ হয়েছে মদন মিত্রের নাম। ফলে পোস্টারে অভিষেকের ছবি না থাকাকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা আরও বেড়েছে।তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের দাবি, এই ঘটনাকে নতুন করে দেখার প্রয়োজন নেই। কারণ গত বছরও একুশে জুলাইয়ের প্রচারের পোস্টারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ছিল না। সেই সময় দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, এই সমাবেশের পোস্টারে শুধুমাত্র দলের সর্বোচ্চ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবিই রাখা হবে। একই ধরনের ঘটনা দুই হাজার তেইশ সালেও দেখা গিয়েছিল।ফলে নতুন পোস্টার ঘিরে রাজনৈতিক চর্চা যতই বাড়ুক, এটি কৌশলগত সিদ্ধান্ত নাকি তার পিছনে অন্য কোনও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে, সেই উত্তর এখনও স্পষ্ট নয়। তবে একুশে জুলাইয়ের আগে এই পোস্টার যে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

জুলাই ১৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal