• ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার ৩০ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Dev

দেশ

তৃণমূলে আরও বড় ধাক্কা! সুখেন্দুর পর এবার ইস্তফা সুস্মিতা দেবের, বাড়ছে জল্পনা

তৃণমূল কংগ্রেসে অস্বস্তি আরও বাড়ল। এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বার রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিলেন দলের এক সদস্য। সুখেন্দু শেখর রায়ের পর এবার পদত্যাগ করলেন সুস্মিতা দেব। বুধবার তিনি রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সি পি রাধাকৃষ্ণনের কাছে নিজের ইস্তফাপত্র জমা দেন।রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে অসন্তোষের খবর সামনে আসছে। বিভিন্ন স্তরে মতভেদের আলোচনা চলার মধ্যেই একের পর এক সাংসদের পদত্যাগ দলকে অস্বস্তিতে ফেলেছে।দলীয় সূত্রে জল্পনা, আরও কিছু নেতা ও সাংসদ ভবিষ্যতে একই পথে হাঁটতে পারেন। রাজনৈতিক মহলে এমনও আলোচনা চলছে যে সদ্য রাজ্যসভার সদস্য হওয়া কোয়েল মল্লিকও পদত্যাগ করতে পারেন। যদিও এ বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি।সুস্মিতা দেব দীর্ঘদিন কংগ্রেসের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অসমের শিলচর লোকসভা কেন্দ্র থেকে তিনি সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে দুই হাজার উনিশ সালের লোকসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর কংগ্রেস ছাড়েন তিনি। পরে দুই হাজার একুশ সালে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন।দলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই সুস্মিতা দেবকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি দলের জাতীয় মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেন। পরে তাঁকে রাজ্যসভার সাংসদও করা হয়। পাশাপাশি অসমে দলের সংগঠন বিস্তারের দায়িত্বও তাঁর কাঁধে তুলে দেওয়া হয়েছিল।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সুস্মিতা দেবের পদত্যাগ শুধুমাত্র সংসদীয় রাজনীতিতেই নয়, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সংগঠনেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে উত্তর-পূর্ব ভারতে দলের বিস্তারের পরিকল্পনার ক্ষেত্রে এই ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে সংসদের দুই কক্ষেই এখন নতুন সমীকরণ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। লোকসভায় দলের কিছু সাংসদ আলাদা অবস্থান নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। অন্যদিকে রাজ্যসভায়ও তৃণমূলের সাংসদ সংখ্যা কমছে। সুখেন্দু শেখর রায় ও সুস্মিতা দেবের ইস্তফার ফলে দলের শক্তি আগের তুলনায় কমেছে। ভবিষ্যতে আরও কোনও পদত্যাগ হলে সেই চাপ আরও বাড়তে পারে।সব মিলিয়ে একের পর এক ইস্তফা এবং দলীয় অন্দরের অসন্তোষের খবরে তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা তীব্র হয়েছে। আগামী দিনে দলের নেতৃত্ব পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১০, ২০২৬
রাজ্য

মমতার হাত ছেড়ে শুভেন্দুর মঞ্চে দেব! কোলাঘাটে দেখা যেতেই তুঙ্গে জল্পনা

রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমশ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক সাংসদ এনডিএ শিবিরে যোগদানের ইচ্ছা প্রকাশ করার পর থেকেই নতুন সমীকরণ নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এই আবহেই কোলাঘাটে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিলেন ঘাটালের সাংসদ দেব, যা ঘিরে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।সোমবার তৃণমূলের উনত্রিশ জন সাংসদের মধ্যে কুড়ি জন একসঙ্গে লোকসভার স্পিকারের কাছে চিঠি দিয়েছেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়। সেই বিদ্রোহী সাংসদদের তালিকায় দেবের নামও উঠে আসে। এর পরদিনই তাঁকে দেখা যায় কোলাঘাটের প্রশাসনিক বৈঠকে।মঙ্গলবার পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম জেলার প্রশাসনিক কাজকর্ম পর্যালোচনা করতে কোলাঘাটের বলাকা মঞ্চে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে বিভিন্ন সরকারি আধিকারিক, সাংসদ এবং বিধায়কেরা উপস্থিত ছিলেন। জুন মালিয়া-সহ একাধিক পরিচিত রাজনৈতিক মুখও ছিলেন সভায়।বেলা প্রায় বারোটা নাগাদ সভাস্থলে পৌঁছন দেব। মুখ্যমন্ত্রীর পর তিনিই শেষের দিকে মঞ্চে প্রবেশ করেন এবং মূল মঞ্চেই আসন গ্রহণ করেন। তাঁর উপস্থিতি স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলের নজর কেড়েছে।সভায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার একাধিক সাংসদ ও বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন। মূল মঞ্চে দেবের পাশাপাশি বসেছিলেন সৌম্যেন্দু অধিকারী, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এবং জুন মালিয়া।রুপোলি পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা দেবের রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরেই। ঘাটাল কেন্দ্র থেকে একাধিকবার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। একসময় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছাও প্রকাশ করেছিলেন। তবে পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনা করে সেই সিদ্ধান্ত বদলান।সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনের সময়ও তৃণমূলের প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা নিতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। বিভিন্ন প্রচারসভায় অংশগ্রহণ করেছিলেন তিনি। তবে নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর বিজেপির জয়ের জন্য সামাজিক মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানানো পোস্ট নিয়েও যথেষ্ট আলোচনা হয়েছিল।এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে দেবের উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। যদিও এই বিষয়ে দেবের পক্ষ থেকে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে তাঁর এই উপস্থিতি শুধুই প্রশাসনিক বৈঠকের অংশ, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে, তা নিয়েই এখন জোর চর্চা চলছে।এদিন ঝাড়গ্রাম জেলা প্রশাসনের একাধিক আধিকারিকও প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিতে বাসে করে কোলাঘাটে পৌঁছন। বৈঠকে তিন জেলার উন্নয়নমূলক কাজ এবং প্রশাসনিক বিষয়গুলি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

জুন ০৯, ২০২৬
কলকাতা

কার সই কে করল? তৃণমূলের অন্দরে বাড়ছে সন্দেহ, তদন্তে নেমেছে সিআইডি

তৃণমূলের পরিষদীয় দলনেতা, উপনেতা এবং মুখ্যসচেতক নির্বাচনের জন্য জমা দেওয়া সমর্থনপত্রে সই নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। কার সই কে করেছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই তদন্তে নেমেছে সিআইডি। ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে যেমন চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে, তেমনই তৃণমূলের অন্দরেও বাড়ছে অস্বস্তি।বিধানসভার পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের হওয়ার পরই তদন্তের গতি বাড়ে। বৃহস্পতিবার রাতেই একাধিক বিধায়কের বাড়িতে পৌঁছে যান সিআইডি আধিকারিকরা। তাঁদের মূল লক্ষ্য ছিল সংশ্লিষ্ট বিধায়কদের স্বাক্ষর যাচাই করা এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা।তদন্তের অংশ হিসেবে চৌরঙ্গীর বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, ডোমজুড়ের বিধায়ক তাপস মাইতি এবং ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক বাহারুল ইসলামের বাড়িতে যান তদন্তকারীরা। শুক্রবার সকালে বোলপুরের বিধায়ক চন্দ্রনাথ সিনহার বাড়িতেও পৌঁছয় সিআইডির একটি দল।বাহারুল ইসলাম জানিয়েছেন, তদন্তকারীরা তাঁকে ৬ মে তিনি কোথায় ছিলেন তা জানতে চান। তিনি জানান, সেদিন তিনি নিজের এলাকায় ছিলেন এবং কোনও বৈঠকে যোগ দেননি। তাঁকে একটি নথিতে থাকা সই দেখানো হলে তিনি দাবি করেন, সেটি তাঁর স্বাক্ষর নয়। এই বক্তব্য সামনে আসার পরই বিতর্ক আরও জোরালো হয়েছে।তৃণমূলের প্রবীণ নেতা ও বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ও জানিয়েছেন, কোনও বেআইনি কাজকে সমর্থন করা হবে না। তাঁর বক্তব্য, বাহারুল ইসলাম যে স্বাক্ষরটি দেখেছেন, সেটিকে তিনি নিজের সই বলে স্বীকার করেননি।অন্যদিকে তাপস মাইতি তদন্তকারীদের জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট নথিতে থাকা স্বাক্ষরটি তাঁরই। ফলে একই ঘটনায় দুই ধরনের বক্তব্য সামনে আসায় তদন্ত আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।এদিকে বোলপুরে গিয়ে বিধায়ক চন্দ্রনাথ সিনহার স্বাক্ষরের নমুনাও সংগ্রহ করেছে সিআইডি। ভিডিও রেকর্ডিংয়ের মাধ্যমে ছোট এবং বড় হরফে তাঁর একাধিক নমুনা সই নেওয়া হয়েছে। তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, শপথ গ্রহণের সময় চন্দ্রনাথ সিনহা বাংলায় স্বাক্ষর করেছিলেন। কিন্তু বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের সমর্থনপত্রে তাঁর নামে অন্য ভাষায় স্বাক্ষর রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।সব মিলিয়ে সই বিতর্ক ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর ক্রমেই বাড়ছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষেরও। সিআইডির তদন্তে আগামী দিনে আরও নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

মে ৩০, ২০২৬
কলকাতা

রাতের অন্ধকারে হামলা! প্রবীণ নেতার বাড়ি ঘিরে চাঞ্চল্য, আতঙ্কে পরিবার

ভোট মিটতেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় অশান্তির খবর সামনে আসছে। সেই তালিকায় এবার যোগ হল ভবানীপুরের একটি ঘটনা। প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর বাড়ির সামনে হুজ্জুতি হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে।জানা গিয়েছে, ভবানীপুরের রূপনারায়ণ নন্দন লেনে শোভনদেবের বাড়ির সামনে মঙ্গলবার রাতে এই ঘটনা ঘটে। এই বিষয়ে তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনার পর পরিবার নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন এই বর্ষীয়ান নেতা। পরিস্থিতির কারণে তিনি নাতনিকে স্কুলেও পাঠাতে পারেননি বলে জানা গিয়েছে।এদিকে, ভোট শেষ হওয়ার পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হিংসার অভিযোগ সামনে আসছে। তার মধ্যেই এই ঘটনা নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।সম্প্রতি হওয়া নির্বাচনে দীর্ঘদিন পর রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল ঘটেছে। বিপুল আসনে জয় পেয়ে সরকার গঠনের পথে রয়েছে বিজেপি। এই নির্বাচনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ নেতা পরাজিত হলেও বালিগঞ্জ কেন্দ্রে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।তিনি তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে এই কেন্দ্রে লড়াই করেছিলেন। প্রতিদ্বন্দ্বীদের থেকে অনেক বেশি ভোট পেয়ে তিনি জয়ী হন। তাঁর প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা এক লক্ষেরও বেশি। প্রতিপক্ষ প্রার্থীদের তুলনায় তিনি অনেক ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন।এই জয়ের পরই তাঁর বাড়িতে হামলার অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

মে ০৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ফাইনালের আগে বড় প্রশ্ন! দলে থাকবেন তো অভিষেক? পাশে দাঁড়ালেন কপিল দেব ও রবি শাস্ত্রী

চলতি কুড়ি ওভারের বিশ্বকাপে অভিষেক শর্মার পারফরম্যান্স নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার আগে ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে তিনি ছিলেন অন্যতম ভরসার নাম। তাঁর ছক্কার ঝড় দেখার অপেক্ষায় ছিলেন অনেকেই। কিন্তু বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত সেই আগ্রাসী ব্যাটিং খুব একটা দেখা যায়নি। তাই ফাইনালের আগে প্রশ্ন উঠছে, প্রথম একাদশে কি থাকবেন অভিষেক?তবে ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটারদের অনেকেই তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন। বিশ্বজয়ী অধিনায়ক কপিল দেব মনে করছেন, দলের উচিত অভিষেকের উপর ভরসা রাখা। তাঁর কথায়, দলের পরিচালকদের খেলোয়াড়ের উপর আস্থা রাখা দরকার। একই সঙ্গে অভিষেকেরও নিজের উপর বিশ্বাস রাখা উচিত। তিনি বলেন, এখনও একটি ম্যাচ বাকি রয়েছে, সেটাই ফাইনাল। তাই শেষ ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ রয়েছে।এই বিশ্বকাপে অভিষেক এখনও নিজের সেরা ছন্দ খুঁজে পাননি। ফর্ম, ফিটনেস এবং আত্মবিশ্বাস সব দিক থেকেই তিনি কিছুটা পিছিয়ে রয়েছেন বলে মনে করছেন অনেকেই। জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে একটি অর্ধশতরান করলেও সেই ইনিংস খুব বেশি আত্মবিশ্বাসী ছিল না বলে মত অনেকের। সেমিফাইনালেও তিনি মাত্র নয় রান করে আউট হন।ভারতের প্রাক্তন কোচ রবি শাস্ত্রীও মনে করছেন, দলে কোনও পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। তাঁর মতে, অভিষেককে নিজের প্রতিভার উপর ভরসা রাখতে হবে। তিনি বলেন, নিজের দুর্বলতা নিয়ে বেশি চিন্তা না করে শক্তির জায়গাগুলোর উপর আস্থা রাখা দরকার। মাঠে নেমে স্বাভাবিক খেলাটা খেললেই হয়তো এই ম্যাচেই তাঁর সেরা ইনিংস দেখা যেতে পারে। তবে শট নির্বাচনের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন শাস্ত্রী।ভারতীয় দলের পরিচালকরাও এখনও অভিষেকের উপর আস্থা রাখছেন বলে জানা গিয়েছে। রান না পেলেও তাঁকে সমর্থন করছেন কোচ গৌতম গম্ভীর এবং অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। ফাইনালের দলেও অভিষেক থাকতে পারেন বলেই ইঙ্গিত মিলছে। তাঁর পাশে থাকবেন ভাল ফর্মে থাকা সঞ্জু স্যামসন। দলের তরফে জানানো হয়েছে, প্রত্যেক খেলোয়াড়ের দিকেই নজর রাখা হচ্ছে এবং অভিষেকের উপর দলের পূর্ণ আস্থা রয়েছে।

মার্চ ০৭, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

বাংলা ছবির প্রাইম টাইম রক্ষায় গড়া কমিটি কি অস্তিত্ব সঙ্কটে? টলিউডে বাড়ছে ফাটল, প্রশ্নের মুখে ‘স্ক্রিনিং কমিটি’

২০২৫ সালের ১৫ অগস্টস্বাধীনতা দিবসে বড়পর্দার দখল নিতে মুখোমুখি হয়েছিল একাধিক মেগা বাজেটের হিন্দি ছবি। সেই তালিকায় ছিল দিল্লি ফাইলস, ওয়ার ২, কুলির মতো বহুল প্রতীক্ষিত প্রজেক্ট। ঠিক সেই সময়েই মুক্তির অপেক্ষায় ছিল বাংলা ছবি ধূমকেতুযে ছবি ঘিরে বাঙালির প্রতীক্ষা প্রায় এক দশকের।এই পরিস্থিতিতে বাংলা ছবিকে প্রাইম টাইম ও প্রাইম ডেটে জায়গা করে দিতে একজোট হয়েছিল টলিউড। কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের পরিচালনায় দেব-শুভশ্রীর প্রত্যাবর্তনের ছবি যাতে হিন্দি ছবির দাপটে কোণঠাসা না হয়ে পড়ে, সে জন্য উদ্যোগী হয়েছিলেন অভিনেতা-সাংসদ দেব। তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, শ্রীকান্ত মোহতা, নিসপাল সিংহ রানে, শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, স্বরূপ বিশ্বাস-সহ টলিউডের প্রথম সারির প্রযোজক, পরিবেশক ও হলমালিকেরা।তখনই উঠে এসেছিল দীর্ঘদিনের অভিযোগবড় বাজেটের হিন্দি ছবি মানেই বাংলার প্রেক্ষাগৃহে প্রাইম টাইম দখল, আর বাংলা ছবি নিজের রাজ্যেই হয়ে উঠছে নিজভূমে পরবাসী।এই আবহে টলিউডের তরফে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে স্বাক্ষর-সংবলিত চিঠি পৌঁছয়। তারই ভিত্তিতে গঠিত হয় একটি স্ক্রিনিং কমিটি। মন্ত্রী স্বরূপ বিশ্বাসের নেতৃত্বে তৈরি এই কমিটির সভাপতি করা হয় পিয়া সেনগুপ্তকে। উদ্দেশ্য ছিলবাংলা ছবিকে প্রাইম টাইমে প্রাধান্য দেওয়া, উৎসবের দিনে বাংলা ছবির মুক্তির সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা।কিন্তু কয়েক মাস না যেতেই সেই কমিটির ভবিষ্যৎ ঘিরে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।টলিউডের অন্দরে গুঞ্জন, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে গড়া ওই স্ক্রিনিং কমিটি নিয়েই তৈরি হয়েছে অসন্তোষ। এমনকি কমিটি বন্ধ করে দেওয়ার অনুরোধও নাকি পৌঁছেছে নবান্নে। যদিও মুখ্যমন্ত্রী সেই অনুরোধে সাড়া দেবেন কি না, তা নিয়ে স্পষ্টতা নেই।এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দেবের অবস্থান। বছরের শেষে কমিটির আস্থা ভোটে তিনি নিরপেক্ষ ছিলেনএ কথা নিজেই জানিয়েছেন। আনন্দবাজার ডট কম-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দেব বলেন, আমি নোটায় ভোট দিয়েছি। কিছু বিষয়ে সহমত, কিছু বিষয়ে নয়। কমিটি হওয়ার পর থেকে দেখছি ঝগড়াই বেশি হচ্ছে। আগে এতটা হত না।দেবের বক্তব্যে স্পষ্ট হতাশা। তাঁর কথায়, কমিটি তৈরির আগে সমস্যা ছিল, কিন্তু তা মিটেও যেত। এখন সেটা হচ্ছে না। কোথাও একটা ফাঁক থেকে যাচ্ছে। সবচেয়ে খারাপ লাগছে, কেউ সরাসরি কথা বলছে না, অথচ কথা ছড়াচ্ছে।তবে একই সঙ্গে আশ্বাসও দিয়েছেন তিনিনতুন কমিটি মানেই মানিয়ে নিতে সময় লাগে, এই অস্থিরতা কেটে যাবে বলেই তাঁর বিশ্বাস।কিন্তু টলিউডের অন্দরমহলের খবর বলছে, সমস্যার গভীরতা আরও বেশি। স্ক্রিনিং কমিটির কাছে শুধু প্রাইম টাইম বা মুক্তির সংখ্যা নিয়েই নয়, আরও গুরুতর অভিযোগ পৌঁছেছে। বাংলা ছবির ভুয়ো বাণিজ্যিক পরিসংখ্যান, সোশ্যাল মিডিয়ায় কুৎসিত আক্রমণ, প্রযুক্তির সাহায্যে অন্য ছবির রেটিং কমিয়ে নিজের ছবির রেটিং বাড়ানোর মতো অভিযোগও উঠেছে।খবর, বছরের শুরুতেই এই সমস্ত অভিযোগ লিখিত আকারে লালবাজারে জমা দিয়েছেন টলিউডের একাধিক খ্যাতনামী ব্যক্তি। প্রশাসনিক হস্তক্ষেপও চাওয়া হয়েছে। অভিযোগের তির যদিও নাম না করে, তবে এক প্রভাবশালী তারকা অভিনেতা-প্রযোজকের দিকেই বলে গুঞ্জন।এই সব মিলিয়েই প্রশ্ন উঠছেবাংলা ছবির স্বার্থরক্ষার জন্য যে স্ক্রিনিং কমিটি তৈরি হয়েছিল, সেই কমিটিই কি এখন টলিউডের বিভাজনের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে? আর সেই কারণেই কি একদা ঐক্যের প্রতীক হয়ে ওঠা এই কমিটির ভবিষ্যৎ আজ প্রশ্নচিহ্নের মুখে?উত্তর এখনও অজানা। তবে স্পষ্টবাংলা ছবির লড়াই এখন শুধু বাইরের দাপটের বিরুদ্ধে নয়, ভিতরের সমন্বয়ের পরীক্ষাতেও।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

খসড়া তালিকায় নাম নেই, তবু শুনানিতে ডাক! এসআইআর নোটিস পেলেন দেব?

খসড়া ভোটার তালিকায় নাম নেই। এসআইআর শুনানিতে ডাক পেয়েছেন অভিনেতা তথা ঘাটালের তৃণমূল সাংসদ দীপক অধিকারী, যিনি দেব নামেই বেশি পরিচিত। এমনই দাবি করেছেন কলকাতার ৯৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মৌসুমী দাস। তবে এই বিষয়ে দেব নিজে কিছুই জানেন না বলে জানিয়েছেন।ভোটার তালিকা সংশোধন ঘিরে এই শুনানি নিয়ে ইতিমধ্যেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এর আগে কবি জয় গোস্বামীও এসআইআর শুনানির নোটিস পেয়েছিলেন। সেই ঘটনায় তিনি ও তাঁর মেয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন। একই সঙ্গে জানা গিয়েছে, ভারতীয় ক্রিকেট দলের পেসার মহম্মদ শামিকেও শুনানিতে ডাকা হয়েছে।৯৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মৌসুমী দাস জানান, এই শুনানিতে একাধিক পরিচিত মুখকে ডাকা হচ্ছে। অভিনেত্রী লাবনী সরকার, অভিনেতা কৌশিক বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই হাজিরা দিয়েছেন। ক্রিকেটার মহম্মদ শামিকেও ডাকা হয়েছিল, তবে খেলার ব্যস্ততার কারণে তিনি আসতে পারেননি। পরে তাঁকে দ্বিতীয়বার তারিখ দেওয়া হয়েছে। দেবকেও ডাকা হয়েছে বলে দাবি করেন কাউন্সিলর। তাঁর বক্তব্য, দেব একজন সাংসদ হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে।কাউন্সিলরের অভিযোগ, তারকা হোক বা সাধারণ মানুষ, নির্বিশেষে সবাইকে ডাকা হচ্ছে, যা কার্যত হয়রানি ছাড়া কিছু নয়। শুনানিতে অনেক ক্ষেত্রে অপ্রাসঙ্গিক ও অদ্ভুত প্রশ্ন করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ ওঠে। যদিও দেবের দাবি, তিনি এই ধরনের কোনও নোটিস এখনও পাননি।শুধু তারকারাই নন, সাধারণ সরকারি আধিকারিকদেরও ডাকা হয়েছে শুনানিতে। জলপাইগুড়ির এক বিডিও লাইনে দাঁড়িয়ে শুনানিতে হাজিরা দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে সেনা ও প্রাক্তন সেনা জওয়ানদের পরিবারকেও এসআইআর শুনানিতে ডেকে পাঠানো হয়েছে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

হাঁটতে বেরিয়ে হঠাৎ গুলি! প্রতিবেশী প্রেমিকের নাম বলেই লুটিয়ে পড়লেন মহিলা

হরিদেবপুরে সোমবার ভোরের শুটআউট ঘিরে চাঞ্চল্য। সকাল সাড়ে ছটা নাগাদ গুলিবিদ্ধ হলেন এক মহিলা। আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্ত প্রেমিক বাবলু ঘোষকে পাকড়াও করল কলকাতা পুলিশ। ধরা পড়লেন পিটিএসের কাছে একটি গাড়ি থেকে। পুলিশের নজরে এ ঘটনাকে বড় সাফল্য হিসেবেই দেখা হচ্ছেকারণ ঘটনার মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার অভিযুক্ত।পুলিশ সূত্রের খবর, ৫০ বছর বয়সি মৌসুমী হালদার প্রতিদিনের মতো হাঁটতে বেরিয়েছিলেন। হঠাৎই মোটরবাইকে করে দুই যুবক আসে। লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলি লাগে মৌসুমীর পিঠে। লুটিয়ে পড়েই তিনি আততায়ীর নাম বলে দেনবাবলু। এলাকাবাসীও জানতেন, প্রতিবেশী বাবলু ঘোষের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল মৌসুমীর।জানা গিয়েছে, বাবলুর মুরগির ব্যবসা ছিল। স্ত্রী মারা যাওয়ার পর থেকেই মৌসুমীর সঙ্গে তাঁর প্রেম। এমনকি চুপিসারে বিয়েও করেছেন তারাএমনটাই ছড়িয়েছিল এলাকায়। বাবলুর মেয়ের বিয়েও হয়ে গেছে। অভিযোগ, কিছুদিন ধরে সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছিলেন মৌসুমী। কিন্তু তাতে রাজি ছিল না বাবলু। ওই মহিলাকে সংসার ছেড়ে তাঁর সঙ্গে থাকতে জোরাজুরি করত। শেষমেশ প্রেমের জটিলতাই রক্তাক্ত পরিণতি নিল।পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, বাবলু কোনও গ্রাহকের কাছ থেকে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র জোগাড় করে সোমবার সকালে গুলি চালায়। এরপর নিজের বাড়ির তালা বন্ধ করে জিনিসপত্র তুলে পালানোর চেষ্টা করে ভাড়ার গাড়িতে। প্রতিবেশীরা গাড়ির নম্বর দেখে রাখেন। সেই সূত্রেই শুরু হয় পুলিশের অভিযান।হরিদেবপুর থানার ওসি প্রসূন দে সরকার ও অতিরিক্ত ওসি সুদীপ্ত দেবঘরিয়ার নেতৃত্বে শুরু হয় অপারেশন। গাড়ির মালিককে ফোন করে খদ্দের সেজে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। জানা যায়, গাড়িটি হাওড়ার পাঁচলায় আছে। পুলিশ গাড়ির নম্বর ট্র্যাক করে, আরেক দল পাঁচলার পথে রওনা দেয়।কিন্তু গাড়িটি মাঝপথেই ধরা পড়ে। পিটিএসের কাছে নম্বর মিলিয়ে পুলিশ গাড়ি থামায় এবং ভিতরেই বাবলুকে দেখা যায়। পাঁচলায় পালানোর পরিকল্পনা ছিল বলে দাবি পুলিশের। তার আগেই হাতকড়া পড়ল তার হাতে। আজ তাকে আদালতে তোলা হবে।দ্রুত পদক্ষেপে এই গ্রেফতারকলকাতা পুলিশের তদন্ত এবং তৎপরতার বড় নিদর্শন হয়ে রইল বলে মত অনেকের।

নভেম্বর ০৩, ২০২৫
রাজ্য

দীঘায় জনজোয়ার! জানেন তো জগন্নাথ মন্দিরের বাড়তি আকর্ষণ সম্পর্কে?

টানা তিনদিনের ছুটি (১৫ আগস্ট স্বাধীনতা দিবস, ১৬ আগস্ট জন্মাষ্টমী, ১৭ আগস্ট রবিবার) ঘিরে দিঘায় পর্যটকের ভিড় বাড়ছে। এই প্রথমবার দিঘার জগন্নাথ ধামে হবে জন্মাষ্টমী উদযাপন। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত চলবে মঙ্গল আরতি, কীর্তন, ধর্মীয় আলোচনা ও প্রসাদ বিতরণ। সাধারণত রাত ৯টায় বন্ধ হওয়া মন্দির এদিন খোলা থাকবে রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত। হোটেল বুকিং প্রায় সম্পূর্ণ, নিরাপত্তা ও পরিষেবা নিশ্চিত করতে নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। ভক্তদের জন্য কলস অভিষেকের আয়োজনও থাকছে।দিঘা জগন্নাথ ধামের ট্রাস্টি বোর্ডের অন্যতম কর্মকর্তা তথা কলকাতা ইসকনের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাধারমণ দাস বলেন, প্রথমবার দিঘা জগন্নাথ ধামে জন্মাষ্টমী উদযাপন হবে। সকাল থেকে শুরু হবে মঙ্গল আরতি ও কীর্তন। দুপুরে প্রসাদ বিতরণ হবে, দিনভর থাকবে কীর্তন ও ধর্মীয় আলোচনা। রাত বারোটা হবে শ্রীকৃষ্ণ জন্মোৎসব পূজা, যেখানে হাজারো ভক্ত একসঙ্গে প্রার্থনায় অংশ নেবেন। দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মন্দির প্রাঙ্গণে পুলিশ টহল ও স্বেচ্ছাসেবক দল নিয়োজিত থাকবে।

আগস্ট ১৫, ২০২৫
রাজ্য

বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থায় চেয়ারপারর্সন ও দুজন ভাইস চেয়ারপারর্সনের নাম ঘোষণা

বর্ধমান ডেভেলপমেন্ট অথরিটির নতুন চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যানদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, এবার ২জন ভাই চেয়ারম্যানের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। চেয়ারম্যান হয়েছেন উজ্জ্বল প্রামানিক। জামালপুরের বিধায়ক ছিলেন। ভাইস চেয়রাম্যান দুজন হলেন কাকলি তা গুপ্তা ও আইনুল হক। এর আগে বিডিএর চেয়ারপার্সন ছিলেন কাকলি তা গুপ্তা ও ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন আইনুল হক। চেয়ারপার্সন থেকে ভাইস চেয়ারপার্সন হয়ে গেলেন কাকলি তা গুপ্তা। আগের পদে রইলেন আইনুল হক। বর্ধমান পুরসভার দীর্ঘ দিনের চেয়ারম্যান ছিলেন আইনুল হক।

জুলাই ১৫, ২০২৫
রাজ্য

দুএকটি ওয়ার্ড ছাড়া বর্ধমান শহরের কোনও ওয়ার্ডে উন্নয়ন হয়নি, বিস্ফোরক তৃণমূল কাউন্সিলর

বর্ধমান পুরসভার উন্নয়ন নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভপ্রকাশ করলেন তৃণমূল কাউন্সিলর বসির আহমেদ ওরফে বাদশা। তাঁর দাবি, দুএকটি ওয়ার্ড ছাড়া পুর এলাকার কোনও ওয়ার্ডে উন্নয়ন হয়নি। রাস্তা হয়নি বেশিরভাগ ওয়ার্ডে। বরং না নোটিশ দিয়ে ফুটপাতের দোকান ভাঙতে মরিয়া। বসির আহমেদ বলেছেন,বর্ধমান পুরসভা এলাকায় ২৩ ও ২৪ নম্বর ওয়ার্ড ছাড়া কোনও ওয়ার্ডে উন্নয়ন হয়ৃনি। ৩৩টা ওয়ার্ডে কোনও কাজ হয়নি। দেখাতে পারবেন কোথায় কি রাস্তা হয়েছে? এক ঘন্টা বৃষ্টিতে বাবুরবাগ ডুবে গিয়েছে। প্রতিবছর লহর সংস্কার হয়। এবছর লহর সংস্কার হয়নি। নিকাশি ব্যবস্থা কিছু হয়নি। চেয়ারম্যান ও বিধায়কদের জানিয়ে কিছু হয়নি। শুধু ফুটপাতের দোকানদারদের ওপর হিংসা। তাদের উচ্ছেদ করতে কোনও নোটিশ দেওয়া হয়নি। অন্ধকারে এসে দোকান বন্ধ ছিল ভেঙে চলে গিয়েছো। এর ফল পাবে। আমরা কিছু করতে করতে পারব না। বিধানসভা ভোটেই পাবে। লোকসভা ভোটে এই ওয়ার্ডে তৃণমূল লিড পেয়েছে। কিন্তু এরপর জনগন কি করবে জানি না। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, মাস পিটিশন করে বিষয়টা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানাবেন। কোথাও হকার উচ্ছেদ নেই অথচ ২৭ নম্বর ওয়ার্ডে হকার উচ্ছেদ হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৫
রাজ্য

সর্বভারতীয় জেইই-তে রাজ্যেও প্রথম পূর্ব বর্ধমানের দেবদত্তা, মাধ্যমিকেও ছিল শীর্ষে

সর্বভারতীয় জয়েন্ট এন্ট্রান্স এগজামিনেশন (জেইই) মেন পরীক্ষায় নজর কাড়া ফল করেছে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া শহরের বাসিন্দা দেবদত্তা মাঝি। এই দেবদত্তা মাঝি ২০২৩ সালের মাধ্যমিকেও প্রথম স্থান অর্জন করেছিল। এবার সর্বভারতীয় স্তরে রেজাল্ট করে নিজের মান রাখলেন। দেবদত্তা মাঝি কাটোয়া শহরের দুর্গাদাসী চৌধুরী গার্লস হাই স্কুলের ছাত্রী। মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৭০০ নম্বরের মধ্যে দেবদত্তা পেয়েছিল ৬৯৭ নম্বর। ৯৯.৫৭ শতাংশ। আর এই সর্বভারতীয় জয়েন্ট এন্ট্রান্স এগজামিনেশন (জেইই) মেন পরীক্ষায় দেবদত্তার প্রাপ্ত নম্বর ৩০০ এর মধ্যে ২৭৫।দেবদত্তার মা দুর্গাদাসী চৌধুরী গার্লস হাই স্কুলেরই শিক্ষিকা এবং বাবা আসানসোলের একটি কলেজের অধ্যাপক। দেবদত্তার মা জানিয়েছেন, দেবদত্তা মাধ্যমিক দিয়েছে যে স্কুল থেকে, সেই স্কুল থেকেই উচ্চ মাধ্যমিক দেবে। দেবদত্তা প্রতিদিন প্রায় ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা সে পড়াশোনা করে। দেবদত্তার ইচ্ছা আইআইটি বা ব্যাঙ্গালোরে আইআইএসসি তে পড়াশোনা করার।উল্লেখ্য, চলতি বছরের জানুয়ারি পর্বের জয়েন্ট এন্ট্রান্স এগজ়ামিনেশন (জেইই) মেন- এর ফল প্রকাশ করল জাতীয় পরীক্ষা নিয়ামক সংস্থা বা এনটিএ। পরীক্ষা শেষের ১২ দিনের মাথায় প্রকাশিত হল ফলাফল। এ বছর জেইই মেন-এর জানুয়ারি পর্ব বা প্রথম পর্বের পরীক্ষা হয়েছিল ২২ জানুয়ারি থেকে ৩০ জানুয়ারি। পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল প্রায় ১৩ লক্ষ।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৫
রাজ্য

পদপিষ্টের রাত থেকে খোঁজ মিলছে না, বাংলার পুন্যার্থী নিখোঁজ মহাকুম্ভে

মহাকুম্ভে কী ঘটছে! কখনও আগুন লাগছে, পদপিষ্ট হয়ে পুন্যার্থীদের মৃত্যু ঘটছে। আগের দিনের মতো এখন সেখানে ভক্তরা নিখোঁজ হয়ে যাচ্ছে। এবার মালদহের ষাটোর্দ্ধ মহিলা কুম্ভতে শাহী স্নান করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন। বাড়ি মালদার উত্তরকৃষ্ণপল্লীতে। তাঁর খোঁজ করতে প্রয়াগরাজের উদ্দ্যেশে রওনা দিয়েছে পরিবারের সদস্যরা। জানা গিয়েছে, ওই পুন্যার্থীর নাম অনিতা ঘোষ। বয়স ষাট (৬০)। পদপিষ্টের দিন ব্যারিকেড ভেঙ্গে যাওয়ার সময় অনেকের সঙ্গে তিনিও ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এরপর বৃদ্ধার সঙ্গে যে সমস্ত পরিবারের সদস্য ছিল তদের থেকে ছিটকে যায়। তারপর তাঁর খোঁজ শুরু করলে তাঁর পরনের চাদর পাওয়া যায় কিন্তু তাঁর কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি। উদ্বিগ্ন পরিবারের অভিযোগে সেখানকার প্রশাসন সেভাবে সহযোগিতা করছে না। পুত্রবধূ অষ্টমী ঘোষ জানিয়েছেন, সোমবার ভোরবেলায় আত্মীয় পরিজন নিয়ো কুড়ি জনের একটি দল গাড়ি ভাড়া করে প্রয়াগরাজের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। প্রত্যেক প্রত্যেকেই একে অপরের আত্মীয়। মঙ্গলবার শাহী স্নানের ভালো সময় ছিল। সেই মত রাত্রিবেলা ১টার সময় স্নানের উদ্দ্যেশে নদীতে যায়। এরপর মঙ্গলবার রাতে ব্যারিকেড ভেঙে যাওয়ার সময় ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। দুঘণ্টা পর অন্যদের পাওয়া গেলেও এখনও পর্যন্ত অনিতা ঘোষকে পাওয়া যাচ্ছে না।

জানুয়ারি ৩০, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

জেলায় জেলায় "খাদান"-এর তুলকালাম প্রচার, এবার মালদায় নায়ক দেব

খাদান সিনেমার প্রচার করতে এসে মানুষের ভিড় দেখে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়লেন টলিউড দেব তথা তৃণমূল সাংসদ দীপক অধিকারী। মঙ্গলবার কলকাতা থেকে বন্দেভারত এক্সপ্রেসে সকাল সাড়ে দশটায় মালদায় পৌঁছান অভিনেতা দেব। এরপরে তিনি পুরাতন মালদার একটি বেসরকারি হোটেলে বিশ্রাম নেন। মঙ্গলবার সাড়ে ১২টা নাগাদ মালদা কলেজ মাঠে মঞ্চে গিয়ে বাংলা সিনেমা খাদানের প্রচার শুরু করেন। এদিন অবশ্য মালদা কলেজের নবীনবরণ উৎসবের আয়োজন করা হয়েছিল ওই মাঠে। সেখানেই সংশ্লিষ্ট কলেজের পড়ুয়া থেকে শুরু করে অসংখ্য মানুষ দেবকে দেখার জন্য ভিড় করেন। উপস্তিতিদের মধ্যে মহিলাদের সংখ্যা ছিল বেশি। আর মঞ্চে দাঁড়িয়ে খাদান সিনেমার প্রচার শুরু করার মুখে এত মানুষের ভিড় দেখেই আবেগপ্রবন হয়ে পড়েন টলিউড অভিনেতা দেব।দেব বলেন, মালদা আমার একটা ভালোবাসার জায়গা। এত মানুষ এদিন আমাকে দেখত আসবে ভাবতেই পারিনি। কয়লার উৎপাদন এবং সেই সংক্রান্ত বিষয় নিয়েই দুই বন্ধুর চরিত্র তুলে ধরা হয়েছে এই বাংলা সিনেমাতে। সেই সিনেমারই এদিন প্রচার করা হয়েছে। মালদার যেসব থিয়েটারগুলি রয়েছে সেখানেই 20 ডিসেম্বর থেকে এই সিনেমা শুরু হতে চলেছে। খাদান সিনেমা দেখার জন্য উপস্থিত দর্শকদের আহ্বান জানিয়েছেন অভিনেতা দেব। এদিন নায়ক দেবের সঙ্গে এসেছিলেন খাদান সিনেমার অন্যান্য কলাকুশলীরা। তারাও এদিন মঞ্চে গান ও নাচের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন।

ডিসেম্বর ১০, ২০২৪
খেলার দুনিয়া

আন্তর্জাতিক হাঁটা প্রতিযোগিতায় বড় কীর্তি বাংলার গৃহবধূর, সংসার সামলে এমন সাফল্যে প্রশংসার ঝড়

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক প্রাপ্তবয়স্কদের হাঁটা প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক পেলেন মালদার গৃহবধূ। সংসার সামলে সুপ্রিয়া দাসের এমন কীর্তিতে রীতিমতো প্রশংসার ঝড় বইছে মালদায়। এমনকি সুপ্রিয়াদেবীর আন্তর্জাতিক স্তরের ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় সাফল্যের জন্য সাধুবাদ জানিয়েছেন মালদা জেলা জেলা ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তারা। এর আগেও হেঁটে একাধিক পদক জিতেছেন মালদার গৃহবধূ সুপ্রিয়া দাস। এবার বিশ্বসেরার খেতাব। দুই কিলোমিটার হেঁটে বিশ্বসেরা হলেন সুপ্রিয়াদেবী। তবে শুধুমাত্র হেঁটে নয়, পাশাপাশি রিলে দৌড় ও দৌড় প্রতিযোগিতাতেও একাধিক পদক জমিতেছেন সুপ্রিয়া দেবী। বাংলাদেশে আয়োজিত আন্তর্জাতিক প্রাপ্তবয়স্কদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশ নেন মালদার সুপ্রিয়া দাস। তাঁর স্বামী রাজু দাস পেশায় পুলিশ কর্মী। ছোট বেলা থেকেই খেলাধুলায় বিশেষ আগ্রহ ছিল সুপ্রিয়া দাসের। কিন্তু বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর আর তেমন খেলাধুলা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। সংসার সামলে প্রায় ১৪ বছর পর ২০২৩ সালে আবার শুরু করেন অনুশীলন। গত এক বছরে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরের অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতায় একাধিক সাফল্য এসেছে। ইতিমধ্যে একাধিক পদক জিতেছেন তিনি।গত ২৭ ও ২৮ জুন বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয় ইন্টারন্যাশনাল ওপেন ভ্যাটেনারি অ্যাথলেটিকস চ্যাম্পিয়নশিপ। সেখানে বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীরা অংশগ্রহণ করেন। মালদার গৃহবধূ সুপ্রিয়া দাস জাতীয় স্তরের প্রতিযোগিতায় সাফল্যের সুবাদে সেখানে সুযোগ পান। দুই কিলোমিটার হাঁটা প্রতিযোগিতায় স্বর্ণ পদক পেয়ে বাংলার নাম উজ্জ্বল করেছেন মালদার এই গৃহবধূ। পাশাপাশি রিলে দৌড় ও দৌড় প্রতিযোগিতায় আরও চারটি পদক পেয়েছেন। দুটি দ্বিতীয় ও দুটিতে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন। গত এক বছরে একাধিক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরের প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক জিতেছেন তিনি। সংসারের সমস্ত কাজের ফাঁকে যেটুকু সময় পান মালদা শহরের পুলিশ লাইন মাঠ অথবা বৃন্দাবন ময়দানে অনুশীলন করেন সুপ্রিয়া দাস। নিজ প্রচেষ্টায় নিয়মিত অনুশীলন করেই প্রাপ্তবয়স্কদের এই অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতায় নেমে সাফল্য অর্জন করছেন তিনি। তাঁর সাফল্যে খুশি পরিবার থেকে জেলার ক্রীড়া প্রেমী মানুষেরা।

জুলাই ১৮, ২০২৪
খেলার দুনিয়া

১৯৮৩-২০২৪ ব্যবধান ৪১ বছর হলেও, একসুত্রে ধরা পরলো কপিল-সূর্য-র 'ক্যাচ'-এ

ভারতীয় ক্রিকেট দল শনিবার বর্বাডোসে ২০২৪-র টি-২০ বিশ্বকাপ জয়লাভ করে ক্রিকেট ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায় শুরু করেছে। মেন ইন ব্লু চূড়ান্ত খেলায় দক্ষিণ আফ্রিকাকে সাত রানে হারিয়ে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ট্রফি জিতেছে। ১১ বছরের দীর্ঘ আইসিসি ট্রফির খরার অবসান ঘটে। এশিয়ান জায়ান্টরা শেষবার ২০১৩ তে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছিল।ভরতের বারা ভাতে ছায় দিয়ে দিয়েছিলো অক্ষর প্যাটেলের ১৫ তম ওভার। হেনরিক ক্লাসেন অক্ষর প্যাটেলের ওই ওভারে ২৪ রান নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে প্রায় জয়ের দোরগোড়ায় নিয়ে আসেন। ঠিক যখন ম্যাচটি ভারত হাত থেকে সরে যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে, ঠিক সেই সময় ১৬ তম ওভারে হার্দিক পান্ড্য বল করতে এসেই বিপজ্জনক ক্লাসেনকে উইকেটের পিছনে ধরা দিতে বাধ্য করেন। এক্ষেত্রে উইকেটরক্ষক ঋষভ পন্থ কোনও ভুল করেননি। অক্ষর প্যাটেলের ওভারে বিশাল রান হওয়ার সাথে সাথে কমেন্ট্রী বক্সে বহু যুদ্ধের নায়ক রবি শাস্ত্রী কে বলতে শোনা যায়, যখন ব্যাটারকে কোনও কিছুতেই পরাস্ত করা যাচ্ছে না তখন মোমেন্টাম ব্রেক করতে হয়। মানে সাময়িক বিরতি খেলোয়ারের মনচ্যুতি বা ধৈর্জচ্যুতি ঘটে, এখানে লক্ষনীয় ঋষভ পন্থ পায়ে চোটের জন্য ফিজিও ডেকে ৩-৪ মিনিট সময় ব্রেক নিলেন। তাতেই কাজ। ক্লাসেন ধৈর্জ হারিয়ে বাইরের বল তারা করে উইকেটের পিছনে ধরা পরলেন।ক্রিজে ডেভিড মিলারের সাথে জনসেন, প্রোটিয়ারা তখনও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে, তাঁরা নিশ্চিত ছিল এই ম্যাচ তাঁরা বের করে নিতে পারবে। ক্লাসেনের বিদায়ের পরের তিনটি ওভার আরশদীপ, বুমরা, হ্রাদিক যেন অলৌকিক স্পেলিং করলেন। বল-রান প্রায় সমান-সমান অবস্থা থেকে আস্কিং রেট ক্রমশ বারতে থাকে। চাপ বাড়ে সাউথ আফ্রিকার। শেষ ওভার কে বল করবে এই নিয়ে ভাবনার মাঝেই হ্রাদিক বল হাতে রান-আপে দাঁড়ায়। ভারতীয় দলের দিকপাল ফিল্ডাররা তখন বাউন্ডারি লাইনের গা ঘেঁশে দাঁড়িয়ে। হ্রাদিকের ২০ তম ওভারের প্রথম বল, কিলার মিলার সোজা লং অফের দিকে তুলে মাড়লেন, হৃদস্পন্দন সাময়ীক ছন্দ হারালো বল মাঠের বাইরে চলে যাচ্ছে দেখে। সবাই যখন বলটাকে মাঠের বাইরে যেতে দেখছে, একজন কিন্তু ওটাকে বিশ্বকাপ দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে দেখছিলেন। লং অফ বাউন্ডারিতে দাড়িঁয়ে ধীর শান্ত ভাবে বলটিকে তালুবন্দি করলেন, নিজের ভারসাম্য ঠিক রাখার জন্য তালুবন্দি বলটিকে হাওয়ায় ভাসিয়ে দিয়ে মাঠের বাইরে গিয়ে ভারসাম্য ঠিক করে আবার মাঠে ঢুকে ফাইনালি বিশ্বকাপ (বল) তালুবন্দি করলেন সূর্যকুমার যাদব। তাঁর এই শান্ত মাথা তাঁকে চাপের মধ্যে সর্বকালের অন্যতম সেরা ক্যাচ নিতে সাহায্য করেছিল।তাঁর এই অনবদ্য ক্যাচ ক্রিকেট ইতিহাসে আইসিসি বিশ্বকাপ ফাইনালে ইভেন্টে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ক্যাচ হয়ে থাকলো। অবধারিত ভাবেই সূর্যকুমার যাদবের এই মহাকাব্যিক ক্যাচ ১৯৮৩-র বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারত অধিনায়ক কপিলদেবের ঐতিহাসিক ক্যাচ নেওয়ার কথা মনে করিয়ে দেয়। সেদিনও মদনলালের বলে ভিভিয়ান রিচার্ডসের ডিপ মিড-উইকেটে তোলা উঁচু ক্যাচ কপিল দেব প্রায় ২৫ মিটার পিছনে দৌড়ে গিয়ে অসামান্য দক্ষতায় তালুবন্দি করেন। সেদিনও ভিভ রিচার্ডস না ফিরলে ভারতের বিশ্বকাপ জয় হয়ত বা সম্ভব হত না। ৪১ বছর পর, সূর্যকুমার যাদবও শেষ ওভারে তার খেলা পরিবর্তনকারী ক্যাচ দিয়ে ভারতের ভাগ্য পরিবর্তন করলেন। যদিও কপিলের ক্যাচ ভারতীয় ক্রিকেটের চেহারা চিরতরে বদলে দিয়েছে, সূর্যকুমার যাদব ভারতীয় ক্রিকেটের ১১ বছরের দীর্ঘ যন্ত্রণার অবসান ঘটিয়েছে কারণ রোহিতের অধিনায়কত্বে এই দলটি অধীর আগ্রহে আইসিসি খেতাবের জন্য অপেক্ষা করেছিল। ভারতীয় ক্রিকেট তাদের ক্রিকেট ইতিহাসে আরেকটি গৌরবময় অধ্যায় শুরু করার সাথে সাথে, কপিলদেব এবং সূর্যকুমার যাদব তাদের দুর্দান্ত ফিল্ডিং দিয়ে দলের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

জুন ৩০, ২০২৪
রাজ্য

অচিরেই কি বর্ষায় আর ভাসবে না ঘাটাল, মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পরই নয়া ঘোষণা সাংসদ দেবের

পরপর ৩ বার ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছেন তৃণমূলের দীপক অধিকারী তথা দেব। টলিউডের এই অভিনেতা ১০ বছর ধরে বলে আসছেন ঘাটাল মাস্টারপ্ল্য়ানের কথা। সংসদেও বলেছেন এই পরিকল্পনার কথা। এবারের নির্বাচনে খোদ মুখ্যমন্ত্রী কথা দিয়েছেন ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান হবে বলে। শেষমেশ বুধবার সল্টলেকে জনসম্পদ ভবনে রাজ্যের সেচমন্ত্রীর সঙ্গে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে বৈঠক করলেন দেব। সেই বৈঠকে হাজির ছিলেন দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। দেব এদিন জানিয়েছেন, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যেই শেষ হবে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের কাজ। তবে ঘাটালের মানুষের সহযোগিতা চাই। তাহলে ৩ বছরেও কাজ শেষ হয়ে যেতে পারে। খালগুলি চওড়া করতে হবে। অনেক জমি অধিগ্রহণ করতে হবে। কেন্দ্র রাজ্য দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে শুরু হতে চলেছে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের কাজ। সব কিছু ঠিক ঠাক থাকলে আগামী বছর জানুয়ারি মাসের মধ্যেই ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান এর কাজ শুরু হবে। সোমবার দুপুরে সল্টলেকে জনসম্পদ ভবনে সেচ দপ্তরে মিটিং করেন রাজ্যের শেষ মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক এবং ঘাটালের এমপি দীপক অধিকারী । মিটিং শেষে দীপক অধিকারী জানান ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান সম্পূর্ণ করতে সব থেকে আগে দরকার ঘাটালের মানুষের সহযোগিতা। জল সম্পদ উন্নয়ন ভবনে এদিনের মিটিংয়ে সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিকের ও এই দপ্তরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে দেবের প্রায় এক ঘন্টা বৈঠক হয় ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়ে। রাজ্য সরকারের উদ্যোগেই শুরু হতে চলেছে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান শুরু করার আগে খাল কাটা, পাম্পিং স্টেশন তৈরি করা অনেক কাজ রয়েছে, সেই কাজগুলি শুরু হতে চলেছে জানুয়ারি মাসে। তার সবুজ সংকেত পাওয়া গেল সোমবারের বৈঠক থেকে।

জুন ১২, ২০২৪
রাজনীতি

দু'দফায় ৫০ লক্ষ টাকা! দেবের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ শুভেন্দুর, পাল্টা দাবি অভিনেতার

ষষ্ঠ দফার ভোটের ঠিক ৩ দিন আগে ঘাটালের তৃণমূল প্রার্থী দীপক অধিকারী তথা দেবের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এক্স হ্যান্ডলে ডায়েরির পাতার ছবি দিয়ে দেবের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন শুভেন্দু অধিকারী। গরু পাচারে অভিযুক্ত এনামুল হকের ভাইয়ের থেকে দেব দুদফায় ৫০ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। এই অভিযোগের পাল্টা জবাবও দিয়েছেন দেব।দেবের কীর্তি শীর্ষক একটি পোস্ট এক্স হ্যান্ডলে করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ডায়েরির দুটি পাতার ছবি পোস্ট করেছেন তিনি। সেই পাতায় দেবের নাম করে মোবাইল ও ঘড়ির টাকা দেওয়ার উল্লেখ রয়েছে। এছাড়াও আরণ্যক ট্রেডার্সের নামে ৫০ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।দেবের কীর্তি:- pic.twitter.com/5RrzlxvDcr Suvendu Adhikari (Modi Ka Parivar) (@SuvenduWB) May 23, 2024এদিন শুভেন্দু অধিকারীর এই পোস্ট নিয়ে পাল্টা নিজের এক্স হ্যান্ডলে দেব লিখেছেন, তাহলে উনিও কি গরু চোর ? শুভেচ্ছা দুজনকেই। আর একটা কথা, আমার ভদ্রতা কিন্তু আমার দুর্বলতা নয়। ও শুভেন্দু দা, তুমি নাকি কোথায় মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখছো, হিরণের পাল্লায় পড়ে তোমাকে তো কাউন্সিলরে নামিয়ে দিচ্ছে। ভালোবাসি বলে বললাম, আমিও জানি তুমি আমাকে ভালোবাসো। আর রইলো কথা গরু চুরির টাকা, তোমার কোলের ছেলে হিরো হিরণ সেও পিন্টু মন্ডলের থেকে টাকা নিয়েছেন,তাহলে উনিও..পরে সংবাদমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন ঘাটালের তারকা তৃণমূল প্রার্থী দেব। তিনি বলেন, ইডি-সিবিআইয়ের কাছে যে ডকুমেন্ট ছিল সেটা শুভেন্দু অধিকারীর কাছে গেল কী করে? শুভেন্দু অধিকারীর এজেন্সিগুলির সঙ্গে যোগ আছে সেটা স্পষ্ট হল। যে টাকা আমি নিয়েছি, সেটা ফেরত দিয়েছি।তাঁর কথায়, ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী হিরণ ৩ বছর ধরে আমাকে গরু চোর বলছেন। উনিও পিন্টু মণ্ডলের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন। আমি আজ অবধি সরাসরি আক্রমণ করিনি। শুভেন্দুদা সেই সুযোগ আমায় করে দিলেন। যদি আমি গরু চোর হই, তাহলে ইন্ডাস্ট্রির ৯০ শতাংশ লোকই গরু চোর। বলিউডও আছে এর মধ্যে। তদন্তের জন্য আমাকে ডাকা হয়েছে, কারণ আমি তৃণমূলের সাংসদ বলে।দেব আরও বলেন, আজ শুভেন্দু অধিকারীকে আমি মেসেজ করেছি। আমার ৫০ হাজার ভোট বাড়বে। আমাকে জোর করে ফাঁসানো হচ্ছে। ব্যবসার জন্য টাকা নিতে হয়। ২০১৭-তেই ৬-৮ মাসের মধ্যে সেই টাকা ফেরতও দিয়েছি।

মে ২৩, ২০২৪
রাজ্য

এলাকার উন্নয়নের দাবিতে ভোট বয়কট, অরন্ধন পালন ভোটারদের

এলাকার উন্নয়নের দাবিতে ভোট দিতে গেলেন না এক হাজারেরও বেশি ভোটার। এমনকি অরন্ধন পালন করে গ্রামের রাস্তায় মহিলা ভোটারেরা হাতে এলাকার সমস্যার প্ল্যাকার্ড নিয়ে অবস্থান বিক্ষোভ করলেন। জেলা প্রশাসন এবং নির্বাচন কমিশনের কর্তব্যরত অফিসারেরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ভোটারদের বুঝিয়ে ভোটমুখী করতে পারেন নি। মঙ্গলবার লোকসভা নির্বাচনের সময় উত্তর মালদার হবিবপুর ব্লকের মঙ্গলপুরা গ্রাম পঞ্চায়েতের ১২২ নম্বর বুথেই এমন ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই বুথে ১৩৮১ জন ভোটার রয়েছে। তারাই এদিন এলাকার রাস্তা, পরিশ্রুত পানীয় জল সহ একাধিক দাবি নিয়েই ভোট বয়কট করেন। এমনকি মহিলারা ভোটারেরা এদিন সকাল থেকে রীতিমতো অরন্ধন পালন করে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হন। এদিন বিক্ষোভকারী মহিলা ভোটার সুজাতা মন্ডল, রেবতী মন্ডল, দেবিকা হালদারদের বক্তব্য, দীর্ঘদিনের ধরে গ্রামের রাস্তা খারাপ। পানীয় জলের অভাব রয়েছে । পাকা সেতুর অভাবে নদী পথে নৌকা নিয়ে চলাচল করতে হয়। বিগত নির্বাচন গুলিতেও এলাকায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা এসে নানান প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু কোন লাভ হয় নি। তাই এবারে বাধ্য হয়ে ভোট বয়কটের পথে নামতে হয়েছে। এদিন অবস্থান বিক্ষোভের মাধ্যমেই ভোট বয়কট করা হয়। যদিও এদিন এই ঘটনাটি ঘিরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো রকম প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

মে ০৭, ২০২৪
রাজ্য

যাত্রীদের কষ্টের দিন শেষ, শীঘ্রই শিয়ালদহ মেইন সেকশনে সমস্ত ১২ কোচের লোকাল ট্রেন

শিয়ালদহ মেইন ও নর্থ সেকশনে সমস্ত EMU লোকালগুলিকে ১২ কোচের করার জন্য শিয়ালদহ মেইনের সাবার্বান প্লাটফর্মগুলি অর্থাৎ ১ থেকে ৫ নং প্লাটফর্মের দৈর্ঘবৃদ্ধির কাজ জোরকদমে এগিয়ে চলেছে। শিয়ালদহ স্টেশনের ইয়ার্ডের জটিলতা সত্ত্বেও চ্যালেঞ্জগুলি কাটিয়ে, ডেডিকেটেড প্রজেক্ট টিম 24X7 অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছে নির্দিষ্ট যাতে সময়সীমার মধ্যে কাজ সম্পন্ন করা যায়। নতুন ট্র্যাক, বৈদ্যুতিক লাইন ইত্যাদি স্থাপনের কাজ সহ এমন একটি বিশাল প্রকল্প সম্পন্ন করার জন্য সুবিন্যস্ত পরিকল্পনা এবং সুস্পষ্ট সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ। এই নতুন লে আউটে ইলেকট্রিক ট্রাকশনের বন্দোবস্ত এবং সিগন্যালিং মডিফিকেশনের কাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ধৈর্যসাপেক্ষ ব্যাপার। ট্রেন চলাচল চালু রেখে এসমস্ত কাজ করা যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং এবং দক্ষ রেলকর্মীরা এই বাধা অতিক্রম করে এগিয়ে চলেছেন। গ্রীষ্মের ভয়ঙ্কর তাপপ্রবাহ সত্ত্বেও, নিবেদিত প্রজেক্ট টিম বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে উঠছে এবং ওভারহেড বৈদ্যুতিক তার এবং সিগন্যালিং সরঞ্জামগুলির জন্য নতুন খুঁটি স্থাপন করা হচ্ছে। নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং নতুন পরিকাঠামোর নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করার জন্য এই কাজটি নির্ভুলতার সাথে করা হচ্ছে। দিনের যাত্রী চলাচলে ব্যাঘাত কমাতে এবং ধুলা দূষণ কমাতে রাতে নির্মাণ কাজ চালানো হচ্ছে।যাত্রীদের অসুবিধা কমানোর জন্য, দিনের বেলায় যাত্রীদের চলাচলের সুবিধার্থে প্ল্যাটফর্ম ১,২,৩ এবং ৪ এর কাছে অতিরিক্ত অস্থায়ী এক্সেস রুট খোলা হয়েছে।প্রতি রাতেই রেলসেবা নিবৃত্তির পরেই পূর্বরেলের কর্মীরা কোমর বেঁধে কাজে নেমে পড়ছেন কারণ ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে প্রথম ট্রেন চলার আগেই কাজ শেষ করতে হবে যাতে যাত্রীসাধারণ কোনওরকম অসুবিধার সম্মুখীন না হন। শিয়ালদহের সমস্ত সংশ্লিষ্ট বিভাগই প্রত্যেকে প্রত্যেকের বিভাগীয় কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে নিয়ে চলতে বদ্ধপরিকর যাতে খুব শীঘ্রই শিয়ালদহ মেইন এবং নর্থ এর সমস্ত লোকাল ট্রেনই ১২ বগির করে তোলা যায়। প্রকল্পটি শিয়ালদহে সামগ্রিক পরিচালন নমনীয়তা এবং যাত্রীদের সুবিধা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

তিস্তা নিয়ে বড় চাল চিনের! বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা, ভারতের উদ্বেগ আরও বাড়ল

তিস্তা নদীকে ঘিরে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের তিস্তা নদীর ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে পাশে থাকার বার্তা দিল চিন। সোমবার বেজিং স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই প্রকল্প বাস্তবায়নে ঢাকাকে সবরকম সাহায্য করতে তারা প্রস্তুত। একই সঙ্গে চিনের দাবি, এই যৌথ উদ্যোগ কোনও তৃতীয় দেশকে লক্ষ্য করে নয় এবং বিষয়টিকে অযথা অন্য দৃষ্টিতে দেখা উচিত নয়।বাংলাদেশে নতুন রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকেই তিস্তা প্রকল্প নিয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। শেখ হাসিনা সরকারের সময় এই প্রকল্পে ভারতের সহযোগিতার কথা ভাবা হলেও বর্তমান প্রশাসন সেই অবস্থান থেকে সরে এসে চিনের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে। এরপর থেকেই ভারতের উদ্বেগ বেড়েছে। কারণ, তিস্তা অববাহিকার অবস্থান ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকার খুব কাছাকাছি।চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন এক সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, বাংলাদেশ ও চিনের সহযোগিতা কোনও তৃতীয় পক্ষের বিরুদ্ধে নয়। তাঁর দাবি, তিস্তা নদীর উন্নয়ন বাংলাদেশের মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রকল্প। সেই কারণে বাংলাদেশ চাইলে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে চিন।শুধু তিস্তাই নয়, জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য, অর্থনীতি এবং জনকল্যাণমূলক একাধিক ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে আগ্রহী বেজিং। দুই দেশের মধ্যে এই সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও বাড়তে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছে চিন।বাংলাদেশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তিস্তা-সহ একাধিক নদী উন্নয়নের লক্ষ্যে ঢাকা ও বেজিংয়ের মধ্যে ইতিমধ্যেই সমঝোতা হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ জল উন্নয়ন বোর্ড এবং চিনের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা পাওয়ার চায়নার মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। সেই চুক্তির পর থেকেই তিস্তা প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তিস্তা প্রকল্প ঘিরে বাংলাদেশ ও চিনের ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতার দিকে কড়া নজর রাখছে ভারত। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকল্পটির ভৌগোলিক অবস্থান এবং কৌশলগত গুরুত্বের কারণে ভবিষ্যতে এই বিষয়টি দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

হাইকোর্টে একদিনে জোড়া ধাক্কা! অভিষেককে কালই দিতে হবে কণ্ঠস্বরের নমুনা, মিলল না কোনও স্বস্তি

কলকাতা হাইকোর্টে একদিনে পরপর দুই বড় ধাক্কার মুখে পড়লেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমে চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার আবেদনের দ্রুত শুনানির আবেদন খারিজ হয়। এরপর ডিজে মন্তব্য মামলায়ও স্বস্তি পাননি তিনি। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী মঙ্গলবার কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের জন্য তাঁকে হাজিরা দিতেই হবে।বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, চার মে ভোটের ফল ঘোষণার পর রবীন্দ্রসঙ্গীতের সঙ্গে ডিজে বাজবে। সেই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সাইবার অপরাধ আইনে অভিযোগ দায়ের হয়। তদন্তের স্বার্থে তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের আবেদন জানায় তদন্তকারী সংস্থা। বিধাননগর আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করায় মঙ্গলবার আদালতে উপস্থিত হয়ে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতে হবে তাঁকে।এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আইনজীবীর দাবি ছিল, সংশ্লিষ্ট মন্তব্য যে তাঁরই, তা তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের কোনও প্রয়োজন নেই। পাশাপাশি তদন্তকারী সংস্থার তরফে কোনও কঠোর পদক্ষেপ না নেওয়ার আবেদনও জানানো হয়।তবে আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করেনি। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ জানান, মামলার বিস্তারিত শুনানি মঙ্গলবার হবে। তবে তার আগে তদন্তের প্রক্রিয়ায় কোনও বাধা নেই। ফলে নির্ধারিত সময়ে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হাজিরা দিতেই হবে।একই দিনে আরও একটি মামলায় ধাক্কা খান অভিষেক। চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার অনুমতির আবেদন দ্রুত শুনানির আর্জি জানানো হলেও বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য তা খারিজ করে দেন। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, মামলার নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ীই শুনানি হবে। এর আগেও একই ধরনের দ্রুত শুনানির আবেদন করা হলেও আদালত তা গ্রহণ করেনি। ফলে আপাতত আদালত থেকে কোনও স্বস্তি পেলেন না তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

একুশে জুলাইয়ের আগেই বড় ধাক্কা! কুণাল, দোলা, বৈশ্বানরের বিরুদ্ধে মামলা, শুরু নতুন বিতর্ক

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই নতুন বিতর্ক তৈরি হল। বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ, দোলা সেন এবং বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযোগ, পুলিশের আনুষ্ঠানিক অনুমতি পাওয়ার আগেই ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সভাস্থলের মাপজোকের কাজ শুরু করা হয়েছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এই পদক্ষেপ।রবিবার একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে কুণাল ঘোষ, দোলা সেন এবং বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে পৌঁছেছিলেন। অভিযোগ, তখনও ওই কর্মসূচির জন্য প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক অনুমতি মেলেনি। তবুও রাস্তার একটি অংশে ফিতে দিয়ে মাপজোক করা হয়। এই ঘটনায় ট্রাফিক পুলিশের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে তিন নেতাকেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।সোমবার বিধানসভাতেও এই বিষয়টি নিয়ে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, রাজনৈতিক কর্মসূচি করতে হলে নিয়ম মেনে প্রশাসনের অনুমতি নিতে হবে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন বহুবার আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়েছে তাঁকে। বর্তমান সরকারও নিয়ম মেনেই বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচির অনুমতি দিচ্ছে বলে জানান তিনি।মুখ্যমন্ত্রী আরও প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কীভাবে সভাস্থলের মাপজোক করা হল। তাঁর বক্তব্য, নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই আবেদন করতে হবে এবং প্রশাসন সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে। বিধানসভায় এই মন্তব্যের কিছুক্ষণ পরেই কুণাল ঘোষ, দোলা সেন এবং বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের খবর সামনে আসে।একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে তৃণমূলের বিভিন্ন শিবিরের মধ্যে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের আবহে এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই পদক্ষেপের ফলে একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি এবং রাজনৈতিক সমীকরণ আরও উত্তপ্ত হতে পারে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

বিধানসভায় শুভেন্দুর বিস্ফোরক মন্তব্য! ‘কালি গেলে দোয়াতও যাবে’, কাকে ইঙ্গিত করলেন মুখ্যমন্ত্রী?

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে তৃণমূলের দুই শিবিরের টানাপোড়েনের মধ্যেই সোমবার বিধানসভায় নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কালীঘাটপন্থী তৃণমূল আগেভাগে একুশে জুলাইয়ের সভাস্থলে পৌঁছনো নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরেও একাধিক মন্তব্য করেন তিনি। সেই বক্তব্য ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, একুশে জুলাইয়ের সভাস্থলে আগে থেকেই যাওয়ার অনুমতি কারা দিয়েছিল। এই প্রসঙ্গেই তিনি কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের নেতাদের উপস্থিতির বিষয়টি উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক গ্রেফতারির ঘটনাও টেনে আনেন তিনি।তারাতলার কারখানা বিপর্যয়ের ঘটনায় নাম জড়ানো এবং তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে বিধায়ক কুণাল ঘোষের বক্তব্যেরও উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। কটাক্ষ করে তিনি বলেন, কেউ কেউ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আরও গ্রেফতারের দাবি তুলছেন। এমনকি কুণাল ঘোষকে উদ্দেশ্য করে তিনি রসিকতার সুরে বলেন, যদি সব সিদ্ধান্ত তিনিই নিতে চান, তাহলে মুখ্যমন্ত্রীর আসনেও বসে যেতে পারেন।এরপরই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেউ যদি কালীচরণের সঙ্গে অন্যদের নামও জুড়ে দেন, তাহলে তদন্তের স্বার্থে সকলের বিরুদ্ধেই সমানভাবে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তাঁর বক্তব্য, কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা প্রমাণের ভিত্তিতেই বিচার হবে। কোনও ব্যক্তি প্রভাবশালী হলেই তাঁকে ছাড় দেওয়া হবে না।তবে নিজের বক্তব্যের শেষেই মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন, প্রমাণ ছাড়া কোনও পদক্ষেপ করবে না সরকার। তিনি বলেন, তদন্ত চলছে এবং যথেষ্ট প্রমাণ মিললে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, নির্দোষ বা ভদ্র মানুষের বিরুদ্ধে সরকার কোনও অন্যায় পদক্ষেপ করবে না। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে বড় ঘোষণা! কবে চালু হবে, কারা থাকবেন আইনের বাইরে জানালেন শুভেন্দু

বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করার প্রতিশ্রুতি আগেই দিয়েছিল রাজ্যের বিজেপি সরকার। সোমবার বিধানসভায় এই বিল পেশ হতে পারে বলে জোর জল্পনা তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত তা আনা হয়নি। তবে অধিবেশনের শেষ পর্বে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করতেই সরকার বদ্ধপরিকর। বিলের খসড়া তৈরির জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও ঘোষণা করেন তিনি।বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী সংকল্পপত্রে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকার অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আনবেই। আগামী দুই জুলাই মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিলের খসড়া অনুমোদনের জন্য তোলা হবে। উত্তরাখণ্ড, অসম এবং গুজরাটে চালু হওয়া অভিন্ন দেওয়ানি বিধির বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখে পশ্চিমবঙ্গের জন্য নতুন আইন তৈরি করা হবে। তাঁর দাবি, একই রাজ্যে ধর্মভেদে আলাদা আইন চলতে পারে না। তাই সকলের জন্য এক আইনের ব্যবস্থা করাই সরকারের লক্ষ্য।তবে এই আইন থেকে কিছু শ্রেণির মানুষকে ছাড় দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, মূলবাসী, আদিবাসী, কুড়মি-সহ প্রাচীন জনজাতির মানুষ এই প্রস্তাবিত আইনের আওতার বাইরে থাকবেন। এই বিষয়ে সুপারিশ করার জন্য সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাইয়ের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে থাকবেন অবসরপ্রাপ্ত প্রশাসনিক আধিকারিক, আইন বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ, সমাজকর্মী এবং প্রশাসনের প্রতিনিধি। বিয়ে, বিবাহবিচ্ছেদ, সম্পত্তির উত্তরাধিকার, সন্তানের অভিভাবকত্ব, দত্তক গ্রহণ-সহ মোট নয়টি বিষয় নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করবে এই কমিটি।সরকার জানিয়েছে, চার সপ্তাহের মধ্যে কমিটি তাদের সুপারিশ জমা দেবে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে অগস্ট মাসে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল বিধানসভায় আনার প্রস্তুতি নেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, মানুষের মতামতও গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হবে। যাঁদের কোনও মতামত বা আপত্তি রয়েছে, তাঁরা কমিটির কাছে তা জানাতে পারবেন।এদিকে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করার পক্ষে সওয়াল করেছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্য, এই আইন শুধু বিজেপির রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নয়, সমাজের বহু মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি। তাই দ্রুত এবং সর্বসম্মতিক্রমে এই আইন কার্যকর হওয়া উচিত বলেই মত প্রকাশ করেছেন তিনি। বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে সরকারের এই ঘোষণার পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

জয়প্রকাশ মজুমদারের বিপদ আরও বাড়ল! এবার মামলার শুনানি থেকেও সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি

জেলবন্দি তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদারের আইনি লড়াইয়ে নতুন মোড় এল। তাঁর জামিনের আবেদন নিয়ে শুনানির আগেই কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ মামলাটি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত জানান। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তিনি এই মামলা না শোনার কথা জানিয়েছেন। ফলে এখন এই মামলার শুনানি কোন বিচারপতির এজলাসে হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধান বিচারপতি।জয়প্রকাশ মজুমদার বর্তমানে বাড়ি দখলের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়ে জেলবন্দি। তাঁর জামিনের আবেদন নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত শুনানির আগেই বিচারপতির সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তে মামলায় নতুন জটিলতা তৈরি হয়েছে।চলতি মাসের তিন তারিখ সল্টলেক এলাকা থেকে জয়প্রকাশ মজুমদারকে আটক করে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। পরে বাড়ির মালিকের অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগ, দীর্ঘ বারো বছর ধরে একটি বাড়ি দখল করে রাখা হয়েছিল। বাড়ির মালিক ভাড়া চাইতে গেলে তাঁকে হুমকি দেওয়া হত বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।গ্রেপ্তারের পর পুলিশ জয়প্রকাশ মজুমদারকে নিয়ে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালাতে যায়। সেই সময় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত জনতার একাংশ তাঁর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখায় এবং তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ার ঘটনাও ঘটে।গ্রেপ্তারের পর আইনি সুরাহার জন্য তিনি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়ে জামিনের আবেদন করেন। সেই মামলার শুনানির আগেই বিচারপতি ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে সরে দাঁড়ানোয় মামলার পরবর্তী শুনানি নিয়ে নতুন করে অপেক্ষা শুরু হয়েছে। এখন প্রধান বিচারপতির নির্দেশ অনুযায়ী নতুন বেঞ্চে এই মামলার শুনানির দিন নির্ধারিত হবে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

বড় সিদ্ধান্ত! তৃণমূলের ওবিসি তালিকা বাতিল, বিধানসভায় পাশ হল নতুন আইন

বিধানসভায় পাশ হয়ে গেল ওবিসি সংরক্ষণ সংক্রান্ত দুটি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী বিল। এর ফলে তৃণমূল সরকারের আমলে তৈরি হওয়া ওবিসি সংক্রান্ত একাধিক নিয়মে বড় পরিবর্তন আনা হল। একই সঙ্গে ওবিসি তালিকার একটি বড় অংশেও সংশোধন করা হয়েছে। সরকারের দাবি, নতুন আইন কার্যকর হলে ওবিসি সংরক্ষণ ব্যবস্থা আরও স্বচ্ছ ও আইনসম্মত হবে।অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণমন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষ বিধানসভায় দুটি সংশোধনী বিল পেশ করেন। পরে ধ্বনিভোটে বিল দুটি পাশ হয়ে যায়। একটি বিল পশ্চিমবঙ্গ অনগ্রসর শ্রেণি কমিশন সংক্রান্ত এবং অন্যটি সরকারি চাকরিতে ওবিসি সংরক্ষণ সংক্রান্ত।নতুন আইনে ওবিসি এ শ্রেণির অধীনে থাকা পঁয়ষট্টিটি জনগোষ্ঠীর তালিকায় কোনও পরিবর্তন আনা হয়নি। তবে ওবিসি বি শ্রেণির অধীনে থাকা আটাত্তরটি জনগোষ্ঠীর তালিকায় বড় পরিবর্তন করা হয়েছে। সংশোধনী বিলে ওই তালিকা বাদ দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।সরকারি চাকরিতে সংরক্ষণ সংক্রান্ত আইনের নামও পরিবর্তন করা হয়েছে। নতুন আইনে বলা হয়েছে, ওবিসি হিসেবে কোন শ্রেণি স্বীকৃতি পাবে, তা অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে।নতুন ব্যবস্থায় রাজ্য সরকার অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করে ওবিসি সংরক্ষণের হার ঠিক করবে। প্রয়োজন হলে সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি করে সেই হার পরিবর্তন করা যাবে। তবে তফসিলি জাতি, তফসিলি উপজাতি এবং ওবিসিসব মিলিয়ে মোট সংরক্ষণের পরিমাণ পঞ্চাশ শতাংশের বেশি করা যাবে না।এ ছাড়াও কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে ওবিসি সম্প্রদায়কে সামাজিক ও শিক্ষাগত অবস্থার নিরিখে একাধিক ভাগে ভাগ করা যাবে। প্রতিটি ভাগের জন্য আলাদা সংরক্ষণের হারও নির্ধারণ করার সুযোগ রাখা হয়েছে।সরকারের দাবি, এই সংশোধনের ফলে সংরক্ষণ ব্যবস্থা আরও কার্যকর হবে এবং নতুন আইন বাস্তবায়নের জন্য অতিরিক্ত কোনও আর্থিক ব্যয়ের প্রয়োজন হবে না।অন্যদিকে অনগ্রসর শ্রেণি কমিশন সংক্রান্ত সংশোধনী বিলে কমিশনের কাঠামোতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কমিশনে একজন সভাপতি, তিনজন সদস্য এবং একজন সদস্য-সচিব থাকবেন। সদস্য-সচিব হিসেবে এমন একজন আধিকারিককে নিয়োগ করা হবে, যিনি রাজ্য সরকারের অতিরিক্ত সচিব পদে অন্তত তিন বছর কাজ করেছেন।কমিশনের ক্ষমতাও বাড়ানো হয়েছে। কোনও ব্যক্তি বা সম্প্রদায়কে অনগ্রসর শ্রেণির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে কি না, অথবা তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে কি না, তা বিস্তারিতভাবে পরীক্ষা করে কমিশন রাজ্য সরকারকে সুপারিশ জানাবে।সরকারের বক্তব্য, এই সংশোধনের মাধ্যমে অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের ভূমিকা আরও স্পষ্ট করা হয়েছে। পাশাপাশি ওবিসি তালিকা তৈরি, সংশোধন এবং সংরক্ষণ নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে কমিশনের ক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা হয়েছে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

ওবিসি বিল ঘিরে তুমুল নাটক! দরজা খুলেও কেন বেরোলেন না কয়েকজন বিধায়ক?

ওবিসি সংক্রান্ত সংশোধনী বিল বিধানসভায় পাশ হওয়ার সময় তৈরি হল নাটকীয় পরিস্থিতি। ভোটাভুটির আগে বিরোধী শিবিরের অধিকাংশ বিধায়ক ওয়াকআউট করলেও কয়েকজন বিধায়ক সভাকক্ষেই থেকে যান। সেই ঘটনাকে ঘিরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা।সোমবার বিলটি নিয়ে ভোটাভুটির সময় দেখা যায়, বিরোধী শিবিরের অধিকাংশ সদস্য সভাকক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছেন। ঠিক সেই সময় ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ায় বিধানসভার দরজা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে কয়েকজন বিধায়ক বাইরে যেতে পারেননি বলে জানা যায়। পরে পরিষদীয় মন্ত্রীর হস্তক্ষেপে দরজা খুলে দেওয়া হয়।তবে দরজা খুলে যাওয়ার পরেও কয়েকজন বিধায়ক সভাকক্ষেই থেকে যান। তাঁদের মধ্যে ছিলেন মোসারফ হোসেন, বাহারুল ইসলাম, কাজল শেখ, বায়রন বিশ্বাস, পান্নালাল হালদার এবং মুরারইয়ের মোসারফ হোসেন। তাঁদের সভাকক্ষে থেকে যাওয়াকে ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।ঘটনাস্থলে উপস্থিত কুণাল ঘোষকে ওই বিধায়কদের উদ্দেশে কিছু বলতে দেখা যায়। পরে বাহারুল ইসলাম, কাজল শেখ এবং বায়রন বিশ্বাসকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে কথা বলতেও দেখা যায়। অন্যদিকে দলের প্রবীণ নেতারাও সেই সময় বিধানসভায় উপস্থিত ছিলেন।এই ঘটনার পর রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, দরজা বন্ধ থাকার কারণেই কি কয়েকজন বিধায়ক বাইরে যেতে পারেননি, নাকি দরজা খোলার পরেও সভাকক্ষে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল তাঁদের নিজস্ব? যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিধায়কদের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য সামনে আসেনি।শেষ পর্যন্ত ওবিসি সংশোধনী বিলের পক্ষে ভোট পড়ে একশো ছিয়াশি। বিপক্ষে ভোট দেন সতেরো জন সদস্য। ভোটদান থেকে বিরত থাকেন ছয় জন বিধায়ক। বিলটি ধ্বনিভোট এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন নিয়ে বিধানসভায় পাশ হয়ে যায়।

জুন ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal