• ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Date

কলকাতা

TMC Candidate List: বিধাননগর পুরভোটে প্রার্থী হচ্ছেন কৃষ্ণা-সব্যসাচী, মেয়র পদ নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে

বিধাননগর পুরভোটে শেষ পর্যন্ত প্রার্থী হতে পারেন বিদায়ী মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী এবং প্রাক্তন মেয়র সব্যসাচী দত্ত। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিধাননগর-সহ শিলিগুড়ি, চন্দননগর ও আসানসোলের প্রার্থী তালিকা নিয়ে আলোচনা হয় দলের শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতিতে। সূত্রের খবর, সেই বৈঠকেই সব্যসাচী এবং কৃষ্ণার ফের প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়ে যায়। দমকল মন্ত্রী সুজিত বসুর পুত্র সমুদ্র বসুও বিধানগরের কোনও ওয়ার্ডে প্রার্থী হতে পারেন বলেও সূত্রের খবর।এ দিন কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও দলের অন্যান্য শীর্ষস্তরের নেতাদের বৈঠকের পরই প্রার্থীদের নাম চূড়ান্ত করা হয়। বৈঠক শেষে ফিরহাদ হাকিম সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলেও প্রার্থীদের নাম নিয়ে মুখ খোলেননি তিনি। পরে রাতে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হলে দেখা যায়, ৩১ নম্বর ওয়ার্ড থেকেই প্রার্থী করা হয়েছে সব্যসাচীকে। এই ওয়ার্ড থেকেই ২০১৫ তে জয়ী হয়েছিলেন তিনি।সব্যসাচীর টিকিট পাওয়া নিছক সময়ের অপেক্ষা ছিল বলেই দলের একটি অংশের মত। ২০১৫ সালে নতুন করে বিধাননগর পুরসভার তৈরি হওয়ার পর ওই বছর অক্টোবর মাসে তৃণমূলের হয়ে লড়ে ভোটে জিতে মেয়র হয়েছিলেন সব্যসাচী। কিন্তু ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের পর তৃণমূল-সব্যসাচী দূরত্ব তৈরি হলে মেয়র পদ থেকে ইস্তফা তিনি। পরে কলকাতা নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে অমিত শাহের হাত ধরে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপি-তে।বিধানসভা ভোটে বিধাননগর কেন্দ্র থেকে বিজেপি-র প্রার্থীও হন সব্যসাচী। কিন্তু পরাজিত হন তৃণমূল প্রার্থী সুজিত বসুর কাছে। চলতি বছর ৭ অক্টোবর বিধানসভায় তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের হাত ধরে যোগ দেন তৃণমূলে। এ বার সেই সব্যসাচী ফের তৃণমূলের প্রতীকে প্রার্থী হতে পারেন।আবার ২০১৫ সালে বিধাননগর পুরসভার ভোটে জয়ী হয়ে চেয়ারপার্সন হন কৃষ্ণা। সব্যসাচী মেয়র পদ ছাড়তে তাঁর ওপরেই আস্থা রেখেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আবারও তিনি বিধাননগর পুরভোটে প্রার্থী হচ্ছেন। তাই তাঁর মেয়র হওয়ার সম্ভাবনাও প্রবল। সব্যসাচী-কৃষ্ণার মধ্যে মেয়র হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে বিদায়ী মেয়রই।রাজারহাট নিউটাউটের বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্যায় এতদিন বিধাননগরের ডেপুটি মেয়র ছিলেন। কিন্তু এ বারের পুরভোটে তিনি প্রার্থী হবেন না বলেই খবর। বরং তাঁর কন্যাকে পুরভোটে তৃণমূলের প্রতীকে লড়াই করতে দেখা যেতে পারে।অন্যদিকে, শিলিগুড়ি পুরসভা ভোটে প্রার্থী প্রাক্তন মন্ত্রী গৌতম দেব। আবার আসানসোলের পুরভোটে প্রার্থী হবেন না প্রাক্তন মেয়র তথা বর্তমানে রানিগঞ্জের বিধায়ক তাপস বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রার্থী হবেন না বলে তিনি স্বয়ং দলকে জানিয়ে দেওয়ায় তাঁর নামও বিবেচিত হয়নি।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২১
কলকাতা

Congress: পুরভোটের দিন কংগ্রেস প্রার্থীকে বিবস্ত্র করে মার, হাইকোর্টে মামলা

পুর ভোটের দিন নগ্ন করে রাস্তায় ফেলে মারধর করার অভিযোগ। নিরাপত্তা চেয়ে আদালতে কংগ্রেস প্রার্থী। আদালতের দ্বারস্থ হলেন ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কংগ্রেস প্রার্থী রবি সাহা। মামলা দায়ের করার অনুমতি দিলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার। বৃহস্পতিবার শুনানির সম্ভাবনা। উল্লেখ্য, রবিবারের পুরভোটে শাসক দলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ এনেছে সব বিরোধী দলগুলি। রবিবাবুর হয়ে আদালতে লড়ছেন আইনজীবী কৌস্তভ বাগচী। তিনি পুলিশি নিস্ক্রিয়তার অভিযোগ করেছেন। দুষ্কৃতীরা এখনও কেন গ্রেফতার হয়নি সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।ভোটের রাতে আক্রান্ত হন ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কংগ্রেস প্রাথী রবি সাহা। তাঁকে রাস্তায় ফেলে বিবস্ত্র করে মারধর করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই তাঁর উপর হামলা চালিয়েছে। প্রার্থীকে বিবস্ত্র করে মারধরের সেই ভিডিও ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাতে দেখা যাচ্ছে, মার খেতে খেতে বিবস্ত্র অবস্থায় রাস্তাতেই পড়ে থাকতে দেখা যায় তাঁকে। ইতিমধ্যে বটতলা থানার পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে তিনি লিখেছেন, রাত ১১ টা ১৫ মিনিট নাগাদ তিনি লোহাপট্টি এলাকায় জিনিস কিনতে বেরিয়েছিলেন। হঠাৎই তাঁকে আক্রমণ করে এলাকার কিছু যুবক। রবিবাবুর অভিযোগ, ভোট চলাকালীন বুুুুথের কাছে ভিড় হটিয়ে দিচ্ছিলাম পুলিশকে জানিয়ে। সেই ভিডিও তুলেছি। এই রাগে আমার ওপর আক্রমণ করা হয়। ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান অধীর চৌধুরী। তাঁর অভিযোগ, বাংলায় গণতন্ত্র নয়, চলছে বর্বর দিদিতন্ত্র। একজন মানুষকে জনসমক্ষে নগ্ন করে বেধড়ক পেটানো হল কলকাতার রাজপথে। কী তাঁর অপরাধ? তাঁর অপরাধ তিনি কংগ্রেসের হয়ে ভোটে দাঁড়িয়েছেন? ছিঃ দিদি ছিঃ। ধিক্কার।

ডিসেম্বর ২২, ২০২১
কলকাতা

BJP: পোশাক ছেঁড়ার অভিযোগ মীনাদেবী পুরোহিতের, রিপোর্ট তলব কমিশনের

২২ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি প্রার্থী মীনাদেবী পুরোহিতের উপর আক্রমণের অভিযোগ উঠেছে। রবিবার সকালে জোড়াবাগানে আক্রান্ত হওয়ার অভিযোগ তোলেন পাঁচবারের কাউন্সিলর মীনাদেবী। তাঁর শাড়ি ধরে টানাটানি করা হয় বলে অভিযোগ। মীনাদেবী বলেন, তাঁর ব্লাউজও ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন।মীনাদেবী পুরোহিতের অভিযোগ, মাহেশ্বরী ভবনের বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে অবৈধ জমায়েত হচ্ছিল। প্রতিবাদ করায় তাঁর উপর হামলা হয়। ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশন রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে। মীনাদেবী পুরোহিত বলেন, মারামারি করেছে, ধাক্কাধাক্কি করেছে, গুন্ডা নিয়ে এসেছে। ভোটই করতে দিচ্ছে না। হেনস্থা করছে। শাড়ি খুলে দিয়েছে, ব্লাউজ ছিঁড়ে দিয়েছে। অন্যদের ধাক্কাধাক্কি করছে। সকাল থেকে বুথ জ্যাম করে দিয়েছে। ভোট করতে দিচ্ছে না।মীনাদেবী বলেন, ১০০ জন ছেলেকে নিয়ে এখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদ স্লোগান দেওয়া হচ্ছে। ১৪৪ ধারা বলবৎ রয়েছে। অথচ পুলিশ কিছুই করছে না। মাহেশ্বরী ভবনে যে বুথ, সেখানে ভোট কেমন হচ্ছে তা দেখতে এদিন পৌঁছন মীনাদেবী পুরোহিত। অভিযোগ, এসে দেখেন লোকজনের জমায়েত। তার প্রতিবাদ করায় হামলা করা হয় বলে অভিযোগ।এই ঘটনায় রিপোর্ট তলব করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। একজন মহিলা প্রার্থীর সঙ্গে এ ধরনের আচরণের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছে কমিশন।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২১
কলকাতা

BJP Candidate list: পুরনোদের উপর ভরসা রাখলেও বিজেপি-র প্রার্থিতালিকায় রইল একঝাঁক তরুণ মুখও

জল্পনা সত্যি করে কলকাতা পুরভোটের প্রার্থিতালিকায় পুরনোদের উপরই ভরসা রাখল রাজ্য বিজেপি। পুরভোটের প্রার্থী করা হল মীনাদেবী পুরোহিত, সুনীতা ঝাওয়ারদের মতো দলের পুরনো কর্মীদের।২২ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী হয়েছেন মীনাদেবী। এই বার জিতলে টানা ছবার কাউন্সিলর হবেন তিনি। গত বিধানসভা নির্বাচনে জোড়াসাঁকো কেন্দ্রের প্রার্থী ছিলেন মীনাদেবী। একইভাবে ৪২ নম্বর ওয়ার্ড থেকে প্রার্থী হয়েছেন বিজেপি-র পাঁচ বারের কাউন্সিলর সুনীতা ঝাওয়ার। ১০২ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী করা হয়েছে ইন্দিরা গঙ্গোপাধ্যায়কে।তবে বিজেপি-র প্রার্থিতালিকায় সব চেয়ে নজরকাড়া নাম ৫০ নম্বর ওয়ার্ড। প্রার্থী সজল ঘোষ। গত বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল থেকে বিজেপি-তে গিয়েছিলেন তিনি। গত ১২ অগস্ট মুচিপাড়া থানা এলাকায় একটি গোলমালে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন সজল। এর পরই গেরুয়া রাজনীতিতে নতুন করে খ্যাত হয়ে যান তিনি।সজলকে প্রার্থী করলেও ১০২ নম্বর ওয়ার্ডে রিঙ্কু নস্করকে প্রার্থী করল না বিজেপি। বিধানসভা ভোটের আগে সিপিএম থেকে বিজেপি-তে আসেন তিনি। কলকাতা পুরভোটে যে প্রার্থিতালিকা প্রকাশ করছে বিজেপি, সেখানে তরুণ মুখ ৪৫, মহিলা ৫০। আইনজীবী রয়েছেন পাঁচ জন, চিকিৎসক তিন জন, শিক্ষক চার জন।প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর শমীক ভট্টাচার্য বলেন, আমাদের দলের কাজের একটা নির্দিষ্ট ধরন রয়েছে। কারও ব্যক্তিগত ইচ্ছা অনিচ্ছার উপর বিজেপির প্রার্থী তালিকা ঠিক হয় না। পার্টির ইচ্ছা, পার্টির ঐক্যমতই এখানে শেষ কথা। পার্টির সিদ্ধান্তই শেষ কথা। একই সঙ্গে বিজেপির প্রার্থী তালিকায় শহিদ পরিবারের সদস্যের নাম থাকতে পারে বলেও শোনা গিয়েছিল। এ ক্ষেত্রে কাঁকুরগাছির নিহত বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারের দাদা বিশ্বজিৎ সরকারের প্রার্থী হওয়ার কথাও শোনা গিয়েছিল।এ প্রসঙ্গে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, আমরা পরিবারতন্ত্রের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। তৃণমূল বা কংগ্রেসী ঘরানার রাজনীতির সঙ্গে বিজেপির এখানেই পার্থক্য। আর শহিদ পরিবারকে রাজনীতির প্রাঙ্গনে নিয়ে এসে সব জায়গায় ব্যবহার করতে নেই। নির্দিষ্ট বিশ্বাস আছে। সেই আঙ্গিকে তাঁরা কথা বলবেন। কিন্তু তাঁদের এনে সামগ্রিক রাজনৈতিক লাভের রাজনীতিতে আমরা বিশ্বাস করি না।

নভেম্বর ২৯, ২০২১
কলকাতা

TMC Candidate List: ১৪২টি ওয়ার্ডে প্রার্থী ঘোষণা তৃণমূলের, রইল পূর্ণাঙ্গ তালিকা

১৯ ডিসেম্বর কলকাতা পুরসভায় ভোট। শুক্রবারই কলকাতার ১৪৪টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৪২টি ওয়ার্ডে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে তৃণমূল। কালীঘাট থেকে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেন দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়, দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী এবং সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।বিদায়ী কাউন্সিলরদের মধ্যে ৩৫ জনের নাম বাদ গিয়েছে। সেখানে নতুন মুখ আনা হয়েছে। এ ছাড়াও চারজন কাউন্সিলর প্রয়াত হয়েছেন। সেই জায়গাতে স্বভাবতই নতুন প্রার্থী দিয়েছে দল। এই ৩৫ জনের মধ্যে উত্তর কলকাতা থেকে বাদ পড়েছে ১৭ জন কাউন্সিলরের নাম। দক্ষিণ কলকাতায় তালিকাটা ১৮ জনের নামের।একই সঙ্গে নিজের ওয়ার্ড ছেড়ে অন্য ওয়ার্ডে গিয়ে প্রার্থী হয়েছেন দেবব্রত মজুমদার, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়, সন্দীপন সাহা, ঘনশ্রী বাগ, নিজামুদ্দিন শামস, সুশান্ত ঘোষ (স্বরূপ), অরূপ চক্রবর্তী, স্বপন সমাদ্দার, মিতালী বন্দ্যোপাধ্যায়।কলকাতা পুরসভার নির্বাচনে কোন ওয়ার্ডে কে টিকিট পেলেন, তার তালিকা নিম্নরূপ প্রার্থী কোনও বিধানসভা কেন্দ্রের আওতাধীন১. কার্তিকচন্দ্র মান্না কাশীপুর বেলগাছিয়া২. কাকলি সেন কাশীপুর বেলগাছিয়া৩. দেবীকা চক্রবর্তী কাশীপুর বেলগাছিয়া৪.গৌতম হালদার কাশীপুর বেলগাছিয়া৫. তরুণ সাহা কাশীপুর বেলগাছিয়া৬. সুমন সিং কাশীপুর বেলগাছিয়া৭. বাপি ঘোষ শ্যামপুকুর৮. পূজা পাঁজা শ্যামপুকুর৯. মিতালি সাহা শ্যামপুকুর১০. সুব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শ্যামপুকুর১১. অতীন ঘোষ মানিকতলা১২. মীনাক্ষী গঙ্গোপাধ্যায় মানিকতলা১৩. অনিন্দ্যকিশোর রাউত মানিকতলা১৪. অমল চক্রবর্তী মানিকতলা১৫. শুক্লা ভোড় মানিকতলা১৬. স্বপন দাস মানিকতলা১৭. মোহনকুমার গুপ্ত শ্যামপুকুর১৮. সুনন্দা সরকার শ্যামপুকুর১৯. শিখা সাহা শ্যামপুকুর২০. বিজয় উপাধ্যায় শ্যামপুকুর২১. মীরা হাজরা শ্যামপুকুর২২. শ্যামপ্রকাশ পুরোহিত জোড়াসাঁকো২৩. সানোয়ারমল আগরওয়াল জোড়াসাঁকো২৪. ইলোরা সাহা জোড়াসাঁকো২৫. রাজেশ সিনহা জোড়াসাঁকো২৬. তারকনাথ চট্টোপাধ্যায় জোড়াসাঁকো২৭. মীনাক্ষী গুপ্তা জোড়াসাঁকো২৮. অয়ন চক্রবর্তী বেলেঘাটা২৯. ইকবাল আহমেদ বেলেঘাটা৩০. পাপিয়া ঘোষ বিশ্বাস বেলেঘাটা৩১. পরেশ পাল মানিকতলা৩২. শান্তিরঞ্জন কুণ্ডু মানিকতলা৩৩. চিনু বিশ্বাস বেলেঘাটা৩৪. অলোকনন্দা দাস বেলেঘাটা৩৫. আশুতোষ দাস বেলেঘাটা৩৬. ঘোষণা হয়নি বেলেঘাটা৩৭. সোমা চৌধুরী জোড়াসাঁকো৩৮. সাধনা বোস জোড়াসাঁকো৩৯. মহম্মদ জসিমুদ্দিন জোড়াসাঁকো৪০. সুপর্ণা দত্ত জোড়াসাঁকো৪১. রীতা চৌধুরী জোড়াসাঁকো৪২. মহেশ শর্মা জোড়াসাঁকো৪৩. সগুফতা পরভিন জোড়াসাঁকো৪৪. রেহানা খাতুন চৌরঙ্গী৪৫. শক্তিপ্রতাপ সিং চৌরঙ্গী৪৬. প্রিয়াঙ্কা সাহা চৌরঙ্গী৪৭. বিমল সিং চৌরঙ্গী৪৮. বিশ্বরূপ দে চৌরঙ্গী৪৯. মোনালিসা বন্দ্যোপাধ্যায় চৌরঙ্গী৫০. মৌসুমী দে চৌরঙ্গী৫১. ইন্দ্রনীল কুমার চৌরঙ্গী৫২. সোহিনী মুখোপাধ্যায় চৌরঙ্গী৫৩. ইন্দ্রানী সাহা বন্দ্যোপাধ্যায় চৌরঙ্গী৫৪. আমিরুদ্দিন ববি এন্টালি৫৫. সবিতারানি দাস এন্টালি৫৬. স্বপন সমাদ্দার এন্টালি৫৭. জীবন সাহা এন্টালি৫৮. সন্দীপন সাহা এন্টালি৫৯. জলি বোস এন্টালি৬০. মহম্মদ ইয়েজুজার রহমান বালিগঞ্জ৬১. মনজর ইকবাল বালিগঞ্জ৬২. সানা আহমেদ বালিগঞ্জ৬৩. সুস্মিতা ভট্টাচার্য বালিগঞ্জ৬৪. সাম্মি জাহান বালিগঞ্জ৬৫. নিবেদিতা শর্মা বালিগঞ্জ৬৬. ফৈয়জ আহমেদ খান কসবা৬৭. বিজনলাল মুখোপাধ্যায় কসবা৬৮. তনিমা চট্টোপাধ্যায় বালিগঞ্জ৬৯. দিলীপকুমার বোস বালিগঞ্জ৭০. অসীম বোস ভবানীপুর৭১. পাপিয়া সিং ভবানীপুর৭২. সন্দীপরঞ্জন বক্সি ভবানীপুর৭৩. কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুর৭৪. দেবলীনা বিশ্বাস ভবানীপুর৭৫. নিজামুদ্দিন শামস কলকাতা পোর্ট৭৬. ষষ্ঠী দাস কলকাতা পোর্ট৭৭. শামিমা রেহান খান ভবানীপুর৭৮. সোমা দাস কলকাতা পোর্ট৭৯. রাম পেয়ারি রাম কলকাতা পোর্ট৮০. আনওয়ার খান কলকাতা পোর্ট৮১. জুঁই বিশ্বাস রাসবিহারী৮২. ফিরহাদ হাকিম ভবানীপুর৮৩. প্রবীর মুখোপাধ্যায় রাসবিহারী৮৪. পারমিতা চট্টোপাধ্যায় রাসবিহারী৮৫. দেবাশিস কুমার বালিগঞ্জ৮৬. সৌরভ বসু রাসবিহারী৮৭. মনীষা বোস সাউ রাসবিহারী৮৮. মালা রায় রাসবিহারী৮৯. মমতা মজুমদার রাসবিহারী৯০. চৈতালি চট্টোপাধ্যায় রাসবিহারী৯১. বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় কসবা৯২. অভিষেক মুখোপাধ্যায় কসবা৯৩. মৌসুমী দাস রাসবিহারী৯৪. সন্দীপ নন্দী মজুমদার টালিগঞ্জ৯৫. তপন দাশগুপ্ত টালিগঞ্জ৯৬. বসুন্ধরা গোস্বামী যাদবপুর৯৭. দেবব্রত মজুমদার টালিগঞ্জ৯৮. অরূপ চক্রবর্তী টালিগঞ্জ৯৯. মিতালী বন্দ্যোপাধ্যায় যাদবপুর১০০. প্রসেনজিৎ দাস টালিগঞ্জ১০১. বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত যাদবপুর১০২. সীমা ঘোষ যাদবপুর১০৩. সুকুমার দাস যাদবপুর১০৪. তারকেশ্বর চক্রবর্তী যাদবপুর১০৫. সুশীলা মণ্ডল যাদবপুর১০৬. অরিজিৎ দাসঠাকুর যাদবপুর১০৭. লিপিকা মান্না কসবা১০৮. সুশান্তকুমার ঘোষ কসবা১০৯. অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায় যাদবপুর১১০. স্বরাজকুমার মণ্ডল যাদবপুর১১১. সন্দীপ দাস টালিগঞ্জ১১২. গোপালচন্দ্র রায় টালিগঞ্জ১১৩. অনিতা কর মজুমদার টালিগঞ্জ১১৪. বিশ্বজিৎ মণ্ডল টালিগঞ্জ১১৫. রত্না শূর বেহালা পূর্ব১১৬. কৃষ্ণা সিং বেহালা পূর্ব১১৭. অমিত সিং বেহালা পূর্ব১১৮. তারক সিং বেহালা পশ্চিম১১৯. ঘোষণা হয়নি বেহালা পশ্চিম১২০. সুশান্ত ঘোষ বেহালা পূর্ব১২১. রূপক গঙ্গোপাধ্যায় বেহালা পূর্ব১২২. সোমা চক্রবর্তী বেহালা পূর্ব১২৩. সুদীপ পোল্লে বেহালা পূর্ব১২৪. রাজীবকুমার দাস বেহালা পূর্ব১২৫. রত্না সরকার বেহালা পশ্চিম১২৬. ঘনশ্রী বাগ বেহালা পশ্চিম১২৭. মালবিকা বৈদ্য বেহালা পশ্চিম১২৮. পার্থ সরকার বেহালা পশ্চিম১২৯. সংহিতা দাস বেহালা পশ্চিম১৩০. অভিজিৎ মুখোপাধ্যায় বেহালা পশ্চিম১৩১. রত্না চট্টোপাধ্যায় বেহালা পশ্চিম১৩২. সঞ্চিতা মিত্র বেহালা পশ্চিম১৩৩. রণজিৎ শীল কলকাতা পোর্ট১৩৪. শামস ইকবাল কলকাতা পোর্ট১৩৫. আখতারি নিজামি শাহজাদা কলকাতা পোর্ট১৩৬. শামসুজ্জামান আনসারি মেটিয়াবুরুজ১৩৭. রেহমত আলম আনসারি মেটিয়াবুরুজ১৩৮. ফরিদা পারভিন মেটিয়াবুরুজ১৩৯. শেখ মুস্তাক আহমেদ মেটিয়াবুরুজ১৪০. আবু মহম্মদ তারিক মেটিয়াবুরুজ১৪১. শিবনাথ গায়েন মেটিয়াবুরুজ১৪২. রঘুনাথ পাত্র বেহালা পূর্ব১৪৩. ক্রিস্টিনা বিশ্বাস বেহালা পূর্ব১৪৪. শেফালি প্রামাণিক পাত্র বেহালা পূর্ব

নভেম্বর ২৭, ২০২১
রাজনীতি

TMC Candidate List: তৃণমূলের প্রার্থীতালিকায় প্রমাণিত নেত্রীর প্রভাব, রয়ে গেলেন ফিরহাদ ও আরও পাঁচ বিধায়ক

পুরভোটের প্রার্থিতালিকায় কি এক ব্যক্তি, এক পদ নীতি মানল না শাসকদল তৃণমূল? কলকাতা পুরভোটে ৩৯ জন কাউন্সিলারকে টিকিট দিল না শাসক তৃণমূল। কিন্তু বাদ দেওয়া হল না কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম-সহ ছয় বিধায়ককে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন মেয়র পারিষদ দেবাশিস কুমার, দেবব্রত মুজমদার এবং প্রাক্তন ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ। জল্পনা ছিল, এক ব্যক্তি, এক পদ নীতি মেনে এঁদের পুরভোটের টিকিট দেওয়া হবে না।তবে পুরো বিষয়টিই ছিল দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুমোদন সাপেক্ষ। দেখা গেল, মমতার অনুমোদন পায়নি সেই সিদ্ধান্ত। মমতা আবার বেছে নিয়েছেন তাঁর পুরোন দিনের লড়াইয়ের সঙ্গীদেরই। বস্তুত, প্রার্থিতালিকায় শেষমুহূর্তের রদবদলের কারণেই ছাপানো প্রার্থিতালিকা প্রকাশ করতে খানিক বিলম্ব হয়ে যায় তৃণমূলের। পূর্ণাঙ্গ প্রার্থিতালিকা হাতে পেতে সংবাদমাধ্যমকে বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়।ফিরহাদ যেমন পুরভোটের টিকিট পেয়েছেন, তেমনই প্রার্থিতালিকায় নাম নেই প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়র। জল্পনা ছিল, বাবুলকে সম্ভাব্য মেয়র হিসেবে তুলে ধরে পুরভোটের ময়দানে নামবে তৃণমূল। যদিও বদলের একাংশ বলছিলেন, বাবুল সদ্যই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে এসেছেন। এত দ্রুত তাঁকে কলকাতা পুরসভার মেয়রের মতো পদে তুলে ধরলে দলের একাংশে অনুযোগ তৈরি হতে পারে।ফিরহাদ নিজে পুরভোটেই দাঁড়াতে বেশি আগ্রহী ছিলেন। সূত্রের খবর, দলকে তিনি বলেছিলেন, প্রয়োজনে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেবেন। কিন্তু তাঁকে যেন পুরভোটের টিকিট দেওয়া হয়। দেখা গেল, শেষপর্যন্ত তাঁকে পুরভোটের টিকিট দেওয়া হল। মনে করা হচ্ছে, স্বয়ং দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শেষমুহূর্তের হস্তক্ষেপে ফিরহাদ-সহ অন্য পুরোন অনুগত-রা পুরভোটের টিকিট পেলেন। যা থেকে এটা মনে করা হচ্ছে যে, দলের উপর নেত্রী মমতার প্রভাব এখনও নিরঙ্কুশ।

নভেম্বর ২৬, ২০২১
রাজনীতি

Left Candidate List: পুরভোটে আগেভাগেই তালিকা প্রকাশ করল বামেরা, আসুন দেখে নিই সেই তালিকা

পুরভোটের দিন ঘোষণার পরেই তোড়জোড় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক দল গুলির মধ্যে। বৃহস্পতিবার থেকেই নমিনেশন জমা দেওয়া যাবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এরপরেই প্রার্থী তালিকা ঘোষণার কথা জানিয়েছে বামফ্রন্ট। সূত্রের খবর, এবারও তরুণ মুখেই ভরসা রাখার কথা ভাবছেন বাম নেতৃত্ব।পুরভোটে তৃণমূল ও বিজেপিকে হারানোই বামেদের মূল লক্ষ্য। প্রার্থী তালিকা প্রকাশের আগেই এই বার্তা স্পষ্ট করল বাম নেতৃত্ব। শাসক দল ও গেরুয়া শিবিরকে পরাজিত করার জন্য কিছু আসনে অন্য দলকে সমর্থন করার বার্তা দিয়েছে বামেরা। সেই তালিকায় কংগ্রেস, আইএসএফও থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন কলকাতা জেলা বামফ্রন্টের আহ্বায়ক কল্লোল মজুমদার।শুক্রবার প্রমোদ দাশগুপ্ত ভবনে সাংবাদিক বৈঠকে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। কল্লোল মজুমদার জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক কিছু নির্বাচনে ভোট- পূর্ব জোটের পথে হেঁটেছিল বামেরা। কিন্তু তাতে এমন কিছু পরিস্থিতি তৈরি হয়, যার সঙ্গে বাস্তবের মিল নেই বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাই এবার রণকৌশলগত পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর জন্য বাম নেতারা দফায় দফায় বৈঠকে বসেছেন। তারপরই আসন নিয়ে সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয় রাজ্য নেতৃত্বকে।আনুষ্ঠানিকভাবে জোটের ঘোষণা না করলেও কয়েকটি আসনে জোটের ইঙ্গিত দিয়েছেন বামেরা। জানানো হয়েছে, ওই সব ক্ষেত্রে কংগ্রেস, আইএসএফ বা কোনও প্রতিথজশা প্রাথী হলেও বামেরা সমর্থন করবে।এ দিন বেশির ভাগ আসনের প্রার্থী তালিকাই প্রকাশ করেছে বামেরা। মহিলা প্রার্থী আগের থেকে বেড়েছে, এবারের তালিকায় রয়েছেন ৫৬ জন মহিলা। পুরুষ প্রার্থীর সংখ্যা ৫৮ জন ও সংখ্যালঘু প্রার্থী ১৭ জন। প্রায় ৫০ শতাংশ প্রার্থীর বয়স ৫০এর নীচে। অর্থাৎ এ ক্ষেত্রেও তরুণ মুখের ওপর জোর দিয়েছে বামেরা। গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে যাঁদের নাম থাকছে, তাঁরা হলেন পল্লব মুখোপাধ্যায়, অজিত চৌধুরী, মানজার এহসান, দীপু দাস, বরুণ দাস, ফৈয়াজ আহমেদ খান, মধুছন্দা দেব, মৃত্যুঞ্জয় চক্রবর্তী, মঞ্জু কর, রত্না রায় মজুমদার।শিক্ষা, স্বাস্থ্য, গণতন্ত্র-সহ একাধিক ইস্যুকে সামনে রেখে বামেরা ভোটে লড়বে। মানুষের না পাওয়াগুলো তুলে ধরাই হবে মূল লক্ষ্য। পরিবেশ রক্ষায় বিশেষ নজর দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।আসুন দেখে নেওয়া যাক কোন ওয়ার্ডে কে লড়ছেন-ওয়ার্ড নম্বর প্রার্থীর নাম১ পল্লব মুখোপাধ্যায়২ দেবলীনা সরকার৩ নমিতা দাস৪ কানাইলাল পোদ্দার৫ রমেশ পাণ্ডে৭ মোহন তাপস কুণ্ডু৮ মাধব ঘোষ৯ দীপিকা ভট্টাচার্য১০ করুণা সেনগুপ্ত১১ প্রদ্যুৎ নাথ১২ পূবালী দেব১৩ বিরোধী দত্ত১৪ স্বপন ঘোষ১৫ দীপা সাহা১৬ সুজিত দেব১৭ মতিলাল ঘোষ১৮ শ্রাবণী চক্রবর্তী১৯ রুমা ভট্টাচার্য২০ অজিত চৌধুরী২১ সুজাতা সাহা২৩ ধীরেন্দ্র পাণ্ডে২৪ মঞ্জু মোহতা২৬ তাপস প্রামাণিক২৭ পাপিয়া গঙ্গোপাধ্যায়২৮ ইজাজ আহমেদ২৯ মহম্মদ সইদ৩০ শাশ্বতী দাশগুপ্ত৩১ তরুণ বসু৩২ জয়দীপ ভট্টাচার্য৩৩ মণীষা বিশ্বাস৩৫ সমীর চক্রবর্তী৩৬ মৌসুমী ঘোষ৩৭ মিঠু দাস৩৮ প্রশান্ত দে৪০ কাবেরী ভট্টাচার্য৪১ নেহাল মহম্মদ কাইজার৪২ প্রদীপ সিং৪৪ সইদ কাশিমুদ্দিন৪৬ অনুশা আকবর৪৮ অণ্বেষা দাস৫১ রেবতী জানা৫২ রুকসানা বেগম৫৪ জাহাঙ্গির মণ্ডল৫৫ চৈতালী ভৌমিক নায়ার৫৬ জয়শ্রী দেব নন্দী৫৯ রুমা কর বসু৬০ মাঞ্জার এহসান৬৩ মহম্মদ সিরাজ খান৬৪ মহম্মদ আজম জাভেদ৬৫ অনুলেখা সিনহা৬৬ সাকিব আখতার৬৭ দীপু দাস ৬৮ ডরথি ভৌমিক ঘোষাল৬৯ গোপাল হাজরা৭০ বরুণ দাস ৭১ কেকা মিত্র৭২ প্রকাশ ভট্টাচার্য ৭৩ মধুমিতা দাস৭৪ দীপা চক্রবর্তী৭৫ খৈয়দ আহমেদ খান৭৬ শাকিল আখতার৭৭ সাজদা পারভিন ৭৮ জ্যোতি দাস৮১ রিঙ্কু দে৮২ পারমিতা দাশগুপ্ত৮৪ বিথিকা নাথ৮৫ গোবিন্দ নস্কর৮৭ যুক্তিশ্রী দাস সোম৮৮ কার্তিক মণ্ডল৮৯ সলিল চৌধুরী ৯১ সুরজিৎ সেনগুপ্ত ৯২ মধুচ্ছন্দা দেব৯৩ গোপা রায়চৌধুরী৯৪ বুলা শীল৯৫ অন্বেষা ভৌমিক৯৬ দীপালি গোস্বামী৯৭ সুশান্ত পাল৯৮ মৃত্যুঞ্জয় চক্রবর্তী৯৯ শিখা মুখোপাধ্যায়১০১ অতনু চট্টোপাধ্যায়১০২ ভাস্বতী গঙ্গোপাধ্যায়১০৩ নন্দিতা রায়১০৫ নমিতা দত্ত১০৭ গৌতম রায়১০৮ তপন মালিক১০৯ শিখা পূজারি১১১ চয়ন ভট্টাচার্য১১২ সুব্রত কুমার দে১১৪ মোহিতকুমার ভট্টাচার্য১১৫ শুভঙ্কর বাগচি১১৬ চিত্রা পতিত১১৭ সঞ্জয় খান ১১৮ সুজয় অধিকারী১২০ গৌতম অধিকারী১২১ আশিস মণ্ডল১২২ মঞ্জুল কর১২৩ প্রসেনজিৎ ঘোষ১২৪ অরিজিৎ সিনহা১২৫ প্রিয়া রায়১২৬ বিমান গুহঠাকুরতা১২৭ রিনা ভক্ত১২৮ রত্না মজুমদার১৩১ রঞ্জন দাশগুপ্ত১৩২ নীতা ঘোষ১৩৩ জয়ব্রত বেরা১৩৬ শুভাশিস পোদ্দার১৩৮ ফারহানাজ বেগম১৩৯ মহম্মদ আবু কায়েশ মোল্লা১৪০ শেখ মহম্মদ জমির১৪৩ বিভু মণ্ডল ১৪৪ বিপ্লব বন্দ্যোপাধ্যায়

নভেম্বর ২৬, ২০২১
রাজনীতি

TMC Candidate: কালীঘাটে দলীয় বৈঠকের পরই প্রার্থীতালিকা ঘোষণার পরিকল্পনা তৃণমূলের

শুক্রবার কালীঘাটে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলীয় বৈঠকে বসবেন। তারপরই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীতালিকা প্রকাশ করা হবে বলে খবর। এবারের তৃণমূলের প্রার্থীতালিকায় যুবক ও মহিলাদের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। নতুন নেতৃত্ব তুলে আনার তাগিদে তারুণ্যকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা।এদিকে তৃণমূলের শীর্ষ সাংগঠনিক স্তর ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক ডাকা হয়েছে আগামী সোমবার। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে ওই বৈঠকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ ওয়ার্কিং কমিটির ২১ জন সদস্যই হাজির থাকতে বলা হয়েছে বলে শুক্রবার তৃণমূলের মুখপত্রে জানানো হয়েছে।দলের তরফে জানানো হয়েছে, জাতীয় পর্যায়ে দলের অভিমুখ কী হবে, সে কথাই বৈঠকে জানাবেন মমতা এবং অভিষেক। পাশাপাশি, সংসদের আসন্ন শীতকালীন অধিবেশনে তৃণমূল সাংসদেরা কী ভূমিকা নেবেন, তা-ও ঠিক করে দেওয়া হবে।গত কয়েক মাসে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন সর্বভারতীয় স্তরের কয়েক জন গুরুত্বপূর্ণ নেতা। তাঁদেরই অন্যতম, গান্ধি পরিবারের একদা ঘনিষ্ঠ হরিয়ানা প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অশোক তানওয়ারকেও ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তৃণমূলের মুখপত্রে বলা হয়েছে, দলের বাকি নেতাদের সঙ্গে তাঁকে (অশোক) আলাপ-পরিচয় করানো হবে।এর মধ্যে বিজেপি সূত্রের খবর, তাদের প্রার্থীতালিকা নিয়ে আলোচনা সেভাবে এগোয়নি। আজ প্রার্থীতালিকা ঘোষণা করবে বামফ্রন্টও। কংগ্রেসের সঙ্গে জোট নিয়ে আলোচনা না হলেও কয়েকটি আসন ছেড়ে রেখেই তারা প্রার্থীদের নাম দেবে। যদিও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, জোটের স্বার্থেই এই পথে হাঁটছে বামেরা। শোনা যাচ্ছে, বামফ্রন্টও জোর দিচ্ছে তারুণ্যের উপর।

নভেম্বর ২৬, ২০২১
রাজ্য

covid update west bengal: লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, একদিনে রাজ্যে আক্রান্ত হাজার ছুঁই ছুঁই

বাংলার উৎসবের মরসুমে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এবার আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় এক হাজার ছুঁই ছুঁই। রবিবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী এরাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৯৮৯। তার মধ্যে কলকাতায় ২৭৩ জন। দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা, ১৪৬ জন আক্রান্ত। গত ২৪ ঘণ্টায় হুগলিতে ৮৯, হাওড়াতে ৮৩, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৭৪জন করোনা আক্রান্ত হয়েছে। মোটের ওপর এভাবে সব জেলাতেই বেড়ে চলেছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা। ২৪ ঘণ্টায় স্যাম্পল টেস্ট করা হয়েছে ৪২,৬২২ জনের। এদিন করোনামুক্ত হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৮২৮ জন। মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের। ক্রমশ অস্বস্তি বাড়ছে স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের। উৎসবের দিনগুলো ঢালাও ছাড় দেওয়ার ফল ভোগ করতে হতে পারে রাজ্যবাসীকে। বিশেষজ্ঞরা বারে বারে সতর্ক করেছিলেন সরকারকে। কে শোনে কার কথা। তারওপর পুজোর আগে বাজারে ভিড়, পুজোতে মন্ডপে ও রাস্তায় থিকথিকে ভিড়। ফলত ক্রমশ বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। অনেকে আবার ডবল ডোজ টিকা নিয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠছিলেন। ঠিক ৭ দিন আগে অর্থাৎ ১৭ অক্টোবর রাজ্যের পরিসংখ্যানটা একবার দেখে নেওয়া যাক। ওই দিন আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৬২৪। কলকাতায় আক্রান্ত ১৭৯, উত্তর ২৪ পরগনায় ১২৮, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৫৩, হাওড়ায় ৫১, হুগলিতে ৪৮ জন। ক্রমশ তা ধরাছোয়ার বাইরে চলে যেতে বসেছে। কমবার কোনও লক্ষণ নেই, বরং বেড়ে চলেছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা। গতকাল শনিবার ও আজ, রবিবার করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এক হাজারের কাছাকাছি। এর আগে তিন দিন ধরে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল আটশোর ঘরে। তার আগে ১৯ অক্টোবর ছিল ৭শোর ঘরে। ৬শোর ঘরে ছিল তার আগের দুদিন। ২৩ অক্টোবর মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৯৭৪, ২২ অক্টোবর ৮৪৬ জন, কলকাতায় ২৪২। ২১ অক্টোবর রাজ্যে আক্রান্ত ৮৩৩। কলকাতায় ২৩৩। ২০ অক্টোবর ৮৬৭ আক্রান্ত, কলকাতায় ২৪৪। ১৯ অক্টোবর রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৭২৬। কলকাতায় ১৮৩। ১৯ অক্টোবর ৬৯০। কলকাতায় ১৯৪। মানুষ সতর্ক না হলে তৃতীয় ঢেউও কিন্তু দোরগোড়ায়, একথা বারে বারে বলছেন বিশেষজ্ঞরা। তবু রাস্তা-ঘাটে-বাজারে মাস্কহীন মানুষজন ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কারও যেন কোনও হেলদোল নেই। এমনভাবে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকলে ফের লকডাউনের পথে যেতে হতে পারে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।

অক্টোবর ২৪, ২০২১
রাজ্য

corona Update: দেশে নিম্নমুখী করোনা গ্রাফ, চিন্তা বাড়াচ্ছে রাজ্য

আশঙ্কাই সত্যি হল। দুর্গাপুজো শেষ হতেই দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে কলকাতার করোনা সংক্রমণের পরিসংখ্যান। এ শহরের দৈনিক সংক্রমণ একধাক্কায় প্রায় ২০০-র কাছে পৌঁছেছে। দুদিনের মধ্যেই কলকাতার নতুন সংক্রমণ বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে বলে সোমবার জানিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর।আরও পড়ুনঃ গড়িয়াহাটে জোড়া খুনে ঘনীভূত রহস্যকলকাতা ছাড়া উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়ও দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা শতাধিক। পাশাপাশি, রাজ্যজুড়ে নতুন আক্রান্ত বেড়ে প্রায় ৭০০ হয়েছে। সংক্রমণের দৈনিক হারও ঊর্ধ্বমুখী। সোমবার সন্ধ্যায় রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রকাশিত বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৬৯০ জন। যা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এদিকে বিগত বেশ কয়েকদিন ধরে ২০ হাজারের নীচে রয়েছে দেশের কোভিড গ্রাফ। যেহেতু দেশে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছ উৎসবের মরশুম, সেই কারণে সংক্রমণে দাড়ি টানতে বারবার সতর্ক হতে বলেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। তারপর বিগত কয়েকদিনের এই সংক্রমণ গ্রাফ অনেকটাই আশা জোগাচ্ছে স্বাস্থ্যকর্মী থেকে শুরু করে আম-জনতাকে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৩ হাজার ৫৮ জন। গতকাল সেই সংখ্যাটা ছিল ১৩ হাজার ৫৯৬ জন। করোনাকে হারিয়ে দেশে সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যাও বেড়ে গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৯ হাজার ৪৭০ জন।দেশের মৃত্যুর গ্রাফও নিম্নমুখী। গত একমাস আগেও ভয় ধরাচ্ছিল মৃতের সংখ্যা। কখনও ২০০ কখনও বা ৩০০-র গণ্ডি ছুঁইছুঁই ছিল সেই সংখ্যাটা। এরপর তা কমে দেড়শোর কম হয়। গত ২৪ ঘণ্টায় গোটা দেশে ১৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
রাজ্য

Corona Update: রাজ্যে ফের বাড়ল করোনা সংক্রমণ, কলকাতায় আক্রান্ত ১৭৯

রাজ্যে ফের কিছুটা বাড়ল করোনার সংক্রমণ। বেড়েছে মৃত্যুও। শনিবার স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন ৪৪৩ জন। মৃত্যু হয়েছিল ১০ জনের। রবিবারের বুলেটিনে দুক্ষেত্রেই পারদ উপরের দিকে উঠেছে। একদিনে সংক্রমিতের সংখ্যা ৬২৪ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের। একই সময়ের মধ্যে করোনা মুক্ত হয়েছেন ৬৩৪ জন। সুস্থতার হার ৯৮.৩৩ শতাংশ। একদিনে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২৭ হাজার ১৪৮টি। পজিটিভিটি রেট ২.৩০ শতাংশ।আরও পড়ুনঃ আব্বাস সিদ্দিকির মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক চাঞ্চল্যএক লাফে কলকাতার সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যাটা অনেকটাই বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৭৯ জন। মারা গিয়েছেন চারজন। শনিবার ১০৮ জন কলকাতায় সংক্রমিত হয়েছিলেন। একজনের মৃত্যু হয়েছিল। উল্লেখযোগ্যভাবে, দার্জিলিংয়েও একজনের মৃত্যু হয়েছে করোনায়। নদিয়া ও উত্তর ২৪ পরগনায় মৃতের সংখ্যা তিন করে। হুগলিতে দুজন করোনার বলি হয়েছেন। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় মারা গিয়েছেন একজন।

অক্টোবর ১৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Aryan Khan : জেল থেকে বেরিয়ে দরিদ্রদের পাশে থাকবেন জানালেন আরিয়ান

এখনও জেল থেকে ছাড়া পায়নি। বুধবার পর্যন্ত জেলে থাকতে হবে মাদক কাণ্ডে জড়িত শাহরুখ খানের পুত্র আরিয়ান খান। এখন জেলের মধ্যেই তার কাউন্সিলিং চলছে। নেশার ঘেরাটোপ থেকে তাকে সরিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। জানা গেছে এই কাজে এনসিবির সঙ্গে যথেষ্ট সহযোগিতা করেছেন তিনি। জেল থেকে বেরিয়ে মানুষের জন্য কাজ করার প্রতিজ্ঞা করেছেন তিনি। এনিসবির সামনে নিজের ভুল স্বীকার করেছেন শাহরুখ-পুত্র। জেল থেকে বেরিয়ে তিনি কী করবেন এই প্রসঙ্গে বলেছেন, জেল থেকে বেরিয়ে, স্বাভাবিক জীবনে সমাজের দুঃস্থ মানুষদের জন্য কাজ করব। পিছিয়ে পড়া মানুষদের মূলস্রোতে ফেরানোর চেষ্টা করব। এছাড়া তিনি আরও জানান এমন কোনও খারাপ কাজ করবেন না যার জন্য তাকে নিয়ে আবার আলোচনা শুরু হয়। এনসিবি-র মুম্বই ইউনিটের ডিরেক্টর সমীর ওয়াঙ্কেদাকে আরিয়ান কথা দিয়েছেন, একদিন গর্ব করার মতো কাজ করবেন তিনি।

অক্টোবর ১৭, ২০২১
রাজ্য

Corona: পুজোর মুখে বাংলায় ফের বাড়বাড়ন্ত করোনার

পুজোর মুখে ফের আতঙ্ক বাড়াচ্ছে রাজ্যে কোভিডের সংক্রমণ। পর পর চারদিন সাতশোর উপরে একদিনের সংক্রমণ রয়েছে। একই সঙ্গে মৃত্যুও দুই সংখ্যার নিচে নামেনি। শুক্রবার রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর যে বুলেটিন প্রকাশ করেছে, তাতে একদিনে সংক্রমিতের সংখ্যা ৭০৮ জন। মৃত ১৩। এদিকে, পুজোয় সংক্রমণের রাশ নিয়ন্ত্রণে রাখতে জমায়েত এড়াতেই শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, এ বছরও গতবারের মতো পুজো মণ্ডপে নো এন্ট্রি। এবারও পুজো মণ্ডপে প্রবেশ করা যাবে না। করোনার সংক্রমণে পুজো মণ্ডপগুলিতে যাতে কোনও ভাবেই স্বাস্থ্যবিধি অমান্য না করা হয়, সেই দাবিতেই আদালতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল।গত ২৪ ঘণ্টায় একদিনে সংক্রমণের শীর্ষে রয়েছে কলকাতা। এখানে সংক্রমিত হয়েছে ১৪৬ জন। মৃত্যু হয়েছে চারজনের। এরপরই উত্তর ২৪ পরগনার নাম। এখানে একদিনে সংক্রমিত ১১৬ জন। মৃতের সংখ্যা এখানেও চার। একদিনের সংক্রমণে তৃতীয় স্থানে হুগলি। এখানে গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমিত হয়েছেন ৬৯ জন। এরপরই রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়ার নাম। পুজোর মুখে করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ে একটা আতঙ্ক রয়েই গিয়েছে। টিকাকরণ হলে বড় বিপদের ঝুঁকি কম ঠিকই। কিন্তু সংক্রমণ হবে না, এমন কথা কোনও বিশেষজ্ঞই দেননি। ফলে শিশু কিংবা যাঁদের বয়সটা অনেক বেশি বা কোমর্বিডিটি রয়েছে, তাঁদের কাছে নতুন করে উদ্বেগ বাড়ার কথা।গত চারদিনে সাতশোর নিচে নামেনি সংক্রমণ। নিঃসন্দেহে যা উদ্বেগের বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। গত ২৮ সেপ্টেম্বর একদিনে এ রাজ্যে সংক্রমিত হয়েছিলেন ৭০৮ জন। মৃত্যু হয়েছিল ১৩ জনের। পরদিন অর্থাৎ ২৯ সেপ্টেম্বর সেই সংখ্যাটা দাঁড়ায় ৭৪৮-এ। মৃত্যু হয় ১৪ জনের। ৩০ সেপ্টেম্বর একদিনে করোনা আক্রান্ত হন ৭৪৯ জন। মৃত্যু হয় ১৫ জনের।

অক্টোবর ০২, ২০২১
শিক্ষা

UPSC: ইউপিএসসি-তে প্রথম দুশোয় বাংলার রিকি ও ময়ূরী

সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় শীর্ষস্থান অধিকার করলেন বিহারের শুভম কুমার। আইআইটি বম্বে থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিটেক করেছেন তিনি। মহিলাদের মধ্যে প্রথম ও সামগ্রিকভাবে দ্বিতীয় হয়েছেন ভোপালের জাগৃতি অবস্তি। ইলেকট্রিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিটেক জাগৃতি চাকরি ছেড়ে সিভিল সার্ভিসের প্রস্তুতি নিয়েছেন। তৃতীয় দিল্লির অঙ্কিতা জৈন। আরও পড়ুনঃ আজ চেন্নাইয়ের কাছে হারলেই কি নেতৃত্ব হারাবেন কোহলি?আদতে বিহারের কাটিহারের বাসিন্দা বছর ২৪-র এই তরুণ। আইএএস অফিসার হওয়ার স্বপ্ন দেখে আসছেন বলে জানালেন শীর্ষ স্থানাধিকারী শুভম কুমার। তিনি বলেন, গ্রামীণ এলাকার উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও দারিদ্র দূরীকরণই তাঁর লক্ষ্য। প্রথম ২০০-জনে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার দ্বারা পরিচালিত সতেন্দ্রনাথ ঠাকুর সিভিল সার্ভিস স্টাডি সেন্টারের দুই পড়ুয়া। তাঁরা হলেন রিকি আগরওয়াল ও ময়ূরী মুখোপাধ্যায়। ৮৭-তম স্থান পেয়েছেন রিকি। ময়ূরী ১৫৯-তম স্থানে রয়েছেন। প্রথম ২৫ জনের মধ্যে রয়েছেন ১৩ পুরুষ ও ১২ মহিলা। সফল ৭৬১ জন প্রার্থীর মধ্যে পুরুষ ৫৪৫ জন ও মহিলা ২১৬ জন। এর মধ্যে সাধারণ শ্রেণির ২৬৩ জন, আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া ৮৬ জন ও অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির ২২৯ জন, তপসিলি জাতি ১২২ জন এবং তপসিলি উপজাতি ৬১ জন রয়েছেন। এবছর সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় বসেছিলেন মোট ৪.৮২ লক্ষের বেশি প্রার্থী। মেইন লিখিত পরীক্ষার সুযোগ পেয়েছিলেন ১০ হাজার ৫৬৪ জন।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১
কলকাতা

BJP: মমতার দুয়ারে লাশ নিয়ে বিজেপি, ধুন্ধুমার কালীঘাট চত্বর

ভবানীপুরে দলীয় প্রার্থীর মৃতদেহ নিয়ে মিছিল করতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়লেন রাজ্যের বিজেপি নেতারা। পুলিশের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগের অভিযোগ তুলে রাস্তার উপরেই শুরু হয় অবস্থান-বিক্ষোভ। এদিকে, বিজেপি নেতার মৃত্যুতদন্তে ইতিমধ্যেই তৎপর হয়েছে সিবিআই। দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী মানস সাহা বুধবার মারা যান। ভোট পরবর্তী সংঘর্ষের ঘটনায় তিনি আহত হয়েছিলেন বলে অভিযোগ। চিকিৎসার জন্য ভর্তি ছিলেন ঠাকুরপুকুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। মঙ্গলবার সেখানেই মারা যান তিনি। মানসের দেহ নিয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মিছিল করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়ির উদ্দেশে যাওয়ার চেষ্টা করেন বিজেপি-র নয়া রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, সাংসদ অর্জুন সিং, ভবানীপুর উপনির্বাচনে দলীয় প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালরা।আরও পড়ুনঃ অত্যাচার, নির্যাতন না হলে বিজেপি ৩০টা আসনও পেত না, দাবি মমতারকালীঘাটে বিক্ষোভ করতে করতে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির দিকে এগিয়ে যান বিজেপি নেতারা। এসপ্ল্যানেড ছাড়িয়ে ভবানীপুর হয়ে তাঁরা মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে মৃত বিজেপি নেতার দেহ নিয়ে উপস্থিত হন সুকান্ত মজুমদাররা। প্রবল বিক্ষোভে থমকে যায় রাস্তা। প্রবল যানজট শুরু হয়। ঘটনাস্থলে ছুটে আসে পুলিশ। সেখানে ফের একপ্রস্থ ঝামেলা শুরু হয় পুলিশের সঙ্গে। পুলিশ সেই মিছিল আটকালে শুরু হয় অশান্তি। এর পর মুখ্যমন্ত্রী বাড়ির অদূরে মানসের দেহ রাস্তায় রেখে বিক্ষোভ শুরু করেন সুকান্তেরা। প্রসঙ্গত, বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি হওয়ার পর বুধবার ভবানীপুরে উপনির্বাচনের প্রচারে গিয়েই পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়েছিলেন সুকান্ত। বৃহস্পতিবারও একই ঘটনা ঘটল।বেশ কিছুক্ষণ ধরে ঝামেলা চলার পর মৃতদেহ সরায় পুলিশ, এরপর মৃত বিজেপি নেতার দাহকার্যের জন্য ক্যাওড়াতলা রওনা দেন নেতারা।উল্লেখ্য, বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনার দিন আক্রান্ত হয়েছিলেন মগরাহাটের বিজেপি প্রার্থী মানস সাহা। তারপর থেকেই শুরু হয় শারীরিক অসুস্থতা। তার পর এদিন সকালে হাসপাতালে প্রাণ হারান বিজেপির মগরাহাট পশ্চিম কেন্দ্রের প্রার্থী মানস সাহা। বিজেপি নেতার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ফের একবার রাজ্যের বিরুদ্ধে ভোট পরবর্তী হিংসায় উস্কানি দেওয়ার অভিযোগে সরব হন সুকান্ত মজুমদাররা।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১
রাজ্য

Post Poll Violence: ভোট পরবর্তী হিংসায় আক্রান্ত মগরাহাটের বিজেপি প্রার্থীর মৃত্যু

ভোট পরবর্তী হিংসার শিকার হয়েছিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট পশ্চিম কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী মানস সাহা। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর গণনা কেন্দ্র থেকে বাড়ি ফেরার পথে তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। সেই থেকেই অসুস্থ ছিলেন। অবশেষে বুধবার ঠাকুরপুকুরের একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর মৃত্যুতে পরিবারের সদস্যরা ভোট পরবর্তী হিংসার দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছেন।আরও পড়ুনঃ হবুচন্দ্র রাজা গবুচন্দ্র মন্ত্রী-র সিক্যুয়েল বানাচ্ছেন দেব?২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মগরাহাট পশ্চিম কেন্দ্র থেকে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা তৃণমূল প্রার্থী গিয়াসউদ্দিন মোল্লার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তিনি। বিজেপির মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার সহ- সভাপতিও ছিলেন মানস সাহা। চলতি বছরের মে মাসের ২ তারিখে ডায়মন্ড হারবার মহাবিদ্যালয়ের ভোট গননা কেন্দ্রে থেকে ফেরার পথে তৃণমূল কংগ্রেসের আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত হন মানস সাহা সহ বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী সমর্থক। সেই দিন থেকেই তিনি অসুস্থ ছিলেন। বুধবার সকালের দিকে আচমকা অসুস্থ বোধ করায় তাঁকে পরিবারের সদস্যরা ঠাকুরপুকুরের একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে নিয়ে যান। সেখানেই বুধবার দুপুরে তার মৃত্যু হয়। তাঁর মৃত্যুতে শোকাহত পরিবার পরিজন। পরিবারের সদস্য ও এলাকার বিজেপি নেতাদের দাবি তৃণমূলের সন্ত্রাসের কারণেই মৃত্যু হয়েছে মানস বাবুর। যদিও সে কথা মানতে চাননি গিয়াসউদ্দিন মোল্লা।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১
দেশ

Corona Update: স্বস্তি দিয়ে দেশে বেশ কিছুটা কমল করোনা সংক্রমণ

ওঠা নামা করছে করোনা সংক্রমণের গ্রাফ। পরপর কয়েকদিন সংক্রমণ তিরিশ হাজারের গণ্ডি ছাড়ালেও গতকালের তুলনায় আরও কমল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন দেশের ২৬,১১৫ জন। বেশ কয়েকদিন পর দেশের দৈনিক সংক্রমণ এতটা কমল। একদিনে করোনার বলি ২৫২জন। গত ২৪ ঘণ্টায় মহামারির কবল থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩৪,৪৬৯ জন।আরও পড়ুনঃ বাবার জন্মশতবার্ষিকীতে বিশেষ ভাবনা অপর্ণা সেনেরগত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৩০ হাজার ২৫৬ জন। গতকাল সেই সংখ্যাটা দঁড়িয়েছিল ৩০ হাজার ৭৭৩। দুসপ্তাহ আগেও হু-হু করে বেড়ে গিয়ে প্রায় ৪৫ হাজারের গণ্ডি ছুঁয়েছিল এই সংখ্যাটা। এরপর এক ধাক্কায় তা কমে দাঁড়ায় ৩৩ হাজারে। পরপর কয়েকদিন সংখ্যাটা ৩০ হাজারের নীচেই ছিল। পরে সংখ্যাটা আবার ৩০ হাজার ছাড়ায়। দেশের মোট আক্রান্তের সংখ্যা এই মুহূর্তে ৩ কোটি ৩৪ লাখ ৭৮ হাজার ৪১৯। গতকাল মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৩ কোটি ৩৪ লাখ ৪৮ হাজার ১৬৩ জন। এদিকে,গতকালের তুলনায় সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যাটা অনেকটাই বেড়েছে। এই সুস্থ হয়ে ওঠার হার ক্রমশ উর্ধ্বমূখী। আজ সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪৩ হাজার ৯৩৮ জন। গতকালে সুস্থ হয়েছেন ৩৮ হাজার ৯৪৫ জন। এদিকে, ওঠা-নামা করছে মৃত্যুর গ্রাফ। আজ এক ধাক্কায় মৃত্যু কমে ২৯৫-এ দাঁড়িয়েছে। গত দুদিন আগেও দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা ৩০০ ছাড়িয়েছিল। গতকাল সেই সংখ্যাটা ছিল ৩০৯।আক্রান্তের নিরিখে দেশের মধ্যে সপ্তম স্থানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। বিগত কয়েকদিন ধরে সাতশোর আশেপাশে ঘোরাঘুরি করছিল সংক্রমণের গ্রাফ। আজ সামান্য স্বস্তি দিয়ে তা কমে ৬০০ হল। গত ২৪ ঘণ্টায় এ রাজ্যে আক্রান্ত হয়েছেন ৬৩৫জন। সরকারি তথ্য বলছে মোট মৃত্যু হয়েছে ১৮ হাজার ৬৫২ জনের। এদিকে, উত্তরপ্রদেশের মতো বড় রাজ্যে কিন্তু সংক্রমণের রিপোর্ট অনেকটাই কম। গোটা রাজ্যে দৈনিক মোট আক্রান্ত হয়েছেন মাত্র ১৭ জন। বিগত এক সপ্তাহ ধরে এই রাজ্যে মৃতের সংখ্যা ৫০ এর নীচেই রয়েছে। তবে মোট মৃতের সংখ্যা ২২ হাজারের আশে পাশেই ঘোরাঘুরি করছে। অন্যদিকে, রাজধানী দিল্লিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২৮ জন। তবে কেরলে হু হু করে বাড়ছে সংক্রমণের হার।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১
রাজনীতি

Suvendu Adhikari: রাজ্যসভায় প্রার্থী দেবে না বিজেপি

আসন্ন রাজ্যসভার ভোটে প্রার্থী দিচ্ছে না বিজেপি। টুইট করে নিজেই সোমবার এমনটা জানিয়েছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। উল্লেখ্য, মানস ভুঁইয়ার ছেড়ে যাওয়া আসনে আগামী ৪ অক্টোবর ভোট। সেই আসনে তৃণমূলের প্রার্থী সুস্মিতা দেব। একদিকে সোমবার যখন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ পদপ্রার্থী মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন। অন্যদিকে তখন বিজেপির বিধায়ক-বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী টুইটারে জানালেন, রাজ্যসভায় আমরা কোনও প্রার্থীর মনোনয়ন জমা দেব না। কারণ হিসাবে, শুভেন্দু জানান তাঁদের পাখির চোখ ভবানীপুরের উপনির্বাচন। যদিও ঘাসফুল শিবিরের দাবি, হার নিশ্চিত জানলে কেউ কি আর প্রার্থী দিতে চায়।BJP will not nominate any candidate for Rajyasabha bypoll due in West Bengal. Outcome is predetermined. Our focus is to make sure unelected CM to be unelected once again. Jai Ma Kali. Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) September 20, 2021সোমবার টুইট করে শুভেন্দু লিখেছেন, পশ্চিমবঙ্গে রাজ্যসভার উপনির্বাচনে প্রার্থী দিচ্ছে না বিজেপি। এর ফল মোটামুটি স্পষ্ট। নির্বাচিত নন এমন একজন মুখ্যমন্ত্রী যাতে নির্বাচিত না হতে পারেন, আমরা সে দিকে মন দিতে চাই। টুইটারে শুভেন্দু আরও লেখেন, বিজেপি রাজ্যসভার জন্য এ রাজ্য থেকে কোনও প্রার্থী দেবে না। ভোটের ফলাফল পূর্ব নির্ধারিত। বরং আমাকের লক্ষ্য এখন একজন হেরে যাওয়া মুখ্যমন্ত্রীকে আবারও হারানো। জয় মা কালী। এদিন মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার পর সুস্মিতা দেব বলেন, একজন উত্তর পূর্ব ভারতের রাজনীতিককে রাজ্যসভায় জায়গা করে দিয়েছেন মমতাদি। নতুন ইতিহাস হল। আমি মনে করি এর জন্য গোটা উত্তর-পূর্বে একটা আলাদা ইমপ্যাক্ট পড়বে। আমার চেষ্টা থাকবে তৃণমূল কংগ্রেসকে ত্রিপুরা ও অন্যান্য রাজ্যে আরও শক্তিশালী করা। আজ থেকে পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গেও আমার একটা নতুন সফর শুরু হল। আশা করছি সবার জন্য ভাল হবে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
রাজনীতি

BJP Candidate: ভবানীপুরে মমতার বিরুদ্ধে প্রিয়াঙ্কা

শেষমেশ ভবানীপুর উপনির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী ঘোষণা করল বিজেপি। ওই কেন্দ্রে রাজ্য বিজেপি-র যুবনেত্রী প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়ালকে প্রার্থী করল গেরুয়াশিবির।মমতার বিরুদ্ধে কাকে প্রার্থী করা হবে, তা নিয়ে একটা দোলাচল সৃষ্টি হয় দলের অন্দরে। বিজেপি-র অনেক বড় নেতাই মুখ ফিরিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। যাঁদের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে মিঠুন চক্রবর্তীও ছিলেন। কিন্তু তিনি মমতার বিরুদ্ধে না দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন বলে গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর পাওয়া গিয়েছিল। ফলে কাকে দাঁড় করানো হবে, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত শুক্রবার আইনজীবী প্রিয়াঙ্কাকেই প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করল বিজেপি। যদিও প্রিয়াঙ্কাকে ওই পদে প্রার্থী করা হতে পারে বলে একটা জল্পনা চলছিল। ঘটনাচক্রে প্রিয়াঙ্কা শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ। সেই জল্পনাকে সত্যি করেই নাম ঘোষণা করল পদ্মশিবির।আরও পড়ুনঃ ১৬ বছর বাদে দোষী সাব্যস্ত মূল অভিযুক্ত২০১৪ সালে বিজেপিতে যোগ দেন আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা টিবরেয়াল। একসময়ে বাবুল সুপ্রিয় আইনি পরামর্শদাতা ছিলেন তিনি। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে তাঁকে এন্টালি থেকে প্রার্থী করা হলেও সেখানে প্রায় ৫৮ হাজার ভোটে তৃণমূল প্রার্থী স্বর্ণকমল সাহার কাছে হেরে যান বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল। উল্লেখ্য, ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় সিবিআই তদন্তের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন তিনি। হাইকোর্টও তাতে মান্যতা দেয়। ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁকে দাঁড় করানো একপ্রকার পুরস্কারস্বরূপই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২১
রাজ্য

CPIM: ভবানীপুরে মমতার বিরুদ্ধে আইনজীবী প্রার্থী দিল সিপিএম

ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে বামেদের প্রার্থী হচ্ছেন শ্রীজীব বিশ্বাস। বুধবার সিপিএমের রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠকে তাঁর নাম চূড়ান্ত হয়। এর পর দলের তরফে শ্রীজীবের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ৩১ বছরের শ্রীজীব পেশায় আইনজীবী। ছাত্রাবস্থা থেকেই বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তিনি ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রেরই বাসিন্দা। চার মাসে আগে বিধানসভা ভোটে জোটের প্রার্থী হিসেবে ভবানীপুরে লড়েছিল কংগ্রেস। উপনির্বাচনেও ওই কেন্দ্রটি কংগ্রেসকে ছাড়ার কথা জানিয়েছিল বামেরা। সোমবার প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর উপস্থিতিতে বিধানভবনে প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব বৈঠক করেন। সেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, ভবানীপুরে বামেদের সমর্থনে ভোটে লড়াই করা হবে। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ভার কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধিকে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু মঙ্গলবার এআইসিসি-র তরফে অধীরকে জানানো হয়, ভবানীপুরে কংগ্রেস প্রার্থী দেবে না। কোনও প্রচারও করবে না। এর পরই রাতে সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী ভবানীপুর কেন্দ্রে বামেরা লড়বে বলে জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বুধবার চূড়ান্ত হল শ্রীজীবের নাম।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

“দুই-তৃতীয়াংশ নিয়ে ফিরছি”, ভোট দিয়েই সাফ জানিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

দ্বিতীয় দফার ভোটে সবার নজর ছিল ভবানীপুর কেন্দ্রে। এই কেন্দ্রে মুখোমুখি লড়াই করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারী। সকাল থেকেই দুই প্রার্থীই বুথে বুথে ঘুরে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছেন।ভোটের শেষ লগ্নে মিত্র ইনস্টিটিউশনে ভোট দিতে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুথে ঢোকার আগে তিনি জয়চিহ্ন দেখান এবং জয়ের ব্যাপারে সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এবার তাঁর দল দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করবে।ভোট দিতে এসে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, গত রাত থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী অত্যাচার চালাচ্ছে। মহিলাদের মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। আরামবাগ, খানাকুল এবং গোঘাটের মতো জায়গাতেও একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে বলে জানান তিনি। তাঁর কথায়, এই ধরনের কাজ কেন্দ্রীয় বাহিনীর দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না।ভোটের দিন সকালেই কালীঘাটের বাড়ি থেকে বেরিয়ে চেতলা এলাকায় যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর পদ্মপুকুর রোড দিয়ে যাওয়ার সময় একটি বুথের সামনে গাড়ি থামিয়ে নেমে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন তিনি।এই বিষয় নিয়ে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, চাপের মুখে পড়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটের সকালে বেরিয়েছেন। তিনি বলেন, পরিস্থিতি না হলে এমনটা হতো না।এদিকে দুপুর তিনটে পর্যন্ত দ্বিতীয় দফার ভোটদানের হার ছিল ৭৮.৬৮ শতাংশ। প্রথম দফায় একই সময়ে ভোট পড়েছিল ৭৮.৭৭ শতাংশ। দ্বিতীয় দফায় সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলায় এবং সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে কলকাতা দক্ষিণে।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
কলকাতা

“ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার ভোট কোথায়?”—ভোট দিয়ে প্রশ্ন তুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

বুধবার বিকেল চারটে নাগাদ ভবানীপুর কেন্দ্রের মিত্র ইনস্টিটিউশনে ভোট দেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোট দিয়ে বেরিয়েই তিনি কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলেন।তিনি দাবি করেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার করছে। তাঁর অভিযোগ, কাউকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে না, মহিলাদেরও মারধর করা হয়েছে, এমনকি শিশুদেরও রেহাই দেওয়া হয়নি। তাঁর কথায়, এই ঘটনা গত রাত থেকেই শুরু হয়েছে। তৃণমূলের কর্মী ও সমর্থকদের গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও এমন কাজ করা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন এবং এটিকে আদালত অবমাননা বলে উল্লেখ করেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাজ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা, কিন্তু তারা একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সাহায্য করছে বলে তাঁর অভিযোগ। তিনি জানান, আরামবাগ, খানাকুল, গোঘাট, ক্যানিং পূর্ব ও পশ্চিমের মতো একাধিক জায়গা থেকে তৃণমূলের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। সকাল থেকেই তিনি সেই সব ঘটনার ছবি সংবাদমাধ্যমকে দেখিয়েছেন।নিজের এলাকায় কী হয়েছে তাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর দাবি, তাঁর পাড়াতেও কেন্দ্রীয় বাহিনী মারধর করেছে এবং অনেককে ভোট দিতেও বাধা দেওয়া হয়েছে। যদিও তিনি সাধারণ মানুষকে শান্ত থাকার আবেদন জানান এবং বলেন, শেষ পর্যন্ত তাঁর দলই জয়ী হবে।মমতা বলেন, তিনি নিজে দেখেছেন কোথায় কীভাবে আচরণ করা হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, তাঁর বিধানসভা কেন্দ্রে এত বাহিনী থাকা সত্ত্বেও কেন ভয় দেখানো হল এবং স্বচ্ছতা কোথায় রইল। তিনি জানান, এমন পরিস্থিতি তিনি আগে কখনও দেখেননি।শেষে তিনি বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে অনেক নির্বাচন দেখেছেন, কিন্তু এ ধরনের নির্বাচন আগে কখনও দেখেননি।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
কলকাতা

ভোট দিয়ে আবেগপ্রবণ রঞ্জিত মল্লিক! “এবারের ভোট খুব দুঃখের”—কেন বললেন এমন কথা?

বুধবার সকাল থেকেই কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় ভোটগ্রহণ চলছে। সকাল থেকেই বুথের সামনে দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি ভোট দিতে দেখা গেল টলিউডের বহু পরিচিত মুখকেও।টালিগঞ্জের গলফ ক্লাব রোডের বাঙুর হাইস্কুলে ভোট দিতে আসেন অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিক ও অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। বহু বছর ধরে নিয়ম করে ভোট দিয়ে আসছেন রঞ্জিত মল্লিক। তিনি জানান, প্রায় ষাট বছর ধরে তিনি কখনও ভোট দেওয়া মিস করেননি। তাঁর কাছে ভোট দেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক অধিকার।তবে এবারের ভোট নিয়ে কিছুটা আক্ষেপের সুর শোনা গেল তাঁর কথায়। ভোট দিয়ে বেরিয়ে তিনি বলেন, তিনি সব সময় ভোট দেন এবং এটিই তাঁর কর্তব্য বলে মনে করেন। কিন্তু এবারের ভোট তাঁর কাছে দুঃখের। তাঁর দাবি, অনেক মানুষ তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি। এমন পরিস্থিতি আগে কখনও দেখেননি বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, শেষ পর্যন্ত যেন ভোট শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।রঞ্জিত মল্লিকের সঙ্গে ভোট দিতে আসা কোয়েল মল্লিক বলেন, প্রত্যেক মানুষের ভোট দেওয়া উচিত। এটি গণতান্ত্রিক অধিকার এবং দেশের উন্নতির জন্য সবার মতামত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, ভোটের দিনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং তিনি চান সবাই যেন শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পারেন।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
কলকাতা

ফলতায় ভোট নিয়ে বড় ধাক্কা! গোটা কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচনের ইঙ্গিত কমিশনের

ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে একাধিক বুথে ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ ওঠায় কড়া অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল জানিয়েছেন, প্রয়োজন হলে গোটা ফলতা কেন্দ্রেই পুনর্নির্বাচন করা হতে পারে।তিনি বলেন, যেসব বুথে ইভিএমে টেপ লাগানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে, সেগুলি ওয়েব কাস্টিং এবং অবজারভারদের রিপোর্ট দেখে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই বিষয়ে কমিশন একেবারে শূন্য সহনশীলতার নীতি নিয়েছে। যেখানে যেখানে অনিয়ম প্রমাণিত হবে, সেখানেই পুনরায় ভোট গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।ফলতার ২৫২, ২৩৫, ২২৬, ১৮৬ এবং ২৪১ নম্বর বুথে ইভিএমে আতর লাগানোর অভিযোগও উঠেছে। এই ঘটনাগুলির রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। বিস্তারিত রিপোর্ট পাওয়ার পর অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে সেই বুথগুলিতে পুনর্নির্বাচন করা হবে। একই ধরনের অভিযোগ মগরাহাট থেকেও এসেছে।কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, পুনর্নির্বাচন হলে তা আগামীকাল বা পরশুর মধ্যেই হতে পারে।সকালে ভোট মোটামুটি শান্তিপূর্ণ থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফলতার বিভিন্ন বুথে অশান্তির খবর সামনে আসে। কয়েকটি বুথে ইভিএমে টেপ লাগানোর অভিযোগ ওঠে। কিছু জায়গায় বিক্ষোভ সামাল দিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে লাঠিচার্জও করতে হয়েছে।এই বিষয়ে মনোজ কুমার আগরওয়াল বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রয়োজন অনুযায়ী পদক্ষেপ করেছে। তিনি আরও জানান, ইভিএমে ইতিমধ্যেই যে ভোট পড়েছে তা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়, তাই অনিয়ম প্রমাণিত হলে পুনরায় ভোট করানোই একমাত্র উপায়।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুরে ভোটের মাঝেই বড় দাবি! “৮০ শতাংশ ভোট হলেই জিতব”—শুভেন্দু

দ্বিতীয় দফার ভোটে সকাল থেকেই নজর ছিল ভবানীপুর কেন্দ্রে। এই কেন্দ্রে মুখোমুখি লড়াই করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার সকাল থেকেই এলাকায় উত্তেজনার ছবি দেখা যায়। কখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাউন্সিলরের বাড়িতে যাচ্ছেন, আবার কখনও শুভেন্দু অধিকারী বিক্ষোভের মধ্যে থেকে নির্বাচন কমিশনে ফোন করে অভিযোগ জানাচ্ছেন।দুপুরের দিকে সংবাদমাধ্যমের সামনে এসে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ফল নিয়ে বড় দাবি করেন। তিনি বলেন, যদি আশি শতাংশ ভোট পড়ে, তাহলে তিনি জিতবেন। আর যদি নব্বই শতাংশ ভোট পড়ে, তাহলে আরও বড় ব্যবধানে জয়ী হবেন বলে তাঁর দাবি। তিনি আরও বলেন, একটি নির্দিষ্ট ওয়ার্ড ছাড়া বাকি সব জায়গায় তিনি এগিয়ে থাকবেন। ওই ওয়ার্ডে কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবস্থা নেওয়ায় পরিস্থিতি বদলেছে বলেও তিনি জানান।শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, ফলতা এলাকায় ইভিএম নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছে, তা নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে প্রধান নির্বাচনী আধিকারিককে জানানো হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি (Suvendu Adhikari)।তিনি অভিযোগ করেন, অনেক জায়গায় ভোট ধীরগতিতে হচ্ছে। প্রয়োজনে অতিরিক্ত ভোটকর্মী ব্যবহার করা উচিত বলেও মত দেন তিনি।এদিকে ভবানীপুরের জয় হিন্দ ভবনের সামনে শুভেন্দুকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে কয়েকশো মানুষ জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। একদিকে জয় বাংলা, অন্যদিকে জয় শ্রীরাম স্লোগানে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সেই সময় নিজের গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে ভিডিও করেন শুভেন্দু অধিকারী এবং পরে নির্বাচন কমিশনে ফোন করে আরও বাহিনী পাঠানোর দাবি জানান।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
কলকাতা

‘সিংঘম’ বনাম ‘পুষ্পা’ বিতর্কে আগুন! শুভশ্রীর মন্তব্যে তোলপাড় রাজনীতি

বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটে নতুন করে শুরু হয়েছে সিংঘম বনাম পুষ্পা বিতর্ক। এই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ফলতা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান এবং ডায়মন্ড হারবার এলাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয় পাল শর্মা। সম্প্রতি তৃণমূল প্রার্থীর বাড়ির সামনে গিয়ে তাঁর হুঁশিয়ারি দেওয়ার একটি ভিডিও সামনে আসার পর থেকেই এই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই ভোট দিতে এসে মন্তব্য করেন অভিনেত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। স্বামী রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে তিনি নিজের আবাসনের বুথে ভোট দেন। ভোট দেওয়ার পর তাঁকে সিংঘম প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে তিনি মনে করেন, সিংহ বা সিংঘম শেষ পর্যন্ত মা দুর্গার পায়ের তলাতেই থাকে। তাঁর কথায়, বাংলায় এমন এক শক্তি রয়েছে, যারই জয় হবে।তিনি সরাসরি কোনও নাম না করলেও তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট যে তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মা দুর্গার সঙ্গে তুলনা করেছেন। এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে।অন্যদিকে রাজ চক্রবর্তীও এই প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া দেন। তিনি বলেন, বাংলাকে বারবার বদনাম করার চেষ্টা চলছে এবং তার জবাব মানুষ ভোটের মাধ্যমে দেবে। তাঁর দাবি, ভোটের ফল বেরোলেই বোঝা যাবে কার সমর্থন বেশি।রাজ আরও বলেন, বাংলার সংস্কৃতি শান্তির এবং এখানে সেই পরিবেশই বজায় থাকবে। তিনি জানান, বাংলায় এমন কোনও পরিস্থিতি নেই যেখানে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বিশেষ ধরনের ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়।এই বিতর্কের মধ্যেই দ্বিতীয় দফার ভোট চলছে এবং ফলাফল ঘোষণার আগে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ছে।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের মধ্যেই বড় অশান্তি! লাঠিচার্জ থেকে ইভিএম কাণ্ডে চাঞ্চল্য

ভোটের আগে থেকেই কড়া নজরদারি শুরু হয়েছিল। উত্তরপ্রদেশ থেকে আসা এক আইপিএস অফিসার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই এলাকায় দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ শুরু হয়। ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মঙ্গলবার রাত থেকেই টানা টহল চালানো হয়। ভোটের দিন আরও সক্রিয় হয়ে ওঠে কেন্দ্রীয় বাহিনী।বুধবার সকালে ডায়মন্ড হারবার এলাকার বিভিন্ন বুথ পরিদর্শন করেন অজয় পাল শর্মা। এরপর তিনি সিআরপিএফ ক্যাম্পে গিয়ে ডিজি জি পি সিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন। সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েই আলোচনা হয়।এরই মধ্যে ফলতার বেলসিংহা এলাকায় একটি বিদ্যালয়ের সামনে লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে জমায়েত ছিল। বারবার সতর্ক করার পরও জমায়েত না সরায় কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।দুপুরের দিকে দক্ষিণ বাসুলনাথ গ্রামে ভোটারদের ভোট দিতে না যাওয়ার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছে যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং এলাকায় টহল শুরু করে, যাতে সাধারণ মানুষ ভয়মুক্তভাবে ভোট দিতে পারেন।অন্যদিকে বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পান্ডা অভিযোগ করেন, ফলতার একাধিক বুথে ইভিএমে টেপ লাগানো হয়েছে। তিনি একটি বুথ পরিদর্শনে গেলে তাঁকে ইভিএম দেখতে দেওয়া হয়নি বলেও দাবি করেন। তিনি জানান, বিষয়টি তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে জানাবেন। একই সঙ্গে বুথ দখল করে রাখার অভিযোগও তোলেন তিনি। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এছাড়া আরও অভিযোগ উঠেছে, ফলতার কয়েকটি বুথে ইভিএমে আতর লাগানো হয়েছে। এই বিষয়টি কমিশনের নজরে এসেছে এবং বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট বুথে পুনরায় ভোট গ্রহণ করা হতে পারে।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
রাজ্য

‘সিংহম’ অবতারে আইপিএস! রাতভর টহলে কড়া বার্তা, দুষ্কৃতীদের নিশানা অজয় পাল শর্মা

ভোটের আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার ও ফলতা এলাকায় নজর কেড়েছেন উত্তর প্রদেশের আইপিএস অফিসার অজয় পাল শর্মা। কঠোর স্বভাবের জন্য পরিচিত এই আধিকারিক এখন একের পর এক এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তাঁর লক্ষ্য, কোনওভাবেই যেন ভোটারদের ভয় দেখাতে না পারে দুষ্কৃতীরা।কয়েক দিন আগে একটি ভিডিও সামনে আসে, যেখানে দেখা যায় ডায়মন্ড হারবারের বিভিন্ন এলাকায় কিছু বাইক বাহিনী ঘুরে বেড়িয়ে ভোটারদের ভয় দেখাচ্ছে। সেই অভিযোগ সামনে আসতেই দ্রুত পদক্ষেপ করে নির্বাচন কর্তৃপক্ষ। এরপরই অজয় পাল শর্মাকে সেখানে দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং তিনি সঙ্গে সঙ্গেই মাঠে নেমে পড়েন।মঙ্গলবার দিনভর এবং রাতেও তাঁকে বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় টহল দিতে দেখা যায়। তাঁর সঙ্গে ছিল সাঁজোয়া গাড়ি, প্রচুর কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান এবং আধিকারিকরা। সরিষা, ডায়মন্ড হারবার ও ফলতা জুড়ে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। চারদিকে টহল ও কড়া নজরদারির ছবি সামনে এসেছে।এরই মধ্যে তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান-এর বাড়ির সামনে গিয়ে অজয় পাল শর্মার সতর্কবার্তা দেওয়ার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে তাঁকে বলতে শোনা যায়, মানুষকে যেভাবে ধমকানো হচ্ছে, তার ফল ভালো নাও হতে পারে।এই মন্তব্যের জবাবে জাহাঙ্গীর খান জানান, তিনি কোনওভাবেই ভয় পাবেন না। তাঁর দাবি, বাইরের চাপ বা ভয় দেখিয়ে তাঁকে দমিয়ে রাখা যাবে না। এলাকায় তাঁর সমর্থকেরাও ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছেন বলে তিনি জানান।সব মিলিয়ে ভোটের আগে এলাকায় উত্তেজনা বাড়লেও অজয় পাল শর্মা যে কড়া অবস্থান নিয়েই কাজ করছেন, তা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। নিরাপত্তা জোরদার করতে তিনি এক মুহূর্তের জন্যও ঢিল দিচ্ছেন না বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।

এপ্রিল ২৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal