• ১৯ মাঘ ১৪৩২, শুক্রবার ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Doctor

রাজ্য

বর্ধমানে চেম্বারের মধ্যেই হাতুড়ে ডাক্তারকে কুপিয়ে খুন, থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ অভিযুক্তের

বর্ধমান শহরে নৃশংস খুনের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল। শহরের বাদামতলা এলাকায় নিজের চেম্বারের মধ্যেই এক হাতুড়ে ডাক্তারকে কাটারি দিয়ে কুপিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর অভিযুক্ত নিজেই থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করায় এলাকায় আতঙ্ক আরও বেড়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহতের নাম রাজা ভৌমিক (৪৫)। তিনি বর্ধমান শহরের বাবুরবাগ এলাকার বাসিন্দা এবং গত দুবছর ধরে বাদামতলা এলাকায় একটি চেম্বার চালিয়ে চিকিৎসা করতেন। এই ঘটনায় শক্তিগড়ের আমড়া গ্রামের বাসিন্দা জীবন রুইদাস নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, মঙ্গলবার সকাল প্রায় ১০টা নাগাদ প্রতিদিনের মতোই চেম্বার খোলেন রাজা ভৌমিক। কিছুক্ষণ পরেই চেম্বারে ঢোকে জীবন রুইদাস। অভিযোগ, তার সঙ্গে থাকা ব্যাগের মধ্যেই ছিল একটি ধারালো কাটারি। চেম্বারের ভেতরে ঢুকেই আচমকা রাজা ভৌমিকের উপর হামলা চালায় অভিযুক্ত। মাথায় একের পর এক কোপ মারলে ঘটনাস্থলেই রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েন রাজা ভৌমিক।এই নৃশংস কাণ্ড ঘটানোর পর অভিযুক্ত সরাসরি বর্ধমান থানায় গিয়ে হাজির হয় এবং পুলিশের কাছে খুনের কথা স্বীকার করে। এরপর পুলিশ তাকে সঙ্গে নিয়ে বাদামতলার চেম্বারে যায়। সেখান থেকে রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে চিকিৎসকরা রাজা ভৌমিককে মৃত বলে ঘোষণা করেন।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, অভিযুক্তের ঠাকুমা প্রায় এক মাস আগে মারা যান। অভিযুক্তের দাবি, রাজা ভৌমিকের চিকিৎসার কারণেই তাঁর ঠাকুমার মৃত্যু হয়েছে। সেই ক্ষোভ থেকেই পরিকল্পনা করে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান।জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অর্ক ব্যানার্জী জানান, অভিযুক্তকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। খুনের কারণ, পূর্বপরিকল্পনা এবং অভিযুক্তের মানসিক অবস্থা, সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাদামতলা এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে। খুনের ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে বর্ধমান থানার পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২৬
দেশ

জেলেই হামলা জঙ্গি-ডাক্তারের উপর! রাইসিন মিশিয়ে গণহত্যার চক্রান্ত—অবশেষে প্রতিশোধ নিল বন্দিরা?

মানুষকে বাঁচানোর শপথ নিয়েই ডাক্তার হন কেউ। কিন্তু আহমেদ মহিউদ্দিন সৈয়দের ক্ষেত্রে ঘটেছে ঠিক উল্টো। বহু বছর পড়াশোনা করে চিকিৎসকের ডিগ্রি পেলেও তাঁর পথ ঘুরে যায় ভয়ংকর সন্ত্রাসের দিকে। দিল্লিতে বিস্ফোরণের অভিযোগ, নিরপরাধ মানুষের প্রাণ কাড়া, এমনকি জনসাধারণের পানীয় জলে মারাত্মক রাসায়নিক রাইসিন মিশিয়ে গণহত্যার পরিকল্পনাসব মিলিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় ফেলে দেয় এই ডাক্তার-জঙ্গির কাহিনি।গুজরাট পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে এবং পরে আদালতের নির্দেশে সাবরমতি সেন্ট্রাল জেলে রাখা হয়। কিন্তু জেলে ঢোকার কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটে বিপত্তি। মঙ্গলবার সকালে আচমকাই তিন বন্দিএকজন খুনের অভিযুক্ত ও দুজন পকসো মামলার ধৃতহামলা চালায় ওই জঙ্গির ওপর। জেল সূত্রের দাবি, সৈয়দের বিরুদ্ধে থাকা ভারতবাসীকে মেরে ফেলার চক্রান্ত-এর কারণেই নাকি ওই তিন বন্দির ক্ষোভ চরমে ওঠে। মুহূর্তে মাটিতে ফেলে নির্মমভাবে মারতে থাকে তারা।চিৎকার শুনে জেল রক্ষীরা ছুটে এসে প্রাণে বাঁচান মহিউদ্দিনকে। গুরুতর আঘাত লাগে মাথায় ও চোখের নীচে। তাড়াতাড়ি তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। চিকিৎসার পর ফের তাঁকে জেলে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। বর্তমানে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার জেরে রায়পুর থানায় তিন বন্দির বিরুদ্ধে FIR দায়ের হয়েছে। তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জেল কর্তৃপক্ষের কার্যকলাপ নিয়েওকীভাবে এত বড় হামলা জেলের উচ্চ নিরাপত্তা এলাকা ভেদ করে ঘটল, সে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।উল্লেখ্য, তদন্তকারীদের অভিযোগ, মহিউদ্দিন রেড়ি গাছ থেকে রাইসিন সংগ্রহ করছিল এবং দিল্লির আজাদপুর ফলের বাজার থেকে আহমেদাবাদ পর্যন্ত বিভিন্ন বাজারে রেকি করেছিল। পরিকল্পনা ছিল এক ভয়াবহ রাসায়নিক হামলা চালানোর। কিন্তু গুজরাট ATS-এর তৎপরতায় পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। গ্রেপ্তার হয় তিন জঙ্গি, যার মধ্যে সবচেয়ে বিপজ্জনক বলে চিহ্নিত এই ডাক্তার-জঙ্গি।সব মিলিয়ে দেশের নিরাপত্তা কাঠামো ও জেল ব্যবস্থাকে ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

নভেম্বর ১৯, ২০২৫
দেশ

লালকেল্লা বিস্ফোরণের ‘মাস্টারমাইন্ড’ চিকিৎসক আফগানিস্তানে? ইন্টারপোলের পাহারা বাড়াল ভারত

দিল্লির লালকেল্লা বিস্ফোরণ-কাণ্ডে নয়া মোড়। তদন্তে সামনে এসেছে দক্ষিণ কাশ্মীরের এক চিকিৎসকের নামমুজাফ্ফর রাঠার। তিনি এই মামলার অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের পর থেকেই পলাতক মুজাফ্ফর পাকিস্তান পেরিয়ে আফগানিস্তানে আশ্রয় নিয়ে থাকতে পারে। তাকে ধরতেই এবার ইন্টারপোলের দোরগোড়ায় পৌঁছেছে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ। লক্ষ্যরেড কর্নার নোটিস জারি।মুজাফ্ফর রাঠার হলেন আরও এক অভিযুক্ত চিকিৎসক আদিল আহমেদ রাঠারের ভাই। জানা গিয়েছে, দুজনেই দক্ষিণ কাশ্মীরের কাজিগান্দ এলাকার বাসিন্দা। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখেছেন, ফরিদাবাদের আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গেও যোগাযোগ ছিল মুজাফ্ফরের। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে উঠে আসে তার নাম। পাশাপাশি সামনে এসেছে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য২০২১ সালে উমর নবি এবং মুজাম্মিলের সঙ্গে তুরস্কে গিয়েছিলেন মুজাফ্ফর। সেখানে গিয়েই তিনজনের প্রশিক্ষণ নেওয়ার খবর মিলেছে তদন্তে।তদন্ত অনুযায়ী, গত আগস্ট মাস থেকেই দেশছাড়া মুজাফ্ফর। সেই থেকেই তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। নাম ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই জম্মুকাশ্মীর পুলিশ রেড কর্নার নোটিসের জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শুরু করেছে। তদন্তকারী দলের এক সদস্য জানিয়েছেন, বর্তমানে এই তদন্তের দায়িত্ব রয়েছে এসআইএ-র হাতে। তাই রাজ্য পুলিশ সরাসরি ইন্টারপোলের কাছে যেতে পারে না। কেন্দ্রীয় সংস্থার মারফতই রেড কর্নার নোটিসের আবেদন পাঠানো হবে।এর মধ্যেই লালকেল্লা বিস্ফোরণ-কাণ্ড আরও চাপ বাড়িয়েছে তদন্তকারীদের উপর। কয়েকদিন আগেই ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে ঐতিহাসিক লালকেল্লা চত্বর। মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১৩ জনের। ঘটনার পর থেকেই একাধিক রাজ্যে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার হয়েছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বেশ কিছু চিকিৎসক। শুক্রবার বাংলা থেকেও এক সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করেছে এনআইএ।বিস্ফোরণের তদন্তে উঠে আসা চার চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে জাতীয় মেডিক্যাল কমিশন। লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে আদিল আহমেদ রাঠার, মুজাফ্ফর আহমেদ, মুজাম্মিল শাকিল এবং শাহিন সইদের। ফলে তাঁরা আর ভারতে কোনও হাসপাতাল অথবা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা পেশা চালাতে পারবেন না। তদন্তকারীরা মনে করছেন, এই বিস্ফোরণ-কাণ্ডের নেপথ্যে সংগঠিত নেটওয়ার্ক ছিল, যার আঁতুড়ঘর কাশ্মীর থেকে বিদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত।

নভেম্বর ১৫, ২০২৫
দেশ

আত্মঘাতী হামলার ছক কষেছিলেন উমর! পুলিশের হাতে জোরালো প্রমাণ

দিল্লির বুক কাঁপিয়ে দিয়েছে ভয়াবহ বিস্ফোরণ। লালকেল্লার কাছেই বিস্ফোরণে ইতিমধ্যেই প্রাণ গিয়েছে নয় জনের। ঘটনার পরই উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-র সূত্রে জানা গিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে সীমান্ত পেরনোর সময় সন্দেহভাজন গাড়িটির ভিতরে এক ব্যক্তির হাত ও অস্পষ্ট মুখ। তদন্তকারীদের মতে, সেই ব্যক্তিই সম্ভবত পুলওয়ামার চিকিৎসক মহম্মদ উমর যিনি ফরিদাবাদের বিস্ফোরণ চক্রের মূল হোতা হিসেবে পরিচিত।তদন্তে প্রকাশ, ফরিদাবাদের ঘটনায় সহযোগী চিকিৎসক মুজাম্মিল শাকিলের গ্রেফতারির পর থেকেই উমর ছিলেন আতঙ্কে। সেই থেকেই নাকি আত্মঘাতী হামলার ছক কষতে শুরু করেন তিনি। উমরই বিস্ফোরক বোঝাই হুন্ডাই আই২০ গাড়িটি চালাচ্ছিলেন বলে আশঙ্কা পুলিশের। ওই গাড়ির মালিক মহম্মদ সলমনকে ইতিমধ্যেই আটক করা হয়েছে। তাঁর দাবি, দেড় বছর আগেই গাড়িটি বিক্রি করে দেন তিনি। তারপর আরও দুইবার হাতবদল হয়ে গাড়িটি পৌঁছয় পুলওয়ামার তারিক নামে এক ব্যক্তির কাছে। তাকেও হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।তদন্তকারীদের বক্তব্য, দিল্লির বিস্ফোরণ ও ফরিদাবাদের বিস্ফোরক উদ্ধারের মধ্যে অদ্ভুত মিল রয়েছে। দুটি ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা হয়েছে একই মডেলের আইইডি ডিভাইস। সুতরাং এই দুটি ঘটনার মধ্যে যোগসূত্র থাকা একেবারেই উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এখন কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা উমরের ফোন রেকর্ড, ব্যাংক ট্রানজ্যাকশন ও পেশেন্ট ডেটা খতিয়ে দেখছে।সূত্রের দাবি, উমরের মোবাইল থেকে পাকিস্তানের বালাকোটে এক সন্দেহভাজন নম্বরে বারবার যোগাযোগের চিহ্ন মিলেছে। এই মুহূর্তে দিল্লি, কাশ্মীর ও ফরিদাবাদ পুলিশ যৌথভাবে তদন্ত চালাচ্ছে। বিস্ফোরণ পরবর্তী এই গোটা রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে প্রতি ঘণ্টা।

নভেম্বর ১১, ২০২৫
দেশ

কাশ্মীরি চিকিৎসকের বাড়ি থেকে মিলল ৩৫০ কেজি বিস্ফোরক! দেশ জুড়ে নাশকতার ছক

দেশজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিল এক চাঞ্চল্যকর উদ্ধার। রাজধানী দিল্লির অদূর, হরিয়ানার ফরিদাবাদে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের বিশেষ অভিযানে মিলল বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক প্রায় ৩৫০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট, সঙ্গে উদ্ধার হয়েছে একটি একে-৪৭ রাইফেল ও একাধিক অস্ত্রশস্ত্র। গোয়েন্দাদের ধারণা, বছর শেষের আগেই দেশজুড়ে বড়সড় নাশকতার ছক কষেছিল জঙ্গিগোষ্ঠী জইস-ই-মহম্মদ।এই বিস্ফোরক উদ্ধারের সূত্র মেলে এক কাশ্মীরি চিকিৎসক ডঃ আদিল আহমেদ রাঠের-এর গ্রেফতার থেকে। দিন কয়েক আগে উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুর থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। অভিযোগ ছিল তিনি জইস-ই-মহম্মদের সমর্থনে পোস্টার লাগাচ্ছিলেন। জিজ্ঞাসাবাদের সময় ওই চিকিৎসক জানায়, আরেক চিকিৎসক মুজাহিল শাকিল-এর কাছে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক ও অস্ত্রশস্ত্র মজুত আছে। সেই সূত্রেই ফরিদাবাদে অভিযান চালিয়ে এই ভয়াবহ বিস্ফোরক উদ্ধার করে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ।জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের তদন্তে আরও বেরিয়ে এসেছে অবাক করা তথ্য কিছুদিন আগেই অনন্তনাগ মেডিক্যাল কলেজের লকার থেকে উদ্ধার হয়েছিল একে-৪৭ সহ আরও কিছু অস্ত্র। এরপরই গোয়েন্দারা বুঝতে পারেন, জঙ্গি সংগঠন এবার উচ্চশিক্ষিত পেশাজীবীদের মাধ্যমে নাশকতা চালানোর পরিকল্পনা করছে।এই ঘটনায় ধৃত আদিল আহমেদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইন ও বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনে (UAPA) মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্তকারীদের মতে, এ এক ভয়ঙ্কর প্রবণতা যেখানে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ারের মতো শিক্ষিত পেশাজীবীরাও জঙ্গিদের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে।এখন প্রশ্ন উঠছে কীভাবে এত বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক ও অস্ত্র দেশের বিভিন্ন প্রান্ত ঘুরে দিল্লির অদূরে পৌঁছে গেল কারও চোখে না পড়ে? কে বা কারা সাহায্য করেছে এই পরিবহনে? গোয়েন্দারা জানাচ্ছেন, এই নেটওয়ার্ক আরও বড় হতে পারে।দেশের নিরাপত্তা সংস্থা এখন সম্পূর্ণ সতর্ক। তদন্ত চলছে, এবং পুলিশ জোর তল্লাশি চালাচ্ছে পলাতক চিকিৎসক মুজাহিল শাকিলের খোঁজে।

নভেম্বর ১০, ২০২৫
দেশ

মৃত্যুর পর প্রেমিকাকে মেসেজ—“তোমার জন্যই খুন করলাম!” বেঙ্গালুরুর চিকিৎসকের কাণ্ডে শিউরে উঠছে গোটা দেশ

বেঙ্গালুরুতে ভয়ঙ্কর এক হত্যাকাণ্ডে বেরিয়ে এল রোমহর্ষক তথ্য। শল্যচিকিৎসক স্বামী নাকি বেশ কয়েক মাস ধরে ধীরে ধীরে অ্যানাস্থেশিয়া দিয়ে খুন করেছেন তাঁর স্ত্রীকে! আর খুন সফল হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রেমিকাকে মেসেজতোমার জন্যই স্ত্রীকে খুন করলাম! শিউরে উঠছে গোটা দেশ। চিকিৎসার নামে মৃত্যু, আর তার নেপথ্যে প্রেম আর ষড়যন্ত্রযেন রুদ্ধশ্বাস ক্রাইম থ্রিলারের বাস্তব রূপ।চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ কৃতিকা রেড্ডি ২১ এপ্রিল আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন বাড়িতে। ছুটে হাসপাতালে নিয়ে যান স্বামী, সার্জন ড. মহেন্দ্র রেড্ডি। হাসপাতালে পৌঁছেই চিকিৎসকরা ঘোষণা করেনকৃতিকার মৃত্যু হয়েছে। প্রথমে অস্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে মামলা শুরু হলেও পরে দেহের বিশ্লেষণে মিলল ভয়াবহ তথ্য। কৃতিকার শরীরে পাওয়া গেল উচ্চমাত্রার অ্যানাস্থেটিক ওষুধ। তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, অনেক দিন ধরেই স্ত্রীকে গোপনে অ্যানাস্থেশিয়া দিচ্ছিলেন মহেন্দ্র। তাঁর সার্জারি জ্ঞানের অপব্যবহার করে পরিকল্পিতভাবে স্ত্রীকে শেষ করে দেন তিনি।পুলিশ সূত্রের খবর, মহেন্দ্র বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন। পুলিশের অনুমানস্ত্রীকে পথের কাঁটা মনে করেই এই ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা করেন। কৃতিকার মৃত্যুর পরপরই ফোনে প্রেমিকাকে বার্তা পাঠানতোমার জন্যই স্ত্রীকে খুন করলাম! তাঁর ফোনের ফরেনসিক পরীক্ষায় মিলে যায় সেই প্রমাণ। যুগলপক্ষ এ বার নতুন তথ্য সামনে এনেছে, প্রেমিকাকেও ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তবে পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে তদন্তের স্বার্থে।১৫ অক্টোবর মহেন্দ্রকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এখন তাঁকে জেরা করে খোঁজা হচ্ছে আরও তথ্য। কীভাবে এত ঠান্ডা মাথায়, এতটা নিষ্ঠুরভাবে একজন চিকিৎসক খুন করল নিজের স্ত্রীর? প্রশ্নে উত্তাল চিকিৎসামহল, ক্ষোভে ফুঁসছে নেটপাড়া। বিচার চাইছেন নিহত ডাক্তারের সহকর্মীরা।বাস্তব কখনও কখনও সিনেমাকেও হার মানায়এই ঘটনা তার নির্মম প্রমাণ।

নভেম্বর ০৪, ২০২৫
রাজ্য

RG Kar কাণ্ডে তৃণমূলের দাপুটে নেতার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ অভয়ার বাবার! উত্তাল রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডে ফের নয়া মোড়! তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ নির্যাতিতার পরিবারের। টাকা দিয়ে রফা করতে চেয়েছিলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ!আরজি কর কাণ্ডে ফের নয়া মোড়! তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ নির্যাতিতার পরিবারের। টাকা দিয়ে রফা করতে চেয়েছিলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ! আরজি কর কাণ্ডে নির্যাতিতা তরুণীর বাবার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করতেই কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে পালটা বোমা ফাটালেন নির্যাতিতার পরিবার।কী অভিযোগ নির্যাতিতার বাবার? সংবাদ মাধ্যমের সামনে তিনি কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে বলেন, আমাদের সঙ্গে উনি টাকা দিয়ে ব্যাপারটা মেটানোর চেষ্টা করেছিলেন। বাড়িতে আসেননি, তবে বলেছিলেন আপনাদের এত টাকা দিচ্ছি, ব্যাপারটা মিটিয়ে নিন। পাশাপাশি বেশ কিছু হোয়্যাটসঅ্যাপ চ্যাটও সাংবাদিকদের দেখান নির্যাতিতার বাবা। তিলোত্তমার মা-বাবা আরও অভিযোগ করেন, মাঝেমধ্যেই কুণাল ঘোষ তাঁদের ফোন ও মেসেজ করতেন। এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন কুণাল ঘোষও। তাঁর কথায়, তিলোত্তমার বাবা বলছেন আমি নাকি ফোন করে রফার চেষ্টা করতাম! এতদিন পর এসব বলছেন? কত বড় মিথ্যা বলছেন ভেবে দেখুন। আমি অনুরোধ করছি, কোর্টে গিয়ে মাননীয় বিচারকের কাছে সব প্রমাণ দিন। সাংবাদিকদেরও প্রিন্ট আউট দিয়ে দিন। সোশ্যাল মিডিয়ায় সবটা দিয়ে দিন। সবাই দেখুক কুণাল ঘোষ কী লিখেছিলেন। অকারণে রহস্য বাড়ানোর চেষ্টা করবেন না।কোনও ভাবেই মেয়ের ন্যায় বিচার ছিনিয়ে আনার যে অঙ্গীকার তা থেকে আমাদের পিছু হটানো যাবে না। তৃণমূল সরকার বারে বারে যাতে ন্যায় বিচার না পাই তার চেষ্টা করেছে। এবার এক সন্তানহারা বাবার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন তৃণমূলেরই মুখপাত্র। তবে মেয়ের ন্যায় বিচার ছিনিয়ে আনবই। কোনও শক্তি সেই ন্যায় বিচার ছিনিয়ে আনার লড়াই থেকে আমাদের বিরত করতে পারবে না। কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে লড়াই হবে আইনি পথেই। এভাবেই বছর পেরোলেও মনোবল অটূট রেখে লড়াই জারির বার্তা দিলেন আরজি কর কাণ্ডে নির্যাতিতা তরুণী চিকিৎসকের বাবা।আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিহত তরুণী চিকিৎসকের বাবার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের। বুধবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে নির্যাতিতার বাবার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেছেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই সংবাদমাধ্যমের সামনে আরজি করের নির্যাতিতার বাবার অভিযোগ ছিল, CBI টাকা নিয়ে তদন্ত চেপে দিয়েছে। সিবিআইকে টাকা দিয়েছে রাজ্য সরকার। কুণাল ঘোষ সিজিও কমপ্লেক্সে গিয়ে বিষয়টা দেখাশোনা করেছেন। আরজি করের নির্যাতিতার বাবার এই মারাত্মক অভিযোগের ব্যাপারে আগেই কুণাল ঘোষ তাঁকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছিলেন। এবার তাঁর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করলেন তিনি।এর আগে গত সপ্তাহে নিহত চিকিৎসকের বাবাকে আইনি নোটিশ পাঠিয়ে ক্ষমা চাইতে বলেন কুণাল ঘোষ। তিনি জানান, নিহত চিকিৎসকের বাবার প্রতি ম্পূর্ণ সহানুভূতি রয়েছে, তবে ইচ্ছেমতো বা অন্য কারও প্ররোচনায় মিথ্যে অভিযোগ করা যায় না। পাশাপাশি কুণাল ঘোষ সতর্ক করে বলেন,ক্ষমা না চাইলে আদালতে প্রমাণ হাজির করতে হবে। নোটিশ পাওয়ার পর চার দিনের সময়সীমা দিয়েছিলেন তৃণমূল মুখপাত্র।কুণাল ঘোষ বলেন, তিনি মিথ্যে ও নাটকের সব সীমা অতিক্রম করেছেন। আমি বুঝি, মেয়েকে হারানোর যন্ত্রণায় থাকা এক বাবার বেদনা কতটা গভীর। কিন্তু তাই বলে ভিত্তিহীন অভিযোগ করলে প্রশ্ন উঠবেই। কার নির্দেশে বা কোন তথ্যের ভিত্তিতে এমন কথা বললেন? উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৯ অগস্ট রাতে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে ডিউটিতে থাকা ৩১ বছর বয়সি এক চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুন করা হয়। ঘটনায় এক সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশ। পরে সিবিআই তদন্তেও দোষী হিসাবে উঠে আসে সঞ্জয়ের নামই। শিয়ালদা আদালতে সঞ্জয়কে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দেয়।নিহত চিকিৎসকের বাবা সিবিআই তদন্তের কড়া সমালোচনা করে বলেন, সিবিআই শুধু কলকাতা পুলিশের সেই পুরনো তত্ত্বকেই প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেছে। আমরা শুরু থেকেই ভিন্ন দাবি জানালেও সিবিআই আমাদের বক্তব্য উপেক্ষা করেছে। পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকার সিবিআইকে ঘুষ দিয়েছে এবং কুণাল ঘোষই এই সমঝোতা করিয়েছেন।

আগস্ট ২১, ২০২৫
কলকাতা

আরজি কর কাণ্ডের একবছরে নবান্ন অভিযান ঘিরে তুলকালাম, অঘোষিত এমার্জেন্সি দেখছে শুভেন্দু

নবান্ন অভিমানকে কেন্দ্র করে শনিবার ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে। অভয়ার মৃত্যুর বিচার চেয়ে এক বছরে নবান্ন অভিমানের ডাক দিয়েছিল তাঁর বাবা-মা। সেই আন্দোলনে সামিল হয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পদযাত্রা থেকে অভয়ার বাবা ও মাকে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ। বিক্ষোভে পুলিশ লাঠিচার্জ করে বলেও অভিযোগ। এদিকে এদিন এক্স হ্যান্ডেলে শুভেন্দু অধিকারী লিখেছেন, পশ্চিমবঙ্গে যেন অঘোষিত ইমারজেন্সি জারি করেছে মমতা পুলিশ। গত বছর আজকের দিনে কর্তব্যরতা তরুণী চিকিৎসক বোন অভয়া খুন ও ধর্ষণ হন। তার ন্যায়বিচারের দাবি নিয়ে অভয়ার বাবা ও মা তাদের ন্যায্য অধিকার বুঝেনিতে পশ্চিমবঙ্গের সর্বস্তরের জনগণকে আহ্বান জানান নবান্ন যাওয়ার।উক্ত কর্মসূচি পূর্ব ঘোষিত, মহামান্য কলকাতা হাইকোর্ট অনুমোদিত কর্মসূচি। নিরীহ, নিরস্ত্র আন্দোলনকারীদের উপর মমতা পুলিশ নির্বিচারে লাঠিচার্জ করে। গুরুতর আহত হন অভয়ার বাবা ও মা সহ অনেকেই। তাদেরকে সুচিকিৎসার জন্য বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ও তার দলদাস প্রশাসন ন্যায় বিচার দিতে পারে না অথচ এই একপেশে অত্যাচার করে তাদেরকে পশ্চিমবঙ্গের জনগণ আর সহ্য করবে না। এবার এর বদল হবে। তবে তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি অযথা রাজনীতি করেছে বিজেপি। সেই ফাঁদে পা দিয়েছে অভয়ার বাবা, মা।

আগস্ট ০৯, ২০২৫
রাজ্য

১০ লক্ষ টাকা ঘুষ! সিবিআই গ্রেফতার করল বর্ধমানের নামি চিকিৎসককে, উদ্বার ৫৪.৬০ লক্ষ টাকা, হিরে, সোনার গয়না

জাতীয় মেডিকেল কাউন্সিলের পক্ষ থেকে মূল্যায়নের সময় একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজের কাছ থেকে ১০ লক্ষ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করল সিবিআই। ধৃত চিকিৎসকের নাম তপন কুমার জানা। বর্ধমান পুর এলাকার মিঠাপুকুর হাতিশাল এলাকায় ডাক্তার তপন জানার বাড়িতে শনিবার রাত ১১টা থেকে রবিবার সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত সিবিআইয়ের ৮ জনের একটি তদন্তকারী দল ব্যাপক তল্লাশি চালায়। সিবিআই অভিযানের সময় চিকিৎসকের স্ত্রী সুস্মিতা জানা ওই বাড়িতে ছিলেন। চিকিৎসক তপন জানার বাড়ি থেকে নগদ প্রায় ২৪ লক্ষ টাকা, হিরে, সোনার গহনা সহ মূল্যবান রত্ন উদ্ধার করে নিয়ে যায় সিবিআই। পাশাপাশি কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ও কিছু কাগজপত্র নিয়ে যায় সিবিআই তদন্তকারীরা। বর্ধমান থানার পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেই সিবিআই এই অভিযান চালিয়েছে।বর্ধমানে চিকিৎসক হিসাবে যথেষ্ট পরিচিত তপন কুমার জানা। তিনি মুর্শিদাবাদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শারীরিক বিদ্যা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান পদে কর্মরত রয়েছেন। তাঁর স্ত্রী চিকিৎসক সুস্মিতা জানা কলকাতার একটি মেডিকেল কলেজের সঙ্গে যুক্ত আছেন। তল্লাশির পর এদিন দেখা যায় বাড়ির ভিতরে কাগজপত্র সবই ছড়িয়ে ছিটিয়ে মেঝেতে পড়ে আছে। আলমারি খোলা অবস্থায় রয়েছে।ডাক্তার তপন কুমার জানার গ্রেপ্তারি নিয়ে সিবিআই দাবি করেছে, জাতীয় মেডিকেল কাউন্সিলের পক্ষ থেকে মূল্যায়নের সময় একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজের কাছ থেকে ১০ লক্ষ টাকা ঘুষ নেন ডাক্তার তপন কুমার জানা। এই টাকা সহ আরও ৪৪.৬ লক্ষ টাকা তল্লাশিতে তার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে বলে সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে। মোট ৫৪.৬০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছে সিবিআই।

মে ২৫, ২০২৫
কলকাতা

আরজি কর কাণ্ডে স্ট্যাটাস রিপোর্ট CBI-এর, কি আছে রিপোর্টে

আরজি কর কাণ্ডের তদন্তে স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দিল CBI। কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার জমা দেওয়া সেই স্ট্যাটাস রিপোর্টে আরও বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত স্পষ্ট। আরজি করের ঘটনায় তথ্যপ্রমাণ লোপাটের আশঙ্কা করছে সিবিআই। স্ট্যাটাস রিপোর্টেও এই আশঙ্কার উল্লেখ রয়েছে। এদিকে, আরজি করের নির্যাতিতার ন্যায়বিচার চেয়ে দিল্লিতে সিবিআই অধিকর্তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গিয়েছেন নির্যাতিতার বাবা-মা।আরজি কর কাণ্ডের তদন্ত এখনও জারি রয়েছে। আগামী ১৭ মার্চ সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর কাণ্ডের পরবর্তী শুনানি রয়েছে। তার আগে শিয়ালদহ আদালতে স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দিয়েছে সিবিআই। সূত্রের খবর, সেই রিপোর্টে আরজি করের ঘটনায় বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত স্পষ্ট। এক্ষেত্রে তথ্যপ্রমাণ লোপাট ও ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগের তদন্ত এখনও চালিয়ে যাচ্ছে সিবিআই। এ ব্যাপারে দ্রুত চার্জশিট পেশ করা হবে বলেও তারা জানিয়েছে। তবে টালা থানার প্রাক্তন ওসি-র মোবাইল ফোনের সিম এখনই ফেরত দেওয়া যাবে না বলে স্পষ্ট করে জানিয়েছে সিবিআই। সেক্ষেত্রে তথ্যপ্রমাণ লোপাটের আশঙ্কা করছেন তদন্তকারীরা। সিবিআইয়ের সেই আশঙ্কাকে মান্যতা দিয়েছে আদালত।এদিকে আরজি করের নির্যাতিতা তরুণীর বাবা-মা ন্যায়বিচারের দাবিতে দিল্লিতে সিবিআই অধিকর্তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গিয়েছেন। আরজি করের তরুণী মৃত্যুর ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত সঞ্জয় রায়ের আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে শিয়ালদহ আদালত।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৫
দেশ

পশ্চিমবঙ্গের প্রবীণ মানুষদের কাছে ক্ষমা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী! কেন এমন বললেন নরেন্দ্র মোদি?

কল্যানীর এইমসের একাধিক স্বাস্থ্য পরিষেবার সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সূচনা লগ্নেই ক্ষমা চাইলেন পশ্চিমবঙ্গের সত্তোরোর্ধ প্রবীণদের কাছে। ক্ষমা চেয়েছেন দিল্লির প্রবীণদের কাছেও। কিন্তু কেন এই ক্ষমা?নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, আমি পশ্চিমবঙ্গের ৭০ বছরের ঊর্ধ্বে সকল প্রবীণ মানুষ এবং দিল্লির ৭০ বছরের ঊর্ধ্বে সকল প্রবীণ মানুষদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। কারণ আমি আপনাদের সেবা করতে পারবো না। আমি তাদের কাছে ক্ষমা চাইছি কারণ আমি জানি তাঁরা কেমন আছেন, সেই তথ্য আমি সংগ্রহ করি, কিন্তু আপনাদের সাহায্য করতে পারবো না। এর কারণ দিল্লি এবং পশ্চিমবঙ্গের সরকার আয়ুষ্মান যোজনার সাথে যুক্ত হচ্ছে না।70 वर्ष से ऊपर के सभी बुजुर्गों को आयुष्मान योजना के दायरे में लाने की अपनी गारंटी को आज धन्वंतरि जयंती पर पूरा कर मुझे बहुत संतोष मिला है। pic.twitter.com/SkDd71zTNl Narendra Modi (@narendramodi) October 29, 2024রাজনৈতিক রেষারেষির কারণে চিকিৎসা না পাওয়ার জন্য যে তিনি ক্ষমা চাইছেন তাও স্পষ্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী। নরেন্দ্র মোদি বলেন, রাজনৈতিক স্বার্থে নিজেদের রাজ্যের অসুস্থ মানুষদের কষ্টে রাখার প্রবণতা যেকোনও মানবিক মনোভাবের বিরোধী এবং তাই আমি পশ্চিমবঙ্গের প্রবীণ মানুষদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী, দিল্লির প্রবীণ মানুষদের কাছেও ক্ষমাপ্রার্থী। দেশের মানুষদের সেবা করার ইচ্ছা আমার আছে, কিন্তু রাজনৈতিক ব্যবস্থার দেওয়াল আমাকে দিল্লি এবং পশ্চিমবঙ্গের প্রবীণ মানুষদের সেবা করতে বাধা দিচ্ছে।

অক্টোবর ৩০, ২০২৪
স্বাস্থ্য

চিকিৎসার জন্য আর বাইরে নয়,কল্যানীর এইমসে রোগী দেখানোর খুঁটিনাটি তথ্য রইল এই প্রতিবেদনে

রোগী দেখাতে আর বাংলার বাইরে ছুটতে হবে না। এখানেই গড়ে উঠেছে চিকিৎসা পরিষেবার বৃহত্তর হাসপাতাল। নদীয়ার কল্যানীতে গড়ে উঠেছে এইমস। সেই হাসপাতাল সম্পর্কে খুঁটিনাটি তথ্য এই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হল। কীভাবে চিকিৎসা পরিষেবা পাবেন, যাবেন কীভাবে সমস্তই তথ্যই থাকছে এখানে।১৭৫৪ কোটি টাকা খরচ করে ১৮০ একর জায়গার ওপর গড়ে উঠেছে কল্যানীর এইমস। এই আধুনিক হাসপাতালে রয়েছে মোট ৯৬০টা বেড। তার মধ্যে এখন চালু হচ্ছে ৪৫০টি বেডের পরিষেবা। ধীরে ধীরে সমস্ত বেডই চালু হয়ে যাবে। এখানে চিকিৎসক দেখাতে হলে প্রথমেই ১০টাকা দিয়ে একটা বই করাতে হবে। এই বইটির মেয়াদ একবছর। একবছর ফ্রিতে ডাক্তার দেখাতে পারবেন। এই হাসপাতালে বেডের ভাড়া দিনপ্রতি মাত্র ৩৫টাকা। এই টাকার বিনিময়ে রোগী এখানে খাবারও পাবে। এখানে ভর্তির সময় ১০ দিনের টাকা অর্থাৎ ৩৫০টাকা দিতে হবে। কসান মানি দিতে হবে ২৫ টাকা। মোট খরচ ৩৭৫ টাকায় ১০ দিন এখানে চিকিৎসা হবে। যাদের কেন্দ্রীয় প্রকল্প আয়ুস্মান ভারতের কার্ড রয়েছে তাঁদের এই টাকাও লাগবে না। গরিব মানুষের ক্ষেত্রে ছাড় রয়েছে। স্বাস্থ্যের সমস্ত ধরনের পরীক্ষা চালু রয়েছে। সাড়ে ৮টা থেকে শুরু হয় রেজিস্ট্রেশন। রোগী দেখা হয় ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত। সোম থেকে রবিবার পর্যন্ত খোলা থাকে আউটডোর। অনলাইনেও রেজিস্ট্রেশন করা যেতে পারে।কল্যানীতে কিভাবে যাওয়া যাবে?শিয়ালদা থেকে ট্রেন যোগে সহজেই যাওয়া যাবে কল্যানী। আবার যাঁরা মুর্শিদাবাদের দিক থেকে আসবেন তাঁরাও ট্রেনে যোগে এই স্টেশনে আসতে পারবেন। বর্ধমান, হাওড়া, হুগলি থেকে এলে নৈহাটি থেকে ট্রেন ধরবেন। নৈহাটি থেকে একেবারেই কাছে। তাছাড়া যে কোনও প্রান্ত থেকে সড়ক যোগাযোগেও যাওয়া যেতে পারে কল্যানী। জিটি রোড ধরে হুগলির পান্ডুয়ার পরেই ঈশ্বরগুপ্ত সেতু পার হলেই কল্যানী।

অক্টোবর ৩০, ২০২৪
রাজ্য

দাবি আদায়ে এবার আমরণ অনশনে জুনিয়র চিকিৎসকরা, মঞ্চে থাকছে সিসি ক্যামেরা

আমরণ অনশনে বসছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। প্রথম দফায় ৬ জন এই কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। বাকি জুনিয়র চিকিৎসকরা হাসপাতালে রোগী দেখবেন। রাজ্য সরকার তাঁদের দাবি না মানা পর্যন্ত অনশন চলবে। গতকালই জুনিয়র চিকিৎসকরা জানিয়েছিল ২৪ ঘন্টারর মধ্যে তাঁদের দাবি মানতে হবে। তা নাহলেই অনশনে বসবেন। সেই মতো শনিবার অনশনের কথা ঘোষণা করেন।জুনিয়র চিকিৎসকদের দাবি, কোনও অনশনকারী অসুস্থ হলে তার দায় রাজ্য সরকারের। এদিন ধর্মতলায় মঞ্চ বাধতে পুলিশ বাধা দেয় বলে অভিযোগ করেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। নিজেরাই আন্দোলনের মঞ্চ তৈরি করেন। এদিকে এদিন অভিযুক্ত ১০ জন চিকিৎসক পড়ুয়াকে আরজি কর থেকে এক্সপেল করেছে। আরজি করের তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের বিচারের দাবি আদায়ে প্রথম থেকে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে জুনিয়র চিকিৎসকরা। এর সঙ্গে আরও একাধিক দাবি রয়েছে তাদের। মোট ১০ দফা দাবি রয়েছে জুনিয়র চিকিৎসকদের। সেই দবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবে তাঁরা।

অক্টোবর ০৫, ২০২৪
নিবন্ধ

এ’ কোন সকাল - রাতের চেয়েও অন্ধকার!

সেই এলোমেলো দিকহারানো সন্ধ্যা-বায়ের লুটোপুটি খাওয়া ঘর-বার-উঠোন-বাজারে, কাজলকালো রাত পেরিয়ে, আধফোটা কুসুমের মতো ফুটে ওঠা আগমনী আলো আজ আবার ছড়িয়ে দিল মাতৃপূজার সুসমাচার। বেজে উঠলো আলোর বেণু; আজ প্রভাতে সে সুর শুনে খুলে দিলাম হৃদয়ের রুদ্ধ দুয়ার। কিন্তু সবার অন্তরের পুঞ্জীভূত আঁধার কাটলো কি? মাতলো কি ভুবন? যে নিবিড় বেদনা আচ্ছন্ন করে রেখেছে বুকের মাটি, মনের আকাশ কালো করে জমে থাকা সেই মেঘ যেন রাতের চেয়েও অন্ধকার করে রেখেছে শরতের আকাশবীণায় গানের মালা বিলানো আজকের এই মহালয়ার সকালকে।অথচ, বর্ষণক্ষান্ত আশ্বিনের নীল আকাশে সাদা মেঘের বহরে অমলধবলপালে আজ লেগেছে মন্দমধুর হাওয়া; দুধসাদা কাশের গুচ্ছ বেঁধে, ঝরা শেফালীর মালা গেঁথে, নবীন ধানের অঞ্জলি দিয়ে ডালা সাজিয়ে শারদলক্ষ্মী এসে গেছেন শুভ্র মেঘের রথে সমাসীন হয়ে। ধৌতশ্যামল আলোঝলমল বনগিরিপর্বতে ছড়িয়ে পড়েছে তাঁর শ্বেতশতদলশোভিত করুণানয়নের আশীর্বাণী। শিউলীতলার পাশে পাশে.. ঝরা ফুলের রাশে রাশে.. শিশিরভেজা ঘাসে ঘাসে অরুণরাঙা চরণ ফেলে.. জলতরঙ্গে ঝিলমিল ঝিলমিল ঢেউ তুলে ছড়িয়ে পড়ছেন তিনি। আলোছায়ার আঁচলখানি লুটিয়ে পড়ছে বনে বনে; ফুলগুলি ঐ মুখে চেয়ে কী কথা গুনগুনোচ্ছে মনে মনে, কে খবর রাখে তার! তবু ঐটুকু ঐ মেঘাবরণ দু হাত দিয়ে সরিয়ে, মুখের ঢাকা হরণ করে, শারদলক্ষ্মীকে বরণ করে নিতে যেন কারো মন নেই আজ। এমন নিরানন্দ দেবীপক্ষের সূচনা খুব বেশী দেখা গেছে কি?একদিকে বানভাসি নদী-মাঠ-ঘর-গেরস্থালির অপার দুর্ভোগ, অন্যদিকে অগ্নিমূল্য হাটবাজার; আর সব ছাপিয়ে এক নির্যাতিতা প্রতিবাদিনীর সর্বপরিব্যপ্ত বেদনার্ত ছায়া এবারের মাতৃপক্ষকে যেন ঢেকে রেখেছে এক তিমিরঅবগুণ্ঠনে। উৎসবে মেতে ওঠার মেজাজটাই পাড়ি দিয়েছে দিকশূণ্যপুরের দিশায়।তবু এরই মধ্যে পথে-পার্কে-পল্লীপ্রান্তে শালবল্লা-বাঁশ-ত্রিপল-প্লাইউডের কাঠামো-রা সেজে উঠছে দ্রুত। দোকান-পসার-মল-মার্কেটে ভীড়ও খানিক খানিক জমে উঠছে। মহালয়ার রাতভোর অসংস্কৃত বাজী-র উদযাপন এবার কিছু কম (আজকাল পাড়ার যে যে বাড়িতে বয়স্ক বা অসুস্থ মানুষ আছেন বলে খবর, তাঁদের জানালার কাছাকাছিই সাধারণতঃ বাজী ফাটানো হয় বেশী)। ইতস্ততঃ কিছু ক্লাবের মাইকে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র-ও সাড়া দিলেন বহু যুগের ওপার থেকে আজ ভোরবেলায়, যদিও কিছু স্তিমিতস্বনে। তবে পিতৃতর্পণাভিলাষীরা ছাড়া নদীর তীরে কাশের বনে মানুষের ঢল নামলো কই!মন ভালো নেই; আমাদের অনেকেরই মন ভালো নেই। আজ অখিলবিমানে দিকে দিকে সর্বস্যার্তিহরা দেবীমায়ের জয়গান। সিংহস্থা শশীশেখরা মরকতপ্রেক্ষা জগজ্জননী দূর করুন এই দুঃসহ আঁধার। ভয়ের আবহ শেষ হোক সবার ঘরের প্রতিটি দুর্গা হেসে উঠুক সুখে-সাহসে-সাফল্যে প্রতিটি অভয়া বিচার পাক!ওগো আমার আগমনী আলো, জ্বালো প্রদীপ জ্বালো, জ্বালো গো- ড. সুজন সরকার, বর্ধমান। ।

অক্টোবর ০২, ২০২৪
রাজনীতি

আরজি করের পটভূমিকায় স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবি আগমনী, টিএমসিপির সাসপেন্ড নেত্রীর নিশানায় কুণাল ও দেব

সাসপেন্ড হতেই সরাসরি তৃণমূল নেতা কুনাল ঘোষ থেকে শুরু করে অভিনেতা সাংসদ দেবকে তুলোধোনা করলেন যাদবপুর-ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূলের ছাত্র সংগঠনের বহিষ্কৃত সহ সভাপতি রাজন্যা হালদার। তাঁর দাবি, শিল্পী সত্ত্বা থেকেই ছবি, এর মধ্যে কোন রাজনীতি নেই। পাশাপাশি রাজন্যা এদিন কুনাল ঘোষকে নিশানা করে বলেছেন, কুণাল ঘোষ যে পুজোর গান লিখেছেন তা কী তিনি দলকে জানিয়ে লিখেছিলেন? একই সঙ্গে রাজন্যার নিশানায় ছিলেন অভিনেতা সাংসদ দেবও। নিজের বহিষ্কারের সুপারিশের পালটা তিনি দেবকে নিশানা করে বলেন, দেব দা যখন প্রধান বানিয়েছিলেন তখন তিনি কী দলকে জানিয়ে বানিয়েছিলেন। আমার তো মনে হয় না। রাজন্যা বলেছেন, আমি মনে করি না দলীয় কাজের বাইরে শিল্পভাবনার ক্ষেত্রে দলকে জানানোর কোনও প্রয়োজন আছে। আরজি করের ঘটনার সঙ্গে ছবির কোন সম্পর্ক নেই সেকথা মনে করিয়ে রাজন্যা বলেন, ছবির সঙ্গে আরজি করে ঘটনার কোন সরাসরি যোগ নেই। ছবি দেখে যদি দল যদি সিদ্ধান্ত নিত তাহলে ভালো হত। আশা রাখি দল ছবি দেখে সিদ্ধান্ত পূর্ণবিবেচনা করবে।তিলোত্তমাদের গল্প নিয়ে স্বল্প দৈর্ঘের ছবি আগমনী মুক্তি পেতে চলেছে আগামী ২ অক্টোবর। টিএমসিপির দুই নেতা-নেত্রী প্রান্তিক ও রাজন্যা জুটির এই ছবিকে নিয়েই শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। এই প্রেক্ষাপটেই ২ জনকেই সাসপেন্ড করেছে দল। মহালয়ার দিন এই ছবি মুক্তির আগেই শুক্রবার রাতে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ সাসপেন্ড করেছে প্রান্তিক চক্রবর্তী ও রাজন্যা হালদারকে। প্রান্তিক ছিলেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্য সহসভাপতি ও রাজন্যা যাদবপুর-ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূলের ছাত্র সংগঠনের সহসভাপতি।প্রান্তিক ও রাজন্যা দুজনেই জানিয়েছেন, শিল্পী সত্ত্বা থেকেই তাঁরা এই স্বল্প দৈর্ঘের ছবি তৈরি করছেন। শুধু আরজি করের নির্যাতিতা নন, সমাজের সকল স্তরের নির্যাতিতার কাহিনী থাকছে এতে। পাশাপাশি প্রতিবাদ ও জন জাগরণের ভাষাও থাকবে এই ডকুমেন্টারিতে। দল শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিলেও ২ অক্টোবর আগমনী মুক্তির সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে আসছে না রাজন্যা ও প্রান্তিক। তাঁদের বক্তব্য, শর্ট ফিল্মটা দেখার পর বিচার করা উচিত ছিল। এখানে কোনও বিচারাধীন বিষয় দেখানো হচ্ছে না।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৪
রাজ্য

ফের নবান্নের সঙ্গে বৈঠকে জুনিয়র চিকিৎসকরা, চলছে লাগাতার কর্মবিরতি

এবার নবান্নে রাজ্যের সঙ্গে বৈঠক জুনিয়র ডাক্তারদের। আজ মুখ্য সচিবের সঙ্গে আলোচনা আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের। পাঁচ দফা মধ্যে চার ও পাঁচ নম্বর দাবির ওপর জোর দিয়েই আজকের এই বৈঠক হবে বলে জানানো হয়েছে জুনিয়র ডাক্তারদের তরফে। এদিকে রাজ্যের তরফে জুনিয়র ডাক্তারদের কাজে যোগদানের আহ্বান জানানো হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যা ৭টা বেজে ১৫ মিনিটে নবান্নে পৌঁছান জুনিয়র ডাক্তারদের ৩০ জনের প্রতিনিধিদল। থ্রেট কালচার থেকে শুরু করে হাসপাতালে ডাক্তারদের নিরাপত্তাসহ একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে আজকের এই বৈঠকে। এর আগে কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের বৈঠকে ডাক্তারদের কাজে ফেরার আহ্বান জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন মুখ্যসচিবের তরফে করা ইমেলেও দক্ষিণবঙ্গের বন্যা পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে জুনিয়র চিকিৎসকদের কাজ যোগ দিতে অনুরোধ করা হয়েছে। এদিন বৈঠকে যাওয়ার আগে এক সাংবাদিক সম্মেলন করেন জুনিয়র ডাক্তাররা। সেখানে বলা হয়েছে রাজ্য সরকার আন্দোলনের চাপে নতি স্বীকার করেছে। সরানো হয়েছে স্বাস্থ্য, পুলিশ আধিকারিকদের। অভয়ার বিচারের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টেও লড়ে চলেছি আমরা। সিবিআইও আমাদের চাপের কারণেই টালা থানার ওসি ও সন্দীপ ঘোষকে গ্রেফতার করেছে। সরকারি হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজগুলিতে স্বাস্থ্যকর্মীর সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে আমরা কাজে ফিরতে ভয় পাচ্ছি। এদিন জুনিয়র ডাক্তারদের তরফে বলা হয়, উপরোক্ত দাবি পূরণ না হলে কাজে ফিরতে পারব না তাও আমরা সরকারকে জানিয়েছি। আমরা চাইছি প্রতিটি মেডিকেল কলেজে রেস্ট রুম , বাথরুম, প্যানিক বোতাম, নারী পুলিশ কর্মী মোতায়েন করতে হবে। কলেজ ভিত্তিক টাস্ক ফোর্স গঠনের দাবিও জানানো হয়েছে। হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজগুলিতে রোগী পরিষেবাকে উন্নত করতে হবে। প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কর্মী নিয়োগ, হাসপাতালের পরিকাঠামো ঢেলে সাজাতে হবে। জনমুখী স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। প্রতিটি কলেজে থ্রেট কালচারকে বন্ধ করতে হবে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা। কমিটি গঠন করতে হবে। গণতান্ত্রিক পরিসরকে বিস্তৃত করতে হবে হাউসস্টাফ নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে। স্বচ্ছ নিয়োগের দাবিতে সওয়াল করেছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক করার পর বুধবার সকালেই মুখ্যসচিবকে ই-মেল করেন জুনিয়র ডাক্তাররা। মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে ই-মেলে তাঁরা উল্লেখ করেন, তাঁদের দাবির কয়েকটি বিষয় এখনও সমাধান হয়নি। সেই দাবি সমাধানের আশাতেই মেল করেছেন আন্দোলনকারীরা। ই-মেলে তাঁরা রাজ্য সরকারের তরফে ইতিবাচক উত্তরের আশায় রয়েছেন বলে লেখেন।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৪
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডের বিচারের দাবিতে মালদার দুই চিকিৎসকের অভিনব প্রতিবাদ

কলকাতার আরজি কর মেডিকেল কলেজে তরুণী চিকিৎসক খুনের ঘটনার অভিনব প্রতিবাদ জানালেন মালদার দুই শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। নিজেদের প্রেসক্রিপশনে প্রতিবাদের ভাষা লিখে এবং দোষীদের ফাঁসির দাবির কথা উল্লেখ করেই রোগীদের সেই প্রেসক্রিপশন বিলি করলেন মালদার এই দুই চিকিৎসক । মালদার দুই শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের এমন অভিনব প্রতিবাদকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ থেকে অন্যান্য চিকিৎসকেরা। মালদার এই দুই প্রতিবাদী চিকিৎসকের নাম অভিজিৎ মিশ্র। যিনি শহরের মকদুমপুর রোডে রোগী দেখেন। আরেক চিকিৎসক রামপ্রকাশ সাহা। তিনি সিঙ্গাতলা রোডে রোগী দেখেন।বলাবাহুল্য, একদিকে যখন আরজি কর কাণ্ডের আবহে উত্তাল সারা রাজ্য। কলকাতার সিপির পদত্যাগের দাবিতে পথে জুনিয়র চিকিৎসকেরা। স্বাস্থ্য দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তার সন্দীপ ঘোষ। চিকিৎসক থেকে জুনিয়র চিকিৎসক রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে যে যার মত করে আন্দোলনে নেমেছেন। ঠিক সেই সময় মালদা শহরে ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন সংগঠনের দুই শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভিনব এই প্রতিবাদে রীতিমতো সারা ফেলে দিয়েছে। শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডাঃ রামপ্রকাশ সাহা এবং ডাঃ অভিজিৎ মিশ্র মালদা শহরের মকদুমপুর এবং সিঙ্গাতলা এলাকায় প্রাইভেট চেম্বারে রোগী দেখার সময় যে প্রেসক্রিপশন দিচ্ছেন সেখানে লেখা থাকছে আরজি কর ঘটনার প্রতিবাদ। আরও লেখা থাকছে বিচারের দাবি। লেখা থাকছে আরজি করের বিচার চাই। অপরাধচক্রের বিনাশ চাই। উই ওয়ান্ট জাস্টিস।মালদার ওই দুই শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডাঃ রামপ্রকাশ সাহা এবং ডাঃ অভিজিৎ মিশ্র বলেন, শিশুদের নানান অসুখ-বিসুখের ক্ষেত্রে পরিষেবা তো দিতেই হবে। শিশুরা ঈশ্বরের একটা অংশ। ওদের জন্য চিকিৎসা পরিষেবা বন্ধ করলে চলবে না। তবে আরজি কর কান্ড নিয়ে প্রতিবাদের ভাষার আমাদের অব্যাহত রয়েছে। তাই নিজেদের ব্যবহৃত প্রেসক্রিপশনে এই ভাবেই প্রতিবাদ জানিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরছি।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২৪
রাজ্য

খোল, করতাল, হারমোনিয়াম নিয়ে কীর্তন, আরজি করে কাণ্ডের অভিনব প্রতিবাদ

ভোরের আলো ফুটতেই হরিনাম সংকীর্তনের শুরু হয়েছিল। কীর্তন শুনতেই ভিড় জমিয়েছিলেন অসংখ্য প্রাত:ভ্রমণকারী। কিন্তু আরজি কর কান্ডের প্রতিবাদ জানিয়ে হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে হরিনাম সংকীর্তন হবে, তা দেখে রীতিমতো আশ্চর্য হয়ে গিয়েছে মালদা শহরের বাসিন্দারা। মঙ্গলবার ভোরের আলো ফুটতেই আরজি কর ঘটনার অভিনব প্রতিবাদে হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে, খোল, করতাল, হারমোনিয়াম বাজিয়ে হরিনাম সংকীর্তনে এভাবেই সোচ্চার হলেন মালদার গৌড়ীয় বৈষ্ণব সংস্থার কর্মকর্তারা। এদিন সাতসকালে মালদা শহরের প্রাণকেন্দ্র রাজ হোটেল মোড় এলাকায় ছোটখাটো মঞ্চ করেই শুরু হয় আরজিকর কাণ্ডের প্রতিবাদ কীর্তন। হরিনাম সংকীর্তনের পাশাপাশি আরজিকর কাণ্ডে দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবী জানিয়ে সোচ্চার গৌড়ীয় বৈষ্ণব সংস্থার উদ্যোক্তারা। সাতসকালে প্রাতঃভ্রমণে বেড়ানো অসংখ্য মানুষেরা এই অভিনব প্রতিবাদ দেখতেই দাঁড়িয়ে পড়েন। রাজমহল রোডের রাজপথে প্রায় দেড় ঘন্টা ধরে চলে সংশ্লিষ্ট সংস্থার পক্ষ থেকে আরজিকর কান্ডের এই অভিনব প্রতিবাদ। এই সংস্থার এমন প্রতিবাদকেও সাধুবাদ জানিয়েছেন শহরবাসী। গৌড়ীয় বৈষ্ণব সংস্থার চেয়ারপার্সন চিত্রা সরকার বলেন, কলকাতা আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসক ছাত্রীকে যেভাবে খুন করা হয়েছে, তাতে দোষীদের ফাঁসি চাই। পাশাপাশি মৃত নির্যাতিতার আত্মার শান্তি কামনা এদিন করা হয়েছে। প্রত্যেকে যেন সঠিক বিচার পায়, কর্মক্ষেত্রে নারীদের সুরক্ষা চাই এবং চারিদিকে বিষাক্ত বাতাবরণ শুদ্ধিকরণ জন্য নাম সংকীর্তনের মধ্যে দিয়ে এদিন ভগবানের কাছে প্রার্থনা করা হয়।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২৪
রাজ্য

প্রেসক্রিপশনে স্ট্যাম্প! আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদ চিকিৎসকের

রোগীর প্রেসক্রিপশনে বিচার চেয়ে, অপরাধীদের বিনাশ চেয়ে আরজি কর নিয়ে নয়া লড়াই শুরু করেছেন বীরভূমের এক চিকিৎসক। আরজি করের বিচার চাই, অরপরাধ চক্রের বিনাশ চাই। এমন লেখা রাবার স্ট্যাম্প বানিয়ে নিয়েছেন ওই চিকিৎসক। এমন ভাবে অন্যরাও লড়াই ছড়িয়ে দিক, বলেন চিকিৎসক দেবব্রত দাস। আরজি কর হাসপাতালের ছাত্র ছিলেন দেবব্রত দাস। চেনে হাসপাতালের সব তল্লাট। আরজি করের প্রাক্তনী প্রতিটি রোগীর প্রেসক্রিপশনে স্ট্যাম্প ব্যবহার করছেন।বীরভূমের রামপুরহাট গভঃ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রাক্তন কনসালট্যান্ট ল্যাপরোস্কোপিক সার্জেন দেবব্রত দাস। বর্তমানে তিনি হাসপাতাল সংলগ্ন ওষুধের দোকানে প্রাইভেট প্র্যাক্টিস করেন। আরজি কর কাণ্ডের পর দেবব্রতবাবু জুনিয়ার- সিনিয়র চিকিৎসকদের আন্দোলনে পা মিলিয়েছিলেন। একাধিক আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন। এবার নিজের চেম্বার থেকেই আন্দোলনকে নানা দিকে ছড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তাই লালকালির স্ট্যাম্পে আরজি করের বিচার চাই, অরপরাধ চক্রের বিনাশ চাই লেখা প্রতিবাদ ছড়িয়ে দিচ্ছেন রোগী ও তাদের পরিবারের মধ্যে। শুধু বাংলাতে নয়, ইংরেজিতেও লেখা রয়েছে উই ওয়ান্ট জাস্টিস।দেবব্রত দাস বলেন, আমি আরজি করের প্রাক্তন ছাত্র। ওই কলেজের প্রতিটি গলি আমি চিনি, জানি। সেখানে এই ঘটনা আমাকে ভীষণভাবে নাড়া দিয়েছে। আমি কল্পনাও করতে পারছি না যে স্বাধীন ভারতে পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে আমার প্রাক্তন কলেজে এমন নৃশংস ঘটনা ঘটতে পারে। সেই জন্য চিকিৎসক সমাজ সহ বিভিন্ন পেশার মানুষ রাস্তায় নেমেছে। বার বার বলা হচ্ছে ঘটনার প্রমান মুছে ফেলা হয়েছে। এর জন্য দায়ী করা হয়েছে রাজ্য সরকারকে। তাই সাধারণ মানুষের মতো আমি চিকিৎসক হিসাবে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যেতে আমার প্রেসক্রিপশনকে ব্যবহার করেছি। সেই প্রেসক্রিপশন প্রতিটি মানুষের পাশাপাশি ওষুধের দোকানেও পৌঁছে যাচ্ছে। এছাড়া আমাদের সারা ভারতে যে সংগঠন রয়েছে সেখানেও আমার প্রেসক্রিপশন পাঠিয়ে দিয়ে প্রতিবাদের ভাষা পৌঁছে দিয়েছি। পশ্চিমবঙ্গের বাইরে প্রতিবাদের ভাষা পৌঁছে দিতে ইংরেজিতেও লেখা রয়েছে।

আগস্ট ৩১, ২০২৪
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর কর্মবিরতি তুলে নেওয়ার আবেদনে প্রচ্ছন্ন হুঁশিয়ারি! মনে করে চিকিৎসকরা নিজেদের অবস্থানে অনড়

আরজি কর কাণ্ডে বিচারের দাবিতে টানা কর্মবিরতি চালাচ্ছেন সরকারি হাসপাতালের জুনিয়র ডাক্তারেরা। কোনও বড় পদক্ষেপ না হলে তারা কর্মবিরতি তুলবেন না তা বারে বারে ঘোষণা করেছেন। বুধবার তাঁদের আরও এক বার কাজে ফেরার আবেদন জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে সেই আবেদনের মধ্যেও প্রচ্ছন্ন হুমকির সুর রয়েছে বলে কেউ কেউ মনে করছেন। যা নিয়ে আপত্তি জানিয়ে জুনিয়র ডাক্তাররা পাল্টা বলেছে, কর্মবিরতি উঠছে না।বুধবার মেয়ো রোডে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে সভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। সেই সময়ই আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে কলকাতায় মিছিল বের করেন জুনিয়র ডাক্তাররা। টিএমসিপির প্রতিষ্ঠা দিবসের মঞ্চ থেকে ডাক্তারদের এই আন্দোলনকে সমর্থন জানান মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি যাঁরা কর্মবিরতি চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁদের উদ্দেশে মমতা বলেন, আমরা কিন্তু ডাক্তারদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিইনি। দিল্লিতে বিজেপি সরকার ডাক্তারদের বিরুদ্ধে এফআইআর করেছিল।এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ডাক্তারদের প্রতি আমার সমর্থন আছে। কিন্তু আপনাদের আরও একটু মানবিক হওয়ারও আবেদন করব। সুপ্রিম কোর্টও আপনাদের কাজে ফিরতে অনুরোধ করেছে। অনেক গরিব মানুষ চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন। অনেকে মারা গিয়েছেন। সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যগুলোকে বিশেষ ক্ষমতা দিয়েছে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। কিন্তু আমি আপনাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেব না। আপনাদের ক্ষোভ আছে। অভিমান আছে। আমি সেটা বুঝি। কিন্তু এ বার আস্তে আস্তে কাজে যোগদান করুন।তারপরেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের মানবিক মুখ রয়েছে। আমরা চাই না, কারও সারা জীবনটা নষ্ট হোক। আমরা যদি এফআইআর করি বা কোনও আইনি ব্যবস্থা নিই, তা হলে আপনাদের কেরিয়ারটা নষ্ট হয়ে যাবে। ভিসা, পাসপোর্টে অসুবিধা হয়ে যাবে। আমি তা চাই না। আমি চাই আরও ভাল ভাল ডাক্তার তৈরি করতে।মমতার এই আবেদনের মধ্যেই হুঁশিয়ারি দেখতে পাচ্ছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। মমতার সভা শেষ হওয়ার পরই মিছিল থেকে জুনিয়র ডাক্তাররা বলেন, তাঁদের যেন এফআইআরের ভয় না দেখানো হয়। আন্দোলন চলবে। এদিন কলেজ স্কোয়্যার থেকে শ্যামবাজারের দিকে তাঁদের মিছিল এগোয়। তাঁরা বলেছেন, তাঁদের দাবি না মেনে নেওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

আগস্ট ২৮, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

মেঘালয়ের কয়লাখনিতে বিস্ফোরণ, ধসে চাপা অন্তত ১৬ শ্রমিক, নিখোঁজ আরও বহু

মেঘালয়ের তাসখাই এলাকার একটি কয়লাখনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের জেরে ধস নামল খনির ভিতরে। এই দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৬ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বহু শ্রমিক এখনও নিখোঁজ। তাঁদের অনেকেই খনির ভিতরে আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি বিচার করে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করছেন উদ্ধারকারী দল। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, মৃত শ্রমিকদের অধিকাংশই অসমের বাসিন্দা।দুর্ঘটনার পরেই খনির মুখ থেকে কালো ধোঁয়া বেরোতে শুরু করে। বাইরে থাকা শ্রমিকেরা আতঙ্কিত হয়ে খনির সামনে ভিড় জমান। ঘটনাস্থলে কয়েকজন মহিলা ও শিশুকেও দেখা যায়। জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণটি খনির ভিতরেই ঘটে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মেঘালয় পুলিশ। দমকল এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও উদ্ধারকাজে হাত লাগায়। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে উদ্ধার অভিযান।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, খনির ভিতরের পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপজ্জনক। সেখানে এখনও দাহ্য গ্যাস জমে আছে কি না, নতুন করে বিস্ফোরণের আশঙ্কা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃত শ্রমিকদের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। অনুমান করা হচ্ছে, খনির ভিতরে দাহ্য গ্যাস জমে আচমকা বিস্ফোরণ হতে পারে। আবার অবৈধ ভাবে বিস্ফোরক ব্যবহারের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তদন্তকারীরা। কারণ যাই হোক, আপাতত নিখোঁজ শ্রমিকদের উদ্ধারে সব রকম চেষ্টা চালাচ্ছে প্রশাসন।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

“বুক ফুলিয়ে বিধানসভায় ঢুকব”—আসন সংখ্যা নিয়ে বড় হুঙ্কার বিজেপির

পরিবর্তন আসন্ন এবং জয় নিশ্চিতএমনই আত্মবিশ্বাসের সুরে কথা বললেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবার তিনি আরও বড় দাবি করলেন। তাঁর বক্তব্য, গত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি যেখানে ৭৭টি আসন পেয়েছিল, সেখানে এবার সেই সংখ্যা বেড়ে হবে ১৭৭। শুভেন্দুর কথায়, ১৭৭টি আসন নিয়ে বিজেপি বুক ফুলিয়ে বিধানসভায় ঢুকবে।শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, গত নির্বাচনে ৩৯ শতাংশ হিন্দু ভোট বিজেপির পক্ষে গিয়েছিল। এবার সেই হার বেড়ে ৪৫ শতাংশ হবে বলে তাঁর দাবি। হিন্দুদের পাশাপাশি আদিবাসীরাও বিজেপিকে ভোট দেবেন বলেই তিনি আশাবাদী। তাঁর কথায়, বিজেপি এক সময় ৩টি আসন থেকে ৭৭-এ পৌঁছেছিল, এবার সেই ৭৭ থেকে সরাসরি ১৭৭-এ পৌঁছবে দল।তবে শুভেন্দুর এই দাবিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের এক মুখপাত্র বলেন, আগে বিজেপির নেতারা ২০০ আসনের কথা বলেছিলেন, কিন্তু ফল হয়েছিল ৭৭। এবার শুভেন্দু বলছেন ১৭৭। আগের হিসাব ধরলে সংখ্যাটা ৫০-এর নিচেই নেমে যাবে বলে কটাক্ষ করেন তিনি। পাশাপাশি ব্যঙ্গ করে বলেন, শুভেন্দু বুক ফুলিয়ে বিধানসভায় দর্শক হিসেবে ঢুকবেন কি না, সেটাই দেখার। বিধানসভায় দর্শক হিসেবে ঢুকতে হলে বিধায়কের সুপারিশ লাগে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এর মধ্যেই বাংলার রাজনীতিতে আরেকটি বড় পরিবর্তন সামনে এসেছে। আসন্ন বিধানসভা ভোটে কংগ্রেস এবার বামেদের সঙ্গে জোটে যাচ্ছে না। আগের বার জোটের ছবি দেখা গেলেও এবার সেই সমীকরণ ভেঙে গিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নিয়েও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি শুভেন্দু অধিকারী। কংগ্রেস ও তৃণমূলকে একই বন্ধনীতে রেখে তিনি বলেন, মালদহ ও মুর্শিদাবাদে কংগ্রেস মুসলিম ভোট পায়, আর তৃণমূল মুসলিম ভোটের উপর ভর করেই রাজ্য চালাচ্ছে। তবে বিজেপির এসব নিয়ে কোনও মাথাব্যথা নেই বলেই জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির লক্ষ্য হিন্দু সমাজকে এক করা।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বড় সিদ্ধান্ত কংগ্রেসের, বামেদের ছাড়াই বিধানসভা ভোটে নামছে দল

জোট নিয়ে জল্পনার মধ্যেই কংগ্রেসের একলা চল নীতি নিয়ে বারবার আলোচনা চলছিল। আগেই জানা গিয়েছিল, প্রদেশ কংগ্রেসের একাংশ, বিশেষ করে শুভঙ্কর সরকার ঘনিষ্ঠ শিবির জোট না করার পক্ষেই রয়েছে। আবার প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর শিবির বামেদের সঙ্গে জোট বজায় রাখার পক্ষে ছিল বলেও শোনা যাচ্ছিল। সেই জল্পনার মধ্যেই এবার এল বড় সিদ্ধান্ত।আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় বামেদের সঙ্গে জোট ভাঙার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কংগ্রেস। অর্থাৎ, কোনও জোট নয়, রাজ্যের ২৯৪টি আসনেই এককভাবে লড়াই করবে কংগ্রেস। কংগ্রেস হাইকমান্ডের এই সিদ্ধান্তে বাংলার রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল। এই পরিস্থিতিতে বাংলায় চতুর্মুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনাও জোরালো হচ্ছে।প্রদেশ কংগ্রেসের পর্যবেক্ষক গুলাম মীর জানিয়েছেন, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের সঙ্গে বৈঠকেই এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, এবার দলের কর্মী থেকে সাধারণ মানুষ সকলেই চাইছেন কংগ্রেস একাই লড়াই করুক। তাই ২৯৪টি আসনেই প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, বাম বা অন্য দলের সঙ্গে জোটের ফলে নিচুতলার কর্মীদের মনোবল ভেঙে পড়েছিল। সেই কারণেই জোট না করে এককভাবে লড়াইয়ের পথ বেছে নেওয়া হয়েছে। প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের এই ইচ্ছাকেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব মেনে নিয়েছে বলে জানান তিনি।অন্যদিকে অধীর রঞ্জন চৌধুরী জানিয়েছেন, তিনি দলের একজন কর্মী হিসেবে দল যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটাই মেনে নেবেন। কংগ্রেসের এই সিদ্ধান্তের পর প্রতিক্রিয়া এসেছে বামেদের তরফেও। বাম নেতা বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য খানিক কটাক্ষ করে বলেন, কংগ্রেস একটি স্বাধীন দল এবং এককভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার তাদের রয়েছে। তাঁর ধারণা, এই সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত তৃণমূলকেই সুবিধা করে দেবে।এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। তিনি বলেন, মালদহ ও মুর্শিদাবাদে কংগ্রেস মুসলিম ভোট পায় এবং তৃণমূলও মুসলিম ভোটের উপর ভর করেই সরকার চালাচ্ছে। তবে বিজেপির সে সব নিয়ে কোনও মাথাব্যথা নেই বলেই মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর কথায়, বিজেপির লক্ষ্য হিন্দু ভোটকে এক করা।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
বিদেশ

৫০ বছরের ইতিহাস ভেঙে পরমাণু অস্ত্রে আর কোনও সীমা নেই, বিশ্ব কি পরমাণু যুদ্ধের দিকে?

একের পর এক যুদ্ধে জ্বলছে বিশ্ব। গাজা থেকে ইউক্রেনসব জায়গাতেই সংঘাতের ছায়া ঘনাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আবারও সামনে এল পরমাণু যুদ্ধের আশঙ্কা। বিশ্বের দুই শক্তিধর দেশ আমেরিকা ও রাশিয়া এবার পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতার মুখে দাঁড়াল।বৃহস্পতিবার রাশিয়া ও আমেরিকার মধ্যে শেষ যে পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি ছিল, তার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। গত অর্ধ শতাব্দীরও বেশি সময়ের মধ্যে এই প্রথম দুই দেশের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারের উপর আর কোনও আইনি সীমা রইল না। নিউ স্টার্ট চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় নতুন করে পারমাণবিক অস্ত্রের প্রতিযোগিতা শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।যদিও গত বছর রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছিলেন, ওয়াশিংটন চাইলে আরও এক বছর তিনি নিউ স্টার্ট চুক্তির নিয়ম মেনে চলতে রাজি। তবে সেই প্রস্তাবে বিশেষ আগ্রহ দেখায়নি আমেরিকা। তখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি ছিল, এই চুক্তিতে চিনকেও যুক্ত করতে হবে। কিন্তু সেই প্রস্তাবে চিন সায় দেয়নি।রাশিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বিষয়ে তারা চিনের সঙ্গে আলোচনা করেছিল। তবে আমেরিকার তরফে কোনও স্পষ্ট উত্তর মেলেনি। ক্রেমলিনের পরামর্শদাতা ইউরি উষাকভ জানিয়েছেন, বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে রাশিয়া দায়িত্বশীল এবং ভারসাম্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেবে।উল্লেখ্য, ২০১০ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং রাশিয়ার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ নিউ স্টার্ট চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তি অনুযায়ী, দুই দেশকে সর্বাধিক ৭০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও বোমারু বিমান এবং ১,৫৫০টি পারমাণবিক ওয়ারহেডের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে হত। চুক্তির মেয়াদ প্রথমে ২০২১ সালে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও পরে আরও পাঁচ বছরের জন্য তা বাড়ানো হয়েছিল। এবার সেই চুক্তিরও ইতি ঘটল।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
দেশ

অনুপ্রবেশ ইস্যুতে তৃণমূলকে তুলোধোনা, রাজ্যসভায় বিস্ফোরক মোদী

রাষ্ট্রপতির ভাষণের পর রাজ্যসভায় জবাবি ভাষণ দিতে উঠে উত্তাল পরিস্থিতির মুখে পড়লেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ভাষণ শুরু হতেই বিরোধী সাংসদদের তুমুল স্লোগানে সরগরম হয়ে ওঠে রাজ্যসভা। তবে সেই অবস্থার মধ্যেই নিজের বক্তব্য শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। স্লোগান তোলাকে কেন্দ্র করে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গেকে খোঁচা দিয়ে মোদী বলেন, বয়সের কথা মনে রেখে তিনি যেন বসে থেকেই স্লোগান দেন।প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই একাধিক বিরোধী সাংসদ রাজ্যসভা থেকে ওয়াকআউট করেন। সেই বিষয়টিকেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি মোদী। তিনি বলেন, কিছু মানুষ এত তাড়াতাড়ি ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন, কিন্তু তাঁদেরও একদিন প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। একই সঙ্গে কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী।মোদীর বক্তব্যে উঠে আসে কংগ্রেস আমলের প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, লালকেল্লা থেকে কংগ্রেসের প্রধানমন্ত্রীদের দেওয়া ভাষণগুলি বিশ্লেষণ করলে স্পষ্ট বোঝা যাবে যে তাঁদের কোনও দীর্ঘমেয়াদি ভাবনা ছিল না। সেই কারণেই দেশ বহু বছর পিছিয়ে পড়েছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি। মোদীর দাবি, কংগ্রেসের ভুল সংশোধন করতেই বর্তমান সরকারকে অনেক শক্তি ব্যয় করতে হয়েছে। তাঁর কথায়, বর্তমান সরকার ভবিষ্যতের কথা ভেবেই নীতি তৈরি করেছে এবং আজ দেশ নীতির ভিত্তিতেই চলছে।জবাবি ভাষণের সময় বাংলার প্রসঙ্গও তোলেন প্রধানমন্ত্রী। রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে নির্মম সরকার বলে কটাক্ষ করেন তিনি। রাজ্যসভায় উপস্থিত তৃণমূল সাংসদদের উদ্দেশে মোদীর মন্তব্য, নির্মমতার যত রেকর্ড ছিল, সবকিছুই তারা ভেঙে দিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, বাংলার মানুষের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে, অথচ ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য সেই নির্মমতাকেই প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে।অনুপ্রবেশ ইস্যুতেও তৃণমূল সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী। মোদীর বক্তব্য, সারা পৃথিবীর দেশ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। অথচ তৃণমূল সরকার অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করতে আদালতে যাচ্ছে এবং আদালতের উপর চাপ সৃষ্টি করছে। তাঁর দাবি, এই অনুপ্রবেশকারীরাই যুব সমাজের চাকরি কেড়ে নিচ্ছে এবং আদিবাসীদের জমি দখল করছে। অথচ এসব বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ না নিয়ে তৃণমূল সরকার কেন্দ্রকে উপদেশ দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
দেশ

তুষারে ঢাকা পাহাড়ে এনকাউন্টার, কিস্তওয়ারে খতম পাক জঙ্গি আদিল

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের জম্মু-কাশ্মীর সফরের আগেই বড় সাফল্য পেল নিরাপত্তাবাহিনী। কিস্তওয়ার ও উধমপুরে পৃথক সংঘর্ষে জইশ-ই-মহম্মদের তিন জঙ্গি নিহত হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন আদিল, যাকে দীর্ঘদিন ধরে খুঁজছিল নিরাপত্তাবাহিনী। বাহিনী সূত্রে জানা গিয়েছে, আদিল পাকিস্তানের নাগরিক এবং জঙ্গি সংগঠন লস্করের শীর্ষ নেতা সইফুল্লার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিল।নিরাপত্তাবাহিনী সূত্রে খবর, গত ১৮ মাস ধরে আদিলকে ধরার চেষ্টা চলছিল। একাধিকবার অভিযান হলেও সে প্রতিবারই পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল। বুধবার সন্ধ্যায় কিস্তওয়ার জেলার তুষারাবৃত চাতরু এলাকায় নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। এলাকা ঘিরে ফেলে গুলির লড়াইয়ের পর আদিলকে খতম করা হয়। এক নিরাপত্তা আধিকারিক জানান, প্রায় ২০ বার ধরা পড়ার মুখ থেকেও পালিয়ে গিয়েছিল আদিল, তবে এবার আর রেহাই পায়নি।এর আগে বুধবার সকালেই উধমপুর জেলায় একটি গুহায় আটকে পড়া জইশের দুই কমান্ড্যান্টের মৃত্যু হয়। ওই দুই জঙ্গির নাম রুবানি ওরফে আবু মাভিয়া এবং তার সহযোগী জুবায়ের। বাহিনীর সঙ্গে প্রায় ২০ ঘণ্টা ধরে তাদের গুলির লড়াই চলে। সকালে গুহার ভিতর থেকে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। পরে দেখা যায়, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছে ওই দুই জঙ্গির দেহ।এই অভিযানে একটি এম-৪ কার্বাইন, একটি একে অ্যাসল্ট রাইফেল, তিনটি গ্রেনেড এবং বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানে কাউন্টার ইনসার্জেন্সি ফোর্স ডেল্টা, হোয়াইট নাইট কোর, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং সিআরপিএফ যৌথভাবে অংশ নেয়।আদিল নিহত হওয়ার পর এবার লস্কর নেতা সইফুল্লার খোঁজে তল্লাশি আরও জোরদার করা হয়েছে। বাহিনী সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় দুই বছর আগে পাকিস্তান থেকে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢোকে সইফুল্লা। এরপর কিস্তওয়ার ও দোদা এলাকায় একাধিক জঙ্গি হামলার সঙ্গে সে জড়িত বলে অভিযোগ। এখনও উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় ড্রোনের সাহায্যে নজরদারি চালানো হচ্ছে এবং তল্লাশি অভিযান চলছে।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বেগুনি মিছিলের প্রভাব? বাজেটে বাড়ল আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সাম্মানিক

ভোটের মুখে রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেটে আবারও জনমুখী সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। এর আগে রাজ্যজুড়ে আশা কর্মী এবং অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী-সহায়িকাদের বেগুনি মিছিল নজর কেড়েছিল। সেই আন্দোলনের প্রেক্ষিতেই তাঁদের সাম্মানিক বাড়ানোর ঘোষণা করা হল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। ভোটের আগে শেষ বাজেটে কার্যত কল্পতরু হয়ে উঠেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বৃহস্পতিবার বিধানসভায় বাজেট পেশের সময় রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য জানান, ২০২৬ সালের এপ্রিল মাস থেকে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও অঙ্গনওয়াড়ি সহায়িকাদের মাসিক সাম্মানিক আরও ১ হাজার টাকা করে বাড়ানো হবে। একই সঙ্গে আশা কর্মীদের সাম্মানিকও বাড়ানোর কথা ঘোষণা করা হয়েছে। চলতি বছরের এপ্রিল মাস থেকেই আশা কর্মীরা মাসে অতিরিক্ত ১ হাজার টাকা করে পাবেন।শুধু সাম্মানিক বৃদ্ধি নয়, আশা কর্মীদের জন্য আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধার কথাও জানানো হয়েছে। রাজ্যের অন্যান্য সরকারি কর্মীদের মতোই এবার থেকে আশা কর্মীরাও ১৮০ দিনের মাতৃত্বকালীন ছুটির সুবিধা পাবেন। এই সিদ্ধান্তকে বড় স্বস্তি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।এছাড়াও অকাল মৃত্যুর ক্ষেত্রে আর্থিক সুরক্ষার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী জানান, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও সহায়িকার অকাল মৃত্যু হলে তাঁদের পরিবার বা নিকট আত্মীয়কে এককালীন ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে আশা কর্মীদের ক্ষেত্রেও।উল্লেখ্য, গত ২৩ ডিসেম্বর থেকে কর্মবিরতিতে রয়েছেন রাজ্যের আশা কর্মীরা। জানুয়ারি মাসের শেষ দিকে কলকাতা-সহ রাজ্যজুড়ে তাঁরা আন্দোলনে নামেন। একাধিক দাবিকে সামনে রেখেই এই আন্দোলন শুরু হয়। যদিও মাতৃত্বকালীন ছুটি ও অকাল মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করা হলেও, মূল সাম্মানিক সংক্রান্ত দাবি এখনও পুরোপুরি মেটেনি বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।বর্তমানে আশা কর্মীদের মাসিক সাম্মানিক ৫২৫০ টাকা। আগামী এপ্রিল মাস থেকে তা ১ হাজার টাকা বেড়ে হবে ৬২৫০ টাকা। তবে ন্যূনতম মজুরি বাড়ানোর দাবি এখনও মঞ্জুর হয়নি।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

লক্ষ্মীর ভান্ডার বাড়ল, যুবদের মাসে ১৫০০ টাকা—বাজেটে একের পর এক চমক মমতার

৫ ফেব্রুয়ারি রাজ্য বিধানসভায় রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করলেন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। এই বাজেটে একের পর এক জনমুখী ঘোষণা করে কার্যত কল্পতরুর মতোই ধরা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মহিলাদের জন্য একাধিক প্রকল্পের পাশাপাশি রাজ্যের যুব সমাজের জন্যও বড় ঘোষণা করা হয়েছে।এই বাজেটে লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে বড়সড় সুখবর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা মাসে ৫০০ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। ফলে যাঁরা এতদিন মাসে ১ হাজার টাকা করে পেতেন, তাঁরা এবার থেকে পাবেন ১ হাজার ৫০০ টাকা। আর তফসিলি জাতি ও তফসিলি উপজাতিভুক্ত মহিলারা পাবেন মাসে ১ হাজার ৭০০ টাকা করে। কন্যাশ্রী প্রকল্পও আগের মতোই চালু থাকবে বলে জানানো হয়েছে।এবার রাজ্যের বেকার যুবদের পাশে দাঁড়াতে নতুন যুব-সাথী প্রকল্প চালুর কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য রাজ্যে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো এবং কাজ না পাওয়া যুবদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া। আগামী ১৫ অগস্ট, স্বাধীনতা দিবস থেকেই এই নতুন প্রকল্প চালু হবে বলে জানানো হয়েছে।জানা গিয়েছে, মাধ্যমিক পাশ করা যুবক-যুবতীরাই এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। বয়স হতে হবে ২১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। যাঁরা এখনও কোনও চাকরি পাননি, তাঁদের প্রতি মাসে ১ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা দেবে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, যুব-সাথী প্রকল্পে টানা পাঁচ বছর ধরে এই টাকা দেওয়া হবে এবং প্রায় ৩০ লক্ষ যুবক-যুবতী এই প্রকল্পের আওতায় আসবেন।এছাড়াও এবারের বাজেটে আশা কর্মী ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের ভাতাও বাড়ানো হয়েছে। তাঁদের মাসিক ভাতা ১ হাজার টাকা করে বৃদ্ধি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে এই অন্তর্বর্তী বাজেটে মহিলা, যুব সমাজ এবং প্রান্তিক মানুষের জন্য একাধিক আর্থিক সুবিধার ঘোষণা করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal