মেষ/ ARIES: সাংসারিক বিবাদ হতে পারে। বৃষ/ TAURUS: আজ শ্রীবৃদ্ধি হতে পারে। মিথুন/ GEMINI : দাঁতের রোগে কষ্ট পেতে পারেন। কর্কট/ CANCER : বঞ্চনার শিকার হতে পারেন। সিংহ/ LEO: মানসিক অশান্তি হতে পারে। কন্যা/ VIRGO: কর্মে সুখ্যাতি হতে পারে।তুলা/ LIBRA: পিত্তরোগে কষ্ট পেতে পারে পারেন। বৃশ্চিক/ Scorpio: অনুশোচনায় ভুগতে পারেন। ধনু/ SAGITTARIUS: মনে আনন্দ পেতে পারেন। মকর/ CAPRICORN: কোনও কিছু হানি হতে পারে। কুম্ভ/ AQUARIUS: কারুর বিরাগভাজন হতে পারেন।মীন/ PISCES : অহেতুক অশান্তি হতে পারে।
শহরজুড়ে কোভিশিল্ডের হাহাকার। কলকাতা পুরসভার কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভ্যাকসিন নেই।দুশ্চিন্তা পুরোপুরি দূর না হলেও সামান্য স্বস্তি দিয়ে শনিবার কলকাতা বিমানবন্দরে নামল কোভিশিল্ডের সাড়ে ৩ লক্ষ ডোজ। এই পরিমাণ টিকা একেবারেই পর্যাপ্ত নয়, এ কথা পরিষ্কারভাবে মেনে নিচ্ছে স্বাস্থ্য দপ্তর। যে কোভিশিল্ড গত কয়েক মাস ধরে রাজ্য ও জেলায় তুলনামূলক সহজলভ্য থেকেছে, এখন তারই ভাঁড়ার শূন্য কলকাতা পুরসভায়। ফলে প্রথম ডোজ তো দূরেই থাক, যারা দ্বিতীয় ডোজ়ের অপেক্ষাতেও রয়েছেন, তাঁদের হা পিত্যেশ করা ছাড়া উপায় থাকছে না। স্বাস্থ্যভবন মনে করছে, পুরসভার ভুল নীতির কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। যদিও পুরো বিষয়টি নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটে রয়েছে পুরসভা। দায়ী করা হচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারের কম টিকা পাঠানোর বিষয়টিকে।এই অবস্থায় শনিবার বিকেলে কলকাতায় এসে পৌঁছেছে ৩ লক্ষ ৫৭ হাজার ২৪০ ডোজ় কোভিশিল্ড। পাশাপাশি, এ দিনই শহরে এসেছে ১ লক্ষ ডোজ কোভ্যাক্সিনও। স্বাস্থ্য দপ্তর আশাবাদী, এর ফলে যে তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে তা কিছুটা হলেও মিটবে। তবে স্বাস্থ্যভবন সূত্রে খবর, এই পরিমাণ ভ্যাকসিন কোনও মতেই পর্যাপ্ত নয়।
কয়েকদিনের নাগাড়ে বৃষ্টিপাত ও তার সঙ্গে জলাধার থেকে ছাড়া জলে ফুলেফেঁপে উঠেছে ভাগিরথী নদী। আর তাতেই ঘটেছে বিপত্তি ।ভাগীরথীর জল ছুঁইছুঁই ১১ হাজার ভোল্টেজের বিদ্যুৎ লাইনের তার। সেই কারণে সাত দিন ধরে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী ২ ব্লকের ঝাউডাঙা পঞ্চায়েতের ঝাউডাঙ্গা এবং হালতাচড়া গ্রাম। বিদ্যুৎ না থাকায় চরম ভোগান্তির মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন এই দুই গ্রামের দেড়শোটি পরিবার। দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য বিদ্যুৎ দপ্তরে দরবার করেও সুরাহা না মেলায় ক্ষোভে ফুঁষছেন গ্রামবাসীরা।আরও পড়ুনঃ টোকিওতে সোনা জিতে ইতিহাস গড়লেন পোস্টার বয় নীরজ চোপড়াভাগীরথীর একপাড়ে পূর্বস্থলীর ঝাউডাঙা ও হালতাচড় গ্রাম। এই গ্রামে বিদ্যুৎ এসেছে ভাগীরথীর অপর পাড়ের নদিয়ার বেথুয়াডহরি থেকে। এলাকার বাসিন্দা প্রহ্লাদ ঘোষ শনিবার জানান, ভাগীরথীর দুই পাড়ে পোলে ১১ হাজার ভোল্টেজের বিদ্যুৎ লাইনের তার টানা হয়েছে। ভাগীরথী এখন জলে টইটুম্বুর। বিদ্যুতের তার ভাগীরথীর জলে ঠেকতে আর হাত কয়েক বাকী। সেই কারণেই গ্রামের লাইনে সাত দিন ধরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে রেখেছে বিদ্যুৎ দফতর। এরফলে ঝাউডাঙা ও হালতাচড় গ্রামের দেড়শটি পরিবার সাত দিন ধরে বিদ্যুৎ পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে রয়েছে।অপর বাসিন্দা দুর্গা মণ্ডল বলেন, ১১ হাজার ভোল্টেজের বিদ্যুৎতের তার যখন টানা হয় তখনই গাফিলতি ছিল। তার উঁচু করে টানা হয়নি। সেই জন্য ঝাউডাঙা ও হালতাচড় গ্রামে বিদ্যুৎ আসার পর থেকে প্রতি বছর বর্ষায় গ্রাম বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকে। ১১হাজার ভোল্টেজের বিদ্যুৎ লাইনের তার অ্যাঙ্গেলের সাহায্যে উঁচু করার জন্য বহুবার দুই গ্রামের মানুষ বিদ্যুৎ দফতরে দরবার করেছিল। কিন্তু কোন ফল হয়নি। শুক্রবারও নদিয়ার বেথুয়াডহরিতে বিদ্যুৎ দফতরে গিয়ে বিক্ষোভ দেখায় হালতাচড়া এবং ঝাউডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দারা। বিদ্যুৎ দফতরের কর্মীদের শনিবার গ্রামে লাইন ঠিক করতে আসার কথা ছিল। কিন্তু কেউ আসেনি। এইভাবেই প্রতি বছর বর্ষায় ভোগান্তি চলছেই। তার বিরাম ঘটছে না। সন্ধ্যা নামলেই অন্ধকারে ঢাকা পড়ছে ঝাউডাঙা ও হালতাচড় গ্রাম। দুর্ভোগের অবসান কবে ঘটবে তা জানা নেই পূর্বস্থলীর এই দুই গ্রামের বাসিন্দাদের। দুই গ্রামের অনেকেই টোটো চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন।টোটোয় চার্জ না থাকায় সেই টোটোগুলিও বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। পাশাপাশি তীব্র গরমে গ্রামের কয়েকশো মানুষ ব্যাপক অসুবিধার মধ্যে রয়েছেন। গ্রামের ছাত্র আশিষ ঘোষ জানায়, এখন তাঁদের অনলাইনে পড়াশুনো চলছে। কারেন্ট না থাকায় মোবাইল ফোনে চার্য দেওয়ার সূযোগ না থাকায় ফোন বন্ধ হয়ে রয়েছে। তাই লাটে উঠেছে অনলাইনে পড়াশুনা। সন্ধ্যা নামলে লম্ফ অথবা হ্যারিকেনের আলোয় কোনরকমে রাত কাটাতে হচ্ছে। বিদ্যুৎ দফতর দ্রুত ১১ হাজার ভোল্টেজের বিদ্যুতের তার টেনে উুঁচু করার ব্যবস্থা করে দুর্ভোগ থেকে মুক্তির ব্যবস্থা করুক, এমনটাই দাবি দুই গ্রামের পড়ুয়াদের।আরও পড়ুনঃ শনিবার দিনভর দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাসএই বিষয়ে পূর্বস্থলী উত্তরের বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায় বলেন, ভাগীরথী জলে টইটুম্বুর। বিদ্যুতের তার নদীর জল ছুঁইছুই হয়ে রয়েছে। এই অবস্থায় ওই তারে বিদ্যুৎ প্রবাহিত থাকলে ভয়ানক বিপদ ঘটে যাবে বলে বিদ্যুুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখা হয়েছে। নদীর জল না কমা পর্যন্ত কিছু করার নেই। ওই লাইনে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখতেই হবে।
আফগানিস্তান থেকে আমেরিকার সেনা যত সরছে, ততই একের পর এক এলাকা দখল করছে তালিবান। শুক্রবার নিমরোজ প্রদেশের রাজধানী জারঞ্জ শহরের দখল নিয়েছে তালিবান বাহিনী। প্রদেশের ডেপুটি গভর্নর রোহ গুল খয়েরজাদ নিজেই সংবাদমাধ্যমকে এ কথা জানিয়েছেন। আফগানিস্তানে সাম্প্রতিক গৃহযুদ্ধ পর্বে এই প্রথম গুরুত্বপূর্ণ কোনও প্রাদেশিক রাজধানী দখল করল তালিবান। সম্প্রতি তালিবান মুখপাত্র জবিউল্লা মুজাহিদ দাবি করেছেন, তাঁরা এখন উত্তর আফগানিস্তানের বলখ প্রদেশের রাজধানী মাজার-ই-শরিফেরও উপকণ্ঠে পৌঁছে গিয়েছেন। প্রসঙ্গত, আফগানিস্তানের ওই পঞ্চম বৃহত্তম শহর থেকে ইতিমধ্যেই কনস্যুলেট সরিয়ে নিয়েছে ভারত।আরও পড়ুনঃ লোকার গোজ গ্লোবাল-এ বেকারত্ব দূরীকরণে বিশেষ পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীরখয়েরজাদ শনিবার বলেন, ইরান সীমান্তের অদূরে দক্ষিণ-পশ্চিম আফগানিস্তানের শহরটি কার্যত বিনা লড়াইয়ে তালিবান দখল করেছে। নেটমাধ্যমে প্রকাশিত ছবি এবং ভিডিওয় তালিবান জঙ্গিদের ঘুরে বেড়াতে দেখা গিয়েছে জারঞ্জের রাস্তায়। সরকারি সূত্রের খবর, তালিবান বাহিনীর হাতে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিতেই কার্যত বিনা যুদ্ধে পালিয়ে যায় শহর রক্ষার দায়িত্বপ্রাপ্ত আফগান সেনা। মে মাসের শেষ পর্বে আমেরিকা সেনা আফগানিস্তান ছাড়া শুরু করতেই দেশের বিভিন্ন এলাকার দখল নিতে শুরু করেছে তালিবান। বিশেষভাবে ইরান, কাজাখস্তান, উজবেকিস্তান, তুর্কমানিস্তান এবং পাকিস্তান সীমান্ত ঘেঁষা শহরগুলি বিশেষ ভাবে নিশানা করেছে তারা। সীমান্তবর্তী এই শহরগুলি আফগানিস্তানের জাতীয় আয়ের অন্যতম উৎস। তাই এগুলোকেই জঙ্গিরা বিশেষভাবে নিশানা করছে বলে মনে করা হচ্ছে।
নার্গিস ফকরি। যারা হিন্দি সিনেমা ভালোবাসেন তারা সকলেই চেনেন। রকস্টার, মাদ্রাস ক্যাফে, ফাটা পোস্টার নিকলা হিরো সিনেমাগুলোর সঙ্গে সকলেই পরিচিত। সেই নার্গিস ফকরি বর্তমানে বলিউডের বাইরে। বেশ কয়েকবছর হয়ে গেল বলিউডের সঙ্গে তার কোনও যোগাযোগ নেই।আরও পড়ুনঃ মেদিনীপুরে শুটিং শুরু হল নিধন-এরতবে বলিউড থেকে সরে থাকলেও, তিনি যে খুশি সেটা জানিয়েছেন। নার্গিস বলেন, মডেলিং দিয়ে কেরিয়ার শুরু করেন তিনি। এরপর মডেলিংয়ের মাধ্যমেই বলিউডে অভিনয়ের সুযোগ পান। বি টাউনের অভিনয় করতে গিয়ে অনেক ধরনের প্রস্তাব পেয়েছেন তিনি। কখনও ন্যুড শ্য়ুট আবার কখনও পরিচালকের সঙ্গে বিশেষ সম্পর্ক। কিন্তু, সবকিছুই প্রত্যাখ্যান করেছেন তিনি। অর্থ বা জনপ্রিয়তা, কোনটাই তাঁকে গ্রাস করতে পারেনি। ফলে ওইসব প্রস্তাব ফিরিয়ে দিতে সময় লাগে বলে জানিয়েছেন নার্গিস। তিনি আরও বলেন, মডেলিংয়ে অনেক সময় টপলেস বা ন্যুড করার কথা বলা হয় কিন্তু তিনি কখনও তা করতে পারেননি। অভিনয়ের ক্ষেত্রেও তাই। ফলে কেরিয়ার বেশ খানিকটা তাঁর পিছিয়ে গেলেও, তিনি এসব বিষয় নিয়ে কখনওই চিন্তা করেন না বলে জানান এই অভিনেত্রী।
শুক্রবার লোকাল গোজ গ্লোবাল- মেক ইন ইন্ডিয়া ফর ওয়ার্ল্ড নামক একটি অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের শিল্প ও বাণিজ্য ক্ষেত্রের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে দেশের ব্যবসা উন্নয়নে শিল্পপতিদের বিশেষ জোর দেওয়ার পরামর্শ দেন। করোনা বয়ে এনেছে দেশে বেকারত্বও। যুব সম্প্রদায়ের কথা মাথায় রেখেই তাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শিল্পপতিদের রপ্তানি শিল্পে বিশেষ জোর দেওয়ার পরামর্শ দিলেন। করোনার ধাক্কায় দেশের অর্থনীতির গতি ধীর হয়েছে, তাকেই পুরনো গতিতে ফিরিয়ে আনতে বিশেষ সাহায্য করতে পারে রপ্তানি শিল্প, এমনটাই মত প্রধানমন্ত্রীর।আরও পড়ুনঃ ভারতীয় হকির পুনর্জন্মে নেপথ্য নায়ক নবীন পট্টনায়েকতিনি বলেন, বর্তমানে আমাদের জিডিপির ২০ শতাংশ নির্ভর করে রপ্তানির উপর। আমাদের দেশের অর্থনীতির আয়তন, ক্ষমতা ও উৎপাদন ক্ষমতার উপর ভিত্তি করে বলতে পারি যে রপ্তানিতে আরও বৃদ্ধি সম্ভব।তিনি বলেন, গুণমান ও বিশ্বাসযোগ্যতার মাধ্যমে নিজেদের পরিচয় তৈরি করার এটিই সঠিক সময়। বিশ্বের প্রতিটি কোণায় যাতে ভারতীয় পণ্যের চাহিদা তৈরি হয়, তার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। আগামী ২৫ বছরের পরিকল্পনা এখনই করে রাখতে হবে। এটি কেবল দেশের স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি উদযাপনেরই সময় নয়, একই সঙ্গে দেশের ভবিষ্যৎ গড়ার সুযোগও।করোনা পরবর্তী সময়ে বিশ্বে বাণিজ্যের দরজা যে খুলতে শুরু করেছে, তার উপযুক্ত ব্যবহার করা উচিত ভারতীয় রপ্তানিকারকদের, এই পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী। বিদেশে বসবাসকারী ভারতীয়দেরও তিনি অনুরোধ করেন ভারতীয় পণ্য বিক্রির জন্য নতুন বাজার তৈরিতে সাহায্য করতে। বিশ্ব বাজারে রপ্তানি বাড়াতে ভারতের বাধাহীন ও উচ্চ মানের সরবরাহ ব্যবস্থার প্রয়োজন, যা খরচ সাপেক্ষও হবে না, এমনটাই জানান প্রধানমন্ত্রী।
মেষ/ ARIES: মাতৃস্নেহ লাভ করবেন আজ।বৃষ/ TAURUS: আজ বিলাসিতায ডুব দেবেন আপনি।মিথুন/ GEMINI : পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কর্কট/ CANCER : পরোপকার করে আনন্দ পাবেন।সিংহ/ LEO: আজ সুখ-সম্ভোগ করবেন।কন্যা/ VIRGO: রাজনৈতিক সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়তে পারেন। তুলা/ LIBRA: হৃদরোগের আশঙ্কা রয়েছে।বৃশ্চিক/ Scorpio: সৌভাগ্য বৃদ্ধি পেতে পারে আজ। ধনু/ SAGITTARIUS: দুশ্চিন্তার মধ্যে পড়তে পারেন। মকর/ CAPRICORN: আজ অপত্যস্নেহ জন্মাতে পারে। কুম্ভ/ AQUARIUS: অসাধুতার কবলে পড়তে পারেন। মীন/ PISCES : ব্যভিচারের শিকার হতে পারেন।
অলিম্পিকে ৪১ বছর পর পদক জিতেছে ভারতীয় পুরুষ দল। পদক না জিতলেও দুর্দান্ত খেলা উপহার দিয়েছে মহিলা দল। অভিনন্দনের জোয়ারে ভেসে যাচ্ছেন দুদলের খেলোয়াড়রা। অথচ অসাধারণ সাফল্যের নেপথ্যে থাকা মানু্ষটাকে সকলে ভুলে গেছেন। ব্রাত্য নবীন পট্টনায়েক।Spoke to the victorious stars of Indian Mens #Hockey and congratulated them on their spectacular win over Germany to win Bronze medal in #Tokyo2020. May they continue to shine and bring more glory for the nation. #Cheer4India pic.twitter.com/zuteKBayeJ Naveen Patnaik (@Naveen_Odisha) August 5, 2021আইপিএল, আইএসএল গ্ল্যামারের দুনিয়ায় তলিয়ে গেছে গোটা দেশ। হকির জন্য ভাবার সময় ছিল না কারও। কোনও কর্পোরেট সংস্থা এগিয়ে আসেনি। নিঃশব্দে অর্থের ভান্ডার নিয়ে হাজির হয়েছিলেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েক। না, কোনও মাইলেজের আশায় নয়। শ্রেফ ভালবাসার টানে।আরও পড়ুনঃ প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থেকে চালকের আসনে ভারতস্পনসরের অভাবে যখন ধুঁকছিল ভারতীয় হকি, ২০১৮ সালে এগিয়ে এসেছিলেন নবীন পট্টনায়েক। ১৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন ভারতীয় হকির জন্য। সাহারার থেকে ৫ গুন বেশি অর্থ ঢেলেছিলেন। ২০১৮ বিশ্বকাপ হকি আয়োজন করে গোটা দেশকে চমকে দিয়েছিলেন। বিশ্বকাপ আয়োজনের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন ২০১৪ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজন করে। হকির প্রতি তিনি যে কতটা অনুরাগী, তার প্রমাণ দিয়েই চলেছেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী। ররাউরকেলায় তৈরি করছেন বিশ্বমানের হকি স্টেডিয়াম। লক্ষ্য ২০২৩ হকি বিশ্বকাপ সুষ্টভাবে সম্পন্ন করা। ভারতীয় হকির জন্য শুধু ১৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে থেমে থাকেননি নবীন পট্টনায়েক। টাটা গ্রুপের সঙ্গে যৌথভাবে ভুবনেশ্বরে গড়ে তুলেছেন হাই পারপরমেন্স সেন্টার।আরও পড়ুনঃ ৬৫ কেজি ফ্রিস্টাইলের সেমিফাইনালে হেরে গেলেন বজরং পুনিয়াঅন্য কোনও মুখ্যমন্ত্রী হলে, নিজের ঢাক পেটাতেন। নবীন পট্টনায়েক কিন্তু বরবারই প্রচার বিমুখ। নিঃশব্দে কাজ করে যান। ঢাউস ঢাউস হোর্ডিং লাগিয়ে, টিভিতে বিজ্ঞাপন দিয়ে আত্মপ্রচার করতেই পারতেন। সে রাস্তায় কখনও হাঁটেননি। ফটোগ্রাফাররা ছবি তুলতে গেলে চুপিচুপি ফ্রেম থেকে সরে যান। তিনি প্রমান করে দিয়েছেন, দেশের সেবা করতে গেলে হোর্ডিংবিজ্ঞাপন লাগে না। শুধু সদিচ্ছা প্রয়োজন।Spoke to the stars of Indian Women #Hockey Team and congratulated them for their exemplary performance in #Tokyo2020. They may have lost the match, but they have won over a billion hearts. May the team continue to inspire and set the path for a golden future. #Cheer4India pic.twitter.com/7GshNwZWNm Naveen Patnaik (@Naveen_Odisha) August 6, 2021টোকিও অলিম্পিকে হকিতে ভারতের পুনর্জন্মে এই ক্রীড়াপ্রেমী মুখ্যমন্ত্রীর অবদান কিন্তু কম নয়। কিন্তু নিজের কৃতিত্ব কোথাও জাহির করেননি। গোটা দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। ভবিষ্যতের জন্য শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। অনেক কিছুই করতে পারতেন, করেননি। তিনি যে আত্মপ্রচার বিমুখ। কখনও শিরোনামে আসতে চাননি। রাজ্যের ওপর দিয়ে বারবার ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটে গেছে। বিধ্বস্ত হয়েছে রাজ্য। কখনও ত্রাণের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে দরাদরি করতে দেখেছেন? সীমিত ক্ষমতা নিয়েই রাজ্যবাসীর পাশে দাঁড়িয়েছেন।আরও পড়ুনঃ ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে গ্রেট ব্রিটেনের কাছে হেরে ইতিহাসে নাম তুলতে ব্যর্থ রানিরানবীন পট্টনায়েকের হকি প্রীতির কারণ আছে। একসময় স্কুল পর্যায়ে ভাল হকি খেলতেন। দুন স্কুলের হয়ে তিনকাঠির নীচে দারুণ দক্ষতার পরিচয় দিয়েছিলেন। কলেজ জীবনে খেললেও উচ্চশিক্ষার জন্য পড়ে খেলা ছাড়তে বাধ্য হন। ভালবাসার টানেই তিনি আজ হকির পাশে দাঁড়িয়েছেন। যখন তিনি হকির জন্য বিনিয়োগ করেছিলেন, এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেছিলেন, এত টাকা বিনিয়োগ করা বাড়াবাড়ি নয়? সেই সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে নবীন পট্টনায়েক বলেছিলেন, হকিতে নয়, ভারতীয় ক্রীড়াপ্রেমী যুবকযুবতীদের ভবিষ্যতের জন্য বিনিয়োগ করছি। তাঁর বিনিয়োগ যে বিফলে যায়নি, প্রমান করে দিয়েছেন মনপ্রীত সিং, রানী রামপালরা। আগামী ১৬ই আগষ্ট নবীন পট্টনায়েক ভারতীয় দুই হকি দলকে (মহিলা ও পুরুষ) সম্বর্ধনা দেওয়ার জন্য ওডিশায় আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
তৃণমূলের সাংগঠনিক কাজে কৃষ্ণনগরে গিয়ে তৃণমূলের হেরে যাওয়ার ভবিষ্যৎবাণী করে চমকে দিলেন মুকুল রায়। খাতায় কলমে কৃষ্ণনগর উত্তরের বিজেপি বিধায়ক তিনি। এদিকে তৃণমূল ভবনে গিয়ে পুরনো দলে আবারও যোগ দিতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। শুক্রবার কৃষ্ণনগরে গিয়ে মুকুল রায় নিজের দলীয় অবস্থান রীতিমত গুলিয়ে দিয়ে বলেন, দেখা যাক উপনির্বাচন হোক। ভারতীয় জনতা পার্টির পক্ষ থেকে আমি বলতে পারি তৃণমূল উপনির্বাচনে পর্যুদস্ত হবে। কৃষ্ণনগরে ভারতীয় জনতা পার্টি স্বমহিমায় প্রতিষ্ঠা পাবে। তৃণমূল কংগ্রেস হেরে যাবে এখানে। পরক্ষণেই আবার মুকুল রায় বলেন, বিজেপির অস্তিত্ব থাকবে না। মা মাটি মানুষের কাছে তাদের সংকট প্রতিষ্ঠিত হবে।কেন মুকুল রায় এ ধরনের মন্তব্য করলেন তা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠছে। এটা কি মুকুলের কোনও রাজনৈতিক কৌশল না কি শারীরিক কোনও সমস্যা থেকে তিনি একই মুখে দুকথা বলছেন তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে রাজনৈতিক মহল। প্রসঙ্গত, মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইনে মামলা চলছে। সে কারণে নিজের নির্বাচন কেন্দ্রে নিয়ে মুকুল রায় বিজেপি নেতা বলেই নিজেকে প্রমাণের চেষ্টা করে থাকতে পারেন বলে মনে করছেন একাংশ। এ প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেন, মুকুল রায় যা বলেন কিছুক্ষণের মধ্যেই তার উল্টো প্রতিক্রিয়া দেন। যেদিন উনি বিজেপি ছেড়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে তৃণমূলে যোগ দিলেন, তার এক ঘণ্টা আগে উনি আমাদের এক দলীয় নেতাকে বলেছিলেন আমার স্ত্রী অসুস্থ, আমার মানসিক অবস্থার ঠিক নেই। অথচ লোকজন বলছে, আমি নাকি তৃণমূলে যাচ্ছি। তার পর তিনি চলে গেলেন। ওনাকে দীর্ঘদিন ধরে চিনি। মানসিক চাপে আছেন। উনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কথা বলেন এবং অবস্থান বদলে ফেলেন।কেউ বলতে পারেন ওনার শারীরিক অবস্থা ঠিক নেই, কেউ বলতে পারেন মানসিক চাপে আছেন। আমরা ওনার সুস্থ জীবন, দীর্ঘায়ু কামনা করি।
দ্রুত উপনির্বাচন করানোর দাবিতে ফের নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস৷ আজ, দিল্লিতে তৃমমূলের একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনে গিয়ে এই দাবি জানাবে৷ গত মাসেও একই দাবি নিয়ে কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদরা৷ এদিকে, উপনির্বাচনের দাবিতে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে আজ বেলা আড়াইটের সময় দেখা করতে যাবেন তৃণমূলের প্রতিনিধি দল।বিধানসভার উপনির্বাচনের দাবিতে শুক্রবার ফের নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হতে চলেছে তৃণমূল। সূত্রের খবর, এদিন উপনির্বেচনের দাবিতে CEO-র কাছে যাবে তৃণমূল নেতৃত্ব। যথা সময়ে নির্বাচনের দাবি জানাবেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং সুব্রত বক্সি, তাপস রায় -সহ অন্যান্যরা। আরও পড়ুনঃ কলকাতাগামী ট্যাঙ্কার থেকে গ্যাস লিকেজ, ব্যাপক আতঙ্ক ছড়াল বর্ধমানে উপনির্বাচনের দাবিতে আগেই কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে তৃণমূলের সংসদীয় দল। তৃণমূলের তরফে দাবি করা হয় যে, উপনির্বাচনের জন্য সাতদিন প্রচারের সময় দিলেই চলবে। করোনা পরিস্থিতিতেও যাতে কোনও ব্যাঘাত না ঘটে, সেই বিষয়টিও দেখা হবে। তৃণমূলের অভিযোগ, সাত বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচন না করিয়ে রাজনৈতিক ভাবে তাঁদের অসুবিধার মধ্যে ফেলতে পারে বিজেপি। সেই পরিকল্পনা ভেস্তে দিতেই তৃণমূলের এই তৎপরতা।রাজ্যে পাঁচটি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনের পাশাপাশি দুটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণও বাকি রয়েছে৷ যে পাঁচটি কেন্দ্রে উপনির্বাচন হওয়ার কথা, তার মধ্যে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে ভোটে লড়ার কথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের৷ কারণ নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে পরাজিত হওয়ায় শপথ নেওয়ার ছ মাসের মধ্যে যে কোনও একটি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জিতে আসতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকে৷ নভেম্বর মাসে সেই সময়সীমা শেষ হচ্ছে৷ হাতে সময় থাকলেও দ্রুত উপনির্বাচন করানোর পক্ষে তৃণমূল৷ তাই এই দাবিতে নির্বাচন কমিশনের উপরে চাপ বজায় রাখতে চাইছে তারা৷
কয়েকদিনের ভারি বৃষ্টিপাত ও ডিভিসির ছাড়া জলে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গার পাশাপাশি পূর্ব বর্ধমানের বেশকিছু এলাকা বানভাসী হয়েছে। তার জেরে ক্ষয়ক্ষতিও নেহাত কম হয়নি। এখনও কোথাও বসতবাড়ি তো কোথাও চাষ জমি ডুবেছে জলের তলায়। ক্ষয়ক্ষতির সার্বিক পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে বৃহস্পতিবার জেলার রায়না ২ ব্লকের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ ও সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি তথা রায়নার বিধায়ক শম্পা ধাড়া, ব্লকের বিডিও অনিশা যশ, জেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মাধ্যক্ষ ও সদস্যরা। মন্ত্রীরা ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।আরও পড়ুনঃ এবার দলের কর্মীদের দিয়ে পায়ে জুতো গলিয়ে বিতর্কে বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়কবিডিও অনিশা যশ জানিয়েছেন, অতিবৃষ্টির কারণে রায়না ২ ব্লকের ৫ হাজার কৃষকের চাষ জমির ক্ষতি হয়েছে। ২ হাজার হেক্টর কৃষি জমিতে এখনও জল দাঁড়িয়ে আছে। মৎস্যচাষীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ৭০ টনের কাছাকাছি পুকুরের মাছ ভেসে চলে গিয়েছে। ৩৫ হেক্টর পুকুরের জল ওভার ফ্লো হয়েছে। অতিবৃষ্টিতে ব্লকের তিনটি গ্রামপঞ্চায়েত এলাকায় বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আরুই গ্রামপঞ্চায়েত ও উচালন গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিডিও তথ্য উল্লেখ করে বলেন, এখনো পর্যন্ত গোটা রায়না ২ ব্লকে ১১টি বসত বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বড়বৈনান গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত বাতাসপুর এলাকায় একটি রাস্তার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়াও আরও কয়েকটি রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উচালন গ্রামপঞ্চায়েতর অন্তর্গত একলক্ষী বাজার সন্নিকটের দেব খাল দিয়ে প্রচুর পরিমাণে জল নিকাশি হওয়ায় বাঁধে ধস নেমেছে। ফলস্বরূপ একটি শ্মশান চুল্লি পুরোপুরিভাবে দেব খালে ভেসে গিয়েছে। একটি কাঠের ব্রিজও সম্পূর্ণ ভাবে ভেঙে গিয়ে দেব খালে তলিয়ে গিয়েছে। বর্ধমান এবং বাঁকুড়ার সঙ্গে সংযোগকারী একটি পাকা সেতুরও আংশিক ক্ষতি হয়েছে। মন্ত্রীরা এদিন উচালন গ্রামপঞ্চায়েতের একলক্ষ্মী বাজার সংলগ্ন অলি বাজার এলাকার দেব খাল পরিদর্শন করেন।আরও পড়ুনঃ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে এসএফআই-এর কনভেনশনমন্ত্রী স্বপন দেবনাথ জানান, এলাকা পরিদর্শন করা হল। রায়না বিধানসভার বিধায়ককে তাঁর বিধায়ক তহবিল থেকে ওই শ্মশানের চুল্লি করে দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিতে বলা হয়েছে।
মেষ/ ARIES: বিপদের আশঙ্কা রয়েছে। বৃষ/ TAURUS: অনুতাপ দেখা দিতে পারে। মিথুন/ GEMINI : হঠাৎ করে আঘাত পেতে পা্রেন। কর্কট/ CANCER : কোনও কিছুতে উৎপাত বৃদ্ধি পেতে পারে। সিংহ/ LEO: বাতের ব্যথা দেখা দিতে পারে।কন্যা/ VIRGO: অর্থব্যয় হতে পারে। তুলা/ LIBRA: ভোগের প্রবল ইচ্ছা। বৃশ্চিক/ Scorpio: কোনও কারণে অনুতাপ বৃদ্ধি পেতে পারে।ধনু/ SAGITTARIUS: সম্মান পেতে পারেন।মকর/ CAPRICORN: মানসিক চিন্তা বৃদ্ধি পেতে পারে।কুম্ভ/ AQUARIUS: কোনও কারণে ভোগান্তি হতে পারে।মীন/ PISCES : মনে আনন্দ দেখা দিতে পারে।
সপ্তাহখানেক আগে পর্যন্ত কোভ্যাক্সিন নিয়ে টানাটানি চলছিল কলকাতায়। যদিও দিনদুয়েক আগে তা মিটে গিয়েছে। কিন্তু এ বার সংকট দেখা দিয়েছে কোভিশিল্ড নিয়ে। যে ভ্যাকসিনের সরবরাহ সাধারণত নিয়মিতই হয়ে থাকে, সেই ভ্যাকসিনের ভাঁড়ারই ফুরিয়ে এসেছে। ঠিক সেই কারণে আগামিকাল থেকে কলকাতা পুরসভার ১০২ টি পুরস্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং ৫০ টি মেগাসেন্টারে কোভিশিল্ড দেওয়া বন্ধ থাকছে।একদিকে যখন গোটা রাজ্যের টিকাকরণের ছবিটাই খুব একটা আশা জাগাতে পারছে না, তখন কলকাতা পুরসভার এই ছবি যে আরও হতাশাজনক, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। জেলায় জেলায় টিকার দাবিতে রীতিমতো হাহাকার পড়ে গিয়েছে। এই অবস্থায় শহরবাসীর জন্য খারাপ খবর শোনাল কলকাতা পুরসভা। শুক্রবার কলকাতায় কোভিশিল্ড দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে পুরসভার পক্ষ থেকে। প্রথম বা দ্বিতীয় কোনও ডোজ মিলবে না এ দিন। কলকাতা পুরসভার কমিশনার বিনোদ কুমার বৃহস্পতিবার এই উদ্বেগজনক তথ্য জানান।
অবশেষে রাজ্যের স্কুল-কলেজ খুলতে চলেছে রাজ্যে! এমনই আশার বাণী শোনালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। করোনা মোকাবিলায় গঠিত গ্লোবাল অ্যাডভাইজারি বোর্ডের প্রধান নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৃহস্পতিবার নবান্নে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। তৃতীয় ঢেউয়ের মোকাবিলায় রোডম্যাপ তৈরি নিয়ে এ দিনের বৈঠকে আলোচনা হয়। বৈঠকের শেষে সাংবাদিক বৈঠকের মুখোমুখি হয়ে মমতা জানান, পুজোর পরই রাজ্যে স্কুল খোলার পরিকল্পনা রয়েছে রাজ্যের। কোভিড পরিস্থিতি যদি ঠিক থাকে, তবে পুজোর ছুটির পরই একদিন ছাড়া একদিন স্কুলগুলি খোলা হতে পারে বলে এ দিন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।আরও পড়ুনঃ আবার ব্যর্থ কোহলি, চ্যালেঞ্জ নিয়ে কথা রাখলেন অ্যান্ডারসনযদিও কলেজ খোলা নিয়ে আলাদা করে তিনি এ দিন কিছুই বললেনি। তবে স্কুল খোলা হতে পারে, এমন সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন। কিন্তু কোন ক্লাস থেকে কোন ক্লাসের পড়ুয়াদের স্কুলে ডাকা হবে সেই নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। মমতা বলেন, পুজোর ছুটির পর আমরা চেষ্টা করব একদিন ছাড়া একদিন স্কুলগুলো খোলার। মুখ্যমন্ত্রীর আজকের এই ঘোষণার ফলে রাজ্যের শিক্ষা এবং পড়ুয়া মহলে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরেছে বলা চলে। শিক্ষক সংগঠনের অবশ্য় দাবি, পুজোর পর খুলতে হলে অনেক দেরি হয়ে যাবে। ততদিনে আরও সময় নষ্ট হবে, নতুন করে ঢেউও আসতে পারে। কিন্তু এখন পরিস্থিতি যেমন রয়েছে, তাতে এখনই একদিন ছাড়া একদিন স্কুল চালু করে দেওয়া সম্ভব।তৃতীয় ঢেউয়ের সঙ্গে কোন পথে মোকাবিলা করা সম্ভব, তা নিয়ে পরিকল্পনা নির্ধারিত করতেই এ দিন নবান্নে অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন মমতা। বৈঠক শেষে অভিজিৎবাবু বলেন, এই মুহূর্তে যত বেশি পরিমাণে টিকাকরণ করা যায়, তত বেশি মানুষ সুরক্ষিত হবেন। দুর্গা পুজোর পরে যাতে পরিস্থিতির কোনওভাবে অবনতি না হয়, সেই উপলক্ষে পুজোর জন্য একটি পৃথক প্রকোটলও তৈরি করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন এই বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ।
বর্তমানে স্টার জলসার অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক শ্রীময়ী। সন্ধ্যা ৭টা বাজলেই শ্রীময়ী দেখার জন্য টিভির সামনে বসে পড়েন দর্শকরা। সকলের প্রিয় এই ধারাবাহিকের ৭০০ তম এপিসোড হল। এই ধারাবাহিকের ৭০০ তম এপিসোড হয়ে যাওয়ায় খুব খুশি অভিনেতা টোটা রায়চৌধুরী ও এই ধারাবাহিকের মুখ্য চরিত্র রোহিত সেন। দর্শকদের ধন্যবাদ জানিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন তিনি। অনেক বড় একটি পোস্ট। যে পোস্টের শেষে তিনি অনেককে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। লিখেছেন,ধন্যবাদ ও ভালোবাসা জানাই তাঁকে, যিনি এই সিরিয়ালের প্রাণ; আপনার, আমার, সকলের #শ্রীময়ী, ইন্দ্রানী হালদার কে। আর আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা জানাই আপনাদের, যাঁরা দিনের পর দিন আমাদের সহযাত্রী হয়ে পথ চলতে সাহায্য করেছেন। শ্রীময়ী ধারাবাহিকে রোহিত সেন ও শ্রীময়ীর কেমিস্ট্রি দর্শকরা খুব ভালোভাবে নিয়েছে। তাই টোটা রায় চৌধুরী স্বীকার করে নিয়েছেন তাঁর বয়স ৪০ পেরিয়ে গেলেও যে ভালোবাসাটা তিনি পেয়েছেন ভুলতে পারবেন না। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এই ধারাবাহিকে অভিনয় করছেন টলিউডের আরও কিছু পরিচিত মুখ। এদের মধ্যে রয়েছেন ভরত কল, সুদীপ মুখার্জি, ঊশশী চক্রবর্তী, সপ্তর্ষি মৌলিক, ঐশী ভট্টাচার্জ, চিত্রা সেন সহ আরও অনেকে।
বাদল অধিবেশনের প্রথমদিন থেকেই বারবার পেগাসাস-কাণ্ড নিয়ে উত্তাল হয়েছে সংসদের উভয়কক্ষ। তদন্ত চাই, বিষয়টি সামনে আসুক এই দাবিতে দায়ের হয়েছে একাধিক পিটিশন। এবার আড়ি পাতা কাণ্ডে ৯ পিটিশনের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার শুনানি শুরু হয়েছে শীর্ষ আদালতে। প্রধান বিচারপতি এনভি রমনা ও বিচারপতি সূর্যকান্তের ডিভিশন বেঞ্চে উঠেছে এই মামলা।পেগাসাস কাণ্ডে তদন্ত চেয়ে প্রবীণ সাংবাদিক এন রাম ও শশী কুমার, রাজ্যসভার সিপিএম সাংসদ জন ব্রিটাস এবং আইনজীবী এম এল শর্মা সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছেন। এদিন প্রধান বিচারপতি বলেন, মিডিয়ায় প্রকাশিত তথ্য সত্যি হলে তা গুরুতজ। অন্যদিকে, এডিটর্স গিল্ডও সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছে। বাকস্বাধীনতায় আঘাত ও ব্যক্তি পরিসরের মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী বলে সওয়াল করা হয়েছে পিটিশনে। কপিল সিবল সওয়ালে বলেছেন, সরকারকে এক্ষেত্রে উত্তর দিতে হবে, কত টাকা দিয়ে কিনেছিল সরকার। কোথায় রাখা হয়েছ হার্ডডিস্ক।ইজ়রায়েলের এনএসও সংস্থা বহু দেশকে ফোন হ্যাক করার পেগাসাস স্পাইওয়্যার বেচেছিল। সেই তথ্যভাণ্ডার থেকেই সম্প্রতি ৫০ হাজার ফোন নম্বরের তালিকায় ফাঁস হয়ে গিয়েছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল-সহ বিশ্বের একাধিক দেশের সংবাদমাধ্যম তার তদন্তে নেমেছে। সেই তদন্তেই এ বার অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অরুণ মিশ্রর নাম উঠে এসেছে। তিনি ২০২০-র সেপ্টেম্বরে অবসর নেন। ২০১৯-এ নজরদারির তালিকায় তাঁর একটি নম্বর যোগ করা হয়। বিচারপতি মিশ্র সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তিনি ২০১৪-য় এপ্রিলেই ওই ফোন নম্বর ব্যবহার করা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। তদন্তে উঠে এসেছে, পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংক প্রতারণায় অভিযুক্ত নীরব মোদির আইনজীবী বিজয় আগরওয়াল, অগুস্তা ওয়েস্টল্যান্ড হেলিকপ্টার কেনায় দুর্নীতিতে অভিযুক্ত মিডলম্যান ক্রিশ্চিয়ান মিশেলের আইনজীবী আলজো জোসেফের নম্বরও সম্ভাব্য নজরদারির তালিকায় ছিল।
অনীক দত্ত একজন পরিচালক হিসাবে কতটা ভালো সেটা সকলেরই জানা। তাঁর নির্মিত ছবিগুলোই সেই কথা বলে। সেই অনীক দত্ত এবার ডাক পাচ্ছেন অভিনয়ের জন্য। কিন্তু তাঁকে সব প্রস্তাব ফিরিয়ে দিতে হচ্ছে। কারণ তাঁর আগামী ছবি অপরাজিতা-র শুটিং এ ব্যস্ত।আরও পড়ুনঃ মুক্তি পেল বেল বটম-এর ট্রেলারমঙ্গলবার সোশ্যাল মিডিয়াতে অনীক দত্ত জানিয়েছেন, ওই দিন বিশাল ভরদ্বাজ তাঁর আগামী ওয়েব সিরিজে মুখ্য চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন তাঁকে। যথারীতি অনীক ফিরিয়ে দিয়েছেন সেই ডাক। তিনি আরও জানিয়েছেন, এই ঘটনা নতুন নয়। বহু বছর ধরেই বিভিন্ন পরিচালক তাঁকে এই প্রস্তাব দিয়েছেন। নিজের কাজের খাতিরে সেই প্রস্তাব সবিনয়ে প্রত্যাখ্যান করতে হয়েছে তাঁকে। বিশালের আগে আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্ত তাঁকে অভিনয়ের জন্য ডেকেছিলেন। অনীক তাঁর ডাকেও সাড়া দিতে পারেননি।আরও পড়ুনঃ দেখুন নুসরতের জীবনের প্রকৃত ভালোবাসা কেএই প্রসঙ্গে পরিচালক আরও জানিয়েছেন, মঙ্গলবার তাঁর কাছে বলিউডের পরিচালকের কাস্টিং ডিরেক্টরের ফোন আসে। তিনি অভিনেত্রী মৌমিতা পণ্ডিতের নামও করেন। এই প্রসঙ্গে তিনি জানান, ২০১২-য় ভুবনেশ্বরে বিশালের সঙ্গে একটি আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন। পরে বিশালের সঙ্গে অনেকক্ষণ আড্ডাও দিয়েছিলেন তিনি। পাশাপাশি পরিচালকের আফসোস, এ জীবনে সম্ভবত তাঁর আর পরিচালক-অভিনেতা হওয়া হল না। কী ধরনের চরিত্রে অভিনয়ের ডাক পেয়েছিলেন অনীক? পরিচালক জানিয়েছেন, প্রস্তাবে রাজি হলে সিরিজে তাঁকে অবসরপ্রাপ্ত বাঙালি ব্রিগেডিয়ারের ভূমিকায় দেখা যেত
মেষ/ ARIES: আজ সাহসের অভাব দেখা দিতে পারে।বৃষ/ TAURUS: বাড়িতে অর্থাগম হতে পারে। মিথুন/ GEMINI : উচ্চশিক্ষার সুযোগ আসতে পারে। কর্কট/ CANCER : প্রবঞ্চনার শিকার হতে পারেন।সিংহ/ LEO: অস্থিরতা বৃদ্ধি পেতে পারে। কন্যা/ VIRGO: কারুর অনুগ্রহ লাভ করতে পারেন। তুলা/ LIBRA: দাম্পত্য কলহ সৃষ্টি হতে পারে।বৃশ্চিক/ Scorpio: কোনও সমস্যা থাকলে তার সমাধান হতে পারে। ধনু/ SAGITTARIUS: ঋণ নিয়ে থাকলে আজ তা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। মকর/ CAPRICORN: অর্থের ক্ষতি হতে পারে।কুম্ভ/ AQUARIUS: কর্মপ্রাপ্তির যোগ রয়েছে।মীন/ PISCES : অবৈধ প্রণয় দেখা দিতে পারে।
আবহা্ওয়া খারাপ ও যান্ত্রিক ত্রুটি থাকায় হেলিকপ্টারে করে খানাকুলের বন্যা পরিস্থিতি দেখতে যেতে পারেননি। কিন্তু সড়কপথে উদয়নারায়ণপুর, আমতার বন্যা কবলীত এলাকা পরিদর্শন করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বন্যার্তদের সাধ্যমত সাহায্যের আশ্বাসও দেন। এদিকে, এদিনই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ফোনালাপে ডিভিসির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতিকে ম্যান মেড বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ বার প্রধানমন্ত্রীকে একটি চিঠি দিয়ে সমস্ত বিষয় উল্লেখ করে সুরাহা চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী। চিঠিতে তিনি জানান, ডিভিসির ইচ্ছে মতো জল ছাড়ার কারণেই ২০১৫, ২০১৭, ২০১৯ সালের পর আবার এই বছর রাজ্যে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হল।চিঠিতে মমতা জানান, নিম্নচাপের কারণে বিগত কয়েক দিন ধরেই পশ্চিমবঙ্গ এবং ঝাড়খণ্ডে টানা বৃষ্টি হয়ে চলেছে। আর এই সময়ে মাইথন, পাঞ্চেত ও তেনুঘাট জলাধার থেকে প্রায় দুলাখ কিউসেক জল ছেড়েছে ডিভিসি, যার জেরেই রাজ্যের হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ১৬ জনের প্রাণহানি ছাড়াও লাখ লাখ মানুষের জীবন-জীবিকা বিপর্যস্ত।আরও পড়ুনঃ ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ রানি রামপালরা, সামনে এবার ব্রোঞ্জের লড়াই২০১৫ সালের বন্যার সময়েও মোদির কাছে ডিভিসির সংস্কার, পলি পরিষ্কার এবং ডিভিসির জলধারণ ক্ষমতা ১.২ লক্ষ একর ফুট বাড়ানোর আবেদন করেছিলেন মমতা। সেই বিষয়টিও চিঠিতে উল্লেখ করেন মমতা। পলি পরিষ্কার করে পাঞ্চেত জলাধারের জল ধারণ ক্ষমতা ১০ কোটি কিউবিক মিটার এবং মাইথন বাঁধে একটি গোলাকৃতি জলাধার বানিয়ে জল ধারণ ক্ষমতা ১২ কোটি কিউবিক মিটার বাড়ানোর আবেদন সেই সময়ে করেছিলেন তিনি। সেই সঙ্গে ঝাড়খণ্ডের বেলপাহাড়ির কাছে ষষ্ঠ বাঁধ নির্মাণেরও দাবি জানিয়েছিলেন। এই বিষয়গুলি চিঠিতে উল্লেখ করে মমতা জানান, রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং অন্যান্য উচ্চপদস্থ সরকারি আধিকারিকরা তো বটেই, তিনি নিজে এ বিষয়ে বার বার উদ্যোগী হওয়া সত্ত্বেও কেন্দ্রের তরফে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি।চিঠিতে মমতা জানান, ডিভিসির জলাধারে দীর্ঘদিন ধরে পলি পড়া এবং রক্ষণাবেক্ষণে গাফিলতির কারণেই সেগুলির জল ধারণ ক্ষমতা দিনে দিনে কমেছে। তার জন্যই বার বার বাংলায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। এরই সঙ্গে আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে বঙ্গোপসাগরে ঘন ঘন নিম্নচাপ সৃষ্টি এবং লাগাতার ভারী বর্ষণ তো রয়েছেই। ঘন ঘন ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং মনুষ্য-সৃষ্ট বন্যার কারণে ক্ষত-বিক্ষত বাংলা। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রের থেকে পর্যাপ্ত আর্থিক সাহায্য রাজ্য সরকার পাচ্ছে না বলে ফের প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী।
খারাপ আবহাওয়ার জন্য জলমগ্ন খানাকুল সফর বাতিল করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । কপ্টারে করে খানাকুলে যাওয়ার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। তবে সড়ক পথে উদয়নারায়ণপুরে যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ত্রাণ শিবিরে গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। ডিভিসি, মাইথন ও পাঞ্চেত বাঁধ থেকে জল ছাড়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিষয়টা দেখার আশ্বাস দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। আপাতত হাওড়ার উদয়নারায়ণপুরে প্রথমে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী। টানা বৃষ্টিতে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়। জলের তোড়ে ভেসে গিয়ে উদয়নারায়ণপুরে এক কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরেই উদ্ধার করা হয় তার দেহ। মেয়েটির পরিবার জানিয়েছে, স্নান করতে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল মেয়েটি। জলের স্রোতে ভেসে বাড়ি থেকে কিছু দূরে পুকুরে পড়ে। সাঁতার না জানায় তলিয়ে যায়।