• ১১ আশ্বিন ১৪৩৩, বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

ED

কলকাতা

ফের ইডির ডাকে হাজির রাসবিহারীর তৃণমূল প্রার্থী! জমি দুর্নীতিতে বাড়ছে চাপ

জমি দুর্নীতি মামলায় ফের ইডির দফতরে হাজির হলেন দেবাশীষ কুমার। এর আগেও তাঁকে তলব করা হয়েছিল। এবার তাঁকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে আসতে বলা হয়েছিল। নির্ধারিত সময়েই তিনি দফতরে পৌঁছন (TMC Candidate)।রাসবিহারী কেন্দ্রের প্রার্থী এবং বিদায়ী বিধায়ক দেবাশীষ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ (TMC Candidate), জাল নথির সাহায্যে সরকারি ও বেসরকারি জমি বেআইনিভাবে দখল করা হয়েছে এবং সেই জমিতে অবৈধ নির্মাণ করা হয়েছে। এই অভিযোগে তাঁকে দ্বিতীয় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে ইডি। শুক্রবার তাঁকে তলব করা হয়েছিল এবং তিনি তদন্তকারীদের সামনে হাজির হন (TMC Candidate)।এর আগে গত ত্রিশে মার্চ তিনি কলকাতার ইডি দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন। সেদিনও তাঁকে জমি দখল সংক্রান্ত একটি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় (TMC Candidate)।শুক্রবার সকাল সাড়ে এগারোটার সময় তিনি দফতরে পৌঁছন এবং তারপরই জেরা শুরু হয় (TMC Candidate)।সূত্রের খবর, সম্প্রতি একটি বেসরকারি সংস্থায় আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। সেই তদন্তেই দেবাশীষ কুমারের নাম সামনে আসে। এরপরই তাঁকে তলব করা হয়।জানা গেছে, বেঙ্গল এনার্জি নামে একটি সংস্থার দুই কর্তার বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। সেই সময় বেশ কিছু নথিতে দেবাশীষ কুমারের নাম পাওয়া যায়। এরপর থেকেই এই মামলায় তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখছে ইডি।এই ঘটনার পর ভোটের আগে রাজনৈতিক মহলেও চাপা উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই এখন নজর রয়েছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
রাজ্য

পালাতে গিয়ে ধরা! কালিয়াচক হিংসায় মূল অভিযুক্ত নিয়ে বিস্ফোরক দাবি পুলিশের

কালিয়াচকের (Kaliachak Violance) ঘটনার পর দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। এই ঘটনার ইতিমধ্যেই নিন্দা হয়েছে সর্বোচ্চ আদালত স্তরেও। এর মধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে মোফাক্কেরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে, যিনি একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত বলে জানা গেছে।বুধবার রাতে কালিয়াচকের বিশাল জমায়েতে তাঁকে একটি গাড়ির ছাদে উঠে বক্তব্য রাখতে দেখা গিয়েছিল (Kaliachak Violance)। সেই ভিডিয়ো দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ, ওই জমায়েতে উত্তেজনা ছড়ানোর পিছনে তাঁর বড় ভূমিকা ছিল।এই বিষয়ে উত্তরবঙ্গের অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক কে জয়রামন সাংবাদিক বৈঠকে জানান, কালিয়াচকের ঘটনায় মালদহ জেলায় মোট উনিশটি মামলা দায়ের হয়েছে (Kaliachak Violance)। ইতিমধ্যে তেত্রিশ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মোফাক্কেরুল ইসলামকেও গ্রেফতার করা হয়েছে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে।তিনি জানান, ধৃত ব্যক্তি ইটাহার থানার বাসিন্দা এবং পেশায় একজন আইনজীবী। পুলিশের দাবি, তিনিই মূলত উস্কানি দিচ্ছিলেন। ভাইরাল ভিডিয়ো থেকেও সেই প্রমাণ মিলেছে। সিআইডির সহায়তায় এবং শিলিগুড়ি পুলিশের সহযোগিতায় তাঁকে আটক করা হয়েছে। তাঁর সঙ্গে আকরামুল বাগানি নামে আরও একজনকে ধরা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, তাঁরা বেঙ্গালুরু পালানোর চেষ্টা করছিলেন।গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির বিরুদ্ধে কালিয়াচকের ঘটনায় তিনটি মামলায় নাম রয়েছে। অন্য কোনও ঘটনার সঙ্গে তাঁর যোগ আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ স্পষ্ট জানিয়েছে, কোনও বেআইনি কাজ বরদাস্ত করা হবে না এবং কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে (Kaliachak Violance)।বিচারকদের দীর্ঘ সময় আটকে থাকার বিষয়ে পুলিশ স্বীকার করেছে যে কিছুটা দেরি হয়েছিল। জানানো হয়েছে, ঘটনাস্থলে অনেক মহিলা ও শিশু উপস্থিত থাকায় জোর করে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে এই দেরির কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং একটি রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে।পুলিশ আরও জানিয়েছে, এই ঘটনার তদন্ত চলছে এবং কারা কারা এই উত্তেজনা ছড়ানোর সঙ্গে যুক্ত ছিল, তা খুঁজে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা তদন্তের দায়িত্ব নিতে পারে এবং ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নিতে পারে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
রাজ্য

ভিড়ের মাঝে আগুনঝরা ভাষণ, তারপর গা ঢাকা! বাগডোগরায় ধরা পড়লেন মোফাক্কেরুল

বুধবার কালিয়াচকের ঘটনার পর একটি ভিডিয়ো দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দেখা যায়, একটি গাড়ির উপর দাঁড়িয়ে এক ব্যক্তি ভিড়ের মাঝে বক্তৃতা দিচ্ছেন। তাঁর কথা শুনে উপস্থিত অনেকেই হাততালি দিচ্ছেন এবং মোবাইলে সেই মুহূর্ত রেকর্ড করছেন। ঘটনার পর থেকে ওই ব্যক্তির খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।অবশেষে শুক্রবার সকালে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতের নাম মোফাক্কেরুল ইসলাম। পুলিশের দাবি, তিনি বেঙ্গালুরুতে পালানোর চেষ্টা করছিলেন।পুলিশ জানিয়েছে, কালিয়াচকে বিচারকদের ঘেরাও করার ঘটনায় মোফাক্কেরুল ইসলামের উস্কানি ছিল। এই ঘটনায় তাঁর নামে তিনটি মামলা দায়ের হয়েছে। তিনি কেন মালদহে গিয়েছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।জানা যায়, ২০২১ সালে তিনি একটি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলেন। তবে তারপর রাজনৈতিক ময়দানে তাঁকে খুব একটা দেখা যায়নি। ২০২৬ সালের নির্বাচনে তিনি প্রার্থী না হলেও, তাঁর দল মালদহ জেলায় সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও এই ঘটনার পর ওই দলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন।রাজনীতির পাশাপাশি মোফাক্কেরুল ইসলাম পেশায় একজন আইনজীবী। আগে তিনি জেলা আদালতে কাজ করতেন, বর্তমানে কলকাতা হাইকোর্টে প্র্যাকটিস করেন। হাইকোর্টে তাঁর বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে বলেই জানা গেছে। অনেকেই তাঁর বক্তব্য শুনতে ভিড় করেন। সোশ্যাল মিডিয়াতেও তাঁর প্রচুর অনুসারী রয়েছে।গ্রেফতার হওয়ার আগে তিনি নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে নিজের গ্রেফতারির কথা জানান। গত কয়েকদিন ধরে তিনি বিভিন্ন রাজ্যের ছবি ও ভিডিয়ো পোস্ট করছিলেন, যাতে মনে হয় তিনি রাজ্যের বাইরে রয়েছেন। কখনও তেলেঙ্গানা, কখনও তামিলনাড়ু, আবার কখনও পাঞ্জাবের আদালতের ছবি শেয়ার করেছিলেন। এমনকি একটি ভিডিয়োতে তিনি কেরল যাওয়ার কথাও বলেন।তবে সব চেষ্টা ব্যর্থ করে শেষ পর্যন্ত শুক্রবার সকালে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকেই তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগেই বড়সড় ঝাঁকুনি! বালিগঞ্জে ‘সোনা পাপ্পু’র বাড়িতে হঠাৎ ইডির হানা

ভোটের আগেই শহরে আবার সক্রিয় হল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। বুধবার সকালে বালিগঞ্জের ফার্ন রোডে তথাকথিত ত্রাস সোনা পাপ্পুর বাড়িতে পৌঁছে যায় ইডি। জমি দখল, বেআইনি নির্মাণ এবং তোলাবাজির অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে এই তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।ইডি সূত্রে খবর, একসঙ্গে মোট ছটি জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। শুধু সোনা পাপ্পুর বাড়িই নয়, তাঁর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত রাহুল দাসের কাকুলিয়া রোডের বাড়িতেও পৌঁছেছে তদন্তকারী দল। পাশাপাশি একটি নির্মাণ সংস্থার অফিসেও তল্লাশি চালানো হচ্ছে।অভিযোগ, প্রোমোটিংয়ের ব্যবসার আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে জোর করে জমি দখল, বেআইনি নির্মাণ এবং তোলাবাজি চালাত সোনা পাপ্পু ও তাঁর সহযোগীরা। এই তোলাবাজির বিপুল পরিমাণ টাকা বিভিন্ন প্রভাবশালীদের কাছে পৌঁছত বলেও অভিযোগ উঠেছে। সেই অভিযোগের সূত্র ধরেই শুরু হয়েছে এই অভিযান।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, সোনা পাপ্পুকে শাসক দলের ঘনিষ্ঠ হিসেবেই চেনা হয়। সম্প্রতি কাকুলিয়ায় দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষের ঘটনাতেও তাঁর নাম উঠে আসে। যদিও এখনও পর্যন্ত পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করতে পারেনি। সেই সময় শাসক দলের একাধিক নেতার সঙ্গে তাঁর ছবি প্রকাশ্যে আসায় বিতর্ক আরও বাড়ে।এই পরিস্থিতিতে ভোটের মুখে ইডির এই অভিযান রাজনৈতিক মহলেও নতুন করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের মাঝেই বড় ধাক্কা! ইডির জিজ্ঞাসাবাদে তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমার

ভোটের প্রচারের মধ্যেই ইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়লেন রাসবিহারী কেন্দ্রের বিধায়ক এবং তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমার। একটি বেসরকারি সংস্থায় আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে তদন্ত করতে গিয়েই তাঁর নাম সামনে আসে বলে জানা গিয়েছে। সেই সূত্রেই তাঁকে তলব করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।গত শনিবার বেঙ্গল এনার্জি নামে একটি সংস্থার দুই শীর্ষ কর্তার বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। ওই ব্যবসায়ীদের বাড়িতে তল্লাশি এবং জিজ্ঞাসাবাদের সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি হাতে পায় তদন্তকারী সংস্থা। সেই নথিতেই দেবাশিস কুমারের নাম উঠে আসে বলে সূত্রের খবর।এরপরই তাঁকে তলব করা হয়। আজ দুপুরে সল্টলেকে ইডির দফতরে হাজিরা দেন তিনি। জানা গিয়েছে, তাঁকে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং তাঁর বয়ান রেকর্ড করা হচ্ছে।তদন্তকারী সংস্থা জানতে চাইছে, ওই সংস্থার সঙ্গে তাঁর কীভাবে যোগাযোগ তৈরি হয়েছিল। কোনও আর্থিক লেনদেন হয়েছিল কি না, সেই বিষয়েও প্রশ্ন করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, বেঙ্গল এনার্জি সংস্থা একাধিক জায়গায় বিতর্কিত জমি কিনেছিল। পরে সেই জমি অন্যদের কাছে বিক্রি করে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। এই মামলার তদন্তে নাম উঠে আসায় দেবাশিস কুমারের সঙ্গে ওই সংস্থার কর্তাদের সম্পর্ক এবং সম্ভাব্য লেনদেন নিয়েও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।পুরো ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ভোটের আবহেই এই জিজ্ঞাসাবাদ নতুন করে উত্তেজনা বাড়িয়েছে।

মার্চ ৩০, ২০২৬
রাজ্য

ভোটার তালিকা সংশোধন: ১৮ লক্ষ বাদ! ৪০ লক্ষ-র নিষ্পত্তি, এখনও অনিশ্চয়তায় ২০ লক্ষ নাম

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া জোরকদমে চলছে। প্রায় ৬০ লক্ষ বিবেচনাধীন ভোটারের মধ্যে রবিবার পর্যন্ত প্রায় ৪০ লক্ষের তথ্য যাচাই ও নিষ্পত্তি সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ইতিমধ্যেই প্রায় ১৮ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। এখনও প্রায় ২০ লক্ষ ভোটারের নাম বিবেচনাধীন রয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রথম দফার ভোটের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ৬ এপ্রিলের আগেই এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হবে।এখন পর্যন্ত খসড়া ও চূড়ান্ত তালিকা মিলিয়ে রাজ্যে মোট ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২ জনের নাম বাদ গিয়েছে। প্রথম অতিরিক্ত তালিকা থেকেই বাদ পড়েছে প্রায় ১২ লক্ষ নাম। Supreme Court of India-এর নির্দেশে এই বিবেচনাধীন ভোটারদের তথ্য যাচাইয়ের কাজ করছেন বিচারকেরা। এই কাজে ভিন্রাজ্য থেকেও বিচারক আনা হয়েছে।২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করে Election Commission of India। তখন বিবেচনাধীন ভোটারের সংখ্যা ছিল ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫। এই বিশাল সংখ্যক আবেদন নিষ্পত্তির দায়িত্বে রয়েছেন মোট ৭০৫ জন বিচারক। কমিশন জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে ধাপে ধাপে সংশোধিত তালিকা প্রকাশ করা হচ্ছে। সেই অনুযায়ী ২৩ মার্চ রাতে প্রকাশিত হয় প্রথম অতিরিক্ত তালিকা। যদিও ওই তালিকায় কতজনের নাম যুক্ত বা বাদ পড়েছে, তার বিস্তারিত তথ্য এখনও জানানো হয়নি।এসআইআর শুরুর আগে রাজ্যে মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯। খসড়া তালিকা প্রকাশের সময় ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৯ নাম বাদ পড়ে এবং মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ কোটি ৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৬৩০। পরে ২৮ ফেব্রুয়ারির চূড়ান্ত তালিকায় আরও ৫ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৩ জনের নাম বাদ যায়। ফলে ওই সময় পর্যন্ত মোট বাদ পড়া নামের সংখ্যা দাঁড়ায় ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২।খসড়া তালিকায় থাকা ৭ কোটি ৮ লক্ষের বেশি ভোটারের মধ্যে প্রায় ১ কোটি ৫২ লক্ষকে শুনানির জন্য চিহ্নিত করা হয়। এর মধ্যে নো-ম্যাপিং ভোটারের সংখ্যা ছিল ৩১ লক্ষ ৬৮ হাজার ৪২৬যাঁরা ২০০২ সালের শেষ এসআইআরের সঙ্গে নিজেদের তথ্যের মিল দেখাতে পারেননি। বাকি প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ ভোটারকে তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে চিহ্নিত করা হয়।সব মিলিয়ে প্রায় ১ কোটি ৪২ লক্ষ ভোটারের শুনানি সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ৮২ লক্ষ ভোটারের নথি গ্রহণযোগ্য বলে মনে করেছে কমিশন। অন্যদিকে, শুনানির ভিত্তিতে বাছাই করে ৫ লক্ষের বেশি নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এরপরই প্রকাশিত হয় প্রথম দফার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা, যেখানে রাজ্যের মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ কোটি ৪ লক্ষ ৫৯ হাজার ২৮৪। তবে সেই তালিকাতেও ৬০ লক্ষের বেশি ভোটারের নাম বিবেচনাধীন হিসেবে রেখে দেওয়া হয়।নির্বাচনের মুখে এই বৃহৎ পরিসরের যাচাই প্রক্রিয়া প্রশাসনের কাছে যেমন বড় চ্যালেঞ্জ, তেমনই রাজনৈতিক দিক থেকেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এখন নজর, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাকি থাকা ভোটারদের ভাগ্য কীভাবে নির্ধারণ করে কমিশন।

মার্চ ২৯, ২০২৬
বিদেশ

ভোররাতে বাড়ি থেকে তুলে নেওয়া হল নেপালের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে, বড় অভিযানে নতুন সরকার

নেপালে বড় রাজনৈতিক ঘটনা ঘটল। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলিকে ভোররাতে তাঁর বাড়ি থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁর সঙ্গে গ্রেফতার করা হয়েছে প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখককেও।শুক্রবারই নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বলেন্দ্র শাহ। তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এই বড় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে নেপালের রাজনীতিতে তোলপাড় শুরু হয়েছে।গত বছরের সেপ্টেম্বরে জেন জি আন্দোলনের সময় হওয়া হিংসার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই গ্রেফতারি বলে জানা যাচ্ছে। সেই সময় ওলি প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দেন। পরে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুশীলা কারকি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন।এরপর মার্চ মাসে জাতীয় নির্বাচন হয়। বহু রাজনৈতিক দল অংশ নিলেও কেউ ভাবতে পারেনি বলেন্দ্র শাহের নেতৃত্বে নতুন দল এত বড় জয় পাবে। তরুণ ভোটারদের সমর্থনে তাঁর দল বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসে। মাত্র পঁয়ত্রিশ বছর বয়সে বলেন্দ্র শাহ নেপালের সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হন।নতুন সরকার গঠনের পরই গত বছরের হিংসা নিয়ে তদন্তের রিপোর্ট কার্যকর করা শুরু হয়েছে। একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিশনের রিপোর্টে বলা হয়েছে, ওলি গুলিচালনা বন্ধ করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন এবং তার ফলে বহু মানুষের মৃত্যু হয়।তবে এই অভিযোগ মানতে নারাজ ওলি। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যদিও নতুন প্রশাসন এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।জানা যাচ্ছে, এই মামলায় আরও কয়েকজন প্রাক্তন আধিকারিককে গ্রেফতার করা হতে পারে। পরিস্থিতি নিয়ে নেপালে এখন চরম উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
কলকাতা

“নাম কাটা নিয়ে লড়াই চলবে”—রেড রোডে মমতার বক্তব্যে চড়ল পারদ

শুক্রবার ইদ-উল-ফিতর উপলক্ষে সকলকে শুভেচ্ছা জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সামাজিক মাধ্যমে বাংলা ও উর্দুদুটি ভাষাতেই বার্তা দেন। সেখানে তিনি সকলকে পবিত্র ইদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।শনিবার কলকাতার রেড রোডে ইদের নামাজের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে আগের মতোই সক্রিয় ভূমিকা নিতে দেখা যায় তাঁকে। সেখানেই তিনি এসআইআর ইস্যুতে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অনেক মানুষের নাম এই তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে এবং এই বিষয়ে তাঁরা সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি জানান, দেশের প্রতি তাঁর গর্ব রয়েছে এবং তিনি বিশ্বজুড়ে শান্তির বার্তা দিতে চান।রেড রোডে ইদের নামাজের প্রস্তুতি আগেই শুরু হয়েছিল। কলকাতা খিলাফত কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রতি বছরের মতো এ বারও যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী। নামাজ পরিচালনা করেন ইমাম কারী ফজলুর রহমান। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এক মাসের রোজা শেষে হাজার হাজার মানুষ এই নামাজে অংশ নেন।এদিকে ভোটের আবহে রাজ্য রাজনীতি ইতিমধ্যেই উত্তপ্ত। এই পরিস্থিতিতে ইদের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী কী বার্তা দেন, সেদিকেও নজর ছিল রাজনৈতিক মহলের। একই সঙ্গে এদিন আবহাওয়াও ছিল প্রতিকূল। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রাজ্যের বেশিরভাগ জেলাতেই বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতাতেও বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি এবং ঘণ্টায় পঞ্চাশ থেকে ষাট কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইতে পারে।এর মধ্যেই সম্প্রতি রাজ্যের পুরোহিত ও ইমাম মোয়াজ্জেমদের জন্য মাসিক ভাতা বৃদ্ধির ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, এই ভাতা পাঁচশো টাকা বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে এখন থেকে তাঁরা প্রতি মাসে দুই হাজার টাকা করে পাবেন। তাঁর কথায়, এই সম্প্রদায়ের মানুষ সমাজের আধ্যাত্মিক ও সামাজিক জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

মার্চ ২১, ২০২৬
কলকাতা

“নাম কাটা নয়, গর্দান কাটলেও ঝুঁকব না”—রেড রোডে বিস্ফোরক অভিষেক

শনিবার সকালে পবিত্র ইদের নামাজ উপলক্ষে কলকাতার রেড রোডে প্রতি বছরের মতো এ বারও ভিড় জমায় হাজার হাজার মানুষ। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এক মাসের রোজা শেষে ইদের নামাজে অংশ নেন বহু মানুষ। নামাজ পরিচালনা করেন ইমাম কারী ফজলুর রহমান।এই মঞ্চ থেকেই এসআইআর ইস্যুতে জোরালো বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, অনেক মানুষের নাম এই তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে এবং এই বিষয়টি নিয়ে তারা সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গিয়েছেন। তিনি জানান, দেশের প্রতি তাঁর গর্ব রয়েছে এবং বিশ্বজুড়ে শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দিতে চান।অন্যদিকে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর বক্তব্যের শুরুতেই সম্প্রীতির উপর জোর দেন। তিনি বলেন, বাংলার ভ্রাতৃত্ববোধ ভবিষ্যতেও অটুট থাকা প্রয়োজন। তাঁর কথায়, উৎসব মানুষকে ভালোবাসা ও একতার শিক্ষা দেয়। তিনি বলেন, আপনার উৎসবে আমি থাকব, আমার উৎসবে আপনি থাকবেনএটাই বাংলার সংস্কৃতি। তিনি আরও বলেন, রমজানে যেমন রাম আছেন, তেমনই দীপাবলিতে আছেন আলি।এরপর এসআইআর ইস্যুতে তীব্র আক্রমণ শানান তিনি। অভিষেক বলেন, নাম কাটা তো দূরের কথা, বড় ধরনের চাপ এলেও তাঁরা মাথা নত করবেন না। তাঁর দাবি, সরকার কারও মালিক নয়, সবাই এই দেশের সমান অধিকারী। তিনি বলেন, এই দেশে মন্দিরের ঘণ্টা ও মসজিদের আজান একসঙ্গে শোনা যাবেএটাই বাংলার ঐতিহ্য।তিনি আরও বলেন, কেউ বলছে হিন্দুরা বিপদে, কেউ বলছে মুসলমানরা বিপদে। কিন্তু তাঁর মতে, আসলে পুরো দেশই এখন সংকটের মধ্যে রয়েছে। এই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে তিনি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে।প্রতি বছরের মতো এ বছরও কলকাতা খিলাফত কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এই ইদের নামাজে যোগ দেন বহু মানুষ। রেড রোডে উৎসবের আবহের মধ্যেই রাজনৈতিক বার্তাও স্পষ্টভাবে উঠে আসে।

মার্চ ২১, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতা বিমানবন্দরে সিনেমার মতো গ্রেফতার! কে এই বিদেশি ‘চর’ ম্যাথু?

কলকাতা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে মার্কিন নাগরিক ম্যাথু ভ্যানডাইককে। তিনি কলকাতা থেকে দুবাই যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তার আগে তিনি মায়ানমার ঘুরে এসেছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে চরবৃত্তি এবং জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগ থাকার অভিযোগ উঠেছে।গত ১২ মার্চ কলকাতা বিমানবন্দরে তাঁকে আটক করা হয়। ওই দিন রাতে তিনি দুবাই যাওয়ার জন্য বিমানে উঠেছিলেন। সেখান থেকে তাঁর পোল্যান্ড যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। বিমান ছাড়ার কিছুক্ষণ আগেই তাঁকে নাটকীয়ভাবে নামিয়ে আনা হয়।বিমানবন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে, সমস্ত নিয়ম মেনে তিনি বিমানে উঠেছিলেন এবং তাঁর লাগেজও বিমানে তুলে দেওয়া হয়েছিল। রাত প্রায় একটা নাগাদ তিনি বিমানে বসে ছিলেন। সেই সময়ই গোপন সূত্রে খবর আসে যে তিনি একজন সন্দেহভাজন বিদেশি চর।তারপরই নিরাপত্তা বাহিনী এবং অভিবাসন দফতরের আধিকারিকরা বিমানে গিয়ে তাঁকে নামিয়ে নিয়ে আসেন। বিমানবন্দরের একটি ঘরে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। পরে দিল্লি থেকে গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা এসে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।১২ মার্চ রাত থেকে ১৪ মার্চ পর্যন্ত তাঁকে কলকাতায় আটক রাখা হয়। এরপর তাঁকে গ্রেফতার করে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। তদন্তে জানা গিয়েছে, তিনি প্রথমে দিল্লিতে আসেন, তারপর কলকাতা হয়ে মিজোরাম যান এবং সেখান থেকে মায়ানমারে প্রবেশ করেন। অভিযোগ, সেখানে তিনি বিদ্রোহীদের অস্ত্র এবং ড্রোন চালানোর প্রশিক্ষণ দিতেন।এছাড়াও জানা গিয়েছে, তিনি সিরিয়ার সংঘর্ষে যুক্ত ছিলেন এবং ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার বিরুদ্ধে প্রশিক্ষণ দিতেন। গেরিলা কৌশলেও তিনি দক্ষ বলে জানা গিয়েছে। তদন্তকারী সংস্থার আশঙ্কা, এই ধরনের আধুনিক প্রযুক্তি যদি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হাতে পৌঁছয়, তাহলে উত্তর-পূর্ব ভারতের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক চক্রের যোগ থাকতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।

মার্চ ১৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬: ভারতের ঐতিহাসিক জয়, টানা দ্বিতীয় শিরোপা

ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাসে আর একটি সোনালি অধ্যায় যোগ হল। রবিবার আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে নিউ জ়িল্যান্ডকে ৯৬ রানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় বার বিশ্বকাপ জিতল ভারত। বিশ্বের প্রথম দল হিসাবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ধরে রাখার কৃতিত্বও অর্জন করল তারা। সব মিলিয়ে এটি ভারতের তৃতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শিরোপা।২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর ২০২৬ সালে আবার আইসিসি ট্রফি জিতল ভারত। অর্থাৎ দীর্ঘ ১১ বছরের শিরোপা খরা কাটার পর মাত্র তিন বছরের মধ্যে তিনটি বড় আইসিসি ট্রফি জিতে বিশ্ব ক্রিকেটে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করল ভারত।পাওয়ার প্লে-তেই ম্যাচের মোড়ফাইনালের ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে দেখা যায় ভারতীয় ওপেনারদের। সঞ্জু স্যামসন এবং অভিষেক শর্মার দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে পাওয়ার প্লে-তেই ম্যাচের দিক অনেকটা নির্ধারিত হয়ে যায়।প্রথম ছয় ওভারে ভারতের স্কোর দাঁড়ায় ৯২/০, যা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে অন্যতম সেরা পাওয়ার প্লে স্কোর। শুরুতেই কিউয়ি বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে ভারত এমন রান তোলে যে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ দ্রুত তাদের হাতে চলে আসে।অন্যদিকে, নিউ জ়িল্যান্ড যখন ব্যাট করতে নামে তখন পাওয়ার প্লে-তেই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট হারায়ফিন অ্যালেন, রাচিন রবীন্দ্র এবং গ্লেন ফিলিপস। মাত্র ৫২ রানে তিন উইকেট পড়ে যাওয়ায় ম্যাচ থেকে কার্যত ছিটকে যায় তারা।সমালোচনার জবাব অভিষেকের ব্যাটেপুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে ফর্ম নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল অভিষেক শর্মাকে নিয়ে। মাঝখানে একটি অর্ধশতরান ছাড়া তিনি বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ফলে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন কেন তাঁকে দলে রাখা হয়েছে।ফাইনালের মতো বড় মঞ্চেই সেই সমালোচনার জবাব দিলেন তিনি। অধিনায়ক ও পুরো টিম মেনেজমেন্টের ভরসার মূল্য দিলেন অভিষেক। খেলার শুরু থেকেই নির্ভীক ব্যাটিং করে একের পর এক চার-ছক্কায় কিউয়ি বোলারদের চাপে ফেলেন। লকি ফার্গুসনের মতো দ্রুতগতির বোলারকেও অনায়াসে মাঠের বাইরে পাঠান। তাঁর আত্মবিশ্বাসী ইনিংস ভারতের বিশাল রানের ভিত তৈরি করে দেয়।শিবম তান্ডব!মাঝের ওভারে জিমি নিশামের দুর্দান্ত বোলিংয়ে কিছুটা ধাক্কা খায় ভারত। একই ওভারে সঞ্জু স্যামসন, ঈশান কিষাণ এবং সূর্যকুমার যাদব আউট হওয়ায় কিছুটা চাপে পড়ে দল।কিন্তু শেষদিকে শিবম দুবে স্বভাবসিদ্ধ আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে ম্যাচের চিত্র আবার বদলে দেন। শেষ ওভারে নিশামের বলে ২৪ রান তুলে ভারতের স্কোর ২৫০-র গণ্ডি পার করান তিনি। সেই অতিরিক্ত রানই শেষ পর্যন্ত বিশাল পার্থক্য গড়ে দেয়অক্ষর পটেলের বাপু ম্যাজিকভারতের জয়ের অন্যতম নায়ক ছিলেন অক্ষর পটেল। আহমেদাবাদ তাঁর ঘরের মাঠ হওয়ায় দর্শকদের সমর্থনও ছিল প্রবল।ম্যাচের শুরুতেই ফিন অ্যালেনকে আউট করে কিউয়িদের বড় ধাক্কা দেন তিনি। পরের ওভারে গ্লেন ফিলিপসকেও বোল্ড করে দেন দুর্দান্ত স্লাইডার ডেলিভারিতে। এরপর আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নিয়ে কার্যত ম্যাচ থেকে নিউ জ়িল্যান্ডকে ছিটকে দেন অক্ষর।দর্শকাসনের সামনে তাঁর উদযাপন বাপু ম্যাজিক হিসাবেই স্মরণীয় হয়ে থাকে।বুমরাহর বিধ্বংসী স্পেলবড় ম্যাচে জ্বলে ওঠা যেন অভ্যাসে পরিণত করেছেন জসপ্রীত বুমরাহ। ফাইনালেও তার ব্যতিক্রম হল না।চার ওভারে মাত্র ১৫ রান দিয়ে চারটি উইকেট তুলে নেন তিনি। তাঁর ইয়র্কার ও নিখুঁত লাইন-লেংথে কিউয়ি ব্যাটাররা কার্যত দিশেহারা হয়ে পড়েন। এই স্পেলই ভারতের জয় নিশ্চিত করে দেয়।ঈশানের দুর্দান্ত ফিল্ডিংফাইনালে উইকেটকিপিং না করেও আউটফিল্ডে অসাধারণ ফিল্ডিং করলেন ঈশান কিষাণ। ব্যাট হাতে ২৫ বলে ৫৪ রানের ঝড়ো ইনিংসের পাশাপাশি ফিল্ডিংয়েও নজর কাড়েন তিনি।রাচিন রবীন্দ্র, ড্যারিল মিচেল ও টিম সিফার্টের গুরুত্বপূর্ণ ক্যাচ নিয়ে ম্যাচে ভারতের আধিপত্য আরও বাড়িয়ে দেন ঈশান।নতুন চোকার্স তকমা?গত দশ বছরে নিউ জ়িল্যান্ড ছয়টি আইসিসি ফাইনাল খেলেছে। এর মধ্যে মাত্র একবার২০২১ সালের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপজিততে পেরেছে তারা। বাকি পাঁচটি ফাইনালেই পরাজিত হয়েছে।এই ফাইনাল হারার পর আবারও প্রশ্ন উঠছেদক্ষিণ আফ্রিকার মতো কি নিউ জ়িল্যান্ডও চোকার্স তকমা পেতে চলেছে?শেষ কথা:আহমেদাবাদের সেই স্টেডিয়ামেই, যেখানে ২০২৩ সালের একদিনের বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারতকে হারতে হয়েছিল, সেখানেই এবার ইতিহাস রচনা করল ভারত। টানা দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে বিশ্ব ক্রিকেটে নিজেদের আধিপত্য আরও দৃঢ় করল তারা।

মার্চ ০৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ফাইনালের মঞ্চে কি নেই বিশ্বের এক নম্বর ব্যাটার ও বোলার? গম্ভীরের দলে বড় বদলের ইঙ্গিত

টিটোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালের আগে ভারতীয় দলে বড় চমকের ইঙ্গিত। নিউজ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে শেষ লড়াইয়ের আগে দলের প্রথম একাদশে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারেন কোচ গৌতম গম্ভীর। এমনও হতে পারে, ফাইনালের মতো বড় ম্যাচে জায়গা না-ও পেতে পারেন টিটোয়েন্টি ক্রিকেটের বিশ্বের এক নম্বর ব্যাটার এবং এক নম্বর বোলার।রবিবার আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামেএ নিউজ়িল্যান্ডকে হারাতে পারলেই ইতিহাস গড়বে ভারত। অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব এর নেতৃত্বে টানা দ্বিতীয়বার টিটোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছে ভারতীয় দল। কিন্তু তার আগে দলের ভারসাম্য ঠিক করতে কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে টিম ম্যানেজমেন্টকে।ওপেনিং জুটিতে বড় বদলের সম্ভাবনাবিশ্বকাপের পুরো টুর্নামেন্ট জুড়েই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি অভিষেক শর্মা। টিটোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বর ব্যাটার হয়েও তাঁর ব্যাট থেকে বড় রান আসেনি। ফলে ফাইনালের মতো ম্যাচে তাঁকে খেলানো নিয়ে দ্বিধায় টিম ম্যানেজমেন্ট।ভারতীয় শিবির সূত্রে খবর, ফাইনালে ওপেনিং জুটি বদলানোর কথা ভাবা হচ্ছে। ইনিংস শুরু করতে পারেন ইশান কিষাণ এবং সঞ্জু স্যামসন। দুজনেই সাম্প্রতিক ম্যাচে ভালো ফর্মে থাকায় শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের পরিকল্পনা রয়েছে ভারতের।তিন নম্বরে দেখা যেতে পারে তরুণ ব্যাটার তিলক ভার্মাকে। চার নম্বরে নামবেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। মিডল অর্ডারে থাকবেন হার্দিক পান্ডিয়া এবং শিবম দুবে। ফিনিশারের ভূমিকায় থাকতে পারেন রিঙ্কু সিং। সাত নম্বরের পর ব্যাটিং গভীরতা বাড়াতে রাখা হতে পারে সহঅধিনায়ক অক্ষর প্যাটেলকে।বোলিং বিভাগেও চমকফাইনালের আগে বোলিং বিভাগ নিয়েও চিন্তায় ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। টিটোয়েন্টি ক্রিকেটে বিশ্বের এক নম্বর বোলার বরুণ চক্রবর্তী সেমিফাইনাল সহ আগের বেশ কয়েকটি খেলায় তাঁর যোগ্যতা অনুযায়ী বল করতে পারেননি বলেই বিশেষজ্ঞদের ধারণা। তাঁর বলের রহস্য কিছুটা ধরে ফেলেছে নিউজ়িল্যান্ডের ব্যাটাররা বলেই মনে করা হচ্ছে।যদিও তিনি টুর্নামেন্টে ভারতের হয়ে সর্বাধিক উইকেট শিকারি, তবুও ফাইনালে তাঁকে বিশ্রাম দিয়ে সুযোগ দেওয়া হতে পারে কুলদীপ যাদবকে। স্পিন আক্রমণে অক্ষর পটেলের সঙ্গে কুলদীপকে দেখা যেতে পারে।পেস আক্রমণে অবশ্য কোনও বদলের সম্ভাবনা নেই। ভারতের দুই ভরসা জসপ্রীত বুমরাহ এবং আরশদীপ সিংই ফাইনালে খেলবেন বলে মনে করা হচ্ছে।সম্ভাব্য ভারতীয় একাদশ১. ঈশান কিশন২. সঞ্জু স্যামসন৩. তিলক বর্মা৪. সূর্যকুমার যাদব (অধিনায়ক)৫. হার্দিক পাণ্ড্য৬. শিবম দুবে৭. রিঙ্কু সিংহ৮. অক্ষর পটেল৯. কুলদীপ যাদব১০. জসপ্রীত বুমরাহ১১. অর্শদীপ সিংহফাইনালের আগে ভারতের লক্ষ্য স্পষ্টব্যাটিং গভীরতা বাড়ানো এবং বোলিং আক্রমণে বৈচিত্র্য আনা। সেই কারণেই বিশ্বের এক নম্বর ব্যাটার ও বোলারকেও বাইরে বসানোর কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা নাও হতে পারেন গম্ভীরেরা। এখন দেখার, ফাইনালের মঞ্চে এই কৌশল ভারতকে ইতিহাসের পথে নিয়ে যেতে পারে কি না।

মার্চ ০৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে বড় কাণ্ড! নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামের টিকিট নিয়ে কালোবাজারি, আটক দুই

আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা। রবিবার সন্ধ্যায় আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে T20 World Cup-এর ফাইনাল। মুখোমুখি হবে ভারত ও নিউজিল্যান্ড। এই ম্যাচ ঘিরে দেশজুড়ে তুমুল উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। বিশ্বের বৃহত্তম ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ফাইনাল দেখতে বিপুল সংখ্যক দর্শক জড়ো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।তবে এই উত্তেজনার মাঝেই সামনে এসেছে টিকিট কালোবাজারির অভিযোগ। ম্যাচের টিকিট কালোবাজারিতে বিক্রি করার অভিযোগে দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।আহমেদাবাদ সিটি ক্রাইম ব্রাঞ্চ রবিবার বড় ম্যাচের আগে অভিযান চালিয়ে ওই দুই অভিযুক্তকে ধরে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে উসমানপুরা এলাকার গুজরাট বিদ্যাপীঠ বাস স্ট্যান্ডের কাছে ফাঁদ পাতে ক্রাইম ব্রাঞ্চ। সেখান থেকেই দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে ম্যাচের আটটি টিকিট উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযোগ, তারা অনলাইনে আগেই টিকিট কিনে পরে কয়েকগুণ বেশি দামে বিক্রি করছিল। দুই হাজার টাকার টিকিট দশ থেকে বারো হাজার টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। উদ্ধার হওয়া সব টিকিট বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।গুজরাট পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এর আগেই আহমেদাবাদের পুলিশ কমিশনার জি এস মালিক সতর্ক করে দিয়েছিলেন যে টিকিটের কালোবাজারি রুখতে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি জানান, ফাইনাল ম্যাচ ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে।পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ম্যাচের দিন প্রায় তিন হাজার পুলিশকর্মী এবং এক হাজার হোমগার্ড মোতায়েন থাকবে। স্টেডিয়ামের প্রবেশপথে ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে এক ও দুই নম্বর গেটের কাছে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ও সংরক্ষিত এলাকা তৈরি করা হয়েছে যাতে অতিরিক্ত ভিড় বা পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতি এড়ানো যায়।এই ফাইনাল ম্যাচ দেখতে এক লক্ষেরও বেশি দর্শক উপস্থিত থাকতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। সেই কারণেই টিকিটের চাহিদা অত্যন্ত বেশি। আর সেই সুযোগেই সক্রিয় হয়ে উঠেছে কালোবাজারিরা বলে মনে করছে পুলিশ।উল্লেখ্য, রবিবারের ফাইনালে জিততে পারলে ভারত টানা দ্বিতীয়বার টি কুড়ি বিশ্বকাপ জয়ের নজির গড়বে। পাশাপাশি দেশের মাটিতে বিশ্বকাপ জেতা প্রথম দল হিসেবেও ইতিহাস গড়তে পারে ভারতীয় দল। সেই ঐতিহাসিক মুহূর্ত দেখার আশায় এখন থেকেই স্টেডিয়াম চত্বরে ভিড় জমাতে শুরু করেছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা।

মার্চ ০৮, ২০২৬
দেশ

বড় সিদ্ধান্ত কর্নাটকের! ষোলো বছরের নিচে শিশুদের জন্য বন্ধ সমাজমাধ্যম, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

শিশুদের অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার ও সমাজমাধ্যমের প্রভাব ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত নিল কর্নাটক সরকার। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া ঘোষণা করেছেন, ষোলো বছরের নিচে কোনও শিশু সমাজমাধ্যম ব্যবহার করতে পারবে না। রাজ্যের বাজেট পেশ করার সময় বিধানসভায় এই ঘোষণা করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমানে শিশুদের মধ্যে মোবাইল ও সমাজমাধ্যম ব্যবহারের প্রবণতা দ্রুত বাড়ছে। এর ফলে পড়াশোনা, আচরণ এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উপর খারাপ প্রভাব পড়ছে। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, শিশুদের সুরক্ষা এবং ভবিষ্যৎ রক্ষার জন্য এই পদক্ষেপ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।এই সিদ্ধান্তের ফলে কর্নাটক দেশের প্রথম রাজ্য যেখানে ষোলো বছরের নিচে শিশুদের জন্য সমাজমাধ্যম ব্যবহারে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হল। এর আগে আন্ধ্রপ্রদেশ এবং গোয়া সরকারও একই ধরনের পদক্ষেপের কথা ভাবছিল। তবে সবচেয়ে আগে কঠোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করল কর্নাটক সরকার।রাজ্যের রাজধানী বেঙ্গালুরু দেশের অন্যতম বড় প্রযুক্তি কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। সেই রাজ্যেই শিশুদের মোবাইল ব্যবহারের উপর নিয়ন্ত্রণ আনার প্রস্তাব নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই আলোচনা চলছিল। গত মাসে সরকার স্কুল ও কলেজে ষোলো বছরের নিচে পড়ুয়াদের মোবাইল ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আনার বিষয়েও ভাবনা শুরু করেছিল।মুখ্যমন্ত্রী এর আগে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে তিনি শিশুদের মধ্যে বাড়তে থাকা সমাজমাধ্যম আসক্তি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর মতে, অনেক পড়ুয়া এই কারণে পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ছে এবং মানসিক সমস্যার মুখেও পড়ছে।সরকারের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে মোবাইলের পর্দায় সময় কাটালে পড়াশোনার ফল খারাপ হতে পারে। আচরণেও পরিবর্তন দেখা যায়। পাশাপাশি অজানা ও ক্ষতিকর বিষয়বস্তুর সংস্পর্শে আসার আশঙ্কাও থাকে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে মাদক চক্রের সঙ্গেও জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয় বলে প্রশাসনের দাবি।বিশ্বের বিভিন্ন দেশও শিশুদের সমাজমাধ্যম ব্যবহারের উপর নিয়ন্ত্রণ আনতে শুরু করেছে। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া সরকারও ষোলো বছরের নিচে কিশোরদের জন্য একাধিক সমাজমাধ্যম ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছে।কর্নাটক সরকারের এই সিদ্ধান্ত দেশজুড়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ রক্ষায় এই পদক্ষেপ কতটা কার্যকর হয়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে সবার।মেটা বিবরণ: শিশুদের মোবাইল ও সমাজমাধ্যম আসক্তি ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত কর্নাটক সরকারের। মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া ঘোষণা করলেন, ষোলো বছরের নিচে শিশুদের জন্য সমাজমাধ্যম ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

মার্চ ০৬, ২০২৬
রাজ্য

মোদির রাজ্যে স্কুল-আদালতে বোমাতঙ্ক! বাংলার যুবক গ্রেপ্তার, ফাঁস হতে পারে বড় চক্রান্ত

মোদির রাজ্য গুজরাট-এর একাধিক স্কুল ও আদালতে বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ইমেল পাঠানোর অভিযোগে বাংলার এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার আহমেদাবাদ-এর অপরাধদমন শাখা ও সাইবার অপরাধ দমন শাখার যৌথ অভিযানে তাকে ধরা হয়। জানা গিয়েছে, ট্রানজিট রিমান্ডে তাকে এ রাজ্যে আনা হচ্ছে। এখানে আনার পর আদালতে পেশ করা হবে।ধৃত যুবকের নাম সৌরভ বিশ্বাস। অভিযোগ, গুজরাটের একাধিক স্কুল ও আদালতে বোমাতঙ্ক ছড়াতে তিনিই হুমকি মেল পাঠিয়েছিলেন। গত ২৩ জানুয়ারি গুজরাটের অন্তত ১৭টি স্কুলে বোমা হামলার হুমকি দিয়ে ইমেল পাঠানো হয়। সেই ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়ায়। স্কুলগুলিতে নিরাপত্তা কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়। এরপর ফেব্রুয়ারিতে পরপর কয়েক দিন গুজরাটের বিভিন্ন আদালতেও একই ধরনের হুমকি মেল আসে।তদন্তে নামে আহমেদাবাদের অপরাধদমন শাখা ও সাইবার অপরাধ শাখা। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর মঙ্গলবার আহমেদাবাদ থেকেই গ্রেপ্তার করা হয় সৌরভকে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এই কাজের পেছনে তার উদ্দেশ্য কী ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, বিভিন্ন নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রযুক্তিগত ফাঁকফোকর খুঁজে তা কাজে লাগাতেই এই হুমকি মেল পাঠানো হয়ে থাকতে পারে।শুধু গুজরাট নয়, দিল্লি এবং সম্প্রতি এ রাজ্যের বিভিন্ন জেলা আদালত ও পোস্ট অফিসেও একইভাবে বোমাতঙ্ক ছড়িয়েছিল হুমকি মেল। পরে সেগুলি ভুয়ো বলে প্রমাণিত হয়। এখন প্রশ্ন উঠছে, সেই ঘটনাগুলির সঙ্গেও কি ধৃত যুবকের যোগ রয়েছে?তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, কেন বারবার স্কুল ও আদালতকেই নিশানা করা হচ্ছিল। এর পেছনে বড় কোনও চক্রান্ত আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সৌরভকে এ রাজ্যে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

মার্চ ০৪, ২০২৬
কলকাতা

দোলের পরেই ফের ইডির জালে পার্থ-অর্পিতা! ১৬-১৮ মার্চেই তলব, বাড়ছে এসএসসি দুর্নীতি মামলার চাপ

এসএসসি দুর্নীতি মামলায় আবারও জোর তৎপরতা শুরু করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করার প্রস্তুতি নিচ্ছে তদন্তকারী সংস্থা। ইডি সূত্রে খবর, দোল উৎসবের পরেই ১৬ থেকে ১৮ মার্চের মধ্যে দুজনকে ডাকা হতে পারে।প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আগেই গ্রেপ্তার হয়েছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সেই মামলায় অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ও গ্রেপ্তার হন। পরে দুজনেই জামিন পান। তবে তদন্ত থেমে নেই। প্রাথমিক নিয়োগ কাণ্ডের পাশাপাশি এসএসসি দুর্নীতির তদন্তও চালাচ্ছে ইডি। ইতিমধ্যেই ওই মামলায় চার্জশিট জমা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে।তদন্তকারী আধিকারিকদের দাবি, এসএসসি সংক্রান্ত নথি ও তথ্য খতিয়ে দেখতে গিয়ে একাধিক ক্ষেত্রে পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের নাম উঠে এসেছে। সেই সূত্র ধরেই নতুন করে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দুজনকে আলাদা করে ডেকে মুখোমুখি প্রশ্ন করা হতে পারে বলেও জানা যাচ্ছে।উল্লেখ্য, প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ উদ্ধারের অভিযোগ উঠেছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল রাজ্য রাজনীতিতে। কয়েক বছর জেলবন্দি থাকার পর পার্থ চট্টোপাধ্যায় সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পান। তার আগেই জামিন পেয়েছিলেন অর্পিতা মুখোপাধ্যায়।দোলের ছুটির আবহ কাটতেই তদন্তে ফের গতি আসছে। ১৬ থেকে ১৮ মার্চের মধ্যে ইডির দফতরে হাজিরা দিতে হতে পারে পার্থ ও অর্পিতাকে। এসএসসি দুর্নীতি মামলায় এই জিজ্ঞাসাবাদ নতুন করে কোন তথ্য সামনে আনে, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষের।

মার্চ ০২, ২০২৬
কলকাতা

দুবাই-দোহা-আবুধাবি রুট বন্ধ! মাঝআকাশের সংঘাতে নাজেহাল কলকাতার যাত্রীরা

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হতেই তার সরাসরি প্রভাব পড়ল কলকাতায়। নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে শনিবার একের পর এক আন্তর্জাতিক উড়ান বাতিল করা হয়েছে। কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহিগামী একাধিক বিমান বাতিল হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।বিমানবন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতা থেকে দুবাইগামী এমিরেটসের একটি উড়ান, দোহাগামী কাতার এয়ারওয়েজের একটি উড়ান, আবুধাবিগামী এয়ার আরবিয়ার একটি উড়ান এবং আবুধাবিগামী এতিহাদ এয়ারওয়েজের একটি উড়ান বাতিল করা হয়েছে। মোট চারটি উড়ান বাতিল হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।যাত্রীদের একাংশের অভিযোগ, সকাল থেকেই আন্তর্জাতিক সংঘাতের খবর শোনা যাচ্ছিল। কিন্তু উড়ান বাতিল হওয়ার বিষয়ে আগাম কোনও বার্তা বা তথ্য তাঁদের কাছে পৌঁছয়নি। সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থার তরফে কোনও স্পষ্ট বার্তা না পেয়ে তাঁরা বিমানবন্দরে পৌঁছে জানতে পারেন পরিষেবা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা, অনিশ্চয়তা ও চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয়েছে বহু যাত্রীকে।শনিবার সকালে তেহরানের উপর পরপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইজরায়েল। পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump দাবি করেন, ওই অভিযানে আমেরিকারও অংশগ্রহণ ছিল। ইরানের পরমাণু প্রকল্পকে কেন্দ্র করে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়। এর পরেই ইরান পাল্টা হামলা শুরু করে। ইজরায়েল ছাড়াও সৌদি আরব ও কাতারে অবস্থিত মার্কিন সেনা ঘাঁটিগুলিতেও হামলার খবর সামনে আসে। এই সংঘাতের জেরেই পশ্চিম এশিয়ার আকাশসীমা কার্যত অচল হয়ে পড়ে এবং তার প্রভাব এসে পড়ে ভারতের বিমান পরিষেবাতেও।পরিস্থিতি কত দিন স্থায়ী হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক উত্তেজনার আবহে কলকাতা সহ দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরে যাত্রীদের দুর্ভোগ বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মার্চ ০১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বাবার শেষকৃত্য সেরে দলে যোগ দিলেন রিঙ্কু সিং! ইডেনে হাইভোল্টেজ লড়াইয়ে নজর দেশবাসীর

দুপুর ঠিক দেড়টার সময় চেন্নাই বিমানবন্দরে এসে থামল ভারতীয় দলের বাস। একে একে নেমে এলেন হার্দিক পাণ্ডিয়া, জশপ্রীত বুমরাহ-রা। ক্রিকেটারদের মুখে স্পষ্ট স্বস্তির ছাপ। আহমেদাবাদে হারের পর যে চাপ তৈরি হয়েছিল, জিম্বাবোয়ে ম্যাচ জিতে তার অনেকটাই কাটিয়ে উঠেছে দল। এখন নজর ইডেনের ম্যাচে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে এই ম্যাচ ভারতের কাছে কার্যত কোয়ার্টার ফাইনাল। জিতলেই আর রান রেটের অঙ্ক নয়, সরাসরি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছে যাবে দল।জিম্বাবোয়ে ম্যাচে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি ব্যাটারদের ফর্মে ফেরা। সঞ্জু স্যামসন ওপেন করে গুরুত্বপূর্ণ রান করেন। এরপর মাঝের সারির প্রায় সবাই অবদান রাখেন। লোয়ার অর্ডারে নেমে তিলক বর্মা ঝড়ো ইনিংস খেলেন। সব মিলিয়ে প্রবল আত্মবিশ্বাস নিয়েই কলকাতায় পৌঁছেছে ভারতীয় দল।তবে খুশির মাঝেও রয়েছে শোকের ছায়া। শুক্রবার পিতৃবিয়োগ হয়েছে রিঙ্কু সিং-এর। দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন তাঁর বাবা। জিম্বাবোয়ে ম্যাচের আগে বাবাকে দেখতে গিয়েছিলেন রিঙ্কু। খবর পেয়েই তিনি চেন্নাই থেকে রওনা দেন। কিন্তু দলের প্রতি দায়বদ্ধতার পরিচয় দিয়ে শনিবারই ফের দলের সঙ্গে যোগ দিচ্ছেন তিনি। বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছে, রিঙ্কু দলের সঙ্গেই থাকবেন। অতীতে শচীন তেণ্ডুলকর ও বিরাট কোহলি-ও পিতৃবিয়োগের পর দলের হয়ে খেলে দায়িত্ববোধের নজির গড়েছিলেন। সেই স্মৃতিই যেন ফিরে এল আবার।ম্যাচের আগে ছোট্ট একটি টিম মিটিং হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেখানে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধেও নির্ভীক ক্রিকেট খেলতে হবে। বিপক্ষকে শুরু থেকেই চাপে রাখতে হবে। কয়েকটি উইকেট পড়ে গেলেও ব্যাটিংয়ের ধরণ বদলানো যাবে না। তিলকও বলেছেন, আগের ম্যাচগুলোতে তিনি একটু দেখে খেলছিলেন। কিন্তু এখন ঠিক হয়েছে, প্রথম বল মারার মতো হলে আক্রমণ করতেই হবে।কোচ গৌতম গম্ভীর ইডেনের পিচ খুব ভালো করেই চেনেন। দীর্ঘদিন কলকাতার হয়ে খেলেছেন, পরে দায়িত্বেও ছিলেন। সাধারণত ইডেন রানের পিচ হিসেবেই পরিচিত। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পাওয়ার হিটিং আটকাতে ভারত যদি তুলনামূলক ধীর উইকেটে খেলতে চায়, তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। ক্যারিবিয়ান ব্যাটাররা বিশ্বকাপে ধারাবাহিকভাবে বড় শট খেলেই সাফল্য পেয়েছেন।তবে জিম্বাবোয়ে ম্যাচ জিতলেও বোলিং নিয়ে কিছু চিন্তা রয়েই গিয়েছে। আগের ম্যাচে বুমরাহ উইকেট পাননি। বরুণ চক্রবর্তী-কেও শেষ দুই ম্যাচে খুব ধারালো দেখায়নি। ভারতীয় স্পিন আক্রমণে তিনি বড় ভরসা। জানা গিয়েছে, তাঁকে নিয়ে আলাদা করে আলোচনা হয়েছে দলের ভিতরে। সব মিলিয়ে সেমিফাইনালের আগে ইডেনের ম্যাচে টানটান উত্তেজনা থাকছেই।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬
রাজ্য

চাঞ্চল্য কল্যাণীর মেডিক্যাল হস্টেলে, ঘরবন্দি পড়ুয়ার পচাগলা দেহ উদ্ধারে রহস্য ঘনীভূত

রাজ্যে ফের এক মেডিক্যাল পড়ুয়ার অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নদিয়ার কল্যাণীর জওহরলাল নেহরু মেমোরিয়াল হাসপাতাল হস্টেল থেকে উদ্ধার হল এক ছাত্রের দেহ। মৃত ছাত্রের নাম পুলক হালদার। তিনি মেডিক্যাল কলেজের চূড়ান্ত বর্ষের ছাত্র ছিলেন। তাঁর বাড়ি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার মগরাহাটের ধামুয়ায়।জানা গিয়েছে, গত কুড়ি তারিখ হস্টেলের ক্যান্টিনে খেতে গিয়েছিলেন পুলক। তারপর থেকে আর তাঁকে ঘরের বাইরে দেখা যায়নি। এমনকি পরবর্তী দিনগুলিতেও তিনি ক্যান্টিনে যাননি বলে সহপাঠীরা জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁর ঘর থেকে তীব্র দুর্গন্ধ বের হতে শুরু করে। গন্ধ পেয়ে হস্টেলের ছাত্ররা কলেজ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে খবর দেন।এরপর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং কল্যাণী থানার পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ঘরে ঢোকে। ভিতরে বিছানার উপর পুলকের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। হস্টেলের অন্যান্য আবাসিকদের বক্তব্য, পুলক ঘরে একাই থাকতেন। আগামী মাসের পাঁচ তারিখ থেকে তাঁর পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। তার আগেই এই মর্মান্তিক ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে কলেজে।এই মৃত্যুর পিছনে পরীক্ষার চাপ, না কি ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন রয়েছে, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।কলেজের চিকিৎসক মনিদীপ পাল জানিয়েছেন, দুপুর প্রায় দুটো থেকে আড়াইটে নাগাদ তাঁরা বিষয়টি জানতে পারেন। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে খবর দেওয়া হয় এবং দরজা খোলার পর দেহ উদ্ধার করা হয়।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬
দেশ

এআই সম্মেলনে অর্ধনগ্ন বিক্ষোভ, ভোরে গ্রেপ্তার যুব কংগ্রেস নেতা উদয় ভানু চিব

দিল্লির সম্মেলন কাণ্ডে গ্রেপ্তার হলেন যুব কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি উদয় ভানু চিব। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাত থেকে প্রায় পনেরো ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদের পর মঙ্গলবার সকালে দিল্লি পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। তিলক মার্গ থানায় ডেকে জেরা করার সময় তদন্তে সহযোগিতা না করার অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। শুক্রবার দিল্লির ভারতমণ্ডপম প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এআই সম্মেলনে ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তির বিরোধিতায় অর্ধনগ্ন হয়ে বিক্ষোভ দেখান যুব কংগ্রেস কর্মীরা। ঘটনায় ইতিমধ্যেই কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং সেই ঘটনার সঙ্গে উদয়ের যোগ রয়েছে বলেই পুলিশের দাবি। সম্মেলনে দেশি-বিদেশি বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং স্যাম অল্টম্যান সহ একাধিক অতিথির উপস্থিতিতে আচমকাই বিক্ষোভ শুরু হয়। অভিযোগ, বিক্ষোভকারীরা স্লোগান লেখা পোশাক খুলে প্রতিবাদ দেখালে সেখানে উপস্থিত দর্শকদের একাংশ আপত্তি জানান এবং ধাক্কাধাক্কির পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরে পুলিশ হস্তক্ষেপ করে বিক্ষোভকারীদের আটক করে। তদন্তকারীদের দাবি, এই বিক্ষোভ পূর্বপরিকল্পিত এবং বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ হতে পারে। আদালতে পুলিশ জানিয়েছে, নেপালের তরুণ প্রজন্মের আন্দোলনের ধাঁচে এই বিক্ষোভ সংগঠিত হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে এবং ডিজিটাল প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে। ঘটনার জেরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কটাক্ষ করে মন্তব্য করেছেন, এমন প্রতিবাদ দেশের ভাবমূর্তির পক্ষে অস্বস্তিকর। বিরোধী শিবিরের একাংশও বিদেশি অতিথিদের সামনে এই ধরনের আচরণের সমালোচনা করেছে।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • ...
  • 91
  • 92
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

পুজোর পাসে ৬০ কোটির অভিযোগ! রাত ১১টা পর্যন্ত ইন্দ্রনীলের বাড়িতে ইডি, এরপর কী?

প্রাক্তন মন্ত্রী তথা গায়ক ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) কসবার বাড়িতে মঙ্গলবার দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশি চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। প্রায় সাড়ে ১৫ ঘণ্টা পর রাত ১১টা নাগাদ তদন্তকারীরা বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। এরপর বুধবার সকাল ১০টায় ইডির দপ্তরে ইন্দ্রনীল সেনকে তলব করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইন্দ্রনীল (Indranil Sen) । অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।ইডি সূত্রে অভিযোগ, কলকাতার দুর্গাপুজোর পুজো পরিক্রমা বা প্রিভিউ শো-এর নামে ইউনেস্কোর নাম ও প্রতীক ব্যবহার করে প্রবেশপত্র বিক্রি করা হয়েছিল। সেই প্রবেশপত্রের মাধ্যমে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম হয়ে থাকতে পারে বলে তদন্তকারীদের দাবি। এই ঘটনায় ইন্দ্রনীল সেন এবং তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেনের নামও উঠে এসেছে বলে ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে (Indranil Sen) ।চলতি বছরের জুন মাসে এই সংক্রান্ত অভিযোগ বউবাজার থানায় দায়ের হয়েছিল। অভিযোগকারীর বক্তব্যের ভিত্তিতে পরে আর্থিক তছরূপের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা শুরু হয়। সেই মামলার সূত্র ধরেই মঙ্গলবার ইডি কলকাতার একাধিক জায়গায় একসঙ্গে তল্লাশি চালায়।ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) কসবার বাড়ি ছাড়াও কলকাতার আরও কয়েকটি ঠিকানায় তদন্তকারীরা পৌঁছন। হিন্দুস্তান পার্ক এবং হাইল্যান্ড পার্কের ঠিকানাতেও তল্লাশি চালানো হয়। ইভেন্ট পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত কয়েক জনের বাড়িতেও অভিযান চলে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে। সিঙ্গুরে ইন্দ্রনীল সেনের বাগানবাড়িতেও তদন্তকারীরা গিয়েছিলেন বলে খবর।প্রতিটি ঠিকানায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা ছিল। একাধিক দলে ভাগ হয়ে ইডির আধিকারিকেরা এই অভিযান চালান। তদন্তকারীদের মূল লক্ষ্য ছিল অভিযোগে উঠে আসা আর্থিক লেনদেন এবং পুজোর প্রবেশপত্র বিক্রির সঙ্গে যুক্ত নথি ও তথ্য খতিয়ে দেখা।এই অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে মাস আর্ট নামে একটি সংগঠন। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২১ সালে কলকাতার দুর্গাপুজো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ার পর ওই সংগঠনটি তৈরি হয়। সংগঠনটির তরফে নিজেদের ইউনেস্কোর সঙ্গে যুক্ত বা অনুমোদিত উদ্যোগ হিসেবে প্রচার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই পরিচয় ব্যবহার করে পুজো পরিক্রমার জন্য চড়া দামে প্রবেশপত্র বিক্রি করা হত বলেও তদন্তকারীদের দাবি।ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) স্ত্রী মধুছন্দা সেন ওই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, পাস বিক্রি এবং ওই সংস্থার আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তবে এই অভিযোগগুলি এখনও তদন্তাধীন এবং আদালতে প্রমাণিত নয়।প্রাথমিক অভিযোগ অনুযায়ী, পুজোর প্রিভিউ শো বা পুজো পরিক্রমার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছিল। ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে এই পাস বিক্রির অনুমতি আদৌ ছিল কি না, সেটিও তদন্তের অন্যতম বিষয়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে পাসের মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের টাকা সংগ্রহের অভিযোগের কথা উঠে এসেছে।ইন্দ্রনীল সেন অবশ্য শুরু থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। মঙ্গলবার দীর্ঘ তল্লাশির পরও তিনি অভিযোগ মানেননি বলে জানা গিয়েছে। বরং প্রয়োজন হলে আইনি পথে যাওয়ার বার্তা দিয়েছেন তিনি।এখন বুধবার সকাল ১০টায় ইডির দপ্তরে হাজির হওয়ার পর ইন্দ্রনীল সেনকে কী কী বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে। পুজোর প্রবেশপত্র বিক্রি, সংশ্লিষ্ট সংস্থার আর্থিক লেনদেন এবং অভিযোগে উঠে আসা টাকার অঙ্কসবই তদন্তের পরবর্তী পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।ইডির মঙ্গলবারের তল্লাশিতে কী কী নথি বা তথ্য পাওয়া গেল, তা এখনও প্রকাশ্যে বিস্তারিত ভাবে জানানো হয়নি। তদন্ত এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে অভিযোগের প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর মুখে চাকরি নিয়ে বড় আশ্বাস! বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থান তুলে নিলেন ৩৭১৯ কম্পিউটার শিক্ষক

পুজোর মুখে চাকরি হারানোর আশঙ্কায় বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থান শুরু করেছিলেন রাজ্যের সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলের চুক্তিভিত্তিক কম্পিউটার শিক্ষকরা। সোমবার থেকে শুরু হওয়া সেই অবস্থান ও বিক্ষোভ মঙ্গলবার পর্যন্ত চলে। পরে শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মনের সঙ্গে দুই দফায় বৈঠকের পর আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেন শিক্ষকদের সংগঠন আইসিটি ঐক্য মঞ্চ।বৈঠকে শিক্ষকদের একাধিক দাবি বিবেচনা করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে। আপাতত যাতে চাকরিতে কোনও ছেদ না পড়ে, সেই ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে। টেন্ডারে নির্বাচিত সংস্থার অধীনেই ৩৭১৯ জন শিক্ষক কাজ চালিয়ে যাবেন বলে জানা গিয়েছে।শিক্ষকদের দাবি পূরণের জন্য শিক্ষামন্ত্রী ছমাস সময় চেয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সরকারের সঙ্গে সরাসরি চুক্তির মাধ্যমে শিক্ষকদের বেতন এবং অন্যান্য বিষয় শ্রম আইন মেনে কী ভাবে করা যায়, তা নিয়ে চেষ্টা করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।সোমবার থেকেই একাধিক দাবি নিয়ে বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থানে বসেছিলেন চুক্তিভিত্তিক কম্পিউটার শিক্ষকরা। রাতভর সেখানে বিক্ষোভ চলে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকার পর শিক্ষকদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রী। সেই বৈঠকের পরেই আপাতত আন্দোলন তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।শিক্ষক রাহুল দাসের দাবি, প্রথম থেকে পঞ্চম পর্যায়ে নিযুক্ত প্রায় পাঁচ হাজার কম্পিউটার প্রশিক্ষকের সঙ্গে সরকারের যে ভাবে সরাসরি চুক্তি রয়েছে, একই ধরনের ব্যবস্থা তাঁদের ক্ষেত্রেও করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে শিক্ষামন্ত্রীর তরফে এই বক্তব্যের বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।এই সমস্যার নেপথ্যে রয়েছে চুক্তি নিয়ে জটিলতা। ২০২২ সাল বা তার আশপাশের সময়ে বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে ৩৭১৯ জন কম্পিউটার শিক্ষককে পাঁচ বছরের চুক্তিতে নিয়োগ করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী অনেকের চুক্তির মেয়াদ আরও কিছুদিন থাকার কথা থাকলেও, হঠাৎ ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে চুক্তি শেষ করার নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে শিক্ষকদের অভিযোগ।শিক্ষকদের আরও অভিযোগ, আগের কয়েকটি পর্যায়ে নিযুক্ত কম্পিউটার প্রশিক্ষকদের দীর্ঘমেয়াদি কাজের সুযোগ দেওয়া হলেও ষষ্ঠ ও সপ্তম পর্যায়ের শিক্ষকদের ক্ষেত্রে সেই সুবিধা দেওয়া হয়নি। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে তাঁদের বেতন কমানোর অভিযোগও উঠেছে।চুক্তি শেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় শুধু শিক্ষক ও তাঁদের পরিবার নয়, স্কুল কর্তৃপক্ষও সমস্যায় পড়তে পারেন বলে শিক্ষক সংগঠনের দাবি। কারণ সরকারি বিভিন্ন ডিজিটাল শিক্ষা প্রকল্পে এই কম্পিউটার শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চ-এর সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী বলেন, কম্পিউটার শিক্ষকদের নিয়মিতকরণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তার মধ্যে কাজ করা কঠিন এবং স্কুলের কাজে এই শিক্ষকেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।আপাতত শিক্ষকদের আন্দোলন প্রত্যাহার হলেও তাঁদের মূল দাবি পূরণ কতটা দ্রুত হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে। বিশেষ করে সরাসরি সরকারি চুক্তি, বেতন কাঠামো এবং চাকরির নিশ্চয়তা নিয়ে আগামী ছমাসে কী সিদ্ধান্ত হয়, তা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
দেশ

যশোভূমিতে ফিজিওথেরাপির মহামিলন: ১০ হাজারের মঞ্চে বাংলার গর্ব, সম্মানে IAP Bengal

২,০০০ কিলোমিটারের Physio Baton যাত্রা থেকে দিল্লির বর্ণাঢ্য মহাযাত্রাআন্তর্জাতিক সম্মেলনে উজ্জ্বল বাংলার উপস্থিতিনয়াদিল্লি: ফিজিওথেরাপির জগতে এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সাক্ষী থাকল নয়াদিল্লির যশোভূমি কনভেনশন সেন্টার। ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত World Physiotherapy Asia Western Pacific (AWP) Regional Conference 2026-এ দেশ-বিদেশের ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক, গবেষক, ছাত্রছাত্রী ও পেশাজীবীদের মিলন ঘটল এক বিশাল আন্তর্জাতিক মঞ্চে। Fitness for Allএই বার্তাকে সামনে রেখে আয়োজিত সম্মেলনে ফিজিওথেরাপির ভবিষ্যৎ, আধুনিক চিকিৎসা-পদ্ধতি, গবেষণা, জনস্বাস্থ্য এবং পেশাগত বিকাশ নিয়ে হয় একাধিক আলোচনা।সম্মেলনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক ছিল ১০ হাজারেরও বেশি ফিজিওথেরাপিস্টের একসঙ্গে উপস্থিতি। এই বিপুল অংশগ্রহণকে World Record হিসেবে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়। ফলে সম্মেলনটি শুধু একটি পেশাগত অনুষ্ঠানেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং আন্তর্জাতিক ফিজিওথেরাপি জগতের একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে পরিণত হয়।বিশেষ সম্মান IAP Bengal Branch-এরএই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে পশ্চিমবঙ্গের জন্য আসে আরও একটি উল্লেখযোগ্য স্বীকৃতি। IAP Bengal Branch-কে দেশের সেরা শাখা হিসেবে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড, পেশাগত উন্নয়ন এবং ফিজিওথেরাপি সংক্রান্ত বিভিন্ন উদ্যোগের স্বীকৃতি হিসেবেই এই সম্মানকে দেখা হচ্ছে।দিল্লির আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলার প্রতিনিধিদের হাতে এই সম্মান তুলে দেওয়ার মুহূর্তটি ছিল আবেগঘন। পশ্চিমবঙ্গের ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের কাছে এটি নিঃসন্দেহে এক গর্বের মুহূর্ত হয়ে ওঠে।বর্ধমান থেকে শুরু Physio Baton-এর ঐতিহাসিক যাত্রাসম্মেলনের আগে বাংলার সঙ্গে এই আন্তর্জাতিক আয়োজনের যোগসূত্র আরও দৃঢ় করে Physio Baton বা মশাল যাত্রা। ২২ সেপ্টেম্বর বর্ধমানের ঐতিহাসিক কার্জন গেট হয়ে সেই মশাল যাত্রার সূচনা হয়।কার্জন গেটে Physio Baton-কে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন প্রায় ৭০ জন ফিজিওথেরাপিস্ট। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ডাঃ সত্যেন ভট্টাচার্য, ডাঃ শুভেন্দু দ্বিবেদী (PT), ডাঃ আদিত্য পাল ডাঃ অতনু রায়, ডাঃ অনিন্দ দে (PT), ডাঃ শুকদেব মুখার্জী (PT)-সহ আরও অনেকে। উপস্থিত ছিলেন গোলাপবাগ ফিজিওথেরাপি কলেজের অধ্যক্ষ ডাঃ এম. এস. আনোয়ার (PT)।ঐতিহাসিক বর্ধমানের মাটি থেকে শুরু হয়ে প্রায় ২,০০০ কিলোমিটার সড়কপথ পেরিয়ে Physio Baton পৌঁছে যায় দিল্লিতে। এই দীর্ঘ যাত্রাপথে বিভিন্ন জেলা ও রাজ্যের ফিজিওথেরাপিস্টদের সঙ্গে যোগাযোগ, মতবিনিময় এবং পেশাগত সম্পর্ক গড়ে তোলার উদ্যোগও নেওয়া হয়।বাংলার ঐতিহ্য ধরা পড়ল দিল্লির মহাযাত্রায়দিল্লিতে পৌঁছনোর পর Physio Baton-কে কেন্দ্র করে আয়োজিত হয় বর্ণাঢ্য মহাযাত্রা। সেখানে বাংলার প্রতিনিধিরা নিজেদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সামনে তুলে ধরেন।পুরুষ প্রতিনিধিদের অনেকেই ধুতি-পাঞ্জাবি এবং মহিলা প্রতিনিধিরা শাড়ি পরে শোভাযাত্রায় অংশ নেন। পেশাগত পরিচয়ের পাশাপাশি বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এই উপস্থাপনা আন্তর্জাতিক মঞ্চে আলাদা মাত্রা যোগ করে।বর্ধমান থেকে শুরু হওয়া মশাল যাত্রার সেই ধারাবাহিকতা শেষ পর্যন্ত পৌঁছয় World Physiotherapy-এর সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক নেতৃত্বের মঞ্চে।ডাঃ রুচি ভার্শনে (PT) (Dr. Ruchi Varshney) এবং ডাঃ সঞ্জীব ঝা (PT) (Dr. Sanjeev Jha)-এর হাত ধরে Physio Baton তুলে দেওয়া হয় World Physiotherapy-এর President-এর হাতে। মুহূর্তটি উপস্থিত প্রতিনিধিদের মধ্যে বিশেষ আবেগ ও গর্বের সৃষ্টি করে।যাত্রার নেতৃত্বে ডাঃ কৌশিক মল্লিক (PT)এই দীর্ঘ ও তাৎপর্যপূর্ণ যাত্রার পরিকল্পনা, নেতৃত্ব এবং সমন্বয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন ডাঃ কৌশিক মল্লিক (PT), Vice President, IAP West Bengal Branch।প্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের এই সড়কযাত্রা শুধুমাত্র একটি মশাল বহনের কর্মসূচি ছিল না। পথে বিভিন্ন জেলা ও রাজ্যের ফিজিওথেরাপিস্টদের সঙ্গে যোগাযোগ, তাঁদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং পেশাগত নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগও এই যাত্রার অন্যতম লক্ষ্য হয়ে ওঠে।ফলে Physio Baton-এর যাত্রা কার্যত বাংলার সঙ্গে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের মধ্যে একটি সংযোগের সেতু তৈরি করে।১৩টি হলে একসঙ্গে বৈজ্ঞানিক কর্মসূচি২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর যশোভূমি কনভেনশন সেন্টারের বিশাল পরিসরে সম্মেলনের বিভিন্ন পর্ব পরিচালিত হয় ১৩টি হলে। একই সঙ্গে চলে একাধিক বৈজ্ঞানিক ও পেশাগত অধিবেশন।পেপার ও পোস্টার প্রেজেন্টেশন, বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, প্যানেল আলোচনা, কর্মশালা, ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন কার্যক্রম এবং দেশ-বিদেশের বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্টদের অংশগ্রহণে সম্মেলন কার্যত পরিণত হয় জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের এক বিশাল প্ল্যাটফর্মে।এই আন্তর্জাতিক মঞ্চে বর্ধমানের ফিজিওথেরাপিস্ট ডাঃ সত্যেন ভট্টাচার্য (PT) ও বক্তা হিসেবে অংশ নেন। বাংলার একটি জেলা শহর থেকে উঠে এসে আন্তর্জাতিক সম্মেলনের বৈজ্ঞানিক অধিবেশনে বক্তব্য রাখার বিষয়টিও স্থানীয় পেশাজীবীদের কাছে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।শুধু চিকিৎসা ও গবেষণার ক্ষেত্রেই নয়, আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার গুরুত্ব উপলব্ধি করে কনটেন্ট ক্রিয়েটর, পডকাস্টার এবং ডিজিটাল মিডিয়ার জন্যও বিশেষ পরিসর রাখা হয় সম্মেলনে।ফিজিওথেরাপির গুরুত্ব তুলে ধরলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীসম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। তাঁর বক্তব্যে আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থায় ফিজিওথেরাপির গুরুত্বের বিষয়টি উঠে আসে।এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ভিডিও বার্তা এবং কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকেও ভিডিও বার্তা সম্মেলনে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এর ফলে ফিজিওথেরাপি যে শুধুমাত্র পুনর্বাসনমূলক চিকিৎসার একটি অংশ নয়, বরং বৃহত্তর জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গএই বার্তাটিও আন্তর্জাতিক মঞ্চে আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।বাংলার জন্য একাধিক গর্বের মুহূর্তএকদিকে ১০ হাজারেরও বেশি ফিজিওথেরাপিস্টের ঐতিহাসিক উপস্থিতি, অন্যদিকে IAP Bengal Branch-এর বিশেষ সম্মাননা। তার সঙ্গে বর্ধমানের কার্জন গেট থেকে শুরু হওয়া Physio Baton-এর প্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের যাত্রা এবং দিল্লির মহাযাত্রায় বাংলার ঐতিহ্যবাহী পোশাকে প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণসব মিলিয়ে সম্মেলনে বাংলার উপস্থিতি হয়ে ওঠে বিশেষভাবে স্মরণীয়।এই যাত্রা দেখিয়ে দিল, ফিজিওথেরাপি এখন আর শুধুমাত্র চিকিৎসাক্ষেত্রের একটি নির্দিষ্ট শাখার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। গবেষণা, জনস্বাস্থ্য, ফিটনেস, পুনর্বাসন, প্রযুক্তি এবং সামাজিক সচেতনতার বৃহত্তর পরিসরে ফিজিওথেরাপির ভূমিকা ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে।যশোভূমির আন্তর্জাতিক মঞ্চে সেই পরিবর্তনেরই প্রতিফলন দেখা গেল। আর সেই মঞ্চে বাংলার প্রতিনিধিত্ব, IAP Bengal Branch-এর স্বীকৃতি এবং বর্ধমান থেকে শুরু হওয়া Physio Baton-এর ঐতিহাসিক যাত্রা পশ্চিমবঙ্গের ফিজিওথেরাপি মহলের জন্য তৈরি করল এক স্মরণীয় অধ্যায়।বর্ধমানের কার্জন গেট থেকে দিল্লির যশোভূমিপ্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের সেই যাত্রা তাই কেবল একটি মশাল বহনের গল্প নয়; এটি বাংলার ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের ঐক্য, উদ্যোগ, পেশাগত সংযোগ এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেওয়ার এক অনন্য কাহিনি।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
কলকাতা

রোজভ্যালির আমানতকারীদের টাকা কবে ফিরবে? হাই কোর্টের নির্দেশে সামনে এল নির্দিষ্ট সময়

রোজভ্যালি চিটফান্ড মামলায় আমানতকারীদের টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়া নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করল কলকাতা হাই কোর্ট। দীর্ঘদিন ধরে টাকা ফেরানোর কাজ চললেও তার গতি যথেষ্ট নয় বলে আদালতের পর্যবেক্ষণ। এবার নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে আমানতকারীদের টাকা ফেরানোর নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। একই সঙ্গে প্রতি মাসে কাজের অগ্রগতির হিসাব আদালতে জমা দিতে হবে।বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ এবং বিচারপতি সুদীপ দেবের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, রোজভ্যালির সম্পত্তি বিক্রি করে সেই অর্থ আমানতকারীদের মধ্যে বণ্টন করাই সম্পদ নিষ্পত্তি কমিটির মূল দায়িত্ব। এর বাইরে কমিটির কোনও অতিরিক্ত আইনি ক্ষমতা নেই। আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, কমিটির তত্ত্বাবধানে থাকা সহযোগী সংস্থা তৃতীয় পক্ষের সঙ্গে হোটেল পরিচালনার যে চুক্তি করেছিল, তার অনুমোদনের ক্ষমতা কমিটির ছিল না। ফলে ওই ধরনের অনুমোদনহীন চুক্তিগুলিকে শুরু থেকেই বাতিল বলে ঘোষণা করেছে আদালত।আমানতকারীদের পক্ষের আইনজীবীর দাবি, দীর্ঘ সময় ধরে কমিটির হাতে বিপুল সম্পত্তি থাকলেও সেই তুলনায় টাকা ফেরানোর কাজ খুব ধীর গতিতে হয়েছে। আদালতে যে তথ্য তুলে ধরা হয়েছে, তাতে প্রায় ৬০০ কোটি টাকার সম্পত্তির কথা বলা হয়েছে। তার মধ্যে মাত্র ৫৫ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা আমানতকারীদের মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে বলে দাবি। গত ১১ বছরে মাত্র ১০টি সম্পত্তির নিলাম এবং ৮০টি সম্পত্তির মূল্যায়ন সম্পূর্ণ হয়েছে বলেও আদালতে জানানো হয়।অন্যদিকে, রোজভ্যালি সম্পদ নিষ্পত্তি কমিটির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের শেষ দিক থেকে আমানতকারীদের টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত একাধিক দফায় এক লক্ষেরও বেশি দাবিদারকে টাকা দেওয়া হয়েছে এবং প্রায় ৩২ লক্ষ দাবি নথিভুক্ত হয়েছিল। ফলে আগের বছরগুলিতে কাজের গতি নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তার পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে শুরু হওয়া টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়াটিও আদালতের নজরে রয়েছে।হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১৫ নভেম্বরের মধ্যে অ্যাকাউন্টে থাকা প্রায় ৫৫০ কোটি টাকা মুলতুবি থাকা দাবিগুলির ভিত্তিতে যোগ্য আমানতকারীদের মধ্যে বণ্টনের ব্যবস্থা করতে হবে। আদালতের নির্দেশে ৩২ লক্ষ ৪৩ হাজার ২২০টি মুলতুবি দাবির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর ২০২৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বাকি সম্পত্তি বিক্রি এবং সেই অর্থ আমানতকারীদের মধ্যে বণ্টনের কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।শুধু সময়সীমা বেঁধে দিয়েই থামেনি আদালত। প্রতি মাসে সম্পদ নিষ্পত্তি কমিটিকে আদালতে কাজের অগ্রগতির রিপোর্ট জমা দিতে হবে। অর্থাৎ কতগুলি সম্পত্তি বিক্রি হল, কত টাকা বণ্টন করা হল এবং কতগুলি দাবি এখনও বাকি রয়েছে, সেই সংক্রান্ত অগ্রগতির হিসাব আদালতের নজরে থাকবে।আদালত আরও জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়সীমার পরেও যদি কাজ বাকি থাকে, তা হলে অবশিষ্ট সম্পত্তি, অর্থ এবং অন্যান্য অসম্পূর্ণ বিষয় বিচারপতি এস পি তালুকদারের নেতৃত্বাধীন এক সদস্যের কমিটির হাতে তুলে দেওয়া হবে। অর্থাৎ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ না হলে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ায় নতুন ব্যবস্থা কার্যকর হতে পারে।রোজভ্যালি মামলায় জালিয়াতির অভিযোগের তদন্ত এবং সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়ায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটও যুক্ত রয়েছে। এবার বাজেয়াপ্ত না হওয়া বাকি সম্পত্তি চিহ্নিত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ইডিকে নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, তদন্তে চিহ্নিত নতুন সম্পত্তির বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।এ ছাড়া সিরিয়াস ফ্রড ইনভেস্টিগেশন অফিসকে ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ফরেনসিক অডিট শেষ করে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। এর ফলে রোজভ্যালির সম্পত্তি, আর্থিক লেনদেন এবং টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়ায় আরও নজরদারি বাড়তে চলেছে।রোজভ্যালি মামলায় দীর্ঘদিন ধরে টাকা ফেরানোর অপেক্ষায় রয়েছেন বহু আমানতকারী। আদালতের এই নির্দেশে এবার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়া শেষ করার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। আগামী কয়েক মাসে সম্পত্তি বিক্রি, দাবির যাচাই এবং টাকা বণ্টনের কাজ কতটা দ্রুত এগোয়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হাসপাতাল থেকে সরাসরি এশিয়ান গেমস! বৃষ্টির মধ্যেই সোনা জিতে ইতিহাস নীরুর

এই কাহিনী শুনলে যে কারও মন ভালো হতে বাধ্য। লক্ষ্য যদি অবিচল থাকে তাহলে যে কোনও কঠিন পরিস্থিতি আসুক না কেন, কেউ তাঁকে হারাতে পারবে না। এশিয়ান গেমসে সোনা জেতার মাত্র ১০ দিন আগেও তাঁর কেরিয়ার নিয়ে তৈরি হয়েছিল বড় অনিশ্চয়তা। হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ভারতীয় ট্র্যাপ শুটার নীরু ধান্ডা। সংক্রমণের কারণে শারীরিক অবস্থা এতটাই খারাপ হয়েছিল যে, জাপানের নাগোয়ায় এশিয়ান গেমসে আদৌ অংশ নিতে পারবেন কি না, তা নিয়েই সংশয় তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সেই অসুস্থতাকেই পিছনে ফেলে মঙ্গলবার ইতিহাস গড়লেন ২৬ বছরের এই ভারতীয় শুটার।জাপানের গ্রামীণ টয়োটার উরেনোচো শুটিং রেঞ্জে প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই ট্র্যাপ শুটিংয়ের ফাইনালে ৩০টির মধ্যে ২৮টি লক্ষ্যভেদ করেন নীরু। এর ফলে এশিয়ান গেমসের নতুন রেকর্ড গড়ে সোনা জেতেন তিনি। চিনের সুন ইউনং ২৬টি লক্ষ্যভেদ করে রুপো পান। এশিয়ান গেমসে এটিই ভারতের পঞ্চম সোনা। তবে নীরুর সাফল্যের গুরুত্ব শুধু পদকের হিসাবেই নয়। এশিয়ান গেমসের ইতিহাসে এই প্রথম কোনও ভারতীয় মহিলা ট্র্যাপ শুটিংয়ে ব্যক্তিগত সোনা জিতলেন। একইসঙ্গে ১৯৭৮ সালের পর এই ইভেন্টে কোনও ভারতীয় শুটারের ব্যক্তিগত সোনার অপেক্ষাও শেষ হল। ১৯৭৮ সালে রণধীর সিং ট্র্যাপ শুটিংয়ে সোনা জিতেছিলেন।এই সাফল্যের নেপথ্যে ছিল কঠিন এক প্রত্যাবর্তনের গল্প। নয়াদিল্লিতে জাতীয় শিবিরে প্রায় সাড়ে তিন সপ্তাহ অনুশীলন করতে পারেননি নীরু। অসুস্থতার সময় টানা পাঁচ দিন খাবারও খাননি, শুধু জল খেয়ে ছিলেন। হাসপাতালেও তিন দিন কাটাতে হয় তাঁকে। এই কঠিন সময়ে পাশে ছিলেন তাঁর কোচ অর্জুন পুরস্কারপ্রাপ্ত মনশের সিং। প্রতিদিন ফোন করে নীরুকে মানসিকভাবে চাঙ্গা রাখতেন তিনি। নীরুর কথায়, কোচ তাঁকে বলতেন কয়েক দিন অনুশীলন না করলেও কিছু যায় আসে না, তিনি প্রতিভাবান এবং তারকা হয়েই থাকবেন। প্রাক্তন সাংসদ তথা ক্রীড়ামন্ত্রী যশোধরা রাজের কাছ থেকেও সমর্থনের বার্তা পেয়েছিলেন নীরু।ভারতের ট্র্যাপ শুটিং কোচ পিটার উইলসন জানান, হাসপাতালে থাকার মাত্র ১০ দিনের মধ্যেই নীরু প্রতিযোগিতায় নেমেছেন। সাড়ে তিন সপ্তাহ অনুশীলন না করেও জাপানে মাত্র দুদিন শুটিং করে ফাইনালে সাফল্য পেয়েছেন তিনি। নীরুর শুটিংয়ে আসার গল্পও বেশ চমকপ্রদ। ২০১৮ সালের এশিয়ান গেমসে তাঁর খুড়তুতো ভাই লক্ষ্য শেওরান ট্র্যাপ শুটিংয়ে রুপো জেতার পর এই খেলায় আগ্রহী হন তিনি। পরে ভোপালের মধ্যপ্রদেশ স্টেট শুটিং অ্যাকাডেমিতে প্রশিক্ষণ শুরু করেন।গত বছর এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা এবং চলতি বছরের জুলাইয়ে ISSF বিশ্বকাপে ব্যক্তিগত ট্র্যাপ সোনা জেতার পর এবার এশিয়ান গেমসেও সাফল্য পেলেন নীরু। তার উপর মঙ্গলবার ছিল প্রবল বৃষ্টি। বৃষ্টির জল শুটারদের হাতে পড়ছিল, মনোযোগও নষ্ট হচ্ছিল। কিন্তু নিজেকে বারবার প্রক্রিয়ায় ফিরিয়ে এনে লক্ষ্যভেদ করেন নীরু। হাসপাতালের বিছানা থেকে এশিয়ান গেমসের মঞ্চ, এই অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের শেষে তাঁর হাতেই উঠল ঐতিহাসিক সোনা।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
রাজ্য

জেএমবি-যোগের সন্দেহে মঙ্গলকোটের মসজিদের ইমামকে গ্রেপ্তার এনআইএ-র, বাজেয়াপ্ত ডায়েরি ও মোবাইল

পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটে মসজিদের ইমামকে গ্রেপ্তার করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। বাংলাদেশের নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (JMB)-এর সঙ্গে যোগাযোগ রাখার সন্দেহেই পালিশ গ্রামের পূর্বপাড়ার মসজিদের ইমাম পিয়ার মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার ভোরে মঙ্গলকোট থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে মসজিদে অভিযান চালায় এনআইএ। সেখান থেকেই তাঁকে হেফাজতে নেওয়া হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পিয়ার মোহাম্মদের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর থানার কুলুট গ্রামে। গত প্রায় তিন-চার বছর ধরে তিনি মঙ্গলকোটের পালিশ গ্রামের পূর্বপাড়ার মসজিদে ইমামের দায়িত্ব পালন করছিলেন। তদন্তকারীরা তাঁর পাসপোর্ট পরীক্ষা করে জানতে পেরেছেন, একাধিকবার বাংলাদেশে গিয়েছেন তিনি।এনআইএ সূত্রে খবর, মসজিদে ইমাম থাকার জন্য যে ঘরটি পিয়ার মোহামদ ব্যবহার করতেন, সেখান থেকে একটি ডায়েরি এবং মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ওই ডায়েরিতে বাংলাদেশের কয়েকজনের ফোন নম্বর পাওয়া গিয়েছে বলেও তদন্তকারী সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এই যোগাযোগগুলির সঙ্গে জঙ্গি সংগঠনের কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।চলতি বছরের জুন মাসে পশ্চিমবঙ্গ এবং উত্তর-পূর্ব ভারতকেন্দ্রিক কথিত সন্ত্রাসবাদী ষড়যন্ত্রের মামলায় ১১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করেছিল এনআইএ। সেই মামলার তদন্তের সূত্র ধরেই পিয়ার মোহাম্মদের নাম তদন্তকারীদের নজরে আসে বলে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার তাঁকে প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে গ্রেপ্তার করা হয়।তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, তাবলিগ জামাতের কাজে বৈধভাবে প্রায় ৪০ দিন বাংলাদেশে ছিলেন পিয়ার মোহাম্মদ। তবে সেই সফরের সময়ে তিনি জেএমবির কোনও সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন কি না, কোনও বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন কি না, কিংবা বাংলাদেশের কোনও জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে তাঁর আদৌ কোনও সম্পর্ক রয়েছে কি না, এই সব বিষয় খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।পিয়ার মোহাম্মদের সঙ্গে আরও কারও যোগাযোগ ছিল কি না, তাঁর মাধ্যমে কোনও বৃহত্তর জঙ্গি নেটওয়ার্কের সন্ধান পাওয়া যায় কি না, সেই বিষয়েও তদন্ত চালাচ্ছে এনআইএ ও স্থানীয় পুলিশ।ইমামকে জঙ্গি-যোগের সন্দেহে গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই পালিশ গ্রামে চাঞ্চল্য দেখা দেয়। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, পিয়ার মোহাম্মদকে তাঁরা বরাবরই শান্ত এবং সাধারণ স্বভাবের মানুষ হিসেবেই জানতেন। ফলে তাঁর গ্রেপ্তারের খবর তাঁদের বিস্মিত করেছে।এদিকে মঙ্গলবার দুপুরে ধৃত ইমামকে নিয়ে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেয় এনআইএ। তাঁকে কলকাতার ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।পিয়ার মোহাম্মদের আইনজীবী কাজি সাহাবাব জামান জানিয়েছেন, টেলিগ্রাম অ্যাপের মাধ্যমে নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে বার্তালাপের অভিযোগে তাঁর মক্কেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে তাঁর মক্কেল নির্দোষ বলে দাবি করেছেন আইনজীবী।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
দেশ

২৭০০ থেকে ২৭ হাজার! ক্যানসারের ওষুধে দশ গুণ দাম দেখে সুপ্রিম কোর্টে তোলপাড়

ক্যানসারের মতো গুরুতর রোগের চিকিৎসায় ওষুধের খরচ নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলেছে সুপ্রিম কোর্ট। একটি ক্যানসারের ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা খুচরো বিক্রেতাকে যে দামে ওষুধ দিচ্ছে, তার তুলনায় সর্বোচ্চ খুচরো দামের ব্যবধান দশ গুণ পর্যন্ত হতে পারেএমন তথ্য শুনানিতে উঠে আসে। উদাহরণ হিসেবে আদালত জানতে পারে, ২৭০০ টাকায় খুচরো বিক্রেতার কাছে পৌঁছনো একটি ওষুধের সর্বোচ্চ খুচরো দাম ২৭ হাজার টাকা। এই বিপুল ব্যবধান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে জবাব চেয়েছে শীর্ষ আদালত।বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চ ওষুধের মূল্যনিয়ন্ত্রণ, জেনেরিক ওষুধের ব্যবহার এবং চিকিৎসা সরঞ্জামের দাম সংক্রান্ত মামলার শুনানি করছিল। সেখানেই ক্যানসারের ওষুধের দামে খুচরো বিক্রেতার জন্য নির্ধারিত দাম এবং রোগীর জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ খুচরো দামের মধ্যে এত বড় ফারাক নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। আদালত জানতে চায়, ২৭০০ টাকায় যে ওষুধ বিক্রেতার কাছে যাচ্ছে, সেটির সর্বোচ্চ খুচরো দাম কেন ২৭ হাজার টাকা হবে।আদালতের প্রশ্ন ছিল, এই অতিরিক্ত টাকার বড় অংশ কোথায় যাচ্ছে এবং এর ফলে কারা লাভবান হচ্ছে। বিচারপতিরা এমন দামের ব্যবধানকে রোগীদের উপর গুরুতর আর্থিক চাপ হিসেবে দেখেছেন। বিশেষ করে ক্যানসারের মতো রোগে চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় ওষুধের দাম বেড়ে গেলে তার সরাসরি প্রভাব পড়ে রোগী এবং পরিবারের উপর।শীর্ষ আদালত বেসরকারি হাসপাতালের ওষুধ বিক্রির ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখেছে। শুনানিতে এমন অভিযোগের প্রসঙ্গ ওঠে যে, কিছু কর্পোরেট হাসপাতাল রোগীদের নিজেদের ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনতে বাধ্য করে। বাইরে থেকে একই ওষুধ কিনে আনলে চিকিৎসা নিয়ে সমস্যার আশঙ্কাও রোগীদের সামনে থাকে বলে আদালতে বিষয়টি উঠে আসে।সরকারি স্বাস্থ্য প্রকল্পের আওতায় চিকিৎসার ক্ষেত্রেও ওষুধের বাড়তি দাম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আদালত। কারণ কোনও সরকারি প্রকল্পে চিকিৎসা বা ওষুধের খরচ বেশি হলে শেষ পর্যন্ত সেই ব্যয়ের একটা অংশ সরকারি অর্থ থেকে মেটানো হয়। ফলে এর আর্থিক প্রভাব সাধারণ মানুষের উপরও পড়তে পারে বলে আদালত পর্যবেক্ষণ করেছে।শুনানিতে ওষুধকে অত্যাবশ্যকীয় এবং অনত্যাবশ্যকীয়এই ভাগ করে আলাদা নিয়ম রাখার যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। বিচারপতিরা জানতে চান, সব ধরনের ওষুধের ক্ষেত্রেই কি নির্দিষ্ট হারে লভ্যাংশের সীমা বেঁধে দেওয়া যায় না। আদালতের তরফে ১৬ শতাংশ লভ্যাংশের সীমার কথাও আলোচনায় আসে।কেন্দ্রের পক্ষে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করে সরকারের অবস্থান আদালতকে জানানো হবে। কেন্দ্র আরও সময় চেয়েছে বলেও সাম্প্রতিক শুনানির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। মামলাটির পরবর্তী শুনানি ১২ অক্টোবর হওয়ার কথা।তবে ১৬ শতাংশ লভ্যাংশের সীমা এখনই কার্যকর কোনও নতুন নিয়ম নয়। এটি শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্টের উত্থাপিত একটি প্রস্তাব বা প্রশ্ন। কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনার পর এ বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।ক্যানসারের ওষুধের দাম নিয়ে এই শুনানি তাই রোগীদের চিকিৎসার খরচ, ওষুধের মূল্যনিয়ন্ত্রণ এবং হাসপাতালের ওষুধ বিক্রির পদ্ধতিতিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কেই সামনে এনেছে। এখন কেন্দ্রের বক্তব্য এবং পরবর্তী শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের অবস্থানের দিকে নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
দেশ

সহকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি! কাঠুয়ায় সিআইএসএফ শিবিরে ভয়াবহ ঘটনায় মৃত্যু ৪ জওয়ানের

জম্মু ও কাশ্মীরের কাঠুয়ায় সিআইএসএফের একটি শিবিরে ভয়াবহ গুলিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার ডিউটি পরিবর্তনের সময় বচসার পর এক সহকর্মী কয়েকজন জওয়ানকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছেন বলে অভিযোগ। ঘটনায় চার সিআইএসএফ জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে। অভিযুক্ত জওয়ানকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সিআইএসএফ সূত্রে খবর, বিকেলে ডিউটি পরিবর্তনের সময় হেড কনস্টেবল অবধেশ সিংয়ের সঙ্গে কয়েকজন জওয়ানের বচসা হয়। প্রথমে বিষয়টি কথা কাটাকাটির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল বলে জানা গিয়েছে। পরে সেই বচসা বড় আকার নেয়।অভিযোগ, এক পর্যায়ে অবধেশ সিং নিজের রাইফেল তুলে সহকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি চালান। গুলিতে চার জওয়ান গুরুতর আহত হন। তাঁদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চারজনেরই মৃত্যু হয়।নিহত জওয়ানদের মধ্যে রয়েছেন সহকারী কমান্ড্যান্ট অঙ্কিত কুমার পাণ্ডে, সাব-ইন্সপেক্টর লক্ষ্মণ সিং, কনস্টেবল সঞ্জীব কুমার এবং কনস্টেবল মহম্মদ রফিক।ঘটনার পর কাঠুয়া সিআইএসএফ শিবিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। কী কারণে ডিউটি পরিবর্তনের সময় বচসা শুরু হয়েছিল এবং কী পরিস্থিতিতে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। সিআইএসএফ সদর দপ্তরের তরফে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি সিআইএসএফের মহাপরিচালক গোটা পরিস্থিতি এবং তদন্তের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করছেন।অভিযুক্ত জওয়ানকে গ্রেফতার করার পর তাঁর বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হবে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ কী, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে। চার সহকর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় কাঠুয়া সিআইএসএফ শিবিরে এখন তদন্তের পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal