• ৫ ভাদ্র ১৪৩৩, রবিবার ২৩ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Help

নিবন্ধ

অদৃশ্য সাহায্য (ছোট গল্প)

ট্রেনটা স্টেশনে থামল রাত তখন প্রায় সাড়ে দশটা। স্টেশন প্রায় ফাঁকা, দুচার জন এদিক ওদিক শুয়ে আছে।এতো রাতে ট্রেন থেকে খুব একটা বেশি লোক নামে না। আজ আগের ট্রেনটা মিস হয়ে যাওয়ার পর অর্ণা যখন বলল ওর সঙ্গে যেতে তখন ঋতু গেলোনা; মায়ের ওষুধ ফুরিয়ে গেছে যে। সেগুলো কিনতে গিয়েই আজ ট্রেনটা মিস হয়ে গেলো।স্টেশন থেকে বাইরে বেরিয়ে দেখল চারিদিক সুনসান। ফোনটাও অফ হয়ে গেছে চার্জ ফুরিয়ে যাওয়ায়।বাড়িতে ফোন করার ও উপায় নেই। দেখে মনে হচ্ছে লোড শেডিং।ভাগ্য ভালো ছোট টর্চ টা সাথে ছিলো। ঋতু হাঁটতে লাগল।একটু যেতেই মনে হলো পিছনে কেউ আসছে। দেখল একটা ফাঁকা রিক্সা।ঋতু অবাক হলো কই দেখতে পায়নি তো স্টেশন এ। ভাবল অন্ধকারে দেখতে পায়নি।রিক্সাচালক একটি অল্পবয়সি ছেলে। ঋতুকে বললো দিদি আমার রিক্সায় ওঠো আমি ওদিকেই যাবো, তোমাকে বাড়ি পৌঁছে দেবো। ঋতুকে ইতস্তত করতে দেখে ছেলেটি বলল দিদি আমি তোমার ছোটোভাইয়ের মতো। এতো রাতে একা যেও না রাস্তা ভালো না। ঋতু আর দ্বিধা না করে উঠে পরলো রিক্সায়।ছেলেটি বেশ ভালো, গল্প করতে করতে এগিয়ে চলল। পথে একটা পুরনো বাড়ি পরে, ওখান টা বেশ গা ছম ছম করতে লাগল। ছেলেটা তখন বলল ভয় কি দিদি আমি আছি। তখন সমীর মানে রিক্সাচালক ছেলেটি বলতে লাগল---- পাঁচ বছর আগে এরকম এক অন্ধকার রাতে তোমার মতো একজন মেয়ে হেঁটে ফিরছিল। তখন ঐ বাড়িটার দাওয়ায় একদল ছেলে আড্ডা দিত মানে মদের আসর বসত। এই পথ দিয়ে মানুষের যাওয়ার উপায় ছিলোনা। মেয়েটি তোমার মতই নিরুপায় হয়ে এই পথ দিয়ে যাচ্ছিল। যেই না ওদের সামনে এসেছে ওর শুরু করলো বদমাইশি। আমি তখন একজনকে নামিয়ে বাড়ি ফিরছি। চিৎকার শুনে তাড়াতাড়ি এগিয়ে গিয়ে ওদের বাধা দিলাম। কিন্তু ওরা ছিলো চার পাঁচ জন। আমি তাও ওদের আটকাতে চেষ্টা করলাম। মেয়েটিকে বললাম তুমি পালাও। মেয়েটি আমার কথা শুনে ছুট লাগালো। ওর পিছনে একজন ছুটল। বাকিরা আমাকে মারতে লাগল। শেষে একজন ওদের ফেলে দেওয়া বোতল ভাঙা আমার পেটে ঢুকিয়ে দিল। আমি আর পারলাম না। পরে গেলাম মাটিতে, রক্তে ভেসে গেলো আমার দেহ। ছেলে গুলো আমাকে মরে যেতে দেখে পালিয়ে গেলো।এই দিদি তুই এখানে কি করে এলি? আমি তো তোকে আনতে স্টেশন গেছিলাম, কিন্তু দেখতে পেলাম না।ঋতু ভাই কে কিছুই বলতে পারলো না। শুধু বলল পরে বলবো। এখন ঘরে চল। ওর ভাই অবাক চোখে তাকিয়ে রইল। কিছুই বুঝল না।সমীররা এইভাবেই সাহায্য করে যায় মানুষ কে......।।

জুলাই ১০, ২০২২
বিদেশ

ইউক্রেনজুড়ে শুরু ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল কিয়েভ, উদ্বেগ প্রকাশ ভারতের, চালু হেলপলাইন

ভারতীয় সময় বৃহস্পতিবার ভোরে ইউক্রেনে সেনা অভিযানের ঘোষণা করেছিলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তার মিনিট খানেকের মধ্যেই ইউক্রেনের রাজধানী কিভে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করে দিল রাশিয়ার সেনা বাহিনী। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কিভ-সহ ইউক্রেনের অন্যান্য শহরে একের পর এক বিস্ফোরণের খবর এসেছে। তার মধ্যে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণের ছবি দেখে চমকে গিয়েছে আন্তর্জাতিক মহল।সকালে রাশিয়ার কিভ, খারকোভ, ওডেসা-সহ বিভিন্ন শহরে একের পর এক বিস্ফোরণের ছবি এবং ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এসেছে। চারপাশ থেকে গল গল করে কালো ধোঁওয়া বেরনোর ছবি দেখে আতঙ্কিত হয়েছেন অনেকেই। এমনকী বিস্ফোরণের মুহূর্তে তীব্র আলো আর ধোঁয়ার মেঘের ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে।This is the port of Ochakov. After the Russian strikes targeted the Ukrainian Navy.#Russia #Ukraine #Putinpic.twitter.com/OwPIChIyge Intel Rogue (@IntelRogue) February 24, 2022ভারতের দাবি, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে সামরিক সংঘাত বাড়লে ধাক্কা খাবে শান্তি ও নিরাপত্তা। রাষ্ট্রসঙ্ঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি টিএস ত্রিমূর্তি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, বড়সড় সংকট তৈরি করতে চলেছে রাশিয়া ও ইউক্রেনের পরিস্থিতি।রাষ্ট্রসঙ্ঘে ত্রিমূর্তি বলেন, পরিস্থিতি বিপজ্জনক। তৈরি হতে পারে বড়সড় সঙ্কট। বিঘ্নিত হতে পারে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও শান্তি। দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার আর্জি জানিয়েছেন তিনি। পরিস্থিতি যাতে আরও খারাপের দিকে না যায়, সে বিষয়েও বার্তা দিয়েছে ভারত।শান্তি বজায় রাখা কতটা জরুরি সে কথা মনে করিয়ে দিয়ে ত্রিমূর্তি উল্লেখ করেছেন, কূটনৈতিক স্তরে আলোচনার মাধ্যমেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা প্রয়োজন। তিনি আরও জানিয়েছেন, ভারতীয় নাগরিকদের ইউক্রেন থেকে অবিলম্বে দেশে ফেরাতে সাহায্য করা হচ্ছে।Russian missile hitting Frankivsk airport.#Russia #Ukraine #Donbasspic.twitter.com/tm3s9bDlFu Intel Rogue (@IntelRogue) February 24, 2022ইতিমধ্যেই দুটি এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান ভারতে ফিরেছে নাগরিকদের নিয়ে। তবে এখনও কয়েক হাজার ভারতীয় ইউক্রেনে আটকে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। সোমবারই রাষ্ট্রসঙ্ঘের বৈঠকে ভারতের তরফে জানানো হয়েছে, সীমান্তবর্তী এলাকা-সহ ইউক্রেনে প্রায় ২০ হাজার ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন বর্তমানে। এদের মধ্যে বেশির ভাগই পড়ুয়া। তাঁদের সুরক্ষা এবং নিরাপত্তাই ভারতের কাছে অগ্রাধিকার পাবে বলেও জানানো হয়েছে।গত সপ্তাহেই বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, ইউক্রেনের সঙ্গে এয়ার বাবল চুক্তি শিথিল করা হয়েছে। দেশের উড়ান সংস্থাগুলি চাহিদা অনুযায়ী বিমানের ব্যবস্থাও করতে পারে। ইউক্রেনে বসবাসকারী ভারতীয়দেরও চার্টার্ড বা যাত্রীবাহী সাধারণ বিমানে দ্রুত দেশে ফিরে আসার অনুরোধে জানানো হয়েছে। সাহায্যের জন্য বিদেশ মন্ত্রকের তরফে একটি বিশেষ কন্ট্রোল রুমও খোলা হয়েছে।ইউক্রেনে এখনও আটকে রয়েছে কয়েক হাজার ভারতীয়। বেশ কয়েকজনকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হলেও বৃহস্পতিবার মাঝপথ থেকে বিমান ফেরানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আটকে থাকা ভারতীয়দের জন্য হেল্পলাইন নম্বর চালু করল ভারত। নম্বরগুলি হল, 1800118797 (Toll free), +91-11-23012113, +91-11-23014104, +91-11-23017905

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

শিশুদের মুখে হাসি ফোটালো সৃজনী সংঘ

করোনার সময় আমরা দেখতে পেয়েছি বিভিন্ন স্বেচ্ছ্বাসেবী সংস্থা দুঃস্থদের পাশে দাঁড়িয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। সেরকমই একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা কলকাতা মহেশতলার সৃজনী সংঘের পক্ষ থেকে করোনার স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রান্তি ব্লুকের লাটাগুড়ি জঙ্গল লাগোয়া কৈলাসপুর চা বাগানের মাগুরমাড়ি বন বস্তিতে পৌঁছে গিয়েছিল। চা বাগানের দুঃস্থ ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়ার সরঞ্জাম বিতরণের পাশাপাশি দুপুরে একবেলা ভালো করে খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। মহেশতলা সৃজনী সংঘের সদস্য সুদীপ্ত মণ্ডল জনতার কথা কে জানিয়েছেন, সারা বছর আমরা দুঃস্থদের বিভিন্ন পরিষেবা দিয়ে থাকি। এবার কৈলাসপুর চা বাগানের মাগুরমাড়ি বন বস্তির দুঃস্থ বাচ্চাদের পাশে আমাদের সংস্থা দাঁড়ালো। ২০০ জন বাচ্চার হাতে লেখাপড়ার বিভিন্ন সামগ্রী যেমন বই, খাতা, পেন্সিল, রবার তুলে দেওয়া হয়। এছাড়া দুপুরে একবেলা পেটভরে খাওয়ানোও হয়েছিল। শুধু তাই নয়, করোনার মধ্যে আমরা তাদের হাতে মাস্ক ও স্যানিটাইজারও তুলে দিই। ওদের হাসিমুখগুলো দেখে খুব ভালো লাগছিল। তিনি আরও জানিয়েছেন খুব শীঘ্রই সৃজনী সংঘ নতুন ভাবনা নিয়ে আসবে এবং সাধারণ মানুষের জন্য তারা কাজ করবেন।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২২
রাজ্য

বেসরকারি বাসপরিবহণ শিল্পে তীব্র সংকট, সরকারি সাহায্য জরুরি

গণপরিবহণ ব্যবস্থার অন্যতম শরিক বেসরকারি বাস। এই শিল্পে লক্ষ লক্ষ মানুষের রুটি-রুজি। বাসের মালিক, শ্রমিক থেকে অনুসারী শিল্প ও ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত বহু মানুষ। আজ এই শিল্পের সঙ্গে মানুষগুলোর সংসার ভেসে যাচ্ছে। বাসমালিকদের অনেকেরই আজ আর রাস্তায় গাড়ি নামানোর মতো কোমরে জোর নেই। আর্থিক অনটনে ভগ্নদশা বেসরকারি বাস পরিবহণের। যার ফল ভোগ করতে হচ্ছে সাধারণ যাত্রীসাধারণকেও।আরও পড়ুনঃ কুয়াশার মধ্যেই চলছে উদ্ধারকাজ, ময়নাগুড়ি পৌঁছলেন রেলমন্ত্রী, জন বার্লা২০২০ করোনা আবহে লকডাউনের শুরু থেকেই বাস পরিবহণের দৈন্যদশার সূত্রপাত। বাসগুলো দীর্ঘ দিন বসে গিয়ে তার কলকব্জা নষ্ট হতে থাকে। পেটের টান পড়ে মালিক ও শ্রমিকদের। তার ওপর ডিজেলের দাম বেড়েই চলেছে। বাসের টায়ার থেকে যন্ত্রপাতির মূল্যবৃদ্ধি ঘটছে সমানতালে। রয়েছে বিমা, ট্যাক্স, ফাইন। তাছাড়া রাজ্য সরকারের কাছে একাধিকবার দাবি করেও বাড়েনি বাসভাড়া। কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে দাবি করে মেলেনি আর্থিক প্যাকেজ। এই শিল্প আজ প্রায় শেষলগ্নে পৌঁছে গিয়েছে। হুঁশ ফেরেনি কোনও সরকারের। রাজ্য সরকার সামান্য টাকা ট্যাক্স ছাড় দিলেও তাতে যে চিড়ে ভিজবে না তা বলছেন বাসমালিকদের একটা বড় অংশ।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে ফের বাড়ল করোনা সংক্রমণ, বৃদ্ধি পেল পজিটিভিটি রেটওবেকারী দূরীকরণ নিয়ে রাজনৈতিক নেতাদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হয় না তার হাজারো প্রমান রয়েছে। ক্ষমতায় এলে কেউ আর কথা রাখে না। যে শিল্প বাস্তবে ধুঁকছে সেই শিল্পকে আর্থিক সাহায্য় করলে লক্ষ লক্ষ মানুষ দুমুঠো খেয়ে বেঁচে থাকতে পারবে তা রক্ষা করার দায় কেউ নিচ্ছে না। লক্ষ লক্ষ চাকরি দেওয়ার ভাষণ না দিয়ে বাসপরিবহণ শিল্পে নজর দিলে লক্ষ লক্ষ মানুষ ফের বেকার হয়ে পড়বে না। এই বিষয় একটা সাধারণ মানুষ বুঝলে সরকার বাহুদুর বুঝবে না তা আবার হয় নাকি।আরও পড়ুনঃ ডায়মন্ডহারবার মডেল নিয়ে তৃণমূল যুবনেতার ফেসবুক পোস্ট ঘিরে জল্পনা তুঙ্গেইএমআই দিতে না পারার জন্য প্রায় প্রতিদিনই বাস টেনে নিয়ে যাচ্ছে ব্যাংকগুলো। বাসের দখল নিলেও এতে যেমন ব্যাংকের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে তেমনই বাসমালিক নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে। বাসের মালিকসহ শ্রমিকরা পথে বসে যাচ্ছে। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বেসরকারি বাসপরিবহণ টিকিয়ে রাখার জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ করা উচিত। মালিক-শ্রমিকরা তো এই দেশের নাগরিক। তাঁদেরও বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে। দুই সরকারই যদি সদর্থক উদ্যোগ নেয় তাহলে এই শিল্প রক্ষা পাবে। রক্ষা পাবে লক্ষ লক্ষ পরিবার। কৃষকদের জন্য দুই সরকার অনুদান দিচ্ছে। সেটা ভাল উদ্যোগ। বাসপরিবহণকে রক্ষা করার জন্য নতুন পরিকল্পনা নিলে দুই সরকারই মানুষের আশীর্বাদ পাবে। সরকার মানুষের সরকার হবে, জনগণের সরকার বলে বিবেচিত হবে।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
রাজ্য

Bhatar: পূর্ব বর্ধমানে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর তিন লক্ষ টাকার চেক চুরি, শ্রীঘরে জামাই

শ্বশুরবাড়ি এলাকার স্বনির্ভর গোষ্ঠীর ৩ লক্ষ টাকার চেক চুরির দায়ে গ্রেফতার হল জামাই। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে। ধৃত জামাইয়ের নাম সাইগন শেখ। তাঁর বাড়ি জেলার মেমারি থানার ডাঙ্গাপাড়া গ্রামে। ভাতার থানার পুলিশ বুধবার রাতে বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে। বৃহস্পতিবার ধৃতকে বর্ধমান আদালতে তুলে পুলিশ তাঁকে ৫ দিনের জন্য নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আবেদন জানায় । বিচারক ধৃতের পুলিশ হেফাজত মঞ্জুর করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, ভাতারের বলগোনা গ্রামে সাইগন শেখের শ্বশুরবাড়ি। সপ্তাহ দুয়েক আগে এই গ্রামের একটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে জনৈকা পম্পা গড়াই নামে এক মহিলা তাঁদের ৩ লক্ষ টাকার চেক চুরি যাওয়া বিষয়ে ভাতার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ওই চেক ভাঙিয়ে কেউ গোষ্ঠির এ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে নিয়ছে বলেও ওই মহিলা পুলিশকে জানান। অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে চেকের ওই ৩ লক্ষ টাকা জমা পড়েছে মেমারি থানার ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সাইগন শেখের ব্যাঙ্ক আ্যকাউন্টে। সাইগন শেখ ওই স্বনির্ভর গোষ্ঠির এক মহিলার আত্মীয় বলে পুলিশ জানতে পারে। এরপর বুধবার রাতে মেমারির ডাঙ্গাপাড়ায় সাইগন শেখের বাড়িতে হানা দিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করে। গোষ্ঠীর চেক চুরি করে টাকা আত্মসাতের ঘটনায় আর কারও হাত রয়েছে কিনা তা জানতে ধৃতকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২১
রাজ্য

Mamata Bannerjee: পুজোয় ঠাকুর দেখতে পারবেন? কী জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

পুজো হবে কোভিডবিধি মেনেই। মঙ্গলবার পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে বৈঠকে এমনটাই ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জানান, পুজো কমিটিগুলিকে ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। তবে পুজো হলেও রাতে দর্শনার্থীরা ঠাকুর দেখতে বেরতে পারবেন কি না বা অন্যান্য বছরের মতো পুজো কার্নিভাল হবে কি না, তা নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, সেই অনুযায়ী পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে বৈঠক করেন মমতা। সেখানে পুজো কমিটিগুলির প্রতিনিধিদের তিনি বলেন, আগের বছর সরকার যে সমস্ত নিয়ম ঘোষণা করেছিল, এ বছরও তা কার্যকর থাকছে। ফলে আপনাদের কোনও অসুবিধা হবে না। নিয়ম মেনে পুজো করতে পারবেন।আরও পড়ুনঃ শাস্ত্রী ও কোহলির ওপর অসন্তুষ্ট বোর্ড, চাওয়া হবে কৈফিয়ত গত বছর পুজোর আগে রাজ্য সরকার একটি নির্দেশিকা জারি করে। সেখানে বলা হয়, খোলামেলা প্যান্ডেল করতে হবে। প্যান্ডেল চত্বরে রাখতে হবে মাস্ক ও স্যানিটাইজার। এ বছর সেই নিয়ম থাকবে জানিয়ে মমতা বলেন, ক্লাবে মাস্ক রাখবেন। স্যানিটাইজার রাখবেন। ক্লাব চত্বর স্যানিটাইজ করবেন। অনেক মানুষ পুজো দেখতে আসবেন। সকলের যাতে মাস্ক থাকে, নজর রাখবেন। মণ্ডপের মধ্যে মাস্ক বিলি করার ব্যবস্থাও করতে পারেন। মমতা আরও বলেন, গত বার পুজোর সময় রাতে ছাড় দেওয়া হয়েছিল। এ বার কী করা যায়, তা নিয়ে কয়েক দিন পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে। হাতে এখনও কিছুটা সময় আছে। এ ছাড়া, পুজোর বিসর্জন শুরু হবে ১৫ অক্টোবর থেকে, চলবে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত। সেই নিয়ম মেনে ১৮ অক্টোবর পুজোর কার্নিভাল হওয়ার কথা। কিন্তু এ বিষয়েও এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, তা দেখেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।এদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ আনল বিজেপি। মঙ্গলবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে এ ব্যাপারে অভিযোগ জানিয়েছে রাজ্য বিজেপির প্রতিনিধি দল। তাদের বক্তব্য, ভোটের আগে বাড়তি সুবিধা পেতেই পুজো কমিটিগুলিকে টাকা দিচ্ছেন মমতা। তৃণমূলনেত্রীর জন সমর্থন বাড়ানোর লক্ষ্যেই কমিটিগুলিকে এই আর্থিক অনুদান দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২১
কলকাতা

Behala: কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, বেহালায় তাণ্ডব

প্রায় এক কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল বেহালায়। একটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা গিয়ে প্রথমে অভিযুক্ত ববি বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি ও অফিস ভাঙচুর চালায়।ঘর ভাঙচুর করে অভিযুক্ত মহিলা ও তার স্বামীকে বাইরে বের করে চলে বেদম প্রহার। এদিন তাঁর বাড়ির সামনে রীতিমতো তাণ্ডব চালালেন আমানতকারীরা।অভিযোগ, বেহালা বকুলতলা অঞ্চলের বাসিন্দা ববি একটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর টাকা গ্রামীণ ব্যাংকে জমা রেখে সুদ এবং প্রয়োজনে ঋণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এই কাজের জন্য তিনি একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাও খোলেন। তিনিই স্থানীয় মহিলাদের নিয়ে স্বনির্ভর গোষ্ঠী তৈরি করেন। দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে মহিলা এখানে টাকা জমা রাখছেন বলে জানান এক অভিযোগকারী। তাঁদের দাবি, টাকা জমা রাখা মহিলার সংখ্যা ১ হাজার ৩০০-র বেশি। অভিযোগকারীরা বলেন, মাসিক সুদ ছাড়াও প্রয়োজনে ঋণ পাওয়া যাবে বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে সময় মতো সুদ না পাওয়ায় তাঁদের সন্দেহ হতে থাকে সকলের মনেই। এরপর সম্প্রতি ব্যাংকে গিয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নিয়মিত টাকা জমা পরছে না তাঁদের অ্যাকাউন্টে।আরও পড়ুনঃ আন্দোলনকারী শিক্ষিকাদের বিজেপির ক্যাডার বলে তোপ শিক্ষামন্ত্রীরঅভিযোগকারীদের আরও বক্তব্য, তাঁরা আগে ওই সংস্থাকে অভিযোগ জানিয়েছিলেন। তখন টাকা জমা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি মিললেও আদৌ সমস্যার কোনও সুরাহা হয়নি।এরপরই আর মেজাজ ঠিক রাখতে পারেননি কেউই। বুধবার কয়েকশো মহিলা বেহালায় অভিযুক্ত ববির বাড়িতে চড়াও হন। ভয়ে ভিতর থেকে দরজায় তালা লাগিয়ে দেন ববি। পরে জমায়েত হওয়া মহিলারা ববির বাড়িতে এবং অফিসে ইট ছুড়তে থাকেন। ভাঙা হয় দরজা-জানলা। জোর করে বাড়িতে ঢুকে চলে ভাঙচুর। বাড়ির বাইরে রাখা একটি মোটরসাইকেলও ভাঙা হয়। পরিস্থিতি সামলাতে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ বাহিনী।

আগস্ট ২৫, ২০২১
রাজ্য

Dilip Ghosh: রাজ্যকে বন্যা খোঁচা দিলীপের

রাজ্যে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। মূলত, তিন জেলার অবস্থা শোচনীয়। এই অবস্থায় ফের একবার রাজ্য সরকারকে বিঁধলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। ২০১৭ সালে বন্যা দামোদর অববাহিকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণে বিশ্ব ব্যাংক ও এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক পশ্চিমবঙ্গকে ২ হাজার কোটি টাকা আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করেছিল। সেই টাকা রাজ্য পেয়েওছিল। কিন্তু, এই টাকা ঠিক কোথায় গেল, তা কেউ জানে না বলে কটাক্ষ করেছেন দিলীপ। তাঁর দাবি, এত পরিমাণ টাকা আর্থিক সাহায্য পাওয়ার পরও ময়না, আরামবাগ, সবং, ঘাটাল সর্বত্র বন্যা হয়েছে। রাজ্য সরকারকে দুষে দিলীপ প্রশ্ন করেছেন, এত টাকা কোথায় গেল? সব কী তাহলে লুট হয়ে গিয়েছে?শুক্রবার একটি টুইট করে বিভিন্ন বন্যা কবলিত এলাকার দুর্দশার ছবিও তুলে ধরেন দিলীপ। 1.1 In 2017, for controlling flood in Damodar basin, World Bank and the Asian Infrastructure Investment Bank have agreed to provide financial aid of 2000 cr to WB govt.No one knows what happened to this aid. pic.twitter.com/glPzOYEN0J Dilip Ghosh (@DilipGhoshBJP) August 6, 2021উল্লেখ্য, রাজ্যের বন্যা কবলিতদের সাহায্যার্থে ও পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে রাজ্যের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

আগস্ট ০৬, ২০২১
রাজ্য

Flood Situation: 'ম্যান মেড' বন্যার অভিযোগ দেগে মোদিকে কী বললেন মমতা?

আবহা্ওয়া খারাপ ও যান্ত্রিক ত্রুটি থাকায় হেলিকপ্টারে করে খানাকুলের বন্যা পরিস্থিতি দেখতে যেতে পারেননি। কিন্তু সড়কপথে উদয়নারায়ণপুর, আমতার বন্যা কবলীত এলাকা পরিদর্শন করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বন্যার্তদের সাধ্যমত সাহায্যের আশ্বাসও দেন। এদিকে, এদিনই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ফোনালাপে ডিভিসির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতিকে ম্যান মেড বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ বার প্রধানমন্ত্রীকে একটি চিঠি দিয়ে সমস্ত বিষয় উল্লেখ করে সুরাহা চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী। চিঠিতে তিনি জানান, ডিভিসির ইচ্ছে মতো জল ছাড়ার কারণেই ২০১৫, ২০১৭, ২০১৯ সালের পর আবার এই বছর রাজ্যে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হল।চিঠিতে মমতা জানান, নিম্নচাপের কারণে বিগত কয়েক দিন ধরেই পশ্চিমবঙ্গ এবং ঝাড়খণ্ডে টানা বৃষ্টি হয়ে চলেছে। আর এই সময়ে মাইথন, পাঞ্চেত ও তেনুঘাট জলাধার থেকে প্রায় দুলাখ কিউসেক জল ছেড়েছে ডিভিসি, যার জেরেই রাজ্যের হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ১৬ জনের প্রাণহানি ছাড়াও লাখ লাখ মানুষের জীবন-জীবিকা বিপর্যস্ত।আরও পড়ুনঃ ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ রানি রামপালরা, সামনে এবার ব্রোঞ্জের লড়াই২০১৫ সালের বন্যার সময়েও মোদির কাছে ডিভিসির সংস্কার, পলি পরিষ্কার এবং ডিভিসির জলধারণ ক্ষমতা ১.২ লক্ষ একর ফুট বাড়ানোর আবেদন করেছিলেন মমতা। সেই বিষয়টিও চিঠিতে উল্লেখ করেন মমতা। পলি পরিষ্কার করে পাঞ্চেত জলাধারের জল ধারণ ক্ষমতা ১০ কোটি কিউবিক মিটার এবং মাইথন বাঁধে একটি গোলাকৃতি জলাধার বানিয়ে জল ধারণ ক্ষমতা ১২ কোটি কিউবিক মিটার বাড়ানোর আবেদন সেই সময়ে করেছিলেন তিনি। সেই সঙ্গে ঝাড়খণ্ডের বেলপাহাড়ির কাছে ষষ্ঠ বাঁধ নির্মাণেরও দাবি জানিয়েছিলেন। এই বিষয়গুলি চিঠিতে উল্লেখ করে মমতা জানান, রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং অন্যান্য উচ্চপদস্থ সরকারি আধিকারিকরা তো বটেই, তিনি নিজে এ বিষয়ে বার বার উদ্যোগী হওয়া সত্ত্বেও কেন্দ্রের তরফে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি।চিঠিতে মমতা জানান, ডিভিসির জলাধারে দীর্ঘদিন ধরে পলি পড়া এবং রক্ষণাবেক্ষণে গাফিলতির কারণেই সেগুলির জল ধারণ ক্ষমতা দিনে দিনে কমেছে। তার জন্যই বার বার বাংলায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। এরই সঙ্গে আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে বঙ্গোপসাগরে ঘন ঘন নিম্নচাপ সৃষ্টি এবং লাগাতার ভারী বর্ষণ তো রয়েছেই। ঘন ঘন ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং মনুষ্য-সৃষ্ট বন্যার কারণে ক্ষত-বিক্ষত বাংলা। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রের থেকে পর্যাপ্ত আর্থিক সাহায্য রাজ্য সরকার পাচ্ছে না বলে ফের প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী।

আগস্ট ০৪, ২০২১
দেশ

Modi on Vaccination: টিকাকরণে গতি আনতে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সাহায্য চাইলেন মোদি

করোনা টিকাকরণের গতি নিয়ে সন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার দেশের করোনা পরিস্থিতি ও টিকাকরণের হালহকিকত জানতে বৈঠকে বসেছিলেন তিনি। সেই বৈঠকে দেশে টিকাকরণের গতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, আরও বেশি করে মানুষের কাছে টিকা পৌঁছে দিতে পারলে ভাল। সে কারণে টিকাকরণ কর্মসূচিতে একাধিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকেও অন্তর্ভূক্ত করার কথা বলেছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ ভুয়ো টিকা নিয়ে রাজ্যকে সতর্ক করল কেন্দ্রকেন্দ্রীয় সরকারের তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা প্রধানমন্ত্রীকে দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে সবিস্তারে জানিয়েছেন। বয়স ভেদে কী ভাবে দেশে টিকাকরণ চলছে, সে বিষয়ে সবিস্তার তথ্য দিয়েছেন। স্বাস্থ্যকর্মী ও প্রথম সারির করোনা যোদ্ধাদের টিকাকরণের বিষয়েও খোঁজ নিয়েছেন মোদী। শেষ ছদিনে দেশে ৩ কোটি ৭০ লক্ষের বেশি মানুষকে করোনা টিকা দেওয়া হয়েছে। মালয়েশিয়া বা সৌদি আরবের মতো দেশের সামগ্রিক জনসংখ্যার সমান মানুষকে টিকা দিতে পেরেছে ভারত। এই পরিসংখ্যানের কথা শুনেই প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, তিনি টিকাকরণের গতি নিয়ে সন্তুষ্ট। কিন্তু আগামী দিনেও এই গতি ধরে রাখতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন। টিকাকরণের এই বিপুল উদ্যোগে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলিকে ডেকে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন মোদি। পাশাপাশি তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন, ডেল্টা প্রজাতি ছড়িয়ে পড়েছে বেশ কয়েকটি রাজ্যে। করোনা সংক্রমণ দেশজুড়ে বিদ্যমান। এই পরিস্থিতিতে করোনা পরীক্ষার হার যাতে যথেষ্ট থাকে, সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। সে কারণে রাজ্যগুলির সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার পরামর্শ মোদির।

জুন ২৬, ২০২১
রাজ্য

বজ্রপাতে মৃত নাবালিকার পরিবারের পাশে জামালপুরের তৃণমূল নেতৃত্ব

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেখানো পথে হেঁটে বজ্রপাতে মৃত নাবালিকার পরিবারের পাশে দাঁড়ালো পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের তৃণমূল নেতৃত্ব ।গত রবিবার বজ্রপাতে মারা যায় জামালপুরের জ্যোৎশ্রীরাম পঞ্চায়েতের মাঠশিয়ালি গ্রামের নাবালিকা মন্দিরা পাখিরা। একমাত্র মেয়েকে হারিয়ে শোকাতুর হয়ে পড়েছেন মন্দিরার বাবা ও মা । জেলা প্রশাসনের তরফে মঙ্গলবার সরকারি সাহায্য ২ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেওয়া হয় নাবালিকার বাবা মায়ের হাতে । পরিবারটির পাশে আলাদাভাবে দাঁড়িয়েছেন তৃণমূলের নেতারাও।এদিন বিকেলে নাবালিকার বাড়িতে যান জামালপুরের বিধায়ক অলোক মাঝি, ব্লক তৃণমূলের সভাপতি তথা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মেহেমুদ খান, যুব তৃণমূলের সভাপতি ভূতনাথ মালিক-সহ অন্য নেতৃবৃন্দ। তাঁরা দুঃস্থ নাবালিকার বাবা-মায়ের হাতে আর্থিক সাহায্য ও খাদ্যসামগ্রী তুলেদেন।একই সাথে বজ্রপাতে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচার জন্যে কি কি করণীয় সেই বিষয়েও তৃণমূল নেতৃত্ব এদিন ওই এলাকার জনগনকে সচেতনতার পাঠ দেন । ব্লক তৃণমূলের সভাপতি মেহেমুদ খান বলেন, কয়েকদিনে বজ্রপাতে গোটা রাজ্যে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে।বজ্রপাতে এক নাবালিকা-সহ জামালপুরের পাঁচ জন বাসিন্দারও মৃত্যু হয়। এইভাবে এক নাবিলাকার মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তাঁদের পরিবারটিও দুঃস্থ। তাই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পথে হেঁটে এদিন তাঁরাও মৃত নাবালিকার পারিবারের পাশে দাড়ালেন । বিধায়ক অলোক মাঝি বলেন, আগামী দিনেও তিনি পরিবারটির পাশে থাকবেন বলে কথা দিয়েছেন। পাশে দাঁড়ানোর জন্যে মৃতার বাবা সাহেব পাখিরা ও মা মানবি পাখিরা তৃণমূল নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

জুন ১০, ২০২১
রাজ্য

মহামারিতে মানুষের পাশে মানবিক বিধায়ক

চারিদিকে মহামারির হাহাকার। রোজ হাজার হাজার মানুষ করোনার বলি হচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে লাগু হয়েছে কড়া বিধিনিষেছ। যখন মানুষ ঘর থেকে বেরোতে ভয় পাচ্ছেন, নিজের প্রতিবেশী, আত্মীয়দের পর্যন্ত সাহায্য করতে কুণ্ঠা বোধ করছেন, এমনই এক দুঃসময়, দুর্দিনে মানবিকতার অন্যতম নজির গড়লেন মুর্শিদাবাদের বহরমপুরের বিজেপি বিধায়ক শ্রী সুব্রত মৈত্র।বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার কারণে মৃত্যু হয় ঐতিহ্যবাহী বহরমপুর কৃষ্ণনাথ কলেজের পদার্থবিদ্যার প্রাক্তন অধ্যাপক ডঃ পূর্ণেন্দু সেনের। করোনার ভয়ে তাঁর পরিবার বা প্রতিবেশী এগিয়ে আসেননি। এমত অবস্থায় নিজে উদ্যোগ নিয়ে শেষকৃত্য সম্পন্ন করেন শ্রী সুব্রত মৈত্র। মুখাগ্নিও করেন তিনি। বিধায়কের এমন পদক্ষেপে এলাকার মানুষের প্রশংসা বন্যা বইয়ে দিয়েছেন। যেখানে জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হয় প্রায়ই, সেখানে একজন জনপ্রতিনিধির এমন মানবিক আচরণে সকলেই মুগ্ধ।

মে ১৯, ২০২১
দেশ

কোভিড বিধ্বস্ত ভারতকে মোটা অঙ্কের অনুদান গুগলের

করোনায় বিপর্যস্ত গোটা ভারত। সেই সময় দেশের দুই সন্তান ভারতের পাশে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করলেন। করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন গুগলের সিইও সুন্দর পিচাই এবং মাইক্রোসফটের সিইও সত্য নাদেল্লা।গুগলের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে, সংস্থার তরফে ভারতে করোনা মোকাবিলা করতে ১৩৫ কোটি টাকা দেওয়া হবে। এই টাকা সরাসরি ভারত এবং ভারতকে সাহায্য করার জন্য ইউনিসেফকে দেওয়া হবে। ভরতে করোনা মোকাবিলার জন্য কিছু সরঞ্জাম ইউনিসেফ ভারতের জন্য জোগাড় করে দেবে। এছাড়াও গুগলের কর্মীরাও ভারতের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। ৯০০ কর্মী ইতিমধ্যেই প্রায় ৩ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা দান করেছেন ভারতে করোনা মোকাবিলার জন্য। আর্থিক অনুদান ছাড়াও প্রযুক্তিগত সাহায্যও করবে গুগল।ভারতের এই জরুরি অবস্থার সময় মাইক্রোসফটের সিইও সত্য নাদেল্লাও জানিয়েছেন, তাঁর কোম্পানি প্রযুক্তিগতভাবে সব রকম সাহায্য করবে। করোনা মোকাবিলায় তারা সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি অক্সিজেনের সংকট মেটাতেও প্রযুক্তিগত সাহায্য নিয়ে এগিয়ে আসবে। বিশ্বের দুই শীর্ষ প্রযুক্তি সংস্থার এই সাহায্যের আশ্বাস এমন সময়ে এল যখন ভারতে এক দিনে সাড়ে ৩ লক্ষ আক্রান্তের গণ্ডি ছাড়িয়ে গেল। প্রতিদিন বাড়ছে সংখ্যা। এই অবস্থায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও সব রকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন। তার পর গুগল আর মাইক্রোসফটের তরফেও সাহায্যের কথা জানানো হল।

এপ্রিল ২৬, ২০২১

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

ব্রাজিল ম্যাচ বয়কটের ডাক বাইচুংয়ের, ‘স্থানীয় রাজনীতি’ বলে উড়িয়ে দিল ব্রাজিল! যুবভারতীর ম্যাচ ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক

৩ অক্টোবর কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভারত বনাম ব্রাজিলের বহু প্রতীক্ষিত ফুটবল ম্যাচ। বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবল দলের বিরুদ্ধে ভারতের মাঠে নামার খবরে ইতিমধ্যেই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। কিন্তু ম্যাচ যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে বিতর্কও। একদিকে এই ম্যাচ আয়োজনকে ঘিরে বিপুল খরচ এবং দেশের ফুটবল পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, অন্যদিকে এর জন্য ঘরোয়া ফুটবল সূচি ও জাতীয় দলের পরিকল্পনায় প্রভাব পড়ছে বলে অভিযোগ।এই পরিস্থিতিতেই ভারতীয় ফুটবলের কিংবদন্তি বাইচুং ভুটিয়া সরাসরি ব্রাজিল ম্যাচ বয়কটের ডাক দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, একটি মাত্র প্রদর্শনী ম্যাচের পিছনে বিপুল অর্থ খরচ না করে সেই টাকা দীর্ঘমেয়াদি ভাবে ভারতীয় ফুটবলের উন্নয়নে বিনিয়োগ করা উচিত। বাইচুংয়ের মতে, এমন ম্যাচের পিছনে অর্থ ব্যয় করলে তা দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎকে এগিয়ে নেওয়ার বদলে উল্টে পিছিয়ে দিতে পারে।বাইচুংয়ের কথায়, ম্যাচ বয়কট করলে একটি স্পষ্ট বার্তা যাবে। ভবিষ্যতে এই ধরনের বড় ম্যাচ আয়োজনের আগে ফেডারেশনকে আরও সতর্ক হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।বিপুল খরচ, প্রশ্নের মুখে ঘরোয়া ফুটবলকলকাতায় ব্রাজিলকে নিয়ে ম্যাচ আয়োজন করতে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ কোটি টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। ম্যাচের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ব্রাজিলের পর্যবেক্ষক দল যুবভারতী পরিদর্শনও করেছে। স্টেডিয়ামের পরিকাঠামো নিয়ে তাদের তরফে কিছু উদ্বেগের কথাও উঠে এসেছে।এর পাশাপাশি সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে ভারতীয় ফুটবলের ঘরোয়া কাঠামো নিয়ে। ব্রাজিল ম্যাচকে কেন্দ্র করে আইএসএলের সূচি পিছিয়ে যাওয়ার জল্পনা তৈরি হয়েছে। ফলে ক্লাবগুলির প্রস্তুতি এবং গোটা মরসুমের পরিকল্পনা নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।অন্যদিকে ফিফা এশিয়ান কাপের বিষয়টিও নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। একই সময়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচ এবং অন্যান্য সূচির সংঘাতের কারণে ভারত এশিয়ান কাপ থেকে নাম প্রত্যাহার করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। যদিও এই বিষয়ে ব্রাজিল ফুটবল কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও নিশ্চিত তথ্য তাদের কাছে নেই বলেই জানানো হয়েছে।বাইচুংয়ের প্রশ্নএক ম্যাচের জন্য এত টাকা কেন?বাইচুং ভুটিয়ার যুক্তি, ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে ৯০ মিনিটের ম্যাচ নিঃসন্দেহে ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে বড় আকর্ষণ। কিন্তু সেই আবেগের বাইরে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা ভাবতে হবে।তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, যদি এত বড় অঙ্কের অর্থ হাতে থাকে, তবে তা আগামী কয়েক বছরের জন্য দেশের ক্রীড়া পরিকাঠামো, প্রতিভা অন্বেষণ, প্রশিক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় তৈরিতে বিনিয়োগ করা যায় না কেন? তাঁর মতে, সেই বিনিয়োগ থেকে ভবিষ্যতে কমনওয়েলথ গেমস বা অলিম্পিক্সের মতো মঞ্চে পদক পাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।এবার পাল্টা বার্তা ব্রাজিলেরভারতীয় ফুটবল মহলে যখন ম্যাচ বয়কট নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে, তখন ব্রাজিলের ফুটবল কর্তাদের বক্তব্য পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের অভ্যন্তরে এই ম্যাচ নিয়ে কী ধরনের বিতর্ক চলছে, তা নিয়ে ব্রাজিল কর্তৃপক্ষ বিশেষ চিন্তিত নয়। ম্যাচের সূচি পরিবর্তনেরও কোনও সম্ভাবনা নেই।বয়কট নিয়ে ব্রাজিলের তরফে বিশেষ মাথাব্যথা নেই বলেও ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। বরং এই ধরনের বক্তব্যকে স্থানীয় রাজনৈতিক বা অভ্যন্তরীণ বিতর্কের অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের দাবি।এশিয়ান কাপ থেকে ভারতের নাম প্রত্যাহারের বিষয়েও ব্রাজিল কর্তৃপক্ষের কাছে কোনও স্পষ্ট তথ্য নেই বলে জানা গিয়েছে। ফলে ভারতের অভ্যন্তরীণ ফুটবল পরিস্থিতির সঙ্গে ব্রাজিলের কলকাতা সফরকে যুক্ত করার কোনও কারণ দেখছে না পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।ভারত আমাদের সমর্থন করেছে, বলছে ব্রাজিলব্রাজিল দলের পক্ষ থেকে রড্রিগো কেতানোও এই ম্যাচের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর বক্তব্যের মূল সুরভারত বিশ্বকাপের সময়ে ব্রাজিলকে যে সমর্থন দিয়েছে, তার জন্য তারা কৃতজ্ঞ। কলকাতায় ম্যাচ আয়োজনকে তাই শুধু বাণিজ্যিক বা প্রদর্শনী ম্যাচ হিসেবে দেখছে না ব্রাজিল।ব্রাজিলের তরফে জানানো হয়েছে, এই ম্যাচে তারা নিজেদের সেরা ফুটবল উপহার দিতে চায়। অর্থাৎ ভারতের মাটিতে এসে শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা সারাই তাদের লক্ষ্য নয়; বরং ভালো পারফরম্যান্স করে ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে তুলতে চায় তারা।স্টিমাচের কটাক্ষেও বাড়ছে বিতর্কব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন ভারতের প্রাক্তন কোচ ইগর স্টিমাচও। তাঁর বক্তব্য, দেশের ঘরোয়া লিগ এবং জাতীয় দলের পরিকল্পনার মধ্যে এখনও প্রয়োজনীয় সামঞ্জস্য তৈরি হয়নি। সেই সমস্যা সমাধান না করে ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনার মতো দলের বিরুদ্ধে ম্যাচ আয়োজন করা হলে তা ভারতীয় ফুটবলের জন্য উল্টে অস্বস্তির কারণ হতে পারে।অর্থাৎ একদিকে বাইচুংয়ের আর্থিক অগ্রাধিকারের প্রশ্ন, অন্যদিকে স্টিমাচের ঘরোয়া ফুটবলের কাঠামো নিয়ে অভিযোগসব মিলিয়ে ৩ অক্টোবরের ম্যাচ এখন শুধুমাত্র একটি ফুটবল ম্যাচে সীমাবদ্ধ নেই।ম্যাচ হবে, বিতর্কও চলবে?একদিকে ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে যুবভারতীতে ভারতকে দেখার স্বপ্নে ফুটবলপ্রেমীরা উত্তেজিত। অন্যদিকে দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎ, বিপুল খরচ, আইএসএলের সূচি এবং জাতীয় দলের পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন প্রাক্তন ফুটবলার ও কোচেরা।ব্রাজিলের তরফে অবশ্য এখনও পর্যন্ত বার্তা স্পষ্টতারা ম্যাচ খেলতে প্রস্তুত এবং সূচি বদলের কোনও পরিকল্পনা নেই। ফলে ৩ অক্টোবর যুবভারতীতে ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা যেমন বাড়ছে, তেমনই তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিতর্কও। এখন দেখার, শেষ পর্যন্ত মাঠের ৯০ মিনিট কি সমস্ত বিতর্ককে ছাপিয়ে যেতে পারে, নাকি ম্যাচ শেষ হওয়ার পরও ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে এই প্রশ্নগুলি আরও জোরালো হয়ে ওঠে।

আগস্ট ২২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

দুই দশকের ডুরান্ডের আক্ষেপ ঘোচানোর লড়াই, ডার্বির আগে হাবাসের মন্ত্র—‘আবেগ নয়, বুদ্ধিই শেষ কথা’

দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অপেক্ষা। শেষ বার ২০০৪ সালে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ২-১ গোলে হারিয়ে ট্রফি জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর থেকে সময় গড়িয়েছে, বদলেছে দল, কোচ, ফুটবলারকিন্তু লাল-হলুদ শিবিরের ডুরান্ড-খরা কাটেনি। ২২ বছর পর সেই আক্ষেপ মুছে ফেলার সামনে দাঁড়িয়ে ইস্টবেঙ্গল। আর সেই লড়াইয়ের মঞ্চে প্রতিপক্ষ আবারও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান।রবিবারের ডুরান্ড ফাইনাল তাই শুধু একটি ট্রফির লড়াই নয়। একদিকে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটানোর তাগিদ, অন্যদিকে ডার্বির অতিরিক্ত উত্তেজনাসব মিলিয়ে ম্যাচের আবহ ইতিমধ্যেই তুঙ্গে। তবে এই আবেগকেই নিয়ন্ত্রণে রাখাকে সাফল্যের অন্যতম চাবিকাঠি বলে মনে করছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস।হাবাসের কাছে ডার্বি মানেই শুধু আবেগের লড়াই নয়, বরং মাথা ঠান্ডা রেখে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরীক্ষা। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, কলকাতার ফুটবলপ্রেমীদের কাছে ম্যাচটির গুরুত্ব যতই বেশি হোক, তাঁর দলকে মাঠে নেমে এটিকে একটি সাধারণ ম্যাচের মতোই খেলতে হবে।হাবাসের কথায়, ডার্বিতে আবেগ থাকবেই। কিন্তু সেই আবেগ যদি খেলোয়াড়দের নিয়ন্ত্রণ করে, তাহলে কৌশল এবং পরিকল্পনা ভেস্তে যেতে পারে। তাই তাঁর লক্ষ্য আবেগের মাত্রা ১০০ শতাংশ থেকে নামিয়ে প্রায় ২৫ শতাংশে নিয়ে আসা। ম্যাচের ৯০ মিনিটে কোন মুহূর্তে ঝুঁকি নিতে হবে, কখন ধৈর্য ধরতে হবে এবং কখন কৌশল বদলাতে হবেসেই বুদ্ধিমত্তাই পার্থক্য গড়ে দিতে পারে বলে মনে করছেন তিনি।ফাইনালের আগে ইস্টবেঙ্গলের জন্য বড় ধাক্কা পিভি বিষ্ণুর অনুপস্থিতি। সেমিফাইনালের মতো ফাইনালেও মাঠে নামতে পারবেন না দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আক্রমণভাগের ফুটবলার। চলতি ডুরান্ডে দুরন্ত ছন্দে ছিলেন বিষ্ণু। সিআইএসএফের বিরুদ্ধে ইস্টবেঙ্গলের ৮-০ জয়ের ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে নজর কেড়েছিলেন তিনি। তাঁর গতি এবং আক্রমণাত্মক ফুটবল প্রতিপক্ষের রক্ষণকে একাধিক বার সমস্যায় ফেলেছে।বিষ্ণুকে না পাওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই পরিকল্পনায় কিছুটা পরিবর্তন আনতে হবে হাবাসকে। তাঁর জায়গায় প্রথম একাদশে বিপিন সিংয়ের সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিকল্প হিসেবে ভাবনায় রয়েছেন জেসিন টিকে। ডুরান্ডেই সিআইএসএফের বিরুদ্ধে জোড়া গোল করে নিজের দাবিও জোরালো করেছেন তিনি।শুধু বিষ্ণু নন, ফাইনালে এফিয়ংকেও পাওয়া যাবে না বলে জানিয়েছেন হাবাস। বিদেশি স্ট্রাইকার এবং ডিফেন্ডার ছাড়া এমন গুরুত্বপূর্ণ ডার্বিতে নামা যে সহজ নয়, তা স্বীকার করেছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। তবে সমস্যাকে সামনে রেখে অজুহাত তৈরি করতে তিনি একেবারেই রাজি নন।হাবাসের বক্তব্য, রেফারিং, প্রতিপক্ষ কিংবা দলের কোনও নির্দিষ্ট ফুটবলার না থাকার মতো বিষয়কে সামনে রেখে ম্যাচের আগে অজুহাত খোঁজা অর্থহীন। মাঠে যে ফুটবলাররা থাকবেন, তাঁদের নিয়েই সেরাটা দিতে হবে। তাঁর বিশ্বাস, প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও ইস্টবেঙ্গল নিজেদের সেরা ফুটবল খেলতে সক্ষম।অন্যদিকে, মোহনবাগানকে যথেষ্ট সমীহ করছেন লাল-হলুদ কোচ। সবুজ-মেরুন দলের প্রত্যেক ফুটবলারকেই বিপজ্জনক বলে মনে করছেন তিনি। বিশেষ করে গোলরক্ষক বিশাল কাইথের প্রশংসা করেছেন হাবাস। তবে নিজের দলের গোলরক্ষক প্রভসুখন সিং গিলের উপরও তাঁর আস্থা অটুট। ফলে ফাইনালে দুই গোলরক্ষকের পারফরম্যান্সও ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।ডার্বির উত্তাপের মধ্যেও অবশ্য প্রস্তুতির ধরন বদলে ফেলেছে ইস্টবেঙ্গল। ফাইনালের আগে মাঠের অনুশীলন বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দল। হাবাসের মতে, এই মুহূর্তে আরও একটি অনুশীলনের চেয়ে ফুটবলারদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম দেওয়া বেশি জরুরি। গত কয়েক দিনে ম্যাচের প্রস্তুতি এবং রিকভারির জন্য যথেষ্ট সময় পাওয়া গিয়েছে। তাই ফুটবলারদের শরীরকে তরতাজা রাখাই এখন তাঁর অগ্রাধিকার।মাঠের বদলে হোটেলেই চলবে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি। জিমে অনুশীলন, ফুটবলারদের কাছ থেকে আরও নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং ইনডোর সেশনের মাধ্যমে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সারবে দল।সব মিলিয়ে রবিবারের ফাইনাল ইস্টবেঙ্গলের কাছে একাধিক কারণে বিশেষ। ২২ বছরের ডুরান্ড-খরা কাটানোর হাতছানি, সামনে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান, আবার ২০০৪ সালের ফাইনালের স্মৃতিও ফিরছে। কিন্তু ইতিহাস কিংবা আবেগ নিয়ে বেশি ভাবতে চান না হাবাস। তাঁর কাছে হিসাবটা একেবারেই সরল৯০ মিনিট মাথা ঠান্ডা রেখে খেলতে হবে, সঠিক মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং কোনও অজুহাত ছাড়াই ট্রফির জন্য লড়াই করতে হবে।২২ বছর আগের সেই জয়ের স্মৃতি কি আবারও লাল-হলুদ সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটাবে? নাকি ডার্বির মঞ্চেই ইস্টবেঙ্গলের দীর্ঘ অপেক্ষা আরও বাড়বেউত্তর মিলবে রবিবারের মহারণে।

আগস্ট ২২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ডার্বির আগে ক্লান্তি-ক্ষোভ, তবু জয়ের জেদে মোহনবাগান! ফাইনালের মঞ্চে ‘মোমেন্টাম’-কেই অস্ত্র করছেন প্যানোস

তিন বছর পর ফের ডুরান্ড কাপের ফাইনালে কলকাতা ডার্বি। রবিবারের মহারণকে ঘিরে ইতিমধ্যেই উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করেছে। একদিকে ইস্টবেঙ্গল, অন্যদিকে মোহনবাগানদুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর লড়াইয়ে ট্রফির পাশাপাশি সম্মানের প্রশ্নও জড়িয়ে। কিন্তু ফাইনালের আগে দুই দলের প্রস্তুতির ছবিটা একেবারেই এক নয়। বিশেষ করে শিলং থেকে কলকাতায় ফিরে আসার ধকল এবং ঠাসা সূচি নিয়ে রীতিমতো ক্ষুব্ধ মোহনবাগান কোচ প্যানাজিওটিস দিলম্পেরিস।সেমিফাইনালে টাইব্রেকারে শিলং লাজংকে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে মোহনবাগান। একইভাবে পেনাল্টি শুটআউটে জয় পেয়েছে ইস্টবেঙ্গলও। তবে লাল-হলুদ শিবিরের তুলনায় সবুজ-মেরুনের সমস্যা বেশি। কলকাতায় ম্যাচ খেলে ইস্টবেঙ্গল যেখানে ঘরের পরিবেশেই প্রস্তুতির সুযোগ পেয়েছে, সেখানে শিলং থেকে কলকাতায় ফেরার পথেই মোহনবাগান ফুটবলারদের পেরোতে হয়েছে নানা ঝক্কি।এর সঙ্গে যোগ হয়েছে ম্যাচের ঘনঘটা। মাত্র ছদিনের মধ্যে তিনটি ম্যাচ খেলতে হয়েছে মোহনবাগানকে। ফলে অনুশীলন এবং বিশ্রামের জন্য প্রয়োজনীয় সময় প্রায় মেলেনি। এমন পরিস্থিতিতে ডার্বির মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে দলের প্রস্তুতি কতটা ব্যাহত হয়েছে, তা নিয়ে কোনও রাখঢাক করেননি প্যানোস।গ্রিক কোচের বক্তব্যে স্পষ্ট, সূচি নিয়ে তাঁর অসন্তোষ যথেষ্ট গভীর। গ্রুপ পর্বে সবার উপরে থাকার পরেও তাঁর দলকে যে পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে, তা মেনে নিতে পারছেন না তিনি। প্যানোসের কথায়, গ্রুপ পর্বে সেরা দল হওয়ার পরও তাঁদের সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে, তাতে তিনি এবং দলের ফুটবলাররা হতাশ।শুধু ম্যাচ খেললেই যে প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হয় না, সেটিও মনে করিয়ে দিয়েছেন মোহনবাগান কোচ। তাঁর বক্তব্য, এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় গিয়ে ম্যাচ খেলে পরের ম্যাচের জন্য তৈরি হয়ে যাওয়া যায় না। শিলংয়ের ম্যাচের পর দলের অনুশীলনের সুযোগও হয়নি। ফলে ফুটবলারদের শারীরিক ক্লান্তির পাশাপাশি ম্যাচের আগে কৌশলগত প্রস্তুতির ঘাটতিও থাকছে।তবে সমস্যার কথা বললেও ডার্বির আগে আত্মবিশ্বাসে কোনও ঘাটতি নেই প্যানোসের। বরং প্রতিকূল পরিস্থিতিকে সরিয়ে রেখে ফাইনালের মঞ্চে জয়ের জন্যই দলকে প্রস্তুত করছেন তিনি। তাঁর মতে, এই ধরনের ম্যাচে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে মোমেন্টাম। ম্যাচের শুরু থেকে ছন্দ নিজেদের দখলে রাখতে পারলে পরিস্থিতি নিজেদের পক্ষে ঘুরিয়ে দেওয়া সম্ভব।এবারের ডুরান্ডে মোহনবাগানের অভিযানও শুরু হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে। স্বাভাবিকভাবেই সেই জয় ফাইনালের আগে বাড়তি আত্মবিশ্বাস দিতে পারে। কিন্তু প্যানোস অতীতের ফলাফলকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। তাঁর মতে, গ্রুপ পর্বের ম্যাচ আর ফাইনাল সম্পূর্ণ আলাদা। এবার এমন একটি ম্যাচ, যার পর আর পরের ম্যাচের জন্য অপেক্ষা করার সুযোগ নেইজিততেই হবে।মোহনবাগানের শক্তি বাড়িয়েছে বিদেশি ফুটবলারদের যোগদানও। নতুনদের নিয়ে আশাবাদী কোচ। তবে ফাইনালের মতো ম্যাচে শুধুমাত্র অভিজ্ঞতাই যে জয়ের নিশ্চয়তা দিতে পারে না, সেটাও মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি। তাঁর কাছে দলগত পারফরম্যান্স এবং ম্যাচের মুহূর্তকে কাজে লাগানোই আসল।আর সেই দলগত লড়াইয়ের অন্যতম বড় ভরসা গোলরক্ষক বিশাল কাইথ। পরপর দুই ম্যাচে টাইব্রেকারে গুরুত্বপূর্ণ পেনাল্টি বাঁচিয়ে মোহনবাগানকে ফাইনালে তুলেছেন তিনি। স্বাভাবিকভাবেই তাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ কোচ। বিশালের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ প্যানোস তাঁকে দেশের সেরা গোলরক্ষকদের একজন বলেই মনে করছেন।অন্যদিকে রবিবারের ডার্বি নিয়ে প্রবল উত্তেজিত মোহনবাগানের নতুন মুখ সমীর জেলকোভিচও। সবুজ-মেরুন জার্সিতে এটি তাঁর তৃতীয় ম্যাচ, আর কেরিয়ারের প্রথম কলকাতা ডার্বি। ভারতীয় ফুটবলের সবচেয়ে বড় ম্যাচের অংশ হতে পারাকে তিনি গর্বের বলে মনে করছেন। তবে শুধু ডার্বি খেলার অভিজ্ঞতা নয়, ট্রফি জিতেই সমর্থকদের সঙ্গে উৎসবে মাততে চান তিনি।দলে দেরিতে যোগ দিয়েও সতীর্থদের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিয়েছেন সমীর। মজার বিষয়, ইস্টবেঙ্গলের দানি র্যামিরেজের সঙ্গেও তাঁর আগে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। ফলে ডার্বির প্রতিপক্ষের এক ফুটবলারকে তিনি বেশ ভালোভাবেই চেনেন। তবে মাঠে বন্ধুত্বের কোনও জায়গা থাকবে নালক্ষ্য একটাই, মোহনবাগানের জয়।সব মিলিয়ে ডুরান্ড ফাইনালের আগে মোহনবাগানের সামনে রয়েছে এক অদ্ভুত সমীকরণ। একদিকে ক্লান্তি, ভ্রমণের ধকল, অনুশীলনের ঘাটতি এবং সূচি নিয়ে কোচের ক্ষোভ; অন্যদিকে ডার্বির উত্তেজনা, আত্মবিশ্বাস এবং ট্রফি জয়ের তীব্র আকাঙ্ক্ষা। শেষ পর্যন্ত সেই প্রতিকূলতাকে পেরিয়ে কোন দল নিজেদের সেরাটা মেলে ধরতে পারে, তার উপরই নির্ভর করবে ডুরান্ডের মুকুট কার মাথায় উঠবে। আর প্যানোসের বার্তা একেবারে পরিষ্কারঅজুহাত নয়, ডার্বিতে চাই ১০০ শতাংশ লড়াই এবং জয়।

আগস্ট ২২, ২০২৬
রাজ্য

পাহাড় নিয়ে অমিত শাহের সঙ্গে বিমল গুরুংদের দীর্ঘ বৈঠক, তৈরি হল ‘শাহী নকশা’! গোর্খাল্যান্ড নিয়ে কী সিদ্ধান্ত?

পাহাড়ের উন্নয়ন এবং দীর্ঘদিনের সমস্যার স্থায়ী সমাধান নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করলেন বিমল গুরুং, রোশন গিরি-সহ পাহাড়ের নেতারা। শনিবার দার্জিলিংয়ে এই ত্রিপাক্ষিক বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। পাহাড়ের উন্নয়ন, কর্মসংস্কৃতি, পর্যটন এবং দীর্ঘদিনের গোর্খাল্যান্ডের দাবি নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।উত্তরবঙ্গ সফরে থাকা অমিত শাহ শনিবার দার্জিলিংয়ে পৌঁছন। সেখানে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তা, গোর্খা নেতা বিমল গুরুং এবং রোশন গিরি-সহ সংশ্লিষ্ট পক্ষের প্রতিনিধিরা বৈঠকে যোগ দেন। পাহাড়ের সমস্যা নিয়ে দীর্ঘদিন পর এই ধরনের ত্রিপাক্ষিক আলোচনা হওয়ায় বৈঠকটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।পাহাড়ের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং গোর্খাল্যান্ডের দাবি নিয়ে অতীতে একাধিকবার আন্দোলন হয়েছে। সেই আন্দোলনে উত্তপ্ত হয়েছে দার্জিলিং, এমনকি রক্তপাতের ঘটনাও ঘটেছে। এবার পাহাড়ের উন্নয়ন এবং সমস্যার স্থায়ী সমাধানের পথ খুঁজতেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।বৈঠকে পাহাড়ের উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পর্যটন শিল্পকে আরও শক্তিশালী করা, কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থায় গতি আনার মতো বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে। পাহাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান কীভাবে করা যায়, তা নিয়েও মত বিনিময় হয়েছে।বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল পাহাড়ের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণ। গোর্খাল্যান্ডের দাবি নিয়ে আগামী দিনে কী আলোচনা হবে, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল তৈরি হয়েছে। তবে বৈঠক থেকে এখনই গোর্খাল্যান্ড নিয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়নি। বরং সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যেই পাহাড়ের সমস্যার সমাধানের কথা বলা হয়েছে।পাহাড়ের সমস্যাগুলি নিয়ে নিয়মিত পর্যালোচনার জন্য একটি স্থায়ী কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। এই কমিটির নেতৃত্বে থাকবেন প্রাক্তন পুলিশ আধিকারিক পঙ্কজকুমার সিং। কমিটিতে আর কারা থাকবেন, কত জন সদস্য থাকবেন, সেই বিষয়ে এখনও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।অমিত শাহ জানিয়েছেন, সাংবিধানিক পথেই পাহাড়ের সমস্যার সমাধান করা হবে। পাশাপাশি দার্জিলিংয়ের উন্নয়ন নিয়েও নিয়মিত পর্যালোচনা করা হবে। পাহাড়ে উন্নয়নের গতি বাড়ানো এবং প্রশাসনিক সমস্যাগুলি দ্রুত সমাধানের উপর জোর দেওয়া হয়েছে।বৈঠকে পাহাড়ের উন্নয়নের জন্য গোর্খা টেরিটোরিয়াল প্রশাসনকে আরও কার্যকর করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। আগের সরকারের সময়ে পাহাড়ের উন্নয়ন এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে ঘিরে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। নতুন সরকারের আমলে সেই সমস্যাগুলি কাটিয়ে উন্নয়নের দিকে নজর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।বিমল গুরুং এবং রোশন গিরিরাও সাংবিধানিক পথেই পাহাড়ের সমস্যার সমাধানের বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ফলে এই বৈঠকের পর পাহাড়ের রাজনীতিতে নতুন কোনও সমীকরণ তৈরি হয় কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

আগস্ট ২২, ২০২৬
কলকাতা

নোটিস নয়, অনিয়ম দেখলেই হোটেল সিল! মির্জা গালিব স্ট্রিটের আগুনের পর বড় নির্দেশ অগ্নিমিত্রার

কলকাতায় বেআইনি হোটেল নিয়ে কড়া পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিলেন পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। কয়েক দিন আগে মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৯ জনের মৃত্যু হয়। সেই ঘটনার পর শহরের বিভিন্ন এলাকায় বেআইনি হোটেল ও অতিথিশালা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। শনিবার মার্কুইজ স্ট্রিটের হোটেলগুলি পরিদর্শনে গিয়ে মন্ত্রী জানান, শুধু নোটিস দিয়ে আর কাজ চালানো হবে না। অনিয়ম ধরা পড়লে প্রয়োজনে সরাসরি হোটেল সিল করে দেওয়া হবে।অগ্নিকাণ্ডের পর ধর্মতলা এলাকায় ইতিমধ্যেই ১৬টি হোটেল সিল করেছে দমকল। আরও ২৫টি হোটেলকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শনিবার মার্কুইজ স্ট্রিটের বিভিন্ন হোটেল ঘুরে দেখেন অগ্নিমিত্রা। সেখানেই তিনি বেআইনি হোটেলের বিরুদ্ধে আরও কড়া পদক্ষেপের কথা জানান।মন্ত্রী বলেন, শুধু নোটিস দিয়ে কোনও লাভ হচ্ছে না। কোনও হোটেলে অনিয়ম ধরা পড়লে সেখানে অতিথিরা থাকলে তাঁদের নিরাপদে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য ২৪ ঘণ্টা সময় দেওয়া হবে। তার পরেও প্রয়োজন হলে হোটেল সিল করে দেওয়া হবে। তবে সমস্ত কাগজপত্র নিয়মমাফিক থাকলে পরবর্তী সময়ে সেই হোটেল আবার খোলার সুযোগ থাকবে বলেও জানান তিনি।শহরে এত দিন ধরে কী ভাবে বেআইনি ভাবে হোটেল ও অতিথিশালা চলছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অগ্নিমিত্রা। এই বিষয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, বেআইনি কাজকে আর কোনও ভাবেই নিয়মে পরিণত করা যাবে না।অগ্নিমিত্রার বক্তব্য, মির্জা গালিব স্ট্রিটের অগ্নিকাণ্ডের মতো ঘটনা যাতে ফের না ঘটে, তার জন্য শহরের হোটেলগুলির নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র খতিয়ে দেখা জরুরি। কোনও হোটেলে নিয়মের ব্যত্যয় ধরা পড়লে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশই দিয়েছেন তিনি।অগ্নিমিত্রা বলেন, নোটিসে কোনও কাজ হয় না। অতিথি থাকলে ২৪ ঘণ্টা সময় দিন। তার পর সিল করে দিন। সব কাগজপত্র ঠিক থাকলে তখন আবার খুলে দেওয়া যাবে।

আগস্ট ২২, ২০২৬
দেশ

পাকিস্তান থেকে চলত সিম, বাংলাদেশে পৌঁছত হাওয়ালার টাকা! দিল্লিতে ধৃত শিলিগুড়ির প্রদীপ্তকে ঘিরে বড় রহস্য

দিল্লি থেকে পাক গুপ্তচর সন্দেহে শিলিগুড়ির বাসিন্দা প্রদীপ্তকুমার সরকারকে গ্রেপ্তার করেছে রাজ্য পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল। তদন্তকারীদের দাবি, প্রদীপ্ত হাওয়ালা চক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁর মাধ্যমে বাংলাদেশে টাকা পৌঁছে দেওয়া হত বলে অভিযোগ। সেই টাকা পরে পাকিস্তানি গুপ্তচর এবং তাদের সহযোগীদের কাছে পৌঁছত কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।তদন্তকারীদের নজরে আসার পর প্রদীপ্তের কাছ থেকে একটি সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়। সেই সিমটি পাকিস্তান থেকে পরিচালিত হত বলে প্রাথমিক তদন্তে দাবি তদন্তকারীদের। বিষয়টি নিশ্চিত করতে সিম কার্ডটি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এই সিমের মাধ্যমে কার সঙ্গে যোগাযোগ করা হত এবং এর সঙ্গে হাওয়ালা চক্রের কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারীদের দাবি, প্রদীপ্ত বর্তমানে দিল্লিতে থাকলেও তাঁর শিকড় শিলিগুড়িতে। নেপালকে করিডোর করে উত্তরবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশ পর্যন্ত হাওয়ালার একটি নেটওয়ার্কের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। বাংলাদেশে থাকা কয়েক জনের সহযোগিতায় এই লেনদেন চলত কি না, তা নিয়েও তদন্ত চলছে।তদন্তকারীদের আরও দাবি, হাওয়ালার টাকার হিসাব মেলাতে প্রদীপ্তকে মাঝেমধ্যেই বাংলাদেশে যেতে হত। সেই সূত্র ধরেই তাঁর গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য হাতে আসে তদন্তকারীদের। এরপর তাঁর মোবাইল এবং অন্যান্য নথি খতিয়ে দেখে একাধিক বিষয় নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়।প্রদীপ্তের সঙ্গে জাল নোট এবং সিম পাচার চক্রেরও যোগাযোগ থাকতে পারে বলে তদন্তকারীদের ধারণা। তবে এই অভিযোগগুলির কোনওটিই এখনও আদালতে প্রমাণিত নয়। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য সামনে আসবে বলেই জানিয়েছে তদন্তকারী দল।অন্যদিকে, জাল নোট এবং সিম কার্ড পাচারের অভিযোগে ইসলামপুর থেকে গ্রেপ্তার ফজলে রাব্বি সিদ্দিকিকেও জিজ্ঞাসাবাদ করছে তদন্তকারীরা। শুক্রবার তাঁকে দিনহাটা মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক সাত দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। ফজলে রাব্বি ইসলামপুরের তৃণমূলের প্রাক্তন জেলা সভাপতি জাকির হোসেনের ভাই।ইসলামপুরের পাটাগোরা গ্রাম থেকে স্থানীয় পুলিশের সহযোগিতায় ফজলে রাব্বিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে সাপের বিষ পাচারের একটি মামলাতেও তাঁর নাম জড়িয়েছিল বলে অভিযোগ। প্রদীপ্তের সঙ্গে ফজলে রাব্বির কোনও যোগাযোগ ছিল কি না, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই দুই ব্যক্তির মধ্যে কোনও যোগসূত্র থাকলে তার মাধ্যমে হাওয়ালা, জাল নোট এবং সিম পাচারের চক্র সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে। প্রদীপ্তের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া সিমের ফরেনসিক রিপোর্ট এবং জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের দিকেই এখন নজর তদন্তকারীদের।

আগস্ট ২২, ২০২৬
রাজ্য

ভাঙড় বিস্ফোরণ মামলায় শওকত মোল্লার উপর আরও চাপ! চারজনের বিরুদ্ধে ইউএপিএ চাইল এনআইএ

ভাঙড় বিস্ফোরণ মামলায় তৃণমূল নেতা শওকত মোল্লা-সহ চারজনের বিরুদ্ধে বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন প্রয়োগের আবেদন করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। শুক্রবার কলকাতার নগর দায়রা আদালতের বিশেষ জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা আদালতে বিচারক অনুপম মাইতির এজলাসে এই আবেদন করা হয়।জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি দেবাশিস মল্লিক চৌধুরি আদালতে আবেদন জানান। বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনের ১৬ এবং ১৮ ধারা প্রয়োগের আর্জি জানানো হয়েছে বলে আদালতে জানানো হয়। এই আবেদন ঘিরে ভাঙড় বিস্ফোরণ মামলায় নতুন করে চাপ তৈরি হল শওকত মোল্লা-সহ চার অভিযুক্তের উপর।চলতি বছরে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভাঙড়ে বোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনায় বোমা তৈরির কাজে যুক্ত এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। আরও এক জন গুরুতর আহত হন। ঘটনার তদন্তে নামে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। তদন্তের সময় শওকত মোল্লার নাম উঠে আসে বলে দাবি তদন্তকারীদের।বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর শওকত মোল্লাকে খুঁজছিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। পরে সোনারপুরের কামালগাজি সংলগ্ন এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। যদিও পরিবারের দাবি ছিল, আত্মসমর্পণ করতে যাওয়ার সময় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।গ্রেপ্তারের ৮৭ দিনের মাথায় আদালতে চার্জশিট জমা দেয় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেই চার্জশিটে শওকত মোল্লাকেই বিস্ফোরণ মামলার মূল অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয় বলে তদন্তকারী সংস্থার দাবি। মোট চারজনকে এই মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।তদন্তকারীদের অভিযোগ, বোমা তৈরির কাজ শওকত মোল্লার নির্দেশেই চলছিল। বিস্ফোরণের পর পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্যও তাঁর মোবাইল ফোন থেকে এলাকায় একাধিক নির্দেশ গিয়েছিল বলে দাবি জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার। শওকতকে গ্রেপ্তারের পর তাঁর মোবাইল ফোন খতিয়ে দেখে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গিয়েছে বলেও তদন্তকারীদের দাবি।জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার আরও অভিযোগ, বিস্ফোরণের ঘটনায় ধৃত চারজনের মধ্যে শওকত মোল্লাই ছিলেন মূল চক্রান্তকারী। যদিও এই সমস্ত অভিযোগ এখনও আদালতে বিচারাধীন এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।এবার সেই মামলাতেই আরও কড়া আইনের ধারা প্রয়োগের আবেদন করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। আদালত এই আবেদনের বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক ও আইনজীবী মহলের।

আগস্ট ২২, ২০২৬
রাজ্য

মুখ থেঁতলানো, শরীরে একাধিক ক্ষত! নিউটাউনে বস্তাবন্দি যুবকের দেহ ঘিরে রহস্য

নিউটাউনের স্বামীজি নগরে বস্তাবন্দি যুবকের দেহ উদ্ধার ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য। মৃতের নাম সৌরভ বিশ্বাস। তাঁর বয়স আনুমানিক ৩২ থেকে ৩৫ বছর। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, দুতিন দিন আগেই তাঁকে খুন করা হয়ে থাকতে পারে। দেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মুখও থেঁতলানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।শনিবার সকালে স্বামীজি নগর এলাকা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় যুবকের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ইকো পার্ক থানার পুলিশ। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। প্রথমে মৃতের পরিচয় জানা যায়নি। পরে পুলিশ জানতে পারে, তাঁর নাম সৌরভ বিশ্বাস।তদন্তে নেমে পুলিশ ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখছে। প্রাথমিক ভাবে ফুটেজে দেখা গিয়েছে, এক যুবক কাঁধে করে বস্তাবন্দি একটি দেহ নিয়ে এসে একটি দাঁড়িয়ে থাকা বাইকের পিছনে রেখে যায়। এরপর দেহের উপর ইট চাপা দিয়ে সে সেখান থেকে চলে যায়। রাতের অন্ধকারের কারণে ওই যুবকের মুখ স্পষ্ট ভাবে দেখা যায়নি বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, রাত প্রায় চারটে কুড়ি নাগাদ ওই যুবক সেখানে এসেছিল। দেহ ফেলে যাওয়ার পর প্রায় এক মিনিট সেখানে দাঁড়িয়েছিল সে। এরপর বাইকটি রেখে দ্রুত এলাকা ছেড়ে চলে যায়। সকালে বিষয়টি নজরে আসতেই স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের শরীরে একাধিক ট্যাটু রয়েছে। তাঁর শরীরে বেশ কয়েকটি ক্ষতও পাওয়া গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, সৌরভ প্রায় তিন দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন। ফলে নিখোঁজ হওয়ার সঙ্গে তাঁর মৃত্যুর কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ, মৃতের পরিচয় এবং গত কয়েক দিনের তাঁর গতিবিধি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কে বা কারা তাঁকে হত্যা করল এবং কেন দেহটি বস্তায় ভরে নিউটাউনে ফেলে যাওয়া হল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ আরও স্পষ্ট হবে।

আগস্ট ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal