• ৮ ভাদ্র ১৪৩৩, বৃহস্পতি ২৭ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

INC

রাজ্য

উৎসবে কাতারে কাতারে মানুষ মেট্রোতে, ষষ্ঠীতে আয় কোটির ওপর

করোনা আবহ পেরিয়ে এবার দুর্গাপুজোয় মহানগর ভিড়ে ঠাসা। রেকর্ড ভিড় মেট্রোতেও। শহরের এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্ত যাওয়ার ক্ষেত্রে মেট্রোকেই ভরসা যাত্রীদের। তাই রোজই নতুন নতুন রেকর্ড গড়ছে মেট্রো। চতুর্থী থেকে ষষ্ঠী পর্যন্ত কলকাতা মেট্রো কোটি কোটি টাকার ওপর আয় করেছে। গড় যাত্রী সংখ্যা নিত্য দিন প্রায় ৭ লক্ষ। দিনভর পরিষেবা দিচ্ছে মেট্রো। যাত্রী সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় টিকিট কাউন্টারের সংখ্যাও বাড়িয়েছে কতৃপক্ষ। মেট্রো রেল জানিয়েছে, ষষ্ঠীতে সাড়ে ৭ লক্ষেরও বেশি যাত্রী মেট্রোতে চড়েছেন। গতকাল অর্থাৎ ১ অক্টোবর মেট্রো রেলের মোট যাত্রী সংখ্যা ছিল ৭ লক্ষ ৫৩ হাজার ৩৯০ জন। ষষ্ঠীতে মোট ২৮৮টি ট্রেন চালিয়েছে কলকাতা মেট্রোরেল। এই দিন টোকেন, স্মার্ট কার্ড বিক্রি এবং স্মার্ট কার্ড রিচার্জে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের মোট আয় হয়েছে ১ কোটি ২৮ লক্ষ ৯৭ হাজার ৩৩০ টাকা।ষষ্ঠীতেও সর্বাধিক যাত্রী চড়ার রেকর্ড দমদম স্টেশনের। দমদমে ১ অক্টোবর ৮৭ হাজার ৩৬৪ জন যাত্রী মেট্রোয় চেপেছেন। কালীঘাট স্টেশন থেকে ৬০ হাজার ৯৮৮ জন, এসপ্ল্যানেড থেকে ৪৫ হাজার ৩০১ জন এবং রবীন্দ্র সদন থেকে ৩৭ হাজার ১৪ জন যাত্রী ষষ্ঠীতে মেট্রোয় চেপেছেন। গতকাল ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোয় ৩৬ হাজার ২৭৫ জন যাত্রী মেট্রোয় চেপেছেন।

অক্টোবর ০২, ২০২২
নিবন্ধ

অপরাজেয় (ছোট গল্প)

আজ অনিন্দ্য আর অপরাজেয় দুজনের জীবনের এক বিশেষ দিন। সারা ভারতের নতুন শিল্পীদের যে প্রতিযোগিতা হচ্ছে আজ ছিল তার ফাইনাল। সেখানে টুবাই অর্থাৎ অপরাজেয় প্রথম হয়েছে। অনিন্দ্য সিঙ্গেল ফাদার হিসাবে আজ সফল। কে বলে বাবারা কিছু পারেনা; মা না থাকলে সন্তান সঠিক ভাবে মানুষ হয়না!! আজ সেই সব কথা কে ভুল প্রমাণিত করে দিয়েছে অনিন্দ্য। এতে অবশ্যই ওর মা বাবার ভূমিকা ও আছে। আর সব থেকে বড় যে সেই টুবাই সব সময় বাবার কথা শুনে চলেছে। ওদের বাবা ছেলের মধ্যে বোঝাপড়া খুব সুন্দর। টুবাই এর সব বন্ধুরা ও খুব ভালোবাসে অনিন্দ্যকে। এবং বলে কপাল করে বাবা পেয়েছে অপরাজেয়। তবে অনিন্দ্য র চলার পথটা যে এরকম হবে সেটা বোধহয় ও নিজেও কখনো ভাবেনি। পারমিতা আর অনিন্দ্য একই কলেজে পড়তো। কলেজের অ্যানুয়াল প্রোগ্রামের দিন সিনিয়র অনিন্দ্যর মঞ্চে গান গাইতে উঠে চোখ আটকে যায় হরিণ নয়না পারমিতার দিকে। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারে নতুন ভর্তি হয়েছে ওদের কলেজে। অনিন্দ্যর ব্যাচের একটি মেয়ের মাধ্যমে পরিচয় তার থেকে বন্ধুত্ব। কলেজ শেষের পর বুঝতে পারে দুজনেই যে বন্ধুত্ব পরিণত হয়েছে ভালোবাসায়। দুজন দুজনকে ছেড়ে থাকতে পারবে না। অনিন্দ্য তখন একটা কলেজ ক্যাম্পাসিং এ একটা ভালো কোম্পানিতে জয়েন করেছে আর পারমিতার ফাইনাল ইয়ার। অনিন্দ্য পারমিতাকে বলে ওর পরীক্ষা হয়ে গেলে বাড়িতে বিয়ের কথা বলবে। কিন্তু পারমিতার ইচ্ছা বিয়ে টা পরে করবে। তাই অনিন্দ্য আর এগোয় না। অনিন্দ্য অফিস আর পারমিতা কলেজ সামলে নিজেদের জন্য সময় বের করে দেখা করে। এইভাবে কাটতে থাকে সময়। অনিন্দ্য এরমধ্যে একটা ব্যাপার বোঝে পারমিতা খুব উচ্চাকাঙ্ক্ষী। ও আরও পড়তে চায়,মাস্টার্সে ভর্তি হয়। পারমিতা চায় অনিন্দ্য এম বি এ করে আরও উন্নতি করুক চাকরিতে। কিন্তু অনিন্দ্য ভালোবাসে গান। তাই ও বেশি উন্নতি চায় না। বলে কি হবে বেশি উন্নতি করে , যদি নিজের মত করে বাঁচতেই না পারলাম। পারমিতা নানাভাবে বোঝায় কিন্তু অনিন্দ্য একইভাবে বলে। আসলে ছোটো থেকে গান নিয়ে বেড়ে ওঠা অনিন্দ্য গান ছাড়া ভাবতে পারে না। তাই মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেটা চাকরির ইঁদুর দৌড়ে সামিলহয় না। পারমিতা মাস্টার্স করার পর একটা খুব ভালো চাকরি পায়। এর মাঝে ওরা রেজিস্ট্রি টা করে নিয়ে ছিল। পারমিতা চাকরি পাওয়ার পর ওর বিত্তশালী বাবা যখন বিয়ের জন্য বলেন তখন পারমিতা বাবাকে সব বলে। বাবা রাজী হয় না। পারমিতা ও খুব জেদি, ও একদিন অনিন্দ্যর কাছে চলে আসে। অনিন্দ্যর মা বাবা ওকে আদর করে ঘরে তোলেন। একটা ঘরোয়া অনুষ্ঠান করে ওদের বিয়ে টা হয়ে যায়। ধনীর দুলালী পারমিতার অনেক অসুবিধা হয় ওদের ওখানে; প্রথম প্রথম মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেনি যে তা নয়। কিন্তু পার্থক্য বেশি হলে মানিয়ে নেওয়া কঠিন। পারমিতার সেরকম সমস্যা হত থাকে বিয়ের এক বছরের মধ্যে। অনিন্দ্য বুঝতে পারে তাই ও চেষ্টা করে পারমিতার জন্য একটু অন্যরকম করে ভাবতে। পারমিতা যেন এক বছরের মধ্যে হাঁপিয়ে ওঠে। ওর অভ্যাস গুলো যে অন্যরকম। ওর মত করে যাতে থাকতে পারে অনিন্দ্য সে জন্য কোম্পানির ফ্ল্যাটে চলে যায় ওকে নিয়ে।দেখতে দেখতে বিয়ের পাঁচ বছর হয়ে যায়। এমন সময় একদিন পারমিতা খুব অসুস্থ হয়ে পড়ে। ডাক্তার দেখালে জানতে পারে ও মা হতে চলেছে। এই খবর শুনে অনিন্দ্য খুব খুশি হয়। ওর মা বাবাও খুব খুশি হয়। অনিন্দ্য এই খবরটা পারমিতার মাকে জানায়। ওনার সব ভুলে আনন্দে মেতে ওঠেন। কিন্তু পারমিতা খুশি হতে পারে না। ও বলে এই বাচ্চা ও চায় না। ওর কেরিয়ারের এখন উন্নতির সময় ও ঝামেলা নিতে চায় না। কিন্তু সবাই ওকে অনেক বোঝায়, আর তাতে ও রাজী হয় তবে একটা শর্তে। বাচ্চার ছমাস হয়ে গেলে আর কোনো দায়িত্ব ও নেবে না। তাতেই অনিন্দ্য রাজী হয়। অনিন্দ্য ভাবতে থাকে এ্ কোন পারমিতা! যাকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিল এ তো সে নয়। বাচ্চাকে দেখতে সারাদিনের আয়া রাখলো। বাচ্চার দিকে যেন পারমিতার খেয়াল নেই। ছেলের যখন দুবছর বয়স তখন কর্মসূত্রে বিদেশ চলে গেল পারমিতা। যাবার আগে শুধু বলে গেল অনিন্দ্য কে তোমার ছেলে কে তোমার মত করে মানুষ করো। সেই থেকে আজ পর্যন্ত অনিন্দ্য, ওর ছেলে টুবাই এর সব। অবশ্য ওর মা বাবা র অবদান কম নয়। পারমিতার চলে যাবার খবর পেয়ে অনিন্দ্য র মা বাবা ওর কাছে চলে আসেন নাতি কে সামলাতে। পারমিতার মা বাবা ও আসতেন। মেয়ের এই ব্যবহার ওনাদের ও কষ্ট দিয়েছিল। অনিন্দ্য ছেলেকে যখন সঙ্গীত জগতের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায় তখন ওর শ্বশুর মশায় আপত্তি জানায়। তারপর থেকে যোগাযোগ আবার কমে যায়। এইভাবে অনিন্দ্য র লড়াই শুরু হয়। টুবাই অর্থাৎ অপরাজেয় একটু বড়ো হয়ে যখন মায়ের কথা জানতে পারে আত্মীয়দের মাধ্যমে তখন থেকেই ও ঠিক করে জীবনে কিছু করতে হবে যাতে মা কে বোঝানো যায় বাবা সঠিক ভাবে ওকে মানুষ করেছে। পড়াশোনায় যথেষ্ট ভালো , তার সাথে বাবার মতো গান করে খুব ভালো। ও পড়াশোনার সাথে গানটাকে ও সমান গুরুত্ব দেয়। আর ওর এই কাজে সবসময় ওর পাশে থাকে ওর বাবা। তাই স্কুলে ওর সব শিক্ষকরা ওকে খুব স্নেহ করেন। ক্লাসে প্রতি বছর প্রথম হয় তার সাথে যেকোনো সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা মানেই অপরাজেয় থাকবেই আর নাম সার্থক করে আসবে পুরস্কার হাতে নিয়ে। আজকের দিনটিও সেই রকমই একটা দিন। যেখানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গীত শিল্পীদের মধ্যে ও প্রথম হয়েছে। গত কয়েক মাস বাড়ির বাইরে থেকেছে মনপ্রাণ ঢেলে দিয়েছে এই সফলতা পাবার আশায়। আজ ও সফল হয়ে। আজ সবাই এসেছে এই অনুষ্ঠানে। নাম করা একটা চ্যানেল লাইভ দেখাচ্ছে প্রোগ্রামটা। স্টেজে যখন ওর নাম ঘোষণা করা হয় তখন অনিন্দ্যর চোখে জল আসে আনন্দ আর উত্তেজনায়। অপরাজেয় রুদ্র কে যখন কিছু বলতে বলা হয়। পনের বছর বয়সের ছেলেটা যেন হঠাৎ করেই অনেক বড়ো হয়ে ওঠে। ও বলে আজ আমি যার জন্য এই সাফল্য পেয়েছি আগে তাকে ডেকে নিতে চাই, আমার বাবা শ্রী অনিন্দ্য রুদ্রকে। যার আত্ম ত্যাগ আর আমার প্রতি বিশ্বাস আজ আমাকে এই জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে। অপরাজেয় র সাথে স্টেজের অ্যাঙ্কর ডাকতে থাকে অনিন্দ্য কে; আর অগনিত দর্শক করতালি দিয়ে বাবা ছেলের এই সাফল্যকে অভিনন্দন জানায়। অন্যদিকে পনেরো বছর বিদেশে থেকে দুদিন আগে দেশে ফিরে যখন এই অনুষ্ঠানের কথা জানতে পারে, নিজেকে আটকাতে পারে না। অনুষ্ঠানের স্পনসর হওয়ার দরুন সূযোগ ছিল তার সদ্ব্যবহার করে এক মা যে একসময় নিজের কেরিয়ারের জন্য শিশু সন্তান কে ফেলে বিদেশে পাড়ি দিয়ে ছিল। আজ অনুষ্ঠানের শেষে যখন সবাই বাবা আর ছেলেকে অভিনন্দন জানাচ্ছে তখন কর্মজীবনে সফলতার শিখর ছুঁয়েও ভীষণভাবে নিঃসঙ্গ, হতাশাগ্রস্ত পারমিতা চোখ ভর্তি জল নিয়ে একা নিজের গাড়িতে ওঠে। আজ চাইলেও আর যেতে পারে না নিজের ফেলে আসা ঘরে। তবে এটা আজ পারমিতা নিজের কাছে স্বীকার করে যে অনিন্দ্য ঠিক ছিল আর আজও ওই সঠিক। ও ঠিকই বলত যে সফলতা তাকেই বলে যে কাজ করে আমি এবং আমাকে ঘিরে থাকা সবাইকে খুশি করতে পারব। অর্থ আর ক্ষমতাই সব নয়। অর্থবান আর ক্ষমতাবান মানুষের চারপাশে অনেকে থাকে কিন্তু কেউ নিঃস্বার্থ ভাবে থাকে না। একটা সময় বুঝতে পারে যে সে বড্ড একা। আজ পারমিতা কর্মজীবনে উন্নতির শিখরে পৌঁছিয়েছে ঠিকই কিন্তু ও আজ খুব একা। আজ ভাবে একটা সুন্দর সুখী জীবন তো পেতে পারত; আজ ও সন্তান গর্বে গর্বিত হতে পারত, সে ও নিজের হাতে বন্ধ করে দিয়েছে। খুব ইচ্ছা হচ্ছে আজ ছেলেটাকে একবার বুকে জড়িয়ে ধরতে। ফোনটা বের করে কল করে একটা -- আমাকে অপরাজেয় রুদ্র রায় নম্বর টা হোয়াটসঅ্যাপ করো। মূহুর্তে টুং করে নম্বর টা এসে যায়। একমূহূর্ত ভাবে তারপর লেখে অনেক বড়ো হও, বাবার মুখ উজ্জ্বল করো। খুব ভালো থেকো।লিখে পাঠাবে কিনা ভাবে। তারপর------একটা ছোট্ট উত্তর আসে------ অনেক ধন্যবাদ।বাবার নামই উজ্জ্বল করার চেষ্টা করছি। আমার বাবা একাই একশো। ভালো থাকবেন।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২২
রাজ্য

ভোর থেকে ভারী বৃষ্টি জল বন্দি জলপাইগুড়ি

মাঝরাত থেকে প্রবল বর্ষণে জলবন্দী জল্পাইগুরি শহর ও সংলগ্ন এলাকা। আবহাওয়া দপ্তরের পুর্বাভাষ ছিল। সোমবার ভোর থেকে শুরু হওয়া অবিরাম বৃষ্টিতে ভাসলো জলপাইগুড়ি শহরের বিভিন্ন এলাকা,কোথাও হাঁটু জল। কোথাও কোমর অবধি জল। সপ্তাহের প্রথম দিনের ভোরে জলে থৈ থৈ জলপাইগুড়ি শহরের পথঘাট, সমস্যায় পরতে হচ্ছে কাজে কর্মে যাওয়া সাধারণ মানুষের।স্কুল ছাত্র ছেতে অফিস যাত্রী সবাই গৃহ বন্দী। রাস্তার পাশের পানীয় জলের কল গুলি ও জলের তলায়। এলাকা বাসিদের আশঙ্কা জল তাড়াতাড়ি না নাম্লে পানীয় জলের সঙ্কট দেখা দিতে পারে। সাথে সাথে জল বাহিত রোগ ছড়ানোর আশঙ্কা করছেন এলাকার মানুষজন।

আগস্ট ২৯, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে দৈনিক বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, বাড়ছে পজিটিভিটি রেটও

বাংলায় করোনা আক্রান্ত্রের সংখ্য়া ক্রমশ বেড়েই চলেছে। উদ্বেগ বাড়িয়ে গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩০৬৭ জন। গতকাল করোনায় সংক্রমিত হয়েছিলেন ৩০২৯ জন। পাশাপাশি বাড়ছে পজিটিভিটি রেটও। এদিন পজিটিভিটি রেট বেড়ে হয়েছে ১৯.৫৪ শতাংশ। রাজ্যে বর্তমানে মোট সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ২৮,৮৫৬ জন।এদিকে গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় প্রাণহানি হয়েছে ৫ জনের। গতকালও মৃতের সংখ্যা একই ছিল। এদিন সুস্থ হয়েছেন ১,৮৭৫ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ২০,১৪,০৫২ জন। সুস্থতার হার ৯৭.৫২ শতাংশ। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত করোনায় মোট আক্রান্ত হয়েছেন ২০,৬৫,৩৬০ জন।টানা করোনা আক্রান্তের সংখ্যার নিরিখে রাজ্যে তালিকার শীর্ষে উত্তর ২৪ পরগনা। এক দিনে ওই জেলায় আক্রান্ত ৬৯৩ জন। এরপরই কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্য়া ৬৫৩। বীরভূমেও আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। ওই জেলায় এদিন আক্রান্ত ২৪৯ জন। আর ৬ জেলায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়েছে।

জুলাই ১৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

প্রিন্সটন -এ "ম্যাঙ্গো ম্যানিয়া"

বৃষ্টির ফোঁটা এবং সুস্বাদু আম খাদ্যরসিকদের জন্য একটি স্বর্গীয় অভিজ্ঞতা তৈরি করে। প্রিন্সটন ক্লাব, প্রিমিয়াম নিউ এজ সোশ্যাল ক্লাব ফলের রাজা এই আম উৎসবের মাধ্যমে সবাইকে মুগ্ধ করবে। ক্রিস্টেনড ম্যাঙ্গো ম্যানিয়া, উৎসবটি ৮ই জুলাই থেকে ১৭ই জুলাই পর্যন্ত রসালো আমের রেসিপি সহ একটি অনন্য গ্যাস্ট্রোনমিক অভিজ্ঞতা দিতে প্রস্তুত। আগত সদস্য এবং অতিথিরা লাঞ্চ এবং ডিনারে সুস্বাদু খাবারের স্বাদ নিতে আসতে পারেন। প্রতিটি আমের টুকরোতে পরিপূর্ণ মহাদেশীয় ও এশীয় খাবারের উদ্ভাবনী মিশ্রণ রয়েছে, যা এই উৎসবের প্রধান আকর্ষণ।এই আমের মেনুতে থাকছে স্মোকি ম্যাঙ্গো, ম্যাঙ্গো সালসা সহ চিজ নাচোসের মতো মেক্সিকান অ্যাপেটাইজার। টেপেনেড রুটির সাথে ঠান্ডা আমের পুদিনা স্যুপ, যা ক্ষিদে বাড়াতে জুড়ি মেলা ভাড়। সুস্বাদু আম চেখে দেখার জন্য এটি একটি দুর্দান্ত গ্রীষ্মকালীন পানীয়! তাজা আমের টুকরো, আমের পিউরি, পুদিনা, সবুজ মরিচ, তামাকের সস এবং রসুনের সাথে পুদিনা এবং চুনের সাথে মিশ্রিত একটি স্বাস্থ্যকর এবং সুস্বাদু ঠান্ডা স্যুপ।মেইন কোর্স শুরু ম্যাঙ্গো স্টিকি রাইস উইথ ম্যাঙ্গো ভেজ টেরিয়াকি নামের একটি জাপানি খাবার দিয়ে। এই মিষ্টি জাপানি আমের স্টিকি রাইস দিয়ে আপনার ডিনার পার্টির মেনুকে আরো আনন্দে ভরিয়ে তুলতে পারেন। জনপ্রিয় দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় খাবারের মধ্যে রয়েছে টাটকা আমের টুকরো টুকরো করা আঠালো চালের উপরে একটি নারকেল ট্যাপিওকা সস এবং তিলের বীজ এবং সবচেয়ে ভাল অংশ এটি তৈরি করতে শুধুমাত্র কয়েকটি উপাদান প্রয়োজন। গ্রীষ্মমন্ডলীয় চিংড়ি সেভিচে তাদের জন্য রয়েছে একটি নিখুঁত হালকা রাতের খাবার। সবচেয়ে ভাল অংশ হল কোন রান্নার প্রয়োজন নেই। এটি গ্লুটেন-মুক্ত। এই প্রাণবন্ত খাবারটি গ্রীষ্মের রাতের জন্য উপযুক্ত, যখন আপনি বাড়িতে খাবার গরম করতে বা তার জোগাড় করতে পারবেন না কিন্তু তারপরও খুব সুস্বাদু কিছু একটা চাইছেন! এরপর নিজেই তৈরি করে ফেলুন আর পরিবেশন করুন চিপস দিয়ে। এখানেই শেষ নয়। চকলেট গুড়ো এবং আমের ছোট টুকরোর সাথে পরিবেষণ করুন ইতালীয় মিষ্টি। ম্যাংগো ক্রেস্পেল উইথ চকলেট ডাস্ট অ্যান্ড ম্যাংগ রিডাকশন। আমের কাসুন্দি এবং মিষ্টি আলুর চিপস সহ বাঙালির প্রিয় চিকেন কাটলেট স্বাদের মুকুলকেও মুগ্ধ করবে। সালাদ ছাড়া এই ডিস যে অসম্পূর্ণ। ইন্দোনেশিয়ান লেবু কাফির লাইম এবং স্টোন-গ্রাউন্ড সরিষার স্বাদ সহ কাঁচা আমের সালাদ এর স্বাদের মাত্রা বাড়িয়ে দেবে। এই স্বাস্থ্যকর এবং হৃদয়গ্রাহী সালাদ আপনাকে তাত্ক্ষণিকভাবে উতসাহিত করতে পারে। ভুট্টা, বসন্ত পেঁয়াজ, বেল মরিচ, চেরি টমেটো এবং ভেষজ কাঁচা আমের টুকরো দিয়ে একসাথে একটু নাড়িয়ে চাড়িয়ে নিন। তাহলে তৈরি মিড-ডে মিলের জন্য একটি কুড়কুড়ে ও সতেজ সালাদ। গ্যাস্ট্রোনমিক যাত্রার সমাপ্তি হবে আকর্ষণীয় - ম্যাঙ্গো সিড পুডিং এবং কাটা আমের ফিরনি দিয়ে, পাঁচ হাজার বছরের উত্তরাধিকার সহ ভারতে আম-ই হল সমস্ত ফলের রাজা। রোমান্টিক বর্ষা ঋতুর ব্যবধানের সাথে জ্বলন্ত গ্রীষ্ম হল সেই ঋতু যখন আমরা বিভিন্ন উপায়ে আমের স্বাদ গ্রহণ করি।প্রিন্সটন ক্লাব সব খাবারে সঙ্গে আমের রকমারি খাবার চালু করেছে। ক্লাবের শেফ অভিজিৎ চক্রবর্তী প্রধান উপাদান হিসেবে আমের মহাদেশীয়, প্যান এশিয়ান খাবারের একটি মেডলে উদ্ভাবন করেছেন৷ প্রিন্সটন ক্লাবের ম্যানেজার (অপারেশন)- সঞ্জয় কর্মকার বলেন, আমরা নিশ্চিত যে এই আমের প্রতি ভোজন রসিকরা আমের সুস্বাদু খাবার পছন্দ করবে। ম্যাঙ্গো ম্যানিয়া ৮ই জুলাই থেকে ১৭ই জুলাই প্রিন্সটন ক্লাবে মধ্যাহ্নভোজ এবং রাতের খাবার-এর জন্য চলবে।

জুলাই ১৩, ২০২২
রাজ্য

বাংলায় ঝড়ের বেগে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, সংক্রমিত দেড় হাজার ছুঁইছুই

গত ২৪ ঘন্টায় বাংলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে চলেছে। আক্রান্তের সংখ্য়া এখন দেড় হাজার ছুঁইছুঁই। আতঙ্ক ক্রমশ তাড়া করে বেড়াচ্ছে। দীর্ঘ দিন পর করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এরাজ্যে হাজার ছাড়িয়ে গেল। গতকাল কোভিড ১৯ আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৯৫৪, করোনায় মৃত্যু হয়নি। এদিন করোনা সংক্রমণের শিকার ১,৪২৪। গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় মৃতের সংখ্যা দুই। এদিন ২৯৮ জন সুস্থ আছেন। ১০ দিন আগে ২০ জুন এই রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২২৪। তারপর থেকেই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যাও বাড়ছে। এদিকে মানুষের মধ্যে এখন মাস্ক পরার প্রবণতা নেই। দেশেও ব্যাপক হারে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা।

জুন ২৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

পীযুষ সাহার হাত ধরে প্রিন্সের বড়পর্দায় অভিষেক, জালবন্দী নিয়ে উন্মাদনা

সমরেশ মজুমদারের রহস্য উপন্যাস অবলম্বনে জালবন্দী তৈরি করেছেন বাংলার সকলের পরিচিত প্রযোজক ও বহু শিল্পীর কারিগর পীযূষ সাহা। এই ছবি দিয়েই বাংলা ছবিতে অভিষেক হলো পীযুষ সাহার পুত্র প্রিন্স-এর। ছবিতে অভিনয় করেছেন দীপঙ্কর দে, পায়েল সরকার, জুন মালিয়া, দর্শনা বণিক, পম্পা সাহা, খরাজ মুখোপাধ্যায়, পুষ্পিতা মুখোপাধ্যায় ও রণজয়। ক্যামেরার দায়িত্ব সামলেছেন গোপী ভগত।পীযুষ সাহা পরিচালনার ক্ষেত্রে বরাবর দর্শককে নতুন মুখ ও নতুন ধরণের গল্পের সন্ধান দিয়ে এসেছেন বহু বছর ধরেই। তার হাত ধরেই অঙ্কুশ, শুভশ্রী, রুবেলের রূপালী পর্দার সঙ্গে প্রথম পরিচয় হয়। গ্যাঁড়াকল, তুলকালাম, কেল্লাফতে, রাজু আঙ্কেল, বাজিমাত, নীল আকাশের চাঁদনী, বেপরোয়া-এর মত ছবি দর্শকমহলে ছাপ রেখে গেছে। এবার পীযুষ সাহার ছেলে প্রিন্স কতটা দর্শকদের মন জয় করতে পারে সেটাই দেখার।জালবন্দী নিয়ে প্রিন্স জানালেন, অনেকটাই এক্সাইটেড। পাশাপাশি একটু নার্ভাস ও আছি। দেখা যাক দর্শক কিভাবে আমাকে অ্যাক্সেপ্ট করে। সিনিয়রদের থেকে অনেক কিছু শিখেছি। তবে এখনও অনেক কিছু শেখা বাকি আছে।

জুন ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌সামনের বছরও চেন্নাইকে নেতৃত্ব দেবেন?‌‌ কী বললেন ধোনি!‌

গত বছর থেকেই জল্পনাটা তুঙ্গে উঠেছিল। এবছরই কি শেষ আইপিএল মহেন্দ্র সিং ধোনির? অনেকেই ভেবেছিলেন, দুবাইতে চেন্নাই সুপার কিংসকে চতুর্থবার আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন করে ক্রিকেটের ময়দান থেকে সরে দাঁড়াবেন মাহি। কিন্তু সে রাস্তায় তিনি হাঁটেননি। পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছিলেন, এই মরশুমেও খেলবেন। এবছর দলকে সাফল্য এনে দিতে পারেননি। আবার জল্পনা শুরু হয়েছিল। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে লিগ পর্যায়ের শেষ ম্যাচ খেলেই হয়তো আইপিএলকে বিদায় জানাবেন। কিন্তু এখনই ক্রিকেটের ময়দান থেকে সরে যাচ্ছেন না। ভক্তদের স্বস্তি দিয়ে তিনি জানিয়ে দিলেন, আগামী মরশুমেও চেন্নাইয়ের জার্সি গায়ে মাঠে নামতে চান।আগামী মরশুমেও কেন খেলা চালিয়ে যাওয়ার কথা ভাবছেন ধোনি? আসলে নিজেকে এখনও দারুণ ফিট মনে করেন তিনি। চেন্নাই সুপার কিংস ম্যানেজমেন্টও ধোনি ব্র্যান্ডকে ছাড়তে চাইছে না। তার থেকেও বড় কারণ, চেন্নাইয়ের প্রিয় দর্শকদের সামনেই শেষ ম্যাচ খেলে ব্যাটপ্যাড তুলে রাখবেন। সেই সুযোগ থাকলে হয়তো এই বছরই আইপিএল থেকে সরে দাঁড়াতেন ধোনি। আসলে প্রিয় চেন্নাইয়ের দর্শকদের বিদায় জানানোর সুযোগ দিতে চান চেন্নাই সুপার কিংসসের থালা। শুক্রবার রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে টসের সময় ধোনির কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, পরের বছরও আইপিএলে তিনি খেলবেন কিনা। উত্তরে ধোনি জানান, অবশ্যই খেলব। চেন্নাইয়ে না খেলে আইপিএলকে বিদায় জানানোটা খুবই খারাপ হবে। মুম্বইয়ে দলকে যেমন সাফল্য এনে দিতে পেরেছি, তেমনই ব্যক্তিগতভাবেও সাফল্য পেয়েছি। কিন্তু চেন্নাইয়ের সমর্থকদের সামনে বিদায় না নিলে ব্যাপারটা ভাল হবে না। আশা করছি পরের বছর সব জায়গাতেই আইপিএলের খেলা হবে। শুধু খেলা নয়, পরের বছর চেন্নাইকে নেতৃত্বও দেবেন ধোনি। এবছর আইপিএল শুরুর আগে রবীন্দ্র জাদেজার হাতে নেতৃত্ব তুলে দেয় চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু তিনি চূড়ান্ত ব্যর্থ। মাঝপথে জাদেজাকে সরিয়ে আবার ধোনিকে নেতৃত্ব ফেরানো হয়। তাতেও খুব একটা হাল ফেরেনি চেন্নাইয়ের। ভবিষ্যতের নেতা তুলে নিয়ে আসার জন্যই আরও একবছর ধোনিকে নেতৃত্বে রেখে দিতে চায় চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট।

মে ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সৌরভের সঙ্গে কোহলির নেতৃত্বের কোনও তুলনাই হয় না?‌ এ কী বললেন শেহবাগ!‌

নেতা বিরাট কোহলির কোনও নম্বরই নেই বীরেন্দ্র শেহবাগের কাছে! সৌরভ গাঙ্গুলির নেতৃত্বের সঙ্গে কোনও তুলনাই আনতে চান না! শেহবাগের মন্তব্য নিয়ে শোরগোল দেশের ক্রিকেট মহলে। শেহবাগের দাবি, সৌরভ গাঙ্গুলি একটা নতুন দল গড়েছিলেন, নতুন ক্রিকেটারদের সুযোগ দিয়েছেন। সাফল্যব্যর্থতার দিনে তাঁদের পাশে থেকেছেন। কোহলি তেমন করেছেন কিনা, তা নিয়ে শেহবাগের মধ্যে সন্দেহ রয়েছে। কোহলি কয়েকজন প্লেয়ারের পাশে থাকলেও, অনেকের পাশে থাকেননি।বেটিং কেলেঙ্কারিতে ভারতীয় ক্রিকেটের টালমাটাল অবস্থা, সেই সময়ই সৌরভ গাঙ্গুলির হাতে নেতৃত্ব তুলে দিয়েছিল বিসিসিআই। তাঁর হাত ধরেই স্বমহিমায় ফিরেছিল ভারতীয় ক্রিকেট। একঝাঁক তরুণ প্রতিভাকে তুলে নিয়ে এসে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন সৌরভ। অধিনায়ক হিসেবে একটা দল তৈরি করেছিলেন। তাঁর হাতে গড়া দলই পরের দিকে সাফল্য এনে দিয়েছিল দেশকে। অধিনায়ক হিসেবে সৌরভকে অনেক উঁচুতে রেখেছেন শেহবাগ। স্পোর্টস ১৮ চ্যানেলে একটি অনুষ্ঠানে শেহবাগ বলেছেন, সৌরভ গাঙ্গুলি একটা নতুন দল তৈরি করেছিল, নতুন নতুন ক্রিকেটার তুলে নিয়ে এসেছিল। তাদের ভাল সময়ে যেমন পাশে দাঁড়িয়েছিল, তেমনই খারাপ সময়েও পাশে দাঁড়িয়েছিল। দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার সময় কোহলি এই কাজটা করেছিল কিনা আমার সন্দেহ রয়েছে। কোহলির নেতৃত্বের সময় ২৩ বছর দল জিতুক বা হারুক, প্রতিটা টেস্টে দলে পরিবর্তনের ধারা এসে গিয়েছিল। আমার মনে হয়, সেই সেরা অধিনায়ক, যে একটা দল তৈরি করতে পারে এবং ক্রিকেটারদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস জোগাতে পারে। কোহলি কয়েকজন ক্রিকেটারের পাশে দাঁড়িয়েছে, আবার অনেকের পাশে দাঁড়ায়নি। এটা একজন আদর্শ ক্যাপ্টেনের গুন নয়। একদিনের ক্রিকেটে ঋষভ পন্থকে ওপেনিংয়ে পাঠানোর পক্ষেও সওয়াল করেছেন বীরেন্দ্র শেহবাগ। তাঁর মতে, ঋষভকে ওপেন করতে পাঠালে আরও বেশি সফল হবে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে একটা একদিনের ম্যাচে কোচ রাহুল দ্রাবিড় ঋষভকে ওপেন করতেও পাঠিয়েছিলেন। সেই ম্যাচে ১৮ বলে ৩৪ রান করেছিলেন ঋষভ। শেহবাগ বলেছেন, দ্রাবিড় অনূর্ধ্ব ১৯ ভারতীয় দলের কোচ থাকার সময় থেকে ঋষভকে চেনে। ওর দক্ষতা সম্পর্কে যথেষ্ট ওয়াকিবহাল। ৪ কিংবা ৫ নম্বরে নামলে পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যাটিং করতে হয়। অনেক বাড়তি দায়িত্ব নিতে হয়। যদি ওপেন করে আরও বেশি সাফল্য পাবে।

মে ১৯, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে জেলার সংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে নতুন ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্যে জেলার সংখ্যা বেড়ে দ্বিগুন হতে পারে। এদিন কলকাতার টাউনহলে এক সভায় এই ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। পাশাপাশি, আমলারাই যে সরকারের আসল মুখ সেকথাও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন মমতা বলেন, ২৩টা থেকে ৪৬টা জেলা হতে পারে। বিহারে প্রায় ৫০-৬০টা জেলা রয়েছে। তার জন্য অফিসার দরকার। পরিকাঠামো দরকার। একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, রাজ্যে আরও ডব্লুবিসিএস ও আইএএস প্রয়োজন রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, আমাদের সরকার এসেই আইএএস ও বিসিএস অফিসারদের সংখ্যা বৃদ্ধি করেছে। আরও বাড়ানো দরকার রয়েছে।২০১১-তে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, আলিপুরদুয়ার, কালিম্পং নতুন জেলা হয়েছে। একইসঙ্গে রাজ্যে একাধিক পুলিশ কমিশনারেট ও পুলিশ জেলা রয়েছে। জেলার সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে প্রশাসনিক কাজে আরও সুবিধা হবে বলে মনে করছেন মুখ্যমন্ত্রী।রাজ্যের আমলাদের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। কোভিডে তাঁদের লড়াই ভুলবার নয় বলে তিনি জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, কোভিডে আমরা চার জন দক্ষ অল্পবয়সী বিসিএস অফিসারকে হারিয়েছি। সরকারি প্রকল্প রূপায়নে আমলাদের বড় ভূমিকা রয়েছে। আমলাদের তিনি বলেছেন, আপনারাই সরকারের আসল মুখ।

মে ১২, ২০২২
রাজ্য

বাড়ল জাতীয় সড়কে যাতায়াতের খরচ, খরচ বৃদ্ধির ধাক্কায় মাথায় হাত নিত্যযাত্রীদের

রান্নার গ্যাস পার করেছে ১০০০ র কোটা, পেট্রোল ১১৫ পার করে দৌড়চ্ছে, ডিজল আর মাত্র এক কদম দূরে শতরান থেকে। জ্বালানি দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে বছর ভর দড়ি টানাটানি চলছে কেন্দ্র এবং রাজ্যের মধ্যে। রাজ্য বলছে ভরতুকি বারাতে, কেন্দ্রের পাল্টা প্রস্তাব রাজ্য জিএসটি ছেড়ে দিক, তাহলেই রাজ্যের মানুষের কিছুটা হলেও লাঘভ হবে।এরই মধ্যে জাতীয় সড়ক কর্তিপক্ষ নোটিস দিয়ে জাতীয় সড়কের টোল বৃদ্ধির কথা জানালো। আগামীকাল বৃহস্পতিবার ১২ মে থেকে ৬ নম্বর জাতীয় সড়কে টোল ট্যাক্স বাড়ানোর বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে বালিভাষা টোল প্লাজায়। সেই বিজ্ঞপ্তিতে খড়গপুর থেকে ঝাড়গ্রামের চিচরা যাওয়ার ৬ নম্বর জাতীয় সড়কের টোল ট্যাক্স বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। ছোট চারচাকার গাড়ির (প্রাইভেট) জন্য আগে নেওয়া হত ৮০ টাকা, সেটা বৃদ্ধি পেয়ে আগামীকাল থেকে টোল ট্যাক্স ১২৫ টাকা দিতে হবে। ছোট চারচাকার বাণিজ্যিক যানবাহনের জন্য টোল ট্যাক্সে ১৩৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০০ টাকা করা হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই এই খরচ বৃদ্ধির ধাক্কায় মাথায় হাত নিত্যযাত্রীদের। এখন আশঙ্কা এটাই যে, ৬ নম্বর জাতীয় সড়কের টোল বৃদ্ধির সাথে সাথে রাজ্যের অন্যান্য জাতীয় সড়কেরও কি টোল ট্যাক্স বাড়ানো হবে? এই নিয়ে নিত্যযাত্রী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মনে তৈরি হয়েছে জল্পনা।ছোট গাড়ি ভাড়া খেটে সংসার চালান বাপি খান, জনতার কথাকে বাপি জানান, লকডাউনের পর থেকে এমনিতেই গাড়ি ভাড়া কমে গেছে। বহু মানুষের কাজ চলে গেছে, তারপর পেট্রোল ডিজেলের দাম বাড়ার সাথে সাথে আমাদেরও গাড়ি ভাড়া বাড়াতে হয়েছে। তাও ভাড়া সেভাবে বাড়াতে পারিনি সাধারণ মানুষের কথা ভেবে। এরপর যদি টোল বেড়ে যায়, তাহলে তো আরও সর্বনাশ। মানুষ গাড়ি না চাপলে আমরা যারা এই ব্যবসার সাথে যুক্ত তাদের সংসার চলবে কি করে?

মে ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

এভাবে নাইট রাইডার্স সমর্থকদের আশায় জলাঞ্জলি দিলেন অ্যারন ফিঞ্চ!‌

প্রথম ম্যাচে দারুণ শুরু করেছিলেন অজিঙ্কা রাহানে। চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে করেছিলেন ৪৪। তারপর থেকে ব্যাটে রানের খরা। এদিন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে তাঁর পরিবর্তে অ্যারন ফিঞ্চকে প্রথম একাদশে সুযোগ দিয়েছিল নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। ফিঞ্চও প্রত্যাশাপূরণে ব্যর্থ। শুক্রবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে নাইট রাইডার্সের হয়ে অভিষেক ম্যাচে মাত্র ৭ রান করে আউট হলেন। প্রথম ওভারে ভুবনেশ্বর কুমারের দ্বিতীয় বলে ১ রান নেন ফিঞ্চ। পঞ্চম বলে ৬ মারেন। পরের ওভারে মার্কো জানসেনের বলে নিকোলাস পুরানের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ৫ বলে তিনি করেন ৭। ৯ টা দলের হয়ে অভিষেক ম্যাচে মাত্র দুটো দলের হয়ে সাফল্য পেয়েছিলেন। ২০১৩ সালে পুনে ওয়ারিয়র্সের হয়ে ৫৩ বলে করপেছিলেন ৬৪। আর ২০১৬ সালে গুজরাট লায়ন্সের হয়ে ৪৭ বলে করেছিলেন ৭৪। ২০১০ সালে রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে করেছিলেন ২১। পরের আইপিএলে দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের হয়ে অভিষেক ম্যাচে করেছিলেন ৮। ২০১৪ সালে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে করেন ২। পরের বছর মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে ৫। ২০১৮ আইপিএলে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের হয়ে ০। ২০২০ আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হয়ে ২৯। এবছর আইপিএলের মেগা নিলামে ইংল্যান্ডের ওপেনার অ্যালেক্স হেলেসকে দলে নিয়েছিল কলকাতা নাইট রাউডার্স। কিন্তু জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকতে থাকতে হাঁপিয়ে উঠেছেন ইংল্যান্ডের এই ওপেনার। তাই আইপিএল থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন। তাঁর পরিবর্তে অস্ট্রেলিয়ার সাদা বলের ক্রিকেটের অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চকে দলে নেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। আইপিএলের মেগা নিলামে অবিক্রিত ছিলেন ফিঞ্চ। মেগা নিলামের সময় নাইট রাইডার্সও তাঁর দিকে ফিরেও তাকায়নি। ২০১০ সাল থেকে আইপিএলে খেলছেন অ্যারন ফিঞ্চ। প্রথম বার তিনি রাজস্থান রয়্যালসের জার্সি গায়ে তোলেন। এছাড়াও দিল্লি ডেয়ারডেভিলস, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর, পুনে ওয়ারিয়র্স, সানরাইজার্স হায়দরাবাদ, মুম্বই ইন্ডিয়ান্স, গুজরাট লায়ন্স, পাঞ্জাব কিংসের জার্সি গায়েও খেলেছেন। শেষবার আইপিএল খেলেছিলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের জার্সি গায়ে, ২০২০ সালে। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে নিজেকে একেবারেই মেলে ধরতে পারেননি ফিঞ্চ। তাই তাঁকে দলে নেওয়ার জন্য কোনও ফ্র্যাঞ্জাইজিও আগ্রহ দেখায়নি। ইংল্যাল্ডের অ্যালেক্স হেলস সরে দাঁড়ানোয় ওপেনার সমস্যা মেটাতে শেষ পর্যন্ত নিলামে অবিক্রিত থাকা ফিঞ্চকে তুলে নেয় নাইট রাইডার্স।কলকাতা নাইট রাইডার্স নিয়ে আইপিএলে ৯টি ফ্র্যাঞ্চাইজির জার্সি গায়ে তুললেন অ্যারন ফিঞ্চ। যা আইপিএলে যে কোনও ক্রিকেটারের কাছে রেকর্ড। এখনও পর্যন্ত ৯টি ফ্র্যাঞ্চাইজির জার্সি কোনও ক্রিকেটারই গায়ে তুলতে পারেননি।

এপ্রিল ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌আবার চমক ধোনির, হঠাৎ কেন নেতৃত্ব ছাড়লেন চেন্নাই সুপার কিংসের?‌

আইপিএল শুরুর আগেই বড় চমক চেন্নাই সুপার কিংসে। ২৬ মার্চ কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে ম্যাচ। তার দুদিন আগেই নেতৃত্ব ছেড়ে দিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। নেতৃত্বের ব্যাটন তুলে দিলেন রবীন্দ্র জাদেজার হাতে। তবে নেতৃত্বে না থাকলেও সাধারণ ক্রিকেটার হিসেবে খেলবেন ধোনি। দলের মেন্টরের দায়িত্বও পালন করবেন।২০০৮ সালে আইপিএল শুরু হয়। আইপিএলের জন্মলগ্ন থেকেও চেন্নাই সুপার কিংসের অধিনায়কের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন ধোনি। ম্যাচ গড়াপেটার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে আইপিএল থেকে দুবছর নির্বাসিত ছিল চেন্নাই। সেই সময় পুনে সুপার জায়ান্টের হয়ে খেলেছিলেন ধোনি। যদিও ওই দুবছর তিনি আইপিএলে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পাননি। নির্বাসন উঠে যাওয়ার পর আবার আইপিএলে ফিরে আসে চেন্নাই সুপার কিংস। নেতৃত্বের দায়িত্বও তুলে দেওয়া হয় ধোনির হাতে। গত বছর তাঁর নেতৃত্বেই কলকাতা নাইট রাইডার্সকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় চেন্নাই।দলকে চ্যাম্পিয়ন করলেও নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি ধোনি। অনেকেই মনে করেছিলেন, ২০২১ আইপিএলই হয়তো ধোনির শেষ প্রতিযোগিতা। কিন্তু ধোনি পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি এখনই আইপিএল থেকে সরে যেতে চান না। এবছর নিলামের আগে চেন্নাই সুপার কিংস চারজন ক্রিকেটারকে ধরে রেখেছিল। ধোনি ছাড়াও সেই তালিকায় ছিলেন রবীন্দ্র জাদেজা। তখনই বোঝা গিয়েছিল ধোনির পরিবর্তে ভবিষ্যতের নেতা হিসেবে রবীন্দ্র জাদেজাকে তুলে ধরতে চায় চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু আইপিএল শুরুর দুদিন আগে এভাবে নেতৃত্বে বদল ঘটবে, কেউই ভাবেননি। সবসময়ই চমক দিয়ে এসেছেন ধোনি। ২০১৪ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরে আচমকাই টেস্ট দলের নেতৃত্ব ছেড়ে দিয়েছিলেন। সবাইকে অবাক করে টেস্ট ফরম্যাট থেকেও অবসর নিয়েছিলেন। ২০১৭ সালে একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকেও সরে যান। ২০২০ সালে স্বাধীনতা দিবসের দিন আন্তর্জাতিক টি২০ ক্রিকেট থেকেও সরে যান। তখন অনেকেই ভেবেছিলেন এবার মনে হয় আইপিএল থেকেও সরে যাবেন। কিন্তু আইপিএল খেলা চালিয়ে যান ধোনি।

মার্চ ২৪, ২০২২
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরই গ্রেপ্তার আনারুল

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরই বগটুই-কাণ্ডে ধরা পড়লেন তৃণমূল নেতা আনারুল হোসেন। আনারুলের বিরুদ্ধেই প্রথম থেকে অভিযোগ উঠেছিল। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনেও তাঁরা একই অভিযোগ করেন। আর তারপরই আনারুলকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই নির্দেশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেপ্তার করা হল তৃণমূলের ব্লক সভাপতি আনারুল হোসেনকে। মমতা নির্দেশ দেওয়ার পরই বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন তৃণমূল নেতা। পরে তাঁকে তারাপীঠ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুলিশকে বলেছিলেন, যেখান থেকে সম্ভব তুলে এনে গ্রেপ্তার করতে হবে আনারুলকে। সেই মতো পুলিশ তল্লাশি শুরু করে। সঙ্গে সঙ্গে তাঁর বাড়িতে গেলেও পাওয়া যায়নি আনারুলকে। গেটে তালা লাগানো ছিল। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর আনারুল হোসেন কোথায় গা ঢাকা দিয়েছেন সেই খোঁজ শুরু হয়। পরে তারাপীঠ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাঁকে।তৃণমূলের রামপুরহাট ১ নম্বর ব্লক সভাপতি আনারুল হোসেন। নৃশংস এই হত্যাকান্ডে বৃহস্পতিবার থেকে বারবার তাঁর নাম উঠে এসেছে। স্থানীয়রা বলেছেন, আগুন লাগান হয়েছে তাঁর নির্দেশেই। তবে এই অভিযোগ শোনার পরও বিন্দুমাত্র বিচলিত হননি তিনি। সাফ জানান, ওই সময় এলাকাতেই ছিলেন না তিনি। শুধু তাই নয়, শান্তির বার্তা দিয়েছিলেন বলেও দাবি করেছেন আনারুল।

মার্চ ২৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বড় ধাক্কা নাইট রাইডার্সের, প্রথম ৫ ম্যাচে পাবেন না এই দুই সেরা ক্রিকেটারকে

আইপিএল অভিযানে নামার আগেই ধাক্কা প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হতে চলা দুই দল চেন্নাই সুপার কিংস ও কলকাতা নাইট রাইডার্সের। তবে চেন্নাইয়ের থেকেও কলকাতা নাইট রাইডার্সের ধাক্কাটা বেশি জোরালো। প্রথম ম্যাচে দলের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার মঈন আলিকে পাবে না চেন্নাই সুপার কিংস। অন্যদিকে, প্রথম ৫ ম্যাচে কলকাতা নাইট রাইডার্স পাবে না প্যাট কামিন্স ও অ্যারন ফিঞ্চকে।এই মুহূর্তে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টেস্ট খেলতে ব্যস্ত প্যাট কামিন্স। টেস্ট সিরিজ শেষ হওয়ার পরপরই একদিনের সিরিজ শুরু। তারপর একটা টি২০ ম্যাচ। টেস্ট সিরিজের পর একদিনের সিরিজ ও একমাত্র টি২০ ম্যাচে খেলবেন প্যাট কামিন্স। অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দলে না থাকলেও একদিনের সিরিজ ও টি২০ ম্যাচে খেলবেন অ্যারন ফিঞ্চ। ফলে এই দুই ক্রিকেটারকে প্রথম ৫ ম্যাচে পাবে না নাইট রাইডার্স। বুধবার ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে নাইট রাইডার্সের মেন্টর ডেভিড হাসি বলেন, সব দলই সেরা ক্রিকেটারদের খেলাতে চায়। কিন্তু আমরা প্রথম ৫ ম্যাচে কামিন্স ও ফিঞ্চকে পাব না। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে গুরুত্ব দিতেই হবে। দেশের দায়িত্ব পালন করে ওরা আইপিএলের দলে যোগ দেবে।এবছর নিলামে শ্রেয়স আয়ারকে তুলে নিয়েছে কলকাতা নাইট নাইডার্স। নাইট টিম ম্যানেজমেন্ট একজন ভাল মাপের নেতা খুঁজছিল। তাই শ্রেয়সের জন্য ঝাঁপিয়েছিল। শ্রেয়সের নেতৃত্বর দক্ষতার ওপর আস্থা রাখছেন দলের মেন্টর ডেভিড হাসি। তিনি বলেন, শ্রেয়সের ক্রিকেটীয় মস্তিষ্ক দুর্দান্ত। নেতা হওয়ার জন্যই ও জন্মেছে। দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে শ্রেয়স নেতৃত্ব দেওয়ার দক্ষতা দেখিয়ে দিয়েছে। ওর হাতে নেতৃত্বের দায়িত্ব তুলে দেওয়াটা টিম ম্যানেজমেন্ট এবং কোচ ব্রেন্ডন ম্যাকালামের দুর্দান্ত পদক্ষেপ। তাছাড়া শ্রেয়স ডেপুটি হিসেবে পাবে প্যাট কামিন্সকে। দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে পারে কামিন্স। এবছর নাইট রাইডার্সে ভাল মানের উইকেটকিপার নেই। ভরসা শুধু শেলডন জ্যাকসন। তাঁর ওপর আস্থা রাখছেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের মেন্টর ডেভিড হাসি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দীর্ঘদিন রানের মধ্যে না থাকা অজিঙ্কা রাহানের ওপর ভরসা রাখছেন। রাহানে আইপিএলে রানে ফিরবেন, আশাবাদী হাসি। দলের বোলিং বিভাগেও দারুণ ভারসাম্য আছে বলে তিনি মনে করছেন।

মার্চ ২৩, ২০২২
রাজ্য

রামপুরহাটের ঘটনায় অপরাধীদের শাস্তি দিক রাজ্য, হত্যাকাণ্ড নিয়ে সরব মোদি

রামপুরহাটের বগটুই গ্রামের ঘটনা নিয়ে যখন রাজ্য রাজনীতিতে চাপানউতোর তুঙ্গে তখন মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। বুধবার ভার্চুয়াল মাধ্যমে দিল্লি থেকে কলকাতার ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হলের একটি প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন মোদি। সেই অনুষ্ঠানের ভাষণে তিনি বলেন, রামপুরহাট জঘন্য অপরাধ হয়েছে। রাজ্য সরকারকে বলব অপরাধীরা যেন শাস্তি পায়। ইতিমধ্যেই রাজ্য বিজেপি কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপের দাবি করেছে। সিবিআই-এর পাশাপাশি এনআইএ তদন্তের দাবিতে সরব হয়েছে গেরুয়া শিবির। আর তারই মধ্যে মোদি বললেন, এই ঘটনার তদন্তে রাজ্যকে সবরকম সাহায্য করবে কেন্দ্র।মোদি আরও বলেন, আশা করি সরকার অপরাধীদের দ্রুত সাজা দেবে। বাংলার মানুষের কাছে আমার আবেদন, অপরাধীদের যারা প্রশ্রয় দেবে তাদের ক্ষমা করবেন না। ইতিমধ্যেই বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা একটি সত্যতা যাচাই কমিটি তৈরি করেছেন। সেই কমিটির সদস্যরা বুধবার রাতেই কলকাতায় এসে বৃহস্পতিবার বগটুই যাওয়ার কথা। এ সবের মধ্যেই মোদির বার্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মার্চ ২৩, ২০২২
কলকাতা

রামপুরহাট কাণ্ডে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা হাইকোর্টে

রামপুরহাট কাণ্ডে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা গ্রহণ করল কলকাতা হাইকোর্ট। আজই শুনানি হবে মামলাটির। বেলা ২টোয় শুনানি। স্বতঃপ্রণোদিত মামলা গ্রহণ করে আদালত রামপুরহাট কাণ্ডকে কড়া ভাষায় নিন্দা করে। রামপুরহাটের ঘটনাকে শকিং, ঘোরতর অপরাধ বলে উল্লেখ করে আদালত। এই ঘটনায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলে।প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই রামপুরহাট কাণ্ডে উপপ্রধান খুন ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায়, দুটি পৃথক মামলা রুজু হয়েছে। জোড়া মামলার তদন্ত করছে সিট। আজ সব মামলারই একসঙ্গে শুনানি হবে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে। এখনও পর্যন্ত রামপুরহাটে কাণ্ডে ইতিমধ্যেই মোট ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এরমধ্যে ২২ জনকে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদিকে, উপপ্রধান খুনে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মার্চ ২৩, ২০২২
রাজ্য

দর্শক হয়ে রাজভবনে বসে থাকতে পারি না, মুখ্যমন্ত্রীকে পালটা চিঠি রাজ্যপালের

রামপুরহাটের বগটুইয়ে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যুর ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাল্টা চিঠি দিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। জানালেন, এমন ঘটনার পর তিনি চুপ থাকতে পারেন না। মুখ্যমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে রাজ্যপাল লেখেন, তাঁর বিরুদ্ধে আবারও অভিযোগের মনোভাব প্রকাশ করেছেন মমতা। কিন্তু যে রামপুরহাটের বগটুইয়ে সঞ্জু শেখের পুরো পরিবার ছজন মহিলা এবং দুটো শিশুকে পুড়িয়ে দেওয়ার পর রাজ্যপাল হিসেবে তিনি চুপ থাকতে পারেন না। মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে চিঠি দিয়ে সংযত থাকার কথা বলেছিলেন। জানিয়েছিলেন রাজ্যপাল হিসাবে রামপুরহাট-কাণ্ড নিয়ে তিনি যে মন্তব্য করেছেন তা সমীচীন নয়। কারণ, এখন ঘটনার তদন্ত করছে প্রশাসন।বুধবার রাজ্যপাল পাল্টা চিঠিতে লেখেন, কৌশলে তাঁর মন্তব্যকে মাত্রাজ্ঞানহীন এবং অযাচিত বলে দাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু এমন মস্ত অপরাধ-এর পর রাজভবনে বসে তিনি সময় নষ্ট করতে পারেন না। নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করবেন না। যদি তা করতেন তা সাংবিধানিক কর্তব্যে অমার্জনীয় কাজ হবে। মমতাকে ধনখড় এও জানান, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানা যাচ্ছে। রামপুরহাটের ঘটনার মতো অতীতে রাজ্যে অনেক ঘটনা ঘটেছে। তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধীর আসনে। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর চিঠিতে লিখেছিলেন রাজ্যে শান্তি বজায় আছে। তার মধ্যে রামপুরহাটের ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক। যার প্রেক্ষিতে ধনখড় লেখেন, এর চেয়ে হাস্যকর দাবি কিছু হতে পারে না।রাজ্যপাল চিঠিতে টেনে আনেন বিধানসভা ভোটপরবর্তী হিংসার কথা। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের বিবৃতিকে উদ্ধৃত করে লেখেন, পশ্চিমবঙ্গে শাসকের আইন আছে, আইনের শাসন নেই। পাশাপাশি, জ্ঞানবন্ত সিংহের নেতৃত্বাধীন সিটের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।চিঠির শেষাংশে মমতাকে তাঁর ভূমিকা মনে করিয়ে ধনখড় লেখেন, রাজ্যে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং মানবাধিকার যাতে ফিরে আসে সে ব্যাপারে পদক্ষেপ করুন তিনি।

মার্চ ২৩, ২০২২
দেশ

৭২ ঘণ্টার মধ্যে রিপোর্ট তলব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের, রাজ্যে আসবে কেন্দ্রীয় দল

রাজ্যে ভেঙে পড়েছে আইন শৃঙ্খলা। কেন্দ্রের হস্তক্ষেপের দাবি নিয়ে মঙ্গলবার সংসদে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন রাজ্য বিজেপি-র সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সঙ্গে ছিলেন দিলীপ ঘোষ, অর্জুন সিংরা। অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করে বেরিয়ে আসার পর সুকান্ত দাবি করেন, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ঘটনার রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। রাজ্যে কেন্দ্রীয় দলও পাঠাবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক, দাবি সুকান্তের।মঙ্গলবার সংসদ ভবনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দপ্তরে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন বঙ্গ বিজেপি-র সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তাঁর সঙ্গে ছিলেন, দিলীপ ঘোষ, লকেট চট্টোপাধ্যায়, অর্জুন সিং, রাজু বিস্তারা। সাক্ষাৎ সেরে বেরিয়ে এসে সুকান্ত সংবাদমাধ্যমকে বলেন, অমিত শাহ আমাদের আমাদের আশ্বস্ত করেছেন, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ঘটনার রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো হয়েছে। তার পর যুগ্মসচিব স্তরের আধিকারিকের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় দল বাংলায় যাবে। যে ঘটনা ঘটেছে তা মানবতার লজ্জা। বাংলায় এই ধরনের ঘটনা বার বার ঘটছে। রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি কেমন, তা খতিয়ে দেখতে দিল্লি থেকে দল যাবে বাংলায়।মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, কেরলে, রাজস্থানে, উত্তরপ্রদেশে যখন গোলমাল হয়, তখন কি সেখানে কেন্দ্রীয় দল যায়? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এই পশ্চিম বাংলার মানুষের শান্তি, সম্প্রীতি বিঘ্নিত করাই আসল উদ্দেশ্য।জানা গিয়েছে, কেন্দ্রের ওই প্রতিনিধি দল রামপুরহাটের ঘটনাস্থল ঘুরে দেখে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে বিস্তারিত রিপোর্ট দেবে। আর সেই পরিপ্রেক্ষিতেই ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে, এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন অমিত শাহ।

মার্চ ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আজব কান্ড!‌ পুরনো দলের নামই মনে করতে পারলেন না নাইট রাইডার্সের অ্যারন ফিঞ্চ?‌

আজব কান্ড! একসময় নিজেই খেলেছেন। আর সেই দলের নামই কিনা মনে করতে পারছেন না অ্যারন ফিঞ্চ? এটা বাস্তব। আসলে এত বেশি দলে খেলে ফেলেছেন, নামই মনে রাখতে পারছেন না অস্ট্রেলিয়ার সাদা বলের ক্রিকেটের এই অধিনায়ক। এবছর আইপিএলের মেগা নিলামে ইংল্যান্ডের ওপেনার অ্যালেক্স হেলেসকে দলে নিয়েছিল কলকাতা নাইট রাউডার্স। কিন্তু জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকতে থাকতে হাঁপিয়ে উঠেছেন ইংল্যান্ডের এই ওপেনার। তাই আইপিএল থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন। তাঁর পরিবর্তে অস্ট্রেলিয়ার সাদা বলের ক্রিকেটের অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চকে দলে নিয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। আইপিএলের মেগা নিলামে অবিক্রিত ছিলেন ফিঞ্চ। কলকাতা নাইট রাইডার্স নিয়ে আইপিএলে ৯টি ফ্র্যাঞ্চাইজির জার্সি গায়ে তুলবেন তিনি। যা আইপিএলে যে কোনও ক্রিকেটারের কাছে রেকর্ড। এখনও পর্যন্ত ৯টি ফ্র্যাঞ্চাইজির জার্সি কোনও ক্রিকেটারই গায়ে তুলতে পারেননি। ২০১০ সাল থেকে আইপিএলে খেলছেন অ্যারন ফিঞ্চ। প্রথম বার তিনি রাজস্থান রয়্যালসের জার্সি গায়ে তোলেন। এছাড়াও দিল্লি ডেয়ারডেভিলস, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর, পুনে ওয়ারিয়র্স, সানরাইজার্স হায়দরাবাদ, মুম্বই ইন্ডিয়ান্স, গুজরাট লায়ন্স, পাঞ্জাব কিংসের জার্সি গায়েও খেলেছেন। সব দলের নাম মনে থাকলেও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরে খেলার কথা বেমালুম ভুলে গেছেন ফিঞ্চ। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ফিঞ্চ বলেন, সব দলের নাম মনে আছে। কিন্তু একটা দলের নাম কিছুতেই মনে করতে পারছি না। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ছাড়া বাকি ৮ দলের নাম অবশ্য ঝরঝর করে বলে দেন ফিঞ্চ। এবার কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন তিনি। ফিঞ্চ বলেছেন, নাইট রাইডার্সের পক্ষ থেকে যখন আমাকে খেলার কথা বলা হয়েছিল, আমি ডিনার করছিলাম। তারপর অ্যামির সঙ্গে কথা বলে ব্রেন্ডন ম্যাকালামকে জানিয়েছিলাম। এবার আমি নাইট রাইডার্সে খেলার জন্য মুখিয়ে আছি।

মার্চ ২২, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

৩১ অগস্টের পরেও কি থাকবে চাকরি? ২৬ হাজার মামলায় বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল সংক্রান্ত মামলায় আপাতত বড় স্বস্তি পেলেন যোগ্য প্রার্থীরা। ২০১৬ সালের স্কুল সার্ভিস কমিশনের (এসএসসি) নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আগের নির্দেশই আপাতত বহাল থাকছে। ফলে নতুন করে শুনানি এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত যোগ্য হিসেবে চিহ্নিত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের চাকরি নিয়ে তাৎক্ষণিক অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে না।২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর দীর্ঘ আইনি লড়াই শুরু হয়। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পর বিষয়টি গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। ২০২৫ সালের ৩ এপ্রিল শীর্ষ আদালত ২০১৬ সালের পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিলের নির্দেশ দেয়। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যোগ্য ও অযোগ্য প্রার্থীদের নির্ভুল ভাবে আলাদা করা সম্ভব হয়নি।পরবর্তী সময়ে রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থা এবং স্কুলগুলিতে শিক্ষক-সংকটের কথা মাথায় রেখে যোগ্য শিক্ষকদের সাময়িক ভাবে চাকরিতে বহাল থাকার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। সেই অন্তর্বর্তী নির্দেশ অনুযায়ী ৩১ অগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত তাঁদের চাকরি বহাল থাকার কথা ছিল। একই সঙ্গে নতুন করে স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিপুল সংখ্যক শূন্যপদে নতুন নিয়োগ সম্পূর্ণ করা সম্ভব হচ্ছে না বলে আদালতের দ্বারস্থ হন সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের বক্তব্য, এত অল্প সময়ের মধ্যে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ না হলে যোগ্য শিক্ষকরা ফের চাকরি হারানোর আশঙ্কায় পড়বেন।এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানিতে জানানো হয়েছে, নতুন অন্তর্বর্তী আবেদনের ভিত্তিতে চূড়ান্ত শুনানি না হওয়া পর্যন্ত আগের নির্দেশই কার্যকর থাকবে। ফলে আপাতত যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য স্বস্তির পরিস্থিতি তৈরি হল।তবে এই নির্দেশকে চূড়ান্ত রায় হিসেবে দেখা হচ্ছে না। পরবর্তী শুনানিতে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়, তার উপরই নির্ভর করবে ২৬ হাজার চাকরি মামলায় যোগ্য শিক্ষকদের ভবিষ্যৎ। ফলে আপাতত স্বস্তি মিললেও পুরোপুরি অনিশ্চয়তা কাটছে না।

আগস্ট ২৫, ২০২৬
রাজ্য

লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? বিষয়টা হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী। আসল অভিমুখের সমস্যা দেখুন।

মানবিক আচরণ করুন, পার্কস্ট্রিটের ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে কুণালফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই পার্কস্ট্রিটের ওই ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। এদিন তিনি ওই পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। একই সঙ্গে পার্কস্ট্রিট থানার পুলিশের কাছেও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মানবিক আচরণের আবেদন জানান তিনি।কুণাল ঘোষের বক্তব্য, ফুটপাথে বসবাসকারী মানুষও সমাজেরই অংশ। তাঁদের সঙ্গে সহানুভূতিশীল ও মানবিক আচরণ করা প্রয়োজন। বিশেষ করে কোনও পরিবারের শিশু, মহিলা বা অসহায় সদস্যদের বিষয়টি বিবেচনা করে প্রশাসনের আরও সংবেদনশীল হওয়া উচিত বলেই মনে করেন তিনি।অগ্নিমিত্রা পালের আচরণ ও মন্তব্য প্রসঙ্গে কুণালের বক্তব্যের মূল সুর ছিলকোনও সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে অসহায় মানুষকে হেয় বা অপমান করা উচিত নয়। ফুটপাথে কেন কোনও পরিবারকে থাকতে হচ্ছে, সেই বৃহত্তর সামাজিক ও মানবিক সমস্যাটিও প্রশাসনকে দেখতে হবে। সামাজ মাধ্যমে এক ব্যক্তির প্রশ্নের উত্তরে কুনাল ঘোষ লেখেন, দিল্লী বা লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? রাস্তায় ভিক্ষুক এ বিষয়টার থেকেও গুরুত্বপূর্ন হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী বলেন কুনাল ঘোষ।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাম ও তৃণমূল শিবির থেকে অগ্নিমিত্রা পালের সমালোচনা শুরু হয়েছে। বাম নেত্রী কনীনিকা ঘোষও পুরমন্ত্রীর আচরণের নিন্দা করেছেন।যদিও রাজনৈতিক চাপানউতোরের মাঝেই অগ্নিমিত্রা পালের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচি। তাঁর দাবি, ওই পরিবারের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই পুরমন্ত্রী পদক্ষেপ করেছিলেন। বিষয়টিকে নেগেটিভ ভাবে তুলে ধরা হচ্ছে বলেও দাবি তাঁর।ফলে ফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে শুরু হওয়া বিতর্ক ক্রমেই রাজনৈতিক তরজায় পরিণত হয়েছে। একদিকে ফুটপাথবাসী পরিবারের প্রতি মানবিক আচরণের দাবি, অন্যদিকে তাঁদের নিরাপত্তার যুক্তিদুই ভিন্ন অবস্থানকে ঘিরেই এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি।

আগস্ট ২৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

যুবভারতীতে লাল-হলুদ ঝড়, বাগানকে উড়িয়ে ২২ বছর পর ডুরান্ড ইস্টবেঙ্গলের

২২ বছরের অপেক্ষার অবসান। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ফের ট্রফি ঘরে তুলল ইস্টবেঙ্গল। ডার্বির মঞ্চে এমন একতরফা জয় যে লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছেও ছিল প্রায় অবিশ্বাস্য। আর সেই জয়ের কেন্দ্রে একটাই নামএডমুন্ড লালরিনডিকা। দুরন্ত হ্যাটট্রিক করে তিনিই হয়ে উঠলেন রাতের নায়ক।গ্রুপ পর্বে মোহনবাগানের কাছে হারের যন্ত্রণা ছিল ইস্টবেঙ্গলের। ফাইনালের মঞ্চে সেই হারের জবাব দেওয়ার সুযোগও ছিল। কিন্তু জবাবটা যে এতটা নির্মম হবে, তা সম্ভবত কেউই ভাবেননি। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তুলে মাত্র ২২ মিনিটের মধ্যেই তিন গোল করে ইস্টবেঙ্গল কার্যত ম্যাচের ভাগ্য লিখে ফেলে।শুরুটা করেন বিপিন সিংহ। মোহনবাগানের রক্ষণ তখনও নিজেদের মধ্যে সামলে ওঠার চেষ্টা করছে। সেই সুযোগেই ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ পৌঁছে যায় বিপজ্জনক জায়গায়। বিপিনের গোলের পর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে লাল-হলুদ আক্রমণ। মুহূর্তের মধ্যে জোড়া গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে দেন এডমুন্ড।৩-০ পিছিয়ে গিয়ে মোহনবাগান কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল। মনবীর সিংহ ব্যক্তিগত দক্ষতায় একটি গোল শোধও করেন। কিন্তু সেই প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ফের গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন এডমুন্ড। এক ফাইনালের প্রথমার্ধেই চার গোলতার মধ্যে তিনটি একই ফুটবলারের! যুবভারতীর গ্যালারিতে তখন কার্যত লাল-হলুদ উৎসব।দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ছিল ইস্টবেঙ্গলের হাতে। সবুজ-মেরুন আক্রমণে সেই ধার দেখা যায়নি, যা একটি ডার্বি ফাইনালে প্রত্যাশিত। বরং ইস্টবেঙ্গল সুযোগ পেলেই দ্রুত আক্রমণে উঠে এসেছে এবং আরও গোলের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। শেষ পর্যন্ত ৪-১ স্কোরলাইনেই শেষ হয় ম্যাচ।ইস্টবেঙ্গলের সাফল্যের অন্যতম বড় কারণ ছিল দলের সামগ্রিক সংগঠন। মাঝমাঠে মহম্মদ রশিদ ছিলেন অসাধারণ। বল নিয়ন্ত্রণ, পাসিং এবং খেলা পরিচালনায় বারবার তিনি মোহনবাগানের ছন্দ নষ্ট করেছেন। তাঁর সঙ্গে জিকসন সিংহ, আনোয়ার আলি এবং জয় গুপ্তারাও নিজেদের দায়িত্ব নিখুঁত ভাবে পালন করেন।অন্যদিকে মোহনবাগানের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হয়ে দাঁড়ায় রক্ষণ। শুভাশিস বসু, আলবের্তো রদ্রিগেজ়দের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব বারবার প্রকট হয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের দ্রুত আক্রমণের সামনে তাঁরা অনেক সময়ই দিশেহারা হয়ে পড়েন। বিশেষ করে তৃতীয় ও চতুর্থ গোলের ক্ষেত্রে রক্ষণভাগের ভুল চোখে পড়ার মতো।মাঝমাঠেও মোহনবাগান প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারেনি। আপুইয়া এবং অনিরুদ্ধ থাপা কার্যত নিষ্প্রভ ছিলেন। আক্রমণে জেমি ম্যাকলারেনও একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। মনবীর গোল করলেও দলকে ম্যাচে ফেরানোর মতো ধারাবাহিকতা তৈরি করতে পারেননি।ফাইনালের আগে মোহনবাগানের ক্লান্তি নিয়ে আলোচনা ছিল। শিলংয়ে সেমিফাইনাল, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং কর্দমাক্ত মাঠে খেলার ধকলসবই ছিল। কিন্তু ডার্বির মতো বড় ফাইনালে সেই ক্লান্তিকে অজুহাত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ইস্টবেঙ্গলও একই টুর্নামেন্টের চাপ সামলে মাঠে নেমেছিল, অথচ তাদের ফুটবলারদের মধ্যে ছিল অনেক বেশি তাগিদ, ক্ষুধা এবং জয়ের মানসিকতা।আর সেই মানসিকতারই সবচেয়ে বড় প্রতিফলন এডমুন্ডের হ্যাটট্রিকে। তিন গোল করে শুধু ম্যাচের সেরা ফুটবলারই হলেন না, ডুরান্ডের ইতিহাসে ইস্টবেঙ্গলের প্রত্যাবর্তনের রাতটিকেও নিজের নামে লিখে দিলেন তিনি।মজার বিষয়, ম্যাচের বিভিন্ন পরিসংখ্যানে মোহনবাগান কিছু ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও তার কোনও প্রভাব পড়েনি স্কোরলাইনে। কারণ ফুটবল শুধু বল দখল বা শটের সংখ্যা দিয়ে জেতা যায় নাবড় ম্যাচে প্রয়োজন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত এবং সুযোগকে গোলে পরিণত করার ক্ষমতা। সেই পরীক্ষায় রবিবার সম্পূর্ণ সফল ইস্টবেঙ্গল।২২ বছর আগে শেষ বার ডুরান্ড কাপ জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর দীর্ঘ অপেক্ষা, হতাশা এবং একের পর এক অসম্পূর্ণ স্বপ্ন। সেই অপেক্ষার অবসান হল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে হারিয়েই। ফলে এই জয় শুধু একটি ট্রফি জয় নয়লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছে এটি দীর্ঘ অপেক্ষার পর ফিরে পাওয়া গৌরবের রাত।একদিকে এডমুন্ডের হ্যাটট্রিক, অন্যদিকে মোহনবাগানের রক্ষণভাগের বিপর্যয়সব মিলিয়ে যুবভারতীতে রবিবারের ডার্বি যেন হয়ে রইল এক লাল-হলুদ ঝড়ের রাত।তবে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মনে হয়তো শেষ পর্যন্ত একটাই আক্ষেপ থেকে গেলচার নয়, আরও কয়েকটি গোল হতে পারত!

আগস্ট ২৩, ২০২৬
টুকিটাকি

কাঁচা কুমড়ো না পাকা কুমড়ো, কোনটি বেশি উপকারী?

কুমড়ো বাঙালির রান্নাঘরের অতি পরিচিত একটি সবজি। কাঁচা সবুজ কুমড়ো হোক বা পাকা হলুদ-কমলা কুমড়ো, দুটিরই রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ। তবে পরিপক্বতার সঙ্গে কুমড়োর পুষ্টি উপাদানে কিছুটা পরিবর্তন ঘটে। বিশেষ করে পাকা কমলা কুমড়ো বিটা-ক্যারোটিনের অন্যতম ভালো উৎস হিসেবে পরিচিত।কাঁচা কুমড়োতে তুলনামূলকভাবে ভিটামিন C-এর পরিমাণ বেশি থাকতে পারে। এতে ক্যালোরিও কম, ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণের খাদ্যতালিকায় এটি রাখা যেতে পারে। কিছু জাতের অপরিপক্ব কুমড়োতে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট কার্যকারিতাও দেখা যায়। তবে কাঁচা কুমড়ো রান্না করে খাওয়াই ভালো, কারণ তাতে হজম সহজ হয়।অন্যদিকে, পাকা হলুদ বা কমলা কুমড়োর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল প্রচুর বিটা-ক্যারোটিন। শরীর এই উপাদানকে ভিটামিন A-তে রূপান্তর করে। ফলে চোখের স্বাস্থ্য, ত্বক এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে পাকা কুমড়ো উপকারী। এতে লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টও রয়েছে। রান্না করলে কুমড়োর বিটা-ক্যারোটিন শরীর তুলনামূলক সহজে শোষণ করতে পারে।কুমড়োকে ক্যানসারের ওষুধ বা নিশ্চিত প্রতিরোধক বলা যায় না। তবে এতে থাকা ক্যারোটিনয়েড, পলিফেনল, ভিটামিন C ও E এবং খাদ্যআঁশ শরীরকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে ভূমিকা রাখতে পারে। তাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে কুমড়ো খাওয়া উপকারী হতে পারে।কুমড়োর বীজেও রয়েছে প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর অসম্পৃক্ত চর্বি, জিঙ্ক, ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন E। হৃদ্স্বাস্থ্য ও সামগ্রিক পুষ্টির জন্য এগুলি গুরুত্বপূর্ণ।পুষ্টিগত বিচারে বিটা-ক্যারোটিনের জন্য পাকা কমলা কুমড়ো কিছুটা এগিয়ে থাকলেও কাঁচা কুমড়োকেও খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কারণ নেই। অল্প তেলে রান্না করে, অতিরিক্ত ভাজা বা চিনি এড়িয়ে কুমড়ো খাওয়াই ভালো। সব মিলিয়ে, বিভিন্ন ধরনের সবজি, ডাল ও স্বাস্থ্যকর খাবারের সঙ্গে কুমড়ো রাখলেই মিলবে বেশি সুষম পুষ্টি।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ওয়াকফ-অশান্তির মামলায় নাম, এবার তৃণমূল ছেড়ে অধীরের হাত ধরে কংগ্রেসে ইনজামুল! কেন এই দলবদল?

ওয়াকফ সংশোধিত আইনকে কেন্দ্র করে অশান্তির ঘটনার পর থেকেই বিতর্কে ছিলেন ধুলিয়ানের পুরপ্রধান ইনজামুল ইসলাম রাজা। এবার সেই ইনজামুলই তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিলেন। রবিবার প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর হাত ধরে কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। তাঁর এই দলবদল ঘিরে মুর্শিদাবাদের রাজনীতিতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।গত বছর সংশোধিত ওয়াকফ আইনকে কেন্দ্র করে জঙ্গিপুরের সামশেরগঞ্জ, সুতি এবং ধুলিয়ানে অশান্তি ছড়িয়েছিল। সেই ঘটনায় ইনজামুল ইসলাম রাজার বিরুদ্ধে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বর্তমানে সেই মামলা চলছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইনজামুল। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।রবিবার ধুলিয়ানের কাঞ্চনতলা ঘাটে কংগ্রেসের যোগদান সভায় বড়সড় দলবদল হয়। ইনজামুল ইসলাম রাজার পাশাপাশি ধুলিয়ান পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান খায়রুল আলম, কাউন্সিলর শরিফ শেখ, ফারহানা খাতুন-সহ একাধিক কাউন্সিলর এবং তৃণমূলের কর্মীরা কংগ্রেসে যোগ দেন। একই দিনে মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি ওবায়দুর রহমানও কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।ইনজামুলের দলবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিজেপির দক্ষিণ মালদহ সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি মিলন ঘোষ কটাক্ষ করে দাবি করেন, তৃণমূলের দুর্নীতি থেকে বাঁচতেই অনেকে দলবদল করছেন। সামশেরগঞ্জের অশান্তিতে যাঁদের নাম উঠেছিল, তাঁরাও নিজেদের বাঁচাতে দল পরিবর্তন করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে দলবদল করেও তাঁরা আইনি পরিস্থিতি থেকে রেহাই পাবেন না বলেও দাবি করেন বিজেপি নেতা।বিজেপির এই অভিযোগ অবশ্য সরাসরি খারিজ করেছেন ইনজামুল ইসলাম রাজা। তাঁর দাবি, সামশেরগঞ্জের অশান্তির সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ ছিল না। রাজনৈতিক কারণে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। সেই মামলার বিরুদ্ধে তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের এই ভাঙন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ধুলিয়ান পুরসভার একাধিক জনপ্রতিনিধির একসঙ্গে দলবদল স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে ওয়াকফ-অশান্তির মামলা চলার মধ্যেই ইনজামুলের কংগ্রেসে যোগদান ঘিরে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।এ দিনের যোগদান সভায় উপস্থিত ছিলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী, দক্ষিণ মালদহের সাংসদ ইশা খান চৌধুরী, ফরাক্কার বিধায়ক মনিরুল ইসলাম এবং জঙ্গিপুর মহকুমা কংগ্রেসের সভাপতি আলফাজুদ্দিন বিশ্বাস-সহ জেলা ও ব্লক স্তরের কংগ্রেস নেতৃত্ব।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ বাংলায় এত বড় বিনিয়োগ! জাহাজ শিল্পে পাঁচ প্রকল্পের সূচনায় বাড়ল আশার আলো

পশ্চিমবঙ্গে জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের ভবনে পাঁচটি সম্প্রসারণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এই পাঁচটি প্রকল্পে মোট ৩৪০৪ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।এই উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে রাইচক CPR, টিম্বার পন্ট শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, দামোদর শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, রেডিয়াল ফোরজিং প্ল্যান্ট এবং ৩০০০ টন ওপেন-ডাই ফোরজিং প্রেস প্রকল্প। জাহাজ নির্মাণের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা উৎপাদনের ক্ষেত্রেও এই প্রকল্পগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে বাংলায় বিনিয়োগ আনার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের ভূমিকার প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, বাংলায় শিল্প গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় জমি, দক্ষ মানবসম্পদ, পরিকাঠামো এবং কাঁচামাল রয়েছে। এতদিন এই সম্ভাবনাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার একসঙ্গে কাজ করলে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, নতুন সরকারের আমলে কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ের ফলে উন্নয়নের গতি আরও বাড়ছে।সীমান্ত সুরক্ষার প্রসঙ্গও উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য জমি দেওয়া কোনও রাজনৈতিক বিষয় নয়, বরং রাজ্য সরকারের দায়িত্ব বলেই মন্তব্য করেন তিনি। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য প্রয়োজনীয় জমির প্রায় ৯০ শতাংশ হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা জনগণনা সংক্রান্ত কাজও ফের শুরু হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে রাজ্যে বেকারত্ব কমাতে শিল্পায়ন এবং বড় বিনিয়োগের উপর জোর দেওয়ার কথা বলেন তিনি।গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকার জমি এবং পরিকাঠামো সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। ৩৪০৪ কোটি টাকার এই বিনিয়োগ দিয়েই উদ্যোগ শেষ নয়, আগামী দিনে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে।জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা উৎপাদনের পাশাপাশি এই ধরনের শিল্প প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাকে ফের দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে বার্তা দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

মহাকাশে বদলে যাচ্ছে ভারতের ছবি! স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে কী বললেন মোদী?

জাতীয় মহাকাশ দিবসে দেশের মহাকাশ ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার দেশের প্রথম সারির মহাকাশ স্টার্টআপগুলির প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রে স্টার্টআপগুলির উদ্যম, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং নতুন ভাবনার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবন আরও সহজ করতে মহাকাশ প্রযুক্তির নতুন ব্যবহার খুঁজে বার করার পরামর্শ দেন তিনি।মোদী বলেন, মহাকাশ প্রযুক্তিকে শুধু প্রচলিত কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। মানুষের দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানেও এই প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রার মান কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, সেই বিষয়ে নতুন করে ভাবার পরামর্শ দেন তিনি।ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ নিয়েও স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁদের আত্মবিশ্বাস এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার প্রশংসা করে তিনি সরকারি নীতির ধারাবাহিকতার উপর জোর দেন। তাঁর বক্তব্য, সরকারের সিদ্ধান্তের উপর মহাকাশ ক্ষেত্রে কাজ করা সংস্থাগুলির যে আস্থা তৈরি হয়েছে, তা ধরে রাখা অত্যন্ত জরুরি।বিশ্বের মহাকাশ অর্থনীতিতে ভারতকে আরও বড় জায়গায় নিয়ে যাওয়ার কথাও বলেন মোদী। তাঁর আশা, আগামী দিনে মহাকাশ ক্ষেত্রে কোনও বড় প্রযুক্তিগত সাফল্য এলেই বিশ্বের নজর ভারতের স্টার্টআপগুলির দিকে ঘুরবে। ভারতীয় সংস্থাগুলি যেন বিশ্ব মহাকাশ ক্ষেত্রে নিজেদের শক্তিশালী পরিচয় তৈরি করতে পারে, সেই লক্ষ্যেই এগোতে হবে বলে বার্তা দেন তিনি।মহাকাশ স্টার্টআপ, মহাকাশ সংস্থা এবং বৃহত্তর প্রযুক্তি ক্ষেত্রের মধ্যে আরও বেশি সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বিদেশে কাজ করা ভারতীয় দক্ষ পেশাদারদের দেশে ফিরে আসার প্রবণতাকেও ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর মতে, ভারতে এমন পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন, যাতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দক্ষ মানুষ মহাকাশ ক্ষেত্রে কেরিয়ার গড়ার জন্য ভারতকে অন্যতম সেরা ঠিকানা হিসেবে বেছে নেন।মোদীর বক্তব্য, ভারতীয় মহাকাশ স্টার্টআপগুলির দ্রুত বৃদ্ধি আগামী দিনে বিশ্বের প্রতিভাবান পেশাদারদের আকৃষ্ট করতে পারে। শুধু দেশের প্রতিভা নয়, গোটা বিশ্বের দক্ষ মানুষকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যেই এগোতে হবে। জাতীয় মহাকাশ দিবসে প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তায় মহাকাশ ক্ষেত্রে ভারতের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

আবার নিম্নচাপের চোখরাঙানি! রবিবার থেকে মঙ্গলবার ভিজবে বাংলা, কোথায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা?

রবিবার থেকেই বাংলার আবহাওয়ায় ফের বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা। উপকূলের দিকে ইতিমধ্যেই মেঘ ঢুকতে শুরু করেছে। ফলে রবিবার থেকে বৃষ্টি বাড়তে পারে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি চলতে পারে।গত সপ্তাহে নিম্নচাপের জেরে প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়েছিল দক্ষিণবঙ্গ। কলকাতা-সহ প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি হয়েছিল। বহু জায়গায় জল জমে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে। এর মধ্যেই বঙ্গোপসাগরে ফের একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। অগস্ট মাসে এটি তৃতীয় নিম্নচাপ বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। নতুন এই নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নতুন নিম্নচাপটি বাংলা ও ওড়িশা উপকূলের কাছে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উপকূলবর্তী এবং পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টি বেশি হতে পারে। কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে দুই মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে নিম্নচাপের মূল প্রভাব পড়তে পারে ওড়িশা এবং ছত্তীসগঢ়ে।দক্ষিণবঙ্গের পর মঙ্গলবার থেকে উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে।বৃহস্পতিবারও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ফলে সপ্তাহের শুরু থেকেই ফের বৃষ্টির দাপট দেখা দিতে পারে বাংলায়। নতুন নিম্নচাপের গতিপথ এবং শক্তি বদলালে বৃষ্টির পূর্বাভাসেও পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

আগস্ট ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal