• ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩, শুক্রবার ০১ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Date

রাজ্য

শীতের আনন্দে আচমকা ব্রেক! রবিবার থেকে বাড়বে পারদ, ঘন কুয়াশায় রাজ্যের জেলাগুলিতে বিপত্তি

রাজ্যের আবহাওয়া হঠাৎই বদলে যেতে চলেছে। টানা কয়েক দিন ধরে শীতের হাওয়া আর কম তাপমাত্রার জেরে সকাল-সন্ধ্যায় জমে থাকা ঠান্ডায় সকলে শিরশিরানি টের পাচ্ছিলেন। অনেকের ঘরে ফ্যান বন্ধ, কেউ কেউ বের করে ফেলেছেন গরম জামা। শনিবার সকালেও সেই একই শীতল আমেজ। পশ্চিম দিক থেকে বাধাহীন শীতল হাওয়া বয়ে যাচ্ছে, ফলে তাপমাত্রা নেমেছে স্বাভাবিকের দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস নীচে। কিন্তু এই শীত-জমাট পরিস্থিতির শেষ হতে চলেছে খুব দ্রুতই। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, রবিবার থেকেই পুরো আবহাওয়ায় শুরু হবে বড় ধরনের বদল।শনিবার পর্যন্ত যদিও বঙ্গোপসাগরে কোনও আবহাওয়াগত সিস্টেম ছিল না, তাই বৃষ্টির সম্ভাবনাও ছিল না। কিন্তু ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পাল্টে যাবে হাওয়ার গতিপথ। রবিবার থেকে রাজ্যে ঢুকবে পূবালী বাতাস, সঙ্গে বেড়ে যাবে আর্দ্রতা। এর ফলে দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলায় রবিবার থেকে মঙ্গলবারের মধ্যে তাপমাত্রা দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়বে, পারদ উঠে আসবে স্বাভাবিকের কাছাকাছি। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব কমে গিয়ে রাজ্যের আকাশে থাকবে জলীয় বাষ্পের আধিক্য। কুয়াশা বাড়বে উত্তর ও দক্ষিণদুই বাংলাতেই, বিশেষত ভোরবেলায় দৃশ্যমানতা অনেকটাই কমে গিয়ে ২০০ মিটারে নামতে পারে। পাহাড়ি জেলা এবং উপকূলের এলাকাগুলিতে কুয়াশার দাপট আরও বেশি থাকবে, কোথাও কোথাও দেখা যেতে পারে মেঘলা আকাশও।এদিকে দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে ঘূর্ণাবর্ত, যার প্রভাব পড়ছে শ্রীলঙ্কার উপকূলে। দক্ষিণ বাংলাদেশ ও সংলগ্ন এলাকাতেও তৈরি হয়েছে আরেকটি আপার এয়ার সার্কুলেশন। এই দুটি সিস্টেম মিলেই রাজ্যের বাতাসে আর্দ্রতা বাড়াবে বলে মনে করছেন আবহবিদরা।উত্তরবঙ্গে এখনই তেমন কোনও বড় পরিবর্তন নেই। সেখানে চলবে শুষ্ক ও ঠান্ডা আবহাওয়া, বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। স্বাভাবিকের থেকে দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস কম তাপমাত্রা নিয়েই আগামী ৬-৭ দিন বজায় থাকবে শীতের আমেজ।কলকাতায় শনিবারের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের প্রায় তিন ডিগ্রি নীচে। রাতের পারদ এখনো ১৭ ডিগ্রি ঘরে। তবে রবিবার থেকে শহরের তাপমাত্রা বেড়ে পৌঁছতে পারে ১৯ বা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। শুক্রবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা ঘোরাফেরা করেছে ৪১ থেকে ৯২ শতাংশের মধ্যে।অর্থাৎ, কয়েক দিন যে জোরালো শীতের আভাস মিলছিলসেটি রবিবার থেকেই নরম হতে চলেছে। শীত-হাওয়া সরলেও ভোরের কুয়াশা কিন্তু আরও ঘন হবে। ফলে সকালবেলার যাতায়াতে বাড়তে পারে সমস্যাও।

নভেম্বর ১৫, ২০২৫
রাজ্য

রাত বাড়লেই কাঁপছে কলকাতা! নভেম্বরেই বাংলায় শীতের হানা, কুয়াশায় ঢাকা ভোর

বঙ্গজুড়ে নেমে এসেছে শীতের আমেজ! নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহেই ঠান্ডার দাপট চোখে পড়ার মতো। উত্তরবঙ্গ ও পশ্চিমবঙ্গের জেলা গুলিতে কয়েকদিন ধরেই সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ক্রমশ নামছে। আর এবার সেই শীতল হাওয়া এসে পৌঁছেছে রাজধানী কলকাতায়ও। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তথ্য বলছে, এ বছরের শীতের মরশুমে বৃহস্পতিবারই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে ঠান্ডা দিন কাটাল কলকাতা।এদিন কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে দাঁড়িয়েছে ১৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় তিন ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও নেমেছে ২.৬ ডিগ্রি নিচে, যা ২৮ ডিগ্রির ঘরে স্থির হয়েছে। অর্থাৎ দিন-রাতের ফারাক যতটা কমছে, ততটাই তীব্র হচ্ছে শীতের ছোঁয়া। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, আগামী কয়েকদিনে আরও কিছুটা নামবে পারদ।নভেম্বরের শুরু থেকেই হিমেল হাওয়া ছুঁয়ে গিয়েছে গোটা বাংলা। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূমসব জায়গাতেই ভোরবেলা ঠান্ডার আমেজ এখন স্পষ্ট। উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে সকালের দিকে ঘন কুয়াশা, হাতে গরম চা নিয়েই শুরু হচ্ছে দিন। পার্বত্য অঞ্চলে কুয়াশার দাপট আরও বেশি।কলকাতা ও আশেপাশের জেলাতেও রাত বাড়লেই ঠান্ডা বেড়ে যাচ্ছে। সকালবেলায় রাস্তায় নেমে কুয়াশা, গায়ে হালকা উষ্ণতা জড়ানো পোশাকসব মিলিয়ে শীতের আগমন যেন আগেভাগেই ধরা দিয়েছে। আবহবিদদের মতে, এবার হয়তো নভেম্বরেই জাঁকিয়ে পড়তে পারে শীত, যা গত কয়েক বছরের রেকর্ড ভেঙে দিতে পারে।আপাতত রাজ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। হাওয়া শুকনো থাকায় শীত আরও দ্রুত নামবে বলেই আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। পশ্চিমের জেলাগুলিতে ইতিমধ্যেই তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির ঘরে, পুরুলিয়ায় পারদ আরও নামার ইঙ্গিত দিয়েছে হাওয়া অফিস।বাংলার পাশাপাশি দেশের অন্যান্য রাজ্যেও শীতের দাপট তীব্র হচ্ছে। রাজধানী দিল্লিতে শৈত্যপ্রবাহের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, হরিয়ানা, পাঞ্জাব, ছত্তিশগড়, ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড, চণ্ডীগড় ও উত্তরপ্রদেশে ইতিমধ্যেই জারি হয়েছে ঠান্ডা সতর্কতা।এই নভেম্বরেই এমন ঠান্ডা? তা হলে কি এবার সত্যিই আগেভাগে নামবে শীত, আর দীর্ঘস্থায়ী হবে এই হিমেল আমেজ? কফির কাপে ধোঁয়া উঠছে, আর শহরজুড়ে উষ্ণ আলোয় ভাসছে শীতের শুরুবাংলা যেন তৈরি নতুন শীত-উৎসবের জন্য।

নভেম্বর ১৩, ২০২৫
রাজ্য

পশ্চিমবঙ্গে ১৫ ডিগ্রির নিচে পারদ, কলকাতায়ও ঠান্ডার কামড় শুরু!

অবশেষে রাজ্যে জাঁকিয়ে নামল শীত। নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহেই বাংলাজুড়ে ঠান্ডার কামড় আরও তীব্র হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকেই কলকাতা ও রাজ্যের পশ্চিম জেলাগুলিতে হালকা কুয়াশা আর শীতল বাতাসে জমে উঠেছে আবহাওয়া। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, শীতল পশ্চিমী হাওয়ার জেরে এবার পারদ নামছে দ্রুত।রাজ্যের পশ্চিম জেলাগুলিতে যেমন পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম ও বীরভূমে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির নিচে নেমে গিয়েছে। কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রির ঘরে ঘোরাফেরা করছে। সকাল-বিকেল গায়ে চাদর জড়ানোর প্রয়োজন পড়ছে অনেকেরই। তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় এক থেকে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস কম। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, অন্তত শনিবার পর্যন্ত শীতের এই আমেজ বজায় থাকবে।হাওয়া অফিস জানিয়েছে, বর্তমানে মধ্য বঙ্গোপসাগরে যে ঘূর্ণাবর্ত ছিল তা ক্রমশ দুর্বল হচ্ছে। দক্ষিণ বাংলাদেশ ও সংলগ্ন এলাকাতেও একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে। পাশাপাশি, উত্তর তামিলনাড়ু ও সংলগ্ন অঞ্চলে আরেকটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। যদিও এই সিস্টেমগুলির প্রভাব বাংলার আবহাওয়ায় খুব একটা পড়ছে না, বরং ঠান্ডা হাওয়ার প্রবাহে আরও নামছে তাপমাত্রা।উত্তরবঙ্গের দিকেও নেমেছে হালকা কুয়াশা। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ারে সকালবেলায় ঘন কুয়াশার পরত দেখা যাচ্ছে। পাহাড়ি এলাকায় দৃশ্যমানতা কমে যাচ্ছে ভোরবেলায়। তবে আপাতত বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।কলকাতায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও স্বাভাবিকের নিচে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ৫০ থেকে ৮৯ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। এই কারণে সকাল ও সন্ধ্যায় হালকা কুয়াশা থাকলেও দিনের বেলায় সূর্যের তেজ সামান্য বাড়ছে।অন্যদিকে, দেশের অন্যান্য রাজ্যেও শীতের দাপট বেড়েছে। দিল্লি, রাজস্থান, হরিয়ানা, পাঞ্জাব, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশায় শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা জারি রয়েছে। হাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ এবং উত্তরপ্রদেশেও রাতের দিকে পারদ দ্রুত নামছে। তবে দক্ষিণ ভারতে, বিশেষ করে কেরল ও মাহেতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করেছে আবহাওয়া দফতর।সবমিলিয়ে, নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকেই শীতের দাপট স্পষ্ট বাংলার আকাশে। ঠান্ডা হাওয়ার দাপটে সকালবেলায় গরম পোশাকের খোঁজ শুরু হয়ে গিয়েছে কলকাতা সহ রাজ্যের সর্বত্র। আবহাওয়াবিদদের মতে, এ বছর স্বাভাবিক সময়েই আসছে শীত, আর ডিসেম্বরের শুরুতেই পারদ নামতে পারে আরও নিচে।

নভেম্বর ১১, ২০২৫
রাজ্য

শীত এল অবশেষে! ১৯ ডিগ্রির নিচে কলকাতার পারদ, উত্তর-পশ্চিমের হাওয়ায় কাঁপছে বঙ্গে

অবশেষে নামল পারদ, নেমে এল কলকাতার অন্দরে শীতের ছোঁয়া। শুক্রবার সকালে আলিপুর আবহাওয়া দফতরের শেষ আপডেট অনুযায়ী, শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে দাঁড়িয়েছে ১৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। চারপাশে হালকা ঠান্ডা হাওয়া, সকালের দিকে ঘন কুয়াশা নভেম্বরের শুরুতেই যেন ডিসেম্বরের আবহ।আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, শীতের দফা এখনই শেষ নয়, বরং শুরু হচ্ছে প্রকৃতির শীতল অধ্যায়। আগামী তিন থেকে চার দিনে আরও অন্তত ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে পারদ। বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই, ফলে দিনভর আকাশ থাকবে ঝকঝকে নীল।পশ্চিমী হাওয়ার প্রভাব এখন রাজ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঠান্ডা হাওয়া বইছে পুরোদমে। এর জেরেই রাজ্যের তাপমাত্রা একে একে নামছে ১৫ ডিগ্রির ঘরে। এদিন বাঁকুড়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছে ১৪.৫ ডিগ্রিতে, শ্রীনিকেতনে ১৪.৯, পুরুলিয়ায় ১৫, কল্যাণীতে ১৫.৩, উলুবেড়িয়ায় ১৬, মেদিনীপুরে ১৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কলকাতায় ১৯.২ আর দমদমে ১৯.৪ ডিগ্রিতে থেমেছে পারদ।বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী কয়েকদিন ভোরবেলায় ঘন কুয়াশা ঘিরে ফেলবে কলকাতা, হাওড়া, হাবড়া ও আশপাশের অঞ্চলগুলি। তুলনায় দাপট বেশি থাকবে উপকূলের জেলাগুলিতে। তবে এই ঠান্ডা এখনও পূর্ণ শীত নয়, বরং তার প্রাক্কাল।আবহাওয়ার মানচিত্রে দেখা যাচ্ছে, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। পূর্ব বাংলাদেশ ও গাল্ফ অফ মানার অঞ্চলেও রয়েছে আরও দুটি ঘূর্ণাবর্ত। পাশাপাশি উত্তর পাঞ্জাবে সক্রিয় রয়েছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। যদিও এই ঘূর্ণাবর্তগুলির কোনও বড় প্রভাব পড়ছে না দক্ষিণবঙ্গে, ফলে হাওয়া এখন পুরোপুরি শীতের অনুকূলে।শনিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ঘোরাফেরা করছে ৩৮ থেকে ৮২ শতাংশের মধ্যে। আবহাওয়াবিদদের মতে, পরবর্তী কয়েকদিনে শুষ্ক বাতাসের প্রভাবে ভোরের দিকে ঠান্ডা আরও প্রকট হবে।শীতপ্রেমীদের মুখে ইতিমধ্যেই হাসি ফিরেছে। শহরের দোকান-বাজারে দেখা মিলছে শীতের পোশাকের জৌলুস। সকাল-সন্ধ্যায় চায়ের দোকানে ভিড় বেড়েছে চোখে পড়ার মতো। দীর্ঘ গরমের পর শহরবাসীর কাছে এই হালকা শীতই এখন এক টুকরো স্বস্তি।

নভেম্বর ০৯, ২০২৫
কলকাতা

কলকাতায় তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রির নিচে! নভেম্বরেই কাঁপতে শুরু শহর

নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহেই শীতের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে বাংলায়। হুড়মুড়িয়ে নামছে পারদ। শনিবার সকালেই কলকাতার তাপমাত্রা নেমেছে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী দুদিনে আরও নামবে তাপমাত্রা। অর্থাৎ, সপ্তাহান্তেই শহর ও জেলার মানুষ পেতে পারেন হালকা গা-ছমছমে ঠান্ডার স্বাদ।আলিপুর আবহাওয়া দফতরের সূত্রে খবর, পূর্ব-মধ্য ও উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপ এখন শক্তি হারিয়ে ঘূর্ণাবর্তে পরিণত হয়েছে। অন্যদিকে, কর্ণাটক ও অসম সংলগ্ন এলাকাতেও রয়েছে একটি ঘূর্ণাবর্ত। একই সময়ে জম্মু-কাশ্মীর এবং উত্তর-পশ্চিম ভারতের পার্বত্য অঞ্চলে সক্রিয় পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। এই সব আবহাওয়াগত পরিবর্তনের জেরেই ধীরে ধীরে নামছে তাপমাত্রা।শনিবার সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে। হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে তাপমাত্রা ১৮ থেকে ১৯ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টায় পারদ আরও কিছুটা নামবে। রাতে এবং ভোরবেলায় ঠান্ডার অনুভূতি বাড়বে। আপাতত দক্ষিণবঙ্গে শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে, বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।তবে উত্তরবঙ্গে অন্য চিত্র। দার্জিলিং, কালিম্পংয়ের মতো পার্বত্য জেলাগুলিতে হালকা বৃষ্টি ও কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিংয়ে সকাল থেকে ছড়িয়ে পড়েছে কুয়াশার চাদর, ঠান্ডা হাওয়ায় কাঁপছে পাহাড়।আবহাওয়ার বিশেষজ্ঞদের মতে, এ বছর বর্ষা বিদায়ের সময় থেকেই বাংলায় বৃষ্টির পরিমাণ ছিল তুলনামূলকভাবে বেশি। বারবার নিম্নচাপ এবং মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তায় আর্দ্রতা ছিল চরমে। ফলে এবার শীত নামতেও দেরি হচ্ছে না। তাপমাত্রার এমন হু-হু করে পতনই নাকি ইঙ্গিত দিচ্ছে আসন্ন কনকনে শীতের!গত কয়েক বছর তুলনামূলক কম শীত অনুভব করেছেন বঙ্গবাসী। তাই এবারের এই প্রারম্ভিক ঠান্ডা অনেকের মুখে হাসি এনেছে। শহরের রাস্তায় ইতিমধ্যেই দেখা যাচ্ছে ফুলহাতা জামা, সোয়েটার ও হালকা শালের ছোঁয়া। শীতবিলাসীরা এখন শুধু অপেক্ষা করছেনএবার কি সত্যিই কাঁপবে কলকাতা?

নভেম্বর ০৮, ২০২৫
রাজ্য

পশ্চিমে ১৫ ডিগ্রি, কলকাতায় ১৯! অবশেষে ফিরছে শীতের আমেজ

নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ শেষের পথে, অথচ শীতের দেখা নেই। দিন এখনও রোদে টানছে ঘাম, সন্ধেয় হালকা গরম হাওয়া বইছে। পশ্চিমি ঝঞ্ঝা আর বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ একের পর এক বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছিল শীতের পথে। তবে অবশেষে সুখবর শোনাল হাওয়া অফিস রবিবার বা সোমবার থেকেই নামবে তাপমাত্রা। রাজ্যে শুরু হবে পারদ পতনের ধারা।আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রাজ্যের অধিকাংশ জেলাতেই আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রাত ও ভোরের তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমবে। কলকাতার পারদ নেমে আসতে পারে ১৯ ডিগ্রিতে, আর পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে (পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান) নেমে যেতে পারে ১৫১৬ ডিগ্রিতে। উত্তরের সমতলেও শীতের ছোঁয়া অনুভব করবেন মানুষজন। যদিও হাওয়া অফিস স্পষ্ট জানিয়েছে, এখনই জাকিয়ে শীত নামছে না তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে আরও কিছুদিন।বর্তমানে পূর্ব-মধ্য ও উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি নিম্নচাপ শক্তি হারিয়ে ঘূর্ণাবর্তে পরিণত হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশের উপরেও রয়েছে আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত, যা অসম ও ত্রিপুরা সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এই দুই আবহাওয়া পরিস্থিতিই এতদিন শীতের আগমনকে বিলম্বিত করেছে।আবহাওয়া দফতর বলছে, আজ শুক্রবার উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে আবহাওয়া মূলত শুষ্কই থাকবে। আকাশ থাকবে পরিষ্কার, তবে কোথাও কোথাও আংশিক মেঘলা হতে পারে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে শীতের আমেজ কিছুটা হলেও বাড়বে। দার্জিলিং ও কালিম্পং-এর কিছু অঞ্চলে ভোরে দেখা মিলবে হালকা কুয়াশার।কলকাতার আকাশ আজ রৌদ্রজ্জ্বল ও নির্মল। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে প্রায় ৩০৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে, আর সর্বনিম্ন প্রায় ২৪ ডিগ্রি। রবিবার থেকে শহরের রাতের পারদ নামতে পারে ২০ ডিগ্রির নিচে। হালকা শিরশিরানি শুরু হবে ভোর ও সকালে। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা থাকবে ৬৩ থেকে ৯১ শতাংশের মধ্যে।দক্ষিণবঙ্গে আকাশ পরিষ্কার থাকলেও উপকূল ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে সকালে হালকা কুয়াশা বা ধোঁয়াশা দেখা যেতে পারে। বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। সোমবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের সর্বত্র শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামবে ২ থেকে ৩ ডিগ্রি পর্যন্ত।উত্তরবঙ্গেও আপাতত কোনও বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নেই। আগামী দুদিন তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকলেও রবিবার থেকে সেখানে সামান্য পারদ পতনের ইঙ্গিত দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। উইকেন্ডে দার্জিলিং ও কালিম্পং-এর মতো পার্বত্য এলাকায় কুয়াশা জমতে পারে, আর শীতের আমেজও কিছুটা বাড়বে।সব মিলিয়ে, দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে রাজ্যে ঢুকছে শীতের হাওয়া। যদিও পুরোপুরি জাকিয়ে বসার জন্য অপেক্ষা করতে হবে নভেম্বরের দ্বিতীয়ার্ধ পর্যন্ত এমনটাই ইঙ্গিত আবহাওয়া দফতরের।

নভেম্বর ০৭, ২০২৫
কলকাতা

কলকাতায় নেমে এল শীতের হাওয়া! পারদ নামতেই হালকা শিরশিরে ঠান্ডা

অবশেষে শহর থেকে মেঘ সরে গিয়ে শুরু হল শুষ্ক আবহাওয়া। রাতের দিকেই হালকা ঠান্ডার অনুভূতি মিলছিল, মঙ্গলবার সকাল থেকে তা আরও স্পষ্ট। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে দাঁড়িয়েছে ২১.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় এক ডিগ্রি কম। এক সপ্তাহের ভ্যাপসা ভাবের পর এই সামান্য তাপমাত্রা পতনেই মিলছে আরাম।সম্প্রতি রাজ্যের উপকূল ছুঁয়ে গিয়েছিল ঘূর্ণিঝড় মন্থা। এরপরেই বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছিল নতুন নিম্নচাপ। তবে তার প্রভাব প্রধানত উপকূলেই সীমাবদ্ধ থেকে গেছে। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে বাতাস এখন পরিষ্কার, আবহাওয়া শুষ্ক। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ইতিমধ্যেই ২০ ডিগ্রির নিচে নেমে গেছে। তবে হাওয়া অফিস পরিষ্কার জানিয়েছে, এখনই তেমন বড় ধরনের পারদ পতন হবে না। শীত আসতে আরও কিছুটা সময় লাগবে।এখন নিম্নচাপ অবস্থান করছে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে এবং মায়ানমার উপকূলে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় তা বাংলাদেশ ও মায়ানমারের কাছে প্রভাব ফেলবে। ওই এলাকাগুলির সমুদ্র উত্তাল থাকবে। ফলে বাংলায় এর প্রভাব সীমিতই থাকবে বলে মনে করছে আবহাওয়া দফতর।আগামী শুক্রবার আবার আবহাওয়ায় পরিবর্তনের সম্ভাবনা। জলীয় বাষ্প বাড়বে, সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা দক্ষিণবঙ্গের উপকূলীয় জেলাগুলিতে। বিশেষত দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। অন্য উপকূলবর্তী এলাকায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে।কলকাতায় মঙ্গলবার সকালে হালকা কুয়াশার ছবি ধরা পড়েছে। সোমবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৪২ থেকে ৯১ শতাংশের মধ্যে। ধীরে ধীরে শৈত্যপ্রবাহের আভাস মিলতে শুরু করলেও এখনই মোটা গরম জামা বের করার সময় আসেনি। তবে সকালের হালকা ঠান্ডা আর সন্ধ্যার মৃদু হাওয়া শীতের আগমনী বার্তা দিচ্ছে স্পষ্ট।

নভেম্বর ০৪, ২০২৫
রাজ্য

বাতাসে আর্দ্রতা, কিন্তু শীত নামার কাউন্টডাউন শুরু, কবে নামবে পারদ

স্থলভাগে প্রবেশের পর থেকেই শক্তি হারিয়েছে ঘূর্ণিঝড় মন্থা। ধীরে ধীরে রূপ বদলে তা পরিণত হয়েছে নিম্নচাপে। সেই নিম্নচাপই গত কদিন গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ সংলগ্ন এলাকায় ঘুরপাক খাচ্ছিল। আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, সিস্টেমটি আরও খানিকটা সরে বর্তমানে উত্তর বাংলাদেশের দিকে অবস্থান করছে।মন্থার দাপট পিছনে পড়তেই বাংলার আকাশে ফের রোদ-মেঘের লুকোচুরি। এরই মধ্যে বৃষ্টি উপহারে শেষ হল জগদ্ধাত্রী পুজোও। তবে রবিবার থেকেই মিলেছে স্বস্তির বার্তা। বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমেছে অনেকটাই, বেশিরভাগ জেলায় আকাশ আংশিক মেঘলা হলেও দু-এক জায়গায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা থেকে যাচ্ছে।তবে শীতপ্রেমীদের জন্য রয়েছে সুসংবাদ। নভেম্বরের প্রথম থেকেই রাজ্যে শীতের ইঙ্গিত দিচ্ছে হাওয়া অফিস। আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গে তাপমাত্রা ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নামতে পারে। বিশেষত উত্তরবঙ্গে সোমবার থেকেই শুকনো হাওয়ার উপস্থিতি টের পাওয়া যাবে।কলকাতায় রবিবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৪ ডিগ্রি। আর্দ্রতা এখনও উচ্চ, বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ৭৮ শতাংশ থেকে ৯০ শতাংশের মধ্যে। সোমবার থেকে দিনভরই রোদের দেখা মিলবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।তবে এখানেই শেষ নয়। বঙ্গোপসাগরে আবারও নতুন নিম্নচাপের ইঙ্গিত রয়েছে। ফলে সপ্তাহের মাঝামাঝি উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে ফের বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা। দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে বৃষ্টি কিছুটা বেশি হতে পারে। বুধবার ও বৃহস্পতিবার বৃষ্টি বাড়তে পারে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে। শুক্রবারও দক্ষিণ উপকূলে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।সব মিলিয়ে বলা যায়বৃষ্টির বিদায়বেলায় এবার ধীরে ধীরে শীতের আগমন বার্তা পাচ্ছে বাংলা। আকাশ পরিষ্কার হলেই হিমেল হাওয়ায় ঠান্ডার ছোঁয়া মিলবে গোটা রাজ্যেই।

নভেম্বর ০২, ২০২৫
রাজ্য

'সতীদাহের নামে নারীদের যেমন চিতায় তুলত, আমরাও তেমনই অগ্নিপরীক্ষায়', কালো পোশাকে প্রতিবাদে পরীক্ষাকেন্দ্রে মেহবুবরা

কালো পোশাকে প্রতিবাদের ভাষা খুঁজে নিলেন চাকরিহারাদের একাংশ। তাঁদের মধ্যেই ছিলেন প্রাক্তন শিক্ষক মেহবুব মণ্ডল। কালো পাঞ্জাবি পরে পরীক্ষাকেন্দ্রে হাজির হলেন তিনি। বারুইপুরের বাসিন্দা মেহবুবের পরীক্ষা পড়েছে সোনারপুর বিদ্যাপীঠ স্কুলে। সকালেই রওনা দিয়ে পৌঁছে যান কেন্দ্রে। ক্ষোভ চেপে রাখেননি, সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরার সামনে সোজাসুজি উগরে দেন মনের কথা। তাঁর অভিযোগ, যেভাবে সতীদাহের নামে নারীদের জোর করে চিতায় ঠেলে দেওয়া হত, কিংবা গ্যালিলিওকে চুপ করিয়ে দেওয়া হয়েছিল, রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ আর বিচার বিভাগের সহায়তায় আজ আমাদেরও ঠিক তেমনভাবেই আবার নতুন অগ্নিপরীক্ষায় ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। এর ফল কী হবে, আমরা জানি না।সেই বহুল আলোচিত প্যানেলই এর কেন্দ্রে। রাতারাতি প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক চাকরি হারিয়েছিলেন। এরপর থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত হয়েছে অসংখ্য শুনানি, দরবার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চাকরি ফেরাতে না পেরে নতুন পরীক্ষাতেই বসতে হচ্ছে তাঁদের। এবার বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী শিক্ষক নিয়োগ হবে ৩৫ হাজার ৭৫২ শূন্যপদে।দুই দফায় পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রথম ধাপ ৭ সেপ্টেম্বরযেখানে নবম-দশম শ্রেণির জন্য পরীক্ষা দেবে ৩ লক্ষ ১৯ হাজার ৯১৯ প্রার্থী। দ্বিতীয় ধাপ ১৪ সেপ্টেম্বরএকাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির জন্য বসবেন আরও ২ লক্ষ ৪৬ হাজার চাকরিপ্রার্থী। ফলে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে প্রায় ৫ লক্ষ ৬৫ হাজার। রাজ্যজুড়ে প্রথম দিনে ৬৩৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষা হবে, আর দ্বিতীয় দিনে ৪৭৮টি কেন্দ্রে বসবেন পরীক্ষার্থীরা।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৫
রাজ্য

'এসএসসি-র নয়া নিয়োগ পরীক্ষায় ফের দাগিদের সুযোগ', বিস্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দুর

নয় বছর পর আবারও হতে চলেছে স্কুল সার্ভিস কমিশনের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা। কিন্তু পরীক্ষার আগেই উঠছে একাধিক প্রশ্নআসন্ন পরীক্ষা কি সত্যিই হবে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ? আর কি দেখা যাবে না অনিয়ম, কারও চোখের জল? প্রায় ৬ লক্ষ প্রার্থীর ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে এই পরীক্ষার ওপর। তবু রাজনৈতিক মহলে সংশয় কাটছে না।এই পরিস্থিতিতেই আসানসোলে গিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, এখনও ১৫২ জন দাগি প্রার্থীকে অ্যাডমিট কার্ড দেওয়া হয়েছে এবং তাঁরা পরীক্ষায় অংশ নেবেন। যদিও তাঁদের নাম প্রকাশ্যে আনা হয়নি। শুভেন্দুর কথায়, ১৯৫৮ জন দাগি শিক্ষক-শিক্ষিকার মধ্যে ১৮০৬ জনের নাম প্রকাশ করেছে কমিশন। কিন্তু ১৫২ জনকে বাদ রাখা হয়েছে না, বরং তাঁদের পরীক্ষায় বসার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এ এক প্রহসনের পরীক্ষা। প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে, টাকা নিয়ে কেন্দ্র ঠিক হয়েছে, তৃণমূল নেতারা পুলিশের সহযোগিতায় গোটা প্রক্রিয়াকে ভণ্ডুল করছে। এর ফল কিছুই হবে না, হবে কেবল অশ্বডিম্ব।অন্যদিকে, পরীক্ষা শুরুর ঠিক আগে শনিবার সাংবাদিক বৈঠক করেন এসএসসি চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার। তিনি জানান, এবারের পরীক্ষার্থীর সংখ্যা মোট ৫ লক্ষ ৬৫ হাজার। এর মধ্যে ৭ সেপ্টেম্বর নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় বসবেন ৩ লক্ষ ১৯ হাজার ৯১৯ জন প্রার্থী। আর ১৪ সেপ্টেম্বর একাদশ-দ্বাদশের জন্য বসবেন ২ লক্ষ ৪৬ হাজার জন। প্রথম দিনে গোটা রাজ্যে থাকছে ৬৩৬টি পরীক্ষা কেন্দ্র, দ্বিতীয় দিনে ৪৭৮টি কেন্দ্র।অর্থাৎ, দীর্ঘ বিরতির পর শুরু হতে চলা শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে প্রশাসন আশাবাদী হলেও বিরোধীরা মনে করছে এর মধ্যেও লুকিয়ে আছে অনিয়মের ছাপ

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৫
রাজ্য

সাময়িক বিরতি নিয়ে ফের তেড়ে ফুঁড়ে ফিরছে বর্ষা! আজও পুজোর কেনাকাটা ভেস্তে দেবে বৃষ্টি?

সপ্তাহের শুরুতে কিছুটা বিরতি নেবে বর্ষা। রবিবার ও সোমবার কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টিপাত তুলনামূলকভাবে কম হবে। তবে ছিটেফোঁটা হালকা বৃষ্টি কিছু এলাকায় হতে পারে। এই সময়ে আর্দ্রতার কারণে ভ্যাপসা গরমও বাড়তে পারে। কিন্তু সপ্তাহের মাঝামাঝি থেকে আবারও বৃষ্টির মাত্রা বাড়ার ইঙ্গিত রয়েছে। আজ কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বিচ্ছিন্নভাবে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, যদিও সর্বত্র বৃষ্টি হবে না। পরিস্থিতি তেমন গুরুতর নয়, তাই সতর্কতা জারির প্রয়োজনও পড়েনি। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং ও আলিপুরদুয়ারে আজ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনার কারণে হলুদ সতর্কতা ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে জলপাইগুড়ি, কালিম্পং ও আলিপুরদুয়ারের কিছু জায়গায় ৭ থেকে ১১ সেন্টিমিটার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টিও নেমে আসতে পারে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৫
রাজ্য

'দাগি' তালিকায় TMC কাউন্সিলরের নাম, হাইকোর্টে ফের মামলা করার হুঁশিয়ারি

অযোগ্যদের তালিকা প্রকাশ হতেই সামনে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর নাম। রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কুহেলি ঘোষের নামও উঠে এসেছে দাগি তালিকায়। শনিবার প্রকাশিত তালিকায় ১,৮০৪ জনের মধ্যে রয়েছেন তিনিও। তালিকায় নিজের নাম দেখে ক্ষুব্ধ কুহেলি জানিয়েছেন, তিনি আগামী সোমবার ফের কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হবেন।কুহেলি ঘোষ বলেন, আমি আগেই মামলা করেছিলাম। সিবিআই-কে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করেছিলাম। আদালতে জানিয়েছিলাম, আমাকে যে কোনও তদন্তকারী সংস্থা ডাকুক। কিন্তু আজ পর্যন্ত কেউ আমাকে ডাকেনি। হঠাৎ করেই জানতে পারলাম তালিকা প্রকাশ হচ্ছে, আর সেখানে আমার নাম রয়েছে। কেন আমার নাম এসেছে, সেটা এখনও পরিষ্কার নয়।তালিকার ৬৪৭ নম্বরে রয়েছে কুহেলির নাম। প্রথমে তিনি প্রাথমিক শিক্ষিকার পদে নিযুক্ত ছিলেন। পরে হাইস্কুলে শিক্ষিকার চাকরিও পান। তাঁর দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা কোনও অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে পুরনো প্রাইমারির চাকরিতে ফেরার জন্য সব নথি জমা দিলেও এখনও সেই প্রক্রিয়া এগোয়নি। পরীক্ষা দিয়ে নিয়ম মেনে তিনি চাকরি পেয়েছেন বলেই দাবি করেছেন কুহেলি ঘোষ।শুধু কুহেলি ঘোষই নন, ওই তালিকায় জায়গা পেয়েছেন একাধিক রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী নামও। তালিকার ৩১৬ নম্বরে রয়েছেন হুগলির খানাকুলের দাপুটে তৃণমূল নেতা ও প্রাক্তন জেলা পরিষদ সদস্য বিভাস মালিক। তিনি তারকেশ্বরের একটি বিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। পাশাপাশি ১,৩৩২ নম্বরে রয়েছে তাঁর স্ত্রী সন্তোষি মালিকের নামও। তালিকায় আরও রয়েছে জেলা পরিষদের সদস্যা সাহিনা সুলতানার নাম।

আগস্ট ৩১, ২০২৫
দেশ

প্রকৃতির রোষে ভূস্বর্গ! মেঘভাঙা বৃষ্টি ও ভূমিধসে ১১ জনের মৃত্যু, নিহতদের মধ্যে ৫ শিশু

শনিবার সকালে জম্মু ও কাশ্মীরের রামবণ এবং রিয়াসি জেলায় দুই পৃথক ঘটনায় অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন পাঁচজন শিশু।রামবণ জেলার রাজগড় তেহসিলে শনিবার সকালে ভয়াবহ মেঘভাঙা বৃষ্টি হয়। আকস্মিক বন্যায় ভেসে যায় দুটি বাড়ি ও একটি স্কুল ভবন। এতে চার গ্রামবাসীর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রশাসন জানিয়েছে। আরও কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে আশঙ্কা। ইতিমধ্যেই উদ্ধার ও ত্রাণকার্য শুরু হয়েছে।একজন কর্মকর্তা জানান, এখনও পাঁচজন নিখোঁজ বলে খবর পাওয়া গেছে। আমরা তাঁদের খোঁজ চালাচ্ছি। আকস্মিক বন্যায় ওই এলাকায় প্রচুর সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছে।অন্যদিকে, রিয়াসি জেলার মহোরে এলাকার দূরবর্তী বাদ্দের গ্রামে শনিবার সকালে ভূমিধসের ঘটনায় মাটি চাপা পড়ে এক পরিবারের ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে বাবা-মা ও তাঁদের পাঁচ শিশু সন্তান (সবাই ১২ বছরের নিচে)।মৃত পরিবারের প্রধান ছিলেন নাজির আহমদ। তাঁর স্ত্রী ওয়াজিরা বেগম (৩৫) এবং তাঁদের সন্তান বিলাল আহমদ (১৩), মোহাম্মদ মুস্তাফা (১১), মোহাম্মদ আদিল (৮), মোহাম্মদ মুবারক (৬) ও মোহাম্মদ ওয়াসিম (৫)-এর মৃত্যু হয়েছে।এদিকে, উধমপুর থেকে বানিহাল পর্যন্ত একাধিক জায়গায় ধস নামায় জম্মু-শ্রীনগর জাতীয় সড়কে টানা পঞ্চম দিন যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। গত দুই সপ্তাহ ধরে টানা বৃষ্টি, মেঘভাঙা ও ভূমিধসে জম্মু অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে অন্তত ১১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে অধিকাংশই তীর্থযাত্রী।সম্প্রতি কিস্তওয়ার জেলার চিশোটি গ্রামে মেঘভাঙার ঘটনায় মচাইল মাতা যাত্রা চলাকালীন ৬৫ জন তীর্থযাত্রী প্রাণ হারান। আবার, জম্মুর কাটরায় মাতা বৈষ্ণোদেবী মন্দিরের কাছে ভূমিধসে মারা যান আরও ৩০ জন তীর্থযাত্রী।শুক্রবার কেন্দ্রীয় সরকার কাটরা মন্দির সংলগ্ন ভূমিধসে নিহতদের ঘটনা তদন্তে বিশেষ কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটি ভূমিধসের কারণ, উদ্ধার ও ত্রাণ ব্যবস্থার ত্রুটি এবং ভবিষ্যতে এমন বিপর্যয় রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা সংক্রান্ত পরামর্শ দেবে।প্রবল বর্ষণ, মেঘভাঙা ও ভূমিধসের কারণে জম্মু-কাশ্মীরে হাজার কোটি টাকার সম্পত্তির ক্ষতি হয়েছে বলে সরকারি অনুমান।

আগস্ট ৩০, ২০২৫
রাজ্য

নির্ধারিত দিনেই SSC-এর পরীক্ষা, দাগিরা সুযোগ পেলে 'ফল' ভুগবে রাজ্য, জানাল সুপ্রিম কোর্ট

বেআইনি নিয়োগ-কেলেঙ্কারির কারণে দাগি (অযোগ্য) প্রার্থীরা স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC) আসন্ন শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করার স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। পাশাপাশি, নিয়োগ পরীক্ষার নির্ধারিত দিন ৭ ও ১৪ সেপ্টেম্বর বজায় রেখে পরীক্ষা বাধা ছাড়াই সম্পন্ন করতে সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় কুমার এবং বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার বেঞ্চ স্পষ্ট করে জানিয়েছে, এক জন দাগি অযোগ্য প্রার্থীও যেন পরীক্ষায় বসতে না পারে তা নিশ্চিত করা SSC কর্তৃপক্ষের প্রধান দায়িত্ব ।SSC-এর আইনজীবী জানিয়েছিলেন, প্রায় ১,৯০০ জন প্রার্থী দাগি বা অযোগ্য হিসেবে অর্ন্তভুক্ত ।সুপ্রিম কোর্ট SSC-কে এক সপ্তাহের মধ্যে (৭ দিনের মধ্যে) অযোগ্য প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করার নির্দেশ দেয়; তা না হলে SSC-কে ফল ভোগ করতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেয়।কলকাতা হাইকোর্ট আগেই দাগি প্রার্থীদের নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেন, যা upheld হয় ডিভিশন বেঞ্চের মাধ্যমে ।একই সঙ্গে এদিন আদালত জানিয়েছে, অযোগ্যদের পুনরায় সুযোগ দেওয়ার SSC ও রাজ্য সরকারের যুক্তিও দ্বিগুণ শাস্তির সমতুল্য হবে। আদালত ত আরো জানিয়েছে, সমাজে প্রতারণার জন্য কোন স্থান নেই।স্কুল সার্ভিস কমিশনের নতুন শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার তারিখ ৭ ও ১৪ সেপ্টেম্বর। অন্যদিকে, এসএসসির আইনজীবী এদিন জানিয়েছেন দাগী প্রার্থীর সংখ্যা প্রায় ১,৯০০ জন।SSC-কে সেই নামের তালিকা প্রকাশ করতে নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।বিধি লঙ্ঘনের ফল SSC-কে ভোগ করতে হবে বলেও এদিন স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের এই বক্তব্যের পর এসএসসি-র তরফে আইনজীবী জানিয়েছেন, সম্ভব হলে আগামীকাল অর্থাৎ শনিবারই দাগিদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হতে পারে।সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশে স্পষ্ট যে, নিয়োগে স্বচ্ছতা ও ন্যায়পরায়ণতা নিশ্চিত করতে দাগি প্রার্থীরা কোনোভাবেই পরীক্ষায় বসতে পারবে না, এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া সময়মতো, আইনগত ও নৈতিক মানদণ্ড অনুসারে সম্পন্ন করতে হবে।

আগস্ট ২৯, ২০২৫
রাজ্য

'২৬-এর নির্বাচনেও নন্দীগ্রাম থেকেই লড়বেন মমতা? BJP নেতার দাবি জোর চর্চায়!

বছর ঘুরতে না ঘুরতেই ২০২৬-এর বিধানসভা ভোট। নন্দীগ্রামের রাজনীতি আবারও সরগরম। গতবছর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারীর কঠিন লড়াইয়ে নন্দীগ্রাম হয়েছে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ময়দান। যদিও এবার ভোটে কিছুই নিশ্চিত নয়, কিন্তু সময় পেরোতেই মঞ্চ সাজাতে শুরু করেছেন দুই পক্ষের অনুগামীরা।গত নির্বাচনের পর তৃণমূলের অভিযোগলোডশেডিং করে ভোট কারচুপিএখনও বিচারাধীন। সেই মামলার ফলাফল না এলেও, নতুন লড়াইয়ের প্রস্তুতি আগেই শুরু হয়েছে। প্রশ্ন জাগেকি এবারও মমতা নন্দীগ্রাম থেকেই নামবেন?তৃণমূলের কেন্দ্রীয় কৌশলের বাইরেতমলুক সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি প্রলয় পাল দাবি করেছেন, ২০২৬-তেও মমতা নন্দীগ্রাম থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। সেই সঙ্গে তিনি BJPর জয়ী হওয়ার চ্যালেঞ্জ দিয়ে রেখেছেন।বিপরীতে, নন্দীগ্রাম ১ নম্বর ব্লকের TMC সভাপতি বাপ্পাদিত্য গর্গ দাবি করেছেন, দলের মনোনয়ন বিষয়ে শুধু দলই জানে। তবে তিনি নিশ্চিতশুভেন্দু অধিকারী এবার নন্দীগ্রাম থেকে আসন ছাড়বেন। তার যুক্তি, শুভেন্দুর নিজের বুথ তালিতায় তৃণমূল জিতেছে, লোকসভা ক্ষেত্রেও তিনি তৃণমূলকে ৪১২ ভোটে এগিয়ে রেখেছেন, আর পঞ্চায়েত সমিতিতেও প্রায় ২৫০০ ভোটের লিড দিয়েছেনএসব তথ্য দিয়ে তিনি প্রমাণ করতে চেয়েছেন, শুভেন্দুর এখন নন্দীগ্রামে যা শক্তি সেটা তৃণমূলের পক্ষেই যাবে।

আগস্ট ২৯, ২০২৫
রাজনীতি

বিজেপির লোকসভার প্রার্থীই দল বিরোধী কাজে অভিযুক্ত! সাময়িক বরখাস্ত

তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ দাস তথা ববিকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিজেপি। তাঁর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে দলের অভ্য়ন্তরেই। দল বিরোধী অভিযোগের প্রেক্ষিতে ৭ দিনের মধ্যে কারণ দর্শাতে নির্দেশ দিয়েছে দলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। রাজ্য় বিজেপির শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির প্রমুখ প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায় লিখিত ভাবে জানিয়েছেন কমিটির সুপারিশে ও রাজ্য সভাপতির নির্দেশ এই পত্র দিয়েছেন। আগামী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত দল অভিজিৎ দাসকে সাময়িক বরখাস্ত করার কথা বলা হয়েছে।মঙ্গলবার দক্ষিণ ও উত্তর ২৪ পরগনার কিছু জায়গায় অত্য়াচারিতদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিয় দল। মঙ্গলবার সকালে বারুইপুর যাওয়ার পথে আমতলা দলীয় কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে পড়ে কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিনিধি দল। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবকে কথা বলতে দেখা যায়। বিক্ষোভকারীরা দাবি জানাতে থাকে, তাঁদের প্রার্থীর বাড়িতে বিজেপির ঘরছাড়ারা রয়েছে তাঁদের সঙ্গে দেখা করে কথা শুনতে হবে। যদিও তাঁরা সেখানে যাননি। বারুইপুর দলীয় কার্যালয়ে আক্রান্ত দলীয় কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে চলে যান। অভিজিৎ দাসের বিরুদ্ধে বিজেপির শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটি একাধিক অভিযোগ এনেছে। মঙ্গলবারের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে না থাকা, ভোট পরবর্তী হামলায় আক্রান্তদের সেই বৈঠকে যেতে না দেওয়া, কর্মীদের দ্বারা কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে ঘেরাও, অনৈতিক মন্তব্য়, বিজেপির ডায়মন্ড হারবার জেলা কার্যালয়ে বিশৃঙ্খলা- এই সব ঘটনার পিছনে অভিজিতের ইন্ধনের অভিযোগ উঠেছে বলে চিঠিতে লেখা হয়েছে। চিঠিতেবলা হয়েছে, আপনি দলের কার্যকর্তা সেই কথা মাথায় রেখে দলের শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির সুপারিশে ও দলের করাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নির্দেশে ৭ দিনের মধ্যে দলবিরেোধী কার্যকলাপের কারণ দর্শাতে হবে। আপাতত সাময়িক বরখাস্ত করেছে দল। চিঠি দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির প্রমুখ প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়।

জুন ১৯, ২০২৪
রাজ্য

জ্বালাপোড়া গরম থেকে মুক্তির অপেক্ষায় বাংলা, রাজ্যে বর্ষা আসছে কবে?

অর্ধেক জুন মাস পেরিয়ে যেতেও বর্ষার দেখা নেই বাংলায়। এদিন ১৮ জুন। তবে এবার বর্ষা আসতে চলেছে বলে পূর্বাভাষ দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। অবশেষে জ্বালাপোড়া গরম থেকে মুক্তি পেতে চলেছে দক্ষিণবঙ্গ। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, মঙ্গলবার থেকেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হবে। বৃষ্টির সঙ্গে দোসর হবে ঘণ্টায় ৩০-৪০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া। কোনও কোনও জেলায় হাওয়ার বেগ বাড়বে। আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যেই দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা ঢুকবে।মঙ্গলবার প্রাক-বর্ষার বৃষ্টি শুরু হলেও পশ্চিমের তিন জেলায় গরম এবং অস্বস্তিকর আবহাওয়া থাকবে। পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং পুরুলিয়ায় গরম থাকবে। তবে এই তিন জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বুধ এবং বৃহস্পতিবার ঝড়বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে দক্ষিণবঙ্গের ৮ জেলায়। পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদ। এই জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাত হতে পারে। সঙ্গে ৪০-৫০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে।উত্তরবঙ্গে আবহাওয়ার উন্নতি হচ্ছে না। ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। দুর্যোগ চলবে শুক্রবার পর্যন্ত। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং কালিম্পং জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ার জেলার কিছু এলাকায়। কমলা সতর্কতা রয়েছে দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ে।এদিকে, মঙ্গলবার কলকাতার আকাশ গোটা দিনই ছিল মেঘলা। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি। এবং সর্বনিম্ন ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি বেশি। কলকাতার কিছু অংশে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস।

জুন ১৮, ২০২৪
রাজ্য

ঝলসে যাওয়া আগুনে জ্বালাপোড়া দহন থেকে মুক্তি! ঝড়-বৃষ্টি কোন কোন জেলায়?

তাহলে কি জ্বালাপোড়া গরম থেকে মুক্তি পেতে চলেছে বাংলা। বৈশাখের শেষেই স্বস্তির খবর দিয়েছে হাওয়া অফিস। আগামী ৬-৮ দিন তাপমাত্রা কমতে পারে ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পাশাপাশি রয়েছে বৃষ্টির পূর্বাভাস।আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সোমবার থেকে তাপপ্রবাহের সম্ভাবনা কম। রাজ্য জুড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। এতদিন শুষ্ক পশ্চিমা এবং উত্তর-পশ্চিমা বাতাস ঢুকছিল বাংলায়। এখন হাওয়া বদল হচ্ছে। বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকছে। কাছাকাছি ঘূর্ণাবর্ত বা নিম্নচাপ অক্ষরেখা তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। সে কারণেই বৃষ্টির উপযোগী পরিস্থিতি তৈরি করেছে।দক্ষিণের বেশ কিছু জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, নদিয়া এবং দুই ২৪ পরগনায় বৃষ্টি হতে পারে। সোমবার এবং মঙ্গলবার দক্ষিণের সর্বত্র বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা। সঙ্গে দোসর হবে দমকা ঝোড়ো হাওয়া। কোথাও কোথাও কালবৈশাখীর সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী বুধ-বৃহস্পতিবারও বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণ বঙ্গের একাধিক জেলায়। তবে বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা সোম-মঙ্গলবার।দক্ষিণবঙ্গের ৬টি জেলায় কালবৈশাখীর সতর্কতা জারি হয়েছে। দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, বর্ধমান, নদিয়া, মুর্শিদাবাদে জারি কালবৈশাখী ঝড়ের সতর্কতা। সপ্তাহের প্রথম দিন সোমবার কয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ভারী বৃষ্টি হতে পারে বীরভূম ও মুর্শিদাবাদ জেলায়। দক্ষিণবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতেও আগামিকাল ঝড়-বৃষ্টির দাপট থাকবে।উপকূলের জেলাগুলিতে বাড়তি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সমুদ্র উত্তাল হতে শুরু করবে আগামী মঙ্গলবার থেকেই। মৎস্যজীবীদের তার আগেই ফিরে আসতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আপাতত আগামী বুধবার পর্যন্ত এই দুর্যোগ চলবে বলে জানা গিয়েছে। ঝড়-বৃষ্টির হাত ধরেই অসহ্য গরম থেকে বেশ কিছুটা মুক্তির স্বাদ মিলবে।

মে ০৫, ২০২৪
রাজ্য

বাংলার ১৯ কেন্দ্রে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির, কারা কোন কেন্দ্রে?

শেষমেশ বাংলায় ১৯ লোকসভা আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল বিজেপি। তবে এখনও ৪ আসনের ঘোষণা বাকি রইল। রবিবারে রাতে দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে ঘোষণা করা হয় এই তালিকা। প্রত্যাশা মতোই প্রার্থী করা হয়েছে তৃণমূল থেকে বিজেপিতে আসা তাপস রায় এবং অর্জুন সিংকে। প্রার্থী করা হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে।বড় চমক হিসাবে কৃষ্ণনগরে প্রার্থী করা হয়েছে রাজপরিবারের রাজমাতা অমৃতা রায়কে। দমদমে প্রার্থী করা হয়েছে বারাকপুরের প্রাক্তন বিধায়ক শীলভদ্র দত্তকে। দক্ষিণ কলকাতা থেকে প্রার্থী করা হয়েছে রায়গঞ্জের সাংসদ তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরীকে। মেদিনীপুরের সাংসদ দিলীপকে পাঠানো হয়েছে বর্ধমান-দুর্গাপুর কেন্দ্রে।একনজরে ১৯ কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী তালিকা উত্তর কলকাতা তাপস রায়দক্ষিণ কলকাতা- দেবশ্রী চৌধুরীদমদম শীলভদ্র দত্তব্যারাকপুর অর্জুন সিংবর্ধমান-দুর্গাপুর দিলীপ ঘোষবর্ধমান পূর্ব অসীম সরকারমেদিনীপুর অগ্নিমিত্রা পালরায়গঞ্জ কার্তিক পালশ্রীরামপুর কবীর শঙ্কর বোসআরামবাগ অরূপকান্তি দিগারতমলুক অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়বসিরহাট রেখা পাত্রবারাসত স্বপন মজুমদারকৃষ্ণনগর অমৃতা রায়জলপাইগুড়ি জয়ন্ত রায়দার্জিলিং রাজু বিস্তাজঙ্গিপুর ধনঞ্জয় ঘোষমথুরাপুর অশোক পুরকাইতউলুবেড়িয়া অরুণ উদয় পাল চৌধুরী

মার্চ ২৪, ২০২৪
রাজনীতি

দ্বিতীয় দফায় ৪ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে ঘটা করে সাংবাদিক বৈঠক সিপিএমের

প্রথম দফায় ১৭ আসনের পর দ্বিতীয় দফায় বামেদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। মাত্র চারটি লোকসভা কেন্দ্রের জন্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয় শনিবার। এই ঘোষণা করা হয় ঘটা করে সাংবাদিক বৈঠক করে।এদিন, মুর্শিদাবাদ, বর্ধমান-দুর্গাপুর, বোলপুর এবং রানাঘাট কেন্দ্রের জন্য প্রার্থী ঘোষণা করেছে বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান।একনজরে চার কেন্দ্রের বামেদের প্রার্থী?মুর্শিদাবাদ- মহঃ সেলিমবর্ধমান-দুর্গাপুর- ডঃ সুকৃতি ঘোষালবোলপুর- শ্যামলী প্রধানরানাঘাট- অলোকেশ ঘোষশনিবার যে চার প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে এঁরা সকলেই সিপিআইএম প্রার্থী। সবমিলিয়ে এখনও বামেরা ২১ আসনে প্রার্থী দিল। প্রথম দফার তালিকায় মতুন মুখ, অপেক্ষাকৃত নবীনদের উপর ভরসা রেখেছিল সিপিআইএম। তবে, দ্বিতীয় পর্বের তালিকায় তরুণ মুখ নেই।এরকম ধাপে ধাপে প্রার্থী ঘোষণা বামফ্রন্টে আগে খুব একটা ঘটেনি। তাহলে কী শরিকি চাপ, কংগ্রেস-আইএসএফের সঙ্গে আসন সমঝোতায় চাপে বামেরা? শনিবার প্রার্থী ঘোষণার সঙ্গেই সব পক্ষের সহমতে না হওয়ার বিষয়টি কার্যত স্বীকার করে নিয়েছেন বিমানবাবু। এ দিন বিমান বসু বলেছেন, সব কেন্দ্রের প্রার্থী নির্দিষ্ট করার ক্ষেত্রে এখনও কিছু আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে। সেটি সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশ করতে পারছি না। একটু সময় লাগবে।আলিমুদ্দিন সূত্রে খবর, বেশ কয়েকটি আসন নিয়ে বাম শরিকদের সঙ্গে সিপিআইএমের ও কংগ্রেসের জট রয়েছে। যেমন, উত্তর চব্বিশ পরগণার বসিরহাট আসটির দাবি জানিয়েছে কংগ্রেস৷ আবার ওই আসনে বরাবরই সিপিআই প্রার্থী দিয়েছে৷ কিন্তু, এবার বসিরহাটে প্রার্থী দিয়েছে সিপিআইএম। বসিরহাট লোকসভা আসনটি কংগ্রেসকে ছাড়া নিয়ে বামেদের মধ্যেও জটিলতা রয়েছে৷ সিপিআইএম চাইছে বসিরহাটের পরিবর্তে বনগাঁ কেন্দ্রটি কংগ্রেসকে ছাড়তে৷ পুরুলিয়া আসনে এবার কংগ্রেসের প্রার্থী নেপালদেব মাহাতো৷ এই আসনটিতে লড়াই করে ফরওয়ার্ড ব্লক। ফলে অসন্তোষ রয়েছে ফ্রন্ট শরিক দলের নেতৃত্বের। আইএসএফ-ও এমন বেশ কয়েকটি আসন দাবি করেছে যেগুলোতে ইতিমধ্যেই বাম বা কংগ্রেস প্রার্থী ঘোষণা করেছে বা করতে পারে। তাই এইসব জটিলতা মিটিয়েই বাকি কয়েকটি লোকসভা আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করতে চাইছে বামফ্রন্ট।আইএসএফ-এর সঙ্গে এখনও জোট হয়নি বলে এ দিন সাফ বলে দিয়েছেন বিমান বসু। তাঁর দাবি, আইএসএফের সঙ্গে এখনও পর্যন্ত আমাদের কোনও বোঝাপড়া হয়নি। ওরা আন্তরিক থাকলে আলোচনা হবে। আলোচনা হলে আমরা সংবাদ মাধ্যমকে সব জানাব।

মার্চ ২৩, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

নর্মদায় ভয়াবহ বিপর্যয়! পর্যটকভর্তি প্রমোদতরী ডুবে মৃত্যু, আতঙ্কে দেশ

আনন্দময় ভ্রমণ মুহূর্তে পরিণত হল ভয়াবহ দুর্ঘটনায়। মধ্যপ্রদেশে (Madhya Pradesh) নর্মদা নদীর জলাধারে ডুবে গেল একটি পর্যটকভর্তি প্রমোদতরী। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অন্তত ছয় জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নৌকাটিতে প্রায় তিরিশ জন পর্যটক ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে পনেরো জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকি কয়েকজনের খোঁজে এখনও জোর তল্লাশি চলছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে (Madhya Pradesh)।প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, নৌকাটি যখন জলাধারের মাঝামাঝি পৌঁছেছিল, তখন হঠাৎ আবহাওয়া খারাপ হয়ে যায়। প্রবল ঝড়ো হাওয়া শুরু হয়। সেই সময় ভারসাম্য হারিয়ে নৌকাটি একপাশে কাত হয়ে জলের মধ্যে ডুবে যায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় উদ্ধারকারী দল। ডুবুরিরা জল থেকে একে একে যাত্রীদের উদ্ধার করতে শুরু করেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে (Madhya Pradesh)।উদ্ধারকাজ তদারকি করছেন জব্বলপুর জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকরা। প্রথমে স্থানীয় দল উদ্ধারকাজ শুরু করলেও পরে রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। রাত নেমে এলেও বাকি নিখোঁজদের খোঁজে অভিযান চালানো হচ্ছে। এই দুর্ঘটনায় গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

স্ট্রংরুম ঘিরে বিস্ফোরক পরিস্থিতি! মুখোমুখি তৃণমূল-বিজেপি, উত্তপ্ত কলকাতা

ভোট শেষ হতেই ইভিএম নিরাপত্তা নিয়ে উত্তেজনা চরমে উঠেছে। কলকাতার ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের সামনে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে যায় তৃণমূল ও বিজেপি। দুই পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে স্ট্রংরুমের বাইরে ধর্নায় বসেন তৃণমূলের প্রার্থী শশী পাঁজা ও কুণাল ঘোষ।ধর্না শেষে তাঁরা বাইরে বের হতেই বিজেপি কর্মীদের বিক্ষোভ শুরু হয়। কেন তৃণমূলকে ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে, এই প্রশ্ন তুলে ক্ষোভ দেখান বিজেপি সমর্থকরা। শুধু কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে নয়, দুই দলের প্রার্থীদের মধ্যেও তুমুল বাকবিতণ্ডা শুরু হয়ে যায়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন তাপস রায় ও সন্তোষ পাঠক।এদিকে তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, ভবানীপুরের শেখাওয়াত মেমোরিয়ালে পৌঁছে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই রয়েছে ভোট শেষে রাখা ইভিএম। এর আগে তিনি ইভিএম বদলের আশঙ্কা প্রকাশ করে কর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তাঁর এই বক্তব্যের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।রাতের দিকে খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছন বিরোধী দলের প্রতিনিধিরাও। তাঁদের সঙ্গে পুলিশের বচসার ঘটনাও সামনে এসেছে। অন্যদিকে ফিরহাদ হাকিম জানান, তিনি ঘটনাস্থলে গেলেও ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।এর আগে মমতা কর্মীদের স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিলেন, স্ট্রংরুম থেকে গণনাকেন্দ্র পর্যন্ত প্রতিটি মুহূর্ত নজরে রাখতে হবে। কোনও অবস্থাতেই ঢিলেমি করা যাবে না। গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দায়িত্ব ছেড়ে না যাওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। তাঁর কথায়, বাংলার মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য এই শেষ লড়াইটুকুও লড়তে হবে।এই ঘটনাকে ঘিরে এখন রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ভোটের ফল ঘোষণার আগে ইভিএম নিরাপত্তা নিয়ে এই টানাপোড়েন নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

অশান্তিতে জ্বলছে বাংলা! ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা, বড় পদক্ষেপ কমিশনের

দ্বিতীয় দফার ভোট শেষ হতেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তির খবর সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে ভোট-পরবর্তী হিংসা আটকাতে কড়া পদক্ষেপ নিতে চাইছে নির্বাচন কমিশন । বৃহস্পতিবার প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে বাংলার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল স্পষ্ট নির্দেশ দেন, যারা অশান্তি ছড়িয়েছে, তাদের আজ রাতের মধ্যেই গ্রেফতার করতে হবে।বুধবার ভোট শেষ হওয়ার পর থেকেই একাধিক এলাকায় রাজনৈতিক সংঘর্ষের অভিযোগ উঠেছে। সেই কারণে আগাম সতর্ক হয়ে উঠেছে কমিশন । বৈঠকে জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে আলোচনা হয় মূলত ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ভোটের মতোই ভোটের পরের পরিস্থিতিতেও কঠোর নজরদারি রাখতে হবে। কোনও অশান্তি হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হবে। যারা গোলমাল করে পালিয়ে রয়েছে, তাদের খুঁজে বের করে দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোট শেষ হলেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢিলেঢালা করা যাবে না। রাজ্যে এখনও ৭০০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন রাখা হয়েছে। গণনার দিন এবং তার পরেও নিরাপত্তা যেন কোনওভাবেই বিঘ্নিত না হয়, সে দিকেও বিশেষ নজর রাখতে বলা হয়েছে ।উল্লেখ্য, দ্বিতীয় দফার ভোটের পর কলকাতার বেহালা ও গড়িয়া-সহ একাধিক জায়গা থেকে অশান্তির খবর পাওয়া গিয়েছে। জেলার বিভিন্ন অংশ থেকেও একই ধরনের অভিযোগ এসেছে। ২০২১ সালের ভোটের পরেও রাজ্যে হিংসার অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই এবার আগে থেকেই কড়া অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

বৃষ্টির মধ্যেই স্ট্রংরুমে মমতা! ইভিএম নিয়ে বড় সন্দেহ, বিস্ফোরক অভিযোগ তৃণমূলের

ভোট মিটতেই ইভিএম নিরাপত্তা নিয়ে জোরদার হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। বৃহস্পতিবার বিকেলেই ভিডিও বার্তায় ইভিএম পাহারা দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Strongroom Controversy)। তিনি কারচুপির আশঙ্কার কথাও বলেন এবং স্ট্রংরুমে কড়া নজরদারির নির্দেশ দেন। সেই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বৃষ্টির মধ্যে ভবানীপুরের শেখাওয়াত মেমোরিয়ালে স্ট্রংরুমে পৌঁছে যান তিনি।এদিকে একই সময় ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন তৃণমূলের প্রার্থী কুণাল ঘোষ, শশী পাঁজা এবং বিজয় উপাধ্যায়। তাঁদের অভিযোগ, স্ট্রংরুমের ভিতরে (Strongroom Controversy) সন্দেহজনক কাজকর্ম চলছে। লাইভ সম্প্রচারে দেখা যাচ্ছে ভিতরে নড়াচড়া হচ্ছে এবং হাতে হাতে ব্যালট ঘোরানো হচ্ছে। অথচ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ভিতরে কোনও কাজ হচ্ছে না। এতে প্রশ্ন উঠেছে, যদি পোস্টাল ব্যালটের কাজই হয়, তাহলে সেই ব্যালট এল কোথা থেকে।কুণাল ঘোষ দাবি করেন, বিকেল সাড়ে তিনটে পর্যন্ত স্ট্রংরুমের সামনে দলীয় কর্মীরা ছিলেন। পরে তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর আচমকা ইমেলের মাধ্যমে জানানো হয়, বিকেল চারটেয় স্ট্রংরুম খোলা হবে। তখন কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা যায়, তাঁরা আর সেখানে নেই (Strongroom Controversy)। খবর পেয়ে কুণাল ও শশী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন। কিন্তু সেখানে গিয়েও তাঁদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।এই ঘটনার জেরে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। ইভিএম নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে ফের। ভোটের ফল ঘোষণার আগে এই পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

কসবা গণনা কেন্দ্র নিয়ে বড় ধাক্কা তৃণমূলের! হাইকোর্টে জিতল কমিশন

কসবা বিধানসভা কেন্দ্রের গণনা কেন্দ্র পরিবর্তন নিয়ে হওয়া মামলায় নির্বাচন কমিশনকে স্বস্তি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। জাভেদ খান-এর দায়ের করা মামলা খারিজ করে দেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। আদালত জানায়, গীতাঞ্জলি স্টেডিয়াম থেকে আলিপুরের বিহারীলাল কলেজে গণনা কেন্দ্র সরানোর সিদ্ধান্ত নিয়ম মেনেই নেওয়া হয়েছে।তৃণমূলের তরফে অভিযোগ ছিল, কোনও নিয়ম না মেনেই হঠাৎ করে গণনা কেন্দ্র বদল করা হয়েছে। কিন্তু আদালত সেই অভিযোগ মানেনি। বিচারপতি জানান, সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার সঠিক প্রক্রিয়া মেনেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।এদিকে, আসন্ন ভোটগণনাকে সামনে রেখে আরও কড়া হয়েছে নির্বাচন কমিশন। গণনা কেন্দ্রে নিরাপত্তা বাড়াতে নতুন নিয়ম চালু করা হচ্ছে। এখন থেকে যাঁরা গণনা কেন্দ্রে প্রবেশ করবেন, তাঁদের জন্য বিশেষ পরিচয়পত্র থাকবে, যাতে একটি কোড যুক্ত থাকবে। সেই কোড স্ক্যান করে তবেই ভিতরে ঢোকার অনুমতি মিলবে ।এই নতুন ব্যবস্থা ২ মে থেকে কার্যকর হবে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে অননুমোদিত কেউ যাতে গণনা কেন্দ্রে ঢুকতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে চাইছে কমিশন। গণনাকর্মী, এজেন্ট এবং সংবাদমাধ্যমসবাইকেই এই নতুন নিয়ম মানতে হবে।সব মিলিয়ে, গণনা কেন্দ্র নিয়ে আদালতের রায় এবং নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ঘিরে রাজ্যে ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
রাজ্য

রেজাল্টে চমক! আইএসসি-তে ৪০০-তে ৪০০, বাংলার মেয়েই দেশসেরা

প্রকাশিত হল আইসিএসই দশম ও আইএসসি দ্বাদশ শ্রেণির ফল। এ বছর আইসিএসই (ICSC Result) পরীক্ষায় পাশের হার ৯৯.১৮ শতাংশ এবং আইএসসি-তে পাশের হার ৯৯.১৩ শতাংশ। দুটি ক্ষেত্রেই পাশের হারে এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা।চলতি বছরে প্রায় ২ লক্ষ ৬০ হাজার পরীক্ষার্থী আইসিএসই (ICSC Result) পরীক্ষায় এবং প্রায় ১ লক্ষ ৫০ হাজার পরীক্ষার্থী আইএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। গত বছরও একই দিনে ফল প্রকাশ হয়েছিল। তখন আইসিএসই-তে পাশের হার ছিল ৯৯.০৯ শতাংশ এবং আইএসসি-তে ছিল ৯৯.০২ শতাংশ। সেই তুলনায় এ বছর সামান্য হলেও পাশের হার বেড়েছে।আইএসসি পরীক্ষায় (ICSC Result) এ বছর দেশের মধ্যে প্রথম হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মেয়ে অনুষ্কা ঘোষ। পানিহাটির বাসিন্দা এই ছাত্রী সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুলের ছাত্রী। জানা গিয়েছে, সে ৪০০-র মধ্যে ৪০০ পেয়েছে। তবে এখনও সম্পূর্ণ মেধাতালিকা প্রকাশ হয়নি, ফলে একই নম্বর পেয়ে আরও কেউ প্রথম স্থানে থাকতে পারে।আইএসসি পরীক্ষায় মোট ৫৪ হাজার ১১৮ জন ছাত্র এবং ৪৯ হাজার ১৯৮ জন ছাত্রী অংশ নেয়। সেখানে মেয়েদের পাশের হার ৯৯.৪৮ শতাংশ এবং ছেলেদের পাশের হার ৯৮.৮১ শতাংশ। অন্যদিকে আইসিএসই পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫০৩ জন ছাত্র এবং ১ লক্ষ ২১ হাজার ২১৮ জন ছাত্রী। এখানে মেয়েদের পাশের হার ৯৯.৪৬ শতাংশ এবং ছেলেদের পাশের হার ৯৮.৯৩ শতাংশ।ফল দেখতে হলে পরীক্ষার্থীদের কাউন্সিলের সরকারি ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজের ইউনিক আইডি, ইনডেক্স নম্বর ও জন্মতারিখ দিয়ে লগইন করতে হবে। এরপর ফলাফল দেখা যাবে এবং তা ডাউনলোড করে রাখা যাবে। ডিজি লকারের মাধ্যমেও ফল দেখা ও মার্কশিট সংগ্রহ করা সম্ভব।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের ফলের আগে বড় ধাক্কা! গণনাকেন্দ্র নিয়ে হাইকোর্টে জোড়া মামলা

বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার আগে গণনাকেন্দ্রের বিন্যাস ও কর্মী নিয়োগ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জোড়া মামলা দায়ের করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দুটি আলাদা সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বৃহস্পতিবার আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিশ্বরূপ ভট্টাচার্য।প্রথম মামলায় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, গণনাকেন্দ্রের সুপারভাইজার পদে শুধু কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তাঁর দাবি, এই সিদ্ধান্ত নির্বাচনী নিয়মের বিরুদ্ধে এবং এতে গণনার নিরপেক্ষতা প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে। তিনি এই বিষয়টি আদালতের নজরে আনেন।অন্যদিকে, বিশ্বরূপ ভট্টাচার্যের মামলার মূল আপত্তি গণনাকেন্দ্রের স্থান পরিবর্তন নিয়ে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটার সংখ্যা কম থাকায় এবং কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবার গণনাকেন্দ্র কমিয়ে এক জায়গায় আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিশ্বরূপ ভট্টাচার্যের মতে, হঠাৎ করে এইভাবে গণনাকেন্দ্র বদল করা আইনসঙ্গত নয়।নির্বাচন শুরু হওয়ার পর থেকেই কমিশনের একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক দেখা গিয়েছিল। এবার গণনা শুরুর আগেই সেই বিতর্ক আরও বেড়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর দুইটোর সময় এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের মাঝেই হাওয়া বদল! কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ভিজছে বাংলা

ভোটের দ্বিতীয় পর্ব চলাকালীন হঠাৎ করেই বদলে গেল আবহাওয়া। তুমুল বৃষ্টি আর কালবৈশাখীর ঝড়ে অনেকটাই স্বস্তি মিলেছে গরম থেকে। হাওয়া দফতর জানিয়েছে, আপাতত তীব্র গরমের আশঙ্কা নেই। তবে আজও রাজ্যের একাধিক জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গে আবার ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার পশ্চিম মেদিনীপুর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে কালবৈশাখীর দমকা হাওয়া ঘণ্টায় পঞ্চাশ থেকে ষাট কিলোমিটার বেগে বইতে পারে। বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির পাশাপাশি কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টির আশঙ্কাও রয়েছে। এই পরিস্থিতি উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলাতেও দেখা যেতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতেও ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ঝড়-বৃষ্টি বেশি হতে পারে। বজ্রসহ বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় তিরিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।উত্তরবঙ্গেও পরিস্থিতি বেশ গুরুতর হতে পারে। আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতে অতি ভারী বৃষ্টি, অর্থাৎ প্রায় দুইশো মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। দার্জিলিং, কালিম্পং ও কোচবিহারে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই ঝড়ো হাওয়া, বজ্রপাত ও বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।শুক্রবার ও শনিবারও দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা থাকবে। রবিবারও ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়।সকাল থেকে আকাশ কখনও মেঘলা, কখনও আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। মেঘলা আকাশ ও দমকা হাওয়ার কারণে গরমের অস্বস্তি অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal