• ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩, শনিবার ০১ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

ED

দেশ

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য, শেষমেশ কাঁদতে কাঁদতে ক্ষমা! ভাইরাল ভিডিওতে কী বললেন তরুণী?

দিল্লির যন্তর মন্তরে ছাত্র আন্দোলনের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করার অভিযোগে আলোচনায় উঠে আসা এক তরুণীর একটি ভিডিও এখন সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। সেই ভিডিওতে তাঁকে হাত জোড় করে ক্ষমা চাইতে দেখা যাচ্ছে। যদিও ভিডিওটির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।পুলিশের দায়ের করা শূন্য নম্বর এফআইআরে ওই তরুণীর বয়স পঁচিশ বছর বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ভাইরাল ভিডিওতে তিনি দাবি করেছেন, তাঁর বয়স মাত্র পনেরো বছর। তিনি বলেন, কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে কনট প্লেস থেকে যন্তর মন্তরের আন্দোলনে গিয়েছিলেন। সেখানে আশপাশের মানুষের বক্তব্যে প্রভাবিত হয়েই তিনি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন। সেই মন্তব্যের জন্য তিনি ক্ষমাও প্রার্থনা করেন।ভিডিওতে ওই তরুণী বলেন, তিনি বড় ভুল করেছেন এবং তাঁর মন্তব্য ক্ষমার অযোগ্য। তিনি গোটা দেশের কাছে ক্ষমা চেয়ে জানান, এই ভুল আর কোনও দিন করবেন না। নিজের আচরণের জন্য তিনি লজ্জিত বলেও দাবি করেন।এদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেছেন। সেখানে তিনি বলেন, আন্দোলনের সময় কয়েকজন তাঁর এবং তাঁর মাকে নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য করেছিলেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। তবে তিনি তাঁদের ক্ষমা করে দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি দেশবাসীর কাছে আবেদন জানান, তরুণ প্রজন্মকে শুধুমাত্র শাস্তি নয়, সঠিক পথও দেখানো উচিত।উল্লেখ্য, গত তেইশে জুলাইয়ের বিক্ষোভে আপত্তিকর স্লোগান ও মন্তব্যের অভিযোগে ঊনত্রিশে জুলাই নয়ডা এক্সপ্রেসওয়ে থানায় শূন্য নম্বর এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে। ভাইরাল ভিডিও এবং তরুণীর দাবির সত্যতা এখনও সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।

আগস্ট ০১, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতার বুকেই তৈরি হয়েছিল জইশের স্লিপার সেল! ধৃত হামিদের থেকে কী কী তথ্য মিলল

ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বর্ধমানে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, কাশ্মীরের সাজ্জাদ ভাট গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে হামিদ মণ্ডল নামে এক সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। খাগড়াগড় বিস্ফোরণের বহু বছর পর একই এলাকার কাছাকাছি থেকে এই গ্রেপ্তারিকে ঘিরে নিরাপত্তা মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, কীভাবে তিনি বাংলায় যোগাযোগের নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছিলেন এবং তাঁর সঙ্গে আর কারা যুক্ত ছিলেন।তদন্তে জানা গিয়েছে, হামিদ মণ্ডলের বাড়ি হাওড়ার পিলখানায়। তিনি আগে একটি গেঞ্জি কারখানায় দর্জির কাজ করতেন। পরে নিউটাউনে ভাড়া বাড়িতে ওঠেন। এরপর কিছুদিন আগে বর্ধমানের একটি আবাসনে পরিবার নিয়ে থাকতে শুরু করেন। প্রতিবেশীদের কাছে তিনি নিজেকে ব্যবসায়ী বলে পরিচয় দিয়েছিলেন। কেন তিনি বর্ধমানে এসে বসবাস শুরু করেছিলেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনও তথ্য কাউকে দেননি বলে স্থানীয়দের দাবি।বৃহস্পতিবার তাঁকে গ্রেপ্তার করে রাজ্য পুলিশের বিশেষ বাহিনী। তাঁর কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, তিনি পূর্ব ভারতে সংগঠনের কার্যকলাপ বাড়ানোর কাজে যুক্ত ছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি তাঁর যোগাযোগ, আর্থিক লেনদেন এবং সম্ভাব্য নেটওয়ার্ক সম্পর্কেও বিস্তারিত তদন্ত চলছে। এই মামলায় এখনও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং তদন্তকারী সংস্থা আরও তথ্য সংগ্রহ করছে।

জুলাই ৩১, ২০২৬
দেশ

মাঝরাতে আচমকা ভেঙে পড়ল চারতলা বাড়ি! মুহূর্তে মৃত্যু অন্তত ৯ জনের, ধ্বংসস্তূপে এখনও আটকে অনেকে?

মহারাষ্ট্রের ভিওয়ান্ডিতে ভয়াবহ ভবন ধসের ঘটনায় অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও কয়েকজন আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাঁদের উদ্ধারে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এবং স্থানীয় পুলিশ যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে চারতলা ভবনের একটি বড় অংশ আচমকাই ভেঙে পড়ে। সেই সময় ভবনের ভিতরে কিছু সংস্কারের কাজ চলছিল বলে জানা গিয়েছে। প্রশাসনের দাবি, ভবনটির কাঠামো দুর্বল হওয়ায় আগেই বাসিন্দাদের সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে কাজ করতে আসা কয়েকজন শ্রমিক ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।উদ্ধারকারীরা প্রথমে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে এক মহিলাকে জীবিত উদ্ধার করেন। তাঁকে দ্রুত নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এরপরও ধ্বংসস্তূপের বিভিন্ন অংশে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। উদ্ধারকারী দল জানিয়েছে, এখনও কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত হতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উদ্ধারকাজ শেষ হওয়ার পর ভবন ধসের প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হবে। প্রাথমিকভাবে দুর্বল কাঠামোকে সম্ভাব্য কারণ হিসেবে মনে করা হলেও তদন্তের পরই চূড়ান্তভাবে বিষয়টি স্পষ্ট হবে। স্থানীয় প্রশাসন ঘটনাস্থলে নজরদারি বাড়িয়েছে এবং উদ্ধারকাজ দ্রুত শেষ করার চেষ্টা চলছে।

জুলাই ৩১, ২০২৬
দেশ

আত্মসমর্পণের পরও গুলি? ভাইরাল ভিডিওর জেরে গ্রেপ্তার পুলিশ,

এনকাউন্টারকে ঘিরে নতুন বিতর্কে উত্তাল বিহার। ভোজপুর জেলার একটি এনকাউন্টার মামলায় এক পুলিশকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও সামনে আসার পর তদন্তে নতুন মোড় আসে। সেই ঘটনার ভিত্তিতেই প্রশাসন কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে।ঘটনাটি গত ১৭ জুন ভোজপুর জেলার শাহপুর থানা এলাকার বিলাউটি গ্রামে ঘটে। ওই ঘটনায় ভরত ভূষণ তিওয়ারি নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। পরিবারের অভিযোগ, অভিযানে জড়িত কয়েকজন পুলিশ আধিকারিক এবং এক বিশেষ বাহিনীর সদস্য বেআইনিভাবে গুলি চালিয়েছিলেন। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের হয়।তদন্ত চলাকালীন একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেই ভিডিওতে দেখা যায়, ভরত ভূষণ তিওয়ারি পুলিশের দিকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র ছুড়ে দিচ্ছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর প্রশ্ন ওঠে, তিনি আত্মসমর্পণের চেষ্টা করেছিলেন কি না। যদিও বিষয়টি এখনও তদন্তাধীন এবং আদালতে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হয়নি।ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর রাজ্যজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়। ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেয় প্রশাসন। প্রথমে চার পুলিশকর্মীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরে বিশেষ বাহিনীর এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরও কয়েকজনের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে।

জুলাই ৩১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

দেড় কোটির তিনটি চেকই বাউন্স! বড় বিপাকে মহমেডান, প্রেসিডেন্টকে ঘিরে তুমুল বিতর্ক

আবারও বিতর্কে মহমেডান ক্লাবের সভাপতি হুমায়ুন কবির। ক্লাবকে আর্থিক সাহায্য করার জন্য তিনি মোট দেড় কোটি টাকার তিনটি চেক দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই তিনটি চেকই বাউন্স করেছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় মহমেডান ক্লাবের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।ক্লাব সূত্রে জানা গিয়েছে, জুলাই মাসে তিন দফায় পঞ্চাশ লক্ষ টাকা করে মোট তিনটি চেক দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ব্যাঙ্কে জমা দেওয়ার পর প্রতিটি চেকই ফেরত আসে। এর ফলে ক্লাবের আগের বকেয়া মেটানো এবং প্রয়োজনীয় আর্থিক কাজ ব্যাহত হয়েছে। ফিফার ট্রান্সফার নিষেধাজ্ঞার কারণে নতুন ফুটবলার নিবন্ধনেও সমস্যা তৈরি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ক্লাবের অন্য কর্তারা উদ্যোগ নিয়ে বকেয়ার একটি অংশ মেটানোর চেষ্টা করেন।এই অভিযোগ প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবির দাবি করেছেন, তিনি নিজেই ক্লাবের সভাপতি এবং চেকের দায়িত্বও তাঁর। তাঁর বক্তব্য, ক্লাবের স্বার্থেই চেক দেওয়া হয়েছিল। কয়েক দিনের মধ্যেই টাকা মিটে যাবে। তিনি আরও বলেন, তাঁর অনুমতি ছাড়া আগেভাগে চেক জমা দেওয়া হয়েছে বলেই এই সমস্যা তৈরি হয়েছে। কোনও ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেছেন।অন্যদিকে ক্লাবের সহ-সভাপতি ওয়াসিম আক্রম জানিয়েছেন, হুমায়ুন কবির যে তিনটি চেক দিয়েছিলেন, সবকটিই ব্যাঙ্ক থেকে ফেরত এসেছে। তাঁর দাবি, নির্ধারিত তারিখেই চেক জমা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ব্যাঙ্ক জানিয়েছে, অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত টাকা ছিল না। এখন খেলোয়াড়দের বকেয়া বেতন মেটানোই ক্লাবের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।এই আর্থিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও মাঠে জয় দিয়ে ডুরান্ড কাপ অভিযান শুরু করেছে মহমেডান। প্রথম ম্যাচে বড় ব্যবধানে জয় পেলেও ক্লাবের আর্থিক সমস্যা দ্রুত না মিটলে আগামী দিনে দল পরিচালনা নিয়ে নতুন সংকট তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সমর্থকদের একাংশ।

জুলাই ৩০, ২০২৬
কলকাতা

বড় সিদ্ধান্ত! স্কুলের পোশাক থেকে বিদায় বিশ্ব বাংলা, বদলে যাচ্ছে ইউনিফর্মের রংও

রাজ্যের স্কুলগুলিতে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এবার স্কুল ইউনিফর্ম নিয়েও বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী, স্কুলের ইউনিফর্ম থেকে বিশ্ব বাংলা লোগো তুলে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে বহুদিনের নির্দিষ্ট নীল রঙের ইউনিফর্মের নিয়মেও পরিবর্তন আনা হচ্ছে।সরকার জানিয়েছে, আগামী দিনে আর সব স্কুলকে একই রঙের ইউনিফর্ম পরতে হবে না। প্রতিটি স্কুল নিজেদের ঐতিহ্য, পরিবেশ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ইউনিফর্মের রং নির্ধারণ করতে পারবে। এর ফলে দীর্ঘদিনের একরঙা পোশাকের পরিবর্তে বিভিন্ন স্কুলে আলাদা পরিচয় তৈরি হবে।সরকারের দাবি, এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য হল স্কুলগুলির নিজস্ব ঐতিহ্য ও স্বাতন্ত্র্যকে ফিরিয়ে আনা। একই সঙ্গে ইউনিফর্ম থেকে বিশ্ব বাংলা লোগো সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তও কার্যকর করা হবে।শিক্ষা মহলের একাংশের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে স্কুলগুলি নিজেদের পরিচয় আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে পারবে। অন্যদিকে, অভিভাবক এবং ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যেও এই নতুন নিয়ম নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এখন নজর, কবে থেকে নতুন ইউনিফর্মের নিয়ম কার্যকর হয় এবং কোন স্কুল কী রঙের পোশাক বেছে নেয়।

জুলাই ৩০, ২০২৬
কলকাতা

ধর্মতলার হিংসা মামলায় ধৃতকে নিয়ে নতুন দাবি! সমাজমাধ্যমের পোস্ট ঘিরে বাড়ছে জল্পনা

ধর্মতলায় ছাত্র মিছিলের সময় হিংসা এবং সাংবাদিকদের হেনস্তার ঘটনায় তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে কলকাতা পুলিশ। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত চৌদ্দ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে অন্যতম মহম্মদ আফরোজকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তাঁর সমাজমাধ্যমের বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও সামনে আসার পর রাজনৈতিক মহলেও নানা প্রশ্ন উঠেছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মহম্মদ আফরোজ মেটিয়াবুরুজ এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রের দাবি, তাঁকে এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী হিসেবেও অনেকে চেনেন। সমাজমাধ্যমে তাঁর প্রোফাইলে একাধিক রাজনৈতিক কর্মসূচির ছবি রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। সেখানে কয়েক জন তৃণমূল নেতার সঙ্গে তাঁর ছবিও দেখা যাচ্ছে। পাশাপাশি দলীয় পতাকা হাতে মিছিলে অংশ নেওয়ার ছবিও সামনে এসেছে। তবে এই সব ছবি ও ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।সমাজমাধ্যমে আফরোজের নামে থাকা কিছু ভিডিও ও ছবিতে অস্ত্রসদৃশ বস্তু দেখা গিয়েছে বলেও দাবি উঠেছে। এছাড়া কয়েকটি পোস্টে নিজেদের মাফিয়া গ্যাং এবং টিম মাফিয়া বলে উল্লেখ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। তবে এই সব সমাজমাধ্যমের পোস্ট বা ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।ধৃতের সঙ্গে স্থানীয় বিধায়কের পরিচয় রয়েছে কি না, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও মেটিয়াবুরুজের বিধায়ক আবদুল খালেক সেই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বহু মানুষ অংশ নেন। সকলকে ব্যক্তিগতভাবে চেনা সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, অভিযুক্তের সঙ্গে তাঁর কোনও ব্যক্তিগত যোগাযোগ বা পরিচয় নেই।ধর্মতলার হিংসার ঘটনায় পুলিশের তদন্ত চলছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গুণ্ডাদমন আইনে মামলা দায়ের হয়েছে। এই প্রসঙ্গে বিধায়ক বলেন, আইন অনুযায়ী পুলিশ তদন্ত করছে। আদালতে দোষ প্রমাণিত হলে আইন মেনে শাস্তি হবে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে তিনি এ বিষয়ে আর কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

জুলাই ২৬, ২০২৬
কলকাতা

সাংবাদিক নিগ্রহ থেকে হিংসা, ধর্মতলার ঘটনায় একের পর এক গ্রেপ্তার! পুলিশের হাতে আরও তিন অভিযুক্ত

ধর্মতলায় নিট আন্দোলনের ছাত্র মিছিলকে ঘিরে হিংসার ঘটনায় আরও তিন জনকে গ্রেপ্তার করেছে কলকাতা পুলিশ। এর আগে এগারো জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। নতুন তিন জন ধরা পড়ায় রবিবার সকাল পর্যন্ত মোট গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে চৌদ্দ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের নাম শাহবাজ খান, শেখ মহম্মদ সলমান হোসেন এবং মহম্মদ জহিরউদ্দিন মাল। শাহবাজ কড়েয়া এলাকার বাসিন্দা। সলমান হোসেন রাজাবাগানের এবং জহিরউদ্দিন ভাঙড়ের বাসিন্দা। পুলিশের দাবি, এই ঘটনায় জড়িত আরও কয়েক জনের খোঁজে তল্লাশি চলছে।শুক্রবার ধর্মতলায় নিট আন্দোলনের ছাত্র মিছিল চলাকালীন হিংসার অভিযোগ ওঠে। সেই সময় খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে একাধিক সাংবাদিক নিগ্রহের শিকার হন বলে অভিযোগ। ঘটনার পর আহত সাংবাদিকদের হাসপাতালে দেখতে যান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়ে দেন, দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরে বিধানসভাতেও তিনি একই বার্তা দেন এবং জানান, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গুণ্ডাদমন আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হেয়ার স্ট্রিট থানায় ছয়টি এবং এন্টালি থানায় একটি, মোট সাতটি মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ তদন্তে নেমে একের পর এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করছে।পুলিশের দাবি, ধৃতদের কেউই পড়ুয়া নন। তদন্তে আরও অভিযোগ উঠেছে, ঘটনার পর কয়েক জন অভিযুক্ত ভিন রাজ্যে পালানোর চেষ্টা করছিলেন। মহম্মদ আজাদ এবং মহম্মদ আফরোজ নামে দুই অভিযুক্তকে অন্ডালের কাছে দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। ঘটনার ভিডিও ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, কলকাতার বিভিন্ন এলাকা থেকে লোক জড়ো করা হয়েছিল। তাঁর বক্তব্য, এখনও পর্যন্ত প্রায় সত্তর জনকে হামলার ঘটনায় চিহ্নিত করা হয়েছে। তদন্ত চলছে এবং বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে।

জুলাই ২৬, ২০২৬
দেশ

‘ককরোচ’-এর আন্দোলনে বড় ধাক্কা কেন্দ্রের! তৃতীয় বৈঠকের আগেই শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ, নতিস্বীকার কি সরকারের?

নিজস্ব সংবাদদাতা: দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর অবশেষে বড় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পালাবদলের ইঙ্গিত। ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র লাগাতার আন্দোলন এবং দেশজুড়ে তৈরি হওয়া প্রতিবাদের আবহের মধ্যেই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। নিট পরীক্ষায় অনিয়ম ও প্রশ্নফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে তাঁর পদত্যাগের দাবিতে প্রথম থেকেই সরব ছিল সিজেপি। আন্দোলনকারীদের স্পষ্ট বক্তব্য ছিলশিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়া কোনও সমঝোতাই সম্ভব নয়।এই পরিস্থিতিতে শনিবার কেন্দ্রের সঙ্গে সিজেপি প্রতিনিধিদের তৃতীয় দফার বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বৈঠক শুরু হওয়ার আগেই ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের খবর সামনে আসে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি আন্দোলনের চাপে শেষ পর্যন্ত নিজেদের অবস্থান থেকে সরে এল কেন্দ্র?ধর্মেন্দ্র প্রধান নিজেই সমাজমাধ্যমে তাঁর পদত্যাগের কথা ঘোষণা করেন। জানা গিয়েছে, তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। পরবর্তী সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় সেটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয় এবং রাষ্ট্রপতি সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন বলে সূত্রের খবর।নিট পরীক্ষাকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের পর থেকেই ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি সামনে এনেছিল সিজেপি। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ ছিল, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়মের দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। তাঁদের দাবি, পরীক্ষাব্যবস্থার প্রতি পড়ুয়া ও অভিভাবকদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হলে এর জন্য রাজনৈতিক দায় স্বীকার করতে হবে।এই দাবিকে কেন্দ্র করেই গত কয়েকদিন ধরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। সিজেপির পক্ষ থেকে সরকারের কাছে মোট তিনটি প্রধান দাবি রাখা হয়েছিল। প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দাবি ছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ। পাশাপাশি আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনও আইনি পদক্ষেপ না করার নিশ্চয়তা এবং নিটের প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় আত্মঘাতী পড়ুয়াদের পরিবারকে এক কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিও জানানো হয়।সরকারের সঙ্গে সিজেপি প্রতিনিধিদের ইতিমধ্যে দুদফা বৈঠক হয়েছে। সূত্রের খবর, দ্বিতীয় ও তৃতীয় দাবির বিষয়ে সরকারের তরফে ইতিবাচক আশ্বাস দেওয়া হলেও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি নিয়ে কোনও সমঝোতা হচ্ছিল না। বরং কেন্দ্রের প্রতিনিধিরা আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টে নাগাদ ফের কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সিজেপি নেতাদের বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। কেন্দ্রের তরফে আলোচনায় থাকার কথা ছিল জেপি নড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিংহের। কিন্তু বৈঠকের প্রায় দেড় ঘণ্টা আগেই শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের ঘোষণা হয়ে যায়। এর ফলে আন্দোলনকারীদের প্রথম এবং মূল দাবিই কার্যত পূরণ হয়ে গেল।শনিবার সকালেই সিজেপির পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ নিয়ে কেন্দ্র যদি কোনও সিদ্ধান্ত না নেয়, তাহলে তৃতীয় দফার বৈঠকেরও কোনও অর্থ নেই। এমনকি আন্দোলনকারীদের তরফে আরও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল, ক্ষোভের পরিধি আরও বাড়তে পারে এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার প্রশ্ন তুলতে পারে।এই আবহেই ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের সিদ্ধান্ত যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও তাঁর নিজের বক্তব্যে পদত্যাগকে সরাসরি আন্দোলনের চাপের ফল হিসেবে তুলে ধরা হয়নি। বরং তিনি গত কয়েকদিনের পরিস্থিতির জন্য দুঃখপ্রকাশ করে জানিয়েছেন, ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক এবং দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের সঙ্গে তিনি দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত। তাঁর দাবি, কোনও মেধাবী পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ নষ্ট হোক, তা তিনি কখনও চাননি।পদত্যাগের ঘোষণা করে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, গত ৩ মে নিট পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসার পর থেকেই তিনি বিষয়টির দায় নিয়েছিলেন। তাঁর বক্তব্য, কখনও তিনি দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেননি। তাঁর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল মেধাবী পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখা এবং কোনও শিক্ষার্থীর সঙ্গে অন্যায় না হওয়া।গত ১০ দিনের ঘটনাপ্রবাহ তাঁকে ব্যথিত করেছে বলেও জানিয়েছেন ধর্মেন্দ্র। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, যন্তর মন্তর-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার সুযোগ যাতে কোনও দেশবিরোধী শক্তি নিতে না পারে, দেশের ঐক্য যাতে অটুট থাকে এবং আন্দোলনে যুক্ত কোনও পড়ুয়া যাতে আইনি জটিলতায় না জড়িয়ে পড়েএই বিষয়গুলিও তিনি বিবেচনায় রেখেছেন।ধর্মেন্দ্র প্রধান আরও বলেন, দেশের তরুণ প্রজন্মের স্বপ্ন, আকাঙ্ক্ষা এবং ন্যায়সঙ্গত প্রত্যাশার প্রতি তাঁর গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। তাঁর মতে, তরুণদের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়, গোটা সমাজ ও রাজনৈতিক ব্যবস্থারও।তাঁর পদত্যাগের ঘোষণার পর এখন নজর পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। আন্দোলনকারীরা কি এই সিদ্ধান্তকে সরকারের সঙ্গে সমঝোতার পথ হিসেবে দেখবেন, নাকি তাঁদের বাকি দাবিগুলি নিয়ে আন্দোলন আরও জোরদার হবেতা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন জল্পনা।তবে একটি বিষয় স্পষ্টনিট পরীক্ষা ও শিক্ষাব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তা এখন আর শুধুমাত্র একটি পরীক্ষার অনিয়মের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি পড়ুয়া ও অভিভাবকদের আস্থা পুনরুদ্ধার, পরীক্ষার নিরাপত্তা, প্রশাসনিক দায়বদ্ধতা এবং রাজনৈতিক জবাবদিহির মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নও সামনে চলে এসেছে।ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ সেই বিতর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটালেও, বৃহত্তর প্রশ্নগুলির উত্তর এখনও বাকি। আগামী দিনে কেন্দ্র কীভাবে এই পরিস্থিতি সামাল দেয় এবং শিক্ষাব্যবস্থায় আস্থা ফেরাতে কী পদক্ষেপ নেয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে গোটা দেশ।

জুলাই ২৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বাবা বিক্রি করতেন সবজি, ছেলে জিতল দেশের প্রথম পদক! ঝন্ডুর লড়াই জানলে চোখে জল আসবে

কমনওয়েলথ গেমসে ভারতের পদক অভিযান শুরু হল দারুণ সাফল্যের মধ্য দিয়ে। পুরুষদের হেভিওয়েট প্যারা পাওয়ার লিফটিং বিভাগে ব্রোঞ্জ পদক জিতে দেশের ঝুলিতে প্রথম পদক তুলে দিলেন বিহারের ঝন্ডু কুমার। তাঁর এই সাফল্যে গর্বিত গোটা দেশ।ঝন্ডু কুমারের জীবন সংগ্রামের গল্প অনুপ্রেরণার। মাত্র পাঁচ বছর বয়সে পোলিও আক্রান্ত হন তিনি। ছোটবেলা থেকেই শারীরিক প্রতিবন্ধকতার পাশাপাশি আর্থিক সমস্যার সঙ্গেও লড়াই করতে হয়েছে। তাঁর বাবা রাস্তার ধারে সবজি বিক্রি করেন। পরিবারের পাশে দাঁড়াতে ঝন্ডুও একসময় ই-রিকশা চালিয়েছেন। কিন্তু কঠিন পরিস্থিতিও তাঁর স্বপ্নকে থামাতে পারেনি। নিয়মিত অনুশীলন চালিয়ে গিয়েছেন এবং দেশের হয়ে খেলার লক্ষ্য থেকে কখনও সরে যাননি।পরবর্তীতে তাঁর প্রতিভা নজরে আসে জাতীয় কোচ রাজিন্দর সিং রাহেলুর। তাঁর উদ্যোগেই ঝন্ডু জাতীয় প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অনুশীলনের সুযোগ পান। সেই সুযোগই বদলে দেয় তাঁর জীবন। এরপর জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ধারাবাহিক সাফল্য পেতে শুরু করেন তিনি।কমনওয়েলথ গেমসে ঝন্ডু মোট একশো নব্বই কেজি ওজন তুলে ব্রোঞ্জ পদক নিশ্চিত করেন। শেষ প্রচেষ্টায় আরও বেশি ওজন তোলার চেষ্টা করলেও সফল হননি। তবুও তাঁর পারফরম্যান্সই ভারতের প্রথম পদক এনে দেয়।পদক জয়ের পর আবেগঘন প্রতিক্রিয়ায় ঝন্ডু বলেন, তাঁর মনে হচ্ছে তিনি যেন আকাশে উড়ছেন। এই পদক শুধু তাঁর নয়, যাঁরা কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং অনুশীলনের সুযোগ করে দিয়েছেন, তাঁদের সকলেরও। ভবিষ্যতে দেশের জন্য আরও বড় সাফল্য আনার লক্ষ্য নিয়েই এগোতে চান তিনি।এর আগেও জাতীয় রেকর্ড গড়েছেন ঝন্ডু। আন্তর্জাতিক মঞ্চেও একাধিক পদক জিতেছেন। এবার কমনওয়েলথ গেমসে ভারতের প্রথম পদক জিতে তিনি প্রমাণ করে দিলেন, কঠোর পরিশ্রম, ইচ্ছাশক্তি এবং আত্মবিশ্বাস থাকলে কোনও বাধাই সাফল্যের পথে শেষ কথা হতে পারে না।

জুলাই ২৫, ২০২৬
দেশ

দীর্ঘদিন পলাতক, শেষমেশ জালে প্রশ্নফাঁসের ‘মাস্টারমাইন্ড’! গ্রেপ্তার হতেই সামনে আসতে পারে বড় রহস্য

মহারাষ্ট্রের টেট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস মামলায় বড় সাফল্য পেল পুলিশ। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর মূল অভিযুক্ত বিজেন্দ্র গুপ্তাকে বিহার থেকে গ্রেপ্তার করেছে মহারাষ্ট্র পুলিশ। তাঁর সঙ্গে আরও এক অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, এই গ্রেপ্তারির ফলে প্রশ্নফাঁস চক্র সম্পর্কে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিজেন্দ্র গুপ্তা বেশ কয়েক দিন ধরে আত্মগোপন করে ছিলেন। তাঁর অবস্থান সম্পর্কে তথ্য থাকলেও বারবার তল্লাশি চালিয়েও তাঁকে ধরা সম্ভব হচ্ছিল না। শেষ পর্যন্ত বিশেষ অভিযানে তাঁকে বিহার থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই ঘটনাকে তদন্তের ক্ষেত্রে বড় অগ্রগতি বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা।এর আগে এই মামলায় একাধিক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত জুলাই মাসে কপিল দাহিয়া, মিঠুন সিং এবং সোনু সিং নামে তিন অভিযুক্তকে আটক করা হয়। পরে বিজেন্দ্র গুপ্তার স্ত্রী সুমন গুপ্তাকেও গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্তকারীদের অভিযোগ, প্রশ্নফাঁস চক্রের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তিনি অবগত ছিলেন এবং আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রেও তাঁর ভূমিকা থাকতে পারে। তবে এই অভিযোগের বিচারিক নিষ্পত্তি এখনও হয়নি।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের গোপন অনুসন্ধানের পর থেকেই বিজেন্দ্র গুপ্তার ভূমিকা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তদন্তকারীরা প্রশ্নফাঁস চক্রের কার্যকলাপ খতিয়ে দেখতে শুরু করেন। তদন্তকারী সংস্থার ধারণা, একাধিক পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে এই চক্রের যোগ থাকতে পারে। যদিও বিষয়টি এখনও তদন্তাধীন।তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, প্রশ্নফাঁস চক্রের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ ব্যবহার করে কোনও সম্পত্তি কেনা হয়েছিল কি না। পাশাপাশি এই মামলায় আরও কারা জড়িত থাকতে পারেন, সেই দিকেও নজর রাখা হচ্ছে। বিজেন্দ্র গুপ্তার গ্রেপ্তারের পর তদন্তে নতুন তথ্য সামনে আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুলাই ২৫, ২০২৬
দেশ

নিট বিতর্কে রাতারাতি বড় সিদ্ধান্ত! এক ধাক্কায় বদলে যাচ্ছে পরীক্ষা ব্যবস্থা, সরানো হল বহু আধিকারিক

নিট প্রশ্নফাঁস বিতর্ক এবং দেশজুড়ে ছাত্র আন্দোলনের আবহে জাতীয় স্তরের পরীক্ষা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের পথে হাঁটছে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় সূত্রের খবর, আগামী এক মাসের মধ্যে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির প্রশাসনিক কাঠামো, পরীক্ষা পরিচালনার পদ্ধতি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হবে। ভবিষ্যতে যাতে প্রশ্নফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মের কোনও সুযোগ না থাকে, সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।সংবাদ সংস্থার সূত্রে জানা গিয়েছে, সংস্থার সাতচল্লিশ জন আধিকারিককে বরখাস্ত করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে। যদিও এই দাবির বিষয়ে সরকারি স্তরে বিস্তারিত ঘোষণা এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।পরীক্ষা পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত বেসরকারি সংস্থাগুলির ভূমিকাও নতুন করে খতিয়ে দেখা হবে। প্রশ্নপত্র তৈরি, মুদ্রণ, সংরক্ষণ, পরিবহণ এবং পরীক্ষা পরিচালনার প্রতিটি ধাপ পর্যালোচনা করা হবে। প্রয়োজন হলে বর্তমান ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন এনে আরও নিরাপদ ও স্বচ্ছ পদ্ধতি চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।দেশের বিভিন্ন জাতীয় স্তরের প্রবেশিকা পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা এই সংস্থার কাজকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করতে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনেরও পরিকল্পনা হয়েছে। প্রশাসনিক, প্রযুক্তিগত এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত নানা বিষয়ে এই কমিটি সুপারিশ করবে। সেই সুপারিশের ভিত্তিতেই নতুন কাঠামো তৈরি করা হবে।নিট প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ সামনে আসার পর থেকেই দেশজুড়ে ছাত্রছাত্রীদের প্রতিবাদ তীব্র হয়েছে। দিল্লিকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া আন্দোলনে বহু পড়ুয়া, অভিভাবক এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমর্থন মিলেছে। এই পরিস্থিতিতে পরীক্ষা ব্যবস্থার উপর মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতেই দ্রুত সংস্কারের পথে এগোচ্ছে কেন্দ্র।এর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা পরীক্ষায় অনিয়ম রোধে বিদ্যমান আইনে সংশোধনের খসড়াও অনুমোদন করেছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, সংঘবদ্ধভাবে প্রশ্নফাঁস বা পরীক্ষায় জালিয়াতির ঘটনায় সর্বোচ্চ দশ বছরের কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ দশ কোটি টাকা জরিমানার বিধান আনার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে অর্থের বিনিময়ে পরীক্ষায় অনিয়মে সাহায্যকারী ব্যক্তি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের বিরুদ্ধেও কড়া শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। তবে নির্দোষ পরীক্ষার্থীরা যাতে কোনওভাবেই আইনের অপব্যবহারের শিকার না হন, সেই বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।এদিকে আন্দোলনকারীরা কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ, প্রশ্নফাঁসের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত, শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে অনড় রয়েছেন। ফলে আগামী দিনে কেন্দ্রের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রয়েছে গোটা দেশের।

জুলাই ২৪, ২০২৬
দেশ

প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে বড় ঝড়! রাতারাতি সরানো হল শিক্ষা সচিব, কড়া বার্তা কেন্দ্রের

নিট প্রশ্নফাঁস বিতর্কের আবহে কেন্দ্রীয় সরকার শিক্ষা দফতরে বড় প্রশাসনিক পরিবর্তন করল। শিক্ষা সচিবের পদ থেকে সরানো হয়েছে বিনীত যোশীকে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে নরেশ গাঙ্গোয়ারকে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কেন্দ্রের তরফে এই বদলির বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।চলতি বছরের জানুয়ারিতে উচ্চশিক্ষা দফতরের সচিব হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন বিনীত যোশী। এবার তাঁকে পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রকে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে স্কুলশিক্ষা দফতরের নতুন সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন টি কে অনিল কুমার। এর আগে তিনি গ্রামোন্নয়ন দফতরের সচিব ছিলেন।বিনীত যোশী দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার অধিকারী। তিনি মণিপুরের মুখ্যসচিব ছিলেন। পাশাপাশি জাতীয় পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা সংস্থার প্রথম মহাপরিচালকের দায়িত্বও সামলেছেন। শিক্ষা মন্ত্রক এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষা বোর্ডেও গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন।নতুন শিক্ষা সচিব নরেশ গাঙ্গোয়ার পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের একজন জ্যেষ্ঠ প্রশাসনিক আধিকারিক। এর আগে তিনি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ দফতরের সচিব ছিলেন। শিক্ষা প্রশাসনেও তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। রাজস্থানের স্কুলশিক্ষা দফতরেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছিলেন।নিট প্রশ্নফাঁস এবং শিক্ষা ব্যবস্থায় অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে গত কয়েক দিন ধরে দেশজুড়ে তীব্র বিতর্ক চলছে। রাজধানীতে লাগাতার বিক্ষোভ হয়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই শিক্ষা দফতরে এই বড় পরিবর্তন ঘটল। একই সঙ্গে প্রশ্নফাঁস মামলার দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে বিশেষ আদালত গঠনের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের দাবি, শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনতে এবং প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতেই একের পর এক পদক্ষেপ করা হচ্ছে।

জুলাই ২৪, ২০২৬
কলকাতা

দুই ছেলের পর এবার ইডি দপ্তরে মদন মিত্রের স্ত্রী! তদন্তে কি মিলবে বড় সূত্র?

নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে এবার ইডি দপ্তরে হাজির হলেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের স্ত্রী অর্চনা মিত্র। শুক্রবার সকালে ছোট ছেলে শুভরূপ মিত্রকে সঙ্গে নিয়ে তিনি সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছন। সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নের উত্তর না দিয়েই তিনি ইডি দপ্তরে প্রবেশ করেন।কয়েক দিন আগে মদন মিত্রের স্ত্রী এবং দুই ছেলেকে তলব করেছিল ইডি। সেই অনুযায়ী বুধবার ছোট ছেলে শুভরূপ মিত্র এবং বৃহস্পতিবার বড় ছেলে স্বরূপ মিত্র তদন্তকারীদের সামনে হাজিরা দেন। দুজনকেই দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। বৃহস্পতিবারই স্বরূপ জানিয়েছিলেন, শুক্রবার তাঁর মা ইডির ডাকে হাজিরা দেবেন। সেই অনুযায়ী অর্চনা মিত্র এদিন তদন্তকারীদের সামনে উপস্থিত হন।ইডি সূত্রের দাবি, টিটাগড় পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে একশো পঁচিশ জনের চাকরি নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ সামনে এসেছে। সেই তদন্তের সূত্র ধরেই মদন মিত্রের নাম উঠে আসে। এরপর তাঁর বাড়ি, অফিস-সহ একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালানো হয় এবং তাঁকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, নিয়োগের বিনিময়ে কোনও বেআইনি আর্থিক লেনদেন হয়েছিল কি না। সেই কারণেই ব্যাঙ্কের নথি-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মদন মিত্রের পরিবারের কাছে চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। শুক্রবার অর্চনা মিত্রের কাছ থেকেও প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আগামী ঊনত্রিশ জুলাই মদন মিত্রকেও আবার ইডি দপ্তরে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জুলাই ২৪, ২০২৬
কলকাতা

দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্স! তোলা আদায়ের অভিযোগে মুহূর্তে সাসপেন্ড দুই সরকারি কর্মী

দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের বার্তা আবারও স্পষ্ট করল রাজ্য সরকার। ট্রাক আটকে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ উঠতেই দুই সরকারি কর্মীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে সমাজমাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নন। অভিযোগের সত্যতা সামনে আসতেই দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, একটি পণ্যবাহী ট্রাক সার্ভিসিং শেষে গ্যারেজে ফেরার পথে পশ্চিম বর্ধমানের রামপুর চেকপোস্টে আটকানো হয়। অভিযোগ, ট্রাকচালককে অযথা হেনস্থা করা হয় এবং ঘুষ দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হয়। চালক ঘুষ দিতে রাজি না হওয়ায় ট্রাকটি বাজেয়াপ্ত করা হয়। এমনকি আগে বাতিল হওয়া একটি করের নামে বেআইনিভাবে বাইশ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ।এই অভিযোগ সামনে আসার পর পরিবহণ দপ্তর দ্রুত পদক্ষেপ করে। রামপুর চেকপোস্টে কর্মরত মোটর ভেহিকেল ইন্সপেক্টর নাজিমুল হক এবং অনুপম বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাসপেন্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি গোটা ঘটনার বিস্তারিত তদন্তের জন্য অভিযোগ দুর্নীতি দমন শাখার কাছে পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থাও নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে কোনও পরিবহণকারী যাতে অযথা হেনস্থার শিকার না হন, সেই লক্ষ্যে নতুন নির্দেশিকা কার্যকর করা হচ্ছে। অন্যায়ভাবে আটক করা যানবাহন দ্রুত ছাড়ার ব্যবস্থাও নেওয়া হবে। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, দুর্নীতি, ঘুষ, ক্ষমতার অপব্যবহার বা বেআইনি সুবিধা আদায়ের সঙ্গে জড়িত কোনও সরকারি কর্মীকে কোনওভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জুলাই ২৪, ২০২৬
দেশ

সিকিমের সুড়ঙ্গে মৃত্যুমিছিল, তিনদিন পরও চলছে উদ্ধার—আরও কত দেহ ভিতরে?

সিকিমের নির্মীয়মাণ সুড়ঙ্গে ধস ও মিথেন গ্যাস ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় মৃতের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। বৃহস্পতিবার শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, টানেল থেকে ২৫টি দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও উদ্ধারকাজ চলছে, আর সেই সঙ্গেই দুর্ঘটনার কারণ জানতে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে সিকিম সরকার।সোমবার দক্ষিণ সিকিমের সামারডুং এলাকায় তিস্তা স্টেজ-৬ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের হেড রেস টানেল-এ ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি ঘটে। টানেলের ভিতরে মিথেন গ্যাস জমে বিস্ফোরণ ও ধসের ঘটনা ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত উদ্ধার হওয়া ২৫ জনের মধ্যে মাত্র ১১ জনের পরিচয় নিশ্চিত করা গেছে। বাকিদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।উদ্ধারকারী দল জানিয়েছে, এখনও টানেলের ভিতরে কিছু দেহ আটকে থাকার আশঙ্কা রয়েছে। বিষাক্ত গ্যাস, অন্ধকার এবং ধসে পড়া অংশের কারণে উদ্ধারকাজ অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। এনডিআরএফ, এসডিআরএফ, এনএইচপিসি, প্যাটেল ইঞ্জিনিয়ারিং, ইস্টার্ন কোলফিল্ডস এবং ওয়েস্টার্ন কোলফিল্ডস যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে।উদ্ধারকাজে গতি আনতে আসানসোলের ইস্টার্ন কোলফিল্ডস লিমিটেড থেকে বিশেষজ্ঞ উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। বুধবার রাত পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে আরও পাঁচটি দেহ উদ্ধার করা হয়।দুর্ঘটনার তদন্তে সিকিম সরকার চার সদস্যের একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে। মুখ্যসচিব আর তেলং-এর স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১৫ দিনের মধ্যে কমিটিকে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। কমিটিতে রয়েছেন সিকিম পুলিশের আইজি তাশি ওয়াংয়াল, খনি ও ভূতত্ত্ব বিভাগের প্রিন্সিপাল ডিরেক্টর ফিগু শেরিং ভুটিয়া, অতিরিক্ত অধিকর্তা কেশর লুইটেল এবং সিআইডি-র ডিআইজি তেনজিং লোডেন লেপচা।এনএইচপিসি নিহতদের পরিবারকে পাঁচ লক্ষ টাকা করে এককালীন আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করেছে। সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেম সিং তামাং জানিয়েছেন, কোথায় গাফিলতি ছিল এবং ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা এড়াতে কী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জুলাই ২৩, ২০২৬
কলকাতা

বিধানসভায় তুমুল কাণ্ড! মার্শাল ডেকে কুণাল ঘোষকে বের করে দিলেন স্পিকার

দুই তৃণমূলের দ্বন্দ্বে বুধবার উত্তপ্ত হয়ে উঠল বিধানসভা। কুণাল ঘোষ ও আখরুজ্জামানের সংঘাতকে কেন্দ্র করে হট্টগোল শুরু হয় অধিবেশনে। পরিস্থিতি সামাল দিতে স্পিকার রথীনন্দ্রনাথ বসু মার্শাল ডেকে কুণাল ঘোষকে বিধানসভা থেকে বাইরে বের করে দেওয়ার নির্দেশ দেন। পরে তাঁকে সাসপেন্ডও করা হয়।বিধানসভা গঠনের পর থেকেই কালীঘাটপন্থী তৃণমূল এবং ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের মধ্যে বিরোধ বারবার প্রকাশ্যে এসেছে। বর্তমানে ঋতব্রত শিবির বিরোধী দল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে এবং আখরুজ্জামান মুখ্য সচেতকের দায়িত্বে রয়েছেন।বুধবার আখরুজ্জামান বক্তব্য রাখতে উঠলে তাঁকে বাধা দেন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। সঙ্গে সঙ্গে বিধানসভায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজেও এই ঘটনার প্রতিবাদ জানান। বিজেপির মন্ত্রী শংকর ঘোষ ও জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়-সহ বিদ্রোহী তৃণমূলের বিধায়করাও ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখান।এরপরই স্পিকার মার্শাল ডেকে কুণাল ঘোষকে বাইরে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি তাঁকে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্তও ঘোষণা করা হয়।কালীঘাটপন্থী তৃণমূল বিধায়কদের অভিযোগ, তাঁদের বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। তাঁদের দাবি, বক্তাদের যে তালিকা পাঠানো হয়, তাতে কুণাল ঘোষের নাম থাকলেও মুখ্য সচেতক সেই নাম কেটে অন্য নাম যুক্ত করছেন। এই অভিযোগ আগেই তুলেছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ও আলিফা আহমেদ।আখরুজ্জামান পরে বলেন, ৮০ জন বিধায়ক রয়েছেন। সবাইকে কথা বলার সুযোগ দিলে সময় হবে না। তাই কে বলবেন, তা আমরা ঠিক করব।ঘটনার তীব্র নিন্দা করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এমন অসভ্যতা আমি বিধানসভায় আগে দেখিনি। এটা অত্যন্ত নিন্দনীয়। আখরুজ্জামান একজন প্রবীণ নেতা। তাঁর সঙ্গে এমন আচরণ মেনে নেওয়া যায় না।এই ঘটনার পর বিধানসভায় দুই তৃণমূল শিবিরের সংঘাত আরও প্রকট হয়ে উঠল বলে রাজনৈতিক মহলের মত।

জুলাই ২২, ২০২৬
দেশ

মহিলা সাংসদের সঙ্গে বচসা, তারপরই বড় সিদ্ধান্ত! কল্যাণের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ

লোকসভা থেকে সাসপেন্ড করা হল কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। অসংসদীয় আচরণের অভিযোগে গোটা বাদল অধিবেশনের জন্য তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এনসিপিআই সাংসদ মিতালী বাগের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সূত্রের খবর, লোকসভায় মিতালী বাগের সঙ্গে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বচসা শুরু হয়। অভিযোগ, সেই সময় তিনি মিতালী বাগকে উদ্দেশ্য করে কটূক্তি করেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত অন্যান্য সাংসদ, যার মধ্যে বাপি হালদারও ছিলেন, তাঁরা কল্যাণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান।এনসিপিআই সাংসদদের অভিযোগ, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার মহিলা সাংসদদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। এর আগেও কাকলি ঘোষ দস্তিদার তাঁর বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ করেছিলেন। এছাড়া কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবকে অসম্মান করার অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। বচসা একসময় হাতাহাতির পর্যায়ে পৌঁছয় বলেও সূত্রের দাবি।এরপর এনসিপিআই সাংসদরা লোকসভার স্পিকারের কাছে লিখিত অভিযোগ জানান। অভিযোগের ভিত্তিতে সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল অসংসদীয় আচরণের প্রস্তাব আনেন। ভোটাভুটিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে গোটা বাদল অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ড করা হয়।এই সিদ্ধান্ত তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য বড় ধাক্কা বলে মনে করা হচ্ছে। বিধানসভা নির্বাচনের পর দলের ভাঙনের ফলে কালীঘাট তৃণমূলে হাতে গোনা কয়েকজন সাংসদ রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন সংসদে দলের অন্যতম মুখ।এই প্রসঙ্গে তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায় বলেন, কল্যাণদা সবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। মহিলাদের গালাগালি দেন। এই নিয়ে আগেও অভিযোগ জানানো হয়েছিল। স্পিকারকে ধন্যবাদ, তিনি ব্যবস্থা নিয়েছেন।

জুলাই ২২, ২০২৬
কলকাতা

সেক্টর ফাইভ থেকে ফিল্মি কায়দায় অপহরণ! ৭৮ লক্ষ টাকার রহস্যে চাঞ্চল্য

সল্টলেক সেক্টর ফাইভের অফিসপাড়ায় ভর সন্ধেবেলায় দুঃসাহসিক অপহরণের ঘটনা ঘটল। অপহৃত যুবকের নাম অঙ্কন সাহা। পুলিশ সূত্রে খবর, ৭৮ লক্ষ টাকার লেনদেনকে কেন্দ্র করেই তাঁকে অপহরণ করা হয়েছিল।ঘটনাটি ঘটেছে আরডিবি ভবনের সামনে। মঙ্গলবার বিকেল প্রায় পাঁচটা নাগাদ একটি সাদা স্করপিও গাড়িতে করে কয়েকজন এসে অঙ্কনকে জোর করে তুলে নিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে হইচই পড়ে যায়। খবর পেয়ে ইলেকট্রনিক কমপ্লেক্স থানার পুলিশ সেখানে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে।পুলিশ প্রথমে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে। সেই ফুটেজ থেকেই সাদা স্করপিও গাড়ির নম্বর শনাক্ত করা হয়। এরপর গাড়ির মালিকের খোঁজ শুরু করেন তদন্তকারীরা। মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে ড্রাইভারের ফোন নম্বর পাওয়া যায়।পরে পুলিশ ফোন ট্র্যাক করে জানতে পারে, গাড়িটি বড়জাগুলিয়া এলাকায় জাতীয় সড়ক ১২-র কাছে রয়েছে। হরিণঘাটা থানার সহযোগিতায় সেখানে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে গাড়িটি আটক করা হয় এবং তার ভিতর থেকে অঙ্কন সাহাকে উদ্ধার করা হয়।পুলিশ পাঁচজনকে আটক করেছে। জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে, অঙ্কন সাহার কাছে অভিযুক্তদের ৭৮ লক্ষ টাকা পাওনা ছিল বলে দাবি। সেই টাকা আদায় করতেই তাঁকে মারধর করে সেক্টর ফাইভ থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।ঘটনার তদন্ত চলছে। পুলিশ খতিয়ে দেখছে, এই অপহরণের পেছনে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না।

জুলাই ২১, ২০২৬
রাজ্য

'২০২১ সাল থেকে জোর করে বাড়ি দখলের' অভিযোগ, রাজ্যপালের কাছে নালিশ বৃদ্ধ দম্পতির; আদালতের নির্দেশ কার্যকর না হওয়ার অভিযোগও

নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জ থানার মাজদিয়া এলাকায় একটি বাড়ি দখলকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের বিবাদের জেরে রাজ্যপাল আর এন রবির কাছে লিখিত অভিযোগ জানালেন এক বৃদ্ধ বাসিন্দা। অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়েছে, ২০২১ সাল থেকে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ও স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি জোর করে তাঁদের পৈতৃক বাড়ি দখল করে রেখেছেন এবং এখনও তাঁরা নিজেদের বাড়িতে ফিরতে পারছেন না।অভিযোগকারী দেবব্রত রায় জানিয়েছেন, তাঁর ৯৪ বছর বয়সি বাবা অজিত রায়ের মালিকানাধীন বাড়ি দখল করে তাঁদের সেখান থেকে জোরপূর্বক বের করে দেওয়া হয়। অভিযোগ, বাধা দিতে গেলে পরিবারের সদস্যদের মারধর, হুমকি এবং ভয় দেখানো হয়। এ ঘটনায় কৃষ্ণগঞ্জ থানায় একাধিকবার অভিযোগ দায়ের করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও দাবি করা হয়েছে।অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বাড়ি দখলকে কেন্দ্র করে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। সংশ্লিষ্ট মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট এবং দেওয়ানি আদালতের বিভিন্ন নির্দেশের উল্লেখ করে অভিযোগকারী দাবি করেছেন, আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও বাস্তবে তার যথাযথ বাস্তবায়ন হয়নি।সংযুক্ত আদালতের নথি অনুযায়ী, WPA 11137 of 2024 (Ajit Roy Others vs The State of West Bengal Others) মামলায় আদালত পর্যবেক্ষণ করে যে, অ্যাডভোকেট কমিশনার বাড়িটি সম্পূর্ণভাবে পরিদর্শন করতে পারেননি, কারণ সেটি ভেতর থেকে তালাবদ্ধ ছিল। আদালত আরও উল্লেখ করে, যদি আদালতের নির্দেশ লঙ্ঘন করে তালা লাগানো হয়ে থাকে, তবে পুলিশ প্রয়োজনে সেই তালা ভেঙে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পারে।অন্য একটি আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, দেওয়ানি আদালতের নির্দেশ কার্যকর করার দায়িত্ব পুলিশের থাকলেও, কোনো পক্ষ আদালতের অনুমতি ছাড়া সম্পত্তিতে তালা লাগিয়ে অপর পক্ষকে বঞ্চিত করতে পারে না। আদালত আরও জানিয়েছে, আদালতের নির্দেশ লঙ্ঘনের ঘটনা সামনে এলে পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।অভিযোগকারীর দাবি, আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও এখনও তাঁরা বাড়ির দখল ফিরে পাননি। বরং বাড়ির আসবাবপত্র ও অন্যান্য সামগ্রী নষ্ট বা বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে তাঁদের বাড়ির দখল ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়েছে।অভিযোগপত্রে কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে তাঁদের বিরুদ্ধে বাড়ি দখল ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ আনা হয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধেও পরোক্ষভাবে প্রভাব খাটানোর অভিযোগ করা হয়েছে।তবে এই সমস্ত অভিযোগ একতরফা। অভিযুক্ত ব্যক্তি বা সংস্থার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও সরকারিভাবে কোনও মতামত দেওয়া হয়নি।

জুলাই ১৮, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 88
  • 89
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

কোটি কোটি টাকা থেকে বিলাসবহুল গাড়ি! টুলুর সম্পদের খতিয়ান প্রকাশ্যে

বীরভূমের পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের বিপুল সম্পত্তি নিয়ে বড় দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, টুলুর নামে থাকা একাধিক সম্পত্তি, ব্যাঙ্কের অর্থ এবং দামি সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে এই মামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, টুলু মণ্ডলের বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে থাকা প্রায় তিরানব্বই কোটি টাকা ফ্রিজ করা হয়েছে। এছাড়া তিপ্পান্ন লক্ষ টাকা নগদ, দুইশো আটষট্টি গ্রাম সোনা, চারশো গ্রাম রুপো এবং তেষট্টি গ্রাম প্ল্যাটিনাম উদ্ধার হয়েছে। তদন্তকারীরা তিনটি টাকা গোনার মেশিন, একটি কম্পিউটার, দুটি পেনড্রাইভ, তিরাশিটি ট্রাক ও ডাম্পার এবং বিএমডব্লিউ ও অডি-সহ মোট দুইশো বিয়াল্লিশটি গাড়িও বাজেয়াপ্ত করেছেন বলে দাবি করেন তিনি।এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, টুলুর নামে মোট একুশটি সম্পত্তির খোঁজ মিলেছে। তার মধ্যে রয়েছে সাতটি বাড়ি, একটি ফার্মহাউস, দুটি পেট্রল পাম্প, একটি পার্কিং এলাকা, দুটি স্টোন ক্রাশার এবং প্রায় তিনশো বিঘা জমি। এই সম্পত্তিগুলিও বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া চলছে বলে তিনি জানান।এই দুর্নীতির ঘটনায় জড়িতদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলেও স্পষ্ট বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, এত বড় সম্পদের সাম্রাজ্য অল্প সময়ে তৈরি হওয়া সম্ভব নয় এবং গোটা বিষয়টির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা হবে। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে প্রশাসনের উচ্চস্তরের সহযোগিতা ছাড়া এমন কর্মকাণ্ড সম্ভব নয়।টুলু মণ্ডল এখনও পলাতক। মুখ্যমন্ত্রীর অনুমান, চলতি বছরের মে মাসের পর তিনি বিদেশে পালিয়ে গিয়েছেন। তবে তদন্তকারী সংস্থা তাঁকে খুঁজে বের করতে সক্ষম হবে বলেই আশা প্রকাশ করেন তিনি।

জুলাই ৩১, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতার বুকেই তৈরি হয়েছিল জইশের স্লিপার সেল! ধৃত হামিদের থেকে কী কী তথ্য মিলল

ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বর্ধমানে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, কাশ্মীরের সাজ্জাদ ভাট গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে হামিদ মণ্ডল নামে এক সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। খাগড়াগড় বিস্ফোরণের বহু বছর পর একই এলাকার কাছাকাছি থেকে এই গ্রেপ্তারিকে ঘিরে নিরাপত্তা মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, কীভাবে তিনি বাংলায় যোগাযোগের নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছিলেন এবং তাঁর সঙ্গে আর কারা যুক্ত ছিলেন।তদন্তে জানা গিয়েছে, হামিদ মণ্ডলের বাড়ি হাওড়ার পিলখানায়। তিনি আগে একটি গেঞ্জি কারখানায় দর্জির কাজ করতেন। পরে নিউটাউনে ভাড়া বাড়িতে ওঠেন। এরপর কিছুদিন আগে বর্ধমানের একটি আবাসনে পরিবার নিয়ে থাকতে শুরু করেন। প্রতিবেশীদের কাছে তিনি নিজেকে ব্যবসায়ী বলে পরিচয় দিয়েছিলেন। কেন তিনি বর্ধমানে এসে বসবাস শুরু করেছিলেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনও তথ্য কাউকে দেননি বলে স্থানীয়দের দাবি।বৃহস্পতিবার তাঁকে গ্রেপ্তার করে রাজ্য পুলিশের বিশেষ বাহিনী। তাঁর কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, তিনি পূর্ব ভারতে সংগঠনের কার্যকলাপ বাড়ানোর কাজে যুক্ত ছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি তাঁর যোগাযোগ, আর্থিক লেনদেন এবং সম্ভাব্য নেটওয়ার্ক সম্পর্কেও বিস্তারিত তদন্ত চলছে। এই মামলায় এখনও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং তদন্তকারী সংস্থা আরও তথ্য সংগ্রহ করছে।

জুলাই ৩১, ২০২৬
দেশ

আত্মসমর্পণের পরও গুলি? ভাইরাল ভিডিওর জেরে গ্রেপ্তার পুলিশ,

এনকাউন্টারকে ঘিরে নতুন বিতর্কে উত্তাল বিহার। ভোজপুর জেলার একটি এনকাউন্টার মামলায় এক পুলিশকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও সামনে আসার পর তদন্তে নতুন মোড় আসে। সেই ঘটনার ভিত্তিতেই প্রশাসন কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে।ঘটনাটি গত ১৭ জুন ভোজপুর জেলার শাহপুর থানা এলাকার বিলাউটি গ্রামে ঘটে। ওই ঘটনায় ভরত ভূষণ তিওয়ারি নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। পরিবারের অভিযোগ, অভিযানে জড়িত কয়েকজন পুলিশ আধিকারিক এবং এক বিশেষ বাহিনীর সদস্য বেআইনিভাবে গুলি চালিয়েছিলেন। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের হয়।তদন্ত চলাকালীন একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেই ভিডিওতে দেখা যায়, ভরত ভূষণ তিওয়ারি পুলিশের দিকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র ছুড়ে দিচ্ছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর প্রশ্ন ওঠে, তিনি আত্মসমর্পণের চেষ্টা করেছিলেন কি না। যদিও বিষয়টি এখনও তদন্তাধীন এবং আদালতে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হয়নি।ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর রাজ্যজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়। ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেয় প্রশাসন। প্রথমে চার পুলিশকর্মীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরে বিশেষ বাহিনীর এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরও কয়েকজনের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে।

জুলাই ৩১, ২০২৬
রাজ্য

বর্ধমানে ধৃত সন্দেহভাজন জঙ্গি, তদন্তে উঠে আসছে একের পর এক বিস্ফোরক দাবি

বর্ধমানের একটি আবাসন থেকে হামিদ মন্ডল নামে এক সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করেছে বেঙ্গল এসটিএফ এবং বর্ধমান পুলিশ। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ধৃত ব্যক্তি পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে। তার কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া বিভিন্ন নথি, ডিজিটাল তথ্য এবং যোগাযোগের সূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে এখনও অনেক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।তদন্তকারী সূত্রে দাবি, ধৃত ব্যক্তির কাছে মুখ্যমন্ত্রীর সফরসূচি, নিরাপত্তা এবং ভিআইপি চলাচল সংক্রান্ত কিছু তথ্য মিলেছে। এই তথ্য কী উদ্দেশ্যে সংগ্রহ করা হয়েছিল এবং এর সঙ্গে কোনও হামলার পরিকল্পনার যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে চূড়ান্ত কোনও সরকারি বক্তব্য প্রকাশ করা হয়নি।গোয়েন্দাদের দাবি, ধৃত হামিদ পূর্ব ভারতে সংগঠনের নেটওয়ার্ক বিস্তারের কাজে যুক্ত থাকতে পারে। নতুন সদস্য সংগ্রহ, যোগাযোগ রক্ষা এবং সংগঠনের কার্যকলাপ বাড়ানোর ক্ষেত্রে তার ভূমিকা ছিল কি না, তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।এদিকে অসমেও একই নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত সন্দেহে কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি। সেখান থেকে মোবাইল ফোন, সিম কার্ড, পরিচয়পত্র, ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত নথি এবং অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে। এই ঘটনাগুলির মধ্যে কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা নিয়েও বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থা তথ্য যাচাই করছে।তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই নেটওয়ার্ক অনলাইনের মাধ্যমে সদস্য সংগ্রহ, উগ্রবাদে প্রভাবিত করা, গোপন তথ্য সংগ্রহ, লজিস্টিক সহায়তা এবং স্লিপার সেল তৈরির মতো কার্যকলাপে জড়িত থাকতে পারে। পাশাপাশি এনক্রিপ্টেড যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে বিদেশি হ্যান্ডলারের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।পুলিশ ও গোয়েন্দাদের মতে, ধৃতের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া তথ্য এবং ডিজিটাল নথির ফরেনসিক পরীক্ষা চলছে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই পরবর্তী তদন্তের দিশা নির্ধারণ করা হবে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই মামলার সব দিকই খোলা রাখা হয়েছে।

জুলাই ৩১, ২০২৬
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করার ছক? বর্ধমানে ধৃত সন্দেহভাজনের কাছ থেকে মিলল চাঞ্চল্যকর নথি, তদন্তে বড় দাবি

বর্ধমানের একটি আবাসন থেকে সন্দেহভাজন জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি হামিদ মন্ডলকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে তদন্তকারী সংস্থার দাবি। তদন্তে জানা গিয়েছে, বেশ কয়েক বছর ধরে সে পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করছিল। ধৃতের কাছ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর সফরসূচি, নিরাপত্তা সংক্রান্ত কিছু নথি এবং ভিআইপি চলাচল সম্পর্কিত তথ্য উদ্ধার হয়েছে বলে তদন্তকারী সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এই তথ্য সামনে আসার পর মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তবে এই নথিগুলি কী উদ্দেশ্যে সংগ্রহ করা হয়েছিল, তা এখনও নিশ্চিতভাবে জানায়নি তদন্তকারী সংস্থা।গোয়েন্দাদের দাবি, ধৃতের কাছ থেকে এমন কিছু নথি ও তথ্য মিলেছে, যা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীরা এখনই সেই বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে চাননি। উদ্ধার হওয়া তথ্যের সঙ্গে কোনও হামলার পরিকল্পনার যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারী সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ধৃত ব্যক্তি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের চলাচল, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, গাড়ির রুট এবং অন্যান্য সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করেছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এই তথ্য কীভাবে তার হাতে এল, তা নিয়েও তদন্ত চলছে।পুলিশ সূত্রে দাবি, শুক্রবার সকালে বর্ধমানের রেনেসাঁ হাউসিংয়ে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তে জানা গিয়েছে, সে আগে হাওড়ার পিলখানা এলাকায় থাকত এবং একটি গেঞ্জির কারখানায় কাজ করত। কয়েক মাস আগে সে বর্ধমানে ভাড়া বাড়িতে ওঠে। গোয়েন্দাদের দাবি, তার বিদেশি জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, ধৃত ব্যক্তি স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে ওই আবাসনে ভাড়া থাকতেন। তাঁকে খুব একটা বাইরে দেখা যেত না। তবে পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়মিত যাতায়াত ছিল।এই ঘটনায় বিজেপি বিধায়ক তথা প্রাক্তন এনএসজি কমান্ডার দীপাঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, সরকার পরিবর্তনের পর রাজ্য পুলিশের কাজের ধরনে পরিবর্তন এসেছে। তাঁর দাবি, জঙ্গি সংগঠনের স্থানীয় সমর্থন ভাঙতে আরও কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন। তবে এই বিষয়ে তদন্ত এখনও চলছে এবং সরকারি তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।বর্ধমানের একটি আবাসন থেকে সন্দেহভাজন জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি হামিদ মন্ডলকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে তদন্তকারী সংস্থার দাবি। তদন্তে জানা গিয়েছে, বেশ কয়েক বছর ধরে সে পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করছিল। ধৃতের কাছ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর সফরসূচি, নিরাপত্তা সংক্রান্ত কিছু নথি এবং ভিআইপি চলাচল সম্পর্কিত তথ্য উদ্ধার হয়েছে বলে তদন্তকারী সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এই তথ্য সামনে আসার পর মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তবে এই নথিগুলি কী উদ্দেশ্যে সংগ্রহ করা হয়েছিল, তা এখনও নিশ্চিতভাবে জানায়নি তদন্তকারী সংস্থা।গোয়েন্দাদের দাবি, ধৃতের কাছ থেকে এমন কিছু নথি ও তথ্য মিলেছে, যা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীরা এখনই সেই বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে চাননি। উদ্ধার হওয়া তথ্যের সঙ্গে কোনও হামলার পরিকল্পনার যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারী সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ধৃত ব্যক্তি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের চলাচল, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, গাড়ির রুট এবং অন্যান্য সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করেছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এই তথ্য কীভাবে তার হাতে এল, তা নিয়েও তদন্ত চলছে।পুলিশ সূত্রে দাবি, শুক্রবার সকালে বর্ধমানের রেনেসাঁ হাউসিংয়ে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তে জানা গিয়েছে, সে আগে হাওড়ার পিলখানা এলাকায় থাকত এবং একটি গেঞ্জির কারখানায় কাজ করত। কয়েক মাস আগে সে বর্ধমানে ভাড়া বাড়িতে ওঠে। গোয়েন্দাদের দাবি, তার বিদেশি জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, ধৃত ব্যক্তি স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে ওই আবাসনে ভাড়া থাকতেন। তাঁকে খুব একটা বাইরে দেখা যেত না। তবে পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়মিত যাতায়াত ছিল।এই ঘটনায় বিজেপি বিধায়ক তথা প্রাক্তন এনএসজি কমান্ডার দীপাঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, সরকার পরিবর্তনের পর রাজ্য পুলিশের কাজের ধরনে পরিবর্তন এসেছে। তাঁর দাবি, জঙ্গি সংগঠনের স্থানীয় সমর্থন ভাঙতে আরও কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন। তবে এই বিষয়ে তদন্ত এখনও চলছে এবং সরকারি তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জুলাই ৩১, ২০২৬
কলকাতা

প্রায় দু’দশক পর কলকাতায় তসলিমা! বিমানবন্দরে নেমেই যা বললেন, তাতেই শুরু জোর চর্চা

শুক্রবার প্রায় দুই দশক পর কলকাতায় ফিরলেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক তসলিমা নাসরিন। দুপুরে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছতেই তাঁকে শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনির মাধ্যমে স্বাগত জানানো হয়। দীর্ঘদিন পর এই শহরে ফিরে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি। হাসিমুখে শুধু বলেন, খুবই ভালো লাগছে।কলকাতায় পৌঁছানোর কয়েক ঘণ্টা আগে সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করেছিলেন তসলিমা। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, আজি এ প্রভাতে কলিকাতা অভিমুখে যাত্রা করিলাম। সেই পোস্টের পর থেকেই তাঁর কলকাতায় ফেরাকে ঘিরে কৌতূহল বাড়তে থাকে।বিমানবন্দরে পৌঁছে অভ্যর্থনা গ্রহণের সময় তাঁর মুখে ছিল আনন্দের হাসি। দীর্ঘদিন পর কলকাতায় ফিরে তিনি যে আবেগাপ্লুত, তা স্পষ্ট ধরা পড়ে। শনিবার মৌলবাদ বিরোধী কবি ও সাহিত্যিকদের এক অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। সেই অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিত থাকার সম্ভাবনাও রয়েছে।উল্লেখ্য, দুই হাজার সাত সালে তাঁর একটি বই প্রকাশকে কেন্দ্র করে কলকাতায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠার পর তাঁকে কলকাতা ছাড়তে হয়। এরপর দীর্ঘ সময় তিনি এই শহরে ফেরেননি।দীর্ঘ বিরতির পর তসলিমা নাসরিনের কলকাতায় প্রত্যাবর্তন ঘিরে সাহিত্য ও রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তাঁর এই সফরকে ঘিরে আগ্রহও তুঙ্গে পৌঁছেছে।

জুলাই ৩১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ফিফায় বড় বিদ্রোহ! ইনফান্তিনোর প্রস্তাব মানতে নারাজ আরও এক মহাদেশ, বিশ্বকাপ ঘিরে তীব্র জল্পনা

বিশ্বকাপ এবং ফিফার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। উয়েফার আপত্তির পর এবার উত্তর ও মধ্য আমেরিকা এবং ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের ফুটবল সংস্থা কনকাকাফও ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে। এর ফলে ফিফার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বড় ধাক্কার মুখে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ফুটবল মহলের একাংশের আশঙ্কা, এই বিরোধ আরও বাড়লে ভবিষ্যতে বিশ্বকাপের অংশগ্রহণ নিয়েও জটিলতা তৈরি হতে পারে। যদিও এখনও কোনও দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বকাপ বয়কটের ঘোষণা করেনি।জানা গিয়েছে, ইনফান্তিনো ফিফার বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি নতুন সংস্থা গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন। সেই পরিকল্পনায় ভবিষ্যতে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণের সুযোগ রাখা হয়েছে। ফিফার দাবি, এই উদ্যোগ সফল হলে সদস্য দেশগুলি উল্লেখযোগ্য আর্থিক সুবিধা পাবে। তবে সমালোচকদের অভিযোগ, এর ফলে বিশ্বকাপের সম্প্রচার, স্পনসরশিপ এবং বিভিন্ন বাণিজ্যিক সিদ্ধান্তে বেসরকারি সংস্থার প্রভাব বাড়তে পারে।এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করে উয়েফা জানিয়েছে, ফুটবল কোনও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয় এবং এই খেলার নিয়ন্ত্রণ বেসরকারি স্বার্থের হাতে তুলে দেওয়া উচিত নয়। একই সুরে কনকাকাফও জানিয়েছে, প্রস্তাবটি নিয়ে আরও স্বচ্ছ আলোচনা এবং নিয়ম মেনে সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।এশিয়ার ফুটবল মহল থেকেও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এশিয়ান ফুটবল সংস্থার সভাপতি শেখ সলমন বিন ইব্রাহিম আল খলিফা জানিয়েছেন, সব মহাদেশের সম্মতি ছাড়া এমন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা কঠিন হবে।ফলে ফিফার এই প্রস্তাব ঘিরে আন্তর্জাতিক ফুটবলে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আগামী দিনে সদস্য দেশগুলির অবস্থান কী হয় এবং ভোটাভুটিতে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে গোটা ফুটবল বিশ্বের।

জুলাই ৩১, ২০২৬
কলকাতা

একুশে জুলাই নিয়ে বড় ধাক্কা! আদালতে রাজ্যের রিপোর্ট দেখে ক্ষুব্ধ বিচারপতি, কড়া সতর্কবার্তা

একুশে জুলাইয়ের সমাবেশ নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে জমা পড়া রাজ্যের রিপোর্ট ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। রিপোর্ট দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে আদালত। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য স্পষ্ট জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে আদালতের নির্দেশ অমান্য করা হলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।শুক্রবার সমাবেশ সংক্রান্ত মামলায় রাজ্য আদালতে রিপোর্ট জমা দেয়। শুনানির সময় বিচারপতি জানতে চান, সমাবেশে কোনও অশান্তির ঘটনা ঘটেছিল কি না। কালীঘাট তৃণমূলের পক্ষের আইনজীবী জানান, গোটা কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয়েছে এবং কোনও অশান্তি ঘটেনি।তবে রাজ্যের তরফে আদালতে জানানো হয়, সমাবেশে পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হলেও আদালত যে সংখ্যার সীমা বেঁধে দিয়েছিল, তা মানা হয়নি। অভিযোগ, নির্ধারিত সংখ্যার বেশি মানুষ জমায়েত হওয়ায় ক্যাথিড্রাল রোডের দুই দিকই কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটি রাস্তা খোলা রাখার কথা থাকলেও বাস্তবে তা সম্ভব হয়নি বলেই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।রাজ্যের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশ অমান্য করার ঘটনা ভবিষ্যতে কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। প্রয়োজনে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আদালতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।উল্লেখ্য, অতীতেও একুশে জুলাইয়ের সমাবেশকে ঘিরে আদালতের নির্দেশ পালন নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। এবারও সমাবেশের আয়োজন নিয়ে আদালতে রিপোর্ট জমা পড়ার পর নতুন করে সেই বিতর্ক সামনে এল। আদালতের পর্যবেক্ষণের পর বিষয়টি রাজনৈতিক মহলেও যথেষ্ট গুরুত্ব পেয়েছে।

জুলাই ৩১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal