সম্প্রতি আফগানিস্তানে সংবাদ চিত্র সংগ্রহ করতে গিয়ে নিহত হন পুলিৎজার বিজয়ী ভারতীয় চিত্র সাংবাদিক দানীশ সিদ্দিকী। তাঁর স্মরণে আজ কলকাতা প্রেস ক্লাবে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কলকাতার সাংবাদিক ও চিত্র সাংবাদিকরা বহু সংখ্যায় উপস্থিত হয়ে নিহত চিত্র সাংবাদিকের স্মৃতিতে মোমবাতি জ্বেলে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।আরও পড়ুনঃ কান্দাহারে নিহত পুলিৎজার জয়ী ভারতীয় চিত্রসাংবাদিকএই বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রয়াত দানীশ সিদ্দিকীর উল্লেখ্যোগ্য চিত্র সংগ্রহ অভিযানগুলি তুলে ধরা হয়। উপস্থিত সাংবাদিক ও চিত্র সাংবাদিকরা তাদের প্রয়াত সহযোদ্ধার স্মৃতিতে একমিনিট নীরবতা পালন করেন।
ক্যাডবেরিতে রয়েছে গোমাংস! আর এমন গুজব ছড়িয়েই দেশজুড়ে ক্যাডবেরি সংস্থার সব ধরনের চকোলেট না কেনার ডাক দেওয়া হয়েছে। সংস্থার কিছু খাবারে জেলাটিন ব্যবহার করা হয়। সে কথা উল্লেখ করা আছে সংস্থার ওয়েবসাইটে। সে অংশের একটি ছবি ঘুরতে থাকে টুইটারে। তা নিয়েই এই বিতর্ক। আরও পড়ুনঃ বড়সড় সমস্যায় মোশাররফ করিম সহ আরও অনেকেজেলাটিন তৈরি হয় গোমাংস থেকে। এমন জিনিস ভারতীয় হিন্দুরা খাবেন কী না, এমন সব প্রশ্ন তুলে সংস্থার উপরে অনেকেই রাগ উগরে দেন নেটমাধ্যমে। ওয়েবসাইটের সেই অংশের ছবির নীচে জানতে চাওয়া হয় ঘটনাটি সত্যি কিনা। সঙ্গে ট্যাগ করা হয় ক্যাডবেরি ইউকে-কে। এ কথা যদি সত্যি হয়, তবে গোরুর চর্বি থেকে তৈরি কোনও খাবার ভারতের হিন্দুদের খাওয়ানোর জন্য ক্যাডবেরি সংস্থার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলেও দাবি ওঠে। এক নেটাগরিক লেখেন, আমাদের পূর্ব পুরুষেরা নিজেদের প্রাণ দিয়েছেন, তবু গোরুর মাংস মুখে তোলেননি কখনও। এর নীচেই কয়েকশো নেটাগরিকের বক্তব্য জমতে থাকে। এমন কাণ্ডের পরে ব্রিটেনের এই সংস্থার সব খাবার একেবারের বর্জন করা উচিত বলেই বক্তব্য প্রকাশ করেন তাঁরা।pic.twitter.com/798qgPozsF Cadbury Dairy Milk (@DairyMilkIn) July 18, 2021সংস্থার তরফে এর উত্তরও দেওয়া হয়েছে। ক্যাডবেরি ডেয়ারি মিল্ক বিষয়টি ব্যাখ্যা করে জানিয়েছে, ভারতে যে সব খাবার বিক্রি করে ওই সংস্থা, তা পুরোপুরি নিরামিষ। ওয়েবসাইটের যে অংশের ছবি টুইটারে ঘুরছে, তা আদৌ ভারতের কোনও সামগ্রীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। তাদের তরফে উল্লেখ করা হয়, যে কোনও চকোলেটের মোড়কে সবুজ একটি চিহ্ন থাকে। তা বুঝিয়ে দেয় যে সেই খাবারটি নিরামিষ। ভারতে তেমন চকোলেটই পাঠানো হয় বলে দাবি সংস্থার।
সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে উচ্চ প্রাথমিকের ইন্টারভিউ (Upper Primary Interview)। ১২০০ থেকে ১৫০০ চাকরিপ্রার্থীকে ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকা হবে বলে জানা গিয়েছে। শুধু তাই নয়, এত সংখ্যক চাকরিপ্রার্থীকে প্রত্যেকদিন ইন্টারভিউতে ডাকার জন্য একাধিক ইন্টারভিউ বোর্ড গঠন করছে স্কুল সার্ভিস কমিশন। ২৮টি ইন্টারভিউ বোর্ড গঠন করা হয়েছে বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে।৪ অগস্ট পর্যন্ত ইন্টারভিউ নেওয়া হবে। চাকরিপ্রার্থীদের সুবিধার জন্য চালু করা হয়েছে কয়েকটি হেল্পলাইন নম্বর। সেগুলি হল ৯০৫১৭৬৪০০, ৯০৫১৭৬৫০০, ৯৮৩০৪৫৪২১৮, ৯৮৩০৪৫৪২১৯৷ যদিও কমিশনের তরফে দাবি করা হচ্ছে, ইদের কারণেই কমিশন ২০ এবং ২১ জুলাই কোনও ইন্টারভিউ রাখেনি।আরও পড়ুনঃ দুর্গাপুরে দিদিকে ইট দিয়ে থেতলে খুন, গ্রেফতার ভাই২২ জুলাইয়ের পর থেকেই দৈনিক এক হাজারেরও বেশি চাকরিপ্রার্থীকে দুটি পর্যায়ে ইন্টারভিউতে ডাকা হবে। ৩১ জুলাইয়ের যে সময় সীমা আগেই আদালত বেঁধে দিয়েছিল, তারা আশা করছে সেই সময়ের মধ্যেই প্রক্রিয়া শেষ করতে। আজ, সোমবার থেকে ইন্টারভিউ শুরু করে কমিশন ডিভিশন বেঞ্চে এই বিষয়টি উল্লেখ করবে।
পাখিরাও বোধহয় ভেবে নিয়েছে কিচির মিচির ডাকে পুলিশ বাবুদের খুশি করতে পারলে তারা নিরাপদ আশ্রয় পাবে! পাখিদের সেই ভাবনা যে ভুল ছিল না তা শনিবার স্বচক্ষে দেখা গেল পূর্ব বর্ধমানের নাদনঘাট থানায় পৌছে। পাখিদের কিচির মিচির ডাকে খুশি হয়ে পুলিশ বাবুরাই এদিন অসংখ্য ঝুড়ি থানা চত্তরে থাকা প্রকাণ্ড বটগাছটির ডালে ডালে ঝুলিয়ে দিলেন তাদের বাসা তৈরির সুবিধার্থে। পুলিশবাবুদের এমন পক্ষি প্রেম এলাকার মানুষজনের মন কেড়ে নিয়েছে। নাদনঘাট থানার সকল পুলিশ কর্মীরাও চাইছেন তাঁদের থানা চত্ত্বরে থাকা বটবৃক্ষই হয়ে উঠুক সকল পাখিদের নিরাপদ আশ্রয় স্থল। আর তারা যেন সকল বিকাল কিচির মিচির ডাকেই পুলিশ কর্মীদের মন ভরিয়ে রাখে।আরও পড়ুনঃ মুকুল রায়ের বিধায়কপদ খারিজ শুনানি: এবার আদালতেরও আশ্রয় নেব, বললেন শুভেন্দুনাদানঘাট থানার অদূরে রয়েছে পূর্বস্থলীর চুপীর পাখিরালয়। প্রতিবছর শীত পড়তেই দেশ বিদেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে উড়ে এসে ওই পাখিরালয়ে ভিড় জমায় প্রায় ৬০-৭০ প্রজাতির পাখি। পর্যটকরা ওই সময়ে রঙ বে রঙের পাখি দেখার টানে চুপীর পাখিরালয়ে হাজির হন। পর্যটকরা পাখি দেখে মুগ্ধ হন। তবে শীত না পড়লেও এই সময়ে অদ্ভুত ভাবেই দলে দলে পাখি আশ্রয় নিয়েছে নাদনঘাট থানা চত্ত্বরে থাকা প্রকাণ্ড বটবৃক্ষটিতে। আর তাতেই খুশিতে মাতোয়ারা থানার বড়বাবু থেকে শুরু করে সকল পুলিশ কর্মী। খুশি এলাকাবাসীও।আরও পড়ুনঃ নিশীথের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্নচিহ্ননাদনঘাট থানার পুলিশ কর্মীদের কথায় জানা গিয়েছে, কিছুদিন হল তাঁদের থানা চত্ত্বেরে থাকা প্রকাণ্ড বটগাছটিতে বিভিন্ন ধরণের পাখির আনাগোনা শুরু হয়। দিন গড়ানোর সাথে সাথে বটগাছটিতে পাখিদের ভিড় আরও বড়তে শুরু করে। বিভিন্ন পাখির বিভিন্ন রকম ডাক মন ভরিয়ে দেয় থানার পুলিশ কর্মীদের। পুলিশ কর্মীরাও তাই পাখিদের নিয়ে কিছু একটা করায় ব্যাপারে উদগ্রীব হয়ে ওঠেন। কারণ পুলিশ কর্মীরা কেউ চাইছিলেন না থানা চত্ত্বরের বট গাছ ছেড়ে পাখিরা অন্য কোথাও চলে যাক। ওসি সুদীপ্ত মুখোপাধ্যায় তাই নিজে উদ্যোগ নিয়ে এদিন পাখিদের বাসস্থান গড়ার সুবিধার্থে বটগাছটির ডালে ডালে ঝুড়ি ঝুলিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। পাখিদের পিপাসা মেটানোর জন্যে বটগাছ সন্নিকটে মাটির পাত্রে জল রাখার ব্যবস্থাও করে দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুনঃ হিজবুল মুজাহিদিনের নামে হুমকির সিডি রায়গঞ্জে, হুঙ্কার প্রাথমিকে নিয়োগ নিয়েওসি সুদীপ্ত মুখোপাধ্যায় বলেন, কিছুদিন যাবৎ বিভিন্ন রঙের পাখি বট গাছটিতে বসতে শুরু করে। পরে পাখিদের আনঅগোনা বাড়ে। তা দেখে থানার সকলেই খুশি হন। । নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশ পেলে তাঁদের থানা চত্ত্বরের বটবৃক্ষে আরও অনেক পাখি জড়ো হবে, পাখিরা পুলিশ কর্মীদের পাশাপাশি এলাকাবসীকেও মুগ্ধ করবে। এমন প্রত্যাশা নিয়েই এদিন গাছের ডালে ডালে পাখিদের বাসা তৈরীর সুবিধার্থে ঝুড়ি ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে ।
একদিকে স্বস্তি, অন্যদিকে অস্বস্তি। কলকাতায় সাড়ে তিন মাসে এই প্রথম করোনায় দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা শূন্যে এসে ঠেকল। অন্যদিকে, রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণে শীর্ষে রয়েছে দার্জিলিং। গত ২৪ ঘণ্টায় পাহাড়ে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮৯ জন। আরও পড়ুনঃ বিজেপি সমর্থকের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর-লুট, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন তৎপর হতেই গ্রেপ্তার চারশনিবার রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর প্রকাশিত বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৮৯৯ জন। এর ফলে রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে ১৫ লক্ষ ১৭ হাজার ৩৮০-তে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে মোট ৮ জনের। এর মধ্যে দুজন নদিয়ার বাসিন্দা, দুজন পশ্চিম বর্ধমানের, তিন জন হুগলির ও এক জন উত্তর ২৪ পরগনার। রাজ্যে মোট করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ৯৮৮-তে। আরও পড়ুনঃ মঙ্গলকোট-কাণ্ডে তদন্তভার সিআইডি-ররাজ্যে সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা সামান্য কমে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৩৩৩-এ। সংক্রমণের হার নেমে এসেছে ১.৫৫ শতাংশে। জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যান বলছে, উত্তরবঙ্গে ক্রমে বাড়ছে সংক্রমণ। রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণের শীর্ষে পৌঁছে গিয়েছে দার্জিলিং। আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, এই জেলায় দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা যথাক্রমে ১৭, ৪৫, ৮৯, ৪২, ৫৭। উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ১০ করে। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলির মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনায় দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ৮৮, কলকাতায় ৬২, বাঁকুড়ায় ৭২, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে ৬৪।
বৃক্ষরোপণ করতে গিয়ে চক্ষু তো প্রায় চড়কগাছ। সেখানে মিললো মানুষের মাথার আস্ত খুলি। শুক্রবার বিকেলে হাওড়ার ৪২ নম্বর ওয়ার্ডে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে। সেইসময় তৃণমূল কর্মীদেরই প্রথমে নজরে আসে বিষয়টি। পাওয়া যায় মানুষের আস্ত একটা খুলি।খবর রটে যেতেই দালালপুকুর সংলগ্ন ওই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। লোকজন ছুটে আসেন। তৃণমূলের কর্মীরাই চ্যাটার্জিহাট থানায় খবর দেয়। এরপর পুলিশ আসে। খুলিটি পুলিশ উদ্ধার করে। এরপর আশপাশের এলাকায় তল্লাশি শুরু হয়। শরীরের আর কোনও অংশ পাওয়া যায় কিনা তা তল্লাশি করে দেখা হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা যায় এরপর একটি ব্যাগের মধ্য থেকে উদ্ধার হয় পচাগলা কিছু অংশ। যদিও পুলিশের দাবি, শুধু একটা মানুষের মাথার খুলি উদ্ধার হয়েছে। আর বাকি কিছু পাওয়া যায়নি। তবে ওই জনবহুল এলাকায় মানুষের মাথার খুলি কিভাবে এলো তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। খুলিটি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।
করোনার আতঙ্ক কাটিয়ে ওঠার মতো পরিস্থিতি এখনও তৈরি হয়নি। আগামী ১২৫ দিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে সতর্কবার্তা জারি করল কেন্দ্র।কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, এখনও ভারতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তেমনভাবে গড়ে ওঠেনি। সেই কারণেই দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তাই আগামী ১২৫ দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুক্রবার কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে এই কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নীতি আয়োগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সদস্য ভিকে পল জানিয়েছেন, করোনার তৃতীয় ঢেউ আটকাতে স্বাস্থ্যবিধি সঠিকভাবে মেনে চলতে হবে।আরও পড়ুনঃ সব ধরণের ফরম্যাটেই খেলতে চান ভুবনেশ্বর কুমারতিনি বলেন, করোনার বিরুদ্ধে হার্ড ইমিউনিটি এখনও দেশে আসেনি। এখনও নানা জায়গায় সংক্রমণ নজরে পড়ছে। কিন্তু সেই সংক্রমণ আমাদের আটকাতে হবে। সেই কারণেই নিরাপদে থাকা বিশেষ জরুরি। পাশাপাশি তিনি বলেছেন, দেশের সামনে আগামী ১২৫ দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সাংবাদিক বৈঠকে একাধিক দেশের উদাহরণ তুলে ধরেছেন। বলেছেন, এই সময়ের মধ্যে আমাদের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নয়ন করতে হবে। ইতিমধ্যে করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। দেশের প্রধানমন্ত্রীও তা নিয়ে সতর্ক করেছেন। অন্যদেশের পরিস্থিতি থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে।স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব আরও বলেন, আমাদের প্রতিবেশী একাধিক দেশ, যেমন মায়ানমার, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, বাংলাদেশে দ্রুত সংক্রমণ বাড়ছে। মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দ্বিতীয় ঢেউয়ের থেকেও বড় আকার ধারণ করেছে। এমনকী, মাস্ক ব্যবহারে উদাসিনতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। লকডাউনের পরবর্তীতে দেশে মাস্ক ব্যবহার না করার প্রবণতাও ৭৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
কান্দাহারে অশান্ত পরিস্থিতির ছবি তুলতে গিয়ে নিহত হলেন পুলিৎজার জয়ী ভারতীয় চিত্রসাংবাদিক দানিশ সিদ্দিকি। কয়েক আগেই সেখানে গিয়ে আফগান সেনাবাহিনীর সঙ্গে থেকে কাজ করছিলেন তিনি। শুক্রবার সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, কান্দাহারের স্পিন বোলডাক জেলায় সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে নিহত হয়েছেন দানিশ। তিনিই ভারতের প্রথম পুলিৎজার জয়ী চিত্রসাংবাদিক। ২০১৮ সালে সহকর্মী আদনান আবিদির সঙ্গে ফিচার ফোটোগ্রাফিতে পুলিৎজার পুরস্কার পেয়েছিলেন দানিশ। ভারতের রয়টার্সের আলোকচিত্রীদের দলটির প্রধান ছিলেন দানিশ।আরও পড়ুনঃ ফের উত্তপ্ত শ্রীনগর, খতম ২ লস্কর জঙ্গিআন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের প্রধান চিত্র সাংবাদিক ছিলেন দানিশ। টুইটারে এক সাংবাদিকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বৃহস্পতিবার রাতেই গুরুতর জখম হয়েছিলেন দানিশ। তিনি আফগান সেনা শিবিরেই ছিলেন। তাঁকে আহত অবস্থায় শিবিরে রেখেই আফগান সেনারা তালিবান বিরোধী অভিযানে গিয়েছিলেন। কিন্তু শুক্রবার সকালে ফের তালিবানি হামলার মুখে পড়ে আফগান সেনারা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দানিশের। ওই সাংবাদিক নেট মাধ্যমে জানিয়েছেন, দানিশের দেহাবশেষের ছবিও এসেছে তাঁদের কাছে। কিন্তু তাঁরা তা প্রকাশ করছেন না। মুম্বইয়ে বাড়ি দানিশের। বয়স ৪০। জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়ার ছাত্র ছিলেন তিনি। টেলিভিশন সাংবাদিক হিসেবে কেরিয়ার শুরু করলেও পরে চিত্র সাংবাদিকতাকেই পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। ২০১০ সালে রয়টার্সে শিক্ষানবীশ চিত্র সাংবাদিক হিসেবে যোগ দেন। তার ছ বছরের মধ্যেই ইরাকের মসুলের যুদ্ধের ছবি তুলতে যান দানিশ। ২০১৫ সালে নেপালের ভূমিকম্পের ছবিও তোলেন। ২০১৯-২০তে হংকং প্রোটেস্ট, ২০২০ তে দিল্লির দাঙ্গার ছবিও তোলেন এই চিত্র সাংবাদিক।
ক্রাইম পেট্রোলযারা দেখেন তাদের সকলের কাছেই পরিচিত তিনি। তিনি হলেন ক্রাইম পেট্রোল খ্যাত অভিনেত্রী অনন্যা সোনি। যার অভিনয় দর্শকরা বেশ পছন্দ করেন। কিন্তু তিনি এখন ভাল নেই।আরও পড়ুনঃ অনুরাগীর কান্ডে প্রতিবাদ জানালেন বাংলা মেগার পরিচিত মুখ অন্বেষা হাজরাঅসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ক্রাইম পেট্রোল-খ্যাত অভিনেত্রী অনন্যা সোনি। কিন্তু কেবল শারিরীক সমস্যা নয়, পাশাপাশি আর্থিক সঙ্কটেও রয়েছেন অভিনেত্রী। তাই তিনি সোশ্যাল মিডিয়াতেই আর্থিক সাহায্য চেয়েছেন। ২০১৫ সালেই তাঁর দুটো কিডনিই অকেজো হয়ে যায় তাঁর। তখন, তাঁকে একটি কিডনি দিয়ে সাহায্য করেছিলেন তাঁর বাবা। কিন্তু বছর ছয়েক পর ওই একটি কিডনিও এখন আর ঠিক মতো কাজ করছে না। অনন্যা সোনির কথা অনুযায়ী, ওই কিডনিটি মাত্র ২ শতাংশ কাজ করছে এখন। তাই আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন এই অভিনেত্রী। বর্তমানে তিনি মুম্বইএর হোলি স্পিরিট হাসপাতালে ভর্তি। সেখান থেকে তিনি জানিয়েছেন তার বর্তমান অবস্থা একদমই ভাল নয়। কীভাবে তিনি সুস্থ হবেন বুঝতে পারছেন না। মাথায় হাত পড়ে গেছে জানালেন অনন্যা।
তিনি হলেন বর্তমানে বাংলার সবথেকে বড় ইউটিউবার। একডাকে যাকে সবাই চেনে। তিনি হলেন সকলের প্রিয় বং গাই অর্থাৎ কিরণ দত্ত। যার প্রত্যেক ভিডিও মিলিয়ন ভিউ ক্রস করে। কিরণ দত্ত তিনিই জিনি বাংলায় প্রথম ইউটিউবার বিষয়টি নিয়ে এসেছিলেন এবং ইউটিউবারদের জনপ্রিয় করেছিলেন। আজ সেই কিরণ দত্তের জন্মদিন।তবে শুধু কিরণের নয়, আজ তার মনের মানুষ অন্তরারও জন্মদিন। অন্তরা যার আলু- দ্য ফ্রেঞ্চ ফ্রাই নামে ইউটিউবে একটি চ্যানেল রয়েছে। ফেসবুক প্রোফাইলে একটি ছবি পোস্ট করে কিরণ। ছবিতে দেখা যায় বেশ কিছু বয়স্ক ভদ্রমহিলার সঙ্গে রয়েছে সে এবং অন্তরা। ক্যাপশনে লেখে,শুভ জন্মদিন অন্তরা। আমাকেও শুভ জন্মদিন। ধন্যবাদ সবাইকে। কাল থেকে সবার অনেক ভালোবাসা পাচ্ছি। আজ ঠাকুমাদের সঙ্গে ব্যাপক দিন কাটছে। ওদের গল্প না হয় অন্য একদিন বলবো। জনতার কথার পক্ষ থেকেও কিরণ ও অন্তরার জন্য জন্মদিনের অনেক শুভেচ্ছা রইল।
এক বছর ধরে প্রেম করছেন অভিনেত্রী অলকানন্দা গুহ ও পরিচালক মনোজিত মজুমদার। ২০২২ সালে তাদের চার হাত এক হবে এমনটাই জানিয়েছেন। তবে আজকের দিনটা দুজনের কাছে বিশেষ একটা দিন।গতবছর আজকের দিনেই প্রেমে পড়েছিলেন দুই বন্ধু অলকানন্দা ও মনোজিত। আজ তাদের ভালোবাসার বর্ষপূর্তি। এই বিশেষ দিনটি উপলক্ষে নিজের ভালোবাসার মানুষের সঙ্গে রিলস শেয়ার করেছেন বর্তমানে মহাপীঠ তারাপীঠ ধারাবাহিকের মা বিপদতারিণী। তবে শুধু আজ বলে নয়, মাঝেমধ্যেই দুজনে একসঙ্গে বেশ ভাল সময় কাটান। সোশ্যাল মিডিয়ায় রিলস বা কাপল ফটো আমরা দেখতে পাই।বিশেষ দিনটা এখনও পর্যন্ত তার কেমন কাটল জানার জন্য জনতার কথা থেকে অভিনেত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। অলকানন্দা জানালেন,আজ কিছুই করা হয়নি। ও ব্যস্ত ওর কাজ নিয়ে আর আমি আমার কাজ নিয়ে। ও আমাকে কেক ও ফুল পাঠিয়ে দিয়েছে। আমি ওকে রাতে বাড়ি ফিরে ডিনার পাঠিয়ে দেব।
অভিনেত্রী পিয়ালী দাস। আকাশ আটের প্যান্ডেমোনিয়াম থেকে তার অভিনয়ের জার্নিটা শুরু হয়। ২০১৭ সালে এটা ছিল তার প্রথম ধারাবাহিক। দুর্গাপুর থেকে কলকাতা আসা পিয়ালী এরপর ওই চ্যানেলেই রান রনি রান, সত্যমেব জয়তে করেন। এরপর আমি সিরাজের বেগম, প্রথমা কাদম্বিনী, রানু পেল লটারি, জয় বাবা লোকনাথ, পাণ্ডব গোয়েন্দা ইত্যাদি মেগাতে অভিনয় করেছে। প্রথমা কাদম্বিনীর সরোজিনীর চরিত্র দর্শকমহলে বিশেষ প্রশংসাও পায়। আরও পড়ুনঃ পায়েল মুখার্জীর হিন্দি সিনেমা বিশেষ সম্মানে ভূষিতবর্তমানে মেগাতে একটু গ্যাপ দিয়েছেন। তবে খুব শীঘ্রই তার নতুন মেগার কাজ শুরু হতে চলেছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগস্টেই তার নতুন মেগার শুটিং শুরু হবে। একটি ভিন্নধর্মী চরিত্রে দর্শকরা তাকে দেখতে পাবে। এই সিরিয়ালে অভিনয় করতে দেখা যাবে বেশ কিছু পরিচিত মুখকেও। নতুন প্রোজেক্ট নিয়ে পিয়ালী জনতার কথাকে পিয়ালী জানালেন,আমার চরিত্রটা একটা পজিটিভ চরিত্র। একটা নামকরা প্রোডাকশন হাউসই এর প্রোডিউস করছে। তবে এর বেশি কিছু, আমার চরিত্র নিয়ে এখনই বলা যাবে না। কিছুদিন অপেক্ষা করলে দর্শকরা সব জানতে পারবেন।
তিনি শুধুমাত্র টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রীই নন, অনেকেরই ক্রাশ। ২৫-৩০ বছরের ছেলেরাও তাঁর প্রেমে পড়ে। তিনি সেগুলো অ্যাক্সেপ্টও করেন। অর্থাৎ বোঝাই যায় তাঁর বয়স বাড়লেও মনের বয়সটা বাড়েনি।অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র সম্প্রতি তাঁর ইন্সটাগ্রামে একটা ভিডিও শেয়ার করেন। সেই ভিডিওতে ঠিক এরকম। সঞ্জীব নামে এক অনুরাগী তাঁর প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শন করতে চান। শ্রীলেখাও জবাবে বলেন তার সঙ্গে কফি ডেটে যাবেন কিন্তু তার জন্য কিছু শর্ত রয়েছে। আর এই শর্তটা হল, যদি তুমি আমাকেই সত্যিই ভালবাসো, তাহলে রাস্তার কুকুরদের ভালবাসো, তাঁদের সঙ্গে ছবি পোস্ট কর। যদি এমনটা করতে পারো, তাহলে আমি তোমার সঙ্গে কফি ডেটে যাব পাক্কা।এই ভিডিও পোস্ট করে শ্রীলেখা লিখলেন, আমি ভাই পাড়ার পাঁচটা ডগিকে দুবেলা খাওয়াই, এই মুহূর্তে আমার ঘরে একজন ঘুমোচ্ছে।আরও পড়ুনঃ আমি খুব বেশি ফুডি : দেবারতিশ্রীলেখার এই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়েছে। কয়েকদিন আগে একটা ক্লাউড কিচেনের অনুষ্ঠানে গিয়েও তাঁর ভালবাসার কথা বলতে দ্বিধা করেননি এই তিনি। আর করবেনই বা কীভাবে যার এত ফ্যান তাঁকে ভালোবাসার প্রস্তাব দেয় তাদের কীভাবে ফেরাবেন তিনি।
তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যাকে মারধরের অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন বিজেপির দুই কর্মী। ধৃতদের নাম মুক্তিপদ কোলে ও চরণ দাস। পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার বেরুগ্রাম অঞ্চলের হৈবতপুর গ্রামে তাদের বাড়ি। জামালপুর থানার পুলিশ সোমবার রাতে বাড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে। এই ঘটনার জেরে হৈবতপুর গ্রামে রাজনৈতিক উত্তেজনার পারদ চড়েছে। বেরুগ্রাম অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি সেখ আব্দুস সালাম যদিও দাবি করেছেন, ধৃত দুইজনই তৃণমূলের কর্মী। উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে তাঁদের বিজেপি কর্মী তকমা দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুনঃ গুগল পিসেমশাই জন্মদিনের তারিখ ভুল বলছে মনামীরপুলিশ জানিয়েছে, জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যা অঞ্জনা দলুই সোমবার রাত সাড়ে ৮ টা নাগাদ ১০০ দিনের কাজ নিয়ে এলাকার তৃণমূল কার্যালয়ে কয়েকজনের সঙ্গে আলোচনা করছিলেন। অভিযোগ সেই সময় বিজেপির লোকজন রড, লাঠি প্রভৃতি নিয়ে তাঁদের উপর হামলা চালায়। পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যাকে মারধর করা হয়। চোখে আঘাত লাগলে তিনি সংজ্ঞা হারান। তাঁর সোনার হার, কানের দুল ও মোবাইল খোয়া যায়। আক্রান্ত পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যাকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করায় দলের কর্মীরা। ঘটনার কথা জানিয়ে ওই রাতেই অঞ্জনা দলুই জামালপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ বিজেপির দুজনকে গ্রেপ্তার করে। মঙ্গলবার ধৃতদের বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়। তদন্তকারী অফিসারের কাছে সপ্তাহে ১ দিন হাজিরা এবং অভিযোগকারী ও ঘটনার সাক্ষীদের ভীতি প্রদর্শন না করার শর্তে সিজেএম ধৃতদের জামিন মঞ্জুর করেছেন।
চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হবে আগামী ২২ জুলাই, বৃহস্পতিবার। মঙ্গলবার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এমনটাই জানিয়েছে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। সংসদ আরও জানিয়েছে, ২২ জুলাই দুপুর ৩টে থেকে ফলাফল প্রকাশ করা হবে। ওই দিনই বিকেল ৪টে থেকে সংসদের নিজস্ব ওয়েবসাইট-সহ একাধিক ওয়েবসাইটে পরীক্ষার ফলাফল জানা যাবে। সেই সঙ্গে এসএমএস এবং মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমেও তা জানা যাবে। ফলাফল প্রকাশের পরের দিন অর্থাৎ ২৩ জুলাই, শুক্রবার সকাল ১১টা থেকে পরীক্ষার্থীদের মার্কশিট-সহ অন্যান্য শংসাপত্র দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করেছে সংসদ।আরও পড়ুনঃ তোলাবাজ ও চামচাবাজদের নিয়ে দল চলছে, অভিযোগ বর্ধমানের বিজেপি নেতারপরীক্ষার্থীরা www.exametc.com, www.indiaresults.com এই ওয়েবসাইট ছাড়াও WB12 space (roll no) লিখে 56070 এই নম্বরে এসএমএস করে অথবা www.results.shiksha এই মোবাইল অ্যাপ থেকে ফলাফল জানতে পারবেন। ২৩ তারিখ সকাল এগারোটা থেকে পরীক্ষার্থীরা সংশ্লিষ্ট বণ্টন কেন্দ্র থেকে তাদের মার্কশিট সংগ্রহ করতে পারবেন বলে সংসদের তরফে জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, করোনা জেরে চলতি বছরে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা বাতিল হয়ে যাওয়ার পরে বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশে মূল্যায়ন পদ্ধতিতে ফলাফল প্রকাশ করা হচ্ছে।
পঞ্জিকার সময় সারণি মেনেই প্রতিবছর দেশজুড়ে মহাসমারোহে পালিত হয় রথযাত্রা উৎসব। কিন্তু শতাধিক বছরকাল ধরে রথযাত্রা উৎসবের পরের দিন গোঁসাই মতে ব্যতিক্রমী রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে পূর্ব বর্ধমান জামালপুর থানার সেলিমাবাদ গ্রামে। এ বছরও মঙ্গলবার সেলিমাবাদ গ্রামে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বাল গোপাল জীউ- এর রথযাত্রা। হিন্দু, মুসলিম-সহ সকল ধর্ম সম্প্রদায়ের মানুষজন সামিল হন সেলিমাবাদ গ্রামে হয়ে আসা এই রথযাত্রা উৎসবে। এককালের সম্রাট সেলিম খানের আস্তানা সেলিমাবাদ গ্রামে হয়ে আসা এই রথযাত্রাই আজ জেলায় সম্প্রীতির রথযাত্রা উৎসব হিসেবে পর্যবসিত হয়েছে। সেলিমাবাদ গ্রামের প্রবীণ নাগরিকরা জানান, কথিত আছে সম্রাট সেলিম খান বহুকাল পূর্বে আরামবাগ থেকে বর্ধমানের দিকে যাচ্ছিলেন। দামোদরের বাঁধ ধরে যাওয়ার সময়ে পথে তাঁদের গ্রামের বাল গোপাল জীউর মন্দির সংলগ্ন জায়গায় তাঁবু খাটিয়ে তিনি আশ্রয় নেন। পরে পাকাপাকিভাবে তিনি সেখানেই তাঁর আস্তানা গড়ে তোলেন। সেলিম খানের নাম অনুসারে পরে পরবর্তী সময়ে গ্রামটি সেলিমাবাদ গ্রাম নামে পরিচিত হয়ে ওঠে। আরও পড়ুনঃ রথের চাকায় পিষ্ট হয়ে মৃত্যু বালকের ইতিহাস ও পুরাতত্ত্বের কাজে যুক্ত জামালপুর থানা এলাকার বাসিন্দা পূরবী ঘোষ জানান, প্রবাদ আছে, এই গ্রামেই সম্রাট সেলিম খান খালি হাতে বাঘ মেরেছিলেন। কবিকঙ্কন মুকুন্দরামে চণ্ডীমঙ্গল কাব্যেও সেলিমাবাদের নাম উল্লেখ রয়েছে বলে পূরবী ঘোষ জানান। তিনি আরও বলেন, ঐতিহাসিক তথ্য থেকে জানা গিয়েছে,শের আফগানকে হত্যা করার পর তার পত্নী মেহেরুন্নিসাকে সেলিমাবাদ গ্রামের দুর্গা লুকিয়ে রেখেছিলেন সেলিম খান। পরবর্তীকালে এই মেহেরুন্নিসাই নুরজাহান নামে পরিচিত হয়েছিলেন। একইভাবে সম্রাট হওয়ার পর সেলিম খান পরিচিত হয়েছিলেন সম্রাট জাহাঙ্গীর নামে। বিভিন্ন তথ্য ঘেঁটে পূরবী ঘোষ আরও জানান, একদা সেলিমাবাদ গ্রামে হিন্দু ও জৈন এই দুই ধর্মের যথেষ্ট প্রভাব প্রতিপত্তি ছিল। সেই থেকে সেলিমাবাদ গ্রামটি বহু সুপ্রাচীন ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করে আসছে ।এই সেলিমাবাদ গ্রামের মাঝেই রয়েছে বাল গোপাল জীউ মন্দির। মন্দির তৈরির পিছনেও রয়েছে এক প্রাচীন ইতিহাস। জানা গিয়েছে, বহুকাল পূর্বে সেলিমাবাদ গ্রামে বসতি করেছিলেন বৈষ্ণব সাধক দ্বীজবরদাস বৈরাগ্য ও তার স্ত্রী দয়ালময়ী দাসী। গ্রামের প্রবীণ বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক শক্তিপদ সাঁতরা জানান,১৯১৮ সালের পরবর্তী কোন এক সময়ে সেলিমাবাদ গ্রামে এসে সস্ত্রীক বসবাস শুরু করেন দ্বীজবরদাস বৈরাগ্য। ওই বৈষ্ণব সাধক দ্বীজবরদাস বৈরাগ্য নিজের বাড়ির সামনেই মন্দির গড়ে তোলেন। সেই মন্দিরেই তিনি রাধাকৃষ্ণ ও গোপাল ঠাকুরের বিগ্রহের পুজোপাঠ শুরু করেন। তিথি মেনে হওয়া রথ উৎসবের পরের দিন সেলিমাবাদ গ্রামের রথযাত্রা উৎসবের সূচনা দ্বীজবরদাস বৈরাগ্য নিজেই করেছিলেন। সেই প্রথা মেনেই আজও রথের পর দিন রথের পুজোপাঠ সম্পন্ন করে আসছে সেলিমাবাদের বাল গোপাল জীউ সেবা সমিতি। আরও পড়ুনঃ অনিবার্য তৃতীয় ঢেউ, সতর্ক করল আইএমএশক্তিপদ বাবু জানান, পুরীর রথে জগন্নাথ,বলরাম ও সুভদ্রার বিগ্রহের পুজোপাঠ হয়। রথের দিন এই তিন দেবতার বিগ্রহ রথে চাপিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁদের মাসির বাড়িতে। কিন্তু সেলিমাবাদ গ্রামের রথে রাধাকৃষ্ণের প্রস্তর মূর্তি এবং অষ্টধাতুর গোপাল মূর্তির পুজো হয়। তিথি মেনে হওয়া রথযাত্রা উৎসবের পরের দিন সকাল থেকে সেলিমাবাদ গ্রামের বাল গোপাল জীউ মন্দিরে এই তিন দেবতার পূজা পাঠ শুরু হয়। ভক্তদের প্রসাদ ও ভোগ বিতরণ শেষে বিকালে কাঠের তৈরি প্রায় ৩০ ফুট উচ্চতার রথে রাধাকৃষ্ণ মূর্তি ও গোপাল মূর্তি চাপিয়ে গ্রামের রাস্তা ধরে নিয়ে যাওয়া হয় দামোদরের ধারের মাসির বাড়িতে। মাসির বাড়িতে যাওয়ার পথে এই গ্রামের রথে রশিতে টান দেন সকল ধর্ম সম্প্রদায়ের মানুষজন।
রথের চাকায় পিষ্ট হয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হলো প্রথম শ্রেণির এক ছাত্রের। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ছটা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে পুরাতন মালদা থানার মাধাইপুর এলাকায় রূপ সনাতন মন্দির সংলগ্ন মাঠে। করোনা সংক্রমণের মধ্যে মালদায় রথযাত্রায় সাধারণ মানুষের জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও, কিভাবে পুরাতন মালদার মাধাইপুর এলাকায় রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হলো তা নিয়েও বিস্তর অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে । আর ওই এলাকাতেই রথের চাকায় পিষ্ট হয়ে সাত বছর বয়সী এক বালকের মৃত্যুর ঘটনার পর ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।আরও পড়ুনঃ ভামিকার ৬ মাসের ছবি শেয়ার বিরুষ্কারএদিন রথযাত্রা উপলক্ষে মাধাইপুর এলাকার মাঠেই রূপ সনাতন কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে রথযাত্রার আয়োজন করা হয়। আর সেই রথেই নাকি চেপে বসেছিল প্রথম শ্রেণির ওই বালক। এরপর বেসামাল হয়ে রথ থেকে পড়ে চাকার তলে ঢুকে যায় সে। সেই মুহূর্তেই শরীরের ওপর দিয়ে কাঠের চাকা চলে যাওয়ায় পিষ্ট হয়ে যায় ওই ছাত্রটি। ঘটনাস্থলে যায় পুরাতন মালদা থানার পুলিশ । করোনা পরিস্থিতির মধ্যে রথ পরিচালনা করা নিয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। তবে এব্যাপারে রূপ সনাতন মন্দির কর্তৃপক্ষ কোনও মন্তব্য করতে চায়নি।আরও পড়ুনঃ পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির অভিনব প্রতিবাদ, ডোঙার সাহায্যে জল সেচ তৃণমূল বিধায়কেরপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত বালকের নাম সঞ্জয় সাহা, বয়স সাত বছর । তার বাড়ি পুরাতন মালদা পুরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কোর্ট স্টেশন সংলগ্ন বাচ্চাকলোনি এলাকায়। মৃত ছাত্রের বাবা সুমন সাহা, পেশায় রাজমিস্ত্রি। মা শিখা সাহা, গৃহবধূ । এদিন বিকেলে মাধাইপুর এলাকার রথযাত্রা দেখার জেদ ধরেছিল ওই বালক। এরপর মায়ের সঙ্গে সেই এলাকায় রথযাত্রা দেখতে যায়। আর সন্ধ্যায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।আরও পড়ুনঃ ইংল্যান্ডের স্বপ্ন চুরমার করে ইউরো চ্যাম্পিয়ন ইতালিপ্রায় ১২ ফুট উচ্চতার রথের মাথা থেকে নিচে পড়ে চাকার তলে পিষ্ট হয় ওই বালক। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার। এই দুর্ঘটনার পর মুহূর্তের মধ্যেই রথ চালানো বন্ধ হয়ে যায়। মাধাইপুর এলাকার মাঠের মাঝখানে রথ দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। আতঙ্কের জেরে নিমেষের মধ্যে ফাঁকা হয়ে যায় গোটা এলাকা। পরে ঘটনার খবর পেয়ে তদন্তে যায় পুলিশ।আরও পড়ুনঃ আতঙ্ক ছড়াচ্ছে করোনার দোসর জিকা ভাইরাসএদিকে রূপ সনাতন মন্দির কর্তৃপক্ষের এক সদস্য দিবাকর ঘোষ জানিয়েছেন, সরকারি নির্দেশ মেনে রথে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার বিগ্রহকে পূজা দেওয়া হয়েছিল। সেরকমভাবে রথ টানার কোনও ব্যবস্থা এদিন রাখা হয়নি । এরমধ্যে কোথায় কী ঘটে গেল কিছুই বুঝতে পারছি না ।আরও পড়ুনঃ প্রয়াত বলিউড অভিনেতা ও মিমিক্রি শিল্পী মাধব মোঘেঅন্যদিকে, পুরাতন মালদা থানার আইসি হীরক বিশ্বাস জানিয়েছেন, সরকারি নির্দেশ উপেক্ষা করে রথযাত্রা জমায়েত এবং রথ টানা হচ্ছিল কি না সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কিভাবে দুর্ঘটনা ঘটলো সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মৃতদেহ উদ্ধার করে মালদা মেডিক্যাল কলেজের মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি রথযাত্রার যারা উদ্যোক্তা, তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
প্রতিবাদীকে মারধর করার অভিযোগে উত্তেজনা নিশ্চিন্দায়। শনিবার রাতে এক গৃহবধুকে মদ্যপ অবস্থায় কটুক্তি করেছিল কয়েকজন দুষ্কৃতী। সেই ঘটনার প্রতিবাদ করেন তৃণমূলের স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যা। তার জেরেই রবিবার সকালে ওই দুষ্কৃতীরা এসে নিশ্চিন্দার সাঁপুইপাড়া পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্যা রূপা মন্ডলকে বেধড়ক মারধর করে। বাদ যাননি তাঁর স্বামী মনোজ মন্ডলও। চারটি দোকান ভাঙচুর করা হয়। পঞ্চায়েত সদস্যা নিশ্চিন্দা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। রবিবার সকালে ঘটনাটি ঘটে হাওড়ার নিশ্চিন্দার পূর্ব আনন্দনগরে।রবিবার ওই পঞ্চায়েত সদস্যা অভিযোগ করেন, কিছু ছেলে মদ খেয়ে শনিবার রাতে পাড়ার এক মহিলাকে কটুক্তি করছিলো। আমি তার প্রতিবাদ করেছিলাম। তখনকার মতো ছেলেগুলি চলে গেলেও রবিবার সকালে আরও কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এসে ওরা আমার উপর চড়াও হয়। আমার স্বামী বাধা দিতে গেলে ওকেও মারধর করে। দোকান ভাঙচুর করে। খুনের হুমকি দেয়। ওরা সব চকপাড়া এলাকার ছেলে। এই ঘটনার খবর পেয়ে এদিন সেখানে ছুটে যান ডোমজুড়ের তৃণমূল বিধায়ক কল্যান ঘোষ। তিনি বলেন, দুষ্কৃতীদের কোন দল হয় না। এই দূষ্কৃতিদের বিরুদ্ধে প্রশাসনকে ব্যবস্থা নিতে বলেছি। এলাকায় কোনওভাবেই দুষ্কৃতীরাজ বরদাস্ত করা হবে না। এই ঘটনার পরে এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
দুই শহরে বানচাল বড়সড় নাশকতার ছক। কলকাতায় ধরা পড়ল জেএমবি জঙ্গি সংগঠনের একাধিক সদস্য। শনিবার রাতে কলকাতা পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) অভিযান চালিয়ে ওই জঙ্গিদের গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। আপাতত জানা গিয়েছে, ওই জঙ্গিরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের নাগরিক। অন্যদিকে, এদিন সকালেই উত্তরপ্রদেশ পুলিশের জালে ধরা পড়ল দুই আল কায়কা জঙ্গি। গোপন সূ্ত্রে খবর পেয়েই লখনউয়ের কাছ থেকে ওই দুই জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করা হয় রবিবার। কাকোরির একটি বাড়িতে দুই আল কায়দা জঙ্গি ঘাপটি মেরে আছে খবর পেয়েই বলে অভিযান চালায় উত্তরপ্রদেশ এটিএস। পুরো অপারেশনের নেতৃত্ব দিয়েছেন আইজি জিকে গোস্বামী।আরও পড়ুনঃ মারণ রোগমুক্ত জীবন চান? রোজকার ডায়েটে রাখুন কালো খাবারযোগী রাজ্যের পুলিশের ওই অভিযান যখন চলছে উত্তরপ্রদেশে, ঠিক সেই সময়ই কলকাতায় ধরা পড়ল জঙ্গি সংগঠনের একাধিক সদস্য। কলকাতা পুলিশ সূত্রে খবর, জেএমবি-র ৩ জঙ্গিই বড় মাপের নেতা বলে অনুমান করা হচ্ছে। ধৃতরা সবাই বাংলাদেশ থেকে এ রাজ্যে এসেছে। তবে তারা কী কারণে এসেছিল, কোনও জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা ছিল কি না, ওই সদস্যদের সঙ্গে আল কায়দা জঙ্গি গোষ্ঠীর কোনও সম্পর্ক আছে কি না তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। উল্লেখ্য, জেএমবি জঙ্গি গোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যে সন্ত্রাস সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। খাগড়াগড়-কাণ্ড যার সাম্প্রতিকতম উদাহরণ। এ ছাড়া মালদহ ও মুর্শিদাবাদের বেশ কয়েকটি জায়গা থেকে এই সদস্যদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যা থেকে পুলিশ আধিকারিকরা মনে করছেন, এই জঙ্গিগোষ্ঠী যথেষ্ট সক্রিয় রয়েছে। আরও পড়ুনঃ বোল্ড লুকে অভিনেত্রী সুরভী সান্যালঅন্যদিকে, উত্তরপ্রদেশ পুলিশ সূত্রে খবর, এক সপ্তাহ ধরেই ওই দুই আল কায়দা জঙ্গির খোঁজ চলছিল। তাদের আস্তানায় তল্লাশি চালিয়ে দুটি প্রেসার কুকার বোমা, একটি ডেটোনেটর, ৬-৭ কিলোগ্রাম বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে। ঘটনাস্থলে যায় বম্ব স্কোয়াড। আশেপাশের এলাকা খালি করে দেওয়া হয়েছে। পুলিশের অনুমান, বড়সড় হামলার ছক ছিল জঙ্গিদের। ওই এলাকায় আরও জঙ্গি লুকিয়ে আসে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা।
নাসরীন সুলতানাঘরোয়া ক্রিকেটারদের স্বার্থের কথা বিবেচনা করে নতুন ওয়ার্কিং গ্রুপ তৈরি করেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। সেই ওয়ার্কিং গ্রুপে জায়গা পেয়েছেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক মহম্মদ আজহারউদ্দিন ও অভিষেক ডালমিয়া। দিন পনের আগেও নিজের ক্রিকেট সংস্থায় কোনঠাসা ছিলেন মহম্মদ আজহারউদ্দিন। প্রেসিডেন্টের পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দিয়েছিল বিরোধী গোষ্ঠীর কর্তারা। অম্বুডসম্যানের হস্তক্ষেপে আবার নিজের জায়গা ফিরে পান আজহার। এবার ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডে তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দিলেন প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি।আরও পড়ুনঃ পায়েল মুখার্জীর হিন্দি সিনেমা বিশেষ সম্মানে ভূষিতএই ওয়ার্কিং গ্রুপের বড় দায়িত্ব ঘরোয়া ক্রিকেটারদের আর্থিক ক্ষতি কীভাবে মেটানো যায় তা দেখা। রনজি ক্রিকেটাররা প্রতি মরশুমে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা আয় করেন। গত মরশুমে রনজি বাতিল হওয়ায় ক্রিকেটাররা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। কীভাবে ক্রিকেটারদের ক্ষতি পূরণ করা যায় তা ওয়ার্কিং গ্রুপ বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি ও সচিব জয় শাহর সঙ্গে আলোচনা করবে। আজহারউদ্দিন, অভিষেক ডালমিয়া ছাড়াও এই ওয়ার্কিং গ্রুপে রয়েছেন দিল্লির রোহন জেটলি, সৌরাষ্ট্রর জয়দেব শাহ, উত্তরপ্রদেশের যুধবীর সিং, কর্ণাটকের সন্তোষ মেনন, আসামের দেবজিৎ সাইকিয়া।আরও পড়ুনঃ উইম্বলডনের নতুন রানি অ্যাশলে বার্টি, তৈরি করলেন অন্য নজিরকরোনার জন্য গত মরশুমে সব ঘরোয়া প্রতিযোগিতা আয়োজন করতে পারেনি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। এবছর বয়সভিত্তিকসহ সব প্রতিযোগিতা আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। সেপ্টেম্বরে মহিলা ক্রিকেট দিয়ে শুরু হবে মরশুম। করোনা পরিস্থিতিতে জৈব সুরক্ষা বলয় তৈরি করে কীভাবে প্রতিযোগিতাগুলি আয়োজন করা হবে, সে ব্যাপারে নীতি নির্ধারণ করবে ওয়ার্কিং গ্রুপ। এই কমিটি তাদের সিদ্ধান্ত বোর্ডকে জানাবে।আরও পড়ুনঃ স্প্যানিশ তারকা এডু গার্সিয়াকে ছেড়ে দিচ্ছে এটিকেমোহনবাগানএছাড়া আরও কিছু দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে ওয়ার্কিং গ্রুপকে। উত্তরপূর্ব ভারতের ক্রিকেটের উন্নতির বিষয়টিও দেখাশোনা করবে এই ওয়ার্কিং গ্রুপ। ওয়ার্কিং গ্রুপের অন্যতম সদস্য জয়দেব শাহ মনে করেন, গত বছর রনজি বাতিল হওয়ায় ক্রিকেটারদের যে আর্থিক ক্ষতি হয়েছে, তা পুশিয়ে দেওয়া দরকার। এই ব্যাপারে বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি ও সচিব জয় শাহর সঙ্গে পরামর্শ করে এগোবেন বলে তিনি জানিয়েছেন। বয়সভিত্তিক সব ক্রিকেটারদেরো আর্থিক সাহায্য করা উচিত বলে তিনি মনে করেন।