• ১৯ চৈত্র ১৪৩২, শনিবার ০৪ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Dev

বিনোদুনিয়া

Dev: 'হবুচন্দ্র রাজা গবুচন্দ্র মন্ত্রী'-র সিক্যুয়েল বানাচ্ছেন দেব?

হবুচন্দ্র রাজা গবুচন্দ্র মন্ত্রী-র ট্রেলার লঞ্চ হয়ে গেছে সম্প্রতি। যে ট্রেলার দেখার পর দর্শকদের মধ্যে বিশেষ একটা আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এই ছবিটা একদিকে যেমন ছোটদের ছবি, অন্যদিকে আবার বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটও খুব ভালোভাবে তুলে ধরা হয়েছে। সবাই অপেক্ষা করে আছে ছবিটি কবে হলে মুক্তি পাবে সেটা দেখার জন্য।গত মঙ্গলবার এই ছবির রাজামশাই ওরফে শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে লাইভে এসেছিলেন দেব। সেই লাইভেই এই ঘোষণা করেছেন সাংসদ-অভিনেতা। সঙ্গে আরও জানিয়েছেন যদি রূপকথার মোড়কে মোড়া এই গল্পে কেউ বর্তমান রাজনীতির গন্ধ পান তাহলে তা পুরোটাই কাকতালীয়। অবশ্য যদি কেউ পান তাহলে তিনি যেন তা অবশ্যই দেবকে জানান। দেবের কথায়, হাস্যরস আর ব্যঙ্গ কৌতুক নিয়ে তৈরি ছবি অনেক সময়েই দ্ব্যর্থক হয়।লাইভে এসে ছবি তৈরির নানান গল্প শোনা যায় দেব ও শাশ্বতর মুখে। দুজনকেই বলতে শোনা যায় কবীর সুমনের গুরুত্ব কতটা এই ছবি নিয়ে। তাঁর তৈরি করা সুর, বাঁধা গান এই ছবিকে অন্য মাত্রা দিয়েছে। জানা যায় ছবির পরিচালক অনিকেত চট্টোপাধ্যায় প্রথমে রাজামশাই এর চরিত্রের জন্য অভিনয়ের প্রস্তাব দেবকে দিয়েছিলেন। কিন্তু তাতে রাজি হননি এই সাংসদ-অভিনেতা। তারপর তিনিই বলেন শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়ের নাম। রাজার মন্ত্রী হিসেবে দর্শক দেখতে পাবেন খরাজ মুখোপাধ্যায়কে। রানির ভূমিকায় রয়েছেন অর্পিতা চট্টোপাধ্যায়। এরই মাঝে জোর গলায় শাশ্বত জানান যে ছবিতে বুড়ো মন্ত্রী হিসেবে শুভাশিস মুখোপাধ্যায় যা অভিনয় করেছেন তা বহুদিন পর্যন্ত দর্শকের স্মৃতিতে অটুট থাকবে। এছাড়াও শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কবিতার ছন্দে বলা হয়েছে ছবির সংলাপ।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১
দেশ

Rajyasabha : প্রাক্তন সর্বভারতীয় কংগ্রেস নেত্রীকে রাজ্যসভায় পাঠাচ্ছে তৃণমূল

প্রাক্তন সর্বভারতীয় কংগ্রেস নেত্রী সুস্মিতা দেবকে রাজ্য সভার প্রার্থী ঘোষণা করল তৃণমূল কংগ্রেস। এদিন এক টুইটে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস এই ঘোষণা করেছে। ওই টুইটে তৃণমূল বলেছে, সুস্মিতা দেবকে সংসদের উচ্চকক্ষে মনোনয়ন দিয়ে আমরা খুব খুশি। আমাদের লক্ষ্য নারীর ক্ষমতায়ন ও তাঁদের বেশিমাত্রায় অংশগ্রহণ। কয়েকদিন আগেই প্রাক্তন সাংসদ ও মহিলা কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভানেত্রী সুস্মিতা দেব তৃণমূলে যোগ দেন।আরও পড়ুনঃ তৃতীয় ঢেউয়ের সংক্রামণের রাশ টানতে ভিক্টোরিয়ায় বড়দিন পর্যন্ত লকডাউনের ঘোষণাপ্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সন্তোষ মোহন দেবের কন্যা সুস্মিতা দেব। আসামের এই কংগ্রেস নেত্রীকে দলে নিয়েই ত্রিপুরায় সংগঠন বিস্তারের কাজে লাগায় তৃণমূল কংগ্রেস। সেখানে ইতিমধ্যে সাংগঠনিক কাজকর্ম শুরু করে দিয়েছেন সুস্মিতা দেব। একসময় ত্রিপুরায় বামেদের হারিয়ে কংগ্রেস ক্ষমতা দখল করেছিল। তার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন সন্তোষ মোহন দেব। রাজনৈতিক মহলের ধারনা, ত্রিপুরার রাজনীতির সঙ্গে দেব পরিবারের পরিচিতিকে কাজে লাগাতে চাইছে তৃণমূল।We are extremely pleased to nominate @SushmitaDevAITC to the Upper House of the Parliament.@MamataOfficials vision to empower women and ensure their maximum participation in politics shall help our society to achieve much more! All India Trinamool Congress (@AITCofficial) September 14, 2021বাবার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ও প্রাক্তন সাংসদ সুস্মিতা দেবের সর্বভারতীয় পরিচিতি রয়েছে। অভিজ্ঞ মহল মনে করছে, সুস্মিতা দেবকে রাজ্যসভায় পাঠিয়ে সর্বভারতীয় রাজনীতিতে বিস্তার লাভ করতে চাইছে ঘাসফুল শিবির। রাজ্যসভায় তৃণমূলের এমন অনেক সাংসদ রয়েছেন যাঁরা তেমন ভোকাল নয়। সেক্ষেত্রেও অসমের এই বাঙালী রাজনীতিবিদ যথেষ্ট কার্যকরী ভূমিকা নেবেন বলেই মনে করছে দল। একদিকে দিল্লির রাজনীতিতে বিশেষ ভূমিকা নেবেন সুস্মিতাদেবী পাশাপাশি অসম-ত্রিপুরাসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজনীতিতেও দলকে নেতৃত্ব দিতে পারবেন।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
দেশ

Tripura Challenge: তৃণমূলের ত্রিপুরা-চ্যালেঞ্জে নতুন তাস দেব

ত্রিপুরা যাচ্ছেন দেব। তৃণমূলের ত্রিপুরা চ্যালেঞ্জ-এ এবার অস্ত্র হতে চলেছেন অভিনেতা সাংসদ দেব। চলতি সপ্তাহের শেষের দিকেই তাঁর আগরতলা সফর হতে পারে বলে তৃণমূল সূত্রের খবর। ত্রিপুরা প্রদেশ তৃণমূলের সভাপতি আশিসলাল সিং বলেন, চলতি সপ্তাহেই আমাদের দলের অভিনেতা সাংসদ দেব আগরতলায় আসতে পারেন। তবে তাঁর কর্মসূচি এখনও স্থির হয়নি। তা স্থির হলেই সংবাদমাধ্যমকে জানাব।আরও পড়ুনঃ অক্টোবরেই চরম আকার নেবে তৃতীয় ঢেউ!বিধানসভা ভোট তৃতীয় বার বাংলা দখলের পরেই তৃণমূলের নজর দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলির দিকে। সেই উদ্দেশ্য মাথায় রেখেই ত্রিপুরায় দলের গতিবিধি বাড়িয়েছেন তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব। এ বার সেই রণনীতি মেনেই পাঠানো হতে পারে ঘাটালের অভিনেতা সাংসদ দেব তথা দীপক অধিকারীকে। তৃণমূল সূত্রে খবর, অন্যান্য নেতাদের যেমন সংগঠন বৃদ্ধির কাজের জন্য ত্রিপুরায় পাঠানো হবে, তেমনই নায়ক দেবের স্টারডম- কেও কাজে লাগাতে চায় তৃণমূল। কারণ পশ্চিমবঙ্গের পর ত্রিপুরাতেই সবচেয়ে বেশি বাঙালির বাস। আর সিনেমাপ্রেমী বাঙালির মধ্যে অভিনেতা দেবের জনপ্রিয়তা বিপুল। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের ভোটারদের কাছে টলিউডের এই নায়কের গ্রহণযোগ্যতা যথেষ্টই। প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহেই অভিনেত্রী তথা যুব তৃণমূলের পশ্চিমবঙ্গ শাখার সভানেত্রী সায়নী ঘোষকেও পাঠানো হয়েছিল ত্রিপুরায়। তিনিও সেখানে গিয়ে বেশ কিছু দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। এবার তৃণমূলের নতুন তাস সাংসদ দেব।

আগস্ট ২৩, ২০২১
রাজনীতি

TMC Joining: জল্পনাই সত্যি, হাত ছেড়ে জোড়া ফুলে সুস্মিতা দেব

জল্পনা সত্যি করে তৃণমূলে যোগ দিলেন অসমের প্রাক্তন কংগ্রেসনেত্রী সুস্মিতা দেব। সোমবার তৃণমূলের সরকারি টুইটার হ্যান্ডল থেকে তাঁর যোগদানের কথা জানানো হয়েছে। সঙ্গে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তাঁর যোগদানের ছবিও দেওয়া হয়েছে। সোমবার তিনি সোনিয়া গান্ধিকে চিঠি পাঠানোর পরই কলকাতায় এসে দেখা করেন ডেরেকও ব্রায়েনের সঙ্গে। তাঁর সঙ্গেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে যান। সেখানে তিনজন বেশ কিছুক্ষণ বৈঠক করেন।আনুষ্ঠানিকভাবে সেখানেই তাঁকে উত্তরীয় পরিয়ে দলে স্বাগত জানান অভিষেক। এরপর সেখান থেকে বেরিয়ে তাঁরা তিনজনই যান নবান্নে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে। তিনি দলে আসায় খুশি তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের তরফে টুইট করে তাঁকে স্বাগত জানানো হয়েছে। Will give it all I have got. @MamataOfficial thank you🙏🏻#KhelaHobe https://t.co/aa0ijNrhOk Sushmita Dev (@sushmitadevinc) August 16, 2021সনিয়াকে লেখা চিঠিতে সুস্মিতা বলেন, জাতীয় কংগ্রেসের সঙ্গে তিন দশকের সম্পর্ক শেষ করছি। আমার পাশে থাকার জন্য সতীর্থ ও দলের নেতা-মন্ত্রীদের ধন্যবাদ। তিন দশকের স্মৃতি আমি সারা জীবন মনে রাখব। এ ছাড়া পথ প্রদর্শন ও সহযোগিতার জন্য সনিয়াকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন সুস্মিতা।২০১৪ সালে শিলচরের সাংসদ হয়েছিলেন সুস্মিতা। তবে সাম্প্রতিক সময়ে প্রার্থী নির্বাচন ও দলে তাঁর মতামতকে গুরুত্ব না দেওয়ায় দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বেড়েছিল বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত। এরইমধ্যে আরও একটি জল্পনা উঠে আসে। তাহলে কী তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন সুস্মিতা? ত্রিপুরার পরে অসমে নিজেদের পায়ের তলার মাটি শক্ত করার চেষ্টা করছে তৃণমূল। ইতিমধ্যেই নির্দল বিধায়ক অখিল গগৈকে দলে নিতে প্রস্তাব পাঠিয়েছে তারা।

আগস্ট ১৬, ২০২১
দেশ

Assam Congress: তৃণমূলে যোগ দেওয়ার ইঙ্গিত? কংগ্রেস ছাড়লেন সুস্মিতা দেব

জল্পনা জিইয়ে কংগ্রেস ছাড়লেন দলের প্রাক্তন সাংসদ তথা মহিলা কংগ্রেসের সভানেত্রী সুস্মিতা দেব। কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী সনিয়া গান্ধিকে চিঠি লিখে নিজের পদত্যাগের কথা জানিয়েছেন সুস্মিতা। অসমের শিলচরের প্রাক্তন সাংসদ সুস্মিতা দল ছাড়ার পরেই জল্পনা শুরু হয়েছে, তবে কি এ বার তৃণমূলে যোগ দেবেন তিনি।আরও পড়ুনঃ খেলা হবে দিবসে গোল দিলীপের২০১৪ সালে শিলচরের সাংসদ হয়েছিলেন সুস্মিতা। তবে সাম্প্রতিক সময়ে প্রার্থী নির্বাচন ও দলে তাঁর মতামতকে গুরুত্ব না দেওয়ায় দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বেড়েছিল বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত। এরইমধ্যে আরও একটি জল্পনা উঠে আসছে। তাহলে কী তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন সুস্মিতা? ত্রিপুরার পরে অসমে নিজেদের পায়ের তলার মাটি শক্ত করার চেষ্টা করছে তৃণমূল। ইতিমধ্যেই নির্দল বিধায়ক অখিল গগৈকে দলে নিতে প্রস্তাব পাঠিয়েছে তারা। এই পরিস্থিতিতে সুস্মিতা তৃণমূলে যোগ দেন কি না সে দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।সূত্রের খবর, সম্ভবত বর্তমানে কলকাতায় রয়েছেন সুস্মিতা দেব। সোমবারই তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে পারেন তিনি। সনিয়াকে লেখা চিঠিতে সুস্মিতা বলেন, জাতীয় কংগ্রেসের সঙ্গে তিন দশকের সম্পর্ক শেষ করছি। আমার পাশে থাকার জন্য সতীর্থ ও দলের নেতা-মন্ত্রীদের ধন্যবাদ। তিন দশকের স্মৃতি আমি সারা জীবন মনে রাখব।

আগস্ট ১৬, ২০২১
দেশ

Puri: খুলছে পুরীর মন্দির, কী কী নিয়ম মানতে হবে জানুন

ভক্তদের দর্শন দেবেন প্রভু জগন্নাথ। আগামী ১৬ অগস্ট থেকে খুলছে পুরীর জগন্নাথ দেবের মন্দির। প্রথমে ১৬ অগস্ট থেকে শুধুমাত্র স্থানীয়দের জন্য খোলা হচ্ছে মন্দির। সবার জন্য খোলা হবে ২৩ অগস্ট থেকে। বুধবার শ্রী জগন্নাথ টেম্পল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। তবে মন্দিরে ঢুকতে গেলে মানতে হবে অনেক নিয়ম। তৈরি করা হয়েছে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রোটোকল বা এসওপি।আরও পড়ুনঃ বুমরা, সামির ঝড়ে বেসামাল ইংল্যান্ড, গুটিয়ে গেল ১৮৩ রানেমন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, পুণ্যার্থীদের হয় টিকাকরণের সংশাপত্র, নয়তো কোভিড নেগেটিভ রিপোর্ট দেখাতে হবে। প্রতি সপ্তাহে শনি ও রবিবার বন্ধ থাকবে মন্দির। কারণ ওই দুদিন পুরীতে লকডাউন থাকে। শ্রী জগন্নাথ টেম্পল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের প্রধান কৃষ্ণ কুমার বলেন, আমরা স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রোটোকল তৈরি করেছি। সেই নিয়ম মানতে হবে। মন্দিরের বাইরে কিয়স্ক তৈরি করা হয়েছে। সেখানে ভক্তদের করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট বা টিকাকরণের সংশাপত্র দেখাতে হবে। শনি ও রবিবার ছাড়াও বিশেষ বিশেষ দিনে ভিড় এড়াতে মন্দির বন্ধ থাকবে। মন্দির দর্শনের সময়ও নির্দিষ্ট করা হয়েছে। সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ভগবান দর্শন করা যাবে। ভক্তদের মন্দিরের ভিতরে ভোগ প্রদান করতে বা প্রদীপ জ্বালাতে নিষেধ করা হয়েছে। মন্দিরের মধ্যে কোনও বিগ্রহ স্পর্শ করতেও নিষেধ করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হওয়ার পরে গত ২৪ এপ্রিল থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল জগন্নাথ মন্দির। রথযাত্রা উপলক্ষেও ভক্তদের উপস্থিত থাকার অনুমতি ছিল না।

আগস্ট ০৫, ২০২১
রাজ্য

Jhankalai: কেউটে প্রজাতির জ্যান্ত ’ঝাঁকলাই’ সাপকে দেবীজ্ঞানে পুজোয় মাতল বর্ধমানের সাত গ্রামের বাসিন্দা

কারও কাছে তিনি পরিচিত ঝাঁকলাই নামে। আবার কেউ তাকে বলেন ঝঙ্কেশ্বরী। এমন নানা নামে যার পরিচিতি তিনি আসলে আর কোউ নন, তিনি বিষধর কেউটে প্রজাতির সাপ। বংশ পরম্পরায় প্রতি বছর আষাঢ়ের শুক্লা প্রতিপদ তিথিতে তাঁকেই দেবীজ্ঞানে পুজো করে আসছেন পূর্ব বর্ধমানের ভাতার ও মঙ্গলকোটের সাতটি গ্রামের বাসিন্দারা।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে প্রথম পদক ভারতেরমহা ধুমধাম করে রবিবার ঝাঁকলাইয়েরপুজো হল ভাতারের বড়পোশলা, শিকোত্তর, মুকুন্দপুর এবং মঙ্গলকোটের ছোটপোশলা, পলসোনা, মুশারু এবং নিগন গ্রামে। পূর্বে সাত গ্রামে ঝাঁকলাইয়ের অবাধ বিচরণ থাকলেও বর্তমানে ভাতারের বড়পোশলা এবং মঙ্গলকোটের ছোটপোশলা, মুশারু ও পলসোনা গ্রামে ঝাঁকলাই সাপ দেখা দেয়।আরও পড়ুনঃ এরোটিক ভিডিয়ো মানে পর্ন নয় : শিল্পা শেট্টিএই চার গ্রামে জ্যান্ত ঝাঁকলাই সাপকেই এদিন দেবীজ্ঞানে পুজো করা হল। এলাকার বাসিন্দাদের বিশ্বাস ঝাঁকলাই বিষধর হলেও সে কাউকে কামড়ায় না। কোনও কারণে কাউকে ছোবল দিলে দেবীর মন্দিরের মাটি তার শরীরে লেপে দিলেই তিনি বিষমুক্ত হয়ে যান। এই বিশ্বাস নিয়েই আজও ঝাঁকলাই সাপকে সঙ্গে নিয়েই ঘর করেন চার গ্রামের বাসিন্দারা। গ্রামের বাসিন্দারা জানান, তাঁদের গ্রামে রান্নাঘর থেকে শোওয়ার ঘর এবং গ্রামের মন্দির সর্বত্রই দেখা যাবে বিষধর কেউটে প্রজাতির ঝাঁকলাই সাপের অবাধ বিচরণ।আরও পড়ুনঃ চুক্তিপত্রে সই না করায় প্রতিবাদের ঝড় ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে, কর্তাদের পদত্যাগ দাবিগ্রামগুলিতে এই ঝাঁকলাই সাপ নিয়ে অনেক লোককথা প্রচলিত আছে। এলাকার বাসিন্দাদের বিশ্বাস ঝাঁকলাই আসলে কালনাগিনী। লক্ষ্মীন্দরকে লোহার বাসরঘরে দংশন করার পর পালানোর সময় বেহুলা তাকে লক্ষ্য করে কাজললতা ছুড়ে মারে। কাজললতার আঘাতে কালনাগিনীর লেজ কেটে যায়। এখানে ঝাঁকলাইয়ের লেজওকাটা।আরও পড়ুনঃ পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন সুতীর্থার, পৌঁছে গেলেন দ্বিতীয় রাউন্ডেপলসোনার বাসিন্দা তাপস চট্টোপাধ্যায় বলেন, পলসোনা গ্রামে একটা ডাঙা আছে। সেই ডাঙার নাম খুনগোর। বেহুলার শাপে কালিয়াদহের কলনাগিনী মর্তে এসে খুনগোর ডাঙায় বসবার করতে শুরু করে। গ্রামের বাসিন্দা মুরারীমোহন চক্রবর্তীকে স্বপ্নাদেশে কালনাগিনী তার পুজো করার কথা জানায়। সেই থেকেই পলসোনা গ্রামে ঝাঁকলাইয়ের পুজো হয়ে আসছে। তাপস বাবু আরও বলেন, ঝাঁকলাইয়ের গায়ের রং কালচে বাদামি। যেসব গ্রামে ঝাঁকলাই সাপ দেখা যায় সেইসব গ্রামে সচরাচর অন্য কোনও বিষধর সাপ দেখা যায় না। ঝাঁকলাই রাতে বের হয় না।এমনকি এই সাপ এলাকা ছেড়েও বের হয় না।আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনঝাঁকলাই নিয়ে গ্রামের মানুষজনের ধর্মীয় বিশ্বাস যাই থাক বিজ্ঞান মঞ্চ বিষয়টিকে অন্য ভাবে দেখতেই আগ্রহী। পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞানমঞ্চের বর্ধমান জেলা কার্যকরী সভাপতি চন্দ্রনাথ বন্দোপাধ্যায় এই প্রসঙ্গে বলেন, সাপ এমনিতেই ঠাণ্ডা রক্তের প্রাণী।কোনও কারণ ছাড়া সাপ কামড়ায় না। তাছাড়া ধর্মীয় রীতিনীতির কারণে এখানকার মানুষেরা সাপকে বিরক্ত করেন না। তার কারণে উভয়ের মধ্যে সহাবস্থান তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিনের সহাবস্থানের ফলে ওইসব গ্রামগুলিতে সাপের কামড়ের ঘটনা খুবই কম। তবে এই সাপের বিষ আছে। কামড়ালে হাসপাতালে যেতে হবে ।

জুলাই ২৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Teaser : প্রকাশ্যে এল 'ভুজ দ্য প্রাইড অফ ইন্ডিয়া'-র টিজার

এর আগে শুধু মুক্তি পেয়েছিল ছবির ফার্স্ট লুক। এবার সব অপেক্ষার অবসান ঘটল। ডিজনি হটস্টারে মুক্তি পেল অজয় দেবগণ অভিনীত নতুন ছবি ভুজ দ্য প্রাইড অফ ইন্ডিয়া-র টিজার। বলিউডের একাধিক তারকাদের দেখা যাবে এই ছবিতে। ভুজ দ্য প্রাইড অফ ইন্ডিয়া-তে অভিনয় করছেন এই ছবিতে। এদের মধ্যে রয়েছেন অজয় দেবগন, সঞ্জয় দত্ত, সোনাক্ষ্মী সিনহা, নোরা ফতেহি, শরদ কেলকরের মতো তারকারা। এই ছবিটি ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্সের স্কোয়াড্রন লিডার বিজয় করনিকের জীবনের বাস্তব ঘটনা অবলম্বনে তৈরি হয়েছে।ভুজ দ্য প্রাইড অফ ইন্ডিয়া-র গল্পের নির্যাস যেটুকু পাওয়া যায়, তা হল, ভুজ বিমানবন্দরের ইনচার্জ ছিলেন বিজয় করনিক নামের এক ব্যক্তি। মাধপর গ্রামের প্রায় তিনশোজন মহিলাকে নিয়ে কীভাবে তিনি ভারতীয় বায়ুসেনার একটি আস্ত এয়ারবেসকে পূনঃনির্মান করেছিলেন। সেই গল্পই তুলে ধরে হয়েছে রুপোলি পর্দায়। পাশাপাশি, দেখানে হয়েছে, ভারতকে শত্রুর হাত থেকে বিজয় করনিকের রক্ষা করার রোমহর্ষক সেই ঘটনাও। বহু প্রতিক্ষিত সেই অজয় দেবগন, সঞ্জয় দত্তর ছবির টিজার অবশেষে মুক্তি পেল। টিজারটিতে ধারাবাহিকভাবে অ্যাকশন সিক্যুয়েন্স দেখানো হয়েছে। দেশাত্মবোধ ছড়িয়ে রয়েছে টিজারের পরতে-পরতে। দেখানো হয়েছে ভুজের বাসিন্দাদের একতা। টিজারের একেবারে শেষ লগ্নে দেখা যাচ্ছে, অজয় দেবগন বলছেন, তাঁর নাম একজন সিপাহী। সোলজার। টিজার থেকে স্পষ্ট, ছবিটিকে বেঁধেছে দেশাত্ববোধের অনুভূতিই। সিরিজ এবং অজয় দেবগন ফিল্মসের এই ছবিটি প্রযোজনা করেছেন, ভূষণ কুমার, কুমার মঙ্গত পাঠক, জিনি খানুজা, ওয়াজির সিংহ এবং বানী সাংভিচ। তাঁরা হলেন, অভিষেক দুধাইয়া, রমন কুমার, রীতেশ শাহ এবং পূজা ভাবোরিয়া।লেখার পাশাপাশি ভুজ দ্য প্রাইড অফ ইন্ডিয়া ছবিটি পরিচালনা করেছেন অভিষের দুধাইয়া। ডিজনি হটস্টার ভিআইপি-তেই ছবিটা রিলিজ করছে। অজয় দেবগন, সঞ্জয় দত্ত এবং সোনাক্ষ্মী সিনহা অভিনীত ভুজ দ্য প্রাইড অফ ইন্ডিয়া ছবিটি রিলিজ করছে আগামী ১৩ আগস্ট।

জুলাই ১২, ২০২১
রাজ্য

Devanjan Dev's Bodyguard: দেবাঞ্জনের দেহরক্ষীর সঙ্গে রাজ্যপালের ছবি! তদন্ত চায় তৃণমূল

গতকালই মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন ভূয়ো টিকাকাণ্ডে আরও ছবি থাকতে পারে। থাকলে তা শীঘ্রই প্রকাশ পাবে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভূয়ো করোনা টিকাকরণে অভিযুক্ত ভূয়ো আইএএস দেবাঞ্জনের নিরাপত্তা কর্মীর সঙ্গে রাজ্যপালের ছবি প্রকাশ্য আনল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায় ওই ছবি দেখিয়ে তদন্তের দাবি করেছেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, কার কাছে যেত খাম ও সঙ্গে উপহার? তাও তদন্তকারী দলকে খতিয়ে দেখতে বলবে তৃণমূল কংগ্রেস। জানিয়ে দিলেন সুখেন্দুবাবু। আরও পড়ুনঃ ঘরোয়া পদ্ধতিতে বড় হবে আইল্যাশ, কীভাবে ? জেনে নিনবৃহস্পতিবার তৃণমূল ভবনে দেবাঞ্জনের দেহরক্ষী অরবিন্দ বৈদ্যর দুটি ছবি দেখিয়ে প্রশ্ন তোলেন সুখেন্দুশেখর রায়। তাঁর দেখানো একটি ছবিতে অরবিন্দকে দেখা যাচ্ছে দেবাঞ্জনের সঙ্গে, আরেকটি ছবিতে অরবিন্দ রাজ্য জগদীপ ধনকরের পরিবারের পিছনে দাঁড়িয়ে আছে। সুখেন্দুশেখর রায় বলেন, এই অরবিন্দ দেবাঞ্জনের নিরাপত্তা কর্মী। তিনি কী করে রাজ্যপালের ব্যক্তিগত পরিসরে থাকতে পারেন। ওই ছবিতে সবাই রয়েছেন হাসিমুখে। তাঁদের পিছনেই অরবিন্দ।আরও পড়ুনঃ দীপার দীপ জ্বালিয়ে রাখলেন বাসচালক কন্যা প্রণতি শুধু ছবি দেখিয়েই ক্ষান্ত থাকেননি তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ। সুখেন্দুবাবু বলেন, এই নিরাপত্তা কর্মীর মাধ্যমে বিশেষ ব্যক্তির কাছে খাম যেত, যেত কিছু উপহারও। ইতিমধ্যে ভূয়ো টিকার তদন্তে সিট গঠন করেছে রাজ্য সরকার। এর আগে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে ছবি দেখা গিয়েছিল দেবাঞ্জন দেবের। এবার রাজ্যপালের সঙ্গে তাঁর নিরাপত্তা কর্মীর ছবি সামনে আনায় বিতর্ক নতুন মাত্রা পেল।আরও পড়ুনঃ আধপোড়া-নগ্ন মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার বর্ধমানে, তদন্তে পুলিশসুখেন্দুশেখর বলেন, রাজভবনে যিনি আলোকিত করে বসে আছেন তাঁর ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা যাচ্ছে দেবাঞ্জনের নিরাপত্তা কর্মীকে। তদন্তকারী সংস্থার গোচরে আনতে চাই বিষয়টা। আমরা চাই সমস্ত তথ্য উঠে আসুক। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, টিকাকাণ্ডের সঙ্গে মানুষকে যাঁরা অসুবিধায় ফেলতে চেয়েছেন তিনি যত গুরুত্বপূর্ণ হোক না কেন রেহাই পাবেন না। এই ছবি যদি সত্যি হয় তাহলে তা দেশের পক্ষে ভয়ঙ্কর। জৈন ডায়েরির পাতায় জগদীপ ধনকড়ের নাম ছিল এদিনও দাবি করেন তিনি।আরও পড়ুনঃ নির্যাতিতাদের অভিযোগ নথিভুক্ত করল জাতীয় মহিলা কমিশন রাজ্যপাল পদে যোগ দেওয়ার পর থকেই রাজ্যের সঙ্গে সংঘাত লেগেই রয়েছে জগদীপ ধনকরের। রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত এখন একেবারে ব্যক্তিগত পর্যায়ে চলে গিয়েছে। তৃণমূল নেতার দাবি, সুরেন্দ্র জৈন হাওলাকাণ্ডের মাথা ছিলেন। পরশু দিন তাঁর মৃত্যু হয়েছে আর তারপর ৪৮ ঘণ্টা নীরব রয়েছেন রাজ্যপাল। জমি কেলেঙ্কারিতেও তিনি জড়িয়েছেন। তাঁর দাবি, এত দুর্নীতির অভিযোগ কোনও রাজ্যপালের বিরুদ্ধে ছিল না। এমন অভিযুক্ত লোককে রাজ্যপাল হিসাবে নিয়োগ করা উচিত নয়। অবিলম্বে বরখাস্ত করা প্রয়োজন। এবিষয়ে রাষ্ট্রপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করব। পাশাপাশি দুই সংসদে আইন অনুযায়ী পন্থা নেব।

জুলাই ০১, ২০২১
কলকাতা

Fake Vaccination: কসবা-কাণ্ডে দেবাঞ্জনের বিরুদ্ধে এফআইআর

কসবার ভুয়ো টিকা কাণ্ডে (Kasba Fake Vaccination Case) দেবাঞ্জন দেবকে জেরা করে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য পেল পুলিশ। আপাতদৃষ্টিতে মেধাবী পড়ুয়া দেবাঞ্জন কীভাবে প্রতারক হয়ে উঠল তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। আর্থিক তছরুপের জেরে ধৃতের বিরুদ্ধে নিউ মার্কেট থানায় একটি পৃথক এফআইআর (FIR) হয়েছে। এছাড়া মুচিপাড়া থানায় দেবাঞ্জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (Indian Medical Association)। এদিকে, দেবাঞ্জনের এক সহযোগীকে আটক করেছে পুলিশ। রামলীলা পার্কের বাসিন্দা শান্তনু মান্না নামে ওই ব্যক্তি নিজেকে দেবাঞ্জনের অফিসের ম্যানেজার বলে দাবি করত। দেবাঞ্জনের তালতলার গুদামেও চলছে জোর তল্লাশি। সূত্রের খবর, সেখান থেকে বেশ কয়েকটি ভায়াল পাওয়া গিয়েছে। আরও পড়ুনঃ কসবা-কাণ্ডে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে যোগের অভিযোগ বিজেপিরইতিমধ্যেই তাকে বেশ কয়েকবার দফায় দফায় জেরা করেন পুলিশ আধিকারিকরা। তাতেই জানা গিয়েছে, কলকাতা পুরসভার নামে বেআইনিভাবে অ্যাকাউন্ট খুলেছিল দেবাঞ্জন। তদন্তে এই বিস্ফোরক তথ্য উঠে আসার পরই নিউ মার্কেট থানায় দেবাঞ্জনের বিরুদ্ধে একটি পৃথক FIR দায়ের হয়েছে। করোনা কালে স্যানিটাইজারের ব্যবসা শুরু করে দেবাঞ্জন। বাগড়ি মার্কেট থেকে মাস্ক, স্যানিটাইজার, পিপিই কিটও কিনেছিল সে। এমনকী, সমাজসেবামূলক কাজও শুরু করেছিল দেবাঞ্জন। সে সময় বিনামূল্যে স্যানিটাইজার ও মাস্ক বিলি করে সে। তবে কীভাবে দেবাঞ্জন টিকাকরণ নিয়ে জালিয়াতি কাণ্ডে জড়িয়ে পড়ল, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। মিসিং লিংকের সন্ধানে তদন্তকারীরা।

জুন ২৫, ২০২১
দেশ

Lord Jagannath: ভক্তদের অনুপস্থিতিতে শুরু জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রা

গতবছর করোনার (Corona Pandemic) প্রথম ঢেউয়ের কারণে ইতিহাসে প্রথমবার ভক্তদের ছাড়াই সম্পন্ন হয়েছিল পুরীর (Puri) জগন্নাথ দেবের (Lord Jagannath) স্নানযাত্রা। বছর ঘুরতেও ছবিটা বদলাল না। দেশজুড়ে টিকাকরণ শুরু হলেও আছড়ে পড়েছে মারণ ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ। আর তাই রথযাত্রার আগে রীতি মেনে এবারেও জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রার আয়োজন করা হলেও, তাতে থাকছেন না কোনও ভক্ত। এমনকী, রাজ পরিবারের ঘনিষ্ঠ কর্মচারী কোভিডে আক্রান্ত হওয়ায় থাকবেন না পুরীর গজপতি রাজা দিব্যসিংহ দেবও। যদিও প্রস্তুতিতে কোনও খামতি নেই। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই রীতি মেনে সমস্ত কিছুর আয়োজন শুরু হয়েছে। প্রসঙ্গত, স্নানযাত্রায় অনূর্ধ্ব ৫০০ জন সেবায়েত কোভিড-পরীক্ষা করিয়ে আচার সম্পন্ন করার অনুমতি পেয়েছেন।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে দ্রুত উপনির্বাচনের আর্জি মুখ্যমন্ত্রীরকথিত আছে, জ্যৈষ্ঠ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে স্বয়ম্ভু মনুর যজ্ঞের প্রভাবে আবির্ভূত হয়েছিলেন প্রভু জগন্নাথ। তারপর এই পূণ্যতিথিটিকে জগন্নাথদেবের জন্মদিন হিসেবে পালন করার নির্দেশ দেন মনু। সেই জন্মদিন উপলক্ষে পৌরাণিক কাল থেকে এই বিশেষ স্নান উৎসব পালিত হয়ে আসছে আজও। প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, প্রতি বছর জ্যৈষ্ঠ মাসের প্রথম পূর্ণিমাতেই জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রার আয়োজন করা হয়। এদিন গর্ভগৃহ থেকে মূর্তি তুলে এনে স্নান মণ্ডপে স্থাপন করা হয়। সেখানেই সুগন্ধি জল দিয়ে স্নান করানো হয় জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রাকে। স্নানের পাশাপাশি চলে মূর্তির সাজসজ্জা-অলঙ্করণ ইত্যাদি। ১০৮ ঘড়া জলে স্নানের পরেই জ্বরে কাবু হয়ে পড়েন জগন্নাথদেব। তাই এইসময় গৃহবন্দি অবস্থায় থাকেন। রথ পর্যন্ত বিশ্রাম নেন। তাই ভক্তরা জগন্নাথ দেবের দর্শন পান না। এই কয়েকদিন পুজোও হয় না তাঁর। রীতিমত কম্বল চাপা দিয়ে পড়ে থাকেন জগতের নাথ। তবে রথযাত্রার দিন রাজবেশে রথে করে তিনি যাবেন মাসির বাড়িতে। এ বার তা সম্পন্ন হবে ১২ জুলাই।তবে তার আগে এই স্নান যাত্রার আয়োজনে কোথাও কোনও খামতি রাখেনি মন্দির প্রশাসন। ইতিমধ্যে ওই এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। মন্দির চত্বরে যেমন কোনও ভক্ত প্রবেশ করতে পারবেন না, তেমনই জগন্নাথ দেবের স্নান দেখতেও কেউ উপস্থিত থাকতে পারবেন না। যদিও, জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রা গোটা বিশ্বে লাইভ স্ট্রিম করা হবে বলে জানিয়েছে পুরীর মন্দির কর্তৃপক্ষ। অন্যদিকে, রাজা দিব্যসিংহ দেবের অনুপস্থিতিতে তাঁরই এক প্রতিনিধি হিসেবে নির্দিষ্ট রীতি পালন করে সোনার ঝাড়ু দিয়ে স্নানবেদী পরিষ্কার করবেন বলেই খবর। কারণ কোভিডবিধি মেনে আপাতত নিভৃতাবাসে রয়েছেন রাজা দিব্যসিংহ দেব। এদিকে, ১৪৭৫টি আইসক্রিমের কাঠি দিয়ে জগন্নাথ দেবের মূর্তি বানিয়ে তাক লাগালেন ওডিশার বাসিন্দা বিশ্বজিৎ নায়েক। তাঁর কীর্তি দেখে অবাক নেটিজেনরাও।

জুন ২৪, ২০২১
কলকাতা

আজ থেকে খুলল কালীঘাট মন্দির

রাজ্যের করোনা (Coronavirus) পরিস্থিতির একটু উন্নতি হতেই বিভিন্ন মন্দির খুলছে ভক্তদের জন্য। মঙ্গলবার থেকে খুলে গেল কালীঘাট মন্দিরের (Kalighat Temple) দুয়ার। সকাল ৬টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত খোলা থাকবে মন্দির। এই সময়ের মধ্যে ভক্তরা পুজোর ডালা নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। পুজো দেওয়ায় কোনও বাধা নেই। তবে যথাযথ কোভিড বিধি মেনেই হবে মা কালীর আরাধনা। মাস্ক ছাড়া প্রবেশ নিষিদ্ধ। শারীরিক দূরত্ব মেনে পুজোর লাইনে দাঁড়াতে হবে। এমনই বেশ কয়েকটি নিয়ম মেনে তবেই ভক্তদের জন্য মন্দির খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এতে বেশ খুশি দর্শনার্থীরা। অনেকদিন পর পুজো দেওয়ার সুযোগ পেয়ে এদিন সকালেই ভক্তরা ভিড় করেন মন্দির চত্বরে।আরও পড়ুনঃ এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ মুখ্যমন্ত্রীকরোনা আবহে রাজ্যে মে মাসের ৫ তারিখ থেকে কড়া বিধিনিষেধ লাগু হওয়ার পরপরই প্রসিদ্ধ মন্দিরগুলি একে একে বন্ধ হতে থাকে। তার আগে ভক্তদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছিল বেশ কয়েকটি মন্দিরে। সংক্রমণ এড়াতেই এই সিদ্ধান্ত নেয় বিভিন্ন মন্দির কর্তৃপক্ষ। তবে মাস দুই পর রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি একটু নিয়ন্ত্রণে এলে ফের কোভিড (COVID-19) বিধি মেনে মন্দির খুলতে থাকে। তারকেশ্বর এবং তারাপীঠের মন্দির খোলা হয়েছিল গত সপ্তাহেই। চলতি সপ্তাহে আবার তারকেশ্বরের মন্দিরে ভক্তদের প্রবেশের সময়সীমাও বাড়ানো হয়েছে। জানানো হয়, সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১টা এবং বিকেল ৬টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দুদফায় মন্দিরে ঢুকতে পারবেন ভক্তরা। গর্ভগৃহে প্রবেশেও অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

জুন ২২, ২০২১
রাজ্য

Tarapith Temple: ১৬ জুন থেকে ভক্তদের জন্য খুলতে চলেছে তারাপীঠ মন্দির

অপেক্ষার অবসান। রাজ্যে করোনার সংক্রমণ (Corona Pandemic) অনেকটাই নিম্নমুখী। আর তাই আগামী ১৬ জুন থেকে ভক্তদের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে বীরভূমের (Birbhum) তারাপীঠের মন্দির (Tarapith Temple)। সোমবার সেবাইতদের বৈঠকের পর এমনটাই জানানো হয়েছে মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে। তবে জারি থাকবে করোনা সংক্রান্ত একাধিক বিধিনিষেধ। ৩৩ দিন পর খুলতে চলেছে মন্দির।করোনার (Corona Virus) দ্বিতীয় ঢেউয়ে রাজ্যের অন্যান্য মন্দিরের পাশাপাশি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল তারাপীঠের মা তারার মন্দিরও। সংক্রমণ রুখতে রাজ্যের তরফে কড়া বিধিনিষেধ জারি করার পরই ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া ছিল। এই সময় কেবল সেবাইতদেরই পালা করে মায়ের পুজো করার অনুমতি ছিল। তবে মন্দিরের দ্বার বন্ধ থাকলেও ভিডিও কলের মাধ্যমেই মায়ের দর্শন করছিলেন ভক্তরা। এজন্য উদ্যোগ নিয়েছিল তারাপীঠ মন্দিরের সেবাইত সংঘই। সেবাইতরাই ভক্তদের ভিডিও কল করে মায়ের দর্শনের ব্যবস্থা করছিলেন। এমনকী পুণ্যার্থীদের দাবি মেনে ভিডিও কল করে তাঁদের নাম, গোত্র ধরে পুজোও দিয়ে দেন তাঁরা। এখানেই শেষ নয়, দূর-দূরান্তের পুণ্যার্থীদের কাছে সংকল্প করা পুজোর ফুলও পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছিল ডাকযোগে। তবে শেষপর্যন্ত রাজ্যে সংক্রমণের গ্রাফ কমতেই মন্দির খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল।তবে ১৬ তারিখ থেকে মন্দির খুললেও ভক্তদের জন্য জারি থাকবে একাধিক বিধিনিষেধ। প্রত্যেককেই সেই বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে। মন্দিরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গর্ভগৃহে মোবাইল নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না। তোলা যাবে না কোনওপ্রকার সেলফি। মায়ের বিগ্রহকে স্পর্শ করা কিংবা জড়িয়ে ধরা যাবে না। এছাড়া করোনা সংক্রান্ত অন্যান্য সতর্কতাও মেনে চলতে হবে।

জুন ১৪, ২০২১
রাজ্য

Relief Work: মৌসুনি দ্বীপের যশ বিপর্যস্ত মানুষদের পাশে ইছলাবাদ কিরণ সঙ্ঘ ক্লাব

যশ বিধ্বস্ত এলাকাগুলোতে অসহায় মানুষগুলোর সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন রাজনীতিবিদ থেকে সমাজের সব স্তরের মানুষরা। ক্ষতিগ্রস্ত সুন্দরবন এলাকার মৌসুনি দ্বীপের বালিয়ারার একটি আদিবাসী অধ্যুষিত দ্বীপের মানুষদের অবস্থাও তথৈবচ বলে জানতে পেরেছিল বর্ধমানের ইছলাবাদ কিরণ সঙ্ঘ ক্লাবের সদস্যরা। দ্বিতীয়বার ভাবার অপেক্ষায় না থেকে প্রত্যন্ত দ্বীপে গিয়ে বিধ্বস্ত মানুষগুলোর দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন ক্লাবের সদস্যরা। বুধবার দিনটিকেই এই মহৎকাজের জন্য বেছে নিয়েছিলেন ক্লাবের সদস্যরা। প্রয়োজনীর সামগ্রী জোগার করে কয়েকজন সদস্য মিলে পাড়ি দিয়েছিলেন দ্বীপে। সকাল থেকে সন্ধে পর্যন্ত সারাদিনের কর্মকাণ্ডে নিজেদের সাধ্যমতো পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন তাঁরা। ক্লাবের সদস্য সুবির বল জানিয়েছেন, সকালে বালিয়ারা পৌঁছে সেখানকার প্রায় ৩০০ বাচ্চাকে এক পোয়া করে দুধ ও ২ প্যাকেট করে বিস্কুট খাইয়েছেন। এছাড়াও দুপুরে ছিল দ্বীপের প্রায় ১০০০ জনের খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থা। ক্লাবের সদস্যরা সেখানেই রান্না করে বাসিন্দাদের নিজেরাই পাত পেড়ে খাওয়ান। মেনুতে ছিল, ভাত, ডাল, সোয়াবিন-আলুর তরকারি ও ডিমের কারি।বাসিন্দাদের জন্য কিছু শুকনো খাবারও দিয়ে আসা হয়েছে ক্লাবের তরফে। এর মধ্যে রয়েছে চিঁড়ে, মুড়ি, চাল, আলু। এছাড়াও মহিলাদের জন্য স্যানিটারি ন্যাপকিন, মোমবাতি ও দেশলাই দেওয়া হয়। ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে ভেঙে গিয়েছে ঘরবাড়ি। কিন্তু ভাঙেনি মনের জোর। বার বার বিপর্যয়ে মুখোমুখি হয়ে দ্বীপের মানুষগুলো বিপর্যয়কেই সঙ্গী বানিয়ে ফেলেছেন অমায়িক মানুষগুলো। সাহায্য আসছে জানতে পেরে তাই বিপদের মাঝেই পাতিবুনিয়া থেকে মৌসুনি দ্বীপে নৌকো করে নদী পাড় করিয়ে নিয়ে গিয়েছে ক্লাবের সদস্যদের। আবার দিনশেষে সেভাবেই পাড়ে পৌঁছে দিয়ে গিয়েছেন।দ্বীপের বাসিন্দাদের এমন অমায়িক ব্যবহারে অভিভূত ক্লাবের সদস্যরা।জীব সেবাই শিব সেবা। এই নীতিতেই ইছলাবাদ কিরণ সঙ্ঘ ক্লাবের সদস্যরা মানুষের পাশে থাকার কাজ করে চলেছেন। তার বদলে, এই সব অসহায় মানুষদের মুখের হাসি ও আশীর্বাদটুকুই তাঁদের বড় পাওনা। এর আগে কোভিড রোগীদের জন্য অক্সিজেনের ব্যবস্থা করে বহু মানুষকে মৃত্যুর মুখ থেকে বাঁচিয়েছিলেন ক্লাবের সদস্যরা। এবার দুর্যোগে বিপর্যস্ত মানুষগুলোর পাশে দাঁড়াতে পেরে তৃপ্তির হাসি হাসছেন ক্লাবের প্রত্যেক সদস্যরা।

জুন ১১, ২০২১
রাজ্য

যশ-এ বিধ্বস্ত পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা

অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড় যশ কতটা ক্ষয়ক্ষতি করল তার হিসেব এখনও স্পষ্ট নয়। তবে একটা বিষয় পরিষ্কার। এই ঘূর্ণিঝড়ের জেরে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত যদি কোনও জেলা হয়ে থাকে তা হল পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা। উপকূলবর্তী এই দুই জেলা রীতিমতো লণ্ডভণ্ড হয়ে হয়ে গিয়েছে যশের জেরে। সব মিলিয়ে ১ কোটির বেশি মানুষ প্রভাবিত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশদে ক্ষতির পরিমাণ বুঝতে বিকেলেই দুই জেলাশাসকের সঙ্গে বৈঠক করেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।বৈঠক শেষে সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি জানান, পূর্ব মেদিনীপুরের ৫ টি এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৭ টি পুরসভা এলাকা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুই জেলার মোট ১২ টি পুরসভা এলাকার ১০ হাজার ৬০০ টি বাড়ি সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় একজনের মৃত্যুও হয়েছে। এখনও জলের তলায় রয়েছে বহু এলাকা। যদিও এখনও পর্যন্ত দুই জেলায় আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ কত তা নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না। সমগ্র ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখছে পুর দপ্তর।বৈঠক শেষে এ দিন মন্ত্রী চন্দ্রিমা আরও জানান, দুই জেলাতেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে চেষ্টা চালাচ্ছে রাজ্য প্রশাসন। জল নিকাশির জন্য রাজ্য জুড়ে বর্তমানে ৭,৮১৬ টি দল কাজ করছে। পানীয় জলের সমস্যা রুখতে কাজ করছে ৯৬৫ টি দল। পুজালি এবং বজবজের মতো পুর এলাকাগুলির ৯ টি বাঁধ এখনও পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরের জুনপুটে আরও একটি বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।

মে ২৬, ২০২১
কলকাতা

বিপর্যস্ত রাজ্যের ১ কোটি মানুষ, শুক্রবার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী

আছড়ে পড়ার পর কয়েকঘণ্টা কার্যত তাণ্ডব চালিয়েছে ঘূর্ণিঝড় যশ। উত্তাল হয়েছে সমুদ্র। দিঘা ও সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় যথেষ্ট ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রাণ গিয়েছে ১ জনের, নবান্ন থেকে জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যাবেন তিনি।ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় মঙ্গলবার সারারাত নবান্নেই ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাতভর কন্ট্রোলরুম থেকে নজর রেখেছেন পরিস্থিতির উপর। বুধবার সকালেও একাধিকবার সাংবাদিক বৈঠক করে পরিস্থিতির কথা জানিয়েছেন রাজ্যবাসীকে। যশের ল্যান্ডফল শেষ হতেই নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করলেন তিনি। জানিয়েছেন, ১৫লক্ষ ৪ হাজার ৫০৬ জনকে সরানো হয়েছিল। তা সত্ত্বেও প্রায় এক কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ৩ লক্ষ বাড়ির ক্ষতি হয়েছে। ১৩৪টি বাঁধ ভেঙেছে। নোনা জলের কারণে কৃষির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। মাছেরও ক্ষতি হয়েছে। ত্রাণ শিবিরগুলিতে ১০ লক্ষ ত্রিপল পাঠানো হয়েছে ইতিমধ্যেই। ১০ কোটি চাল ও শুকনো খাবার পাঠানো হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ত্রাণ শিবিরে ওঠার পরও ১ ব্যক্তি মাছের জন্য জাল ফেলতে গিয়েছিলেন। জলে ডুবে গিয়েছেন তিনি। সন্দেশখালি, নামখানা, পাথরপ্রতিমা, বাসন্তী, ক্যানিং ১ ও ২ নম্বর ব্লক, বজবজ, দিঘা, শংকরপুর, তাজপুর, রামনগর, কাঁথি, নন্দীগ্রাম, সুতাহাটা, দেশপ্রাণ, কোলাঘাট, শ্যামপুর, এদিকে কালীঘাট, চেতলা, রাসবিহারী-সহ গঙ্গার সামনের বহু এলাকা জলে প্লাবিত হয়েছে। আরও পড়ুন: ঘণ্টায় ১৫৫ কিমি বেগে বালাসোরের দক্ষিণে আছড়ে পড়ল যশমুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামিকালও দুর্যোগ থাকবে। তাই প্রত্যেককে ঘরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। যারা নদী বা সমুদ্রের পাশে থাকেন, তাঁদের সতর্ক থাকতে বলেছেন। ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে বিঁধেছেন কেন্দ্রকেও। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, আগামী শুক্রবার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যাবেন তিনি। পাশাপাশি বিপর্যস্তদের সবরকম সহযোগিতার নির্দেশও দিয়েছেন। ঘূর্ণিঝড়ের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে শহর কলকাতা। তবে ভরা কোটালের জেরে জলমগ্ন শহরের একাধিক এলাকা। সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বৃষ্টি। সেই জল নামতে বেশ কয়েক ঘণ্টা সময় লাগবে বলে জানিয়েছে কলকাতা পুরসভা। দ্রুত জল নামাতে ম্যানহোল খুলে দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন এলাকার। তবে বিপদ এড়াতে শহরের একাধিক এলাকার বিদ্যুৎ পরিষেবা বিচ্ছিন্ন করেছে সিইএসসি। জল না নামা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হবে না বলে খবর।পূর্ণিমা, চন্দ্রগ্রহণ এবং ভরাকোটালের জেরে জলস্তর বেড়েছে গঙ্গা ও আদিগঙ্গার জলস্তর। আর তার জেরেই জলমগ্ন দক্ষিণ কলকাতার কালীঘাট, রাসবিহারী, ভবানীপুর ও চেতলার বিস্তীর্ণ এলাকা। বসতি এলাকায় ঘরে ঢুকেছে নোংরা জল। এদিকে রাতে জোয়ার এলে জলস্তর আরও বাড়বে। সেই সময় পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে। আর এই জমা জল থেকে ঘটতে পারে বিপদ। দুর্ঘটনা এড়াতে সাঁকরাইল, বাউড়িয়া, বজবজ ও কালীঘাটের একাংশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে। উল্লেখ্য, তড়িদাহত হওয়ার ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনে জলমগ্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ এড়াতে পরিষেবা বন্ধ রাখার আবেদন করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই।এদিন রাজ্যের বহু জায়গায় বিদ্যুতের তার ছিঁড়েছে। প্রচুর বৈদ্যুতিক পোস্টের ক্ষতি হয়েছে। তবে সম্পূর্ণ ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও জানা যায়নি। এ প্রসঙ্গে বিদ্যুৎমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস জানান, অনেক এলাকায় বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে গিয়েছে। বিকেলের পর ক্ষয়ক্ষতির আঁচ পাওয়া যাবে। এদিকে বিদ্যুৎহীন হয়ে রয়েছে কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকা। কবে স্বাভাবিক হবে এই পরিস্থিতি? এই প্রশ্নের জবাবে সিইএসসি-র ম্যানেজিং ডিরেক্টর দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যে সমস্ত এলাকায় জমা জলের স্তর বেড়ে গিয়েছে সেখানে বিদ্যুৎ পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে সাঁকরাইল, বাউড়িয়া, বজবজ ও কালীঘাটের একাংশ রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর সংযোগ ফিরিয়ে দেওয়া হবে।

মে ২৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

অবশেষে মুক্তি পেতে চলেছে বহু প্রতীক্ষিত ‘৮৩’

কবীর খান পরিচালিত স্পোর্টস ড্রামা ৮৩ অবশেষে অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে মুক্তি পেতে চলেছে। ছবির মুক্তির দিন ঘোষণা করা হল। খবরটি জানান স্বয়ং ছবির কপিলদেব রণবীর সিংহ।রণবীর জানান, আগামী ৪ জুন বড় পর্দায় মুক্তি পাবে ছবিটি। ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্টার শেয়ার করে রণবীর লেখেন, ৪ জুন, ২০২১!!!! হিন্দি সহ তামিল, তেলুগু, কন্নড় ও মালায়ালাম ভাষায়। দেখা হচ্ছে সিনেমায়। রনবীর সিং #thisis83 হ্যাশট্যাগ দেন। ওই পোস্টে তিনি ছবির সমস্ত টিম মেম্বারদের ট্যাগ করেন, সকলের সঙ্গে এই খুশির মুহূর্ত ভাগ করে নেন।১৯৮৩ সালটি ভারতের ক্রিকেট ইতিহাসে এক মাইলস্টোন। এক ক্রিকেটীয় রূপকথার বাস্তবতা। দ্বিধাহীনভাবে বলে দেওয়া যায় যে, সে উপাখ্যানের অবিসংবাদী নায়ক কপিলদেব নিখাঞ্জ। ২৫শে জুন ১৯৮৩-র ফাইনালে অপ্রতিরোধ্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের ওপর আধারিত এই ছবি। সেই অসম্ভবকে জয় করা ম্যাচের অন্যতম নায়ক এবং তৎকালীন ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক কপিলদেবের নামভূমিকায় দেখা যাবে রণবীরকে সিংকে। এবং কপিলের স্ত্রী রোমি দেবের ভূমিকায় অভিনয় করতে দেখা যাবে দীপিকা পাড়ুকনকে। এ ছাড়াও বোমান ইরানি, হার্ডি সান্ধু, পঙ্কজ ত্রিপাঠি, যতীন শরণার মতো পরিচিত আভিনেতাদের দেখা যাবে পার্শচরিত্রে।View this post on InstagramA post shared by Ranveer Singh (@ranveersingh)করোনা অতিমারির জন্য সিনেমাহলগুলি বন্ধ থাকায় অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এই ছবি মুক্তির সম্ভবনা তৈরি হয়েছিল। বিভিন্ন প্রলোভন ও পারিপার্শ্বিক চাপ উপেক্ষা করে অবশেষে বড় পর্দাতেই ছবির মুক্তির সিদ্ধান্ত নেন পরিচালক কবীর খান।জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২১
কলকাতা

১০ বছরের রিপোর্ট কার্ড প্রকাশ তৃণমূলের

রাজ্যে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির সভার দিনই গত দশ বছরের উন্নয়নের খতিয়ান পেশ করল তৃণমূল। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত রিপোর্ট কার্ড এ কথাই তুলে ধরলেন দলীয় নেতৃত্ব। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের মতো রাজ্যের একাধিক দফতরের হেভিওয়েট মন্ত্রীরা। বৃহস্পতিবার দলের সদর দফতর তৃণমূল ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে সূচনা হল বঙ্গধ্বনি যাত্রা কর্মসূচির। আগামীকাল থেকে এই রিপোর্ট কার্ড নিয়ে রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা এলাকায় বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছাবেন তৃণমূলকর্মীরা। রাজ্যের মানুষ গত দশ বছরের মধ্যে যা যা সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন তাই তুলে ধরা হয়েছে রিপোর্ট কার্ডে। এদিনের অনুষ্ঠানে রাজ্যের দুয়ারে সরকার কর্মসূচিকেও তুলে ধরা হয়। এই কর্মসূচির সাফল্য নিয়ে কথা বলেন দলের নেতারা। এই কর্মসূচির মাধ্যমে রাজ্যের ১১টি উন্নয়নমূলক প্রকল্পের সুবিধা দিতে সাধারণ মানুষের বাড়ির দুয়ারে পৌঁছে গিয়েছে সরকার। এদিন দলের মহাসচিব ও রাজ্যের শিক্ষা মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এই সরকার দশ বছরের মধ্যে ৮ বছর কাজ করার সুযোগ পেয়েছে। করোনার জন্যে এক বছর, উপনির্বাচনের জন্যে বাকি ১ বছর কাজ করার সম্ভব হয়নি। তাও সরকার সমস্ত রকম ভাবে মানুষের পাশে থেকে কাজ করেছে। আর সেই কাজের খতিয়ান নিয়েই মানুষের দোরগোড়ায় এবার পৌঁছবে তৃণমূল কংগ্রেস। শুধুমাত্র শিক্ষাক্ষেত্রের যে উদাহরণ তিনি টেনেছেন সেখানে উল্লেখ রয়েছে, ২০১১ সাল থেকে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ তিন গুণ বেড়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্য ও খাদ্য এই দুটি ক্ষেত্রেও বেড়েছে বরাদ্দ। যা উল্লেখ রয়েছে রিপোর্ট কার্ডের মধ্যে। গত দশ বছর ধরে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল সরকার কী কী কাজ করেছে বাংলার মানুষের জন্যে, তার যাবতীয় খতিয়ান তুলে ধরা হয়েছে এই রিপোর্ট কার্ডের মাধ্যমে। যাকে এদিন সাংসদ সুদীপ বন্দোপাধ্যায় বলেন, এটা আসলে শ্বেতপত্র। দিদিকে বলো, বাংলার গর্ব মমতার পরে চালু হচ্ছে নয়া প্রকল্প বঙ্গধ্বনি। যার মাধ্যমে মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছবেন জনপ্রতিনিধি থেকে সাংগঠনিক পদের ব্যক্তিরা। তারাই মানুষের কাছে উন্নয়নের খতিয়ান তুলে দেবেন। সেই উন্নয়নের চেহারাই প্রকাশ পাবে এই রিপোর্ট কার্ড পেশের মাধ্যমে। বারবারই মমতা বন্দোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, কেন্দ্র প্রাপ্য টাকা দিচ্ছে না। কিন্তু আর্থিক সঙ্কট থাকা সত্ত্বেও উন্নয়নের গতি থামেনি। আর্থিক সঙ্কটের মধ্যেও প্রতি মাসে সরকারি কর্মীদের বেতন ও পেনশন দেওয়া হয়। এছাড়াও বিনাপয়সায় চিকিত্সার ব্যবস্থা করা হয়েছে, যা তুলে ধরা হয়েছে রিপোর্ট কার্ডে। আরও পড়ুন ঃ নাড্ডার সফরে পুলিশি নিরাপত্তায় ঢিলেমির অভিযোগ, শাহকে চিঠি দিলীপের পাশাপাশি, গত ১০ বছরে রাস্তা থেকে পানীয় জল। বিদ্যুৎ থেকে সকলের জন্যে খাদ্যসাথী। স্বাস্থ্যসাথীর মতো বিশেষ সুবিধাও এনেছে রাজ্য সরকার। বিরোধীরা উন্নয়ন ইস্যুতে একাধিকবার আক্রমণ শানালেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা তাঁর দলের নেতা মন্ত্রীরা একপ্রকার নিশ্চিত মানুষের কাছে তাঁদের উন্নয়নের খতিয়ান পৌঁছে যাবে। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে মানুষ আস্থা রাখবে সেই উন্নয়নের উপরেই। তাই আজ থেকেই এই প্রচারে কোমর বেঁধে নেমে পড়ছে তৃণমূল কংগ্রেস। এরপর জেলা নেতৃত্ব সেই বিষয়ে নিজেদের জেলায় কেন্দ্রীয়ভাবে প্রচার করবেন। শুক্রবার প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে সাংবাদিক সম্মেলন এবং মিছিল করে শুরু হবে বঙ্গধ্বনি যাত্রার প্রচার অভিযান। আগামী দশ দিনে প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে তিন থেকে পাঁচটি দল যাত্রা শুরু করবে ধারাবাহিকভাবে। জানা গিয়েছে, ওই যাত্রায় চার হাজার নেতা ৯৫০টি দলে ভাগ হয়ে ২৭ হাজার ৫০০ এলাকায় যাবেন। রাজ্যের প্রায় আড়াই লক্ষ কিলোমিটার জুড়ে ১ কোটি মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করবেন ওই প্রচারের দায়িত্বে থাকা নেতানেত্রীরা। তৃণমূলের দশ বছরের রিপোর্ট কার্ড বাংলার প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দেওয়াই হচ্ছে মূল লক্ষ্য। সেই সঙ্গে দেওয়া হবে ২০২১ সালের দিদিকে বলো পকেট ক্যালেন্ডার।

ডিসেম্বর ১০, ২০২০
রাজ্য

রবীন্দ্রনাথ ঘোষের সঙ্গে বৈঠকের পরও একই অবস্থানে মিহির গোস্বামী

তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ বিধায়ক মিহির গোস্বামীর সঙ্গে দেখা করলেন রাজ্যের উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। মঙ্গলবার সকালে দুজনের মধ্যে প্রায় ৪০ মিনিট কথা হয়। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী জানান, বিজয়া করতেই মূলত মিহির গোস্বামীর বাড়িতে এসেছিলেন। তবে সাক্ষাৎ হওয়ার পর নানা বিষয়ে কথা হয়েছে দুজনের। ঠিক কী বিষয়ে কথা হয়েছে তা যদিও খোলসা করে বলেননি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। মিহির গোস্বামীর দলের অভিমান প্রসঙ্গেও সেভাবে কিছু বলেননি মন্ত্রী। তবে তাঁর কথায়, মিহিরদা পুরনো লোক। ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মিহিরবাবু দলে ছিলেন, আছেন ও থাকবেন। আরও পড়ুনঃ ত্রিপুরায় বাঙালি হত্যার প্রতিবাদে পথে বাংলা পক্ষ কোচবিহার দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক মিহির গোস্বামী জানান, ফেসবুক পোস্ট ও কলকাতার নেতাদের একাংশের ভূমিকা নিয়ে একই অবস্থানে রয়েছেন তিনি। তবে রাজ্য নেতৃত্ব তথা দলনেত্রীর বার্তা পাওয়ার পরে যে সব কিছু গভীরভাবে তলিয়ে দেখে পদক্ষেপ করবেন। চিন্তন ও মন্থনের পরে যে সিদ্ধান্ত নেব, তা জনসমক্ষে জানিয়ে দেব।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
রাজ্য

জগদ্ধাত্রী পুজোয় ভক্তদের জন্য বন্ধ বেলুড়ের সারদা পিঠ

করোনা জনিত কারণে বেলুড় রামকৃষ্ণ মিশন সারদাপীঠের জগদ্ধাত্রী পুজোয় জনসাধারণের প্রবেশ বন্ধ। ভোগ বিতরণ বন্ধ থাকবে। জানা গিয়েছে, দীর্ঘ ৭৫ বছরের এই পুজো এবার হবে মা সারদার প্রার্থনা কক্ষেই। তবে পুজোর সরাসরি সম্প্রচার সারদাপীঠ ও বেলুড়মঠের নিজস্ব ওয়েবসাইটে দেখা যাবে। সন্ন্যাসী ও ব্রহ্মচারীরা মিলেই করবেন এই পুজো। অষ্টমীতে মায়ের অধিবাস ও আমন্ত্রণ। নবমী দিন সপ্তমী ও অষ্টমীর পুজো হবে। আরও পড়ুনঃ হাওড়া ব্রিজে মিনিবাসে অগ্নিকাণ্ড , উত্তেজনা দশমীতে সকাল সাতটায় দেবীর পুজো ও সাড়ে আটটায় দর্পণ বিসর্জন হবে। বেলুড় রামকৃষ্ণ মিশন সারদাপীঠের সম্পাদক স্বামী দিব্যানন্দ মহারাজ বলেন, এবার শারীরিকভাবে ভক্তদের পুজো দেখার অনুমতি দেওয়া যাচ্ছে না। তবে পুজো যে নিয়মে, যে রীতিতে এতদিন হয়ে এসেছে সেই ভাবেই হবে।

নভেম্বর ২০, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

ভারতের বদলে চিনের দিকে মোড় নিল ইরানের তেলবাহী জাহাজ! মাঝসমুদ্রে কী ঘটল?

হরমুজ প্রণালী পেরোনোর পর মাঝসমুদ্রে হঠাৎ দিক পরিবর্তন করল ইরানের একটি তেলবাহী জাহাজ। ভারতের দিকে আসতে আসতেই সেটি ঘুরে চিনের দিকে চলে যায়। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।জাহাজ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, পিং শান নামে ওই জাহাজটি একটি বড় তেলবাহী জাহাজ। প্রথমে এটি ভারতের পশ্চিম উপকূলে ভাদিনার বন্দরের দিকে এগোচ্ছিল। কিন্তু পরে আচমকাই দিক বদলে দক্ষিণ দিকে ঘুরে চিনের একটি বন্দরের দিকে যেতে শুরু করে। তবে শেষ পর্যন্ত জাহাজটি কোথায় পৌঁছবে, তা এখনও নিশ্চিত নয়।প্রায় সাত বছর পর ইরান থেকে ভারতের উদ্দেশে তেল আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু মাঝপথে এই পরিবর্তনে সেই সম্ভাবনা এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।জানা গেছে, জাহাজটিতে প্রায় ছয় লক্ষ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০১৯ সালের পর এটি ভারতের জন্য প্রথম ইরানি তেলের চালান হতে পারত।২০১৯ সালের মে মাসের পর থেকে ভারত ইরান থেকে তেল আমদানি বন্ধ রেখেছে। সেই সময় আমেরিকার নিষেধাজ্ঞার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে সম্প্রতি কিছু ক্ষেত্রে সাময়িক ছাড় দেওয়ায় আবার তেল আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু অর্থ লেনদেন, পরিবহণ এবং বিমা সংক্রান্ত সমস্যার কারণে সেই প্রক্রিয়া জটিল হয়ে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল, এই তেল ভাদিনার একটি রিফাইনারিতে পৌঁছবে। কিন্তু এখন সেই পরিকল্পনা বদলে গেছে।একসময় ভারত ইরানের অন্যতম বড় তেল ক্রেতা ছিল। দেশের মোট তেল আমদানির একটি বড় অংশই ইরান থেকে আসত। কিন্তু নিষেধাজ্ঞার পরে সেই সম্পর্ক পুরোপুরি থেমে যায়।এই পরিস্থিতিতে মাঝসমুদ্রে জাহাজের দিক পরিবর্তন নতুন করে নানা প্রশ্ন তুলেছে। কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, তার স্পষ্ট উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
রাজ্য

বিজেপি-মিম-কংগ্রেস যোগ! কালিয়াচক ইস্যুতে বড় অভিযোগ মমতার

কালিয়াচকের ঘটনাকে ঘিরে আবারও নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হরিরামপুরের সভা থেকে তিনি বলেন, এখন প্রশাসন তাঁর হাতে নেই। তবে তার পরেও রাজ্য দ্রুত পদক্ষেপ করেছে।মালদহে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা পৌঁছানোর আগেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে রাজ্যের সিআইডি। এই প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, এনআইএ আসার আগেই মূল অভিযুক্তকে ধরা হয়েছে। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাও যথেষ্ট সক্রিয়।মমতা আরও অভিযোগ করেন, মালদহের ঘটনার পিছনে বিজেপি, মিম এবং কংগ্রেসের যোগ রয়েছে। তাঁর দাবি, এই তিন দল মিলেই অশান্তি তৈরির চেষ্টা করেছে।সভামঞ্চ থেকে তিনি কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে বদল করা হয়েছে। নতুন আধিকারিকদের নিয়োগ করা হয়েছে। তিনি আশা করেন, তাঁরা বাংলার মানুষের স্বার্থে কাজ করবেন এবং কোনও চাপের কাছে নতি স্বীকার করবেন না।মমতা জানান, কিছুদিনের জন্য তাঁর হাত থেকে ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তবে পরে আবার সব স্বাভাবিক হবে এবং তখন সব কিছুর বিচার হবে।কালিয়াচক ঘটনার মূল অভিযুক্ত পালানোর চেষ্টা করছিল বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, বাগডোগরা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বাইরে থেকে লোক এনে অশান্তি তৈরির চেষ্টা হয়েছে।এছাড়াও তিনি সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে বলেন, কেউ যেন নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য অপরিচিত কারও হাতে না দেন। তাঁর দাবি, অনেক জায়গায় ভুল পরিচয় দিয়ে মানুষকে প্রতারিত করার চেষ্টা হচ্ছে। সামান্য টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তথ্য নেওয়া হচ্ছে। এই বিষয়ে সবাইকে সাবধান থাকার আহ্বান জানান তিনি।পুরো ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। তদন্ত চলছে এবং আগামী দিনে আরও কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই নজর রয়েছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

বাড়ি থেকে বেরিয়ে হঠাৎ উধাও! কোথায় গেলেন পরিচালক উৎসব?

বৃহস্পতিবার বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ পরিচালক উৎসব মুখোপাধ্যায়। শুক্রবারও তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে পরিবারের মধ্যে। ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বিভিন্ন থানায় খোঁজ নেওয়ার পাশাপাশি রেল পুলিশের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হচ্ছে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তাঁর মোবাইলের শেষ অবস্থান উল্টোডাঙা স্টেশনের কাছে ধরা পড়েছে। তারপর থেকেই ফোন বন্ধ হয়ে যায়।পরিচালকের স্ত্রী মৌপিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে নিমতার একটি ব্যাঙ্কে গিয়েছিলেন উৎসব। সেখানে একটি পুরনো অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলার কথা ছিল। দুপুর দুইটা বেজে বাইশ মিনিট নাগাদ তাঁদের শেষবার কথা হয়। তারপর থেকেই আর কোনও যোগাযোগ করা যায়নি।তিনি আরও জানান, নিজের মোবাইল বাড়িতে রেখে বাবার ফোন নিয়ে বেরিয়েছিলেন উৎসব। ব্যাঙ্কের কাজের জন্য ওটিপি আসার কথা ছিল বলে নিজের ফোন বাড়িতেই রেখেছিলেন।মৌপিয়ার দাবি, কিছুদিন ধরে সাইবার সংক্রান্ত সমস্যায় চিন্তিত ছিলেন উৎসব। সেই কারণে তিনি মানসিকভাবে কিছুটা অস্বস্তিতে ছিলেন এবং সোশ্যাল মিডিয়া থেকেও দূরে ছিলেন। পরিবার থেকে তাঁকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করা হচ্ছিল।ফোন নম্বরের অবস্থান খতিয়ে দেখে জানা গেছে, শেষবার সেটি উল্টোডাঙা স্টেশনের কাছেই সক্রিয় ছিল। তারপর হঠাৎই সেটি বন্ধ হয়ে যায়।পরিবারের দাবি, কারও সঙ্গে বিশেষ কোনও বিরোধ ছিল না উৎসবের। তিনি সাধারণত নিজের মতোই থাকতেন এবং বিনোদন জগতের আড্ডা বা পার্টি থেকে দূরে থাকতেন। এখনও পর্যন্ত কোনও হুমকির ফোনও আসেনি বলে জানিয়েছেন তাঁর স্ত্রী।ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে। পুলিশ সব দিক খতিয়ে দেখছে এবং পরিচালকের সন্ধানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুরে ভোটের আগে বড় বিস্ফোরণ! শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কমিশনে অভিযোগ তৃণমূলের

ভোটের আবহে রাজ্যজুড়ে উত্তেজনা বাড়ছে। বিশেষ নজর রয়েছে ভবানীপুর কেন্দ্রে (TMC)। এই পরিস্থিতিতে ওই কেন্দ্রের প্রার্থী এবং বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছে তৃণমূল। তাঁদের অভিযোগ, শুভেন্দু ভোটারদের উপর হামলার উস্কানি দিচ্ছেন (TMC)।গত মঙ্গলবার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান একদল বিএলও। পরে সেখানে অন্য পক্ষের সমর্থকরাও জড়ো হন (TMC)। দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে এবং সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। একাধিক বাইক ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী নামাতে হয়।এই ঘটনার পর সাংবাদিকদের সামনে শুভেন্দু অধিকারী মন্তব্য করেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা উচিত। তাঁর বক্তব্যে বলা হয়, কঠোর ব্যবস্থা নিলে পরিস্থিতি ঠিক হয়ে যাবে। এই মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয়েছে বিতর্ক (TMC)।এছাড়া তিনি কলকাতা পুলিশের ভূমিকাও নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বলেন, পুলিশ এখনও পরিস্থিতি ঠিকভাবে সামাল দিতে পারছে না। নির্বাচন কমিশনের কাছেও তিনি বিষয়টি জানাবেন বলে জানান।উল্লেখ্য, ভোট ঘোষণার পর কলকাতা পুলিশের কমিশনার পদে পরিবর্তন আনে নির্বাচন কমিশন। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকের কাজ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, তিনি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছেন না।এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেছে তৃণমূল। তাদের দাবি, এই ধরনের বক্তব্য ভোটের পরিবেশকে অশান্ত করতে পারে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে ভোটারদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।তৃণমূলের তরফে কমিশনের কাছে আবেদন করা হয়েছে, শুভেন্দুকে শোকজ করা হোক এবং তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এমনকি তাঁর মনোনয়ন বাতিলের দাবিও তোলা হয়েছে।উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার ভবানীপুর কেন্দ্রে নিজের মনোনয়ন জমা দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ফের ইডির ডাকে হাজির রাসবিহারীর তৃণমূল প্রার্থী! জমি দুর্নীতিতে বাড়ছে চাপ

জমি দুর্নীতি মামলায় ফের ইডির দফতরে হাজির হলেন দেবাশীষ কুমার। এর আগেও তাঁকে তলব করা হয়েছিল। এবার তাঁকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে আসতে বলা হয়েছিল। নির্ধারিত সময়েই তিনি দফতরে পৌঁছন (TMC Candidate)।রাসবিহারী কেন্দ্রের প্রার্থী এবং বিদায়ী বিধায়ক দেবাশীষ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ (TMC Candidate), জাল নথির সাহায্যে সরকারি ও বেসরকারি জমি বেআইনিভাবে দখল করা হয়েছে এবং সেই জমিতে অবৈধ নির্মাণ করা হয়েছে। এই অভিযোগে তাঁকে দ্বিতীয় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে ইডি। শুক্রবার তাঁকে তলব করা হয়েছিল এবং তিনি তদন্তকারীদের সামনে হাজির হন (TMC Candidate)।এর আগে গত ত্রিশে মার্চ তিনি কলকাতার ইডি দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন। সেদিনও তাঁকে জমি দখল সংক্রান্ত একটি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় (TMC Candidate)।শুক্রবার সকাল সাড়ে এগারোটার সময় তিনি দফতরে পৌঁছন এবং তারপরই জেরা শুরু হয় (TMC Candidate)।সূত্রের খবর, সম্প্রতি একটি বেসরকারি সংস্থায় আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। সেই তদন্তেই দেবাশীষ কুমারের নাম সামনে আসে। এরপরই তাঁকে তলব করা হয়।জানা গেছে, বেঙ্গল এনার্জি নামে একটি সংস্থার দুই কর্তার বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। সেই সময় বেশ কিছু নথিতে দেবাশীষ কুমারের নাম পাওয়া যায়। এরপর থেকেই এই মামলায় তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখছে ইডি।এই ঘটনার পর ভোটের আগে রাজনৈতিক মহলেও চাপা উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই এখন নজর রয়েছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় ধাক্কা! দাগী নেতাদের নিরাপত্তা এক ঝটকায় তুলে নিল কমিশন

ভোটের আগে রাজ্যে আরও কড়া হল নির্বাচন কমিশন। অপরাধমূলক অভিযোগ রয়েছে এমন নেতাদের আর নিরাপত্তা দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। শুক্রবার কমিশন জানতে চেয়েছে, সেই নির্দেশ কার্যকর হয়েছে কি না।কমিশন সম্প্রতি রাজ্যের সব বিধানসভা কেন্দ্র, পুলিশ জেলা ও কমিশনারেট থেকে নিরাপত্তা পাওয়া ব্যক্তিদের নাম ও পদবীসহ পূর্ণ তালিকা চেয়েছিল। এরপর জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠকে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়, যাঁদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে, যাঁরা জামিনে মুক্ত বা প্যারোলে আছেন, কিংবা যাঁদের অপরাধমূলক অতীত রয়েছে, তাঁদের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করতে হবে। শুধুমাত্র পদ বা সম্ভাব্য হুমকির অজুহাতে নিরাপত্তা দেওয়া যাবে না বলেও জানানো হয়েছে।এই নির্দেশ অনুযায়ী দুই এপ্রিল রাতের মধ্যেই নিরাপত্তা তুলে নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। এবার কমিশন সেই কাজ হয়েছে কি না, তার বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে। রাজ্য পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের শুক্রবার দুপুর বারোটার মধ্যে আপডেট রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।এই সিদ্ধান্তের ফলে একাধিক প্রভাবশালী নেতার নিরাপত্তা আপাতত তুলে নেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে যাঁরা গুরুতর মামলায় অভিযুক্ত অথচ এখনও গ্রেফতার হননি, তাঁদের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে আগামী দশ দিনের মধ্যে গ্রেফতারের নির্দেশও দিয়েছে কমিশন।এর আগে চলতি সপ্তাহের শুরুতেই কমিশন নির্দেশ দিয়েছিল, প্রতিটি থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের মাধ্যমে এমন এলাকা চিহ্নিত করতে হবে যেখানে অশান্তির সম্ভাবনা বেশি। পাশাপাশি, গত নির্বাচনে যারা কোনও অপরাধে জড়িত ছিল, সেই দুষ্কৃতীদেরও চিহ্নিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগেই বড় কড়াকড়ি! রাজ্য জুড়ে জমায়েত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, অমান্য করলেই গ্রেফতার

ভোট শুরু হতে এখনও প্রায় কুড়ি দিন বাকি। তার মধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তির খবর সামনে আসছে। কলকাতায় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের সামনে মঙ্গলবার যে বিক্ষোভ হয়েছে, তা নজিরবিহীন বলেই মনে করা হচ্ছে। মালদহের কালিয়াচকের ঘটনাতেও তদন্তের দায়িত্ব জাতীয় সংস্থাকে দিতে হয়েছে। ভোট ঘোষণার পর এমন ঘটনা খুব কমই দেখা যায়।এই পরিস্থিতিতে কড়া পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। জানানো হয়েছে, রাজ্যের কোথাও বেআইনি জমায়েত করা যাবে না। বৃহস্পতিবার থেকেই এই নির্দেশ কার্যকর করা হচ্ছে।কমিশন সূত্রে জানা গেছে, কোনও মিছিল, সভা বা জমায়েত করতে হলে আগে থেকে অনুমতি নিতে হবে। অনুমতি ছাড়া কোনও জমায়েত করা হলে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেফতার করা হবে। এমনকী মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে যেতে হলেও আগে অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।এছাড়াও বিএলও রক্ষা কমিটি মঞ্চকেও কড়া সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। যদি তারা আবার কোনওভাবে মঞ্চ তৈরি করে বিক্ষোভ দেখানোর চেষ্টা করে, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সঙ্গে সঙ্গে সাসপেনশনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।গত মঙ্গলবার ফর্ম ছয় সংক্রান্ত বিষয়ে সিইও দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান একদল বিএলও। পরে সেখানে উপস্থিত অন্য দলের সমর্থকদের সঙ্গে বচসা শুরু হয়। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিও হয়। বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।অন্যদিকে, বুধবার মালদহে সাত জন বিচারককে কয়েক ঘণ্টা ধরে আটকে রাখার অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী এই ঘটনার দায় কমিশনের দিকে ঠেলেছেন। অন্যদিকে কমিশন রাজ্যের পুলিশ প্রধানের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে।এই সমস্ত বিষয় নিয়ে বৃহস্পতিবার বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। এরপরই দ্রুত রাজ্য জুড়ে বেআইনি জমায়েত বন্ধ করার নির্দেশ জারি করা হয়।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
রাজ্য

পালাতে গিয়ে ধরা! কালিয়াচক হিংসায় মূল অভিযুক্ত নিয়ে বিস্ফোরক দাবি পুলিশের

কালিয়াচকের (Kaliachak Violance) ঘটনার পর দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। এই ঘটনার ইতিমধ্যেই নিন্দা হয়েছে সর্বোচ্চ আদালত স্তরেও। এর মধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে মোফাক্কেরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে, যিনি একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত বলে জানা গেছে।বুধবার রাতে কালিয়াচকের বিশাল জমায়েতে তাঁকে একটি গাড়ির ছাদে উঠে বক্তব্য রাখতে দেখা গিয়েছিল (Kaliachak Violance)। সেই ভিডিয়ো দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ, ওই জমায়েতে উত্তেজনা ছড়ানোর পিছনে তাঁর বড় ভূমিকা ছিল।এই বিষয়ে উত্তরবঙ্গের অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক কে জয়রামন সাংবাদিক বৈঠকে জানান, কালিয়াচকের ঘটনায় মালদহ জেলায় মোট উনিশটি মামলা দায়ের হয়েছে (Kaliachak Violance)। ইতিমধ্যে তেত্রিশ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মোফাক্কেরুল ইসলামকেও গ্রেফতার করা হয়েছে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে।তিনি জানান, ধৃত ব্যক্তি ইটাহার থানার বাসিন্দা এবং পেশায় একজন আইনজীবী। পুলিশের দাবি, তিনিই মূলত উস্কানি দিচ্ছিলেন। ভাইরাল ভিডিয়ো থেকেও সেই প্রমাণ মিলেছে। সিআইডির সহায়তায় এবং শিলিগুড়ি পুলিশের সহযোগিতায় তাঁকে আটক করা হয়েছে। তাঁর সঙ্গে আকরামুল বাগানি নামে আরও একজনকে ধরা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, তাঁরা বেঙ্গালুরু পালানোর চেষ্টা করছিলেন।গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির বিরুদ্ধে কালিয়াচকের ঘটনায় তিনটি মামলায় নাম রয়েছে। অন্য কোনও ঘটনার সঙ্গে তাঁর যোগ আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ স্পষ্ট জানিয়েছে, কোনও বেআইনি কাজ বরদাস্ত করা হবে না এবং কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে (Kaliachak Violance)।বিচারকদের দীর্ঘ সময় আটকে থাকার বিষয়ে পুলিশ স্বীকার করেছে যে কিছুটা দেরি হয়েছিল। জানানো হয়েছে, ঘটনাস্থলে অনেক মহিলা ও শিশু উপস্থিত থাকায় জোর করে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে এই দেরির কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং একটি রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে।পুলিশ আরও জানিয়েছে, এই ঘটনার তদন্ত চলছে এবং কারা কারা এই উত্তেজনা ছড়ানোর সঙ্গে যুক্ত ছিল, তা খুঁজে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা তদন্তের দায়িত্ব নিতে পারে এবং ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নিতে পারে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal