• ১৪ কার্তিক ১৪৩৩, বুধবার ০৪ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Help

নিবন্ধ

অদৃশ্য সাহায্য (ছোট গল্প)

ট্রেনটা স্টেশনে থামল রাত তখন প্রায় সাড়ে দশটা। স্টেশন প্রায় ফাঁকা, দুচার জন এদিক ওদিক শুয়ে আছে।এতো রাতে ট্রেন থেকে খুব একটা বেশি লোক নামে না। আজ আগের ট্রেনটা মিস হয়ে যাওয়ার পর অর্ণা যখন বলল ওর সঙ্গে যেতে তখন ঋতু গেলোনা; মায়ের ওষুধ ফুরিয়ে গেছে যে। সেগুলো কিনতে গিয়েই আজ ট্রেনটা মিস হয়ে গেলো।স্টেশন থেকে বাইরে বেরিয়ে দেখল চারিদিক সুনসান। ফোনটাও অফ হয়ে গেছে চার্জ ফুরিয়ে যাওয়ায়।বাড়িতে ফোন করার ও উপায় নেই। দেখে মনে হচ্ছে লোড শেডিং।ভাগ্য ভালো ছোট টর্চ টা সাথে ছিলো। ঋতু হাঁটতে লাগল।একটু যেতেই মনে হলো পিছনে কেউ আসছে। দেখল একটা ফাঁকা রিক্সা।ঋতু অবাক হলো কই দেখতে পায়নি তো স্টেশন এ। ভাবল অন্ধকারে দেখতে পায়নি।রিক্সাচালক একটি অল্পবয়সি ছেলে। ঋতুকে বললো দিদি আমার রিক্সায় ওঠো আমি ওদিকেই যাবো, তোমাকে বাড়ি পৌঁছে দেবো। ঋতুকে ইতস্তত করতে দেখে ছেলেটি বলল দিদি আমি তোমার ছোটোভাইয়ের মতো। এতো রাতে একা যেও না রাস্তা ভালো না। ঋতু আর দ্বিধা না করে উঠে পরলো রিক্সায়।ছেলেটি বেশ ভালো, গল্প করতে করতে এগিয়ে চলল। পথে একটা পুরনো বাড়ি পরে, ওখান টা বেশ গা ছম ছম করতে লাগল। ছেলেটা তখন বলল ভয় কি দিদি আমি আছি। তখন সমীর মানে রিক্সাচালক ছেলেটি বলতে লাগল---- পাঁচ বছর আগে এরকম এক অন্ধকার রাতে তোমার মতো একজন মেয়ে হেঁটে ফিরছিল। তখন ঐ বাড়িটার দাওয়ায় একদল ছেলে আড্ডা দিত মানে মদের আসর বসত। এই পথ দিয়ে মানুষের যাওয়ার উপায় ছিলোনা। মেয়েটি তোমার মতই নিরুপায় হয়ে এই পথ দিয়ে যাচ্ছিল। যেই না ওদের সামনে এসেছে ওর শুরু করলো বদমাইশি। আমি তখন একজনকে নামিয়ে বাড়ি ফিরছি। চিৎকার শুনে তাড়াতাড়ি এগিয়ে গিয়ে ওদের বাধা দিলাম। কিন্তু ওরা ছিলো চার পাঁচ জন। আমি তাও ওদের আটকাতে চেষ্টা করলাম। মেয়েটিকে বললাম তুমি পালাও। মেয়েটি আমার কথা শুনে ছুট লাগালো। ওর পিছনে একজন ছুটল। বাকিরা আমাকে মারতে লাগল। শেষে একজন ওদের ফেলে দেওয়া বোতল ভাঙা আমার পেটে ঢুকিয়ে দিল। আমি আর পারলাম না। পরে গেলাম মাটিতে, রক্তে ভেসে গেলো আমার দেহ। ছেলে গুলো আমাকে মরে যেতে দেখে পালিয়ে গেলো।এই দিদি তুই এখানে কি করে এলি? আমি তো তোকে আনতে স্টেশন গেছিলাম, কিন্তু দেখতে পেলাম না।ঋতু ভাই কে কিছুই বলতে পারলো না। শুধু বলল পরে বলবো। এখন ঘরে চল। ওর ভাই অবাক চোখে তাকিয়ে রইল। কিছুই বুঝল না।সমীররা এইভাবেই সাহায্য করে যায় মানুষ কে......।।

জুলাই ১০, ২০২২
বিদেশ

ইউক্রেনজুড়ে শুরু ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল কিয়েভ, উদ্বেগ প্রকাশ ভারতের, চালু হেলপলাইন

ভারতীয় সময় বৃহস্পতিবার ভোরে ইউক্রেনে সেনা অভিযানের ঘোষণা করেছিলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তার মিনিট খানেকের মধ্যেই ইউক্রেনের রাজধানী কিভে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করে দিল রাশিয়ার সেনা বাহিনী। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কিভ-সহ ইউক্রেনের অন্যান্য শহরে একের পর এক বিস্ফোরণের খবর এসেছে। তার মধ্যে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণের ছবি দেখে চমকে গিয়েছে আন্তর্জাতিক মহল।সকালে রাশিয়ার কিভ, খারকোভ, ওডেসা-সহ বিভিন্ন শহরে একের পর এক বিস্ফোরণের ছবি এবং ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এসেছে। চারপাশ থেকে গল গল করে কালো ধোঁওয়া বেরনোর ছবি দেখে আতঙ্কিত হয়েছেন অনেকেই। এমনকী বিস্ফোরণের মুহূর্তে তীব্র আলো আর ধোঁয়ার মেঘের ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে।This is the port of Ochakov. After the Russian strikes targeted the Ukrainian Navy.#Russia #Ukraine #Putinpic.twitter.com/OwPIChIyge Intel Rogue (@IntelRogue) February 24, 2022ভারতের দাবি, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে সামরিক সংঘাত বাড়লে ধাক্কা খাবে শান্তি ও নিরাপত্তা। রাষ্ট্রসঙ্ঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি টিএস ত্রিমূর্তি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, বড়সড় সংকট তৈরি করতে চলেছে রাশিয়া ও ইউক্রেনের পরিস্থিতি।রাষ্ট্রসঙ্ঘে ত্রিমূর্তি বলেন, পরিস্থিতি বিপজ্জনক। তৈরি হতে পারে বড়সড় সঙ্কট। বিঘ্নিত হতে পারে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও শান্তি। দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার আর্জি জানিয়েছেন তিনি। পরিস্থিতি যাতে আরও খারাপের দিকে না যায়, সে বিষয়েও বার্তা দিয়েছে ভারত।শান্তি বজায় রাখা কতটা জরুরি সে কথা মনে করিয়ে দিয়ে ত্রিমূর্তি উল্লেখ করেছেন, কূটনৈতিক স্তরে আলোচনার মাধ্যমেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা প্রয়োজন। তিনি আরও জানিয়েছেন, ভারতীয় নাগরিকদের ইউক্রেন থেকে অবিলম্বে দেশে ফেরাতে সাহায্য করা হচ্ছে।Russian missile hitting Frankivsk airport.#Russia #Ukraine #Donbasspic.twitter.com/tm3s9bDlFu Intel Rogue (@IntelRogue) February 24, 2022ইতিমধ্যেই দুটি এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান ভারতে ফিরেছে নাগরিকদের নিয়ে। তবে এখনও কয়েক হাজার ভারতীয় ইউক্রেনে আটকে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। সোমবারই রাষ্ট্রসঙ্ঘের বৈঠকে ভারতের তরফে জানানো হয়েছে, সীমান্তবর্তী এলাকা-সহ ইউক্রেনে প্রায় ২০ হাজার ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন বর্তমানে। এদের মধ্যে বেশির ভাগই পড়ুয়া। তাঁদের সুরক্ষা এবং নিরাপত্তাই ভারতের কাছে অগ্রাধিকার পাবে বলেও জানানো হয়েছে।গত সপ্তাহেই বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, ইউক্রেনের সঙ্গে এয়ার বাবল চুক্তি শিথিল করা হয়েছে। দেশের উড়ান সংস্থাগুলি চাহিদা অনুযায়ী বিমানের ব্যবস্থাও করতে পারে। ইউক্রেনে বসবাসকারী ভারতীয়দেরও চার্টার্ড বা যাত্রীবাহী সাধারণ বিমানে দ্রুত দেশে ফিরে আসার অনুরোধে জানানো হয়েছে। সাহায্যের জন্য বিদেশ মন্ত্রকের তরফে একটি বিশেষ কন্ট্রোল রুমও খোলা হয়েছে।ইউক্রেনে এখনও আটকে রয়েছে কয়েক হাজার ভারতীয়। বেশ কয়েকজনকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হলেও বৃহস্পতিবার মাঝপথ থেকে বিমান ফেরানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আটকে থাকা ভারতীয়দের জন্য হেল্পলাইন নম্বর চালু করল ভারত। নম্বরগুলি হল, 1800118797 (Toll free), +91-11-23012113, +91-11-23014104, +91-11-23017905

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

শিশুদের মুখে হাসি ফোটালো সৃজনী সংঘ

করোনার সময় আমরা দেখতে পেয়েছি বিভিন্ন স্বেচ্ছ্বাসেবী সংস্থা দুঃস্থদের পাশে দাঁড়িয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। সেরকমই একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা কলকাতা মহেশতলার সৃজনী সংঘের পক্ষ থেকে করোনার স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রান্তি ব্লুকের লাটাগুড়ি জঙ্গল লাগোয়া কৈলাসপুর চা বাগানের মাগুরমাড়ি বন বস্তিতে পৌঁছে গিয়েছিল। চা বাগানের দুঃস্থ ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়ার সরঞ্জাম বিতরণের পাশাপাশি দুপুরে একবেলা ভালো করে খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। মহেশতলা সৃজনী সংঘের সদস্য সুদীপ্ত মণ্ডল জনতার কথা কে জানিয়েছেন, সারা বছর আমরা দুঃস্থদের বিভিন্ন পরিষেবা দিয়ে থাকি। এবার কৈলাসপুর চা বাগানের মাগুরমাড়ি বন বস্তির দুঃস্থ বাচ্চাদের পাশে আমাদের সংস্থা দাঁড়ালো। ২০০ জন বাচ্চার হাতে লেখাপড়ার বিভিন্ন সামগ্রী যেমন বই, খাতা, পেন্সিল, রবার তুলে দেওয়া হয়। এছাড়া দুপুরে একবেলা পেটভরে খাওয়ানোও হয়েছিল। শুধু তাই নয়, করোনার মধ্যে আমরা তাদের হাতে মাস্ক ও স্যানিটাইজারও তুলে দিই। ওদের হাসিমুখগুলো দেখে খুব ভালো লাগছিল। তিনি আরও জানিয়েছেন খুব শীঘ্রই সৃজনী সংঘ নতুন ভাবনা নিয়ে আসবে এবং সাধারণ মানুষের জন্য তারা কাজ করবেন।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২২
রাজ্য

বেসরকারি বাসপরিবহণ শিল্পে তীব্র সংকট, সরকারি সাহায্য জরুরি

গণপরিবহণ ব্যবস্থার অন্যতম শরিক বেসরকারি বাস। এই শিল্পে লক্ষ লক্ষ মানুষের রুটি-রুজি। বাসের মালিক, শ্রমিক থেকে অনুসারী শিল্প ও ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত বহু মানুষ। আজ এই শিল্পের সঙ্গে মানুষগুলোর সংসার ভেসে যাচ্ছে। বাসমালিকদের অনেকেরই আজ আর রাস্তায় গাড়ি নামানোর মতো কোমরে জোর নেই। আর্থিক অনটনে ভগ্নদশা বেসরকারি বাস পরিবহণের। যার ফল ভোগ করতে হচ্ছে সাধারণ যাত্রীসাধারণকেও।আরও পড়ুনঃ কুয়াশার মধ্যেই চলছে উদ্ধারকাজ, ময়নাগুড়ি পৌঁছলেন রেলমন্ত্রী, জন বার্লা২০২০ করোনা আবহে লকডাউনের শুরু থেকেই বাস পরিবহণের দৈন্যদশার সূত্রপাত। বাসগুলো দীর্ঘ দিন বসে গিয়ে তার কলকব্জা নষ্ট হতে থাকে। পেটের টান পড়ে মালিক ও শ্রমিকদের। তার ওপর ডিজেলের দাম বেড়েই চলেছে। বাসের টায়ার থেকে যন্ত্রপাতির মূল্যবৃদ্ধি ঘটছে সমানতালে। রয়েছে বিমা, ট্যাক্স, ফাইন। তাছাড়া রাজ্য সরকারের কাছে একাধিকবার দাবি করেও বাড়েনি বাসভাড়া। কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে দাবি করে মেলেনি আর্থিক প্যাকেজ। এই শিল্প আজ প্রায় শেষলগ্নে পৌঁছে গিয়েছে। হুঁশ ফেরেনি কোনও সরকারের। রাজ্য সরকার সামান্য টাকা ট্যাক্স ছাড় দিলেও তাতে যে চিড়ে ভিজবে না তা বলছেন বাসমালিকদের একটা বড় অংশ।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে ফের বাড়ল করোনা সংক্রমণ, বৃদ্ধি পেল পজিটিভিটি রেটওবেকারী দূরীকরণ নিয়ে রাজনৈতিক নেতাদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হয় না তার হাজারো প্রমান রয়েছে। ক্ষমতায় এলে কেউ আর কথা রাখে না। যে শিল্প বাস্তবে ধুঁকছে সেই শিল্পকে আর্থিক সাহায্য় করলে লক্ষ লক্ষ মানুষ দুমুঠো খেয়ে বেঁচে থাকতে পারবে তা রক্ষা করার দায় কেউ নিচ্ছে না। লক্ষ লক্ষ চাকরি দেওয়ার ভাষণ না দিয়ে বাসপরিবহণ শিল্পে নজর দিলে লক্ষ লক্ষ মানুষ ফের বেকার হয়ে পড়বে না। এই বিষয় একটা সাধারণ মানুষ বুঝলে সরকার বাহুদুর বুঝবে না তা আবার হয় নাকি।আরও পড়ুনঃ ডায়মন্ডহারবার মডেল নিয়ে তৃণমূল যুবনেতার ফেসবুক পোস্ট ঘিরে জল্পনা তুঙ্গেইএমআই দিতে না পারার জন্য প্রায় প্রতিদিনই বাস টেনে নিয়ে যাচ্ছে ব্যাংকগুলো। বাসের দখল নিলেও এতে যেমন ব্যাংকের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে তেমনই বাসমালিক নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে। বাসের মালিকসহ শ্রমিকরা পথে বসে যাচ্ছে। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বেসরকারি বাসপরিবহণ টিকিয়ে রাখার জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ করা উচিত। মালিক-শ্রমিকরা তো এই দেশের নাগরিক। তাঁদেরও বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে। দুই সরকারই যদি সদর্থক উদ্যোগ নেয় তাহলে এই শিল্প রক্ষা পাবে। রক্ষা পাবে লক্ষ লক্ষ পরিবার। কৃষকদের জন্য দুই সরকার অনুদান দিচ্ছে। সেটা ভাল উদ্যোগ। বাসপরিবহণকে রক্ষা করার জন্য নতুন পরিকল্পনা নিলে দুই সরকারই মানুষের আশীর্বাদ পাবে। সরকার মানুষের সরকার হবে, জনগণের সরকার বলে বিবেচিত হবে।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
রাজ্য

Bhatar: পূর্ব বর্ধমানে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর তিন লক্ষ টাকার চেক চুরি, শ্রীঘরে জামাই

শ্বশুরবাড়ি এলাকার স্বনির্ভর গোষ্ঠীর ৩ লক্ষ টাকার চেক চুরির দায়ে গ্রেফতার হল জামাই। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে। ধৃত জামাইয়ের নাম সাইগন শেখ। তাঁর বাড়ি জেলার মেমারি থানার ডাঙ্গাপাড়া গ্রামে। ভাতার থানার পুলিশ বুধবার রাতে বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে। বৃহস্পতিবার ধৃতকে বর্ধমান আদালতে তুলে পুলিশ তাঁকে ৫ দিনের জন্য নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আবেদন জানায় । বিচারক ধৃতের পুলিশ হেফাজত মঞ্জুর করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, ভাতারের বলগোনা গ্রামে সাইগন শেখের শ্বশুরবাড়ি। সপ্তাহ দুয়েক আগে এই গ্রামের একটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে জনৈকা পম্পা গড়াই নামে এক মহিলা তাঁদের ৩ লক্ষ টাকার চেক চুরি যাওয়া বিষয়ে ভাতার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ওই চেক ভাঙিয়ে কেউ গোষ্ঠির এ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে নিয়ছে বলেও ওই মহিলা পুলিশকে জানান। অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে চেকের ওই ৩ লক্ষ টাকা জমা পড়েছে মেমারি থানার ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সাইগন শেখের ব্যাঙ্ক আ্যকাউন্টে। সাইগন শেখ ওই স্বনির্ভর গোষ্ঠির এক মহিলার আত্মীয় বলে পুলিশ জানতে পারে। এরপর বুধবার রাতে মেমারির ডাঙ্গাপাড়ায় সাইগন শেখের বাড়িতে হানা দিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করে। গোষ্ঠীর চেক চুরি করে টাকা আত্মসাতের ঘটনায় আর কারও হাত রয়েছে কিনা তা জানতে ধৃতকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২১
রাজ্য

Mamata Bannerjee: পুজোয় ঠাকুর দেখতে পারবেন? কী জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

পুজো হবে কোভিডবিধি মেনেই। মঙ্গলবার পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে বৈঠকে এমনটাই ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জানান, পুজো কমিটিগুলিকে ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। তবে পুজো হলেও রাতে দর্শনার্থীরা ঠাকুর দেখতে বেরতে পারবেন কি না বা অন্যান্য বছরের মতো পুজো কার্নিভাল হবে কি না, তা নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, সেই অনুযায়ী পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে বৈঠক করেন মমতা। সেখানে পুজো কমিটিগুলির প্রতিনিধিদের তিনি বলেন, আগের বছর সরকার যে সমস্ত নিয়ম ঘোষণা করেছিল, এ বছরও তা কার্যকর থাকছে। ফলে আপনাদের কোনও অসুবিধা হবে না। নিয়ম মেনে পুজো করতে পারবেন।আরও পড়ুনঃ শাস্ত্রী ও কোহলির ওপর অসন্তুষ্ট বোর্ড, চাওয়া হবে কৈফিয়ত গত বছর পুজোর আগে রাজ্য সরকার একটি নির্দেশিকা জারি করে। সেখানে বলা হয়, খোলামেলা প্যান্ডেল করতে হবে। প্যান্ডেল চত্বরে রাখতে হবে মাস্ক ও স্যানিটাইজার। এ বছর সেই নিয়ম থাকবে জানিয়ে মমতা বলেন, ক্লাবে মাস্ক রাখবেন। স্যানিটাইজার রাখবেন। ক্লাব চত্বর স্যানিটাইজ করবেন। অনেক মানুষ পুজো দেখতে আসবেন। সকলের যাতে মাস্ক থাকে, নজর রাখবেন। মণ্ডপের মধ্যে মাস্ক বিলি করার ব্যবস্থাও করতে পারেন। মমতা আরও বলেন, গত বার পুজোর সময় রাতে ছাড় দেওয়া হয়েছিল। এ বার কী করা যায়, তা নিয়ে কয়েক দিন পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে। হাতে এখনও কিছুটা সময় আছে। এ ছাড়া, পুজোর বিসর্জন শুরু হবে ১৫ অক্টোবর থেকে, চলবে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত। সেই নিয়ম মেনে ১৮ অক্টোবর পুজোর কার্নিভাল হওয়ার কথা। কিন্তু এ বিষয়েও এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, তা দেখেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।এদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ আনল বিজেপি। মঙ্গলবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে এ ব্যাপারে অভিযোগ জানিয়েছে রাজ্য বিজেপির প্রতিনিধি দল। তাদের বক্তব্য, ভোটের আগে বাড়তি সুবিধা পেতেই পুজো কমিটিগুলিকে টাকা দিচ্ছেন মমতা। তৃণমূলনেত্রীর জন সমর্থন বাড়ানোর লক্ষ্যেই কমিটিগুলিকে এই আর্থিক অনুদান দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২১
কলকাতা

Behala: কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, বেহালায় তাণ্ডব

প্রায় এক কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল বেহালায়। একটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা গিয়ে প্রথমে অভিযুক্ত ববি বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি ও অফিস ভাঙচুর চালায়।ঘর ভাঙচুর করে অভিযুক্ত মহিলা ও তার স্বামীকে বাইরে বের করে চলে বেদম প্রহার। এদিন তাঁর বাড়ির সামনে রীতিমতো তাণ্ডব চালালেন আমানতকারীরা।অভিযোগ, বেহালা বকুলতলা অঞ্চলের বাসিন্দা ববি একটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর টাকা গ্রামীণ ব্যাংকে জমা রেখে সুদ এবং প্রয়োজনে ঋণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এই কাজের জন্য তিনি একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাও খোলেন। তিনিই স্থানীয় মহিলাদের নিয়ে স্বনির্ভর গোষ্ঠী তৈরি করেন। দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে মহিলা এখানে টাকা জমা রাখছেন বলে জানান এক অভিযোগকারী। তাঁদের দাবি, টাকা জমা রাখা মহিলার সংখ্যা ১ হাজার ৩০০-র বেশি। অভিযোগকারীরা বলেন, মাসিক সুদ ছাড়াও প্রয়োজনে ঋণ পাওয়া যাবে বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে সময় মতো সুদ না পাওয়ায় তাঁদের সন্দেহ হতে থাকে সকলের মনেই। এরপর সম্প্রতি ব্যাংকে গিয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নিয়মিত টাকা জমা পরছে না তাঁদের অ্যাকাউন্টে।আরও পড়ুনঃ আন্দোলনকারী শিক্ষিকাদের বিজেপির ক্যাডার বলে তোপ শিক্ষামন্ত্রীরঅভিযোগকারীদের আরও বক্তব্য, তাঁরা আগে ওই সংস্থাকে অভিযোগ জানিয়েছিলেন। তখন টাকা জমা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি মিললেও আদৌ সমস্যার কোনও সুরাহা হয়নি।এরপরই আর মেজাজ ঠিক রাখতে পারেননি কেউই। বুধবার কয়েকশো মহিলা বেহালায় অভিযুক্ত ববির বাড়িতে চড়াও হন। ভয়ে ভিতর থেকে দরজায় তালা লাগিয়ে দেন ববি। পরে জমায়েত হওয়া মহিলারা ববির বাড়িতে এবং অফিসে ইট ছুড়তে থাকেন। ভাঙা হয় দরজা-জানলা। জোর করে বাড়িতে ঢুকে চলে ভাঙচুর। বাড়ির বাইরে রাখা একটি মোটরসাইকেলও ভাঙা হয়। পরিস্থিতি সামলাতে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ বাহিনী।

আগস্ট ২৫, ২০২১
রাজ্য

Dilip Ghosh: রাজ্যকে বন্যা খোঁচা দিলীপের

রাজ্যে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। মূলত, তিন জেলার অবস্থা শোচনীয়। এই অবস্থায় ফের একবার রাজ্য সরকারকে বিঁধলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। ২০১৭ সালে বন্যা দামোদর অববাহিকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণে বিশ্ব ব্যাংক ও এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক পশ্চিমবঙ্গকে ২ হাজার কোটি টাকা আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করেছিল। সেই টাকা রাজ্য পেয়েওছিল। কিন্তু, এই টাকা ঠিক কোথায় গেল, তা কেউ জানে না বলে কটাক্ষ করেছেন দিলীপ। তাঁর দাবি, এত পরিমাণ টাকা আর্থিক সাহায্য পাওয়ার পরও ময়না, আরামবাগ, সবং, ঘাটাল সর্বত্র বন্যা হয়েছে। রাজ্য সরকারকে দুষে দিলীপ প্রশ্ন করেছেন, এত টাকা কোথায় গেল? সব কী তাহলে লুট হয়ে গিয়েছে?শুক্রবার একটি টুইট করে বিভিন্ন বন্যা কবলিত এলাকার দুর্দশার ছবিও তুলে ধরেন দিলীপ। 1.1 In 2017, for controlling flood in Damodar basin, World Bank and the Asian Infrastructure Investment Bank have agreed to provide financial aid of 2000 cr to WB govt.No one knows what happened to this aid. pic.twitter.com/glPzOYEN0J Dilip Ghosh (@DilipGhoshBJP) August 6, 2021উল্লেখ্য, রাজ্যের বন্যা কবলিতদের সাহায্যার্থে ও পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে রাজ্যের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

আগস্ট ০৬, ২০২১
রাজ্য

Flood Situation: 'ম্যান মেড' বন্যার অভিযোগ দেগে মোদিকে কী বললেন মমতা?

আবহা্ওয়া খারাপ ও যান্ত্রিক ত্রুটি থাকায় হেলিকপ্টারে করে খানাকুলের বন্যা পরিস্থিতি দেখতে যেতে পারেননি। কিন্তু সড়কপথে উদয়নারায়ণপুর, আমতার বন্যা কবলীত এলাকা পরিদর্শন করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বন্যার্তদের সাধ্যমত সাহায্যের আশ্বাসও দেন। এদিকে, এদিনই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ফোনালাপে ডিভিসির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতিকে ম্যান মেড বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ বার প্রধানমন্ত্রীকে একটি চিঠি দিয়ে সমস্ত বিষয় উল্লেখ করে সুরাহা চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী। চিঠিতে তিনি জানান, ডিভিসির ইচ্ছে মতো জল ছাড়ার কারণেই ২০১৫, ২০১৭, ২০১৯ সালের পর আবার এই বছর রাজ্যে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হল।চিঠিতে মমতা জানান, নিম্নচাপের কারণে বিগত কয়েক দিন ধরেই পশ্চিমবঙ্গ এবং ঝাড়খণ্ডে টানা বৃষ্টি হয়ে চলেছে। আর এই সময়ে মাইথন, পাঞ্চেত ও তেনুঘাট জলাধার থেকে প্রায় দুলাখ কিউসেক জল ছেড়েছে ডিভিসি, যার জেরেই রাজ্যের হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ১৬ জনের প্রাণহানি ছাড়াও লাখ লাখ মানুষের জীবন-জীবিকা বিপর্যস্ত।আরও পড়ুনঃ ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ রানি রামপালরা, সামনে এবার ব্রোঞ্জের লড়াই২০১৫ সালের বন্যার সময়েও মোদির কাছে ডিভিসির সংস্কার, পলি পরিষ্কার এবং ডিভিসির জলধারণ ক্ষমতা ১.২ লক্ষ একর ফুট বাড়ানোর আবেদন করেছিলেন মমতা। সেই বিষয়টিও চিঠিতে উল্লেখ করেন মমতা। পলি পরিষ্কার করে পাঞ্চেত জলাধারের জল ধারণ ক্ষমতা ১০ কোটি কিউবিক মিটার এবং মাইথন বাঁধে একটি গোলাকৃতি জলাধার বানিয়ে জল ধারণ ক্ষমতা ১২ কোটি কিউবিক মিটার বাড়ানোর আবেদন সেই সময়ে করেছিলেন তিনি। সেই সঙ্গে ঝাড়খণ্ডের বেলপাহাড়ির কাছে ষষ্ঠ বাঁধ নির্মাণেরও দাবি জানিয়েছিলেন। এই বিষয়গুলি চিঠিতে উল্লেখ করে মমতা জানান, রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং অন্যান্য উচ্চপদস্থ সরকারি আধিকারিকরা তো বটেই, তিনি নিজে এ বিষয়ে বার বার উদ্যোগী হওয়া সত্ত্বেও কেন্দ্রের তরফে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি।চিঠিতে মমতা জানান, ডিভিসির জলাধারে দীর্ঘদিন ধরে পলি পড়া এবং রক্ষণাবেক্ষণে গাফিলতির কারণেই সেগুলির জল ধারণ ক্ষমতা দিনে দিনে কমেছে। তার জন্যই বার বার বাংলায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। এরই সঙ্গে আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে বঙ্গোপসাগরে ঘন ঘন নিম্নচাপ সৃষ্টি এবং লাগাতার ভারী বর্ষণ তো রয়েছেই। ঘন ঘন ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং মনুষ্য-সৃষ্ট বন্যার কারণে ক্ষত-বিক্ষত বাংলা। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রের থেকে পর্যাপ্ত আর্থিক সাহায্য রাজ্য সরকার পাচ্ছে না বলে ফের প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী।

আগস্ট ০৪, ২০২১
দেশ

Modi on Vaccination: টিকাকরণে গতি আনতে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সাহায্য চাইলেন মোদি

করোনা টিকাকরণের গতি নিয়ে সন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার দেশের করোনা পরিস্থিতি ও টিকাকরণের হালহকিকত জানতে বৈঠকে বসেছিলেন তিনি। সেই বৈঠকে দেশে টিকাকরণের গতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, আরও বেশি করে মানুষের কাছে টিকা পৌঁছে দিতে পারলে ভাল। সে কারণে টিকাকরণ কর্মসূচিতে একাধিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকেও অন্তর্ভূক্ত করার কথা বলেছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ ভুয়ো টিকা নিয়ে রাজ্যকে সতর্ক করল কেন্দ্রকেন্দ্রীয় সরকারের তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা প্রধানমন্ত্রীকে দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে সবিস্তারে জানিয়েছেন। বয়স ভেদে কী ভাবে দেশে টিকাকরণ চলছে, সে বিষয়ে সবিস্তার তথ্য দিয়েছেন। স্বাস্থ্যকর্মী ও প্রথম সারির করোনা যোদ্ধাদের টিকাকরণের বিষয়েও খোঁজ নিয়েছেন মোদী। শেষ ছদিনে দেশে ৩ কোটি ৭০ লক্ষের বেশি মানুষকে করোনা টিকা দেওয়া হয়েছে। মালয়েশিয়া বা সৌদি আরবের মতো দেশের সামগ্রিক জনসংখ্যার সমান মানুষকে টিকা দিতে পেরেছে ভারত। এই পরিসংখ্যানের কথা শুনেই প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, তিনি টিকাকরণের গতি নিয়ে সন্তুষ্ট। কিন্তু আগামী দিনেও এই গতি ধরে রাখতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন। টিকাকরণের এই বিপুল উদ্যোগে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলিকে ডেকে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন মোদি। পাশাপাশি তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন, ডেল্টা প্রজাতি ছড়িয়ে পড়েছে বেশ কয়েকটি রাজ্যে। করোনা সংক্রমণ দেশজুড়ে বিদ্যমান। এই পরিস্থিতিতে করোনা পরীক্ষার হার যাতে যথেষ্ট থাকে, সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। সে কারণে রাজ্যগুলির সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার পরামর্শ মোদির।

জুন ২৬, ২০২১
রাজ্য

বজ্রপাতে মৃত নাবালিকার পরিবারের পাশে জামালপুরের তৃণমূল নেতৃত্ব

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেখানো পথে হেঁটে বজ্রপাতে মৃত নাবালিকার পরিবারের পাশে দাঁড়ালো পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের তৃণমূল নেতৃত্ব ।গত রবিবার বজ্রপাতে মারা যায় জামালপুরের জ্যোৎশ্রীরাম পঞ্চায়েতের মাঠশিয়ালি গ্রামের নাবালিকা মন্দিরা পাখিরা। একমাত্র মেয়েকে হারিয়ে শোকাতুর হয়ে পড়েছেন মন্দিরার বাবা ও মা । জেলা প্রশাসনের তরফে মঙ্গলবার সরকারি সাহায্য ২ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেওয়া হয় নাবালিকার বাবা মায়ের হাতে । পরিবারটির পাশে আলাদাভাবে দাঁড়িয়েছেন তৃণমূলের নেতারাও।এদিন বিকেলে নাবালিকার বাড়িতে যান জামালপুরের বিধায়ক অলোক মাঝি, ব্লক তৃণমূলের সভাপতি তথা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মেহেমুদ খান, যুব তৃণমূলের সভাপতি ভূতনাথ মালিক-সহ অন্য নেতৃবৃন্দ। তাঁরা দুঃস্থ নাবালিকার বাবা-মায়ের হাতে আর্থিক সাহায্য ও খাদ্যসামগ্রী তুলেদেন।একই সাথে বজ্রপাতে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচার জন্যে কি কি করণীয় সেই বিষয়েও তৃণমূল নেতৃত্ব এদিন ওই এলাকার জনগনকে সচেতনতার পাঠ দেন । ব্লক তৃণমূলের সভাপতি মেহেমুদ খান বলেন, কয়েকদিনে বজ্রপাতে গোটা রাজ্যে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে।বজ্রপাতে এক নাবালিকা-সহ জামালপুরের পাঁচ জন বাসিন্দারও মৃত্যু হয়। এইভাবে এক নাবিলাকার মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তাঁদের পরিবারটিও দুঃস্থ। তাই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পথে হেঁটে এদিন তাঁরাও মৃত নাবালিকার পারিবারের পাশে দাড়ালেন । বিধায়ক অলোক মাঝি বলেন, আগামী দিনেও তিনি পরিবারটির পাশে থাকবেন বলে কথা দিয়েছেন। পাশে দাঁড়ানোর জন্যে মৃতার বাবা সাহেব পাখিরা ও মা মানবি পাখিরা তৃণমূল নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

জুন ১০, ২০২১
রাজ্য

মহামারিতে মানুষের পাশে মানবিক বিধায়ক

চারিদিকে মহামারির হাহাকার। রোজ হাজার হাজার মানুষ করোনার বলি হচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে লাগু হয়েছে কড়া বিধিনিষেছ। যখন মানুষ ঘর থেকে বেরোতে ভয় পাচ্ছেন, নিজের প্রতিবেশী, আত্মীয়দের পর্যন্ত সাহায্য করতে কুণ্ঠা বোধ করছেন, এমনই এক দুঃসময়, দুর্দিনে মানবিকতার অন্যতম নজির গড়লেন মুর্শিদাবাদের বহরমপুরের বিজেপি বিধায়ক শ্রী সুব্রত মৈত্র।বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার কারণে মৃত্যু হয় ঐতিহ্যবাহী বহরমপুর কৃষ্ণনাথ কলেজের পদার্থবিদ্যার প্রাক্তন অধ্যাপক ডঃ পূর্ণেন্দু সেনের। করোনার ভয়ে তাঁর পরিবার বা প্রতিবেশী এগিয়ে আসেননি। এমত অবস্থায় নিজে উদ্যোগ নিয়ে শেষকৃত্য সম্পন্ন করেন শ্রী সুব্রত মৈত্র। মুখাগ্নিও করেন তিনি। বিধায়কের এমন পদক্ষেপে এলাকার মানুষের প্রশংসা বন্যা বইয়ে দিয়েছেন। যেখানে জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হয় প্রায়ই, সেখানে একজন জনপ্রতিনিধির এমন মানবিক আচরণে সকলেই মুগ্ধ।

মে ১৯, ২০২১
দেশ

কোভিড বিধ্বস্ত ভারতকে মোটা অঙ্কের অনুদান গুগলের

করোনায় বিপর্যস্ত গোটা ভারত। সেই সময় দেশের দুই সন্তান ভারতের পাশে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করলেন। করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন গুগলের সিইও সুন্দর পিচাই এবং মাইক্রোসফটের সিইও সত্য নাদেল্লা।গুগলের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে, সংস্থার তরফে ভারতে করোনা মোকাবিলা করতে ১৩৫ কোটি টাকা দেওয়া হবে। এই টাকা সরাসরি ভারত এবং ভারতকে সাহায্য করার জন্য ইউনিসেফকে দেওয়া হবে। ভরতে করোনা মোকাবিলার জন্য কিছু সরঞ্জাম ইউনিসেফ ভারতের জন্য জোগাড় করে দেবে। এছাড়াও গুগলের কর্মীরাও ভারতের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। ৯০০ কর্মী ইতিমধ্যেই প্রায় ৩ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা দান করেছেন ভারতে করোনা মোকাবিলার জন্য। আর্থিক অনুদান ছাড়াও প্রযুক্তিগত সাহায্যও করবে গুগল।ভারতের এই জরুরি অবস্থার সময় মাইক্রোসফটের সিইও সত্য নাদেল্লাও জানিয়েছেন, তাঁর কোম্পানি প্রযুক্তিগতভাবে সব রকম সাহায্য করবে। করোনা মোকাবিলায় তারা সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি অক্সিজেনের সংকট মেটাতেও প্রযুক্তিগত সাহায্য নিয়ে এগিয়ে আসবে। বিশ্বের দুই শীর্ষ প্রযুক্তি সংস্থার এই সাহায্যের আশ্বাস এমন সময়ে এল যখন ভারতে এক দিনে সাড়ে ৩ লক্ষ আক্রান্তের গণ্ডি ছাড়িয়ে গেল। প্রতিদিন বাড়ছে সংখ্যা। এই অবস্থায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও সব রকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন। তার পর গুগল আর মাইক্রোসফটের তরফেও সাহায্যের কথা জানানো হল।

এপ্রিল ২৬, ২০২১

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

‘ব্রাহ্মণদের উপরে মূত্রত্যাগ করি’, মন্তব্যের জের! এবার আদালতের কড়া পদক্ষেপের মুখে অনুরাগ

ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়কে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে আগেই সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপ। সেই মন্তব্যের জেরে দায়ের হওয়া মামলায় এ বার তাঁর বিরুদ্ধে জামিনযোগ্য পরোয়ানা জারি করল গুজরাটের সুরাট আদালত। অভিযোগ, একাধিক বার সমন পাঠানো হলেও আদালতে হাজির হননি পরিচালক। আগামী ২৪ ডিসেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি।বিতর্কের সূত্রপাত অনন্ত মহাদেবনের ছবি ফুলেকে ঘিরে। জ্যোতিরাও ফুলের জীবন অবলম্বনে তৈরি এই ছবির বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়কে অসম্মান করার অভিযোগ উঠেছিল। ছবিটি নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই সমাজমাধ্যমে পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপ একটি পোস্ট করেন। এক নেটব্যবহারকারী তাঁর মন্তব্যের সমালোচনা করলে পাল্টা জবাব দিতে গিয়ে ব্রাহ্মণদের সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করেন অনুরাগ। তাঁর সেই মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয় তীব্র বিতর্ক।এরপর অনুরাগের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন আইনজীবী তথা বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতা কমলেশ রাভাল। তিনি নিজেও ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের মানুষ। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে সুরাট আদালতে অনুরাগের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৯৬, ৩৫২ এবং ৩৫৩(২) ধারায় মামলা হয়। অভিযোগগুলির মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা ছড়ানো, শান্তিভঙ্গের উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃত অপমান এবং মিথ্যা তথ্য প্রচার।অভিযোগকারীর দাবি, অনুরাগের মন্তব্য বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভেদ ও শত্রুতা তৈরি করতে পারে। একজন চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবে তাঁর বক্তব্য সাধারণ মানুষের উপর প্রভাব ফেলতে পারে বলেও আদালতে দাবি করেন কমলেশ। তাঁর আরও অভিযোগ, একাধিক বার সমন পাঠানো হলেও আদালতে হাজির হননি অনুরাগ। এমনকি সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেও তাঁকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাতেও তিনি আদালতে আসেননি বলে অভিযোগ।এই পরিস্থিতিতে সুরাটের অতিরিক্ত মুখ্য বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট জে ভি চৌহান অনুরাগ কাশ্যপের বিরুদ্ধে জামিনযোগ্য পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন। আগামী ২৪ ডিসেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।বিতর্কের পর অবশ্য নিজের মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়েছিলেন অনুরাগ। তিনি জানিয়েছিলেন, রাগের মাথায় এক ব্যক্তিকে জবাব দিতে গিয়ে পুরো ব্রাহ্মণ সম্প্রদায় সম্পর্কে আপত্তিকর কথা বলে ফেলেছিলেন। তাঁর মন্তব্যে নিজের পরিবারের সদস্য, পরিচিতজন এবং বহু বুদ্ধিজীবী কষ্ট পেয়েছেন বলেও স্বীকার করেন পরিচালক। তিনি বলেন, নিজের শব্দচয়নের জন্য অনুতপ্ত এবং মন থেকে সকলের কাছে ক্ষমা চাইছেন।কমলেশ রাভালের অভিযোগ, জ্যোতিরাও ফুলের জীবনীচিত্র ফুলে-এর ট্রেলার প্রকাশের পর ছবিটি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল অল ইন্ডিয়া ব্রাহ্মণ সমাজ। সেই সময় অনুরাগের সমাজমাধ্যমের পোস্ট বিতর্ক আরও বাড়িয়ে দেয়। তাঁর দাবি, এই ধরনের মন্তব্য সমাজের পক্ষে ক্ষতিকর। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই আইনি পদক্ষেপ করা হয়েছে।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

অরিজিৎ-এড শিরানের যুগলবন্দিতে ঝড়! ‘তু মিল যায়ে’র সাফল্যে শাহরুখের বিশেষ বার্তা

শাহরুখ খানের জন্মদিন উপলক্ষে ২ নভেম্বর মধ্যরাতে প্রকাশ্যে এসেছে তাঁর আগামী ছবি কিং-এর নতুন গান তু মিল যায়ে। গানটিতে শাহরুখ ও দীপিকার রোম্যান্সের পাশাপাশি শ্রোতাদের নজর কেড়েছে অরিজিৎ সিং ও ব্রিটিশ গায়ক এড শিরানের যুগলবন্দি। প্রকাশের মাত্র এক দিনেই গানটি ৬ কোটি বার দেখা হয়েছে বলে দাবি। এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত শাহরুখ নিজেও। এ বার গানটি নিয়ে মুখ খুললেন বলিউডের বাদশা।এক দিকে অরিজিৎ সিংয়ের কণ্ঠ, অন্য দিকে এড শিরানের গলায় হিন্দি গান। দুই জনপ্রিয় গায়কের এই যুগলবন্দি নিয়ে ইতিমধ্যেই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন অনুরাগীরা। তাঁদের অনেকের মতে, শাহরুখের জনপ্রিয়তার কারণেই এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ সম্ভব হয়েছে। তবে গানটির সাফল্যের কৃতিত্ব এড শিরানকেই দিয়েছেন অভিনেতা।মঙ্গলবার এড শিরানের একটি গানের মহড়ার ভিডিয়ো ভাগ করে নেন শাহরুখ। সেখানে ব্রিটিশ গায়ককে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি লেখেন, এই গানের জন্য তাঁকে শুধু ধন্যবাদ জানালেও যথেষ্ট হবে না। বিশেষ করে গানের হিন্দি অংশের জন্য তাঁর প্রতি ভালোবাসাও প্রকাশ করেন শাহরুখ।অন্য দিকে, গানটির সাফল্যের কৃতিত্ব একা নিতে চাননি এড শিরানও। অরিজিৎ সিংয়ের সঙ্গে কাজ করতে পেরে খুশি তিনি। কিং ছবির গানটির হাত ধরেই বলিউডের সঙ্গীতজগতে পা রাখলেন এই ব্রিটিশ গায়ক।এড শিরান জানিয়েছেন, মন্নতে শাহরুখের সঙ্গে প্রথম দেখা হওয়ার সময়ই অভিনেতা তাঁকে নিজের আগামী ছবির জন্য একটি গান তৈরি করার অনুরোধ করেছিলেন। সেই গানই পরে তু মিল যায়ে হয়ে ওঠে। এডের কথায়, কয়েক বছর ধরে শাহরুখের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব তৈরি হয়েছে। শাহরুখ তাঁর পছন্দের মানুষদের অন্যতম।শেষ বার ভারতে এসে এড শিরান অরিজিৎ সিংয়ের সঙ্গে স্যাফায়ার গানের ভিডিয়োয় শাহরুখকে একটি ছোট চরিত্রে অভিনয়ের অনুরোধ জানাতে মন্নতে গিয়েছিলেন। সেই সময় শাহরুখই তাঁর সঙ্গে সঙ্গীত পরিচালক শচীন-জিগারের পরিচয় করিয়ে দেন। এড জানিয়েছেন, সেই রাতেই কিং ছবির তু মিল যায়ে গানের নিজের অংশের কথা লেখেন এবং তা রেকর্ড করেন।গানটিতে অরিজিৎ সিংয়ের সঙ্গে কণ্ঠ মেলাতে পেরে খুশি এড শিরানও। তাঁর কথায়, তাঁর প্রিয় মানুষদের একসঙ্গে একটি কাজে যুক্ত হতে দেখে খুব ভালো লাগছে। অন্য দিকে, গানটিতে দীপিকার অংশে কণ্ঠ দিয়েছেন মধুমন্তী বাগচী। শাহরুখ ও দীপিকার রসায়ন, অরিজিৎ ও এড শিরানের কণ্ঠ সব মিলিয়ে তু মিল যায়ে ঘিরে অনুরাগীদের আগ্রহ এখন তুঙ্গে।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
দেশ

খসড়া ভোটার তালিকায় নাম নেই? পুরনো ভোটাররাও জমা দিতে পারবেন ফর্ম ৬, বড় ঘোষণা কমিশনের

এসআইআরের খসড়া ভোটার তালিকায় নাম নেই? তা হলে নতুন করে ফর্ম ৬ জমা দিয়ে ভোটার তালিকায় নাম তোলার আবেদন করতে পারবেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। শুধু আগের ভোটার তালিকায় নাম ছিল বলে নতুন করে ফর্ম ৬ জমা দেওয়াকে মিথ্যা তথ্য দেওয়া বলে ধরা যাবে না। এমনকি এই কারণে কোনও ভোটারের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপও করা যাবে না। স্পষ্ট জানিয়ে দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।ফর্ম ৬ সাধারণত নতুন ভোটারদের নাম তালিকায় তোলার জন্য ব্যবহার করা হয়। তাই আগে থেকেই ভোটার তালিকায় নাম থাকা ব্যক্তিরা নতুন করে এই ফর্ম জমা দিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল। সেই বিভ্রান্তি দূর করতেই কমিশনের এই নির্দেশ।তবে এ ক্ষেত্রে একটি শর্ত রয়েছে। আবেদনকারীর নাম অন্য কোনও বিধানসভা বা লোকসভা কেন্দ্রের ভোটার তালিকায় থাকা চলবে না। এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন যেমন ফর্ম ৬ জমা দেওয়া যাবে, তেমনই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরেও এই ফর্মের মাধ্যমে নাম তোলার আবেদন করা যাবে।দিল্লি হাই কোর্টের একটি রায়ের উল্লেখ করে এই নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নতুন নির্দেশের কথা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সব রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদেরও জানানো হয়েছে।এসআইআরের পর এবার ভোটার তালিকার বিশেষ সংক্ষিপ্ত সংশোধন নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। নভেম্বর মাস থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা। তা নিয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে সর্বদলীয় বৈঠক হয়। বৈঠকে রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সূচি অনুযায়ী, আগামী ২৩ নভেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ ১৬ জানুয়ারি।এ দিনের বৈঠকে ফর্ম ৭-এর অপব্যবহার নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করে তৃণমূল, বাম ও কংগ্রেস। তাদের অভিযোগ, এই ফর্ম ব্যবহার করে একসঙ্গে অনেক ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা হতে পারে। তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষের প্রশ্ন, একজন ব্যক্তি কী ভাবে একটি বিধানসভা কেন্দ্র থেকেই একাধিক ফর্ম ৭ জমা দিতে পারেন? তাঁর আশঙ্কা, এই সুযোগের অপব্যবহার হলে বহু ভোটারের নাম বাদ পড়তে পারে অথবা তাঁদের আবেদন ঝুলিয়ে রাখা হতে পারে। ফর্ম ৭-এর অপব্যবহার বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

অধিনায়ক হিসেবে কেন ব্যর্থ হয়েছিলেন শচীন? এত বছর পর সামনে আনলেন সেই অজানা কারণ!

ব্যাট হাতে তিনি ক্রিকেটের কিংবদন্তি। তাঁর নামের পাশে রয়েছে অসংখ্য রেকর্ড। কিন্তু অধিনায়ক হিসেবে সেই সাফল্য দেখাতে পারেননি শচীন তেণ্ডুলকর। দুদফায় ভারতীয় দলের নেতৃত্ব দিয়েও প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি তিনি। পরে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ঘুরে দাঁড়ায় ভারতীয় ক্রিকেট। কিন্তু শচীনের অধিনায়কত্ব কেন সফল হয়নি? এর পিছনে কি শুধু তাঁর নেতৃত্বের দুর্বলতা ছিল, নাকি অন্য কোনও কারণও ছিল? এত বছর পর সেই প্রশ্নের উত্তর দিলেন স্বয়ং শচীন।দুদফায় ভারতীয় দলের অধিনায়ক হয়েছিলেন শচীন। প্রথম বার ১৯৯৬ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত। দ্বিতীয় বার ১৯৯৯ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত। সম্প্রতি এক ভক্তের প্রশ্নের উত্তরে নিজের অধিনায়কত্বের অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখ খোলেন তিনি।শচীন জানান, দেশের অধিনায়ক হওয়া তাঁর কাছে সব সময়ই সম্মানের বিষয় ছিল। তবে দল নির্বাচনের ক্ষেত্রে তিনি পুরো স্বাধীনতা পেতেন না। তাঁর কথায়, এখন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড অনেক বেশি পেশাদার। কিন্তু নব্বইয়ের দশকে পরিস্থিতি এমন ছিল না। সেই সময় ভারতীয় ক্রিকেট কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিল।শচীনের এই মন্তব্যে প্রশ্ন উঠেছে, তাঁর অধিনায়কত্বের ব্যর্থতার পিছনে কি বোর্ডের কর্মকর্তাদেরও ভূমিকা ছিল? যদিও কাউকে সরাসরি দায়ী করেননি তিনি। তবে সেই সময় দল পরিচালনা ও নির্বাচনের ক্ষেত্রে যে নানা সমস্যা ছিল, তাঁর কথায় সেই ইঙ্গিত স্পষ্ট।নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে ভারতীয় ক্রিকেট একাধিক সমস্যার মুখে পড়ে। ২০০০ সালে ম্যাচ গড়াপেটার অভিযোগ সামনে আসার পর ভারতীয় ক্রিকেটে বড়সড় ধাক্কা লাগে। সেই ঘটনায় তৎকালীন অধিনায়ক মহম্মদ আজহারউদ্দিনের নাম জড়ায় এবং পরে তাঁকে নিষিদ্ধ করা হয়। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে ভারতীয় দলের দায়িত্ব নেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর নেতৃত্বে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা শুরু করে ভারত।শচীনের পছন্দের অধিনায়কদের তালিকাতেও রয়েছেন সৌরভ। মহেন্দ্র সিংহ ধোনির পাশাপাশি সৌরভের নেতৃত্বের প্রশংসাও করেছেন তিনি।শচীনের অধিনায়কত্বের পথও খুব মসৃণ ছিল না। প্রথম দফায় তাঁকে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে ফের আজহারউদ্দিনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে ভারতের ব্যর্থতার পর আবার অধিনায়ক করা হয় শচীনকে। তবে দ্বিতীয় দফাতেও বেশিদিন দায়িত্বে থাকেননি তিনি। ২০০০ সালে নিজেই অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেন। এরপর ভারতীয় দলের দায়িত্ব পান সৌরভ।পরিসংখ্যানেও শচীনের অধিনায়কত্বের সাফল্য খুব বেশি নয়। তাঁর নেতৃত্বে ২৫টি টেস্টের মধ্যে ভারত জিতেছিল চারটিতে। এক দিনের ক্রিকেটে ৭৩টি ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে জয় পেয়েছিলেন ২৩টিতে। তবে এই পরিসংখ্যানের বাইরেও তাঁর অধিনায়কত্বের সময়কার পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
দেশ

বন্ধুকে খুনের পর ২০ দিন ধরে একই স্বপ্ন! শেষ পর্যন্ত থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ যুবকের

মদের আসরে দুই বন্ধুর মধ্যে বচসা। সেই ঝামেলা গড়ায় মারামারিতে। অভিযোগ, এক বন্ধুর হাতে খুন হন অন্য জন। এর পর বাড়িওয়ালার সাহায্যে দেহ লোপাট করেন অভিযুক্ত যুবক। ঘটনার পর কেটে গিয়েছে ২০ দিন। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে বার বার স্বপ্নে ফিরে আসছিলেন খুন হওয়া বন্ধু। এমনই দাবি অভিযুক্তের। শেষ পর্যন্ত নিজেই থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন তিনি। এই ঘটনায় বাড়িওয়ালাকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।ঘটনাটি মহারাষ্ট্রের ডোম্বিভলির মোথাগাঁও এলাকার। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত যুবকের নাম প্রভু কারাকাডে। মৃতের নাম বিশাল কদম। দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব ছিল। প্রায় ২০ দিন আগে একটি ভাড়াবাড়িতে বসে মদ্যপান করছিলেন তাঁরা। সেই সময় কোনও বিষয় নিয়ে দুজনের মধ্যে বচসা শুরু হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই তা হাতাহাতিতে গড়ায়।অভিযোগ, রাগের মাথায় বিশালকে এলোপাথাড়ি ঘুষি ও লাথি মারেন প্রভু। গুরুতর আঘাতের কারণে মৃত্যু হয় বিশালের। বন্ধুর মৃত্যু হয়েছে বুঝতে পেরে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন অভিযুক্ত। এর পর বাড়ির মালিককে পুরো ঘটনা জানান তিনি। অভিযোগ, দুজনে মিলে বিশালের দেহ সরিয়ে ফেলেন। তার পর যে যার মতো বাড়ি ফিরে যান। এলাকা ছেড়ে পালানোর পরিকল্পনাও করেছিলেন প্রভু।কিন্তু পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণের আগে ২০ দিন ধরে মানসিক অশান্তিতে ভুগছিলেন বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত। তাঁর বক্তব্য, ঘুমের মধ্যে বার বার খুন হওয়া বন্ধুর রক্তাক্ত মুখ দেখতে পেতেন তিনি। সেই স্বপ্ন তাঁকে তাড়া করে বেড়াচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত আর মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে নিজেই থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন প্রভু।ঘটনার তদন্তে নেমে প্রভুর পাশাপাশি বাড়িওয়ালাকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। খুন এবং প্রমাণ লোপাটের অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। কী কারণে দুই বন্ধুর মধ্যে ঝামেলা শুরু হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি, খুনের পর বাড়িওয়ালা কেন অভিযুক্তকে সাহায্য করেছিলেন, সেই প্রশ্নেরও উত্তর খুঁজছে পুলিশ।মদের আসরে সামান্য বচসা থেকেই কি এই খুন, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে? পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
রাজ্য

মাধ্যমিক টেস্ট পরীক্ষা নিয়ে বড় নির্দেশ পর্ষদের! পরীক্ষা শেষেই স্কুলকে পাঠাতে হবে প্রশ্নপত্র, না মানলে বিপদ?

২০২৭ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের টেস্ট পরীক্ষা নিয়ে কড়া পদক্ষেপ করল পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরি এবং তা জমা দেওয়া নিয়ে স্কুলগুলিকে একগুচ্ছ নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। পর্ষদের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, টেস্ট পরীক্ষা শেষ হওয়ার দিনই প্রতিটি বিষয়ের প্রশ্নপত্রের স্ক্যান করা কপি এবং সম্পাদনা করা যায় এমন সফট কপি নির্দিষ্ট ইমেল ঠিকানায় পাঠাতে হবে। সেই ইমেল ঠিকানাও জানিয়ে দিয়েছে পর্ষদ।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রশ্নপত্র তৈরির সম্পূর্ণ দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট স্কুলের বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকদের। কোনও ভাবেই একাধিক স্কুল মিলে যৌথভাবে প্রশ্নপত্র তৈরি করতে পারবে না। কোনও বাইরের সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের সাহায্য নিয়েও প্রশ্ন তৈরি করা যাবে না। অর্থাৎ, প্রতিটি স্কুলকে নিজেদের উদ্যোগেই সব বিষয়ের প্রশ্নপত্র তৈরি করতে হবে।প্রশ্নপত্রের বিষয়বস্তু নিয়েও সতর্ক করেছে পর্ষদ। কোনও প্রশ্নে যাতে বিতর্ক তৈরি হতে পারে, এমন বিষয় রাখা যাবে না। যে প্রশ্নের কারণে রাজ্য সরকার বা পর্ষদকে অস্বস্তিতে পড়তে হতে পারে, তা এড়িয়ে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, এই নিয়মের কোনও ব্যতিক্রম হলে সংশ্লিষ্ট স্কুলের প্রধান শিক্ষক বা প্রধান শিক্ষিকাকেই দায় নিতে হবে।পর্ষদের এই নির্দেশ সামনে আসতেই স্কুলগুলির মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল এই নির্দেশের সমালোচনা করেছেন। তাঁর বক্তব্য, আগের সরকারের মতো বর্তমান সরকারও টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র নিয়ে আশঙ্কায় রয়েছে। তাঁর আরও প্রশ্ন, স্কুলের প্রধান শিক্ষক বা প্রধান শিক্ষিকারা কি সব বিষয়ের বিশেষজ্ঞ? যদি না হন, তা হলে প্রশ্নপত্র নিয়ে কোনও সমস্যা হলে তাঁদের দায়ী করা হবে কেন?তবে এই নির্দেশিকা নিয়ে শিক্ষক সংগঠনের তরফে প্রশ্ন উঠলেও, বিষয়টি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের পক্ষ থেকে এখনও আলাদা করে কোনও বক্তব্য জানানো হয়নি। ২০২৭ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার আগে টেস্ট পরীক্ষা নিয়ে পর্ষদের এই নতুন নির্দেশ স্কুলগুলির কাছে কতটা কার্যকর হয়, এখন সেটাই দেখার।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিটের জন্য হুড়োহুড়ি! আবেদন করলেন ৮৪ লক্ষ, মাঠে ঢুকতে পারবেন মাত্র ৩৪ হাজার

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বেই মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান। আগামী বছরের ১০ অক্টোবর জোহানেসবার্গে মুখোমুখি হবে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। এই ম্যাচ ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের উন্মাদনা যে কতটা, তা স্পষ্ট টিকিটের আবেদনের পরিসংখ্যানে। মাঠে বসে খেলা দেখার সুযোগ পাবেন মাত্র ৩৪ হাজার দর্শক। অথচ ইতিমধ্যেই টিকিটের জন্য আবেদন করেছেন অন্তত ৮৪ লক্ষ মানুষ! অর্থাৎ মাঠের আসনসংখ্যার প্রায় ২৪৭ গুণ আবেদন জমা পড়েছে।মাসখানেক আগে ২০২৭ সালের এক দিনের বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণা করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা। ৭ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ভারত। তার ঠিক তিন দিন পর, ১০ অক্টোবর পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে তারা। জোহানেসবার্গে আয়োজিত হবে এই বহু প্রতীক্ষিত ম্যাচ। টিকিটের চাহিদার নিরিখে ইতিমধ্যেই বাকি ম্যাচগুলিকে ছাপিয়ে গিয়েছে ভারত-পাকিস্তান লড়াই।এই বিশ্বকাপের ফাইনালও হবে জোহানেসবার্গের একই মাঠে। ২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালেও এই মাঠে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত ও পাকিস্তান। মহেন্দ্র সিংহ ধোনির নেতৃত্বে সেবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারত। জানা গিয়েছে, ২০২৭ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালের টিকিটের জন্যও আবেদন করেছেন অন্তত ৭৯ লক্ষ মানুষ। তবে সেই সংখ্যাকেও ছাপিয়ে গিয়েছে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের চাহিদা।ভারতের অন্য ম্যাচগুলির টিকিট নিয়েও আগ্রহ কম নয়। গ্রুপ পর্বে ভারতের প্রথম তিনটি ম্যাচের টিকিটের জন্যও বিপুল আবেদন জমা পড়েছে। গ্রুপ পর্বের পাশাপাশি সুপার সেভেন পর্বের ম্যাচগুলির টিকিটের জন্যও আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। সম্ভাব্য দলগুলির বিন্যাস আগেই জানিয়ে দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা। ফলে কোন ম্যাচে কোন দল মুখোমুখি হতে পারে, তা আন্দাজ করে আগেভাগেই পরিকল্পনা করছেন সমর্থকেরা।ভারত ও পাকিস্তান দুদলই সুপার সেভেন পর্বে উঠলে ৭ নভেম্বর ফের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই ম্যাচের টিকিটের জন্যও আবেদন শুরু করেছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। আগামী ২১ নভেম্বর পর্যন্ত টিকিটের আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। ফলে আবেদনকারীর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
দেশ

একসময় কংগ্রেসের তুরুপের তাস ছিলেন কানহাইয়া, এখন তাঁর জায়গায় নেহা? কী বদলাচ্ছে হাত শিবিরে?

এক সময় দেশের বামপন্থী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম পরিচিত মুখ ছিলেন কানহাইয়া কুমার। ছাত্র আন্দোলনের মঞ্চে তাঁর জ্বালাময়ী বক্তৃতা এবং রাজনৈতিক বক্তব্য তাঁকে দ্রুত জাতীয় রাজনীতির পরিচিত মুখ করে তুলেছিল। পরে কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার পর তাঁকে ঘিরে দলের অন্দরে অনেক প্রত্যাশা তৈরি হয়। কিন্তু সেই প্রত্যাশা কি এখন ফিকে হয়ে এসেছে? রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, কংগ্রেসে ক্রমশ গুরুত্ব হারাচ্ছেন কানহাইয়া। অন্য দিকে, দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সামনে আসছেন আর এক বামপন্থী ছাত্রনেত্রী নেহা বোরার। রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা নিয়েও শুরু হয়েছে আলোচনা।দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসা নেহা এখন দেশের বামপন্থী ছাত্র আন্দোলনের পরিচিত মুখ। নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের প্রতিবাদে দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলনের সময় তিনি নজরে আসেন। সেই সময় পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে দিল্লিতে দীর্ঘ অনশনেও অংশ নিয়েছিলেন তিনি। টানা অনশনের কারণে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছিল বলে জানা যায়।এর পরেও একাধিক ছাত্র আন্দোলনে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সর্বভারতীয় সভাপতি নেহা। বিভিন্ন ইস্যুতে তাঁর সক্রিয়তা তাঁকে দেশের ছাত্র রাজনীতিতে পরিচিতি দিয়েছে। সম্প্রতি জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিরোধীদের আন্দোলনেও তাঁকে সক্রিয় দেখা গিয়েছে। কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর সুপ্রিম কোর্ট অভিযানেও সামনে ছিলেন নেহা। ওই কর্মসূচিতে তাঁকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত।সম্প্রতি কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গের বাসভবনে আয়োজিত নকল সংসদ কর্মসূচিতে অংশ নেন নেহা। পরের দিন দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিরোধী জোটের সমাবেশেও বক্তৃতা করেন তিনি। সেখানে নির্বাচন কমিশন এবং নরেন্দ্র মোদী সরকারের সমালোচনা করেন এই ছাত্রনেত্রী। তাঁর বক্তৃতা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ওই মঞ্চে এক সময়ের পরিচিত ছাত্রনেতা কানহাইয়া কুমারকে দেখা যায়নি। কংগ্রেসের অন্য ছাত্র ও যুব নেতাদেরও তেমন গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না বলে দলের অন্দরে আলোচনা চলছে।এক সময় রাহুল গান্ধীর উদ্যোগেই সিপিআই ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন কানহাইয়া। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের টিকিটে দিল্লি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও জিততে পারেননি তিনি। পরে দলের ছাত্র সংগঠন এনএসইউআইয়ের পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব পান। কিন্তু দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সংগঠনের ফল আশানুরূপ হয়নি। দলের একটি অংশের অভিযোগ, সেখানে এনএসইউআইয়ের খারাপ ফলের পর কানহাইয়ার উপর অসন্তুষ্ট হন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। এই ঘটনার পর থেকেই দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বেড়েছে বলে দাবি রাজনৈতিক মহলের একাংশের।এই পরিস্থিতিতে নেহার উত্থানকে অনেকেই কানহাইয়ার সঙ্গে তুলনা করছেন। তাঁদের মতে, কংগ্রেসের যুব রাজনীতিতে কানহাইয়ার যে জায়গা এক সময় ছিল, সেই জায়গায় এখন নেহাকে দেখা যেতে পারে। যদিও এ বিষয়ে কংগ্রেসের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য সামনে আসেনি।তবে নেহাকে ঘিরে কংগ্রেসের অন্দরে সকলেই যে খুশি, তা নয়। দলের একাংশের মধ্যে বামপন্থী ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা নিয়ে অস্বস্তি রয়েছে বলে খবর। আবার নেহার সংগঠন আইসা-কে নিয়ে বিরোধীদের একাংশের সমালোচনাও রয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, তরুণ ছাত্রনেতাদের সামনে এনে দলের রাজনৈতিক জমি শক্ত করার চেষ্টা কংগ্রেসের কাছে নতুন নয়। তবে সময়ের সঙ্গে সেই নেতাদের গুরুত্ব কমে যাওয়ার অভিযোগও বার বার উঠেছে।নেহার রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। তিনি উমর খালিদের মুক্তির দাবিতে সরব হয়েছেন। এই অবস্থানকে কেন্দ্র করে ভবিষ্যতে বিজেপি কংগ্রেসকে আক্রমণ করার রাজনৈতিক সুযোগ পেতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকদের একাংশ। অতীতেও কানহাইয়াকে ঘিরে একই ধরনের রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। ফলে নেহার সঙ্গে কংগ্রেসের ঘনিষ্ঠতা বাড়লে সেই বিষয়টি জাতীয় রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিতে পারে।সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে, কংগ্রেস কি সত্যিই কানহাইয়া কুমারের বদলে নেহা বোরাকে সামনে আনার চেষ্টা করছে? নাকি বিরোধী আন্দোলনের মঞ্চে নেহার সক্রিয় উপস্থিতিকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে এই জল্পনা? রাহুল গান্ধীর সঙ্গে তাঁর রাজনৈতিক সমীকরণ আগামী দিনে কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal